বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

মোট প্রশ্ন১,৩৬৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

PrepBank · পাতা ১১ / ১৪ · ১,০০১১,১০০ / ১,৩৬৬

১,০০১.
১৯৪৮ সালে স্বাক্ষরিত ব্রাসেলস চুক্তিতে নিম্নের কোন দেশ স্বাক্ষর করেনি?
  1. ফ্রান্স
  2. বেলজিয়াম
  3. লুক্সেমবার্গ
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
ব্রাসেলস চুক্তি:
- এটি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা এবং সম্মিলিত আত্মরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৫ আগস্ট, ১৯৪৮ সালে।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৫টি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ।

⇒ এ চুক্তির আওতায় দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো হয়।
- 'ব্রাসেলস ট্রিটি অর্গানাইজেশন' বা 'ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন' নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- অকার্যকর হয়: ২০১৭ সালে।

⇒ জার্মানি ব্রাসেলস চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।

উৎস: I) CVCE eu ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
১,০০২.
‘START’ চুক্তিটি কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. বাণিজ্য উন্নয়ন
  2. অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  3. সামরিক মহড়া
  4. টেকসই উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
নিউ স্টার্ট চুক্তি: 
- নিউ স্টার্ট (New START) চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ২০১০ সালে স্বাক্ষরিত একটি পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- এটি স্বাক্ষর করেন সে সময়ের মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- চুক্তি অনুযায়ী উভয় দেশ সর্বোচ্চ ১,৫৫০টি কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে।
- দুই দেশের পরিদর্শকরা চুক্তির শর্ত মানা হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করবে।
- এটি ২০১১ সালে কার্যকর হয় এবং ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আরও ৫ বছর মেয়াদ বাড়ান।
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা দেন যে, রাশিয়া নিউ স্টার্ট চুক্তি স্থগিত করছে। 
- এই চুক্তি স্থগিতের ফলে বিশ্বের পারমাণবিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ বিশ্বের ৯০% পারমাণবিক অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার হাতে।

উৎস: Britannica.
প্রথম আলো (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)
১,০০৩.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা পত্র কত তারিখে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৪৬ সালের ১০ ডিসেম্বর
  2. ১৯৪৭ সালের ১০ ডিসেম্বর
  3. ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর 
  4. ১৯৪৯ সালের ১০ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন:
- ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশন ‘মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' এর খসড়া প্রস্তুতের জন্য একটি কমিটি গঠন করে।
- কমিটির প্রস্তুতকৃত খসড়া ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights) গৃহীত ও ঘোষিত হয়।
- এদিন ঘোষিত মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে যে, 'অধিকারের প্রশ্নে মানুষ স্বাধীন ও সমান হয়ে জন্মগ্রহণ করে এবং সবসময় সেভাবেই থাকতে চায় (Men are born and always continue free and equal in respect to their rights).
- জাতিসংঘের ঘোষণায় বলা হয়েছে যে, মানবাধিকার ভোগের বেলায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-গরিব যে ধরনের নাগরিকই হোক না কেন, তার রাজনৈতিক মতামত ও পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, সে যে দেশেরই নাগরিক হোক না কেন, অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগের ক্ষেত্রে কোনো তারতম্য বা পার্থক্য করা হবে না।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

১,০০৪.
নিচের কোন দুইটি দেশের মধ্যে 'ABM Treaty' স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. চীন ও ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন ও জার্মানি
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
১,০০৫.
উই রিভার চুক্তি (Wye River Memorandum) স্বাক্ষরিত হয় কোন দুটি পক্ষের মধ্যে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  2. আরব দেশ সমূহ ও ইসরায়েল
  3. আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য
  4. ইসরায়েল ও PLO
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি (Wye River Memorandum)
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি আলোচনা ভেঙ্গে গিয়ে অচলাবস্থা সৃষ্ঠি হলে ১৯৯৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় উই রিভার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের সময়কাল - ২৩ অক্টোবর, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - ম্যারিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।
- পক্ষসমূহ - PLO ও ইসরায়েল

উৎস: ব্রিটানিকা
১,০০৬.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর মিত্রশক্তি ও অটোমান সাম্রাজ্যের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি কোনটি?
  1. ক) ওয়েস্টফালিয়া চুক্তি
  2. খ) সেভার্স চুক্তি
  3. গ) ভিয়েনা চুক্তি
  4. ঘ) লন্ডন প্যাক্ট
ব্যাখ্যা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির জয় লাভের পর অটোমান সাম্রাজ্যের সাথে প্রথমে তাদের সেভার্স চুক্তি সম্পাদিত হয়।
- ১৯২০ সালের ১০ আগস্ট ফ্রান্সের সেভার্সে সম্পাদিত সেভার্স চুক্তির ফলে এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আফ্রিকার অটোমানভুক্ত এলাকার নিয়ন্ত্রণ মিত্রশক্তির নিকট ছেড়ে দিতে হয়।
- এছাড়া পশ্চিম আনাতোলিয়া ও দার্দানেলিস প্রণালিও গ্রিকদের নিকট ছেড়ে দিতে হয়।
- কিন্তু তৎকালীন নব্য প্রতিষ্ঠিত তুর্কি জাতীয়তাবাদী সরকার সেভার্স চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
- এতে করে ১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়, যার দ্বারা বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়।
- আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে ২০২৩ সালে লুজান চুক্তির মেয়াদ অবসান হবে।
(সূত্র: ব্রিটানিকা)
১,০০৭.
কোন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বসনিয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিলো?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. তাসখন্দ চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের প্যাটারসন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়। যার কারণে চুক্তিটি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
অন্যদিকে,
- অসলো চুক্তি (১৯৯৩) : ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান
- তাসখন্দ চুক্তি (১৯৬৬) : ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ
- ক্যাম্প ডেভিট চুক্তি (১৯৭৮) : ইসরাইল-মিশর শান্তি স্থাপন।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১,০০৮.
ফ্রান্স কত সালে প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করে?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
ফ্রান্সের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা:

• ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৫৪ সালে পারমাণবিক বোমা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রথম ফ্রান্সের মন্ত্রিসভা পর্যায়ে উত্থাপিত হয়েছিল।
• ফ্রান্স ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬০ সালে প্রথম সাহারা মরুভূমিতে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করে।
• ১০৫মিটার (৩৪৪ফুট) টাওয়ার থেকে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
• NPT এর অধীনে স্বীকৃত পাঁচটি পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্রের মধ্যে ফ্রান্স অন্যতম।
• ফ্রান্সের পারমাণবিক বোমা তৈরিতে প্রধান ব্যক্তিরা হলেন পিয়েরে গুইলাউমাট, জেনারেল চার্লস আইলেরেট এবং ইয়েভেস রোকার্ড।
• ফ্রান্স ১৯৬৬ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত প্রশান্ত মহাসাগরে ১৯৪ টি পরীক্ষা পরিচালনা করেছে। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,০০৯.
তাসখন্দ চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ৫ আগস্ট, ১৯৬৫
  2. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৫
  3. ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ তারিখে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

তাসখন্দ চুক্তি:
- তাসখন্দ চুক্তি হলো ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় (উজবেকিস্তানের রাজধানী তাশখন্দে) স্বাক্ষরিত একটি শান্তি চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে।
- পক্ষসমূহ: ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী: ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী: সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- উদ্দেশ্য: কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি স্থাপন।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে ১৯৬৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের তত্ত্ববধানে উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতির জন্য একমত হয়।

উৎস: Britannica.

১,০১০.
তাসখন্দ চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৬৭ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা

• তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চির বৈরি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রি ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- তাসখন্দ সম্মেলনে বিবদমান এই দুই রাষ্ট্রকে পূর্বের চুক্তিগুলোর বাধ্যবাধকতা মেনে চলার জন্য বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর তরফ থেকে চাপ প্রয়োগ করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে চুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হলেও এটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১০ জানুয়ারি।
- পরবর্তীতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রি রহস্যজনকভাবে তাসখন্দে মৃত্যুবরণ করলে এটি ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব হিসেবেও উপমহাদেশে পরিচিতি পেতে শুরু করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,০১১.
NPT চুক্তির মূল বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি
  2. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
  3. সামরিক সহযোগিতা চুক্তি
  4. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
⇒ ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি।
- কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।

⇒ উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
১,০১২.
প্রথম ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৭৩
  2. খ) ১৭৮৩
  3. গ) ১৮৮৩
  4. ঘ) ১৯৬৩
ব্যাখ্যা
প্রথম ভার্সাই চুক্তি
• প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরের দিনেই ফ্রান্সের ভার্সাইতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে আরেকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা প্রথম ভার্সাই চুক্তি নামে পরিচিত।
• এটি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ।
• চুক্তি স্বাক্ষরের সময়কাল - ৩ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৩ সাল।
• চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - ভার্সাই, ফ্রান্স।
• চুক্তির পক্ষসমূহ - যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
• চুক্তির ফলাফল - ব্রিটিশ সাম্রাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার স্বীকৃতি প্রদান করে এবং কানাডার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নির্ধারিত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।  
১,০১৩.
উই রিভার চুক্তির মধ্যস্থতায় ছিলেন -
  1. জেমস গারফিল্ড
  2. জন এফ কেনেডি
  3. বিল ক্লিন্টন
  4. জেমস বিউকানান
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি:
- উই রিভার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালে।
- ইসরাইল ও পিএলও এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড রাজ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- বিল ক্লিন্টনের মধ্যস্থতায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,০১৪.
WMD-তে কোন ধরনের অস্ত্র অন্তর্ভুক্ত?
  1. Nuclear Weapon
  2. Chemical Weapon
  3. Biological Weapon
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

WMD:
- WMD-এর পূর্ণরূপ হলো Weapons of Mass Destruction।
- WMD বলতে বোঝায় গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল WMD থাকার আশঙ্কায়।
- ‘WMD’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৩৭ সালে, বোমারু বিমানের ব্যাপক ধ্বংস ক্ষমতা বর্ণনা করতে।
- Weapons of Mass Destruction-এ অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রগুলো হলো: Nuclear Weapon, Chemical Weapon, Biological Weapon।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,০১৫.
ন্যাটোর বিপরীতে কোন পদক্ষেপ গৃহীত হয়?
  1. ক) Warsaw Pact
  2. খ) ANZUS
  3. গ) AUKUS
  4. ঘ) QUAD
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact

- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- স্বাক্ষর: ১৪মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- এটি পশ্চিমা ধনতান্ত্রিক দেশগুলোর স্বাক্ষরিত ন্যাটো চুক্তির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক কয়েকটি রাষ্ট্রের পাল্টা পদক্ষেপ
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙ্গার সাথে সাথে এই চুক্তিও অকার্যকর হয় এবং ১৯৯১ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরকারী দেশের নেতারা চেক রিপাবলিকের রাজধানী প্রাগে এক বৈঠকে শেষবারের মত অংশ নিয়ে এর বিলুপ্তি ঘোষণা করে।


তথ্যসূত্র:  সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১,০১৬.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের পানি চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. দার্জিলিং
  2. কোলকাতা
  3. নয়াদিল্লি
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

⇒ ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।

⇒ ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- উল্লেখ্য, ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
১,০১৭.
Arms Trade Treaty (ATT)-এর মূল উদ্যোক্তা কে?
  1. অস্কার অ্যারিয়াস
  2. মেনাচেম বেগিন
  3. রিচার্ড নিক্সন
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা

Arms Trade Treaty (ATT)  চুক্তি:
- এটি প্রচলিত আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- এর প্রস্তাবক জাতিসংঘ।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ এপ্রিল, ২০১৩ (জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে)।
- কার্যকর হয়: ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪।
- চুক্তিটি অনুমোদনকারী দেশ: ১১৬টি।
- স্বাক্ষর করেছে কিন্তু এখনও অনুমোদন করেনি: ২৬টি।
- উদ্দেশ্য: প্রচলিত অস্ত্রের অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও মানবাধিকার রক্ষা।

⇒ নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কোস্টারিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি অস্কার অ্যারিয়াস (Oscar Arias) ATT ধারণার মূল প্রবক্তা ছিলেন।
- যুক্তরাজ্য ২০০৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ATT প্রস্তাব জাতিসংঘে উত্থাপন করে।
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং অক্সফাম ATT এর পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালায়।
- ATT ২০১৩ সালে চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট। [link]
ii) Arms Trade Treaty ওয়েবসাইট।

১,০১৮.
নিচের কোনটি AUKUS ভুক্ত দেশ?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জাপান
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
AUKUS:

- অকাস হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিরক্ষার কৌশলগত জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে।
- সদস্য দেশ ৩ টি।
- উদ্দেশ্য ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- অকাস চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য - অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু চালিত সাবমেরিন নির্মাণের প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে।
- বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকানোই প্রধান লক্ষ্য। 



উৎস: U.S. DepartmentofDefense এবং বিবিসি নিউজ।
১,০১৯.
SALT-2 চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. মস্কো, রাশিয়া
  4. ওয়াশিংটন ডি.সি. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
SALT-2:

- Strategic Arms Limitations Talks/Treaty (SALT) II এটি কৌশলগত অস্র সীমিতকরণ চুক্তি ২ নামে পরিচিত। 
- স্বাক্ষর: ১৮ জুন, ১৯৭৯,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- আলোচনা: ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯, 
- শর্ত: চুক্তিতে নতুন ক্ষেপনাস্র কার্যক্রম নিষিদ্ধ ,
- স্বাক্ষরকারী: যুক্তরাষ্ট্রের জিমি কার্টার এবং সোভিয়েত নেতা লিউনিদ ব্রেজনেভ। 

অপরদিকে,
- ২৬ মে, ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি Strategic Arms Limitation Talk - 1 (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয়।
- ABM চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো।


উৎস: ব্রিটিনিকা এবং US department of state. 
১,০২০.
রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, ব্যবহার, মজুতকরণ এবং স্থানান্তর সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করে কোন চুক্তি?
  1. CTBT চুক্তি
  2. CWC চুক্তি
  3. NPT চুক্তি
  4. START II চুক্তি
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
- পূর্ণ নাম: Chemical Weapons Convention
- গৃহীত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সাল। 
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সাল। 
- উদ্দেশ্য: রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, ব্যবহার, মজুতকরণ এবং স্থানান্তর সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা এবং ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- সদস্য দেশগুলো রাসায়নিক অস্ত্র তৈরি বা ব্যবহার থেকে বিরত থাকবে।
- আন্তর্জাতিক তদারকি নিশ্চিত করতে "অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রোহিবিশন অফ কেমিক্যাল উইপনস" (OPCW) প্রতিষ্ঠা।
- ১৯৩টি দেশ এই কনভেনশনের অন্তর্ভুক্ত।
- সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ OPCW তদন্ত করে।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য।

উল্লেখ্য,
- CTBT হল একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি যা সকল পরিবেশে বেসামরিক ও সামরিক উভয় উদ্দেশ্যে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বিস্ফোরণ এবং অন্য যেকোনো পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে।
- NPT চুক্তি পারমাণবিক অস্ত্রের প্রসার রোধের উদ্দেশ্যে একটি চুক্তিপত্র।
- START II (স্ট্র্যাটেজিক আর্মস রিডাকশন ট্রিটি) ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে কৌশলগত আক্রমণাত্মক অস্ত্রের হ্রাস এবং সীমাবদ্ধতা সংক্রান্ত একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ।

উৎস: i) OPCW অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) United Nations Archives
১,০২১.
ভারতের পক্ষে সিমলা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. রাজীব গান্ধী
  4. জওহরলাল নেহরু
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি: 
- ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তিতে ভারতের পক্ষে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- চুক্তিটি ২ জুলাই ১৯৭২ সালে ভারতের হিমাচল প্রদেশের সিমলা শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- পাকিস্তানের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধান করা।

এছাড়াও,
- যুদ্ধবন্দীদের বিনিময় ও কাশ্মীরের লাইন অব কন্ট্রোল পুনঃনির্ধারণের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল।  
 
সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।

১,০২২.
আলজিয়ার্স চুক্তিতে ইরানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. আয়াতুল্লাহ খোমেনি
  2. শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী
  3. মোহসেন রেজায়ী
  4. রুহুল্লাহ খোমেনী
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জুন,১৯৭৫ সালে।
- আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে।
- আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় আলজেরিয়ার রাজধানীতে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় এই চুক্তি। 
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি.কম।
১,০২৩.
'TPNW' একটি-
  1. পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
  2. পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
  3. পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা রোধ চুক্তি
  4. রাসায়নিক অস্ত্র সংক্রান্ত কনভেনশন
ব্যাখ্যা

• পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW): 
- পূর্ণরূপ: Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৯৪টি দেশ।
- কার্যকর হয়: ২২ জানুয়ারি ২০২১ (৫০টি দেশ চুক্তি অনুমোদন দেওয়ার পর)।
- অনুমোদনকারী দেশ: ৭৩টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া, ইসরায়েল)।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ন্যাটো সদস্য দেশগুলো।
- অনুসমর্থকারী দেশ: বাংলাদেশসহ ৭৩টি দেশ।
- লক্ষ্য: পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার ও মজুত সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা।
- এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদার করা্

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এবং ২০১৯ সালে এটি অনুমোদন করে।

উৎস: TPNW ওয়েবসাইট।

১,০২৪.
বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি প্রথম স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ৬ মে, ১৯৭২ সালে
  2. খ) ৭ মে, ২০১৫ সালে
  3. গ) ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১ আগস্ট, ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি (ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি) প্রথম স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ অনুমোদন করে ১৯৭৪ সালে কিন্তু ভারত তখন অনুমোদন করেনি‌।
- ৬ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হয় এবং ৭ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় সংসদের লোকসভায় বিলটি পাস হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ আগস্ট ২০১৫ সালে। এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিট মহল বিনিময় হয়।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,০২৫.
RCEP বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হয়-
  1. ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১
  2. ১৫ নভেম্বর, ২০২০
  3. ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২২
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের বৃহৎ Regional Comprehensive Economic partnership (RCEP) বাণিজ্য চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১ জানুয়ারি ২০২২ 'Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP)' নামে বিশ্বের বৃহৎ বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হয়।
- ১৫ নভেম্বর ২০২০ ভিয়েতনামের হ্যানয়ে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল ASEAN সম্মেলনের মাধ্যমে RCEP শীর্ষক বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত দেশ হলো ১৫টি। ASEAN ভুক্ত ১০টি দেশ যেমন: ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম এবং তাদের FTA অংশীদার অস্ট্রেলিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

১,০২৬.
জেনেভা কনভেনশনের কোন চুক্তিটি যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা সম্পর্কিত?
  1. ১ম 
  2. ২য়
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়। 

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

১,০২৭.
ইউরোপে অবাধ চলাচল সংক্রান্ত 'শেনজেন চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় কোন দেশে?
  1. বেলজিয়ামে
  2. হাঙ্গেরিতে
  3. ডেনমার্কে
  4. লুক্সেমবার্গে
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি:
- শেনজেন চুক্তি হলো অবাধ চলাচল সংক্রান্ত একটি চুক্তি যা ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ১৯৯৫ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাঁচটি দেশ- ফ্রান্স, জার্মানি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ-এর মধ্যে একটি আন্তঃসরকারি প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল এবং ধীরে ধীরে বিশ্বের বৃহত্তম বিনামূল্যে ভ্রমণ এলাকায় পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে ইউরোপের ২৯টি দেশ শেনজেন এলাকার অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: শেনজেন ভিসা ইনফো ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
১,০২৮.
‘জেনেভা কনভেনশন’ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. যুদ্ধবন্দী ও আহতদের সুরক্ষা
  2. পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ
  3. মানবাধিকার
  4. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক আইন যা মূলত যুদ্ধাহত, অসুস্থ, যুদ্ধবন্দি এবং বেসামরিক নাগরিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষার আন্তর্জাতিক আইন, যা যুদ্ধের বর্বরতা সীমিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে। এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম জেনেভা কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়। এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।
- প্রথম জেনেভা কনভেনশন ১৮৬৪ সাল,  দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন ১৯০৬ সাল, তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন ১৯২৯ সাল ও চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন ১৯৪৯ সালে গৃহীত হয়। উল্লেখ্য যে, ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিকায়ন করা হয়।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল: ১: ১৯৭৭ সালে; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২: ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩: ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: International Committee of the Red Cross ওয়েবসাইট।

১,০২৯.
Joint Comprehensive Plan of Action স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ১৬ জানুয়ারি, ২০১৫
  2. ১৪ জুলাই, ২০১৫
  3. ১৪ জুলাই, ২০১৬
  4. ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬
ব্যাখ্যা
Joint Comprehensive Plan of Action:
- এটি ইরান পরমাণু চুক্তি হিসেবে পরিচিত।
- এটই সমঝোতা ‘ইরান ডিল’ নামেও পরিচিত।
- চুক্তিটি হয়েছিল ইরান ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশ তথা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে।
- এই চুক্তিতে স্থায়ী পাঁচ সদস্য দেশের সাথে জার্মানিও ছিল।
- এজন্য এই পক্ষকে ‘পি৫ + ১’ বলা হয়ে থাকে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ জুলাই, ২০১৫ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬ সালে।
- এই চুক্তিতে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ ও মজুদ করার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
- চুক্তি অনুসারে তেহরান তাদের কিছু পরমাণু স্থাপনা বন্ধ করে দিতে অথবা পরিবর্তন করতে সম্মত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে চুক্তিটি স্বাক্ষর ও কার্যকর হয়।

এছাড়া,
- ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের অনুমতিও দেয়া হয়।
- চুক্তির অধীনে ইরানের ওপর আরোপিত বেশ কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালে চুক্তি থেকে বের হয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২০ সালের শুরুর দিকে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় ইরান।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট। 
১,০৩০.
কোন দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ইরাক-সৌদি আরব
  2. ইরাক-জর্ডান
  3. ইরান-তুরস্ক
  4. ইরাক-কুয়েত
  5. ইরাক-ইরান
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- এই চুক্তিটি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৭৫ সালে।
- অনুমোদিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

১,০৩১.
কোন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী Arms Trade Treaty ধারণার প্রাথমিক প্রবক্তা ছিলেন?
  1. মার্টিন লুথার কিং
  2. অস্কার অ্যারিয়াস
  3. আনোয়ার সাদাত
  4. মালালা ইউসুফজাই
ব্যাখ্যা
ATT চুক্তি:
- ATT-এর পূর্ণরূপ হলো: Arms Trade Treaty.
- এটি প্রচলিত আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি। 
- এটির প্রস্তাবক জাতিসংঘ।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ এপ্রিল, ২০১৩  (জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে)।
- কার্যকর হয়: ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪।
- চুক্তিটি অনুমোদনকারী দেশ: ১১৬টি।
- স্বাক্ষর করেছে কিন্তু এখনও অনুমোদন করেনি: ২৬টি।
- উদ্দেশ্য: প্রচলিত অস্ত্রের অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও মানবাধিকার রক্ষা।

উল্লেখ্য,
- নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কোস্টারিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি অস্কার অ্যারিয়াস (Oscar Arias) ATT ধারণার মূল প্রবক্তা ছিলেন।
- যুক্তরাজ্য ২০০৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ATT প্রস্তাব জাতিসংঘে উত্থাপন করে।
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং অক্সফাম ATT এর পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালায়।
- ATT ২০১৩ সালে চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) Arms Trade Treaty ওয়েবসাইট।
১,০৩২.
The Nuclear Non- Proliferation Treaty came into force in -
  1. 1967
  2. 1968
  3. 1969
  4. 1970
  5. 1971
ব্যাখ্যা
NPT চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৭০ সালে।

NPT চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
         ii) UNODA ওয়েবসাইট।
১,০৩৩.
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যম পাল্লার পরমাণু অস্ত্র (INF) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কবে?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস (INF) চুক্তি :
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার মধ্যম পাল্লার পরমাণু অস্ত্র (আইএনএফ) চুক্তি ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- সাবেক সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান এই চুক্তির মাধ্যমে ৫০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসে একমত হয়েছিলেন।
- ২০১৯ সালে রাশিয়ার চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে আইএনএফ চুক্তি থেকে সরে এসেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- এরপর থেকে রাশিয়া বলেছিল, ওয়াশিংটন যদি এ ধরনের অস্ত্র মোতায়েন না করে তবে তারাও করবে না।

উল্লেখ্য,
- ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রাশিয়া আইএনএফ চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
- ট্রাম্পের রাশিয়ার কাছাকাছি ‘উপযুক্ত অঞ্চলে’ দুটি পারমাণবিক সাবমেরিন মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়ার কয়েক দিন পরই এই পদক্ষেপ নিল রাশিয়া।
- নিষেধাজ্ঞা থেকে সরে আসার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর কর্মকাণ্ডকেই দায়ী করেছে মস্কো।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
১,০৩৪.
ফার্ক ও কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিতে মধ্যস্থতা করে-
  1. কিউবা ও নরওয়ে
  2. ফিনল্যান্ড ও কিউবা
  3. পেরু ও আর্জেন্টিনা
  4. সুইডেন ও নরওয়ে
ব্যাখ্যা
ফার্ক ও কলম্বিয়া সরকার:
- ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ফার্ক (রেভ্যুলেশনারী আর্মড ফোর্সেস অব কলম্বিয়া) দীর্ঘ ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন করে।
- এ প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করে কিউবা এবং নরওয়ে।
- শান্তি চুক্তি সম্পাদনের জন্যে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়াল সান্তোষ ২০১৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
১,০৩৫.
উই রিভার চুক্তির (Wye River Memorandum) বিষয়বস্তু কী ছিলো?
  1. কোরিয় সংকট
  2. প্যালেস্টাইন সংকট
  3. বসনিয়া সংকট
  4. ইরাক-ইরান বিরোধ
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি (Wye River Memorandum):
- বিষয়বস্তু: প্যালেস্টাইন সংকট।
- স্বাক্ষরিত হয়: অক্টোবর, ১৯৯৮ সালে।
- স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী: PLO এবং ইসরাইল।
- উদ্দেশ্য: ফিলিস্থিনি ও ইসরায়েলের মাঝে শান্তি প্রতিষ্ঠা।
- বিল ক্লিন্টনের মধ্যস্থতায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: Britannica.
১,০৩৬.
কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1. ২৩ জানুয়ারি ২০২১
  2. ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  3. ৮ মার্চ ২০২১
  4. ১৫ এপ্রিল ২০২১
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ESCAP) উদ্যোগে ২০১৬ সালের ১৯ মে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি গৃহীত হয়।
- বর্তমান পর্যন্ত ৫টি করে দেশ চুক্তিটিতে স্বাক্ষর ও অনুমোদন করেছে।
- পঞ্চম দেশ হিসেবে চীন গত ২২ নভেম্বর ২০২০ চুক্তিটি অনুমোদন করলে নিয়মানুসারে ৯০ দিন পর ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ চুক্তিটি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ২৯ আগস্ট ২০১৭ এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ১৩ অক্টোবর ২০২০ চতুর্থ দেশ হিসেবে এটি অনুমোদন করে।
- প্রথম দেশ হিসেবে আজারবাইজান ২০১৮ সালের ২ মার্চ চুক্তিটির অনুমোদন করে। ফিলিপাইন ও ইরান যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দেশ হিসেবে চুক্তিটি কার্যকর করে।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,০৩৭.
New START চুক্তি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র এবং ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৮ এপ্রিল, ২০১০।
- কার্যকর হয়: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১।
- স্বাক্ষর করেছিলেন: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই চুক্তি।

⇒ ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat Initiative.

১,০৩৮.
NPT কী? 
  1. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
  2. পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা রোধ চুক্তি
  3. কৌশলগত পারমানবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি 
  4. রাসায়নিক অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি
ব্যাখ্যা

 • 'NPT':
- পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র প্রযুক্তির বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।

১,০৩৯.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. লুজান চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. তাসখন্দ চুক্তি
  4. ম্যাসট্রিচট চুক্তি
ব্যাখ্যা
• লুজান চুক্তি
-  প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির সাথে অটোমান সাম্রাজ্য তথা বর্তমান তুরস্কের প্রথমে সেভার্স চুক্তি (১০ আগস্ট ১৯২০) সম্পাদিত হয়।
- কিন্তু তৎকালীন নব্য প্রতিষ্ঠিত তুর্কি জাতীয়তাবাদী সরকার সেভার্স চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
- ১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়।
- লুজান চুক্তিই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি।
- সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

লুজান চুক্তির ফলে-
• বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়।
• অটোমান সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন আরব প্রদেশ, আর্মেনিয়া, সাইপ্রাস, ঈজিয়ান সাগরের দ্বীপসমূহের উপর থেকে তুরস্ক তার অধিকার তুলে নেয়।
• এছাড়া আরো কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপিত হয়।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com. 
১,০৪০.
বসনিয়ায় যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরের মধ্যস্থতাকারী কে?
  1. বিল ক্লিনটন
  2. জিমি কার্টার
  3. নিক্সন
  4. রিগান
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.
১,০৪১.
’Dayton Agreement’ চুক্তিটি কোন সংঘাতের অবসান ঘটায়?
  1. কসোভো যুদ্ধ
  2. গলফ যুদ্ধ
  3. বসনিয়া যুদ্ধ
  4. আফগান যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তি হয়: প্যারিস, ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয় তাই একে ডেটন চুক্তি বলা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়- ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে।
- বসনিয়া যুদ্ধ অবসানের জন্য ডেটন চু্ক্তি স্বাক্ষরিত হয়
- বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া মধ্য চু্ক্তি হয়।
- এ চুক্তির মধ্যস্থতা করেন: বিল ক্লিনটন।
- বসনিয়ার পক্ষে স্বাক্ষর করেন: প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজেতবেগোভিচ।
- ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে: প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
- সার্বিয়ার পক্ষে: স্লোবোদান মিলোসেভিচ।

উৎস:  Britannica.
১,০৪২.
২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্তকরণ কর্মসূচী হল-
  1. ক) গ্লোবাল মাইনাস
  2. খ) গ্লোবাল জিরো
  3. গ) সবুজ বিপ্লব
  4. ঘ) সবুজ অর্থনীতি
ব্যাখ্যা
Global Zero - A world without nuclear weapons.
১,০৪৩.
জি-২০ এর পরবর্তী সম্মেলন (১৮-তম) কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ক) নয়া দিল্লী, ভারত
  2. খ) বালি, ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) রিয়াদ, সৌদি আরব
  4. ঘ) ইস্তাম্বুল, তুরস্ক
ব্যাখ্যা
Group - ২০ বা G-20:
- বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশের সরকার ও গভর্নরদের জোট জি-২০।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ সালে।
- ১৯টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিলে ২০ সদস্যের জোট জি-২০।

সম্মেলনসমূহ:
- জি-২০ এর সর্বশেষ সম্মেলন (১৭তম) ১৫ - ১৬ নভেম্বর, ২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত হয়।
- সংস্থাটির পরবর্তী সম্মেলন (১৮তম) ৯ - ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে ভারতের নয়া দিল্লীতে অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র: জি-২০ ওয়েবসাইট।
১,০৪৪.
কোন চুক্তি অনুযায়ী সমুদ্রতলের নিচে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপন নিষিদ্ধ?
  1. Antarctic Treaty
  2. Seabed Arms Control Treaty
  3. Inner Ocean Treaty
  4. START I
ব্যাখ্যা
Seabed Arms Control Treaty: 
- Seabed Arms Control Treaty বা সমুদ্রতলের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আন্তর্জাতিক সংঘাত সমুদ্রতলের দিকে ছড়িয়ে পড়া রোধ করে।
- সমুদ্রতলের যেকোনো অনুসন্ধান শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে হবে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন একটি খসড়া উপস্থাপন করে যেখানে ১২ মাইলের বেশি সমুদ্রতলের সম্পূর্ণ অসামরিকীকরণের আহ্বান জানানো হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তিন মাইলের বেশি সমুদ্রতলের উপর পারমাণবিক অস্ত্র এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্র স্থাপন নিষিদ্ধ করে একটি চুক্তির খসড়া তৈরি করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে যে সম্পূর্ণ অসামরিকীকরণ সম্ভব হবে না কারণ সাবমেরিন সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রযুক্তি মার্কিন প্রতিরক্ষা স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- যাচাইকরণের ক্ষেত্রে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন আবারও দ্বিমত পোষণ করে, তবে রাষ্ট্রগুলি তাদের নিজস্ব উপায়ে যাচাইকরণ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ১১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭১ সাল। 
- কার্যকর: ১৮ মে ১৯৭২ সাল। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৯ সালে স্বাক্ষরিত অ্যান্টার্কটিক চুক্তি হলএকটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি যা অ্যান্টার্কটিকাকে শান্তি ও বৈজ্ঞানিক সহযোগিতার অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, সামরিক কার্যকলাপ এবং খনিজ শোষণ নিষিদ্ধ করে।
- START I (কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তি) ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি

উৎস: Arms Control Association
১,০৪৫.
ডেটন চুক্তির মাধ্যমে নিম্নের কোন সংকটের পরিসমাপ্তি ঘটে?
  1. কিউবা
  2. বসনিয়া
  3. ফিলিস্তিন
  4. ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তির মাধ্যমে বসনিয়া সংকটের পরিসমাপ্তি ঘটে।

ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার যুদ্ধ ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর। 
- এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিল এক ‘অসম’ শান্তিচুক্তির হাত ধরে।
- ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর সই হয় ‘জেনারেল ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট ফর পিস’ শীর্ষক সেই শান্তিচুক্তি, যা ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- চুক্তিতে বলা হয়, চুক্তি সইকারী পক্ষগুলো পরস্পরকে স্বীকৃতি দেবে, জাতিগত ঐক্য বজায় রাখবে, একে অপরের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে এবং শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সবাই মধ্যস্থতা করবে। 
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।

উল্লেখ্য,
- নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে যাওয়ার পর ১৯৯২ সালে বসনিয়া যুদ্ধের সূচনা।
- আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.
১,০৪৬.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. বেলফোর চুক্তি
  2. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  3. ব্রেটন উডস চুক্তি
  4. ভার্সাই চুক্তি
ব্যাখ্যা

ভার্সাই চুক্তি:
-ভার্সাই চুক্তি, ১৯১৯ সালে ভার্সাই প্রাসাদে স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়।
- এই চুক্তির স্থান ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী।
- এই চুক্তিতে অংশগ্রহনকারী দেশ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি (যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি ও জাপান) এবং জার্মানি।
- এই চুক্তি ফলাফল হিসাবে জার্মানি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয়।
- এটি ২য় ভার্সাই চুক্তি নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস শান্তি চুক্তি হয় ১৯৭৩ সালে।
- ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি 'বেলফোর' ঘোষণা।
- ব্রিটন উডস চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ প্রতিষ্ঠা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১,০৪৭.
জেনেভা কনভেনশনে কয়টি প্রটোকল রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,০৪৮.
মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত কোন চুক্তির জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. স্টার্ট চুক্তি
  3. বার্লিন চুক্তি
  4. হেলসিল্কি চুক্তি
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি ছিল মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন স্বাক্ষরিত একজোড়া রাজনৈতিক চুক্তি। 
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর গুরুত্বপূর্ণএকটি উদ্যোগ ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে এ চুক্তি সই হয়। 
- এ চুক্তির মধ্যস্ততা করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- চুক্তিটির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
- তৎকালীন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত চুক্তিটির জন্য ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

 উৎস: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
১,০৪৯.
আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী দিবস কবে পালিত হয়?
  1. ২৯ আগস্ট
  2. ৩০ আগস্ট
  3. ১ সেপ্টেম্বর
  4. ১৪ আগস্ট
ব্যাখ্যা

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (ICPPED):
- ICPPED-এর পূর্ণরূপ হলো International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২০ ডিসেম্বর, ২০০৬ সালে।
- চুক্তি কার্যকর হয় ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০ সালে।
- ICPPED হলো জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন যা Enforced Disappearance বিষয়ক।
- চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো গুম বন্ধ করা, দায়মুক্তি রোধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা প্রদান।
- সনদে মোট ৪৫টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ২৯ আগস্ট, ২০২৪ সালে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
- প্রতি বছর ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: i) OHCHR ওয়েবসাইট। ii) UNTC ওয়েবসাইট।

১,০৫০.
CTBT স্বাক্ষরের জন্য কবে উন্মুক্ত হয়?
  1. ১০ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
  2. ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ 
  3. ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
  4. ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
ব্যাখ্যা

Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT):
- CTBT একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে-স্থল, জল, বা ভূগর্ভস্থ যেকোনো স্থানে।
- এটি সামরিক বা শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে হওয়া বিস্ফোরণ উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে।
-  ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়।
- ১৮৭টি দেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং ১৭৮টি দেশ তা অনুমোদন করেছে।
- তবে চুক্তি কার্যকর হওয়ার জন্য ৪৪টি নির্দিষ্ট পারমাণবিক প্রযুক্তি-ধারী দেশের স্বাক্ষর ও অনুমোদন প্রয়োজন।
- এখনো ৯টি Annex 2 দেশ (চীন, মিশর, ভারত, ইরান, ইসরায়েল, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, এবং যুক্তরাষ্ট্র) এই চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- এর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান এবং উত্তর কোরিয়া এখনো স্বাক্ষর করেনি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।

১,০৫১.
সর্বপ্রথম কত সালে মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন আয়োজিত হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
- একাদশ মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৩ সালের ১৫ আগস্ট রাশিয়ার মস্কো শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
- মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন Moscow Conference on International Security (MCIS-2021) নামে পরিচিত। 
- এই সম্মেলনের আয়োজক রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। 
- ২০১২ সাল থেকে মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন আয়োজিত হয়ে আসছে। 

সূত্র: মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন ওয়েবসাইট।
১,০৫২.
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ভিসামুক্ত চলাচলের জন্য স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম কি?
  1. ক) উই রিভার চুক্তি
  2. খ) লুক্সেমবার্গ চুক্তি
  3. গ) বার্লিন চুক্তি
  4. ঘ) শেনজেন চুক্তি
ব্যাখ্যা

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ভিসামুক্ত বা একটিমাত্র হিসেবে ব্যবহার করে সবগুলো দেশের চলাচলের অনুমতি শেনজেন চুক্তি নামে পরিচিত।
- এটি স্বাক্ষরিত হয় শেনজেন, লুক্সেমবার্গ। 

শেনজেন চুক্তি ১৯৮৫ সালের জুন মাসে মাত্র পাঁচটি রাজ্যে স্বাক্ষরিত হয়: বেলজিয়াম, জার্মানি, লাক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস এবং ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালে ।
- সেনজেন চুক্তির উদ্ভব হয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাঠামোর বাইরে ,আমস্টারডাম চুক্তি এটিকে ১৯৯৯ সালে EU আইনের মধ্যে নিয়ে আসে।

সূত্র: EU ওয়েবসাইট ও Britannica.com

১,০৫৩.
'বেলফোর' ঘোষনা কোন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ইসরায়েল
  2. কসোভা
  3. কিউবা
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

বেলফোর ঘোষণা:
- বেলফোর ঘোষণা হলো ব্রিটিশ ইহুদি সম্প্রদায়ের একজন নেতা ব্যারন রথচাইল্ডের কাছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোরের লেখা একটি চিঠি।
- বেলফোর ঘোষণার সাথে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- তিনি ফিলিস্তিনে একটি আলাদা রাষ্ট্র তৈরির প্রস্তাব দেন।
- ঐ চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটি বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯২২ সালে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) বেলফোর ঘোষণা অনুমোদন করে।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরায়েল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখন্ডে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসুত্র - Britannica.com

১,০৫৪.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষার স্থান কোনটি?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া
  2. টেক্সাস
  3. নিউ মেক্সিকো
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

কয়েকটি দেশের পারমানবিক পরিক্ষার স্থান ও সাল:
- যুক্তরাষ্ট্র প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় ১৯৪৫ সালে নিউ মেক্সিকোতে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) ১৯৪৯ সালে সেমিপালাটিনস্কে পারমাণবিক পরীক্ষা করে।
- যুক্তরাজ্য ১৯৫২ সালে অস্ট্রেলিয়ার মন্টে বেলো দ্বীপপুঞ্জে প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।
- ফ্রান্স ১৯৬০ সালে আলজেরিয়ার সাহারা মরুভূমিতে পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।
- চীন ১৯৬৪ সালে লোপ নুরে প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা করে।
- ভারত ১৯৭৪ ও ১৯৯৮ সালে পোখরানে পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।
- পাকিস্তান ১৯৯৮ সালে চাগাই পাহাড়ে পারমাণবিক পরীক্ষা করে।
- উত্তর কোরিয়া ২০০৬ সালে পুঙ্গগ্যে-রিতে পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১,০৫৫.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty) থেকে কোন দেশ নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়?
  1. ভারত
  2. উত্তর কোরিয়া
  3. ইসরাইল
  4. দক্ষিণ সুদান
ব্যাখ্যা
• এনপিটি চুক্তি (NPT): 
- NPT বা Nuclear Non-Proliferation Treaty হচ্ছে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য ছিল পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা ও পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার।
- ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ও ১৮ দেশের সমন্বয়ে গঠিত Committee on Disarmament এ ধরনের চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে আসছিল।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই।
- এবং কার্যকরী হয় ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ থেকে। চুক্তিটি ২৫ বছর মেয়াদি ছিল।
- পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালের মে মাসে এনপিটিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো জাতিসংঘে একটি বৈঠকে মিলিত হয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই চুক্তিটি অনুমোদন করেন।
- উত্তর কোরিয়া ২০০৩ সালে এনপিটি চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
- ভারত, ইসরাইল ও দক্ষিণ সুদান এনপিটি চুক্তিটি অনুমোদন করেনি।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান ও International Atomic Energy Agency.
১,০৫৬.
'আব্রাহাম অ্যাকর্ড' এ স্বাক্ষরকারী দেশগুলো কারা?
  1. ক) ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, বাহরাইন, লিবিয়া
  2. খ) ইসরায়েল, সৌদিআরব, মিসর, জর্ডান
  3. গ) ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন
  4. ঘ) ইসরাইল, সুদান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের সাথে আবর দেশগুলো শান্তি স্থাপনের অংশ হিসেবে আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউজে ইসরাইল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও যুক্তরাষ্ট্র আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরাইলকে স্বীকৃতি ও দেশটির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হয়।

(তথ্যসূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট)
১,০৫৭.
SAFTA এর পূর্ণরূপ -
  1. South Asian Free Trade Area
  2. South Asian Free Trading Agreement
  3. SAARC Free Trade Area
  4. South Asian Free Trade Association
ব্যাখ্যা
• SAFTA:
- SAFTA এর পূর্ণরূপ: South Asian Free Trade Area।
- চুক্তিটি ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ১২তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ ৮টি।
- সাফটা স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শুল্ক এবং বাণিজ্য বাধা হ্রাস করা এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতি বৃদ্ধি করা।

উল্লেখ্য,
• SAPTA:
- SAPTA এর পূর্ণরূপ: SAARC Preferential Trading Arrangement।
- সার্কের সদস্য দেশসমূহের মধ্যে বাণিজ্যিক সমতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এই চুক্তিটি করা হয়।
- কলম্বোয় অনুষ্ঠিত সার্কের ষষ্ঠ সম্মেলনে চুক্তিটির বিষয়ে সম্মতি প্রদান করা হয়।
- এপ্রিল, ১৯৯৩ সালে এটি ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৫ সালে।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
১,০৫৮.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty (CTBT) চুক্তিটি গ্রহণ করে-
  1. ২৪ অক্টোবর ১৯৯৬
  2. ১২ অক্টোবর ১৯৯৩
  3. ২৪ অক্টোবর ১৯৯৯
  4. ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
ব্যাখ্যা

 CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।(অক্টোবর-২০২৫)
-  CTBT তে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে-  ২৪অক্টোবর-১৯৯৬।
- CTBT  বাংলাদেশ অনুমোদন করে-  ৮ মার্চ ২০০০।

• CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।

১,০৫৯.
১৯৯৮ সালে 'উই রিভার চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ক) ওয়াশিংটনে
  2. খ) অসলোতে
  3. গ) জেনেভায়
  4. ঘ) রিয়াদে
ব্যাখ্যা
• উই রিভার চুক্তি, ১৯৯৮:
- উই রিভার চুক্তিকে বলা হচ্ছে ভূমির বিনিময়ে চুক্তি।
- ১৯৯৮ সালে দীর্ঘ ১৯ মাসের অচলাবস্থার অবসান করে ওয়াশিংটনের অদূরে একটি স্থানে ওই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও জর্দানের প্রয়াত বাদশা হোসেনও ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।

• চুক্তির উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হচ্ছে—
(১) ইসরাইল অধিকৃত আরব এলাকা পশ্চিম তীরের ১৩ শতাংশ এলাকা ফিলিস্তিনিদের হাতে অর্পণ ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মাঝে ৩ শতাংশ এলাকা ‘সবুজ বেষ্টনী' অথবা সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করবে। ওই সবুজ বেষ্টনীতে বসবাসকারী ইসরাইলিদের নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমনের বিষয়টি ইসরাইল কর্তৃপক্ষের হাতে ন্যস্ত থাকবে;
(২) সন্ত্রাস দমনের ব্যপারে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে এবং নিজ নিজ বিচারব্যবস্থা অনুযায়ী সন্ত্রাসীদের বিচার করা হবে এবং ইহুদি ও ফিলিস্তিনিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি দুই সপ্তাহ অন্তর সন্ত্রাস দমনে গৃহীত পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনা করবে;
(৩) ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সকল প্রকার সহিংসতা ও সন্ত্রাসী তৎপরতা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে একটি ডিগ্রি জারি করবে;
(৪) 'নিরাপত্তা সহযোগিতা' প্রশ্নে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক বিনিময়সহ অব্যাহতভাবে উভয়পক্ষ ব্যাপক দ্বি-পাক্ষিক কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১,০৬০.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তিতে প্রাথমিক স্বাক্ষর দাতা দেশ কতটি?
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ১৩টি
  3. গ) ১২টি
  4. ঘ) ১৪টি
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে সাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি যার মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়।
এতে প্রথমে ১২ টি দেশ স্বাক্ষর করে।
এগুলো হলোঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইতালি, ফ্রান্স, কানাডা, নরওয়ে, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, পর্তুগাল, আইসল্যান্ড।
বর্তমানে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা ৩০ টি।
(সূত্রঃ ন্যাটো ওয়েবসাইট)
১,০৬১.
ভার্সাই চুক্তি কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. অক্ষশক্তি এবং জার্মানি
  2. মিত্রশক্তি এবং জাপান
  3. মিত্রশক্তি এবং জার্মানি
  4. অক্ষশক্তি এবং জাপান
ব্যাখ্যা
ভার্সাই চুক্তি Treaty of Versailles (1919):
- ভার্সাই চুক্তি ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে ১৯১৯ সালের প্যারিস শান্তি সম্মেলনের প্রধান চুক্তি।
- এটি ২৮ জুন ১৯১৯ সালে ভার্সাই প্রাসাদের "হল অব মিররস"-এ মিত্রশক্তি এবং জার্মানির মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১০ জানুয়ারি ১৯২০ সালে কার্যকর হয়।
- মিত্রশক্তির মধ্যে যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং চীন অন্যতম সদস্য।
- ভার্সাই চুক্তি জার্মানির উপর কঠোর ক্ষতিপূরণ আরোপ করে।
- চুক্তির মাধ্যমে জার্মানির কিছু অঞ্চল প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং কিছু অঞ্চল আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে রাখা হয়।
- এছাড়া, জার্মানির উপনিবেশগুলো ছিনিয়ে নেওয়া হয়, তাদের সামরিক ক্ষমতা কঠোরভাবে সীমিত করা হয় এবং মিত্রশক্তিকে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বাধ্য করা হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে "লিগ অফ নেশন্স" (League of Nations) প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: Britannica.
১,০৬২.
আধুনিক তুরস্কের জন্ম হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. আলজিয়ার্স চুক্তি
  2. ভার্সাই চুক্তি 
  3. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  4. লুজান চুক্তি
ব্যাখ্যা

লুজান চুক্তি হল ১৯২৩ সালে স্বাক্ষরিত এমন একটি শান্তি চুক্তি যার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে বর্তমান তুরস্কের সীমানা।  অর্থাৎ আধুনিক তুরস্কের জন্ম এই চুক্তির মাধ্যমে। 

লুজান চুক্তি:
- এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির  চূড়ান্ত চুক্তি । 
- লুজান চুক্তি হলো একটি শান্তি চুক্তি যার মাধ্যমে বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়েছে।
- আধুনিক তুরস্কের জন্ম এই চুক্তির মাধ্যমে। 
- চুক্তিটি ২৪ জুলাই, ১৯২৩ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে স্বাক্ষরিত হয়েছিল বিধায় এর নাম হয় লুজান চুক্তি।
- চুক্তিতে এক পক্ষে ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের উত্তরসূরি তুরস্কের প্রতিনিধিরা।
- অন্য পক্ষে ছিলেন ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, গ্রিস, রোমানিয়া এবং যুগোস্লাভিয়ার প্রতিনিধিরা।
- ২০২৩ সালে এই চুক্তির ১০০ বছর পূর্ণ হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষে প্যারিস শান্তি সম্মেলনে প্রণীত প্রাথমিক চুক্তি ছিল ভার্সাই চুক্তি । এটি ২৮ জুন, ১৯১৯ তারিখে ভার্সাই প্রাসাদের হল অফ মিররসে মিত্রশক্তি এবং সংশ্লিষ্ট শক্তি এবং জার্মানি দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং ১০ জানুয়ারী, ১৯২০ তারিখে কার্যকর হয়।

⇒ আলজিয়ার্স চুক্তি : ইরান ও ইরাকের মধ্যকার চুক্তি । যেখানে ইরাক দুই দেশের মধ্যে সমুদ্র সীমানা থালওয়েগে স্থানান্তর করতে সম্মত হয়েছিল - ইরাকি কুর্দিদের প্রতি ইরানের সমর্থন প্রত্যাহারের শর্তে।

⇒ প্যারিস শান্তি চুক্তি :  ভিয়েতনামে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসানের জন্য ২৭ জানুয়ারী ১৯৭৩ সালে স্বাক্ষরিত একটি শান্তি চুক্তি ছিল। 

উৎস: Britannica .

১,০৬৩.
Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty স্বাক্ষরিত দেশ কয়টি?
  1. ১৮৬টি
  2. ১৮৭টি
  3. ১৮৮টি
  4. ১৮৯টি
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে: ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে।
- CTBT অনুমোদন করে: ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১,০৬৪.
ডেটন চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
'ডেটন চুক্তি:
- ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি 'ডেটন চুক্তি' নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের প্যাটারসন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়।
- যার কারণে চুক্তিটি 'ডেটন চুক্তি' নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,০৬৫.
ডেটন চুক্তির প্রধান শান্তি আলোচক কে ছিলেন?
  1. রিচার্ড হলব্রুক
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. জিমি কার্টার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina. 
- বসনিয়া সংকট সমাধানে ডেটন শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। 
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়।
- এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন।
- শান্তি চুক্তিতে প্রধান মধ্যস্থতাকারী: রিচার্ড হলব্রুক (মার্কিন কুটনৈতিক এবং তৎকালীন Assistant Secretary of State for European and Eurasian Affairs)

[অস্ত্রবিরতি চুক্তি এবং অন্যান্য বিষয়ের সাথে আংশিক জড়িত- জিমি কার্টার (সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির মধ্যস্থতাকারী)।বসনিয়া সংকট সমাধানে অস্ত্রবিরতিতে ভূমিকা রেখেছিলেন জিমি কার্টার। (১৯৯৪ সালে)।]

উৎস: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।[লিঙ্ক][link]
১,০৬৬.
কত তম জেনেভা কনভেনশন যুদ্ধকালে বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার বিধান নিশ্চিত করে?
  1. চতুর্থ
  2. তৃতীয়
  3. দ্বিতীয়
  4. প্রথম
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে জেনেভা কনভেনশন এবং ১৯৮০ সালে প্রটোকল ১ ও ২ অনুসমর্থন করে।

⇒ জেনেভা কনভেনশনসমূহ:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

তথ্যসূত্র: Britannica.com & History.com
১,০৬৭.
জেনেভা কনভেনশনের আওতায় কতটি চুক্তি ও প্রটোকল রয়েছে?
  1. ২টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
  2. ৩টি চুক্তি ও ৪টি প্রটোকল
  3. ৩টি চুক্তি ও ২টি প্রটোকল
  4. ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,০৬৮.
’’Outer space Treaty’’ কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৬৭ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
Outer space Treaty:
- মানবজাতি মহাকাশে কী করতে পারবে আর কী করতে পারবে না সেটাই লেখা আছে ‘আউটার স্পেস’ চুক্তিতে।
- মহাকাশের সব কিছুর জন্যই এ নীতিমালা প্রযোজ্য।
- ১৯৬৭ সালে ‘আউটার স্পেস ট্রিটি’ নামে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি কার্যকর হয় ১০ অক্টোবর, ১৯৬৭ সালে।
- এ চুক্তি অনুযায়ী, কোনো দেশ চাঁদ বা মহাশূন্যের কোনো বস্তুর মালিকানা দাবি করতে পারবে না।
- পৃথিবীর বাইরের সব সম্পত্তির মালিক গোটা মানবজাতি।
- ১১০টি দেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
- ৮৯টি দেশ এ চুক্তি স্বাক্ষর করলেও এখনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়নি।

উৎস: Arms Control Association.
১,০৬৯.
সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তিতে বাংলাদেশ কবে স্বাক্ষর করে?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (এশিয়ায় ১ম)।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১,০৭০.
তাসখন্দ চুক্তিতে ভারতের পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. জওহরলাল নেহেরু
  2. বল্লভভাই প্যাটেল
  3. ইন্দিরা গান্ধী
  4. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি:
- তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে।
- পক্ষসমূহ: ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী: ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী: সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- উদ্দেশ্য: কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি স্থাপন।

⇒ এই চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে ১৯৬৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের তত্ত্ববধানে উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতির জন্য একমত হয়।

উৎস: Britannica.
১,০৭১.
'হেবরন চুক্তি' কোন দুটি দেশের মধ্যকার চুক্তি?
  1. ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. মিশর ও ফিলিস্তিন
  3. ইসরাইল ও সৌদি আরব
  4. ইসরাইল ও ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা

• হেবরন চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে ‘হেবরন চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ জানুয়ারি, ১৯৯৭ সালে।
- এ চুক্তিতে ফিলিস্তিনি চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের অধিকাংশ থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার বিষয়ে একমত হন।
- এই চুক্তি ছিল ইসরাইলি-প্যালেস্টিনিয়ান অটোনমি চুক্তির অংশ।

উল্লেখ্য,
- চুক্তি অনুযায়ী, হেবরনের দুটি প্রধান অংশের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভাগাভাগি করা হয়। হেবরনের একটি অংশ (খোলার) ফিলিস্তিনের নিরাপত্তা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে ছিল, এবং অন্য অংশ (ইহুদিবাদী বসতি) ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।

উৎস: The Washington Institute।

১,০৭২.
জেনেভা কনভেনশন ১৯৪৯ কী?
  1. যুদ্ধবন্দি ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণ বিধি
  2. নারী অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক উদ্যোগ
  3. যু্দ্ধে অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার সংক্রান্ত বিধি
  4. মানবজাতির প্রতিটি সদস্যের অধিকার, মর্যাদা ও সমতা রক্ষার আচরণ বিধি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন ১৯৪৯ হলো যুদ্ধবন্দি ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণ বিধি।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
১,০৭৩.
নিচের কোনটি 'কূটনৈতিক অধিকার' সম্পর্কিত কনভেনশন?
  1. ভিয়েনা কনভেনশন, ১৯৮৫
  2. বাসেল কনভেনশন, ১৯৮৯
  3. ভিয়েনা কনভেনশন, ১৯৬১
  4. রামসার কনভেনশন, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন - ১৯৬১:
- এর পূর্ণনাম - Vienna Convention on Diplomatic Relations।
- এই আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে অন্যান্য দেশে কর্মরত কূটনীতিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা হয়।
⤇ চুক্তি স্বাক্ষর - ১৮ এপ্রিল, ১৯৬১ সাল।
⤇ চুক্তি কার্যকর - ২৪ এপ্রিল, ১৯৬৪ সাল।
⤇ চুক্তির পক্ষ - ১৯২টি দেশ অনুমোদন করেছে।
(চুক্তি কার্যকর হওয়ার জন্য ২২টি দেশের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল।)
⤇ ভিয়েনা কনভেনশনের ৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

অন্যদিকে,
• বাসেল কনভেনশন:
- বিষাক্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন সংক্রান্ত কনভেনশন বাসেল কনভেনশন।
- কনভেনশনটি ১৯৮৯ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ১৯৯২ সালে এটি কার্যকর হয়।

• রামসার কনভেনশন:
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের রামসার শহরে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।

• ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৮৫ 
- এটি জাতিসংঘের ‘ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ’ বিষয়ক চুক্তি।
- জাতিসংঘ কর্তৃক চুক্তি অনুমোদন/গৃহীত :  ২২ মার্চ, ১৯৮৫ সাল।
- চুক্তি কার্যকর : ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান : ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
১,০৭৪.
NPT চুক্তিটি কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পরিবেশ সংরক্ষণ
  2. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  3. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
  4. মানবাধিকার সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
NPT চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ Non-Proliferation of Nuclear Weapons,
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধের লক্ষ্যে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এই চুক্তির তিনটি প্রধান স্তম্ভ হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ (Non-Proliferation), নিরস্ত্রীকরণ (Disarmament), এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার (Peaceful Use of Nuclear Energy)।
- ১ জুলাই, ১৯৬৮ সালে NPT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ৫ মার্চ, ১৯৭০ সালে এটি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৯ সালে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। 

উৎস: Nuclear Threat Initiative Website.
১,০৭৫.
বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যে বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন করেছে সেটি হল-
  1. NAFTA
  2. SAPTA
  3. GATT
  4. TICFA
ব্যাখ্যা

⇔টিকফা চুক্তি:
- টিকফা চুক্তির পূর্ণরূপ: TICFA - Trade and Investment Cooperation Framework Agreement.
- টিকফা চুক্তি হলো বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা চুক্তি।
- এটি ২০১৩ সালের ২৫ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং
- টিকফা চুক্তি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ককে শক্তিশালী করার জন্য একটি কাঠামো হিসেবে কাজ করে।

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তি পূর্বে ‘টিফা’ (TIFA - Trade and Investment Framework Agreement) নামে পরিচিত ছিল। 
- টিকফা চুক্তির অধীনে উভয় দেশ নিয়মিত ‘কাউন্সিল বৈঠক’ আয়োজিত করে, যেখানে বাণিজ্য, শ্রম, মেধা সম্পদ এবং অন্যান্য সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- টিকফা চুক্তির সমালোচনা প্রধানত কয়েকটি কারণে হয়ে থাকে : স্বচ্ছতার অভাব, শ্রম সংস্কারের চাপ, যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত অর্থনৈতিক নির্ভরতা, সার্বভৌমত্বে প্রভাব, দ্বিপাক্ষিক সুবিধার সীমিততা, এবং গ্যাস রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব।

উৎস:
BBC Website;
প্রথম আলো;
U.S Embassy in Bangladesh.

১,০৭৬.
সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ব্রুনাইয়ের মধ্যে কোন চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) বিমান চলাচল চুক্তি
  2. খ) তৈরি পোশাক রপ্তানি সংক্রান্ত চুক্তি
  3. গ) হিমায়িত খাদ্য রপ্তানি সংক্রান্ত চুক্তি
  4. ঘ) মোটরযান আমদানি সংক্রান্ত চুক্তি
ব্যাখ্যা
• গত  ১৫ অক্টোবর ব্রুনাই দারুসসালামের সুলতান হাজী হাসানাল বলকিয়াহ মুইজ্জাদ্দীন ওয়াদ্দৌলাহ তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে আসেন।
• বাংলাদেশ ও ব্রুনাইয়ের মধ্যে একটি চুক্তি ও তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এগুলো হচ্ছে -
- বিমান চলাচল চুক্তি,
- বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক,
- নাবিকদের সনদ স্বীকৃতি সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক এবং
- দুদেশের মধ্যে গ্যাস ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২
১,০৭৭.
লুজান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে কত সালে?
  1. ক) ২০২৩ সালে
  2. খ) ২০২৪ সালে
  3. গ) ২০২৫ সালে
  4. ঘ) ২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা
• লুজান চুক্তি:
- ১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়। সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- লুজান চুক্তি স্বাক্ষরের সময়  চুক্তির কোনো মেয়াদের উল্লেখ ছিল না। তবে যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তির কার্যকারিতার মেয়াদ ধরা হয় ১০০ বছর।
- আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে ২০২৩ সালে লুজান চুক্তির মেয়াদ অবসান হবে।

- লুজান চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তদানীন্তন মিত্রশক্তি- ব্রিটেন, ফ্রান্স, গ্রিস, ইতালি, জাপান, রোমানিয়া ও যুগোশ্লোভিয়া এবং তৎকালীন অটোমান সাম্রাজ্যের।
- অটোমান সাম্রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করেন মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের প্রতিনিধি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসমেত ইনোনু।
- এই চুক্তির ফলে তুরস্কের নতুন প্রজাতন্ত্রের সার্বভৌমত্ব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়।
- তুরস্কের নতুন সীমানা চিহ্নিত ও স্বীকৃত হয়।
- তবে একই সাথে এর মাধ্যমে খিলাফত বিলুপ্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে মোস্তফা কামালের অধীনে তুর্কি প্রজাতন্ত্রকে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- অটোমান সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন আরব প্রদেশ, আর্মেনিয়া, সাইপ্রাস, ঈজিয়ান সাগরের দ্বীপসমূহের উপর থেকে তুরস্ক তার অধিকার তুলে নেয়।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com এবং নয়া দিগন্ত পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০৭৮.
CSTO কী ধরনের জোট?
  1. অর্থনৈতিক
  2. নিরাপত্তা সহযোগিতা
  3. রাজনৈতিক
  4. পারমাণবিক অস্ত্র বিরোধী
ব্যাখ্যা
The Collective Security Treaty Organization (CSTO) হলো সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত ৬টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি।

এটি প্রথমে ১৯৯২ সালের ১৫ মে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯৪ সালের ২০ এপ্রিল কার্যকর হয়। ১৯৯৭ সালে পাঁচবছর মেয়াদী চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হলে তিনটি দেশ (আজারবাইজান, উজবেকিস্তান ও জর্জিয়া) এটি থেকে বেরিয়ে যায় এবং অন্য ছয়টি দেশ চুক্তিটি নবায়ন করে।

পরবর্তীতে ২০০২ সালের ৭ অক্টোবর ৬টি দেশ The Collective Security Treaty Organization নামে চুক্তিটিকে সংস্থায় রূপান্তরিত করে।
চুক্তিটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬টি।
দেশগুলো হলো:
- রাশিয়া
- বেলারুশ
- আর্মেনিয়া
- কিরগিজস্তান
- কাজাকিস্তান ও
- তাজিকিস্তান।
এটির সদরদপ্তর অবস্থিত মস্কোতে। এই চুক্তির অংশ হিসেবে রাশিয়া সম্প্রতি কাজাকিস্তানে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে সেনা পাঠিয়েছে।

(তথ্যসূত্র: CSTO ওয়েবসাইট)
১,০৭৯.
Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty) বাতিল হয় কত সালে?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।
১,০৮০.
যুদ্ধ সম্পর্কিত আচরণ বিষয়ক প্রথম জেনেভা কনভেনশন গৃহীত হয় কখন?
  1. ক) ১৮৬৪ সালে
  2. খ) ১৮৯২ সালে
  3. গ) ১৯০৬ সালে
  4. ঘ) ১৯২৯ সালে
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
১,০৮১.
প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন কোন রাষ্ট্রের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. কানাডা
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

প্যারিস চুক্তি:
- ১৭৮৩ সালের প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আমেরিকান বিপ্লবী যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- আমেরিকান রাজনীতিবিদ বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন, জন অ্যাডামস এবং জন জে গ্রেট ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় জর্জের প্রতিনিধিদের সাথে শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন।
- প্যারিস চুক্তিতে, ব্রিটিশ ক্রাউন আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয় এবং মিসিসিপি নদীর পূর্ব দিকের বেশিরভাগ অঞ্চল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হস্তান্তর করে, নতুন জাতির আকার দ্বিগুণ করে এবং পশ্চিম দিকে সম্প্রসারণের পথ প্রশস্ত করে।
- প্যারিসের হোটেল ডি'ইয়র্কে ফ্র্যাঙ্কলিন, অ্যাডামস এবং জে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত হয়।
- ১৪ জানুয়ারী, ১৭৮৪ সালে কন্টিনেন্টাল কংগ্রেস কর্তৃক অনুমোদিত হয়।

• প্যারিস চুক্তির মূল শর্তাবলী:
- গ্রেট ব্রিটেন অবশেষে তার প্রাক্তন উপনিবেশগুলিকে নতুন এবং স্বাধীন জাতি হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়: যুক্তরাষ্ট্র।
- মার্কিন সীমান্ত নির্ধারণ করে, গ্রেট ব্রিটেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল প্রদান করে।
- আমেরিকান নৌকাগুলির জন্য গ্র্যান্ড ব্যাংকস এবং ব্রিটিশ-কানাডিয়ান উপকূলরেখার অন্যান্য জলসীমায় মাছ ধরার অধিকার সুরক্ষিত করা হয়েছে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেন উভয়ের নাগরিকদের জন্য মিসিসিপি নদীকে নৌযানের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়।
- ব্রিটিশ ঋণদাতাদের কাছে আমেরিকান ঋণের সমস্যা সমাধান করা হয়েছে।
- যুদ্ধের সময় গ্রেট ব্রিটেনের প্রতি অনুগত থাকা আমেরিকান নাগরিকদের সাথে ন্যায্য আচরণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

উৎস: হিস্টরি.কম (লিঙ্ক)।

১,০৮২.
জাতিসংঘ সনদ কবে সাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ২২ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ২৬ জুন
  3. গ) ১৫ অক্টোবর
  4. ঘ) ২৪ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
১৯৪৫ সালের ২৬ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়। এই দিন ৫০ টি দেশ জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে। ৫১তম দেশ হিসেবে পোল্যান্ড ১৫ অক্টোবর সনদে স্বাক্ষর করে। যেহেতু জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হওয়ার আগেই পোল্যান্ড এতে স্বাক্ষর করে, তাই পোল্যান্ডকেও জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়। ২৪ অক্টোবর প্রতিবছর জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা আর্কিভাল্ড ম্যাকলিশ। (সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,০৮৩.
'ডেল্টা ফোর্স' কোন দেশের সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ইউনিট?
  1. রাশিয়া 
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

ডেল্টা ফোর্স:
- ডেল্টা ফোর্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ইউনিট।
- এটি মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অভিজাত বাহিনী।
- এটিকে কমব্যাট অ্যাপ্লিকেশন গ্রুপ (CAG), আর্মি কম্পার্টমেন্টেড এলিমেন্টস (ACE), টাস্ক ফোর্স গ্রিন এবং সহজভাবে 'ইউনিট' নামেও উল্লেখ করা হয়েছে। 
- প্রতিস্থিত হয়: ১৯৭৭ সালে। 
- ঘাঁটি: ফোর্ট ব্র্যাগ, নর্থ ক্যারোলাইনা। 
- এ ইউনিট সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে অপারেশনে অংশ নেয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের Joint Special Operations Command (JSOC)-এর সরাসরি অধীনে কাজ করে।

 ⇒ এ ইউনিট মূলত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, জিম্মি উদ্ধার, চড়া মূল্যের লক্ষ্যবস্তু আটক, সরাসরি সামরিক হামলা ও বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি-সংক্রান্ত কাজের জন্য প্রশিক্ষিত।
- ডেল্টা ফোর্সে রয়েছে মোট ৮টি অপারেশনাল স্কোয়াড্রন। প্রতিটি স্কোয়াড্রন নিজেই স্বয়ংসম্পূর্ণ ও অল্প সময়ের নোটিশে আক্রমণ বা উদ্ধার অভিযানে যেতে সক্ষম। 
- ডেল্টা ফোর্স–সম্পর্কিত প্রায় সব তথ্যই সর্বোচ্চ মাত্রায় গোপন রাখা হয়।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নেওয়ার অভিযানে  বিশেষায়িত বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 
 
এছাড়াও, 
 - ১৯৯৩ সালে সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুর লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উড়োজাহাজ গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। কয়েকজন মার্কিন সেনা আটকা পড়েন। তাঁদের উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে ডেল্টা ফোর্স অংশ নিয়েছিল। 
- লাতিন আমেরিকার দেশ পানামার স্বৈরশাসক ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ধরতে ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে ‘অপারেশন জাস্ট কজ’ পরিচালনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এতেও অংশ নিয়েছিল ডেল্টা ফোর্স।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

১,০৮৪.
Which of the following treaties was for the purpose of banning nuclear explosions?
  1. NATO
  2. СТВТ
  3. NPT
  4. SALT
  5. None of these
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১,০৮৫.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট ডেটন চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারী ছিলেন?
  1. রিচার্ড নিক্সন
  2. জিমি কার্টার
  3. বিল ক্লিনটন
  4. জন এফ কেনেডি
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica. 
১,০৮৬.
New START চুক্তি কবে স্থগিত করা হয়?
  1. ২০২০ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৮ এপ্রিল, ২০১০।
- কার্যকর হয়: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১।
- স্বাক্ষর করেছিলেন: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই চুক্তি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat Initiative.
১,০৮৭.
CTBT চুক্তি এখনো স্বাক্ষর করে নি কোন দেশ? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT): 
- CTBT একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে—স্থল, জল, বা ভূগর্ভস্থ যেকোনো স্থানে।
- এটি সামরিক বা শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে হওয়া বিস্ফোরণ উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে।
- ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়। 
- ১৮৭টি দেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং ১৭৮টি দেশ তা অনুমোদন করেছে।
- তবে চুক্তি কার্যকর হওয়ার জন্য ৪৪টি নির্দিষ্ট পারমাণবিক প্রযুক্তি-ধারী দেশের স্বাক্ষর ও অনুমোদন প্রয়োজন।
- এখনো ৯টি Annex 2 দেশ (চীন, মিশর, ভারত, ইরান, ইসরায়েল, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, এবং যুক্তরাষ্ট্র) এই চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- এর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান এবং উত্তর কোরিয়া এখনো স্বাক্ষর করেনি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।
১,০৮৮.
নিচের কোন দেশটি CTBT চুক্তি স্বাক্ষরও করেছেন কিন্তু অনুমোদন দেননি?
  1. মিশর
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

• CTBTO: 
- পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর
- স্বাক্ষরের স্থান: নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।
- CTBTO-এর মূল উদ্দেশ্য হলো:
- বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।
- একটি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা
- গোপন পারমাণবিক পরীক্ষা সনাক্ত করতে সক্ষম হওয়া
- বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

তথ্যসূত্র: CTBTO ওয়েবসাইট। (Link)

১,০৮৯.
সম্প্রতি, ঘোষিত আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সনদে কোন দুটি দেশ সই করতে অস্বীকৃতি জানায়? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. চীন ও ভারত
  2. ফ্রান্স ও জাপান
  3. রাশিয়া ও ব্রাজিল
  4. যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সনদ:
- ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ প্যারিসের গ্রঁ পেলেইয়ে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্মেলন।
- বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী এবং বিজ্ঞানীরা অংশগ্রহণ করছেন।
- দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলা প্রযুক্তি শিল্পে আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে এখানে আলোচনা করা হয়। 
- সামিটে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সংক্রান্ত ঘোষণাপত্র গ্রহণ করা হয়।
- ঘোষণাপত্র অনুযায়ী, এআই উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ, নৈতিক, নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং বিশ্বস্ত হওয়ার বিষয়ে অগ্রাধিকার এবং এআইকে টেকসই করার ব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- ফ্রান্স, ভারত ও চীনসহ ৬০টি দেশ সনদে স্বাক্ষর করেছে।
- তবে, এআই সনদে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- ঘোষণার সব অংশের সঙ্গে একমত হতে পারেনি যুক্তরাজ্য। তাই তারা শুধু জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ উদ্যোগগুলোতে স্বাক্ষর করবে।
- অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এর মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর অতিরিক্ত বিধিনিষেধ প্রযুক্তির বিকাশকে ধ্বংস করে দিতে পারে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১,০৯০.
’ট্রিটি অব ভার্সাই’ স্বাক্ষরিত হয়েছিল কোন যুদ্ধের পর?
  1. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  2. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  3. ঠাণ্ডা যুদ্ধ
  4. ক্রিমিয়ান যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• ট্রিটি অব ভার্সাই (Treaty of Versailles):
- ট্রিটি অব ভার্সাই ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে (১৯১৪–১৯১৮) মিত্রশক্তি (Allied Powers) এবং জার্মানির মধ্যে সম্পাদিত এক গুরুত্বপূর্ণ শান্তিচুক্তি।
- এই চুক্তি জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করে এবং তাকে কড়া শর্তে বাধ্য করে যুদ্ধক্ষতিপূরণ দিতে।
- তারিখ: ২৮ জুন, ১৯১৯।
- স্থান: ভার্সাই প্রাসাদ, ফ্রান্স।

• প্রধান অংশগ্রহণকারী দেশ:
- মিত্রশক্তি (Allied Powers).
- যুক্তরাষ্ট্র (President Woodrow Wilson).
- যুক্তরাজ্য (PM David Lloyd George).
- ফ্রান্স (PM Georges Clemenceau).
- ইতালি (PM Vittorio Orlando).

• পরাজিত পক্ষ:
- জার্মানি – যার প্রতিনিধিরা অনেক শর্ত মানতে বাধ্য হয়।
• প্রধান শর্তাবলি:
- চুক্তির Article 231 (War Guilt Clause)-এ জার্মানিকে যুদ্ধ শুরু ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ দায় স্বীকার করতে হয়।
- যুদ্ধ ক্ষতিপূরণ (Reparations):
- জার্মানিকে ১৩২ বিলিয়ন গোল্ড মার্কস (প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার সমমূল্য) পরিশোধে বাধ্য করা হয়।
- জার্মান সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ১ লক্ষ সৈন্য রাখার অনুমতি পায়।
- নৌবাহিনী সীমিত, বিমানবাহিনী নিষিদ্ধ, এবং ট্যাঙ্ক ও সাবমেরিন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- League of Nations গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বিশ্বে ভবিষ্যৎ যুদ্ধ ঠেকানোর জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।

• নেতিবাচক:
- জার্মানির ওপর আরোপিত কঠোর শর্তাবলি অসন্তোষ ও অর্থনৈতিক দুরবস্থার সৃষ্টি করে।
- এই অসন্তোষ পরবর্তীতে হিটলারের উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (1939–1945) পথ প্রশস্ত করে।

উৎস:  Britannica.com: Treaty of Versailles.
১,০৯১.
ইতিহাসে দুই পরাশক্তির মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন অবস্থা কী নামে পরিচিত?
  1. ক) শান্তি চুক্তি (Peace Pact)
  2. খ) স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War)
  3. গ) দাঁতাত (Detente)
  4. ঘ) শ্বেতপত্র (White Paper)
ব্যাখ্যা
দাঁতাত (Detente) বা উত্তেজনা প্রশমন
• ষাটের দশকের শুরুতে দুই পরাশক্তির মধ্যে সামরিক উত্তেজনা অত্যন্ত বেশি মাত্রায় প্রসারিত হয়েছিল।
• বিশেষ করে ১৯৬১ সালের এপ্রিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক কিউবার সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রবিরোধী অভিযানে সহায়তা প্রদান, একই বছর পূর্ব জার্মানিতে সোভিয়েত সমর্থনে পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনকে বিভক্তকারী প্রাচীর (Berlin Wall) নির্মাণ, ১৯৬২ সালে সংঘটিত কিউবান মিসাইল সংকট (Cuban Missile Crisis)-এই উত্তেজনা বৃদ্ধির পশ্চাতে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
• কিউবান মিসাইল সংকট ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ ও উত্তেজনাপূর্ণ অধ্যায়। এ সংকটকে কেন্দ্র করে উভয় পরাশক্তির মধ্যে নতুন সম্পর্কের উদ্ভব হয়। তারা বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা থেকে যুক্ত করতে ও উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন করতে সম্মত হয়।
• মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি টেলিফোন যোগাযোগ (Hotline) প্রতিষ্ঠিত হয়। ইতিহাসে উভয় পরাশক্তির মধ্যে এ উত্তেজনা প্রশমন অবস্থাকে দাঁতাত (Detente) বলা হয়। 

তথ্যসূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
১,০৯২.
অটোয়া চুক্তির বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট নিষিদ্ধকরণ
  2. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  3. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  4. ক্ষেপণাস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা

অটোয়া চুক্তি:
- এটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- চুক্তিটি Anti-Personnel Landmines Convention নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৫টি। (নভেম্বর, ২০২৫)
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও হিউম্যান রাইট ওয়াচ ওয়েবসাইট।

১,০৯৩.
কৌশলগত বিপজ্জনক অস্ত্র হ্রাসকরণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার NEW START এর মেয়াদ কত সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  2. খ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  3. গ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৭
  4. ঘ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ২০১০ সালের ৮ এপ্রিল কৌশলগত বিপজ্জনক অস্ত্র হ্রাসকরণের লক্ষ্যে New START (The New Strategic Arms Reduction Treaty) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১০ বছর মেয়াদী চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০১১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি।
- এটির মেয়াদ ২০২১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শেষ হলে পুনরায় মেয়াদ আরো পাঁচ বছর বৃদ্ধি করে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়।

(সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
১,০৯৪.
সর্বশেষ UNEP প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে শব্দ দূষণে শীর্ষ শহর কোনটি?
  1. ক) করাচি
  2. খ) ম্যানিলা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) নয়াদিল্লি
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক শব্দদূষণ:
২৭ মার্চ ২০২২ জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) ৬১টি শহরকে অন্তর্ভুক্ত করে “Frontiers 2022 : Noise, Blazes and Mismatches!” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ১৯৯৯ সালের গাইডলাইন অনুযায়ী, আবাসিক এলাকায় শব্দের গ্রহণযোগ্য সর্বোচ্চ মাত্রা ৫৫ ডেসিবল এবং বাণিজ্যিক এলাকায় ৭০ ডেসিবল নির্ধারিত ছিল। ২০১৮ সালের হালনাগাদকৃত গাইডলাইনে সড়কে শব্দের তীব্রতা ৫৩ ডেসিবলের মধ্যে সীমিত রাখার সুপারিশ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুসারে –
সবচেয়ে কম শব্দদূষণ হয় অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে, শব্দের তীব্রতা - ২০ ডেসিবল; দ্বিতীয় স্পেনের বার্সেলোনা - ২২ ডেসিবল।
সবচেয়ে বেশি শব্দদূষণ হয় ঢাকায় (১১৯ ডেসিবেল)। 
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট
১,০৯৫.
পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় একত্রিত হয়-
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৮৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৪৫ সালের ৮ মে জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মসমর্পণ করলে মিত্রশক্তি জার্মানিকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়।
- এতে পশ্চিম জার্মানি মার্কিন নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদীদের নিয়ন্ত্রণে এবং পূর্ব জার্মানি সােভিয়েত ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- এই বিভাজনের অংশ হিসেবে ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট বার্লিন দেয়াল নির্মিত হয়।
- তবে সােভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সময় ১৯৮৯ সালের ১ নভেম্বর বার্লিন দেয়ালের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ আনুষ্ঠানিকভাবে দুই জার্মানি পুনরায় একত্র হয়।
উৎসঃ history.com
১,০৯৬.
বাংলাদেশ ও কাজাখস্তানের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে -
  1. ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  2. ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  3. ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  4. ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও কাজাখস্তানের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত:
- বাংলাদেশ ও কাজাখস্তানের মধ্যে ডিপ্লোম্যাটিক ও সার্ভিস/অফিসিয়াল পাসপোর্টধারী ব্যক্তিগণের ক্ষেত্রে ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে কাজাখস্তানের স্থায়ী মিশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং কাজাখস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুরাত নার্তলেউর মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর নিজ নিজ দেশের পক্ষে উভয় মন্ত্রী এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- বৈঠকে বাংলাদেশ ও কাজাখস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরো প্রসারিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
-  উভয় মন্ত্রী বাংলাদেশ ও কাজাখস্তানের ডিপ্লোম্যাটিক ও সার্ভিস/অফিসিয়াল পাসপোর্টধারী নাগরিকদের ভ্রমণ সহজ করতে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদারের ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

উৎস: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ। [link]
১,০৯৭.
বিশ্বের কতটি দেশের নিকট পরমাণু শক্তি চালিত সাবমেরিন রয়েছে?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. ছয়টি
  4. আটটি
ব্যাখ্যা
- বর্তমান বিশ্বের ছয়টি দেশের নিকট পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন রয়েছে।
দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র (৬৮টি)
- রাশিয়া (২৯টি)
- চীন (১২টি)
- যুক্তরাজ্য (১১টি)
- ফ্রান্স (৮টি) এবং
- ভারত (১টি)।
(তথ্যসূত্র: আল জাজিরা)
১,০৯৮.
'অ - আন্তর্জাতিক সশস্ত্র সংঘর্ষের শিকারদের সুরক্ষা' জেনেভা কনেভেনশনের কোন প্রটোকলে আছে?
  1. ১নং প্রটোকল
  2. ২নং প্রটোকল
  3. ৩নং প্রটোকল
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• প্রটোকলসমূহ:

• প্রটোকল -১(১৯৭৭):
-  আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।

• প্রটোকল - ২(১৯৭৭):
-  অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।

• প্রটোকল -৩(২০০৫):
- অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস:ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস। [Link]
১,০৯৯.
ভারত পাকিস্তানের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬৪ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে 
  3. ১৯৬৬ সালে 
  4. ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা

• তাসখন্দ চুক্তি: 
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

১,১০০.
বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৪ দফা উপস্থাপন করেছিলেন কে?
  1. ক) ফ্রাংক্‌লিন ডি. রুজভেল্ট
  2. খ) উড্রো উইলসন
  3. গ) হ্যারি এস ট্রুম্যান
  4. ঘ) জন এফ কেনেডি
ব্যাখ্যা
 উইলসনের ১৪ দফা:
- উড্রো উইলসন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ক্ষমতায় ছিলেন ১৯১৩ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত।
- তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তার ১৪ দফা উপস্থাপন করেছিলেন।
- ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি তিনি কংগ্রেসে তার দাবিসমূহ উপস্থাপন করেন।

• তার ১৪ দফা প্রস্তাবে ছিল :
১. আলোচনার মাধ্যমে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর;
২. সমুদ্রপথে অবাধ যাতায়াত,
৩. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সব বাধা অপসারণ,
৪. যুদ্ধ উপকরণ ও যুদ্ধাস্ত্রের পরিমাণ হ্রাস করা,
৫. উপনিবেশগুলোর জনগণের স্বার্থানুসারে উপনিবেশ সম্পর্কিত দাবির বিচার ও কণ্টন করা; ৬. অধিকৃত রুশ অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার;
৭. বেলজিয়াম থেকে সকল সৈন্য প্রত্যাহার ও বেলজিয়ামের সার্বভৌমত্ব পুনঃস্থাপন;
৮. অধিকৃত ফরাসি এলাকা থেকে সকল বৈদেশিক সৈন্য প্রত্যাহার, আলসাস ও লোরেন এলাকায় ফরাসি অধিকার প্রতিষ্ঠা,
৯. পরিচিত জাতীয় সীমারেখা অনুসারে ইতালির সীমানা পুনর্বিন্যাস;
১০. অস্ট্রীয় হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের জনসাধারণের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার দান;
১১. রুমানিয়া, সার্বিয়া ও মন্‌টেনেগ্রো থেকে সেনা অপসারণ, সার্বিয়াকে সামুদ্রিক যোগসূত্র স্থাপনে সুবিধাদান ও বলকান অঞ্চলের দেশগুলোর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ;
১২. তুরস্কের অধীনস্থ সকল জাতিগোষ্ঠীর স্বায়ত্তশাসন দান;
১৩. পোলিশ জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকা নিয়ে স্বাতন্ত্র্য পোল্যান্ড রাষ্ট্র গঠন;
১৪. ক্ষুদ্র ও বৃহৎ সকল রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও রাজ্যসীমার নিরাপত্তা রক্ষার জন্য একটি বিশ্বসংস্থা গঠন। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।