বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

মোট প্রশ্ন১,৩৬৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ৫০১৬০০ / ১,৩৬৬

৫০১.
ব্রেটন উডস চুক্তির মাধ্যমে কোন প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়নি?
  1. জাতিসংঘ
  2. IBRD
  3. IMF
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ ব্রেটন উডস চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়নি। 

ব্রেটন উডস সম্মেলন: 

- সময়কাল: ১-২২ জুলাই, ১৯৪৪ সাল। 
- স্থান: ব্রেটন উডস, নিউ হ্যাম্পশায়ার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- ব্রেটন উডস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল জার্মানি এবং জাপানের প্রত্যাশিত পরাজয়ের পর বিশ্ব অর্থনীতির জন্য আর্থিক কাঠামো তৈরি করা।
- সম্মেলনে ৪৪টি রাষ্ট্র বা সরকারের বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছিলেন।
- ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে তৈরি সংস্থাগুলি পরবর্তীতে আধুনিক বৈশ্বিক অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

সম্মেলনের প্রধান উদ্যোগ:
i) আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংক (IBRD):
- দেশগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি বিদেশি সাহায্য প্রদানে সহায়তা করা।
- যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে সহায়তা।

ii) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF):
- আন্তর্জাতিক অর্থপ্রদানের ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদি অসামঞ্জস্য মোকাবিলা করা।
- মুদ্রা বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা।

উৎস: Britannica.
৫০২.
ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ নয় কোনটি?
  1. বসনিয়া
  2. ক্রোয়েশিয়া
  3. পোল্যান্ড
  4. সার্বিয়া
ব্যাখ্যা
• 'পোল্যান্ড' ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ নয়।

ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৫০৩.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৫০ সালে 
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights) গৃহীত ও ঘোষিত হয়।
- কমিটির প্রস্তুতকৃত খসড়া ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫০৪.
CTBT চুক্তিটি কোন দেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে উত্থাপন করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT) চুক্তিটি অস্ট্রেলিয়া দেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে উত্থাপন করে।
- এটি জাতিসংঘের ৫১ তম অধিবেশনে উপস্থাপন করা হয়।
- বাংলাদেশ CTBT চুক্তিতে ১২৯ তম দেশ হিসেবে স্বাক্ষর করে ১৯৯৬ সালে।
-এটি পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।

উৎস: un.org

৫০৫.
স্নায়ুযুদ্ধকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে -
  1. ক) NATO
  2. খ) Warsaw Pact
  3. গ) মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্নায়ুযুদ্ধ

- পঞ্চাশের দশকে ঠান্ডা যুদ্ধ বা স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়েছিল।
- তখন পৃথিবী ছিল দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক শিবির, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পুঁজিবাদী শিবিরের দেশগুলো।
- এই দুই শিবিরেই গঠিত হয়েছিল দুটি সামরিক জোট।
- একটি নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো), অন্যটি ওয়ারশ জোট
- পুরো স্নায়ুযুদ্ধের কালজুড়ে মধ্য ইউরোপের উভয় পক্ষের দেশগুলো পরস্পরের দিকে তাক করে রেখেছিল পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
- তখন তীব্র স্নায়ুযুদ্ধের কালেও ১৯৬৩ সালে রাজনীতিক, গবেষক ও নাগরিক সমাজকে নিয়ে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্যোগ শুরু হয়। 
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন। 


তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
৫০৬.
কোন চুক্তি রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে?
  1. BWC
  2. CWC
  3. INF
  4. SALT II
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
- পূর্ণ নাম: Chemical Weapons Convention
- গৃহীত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭
- উদ্দেশ্য: রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, ব্যবহার, মজুতকরণ এবং স্থানান্তর সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা এবং ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- ১৯৩টি দেশ এই কনভেনশনের অন্তর্ভুক্ত।
- আন্তর্জাতিক তদারকি নিশ্চিত করতে "অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রোহিবিশন অফ কেমিক্যাল উইপনস" (OPCW) প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য।

উল্লেখ্য,
- BWC বিষাক্ত ও জৈবিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধকারী একটি চুক্তি। 
- INF মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- SALT II মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত আক্রমণাত্মক অস্ত্রের সীমাবদ্ধতা সংক্রান্ত চুক্তি। 

উৎস: i) OPCW অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) United Nations Archives
৫০৭.
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW) স্বাক্ষর হয় কোন দেশে?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW): 
- পূর্ণরূপ: Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৯৪টি দেশ।
- কার্যকর হয়: ২২ জানুয়ারি ২০২১ (৫০টি দেশ চুক্তি অনুমোদন দেওয়ার পর)।
- অনুমোদনকারী দেশ: ৭৩টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া, ইসরায়েল)।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ন্যাটো সদস্য দেশগুলো।
- অনুসমর্থকারী দেশ: বাংলাদেশসহ ৭৩টি দেশ।
- লক্ষ্য: পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার ও মজুত সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা।
- এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদার করা্

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এবং ২০১৯ সালে এটি অনুমোদন করে।

উৎস: TPNW ওয়েবসাইট।
৫০৮.
কোন চুক্তি বসনিয়া সংকট সমাধানের পথ সুগম করেছিল?
  1. অসলো চুক্তি
  2. আলজিয়ার্স চুক্তি
  3. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  4. ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা

১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের প্যাটারসন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়। যার কারণে চুক্তিটি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,

- ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৯৩ সালে সম্পাদিত অসলো চুক্তির মাধ্যমে।
- ইরান-ইরাকের মধ্যে শাতিল আরব জলপথকে ঘিরে দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি (১৯৭৫) স্বাক্ষরিত হয়।
- মিশর ও ইসরাইলের মধ্যে শান্তি স্থাপনে ১৯৭৮ সালে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫০৯.
কত সালে Anti Ballistic Missile Treaty বাতিল হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
ABM Treaty:
- ABM (Anti Ballistic Missile Treaty) ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল: ১৩ জুন, ২০০২ সাল।

উল্লেখ্য,
- ১৩ ডিসেম্বর, ২০০১-এ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ৬ মাস পরে জুন, ২০০২ সালে এই প্রত্যাহার কার্যকর হয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৫১০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?
  1. CBI
  2. FBI
  3. FSB
  4. SIS
ব্যাখ্যা

• FBI:
- FBI এর পুরো নাম - Federal Bureau of Investigation।
- ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সালে এই গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাতা - মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট।
- সদর দপ্তর - ওয়াশিংটন ডিসি।
- ডিসেম্বর, ২০২৪ সালে এফবিআই-এর পরবর্তী পরিচালক হিসেবে কাশ প্যাটেলকে বেছে নিয়েছেন মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এছাড়াও,
- FBI হল একটি অভ্যন্তরীণ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যা অপরাধ তদন্ত এবং জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সম্পর্কিত কাজ করে।
- যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা সংস্থা CIA (Central Intelligence Agency)
- CIA মূলত বিদেশী গোয়েন্দাগিরি এবং সিক্রেট অপারেশন পরিচালনা করে।


অন্যদিকে,
- CBI (Central Bureau of Investigation) হলো ভারতের অন্যতম প্রধান তদন্ত সংস্থা। 
- রাশিয়ার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা হল এফএসবি (FSB), যার পূর্ণরূপ Federal Security Service.
- বাংলাদেশের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা হল NSI (National Security Intelligence), 
- ভারত গোয়েন্দা সংস্থা RAW (Research and Analysis Wing), 
- পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থা ISI (Inter-Services Intelligence), 
- ব্রিটেন গোয়েন্দা সংস্থা SIS/MI6 (Secret Intelligence Service/Military Intelligence Section 6),
- ইসরায়েল গোয়েন্দা সংস্থা MOSSAD (Institute for Intelligence and Special Operations).


তথ্যসূত্র:  এফবিআই ওয়েবসাইট ও যুগান্তর পত্রিকার নিউজ এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৫১১.
ABM চুক্তি অনুযায়ী একটি দেশ সর্বোচ্চ কতটি ব্যালিস্টিক মিসাইল রাখতে পারবে?
  1. ক) ৮০
  2. খ) ১০০
  3. গ) ১৫০
  4. ঘ) ২০০
ব্যাখ্যা
ABM:

- এর পূর্ণরূপ Anti-Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- ABM চুক্তি অনুযায়ী একটি দেশ সর্বোচ্চ ১০০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল রাখতে পারবে।
- চুক্তিটি  স্বাক্ষরিত হয় ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকরের তারিখ ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় মস্কো, রাশিয়ায়।
- এই চুক্তির বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তিটি বাতিল হয় ১৩ জুন, ২০০২ সালে। 

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
৫১২.
Which agreement was executed between Israel and the PLO party with the aim of establishing peace?
  1. Oslo Agreement
  2. Madrid Agreement
  3. Dayton Agreement
  4. Paris Agreement
  5. None of these
ব্যাখ্যা
শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসরায়েল ও ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টির মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।

পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.
৫১৩.
অকাস চুক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশ নয় কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
- অকাস চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।

উল্লেখ্য,
- মূলত বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের প্রভাব মোকাবেলার জন্যই নতুন এই অকাস জোট গঠন করা হয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন অকাস গঠনের কথা ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে,
- ফ্রান্স অকাস চুক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশ নয়। 

উৎস: U.S. Department of Defense (.gov).
৫১৪.
যখন দুটি রাষ্ট্রের কূটনীতিবিদরা সমঝােতা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়, তখন বিবাদ মীমাংসায় সুশীল সমাজের উদ্যোগকে কোন ধরনের কুটনীতি বলা হয়?
  1. ট্র্যাক ওয়ান কূটনীতি
  2. ট্র্যাক টু কূটনীতি
  3. ট্র্যাক থ্রি কূটনীতি
  4. মাল্টি ট্র্যাক কূটনীতি
ব্যাখ্যা
Second Track Diplomacy: 
- যখন দুটি রাষ্ট্রের কূটনীতিবিদরা সমঝােতা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়, তখন বিবাদ মীমাংসায় সুশীল সমাজের উদ্যোগকে ট্র্যাক টু কূটনীতি বলা হয়। 
- ট্র্যাক টু কূটনীতির ধারণাটি ১৯৭০ দশকে উদ্ভব হয়। 
- ১৯৮১ সালে ফরেন পলিসির সহ-লেখক ইউলিয়াম ডি ডেভিডসন এবং জোসেফ ভি মন্টভিল সর্ব প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- এটিকে ব্যাকচ্যানেল কূটনীতি ও বলা হয়।
- ট্র্যাক টু কূটনীতি হল অনানুষ্ঠানিক এবং অ-কাঠামোগত  
- যেমন:
- ইসরায়েল এবং প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এর মধ্যে ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তি।
- রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের ট্র্যাক টু কূটনীতি গ্রহন। 

তথ্যসূত্র: mecouncil.org, ব্রিটিনিকা এবং Daily Star Report
৫১৫.
রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা (OPCW)-এর বর্তমান সদস্য -
  1. ১৭৭টি
  2. ১৮৩টি
  3. ১৮৭টি
  4. ১৯৩টি
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা (Organistion for the Prohibition of Chemical Weapons): 
- রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি এক ধরনের অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি
- কার্যকর হয়েছিল: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- চুক্তিটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিল Organistion for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW).
- জাতিসংঘের উদ্যোগে এই সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছিল।
- সদস্য দেশ: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।
৫১৬.
CWC কোন ধরনের চুক্তি?
  1. রাসায়নিক অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
  2. জীবাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
  3. পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
  4. ল্যান্ডমাইন নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

• রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC): 
- রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (Chemical Weapons Convention - CWC) হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা যুদ্ধের সময় রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে এবং এসব অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, সংগ্রহ, মজুদ বা স্থানান্তর নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- চুক্তিটি ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯২ সালে জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে গৃহীত হয়।
- ১৩ জানুয়ারি ১৯৯৩ সালে এটি সব রাষ্ট্রের জন্য স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭ সালে চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।
- চুক্তির বাস্তবায়নে রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা (OPCW) কাজ করে।
- CWC একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি, যা বিশ্বকে রাসায়নিক অস্ত্রের হুমকি থেকে সুরক্ষিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

উৎস: Britannica.

৫১৭.
নানকিং চুক্তির ফলে কোন যুদ্ধের অবসান ঘটে?
  1. চীনের গৃহযুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ
  3. প্রথম আফিম যুদ্ধ
  4. ইয়োম কিপুর যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
নানকিং চুক্তি:
- আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যে সংঘটিত যুদ্ধ হয়েছিল, তা আফিম যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- প্রথম আফিম যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮৩৯ থেকে ১৮৪২ সাল পর্যন্ত।
- এই যুদ্ধে পরাজয়ের পর চীনের শাসকগোষ্ঠী ব্রিটিশদের সাথে একটি অপমানজনক 'অসম চুক্তি' স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- এই চুক্তির নাম নানকিং চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ আগস্ট, ১৮৪২ সালে।
- এই চুক্তিই প্রথম আফিম যুদ্ধের অবসান ঘটায়।

উল্লেখ্য,
- এই চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশদের হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়েছিল।
- এছাড়া চীন কর্তৃক ব্রিটেনকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানে বাধ্য হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৯৮ সালে চীন সরকার ৯৯ বছরের জন্যে হংকংকে ব্রিটেনের নিকট লিজ দেয় এবং ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই লিজের মেয়াদ শেষে ব্রিটেন পুনরায় চীনের নিকট হংকং কে হস্তান্তর করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৫১৮.
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া নিজেদের মধ্যকার কোন চুক্তিটির মেয়াদ সম্প্রতি আরো পাঁচ বছরের জন্যে বৃদ্ধি করেছে?
  1. New START
  2. START-1
  3. INF
  4. SALT-2
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া সম্প্রতি নিজেদের মধ্যকার New START (The New Strategic Arms Reduction Treaty) চুক্তির মেয়াদ আরো পাঁচ বছর বৃদ্ধি করে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করেছে।
- ২০১০ সালের ৮ এপ্রিল কৌশলগত বিপজ্জনক অস্ত্র হ্রাসকরণের লক্ষ্যে New START চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো যা ২০১১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- ১০ বছর মেয়াদী চুক্তিটির মেয়াদ গত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ শেষ হয়েছিলো।
(সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
৫১৯.
কূটনৈতিক আচরণ সংক্রান্ত বিধি-
  1. জেনেভা কনভেনশন- ১৯৫১
  2. ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১
  3. জেনেভা কনভেনশন- ১৯৪৯
  4. ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
• ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৬১:
ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১ হল : কূটনৈতিক আচরণ সংক্রান্ত বিধি।
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- চািক্তটি গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্বাক্ষরিত হওয়ার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে 'চুক্তির বরখেলাপ' হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত 'ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস' চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৫২০.
শেনজেন চুক্তিভুক্ত দেশের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১৯টি
  2. খ) ২২টি
  3. গ) ২৬টি
  4. ঘ) ৩৪টি
ব্যাখ্যা
- শেনজেন চুক্তি হলো অবাধ চলাচল সংক্রান্ত একটি চুক্তি যা লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে ১৯৮৫ সালের ১৪ জুন স্বাক্ষরিত হয়।
- বর্তমানে ২২টি ইইউ এবং ৪টি নন-ইইউ দেশসহ মোট ২৬টি দেশ শেনজেন এরিয়াভুক্ত।
দেশগুলো হলো:
- অস্ট্রিয়া
- বেলজিয়াম
- চেকিয়া (চেক রিপাবলিক)
- ডেনমার্ক
- এস্তোনিয়া
- ফিনল্যান্ড
- ফ্রান্স
- জার্মানি
- গ্রিস
- হাঙ্গেরি
- আইসল্যান্ড
- ইতালি
- লাটভিয়া
- লিচেনস্টাইন
- লিথুয়ানিয়া
- লুক্সেমবার্গ
- মাল্টা
- নেদারল্যান্ডস
- নরওয়ে
- পোল্যান্ড
- পর্তুগাল
- স্লোভাকিয়া
- স্লোভেনিয়া
- স্পেন
- সুইডেন
- সুইজারল্যান্ড।
(সূত্র: শেনজেন ভিসা ওয়েবসাইট)
৫২১.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেন কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
  1. জিমি কার্টার
  2. বিল ক্লিনটন
  3. জন এফ কেনেডি
  4. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হলো ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি।
- এই চুক্তি পরবর্তী বছরে এই দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তিতে পরিণত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এতে অংশগ্রহণ করেন।
- চুক্তিটি “মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য কাঠামো” নামে পরিচিত ছিল।
- মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ডে আলোচনা হওয়ায় এটি “ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি” নামে পরিচিত হয়।
- এই চুক্তির কারণে সাদাত ও বেগিন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং আরব-ইসরায়েল বিরোধ নিরসনে প্রথম সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
৫২২.
আলজিয়ার্স চুক্তিতে ইরাকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. সাঈদ জলিলী
  2. সাদ্দাম হোসেন
  3. হাসান রুহানি
  4. মাসুদ পেজেশকিয়ান
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- এই চুক্তিটি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জুন,১৯৭৫ সালে।
- অনুমোদিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
• শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী (ইরান)।
• সাদ্দাম হোসেন (ইরাক)।

- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
৫২৩.
কোন দেশটি আরবলীগের অর্ন্তভুক্ত নয়?
  1. ক) জর্ডান
  2. খ) লেবানন
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) বাহরাইন
ব্যাখ্যা
• ইরান আরব লীগের অন্তর্ভুক্ত নয়।
• প্রতিষ্ঠিত হয়: ২২ মার্চ ১৯৪৫ সালে ।
• প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৭ টি। ইরাক, সিরিয়া, মিশর, লেবানন, জর্ডান, ইয়ামেন ও সেীদি আরব ।
• বর্তমান সদস্য: ২২টি। আলজেরিয়া, বাহরাইন, কমোরোস , জিবুতি, মিশর, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, লিবিয়া, মেীরিতানিয়া, মরক্কো, ওমান, ফিলিস্তিন, কাতার, সেীদি আরব, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া, তিউনেসিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।
• আরব লীগের পর্যবেক্ষক দেশ: ব্রাজিল, ইরিত্রিয়া, ভারত ও ভেনিজুয়েলা।
• ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: মিশর।
• আরব লীগের সদর দফতর: কায়রো মিশর।

উৎস:আরব লীগের ওয়েবসাইট।
৫২৪.
যুদ্ধবস্থায় বেসামরিক জনগণকে রক্ষার বিষয়ে জেনেভা কনভেনশনের কত নং চুক্তিতে বলা আছে?
  1. ১নং চুক্তি
  2. ২নং চুক্তি
  3. ৩নং চুক্তি
  4. ৪নং চুক্তি
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন ১৯৪৯ (Geneva Convention):
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
- এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি রক্ষাকবচ/চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে "চারটি রেডক্রস কনভেনশন" বলা হয়।
- স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে -
১. প্রথম জেনেভা কনভেনশন: জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

২. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন: দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালের "হেগ চুক্তি" সংশোধন করে এটি সাক্ষরিত হয়।

৩. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন : জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত।

৪. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন : চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।

উৎস: Redcross অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫২৫.
সল্ট-১ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ____ সালে।
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৯
  3. গ) ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitation Talk - 1 (SALT-1) ২৬শে মে, ১৯৭২ সালে এবং Strategic Arms Limitation Talk - 2 (SALT-2) স্বাক্ষরিত হয় ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে। উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৫২৬.
S-400 কী?
  1. বোমারু বিমান
  2. আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
  3. সামরিক হেলিকাপ্টার
  4. অত্যাধুনিক ট্যাংক
ব্যাখ্যা
• S-400:
- S-400 রাশিয়ার তৈরি অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- এটি রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান 'আলমাজ আন্তে' তৈরি করে।
- ২০০৭ সাল থেকে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী S-400 প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে আসছে।
- এর ন্যাটো সাংকেতিক নাম (SA-21 Growler)।
- বর্তমানে রাশিয়া ব্যতীত চীন,ভারত ও তুরস্ক এই ব্যবস্থা ব্যবহার করছে।

উৎস: ডয়েচেভেলে এবং আল জাজিরা ।
৫২৭.
’ইয়াল্টা সম্মেলন’ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল? 
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. ইউক্রেন 
  4. যুক্তরাজ্য 
ব্যাখ্যা

• ইয়াল্টা সম্মেলন:
- ইয়াল্টা সম্মেলন ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মিত্রশক্তির সম্মেলন।
- তিন প্রধান নেতা-যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ বৈঠক।
- এটি ইউরোপে যুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।
- তারিখ: ৪ -১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৫।
- স্থান: লিভাদিয়া প্রাসাদ, ইয়াল্টা, ক্রিমিয়া (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন, বর্তমানে ইউক্রেন)।
- প্রধান অংশগ্রহণকারী নেতারা:
- ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট – মার্কিন প্রেসিডেন্ট,
- উইনস্টন চার্চিল - ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী,
- জোসেফ স্টালিন - সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা।

• প্রধান সিদ্ধান্তসমূহ:
- জার্মানিকে চারটি অধিকৃত অঞ্চলে ভাগ করা হবে (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ফ্রান্স)।
- বার্লিন শহরকেও চার ভাগে ভাগ করা হবে।
- একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘ (United Nations) গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতা যুক্ত করা হয় স্থায়ী সদস্যদের জন্য
- পোল্যান্ডের নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: Britannica.com.

৫২৮.
'নিউ স্টার্ট' চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান কোনটি?
  1. প্রাগ, চেক রিপাবলিক
  2. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  3. রোম, ইতালি
  4. প্যারিস, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
নিউ স্টার্ট (New START):

- ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ এর মেয়াদ শেষ হলে ওবামা প্রশাসন ও পুতিনের সরকারের মধ্যে আলোচনা শুরু হয় এবং দ্রুতই নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ৮ এপ্রিল, ২০১০ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্রাগ, চেক রিপাবলিক।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদ।
- চুক্তি কার্যকর - ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সাল।
- চুক্তির বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তির মেয়াদ - প্রাথমিক মেয়াদ - ১০ বছর (ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত) ২০২১ সালে মেয়াদান্তে তা আরো ৫ বছর অর্থ্যাৎ, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
- চুক্তি অনুসারে দুই পক্ষ পারমাণবিক টর্পেডো ৫০০ - ১০০০ এবং ডেলিভারী বাহন ৮০০ এর মধ্যে সীমিত রাখার পক্ষে একমত হয়। ৮০০ বাহনের মধ্যে এক সাথে ৭০০ এর বেশি মোতায়ন করা যাবে না।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৫২৯.
নাগার্নো-কারাবাখ শান্তি চুক্তির পক্ষ কোনগুলো?
  1. ক) আলবেনিয়া ও আজারবাইজান
  2. খ) ইউক্রেন ও বেলারুশ
  3. গ) আলজেরিয়া ও আজারবাইজান
  4. ঘ) আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
প্রতিবেশী দুই দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া‌র মধ্যে দক্ষিণ ককেশাসের বিতর্কিত অঞ্চল নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো।
- বিবাদপূর্ণ নাগার্নো-কারাবাখের মালিকানা ঘিরে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া।
- ৯ নভেম্বর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে 'নাগার্নো-কারাবাখ শান্তি চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়।
- এই অঞ্চলের প্রধান সম্পদ- দস্তা, কয়লা, স্বর্ণ, মার্বেল, চুনা পাথর ও প্রাকৃতিক ঝরণা।

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট।
৫৩০.
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী নিরাপত্তা ব্যবস্থা THAAD কোন দেশের উদ্ভাবন?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

• থাড (THAAD):
- থাড (THAAD) যুক্তরাষ্ট্রের ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিরোধী নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- ‘THAAD’ এর পূর্ণরুপ: Terminal High Altitude Area Defense।
- ‘থাড’ হলো একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা যা স্বল্প, মাঝারি এবং মধ্যবর্তী-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে সক্ষম।
- এটিই একমাত্র মার্কিন সিস্টেম যা বায়ুমণ্ডলের ভেতরে ও বাইরের লক্ষ্যবস্তুকে বাধা দিতে সক্ষম।
- শত্রু কোনো দেশ থেকে যদি কোনো মিসাইল নিক্ষেপিত হয়, থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা মহাশূন্যেই ধ্বংস করে দিতে সক্ষম।
- এটি প্রাথমিক ভাবে ২০১২ সালের এপ্রিলে মোতায়েন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এটি ব্যবহার করে এবং ইতোমধ্যে আরব আমিরাত, তুরষ্ক ও দক্ষিণ কোরিয়াতে তা মোতায়েন করা হয়েছে।
- থাড মিসাইল-এর ব্যাপ্তি ১২৫ মাইল।
- থাড মিসাইল ব্যাটারী এক সাথে ৬টি মিসাইল নিক্ষেপ করতে পারে এবং শত্রু মিসাইল টার্গেটে আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করতে সক্ষম।
- প্রতিটি থাড মিসাইল ব্যাটারীর মূল্য ৮০০ মিলিয়ন ডলার।
- এর নির্মাতা লকহিড মার্টিন কোম্পনি।

উৎস: i) Lockheed Martin ওয়েবসাইট।
ii) CRS Reports (.gov) ওয়েবসাইট।
iii) আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান।

৫৩১.
'Minsk II' চুক্তিতে নিম্নের কোন দুইটি দেশ স্বাক্ষর করে?
  1. ক) আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া
  2. খ) রাশিয়া ও ইউক্রেন
  3. গ) তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান
  4. ঘ) রাশিয়া ও আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
Minsk II
Representatives of Russia, Ukraine, the Organisation for Security and Cooperation in Europe (OSCE) and the leaders of separatist-held regions Donetsk and Luhansk signed a 13-point agreement in February 2015.
The leaders of France, Germany, Russia, and Ukraine gathered in Minsk to mark the occasion and issued a declaration of support.

Minsk I
Ukraine and the Russia-backed separatists agreed on a 12-point ceasefire deal in September 2014.
Its provisions included prisoner exchanges, deliveries of humanitarian aid and the withdrawal of heavy weapons.
However, the agreement quickly broke down, with violations by both sides.

Source: www.aljazeera.com
৫৩২.
ব্রাসেলস চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২৫ আগস্ট, ১৯৪৮
  2. ১৭ মার্চ, ১৯৪৮
  3. ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
  4. ১২ মার্চ, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা

• ব্রাসেলস চুক্তি:
- ব্রাসেলস চুক্তি (১৯৪৮) ছিল পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলো—ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ—দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- এই চুক্তির মাধ্যমে তারা একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা জোট গঠন করেছিল যা পরবর্তীতে পশ্চিম ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটোর (NATO) জন্মের ভিত্তি তৈরি করে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
- কার্যকর হয়: ২৫ আগস্ট, ১৯৪৮ সালে।
- এ চুক্তির আওতায় দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো হয়।

উৎস: Britannica.

৫৩৩.
কত সালে The African Continental Free Trade Area (AfCFTA) প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

• The African Continental Free Trade Area ( AfCFTA)
এটি হল বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল যা আফ্রিকান ইউনিয়নের (AU) ৫৫টি দেশ এবং আটটি (৮) আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সম্প্রদায় (REC) কে একত্রিত করে।
- ২০১২ সালের জানুয়ারিতে ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় অনুষ্ঠিত রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের ১৮তম সাধারণ অধিবেশনে আফ্রিকান মহাদেশীয় মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (AfCFTA) প্রতিষ্ঠা দ্রুত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
- এই অধিবেশনে আফ্রিকান কন্টিনেন্টাল ফ্রি ট্রেড এরিয়া প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- The African Continental Free Trade Area (AfCFTA) এ স্বাক্ষরকারী দেশ-৫৫ টি (সেপ্টেম্বর-২০২৫)।
- আন্তঃআফ্রিকান বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য কর্ম পরিকল্পনাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- এর বাস্তবায়ন আফ্রিকার আর্থ-সামাজিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নকে উৎসাহিত করবে।
- AfCFTA-এর মূল লক্ষ্য হলো আন্তঃআফ্রিকান বাণিজ্য ত্বরান্বিত করা।
- বিশ্ব বাজারে আফ্রিকার বাণিজ্য অবস্থানকে জোরদার করা এর অন্যতম উদ্দেশ্য।
- বিশ্ব বাণিজ্য আলোচনায় আফ্রিকার সাধারণ কণ্ঠস্বর ও নীতিগত অবস্থানকে শক্তিশালী করা AfCFTA-এর আরেকটি লক্ষ্য।

উৎস: African Union এবং AfCFTA।

৫৩৪.
আলজিয়ার্স চুক্তির সাথে সম্পৃক্ত দেশ কোনটি?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
  2. ইরান ও ইরাক
  3. ফ্রান্স ও জার্মানি
  4. ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি: 
-আলজিয়ার্স চুক্তির সাথে সম্পৃক্ত দেশ দুটি হলো ইরাক ও ইরান।
- চুক্তিটি ১৩ জুন ১৯৭৫ সালে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে স্বাক্ষরিত হয়।
- আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় শাত-ইল-আরব নদীকে কেন্দ্র করে সীমান্ত বিরোধ নিরসনের লক্ষ্যে এটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য, 
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এতে স্বাক্ষর করেন। তবে, ১৯৮০ সালে ইরাক ইরানে আক্রমণ করলে এই চুক্তি কার্যকারিতা হারায়। পরবর্তীতে এই ঘটনা ইরান-ইরাক যুদ্ধের সূচনা করে।
 
সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি.কম।
৫৩৫.
কত সালে অ্যান্টার্কটিক চুক্তি (Antarctic Treaty) স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ১৯৫৮ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা

অ্যান্টার্কটিক চুক্তি (Antarctic Treaty): 
- অ্যান্টার্কটিক চুক্তি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের শান্তিপূর্ণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য একটি বিশেষ অঞ্চল হিসেবে সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্য স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ ডিসেম্বর ১৯৫৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৬১ সালে। 
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- চুক্তি প্রথমে স্বাক্ষর করেছিল: ১২টি দেশ।
- বর্তমানে সদস্য: ৫৮টি দেশ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭-৫৮ সালের আন্তর্জাতিক ভূ-পদার্থিক বছর (IGY) চলাকালীন অ্যান্টার্কটিকায় এবং তার আশেপাশে অবস্থিত দেশের বিজ্ঞানীরা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।
- চুক্তিটি প্রথমে ১৯৫৯ সালে ১২টি দেশ (যারা অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছিল) দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ অ্যান্টার্কটিক চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ বিধান:
- শান্তিপূর্ণ ব্যবহার: অ্যান্টার্কটিকা শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে (আর্টিকেল I)।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা: অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক তদন্তের স্বাধীনতা থাকবে এবং গবেষণা ফলাফল বিনিময় করা হবে (আর্টিকেল II ও III)।
- আঞ্চলিক দাবি নিষিদ্ধ: চুক্তির অধীনে নতুন আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের দাবি বা পুরনো দাবির প্রসারণ নিষিদ্ধ (আর্টিকেল IV)।
- কোনো সামরিক কার্যকলাপ নয়: অ্যান্টার্কটিকায় কোনো সামরিক কার্যকলাপ বা পারমাণবিক পরীক্ষা করা যাবে না।

উৎস: Antarctic Treaty ওয়েবসাইট।

৫৩৬.
রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি (CWC) কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
৫৩৭.
কোন দেশ CTBT-তে স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইরান
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।
- বাস্তবায়ন সংস্থা: CTBTO (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization) (সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)।

⇒ ৯টি দেশ CTBT-তে স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।
- এগুলো হলো: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, নেপাল, রাশিয়া, সোমালিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইয়েমেন।

উৎস: i) CTBTO ওয়েবসাইট। 
ii) Arms Control Association ওয়েবসাইট।

৫৩৮.
নিম্নের কোন চুক্তিটি 'ইরান পরমাণু চুক্তি' হিসেবে পরিচিত?
  1. Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
  2. The Strategic Offensive Reductions Treaty
  3. Joint Comprehensive Plan of Action
  4. Oslo Treaty
ব্যাখ্যা
Joint Comprehensive Plan of Action:
- এটি ইরান পরমাণু চুক্তি হিসেবে পরিচিত।
- এটই সমঝোতা ‘ইরান ডিল’ নামেও পরিচিত।
- চুক্তিটি হয়েছিল ইরান ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশ তথা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে।
- এই চুক্তিতে স্থায়ী পাঁচ সদস্য দেশের সাথে জার্মানিও ছিল।
- এজন্য এই পক্ষকে ‘পি৫ + ১’ বলা হয়ে থাকে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ জুলাই, ২০১৫ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬ সালে।
- এই চুক্তিতে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ ও মজুদ করার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
- চুক্তি অনুসারে তেহরান তাদের কিছু পরমাণু স্থাপনা বন্ধ করে দিতে অথবা পরিবর্তন করতে সম্মত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে চুক্তিটি স্বাক্ষর ও কার্যকর হয়।

এছাড়া,
- ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের অনুমতিও দেয়া হয়।
- চুক্তির অধীনে ইরানের ওপর আরোপিত বেশ কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালে চুক্তি থেকে বের হয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২০ সালের শুরুর দিকে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় ইরান।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৫৩৯.
আয়রন ডোম হচ্ছে -
  1. একটি আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা
  2. একটি সামরিক বিমান
  3. একটি আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা
  4. একটি সাবমেরিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
আয়রন ডোম: 
- আয়রন ডোম হলো বিশ্বের একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা,
- এটা বিশেষভাবে স্বল্পপাল্লার (শর্ট রেঞ্জ) হুমকির বিরুদ্ধে কাজ করে।
- ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে এটি মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে স্বল্পপাল্লার রকেট, মর্টার, আর্টিলারি শেল ও ড্রোন হামলা মোকাবিলা করা যায়।
- ২০১১ সালে ইসরায়েল প্রথম আয়রন ডোম মোতায়েন করে, এর প্রতিরক্ষা পরিসীমা প্রায় ৭০ কিলোমিটার।
- এই ব্যবস্থায় তিনটি কেন্দ্রীয় উপাদান থাকে, যা নিয়ে একটি আয়রন ডোম ইউনিট গঠিত হয়।
- উপাদান তিনটি হলো—রাডার ব্যবস্থা (ডিটেকশন-ট্র্যাকিং রাডার), কন্ট্রোল ব্যবস্থা (ব্যাটল ম্যানেজমেন্ট-উইপনস কন্ট্রোল) ও মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থা।
- প্রতিটি মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থায় ২০টি তামির ক্ষেপণাস্ত্র সংযুক্ত থাকে। 

সূত্র: প্রথম আলো।
৫৪০.
প্যারিস শান্তি চুক্তি কোন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. কোরিয় যুদ্ধ
  2. আফগান যুদ্ধ
  3. উপসাগরীয় যুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

প্যারিস শান্তি চুক্তি ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান ঘটাতে স্বাক্ষরিত হয়।

প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।
- আনুষ্ঠানিকভাবে "Agreement on Ending the War and Restoring Peace in Vietnam" নামে পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকাল: ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩।
- স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।
- প্যারিস শান্তি চুক্তির স্বাক্ষরের আগে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লি ডাক থো ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হেনরি কিসিঞ্জার আলোচনা করেন এবং চুক্তির খসড়া প্রণয়ন করেন। এর সূত্র ধরে দুই জনকেই ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ ভিয়েতনাম যুদ্ধ:
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত যা প্রায় ২০ বছর (১৯৫৪-৭৫) ধরে চলে।
- এটি ছিল উত্তর ভিয়েতনাম (সমাজতান্ত্রিক) ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের (মার্কিন-সমর্থিত) মধ্যে সংঘটিত একটি গৃহযুদ্ধ।
- এতে প্রায় ৩৮ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
- দক্ষিণ ভিয়েতনামে মার্কিন-সমর্থিত শাসকদের পরাজয় এবং ভিয়েতনামের উত্তর ও দক্ষিণ দুই ভাগেই কমিউনিস্ট শক্তির বিজয়ের মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটে।
- প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords-এর মাধ্যমে দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান ঘটে।

উৎস: History.com

৫৪১.
বেলফাস্ট চুক্তির অপর নাম কী?
  1. Peace Accord
  2. Northern Ireland Pact
  3. Good Friday Agreement
  4. Atlanta Peace Treaty
ব্যাখ্যা

বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৫৪২.
আয়রন ডোম কোন দেশের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইরান
  3. ইসরায়েল
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা
- আয়রন ডোম হলো ইসরায়েলের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
- এটি স্বল্পপাল্লার রকেট ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।

আয়রন ডোম:
- আয়রন ডোম হলো বিশ্বের একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা,
- এটা বিশেষভাবে স্বল্পপাল্লার (শর্ট রেঞ্জ) হুমকির বিরুদ্ধে কাজ করে।
- ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে এটি মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে স্বল্পপাল্লার রকেট, মর্টার, আর্টিলারি শেল ও ড্রোন হামলা মোকাবিলা করা যায়।
- ২০১১ সালে ইসরায়েল প্রথম আয়রন ডোম মোতায়েন করে, এর প্রতিরক্ষা পরিসীমা প্রায় ৭০ কিলোমিটার।
- এই ব্যবস্থায় তিনটি কেন্দ্রীয় উপাদান থাকে, যা নিয়ে একটি আয়রন ডোম ইউনিট গঠিত হয়।
- উপাদান তিনটি হলো—রাডার ব্যবস্থা (ডিটেকশন-ট্র্যাকিং রাডার), কন্ট্রোল ব্যবস্থা (ব্যাটল ম্যানেজমেন্ট-উইপনস কন্ট্রোল) ও মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থা।
- প্রতিটি মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থায় ২০টি তামির ক্ষেপণাস্ত্র সংযুক্ত থাকে।

সূত্র: প্রথম আলো।
৫৪৩.
'ভিয়েনা কনভেনশন - ১৯৬১' কী সংক্রান্ত?
  1. কূটনীতি 
  2. মানবাধিকার 
  3. যুদ্ধাপরাধ 
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations.
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৫৪৪.
উই রিভার চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. চীনে
  2. রাশিয়ায়
  3. কানাডায়
  4. যুক্তরাষ্ট্রে
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি:
- উই রিভার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালে।
- ইসরাইল ও পিএলও এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড রাজ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- বিল ক্লিন্টনের মধ্যস্থতায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫৪৫.
প্রথম ভার্সাই চুক্তির পক্ষদ্বয়-
  1. ক) যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স
  2. খ) জার্মানি ও যুক্তরাজ্য
  3. গ) যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
৩ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৩ সালে স্বাক্ষরিত হয় প্রথম ভার্সাই চুক্তি। এই চুক্তির পক্ষদ্বয় ছিল যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন যুক্তরাষ্ট্রকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৫৪৬.
অটোয়া চুক্তি অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোকে কত বছরের মধ্যে মজুদকৃত স্থলমাইন ধ্বংস করতে হবে?
  1. ৪ বছরের মধ্যে
  2. ৫ বছরের মধ্যে
  3. ৮ বছরের মধ্যে
  4. ১০ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা

অটোয়া চুক্তি:
- এর আরেক নাম স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention)।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।
- এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ অটোয়া চুক্তি অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোকে চুক্তি কার্যকর হওয়ার ৪ বছরের মধ্যে তাদের মজুদকৃত স্থলমাইন ধ্বংস করতে হবে এবং ১০ বছরের মধ্যে মাটির খনি ধ্বংস করতে হবে।
- ধ্বংসের বাধ্যবাধকতা পূরণের জন্য দেশগুলি ১০ বছর পর্যন্ত নবায়নযোগ্য সম্প্রসারণের অনুরোধ করতে পারে।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, পাকিস্তান এবং রাশিয়াসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ল্যান্ডমাইন উৎপাদক এবং ব্যবহারকারী দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।
- বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে। চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

৫৪৭.
আটলান্টিক সনদে ব্রিটিশদের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. ডি রুজভেল্ট
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ
  4. টনি ব্লেয়ার
ব্যাখ্যা

আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- এর ফলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫৪৮.
বাংলাদেশ কবে সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে?
  1. ক) ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬
  2. খ) ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬
  3. গ) ৮ মার্চ ২০০০
  4. ঘ) ২৪ অক্টোবর ১৯৯৬
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর গৃহিত সিটিবিটি বা সমন্বিত পারমাণবিক অস্ত্র পরিক্ষা রোধ চুক্তি একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হলে বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ৮ মার্চ ২০০০ সালে ৫৪তম দেশ হিসেবে চুক্তিটি অনুমোদন করে। জানুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত ১৫৫ টি দেশ সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। ভারত, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া সহ আরো কয়েকটি দেশ এতে স্বাক্ষর করেনি। চীন ও যুক্তরাষ্ট্র স্বাক্ষর করলেও এটি অনুমোদন করেনি। (সূত্রঃ সিটিবিটিও ওয়েবসাইট)
৫৪৯.
ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (ABM) বাতিল হয় কবে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
৫৫০.
রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. CTBT
  2. NPT
  3. CWC
  4. ABM
ব্যাখ্যা

Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।

৫৫১.
বাংলাদেশের সাথে বন্দি বিনিময় চুক্তি আছে -
  1. ক) ভারত
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) মায়ানমার
  4. ঘ) থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
-  ভারতের সাথে বাংলাদেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি রয়েছে। 
-  বন্দি বিনিময় চুক্তি বহিঃসমর্পণ নামেও পরিচিত। 
- কারও বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে প্রমাণ উপস্থাপন না করেও বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের মধ্যে আসামি বিনিময় করতে পারবে। 
- ফৌজদারি মামলায় বিচারাধীন বা দ-প্রাপ্ত আসামি বিনিময়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বহিঃসমর্পণ চুক্তির একটি ধারা সংশোধন করে ওই সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।
 
উৎস : প্রথম আলো, জনকণ্ঠ 
৫৫২.
তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী কে ছিলেন?
  1. অ্যালেক্সি কোসিগিন
  2. জোসেফ স্টালিন
  3. মোরারজি দেসাই
  4. মিখাইল গর্বাচেভ
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

৫৫৩.
মিসর ও ইসরাইলের মধ্যে ১৯৭৮ সালে কোন চুক্তিটি সম্পাদিত হয়?
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  4. প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা
মিসর ও ইসরাইলের মধ্যে ১৯৭৮ সালে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি সম্পাদিত হয়।

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি ছিল মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন স্বাক্ষরিত একজোড়া রাজনৈতিক চুক্তি।
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির মধ্যস্ততা করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- চুক্তিটির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
- তৎকালীন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত চুক্তিটির জন্য ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

উৎস: Britannica.
৫৫৪.
অসলো-১ শান্তি চুক্তি মধ্যস্থতা করেন -
  1. বিল ক্লিনটন
  2. জন টাইলার
  3. জেরাল্ড ফোর্ড
  4. রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা
অসলো-১ শান্তি চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- অসলো-১ শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- অসলো-১ চুক্তির ফলে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
৫৫৫.
বাংলাদেশ কত সালে ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৬
ব্যাখ্যা
INTERPOL

- পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নামঃ International Criminal Police Commission (ICPC) 
- এটি পুলিশের একটি আন্তর্তজাতিক সংগঠন।
- প্রধান লক্ষ্য: সদস্য দেশসমূহের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করে অপরাধীদের গ্রেফতার করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা। 
- প্রতিষ্ঠাঃ ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থানঃ ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
- সদস্য সংখ্যাঃ ১৯৫টি দেশ।
- সদর দপ্তরঃ লিঁও, ফ্রান্স।
- বর্তমান প্রধান (মহাসচিব) - জার্গেইন স্টক (Jürgen Stock), জার্মানি।
- Motto: “Connecting police for a safer world.”

উল্লেখ্য,
- সদস্য সব দেশের সাথে  INTERPOL National Central Bureau (NCB) -এর মাধ্যমে যোগাযোগ করে ও তথ্য আদান-প্রদান করে।
- National Central Bureau (NCB) -কে Heart of Interpol বলা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে ইন্টারপোলের কার্যক্রম সমন্বয়কারী National Central Bureau (NCB) ঢাকায় অবস্থিত।
- ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ INTERPOL -এর সদস্যপদ লাভ করে।


তথ্যসূত্র: INTERPOL ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৫৫৬.
নিচের কোন দেশটি ANZUS এর সদস্য নয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- জাপান ANZUS এর সদস্য নয়

ANZUS:

- Australia, New Zealand, United States Security Treaty
- প্রতিষ্ঠিত: 1951 সালে।
- উদ্দেশ্য: এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- নিউজিল্যান্ডের সাথে কিছু পারমাণবিক নীতি নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে 1984 সালে ANZUS কার্যক্রমে নিউজিল্যান্ডের ভূমিকা সীমিত হয়ে যায়।
- তবে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র এখনও চুক্তিটি কার্যকর রাখছে।
- ANZUS চুক্তি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ANZUS চুক্তির মূল দিকসমূহ:
- সদস্য দেশগুলোর প্রতি সামরিক হুমকি মোকাবিলায় সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
- তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় সমন্বয় সাধন।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

সদস্য দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- যুক্তরাষ্ট্র

উৎস: Britannica
History.com
৫৫৭.
নিচের কোন দেশটি রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা (OPCW) এর সদস্যপদে স্বাক্ষর করেনি?
  1. তুরস্ক
  2. মিশর
  3. সিরিয়া
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
OPCW (Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons):

- OPCW হলো আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংস্থা
- এর সদর দপ্তর- হেগ, নেদারল্যান্ডস এ অবস্থিত। 
- এটি প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৯৭ সালে। 
- এর সদস্য দেশ- ১৯৩টি। 
- লক্ষ্য: রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ ও রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।
- স্বাক্ষর করেনি বা সদস্য নয়- দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া। 
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন করেনি। 
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে প্যারিস প্রস্তাবে স্বাক্ষর করে। ১৯৯৭ সালে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করে। সে বছরই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- OPCW ২০১৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার লাভ করে। 

তথ্যসূত্র: OPCW Website.
৫৫৮.
কোন দেশে নাগোয়া প্রটোকল গৃহীত হয়?
  1. দক্ষিণ কোরিয়ায়
  2. মেক্সিকোতে
  3. কানাডায়
  4. জাপানে
ব্যাখ্যা
নাগোয়া প্রটোকল:
- জীববৈচিত্র্য বিষয়ক কনভেনশনের সম্পূরক হিসেবে নাগোয়া প্রটোকল গৃহীত হয়।
- জেনেটিক সম্পদের ব্যবহার এবং জেনেটিক সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত উপযোগিতার ন্যায্যতাভিত্তিক বন্টন ও বিনিময়ের লক্ষ্যে নাগোয়া প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ২০১০ সালের ২৯ অক্টোবর জাপানের নাগোয়া শহরে গৃহীত হয় এবং ২০১৪ সালের ১২ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়।
- ১৪০টি দেশ নাগোয়া প্রটোকলের অংশীদার।

সূত্র: নাগোয়া ওয়েবসাইট।
৫৫৯.
নিচের কোনটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি?
  1. NPT
  2. ABM
  3. START
  4. SALT
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি NPT.
- কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি START.
- কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা চুক্তি SALT.

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
৫৬০.
সম্প্রতি 'Trinity House Agreement' কোন দুটিদেশের মধ্যে হয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স
  4. যুক্তরাজ্য ও জার্মানি
ব্যাখ্যা
• Trinity House Agreement (ট্রিনিটি হাউস চুক্তি):
- যুক্তরাজ্য ও জার্মানির প্রতিরক্ষা চুক্তি
- ট্রিনিটি হাউস চুক্তি হলো যুক্তরাজ্য ও জার্মানির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি, যা ২৩ অক্টোবর ২০২৪ সালে গৃহীত হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ইউরোপের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং নেটো (NATO)-র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা।
- ট্রিনিটি হাউস চুক্তি যুক্তরাজ্য ও জার্মানির মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি বড় পদক্ষেপ।
- এটি দীর্ঘমেয়াদে ইউরোপের নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উন্নত অস্ত্র প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

উৎস: GOV.UK ওয়েবসাইট।
৫৬১.
'এসইউ-৩০এসএসই' কী?
  1. যুদ্ধবিমান
  2. সাবমেরিন
  3. ট্যাংক
  4. ড্রোন
ব্যাখ্যা
• চুক্তি:
- রাশিয়া ও মিয়ানমার ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ছয়টি 'এসইউ-৩০এসএসই যুদ্ধবিমান' সরবরাহের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল।
 - রাশিয়ার রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র রপ্তানিকারক রোসোবোরনএক্সপোর্টের তথ্যমতে, 'এসইউ-৩০এসএসই হলো একটি মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান'।
- এগুলো আকাশপথে শত্রুর ওপর হামলা চালাতে এবং নির্ভুলভাবে নিশানা গুঁড়িয়ে দিতে খুবই কার্যকর।

এছাড়াও,
- আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার অগ্রগতি ও বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই ফোরামের সাইডলাইনে তিনি বলেন, ‘দুটি বিমান  মিয়ানমারে পৌঁছেছে।’

উৎস: ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।[লিঙ্ক]
৫৬২.
Warsaw Pact কবে বিলুপ্ত হয়?
  1. ১ জুলাই, ১৯৯১
  2. ১ জুলাই, ১৯৯২
  3. ১ জুলাই, ১৯৯৩
  4. ১ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
-  এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা জোট।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন ন্যাটোর (NATO) বিকল্প সামরিক জোট হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি জোট গঠন করে। 
- ১৪ মে, ১৯৫৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির সাথে সাথে Warsaw Pact বিলুপ্ত হয়।
 
উৎস: Britannica.
৫৬৩.
’ডেটন চুক্তি’ কোন যুদ্ধের অবসান ঘটায়? 
  1. বসনিয়া যুদ্ধ
  2. উপসাগরীয় যুদ্ধ
  3. আরব ও ইসরাইল যুদ্ধ
  4. ইরাক-ইরান যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে "জেনারেল ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট ফর পিস ইন বসনিয়া এন্ড হার্জেগোভিনা" নামে পরিচিত, - ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর ডেটনের কাছে রাইট-প্যাটারসন বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে সম্পন্ন হয়।
- ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি 'ডেটন চুক্তি' নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি বসনিয়া যুদ্ধ (১৯৯২–১৯৯৫), যা প্রাক্তন যুগোস্লাভিয়ার অংশ ছিল, তার অবসান ঘটায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫৬৪.
ফাইভ আইজ (FVEY) জোটের সদস্য দেশ নয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভারত 
  4. অস্ট্রেলিয়া 
ব্যাখ্যা

• Five Eyes (FVEY): 
- আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা চুক্তি/সহযোগিতা।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র , যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড।
 - প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৬-এ “UKUSA Agreement” থেকে শুরু,
- আধুনিক Five Eyes আকারে বিকাশ পায় ১৯৫০-এর দশকে।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে কঠোর তথ্য বিনিময় ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করে। 
 • প্রধান সংস্থা সমূহ: NSA (USA), GCHQ (UK), CSE (Canada), ASD (Australia), GCSB (New Zealand).

• মূল কার্যক্রম: 
- সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স (SIGINT) আদান-প্রদান।
- আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী গোয়েন্দা।
- সাইবার নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি শেয়ারিং।
- বিশ্বব্যাপী নজরদারি ও তথ্য বিনিময় ।

উৎস:  Britannica ওয়েবসাইট।

৫৬৫.
What is the name of the defense pact signed between Pakistan and Saudi Arabia in September 2025?
  1. Islamic Security Alliance Agreement
  2. Strategic Mutual Defense Agreement
  3. Gulf Brotherhood Defense Pact
  4. Arabia-Pakistan Security Treaty
ব্যাখ্যা

কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি:
- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির নাম ‘কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’ (এসএমডিএ)।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোতে ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রতিরক্ষায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- পাকিস্তানকে বিভিন্নভাবে অর্থসহায়তা দেবে সৌদি আরব। বিনিময়ে প্রয়োজনীয় পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াবে পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো।

৫৬৬.
কোন চুক্তি রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. NPT চুক্তি
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. CWC কনভেনশন
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
- পূর্ণ নাম: Chemical Weapons Convention
- গৃহীত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭
- উদ্দেশ্য: রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, ব্যবহার, মজুতকরণ এবং স্থানান্তর সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা এবং ধ্বংস নিশ্চিত করা।

মূল বিষয়:
- সদস্য দেশগুলো রাসায়নিক অস্ত্র তৈরি বা ব্যবহার থেকে বিরত থাকবে।
- মজুদকৃত রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ।
- আন্তর্জাতিক তদারকি নিশ্চিত করতে "অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রোহিবিশন অফ কেমিক্যাল উইপনস" (OPCW) প্রতিষ্ঠা।

গুরুত্বপূর্ণ দিক:
- ১৯৩টি দেশ এই কনভেনশনের অন্তর্ভুক্ত।
- সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে রাসায়নিক অস্ত্র পৌঁছানো রোধে বিশেষ গুরুত্বারোপ।
- রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।

উল্লেখযোগ্য উদাহরণ:
- সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ এবং OPCW-এর তদন্ত।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য।

কিয়োটো প্রটোকল:
- পূর্ণরূপ: Kyoto Protocol to the United Nations Framework Convention on Climate Change.
- স্বাক্ষরিত হয়: ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সাল।
- স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- কার্যকর: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- উদ্দেশ্য: গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ১৯৯০ সালের স্তরের তুলনায় ৫.২% কমানো।
- বৈশিষ্ট্য: ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM) এবং ইমিশন ট্রেডিং অন্তর্ভুক্ত।
- চ্যালেঞ্জ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটি অনুমোদন করেনি এবং চীন বাধ্যতামূলক লক্ষ্য থেকে অব্যাহতি পেয়েছে।

নন-প্রোলিফারেশন ট্রিটি (Non-Proliferation Treaty - NPT):
- নন-প্রোলিফারেশন ট্রিটি (NPT) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ, এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য গৃহীত হয়েছে।
- এটি ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ কার্যকর হয়।
- NPT-তে বর্তমানে ১৯১টি দেশ অংশগ্রহণ করেছে।
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল এই চুক্তিতে যোগ দেয়নি।
- উত্তর কোরিয়া চুক্তি থেকে সরে গেছে।
- বাংলাদেশ ১৯৭৯ সালে NPT-তে যোগ দেয়। এটি দেশের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে।

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তর সুরক্ষা।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
- এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।

উৎস: i) OPCW অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) United Nations Archives
iii) Britannica.
৫৬৭.
বসনিয়া যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে কোন চুক্তি সম্পাদিত হয়?
  1. সার্বিয়ান চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. ভিয়েনা চুক্তি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• বসনিয়া যুদ্ধ অবসানে ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও বসনিয়া- হার্জেগোভিনার মধ্যে ডেটন চুক্তি সম্পাদিত হয়।
- আনুষ্ঠানিক চুক্তি প্যারিসে স্বাক্ষরিত হলেও ১৯৯৫ সালের ১-২১ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের রাইট প্যাটারসন বিমান ঘাটিতে বিবাদমান পক্ষগুলো আলোচনার মাধ্যমে চুক্তিতে সম্মত হয়।
- তাই চুক্তিটি ‘ডেটন চুক্তি' নামে পরিচিতি পায়৷
- এই চুক্তি সম্পাদনে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন মধ্যস্থতা করেন।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান।
৫৬৮.
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ’অ্যাভানগার্ড’ কোন দেশের তৈরি?
  1. জার্মান
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• অ্যাভানগার্ড:
- হল রাশিয়ান ফেডারেশন কর্তৃক তৈরি একটি পারমাণবিক-সক্ষম, হাইপারসনিক বুস্ট-গ্লাইড যান।
- এটি ২০১৮ সালের মার্চ মাসে এক ভাষণে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন কর্তৃক বর্ণিত ছয়টি "পরবর্তী প্রজন্মের" অস্ত্রের মধ্যে একটি।
• বিকল্প নাম - প্রকল্প ৪২০২, ইউ-৭৪
• শ্রেণী - হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকেল (HGV)

উৎস: missilethreat website.
৫৬৯.
ANZUS চুক্তি কোন অঞ্চলে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
  2. আটলান্টিক মহাসাগরীয় অঞ্চলে
  3. ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
ANZUS চুক্তি (ANZUS Pact): 
- ANZUS চুক্তি একটি নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি। 
- এটি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়। 
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সালে, সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়াতে।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল: আক্রমণের শিকার হলে পারস্পরিক সহায়তা প্রদান এবং সব বিরোধ শান্তিপূর্ণ উপায়ে মীমাংসা করা।
- এই চুক্তি ১৯৫২ সালে কার্যকর হয়।
- তিনটি দেশের নামের আদ্যক্ষর A (Australia), NZ (New Zealand), US (United States) একত্রে মিলিয়ে "ANZUS" নামকরণ করা হয়।
- ANZUS চুক্তির আওতায় এই তিন দেশ পারস্পরিক পরামর্শমূলক সম্পর্ক বজায় রাখে এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে।

উৎস: Britannica.
৫৭০.
শাটল ডিপ্লোমেসির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে কোন চুক্তির পথ প্রশস্ত হয়?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. তায়েফ চুক্তি
  3. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  4. অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা

শাটল ডিপ্লোমেসির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির পথ প্রশস্ত হয়।

শাটল ডিপ্লোম্যাসি (Shuttle Diplomacy):

- শাটল ডিপ্লোম্যাসি হলো একটি বিশেষ কূটনৈতিক কৌশল যেখানে একজন নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী বিবাদমান দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনা ছাড়াই যোগাযোগ রক্ষা করে।
- তিনি এক পক্ষের কাছে গিয়ে তাদের মতামত, প্রস্তাব বা অভিযোগ শোনেন, তারপর অন্য পক্ষের কাছে গিয়ে সেগুলো পৌঁছে দেন এবং প্রস্তাব নিয়ে আবার ফিরে আসেন। এভাবে বারবার যাতায়াত (শাটলের মতো) করে আলোচনা এগিয়ে নেয়া হয়।
- এই ধরনের কূটনীতি সাধারণত সংঘর্ষ বা জটিল পরিস্থিতি সমাধানে ব্যবহৃত হয়।

⇒ শাটল ডিপ্লোম্যাসি সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ:
- ১৯৭৩ সালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত হন হেনরি কিসিঞ্জার।
- ‘শাটল ডিপ্লোম্যাসি’ নামে পরিচিত এই কূটনৈতিক প্রয়াসে কিসিঞ্জার তৃতীয় ব্যাক্তি হিসেবে আরব দেশগুলোর মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসন সম্পর্কিত আলোচনায় সহায়তা করেন।
- ১৯৭৩ সালের ইয়োম কিপুর যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর জন্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার এক পক্ষ থেকে অন্য পক্ষে বারবার যাতায়াত করতেন।
- তিনি মিশর, ইজরায়েল, সিরিয়া ইত্যাদি আরবদেশে অনেকবার এরকম ‘শাটল মিশন’ পরিচালনা করেন।
- এই কৌশলের ফলে যে বড় চুক্তির পথ প্রশস্ত হয় তা হলো ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords)।
- কিসিঞ্জারের শাটল ডিপ্লোমেসি মিশর-ইসরায়েলের মধ্যে ধাপে ধাপে আস্থা তৈরি করে যা পরে প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় ক্যাম্প ডেভিডে পূর্ণ শান্তি চুক্তির ভিত্তি হয়।

উল্লেখ্য,
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

অন্যদিকে,
- অসলো চুক্তি (Oslo Accords): ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে প্রথম শান্তি চুক্তি। নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। এটি শাটল ডিপ্লোমেসি নয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) Office of the Historian (.gov) ওয়েবসাইট।

৫৭১.
Which historical document first established the principle that 'The king is subject to the law'?
  1. The U.S Constitution
  2. The Magna Carta
  3. The Napoleonic Code
  4. The U.S Declaration of Independence
ব্যাখ্যা
ম্যাগনাকার্টা:

- ম্যাগনাকার্টাকে ইংল্যান্ড এর শাসনতন্ত্রের বাইবেল বলা হয়। 
- ১২১৫ সালের ১৫ই জুন টেমস নদীর তীরে রানিমেড নামক স্থানে তৎকালীন ইংল্যান্ডের রাজা জন ম্যাগনাকার্টায় স্বাক্ষর করেন।
- এটি প্রথমবারের মতো আইনগতভাবে ঘোষণা করে যে, রাজা বা শাসক আইনের ঊর্ধ্বে নয় এবং তাকে আইনের নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
- এর ফলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ধারণা বিকাশ লাভ করে, যা পরবর্তীতে আধুনিক গণতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করে।
- এটিকে ব্রিটেনের প্রথম শাসনতন্ত্রও বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং www.magnacarta800th.com.
৫৭২.
ভেনেজুয়েলার বর্তমান রাষ্ট্রপতির নাম কী?
  1.  হুয়ান গুইদো
  2. এডমুন্ডো গনজালেজ উরুতিয়া
  3. নিকোলাস মাদুরো
  4. মারিয়া কোরিনা মাচাদো
ব্যাখ্যা

- ভেনেজুয়েলার বর্তমান রাষ্ট্রপতির নাম নিকোলাস মাদুরো।

• নিকোলাস মাদুরো
- পূর্ণ নাম: নিকোলাস মাদুরো মোরোস
- জন্ম: ২৩ নভেম্বর ১৯৬২ খ্রি.
- জন্মস্থান: কারাকাস, ভেনেজুয়েলা
- পেশা: রাজনীতিবিদ ও শ্রমিক নেতা
- বর্তমান পদ: ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি

»  রাজনৈতিক জীবন
- ১৯৯৯ সালে জাতীয় গণপরিষদের সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশ।
- পরে জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০১২ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন।
- ২০১৩ সালের মার্চে হুগো শ্যাভেজের মৃত্যুর পর অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি হন।
- ২০১৩ সালের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত বিশেষ নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- ২০১৮ সালে দ্বিতীয়বারের মতো পুনর্নির্বাচিত হন।

» বিতর্ক ও সমালোচনা
- তার শাসনকাল জুড়ে কর্তৃত্ববাদ, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, ও বিতর্কিত নির্বাচনের অভিযোগ উঠেছে।
- মাদুরোর নেতৃত্বে ভেনেজুয়েলা রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক পতন, এবং মানবিক সংকটে পতিত হয়েছে।

» আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট
- আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ ও বিরোধিতা সত্ত্বেও মাদুরো ক্ষমতায় টিকে আছেন।
- তিনি হুগো শ্যাভেজের আদর্শ, চাভিসমো-এর দৃঢ় সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
- নিকোলাস মাদুরো শ্যাভেজের রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে ভেনেজুয়েলার সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনকে ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন,
- যদিও তার শাসনকাল ব্যাপক বিতর্কিত ও অর্থনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৫৭৩.
চারটি রেডক্রস কনভেনশন নামে পরিচিত কোনটি?
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. জেনেভা কনভেনশন
  3. ভিয়েনা কনভেনশন
  4. রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা

চারটি রেডক্রস কনভেনশন নামে পরিচিত জেনেভা কনভেনশন ১৯৪৯।
- এই কনভেনশনে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই কনভেনশন টি সম্পূর্ণ যুদ্ধকালীন আচরণ সম্পর্কিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতায় মর্মাহত হয়ে ১৯৪৯ সালের চারটি জেনেভা কনভেনশনে দুনিয়ার রাষ্ট্রগুলো -এ মর্মে ঐকমত্য পোষণ করে যে যারা কোনোভাবে বৈরিতায় সম্পৃক্ত নয়, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে—আহত ও অসুস্থ সেনা, যুদ্ধবন্দী ও বেসামরিক মানুষ।

উৎস: Britannica.com

৫৭৪.
’লিসবন চুক্তির’ সাথে সম্পৃক্ত কোন সংস্থা?
  1. OPEC
  2. BRICS
  3. EU
  4. G-20
ব্যাখ্যা
লিসবন চুক্তি:
- স্বাক্ষর: ১৩ ডিসেম্বর ২০০৭।
- স্বাক্ষরের স্থান: লিসবন পর্তুগাল।
- কার্যকর: ১ ডিসেম্বর ২০০৯।
- বিষয়বস্তু: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) সংস্কার।

মূল উদ্দেশ্য:

- ইউরোপীয় ইউনিয়নের পূর্ব চুক্তিগুলোর জটিলতা কমিয়ে প্রশাসনিক কাঠামোকে সহজ করা।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া দ্রুত এবং কার্যকর করা। 
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈদেশিক নীতিকে আরও সুসংহত  ও কার্যকর করা।

উল্লেখ্য,
- অনুচ্ছেদ ৫০ এ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- এ অনুচ্ছেদ বলা হয়েছে গণভোটের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হওয়া যাবে।
- যুক্তরাজ্য ( Brexit)  এই আইন অনুসারে EU ছাড়ে।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
৫৭৫.
New START চুক্তি স্বাক্ষর করেন কারা?
  1. বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ
  2. ডোনাল্ড ট্রাম্প ও দিমিত্রি মেদভেদেভ
  3. বাইডেন ও ভ্লাদিমির পুতিন
  4. বারাক ওবামা ও ভ্লাদিমির পুতিন
ব্যাখ্যা
♦ New START:
- সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন ২০১০ সালে। 

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে কৌশলগত আক্রমণাত্মক অস্ত্রের আরও হ্রাস ও সীমাবদ্ধতার ব্যবস্থা সম্পর্কিত চুক্তি।
- যা নিউ স্টার্ট চুক্তি নামেও পরিচিত, সমস্ত রাশিয়ান মোতায়েন করা আন্তঃমহাদেশীয়-পরিসরের পারমাণবিক অস্ত্রের উপর যাচাইযোগ্য সীমা স্থাপন করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সুরক্ষা বাড়ায়। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়েছে।

উৎস: বিবিসি।
৫৭৬.
লুজান চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯২১ সালে
  2. ১৯২২ সালে
  3. ১৯২৩ সালে
  4. ১৯২৪ সালে
ব্যাখ্যা
লুজান চুক্তি:
- লুজান চুক্তি হলো একটি শান্তি চুক্তি যার মাধ্যমে বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়েছে।
- আধুনিক তুরস্কের জন্ম এই চুক্তির মাধ্যমে। 
- চুক্তিটি ২৪ জুলাই, ১৯২৩ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে স্বাক্ষরিত হয়েছিল বিধায় এর নাম হয় লুজান চুক্তি।
- চুক্তিতে এক পক্ষে ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের উত্তরসূরি তুরস্কের প্রতিনিধিরা।
- অন্য পক্ষে ছিলেন ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, গ্রিস, রোমানিয়া এবং যুগোস্লাভিয়ার প্রতিনিধিরা।
- ২০২৩ সালে এই চুক্তির ১০০ বছর পূর্ণ হয়।

উৎস: Britannica.
৫৭৭.
ABM চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান কোনটি?
  1. মস্কো
  2. ইস্তাম্বুল
  3. জর্জিয়া
  4. লন্ডন
ব্যাখ্যা
ABM চুক্তি:
- ABM এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- Anti-Ballistic Missile Treaty একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- এটি স্বাক্ষরিত হয় রাশিয়ার মস্কোতে।
- ২০০২ সালে চুক্তিটি বাতিল হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
৫৭৮.
ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (ABM) বাতিল হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল: ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
৫৭৯.
পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (জুন, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
৫৮০.
Antarctic Treaty কত সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ১৯৫৯ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা

এন্টার্কটিক ট্রিটি (Antarctic Treaty):
- চুক্তিটি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের শান্তিপূর্ণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য একটি বিশেষ অঞ্চল হিসেবে সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্য স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ ডিসেম্বর ১৯৫৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৬১ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- চুক্তি প্রথমে স্বাক্ষর করেছিল: ১২টি দেশ।
- বর্তমানে সদস্য: ৫৮টি দেশ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭-৫৮ সালের আন্তর্জাতিক ভূ-পদার্থিক বছর (IGY) চলাকালীন অ্যান্টার্কটিকায় এবং তার আশেপাশে অবস্থিত দেশের বিজ্ঞানীরা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।
- চুক্তিটি প্রথমে ১৯৫৯ সালে ১২টি দেশ (যারা অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছিল) দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ অ্যান্টার্কটিক চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ বিধান:
- শান্তিপূর্ণ ব্যবহার: অ্যান্টার্কটিকা শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে (আর্টিকেল I)।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা: অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক তদন্তের স্বাধীনতা থাকবে এবং গবেষণা ফলাফল বিনিময় করা হবে (আর্টিকেল II ও III)।
- আঞ্চলিক দাবি নিষিদ্ধ: চুক্তির অধীনে নতুন আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের দাবি বা পুরনো দাবির প্রসারণ নিষিদ্ধ (আর্টিকেল IV)।
- কোনো সামরিক কার্যকলাপ নয়: অ্যান্টার্কটিকায় কোনো সামরিক কার্যকলাপ বা পারমাণবিক পরীক্ষা করা যাবে না।

উৎস: Antarctic Treaty ওয়েবসাইট।

৫৮১.
SALT-1 ও ABM উভয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭১
  3. গ) ১৯৭০
  4. ঘ) ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
- নিক্সন এবং সোভিয়েত জেনারেল সেক্রেটারি লিওনিড ব্রেজনেভ ১৯৭২ সালের ২৬মে মস্কোতে এবিএম (ABM) চুক্তি এবং অন্তর্বর্তীকালীন সল্ট ( SALT)চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। 
- স্নায়ুযুদ্ধের সময় প্রথমবারের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের অস্ত্রাগারে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা সীমিত করতে সম্মত হয়েছিল।
 
SALT (Strategic Arms Limitation Talks) 
- ইহা কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি ।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তিতে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়।
- ২৬ মে, ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি Strategic Arms Limitation Talk - 1 (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitation Talk - 2 (SALT-2)।

ABM  চুক্তি 
ABM - এর পূর্ণরূপ Anti-Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)। এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি। যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti-Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
স্বাক্ষর - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল
কার্যকর - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২
চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট। 
৫৮২.
কয়টি দেশের মধ্যে 'অকাস চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
- অকাস চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।
- ১৩ মার্চ, ২০২৩-এ, অকাস অংশীদাররা অস্ট্রেলিয়ায় একটি পারমাণবিক শক্তি চালিত সাবমেরিন সক্ষমতা তৈরি করওকে ঘোষণা করেছে এবং তিনটি অংশীদারই সর্বোচ্চ অপ্রসারণ মান বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

উৎস: U.S. Department of Defense ওয়েবসাইট। [link]
৫৮৩.
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত 'New START' চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয় কত সাল পর্যন্ত?
  1. ক) ২০২৬
  2. খ) ২০২৭
  3. গ) ২০২৫
  4. ঘ) ২০২৪
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া সম্প্রতি নিজেদের মধ্যকার New START (The New Strategic Arms Reduction Treaty) চুক্তির মেয়াদ আরো পাঁচ বছর বৃদ্ধি করে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করেছে।
- ২০১০ সালের ৮ এপ্রিল কৌশলগত বিপজ্জনক অস্ত্র হ্রাসকরণের লক্ষ্যে New START চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো, যা ২০১১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- ১০ বছর মেয়াদী চুক্তিটির মেয়াদ গত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ শেষ হয়েছিলো।
(সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
৫৮৪.
European Recovery Program নামে পরিচিত -
  1. ক) ডমিনো তত্ত্ব
  2. খ) ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. গ) ট্রুম্যান ডকট্রিন
  4. ঘ) মার্শাল প্ল্যান
ব্যাখ্যা
মার্শাল প্ল্যান এর পরিচিতি হচ্ছে European Recovery Program.

• প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান কংগ্রেসের কাছে প্রেরিত এক বার্তায় বলেছিলেন, যে সকল স্বাধীন জনগণ যারা সশস্ত্র সংখ্যালঘু বা বহিরাগত চাপের মারফত পদানত করার প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সচেষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হবে তাদের সমর্থন করা। অর্থাৎ এখানে কমিউনিজম ভীতি কাজ করছিল।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যানের এই নীতি আর্থিকভাবে প্রয়োগ করার জন্য ১৯৪৭ সালের জুন মাসে তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট ঘোষণা করেছিলেন যে ইউরোপের পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করবে।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান এতে স্বাক্ষর করেন ১৯৪৮ সালের ৩ এপ্রিল। ওইদিন থেকেই তা কার্যকর হয়।
- পশ্চিম ইউরোপ পুনর্গঠনের পরিকল্পনা সফল হয়েছিল।
- যুক্তরাষ্ট্র এই প্রোগ্রামের আওতায় ওই সময় ১৫ বিলিয়ন ডলার যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা দিয়েছিল।
- এই আর্থিক সহায়তার কারণে পশ্চিম ইউরোপের জিডিপি ১৫ থেকে ২৫ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছিল।
- পরবর্তীতে অনুন্নত দেশগুলোর জন্যও মার্শাল পরিকল্পনা প্রয়োগ করা হয়। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
৫৮৫.
কোন দেশটি সিটিবিটি চুক্তি অনুমোদন করেনি?
  1. চীন
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সিটিবিটি বা সমন্বিত পারমাণবিক অস্ত্র পরিক্ষা রোধ চুক্তি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়।
মে ২০২০ পর্যন্ত বাংলাদেশ. সুইজারল্যান্ড, জাপান সহ ১৮৪ টি দেশ সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং ১৬৮টি দেশ অনুমোদন করেছে।
এতে ভারত, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া, সৌদি আরব, সিরিয়া, কিউবা সহ ১২টি দেশ স্বাক্ষর করেনি।
অন্যদিকে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সহ ১৬ টি দেশ স্বাক্ষর করলেও অনুমোদন করেনি।
বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর এবং ৮ মার্চ ২০০০ সালে ৫৪তম দেশ হিসেবে চুক্তিটি অনুমোদন করে।
(সূত্রঃ সিটিবিটিও ওয়েবসাইট ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
৫৮৬.
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে কোন যুদ্ধের অবসান হয়?
  1. ক্রিমিয়া যুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  4. শতবর্ষ যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে ছিলো।
- ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাইয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১০ জানুয়ারি ১৯২০ এই চুক্তি কার্যকর হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানির মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি অনুসারে জার্মানিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং বিপুল পরিমাণ আর্থিক জরিমানা করা হয়।

সূত্র:- ব্রিটানিকা ও দৈনিক যুগান্তর।
৫৮৭.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তিতে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. সেভার্স চুক্ত
  2. লুজেন (Lausanne) চুক্তি
  3. ভার্সাই চুক্তি
  4. প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা

- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তিতে "ভার্সাই চুক্তি" (Treaty of Versailles) স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিটি ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে স্বাক্ষরিত হয় এবং এতে জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করা হয় ও কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়।

ভার্সাই চুক্তি: 

- ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে জার্মানি এবং মিত্রপক্ষের মধ্যে দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- এই চুক্তি অনুযায়ী জার্মানিকে দোষী সাব্যস্ত করে বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ প্রদানে সম্মত করা হয়।
- ১০ জানুয়ারি ১৯২০ থেকে এই চুক্তি কার্যকর হয়।
- এর আগে ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি কর্তৃক সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ঘটে।

অন্যদিকে: 
- সেভার্স চুক্তি: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির সাথে অটোমান সাম্রাজ্য তথা বর্তমান তুরস্কের প্রথমে সেভার্স চুক্তি (১০ আগস্ট ১৯২০) সম্পাদিত হয়। কিন্তু তৎকালীন নব্য প্রতিষ্ঠিত তুর্কি জাতীয়তাবাদী সরকার সেভার্স চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
- লুজান চুক্তি: ১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়। সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- প্যারিস চুক্তি: প্যারিস চুক্তি ২০১৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে গৃহীত হয়। এর মূল লক্ষ্য বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৫৮৮.
আটলান্টিক সনদে স্বাক্ষরকারী -
  1. জোসেফ স্ট্যালিন
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
  4. খ + গ
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ:
- আটলান্টিক সনদ মূলত শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক সনদ।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল।
- সময়: ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ই আগস্ট 
- স্থান: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে ব্রিটিশ রণতরি ’প্রিন্স অফ ওয়েলস’।
- মূলনীতি: ৮টি।
- ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়সীমাকে সম্মিলিত জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি পর্ব হিসেবে গণ্য করা যায়।
- এই চুক্তিটি 'আটলান্টিক সনদ’ নামে পরিচিত। 

উৎস: Britannica.
৫৮৯.
নিচের কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অসলো-১ চুক্তির মধ্যস্থতা করেন?
  1. জিমি কার্টার
  2. বিল ক্লিনটন
  3. জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ
  4. রোনাল্ড রেগান
ব্যাখ্যা
অসলো-১ শান্তি চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- অসলো-১ শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- অসলো-১ চুক্তির ফলে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
৫৯০.
The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons (TPNW) চুক্তির বিপক্ষে ভোট দেয় কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

TPNW:
- TPNW-এর পূর্ণরূপ হলো The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons।
- এটি একটি পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- চুক্তিতে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অধিগ্রহণ, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আছে।
- চুক্তিটি গৃহীত হয় ৭ জুলাই ২০১৭ সালে, পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে।
- এই চুক্তির পক্ষে ভোট দেয় ১২২টি দেশ।
- আর বিপক্ষে ভোট দেয় ১টি দেশ (নেদারল্যান্ডস)।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে।
- আর চুক্তি কার্যকর হয় ২২ জানুয়ারি ২০২১ সালে।
- চুক্তিতে মোট স্বাক্ষরকারী দেশ ৯৪টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে স্বাক্ষর করে।
- ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালে অনুমোদন করে।

উৎস: United Nations Treaty Collection ওয়েবসাইট।

৫৯১.
তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী কে ছিলেন ?
  1. ক) নিকলাই কোসিগিন
  2. খ) রিচার্ড নিক্সন
  3. গ) রিচার্ড হলব্রুক
  4. ঘ) জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- তাসখন্দ চুক্তি হচ্ছে ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত একটি চুক্তি,যা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সমাধান করে।
- জাতিসংঘ,আমেরিকা ও সোভিয়েতর চাপে তাসখন্দ সম্মেলনে,ভারত ও পাকিস্তানকে তাদের পূর্বের চুক্তির বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে বাধ্য করেছিল-একে অপরের জয়যুক্ত অঞ্চলগুলি ছেড়ে দিতে এবং কাশ্মীরের ১৯৪৯ সালের যুদ্ধবিরতির সীমান্ত চুক্তি মেনে চলা।

সূত্র: Live MCQ Lecture

৫৯২.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কোন চুক্তির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়?
  1. প্যারিস চুক্তি 
  2. ভার্সাই চুক্তি
  3. জেনেভা চুক্তি
  4. রোম চুক্তি 
ব্যাখ্যা

ভার্সাই চুক্তি Treaty of Versailles (1919):
- ভার্সাই চুক্তি ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে ১৯১৯ সালের প্যারিস শান্তি সম্মেলনের প্রধান চুক্তি।
- এটি ২৮ জুন ১৯১৯ সালে ভার্সাই প্রাসাদের "হল অব মিররস"-এ মিত্রশক্তি এবং জার্মানির মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১০ জানুয়ারি ১৯২০ সালে কার্যকর হয়।
- মিত্রশক্তির মধ্যে যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং চীন অন্যতম সদস্য।
- ভার্সাই চুক্তি জার্মানির উপর কঠোর ক্ষতিপূরণ আরোপ করে।
- চুক্তির মাধ্যমে জার্মানির কিছু অঞ্চল প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং কিছু অঞ্চল আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে রাখা হয়।
- এছাড়া, জার্মানির উপনিবেশগুলো ছিনিয়ে নেওয়া হয়, তাদের সামরিক ক্ষমতা কঠোরভাবে সীমিত করা হয় এবং মিত্রশক্তিকে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বাধ্য করা হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে "লিগ অফ নেশন্স" (League of Nations) প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এছাড়াও,
• প্যারিস চুক্তি:
- ফ্রান্সের প্যারিস শহরের নামানুসারে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি ,
-  এটি ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে গৃহীত হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল বিশ্ব উষ্ণায়নে অবদান রাখে এমন গ্যাসের নির্গমন হ্রাস করা।
- প্যারিস চুক্তিটি কিয়োটো প্রোটোকলকে উন্নত এবং প্রতিস্থাপন করার লক্ষ্যে তৈরি হয়েছিল ,
- যা গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন রোধ করার জন্য পূর্ববর্তী একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি ছিল ।
- এটি ৪ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে কার্যকর হয় এবং ১৯৫টি দেশ স্বাক্ষর করেছে এবং ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১৯০টি দেশ এটি অনুমোদন করেছে।

• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• রোম চুক্তি: 
- ১৯৫৭ সালের ২৫শে মার্চ রোম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং কার্যকর হয় ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি।
- এই ‍চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি গঠিত হয়।
- এতে বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, ফ্রান্স, ইতালি ও জার্মানি স্বাক্ষর করে।
- পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর ম্যাস্ট্রিক্ট চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি ইরোপিয়ান ইউনিয়নে পরিণত হয়।

উৎস: Britannica.

৫৯৩.
তিউনিসিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) কত তারিখে অভিবাসনসংক্রান্ত চুক্তি করেছে?
  1. ১৭ মে, ২০২৩
  2. ১৭ জুন, ২০২৩
  3. ১৭ জুলাই, ২০২৩
  4. ১৭ আগস্ট, ২০২৩
ব্যাখ্যা
অভিবাসন মোকাবিলায় চুক্তি:
- ১৭ জুলাই, ২০২৩ তারিখে অভিবাসনসংক্রান্ত একটি চুক্তি করেছে তিউনিসিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
- উভয় পক্ষ অভিবাসন বিষয়ে কৌশলগত ও ব্যাপক অংশীদারত্বের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে।
- সমঝোতা স্মারকের উদ্দেশ্য অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা করা। পাশাপাশি তিউনিসিয়া ও ইইউর মধ্যে অর্থনৈতিকক সম্পর্ক বাড়ানো।
- ইউরোপমুখী শরণার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটি বড় রুট তিউনিসিয়া।
- সাম্প্রতিক সময়ে তিউনিসিয়া দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টাকারী শরণার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

উৎস: ১৭ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো।
৫৯৪.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention) অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. অটোয়া চুক্তি
  4. হেগ চুক্তি
ব্যাখ্যা

স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।
⇒ এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

অন্যদিকে,
- জেনেভা কনভেনশন চারটি চুক্তি ও তিনটি বাড়তি প্রটোকল নিয়ে গঠিত, যা যুদ্ধে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- প্যারিস চুক্তি হলো-  ২০১৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ই ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন, কপ- ২১।
- হেগ কনভেনশন, ১৮৯৯ এবং ১৯০৭ সালে নেদারল্যান্ডসের হেগে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন থেকে জারি করা আন্তর্জাতিক চুক্তির একটি সিরিজ।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।

৫৯৫.
আলজিয়ার্স চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জুন, ১৯৭৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ইরাক-ইরান।
- মধ্যস্থতাকারী: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
• ইরান-ইরাক যুদ্ধ:
- ইরাক-ইরান যুদ্ধ শুরু হয়: ১৯৮০ সালে।
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ - ২০ আগস্ট, ১৯৮৮ সাল।
- ফলাফল: জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি।

উৎস: Britannica.

৫৯৬.
হেলসিংকি বিধি (Helsinki Rules) কী সম্পর্কিত?
  1. আন্তর্জাতিক নদী আইন
  2. আন্তর্জাতিক সড়ক আইন
  3. আন্তর্জাতিক পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন
  4. আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন
ব্যাখ্যা

হেলসিংকি বিধি (The Helsinki Rules on the Uses of Water of International Rivers): 
- হেলসিংকি বিধি (Helsinki Rules) ১৯৬৬ সালে আন্তর্জাতিক আইন সংস্থা (International Law Association – ILA) কর্তৃক প্রণীত হয় ।
- এই বিধিগুলো মূলত আন্তর্জাতিক নদী বা আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য ও যুক্তিসংগত ব্যবহার (equitable and reasonable utilization) সংক্রান্ত নীতিমালা নির্ধারণ করে।

উল্লেখ্য,
- হেলসিঙ্কি চুক্তি (১ আগস্ট, ১৯৭৫) ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত প্রথম সম্মেলন (CSCE; বর্তমানে ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থা নামে পরিচিত) এর সমাপ্তিতে স্বাক্ষরিত একটি প্রধান কূটনৈতিক চুক্তি ।

উৎস: IWRM ACTION HUB ওয়েবসাইট।

৫৯৭.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা কে ছিলেন?
  1. হেলমুট কোল
  2. অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
  3. হোর্স্ট টেল্টশিক
  4. কেউই নয়
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC) হলো একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা মূলত নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নিরাপত্তা সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত।
- এর লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করা এবং সমাধান খোঁজা।
- এটি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, কূটনীতিক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই সম্মেলনে অংশ নেন।

উল্লেখ্য,
⇒ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা ছিলেন এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক। 
- প্রথম এক দশক এই সম্মেলনে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোই অংশ নিত।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
- তারপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিয়ে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছেন।

⇒ ২০২৫ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- ২০২৫ সালে ৬১তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।
৫৯৮.
'Molotov-Ribbentrop' Pact was signed between which two countries?
  1. Soviet Union and France
  2. Soviet Union and Nazi Germany
  3. France and Nazi Germany
  4. Soviet Union and USA
  5. USA and Nazi Germany
ব্যাখ্যা
'মোলোটভ-রিবেনট্রপ' চুক্তি জার্মানি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

'মোলোটভ-রিবেনট্রপ' চুক্তি:
- মোলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তিটি ছিল নাৎসি জার্মানি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি অ-আগ্রাসন চুক্তি।
- স্বাক্ষরকারী: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোয়াকিম ভন রিবেনট্রপ ও সোভিয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভ্যাচেস্লাভ মোলোটভ।
- এই চুক্তি দুইটি শক্তিকে তাদের মধ্যে পোল্যান্ডকে বিভক্ত করতে সক্ষম করেছিল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৩ আগস্ট ১৯৩৯।

উল্লেখ্য,
- এ চুক্তিতে নির্ধারণ করা হয় রাশিয়া কিংবা জার্মানি কেউ কারো ওপর আক্রমণ করবে না।
- এই চুক্তির ফলে জার্মানিকে নিরপেক্ষ রেখে স্টালিন রাশিয়াকে সামরিকভাবে শক্তিশালী করার সুযোগ পেয়েছিল।
- অন্যদিকে জার্মানি ইঙ্গ-ফরাসি জোট থেকে রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন রাখতে সমর্থ হন।
- এই চুক্তি মাত্র ২২ মাস স্থায়ী হয়।
- ১৯৪১ সালের ২২শে জুন জার্মানি এই চুক্তি ভঙ্গ করে রাশিয়া আক্রমণ করে।

উৎস: History Maps.
৫৯৯.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভিসামুক্ত চলাচল শুরু হয়?
  1. ক) ম্যাসট্রিচট চুক্তি
  2. খ) শেনজেন চুক্তি
  3. গ) বেলফাস্ট চুক্তি
  4. ঘ) অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা

- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৪ জুন ১৯৮৫ সালে।
- এই চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশসমূহের ইউরোপীয় অঞ্চলে এক ভিসা বা ভিসামুক্ত চলাচল।
- এই চুক্তিটি লুক্সেমবার্গের শেনজেনে স্বাক্ষরিত হয়।
- ম্যাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ সালে এবং এটি কার্যকর হয় ১ লা নভেম্বর ১৯৯৩ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে একক মুদ্রা ইউরো চালু হয়।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৯ টি দেশে ইউরো মুদ্রা চালু আছে।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৬০০.
আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
Strategic Arms Limitation Talks-1 (SALT-1):

• স্বাক্ষরকাল: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল। 
• পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
• ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitation Talk - 2 (SALT-2)।
• পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty) স্বাক্ষরিত হয় ১ জুলাই ১৯৬৮ সালে। কার্যকর হয় ৫ই মার্চ ১৯৭০ সালে।
• Anti Ballistic Missile Treaty (ABM)- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে ১৯৭২ সালে।
• এই চুক্তির দুইটি পক্ষ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
• ১৩ জুন ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্র এ চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।