বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ১১ / ৩০ · ১,০০১১,১০০ / ২,৯৯৩

১,০০১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর বিধান কী?
  1. আদেশ হতে আপীল
  2. রিসিভার
  3. মূল ডিক্রী হতে আপীল
  4. আদেশ হতে রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১  এর মাঝে মূল ডিক্রী হতে আপীল বিষয় বিধান আছে।
⇒ আদেশ ৪১-৪৫ এবং ধারা ৯৬-১১২ পর্যন্ত আপীল সংক্রান্ত বিধান আছে।

আপীল (Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপীল বলে।
- আপীল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার।
- অর্থাৎ আপীল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে। নিম্নে দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধানসমূহ আলোচনা করা হলো-

ⅰ) মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-৯৬ থেকে ৯৯, আদেশ-৪১;

ii) আদেশের বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-১০৪ থেকে ১০৬, আদেশ-৪৩;

iii) আপীলের সাধারণ বিধানমসূহ: ধারা-১০৭ থেকে ১০৮;

iv) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল: ধারা-১০৯ থেকে ১১২; এবং

v) নিঃস্ব ব্যক্তির আপিল: আদেশ-৪৪।
১,০০২.
দেওয়ানী কার্যবিধি আইন ১৯০৮ একটি_____?
  1. মূল আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. ক+খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে l
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ একটি পদ্ধতিগত আইন।
• সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে বিধিবদ্ধ হয়।
• বর্তমানে ১৯০৮ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আইন হিসাবে পরিচিত।
• ১৯০৯ সালে ১লা জানুয়ারী এই আইন কার্যকর হয়।
১,০০৩.
কোন পরিস্থিতিতে স্ত্রীর ঋণের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে স্বামীর বিরুদ্ধেও ডিক্রি জারি হতে পারে?
  1. সব সময়
  2. কখনোই নয়
  3. যখন আইনত দায়ী
  4. যখন স্ত্রী অনুমতি দেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ২২ বিধি-৭: মহিলা পক্ষের বিবাহের ফলে কোন মোকদ্দমায় বিলুপ্ত হয় না-
১) কোন মহিলা বাদি বা বিবাদির বিবাহ কোন মোকদ্দমাকে বিলুপ্ত করাবে না, কিন্তু মোকদ্দমাটি এতসত্ত্বেও রায় পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে এবং মহিলা বিবাদির বিরুদ্ধে জারি করা যাবে।

২) যেক্ষেত্রে স্বামী আইনত স্ত্রীর ঋণের জন্য দায়ী, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে স্বামীর বিরুদ্ধেও ডিক্রি জারি হতে পারে; এবং স্ত্রীর পক্ষে রায়ের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে স্বামী কর্তৃক আবেদন করা হলে ডিক্রি জারি করা যাতে পারে, অন্যথায় আইনত স্বামীকে ডিক্রির বিষয়বস্তুতে অধিকারী হতে হবে।

Rule.-7: Suit not abated by marriage of female party.-
1) The marriage of a female plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate, but the suit may notwithstanding be proceeded with to judgment, and, where the decree is against a female defendant, it may be executed against her alone.

2) Where the husband is by law liable for the debts of his wife, the decree may, with the permission of the Court, be executed against the husband also; and, in the case of judgment for the wife, execution of the decree may, with such permission, be issued upon the application of the husband, where the husband is by law entitled to the subject-matter of the decree.
১,০০৪.
আরজিতে বাদী সাধারণভাবে অথবা বিকল্পভাবে যে প্রতিকার দাবী করে তা দেখাতে হবে-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে
  2. সাধারণভাবে
  3. ক বা খ
  4. বাদীর ইচ্ছানুযায়ী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি-৭ অনুযায়ী আরজিতে প্রতিকার সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণনা করতে হয়। 

• আরজি হল মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১ নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয় (Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint)।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৭ বিধি ৭-
আরজিতে বাদি সাধারণভাবে অথবা বিকল্পভাবে যে প্রতিকার দাবী করে তা সুনির্দিষ্টভাবে দেখাতে হবে। অবশ্য আদালত কর্তৃক সঙ্গত বিবেচনায় যে প্রতিকার দাবী না করলেও মঞ্জুর করে থাকেন, তা আরজিতে দেখানোর কোন প্রয়োজন নেই। এই নিয়ম বিবাদির লিখিত বিবৃতিতে যে দাবী করা হয়, সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

Relief to be specifically stated-
Every plaint shall state specifically the relief which the plaintiff claims either simply or in the alternative, and it shall not be necessary to ask for general or other relief which may always be given as the Court may think just to the same extent as if it had been asked for. And the same rule shall apply to any relief claimed by the defendant in his written statement.
১,০০৫.
যদি দেওয়ানি আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করে, তবে আদালত অবশ্যই-
  1. বাদীপক্ষের অনুমতি নিবে
  2. হাইকোর্টের অনুমতি নিবে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের খরচ লিপিবদ্ধ করবে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা

খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করা অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।
১,০০৬.
কোন দায়িককে দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখলে তার খোরপোষ ভাতার হার কে নির্দিষ্ট করবেন?
  1. দায়িক নিজে
  2. আদালত
  3. সরকার
  4. জেলখানা কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, খোরপোষ হলো কাউকে দেওয়ানী জেলে আটক রাখলে তার ব্যয়ভার।
• খোরপোষ ভাতা নির্ধারন করবেন সরকার।
-গোত্র, পদমর্যাদা, জাতীয়তা বিবেচনায় খোরপোষ ভাতা নির্ধারন হবে।

• তবে যার আবেদনের প্রেক্ষিতে কাউকে দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা হয় তাকে তার ব্যয়ভার বহন করতে হবে।

• দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৭ ধারার বিধান খোরপোষ ভাতা: সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।
--------------
Section 57: Subsistence allowance. The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
১,০০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৯(১)(ঘ) অনুযায়ী, ডিক্রি অন্য আদালতে কার্যকরের জন্য প্রেরণের সময় আদালতের কী করতে হবে?
  1. কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
  2. ডিক্রিধারীর অনুমতি নিতে হবে
  3. High Court-এর অনুমোদন নিতে হবে
  4. Judgment-debtor-কে শুনানি দিতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৯(১)(ঘ) যে, ডিক্রি প্রদানকারী আদালত যদি অন্য যেকোনো কারণেই (which it shall record in writing) মনে করেন যে ডিক্রিটি অন্য আদালত দ্বারা কার্যকর করা উচিত, তাহলে তাঁকে সেই কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে। এটি একটি বাধ্যতামূলক শর্ত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৯: ডিক্রি স্থানান্ত:
(১) যে আদালত একটি ডিক্রি জারি করেছেন, সেই আদালত ডিক্রিদারের (decree-holder) আবেদনের ভিত্তিতে, ডিক্রিটি জারির (execution) জন্য অন্য একটি আদালতে প্রেরণ করতে পারেন, যদি—
(ক) যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি পাস করা হয়েছে তিনি প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় সেই অন্য আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে বসবাস করেন বা ব্যবসা পরিচালনা করেন, অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করেন, অথবা
(খ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে সেই ব্যক্তির পর্যাপ্ত সম্পত্তি না থাকে যা ডিক্রিটি সন্তুষ্ট করার জন্য যথেষ্ট, কিন্তু সেই অন্য আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে তার সম্পত্তি থাকে, অথবা
(গ) ডিক্রিটি এমন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তরের নির্দেশ দেয় যা ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার বাইরে অবস্থিত, অথবা
(ঘ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোনো কারণে, যা তিনি লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন, মনে করেন যে ডিক্রিটি সেই অন্য আদালত কর্তৃক জারি করা উচিত।
(২) যে আদালত একটি ডিক্রি পাস করেছেন, তিনি স্বতঃপ্রণোদিতভাবে (of its own motion) উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন যেকোনো অধস্তন আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 39. Transfer of decree:
(1) The Court which passed a decree may, on the application of the decree-holder, send it for execution to another Court,- 
(a) if the person against whom the decree is passed actually and voluntarily resides or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of such other Court, or 
(b) if such person has not property within the local limits of the jurisdiction of the Court which passed the decree sufficient to satisfy such decree and has property within the local limits of the jurisdiction of such other Court, or 
(c) if the decree directs the sale or delivery of immovable property situate outside the local limits of the jurisdiction of the Court which passed it, or 
(d) if the Court which passed the decree considers for any other reason, which it shall record in writing, that the decree should be executed by such other Court. 
(2) The Court which passed a decree may of its own motion send it for execution to any subordinate Court of competent jurisdiction.

১,০০৮.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর কোন আদেশ ও বিধিতে Verification of Pleadings সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-৭ বিধি-১
  2. আদেশ-৯ বিধি-৬
  3. আদেশ-৬ বিধি-১৫
  4. আদেশ-৬ বিধি-১৪
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন [Verification of Pleadings]-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে, অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে। যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন এবং স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন:
(১) বর্তমানে বলবৎ যেকোনো আইনে অন্যরূপ যে বিধান আছে, তা ব্যতীত প্রত্যেক আরজি জবাবের নিম্নে পক্ষ বা আরজি জবাব দানকারী পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মামলার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত বলে আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত, তৎকর্তৃক আরজি জবাবের সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে।
(২) সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি আরজি জবাবের দফার সংখ্যা উল্লেখপূর্বক নির্দিষ্ট করে বলবেন যে কোনগুলি সত্যতা তিনি স্বজ্ঞানে প্রতিপাদন করছেন এবং কোনগুলির সত্যতা তিনি অপরের নিকট হতে প্রাপ্ত ও তার বিশ্বাস মতে সত্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিপাদন করেছেন।
(৩) যিনি সত্যতা প্রতিপাদন করবেন, তিনি উহাতে স্বাক্ষর দিবেন এবং যে তারিখে ও স্থানে উহা স্বাক্ষরিত হলো তা উল্লেখ করবেন।
___________

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6, Rule-15. (1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
(2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
(3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.

১,০০৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৭ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলার সম্পত্তি যদি একাধিক আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তবে মামলা কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. উচ্চ আদালতে
  2. যে আদালতের এখতিয়ারে সম্পত্তির মূল অংশ পড়ে
  3. যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সম্পত্তির অংশবিশেষ আছে
  4. যে আদালতের এখতিয়ারে সম্পত্তির বেশি অংশ পড়েছে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৭- বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.

১,০১০.
আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপনের জন্য প্লিডিংসে কোন তথ্য উল্লেখ করবেন?
  1. দাবী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য
  2. আইনগত প্রমাণ
  3. দাবী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ আদেশের ২ বিধিতে বলা হয়েছে,
প্লিডিংসে শুধুমাত্র তথ্য উল্লেখ করতে হবে, আইন বা সাক্ষ্য উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। ৬ আদেশের ২ বিধিতে আরও বলা হয়েছে, মোকদ্দমার পক্ষগণ তাদের দাবী বা আত্মপক্ষ সমর্থনে যে সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের উপর নির্ভর করে, সেইগুলির সংক্ষিপ্ত একটি বিবরণ প্রত্যেক প্লিডিংসে উল্লেখ করতে হবে, কিন্তু যে সকল সাক্ষ্য দ্বারা এইগুলি প্রমাণ করা হয়, তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে না

সুতরাং, দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ আদেশের ২ বিধি অনুসারে প্লিডিংসের উপাদান হলো:
- প্লিডিংসে শুধুমাত্র তথ্যাদি উল্লেখ থাকবে, আইন নয়;
- উল্লিখিত তথ্যাদি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি হতে হবে;
- প্লিডিংসে সাক্ষ্য উল্লেখ থাকবে না; এবং
- উল্লিখিত তথ্যাদি সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা করতে হবে।

Order 6 rule 2: Pleading to state material facts and not evidence-
Every pleading shall contain, and contain only, a statement in a concise form of the material facts on which the party pleading relies for his claim or defence, as the case may be, but not the evidence by which they are to be proved, and shall, when necessary, be divided into paragraphs, numbered consecutively. Dates, sums and numbers shall be expressed in figures.
১,০১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ বিধি ৭(২) অনুসারে, সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হয়নি এমন দলিলের কী হবে?
  1. নষ্ট করা হবে
  2. আটক করা হবে
  3. রেকর্ডে রাখা হবে
  4. উপস্থাপনকারীকে ফেরত দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৩ বিধি ৭(২) অনুসারে, যে দলিলগুলো প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি, সেগুলো মোকদ্দমার রেকর্ডের অংশ হবে না এবং যিনি দলিলটি উৎপাদন করেছেন, (উপস্থাপনকারীকে) তাকে ফেরত দেওয়া হবে। এটি নিশ্চিত করে যে অগ্রহণযোগ্য দলিলগুলো আদালতের রেকর্ডে অপ্রয়োজনীয়ভাবে সংরক্ষিত না হয় এবং উৎপাদনকারীর অধিকার সুরক্ষিত থাকে।
অর্থাৎ, সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হয়নি এমন দলিল মামলার রেকর্ডের অংশ হবে না এবং সেগুলি যিনি উপস্থাপন করেছেন, তাঁকেই ফেরত দেওয়া হবে।
-----
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-13 Rule-7.Recording of admitted and return of rejected documents:
(1) Every document which has been admitted in evidence, or a copy thereof where a copy has been substituted for the original under rule 5, shall form part of the record of the suit.
(2) Documents not admitted in evidence shall not form part of the record and shall be returned to the persons respectively producing them.

১,০১২.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার শর্ত লঙ্ঘন করলে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক করতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি ২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা:
১) বিবাদীকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
১,০১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী সমন ফেরত আসার পর বাদীকে কত দিনের মধ্যে নতুন সমন জারির আবেদন করতে হবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ১ মাস
  4. ২ মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 5(1) অনুসারে:
- সমন ফেরত আসার (returned unserved) তারিখ থেকে বাদীর ১ মাস সময় আছে নতুন সমন জারির আবেদন করার।
- এই সময়সীমা আদালতের রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক প্রত্যয়নের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।
- আদালত যথেষ্ট কারণ দেখলে এই সময়সীমা বাড়াতে পারেন (যেমন: বিবাদী অজানা/পলাতক থাকলে)।
কারণের উদাহরণ:
বিবাদীর ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায়নি (Rule 5(1)(a)),
বিবাদী ইচ্ছাকৃতভাবে সমন এড়াচ্ছে (Rule 5(1)(b))।

- ১ মাসের মধ্যে আবেদন না করলে আদালত মামলা খারিজ (dismiss) করবেন (Rule 5(1))।
- তবে বাদী তামাদি সীমার মধ্যে নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে (Rule 5(2))।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 5 অনুসারে, যদি সমন ফেরত আসে এবং বাদী ১ মাসের মধ্যে নতুন সমন জারির জন্য আবেদন না করে, তবে আদালত সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজের আদেশ দিতে পারে। তবে বাদী যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে তার যথাসাধ্য চেষ্টা সত্ত্বেও সমন জারি করা সম্ভব হয়নি, অথবা অন্য কোনো বৈধ কারণ ছিল, তবে আদালত সময় বৃদ্ধি করতে পারে।
১,০১৪.
‘ক’ তার এক পুত্র ‘খ’ এবং বিবাহিত এক মেয়ে ‘গ’ কে রেখে মারা গেছে। ‘ক’ কর্তৃক দায়েরকৃত মোকদ্দমা তার মৃত্যুর পর পরিচালিত হতে পারে?
  1. আইনানুগ প্রতিনিধি শুধুমাত্র ‘খ’ কর্তৃক খ) আইনানুগ প্রতিনিধি শুধুমাত্র
  2. কর্তৃক
  3. ‘খ’ ‘গ’ এবং ‘গ’ এর স্বামী কর্তৃক আইনানুগ প্রতিনিধি হিসেবে
  4. ‘খ’ এবং ‘গ’ উভয় কর্তৃক আইনানুগ প্রতিনিধি হিসেবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইনের ধারা ২ (১১) বৈধ প্রতিনিধি / আইনানুগ প্রতিনিধি হলো কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর যিনি তার সম্পত্তির অধিকারী হবেন কিংবা মোকদ্দমা পরিচালনার অধিকারী হবেন।

• সুতরাং ‘ক’ এর মৃত্যুর পর তার বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে ‘খ’ এবং ‘গ’ মামলা পরিচালনা করিতে পারবেন।
১,০১৫.
আদেশ ৪ বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার জন্য কোর্ট ফি কখন পরিশোধ করতে হবে?
  1. আরজি দাখিলের পর
  2. আরজি দাখিলের সময়
  3. লিখিত জবাব দাখিলের সময়
  4. মামলার প্রথম শুনানির দিন
ব্যাখ্যা

• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:
১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।

১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।


১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।


২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।

১,০১৬.
রায় অনুযায়ী প্রণীত ডিক্রীতে স্বাক্ষর করবেন কে?
  1. প্রশাসনিক কর্মকর্তা
  2. সেরেস্তা সহকারী
  3. বিচারক
  4. সেরেস্তাদার
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-৭- ডিক্রির তারিখ:
যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, ঐ তারিখ উল্লেখ থাকবে এবং বিচারক যদি স্বয়ং পরিতুষ্ট হন যে, রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হয়েছে তবে তিনি ডিক্রি স্বাক্ষর করবে।

Order-20 Rule 7: Date of decree:
The decree shall bear date the day on which thejudgment was pronounced, and, when the Judge has satisfied himself that the decree has been drawn up in accordance with the judgment, he shall sign the decree.
১,০১৭.
শুনানির দিন শুধুমাত্র বিবাদী হাজির হয়ে বাদীর দাবীর কোন অংশ স্বীকার করে নিলে, আদালত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. সম্পূর্ণ মোকদ্দমা খারিজ করতে পারেন
  2. বিবাদীর বিরুদ্ধে স্বীকৃত অংশের অনুপাতে ডিক্রি দিবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করতে পারেন
  3. সম্পূর্ণ মোকদ্দমা এক তরফা নিষ্পত্তি করতে পারেন
  4. স্বীকৃত অংশের অনুপাতে ডিক্রি দিবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারেন
ব্যাখ্যা
আদেশ-৯, বিধি-৮: শুনানির দিন বিবাদী উপস্থিত, কিন্তু বাদী অনুপস্থিত-

যদি শুনানির দিন বিবাদী হাজির হয় কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার কোন অংশ স্বীকার না করলে, আদালত মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দিবেন। বিবাদী যদি বাদীর দাবি বা উহার অংশ স্বীকার করে নেয়, তবে আদালতে সে অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দিবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দিবেন।

• ৮ বিধির অধীন খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদীর প্রতিকারঃ
১. মোকদমা খারিজ আদেশ বাতিলের [For setting aside the order of dismissal] জন্য ৯ বিধির অধীন আবেদন করতে পারে;
২. খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের [Directly Setting aside dismissal] জন্য ৯ক বিধির অধীন আবেদন করতে পারে।

• ৮ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজ হলে, বাদী উক্ত একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
১,০১৮.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে হলে কোনটি থাকা আবশ্যক?
  1. নালিশী জমিতে বাদীর নিরংকুশ দখল
  2. নালিশী জমিতে বাদীর নিরংকুশ স্বত্ব
  3. নালিশী জমিতে বাদীর ঘরবাড়ি বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফসল থাকা
  4. নালিশী জমিতে বিবাদীর স্বত্ব না থাকা।
ব্যাখ্যা
♦ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় প্রধানত বাদীর নিরংকুশ দখল বা exclusive possession প্রমাণিত হওয়া আবশ্যক। বাদীর স্বত্বের প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ না। prima facie স্বত্ব থাকাই যথেষ্ট হয়।
১,০১৯.
যুগ্ম জেলা জজের রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদালতে রিভিউ আবেদন করতে হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে
  4. রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• রিভিউ (Review)-
আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।

অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। উল্লিখিত ক্ষেত্রে রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতেই রিভিউ করতে হবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে রিভিউ আবেদন করা যায়-
i) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা চলে কিন্তু আপিল করা হয় নাই;
ii) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলেনা; এবং
iii) ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়।

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ: দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে;
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।
১,০২০.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুযায়ী সরকারকে রাজস্ব প্রদানকারী ভূমির ক্ষেত্রে আদালত কাকে রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন?
  1. কালেক্টরকে
  2. ভূমি কর্মকর্তা
  3. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটকে
  4. থানা নির্বাহী অফিসারকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ৫ অনুযায়ী যে ক্ষেত্রে সরকারকে রাজস্ব দেওয়া হয় সেই সব ভূমির জন্য কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করতে পারে। 
⇒ রিসিভার নিয়োগ, অধিকার ও কর্তব্য নিয়ন্ত্রন হয় দেওয়ানী কার্যবিধি আনুসারে।
⇒ আদালত রিসিভারের পারিশ্রমিক কি পরিমাণ নির্ধারন করবে এটা আদালতের ইচ্ছাধীন।
-----------------
CPC Order-40 Rule-5.When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.
১,০২১.
“No suit shall be defeated by reason of misjoinder or non-joinder of parties” – এই বিধানটি দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ -এর কোথায় প্রদান করা হয়েছে?
  1. Order-1 Rule-8
  2. Order-1 Rule-9
  3. Order-1 Rule-10
  4. Order-1 Rule-13
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 1 Rule-9: Misjoinder and nonjoinder:
No suit shall be defeated by reason of the misjoinder or nonjoinder of parties, and the Court may in every suit deal with the matter in controversy so far as regards the rights and interests of the parties actually before it.

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৯: অপসংযোগ এবং অ-সংযুক্তি:
কাউকে ভ্রান্তভাবে মোকদ্দমার পক্ষ করা হলে অথবা পক্ষ থেকে বাদ দেয়া হলে তজ্জন্য মোকদ্দমার কোন ক্ষতি হবে না; এবং আদালত এটির সামনে আনিত প্রত্যেকটি মোকদ্দমায় বিরোধীয় বিষয়টি পক্ষগণের অধিকার ও স্বার্থসমূহের সঙ্গে যতটুকু সম্পর্কিত ততটুকু বিবেচনা করতে পারবে।

১,০২২.
কোনো আরজিতে মোকদ্দমার কারণ ব্যক্ত না করলে, তার ফলাফল কী হতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিত
  2. আরজি ফেরত
  3. আরজি নাকচ
  4. মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধি অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-
(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে,
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে,
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে,
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।

১,০২৩.
আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১০৪
  2. ধারা ১০৬
  3. আদেশ ৪১
  4. আদেশ ৪৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

⇒ আদেশ ৪৩ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ উভয়ই আপীলযোগ্য আদেশগুলোর বর্ণনা দিয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

ধারা ১০৪:
অন্যদিকে দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।

সুতরাং, আদেশ ৪৩ প্রধানত আপীলযোগ্য আদেশগুলোর একটি তালিকা দিয়েছে আর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা ও বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছে। এভাবে আদেশ ৪৩ ও ধারা ১০৪ পরস্পরকে পরিপূরক করে আদালতের আপীলযোগ্য আদেশগুলো সম্পর্কে পুরোপুরি চিত্র দিয়েছে।

উল্লিখিত প্রশ্নেমতে আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর মাঝে উল্লেখ আছে।
১,০২৪.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার ২৬ এর বিধান অনুযায়ী Commission ইস্যুর আদেশ দেয়া যায় না?
  1. স্থাবর সম্পত্তির ভাগ বন্টন
  2. নালিশী জমি কোনো নির্দিষ্ট দাগভুক্ত কিনা তা নির্ধারণ
  3. কোনো দলিলে বর্ণিত জমি নির্দিষ্ট কোনো দাগভুক্ত কিনা তা নির্ধারণ
  4. নালিশী জমিতে কোনো পক্ষের স্বত্ব আছে কিনা তা নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।

উল্লেখ্য, আদেশ ৩৯ বিধি ৭ এর অধীনে Local inspection-এর জন্য কমিশন গঠন করা যায়।
আদালতের প্রাথমিক ডিক্রি মোতাবেক সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কিংবা কোনো সম্পত্তির সরেজমিনে তদন্তের জন্য কমিশন নিয়োগ করা হয়ে থাকে।

- কিন্তু বিভিন্ন দলিলাদির উপর নির্ভর করে নালিশী জমিতে কোনো পক্ষের স্বত্ব আছে কি না তা নির্ধারণ করবে আদালত।

-----------
⇒ Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
১,০২৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৩৮ আদেশের কত বিধি অনুযায়ী বিবাদী কর্তৃক জামানত প্রদান করা হলে, আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. বিধি-৩
  2. বিধি-৯
  3. বিধি-১০
  4. বিধি-১১
ব্যাখ্যা
• আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা-
ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং
খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
১,০২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়?
  1. ৮৬ ধারা
  2. ৮৬ ক ধারা
  3. ৮৭ ধারা
  4. ৭৬ ক ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৬ ক ধারা অনুযায়ী কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলা করা যায়।
১,০২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের কোন ধরনের ক্ষমতার বিধান রয়েছে?
  1. ordinary powers
  2. original powers
  3. inherent powers
  4. review powers
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
১,০২৮.
ল্যাটিন শব্দ "res judicata" এর অর্থ কী?
  1. A judgment open to appeal
  2. A case dismissed for lack of evidence
  3. A dispute yet to be adjudicated
  4. A thing settled by judicial decision
ব্যাখ্যা
ল্যাটিন শব্দ "res judicata" এর অর্থ হলো: "A thing settled by judicial decision"

অর্থাৎ, একটি বিষয় যা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দ্বারা নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তা পুনরায় একই পক্ষের মধ্যে আদালতে তোলা যাবে না।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়। ১১ ধারার নিয়ম অনুসরণ করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।

শর্তসমূহ:
⇒ দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
⇒ উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় একই;
⇒ পরবর্তী মোকদ্দমাটি যারা দায়ের করেছে, পূর্ববর্তী চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমাটি সেই একই পক্ষগণের মধ্যে ছিল বা সেই পক্ষগণের মধ্যে ছিল যাদের মাধ্যমে তারা বা তাদের কোন একজন প্রতিকার দাবী করে;
⇒ উক্ত পক্ষগণ পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় একই বিষয়বস্তু নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করেছে;
⇒ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করেছে।

• এই নীতি আরো পাওয়া যায়:
- সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা;
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারা;
- সাংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদ।
১,০২৯.
আপীল পেশের জন্য স্মারকলিপি (memorandum) কে স্বাক্ষর করতে হবে?
  1. সরকারি কৌঁসুলি
  2. নিম্ন আদালতের রেজিস্ট্রার
  3. আপীলকারী বা তার উকিল
  4. আপীল আদালতের বিচারক
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪১, বিধি ১(১) অনুসারে, আপীল পেশ করার জন্য স্মারকলিপি (memorandum) আপীলকারী (appellant) বা তার উকিল (pleader) কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে। এটি আপীলের আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করে। অন্যান্য অপশনগুলো (সরকারি কৌঁসুলি, নিম্ন আদালতের রেজিস্ট্রার বা আপীল আদালতের বিচারক) এই বিধির সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান আপীলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
-(১) প্রত্যেকটি আপীল আপীলকারী বা তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি স্বারকলিপির আকারে পেশকরতে হবে এবং আদালত বা এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মচারীর নিকট দাখিল করতে হবে। যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে এবং (যদি না আপীল আদালত ইহার প্রয়োজনীয়তা শেষ করেন) যে রায়ের উপর উহা প্রতিষ্ঠিত, তার একটি নাকল স্বারকলিপির সঙ্গে প্রদান করতে হবে।

(২) স্মারকলিপির সারমর্মঃ যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে, সেই ডিক্রি সম্পর্কে আপত্তির সঙ্গত কারণগুলি সংক্ষেপে এবং স্পষ্ট শিরোনামে স্বারকলিপিতে কোন তর্ক বা ধারাবাহিক বর্ণনা ব্যতিত ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং এরূপ সঙ্গত কারণগুলি ধারাবাহিক নম্বর যুক্ত হতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-1.Form of appeal. What to accompany memorandum:
(1) Every appeal shall be preferred in the form of a memorandum signed by the appellant or his pleader and presented to the Court or to such officer as it appoints in this behalf. The memorandum shall be accompanied by a copy of the decree appealed from and (unless the Appellate Court dispenses therewith) of the Judgment on which it is founded. 

- Contents of memorandum:
(2) The memorandum shall set forth, concisely and under distinct heads, the grounds of objection to the decree appealed from without any argument or narrative; and such grounds shall be numbered consecutively. 

১,০৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ ধারা অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলা সাধারণত কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. বাদীর বাসস্থানের আদালতে
  2. বিবাদীর বাসস্থানের আদালতে
  3. সম্পত্তি অবস্থিত স্থানের আদালতে
  4. মামলার কারণ উদ্ভবের স্থানের আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, ভাগ বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তির বিনা সংক্রান্ত মামলা, সেই আদালতে দায়ের করাতে হবে, যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান- বিষয়বস্তু যেখানে অবস্থিত, মামলা সেখানেই দায়ের করতে হবে:
- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক বা অন্যান্য এখতিয়ার সাপেক্ষ -
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য,
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারা জন্য,
গ) স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক বা দায় (charge) উদ্ধারের অধিকার, হরণ, বিক্রয় বা
ঘ) স্থাবর সম্পত্তির অন্য কোনো প্রকার অধিকার বা স্বার্থ নির্ণয়ের জন্য,
ঙ) স্থাবর সম্পত্তির অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে,
চ) আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য -
আনীত মামলাগুলি যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা, ‘গ’ দফায় বর্ণিত মামলার ক্ষেত্রে যে স্থানে মামলার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়, সেসব আদালতেই দায়ের করতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী কর্তৃক বা তার পক্ষে দাখিলী কোন স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত প্রতিকার বা উহার অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা, প্রার্থতি প্রতিকার যদি সম্পূর্ণরূপে বিবাদির ব্যক্তিগতভাবে আনুগতভাবে আনুগত্যের ফলে লাভ করা যায়, তবে তাহলে যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা (ঙ) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রে যে স্থানে পূর্ণ বা আংশিকভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হয়েছে অথবা যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে প্রকৃত পক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বিবাদী বাস করে বা ব্যবসা-বাণিজ্য চালায় বা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কর্ম করে সেই আদালতে দায়ের করা যাবে।
------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-16. Suits to be instituted where subject-matter situate: 
Subject to the pecuniary or other limitations prescribed by any law, suits- 
(a) for the recovery of immovable property with or without rent or profits, 
(b) for the partition of immovable property, 
(c) for foreclosure, sale or redemption in the case of a mortgage of or charge upon immovable property, 
(d) for the determination of any other right to or interest in immovable property, 
(e) for compensation for wrong to immovable property, 
(f) for the recovery of movable property actually under distraint or attachment, 
shall be instituted in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen: 
Provided that a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property held by or on behalf of the defendant may, where the relief sought can be entirely obtained through his personal obedience, be instituted either in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen, or in the Court within the local limits of whose jurisdiction the defendant actually and voluntarily resides, or carries on business, or personally works for gain. 
Explanation.-In this section "property' means property situate in Bangladesh.

১,০৩১.
'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের দায়ে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায়, 'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে একই চুক্তি ভঙ্গের দায়ে অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. পরবর্তী মোকদ্দমা বাতিল করতে বাধ্য
  2. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা খারিজ আদেশ করতে বাধ্য
  3. পরবর্তী মোকদ্দমার বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে বাধ্য
  4. উভয় মোকদ্দমার বিচার চালিয়ে যেতে বাধ্য
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমা স্থগিতকরণ [Res sub judice]:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ [stay of suit] বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। রেস-সাবজুডিসের বা ১০ ধারার নীতি প্রয়োগ করতে হলে-
১. অবশ্যই দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই;
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে-
i. পরবর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেখানে; বা
ii. বাংলাদেশের কোন আদালতে যার দাবীকৃত প্রতিকার মঞ্জুর করার এখতিয়ার আছে; বা
iii.সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা পরিচালিত বাংলাদেশের বাইরের কোন আদালতে যার এমন এখতিয়ার আছে; বা
iv. সুপ্রীম কোর্টে;
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে;
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্বের অধীন মোকদ্দমা দায়ের করেছে।

এখানে, ১০ ধারায় আদালত পরবর্তী মোকদ্দমাটি খারিজ করতে পারে না বরং পরবর্তী মোকদ্দমাটির বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে পারে। ১০ ধারার বিধান মান্য করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ উপরে উল্লেখিত শর্ত পূরণ হলে আদালত পরবর্তী মোকদ্দমাটির বিচার স্থগিত করতে বাধ্য। 
উদাহরণ: 'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের দায়ে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায়, 'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে একই চুক্তি ভঙ্গের দায়ে অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে বাধ্য

উল্লেখ্য, বিদেশী আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে রেস সাব-জুডিস নীতি প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন মামলা বিদেশী আদালতে বিচারাধীন থাকলেও উক্ত মামলার বিচার বাংলাদেশের আদালতে করা যাবে।
১,০৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৫৯ ধারার অধীন আদালত কর্তৃক দেনাদারকে মুক্তি দেয়ার কারণ-
  1. গুরুতর অসুস্থতা
  2. মুচলেকা প্রদান
  3. দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক
  4. জামানত প্রদান
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে।

• দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান- অসুস্থতার দরুন মুক্তি:
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।

৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।

Section 59- Release on ground of illness:
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness.
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison.

(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom-
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness.

(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.
১,০৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২১ এর কত বিধিতে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকর করার বিশেষ বিধান সংযুক্ত করা হয়েছে?
  1. বিধি ৩০
  2. বিধি ৩০ক
  3. বিধি ৩১
  4. বিধি ৩১ক
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২১, বিধি ৩০ক- অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিশেষ বিধান: 
(১) এই বিধিতে যা কিছুই বলা থাকুক না কেন, ডিক্রিপ্রাপ্ত ব্যক্তির (decree-holder) আবেদনক্রমে, আদালত রায়প্রাপ্ত ব্যক্তিকে (judgment-debtor) সিভিল কারাগারে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে- যতদিন না সম্পূর্ণ বা আংশিক বকেয়া ডিক্রির অর্থ পরিশোধ করা হয় বা সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত, এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে।

(২) এই বিধি অনুযায়ী সিভিল কারাগারে আটক রায়প্রাপ্ত ব্যক্তির জীবিকা নির্বাহের জন্য যে খরচ হবে, তা সরকার বহন করবে।

(৩) নিম্নোক্ত রায়প্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সিভিল কারাগারে আটক রাখার বিধান প্রযোজ্য হবে না:
- যিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক,
- মানসিক ভারসাম্যহীন,
- যথাযথ আদালতের মাধ্যমে দেউলিয়া ঘোষিত,
- অথবা যিনি মূল রায়প্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে প্রতিস্থাপিত হয়েছেন।

(৪) যদি রায়প্রাপ্ত ব্যক্তি কারাগারে থাকাকালীন ডিক্রির মোট অর্থের ন্যূনতম ২৫% পরিশোধ করেন এবং বাকি অর্থ ৬০ দিনের মধ্যে পরিশোধের জন্য একটি বন্ড দেন, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দেবে। তবে যদি বন্ড অনুযায়ী বাকি অর্থ প্রদান না করা হয়, তাহলে তাকে পুনরায় সিভিল কারাগারে আটক করা যেতে পারে, এবং তা সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত হতে পারে।

(৫) যদি কোনো রায়প্রাপ্ত ব্যক্তি উপ-নিয়ম (১) বা (৪) অনুযায়ী পূর্ণ মেয়াদে সিভিল কারাগারে আটক থাকেন, তাহলে তাকে একই ডিক্রির আওতায় বা একই ডিক্রি থেকে উদ্ভূত অন্য কোনো কার্যক্রমে পুনরায় আটক করা যাবে না।

(৬) যদি রায়প্রাপ্ত ব্যক্তি পুরো বা আংশিক সময়ের জন্য সিভিল কারাগারে আটক থাকেন, তবুও তিনি ডিক্রির বাকি অর্থ পরিশোধ থেকে অব্যাহতি পাবেন না।

⇒ এই বিধান Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 দ্বারা সংযুক্ত করা হয়েছে।
১,০৩৪.
আপীলের শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে আপীলকারী উপস্থিত না হলে, আপীল আদালত আপীলটি খারিজ করে দেয়। উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে__________করা যাবে-
  1. রিভিউ
  2. রিভিশন
  3. আপীল
  4. উপরের যে কোন একটি
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু আপীল খারিজ কোন ডিক্রি বা আপীলযোগ্য আদেশ না, তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিশন করা যায়। যেহেতু কোন মোকদ্দমার বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে এবং সেই আপীল শুনানীতে আপীল খারিজের সিদ্ধান্ত দেওয়া হচ্ছে, সুতরাং দ্বিতীয় আপীল করার সুযোগ নাই। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নাই।
১,০৩৫.
আদেশ ১৩ বিধি ৩ এর অধীন মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে, একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহনযোগ্য তাহলে কারন লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল ______ করতে পারবেন।
  1. গ্রহণ
  2. প্রত্যাখ্যান
  3. বাজেয়াপ্ত
  4. অবৈধ ঘোষণা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ এ দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে।

• বিধি ৩- দলিল প্রত্যাখ্যান:
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যকোনভাবে অগ্রহনযোগ্য, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।

বিধি ৩ অনুসারে,
যদি মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত মনে করে যে কোনো একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্য কোনোভাবে অগ্রহণযোগ্য, তাহলে আদালত নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে সেই দলিলটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে:
১. প্রথমেই আদালতকে কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে যে কেন তারা সংশ্লিষ্ট দলিলটি অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহণযোগ্য মনে করছেন। কারণগুলি সুস্পষ্ট ও যুক্তিসঙ্গত হওয়া আবশ্যক।
২. কারণগুলি লিপিবদ্ধ করার পর, আদালতকে একটি আদেশ বা রায় দ্বারা সেই দলিলটি প্রত্যাখ্যান করতে হবে।
৩. এই আদেশ/রায়ে আদালতকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে যে তারা বিধি ৩ অনুসরণ করে দলিলটি প্রত্যাখ্যান করছেন।
৪. সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এই আদেশ/রায়ের কপি প্রদান করতে হবে যাতে তারা আদালতের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত হতে পারে।
১,০৩৬.
'Joinder of Parties' বলতে কী বোঝায়?
  1. Joinder of Plaintiffs
  2. Joinder of defendants
  3. Joinder of legal representatives of parties
  4. Joinder of Plaintiffs & defendants
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১ বিধি ১-৩ [মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)]-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

উদহারণ-
'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে। এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
১,০৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XXIII এর বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে
  2. বাদীর দাবী পরিত্যাগের ক্ষেত্রে
  3. ডিক্রি জারির কার্যক্রমের ক্ষেত্রে
  4. মামলার আপোষ মীমাংসার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ (ORDER XXIII) মূলত নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর জন্য প্রযোজ্য:
১) মামলা প্রত্যাহার – বাদী নিজে মামলা তুলে নিতে পারে।
২) দাবির আংশিক পরিত্যাগ – বাদী তার দাবির কিছু অংশ বাদ দিতে পারে।
৩) আদালতের অনুমতি নিয়ে নতুন মামলা দায়ের – নির্দিষ্ট শর্তে অনুমতি নিয়ে।
৪) মামলার আপোষ মীমাংসা – আইনগত আপোষ হলে আদালত সেটি রেকর্ড করে ডিক্রি দেয়।
→ কিন্তু বিধি ৪ (Rule 4) স্পষ্টভাবে বলে: "এই আদেশের কোনো কিছুই ডিক্রি বা আদেশের জারির কোন কার্যক্রমে প্রযোজ্য হবে না।"
অর্থাৎ, একবার ডিক্রি হয়ে গেলে সেটি কার্যকর করার বা execution চালানোর জন্য আদেশ ২৩-এর বিধান প্রযোজ্য নয়। এ জন্য আলাদা বিধান রয়েছে।

সুতরাং ORDER XXIII কেবল মামলার প্রত্যাহার, পরিত্যাগ এবং আপোষে নিষ্পত্তি নিয়ে, কিন্তু ডিক্রি কার্যকর (execution) নিয়ে নয়।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-4. Proceedings in execution of decrees not affected:
 Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.
১,০৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী একতরফাভাবে কোনো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদেশ প্রদত্ত হলে, অপরপক্ষের হাজির হওয়ার কত দিনের মধ্যে আদালত কর্তৃক বিষয়টি নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯, বিধি ৫(ক)(৩):
যদি কোনো বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে অপর কোনো বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে একতরফা (ex-parte) অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করা হয়, তবে—
- বিপক্ষ পক্ষ আদালতে হাজির হওয়ার দিন থেকে সাত (৭) দিনের মধ্যে আদালতকে বিষয়টি মূল বিষয়ের উপর শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে, যতক্ষণ না বিপক্ষ পক্ষের অনুরোধে সময় বৃদ্ধি করা হয়।
- যদি যেই পক্ষের অনুরোধে একতরফা আদেশটি দেওয়া হয়েছিল, সে পক্ষ শুনানির জন্য স্থগিতাদেশ (adjournment) চায়, অথবা আদালতের ডাকে সাড়া না দিয়ে শুনানিতে অনুপস্থিত থাকে, তাহলে অন্য কোনো আদেশ ছাড়াই উক্ত অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞার আদেশটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল (vacated) বলে গণ্য হবে।

Order-39 Rule-5A.(3)-
If any order of ad interim or temporary injunction is passed ex-parte at the instance of a private party against another private party, the Court shall hear and dispose of the matter on merit within seven days of appearance of the opposite party, unless the period is extended further at the instance of the opposite party; and any such order of ad interim or temporary injunction shall stand vacated, if the party at whose instance it was passed, prays for adjournment, or on being called upon by the Court, fails to attend hearing.
১,০৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২১ অনুযায়ী এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি কখন উত্থাপন করতে হবে?
  1. যেকোনো সময়
  2. প্রাথমিক পর্যায়ে
  3. মামলার নিষ্পত্তির পর
  4. ডিক্রি কার্যকরের সময়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২১ অনুযায়ী, এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি অবশ্যই প্রাথমিক পর্যায়ে উত্থাপন করতে হবে। বিশেষভাবে, এটি নিম্নলিখিত সময়ের মধ্যে উত্থাপন করতে হবে:
- আদালতে প্রথম উপস্থিত হওয়ার সময়।
- বিচার্য বিষয় (issues) নির্ধারণের সময় বা তার আগে।
- যেকোনো প্রক্রিয়ার শুরুতে।
যদি এই সময়ের মধ্যে এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি না তোলা হয়, তবে পরবর্তীতে সাধারণত আপিল বা রিভিশন আদালতে এ ধরনের আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না। তবে যদি প্রাথমিক আদালতে আপত্তি না তোলার ফলে ন্যায় বিচারের ব্যত্যয় (failure of justice) ঘটে থাকে, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত বিশেষ ক্ষেত্রে এ আপত্তি বিবেচনা করতে পারে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ ধারার বিধান: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপিল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপিল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।
------------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, section - 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.

১,০৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার সম্পত্তি কখন ক্রোক করা যেতে পারে?
  1. ডিক্রি জারির সময়
  2. নোটিশ প্রদানের সময়
  3. মামলা দায়েরের সময়
  4. কখনোই ক্রোক করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী, যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার পদাধিকারবলে (official capacity) কৃত কাজের কারণে মামলা দায়ের করা হয়, তাহলে তার সম্পত্তি কেবলমাত্র ডিক্রি কার্যকর করার সময় (i.e., execution of decree) ক্রোক করা যেতে পারে।

- আইনের ভাষা (ধারা ৮১ এর (a) অংশ): "the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree"
অর্থাৎ, ডিক্রি ছাড়া অন্য কোনো কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক (attachment) করা চলবে না।
→ সুতরাং সরকারি কর্মকর্তার পদাধিকারবলে কৃত কার্য সংক্রান্ত মামলায় তার সম্পত্তি শুধুমাত্র ডিক্রি কার্যকর করতে গিয়ে ক্রোক করা যায়, এর বাইরে নয়।
তাই সঠিক উত্তর: ক) ডিক্রি জারির সময়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ - গ্রেফতার ও হাজিরা হতে অব্যাহতি:
পদাধিকারে বলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের করা হয়ে থাকলে—
ক) বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং ডিক্রিজারী ব্যতিত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং
খ) যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে নিঃসন্দিহান হন যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেক্ষেত্রে ইহা তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিবে।
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 81. Exemption from arrest and personal appearance:
-In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity- 
(a) the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and, 
(b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
১,০৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারায় বিদেশি আদালতের কোন কার্যক্রম সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে?
  1. বিদেশি সাক্ষীর বক্তব্য গ্রহণ
  2. বিদেশি আদালত থেকে কমিশন জারি
  3. বিদেশি আদালতের আদালত ফি নির্ধারণ
  4. বিদেশি আদালতের জন্য আইনি ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারায় বিদেশি আদালত থেকে কমিশন জারি সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, বিদেশে অবস্থিত এবং বাংলাদেশ সরকারের কর্তৃপক্ষ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বা অনুমোদিত কোনো আদালত, অথবা বিদেশী কোনো রাষ্ট্রের আদালত, যদি সাক্ষীদের পরীক্ষার জন্য বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কমিশন জারি করে, তবে সেই কমিশনটির নির্বাহী এবং ফেরত আনা প্রক্রিয়া বাংলাদেশে প্রযোজ্য হবে, তবে নির্দিষ্ট শর্তাবলী এবং সীমাবদ্ধতার অধীনে।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো (খ) বিদেশি আদালত থেকে কমিশন জারি।

→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 78. Commissions issued by foreign Courts.
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the provisions as to the execution and return of commissions for the examination of witnesses shall apply to commissions issued by or at the instance of- 
(a) Courts situate beyond the limits of Bangladesh and established or continued by the authority of Government, or 
(c) Courts of any State or country outside Bangladesh.
১,০৪২.
আদালত কোন পর্যায়ে মামলার পক্ষ বাদ বা যোগ করতে পারে?
  1. মামলার শুনানির আগে
  2. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের আগে
  4. রায় ঘোষণার  আগে শুধু
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর  বিধি ১০ (২)- আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সঙ্গতঃ বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যর ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিস্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

১,০৪৩.
নিম্নের কোনটি সঠিক নয়?
  1. মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করবে
  2. মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর ভবিষ্যত কোন দিনে রায় ঘোষণা করবে
  3. পক্ষদ্বয়ের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা দশদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবে
  4. প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ,বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।
[The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court either at once or on some future day, not beyond seven days of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.]
১,০৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩১ অনুসারে, সাক্ষীদের সমনের ক্ষেত্রে কোন কোন ধারার বিধান প্রযোজ্য?
  1. ২০, ২১, ২২ ধারা
  2. ২৫, ২৬, ২৭ ধারা
  3. ২৭, ২৮, ২৯ ধারা
  4. ৩০, ৩১, ৩২ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা- ৩১ অনুযায়ী,
সাক্ষ্য দান বা দলিল পেশ অথবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় দাখিল করার জন্য সমনের ক্ষেত্রে ২৭, ২৮ ও ২৯নং ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, বিবাদীর ক্ষেত্রে সমনের যে বিধানসমূহ প্রযোজ্য, সাক্ষীদের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হবে।

Sec-31: Summons to witness
The provisions in sections 27, 28 and 29 shall apply to summonses to give evidence or to produce documents or other material objects.
১,০৪৫.
চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে (At peremtory hearing) আদালত কয়টির অধিক মামলা রাখবে না?
  1. ৫ টির
  2. ১০০ টির
  3. ১২০ টির
  4. ৭০টির
ব্যাখ্যা
কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ ৫টি এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০০টি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবেন

• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি ২০-

কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।

[Court shall not fix more than five suits including two part -heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits:
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.]
১,০৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারা অনুযায়ী মধ্যস্থতা সম্পন্ন করার আদর্শ সময়সীমা কত দিন এবং আদালত কতদিন পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় বাড়াতে পারে?
  1. ৩০ দিন; অতিরিক্ত ১৫ দিন
  2. ৬০ দিন; অতিরিক্ত ৩০ দিন
  3. ৯০ দিন; অতিরিক্ত ৬০ দিন
  4. ৬০ দিন; অতিরিক্ত ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, যখন আদালত মধ্যস্থতার আদেশ প্রদান করে, তখন পক্ষদ্বয়কে ১০ দিনের মধ্যে তাদের নিয়োগকৃত মধ্যস্থতাকারীর নাম আদালতকে জানানোর জন্য বলা হয়।
- এরপর, মধ্যস্থতা সম্পন্ন করার জন্য ৬০ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
- আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদন পেলে এই সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ দিন পর্যন্ত বাড়াতে পারে, অর্থাৎ মোট সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ দিন হতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
- যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
- সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
- দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
- মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
১,০৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ইন্টারপ্লিডার মামলায় বাদী কী ধরনের স্বার্থ দাবি করতে পারে?
  1. সম্পত্তির পুরো মূল্য
  2. খরচ এবং ব্যয়ের জন্য
  3. ব্যক্তিগত মালিকানার অংশ
  4. সম্পূর্ণ জমির অধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (Code of Civil Procedure) এর অর্ডার XXXV অনুসারে, ইন্টারপ্লিডার মামলায় বাদীকে আবেদনপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয় যে, তার বিবাদের বিষয়বস্তুতে (যেমন সম্পত্তি, টাকা বা অন্য কোনো সম্পদ) কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই, শুধুমাত্র খরচ বা ব্যয় (charges or costs) ছাড়া।
- এর মানে হলো, বাদী মামলার বিষয়বস্তুর উপর মালিকানা বা অধিকার দাবি করতে পারে না; তার দাবি কেবল মামলা পরিচালনা বা সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যয়িত খরচ বা ফি-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- ইন্টারপ্লিডার মামলার উদ্দেশ্য হল একাধিক পক্ষের মধ্যে সম্পত্তি বা বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিরোধ।
এই ধরনের মামলায়, বাদী সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর প্রতি কোন স্বার্থ দাবি করেন না, তবে তিনি শুধুমাত্র তার খরচ এবং আইনগত ব্যয়ের জন্য দাবি করতে পারেন।
বাদী কখনোই দাবি করতে পারেন না যে তিনি সম্পত্তির মালিক বা সম্পত্তির পুরো মূল্য দাবি করেন, কারণ তিনি মামলার বিষয়ে কোনো পক্ষের স্বার্থে দাঁড়িয়ে থাকেন না, বরং তিনি শুধু মামলার ব্যাপারে নিরপেক্ষ থাকেন। আদালত তাকে কোন পক্ষের প্রতি পক্ষপাতিত্ব না করে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে বলে।
- এজন্য, বাদী "খরচ এবং ব্যয়ের জন্য" দাবি করতে পারে, যেমন আদালতের ফি, আইনজীবীর খরচ ইত্যাদি।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৫ অনুসারে, ইন্টারপ্লিডার:
ইন্টারপ্লিডার মামলার আবেদনপত্রের বিষয়বস্তু
প্রতিটি ইন্টারপ্লিডার মামলায়, আবেদনপত্রে (বাদীর দাখিলকৃত আইনি দলিল) অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিবরণের সাথে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ থাকতে হবে:
(ক) বাদীর বক্তব্য যে, মামলার বিষয়বস্তুতে (বিবাদের বিষয়) তার কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই, শুধুমাত্র খরচ বা ফি ছাড়া।
(খ) প্রতিটি বিবাদীর পৃথক পৃথক দাবির বিবরণ।
(গ) বাদী এবং কোনো বিবাদীর মধ্যে কোনো গোপন চুক্তি বা ষড়যন্ত্র নেই বলে ঘোষণা।
বিবাদিত সম্পত্তি জমা বা হস্তান্তর
যদি বিবাদের বিষয়টি (যেমন, টাকা বা সম্পত্তি) আদালতে জমা দেওয়া বা আদালতের হেফাজতে রাখা সম্ভব হয়, তবে বাদীকে মামলায় কোনো আদেশ পাওয়ার আগে সেটি আদালতে জমা দিতে বা হস্তান্তর করতে হতে পারে।

⇒ Order XXXV – Interpleader
Rule 1: Contents of Plaint in Interpleader Suit
In every interpleader suit, the plaint (complaint) must state the following, along with other necessary details:
(a) That the plaintiff claims no personal interest in the subject matter of the dispute, except for charges or legal costs;
(b) That different defendants are making separate claims to the subject matter;
(c) That there is no collusion (secret agreement or fraud) between the plaintiff and any of the defendants.

Rule 2: Payment or Deposit into Court
If the disputed thing (subject matter) can be paid into the Court or kept in the custody of the Court, the Court may require the plaintiff to do so before granting any orders in the suit.
১,০৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৪ অনুসারে লিখিত জবাবে কার স্বাক্ষর করতে হবে??
  1. কেবল বিবাদী
  2. কেবল বিবাদীর আইনজীবী
  3. বাদী ও তার আইনজীবী
  4. বিবাদী ও তার আইনজীবী
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৪:
প্রত্যেক প্লিডিংস (আরজি এবং জবাব) সংশ্লিষ্ট পক্ষ কর্তৃক এবং তার আইনজীবী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।

অর্থাৎ, আরজিতে বাদী এবং তার আইনজীবী স্বাক্ষর করবে এবং লিখিত জবাবে বিবাদী এবং তার আইনজীবী স্বাক্ষর করবে
১,০৪৯.
গণ-উৎপাত সংঘটনের ক্ষেত্রে মামলা করতে পারে কে?
  1. সরকারি কৌসুলী
  2. ভুক্তভোগী
  3. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  4. যে-কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ৯১ এর বিধান জনক্ষতিকর কাজ (Public nuisances): জনক্ষতিকর কাজের ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষতির কারণ না হলেও অ্যাটর্নি জেনারেল বা অ্যাটর্নি জেনারেলের লিখিত সম্মতিপ্রাপ্ত দুই বা ততোধিক ব্যক্তি ঘোষণা এবং নিষেধাজ্ঞা বা মোকদ্দমার পরিস্থিতির আলোকে অন্য কোন যথাযথ প্রতিকারে নিমিত্তে মোকদ্দমা রুজু করতে পারে।
১,০৫০.
‘ক’ ঢাকায় বসবাস করে। ‘খ’ কুমিল্লা বসবাস করে। উভয়ের মধ্যে খুলনায় একটি সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছে। ‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে মামলা করতে চায়। উক্ত মামলাটি কোন জেলায় দায়ের করবে?
  1. ঢাকার আদালতে
  2. কুমিল্লার আদালতে
  3. খুলনার আদালতে
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৬ ধারায় বলা হয়েছে যে, সম্পত্তি বা মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের এখতিয়ারাধীন সে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

• যেহেতু ‘ক’ ও ‘খ’ এর মধ্যে বিরোধীয় সম্পত্তিটি খুলনায় অবস্থিত তাই খুলনার এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
১,০৫১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর _______ ধারায় আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতার বিধান আছে।
  1. 89C
  2. 89E
  3. 89D
  4. 89B
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ (Section 89C) আপিল আদালতে মধ্যস্থতার (mediation in appeal) বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি আদেশ ৪১ এর অধীন কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হয় এবং তা মূল পক্ষগণ বা তাদের স্থলাভিষিক্তদের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা অন্য কারো মাধ্যমে মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে।

অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৮৯গ (Section 89C) ধারায় আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতার বিধান আছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.

১,০৫২.
“Court in which suits to be instituted” বিধানটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ২২
ব্যাখ্যা
“Court in which suits to be instituted” বিধানটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৫ ধারায় উল্লেখ আছে।

• অর্থাৎ ধারা- ১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"

অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানী মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। এখানে, এখতিয়ার বলতে আর্থিক এখতিয়ার বুঝানো হয়েছে। সুতরাং কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী ।
১,০৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত নং আদেশে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমার উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ২ এর ৫ বিধিতে
  2. আদেশ ২ এর ৬ বিধিতে
  3. আদেশ ২ এর ৭ বিধিতে
  4. আদেশ ১ এর ৮ বিধিতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৮  মতে একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মোকদ্দমা করতে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (One person may sue or defend on behalf of all in same interest)।
♦ যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক লোকের একই স্বার্থ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করতে বা মোকদ্দমায় বিবাদী হতে পারে।
♦ এক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে নোটিশ দিবেন। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অধিক হলে এভাবে নোটিশ জারি যুক্তিসঙ্গত হবে না। তখন গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১ আদেশের ৮ বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ একই রকমের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে সবার পক্ষে মোকদ্দমা দাখিল করলে বা জবাব প্রদান করলে, উক্ত মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বলে।
১,০৫৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XVI, Rule 12 অনুসারে উপযুক্ত হেতু ছাড়াই কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে উক্ত সাক্ষীকে আদালত কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করতে পারেন?
  1. ৫০০
  2. ১০০০
  3. ১৫০০০
  4. ২০০০
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১২ বিধি অনুযায়ী আদালতের আদেশ অনুযায়ী সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে, আদালত তাকে অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে।
১,০৫৫.
আদেশ ১২ বিধি ২ অনুযায়ী এক পক্ষ অন্য পক্ষকে কোন বিষয়ে নোটিশ দিতে পারে?
  1. ঘটনা স্বীকার করতে
  2. দলিল স্বীকার করতে
  3. আদালতে হাজির হতে
  4. সাক্ষীর তালিকা জমা দিতে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ২: দলিল স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে পারে, যাতে বলা হয় যে, তারা পনেরো দিনের মধ্যে কোনো দলিল স্বীকার করবে, তবে উপযুক্ত ব্যতিক্রম ছাড়া। যদি অন্য পক্ষ তা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বা অবহেলা করে, তবে দলিল প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে, যেহেতু তারা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তবে আদালত যদি অন্যভাবে নির্দেশ না দেয়।

১,০৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধি অনুসারে রিসিভার নিয়োগ করা হয়?
  1. আদেশ-৩৯, বিধি-১
  2. আদেশ-৪০, বিধি-১
  3. আদেশ-৪১, বিধি-১
  4. আদেশ-৪১, বিধি-৩
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪০, বিধি ১ (Order XL, Rule 1)-এ রিসিভার (Receiver) নিয়োগের বিধান রয়েছে।
- দেওয়ানি কার্যবিধিতে আদেশ ৪০ বিধি ১ মতে আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপর্দ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্রহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে আদেশ ৪০ বিধি ২ অনুযায়ী আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কাজের জন্য পারিশ্রমিক ধার্য করতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-40 Rule-1. Appointments of receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order−
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property; 
(c) commit the same to the possession, custody or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.
(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.

১,০৫৭.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির জন্য নতুন আবেদন [Fresh application] করা যাবে?
  1. যদি দেনাদার প্রবঞ্চনা কিংবা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে।
  2. যদি ডিক্রিদার যথেষ্ট কারণে ডিক্রি জারির আবেদন করতে বিলম্ব করে
  3. যদি দেনাদার আদালতের এখতিয়ারের বাইরে অবস্থান করে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দাখিল করার সর্বোচ্চ মেয়াদ ১২ বৎসর। নিয়মটি হলো ডিক্রি প্রদানের পর ৩ বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত বা জারি মামলা দায়ের করতে হবে। ৩ বৎসরের মধ্যে জারি মামলা দায়ের করার পর, পরবর্তীতে ১২ বৎসর পর্যন্ত ডিক্রিদার [Decree Holder] যে কোনো সংখ্যক ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দায়ের করতে পারে। 

♦  ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির নতুন দরখাস্ত [fresh application] দায়ের করা যায় এবং আদালত ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারে যদি দেনাদার  প্রবঞ্চনা [Fraud] কিংবা শক্তি [force] প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে।

♦  অর্থাৎ যদি দেনাদার প্রবঞ্চনা কিংবা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে ক্ষেত্রে ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির জন্য নতুন আবেদন [Fresh application] করা যাবে।
১,০৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ ধারা অনুযায়ী, কোন মামলা সম্পত্তির অবস্থানের বাইরে অন্য আদালতে দায়ের করা যেতে পারে?
  1. স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলা
  2. স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার মামলা
  3. অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক মুক্ত করার মামলা
  4. বিবাদীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আনুগত্যের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়ার মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার অধীনে "বিবাদীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আনুগত্যের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়ার মামলা" সম্পত্তির অবস্থানের বাইরে অন্য আদালতে দায়ের করা যেতে পারে।
- তবে অপশনে উল্লিখিত অন্য মামলা গুলো সম্পত্তির অবস্থানের বাইরে অন্য আদালতে দায়ের করা যাবে না। 


⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, ভাগ বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তির বিনা সংক্রান্ত মামলা, সেই আদালতে দায়ের করাতে হবে, যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান- বিষয়বস্তু যেখানে অবস্থিত, মামলা সেখানেই দায়ের করতে হবে:
- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক বা অন্যান্য এখতিয়ার সাপেক্ষ -
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য,
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারা জন্য,
গ) স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক বা দায় (charge) উদ্ধারের অধিকার, হরণ, বিক্রয় বা
ঘ) স্থাবর সম্পত্তির অন্য কোনো প্রকার অধিকার বা স্বার্থ নির্ণয়ের জন্য,
ঙ) স্থাবর সম্পত্তির অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে,
চ) আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য -
আনীত মামলাগুলি যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা, ‘গ’ দফায় বর্ণিত মামলার ক্ষেত্রে যে স্থানে মামলার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়, সেসব আদালতেই দায়ের করতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী কর্তৃক বা তার পক্ষে দাখিলী কোন স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত প্রতিকার বা উহার অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা, প্রার্থতি প্রতিকার যদি সম্পূর্ণরূপে বিবাদির ব্যক্তিগতভাবে আনুগতভাবে আনুগত্যের ফলে লাভ করা যায়, তবে তাহলে যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা (ঙ) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রে যে স্থানে পূর্ণ বা আংশিকভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হয়েছে অথবা যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে প্রকৃত পক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বিবাদী বাস করে বা ব্যবসা-বাণিজ্য চালায় বা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কর্ম করে সেই আদালতে দায়ের করা যাবে।
------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-16. Suits to be instituted where subject-matter situate: 
Subject to the pecuniary or other limitations prescribed by any law, suits- 
(a) for the recovery of immovable property with or without rent or profits, 
(b) for the partition of immovable property, 
(c) for foreclosure, sale or redemption in the case of a mortgage of or charge upon immovable property, 
(d) for the determination of any other right to or interest in immovable property, 
(e) for compensation for wrong to immovable property, 
(f) for the recovery of movable property actually under distraint or attachment, 
shall be instituted in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen: 
Provided that a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property held by or on behalf of the defendant may, where the relief sought can be entirely obtained through his personal obedience, be instituted either in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen, or in the Court within the local limits of whose jurisdiction the defendant actually and voluntarily resides, or carries on business, or personally works for gain. 
Explanation.-In this section "property' means property situate in Bangladesh.
১,০৫৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর কোন ধারায় ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৮৫
  2. ধারা ৮৮
  3. ধারা ৮৯
  4. ধারা ৯২
ব্যাখ্যা

​⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর ধারা ৮৮ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার বিধান বর্ণনা করে। এই ধারা অনুসারে, যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই সম্পত্তি বা অর্থের উপর মালিকানার দাবি করেন এবং যিনি এই দাবির সম্মুখীন হন (বাদী) তার মোকদ্দমার খরচ ছাড়া উক্ত সম্পত্তি বা অর্থের উপর কোনো স্বার্থ না থাকে, তবে তিনি ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন। এই মোকদ্দমার উদ্দেশ্য হলো আদালতের মাধ্যমে নির্ধারণ করা যে সম্পত্তি বা অর্থ কার কাছে অর্পণ করতে হবে এবং বাদীর ক্ষতিপূরণ (যদি থাকে) আদায় করা।
- ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে বাদী নিরপেক্ষ থাকেন এবং বিবাদীদের দাবি সম্পর্কে কোনো পক্ষপাতিত্ব বা ষড়যন্ত্রে জড়ান না। এই ধারা নিশ্চিত করে যে বাদী কেবল আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি পান এবং কোনো পক্ষের সাথে যোগসাজসে জড়ান না।
​- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৮ ধারায় স্বার্থ বিহীন মামলার বিধান আছে।
​ 
⇒ এছাড়াও ​ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার বিস্তারিত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার ৩৫-এ বর্ণিত আছে। এই অর্ডারে বলা হয়েছে যে এই ধরনের মোকদ্দমায় কমপক্ষে দুইজন বিবাদী থাকতে হবে, এবং আরজিতে বাদীর নিরপেক্ষতা, বিবাদীদের পৃথক দাবি এবং কোনো ষড়যন্ত্রের অভাব উল্লেখ করতে হবে।

- আদেশ ৩৫ বিধি-১: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আরজি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজস বা ষড়যন্ত্র নেই।
- আদেশ ৩৫ বিধি-৫: প্রতিনিধি বা প্রজাগণ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।

১,০৬০.
দেওয়ানি মামলায় রিভিউ আবেদনের সর্বোচ্চ সময়সীমা কতদিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ অনুযায়ী রিভিউ (Review) বলতে বোঝায় আদালতের নিজস্ব ডিক্রি বা আদেশের বিচারিক পুনর্বিবেচনা। রিভিউ সংক্রান্ত সময়সীমা নির্ধারিত আছে Limitation Act, 1908-এর প্রথম তফসিলে।
- এই আইনের অধীনে রিভিউ আবেদনের সর্বোচ্চ সময়সীমা ৯০ দিন, যা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।

⇒ যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। 
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।

উদাহরণস্বরূপ, যদি সহকারী জজ ১ জুলাই রায় দেন, তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে পারবে। এই সময়সীমা অতিক্রম করলে আবেদন তামাদি বলে গণ্য হবে, যদি না যথাযথ কারণে বিলম্ব মাফ চাওয়া হয় (ধারা ৫ অনুযায়ী)।
 তাই, দেওয়ানি মামলায় রিভিউ আবেদনের সর্বোচ্চ সময়সীমা হলো ৯০ দিন, এবং সঠিক উত্তর: গ) ৯০ দিন।
১,০৬১.
‘‘সোলে ডিক্রিতে আপিল করা যায় না’’ দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৯৬(১)
  2. ৯৬(২)
  3. ৯৬(৩)
  4. আপিল করা যায়।
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, আদালত পক্ষদ্বয়ের সম্মতিতে আপস বা সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
১,০৬২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন কোন ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে?
  1. ১১ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০,১১ এবং ১২ ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে

• ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

• ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা।এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

• ধারা ১২-পুনরায় মোকদ্দমা করার বাধা (Bar to further suit) সম্পর্কে বিধান আছে। 
কোন বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।
অর্থাৎ যে সকল ক্ষেত্রে আইনগতভাবে মোকদ্দমা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে মোকদ্দম দায়ের  করা যায় না।
১,০৬৩.
আপিল বিভাগের আদেশ যে আদালতের মাধ্যমে জারি করা হয়, সেই জারি সম্বন্ধে উক্ত আদালতের আদেশ-
  1. আপিলঅযোগ্য
  2. আপিলযোগ্য
  3. রিভিশনযোগ্য
  4. উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোন প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৫ বিধি-১৬: জারিকরণ সম্বন্ধীয় আদেশ হতে আপিল:
আপিল বিভাগের আদেশ যে আদালতের মাধ্যমে জারি করা হয়, সে জারি সম্বন্ধে উক্ত আদালতের আদেশ উক্ত আদালতের স্বীয় ডিক্রি জারি সম্পর্কিত আদেশের ন্যায় একই প্রক্রিয়ায় এবং একইরূপ বিধিমালা সাপেক্ষে আপিলযোগ্য হবে।

Rule-16: Appeal from order relating to execution:
The orders made by the Court which executes the order of the Appellate Division, relating to such execution, shall be appealable in the same manner and subject to the same rules as the orders of such Court relating to the execution of its own decrees.
১,০৬৪.
প্লিডিংস-এ চুক্তির প্রতি অস্বীকার জ্ঞাপন করলে, তা দ্বারা কি অস্বীকার করা বুঝাবে না?
  1. প্রকাশ্য চুক্তিটির ঘটনা
  2. যে সকল ঘটনা হতে চুক্তিটি অনুমিত হতে পারে, সেসব ঘটনা
  3. আইনের বৈধতা বা পর্যাপ্ততা
  4. ক,খ,গ সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে।গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে, সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের যাবতীয় বিধান আলোচনা করা হয়েছে। আদেশ ৬ বিধি ৮ তে প্লিডিংসে চুক্তি অস্বীকৃতি নিয়ে বলা আছে-

যেক্ষেত্রে দরখাস্তে কোন চুক্তির বিষয় বর্ণিত থাকে, সেক্ষেত্রে বিপরীত পক্ষ শুধুমাত্র চুক্তিটির প্রতি অস্বীকার জ্ঞাপন করলে তদ্বারা শুধুমাত্র প্রকাশ্য চুক্তিটির ঘটনা অথবা যে সকল ঘটনা হতে চুক্তিটি অনুমিত হতে পারে, তা অস্বীকার করা বুঝাবে; অনুরূপ চুক্তির আইনের বৈধতা বা পর্যাপ্ততাকে অস্বীকার করা বুঝাবে না।

Order 6 Rule 8: Denial of contract-
Where a contract is alleged in any pleading. a bare denial of the same by the opposite party shall be construed only as a denial in fact of the express contract or of the matters of fact from which the same may be implied, and not as a denial of the legality or sufficiency in law of such contract.
১,০৬৫.
আদেশ ১৫ বিধি–২ অনুযায়ী কোন বিবাদীর ক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় দিতে পারে?
  1.  যার বিরুদ্ধে বাদীর স্পষ্ট প্রমাণ আছে
  2. যার সঙ্গে বাদীর কোনো বিরোধ নেই
  3. যে বিবাদী সাক্ষী হাজির করে না
  4. যে বিবাদী অনুপস্থিত থাকে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৫ বিধি-২: বহু বিবাদীর মধ্যে কোন একজনের বিরুদ্ধে বিচার্য বিষয় না থাকলে:
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে এবং আইন কিংবা ঘটনার কোন প্রশ্নে বিবাদীদের কোন একজনের সাথে বাদীর সঙ্গে কোন বিরোধ না থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত তখনই ঐ বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে এবং মোকদ্দমা শুধু অন্যান্য বিবাদীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হবে।

Order 15 Rule-2: One of several defendants not at issue:
Where there are more defendants than one, and any one of the defendants is not at issue with the plaintiff on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment for or against such defendant and the suit shall proceed only against the other defendants.

১,০৬৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২৪ আদেশের বিধান কি?
  1. মামলা প্রত্যাহার
  2. মিমাংসা
  3. মামলার দাবি পরিতোষটির টাকা আদালতে জমা দেওয়া
  4. জামানত জমা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২৪ আদেশ অনুযায়ী মামলার খরচের টাকা আদালতে জমা দেওয়ার বিধান আছে।
⇒ আদেশ ২৪ বিধি ১ অনুযায়ী ঋণ বা ক্ষতিপূরনের মামলায় বিবাদী মামলার যে কোন পর্যায়ে বাদীর দাবীকৃত সম্পূর্ন অর্থ আদালতে জমা দিলে দায় মুক্ত হতে পারবে।
⇒ শুধুমাত্র ঋণ বা ক্ষতিপূরনের মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য।
১,০৬৭.
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কে সন্দেহ হলে, মোকদ্দমা রজুকৃত আদালত কী করতে পারে?
  1. সরাসরি রায় প্রদান করতে পারে
  2. মোকদ্দমা বাতিল করতে পারে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে নথি প্রেরণ করতে পারে
  4. জেলা জজ আদালতে নথি নথি প্রেরণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-৬: ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার ক্ষমতা:
১) যেক্ষেত্রে রায় প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় যে আদালতে মোকদ্দমা রুজু হয়েছে, সে আদালত, মোকদ্দমা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সন্দেহ করে, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে

২) হাইকোর্ট বিভাগ নথি এবং বিবৃতি গ্রহণ করার পর উক্ত আদালতকে মোকদ্দমায় অগ্রসর হতে অথবা উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণের উপযুক্ত ঘোষিত কোন আদালতে উহার আদেশ মতে পেশ করার জন্য আরজি ফেরত পাঠানোর আদেশ দিতে পারে।
১,০৬৮.
মোকদ্দমা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজে উক্ত মোকদ্দমা বিচার করতে চাইলে, পক্ষদের কোথায় হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিবেন ?
  1. নিজ আদালতে
  2. যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে
  3. ক বা খ
  4. উভয় আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪(ক)-

১) দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred. 
 
(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.
১,০৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মধ্যস্থতা
  2. সালিশ
  3. আপিলে মধ্যস্থতা
  4. মধ্যস্থতার বিশেষ বিধান
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯গ- আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর আওতাধীন মধ্যস্থতাকরণের ক্ষেত্রে, ৮৯ক ধারার বিধান গুলােকে প্রয়ােজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।

Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.

(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
১,০৭০.
The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় কোন বিষয়ে বিধান আছে?
  1. জেলা বা যুগ্ম জেলা জজের আদি এখতিয়ার
  2. হাইকোর্ট বিভাগের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
  3. জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা
  4. দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা কর্মকর্তাদের উপর হস্তান্তর করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২: জেলা জজের আপিল হস্তান্তর করার ক্ষমতা:
(১) কোনো জেলা জজ তাঁর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যেকোনো যুগ্ম জেলা জজকে (Joint District Judge) হস্তান্তর করতে পারবেন, যেসব আপিল তাঁর কাছে সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে চলমান আছে।

(২) জেলা জজ যেকোনো হস্তান্তরিত আপিল প্রত্যাহার (withdraw) করতে পারবেন, এবং নিজে শুনানি করে নিষ্পত্তি করতে পারেন, অথবা তাঁর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোনো সক্ষম আদালতে হস্তান্তর করতে পারেন যা সেই আপিল নিষ্পত্তি করার যোগ্য।

(৩) এই ধারা অনুযায়ী হস্তান্তরিত আপিলগুলি সেই নিয়ম অনুযায়ী নিষ্পত্তি হবে যা জেলা জজ কর্তৃক সাধারণ আপিল নিষ্পত্তিতে প্রযোজ্য।

১,০৭১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯(৫) অনুসারে, সমন প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে তা প্রেরণ করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯ (জারির জন্য সমন অর্জন অথবা প্রেরণ) -
(১) যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে, বিবাদী সেটির এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বসবাস করে বা সমন গ্রহণ করার ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি বিবাদীর পক্ষে যদি এরূপ এলাকার ভিতর বসবাস করে, তবে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ না দিলে হয় উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট স্বয়ং জারি করার লক্ষ্যে বা তাদের অধঃস্তন কোন ব্যক্তি দ্বারা অথবা উপ-ধারা(৪) এর বিধান অনুযায়ী জেলা জজ কর্তৃক তালিকাভুক্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সমন অর্পিত বা প্রেরিত হবে।

(২) উপযুক্ত কর্মকর্তা যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে সেখানকার না হয়ে অন্য কোন আদালতের কর্মকর্তাও হতে পারেন, এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তার নিকট ডাকযোগে বা আদালত যেভাবে নির্দেশ দিতে পারে অনুরূপ অন্য যে কোন উপায়ে প্রেরণ করা যাবে।

(৩) আদালত উপ-বিধি (১) তে বর্ণিত বিধানের অতিরিক্ত হিসেবে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারে এবং একইসঙ্গে ফ্যাক্স বার্তার মাধ্যমে বা ইলেক্ট্রনিক মেইল সার্ভিস এর মাধ্যমে নিজ খরচে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিবেন।

(৪) জেলা জজ উপ-বিধি(১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কুরিয়ার সার্ভিসের একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন (সময় সময় হালনাগাদসহ) এবং তার প্রশাসনিক অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতসমূহকে তা অবহিত করবেন।

(৫) যখন সমন উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস এর নিকট প্রেরণ করা হয়, তখন তিনি বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত সমন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে সার্ভিস বা প্রেরণ করবেন এবং আদালতকে এতদবিষয়ে অবহিত করবেন: তবে শর্ত থাকে যে, যদি উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং কুরিয়ারের ক্ষেত্রে,জেলা জজ প্রস্তুতকৃত তালিকা হতে তা বাদ দিবেন।
১,০৭২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XLI, Rule 12A অনুযায়ী আপীল পুনজ্জীবিত করার আদেশ প্রত্যেক পক্ষের অনুকুলে সর্বোচ্চ কয়টি মঞ্জুর করা হয়?
  1. ১টি;
  2. ২টি;
  3. ৩টি;
  4. ৬টি;
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   •আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   •প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
♦একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি। কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন ।
♦কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
♦অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
১,০৭৩.
ঢাকা জেলার একটি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি চট্টগ্রাম জেলায় কার্যকর করার জন্য প্রেরণ করা হলে, ডিক্রিটি কোথায় পাঠাতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে পাঠাতে হবে।
  2. চট্টগ্রাম জেলা আদালতে পাঠাতে হবে।
  3. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে পাঠাতে হবে।
  4. চট্টগ্রামের নির্দিষ্ট জারিকারী আদালতে সরাসরি পাঠাতে হবে।
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৫ অনুসারে, যখন ডিক্রি কার্যকর করার জন্য ভিন্ন জেলার আদালতে প্রেরণ করতে হয় (যেমন: ঢাকা জেলা থেকে চট্টগ্রাম জেলায়), তখন ডিক্রিদানকারী আদালত (ঢাকা) ডিক্রিটি সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা আদালতে (চট্টগ্রাম জেলা আদালত) প্রেরণ করবে।
বিধিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে:
- একই জেলায় অবস্থিত হলে → সরাসরি কার্যকরকারী আদালতে প্রেরণ। 
- ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে → সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতের মাধ্যমে প্রেরণ। 
অতএব, চট্টগ্রাম জেলার নির্দিষ্ট কার্যকরকারী আদালতে সরাসরি পাঠানো হবে না; বরং চট্টগ্রাম জেলা আদালতের মাধ্যমে প্রেরণ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৫: স্থানান্তরের পদ্ধতি (Mode of transfer): ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয় তবে ডিক্রি সরাসরি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন কিন্তু ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত তা সেই জেলার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-21 Rule-5.-Mode of transfer:
- Where the Court to which a decree is to be sent for execution is situate within the same district as the Court which passed such decree, such Court shall send the same directly to the former Court. But, where the Court to which the decree is to be sent for execution is situate in a different district, the Court which passed it shall send it to the District Court of the district in which the decree is to be executed. 

১,০৭৪.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার ক্ষেত্রে আদালত কোন সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিলে বা আদেশ অমান্যকারীকে দেওয়ানী কারাগারে আটকের আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার-
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. আদেশ বাতিলের আবেদন
ব্যাখ্যা
♦৩৯ আদেশের ১ এবং ২ বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন মঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান করে প্রদত্ত কোন আদেশ হলো আপীলযোগ্য আদেশ। তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

♦৩৯ আদেশের ২(৪) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করা হতে বিরত রাখার জন্য আদালত সম্পত্তি ক্রোকের কোন আদেশ দিলে বা অমান্যকারীকে দেওয়ানী কারাগারে আটক আদেশ দিলে, তাহলো আপীলযোগ্য আদেশ। তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।

♦৩৯ আদেশের ৪ বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ পরিবর্তন বা বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপীল করতে পারে।

♦৩৯ আদেশের ১০ বিধির অধীন অর্থ জমাদানের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
১,০৭৫.
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোন ভুল হলে আদালত তা সংশোধন করতে পারে-
  1. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  2. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
  3. ডিক্রি জারির পূর্বে
  4. যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
১,০৭৬.
আদালত কখন বিচার্য বিষয় সংশোধন করতে পারে?
  1. মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পর
  2. মামলার আপিল চলাকালীন
  3. বাদী ও বিবাদীর সম্মতির ভিত্তিতে
  4. ডিক্রি প্রদান করার পূর্বে যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-৫: বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা:
১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে।

২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।
১,০৭৭.
বিবাদি তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে-
  1. মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয়
  2. বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য
  3. ক বা খ
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি ২-
বিবাদি তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে, মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয় অথবা বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের ঐ সমস্ত হেতু উত্থাপন করবেন, যা উত্থাপন না করলে অপর পক্ষ বিস্মিত হত কিংবা আরজিতে উল্লেখ করা হয়নি এরূপ বিষয়াবলী উপস্থাপন করবেন যথা- তক্ষকতা, তামাদি, মুক্তি, পরিশোধ, কার্য সম্পাদন কিংবা আইনবিরুদ্ধ প্রমাণকারী তথ্যসমূহ।

[The defendant must raise by his pleading all matters which show the suit not to be maintainable or that transaction is either void for voidable in point of law and all such grounds of defence as if not raised, would be likely to take the opposite party by surprise or would raise issues of fact not arising out of the plaint as for instance, fraud, limitation, release, payment, performance, or facts showing illegality.]
১,০৭৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে কার লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. অ্যাটর্নি জেনারেলের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৯১ ধারা: গণ-উৎপাত:

অ্যাটর্নি জেনারেল বা অ্যাটর্নি জেনারেলের দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন। বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

Section: 91- Public nuisances:
(1) In the case of a public nuisance the Attorney General, or two or more persons having obtained the consent in writing of the Attorney General, may institute a suit, though no special damage has been caused, for a declaration and injunction or for such other relief as may be appropriate to the circumstances of the case.

(2) Nothing in this section shall be deemed to limit or otherwise affect any right of suit which may exist independently of its provisions.
১,০৭৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৮ ধারা অনুযায়ী, যদি মোকদ্দমার সময় আদালতের এখতিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে এবং এতে ন্যায় বিচার ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত কোন পক্ষ আপত্তি উত্থাপন করলে কী করতে পারে?
  1. মামলা বাতিল করতে পারে
  2. আপত্তি মঞ্জুর করতে পারে
  3. মামলাটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে
  4. নতুন আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান (Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain): স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।
→ আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।

→ আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে, মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮ ধারাতে-
১) কোন স্থাবর সম্পত্তি যখন দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তার অভিযোগ থাকলে এরূপ আদালতের মধ্যে যে কোন একটি আদালত যদি সন্তুষ্ট হয়ে মনে করে যে, এরূপ অনিশ্চয়তার ন্যায়সংগত কারণ রয়েছে তাহলে তদমর্মে একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করে ঐ সম্পত্তির ব্যাপারে যে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ ও বিচার করতে পারবে এবং এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির ঐরূপ কার্যকারিতা থাকবে, যে-রূপ এই আদালতের নিজস্ব এখতিয়ারে স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত হলে কার্যকারিতা থাকত:
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও দাবির মূল্য এরূপ হতে হবে যার সম্পর্কে আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়।

২) যেখানে (১) উপধারা অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ডকৃত করা হয়নি এবং আপিল অথবা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, যে স্থানে সম্পত্তিটি অবস্থিত, সে স্থানে কোন প্রকার ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করার এখতিয়ার আদালতের নেই, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতের এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ ছিল এবং এর কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে; তাহলে আপত্তিটি গ্রাহ্য হবে।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 

(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
১,০৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী, মোকদ্দমার কোন পক্ষ স্বীকারোক্তি (Admission) দিতে পারে?
  1. শুধু বাদী পক্ষ
  2. শুধু বিবাদী পক্ষ
  3. মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ
  4. মোকদ্দমার বাদী পক্ষের সাক্ষী
ব্যাখ্যা
উত্তর: মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি (Admission) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি অপর পক্ষের দাবির সত্যতা সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে স্বীকার করেন, তবে এটি আদালতকে ৩ ভাবে জানানো যেতে পারে।
এই তিনটি উপায় হলো:
১) আরজি বা লিখিত জবাবের মাধ্যমে লিখিত স্বীকৃতি প্রদান করা।
২) সম্মতি দ্বারা স্বীকৃতির মাধ্যমে।
৩) নোটিশ দ্বারা স্বীকৃতি প্রদান করা।
 
⇒ আদেশ ১২, বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে অথবা অন্য লিখিত উপায়ে অপর পক্ষের দাবির সামগ্রিক বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করে নোটিশ প্রদান করতে পারেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.
১,০৮১.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে মৌখিক আবেদনের মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. যেকোনো ধরনের ডিক্রি ক্ষেত্রে
  2. সম্পত্তি বিক্রয়ের ডিক্রি ক্ষেত্রে
  3. রিসিভার নিয়োগের ডিক্রি ক্ষেত্রে
  4. অর্থ প্রদানের ডিক্রি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২১, বিধি-১১ (১) (Order XXI, Rule 11(1)) অনুযায়ী, যদি ডিক্রিটি অর্থ প্রদানের জন্য হয়ে থাকে এবং ডিক্রি ঘোষণার সময় দায়িক (judgment-debtor) আদালতের চত্বরে উপস্থিত থাকে, তাহলে ডিক্রিদার মৌখিকভাবে আদালতের নিকট আবেদন করতে পারেন, যেন তৎক্ষণাৎ দায়িককে গ্রেফতার করে ডিক্রি কার্যকর করা হয়, এমনকি ওয়ারেন্ট প্রস্তুত হবার আগেই।
- এটি শুধুমাত্র "অর্থ প্রদানের ডিক্রি" ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

⇒ অর্থাৎ, অর্থ প্রদানের ডিক্রির ক্ষেত্রেই কেবল মৌখিক আবেদনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক কার্যকর করার সুযোগ রয়েছে, অন্য কোনো ধরনের ডিক্রির ক্ষেত্রে নয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-11. Oral application:
(1) Where a decree is for the payment of money the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant if he is within the precincts of the Court.
১,০৮২.
The jurisdiction of a Senior Assistant Judge and an Assistant Judge shall extend to all suits of which the value does not exceed _______ lac Taka and ________ lac Taka respectively.
  1. 20 , 5
  2. 25 , 15
  3. 20 , 10
  4. 25 , 5
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act,1887: Section 19-Extent of jurisdiction of Senior Assistant Judge, etc:
(1) Save as otherwise provided by any enactment for the time being in force, the jurisdiction of a Senior Assistant Judge and an Assistant Judge shall extend to all suits of which the value does not exceed 25 (twenty five) lac Taka and 15 (fifteen) lac Taka respectively.

(2) The District Judge shall transfer the suit or proceeding pending before the Joint District Judge Court or the Senior Assistant Judge Court to the competent court within 90 (ninety) days from the date of enforcement of the Civil Courts (Amendment) Act, 2021.

(3) If any suit or proceeding is transferred under sub-section (2), the suit or proceeding shall start from the stage at which it was transferred.

• The Civil Courts Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালত সমূহের আর্থিক এখতিয়ার-
⇒ সহকারী জজ আদালত (The Court of Assistant Judge) = ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত;
⇒ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত (The Court of Senior Assistant Judge) = ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত;
⇒ যুগ্ম জেলা জজ আদালত (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ টাকার উপরে।
১,০৮৩.
একটি দেওয়ানি মোকদ্দমার সমন বিনা জারিতে ফেরত আসার ৩০ দিনের মধ্যে বাদী নতুন করে সমন পাঠানোর পদক্ষেপ না নিলে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিবে?
  1. বাদীকে নোটিশ দেবে
  2. মোকদ্দমাটি স্থগিত করে রাখবে
  3. মোকদ্দমাটি খারিজ করার আদেশ দেবে
  4. বাদীকে আদালতে হাজির হবার জন্য সমন পাঠাবে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯, বিধি-৫:
(১) বিবাদীকে কিংবা কতিপয় বিবাদীর কোনো একজনের প্রতি সমন দেওয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারির বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেওয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেওয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দেবে। তবে, যদি উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদী নিম্নলিখিত যে কোনো কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—
ক) যে বিবাদীর উপর সমন জারি হয়নি, বাদী যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও সেই বিবাদীর ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদী পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলছেন; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কোনো যৌক্তিক কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নতুন সমন দেওয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

(২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।

১,০৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ অনুযায়ী Mesne Profits কী?
  1. ইজারা থেকে প্রাপ্ত মুনাফা
  2. সম্পত্তির উন্নয়নজনিত মুনাফা
  3. সরকারি রাজস্ব থেকে প্রাপ্ত মুনাফা
  4. অবৈধ অধিকারে আয়কৃত মুনাফা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১২) অনুসারে, "মধ্যবর্তী মুনাফা" (Mesne Profits) বলতে এমন সম্পত্তির লাভকে বোঝায় যা অবৈধভাবে (wrongful possession) দখলে থাকা ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে প্রাপ্ত করেছে বা সাধারণ পরিশ্রম (ordinary diligence) করে প্রাপ্ত করতে পারত, সেইসাথে এই লাভের উপর সুদ সহ। তবে, এতে অবৈধ দখলকারীর দ্বারা করা উন্নয়নজনিত (improvements) লাভ অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি সাধারণত অবৈধ দখলকারীকে সম্পত্তির মালিকের কাছে লাভ ফেরত দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২(১২) ধারা অনুসারে, বেআইনিভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনিভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।
ব্যতিক্রম: বেআইনিভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না ।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section 2(12)- "mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession. 

১,০৮৫.
আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুযায়ী- চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরের নিচে নামলে, শুনানির জন্য আদালত নতুন মোকদ্দমা কীভাবে নির্ধারণ করবে?
  1. প্রমাণের ভিত্তিতে
  2. আইনজীবীর পরামর্শে
  3. আবেদনকারীর পছন্দ অনুযায়ী
  4. দাখিল করা তারিখের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি ২০:
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।

Order-18 Rule-20: Fixation of suits in the daily cause list, etc:
The court shall not fix more than five suits including two part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage, and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
১,০৮৬.
কোনো দেওয়ানি মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে এবং অনুরূপ আদালতসমূহ একই আপিল আদালতের অধীন হলে, কোন আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে হয়?
  1. উক্ত আপিল আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. বিচারিক আদালতে
  4. যেকোনো মোকদ্দমা দায়েরযোগ্য আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ কোন মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে, তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) অপর একটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে।

• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

Sec.-23: To what Court application lies-
1) Where the several Courts having jurisdiction are subordinate to the same Appellate Court, an application under section 22 shall be made to the Appellate Court.
2) Where such Courts are subordinate to different Appellate Courts the application shall be made to the High Court Division.
১,০৮৭.
নিঃস্ব ব্যক্তির আপিলের ক্ষেত্রে নিঃস্বতা সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা কার?
  1. শুধু ট্রায়াল কোর্ট
  2. শুধু আপিল আদালত
  3. শুধুমাত্র ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  4. আপিল আদালত বা ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৪ বিধি-২: নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত:
আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সেই আদালত তদন্ত করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।

১,০৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-৭ অনুসারে, রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশের বিরুদ্ধে কী করা যায়?
  1. আপিল দাখিল করা যায়
  2. রিভিশন দাখিল করা যায়
  3. নতুন রিভিউ আবেদন করা যায়
  4. কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যায় না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার ৪৭, বিধি ৭ এর বিধান অনুসারে, রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপিলযোগ্য নয়, তবে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি এর বিরুদ্ধে রিভিশন দাখিল করতে পারেন। এর বিপরীতে, যদি রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা হয়, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করা যায়।
- ৪৭ আদেশ ৪ বিধি এর বিধান যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র অগ্রাহ্য হয়: আদালত যদি মনে করেন রিভিউ এর যথেষ্ট কারণ আছে তাহলে তা মঞ্জুর করতে এবং যদি মনে করেন যথেষ্ট কারণ নেই তাহলে তা না-মঞ্জুর করতে পারেন।
- ৪৭ আদেশ ৭ বিধি এর বিধান প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপিলযোগ্য নয় ; আবেদন মঞ্জুর করার আদেশে আপত্তি: রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে তবে রিভিউ আবেদন না মঞ্জুর করলে রিভিশন চলবে।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৫ এর অধীনে, কোনো আদালতের আদেশে যদি এখতিয়ারের অপব্যবহার বা আইনগত ভ্রান্তি থাকে, তবে উচ্চতর আদালতে রিভিশন দাখিল করা যায়। রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে, যদি আবেদনকারী মনে করেন যে আদালত ভুলভাবে আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে বা বিধি ১ বা বিধি ৪ এর শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও প্রত্যাখ্যান করেছে, তবে তারা রিভিশনের মাধ্যমে উচ্চতর আদালতে (যেমন, হাইকোর্ট বিভাগ) এর প্রতিকার চাইতে পারেন।

- রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ: রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না। তবে, সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৫ এর অধীনে উচ্চতর আদালতে রিভিশন দাখিল করতে পারেন, যদি তারা প্রমাণ করতে পারেন যে আদালতের আদেশে আইনগত ভ্রান্তি বা এখতিয়ারের অপব্যবহার হয়েছে।
- রিভিউ আবেদন মঞ্জুরের আদেশ: যদি রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা হয়, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করা যায়, বিশেষ করে যদি আবেদন মঞ্জুর অর্ডার ৪৭, বিধি ১ বা বিধি ৪ এর বিধান লঙ্ঘন করে দেওয়া হয়। এই আপিল সাধারণত উচ্চতর আদালতে দাখিল করা হয়, যেখানে সংশ্লিষ্ট আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।
১,০৮৯.
সাক্ষী সমন অমান্য করলে কি ব্যবস্থা নেয়া যাবে?
  1. শুধুমাত্র গ্রেফতারি পরোয়ানা 
  2. গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং ক্রোকাদেশ
  3. শুধুমাত্র ক্রোকাদেশ
  4. শুধুমাত্র জরিমানা
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ১৬ বিধি-১০ মোতাবেক সাক্ষী সমন অমান্য করলে:

ক) আদালত উক্ত সাক্ষীর প্রতি হুলিয়া জারি করতে পারবেন। হুলিয়ার একটি কপি তার বাসগৃহে বা প্রকাশ্য স্থানে ঝুলিয়ে দিতে হবে।

খ) গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং আদালত চাইলে সম্পত্তি ক্রোকাদেশ দিতে পারেন।

♦তবে স্বল্প এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত স্থাবর সম্পত্তি  ক্রোকের কোন আদেশ দিতে পারবেন না।
১,০৯০.
শুনানীর দিন বাদী ক” আদালতে হাজির হতে পারিনি। আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দিয়েছে। এই ক্ষেত্রে বাদী নিম্ম লিখিত কোন পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  2. আপীল করতে পারে
  3. খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করতে পারবে
  4. রিভিউ আবেদন করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৮ নং বিধিমতে শুনানির দিন বাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মামলা খারিজের আদেশ প্রদান করলে, বাদী উক্ত বিষয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করতে পারবে না।
♦খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার- শুনানির দিন বাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মামলা খারিজের আদেশ প্রদান করলে, বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে ২ ধরনের প্রতিকার পেতে পারে। যথা-
i) খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল; অথবা ii) সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল ।
i) আদেশ-৯, বিধি-৯: খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Set-aside dismissal)- শুনানির দিন বাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মামলা খারিজের আদেশ প্রদান করলে বাদী ৯ নং আদেশের ৯ নং বিধিমতে মোকদ্দমা শ্রবণের সন্তোষজনক কারণ দর্শাতে পারলে উক্ত খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারবে।
♦ii) আদেশ-৯, বিধি-৯ক: সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Directly setting-aside dismissal )- বিলম্ব এড়ানো ও বিচার তরান্বিত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৯ক বিধিমতে বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে সরাসরি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে পারবে, তবে শর্ত-
 খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
 অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে। সরাসরি খারিজ রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
♦অর্থাৎ যেক্ষেত্রে বাদী হাজির হয়না সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দিলে উক্ত বাদী নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না কিন্তু বাদী খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন রুজু করতে পারবে।
১,০৯১.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গ করা হলে ভঙ্গকারীকে সর্বোচ্চ কতদিন Civil prison এ রাখার আদেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ বিধি ২ অনুযায়ী 
⇒ যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য  ( Civil prison ) দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।
⇒ চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে। 
⇒ এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। 
-----------------------
CPC-Order-39 Rule-2.Injunction to restrain repetition or continuance of breach:
(1) In any suit for restraining the defendant from committing a breach of contract or other injury of any kind, whether compensation is claimed in the suit or not, the plaintiff may, at any time after the commencement of the suit, and either before or after judgment, apply to the Court for a temporary injunction to restrain the defendant from committing the breach of contract or injury complained of, or any breach of contract or injury of a like kind arising out of the same contract or relating to the same property or right.
(2) The Court may by order grant such injunction, on such terms, as to the duration of the injunction, keeping an account, giving security or otherwise, as the Court thinks fit.
(3) In case of disobedience, or of breach of any such terms, the Court granting an injunction may order the property of the person guilty of such disobedience or breach to be attached, and may also order such person to be detained in the civil prison for a term not exceeding six months, unless in the meantime the Court directs his release.
(4) No attachment under this rule shall remain in force for more than one year, at the end of which time, if the disobedience or breach continues, the property attached may be sold, and out of the proceeds the Court may award such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance, if any, to the party entitled thereto.
১,০৯২.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে, আদালত কি কি আদেশ দিতে পারে?
  1. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও ৬ মাসের জেল
  2. ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা
  3. সম্পত্তি ক্রোক ও ৬ মাসের দেওয়ানী জেল
  4. ৬ মাসের দেওয়ানী জেল
ব্যাখ্যা
• অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করা যায় এবং নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করলে, আদালত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারে এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের দেওয়ানী কারাবাসে আটকের আদেশ দিতে পারে অথবা উভয়।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
১,০৯৩.
ধারা ১১৫(৪) অনুসারে পুনর্বিবেচনার (revision) আবেদনের জন্য কী প্রয়োজন?
  1. জেলা জজ আদালতের অনুমতি
  2. হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি
  3. পক্ষদ্বয়ের সম্মতি
  4. আবেদনকারীর খরচ পরিশোধ করে
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১৫(৪):
জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ, যথাযথ ক্ষেত্রে, উপ-ধারা (২) বা (৩)-এর অধীনে প্রদত্ত আদেশের পুনর্বিবেচনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করা যাবে। তবে, হাইকোর্ট বিভাগ পুনর্বিবেচনার অনুমতি দেবে যদি এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নের ভুলের কারণে ভ্রান্তিপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যা ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার কারণ হয়। হাইকোর্ট বিভাগ মামলা বা কার্যক্রমে যে আদেশ উপযুক্ত মনে করবে তা প্রদান করতে পারে।

⇒ Section 115(4)- An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit.

১,০৯৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর Order XXXVIII এর বিধান কী?
  1. রিসিভার নিয়োগ
  2. কমিশন নিয়োগ
  3. ট্রাস্টি কর্তৃক মামলা
  4. রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক ও আটক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৮ এর বিধান হলো রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক ও আটক করা।
⇒ অনেক সময় রায় প্রদানের পূর্বেই বিবাদীকে গ্রেফতার করার প্রয়োজন হতে পারে এবং সম্পত্তি ক্রোক করার প্রয়োজন হতে পারে যেন বাদীর প্রতিকারে কোন বিলম্ব না হয়।
⇒  আদেশ ৩৮ অনুযায়ী ২ ধরনের আদেশ হতে পারে-
১) রায়ের পূর্বে গ্রেফতার,
২) রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক।
১,০৯৫.
সুপ্রীমকোর্টের 'রুল মেকিং পাওয়ার' সম্পর্কে দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিধান আছে?
  1. ১২১
  2. ১২২
  3. ১২৩
  4. ১২৬
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১২২ অনুসারে- দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট তার নিজের ও অধঃস্তন আদালতের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে রুল তৈরি, সংযোজন, পরিবর্তন ও বাতিল করতে পারেন।
১,০৯৬.
হাইকোর্ট বিভাগে আপিলে প্রদত্ত ডিক্রি কোন আদালত জারি করেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা আদালত
  3. ডিক্রী প্রদানকারী আদালত
  4. মামলার বিষয়বস্তু যে আদালতের সীমানায় ঐ আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৩৮ এর বিধান যে আদালত কর্তৃক ডিক্রি জারি করা যায়: যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, ঐ আদালত বা যে আদালতে তা জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, ঐ আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে।

⇒ জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।

⇒ ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।

⇒ ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে (all questions arising between the parties to the suit, relating to execution, discharge or satisfaction of the decree have to be decided by the executing court)।

⇒ An executing court can't modify the terms of the decree.
⇒ Executing court cannot question the legality, correctness or validity of the decree.
⇒  Executing court cannot go into the question whether decree has been obtained by fraud.
১,০৯৭.
নিম্ন বর্ণিত কোন বিষয়টি নির্ধারণের জন্য আরজিতে দেওয়ানী মামলার মূল্যমান দেখানো হয়?
  1. আদালতের এখতিয়ার
  2. প্রসেস ফি
  3. কোর্ট ফী
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
♦ আরজিতে কোন কোন বিষয় উল্লেখ করতে হবে তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং অর্ডারের ১ নং বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে। দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার নির্ধারন করার জন্য আরজিতে দেওয়ানী মামলার মূল্যমান দেখানো হয়। যেমন, যদি আরজিতে উল্লেখ করা হয়, মোকদ্দমার মূল্যমান ৫লক্ষ টাকা, তাহলে  সহকারী জজের নিকট মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। তাছাড়া কোর্ট ফী নির্ধারণের জন্যও আরজিতে দেওয়ানী মামলার মূল্যমান দেখানো হয়। 
১,০৯৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১২৩ ধারা অনুযায়ী, বিধি কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের কতজন বিচারপতি অন্তর্ভুক্ত থাকেন?
  1. ১ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ২ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১২৩ ধারা অনুযায়ী, বিধি কমিটি গঠিত হবে ৬ সদস্যের, ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, ২ জন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, ১ জন হাইকোর্টের অধস্তন দেওয়ানী আদালতের বিচারক। সদস্যদের নিয়োগ দিবেন প্রধান বিচারপতি।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১২৩ ধারায় বিধি কমিটি গঠনের নিয়ম ও কাঠামো:
এই কমিটিকে "বিধি কমিটি" বলা হয়। এটি ১২২ ধারায় উল্লিখিত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য গঠিত হয়।
কমিটিতে থাকে:
- ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি (তাদের একজন অন্তত ৩ বছর জেলা জজ ছিলেন)।
- ২ জন অ্যাডভোকেট (যারা সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন)।
- ১ জন দেওয়ানি আদালতের বিচারক (যিনি হাইকোর্ট ডিভিশনের অধীনস্থ)।
প্রধান বিচারপতির ভূমিকা:
সদস্যদের নিয়োগ করেন প্রধান বিচারপতি।
তিনি একজনকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করেন।
প্রধান বিচারপতি নিজে সদস্য হতে চাইলে, অন্য বিচারকদের সংখ্যা কমে দুজন হয় এবং তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
সদস্যদের মেয়াদ নির্ধারণ করেন প্রধান বিচারপতি।
কোনো সদস্য অবসর, মৃত্যু বা অক্ষম হলে, তার স্থানে নতুন সদস্য নিয়োগ করেন প্রধান বিচারপতি।
কমিটির জন্য একজন সচিব নিয়োগ করেন প্রধান বিচারপতি।
-------------------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908 Section-123: Constitution of Rule Committees:
(1) A Committee, to be called the Rule Committee, shall be constituted 90[for the purpose] referred to in section 122. 
(2) Such Committee shall consist of the following persons, namely:- 
(a) three Judges of the Supreme Court, one of whom at least has served as a District Judge for three years; 
(b) two advocates parctising in that Court; and 
(c) a Judge of a Civil Court subordinate to the High Court Division.
(3) The members of  such Committee shall be appointed by the Chief Justice, who shall also nominate one of their number to be president: 
Provided that, if the Chief Justice elects to be himself a member of the Committee, the number of other Judges appointed to be members shall be two, and the Chief Justice shall be the President of the Committee. 
(4) Each member of such committee shall hold office for such period as may be prescribed by the Chief Justice in this behalf; and whenever any member retires, resigns, dies or becomes incapable of acting as a member of the Committee, the said Chief Justice may appoint another person to be a member in his stead. 
(5) There shall be a Secretary to such Committee, who shall be appointed by the Chief Justice and shall receive such remuneration as may be provided in this behalf by the Government.
১,০৯৯.
বাদীর দরখাস্তের ভিত্তিতে বিবাদীর বরাবরে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রচার করা হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় যে, বাদী অপর্যাপ্ত কারণে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করেছেন। এমতাবস্থায় আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (compensatory cost) প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৫: অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক বা নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে ক্ষতিপূরণ:

১) কোন মোকদ্দমায় পূর্ববর্তী ধারা অনুসারে গ্রেফতার, ক্রোক কিংবা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলে সেক্ষেত্রে-

ক) যদি আদালতের নিকট বোধগম্য হয় যে, অনুরূপ গ্রেফতার, ক্রোক অথবা নিষেধাজ্ঞা অপর্যাপ্ত কারণে প্রয়োগ করা হয়েছে; অথবা

খ) যদি বাদিপক্ষ মোকদ্দমায় ব্যর্থ হয়, এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, মোকদ্দমা দায়ের করার কোন যুক্তিসঙ্গত বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না- তবে বিবাদি আদালতের নিকট আবেদন করতে পারে এবং আদালত ঐরূপ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিবাদির ব্যয় ও ক্ষতিপূরণের জন্য বাদির বিরুদ্ধে অনধিক (দশ হাজার] টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেনঃ
তবে শর্ত এই যে, এই ধারানুযায়ী আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের অধিক পরিমাণের টাকা প্রদানের নির্দেশ দিবে না।

২) অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে কোন আদেশ প্রদান করা হলে তা এরূপ গ্রেফতার, ক্রোক বা ইনজাংশনের দরুন ক্ষতিপূরণের জন্য আর কোন মোকদ্দমা চলবে না।
১,১০০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০ অনুযায়ী, আরজি ফেরত দেওয়ার সময় আদালত কোন তথ্য অবশ্যই উল্লেখ করবে?
  1. আরজির সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  2. মামলার সংক্ষিপ্ত ফলাফল ও উক্ত আদালতে নাম
  3. মামলার এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের নাম
  4. আরজি ফেরত দেওয়ার কারণ, দাখিলকারীর নাম, এবং তারিখ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১০ অনুযায়ী, আরজি ফেরত দেওয়ার সময় আদালত আরজি ফেরত দেওয়ার কারণ, দাখিলকারীর নাম, এবং তারিখ অবশ্যই উল্লেখ করে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিখবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০ অনুযায়ী, এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
- আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।

⇒দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০- যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।
(২) যখন আরজি ফেরত দেওয়া হয়, বিচারক তার ওপর আরজির দাখিলের এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, দাখিলকারী পক্ষের নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিখবেন।

- আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩নং আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-7, Rule-10. Return of plaint:
(1) The plaint shall at any stage of the suit be returned to be presented to the Court in which the suit should have been instituted.
-(2) Procedure on returning plaint: On returning a plaint the Judge shall endorse thereon the date of its presentation and return, the name of the party presenting it, and a brief statement of the reasons for returning it.