বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ১৫ / ৩০ · ১,৪০১১,৫০০ / ২,৯৯৩

১,৪০১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ বিধি ১ অনুসারে, কোনো পক্ষ আদালতে হাজিরা দিতে পারে-
  1. শুধু ব্যক্তিগতভাবে
  2. শুধু আইনজীবীর মাধ্যমে
  3. শুধু ব্যক্তিগতভাবে বা স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে
  4. ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা উকিলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩ বিধি ১- উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে:
মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।

১,৪০২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান অনুসারে দেওয়ানি কারাগারে আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি সঠিক নয়?
  1. অর্থ পরিশোধের মামলায় কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।
  2. কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না।
  3. কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে।
  4. সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৫৫ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তিকে যে কোন দিনে ডিক্রী জারীর জন্য সাব্যস্ত দেনাদারকে গ্রেফতার করা যাবে ও দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা যাবে।
- আটক ২ প্রকার- (১) আইনী আটক (২) বেআইনী আটক।
-আইনী আটক আবার ২ প্রকার যথা- (১) নিবারন মূলক আটক (২) শাস্তি মূলক আটক।

- কোন দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য কোন বাসগৃহে সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে প্রবেশ করা যাবে না।
- উল্লেখ্য যে, অর্থ পরিশোধের মামলায় কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।।
-------------
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান গ্রেফতার ও আটক: ডিক্রি জারির জন্য কোন ডিক্রি দায়িককে যে কোন সময় এবং যে কোন দিনে গ্রেফতার করা যাবে এবং দেওয়ানি কারাগারে তাকে আটক রাখা যাবে। তবে উক্ত ব্যক্তিকে আটক করার জন্য-
- সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না;
- কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না;
- কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।

তবে শর্ত থাকে যে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রিতে ডিক্রি দায়িককে গ্রেফতার করার পর ডিক্রি দায়িক ডিক্রির টাকা ও গ্রেফতারের খরচ গ্রেফতারকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করলে উক্ত কর্মকর্তা দায়িককে অবিলম্বে মুক্তি দিবে। এছাড়া ডিক্রি দায়িক দেউলিয়া হলে তাকে মুক্তি দেয়া যাবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানি কারাগারে আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে "কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে" বিষয়টি সঠিক নয়।
অর্থাৎ কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।
১,৪০৩.
দেওয়ানি মামলার আরজিতে উত্থাপিত দাবী সমর্থনকারী দলিলাদি বাদীর দখলে না থাকলে সেগুলির বিষয়ে তার করণীয় কি?
  1. দলিলের নকল দাখিল
  2. দলিলের তালিকা দাখিল
  3. দলিলের তালিকাসহ দখলকারের নাম দাখিল
  4. কিছু করণীয় নাই
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১৪ নং বিধি অনুযায়ী বাদী যেসব দলিলের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করে, তা তাকে দাখিল করতে হবে। বাদী তার দাবীর সমর্থনে প্রমাণ হিসেবে অন্য কোন দলিলের উপর নির্ভর করলে (তা তার হস্তগত বা আওতাধীনে থাকুক বা না থাকুক), সে ক্ষেত্রে উক্ত দলিলসমূহের একটি তালিকা প্রস্তুত করবে এবং উক্ত দলিল কার দখলে বা হস্তগত তা উল্লেখ করে আরজির সাথে যুক্ত করবে।
১,৪০৪.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করার বিরুদ্ধে মামলা করার বিধান রয়েছে-
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের ২ নিয়মে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ২৫ আদেশের ১ নিয়মে
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ৩ নিয়মে
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ২(৩) নিয়মে
ব্যাখ্যা
♦অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে হয় ৩৯ আদেশের ১ এবং ২ (১) বিধির অধীন। ৩৯ আদেশের ১ বা ২(১) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করলে তা যদি অমান্য করা হয় সেই ক্ষেত্রে অমান্যকারীর বিরুদ্ধে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে আদালত অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে বা দেওয়ানী কারাগারে অনধিক ৬ মাস আটকের আদেশ দিতে পারে ।
১,৪০৫.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট কয়টি আদেশ(Order) আছে?
  1. ৫০টি
  2. ৪১ টি
  3. ৪৮টি
  4. ৫১ টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ৫১ টি আদেশ(Order) আছে। আদেশসমূহ ১ম তফসিলে উল্লেখ আছে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ২টি অংশ-
প্রথম অংশ- ধারা [Sections]- মোট ১৫৮ টি ধারা
দ্বিতীয় অংশ-তফসিল [Schedules]- মোট ৩ টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে।

• তফসিলসমূহ (Schedules)-
প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ। মোট ৫১টি আদেশ আছে।
দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল
তৃতীয় তফসিল: কালেক্টর কর্তৃক ডিক্রি জারি
চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ
পঞ্চম তফসিল: বাতিল
১,৪০৬.
বিনা জারীতে সমন ফেরত আসার কত দিনের মধ্যে বাদী পুনরায় সমন জারীর আবেদন করতে ব্যর্থ হলে মামলা খারিজ হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ২৮ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯, বিধি-৫:
(১) বিবাদীকে কিংবা কতিপয় বিবাদীর কোনো একজনের প্রতি সমন দেওয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারির বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেওয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেওয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দেবে। তবে, যদি উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদী নিম্নলিখিত যে কোনো কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন-

ক) যে বিবাদীর উপর সমন জারি হয়নি, বাদী যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও সেই বিবাদীর ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদী পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলছেন; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কোনো যৌক্তিক কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নতুন সমন দেওয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

(২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।
১,৪০৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশ অনুযায়ী অনিয়ম কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম রদের দরখাস্ত করা হয়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৯০
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯১
  3. আদেশ ২১ বিধি ৮৯
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯০ এর বিধান অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:- যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিজারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ ও ৯০ নং বিধিমতে ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার আবেদন করা যায় যা নিম্নরূপ- ডিক্রি জারিতে কোন স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত নিলাম রদের জন্য ২১ আদেশের ৯০ বিধির অধীন আবেদন করতে হয়। উক্ত নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে বিক্রয় বাতিলের জন্য আবেদন করতে হবে। উক্ত বিক্রয় বাতিলের জন্য ক্রয় মূল্যের ৫% বা নিলাম ঘোষণায় উল্লেখিত অর্থের মধ্যে যা কম তা জমা দিয়ে বিক্রয় রদের আবেদন করতে হবে।
⇒  নিলাম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম (Material Irregularity) বা প্রতারণা (Fraud) অথবা আবেদনকারীকে নোটিশ প্রদানে ব্যর্থ হলেই আদালত উক্ত নিলাম রদ করতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ ও ৯০ নং বিধির অধীন আদালত বিক্রয় রদের আবেদন মঞ্জুর অথবা প্রত্যাখ্যান করে কোন আদেশ দিলে (Order for setting aside a sale/refusing an application to set aside a sale), উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে কেননা নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন মঞ্জুর অথবা প্রত্যাখ্যান হল আপিলযোগ্য আদেশ।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৯ এর বিধান জমা দিয়ে নিলামে বিক্রয় রদের আবেদন। ১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি মালিক অথবা নিলাম বিক্রয়ের পূর্বে তথায় অর্জিত কোন স্বত্বের অনুবলে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নিলাম বিক্রয় রদের জন্য-
ক) ক্রয় মূল্যের শতকরা পাঁচ ভাগের সমান অংক ক্রেতাকে প্রদানের জন্য; এবং
খ) নিলাম বিক্রয়ের উক্ত ইশতেহারের তারিখ হতে ডিক্রিদার কোন পরিমাণ টাকা গৃহীত হয়ে থাকলে তা বিয়োজনপূর্বক যে পরিমাণ টাকা আদায়ের জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ হয়েছে বলে নিলাম বিক্রয়ের ইশতেহারে নির্দেশ দেয়া আছে, তা ডিক্রিদারকে প্রদানের জন্য আদালতে জমা দিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারে।
২) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি তার স্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য ৯০ বিধির অধীনে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে সে তার আবেদন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এই বিধির অধীনে কোন আবেদন করতে কিংবা পরিচালনা করতে অধিকারী হবে না।
৩) মোকদ্দমার ব্যায়াদি এবং নিলাম বিক্রয়ের ইশতেহারে অনুল্লিখিত না হওয়া কোন খরচা এবং সুদ সম্পর্কিত কোন দায় থেকে দায়িককে এই বিধির কোন বিধানই অব্যাহতি দিবে না।
১,৪০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি-
  1. ফেরত পাঠাবে
  2. খারিজ করবে
  3. স্থগিত রাখবে
  4. উভয় পক্ষের সম্মতি নিয়ে বিচার করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।

-দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।

⇒ আদেশ ৭ বিধি ১০-
যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

⇒ আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩নং আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
১,৪০৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোথায় Cross Decree এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XI, Rule 13
  2. Order XXII, Rule 15
  3. Order XXI, Rule 18
  4. Order XXI, Rule 19
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 18 তে Cross Decree এর বিধান রয়েছে।
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৮ অনুযায়ী পাল্টা ডিক্রির ক্ষেত্রে জারি (Execution in case of cross decree):
♦একই পক্ষের মধ্যে আলাদা মোকদ্দমায় দুইটি অংকের টাকা পরিশোধের জন্য পাল্টা ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে একই সময়ে ডিক্রিগুলি জারি করার যোগ্য হবে-
√ যদি দুইটি অংক সমান হয় তবে উভয় আদালত ডিক্রি মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করবে।
√ যদি দুইটি অংক অসমান হয় তবে ক্ষুদ্রতম অংক বাদ দিয়ে বৃহত্তর অংকের ডিক্রিতে যা অবশিষ্ট থাকে তারজন্য ডিক্রিটি জারির উদ্দেশ্যে নেওয়া যাবে।
♦এই বিধি প্রযোজ্য হবে না, যদি না-
√ একটি ডিক্রিদার অন্যটির দেনাদার না হয়, এবং উভয় মোকদ্দমায় প্রত্যেক পক্ষ একই বৈশিষ্ট্য পূর্ণ করে, এবং
√ ডিক্রি অনুসারে প্রাপ্য অংক সুনির্দিষ্ট না হয়।
১,৪১০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১ অনুযায়ী আরজিতে কয়টি বিষয় উল্লেখ করতে হয়?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৭ এর বিধি ১ অনুযায়ী আরজিতে ৯টি বিষয়  উল্লেখ  করতে হয়।
১। আদালতের নাম
২। বাদীর নাম, ঠিকানা,
৩। বিবাদীর নাম ঠিকানা
৪। নাবালক হলে তার বিবরণ
৫। মামলার উৎপত্তি সময় ও কারন
৬। আদালতের এখতিয়ার
৭। বাদীর দাবিকৃত প্রতিকার
৮। আর্থিক মূল্য সংক্রান্ত বিবরণ
৯। যেক্ষেত্রে বাদী তার আংশিক দাবি পারস্পরিক পরিশোধে সম্মত হয়েছে বা বর্জন করেছে সেক্ষেত্রে অনুরূপ পরিশোধ বা বর্জন।
১,৪১১.
স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. যেখানে বন্ধকগ্রহীতা বাস করে
  2. যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে
  3. যেখানে বন্ধকদাতা বাস করে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মোকদ্দমা, যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে  সেই স্থানের আদালতে দায়ের করতে হবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। ধারা ১৬ অনুযায়ী যেখানে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মোকদ্দমা রুজু করতে হয়— যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক অথবা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে,

ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য মোকদ্দমা;
গ) স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা;
ঘ) স্থাবর সম্পত্তিতে অন্য কোন প্রকার স্বত্ব বা অধিকার নির্ণয়ের জন্য মোকদ্দমা;
ঙ) স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা;
চ) আটক অথবা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা।

উপরোল্লিখিত বিষয়ে আনিত মোকদ্দমাসমূহ যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত বা, 'গ' দফায় বর্ণিত (স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে যে স্থানে মোকদ্দমার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়েছে সে সমস্ত আদালতেই দায়ের করতে হবে।
১,৪১২.
'মোকদ্দমায় বিচারকের কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকলে, এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও উক্ত বিচারক ঐ মামলার শুনানী করতে পারবেন না।'- কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ এর ৩৬ ধারায়
  2. Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারায়
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৯ ধারায়
  4. Civil Courts Act,1887 এর ৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-

কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
 
• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
 
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try Judges not to any suit or other proceeding to which he is a party or in which which they are he is personally interested. 
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.
১,৪১৩.
জেলা জজ অসুস্থতার কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে, অস্থায়ীভাবে কে দায়িত্ব গ্রহণ করেন?
  1. সহকারী জজ
  2. যুগ্ম জেলা জজ
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ
  4. জ্যেষ্ঠ যুগ্ম জেলা জজ
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১০: জেলা জজের আদালতের অস্থায়ী দায়িত্ব:
(১) জেলা জজের মৃত্যু, পদত্যাগ, অপসারণ, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষমতা, অথবা তিনি আদালত যে স্থানে বসে সেই স্থান থেকে অনুপস্থিত থাকলে, ঐ স্থানে উপস্থিত অতিরিক্ত জেলা জজ (Additional District Judge) অথবা যদি অতিরিক্ত জেলা জজ উপস্থিত না থাকেন, তবে ঐ স্থানে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ যুগ্ম জেলা জজ (Senior Joint District Judge) নিজের স্বাভাবিক দায়িত্ব ত্যাগ না করেই জেলা জজের পদে অস্থায়ীভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন এবং জেলা জজ স্বপদে ফিরে আসা বা নতুন কর্মকর্তা নিযুক্ত হওয়া পর্যন্ত সেই দায়িত্বে থাকবেন।

(২) জেলা জজের পদে অস্থায়ী দায়িত্ব পালনকালে উক্ত অতিরিক্ত জেলা জজ বা জ্যেষ্ঠ যুগ্ম জেলা জজ, যিনি দায়িত্বে আছেন, হাইকোর্ট বিভাগ এ বিষয়ে যে নিয়ম প্রণয়ন করবে তার অধীন থেকে জেলা জজের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

১,৪১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী সমন জারির ক্ষেত্রে বিবাদীর পরিবারের কার উপর সমন জারি করা যায়?
  1. পরিবারের যেকোনো সদস্য
  2. শুধু প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্য
  3. প্রাপ্ত বয়স্ক যেকোনো সদস্য
  4. বিবাদীর পিতা বা মাতার উপর
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি-১৫ এর বিধান বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যের উপর সমনজারি (Where service may be on adult member of defendants family): বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর ব্যক্তিগতভাবে সমন জারি করা না গেলে বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যের উপর সমন জারি করা যাবে।
- আদেশ ৫ বিধি-১৫ মোতাবেক বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক (Adult Member) ব্যক্তির উপর সমন জারি করা যায়।
আদেশ ৫, বিধি ১৫ অনুযায়ী, বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর সরাসরি সমন জারি করা না গেলে, তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের উপর সমন জারি করা যেতে পারে।
- প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য: পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের (নারী বা পুরুষ) কাছে সমন দেওয়া যাবে।
- ভৃত্য নয়: ভৃত্য (Servant) পরিবারের সদস্য হিসেবে গণ্য হবে না।
- সংশোধনী (২০১২): আগে শুধু প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যের (Adult Male Member) কাছে সমন দেওয়ার বিধান ছিল। ২০১২ সালের সংশোধনের পর, পরিবারের যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের কাছে সমন দেওয়া যায়। 
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-15. Where service may be on an adult member of the defendant's family:
- Where in any suit the defendant cannot be found and has no agent empowered to accept service of the summons on his behalf, service may be made on any adult member of the family of the defendant who is residing with him.

Explanation servant is not a member of the family within the meaning of this rule.
১,৪১৫.
সমন অমান্যের জন্য আদালত অনধিক কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ৩০০
  2. ৫০০
  3. ১০০
  4. ২০০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
১,৪১৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৪৮ ধারা অনুযায়ী ১ম আবেদন কত বৎসরের মধ্যে করতে হবে?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রী জারীর জন্য ১ম আবেদন ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে।
• তবে নতুন আবেদন ১২ বছরের মধ্যে করতে হবে। তবে ১২ বছরের পরেও আবেদন করা যায়। যদি দেনাদার প্রতারনা বা শক্তি প্রয়োগ করে ডিক্রী জারীতে বাধা দিয়ে থাকে।
• উল্লেখ্য ২ বৎসরের মধ্যে আবেদন করলে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নাই। তবে ২ বছরে পরে আবেদন করলে দায়িক কে নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
১,৪১৭.
The Civil Courts Act, 1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের কোন ধরণের নিয়ন্ত্রণ থাকবে?
  1. বিচারিক
  2. প্রশাসনিক
  3. প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক
  4. বিচারিক ও দাপ্তরিক
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
১,৪১৮.
আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে-
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে 
  2. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  3. আপীলের আগে
  4. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮নং আদেশের ১ থেকে ৪ বিধিতে রায় ঘোষণার পূর্বে বিবাদীকে কতিপয় ক্ষেত্রে গ্রেফতার এবং আদালতে হাজিরার জন্য কেন তাকে জামানত দিতে হবে না তার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে। আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে। তবে বিবাদী যদি বাদীর দাবিযোগ্য অর্থ জামানত হিসেবে আদালতে জমা দেয় তবে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না।

⇒ বিধি-১: বিবাদীকে হাজিরার জন্য জামানত প্রদান- বিবাদী আদালতের কোন পরোয়ানা এড়ানো বা তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রিজারি বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি-
ⅰ) আত্মগোপন বা আদালতের আঞ্চলিক সীমানা ত্যাগ করে বা এর উদ্যেগ গ্রহণ করে: অথবা
ii) তার সম্পত্তি বা এর অংশ হস্তান্তর করে বা আদালতের স্থানীয় সীমা থেকে অপসারন করে; অথবা
iii) বাংলাদেশ ত্যাগ করার প্রচেষ্টা করে; তাহলে এসব ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বেই আটক বা আদালতে হাজির হয়ে কেন জামানত দেয়া হবে না এই মর্মে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে পারেন। তবে পর্যাপ্ত জামানত দিতে চাইলে আদালত আটকের আদেশ দিবেন না।

⇒ বিধি-২: কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে জামানত- ১ বিধি অনুযায়ী বিবাদী উপযুক্ত কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে, আদালত বিবাদীকে প্রয়োজনীয় অর্থ বা সম্পদ জামানত হিসাবে আদালতে জমা প্রদানের নির্দেশ দিবেন।

⇒ বিধি-৩: জামিনদার দায়মুক্তির আবেদন করলে- জামিনদার রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় স্বীয় দায়মুক্তির জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন/ওয়ারেন্ট দিতে পারেন।  বিবাদী আদালতে হাজির হওয়ার পরে আদালত উক্ত জামিনদারকে জামিননামার দায় থেকে মুক্তি দিবেন এবং বিবাদীর নিকট নতুন জামানত তলব করবেন।

⇒  প্রতিকার- সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে (আদেশ ৪৩ বিধি ১)।

⇒ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-
 ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং  ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
⇒ স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।

⇒ অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
Rule-1: Where defendant may be called upon to furnish security for appearance. Where at any stage of a suit, other than a suit of the nature referred to in section 16, clauses a) to (d), the Court is satisfied, by affidavit or otherwise-
a) that the defendant, with intend to delay the plaintiff, or to avoid any process of the Court or to obstruct or delay the execution of any decree that may be passed against him-
i) has absconded or left the local limits of the jurisdiction of the Court, or
ii) is about to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
iii) has disposed of or removed from the local limits of the jurisdiction of the Court his property or any part thereof, or

b) that the defendant is about to leave Bangladesh under circumstances affording reasonable probability that the plaintiff will or may thereby be obstrusted or delayed in the execution of any decree that may be paased against the defendant in the suit,
the Court may issue a warrant to arrest the defendant and bring him before the Court to show cause why he should not furnish security for his appearance
Provided that the defendant shall not be arrested if he pays to the officer entrusted with the execution of the warrant any sum specified in the warrant as sufficient to satisfy the plaintiff's claim; and such sum shall be held in deposit of or until the further order of the Court.
১,৪১৯.
Under Order 9 Rule 3, what may the court do if neither party appears at the hearing?
  1. Adjourn the suit
  2. Dismiss the suit
  3. Pass a decree in favor of the plaintiff
  4. Pass judgment based on the documents
ব্যাখ্যা
Order 9 Rule 3: Where neither party appears, suit to be dismissed:
Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.

আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।
১,৪২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদলতের কোন আদেশের বিরূদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হতে পারে?
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. কোনটি না
ব্যাখ্যা
♦কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে হাজির হতে আদালত যদি সমন প্রদান করে এবং উক্ত ব্যক্তি সমন অনুযায়ি হাজির হতে ব্যর্থ হয় এবং আদলত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তির ক্রোকের আদেশ প্রদান করলে বা গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করলে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি ৪৩ আদেশের ১(চ) অনুযায়ী আপীল করতে পারে।
♦অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদলতের কোন আদেশের বিরূদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হল আদেশ ৪৩ বিধি ১ এর অধীন আপীল?
১,৪২১.
আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর অধীনে, একটি একতরফা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদানের পর, অপরপক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে শুনানি ও নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো একতরফাভাবে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়, তাহলে অপরপক্ষ হাজির হওয়ার পর ৭ দিনের মধ্যে আদালতকে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি শুনানি করে নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে, যদি অপরপক্ষ চায়, তাহলে আদালত সময় বাড়াতে পারে।
অতএব, সর্বোচ্চ সময়সীমা: ৭ দিন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না:
- কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।
- কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।
- যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।
- যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
----------
Order-39 Rule-5A.
(3) If any order of ad interim or temporary injunction is passed ex-parte at the instance of a private party against another private party, the Court shall hear and dispose of the matter on merit within seven days of appearance of the opposite party, unless the period is extended further at the instance of the opposite party; and any such order of ad interim or temporary injunction shall stand vacated, if the party at whose instance it was passed, prays for adjournment, or on being called upon by the Court, fails to attend hearing.
১,৪২২.
নাবালকের পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করবে ________।
  1. পরবর্তী বন্ধু
  2. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক
  3. আইনী অভিভাবক
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩২ আদেশে নাবালক এবং বিকৃত মস্তিক সম্পন্ন ব্যক্তি কিভাবে মামলা করবে বা তার পক্ষে কিভাবে মামলা দায়ের করা যায় তা আলোচনা করা হয়েছে। নাবালক কর্তৃক প্রত্যেক মামলা তার নামে আসন্ন/পরবর্তী বন্ধু [Next friend) কর্তৃক দায়ের করতে হবে [৩২ আদেশের বিধি-১]।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-১ এর বিধান- আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়:
নাবালক বাদী কর্তৃক প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।

Order-32 Rule-1. Minor to sue by next friend:
- Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.
১,৪২৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কত আদেশে “মামলার খরচের জন্য জামানত” আদালতে জমা দেওয়ার বিধান আছে?
  1. আদেশ ২২ ক
  2. আদেশ ৩২
  3. আদেশ ২৪
  4. আদেশ ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৫ বিধি ১ এর বিধান হলো মামলা খরচের জন্য জামানত জমা দেওয়া বা মোকদ্দমার খরচের জন্য জামানত
⇒ বাদী দেশের বাহিরে অবস্থান করলে এবং বাদীর যদি মোকদ্দমার সম্পত্তি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন স্থাবর সম্পত্তি না থাকে সেই ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীর আবেদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মোকদ্দমার দায়েরের বা ব্যয়ের যাবতীয় খরচ এবং বিবাদীর সম্ভাব্য খরচের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
১,৪২৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ এর বিধি-৩১ অনুযায়ী, আপিলের রায়ে কোনটি বাধ্যতামূলক নয়?
  1. নির্ধারণের বিষয় উল্লেখ
  2. সিদ্ধান্তের কারণ উল্লেখ
  3. বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত
  4. বিচারকের স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ এর বিধি-৩১ অনুযায়ী, আপিলের রায়ে অবশ্যই থাকতে হবে:
- নির্ধারণের বিষয় (Points for determination)
- সিদ্ধান্তের কারণ (Reasons for the decision)
- বিচারকের স্বাক্ষর (Signature)
কিন্তু বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত বাধ্যতামূলক নয়, এটি শুধুমাত্র তখন প্রদান করা হয় যখন কোনো বিচারক রায়ে দ্বিমত প্রকাশ করেন। তাই ব্যক্তিগত মতামত রায়ের অপরিহার্য অংশ নয়।

অর্থাৎ আদেশ-৪১, বিধি-৩১ অনুযায়ী, বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত বাধ্যতামূলক নয়।
- সঠিক উত্তর: গ) বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ৩১: আপিল রায়ের বিষয়বস্তু, তারিখ ও স্বাক্ষর:
- আপিল আদালতের রায় লিখিত হতে হবে এবং তাতে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ উল্লেখ করতে হবে:
(ক) বিচার্য বিষয়ের (points for determination) উল্লেখ,
(খ) উক্ত বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত,
(গ) উক্ত সিদ্ধান্তের কারণ,
(ঘ) আপিলকৃত ডিক্রি যদি বাতিল বা পরিবর্তন করা হয়, তবে আপিলকারী কী ধরণের প্রতিকার (relief) পাবে, তার উল্লেখ।
রায়টি ঘোষণার সময় বিচারক বা সম্মত হওয়া বিচারকেরা তা স্বাক্ষর ও তারিখসহ প্রদান করবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-31: Contents, date and signature of Judgment:
- The judgment of the Appellate Court shall be in writing and shall state (a) the points for determination; (b) the decision thereon; (c) the reasons for the decision; and, (d) where the decree appealed from is reversed or varied, the relief to which the appellant is entitled; and shall at the time that it is pronounced be signed and dated by the Judge or by the Judges concurring therein.
১,৪২৫.
আদেশ-৯ বিধি-৩ কোন পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য?
  1. কেবল বাদী অনুপস্থিত থাকলে
  2. কেবল বিবাদী অনুপস্থিত থাকলে
  3. উভয় পক্ষ অনুপস্থিত থাকলে
  4. বাদী এবং বিবাদী উভয়ই উপস্থিত থাকলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।

Order 9 Rule 3: Where neither party appears, suit to be dismissed:
Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.
১,৪২৬.
মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন কত টাকা হতে পারে?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ৭০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মূলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মুলতবির আবেদন।

• ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

> আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।

> চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। অর্থ্যাৎ উভয় পক্ষকে খরচসহ এবং খরচ ছাড়া মোট ১৮টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারেন।

> অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করেনা।

> মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

> মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
১,৪২৭.
ধারা ১৪৭ অনুযায়ী, অক্ষম ব্যক্তির পক্ষে কে চুক্তি সম্পাদন করতে পারে?
  1. নেক্সট ফ্রেন্ড
  2. রিসিভার
  3. আদালত
  4. অক্ষম ব্যক্তি নিজে
ব্যাখ্যা

ধারা ১৪৭- অক্ষম ব্যক্তির সম্মতি বা চুক্তি (Consent or agreement by persons under disability):
যে সমস্ত মোকদ্দমায় কোনো অক্ষম ব্যক্তি (যেমন—নাবালক, মানসিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি ইত্যাদি) পক্ষ হিসেবে থাকে, সেই মোকদ্দমার কোনো কার্যপ্রক্রিয়া সম্পর্কিত সম্মতি বা চুক্তি, যদি তা আদালতের সুস্পষ্ট অনুমোদনক্রমে (express leave of the Court) ঐ ব্যক্তির next friend বা guardian for the suit দ্বারা প্রদান বা সম্পাদিত হয়, তবে সেই সম্মতি বা চুক্তি তেমনই কার্যকর এবং বলবৎ হবে, যেমনটি ঐ ব্যক্তি সম্পূর্ণ সক্ষম অবস্থায় নিজেই প্রদান বা সম্পাদন করতেন।

১,৪২৮.
'Interpleader suit' দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ৮৭ ধারা
  2. ৮৮ ধারা
  3. ৯০ ধারা
  4. ৯১ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কখন রুজু করা যেতে পারে:
যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি, অন্য কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয়, উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি- দাওয়া না থাকে এবং যদি তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে ঐ সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে, সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ঐরূপ দাবিদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সকল পক্ষের অধিকার যা দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে, এমন কোন মোকদ্দমা যদি বিচারাধীন থাকে তাহলে, ঐরূপ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

Sec.-88: Where interpleader suit may be instituted:
Where two or more persons claim adversely to one another the same debt, sum of money or other property, movable or immovable, from another person, who claims no interest therein other than for charges or costs and who is ready to pay or deliver it to the rightful claimant, such other person may institute a suit of interpleader against all the claimants for the purpose of obtaining a decision as to the person to whom the payment or delivery shall be made and of obtaining indemnity for himself:

Provided that where any suit is pending in which the rights of all parties can properly be decided, no such suit of interpleader shall be instituted.
১,৪২৯.
অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে দেয়া ডিক্রি অনুযায়ী যদি অস্থাবর সম্পত্তি সমর্পণ সম্ভব না হয়, তাহলে আদেশ ২০ বিধি-১০ অনুযায়ী ডিক্রিতে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. বিকল্প হিসাবে দণ্ডের পরিমাণ
  2. সম্পত্তির মালিকের অনুমতি
  3. বিকল্প হিসাবে প্রদেয় টাকার পরিমাণ
  4. উক্ত সম্পত্তির পরিবর্তে অন্য সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে প্রদেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।

Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.
১,৪৩০.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে পদের অধিকার নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একই বিষয়ে অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. পরবর্তী মোকদ্দমা খারিজ করবে
  2. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  3. পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  4. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
আদালত পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করার নির্দেশ দিতে পারে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ১০ ধারার নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-

⇒ দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
⇒ উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হবে
⇒ উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে
⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে
⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে
⇒ উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা দায়ের করেছে।

• ১০ ধারার বিধান মান্য করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ উপরের শর্ত পূরণ হলে আদালত উল্লেখিত পরবর্তী মোকদ্দমাটির বিচার স্থগিত করার নির্দেশ দিবেন।
১,৪৩১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-৩ অনুযায়ী, যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু স্থাবর সম্পত্তি হয়, তবে আরজিতে কী অন্তর্ভুক্ত করতে হবে?
  1. সম্পত্তির মূল্য
  2. সম্পত্তির একটি ছবি
  3. সম্পত্তির মালিকের নাম ও ঠিকানা
  4. সম্পত্তির সঠিক বর্ণনা
ব্যাখ্যা
→ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে, সম্পত্তি সনাক্ত করার জন্য সম্পত্তির বর্ণনা, সীমানা বা সেটেলমেন্ট পর্চায় উল্লেখিত নম্বর ইত্যাদি উল্লেখ করতে হবে।
অর্থাৎ সম্পত্তির সঠিক বর্ণনা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-৩ এর বিধান:
- স্থাবর সম্পত্তি যদি মোকদ্দমার কেন্দ্রবিন্দু হয়, তাহলে আরজিতে উক্ত সম্পত্তি সনাক্ত করার উপযুক্ত বর্ণনা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, এবং সীমানা বা সেটেলমেন্ট পরচায় উল্লিখিত নম্বর কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি যেক্ষেত্রে সনাক্ত করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে একইরূপ সীমানা ও নম্বর আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-7 Rule-3: subject-matter of the suit is immovable property:
- Where the subject matter of the suit is immovable property, the plaint shall contain a description of the property sufficient to identify it, and, in case such property can be identified by boundaries or numbers in a record of settlement of survey, the plaint shall specify such boundaries or numbers.
১,৪৩২.
'The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action'- কোন নীতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. Res judicata
  2. Res sub-judice
  3. Estoppel
  4. all of above
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-

১. দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা [under same title) দায়ের করেছে।

Section 10: Stay of suit-
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh Established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court.

Explanation-The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.

অর্থাৎ পূর্ববর্তী মোকদ্দমা যদি কোন বৈদেশিক আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে, তাহলে মোকদ্দমার কারণ একই হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের কোন আদালতে পরবর্তী মোকদ্দমার বিচারে বাধা সৃষ্টি হবে না ।
১,৪৩৩.
According to Section 104(2) of CPC, can an appeal be made against an order passed in appeal under this section?
  1. Yes, with the permission of the court
  2. No, appeal is barred against such orders
  3. Yes, if it involves a substantial question of law
  4. Only if both parties agree to appeal
ব্যাখ্যা
Section-104: Orders from which appeal lies-
(1) An appeal shall lie from the following orders, and save as otherwise expressly provided in the body of this Code or by any law for the time being in force, from no other orders:
(ff) an order under section 35A;
(g) an order under section 95;
(h) an order under any of the provisions of this Code imposing a fine or directing the arrest or detention in the civil prison of any person except where such arrest or detention is in execution of a decree;
(i) any order made under rules from which an appeal is expressly allowed by rules:
Provided that no appeal shall lie against any order specified in clause (ff) save on the ground that no order, or an order for the payment of a less amount, ought to have been made.

(2) No appeal shall lie from any order passed in appeal under this section.

ধারা ১০৪: কোন আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে:

(১) নিম্নলিখিত আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে, এবং যদি এই কোডের মূল অংশে বা বর্তমানে কার্যকর কোনো আইনে অন্যথায় স্পষ্টভাবে প্রদান না করা হয়, তবে অন্য কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না:
(চচ) ধারা ৩৫ক এর অধীনে একটি আদেশ;
(ছ) ধারা ৯৫ এর অধীনে একটি আদেশ;
(জ) এই কোডের কোনো ধারা অনুযায়ী একটি আদেশ যা কোনো ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান বা দেওয়ানি কারাগারে আটক বা আটক করার নির্দেশ দেয়, তবে এমন আটক বা আটককরণ যদি কোনো ডিক্রির কার্যকরীকরণের জন্য না হয়;
(ঝ) নিয়মের অধীনে করা কোনো আদেশ যা থেকে নিয়ম অনুযায়ী আপিল স্পষ্টভাবে অনুমোদিত হয়:
তবে শর্ত থাকে যে ধারা (চচ) এ উল্লিখিত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না, যদি না এই ভিত্তিতে যে কোনো আদেশ, বা কম পরিমাণ প্রদানের জন্য আদেশ করা উচিত ছিল না।

(২) এই ধারার অধীনে আপিলে দেয়া কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না।
১,৪৩৪.
আরজি সংশোধনের দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. রেফারেন্স
  2. আপিল
  3. রিভিশন
  4. রিভিউ
ব্যাখ্যা
যদি উক্ত সংশোধনী পক্ষগণের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় হলে মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যেকোন পক্ষকে প্রিডিংস সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা

তবে বিচার শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন করা হলে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে যে চেষ্টা করার পরও বিচার শুরুর পূর্বে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেনি।

যদি আদালত দেখে বিচার শুরুর পর বিচারকার্যকে বাধাগ্রস্থ বা বিলম্ব করতে এরূপ করা হয়েছে। তখন আদালত আবেদনকারীকে আদেশ দিবেন যেন আপত্তিকারীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে।

আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের বা কর্তনের দরখাস্ত মঞ্জুর বা নামঞ্জুরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায়।
১,৪৩৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় "বিচার্য বিষয়" কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা।কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৪ নং আদেশের বিধি ১ মতে, বিচার্য বিষয় দুই প্রকার। যথা-
- ঘটনা বা তথ্য সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of fact); এবং
- আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় ( issues of law)।

কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে, তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।
১,৪৩৬.
ডিক্রিতে কোন তারিখ উল্লেখ থাকে?
  1. যে তারিখে ডিক্রি ঘোষণা করা হয়েছে
  2. যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে
  3. যে তারিখে রায় প্রস্তুত করা হয়েছে
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে।

অর্থ্যাৎ ডিক্রি হচ্ছে-
> আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত (Formal expression of an adjudication); এবং
> পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারন করে (To determine the Rigths of the parties conclusively)।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
• আদেশ ২০ বিধি ৭ অনুসারে-
যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, ডিক্রিতে ঐ তারিখ উল্লেখ থাকবে এবং বিচারক যদি স্বয়ং পরিতুষ্ট হন যে, রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হয়েছে তবে তিনি ডিক্রি স্বাক্ষর করবেন।
১,৪৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে ডিক্রির কার্যকর করার বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৩৫
  2. ধারা ৩৬
  3. ধারা ৩৭
  4. ধারা ৩৮
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৬  “Application to orders”  এই ধারায় বলা হয়েছে, ডিক্রি কার্যকর করার জন্য যে বিধানগুলো আছে, তা যতটুকু প্রযোজ্য হয়, আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হবে বলে গণ্য হবে।
- অর্থাৎ, আদেশ (Order) কার্যকর করতে গিয়েও ডিক্রি (Decree) কার্যকর করার নিয়ম অনুসরণ করা যায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৬ ধারার ধারার বিধান আদেশের ক্ষেত্রে প্রয়োগ: 
- এই বিধিতে ডিক্রি কার্যকর করার জন্য যে সকল বিধান আছে, তা যতটুকু প্রযোজ্য, আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও সেই বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে গণ্য হবে।
------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section: 36. Application to orders:
- The provisions of this Code relating to the execution of decrees shall, so far as they are applicable, be deemed to apply to the execution of orders.

১,৪৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১, বিধি-২ অনুসারে আপীলের স্মারকলিপিতে উল্লেখ না থাকা কোনো কারণ কখন উত্থাপন করা যাবে?
  1. বিপক্ষ পক্ষের সম্মতিতে
  2. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. আপীলকারীর ইচ্ছানুসারে যেকোনো সময়
  4. কোনো কারণ উত্থাপন করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-২ এর বিধান  আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে: আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি এমন কোন বিষয় আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে উত্থাপন করা যাবে।
- আদেশ ৪১, বিধি ২ অনুযায়ী, স্মারকলিপিতে উল্লেখ না করা কোনো আপত্তির কারণ শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি পেলে শুনানির সময় উত্থাপন করা যাবে। তবে আদালত সেই কারণের ওপর রায় দেবে না, যদি না বিপক্ষ পক্ষকে সেই কারণের ওপর প্রতিদ্বন্দ্বিতার যথাযথ সুযোগ দেওয়া হয়।

- আদেশ ৪১ বিধি-২ হল আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে:
আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি, আপত্তির এরূপ কারণের সমর্থনে আদালতের অনুমতি ব্যতিত আপীলকারীর বক্তব্য পেশ করতে পারবে না বা তাকে শ্রবণ করা যাবে না;
কিন্তু আপীল আদালত আপীল নিষ্পত্তিকালে আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশিত আপত্তির সঙ্গত কারণসমূহ বা অত্র বিধির অধীনে আদালতের অনুমতি ক্রমে গৃহীত কারণসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন না,
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোন কারণের উপর ইহার সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন না, যদি না, যে পক্ষ উহা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে সেই পক্ষ উক্ত কারণের উপর মামলায় প্রতিদ্বন্দিতা করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়ে থাকে।
- আপীলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপীলকারী তার বক্তব্য আদালতের অনুমতি ব্যতীত পেশ করবেনা। অর্থাৎ একমাত্র আপীল আদালতের অনুমতি নিয়ে আপীলকারী এমন হেতুসমূহ [grounds] শুনানীকালে উত্থাপন করা যেতে পারে।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-2. Grounds which may be taken in appeal:
- The appellant shall not, except by leave of the Court, urge or be heard in support of any ground of objection not set forth in the memorandum of appeal; but the Appellate Court, in deciding the appeal, shall not be confined to the grounds of objection set forth in the memorandum of appeal or taken by leave of the Court under this rule: 
- Provided that the Court shall not rest its decision on any other ground unless the party who may be affected thereby has had a sufficient opportunity of contesting the case on that ground.
১,৪৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ক ধারায় কাদের দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে?
  1. বিচারকদের
  2. সরকারী কর্মচারীদের
  3. সংসদ সদস্যদের
  4. বয়স্ক ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ক ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে সংসদ সদস্যদের অব্যাহতি:
১) নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার অথবা জেলে আটক রাখা যাবে না-
ক) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের সদস্য হন, তবে সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সময়ে;
খ) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের কোন কমিটির একজন সদস্য হন, তবে এরূপ কমিটির অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; এবং এরূপ অধিবেশন বা বৈঠকের পূর্বের বা পরের চৌদ্দ দিন সময় পর্যন্ত।

২) উপ-ধারা (১) অনুসারে আটকাদেশ হতে মুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই উপ-ধারায় উল্লেখিত বিধান সাপেক্ষে পুনঃগ্রেফতার করা যাবে এবং তিনি (১) উপ-ধারার বিধানের অধীনে মুক্ত না হলে আরও যতদিন আটক থাকতে হত, ততদিন তাকে আটক রাখা যাবে।

১,৪৪০.
Res subjudice এর অর্থ  কি?
  1. আদালত কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত বিষয়
  2. আদালত কর্তৃক খারিজকৃত বিষয়
  3. আদালতের বিচারাধীন বিষয়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦রেস সাবজুডিস (Res-Sub Judice) একটি ল্যাটিন শব্দ যেখানে Res এর অর্থ হলো বিষয় এবং Subjudice শব্দটির অর্থ হলো বিচারাধীন। সুতরাং রেস সাবজুডিস মানে আদালতে বিচারাধীন কোন বিষয়। এই নীতিটি দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০ এ আলোচনা করা হয়েছে।
১,৪৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় কোন বিষয় বলা আছে?
  1. বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার
  2. সম্পত্তি বাটোয়ারা অথবা অংশ বিভাজন
  3. মৃত্যুদন্ড হ্রাস করণ
  4. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বিধান সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ (Partition of estate or separation of share): সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।
-----------
⇒ Section 54. Partition of estate or separation of share:
- Where the decree is for the partition of an undivided estate assessed to the payment of revenue to the Government, or for the separate possession of a share of such an estate, the partition of the estate or the separation of the share shall be made by the Collector or any gazetted subordinate of the Collector deputed by him in this behalf, in accordance with the law (if any) for the time being in force relating to the partition, or the separate possession of shares, of such estates.
১,৪৪২.
আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, যদি বিবাদী প্রশ্নমালার উত্তর দানে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আদালত কী ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. বিবাদীকে জরিমানা করা হবে
  2. তার জবাব কর্তন করা হবে
  3. বিবাদীকে নতুন সময় দেওয়া হবে
  4. বিবাদীর মোকদ্দমা স্থগিত করা হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।

Rule 21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
১,৪৪৩.
জবানবন্দির সারমর্ম কোথায় অন্তর্ভুক্ত হবে?
  1. আপিল রেকর্ডে
  2. মামলার নথিতে
  3. আলাদা রেজিস্টারে
  4. মৌখিক বক্তব্য হিসেবে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

বিধি-৩: জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত হতে হবে-
জবানবন্দির সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে এবং তা নথির অংশে পরিণত হবে।

[Rule.-3: Substance of examination to be written-
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record]

১,৪৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দেওয়ানি পরোয়ানায় গ্রেফতার ও জেলে আটক থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়?
  1. ধারা ১২০ক
  2. ধারা ১৩৫ক
  3. ধারা ১৪০
  4. ধারা ১৫০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ক ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে সংসদ সদস্যদের অব্যাহতি:

১) নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার অথবা জেলে আটক রাখা যাবে না-
ক) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের সদস্য হন, তবে সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সময়ে;
খ) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের কোন কমিটির একজন সদস্য হন, তবে এরূপ কমিটির অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; এবং এরূপ অধিবেশন বা বৈঠকের পূর্বের বা পরের চৌদ্দ দিন সময় পর্যন্ত।

২) উপ-ধারা (১) অনুসারে আটকাদেশ হতে মুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই উপ-ধারায় উল্লেখিত বিধান সাপেক্ষে পুনঃগ্রেফতার করা যাবে এবং তিনি (১) উপ-ধারার বিধানের অধীনে মুক্ত না হলে আরও যতদিন আটক থাকতে হত, ততদিন তাকে আটক রাখা যাবে।

Section: 135A- Exemption of members of legislative bodies from arrest and detention under civil process:
(1) No person shall be liable to arrest or detention in prison under civil process-
(a) if he is a member of Parliament during the continuance of any meeting of Parliament;
(b) if he is a member of any committee of Parliament, during the continuance of any meeting of such committee; and during the fourteen days before and after such meeting or sitting.

(2) A person released from detention under sub-section (1) shall, subject to the provisions of the said sub-section, be liable to re-arrest and to the further detention to which he would have been liable if he had not been released under the provisions of sub-section (1).
১,৪৪৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় আদালত সাক্ষীকে কমিশন প্রেরণ করার আদেশ প্রদান করতে পারে-
  1. স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে
  2. কোন পক্ষের আবেদনক্রমে
  3. সাক্ষীর আবেদনক্রমে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২: কমিশনের জন্য আদেশ:

আদালত স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে বা মোকদ্দমার কোন পক্ষের বা যাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে সে সাক্ষীর শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে কোন আবেদনক্রমে আদালত কোন সাক্ষীকে কমিশন প্রেরণ করার আদেশ প্রদান করতে পারেন।
 
Order-26 Rule-2- Order for commission: 
An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.
১,৪৪৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী নিম্নের কোন বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ারভুক্ত নয়?
  1. কৃষি জমির ভাড়া
  2. স্বত্বের বিরোধ
  3. কৃষি জমির খাজনা
  4. কৃষি জমির মুনাফা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।

উল্লিখিত প্রশ্নের ‘স্বত্বের বিরোধ’ বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ার ভুক্ত নয়।
-----------------------
CPC-Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
১,৪৪৭.
সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আরজিতে কী উল্লেখ করা প্রয়োজন?
  1. বিবাদীর পূর্ণ ঠিকানা
  2. বাদীর স্বাক্ষর
  3. ৭৯ ধারায় বর্ণিত সঠিক নাম
  4. বাদী বা বিবাদীর পরিচয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৭ বিধি-৩: সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় আরজি:
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমার আরজিতে বাদি বা বিবাদির নাম, পরিচয় ও ঠিকানা সন্নিবেশ করার পরিবর্তে ৭৯ ধারায় বর্ণিত সঠিক নাম সন্নিবেশ করাই যথেষ্ট হবে।

Rule.-3: Plaints in suits by or against Government.
In suits by or against the Government, instead of inserting in the plaint the name and description and place of residence of the plaintiff or defendant, it shall be sufficient to insert the appropriate name as provided in section 79.

উল্লেখ্য,
দেওয়ানি কার্যবিধি ৭৯ ধারার বিধান - সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে বাংলাদেশ।
১,৪৪৮.
আদেশ ৪১ বিধি ৩৩ এর অধীনে আপিল আদালত কাদের অনুকূলে আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র আপিলকারী পক্ষের অনুকূলে
  2. আপিলকারী বা তার পক্ষগণ যারা আপত্তি জানিয়েছে
  3. যে কোনো পক্ষ, এমনকি যারা আপিল বা আপত্তি দায়ের করেনি
  4. শুধুমাত্র নিম্ন আদালতের আদেশ যারা চ্যালেঞ্জ করেছে তাদের জন্য
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি ৩৩: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
যে কোন ডিক্রি বা আদেশ যা প্রদান করা উচিত বা প্রয়োজনে অতিরিক্ত কোন ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আপিল আদালতের থাকবে এবং আপিল ডিক্রির অংশ বিশেষ সম্পর্কিত হওয়া সত্ত্বেও এ ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে এবং পক্ষদের সকলের বা যে কোন একজন উত্তরদায়ক বা পক্ষ আপিল বা আপত্তি দায়ের করে না থাকে, তবে আপিল আদালত উত্তরদায়ক বা পক্ষদের সকলের অনুকূলে ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল দায়ের হয়েছে সে আদালত কোন আপত্তির উপর অনুরূপ আদেশ দিতে বাদ দিলে বা দিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে, সে সম্পর্কে আপিল আদালত এ আইনের ৩৫ক ধারার অধীনে কোন আদেশ প্রদান করবেন না।

উদাহরণঃ 'X', 'Y' বা 'Z'- এর নিকট কিছু টাকা পাবে বলে দাবী করে এবং উভয়ের বিরুদ্ধে রুজুকৃত মোকদ্দমায় 'Y'- এর বিরুদ্ধে ডিক্রি লাভ করে। 'Y', আপিল করে এবং 'X' ও 'Z' উত্তরদায়ক থাকে। আপিল আদালত 'Y'-এর অনুকূলে মোকদ্দমা নিস্পত্তি করে। এক্ষেত্রে 'Z'-এর বিরুদ্ধে ডিক্রি দেয়ার ক্ষমতা আপিল আদালতের আছে।

মূল বিধান:
আদেশ ৪১ বিধি ৩৩ এর অধীনে আপিল আদালত যেকোনো ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন, বাতিল বা প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারে। এমনকি যদি আপিল ডিক্রির কিছু অংশ সম্পর্কিত হয়, তবে পুরো মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আপিল আদালত সকল পক্ষের জন্য ন্যায্য ও সঠিক আদেশ প্রদান করার ক্ষমতা রাখে। পক্ষদের কেউ আপিল না করলেও বা আপত্তি না জানালেও আদালত তার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
১,৪৪৯.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর কোন ধারা জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত বিধান করে?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০ 
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৯ অনুযায়ী, জেলা জজ তার অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখেন। তবে, এটি হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে থাকবে।
অর্থাৎ, হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজ তার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখবেন।

⇒ The Civil Courts Act,1887- Section 9: Administrative control of Courts:-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.

১,৪৫০.
মূল মামলার মূল্যমান কত হলে যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে?
  1. ৫ লক্ষ টাকার অধিক হলে
  2. ৫ কোটি টাকার কম হলে
  3. ৫০ লক্ষ টাকার অধিক হলে
  4. ৫ কোটি টাকার অধিক হলে
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২১(১) ধারা অনুযায়ী-
যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫ কোটি টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫ কোটি টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১ ধারার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিম্নরূপ:
⇒ যুগ্ম জেলা বিচারকের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে যদি মূল মামলার মূল্য 5 কোটি টাকার কম হয়, তবে জেলা বিচারকের কাছে আপিল করতে হবে।
⇒ অন্য সব ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের কাছে আপিল করতে হবে।
⇒ কোন আপিল বা কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে থাকলে, জেলা বিচারকের আর্থিক আইন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলেও সেগুলো জেলা বিচারকের কাছে স্থানান্তরিত হবে না।
⇒ সিনিয়র সহকারী বা সহকারী বিচারকের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে জেলা বিচারকের কাছেই আপিল করতে হবে।
⇒ যদি (1) বা (2) উপ-ধারা অনুযায়ী জেলা বিচারকের কাছে আপিল করার কাজটি অতিরিক্ত জেলা বিচারককে দেওয়া হয়, তাহলে সেখানেই আপিল করতে হবে।
⇒ সরকারের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে, হাইকোর্ট বিভাগ সরকারী গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নির্দেশ দিতে পারবে যে, সিনিয়র সহকারী বা সহকারী বিচারকদের কোন রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল যৌথ জেলা বিচারকের কাছেই করতে হবে। সেক্ষেত্রে সেভাবেই আপিল করতে হবে।
১,৪৫১.
'সরকারি পদাধিকারবলে কৃত কোনো কাজের জন্য মোকদ্দমায় উক্ত কর্মকর্তার গ্রেফতার ও হাজিরা থেকে অব্যাহতি'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ৫৩ ধারা
  2. ৭৭ ধারা
  3. ৮১ ধারা
  4. ৯১ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা-৮১: গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:
পদাধিকারবলে কৃত কার্যের দরুন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-
ক) ডিক্রি জারি ব্যতীত বিবাদিকে গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না; এবং
খ) যদি আদালত মনে করেন যে, উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন।

Sec 81: Exemption from arrest and personal appearance:
In a suit instituted against ta public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity-
a) the defendant shall not be liable to arrest not his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and,
b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
১,৪৫২.
“Pleading” shall mean-
  1. Plaint
  2. Written Statement
  3. Plaint and Written statement
  4. Plaint or written statement
ব্যাখ্যা
আদেশ ৬, বিধি ১-এ বলা হয়েছে “Pleading” shall mean Plaint or written statement .
১,৪৫৩.
Set-off এর দাবী কিসের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হয়?
  1. অতিরিক্ত জবাব
  2. লিখিত জবাব
  3. লিখিত দরখাস্ত
  4. নতুন আরজি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি ৬ মোতাবেক- বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা হলে বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল করেন; এসময় বিবাদী তার পাওনা টাকার জন্য Set-off এর দাবী ও উত্থাপন করতে পারেন। দাবী সমন্বয়ের দাবীসহ বিবাদীর লিখিত জবাব বিবেচিত হয় পাল্টা মামলার আরজির ন্যায়। এ ক্ষেত্রে বিবাদী কোর্ট ফি দিতে বাধ্য।
১,৪৫৪.
'কমিশনারের কার্যপদ্ধতি' সম্পর্কে আদেশ ২৬ এর কত বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. বিধি-১৩
  2. বিধি-১৪
  3. বিধি-১৭
  4. বিধি-১১
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি এর আদেশ ২৬ বিধি-১৪- কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত রে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনূর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।

Order 26 Rule 14- Procedure of Commissioner:
(1) The Commissioner shall, after such inquiry as may be necessary, divide the property into as many shares as may be directed by the order under which the commission was issued, and shall allot such shares to the parties, and may, if authorized thereto by the said order, award sums to be paid for the purpose of equalizing the value of the shares.

(2) The Commissioner shall then prepare and sign a report or the Commissioners (where the commission was issued to more than one person and they cannot agree) shall prepare and sign separate reports appointing the share of each party and distinguishing each share (if so directed by the said order) by metes and bounds. Such report or reports shall be annexed to the commission and transmitted to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court; and the Court, after hearing any objections which the parties may make to the report or reports, shall confirm, vary or set aside the same:
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.

(3) Where the Court confirms or varies the report or reports it shall pass a decree in accordance with the same as confirmed or varied; but where the Court sets aside the report or reports it shall either issue a new commission or make such other order as it shall think fit.
১,৪৫৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারার শর্তানুযায়ী, অনুরোধপত্রের (precept) ভিত্তিতে ক্রোক কতদিন পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৪৬ (২) অনুসারে বলা হয়েছে: “তবে শর্ত থাকে যে, অনুরোধপত্রের (precept) ভিত্তিতে সম্পত্তি ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না, যদি না ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বাড়ায়, অথবা ক্রোক কার্যকরকারী আদালতের কাছে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয় এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন করেন।”
- অর্থাৎ, স্বাভাবিকভাবে অনুরোধপত্রে ভিত্তি করে সম্পত্তি ক্রোক সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে।
- এই সময়সীমা শুধু তখনই বাড়ানো যেতে পারে, যদি উপরোক্ত দুটি শর্ত পূরণ হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান ডিক্রি জারির অনুরোধ:-
১) ডিক্রিদারের আবেদন অনুযায়ী ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করলে অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন।
২) যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সে আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিপ্রদানকারী আদালত ক্রোকের সময় বৃদ্ধি না করা পর্যন্ত অথবা এরূপ ক্রোক নির্ধারিত হওয়ার পূর্বে যে আদালত কর্তৃক ক্রোক করা হয়েছে, ঐ আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর করা না হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে অনুরোধলিপি অনুসারে কোন ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 46. Precepts:
(1) Upon the application of the decree-holder the Court which passed the decree may, whenever it thinks fit, issue a precept to any other Court which would be competent to execute such decree to attach any property belonging to the judgment-debtor and specified in the precept. 
(2) The Court to which a precept is sent shall proceed to attach the property in the manner prescribed in regard to the attachment of property in execution of a decree: 
Provided that no attachment under a precept shall continue for more than two months unless the period of attachment is extended by an order of the Court which passed the decree or unless before the determination of such attachment the decree has been transferred to the Court by which the attachment has been made and the decree-holder has applied for an order for the sale of such property.
১,৪৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, বাদীর অভিযোগ (Plaint) এর মাঝে নিম্নের কোনটি উল্লেখ্য নয়?
  1. আদালতের নাম
  2. বিবাদীর মাসিক আয়
  3. বাদী-বিবাদীর নাম ও ঠিকানা
  4. মামলার কারণ গঠনকারী ঘটনাবলি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-৭, বিধি-১ অনুসারে, বাদীর অভিযোগ (Plaint)-এ নিম্নলিখিত তথ্য অবশ্যই উল্লেখ্য করতে হবে:, যেমন—
- আদালতের নাম
- বাদী ও বিবাদীর নাম, বিবরণ ও ঠিকানা
- মামলার কারণ গঠনকারী ঘটনাবলি এবং কখন তা সংঘটিত হয়েছে
- আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত তথ্য
- বাদীর দাবি ও চাওয়া প্রতিকার
তবে, "বিবাদীর মাসিক আয়" দেওয়ানি মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক নয়, কারণ এটি মামলার বিচারিক এখতিয়ার বা মূল দাবির সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয়। তাই এটি বাদীর অভিযোগের আবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে গণ্য হয় না।

সুতরাং, আদেশ-৭, বিধি-১ অনুযায়ী বিবাদীর আয়ের উল্লেখ বাদী লিখনে আবশ্যক নয়।
১,৪৫৭.
ভুল আদালতে/এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে বাদী কি করবেন?
  1. আরজি খারিজের আবেদন
  2. আরজি ফেরতের আবেদন
  3. আরজি প্রত্যাহারের আবেদন
  4. আরজি সংশোধনের আবেদন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের বিধি ১০ এ আরজি ফেরত সম্পর্কে বলা হয়েছে-
(i)  মামলার যে কোনো পর্যায়ে প্রকৃতপক্ষে যে আদালতে মামলা দায়ের করা উচিত সেই আদালতে আরজি দাখিল করার জন্য উহা ফেরত দেওয়া যাইবে
(ii) আরজি ফেরত দেওয়ার সময় বিচারক উহার উপর আরজি দাখিল ও ফেরত দেওয়ার তারিখ, দাখিলকারক পক্ষের নাম এবং উহা ফেরত দেওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করিবেন।
♦অর্থাৎ ভুল আদালতে/এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে বাদীআরজি ফেরতের আবেদন করবেন।
১,৪৫৮.
আদেশ ৬ বিধি ১৬ অনুযায়ী আদালত কোন কারণে আর্জি জবাবে কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন না?
  1. অপ্রয়োজনীয় বিষয়
  2. বিভ্রান্তিকর বিষয়
  3. কুৎসাজনক বিষয়
  4. মামলার মূল দাবির সঠিক ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৬ অনুযায়ী, আদালত আরজির সেইসব অংশ কর্তনের আদেশ দিতে পারেন, যেগুলো-
- অপ্রয়োজনীয় (unnecessary), অথবা
- কুৎসাজনক (scandalous), অথবা
- বিচার প্রক্রিয়ায় বিভ্রান্তি, অস্বস্তি বা বিলম্ব ঘটাতে পারে।
 কিন্তু মামলার মূল দাবির সঠিক ব্যাখ্যা যদি আরজিতে থাকে, তা আদালত কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন না, কারণ তা মামলার মূল বিষয়বস্তুর অন্তর্গত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি  আদেশ-৬ বিধি-১৬ আর্জি জবাবে কর্তন: মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আর্জি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা তাকিলে আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন। 
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6 Rule-16. Striking out pleadings: 
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
১,৪৫৯.
What is the subject of Rule 2, Order 40 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. Powers of a receiver
  2. Appointment of a receiver
  3. Removal of a receiver
  4. Remuneration of a receiver
ব্যাখ্যা
Order 40 Rule-2: Remuneration:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.

আদেশ ৪০ বিধি-২: পারিশ্রমিক:
আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কার্যের জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারবে।
১,৪৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ১ অনুসারে, স্বীকারের নোটিশ প্রদানের জন্য নিচের কোনটি গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. আরজির মাধ্যমে
  2. জবাবের মাধ্যমে
  3. লিখিত চিঠির মাধ্যমে
  4. মৌখিক বক্তব্যের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ১ অনুসারে, কোনো পক্ষ আরজি (লিখিত বক্তব্য), জবাব (লিখিত জবাব) অথবা অন্য কোনো লিখিত উপায়ে (যেমন চিঠি, নোটিশ ইত্যাদি) অন্য পক্ষের মোকদ্দমার সম্পূর্ণ বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করতে পারে।
- মৌখিক বক্তব্য এই বিধির অধীনে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ বিধিতে স্পষ্টভাবে "লিখিত" (in writing) উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ-
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.

১,৪৬১.
রায়ের পূর্বে ক্রোক আদেশ দেওয়া হলে, আদেশ-৩৮, বিধি-৯ অনুসারে তা কখন প্রত্যাহার করা যায়?
  1. শুধুমাত্র আদালত চাইলে
  2. শুধুমাত্র বাদীর অনুমতিতে
  3. বিবাদী জামানত দিলে
  4. চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পরে
ব্যাখ্যা
আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
১,৪৬২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ORDER XLIV এর মূল বিষয় কী?
  1. Appeals from Orders
  2. Pauper Appeals
  3. Review of Judgments
  4. Appeals from Original Decrees
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-XLIV (Order 44) এ দরিদ্র ব্যক্তির আপিল (Pauper Appeals)–এর বিধানাবলী উল্লেখ আছে।
​- এই আদেশ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি আপিল করার অধিকার রাখেন কিন্তু আবশ্যকীয় কোর্ট ফি প্রদান করতে অক্ষম, তিনি দরখাস্তের মাধ্যমে pauper হিসেবে আপিল করতে পারেন।
​- এ ক্ষেত্রে, আদেশ-৪৪ বলেছে যে আদেশ-৩৩ (Order XXXIII) এর দরিদ্র বাদীর মামলা সংক্রান্ত বিধানাবলীও প্রযোজ্য হবে।

→ ​অর্থাৎ ​দেওয়ানী কার্যবিধির Order XLIV মূলত দারিদ্র্যর কারণে ফি দিতে অক্ষম ব্যক্তিদের (pauper) আপিল সংক্রান্ত বিধান নিয়ন্ত্রণ করে। এতে বলা আছে কে pauper হিসেবে আপিল করতে পারবে, কীভাবে আবেদন করতে হবে, এবং pauper হওয়ার তদন্ত কিভাবে করা হবে।
​​- অতএব, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-XLIV (Order 44) = Pauper Appeals এর করার বিধান রয়েছে।

১,৪৬৩.
মোকদ্দমায় এক বা একাধিক ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা যায় যদি-
  1. পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে
  2. তথ্য সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হলে
  3. পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে
  4. একই বিবাদীর বিরুদ্ধে হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মোকদ্দমায় দুই ধরণের পক্ষ থাকে। যথা-
১. বাদী পক্ষ
২. বিবাদী পক্ষ 

• [বিধি ১ থেকে ৩] মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)-

দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে।একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

উদাহরণ-'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে । এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
১,৪৬৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৯, বিধি-৬ কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. সম্পত্তির ক্রোক
  2. ডিক্রি জারির আদেশ
  3. অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ
  4. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale):
- কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒ আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-39 Rule-6. Power to order interim sale:
- The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.

১,৪৬৫.
স্মল ক্লজ আদালত (Small Cause Courts) এর রায়ে থাকবে-
  1. রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
  2. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  3. সিদ্ধান্ত এবং অনুরুপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  4. ক,খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
আদেশ ২০ বিধি ৪০-

১) স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে থাকবে-

⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
⇒ উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।

২) অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-

⇒ মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case]
⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination]
⇒ ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon] এবং
⇒ অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].
১,৪৬৬.
আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে-
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে 
  2. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
  3. যে কোন পর্যায়ে
  4. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮নং আদেশের ১ থেকে ৪ বিধিতে রায় ঘোষণার পূর্বে বিবাদীকে কতিপয় ক্ষেত্রে গ্রেফতার এবং আদালতে হাজিরার জন্য কেন তাকে জামানত দিতে হবে না তার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে।
আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে। তবে বিবাদী যদি বাদীর দাবিযোগ্য অর্থ জামানত হিসেবে আদালতে জমা দেয় তবে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না।

⇒ বিধি-১: বিবাদীকে হাজিরার জন্য জামানত প্রদান-
- বিবাদী আদালতের কোন পরোয়ানা এড়ানো বা তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রিজারি বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি-
ⅰ) আত্মগোপন বা আদালতের আঞ্চলিক সীমানা ত্যাগ করে বা এর উদ্যেগ গ্রহণ করে: অথবা
ii) তার সম্পত্তি বা এর অংশ হস্তান্তর করে বা আদালতের স্থানীয় সীমা থেকে অপসারন করে; অথবা
iii) বাংলাদেশ ত্যাগ করার প্রচেষ্টা করে; তাহলে এসব ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বেই আটক বা আদালতে হাজির হয়ে কেন জামানত দেয়া হবে না এই মর্মে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে পারেন। তবে পর্যাপ্ত জামানত দিতে চাইলে আদালত আটকের আদেশ দিবেন না।

⇒ বিধি-২: কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে জামানত- ১ বিধি অনুযায়ী বিবাদী উপযুক্ত কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে, আদালত বিবাদীকে প্রয়োজনীয় অর্থ বা সম্পদ জামানত হিসাবে আদালতে জমা প্রদানের নির্দেশ দিবেন।

⇒ বিধি-৩: জামিনদার দায়মুক্তির আবেদন করলে- জামিনদার রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় স্বীয় দায়মুক্তির জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন/ওয়ারেন্ট দিতে পারেন।  বিবাদী আদালতে হাজির হওয়ার পরে আদালত উক্ত জামিনদারকে জামিননামার দায় থেকে মুক্তি দিবেন এবং বিবাদীর নিকট নতুন জামানত তলব করবেন।

⇒  প্রতিকার- সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে (আদেশ ৪৩ বিধি ১)।

⇒ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-
 ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং  ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
⇒ স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।

⇒ অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
CPC Order-38 Rule-1:Where defendant may be called upon to furnish security for appearance.
- Where at any stage of a suit, other than a suit of the nature referred to in section 16, clauses a) to (d), the Court is satisfied, by affidavit or otherwise-
a) that the defendant, with intend to delay the plaintiff, or to avoid any process of the Court or to obstruct or delay the execution of any decree that may be passed against him-
i) has absconded or left the local limits of the jurisdiction of the Court, or
ii) is about to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
iii) has disposed of or removed from the local limits of the jurisdiction of the Court his property or any part thereof, or

b) that the defendant is about to leave Bangladesh under circumstances affording reasonable probability that the plaintiff will or may thereby be obstrusted or delayed in the execution of any decree that may be paased against the defendant in the suit,
the Court may issue a warrant to arrest the defendant and bring him before the Court to show cause why he should not furnish security for his appearance
Provided that the defendant shall not be arrested if he pays to the officer entrusted with the execution of the warrant any sum specified in the warrant as sufficient to satisfy the plaintiff's claim; and such sum shall be held in deposit of or until the further order of the Court.
১,৪৬৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২ অনুযায়ী, কোন উদ্দেশ্যে কমিশন প্রেরণ করা হয়?
  1. সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য
  2. সাক্ষীকে পরীক্ষার জন্য
  3. রায় ঘোষণার জন্য
  4. সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২: কমিশনের জন্য আদেশ: 
সাক্ষী পরীক্ষার জন্য কমিশন জারির আদেশ আদালত কর্তৃক হয় নিজ উদ্যোগে অথবা মোকদ্দমার কোনো পক্ষের বা যে সাক্ষীকে পরীক্ষা করা হবে তার শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে আবেদনক্রমে প্রদান করা যেতে পারে।

Order-26 Rule-2. Order for commission:
An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.

১,৪৬৮.
'একটি দেওয়ানি মোকদ্দমার সমন বিনা জারিতে ফেরত আসার ৩০ দিনের মধ্যে বাদী নতুন করে সমন পাঠানোর পদক্ষেপ না নিলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে' - দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় এই বিধান আছে?
  1. আদেশ-৫, বিধি-৫
  2. আদেশ-৮, বিধি-৫
  3. আদেশ-৯, বিধি-৫
  4. আদেশ-১০, বিধি-৫
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯, বিধি-৫:
(১) বিবাদীকে কিংবা কতিপয় বিবাদীর কোনো একজনের প্রতি সমন দেওয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারির বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেওয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেওয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দেবে। তবে, যদি উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদী নিম্নলিখিত যে কোনো কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদীর উপর সমন জারি হয়নি, বাদী যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও সেই বিবাদীর ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদী পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলছেন; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কোনো যৌক্তিক কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নতুন সমন দেওয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

(২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।
১,৪৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারায় কত ধরনের আদালতকে রিভিশন এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. ৫ ধরনের
  2. ৪ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ২ ধরনের
ব্যাখ্যা
রিভিশন [Revision]:
রিভিশন অর্থ হলো ক্ষমতা সম্পন্ন উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা। রিভিউ এবং রিভিশনের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো রিভিউ দায়ের করা হয় ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে অন্যদিকে রিভিশন দায়ের করা হয় ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের রিভিশন ক্ষমতা সম্পন্ন উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজের নিকট)। দেওয়ানী আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ রিভিশন আবেদন দায়ের করতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ (দুই) ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে-
১. হাইকোর্ট বিভাগের;
২. জেলা জজ আদালতের।
১১৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। ১১৫ (২) ধারায় জেলা জজের আদালতে রিভিশন দায়ের সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে।

রিভিশন দায়েরের কারণ:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে যদি-
ক. ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান না থাকলে এবং
খ. নিম্ন আদালত আইনগত ভুল করার কারণে ডিক্রি বা আদেশে ভুল হয়েছে এবং
গ. উক্ত ভুলের কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হলে রিভিশন দায়ের করা যাবে।
শুধুমাত্র আইনত ভুলের ক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। যদি আইনগত ভুলটি ন্যায় বিচার বিঘ্ন করে, শুধুমাত্র আদালত তখনই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
১,৪৭০.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় বিচার্য বিষয় কে প্রণয়ন করে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. আদালত
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবী
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ১ অনুযায়ী-
মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদীর আরজি ও বিবাদীর লিখিত জবাব পাঠ করে, পক্ষগণের মধ্যে যে বিরোধপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ আইনগত বা ঘটনাগত বিষয় রয়েছে, তা নির্ধারণ করে বিচার্য বিষয় (Issues) প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করে।

অর্থাৎ, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের দায়িত্ব আদালতের।

১,৪৭১.
ক”২০০০০০ লক্ষ টাকার মূল্যমানের একটি চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্মলিখিত কোন সিদ্ধান্তটি দিতে পারে?
  1. আরজি ফেরত
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান
  3. আরজি সংশোধন
  4. আরজি পুনরায় দাখিল করন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি- ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত: (১) মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা উচিত, ঐ আদালতে  আরজি পেশ করার জন্য সেটা ফেরত প্রদান করা যাবে।
♦(২) আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতিঃ আরজি ফেরত দেয়ার সময় বিচারক এর উপর দাখিলের ও ফেরত দেয়ার তারিখ,দাখিলকারী পক্ষের নাম, এবং তা ফেরত দেয়ার কারণসম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করবেন।
♦এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে। যেহেতু মোকদ্দমাটি মূল্যমান ২ লক্ষ টাকা, তাই সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করতে হবে।
১,৪৭২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৯ক বিধি মতে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ করার আবেদনের জন্য কত টাকা খরচ প্রদান করতে হয়?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৯ক বিধি অনুযায়ী, মোকদ্দমার খারিজ আদেশ দ্রুত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করা যায়। এই আবেদন করতে হলে বাদীকে আদালতে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
এই খরচের বিধান থাকার উদ্দেশ্য হলো আবেদনকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া এবং অপ্রয়োজনীয় বা অসংগত আবেদনের সংখ্যা সীমিত রাখা। এছাড়া, এতে বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যায় এবং সময়ের অপচয় রোধ হয়।
অর্থাৎ, ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করেই সরাসরি খারিজ আদেশ রদ করার আবেদন করা সম্ভব।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯, বিধি-৯ক: সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Directly setting-aside dismissal )-
বিলম্ব এড়ানো ও বিচার তরান্বিত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৯ক বিধিমতে বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে সরাসরি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে পারবে, তবে শর্ত-
- খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
- অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
- সরাসরি খারিজ রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-9 Rule.-9A. Directly setting aside dismissal:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly set aside the dismissal without requiring the plaintiff to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding one thousand taka as it may deem appropriate and determine:
Provided that the dismissal under rule 8 shall not be set aside under this rule, unless an application, supported by affidavit, praying for setting aside the order of dismissal is made to the Court within thirty days of the date on which the order of dismissal is made:
Provided further that no dismissal shall be set aside more than once under this rule.
(2) As soon as an order under sub-rule (1) is made setting aside ex parte dismissal, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the plaintiff upon the defendant who appeared in the suit.
১,৪৭৩.
নিম্মলিখিত কোন ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করার প্রয়োজন নাই ?
  1. যেক্ষেত্রে বিবাদী একতরফা (Defendant is exparte)
  2. যেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী লিখিত জবাবে স্বীকার করে
  3. যেক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিলের পর একটি সম্মতিসূচক বা সোলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦যখন বিচার্য বিষয় গঠনের দরকার নেই: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন বিচার্য বিষয় গঠনের প্রয়োজন নেই-
i)১ম শুনানীর সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে (make no defence);
ii) পক্ষগণের আরজি বা লিখিত জবাবে (pleadings) যে সকল বিষয় উল্লেখ নেই;
iii) পক্ষগণ যে সকল বিষয়ে একমত হয়েছে;
iv) বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাখিলকৃত আরজিতে উল্লেখিত যে সকল দাবী অস্বীকার করেনি; অথবা
v) আদালতে লিখিত জবাব দাখিলের পর সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) প্রদান করা হলে, বিচার্য বিষয় গঠনের প্রয়োজন নেই।
১,৪৭৪.
ধারা-৮৯খ অনুযায়ী সালিশী প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে, পক্ষসমূহ কী করতে পারে?
  1. আদালতে পুনরায় আবেদন করতে পারে
  2. সালিশীর রোয়েদাদ পর্যালোচনা করতে পারে
  3. মোকদ্দমা পুনঃ দাখিল করতে পারে
  4. সালিশী প্রক্রিয়া আবার শুরু করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা-৮৯খ: সালিশী:
১) মোকদ্দমার বিরোধ অথবা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সালিশের নিকট প্রেরণ করবেন এই কারণে মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কার্যপদ্ধতির যে কোন পর্যায়ে মোকদ্দমাটি তুলে নেয়ার জন্য আদালতের সমীপে আবেদন করলে আদালত আবেদন অনুমোদন করবে এবং মোকদ্দমা তুলে নেয়ার অনুমতি প্রদান করবে এবং তৎপরবর্তীতে যতদূর প্রযোজ্য, সালিশী আইন,২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) অনুযায়ী বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি হবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে কার্য প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিসের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে এই উপ-ধারার অধীন তুলে নেয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত মোকদ্দমার পক্ষসমূহ পুনঃ দাখিলের অধিকার অর্জন করবে।

২) ১নং উপ-ধারানুযায়ী পেশকৃত আবেদন সালিসী আইন, ২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) এর ধারা নং ৯ এর অধীনে সালিসের সম্মতি বলে ধরে নিতে হবে।
১,৪৭৫.
আদেশ-২১, বিধি ৮৯ অনুসারে বিক্রয় রদের আবেদনপত্রের সাথে ক্রয়মূল্যের কী পরিমাণ টাকা আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৫০%
  2. ২৫%
  3. ১৫%
  4. ৫%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৯ এর বিধান টাকা জমা দিয়ে নিলামে বিক্রয় রদের আবেদন (Application to set aside sale on deposit):
-ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত সম্পত্তির মালিক নিলাম বিক্রয়ের রদের জন্য নিম্নোক্ত টাকা আদালতে জমা দিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারে-
 ক্রয় মূল্যের ৫% অর্থ ক্রেতাকে প্রদানের জন্য; এবং
 ডিক্রিদার পূর্বে কোন টাকা গ্রহণ করলে তা বাদ দিয়ে যে পরিমাণ টাকার জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ হয়েছে তা ডিক্রিদারকে প্রদানের জন্য।

তামাদি আইনের  অনুচ্ছেদ: ১৬৬ মতে উক্ত আবেদন নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
------------------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-21 Rule-89.Application to set aside sale on deposit:
(1) Where immovable property has been sold in execution of a decree, any person, either owing such property or holding an interest therein by virtue of a title acquired before such sale, may apply to have the sale set aside on his depositing in Court,−
(a) for payment to the purchaser, a sum equal to five per cent. of the purchase-money, and
(b) for payment to the decree-holder, the amount specified in the proclamation of sale as that for the recovery of which the sale was ordered, less any amount which may, since the date of such proclamation of sale, have been received by the decree-holder.
(2) Where a person applies under rule 90 to set aside the sale of his immovable property, he shall not, unless he withdraws his application, be entitled to make or prosecute an application under this rule.
(3) Nothing in this rule shall relieve the judgment-debtor from any liability he may be under in respect of costs and interest not covered by the proclamation of sale. 
১,৪৭৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় বিদেশে বসবাসরত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য অনুরোধপত্র (Letter of Request) পাঠানোর বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৭৫
  2. ধারা ৭৬
  3. ধারা ৭৭
  4. ধারা ৭৮
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৭৭ অনুযায়ী, যদি কোনো সাক্ষী বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করেন, তাহলে কমিশন জারি করার পরিবর্তে আদালত ওই সাক্ষীকে পরীক্ষা করার জন্য অনুরোধপত্র (Letter of Request) পাঠাতে পারে সংশ্লিষ্ট বিদেশি দেশের আদালত বা প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নিকট।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৭ ধারা- অনুরোধপত্র:
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়, এরূপ যে কোন দেশে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার নিমিত্তে আদালত কমিশন প্রেরণ করার বিপরীতে অনুরোধ পত্র প্রেরণ করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 77: Letter of request:
- In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request to examine a witness residing at any place not within Bangladesh.
১,৪৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ অনুযায়ী সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পূর্বে কী করতে হবে?
  1. দুই মাসের নোটিশ সরবরাহ
  2. পুলিশে অনুমোদন নেওয়া
  3. সরকার অনুমোদন নেওয়া
  4. মামলার বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ অনুযায়ী, সরকার বা কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার আগে বাদীকে লিখিত নোটিশ প্রদান করতে হবে, যা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অন্তত দুই মাস (৬০ দিন) আগে জমা দিতে হয়। এই নোটিশে কারণ, বাদীর নাম-ঠিকানা ও দাবিকৃত প্রতিকার উল্লেখ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০: নোটিশ:
(১) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিম্নের অফিসসমূহের লিখিত নোটিশ দেয়ার বা পাঠানোর দুই মাস অতিবাহিত হবার পরে মামলা দায়ের করা চলবে—
i. সরকারে বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলা ব্যতীত - অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের সচিব অথবা জেলা কালেক্টর এবং
ii. রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ের জেনারেল ম্যাজোর এবং কোন সরকারি কর্মকর্তার ক্ষেত্রে তাকে বা তার অফিসে মামলার কারণ, বাদীর নাম ও বাসস্থানের ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবি করে তা উল্লেখ করে নোটিশ দিতে হবে এবং অনুরূপ নোটিশ দেয়া হয়েছে বা পাঠানো হয়েছে বলে আরজিতে একটি বিবৃতি থাকতে হবে।
(২) যে ক্ষেত্রে উপরি-উল্লেখিত মতে নোটিশ না দিয়া বা না পাঠায়ে অথবা উল্লিখিত দুই মাস মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কোন মামলা দায়ের করা হয়, অথবা যেই ক্ষেত্রে আরজিতে উক্ত রূপ নোটিশ প্রদান বা পাঠানের বিষয়ে কোন বিবৃতি থাকে না, সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌঁছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারি কর্মকর্তা বাদীর দাবি মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ নোটিশ ছাড়া কোন মামলা দায়ের করতে হলে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য আদালত সরকারকে কমপক্ষে তিন মাস সময় মঞ্জুর করবেন।
-----------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Section 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,-
(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left.
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit:
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
১,৪৭৮.
দেওয়ানি আদালতে হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের শর্ত কী?
  1. প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে
  2. বিচারকের উপস্থিতিতে গ্রহণ করতে হবে
  3. বিচারকের ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে গ্রহণ করতে হবে
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)-
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

[Witnesses to be examined in open Court-
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.]
১,৪৭৯.
প্রশ্নমালা রদের জন্য আবেদন কতদিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১০ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১১ বিধি ৭- প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন:
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে-এই অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, বা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অনাবশ্যকীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন দরখাস্ত করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের ভিতর পেশ করা যেতে পারে।

Order 11 Rule 7: Setting aside and striking out interrogatories:
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.
১,৪৮০.
কোন পরিস্থিতিতে নেক্সট ফ্রেন্ডকে অপসারণের জন্য আবেদন করা যেতে পারে?
  1. যদি নেক্সট ফ্রেন্ডের স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী হয়
  2. যদি নেক্সট ফ্রেন্ড তার কর্তব্য পালন না করে
  3. মোকদ্দমা চলাকালীন বাংলাদেশে অবস্থান করা থেকে বিরত থাকলে
  4. উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৯: নেক্সট ফ্রেন্ডের অপসারণ:
(১) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ডের স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী হয় কিংবা যেক্ষেত্রে সে এমন বিবাদির সাথে এমনভাবে জড়িত যে যার স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী যদরুন তার দ্বারা উক্ত নাবালকের স্বার্থ সঠিক সংরক্ষণ অসম্ভব বা যেক্ষেত্রে সে তার কর্তব্য সম্পাদন করে না বা মোকদ্দমার বিচার চলাকালে বাংলাদেশে বসবাস করা হতে বিরত থাকে অথবা অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে নাবালকের তরফ হতে বা বিবাদি কর্তৃক তার অপসারণের জন্য আবেদন করা যাবে এবং আদালত যদি প্রদর্শিত কারণের যথার্থতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, তবে নেক্সট ফ্রেন্ডকে তদানুসারে অপসারণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন এবং খরচাদি সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক এতদুদ্দেশ্যে কোন উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত বা ঘোষিত হয়নি এবং অনুরূপ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক নেক্সট ফ্রেন্ডের স্থলে স্বয়ং নিযুক্ত হতে ইচ্ছা পোষণ করে আবেদন লিপিবদ্ধ করে মনে করেন যে, উক্ত অভিভাবককে নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ডরূপে নিযুক্ত করা উচিত নয় এবং আবেদনকারীকে তার স্থলে আদালতের বিবেচনা মত মোকদ্দমায় ব্যয়িত যেরূপ খরচাদি হয়েছে তৎসম্পর্কে শর্তাবলী সাপেক্ষে নেক্সট ফ্রেন্ডরূপে নিযুক্ত করবে।
১,৪৮১.
একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হলে, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক অনুযায়ী বাদীকে প্রদত্ত নোটিশের খরচ কে বহন করবে?
  1. আদালত
  2. বাদী
  3. বিবাদী
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত পক্ষ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল:
(১) বিধি-১৩ বা অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানোর এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে বিবাদীকে বিধি-১৩ অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন ছাড়াই সরাসরি ডিক্রি রদ করতে পারবে, তবে আদালত বিবাদীকে অনধিক তিন হাজার টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে:

শর্ত থাকে যে, আদালত এই বিধির অধীনে ডিক্রি রদ করবে না, যদি না বিবাদী, যিনি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করেছেন, ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ডিক্রি রদের জন্য একটি আবেদনপত্র, এফিডেভিট সহ, আদালতে জমা দেন।

আরও শর্ত থাকে যে, একই বিবাদীর পক্ষ থেকে এই বিধির অধীনে একাধিকবার ডিক্রি রদ করা যাবে না।

(২) উপ-বিধি (১) অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হওয়ার সাথে সাথে আদালত বাদীকে এ বিষয়ে নোটিশ প্রদান করবে, এবং এর খরচ বিবাদী বহন করবে।

১,৪৮২.
সহকারী জজ আদালতের সর্বোচ্চ আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. ৫ লক্ষ টাকা
  2. ১০ লক্ষ টাকা
  3. ১৫ লক্ষ টাকা
  4. ২৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান: আর্থিক এখতিয়ার: অন্যত্র সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত না থাকলে এই কোর্ডের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমানার (যদি থাকে) অধিক মূল্য সম্পন্ন বিষয়বস্তুর মামলা বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।
⇒ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-(ধারা-১৮ ও ১৯)
১.সহকারী জজ আদালতে (The Court of Assistant Judge)- ১৫ লক্ষ পর্যন্ত
২. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)- ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে (The Court of Joint District Judge)- ২৫ লক্ষ এর উপরে
-------------------------
⇒CPC Section-6. Pecuniary Jurisdiction:
-Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.
⇒ The Civil Court Act, 1887 Section-19:
(1) Save as otherwise provided by any enactment for the time being in force, the jurisdiction of a Senior Assistant Judge and an Assistant Judge shall extend to all suits of which the value does not exceed 25 (twenty five) lac Taka and 15 (fifteen) lac Taka respectively.
(2) The District Judge shall transfer the suit or proceeding pending before the Joint District Judge Court or the Senior Assistant Judge Court to the competent court within 90 (ninety) days from the date of enforcement of the Civil Courts (Amendment) Act, 2021.
(3) If any suit or proceeding is transferred under sub-section (2), the suit or proceeding shall start from the stage at which it was transferred.
১,৪৮৩.
দেওয়ানি কারাগারে আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি সঠিক নয়?
  1. সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না।
  2. কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।
  3. কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না।
  4. কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে।
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৫৫ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তিকে যে কোন দিনে ডিক্রী জারীর জন্য সাব্যস্ত দেনাদারকে গ্রেফতার করা যাবে ও দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা যাবে।
• আটক ২ প্রকার- (১) আইনী আটক (২) বেআইনী আটক।
•আইনী আটক আবার ২ প্রকার যথা- (১) নিবারন মূলক আটক (২) শাস্তি মূলক আটক।

• কোন দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য কোন বাসগৃহে সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে প্রবেশ করা যাবে না।
• উল্লেখ্য যে, কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।
-------------
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান গ্রেফতার ও আটক: ডিক্রি জারির জন্য কোন ডিক্রি দায়িককে যে কোন সময় এবং যে কোন দিনে গ্রেফতার করা যাবে এবং দেওয়ানি কারাগারে তাকে আটক রাখা যাবে। তবে উক্ত ব্যক্তিকে আটক করার জন্য-
- সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না;
- কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না;
- কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।

তবে শর্ত থাকে যে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রিতে ডিক্রি দায়িককে গ্রেফতার করার পর ডিক্রি দায়িক ডিক্রির টাকা ও গ্রেফতারের খরচ গ্রেফতারকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করলে উক্ত কর্মকর্তা দায়িককে অবিলম্বে মুক্তি দিবে। এছাড়া ডিক্রি দায়িক দেউলিয়া হলে তাকে মুক্তি দেয়া যাবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানি কারাগারে আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে "কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে" বিষয়টি সঠিক নয়।
অর্থাৎ কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।
১,৪৮৪.
"বিদেশি সমন জারি" এর বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৩২ ধারা
  2. ৩১ ধারা
  3. ২৯ ধারা
  4. ২৮ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৯ ধারায় "বিদেশি সমন জারি" বা "Service of foreign summonses" উল্লেখ আছে।
- বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত আদালতের সমন কোন পদ্ধতিতে দেশের ভেতর জারি করা হবে, সেই পদ্ধতি দেয়া হয়েছে। এ পদ্ধতি শুধুমাত্র দেওয়ানি সমনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৯ ধারা বিদেশি সমন জারি:
বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোন দেওয়ানী অথবা রাজস্ব আদালতের সমন এবং অন্যান্য ওয়ারেন্ট বাংলাদেশের আদালতসমূহে প্রেরণ করা যেতে পারে এবং
উক্ত সমন অনুরূপ আদালত মারফত প্রদত্ত সমন হিসাবে জারি করা যেতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে অনুরূপ আদালত সমূহে এই ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে ঘোষণা করবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 29: Service of foreign summons:
- Summons and other processes issued by any Civil or Revenue Court situated outside Bangladesh may be sent to the Courts in Bangladesh and served as if they were summonses issued by such Courts:
Provided that the Government has by notification in the official Gazette declared the provisions of this section to apply to such Courts.
১,৪৮৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৫, বিধি-২ অনুযায়ী, ইন্টারপ্লিডার মামলায় দাবিকৃত বস্তু কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. ব্যাংক লকারে
  2. পুলিশ কাস্টডিতে
  3. আদালতের হেফাজতে
  4. স্থানীয় প্রশাসনের কাছে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXXV, Rule 2 অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দেওয়া বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, তখন বাদীকে কোনো আদেশ পাওয়ার পূর্বে তা আদালতের হেফাজতে জমা দিতে বলা যেতে পারে। এভাবে নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি নিরাপদ ও নিরপেক্ষভাবে আদালতের হেফাজতে থাকে, যাতে দুই পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৫, বিধি-২: দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দেয়া:
যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তুটি আদালতে জমা দিবার বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে উহা অনুরূপভাবে জমা দিতে বা স্থাপন করতে নির্দেশ দেয়া যাবে।
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-35 Rule-2. Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.
১,৪৮৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আপিলে মধ্যস্থতা
  2. আপিলে সাক্ষ্যগ্রহণ
  3. আপিলে ডিক্রির সংশোধন
  4. উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ (Section 89C) আপিল আদালতে মধ্যস্থতার (mediation in appeal) বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি আদেশ ৪১ এর অধীন কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হয় এবং তা মূল পক্ষগণ বা তাদের স্থলাভিষিক্তদের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা অন্য কারো মাধ্যমে মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে।
- এ ধারায় সাক্ষ্যগ্রহণ বা ডিক্রির সংশোধন সংক্রান্ত কোনো বিধান নেই।
- অতএব, একমাত্র সঠিক উত্তর হলো — ক) আপিলে মধ্যস্থতা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
১,৪৮৭.
কোনো দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত আদালতের এখতিয়ার নিয়ে আপত্তি আপিল আদালত কোন বিবেচনায় মঞ্জুর করতে পারে?
  1. বাদীর কোনো ভুলের কারণে
  2. ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার কারণে
  3. এখতিয়ারের অনিশ্চয়তা নিয়ে বিবৃতি লিপিবদ্ধ না করার কারণে
  4. বিবাদীর আবেদনের কারণে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ ধারার বিধান: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপিল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপিল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

১,৪৮৮.
"পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষ সমর্থন বা বিপক্ষে যুক্তি খন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারত বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ ও মূল বিবেচ্য-বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে”- এই বক্তব্য কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখ্যা
  2. ১১ ধারার ৩ নং ব্যাখ্যা
  3. ১১ ধারার ২ নং ব্যাখ্যা
  4. ১১ ধারার ১ নং ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই ধারায় ৬টি ব্যাখা দেয়া হয়েছে।

• ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখ্যায় পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive/Indirect res judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি অনুসারে,
পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ বা মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।
[Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been, matter directly and substantially in issue in such suit].

অর্থাৎ, পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয়টি আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা উচিত ছিল, কোনো পক্ষই যদি তা ব্যবহার না করে থাকে, তবে পরবর্তী মোকদ্দমায় উক্ত বিষয়ের উদ্ভব হলে পরবর্তী মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোষে দুষ্ট হবে।

১,৪৮৯.
রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল(Certified copies) দেয়া হবে-
  1. পক্ষগণের আবেদনক্রমে
  2. আদালতের খরচে
  3. পক্ষগণের খরচে
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে। কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করা হয়।

• আদেশ ২০ বিধি-২০ঃ
আদালতে পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচায় রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল সরবরাহ করা হবে।

Order 20 Rule 20: Certified copies of judgment and decree to be furnished-
Certified copies of the judgment and decree shall be furnished to the parties on application to the Court and at their expense.
১,৪৯০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ১৯ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ১৯(১) এর সরাসরি বিধান অনুযায়ী, মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পর ১২০ দিনের (একশত বিশ দিন) মধ্যে আদালতকে মোকদ্দমার শুনানি সম্পন্ন করতে হবে। এই সময় গণনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কার্য দিবস (কাজের দিন) গণনা করা হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি-১৯: শুনানি সমাপ্ত করার সময়:
১) চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ণীত হওয়ার একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে।
২) এই বিধি অনুযায়ী সময় নির্দিষ্টকরণের নিমিত্তে শুধুমাত্র কার্য দিবসগুলো গণনায় করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 18 Rule 19: Time for completion of hearing:
1) The Court shall complete the hearing of a suit within one hundred and twenty days from the date fixed for its final hearing.
2) In this rule, in determining the time, only the workings days shall be counted.

১,৪৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৮ অনুসারে, যদি কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারক আপিলকৃত ডিক্রি পরিবর্তন বা বাতিলের পক্ষে মত না দেন, তবে:
  1. ডিক্রি বাতিল হবে
  2. ডিক্রি সংশোধন হবে
  3. ডিক্রি বহাল থাকবে
  4. পুনরায় বিচার হবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৮– দুই বা ততোধিক বিচারকের দ্বারা আপিল শুনানি হলে সিদ্ধান্ত:
(১) যখন কোনও আপিল দুই বা ততোধিক বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ কর্তৃক শোনা হয়, তখন সে আপিল সেই সকল বিচারকের মতামত অনুসারে অথবা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত অনুসারে নিষ্পত্তি করা হবে।

(২) যদি এমন কোনও সংখ্যাগরিষ্ঠ না থাকে যারা আপিলকৃত ডিক্রিকে পরিবর্তন বা বাতিল করার বিষয়ে একমত হন, তাহলে সেই ডিক্রি বহাল থাকবে (অর্থাৎ, পরিবর্তন হবে না)।

তবে শর্ত থাকে যে, যদি আপিল শুনানিকালীন বেঞ্চ দুইজন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং আদালতটি দুইজনের অধিক বিচারক বিশিষ্ট হয়, এবং উক্ত দুইজন বিচারক কোনও আইনি বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন, তাহলে তারা যেই আইনগত বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করছেন তা নির্ধারণ করে উল্লেখ করতে পারেন। তখন সেই বিশেষ আইনি বিষয়ে আপিল শুনানি হবে আদালতের অন্য এক বা একাধিক বিচারকের মাধ্যমে।
এই পয়েন্টটি যে সকল বিচারক শুনেছেন, প্রথমে যারা শুনেছেন তাদের সহিত পরবর্তী বিচারকদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

(৩) এই ধারার কোনও কিছুই হাইকোর্ট বিভাগের লেটারস পেটেন্টের বিধানাবলিকে পরিবর্তন বা প্রভাবিত করবে না।
১,৪৯২.
স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে নিম্নের কোন বিষয় উল্লেখ থাকার প্রয়োজন নেই?
  1. নির্ধারণের বিষয়সমূহ
  2. সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  3. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ২০ বিধি ৪ অনুসারে,
স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে নির্ধারণের বিষয়সমূহ এবং উহার উপর সিদ্ধান্ত থাকবে এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ, নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ, ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত এবং অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে।

অর্থাৎ স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে থাকবে-
⇒ নির্ধারণের বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
⇒ উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।

এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-
⇒ মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case];
⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination];
⇒ ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]; এবং
⇒ অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].
১,৪৯৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় বিধি প্রণয়নে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ১২০ ধারা
  2. ১২১ ধারা
  3. ১২২ ধারা
  4. ১২৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১২২ ধারা অনুযায়ী, সুপ্রীম কোর্টে মাঝে মাঝে সুপ্রীম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগ বা নিয়ন্ত্রনাধীন দেওয়ানী আদালতের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রনকালে পূর্বের প্রকাশনার পরে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন।
১,৪৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্নের কোনটি “ডিক্রি (Decree)” হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
  2. ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
  3. ১৪৪ ধারার অধীনে কোন প্রশ্ন নির্ধারণ
  4. মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
- আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
- ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
- যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
- কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে "ডিক্রি (Decree)" এর সংজ্ঞা ও এর অন্তর্ভুক্তি-বহির্ভূত বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়েছে:
ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে:
ক) আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ (অর্ডার ৭, বিধি ১১ অনুসারে) → ডিক্রি।
গ) ১৪৪ ধারার অধীনে কোনো প্রশ্ন নির্ধারণ → ডিক্রি।
ঘ) মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত → ডিক্রি।
ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে না:
খ) ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ (Order of dismissal for default) → ডিক্রি নয়। এটি দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২)-এর দ্বিতীয় ব্যতিক্রম (proviso) অনুযায়ী ডিক্রির সংজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে।
কারণ: "ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ" (যেমন: উপস্থিত না হওয়া, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়া ইত্যাদির কারণে মামলা খারিজ) মামলার মেরিট (বিতর্কিত বিষয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত) সম্পর্কিত নয়, বরং পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে দেওয়া হয়। তাই এটি ডিক্রি নয়।

সুতরাং, প্রদত্ত অপশগুলোর মধ্যে "ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ" ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে না।

১,৪৯৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-XXI, Rule-16 অনুসারে, ডিক্রির হস্তান্তর গ্রহীতা (transferee) ডিক্রি জারির জন্য কোথায় আবেদন করতে পারবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত
  3. যে আদালতে ডিক্রি জারি হচ্ছে
  4. যে আদালত ডিক্রি পাস করেছে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XXI, Rule 16-এর অনুযায়ী, যদি কোনো ডিক্রি লিখিত Assignment-এর মাধ্যমে বা Law-এর Operation-এর দ্বারা হস্তান্তরিত হয়, তাহলে হস্তান্তর গ্রহীতা (Transferee) ডিক্রি জারির জন্য সরাসরি সেই আদালতে আবেদন করতে পারবেন যেই আদালত মূল ডিক্রিটি পাস করেছিল।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হল – ঘ) যে আদালত ডিক্রি পাস করেছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21, Rule-16. Application for execution by transferee of decree:
- Where a decree or, if a decree has been passed jointly in favour of two or more persons, the interest of any decree-holder in the decree is transferred by assignment in writing or by operation of law, the transferee may apply for execution of the decree to the Court which passed it; and the decree may be executed in the same manner and subject to the . same conditions as if the application were made by such decreeholder:
Provided that, where the decree, or such interest as aforesaid, has been transferred by assignment, notice of such application shall be given to the transferor and the judgmentdebtor, and the decree shall not be executed until the Court has heard their objections (if any) to its execution:
Provided also that, where a decree for the payment of money against two or more persons has been transferred to one of them, it shall not be executed against the others. 

১,৪৯৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় স্বার্থ বিহীন মামলার বিধান আছে?
  1. ৭৫
  2. ৮৬
  3. ৮৬ক
  4. ৮৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

⇒ অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৮ ধারায় স্বার্থ বিহীন মামলার বিধান আছে। 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

⇒ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১। ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আরজি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজস বা ষড়যন্ত্র নেই।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-৫। প্রতিনিধি বা প্রজাগণ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
১,৪৯৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি ৩০ এর মাধ্যমে কোন প্রকার ডিক্রি কার্যকর করা হয়?
  1. অন্তর্বর্তীকালীন ডিক্রি
  2. ঘোষণামূলক ডিক্রি
  3. অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত ডিক্রি
  4. নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৩০: টাকা পরিশোধের ডিক্রি:
অন্য কোন প্রতিকারের বিকল্প হিসাবে টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রিসহ পরিশোধের প্রত্যেক ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি জেলে আটক করে কিংবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করে কিংবা উভয় প্রকারে জারি হতে পারে।

Rule.-30: Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
১,৪৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৬ ধারার অধীন অধীন এক দেওয়ানি আদালত কর্তৃক অন্য আদালতে 'Precept' পাঠানোর উদ্দেশ্য কী?
  1. সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করা
  2. মোকদ্দমা পুনরায় শুরু করা
  3. ডিক্রি বাতিল করার অনুরোধ করা
  4. ডিক্রি কার্যকর করার জন্য অনুরোধ করা
ব্যাখ্যা
বিচারকের আদেশপত্র বা অনুরোধলিপি [Precept]:
Precept অর্থ হলো বিচারকের আদেশপত্র বা নির্দেশাজ্ঞা বা অনুরোধলিপি। দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় Precept সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে, অন্য কোনো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রিটি জারি করার অনুরোধ করতে পারে এবং এইরুপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে। যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে সম্পত্তি ক্রোক করবে।

ডিক্রি প্রদানকারী আদালত সময় বাড়িয়ে না দিলে, অথবা যে-আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সেই আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর না করা হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে বিচারকের আদেশপত্র বা অনুরোধলিপি-অনুসারে কোনো ক্রোক ২ (দুই) মাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।
১,৪৯৯.
নিচের কোনটি প্লিডিংসের সত্যতা প্রতিপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় নয়?
  1. সত্যতা প্রতিপাদনকারীর স্বাক্ষর
  2. আদালতের সার্টিফিকেশন
  3. সত্যতা প্রতিপাদনের তারিখ ও স্থান
  4. ব্যক্তিগত জ্ঞান ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে প্রতিপাদিত অনুচ্ছেদগুলির উল্লেখ
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- অনুযায়ী প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদনের ক্ষেত্রে "আদালতের সার্টিফিকেশন" প্রয়োজনীয় নেই। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন [Verification of Pleadings]-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে, অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে। যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন এবং স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন:
(১) বর্তমানে বলবৎ যেকোনো আইনে অন্যরূপ যে বিধান আছে, তা ব্যতীত প্রত্যেক আরজি জবাবের নিম্নে পক্ষ বা আরজি জবাব দানকারী পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মামলার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত বলে আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত, তৎকর্তৃক আরজি জবাবের সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে।
(২) সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি আরজি জবাবের দফার সংখ্যা উল্লেখপূর্বক নির্দিষ্ট করে বলবেন যে কোনগুলি সত্যতা তিনি স্বজ্ঞানে প্রতিপাদন করছেন এবং কোনগুলির সত্যতা তিনি অপরের নিকট হতে প্রাপ্ত ও তার বিশ্বাস মতে সত্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিপাদন করেছেন।
(৩) যিনি সত্যতা প্রতিপাদন করবেন, তিনি উহাতে স্বাক্ষর দিবেন এবং যে তারিখে ও স্থানে উহা স্বাক্ষরিত হলো তা উল্লেখ করবেন।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6, Rule-15. (1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
(2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
(3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.
১,৫০০.
আদালত কর্তৃক বিক্রয়ের ঘোষণা আদালত প্রাঙ্গনে লটকিয়ে দেওয়ার সর্বনিম্ন কত দিনের মধ্যে দায়িকের অনুমতি ছাড়া অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময় (Time of sale): বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে-  স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান: বিক্রয়ের সময়। ৪৩ বিধির শর্তে বর্ণিতরূপ সম্পত্তির ক্ষেত্র ব্যতীত নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল সংযুক্ত দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ত্রিশ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে পনের দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতিরেকে এ আইনের অধীনে কোন নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
--------
⇒ Order 21 Rule.-68: Time of sale. --Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of moveable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.