বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ১৩ / ৩০ · ১,২০১১,৩০০ / ২,৯৯৩

১,২০১.
Order 7 Rule 6 অনুযায়ী, তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মামলার দায়ের করা হলে -
  1. মামলাটি অগ্রাহ্য করা হবে
  2. আদালত দায়ী পক্ষকে জরিমানা করবে
  3. অব্যাহতির কারণ আরজিতে উল্লেখ করতে হবে
  4. মামলার জন্য নতুন সময় নির্ধারণ করা হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৭ বিধি-৬ (তামাদি আইন হতে অব্যাহতি লাভের কারণসমূহ) 
"যদি তামাদি আইনে বিধৃত সময়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মোকদ্দমা দাখিল করা হয়, তাহলে উক্ত তামাদী আইনের বিধান হতে যে কারণে অব্যাহতি দাবী করা হয়, তা আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।"

Grounds of exemption from limitation law-
Where the suit is instituted after the expiration of the period prescribed by the law of limitation, the plaint shall show the ground upon which exemption from such law is claimed.
১,২০২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৭ কোন বিশেষ ধরনের মামলার সাথে সম্পর্কিত?
  1. নাবালকের মামলা
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. হস্তান্তরযোগ্য দলিল
  4. স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৭ (Order XXXVII of the Code of Civil Procedure, 1908) শুধুমাত্র হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instruments) সংক্রান্ত মামলার জন্য প্রযোজ্য। এটি সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি (summary procedure) প্রবর্তন করে, যার মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য ও নির্দিষ্ট আর্থিক দাবিসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির সুযোগ থাকে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৭-এর আওতাভুক্ত হস্তান্তরযোগ্য দলিল:
- হুন্ডি (Hundi)
- চেক (Cheque)
- প্রমিসরি নোট (Promissory Note)
এই মামলাগুলিতে বিবাদী সাধারণভাবে সরাসরি প্রতিরক্ষা দিতে পারে না; প্রতিরক্ষার জন্য আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়।

অন্যদিকে:
ক) নাবালকের মামলা – আদেশ ৩২ (Order XXXII)-এর অধীনে।
খ) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা – আদেশ ৩৯ (Order XXXIX)-এর অধীনে।
ঘ) স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা (Interpleader Suit) – আদেশ ৩৫ (Order XXXV)-এর অধীনে।
১,২০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৭ অনুসারে, বিদেশী শাসকের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে কিভাবে করা উচিত?
  1. রাষ্ট্রদূতের নামে
  2. রাষ্ট্রপতির নামে
  3. সংশ্লিষ্ট সচিবের নামে
  4. সংশ্লিষ্ট বিদেশী রাষ্ট্রের নামে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৭ অনুযায়ী, “কোন বিদেশী রাষ্ট্রের শাসনকর্তা কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হলে, সেই রাষ্ট্রের নামে মামলাটি করতে হবে।”
- এটি করা হয় যাতে আন্তর্জাতিক শিষ্টাচার এবং কূটনৈতিক মর্যাদা বজায় থাকে। তবে, সরকার যদি পূর্ববর্তী ধারা অনুযায়ী (ধারা ৮৬) সম্মতি দেয়, তাহলে সরকার নির্দেশ দিতে পারে যে, সেই শাসকের বিরুদ্ধে মামলা তার কোনো প্রতিনিধি বা অন্য কারো নামে করা যাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৭-মামলার পক্ষ হিসেবে শাসনকর্তার উপাধি:
- কোন বিদেশী রাষ্ট্রের শাসনকর্তা কর্তৃক এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দয়ের করতে হলে তার রাষ্ট্রের নামে মামলা করতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, পুর্ববতী ধারায় উল্লেখিত সম্মতি প্রদানকালে সরকার এরূপ নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মামলা কোন প্রতিনিধি বা অপর কারো নামে দায়ের করা যাবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 87. Style of Rulers as parties to suits.
The Ruler of a foreign State may sue, and shall be sued, in the name of his State:
Provided that in giving the consent referred to in the foregoing section the Government, or the Government, as the case may be, may direct that any such Ruler shall be sued in the name of an agent or in any other name.
১,২০৪.
২০২৫ সালের Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance কোন তারিখে জারি হয়?
  1. ৮ মে ২০২৫
  2. ১০ জুন ২০২৫
  3. ১৫ জুলাই ২০২৫
  4. ২২ জুলাই ২০২৫
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন বিষয়ক ধারা ১(১) এবং ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এই তারিখটি অধ্যাদেশের প্রকাশনার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে প্রণীত ও জারি করা হয়েছে।

- অর্থাৎ Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে, যা ধারা ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখিত। এই অধ্যাদেশটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিভিন্ন ধারা ও বিধিতে সংশোধনী এনেছে, যার মাধ্যমে মোকদ্দমার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

১,২০৫.
আদালতের এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি সম্পর্কিত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ৯৬
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২১-এ "Objections to jurisdiction" সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এই ধারায় আদালতের আঞ্চলিক (territorial) এবং আর্থিক (pecuniary) এখতিয়ার সম্পর্কে আপত্তি তোলার নিয়ম নির্ধারিত হয়েছে। এটি নির্দেশ করে যে, এমন আপত্তি প্রথম আদালতে সর্বপ্রথম সুযোগে উত্থাপন করতে হবে, অন্যথায় আপিল বা রিভিশন আদালতে সাধারণত গ্রহণ করা যাবে না, যদি না ন্যায় বিচারের ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটে থাকে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section-21: Objections to jurisdiction:-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.

১,২০৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ অনুযায়ী, মামলার কোন পর্যায়ে পক্ষগণ সালিশের উদ্দেশ্যে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারে?
  1. যেকোনো পর্যায়ে
  2. রায় ঘোষণার পর
  3. কেবল শুনানির শুরুতে
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের পর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ(১) অনুযায়ী বলা হয়েছে "যদি কোন মামলার পক্ষগণ কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে আদালতের নিকট এই ভিত্তিতে মামলা প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করে যে তারা মামলার বিরোধ বা বিরোধগুলি সালিশের নিকট প্রেরণ করবে..."
- এর মানে হলো, পক্ষগণ মামলার যেকোনো পর্যায়ে সালিশে যাওয়ার জন্য আদালতের অনুমতি চাইতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা-৮৯খ: সালিশী:
১) মোকদ্দমার বিরোধ অথবা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সালিশের নিকট প্রেরণ করবেন এই কারণে মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কার্যপদ্ধতির যে কোন পর্যায়ে মোকদ্দমাটি তুলে নেয়ার জন্য আদালতের সমীপে আবেদন করলে আদালত আবেদন অনুমোদন করবে এবং মোকদ্দমা তুলে নেয়ার অনুমতি প্রদান করবে এবং তৎপরবর্তীতে যতদূর প্রযোজ্য, সালিশী আইন,২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) অনুযায়ী বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি হবে,
তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে কার্য প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিসের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে এই উপ-ধারার অধীন তুলে নেয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত মোকদ্দমার পক্ষসমূহ পুনঃ দাখিলের অধিকার অর্জন করবে।
২) ১নং উপ-ধারানুযায়ী পেশকৃত আবেদন সালিসী আইন, ২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) এর ধারা নং ৯ এর অধীনে সালিসের সম্মতি বলে ধরে নিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section 89B. Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:
Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section.
(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).
১,২০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী মামলা দায়ের সম্পর্কে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নোটিশ প্রদানের খরচ কে বহন করে?
  1. বাদী
  2. সরকার
  3. বিবাদী
  4. আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১, বিধি ৮ (১) অনুযায়ী, যদি একই স্বার্থে একাধিক ব্যক্তি মামলা করেন বা মামলা পরিচালনা করেন, তবে আদালত বাদীর খরচে নোটিশ প্রদান করবেন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে — হয় ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে, অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে।
তাই, নোটিশ প্রদানের ব্যয়ভার বহন করে বাদী।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।
(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in the same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plaintiff's expense, notice of the institution of the suit to all such personnel either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct
2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১,২০৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির __________________ অনুসারে রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে।
  1. আদেশ-২০ বিধি-১
  2. আদেশ-২০ বিধি-৩
  3. আদেশ-২০ বিধি-৫ক
  4. আদেশ-২০ বিধি-৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-৩ এর বিধান: রায় স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে:
-রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।
-----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order 20 Rule 3: Judgment to be signed: 
The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and, when once signed, shall not afterwards be altered or added to, save as provided by section 152 or on review.
১,২০৯.
একটি দেওয়ানি আদালত প্রদত্ত রায়ের বিষয়ে রিভিউ মামলা দায়ের করা যায় কোন আদালতে ?
  1. একই আদালত
  2. সমপর্যায়ের অন্য আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আপিল আদালত
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১১৪ ধারায় বলা হয়েছে “….may apply for a review of judgment  to the court which passed the decree or order”. অর্থাৎ যে আদালত রায় বা আদেশ দিয়েছে রিভিউ-এর আবেদন সেই আদালতেই করতে হবে।
♦ অর্থাৎ আদালতের কোন রায়কে একই আদালতে পুনঃবিবেচনার আবেদন কে রিভিউ বলে।
♦ দেওয়ানি মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের করতে হবে রায়ের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে। (তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৭৩)
১,২১০.
শুনানি সমাপ্তি ও রায় ঘোষণার মধ্যবর্তী সময়ে কোন পক্ষের মৃত্যু ঘটলে, মোকদ্দমার ফলাফল কী??
  1. মোকদ্দমা অ্যাবেট হবেনা
  2. মৃত্যু সত্ত্বে রায় ঘোষণা হবে
  3. মৃত্যুর কারণের মোকদ্দমা অ্যাবেট হয়ে যাবে
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২২ বিধি-৬ এর বিধান শুনানির পর মৃত্যুর কারণে কোনরূপ বাতিল হবে না: 
- পূর্ববর্তী বিধিসমূহে কোন বিধান থাকা সত্ত্বে মোকদ্দমার কারণ উদ্ভব হোক বা না হোক শুনানি সমাপ্তি এবং রায় ঘোষণার মধ্যবর্তী সময়ে কোন পক্ষের মৃত্যুর কারণে কোন মোকদ্দমা বাতিল হবে না, কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে মৃত্যু সত্ত্বেও রায় ঘোষণা করা যাবে এবং উক্ত মৃত্যু হওয়ার পূর্বে রায় প্রকাশিত হলেও যেরূপ শক্তি ও কার্যকারীতা থাকত এটিরও সেটাই থাকবে।
----------------
⇒ Order-22 Rule.-6: No abatement by reason of death after hearing:-
- Notwithstanding anything contained in the foregoing rules, whether the cause of action survives or not, there shall be no abatement by reason of the death of either party between the conclusion of the hearing and the pronouncing of the judgment, but judgment may in such case be pronounced notwithstanding the death and shall have the same force and effect as if it had been pronounced before the death took place.
১,২১১.
"Constructive Res Judicata" দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১-এর কোন Explanation-এ আছে? 
  1. Explanation III
  2. Explanation VIII
  3. Explanation IV
  4. Explanation VI
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১-এর Explanation IV-এ কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা (Constructive Res Judicata) বা পরোক্ষ দোবারা দোষ নীতিটি বর্ণিত আছে।
- "Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit."

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা];
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা];
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ];
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ];
৫ম ব্যাখ্যা: Any relief not granted shall be deemed to have been refused [প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে];
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights [সার্বজনীন বা সাধারণ অধিকার বা বাস্তব সুবিধার জন্য মামলা]
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-11. Res Judicata:
- No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court. 

Explanation I.-The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto. 
Explanation II.-For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court. 
Explanation III.-The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other. 
Explanation IV.-Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit. 
Explanation V.-Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused. 
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.

১,২১২.
যে আদালত নিজে ডিক্রি দিয়েছে, কিন্তু অন্য আদালতের মাধ্যমে তা কার্যকর করাতে চায়, সেক্ষেত্রে সে কী করবে?
  1. ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু করবে
  2. পুনরায় মামলা দায়ের করবে
  3. প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ডিক্রিটি পাঠাবে
  4. অন্য আদালতে আবেদন করবে নতুন করে শুনানির জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৬ (Rule 6 of Order XXI) অনুযায়ী, যদি কোনো আদালত নিজে ডিক্রি প্রদান করে কিন্তু অন্য কোনো আদালতের মাধ্যমে ডিক্রিটি কার্যকর করাতে চায়, তাহলে তাকে সেই আদালতে নিম্নলিখিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ডিক্রিটি পাঠাতে হবে:
- ডিক্রির একটি প্রত্যয়িত কপি
- একটি সার্টিফিকেট – যাতে উল্লেখ থাকবে যে, ডিক্রির কোনো অংশ সন্তোষজনকভাবে পরিশোধ হয়নি, বা আংশিক পরিশোধ হয়েছে – কতটুকু হয়েছে এবং কতটুকু বাকি রয়েছে
- ডিক্রি কার্যকরের আদেশের কপি, অথবা যদি আদেশ না থাকে, তার একটি সার্টিফিকেট
এগুলো ছাড়া অন্য কোনো কার্যক্রম (যেমন: পুনরায় মামলা, ফৌজদারি পদক্ষেপ বা শুনানির আবেদন) করার বিধান নেই।

⇒ অর্থাৎ আদালত নিজে ডিক্রি কার্যকর না করে অন্য আদালতে পাঠাতে চাইলে — সেটি শুধুমাত্র বিধি-৬ মোতাবেক প্রয়োজনীয় দলিলসহ পাঠিয়ে দেয়, যা সম্পূর্ণ দেওয়ানী কার্যবিধির কাঠামোর মধ্যেই পড়ে।
১,২১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি কার্যকর করার জন্য নিম্নের কোনটি আদালতের একটি ক্ষমতা নয়?
  1. রিসিভার নিয়োগ
  2. ডিক্রি-হোল্ডারকে গ্রেপ্তার
  3. নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের আদেশ
  4. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলামের মাধ্যমে আদায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারা অনুযায়ী, আদালত "ডিক্রি কার্যকর করার জন্য" নিম্নলিখিত উপায়ে আদেশ দিতে পারে:
১) নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তর করা (Clause a)
২) সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম/নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে (Clause b)
৩) ডিক্রি-দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও কারাবন্দি করা (Clause c)
৪) রিসিভার নিয়োগ করা (Clause d)
৫) প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য পন্থা অবলম্বন করা (Clause e)
- এখানে লক্ষ্যণীয় যে, গ্রেপ্তারের ক্ষমতা আদালতের থাকে "ডিক্রি-দেনাদার" এর বিরুদ্ধে, ডিক্রি-হোল্ডার (যিনি মামলা জিতেছেন) এর বিরুদ্ধে নয়।
অতএব, ডিক্রি-হোল্ডারকে গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা আদালতের নেই, কারণ তিনি আদালতের আদেশ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১: ডিক্রিজারি কার্যকর করার জন্যে আদালতের ক্ষমতা:
নির্ধারিত শর্ত এবং নিয়ন্ত্রণসাপেক্ষে আদালত ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে নিম্নবর্ণিত যে কোন উপায়ে ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারেন-
ক) ডিক্রিতে আদিষ্ট কোন সম্পত্তি অপর্ণের দ্বারা;
খ) কোন সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় দ্বারা বা ক্রোকবিহীন নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা;
গ) দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের দ্বারা;
ঘ) রিসিভার নিয়োগ দ্বারা; বা
ঙ) প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতির প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন পন্থায় ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি অর্থ পরিশোধের জন্য হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দেনাদারকে আটকের আদেশ পূর্বে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য উপযুক্ত সুযোগ প্রদান করতে হবে এবং তৎপর আদালত যদি নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, লিখিতভাবে তা উল্লেখ করে অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন:
ক) দেনাদার ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান বা তা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
১. আত্মগোপন করতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা ত্যাগ করতেপারে; বা
২. ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এরূপ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর তার সম্পত্তির কোন অংশ তার দ্বারা অসদুপায়ে স্থানান্তরিত, বিনষ্ট বা অপসারণ করা হয়েছে, বা তার সম্পত্তি নিয়ে যে কোন অবিশ্বস্ততার কাজ করেছে; বা
খ) ডিক্রির তারিখ থেকে ডিক্রির টাকা অথবা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক অংশ পরিশোধের সংগতি রায়সিদ্ধ দেনাদারের আছে বা ছিল, অথচ দেনাদার তা পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি বা অবহেলা জ্ঞাপন করেছে বা করেছে; বা
গ) যে টাকার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, তজ্জন্য রায়সিদ্ধ দেনাদারের দায়িত্বও পরোক্ষ ছিল।
ব্যাখ্যা- খ) দফায় বর্ণিত দেনাদারের সংগতি নির্ধারণকল্পে, দেনাদারের যে সম্পত্তি বর্তমানে প্রচলিত কোন আইন বা আইনের ন্যায় প্রযোজ্য অন্য কোন রীতি অনুসারে ডিক্রি জারির দরুনক্রোক থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য, তা হিসাবে ধরা চলবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, 51. Powers of Court to enforce execution:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, on the application of the decree-holder, order execution of the decree-
(a) by delivery of any property specifically decreed;
(b) by attachment and sale or by sale without attachment of any property;
(c) by arrest and detention in prison;
(d) by appointing a receiver; or
(e) in such other manner 36[as may be provided hereinafter in the Code or] as the nature of the relief granted may require:
Provided that, where the decree is for the payment of money, execution by detention in prison shall not be ordered unless, after giving the judgment-debtor an opportunity of showing cause why he should not be committed to prison, the Court, for reasons recorded in writing, is satisfied-
(a) that the judgment-debtor, with the object or effect of obstructing or delaying the execution of the decree,-
(i) is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
(ii) has, after the institution of the suit in which the decree was passed, dishonestly transferred, concealed, or removed any part of his property, or committed any other act of bad faith in relation to his property; or
(b) that the judgment-debtor has, or has had since the date of the decree, the means to pay the amount of the decree or some substantial part thereof and refuses or neglects or has refused or neglected to pay the same, or
(c) that the decree is for a sum for which the judgment-debtor was bound in a fiduciary capacity to account.
Explanation.-In the calculation of the means of the judgment-debtor for the purposes of clause (b), there shall be left out of account any property which, by or under any law or custom having the force of law for the time being in force, is exempt from attachment in execution of the decree.
১,২১৪.
নিচের কোন বিধানের অধীনে প্রদত্ত আদেশটি আপিলযোগ্য নয়?
  1. আদেশ-৮ বিধি-১০
  2. আদেশ-১০ বিধি-৭
  3. আদেশ-১৬ বিধি-২০
  4. আদেশ-৩৯ বিধি-২
ব্যাখ্যা
⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ নং ৪৩ এ আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়া হয়েছে, আদেশ ১০ বিধি-৭ উক্ত তালিকায় নাই। কিন্তু আদেশ-৮ বিধি-১০, আদেশ-১৬ বিধি-২০, আদেশ-৩৯ বিধি-২উক্ত তালিকায় আছে।
- আদেশ ৪৩-এ মোট ২৫ টি আদেশকে আপিলযোগ্য আদেশ মর্মে বলা হয়েছে। এই ২৫ প্রকারের আদেশ ব্যতীত দেওয়ানী আদালতের অপরাপর আদেশ-এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই, সেখানে রিভিশন করার বিধান আছে।
১,২১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)?
  1. আদেশ ১৫
  2. আদেশ ১৯
  3. আদেশ ১৭
  4. আদেশ ১৩
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে,তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)।উক্ত আদেশের ১নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে,পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
১,২১৬.
বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে নিলে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে যদি-
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
  2. বিবাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি দেয় 
  3. বিবাদীর অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে
  4. বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
ব্যাখ্যা

⇒ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে অথবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে। এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবেন না।
⇒ যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ কোন মোকদ্দমায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে। কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে আদালত মামলাটির দাবী প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারে- অন্য বাদীদের সম্মতিতে।

⇒ বাদী আদালতের অনুমতি না নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে সে একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না, এবং খরচ প্রদানের জন্য দায়ী হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-২ এর বিধান প্রথম মোকদ্দমা দ্বারা তামাদি আইন প্রভাবিত হয় না:- পূর্ববর্তী বিধির অধীনে আদালতের অনুমতিক্রমে যদি নূতনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করা হয়, তবে প্রথম মোকদ্দমাটি রুজু করা না হলে বাদি তামাদি আইন দ্বারা যেরূপ বাধ্য হত, ঠিক একই পদ্ধতিতে বাধ্য হবে।

⇒ Order 23 Rule.-2: Limitation law not affected by first suit:- In any fresh suit instituted on permission granted under the last preceding rule, the plaintiff shall be bound by the law of limitation in the same manner as if the first suit had not been instituted.
১,২১৭.
ইন্টার-প্লিডার মোকদ্দমার অর্থ হচ্ছে-
  1. একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা
  2. একজন দাবিদারের বিরুদ্ধে মামলা
  3. কতিপয় বাদীর পক্ষে মামলা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৮ এবং আদেশ ৩৫ মতে- ইন্টার-প্লিডার মামলায় বাদীর নয় বরং সম্পত্তিতে বিবাদীর স্বার্থ নির্ধারিত হয়। এই সম্পত্তিতে বাদীর কোন দাবী থাকে না। ইন্টার-প্লিডার মামলা হচ্ছে একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা।

♦  ইন্টার-প্লিডার মামলা হতে পারে টাকা, স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দাবী নিয়ে। এই মামলার উদ্দেশ্য হচ্ছে সম্পত্তি সঠিক মালিকের নিকট অর্পণ করা।
১,২১৮.
কোন ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি বিবাদী হিসেবে মোকদ্দমায় পক্ষভূক্ত হতে পারে?
  1. ন্যায় বিচারের স্বার্থে
  2. দাবিকৃত প্রতিকার ভিন্ন হলে
  3. দাবিকৃত প্রতিকার একই কার্য থেকে উদ্ভব হলে
  4. একই তারিখে মামলা হলে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১ আদেশ ৩ বিধি মতে- যেক্ষেত্রে কতিপয় বিরুদ্ধে দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য থেকে উদ্ভব হয় এবং উক্ত বিবাদীদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হতে পারে, সেক্ষেত্রে ঐ সকল ব্যক্তিকে একই মোকদ্দমায় বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা যায়।
একই মামলায় একাধিক ব্যক্তিকে যুক্ত করতে হলে নিম্নোক্ত শর্তপূরণ করতে হবে-
১) যাদের বিরুদ্ধে একই কাজ বা বিষয় আদান-প্রদান দ্বারা একত্রে বা পৃথকভাবে কোন প্রতিকার দাবি করা যায়। এবং
২) উক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে মোকদ্দমা দায়ের করলে আইন বা তথ্যসংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হতে পারে অনুরূপ সকলকে একই মোকদ্দমায় বিবাদীপক্ষে যুক্ত করা যায়।
১,২১৯.
দেওয়ানী মামলায় সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. অনধিক ১৫ লক্ষ টাকা
  2. অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা
  3. অনধিক ৩৫ লক্ষ টাকা
  4. সীমাহীন
ব্যাখ্যা
♦ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার হলঃ সহকারী জজ ১৫ লক্ষ পর্যন্ত, সিনিয়র সকারী জজ ২৫ লক্ষ পর্যন্ত ও যুগ্মজেলা জজ সীমাহীন মূল্যের মোকদ্দমা বিচার করতে পারেন।
♦ এই ক্ষেত্রে সিনিয়র সহকারী জজের এখতিয়ার শুরু হবে ১৫ লক্ষ ১ টাকা হতে অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। 
১,২২০.
বিচার্য বিষয় গঠন করা হয়-
  1. মোকদ্দমার প্রথম শুনানীতে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের পর
  3. ক বা খ এর মধ্যে যেটা পরে ঘটে তার ১৫ দিনের মধ্যে
  4. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি ১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-

১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
১,২২১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে প্লিডিংস কর্তন বা সংশোধনের বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৭, বিধি ৬
  2. আদেশ ৬, বিধি ১৫
  3. আদেশ ৬, বিধি ১৬
  4. আদেশ ৬, বিধি ১৩
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৬, বিধি ১৬ অনুযায়ী, আদালত মামলার যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস (বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব) কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারে, যদি তাতে অপ্রয়োজনীয়, কুৎসাজনক, বা সুষ্ঠু বিচারে বাধা সৃষ্টিকারী, বিভ্রান্তকর বা বিলম্ব সৃষ্টিকারী বিষয় থাকে। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো মামলার বিষয়বস্তু স্পষ্ট ও ন্যায়সঙ্গত রাখা।
- প্লিডিংস কর্তন বা সংশোধনের বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৬-এ বর্ণিত আছে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) আদেশ ৬, বিধি ১৬।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৬ নং বিধিতে প্লিডিংস কর্তনের(Strike out) বিধান রয়েছে। ১৬ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য আদালত যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস-এ উল্লেখিত কতিপয় বিষয় কর্তন করার (Strike out) আদেশ নিতে পারেন।
আদালত প্লিডিংস কর্তন করাতে পারে যদি প্লিডিংস এ উল্লেখিত কোন বিষয়-
- অপ্রয়োজনীয় (Unnecessary matter) বা
- কুৎসাজনক (Scandalous) হলে অথবা
- বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice,embarrass or delay fair trial of the suit)।

১,২২২.
ডিক্রি জারির মামলায় আপোষ বা মীমাংসার আবেদন করা যায় না এটি দেওয়ানী কার্যবিধির _____________ এর বিধান।
  1. আদেশ-২৩ বিধি-১
  2. আদেশ-২৩ বিধি-২
  3. আদেশ-২৩ বিধি-৩
  4. আদেশ-২৩ বিধি-৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ নং আদেশে দেওয়ানী মোকদ্দমা প্রত্যাহার এবং সোলেনামা অর্থাৎ আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে মোকদ্দমার নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে।
২৩ নং আদেশের ১নং বিধির ২ ও ৩নং উপবিধিতে মোকদ্দমা প্রত্যাহার এবং ৩নং বিধিতে সোলেনামার বিধান রয়েছে।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ আদেশের ৪ নং বিধি অনুযায়ী ডিক্রি জারির মামলায় Compromise বা আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে মোকদ্দমার নিষ্পত্তির আবেদন করা যায় না।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-৪ এর বিধান:  ডিক্রিজারির কার্যক্রম প্রভাবিত হয় না:  ডিক্রি বা আদেশ জারির কোন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এই বিধির কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।
--------------
⇒ CPC Order-23 Rule-4: Proceedings in execution of decrees not affected. Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.
১,২২৩.
'Judgment on admission' can be given under:
  1. Order XII Rule 8 of CPC
  2. Order XII Rule 4 of CPC
  3. Order XII Rule 6 of CPC
  4. Order XII Rule 2 of CPC
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ এ 'Judgment on admissions' এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১২ বিধি ৬ (স্বীকারোক্তির উপর রায়)-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

CPC Order-12 Rule-6 :Judgment on admissions:
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
১,২২৪.
As per Section 89A of the Code of Civil Procedure, 1908 after filling written statement the court-
  1. may refer the dispute for mediation
  2. may refer the dispute for conciliation
  3. shall refer the dispute for mediation
  4. shall refer the dispute for conciliation
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০০৩ সালে প্রথম বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) বিধান সংযোজন করা হয় এবং ধারা ৮৯ ক, ৮৯খ,৮৯গ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পূর্বে তা ঐচ্ছিক ছিল কিন্তু ২০১২ সালে দেওয়ানি কার্যবিধিতে মধ্যস্থতা (Mediation) বাধ্যতামূলক করা হয়। ধারা ৮৯ক তে 'may' এর পরিবর্তে 'shall' শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে-
১- মধ্যস্থতা (Mediation)
২- সালিশী (Arbitration)

মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে। মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বইচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে। সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপীল বা রিভিশন চলবে না। দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

Section: 89A(1)-
Except in a suit under the Artha Rin Adalat Ain, 2003 (Act No. 8 of 2003), after filing of written statement, if all the contesting parties are in attendance in the Court in person or by their respective pleaders, the Court shall, by adjourning the hearing, mediate in order to settle the dispute or disputes in the suit, or refer the dispute or disputes in the suit to the concerned Legal Aid Officer appointed under the Legal Aid Act, 2000 (Act No. 6 of 2000), or to the engaged pleaders of the parties, or to the party or parties, where no pleader or pleaders have been engaged, or to a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), for undertaking efforts for settlement through mediation.
১,২২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১২৪ ধারা অনুসারে, বিধি প্রণয়নের প্রয়োজনে বিধি কমিটি কার কাছে রিপোর্ট পেশ করবে?
  1. সরকার
  2. আইন মন্ত্রনালয়
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৪: সুপ্রিম কোর্টে প্রতিবেদন প্রদান-
বিধি কমিটি (Rule Committee) প্রথম তফসিলের নিয়মাবলীর কোনো নিয়ম রহিত, পরিবর্তন অথবা সংযোজন অথবা নতুন কোনো নিয়ম প্রণয়নের প্রস্তাবের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি প্রতিবেদন প্রদান করবে এবং ধারা ১২২ এর অধীনে কোনো নতুন নিয়ম প্রণয়নের পূর্বে সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রতিবেদনটি বিবেচনায় গ্রহণ করবে।

[The Rule Committee shall make a report to the Supreme Court on any proposal to annul, alter or add to the rules in the First Schedule or to make new rules, and before making any rules under section 122 the [Supreme Court] shall take such report into consideration.]
১,২২৬.
Under what condition will an appeal be heard ex parte according to 'Rule 17, Order 41' of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. When both the appellant and the respondent are absent
  2. When the appellant does not appear, but the respondent does
  3. When the appellant appears and the respondent does not appear
  4. When neither party submits written arguments
ব্যাখ্যা
Order 41 Rule 17: Dismissal of appeal for appellant's Default-
1) Where on the day fixed, or on any other day to which the hearing may be adjourned, the appellant does not appear when the appeal is called on for hearing, the Court may an order that the appeal be dismissed.

2) Hearing appeal ex parte: Where the appellant appears and the respondent does not appear, the appeal shall be heard ex parte.

আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
১,২২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারা অনুযায়ী যদি পক্ষদ্বয় ১০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ না করেন, তাহলে আদালত কত দিনের মধ্যে নিয়োগ করবে?
  1. পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে
  2. পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে
  3. পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে
  4. কোনো সময়সীমা নেই
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি সংহিতা (CPC) ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(৪) অনুসারে, মধ্যস্থতার রেফারেন্সের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় যদি মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ না করে, তাহলে আদালত পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে প্যানেল থেকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। এতে সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ নিশ্চিত হয়, যা মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার দ্রুততা ও দক্ষতা বজায় রাখার জন্য নির্ধারিত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিবে। উক্ত সময়ের মধ্যে না পারলে আদালত পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিবে।
- নিয়োগ দেওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মীমাংসা করবে। তাও সম্পন্ন না হলে আরও ৩০ দিন বাড়াবে।
- অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।
- মধ্যস্থতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ৭ দিনের মধ্যে আদালত সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) জারি করবেন।
- সোলে ডিক্রি এর বিরুদ্ধে কোনো আপিল কিংবা রিভিশন করা যাবে না।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-89A: Mediation: 
(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, 9[or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.

১,২২৮.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় মোঃ রিয়াজের বিরুদ্ধে রায়ের পূর্বে ক্রোকের আদেশ প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তীতে মোকদ্দমাটি খারিজ হয়। আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ এর বিধি ৯ অনুসারে কী আদেশ দেবে?
  1. ক্রোক বজায় রাখার
  2. মামলা খারিজের
  3. ক্রোক অপসারণের
  4. নতুন জামানত প্রদানের
ব্যাখ্যা

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.

১,২২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(২) অনুসারে রিভিশন করার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. আইনগত ভ্রান্তি বা ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা
  2. আদেশটির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান না থাকা 
  3. আদেশটি যুগ্ম জেলা জজ/ সিনিয়র সিভিল জজ/ সিভিল জজ কর্তৃক প্রদত্ত হওয়া
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(২) অনুসারে, রিভিশন জেলা জজের কাছে করা যাবে যদি তিনটি শর্তই একসঙ্গে পূরণ হয়:
- ক) আইনগত ভ্রান্তি বা এখতিয়ারের অপব্যবহার বা ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা থাকতে হবে (অর্থাৎ শুধু তথ্যের ভুল হলে হবে না)। 
- খ) সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের কোনো বিধান থাকতে পারবে না (non-appealable order)। 
- গ) আদেশটি যুগ্ম জেলা জজ / সিনিয়র সহকারী জজ (সিনিয়র সিভিল জজ) / সহকারী জজ (সিভিল জজ) কর্তৃক প্রদত্ত হতে হবে। 
এই তিনটি শর্তের একটিও না থাকলে ধারা ১১৫(২)-এর রিভিশন চলবে না।
সুতরাং প্রশ্নের তিনটি অপশনই (ক, খ, গ) সঠিক → সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন।
১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সিভিল জজ বা সিভিল জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সিভিল জজ আদালত বা সিভিল জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।
৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।

১,২৩০.
Precepts কোন আদালত ইস্যু করে?
  1. সহকারী জজ আদালত
  2. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  4. জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় Precept সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। Precept অর্থ হলো বিচারকের আদেশপত্র বা নির্দেশাত্রা বা অনুরোধলিপি। । ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে অন্য কোনো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রিটি জারি করার অনুরোধ করতে পারে, এবং এইরূপ আদালত ডিক্রিজারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে।
১,২৩১.
অযৌক্তিক প্রশ্নমালা উপস্থাপনের ক্ষেত্রে যাবতীয় খরচাদি কে বহন করবেন?
  1. আদালত
  2. আদালত যে পক্ষকে নির্দেশ দিবেন
  3. ত্রুটির জন্য দায়ী পক্ষ
  4. উভয় পক্ষ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১১ বিধি-৩ঃ 
মোকদ্দমার খরচ সমন্বয়করণে কোন পক্ষের অনুরোধক্রমে অনুরূপ প্রশ্নমালা উপস্থাপনের যথার্থতা অনুসন্ধান করে দেখা হবে, এবং অনুসন্ধানের জন্য আবেদনে কিংবা আবেদন ছাড়া যদি কর কর্মকর্তার বা আদালতের এটা অভিমত হয় যে অনুরূপ প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে বা অযথা দীর্ঘ অবস্থায় উপস্থাপিত হয়েছে, তবে উক্ত প্রশ্নমালা ও তাদের উত্তর সংক্রান্ত খরচাসমূহ ত্রুটির জন্য দায়ী পক্ষ মারফত যে কোন খাতে বহন করা হবে।

[Rule-3:
in adjusting the costs of the suit inquiry shall at the instance of any party be made into the property of exhibiting such interrogatories, and if it is the opinion of the taxing officer or of the Court either with or without an application for inquiry that such interrogatories have been exhibited unreasonably, vexatiously or at improper length, the costs occasioned by the said interrogatories and the answers thereto shall be paid in any event by the party in fault.]
১,২৩২.
মোকদ্দমার শুনানীর সময় বাদী 'ক' অনুপস্থিত থাকার কারণে সহকারী জজ মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ প্রদান করে। 'ক' উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করে। জেলা জজ রিভিশনটি প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করে। এক্ষেত্রে প্রতিকার কী?
  1. অনুমতি সাপেক্ষে জজ আদালতে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
  2. সরাসরি জেলা জজ আদালতে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
  3. অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
  4. সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ২য় রিভিশন:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে। একমাত্র হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে দ্বিতীয় দেওয়ানী রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করার ক্ষেত্রে অনুমতি নিতে হবে। একমাত্র জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের রিভিশনে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায় ।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে, মোকদ্দমার শুনানীর সময় বাদী 'ক' অনুপস্থিত থাকার কারণে সহকারী জজ মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ প্রদান করে। মোকদ্দমা খারিজ আদেশ হলো আপীলঅযোগ্য আদেশ। 'ক' উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করে। জেলা জজ রিভিশনটি প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে। কিন্তু হাইকোর্ট বিভাগে প্রথম রিভিশন দায়ের করার ক্ষেত্রে অনুমতির প্রয়োজন নেই। দেওয়ানী কার্যবিধিতে অনুমতি সাপেক্ষে দ্বিতীয় রিভিশনের বিধান আছে। কিন্তু ফৌজদারী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় রিভিশনের কোন সুযোগ নেই।
১,২৩৩.
আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করবে-
  1. মোকদ্দমা খারিজ হলে
  2. বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে
  3. বাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে
  4. 'ক' বা 'খ' যে কোন একটি।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ আদেশের ৯ বিধি এর বিধান রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার।

-দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৩৮ বিধি-৯: ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার- আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা- ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

-দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
- যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।
-------- 
⇒ CPC Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
- Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
১,২৩৪.
শুনানির দিন যদি শুধু বিবাদী হাজির হন এবং বাদী না হন, আদালত কী করবে?
  1. মামলার শুনানি বন্ধ করবে
  2. মোকদ্দমাটি খারিজ করবেন
  3. বিচারের জন্য অপেক্ষা করবে
  4. পুনরায় বাদীকে তলব করবেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হলে, সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।
১,২৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২২ অনুযায়ী ডিক্রি প্রদানের কত দিন পর ডিক্রি জারির আবেদন করলে দেনাদারকে নোটিশ দিতে হয়?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২২ অনুসারে, যদি ডিক্রি প্রদানের ২ বছর পর ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তাহলে আদালত নোটিশ জারি করতে বাধ্য—যার মাধ্যমে দেনাদারকে (Judgment Debtor) কারণ দর্শাতে বলা হয় কেন তার বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-২২ তে ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান রয়েছে- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথ‍া:
- ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়। 
- পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে। তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।
- এছাড়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করলে নোটিশ দিতে হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়।
--------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-22. Notice to show cause against execution in certain cases:
(1) Where an application for execution is made-
(a) more than two years after the date of the decree, or
(b) against the legal representative of a party to the decree,
or where an application is made for execution of a decree filed under the provisions of section 44A, the Court executing the decree shall issue a notice to the person against whom execution is applied for, requiring him to show cause, on a date to be fixed, why the decree should not be executed against him:
Provided that no such notice shall be necessary in consequence of more than two years having elapsed between the date of the decree and the application for execution if the application is made within two years from the date of the last order against the party against whom execution is applied for, made on any previous application for execution, or in consequence of the application being made against the legal representative of the judgment-debtor, if upon a previous application for execution against the same person the Court has ordered execution to issue against him.
১,২৩৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নিঃস্ব ব্যক্তির সম্পত্তি হিসাব করার সময় কোনটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় না?
  1. জমি-জমা
  2. নগদ অর্থ
  3. স্বর্ণালঙ্কার
  4. প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ১ এর Explanation অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একজন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র (necessary wearing-apparel) এবং মামলার বিষয়বস্তু (subject-matter of the suit)-কে সম্পত্তি হিসাবে গণনা থেকে বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, নিঃস্ব (Pauper) হিসাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য শর্ত হলো—প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ও মামলার বিষয়বস্তু বাদ দিয়ে অন্যান্য সম্পত্তির মূল্য ৫,০০০ টাকার বেশি না হওয়া।
- অন্য অপশনগুলো—জমি-জমা, নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার সম্পত্তির আওতায় পড়ে এবং সেগুলো গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান অনুসারে নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis): আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
- কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-33 Rule-1. Suits may be instituted in forma pauperis: Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation−A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth five thousand Taka other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.

১,২৩৭.
আদালত কখন ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধন করতে পারে?
  1. যে কোনো সময়ে
  2. মামলার পুনঃশুনানির সময়
  3. শুধুমাত্র ডিক্রি প্রস্তুতের সময়
  4. শুধুমাত্র আপিলের পর
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারা- রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।

Section 152- Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

১,২৩৮.
ডিক্রি জারির আদালত ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত কোথায় ডিক্রি প্রেরণ করেন?
  1. হাইকোর্টে
  2. সরাসরি ডিক্রি জারির আদালতে
  3. ডিক্রিদানকারী আদালত যে জেলায় অবস্থিত, সেই জেলার জেলা আদালতে
  4. ডিক্রি জারির আদালত যে জেলায় অবস্থিত, সেই জেলার জেলা আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-৫: স্থানান্তরের পদ্ধতি:
ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয় তবে ডিক্রি সরাসরি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন কিন্তু ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত তা সেই জেলার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।

Order-21 Rule-5: Mode of transfer:
Where the Court to which a decree is to be sent for execution is situate within the same district as the Court which passed such decree, such Court shall send the same directly to the former Court. But, where the Court to which the decree is to be sent for execution is situate in a different district, the Court which passed it shall send it to the District Court of the district in which the decree is to be executed.
১,২৩৯.
চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিচে নেমে এলে, আদালত-
  1. চূড়ান্ত পর্যায়ে আর মোকদ্দমা গ্রহণ করবে না
  2. নতুন মামলার আবেদন গ্রহণ করবে না
  3. পুরোনো মোকদ্দমা আবার শুরু করবে
  4. চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা গ্রহণ করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি-২০: দৈনন্দিন কার্যতালিকা, ইত্যাদিতে মোকদ্দমা নির্ধারণ:
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।

ব্যাখ্যা- এই বিধিতে ব্যবহৃত "চূড়ান্ত শব্দটি" দেওয়ানি নিয়ম ও আদেশাবলীতে ব্যবহৃত শব্দের ন্যায়ই অর্থ হবে।
১,২৪০.
কখন কোনো পক্ষ দেওয়ানি আদালতে আবেদন করতে পারে যে, স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রায় দেওয়া হোক?
  1. কেবল বিচার শেষে
  2. কেবল লিখিত জবাব দাখিলের আগে
  3. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  4. কেবল সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

১,২৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৬ অনুযায়ী, ডিক্রি জারি সংক্রান্ত বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে-
  1. শুধুমাত্র ডিক্রির ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র আদেশের (Order) ক্ষেত্রে
  3. ডিক্রি ও আদেশ উভয়ের ক্ষেত্রে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (Code of Civil Procedure, 1908) এর ধারা ৩৬ অনুসারে: "The provisions of this Code relating to the execution of decrees shall, so far as they are applicable, be deemed to apply to the execution of orders."

অর্থাৎ, এই কোডের ডিক্রির জারি (execution) সংক্রান্ত বিধানগুলি, যতদূর প্রযোজ্য, আদেশ (orders)-এর জারির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে গণ্য হবে। এটি ডিক্রি এবং আদেশ উভয়কেই কভার করে, যাতে একই নিয়মাবলী অনুসরণ করা যায়।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 36. Application to orders:
The provisions of this Code relating to the execution of decrees shall, so far as they are applicable, be deemed to apply to the execution of orders.

১,২৪২.
আপিল আদালতের ডিক্রিতে কোন তারিখ উল্লেখ থাকবে?
  1. ডিক্রি ঘোষণার দিন
  2. আপিল দাখিলের দিন
  3. রায় ঘোষণার দিন
  4. ডিক্রি প্রস্তুত করার দিন
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি ৩৫: রায়ের তারিখ ও ডিক্রির বিষয়বস্তু:
(১) আপিল আদালতের ডিক্রিটি সেই দিন-তারিখ বহন করবে যেদিন আদালত রায় ঘোষণা করেছে।

(২) ডিক্রিতে অবশ্যই থাকতে হবে- আপিলের নম্বর, আপিলকারী (appellant) ও প্রতিপক্ষ (respondent)-এর নাম ও পরিচয়, এবং কোন প্রতিকার (relief) দেওয়া হলো বা আদালত কী ধরনের সিদ্ধান্ত (adjudication) দিল তার স্পষ্ট বিবরণ।

(৩) ডিক্রিতে আরও উল্লেখ থাকবে- আপিল চলাকালে মোট কত খরচ (costs) হয়েছে, কার মাধ্যমে বা কোন সম্পত্তি থেকে এ খরচ পরিশোধ করতে হবে, এবং আপিলের খরচ ও মূল মামলার খরচ কোন অনুপাতে (proportions) প্রদান করতে হবে।

(৪) যে বিচারক বা বিচারকগণ ডিক্রি প্রদান করেছেন, তাদের দ্বারাই ডিক্রি স্বাক্ষরিত ও তারিখ-উল্লেখসহ হতে হবে।

বিচারকের ভিন্নমত সংক্রান্ত বিধান
যদি বেঞ্চে একাধিক বিচারক থাকেন এবং তাদের মধ্যে মতানৈক্য থাকে, তবে যে বিচারক আদালতের মূল রায়ের সাথে অমত পোষণ করেছেন, তার জন্য ডিক্রিতে স্বাক্ষর করা বাধ্যতামূলক নয়।

১,২৪৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারার অধীনে, আদালতকে কোন ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র আপিল গ্রহণ করার ক্ষমতা
  2. মামলার স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের ক্ষমতা
  3. মামলাকে দ্রুত নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা
  4. গুরুত্বপূর্ন মামলার বিচার স্থগিত করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারা- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:
(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন স্তরে
ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা
খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
i. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
ii. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
iii. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
২) কোন মামলা (১) উপধারা অনুসারে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত হয়ে থাকলে পরে যে আদালতে ইহার বিচার হয়, সেই আদালত স্থানান্তরের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশ সাপেক্ষে পূর্ণ বিচার করতে পারেন, অথবা যে পর্যায় হতে উহা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই পর্যায় হতে বিচার শুরু করতে পারেন।
৩) এই ধারার উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত ও সহকারী জজের আদালতকে জেলা কোর্টের অধীন বলে গণ্য করতে হবে।
৪) স্মলকজ কোর্ট হতে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত মামলার বিচারকারী আদালতকে উক্ত মামলার ব্যাপারে স্মলকজ কোর্ট বলে গণ্য করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-24. General power of transfer and withdrawal:
(1) On the application of any of the parties and after notice to the parties and after hearing such of them as desire to be heard, or of its own motion without such notice, the High Court Division or the District Court may at any stage-
(a) transfer any suit, appeal or other proceeding pending before it for trial or disposal to any Court subordinate to it and competent to try or dispose of the same, or
(b) withdraw any suit, appeal or other proceeding pending in any Court subordinate to it, and
(i) try or dispose of the same; or
(ii) transfer the same for trial or disposal to any Court subordinate to it and competent to try or dispose of the same; or
(iii) retransfer the same for trial or disposal to the Court from which it was withdrawn.
(2) Where any suit or proceeding has been transferred or withdrawn under sub-section (1), the Court which thereafter tries such suit may, subject to any special directions in the case of any order of transfer, either retry it or proceed from the point at which it was transferred or withdrawn.
(3) For the purposes of this section, Courts of Additional and Assistant Judges shall be deemed to be subordinate to the District Court.
(4) The Court trying any suit transferred or withdrawn under this section from a Court of Small Causes shall, for the purposes of such suit, be deemed to be a Court of Small Causes.
১,২৪৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় অসুস্থতার অযুহাতে মুক্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৫৮ ধারা
  2. ৬০ ধারা
  3. ৫৯ ধারা
  4. ৬৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে। 
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি:
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।
৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
-------------
⇒ Section 59. Release on ground of illness.
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness. 
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison. 
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom- 
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or 
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness. 
 
(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.
১,২৪৫.
যদি বাদী আদালত ফি বা ডাক খরচ না দেয় এবং এর ফলে সমন জারি না হয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি খারিজ করতে পারে
  2. মামলাটি স্থগিত করতে পারে
  3. মামলাটি গ্রহণ করতে পারে
  4. বিবাদীর পক্ষে রায় দিতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) মামলাটি খারিজ করতে পারে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ-IX, বিধি-২ অনুসারে, যদি বাদী সমন জারির জন্য প্রয়োজনীয় আদালত ফি বা ডাক খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হন এবং এর ফলে বিবাদীর প্রতি সমন জারি না হয়, তাহলে আদালত সেই কারণে মামলাটি খারিজ করতে পারে।
তবে একটি প্রভিশো (ব্যতিক্রম) রয়েছে, যদি সমন জারি না হওয়া সত্ত্বেও বিবাদী নির্ধারিত দিনে ব্যক্তিগতভাবে বা এজেন্টের মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত হন, তাহলে মামলাটি খারিজ করা যাবে না।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-9 Rule-2. Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs:
- Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
১,২৪৬.
'পরোক্ষ দোবারা দোষ' (Constructive Res Judicata) নীতি দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১-এর কত নং ব্যাখ্যায় আলোচিত হয়েছে?
  1. Explanation II
  2. Explanation III
  3. Explanation IV
  4. Explanation VI
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১ Res Judicata (দোবারা দোষ) নীতি বর্ণনা করে, যা নিশ্চিত করে যে পূর্বে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত বিষয় পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই ধারার ব্যাখ্যা IV (Explanation IV) এ পরোক্ষ দোবারা দোষ (Constructive Res Judicata) নীতি আলোচিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা IV বলে: "Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit."
- অর্থাৎ, পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন (defence) বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের (attack) জন্য উত্থাপন করা যেতে পারতো বা উচিত ছিল, তা উক্ত মামলায় প্রত্যক্ষ ও মৌলিকভাবে বিষয় হিসেবে গণ্য হবে। ফলে, পরবর্তী মামলায় সেই বিষয় উত্থাপন করলে তা পরোক্ষ দোবারা দোষে দুষ্ট হবে এবং বিচারযোগ্য হবে না।

১,২৪৭.
সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, উক্ত বাটোয়ারা কে সম্পন্ন করবে?
  1. ডিক্রিদার
  2. কালেক্টর
  3. সম্পত্তির দখলদার
  4. ডিক্রিদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় দেয়া আছে,
সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।

Section 54- Partition of estate or separation of share:
Where the decree is for the partition of an undivided estate assessed to the payment of revenue to the Government, or for the separate possession of a share of such an estate, the partition of the estate or the separation of the share shall be made by the Collector or any gazetted subordinate of the Collector deputed by him in this behalf, in accordance with the law (if any) for the time being in force relating to the partition, or the separate possession of shares, of such estates.

বাংলা অর্থ:
যেখানে রায়টি সরকারের কাছে রাজস্ব প্রদানের জন্য মূল্যায়িত অবিভক্ত সম্পত্তির বিভাজন বা একরূপ সম্পত্তির অংশের পৃথক দখলের জন্য হয়, সেখানে সেই সম্পত্তির বিভাজন বা অংশের পৃথক দখল কলেক্টর বা তার এ বিষয়ে নিযুক্ত কোনো রাজপত্রিত অধীনস্থ কর্মকর্তার মাধ্যমে, এরূপ সম্পত্তির বিভাজন বা অংশের পৃথক দখল সংক্রান্ত প্রচলিত আইন (যদি থাকে) অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হবে।
১,২৪৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল দায়ের করা চলে
  2. আদেশসমূহের বিরুদ্ধে আপিলের পদ্ধতি
  3. আপিল বিভাগে আপিল করার জন্য মোকদ্দমার মূল্যমান
  4. আপিল আদালতের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৯- সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে

দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-

ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে। এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

Sec 109- When appeals lie to the Supreme Court:
Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division-

a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction;
b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and
c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
১,২৪৯.
আদেশ ২৩ বিধি ১ অনুযায়ী, কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা -
  1. প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারবেন
  2. স্থগিত করার অনুমতি দিতে বাধ্য
  3. দায়েরের অনুমতি দিতে বাধ্য
  4. প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবে না
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমা প্রত্যাহার:

আদেশ ২৩, বিধি ১ অনুযায়ী-
১. মামলা দায়ের হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে পারে বা মোকদ্দমায় দাবীর অংশ পরিত্যাগ করতে পারে; [উপবিধি-১] অথবা
২. রীতিসিদ্ধ কোন ত্রুটির কারণে মামলাটি ব্যর্থ হওয়ার কারণ আছে বা মামলার বিষয়বস্তুর জন্য বাদীকে নতুন করে মামলা করার অনুমতি প্রদানের যথেষ্ট অজুহাত আছে বলে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হলে আদালত উক্ত মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে নতুন করে মামলা করার অনুমতিসহ মামলা প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করতে পারে। [উপবিধি-২]

উপবিধি-১ অনুযায়ী বাদী মোকদ্দমার যে কোন সময় আদালতের অনুমতি ছাড়া এবং কোন কারণ ছাড়া তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে পারে বা মোকদ্দমার কোন দাবীর অংশ ত্যাগ করতে পারে। উপবিধি ২ এর অধীন বাদী আদালতের অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করা প্রয়োজন যদি বাদী উক্ত একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। যদি বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি না নিয়ে উপবিধি ২ এর অধীন মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে তাহলে সে-
১. একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না এবং
২. খরচ প্রদানের জন্য দায়ী হবে।

তাছাড়া, কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবে না [আদেশ ২৩ বিধি ১(৪)]।
১,২৫০.
সর্বপ্রথম কখন সিভিল কোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়?
  1. ১৮৭৭ সালে
  2. ১৮৪৯ সালে
  3. ১৮৫৯ সালে
  4. ১৮৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৮৫৯ সালে প্রথম সিভিলকোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়।

১৮৫৯ সালের পূর্বে দেওয়ানি আইন ছিল না, এই সালেই সর্বপ্রথম দেওয়ানি আইন প্রণয়ন/ বিধিবদ্ধ/Codified করা হয়। এই আইনের ধারা ছিল- ৩৮৮টি।
পরবর্তীতে আরো দুই বার দেওয়ানি সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করা হয়। সর্বশেষ দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ প্রণয়ন করা হয় করা হয়, যা বর্তমানে বলবৎ আছে।

দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮:

পূর্বে প্রণীত দেওয়ানি সম্পর্কিত আইনগুলোকে একত্রীকরণ, সংশোধন ও পরিবর্তন করে চূড়ান্তভাবে ২১ মার্চ ১৯০৮ তারিখে (Act No. V) প্রণয়ন করা হয়; যা ১ জানুয়ারি ১৯০৯ হতে কার্যকর করা হয়। দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ধারা ১৫৮টি এবং মোট অর্ডার বা আদেশ রয়েছে ৫১টি।
১,২৫১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৩৭ অনুসারে যদি judgment-debtor নোটিশ পাওয়ার পরও নির্ধারিত দিনে উপস্থিত না হয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. আদালত নতুন নোটিশ পাঠায়।
  2. আদালত নোটিশ বাতিল করে।
  3. আদালত judgment-debtor কে জরিমানা করে।
  4. আদালত judgment-debtor এর গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করে।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৩৭ এর ১ম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি কোনো judgment-debtor এর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের জন্য গ্রেপ্তার ও সিভিল কারাগারে বন্দী করার আবেদন করা হয়, আদালত সাধারণত সরাসরি গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি না করে তাকে নোটিশ পাঠায় যাতে নির্ধারিত দিনে আদালতে উপস্থিত হয়ে কারণ দেখাতে পারে কেন তাকে কারাগারে আটকানো হবে না।
তবে, যদি judgment-debtor ওই নোটিশ পাওয়ার পরেও আদালতে নির্ধারিত দিনে উপস্থিত না হয়, তাহলে বিধির ২য় অনুচ্ছেদ অনুসারে, আদালত decree-holder এর অনুরোধে judgment-debtor এর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করতে পারে।
অর্থাৎ, নোটিশ পাওয়ার পরেও উপস্থিত না হওয়া judgment-debtor এর বিরুদ্ধে সরাসরি গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করাই বিধির উদ্দেশ্য এবং প্রক্রিয়া। এ ছাড়া, বিধিতে নতুন নোটিশ পাঠানোর বা জরিমানা করার কথা বলা হয়নি, এবং নোটিশ বাতিল করারও কোনও ধারাবাহিক বিধান নেই।
সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) আদালত judgment-debtor এর গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করে।

Arrest and Detention in the Civil Prison:
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-37. Discretionary power to permit judgment-debtor to show cause against detention in prison.
(1) Notwithstanding anything in these rules, where an application is for the execution of a decree for the payment of money by arrest and detention in the civil prison of a judgment-debtor who is liable to be arrested in pursuance of the application, the Court shall, instead of issuing a warrant for his arrest, issue a notice calling upon him to appear before the Court on a day to be specified in the notice and show cause why he should not be committed to the civil prison: Provided that such notice shall not be necessary if the Court is satisfied, by affidavit, or otherwise, that, with the object or effect of delaying the execution of the decree, the judgment-debtor is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court.
(2) Where appearance is not made in obedience to the notice, the Court shall, if the decree-holder so requires, issue a warrant for the arrest of the judgment-debtor.
১,২৫২.
আদেশ ১৫ বিধি ৪ অনুযায়ী, কোন পক্ষ সাক্ষ্য দানে ব্যর্থ হলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি বাতিল করতে পারে
  2. সাক্ষ্য ছাড়াই তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. মামলাটি নতুনভাবে শুরু করতে পারে
  4. শুধুমাত্র বাদীর সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.
১,২৫৩.
সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৯ বিধির অধীন আদালত সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন ইস্যু করাতে পারে মামলার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য বা কোন সম্পত্তির বাজার দর, মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profit] ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করার জন্য । 
- আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
-------------
CPC Order-26 Rule-9.Commissions to make local investigations: 
- In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court.
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.
১,২৫৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-১১ অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য লিখিত আবেদনপত্রে নিচের কোন বিষয়টি অন্তভুক্ত করার বিধান নেই?
  1. পক্ষদের নাম
  2. ডিক্রিটি হতে কোন আপিল হয়েছে কিনা
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নাম
  4. ডিক্রি জারির জন্য পূর্বে কোন আবেদন করা হয়েছে কিনা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-১১ অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য লিখিত আবেদনপত্রে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নাম অন্তভুক্ত করার বিধান নেই।
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১১
মৌখিক আবেদন। ১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।

২) লিখিত আবেদনঃ উপরোক্ত (১) উপ-বিধিতে বর্ণিত ভিন্নরূপ কোন বিধান ব্যতিরেকে ডিক্রিজারির প্রত্যেক আবেদন আবেদনকারী কর্তৃক বা আদালতের পরিতৃষ্টি মোতাবেক মোকদ্দমার ঘটনার সাথে পরিচিত বলে প্রমাণিত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদনকৃত হতে হবে, এবং সারণীবদ্ধভাবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে, যথা-

ক) মোকদ্দমার নম্বর:
খ) পক্ষদের নাম:
গ) ডিক্রির তারিখ:
ঘ) ডিক্রিটি হতে কোন আপিল দায়ের করা হয়েছে কিনা;
ঙ) ডিক্রির পরবর্তীতে পক্ষদের ভিতর বিতর্কিত বিষয়ে কোন পরিশোধ বা অন্যরূপ সমন্বয় সাধন হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) হয়ে থাকে তবে এর পরিমাণ;
চ) ডিক্রি জারির জন্য পূর্বে কোন আবেদন করা হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) করা হয়ে থাকে কিরূপ আবেদন করা হয়েছে ঐরূপ আবেদনের তারিখ ও ফলাফল;
ছ) ডিক্রির উপর প্রাপ্য সুদসহ (যদি কোন) টাকার পরিমাণ বা এটির দ্বারা মঞ্জুরীকৃত অন্য কোন প্রতিকার, জারি হওয়ার জন্য প্রার্থিত ডিক্রির তারিখের পূর্বে বা পরে কোন পাল্টা ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে তার বিবরণ;
জ) মঞ্জুরীকৃত ব্যায়াদি (যদি কোন) পরিমাণ;
ঝ) যার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি প্রার্থনা করা হয় তার নাম; এবং
ঞ) নিম্নোক্ত যে পদ্ধতিতে আদালতে সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তা-

১. সুস্পষ্টভাবে ডিক্রিপ্রাপ্ত কোন সম্পত্তি অর্পণের দ্বারা,
২. কোন সম্পত্তির ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা বা ক্রোক ব্যতীত নিলাম বিক্রয় দ্বারা, ৩. কোন ব্যক্তির গ্রেফতার এবং জেলে আটক,
৪. তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্তির দ্বারা,
৫. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকারের ধরণে প্রয়োজন হতে পারে এ রকম অন্য কোনভাবে হতে পারে।

৩) উপরোক্ত (২) উপ-বিধির অধীনে যে আদালতে আবেদন করা হবে, ঐ আদালত আবেদনকারীকে ডিক্রির একটি প্রত্যায়িত নকল দাখিল করতে তলব করতে পারে।
১,২৫৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী সাক্ষীর প্রতি সমন জারীর করার সময় সাক্ষীর খরচ বা ব্যয় আদালতে জমা দেওয়া বিধান কোথায় উল্লেখ রয়েছে?
  1. আদেশ-১৬ বিধি-১
  2. আদেশ-১৬ বিধি-২
  3. আদেশ-১৬ বিধি-৫
  4. আদেশ-১৬ বিধি-৪
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৬ বিধি-২: সমন জারীর জন্য আবেদন করলে সাক্ষীর খরচ জমা দিতে হবে:
(১) যে পক্ষ কোন দেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করে, সেই পক্ষকে সমন মঞ্জুর হওয়ার পূর্বে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য সমন দেয়া হবে, আদালতে তার যাওয়া এবং আসার এবং একদিনের হাজিরার ব্যয় নির্বাহের উপযুক্ত পরিমাণ টাকা আদালতে দাখিল করতে হবে।
(২) বিশেষজ্ঞ: অত্র বিধি অনুসারে কোন বিশেষজ্ঞকে সাক্ষী হিসাবে সমন দেয়ার জন্য কত টাকা দাখিল করতে হবে তা নির্ধারণকল্পে আদালত উক্ত বিশেষজ্ঞের সাক্ষাদান ও বিশেষজ্ঞ হিসাবে অন্য কোন কার্য সম্পাদনের জন্য কি পরিমাণ সময় লাগিবে তা বিবেচনা করে সেই অনুপাতে তার সঙ্গত পরিমাণ পারিশ্রমিক মঞ্জর করতে পারেন।
(৩) খরচের হার: যেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আদালত কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধীন, সেক্ষেত্রে উক্ত খরচের হার নির্ধারণের সময় ঐ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা বিবেচনা করতে হবে।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-16 Rule-2.Expenses of witness to be paid into Court on applying for summons:
(1) The party applying for a summons shall, before the summons is granted and within a period to be fixed, pay into Court such a sum of money as appears to the Court to be sufficient to defray the travelling and other expenses of the person summoned in passing to and from the Court in which he is required to attend, and for one day's attendance. 
Experts:
(2) In determining the amount payable under this rule, the Court may, in the case of any person summoned to give evidence as an expert, allow reasonable remuneration for the time occupied both in giving evidence and in performing any work of an expert character necessary for the case.
Scale of expenses:
(3) Whether the Court is subordinate to the High Court Division, regard shall be had, in fixing the scale of such expenses, to any rules made in that behalf.
১,২৫৬.
নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতির জন্য দায়েরকৃত কোন আবেদন আদালত প্রত্যাখ্যান করবেন______।
  1. অভিযোগে কোন কারণ উল্লেখ না থাকলে
  2. আবেদন জমা দেওয়ার ঠিক পূর্বে ২ মাসের মধ্যে প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে
  3. আবেদনকারী নিঃস্ব ব্যক্তি না হলে
  4. পূর্বোক্ত সবকটি কারণে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXXIII, Rule 5 এর বিধান আবেদন পত্র প্রত্যাখ্যানঃ
ক) যেক্ষেত্রে ২ এবং ৩ বিধিসমূহে নির্ধারিত বিধান অনুসারে ইহা গঠন ও দাখিল করা হয়নি, বা

খ) যেক্ষেত্রে আবেদনকারী নিঃসম্বল নহে, বা

গ) যেক্ষেত্রে সে আবেদন পত্র দাখিলে অব্যবহিত দুই মাসের মধ্যে প্রতারণামূলকভাবে নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি লাভের জন্য আবেদন করতে সমর্থ হবার জন্য কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে বা

ঘ) যেক্ষেত্রে তার অভিযোগের কোন নালিশের কারণ দর্শায় না, বা

ঙ) যেক্ষেত্রে সে প্রস্তাবিত মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে পৌছিয়াছে যার ফলে উক্ত বিষয় বস্তুতে অন্য কোন ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট হয়েছে সেই সকল ক্ষেত্রে নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি লাভের প্রার্থনা আদালত প্রত্যাখ্যান করবেন।
১,২৫৭.
Under Rule 6 Order 47, A Review application will be rejected when:
  1. The court is equally divided
  2. The evidence is insufficient
  3. The applicant does not attend the hearing
  4. The court feels there is no merit in the application
ব্যাখ্যা
Order 47 Rule 6: Application where rejected-
1) Where the application for a review is heard by more than one Judge and the Court is equally divided, the application shall be rejected.
2) Where there is a majority, the decision shall be according to the opinion of the majority.

আদেশ ৪৭ বিধি-৬: যেক্ষেত্রে আবেদন অগ্রাহ্য করা হয়:
১) যখন একাধিক বিচারক কর্তৃক কোন রিভিউ আবেদনের শুনানি হয়, এবং আদালত সমানভাবে বিভক্ত হয়, তখন রিভিউ আবেদন অগ্রাহ্য হবে।
২) যেক্ষেত্রে গরিষ্ঠ সংখ্যক বিচারক একমত পোষন করবেন, সেক্ষেত্রে সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামত মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
১,২৫৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোনো ভুল হলে আদালত তা সংশোধন করতে পারে-
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়
  3. যে কোনো সময়
  4. জারির আগে যে কোনো সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
- রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders:
- Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
১,২৫৯.
প্রস্তাবিত প্রশ্নমালা আদালতে উপস্থাপনের কত দিনের মধ্যে, আদালত অনুমতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে?
  1. ১০ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১১ বিধি ২-
প্রশ্নমালা প্রদানের অনুমতির জন্য আবেদনের উপর প্রদান করতে প্রস্তাবিত নির্ধারিত প্রশ্নমালা আদালতে পেশ করতে হবে এবং আদালত অনুরূপ দরখাস্ত পেশ করার চৌদ্দ (১৪) দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে
এরূপ আবেদনের উপর সিদ্ধান্ত নেয়ার কালে যে পক্ষকে (অপর পক্ষ) জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ঐ পক্ষ যদি কোন বিবরণ- প্রদানের বা স্বীকার করার কিংবা মোকদ্দমার প্রশ্ন কিংবা তাদের কোন বিতর্কিত বিষয় সম্পর্কীত কোন দলিল উপস্থিত করার প্রস্তাব করতে বা তাদের যে কোন প্রস্তাব আদালত বিবেচনা করে দেখবে এবং মোকদ্দমার সুষ্ঠ বিচারের জন্য বা ব্যয় বাঁচানোর জন্য যেগুলো প্রয়োজনীয় বলে আদালত মনে করেন, শুধুমাত্র ঐ প্রশ্নগুলো দাখিল করার জন্যই আদালত অনুমতি প্রদান করবে।

Rule-2: 
On an application for leave to deliver interrogatories, the particular interrogatories proposed to be delivered shall be submitted to the Court and that Court shall decide within fourteen days form the date of filing of the said applications.
In deciding upon such application, the Court shall take into account any offer which may be made by the party sought to be interrogated to deliver particulars or to make admissions, or to produce documents relating to the matters in question or any of them and leave shall be given as to such only of the interrogatories submitted as the Court shall consider necessary either for disposing fairly of the suit or for saving costs.
১,২৬০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর __________ এর বিধি-১: এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
  1. আদেশ ৩২
  2. আদেশ ৩৭
  3. আদেশ ৩৫
  4. আদেশ ৩৩
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭ এ হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি (SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS) সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

আদেশ ৩৭ বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ-
এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

Order 37 Rule-1: Application of Order-
This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.
১,২৬১.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে মামলা দায়েরের সময় সমন জারির জন্য কোর্ট ফি কখন পরিশোধ করতে হয়?
  1. সমন জারির পরে
  2. আরজি দাখিলের সময়
  3. মামলা শেষ হওয়ার পর
  4. কোনো ফি পরিশোধের প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, Order IV Rule 1(1a) অনুযায়ী "The Court fees chargeable for service of summons shall be paid in the case of suits when the plaint is filed..."
​- দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর অর্ডার IV, বিধি ১(১ক) অনুসারে, মামলা দায়েরের সময় সমন জারির জন্য প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি আরজি দাখিলের সময় পরিশোধ করতে হয়। 
- তবে অর্ডার IV, বিধি ১(১খ) অনুযায়ী, অন্যান্য কার্যক্রমের (Other Proceedings) ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া আবেদনের সময় কোর্ট ফি পরিশোধ করতে হয়। 
- ​অর্থাৎ, মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে সমন জারির ফি আরজি দাখিলের সময়ই পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক।

১,২৬২.
একটি দেওয়ানি মামলার অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন হবে কোন আদালতে?
  1. জেলা জজ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ
  4. আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
- ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
- দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে।
-  ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।

- অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করতে হবে- হাইকোর্ট বিভাগে।
১,২৬৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৭৪ অনুযায়ী, যদি নিলামে সঠিক মূল্য প্রস্তাবিত না হয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. বিক্রি বাতিল করতে পারে
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে
  3. নিলাম স্থগিত রেখে পরবর্তী দিনে পরিচালনা করতে পারে
  4. বাধ্যতামূলকভাবে সর্বনিম্ন দরদাতাকে সম্পত্তি দিতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) নিলাম স্থগিত রেখে পরবর্তী দিনে পরিচালনা করতে পারে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-২১, বিধি-৭৪(২) অনুসারে, কৃষিজাত দ্রব্যের নিলামে যদি ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত না হয়, তবে আদালত নিম্নলিখিত ব্যবস্থা নিতে পারে:
(ক) নিলামকারী কর্মকর্তার মতে ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত না হলে, এবং
(খ) মালিক বা তার আইনানুগ প্রতিনিধি পরবর্তী দিন বা হাটবার পর্যন্ত নিলাম স্থগিতের আবেদন করলে,
আদালত নিলাম স্থগিত করে নির্ধারিত দিনে পুনরায় নিলাম পরিচালনা করবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-২১, বিধি-৭৪(২) এ বলা হয়েছে: 
(২) যখন ফসল বিক্রয়ের জন্য তোলা হবে, তখন−
(ক) যদি বিক্রির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি মনে করেন যে ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত হয়নি, এবং
(খ) মালিক বা তার প্রতিনিধির অনুরোধে বিক্রয় পরবর্তী দিন বা বাজারের দিনে স্থগিত করার আবেদন করা হয়,
তাহলে বিক্রয় স্থগিত থাকবে এবং পরবর্তী নির্ধারিত দিনে যে মূল্যই হোক, তা অনুসারে বিক্রয় সম্পন্ন হবে।

⇒Order-21,Rule-74 (2) Where, on the produce being put up for sale,−
(a) a fair price, in the estimation of the person holding the sale, is not offered for it, and
(b) the owner of the produce or a person authorized to act in his behalf applies to have the sale postponed till the next day or, if a market is held at the place of sale, the next market-day,
the sale shall be postponed accordingly and shall be then completed, whatever price may be offered for the produce.
১,২৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ___________ ধারায় আদালত সরকারী কর্মকর্তাকে আটক এবং ব্যক্তিগত হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে
  1. ৮০ ধারায়
  2. ৮১ ধারায়
  3. ৮২ ধারায়
  4. ৮৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৮১ ধরার অনুযায়ী পদাধিকারবলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারি কর্মকর্তার বিরূদ্ধে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়ে থাকলে, বিবাদীকে গ্রেপ্তার করা যাবে না এবং ডিক্রি জারী ব্যতীত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী জনসবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে।
১,২৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় Subordination of Courts এর বিধান আছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৪ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 3. Subordination of Courts:
- For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.
--------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮, ধারা ৩: আদালতের অধীনতা:
এই বিধির উদ্দেশ্যে— জেলা আদালত হাইকোর্ট বিভাগের (High Court Division) অধীনস্থ।  জেলা আদালতের চেয়ে নিম্ন স্তরের প্রত্যেক দেওয়ানি আদালত এবং প্রত্যেক Court of Small Causes হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা আদালতের অধীনস্থ।

১,২৬৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order 16, Rule 14 অনুযায়ী আদালত ৩য় পক্ষকে সমন দিতে পারে-
  1. স্বতঃপ্রবৃত্তভাবে
  2. বাদীর আবেদনের ভিত্তিতে
  3. বিবাদীর আবেদনের ভিত্তিতে
  4. উচ্চ আদালতের নির্দেশে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬ বিধি ১৪- আদালত স্বতঃপ্রবৃত্তভাবে ৩য় পক্ষকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে:
আদালত, দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী হাজিরা ও উপস্থিতি সম্পর্কিত বিধান এবং বর্তমানে বলবৎ যে কোনো আইন সাপেক্ষে, যেকোনো সময় মনে করলে যে কোনো ব্যক্তি, যিনি মোকদ্দমার পক্ষ নয় এবং যাকে কোনো পক্ষ সাক্ষী হিসেবে ডেকেনি, তাকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে। উক্ত সমনের মাধ্যমে আদালত ওই ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট তারিখে সাক্ষ্য দিতে বা তার হাতে থাকা কোন দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারে। আদালত চাইলে তাকে সাক্ষী হিসেবে পরীক্ষা করতে পারে অথবা উক্ত দলিল দাখিল করতে আদেশ দিতে পারে।

১,২৬৭.
মূলতবী খরচা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য কোন বিধান মতে প্রার্থনা করতে হয়?
  1. Order XVII Rule 1(7)
  2. Order XVII Rule 1(5)
  3. Order IX Rule 13A
  4. Order IX Rule 9A
ব্যাখ্যা

⇒ মূলতবী খরচা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) [Order XVII Rule 1(7)] এর বিধান মতে প্রার্থনা/ আবেদন করতে হয়।

The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XVII Rule 1(7) অনুযায়ী,
উপ-বিধি (৩) বা (৪) অনুযায়ী কোনো মামলা খারিজ করা হলে বা একতরফাভাবে (ex parte) নিষ্পত্তি করা হলে, যে পক্ষের ব্যর্থতার কারণে মামলাটি খারিজ বা একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ যদি সেই খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির তারিখ থেকে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে আদালতে দুই হাজার টাকা খরচসহ মামলাটি পুনরুজ্জীবিত (revive) করার জন্য আবেদন করে, তবে উক্ত আবেদন দাখিলের পর মামলাটি আর কোনো অতিরিক্ত কার্যক্রম ছাড়াই পুনরায় শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত হবে; এবং আদালতে জমাকৃত উক্ত খরচ বিপক্ষ পক্ষকে (অন্য পক্ষকে) প্রদান করা হবে।

১,২৬৮.
মোকদ্দমায় দাবিকৃত মূল্যমান কত দিনের মধ্যে সংশোধন করতে হয়?
  1. আদালতের নির্ধারিত সময়
  2. সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে
  3. সর্বাধিক ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে, আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন করতে হয়।তা না হলে আদালত আরজি খারিজের আদেশ দিবেন।

• আরজি হল মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১ নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।এখানে আরজি প্রত্যাখানের সংজ্ঞা দেয়া হয়নি। তবে দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারা মতে আরজি প্রত্যাখান ডিক্রির অন্তর্ভুক্ত এবং ৭নং আদেশের ১১ নং ধরে আরজি প্রত্যাখানের কারণগুলো দেয়া রয়েছে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধি অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-

(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে,
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে,
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে,
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।
১,২৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ধারা ৪-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. জমিদারের খাজনা আদায় বন্ধ করা
  2. বিশেষ আইনগুলোকে বাতিল করা
  3. সব মামলায় একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা
  4. বিশেষ আইন ও বিশেষ এখতিয়ারকে সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪-এর শিরোনাম হলো "সঞ্চিত ক্ষমতা সংরক্ষণ" (Saving)। এই ধারাটির মূল উদ্দেশ্য হলো: "Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special or local law now in force, or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force."
- অর্থাৎ, দেওয়ানি কার্যবিধির কোনো বিধান বিশেষ আইন (special law), স্থানীয় আইন (local law), বিশেষ এখতিয়ার (special jurisdiction) বা বিশেষ পদ্ধতি (special procedure)-কে সীমিত করবে না বা প্রভাবিত করবে না।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪: সংরক্ষণ:-
১) বিপরীত কোন সুস্পষ্ট বিধান না থাকলে, বর্তমানে চলমান কোন বিশেষ আইন বা ন্যস্তকৃত কোন বিশেষ এখতিয়ার ক্ষমতা, অথবা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে নির্ধারিত কোন বিশেষ ফরম বা পদ্ধতিকে এই আইনের কোন বিধান দ্বারা সীমাবদ্ধ বা অন্য কোনভাবে প্রভাবিত করবে না।
২) বিশেষত, এবং (১) উপধারায় বর্ণিত সাধারণ নীতিকে ক্ষুণ্ণ না করে সমকালীন চলমান কোন আইনের অধীন চাষের জমির জন্য উক্ত জমির ফসল হতে খাজনা আদায়ের ব্যাপারে কোন জমিদারের কোন প্রতিকার থাকলে এই আইনের কোন বিধান তা সীমাবদ্ধ বা প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908- Section-4: Savings-
1) In the absence of any specific provision to the contrary, nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special law now in force or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force.
2) In particular and without prejudice to the generality of the proposition contained in sub-section (1), nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any remedy which a land-holder or landlord may have under any law for the time being in force for the recovery of rent of agricultural land from the produce of such land.

১,২৭০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫০ অনুসারে, স্মল কজ কোর্টে কোন ধরনের ডিক্রি কার্যকর করা যায় না?
  1. অস্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি
  2. স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি
  3. ব্যক্তিগত ঋণের ডিক্রি
  4. ক্ষতিপূরণের ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৫০ (Order L) অনুযায়ী, "ক্ষুদ্র কারণ আদালত" (Small Cause Court) বা এমন আদালত যা ক্ষুদ্র কারণ আদালতের এখতিয়ার প্রয়োগ করে, সেখানে স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যায় না।
→ এটি Order L, clause (a)(ii) তে স্পষ্টভাবে বলা আছে:
"the execution of decrees against immovable property or the interest of a partner in partnership property" – এই ধরনের ডিক্রিগুলোর কার্যকরতা Small Cause Court-এ নিষিদ্ধ।
অন্যদিকে, অস্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যায়, ব্যক্তিগত ঋণ বা ক্ষতিপূরণের ডিক্রি Small Cause Court-এর এখতিয়ারে পড়ে।
অর্থাৎ স্মল কজ কোর্টে স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যায় না, কারণ এটি আদেশ L, বিধি ১(ক)(ii) অনুসারে এই আদালতের এখতিয়ারের বাইরে।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ L, বিধি ১(ক)(ii) অনুসারে, ১৮৮৭ সালের স্মল কজ কোর্ট আইনের অধীনে গঠিত স্মল কজ কোর্ট বা এই আইনের অধীনে স্মল কজ কোর্টের এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালতগুলোতে স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি বা অংশীদারি সম্পত্তিতে অংশীদারের স্বার্থের বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যায় না। এর কারণ হলো, স্মল কজ কোর্টের এখতিয়ার সীমিত এবং এটি মূলত কম মূল্যের, সরল প্রকৃতির মামলা নিষ্পত্তির জন্য গঠিত। স্থাবর সম্পত্তি (যেমন জমি, বাড়ি) সংক্রান্ত মামলা বা ডিক্রি কার্যকর করা জটিল প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত, যা স্মল কজ কোর্টের কার্যপরিধির বাইরে।
- স্মল কজ কোর্ট আইন, ১৮৮৭: এই আইন স্মল কজ কোর্টের এখতিয়ার এবং সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করে। এটি স্পষ্ট করে যে স্থাবর সম্পত্তি বা জটিল মামলা এই আদালতের এখতিয়ারের বাইরে।
- দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ L: এই আদেশ স্মল কজ কোর্টে প্রযোজ্য নয় এমন বিধানগুলো তালিকাভুক্ত করে, যার মধ্যে স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা অন্যতম।
- স্মল কজ কোর্টের উদ্দেশ্য হলো দ্রুত এবং কম খরচে বিচার প্রদান। তাই, জটিল প্রক্রিয়া যেমন স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি কার্যকর করা, আপিল, পুনর্বিবেচনা বা বিস্তারিত সাক্ষ্য গ্রহণ এই আদালতের কার্যপরিধির বাইরে রাখা হয়েছে। এটি নিশ্চিত করে যে স্মল কজ কোর্ট কেবল সরল এবং কম মূল্যের মামলায় মনোনিবেশ করতে পারে।
১,২৭১.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশে মামলা গঠন বিষয়ে বিধান আছে?
  1. আদেশ ১
  2. আদেশ ২
  3. আদেশ ৩
  4. আদেশ ৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ০২ অনুযায়ী মামলা গঠন করতে হয়।
আদেশ-২ বিধি-১ অনুযায়ী মামলা যতদুর সম্ভব এমনভাবে গঠন করতে হবে, যাতে বিরোধী পক্ষ বিষয়টি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সম্ভব হয় এবং সে বিষয়ে ভবিষ্যতে আর কোন মোকদ্দমা হতে না পারে।
আদেশ-২ বিধি-২ অনুযায়ী সমগ্র দাবী অন্তুর্ভূক্ত করতে হবে আংশিক দাবী বর্জন করলে পরে আর মামলা দায়ের করা যাবে না।
আদেশ-২ বিধি-৩ অনুযায়ী  বাদী একই বিবাদী বা সকল বিবাদীগণের বিরুদ্ধে একটি মোকদ্দমায় কতিপয় কারণ একত্রীকরণ করতে পারে যখন কতিপয় বাদী একই বিবাদীর বা বিবাদীগঞ্জে বিরুদ্ধে মোকদ্দমার কারণের সাথে যুগ্মভাবে সম্পর্কিত হয়।
আদেশ-২ বিধি-৬ অনুযায়ী যদি আদালতের নিকট মনে হয় যে, মামলায় যে সমস্ত কারণ একত্রিত করা হয়েছে, একসাথে সেগুলোর বিচার ও নিষ্পত্তি করা যাবে না তাহলে আদালত সে সকল ক্ষেত্রে পৃথক বিচার করার জন্য বা অন্য কোন সুবিধাজনক আদেশ দান করতে পারবেন ।
১,২৭২.
নিম্নবর্ণিত কোন মামলায় Ad valorem কোর্ট ফি দিতে হবে না?
  1. দলিল বাতিল
  2. বণ্টন মামলা
  3. চুক্তি বলবৎকরণ
  4. দখল পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
কোর্ট ফি ২ ধরনের:
১/ মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee];
২/ নির্দিষ্ট [Fixed court fee]।
 
মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee]:
কোন মোকদ্দমার মূল্যমান এর উপর বা দাবীর মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে এই কোর্ট ফি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।
 
নির্দিষ্ট [Fixed court fee]:
কিছু বিষয়ে বিচারের বিষয়টি যাই থাকুক না কেন আদালতেকে সুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমান ফি দিতে হয়। মোকদ্দমার মূল্যমানের উপর কোর্ট ফি নির্ভর করে না।

 বণ্টন মামলায় দখলে থাকলে ৩০০ টাকা Fixed court fee এবং দখলে না থাকলে Ad-valorem court fee দিতে হবে।
১,২৭৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১১ ধারায় res judicata কত বার ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ব্যবহৃত হয়নি
ব্যাখ্যা
-The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ তে  Principle of Res judicata আছে। একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না।
অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে ।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় Res-Judicata শব্দটি শিরোনামে ১ বার ব্যবহৃত হয়েছে।

এর অর্থ: দোবারা-দোষ, পূর্ববিচারিত, আদালত কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত বিষয়।
এটি ২ প্রকার:
(১) প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ
(২) পরোেক্ষ দোবারা দোষ।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:-
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা]। 
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা]
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ]।
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ]।
৫ম ব্যাখ্যা: প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে না।
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights
১,২৭৪.
Discovery by Interrogatories এর দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচার্য বিষয় গঠনের ______ দিনের মধ্যে।
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২০
  4. ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি-১ এর বিধান: প্রশ্নাবলী দ্বারা আবিষ্কার: কোন মোকদ্দমায় বাদি কিংবা বিবাদিপক্ষ অপর পক্ষসমূহকে অথবা তাদের মধ্যে একজন বা একাধিক জনকে পরীক্ষা করার জন্য আদালতের অনুমতিক্রমে, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে লিখিতরূপে প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারে এবং অনুরূপ প্রশ্নমালা প্রদান করা হলে এর মধ্যে কোন কোন প্রশ্নের উত্তর অনুরূপ ব্যক্তির কাউকে প্রদান করতে হবে তা প্রশ্নমালার পাদটিকায় লিখিত থাকবে
- তবে শর্ত থাকে যে, কোন পক্ষ অপর পক্ষকে আদালতের আদেশ ব্যতিরেকে এক প্রন্থের অধিক প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।
- তবে আরও শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার সাথে কোনভাবেই সম্পর্কীত নয়, এরূপ প্রশ্নমালা সাক্ষীর মৌখিক জেরায় জিজ্ঞাসা করা চললেও এক্ষেত্রে তা অবান্তর বলে গণ্য হবে।
১,২৭৫.
'আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে'- The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত আদেশের বিধান?
  1. আদেশ ৭ বিধি ৪
  2. আদেশ ৮ বিধি ৩
  3. আদেশ ৭ বিধি ৩
  4. আদেশ ৮ বিধি ৪
ব্যাখ্যা
আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-

ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেওয়া হবে।

[Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.]
১,২৭৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান আছে?
  1. ধারা ১১৫ (১)
  2. ধারা ১১৫ (২)
  3. ধারা ১১৫ (৩)
  4. ধারা ১১৫ (৪)
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ (৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান- রিভিশন:
(১) যদি কোনো মামলা বা কার্যধারায় জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ, অথবা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ কিংবা সহকারী জজ এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেন – যার বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, এবং যদি কোনো পক্ষ এই আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন ঐ মামলার নথিপত্র তলব করে দেখতে পারে – যদি মনে হয় যে সংশ্লিষ্ট আদালত আইনগত কোনো ভুল করেছে, যার ফলে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন সেই আদেশ সংশোধন করতে বা নতুন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।

(২) একইভাবে, কোনো যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের এমন আদেশ যার বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, সেই ক্ষেত্রে জেলা জজ ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে নথিপত্র তলব করে দেখতে পারেন – যদি দেখা যায় আদালত আইনে ভুল করেছে এবং ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটেছে, তাহলে জেলা জজ আদেশ সংশোধন করতে বা যথোপযুক্ত নতুন আদেশ দিতে পারবেন।

(৩) জেলা জজ যদি কোনো রিভিশন মামলা অতিরিক্ত জেলা জজকে হস্তান্তর করেন, তাহলে অতিরিক্ত জেলা জজও জেলা জজের মতোই সমান ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

(৪) উপধারা (২) বা (৩) অনুসারে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ যে আদেশ দেন, তা হাইকোর্টে রিভিশনের আবেদন করা যাবে, যদি হাইকোর্ট মনে করে যে এতে গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নে ভুল হয়েছে এবং তা ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা সৃষ্টি করেছে।

(৫) এই নতুন ধারা কার্যকর হওয়ার আগেই যদি রিভিশন আবেদন শুরু বা চলমান থাকে, তাহলে সেগুলো আগের ধারা ১১৫ অনুযায়ীই নিষ্পত্তি হবে, এমনভাবে যেন নতুন ধারা কার্যকর হয়নি।
১,২৭৭.
ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কার বিরুদ্ধে দায়ের করা যায়?
  1. শুধুমাত্র সরকারের বিরুদ্ধে
  2. শুধুমাত্র আদালতের অনুমোদিত পক্ষের বিরুদ্ধে
  3. সমস্ত পক্ষের বিরুদ্ধে যারা একই সম্পত্তি বা টাকা দাবী করছে
  4. একই সম্পত্তি বা টাকা দাবীকারীদের মধ্যে একজন দাবিদারের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ. সমস্ত পক্ষের বিরুদ্ধে যারা একই সম্পত্তি বা টাকা দাবী করছে।

ধারা ৮৮: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কখন রুজু করা যেতে পারে:

যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি, অন্য কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয়, উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি- দাওয়া না থাকে এবং যদি তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে ঐ সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে, সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ঐরূপ দাবিদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সকল পক্ষের অধিকার যা দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে, এমন কোন মোকদ্দমা যদি বিচারাধীন থাকে তাহলে, ঐরূপ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

১,২৭৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৯ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে গ্রেফতারকৃত দেনাদারকে মুক্তি দেওয়া যেতে পারে?
  1. তার বয়সের কারণে
  2. তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে
  3. যদি সে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে
  4. যদি সে তার সম্পত্তি জামিন হিসেবে প্রদান করে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে।
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি (Release on ground of illness):
১) কোন রায় সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।
৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
-------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 59. Release on ground of illness.
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness.
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison.
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom-
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness.

(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.
১,২৭৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারার অধীন "Stay of Suit" এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. একই বিষয়বস্তুতে একাধিক মামলা খারিজ করা
  2. একাধিক মামলার সিদ্ধান্ত দ্রুত গ্রহণ করা
  3. একই বিষয়বস্তুতে একাধিক মামলার বিচার করা
  4. একই বিষয়বস্তুতে একাধিক মামলার বিচার স্থগিত করা
ব্যাখ্যা
• রেস সাব জুডিস:
রেস সাব জুডিস শব্দটি দুটি ল্যাটিন শব্দযোগে গঠিত। রেস Res অর্থ ‘বিষয়’ এবং সাব জুডিস Sub-Judice অর্থ ‘বিচারাধীন’ অর্থ্যাৎ, আদালতে বিচারাধীন কোন বিষয়। এই নীতিটির মূল কথা হলো, একই পক্ষসমূহের মধ্যে, একই বিচার্য বিষয়ে, একই এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে একাধিক মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকতে পারে না। এই নীতির প্রয়োগ ঘটিয়ে পরবর্তিতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটি স্থগিত (Stay of Suit) করা হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারার কোথাও রেস সাব জুডিস শব্দগুচ্ছটি ব্যবহার করা না হলেও, এখানে বরং Stay of Suit শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করে মোকদ্দমাটি স্থগিত করার কথা বলা হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯০৮ এর ১০ ধারা অনুযায়ী, দাবীকৃত প্রতিকার প্রদানের এখতিয়ার সম্পন্ন বাংলাদেশের যেকোন আদালতে বা সুপ্রিম কোর্টে একই পক্ষসমূহের মধ্যে বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে একই বিচার্য বিষয়ে কোন মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকলে পরবর্তিতে দায়েরকৃত মোকাদ্দমাটি আদালত বিচার না করে স্থগিত করবেন। তবে পূর্ববর্তি মোকদ্দমাটি বিদেশী আদালতে দায়েরকৃত হলে বাংলাদেশের কোন আদালতে পরবর্তিতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে রেস সাব জুডিস নীতিটি প্রযোজ্য হবে না।

এই নীতি প্রয়োগের শর্তসমূহ-
১. দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হতে হবে;
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে;
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে;
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা [under same title) দায়ের করেছে।

Section 10: Stay of suit-
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh Established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court.

Explanation-The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.
১,২৮০.
A,B এর বিরুদ্ধে ভাড়ার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করেছে। B দাবী করে যে, A না বরং C বাড়ির মালিক। Aতার স্বত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। A পরবর্তীতে B এবং C এর বিরুদ্ধে সম্পত্তিতে তার স্বত্ব ঘোষণার মোকদ্দমা দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি-
  1. ১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির কারণে খারিজ হবে
  2. ১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির কারণে খারিজ হবে না
  3. ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতির কারণে স্থগিত হবে
  4. উপরের কোনটি না
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির বিধান আছে, কোন আদালত এমন কোন মামলার বা বিচার্য বিষয়ের বিচার করবেন না, যার বিচার্য বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ ও মূলতঃ একই পক্ষসমূহের মধ্যে পূর্ববর্তী কোন মামলার প্রত্যক্ষ ও মূলতঃ বিচার্য বিষয়বস্তু ছিল, অথবা পক্ষসমূহের মধ্যে যাদের ভিতরে তারা অথবা তাদের কোন একজন একইরূপ অধিকারের শর্তে মামলায় দাবী করছেন এবং মামলাটি এমন একটি আদালতে শ্রুত ও চূড়ান্তভাবে নিস্পত্তি হয়েছে, যে আদালত এরূপ পরবর্তী মামলা অথবা মামলায় এরূপ বিচার্য বিষয় পরবর্তীতে উত্থাপিত হয়েছে। তার বিচার করতে এখতিয়ার সম্পন্ন।
♦যেহেতু A প্রথম মোকদ্দমায় তার স্বত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে,তাই সে পুনরায় উক্ত স্বত্বের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি ১১ ধারায় রেস জুডিকাটার নীতির কারণে খারিজ করবে। কারণ বিষয়টি পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে।
১,২৮১.
স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সমন কার বরাবর জারি করা যাবে?
  1. মালিকের বরাবর
  2. দখলদারের বরাবর
  3. সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা বিবাদির প্রতিনিধির উপর
  4. যে কোন ব্যক্তি বরাবর
ব্যাখ্যা
• সমনের উদ্দেশ্য- সমন জারি করা হয় বিবাদীকে মোকদ্দমার বিষয়টি অবহিত করে আদালতে বিবাদীর হাজিরা নিশ্চিত করা এবং মোকদম্মা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে তার বক্তব্য পেশের সুযোগ দেয়া।

• আদেশ ৫ বিধি-১৪ অনুসারে,
স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক কোন প্রতিকার বা এর ক্ষতিপূরণ পাওয়ার উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, যদি বিবাদির উপর ব্যক্তিগতভাবে সমন জারি করা না যায় এবং যদি বিবাদির ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি সমন গ্রহণের জন্য না থাকে, তাহলে সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা বিবাদির যে কোন প্রতিনিধির উপর সমন জারি করা যাবে।

Rule-14: Service on agent in charge in suits for immovable property-
Where in a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property, service cannot be made on the defendant in person, and the defendant has no agent empowered to accept the service, it may be made on any agent of the defendant in charge of the property.
১,২৮২.
আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির কত বিধি অনুযায়ী হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় (examine or adjust accounts) করার জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে?
  1. আদেশ ২৬ বিধি-৯
  2. আদেশ ২৬ বিধি-১০
  3. আদেশ ২৬ বিধি-১১
  4. আদেশ ২৬ বিধি-১৩
ব্যাখ্যা

আদেশ ২৬ বিধি-১১: হিসাব পরীক্ষা কিংবা সমন্বয় করার জন্য কমিশন:
কোন মোকদ্দমায় হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়নের প্রয়োজন হলে আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার নিকট কমিশন প্রেরণ করে উক্ত পরীক্ষা বা সমন্বয়নের নির্দেশ প্রদান করতে পারে।

Rule.-11: Commission to examine or adjust accounts:
In any suit in which an examination or adjustment of accounts is necessary, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such examination or adjustment.

১,২৮৩.
যদি আদালতে বিবাদী উপস্থিত না হয় এবং প্রমাণিত না হয় যে সমন যথারীতি জারি হয়েছে, তাহলে আদালত কী করবেন?
  1. বাদীকে জরিমানা করবেন
  2. মামলাটি খারিজ করে দেবেন
  3. বিবাদীর ওপর দ্বিতীয়বার সমন জারি করার নির্দেশ দেবেন
  4. মামলাটি একতরফা বিচার করতে পারবেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৬:
১) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বাদী উপস্থিত হয় এবং বিবাদী উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে আদালত-
ক) যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে, একতরফা বিচার করতে পারবেন।

খ) যদি প্রমাণিত না হয় যে, যথারীতি জারি হয়েছে, তবে আদালত বিবাদীর উপর দ্বিতীয়বার সমন প্রেরণ এবং জারি করার নির্দেশ দান করবেন।

গ) যেক্ষেত্রে সমন যথারীতি জারি হয়, কিন্তু উপযুক্ত সময়ের মধ্যে নয়ঃ যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে, তবে বিবাদীকে সমনে নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হয়ে জবাব দেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা হয়নি, তবে আদালত পরবর্তী কোনো নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি মূলতবি রাখবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করবে।
১,২৮৪.
কোন পরিস্থিতিতে দেওয়ানি আদালত প্রথম শুনানির দিনই রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. উভয় পক্ষ সাক্ষী পেশে ব্যর্থ হলে
  2. আদালত মনে করলে যে, মামলাটি গুরুতর নয়
  3. একমাত্র বিবাদী আদালতে উপস্থিত না থাকলে
  4. আইনগত বা ঘটনা সম্পর্কিত বিচার্য বিষয় না থাকলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
১,২৮৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১৩৫(১) কাদেরকে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি দিয়েছে?
  1. সাক্ষী
  2. বাদী ও বিবাদী
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. বিচারক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি:
১) কোনো জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।

২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।
১,২৮৬.
রাকিব একটি বিতর্কিত জমি নিয়ে রফিকের বিরুদ্ধে মামলা করে, যা একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য। এক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীনে কে অন্য কোন দায়েরযোগ্য আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে?
  1. রাকিব
  2. রফিক
  3. আদালত স্বেচ্ছায়
  4. রাকিব এবং রফিক উভয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• যে আবেদন করতে পারে:
২২ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

এক্ষেত্রে, মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন শুধুমাত্র বিবাদী (এখানে রফিক) করতে পারে।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।

Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court, and the Court to which such application is made, after considering the objections of the other parties (if any), shall determine in which of the several Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
১,২৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় রায়ের পূর্বে গ্রেফতার এবং সম্পত্তি ক্রোক এর বিধান আছে?
  1. Order XXVIII
  2. Order XXXVII
  3. Order XXXVIII
  4. Order XXXV
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ (Order XXXVIII )এর বিধান হলো রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক ও আটক করা।
⇒ অনেক সময় রায় প্রদানের পূর্বেই বিবাদীকে গ্রেফতার করার প্রয়োজন হতে পারে এবং সম্পত্তি ক্রোক করার প্রয়োজন হতে পারে যেন বাদীর প্রতিকারে কোন বিলম্ব না হয়।
⇒  আদেশ ৩৮ অনুযায়ী ২ ধরনের আদেশ হতে পারে-
১) রায়ের পূর্বে গ্রেফতার,
২) রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক।
১,২৮৮.
কোন ধরণের মোকদ্দমায় পারস্পরিক দায়শোধ বা Set off দাবি করা যায়?
  1. নিষেধাজ্ঞা
  2. অর্থ আদায়ের
  3. স্বত্বের
  4. স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা
পারস্পরিক দায়শোধ বা Set off "অর্থ আদায়ের" মোকদ্দমায় দাবি করা যায়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

• ৮ নং আদেশের বিধি-৬ঃ লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে—
১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদির নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদি তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।

২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ
কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।

৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

• বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায় তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-
i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের মধ্যে হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না
v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
১,২৮৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী 'Review' এর দরখাস্ত মনঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. রিভিশন
  2. আপিল
  3. রেফারেন্স
  4. কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৪ ধারায় ও ৪৩ আদেশে  "আদেশ হতে আপীল" এর বিধান আছে । এইখানে বলা আছে ৪৭ আদেশের ৪ বিধির আধিনে রিভিউ আবেদন বা দরখাস্ত মনঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। 
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ এবং ধারা ১১৪ তে রিভিউর বিধান আছে । আদালত রিভিউ আবেদন মনঞ্জুর করলে এর বিরুদ্ধে আপীল চলে , তবে রিভিউ না-মনঞ্জুর করলে তার বিরদ্ধে রিভিশন চলবে।
১,২৯০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১, বিধি-২২ অনুযায়ী, পাল্টা আপত্তি দাখিল করতে হলে কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১, বিধি-২২ অনুযায়ী, যদি কোন এক পক্ষ (যেমন: বিবাদী) আপীলের মাধ্যমে ডিক্রি বা রায়ের কিছু অংশের বিরুদ্ধে আপত্তি জানাতে চায়, তবে তাকে নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত ডিক্রীর কোনো অংশকে সমর্থন না করেও, সেই ডিক্রীর বিরুদ্ধে পাল্টা আপত্তি দাখিল করার সুযোগ দেওয়া হয়।
- এই পাল্টা আপত্তি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাখিল করতে হবে, যা নোটিশ জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে।

- যদি আপীল আদালত তার পক্ষের নোটিশ জারি করে, তবে পাল্টা আপত্তি দাখিল করার জন্য আবেদনকারীকে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে আবেদন করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২২ এর বিধান: শুনানিকালে উত্তরদায়ক তৎকর্তৃক ডিক্রীতে আপত্তি দিতে পারে, যেন সে স্বাতন্ত্র্য আপিল দায়ের কয়েছে।
১) কোন উত্তরদায়ক যদিও কোন ডিক্রীর অংশ হতে আপিল করেনি, তথাপি সে শুধুমাত্র নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তকৃত ডিক্রীর কোন সঙ্গত কারণ শুধু সমর্থন করেনি, বরং সে আপিলক্রমে যেভাবে পারত ঠিক সেভাবে উক্ত ডিক্রীর পাল্টা আপত্তি উত্থাপন করতে পারবে এ শর্তে যে, আপিল শুনানির জন্য নির্ধারিত দিন সম্পর্কে তার উপর বা তার উকিলের উপর নোটিশ জারির তারিখ হতে সে আপিল আদালতে এক মাসের মধ্যে কিংবা আপিল আদালত মঞ্জুর করতে উপযুক্ত মনে করে এরূপ মঞ্জুরীকৃত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে অনুরূপ পাল্টা আপত্তি দাখিল করেছে।
২) আপত্তির ফরম এবং তাতে প্রযোজ্য বিধানসমূহ:
অনুরূপ পাল্টা আপত্তি স্মারকের আকারে হতে হবে এবং আপিলের স্মারকের ফরম এবং বিষয়বস্তু সঙ্গে যতদূর সম্পর্কিত হয়, ততদূর ১ বিধির বিধানাবলী তাতে প্রযোজ্য হবে।
৩) আপত্তির নকল গ্রহণ সম্পর্কে ঐ আপত্তি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের বা তার উকিল কর্তৃক এটির নকল গ্রহণের লিখিত স্বীকৃতিপত্র উত্তরদায়ক আপত্তির সঙ্গে দাখিল না করলে আপিল আদালত এটির একটি নকল আপত্তি দাখিল হওয়ার পর যথা সম্ভব শীঘ্র উত্তরদায়কের খরচে উক্ত পক্ষের বা তার উকিলের প্রতি এটির নকল প্রদান করাবে।
৪) যে কোন ক্ষেত্রে এই বিধির অধীনে উত্তরদায়ক আপত্তির স্মারক দাখিল করে থাকলে যেক্ষেত্রে মূল আপিলটি প্রত্যাহৃত বা তদ্বিরের অভাবে খারিজ হলেও উপরোক্ত মতে দাখিলকৃত আপত্তির, অন্য পক্ষকে উপযুক্ত নোটিশ দেয়ার পর শুনানি এবং সিদ্ধান্ত করা যাবে।
৫) নিঃস্ব আপিল সম্পর্কিত বিধানসমূহ যতদূর সম্ভব এ বিধির অধীনে আপত্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

১,২৯১.
৫০ টাকার অধিক অর্থ প্রদানের ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষেত্রে দেওয়ানী কারাগারে কোন ব্যক্তিকে কতদিন পর্যন্ত আটক রাখা যাবে?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮–এর ধারা ৫৮: আটক ও মুক্তি:
(১) কোনো ডিক্রি কার্যকর করার জন্য যে ব্যক্তিকে দেওয়ানী কারাগারে আটক করা হবে, তাকে নিম্নরূপভাবে আটক রাখা হবে—
(ক) যদি ডিক্রি পঞ্চাশ টাকা-এর বেশি অর্থ প্রদানের জন্য হয়, তবে ছয় মাস পর্যন্ত; এবং
(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত।

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ছয় মাস বা ছয় সপ্তাহের (যেটি প্রযোজ্য) মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নিম্নলিখিত যেকোনো কারণে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে-
(i) তার আটকাদেশের ওয়ারেন্টে উল্লিখিত অর্থ দেওয়ানী কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পরিশোধ করলে; অথবা
(ii) তার বিরুদ্ধে ডিক্রি অন্যভাবে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হলে; অথবা
(iii) যার আবেদনে তাকে আটক করা হয়েছিল, সেই ব্যক্তির অনুরোধে;

আরও শর্ত থাকে যে, (ii) বা (iii) দফার অধীনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ ব্যতীত তাকে মুক্তি দেওয়া যাবে না।

(২) এই ধারার অধীনে আটক থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত কোনো রায়সিদ্ধ দেনাদার শুধুমাত্র মুক্তির কারণে ঋণমুক্ত বলে গণ্য হবেন না; তবে যে ডিক্রির কার্যকরকরণের জন্য তাকে দেওয়ানী কারাগারে আটক করা হয়েছিল, সেই ডিক্রির অধীনে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে না।

১,২৯২.
আদেশ ৪১ বিধি ২১ এর অধীন একতরফা (Ex parte) ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল পুনঃশুনানি সর্বোচ্চ কয়বার করা যাবে?
  1. ৩ বার
  2. ২ বার
  3. ১ বার
  4. আদালতে ইচ্ছানুযায়ী
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি ২১ – একতরফা (Ex parte) ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনঃশুনানি:
যখন কোনো আপিল একতরফা (ex parte) শুনানি করা হয় এবং ডিক্রি বা রায় রেসপন্ডেন্টের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়, তখন রেসপন্ডেন্ট আপিল আদালতে আবেদন করতে পারে যে আপিল পুনঃশুনানি করা হোক।
যদি রেসপন্ডেন্ট আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে- নোটিশ যথাযথভাবে দেওয়া হয়নি, অথবা যথাযথ কারণে উপস্থিত হতে পারেননি যখন আপিল শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল, তাহলে আদালত আপিলটি পুনঃশুনানি করবে এবং প্রযোজ্য খরচ বা অন্য শর্ত সে অনুযায়ী আরোপ করতে পারে।

এই নিয়মের অধীনে একই আপিল একবারের বেশি পুনঃশুনানি করা যাবে না।

১,২৯৩.
ইন্টার-প্লিডার মোকদ্দমার অর্থ হচ্ছে-
  1. কোন নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মামলা
  2. কতিপয় বাদীর পক্ষে মামলা
  3. একজন দাবিদারের বিরুদ্ধে মামলা
  4. একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৮ এবং আদেশ ৩৫ মতে- ইন্টার-প্লিডার মামলায় বাদীর নয় বরং সম্পত্তিতে বিবাদীর স্বার্থ নির্ধারিত হয়। এই সম্পত্তিতে বাদীর কোন দাবী থাকে না। ইন্টার-প্লিডার মামলা হচ্ছে একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা।

- ইন্টার-প্লিডার মামলা হতে পারে টাকা, স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দাবী নিয়ে। এই মামলার উদ্দেশ্য হচ্ছে সম্পত্তি সঠিক মালিকের নিকট অর্পণ করা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

অর্থাৎ ইন্টার-প্লিডার মোকদ্দমার অর্থ হচ্ছে-একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা। 
১,২৯৪.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় শাসনতান্ত্রিক ব্যাখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন জড়িত থাকলে আদালত কাকে নোটিশ দিবে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  3. সুপ্রীম কোর্ট
  4. আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৭ক বিধি-১- এ্যাটনি জেনারেলকে নোটিশ:
যদি কোন মোকদ্দমায় আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, শাসনতান্ত্রিক আইনের ব্যাখ্যা সম্পর্কে কোন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত আছে, তবে আইনের প্রশ্নটি সরকার সম্পর্কিত হলে বাংলাদেশের এ্যাটর্নি জেনারেলকে নোটিশ না দেয়া পর্যন্ত আদালত প্রশ্নটি নিষ্পত্তি করতে অগ্রসর হবে না।
১,২৯৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২) অনুযায়ী, আদালত পক্ষ যুক্ত বা বাদ দিতে পারেন-
  1. শুধুমাত্র পক্ষের আবেদনের মাধ্যমে
  2. কেবলমাত্র বিবাদীর আবেদনের ভিত্তিতে
  3. শুধুমাত্র বাদীর সম্মতির ভিত্তিতে
  4. কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর  বিধি ১০ (২)- আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সঙ্গতঃ বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যর ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিস্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

Order-1 Rule-10(2): The Court may strike out or add parties: 
The court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out, and that the name of any person who ought to have been joined, whether as plaintiff or defendant or whose presence before the Court may be necessary in order to enable the Court effectually and completely to adjudicate upon and settle all the questions involved in the suit, be added.
১,২৯৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমাটি তামাদিতে বারিত না এটি প্রমাণের দায়িত্ব কার? 
  1. বিবাদীর
  2. আদালতের
  3. বাদীর
  4. সরকারী আইনজীবীর 
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৩ ধারা মতে বাদীকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের পরে মামলা দায়ের করলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দিবে।

♦ তামাদি আইনের ধারা ৫ মতে ক্ষেত্র বিশেষে মেয়াদ বৃদ্ধিকরণের বিধান,  বলা আছে যে কোনো আপিল বা রায় পুনর্বিচার বা পুনরীক্ষণের দরখাস্ত বা আপিল করিবার অনুমতি প্রার্থনার দরখাস্ত বা অন্য কোনো দরখাস্ত, যাহার উপর এই ধারা বর্তমানে বলবৎ কোনো আইনের দ্বারা বা অধীনে প্রযোজ্য করা হয়, উহার নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পর গৃহীত হইতেপারে, যদি আপিলকারী বা দরখাস্তকারী এই মর্মে আদালতের সন্তুষ্টি সাধন করিয়া থাকে যে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে আপিল বা দরখাস্তটি দাখিল না করিবার যথেষ্ট কারণ ছিল।

♦ অর্থাৎ বাদীকেই প্রমাণ করতে হবে বা আদালতকে সন্তুষ্টি করাতে হবে যে মামলাটি তামাদিতে বারিত না ।

দেওয়ানি মোকদ্দমা যিনি দায়ের করবেন তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে, তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মামলা দায়ের করেছেন।
১,২৯৭.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ সাজা কি?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র জরিমানা
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-২(৩) অনুসারে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের শাস্তি হলো: সম্পত্তি ক্রোক অথবা উক্ত অমান্যকারীকে ৬ মাস দেওয়ানী কারাবাসে আটক অথবা উভয় প্রকার দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
১,২৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধান রিভিউ আবেদনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত?
  1. আদেশ-৪১ এবং ধারা-১০৪
  2. আদেশ-৪৭ এবং ধারা-১১৪
  3. আদেশ-৪৩ এবং ধারা-১০৪
  4. আদেশ-৪৪ এবং ধারা-১১৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৪ এবং আদেশ ৪৭ সরাসরি রিভিউ আবেদন (Review of Judgment)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি
- এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত হন যার বিরুদ্ধে আপীল করা যেত কিন্তু করা হয়নি,
- অথবা এমন আদেশ যার বিরুদ্ধে আপীলের সুযোগ নেই,
- অথবা Small Causes Court থেকে Reference এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হন,
 তাহলে তিনি সেই আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারবেন, যিনি সেই আদেশ বা ডিক্রি দিয়েছেন।

⇒ আদেশ ৪৭ হলো ধারা ১১৪-এর অধীনে রিভিউ আবেদনের নিয়ম ও প্রক্রিয়া বর্ণনাকারী বিধান।
এখানে বলা হয়েছে, রিভিউ তখনই করা যাবে যদি:
- নতুন তথ্য বা গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পাওয়া যায় যা আগে পাওয়া সম্ভব ছিল না, রেকর্ডে স্পষ্ট ভুল বা ত্রুটি থাকে, অথবা অন্য কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে।
এছাড়া আদেশ ৪৭-এ বলা আছে- রিভিউ মঞ্জুর বা নামঞ্জুরের পদ্ধতি, কোন আদালতে আবেদন করতে হবে, শুনানির আগে নোটিশ দেওয়া, কিভাবে পুনঃশুনানি হবে ইত্যাদি।

অর্থাৎ রিভিউ করার ক্ষেত্রে দুটি বিধান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:
- ধারা ১১৪ → রিভিউয়ের অধিকার দেয়।
- আদেশ ৪৭ → রিভিউ করার নিয়ম ও পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
 তাই সঠিক উত্তর: খ) আদেশ ৪৭ এবং ধারা ১১৪।
১,২৯৯.
যেক্ষেত্রে বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা খারিজ
  2. মোকদ্দমা স্থগিত
  3. বিবাদীকে হাজিরা থেকে অব্যাহতি
  4. বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদান
ব্যাখ্যা
• বাদী খরচ প্রদান না করার দরুন সমন জারি না হলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে।

• আদেশ ৯ বিধি-২ঃ
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে,বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমন জারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদীর উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে, যেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা দেয়া যায় সেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হলে, অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Order 9 Rule 2: Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
১,৩০০.
নিচের কোনটি 'The Civil Courts Act, 1887' আইনের আওতায় দেওয়ানি আদালতের শ্রেণী নয়?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সিভিল জজ আদালত
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সিভিল জজ আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর ধারা ৩ অনুসারে বাংলাদেশে নিম্নলিখিত ৫ শ্রেণীর দেওয়ানি আদালত রয়েছে:
১. জেলা জজ আদালত
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
৪. সিনিয়র সিভিল জজ আদালত
৫. সিভিল জজ আদালত

- দায়রা জজ আদালত একটি ফৌজদারি আদালত (Criminal Court), যা ফৌজদারি কার্যবিধি (Criminal Procedure Code) এর আওতায় গঠিত হয়। তাই এটি দেওয়ানি আদালতের শ্রেণীভুক্ত নয়।