বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

মোট প্রশ্ন১,৩৬৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ১০১২০০ / ১,৩৬৬

১০১.
পশ্চিম আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলোর জোট ‘ECOWAS’ কোন চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়?
  1. আবুজা চুক্তি
  2. লাগোস চুক্তি
  3. কোটোনু চুক্তি
  4. রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা

ECOWAS:
- ECOWAS-এর পূর্ণরূপ: Economic Community of West African States.
- এটি পশ্চিম আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলোর জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৮ মে, ১৯৭৫ (লাগোস চুক্তির মাধ্যমে)।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লাগোস, নাইজেরিয়া।
- সদরদপ্তর: আবুজা, নাইজেরিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৫টি (বেনিন প্রজাতন্ত্র, বুরকিনা ফাসো, কেপ ভার্দে, আইভরি কোস্ট, গাম্বিয়া, ঘানা, গিনি, গিনি-বিসাউ, লাইবেরিয়া, মালি, নাইজার, নাইজেরিয়া, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন এবং টোগো)। 
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১২টি।

⇒ ECOWAS-এর মূল লক্ষ্য হল জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
-  ECOWAS এই অঞ্চলে সংঘাতের জন্য একটি শান্তিরক্ষী বাহিনী তৈরি করে কিছু নিরাপত্তা সমস্যা সমাধানের জন্যও কাজ করেছে।
- ECOWAS ১৯৯০ সালে তার মুক্ত বাণিজ্য এলাকা প্রতিষ্ঠা করে এবং ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে একটি সাধারণ বহিরাগত শুল্ক গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি বুরকিনা ফাসো, মালি এবং নাইজার আনুষ্ঠানিকভাবে ECOWAS থেকে বেরিয়ে আসে।

উৎস: i) African Union ওয়েবসাইট। 
ii) Britannica.

১০২.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?   
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

• ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হলো ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি।
- এই চুক্তি পরবর্তী বছরে এই দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তিতে পরিণত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এতে অংশগ্রহণ করেন।
- চুক্তিটি “মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য কাঠামো” নামে পরিচিত ছিল।
- মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ডে আলোচনা হওয়ায় এটি “ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি” নামে পরিচিত হয়।
- এই চুক্তির কারণে সাদাত ও বেগিন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং আরব-ইসরায়েল বিরোধ নিরসনে প্রথম সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১০৩.
আলজিয়ার্স চুক্তিটি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি: 
- আলজিয়ার্স চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জুন ১৯৭৫ সালে।
- এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি,
- এটি ইরাক ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সীমান্ত বিরোধ, বিশেষ করে শাত-ইল-আরব নদী নিয়ে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে।
- ইরানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী, আর ইরাকের পক্ষে ছিলেন তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।
- ১৯৮০ সালে ইরাক ইরানে হামলা চালালে চুক্তিটি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে।  

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি.কম।
১০৪.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ফলে কোন জোটটি গঠিত হয়?
  1. ওয়ারশ প্যাক্ট
  2. ন্যাটো
  3. ইউএসএমসিএ
  4. মার্কোসুর
ব্যাখ্যা
ন্যাটো (North Atlantic Treaty Organization): 
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ফলে ন্যাটো জোটটি গঠিত হয়। 
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- ন্যাটোর ভিত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ তারিখে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- Article 5: একটি দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিরোধ।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১০৫.
যুদ্ধ সম্পর্কিত আচরণ বিষয়ে মোট কতটি জেনেভা কনভেনশন গৃহীত হয়েছে?
  1. ক) তিনটি
  2. খ) চারটি
  3. গ) পাঁচটি
  4. ঘ) সাতটি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
১০৬.
মাস্ট্রিচ চুক্তি থেকে কোন জোট গঠিত হয়?
  1. European Union
  2. ASEAN
  3. NAFTA
  4. MERCOSUR
ব্যাখ্যা
মাস্ট্রিচ চুক্তি থেকে European Union গঠিত হয়।

European Union (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU)।
- এটি ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ (মাস্ট্রিচ চুক্তি)।
- এটি তখন থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।
- ইইউ দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।

অন্যদিকে -
- দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জাতি সংস্থা (ASEAN) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা, যা ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উত্তর আমেরিকান মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (NAFTA) হল ইউরোপীয় সম্প্রদায় (ইউরোপীয় ইউনিয়ন) এর মডেলের উপর ভিত্তি করে কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মেক্সিকোর মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- MERCOSUR (Mercado Comun Del Sur) বা The Southern Common Market হলো দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের একটি আঞ্চলিক বাণিজ্যিক জোট।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
১০৭.
অসলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (PLO): 
- সম্পূর্ণ নাম: Palestine Liberation Organization (PLO).
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৪ সাল। 
- প্রধান উদ্দেশ্য: ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধিকার ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। 
- প্রাথমিক কার্যক্রম: বিভিন্ন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীকে একত্রিত করা। 
- ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধের পর PLO বিশ্বমঞ্চে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯৬০ থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত সংগঠনটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দীর্ঘকালীন গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করে।
- ১৯৯৩ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে অসলো চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- বিশ্বব্যাপী ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী প্রধান রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে পরিচিত।
- জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: Britannica.
১০৮.
নিচের কোন তিনটি দেশ ডেটন শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল?
  1. বসনিয়া, স্লোভেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া
  2. বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া
  3. ক্রোয়েশিয়া, মন্টেনেগ্রো, সার্বিয়া
  4. বসনিয়া, হাঙ্গেরি, আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি:
- ডেটন শান্তি চুক্তি এর পূর্ণনাম General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- এই চুক্তি বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে চুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাই এটি ডেটন চুক্তি নামে পরিচিত। তবে চুক্তিটি ফ্রান্সের প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ারেন ক্রিস্টোফার। চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক ছিলেন রিচার্ড হলব্রোক।
- ডেটন শান্তি চুক্তি এর খসড়া প্রস্তুত হয় ২১ নভেম্বর ১৯৯৫ সালে এবং চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে প্যারিস, ফ্রান্স-এ।

উল্লেখ্য,
- এই চুক্তির স্বাক্ষরকারী তিনটি পক্ষ ছিল—বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং সার্বিয়া।

চুক্তি স্বাক্ষরকারী প্রতিনিধিরা ছিলেন:
→ বসনিয়ার পক্ষে প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
→ ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
→ সার্বিয়ার পক্ষে স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।
১০৯.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে মিশর কোন অঞ্চলটি ফেরত পায়?
  1. গোলান মালভূমি
  2. পশ্চিম তীর
  3. গাজা উপত্যকা
  4. সিনাই উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords):
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

⇒ ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Britannica.

১১০.
কোন যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে 'আটলান্টিক সনদ' স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. ফ্রান্স-ব্রিটেন শতবর্ষ যুদ্ধ
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  4. আমেরিকা-ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ: 
- এটি একটি ঐতিহাসিক দলিল যা আটলান্টিক মহাসাগরে, দুটি প্রধান মিত্র শক্তি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইংল্যান্ড কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।
- এই সনদের মূল উদ্দেশ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা।
- এই সনদের ফলে পরবর্তীতে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে শুরু করে।
- সনদটি স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট এবং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল।

তথ্যসূত্র: Britannica.
১১১.
কোন সংস্থার উদ্যোগে কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) UNCTAD
  2. খ) ASEAN
  3. গ) ESCAP
  4. ঘ) RCEP
ব্যাখ্যা
কাগজবিহীন বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর:
জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে স্বাক্ষরিত হয় কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি।
- এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ESCAP) সহায়তায় ২০১৬ সালের ১৯ মে এই চুক্তি গ্রহণ করা হয়।
- ESCAP-ভুক্ত ৫৩টি সদস্য দেশ এ চুক্তিতে অংশ নিতে পারবে।
- ২৯ আগস্ট, ২০১৭ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- ১৩ অক্টোবর, ২০২০ বাংলাদেশ চতুর্থ দেশ হিসেবে চুক্তিটি অনুসমর্থন করে।
- ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ চুক্তিটি কার্যকর হয়।
 
উল্লেখ্য,
The Economic and Social Commission for Asia and the Pacific (ESCAP) হলো জাতিসংঘের বৃহত্তম আঞ্চলিক কমিশন।

উৎস: ESCAP ওয়েবসাইট।
১১২.
পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তির ইংরেজি নাম কী?
  1. Nuclear Weapons Agreement
  2. Nuclear Arms Reduction Treaty
  3. Nuclear Weapon Ban Treaty 
  4. Global Nuclear Disarmament Treaty
ব্যাখ্যা

পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি:
- চুক্তির নাম: পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি / Nuclear Weapon Ban Treaty.
- স্বাক্ষরের তারিখ: ০৭ জুলাই, ২০১৭।
- প্রেক্ষাপট: জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রথম পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অনুমোদন: ২০১৭ সালে, ১২২টি দেশ।
- আইন হিসাবে কার্যকর করতে প্রয়োজন: কমপক্ষে ৫০টি দেশের চূড়ান্ত অনুমোদন।
- পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থা: ICAN।
- ICAN শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে: ২০১৭।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিবিসি নিউজ।

১১৩.
ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (TPP) কোন অঞ্চলের বাণিজ্য চুক্তি?
  1. ইউরোপ
  2. উত্তর আমেরিকা
  3. এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয়
  4. আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (TPP): 
- ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (TPP) একটি বাণিজ্য চুক্তি যা এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে মার্কিন রপ্তানি বৃদ্ধি এবং আমেরিকান চাকরির উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য ২০০৯ সালে প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রশাসন ঘোষণা করে।
- TPP-এ অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহ:`অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনাই দারুসসালাম, কানাডা, চিলি, জাপান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নিউজিল্যান্ড, পেরু, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনাম। 
- ২০১৩ সালে, TPP দেশগুলোতে মার্কিন পণ্য রপ্তানি ছিল $৬৯৮ বিলিয়ন, যা মোট মার্কিন পণ্য রপ্তানির ৪৪%।
- TPP এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে মার্কিন অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অন্যতম প্রধান মাধ্যম, যা আঞ্চলিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও গভীর করতে সহায়তা করবে।

উৎস: UNITED STATES TRADE REPRESENTATIVE.
১১৪.
কোন চুক্তিতে সকল ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে? 
  1. NPT
  2. CTBT
  3. NATO
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- উদ্দেশ্য: সামরিক ও বেসামরিক সকল ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা।
- জাতিসংঘে গৃহীত: ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬।
- মোট স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২৪ অক্টোবর ১৯৯৬।
- বাংলাদেশ অনুমোদন (Ratification) করে: ৮ মার্চ ২০০০।
- বাংলাদেশের অবস্থান: ৫৪তম অনুমোদনকারী দেশ।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

১১৫.
In which year did the Vienna Convention came into force?
  1. 1985
  2. 1986
  3. 1987
  4. 1988
  5. 1989
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৮৮ সালে।

ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention-এর পূর্ণরূপ: The Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer.
- এটি জাতিসংঘের 'ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ' বিষয়ক চুক্তি।
- জাতিসংঘ কর্তৃক চুক্তি গৃহীত হয়: ২২ মার্চ, ১৯৮৫।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২৮টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।
- বৈশ্বিক অনুমোদন লাভ: ২০০৯ সাল।
- চুক্তি সংশ্লিষ্ট পক্ষ সমূহ ৩ বছর পর পর চুক্তির অগ্রগতি ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে বৈঠকে বসে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের অনুমোদন: ২ আগস্ট, ১৯৯০ সাল।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১১৬.
১৯৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর মিখাইল গর্বাচেভ ও জর্জ বুশ কোন সম্মেলনে Cold War এর ইতি টানার ঘোষণা দেন?
  1. ক) ভিয়েনা সম্মেলন
  2. খ) মালটা সম্মেলন
  3. গ) জেনেভা সম্মেলন
  4. ঘ) বেলগ্রেড সম্মেলন
ব্যাখ্যা
- মালটা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর। 
- দুই বিশ্ব পরাশক্তি  যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার এই দ্বিপাক্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- রাশিয়া প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ হারবার্ট ওয়ার্কার বুশ এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। 
- এই সম্মেলনে দুই দেশের রাষ্ট্র প্রধান Cold War এর ইতি টানার ঘোষণা দেন। 
 
উৎস: বিবিসি 
১১৭.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্থল সীমান্ত চুক্তি কবে সাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৬ মে, ১৯৭৪
  2. খ) ১৬ মার্চ, ১৯৭৪
  3. গ) ১৬ জুন, ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৬ জুলাই, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি (ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি) প্রথম স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে। বাংলাদেশ অনুমোদন করে ১৯৭৪ সালে কিন্তু ভারত তখন অনুমোদন করেনি‌।
৬ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হয় এবং ৭ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় সংসদের লোকসভায় বিলটি পাস হয়।
চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ আগস্ট ২০১৫ সালে। এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিট মহল বিনিময় হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১১৮.
১৯৭৫ সালে স্বাক্ষরিত হেলসিঙ্কি চুক্তিতে কয়টি দেশ স্বাক্ষর করেছিল?
  1. ৮টি
  2. ১২টি
  3. ২৩টি
  4. ৩৫টি
ব্যাখ্যা
হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords):
- হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords) ১৯৭৫ সালে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নসহ মোট ৩৫টি দেশ দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ আগস্ট, ১৯৭৫।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৩৫টি।
- এটি Conference on Security and Cooperation in Europe (CSCE)-এর আওতায়, ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল শীতল যুদ্ধের উত্তেজনা কমানো, ইউরোপের নিরাপত্তা এবং সহযোগিতা বাড়ানো এবং মানবাধিকার ও স্বাধীনতার রক্ষায় সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি প্রদান।

⇒ চুক্তির মূল বিষয়:
- সীমান্ত অখণ্ডতা বজায় রাখা।
- মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা।
- অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, এবং পরিবেশগত সহযোগিতা।

উৎস: Britannica.
১১৯.
রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য OPCW কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
- পূর্ণ নাম: Chemical Weapons Convention
- গৃহীত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭
- উদ্দেশ্য: রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, ব্যবহার, মজুতকরণ এবং স্থানান্তর সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা এবং ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- আন্তর্জাতিক তদারকি নিশ্চিত করতে "অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রোহিবিশন অফ কেমিক্যাল উইপনস" (OPCW) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৩টি দেশ এই কনভেনশনের অন্তর্ভুক্ত।
- সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে রাসায়নিক অস্ত্র পৌঁছানো রোধে বিশেষ গুরুত্বারোপ।
- রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য।

উৎস: i) OPCW অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) United Nations Archives
১২০.
IAEA এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. International Atomic Energy Agency
  2. International Atomic Eternal Agency
  3. Internal Astronomical Energy Agency
  4. International Atomic Energy Association
ব্যাখ্যা
IAEA:
- IAEA এর পূর্ণরূপ International Atomic Energy Agency বা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা।
- IAEA ১৯৫৭ সালের ২৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IAEA এর সদর দপ্তর ভিয়েনায় অবস্থিত।
- এর মোট সদস্য সংখ্যা বর্তমানে ১৭৮ টি। (জুলাই, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IAEA এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বর্তমান মহাপরিচালক হলেন আর্জেন্টিনার রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি।
- IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার লাভ করে।

তথ্যসূত্র - IAEA ওয়েবসাইট।
১২১.
অসলো চুক্তি কোন দুটি দেশের মধ্যকার অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ইসরায়েল ও ইরান
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েল
  3. ইসরায়েল ও লেবানন
  4. ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা

• অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২২.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি -
  1. INF Treaty
  2. CTBT Treaty
  3. ABM Treaty
  4. Ottawa Treaty
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি:
- স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি বা Anti-Personnel Landmines Convention।
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি বা Ottawa Treaty।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।

⇒ চুক্তির উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

অন্যদিকে,
'INF' চুক্তি:
- INF-এর পূর্ণরূপ: The Intermediate-Range Nuclear Forces.
- এটি হলো মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।

ABM Treaty:
- ABM- এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty.
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১২৩.
Extradition Treaty চুক্তি সাধারণত কোন বিষয়ে সাহায্য করে?
  1. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ
  2. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা
  3. এক দেশের অপরাধীকে অন্য দেশে ফেরত পাঠানো
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
Extradition Treaty:
- Extradition Treaty বা প্রত্যর্পণ চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যার মাধ্যমে একটি দেশ অপরাধে অভিযুক্ত বা দোষী ব্যক্তিকে অন্য একটি দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে।
- এই চুক্তি সাধারণত দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়, যাতে এক দেশ অপরাধীকে অন্য দেশ থেকে প্রত্যর্পণ করতে পারে, যদি সেই ব্যক্তি ওই দেশের আইনের অধীনে অপরাধ করেছে এবং সে দেশে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য ফেরত পাঠানো প্রয়োজন।

⇒ এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশ তাদের নাগরিকদের অপরাধের জন্য একে অপরকে ফেরত পাঠানোর জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ শর্তসমূহ:
- প্রত্যর্পণের জন্য অপরাধটি উভয় দেশে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে হবে।
- রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে করা অপরাধ বা রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।
- যদি অনুরোধকারী দেশে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রতি অমানবিক আচরণ বা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকে, তবে সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।
- অপরাধীর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রমাণ থাকতে হবে।

উৎস: Britannica.
১২৪.
ফার্ক ও কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১০ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ফার্ক (রেভ্যুলেশনারী আর্মড ফোর্সেস অব কলম্বিয়া) দীর্ঘ ৫২ বছর ধরে চলা লড়াই বন্ধে ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন করে।
- এ প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করে কিউবা এবং নরওয়ে।
- শান্তি চুক্তি সম্পাদনের জন্যে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়াল সান্তোষ ২০১৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- ম্যানুয়েল মারুলেন্দা ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা।
- কলম্বিয়া দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ভূমি সমস্যা সহ বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রথম এ লড়াইয়ের সূত্রপাত ঘটে। এক্ষেত্রে কিউবার বিপ্লব ফার্ক গেরিলাদের অনুপ্রেরণা যোগায়।
- এ শান্তি চুক্তিতে ফার্কের পক্ষে টিমোশেনকো বা রদ্রিগো লনোডানো স্বাক্ষর করেন।
উৎসঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড।

১২৫.
কোন চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ভুটানের ৩৪ টি পণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার সুবিধা দিবে?
  1. ক) Free Trade and Free Agreement
  2. খ) South Asian Free Trade Agreement
  3. গ) Economic Cooperation Agreements
  4. ঘ) Preferential Trade Agreement
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে 'Preferential Trade Agreement' আলোচনায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের ১০০টি পণ্য ভুটানে এবং ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে।

অন্যদিকে,
- সাংবিধানিক রাজতন্ত্র বিদ্যমান হচ্ছে- ভুটানে।
- ভুটানের রাষ্ট্রীয় নাম- কিংডম অব ভুটান।
- যেসব দেশের সাথে সমুদ্র সীমা নেই সেসব দেশকে ল্যান্ড লকড কান্ট্রি বলে।
- কিছু ল্যান্ড লকড কান্ট্রিঃ নেপাল, আফগানিস্তান, ভুটান, রুয়ান্ডা, জিম্বাবুয়ে ইত্যাদি।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট, এবং জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১২৬.
কোন চুক্তিতে পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ হওয়ার কথা বলা হয়েছে?
  1. CTBT
  2. SALT-I
  3. SALT-II
  4. NPT
ব্যাখ্যা

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

অন্যদিকে,
SALT:
- SALT-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Limitation Talks।
- আলোচ্য বিষয়: কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা।
- এই আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে।
- আলোচনার সময়: ১৯৬৯ সাল।
- পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দুইটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা SALT-I ও SALT-II নামে পরিচিত।
- SALT-I চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- SALT-II চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৮ জুন, ১৯৭৯ সালে।
- এই আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistii Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা 'ফ্রিজ' করা হয়।
- এতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে পারে না।
- এর মাধ্যমে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল (আনুষ্টানিক ভাবে স্বীকার করে নাই)।

উৎস: i) Arms Control Association.
         ii) NATO ওয়েবসাইট।

১২৭.
নিউ স্টার্ট চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. জো বাইডেন
  2. বারাক ওবামা
  3. বিল ক্লিনটন
  4. জর্জ ডব্লিউ বুশ
ব্যাখ্যা

- ওবামা প্রশাসনের সময়ে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

New START: 
- নিউ স্টার্ট চুক্তিটি ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রের ওবামা প্রশাসন এবং রাশিয়ার পুতিন সরকার নতুন নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির বিষয়ে আলোচনা শুরু করে।
- দ্রুতই দুই দেশ ৮ এপ্রিল, ২০১০ সালে চেক রিপাবলিকের প্রাগ শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদ।
- New START ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সালে কার্যকর হয়।
- চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ ছিল ১০ বছর, যা ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত কার্যকর ছিল।
- যদিও ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

সূত্র: হিস্টোরি.কম এবং ব্রিটানিকা।

১২৮.
যুক্তরাষ্ট্র কবে এককভাবে ABM (Anti-Ballistic Missile) চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
ABM Treaty:
- ABM- এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty.
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।

⇒ চুক্তি বাতিল: ১৩ জুন, ২০০২ সাল।

উল্লেখ্য,
- ১৩ ডিসেম্বর, ২০০১-এ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ৬ মাস পরে জুন, ২০০২ সালে এই প্রত্যাহার কার্যকর হয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১২৯.
লিসবন চুক্তির বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. ক) ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা করা।
  2. খ) ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পুনর্গঠন করা।
  3. গ) সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য উদারীকরণ।
  4. ঘ) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠা।
ব্যাখ্যা
- ২০০৭ সালে পর্তুগালের লিসবনে স্বাক্ষরিত চুক্তিকে লিসবন চুক্তি বলে।
- এই চুক্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কার চুক্তি বলা হয়।
- এই চুক্তির অনুচ্ছেদ-৫০ এ বলা আছে গণভোটের মাধ্যমে কোন দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করতে পারবে।
- এই চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০০৯ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যায়।

উৎসঃ ইইউ এর ওয়েবসাইট।
১৩০.
যুক্তরাজ্য কবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে আসে?
  1. ৩১ জানুয়ারি, ২০২০
  2. ৩১ জানুয়ারি, ২০২১
  3. ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০
  4. ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১
ব্যাখ্যা
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU)। 
- এটি ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ (মাস্ট্রিচ চুক্তি)।
- এটি তখন থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি। 
- ইইউ দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।

অন্যদিকে -
- ব্রেক্সিট নিয়ে ২০১৬ সালের ২৩ জুন যুক্তরাজ্যে এক গণভোট হয়।
- তখন ব্রেক্সিটের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন ব্রিটিশ জনগণ।
- আর এর পরে ঐ বছরেই ব্রেক্সিট চুক্তি সম্পন্ন হয়। 
- ব্রেক্সিট চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন(ইইউ) থেকে বেরিয়ে আসে। 
- ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ব্রেক্সিট চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে আসে যুক্তরাজ্য।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
১৩১.
ব্রেক্সিট চুক্তি কবে সাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৬ জানুয়ারী ২০২০
  2. খ) ২৪ জানুয়ারী ২০২০
  3. গ) ২৫ জানুয়ারী ২০২০
  4. ঘ) ৩১ জানুয়ারী ২০২০
ব্যাখ্যা
ইইউ থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া হলো ব্রেক্সিট। ব্রেক্সিট পরবর্তী ইইউ এবং ব্রিটেনের মধ্যকার সম্পর্ক বিষয়ে সাক্ষরিত বহুল আলোচিত চুক্তি হলো ব্রেক্সিট চুক্তি। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে অনুমোদন লাভে কয়েক দফা ব্যর্থ হয়ে সর্বশেষ ২০২০ সালের ২৪ জানুয়ারী ব্রেক্সিট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে ব্রিটেনের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং ইইউ'র পক্ষে ইইউ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেল এবং ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভ্যান ডার লেন স্বাক্ষর করেন। (সূত্রঃ ইইউ ওয়েবসাইট)
১৩২.
শেনজেন (Schengen) চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. সুইডেন
  3. হাঙ্গেরি
  4. লুক্সেমবার্গ
ব্যাখ্যা

সেনজেন চুক্তি (Schengen Agreement):
- সেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের জাতীয় সীমানা বিলুপ্তি করে দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- সেনজেন চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল সীমানাবিহীন একটি ইউরোপ তৈরি করা যা 'শেঞ্জেন এলাকা' নামে পরিচিত হবে।
- স্বাক্ষরিত হয়- ১৯৮৫ সালে।
- স্থান- লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ১৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- প্রায় ৪২০ মিলিয়ন লোকের জনসংখ্যা সহ শেনজেন এলাকা ৪ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার।
- বর্তমান শেনজেন ভুক্ত দেশ- ২৭টি।
- যার মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর দেশ ২৩টি।
- লিচেনস্টাইন, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ে এই দেশ চারটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত না হয়েও সেনজেন ভুক্ত দেশের তালিকায় রয়েছে।
- সেনজেন ভুক্ত ২৭তম দেশ হলো ক্রোয়েশিয়া।

উৎস: The Schengen area explained - Consilium.europa.eu.

১৩৩.
পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন WWF এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) World Wide Fund
  2. খ) World Wildlife Fund
  3. গ) World Watch Fund
  4. ঘ) World Wide Fund for Nature
ব্যাখ্যা
- WWF (World Wide Fund for Nature) হলো প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংগঠন।
- WWF ১৯৬১ সালের এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুতে এর নাম ছিলো World Wildlife Fund. ১৯৮৬ সালে নামকরণ করা হয় World Wide Fund for Nature
- এটি বিশ্বের ১০০টির অধিক দেশে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করছে। সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে WWF এর সদরদপ্তর অবস্থিত।

(তথ্যসূত্রঃ WWF ওয়েবসাইট)
১৩৪.
শাত ইল আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম কী?
  1. দামেস্ক চুক্তি
  2. আলজিয়ার্স চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. কায়রো চুক্তি
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম আলজিয়ার্স চুক্তি।

• আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ১৯৭৬ সালে আলজিয়ার্স চুক্তি অনুমোদিত হয়।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জুন, ১৯৭৫ সালে।
- আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় আলজেরিয়ার রাজধানীতে আলজিয়ার্সে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

• শাত-ইল-আরব:
- এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।
- শাত-ইল-আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

উৎস: Britannica.
১৩৫.
'উই রিভার চুক্তি' কার মধ্যস্থতায় সম্পাদিত হয়? 
  1. জিমি কার্টার
  2. বিল ক্লিনটন
  3. টনি ব্লেয়ার
  4. কফি আনান
ব্যাখ্যা

• উই রিভার চুক্তি (Wye River Memorandum):
- বিষয়বস্তু: প্যালেস্টাইন সংকট।
- স্বাক্ষরিত হয়: অক্টোবর, ১৯৯৮ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী: PLO এবং ইসরাইল।
- উদ্দেশ্য: ফিলিস্থিনি ও ইসরায়েলের মাঝে শান্তি প্রতিষ্ঠা।
- বিল ক্লিন্টনের মধ্যস্থতায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১৩৬.
'Good Friday Agreement' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ভিয়েনা চুক্তি
  2. রোম চুক্তি
  3. বেলফাস্ট চুক্তি
  4. প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা

বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৩৭.
'লন্ডন কনভেনশন' কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় স্বাক্ষরিত হয় ?
  1. ক) ILO
  2. খ) IMO
  3. গ) ICAO
  4. ঘ) IMF
ব্যাখ্যা
লন্ডন কনভেনশন (London Convention)
লন্ডন কনভেনশনের পূর্ণনাম - London Convention on the Prevention of Marine Pollution by Dumping of Wastes and Other Matter।
- নৌযান থেকে ক্ষতিকর ও বিপদজনক পদার্থ সমুদ্র ও নদীতে নিক্ষেপ করা থেকে বিরত রাখার জন্য এই আন্তর্জাতিক চুক্তিটি করা হয়।
- আন্তর্জাতিক উপকূলীয় সংস্থা (IMO) - এর সহায়তায় এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
⤇ চুক্তি অনুমোদন - ১৯৭২ সাল।
⤇ চুক্তি কার্যকর - ১৯৭৫ সাল।
⤇ চুক্তিবদ্ধ পক্ষ - ৮৭টি দেশ।

উৎস: IMO Website ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১৩৮.
RCEP চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
RCEP:
- RCEP এর পূর্ণরূপ The Regional Comprehensive Economic Partnership.
- RCEP হল বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ২০২০ সাল।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ২০২২ সাল।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৫টি। এগুলো হলো:
• চীন।
• জাপান।
• দক্ষিণ কোরিয়া।
• অস্ট্রেলিয়া।
• নিউজিল্যান্ড।
• ইন্দোনেশিয়া।
• মালয়েশিয়া।
• ভিয়েতনাম।
• থাইল্যান্ড।
• ফিলিপাইন।
• ব্রুনাই।
• সিঙ্গাপুর।
• কম্বোডিয়া।
• লাওস।
• মিয়ানমার।

তথ্যসূত্র - আসিয়ান ওয়েবসাইট।
১৩৯.
বিশ্বের প্রথম মানবাধিকার সনদ ম্যাগনাকার্টা স্বাক্ষরিত হয় কোন শতকে?
  1. ক) দ্বাদশ
  2. খ) একাদশ
  3. গ) ত্রয়োদশ
  4. ঘ) চর্তুদশ
ব্যাখ্যা
ম্যাগনাকার্টা সনদ (Magna Carta Charter)
• ম্যাগনাকার্টা সনদ হচ্ছে বিশ্বের প্রথম মানবাধিকার সনদ।
• ইংল্যান্ডের রাজা জন ও ব্যারনদের পক্ষে ক্যান্টারবিউরি চার্চের কার্ডিনাল স্টিফেন ল্যাঙ্গটন - প্রথম সনদটিতে স্বাক্ষর করেন। এতে তৎকালীন ইংল্যান্ডের জনগনের নাগরিক অধিকার (Civil Rights) প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে, সনদটি আরো কয়েকবার পুনঃস্বাক্ষরিত হয়
• ম্যাগনাকার্টা সনদ “মহা সনদ” (Great Charter) নামে পরিচিত। এটিকে “ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল”ও বলা হয়।
• ইংল্যান্ডের রাজা ও বিদ্রোহী ব্যারনদের (সামন্ত) মধ্যে গৃহযুদ্ধের ঝুঁকি মোকাবেলায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
• সনদের খসড়া তৈরি করেছিলেন - কার্ডিনাল স্টিফেন ল্যাঙ্গটন।
চুক্তি স্বাক্ষরের সময়কাল - ১৫ জুন, ১২১৫ সাল
• চুক্তি স্বাক্ষর স্থান- রানিমেড (বর্তমান - সারে), ইংল্যান্ড।
• পুনঃস্বাক্ষর - ১২১৬, ১২১৭ ও ১২২৫ সাল।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি এবং ব্রিটানিকা।
১৪০.
রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি (CWC) কবে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

CWC চুক্তি:
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC চুক্তি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনটি ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।

উল্লেখ্য:
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।

১৪১.
Anti-Ballistic Missile Treaty কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক্যালিফর্নিয়া
  2. মস্কো
  3. জেনেভা
  4. মাদ্রিদ
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ- ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকরের তারিখ ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয় দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল ২০০২ সাল।

সূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
১৪২.
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধকারী 'Kellogg - Briand Pact' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ১৯২৮ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯২৭ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
প্যারিস প্যাক্ট (Kellogg - Briand Pact):
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার থেকে মানুষ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন হয়।
- আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধকারী চুক্তি হলো 'প্যারিস প্যাক্ট'।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৭ আগস্ট, ১৯২৮।
- এই চুক্তির অন্যনাম Kellogg - Briand Pact.
- তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Frank B. Kellogg ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Aristide Briand আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তির খসড়া তৈরি করেন।

 উৎস: History.com
১৪৩.
নিম্নের কোন সংস্থার সাথে 'লিসবন চুক্তি' সম্পৃক্ত?
  1. EU
  2. APEC
  3. BRICS
  4. Group-20
ব্যাখ্যা
লিসবন চুক্তি:
- স্বাক্ষরের তারিখ: ১৩ ডিসেম্বর, ২০০৭।
- স্বাক্ষরের স্থান: লিসবন, পর্তুগাল।
- কার্যকর: ১ ডিসেম্বর, ২০০৯।
- বিষয়বস্তু: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) সংস্কার।

মূল উদ্দেশ্য:
- পূর্বের চুক্তিগুলোর জটিলতা কমিয়ে প্রশাসনিক কাঠামোকে সহজ করা।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া দ্রুততর এবং কার্যকর করা।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈদেশিক নীতিকে আরও সুসংহত ও কার্যকর করা।

উল্লেখ্য,
- অনুচ্ছেদ-৫০ এ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, গণভোটের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করা যাবে।
- যুক্তরাজ্য (Brexit) এই বিধান অনুসারে EU ছাড়ে।

তথ্যসূত্র: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ওয়েবসাইট।
১৪৪.
পারিস্য শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ -
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
  2. যুক্তরাজ্য ও ভিয়েতনাম
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনাম
  4. যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
পারিস্য শান্তি চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয় ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
- স্থান: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনাম।
- উদ্দেশ্য: ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানো।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান।

উৎস: History Channel.
১৪৫.
অটোয়া চুক্তি কার্যকর হয় কত তারিখে?
  1. ৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭
  2. ১ জানুয়ারি ১৯৯৮
  3. ১ মার্চ ১৯৯৯
  4. ৩ মার্চ ২০০০
ব্যাখ্যা

অটোয়া চুক্তি (Ottawa Treaty):
- এর অপর নাম: Anti-Personnel Mine Ban Convention.
- স্বাক্ষরিত হয়: ৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭।
- এই চুক্তি কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯।
- স্বাক্ষর স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- এটি একটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৪টি।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে।
- ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৪৬.
পারমানবিক অস্ত্র পরীক্ষা বন্ধের কথা বলা হয়েছে কোন চুক্তিতে?
  1. NPT
  2. CTBT
  3. START 2
  4. TPNW
ব্যাখ্যা
• CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- পারমাণবিক পরীক্ষা-নিষেধাজ্ঞা চুক্তি।
- আনুষ্ঠানিকভাবে বায়ুমণ্ডলে, মহাকাশে এবং পানির নিচে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার চুক্তি।

- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

অন্যদিকে,
- NPT পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- START 2 কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি।
- TPNW পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৪৭.
জাতিসংঘ শান্তি রক্ষার প্রথম মিশনটির নাম কি?
  1. ক) UNIMOG
  2. খ) UNEFI
  3. গ) UNMIK
  4. ঘ) UNTSO
ব্যাখ্যা
The first UN peacekeeping mission was established in May 1948, when the UN Security Council authorized the deployment of a small number of UN military observers to the Middle East to form the United Nations Truce Supervision Organization (UNTSO) to monitor the Armistice Agreement between Israel and its Arab neighbours.
Over the past 70 years, more than 1 million men and women have served under the UN flag in more than 70 UN peacekeeping operations. More than 100,000 military, police and civilian personnel from 125 countries currently serve in 13 peacekeeping operations.
Source: UNpeacekeeping.org
১৪৮.
বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত সংক্রান্ত ইন্দিরা-মুজিব চুক্তিটি কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৪ সালে
  2. খ) ১৯৮৬ সালে
  3. গ) ২০০৫ সালে
  4. ঘ) ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি (ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি) প্রথম স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ অনুমোদন করে ১৯৭৪ সালে কিন্তু ভারত তখন অনুমোদন করেনি‌।
- ৬ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হয় এবং ৭ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় সংসদের লোকসভায় বিলটি পাস হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ আগস্ট ২০১৫ সালে।
- এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিট মহল বিনিময় হয়।

উৎস: Live MCQ Lecture।
১৪৯.
ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬৫ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

১৫০.
CTBT-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. নতুন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা
  2. আঞ্চলিক শান্তি চুক্তি করা
  3. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বৃদ্ধি
  4. পারমাণবিক অস্ত্রের সব ধরনের পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা
ব্যাখ্যা

Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty (CTBT):
- CTBT একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি যা সব ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করে- মিলিটারি ও সিভিলিয়ান উভয়ের জন্যই।
- ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

উল্লেখ্য,
- ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে।
- CTBT অনুমোদন করে: ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

১৫১.
জীবাণু অস্ত্র সংক্রান্ত চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১০ এপ্রিল ১৯৭২
  2. খ) ২৩ জানুয়ারি ১৯৭৬
  3. গ) ৯ জানুয়ারি ১৯৭৩
  4. ঘ) ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩
ব্যাখ্যা

- জীবাণু অস্ত্র সংক্রান্ত চুক্তি (Biological Weapons Convention) স্বাক্ষরিত হয় ১০ এপ্রিল ১৯৭২।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় - ১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ।
- এই চুক্তির বিষয়বস্তু সব ধরনের জীবাণু অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংসসাধন ।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে নি ইসরায়েল, চাঁদ, ইরিত্রিয়া, জিবুতি ।
- ব্যাকটেরিয়া ও টক্সিন ঘটিত অস্ত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৫২.
কার মধ্যস্থতায় অসলো চুক্তি সাক্ষরিত হয়?
  1. জিমি কার্টার
  2. বিল ক্লিনটন
  3. রোনাল্ড রিগান 
  4. জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ
ব্যাখ্যা

• অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৫৩.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট চৌদ্দদফা প্রস্তাবনা পেশ করে?
  1. ক) আইসেন হাওয়ার
  2. খ) উড্রো উইলসন
  3. গ) আব্রাহাম লিংকন
  4. ঘ) ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
- ২৮তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চৌদ্দদফা প্রস্তাবনা পেশ করেন।
- এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
১৫৪.
Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA) কোন দেশের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার জন্য প্রণীত হয়?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA):
- Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA) ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার জন্য প্রণীত হয়।
- এটি ইরান পরমাণু চুক্তি বা ‘ইরান ডিল’ হিসেবেও পরিচিত।
- পক্ষ: ইরান ও পি৫+১ (জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন ও জার্মানি)।

⇒ স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ জুলাই, ২০১৫।
- কার্যকর হয়: ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬।

উল্লেখ্য,
- এই চুক্তিতে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ ও মজুদ করার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
- এতে ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধতা আরোপের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছিল।
- তবে পশ্চিমা দেশগুলো এমনকি ওবামা প্রশাসনের সময়ও প্রতিশ্রুত অর্থনৈতিক সুফল ইরানকে দিতে ব্যর্থ হয়।

⇒ ২০১৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করেন। 
- পরবর্তীতে ইউরোপীয় দেশগুলোর তৈরি অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া ‘ইনস্টেক্স’ ব্যর্থ হয় ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কাটাতে।
- ২০২০ সালের শুরুর দিকে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় ইরান।
- ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয় এবং যা Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA) আনুষ্ঠানিকভাবে পরিসমাপ্ত হয়।

উৎস: i) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

১৫৫.
নিম্নের কোন পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী দেশ CTBT চুক্তি অনুমোদন করে?
  1. ক) ইরান
  2. খ) ইসরায়েল
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
CTBTO
পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক সংস্থা Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization (CTBTO) - জাতিসংঘের অধীনে পরিচালিত একটি সংস্থা। 
সংস্থাটি ভূপৃষ্ঠ, বায়ুমন্ডল বা সমুদ্রের নিচে যে কোন ধরনের পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালানো বন্ধের জন্য গৃহীত চুক্তি Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT) নিয়ে কাজ করে এবং বিশ্বকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্তকরণের নিমিত্তে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। যদিও পারমাণবিক বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী দেশের অসহযোগীতার কারনে চুক্তিটি এখনও কার্যকর করা সম্ভব হয় নি।

স্নায়ুযুদ্ধের সময় পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ নিয়ে অনেক আলোচনা এবং প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। কিন্তু ১৯৯০ এর দশকে চুক্তিটি বাস্তবে পরিণত হয়েছিল। CTBT নিয়ে ১৯৯৪ এবং ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জেনেভায় আলোচনা করা হয়েছিল। ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ সভায় এই চুক্তি গৃহীত হয়। পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণের লক্ষ্যে এই চুক্তি অস্ট্রেলিয়া জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে উত্থাপন করে। 

চুক্তি গৃহীত: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল
কার্যক্রম শুরু: ২৭ নভেম্বর, ১৯৯৬ সালে
চুক্তি উত্থাপনকারী দেশ: অস্ট্রেলিয়া
সদস্য দেশ: ১৮৬টি
চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৩টি
সদরদপ্তর : ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া


⤇ CTBTO - এর সর্বশেষ সদস্য দেশ ডমিনিকা। ১ জুলাই ২০২২ সালে অনুমোদন করে।
পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী দেশগুলোর মধ্যে রাশিয়া, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য (৩টি দেশ) চুক্তিটি স্বাক্ষর ও অনুমোদন করেছে।
⤇ CTBTO কার্যকর হওয়ার আগে ৪৪টি নির্দিষ্ট পারমাণবিক প্রযুক্তিধারী দেশকে অবশ্যই স্বাক্ষর করতে হবে এবং অনুমোদন করতে হবে। এর মধ্যে ৮টি দেশ চুক্তিটি স্বাক্ষর করলেও এখনও অনুমোদন করেনি (চীন, মিশর, ভারত, ইরান, ইসরায়েল, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)। 
⤇ ভারত, উত্তর কোরিয়া ও পাকিস্তান এখনো সিটিবিটি স্বাক্ষর করেনি। 
⤇ বাংলাদেশ বিশ্বের ১২৯তম দেশ হিসেবে সিটিবিটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন ২৪ অক্টোবর ১৯৯৬ সালে ও অনুমোদন করে ২০০০ সালের ৮ মার্চ ৫৪তম দেশ হিসেবে।
 
উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট 
১৫৬.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি অনুমোদন হয়েছিল কত সালে?
  1. ক) ২০১৫ সালে
  2. খ) ২০১৬ সালে
  3. গ) ২০১৭ সালে
  4. ঘ) ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি ২০১৭:
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এই চুক্তি ২০১৭ সালে অনুমোদন করেছিল ১২২টি দেশ।
- কিন্তু এটি আইন হিসাবে কার্যকর করতে অন্তত ৫০টি দেশের চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল।
- পঞ্চাশতম দেশ হিসাবে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে হন্ডুরাস।
- এর ফলে আগামী নব্বই দিন পর এই চুক্তি কার্যকর হবে।
- তবে এ চুক্তি বয়কট করেছে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্স।
- নতুন পরমাণু চুক্তির পরিবর্তে এ দেশ তিনটি কয়েক দশকের পুরনো পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে।
- পরমাণু যুদ্ধ এড়াতে সাত দশকের প্রচেষ্টার পর প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ করতে বৈশ্বিক ওই চুক্তি হয়। জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ দেশের আলোচকরা ১০ পাতার চুক্তি চূড়ান্ত করেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১৫৭.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তির মেয়াদ কত বছর?
  1. ৯৯ বছর
  2. ৭৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৬৫ বছর
ব্যাখ্যা

গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে। 
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী  যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়। 
- ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর গঙ্গার পানি বন্টন সম্পর্কে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫৮.
ভারত ও পাকিস্তানের পক্ষে তাসখন্দ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো
  2. লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও আইয়ুব খান
  3. জওহরলাল নেহেরু ও ইউসুফ রেজা গিলানি
  4. শরণ সিং ও নওয়াজ শরীফ
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।
১৫৯.
মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলনের আয়োজক কে?
  1. রাশিয়ান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  2. রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. রাশিয়ান সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  4. রাশিয়ান অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- একাদশ মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৩ সালের ১৫ আগস্ট রাশিয়ার মস্কো শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
- মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন Moscow Conference on International Security (MCIS-2021) নামে পরিচিত। 
- এই সম্মেলনের আয়োজক রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। 
- ২০১২ সাল থেকে মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন আয়োজিত হয়ে আসছে। 
 
সূত্র: মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন ওয়েবসাইট।
১৬০.
'NPT' চুক্তি অনুসারে, পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা কয়টি? [জুলাই, ২০২৪]
  1. ৫টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

'NPT' চুক্তি
:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
         ii) UNODA ওয়েবসাইট।
১৬১.
নিম্নের কোন দেশটি OPCW চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. উত্তর কোরিয়া
  2. দক্ষিণ সুদান
  3. মিশর 
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

OPCW:
- এর পূর্ণরূপ: Organization for the Prohibition of Chemical Weapons:
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- সমর্থনকারী দেশ- ১৯৩ টি।
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড।
- স্বাক্ষর করেনি – দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া।
- ইসরাইল স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৭ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- CWC চুক্তির মাধ্যমে কাজ করে।
- পূর্ণ নাম: Convention on the Prohibition of the Development, Production, Stockpiling and Use of Chemical Weapons and on their Destruction

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

১৬২.
কত সালে গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে 
  3. ১৯৪৯ সালে 
  4. ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা

গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয় এবং এই সনদটি ১৯৫১ সালের ১২ জানুয়ারী কার্যকর হয়। 

গণহত্যা সনদ (Genocide Convention):
- গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) হল একটি আন্তর্জাতিক আইন।
- এই সনদেই প্রথমবারের মতো গণহত্যার (জেনোসাইড) অপরাধকে আইনগতভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- পূর্ণ নাম: Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide.
- স্বাক্ষরিত হয়: ৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৮।
- কার্যকর হয়: ১২ জানুয়ারি, ১৯৫১।
- উদ্দেশ্য: গণহত্যার প্রতিরোধ করা ও গণহত্যার অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।

⇒ ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সনদটি চূড়ান্ত করা হয়।
- সনদে প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী, ‘জাতিগত, নৃগোষ্ঠী, বর্ণ বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস’ করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত অপরাধই গণহত্যা। এই সনদ অনুযায়ী, গণহত্যা যুদ্ধকালীন বা শান্তিকালীন সময়েও সংঘটিত হতে পারে। তবে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বা তথাকথিত ‘সাংস্কৃতিক গণহত্যা’ এই সনদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: i) International Committee of the Red Cross (ICRC) ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

১৬৩.
নিচের কোনটি 'NPT' চুক্তির বিষয়বস্তু?
  1. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি
  2. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
  3. সামরিক সহযোগিতা চুক্তি
  4. পরিবেশ সংরক্ষণ চুক্তি
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (জুলাই, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
১৬৪.
২০১৫ সালে ইরানের সাথে মােট কয়টি দেশের পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
১৪ জুলাই ২০১৫ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরানের সাথে আর ছয়টি দেশের মধ্যে পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
দেশগুলাে হলাে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য (চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া) এবং জার্মানি (P5 + 1)।
এছাড়াও ইউরােপিয়ান ইউনিয়ন সাথে ছিল।
তবে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে নিজেদের ৮ মে ২০১৮ সালে এ চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
১৬৫.
COMECON চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসন করা
  2. সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধি করা
  3. অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমন্বয় করা
  4. সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পূর্ব- পশ্চিম দ্বন্ধের ফলে সৃষ্ট পূর্বের অর্থনৈতিক জোট - কমেকন (COMECON)।
'COMECON' চুক্তির মূল উদ্দেশ্য — অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমন্বয় করা। 

• COMECON:
- COMECON এর পূর্ণরূপ Council for Mutual Economic Assistance.
- সোভিয়েত ব্লকের অন্তর্গত পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলির অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধার্থে এবং সমন্বয় করার জন্য ১৯৪৯ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ -পোল্যান্ড এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- পরবর্তীতে পূর্ব জার্মানি , আলবেনিয়া, উত্তর কোরিয়া, উত্তর ভিয়েতনাম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
- সংগঠনটি ১৯৪৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত টিকে ছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৬৬.
ডিসেম্বর-২০২০ এ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে কয়টি সমোঝতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ৩টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

১৭ ডিসেম্বর, ২০২০ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল শীর্ষ বৈঠকের আগে জ্বালানি, সামাজিক উন্নয়ন, কৃষিসহ সাতটি বিষয়ে সহযোগিতার লক্ষ্যে সাতটি কাঠামো চুক্তি, প্রটোকল ও সমঝোতা স্মারকে সই হয়।

উৎসঃ ডয়েচভেলে এবং প্রথম আলো

১৬৭.
উত্তর কোরিয়া কত সালে NPT চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে?
  1. ২০০১ সালে 
  2. ২০০২ সালে 
  3. ২০০৩ সালে 
  4. ২০০৫ সালে 
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

⇒ আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।
- ৫টি রাষ্ট্র: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি। কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত। 
- উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল। কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ii) UNODA ওয়েবসাইট।

১৬৮.
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট এর অন্তভুক্ত SDG-13 কী সম্পর্কিত?
  1. ক) বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
  2. খ) স্থলভাগের জীবন
  3. গ) জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
  4. ঘ) সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের উদ্যোগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর মধ্যে SDG এর ১৩ নং লক্ষ্যমাত্রায় জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
 
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

(সূত্র: SDG ওয়েবসাইট)
১৬৯.
প্যারিস শান্তি চুক্তি (Paris Peace Accords) কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৯৫৬
  2. খ) ১৯৭৯
  3. গ) ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৯৬৭
ব্যাখ্যা
দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।
চুক্তি স্বাক্ষরকাল - ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সাল।
স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
চুক্তির পক্ষসমূহ - যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
ফলাফল - ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।

প্যারিস শান্তি চুক্তির স্বাক্ষরের আগে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লে ডুচ থো ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হেনরি কিসিঞ্জার আলোচনা করেন এবং চুক্তির খসড়া প্রণয়ন করেন। এর সূত্র ধরে দুই জনকেই ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।
 
উৎস: হিস্ট্রি ওয়েবসাইট 
১৭০.
কবে ম্যাগনাকার্টা স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৫২১ সালের ১৫ জুন
  2. ১৫২১ সালের ২১ জুন
  3. ১২১৫ সালের ১৫ জুন
  4. ১২১৫ সালের ২১ জুন
ব্যাখ্যা
ম্যাগনাকার্টা:
১২১৫ সালের ১৫ই জুন তৎকালীন ইংল্যান্ডের রাজা জন ও জনগণের মধ্যে ম্যাগনাকার্টা স্বাক্ষরিত হয়।
– ম্যাগনাকার্টাকে ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল বলা হয়।
– এর মাধ্যমে আইনের শাসনের যাত্রা শুরু হয়।
– এর মাধ্যমে এটি দেখানো হয়েছিল যে এমনকি রাজাও দেশের সাধারণ আইনের ঊর্ধ্বে ছিলেন না।

উৎস: i) Britannica.
ii) Magna Carta Trust.
১৭১.
'INF' চুক্তিটি কোন দুইটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  4. রাশিয়া ও চীন
ব্যাখ্যা

'INF' চুক্তি:
- INF-এর পূর্ণরূপ: The Intermediate-Range Nuclear Forces.
- এটি হলো মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮৭ সালের ৮ ডিসেম্বর। 
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- স্বাক্ষরকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।

উল্লেখ্য,
⇒ এই চুক্তির মাধ্যমে ভূমিতে স্থাপিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়।
- সমুদ্রে ও আকাশে ব্যবহৃত মিসাইল এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

⇒ ১ জুন, ১৯৯১ তারিখ চুক্তির বাস্তবায়নের সময়সীমার মধ্যে দেশ দুটি প্রায় ২৬৯২টি মিসাইল ধ্বংস করে।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিলে ক্তিটি অকার্যকর হয়ে যায়।
- ২ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে INF চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Arms Control Association.

১৭২.
ইরানের সাথে ছয় রাষ্ট্রের সাক্ষরিত পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিতকরণ সংক্রান্ত চুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট নয় কোন দেশটি?
  1. ক) ব্রিটেন
  2. খ) জাপান
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১৪ জুলাই ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন এবং জার্মানির একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয় যা জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব একশন নামে পরিচিত। এটি ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারী কার্যকর হয়। এর আওতায় ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করণে সম্মত হয় এবং বিনিময়ে ইরানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে উন্নত বিশ্ব। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিলে চুক্তিটি অকার্যকর হয়ে পড়ে। (সূত্রঃ বিবিসি)
১৭৩.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’ গঠিত হয়?
  1. ক) রোম চুক্তি
  2. খ) প্যারিস প্যাক্ট
  3. গ) ম্যাস্ট্রিক্ট ট্রিটি
  4. ঘ) লিসবন চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের ম্যাস্ট্রিক্ট শহরে ১২টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘ম্যাস্ট্রিক্ট ট্রিটি’ এর মাধ্যমে ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’ গঠিত হয়। চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর।
- এই চুক্তির মাধ্যমেই ‘ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি’ ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং ইউরো মুদ্রা চালুর পথ সুগম হয়।
এর আগে ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ স্বাক্ষরিত ‘রোম চুক্তি’র মাধ্যমে ‘ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি’ গঠিত হয়েছিলো।
- ২০০৭ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সংস্কার বিষয়ক লিসবন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
(তথ্যসূত্র: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট)
১৭৪.
"তারকা যুদ্ধ" নামে পরিচিত "Strategic Defense Initiative" এর প্রস্তাবক ছিলেন -
  1. রোনাল্ড রিগ্যান
  2. হ্যারি ট্রুম্যান
  3. ডুইট আইজেনহাওয়ার
  4. জন এফ. কেনেডি
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্র:
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে।
- আলাস্কা হলো যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য।
- যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করেছে ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে, যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।
- এই দিনটি জাতীয় দিবস হিসেবে প্রতি বছর উদযাপন করা হয়।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম রাজ্য হলো ক্যালিফোর্নিয়া।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন, এবং
- তার নেতৃত্বে ১৮৬৩ সালে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- "স্ট্র্যাটেজিক ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভ" (এসডিআই), এটি সাধারণত "স্টার ওয়ারস বা তারকা যুদ্ধ" নামে পরিচিত।
- এর প্রবক্তা ছিলেন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান।
- তিনি ২৩ মার্চ, ১৯৮৩ -এ একটি দেশব্যাপী টেলিভিশন ভাষণে এই উদ্যোগের প্রস্তাব করেন।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

১৭৫.
ডেটন শান্তি চুক্তি মধ্যস্থতাকারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন কে?
  1. জেমস ম্যাডিসন
  2. জেমস মনরো
  3. জন টাইলার
  4. বিল ক্লিন্টন
ব্যাখ্যা

ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - 
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।

১৭৬.
“Coalition of the Willing” এর প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
  2. বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য বৃদ্ধি করা
  3. গাজা যুদ্ধের অবসান করা
  4. ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া
ব্যাখ্যা

• Coalition of the willing:
- “Coalition of the willing” হলো একটি অস্থায়ী আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী, যার সাধারণ লক্ষ্য হলো ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদান করা।
- সদস্য দেশগুলো প্রধানত ইউরোপীয় দেশ, তবে এতে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান ও কানাডাও রয়েছে।
- জোটটি প্রথম ঘোষণা করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, গত ২ মার্চ, ২০২৫ ।
 - সেই সময় স্টারমার বলেন, "এই জোটে সেই দেশগুলো থাকবে যারা একযোগে কাজ করতে ইচ্ছুক এবং ইউক্রেনের জন্য একটি স্থায়ী শান্তি পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে, যা শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর কার্যকর হবে।"

- ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) ঘোষণা করেন যে ২৬টি দেশ যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইউক্রেনে সেনা পাঠানো বা অন্যান্য সামরিক সহায়তা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যাতে দেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়
- ম্যাক্রোঁর এই ঘোষণা আসে “Coalition of the Willing” শীর্ষক প্যারিসে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর।


তথ্যসূত্র: আল জাজিরা ও বিবিসি। (Link1) (Link2)

১৭৭.
The Strategic Offensive Reductions Treaty (SORT) চুক্তি কোন কোন দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া ও ফ্রান্স
  3. চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া ও চীন
ব্যাখ্যা
The Strategic Offensive Reductions Treaty (SORT):
- কৌশলগত আক্রমণাত্মক হ্রাস চুক্তি (SORT), যা মস্কো চুক্তি নামেও পরিচিত।
- চুক্তিটি রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২৪ মে, ২০০২-এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- চুক্তিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া তাদের মোতায়েন করা কৌশলগত পারমাণবিক বাহিনীকে ১৭০০-২২০০ ওয়ারহেড কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- দুই দেশ ১৯৯১ সালের কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তি (START-I) বলবৎ রাখতেও সম্মত হয়েছে।
- এই ওয়ারহেড সীমা একই দিনে, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখে শেষ হয়েছিল।
- ২০১০ সালের নিউ স্ট্র্যাটেজিক আর্মস রিডাকশন ট্রিটি (New START) ফেব্রুয়ারী ৫, ২০১১-এ SORT-কে বাতিল করেছে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১৭৮.
গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৪৯ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা

গণহত্যা সনদ (Genocide Convention):
- গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) হল একটি আন্তর্জাতিক আইন।
- এই সনদেই প্রথমবারের মতো গণহত্যার (জেনোসাইড) অপরাধকে আইনগতভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- পূর্ণ নাম: Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide.
- স্বাক্ষরিত হয়: ৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৮।
- কার্যকর হয়: ১২ জানুয়ারি, ১৯৫১।
- উদ্দেশ্য: গণহত্যার প্রতিরোধ করা ও গণহত্যার অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।

⇒ ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সনদটি চূড়ান্ত করা হয়।
- সনদে প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী, ‘জাতিগত, নৃগোষ্ঠী, বর্ণ বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস’ করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত অপরাধই গণহত্যা। এই সনদ অনুযায়ী, গণহত্যা যুদ্ধকালীন বা শান্তিকালীন সময়েও সংঘটিত হতে পারে। তবে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বা তথাকথিত ‘সাংস্কৃতিক গণহত্যা’ এই সনদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: i) International Committee of the Red Cross (ICRC) ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

১৭৯.
পারমাণবিক অস্ত্রের পরিক্ষা নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. মন্ট্রিল
  2. ভিয়েনা
  3. জেনেভা
  4. অসলো
ব্যাখ্যা
CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- পারমাণবিক পরীক্ষা-নিষেধাজ্ঞা চুক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে বায়ুমণ্ডলে, মহাকাশে এবং পানির নিচে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার চুক্তি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের দ্বারা ৫ আগস্ট, ১৯৬৩ সালে মস্কোতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান নির্বাহী প্রধান: রবার্ট ফ্লয়েড।

⇒ CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

⇒ বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (এশিয়ায় ১ম)।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১৮০.
জেনেভা কনভেনশন কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. যুদ্ধকালীন মানবিক আইন
  3. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

- জেনেভা কনভেনশনগুলো যুদ্ধাহত, যুদ্ধবন্দী এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আইন।

​জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আইন সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

সূত্র: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

১৮১.
'গুড ফ্রাইডে' চুক্তি কোন দেশের শান্তির জন্য সম্পাদিত হয়েছিল?
  1. আয়ারল্যান্ড
  2. জার্মানি
  3. রাশিয়া
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম গুড ফ্রাইডে' চুক্তি বা Good Friday Agreement.
- গুড ফ্রাইডে' চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠা।

⇒ চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী: লর্ড ট্রিম্বল (যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাবেক ফার্স্ট মিনিস্টার)।

⇒ শুক্রবারে সই হওয়ায় এটি গুড ফ্রাইডে চুক্তি (জিএফএ) নামেই বেশি পরিচিতি।
- এই চুক্তির শর্তানুযায়ী, উত্তর আয়ারল্যান্ডে সরকার পরিচালনায় প্রোটেস্ট্যান্ট ও ক্যাথলিকদের মধ্যে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে সরকার গঠনের বিধান গৃহীত হয়। সেই সঙ্গে যুক্তরাজ্যের একটি অংশ হিসেবে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাংবিধানিক মর্যাদা স্বীকার করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি সংযুক্ত আয়ারল্যান্ড গঠন করার একটি নীতিও গ্রহণ করা হয়।

উৎস: Britannica.
১৮২.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গঠন এবং পাঁচটি স্থায়ী সদস্যরাষ্ট্র নির্ধারণ করা হয়?
  1. সানফ্রান্সিস্কো সম্মেলন
  2. ইয়াল্টা সম্মেলন
  3. মস্কো সম্মেলন
  4. ডাম্বারটন ওকস্ সম্মেলন
ব্যাখ্যা
•ডাম্বারটন ওকস সম্মেলন:
- ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৪ - ৭ অক্টোবর, ১৯৪৪ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের ডাম্বারটন জাতিসংঘ গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যা “Dumbarton Oaks Conference” নামে পরিচিত।
- ডাম্বারটন ওকস সম্মেলনে জাতিসংঘ তৈরীর রূপরেখা ও স্থায়ী পাঁচটি সদস্য চূড়ান্ত হয়।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, চীন সহ মিত্রবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অনেক দেশ উপস্থিত ছিলো। এ সম্মেলনে কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়।

এছাড়াও,
- ইয়াল্টা সম্মলনে স্থায়ী পাঁচ সদস্যকে ভেটো ক্ষমতা দেয়া হয়।
- সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদ ও চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং জাতিসংঘের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
১৮৩.
বসনিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটায় কোন চুক্তি?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি: 
- ডেটন চুক্তি (Dayton Accords) হলো একটি শান্তিচুক্তি যা ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সালে বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি বসনিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটায় এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার শান্তির জন্য একটি সাধারণ কাঠামো নির্ধারণ করে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বসনিয়াকে একটি একক রাষ্ট্র হিসেবে রাখা হয়, যা দুইটি অংশে বিভক্ত —  বসনিয়াক-ক্রোয়াট ফেডারেশন, বসনিয়ান সার্ব প্রজাতন্ত্র। 
- রাজধানী সারায়েভো অবিভক্ত রয়ে যায়।
- চুক্তির নাম ডেটন চুক্তি কারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ওহাইওর ডেটন শহরের কাছে Wright-Patterson এয়ার ফোর্স বেসে।
- এই শান্তি আলোচনার নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আলোচক রিচার্ড হোলব্রুক এবং পররাষ্ট্র সচিব ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।

উল্লেখ্য,
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হল ইসরায়েল এবং মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি। 
- অসলো চুক্তি হচ্ছে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার মধ্যে হওয়া চুক্তি।
- রোম চুক্তি বা EEC চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠার চুক্তি।

উৎস: Britannica.
১৮৪.
সামরিক ভাষায় 'WMD' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Weapons of Major Defense
  2. Worldwide More Destruction
  3. Weapons Much Destruction
  4. Weapons of Mass Destruction
ব্যাখ্যা
WMD:
- WMD - এর পূর্ণরূপ - Weapons of Mass Destruction.
- বাংলা অর্থ হচ্ছে - গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে WMD আছে এমন আশঙ্কায় মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল।
- বোমারু বিমানের ব্যাপক ধ্বংসের ক্ষমতা বর্ণনা করতে ১৯৩৭ সালে এই শব্দের প্রথম ব্যবহার করা হয়।

• Weapons of mass destruction অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রগুলো হলো:
→ Nuclear Weapon.
→ Biological weapon.
→ Chemical Weapon.

সূত্র: বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট ও ব্রিটানিকা।
১৮৫.
জেনেভা চুক্তি-১৯৫৪ তে স্বাক্ষরকারী দেশ-
  1. ক) জার্মানি ও যুক্তরাজ্য
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন
  3. গ) ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম
  4. ঘ) রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
২০ জুলাই, ১৯৫৪ সালে স্বাক্ষরিত হয় জেনেভা চুক্তি-১৯৫৪। এই চুক্তির পক্ষদ্বয় ছিল ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম।
এই চুক্তির ফলে উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম নামে দুটি আলাদা রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৮৬.
Good Friday Agreement নামে পরিচিত কোনটি?
  1. অটোয়া চুক্তি
  2. বেলফাস্ট চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. উই রিভার চুক্তি
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১৮৭.
কোন চুক্তির মাধ্যমে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন ও ইসরাইল পরস্পরকে স্বীকৃতি দান করে?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. অটোয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা
চুক্তি:
- ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে স্বাক্ষরিত অসলো চুক্তির ফলে ইসরাইল ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

অন্যদিকে,
- অটোয়া চুক্তি (১৯৯৭) স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ,
- ডেটন চুক্তি (১৯৯৫) : বসনিয়া সংকট সমাধান,
- বেলফাস্ট চুক্তি (১৯৯৮) : উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপন।

উৎস: হিস্টোরি এবং ব্রিটানিকা।
১৮৮.
কোয়াড (Quad) কোন ধরনের ফোরাম?
  1. অর্থনৈতিক সহযোগিতা ফোরাম
  2. কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম
  3. সাংস্কৃতিক বিনিময় ফোরাম
  4. পরিবেশ সংরক্ষণ ফোরাম
ব্যাখ্যা

কোয়াড (Quad):
- কোয়াড (Quad) হলো যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানকে নিয়ে গঠিত একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামির পর এই চার দেশের মধ্যে সমন্বয়মূলক আলোচনার সূত্রপাত ঘটে, যা পরবর্তীতে কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপ নেয়।
- ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পরে জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন - ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের আগ্রাসী বা শক্ত অবস্থানের জবাব দিতে এবং নজরদারি চালাতে কোয়াডকে মূল চাবিকাঠি হিসেবে ব্যবহার করছেন।
- কোয়াড মূলত সদস্য দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ায়।
- পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা, দুর্যোগ মোকাবিলা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করে থাকে।
- তাছাড়া, বৈশ্বিক সংকট যেমন কোভিড–১৯ প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।

উৎস: East Asia Forum Website. 

১৮৯.
কূটনীতি সম্পর্কিত ভিয়েনা কনভেনশন কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৫৯ সাল
  2. ১৯৬১ সাল
  3. ১৯৬৯ সাল
  4. ১৯৮৫ সাল
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোমেটিক রিলেশনস: 
- স্বাক্ষরিত: ১৮ এপ্রিল, ১৯৬১ সাল। 
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- কার্যকর: ২৪ এপ্রিল, ১৯৬৪, আর্টিকেল ৫১ অনুযায়ী।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৬০
- পক্ষভুক্ত দেশ: ১৯৩
- ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোমেটিক রিলেশনস ১৯৬১ সালের ১৪ এপ্রিল জাতিসংঘের "ডিপ্লোম্যাটিক ইন্টারকোর্স এবং ইমিউনিটিস" বিষয়ে সম্মেলনে গৃহীত হয়।
- এই সম্মেলন ২ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল, ১৯৬১ পর্যন্ত নিউ হোফবুর্গ, ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত হয়।
- কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে এর ভূমিকা।
- সম্মেলনে গৃহীত চারটি প্রস্তাবনা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- চুক্তি এবং দুটি প্রোটোকল জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে জমা দেওয়া হয়।
- ফাইনাল অ্যাক্ট অস্ট্রিয়ার ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ফরেন অ্যাফেয়ার্স-এর আর্কাইভে সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশ এই কনভেনশনে ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭৮ সালে পক্ষভুক্ত হয়।
- ভিয়েনা কনভেনশন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের মৌলিক কাঠামো গঠনে এবং কূটনৈতিক সুরক্ষা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: United Nations Treaty Collection ওয়েবসাইট।
১৯০.
জাতিসংঘের ‘জেনোসাইড কনভেনশন’ কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৬৯ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা
The Genocide Convention:
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১৯৪৮ সালে গণহত্যাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- নাৎসি হলোকাস্টে ইহুদিদের গণহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের ‘জেনোসাইড কনভেনশন’ গৃহীত হয়।
- সে কারণে ওই দিনটিকেই আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ।
- কনভেনশনটির পূর্ণরূপ- Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও হলোকাস্টের পর এই কনভেনশন চালু হয়, যেখানে ৬ মিলিয়নেরও বেশি ইহুদি হত্যা করা হয়েছিল।
- জেনোসাইড কনভেনশন ১৯৫১ সালে কার্যকর হয়। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি, ডিসেম্বর ২০২৪ সালে ইসরায়েল গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’ চালিয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
- প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা প্রতিরোধ ও ভুক্তভোগীদের স্মরণে দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
১৯১.
বাংলাদেশ CTBT চুক্তি স্বাক্ষর করে কবে?
  1. ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬
  2. ৭ মার্চ, ২০০০
  3. ৮ মে, ১৯৯৯
  4. ১২ নভেম্বর, ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
CTBT: 
- The Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- বহুপাক্ষিক চুক্তি যার উদ্দেশ্য হলো সামরিক ও বেসামরিক সকল পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ। 
- ১০ ​​সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা এটি গৃহীত হয়েছিল। 
- বাংলাদেশ ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ CTBT চুক্তি স্বাক্ষর করে। 
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ ২০০০ (৫৪ তম দেশ হিসেবে)।
এর সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। 

তথ্যসূত্র: CTBTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৯২.
কত সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ শাসনের সমাপ্তি ঘটে?
  1. ক) ১৯৯০
  2. খ) ১৯৯৪
  3. গ) ১৯৯৩
  4. ঘ) ১৯৯৬
ব্যাখ্যা

১৯৬১ সালের নেলসন ম্যান্ডেলার আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র শাখা গঠন করেন
এবং ১৯৬৪ সালে অন্তর্ঘাত সহ নানা অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় বর্ণবাদী সরকার। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর ১৯৯০ সালে মুক্তি পান

- ১৯৯১ সালে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সকল শ্রেণীর লোকের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৪২ বছরের শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবসান হয়।
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্টের নাম - এফডব্লিউডি ক্লার্ক।

সূত্র: ব্রিটানিকা.কম

১৯৩.
CTBT-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
  2. Convention on Nuclear Technology and Ban
  3. Convention on Technological and Biological Treaty
  4. Convention on Trade and Border Treaty
ব্যাখ্যা

• CTBTO: 
- পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য,
• CTBTO-এর মূল উদ্দেশ্য হলো:
- বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।
- একটি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা
- গোপন পারমাণবিক পরীক্ষা সনাক্ত করতে সক্ষম হওয়া
- বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা

তথ্যসূত্র: CTBTO ওয়েবসাইট।

১৯৪.
জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. ওডার-নেইস লাইন
  2. সনোরা লাইন
  3. পার্পল লাইন
  4. ডুরান্ড লাইন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনোরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১৯৫.
ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান কোনটি?
  1. কানাডা
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ক্রোয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি:
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক: রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত: ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
• বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
• ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
• সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
১৯৬.
'Nuclear Non-Proliferation Treaty' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬৮ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
'NPT'(Nuclear Non-Proliferation Treaty):
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস:  Arms Control Association এবং Office of the Historian ওয়েবসাইট।
১৯৭.
গুড ফ্রাইডে ট্রিটি - কোন দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ফ্রান্স ও লুক্সেমবার্গ
  2. খ) স্পেন ও অ্যান্ডোরা
  3. গ) আয়ারল্যান্ড ও ব্রিটেন
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
ব্যাখ্যা
উত্তর আয়ারল্যান্ডে তিন দশক ধরে চলা সহিংসতা বন্ধে ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড সরকার এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ১৯৯৮ সালের ১০ এপ্রিল গুড ফ্রাইডে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
শুক্রবারে স্বাক্ষরিত হওয়ায় এটিকে গুডফ্রাইডে চুক্তি বলা হয়। তবে অফিশিয়ালভাবে চুক্তিটি "বেলফাস্ট চুক্তি" নামে পরিচিত।
এই চুক্তির মাধ্যমে উত্তর আয়ারল্যান্ডে ইউনিয়নিস্ট ও ন্যাশনালিস্টদের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির মাধ্যমে সরকার গঠনের বিধান গৃহিত হয়।
(সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
১৯৮.
When was the Treaty of Algiers signed?
  1. 1974
  2. 1975
  3. 1976
  4. 1977
  5. 1978
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ১৯৭৬ সালে আলজিয়ার্স চুক্তি অনুমোদিত হয়।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জুন,১৯৭৫ সালে।
- আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় আলজেরিয়ার রাজধানীতে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১৯৯.
জাতিসংঘের 'সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা' স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ১৮৬৪ সালে
  2. ১৮৫৮ সালে
  3. ১৯৪৫ সালে
  4. ১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
• মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা (Universal Declaration of Human Rights):
- মানবাধিকার রক্ষায় জাতিসংঘের প্রথম উদ্যোগ।
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- এতে ৩০টি ধারা আছে।
- ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়। 

• উদ্দেশ্য:
- সকল মানুষের মর্যাদা, অধিকার, এবং স্বাধীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
- মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ।
- বিশ্বজুড়ে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।

উৎস: UN website.
২০০.
SAFTA চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ৮টি
  3. ৭টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
•SAFTA:
- চুক্তির পূর্ণনাম: South Asian Free Trade Area (SAFTA)
- স্বাক্ষরিত হয় SAPTA চুক্তির সীমাবদ্ধতাগুলোকে মিটিয়ে ৬ জানুয়ারি ২০০৪ সালে পাকিস্তানের সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি, ২০০৬।
- স্বাক্ষরকারী দেশ ৮টি।

• SAPTA:

- এর পূর্ণরূপ: SAARC Preferential Trading Arrangement (SAPTA)।
- সার্কের সদস্য দেশসমূহের মধ্যে বাণিজ্যিক সমতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এই চুক্তিটি করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে কলম্বোতে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কো-অপারেশন (সার্ক)-এর ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে সার্ক দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য উদারীকরণের ধারণাটি প্রথম উত্থাপিত হয়েছিল।
- ১৯৯৩ সালের এপ্রিলে এটি ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ ৭টি।

তথ্যসূত্র - সার্ক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।