বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

উৎসমূলক শ্রেণি

মোট প্রশ্ন৩৩৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

উৎসমূলক শ্রেণি

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৩৩৭

২০১.
বাংলা ভাষায় 'বাবুর্চি' শব্দটি এসেছে কোন ভাষা হতে?
  1. ক) ফারসি
  2. খ) পর্তুগিজ
  3. গ) আরবি
  4. ঘ) তুর্কি
ব্যাখ্যা

• বাবা শব্দটি তুর্কি।
• তুর্কি ভাষার আরো কয়েকটি শব্দ হলোঃ
- উজবুক,
- কোর্মা,
- খাতুন,
- বিবি,
- চাকর,
- চাকু,
- তোপ,
- বাবুর্চি,
- লাশ,
- মুচলেখা,
- কুলি,
- খোকা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখ এবং বাংলা একাডেমি অভিধান 

২০২.
'জয়' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়-
  1. ক) √জী + অল
  2. খ) √জৃ + অয়
  3. গ) √জি + অল
  4. ঘ) √জ + অয়
ব্যাখ্যা

• 'জয়' শব্দটি সংস্কৃত অল-প্রত্যয় (ল ইৎ, অ থাকে) যোগে গঠিত শব্দ।
• এর সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়ঃ √জি + অল = জয়।
• এরূপ কিছু প্রকৃতি ও প্রত্যয়ঃ
- √ক্ষি + অল = ক্ষয়,
- √ভি + অল = ভয় ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২০৩.
'নগদ' কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছেন?
  1. ক) তদ্ভব
  2. খ) আরবি
  3. গ) ফরাসি
  4. ঘ) ওলন্দাজ
ব্যাখ্যা
'নগদ' আরবি ভাষার শব্দ।
আরো বেশকিছু আরবি শব্দ বাংলা ভাষায় এসেছে । 
যেমন - আল্লাহ, হারাম, হালাল, হজ, জাকাত, ইদ, উকিল, কলম, বাকি, আদালত, তারিখ, হালুয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি। 
২০৪.
'দারোগা' শব্দটি যে ভাষা থেকে আগত-
  1. ক) আরবি
  2. খ) ফারসি
  3. গ) তুর্কি
  4. ঘ) পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা
বিদেশি শব্দ:
ঐতিহাসিক কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হওয়ায় সেসব দেশের বহু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, এই শব্দগুলােকে বিদেশি শব্দ বলে। এসব বিদেশি শব্দের মধ্যে রয়েছে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, তুর্কি, হিন্দি ইত্যাদি। উদাহরণ –

⇒ আরবি : আল্লাহ, হারাম, হালাল, হজ, জাকাত, ঈদ, উকিল, কলম, নগদ, বাকি, আদালত ইত্যাদি।
⇒ ফারসি : খােদা, দোজখ, নামাজ, রােজা, চশমা, তারিখ, তোশক, দারােগা, দোকান, কারখানা, আমদানি, জানােয়ার ইত্যাদি।
⇒ ইংরেজি : চেয়ার, টেবিল, কলেজ, স্কুল, পেনসিল, ব্যাগ, ফুটবল, ক্রিকেট, হাসপাতাল, বাক্স,বােতল ইত্যাদি।
⇒ পর্তুগিজ : আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি ইত্যাদি।
⇒ ফরাসি : কুপন, ডিপাে, রেস্তাোরা, আঁতেল, কার্তুজ ইত্যাদি।
⇒ ওলন্দাজ : হরতন, ইস্কাপন, রুইতন, টেক্কা, তুরুপ ইত্যাদি।
⇒ তুর্কি : চাকর, চাকু, তােপ, দারােগা ইত্যাদি।
⇒ হিন্দি : পানি, ধােলাই, লাগাতার, সমঝােতা, হালুয়া।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
২০৫.
'চকোলেট' শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  1. ক) ফরাসি
  2. খ) তুর্কি
  3. গ) পর্তুগিজ
  4. ঘ) মেক্সিকান
ব্যাখ্যা

'চকোলেট' শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
প্রচলিত উত্তর চকোলেট মেক্সিকান ভাষা থেকে আগত, কিন্তু বাংলা একাডেমীর ডিকশনারিতে দেওয়া ফরাসি ভাষা থেকে আগত।

Beside,
From Oxford Dictionary,
Early 17th century (in the sense ‘a drink made with chocolate’): from French chocolat or Spanish chocolate, from Nahuatl chocolatl ‘food made from cacao seeds’, influenced by unrelated cacaua-atl ‘drink made from cacao’.

সুতরাং, সঠিক উত্তর - ফরাসি।

২০৬.
'সরকার' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) বাংলা
  2. খ) ফারসি
  3. গ) হিন্দি
  4. ঘ) আরবি
ব্যাখ্যা
সরকার (বিশেষ্য) 
- ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ। 
অর্থ: 
- রাষ্ট্রশাসনের দায়িত্বে অধিষ্ঠিত গোষ্ঠী।
- রাষ্ট্রশাসন পদ্ধতি। 
- রাজা, ভূস্বামী
- প্রভূ, মালিক
- রাজস্ব আদায়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আধিকারিক।
- পদবিবিশেষ 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২০৭.
‘তারিখ’ কোন ভাষার শব্দ?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. বাংলা
  4. সংস্কৃত
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
তারিখ (বিশেষ্য) শব্দটি, 
- আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ।

অর্থ: মাসের দিন নির্দেশিক সংখ্যা, তিথি। 

• মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ) অনুসারে, 
তারিখ = ফারসি শব্দ।

উল্লেখ্য,
উৎসগত শব্দের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি অধিক গ্রহণযোগ্য। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২০৮.
নিচের কোন শব্দটি পতুর্গিজ ভাষা হতে বাংলা ভাষায় অধিকৃত হয়েছে?
  1. ক) কুলা
  2. খ) টেবিল
  3. গ) চেয়ার
  4. ঘ) বালতি
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজ শব্দ : আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী
২০৯.
উৎস অনুসারে শব্দ কত প্রকার?
ব্যাখ্যা
উৎস বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ:
- উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়:
• তৎসম,
• তদ্ভব,
• দেশি ও
•  বিদেশি।
এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

তবে, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ) অনুসারে, উৎস অনুসারে শব্দ ৫ প্রকার। অর্ধ-তৎসম শব্দকে উৎস অনুসারে শ্রেণি বিভাগে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, অপশনে ৪ প্রকার না থাকলে ৫ প্রকার উত্তর হবে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
২১০.
কোন ভাষাটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  1. ক) নামাজ
  2. খ) ফেরশতা
  3. গ) কোরবানি
  4. ঘ) দোকান
ব্যাখ্যা
ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ- খোদা, গুনাহ, নামাজ, ফেরেশতা, চশমা, দোকান, আদমি, আমদানি, তোশক, জানোয়ার, বান্দা, বেগম, জিন্দা, নমুনা ইত্যাদি। কোরবানি আরবি ভাষার শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
২১১.
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) তৎসম
  2. খ) তদ্ভব
  3. গ) ক ও খ উভয়
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
তৎসম শব্দ :
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলােকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

তদ্ভব শব্দ:
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলােকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘােড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
২১২.
'হাত, হাতি,পাখি' শব্দগুলো কোন শ্রেণির শব্দ?
  1. তৎসম শব্দ
  2. দেশি শব্দ
  3. তদ্ভব শব্দ
  4. বিদেশি শব্দ
ব্যাখ্যা
তৎসম শব্দ: প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলােকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা: অধ্যাদেশ,গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

 তদ্ভব শব্দ: প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলােকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘােড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

 দেশি শব্দ: বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগােষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলােকে দেশি শব্দ বলা হয়।
উদাহরণ: কুড়ি, পেট, চুলা, কুলা, ডাব, টোপর, চেঁকি ইত্যাদি।

বিদেশি শব্দ: ঐতিহাসিক কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হওয়ায় সেসব দেশের বহু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, এই শব্দগুলােকে বিদেশি শব্দ বলে। এসব বিদেশি শব্দের মধ্যে রয়েছে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, তুর্কি, হিন্দি ইত্যাদি। 


[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০২১]
২১৩.
‘আস্তানা’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. ক) আরবি
  2. খ) ফারসি
  3. গ) ফরাসি
  4. ঘ) হিন্দি
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
‘আস্তানা’ শব্দটি 'ফারসি' ভাষা থেকে এসেছে।

• ‘আস্তানা’ বলতে বোঝায়:
- খানকা;
- আশ্রম,
- আড্ডা;
- বসত। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান
২১৪.
'চিড়িয়াখানা' শব্দটি কোন কোন ভাষার মিশ্রণে গঠিত?
  1. ক) বাংলা + ফারসি
  2. খ) ফারসি + হিন্দি
  3. গ) ফারসি + বাংলা
  4. ঘ) হিন্দি + ফারসি
ব্যাখ্যা
'চিড়িয়াখানা' (বিশেষ্য) শব্দটি একটি মিশ্র শব্দ। 
- হিন্দি 'চিড়িয়া' ও ফারসি 'খানা' শব্দের মিশ্রণে গঠিত শব্দ। 
অর্থ: বন্য জীবজন্তুর প্রদর্শন শালা; যে গৃহে গবেষণা ও প্রজননের জন্য বন্য জীবজন্তু রাখা হয়। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২১৫.
কোনটি তুর্কি শব্দ?
  1. ক) চা
  2. খ) দারোগা
  3. গ) চিনি
  4. ঘ) রিক্সা
ব্যাখ্যা
চা, চিনি চীনা শব্দ, রিক্সা জাপানী শব্দ এবং দারোগা তুর্কি শব্দ৷ এছাড়াও চাকর, চাকু, তোপ ইত্যাদি তুর্কি শব্দ৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
২১৬.
বাংলা ভাষায় উৎস অনুসারে শব্দ কয় ভাগে বিভক্ত?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ২
ব্যাখ্যা
• উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয় । যথা-
১. তৎসম,
২. তদ্ভব,
৩. দেশি ও
৪. বিদেশি। 
- এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।
- মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই ২০২২ সংস্করণ অনুসারে,  অর্ধ-তৎসম শ্রেণি কে উৎস অনুসারে শব্দের শ্রেণি বিভাগে রাখা হয় নি।

উৎস:- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই (২০২২ সংস্করণ)।
২১৭.
তৎসম শব্দ কোনটি?
  1. ক) হস্ত
  2. খ) চেয়ার
  3. গ) আনারস
  4. ঘ) টেবিল
ব্যাখ্যা

তৎসম শব্দঃ জ্যোৎস্না, শ্রাদ্ধ, গৃহিণী, বৈষ্ণব, কুৎসিত, চন্দ্র, ভবন, ধর্ম, মনুষ্য, পাত্র, নক্ষত্র, ক্ষুধা, সূর্য, পদ্ম, ক্ষমা, অন্ন, নিমন্ত্রণ, চন্দ্র, স্বামী, পুত্র, খাদ্য, অস্তি, অদ্য, অর্ধ, ইন্দ্রাগার, উপাধ্যায়, ঊষ্ণাপন, করোতি, কথয়তি, কার্য, গৃহ, চক্র, চর্মকার, বধূ, ভক্ত, মিথ্যা, লবণ, হস্ত, স্তম্ভ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২১৮.
কোন শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) আইন
  2. খ) দাখিল
  3. গ) এজেন্ট
  4. ঘ) মুচলেকা
ব্যাখ্যা
ইউনিভার্সিটি, কলেজ, ইউনিয়ন, নোট, পাউডার, এজেন্ট, মাস্টার, স্কুল ইত্যাদি ইংরেজি ভাষার শব্দ।
২১৯.
'শিক্ষানবিশ' মিশ্র শব্দটির উৎস কোন ভাষা?
  1. তৎসম ও হিন্দি
  2. সংস্কৃত ও ইংরেজি
  3. হিন্দি ও ফারসি
  4. সংস্কৃত ও ফরাসি
ব্যাখ্যা
শিক্ষানবিশ  [শিক্‌খানোবিশ্‌] (বিশেষ্য), (বিশেষণ) শিক্ষার্থী।
{(তৎসম বা সংস্কৃত) শিক্ষা+ (ইংরেজি) novice}
উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।
২২০.
'Cyclone' শব্দের উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে?
  1. ক) ল্যাটিন
  2. খ) স্প্যানিশ
  3. গ) ফরাসি
  4. ঘ) গ্রিক
ব্যাখ্যা
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Cyclone.
- এর উৎপত্তি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে যার অর্থ Coil of Snakes বা সাপের কুণ্ডলী।
- সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় স্যাটেলাইটের ছবিতে সাপের কুণ্ডলীর মতো দেখায়।
- ঘূর্ণিঝড় আমাদের দেশে ‘সাইক্লোন’ নামে পরিচিত হলেও দূরপ্রাচ্যে এটি ‘টাইফুন’ এবং আমেরিকায় ‘হ্যারিকেন’ নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র:- সাধারণ বিজ্ঞান , নবম-দশম শ্রেণি।
২২১.
'মেহমান' কোন ভাষার শব্দ?
  1. দেশি
  2. ফারসি
  3. আরবি
  4. গুজরাটি
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'মেহমান'- ফারসি ভাষার শব্দ। 

• 'মেহমান' শব্দের অর্থ- অতিথি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
২২২.
জাপানি ভাষার শব্দ কোনটি?
  1. ক) নথি
  2. খ) হারিকিরি
  3. গ) রুইতন
  4. ঘ) হরতন
ব্যাখ্যা
রিক্সা, হারিকিরি জাপানি শব্দ।
হরতন, রুইতন এগুলো ওলন্দাজ শব্দ।
নথি হচ্ছে File এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
২২৩.
'খোশগল্প' মিশ্র শব্দটি কোন দুটি ভাষা উৎস থেকে আগত?
  1. ক) ফারসি + বাংলা
  2. খ) বাংলা + আরবি
  3. গ) বাংলা + ফারসি
  4. ঘ) আরবি + বাংলা
ব্যাখ্যা
'খোশগল্প' মিশ্র শব্দটি ফারসি+বাংলা ভাষা উৎস থেকে আগত।

খোশগল্প (বিশেষ্য) 
- ফারসি শব্দ খোশ + বাংলা শব্দ গল্প। 
অর্থ: আমোদপূর্ণ গল্পগুজব। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২২৪.
‘দাম’ শব্দটি কোন ভাষার?
  1. ক) গুজরাটি
  2. খ) গ্রিক
  3. গ) বাংলা
  4. ঘ) তৎসম
ব্যাখ্যা
গ্রিক শব্দ - দাম (দ্রাখ্‌মে), সেমাই (সেমাদালিম), সুড়ং (সুরিংক্স), ইউনানি (আইওনিয়ন)।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
২২৫.
নিম্নের কোনটি দেশি শব্দ নয়?
  1. ক) খোকা
  2. খ) আড়ং
  3. গ) ডাব
  4. ঘ) ঝাঁটা
ব্যাখ্যা
খোকা (বিশেষ্য) 
- তুর্কি শব্দ 
অর্থ:
শিশুপুত্র, পুত্রসন্তান, 
- বালক
- বালকসুলভ আচরণকারী বয়স্ক লোক।

অন্যদিকে,
আড়ং, ডাব, ঝাঁটা  = দেশি শব্দ

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২২৬.
'চকমক' কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) ফার্সি
  2. খ) আরবি
  3. গ) উর্দু
  4. ঘ) তুর্কি
ব্যাখ্যা

- চকমক - তীব্র ঔজ্জ্বল্য প্রকাশ; ঝকমক।
- এটি একটি তুর্কি শব্দ।

উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।

২২৭.
“আবদার” কোন ভাষা থেকে আগত বাংলা শব্দ?
  1. তুর্কি
  2. ফারসি
  3. আরবি
  4. পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা

আবদার (বিশেষণ) = উজ্জ্বল; চমকদার (আবদার মুক্তা)।
{(ফারসি) আব্‌দার} 

আবার,
আবদার (বিশেষ্য): বায়না; অসঙ্গত দাবি; অন্যায় অনুরোধ।
{(তুলনীয়) (হিন্দি) ‘আব্‌দা’ = তীব্র বাসনা (+‘র’)} 

অর্থ্যাৎ, আবদার শব্দটি অর্থ অনুসারে, হিন্দী বা ফারসি - দুটো ভাষা থেকে বাংলায় আগত।
যেহেতু অপশনে হিন্দী নেই, তাই সঠিক উত্তর - ফারসি।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।

২২৮.
নিচের কোনটি মৌলিক শব্দ?
  1. বাঁশি 
  2. হাত
  3. মিতালি
  4. সদস্য
ব্যাখ্যা

গঠন অনুসারে শব্দ দুই প্রকার। যথা:
• মৌলিক শব্দ:
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনো অংশ থাকে না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন:
- গাছ, পাখি, ফুল, হাত, ভাত, গোলাপ ইত্যাদি।

• সাধিত শব্দ:
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন:
- পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ, সদস্য, নীলাকাশ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- 'বাঁশি' রূঢি শব্দ।
- 'মিতালি' যৌগিক শব্দ।  

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।

২২৯.
'বিয়ে' কোন ধরনের শব্দ?
  1. ক) তৎসম
  2. খ) অর্ধ-তৎসম
  3. গ) দেশি
  4. ঘ) তদ্ভব
ব্যাখ্যা

অর্ধ-তৎসম শব্দ:
বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ সংস্কৃত থেকে কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। এই শব্দগুলোকে বলে অর্ধ-তৎসম শব্দ।
অর্ধ-তৎসম মানে হচ্ছে - আধা সংস্কৃত।
যেমন - 
জ্যোৎস্না - জ্যোছনা
শ্রাদ্ধ - ছেরাদ্দ
গৃহিনী - গিন্নী ইত্যাদি।

অর্ধ-তৎসম শব্দগুলো মূলত সংস্কৃত শব্দের কথ্য রূপ। এই কারণে মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণের নতুন সংস্করণে উৎস অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডার থেকে 'অর্ধ-তৎসম' শ্রেণীটিকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

'বিয়ে' শব্দ তেমনি একটি 'অর্ধ-তৎসম' শব্দ।
কেননা, এই শব্দটির মূল সংস্কৃত শব্দ হচ্ছে - বিবাহ।
আর বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে, 'বিবাহ' শব্দের কথ্য রূপ হচ্ছে - বিয়ে।

তদ্ভব শব্দ হওয়ার জন্য মূল সংস্কৃত শব্দটির অবশ্যই একটি প্রাকৃত রূপ থাকতে হয়। কেননা, সংস্কৃত শব্দ যখন প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, তখন সেগুলো তদ্ভব শব্দ হিসাবে গণ্য হয়। এখানে, বিবাহ শব্দটি প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয় নি। সামান্য পরিবর্তিত হয়ে 'বিয়ে' শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে।
তাই, 'বিয়ে' শব্দটি তদ্ভব না হয়ে 'অর্ধ-তৎসম' হয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই (নতুন ও পুরাতন সংস্করণ) ও বাংলা একাডেমি অভিধান।

২৩০.
‘কেচ্ছা’ কি শব্দ?
  1. খাঁটি বাংলা
  2. আরবি
  3. ফারসি
  4. ফরাসি
ব্যাখ্যা

আরবি শব্দঃ
বাংলায় ব্যবহৃত আরবি শব্দ গুলোকে দুটো ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
• ধর্মসংক্রান্ত শব্দঃ
আল্লাহ্‌, ইসলাম, ঈমান,তওবা, তসবি, যাকাত, হজ, হাদিস, হারাম, হালাল।
• প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দঃ
আদালত, আলেম, এলেম, কলম, কিতাব, কেচ্ছা, খারিজ, গায়েব ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)

২৩১.
উৎস অনুসারে 'ওলন্দাজ' কোন শ্রেণির শব্দ?
  1. ক) ফরাসি
  2. খ) ইংরেজি
  3. গ) ইতালিয়ান
  4. ঘ) জার্মান
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান,
উৎস অনুসারে 'ওলন্দাজ' ফরাসি শব্দ। 

• 'ওলন্দাজ' বলতে বোঝায়- হল্যান্ড দেশের অধিবাসী। 

• কিছু ওলন্দাজ শব্দ: ইস্কাপন, টেক্কা, তুরুপ, রুইতন, হরতন (তাসের নাম) ৷

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
২৩২.
কোন শব্দটি ফারসি?
  1. ক) মুসাফির
  2. খ) তকদির
  3. গ) পেরেশান
  4. ঘ) মজলুম
ব্যাখ্যা
•  ‘পেরেশান’ একটি ফারসি শব্দ;
যার অর্থ- উদ্বিগ্ন বা চিন্তিত।

অন্যদিকে,
- ‘মুসাফির’ আরবি শব্দ; যার অর্থ - যে সফর করে,পর্যটক, পথিক, বিদেশে ভ্রমণকারী ব্যক্তি।
- ‘তকদির’ আরবি শব্দ; যার অর্থ-ভাগ্য।
- মজলুম আরবি শব্দ; যার অর্থ-  অত্যাচারিত।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।
২৩৩.
নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?
  1. আকাশ
  2. পাখি
  3. কুড়ি
  4. বাকি
ব্যাখ্যা
• উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভাণ্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়: তৎসম, তদ্ভব, দেশি, বিদেশি।
- এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

• তৎসম শব্দ:
প্রাচীন ভারতীয়  আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা: অধ্যাদেশ, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
পাখি - তদ্ভব শব্দ।
কুড়ি - দেশি শব্দ।
বাকি - আরবি শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৩৪.
'রাজা-বাদশা’ মিশ্র শব্দটি কোন দুটি শব্দ যোগে গঠিত?
  1. ক) তৎসম + ফারসি
  2. খ) আরবি + ফারসি
  3. গ) বাংলা + আরবি
  4. ঘ) বাংলা + ফারসি
ব্যাখ্যা
রাজা-বাদশা = তৎসম ও ফারসি ভাষার মিশ্রণ

কোন কোন সময় দেশী ও বিদেশী শব্দের মিলনে শব্দদ্বৈত সৃষ্টি হয়ে থাকে তাকে মিশ্র শব্দ বলে।
শাকসবজি একটি মিশ্র।

বাংলা ভাষায় রাজা শব্দটি তৎসম(সংস্কৃত) শব্দ থেকে এসেছে এবং বাদশা শব্দটি ফারসি শব্দ থেকে এসেছে।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৩৫.
নিচের কোনটি পর্তুগিজ ভাষার শব্দ?
  1. কেরানী
  2. চাহিদা
  3. তোপ
  4. কার্তুজ
ব্যাখ্যা
'কেরানী’ পর্তুগিজ শব্দ।
পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত অন্যান্য শব্দ- কপি, কাজু, কামরা, কেদারা, গামলা, গির্জা, গুদাম, চাবি, জানালা, তামাক, তােয়ালে ইত্যাদি।
উৎস: শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
২৩৬.
‘ডাব’ কোন ভাষার শব্দ?
  1. ফারসি
  2. তদ্ভব
  3. তৎসম
  4. দেশি
ব্যাখ্যা
উৎস বিবেচনায় শব্দ ৪ প্রকার।
যথা -
১. তৎসম শব্দ
২. তদ্ভব শব্দ
৩. দেশি শব্দ
৪. বিদেশী শব্দ

দেশি শব্দ: বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্টীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলোকে দেশি শব্দ বলে।
যেমন - কুড়ি, পেট, চুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩৭.
তৎসম শব্দ নয় কোনটি?
  1. পর্বত
  2. খিদে
  3. ভবন
  4. জলদ
ব্যাখ্যা

• তৎসম শব্দ নয় - খিদে। 
- 'খিদে' অর্ধ-তৎসম শব্দ। এটি সংস্কৃত 'ক্ষুধা' শব্দ থেকে পরিবর্তিত হয়ে 'খিদে' হয়েছে।  

------------------
•  তৎসম শব্দ:

যে সকল শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে অবিকৃত অবস্থায় বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এখনও তা অবিকৃত অবস্থায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। 'তৎসম' একটি পারিভাষিক শব্দ । 'তৎ' অর্থ 'তার' এবং ‘সম’ অর্থ ‘সমান'। শব্দটির অর্থ দাঁড়ায় ‘তার সমান'। অর্থাৎ সংস্কৃতের সমান।
যেমন : সূর্য, চন্দ্র, পর্বত, রবি, শশি, নক্ষত্র, মনুষ্য, পিতা, মাতা, ভ্রাতা, ধর্ম, কর্ম, ভোজন, শয়ন, সত্য, ক্ষমা, ক্ষমতা, ঘৃত, চর্ম, জল, জলদ, অদ্য, ক্ষতি, কুণ্ডল, দীক্ষিত, বন্য, মুক্তি, ভবন, পত্র, প্রস্তর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৩৮.
‘আকাদামি’ কোন ভাষার শব্দ?
  1. ফারসি
  2. ফরাসি
  3. ইংরেজি
  4. গ্রিক
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
‘আকাদামি’ গ্রিক ভাষার শব্দ। 

• ‘আকাদামি’ শব্দের অর্থ: 
- এথেন্সের সন্নিকটে স্থাপিত প্লেটোর শিক্ষাদানকেন্দ্র। 
- কোনো বিষয়ে প্রশিক্ষণদানের উদ্দেশ্যে স্থাপিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৩৯.
‘মেথর’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. হিন্দি
  4. উর্দু
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু শব্দ আছে যা বিদেশী ভাষা থেকে এসেছে কিন্তু এখন তা বাংলা ভাষার অন্তর্ভূক্ত।যেমনঃ আরবি, ফারসি, হিন্দি ইত্যাদি।
বাংলা ভাষায় আগত ফারসি শব্দগুলো তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন-
ধর্মসংক্রান্ত শব্দঃ খোদা, গুনাহ, দোজখ, নামাজ, পয়গম্বর, ফেরেশতা, বেহেশত, রোজা ইত্যাদি।
প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দঃ কারখানা, চশমা, জবানবন্দি, তোশক, দফতর, দরবার, দোকান, দস্তখত, দৌলত, নালিশ, বাদশাহ, বান্দা, বেগম, মেথর, রসদ ইত্যাদি।
বিবিধ শব্দ: আমদানি, জানোয়ার, জিন্দা, নমুনা, বদমাশ, রফতানি, হাঙ্গামা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৪০.
‘সত্যি’ কী ধরনের শব্দ?
  1. ক) তৎসম
  2. খ) অর্ধতৎসম
  3. গ) তদ্ভব
  4. ঘ) দেশি
ব্যাখ্যা

অর্ধতৎসম বা ভগ্ন সংস্কৃত শব্দ :
সংস্কৃতকে মানদণ্ড ধরে নিয়েই নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যে, সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত যেসব শব্দ কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সেগুলো অর্ধতৎসম শব্দ। এই শব্দগুলো মানুষের মুখে মুখেই পাল্টেছে এবং এর থেকে এমন ধারণা করাও অসংগত হবে না যে, সাধারণ বাংলা ভাষী জনগণের আসলে সংস্কৃতকে অতিরিক্ত গুরুত্ব প্রদানের কোনো আগ্রহ ছিল না। তাই তারা তাদের মতো করে সংস্কৃত অনেক শব্দকে সহজ করে নিয়েছে।

অর্ধতৎসম শব্দের কয়েকটি উদাহরণ হলো : জ্যোৎস্না > জোছনা, শ্রাদ্ধ> ছেরাদ্দ, গৃহিণী> গিন্নি, বৈষ্ণব> বোষ্টম, কুৎসিত > কুচ্ছিত, সত্য > সত্যি প্রভৃতি।

উৎস : ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, বাংলা ব্যাকরণ, ড. শাজাহান মনির, বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।

২৪১.
নিম্নের কোনটি দেশি শব্দের উদাহরণ?
  1. পাখি
  2. পানি
  3. চাকু
  4. চুলা
ব্যাখ্যা
উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়; তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি।
- এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

দেশি শব্দ:
বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগােষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলােকে দেশি শব্দ বলা হয়।
উদাহরণ: কুড়ি, পেট, চুলা, কুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
২৪২.
পাঞ্জাবি ভাষার শব্দ কোনটি?
  1. ক) পাউরুটি
  2. খ) চাবি
  3. গ) চাহিদা
  4. ঘ) আনারস
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজ শব্দঃ আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি ইত্যাদি। পাঞ্জাবি শব্দ হলো চাহিদা ও শিখ ৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী
২৪৩.
'অকাজ' শব্দের 'অ' কী?
  1. ক) শব্দ বিভক্তি
  2. খ) প্রকৃতি
  3. গ) উপসর্গ
  4. ঘ) অনুসর্গ
ব্যাখ্যা

সাধিত শব্দ:
যে-সব শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় বা ভাঙা যায় এবং ভগ্ন অংশের সুস্পষ্ট অর্থ থাকে সেরকম বিভাজ্য শব্দকে সাধিত শব্দ বলে। মৌলিক শব্দ থেকেই সাধারণত সাধিত শব্দ গঠন করা হয়। সাধিত শব্দ মাত্রেই বিশ্লেষণযােগ্য। সাধারণত একাধিক শব্দের সমাস হয়ে কিংবা প্রত্যয় বা উপসর্গ যােগ হয়ে সাধিত শব্দ গঠিত হয়ে থাকে।
উদাহরণ :
(ক) অকাজ (অ+কাজ) , এখানে ‘অ’ উপসর্গ।
(খ) নাম প্রকৃতির সঙ্গে শব্দ-বিভক্তি বা কারক-বিভক্তি যােগ করে– মানুষকে (মানুষ + কে); এখানে 'মানুষ’ নাম-প্রকৃতি এবং ‘কে’ শব্দ-বিভক্তি।
(গ) ধাতুর সঙ্গে ক্রিয়া-বিভক্তি যােগ করে। যেমন : পড়া (পড়ু+আ); এখানে ‘পড়’ ধাতু এবং ‘আ’ কৃৎ প্রত্যয়।
(ঘ) শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যােগ করে। যেমন : ঢাকাই (ঢাকা+আই); এখানে ‘ঢাকা’ একটি শব্দ এবং ‘আই' তদ্ধিত প্রত্যয়। এরকম : মেঘলা (মেঘ + লা)।
(ঙ) সমাসবদ্ধ করে। যেমন : রাজপুত্র (রাজার পুত্র); নীলাকাশ (নীল যে আকাশ) ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ

২৪৪.
'গোলাপ' শব্দটি উৎসগত দিক দিয়ে কোন জাতীয় শব্দ?
  1. ক) বাংলা
  2. খ) তুর্কি
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) তামিল
ব্যাখ্যা
গোলাপ (গোলাপ্‌)
- ফারসি শব্দ 
- বিশেষ্য শব্দ 
অর্থ - উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে চাষ করা হয় এমন লাল, হলুদ, গোলাপি প্রভৃতি রঙের ঘন পাপড়িযুক্ত সুগন্ধ ফুল বা তার কাঁটাওয়ালা কাণ্ডবিশিষ্ট বহুবর্ষজীবী গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ।   


উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৪৫.
নিচের কোনট তৎসম শব্দ নয়?
  1. ক) হারাম
  2. খ) চন্দ্র
  3. গ) নক্ষত্র
  4. ঘ) সূর্য
ব্যাখ্যা

তৎসম শব্দ:
- সংস্কৃতের শব্দভাণ্ডার থেকে সব সময়েই প্রয়ােজনীয় শব্দাবলি বাংলা ভাষায় গ্রহণ করা হয়। যে-সব সংস্কৃত শব্দ অপরিবর্তিত রূপে হুবহু বাংলায় এসেছে সে-সব শব্দকে ‘তৎসম শব্দ’ বলা হয়।
- তৎসম শব্দের উদাহরণ : ডিম, চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য, আকাশ, স্থল, হস্ত, পদ, মস্তক, চক্ষু, কর্ণ, নর, নারী, বৃক্ষ, লতা ইত্যাদি।

অপরদিকে,
''হারাম'' আরবি শব্দ৷

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি অভিধান।

২৪৬.
কোনটি দেশি শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) খোকা
  2. খ) কুলঙ্গি
  3. গ) গোলাপ
  4. ঘ) বাজি
ব্যাখ্যা
কুলঙ্গি (বিশেষ্য পদ)
- দেশি শব্দ
অর্থ - জিনিসপত্র রাখার জন্য দেয়াল কেটে নির্মিত ছোটো খোপ।

খোকা - তুর্কি শব্দ 
গোলাপ, বাজি - ফারসি শব্দ 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৪৭.
'রেস্তোরাঁ' শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে?
  1. পর্তুগিজ
  2. জাপানি
  3. গুজরাটি
  4. ফরাসি
ব্যাখ্যা
কার্তুজ, কুপন, ডিপো, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি ফরাসি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
আনারস, আলপিন, গুদাম, আলমারি, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি ইত্যাদি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ।
খদ্দর, হরতাল ইত্যাদি গুজরাটি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
রিক্সা, হারিকিরি ইত্যাদি শব্দ জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪৮.
উৎসমূল অনুসারে 'কালবৈশাখি' কোন শব্দ?
  1. ক) দেশি
  2. খ) পর্তুগিজ
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) সংস্কৃত
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'কালবৈশাখি'- সংস্কৃত শব্দ।

• 'কালবৈশাখি' - বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার ওপর দিয়ে চৈত্র- বৈশাখ মাসে উত্তর পশ্চিম দিক হতে প্রবাহিত প্রবল ঝড়বৃষ্টি। 
- ইংরেজিতে একে nor'wester বলা হয়।  

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
২৪৯.
নিচের কোনটি অর্ধতৎসম শব্দ?
  1. ক) কুচ্ছিত
  2. খ) ভবন
  3. গ) পাত্র
  4. ঘ) গৃহিণী 
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত আকারে ব্যবহৃত হয়।
এগুলোকে বলে অর্ধ - তৎসম শব্দ।
তৎসম মানে সংস্কৃত আর অর্ধ তৎসম মানে আধা সংস্কৃত।

যেমন: জ্যোছনা, চেরাদ্দ, গিন্নী, কুচ্ছিত শব্দগুলো অর্ধ-তৎসম শব্দ যা এসেছে যথাক্রমে সংস্কৃত শব্দ জ্যোৎস্না, শ্রাদ্ধ, গৃহিণী কুৎসিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
গৃহিণী, ভবন, পাত্র = সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ। 

• মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ) 
২৫০.
'অঞ্চল' শব্দটি কোন শ্রেণির?
  1. ক) তদ্ভব
  2. খ) তৎসম
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) ইংরেজি
ব্যাখ্যা

- সংস্কৃতের শব্দভাণ্ডার থেকে সব সময়েই প্রয়ােজনীয় শব্দাবলি বাংলা ভাষায় গ্রহণ করা হয়। যে-সব সংস্কৃত শব্দ অপরিবর্তিত রূপে হুবহু বাংলায় এসেছে সে-সব শব্দকে ‘তৎসম শব্দ’ বলা হয়।
- প্রাচীন-ব্যাকরণ রচয়িতারা ‘তৎ' অর্থাৎ ‘তা’ বলতে বােঝাতেন ‘সংস্কৃত’ (এখন বলি প্রাচীন ভারতীয় আর্য) ভাষাকে। আর ‘সম’ শব্দের অর্থ ‘সমান। তৎসম শব্দের অর্থ সংস্কৃতের সমান অর্থাৎ সংস্কৃত।
- বাংলা সাধু ভাষার শতকরা প্রায় ৪৫ ভাগ শব্দ তৎসম।
- তৎসম শব্দের উদাহরণ : অঞ্চল, চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য, আকাশ, স্থল, হস্ত, পদ, মস্তক, চক্ষু, কর্ণ, নর, নারী, বৃক্ষ, লতা ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমী অভিধান।

২৫১.
'শাক-সবজি' শব্দটি নিচের কোন দুইয়ের মিলন?
  1. ক) ফারসি + আরবি
  2. খ) তদ্ভব + ফারসি
  3. গ) পর্তুগিজ + আরবি
  4. ঘ) তৎসম + ফারসি
ব্যাখ্যা
'শাক-সবজি' শব্দটি যথাক্রমে তৎসম এবং ফারসি শব্দের মিলনে গঠিত হয়েছে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান
২৫২.
''রেনেসা'' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. ক) তুর্কি
  2. খ) ফরাসি
  3. গ) পর্তুগিজ
  4. ঘ) ওলন্দাজ
ব্যাখ্যা

• ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দঃ
- কুপন,
- ডিপো,
- রেস্তোরাঁ,
- আঁতেল,
- ওলন্দাজ,
- দিনেমার,
- কাফে,
- আঁতাত,
- বুর্জোয়া,
- রেনেসাঁ, রেনেসাঁস ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২৫৩.
নিম্নের কোনটি দেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) ডাব
  2. খ) আলু
  3. গ) চোঙা
  4. ঘ) ঝোল
ব্যাখ্যা
চোঙা (বিশেষ্য) 
- হিন্দি শব্দ। 
অর্থ:
- সরু নলের সঙ্গে যুক্ত ক্রমশ চওড়া হয়ে আসা দাতু প্লাস্টিক আ কাচের তৈরি মুখখোলা পাত্র। 
- জাহাজের ধাতু নির্মিত চিমনি বা ধূমনল। 
- তামাক রাখার জন্য ব্যবহৃত বাঁশের তৈরি আধারবিশেষ। 
- একদিকে ফাঁপা ও অন্যদিকে গাঁটযুক্ত বাঁশের টুকরো। 

অন্যদিকে
- 'ডাব', 'আলু' ও 'ঝোল' দেশি শব্দ।  

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৫৪.
‘দোকান’ কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  1. ফারসি
  2. তুর্কি
  3. আরবি
  4. হিন্দি
ব্যাখ্যা

'দোকান' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
আরো কয়েকটি ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ:
- খোদা
- নামাজ
- দোজখ
- রোজা
- চশমা
- তোশক
- কারখানা
- আমদানি
- জানোয়ার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরন ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

২৫৫.
'দালান' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. হিন্দি
  4. ফরাসি
ব্যাখ্যা
দালান (বিশেষ্য):
 ইটের তৈরি গৃহ; পাকা বাড়ি।
'দালান' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত। 
উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।
২৫৬.
পর্তুগিজ শব্দগুচ্ছ কোনটি?
  1. ক) বেহালা, তবলা, বিউগল
  2. খ) বালতি, পানি, গোসল
  3. গ) আনারস, পেয়ারা, পেঁপে
  4. ঘ) ঠাকুর, টোপর, বেগম
ব্যাখ্যা
আনারস, পেয়ারা, পেঁপে, বালতি, বেহালা, = পর্তুগিজ শব্দ 
অন্যদিকে, 
- পানি, ঠাকুর = সংস্কৃত শব্দ 
- বেগম = তুর্কি শব্দ 
- বিউগল  = ইংরেজি শব্দ 
- গোসল, তবলা = আরবি শব্দ 
- টোপর = দেশি শব্দ 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৫৭.
'চাকর' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ক) ফরাসি
  2. খ) হিন্দি
  3. গ) গুজরাটি
  4. ঘ) তুর্কি
ব্যাখ্যা
'চাকর'- তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দ। 

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরো কিছু তুর্কি শব্দ -
- চাকু,
- চাকর,
- তোপ,
- দারোগা ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (সর্বশেষ সংস্করণ)।
২৫৮.
নিচের কোনটি ফারসি শব্দ নয়?
  1. মেথর
  2. জিন্দা
  3. নামাজ
  4. গোসল
ব্যাখ্যা

গোসল ধর্মসংক্রান্ত আরবি শব্দ।

ফারসি শব্দের আরও উদাহরণ :
নমুনা, বদমাশ, হাঙ্গামা, আমদানি, রফতানি, চশমা, বান্দা, রোজা, ফেরেশতা

উৎস : নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ বই (২০১৯)

২৫৯.
“ডাক্তার বাবু” কোন শ্রেণীর শব্দ?
  1. ক) মিশ্র
  2. খ) তদ্ভব
  3. গ) অর্ধ-তৎসম
  4. ঘ) তৎসম
ব্যাখ্যা

কতিপয় মিশ্র শব্দ-
ডাক্তার-বাবু - ইংরেজি + তৎসম
খ্রিস্টাব্দ - ইংরেজি + তৎসম
চৌ-হদ্দি - ফারসি + আরবী
হাট-বাজার - বাংলা + ফারসি
কালি-কলম - সংস্কৃত + আরবি
পকেট-মার - ইংরেজি + বাংলা
ডাক্তার-খানা - ইংরেজি + ফারসি

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম দশম শ্রেণী ও বাংলা একাডেমি অভিধান।

২৬০.
কোন শব্দটি ইতালি ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) কুইনাইন
  2. খ) কেন্দ্র 
  3. গ) লামা
  4. ঘ) ম্যাজেন্টা
ব্যাখ্যা
ম্যাজেন্টা (বিশেষ্য) 
- ইতালি ভাষা থেকে আগত শব্দ। 
অর্থ: ঈষৎ বেগুনি আভাবিশিষ্ট লাল রং। magenta. 

কুইনাইন = স্পেনিশ ভাষা থেকে আগত শব্দ। 
কেন্দ্র = গ্রিক ভাষা থেকে আগত শব্দ। 
লামা = তিব্বতি ভাষা থেকে আগত শব্দ। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৬১.
নিম্নের কোনটি তদ্ভব শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) গ্রহ
  2. খ) পাখি
  3. গ) টোপর
  4. ঘ) কলম
ব্যাখ্যা
উৎস বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ
উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়; তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। 

তদ্ভব শব্দ:
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলােকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
- উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘােড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

গ্রহ  - তৎসম শব্দ।
টোপর  - দেশি শব্দ 
কলম - বিদেশি (আরবি)  শব্দ

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
২৬২.
'জামদানি' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) সংস্কৃত
  2. খ) হিন্দি
  3. গ) দেশি
  4. ঘ) ফারসি
ব্যাখ্যা
জামদানি (বিশেষ্য) 
- ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ। 
অর্থ: ঢাকা জেলার উপকণ্ঠে তাঁতে বোনা নকশা তোলা মিহি জমিনের উচ্চমানের সুতি শাড়ি।  

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৬৩.
‘বােষ্টম' কোন শ্রেণির শব্দ?
  1. ক) দেশি
  2. খ) বিদেশি
  3. গ) তদ্ভব
  4. ঘ) অর্ধ-তৎসম
ব্যাখ্যা
অর্ধতৎসম অর্থ আধা সংস্কৃত বা ভাঙ্গা সংস্কৃত। সেসব সংস্কৃত শব্দ কিছুটা বিকৃত বা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেগুলােকে অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন সংস্কৃত শব্দ বলে। যেমন- গিন্নী, আদ্যি, উচ্ছন্ন, কায়েত, কুচ্ছিত, কেত্তন, কেষ্ট, গাধা, ঘেন্না, চিকিচ্ছে, জ্যোছনা, দরশন, দস্যি, নেমন্তন্ন, পুন্নিমে, পেন্নাম, বাতি, বােষ্টম, বিষ্ণু, মন্তর, মােচ্ছব, মিত্তির, ছেরাদ্দ, সত্যি, সাধ্যি, সুরুজ, আস্পর্ধা, হাঁস ইত্যাদি। উৎস: শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
২৬৪.
কোনগুলো দেশী শব্দ?
  1. ক) হস্ত, মস্তক
  2. খ) গিন্নী, গতর
  3. গ) ডাগর, ঢেঁকি
  4. ঘ) চাঁদ, ভাত
ব্যাখ্যা

উৎসঃ মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই।

২৬৫.
নিম্নের কোনটি দেশি শব্দ?
  1. ক) টুপি
  2. খ) গঞ্জ
  3. গ) চোঙ্গা
  4. ঘ) খোকা
ব্যাখ্যা
টুপি (বিশেষ্য) 
- দেশি শব্দ 
অর্থ: মাথায় ধারনের আস্তরণ বিশেষ; শিরস্ত্রান। 

অন্যদিকে, 
খোকা = তুর্কি শব্দ। 
গঞ্জ = ফারসি শব্দ।
চোঙ্গা = হিন্দি শব্দ। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৬৬.
নিম্নের কোনটি দেশি শব্দ?
  1. ক) খুশি
  2. খ) ঝাঁটা
  3. গ) নকশা
  4. ঘ) খোকা
ব্যাখ্যা
ঝাঁটা (বিশেষ্য) 
- দেশি শব্দ 
অর্থ: ঝাঁট দিয়ে আবর্জনা পরিষ্কণের সরঞ্জাম, সম্মার্জনী, ঝাড়ু, খ্যাংরা।

খুশি = ফারসি শব্দ
খোকা = তুর্কি শব্দ
নকশা = আরবি শব্দ 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৬৭.
‘কুইনাইন’ কোন দেশি ভাষার শব্দ?
  1. ক) তামিল
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) পেরু
  4. ঘ) মেক্সিকান
ব্যাখ্যা

কয়েকটি শব্দের উৎস:
কুইনাইন - পেরু
নাৎসি - জার্মান
চুরুট - তামিল

২৬৮.
কোনটি ‘তৎসম’ শব্দ?
  1. ক) বাজনা
  2. খ) মানব
  3. গ) গিন্নী
  4. ঘ) খোকা
ব্যাখ্যা

তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ [তৎ = তার, সম = সমান] তার সমান।
এখানে ‘তার’ বলতে ‘সংস্কৃত’র সমান বোঝানো হয়েছে।
অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষার যেসব শব্দ সরাসরি এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ।
উদাহরণ- চন্দ্র, সূর্য, ধর্ম, বৃক্ষ, মানব, পুত্র, রাত্রি, পর্বত, ভূমি, সিংহ, তাপসী, প্রশ্ন, পাত্র, জলধি ইত্যাদি।
এছাড়াও,
'গিন্নী' অর্ধতৎসম শব্দ।
'বাজনা' শব্দটি সংস্কৃত 'বাদ্য' থেকে এসেছে। এটি তদ্ভব শব্দ।
'খোকা' তুর্কি শব্দ।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি এবং বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।

২৬৯.
গ্রীক শব্দ কোনটি?
  1. ক) চিনি
  2. খ) দাম
  3. গ) রিকশা
  4. ঘ) আলমিরা
ব্যাখ্যা
- গ্রীক শব্দ হলো - দাম। 

অন্যদিকে,
- চিনি হলো - চীনা শব্দ। 
- রিকশা হলো - জাপানি শব্দ। 
- আলমিরা হলো - পর্তুগিজ শব্দ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৭০.
বাংলা মাসের তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি কোন ভাষার নিয়মে সাধিত হয়?
  1. ক) বাংলা
  2. খ) ফারসি
  3. গ) আরবি
  4. ঘ) হিন্দি
ব্যাখ্যা

সংখ্যাবাচক শব্দ চার প্রকার
যথাঃ
অংকবাচক
পরিমাণ বা গণনাবাচক
ক্রম বা পূরণবাচক
তারিখবাচক

তারিখবাচক শব্দঃ বাংলা মাসের তারিখ বোঝাতে যে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে তারিখবাচক শব্দ বলে।
যেমন - পয়লা বৈশাখ, বাইশে শ্রাবণ ইত্যাদি।

তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়।
বাকি গুলো বাঙলার নিজস্ব ভঙ্গিতে গঠিত

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৭১.
তুর্কি শব্দের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) আলমারি
  2. খ) লুঙ্গি
  3. গ) রিক্সা
  4. ঘ) চাকু
ব্যাখ্যা

আলমারি - পর্তুগিজ ভাষার শব্দ
 চাকু - তুর্কি শব্দ
লুঙ্গি - বর্মী বা মায়ানমারের শব্দ
রিক্সা - জাপানি

২৭২.
দাপ্তরিক কোন শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) আইন
  2. খ) দাখিল
  3. গ) এজেন্ট
  4. ঘ) মুচলেকা
ব্যাখ্যা
’এজেন্ট’ শব্দটি ইংরেজী ভাষা থেকে আগত
যার অর্থ-প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংস্থার প্রতিনিধি।

অন্যদিকে,
- ‘আইন’ শব্দটি ফারসি শব্দ।
- ‘দাখিল’ আরবি শব্দ
- ‘মুচলেখা’ তুর্কি শব্দ

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৭৩.
'কেয়ামত' শব্দটি কোন ভাষার?
  1. ক) ফারসি
  2. খ) আরবি
  3. গ) হিন্দি
  4. ঘ) তুর্কি
ব্যাখ্যা
কেয়ামত- আরবি শব্দ। 


বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে, 
কেয়ামত/ কিয়ামত (বিশেষ্য) শব্দের অর্থ-
- প্রলয়ের দিন; ধ্বংসের দিন; ইসলাম ধর্মমতে এই দিন আল্লাহ্ স্বয়ং মানুষের পাপ-পুণ্যের বিচার করবেন।
- মহাপ্রলয়ের দিন; অন্তিম বিচারের জন্য মৃতদের পুনরুথ্থানের দিন। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান।
২৭৪.
পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ কোনটি?
  1. চাহিদা
  2. গুদাম
  3. তন্দুরি
  4. গুজরান
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজ ভাষার শব্দ:
- আনারস,
- আলপিন
- আলমারি
- গির্জা
- গুদাম
- চাবি
- পাউরুটি

[উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি]
২৭৫.
কোনটি তুর্কি শব্দ নয়?
  1. ক) কোর্মা
  2. খ) চকমক
  3. গ) চাকু
  4. ঘ) মুসাফির
ব্যাখ্যা
মুসাফির আরবী শব্দ। তুর্কি শব্দ - কোর্মা, বাবুর্চি, উজবুক , কাঁচি, কাবু, কুলি, চাকর, চাকু, তোপ, দারোগা, বন্দুক , বাবা, মুচলেকা, বারুদ, কুর্নিশ, লাশ, রেনেসাঁ, চকমক, বেগম। উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
২৭৬.
'শিখ' কোন ভাষার শব্দ?
  1. পাঞ্জাবি
  2. তৎসম
  3. তুর্কি
  4. চিন
ব্যাখ্যা
'শিখ(বিশেষ্য) শব্দের অর্থ  গুরু নানক প্রবর্তিত ধর্ম; উক্ত ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়। 

'শিখ' শব্দটি মূলত  (তৎসম বা সংস্কৃত) শিষ্য> (প্রাকৃত)সিক্‌খ> উৎপত্তি। 
'শিখ' তৎসম ভাষার শব্দ। 

উল্লেখ 
'বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯'  - এ 
শিখ শব্দটি পাঞ্জবি ভাষার শব্দ বলা আছে।  যা মূলত ভুল।  


 [উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান]
২৭৭.
'পুরুত' শব্দটি উৎপত্তিগতভাবে কোন ধরনের?
  1. ক) তৎসম শব্দ
  2. খ) তদ্ভব শব্দ
  3. গ) অর্ধ-তৎসম শব্দ
  4. ঘ) দেশি শব্দ
ব্যাখ্যা
তৎসম শব্দের উদাহরণ হলো - চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ক্ষুধা, পদ্ম, ক্ষমা, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি। তদ্ভব শব্দ হলো হাত, চামার, আফিম, বোতল ইত্যাদি। অর্ধ-তৎসম শব্দ হলো নেমন্তন্ন, পুরুত, মিত্তির, জ্যোছনা, ছেরাদ্দ, গিন্নী, বোষ্টম, কুচ্ছিত ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
২৭৮.
‘মুচলেকা’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ফারসি
  2. হিন্দি
  3. পর্তুগিজ
  4. তুর্কি
ব্যাখ্যা

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু তুর্কি শব্দঃ
- বাবা,
- মুচলেকা,
- লাশ,
- সওগাত,
- উজবুক,
- কাঁচি,
- কাবু,
- কুর্নিশ,
- কুলি (মজুর),
- কোর্মা,
- খাতুন,
- চকমক,
- চাকু,
- তালাশ,
- তােপ,
- বন্দুক,
- বাবুর্চি,
- বারুদ,
- বাহাদুর,
- বেগম,
- বোঁচকা ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২৭৯.
'গরিব' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ক) বাংলা
  2. খ) আরবি
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) ফরাসি
ব্যাখ্যা
'গরিব' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ। 

গরিব (বিশেষ্য) 
- আরবি শব্দ 
অর্থ: 
- দরিদ্র, ধনহীন, দীন, কাঙাল
- বিনীত 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৮০.
‘চৌ-হদ্দি’ কীরূপ শব্দ?
  1. ক) দেশি
  2. খ) বিদেশি
  3. গ) সংস্কৃত
  4. ঘ) মিশ্র
ব্যাখ্যা

কতিপয় মিশ্র শব্দ-
খ্রিস্টাব্দ = ইংরেজি + তৎসম
চৌ-হদ্দি = ফারসি + আরবি
হাট-বাজার = বাংলা + ফারসি
কালি-কলম = সংস্কৃত + আরবি
পকেট-মার = ইংরেজি + বাংলা
ডাক্তার-খানা = ইংরেজি + ফারসি
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম দশম শ্রেণী ও বাংলা একাডেমি অভিধান।

২৮১.
'খাতুন' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. ক) তুর্কি
  2. খ) ফরাসি
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) আরবি
ব্যাখ্যা
খাতুন (বিশেষ্য পদ)
- উৎসগত দিক দিয়ে এটি তুর্কি ভাষার শব্দ। 
অর্থ
- মুসলমান নারীর নামান্ত
- সম্ভ্রান্ত নারী, গৃহিনী 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৮২.
আগন্তুক উৎসের শব্দ কোনটি?
  1. ক) দেশি
  2. খ) তৎসম
  3. গ) তদ্ভব
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়;
- তৎসম,
- তদ্ভব,
- দেশি ও
- বিদেশি।
এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং
দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
২৮৩.
কোন শব্দগুলোকে খাঁটি বাংলা শব্দ বলা হয়?
  1. দেশি শব্দকে
  2. তদ্ভব শব্দকে
  3. তৎসম শব্দকে
  4. কোলভাষার শব্দকে
ব্যাখ্যা
• তদ্ভব শব্দ:
- যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তন ধারায় প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তদ্ভব শব্দ।
- তদ্ভব একটি পারিভাষিক শব্দ।
- এর অর্থ, 'তৎ' (তার) থেকে 'ভব' (উৎপন্ন)।
যেমন -
→ সংস্কৃত - হস্ত, প্রাকৃত - হত্থ, তদ্ভব - হাত।
→ সংস্কৃত - চর্মকার, প্রাকৃত - চম্মআর, তদ্ভব - চামার ইত্যাদি।
- এই তদ্ভব শব্দগুলােকে খাঁটি বাংলা শব্দও বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৮৪.
নিচের কোনটি পর্তুগীজ শব্দ?
  1. ক) কুলা
  2. খ) ডাব
  3. গ) চুলা
  4. ঘ) জানালা
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ- কপি, কাজু, কামরা, কেদারা, গামলা, গির্জা, গুদাম, চাবি, জানালা, তামাক, তােয়ালে ইত্যাদি।
উৎসঃশীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
২৮৫.
নিচের কোনটি তৎসম শব্দ নয়?
  1. ক) ভবন
  2. খ) পাত্র
  3. গ) মনুষ্য
  4. ঘ) গিন্নী
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডারে ৫ প্রকারের শব্দ সমাবেশ হয়েছে। যথা- তৎসম, অর্ধ-তৎসম তদ্ভব, দেশী ও বিদেশী।
যে সকল শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে, সেসব শব্দকে তৎসম শব্দ বলা হয়। যেমন-চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।
অন্যদিকে গিন্নী শব্দটি অর্ধ-তৎসম শব্দের অন্তর্ভূক্ত।কতগুলো অর্ধ-তৎসম শব্দ হচ্ছে জ্যোছনা, ছেরাদ্দ, বোষ্টম, কুচ্ছিত ইত্যাদি।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
২৮৬.
বাংলা ব্যাকরণে উৎপত্তিগত দিক থেকে শব্দ রয়েছে ___ প্রকার।
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা

প্রত্যেকটি ভাষার শব্দ ভান্ডারে ঐতিহ্যসূত্রে বা উত্তরাধিকারসূত্রে পরিবর্তিত বা অপরিবর্তিতভাবে কিছু প্রাচীন শব্দ থেকেই যায়।
এর সঙ্গে থাকে প্রাচীন বা চলমান সময়ের ধার করা শব্দ। পাশাপাশি ধর্মপ্রচার, রাজ্যজয়, সাংস্কৃতিক বা ব্যবহারিক সূত্রে বিভিন্ন ভাষার শব্দের আদান-প্রদানও চলতে থাকে।

উৎসগত দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।
যথাঃ
১. সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ
২. প্রাকৃত বা তৎভব শব্দ
৩. বাংলা বা দেশি শব্দ ও
৪. বিদেশি বা বিভিন্ন ভাষার শব্দ।

উৎসঃ বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খন্ড)।

মাধ্যমিক ব্যাকরণ বইয়ের নতুন সংস্করনেও (২০২১) ৪ শ্রেণীর কথা বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, এখানে "অর্ধ-তৎসম" শ্রেণিটিকে রাখা হয় নি।

অন্যদিকে,
মাধ্যমিক ব্যাকরণ পুরাতন সংস্করণ ও হায়াৎ মামুদের ভাষা শিক্ষা বই অনুসারে,
উৎসগত দিক থেকে শব্দ ৫ প্রকার।
যথা-
১. তৎসম শব্দ,
২. অর্ধতৎসম শব্দ,
৩. তদ্ভব শব্দ,
৪. দেশি শব্দ ও
৫. বিদেশি শব্দ।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমাদের সিদ্ধান্তঃ
১. যেহেতু ভাষা ও ব্যাকরণের জন্য বাংলা একাডেমীর তথ্য সবচেয়ে বেশি গ্রহনযোগ্য, তার উপর মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণের নতুন সংস্করনে একই ধরণের তথ্য দেওয়া আছে, তাই আমরা ৪ প্রকারকে সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হচ্ছে। এখন থেকে ৪ প্রকারকেই সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হবে।
২. যদি প্রশ্নের অপশনে ৪ প্রকার না থাকে, সেক্ষেত্রে ৫ প্রকারকে সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হবে

২৮৭.
“চৌঠা” তারিখ জ্ঞাপক সংখ্যাটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. ক) আরবি
  2. খ) ফারসি
  3. গ) উর্দু
  4. ঘ) হিন্দি
ব্যাখ্যা

তারিখবাচক শব্দগুলোর প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থকে ৪ পর্যন্ত (পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা) হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়। বাকি শব্দগুলো বাংলার নিজস্ব ভঙ্গিতে গঠিত।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৮৮.
'কার্তুজ' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) ফরাসি
  2. খ) ওলান্দাজ
  3. গ) পর্তুগিজ
  4. ঘ) গ্রীক
ব্যাখ্যা
কার্তুজ (বিশেষ্য) 
- শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত
অর্থ: বন্দুকের টোটা।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৮৯.
পেয়ারা কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. ক) হিন্দি
  2. খ) উর্দু
  3. গ) পর্তুগিজ
  4. ঘ) গ্রিস
ব্যাখ্যা

পর্তুগিজ শব্দ :
- আচার, আনারস, আতা, আলকাতরা, আলপিন, আলমারি, ইস্তিরি , ইস্পাত, কামরা, কাকাতুয়া, কামিজ, কেদারা, কেরানি, গামলা, গুদাম, গির্জা, চাবি, জানালা, তামাক, তােয়ালে, পাদ্রি, পাউরুটি, পেঁপে, পেরেক, পেয়ারা, পিস্তল, ফিতে, বালতি, বাসন, বােতাম, সাবান, সায়া ইত্যাদি।
- বাংলা ভাষায় এক শ’ থেকে এক শ’ দশটির মতাে আছে পর্তুগিজ শব্দ।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৯০.
'বন্দুক-বারুদ' শব্দ দুটি
  1. ক) তুর্কি
  2. খ) ফারসি
  3. গ) আরবি
  4. ঘ) হিন্দি
ব্যাখ্যা

বন্দুক ও বারুদ শব্দ দুটি তুর্কি শব্দ।
তুর্কি ভাষার আরো কয়েকটি শব্দ হলোঃ
- উজবুক,
- কোর্মা,
- খাতুন,
- বিবি,
- চাকর,
- চাকু,
- তোপ,
- দারোগা,
- বাবুর্চি,
- লাশ,
- মুচলেখা,
- কুলি,
- খোকা ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখ এবং বাংলা একাডেমি অভিধান।

২৯১.
'মানবজমিন' কোন দুটি ভাষার সমন্বয়ে গঠিত মিশ্র শব্দ?
  1. ক) সংস্কৃত ও ফারসি
  2. খ) আরবি ও ফারসি
  3. গ) বাংলা ও ফরাসি
  4. ঘ) সংস্কৃত ও ফরাসি
ব্যাখ্যা
'মানবজমিন' সংস্কৃত ও ফারসি ভাষার সমন্বয়ে গঠিত মিশ্র শব্দ। 

মানবজমিন (বিশেষ্য) 
-  সংস্কৃত মানব + ফারসি জমিন 
অর্থ: 
- জমিরূপে কল্পিত মানুষ। 
- মানবহৃদয়।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৯২.
নিচের কোনটি গ্রিক শব্দ থেকে বাংলায় আগত?
  1. ক) দাম
  2. খ) ইউনানি
  3. গ) সেমাই
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
দাম ,ইউনানি,সেমাই ও সুড়ং সবগুলোই গ্রিক শব্দ।
২৯৩.
'বৈষ্ণব' কী ধরনের শব্দ?
  1. দেশী
  2. প্রাকৃত
  3. তদ্ভব
  4. সংস্কৃত
ব্যাখ্যা

বৈষ্ণব  (বিশেষ্য) বিষ্ণুর উপাসক; ধর্মসম্প্রদায়বিশেষ।
(বিশেষণ) ১ বিষ্ণু সম্পর্কীয়; ২ বিষ্ণুভক্ত।

বৈষ্ণবী (বিশেষ্য) (বিশেষণ) (স্ত্রীলিঙ্গ)।

{তৎসম বা সংস্কৃত বিষ্ণু+অ(অণ্‌)}

উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান 

 
২৯৪.
ইংরেজি ভাষা থেকে আগত শব্দ কোনটি?
  1. ক) ক্যাডার
  2. খ) ক্যানটিন
  3. গ) ক্যানভাস
  4. ঘ) ক্যাঙ্গারু
ব্যাখ্যা
ইংরেজি ভাষা থেকে আগত শব্দ = ক্যাঙ্গারু
ক্যাঙ্গারু (বিশেষ্য) 
- ইংরেজি শব্দ 
অর্থ: অস্ট্রেলিয়া  নিউগিনি ও তৎসংলগ্ন দ্বীপপুঞ্জে বিচরণ করে এবং শাবক বাহনের জন্য উদরসংলগ্ন থলি ও বলিষ্ঠ লেজওয়ালা তৃণভোজী স্তন্যপায়ী প্রাণী। 

অন্যদিকে,
ক্যাডার ক্যানটিন ক্যানভাস = ফরাসি ভাষা থেকে আগত শব্দ

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৯৫.
'ইনাম' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. ফরাসি
  4. হিন্দি
ব্যাখ্যা
ইনাম (বিশেষ্য)
অর্থ: পুরস্কার; বখশিশ; পারিশ্রমিক।
'ইনাম' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত। 
উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।
২৯৬.
'তবলা' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. বাংলা
  2. তৎসম
  3. আরবি
  4. হিন্দি
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'তবলা'- আরবি থেকে আগত শব্দ। 

• 'তবলা' বলতে বোঝায়:
- একদিকে চর্মাবৃত এক প্রকার বাদ্যযন্ত্রবিশেষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
২৯৭.
“কার্তুজ” শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে?
  1. ক) পর্তুগিজ
  2. খ) ফরাসি
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) ওলন্দাজ
ব্যাখ্যা


উৎসঃ বাংলা ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
২৯৮.
কোনটি ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দ?
  1. কুর্নিশ
  2. বুর্জোয়া
  3. বাবুর্চি
  4. চাকর
ব্যাখ্যা

• ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দঃ
- কুপন,
- ডিপো,
- রেস্তোরাঁ,
- আঁতেল,
- কার্তুজ,
- ওলন্দাজ,
- দিনেমার,
- কাফে,
- আঁতাত,
- বুর্জোয়া,
- রেনেসাঁস ইত্যাদি।
• তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দঃ
- বাবা,
- উজবুক,
- কাঁচি,
- কাবু,
- কুর্নিশ,
- কুলি (মজুর),
- কোর্মা,
- খাতুন,
- চকমক,
- তালাশ,
- তােপ,
- বন্দুক,
- বাবুর্চি,
- বেগম,
- মুচলেকা,
- লাশ,
- সওগাত
- দারোগা,
- চাকর,
- চাকু,
- তোপ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২৯৯.
নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?
  1. ক) পাত্র
  2. খ) হাত
  3. গ) চামার
  4. ঘ) দুধ
ব্যাখ্যা
পাত্র (পাত্‌ত্রো) 
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = √পা+ত্র
- নিশেষ্য পদ
অর্থ - আধার 
       - বিষয়, আস্পদ
       - মন্ত্রী
       - ব্যক্তি  
       - নাটকের চরিত্র
       - বর 



উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৩০০.
'গুনাহ' শব্দটি কোন ভাষায় শব্দ?
  1. ক) আরবি
  2. খ) উর্দু
  3. গ) ফারসি
  4. ঘ) বাংলা
ব্যাখ্যা

ফারসি শব্দের উদাহরণ হলো- খোদা, গুনাহ, নামাজ, ফেরেশতা, চশমা, জানোয়ার, বান্দা, বেগম, জিন্দা, নমুনা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী।