বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

মোট প্রশ্ন১,৩৬৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ৭০১৮০০ / ১,৩৬৬

৭০১.
‘জেনেভা কনভেনশন’ এর আওতায় কয়টি চুক্তি ও প্রটোকল রয়েছে?
  1. ২টি চুক্তি ও ১টি প্রটোকল
  2. ৩টি চুক্তি ও ২টি প্রটোকল
  3. ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
  4. ৫টি চুক্তি ও ৪টি প্রটোকল
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
৭০২.
ইরাক এবং ইরানের মধ্যে কখন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৭৬ সালে
  3. গ) ১৯৭৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ইরাক এবং ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ জুন, ১৯৭৫ সালে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন করে ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান- আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।
- চুক্তির বিষয় হলো শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।

তথ্যসুত্র: Britannica.com
৭০৩.
বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ CTBT চুক্তি অনুমোদন করে?
  1. ৪৭তম
  2. ৫১তম
  3. ৫৪তম
  4. ৬০তম
ব্যাখ্যা
CTBT চুক্তি:

- CTBT এর পূর্ণরূপ - Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty।
- এটি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা বন্ধের একটি বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অস্ট্রেলিয়ার প্রস্তাবক্রমে জাতিসংঘের উদ্যোগে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের অনুমোদন - ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্তের তারিখ - ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - জাতিসংঘের সদরদপ্তর, নিউইয়র্ক।
- স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৮৭টি।
- চুক্তির বিষয় -নিরস্ত্রীকরণ।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৪তম দেশ হিসেবে অনুমোদন করে ২০০০ সালের ৮ মার্চ।

তথ্যসূত্র - সিটিবিটিও এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭০৪.
বেলফাস্ট চুক্তি স্বাক্ষর করে-
  1. ক) ব্রিটেন ও নরওয়ে
  2. খ) জার্মানি ও ফ্রান্স
  3. গ) ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
- আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ।
- নর্দান আয়ারল্যান্ডে শান্তি চুক্তি, যা গুড ফ্রাইডে বা বেলফাস্ট চুক্তি নামে পরিচিত|
- সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্বের অবসান ও নর্দান আয়ারল্যান্ডের শক্তি ভাগাভাগির লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালে গুড ফ্রাইডে/বেলফাস্ট চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নর্দান আয়ারল্যান্ডের জনগণের আইরিশ নাগরিকত্ব নেয়ার এবং ইইউ জনগণের অবাধ প্রবেশের অনুমতি প্রদান করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা
৭০৫.
সম্প্রতি কোন দেশ ইরানের চাবাহার সমুদ্রবন্দর পরিচালনার জন্য ইরানের সাথে চুক্তি করেছে?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. ভারত
  4. আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

গত ১৩ মে, ২০২৪ তারিখে ইরানের চাবাহার সমুদ্রবন্দর পরিচালনার জন্য ১০ বছরের চুক্তি করেছে ভারত ইরান।   

ইরান

- ইরান দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত একটি মুসলিম রাষ্ট্র।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে পর্বতময় দেশগুলির একটি।
- ইউরেশিয়ার কেন্দ্রে এবং হরমুজ প্রণালীর নিকটে অবস্থিত হওয়ায় দেশটি ভূকৌশলগতভাবে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। 
- ইরানে দুই ধরনের সেনাবাহিনী রয়েছে। একটি প্রথাগত সেনাবাহিনী ও বৈপ্লবিক সুরক্ষা বাহিনী।
- ইরান ৩০টি প্রদেশে বিভক্ত।
- সৌদি আরবের পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। 
-1979 সালে শেষ হওয়া ইরানী বিপ্লব, ইরানের রাজনৈতিক পটভূমিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন চিহ্নিত করে, যার ফলে পাহলভি রাজবংশের উৎখাত হয় এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠা হয়।
-ইরানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার আছে। 
-পার্সিয়ান ভাষায় ‘ইরান’ শব্দের অর্থ আর্য/আরিয়ানদের ভূমি।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো, ১৪ মে, ২০২৪। ব্রিটানিকা।
৭০৬.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সিটিবিটি চুক্তি গ্রহণ করে -
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

• CTBT:
-  সিটিবিটি বা  Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty হচ্ছে একটি চুক্তি, যাতে সব ধরনের পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- CTBT তে পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধের কথা বলা হয়েছে। 
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সিটিবিটি চুক্তিটি গ্রহণ করে ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ।
- এরপর এটি সদস্যদেশগুলোর স্বাক্ষরের জন্য তা উন্মুক্ত করা হয় ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।
- ওই সময় পারমাণবিক শক্তিধর ৫টি দেশ সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৬৮টি দেশ এই চুক্তিটি অনুমোদন দিয়েছে।
- বাকি ১৭টি দেশ চুক্তি স্বাক্ষর করলেও, তা অনুমোদন করেনি।
- চীন, মিশর, ইরান, ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও তা অনুমোদন করেনি।

• চুক্তির দুটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে:
১. চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশগুলো কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা করতে পারবে না, চুক্তির অন্তর্ভুক্ত এলাকায় কোনো পারমাণবিক পরীক্ষা চালাতে পারবে না;
২. চুক্তি স্বাক্ষরিত কোনো দেশ নিজে অথবা অন্যকোনো দেশকে পারমাণবিক পরীক্ষা চালাতে উৎসাহিত করবে না, সেই সাথে নিজেও অংশ নেবে না।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান ও CTBTO.

৭০৭.
নিচের কোন দেশটি ANZUS এর সদস্য নয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
- জাপান ANZUS এর সদস্য নয়

ANZUS(Australia, New Zealand, United States Security Treaty):
- প্রতিষ্ঠিত: ১৯৫১ সালে।
- উদ্দেশ্য: এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- নিউজিল্যান্ডের সাথে কিছু পারমাণবিক নীতি নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে 1984 সালে ANZUS কার্যক্রমে নিউজিল্যান্ডের ভূমিকা সীমিত হয়ে যায়।
- তবে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র এখনও চুক্তিটি কার্যকর রাখছে।
- ANZUS চুক্তি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সদস্য দেশসমূহ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। 

উৎস: Britannica
History.com
৭০৮.
মহাশূন্য চুক্তি (Outer Space Treaty) কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৬৩ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
Outer Space Treaty বা মহাশূন্য চুক্তি:
- Outer Space Treaty বা মহাশূন্য চুক্তি, যা আনুষ্ঠানিকভাবে "চাঁদ এবং অন্যান্য মহাকাশীয় বস্তু সহ মহাশূন্যের  অন্বেষণ এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রগুলির কার্যকলাপ পরিচালনাকারী নীতিমালার চুক্তি" নামে পরিচিত,মহাকাশ কার্যক্রম পরিচালনাকারী একটি মৌলিক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৬৩ সালে সাধারণ পরিষদ তার রেজোলিউশন ১৯৬২ (XVIII) এ গৃহীত হয়েছিল , তবে কয়েকটি নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছিল।
- চুক্তিটি ১৯৬৭ সালের জানুয়ারিতে তিনটি আমানতকারী সরকার (রাশিয়ান ফেডারেশন, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) দ্বারা স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল।
- এটি ১৯৬৭ সালের অক্টোবরে কার্যকর হয়। 

উৎস: UNOOSA ওয়েবসাইট।
৭০৯.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ডেটন চুক্তি
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. আলজিয়ার্স চুক্তি
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- চুক্তি সাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।
 
অন্যদিকে: 
- বসনিয়া সংকট সমাধানে ডেটন শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ইসরাইল ও মিশর এই দুইটি দেশের মধ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে।
 
সূত্র - Britannica.com & History.com
৭১০.
নিচের কোন দেশটি CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি? [আগস্ট,২০২৫]
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ভারত
  3. ফ্রান্স
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য:
- চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে Annex 2 দেশগুলোর মধ্যে ৪৪টি দেশকে স্বাক্ষর ও অনুমোদন দিতে হবে।
- এই দেশগুলোর মধ্যে ৯টি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- যার মধ্যে রাশিয়া ২০২৩ সালে তার অনুমোদন প্রত্যাহার করেছে।
- বর্তমানে, চুক্তিটি কার্যকর হয়নি কারণ প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশ অনুমোদন দেয়নি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।
৭১১.
‘START-2’ নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কযুক্ত ?
  1. ক) গণবিধ্বংসী অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
  2. খ) পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
  3. গ) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
  4. ঘ) রাসায়নিক অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত কয়েকটি চুক্তিঃ

- SALT-1 (Strategic Arms Limitation Talk -1); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- SALT-2 (Strategic Arms Limitation Talk -2); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়  -  ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে।

- START-1 (Strategic Arms Reduction Treaty-1); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- START-2 (Strategic Arms Reduction Treaty-2); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩ জানুয়ারি ১৯৯৩ সালে।

উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
৭১২.
ABM Treaty কবে বাতিল হয়?
  1. ১৩ ডিসেম্বর, ২০০১
  2. ১৩ ডিসেম্বর, ২০০২
  3. ১৩ জুন, ২০০১
  4. ১৩ জুন, ২০০২
ব্যাখ্যা

ABM Treaty:
- ABM-এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty.
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল: ১৩ জুন, ২০০২ সাল।

উল্লেখ্য,
- ১৩ ডিসেম্বর, ২০০১-এ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ৬ মাস পরে জুন, ২০০২ সালে এই প্রত্যাহার কার্যকর হয়।
 
উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

৭১৩.
কত সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে?
  1. ১৯৬৬ সাল
  2. ১৯৬৩ সাল
  3. ১৯৬৭ সাল
  4. ১৯৬১ সাল
ব্যাখ্যা
• মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
- ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।

সূত্র: সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট, বাসস।
৭১৪.
তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী কে ছিলেন?
  1. যোসেফ স্তালিন
  2. গেওর্গি মালেনকোভ
  3. লিওনিদ ব্রেজনেভ
  4. অ্যালেক্সি কোসিগিন
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি:
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: তাসখন্দ, উজবেকিস্তান।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- মধ্যস্থতাকারী: অ্যালেক্সি কোসিগিন (তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী)।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
• লালবাহাদুর শাস্ত্রী (ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী)।
• আইয়ুব খান (পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট)।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।
৭১৫.
ভার্সাই চুক্তি কোন যুদ্ধের পরিণাম স্বরূপ গৃহীত হয়?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ 
  2. রাশিয়ান বিপ্লব
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  4. স্প্যানিশ যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

ভার্সাই চুক্তি:
- ভার্সাই চুক্তি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে মিত্রশক্তি ও জার্মানির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি শান্তি চুক্তি।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদের হল অব মিররস।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৮ জুন ১৯১৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ১০ জানুয়ারি ১৯২০ সালে।
- চুক্তিটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করে।
- ভার্সাই চুক্তি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থায় গভীর প্রভাব ফেলে এবং এর কঠোর শর্তাবলী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.

৭১৬.
সিটিবিটি চুক্তি গৃহিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty) চুক্তি গৃহিত হয়। তবে চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি।
- চুক্তিটি কার্যকরের জন্যে চুক্তি অ্যানেক্স-২ অংশে উল্লিখিত ৪৪টি দেশের প্রত্যেকটির অনুমোদন আবশ্যক।
- কিন্তু অ্যানেক্স-২ অংশের ৮টি দেশ এখনো চুক্তিটি অনুমোদন করেনি। দেশগুলো হলো:
- ভারত
- পাকিস্তান
- উত্তর কোরিয়া
- যুক্তরাষ্ট্র
- চীন
- ইসরাইল
- মিশর
- ইরান।
এর ম্যধ্যে প্রথম তিনটি দেশ চুক্তিতে স্বাক্ষরও করেনি।
- বর্তমান পর্যন্ত ১৮৫টি দেশ CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০০০ সালের ৮ মার্চ চুক্তিটি অনুমোদন করে।
(তথ্যসূত্রঃ সিটিবিটিও, জাতিসংঘ এবং মার্কিন সরকারি ওয়েবসাইট)
৭১৭.
The Treaty of Algiers was signed between which two countries?
  1. Iran and Iraq
  2. Iraq and Kuwait
  3. USA and Iraq
  4. Algeria and Iraq
  5. USA and Iran
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ১৯৭৬ সালে আলজিয়ার্স চুক্তি অনুমোদিত হয়।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জুন,১৯৭৫ সালে।
- আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় আলজেরিয়ার রাজধানীতে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
৭১৮.
বাংলাদেশ কত তারিখে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করে?
  1. ৩১ আগস্ট, ২০২৪
  2. ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  3. ২৯ আগস্ট, ২০২৪
  4. ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
• গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ:

• পূর্ণ নাম: International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance.
-গুমবিরোধী সনদটি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।
- ৩২টি দেশ এটি অনুস্বাক্ষর করার পরে ২০১০ সালে তা বাস্তবায়ন শুরু হয়।
- সামগ্রিকভাবে এই সনদের লক্ষ্য গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত
ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।

উল্লেখ্য,
- ২৯ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।
- উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপদেষ্টাদের এই সনদে
স্বাক্ষর করেন।
- প্রত্যেক নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করার লক্ষ্যে এই
কনভেনশনে বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হয়।

উৎস: Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS).
৭১৯.
'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম কী?
  1. Good Saturday Agreement
  2. Good Sunday Agreement
  3. Good Tuesday Agreement
  4. Good Friday Agreement
ব্যাখ্যা
⇒ 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭২০.
নিচের কোন দেশটি ইরানের সাথে স্বাক্ষরিত ছয় জাতির পরমাণু সমঝোতা চুক্তির অংশীদার নয়?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জর্মানি
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
- ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বিষয়ে ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই ইরান এবং অন্য ছয়টি দেশের মধ্যে The Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA) নামে পরমাণু সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তির অংশীদার অন্য ছয়টি দেশ হলো:
- যুক্তরাজ্য
- রাশিয়া
- চীন
- ফ্রান্স
- জার্মানি
- যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ তার ২২৩১ নং প্রস্তাবের মাধ্যমে ২০ জুলাই ২০১৫ চুক্তিটিকে অনুমোদন করে যা ২০১৫ সালের ১৮ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়।
- চুক্তিটির শর্ত হিসেবে ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি সংকোচিত করতে সম্মত হয় এবং এর বিনিময়ে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপর থেকে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করতে সম্মত হয়।
- কিন্তু ২০১৮ সালের ৮ মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তিটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেয় এবং ইরানের ‍উপর পুনরায় সকল নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করে।
- ফলে JCPOA চুক্তির কার্যকারিতা নিশ্চিত হয়ে পড়ে যা এখনো চলমান রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: আর্মস কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশন ওয়েবসাইট)
৭২১.
ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসনে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ? 
  1. ইউরাটম চুক্তি
  2. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  3. একীভূতকরণ চুক্তি
  4. রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা

প্যারিস শান্তি চুক্তি
• দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।

• চুক্তি স্বাক্ষরকাল - ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সাল।
• স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
• চুক্তির পক্ষসমূহ - যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
• ফলাফল - ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।
• প্যারিস শান্তি চুক্তির স্বাক্ষরের আগে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লে ডুচ থো (Lê Đức Thọ) ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হেনরি কিসিঞ্জার আলোচনা করেন এবং চুক্তির খসড়া প্রণয়ন করেন। এর সূত্র ধরে দুই জনকেই ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।  

৭২২.
'আটলান্টিক সনদ' স্বাক্ষরিত হয় কার কার মধ্যে?
  1. রুজভেল্ট ও উইনস্টন চার্চিল
  2. রুজভেল্ট ও স্টালিন
  3. রুজভেল্ট, উইনস্টন চার্চিল ও স্টালিন
  4. উইনস্টন চার্চিল ও স্টালিন
ব্যাখ্যা
• আটলান্টিক সনদ:
- আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের মধ্য।
- স্বাক্ষরের সময়কাল: ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সাল।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- স্বাক্ষরের স্থান: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।
- এর ফলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭২৩.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়টি SDG এর কত নং লক্ষ্যমাত্রার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ৭ নং
  2. খ) ৯ নং
  3. গ) ১১ নং
  4. ঘ) ১৩ নং
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ২০১৬ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে যা টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট বা SDG নামে পরিচিত।
এসডিজির ১৩ নং লক্ষ্যমাত্রায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। এতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতি হ্রাস করা, প্যারিস জলবায়ু চুক্তির বিষয়গুলো বাস্তবায়ন প্রভৃতি বিষয়ে বলা হয়েছে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৭২৪.
'TPNW' কী বিষয় চুক্তি? 
  1. রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  2. পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ 
  3. জৈবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  4. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা

• TPNW:
- TPNW এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons বা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- TPNW-তে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২শে জানুয়ারি, ২০২১।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৭৩টি।[আগস্ট, ২০২৫]
- স্বাক্ষরকারী: ৯৪টি। [আগস্ট, ২০২৫]
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।

উৎস: ICAN ওয়েবসাইট।

৭২৫.
অসলো-১ শান্তি চুক্তির মধ্যস্থতা করেন কে?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. বিল ক্লিনটন
  3. জন টাইলার
  4. টমাস জেফারসন
ব্যাখ্যা
অসলো-১ শান্তি চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- অসলো-১ শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- অসলো-১ চুক্তির ফলে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
৭২৬.
ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান কোনটি?
  1. প্যারিস
  2. রোম
  3. নিউ ইয়র্ক
  4. জেনেভা
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৭২৭.
CSTO কী -
  1. ক) সামরিক প্যাক্ট
  2. খ) অর্থনৈতিক প্যাক্ট
  3. গ) বাণিজ্যিক প্যাক্ট
  4. ঘ) কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
সিএসটিও (CSTO- Collective Security Treaty Organization):
- সিএসটিও একটি সামরিক প্যাক্ট, যা ১৯৯২ সালের মে মাসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এর সদর দফতর মস্কোতে।
- বর্তমানে ৬টি দেশ এই সামরিক প্যাক্টের সদস্য।
- এই দেশগুলো হচ্ছে আর্মেনিয়া, বেলারুশ, কাজাখিস্তান কিঘিজিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান। 

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৭২৮.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি কখন শেষ হবে?
  1. ২০৪০
  2. ২০২৬
  3. ২০২৪
  4. ২০৩০
ব্যাখ্যা
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর গঙ্গার পানি বন্টন সম্পর্কে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ ফারাক্কা পানি চুক্তি:
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।
- চুক্তি অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি - ৩১শে মে পর্যন্ত দুই দেশ চুক্তিতে উল্লেখিত ফর্মুলা অনুযায়ী পানি ভাগাভাগি করে নেবে।
- চুক্তিতে বলা হয়েছে, নদীতে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানি থাকলে দুই দেশ সমান সমান পানি ভাগ করে নেবে।
- পানির পরিমাণ ৭০ হাজার কিউসেক থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক হলে ৪০ হাজার কিউসেক পাবে বাংলাদেশ, অবশিষ্ট প্রবাহিত হবে ভারতে।
- আবার নদীর পানির প্রবাহ যদি ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি হয় তাহলে ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে ভারত, অবশিষ্ট পানি প্রবাহিত হবে বাংলাদেশে।

উল্লেখ্য,
- ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
৭২৯.
নিম্নে কোন চুক্তিটি Good Friday Agreement নামে পরিচিত?
  1. আলজিয়ার্স চুক্তি
  2. শেনজেন চুক্তি
  3. বেলফাস্ট চুক্তি
  4. উই রিভার চুক্তি
ব্যাখ্যা

বেলফাস্ট চুক্তি (Belfast Agreement):
- স্বাক্ষরিত হয়: ১০ এপ্রিল ১৯৯৮।
- স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তির উদ্দেশ্য: উত্তর আয়ারল্যান্ডে দীর্ঘদিনের সহিংস সংঘাত অবসান  এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- বেলফাস্ট চুক্তি Good Friday Agreement নামেও পরিচিত।
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৩০.
Anti Ballistic Missile Treaty চুক্তি থেকে কোন দেশটি প্রত্যাহার করেছে?
  1. রাশিয়া
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
ABM Treaty:
- ABM- এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty.
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।

⇒ চুক্তি বাতিল: ১৩ জুন, ২০০২ সাল।

উল্লেখ্য,
- ১৩ ডিসেম্বর, ২০০১-এ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ৬ মাস পরে জুন, ২০০২ সালে এই প্রত্যাহার কার্যকর হয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৭৩১.
’বসনিয়া যুদ্ধ’ অবসান হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. ডেটন চুক্তি
  2. তাসখন্দ চুক্তি
  3. ভার্সাই চুক্তি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তি হয়: প্যারিস, ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয় তাই একে ডেটন চুক্তি বলা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়- ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে।
- বসনিয়া যুদ্ধ অবসানের জন্য ডেটন চু্ক্তি স্বাক্ষরিত হয়
- বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া মধ্য চু্ক্তি হয়।
- এ চুক্তির মধ্যস্থতা করেন: বিল ক্লিনটন।
- বসনিয়ার পক্ষে স্বাক্ষর করেন: প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
- ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে: প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
- সার্বিয়ার পক্ষে: স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

উল্লেখ্য,
তাসখন্দ চুক্তি:
- উজবেকিস্তান এর রাজধানী তাসখন্দে ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত স্থানটির নাম অনুসারে  চুক্তির নামকরণ হয়।
- এ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্সি কোসিগিন।
- পক্ষসমূহ: ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ: লালবাহাদুর শাস্ত্রী এবং আয়ুব খান।
- এ চুক্তি ১৯৬৫ সালে ভারত -পাকিস্তান যুদ্ধ অবসান ঘটে।

 উৎস: History.com & Britannica.
৭৩২.
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির ঘোষণার মূল নকশা করেন কে?
  1. ডেভিড লয়েড জর্জ
  2. উড্রো উইলসন
  3. জর্জেস ক্ল্যামেনকু
  4. উপরের সকলে
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির ঘোষণার মূল নকশা করেন বৃটেনের ডেভিড লয়েড জর্জ, যুক্তরাষ্ট্রের উড্রো উইলসন, ফ্রান্সের জর্জেস ক্ল্যামেনকু এবং ইতালির ভিটিরিও অরল্যান্ডো।
- ফ্রান্সের বাড়ছে নগরীতে দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯১৯ সালের ২৮ জুন মাসে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি ( ব্রিটেন, ফ্রান্স, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালি) ও জার্মানির মধ্যে।

উৎস: Live MCQ

৭৩৩.
কোন চুক্তি স্বাক্ষরের জন্যে ইয়াসির আরাফাত নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন?
  1. অসলো চুক্তি
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. ওয়াই রিভার চুক্তি
  4. সেভার্স চুক্তি
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের জন্যে ১৯৯৪ সালে ফিলিস্তিনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে পিএলও এবং ইসরায়েলের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধ্যমে পিএলও এবং ইসরায়েল পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং ফিলিস্তিনে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়।
(উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং নোবেল প্রাইজ ওয়েবসাইট)
৭৩৪.
R2P এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Responsibility to Protection
  2. খ) Reliability to Protect
  3. গ) Reliability to Protection
  4. ঘ) Responsibility to Protect
ব্যাখ্যা
• R2P এর পূর্ণরূপ - Responsibility to Protect. 

Responsibility to Protect:
- আর টু পি বা Responsibility to Protect তত্ত্ব মূলত এক ধরণের কমিটমেন্ট, যা জাতিসংঘের সদস্যপদ প্রাপ্ত প্রতিটি রাষ্ট্র মানতে বাধ্য। জাতিসংঘের ২০০৫ সালের এক শীর্ষ সম্মেলনে ‘আর টু পি’ গ্রহণ করা হয়।
- এর উদ্দেশ্য হচ্ছে গণহত্যা যুদ্ধ বন্ধ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তাকে নিমূর্লের হাত থেকে রক্ষা করা, যুদ্ধাপরাধ, ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
- অর্থাৎ একটা বিশাল জনগোষ্ঠীকে সকল ধরনের সন্ত্রাস, গণহত্যার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে এই তত্ত্বে।
- এই তত্ত্বের আওতায় যে রাষ্ট্র বা গোষ্ঠী যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করছে, তার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ, সামরিক শক্তি প্রয়োগ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিধান রাখা হয়েছে।
- জাতিসংঘের মহাসচিব ২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর এই তত্ত্বের আওতায় কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন, সে সম্পর্কে রিপোর্ট প্রদান করেন।
- লিবিয়া, সুদান, সিরিয়ায় এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে গণহত্যা বন্ধ ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে উচ্ছেদ অভিযান থেকে রক্ষা করার জন্য বৃহৎ রাষ্ট্রকে সামরিক অভিযান চালাতে আমরা দেখেছি।
- যদিও এই তত্ত্বের প্রয়োগ নিয়ে এখনও বিতর্ক আছে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৭৩৫.
সম্প্রতি, ‘কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’ কোন দুটি দেশের মধ্যে হয়েছে?
  1. ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন এবং রাশিয়া
  3. পাকিস্তান এবং সৌদি আরব
  4. যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি':
- পাকিস্তান ও সৌদি আরব নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য একটি 'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে স্বাক্ষর করেছে।
এই চুক্তি অনুযায়ী, 'কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে'।
পাকিস্তান ও সৌদি আরবের নেতারা এই চুক্তিকে 'ঐতিহাসিক' বলে অভিহিত করছেন।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: বিবিসি নিউজ।

৭৩৬.
বিবিআইএন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ?
  1. ক) ১৫ই জুলাই ২০১৫
  2. খ) ১৫ইআগস্ট ২০১৫
  3. গ) ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০১৫
  4. ঘ) ১৫ই জুন ২০১৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ভুটান, ভারত, নেপাল, এর মধ্যকার পরিকাঠামো , পানির উৎসের সঠিক ব্যবহার, বিদ্যুৎ ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা ।
- ১৫ই জুন ২০১৫ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ।
- চুক্তিটি এখনও কার্যকর হয়নি ।- বিবিআইএন ভূমি বেষ্টিত (ল্যান্ড ব্লক) দেশ নেপাল ও ভুটান ভারতের কলকাতা বন্দর, হলদিয়া বন্দর এবং বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের বিশেষ সুবিধা পাবে ।

সূত্র:LIVE MCQ

৭৩৭.
New START চুক্তি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  4. রাশিয়া ও ইউক্রেন
ব্যাখ্যা

New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৮ এপ্রিল ২০১০ সালে।
- চুক্তি কার্যকর হয় ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে।
- স্বাক্ষরকারী নেতা: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- চুক্তি মস্কো ও ওয়াশিংটনের মোট কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে।
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat Initiative

৭৩৮.
ওয়ারশ চুক্তি কোন সময়কার সামরিক জোট ছিল?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. স্নায়ুযুদ্ধ
  4. ইরাক যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা (Warsaw Pact):
- ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা ওয়ারশ প্যাক্ট নামেও পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫ সালে।
- এটি ছিল একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট, যা সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশকে নিয়ে গঠিত।
- এই জোটটি গঠন করা হয় ন্যাটো (NATO)-র পাল্টা জোট হিসেবে, যা ১৯৪৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে গঠিত হয়।
- এই চুক্তি ২৬ এপ্রিল ১৯৮৫ সালে নবায়ন করা হয়।
- এই সংস্থার কার্যক্রম ১ জুলাই ১৯৯১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।
- ওয়ারশ প্যাক্ট ছিল সোভিয়েত নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক জোট, যা স্নায়ুযুদ্ধের সময় পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোকে একত্রিত করে ন্যাটোর বিপরীতে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল।

উৎস: History of U.S. Foreign Relations
britannica.
৭৩৯.
Warsaw Pact কয়টি দেশের মধ্যকার চুক্তি?
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা জোট।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন ন্যাটোর (NATO) বিকল্প সামরিক জোট হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি জোট গঠন করে। 
- ১৪ মে, ১৯৫৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ৩১ মার্চ, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির সাথে সাথে Warsaw Pact বিলুপ্ত হয়।

উৎস: Britannica.
৭৪০.
রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি (CWC) কোন বছরে কার্যকর হয়? 
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

• CWC চুক্তি:
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC চুক্তি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।

উল্লেখ্য:
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র:  জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।

৭৪১.
কোন চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে?
  1. ক) আলজিয়ার্স চুক্তি
  2. খ) আব্রাহাম চুক্তি
  3. গ) অসলো চুক্তি
  4. ঘ) ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
ব্যাখ্যা
- তৃতীয় আরব দেশ হিসেবে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। এই লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি ‘আব্রাহাম চুক্তি’ নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট)
৭৪২.
অটোয়া চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  2. পারমাণবিক অস্ত্র সীমিতকরণ
  3. রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  4. জৈব অস্ত্র ধ্বংস
ব্যাখ্যা

অটোয়া চুক্তি: 
- অটোয়া চুক্তি ১৯৯৭ সালে স্থলমাইনের উৎপাদন, ব্যবহার ও মজুদ নিষিদ্ধকরণের লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- ১৯৯৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কানাডার অটোয়ায় এই চুক্তি গৃহীত হয় এবং
- এটি ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ স্থলমাইন ব্যবহারের বিরুদ্ধে সম্মত হয়।
- বাংলাদেশ ৭ মে ১৯৯৮ সালে অটোয়া চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালে এটি কার্যকর করে।
- বর্তমানে ১৬৪টি দেশ এই চুক্তির অংশীদার।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৭৪৩.
'Minsk II' চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী সংস্থা কোনটি?
  1. ক) EC
  2. খ) ENQA
  3. গ) OSCE
  4. ঘ) NATO
ব্যাখ্যা
Minsk II
Representatives of Russia, Ukraine, the Organisation for Security and Cooperation in Europe (OSCE) and the leaders of separatist-held regions Donetsk and Luhansk signed a 13-point agreement in February 2015.
The leaders of France, Germany, Russia, and Ukraine gathered in Minsk to mark the occasion and issued a declaration of support.

Minsk I
Ukraine and the Russia-backed separatists agreed on a 12-point ceasefire deal in September 2014.
Its provisions included prisoner exchanges, deliveries of humanitarian aid and the withdrawal of heavy weapons.
However, the agreement quickly broke down, with violations by both sides.

Source: www.aljazeera.com
৭৪৪.
CPTPP কী ধরনের চুক্তি?
  1. ক) সামরিক
  2. খ) বাণিজ্যিক
  3. গ) রাজনৈতিক
  4. ঘ) সাংস্কৃতিক
ব্যাখ্যা
CPTPP (The Comprehensive and Progressive Agreement for Trans-Pacific Partnership) হলো এশিয়া-প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলের ১১টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
২০১৮ সালের ৮ মার্চ এটি চিলির সান্টিয়াগো শহরে স্বাক্ষরিত হয়। কানাডা, পেরু, মেক্সিকো, চিলি, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, সিঙ্গাপুর এবং ভিয়েতনাম এতে স্বাক্ষর করে।
৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ ছয়টি দেশ অনুমোদনের মাধ্যমে এটি কার্যকর হয়। ‍যুক্তরাষ্ট্র শুরুতে এটিতে যুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
(সূত্র: কানাডা সরকারি ওয়েবসাইট)
৭৪৫.
যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তানে তালেবানদের মধ্যে কত সালে দ্বিতীয় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তানে তালেবানদের মধ্যে ২০২০ সালে দ্বিতীয় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তালেবান গোষ্ঠী:
- ১৯৯৪ সালে আফগান প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল তালেবান গোষ্ঠী।
- পশতু ভাষায় তালেবান মানে হচ্ছে 'ছাত্র'।
- আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত রাশিয়ার সেনারা ফিরে যাওয়ার পর ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে উত্তর পাকিস্তানে এই তালেবান আন্দোলনের জন্ম।
- এই আন্দোলনে মূলত পশতুন অর্থাৎ পশতুভাষীদের প্রাধান্য।
- এই মাদ্রাসাগুলো পরিচালিত হতো সৌদি অর্থে - এবং সেখানে খুবই কট্টর সুন্নী মতাদর্শের ইসলামই প্রচার করা হতো।
- তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামি আইনে দেশ পরিচালনা এবং যে কোনো ধরনের বিদেশি প্রভাব দূর করা।
- ১৯৯৮ সাল নাগাদ তালেবান আফগানিস্তানের প্রায় ৯০ শতাংশ অঞ্চলে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- তাদের সবচেয়ে ভয়াবহ কাণ্ড ছিল ২০০১ সালে আফগানিস্তানের মধ্যাঞ্চলে বিখ্যাত বামিয়ান বুদ্ধের মূর্তি ধ্বংস করা।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আল কায়েদার হামলার পর সারা বিশ্বের মনোযোগের কেন্দ্রে চলে আসে আফগানিস্তানের তালেবান।

⇒ যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের ঐতিহাসিক চুক্তি সই:
- আফগানিস্তানে তালেবানদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে দুপক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- কাতারের রাজধানী দোহায় ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে দ্বিতীয় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে তালেবান চুক্তিটির শর্তাবলী মেনে চললে ১৪ মাসের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।
- এ চুক্তির মাধ্যমে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সৈন্যবাহিনী তুলে নেয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের আগে এ দু’পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উৎস: i) National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
         ii) ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, BBC.
৭৪৬.
ব্রাসেলস চুক্তি মূলত কোন বিষয়ে ছিল?
  1. শিক্ষা ও সংস্কৃতি
  2. অর্থনৈতিক সহযোগিতা
  3. নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা
  4. পরিবেশ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

ব্রাসেলস চুক্তি (১৯৪৮):
​- ব্রাসেলস চুক্তি ব্রিটেন , ফ্রান্স , বেলজিয়াম , নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি, যার ফলে একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা জোট তৈরি হয়।
​- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
​- কার্যকর হয়: ২৫ আগস্ট, ১৯৪৮ সালে।
​- চুক্তির লক্ষ্য ছিল পশ্চিম ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলি সহযোগিতা করতে পারে তা দেখানো, এইভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পশ্চিম ইউরোপের নিরাপত্তায় ভূমিকা পালন করতে উৎসাহিত করা।
​​- এই চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো এবং পশ্চিম ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠনের সূত্রপাত হয়।

​উৎস: Britannica.

৭৪৭.
ডেটন শান্তি চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন -
  1. জন কেরি
  2. থিওডোর পোস্টওয়েল্ড
  3. বিল ক্লিন্টন
  4. স্ট্রোব ট্যালবট
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি:
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৭৪৮.
ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় কোন ঐতিহাসিক চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তার সৈন্য প্রত্যাহার শুরু করে?
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. ভিয়েনা চুক্তি
  3. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  4. হ্যানয় চুক্তি
ব্যাখ্যা
ভিয়েতনাম যুদ্ধ:
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত যা প্রায় ২০ বছর (১৯৫৪-৭৫) ধরে চলে।
- এটি ছিল উত্তর ভিয়েতনাম (সমাজতান্ত্রিক) ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের (মার্কিন-সমর্থিত) মধ্যে সংঘটিত একটি গৃহযুদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারে উত্তর ভিয়েতনাম ও আমেরিকার মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৩০ এপ্রিল উত্তর ভিয়েতনাম জয়লাভ করে এবং দক্ষিণ ভিয়েতনাম দখল করে নেয়।
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামে সমাজতান্ত্রিক শাসনে একীভূত হয়।

⇒ প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকাল - ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষসমূহ - যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
- ফলাফল - ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।

উৎস: History.com
৭৪৯.
Regional Comprehensive Economic partnership (RCEP) বাণিজ্য চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত দেশ-
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৮টি
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের বৃহৎ Regional Comprehensive Economic partnership (RCEP) বাণিজ্য চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১ জানুয়ারি ২০২২ 'Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP)' নামে বিশ্বের বৃহৎ বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হয়।
- ১৫ নভেম্বর ২০২০ ভিয়েতনামের হ্যানয়ে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল ASEAN সম্মেলনের মাধ্যমে RCEP শীর্ষক বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত দেশ হলো ১৫টি। ASEAN ভুক্ত ১০টি দেশ যেমনঃ ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম এবং তাদের FTA অংশীদার অস্ট্রেলিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

৭৫০.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৯
  2. খ) ১৯৭০
  3. গ) ১৯৬৮
  4. ঘ) ১৯৯১
ব্যাখ্যা
- Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT) বা পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ থেকে।

- রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, তুরস্ক, ইরানসহ চুক্তিটির মোট অংশীদার ১৯১টি দেশ।
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরাইল, দক্ষিণ সুদান ও উত্তর কোরিয়া (প্রত্যাহারকারী) NPT চুক্তিতে স্বাক্ষর বা অনুমোদন করেনি।
- বাংলাদেশ ৩১ আগস্ট ১৯৭৯ চুক্তিটি অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭৫১.
মানবাধিকার চুক্তি স্বাক্ষরিত ও স্বীকৃত হয়েছিল-
  1. ক) ১৯৪৫ সালে
  2. খ) ১৯৪৬ সালে
  3. গ) ১৯৪৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
The Universal Declaration of Human Rights (UDHR) is a milestone document in the history of human rights. Drafted by representatives with different legal and cultural backgrounds from all regions of the world, the Declaration was proclaimed by the United Nations General Assembly in Paris on 10 December 1948 (General Assembly resolution 217 A) as a common standard of achievements for all peoples and all nations. রেফারেন্সঃ https://www.un.org/en/universal-declaration-human-rights/
৭৫২.
নিচের কোনটি প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি?
  1. SEATO
  2. ANZUS
  3. Warsaw Pact
  4. উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি:

• SEATO, ANZUS এবং Warsaw Pact এগুলো সবই প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি। 
• ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact) বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব  ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহযোগিতা জোট (১৯৫৫ সাল)। 

• সিয়াটো (SEATO)- এর পূর্ণরূপ Southeast Asia Treaty Organization.
- এটি একটি সমন্বিত নিরাপত্তা চুক্তি যা স্বাক্ষর হয় ১৯৫৪ সালে। 

• আনজুস (ANZUS)এর পূর্ণরূপ- The Australia, New Zealand and United States Security Treaty.
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তিনটি দেশের সমন্বিত নিরাপত্তা সংক্রান্ত সামরিক জোট (১৯৫১ সাল)। 
- এই জোটটি আনুষ্ঠানিকভাবে Pacific Security Treaty নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৭৫৩.
'ভিয়েনা কনভেনশন - ১৯৬১' কী সংক্রান্ত? 
  1. কূটনীতি 
  2. মানবাধিকার 
  3. যুদ্ধাপরাধ 
  4. সমুদ্র 
ব্যাখ্যা

• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations.
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।
মূল উদ্দেশ্য:
- রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও পরিচালনার নিয়ম নির্ধারণ করা।
- কূটনীতিকদের অধিকার ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা।
- কূটনৈতিক মিশন ও ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৭৫৪.
সৌদি আরব ও পাকিস্তান কোন তারিখে "স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট" স্বাক্ষর করেছে?
  1. ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  2. ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  3. ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  4. ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ব্যাখ্যা

• সৌদি আরব-পাকিস্তান নিরাপত্তা চুক্তি:
- চুক্তির নাম: "স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট"
- সৌদি আরব ও পরমাণু অস্ত্রধারী পাকিস্তান ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ (বুধবার) গভীর রাতে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছ।
- এটি দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
- এই চুক্তি এমন এক সময়ে হলো যখন ইসরায়েল কাতারে হামলা চালিয়ে অঞ্চলের কূটনৈতিক সমীকরণকে নাড়িয়ে দিয়েছে।
- এই উন্নত প্রতিরক্ষা সম্পর্ক এমন সময়ে আসলো যখন উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলো ক্রমশ যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তাকারী হিসেবে কতটা নির্ভরযোগ্য, তা নিয়ে সন্দিহান হয়ে উঠছে
- পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি থেকে প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, চুক্তিটিতে বলা হয়েছে, ‘যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে।’

- ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে ইয়েমেনে মিশরের যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগের কারণে পাকিস্তানের সৈন্যরা প্রথম সৌদি আরব গিয়েছিল।
- প্রতিরক্ষা খাতে দুই দেশের সহযোগিতা ১৯৬৭ সাল থেকে শুরু হয়েছিল এবং ১৯৭৯ সালে মক্কায় গ্র্যান্ড মসজিদ দখলের পর তা আরও গভীর হয়, যখন পাকিস্তানের বিশেষ বাহিনী সৌদি সৈন্যদের পবিত্র মসজিদ আল-হারাম পুনরুদ্ধারে সাহায্য করেছিল।

অন্যদিকে,
- রিয়াদের সঙ্গে দিল্লির উষ্ণ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই এ চুক্তি হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে গত মে মাসে চার দিনের সংক্ষিপ্ত তবে ভয়াবহ সংঘাত হয়েছিল।
- পারমাণবিক শক্তিধর দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তান অতীতেও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একাধিক যুদ্ধ ও সংঘাতে জড়িয়েছে।
- তাই পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে সৌদি আরবের যেকোনো ধরনের সমর্থনের উদ্যোগ ভারতে সরাসরি উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এনটিভি ও প্রথম আলো । (Link1) (Link2) (Link3) 

৭৫৫.
AUKUS চুক্তিতে কোন তিনটি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া
  2. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি
  4. অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
- চুক্তির নাম: AUKUS (অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র)।
- প্রতিষ্ঠার তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
- মূল উদ্দেশ্য: ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, এবং উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সহযোগিতা জোরদার করা।
- প্রধান স্তম্ভ (Pillars):
• Pillar I: পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি:
- অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক চালিত, প্রচলিত অস্ত্র সজ্জিত সাবমেরিন সরবরাহ করা।
- ২০৩০-এর দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনটি ভার্জিনিয়া-শ্রেণীর সাবমেরিন ক্রয়।
- যুক্তরাজ্যের সাথে যৌথভাবে SSN-AUKUS শ্রেণীর সাবমেরিন উন্নয়ন ও নির্মাণ।
- ২০৪০-এর দশকের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ায় SSN-AUKUS সাবমেরিনের নির্মাণ শুরু।

• Pillar II: উন্নত প্রযুক্তি:
- সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, হাইপারসনিক ও প্রতিহাইপারসনিক প্রযুক্তি, এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- ২০২৪ সালে হাইপারসনিক ফ্লাইট টেস্ট ও এক্সপেরিমেন্টেশন (HyFliTE) প্রকল্পের মাধ্যমে হাইপারসনিক প্রযুক্তির পরীক্ষণ ও উন্নয়ন।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
৭৫৬.
আব্রাহাম চুক্তি সম্পাদনে মধ্যস্থতা করেন কে?
  1. বিল ক্লিনটন
  2. বারাক ওবামা
  3. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  4. জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা
- আব্রাহাম চুক্তি হলো গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ওয়াশিংটনে ডিসিতে ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি। এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত তৃতীয় আরব দেশ হিসেবে ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
(তথ্যসূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট)
৭৫৭.
'NPT' চুক্তি অনুসারে, বর্তমানে বিশ্বের কয়টি দেশ পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসেবে স্বীকৃত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
⇒ ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি।
- কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।

⇒ উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ii) UNODA ওয়েবসাইট।
৭৫৮.
NPT চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন বৃদ্ধি
  2. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ
  3. পারমাণবিক গবেষণা প্রচার
  4. পারমাণবিক সামরিক সহযোগিতা
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (অক্টোবর, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।

৭৫৯.
’গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ’-এ বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে কত তারিখে?
  1. ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  2. ২৭ আগস্ট ২০২৪
  3. ২৯ আগস্ট ২০২৪
  4. ১২ ডিসেম্বর ২০২৪
ব্যাখ্যা
• ’গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ’
- জাতিসংঘ গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয় - ২০০৬ সালে।
- মোট স্বাক্ষরকারী দেশ- ৯৮ টি।
- ৯৮ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ’গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে ‘ ২৯ আগস্ট ২০২৪ সালে স্বাক্ষর করে।
- গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস- ৩০ আগস্ট।

উৎস : বাসস এবং ohchr ওয়েবসাইট।
৭৬০.
ডেটন চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ভিয়েনা
  2. প্যারিস
  3. হাভানা
  4. লন্ডন
ব্যাখ্যা

• ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):

- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

তথ্যসূত্র: i) OSCE.org.
 ii) Britannica.

৭৬১.
কোন চুক্তি অনুসারে বসনিয়া সংকট সমাধানের পথ সুগম হয়েছিল?
  1. মাদ্রিদ চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. লিসবন চুক্তি
ব্যাখ্যা
• ডেটন চুক্তি অনুসারে বসনিয়া সংকট সমাধানের পথ সুগম হয়েছিল।

• ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina. 
- ডেটন চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় শান্তি প্রতিষ্ঠা, যেখানকার গৃহযুদ্ধ (১৯৯২–১৯৯৫) হাজার হাজার মানুষের প্রাণ নিয়েছিল এবং জাতিগত পরিষ্কারকরণ ও ব্যাপক সহিংসতা হয়েছিল।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
-  স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে 'যুদ্ধাপরাধী' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

 উৎস: OSCE অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও Britannica।
৭৬২.
ভূমি মাইন চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. জেনেভা
  2. নিউইয়র্ক
  3. অটোয়া
  4. তাসখন্দ
ব্যাখ্যা
• ভূমি মাইন চুক্তি:
- ১৯৯৭ সালের ৩ ডিসেম্বর কানাডার অটোয়ায় স্বাক্ষরিত হয়।
- যা সাধারণত অটোয়া চুক্তি বা মাইন ব্যান ট্রিটি নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি ১৯৯৯ সালের ১ মার্চ কার্যকর হয়।
- এর লক্ষ্য হলো: অ্যান্টি-পার্সনেল মাইন ব্যবহার,
- মজুদ, উৎপাদন ও স্থানান্তর নিষিদ্ধ করা এবং তাদের ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- ১৬৫টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে বা অনুমোদন করেছে। [মে, ২০২৫]
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।
- যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ভারত ও পাকিস্তান সহ ৩৪টি দেশ এই চুক্তির অংশ নয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৭৬৩.
New START চুক্তির পক্ষভুক্ত দেশ কোন দুটি?
  1. রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  3. যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া
  4. চীন ও ভারত
ব্যাখ্যা

• New START চুক্তি:
- নিউ স্টার্ট চুক্তিটি ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রের ওবামা প্রশাসন এবং রাশিয়ার পুতিন সরকার নতুন নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির বিষয়ে আলোচনা শুরু করে।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ৮ এপ্রিল ২০১০ সালে।
- কার্যকর: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে।
- স্বাক্ষরস্থল: প্রাগ, চেক প্রজাতন্ত্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
- চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ ছিল ১০ বছর, যা ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত কার্যকর ছিল।
- যদিও ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি 'নিউ স্টার্ট চুক্তি' স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি.কম এবং ব্রিটানিকা।

৭৬৪.
Chemical Weapons Convention কোন সংস্থার অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. UN
  2. WTO
  3. AU
  4. WHO
ব্যাখ্যা

Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।

৭৬৫.
শেনজেন চুক্তি কী বিষয়ক?
  1. মুক্তবাজার
  2. একক মুদ্রার প্রচলন
  3. অবাধ চলাচল
  4. অবাধ বাণিজ্য
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১৪ জুন, ১৯৮৫ সাল।
- স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহর।
- অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি।
- মোট সদস্য: ২৭ টি দেশ।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৩টি দেশ এবং আইসল্যান্ড, লিচেনস্টাইন, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড।

উৎস: EUR-Lex Website.
৭৬৬.
'Shuttle Diplomacy' ধারণাটি কোন শান্তি চুক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত?
  1. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শান্তি চুক্তি
  2. লাতিন আমেরিকায় শান্তি চুক্তি
  3. আফ্রিকায় শান্তি চুক্তি
  4. মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
Shuttle Diplomacy:
- 'শাটল ডিপ্লোমেসি' (Shuttle Diplomacy) হলো একটি কূটনৈতিক কৌশল, যেখানে তৃতীয় পক্ষের একজন মধ্যস্থতাকারী দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা পাঠায় এবং তাদের মধ্যে আলোচনা বা সমঝোতার জন্য পরিবেশ তৈরি করে।
- এই ধরনের কূটনীতি সাধারণত সংঘর্ষ বা জটিল পরিস্থিতি সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
- 'Shuttle Diplomacy' ধারণাটি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য "শাটল কূটনীতি" নামক কূটনৈতিক কৌশলে নিযুক্ত হন।
- এটি ছিল একটি প্রক্রিয়া যেখানে কিসিঞ্জার ইসরায়েল, মিশর, সিরিয়া এবং অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে বার্তা পৌঁছানোর জন্য এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাতায়াত করতেন।
- তার লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
- জানুয়ারি ১৯৭৪ সালে, কিসিঞ্জার প্রথম মিশর-ইসরায়েল বিচ্ছিন্নতা চুক্তিতে সহায়তা করেন এবং মে ১৯৭৪ সালে সিরিয়া-ইসরায়েল বিচ্ছিন্নতা চুক্তি সম্পন্ন করেন।
- তার "শাটল কূটনীতি" ১৯৭৫ সালে দ্বিতীয় মিশর-ইসরায়েল বিচ্ছিন্নতা চুক্তির মাধ্যমে সফল হয়।
- এই কূটনীতি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বিশেষ করে ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি প্রতিষ্ঠার দিকে পরিচালিত করে।

উৎস: Office of the Historian (.gov) ওয়েবসাইট।
৭৬৭.
কোনটি নিরস্ত্রীকরণ এর সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. CTBT
  2. NPT
  3. NATO
  4. SALT
ব্যাখ্যা
• নিরস্ত্রীকরণ এর সাথে সম্পৃক্ত নয়- NATO.
- NATO একটি সামরিক জোট।

• ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):
-  এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে ন্যাটো প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।

অন্যদিকে,
• Comprehensive Test Ban Treaty - CТВТ:
-  এটি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বা যে কোনো পারমাণবিক বিস্ফোরণের ওপর একটি ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
- এটি ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।

• পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT):
- পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) হলো আন্তর্জাতিক চুক্তি
 - স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ১৯৬৮ সাল
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সাল

• SALT -1
- এটি হলো কৌশলগত অস্ত্রসীমিতকরণ চুক্তি।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট, জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৬৮.
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) ৩১ জুন ২০২২
  2. খ) ৩১ মে ২০২২
  3. গ) ৩১ এপ্রিল ২০২২
  4. ঘ) ৩১ মার্চ ২০২২
ব্যাখ্যা
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩১ মে ২০২২
এর মধ্য দিয়ে উপসাগরীয় কোনো দেশের সঙ্গে প্রথম এ ধরনের চুক্তিতে গেল ইসরায়েল।
নতুন এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি হওয়া সব পণ্যের ওপর ৯৬ শতাংশ শুল্কছাড় পাওয়া যাবে।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২ ও প্রথম আলো।
৭৬৯.
পাকিস্তানের পক্ষে 'সিমলা চুক্তি' কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আইয়ুব খান
  2. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. পারভেজ মুশাররফ
ব্যাখ্যা

• সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন।

তথ্যসূত্র: UN Peacemaker.

৭৭০.
পাকিস্তানের পক্ষে সিমলা চুক্তিতে স্বাক্ষর কে?
  1. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  2. ইয়াহিয়া খান
  3. পারভেজ মোশাররফ
  4. নওয়াজ শরিফ
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির লক্ষ্য ছিল সম্পর্ক স্বাভাবিক করা, বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি দ্বিপাক্ষিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা এবং ভবিষ্যতে সশস্ত্র সংঘাত রোধ করা।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ: ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
• ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
• পাকিস্তানের পক্ষে - প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।

৭৭১.
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মাদ্রিদ
  2. খ) নরম্যান্ডি
  3. গ) লিও
  4. ঘ) বার্ন
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা বা International Criminal Police Organisations (Interpol) এর সদরদপ্তর ফ্রান্সের লিও শহরে অবস্থিত। তবে শুরুতে এটির সদরদপ্তর ছিলো অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে। ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিও শহরে সদরদপ্তর স্থাপন করা হয়। Interpol ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটির বর্তমান সদস্য ১৯৪টি দেশ। বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালের ১৪ অক্টোবর ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে।
(সূত্রঃ ইন্টারপোল ওয়েবসাইট)
৭৭২.
'Operation Odyssey Dawn' পরিচালিত হয় কোথায়?
  1. ইউক্রেন
  2. সিরিয়া
  3. লিবিয়া
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
• 'অপারেশন অডিসি ডন' পরিচালিত হয় লিবিয়ায়।

• Operation Odyssey Dawn:
- অপারেশন অডিসি ডন লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্যই ছিল এই মিলিটারি অপারেশনস্।
- এই অপারেশন পরিচালিত হয় ১৯ থেকে ৩১ মার্চ ২০১১ পর্যন্ত।
- এর মধ্য দিয়ে লিবিয়ায় বিমান হামলা চালানো হয় এবং লিবিয়ার উপর ‘নোফ্লাই জোন' প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বিমান হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আরো অংশ নিয়েছিল বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ইতালি, হল্যান্ড, নরওয়ে, কাতার, রোম, আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্যের বিমান বাহিনী।
- এই বিমান হামলায় গাদ্দাফী উৎখাত হন এবং তার সরকারের পতন ঘটে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৭৭৩.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নয়?
  1. ক) সৌরতাপ
  2. খ) কয়লা
  3. গ) বায়ু
  4. ঘ) জিওথার্মাল
ব্যাখ্যা
যেসব শক্তি বা জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় কিংবা যে সব শক্তি বা জ্বালানির উৎস ব্যবহারে নিঃশেষ হয়ে যায় না তাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা শক্তি বলে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে রয়েছে সৌরতাপ, বায়ু, জিওথার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি, জলবিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস ইত্যাদি। অন্যদিকে কয়লা, খনিজ তেল কিংবা প্রাকৃতিক গ্যাস হলো অনবায়নযোগ্য জ্বালানি।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৭৭৪.
When was the Treaty of Nuclear Non- Proliferation signed?
  1. 1960
  2. 1963
  3. 1965
  4. 1968
  5. 1970
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হল ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।
- উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
৭৭৫.
বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় কবে?
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

৭৭৬.
গাজায় শান্তি রক্ষায় কোন দেশের সৈন্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে?
  1. বাংলাদেশ
  2. সৌদি আরব
  3. মালয়েশিয়া
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

• গাজায় শান্তি রক্ষায় সৈন্য মোতায়েন: 
- ইন্দোনেশিয়ার সৈন্যদের গাজায় শান্তি রক্ষীর দায়িত্বে প্রেরণের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
- গাজা শান্তিরক্ষী বাহিনীর জন্য ২০ হাজার সেনাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া।
- গাজার যুদ্ধবিধ্বস্ত ছিটমহলে পরিকল্পিত শান্তিরক্ষা অভিযানের সময় স্বাস্থ্য ও নির্মাণ সম্পর্কিত কাজগুলি পরিচালনা করার জন্য এই সৈন্য প্রেরণ করা।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মুসলিম দেশ, ইন্দোনেশিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর সাথে গাজায় একটি বহুজাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছে, যার মধ্যে রয়েছে আজারবাইজান, মিশর এবং কাতার।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স। 

৭৭৭.
রোম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৫৭ সালে
  3. গ) ১৯৫৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৭ সালের ২৫শে মার্চ রোম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং কার্যকর হয় ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি। এই ‍চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি গঠিত হয়।
এতে বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, ফ্রান্স, ইতালি ও জার্মানি স্বাক্ষর করে। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর ম্যাস্ট্রিক্ট চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি ইরোপিয়ান ইউনিয়নে পরিণত হয়।
(সূত্র: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট)
৭৭৮.
নিচের কোনটির সাথে 'নুনসিও' (Nuncio) সম্পর্কিত?
  1. মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতিনিধি
  2. রানির প্রতিনিধি
  3. পোপের প্রতিনিধি
  4. রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
 নুনসিও (Nuncio)
- নুনসিও হলো ভ্যাটিকানের পোপের প্রতিনিধি হিসাবে স্বীকৃত। 
- উনি হলি সি-এর সাথে অফিসিয়াল কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখে । 
- তিনি সরকার এবং হলি সি-এর মধ্যে সুসম্পর্কের প্রচার করেন এবং রোমান ক্যাথলিক চার্চের অবস্থার উপর পোপকে পর্যবেক্ষণ ও রিপোর্ট করেন।
- ১৯৬৫ সালে জ্যেষ্ঠতার উপর নির্ভর করে রাষ্ট্রদূতদের এই পদমর্যাদা দেওয়া হয়। 

তথ্যসূত্র:ব্রিটানিকা।
৭৭৯.
ম্যাগনাকার্টা কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১২০০ সালে
  2. ১২১২ সালে
  3. ১২২৫ সালে
  4. ১২১৫ সালে
ব্যাখ্যা

• ম্যাগনাকার্টা:
- ম্যাগনাকার্টা সনদ হচ্ছে বিশ্বের প্রথম মানবাধিকার সনদ।
- একে ব্রিটেনের শাসনতন্ত্রের বাইবেল বলা হয়।
- ১২১৫ সালের ১৫ই জুন টেমস নদীর তীরে রানিমেড নামক স্থানে তৎকালীন ইংল্যান্ডের রাজা জন ম্যাগনাকার্টায় স্বাক্ষর করেন।
- এতে ঘোষণা করা হয় কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়।
- এর মাধ্যমে আইনের শাসনের ধারণার যাত্রা শুরু হয়।
- এটিকে ব্রিটেনের প্রথম শাসনতন্ত্রও বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৮০.
Which treaty ended World War I and imposed heavy reparations on Germany?
  1. The Treaty of Paris
  2. The Treaty of Ghent
  3. The Treaty of Versailles
  4. The Treaty of Tordesillas
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি:

- বিধ্বংসী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী।
- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
- চুক্তির খসড়ার মূল নকশা করেন চারজন নেতা যারা ইতিহাসে বিগ ফোর হিসেবে খ্যাত। 
- এরা হলেন ব্রিটেনের ডেভিড লয়েড জর্জ, ফ্রান্সের জর্জেস ক্ল্যামেনকু, যুক্তরাষ্ট্রের উড্রো উইলসন এবং ইতালির ভিটোরিও অরল্যান্ডো। 
- এই চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- এই চুক্তির জন্য জার্মানি ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
৭৮১.
বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
  2. ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
  3. ১৪ নভেম্বর, ১৯৯৬
  4. ১২ নভেম্বর, ১৯৯৬
ব্যাখ্যা
গঙ্গার পানিবণ্টন
- গঙ্গার পানিবণ্টন  বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম বদ্বীপ অঞ্চল।
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক নদীগুলির মধ্যে অধিকাংশের উৎপত্তি ভারত থেকে।
- বর্ষা মৌসুমে পানি বৃদ্ধির ফলে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ স্থলভাগ জলমগ্ন হয়।
- শুষ্ক মৌসুমে অধিকাংশ নদীতে প্রবাহ হ্রাস পাওয়ার ফলে জলাভাব দেখা দেয়।
- এসব নদীর ভাটি অঞ্চলে বাংলাদেশের অবস্থান হেতু নদীগুলির জলপ্রবাহের ওপর এদেশের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।
- সাত হাজার মিটার উচ্চতায় হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে ২,৫৫০ কিলোমিটার পথে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে গঙ্গার (বাংলাদেশে যা পদ্মা নামে অভিহিত) দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে। 
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়। 
- ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর গঙ্গার পানি বন্টন সম্পর্কে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭৮২.
হেনরি কিসিঞ্জার কিসের জন্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক্যাম্প ডেভিট চুক্তি
  2. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. ভার্সাই শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
• প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান:প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: ভিয়েতনাম-যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চুক্তির ফলে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান হয়।
- এই শান্তি চুক্তির কারণে হেনরি কিসিঞ্জার ও লি ডাক থো ১৯৭৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন।

সূত্র: Britannica.  
৭৮৩.
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে কবে?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ১৯৯২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের পদত্যাগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে।
এর আগে ১৯২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর পূর্বেকার রাশিয়ান সাম্রাজ্যের সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকগুলোর সমন্বয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে ১৫টি দেশের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৭৮৪.
RCEP কী ধরনের চুক্তি?
  1. সামরিক চুক্তি
  2. রাজনৈতিক চুক্তি
  3. বাণিজ্যিক চুক্তি
  4. গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় চুক্তি
ব্যাখ্যা
- গত ১৫ নভেম্বর ২০২০ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৫টি দেশের মধ্যে The Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP) নামে বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো:
- চীন
- জাপান
- দক্ষিণ কোরিয়া
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- ইন্দোনেশিয়া
- মালয়েশিয়া
- ভিয়েতনাম
- থাইল্যান্ড
- ফিলিপাইন
- ব্রুনাই
- সিঙ্গাপুর
- কম্বোডিয়া
- লাওস ও
- মিয়ানমার।
- এই জোটের অধীন দেশসমূহের সম্মিলিত জিডিপি বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় ৩০ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং আসিয়ান ওয়েবসাইট)
৭৮৫.
ইরান পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কোন পক্ষের সঙ্গে?
  1. পি৫+১
  2. পি৫+২
  3. পি৬+১
  4. পি৬+২
ব্যাখ্যা
Joint Comprehensive Plan of Action:
- এটি ইরান পরমাণু চুক্তি হিসেবে পরিচিত।
- এটি সমঝোতা ‘ইরান ডিল’ নামেও পরিচিত।
- চুক্তিটি হয়েছিল ইরান ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশ তথা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে।
- এই চুক্তিতে স্থায়ী পাঁচ সদস্য দেশের সাথে জার্মানিও ছিল।
- এজন্য এই পক্ষকে ‘পি৫ + ১’ বলা হয়ে থাকে।

⇒ স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ জুলাই, ২০১৫।
- কার্যকর হয়: ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে চুক্তিটি স্বাক্ষর ও কার্যকর হয়।

⇒ এই চুক্তিতে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ ও মজুদ করার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
- চুক্তির অধীনে ইরানের ওপর আরোপিত বেশ কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালে চুক্তি থেকে বের হয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২০ সালের শুরুর দিকে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় ইরান।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৭৮৬.
NATO -এর চুক্তিপত্রে আর্টিকেল বা অনুচ্ছেদ সংখ্যা কতটি?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৪টি
ব্যাখ্যা

North Atlantic Treaty Organization  (NATO):
- স্বাক্ষর: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- শুরুতে সদস্য দেশ: ১২টি।
- NATO চুক্তিপত্রে মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ (Article) রয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ হলো 'আর্টিকেল - ৫'।

• ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৭৮৭.
জেনেভা কনভেনশনের আওতায় কয়টি চুক্তি রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

৭৮৮.
অটোয়া চুক্তি কবে এবং কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে, কানাডা
  2. ১৯৯৯ সালে, জাপান
  3. ১৯৯৭ সালে, ফ্রান্স
  4. ১৯৯৯ সালে, পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।

⇒ এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৭৮৯.
SALT-2 চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৮ জুন, ১৯৭৮
  2. ১৮ জুন, ১৯৭৯
  3. ১৮ জুলাই ১৯৮৯
  4. ১৮ জুলাই ১৯৯০
ব্যাখ্যা
SALT 2
- Strategic Arms Limitations Talks/Treaty (SALT) II এটি কৌশলগত অস্র সীমিতকরণ চুক্তি ২ নামে পরিচিত। 
- স্বাক্ষর: ১৮ জুন, ১৯৭৯,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- আলোচনা: ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯, 
- শর্ত: চুক্তিতে নতুন ক্ষেপনাস্র কার্যক্রম নিষিদ্ধ ,
- স্বাক্ষরকারী: যুক্তরাষ্ট্রের জিমি কার্টার এবং সোভিয়েত নেতা লিউনিদ ব্রেজনেভ ,

তথ্যসূত্র: ব্রিটিনিকা এবং US department of state
৭৯০.
'শাত-ইল আরব' কে কেন্দ্র করে কোন দুটি দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ওমান-সৌদি আরব
  2. ওমান-ইরান
  3. মিশর-সৌদি আরব
  4. ইরাক-ইরান
ব্যাখ্যা
শাত-ইল আরব:
- শাত-ইল আরব হলো টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ।
- শাত-ইল আরব দক্ষিণ-পূর্ব ইরাকের নদী।
- শাত-ইল আরব কে কেন্দ্র করে ইরান-ইরাক এর মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 
- শাত-ইল আরব কে কেন্দ্র করে ইরান-ইরাক যুদ্ধ হয়।

উৎস: Britannica.
৭৯১.
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক অস্ত্র বিলুপ্তি প্রচারণা (ICAN) এর সদরদপ্তর -
  1. ক) বন, জার্মানি
  2. খ) হেগ, নেদারল্যান্ড
  3. গ) জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক অস্ত্র বিলুপ্তি প্রচারণা (ICAN)
ICAN - এর পূর্ণরূপ - International Campaign to Abolish Nuclear Weapons। এটি পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ ও বিলুপ্তির জন্য পরিচালিত একটি প্রচারণা/অভিযান। বিশ্বের নানা প্রান্তের কয়েকটি বেসরকারি সংগঠন ও বেসামরিক নাগরিকদের সমন্বয়ে এই প্রচারণা বা অভিযান পরিচালনা করা হয়ে থাকে। 
▪ ভূমি মাইন স্থাপন বন্ধের প্রচারনা থেকে উৎসাহিত হয়ে International Physicians for the Prevention of Nuclear War (IPPNW) উদ্যোগী হয়ে ICAN প্রতিষ্ঠা করে।
• প্রতিষ্ঠাকাল:- ফান্ড সংগ্রহ - ২৩ এপ্রিল, ২০০৭ সাল এবং মূল প্রচারনা শুরু - ৩০ এপ্রিল, ২০০৭ সাল।
• প্রতিষ্ঠার স্থান - মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া (ফান্ড সংগ্রহ) এবং ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া (মূল কার্যক্রম শুরু)। 
• সদরদপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
• নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে ২০১৭ সালে। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম।
৭৯২.
'NPT' চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়া একমাত্র রাষ্ট্রের নাম কী?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইসরায়েল
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- প্রাথমিক পৃষ্ঠপোষক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমানে রাশিয়া)।
- নজরদারি সংস্থা: IAEA ( International Atomic Energy Agency).
- NPT চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল।
- ২০০৩ সালে উত্তর কোরিয়া NPT চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায়।

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।

৭৯৩.
’গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ’ কত সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা

• গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ:
• পূর্ণ নাম: International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance.
-গুমবিরোধী সনদটি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।
- ৩২টি দেশ এটি অনুস্বাক্ষর করার পরে ২০১০ সালে তা বাস্তবায়ন শুরু হয়।
- সামগ্রিকভাবে এই সনদের লক্ষ্য গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত
ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।

উল্লেখ্য,
- ২৯ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।
- উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপদেষ্টাদের এই সনদে
স্বাক্ষর করেন।
- প্রত্যেক নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করার লক্ষ্যে এই
কনভেনশনে বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট.

৭৯৪.
নিচের কোন দেশটি NPT চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি?
  1. ইরান
  2. ইসরাইল
  3. রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT) বা পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ থেকে।

রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, তুরস্ক, ইরানসহ চুক্তিটির মোট অংশীদার ১৯১টি দেশ।
বাংলাদেশ ৩১ আগস্ট ১৯৭৯ চুক্তিটি অনুমোদন করে।

ভারত, পাকিস্তান, ইসরাইল, দক্ষিণ সুদান ও উত্তর কোরিয়া (প্রত্যাহারকারী) NPT চুক্তিতে স্বাক্ষর বা অনুমোদন করেনি।

(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৭৯৫.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে NAM গঠনের সিদ্ধান্ত হয়?
  1. বান্দুং সম্মেলনে
  2. প্যারিস সম্মেলন
  3. মন্ট্রিল সম্মেলন
  4. কাতার সম্মেলন
ব্যাখ্যা
 NAM:
- NAM এর পূর্ণরুপ- Non-Aligned Movement
- আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়- ১৯৬১ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন- মার্শাল টিটো, জওহরলাল নেহেরু, জামাল আবদুল নাসের, সুকর্ণ ও নক্রমা।
- বতর্মান সদস্য- ১২০ টি।
-  NAM গঠনের সিদ্ধান্ত হয়-১৯৫৫ সালের সম্মেলনে অর্থাৎ বান্দুং সম্মেলনের মাধ্যমে।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় - বেলগ্রেড, যুগোশ্লাভিয়া।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) এর সদস্যরাষ্ট্র-১২০ টি
-  পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র- ২০ টি।
- পর্যবেক্ষক সংস্থা ১০ টি। যথা: 

উৎস: NAM ওয়েবসাইট ।
৭৯৬.
নিচের কোন দেশটি CTBT চুক্তি স্বাক্ষর করলেও এখনো অনুমোদন করেনি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

CTBT:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।
- চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।

উল্লেখ্য,
- কিন্তু চুক্তিটি কার্যকর (entry into force) হওয়ার জন্য Annex 2-এর ৪৪টি নির্দিষ্ট "nuclear-capable" দেশের র‍্যাটিফিকেশন দরকার। 
- ৪৪টি নির্দিষ্ট দেশ কর্তৃক অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হতে পারে না, যার মধ্যে নয়টি দেশকে এখনও তা করতে হবে: চীন, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া, ইসরায়েল, ইরান, মিশর, রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization).
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্র (USA): ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষর করেছে, কিন্তু এখনো অনুমোদন করেনি (Senate-এ ১৯৯৯ সালে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, পরবর্তীতে কোনো অগ্রগতি হয়নি)।
- যুক্তরাজ্য, জাপান, ফ্রান্স স্বাক্ষর করেছে এবং অনুমোদনও করেছে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

৭৯৭.
হুদাইবিয়া সন্ধি সাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) ৬২২ সালে
  2. খ) ৬২৮ সালে
  3. গ) ৬৩২ সালে
  4. ঘ) ৬৩৬ সালে
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টীয় ৬২৮ সালের মার্চ মাসে ষষ্ঠ হিজরির জিলকদ মাসে মুসলমান তথা হযরত মুহম্মদ (স.) এবং মক্কার কুরাইশদের মধ্যে সৌদি আরবের মক্কার নিকটবর্তী হুদাইবিয়া নামক স্থানে ঐতিহাসিক হুদাইবিয়া সন্ধি সাক্ষরিত হয়। ১০ বছর মেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাক্ষরিত এই সন্ধি কুরাইশদের অসযোগিতার কারণে দুই বছর কার্যকর ছিল।(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং একুশে টিভি ডটকম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯)
৭৯৮.
উই রিভার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি:
- উই রিভার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালে।
- ইসরাইল ও পিএলও এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড রাজ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- বিল ক্লিন্টনের মধ্যস্থতায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭৯৯.
’ক্যাম্প ডেভিড‘ চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. মেরিল্যান্ড
  2. জর্জিয়া
  3. হাওয়াই
  4. অটোয়া
ব্যাখ্যা
• ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- যুক্তরাষ্ট্রের  মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত, ক্যাম্পডেভিড অবকাশযাপন কেন্দ্রে স্বাক্ষরিত ইসরাঈল ও মিশরের মধ্যকার ১৯৭৮ সালে সম্পাদিত চুক্তিকে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি বলে।
- মধ্যস্থতাকারী- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- স্বাক্ষর করে- মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইল প্রধানমন্ত্রী মেনামে বেগিন । 
- উদ্দেশ্য- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপন।
- ফলাফল- সাময়িকভাবে মিশরকে OIC ও আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

উল্লেখ্য: 
- ক্যাম্পডেভিড, যুক্তরাষ্ট্রের  মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত একটি  অবকাশযাপন কেন্দ্রে।
- এখানে চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে বলে চুক্তিটি ক্যাম্পডেভিড নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica.
৮০০.
মেরিডা কনভেনশন কি সম্পর্কিত?
  1. অশিক্ষা সম্পর্কিত
  2. আমলাতন্ত্র
  3. দুর্নীতি প্রতিরোধ
  4. বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
দূর্নীতি বিরোধী আন্তর্জাতিক এজেন্ডা:
- এজেন্ডার নাম: মেরিডা কনভেনশন (Merida Convention)
- পরিচয়: জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী সনদ।
- আনুষ্ঠানিক নাম: United Nations Convention Against Corruption (UNCAC).
- সাধারণ পরিষদে অনুমোদন: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩।
- স্বাক্ষর: ৯ থেকে ১১ ডিসেম্বর, ২০০৩।
- স্বাক্ষরস্থল : মেক্সিকোর মেরিডা।
- বর্তমান স্বাক্ষরকারী : জাতিসংঘভূক্ত ১৮৯টি দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২০০৭ সালে।
- ২০২৩ সালে মেক্সিকো ২০তম বর্ষপূর্তি পালন করে।

- এটি পাঁচটি প্রধান ক্ষেত্র কভার করে:
i) prevention;
ii) criminalization and law enforcement;
iii) international cooperation;
iv) asset recovery;
v) technical assistance and information exchange.

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) Mexico সরকারি ওয়েবসাইট