বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

মোট প্রশ্ন১,৩৬৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ৮০১৯০০ / ১,৩৬৬

৮০১.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে কয়টি দেশ?
  1. ক) ১৩০ টি
  2. খ) ১৩২ টি
  3. গ) ১৩৩ টি
  4. ঘ) ১৩৭ টি
ব্যাখ্যা
• অটোয়া চুক্তি:
- অটোয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে 
- স্বাক্ষরকারী দেশ ১৩৩ টি।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে - ৭ মে, ১৯৯৮ সালে এবং অনুমোদন করে ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।
- এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন পরিবহন নিষিদ্ধ।

সুত্র:জাতিসংঘের ওয়েবসাইট
৮০২.
শেনজেন চুক্তি কোন দেশে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ইংল্যান্ড
  2. লিশটেনস্টাইন
  3. লুক্সেমবার্গ
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (EU) চালু হয় 'চারটি স্বাধীনতা', যার আওতায় মানুষ, পণ্য, সেবা এবং অর্থ অবাধে এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাতায়াত করতে পারে।
- ১৯৯৩: ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠনের ভিত্তি স্থাপন করে মাস্ট্রিক্ট চুক্তি
- ১৯৯৯: ইউরোপকে আরও সংহত করে অ্যামস্টারডাম চুক্তি
- এই দশকে অস্ট্রিয়া, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন EU-তে যোগ দেয় (১৯৯৫)।
- শেনজেন চুক্তি লুক্সেমবার্গে স্বাক্ষরিত হয়। 
- লুক্সেমবার্গের একটি ছোট গ্রাম শেনজেন এর নামে নামকরণ করা শেনজেন চুক্তি পর্যায়ক্রমে ইউরোপে পাসপোর্ট-চেক ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ এনে দেয়।
- ২৬ মার্চ ১৯৯৫: সীমান্তহীন যাত্রার শুরু হয়। 
- ৭টি দেশ — বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল ও স্পেন — শেনজেন চুক্তি বাস্তবায়ন করে।
- পাসপোর্ট ছাড়াই এই দেশগুলোর মধ্যে চলাচল করা সম্ভব হয়।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
৮০৩.
কোনটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি?
  1. ক) পেট্রোল
  2. খ) কয়লা
  3. গ) পরমাণু শক্তি
  4. ঘ) প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
যেসব শক্তি বা জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় কিংবা যে সব শক্তি বা জ্বালানির উৎস ব্যবহারে নিঃশেষ হয়ে যায় না তাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা শক্তি বলে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে রয়েছে পরমাণু শক্তি, সূর্যতাপ, বায়ু, বায়োগ্যাস ইত্যাদি। অন্যদিকে পেট্রোল, কয়লা কিংবা প্রাকৃতিক গ্যাস হলো অনবায়নযোগ্য জ্বালানি। (সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৮০৪.
১৯৪৮ সালে স্বাক্ষরিত ব্রাসেলস চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
  1. ৬ টি
  2. ৮ টি
  3. ৯ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
• ব্রাসেলস চুক্তি , (১৯৪৮):
-  ব্রিটেন , ফ্রান্স , বেলজিয়াম , নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি।
- যার ফলে একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা জোট তৈরি হয়।
- এর ফলে ন্যাটো এবং পশ্চিম ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠনের সূত্রপাত হয় ।
-  চুক্তির লক্ষ্য ছিল পশ্চিম ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলি সহযোগিতা করতে পারে তা দেখানো, এইভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পশ্চিম ইউরোপের নিরাপত্তায় ভূমিকা পালন করতে উৎসাহিত করা।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮০৫.
কত সালে CTBT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৫
  2. ১৯৯৬
  3. ১৯৯৭
  4. ১৯৯৮
ব্যাখ্যা

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে: ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে।
- CTBT অনুমোদন করে: ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

৮০৬.
রাসায়নিক অস্ত্র মজুদ, উৎপাদন ও হস্তান্তর নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. CWC
  2. TPNW
  3. OPCW
  4. BWC
ব্যাখ্যা
• রাসায়নিক অস্ত্র মজুদ, উৎপাদন ও হস্তান্তর নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত চুক্তি হলো-CWC(Chemical Weapons Convention)।

• Chemical Weapons Convention (CWC):
• রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তির নাম - Chemical Weapons Convention (CWC)। এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
• এই চুক্তি অনুসারে রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
• যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
• ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
• চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত ও স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
• কার্যকর হয় - ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
• স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৯৩টি।
• CWC বাস্তবায়নে OPCW কাজ করে থাকে।

অন্যদিকে,
- TPNW (The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons) হলো পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- OPCW (Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons) হলো রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা।
- BWC (Biological Weapons Convention)  হলো জীবাণুঘটিত অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ বিষয়ে জাতিসংঘের উদ্যোগে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি।

উৎস: OPCW, UNODA ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮০৭.
'Alliance of Sahel States' কোন তিনটি দেশের জোট?
  1. মালি, চাদ ও সুদান
  2. মালি, ঘানা ও নাইজেরিয়া
  3. মালি, ঘানা ও নাইজার 
  4. বুরকিনা ফাসো, নাইজার ও চাদ
  5. মালি, বুরকিনা ফাসো ও নাইজার 
ব্যাখ্যা

Alliance of Sahel States:
-  Alliance of Sahel States (AES) হলো আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলের তিনটি দেশ মালি, নাইজার এবং বুরকিনা ফাসো-এই তিনটি দেশের একটি জোট।
- এটি একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি যা সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা এবং সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 
- ২০২৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই জোট গঠিত হয়।
-  এই তিন দেশই এখন রুশ ভাড়াটে যোদ্ধাদের সমর্থনপুষ্ট সামরিক সরকারের মাধ্যম শাসিত।
- এই আঞ্চলিক গোষ্ঠীটি বৃহত্তর পশ্চিম আফ্রিকান দেশগুলোর জোট ‘ইকোওয়াস’ (ইসিওডব্লিউএএস) থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
- এই তিন দেশের সরকারের অভিযোগ, ইকোওয়াস আফ্রিকান স্বার্থের বদলে বিদেশি স্বার্থ রক্ষা করছে।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) প্রথম আলো।

৮০৮.
অসলো চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কে কে?
  1. ইয়াসির আরাফাত ও ইতজাক রাবিন
  2. শিমন পেরেজ ও ইতজাক রাবিন
  3. মোনা ইয়ুল ও ইতজাক রাবিন
  4. লুইস হিদালগো ও ইতজাক রাবিন
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। 
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।

উল্লেখ্য,
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।
- এই চুক্তির জন্য ইয়াসের আরাফাত এবং তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন নোবেল শান্তি পুরষ্কারও পেয়েছিলেন।

উৎস: i) ৯ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
         ii) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৮০৯.
ঐতিহাসিক সিমলা চুক্তিতে পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষরকারী কে?
  1. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  2. বেনজীর ভুট্টো
  3. আইয়ুব খান
  4. জেনারেল পারভেজ মোশারফ
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ: ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।

৮১০.
বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির নাম কি?
  1. FTA
  2. PTA
  3. TCA
  4. BFTA
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA)।
০৬ ডিসেম্বর ২০২০, প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে ভুটানের স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেয়ার ঐতিহাসিক দিনে (০৬ ডিসেম্বর ১৯৭১) দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বা পিটিএ (Preferential Trade Agreement) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ ও ভুটান।
এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে বাংলাদেশ ভুটানের বাজারে ১০০টি পণ্যে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা পাবে। আর ভুটান বাংলাদেশের বাজারে তাদের ৩৪ পণ্যে একই সুবিধা পাবে।

উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো।
৮১১.
তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে সমাধান হয় -
  1. ক) পাকিস্তান -ভারত যুদ্ধ
  2. খ) আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  3. গ) ইরাক-ইরান যুদ্ধ
  4. ঘ) ইরাক-কুয়েত যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান -ভারত যুদ্ধ: 
- চার বার সংঘটিত হয়। ১৯৪৭, ১৯৬৫, ১৯৭১, ১৯৯৯।
- ১৯৬৫ সালে কাশ্মীরকেন্দ্রিক এই দুই দেশের যুদ্ধের সমাধান হয় তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে।
- ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই দুই দেশের মধ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৭২ সালে।

 এছাড়াও,
- আরব-ইসরাইল যুদ্ধের মাধ্যমে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শাত- ইল-আরব জল্ধারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয় ইরাক-ইরান যুদ্ধ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮১২.
When did the International Campaign to Abolish Nuclear Weapons win the Nobel Prize?
  1. 2013
  2. 2014
  3. 2015
  4. 2016
  5. 2017
ব্যাখ্যা
ICAN:
- 'ICAN' এর পূর্ণরূপ - International Campaign to Abolish Nuclear Weapons.
- এটি একটি পরিবেশবাদী সংস্থা‌।
- এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে।
- এটি অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- সংস্থাটি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে ২০১৭ সালে।
- ICAN হল এক শতাধিক দেশের বেসরকারী সংস্থাগুলির একটি জোট যা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণের জাতিসংঘের চুক্তি মেনে চলা এবং বাস্তবায়নে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - ICAN এর ওয়েবসাইট।
৮১৩.
UNFCCC এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদরদপ্তর ছিল -
  1. ক) রোম
  2. খ) ভিয়েনা
  3. গ) জেনেভা
  4. ঘ) বন
ব্যাখ্যা
UNFCCC:
জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত রূপরেখা চুক্তি UNFCCC - এর পূর্ণরূপ - United Nations Framework Convention on Climate Change।
- এটি একটি পরিবেশগত চুক্তি যা ১৯৯২ সালের ৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও - তে ধরিত্রী সম্মেলনে (৩ - ১৪ জুন, ১৯৯২) স্বাক্ষরিত হয় এবং এটি কার্যকর হয় ২১ মার্চ, ১৯৯৪ সাল থেকে।

এক নজরে UNFCCC:
- প্রতিষ্ঠাকাল -- চুক্তি স্বাক্ষর - ৪ জুন, ১৯৯২ সাল ও চুক্তি কার্যকর -- ২১ মার্চ, ১৯৯৪ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ -- ১৯৭টি
- সদরদপ্তর -- বন, জার্মানি
- বাংলাদেশ ও UNFCCC -- চুক্তি স্বাক্ষর - ৯ জুন, ১৯৯২ সাল এবং  চুক্তি অনুমোদন - ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সাল।

⤇ Conference of the Parties (COP) - হচ্ছে UNFCCC - এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ। প্রতিবছর COP সম্মেলনের মাধ্যমে UNFCCC - এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা ও জলবায়ু সম্পর্কিত নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
⤇ কার্যক্রম শুরুর পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ইস্যুতে এই চুক্তির দপ্তর মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। এই চুক্তির সেক্রেটারিয়েটের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় ১৯৯৭ সালে কিয়েটো প্রটোকল ও ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
⤇ ১৯৯২ সালে UNFCCC - এর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৫ সাল থেকে সদরদপ্তর - জার্মানির বনে অবস্থিত। তার আগে দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় (১৯৯২ - ৯৫) ছিলো।

তথ্যসূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৮১৪.
Biological Weapons Convention (BWC) কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

Biological Weapons Convention (BWC):
- জৈবিক অস্ত্র কনভেনশন বা Biological Weapons Convention (BWC) হলো একটি আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা জৈব অস্ত্র নিষিদ্ধ করে।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়: ১০ এপ্রিল, ১৯৭২।
- কার্যকর হয়: ২৬ মার্চ, ১৯৭৫।
- সদস্য দেশ: ১৯০টি।
- বিষয়বস্তু: সব ধরনের জীবাণু ও বিষাক্ত অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস সাধন।

উৎস: i) The Nuclear Threat Initiative. 
ii) Arms Control Association ওয়েবসাইট।

৮১৫.
ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১ এর ধারা কয়টি?
  1. ৫৩ টি
  2. ৫০ টি
  3. ৩০ টি
  4. ৪৮ টি
ব্যাখ্যা
• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations. 
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

• মূল উদ্দেশ্য:
- রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও পরিচালনার নিয়ম নির্ধারণ করা।
- কূটনীতিকদের অধিকার ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা।
- কূটনৈতিক মিশন ও ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮১৬.
জেনেভা কনভেনশনে কতটি চুক্তি রয়েছে? 
  1. ৭টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' বলা হয়।

• প্রথম কনভেনশন:
- আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
• দ্বিতীয় কনভেনশন:
- সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে 'হেগ চুক্তি' সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
• তৃতীয় কনভেনশন:
- যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
• চতুর্থ কনভেনশন:
- সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উৎস: ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস।

৮১৭.
নিচের কোন তিনটি দেশ ডেটন চুক্তির স্বাক্ষর করে?
  1. বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া
  2. বসনিয়া, স্লোভেনিয়া, হাঙ্গেরি
  3. রাশিয়া, ইউক্রেন, সার্বিয়া
  4. ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া, মেসিডোনিয়া
ব্যাখ্যা

ডেটন শান্তি চুক্তি:
- ডেটন শান্তি চুক্তি এর পূর্ণনাম General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- এই চুক্তি বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে চুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাই এটি ডেটন চুক্তি নামে পরিচিত। তবে চুক্তিটি ফ্রান্সের প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ারেন ক্রিস্টোফার। চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক ছিলেন রিচার্ড হলব্রোক।
- এই চুক্তির স্বাক্ষরকারী তিনটি পক্ষ ছিল—বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং সার্বিয়া।

চুক্তি স্বাক্ষরকারী প্রতিনিধিরা ছিলেন:
→ বসনিয়ার পক্ষে প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
→ ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
→ সার্বিয়ার পক্ষে স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

উল্লেখ্য,
- ডেটন শান্তি চুক্তি এর খসড়া প্রস্তুত হয় ২১ নভেম্বর ১৯৯৫ সালে এবং চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে প্যারিস, ফ্রান্স-এ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।

৮১৮.
নোবেল বিজয়ী ওরেন কেসিন নিম্নের কোন চুক্তি প্রস্তুত করেন?
  1. ক) জাতিসংঘ সনদ
  2. খ) মানবাধিকার চুক্তি
  3. গ) আইএলও চুক্তি
  4. ঘ) সমুদ্রবিরোধ চুক্তি
ব্যাখ্যা
মানবাধিকার চুক্তি প্রস্তুত করেন নোবেল বিজয়ী ওরেন কেসিন।
- মানবাধিকার চুক্তি ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার সার্বজনীন এর ঘোষণা প্রদান করা হয়।
- এরপর থেকেই ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। - প্রত্যেক মানুষের মানবাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এই সনদ ঘোষিত হয়।

সূত্র: হিস্টরি.কম ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮১৯.
সিয়াটো (SEATO) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৫৪
  2. খ) ১৯৫৫
  3. গ) ১৯৭৭
  4. ঘ) ১৯৯১
ব্যাখ্যা

- Southeast Asia Treaty Organization (SEATO) ম্যানিলাতে ৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪ সালে এক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৫ সালে চুক্তিটি কার্যকর হয়। দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় সমাজতন্ত্রের আগ্রাসন রুখতে এই সামরিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো।
- ১৯৭৭ সালের ৩০ জুন চুক্তিটি বাতিল হয় এবং সিয়াটো বিলুপ্ত হয়।

Source: britannica.com

৮২০.
আটলান্টিক সনদে যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটিশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে কে?
  1. রোনাল্ড রিগ্যান ও মার্গারেট থেচার
  2. জর্জ ডব্লিউ বুশ ও টনি ব্লেয়ার
  3. জিমি কার্টার ও রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও উইনস্টোন চার্চিল
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- এর ফলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।

উৎস: Britannica.
৮২১.
আব্রাহাম চুক্তি কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৩
  2. ২০০০
  3. ২০২০
  4. ১৯৬২
ব্যাখ্যা

আব্রাহাম চুক্তি (Abraham Accords):
- ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের চুক্তি।
- আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ (হোয়াইট হাউস, ওয়াশিংটন ডিসি)।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্র (প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প)।

• প্রধান দেশগুলো:

- ইসরায়েল
- সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE)।
- বাহরাইন।
- পরে যোগ দেয়: সুদান ও মরক্কো।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮২২.
CEDAW সনদের ধারা কতটি?
  1. ১৮টি
  2. ২০টি
  3. ২৮টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা
CEDAW:
– পূর্ণরূপ Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination against Women বা নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপ সনদ।
– স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৭৯ সালে।
– কার্যকর হয়: ১৯৮১ সালে।
– সনদের ধারা ৩০টি।

উৎস: UN Women
৮২৩.
When was the Geneva Convention signed?
  1. ক) On August 12, 1948
  2. খ) On August 12, 1953
  3. গ) On August 12, 1949
  4. ঘ) On August 12, 1955
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন-১৯৪৯ (Geneva Convention):
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে
- স্বাক্ষরের স্থান- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জেনেভা কনভেনশনে ৪টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

• স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে :
১. যুদ্ধক্ষেত্রে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের জীবনের নিরাপত্তা এবং শারীরিক অবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে এই চক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
২. সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত অসুস্থ সৈন্যদের জীবনের নিরাপত্তা এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের অবস্থার সার্বিক উন্নতির লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা এবং চিকিৎসা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
৪. যুদ্ধকালীন বেসামরিক জনগণকে রক্ষার জন্য এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট
৮২৪.
“Framework for Peace in the Middle East” নামে পরিচিত কোন চুক্তি?
  1. ক) পি.এল.ও - ইসরায়েল শান্তি চুক্তি
  2. খ) ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি
  3. গ) ইরান - যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি
  4. ঘ) আরব - ইসরায়েল ঐক্য চুক্তি
ব্যাখ্যা
Camp David Accords, agreements between Israel and Egypt signed on September 17, 1978, that led in the following year to a peace treaty between those two countries, the first such treaty between Israel and any of its Arab neighbours. Brokered by U.S. Pres. Jimmy Carter between Israeli Prime Minister Menachem Begin and Egyptian Pres. Anwar Sadat and officially titled the “Framework for Peace in the Middle East,” the agreements became known as the Camp David Accords because the negotiations took place at the U.S. presidential retreat at Camp David, Maryland.
Source: britannica.com
৮২৫.
'ডেটন চুক্তি' চূড়ান্ত ভাবে স্বাক্ষরিত হয় কোন শহরে?
  1. ক্রিমিয়া
  2. আলাস্কা
  3. প্যারিস
  4. জেনেভা
ব্যাখ্যা

 ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান (চূড়ান্ত ভাবে): প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: Britannica.

৮২৬.
জৈব অস্ত্র কনভেনশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল -
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৭১ সালে
  3. গ) ১৯৭২ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
জৈব অস্ত্র কনভেনশন:
- সাম্প্রতিক সময়ে বহুল আলোচিত একটি বিষয় হচ্ছে জৈব অস্ত্র।
- বিশেষ করে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) ঘটনাটি যখন বিশ্বব্যাপী আলোচনার ঝড় তুলেছিল, তখন জৈব অস্ত্রের বিষয়টি সামনে চলে আসে। অর্থাৎ একটা অভিযোগে ছিল করোনা ভাইরাস একটি জৈব মারণাস্ত্র! জৈব অস্ত্রের মাধ্যমে মানব শরীরে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ফাংগাস ইত্যাদি প্রবেশ করিয়ে তাদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়।
- এর ভয়াবহতা উপলব্ধি করেই ১৯৭২ সালে Biological Weapons Convention (BWC) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
৮২৭.
কত সালে 'INF' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
'INF' চুক্তি:
- INF-এর পূর্ণরূপ: The Intermediate-Range Nuclear Forces.
- এটি হলো মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮৭ সালের ৮ ডিসেম্বর। 
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- স্বাক্ষরকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।

উল্লেখ্য,
⇒ চুক্তিবলে ভূমিতে স্থাপিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়।
- সমুদ্রে ও আকাশে ব্যবহৃত মিসাইল এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
- ১ জুন, ১৯৯১ তারিখ চুক্তির বাস্তবায়নের সময়সীমার মধ্যে দেশ দুটি প্রায় ২৬৯২টি মিসাইল ধ্বংস করে।
- কিন্তু এই চুক্তিটি অকার্যকর হয়ে যায় যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন।
- ২ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে INF চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Arms Control Association. [link]
৮২৮.
অটোয়া চুক্তির বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা
  2. স্থলমাইনের উৎপাদন, ব্যবহার ও মজুদ নিষিদ্ধকরণ
  3. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ
  4. সমুদ্রসীমা নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
• অটোয়া চুক্তি: 
- অটোয়া চুক্তি স্থলমাইনের উৎপাদন, ব্যবহার ও মজুদ নিষিদ্ধকরণের লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- ১৯৯৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর নরওয়ের অসলোতে এই চুক্তি গ্রহণ করা হয়,
- এটি ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে ১৬৪টি দেশ এই চুক্তির অংশীদার।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ এই চুক্তিতে ৭ মে ১৯৯৮ সালে স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালে এটি কার্যকর করে।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮২৯.
সামরিক পরিভাষায় 'WMD' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. War Military Defense
  2. Weapons of Mass Destruction
  3. World Missile Division
  4. Warfare Machine Deployment
ব্যাখ্যা
• WMD:
- WMD-এর পূর্ণরূপ হলো Weapons of Mass Destruction,
- এর বাংলা অর্থ গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে ইরাকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকার আশঙ্কায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট দেশটিতে সামরিক হামলা চালায়।  

উল্লেখ্য, 
- গণবিধ্বংসী অস্ত্র তিন ধরনের হতে পারে— পারমাণবিক (Nuclear Weapon), রাসায়নিক (Chemical Weapon), এবং জীবাণু (Biological Weapon). ১৯৩৭ সালে স্পেনের গৃহযুদ্ধের সময় বোমারু বিমানের ব্যাপক ধ্বংসক্ষমতা বোঝাতে প্রথমবারের মতো "Weapons of Mass Destruction" শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট ও ব্রিটানিকা।
৮৩০.
শেনজেনভুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ কয়টি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২৩টি
  2. ২৫টি
  3. ২৭টি
  4. ২৯টি
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি (Schengen):
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: শেনজেন, লুক্সেমবার্গ।
- শেনজেনভুক্ত দেশ: ২৯টি।

উল্লেখ্য,
- শেনজেনভুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ ২৫টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশ রয়েছে ৪টি। দেশগুলো হলো সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং লিচেনস্টাইন।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।
৮৩১.
তাসখন্দ চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) আফগানিস্তানে
  2. খ) কাজাকিস্তানে
  3. গ) উজবেকিস্তানে
  4. ঘ) তুর্কমেনিস্তানে
ব্যাখ্যা
১০ই জানুয়ারি ১৯৬৬ সালে স্বাক্ষরিত হয় তাসখন্দ চুক্তি। উজবেকিস্তানের তাসখন্দে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট কেসিগানের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৮৩২.
PTA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Preferable Trade Agreement
  2. Potential Trade Agreement
  3. Potential Traditional Agreement
  4. Preferential Trade Agreement
ব্যাখ্যা
• Preferential Trade Agreement (PTA):
 - বাংলাদেশের প্রথম 'অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি'।
- বাংলাদেশের সাথে PTA (Preferential Trade Agreement) সম্পাদনকারী দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ ভুটান।
-৬ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে ভুটানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয়েছে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি।
- এটি অবশ্য পুরোপুরি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নয়, বরং বলা যায় এফটিএর আগের ধাপ বা আংশিক এফটিএ।
- এ চুক্তির আওতায় এখন বাংলাদেশ ভুটানে ১০০টি পণ্যে ও ভুটান বাংলাদেশে ৩৪টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।
৮৩৩.
আব্রাহাম অ্যাকর্ড কোন দেশ উত্থাপন করেন-
  1. রাশিয়া
  2. ইসরাইল
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তি:
⇒ আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তি হল ইসরায়েল এবং বেশ কয়েকটি মুসলিম রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য ২০২০ সালে স্বাক্ষরিত একাধিক চুক্তির সিরিজ। এর মধ্যে রয়েছে ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত , বাহরাইন এবং মরক্কোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি । কাজাখস্তানও আব্রাহিম চুক্তিতে যোগ দিতে সম্মত হয়েছে।

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের সাথে আবর দেশগুলো শান্তি স্থাপনের অংশ হিসেবে আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউজে ইসরাইল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও যুক্তরাষ্ট্র আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরাইলকে স্বীকৃতি ও দেশটির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হয়।

উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৮৩৪.
‘নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য নির্মূলের সনদ (CEDAW)’ এর ধারার সংখ্যা-
  1. ক) ২৩
  2. খ) ২৬
  3. গ) ২৮
  4. ঘ) ৩০
ব্যাখ্যা
CEDAW সনদঃ
১৯৭৯ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নারীদের প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য নিরসের উদ্দেশ্যে CEDAW সনদ গৃহিত হয়।
- ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্রয়ােজনীয় ২০ টি দেশ অনুমােদন করায় সনদটি কার্যকর হয়।
- এই সনদে ৩০ টি ধারা রয়েছে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালের ৬ নভেম্বর CEDAW সনদ অনুমােদন করে।
উৎসঃ জাতিসংঘ এর ওয়েবসাইট।
৮৩৫.
পিএলও ও ইসরাইলের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি-
  1. ক) বেলফাস্ট চুক্তি
  2. খ) ডেটন চুক্তি
  3. গ) অসলো চুক্তি
  4. ঘ) ফ্রাইডে চুক্তি
ব্যাখ্যা
- অসলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় পিএলও ও ইসরাইলের মধ্যে ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ সালে।
- এই চুক্তির মধ্যস্থতাকারী বিল ক্লিনটন।
- এই চুক্তির মাধ্যমে পিএলও ও ইসরাইল পরস্পরকে স্বীকৃতি দেয়। 
- উই রিভার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে।
- এই চুক্তির পক্ষদ্বয়ও ছিল পিএলও ও ইসরাইল। 
- ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বসনিয়া সংকট নিরসনে ১৯৯৫ সালে বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায়।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৮৩৬.
‘International Atomic Energy Agency (IAEA)’ এর প্রস্তাবক ছিলেন কে?
  1. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  2. হ্যান্স ব্লিক্স 
  3. জন এফ. কেনেডি
  4. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
ব্যাখ্যা

IAEA:
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৮০টি।
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাপরিচালক: রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি (আর্জেন্টিনা)।

⇒ IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।
- IAEA-এর সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ এল বারাদি এবং IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- মোহাম্মদ এল বারাদি মিশরের নাগরিক। 
- তিনি ১৯৯৭ - ২০০৯ সাল পর্যন্ত IAEA এর চতুর্থ মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার 'International Atomic Energy Agency (IAEA)'- এর প্রস্তাবক ছিলেন।
- তিনি ১৯৫৩ সালে জাতিসংঘে 'Atoms for Peace' নামক একটি উদ্যোগের আওতায় পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন।
- এই প্রস্তাবের মাধ্যমে পরমাণু শক্তি শুধুমাত্র অস্ত্র হিসেবে নয়, বরং শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে, এমন একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে IAEA প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।

৮৩৭.
CTBT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কোথায়?
  1. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. অটোয়া,কানাডা
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ,
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য:
- চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে Annex 2 দেশগুলোর মধ্যে ৪৪টি দেশকে স্বাক্ষর ও অনুমোদন দিতে হবে।
- এই দেশগুলোর মধ্যে ৯টি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- যার মধ্যে রাশিয়া ২০২৩ সালে তার অনুমোদন প্রত্যাহার করেছে।
- বর্তমানে, চুক্তিটি কার্যকর হয়নি কারণ প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশ অনুমোদন দেয়নি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।

৮৩৮.
গ্যাট চুক্তি কবে সাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৯৪৬ সালে
  2. খ) ১৯৪৭ সালে
  3. গ) ১৯৪৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের ৩০ অক্টোবর গ্যাট বা জেনারেল অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফ এন্ড ট্রেড সাক্ষরিত হয়। এটি কার্যকর হয় ১৯৪৮ সালের ১ জানুয়ারী। এতে প্রাথমিক ভাবে ২৩ টি দেশ স্বাক্ষর করে। এর লক্ষ্য ছিলো বিশ্ব বাণিজ্যে শুল্কহার কমিয়ে আনা। ১৯৯৫ সালের ১ জানুায়ারী গ্যাট এর স্থলে ডব্লিউটিও বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা গঠিত হয়। এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য জোট। (সূত্রঃ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ওয়েবসাইট)
৮৩৯.
নিচের কোন চুক্তিটি বর্তমানে বিলুপ্ত?
  1. ক) এপেক
  2. খ) নাফটা
  3. গ) ওয়ারশ প্যাক্ট
  4. ঘ) NPT
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত হয়েছে ।
- পূর্ব ইউরোপের ৮ টি কমিউনিস্ট দেশের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি ।
- ১৯৫৫ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের উদ্যোগে পোল্যান্ডে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার সাথে সাথে চুক্তিটি বিলুপ্ত হয় ।

সূত্র: Britannica.com

৮৪০.
কোন দেশটি কোয়াড এর অন্তর্ভুক্ত নয়? (জানুয়ারি, ২০২৫)
  1. ভারত
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
• কোয়াড (Quad):
- QUAD-এর পূর্ণরূপ হলো Quadrilateral Security Dialogue.
-কোয়াডের সদস্যদেশ: যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত ।(জানুয়ারি, ২০২৫)।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত ‘ভারত মহাসাগর’ ও ‘প্রশান্ত মহাসাগরে’ নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।
- কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য চীনের অর্থনৈতিক ও সামরিক অগ্ৰযাত্রা প্রতিহত করা।

উৎস: অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।
৮৪১.
Which war was ended by the Treaty of Westphalia?
  1. Korean War
  2. Vietnam war
  3. Yom Kippur War
  4. Bosnian War
  5. Thirty Years' War
ব্যাখ্যা
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তির মাধ্যমে ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধের অবসান ঘটে।

Thirty years war:
- ইউরোপে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধের সর্বশেষ উদাহরণ ছিলো ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ।
- প্রোটেস্টান্ট জার্মানির উপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গের-এর প্রভাব অক্ষুন্ন রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গকে পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করা এসব নিয়েই যুদ্ধ প্রলম্বিত হতে থাকে।
- ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা, নিজেদের উচ্চাকাংক্ষা এবং প্রাধান্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের সকল দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

উৎস: Britannica.
৮৪২.
তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• তাসখন্দ চুক্তি (Tashkent Agreement): 
- তাসখন্দ চুক্তি ছিল একটি দ্বিপাক্ষিক শান্তি চুক্তি।
- যা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
• স্বাক্ষরের তারিখ ও স্থান:
- তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬
- স্থান: তাসখন্দ, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান উজবেকিস্তান)।

• প্রধান অংশগ্রহণকারীরা:
- ভারতের পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী।
- পাকিস্তানের পক্ষে: প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী: সোভিয়েত নেতা আলেক্সি কোসিগিন।
- ১৯৬৫ সালের আগস্ট মাসে কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো যুদ্ধ শুরু হয়।

• চুক্তির মূল ধারা:
- উভয় পক্ষ পূর্ব অবস্থানে ফিরে যাবে এবং সামরিক কার্যকলাপ বন্ধ রাখবে।
- দূতাবাস পুনরায় খুলে উভয় দেশের মধ্যে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু করা হবে।
- ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলি সমাধান করা হবে।
- যে কোনো দ্বন্দ্ব কেবলমাত্র দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধান করা হবে, তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই।

উল্লেখ্য,
- চুক্তি সই হওয়ার  পরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন,
- যা নিয়ে এখনও বিতর্ক ও তত্ত্ব চালু আছে।
- যদিও যুদ্ধ শেষ হয়, তবে উভয় দেশের মধ্যে কাশ্মীর ইস্যু অমীমাংসিত থেকেই যায়।
- এই চুক্তি ভবিষ্যতের শিমলা চুক্তির (১৯৭২) ভিত্তি তৈরি করে।

 উৎস:  Britannica.com ও WorldAtlas.com.
৮৪৩.
কোন জেনেভা কনভেনশনটি সমুদ্রের যুদ্ধক্ষেত্রে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের সুরক্ষা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত?
  1. ১ম জেনেভা কনভেনশন (১৮৬৪)
  2. ২য় জেনেভা কনভেনশন (১৯০৬)
  3. ৩য় জেনেভা কনভেনশন (১৯২৯)
  4. ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন (১৯৪৯) 
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়। 

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

৮৪৪.
অটোয়া চুক্তির বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপসাধন
  2. খ) স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  3. গ) প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ
  4. ঘ) বণ্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি: 
- এর অন্য নাম অটোয়া চুক্তি। 
- কানাডার অটোয়া তে ১৯৯৭ সালের ৩রা জুন চুক্তি টি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ১ লা মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়। 
- চীন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, পাকিস্তান, ভারত, উত্তর কোরিয়া, ইরান, ইসরায়েল, দক্ষিণ কোরিয়া ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ দেশ চুক্তি টি স্বাক্ষর করেনি। 
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হল এই চুক্তির উদ্দেশ্য। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৮৪৫.
নারী অধিকার বিষয়ক ইউরোপীয় সনদটি কি নামে পরিচিত?
  1. ক) Paris Convention
  2. খ) Istanbul Convention
  3. গ) CEDAW Convention
  4. ঘ) London Convention
ব্যাখ্যা
ইস্তাম্বুল সনদ (Istanbul Convention) এর আনুষ্ঠানিক নাম - Council of Europe Convention on Preventing and Combating Violence against Women and Domestic Violence.
- এটি আঞ্চলিক বৈষম্য বিলোপকারী সনদ/চুক্তি।
- জাতিসংঘের নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপ সংক্রান্ত কমিটি CEDAW এর উদ্যোগে ২০১১ সালে চুক্তিটি ইউরোপের দেশগুলোর স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- ২০২১ সাল পর্যন্ত ৩৫টি ইউরোপীয় দেশ চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করে।
- ২০২১ সালের মার্চে নারী অধিকার নিয়ে ইউরোপের ঐতিহাসিক সনদ 'ইস্তাম্বুল সনদ' থেকে তুরস্ক নিজেদের প্রত্যাহার করে নিলে এটি আবার আলোচনায় আসে।

উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
৮৪৬.
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে 'modus vivendi' বলতে বোঝায় -
  1. অস্থায়ী চুক্তি
  2. শরণার্থী শিবির
  3. যুদ্ধের দেশ
  4. বাফার দেশ
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে, "Modus vivendi" শব্দটি একটি অস্থায়ী চুক্তি বোঝায়।

Modus vivendi:
- Modus vivendi' একটি লাতিন শব্দ, যার মানে 'যেভাবে জীবন যাপন করা যায়'।
- আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে "Modus vivendi" শব্দটি একটি অস্থায়ী বা সাময়িক চুক্তি বা সমঝোতা বোঝায়, যা দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে সাময়িক শান্তি বা সহযোগিতা স্থাপন করার জন্য করা হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যা দীর্ঘমেয়াদী সমাধান না হলেও, পক্ষগুলির মধ্যে বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি সহনশীল সম্পর্ক তৈরি করতে সহায়তা করে।

⇒ "Modus vivendi" সাধারণত কোনো পক্ষের মধ্যে বিরোধ বা সংঘাতকে সাময়িকভাবে শান্ত করার জন্য তৈরি করা হয় এবং এটি কোনো স্থায়ী সমাধান বা আইনগত বাধ্যবাধকতার পরিবর্তে এক ধরণের কৌশলগত সমঝোতা হতে পারে।
- যখন দুই দেশ তাদের মধ্যকার কিছু বৈষম্য বা বিরোধ মেটাতে কোনো স্থায়ী চুক্তি না করে, তবে তারা একে অপরের সাথে একটি 'modus vivendi' গড়ে তুলতে পারে, যা তাদের সম্পর্ক সাময়িকভাবে স্থিতিশীল রাখে।

উৎস: i) Educalingo.
ii) Cambridge Dictionary.
৮৪৭.
'ভেলভেট ডিভোর্স' কোন দুটি দেশের সাথে জড়িত?
  1. সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রো
  2. চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া
  3. স্লোভেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়া
  4. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

• ভেলভেট ডিভোর্স:
- “Velvet Divorce” বলতে বোঝায় ১৯৯২ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার শান্তিপূর্ণ বিভাজন।
- এই বিচ্ছেদে চেকোস্লোভাকিয়া দুইটি স্বাধীন দেশে ভাগ হয় — চেক প্রজাতন্ত্র এবং স্লোভাকিয়া। 
- এই ঘটনা “Velvet Revolution” এর পর আসে, যেখানে ১৯৮৯ সালে এক দ্রুত ও অহিংস রাজনৈতিক পরিবর্তন হয়েছিল।

•ভেলভেট বিপ্লব (Velvet Revolution):
- সংঘটন কাল: ১৭ নভেম্বর - ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ সাল।
- সংঘটন স্থান – চেকোস্লোভাকিয়া (বর্তমানে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া)।
- বিপ্লবের কারন - কমিউনিস্ট শাসন থেকে মুক্তি ও সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার জন্য ছাত্র-জনতার শান্তিপুর্ণ আন্দোলন। এই বিপ্লবকে Gentle Revolution-ও বলা হয়ে থাকে।    

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৪৮.
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় পিএলও ও ইসরায়েলের মধ্যে কোন চুক্তি সম্পাদিত হয়?
  1. অসলো চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি
  4. মোলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তি
ব্যাখ্যা
পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.
৮৪৯.
'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম কী?
  1. সানিংডেল চুক্তি
  2. ডাউনিং স্ট্রিট ঘোষণা
  3. স্টর্মন্ট চুক্তি
  4. গুড ফ্রাইডে চুক্তি
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৮৫০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বলয়ের বাইরে থাকা দেশগুলোর জোটের নাম -
  1. ক) ন্যাম
  2. খ) ওয়ারশ জোট
  3. গ) ন্যাটো
  4. ঘ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন:
- বিংশ শতাব্দীর বৈশ্বিক রাজনীতির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের জন্ম, যা ন্যাম নামে পরিচিত।
- এই ন্যাম আন্দোলন দুটি পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বলয়ের বাইরে থেকে বিংশ শতাব্দীর বৈশ্বিক রাজনীতিতে তাদের অবদান রেখে গেছে।
-  ৬ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আলজেরিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। আলজেরিয়ায় বিশ্বনেতৃবৃন্দের সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৮৫১.
'মোলোটভ-রিবেনট্রপ' চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ১৯১৩ সালে
  2. ১৯৩৩ সালে
  3. ১৯৩৯ সালে
  4. ১৯৪১ সালে
ব্যাখ্যা
'মোলোটভ-রিবেনট্রপ' চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৩৯ সালে।

'মোলোটভ-রিবেনট্রপ' চুক্তি:
- মোলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তিটি ছিল নাৎসি জার্মানি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি অ-আগ্রাসন চুক্তি।
- স্বাক্ষরকারী: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোয়াকিম ভন রিবেনট্রপ ও সোভিয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভ্যাচেস্লাভ মোলোটভ।
- এই চুক্তি দুইটি শক্তিকে তাদের মধ্যে পোল্যান্ডকে বিভক্ত করতে সক্ষম করেছিল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৩ আগস্ট ১৯৩৯।

উল্লেখ্য,
- এ চুক্তিতে নির্ধারণ করা হয় রাশিয়া কিংবা জার্মানি কেউ কারো ওপর আক্রমণ করবে না।
- এই চুক্তির ফলে জার্মানিকে নিরপেক্ষ রেখে স্টালিন রাশিয়াকে সামরিকভাবে শক্তিশালী করার সুযোগ পেয়েছিল।
- অন্যদিকে জার্মানি ইঙ্গ-ফরাসি জোট থেকে রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন রাখতে সমর্থ হন।
- এই চুক্তি মাত্র ২২ মাস স্থায়ী হয়।
- ১৯৪১ সালের ২২শে জুন জার্মানি এই চুক্তি ভঙ্গ করে রাশিয়া আক্রমণ করে।

উৎস: History Maps.
৮৫২.
ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়? 
  1. ১৯৬৩ সালে 
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা

• তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম। 

৮৫৩.
দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (SAFTA) কোন সংস্থার মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থার অংশ?
  1. ASEAN
  2. SAARC 
  3. ADB
  4. NDB
ব্যাখ্যা

• South Asian Free Trade Area (SAFTA):
- দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (SAFTA) হল দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (SAARC) এর মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থা। 
- এই চুক্তিটি ১৯৯৩ সালের সার্ক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য ব্যবস্থার স্থলাভিষিক্ত হয়ে ২০০৬ সালে কার্যকর হয়। 
-  SAFTA স্বাক্ষরকারী দেশগুলি হল:
আফগানিস্তান,
বাংলাদেশ,
ভুটান,
ভারত,
মালদ্বীপ,
নেপাল,
পাকিস্তান
এবং শ্রীলঙ্কা।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৮৫৪.
সিন্ধু পানি চুক্তি (১৯৬০) স্বাক্ষরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী ছিল কোন সংস্থা?
  1. ইউনেস্কো
  2. জাতিসংঘ
  3. সার্ক
  4. বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
- 'বিশ্বব্যাংক' সিন্ধু পানি চুক্তি স্বাক্ষরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী ছিল।

সিন্ধু পানি চুক্তি (১৯৬০):

- সিন্ধু পানি চুক্তি স্বাক্ষরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী ছিল বিশ্বব্যাংক।
- এই চুক্তি হয়েছিল ভারতের উজানের নদীসমূহের পানি ব্যবহারে পাকিস্তানের উদ্বেগ নিরসনের জন্য।
- দীর্ঘ আলোচনার পর, বিশ্বব্যাংকের উদ্যোগ ও মধ্যস্থতায় ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বরে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মাধ্যমে সিন্ধু অববাহিকার ছয়টি নদীর পানি দুই দেশের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হয়।
- পূর্বাঞ্চলের তিনটি নদীর (সতলুজ, বিপাশা, ইরাবতী) পানি ভারত ব্যবহার করতে পারে এবং পশ্চিমাঞ্চলের তিনটি নদীর (সিন্ধু, ঝিলাম, চেনাব) অধিকাংশ পানি ব্যবহারের অধিকার পাকিস্তানের।
- বিশ্বব্যাংক চুক্তিটির আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার ব্যবস্থাও করেছিল।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।
৮৫৫.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে কোন দেশ মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সাথে প্রথম শান্তিচুক্তি করে?
  1. ইরান
  2. মিশর
  3. সিরিয়া
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে মিশর মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সাথে প্রথম শান্তিচুক্তি করে।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সৈন্য প্রত্যাহারে সম্মত হয় এবং মিশর আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।
- এর ফলে ১৯৭৯ সালে দুই দেশের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে, এই চুক্তির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং অনেক আরব দেশ এর বিরোধিতা করে।
 
সূত্র - History.com ও ব্রিটানিকা। 
৮৫৬.
শেনজেন চুক্তি কী ধরনের চুক্তি?
  1. অবাধ বাণিজ্য চুক্তি
  2. অবাধ চলাচল চুক্তি
  3. অবাধ কার্বন নির্গমন চুক্তি
  4. অবাধ অস্ত্র বাণিজ্য চুক্তি
ব্যাখ্যা

• শেনজেন চুক্তি:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভিসামুক্ত প্রবেশের চুক্তি শেনজেন চুক্তি।
- এ চুক্তিতে ১৯৮৫ সালের ১৪ জুন লুক্সেমবার্গের শেনজেনে, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ডস স্বাক্ষর করে,
- যার মূল লক্ষ্য ছিল সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা। 
- এ লক্ষ্যে ভিসা ও আশ্রয় নীতিমালা সমন্বিত করা হয় এবং তথ্য ভাগাভাগির জন্য শেনজেন ইনফরমেশন সিস্টেম (SIS) চালু করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে চুক্তি কার্যকর হলে ইতালি, স্পেন, পর্তুগাল ও গ্রিস যোগ দেয় এবং পরবর্তীতে অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেন এতে অন্তর্ভুক্ত হয়। - যদিও এটি প্রথমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে শুরু হয়েছিল, আমস্টারডাম চুক্তি ১৯৯৯ সালে শেনজেন চুক্তিকে ইইউ আইনের অংশ করে।
- এরপর ২০০৭ সালে চেক প্রজাতন্ত্রসহ একাধিক দেশ যুক্ত হয়, আর পরবর্তী সময়ে সুইজারল্যান্ড (২০০৮), লিচেনস্টাইন (২০১১) ও ক্রোয়েশিয়া (২০২৩) অন্তর্ভুক্ত হয়ে শেনজেন অঞ্চল আরও সম্প্রসারিত হয়।
- শেনজেন ভুক্ত দেশ- ২৯ টি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৫৭.
অটোয়া চুক্তির বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট নিষিদ্ধকরণ
  2. ক্ষেপণাস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  3. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  4. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
অটোয়া চুক্তি:
- এটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- চুক্তিটি Anti-Personnel Landmines Convention নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৪টি।
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮৫৮.
কোন দেশটি CPTPP চুক্তির অশীদার নয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. জাপান
  3. মালয়েশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- The Comprehensive and Progressive Agreement for Trans-Pacific Partnership (CPTPP) হলো এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১১টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- ২০১৮ সালের ৮ মার্চ চিলির সান্টিয়াগো শহরে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো:
- কানাডা
- পেরু
- মেক্সিকো
- চিলি
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- জাপান
- মালয়েশিয়া
- ব্রুনাই
- সিঙ্গাপুর
- এবং
- ভিয়েতনাম।
- ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ছয়টি দেশ কর্তৃক অনুমোদনের মাধ্যমে এটি কার্যকর হয়।
- ‍যুক্তরাষ্ট্র শুরুতে এটিতে যুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
- সম্প্রতি যুক্তরাজ্য এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হতে প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
(তথ্যসূত্র: অস্ট্রেলিয়ান সরকারি ওয়েবসাইট)
৮৫৯.
'Minsk II' চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো কারা?
  1. আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, ওএসসিই
  2. আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, রাশিয়া
  3. রাশিয়া, ইউক্রেন, ইউ
  4. রাশিয়া, ইউক্রেন, ওএসসিই
ব্যাখ্যা
Minsk II
Representatives of Russia, Ukraine, the Organisation for Security and Cooperation in Europe (OSCE) and the leaders of separatist-held regions Donetsk and Luhansk signed a 13-point agreement in February 2015.
The leaders of France, Germany, Russia, and Ukraine gathered in Minsk to mark the occasion and issued a declaration of support.

Minsk I
Ukraine and the Russia-backed separatists agreed on a 12-point ceasefire deal in September 2014.
Its provisions included prisoner exchanges, deliveries of humanitarian aid and the withdrawal of heavy weapons.
However, the agreement quickly broke down, with violations by both sides.

Source: www.aljazeera.com
৮৬০.
নিচের কোন চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে অনুমোদিত হয়নি? 
  1. এবিএম চুক্তি (ABM)
  2. সল্ট-১ চুক্তি (SALT-1)
  3. সল্ট-২ চুক্তি (SALT-2)
  4. স্টার্ট-২ চুক্তি (START-2)
ব্যাখ্যা
SALT:
- SALT-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Limitation Talks।
- আলোচ্য বিষয়: কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা।
- এই আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে।
- আলোচনার সময়: ১৯৬৯ সাল।
- পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দুইটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা SALT-I ও SALT-II নামে পরিচিত।
- SALT-I চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- SALT-II চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৮ জুন, ১৯৭৯ সালে।

উল্লেখ্য,
- ১৮ জুন, ১৯৭৯ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ও সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট লিওনিদ ব্রেজনভের মধ্যে স্বাক্ষরিত SALT-2 চুক্তিটি মার্কিন সিনেটে অনুমোদন লাভ করেনি।
- ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক আফগানিস্তান সৈন্য প্রেরণ করলে তার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট SALT-2 চুক্তিটি অনুমোদন করে নি।

অন্যদিকে,
- ABM Treaty (Anti Ballistic Missile ) ১৯৭২ সালের ৩ আগস্ট মার্কিন সিনেটে অনুমোদিত হয়।
- SALT-I (Strategic Arms Limitation Talks) ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২ মার্কিন সিনেটে অনুমোদন লাভ করে।
- START-2 (Strategic Arms Reduction Traty) চুক্তি মার্কিন সিনেটে অনুমোদিত হয় ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৮৬১.
Aukus Treaty has been executed in which of the following countries?
  1. China, the United Kingdom and the United States
  2. Russia, France and the United States
  3. Russia, the United Kingdom and the United States
  4. Australia, Germany and the United States
  5. Australia, the United Kingdom and the United States
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত হয়েছে।

অকাস চুক্তি:
- অকাস চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।

উৎস: U.S. Department of Defense (.gov).
৮৬২.
“মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন-২০২২” কবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ১৮-২০ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ২০-২২ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ২৩- ২৫ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২৬-২৮ ফেব্রুয়ারি 
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- ৫৮তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২২ সালের ১৮-২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন। 

- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।

- মহামারি, জলবায়ু পরিবর্তন, রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটসহ বেশ কয়েকটি বিষয় সামনে রেখে হয় মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন। ২০২২ সালের সম্মেলনটি মিউনিখের ঐতিহাসিক হোটেল বায়েরিশার হফে শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) এই সম্মেলন হয়। 

তথ্যসূত্র: সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট এবং ডয়েচভেলে।
৮৬৩.
CEDAW সনদ জড়িত-
  1. জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে
  2. নারী অধিকারের সাথে
  3. অস্ত্রচুক্তির সাথে
  4. শিশু অধিকারের সাথে
ব্যাখ্যা
• CEDAW:
- পূর্ণরূপ: Convention on the Elimination of Discrimination against Women.
- জাতিসংঘ নারীদের অধিকার রক্ষায় ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন বা CEDAW গ্রহণ করে।
- কার্যকর হয়: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১।
- পরিচ্ছদসংখ্যা: ৬ টি
- ধারাসংখ্যা: ৩০ টি।

• CEDAW স্বাক্ষরকারী দেশের কাজ:
- দেশগুলোকে পুরুষ ও নারীর সমতার নীতি তাদের আইনি ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
- সকল বৈষম্যমূলক আইন বাতিল করতে হবে এবং নারীর বিরুদ্ধে বৈষম্য নিষিদ্ধ করার জন্য উপযুক্ত আইন প্রণয়ন করতে হবে।
-  নারীর বিরুদ্ধে বৈষম্য থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ট্রাইব্যুনাল এবং অন্যান্য পাবলিক প্রতিষ্ঠান গঠন করতে হবে, যা নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্য রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
- ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য নিষিদ্ধ করতে হবে এবং তা দূর করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

উৎস: OHCHR ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮৬৪.
কোন চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় হয়?
  1. ক) বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী চুক্তি
  2. খ) ছিটমহল চুক্তি
  3. গ) গজলডোবা চুক্তি
  4. ঘ) স্থল সীমান্ত চুক্তি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ও ভারত ছিটমহল বিনিময় হয় স্থল সীমান্ত চুক্তি ।
- এই চুক্তি প্রধান দিক গুলো ছিল- ছিট মহল বিনিময়, বেরুবাড়ি ও তিন বিঘা করিডোর, অপদখলীয় জমি ।
- ১৬ মে ১৯৭৪ সালে দিল্লিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তির আওতায় ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় হয়।

উৎস: Banglapedia

৮৬৫.
বাংলাদেশ প্রথম PTA চুক্তিতে কতটি পণ্যে ভুটানে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পায়?
  1. ক) ৩৪ টি
  2. খ) ৫৭ টি
  3. গ) ১০০ টি
  4. ঘ) ১১০ টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম দ্বিপক্ষীয় অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তিঃ
- বিশ্বের কোনাে দেশের সাথে প্রথমবারের মতো অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (Preferential Trade Agreement) স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ।
- ৬ ডিসেম্বর ২০২০ ভুটানের সাথে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA) স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ।
- এ চুক্তির মাধ্যমে ভুটান ১০০টি বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক সুবিধা প্রদান করতে সম্মত হয়।
- অন্যদিকে ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশে একই সুবিধা পাবে।
- দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকার (SAFTA) আওতায় বাংলাদেশ ও ভুটান কিছু বাণিজ্য সুবিধা ভােগ করে আসছে। PTA'র ফলে এর আওতা আরও বাড়বে।

উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার ও সালতামামী।

৮৬৬.
আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরকারী দেশসমূহ হচ্ছে-
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

আটলান্টিক সনদ:
​- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯–১৯৪৫) চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য যৌথভাবে একটি ঘোষণাপত্র।
​- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে এই সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
​​- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টোন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
​​- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে। 
​- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
​- এই ঘোষণাপত্রকে ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

​উৎস: Britannica.

৮৬৭.
'ডেটন চুক্তি' কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. লন্ডন
  2. জেনেভা
  3. প্যারিস
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা

• ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান। 

উল্লেখ্য, 
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ডেটনের বাইরে রাইট-প্যাটারসন বিমান ঘাঁটিতে আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ায় এই চুক্তিটি ডেটন চুক্তি নামে পরিচিত । 

তথ্যসূত্র: i) OSCE.org.
        ii) Britannica.

৮৬৮.
ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে 'সিমলা চুক্তি' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

• সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির লক্ষ্য ছিল সম্পর্ক স্বাভাবিক করা, বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি দ্বিপাক্ষিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা এবং ভবিষ্যতে সশস্ত্র সংঘাত রোধ করা।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ: ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
• ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
• পাকিস্তানের পক্ষে - প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।

৮৬৯.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম কী?
  1. ইউরোস্টার 
  2. ইউরোটেক্স
  3. ফ্রনটেক্স
  4. ফ্রন্টিয়ার 
ব্যাখ্যা

• Frontex :
- Frontex হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সীমান্ত ও উপকূল রক্ষী সংস্থা।
- পূর্ণ নাম: European Border and Coast Guard Agency।
- প্রতিষ্ঠা: ২০০৪ সালে, সদর দপ্তর পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহরে।
- মূল কাজ: EU-এর বাইরের সীমান্তের নিরাপত্তা বজায় রাখা, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ এবং সীমান্তবর্তী অপরাধ দমন।

উৎস: ফ্রন্টেক্স। 

৮৭০.
চীন কত সালে নানকিং চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়?
  1. ১৮৪২ সালে
  2. ১৮৪৫ সালে
  3. ১৮৩২ সালে
  4. ১৮৩৫ সালে
ব্যাখ্যা
নানকিং চুক্তি:
- চীন ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- এই চুক্তিটি আফিম যুদ্ধের পর স্বাক্ষরিত হয়।
- আফিম যুদ্ধ শুরু হয়েছিল চীনে আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে,

উল্লেখ্য, 
- চীনা শাসকরা ১৮৩৯ সালে আফিম আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল।
- কিন্তু ব্রিটিশরা আফিম আমদানিতে অব্যাহত ছিল, যার ফলে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধে চীনারা পরাজিত হয় এবং চীনে ব্রিটেনের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হয়, এর অংশ হিসেবে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।
৮৭১.
START-2 কি?
  1. টিভিতে সম্প্রচারিত একটি সিরিয়াল
  2. বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি
  3. পরিবেশ সংক্রান্ত চুক্তি
  4. কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
ব্যাখ্যা
START চুক্তি:
- START-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Reduction Treaty।
- এটি হলো কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা কমানো এবং যুদ্ধের ঝুঁকি হ্রাস করা।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

⇒ এটি দুটি মূল চুক্তি অন্তর্ভুক্ত:
- START-I (৩১ শে জুলাই ১৯৯১):
- এই চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন পরমাণু আক্রমণ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর জন্য সম্মত হয়েছিল। চুক্তিটি ২০০৯ সালে শেষ হয়।

START-II (৩ জানুয়ারি ১৯৯৩):
- এটি START I-এর পরে আরো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল, কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার কারণে এটি কার্যকর হয়নি।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে, New START চুক্তি (২০১০ সালে স্বাক্ষরিত) কার্যকর রয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের একটি আধুনিক সংস্করণ।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৮৭২.
জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ে স্বাক্ষরিত চুক্তি কোনটি?
  1. ক) রামসার কনভেনশন
  2. খ) বাসেল কনভেনশন
  3. গ) মন্ট্রিয়াল প্রটোকল
  4. ঘ) কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা
জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের রামসার শহরে ‘রামসার কনভেনশন’ গৃহিত হয়।
কনভেনশনটি কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর। ১৭১টি দেশ এটির অংশীদার।
বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর ‘রামসার সনদ’ কার্যকর করে। বাংলাদেশের টাঙ্গুয়ার হাওর ও সুন্দরবন রামসার সাইট।
(সূত্রঃ রামসার কনভেনশন ওয়েবসাইট)
৮৭৩.
নিচের কোন দেশটি CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি?
  1. ক) ইরান
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) চীন
  4. ঘ) ইসরাইল
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty) চুক্তিটি গৃহিত হয়।
- চুক্তিটিতে বর্তমান পর্যন্ত স্বাক্ষরকারী দেশ ১৮৫টি এবং অনুমোদনকারী দেশ ১৭০টি।
- চুক্তিটি কার্যকরের জন্যে চুক্তি অ্যানেক্স-২ অংশে উল্লিখিত ৪৪টি দেশের প্রত্যেকটির অনুমোদন আবশ্যক।
- কিন্তু অ্যানেক্স-২ অংশের ৩টি দেশ এখনো চুক্তিটিতে স্বাক্ষর ও অনুমোদন করেনি। দেশগুলো হলো:
- ভারত
- পাকিস্তান
- উত্তর কোরিয়া।
- অ্যানেক্স-২ ভুক্ত ৫টি দেশ চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করলেও এখনো তা অনুমোদন করেনি।
দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র
- চীন
- ইসরাইল
- মিশর
- ইরান।
- বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০০০ সালের ৮ মার্চ চুক্তিটি অনুমোদন করে।
CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি এমন অন্যান্য দেশগুলো হলো:
- ভুটান
- ডমিনিকান
- মরিশাস
- সৌদি আরব
- সিরিয়া
- সোমালিয়া
- দক্ষিণ সুদান
- টোঙ্গা।
(তথ্যসূত্রঃ সিটিবিটিও এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৮৭৪.
সম্প্রতি, যুদ্ধ অবসানে রুয়ান্ডা কোন দেশের সাথে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. মালি
  2. নাইজেরিরা
  3. দক্ষিণ সুদান
  4. ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো
ব্যাখ্যা
শান্তি চুক্তি:
- যুদ্ধ অবসানে রুয়ান্ডা ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআরসি) ২৭ জুন, ২০২৫ ওয়াশিংটনে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। 
- চুক্তিটিতে গেরিলাদের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দুই দেশ। 
- চুক্তিটিতে আরেকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী, ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস ফর দ্য লিবারেশন অফ রুয়ান্ডা (এঢডিএলআর) বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।
- এফডিএলআর গোষ্ঠীটি ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় টুটসি গণহত্যার সাথে যুক্ত জাতিগত হুতুরা প্রতিষ্ঠা করে।
- চুক্তিতে অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি যৌথ নিরাপত্তা সমন্বয় সংস্থাও গঠন করা হয়েছে এবং তিন মাসের মধ্যে একটি ‘আঞ্চলিক অর্থনৈতিক একত্রীকরণ কাঠামো’ তৈরির জন্য অস্পষ্ট আহ্বান জানানো হয়েছে
- ফরাসি  প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ চুক্তিটিকে ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ বলে প্রশংসা করে এটিকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তথ্যসূত্র- বাসস। [link]
৮৭৫.
ভ্যাটিকান সিটি কোন চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ভার্সাই চুক্তি
  2. লিসবন চুক্তি
  3. ল্যাটেরান চুক্তি
  4. গুড ফ্রাইডে চুক্তি
ব্যাখ্যা
ভ্যাটিকান সিটি:
- ক্যাথলিক চার্চের সদরদপ্তর ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট পূর্ণ স্বাধীন রাষ্ট্র।
- ভ্যাটিকান সিটি টাইবার নদীর তীরে অবস্থিত।
- ১৯২৯ সালে পোপ পায়াস একাদশ এবং ইতালির স্বৈরশাসক বেনিতো মুসোলিনির মধ্যে স্বাক্ষরিত ল্যাটেরান চুক্তির মাধ্যমে ভ্যাটিকান সিটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ভ্যাটিকান সিটির আয়তন ৪৪ হেক্টর (১০৯ একর)।
- প্রাচীন প্রাচীরঘেরা এ নগররাষ্ট্রে বসবাস করেন প্রায় ৯০০ জন।
- ভ্যাটিকানের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন পোপ, যিনি রাষ্ট্রের প্রধান ও বিশ্বের ১৪০ কোটি ক্যাথলিকের ধর্মীয় নেতা।

উল্লেখ্য,
- হোলি সি’ হলো ক্যাথলিক চার্চ ও ভ্যাটিকান সিটির কেন্দ্রীয় শাসন কর্তৃপক্ষ, এটি আন্তর্জাতিক আইনের অধীন একটি সার্বভৌম আইনগত সত্তা।
- রোমান কুরিয়া হলো হোলি সির প্রশাসনিক সংস্থা। এটি সেই কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান, যার মাধ্যমে পোপ ক্যাথলিক চার্চ পরিচালনা করেন।
- ভ্যাটিকানের জাতীয় সংগীতের নাম ‘পন্টিফিক্যাল মার্চ’। এটি বিশ্বের একমাত্র জাতীয় সংগীত, যা লাতিন ভাষায় গাওয়া হয়।
- ভ্যাটিকানের ফটকে পাহারা দেন সুইস গার্ডস। তাঁরা বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো সেনাবাহিনীর সদস্য।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
৮৭৬.
ANZUS কোন ধরণের জোট?
  1. ক) রাজনৈতিক
  2. খ) অর্থনৈতিক
  3. গ) সামরিক
  4. ঘ) আঞ্চলিক
ব্যাখ্যা
ANZUS হলো একটি সামরিক চুক্তি বা জোট। তিনটি দেশের সমন্বয়ে এই জোট গঠিত। দেশুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কমিউনিজম আগ্রাসন রোধে ১৯৫১ সালে ANZUS গঠিত হয়।

সূত্র:- ANZUS ওয়েবসাইট।
৮৭৭.
মার্কিন কোন প্রেসিডেন্টের মধ্যস্থতায় আব্রাহাম অ্যাকর্ডস চুক্তি সম্পন্ন হয়?
  1. জিমি কার্টার
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. রোনাল্ড রেগান
  4. ডোনাল্ড ট্রাম্প
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম অ্যাকর্ডস:
- আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হলো ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের মধ্যে একটি চুক্তি।
- ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন এই চুক্তির মধ্যমে ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করে।
- কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০।

⇒ ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়।
- ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি ২০১৬-২০২০ সাল পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তাঁর নেতৃত্বে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।
- ট্রাম্প প্রশাসন এই চুক্তির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল এবং আরব দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে দিনটিকে 'নতুন মধ্যপ্রাচ্যের ভোর' নামে অভিহিত করেন। 

⇒ এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং ইসরায়েল ও কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন।
- আব্রাহাম অ্যাকর্ডস চুক্তি অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) এবং বাহরাইন ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। চুক্তির মাধ্যমে এসব দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক, নিরাপত্তা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা শুরু করে। পরে সুদান এবং মরক্কোও ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বীকার করে।

উৎস: Britannica.
৮৭৮.
'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার ‍মুভমেন্ট' - এর সূত্রপাত হয় কোন দেশ থেকে?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) নরওয়ে
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ফ্রাইডেস ফর ফিউচার ‍মুভমেন্ট - জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন। এর প্রথম সূত্রপাত হয় ২০১৮ সালের আগস্টে সুইডেনে।
সুইডিশ কিশোরী গ্রেটা থুনবার্গ এই আন্দোলনের সূত্রপাত করেন। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।
(সূত্রঃ ফ্রাইডেস ফর ফিউচার ‍মুভমেন্ট ওয়েবসাইট)
৮৭৯.
USMCA বাণিজ্য চুক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশ কোনটি?
  1. বলিভিয়া
  2. মেক্সিকো
  3. পেরু
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো–কানাডা চুক্তি (USMCA):
- যুক্তরাষ্ট্র,মেক্সিকো ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি।
- ২০১৮ সালের আগস্টের শেষে, মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা করে যে তারা একটি নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মত হয়েছে, যা মূলত উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (NAFTA)-এর অনেক অংশ ধরে রাখলেও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- চুক্তির বাইরে পড়ার চাপের মধ্যে কানাডা ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮-এ শেষ মুহূর্তে চুক্তিতে যোগ দিতে সম্মত হয়।
- স্বাক্ষর: চুক্তিটি ৩০ নভেম্বর, ২০১৮ সাল।
- তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, এবং মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট এনরিক পেনা নিয়েতো কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর: সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আইনসভা দ্বারা অনুমোদনের পর, চুক্তির বেশিরভাগ অংশ ১ জুলাই, ২০২০-এ কার্যকর হয়।
- USMCA চুক্তি উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশের মধ্যে বাণিজ্যের গতিশীলতা বজায় রেখে নতুন অর্থনৈতিক সুবিধা এবং সংশোধনী নিয়ে আসে।

উৎস: Britannica.
৮৮০.
কোন চুক্তি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করে?
  1. ভার্সাই চুক্তি
  2. তাসখন্দ চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. প্যারিস শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
ভার্সাই চুক্তি:
- ভার্সাই চুক্তি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে মিত্রশক্তি ও জার্মানির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি শান্তি চুক্তি।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদের হল অব মিররস। 
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৮ জুন ১৯১৯ সালে। 
- কার্যকর হয়: ১০ জানুয়ারি ১৯২০ সালে।
- চুক্তিটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করে।
- ভার্সাই চুক্তি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থায় গভীর প্রভাব ফেলে এবং এর কঠোর শর্তাবলী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
৮৮১.
নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ নতুন করে কত সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়?
  1. ক) ২০২৪
  2. খ) ২০২৩
  3. গ) ২০২৬
  4. ঘ) ২০২৫
ব্যাখ্যা
নিউ স্টার্ট (New START)
• ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ এর মেয়াদ শেষ হলে ওবামা প্রশাসন ও পুতিনের সরকারের মধ্যে আলোচনা শুরু হয় এবং দ্রুতই নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে।
• চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ৮ এপ্রিল, ২০১০ সাল।
• চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্রাগ, চেক রিপাবলিক।
• চুক্তি স্বাক্ষরকারী - যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদ।
• চুক্তি কার্যকর - ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সাল।
• চুক্তির বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
• চুক্তির মেয়াদ - প্রাথমিক মেয়াদ - ১০ বছর (ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত) ২০২১ সালে মেয়াদান্তে তা আরো ৫ বছর অর্থ্যাৎ, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
• চুক্তি অনুসারে দুই পক্ষ পারমাণবিক টর্পেডো ৫০০ - ১০০০ এবং ডেলিভারী বাহন ৮০০ এর মধ্যে সীমিত রাখার পক্ষে একমত হয়। ৮০০ বাহনের মধ্যে এক সাথে ৭০০ এর বেশি মোতায়ন করা যাবে না।

তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৮৮২.
নানকিং চুক্তির ফলে ব্রিটেনের অধীনস্থ হয় -
  1. ক) তাইওয়ান
  2. খ) হংকং
  3. গ) চীন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ১৮৪২ সালের ২৯ আগস্ট চীন এবং ব্রিটেনের মধ্যে প্রথম আফিম যুদ্ধ বন্ধে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটেনের অধীনস্থ হয়।
- এছাড়া চীন কর্তৃক ব্রিটেনকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানে বাধ্য হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৯৮ সালে চীন সরকার ৯৯ বছরের জন্যে হংকংকে ব্রিটেনের নিকট লিজ দেয় এবং ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই লিজের মেয়াদ শেষে ব্রিটেন পুনরায় চীনের নিকট হংকং কে হস্তান্তর করে।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৮৮৩.
গ্রিনপিস প্রতিষ্ঠিত হয় কোন দেশে?
  1. নিউজিল্যান্ড
  2. জার্মানি
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস
- গ্রিনপিস হল্যান্ড বা নেদারল্যান্ডসভিত্তিক একটি বেসরকারি পরিবেশবাদী সংস্থা।
- ১৯৭১ সালে সংস্থাটি আলাঙ্কায় পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলন শুরু করে।
- সংস্থাটি পারমাণিবক পরীক্ষা এবং তেজস্ক্রিয় ও রাসায়নিক বর্জ্য নিক্ষেপের বিরুদ্ধে সফল আন্দোলন চালিয়ে আসছে।
- পূর্ব নাম ছিল Don't make a Wave Committee।
- ১৯৭১ সালে কানাডার ভ্যানকুভারে এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা প্যাট্রিক মোরে, রবার্ট হান্টার, ডেভিড ম্যাকট্যাগার্ড ও আরো অনেকে।
- এর সদর দপ্তর অবস্থিত নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে।
- ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরিক্ষার প্রতিবাদে গ্রিনপিস জন্মলাভ করে।
- গ্রিনপিসের জাহাজের নাম রেইনবো ওয়ারিয়র।
- তবে বাংলাদেশে রেনবো ওয়ারিয়রের নাম রংধনু।
- নিউজিল্যান্ড, হংকং সহ বিশ্বের ৪১ টির অধিক দেশে গ্রিনপিস আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে।

উৎসঃ গ্রিনপিসের ওয়েবসাইট। 
৮৮৪.
ওয়ারশ চুক্তি কত সালে বিলুপ্ত হয়েছে? 
  1. ১৯৯০ সাল
  2. ১৯৯১ সাল
  3. ১৯৯২ সাল
  4. ১৯৯৩ সাল 
ব্যাখ্যা

• ওয়ারশ চুক্তি:
- ওয়ারশ চুক্তি ছিল স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সাতটি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে গঠিত একটি সামরিক জোট।
- ১৯৫৫ সালে পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মূল সদর দপ্তর ছিল পোল্যান্ডের ওয়ারশতে; কিন্তু 
- এর সামরিক দপ্তর ছিল মস্কোতে।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়াও আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা করা।
- এটি ছিল একটি সামরিক মৈত্রী যা মূলত উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো)-এর প্রতিক্রিয়ায় গঠিত হয়েছিল।
- ওয়ারশ চুক্তিটি ১৯৯১ সালের ১ জুলাই বিলুপ্ত হয়।

উৎস: Britannica. 

৮৮৫.
গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১২ জানুয়ারি, ১৯৪৮
  2. ৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৮
  3. ১২ জানুয়ারি, ১৯৫১
  4. ৯ ডিসেম্বর, ১৯৫১
ব্যাখ্যা

গণহত্যা সনদ (Genocide Convention):
- গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) হল একটি আন্তর্জাতিক আইন।
- এই সনদেই প্রথমবারের মতো গণহত্যার (জেনোসাইড) অপরাধকে আইনগতভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- পূর্ণ নাম: Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide.
- স্বাক্ষরিত হয়: ৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৮।
- কার্যকর হয়: ১২ জানুয়ারি, ১৯৫১।
- উদ্দেশ্য: গণহত্যার প্রতিরোধ করা ও গণহত্যার অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।

⇒ ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সনদটি চূড়ান্ত করা হয়।
- সনদে প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী, ‘জাতিগত, নৃগোষ্ঠী, বর্ণ বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস’ করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত অপরাধই গণহত্যা। এই সনদ অনুযায়ী, গণহত্যা যুদ্ধকালীন বা শান্তিকালীন সময়েও সংঘটিত হতে পারে। তবে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বা তথাকথিত ‘সাংস্কৃতিক গণহত্যা’ এই সনদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: i) International Committee of the Red Cross (ICRC) ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৮৮৬.
অটোয়া চুক্তি কোন অস্ত্রের ব্যবহার রোধে গৃহীত হয়েছিল?
  1. রাসায়নিক অস্ত্র
  2. পারমাণবিক অস্ত্র
  3. জীবাণু অস্ত্র
  4. স্থলমাইন
ব্যাখ্যা
অটোয়া চুক্তি:
- অটোয়া চুক্তি ১৯৯৭ সালে স্থলমাইনের উৎপাদন, ব্যবহার ও মজুদ নিষিদ্ধকরণের লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- ১৯৯৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর নরওয়ের অসলোতে এই চুক্তি গৃহীত হয় এবং
- এটি ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ স্থলমাইন ব্যবহারের বিরুদ্ধে সম্মত হয়।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ৭ মে ১৯৯৮ সালে অটোয়া চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং
- ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালে এটি কার্যকর করে।
- বর্তমানে ১৬৪টি দেশ এই চুক্তির অংশীদার।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮৮৭.
১৯৯০ এর দশকে ইউরোপের কোন দেশে জাতিসত্ত্বা সংঘাতের সমস্যাটির সমাপ্তি করেছে একটি শান্তি চুক্তির মাধ্যমে?
  1. স্কটল্যান্ড
  2. আয়ারল্যান্ড
  3. নেদারল্যান্ড
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
১৯৯০ এর দশকে ইউরোপের দেশ উত্তর আয়ারল্যান্ড যুক্তরাজ্যের সাথে বেলফাস্ট চুক্তির (Belfast Agreement) মাধ্যমে জাতিসত্ত্বা সংঘাতের সমস্যাটির সমাপ্তি করেছে।

বেলফাস্ট চুক্তি:
- বেলফাস্ট চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠা, যেখানে শতাব্দী প্রাচীন জাতিগত ও ধর্মীয় সংঘর্ষ (বিশেষত ক্যাথলিক-জাতীয়তাবাদী এবং প্রটেস্টান্ট-ইউনিয়নিস্টদের মধ্যে) বন্ধ হবে।
- উত্তর আয়ারল্যান্ড এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- এটি উত্তর আয়ারল্যান্ডে চলমান গৃহযুদ্ধ এবং উত্তেজনা বন্ধ করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে, যা "The Troubles" নামে পরিচিত ছিল।
- এই চুক্তিটি দুই পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক সমঝোতা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেছে।

উল্লেখ্য,
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

উৎস: Britannica.
৮৮৮.
ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্দেশ্য কী ছিলো?
  1. মিশর-ইসরাইল মধ্যে শান্তি স্থাপন
  2. বসনিয়া সংকটের সমাধান
  3. আইরিশ গৃহযুদ্ধের অবসান
  4. ফিলিস্তিনে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন মধ্যস্থতা করেন।
- প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের প্যাটারসন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়। যার কারণে চুক্তিটি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৮৮৯.
অকাস কী ধরণের চুক্তি?
  1. নিরাপত্তা চুক্তি
  2. বাণিজ্য চুক্তি
  3. পরিবেশগত চুক্তি
  4. রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
- অকাস চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।

উৎস: U.S. Department of Defense .gov[Link]
৮৯০.
চীন আফ্রিকার দেশ জিবুতিতে কত সালে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে?
  1. ক) ২০১৫
  2. খ) ২০১৬
  3. গ) ২০১৭
  4. ঘ) ২০১৮
ব্যাখ্যা
China’s first overseas military base provides an interesting test case for its global ambitions. Since its construction, the Chinese People’s Liberation Army Support Base in Djibouti has become an increasingly important outpost in the Horn of Africa. The base’s geostrategic location yields insights into China’s machinations for the region. On July 11, 2017, the army deployed ships from the South Sea Fleet to officially open the base. The opening ceremony on August 1, 2017 was followed a month and a half later with live fire exercises.
The Diplomat Archive.
৮৯১.
নৌযান থেকে ক্ষতিকর ও বিপদজনক পদার্থ সমুদ্র ও নদীতে নিক্ষেপ করা থেকে বিরত রাখার আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. লন্ডন কনভেনশন
  2. রামসার কনভেনশন
  3. মিনামাতা কনভেনশন
  4. রটারড্যাম কনভেনশন
ব্যাখ্যা
লন্ডন কনভেনশন (London Convention)
লন্ডন কনভেনশনের পূর্ণনাম - London Convention on the Prevention of Marine Pollution by Dumping of Wastes and Other Matter। নৌযান থেকে ক্ষতিকর ও বিপদজনক পদার্থ সমুদ্র ও নদীতে নিক্ষেপ করা থেকে বিরত রাখার জন্য এই আন্তর্জাতিক চুক্তিটি করা হয়। আন্তর্জাতিক উপকূলীয় সংস্থা (IMO) - এর সহায়তায় এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
⤇ চুক্তি অনুমোদন - ১৯৭২ সাল
⤇ চুক্তি কার্যকর - ১৯৭৫ সাল
⤇ চুক্তিবদ্ধ পক্ষ - ৮৭টি দেশ।

- রামসার কনভেনশন - জলাভূমি ও এর জীববৈচিত্র্য রক্ষার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- মিনামাতা কনভেনশন - পারদের বিপজ্জনক ব্যবহার রোধ করার জন্য UNEP - এর তত্ত্ববধানে মিনামাতা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।
- রটারড্যাম কনভেনশন - মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কয়েকটি রাসায়নিক দ্রব্যের বাণিজ্য (কেনাকাটা ও আমদানি-রপ্তানি) নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি।

উৎস: IMO Website ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৮৯২.
নিম্নের কোন দেশ 'নাগার্নো কারাবাখ শান্তি চুক্তি' এর স্বাক্ষরকারী পক্ষ নয়?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) আলবেনিয়া
  3. গ) আজারবাইজান
  4. ঘ) আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা
প্রতিবেশী দুই দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া‌র মধ্যে দক্ষিণ ককেশাসের বিতর্কিত অঞ্চল নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো।
- বিবাদপূর্ণ নাগার্নো-কারাবাখের মালিকানা ঘিরে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া।
- ৯ নভেম্বর ২০২০ সালে রাশিয়া, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যকার 'নাগার্নো-কারাবাখ শান্তি চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়।

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট।
৮৯৩.
START কী?
  1. ক) বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি চুক্তি
  2. খ) কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি
  3. গ) অর্থনীতি সংক্রান্ত একটি চুক্তি
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
স্ট্র্যাট চুক্তি (START):
- স্ট্র্যাট বা Strategic Arms Reduction Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে।
- কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি ছিল এটি।
- ১৯৮২ সালের ২৯ জুন থেকে ১৯৯১ সালের জুন পর্যন্ত এ নিয়ে আলোচনা চলে ।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯১ সালের ৩১ জুলাই এবং কার্যকরী হয় ১৯৯৪ সালের ৫ ডিসেম্বর থেকে।
- ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর ওই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।
- ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন জর্জ বুশ ও মিখাইল গরবাচেভ। স্ট্র্যাট চুক্তিতে কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ একটা সমঝোতা হয়েছিল।

• স্ট্র্যার্ট-১ এ সিদ্ধান্ত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকবে ৮৫৫৬টি অস্ত্র, আর কমনওয়েলথ অব ইন্ডিপেনডেন্ট ষ্টেটস (রাশিয়ার নেতৃত্বে) এর হাতে থাকবে ৬১৬৩টি ।
• স্ট্র্যাট-২ চুক্তিতে (১৯৯৩-২০০২) এই অস্ত্রের সংখ্যা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছিল ৪২৫০টি (যুক্তরাষ্ট্র) ও ৪২৫০টিতে (সিআই এস)। ২০০৩ সাল পরবর্তীতে এ সংখ্যা ৩৫০০টিতে নামিয়ে আনার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৮৯৪.
বেলফোর ঘোষণা কোন রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আয়ারল্যান্ড
  2. ইসরায়েল
  3. জর্ডান
  4. মিশর
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭):
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েলের সাথে সম্পর্কিত। 
- তারিখ: ২ নভেম্বর, ১৯১৭ সাল। 
- বেলফোর ঘোষণা ছিল ব্রিটিশ সরকারের প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন।
- এটি ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোর থেকে লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ড (দ্বিতীয় ব্যারন রথসচাইল্ড), অ্যাংলো-ইহুদি সম্প্রদায়ের এক নেতার কাছে চিঠি আকারে প্রেরিত হয়।
- ঘোষণাটি ইহুদি জনগণের জন্য একটি জাতীয় আবাসের প্রতিশ্রুতি দিলেও, এর সুনির্দিষ্ট অর্থ বিতর্কিত।
- এটি সাইকস-পিকট চুক্তি এবং হুসেইন-ম্যাকমোহন পত্রাচারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হয়।
- মূল কপিটি ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে।
- এ ঘোষণার প্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

হুসেন-ম্যাকমোহন চিঠিপত্র (১৯১৫-১৯১৬): 
- হুসেন-ম্যাকমোহন চিঠিপত্র হলো ১৯১৫-১৬ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মক্কার আমির হুসেন ইবনে আলী এবং মিসরের ব্রিটিশ হাইকমিশনার স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের মধ্যে বিনিময় হওয়া একধরনের আলোচনা।
- এই চিঠিপত্রে ব্রিটিশ সরকার কার্যত অটোমান সাম্রাজ্যের বিরোধিতায় আরবদের সহযোগিতার বিনিময়ে স্বাধীন আরব রাষ্ট্র গঠনে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেয়।
- পরে এই প্রতিশ্রুতি সাইকস-পিকট চুক্তি (১৯১৬) এবং বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭) দ্বারা পরস্পরবিরোধী হয়ে পড়ে।
- সাইকস-পিকট চুক্তি ছিল ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে গোপন চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের অঞ্চলগুলো ভাগাভাগির পরিকল্পনা করেছিল।
- অন্যদিকে, বেলফোর ঘোষণা প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠার ব্রিটিশ সমর্থন ঘোষণা করে।

উৎস: Britannica.
৮৯৫.
SAFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৩ সালে
  2. খ) ১৯৯৮ সালে
  3. গ) ২০০৪ সালে
  4. ঘ) ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা
South Asian Free Trade Area (SAFTA) হলো দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। এটি স্বাক্ষরিত হয় ২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারি এবং কার্যকর হয় ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি।

এই চুক্তির মূললক্ষ্য হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে শুল্কহার শূন্যে নামিয়ে আনা। সার্কভুক্ত আটটি দেশ এটিতে স্বাক্ষর করেছে।

(তথ্যসূত্র: সার্ক সচিবালয় ওয়েবসাইট)
৮৯৬.
ট্রিটি অব ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে কোন দেশকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করা হয়?
  1. রাশিয়া
  2. জার্মানি
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• ট্রিটি অব ভার্সাই (Treaty of Versailles):
- ট্রিটি অব ভার্সাই ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে (১৯১৪–১৯১৮) মিত্রশক্তি (Allied Powers) এবং জার্মানির মধ্যে সম্পাদিত এক গুরুত্বপূর্ণ শান্তিচুক্তি।
- এই চুক্তি জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করে এবং তাকে কড়া শর্তে বাধ্য করে যুদ্ধক্ষতিপূরণ দিতে।
- তারিখ: ২৮ জুন, ১৯১৯।
- স্থান: ভার্সাই প্রাসাদ, ফ্রান্স।

• প্রধান অংশগ্রহণকারী দেশ:
- মিত্রশক্তি (Allied Powers).
- যুক্তরাষ্ট্র (President Woodrow Wilson).
- যুক্তরাজ্য (PM David Lloyd George).
- ফ্রান্স (PM Georges Clemenceau).
- ইতালি (PM Vittorio Orlando).

• পরাজিত পক্ষ:
- জার্মানি – যার প্রতিনিধিরা অনেক শর্ত মানতে বাধ্য হয়।
• প্রধান শর্তাবলি:
- চুক্তির Article 231 (War Guilt Clause)-এ জার্মানিকে যুদ্ধ শুরু ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ দায় স্বীকার করতে হয়।
- যুদ্ধ ক্ষতিপূরণ (Reparations):
- জার্মানিকে ১৩২ বিলিয়ন গোল্ড মার্কস (প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার সমমূল্য) পরিশোধে বাধ্য করা হয়।
- জার্মান সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ১ লক্ষ সৈন্য রাখার অনুমতি পায়।
- নৌবাহিনী সীমিত, বিমানবাহিনী নিষিদ্ধ, এবং ট্যাঙ্ক ও সাবমেরিন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- League of Nations গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বিশ্বে ভবিষ্যৎ যুদ্ধ ঠেকানোর জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।

• নেতিবাচক:
- জার্মানির ওপর আরোপিত কঠোর শর্তাবলি অসন্তোষ ও অর্থনৈতিক দুরবস্থার সৃষ্টি করে।
- এই অসন্তোষ পরবর্তীতে হিটলারের উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (1939–1945) পথ প্রশস্ত করে।

উৎস: Britannica.com: Treaty of Versailles.
৮৯৭.
নিচের কোন দেশ এনপিটি চুক্তিটি অনুমোদন করেনি?
  1. দক্ষিণ সুদান
  2. ইসরাইল
  3. ভারত
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• এনপিটি চুক্তি (NPT): 
- NPT বা Nuclear Non-Proliferation Treaty হচ্ছে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য ছিল পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা ও পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার।
- ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ও ১৮ দেশের সমন্বয়ে গঠিত Committee on Disarmament এ ধরনের চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে আসছিল।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই।
- এবং কার্যকরী হয় ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ থেকে। চুক্তিটি ২৫ বছর মেয়াদি ছিল।
- ২০১৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিশ্বের ১৯১টি দেশ এই চুক্তির প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা স্বীকার করেছে।
- উত্তর কোরিয়া ২০০৩ সালে এনপিটি চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
- ভারত, ইসরাইল ও দক্ষিণ সুদান এনপিটি চুক্তিটি অনুমোদন করেনি।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান ও International Atomic Energy Agency.
৮৯৮.
SALT এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Systematic Arms Limitation Treaty.
  2. Systematic Arms Limitation Talks.
  3. Strategic Arms Limitation Talks.
  4. Strategic Arms Limitation Treaty.
ব্যাখ্যা
• SALT এর পূর্ণরূপ Strategic Arms Limitation Talks. 
- SALT বা আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে ১৯৬৯ সালে।
- আলোচনা ও চুক্তি সীমাবদ্ধ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে।
- এই আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistii Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- SALT- I চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ২৬ মে।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত ব্যালিস্টিক মিসাইল লাঞ্চার, অর্থাৎ পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা “ফ্রিজ করা হয়।
- যাতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে না পারে।
- আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান।
৮৯৯.
'AUKUS' জোটের সদস্যদেশ কোনগুলো? 
  1. জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া
  2. রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য
  3. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• AUKUS চুক্তি:
- AUKUS হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।

উৎস: U.S. Department of Defense (.gov).

৯০০.
নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি চালু হয় প্রধানত কার প্রশাসনের অধীনে?
  1. হু জিনতাও
  2. দেং শিয়াওপিং
  3. লি কিয়াং
  4. শি জিনপিং
ব্যাখ্যা

নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি:
- 'নেকড়ে যোদ্ধা' কূটনীতি চীন দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- মূলত র‍্যাম্বো স্টাইলের চীনা চলচ্চিত্র 'উলফ ওরিয়র-২' থেকে 'নেকড়ে যোদ্ধা' পরিভাষাটি ধার করা হয়েছে।

⇒ চীনের 'নেকড়ে যোদ্ধা' কূটনীতি প্রথম শুরু করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
- শি জিনপিংয়ের মহান কূটনৈতিক দর্শন থেকে এই পরিভাষাটি বেছে নেয়া হয়েছে।
- নিজের মর্যাদা বাড়াতে ও ক্ষমতাকে আরও পাকাপোক্তে কৌশলের অংশ হিসেবে চীনাদের জাতীয়তাবাদী অনুভূতি শক্তিশালী করতে শি জিনপিং এমন কৌশল নিয়েছিলেন।

⇒ মার্কিন চাপে জি৭ দেশগুলো যাতে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই নতুন পথ বেছে নিয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনীতি।

উৎস: The National Bureau of Asian Research (NBR).