বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

মোট প্রশ্ন৯৩৬এই পাতা৩২প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

PrepBank · পাতা ১০ / ১০ · ৯০১৯৩২ / ৯৩৬

৯০১.
বিচারকদের চাকুরীর বয়স ৬৭ বছরের বিষয়টি সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৯৬(১)
  2. ৯৬(২)
  3. ৯৬(৩)
  4. ৯৬(৪)
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ:

- অনুচ্ছেদ ৯৬ অনুযায়ী  বিচারকদের পদের মেয়াদের কথা বলা হয়েছে।
- ৯৬ (১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
- ৯৬ (২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।
- ৯৬ (৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।
- ৯৬ (৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৯০২.
সংবিধান অনুযায়ী 'আমার সোনার বাংলা'র কত চরণ জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত?
  1. প্রথম ৪ চরণ
  2. প্রথম ৮ চরণ
  3. প্রথম ১০ চরণ
  4. সম্পূর্ণটি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

অনুচ্ছেদ - ০৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক 
১. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা"র প্রথম দশ চরণ।
২. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
৩. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
৪. উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৯০৩.
সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদের কত সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন?
  1. এক-তৃতীয়াংশ
  2. অর্ধেক
  3. দুই-তৃতীয়াংশ
  4. তিন-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
শাসনতন্ত্র সংশোধনীর বিধান:
- শাসনতন্ত্রের যে কোনো ধারা সংশোধন বা রদ করার জন্য পার্লামেন্টর দুই-তৃতীয়াংশের সম্মতিসূচক প্রস্তাব বা ভোট গ্রহণের বিধান সংবিধানে রয়েছে।
- তাছাড়া যুদ্ধ ঘোষণা বা অংশগ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের সম্মতি প্রয়োজন।
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। 
- সংবিধানের কোনো বিধান পরিবর্তন, সংযোজন, প্রতিস্থাপন বা রহিত করার জন্য সংসদ আইন প্রণয়ন করতে পারে।

সংবিধান সংশোধনের শর্ত:
- সংশোধনী বিলের শিরোনামে স্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে যে এটি সংবিধানের কোনো বিধান সংশোধনের উদ্দেশ্যে।
- সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে বিলটি পাস না হলে, তা রাষ্ট্রপতির অনুমতির জন্য পাঠানো যাবে না।
- রাষ্ট্রপতির কাছে বিল পাঠানোর পর তিনি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দিতে হবে; যদি তা না করেন, ৭ দিন পর বিলটি অনুমোদিত বলে গণ্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
৯০৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে ‘নির্ভরযোগ্য বাংলা পাঠ এবং অনুমোদিত ইংরেজি পাঠের মধ্যে বাংলা পাঠই প্রাধান্য পাবে’?
  1. ১৫৩ নং
  2. ১৫২ নং 
  3. ১৫১ নং 
  4. ১৫০ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।

⇒ সংবিধানের ১৫৩ নং অনুচ্ছেদ: প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ
- ১৫৩ (১) এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলে উল্লেখ করা হবে এবং ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখে এটি বলবৎ হবে, যাকে এই সংবিধানে "সংবিধান-প্রবর্তন" বলে অভিহিত করা হয়েছে।

 - ১৫৩ (২) বাংলায় এই সংবিধানের একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ ও ইংরাজীতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য অনুমোদিত পাঠ থাকবে এবং উভয় পাঠ নির্ভরযোগ্য বলে গণপরিষদের স্পীকার সার্টিফিকেট প্রদান করবেন।

 - ১৫৩ (৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা-অনুযায়ী সার্টিফিকেটযুক্ত কোন পাঠ এই সংবিধানের বিধানাবলীর চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে;  তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরাজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯০৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অধ্যায় ‘বাংলাদেশের কর্মবিভাগ’ সম্পর্কিত?
  1. দশম
  2. নবম 
  3. অষ্টম 
  4. সপ্তম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
- চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায়  - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
- দশম অধ্যায়  - সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়  - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯০৬.
'বাংলাদেশের নামে মামলা' করা যাবে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে?
  1. অনুচ্ছেদ-১৪৬
  2. অনুচ্ছেদ-১৪৮
  3. অনুচ্ছেদ-১৫০
  4. অনুচ্ছেদ-১৫২
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা
- 'বাংলাদেশ'-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে। 

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ-১৫২: ব্যাখ্যা,
- অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ,
- অনুচ্ছেদ-১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী,

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯০৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ দ্বারা 'বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)' প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ১৩৯ নং
  2. ১৩৭ নং
  3. ১৩৮ নং
  4. ১৪০ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি):
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ দ্বারা 'বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)' প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।

উল্লেখ্য,
⇒ সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪০ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪১ নং অনুচ্ছেদদে সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
৯০৮.
বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকের 'চলাফেরার স্বাধীনতার' অধিকার কোন অনুচ্ছেদের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ৩৮ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩৬ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৩৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ- সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, ইহার যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।

অন্যদিকে,
- ৩৪ অনুচ্ছেদ: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
-  ৩৭ অনুচ্ছেদ: সমাবেশের স্বাধীনতা।
- ৩৮ অনুচ্ছেদ: সংগঠনের স্বাধীনতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯০৯.
সংবিধানের কোন ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন?
  1. ১৫০ ধারা
  2. ১৩৫ ধারা
  3. ১৪০ ধারা
  4. ১৪১(ক)(১) ধারা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা:
- সাধারণত জরুরি অবস্থা রাজনৈতিক উত্তেজনা বা সরকারের অস্থিরতার কারণে জারি হয়।
- সংবিধানের ১৪১(ক)(১) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হন যে দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তবে তিনি অধিক ১২০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- বাংলাদেশে মোট পাঁচবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
- সময়কাল ও শাসক:
• ১৯৭৪: খাদ্য সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতা।
• ১৯৮১: রাজনৈতিক উত্তেজনা।
• ১৯৮৭:  সরকারবিরোধী আন্দোলন।
• ১৯৯০: রাজনৈতিক অস্থিরতা।
• ২০০৭: সামরিক হস্তক্ষেপ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রপতি হলো দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সাংবিধানিকভাবে সর্বোচ্চ পদ অধিকারী।
- বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদ কর্তৃক নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতির প্রধান দায়িত্ব হলো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং সংবিধান অনুযায়ী কাজ করা।
- তিনি প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী, অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারক, রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারদের নিয়োগ দেন।
- সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদ কর্তৃক নির্বাচিত হন। 
 
উৎস: 
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি;
Laws of Bangladesh.

৯১০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৮
  2. অনুচ্ছেদ ১১৯
  3. অনুচ্ছেদ ১২০
  4. অনুচ্ছেদ ১২১
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১১৯ - নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- অনুচ্ছেদ ১২১ - প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ ১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৩ - নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
- অনুচ্ছেদ ১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৫ - নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৬ - নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৯১১.
'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানে যুক্ত হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. প্রথম সংশোধনী
  2. চতুর্থ সংশোধনী
  3. ২য় সংশোধনী
  4. ষষ্ঠ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় সংশোধনী:
- ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সংশোধনীটি গৃহীত হয়।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯১২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ক্ষুদ্র জাতিসত্তা এবং নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ
  2. ২১নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৩(ক) নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৫নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধান:

অনুচ্ছেদ ২৩ক: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি:

রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ  ১৮ক: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২১: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯১৩.
"প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ" বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-
  1. ৫নং
  2. ৬নং
  3. ৭নং 
  4. ৮নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭ (১) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ৭ (২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
- সংবিধানের ৭ক নং অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ বিষয়ে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য বিষয়ে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ৫ নং অনুচ্ছেদ: রাজধানী সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৬ নং অনুচ্ছেদে নাগরিকের নাগরিকত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৮ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ বর্ণনা করা হয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯১৪.
”রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি” সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৪৯নং
  2. ৫২নং
  3. ৫১নং
  4. ৫৪নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৫১নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।

অন্যদিকে,
• সংবিধানের ৪৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
• সংবিধানের ৫০নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
• সংবিধানের ৫২নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- রাষ্ট্রপতির অভিশংসন।
• সংবিধানের ৫৩নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
• সংবিধানের ৫৪নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯১৫.
'বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে'- এটি উল্লেখ রয়েছে -
  1. ১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১ক নং অনুচ্ছেদে
  3. ১খ নং অনুচ্ছেদে
  4. ২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রজাতন্ত্রের প্রস্তাবনা:
- বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম ভাগে ১নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের উল্লেখ রয়েছে।
- এ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যা "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ" নামে পরিচিতি।
- বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনা ১টি।
- প্রস্তাবনার ভাগ ৫টি।

⇒ প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ:
১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা,
২. মূলনীতি গ্রহণ [জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা সংবিধানের মূলনীতি হবে],
৩. শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা,
৪. বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা [ঘোষণা],
৫ গণপরিষদে সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করার নিশ্চয়তা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯১৬.
’ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ৬টি বেঞ্চ স্থাপন করা হয়’ কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. নবম সংশোধনী
  2. অষ্টম সংশোধনী
  3. একাদশ সংশোধনী
  4. দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• অষ্টম সংশোধনী:
- অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এবং ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ৬টি বেঞ্চ স্থাপন করা হয়।
- একই সঙ্গে হাইকোর্টের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
- চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, কুমিল্লা, যশোর ও রংপুরে হাইকোর্ট বিভাগের একটি করে স্থায়ী বেঞ্চ রাখার ব্যবস্থা করা হয়।
- হাইকোর্ট বিকেন্দ্রীকরণের বিধানটি পরবর্তীতে সুপ্রীম কোর্ট এক রায়ে বাতিল করে দেয়।
- ১৯৮৮ সালের ৭ জুন অষ্টম সংশোধনী গৃহীত হয়।

অপরদিকে,
- নবম সংশোধনীর মাধ্যমে জনগণের সরাসরি ভোটে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়।
- দশম সংশোধনী মাধ্যমে নারী সংসদ সদস্যদের ৩০টি মহিলা আসন পুনরায় সংরক্ষণের বিধান করা হয়। 
- একাদশ সংশোধনী মাধ্যমে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন স্বপদে ফিরে আসে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৯১৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯১
  2. অনুচ্ছেদ ৯২
  3. অনুচ্ছেদ ৯৩
  4. অনুচ্ছেদ ৯৪
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৯১৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি হওয়ার যোগ্যতা উল্লেখ আছে?
  1. ৫১ নং
  2. ৬২ নং
  3. ৪৮ নং
  4. ৪২ নং
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ৪৮নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির কথা উল্লেখ রয়েছে।

• রাষ্ট্রপতি: 
- ৪৮(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবে।,
- যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।
- (২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন।
- (৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি- 
- (ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
- (খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য না হন; অথবা 
- (গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হতে অপসারিত থাকেন। 

এছাড়াও,
- ৪৮ নং:  রাষ্ট্রপতি;
- ৫১ নং রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- ৬২ নং: প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- ৪২ নং: সম্পত্তির অধিকার।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯১৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১২২
  2. অনুচ্ছেদ ১২৩
  3. অনুচ্ছেদ ১২৪
  4. অনুচ্ছেদ ১২৫
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:
- অনুচ্ছেদ ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- অনুচ্ছেদ ১২১ - প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ ১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৩ - নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
- অনুচ্ছেদ ১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৫ - নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৬ - নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।
- অনুচ্ছেদ ১২৭ - মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১২৮ - মহা-হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১২৯ - মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ১৩০ - অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৯২০.
সংবিধানে প্রস্তাবনার কোন ভাগে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)। 
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৯২১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কয় ধরনের মালিকানার নীতির বিধান আছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
ব্যাখ্যা
মালিকানা নীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানে তিন ধরনের মালিকানা নীতি স্বীকার করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই মালিকানাগুলো হলো:
১. রাষ্ট্রীয় মালিকানা
২. সমবায় মালিকানা
৩. ব্যক্তিগত মালিকানা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৩:
মালিকানার নীতি- “উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷”

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯২২.
'সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা'-বিষয়টি সংবিধান মতে-
  1. নৈতিক বিষয়
  2. মানবাধিকার
  3. মৌলিক অধিকার
  4. নিয়োগ ও কর্মের শর্ত
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগ (অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৭) মৌলিক অধিকারসমূহের বিষয়ে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করে। 

- এর মধ্যে অনুচ্ছেদ ২৯ নং অনুচ্ছেদ স্পষ্টভাবে ‘সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে।

- অনুচ্ছেদ ২৯(১): সকল নাগরিকের জন্য সরকারি নিয়োগ-লাভে সমান সুযোগ থাকবে।
- অনুচ্ছেদ ২৯(২): কোনো নাগরিককে ধর্ম, বর্ণ, জাতি, লিঙ্গ বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে সরকারি নিয়োগে অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না বা তার প্রতি বৈষম্য করা যাবে না।
- অনুচ্ছেদ ২৯(৩): এই অনুচ্ছেদে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ বিধান (যেমন: কোটা ব্যবস্থা) রাখার বিষয়ে উল্লেখ আছে, তবে এটি সাধারণ সমতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

অন্যদিকে,
• নৈতিক বিষয়:
-  সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা কোনো নৈতিক বিষয় নয়, বরং এটি সংবিধানে আইনগতভাবে সুরক্ষিত একটি অধিকার। 

• মানবাধিকার: 

- যদিও সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা মানবাধিকারের একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে (যেমন: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদে), বাংলাদেশের সংবিধানের প্রেক্ষাপটে এটি সুনির্দিষ্টভাবে মৌলিক অধিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত। 
- তাই ‘মানবাধিকার’ শব্দটি এখানে সঠিক নয়।

• নিয়োগ ও কর্মের শর্ত: 
- সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা নিয়োগ প্রক্রিয়ার একটি দিক হলেও, এটি কেবল নিয়োগ বা কর্মের শর্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
- এটি একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে সংবিধানে স্বীকৃত, যা নিয়োগের আগে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার সকল পর্যায়ে প্রযোজ্য।

সুতরাং 'সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা'-বিষয়টি সংবিধান মতে মৌলিক অধিকার।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯২৩.
What is the minimum age for becoming a voter in Bangladesh? 
  1. 16 years
  2. 17 years
  3. 18 years
  4. 19 years
  5. None of these
ব্যাখ্যা
ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স:
- বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগ 'নির্বাচন' অংশে প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের কথা বলা আছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) অনুচ্ছেদ বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্রনিম্ন বয়স ১৮ বছর হতে হবে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২২(১) ও (২) অনুযায়ী ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
- প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হওয়ার অধিকারী হবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষণা বহাল না থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

উৎস:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৯২৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে মৌলিক অধিকার বর্ণিত আছে?
  1. ৩য়
  2. ৪র্থ
  3. ৫ম
  4. ৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং - ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।

⇒ সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯২৫.
’আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২৯
  2. অনুচ্ছেদ-২৬
  3. অনুচ্ছেদ-২৭
  4. অনুচ্ছেদ-২৮
ব্যাখ্যা

- আইনের দৃষ্টিতে সমতা সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে রয়েছে।
 - সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

 এছাড়াও
 - গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অনুচ্ছেদ:
 - ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
 - ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
 - ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
 - ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
 
 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯২৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অংশে মৌলিক অধিকার দেয়া আছে?
  1. ১ম ভাগে
  2. ২য় ভাগে
  3. ৩য় ভাগে
  4. ৪র্থ ভাগে
ব্যাখ্যা
সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।

⇒ সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯২৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'বাক-স্বাধীনতা'র কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩৬ নং
  2. ৩৭ নং
  3. ৩৮ নং
  4. ৩৯ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চলাফেরার স্বাধীনতা।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সংগঠনের স্বাধীনতা।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
 
৯২৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠা করার কথা বলা হয়েছে?
  1. ৭২ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৭৩ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৭৬ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৭৭ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ‘ন্যায়পাল’ পদটির উল্লেখ আছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদ: ন্যায়পাল:

১. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
২. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরকম দায়িত্ব প্রদান করবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
৩. ন্যায়পাল তার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হবে।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ নং অনুচ্ছেদে 'সংসদের অধিবেশন'-এর উল্লেখ আছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৩ নং অনুচ্ছেদে 'সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার'-এর উল্লেখ আছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ নং অনুচ্ছেদে 'সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ'-এর উল্লেখ আছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯২৯.
জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে সংবিধানের-  
  1. ৩১(২) নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৯(৩) নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৯(৪) নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশ সংবিধান:
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা।
- ১৯। (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
- ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
- ১৯ (৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯৩০.
এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত না করার বিধান রয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৬
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫
  3. অনুচ্ছেদ ৩৪
  4. অনুচ্ছেদ ৩২
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৫: মৌলিক অধিকার বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ 
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না।

(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না।

(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন।

(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না।

(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না।

(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৩১.
'সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী' বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বিবৃত হয়েছে?
  1. ৮৮
  2. ৮৯
  3. ৯০
  4. ৯১
ব্যাখ্যা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৯১ নং অনুচ্ছেদ: 'সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒ সংবিধানের ৯১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন অর্থ-বৎসর প্রসঙ্গে যদি দেখা যায় যে,
(ক) চলিত অর্থ-বৎসরে নির্দিষ্ট কোন কর্মবিভাগের জন্য অনুমোদিত ব্যয় অপর্যাপ্ত হইয়াছে কিংবা ঐ বৎসরের বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে অন্তর্ভুক্ত হয় নাই, এমন কোন নূতন কর্মবিভাগের জন্য ব্যয় নির্বাহের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়াছে, অথবা
(খ) কোন অর্থ-বৎসরে কোন কর্মবিভাগের জন্য মঞ্জুরীকৃত অর্থের অধিক অর্থ ঐ বৎসরে উক্ত কর্মবিভাগের জন্য ব্যয়িত হইয়াছে,
তাহা হইলে এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর ইহাকে দায়যুক্ত করা হউক বা না হউক, সংযুক্ত তহবিল হইতে এই ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে এবং রাষ্ট্রপতি ক্ষেত্রমত এই ব্যয়ের অনুমিত পরিমাণ-সংবলিত একটি সম্পূরক আর্থিক বিবৃতি কিংবা অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিমাণ সংবলিত একটি অতিরিক্ত আর্থিক বিবৃতি সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন এবং বার্ষিক আর্থিক বিবৃতির ন্যায় উপরি-উক্ত বিবৃতির ক্ষেত্রে (প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ) এই সংবিধানের ৮৭ হইতে ৯০ পর্যন্ত অনুচ্ছেদসমূহ প্রযোজ্য হইবে।

অন্যদিকে,
- ৮৮ নং অনুচ্ছেদ: সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়। 
- ৮৯ নং অনুচ্ছেদ: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি। 
- ৯০ নং অনুচ্ছেদ: নির্দিষ্টকরণ আইন। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৯৩২.
সংবিধানের চতুর্থ তফসিল কোন বিষয় সম্পর্কিত?
  1. ৭ই মার্চের ভাষণ
  2. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
  3. শপথ ও ঘোষণা
  4. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী 
ব্যাখ্যা

সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলীর কথা উল্লেখ আছে। 

সংবিধানের তফসিল:
- বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদের মাধ্যমে প্রণয়ন করা হয়।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন কমিটি ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত করে।
- সংবিধানটি ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। 
- ১৪ ডিসেম্বর স্পিকার সংবিধানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈধতা ও স্বীকৃ্তি দেয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল রয়েছে।

• সংবিধানের তফসিলসমূহ:
- প্রথম তফসিল – অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল – রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল – শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল – ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল – ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল – স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল – স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।