বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ১৭ / ৩০ · ১,৬০১১,৭০০ / ২,৯৯৩

১,৬০১.
'একতরফাভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করলে অপর পক্ষের হাজিরার ৭ দিনের ভেতরে শুনানির নিষ্পত্তি করতে আদালত বাধ্য'- এটি দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের কোন বিধির বিধান?
  1. বিধি ২
  2. বিধি 
  3. বিধি ৩ক
  4. বিধি ৫ক
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৯, বিধি ৫ক, দেওয়ানি কার্যবিধি: অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):

⇒ কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।

⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

⇒ যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।

১,৬০২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী আদালত নিচের কোন কারণে কমিশন নিয়োগ করতে পারে না?
  1. সাক্ষীকে পরীক্ষা
  2. স্থানীয় তদন্ত
  3. স্থাবর সম্পত্তির মূল্য নিধারণ করতে
  4. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয়
ব্যাখ্যা
♦ আদালতে সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে যেসব ঘটনা প্রমাণ করা সম্ভব হয় না সে সকল ক্ষেত্রে আদালত কমিশন প্রেরণ করেন। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ থেকে ৭৮ ধারা এবং ২৬ নং আদেশে দেওয়ানী মামলায় কমিশন সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।

♦ আদালত নিজে বা কোন পক্ষের এফিডেভিটসহ আবেদনের ভিত্তিতে কমিশন নিয়োগ করতে পারে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ নং আদেশের বিধি ৩ এবং ৪(২) অনুযায়ী কমিশনার হিসেবে আদালত সাধারনত কোন উকিল বা অন্য কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে পারে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী আদালত ৪টি কারণে কমিশন নিয়োগ করতে পারে। যথা-

i) কোন ব্যক্তি বা সাক্ষীকে পরীক্ষা (to examine any person); [ধারা-৭৫(ক)]

ii) স্থানীয় তদন্ত (local investigation); [ধারা-৭৫(খ)]

iii) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় (to examine and adjust accounts); (ধারা- ৭৫(গ)

iv) সম্পত্তি বাটোয়ারা (for partition)। [ ধারা-৭৫(ঘ)]

♦ স্থাবর সম্পত্তির মূল্য নিধারণ করতে আদালত কমিশন নিয়োগ করতে পারে না।
১,৬০৩.
অস্থাবর সম্পত্তির সম্পর্কিত ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করার বিধান আছে The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায়?
  1. ১৮
  2. ১৯
  3. ২০
  4. ২১
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৯ ধারা মতে ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা (Suits for compensation for wrongs to person or movables): ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে অনিষ্ট সাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করলে, বাদী তার ইচ্ছা অনুসারে দুই আদলতের যেকোন একটিতে ক্ষতিপুরণের মোকদ্দমা করতে পারে।
১,৬০৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ এর অধীনে নিচের কোনটি ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে
  2. দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
  3. ডিক্রিদারকে আদালতের বাইরে টাকা দিয়ে
  4. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর আদেশ-২১, বিধি-১: ডিক্রির টাকা পরিশোধ- ২১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে ডিক্রির টাকা ৩ ভাবে পরিশোধ করা যায়। যথা-
ⅰ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
ii) ডিক্রিদারকে আদালতের বাহিরে টাকা দিয়ে; এবং
iii) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়ে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যায়।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ এর অধীনে 'দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে' ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়।

⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলী আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।

⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
ⅳ) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোন উপায়ে।
১,৬০৫.
অধস্তন আদালতের ভাষা কি হবে তা The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১২৮
  2. ১০৭
  3. ১৩৭
  4. ১৪০
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৩৭ ধারায় বলা আছে- সরকার অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণ করবে।

অন্যান্য অপশন-

ধারা ১০৭- আপিল আদালতের ক্ষমতা:
ধারা ১২৮- কোনো কোনো বিষয়ে সুপ্রীমকোর্ট রুল প্রণয়ন করতে পারে:
ধারা ১৪০- উদ্ধারমূল্য, ইত্যাদি নির্ধারক সম্পর্কে (Assessors in causes of salvage, etc.) এর বিধান রয়েছে।
১,৬০৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ আদেশ ৪৩ এর বিধান কি?
  1. নিঃস্ব ব্যক্তির আপীল
  2. আদেশ বিরুদ্ধে আপীল
  3. আপীলের ডিক্রী থেকে আপীল
  4. মূল ডিক্রী থেকে আপীল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
⇒ সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না তবে আদেশটি যদি আপিল যোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪ এর মধ্যে আপীল যোগ্য আদেশ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
১,৬০৭.
আদেশ ৪১ বিধি-১৭ অনুযায়ী একতরফাভাবে আপিল শুনানির শর্ত কী?
  1. আদালত চাইলে যেকোনো পরিস্থিতিতে
  2. শুধুমাত্র রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত থাকলে
  3. আপিলকারী ও রেসপন্ডেন্ট উভয়েই অনুপস্থিত থাকলে
  4. আপিলকারী উপস্থিত থাকলে, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট অনুপস্থিত থাকলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।

Order 41 Rule 17: Dismissal of appeal for appellant's Default-
1) Where on the day fixed, or on any other day to which the hearing may be adjourned, the appellant does not appear when the appeal is called on for hearing, the Court may an order that the appeal be dismissed.

2) Hearing appeal ex parte: Where the appellant appears and the respondent does not appear, the appeal shall be heard ex parte.
১,৬০৮.
বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. আলাপ-আলোচনা [Negotiation] এ তৃতীয় পক্ষ উপস্থিত থাকে
  2. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation] পদ্ধতিতে তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকে
  3. সালিশ প্রক্রিয়ার [Arbitration] রায় পক্ষ গণের উপর বাধ্যকর নয়
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
আলাপ-আলোচনা (Negotiation)
মধ্যস্থতা (Mediation) 
সালিশী (Arbitration)

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-
এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে।
আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-
এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

৩. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়।
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।
১,৬০৯.
'ক', তার প্রতিনিধি 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ' অভিযোগ করে যে, 'ক' তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ' এর নিকট থেকে তা দাবী করে। এমতাবস্থায়, 'খ', 'ক' এবং 'গ'-এর বিরুদ্ধে আদেশ ৩৫ বিধি ৫ এর অধীন-
  1. স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে
  2. স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না
  3. ফৌজদারি মামলা রুজু করতে পারে
  4. নিজস্ব স্বার্থযুক্ত মোকদ্দমা রুজু করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-৫: প্রতিনিধি বা প্রজাগণ স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই প্রতিনিধিগণকে তাদের প্রধান ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে কিংবা প্রজাগণকে তাদের ভূস্বামীর বিরুদ্ধে উক্ত প্রধান ব্যক্তি বা ভূ-স্বামীগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণ ব্যতীত অন্য কারো সাথে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে সমর্থ করতে বিবেচিত হবে না।

উদাহরণ:
ক) 'ক'-তার প্রতিনিধির 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ'- অভিযোগ করে যে 'ক'-তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ'-এর নিকট থেকে তা দাবী করে। 'খ', 'ক' এবং 'গ'-এর বিরুদ্ধে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না।
১,৬১০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান অনুযায়ী মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা?
  1. ৮৯ক(১০) ধারা
  2. ৮৯ক(১১) ধারা
  3. ৮৯ক(১২) ধারা
  4. ৮৯ক(১৩) ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার বিধান মতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা।

⇒ ধারা-৮৯ক(৫): মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
⇒ আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section 89A(12): No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
১,৬১১.
কোন ধরনের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়?
  1. যে কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে
  2. আপিলযোগ্য ডিক্রি এবং আদেশের বিরুদ্ধে
  3. অর্থের মামলার ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে
  4. যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে যদি
i) ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে এবং
ii) নিম্ন আদালত আইনগত ভুল করার কারণে ডিক্রি বা আদেশে ভুল হয়েছে এবং
iii) উক্ত ভুলের কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হলে

শুধুমাত্র আইনত ভুলের ক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। যদি আইনগত ভুলটি ন্যায় বিচার বিঘ্ন করে, শুধুমাত্র আদালত তখনই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
-----------------
CPC Section 115. Revision:
(1) The High Court Division may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceedings, in which a decree or an order has been passed by a Court of District Judge or Additional District Judge, or a decree has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeal lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such decree or order occasioning failure of justice, the High Court Division may, revise such decree or order and, make such order in the suit or proceedings, as it thinks fit. 
 
(2) The Court of District Judge may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceeding, in which an order has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeals lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such order occasioning failure of justice, the Court of District Judge may, revise such order and, make such order as it thinks fit. 
 
(3) A Court of Additional District Judge shall have all the powers of the District Judge under sub-section (2) in respect of revision case which may be transferred to it by the District Judge. 
 
(4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an (4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit. 
 
(5) Notwithstanding the substitution of this section, any proceeding commenced and pending under section 115 prior to such substitution shall be disposed of in such manner as if section 115 has not been substituted.
১,৬১২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর আওতায় আদালত নোটিশ জারীর জন্য কার কাছ থেকে খরচ গ্রহণ করবে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
  4. আদালতের রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১ নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা (Representative Suit) এর বিধান রয়েছে। যদি অনেক ব্যক্তির একই স্বার্থ থাকে, তবে আদালতের অনুমতিক্রমে, এক বা একাধিক ব্যক্তি সকলের পক্ষে মামলা করতে পারে। এভাবে তারা অন্যান্যদের প্রতিনিধিত্ব করে। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।
(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in the same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plaintiff's expense, notice of the institution of the suit to all such personnel either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১,৬১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৫ অনুযায়ী, যদি আদালত মনে করে যে গ্রেপ্তার, জব্দ বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অযথা কারণে চাওয়া হয়েছে, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা বাতিল করবে
  2. ক্ষতিপূরণ আদায় করবে
  3. মামলার ফলাফল স্থগিত করবে
  4. একে অপরের বিরুদ্ধে মামলা করতে নির্দেশ দেবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ক্ষতিপূরণ আদায় করবে। 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৫(১) অনুযায়ী, যদি আদালত মনে করে যে কোনো গ্রেপ্তার, জব্দ বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অযথা কারণে চাওয়া হয়েছে, অথবা মামলাটি ব্যর্থ হয়েছে এবং আদালত মনে করে যে, এটি করার জন্য যথাযোগ্য ও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল না, তখন আদালত বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে দিতে পারে।
- এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ আদালত ১০,০০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণ করবে, তবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অনুসারে এর সীমা থাকতে পারে।

- এছাড়া, ধারা ৯৫(২) অনুসারে, একবার যদি আদালত ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়, তাহলে তার পরে আর কোনো নতুন মামলা ক্ষতিপূরণের জন্য করা যাবে না। এটি চূড়ান্ত আদেশ হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908,Section 95.Compensation for obtaining an arrest, attachment or injunction on insufficient grounds.
(1) Where, in any suit in which an arrest or attachment has been effected or a temporary injunction granted under the last proceeding section,- 
(a) it appears to the Court that such arrest, attachment or injunction was applied for on insufficient grounds, or 
(b) the suit of the plaintiff fails and it appears to the Court that there was no reasonable or probable ground for instituting the same. 
the defendant may apply to the Court, and the Court may, upon such application, award against the plaintiff by its order such amount, not exceeding ten thousand Taka, as it deems a reasonable compensation to the defendant for the expense or injury caused to him: 
Provided that a Court shall not award, under this section, an amount exceeding the limits of its pecuniary jurisdiction. 
(2) An order determining any such application shall bar any suit for compensation in respect of such arrest, attachment or injunction.
১,৬১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৩৭ অনুসারে, দেওয়ানী আদালতের কার্যভাষা নির্ধারণ করার বা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কে নিতে পারে?
  1. সরকার
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. সংশ্লিষ্ট আদালত
  4. আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৩৭ অনুযায়ী, দেওয়ানী আদালতের কার্যভাষা নির্ধারণ বা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করতে পারে।
- ধারা ১৩৭-এর মূল বিষয়বস্তু:
১৩৭(১): দেওয়ানী কার্যবিধি কার্যকর হওয়ার সময় যে ভাষা কোনো অধস্তন আদালতের কার্যভাষা ছিল, সেটিই কার্যকর থাকবে, যতক্ষণ না সরকার অন্য কোনো নির্দেশনা প্রদান করে।
১৩৭(২): সরকার নির্ধারণ করতে পারে কোন ভাষায় দেওয়ানী আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং আদালতে ব্যবহৃত আবেদন ও অন্যান্য নথি কোন ভাষায় লেখা হবে।
১৩৭(৩): আদালতে কোনো নথি ইংরেজিতে লেখা যেতে পারে, তবে যদি কোনো পক্ষ বা তার আইনজীবী ইংরেজি ভাষা বুঝতে না পারেন, তাহলে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় অনুবাদ সরবরাহ করতে হবে। 

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারার মাধ্যমে স্পষ্ট হয় যে, সরকারই দেওয়ানী আদালতের কার্যভাষা নির্ধারণ ও পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দেশনা দিতে পারে।
--------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 137. Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs. 
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written. 
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.
১,৬১৫.
‘A’ এর নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া কত টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, ‘A’ কে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে?
  1. ৫,০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ৩,০০০ টাকা
  4. ৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা  দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারন থাকে না সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে।
⇒ তবে আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে যদি আবেদনের ২ মাস পূর্বে প্রতারনামূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করে।

অর্থাৎ ‘A’ এর নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া ৫,০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, ‘A’ কে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে।
১,৬১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির _____ এর মাঝে রিসিভারের দায়িত্ব (Duties of Receiver) সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
  1. আদেশ-৪০, বিধি-২
  2. আদেশ-৪০, বিধি-৩
  3. আদেশ-৩২, বিধি-৭
  4. আদেশ-২৬, বিধি-১৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪০, বিধি-৩ এ রিসিভারের দায়িত্বসমূহ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। এতে বলা হয়েছে যে, রিসিভারকে সম্পত্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে আদালত নির্ধারিত নিরাপত্তা প্রদান করতে হবে, আদালতের নির্ধারিত সময় ও ফরম্যাটে হিসাব দাখিল করতে হবে, আদালতের নির্দেশমতো অর্থ পরিশোধ করতে হবে এবং ইচ্ছাকৃত ত্রুটি বা গুরুতর অবহেলার কারণে সম্পত্তির যেকোনো ক্ষতির জন্য দায়ী হতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪০, বিধি-৩. রিসিভারের দায়িত্ব:
নিয়োগকৃত প্রতিটি রিসিভারকে—
(ক) সম্পত্তি বাবদ যা কিছু গ্রহণ করবে তার যথাযথ হিসাব প্রদানের জন্য আদালত যেরূপ নিরাপত্তা (যদি প্রয়োজন হয়) নির্ধারণ করে তা প্রদান করতে হবে;
(খ) আদালত যে সময় ও ফরম্যাট নির্ধারণ করবে সেই অনুযায়ী হিসাব দাখিল করতে হবে;
(গ) আদালত যে পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে বলবে তা প্রদান করতে হবে; এবং
(ঘ) তার ইচ্ছাকৃত ত্রুটি বা গুরুতর অবহেলার কারণে সম্পত্তির যেকোনো ক্ষতির জন্য দায়ী থাকবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Order XL, Rule-3. Duties of Receiver:
Every receiver so appointed shall—
(a) furnish such security (if any) as the Court thinks fit, duly to account for what he shall receive in respect of the property;
(b) submit his accounts at such periods and in such form as the Court directs;
(c) pay the amount due from him as the Court directs; and
(d) be responsible for any loss occasioned to the property by his wilful default or gross negligence.
১,৬১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ অনুসারে নিষেধাজ্ঞার আদেশ লঙ্ঘন করলে আদালত কী ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. অভিযুক্তের সম্পত্তি জব্দ করতে পারে।
  2. অভিযুক্তকে ছয় মাস পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখতে পারে।
  3. ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সম্পত্তি বিক্রি করতে পারে।
  4. উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ২ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতের আদেশ লঙ্ঘন করে বা আদেশের শর্ত লঙ্ঘন করে, তাহলে আদালত নিম্নলিখিত ব্যবস্থা নিতে পারে:
১. সম্পত্তি জব্দ (Attachment of Property):
বিধি ২(৩) অনুসারে, আদেশ অমান্যকারী ব্যক্তির সম্পত্তি জব্দ করার আদেশ দিতে পারে আদালত।

২. কারাদণ্ড (Civil Imprisonment):
আদেশ ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারে আদালত।

৩. ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সম্পত্তি বিক্রি:
যদি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের পরও এক বছরের মধ্যে আদেশ পালন না হয়, তবে জব্দ করা সম্পত্তি বিক্রি করে তার অর্থ দিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়া যেতে পারে।

আদেশ ৩৯ অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ লঙ্ঘন করলে আদালত – ১) সম্পত্তি জব্দ করতে পারে, ২) ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারে, এবং ৩) প্রয়োজন হলে সম্পত্তি বিক্রি করে ক্ষতিপূরণ দিতে পারে।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।
১,৬১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমায় আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান আছে?
  1. ৯৬ ধারায়
  2. ১০৪ ধারায়
  3. ১০৭ ধারায়
  4. ৯৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে সেই ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন আদেশ হতে আপীল চলবেনা।
- কোন কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে তার বর্ণনা আছে আদেশ ৪৩ তে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৪ ধারায় এবং ৪৩ আদেশে আপীলযোগ্য আদেশ  এর তালিকা উল্লেখ করা হয়েছে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ যদি ১০৪ ধারায় বা ৪৩ আদেশে উল্লেখিত কোন আপীলযোগ্য আদেশ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
--------------------------------
⇒ CPC Section-104. Orders from which appeal lies.
(1) An appeal shall lie from the following orders, and save as otherwise expressly provided in the body of this Code or by any law for the time being in force, from no other orders:
(ff) an order under section 35A;
(g) an order under section 95; 
(h) an order under any of the provisions of this Code imposing a fine or directing the arrest or detention in the civil prison of any person except where such arrest or detention is in execution of a decree; 
(i) any order made under rules from which an appeal is expressly allowed by rules: 
 
Provided that no appeal shall lie against any order specified in clause (ff) save on the ground that no order, or an order for the payment of a less amount, ought to have been made. 
 
(2) No appeal shall lie from any order passed in appeal under this section.
১,৬১৯.
আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি সর্বপ্রথম কোথায় উত্থাপন করতে হবে ?
  1. যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়
  2. জেলা জজের নিকট
  3. আপিল আদালতে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• ধারা-২১ (এখতিয়ারে আপত্তি)-

যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি থাকলে তা উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপীল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না।
কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপীল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

Sec.-21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
১,৬২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৫, বিধি-১ অনুসারে পক্ষগণ বিরোধী না হলে আদালত কী করবে?
  1. প্রমাণ গ্রহণ করবে
  2. মামলা স্থগিত করবে
  3. পক্ষকে নোটিশ জারি করবে
  4. তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৫, বিধি-১ এ বলা হয়েছে- যদি মামলার প্রথম শুনানির দিনে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণ (বাদী ও বিবাদী) আইনগত বা তথ্যগত কোনো প্রশ্নে বিরোধী নয়, অর্থাৎ তারা কোনো বিষয়ে বিতর্ক করছে না, তাহলে আদালত প্রমাণ গ্রহণ, সাক্ষ্যগ্রহণ বা আরও শুনানির প্রয়োজনীয়তা ব্যতিরেকে তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER-XV এর Rule-1 অনুসারে, প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন। এটি তখন ঘটে যখন পক্ষগণ কোন আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন এবং তাদের মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- ORDER-XV, Rule-1 :Parties not at issue.
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
১,৬২১.
ধারা-১২৩ এর অধীন গঠিত বিধি প্রণয়ন কমিটিতে মোট কতজন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক থাকবে?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
• ধারা-১২৩ অনুযায়ী, সর্বমোট ৬ জন সদস্য নিয়ে বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। সদস্যগণ হলো-
ক. সুপ্রীম কোর্টের তিন (৩) জন বিচারক নিয়ে যাদের মধ্যে একজন সর্বনিম্ন (৩ বছর জেলা জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে;
খ. উক্ত আদালতে অ্যাডভোকেট হিসাবে প্রাক্টিস করছে এমন ২ জন অ্যাডভোকেট;
গ. হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ দেওয়ানী আদালতের একজন বিচারক।

• সদস্যগণের নিয়োগ:
এই কমিটির সদস্যরা প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হবে এবং তিনি উক্ত কমিটির সভাপতি মনোনীত করবে এবং সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দিবে।এই কমিটির প্রত্যেক সদস্য প্রধান বিচারপতি কর্তৃক উল্লেখিত মেয়াদ পর্যন্ত পদে বহাল থাকবে।
১,৬২২.
Representative Suit-এর ক্ষেত্রে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে কার খরচে নোটিশ দেওয়া হয়?
  1. আদালতের
  2. বাদীর
  3. বিবাদীর
  4. নিজ নিজ খরচে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১ নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা (Representative Suit) এর বিধান রয়েছে। যদি অনেক ব্যক্তির একই স্বার্থ থাকে, তবে আদালতের অনুমতিক্রমে, এক বা একাধিক ব্যক্তি সকলের পক্ষে মামলা করতে পারে। এভাবে তারা অন্যান্যদের প্রতিনিধিত্ব করে। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন। যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।

(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।

১,৬২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিলের জন্য সর্বাধিক সময়সীমা কত?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অর্ডার ৮, ধারা ১ অনুযায়ী, লিখিত জবাব দাখিলের জন্য সর্বাধিক সময়সীমা হল দুই মাস।
এটি আদালতের অনুমতি বা অন্য কোন ব্যতিক্রম না থাকলে, বিবাদী প্রথম শুনানির সময় বা তার পূর্বে বা আদালতের অনুমতিক্রমে অনধিক দুই মাসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে পারেন।
তবে, আদালত বিশেষ পরিস্থিতিতে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করতে পারেন বা শর্ত সাপেক্ষে দাখিলের অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ বিবাদীর সমন প্রাপ্তির পর ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, আদালত আরো ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় দিতে পারে। লিখিত জবাব দাখিলের জন্য বিবাদী সর্বমোট ৬০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন।

⇒ বিবাদী যদি ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মামলাটি একতরফা নিষ্পত্তি হবে। বিবাদী লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হয়ার কারণে একতরফা নিষ্পত্তি করলে আপিল করা যাবে।

⇒ সাক্ষ্য হিসাবে দাবির সমর্থনে ব্যবহারের জন্য বিবাদীর দখলে থাকা দলিলসমূহ লিখিত জবাব পেশ করার সময় আদালতে হাজির করবেন এবং তখন দলিলগুলো লিখিত জবাবের সাথে নথিভুক্ত করবেন। তবে উক্ত দলিল দখলে না থাকলে, সেক্ষেত্রে লিখিত বিবৃতির সাথে দলিলাদির তালিকা অন্তর্ভুক্ত করবেন এবং উক্ত দলিলসমূহ কার দখলে আছে তা বর্ণনা করবেন। এরুপ দলিলসমূহ লিখিত জবাব দাখিলের সময় তালিকাভুক্ত না করলে পরবর্তীতে আদালতের অনুমতি ছাড়া সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে না।

১,৬২৪.
The Code of Civil Procedure, Section 22 অনুসারে, কোন পক্ষ স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারে?
  1. বাদী
  2. আদালত
  3. বিবাদী
  4. দুই পক্ষের সম্মতি থাকলে সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে।
- ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

- যখন আবেদন করতে পারে: যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made, after considering the objections the other parties (if any), shall determine which of the several 31 Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
১,৬২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি ৪ অনুযায়ী, আদালত সর্বাধিক কত দিনের জন্য বিচার্য বিষয় নির্ধারণ মুলতবি রাখতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি-৪- আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন:
যদি আদালতের মতামত হয় যে, কোনো ব্যক্তি যার উপস্থিতি আদালতে নেই অথবা কোনো নথি যা মামলায় উপস্থাপন করা হয়নি তা পরীক্ষা করা ব্যতীত বিচার্য বিষয় (issues) যথাযথভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়, তবে আদালত বিচার্য বিষয় নির্ধারণের কাজ সর্বোচ্চ পনেরো (১৫) দিনের জন্য মুলতবি রাখতে পারে।
এছাড়াও, আদালত (তৎকালীন প্রচলিত কোনো আইনের বিধান সাপেক্ষে) যার কাছে সেই ব্যক্তি বা দলিল আছে, তাকে সমন বা অন্য কোনো পদ্ধতির মাধ্যমে হাজির করতে বা দলিল পেশ করতে বাধ্য করতে পারে।

১,৬২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে মূল ডিক্রি হতে আপিলের বিধান আছে-
  1. আদেশ ৪০
  2. আদেশ ৪১
  3. আদেশ ৪৪
  4. আদেশ ৪৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১  এর মাঝে মূল ডিক্রী হতে আপীল বিষয় বিধান আছে।
⇒ আদেশ ৪১-৪৫ এবং ধারা ৯৬-১১২ পর্যন্ত আপীল সংক্রান্ত বিধান আছে।
 
আপীল (Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপীল বলে।
- আপীল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার।
- অর্থাৎ আপীল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।
 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে। নিম্নে দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধানসমূহ আলোচনা করা হলো-
ⅰ) মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-৯৬ থেকে ৯৯, আদেশ-৪১;
ii) আদেশের বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-১০৪ থেকে ১০৬, আদেশ-৪৩;
iii) আপীলের সাধারণ বিধানমসূহ: ধারা-১০৭ থেকে ১০৮;
iv) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল: ধারা-১০৯ থেকে ১১২; এবং
v) নিঃস্ব ব্যক্তির আপিল: আদেশ-৪৪।
১,৬২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারার বিধান কী?
  1. REFERENCE
  2. REVIEW
  3. REVISION
  4. APPEALS
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

⇒ CPC section 113. Reference of High Court Division:

 Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, any Court may state a case and refer the same for the opinion of the High Court Division, and the High Court Division may make such order thereon as it thinks fit.
১,৬২৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন বিধানটি নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত নয়?
  1. Order XXXIX, rule 1 & 2
  2. Order XXXIX, rule 5 (A)
  3. Section 94(c)
  4. Section 94(e)
ব্যাখ্যা
♦প্রশ্নটির অপশন বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় যে দেওয়ানী কার্যবিধির,
(ক) Order XXXIX, Rule 1 & 2:- আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে।
(খ) Order- XXXIX, Rule 5 (A):-  অপরপক্ষের শুনানি ব্যতীত অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ীনিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া যাবে না।
(গ) Section 94 (c):- ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য যাতে ব্যাহত না হয় সে জন্য আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে এবং কেউ তা অমান্য করলে দোষী ব্যক্তিকে দেওয়ানি কারাগারে আটক এবং তার সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।|
(ঘ) Section 94(e):- আদালতের কাছে যেরূপ ন্যায্য ও সুবিধাজনক মনে হয়; সেরূপ অন্তবর্তীকালীন আদেশ (Interlocutory Order) জারি করতে পারে ।
♦অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Section 94(E) [Interlocutory Order]  বিধানটি নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত নয়.
♦দেওয়ানি আদালতের অতিরিক্ত কার্যক্রম: CPC'র ৯৪ ধারায় Supplementary Proceeding বা অতিরিক্ত কার্যক্রম সম্পর্কে বলা আছে। ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য যেন ব্যাহত না হয় সে জন্য আদালত ক্ষেত্রবিশেষে নিম্নোক্ত আদেশ দিতে পারে। ৯৪ ধারা মোতাবেক -
a) দেওয়ানি কারাগারে পাঠানোর আদেশ ।
b) সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ ।
c) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ।
d) Receiver নিয়োগের আদেশ ।
e) আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করবে সেরূপ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ [Interlocutory Order]
১,৬২৯.
মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকৃতির উপর আদালত কখন রায় প্রদান করবেন?
  1. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  2. স্বীকৃতির বিষয়ে কোন পক্ষের আবেদেনের প্রেক্ষিতে
  3. আদালত সঙ্গত মনে করলে
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'-এ বর্ণিত উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ এ (Judgment on admissions) এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১২ বিধি-৬ (স্বীকারোক্তির উপর রায়)-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

[Rule-6: Judgment on admissions —
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.]্য 
১,৬৩০.
কোন আদালত ১৫ লক্ষ টাকার বেশি নয় এমন মোকদ্দমা গ্রহণের এখতিয়ার রাখে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. যুগ্ম-জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary Jurisdiction) নির্ধারণ করে কোন আদালত কত টাকার মামলা গ্রহণ করতে পারবে।
⇒ The Civil Courts (Amendment) Act, 2021 অনুযায়ী:
→ সহকারী জজ আদালত: ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
→ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত: ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
→ যুগ্ম জেলা জজ আদালত: সীমাহীন (unlimited)।
→ তাই, ১৫ লক্ষ টাকার বেশি নয় এমন (≤১৫ লক্ষ) মোকদ্দমা সহকারী জজ আদালত গ্রহণ করতে পারে।
→ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫ অনুযায়ী, মামলাটি সর্বনিম্ন যােগ্যতাসম্পন্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
- সহকারী জজ আদালতই সর্বনিম্ন স্তরের আদালত যার এখতিয়ার ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।

→ অতএব, ১৫ লক্ষ টাকার বেশি নয় এমন মোকদ্দমা দায়েরের এখতিয়ার একমাত্র সহকারী জজ আদালতের রয়েছে।
১,৬৩১.
কোনটি মধ্যবর্তী মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে?
  1. 'চ' নিজের জমিতে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
  2. 'চ', 'ছ' এর সম্পত্তি অবৈধ দখল করে সেখানে বাড়ি বানিয়ে ভাড়া দিলে
  3. 'চ', 'ছ' এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে অপশন 'গ' সকল শর্ত পূরণ করে বিধায় তা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে।
 
• ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।
 
• ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

উক্ত ব্যতিক্রমের কারণে অপশন (খ) উত্তর হবে না, কারণ অবৈধ দখল করলেও তিনি বাড়ি বানিয়ে অর্থাৎ সম্পত্তির উন্নয়ন করে উক্ত মুনাফা লাভ করেছেন। তাই তা মধ্যবর্তী মুনাফা বলে গণ্য হবে না।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession:
১,৬৩২.
আদেশ-১৮ বিধি-২০ অনুযায়ী, কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ কতটি মোকদ্দমা নির্ধারণ করতে পারবে?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ১০টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ-১৮ বিধি-২০ অনুযায়ী, আদালত চূড়ান্ত শ্রবণের জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ ৫টি মোকদ্দমা নির্ধারণ করতে পারবে। এর মধ্যে ২টি "পার্ট-হিয়ার্ড" (অংশিক শুনানী করা) মোকদ্দমা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
এটি আদালতের কার্যক্রমে একটি সীমাবদ্ধতা তৈরি করে যাতে আদালত কার্যক্রমে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে এবং প্রতিটি মামলার শুনানি যথাযথভাবে পরিচালিত হতে পারে।

⇒ আদেশ-১৮ বিধি-২০:-
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-18 Rule-20: Fixation of suits in the daily cause list, etc:
-The court shall not fix more than five suits including two part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage, and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits:
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
১,৬৩৩.
গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা রুজুর জন্য কার অনুমতি লাগে?
  1. প্রধান বিচারপতির
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. এটর্নি জেনারেলের
  4. প্রধানমন্ত্রীর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে যে, এটর্নি জেনারেল বা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন ।
⇒বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
১,৬৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ আদেশের অধীনে কোন মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত আদেশের বিধি ৯ অনুসারে একই কার্যকারণে-
  1. আবেদন ছাড়াই নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে
  2. কোনো ভাবেই নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না
  3. বাদীর আবেদনক্রমে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে
  4. বিবাদীর আবেদনক্রমে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২২ বিধি ৯: বিলুপ্তি কিংবা খারিজের ফলাফল:
১) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমা এই আদেশের অধীনে বিলুপ্তি বা খারিজ হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার একই কার্যকারণে নতুন কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

২) বাদী কিংবা মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধি হিসাবে দাবীদার ব্যক্তি বা অসচ্ছলতা বাদীর ক্ষেত্রে স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করার আদেশের জন্য আবেদন করতে পারে এবং যদি এটি প্রমাণিত হয় যে, সে মোকদ্দমা পরিচালনা পর্যাপ্ত কারণে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল তবে আদালত মোকদ্দমার খরচাদি সম্পর্কে তার বিবেচনায় এরূপ শর্তাধীনে বা অন্য কোনভাবে বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করবে।

৩) উপবিধি (২) এর অধীনে আবেদন পত্রের ক্ষেত্রে ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৪ এবং ৫ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে।

Rule.-9: Effect of abatement or dismissal-
1) Where a suit abates or is dismissed under this Order, no fresh suit shall be brought on the same cause of action.

2) The plaintiff or the person claiming to be the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver in the case of an insolvent plaintiff may apply for an order to set aside the abatement or dismissal; and if it is proved that he was prevented by any sufficient cause from continuing the suit, the Court shall set aside the abatement or dismissal upon such terms as tocosts or otherwise as it thinks fit.

3) The provisions of sections 4 and 5 of the Limitation Act, 1908 shallapply to application under sub-rule (2).
১,৬৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ নং আদেশ অনুযায়ী, মুলতবির জন্য খরচ কত হতে পারে?
  1. সর্বনিম্ন ৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা
  2. সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা
  3. সর্বনিম্ন ১০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১৫০০ টাকা
  4. সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ নং আদেশের অধীনে মুলতবি বা Adjournment সম্পর্কিত কিছু নিয়ম রয়েছে। যখন কোনো পক্ষ শুনানিতে উপস্থিত না হতে পারে বা অন্য কোনো কারণে শুনানি স্থগিত করতে চায়, তখন আদালত মুলতবি বা Adjournment মঞ্জুর করতে পারে।

→ মুলতবির আবেদন করার জন্য আদালত খরচ নির্ধারণ করে। এই খরচের পরিমাণ, আইন অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

- এই খরচ আদালত কর্তৃক নির্ধারিত হয় এবং তা মুলতবি মঞ্জুর করার ক্ষেত্রে এক ধরনের শাস্তি বা প্রেরণা হিসেবে কাজ করে, যাতে পক্ষগুলি মাত্রাতিরিক্ত সময়ের জন্য মামলার শুনানি স্থগিত না করে।
১,৬৩৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫১ কী বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আপিল
  2. পুনরুদ্ধার
  3. সাধারণ খরচ
  4. সহজাত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫১ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা যা আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power of the Court) সংক্রান্ত।
- এই ধারা অনুযায়ী, যদি আইনের অন্যান্য কোনো নির্দিষ্ট বিধান না থাকে, তবুও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবং আদালতের কার্যপ্রণালির অপব্যবহার রোধ করতে আদালত যেকোনো প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারে।
- ধারা ১৫১ এর বিধান: “এই বিধিতে কিছুই এমন নেই যা আদালতের সহজাত ক্ষমতা সীমিত করে বা প্রভাবিত করে; আদালত ন্যায়ের স্বার্থে অথবা আদালতের পরোয়ানার অপব্যবহার প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারে।”

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
- ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
১,৬৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৩ অনুযায়ী কোন শর্তে বিদেশী শত্রু (Alien enemy) বাংলাদেশে মামলা দায়ের করতে পারবে?
  1. স্থানীয় থানার অনুমতিতে
  2. আদালতের বিশেষ আদেশে
  3. জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে
  4. বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৩ (১) অনুযায়ী, বিদেশী শত্রু (alien enemy) যদি বাংলাদেশ সরকারের অনুমতিক্রমে বাংলাদেশে বসবাস করেন, তবে তিনি বাংলাদেশের নাগরিকের মতই আদালতে মামলা করতে পারবেন।
- ধারা ৮৩ (১) অনুযায়ী বলা হয়েছে: "Alien enemies residing in Bangladesh with the permission of the Government, and alien friends, may sue in the Courts in Bangladesh as if they were citizens of Bangladesh."
অর্থাৎ, সরকারি অনুমতি ছাড়া কোনো বিদেশী শত্রু মামলা দায়ের করতে পারবেন না।

→ সুতরাং বিদেশী শত্রু যদি বাংলাদেশে সরকারের অনুমতি নিয়ে বসবাস করেন, তাহলে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।
সঠিক উত্তর: ঘ) বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৩ - কখন বিদেশি ব্যক্তি মামলা করতে পারে:
(১) সরকারের অনুমতিক্রমে বিদেশি শক্রগণ এবং বিদেশি বন্ধুগণ বাংলাদেশে বসবাস করতে থাকলে তারা বাংলাদেশের নাগরিকের মতই বাংলাদেশের আদালতে মামলা করতে পারবেন।
(২) এরূপ অনুমতি ব্যতীত বিদেশি শত্রু বাংলাদেশে বসবাস করতে থাকলে বা বিদেশি রাষ্ট্রে বসবাস করলে অনুরূপ কোন আদালতে মামলা করতে পারবে না।
ব্যাখ্যা: যে সকল বিদেশি রাষ্ট্রের সরকার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত বা সামরিক অভিমানে জড়িত, সেই সকল দেশে বসবাসরত এবং বাংলাদেশ সরকারের একন সচিবের সহিযুক্ত অনুমতি ব্যতীত ঐ সকল দেশে ব্যবসা চালাইতে থাকলে (২) উপধারার উদ্দেশ্যে উক্তরূপ বিদেশি রাষ্ট্রে বসবাসরত প্রত্যেক ব্যক্তি বিদেশি শত্রু বলে গণ্য হবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 83. When aliens may sue:
(1) Alien enemies residing in Bangladesh with the permission of the Government, and alien friends, may sue in the Courts in Bangladesh, as if they were citizens of Bangladesh.
(2) No alien enemy residing in Bangladesh without such permission, or residing in a foreign country, shall sue in any of such Courts. 
Explanation.-Every person residing in a foreign country the Government of which is at war with, or engaged in military operations against, Bangladesh, and carrying on business in that country without a license in that behalf under the hand of a Secretary to the Government shall, for the purpose of sub-section (2), be deemed to be an alien enemy residing in a foreign country.
১,৬৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮, বিধি-১ অনুসারে বিবাদীকে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য প্রথমে কত কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ২১ কার্যদিবস
  3. ৩০ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮, বিধি ১ অনুসারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "বিবাদীর সমন প্রাপ্তির পর ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে।"
অর্থাৎ, বিবাদীকে প্রথমে ৩০ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয় লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮,বিধি-১: লিখিত জবাব (written Statement):
১) বিবাদীর সমন প্রাপ্তির পর ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, আদালত আরো ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় দিতে পারে। লিখিত জবাব দাখিলের জন্য বিবাদী সর্বমোট ৬০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন।
২) বিবাদী যদি ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মামলাটি একতরফা নিষ্পত্তি হবে। বিবাদী লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হয়ার কারণে একতরফা নিষ্পত্তি করলে আপিল করা যাবে।
৩) সাক্ষ্য হিসাবে দাবির সমর্থনে ব্যবহারের জন্য বিবাদীর দখলে থাকা দলিলসমূহ লিখিত জবাব পেশ করার সময় আদালতে হাজির করবেন এবং তখন দলিলগুলো লিখিত জবাবের সাথে নথিভুক্ত করবেন। তবে উক্ত দলিল দখলে না থাকলে, সেক্ষেত্রে লিখিত বিবৃতির সাথে দলিলাদির তালিকা অন্তর্ভুক্ত করবেন এবং উক্ত দলিলসমূহ কার দখলে আছে তা বর্ণনা করবেন। এরুপ দলিলসমূহ লিখিত জবাব দাখিলের সময় তালিকাভুক্ত না করলে পরবর্তীতে আদালতের অনুমতি ছাড়া সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-32 Rule-1: Written statement:
(1) The defendant shall, within thirty working days from the date of service of summons upon him, save as provided in the proviso to sub-section (2) of section 80, present a written statement of his defence:
Provided that where the defendant fails, for reasonable grounds, to file the written statement within the said period of thirty working days, he shall be allowed to file the same on such other day, as may be specified by the Court, for reasons to be recorded in writing, but which shall not exceed sixty working days from the date of service of summons:
Provided further that if the defendant fails to file the written statement within the said period of sixty working days, the Court shall dispose of the suit ex parte.

১,৬৩৯.
কোন অবস্থায় নেকস্ট ফ্রেন্ডকে অপসারণ করা যেতে পারে?
  1. বিদেশে চলে গেলে
  2. নাবালকের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হলে
  3. বিবাদীর সঙ্গে স্বার্থের সংঘর্ষ থাকলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৯ অনুযায়ী নিম্নলিখিত যেকোনো অবস্থায় নেকস্ট ফ্রেন্ডকে অপসারণ করা যেতে পারে:
নাবালকের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হলে: - যদি নেকস্ট ফ্রেন্ড তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করে।
বিবাদীর সঙ্গে স্বার্থের সংঘর্ষ থাকলে: - যদি নেকস্ট ফ্রেন্ড এমন কোনো বিবাদীর সাথে সংশ্লিষ্ট হয় যার স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী, তবে তার দ্বারা ন্যায্যভাবে নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব নয়।
বাংলাদেশে বসবাস করা বন্ধ করে দিলে / বিদেশে চলে গেলে: - যদি মামলা বিচারাধীন অবস্থায় সে বাংলাদেশে আর না থাকে, তবে সেটিও অপসারণের বৈধ কারণ।
- তাই উপরের সবগুলো অবস্থাতেই আদালত উল্লেখযোগ্য ও যুক্তিসঙ্গত কারণ মনে করলে নেকস্ট ফ্রেন্ডকে অপসারণের নির্দেশ দিতে পারে এবং মামলার খরচ সম্পর্কেও আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৯: নেকষ্ট ফেণ্ডের অসারণ:
(১) যখন কোন নাবালকের নেকষ্ট ফ্রেণ্ডের স্বার্থে ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে বা যখন সে এমন বিবাদীর সাথে সংশ্লিষ্ট, যার স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে যার দরুণ তার দ্বারা উক্ত নাবালকের স্বার্থ যথার্থভাবে সংরক্ষণ সম্ভব নহে, অথবা যখন সে তার কর্তব্য পালন করে না বা মামলা বিচারাধীন থাকাকারে বাংলাদেশে বসবাস করা শেষ করে অথবা অন্য কোন যথেষ্ট কারণে নাবালকের তরফ হতে বা বিবাদী কর্তৃক তার অপসারণের জন্য আবেদন করা যাবে এবং আদালত যদি প্রদর্শিত কারণের যথার্থতা সম্পর্কে পরিতুষ্ট হন, তবে নেকষ্ট ফ্রেণ্ডকে তদানুসারে অপসারণের নির্দেশ দিতে পারেন এবং খরচা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন নেকষ্ট ফ্রেণ্ড বা অভিভাবক এতদুদ্দেশ্যে কোন উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত বা ঘোষিত হয়নি এবং উক্ত মতে নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক নেকষ্ট ফ্ৰেণ্ডের স্থলে নিজেই নিযুক্ত হতে ইচ্ছা পোষণ করে আবেদন লিপিবদ্ধ করে মনে করেন যে, উক্ত অভিভাবককে নাবালকের নেকষ্ট ফ্রেণ্ড নিয়োগ করা উচি নহে, এবং আবেদনকারীকে তার স্থলে আদালতের বিবেচনা মত মামলায় যে খরচ হয়েছে তৎসম্পর্কে শর্তাদি সাপেক্ষে নেকষ্ট ফ্রেণ্ড হিসাবে নিয়োগ করবেন।
১,৬৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৩২ মূলত কোন ধরনের ডিক্রি কার্যকর করার নিয়ম নির্ধারণ করে না?
  1. অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
  2. দাম্পত্য অধিকার
  3. নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
  4. সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৩২ (Order XXI, Rule 32) মূলত তিনটি ধরনের ডিক্রি কার্যকর করার নিয়ম নির্ধারণ করে:
১) সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি
২) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি
৩) নিষেধাজ্ঞামূলক (injunction) ডিক্রি
- এই বিধি অনুযায়ী, যদি উক্ত ডিক্রির অধীনে দায়িক ইচ্ছাকৃতভাবে আদেশ না মানে, তবে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে তার সম্পত্তি ক্রোক করা যেতে পারে।
- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে দেওয়ানি কারাগারে আটক, সম্পত্তি ক্রোক, অথবা উভয় পদ্ধতিতে কার্যকর করা যেতে পারে।
- কিন্তু “অর্থ পরিশোধের ডিক্রি” আদেশ ২১, বিধি ৩২ এর আওতায় পড়ে না।

অর্থাৎ আদেশ-২১, বিধি-৩২ অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত ডিক্রি কার্যকরের বিধান দেয় না। এটি দাম্পত্য অধিকার, নিষেধাজ্ঞা, এবং সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন—এই তিন ধরনের ডিক্রি কার্যকর করার নিয়ম বলে।
- সঠিক উত্তর: ক) অর্থ পরিশোধের ডিক্রি

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।
যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21 Rule- 32. Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.
(2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.
১,৬৪১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত কোন উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারে না?
  1. কোনো ব্যক্তিকে পরীক্ষা করা
  2. স্থানীয় তদন্ত করা
  3. রায় কার্যকর করা
  4. সম্পত্তি বাটোয়ারা করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ. রায় কার্যকর করা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ এর বিধান- কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:

- নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।

⇒ কিন্তু রায় কার্যকর করা কমিশনের উদ্দেশ্য নয়। এটি আদালতের আদেশ বা ডিক্রির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, কমিশনের মাধ্যমে নয়।

১,৬৪২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর কোন বিধিতে আপিলের রায় ঘোষণা সংক্রান্ত নিয়ম বর্ণিত আছে?
  1. বিধি-২৮
  2. বিধি-৩০
  3. বিধি-৩১
  4. বিধি-৩৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-৩০ এর বিধান আপিল আদালতের রায় কখন এবং কোথায় ঘোষিত হয়: আপিল আদালত পক্ষগণ বা তাদের উকিলদের শুনানির পর এবং আপিলের বা যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে সে আদালতের কার্যধারার কোন অংশ রেফারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হলে সেটা উল্লেখ করে তৎক্ষণাৎ বা পরবর্তী তারিখ সম্পর্কে যার নোটিশে পক্ষগণকে বা উকিলগণকে প্রদান করতে হবে, প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষিত হবে।
- অর্থাৎ,আদেশ ৪১, বিধি ৩০–তে বলা হয়েছে, আপিল আদালত পক্ষসমূহ বা তাদের আইনজীবীকে শুনে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে খোলামেলা আদালতে রায় ঘোষণা করবে, তা তাৎক্ষণিক হোক বা পরে নির্ধারিত কোনো তারিখে হোক।
- ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী বিধি ৩০(২) উপবিধিতে আরও বলা হয়েছে যে, উভয় পক্ষ অনুপস্থিত থাকলেও বিচারক চাইলে মামলার নথির ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করতে পারেন।
- তাই, সঠিক উত্তর: খ) বিধি-৩০।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-30: Judgment in Appeal: 
- Judgment. When and where pronounced: The Appellate Court after hearing the parties or their pleaders and referring to any part of the proceedings, whether on appeal or in the Court from whose decree the appeal is preferred, to which reference may be considered necessary, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day of which notice shall be given to the parties or their pleaders.
(2) Notwithstanding anything contained in sub-rule (1), if neither party nor his pleader appears when the appeal is called on for hearing, the Appellate Court may, for reasons to be recorded in writing, if considers the materials on record are sufficient to dispose of the appeal on merits, pronounce judgment in open Court immediately or on a date to be fixed by it.
১,৬৪৩.
বাদী প্রশ্নমালার উত্তর বা দলিল প্রকাশ ও নিরীক্ষণের আদেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে মোকদ্দমা-
  1. একতরফা নিষ্পত্তি হবে
  2. খারিজ হবে
  3. দো-তরফা নিষ্পত্তি হবে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• যদি কোন পক্ষ যাকে মামলা সম্পর্কিত কোন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার [to answer Interrogatories) বা কোন দলিল প্রকাশ (discovery of documents) বা দলিল নিরীক্ষণের (inspection of documents) আদেশ দেওয়া হয়েছে, যদি সে বাদী হয় এবং সে যদি উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত তার মামলা খারিজ (Dismissed the suit) করে দিবে এবং যদি সে বিবাদী হয় তাহলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন (Right to defence) বাতিল করবে।

আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।

Rule-21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
১,৬৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে মিথ্যা দাবির ব্যাপারে সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ দেয়ার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ২০,০০০ টাকা
  3. ৩৫,০০০ টাকা
  4. ২৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মামলায় আরজি বা জবাবে কোনো পক্ষ মিথ্যা কোনো দাবি করলে, সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিধান আছে।

• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-
i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ; এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ।

• ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোন পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
১,৬৪৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১৫১ ধারায় বর্ণিত আদালতের ক্ষমতাকে বলা হয়?
  1. সহজাত ক্ষমতা
  2. বিশেষ ক্ষমতা
  3. সাধারন ক্ষমতা
  4. আপীল ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৫১ ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালতের সহজাত ক্ষমতা অর্থাৎ আদালত ন্যায় সংগত ভাবে বিচার কার্য পরিচালনার জন্য • সুনির্দিষ্ট আইনের পাশাপাশি অতিরিক্ত যে ক্ষমতা ব্যবহার করে।
• এই ক্ষমতা কোন আইন থেকে উৎপত্তি হয় নাই। দুটি উদ্দেশ্যে আদালত তার সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
(১) ন্যায় বিচারের স্বার্থে
(২) আদালতের কার্য্যপ্র্রণালীর অপব্যবহার রোধ করতে।
• ফৌঃ কাঃ বিধি ৫৬১ (ক) ধারায় ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতার প্রয়োগ হয়।
১,৬৪৬.
আদেশ ১২ বিধি ৯ অনুযায়ী নোটিশে অপ্রয়োজনীয় নথি উল্লেখ থাকলে এর ফলাফল কী?
  1. নথি বাতিল হয়ে যায়
  2. মামলা খারিজ হয়
  3. আদালত নোটিশ অবৈধ ঘোষণা করবে
  4. নোটিশ প্রদানকারী পক্ষ খরচ বহন করবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ৯- খরচ:
যদি কোনো নোটিশে (নথি স্বীকার বা উপস্থাপনের জন্য প্রদত্ত নোটিশ) এমন নথির উল্লেখ করা হয়, যা অপ্রয়োজনীয় বা মামলার জন্য প্রয়োজনীয় নয়, তাহলে ঐ নোটিশের কারণে যে খরচ সৃষ্টি হবে, তা নোটিশ প্রদানকারী পক্ষকেই বহন করতে হবে।

১,৬৪৭.
According to Order 18, Rule 4, who is responsible for ensuring that the witness examination is conducted under personal supervision?
  1. The judge
  2. The plaintiff
  3. The defendant
  4. The lawyer of the witness
ব্যাখ্যা
Order 18 Rule 4: Witnesses to be examined in open Court-
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)-
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।
১,৬৪৮.
ধারা-৮১ অনুযায়ী আদালত কোন শর্তের ভিত্তিতে সরকারি কর্মচারীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন?
  1. যদি সে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে
  2. যদি তার অনুপস্থিতি জনসাধারণের ক্ষতি করতে পারে
  3. যদি কর্মচারী চাকরি থেকে অব্যাহতি নেয়
  4. কর্মচারী যদি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকে
ব্যাখ্যা
ধারা-৮১: গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:
পদাধিকারবলে কৃত কার্যের দরুন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-
ক) ডিক্রি জারি ব্যতীত বিবাদিকে গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না; এবং
খ) যদি আদালত মনে করেন যে, উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন।

Sec 81: Exemption from arrest and personal appearance:
In a suit instituted against ta public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity-
a) the defendant shall not be liable to arrest not his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and,
b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
১,৬৪৯.
The Code of Civil Procedure,1908 এর Order XVI, Rule 12 অনুসারে যথাযথ কারণ ছাড়া কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত সাক্ষীকে আদালত কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করতে পারেন?
  1. ৫০০
  2. ১৫০০
  3. ৩০০০
  4. ১০০০
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে।

বিধি-১০ অনুসারে, সাক্ষী সমন মান্য করতে ব্যর্থ হলে আদালত তাকে হাজির হওয়ার জন্য হুলিয়া জারি (Proclamation) করতে পারবে। উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারে ও সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারে। সাক্ষী হাজির হলে আদালত সেই ক্রোকাদেশ প্রত্যাহার করতে পারে।

• আর যদি সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত আদেশ ১৬ এর বিধি ১২ মোতাবেক-
› অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা এবং
› তার সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারবে।

বিধি ১০ এর অধীন পূর্বেই ক্রোক করা হলে জরিমানা সহ ক্রোকের ব্যয় মেটানোর জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে হবে।

Order 16 Rule 12: Procedure if witness fails to appear-
The Court may, where such person does not appear, or appears but fails so to satisfy the Court, impose upon him such fine not exceeding five hundred Taka as it thinks fit, having regard to his condition in life and all the circumstances of the case, and may order his property, or any part thereof, to be attached and sold or, if already attached under rule 10, to be sold for the purpose of satisfying all costs of such attachment, together with the amount of the said fine, if any:
Provided that, if the person whose attendance is required pays into Court the costs and fine aforesaid, the Court shall order the property to be released from attachment.
১,৬৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় Interpleader Suit দায়ের বিধান রয়েছে।
  1. ৯০
  2. ৮৮
  3. ৯২
  4. ৮২
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৮ ধারায় এবং ৩৫ আদেশে স্বার্থবিহীন মামলা [Interpleader Suit] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির নিকট পাওনা টাকা বা কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট তা দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচার দাবি বাতীত যদি অন্য কোনো দাবিদাওয়া না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকে, তবে সেই সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য এবং নিজের খরচার দাবী আদায়ের জন্য উক্তরুপ দাবিদারগণের সকলের বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করা যায় তাহলো স্বার্থবিহীন মামলা  [Interpleader Suit]।
১,৬৫১.
বাদী কর্তৃক প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান না করার কারণে বিবাদী বরাবর সমন জারি না হলে, আদালত The Code of Civil Procedure,1908 এর কোন বিধান অনুসারে মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে?
  1. Order X Rule II
  2. Order X Rule III
  3. Order IX Rule I
  4. Order IX Rule II
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure,1908 এর Order IX Rule II (আদেশ ৯ বিধি-২):

নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
১,৬৫২.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্র কী?
  1. মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি এবং ফি আদায় নিশ্চিত করা
  2. কেবল আদালতের কার্যধারা নিশ্চিত করা
  3. ন্যায়বিচার নিশ্চিত এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা
  4. মামলা স্থানান্তর এবং ফি আদায় নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

১,৬৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ১ অনুসারে, নাবালকের পক্ষে মামলা কে দায়ের করবেন?
  1. সরকারি কর্মকর্তা
  2. নাবালকের Next Friend
  3. আদালত নিযুক্ত Guardian
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ আদেশে নাবালক এবং বিকৃত মস্তিষ্ক সম্পন্ন ব্যক্তি কীভাবে মামলা করবে বা তার পক্ষে কীভাবে মামলা দায়ের করা যায় তা আলোচনা করা হয়েছে। নাবালক কর্তৃক প্রত্যেক মামলা তার নামে আসন্ন/পরবর্তী বন্ধু [Next friend) কর্তৃক দায়ের করতে হবে। 
- অর্থাৎ, নাবালকের পক্ষে মামলা দায়ের করতে হবে নাবালকের Next Friend (বন্ধু বা অভিভাবক)-এর মাধ্যমে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-১ এর বিধান- আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়:
নাবালক বাদী কর্তৃক প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-32 Rule-1. Minor to sue by next friend:
- Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.

১,৬৫৪.
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মোকদ্দমা বা দাবির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষকে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ দিতে পারে?
  1. ৩০০০
  2. ৫০০০
  3. ২০০০০
  4. ১০০০০
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির - ৩৫ক ধারা বিধান হল মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি বা জবাব সম্পর্কে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ: মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মোকদ্দমা বা দাবির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ ক্ষতিপূরণমূলক খরচের (Compensatory Cost ) জন্য আবেদন করতে পারে। আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন । এই ধারাটি আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- এই ধারায় কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে তাকে ফৌজদারি দায় হতে অব্যাহতি দিয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে না।
- ৩৫ক ধারায় প্রদত্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
- ৩৫ ধারার খরচ হল সাধারণ খরচ যা মামলার কারণে পক্ষদের খরচ হয় যেমন- কোর্ট ফি, আইনজীবীর ফি ও এই সংক্রান্ত অন্যান্য খরচ।
- ৩৫ক ধারায় মিথ্যা ও হয়রানিকর দাবির কারণে আদালত সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ দিতে পারে।
- ৩৫খ তে যে খরচের আদেশ দেওয়া হয় তা মূলত interlocutory matter এ কোনো দরখাস্ত নির্ধারিত সময়ে দাখিল না করে বিলম্বে দাখিল করার জন্য আরোপ করা হয়।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান: মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি বা আত্মপক্ষ সমর্থনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
১) যদি কোন মোকদ্দমা অথবা জারির কর্মপদ্ধতিসহ অন্য কার্যক্রমে, কিন্তু আপিলে নয়, কোন পক্ষ দাবিতে অথবা জবাবে এই জন্য আপত্তি প্রদান করে যে, দাবি কিংবা জবাব, অথবা উহার কোন পার্ট, মিথ্যা বা বিরক্তিকর, এবং তৎপরবর্তীতে ঐরূপ দাবি কিংবা জবাবকে মিথ্যা অথবা বিরক্তিকর হিসাবে ধারণা প্রদান করার কারণ লিপিবদ্ধ করার পর ক্ষতিপূরণ হিসাবে আপত্তিকারীকে খরচা প্রদান করার আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এতিয়ারের পরিসীমা অতিক্রান্ত না করে বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।

২) এই ধারার অধীন তাতে বর্ণিত কারণে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে ঐ দাবি কিংবা জবাব সম্পর্কে তাকে ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হবে না।

৩) মিথ্যা কিংবা বিরক্তিকর দাবি অথবা জবাবের নিমিত্তে উক্ত ধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত খরচার পরিমাণ পরবর্তী খেসারত অথবা ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ঐরূপ দাবি অথবা জবাব সম্পর্কে বিবেচনায় রাখতে হবে।
------------
CPC Section 35A. Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences:
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto twenty thousand taka.
 
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him.

(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.
১,৬৫৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮২ ধারা অনুসারে সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রদানের পর কতদিনের মধ্যে ডিক্রি কার্যকর করা যাবে না?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮২(২) অনুযায়ী, যদি সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনো ডিক্রি প্রদত্ত হয় এবং তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পালন না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সরকারের নিকট রিপোর্ট আকারে প্রেরণ করেন। রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত সেই ডিক্রির কার্যকরীকরণ (execution) আদেশ জারি করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮২ ধারার বিধান: ডিক্রি জারি:
১) সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।
২)সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রদত্ত ডিক্রিটি যদি অনিষ্পন্ন থাকে, তবে উক্ত রিপোর্ট প্রদানের তারিখ হতে তিন মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রিটির কার্যকরীকরণের আদেশ (execution) জারি করা যাবে না।
-----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 82. Execution of decree:
(1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.
(2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
১,৬৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় "বিচারক" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(৮)
  2. ধারা ২(৯)
  3. ধারা ২(১০)
  4. ধারা ২(১১)
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.
১,৬৫৭.
যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেই আদালতে আবেদন করার বিধানটি দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৪৪, বিধি ১
  2. আদেশ ৪৫, বিধি ২
  3. আদেশ ৪৬, বিধি ৩
  4. আদেশ ৪৩, বিধি ৪
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির (Code of Civil Procedure, 1908) আদেশ ৪৫ (Order XLV) মূলত "Appeals to the Appellate Division" অর্থাৎ আপিল বিভাগে আপিল সংক্রান্ত বিধান প্রদান করে।
আদেশ ৪৫, বিধি ২-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
“Whoever desires to appeal to the Appellate Division shall apply by petition to the Court whose decree is complained of.”
অর্থাৎ, যে কেউ আপিল বিভাগে আপিল করার ইচ্ছা পোষণ করলে, তাকে সেই আদালতে আবেদন করতে হবে যার ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

- আপিল বিভাগে আপিল করার জন্য প্রথমেই যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেই আদালতে আবেদন করতে হয়—এটি দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৫, বিধি ২-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।

১,৬৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশের অধীন আদালত সাক্ষীকে পুনঃআহ্বান (recall) করে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে?
  1. আদেশ ১৮ বিধি ১২
  2. আদেশ ১৮ বিধি ১৫
  3. আদেশ ১৮ বিধি ১৭
  4. আদেশ ১৮ বিধি ১০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি-১৭ঃ আদালত কর্তৃক সাক্ষীকে পুনঃ আহ্বান ও জবানবন্দি (recall and examine witness)-

যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে, আদালতে উক্ত সাক্ষীকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পুনঃ আহ্বান করতে পারে এবং (বর্তমানে প্রচলিত সাক্ষ্য আইনের বিধান সাপেক্ষে) আদালত সঙ্গত মনে করে এরূপ প্রশ্ন তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারে।
[The Court may at any stage of a suit recall any witness who has been examined and may (subject to the law of evidence for the time being in force) put such questions to him as the Court thinks fit.]
১,৬৫৯.
৪৭ আদেশের ৪ বিধির অধীন রিভিউ এর আবেদন না-মঞ্জুর করলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার-
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি না
ব্যাখ্যা
♦ ৪৭ আদেশ ৪ বিধি এর বিধান যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র অগ্রাহ্য হয় (Application where rejected): আদালত যদি মনে করেন রিভিউ এর যথেষ্ট কারণ আছে তাহলে তা মঞ্জুর করতে এবং যদি মনে করেন যথেষ্ট কারণ নেই তাহলে তা না মঞ্জুর করতে পারেন।

♦ ৪৭ আদেশ ৭ বিধি এর বিধান প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপিলযোগ্য নয় ; আবেদন মঞ্জুর করার আদেশে আপত্তি (Order of rejection not appealable Objection to order granting application): রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে তবে রিভিউ আবেদন না মঞ্জুর করলে রিভিশন চলবে।

♦ অর্থাৎ রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপীল করতে পারে কিন্তু রিভিউ আবেদন না-মঞ্জুর করলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি রিভিশন দায়ের করতে পারে।
১,৬৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) এর অধীন মোকদ্দমা পুনর্বহালের আবেদনের সাথে জমাকৃত খরচা কাকে প্রদান করতে হবে?
  1. সরকারকে
  2. আদালতকে
  3. নিজ সাক্ষীকে
  4. মোকদ্দমার অন্য পক্ষকে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৭ বিধি ১(৭):
উপ-বিধি (৩) কিংবা (৪) এর অধীন মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে তা শুনানির নিমিত্তে পুনর্বহাল করা হবে না, যদি না যার অমান্যের কারণে মোকদ্দমাটি খারিজ হয় কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তিনি খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে তা পুনর্বহালের আবেদনের সঙ্গে আদালতে দুই হাজার টাকা ব্যায়াদির খরচা জমা প্রদান করেন; এবং অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য কার্যধারা ছাড়িয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করা হবে এবং জমাকৃত খরচা অন্য পক্ষকে দিতে হবে।
১,৬৬১.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা দায়েরের জন্য কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. আদালত
  3. বিবাদী
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা দায়ের করার জন্য আদালতের অনুমতি প্রয়োজন। দেওয়ানি কার্যবিধির ১ নং আদেশের ৮ নং বিধি অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় বহু ব্যক্তির একই ধরনের স্বার্থ থাকে, তবে আদালতের অনুমতিক্রমে একজন বা একাধিক ব্যক্তি সেই মামলার জন্য প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন।
- প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমায়, স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে একজন বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারবেন, তবে এর জন্য আদালতের অনুমতি প্রয়োজন। আদালত এটি নিশ্চিত করবে যে প্রতিনিধির মাধ্যমে মামলাটি সঠিকভাবে পরিচালিত হবে এবং যে ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা মামলার মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করছেন, তাদের স্বার্থ সঠিকভাবে রক্ষিত হচ্ছে।
এছাড়া, আদালতকে গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নোটিশ প্রদান বা ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ প্রদান করার বিষয়টি নিশ্চিত করার দায়িত্বও দেওয়া থাকে।

অতএব, প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা দায়েরের জন্য আদালতের অনুমতি প্রয়োজন।
১,৬৬২.
দেওয়ানি মামলায় মিথ্যা আরজি বা জবাব দাখিল করলে সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিধান আছে?
  1. ১৫,০০০ টাকা
  2. ১০,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ৩০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মামলায় মিথ্যা আরজি বা জবাব দাখিল করলে  সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিধান আছে।

• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-
 i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ;  এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ। 

• ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোন পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।

Section 35A: Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences-
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto twenty thousand taka. 
 
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him. 
 
(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.]
১,৬৬৩.
আদেশ ২০ বিধি ৫ক অনুযায়ী, রায় ঘোষণার পর ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে:
  1. একই দিনে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ১ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৫ক: ডিক্রি প্রণয়নের সময়:
রায় ঘোষণার তারিখ হতে সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।

Order 20 Rule 5A- Time for drawn up a decree:
The decree shall be drawn up within seven days from the date of pronouncement of the judgment.
১,৬৬৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১৯ কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তি
  2. শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি
  3. অস্থাবর ও স্থাবর উভয়ই
  4. কেবল সরকারি সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান- ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
 কোনো ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে অনিষ্ট সাধন করা হলে এবং বিবাদী অপর আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করলে, বাদী তার ইচ্ছা অনুসারে দুই আদালতের যেকোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) ক-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে ‘খ’-কে ঢাকায় মারধর করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'ক’, এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
(খ) 'ক' চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং ঢাকায় ‘খ’ সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে “ক” এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।

১,৬৬৫.
মোকদ্দমার মূল্যমান অনধিক কত হলে যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রির বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে?
  1. ৫০ লক্ষ
  2. ৩ কোটি
  3. ৫ কোটি
  4. ১ কোটি
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 
 
২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না, সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
 
২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
১,৬৬৬.
ক’ একজন বিবাদী। তাকে আদালত ৪০ টাকা জামানত জমা দেওয়া নির্দেশ দেয় কিন্তু ‘ক’ ৪০ টাকা জামানত দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত ‘ক’ কে কত দিনের জন্য আটক রাখার আদেশ দিবেন?
  1. ৬ মাসের
  2. ৬ সপ্তাহ
  3. ৩০ দিনের
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৪ অনুযায়ী আদালত বিবাদীকে জামানত দিতে ব্যর্থ হলে ৫০ টাকার বেশি হলে ৬ মাস এবং ৫০ টাকার কম হলে ৬ সপ্তাহের জন্য দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখার আদেশ দিবেন।
⇒ এই আটক হলো আপিলযোগ্য আদেশ।
⇒ যেহেতু ‘ক’ আদালতের নির্দেশে ৪০ টাকা জামানত জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে তাই ৬ সপ্তাহের জন্য আটক হবেন।
১,৬৬৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order IX, Rule 13 বিধির অধীন ডিক্রি বাতিল করা যাবে সর্বোচ্চ-
  1. ৩ বার
  2. বার
  3. ১ বার
  4. ৫ বার
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order IX, Rule 13:
(১) কোনো মামলায় যদি বিবাদীর বিরুদ্ধে ex parte ডিক্রি জারি করা হয়, তবে সে আদালতের কাছে আবেদন করতে পারে যা ডিক্রি জারি করেছে, যাতে সেই ডিক্রি বাতিল (set aside) করা হয়।

আদালত সেই বিবাদীকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে— সমন (summons) যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া হয়নি, অথবা সে যথাযথ কারণে উপস্থিত হতে পারেনি, যখন মামলার শুনানি হয়েছে।

এই শর্ত পূরণ হলে, আদালত সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে জারি ডিক্রি বাতিল করবে এবং প্রযোজ্য হলে খরচ (costs) সম্পর্কিত শর্ত নির্ধারণ করবে। আদালত মামলার শুনানির জন্য নতুন দিনও নির্ধারণ করবে।

Proviso (শর্তাবলী):

- যদি ডিক্রি এমন প্রকৃতির হয় যে শুধুমাত্র সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে বাতিল করা সম্ভব নয়, তাহলে আদালত তা অন্য সকল বা যেকোনো অন্যান্য বিবাদীর বিরুদ্ধেও বাতিল করতে পারে।

- একই বিবাদী এই রুলের মাধ্যমে একাধিকবার ডিক্রি বাতিল করতে পারবে না।

(২) সাব-রুল (১) অনুযায়ী করা আবেদনগুলিতে Limitation Act, 1908-এর ধারা ৫ প্রযোজ্য হবে।

১,৬৬৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী, বিবাদী সরকারি কর্মচারী হলে, ডিক্রি জারি ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে-
  1. তাকে গ্রেফতার করা যাবে
  2. তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে
  3. ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করা যাবে না
  4. তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না
ব্যাখ্যা

ধারা-৮১: গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:
পদাধিকারবলে কৃত কার্যের দরুন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-
ক) ডিক্রি জারি ব্যতীত বিবাদীকে গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না; এবং

খ) যদি আদালত মনে করেন যে, উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন।

১,৬৬৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতার বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ১৫১
  2. ধারা ১৪৪
  3. ধারা ১১৫
  4. ধারা ১১৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫১ – এটি আদালতের Inherent Power বা সহজাত ক্ষমতা সম্পর্কে কথা বলে। এই ধারা অনুযায়ী, আদালত এমন আদেশ দিতে পারে যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে অথবা আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
- ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
১,৬৭০.
'Pleadings' এর অর্থ কি?
  1. আরজি
  2. লিখিত জবাব
  3. আরজি ও লিখিত জবাব
  4. উকিলের বক্তব্য
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]
 
• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।
১,৬৭১.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী Public nuisance প্রতিরোধে নিয়েধাজ্ঞার জন্য কে মামলা করতে পারেন?
  1. Government Pleader
  2. Attorney Genereal
  3. Public Prosecutor
  4. জেলা প্রসাশক
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৯১ ধারা অনুসারে, গণ-উপদ্রবের ক্ষেত্রে অ্যাটনী জেনারেল অথবা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অ্যাটনী জেনারেলের লিখিত সম্মতিক্রমে কোন বিশেষ ধরনের ক্ষতি না হয়ে থাকলেও কোন ঘোষণা এবং নিষেধাজ্ঞা অথবা মোকদ্দমার পরিস্থিতির আলোকে অন্য কোন যথাযথ প্রতিকারের দাবীতে একটি মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
১,৬৭২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি-১২ অনুসারে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত [Small Causes Court] কোন আদেশ দিতে পারে না?
  1. স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের
  2. অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের
  3. গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা জারি
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৬ বিধি-১০: সাক্ষী সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি-
১) যেক্ষেত্রে সাক্ষ্য দিতে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য যার উপর সমন দেয়া হয়েছে ঐ ব্যক্তি উক্তরূপ সমন মোতাবেক স্বয়ং হাজির হতে বা দলিল দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত জারিকারক অফিসারের প্রত্যয়নপত্রের সত্যতা শপথনামার মাধ্যমে নির্ণীত না হয়ে থাকে এবং যদি তা অনুরূপ সত্যায়িত না হয় তবে সমন জারি হওয়া বা না হওয়া সম্পর্কে জারিকারক অফিসারকে শপথের মাধ্যমে পরীক্ষা করবে কিংবা করতে পারে কিংবা অন্য আদালত কর্তৃক পরীক্ষা করাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত সঙ্গত কারণে মনে করে যে, অনুরূপ সাক্ষ্য বা দাখিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐ ব্যক্তি আইনসঙ্গত কোন অব্যাহতি ব্যতীত সমন মোতাবেক হাজির হতে বা দলিল হাজির করতে ব্যর্থ হয়েছে বা ইচ্ছাকৃতভাবে জারি এড়িয়ে গেছে তদ্‌ক্ষেত্রে আদালত ইশতেহারে বর্ণিত সময়ে এবং নির্দিষ্ট স্থানে তাকে সাক্ষ্য প্রদান করতে হাজির হতে বা দলিল হাজির করতে আদেশ প্রদান করার ইশতেহার প্রচার করতে পারবেন; এবং উক্ত ইশতেহারের একটি নকল উক্ত ব্যক্তি যে স্থানে বসবাস করে এরূপ বাড়ীর বহির্দ্বারে বা অন্য কোন দৃষ্টি আকর্ষক স্থানে টাঙ্গিয়ে দিতে হবে।

৩) উক্ত ইশতেহার প্রচারের পরিবর্তে বা সময়ে বা তার পরে যে কোন সময় আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় উক্ত ব্যক্তির জামিন ব্যতীত গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা পাঠাতে পারবে এবং ক্রোকের খরচা ১২ বিধি অনুসারে আরোপিত হতে এরূপ কোন জরিমানার অনূর্ধ্ব, আদালতের বিবেচনামত এইরূপ অংক পরিমিত তার সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের কোন আদেশ দিতে পারবে না।

১,৬৭৩.
“বিশেষ আইনগুলির কোনো ক্ষমতাকে The Code of Civil Procedure,1908 সীমাবদ্ধ করবে না” বিধানটি বর্ণিত হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির-
  1. ৩ ধারায়
  2. ৬ ধারায়
  3. ৫ ধারায়
  4. ৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৪ ধারা অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধি বিশেষ আইনগুলির কোনো ক্ষমতাকে  সীমাবদ্ধ করবে না।

• ধারা ৪ঃ সংরক্ষণ

১) বিপরীত কোন সুস্পষ্ট বিধান না থাকলে, বর্তমানে চলমান কোন বিশেষ আইন বা ন্যস্তকৃত কোন বিশেষ এখতিয়ার ক্ষমতা, অথবা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে নির্ধারিত কোন বিশেষ ফরম বা পদ্ধতিকে এই আইনের কোন বিধান দ্বারা সীমাবদ্ধ বা অন্য কোনভাবে প্রভাবিত করবে না।

২) বিশেষত, এবং (১) উপধারায় বর্ণিত সাধারণ নীতিকে ক্ষুণ্ণ না করে সমকালীন চলমান কোন আইনের অধীন চাষের জমির জন্য উক্ত জমির ফসল হতে খাজনা আদায়ের ব্যাপারে কোন জমিদারের কোন প্রতিকার থাকলে এই আইনের কোন বিধান তা সীমাবদ্ধ বা প্রভাবিত করবে না।

Sec 4: Savings-
1) In the absence of any specific provision to the contrary, nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special law now in force or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force.

2) In particular and without prejudice to the generality of the proposition contained in sub-section (1), nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any remedy which a land-holder or landlord may have under any law for the time being in force for the recovery of rent of agricultural land from the produce of such land.
১,৬৭৪.
আদেশ ৪০ এর অধীনে আদালত কোন ধরনের সম্পত্তির জন্য রিসিভার নিয়োগ করতে পারে?
  1. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে কেবল অস্থাবর সম্পত্তির জন্য
  2. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে কেবল স্থাবর সম্পত্তির জন্য
  3. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে কেবল স্থাবর সম্পত্তির জন্য
  4. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে যেকোনো সম্পত্তির জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ১: রিসিভার নিয়োগ:
(১) যদি আদালতের নিকট এটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, তাহলে আদালত আদেশ দ্বারা—
(ক) যে কোনো সম্পত্তির (ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে) রিসিভার নিয়োগ করতে পারে;
(খ) কোনো ব্যক্তিকে ঐ সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করতে পারে;
(গ) উক্ত সম্পত্তি রিসিভারের দখল, হেফাজত বা ব্যবস্থাপনায় দিতে পারে; এবং
(ঘ) রিসিভারকে এমন সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারে—যেমন মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ, সম্পত্তি উদ্ধার, ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ, সেগুলোর প্রয়োগ ও ব্যয়, এবং দলিল সম্পাদন—যেমন মালিক নিজে করতে পারতেন, অথবা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে সেই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।

(২) এই বিধানের কিছুই আদালতকে কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করার ক্ষমতা প্রদান করে না, যদি না মামলার কোনো পক্ষ সেই ব্যক্তিকে বর্তমানে অপসারণ করার অধিকার রাখে।

১,৬৭৫.
When can the court amend or frame additional issues according to the provided statement?
  1. Only at first hearing
  2. Before passing the decree
  3. Only during the final hearing
  4. After passing the decree
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ আদেশের ৫ বিধির অধীন আদালত বিচার্য বিষয় সংশোধন বা কর্তন করতে পারে। মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার বিরোধ নির্ধারণের জন্য ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে। তাছাড়া, ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময়, বিচার্য বিষয় কর্তন করতে পারবে যদি আদালত মনে করে বিচার্য বিষয়টি-
১. ভ্রান্তভাবে বা ভুলভাবে গঠিত হয়েছে; বা
২. ভুলভাবে প্রবর্তিত হয়েছে।

• আদেশ ১৪ বিধি ৫: বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা (Power to amend and strike out issues):
১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে। 
[The Court may at any time before passing a decree amend the issues or frame additional issues on such terms as it thinks fit, and all such amendments or additional issues as may be necessary for determining the matters in controversy between the parties shall be so made or framed.]

২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।
[The Court may also at any time before passing a decree, strike out any issues that appear to it to be wrongly framed or introduced.]
১,৬৭৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধি অনুযায়ী আদালত বিচার্য বিষয় সংশোধন [Amend] বা কর্তন [Strike out] করতে পারে?
  1. আদেশ ১৪, বিধি ৫
  2. আদেশ ১৩, বিধি ৫
  3. আদেশ ১৪, বিধি ৬
  4. আদেশ ১৫, বিধি ৩
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি ৫ঃ বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা (Power to amend and strike out issues)-

১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে। 
[The Court may at any time before passing a decree amend the issues or frame additional issues on such terms as it thinks fit, and all such amendments or additional issues as may be necessary for determining the matters in controversy between the parties shall be so made or framed.]

২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।
[The Court may also at any time before passing a decree, strike out any issues that appear to it to be wrongly framed or introduced.]
১,৬৭৭.
বিরোধীয় জমি দুটি জেলায় অবস্থিত হলে তৎসম্পর্কে কোন জেলার আদালতে মামলা করতে হবে ?
  1. যে জেলায় বাদী বাস করে
  2. যে জেলায় বিবাদী বাস করে
  3. তৃতীয় জেলায়
  4. দুটি জেলার যে কোনটিতে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পপত্তি সম্পর্কিত মামলাঃ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত বা উহাতে অনিষ্টের কারণে আনীত মামলার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে উক্ত সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ার অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যেতেপারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, মামলার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবীটিই এরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারেন।
১,৬৭৮.
''Small Cause Courts'' এর রায়ে কোন কোন বিষয় উল্লেখ থাকবে?
  1. সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  2. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  3. রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
  4. ক,খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
• আদেশ ২০ বিধি ৪ অনুসারে, স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে নির্ধারণের বিষয়সমূহ এবং উহার উপর সিদ্ধান্ত থাকবে এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ, নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ, ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত এবং অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে।

অর্থাৎ স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে থাকবে-
⇒ নির্ধারণের বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
⇒ উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।

এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-
⇒ মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case]
⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination]
⇒ ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon] এবং
⇒ অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].
১,৬৭৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান অনুযায়ী যাকে অনুচিতভাবে বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে তাকে আদালত বাদ দিতে পারে?
  1. আদেশ-১, বিধি-৩
  2. আদেশ-১, বিধি-৮
  3. আদেশ-১, বিধি-১০
  4. আদেশ-১, বিধি-১২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১, বিধি ১০ অনুযায়ী—
- মামলার যেকোন পর্যায়ে আদালত, পক্ষসমূহের আবেদনে বা স্বপ্রণোদিতভাবে, এমন কোন পক্ষকে বাদ দিতে পারেন যাকে অনুচিতভাবে বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।
- একইসাথে, যদি আদালত মনে করে যে, কোন ব্যক্তির উপস্থিতি মামলার কার্যকর ও পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজন, তাহলে তাকেও যুক্ত করতে পারেন।

বিধি ১০(২) স্পষ্টভাবে বলে:
"...the Court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out..."

→ যাকে অনুচিতভাবে বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে, তাকে বাদ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে আদেশ ১, বিধি ১০ অনুযায়ী।
১,৬৮০.
আদালতের অনুমতি ব্যতীত এক পক্ষ অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ কত সেট প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারে?
  1. ৩ সেট
  2. ২ সেট
  3. ১ সেট
  4. সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।

বিধি ১: প্রশ্নাবলী দ্বারা আবিষ্কার-
কোন মোকদ্দমায় বাদি কিংবা বিবাদিপক্ষ অপর পক্ষসমূহকে অথবা তাদের মধ্যে একজন বা একাধিক জনকে পরীক্ষা করার জন্য আদালতের অনুমতিক্রমে, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে লিখিতরূপে প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারে এবং অনুরূপ প্রশ্নমালা প্রদান করা হলে এর মধ্যে কোন কোন প্রশ্নের উত্তর অনুরূপ ব্যক্তির কাউকে প্রদান করতে হবে তা প্রশ্নমালার পাদটিকায় লিখিত থাকবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন পক্ষ অপর পক্ষকে আদালতের আদেশ ব্যতিরেকে এক প্রস্থের অধিক প্রশ্নমালা প্রদান করবে নাঃ তবে আরও শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার সাথে কোনভাবেই সম্পর্কীত নয়, এরূপ প্রশ্নমালা সাক্ষীর মৌখিক জেরায় জিজ্ঞাসা করা চললেও এক্ষেত্রে তা অবান্তর বলে গণ্য হবে।
১,৬৮১.
যদি আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশমতো বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে কী হবে?
  1. বাদীকে জরিমানা করা হবে
  2. আদালত আরজি ফেরত দিবে
  3. বিবাদীকে প্রতিকার নির্ধারণের সুযোগ দেওয়া হবে
  4. আদালত আরজিটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৭ বিধি- ১১: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-
ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;
খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে;
গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে;
ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়।

তবে শর্ত থাকে যে,
মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
১,৬৮২.
'ক' একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ বাবদ ১০০০ টাকার জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করে। ‘খ, 'ক'-এর বিরুদ্ধে তার পূর্বেই ১০০০ টাকার ডিক্রি লাভ করেছিল। এক্ষেত্রে 'খ','ক' এর বিরুদ্ধে কোন বিধির অধীন সেট অফ দাবি করতে পারবে?
  1. আদেশ ৯, বিধি ৬
  2. আদেশ ৮, বিধি ৬
  3. আদেশ ৭, বিধি ৬
  4. আদেশ ৬, বিধি ৬
ব্যাখ্যা
• অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী, কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়। প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পর Set off এর দাবি করা যায়।

• কোন দেওয়ানী মামলায় বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায়, তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-
i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে;
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে;
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না;
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না;
v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
১,৬৮৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারা অনুযায়ী জেলা জজ এক আদালত হতে অন্য আদালতে দেওয়ানী মামলা স্থানান্তর করেন?
  1. ১৭
  2. ২৪
  3. ৯৪
  4. ১৫১
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:

(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন স্তরে -

ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা

খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
১,৬৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুসারে আদালত ব্যয়ের উপর কত শতাংশ পর্যন্ত সুদ নির্ধারণ করতে পারে?
  1. ৫%
  2. ৬%
  3. ৭%
  4. ৮%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির (Code of Civil Procedure, 1908) ধারা ৩৫(৩) অনুযায়ী, আদালত ব্যয়ের উপর সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হার পর্যন্ত সুদ নির্ধারণ করতে পারে।

- ধারা ৩৫(৩) এর মূল বক্তব্য:
"The Court may give interest on costs at any rate not exceeding six per cent. per annum, and such interest shall be added to the costs and shall be recoverable as such."
অর্থাৎ, আদালত যদি ব্যয়ের উপর সুদ নির্ধারণ করে, তবে তা সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হারে হতে পারে এবং উক্ত সুদ ব্যয়ের অংশ হিসেবে আদায়যোগ্য হবে।
১,৬৮৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১২ অনুযায়ী স্বীকারোক্তী কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ১২ অনুযায়ী স্বীকারোক্তী ৩ প্রকার
১) আরজি/জবাবের মাধ্যমে স্বীকারোক্তী।
২) দলিল স্বীকারের নোটিশ ।
৩) ঘটনা স্বীকার করতে নোটিশ।
আদেশ ১২ বিধি ২ অনুযায়ী দলিল স্বীকারের জন্য নোটিশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে দলিল স্বীকার করার জন্য আহবান করা যায়।
⇒ আর বিধি ৪ অনুযায়ী শুনানীর ৯ দিন পূর্বে ঘটনার স্বীকারের নোটিশ দিবেন।
১,৬৮৬.
'The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court.'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানে উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ১৫ বিধি ১
  2. আদেশ ২০ বিধি ১
  3. আদেশ ২০ বিধি ৩
  4. আদেশ ২০ বিধি ৪
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ১-
[The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court either at once or on some future day, not beyond seven days of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.]

⇒ মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে যা সাতদিনের বেশি হবে না, পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।
১,৬৮৭.
আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিলে, তা গ্রহণের কারণ কে লিপিবদ্ধ করবে?
  1. আদালত
  2. আপিলকারীর আইনজীবী
  3. মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়
  4. লিপিবদ্ধ করার বিধান নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা
খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করা অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।
১,৬৮৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 20 Rule 6 অনুযায়ী, কোনটির সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে?
  1. আরজি
  2. রায়
  3. সমন
  4. লিখিত জবাব
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
১,৬৮৯.
আদালত কখন আদেশ ১০ বিধি ২ অনুযায়ী পক্ষগণের সহযোগীর কোন ধরনের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে?
  1. লিখিত জবানবন্দি
  2. মৌখিক জবানবন্দি
  3. মৌখিক এবং লিখিত উভয় জবানবন্দি
  4. সাক্ষীর ইচ্ছানুযায়ী নির্ধারন হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১০ বিধি ২- পক্ষ বা পক্ষগণের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

Order 10 Rule 2: Oral examination of party or companion of party-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
১,৬৯০.
আদেশ ৩৫ বিধি-১ অনুযায়ী, 'Interpleader-suit' এর আরজিতে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. বাদীর ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্য
  2. মোকদ্দমার খরচের বিবরণ
  3. বাদী এবং বিবাদীগণের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই
  4. বাদীর ও বিবাদীগণের মধ্যে বিরোধের অস্তিত্ব
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-১: স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজি:
স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় প্রত্যেক মোকদ্দমার আরজিতে, আরজির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবৃতির অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো বিবৃত করতে হবে-
ক) বাদী মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়বস্তুতে দায়সমূহের বা মোকদ্দমার ব্যয়াদির জন্য ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না,
খ) বিবাদীগণ কর্তৃক দাবীসমূহ স্বাতন্ত্র্যভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং
গ) যে বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।

Rule-1: Plaint in interpleader-suits-
In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs;
b) the claims made by the defendants severally; and
c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants.
১,৬৯১.
আদালত কোন পরিস্থিতিতে পক্ষগণকে অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. বাদী চাইলে
  2. বিবাদী চাইলে
  3. পক্ষগণ পারস্পরিক চুক্তি করলে
  4. আদালত যদি প্রয়োজন মনে করেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):
বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-8 Rule-9: Subsequent pleadings:
No pleading subsequent to the written statement of a defendant other than by way of defence to a set-off shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit, but the Court may at any time require a written statement or additional written statement from any of the parties and fix a time for presenting the same.
১,৬৯২.
আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর অধীন আরোপিত সম্পত্তি ক্রোক সর্বোচ্চ কতদিন বলবৎ থাকবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-
১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

১,৬৯৩.
In executing a decree transferred to the Collector under ___________ the Collector and his subordinates shall be deemed to be acting judicially.
  1. section 65
  2. section 68
  3. section 72
  4. section 71
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৭১ ধারার বিধান কালেক্টরের বিচারক হিসাবে কার্য: উপরিল্লিখিত ৬৮ ধারা অধীনে কালেক্টরের নিকট হস্তান্তরিত ডিক্রি জারি করার প্রাক্কালে কালেক্টর এবং তার অধঃস্তনগণ বিচারক হিসাবে কার্য করতেছে বলে মনে করতে হবে।
-------------------
CPC Section 71: Collector deemed to be acting judicially: In executing a decree transferred to the Collector under section 68 the Collector and his subordinates shall be deemed to be acting judicially.
১,৬৯৪.
বাদীর মোকদ্দমাটি ব্যর্থ হলে এবং মোকদ্দমাটির যুক্তিসঙ্গত কারণ না থাকলে, বিবাদী দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারামতে ক্ষতিপূরণের দাবি করে আদালতে আবেদন করতে পারে?
  1. ৯২ ধারা
  2. ৯৩ ধারা
  3. ৯৪ ধারা
  4. ৯৫ ধারা
ব্যাখ্যা

ধারা ৯৫: অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক বা নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্তির জন্য ক্ষতিপূরণ:
(১): যে কোনো মোকদ্দমায় যেখানে পূর্ববর্তী ধারার অধীনে গ্রেফতার বা ক্রোক কার্যকর করা হয়েছে বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়েছে,-
(ক) আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে এরূপ গ্রেফতার, ক্রোক বা নিষেধাজ্ঞা অপর্যাপ্ত কারণে আবেদন করা হয়েছিল, অথবা
(খ) বাদীর মোকদ্দমা ব্যর্থ হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে মোকদ্দমা দায়ের করার কোনো যুক্তিসংগত বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না,
তাহলে বিবাদী আদালতের নিকট আবেদন করতে পারে, এবং আদালত উক্ত আবেদনের ভিত্তিতে তার আদেশ দ্বারা বাদীর বিরুদ্ধে এমন পরিমাণ অর্থ, যা দশ হাজার টাকার অধিক হবে না, বিবাদীর ব্যয় বা ক্ষতির জন্য যুক্তিসংগত ক্ষতিপূরণ হিসেবে মঞ্জুর করতে পারে:
শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করে এমন কোনো পরিমাণ মঞ্জুর করবে না।

(২): এরূপ কোনো আবেদন নিষ্পত্তিকারী আদেশ উক্ত গ্রেফতার, সংযুক্তি বা নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত ক্ষতিপূরণের জন্য কোনো মোকদ্দমা বারিত করবে।

১,৬৯৫.
বাদী হিসাবে ‘ক’ ঢাকার আদালতে ‘খ’ এর বিরুদ্ধে স্বত্ব ঘোষনা পূর্বক খাস দখলের প্রার্থনার মামলা করে যে, কিছুদিন পূর্বে বিবাদী ‘খ’ এর লোকজন জোরপূর্বক ‘ক’ কে ভূমি থেকে বেদখল করে। মামলা চূড়ান্ত শুনানীর দিন ‘খ’ অসুস্থ থাকায় কোন পদক্ষেপ নেয় নাই ফলে একতরফা সূত্রে ‘ক’ ডিক্রী পায়। এক তরফা ডিক্রী বাতিলের জন্য আপনি ‘খ’ এর আইনজীবী হিসেবে কি পদক্ষেপ নিবেন?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে এক তরফা ডিক্রী রদের আবেদন
  2. আপীল দায়ের
  3. ৯০ দিনের মধ্যে এক তরফা ডিক্রী রদের আবেদন
  4. কোনটি না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ১৩ অনুযায়ী বিবাদীর বিরুদ্ধে যদি একতরফা ডিক্রী দেওয়া হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসেবে ৩০ দিনের মধ্যে ডিক্রী রদের আবেদন করার বিষয় বলা আছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে , যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি।
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারেনি।
⇒বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
১) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
২) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।
⇒ ঐ সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।

১,৬৯৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী কয়টি আদালত ডিক্রী জারী করতে পারে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী জারি অর্থ আদালতের প্রকিয়ার মাধ্যমে কোন ডিক্রী বা আদেশ বলবৎ করা যেন ডিক্রীদার ডিক্রীর ফল ভোগ করবে। দুটি আদালত ডিক্রী জারী করবে।
১) যে আদালত ডিক্রী জারী করেছে সে আদালত
২) যে আদালতে ডিক্রী জারী করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সে আদালত।

• আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন: ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।
• ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি ডিক্রি জারিকারক আদালতই নিষ্পত্তি করবে।

• ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই ডিক্রি জারি করবে।
------
⇒ Section 38. Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
১,৬৯৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে বিকল্প প্রতিকার কী?
  1. দায়িকের সম্পত্তি ক্রোক
  2. দায়িকের সম্পত্তি বিক্রয়
  3. দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে।
---------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21: Rule-30- Decree for payment of money:
- Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
১,৬৯৮.
আদেশ ১৮, বিধি ১৭ এর অধীনে আদালত কখন সাক্ষীকে পুনরায় ডাকতে পারে?
  1. আপিলের সময়
  2. রায় ঘোষণার পরে
  3. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  4. শুধুমাত্র প্রথম শুনানির দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি-১৭: আদালত সাক্ষীকে পুনঃআহ্বান ও জবানবন্দি নিতে পারে:
যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে, আদালতে উক্ত সাক্ষীকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পুনঃ আহ্বান করতে পারে এবং প্রচলিত সাক্ষ্য আইনের বিধান সাপেক্ষে আদালত সঙ্গত মনে করে এরূপ প্রশ্ন তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারে।

Order 18 Rule 17: Court may recall and examine witness:
The Court may at any stage of a suit recall any witness who has been examined and may (subject to the law of evidence for the time being in force) put such questions to him as the Court thinks fit.
১,৬৯৯.
আদেশ ২১ বিধি-৫৫ এর অধীন কোন পরিস্থিতিতে ক্রোক প্রত্যাহার হয়েছে বলে বিবেচিত হবে?
  1. সম্পত্তি বিক্রি করা হলে
  2. সম্পত্তির মালিক আদালতে উপস্থিত হলে
  3. ডিক্রির টাকা আদালতে জমা করা হলে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৫৫: ডিক্রি মিটানোর পর ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে-
ক) ডিক্রির টাকা মোকদ্দমার খরচ এবং সকল দায়সমূহ এবং সম্পত্তি ক্রোকের খরচা আদালতে জমা করা হয়; অথবা
খ) অন্য উপায়ে আদালতের মাধ্যমে ডিক্রি মিটানো হয় বা আদালতে প্রত্যয়ন করা হয়; অথবা
গ) ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয়, সেক্ষেত্রে ক্রোক প্রত্যাহার হয়েছে বলে বিবেচিত হবে এবং স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে দায়িক ইচ্ছা আলে তার খরচায় ঐ প্রত্যাহারের বিষয় ঘোষণা করা হবে এবং ঘোষণা পত্রের এক প্রন্থ নকল পূবর্তী বিধির নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংযুক্ত করা হবে।

Rule.-55: Removal of attachment after satisfaction of decree:
Where-
a) the amount decreed with costs and all charges and expenses resu-ltingfrom the attachment of any property are paid into Court, or
b) satisfaction of the decree is otherwise made through the Court or certified to the Court, or
c) the decree is set aside or reversed, the attachment shall be deemed to be withdrawn, and, in the case of immovable property, the with drowe shall, if the judgment-debtor so desires, be proclaimed at his expense, and a copy of the proclamation shall be affixed inthe manner prescribed by the last preceding rule.
১,৭০০.
আদেশ ৩৫ বিধি-১ অনুসারে, স্বার্থবিহীন মোকদ্দমার আরজিতে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. বিষয়বস্তুতে বাদীর ব্যক্তিগত স্বার্থ
  2. বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থবিহীন অবস্থান
  3. বাদী ও কোন বিবাদীগণের বিরোধ
  4. বিষয়বস্তুতে বাদীর স্বার্থবিহীন অবস্থান
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- বিষয়বস্তুতে বাদীর স্বার্থবিহীন অবস্থান।

আদেশ ৩৫ বিধি-১: স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজি:

স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় প্রত্যেক মোকদ্দমার আরজিতে, আরজির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবৃতির অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো বিবৃত করতে হবে-
ক) বাদী মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়বস্তুতে দায়সমূহের বা মোকদ্দমার ব্যয়াদির জন্য ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না,
খ) বিবাদীগণ কর্তৃক দাবীসমূহ স্বাতন্ত্র্যভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং
গ) যে বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।