বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

মোট প্রশ্ন১,৩৬৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

PrepBank · পাতা ১০ / ১৪ · ৯০১১,০০০ / ১,৩৬৬

৯০১.
ওপিসিডব্লিউ (OPCW) কোন সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

OPCW:
- এর পূর্ণরূপ: Organization for the Prohibition of Chemical Weapons:
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- সমর্থনকারী দেশ- ১৯৩ টি।
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড।
- স্বাক্ষর করেনি – দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া।
- ইসরাইল স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৭ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- CWC চুক্তির মাধ্যমে কাজ করে।
- পূর্ণ নাম: Convention on the Prohibition of the Development, Production, Stockpiling and Use of Chemical Weapons and on their Destruction

• লক্ষ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ।
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

৯০২.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি (অটোয়া চুক্তি) কার্যকর হয় কবে?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

♦ অটোয়া চুক্তি:
- এটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- চুক্তিটি Anti-Personnel Landmines Convention নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৫টি।
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।

♦ উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও হিউম্যান রাইট ওয়াচ ওয়েবসাইট।

৯০৩.
মূলত কোন দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্ব সমাধানে পারিস্য শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. ভিয়েতনাম
  3. চীন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

পারিস্য শান্তি চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয় ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
- স্থান: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনাম।
- উদ্দেশ্য: ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানো।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান।

উৎস: History Channel.

৯০৪.
যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে পেট্রোডলার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

পেট্রোডলার চুক্তি: 
- যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে পেট্রোডলার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৭৪ সালের ৮ জুন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ডলারভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে এই চুক্তি হয়।
- এর মাধ্যমে সৌদি আরব মার্কিন ডলারেই তেল বিক্রির প্রতিশ্রুতি দেয়।
- ফলে বৈশ্বিক তেলবাজার ডলারনির্ভর হয়ে পড়ে।
- এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে ডলারের আধিপত্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

এছাড়াও, 
- দুই দেশ অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে যৌথ কমিশন গঠন করে। যুক্তরাষ্ট্র সৌদির নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভূমিকা নেয়। সৌদি তেল বিক্রির অর্থ মার্কিন বন্ডে বিনিয়োগ করে। এতে মার্কিন অর্থনীতি স্থিতিশীলতা পায়। এই চুক্তির মাধ্যমে পেট্রোডলার ব্যবস্থা কার্যকর হয়।  

সূত্র: প্রথম আলো ও দৈনিক ইত্তেফাক। 

৯০৫.
অসলো চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১
  2. ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯২
  3. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৯২
  4. ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.
৯০৬.
নিউ ডিল কোন দেশের ইতিহাসের অংশ?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. চীন
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

নিউ ডিল (New Deal):
- নিউ ডিল হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহামন্দার সময়ের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন কর্মসূচি।
- এর প্রবর্তক প্রেসিডেন্ট: ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট (Franklin D. Roosevelt)।
- সময়কাল: ১৯৩৩-১৯৩৯।
- উদ্দেশ্য: বেকারত্ব ও দারিদ্র্য কমানো, শিল্প ও কৃষি পুনর্গঠন।

• প্রধান পদক্ষেপ:
- The Federal Deposit Insurance Corporation (FDIC): ব্যাংকগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- Civilian Conservation Corps (CCC): বেকার যুবকদের কাজ প্রদান।
- Tennessee Valley Authority (TVA): বিদ্যুৎ উৎপাদন ও কৃষকদের সাহায্য।
- ফেডারেল ইমার্জেন্সি রিলিফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FERA): দরিদ্র জনগণের জন্য সহায়তা।
- Securities and Exchange Commission (SEC): স্টক মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য এসইসি প্রতিষ্ঠিত হয়, যাতে আর্থিক প্রতারণা এবং বাজারের অস্থিতিশীলতা কমানো যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯০৭.
'ডাম্বারটন ওকস' সম্মেলনে গৃহীত হয় -
  1. একটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত গঠন
  2. এগারো সদস্যের একটি নিরাপত্তা পরিষদ গঠন
  3. জাতিসংঘ গঠনের রূপরেখা নির্ধারণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডাম্বারটন ওকস সম্মেলন:
- ওয়াশিংটনের ডাম্বারটন ওকস ভবনে ২১ আগস্ট- ৭ অক্টোবর, ১৯৪৪ পর্যন্ত জাতিসংঘ গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- এটি 'Dumbarton Oaks Conference' নামে পরিচিত।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন উপস্থিত ছিলো। 
- এ সম্মেলনে কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়।

গৃহীত প্রস্তাবগুলো হলো:
- জাতিসংঘ গঠনের রূপরেখা, লক্ষ্য ও দায়িত্ব নির্ধারণ, 
- সমস্ত সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সাধারণ পরিষদ,
- এগারো সদস্যের একটি নিরাপত্তা পরিষদ (যার মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী হবে এবং বাকি ছয়টি সাধারণ পরিষদ দ্বারা দুই বছরের মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হবে),
- একটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত,
- একটি সচিবালয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট ও Britannica.
৯০৮.
'সুগাউলি চুক্তি' কোন দুইটি দেশের মধ্যকার স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ব্রিটিশভারত ও আফগানিস্তান
  2. খ) চীন ও ব্রিটিশভারত
  3. গ) ব্রিটিশভারত ও নেপাল
  4. ঘ) চীন ও জাপান
ব্যাখ্যা
১৮১৬ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারত এবং নেপালের মধ্যে কালাপানি ভূখন্ড নিয়ে সুগাউলি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।
- যেখানে কালি নদীকে ভারত সংলগ্ন দক্ষিণ নেপালের অংশ বলে স্বীকার করা হয় ।
- কিন্তু পরবর্তীতে এই ম্যাপটি ব্রিটিশ জরিপকারীদের দ্বারা উপকৃত হলে সেখানে নদীটির সীমানাকে আলাদা করে দেখানো হয় ।
- এই নিয়ে বর্তমানে ভারত ও নেপালের মধ্যে বিবাদ চলমান।

সূত্র: ব্রিটানিকা 
৯০৯.
গুড ফ্রাইডে চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. বেলফাস্টে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উন্নয়ন
  2. পারমাণবিক অস্ত্র সীমিত করা
  3. উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠা
  4. ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

বেলফাস্ট চুক্তি:
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম গুড ফ্রাইডে' চুক্তি বা Good Friday Agreement.
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী: লর্ড ট্রিম্বল (যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাবেক ফার্স্ট মিনিস্টার)।
- গুড ফ্রাইডে' চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠা।

⇒ শুক্রবারে সই হওয়ায় এটি গুড ফ্রাইডে চুক্তি (জিএফএ) নামেই বেশি পরিচিতি।
- এই চুক্তির শর্তানুযায়ী, উত্তর আয়ারল্যান্ডে সরকার পরিচালনায় প্রোটেস্ট্যান্ট ও ক্যাথলিকদের মধ্যে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে সরকার গঠনের বিধান গৃহীত হয়। সেই সঙ্গে যুক্তরাজ্যের একটি অংশ হিসেবে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাংবিধানিক মর্যাদা স্বীকার করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি সংযুক্ত আয়ারল্যান্ড গঠন করার একটি নীতিও গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯২১ সালে যুক্তরাজ্যের অংশ হিসেবে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের যাত্রা শুরু হয়। সে সময় আয়ারল্যান্ডের বাকি অংশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে অঞ্চলটির জনগণ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এক দল আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে একত্রিত হতে চেয়েছিল, আরেক দল চেয়েছিল যুক্তরাজ্যের অংশ হয়েই থাকতে। বিষয়টি নিয়ে প্রায় ৩০ বছরের সহিংস সংঘর্ষের অবসান ঘটেছিল গুড ফ্রাইডে চুক্তির মাধ্যমে। এই সংঘর্ষে প্রাণ হারায় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষ।

উৎস: Britannica.

৯১০.
START চুক্তি মূলত কোন ধরণের অস্ত্র হ্রাসের জন্য গৃহীত হয়েছিল?
  1. জৈব অস্ত্র
  2. রাসায়নিক অস্ত্র
  3. পারমাণবিক কৌশলগত অস্ত্র
  4. ভূমি মাইন
ব্যাখ্যা

START চুক্তি:
- START-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Reduction Treaty।
- এটি হলো কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা কমানো এবং যুদ্ধের ঝুঁকি হ্রাস করা।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

⇒ এটি দুটি মূল চুক্তি অন্তর্ভুক্ত:
- START-I (৩১ শে জুলাই ১৯৯১): এই চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন পরমাণু আক্রমণ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর জন্য সম্মত হয়েছিল। চুক্তিটি ২০০৯ সালে শেষ হয়।

- START-II (৩ জানুয়ারি ১৯৯৩): এটি START I-এর পরে আরো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল, কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার কারণে এটি কার্যকর হয়নি।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে, New START চুক্তি (২০১০ সালে স্বাক্ষরিত) কার্যকর রয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের একটি আধুনিক সংস্করণ।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।

৯১১.
আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তি প্রস্তাব করে কোন দেশ? 
  1. ইসরাইল
  2. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. তুরস্ক 
  4. ফিলিস্তিন 
ব্যাখ্যা

• আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তি:
⇒ আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তি হল ইসরায়েল এবং বেশ কয়েকটি মুসলিম রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য ২০২০ সালে স্বাক্ষরিত একাধিক চুক্তির সিরিজ। এর মধ্যে রয়েছে ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত , বাহরাইন এবং মরক্কোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি । কাজাখস্তানও আব্রাহিম চুক্তিতে যোগ দিতে সম্মত হয়েছে।

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের সাথে আবর দেশগুলো শান্তি স্থাপনের অংশ হিসেবে আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

- ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউজে ইসরাইল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও যুক্তরাষ্ট্র আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরাইলকে স্বীকৃতি ও দেশটির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হয়।

তথ্যসূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট এবং ব্রিটানিকা। 

৯১২.
ABM চুক্তির বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
  2. ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি
  3. রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি
  4. পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তি বাতিল হয়: ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
৯১৩.
যুক্তরাষ্ট্র নিচের কোন চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহার করেনি?
  1. ক) ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ
  2. খ) ইরানের সাথে পারমানবিক চুক্তি
  3. গ) জাতিসংঘের অস্ত্র বাণিজ্য চুক্তি
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্র নাম প্রত্যাহার করে নিম্নোক্ত চুক্তি থেকেঃ
১) ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (TPP) চুক্তি
২) প্যারিস জলবায়ু চুক্তি
৩) ইরানের সাথে পারমাণবিক চুক্তি
৪) ইরানের সাথে মৈত্রী চুক্তি
৫) ভিয়েনা কনভেনশনের ঐচ্ছিক বিধান
৬) Intermediate Range Nuclear Forces Treaty
৭) জাতিসংঘের অস্ত্র বাণিজ্যচুক্তি (ATT)

৯১৪.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি (অটোয়া) অনুমোদনকারী দেশ কয়টি? (জুলাই, ২০২৫)
  1. ১৬৫টি
  2. ১৬৬টি
  3. ১৬৭টি
  4. ১৬৮টি
ব্যাখ্যা
অটোয়া চুক্তি:
- এটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- চুক্তিটি Anti-Personnel Landmines Convention নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৫টি। (জুলাই, ২০২৫)
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও হিউম্যান রাইট ওয়াচ ওয়েবসাইট। (লিংক)
৯১৫.
নিচের কোন দেশটি 'NPT' চুক্তিতে যোগ দেয় নি? (জানুয়ারি, ২০২৫)
  1. চীন
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ইসরায়েল
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
⇒ ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি।
- কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।

⇒ উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
৯১৬.
CTBT এর পূর্ণরূপ -
  1. Complete Nuclear Test Ban Treaty
  2. Chemical Nuclear Test Ban Treaty
  3. Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty
  4. Chronic Nuclear Test Ban Treaty
ব্যাখ্যা

• CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরের স্থান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। (জাতিসংঘ সদর দপ্তরে)
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৮ মার্চ, ২০০০

• CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

তথ্যসূত্র:
i) Arms Control AssociationLink
ii) UN Treaty CollectionLink
iii) US Department of States Link

৯১৭.
কোন চুক্তির ফলে মিশরকে আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো?
  1. ডেটন চুক্তি
  2. অসলো চুক্তি
  3. উই রিভার চুক্তি
  4. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ইসরাইল ও মিশর এই দুইটি দেশের মধ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত অবকাশ যাপন কেন্দ্ৰ ক্যাম্প ডেভিডে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৯১৮.
’Pact of Paris’ নামে পরিচিত চুক্তিটি কোন বছর স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ১৯২৮ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৯৩৯ সালে
ব্যাখ্যা
• Pact of Paris:
- Pact of Paris যা Kellogg–Briand Pact নামেও পরিচিত।
- একটি আন্তর্জাতিক শান্তিচুক্তি, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রগুলো যুদ্ধকে একটি রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে পরিত্যাগ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়।
- চুক্তির নাম: Pact of Paris / Kellogg–Briand Pact।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ২৭ আগস্ট, ১৯২৮।
- কার্যকর হয়: ২৪ জুলাই, ১৯২৯।
- মূল উদ্যোক্তা: Frank B. Kellogg (যুক্তরাষ্ট্র) ও Aristide Briand (ফ্রান্স)।
- স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রের সংখ্যা: শুরুতে ১৫টি, পরে বেড়ে দাঁড়ায় ৬২টি।

• চুক্তির লক্ষ্য:
- আন্তর্জাতিক বিরোধে যুদ্ধ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা;
- শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা সমাধান নিশ্চিত করা;
- বিশ্বজুড়ে নিরস্ত্রীকরণ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রতিষ্ঠা।

উৎস: Britannica.
৯১৯.
১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) সিমলা চুক্তি
  2. খ) আলজিয়ার্স চুক্তি
  3. গ) তাসখন্দ চুক্তি
  4. ঘ) অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধে তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উজবেকিস্তানের তাসখন্দ শহরে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
তাসখন্দ চুক্তিতে ভারতের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান স্বাক্ষর করেন।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
৯২০.
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC) কার্যকর হয়- 
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ এবং তাদের ধ্বংস সংক্রান্ত কনভেনশন। 
- কনভেনশনটি ১৯৯৩ সালে প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭।
- এটি প্রথম আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি।
- যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ শ্রেণির গণবিধ্বংসী অস্ত্র নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করে।

উল্লেখ্য,
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সীমিত করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তিটি ১৬৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়,
- যখন ফ্রান্স এবং জার্মানি স্ট্রাসবার্গে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তিতে পৌঁছায়, যেখানে বিষ বুলেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: OPCW website.
৯২১.
শস্য চুক্তি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. তুরস্ক-রাশিয়া
  2. ইউক্রেন-রাশিয়া
  3. ইউক্রেন-বেলারুশ
  4. তুরস্ক-ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণসাগর শস্য চুক্তি
- ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন ২০২২ সালের জুলাই মাসে ইউক্রেন-রাশিয়া চুক্তিটি স্বাক্ষর করে।
- জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় তুরস্কের ইস্তাম্বুলে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য রপ্তানি সহজিকীকরণে এই চুক্তি করা হয়।
- এই চুক্তির ফলে ইউক্রেনের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর ওডেসা, চেরনোমোর্স্ক ও ইজুনি দিয়ে শস্য রপ্তানির পথ কিছুদিনের জন্য সহজ হয়েছিল।
- বাংলাদেশে গমের চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ আসে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে।
- বিশ্বব্যাপী চলমান খাদ্য সংকট মোকাবিলায় চুক্তিটি প্রতি ২ মাস পরপর নবায়নের কথা ছিল।
- ১৭ জুলাই, ২০২৩ এর পরে চুক্তিটি আর নবায়ন করা হয়নি।

সূত্র - ডেইলি স্টার।
৯২২.
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কত তারিখে?
  1. ক) ১০ অক্টোবর
  2. খ) ১০ নভেম্বর
  3. গ) ১০ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা গৃহীত হয়। এতে সর্বমোট ৩০টি ধারা আছে। এই চুক্তি স্বাক্ষরের পরেই ১০ ডিসেম্বরকে মানবাধিকার দিবস ঘোষণা করা হয়। জাতিসংঘের সদর দপ্তরের এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটি প্রস্তুত করেন নোবেল বিজয়ী ওরেন ক্যাসিন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৯২৩.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের “Thirty years’ war” এর সমাপ্তি ঘটে?
  1. ভারসাই চুক্তি, ১৯১৯
  2. ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি, ১৬৪৮
  3. প্যারিস চুক্তি, ১৭৮৩
  4. লুজান চুক্তি, ১৯২৩
ব্যাখ্যা
Thirty years war:
- ইউরোপে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধের সর্বশেষ উদাহরণ ছিলো ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ।
- প্রোটেস্টান্ট জার্মানির উপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গের-এর প্রভাব অক্ষুন্ন রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গকে পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করা এসব নিয়েই যুদ্ধ প্রলম্বিত হতে থাকে।
- ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা, নিজেদের উচ্চাকাংক্ষা এবং প্রাধান্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের সকল দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

⇒ ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

উৎস: i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২৪.
নিচের কোন দুটি মুসলিম দেশ 'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে স্বাক্ষর করে?
  1. ইরান ও ইরাক
  2. পাকিস্তান ও সৌদি আরব 
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  4. সৌদি আরব ও আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

• কৌশলগত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি:
- গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পাকিস্তান ও সৌদি আরব একটি 'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে স্বাক্ষর করেছে।
- সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, 'কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে'।
- সৌদি আরব ও পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির পর আরব ন্যাটো বা মুসলিম ন্যাটোর ধারণা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। 

উৎস: পত্রিকা প্রতিবেদন।

৯২৫.
ইরান ও ছয় জাতির মধ্যে পরমাণু চুক্তি পুনর্বহালের লক্ষ্যে কোথায় সংলাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে?
  1. জেনেভা
  2. দোহা
  3. বার্লিন
  4. ভিয়েনা
ব্যাখ্যা
- পরমাণু ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি দেশ ও জার্মানির সাথে ইরান সরকার ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই Joint Comprehensive Plan Of Action (JCPOA) চুক্তি স্বাক্ষর (কার্যকর হয় ১৬ জানুয়ারি ২০১৬) করেছিলো।
- এই চুক্তিতে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সীমিতকরণ ও IAEA এর নজরদারিতে আনা এবং ইরানের উপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়।
- কিন্তু সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেয় এবং ইরানের উপর সকল নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করে। ফলে ইরানের পরমাণু ইস্যু নিয়ে স্থবিরতা দেখা দেয়।
- জো বাইডেন দায়িত্ব গ্রহণের পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রকে পরমাণু চুক্তিতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এর অংশ হিসেবে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরানের সাথে চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো সাত দফা সংলাপ অনুষ্ঠিত। এই সংলাপ প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে।
(তথ্যসূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড ও আল জাজিরা)
৯২৬.
বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে -
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (এপ্রিল, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
⇒ ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি।
- কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।

⇒ উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
৯২৭.
ইরানের পক্ষে আলজিয়ার্স চুক্তিতে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আয়াতুল্লাহ খোমেনি
  2. শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী
  3. হাসান রুহানি
  4. মোহাম্মদ খাতামি
ব্যাখ্যা

- শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী – ইরানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

আলজিয়ার্স চুক্তি: 
-আলজিয়ার্স চুক্তির সাথে সম্পৃক্ত দেশ দুটি হলো ইরাক ও ইরান।
- চুক্তিটি ১৩ জুন ১৯৭৫ সালে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে স্বাক্ষরিত হয়।
- আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় শাত-ইল-আরব নদীকে কেন্দ্র করে সীমান্ত বিরোধ নিরসনের লক্ষ্যে এটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য, 
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এতে স্বাক্ষর করেন। তবে, ১৯৮০ সালে ইরাক ইরানে আক্রমণ করলে এই চুক্তি কার্যকারিতা হারায়। পরবর্তীতে এই ঘটনা ইরান-ইরাক যুদ্ধের সূচনা করে।
 
সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি.কম।

৯২৮.
সিমলা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন -
  1. ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো
  2. ইন্দিরা গান্ধী ও আইয়ুব খান
  3. রাজীব গান্ধী ও বেনজির ভুট্টো
  4. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো
ব্যাখ্যা
• সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।
৯২৯.
পশ্চিম ইউরোপ পুনর্গঠন বিষয়ক মার্শাল প্লান কবে চালু হয়?
  1. ক) ১৯৪৬ সালে
  2. খ) ১৯৪৮ সালে
  3. গ) ১৯৫০ সালে
  4. ঘ) ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপ পুর্নগঠনের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত আর্থিক প্রণোদনা মার্শাল প্লান বা মার্শাল পরিকল্পনা নামে পরিচিত। তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ সি. মার্শাল এটি প্রণয়ন করেন। ১৯৪৮ সালের ৩ এপ্রিল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান এতে স্বাক্ষর করেন। ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত চারবছর মেয়াদি এই পরিকল্পনায় ১৫ বিলিয়নের মার্কিন ডলারের অধিক বরাদ্দ দেওয়া হয় যার বেশিরভাগই পায় ব্রিটেন এবং ফ্রান্স। ইউরোপ পুর্নগঠনের পাশাপাশি মার্শাল প্লানে পশ্চিম ইউরোপে কমিউনিজমের বিস্তার রোধ, ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষর, সিআইএ এর কর্মপরিধি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিহিত ছিলো। (সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৯৩০.
ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (ABM Treaty) বাতিল হয় কবে?
  1. ২০০০ সাল
  2. ২০০১ সাল
  3. ২০০২ সাল
  4. ২০০৩ সাল
ব্যাখ্যা

Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।

৯৩১.
অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ নামে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কোন দুটি দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো
  2. যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স
  3. স্পেন, মরক্কো
  4.  ইতালি, গ্রিস
ব্যাখ্যা

• ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ নীতি:
- যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স ২০২৫ সালে একটি “one in, one out” অভিবাসন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার আওতায় UK-তে অনিয়মিতভাবে প্রবেশকারীদের ফ্রান্সে ফেরত পাঠানো হবে এবং বদলে ফ্রান্স থেকে সমান সংখ্যক অভিবাসী (যারা বৈধভাবে আসার যোগ্য) যুক্তরাজ্যে নেওয়া হবে।
• বাস্তবায়ন ও বর্তমান অবস্থা:
প্রথম ফেরত পাঠানো:
- ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রথম অভিবাসীকে যুক্তরাজ্য থেকে ফ্রান্সে ফেরত পাঠানো হয়। 
প্রথম গ্রহণ:
- ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ফ্রান্স থেকে প্রথম পরিবারকে যুক্তরাজ্যে গ্রহণ করা হয়।

উৎস: গার্ডিয়ান পত্রিকা ও এপি নিউজ।

৯৩২.
কোন দেশ Biological Weapons Convention-এ স্বাক্ষর করেনি?
  1. চাদ
  2. ইসরায়েল
  3. ইরিত্রিয়া
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
Biological Weapons Convention:
- জৈবিক অস্ত্র কনভেনশন বা Biological Weapons Convention (BWC) হলো একটি আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা জৈব অস্ত্র নিষিদ্ধ করে। 
- ১৯৬৯ সালে শুরু হওয়া জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ ফোরামে আলোচনা ও সমঝোতার পর ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয়: ২৬মার্চ, ১৯৭৫ সালে।
- সদস্য দেশ: ১৮৩টি।
- দশটি রাষ্ট্র Biological Weapons Convention-এ স্বাক্ষর করেনি।
- এগুলো হলো: চাদ, কমোরোস, জিবুতি, ইরিত্রিয়া, ইসরাইল, কিরিবাতি, মাইক্রোনেশিয়া, নামিবিয়া, দক্ষিণ সুদান এবং টুভালু।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৯৩৩.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. সিমলা চুক্তি
  2. সিন্ধু জল চুক্তি
  3. লাহোর চুক্তি
  4. লক্ষ্ণৌ চুক্তি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- মূলত বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ৯৩ হাজার পাকিস্তানী সেনাদের ভারত বন্দী বানিয়ে নিয়ে যায় তাদের দেশে।
- আর তখন পাকিস্তান ভেঙ্গে হয়ে গেল বাংলাদেশ ।
- সিমলা চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তানী ৯৩ হাজার বন্দী সেনাদের ভারত ছেড়ে দিল, এই শর্তে যে তাদের বিচার পাকিস্তান নিজেই করবে যারা পূর্বপাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশে যুদ্ধকালীন অপরাধে জড়িত ছিল।
- এই চুক্তিতে ভারত ও পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরে স্থিতাবস্থা স্থাপনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।

অন্যদিকে,
- ‘ইন্ডাস ওয়াটার ট্রিটি’ (সিন্ধু জল চুক্তি) নামে পরিচিত এই সমঝোতাটি ১৯৬০ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 

উৎস: i) Ministry of External Affairs.
          ii) UN Peacemaker.
৯৩৪.
তাসখন্দ চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. কাজাকিস্তান
  2. আফগানিস্তান
  3. উজবেকিস্তান
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
• তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

সূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।
৯৩৫.
'অটোয়া চুক্তি' কবে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।
- এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে এবং অনুমোদন করে ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৯৩৬.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট
  2. বার্লিন, জার্মানি
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. রোম, ইতালি
ব্যাখ্যা
• ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি ১৯৭৮:
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৭ সেপ্টেম্ব, ১৭৮ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান, মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- পক্ষসমূহ-মিসর-ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী- মিসরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন।
- মধ্যস্থতাকারী- তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- উদ্দেশ্য- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার রূপরেখা নিরূপণ এবং শান্তি স্থাপন।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
৯৩৭.
কূটনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশন কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৫১ সাল
  2. ১৯৬১ সাল
  3. ১৯৬৬ সাল
  4. ১৯৮৬ সাল
ব্যাখ্যা
কূটনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশন (Vienna Convention on Diplomatic Relations): 
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১ সাল। 
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪ (ধারা ৫১ অনুযায়ী)। 
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৬০টি । 
- পক্ষ: ১৯৩টি দেশ। 
- এই কনভেনশনটি ১৯৬১ সালের ১৪ এপ্রিল জাতিসংঘের উদ্যোগে ভিয়েনা শহরের Neue Hofburg-এ অনুষ্ঠিত "Diplomatic Intercourse and Immunities" সম্মেলনে গৃহীত হয়।
- এই কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের মৌলিক ভিত্তি, যা রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে কূটনৈতিক মিশন ও কূটনীতিকদের অধিকার, দায়মুক্তি ও দায়িত্ব নির্ধারণ করে।

উৎস: United Nations Treaty Collection ওয়েবসাইট।
৯৩৮.
CEDAW সনদ মূলত কী প্রতিরোধে গৃহীত হয়?
  1. যুদ্ধাপরাধ
  2. পরিবেশ দূষণ
  3. শিশু নির্যাতন
  4. নারীর প্রতি বৈষম্য
ব্যাখ্যা

CEDAW:
- CEDAW-এর পূর্ণরূপ: Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women বা নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন।
- গৃহীত হয়: ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে।
- সনদ স্বাক্ষর শুরু হয়: ১ মার্চ, ১৯৮০।
- কার্যকর হয়: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১।
- বাংলাদেশ CEDAW অনুমোদন করে: ৬ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে।

⇒ CEDAW সনদে মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ আছে। অনুচ্ছেদ ৩ ভাগে বিভক্ত। যথা:
- প্রথম ভাগ (১-১৬): নারী পুরুষের সমতা সর্ম্পকিত,
- দ্বিতীয় ভাগ (১৭-২২): এর কর্মপন্থা ও দায়িত্ব বিষয়ক,
- তৃতীয় ভাগ (২৩-৩০): প্রশাসনিক বিষয়।

উৎস:
i) UN ওয়েবসাইট।
ii) CEDAW South Asia ওয়েবসাইট।

৯৩৯.
'পিস অব প্যারিস' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৭৬৮ সালে
  2. ১৭৭৩ সালে
  3. ১৭৮৩ সালে
  4. ১৭৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
প্যারিস চুক্তি (Treaty of Paris):
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, এদেরকে একত্রে প্যারিস চুক্তি বা পিস অব প্যারিস বলে।
- ১৭৮৩ সালে প্যারিসে বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে চারটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিবাদমান পক্ষগুলোর (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস্) মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

⇒ ১৭৭৮ সাল থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস-এর প্রতিনিধিরা শান্তি আলোচনা শুরু করে।
- এই প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন জন এডামস, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন জে, থমাস জেফারসন ও হেনরি লরেন্স।
- ১৭৮২ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে ঐক্যমত্যে পৌঁছান এবং চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করেন।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৩ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা: ৪টি।
- যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন এডামস ও জন জে এবং যুক্তরাজ্যের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য,
- 'প্রথম ভার্সাই চুক্তি'টি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ।
- ৪টি চুক্তির ২টি প্যারিসে এবং দুইটি ভার্সাইতে স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তির পক্ষসমূহ:
- প্রথম পক্ষ: যুক্তরাজ্য,
- দ্বিতীয় পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন, নেদারল্যান্ড।

উৎস: History.com
৯৪০.
‘কার্টাগেনা প্রটোকল’ কোন শহরে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) জেনেভা
  3. গ) মন্ট্রিয়াল
  4. ঘ) হেলসিংকি
ব্যাখ্যা
- ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে অনুষ্ঠিত জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক কনভেনশনে জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক ‘কার্টাগেনা প্রটোকল’ গৃহিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর।
- চুক্তিটিতে ১০৩টি দেশ স্বাক্ষর করলেও এটির অংশীদার ১৭৩টি দেশ।
- বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৪ মে এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০০৪ সালের ৫ মে এটি কার্যকর করে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৯৪১.
TRIPS agreement prepared on -
  1. Bilateral trade
  2. Climate
  3. Peace
  4. Patent
  5. None of these
ব্যাখ্যা
TRIPS হলো মেধাস্বত্ব (Patent) বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।

TRIPS:
- TRIPS এর পূর্ণরূপ: Trade Related Aspects of Intellectual Property Rights.
- এটি হলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা গৃহিত বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের মেধাস্বত্ব বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- এটি ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে মরক্কোর মারাক্কাশে গৃহিত হয়।
- ১৯৯৫ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- উন্নয়নশীল ও এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর জন্যে TRIPS চুক্তি কার্যকরের রেয়াত সুবিধা প্রদান করা হয়।
- স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট মেধাস্বত্ব (TRIPS) চুক্তি রহিতের সুবিধা আরও ১৩ বছর (১ জুলাই, ২০৩৪ পর্যন্ত) বাড়ানো সংক্রান্ত প্রস্তাব সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় WTO'র TRIPS কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট।
৯৪২.
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC) কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৯৬ সাাল
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
কনভেনশনটি ১৯৯৩ সালে প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭।
এটি প্রথম আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ শ্রেণির গণবিধ্বংসী অস্ত্র নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করে

উল্লেখ্য,
রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সীমিত করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তিটি ১৬৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন ফ্রান্স এবং জার্মানি স্ট্রাসবার্গে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তিতে পৌঁছায়, যেখানে বিষ বুলেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: opcw website.

৯৪৩.
জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন
  2. ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
  3. ১৯৪৫ সালের ২৬ অক্টোবর
  4. ১৯৪৫ সালের ২৪ জুন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সনদ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ।
- এটি জাতিপুঞ্জের উত্তরসূরি।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয় : ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়- ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১ টি।
- বর্তমান সদস্য- ১৯৩ টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- সনদে মোট অনুচ্ছেদ: ১১১টি।
- সনদ সংশোধন: ৩ বার।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য পোল্যান্ড সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে উপস্থিত ছিল না।
- ৫১তম দেশ হিসেবে পোল্যান্ড ১৯৪৫ সালের ১৫ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে।

উৎস: Britannica.
৯৪৪.
'অকাস চুক্তি' কোন তিনটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং যুক্তরাজ্য
  3. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
- অকাস চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- এই চুক্তিটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা ও প্রভাব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- মূলত বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের প্রভাব মোকাবেলার জন্যই নতুন এই অকাস জোট গঠন করা হয়েছে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।

তথ্যসূত্র: U.S. Department of Defense website.
৯৪৫.
নিচের কোন তারিখে পিএলও-ইসরাইল পারস্পরিক স্বীকৃতি দলিলে স্বাক্ষর করে?
  1. ১০ সেপ্টম্বর, ১৯৯৩
  2. ১১ সেপ্টম্বর, ১৯৯৩
  3. ১৩ সেপ্টম্বর, ১৯৯৩
  4. ২০ সেপ্টম্বর, ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: হোয়াইট হাউস, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী: ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিন।
- অসলো চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল ইসরায়েলের পাশে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রেরর প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

⇒ নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- এই চুক্তির জন্য ইয়াসের আরাফাত এবং তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন নোবেল শান্তি পুরষ্কারও পেয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।
- শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।
- কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে গাজা শাসন করে আসছে কট্টরপন্থী ফিলিস্তিনি দল হামাস।
- ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের অনেকবার যুদ্ধ হয়েছে।
- আবার গাজার সীমান্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েল এবং মিশর, যাতে হামাসের কাছে কোন অস্ত্র পৌঁছাতে না পারে।

উৎস: i) BBC।
ii) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৯৪৬.
জেনেভা কনভেনশনে কতটি প্রটোকল রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ২টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

​মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।উল্লেখ্য,
কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

​⇒ প্রটোকলসমূহ:
প্রটোকল- ১:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
প্রটোকল- ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
প্রটোকল- ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

৯৪৭.
এন্টার্কটিক ট্রিটি সিস্টেম -১৯৫৯ স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. লন্ডন
  2. সান্টিয়াগো
  3. ওয়াশিংটন
  4. ভিয়েনা
ব্যাখ্যা
• Antarctic Treaty:
- এন্টার্কটিক ট্রিটি সিস্টেম (Antarctic Treaty System) ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত হয় ১ ডিসেম্বর ১৯৫৯ সালে।
- এই চুক্তি প্রথমে ১২ টি দেশ স্বাক্ষর করে কিন্তু বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ৫৬।
- এটি ১৯৬১ সালে কার্যকর হয় ।

উৎস: Antarctic Treaty ওয়েবসাইট।
৯৪৮.
The Regional Comprehensive Economic Partnership চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৯টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ১২টি
  4. ঘ) ১৫টি
ব্যাখ্যা
RCEP (The Regional Comprehensive Economic Partnership) হলো বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য।
গত ১৫ নভেম্বর ২০২০ ভিয়েতনামের হ্যানয়ে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৫টি দেশের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি চুক্তিটি কার্যকর হয়।
চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মোট জিডিপি বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় ৩০ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং আসিয়ান ওয়েবসাইট)
৯৪৯.
ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব নিরসনে প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৯
  2. খ) ১৯৭৪
  3. গ) ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
প্যারিস শান্তি চুক্তি
• দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।
• চুক্তি স্বাক্ষরকাল - ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সাল।
• স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
• চুক্তির পক্ষসমূহ - যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
• ফলাফল - ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।
• প্যারিস শান্তি চুক্তির স্বাক্ষরের আগে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লে ডুচ থো (Lê Đức Thọ) ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হেনরি কিসিঞ্জার আলোচনা করেন এবং চুক্তির খসড়া প্রণয়ন করেন। এর সূত্র ধরে দুই জনকেই ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।  

৯৫০.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে কোন চুক্তিটি গৃহীত হয়েছে?
  1. NPT চুক্তি
  2. NRT চুক্তি
  3. CTBT চুক্তি
  4. CWC চুক্তি
ব্যাখ্যা
Non-Proliferation Treaty - NPT:
- নন-প্রোলিফারেশন ট্রিটি (NPT) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ, এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য গৃহীত হয়েছে।
- এটি ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ কার্যকর হয়।
- NPT-তে বর্তমানে ১৯১টি দেশ অংশগ্রহণ করেছে।
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল এই চুক্তিতে যোগ দেয়নি।
- উত্তর কোরিয়া চুক্তি থেকে সরে গেছে।
- বাংলাদেশ ১৯৭৯ সালে NPT-তে যোগ দেয়। এটি দেশের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে।
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে বৈশ্বিক প্রচেষ্টার ভিত্তি।
- IAEA-এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর কার্যক্রম মনিটর করা হয়।

উল্লেখ্য,
- রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি (Chemical Weapons Convention) রাসায়নিক অস্ত্র উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা সম্পর্কিত।
- CTBT হল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধ করে। 

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট। 
IAEA ওয়েবসাইট। 
Arms Control Association ওয়েবসাইট। 
৯৫১.
কোন শহরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে শান্তিচুক্তি সাক্ষরিত হয়?
  1. দোহা
  2. নিউইয়র্ক
  3. জেনেভা
  4. ইসলামাবাদ
ব্যাখ্যা
কাতারের রাজধানী দোহায় ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান গোষ্ঠী ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে চলা আফগান যুদ্ধ অবসানকল্পে এই চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এতে আমেরিকার পক্ষে জালমি খলিলজাদ এবং তালেবানের পক্ষে সংগঠনটির রাজনৈতিক শাখার প্রধান মোল্লা আব্দুল গানি স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আগামী ১৪ মাসে আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা তার সৈন্য প্রত্যাহার করবে।
(সূত্রঃ সিএনএন)
৯৫২.
বেলফোর ঘোষণা কোন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত?
  1. ফিলিস্তিন
  2. লিবিয়া
  3. ইসরায়েল
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা:
- বেলফোর ঘোষণা হলো ব্রিটিশ ইহুদি সম্প্রদায়ের একজন নেতা ব্যারন রথচাইল্ডের কাছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোরের লেখা একটি চিঠি।
- বেলফোর ঘোষণার সাথে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- তিনি ফিলিস্তিনে একটি আলাদা রাষ্ট্র তৈরির প্রস্তাব দেন।
- ঐ চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটি বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯২২ সালে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) বেলফোর ঘোষণা অনুমোদন করে।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরায়েল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখন্ডে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৯৫৩.
পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. NPT
  2. CTBT
  3. CWC
  4. START
ব্যাখ্যা
NPT চুক্তি বা পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি: 
- পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons - NPT) হলো পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই ১৯৬৮ সালে। 
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে।
- যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং আরও ৫৯টি দেশ প্রথম পর্যায়ে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- পরমাণু শক্তিধর তিনটি দেশ (যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন) চুক্তির আওতায় প্রতিশ্রুতি দেয় যে তারা অন্য দেশকে পরমাণু অস্ত্র উৎপাদনে সহায়তা করবে না।
- চুক্তির মেয়াদ শুরুতে ২৫ বছর নির্ধারণ করা হলেও, ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘের সদর দফতরে ১৭৪টি দেশের সম্মতিতে এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়।
- ভারত, ইসরায়েল, এবং পাকিস্তান কখনও এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি, এবং উত্তর কোরিয়া স্বাক্ষর করার পর পরবর্তীতে চুক্তি থেকে সরে যায়।
- পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- অনেক দেশ পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত থেকেছে এবং পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছে।
- তবে, কিছু দেশ চুক্তির বাইরে থেকে পরমাণু কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক নিরাপত্তা উদ্বেগ থেকে যায়।
- NPT বিশ্বব্যাপী পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ, তবে এর কার্যকারিতা এখনো চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন।

উৎস: Britannica.
৯৫৪.
GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
  1. Uruguay Round
  2. Tokyo Round
  3. Kennedy Round
  4. Dillon Round
  5. Annecy Round
ব্যাখ্যা

GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

৯৫৫.
জেনেভা কনভেনশন নিম্নের কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
  2. নারী অধিকার
  3. পরিবেশ সুরক্ষা আইন
  4. যুদ্ধবন্দিদের সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন মূলত যুদ্ধকালীন আক্রান্ত মানুষের সুরক্ষা ও মানবিক আচরণের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়। 

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

৯৫৬.
বাংলাদেশ কবে ‘পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ’ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে?
  1. ক) ৭ জুলাই ২০১৭
  2. খ) ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  3. গ) ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  4. ঘ) ২২ জানুয়ারি ২০২১
ব্যাখ্যা
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি গৃহিত হয়।
- চুক্তিটি ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়। ৫০তম দেশ হিসেবে হন্ডুরাস গত ২৪ অক্টোবর ২০২০ চুক্তিটি অনুমোদন করায় ২০২১ সালের ২২শে জানুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
- চুক্তিটিতে বর্তমান পর্যন্ত ৮৬টি দেশ স্বাক্ষর করেছে।
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৯৫৭.
আজারবাইজান-আর্মেনিয়া শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ৯ ডিসেম্বর ২০২০
  2. ৮ নভেম্বর ২০২০
  3. ৮ ডিসেম্বর ২০২০
  4. ৯ নভেম্বর ২০২০
ব্যাখ্যা

প্রতিবেশী দুই দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া‌র মধ্যে দক্ষিণ ককেশাসের বিতর্কিত অঞ্চল নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো।
- বিবাদপূর্ণ নাগার্নো-কারাবাখের মালিকানা ঘিরে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া।
- ৯ নভেম্বর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই অঞ্চলের প্রধান সম্পদ- দস্তা, কয়লা, স্বর্ণ, মার্বেল, চুনা পাথর ও প্রাকৃতিক ঝরণা।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

৯৫৮.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে কোন আরব দেশ প্রথমবারের মতো ইসরায়েল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. জর্ডান
  2. মিশর
  3. লেবানন
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords):
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

⇒ ফলাফল:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে মিশর প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।
- সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে।
- সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- Camp David চুক্তি ও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী আরব রাষ্ট্র জর্ডান ও মিশর।
- ১৯৯৪ সালে Israel-Jordan Peace Treaty স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্বিতীয় আরব রাষ্ট্র হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির পরোক্ষ ফলাফল হিসেবে)।
- ১৯৯৪ সালের চুক্তির মাধ্যমে জর্ডান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।

এছাড়াও,
- সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো, সুদান ২০২০ সালে Abraham Accords-এর মাধ্যমে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির সরাসরি ফল নয়)।

উৎস: Britannica.

৯৫৯.
ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন কে?
  1. বিল ক্লিন্টন
  2. জেমস ম্যাডিসন
  3. উইলিয়াম হেনরি
  4. জন টাইলার
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি:
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৯৬০.
‘ওয়েটাঙ্গি চুক্তি’ (১৮৪০) কারা স্বাক্ষর করেছিল?
  1. নিউজিল্যান্ড সরকার ও চীন
  2. ব্রিটিশ সরকার ও অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসী
  3. ব্রিটিশ সরকার ও মাওরি জনগণ
  4. মাওরি জনগণ ও ফরাসি উপনিবেশবাদী
ব্যাখ্যা
ওয়েটাঙ্গি চুক্তি (Waitangi Treaty):
- ১৮৪০ সালে নিউজিল্যান্ডের মাওরি জনগণ এবং ব্রিটিশ ক্রাউন (যুক্তরাজ্য সরকার)-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক চুক্তি।
- এটি নিউজিল্যান্ডের প্রতিষ্ঠার মূল নথি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- সাক্ষরের স্থান: ওয়েটাঙ্গি, নিউজিল্যান্ড।
- উদ্দেশ্য:নিউজিল্যান্ডে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠা।
- মাওরি জনগণের ভূমি অধিকার এবং সাংস্কৃতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা।
- চুক্তিটি ইংরেজি এবং মাওরি ভাষায় রচিত, তবে উভয় ভাষার মধ্যে ব্যাখ্যাগত পার্থক্য আছে।
- মাওরি জনগণের ভূমি, সম্পদ এবং স্বায়ত্তশাসনের স্বীকৃতি দিলেও বাস্তবে ব্রিটিশ উপনিবেশ স্থাপনে মাওরি অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়।
- এই চুক্তি নিয়ে বিতর্ক এবং পুনর্বিবেচনার দাবি আজও চলছে।
- ওয়েটাঙ্গি চুক্তি নিউজিল্যান্ডের ইতিহাস, আইন এবং সংস্কৃতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: NZ History Gov Website.
৯৬১.
রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ (CWC) বিষয়ক চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯৩
  3. ১৯৯৬
  4. ১৯৯৭
ব্যাখ্যা

Chemical Weapons Convention (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি: CWC.
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।

উৎস: জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।

৯৬২.
‘New START’ কোন দুটি দেশের মধ্যে সম্পাদিত একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  4.  যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৮ এপ্রিল, ২০১০।
- কার্যকর হয়: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১।
- স্বাক্ষর করেছিলেন: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত (১৫৫০টি)  করে দিয়েছিল এই চুক্তি।
মেয়াদ: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সাল পর্যন্ত। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat Initiative.

৯৬৩.
১৭৮৩ সালে ভার্সাইতে কয়টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
ভার্সাই চুক্তি:
- ভার্সাই/প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭৮৩ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন আমেরিকার স্বাধীনতা মেনে নেয়।
- আমেরিকার সাথে ব্রিটেন আরো ৩টি দেশের সহ মোট ৪ টি দেশের সাথে (আমেরিকা, ফ্রান্স, স্পেন এবং নেদারল্যান্ডস) পৃথকভাবে ৪ টি চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- এই চুক্তিগুলোকে একত্রে Peace of Paris বলা হয়।
উল্লেখ্য,
- 'প্রথম ভার্সাই চুক্তি'টি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ।
- মোট ৪টি  চুক্তির মধ্যে,
- ১৭৮৩ সালে ভার্সাইতে ২টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৭৮৩ সালে প্যারিসে ২ টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: History.com.
৯৬৪.
কত সালে 'ট্রুম্যান ডকট্রিন' ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৪৭ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- 'ট্রুম্যান ডকট্রিন' ১৯৪৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হেনরি এস ট্রুম্যান দ্বারা ঘোষণা করা হয়।
- এটি ছিল একটি পররাষ্ট্রনীতি যার লক্ষ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূ-রাজনৈতিক বিস্তার প্রতিরোধ করা।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্কে চলমান কমিউনিস্ট বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্কের সামরিক বাহিনীকে আর্থিক সহায়তা দিতে শুরু করে। 

উৎস: National Archives (.gov).
৯৬৫.
সোয়েটো বিক্ষোভ (Soweto uprising) কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. ক) তিউনিশিয়া
  2. খ) সিরিয়া
  3. গ) নাইজেরিয়া
  4. ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

৬০ এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে উঠলে শ্বেতাঙ্গ শাসকরা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC) এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে।
- পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে ANC ও এর সমর্থক গোষ্ঠী এক বিশাল বিক্ষোভ প্রদর্শন করে যা Soweto uprising নামে বিখ্যাত।
- এই বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশের গুলিতে ৬০০ এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলো।
- এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৯৮০ এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকা গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হয়।

তথ্যসূত্র: Britannica.com

৯৬৬.
গ্লোবাল জিরো কী?
  1. ক) দারিদ্র দূরীকরণে আন্তর্জাতিক কর্মসূচী।
  2. খ) পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য আন্তর্জাতিক আন্দোলন।
  3. গ) বৈশ্বিক আবহাওয়া নিয়ন্ত্রনে আন্তর্জাতিক আন্দোলন।
  4. ঘ) নিরক্ষরতা দূরীকরণে আন্তর্জাতিক কর্মসূচী।
ব্যাখ্যা
গ্লোবাল জিরো হল সমস্ত পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য আন্তর্জাতিক আন্দোলন।
- এর সদস্যরা বুঝতে পারে যে পারমাণবিক হুমকি দূর করার একমাত্র উপায় - বিস্তার, পারমাণবিক সন্ত্রাস এবং মানবিক বিপর্যয় - পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার বন্ধ করা, সমস্ত পারমাণবিক উপকরণ সুরক্ষিত করা এবং সমস্ত পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূল করা।
- পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূলকে জরুরী বৈশ্বিক অপরিহার্য করে তোলার জন্য মিডিয়া, অনলাইন এবং তৃণমূলের উদ্যোগ সহ জনসাধারণের সাথে যোগাযোগের সাথে অত্যাধুনিক নীতি উন্নয়ন এবং সরকারের সাথে সরাসরি সংলাপের সংমিশ্রণ।
- ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে প্যারিসে চালু হয় গ্লোবাল জিরো।
- এতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন বিশ্বনেতা এবং অর্ধ মিলিয়ন নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করেছে; চারটি গ্লোবাল জিরো সামিট এবং অসংখ্য আঞ্চলিক সম্মেলনের আয়োজন করেছে; ২৯ টি দেশে ১৭৫ টিরও বেশি ক্যাম্পাস অধ্যায় সহ একটি আন্তর্জাতিক ছাত্র আন্দোলন গড়ে তুলেছে।

উৎস: globalzero.org
৯৬৭.
ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯১৭ সালের ২৫ জুন
  2. খ) ১৯১৭ সালের ২৮ জুন
  3. গ) ১৯১৯ সালের ২৫ জুন
  4. ঘ) ১৯১৯ সালের ২৮ জুন
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
১ম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির পর ১৯১৯ সালের ২৮ জুন জামানি ও বিজয়ী মিত্রশক্তির মধ্যে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ ও অন্যান্য শর্তাদি আরোপ বিষয়ে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরে স্বাক্ষরিত চুক্তি ভার্সাই চুক্তি নামে পরিচিত। ২০১৯ সালে এই চুক্তির শতবর্ষ পূর্ণ হয়। (সূত্রঃ ব্রিটানিকা ডটকম)
৯৬৮.
বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের উদ্যোক্তা কোন দেশ?
  1. ক) জাপান
  2. খ) ভারত
  3. গ) চীন
  4. ঘ) আসিয়ান জোট
ব্যাখ্যা
বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের উদ্যোক্তা চীন। ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রথম এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ করেন। এ প্রকল্পকে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড কিংবা নিউ সিল্ক রোড নামেও অভিহিত করা হয়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশের ৬০টির অধিক দেশকে স্থল ও সমুদ্রপথে সংযুক্ত করার কথা বলা হয়। এ কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার যার অধিকাংশই রাস্তাঘাট, সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর, অর্থনৈতিক জোন নির্মাণ, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ইত্যাদি কাজে ব্যয় হবে। (সূত্রঃ কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন ওয়েবসাইট)
৯৬৯.
ডেটন চুক্তি শান্তি আলোচনার নেতৃত্ব দেন কে?
  1. বিল ক্লিনটন
  2. রিচার্ড হলব্রুক
  3. ফ্রানজো তুজমান
  4. স্লোবোদান মিলোসেভিচ
ব্যাখ্যা

ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- ডেটন চুক্তি হলো বসনীয় যুদ্ধের অবসান ঘটানো একটি গুরুত্বপূর্ণ শান্তিচুক্তি।
- ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের রাইট–প্যাটারসন এয়ার ফোর্স বেসে চুক্তিটি চূড়ান্ত হয়।
- এবং ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে প্যারিসে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মাধ্যমে ১৯৯২–১৯৯৫ সাল পর্যন্ত চলা রক্তক্ষয়ী বসনীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

- এই চুক্তির পূর্ণ নাম— The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে একটি অখণ্ড ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে টিকিয়ে রাখা।
- চুক্তি অনুযায়ী দেশটি দুটি সত্তায় বিভক্ত হয়—বসনিয়াক–ক্রোয়াট ফেডারেশন এবং সার্ব প্রজাতন্ত্র (Republika Srpska), তবে রাজধানী সারায়েভো অবিভক্ত থাকে।
- চুক্তিতে শান্তি আলোচনার নেতৃত্ব দেন মার্কিন কূটনীতিক রিচার্ড হলব্রুক।
- এছাড়া চুক্তির মধ্যস্থতায় ছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন- 
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট আলিয়া ইজেতবেগোভিচ,
- ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান,
- এবং সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ।

উৎস: Britannica. 

৯৭০.
আফিম যুদ্ধে চীনের পরাজয়ের ফলাফলস্বরূপ স্বাক্ষরিত হয় কোন চুক্তি?
  1. হংকং চুক্তি
  2. আফিম চুক্তি
  3. নানকিং চুক্তি
  4. আলজিয়ার্স চুক্তি
ব্যাখ্যা
• আফিম যুদ্ধ:
- আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে যে যুদ্ধদ্বয় সংঘটিত হয়েছিলম, তাই আফিম যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উনিশ শতকের গোড়া থেকে চীনের সঙ্গে ব্যবসায়ে ঘাটতি মেটাতে বঙ্গদেশ থেকে চীনে আফিম রপ্তানি শুরু করে।
- চীনা শাসকরা ১৮৩৯ সালে আফিম আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অবৈধ উপায়ে এ ব্যবসা অব্যাহত রাখে।
- কোম্পানির অবৈধ আফিম ব্যবসার কারণে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ বাধে।
- চীনারা পরাজিত হয় এবং চীন ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- ব্রিটেনের প্রয়োজন ছিল আফিম ব্যবসা অব্যাহত রাখার অনুমতি লাভ করা।
- আফিমের বাজার সম্প্রসারণের দাবির প্রশ্নে ব্রিটিশের সঙ্গে চীনাদের দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ (১৮৫৮) শুরু হয়।
- চীন আবারও পরাজিত হয়।
- এই যুদ্ধ ইতিহাসের পাতায় এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় দখল করে আছে।
- এই যুদ্ধ তৎকালীন চীনের স্বাধীনতাকে খর্ব করে দিয়েছিল।

অন্যদিকে: 
- ১৩ জুন, ১৯৭৫ সালে স্বাক্ষরিত হয় আলজিয়ার্স চুক্তি।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ইরাক ও ইরানের মধ্যে।
- এই চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ দুই দেশের বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৯৭১.
'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক্রুজ ক্ষেপনাস্ত্র স্থাপন
  2. যুদ্ধবিরতি
  3. যুদ্ধাপরাধ
  4. নারী অধিকার
ব্যাখ্যা
নুরেমবার্গ ট্রায়াল:
- 'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' যুদ্ধাপরাধ-এর সাথে সংশ্লিষ্ট।
- নুরেমবার্গ ট্রায়াল হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫-৪৬ সালে জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের নুরেমবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত বিচার প্রক্রিয়ার নাম। 

⇒ ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল হিটলারের নাৎসি বাহিনীর নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গঠন করে এবং তাদের বিচার করে।
- তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো ছিল মূলত চার ধরনের যথা:
১. শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যুদ্ধের জোগাড় এবং যুদ্ধ শুরু করা।
২. মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: মানুষকে সমূলে বিনাশ করা, বাসস্থান থেকে বিতাড়ন করা এবং গণহত্যা।
৩. যুদ্ধাপরাধ তথা যুদ্ধের আইনসমূহ লঙ্ঘন।
৪. উপরিউক্ত তিনটি অপরাধ করার সাধারণ পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র করা।

⇒ আন্তর্জাতিক এই সামরিক ট্রাইবুনালে বিশিষ্ট ২২ জন নাৎসি কর্মকর্তার বিচার শুরু হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই নুরেমবার্গের আদালতে শীর্ষ নাৎসি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
- যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের কারণে বিচার হয় তাদের।
- বিচারাধীনদের মধ্যে ছিল সামরিক কর্মকর্তা, রাজনীতিক, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা।
- ১৯৪৫ সালের ২০ নভেম্বর শুরু হয় এই বিচার।

উৎস: Britannica.
৯৭২.
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে New START চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ২০১০ সালে  New START চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

• New START চুক্তি:

- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৮ এপ্রিল, ২০১০।
- কার্যকর হয়: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১।
- স্বাক্ষর করেছিলেন: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই চুক্তি। 
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস:- মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং রয়টার্স।
৯৭৩.
START-2 চুক্তি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. রাশিয়া ও জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
  3. রাশিয়া ও চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
ব্যাখ্যা
START চুক্তি:
- START এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Reduction Treaty.
- এটি হলো কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি।
- START-1 স্বাক্ষরিত হয়: ৩১ শে জুলাই ১৯৯১।
- START-2 স্বাক্ষরিত হয়: ৩ জানুয়ারি ১৯৯৩।
- স্বাক্ষরকারী দেশ- রাশিয়া এবং  যুক্তরাষ্ট্র।
- উদ্দেশ্য- দুরপাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ১০ বছরের মধ্যে দু-তৃতীয়াংশ হ্রাস করা।

সূত্র: Britannica.com ও  U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৯৭৪.
ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিচের কোনটি?
  1. New START চুক্তি
  2. NPT চুক্তি
  3. ABM চুক্তি
  4. CTBT চুক্তি
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।
৯৭৫.
যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা সম্পর্কিত জেনেভা কনভেনশন কোনটি?
  1. ১ম জেনেভা কনভেনশন
  2. ২য় জেনেভা কনভেনশন
  3. ৩য় জেনেভা কনভেনশন
  4. ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

⇒ উল্লেখ্য, কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

৯৭৬.
''আব্রাহাম চুক্তি'' স্বাক্ষরিত হয় কোন দেশের মধ্যে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েল
  3. ইসরায়েল ও বাহরাইন
  4. বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সাথে ইসরাইলের সম্পাদিত শান্তি চুক্তিটি ‘আব্রাহাম চুক্তি’ নামে পরিচিত।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ হোয়াইট হাউজে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত তৃতীয় আরব দেশ এবং বাহরাইন চতুর্থ আরব দেশ হিসেবে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করল।
(সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট)

৯৭৭.
’হিউম্যান রাইটস ওয়াচ‘ কোন দেশভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন?
  1. ইটালি
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

Human Rights Watch (HRW) :
- প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস :1978 সালে "Helsinki Watch" নামে প্রতিষ্ঠিত, 
- যা পরবর্তীতে 1988 সালে Human Rights Watch নাম ধারন করে।
- এটি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা।
- এর সদর দপ্তর নিউ ইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত। 
- প্রথমে সোভিয়েত ইউনিয়নের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করাই ছিল এর উদ্দেশ্য, 
- পরবর্তীতে এর কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
- ১৯৯৭ সালে International Campaign to Ban Landmines-এর সাথে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পায়।

উৎস: Human Rights Watch ওয়েবসাইট।

৯৭৮.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন কত সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে?
  1. ক) ১৯৬৫
  2. খ) ১৯৬৩
  3. গ) ১৯৬৯
  4. ঘ) ১৯৭০
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
- ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

- ৫৮তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২২ সালের ১৮-২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন। 

তথ্যসূত্র:- সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট, প্রথম আলো।
৯৭৯.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ‘ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি’ গঠিত হয়?
  1. ক) রোম চুক্তি
  2. খ) ম্যাস্ট্রিক্ট ট্রিটি
  3. গ) লিসবন চুক্তি
  4. ঘ) সেভার্স চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৭ সালের ২৫শে মার্চ স্বাক্ষরিত রোম চুক্তির মাধ্যমে ‘ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি’ গঠিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি।
- ৬টি দেশের উদ্যোগে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
দেশগুলো হলো:
- বেলজিয়াম
- নেদারল্যান্ডস
- লুক্সেমবার্গ
- ফ্রান্স
- ইতালি ও
- জার্মানি।
- পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর ম্যাস্ট্রিক্ট চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে ‘ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি’ ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে’ পরিণত হয়।
(সূত্র: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট)
৯৮০.
 ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৬১ এর প্রধান উদ্দেশ্য কী
  1. কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা 
  2. যুদ্ধবিরতি চুক্তি গঠন
  3. সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি
  4.  বাণিজ্য চুক্তি প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

• মূল উদ্দেশ্য:
- রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও পরিচালনার নিয়ম নির্ধারণ করা।
- কূটনীতিকদের অধিকার ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা।
- কূটনৈতিক মিশন ও ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৯৮১.
সম্প্রতি, আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১ আগস্ট, ২০২৫
  2. ৫ আগস্ট, ২০২৫

  3. ৮ আগস্ট, ২০২৫
  4. ১০ আগস্ট, ২০২৫
ব্যাখ্যা

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তি:
- যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ৮ আগস্ট, ২০২৫ হোয়াইট হাউসে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এক ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছে। 
​- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
 
উল্লেখ্য,
​- বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান কয়েক দশক ধরে বিবাদে লিপ্ত।
​- অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ডের ভেতরে অবস্থিত হলেও ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধের পর থেকে আর্মেনিয়ার সমর্থনে জাতিগত আর্মেনীয় বাহিনী ওই অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
​- আর্মেনিয়া নাগোর্নো কারাবাখের দখল নেয়ার পর কয়েক দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয় দুই দেশের মধ্যে।
​- ২০২৩ সালে পুনরায় অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আজারবাইজান।

​তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন।

৯৮২.
ইসরায়েল কবে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থাকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ১৯৯১
  2. ১৯৯২
  3. ১৯৯৩
  4. ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তি
- ফিলিস্তিনে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে অসলো চুক্তি নামে একটি চুক্তিতে পৌছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- ১৯৯৩ সালের এই অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা ও ইসরায়েল পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া সেই আলোচনা পূর্নতা পায় ওয়াশিংটন ডিসি'র হোয়াইট হাউজে।
- The Palestine Liberation Organization (PLO) প্রধান ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের পক্ষে সই করেন। 
- ওই চুক্তিতে বোঝাপড়া হয়েছিল, ফিলিস্তিনিরা স্বশাসনের আংশিক অধিকার পাবে এবং ইসরায়েল পশ্চিম তীর ও গাজা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেবে।
- বদলে ইসরায়েলি রাষ্ট্রের বৈধতা স্বীকার করে নেবে পিএলও। 
- অসলো চুক্তির ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে মিশরের তাবায় অসলো ২ চুক্তি অনুমোদিত  হয়। 

সূত্র - ব্রিটানিকা।
৯৮৩.
'অসলো চুক্তি' কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. নরওয়ে
  2. ফ্রান্স
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৮৪.
ম্যাসট্রিচট চুক্তির মাধ্যমে কোনটি ঘটে?
  1. ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠন
  2. অবাধ চলাচল
  3. যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ
  4. ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি গঠন
ব্যাখ্যা
ম্যাসট্রিচট চুক্তি (Treaty of Maastricht on European Union): 
- 'ইউরোপীয় ইউনিয়ন' আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তির মাধ্যমে তৈরি হয়, যা ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর কার্যকর হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি রাজনৈতিক মাত্রা পায় এবং "একত্রিত ইউরোপ গঠনের" নতুন যুগের সূচনা হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত: ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২
- কার্যকর: ১ নভেম্বর ১৯৯৩
- ম্যাসট্রিচট চুক্তি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) জন্ম দেয়।
- এটি তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা "পিলার"-এ গঠিত:
i) ইউরোপীয় কমিউনিটি (EC)
ii) বিদেশ ও নিরাপত্তা নীতি (CFSP)
iii) ন্যায়বিচার ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক সহযোগিতা (JHA)

১ম স্তম্ভ: ইউরোপীয় কমিউনিটি: 
অন্তর্ভুক্ত সংগঠন: ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি (EEC), ইউরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত কমিউনিটি (ECSC), ইউরেটম (Euratom)। 

 লক্ষ্য:
- অর্থনৈতিক একীকরণ ও একক মুদ্রা (ইউরো) প্রবর্তনের ভিত্তি স্থাপন
- ৬টি নতুন নীতিমালার জন্য আইনি ভিত্তি তৈরি
- ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি
- ইউরোপীয় নাগরিকত্ব চালু

২য় স্তম্ভ: পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি (CFSP): 
 উদ্দেশ্য:
- ইউরোপীয় মূল্যবোধ ও স্বাধীনতা রক্ষা
- শান্তি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বজায় রাখা
- গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রসার

 ৩য় স্তম্ভ: ন্যায়বিচার ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা (JHA): 
 লক্ষ্য:
- সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ
- সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন
- অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও বিচার ব্যবস্থায় সহযোগিতা
- ইউরোপোল (Europol) প্রতিষ্ঠা
- আশ্রয় ও অভিবাসন নীতিতে সমন্বয়

ইউরো (Euro) চালুর ৩ ধাপ:
- মূলধন চলাচলের মুক্তিকরণ (১৯৯০)
- অর্থনৈতিক নীতির সমন্বয় (১৯৯৪)
- একক মুদ্রা ও ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা (১৯৯৯)

উৎস: European Union
৯৮৫.
CTBT কী উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিলো?
  1. মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল তৈরি
  2. সর্বজনীন মানবাধিকার
  3. পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ
  4. পরিবেশ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

 CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

৯৮৬.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ 'CTBT' চুক্তিটি গ্রহণ করে কবে?
  1. ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
  2. ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
  3. ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
  4. ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
ব্যাখ্যা
• CTBT:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক এবং বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।
- চুক্তিটি ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং এতে মোট ১৮৭টি দেশ স্বাক্ষর করে।
- চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য CTBTO (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization) নামে একটি সংস্থা গঠিত হয়, এর সদরদপ্তর ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া তে অবস্থিত। 
 
সূত্র: Arms Control Association ও CTBTO ওয়েবসাইট।
৯৮৭.
সম্প্রতি, ইরান এবং রাশিয়া কত বছর মেয়াদি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
ইরান-রাশিয়া প্রতিরক্ষা চুক্তি:
- ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে রাশিয়া-ইরান ২০ বছর মেয়াদি কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
- মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় আগামী ২০ বছর প্রতিরক্ষা, সামরিক মহড়া, যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ, যুদ্ধজাহাজ তৈরিসহ নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন খাতে পারস্পারিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে দুই দেশ।
- এই চুক্তির ফলে শুধু নিরাপত্তা খাতই নয়, বরং অর্থনীতি ও বাণিজ্যখাতেও দুই দেশের সহযোগিতামূলক তৎপরতা অনেক বৃদ্ধি পাবে।
-কারণ, এই কৌশলগত চুক্তির একটি শর্ত হলো এখন থেকে উভয় দেশের যাবতীয় অর্থনৈতিক আদান-প্রদান দুই দেশের নিজ নিজ মুদ্রায় হবে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ।
৯৮৮.
আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কত সালে?
  1. ১৯৭৩
  2. ১৯৭৫
  3. ১৯৭৭
  4. ১৯৮০
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য: ইরাক ও ইরান সীমান্ত বিরোধ সমাধান ও শান্তি প্রতিষ্ঠা।

• চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
- শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী (ইরান)।
- সাদ্দাম হোসেন (ইরাক)।

উল্লেখ্য,
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে এই চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৯৮৯.
'Strategic Arms Limitation Talks -1' স্বাক্ষরিত হয় -
  1. রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে
  2. রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে
  4. জাপান ও চীনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• SALT বা Strategic Arms Limitation Talks বা আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে ১৯৬৯ সালে।
- আলোচনা ও স্বাক্ষরিত হয় - যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে।
- এই আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistii Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- SALT I চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ২৬ মে।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত ব্যালিস্টিক মিসাইল লাঞ্চার, অর্থাৎ পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা “ফ্রিজ করা হয়।
- যাতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে না পারে।
- আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান।
৯৯০.
নিম্নের কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. ক) SALT
  2. খ) NPT
  3. গ) NATO
  4. ঘ) CTBT
ব্যাখ্যা
CTBT = Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
SALT = Strategic Arms Limitation Talk
NPT = Non-Proliferation of Nuclear Weapons Treaty
সবগুলোই নিরস্ত্রীকরণ বা অস্ত্র সীমিতকরণের সাথে সম্পর্কিত।

অন্যদিকে, 
NATO হলো একটি সামরিক জোট।
NATO এর পূর্ণরূপ- North Atlantic Treaty Organization।

উৎসঃ Brittanica.com

৯৯১.
'আন্তর্জাতিক কর চুক্তি' কাঠামো কোন সংস্থার সম্মেলনে গৃহীত হয়?
  1. ক) WTO
  2. খ) OECD
  3. গ) UNCTAD
  4. ঘ) UNIDO
ব্যাখ্যা
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রস্তাবে বিশ্বব্যাপী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের উপর ন্যূনতম হারে কর আরোপের বিষয়ে ১৩১ টি দেশ 'আন্তর্জাতিক কর চুক্তি' কাঠামো গ্রহণে  সম্মত হয়। 
- অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (OECD) এর সম্মেলনে  'আন্তর্জাতিক কর চুক্তি' ঘোষিত হয় ১ জুলাই ২০২১ সালে।

উৎস: OECD Website
৯৯২.
Which is the other name of 'Belfast Agreement'?
  1. Friday Agreement
  2. Black Friday Agreement
  3. Super Friday Agreement
  4. Good Friday Agreement
  5. All of the above
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর:- ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর:- ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান:- বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ:- ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৯৯৩.
নিচের কোনটি রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি?
  1. NPT
  2. CTBT
  3. CWC
  4. ABM
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি: CWC.
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
৯৯৪.
১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনে কতটি চুক্তি ও প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ৩টি চুক্তি ও ২ টি প্রটোকল
  2. ৪ টি চুক্তি ও ৩ টি প্রটোকল
  3. ২ টি চুক্তি ও ৪ টি প্রটোকল
  4. ৩ টি চুক্তি ও ৪ টি প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।উল্লেখ্য,

• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।
⇒ প্রটোকলসমূহ:

• প্রটোকল- ১:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল- ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল- ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

৯৯৫.
United States Bill of Rights -এর প্রণেতা কে?
  1. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  2. বেনজামিন ফ্র্যাঙ্কলিন 
  3. অ্যালেকজান্ডার হ্যামিল্ট
  4. জেমস ম্যাডিসন
ব্যাখ্যা

United States Bill of Rights:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০ টি সংশোধনীকে 'Bill of Rights' বা অধিকারের বিল বলে অভিহিত করা হয়।
- ১৭৮৭ সালে প্রণীত সংবিধানের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জেমস ম্যাডিসন প্রস্তাবিত প্রথম ১০টি সংশোধনীই 'Bill of Rights' নামে পরিচিত।
- এই সংশোধনীগুলি ১৭৯১ সালের ১৫ ডিসেম্বর কার্যকর হয় ।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য গৃহীত হয়েছিল এবং আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের পর সংবিধানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সেই সম্মেলনে মার্কিন সংবিধান রচিত হয়।
- কিন্তু এই সংবিধানে নাগরিকদের অধিকারগুলোর কোন নির্দিষ্ট উল্লেখ ছিল না।
- মার্কিন রাজনৈতিক নেতা জেমস মেডিসন ১৭৮৯ সালে মার্কিন কংগ্রেসে ১২টি সংশোধনী প্রস্তাব করেন, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করতে চেয়েছিল।
- তিনি পরবর্তীতে একে বিল অব রাইটস নামে পরিচিত করেন।
- মাদিসনের প্রস্তাবিত কিছু সংশোধনী সরাসরি অনুমোদিত হয়েছিল, এবং কিছু সংশোধনী পরিবর্তন ও সংযোজন করা হয়।
- সর্বশেষ, ১৭৯১ সালে ১০টি সংশোধনী মার্কিন সংবিধানে সংযুক্ত করা হয় এবং এগুলি বিল অব রাইটস হিসেবে পরিচিত হয়।

উৎস: Britannica.

৯৯৬.
পোল্যান্ড কততম সদস্য দেশ হিসেবে জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে?
  1. ৪৯তম
  2. ৫০তম
  3. ৫১তম
  4. ৫২তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ: 
- জাতিসংঘের নামকরণ করেন মার্কিন ৩২ তম  প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
- জাতিসংঘ গঠনের প্রধান উদ্যোক্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
- জাতিসংঘ গঠনে প্রস্তাবকারী দেশ ৪টি ।
- যথা:  ১.সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, ২. চীন, ৩.যুক্তরাষ্ট্র,  ৪. যুক্তরাজ্য ।
- জাতিসংঘের নামকরণ করা হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৪২।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়  ১৯৪৫ সালে ।
- জাতিসংঘের সনদ স্বাক্ষরিত হয় ২৬জুন,১৯৪৫ সালে।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকরী হয় ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
-  জাতিসংঘ দিবস পালন করা হয় ২৪ অক্টোবর।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ৫১ টি।
- জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক ।
- জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড ।
- জাতিসংঘের বতমান সদস্য দেশ  ১৯৩ টি ।
- জাতিসংঘের মূল  সনদ স্বাক্ষরকারী দেশ ৫১ টি।( যদিও পোল্যান্ড পরে ৫১তম দেশ হিসেবে স্বাক্ষর করে ) ।
- জাতিসংঘের মূল সনদ রচয়িতা Archibald Macliesh.
-  জাতিসংঘের সদর দপ্তরের জমিদাতা জন ডি. রকফেলার ।
- জাতিসংঘ কার্যকরী ভাষা ২টি । (ইংরেজি ও ফরাসী )।
- জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা ৬ টি । (ইংরেজি, ফরাসী, রুশ, আরবি, চীনা, ও স্প্যানিশ ) ।
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন ট্রিগভেলি (নরওয়ে) (১৯৪৬-১৯৫২)।
- জাতিসংঘের একমাত্র মুসলমান মহাসচিব কফি আনান (ঘানা) (৭ম)।
- জাতিসংঘের প্রথম এশীয়  মহাসচিব উ-থান্ট ( মিয়ানমার ) ।
- জাতিসংঘের আয়ের মূল উৎস সদস্য দেশসমূহের চাঁদা।
- জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় জাপানের টোকিওতে ।
- জাতিসংঘ শান্তি  বিশ্ববিদ্যালয় কোস্টারিকায় ।
- জাতিসংঘের মূল ভবনের স্থাপতি ওয়ালেস কে.হ্যারিসন (  যুক্তরাজ্য ) ।
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ৬ টি ।
- জাতিসংঘের পতাকায় জলপাই গাছের প্রতীক দেখা যায়। 
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রথম গঠিত ১৯৪৮ সালে ।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের শিরোস্ত্রাণের রঙ নীল ।
- জাতিসংঘ সমুদ্র আইন ১৯৮২ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল । 
- ১৯৬৫ সালের পূর্বে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিলো ১১ টি। 
- জাতিসংঘের মহাসচিব এর মেয়াদ ৫ বছর।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর ইস্ট নদীর তীরে অবস্থিত?
- জাতিসংঘের জনক বলা হয় উড্রো উইলশনকে ।
- জাতিসংঘের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা মহাসচিব।
- জাতিসংঘের সচিবালয়ের প্রধান মহাসচিব।
-  আয়তনে জাতিসংঘের ছোট দেশ মোনাকো । (১.৯৫ বর্গ কি.মি.)।
- জনসংখ্যায় জাতিসংঘের ছোট দেশ টরুভ্যালু।
- জাতিসংঘের সদর দপ্তরটি ১৭ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত ?
- জাতিসংঘে দেয় বাংলাদেশের চাঁদার পরিমাণ নিজস্ব বাজেটের ০.০১% অংশ।
- জাতিসংঘের সদর দপ্তরের স্থপতি ডব্লিউ হ্যারিসন।
-  বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯তম অধিবেশনে সদস্য পদ লাভ করে। 
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়।  

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৯৯৭.
‘পিস অব প্যারিস’ চুক্তিটি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৭৭২ সাল
  2. ১৭৭৯ সাল
  3. ১৭৮৩ সাল
  4. ১৭৮৪ সাল
ব্যাখ্যা
‘পিস অব প্যারিস’:
- ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ৪টি চুক্তি একত্রে স্বাক্ষরিত হয় যা পিস অব প্যারিস নামে পরিচিত। 
- এই চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও ব্রিটেন স্বাক্ষর করে।
- এ চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন যুক্তরাষ্ট্রকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি দেয় এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। 

এছাড়াও, 
প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
স্বাক্ষরের স্থান; প্যারিস, ফ্রান্স।
পক্ষসমূহ: ভিয়েতনাম-যুক্তরাষ্ট্র।
উদ্দেশ্য: ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানো।
ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং The U.S. National Archives and Records Administration.  
৯৯৮.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির জন্য নিচের কে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন?
  1. জিমি কার্টার
  2. গামাল আবদেল নাসের
  3. আনোয়ার সাদাত
  4. ইয়াসির আরাফাত
ব্যাখ্যা

- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭ই সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত প্রেসিডেন্ট অবকাশ কেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিডে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় মিশর ও ইসরাইলের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় এই চুক্তি।
- চুক্তিটির বিষয়বস্তু ছিল মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপন।
- চুক্তিটির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
- তৎকালীন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত চুক্তিটির জন্য ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৯৯৯.
Outer Space Treaty চুক্তি অনুযায়ী, পৃথিবীর বাইরের সব সম্পত্তির মালিক কে?
  1. নাসা
  2. জাতিসংঘ
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সমগ্র মানবজাতি
ব্যাখ্যা
Outer space Treaty:
- মানবজাতি মহাকাশে কী করতে পারবে আর কী করতে পারবে না সেটাই লেখা আছে ‘আউটার স্পেস’ চুক্তিতে।
- মহাকাশের সব কিছুর জন্যই এ নীতিমালা প্রযোজ্য।
- ১৯৬৭ সালে ‘আউটার স্পেস ট্রিটি’ নামে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি কার্যকর হয় ১০ অক্টোবর, ১৯৬৭ সালে।
- ১১০টি দেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
- ৮৯টি দেশ এ চুক্তি স্বাক্ষর করলেও এখনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়নি।

⇒ এ চুক্তি অনুযায়ী, কোনো দেশ চাঁদ বা মহাশূন্যের কোনো বস্তুর মালিকানা দাবি করতে পারবে না।
- পৃথিবীর বাইরের সব সম্পত্তির মালিক গোটা মানবজাতি।

উৎস: Arms Control Association.
১,০০০.
'ওয়ারশ প্যাক্ট' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ প্যাক্ট:
- ওয়ারশ প্যাক্ট বা Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance ছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত একটি সামরিক জোট।
- এটি পূর্ব ইউরোপের আটটি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি,
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সোভিয়েত প্রভাব বজায় রাখা এবং পশ্চিমা সামরিক শক্তি, বিশেষ করে ন্যাটোর (NATO) বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

উল্লেখ্য,
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৫৫ সালের ১৪ মে, পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ শহরে।
- প্রাথমিকভাবে এই জোটে আটটি দেশ সদস্য ছিল: সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া।
- জোটটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছিল এবং পূর্ব ইউরোপে সমাজতান্ত্রিক শাসন টিকিয়ে রাখার একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- তবে স্নায়ুযুদ্ধের শেষে ইউরোপজুড়ে সমাজতান্ত্রিক শাসনের পতন ও গণতন্ত্রের উত্থানের ফলে ওয়ারশ প্যাক্ট ধীরে ধীরে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- অবশেষে, আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই এই সামরিক জোটটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।