বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

জসীম উদ্‌দীন

মোট প্রশ্ন৩৭৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জসীম উদ্‌দীন

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৩৭৪

১০১.
‘প্রতিদান’ কবিতাটি কবি জসীমউদ্দীনের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
  1. নক্সীকাঁথার মাঠ
  2. বালুচর
  3. সোজন বাদিয়ার ঘাট 
  4. মা যে জননী কান্দে 
ব্যাখ্যা
কবি জসীমউদ্দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি।
- ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- পুরো নাম মোহাম্মদ জসীমউদ্দীন মোল্লা হলেও তিনি জসীমউদ্দীন নামেই পরিচিত।
- তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।

‘প্রতিদান’ কবিতাটি কবি জসীমউদ্দীনের ‘বালুচর’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত।
এ কবিতায় কবি ক্ষুদ্র স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে পরার্থপরতার মধ্যেই যে ব্যক্তির প্রকৃত সুখ ও জীবনের সার্থকতা নিহিত সেই বিষয়ে আলােকপাত করেছেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গাথাকাব্য:
- নক্সীকাঁথার মাঠ 
- সোজন বাদিয়ার ঘাট 
- মা যে জননী কান্দে 

তাঁর রচিত নাটক-
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থঃ
- হাসু
- এক পয়সার বাঁশী
- ডালিমকুমার


[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর, সাহিত্য পাঠ -একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি]
১০২.
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মত মুখ, পুতুলের বিয়ে ভেঙ্গে গেল বলে কেঁদে ভাষাইত বুক। - পংক্তিটি কোন কবির রচনা?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) কবি জসীম উদ্দীন
  3. গ) আবদুল কাদির
  4. ঘ) সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু  সোনার মত মুখ, পুতুলের বিয়ে ভেঙ্গে গেল বলে কেঁদে ভাষাইত বুক। - পংক্তিটি 'কবি জসীম উদ্দীন' এর 'কবর' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।  

• 'কবর' কবিতা
- 'কবর' কবিতাটি কবি জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’ (১৯২৭) এর অন্তর্ভুক্ত।
- কবর কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় 'কল্লোল' পত্রিকায়।
- এটি মত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮ টি পঙক্তি আছে। 

• কবর- কবিতা 
জসীমউদ্দীন
 
এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা,
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা!
সোনালি ঊষার সোনামুখ তার আমার নয়নে ভরি
লাঙল লইয়া খেতে ছুটিলাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি।
যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে দেখে লইতাম কত
এ কথা লইয়া ভাবি-সাব মোরে তামাশা করিত শত।
এমনি করিয়া জানি না কখন জীবনের সাথে মিশে
ছোট-খাট তার হাসি ব্যথা মাঝে হারা হয়ে গেনু দিশে।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, কবর- কবিতা: জসীমউদ্দীন। 
১০৩.
কোনটি জসীমউদ্দীনের রচনা?
  1. গাজী মিয়াঁর বস্তানী
  2. দুর্দিনের দিনলিপি
  3. রেখাচিত্র
  4. যে দেশে মানুষ বড়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর -  ঘ) যে দেশে মানুষ বড়।
----------------------
• জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

• তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পরীর দেশ,
- যে দেশে মানুষ বড়।

• 'যে দেশে মানুষ বড়' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা - জসীম উদ্‌দীন।
- এটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।

অন্য অপশনগুলো:
ক) গাজী মিয়াঁর বস্তানী- মীর মশাররফ হােসেনের আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসোপম রচনা।
খ) দুর্দিনের দিনলিপি - আবুল ফজল রচিত দিনলিপি।
গ) রেখাচিত্র - আবুল ফজল রচিত একটি দিনিলিপি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও বাংলাপিডিয়া।

১০৪.
জসীম উদ্‌দীনের ‘কবর’ কবিতার দাদু শাপলার হাটে কী বেচাকেনা করতেন?
  1. শাপলা
  2. ধান
  3. শসা
  4. তরমুজ
ব্যাখ্যা
'কবর' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কল্লোল পত্রিকায়।
- এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮টি পঙক্তি আছে।
- এটি কবি জসীম উদ্‌দীনের বহুল পঠিত ও নন্দিত কবিতা।
- এটি একটি শোক-প্রকাশক কবিতা।

'কবিতা' কবিতার অংশবিশেষ- কবর, 
লেখক: জসীম উদ্‌দীন।

বাপের বাড়িতে যাইবার কাল কহিত ধরিয়া পা
আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ।
শাপলার হাটে তরমুজ বেচি দু’পয়সা করি দেড়ী,
পুঁতির মালার একছড়া নিতে কখনও হত না দেরি।
দেড় পয়সার তামাক এবং মাজন লইয়া গাঁটে,
সন্ধাবেলায় ছুটে যাইতাম শ্বশুরবাড়ির বাটে!

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর; 'কবিতা' কবিতা; এবং বাংলাপিডিয়া।
১০৫.
'ডালিম কুমার' শিশুতোষ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) জসীমউদ্‌দীন
  3. গ) জহির রায়হান
  4. ঘ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা
'ডালিম কুমার' শিশুতোষ গ্রন্থ টির রচয়িতা -জসীমউদ্‌দীন

জসীমউদ্দীন সাহিত্যের নানা শাখায় কাজ করেছেন, যেমন গাথাকাব্য, খন্ডকাব্য, নাটক, স্মৃতিকথা, শিশুসাহিত্য, গল্প-উপন্যাস ইত্যাদি।
• নাটক:
- পদ্মাপাড়
- বেদের মেয়ে
- মধুমালা
- পল্লীবধূ
- গ্রামের মায়া
• ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির
- হলদে পরীর দেশ
- যে দেশে মানুষ বড়
• শিশুতোষ গ্রন্থ:
- হাসু
- এক পয়সার বাঁশী
- ডালিমকুমার

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য ও জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
১০৬.
কবি জসীম উদ্‌দীনের "নিমন্ত্রণ" কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? 
  1. বালুচর
  2. ধানখেত
  3. নক্সী কাঁথার মাঠ
  4. সোজন বাদিয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা

• কবি জসীম উদ্‌দীনের 'নিমন্ত্রণ' কবিতাটি 'ধানখেত' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 
- কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে।

• ‘সুচয়নী’ জসীম উদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।

• জসীম উদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ-
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

১০৭.
জসীম উদ্‌দীনের - 'কবর' কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
  1. স্বরবৃত্ত
  2. অক্ষরবৃত্ত
  3. মাত্রাবৃত্ত
  4. অমিত্রাক্ষর
ব্যাখ্যা

• 'কবর কবিতা':
- জসীমউদ্‌দীনের প্রথম প্রকাশিত কবিতা 'কবর'।
- তাঁর ছাত্রাবস্থায় এ কবিতাটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্য তালিকাভুক্ত হয়।
- এটি কবি জসীম উদ্দীনের বহুল পঠিত ও নন্দিত কবিতা। এটি একটি শোক-প্রকাশক কবিতা।
- এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮টি পঙক্তি আছে।
- কবিতাটি প্রথমে 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- পরবর্তীতে কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী' এর অন্তর্ভূক্ত করা হয়।
- 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- বইটিতে মোট ১৯টি কবিতা আছে।
--------------
মাত্রাবৃত্ত ছন্দ:
যে ছন্দে যুগ্মধ্বনি সর্বদা বিশ্লিষ্ট ভঙ্গিতে উচ্চারিত হয়ে দুমাত্রার মর্যাদা পায় এবং অযুগ্মধ্বনি একমাত্রা বলে গণনা করা হয় তাকে মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বলে। মাত্রাবৃত্ত ছন্দ ধ্বনি-প্রধান। মাত্রাবৃত্ত ছন্দে ছয় মাত্রার পর্বই অধিক। চার, পাঁচ, সাত, আট মাত্রার পর্বও এ ছন্দে পাওয়া যায়। 

মাত্রাবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য: 
• একই শব্দের অন্তর্গত যুক্তব্যঞ্জনের পূর্বস্বর দীর্ঘ বা দ্বিমাত্রিক হলন্ত অক্ষর বা বদ্ধাক্ষরের দীর্ঘ বা দ্বিমাত্রিক।
• অনুস্বর ও বিসর্গের পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ।
• যৌগিক স্বরান্ত অক্ষর (যেমন : ঐ, ঔ) দ্বিমাত্রিক।
• অবশিষ্ট সমস্ত স্বর হ্রস্ব বা একমাত্রিক।

• তিরিশ বছর/ ভিজায়ে রেখেছি/ দুই নয়নের জলে। (৬ + ৬ + ৬ + ২ মাত্রা)

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১০৮.
'যে মোরে করিল পথের বিবাগী,
পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি' - পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা
'যে মোরে করিল পথের বিবাগী,
পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি'- পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা - জসীম উদ্‌দীন। কবিতাটি জসীম উদ্‌দীনের 'প্রতিদান' কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে।

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
১০৯.
'বছির' ও 'আজহার' চরিত্রের স্রষ্টা কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• 'বোবা কাহিনী' উপন্যাস:
- এটি জসীম উদ্‌দীন রচিত প্রথম ও একমাত্র উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯৬৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসে আজহার একজন প্রান্তিক চাষী এবং তাঁর পুত্র বছির।
- উপন্যাসে মহাজনী শোষণের কারণে গ্রামের প্রান্তিক চাষী আজহারের ভূমিহীন হওয়া,শহরের সুবিধাবাদী উকিল ও ভণ্ড ধার্মিক কর্তৃক মেধাবী বছির নিগ্রহ ইত্যাদি বর্ণিত হয়েছে।
- দরিদ্র গ্রাম্যচাষী আজাহের ও তার পুত্র বছির, এই দুই প্রজন্মের জীবন সংগ্রামের সফলতা ও বিফলতার কাহিনী নিয়ে এই উপন্যাস।

• উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র:
- বছির,
- আজহার,
- আরজান,
- রহিমুদ্দিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১০.
কোনটি জসীমউদ্দীনের রচিত নাটক নয়? 
  1. পদ্মাপাড়
  2. বেদের মেয়ে
  3. মধুমালা
  4. হাসু
ব্যাখ্যা

• জসীম উদ্‌দীন: 
- জসীমউদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ। 
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। 
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে। 
- জসীমউদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়। 
- ‘সুচয়নী’ জসীমউদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: 
- বালুচর, 
- রূপবতী, 
- রাখালী, 
- নকশী কাঁথার মাঠ, 
- ধানখেত, 
- সোজন বাদিয়ার ঘাট, 
- মাটির কান্না, 
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি। 

• তাঁর রচিত নাটক: 
- পদ্মাপাড়, 
- বেদের মেয়ে, 
- মধুমালা, 
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি। 

• শিশুতোষ গ্রন্থ: 
- হাসু, 
- এক পয়সার বাঁশী, 
- ডালিমকুমার। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১১১.
'জার্মানীর শহরে বন্দরে' ভ্রমণকাহিনিটি কার রচনা?
  1. সানাউল হক
  2. জসীমউদ্‌দীন
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• 'জার্মানীর শহরে বন্দরে':
- 'জার্মানীর শহরে বন্দরে' জসীমউদ্‌দীন রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি।
- গ্রন্থটিতে জার্মানের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণের স্মৃতি বর্ণানা করা হয়েছে।
- গ্রন্থটি ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত হয়।

গ্রন্থের মুখবন্ধে কবি লিখেছেন-
অবশেষে 'জার্মানীর শহরে বন্দরে' পুস্তকাকারে প্রকাশিত হইল। এই পুস্তক প্রকাশে পলাশ মুদ্রণের মালিক সোদরপ্রতিম মো: রুহুল আমীন যেভাবে আমাকে সাহায্য করিয়াছে কৃতজ্ঞতা জানাইয়া আমার প্রতি তাহার সম্পর্ককে ম্লান করিতে চাহি না। প্রকৃতপক্ষে সে না হইলে এত শীঘ্র এই পুস্তক প্রকাশিত হইতে পারিত না।

------------------------
• জসীমউদ্‌দীন:
- জসীমউদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীমউদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।
- ‘সুচয়নী’ জসীমউদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।

• কবি জসীমউদ্‌দীনের 'নিমন্ত্রণ' কবিতাটি 'ধানখেত' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে।

• জসীমউদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

• শিশুতোষ গ্রন্থ:
- হাসু,
- এক পয়সার বাঁশী,
- ডালিমকুমার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১২.
ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন কোন কবি?
  1. নির্মলেন্দু গুণ
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীম উদ্‌দীন ছিলেন কবি ও শিক্ষাবিদ। তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- পুরো নাম মোহাম্মদ জসীমউদ্দীন মোল্লা হলেও তিনি জসীম উদ্‌দীন নামেই পরিচিত।
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে। ‘পল্লীকবি’ হিসেবে তাঁর বিশেষ ও স্বতন্ত্র পরিচিতি রয়েছে। 

- কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়। কবি হিসেবে এটি তাঁর এক অসামান্য সাফল্য।

- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। 

- কবি জসীমউদ্দিন রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। তাঁর নক্সী কাঁথার মাঠ কাব্যটি দি ফিল্ড অব এমব্রয়ডার্ড কুইল্ট এবং বাঙালীর হাসির গল্প গ্রন্থটি ফোক টেল্স অব ইষ্ট পাকিস্তান নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে।

- জসীমউদ্দীন জারীগান (১৯৬৮) ও মুর্শীদা গান (১৯৭৭) নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন। 

অন্যদিকে, 
• নির্মলেন্দু গুণ ১৯৪৫ সালে নেত্রকোনার বারহাট্টার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
• জীবনানন্দ দাশ, ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১৩.
জসীমউদ্‌দীন রচিত ‘পল্লী জননী’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. রাখালী
  2. বালুচর
  3. ধানখেত
  4. মাটির কান্না
ব্যাখ্যা
⇒ জসীমউদ্‌দীন রচিত ‘পল্লী জননী’ রাখালী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা।
- ১৯২৭ সালে ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
- মোট ১৯টি কবিতা নিয়ে কাব্যগ্রন্থটি রচিত।
- ‘রাখালী’ নামক কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা।

⇒ জসীমউদ্‌দীন:

- জসীমউদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীমউদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়। 
- ‘সুচয়নী’ জসীমউদ্দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।

• জসীমউদ্দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান। 

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১৪.
জসীমউদ্‌দীন রচিত খণ্ড কবিতার সংকলন-
  1. চক্রবাক
  2. পূবের হাওয়া
  3. বালুচর
  4. ঝিঙে ফুল
ব্যাখ্যা
• ‘বালুচর’ জসীমউদ্‌দীন রচিত একটি খণ্ড কবিতার সংকলন।
- কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।
------------------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

• কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নি-বীণা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- মরুভাস্কর,
- সর্বহারা,
- ফনিমনসা,
- চক্রবাক,
- নতুন চাঁদ,
- সাম্যবাদী,
- ছায়ানট,
- পূবের হাওয়া,
- বিষের বাঁশি,
- ঝিঙে ফুল,
- দোলনচাঁপা,
- জিঞ্জির ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১৫.
জসীমউদ্‌দীন রচিত ভ্রমণকাহিনি- 
  1. ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র
  2. জীবন কথা
  3. চলে মুসাফির
  4. বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন
ব্যাখ্যা

• 'চলে মুসাফির' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা - জসীমউদ্‌দীন।

• জসীমউদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

• 'চলে মুসাফির' ভ্রমণকাহিনি:
- ‘চলে মুসাফির’ বইটি মূলত সরলমতি ছাত্রদের জন্য লেখা হয়েছিল, তাই পাঠ্যপুস্তক হিসেবে এর অনেক বিষয় সংক্ষিপ্ত করা হয়েছিল। প্রথম ও দ্বিতীয় সংস্করণে এই ভ্রমণকাহিনী বিস্তারিতভাবে লিখিত হয়েছে, যাতে পাঠ্যপুস্তক পড়া পাঠকদের কাছেও এটি নতুন মনে হয়। এই সংস্করণে করাচি ও মুলতান ভ্রমণের বিবরণও যোগ করা হয়েছে। এই কাহিনীর মাধ্যমে পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষদের সঙ্গে পাঠক-পাঠিকাদের মনের বন্ধন গড়ে তোলার আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

- ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ সরকারের আর্থিক সহায়তায় লেখক আমেরিকা ভ্রমণ করেন। সেখানে তিনি যে সকল আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত মানুষের সান্নিধ্যে আসেন, তাঁদের কথা এই বইয়ে ভালোবাসার সঙ্গে লিপিবদ্ধ করেছেন।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• ‘ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র’ ইবরাহীম খাঁ রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি।
• ‘জীবন কথা’ হলো তার আত্মজীবনী।
• 'বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন' ভ্রমণ কাহিনির রচয়িতা- মুহম্মদ আবদুল হাই।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

১১৬.
কোন সাহিত্যিক ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মেছেন?
  1. জীবনানন্দ দাশ 
  2. গোলাম মোস্তফা
  3. আল মাহমুদ 
  4. জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা

• জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ। তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি — ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস — 'বোবা কাহিনী'। তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

• জসীম উদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ-
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১১৭.
জসীমউদ্দীনের 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থে কয়টি কবিতা আছে?
  1. ১৪টি
  2. ১৭টি
  3. ২১টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা
রাখালী:
- জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এটি।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯টি কবিতা আছে।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত।
- এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে 'রাখালী'।

জসীমউদ্দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
-  তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
১১৮.
'সোজন বাদিয়ার ঘাট' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. কায়কোবাদ
  4. জসীমউদ্দীন
ব্যাখ্যা
• কবি জসীমউদদীনের কাহিনীকাব্য- সোজন বাদিয়ার ঘাট।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩৩ সালে।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ-
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী, 
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১১৯.
বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
  1. সোজন বাদিয়ার ঘাট
  2. বালুচর
  3. রাখালী
  4. নক্সী কাঁথার মাঠ
ব্যাখ্যা

'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ - রাখালী।
- এই কাব্যে ১৯টি কবিতা আছে। বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত। এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে 'রাখালী'।

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
-  তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী, 
- রূপবতী ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১২০.
'কবর' কবিতা কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়? 
  1. দৈনিক নবযুগ
  2. পরিচয়
  3. কল্লোল
  4. নবনূর
ব্যাখ্যা
• 'কবর' কবিতা:
- কবি জসীমউদ্‌দীন রচিত 'কবর' কাবিতাটি ১৯২৫ সালে প্রথম 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- জসীমউদ্‌দীন রচিত 'কবর' কবিতা 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- 'কবর' কবিতার মোট লাইন সংখ্যা- ১১৮ টি।

কবর
জসীমউদ্‌দীন
এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা,
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা!
সোনালি ঊষার সোনামুখ তার আমার নয়নে ভরি
লাঙল লইয়া খেতে ছুটিতাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি।
যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে দেখে লইতাম কত
এ কথা লইয়া ভাবি-সাব মোরে তামাশা করিত শত।
(সংক্ষিপ্ত)

• তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত কবিতা:
- মুসাফির (বালুচর),
- নিমন্ত্রণ (ধানক্ষেত),
- আসমানী (এক পয়সার বাঁশি) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও কবর কবিতা।
১২১.
"Gypsy Wharf" শিরোনামে অনূদিত হয়েছে -
  1. রাখালী
  2. বোবা কাহিনী
  3. সোজন বাদিয়ার ঘাট
  4. কবর
ব্যাখ্যা
পল্লীকবি জসীম উদদীন
- বাংলা সাহিত্যে জসীম উদদীন বহুমুখী আধুনিক ব্যক্তিত্ব।
- তিনি একাধারে কবি, কাব্যোপন্যাসিক, ঔপন্যাসিক, গীতিকার, ভ্রমণকাহিনীকার, নাট্যকার, স্মৃতিকথক, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক ইত্যাদি বহুবিধ পরিচয়ে পরিচিত।
- ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

সাহিত্যকর্ম
- তাঁর নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বাংলা ভাষার গীতি-কবিতার উৎকৃষ্টতম নিদর্শনগুলোর অন্যতম।
- ১৯৩১ থেকে ১৯৩৭ পর্যন্ত, দীনেশচন্দ্র সেনের সাথে লোক সাহিত্য সংগ্রাহক হিসেবে জসীম উদ্‌দীন কাজ করেন।
- তিনি পূর্ব বঙ্গ গীতিকার একজন সংগ্রাহকও।
- জসীমউদ্দীন জারীগান ও মুর্শীদা গান নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন।

- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- রাখালী কাব্যে ১৯টি কবিতা রয়েছে।

♦ 'বোবা কাহিনী' তাঁর একমাত্র উপন্যাস।
- এ উপন্যাসের নায়ক আজাহের।

♦ কবর: 
- ১৯২৫ সালে এই কবিতাটি প্রথম কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- এটি কবির ‘রাখালী’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।
- বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর 'কবর' কবিতাটি প্রবেশিকা(এস.এস.সি) বাংলা পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এই কাহিনী-কাব্যটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত ‘ড্রামাটিক মনোলগ’।
- এ কবিতার চরণ সংখ্যা ১১৮।
- কবিতায় এক বৃদ্ধ তার নাতিকে পাঁচজন স্বজন হারানোর ব্যথা এক এক করে বর্ণনা করেছেন। তারা হলো: বৃদ্ধের স্ত্রী, পুত্র, পুত্রবধূ, নাতনী ও মেয়ে।

♦ সোজন বাদিয়ার ঘাট
- এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- সাম্প্রদায়িকতার টানাপোড়ন এই কাব্যের উপজীব্য।
- ইউনেস্কো 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' -কে এশীয় সিরিজের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্মের সম্মাননা দিয়েছে।
- কাব্যটি ইউনেস্কোর উদ্যোগে 'Gypsy Wharf' (১৯৬৯) শিরোনামে অনূদিত হয়।

♦ কাব্যগ্রন্থ
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- বালুচর,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- হাসু ,
- মাটির কান্না,
- এক পয়সার বাঁশী,
- সখিনা,
- মা যে জননী কান্দে,
- পদ্মা নদীর দেশে ইত্যাদি।

♦ নাটক
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে ,
- পল্লীবধূ ইত্যাদি।

♦ আত্মকথা
- যাদের দেখেছি ,
- ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়,
- জীবন কথা ইত্যাদি।

♦ ভ্রমণ কাহিনী
- চলে মুসাফির,
- হলদে পরির দেশে,
- যে দেশে মানুষ বড় ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ১.বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর;
২. বিবিসি বাংলা,
৩. ডেইলি স্টার বাংলা,
৪. Who's who in Bangladesh art, culture, literature, আবু ফজল শামসুজ্জামান।
৫. বাংলাপিডিয়া।
১২২.
কোনটি জসীম উদ্দীনের কাব্য?
  1. চলে মুসাফির
  2. রাখালী
  3. বিষের বাঁশি
  4. সোনালি কাবিন
ব্যাখ্যা

'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ:
- জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ - রাখালী।
- এই কাব্যে ১৯টি কবিতা আছে।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত।
- এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে 'রাখালী'।

অন্যদিকে,
- চলে মুসাফির - জসীম উদ্দীনের উল্লেখযোগ্য ভ্রমণকাহিনীগুলোর মধ্যে একটি।
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ - বিষের বাঁশি।
- 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা আল মাহমুদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১২৩.
'ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে' কাব্যগ্রন্থের পটভূমি কী?
  1. দেশভাগ
  2. গ্রাম বাংলার প্রকৃতি
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. দুর্ভিক্ষ
ব্যাখ্যা
• 'ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে' কাব্যগ্রন্থ:
- 'ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে' জসীম উদ্‌দীন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি কাব্যগ্রন্থ। গ্রন্থটি ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'তুজম্বর আলি' ছদ্মনামে এই কবিতাগুলি রাশিয়া, আমেরিকা ও ভারতে পাঠানো হয়েছিল।
- কবি জসীম উদ্দীনের মেয়ে হাস্না এর মধ্যে কিছু কবিতা ইংরাজিতে অনুবাদ করে নিউইয়র্কে বিদ্বান-সমাজে বেনামিতে পাঠ করেছিলেন।
- রাশিয়াতেও কবিতাগুলো সমাদৃত হয়েছিল। সেখানেও কিছু কিছু লেখা রুশ ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- ভারতে এই লেখাগুলো প্রকাশিত হইলে মুল্করাজ আনন্দ প্রমুখ বহু সাহিত্যিক ও কাব্যরসিকের সশ্রদ্ধ দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কিছু কবিতা হলো:
- বঙ্গ-বন্ধু,
- কি কহিব আর,
- মুক্তি-যোদ্ধা,
- হবে হবে জয়,
- স্বাধীনতার দিনে,
- জাগায়ে তুলিব আশা,
- Dedication,
- The last poem for you,
- Where is Mina?,
- Freedom Fighter,
- A Poet's Appeal,
- The Chariot of Dhamrai
- দিলরাশ বানুর কাহিনী,
- মুক্তিযোদ্ধা মোফাখখর হোসেন,
- শহীদ মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী।

উৎস: 'ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে' কাব্যগ্রন্থ কবি  জসীম উদ্‌দীন এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২৪.
নিচের কোনটি কবি জসীমউদ্দীনের রচনা নয়?
  1. ক) ধানক্ষেত
  2. খ) মধুমালা
  3. গ) পদ্মাপাড়
  4. ঘ) এক মুঠো
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
কবি জসিমউদ্‌দীনের কাব্যগ্রন্থ - বালুচর, রাখালী, ধানক্ষেত, রূপবতী। নাট্যগ্রন্থ - পদ্মাপাড়, বেদের মেয়ে, মধূমালা, পল্লীবধূ। অমীয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থ - এক মুঠো, খসড়া, মাটির দেয়াল, অভিজ্ঞান বসন্ত।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
১২৫.
পল্লিকবি জসীমউদ্দীন রচিত বিখ্যাত 'কবর' নাটকে কতটি পঙ্‌ক্তি রয়েছে?
  1. ক) ১১১টি
  2. খ) ১১৫টি
  3. গ) ১১৮টি
  4. ঘ) ১২১টি
ব্যাখ্যা
• 'কবর' কবিতাটি কবি জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’ (১৯২৭) এর অন্তর্ভুক্ত।
- এই কাব্যে মোট ১৯ টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।
- কবর কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় 'কল্লোল' পত্রিকায়।
- এটি মত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮ টি পঙক্তি আছে
- কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর। 
১২৬.
'নক্সী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯২১ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯৩১ সালে
  4. ১৯২৭ সালে
ব্যাখ্যা

• 'নক্সী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্‌দীনের বিখ্যাত কাহিনিকাব্য - নক্সী কাঁথার মাঠ।
- ১৯২৯ সালে নক্সী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
- এটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন E.M Milford. ইংরেজি অনুবাদের নাম - The Field of Embroidered Quilt.
- নক্সী কাঁথার মাঠ কাব্যোপন্যাসটি রূপাই ও সাজু নামক দুই গ্রামীণ যুবক-যুবতীর অবিনশ্বর প্রেমের করুণ কাহিনী।

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: 
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

১২৭.
'নকশী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি নাম কোনটি?
  1. Field of the  Embroidery Flowers
  2. The Woven Carpet 
  3. The Field of Embroidered Quilt
  4. Field of the  Embroidery Threads
ব্যাখ্যা

নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি নাম: Field of the Embroidery Quilt.
------------------------------------------
• নকশী কাঁথার মাঠ:
- জসীম উদদীনের বিখ্যাত কাহিনিকাব্য - নকশী কাঁথার মাঠ।
- ১৯২৯ সালে নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
- এটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন E.M Milford.  
- ইংরেজি অনুবাদের নাম - The Field of Embroidered Quilt.
- নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যোপন্যাসটি রূপাই ও সাজু নামক দুই গ্রামীণ যুবক-যুবতীর অবিনশ্বর প্রেমের করুণ কাহিনী।
----------------------------------------------------
জসীম উদ্দীন :
- জসীম উদ্দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।
- তাঁর কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটির জন্য তাকে পল্লীকবি উপাধি দেয়া হয়।

• তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত কাব্য:
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- রাখালী,
- ভোর হইলো দোর খোলো, প্রভৃতি।

• জসীম উদ্দীনের উল্লেখযোগ্য ভ্রমণকাহিনীগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পরীর দেশে, এবং
- যে দেশে মানুষ বড়।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১২৮.
‘আজহার’ চরিত্রটি জসীমউদ্‌দীনের কোন গ্রন্থে পাওয়া যায়?
  1. বোবা কাহিনী
  2. নক্সী কাঁথার মাঠ
  3. সোজন বাদিয়ার ঘাট
  4. পদ্মাপাড়
ব্যাখ্যা
• ‘বোবা কাহিনী’ উপন্যাস:
- ‘বোবা কাহিনী' (১৯৬৪) জসীমউদ্‌দীন প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে মহাজনী শোষণের কারণে গ্রামের প্রান্তিক চাষি আজহারের ভূমিহীন হওয়া, শহরের সুবিধাবাদী উকিল ও ভণ্ড ধার্মিক কর্তৃক মেধাবী বছির নিগ্রহ ইত্যাদি বর্ণিত হয়েছে।।
- উপন্যাসে কোন জটিলতা নেই । নিছক সরল ও সাদামাটা একটি গল্প আছে উপন্যাসটিতে।

• উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র :
- বছির,
- আজহার,
- আরজান,
- রহিমুদ্দিন।

-----------------
• জসীমউদ্‌দীন:
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত গাথাকাব্য:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত জনপ্রিয় খণ্ড কবিতার সংকলন:
- রাখালী,
- বালুচর,
- রূপবতী,
- ধানখেত,
- মাটির কান্না,
- সুচয়নী।

• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

অভিসম্বন্ধ: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১২৯.
দীনেশচন্দ্রকে কেন্দ্র করে 'স্মরণের সরণী বাহি' স্মৃতিকথা গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. মীর মশাররফ হোসেন
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
• 'স্মরণের সরণী বাহি' স্মৃতিকথা:
- 'স্মরণের সরণী বাহি' গ্রন্থটি দীনেশচন্দ্রকে কেন্দ্র করে জসীম উদ্‌দীন রচিত স্মৃতিকথা। এই গ্রন্থে তাঁর স্মৃতির টুকরো কথাগুলি কোথাও অশ্রুসজল, কোথাও বিস্ময়মুগ্ধ প্রসন্নতা সৃষ্টি করতে পেরেছে।

- সরল সাধু ভাষায় লেখা এই স্মৃতিকথায় তিনি যে মমতা ও বেদনার সঙ্গে দীনেশচন্দ্রের চিত্রগুলি ফুটিয়ে তুলেছেন তা স্মৃতিচারণামূলক বাংলাসাহিত্যে অভিনব। রচনাটি ছোট, কিন্তু আবেগে বেদনায় বড়ো।

- দীনেশচন্দ্রের এত অন্তরঙ্গ পরিচয় আমরা ইতিপূর্বে পাইনি। 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য', 'বৃহৎবঙ্গ', আরও নানা গ্রন্থের লেখককে আমরা তাঁর রচনার মধ্যেই দেখেছি, তার বাইরে যে তাঁর আর একটি আনন্দবেদনাময় হৃদয়বান পুরুষচরিত্র রয়েছে, তা জসীম উদ্‌দীনের এই স্মৃতিকথায় প্রকাশ পেয়েছে।

------------------------
• জসীম উদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান। 

• জসীম উদ্‌দীন রচিত কয়েকটি ভ্রমণকাহিনি:
- যে দেশে মানুষ বড়,
- হলদে পরীর দেশ ও
- চলে মুসাফির।

• আত্মজীবনী:
- জীবন কথা।

• স্মৃতিকথা:
- যাঁদের দেখেছি,
- ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: 'স্মরণের সরণী বাহি' জসীম উদ্‌দীন এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩০.
কোনটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত আত্মকাহিনী নয়?
  1. ক) স্মৃতিকথা
  2. খ) ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়
  3. গ) স্মরণের সরণী বাহি
  4. ঘ) যাদের দেখেছি
ব্যাখ্যা
পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত আত্মকথা
- যাদের দেখেছি (১৯৫১)
- ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১)
- জীবন কথা ( ১৯৬৪)
- স্মৃতিপট (১৯৬৪)
- স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮)

 নাটক
- পদ্মাপার (১৯৫০)
- বেদের মেয়ে (১৯৫১)
- মধুমালা (১৯৫১)
- পল্লীবধূ (১৯৫৬)
- গ্রামের মায়া (১৯৫৯)

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ
- রাখালী (১৯২৭)
- নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯)
- বালুচর (১৯৩০)
- ধানখেত (১৯৩৩)
- সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪)
- হাসু (১৯৩৮)
- রুপবতী (১৯৪৬)
- মাটির কান্না (১৯৫১)
- এক পয়সার বাঁশী (১৯৫৬)
- সখিনা (১৯৫৯)
- সুচয়নী (১৯৬১)
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২)
- মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩)
- হলুদ বরণী (১৯৬৬)
- জলে লেখন (১৯৬৯)
- পদ্মা নদীর দেশে (১৯৬৯)
- কাফনের মিছিল (১৯৭৮)
- মহরম
- দুমুখো চাঁদ পাহাড়ি (১৯৮৭)

উপন্যাস
- বোবা কাহিনী (১৯৬৪)

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া
১৩১.
‘রূপাই’ চরিত্রটি কোন কবির সৃষ্টি?
  1. জীবনানন্দ দাশ
  2. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. জসীমউদ্‌দীন
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• ‘রূপাই’ চরিত্রের স্রষ্টা জসীমউদ্‌দীন। 
- ‘রূপাই’ জসীমউদ্‌দীন রচিত 'নক্সীকাঁথার মাঠ' কাহিনি কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি চরিত্র।

----------------------
• নক্সী কাঁথার মাঠ:

- 'নক্সীকাঁথার মাঠ' (১৯২৯) জসীমউদ্‌দীন রচিত কাহিনি কাব্য বা গাথা কাব্য।
- এই গ্রন্থের প্রথম অংশে আছে চাষির ছেলে রূপাই ও পাশের গ্রামের মেয়ে সাজুর প্রথম পরিচয় থেকে তাদের অনুরাগের বিকাশ ও বিবাহ এবং কয়েক মাসের সুখময় জীবনের কথা।
- দ্বিতীয় অংশের বিষয় তাদের বিচ্ছেদ।
- পূর্ববঙ্গ গীতিকায় যে বর্ণনাভঙ্গি এবং ভাষারীতি; জসীমউদ্‌দীন তাকে অবলম্বন করেছেন।
- গ্রামীণ জীবনের মাধুর্য ও কারুণ্য, বৈচিত্র্যহীন ক্লান্তিকরতা এবং মানুষের অসহায়তা এই কাব্যের উপকরণ।
- আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে এই কাব্য এক বিশেষ স্বাতন্ত্র্য নিয়ে লেখা হয়েছিল।

-----------------
• জসীমউদ্‌দীন:
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ। তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত গাথাকাব্য:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত জনপ্রিয় খণ্ড কবিতার সংকলন:
- রাখালী,
- বালুচর,
- রূপবতী,
- ধানখেত,
- মাটির কান্না,
- সুচয়নী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৩২.
পল্লীকবি জসীমউদ্দিন রচিত একমাত্র উপন্যাস গ্রন্থ কোনটি?
  1. রাখালী
  2. সোজন বাদিয়ার ঘাট
  3. গ্রামের মেয়ে
  4. বোবা কাহিনী
ব্যাখ্যা
'বোবা কাহিনী' পল্লীকবি জসীমউদ্দিন রচিত একমাত্র উপন্যাস গ্রন্থ।
-----------------
কবি, শিক্ষাবিদ জসীমউদ্দীন এর জন্ম ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে । তাঁর পৈতৃক নিবাস একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। পিতা আনসারউদ্দীন মোল্লা ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষক। 
- কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জসীমউদ্দীন সাহিত্যের নানা শাখায় কাজ করেছেন, যেমন গাথাকাব্য, খন্ডকাব্য, নাটক, স্মৃতিকথা, শিশুসাহিত্য, গল্প-উপন্যাস ইত্যাদি।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ
- রাখালী (১৯২৭)
- নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯)
- বালুচর (১৯৩০)
- ধানখেত (১৯৩৩)
- সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪)
- হাসু (১৯৩৮)
- রুপবতী (১৯৪৬)
- মাটির কান্না (১৯৫১)
- এক পয়সার বাঁশী (১৯৫৬)
- সখিনা (১৯৫৯)
- সুচয়নী (১৯৬১)
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২)
- মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩)
- হলুদ বরণী (১৯৬৬)
- জলে লেখন (১৯৬৯)
- পদ্মা নদীর দেশে (১৯৬৯)
- কাফনের মিছিল (১৯৭৮)
- মহরম
- দুমুখো চাঁদ পাহাড়ি (১৯৮৭)

নাটক
- পদ্মাপার (১৯৫০)
- বেদের মেয়ে (১৯৫১)
- মধুমালা (১৯৫১)
- পল্লীবধূ (১৯৫৬)
- গ্রামের মায়া (১৯৫৯)

উপন্যাস
- বোবা কাহিনী (১৯৬৪)

উৎস: : উচ্চ মাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ (২০২০-২১ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া
১৩৩.
‘বেদের মেয়ে’ নাটকটির রচিয়তা কে?
  1. ক) কামিনী রায়
  2. খ) আলী মনসুর
  3. গ) জসীম উদ্দীন
  4. ঘ) আনিস চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• 'বেদের মেয়ে' নাটকটির রচয়িতা পল্লিকবি জসীমউদ্‌দীন। 
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে। 

•জসীমউদ্‌দীন রচিত অন্যান্য নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা, 
- পল্লীবধূ, 
- গ্রামের মেয়ে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩৪.
কোনটি কবি জসীমউদদীনের শিশুতোষ গ্রন্থ?
  1. ডানপিটে শওকত
  2. হ-য-ব-র-ল
  3. ডালিমকুমার
  4. পাগলা দাশু
ব্যাখ্যা
জসীমউদ্দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
  তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি  ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।  

জসিমউদ্দীন রচিত গানের সংকলনের নামগুলো হলো:
- গাঙের পাড় 
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি 

কবি জসীমউদদীনের শিশুতোষ গ্রন্থ গুলো হলো
- হাসু,
- এক পয়সার বাঁশি,
- ডালিমকুমার ।

অন্যদিকে,
সুকুমার রায়ের শিশুতোষ সাহিত্য গুলো হলো
- আবোলতাবোল,
- হ-য-ব-র-ল,
- পাগলা দাশু,
- বহুরূপী,
- ব্যাঙের সমুদ্র দেখা, খাইখাই, ইত্যাদি ।

আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ 'ডানপিটে শওকত' . 


[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর]
১৩৫.
জসীম উদ্‌দীনের জন্মস্থান কোন জেলায়?
  1. বরিশাল
  2. ফরিদপুর
  3. যশোর
  4. নড়াইল
ব্যাখ্যা

জসীম উদ্‌দীন: 
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন। 
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৩৬.
বিখ্যাত কাহিনিকাব্য 'নকশী কাঁথার মাঠ' এর ইংরেজিতে অনুবাদক কে?
  1. ক) ডব্লিউ. বি ইয়েটস
  2. খ) টি.এস.এলিয়ট
  3. গ) ই. এম. মিলফোর্ড
  4. ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
• জসীম উদদীনের বিখ্যাত কাহিনিকাব্য - নকশী কাঁথার মাঠ।
- ১৯২৯ সালে নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
- এটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ই. এম. মিলফোর্ড।
- ইংরেজি অনুবাদের নাম - The Field of Embroidered Quilt.
- নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যোপন্যাসটি রূপাই ও সাজু নামক দুই গ্রামীণ যুবক-যুবতীর অবিনশ্বর প্রেমের করুণ কাহিনী। এই দুজনই ছিলেন বাস্তব চরিত্র।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩৭.
জসীমউদ্দীন রচিত নাটক নয় কোনটি?
  1. ক) মধুমালা
  2. খ) পল্লীবধূ
  3. গ) বেদের মেয়ে
  4. ঘ) চোখের বালি
ব্যাখ্যা
- জসীমউদ্দীন (১৯০৩-১৯৭৬) ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবীদ। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- জসীমউদ্দীনকে ‘পল্লিকবি’ বলা হয় । অনেকে মনে করেন, তিনি 'আধুনিক কবি ৷
- জসীমউদ্দীনের কবিত্ব শক্তির প্রকাশ ঘটে ছাত্রজীবনেই। তখন থেকেই তিনি তাঁর কবিতায় পল্লিপ্রকৃতি ও পল্লিজীবনের সহজ-সুন্দর রূপটি তুলে ধরেন। পল্লির মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর অস্তিত্ব যেন মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছিল।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী, 
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী
- হাসু
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সৌমিত্র শেখর।
১৩৮.
'বোবাকাহিনী' উপন্যাসের চরিত্র কোনটি?
  1. রুপাই
  2. বছির
  3. মুনিম
  4. মকবুল
ব্যাখ্যা
• বোবা কাহিনী:
- জসীম উদ্দীন রচিত 'বোবা কাহিনী' (১৯৬৪) উপন্যাসে মহাজনী শোষণের কারণে গ্রামের প্রান্তিক চাষি আজহারের ভূমিহীন হওয়া, শহরের সুবিধাবাদী উকিল ও ভণ্ড ধার্মিক কর্তৃক মেধাবী বছির নিগ্রহ ইত্যাদি বর্ণিত হয়েছে।
- উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র: বছির, আজহার, আরজান, রহিমুদ্দিন।
- উপন্যাসে কোন জটিলতা নেই। নিছক সরল ও সাদামাটা একটি গল্প আছে উপন্যাসটিতে।

• জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- নক্সী কাঁথার মাঠ- (E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।)
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মা যে জননী কান্দে
- রাখালী ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পরীর দেশ,
- যে দেশে মানুষ বড়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৩৯.
জসীম উদ্‌দীনের প্রথম উপন্যাস কোনটি? 
  1. বেদের মেয়ে
  2. বোবা কাহিনী
  3. নক্সী কাঁথার মাঠ
  4. এক পয়সার বাঁশী
ব্যাখ্যা

• জসীম উদ্‌দীনের প্রথম উপন্যাস হচ্ছে বোবা কাহিনী। 

জসীম উদ্‌দীন
- জন্ম: ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি, ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামের মাতুলালয়ে।
- পিতা: আনসারউদ্দীন মোল্লা, তিনি একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ছিলেন প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি এবং বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে ‘পল্লীকবি’ হিসেবে পরিচিত।

উপন্যাস:
- বোবা কাহিনী – জসীম উদ্‌দীনের প্রথম উপন্যাস, ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত।
- উপন্যাসে গ্রামের প্রান্তিক চাষি আজহারের ভূমিহীন হওয়ার ঘটনা এবং শহরের সুবিধাবাদী ওকিল ও ভণ্ড ধার্মিক কর্তৃক বছিরের নিগৃহীত হওয়ার কথা বর্ণিত।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: বছির, আজহার, আরজান, রহিমুদ্দিন।

কাব্যগ্রন্থ:
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলো,
- বালুচর,
- রূপবতী, ইত্যাদি। 

নাটক:
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া। 

শিশুতোষ রচনা:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার। 

ভ্রমণকাহিনী:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পরীর দেশ,
- যে দেশে মানুষ বড়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৪০.
'হলদে পরীর দেশে' - ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা কে?
  1. হুমায়ুন কবির
  2. অন্নদাশঙ্কর রায়
  3. জসীম উদ্‌দীন
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা

জসীম উদ্‌দীন রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পরীর দেশে
- যে দেশে মানুষ বড়।

জসীম উদ্‌দীন:
- ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি, ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামের মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা আনসারউদ্দীন মোল্লা ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষক।
- জসীম উদ্‌দীন ছিলেন প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী।
- ‘পল্লীকবি’ হিসেবে তাঁর বিশেষ ও স্বতন্ত্র পরিচিতি রয়েছে।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- নকশী কাঁথার মাঠ।
- সোজন বাদিয়ার ঘাট।
- মাটির কান্না।
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে।
- বালুচর।
- রাখালী (তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে)।
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক: 
- পদ্মাপাড়।
- বেদের মেয়ে।
- পল্লীবধূ।
- মধুমালা।
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৪১.
জসীম উদ্‌দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থটি কবে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯২০ সালে
  2. ১৯২১ সালে
  3. ১৯২৭ সালে
  4. ১৯২৫ সালে
ব্যাখ্যা
• ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থ: 
- 'কবর' কবিতাটি কবি জসীম উদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’র অন্তর্ভুক্ত।
- কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। 
- এই কাব্যে মোট ১৯টি কবিতা সংকলিত হয়েছে। 
- 'কবর' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় 'কল্লোল' পত্রিকায়। 
- 'কবর' কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮টি পঙ্‌ক্তি আছে।
----------------------- 
• জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন। 
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।
 
• তাঁর রচিত বিখ্যাত গাথাকাব্য: 
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।
 
• তাঁর রচিত জনপ্রিয় খণ্ড কবিতার সংকলন:
- রাখালী,
- বালুচর,
- রূপবতী,
- ধানখেত,
- মাটির কান্না,
- সুচয়নী।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৪২.
কবি জসীম উদ্‌দীন কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দ
  2. ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দ
  3. ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দ
ব্যাখ্যা

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী, 
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৪৩.
জসীম উদ্‌দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. বেদের মেয়ে
  2. মধুমালা
  3. মা যে জননী কান্দে
  4. পদ্মাপার
ব্যাখ্যা

'মা যে জননী কান্দে' কাব্য:
- কবি জসীম উদ্‌দীন 'মা যে জননী কান্দে' কাব্যটি রচনা করেছেন।
- 'মা যে জননী কান্দে' এক ধরনের গাঁথা কাব্য বা কাব্যগ্রন্থ
- অনেকে এটিকে কাহিনী কাব্য হিসেবে চিহ্নিত করে থাকে।

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
-  তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী, 
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৪৪.
জসীম উদ্‌দীন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. মা যে জননী কান্দে
  2. প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
  3. স্বাধীনতা তুমি
  4. ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে
ব্যাখ্যা

• 'ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে' কাব্যগ্রন্থ:
- 'ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে' জসীম উদ্‌দীন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি কাব্যগ্রন্থ। গ্রন্থটি ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'তুজম্বর আলি' ছদ্মনামে এই কবিতাগুলি রাশিয়া, আমেরিকা ও ভারতে পাঠানো হয়েছিল।
- কবি  জসীম উদ্‌দীনের মেয়ে হাস্না এর মধ্যে কিছু কবিতা ইংরাজিতে অনুবাদ করে নিউইয়র্কে বিদ্বান-সমাজে বেনামিতে পাঠ করেছিলেন। রাশিয়াতেও কবিতাগুলো সমাদৃত হয়েছিল। সেখানেও কিছু কিছু লেখা রুশ ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- ভারতে এই লেখাগুলো প্রকাশিত হইলে মুল্করাজ আনন্দ প্রমুখ বহু সাহিত্যিক ও কাব্যরসিকের সশ্রদ্ধ দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কিছু কবিতা হলো:
- বঙ্গ-বন্ধু,
- কি কহিব আর,
- মুক্তি-যোদ্ধা,
- হবে হবে জয়,
- স্বাধীনতার দিনে,
- জাগায়ে তুলিব আশা,
- Dedication,
- The last poem for you,
- Freedom Fighter,
- A Poet's Appeal,
- দিলরাশ বানুর কাহিনী,
- মুক্তিযোদ্ধা মোফাখখর হোসেন,
- শহীদ মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী।

অন্যদিকে,
- শামসুর রহমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কবিতা 'স্বাধীনতা তুমি'।
- 'প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে' শামসুর রহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ। 

উৎস: 'ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে' কাব্যগ্রন্থ কবি জসীম উদ্‌দীন এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৪৫.
কোনটি জসীম উদ্‌দীন রচিত নাটক?
  1. রূপবতী
  2. বালুচর
  3. মাটির কান্না
  4. পল্লীবধূ
ব্যাখ্যা
• 'পল্লীবধূ' জসীমউদ্দীন রচিত একটি নাটক।
- নাটকটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত হয়।

-----------------
• জসীম উদ্‌দীন:

- জসীম উদ্‌দীন ছিলেন কবি ও শিক্ষাবিদ। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি  ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। 
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।

- জসীম উদ্‌দীনের কবিত্ব শক্তির প্রকাশ ঘটে ছাত্রজীবনেই। কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়। কবি হিসেবে এটি তাঁর এক অসামান্য সাফল্য।

- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। 
- জসীমউদ্দীন জারীগান (১৯৬৮) ও মুর্শীদা গান (১৯৭৭) নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন। 
- 'পল্লীকবি' হিসেবে তাঁর বিশেষ ও স্বতন্ত্র পরিচিতি রয়েছে।

------------------
• তাঁর রচিত উপন্যাস: বোবা কাহিনী।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- নকশী কাঁথার মাঠ।
- সোজন বাদিয়ার ঘাট।
- মাটির কান্না।
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে।
- বালুচর।
- রাখালী (তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে)।
- রূপবতী ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়।
- বেদের মেয়ে।
- পল্লীবধূ।
- মধুমালা।
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

• শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী।
- হাসু।
- ডালিম কুমার।

• তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির।
- হলদে পরীর দেশ।
- যে দেশে মানুষ বড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪৬.
"আমার বাড়ি যাইও ভোমর,
বসতে দেব পিঁড়ে,
জলপান যে করতে দেব
শালি ধানের চিঁড়ে।" - কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? 

  1. ক) হাসু
  2. খ) ধানক্ষেত
  3. গ) বালুচর
  4. ঘ) মাটির কান্না
ব্যাখ্যা
আলোচ্য পঙক্তিগুলো পল্লিকবি জসীমউদ্দীন রচিত শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ 'হাসু' এর 'আমার বাড়ি' কবিতার অন্তর্গত। 
- কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৮ সালে। 

তাঁর রচিত অন্যান্য শিশুতোষ গ্রন্থ -
- ডালিমকুমার,
- এক পয়সার বাঁশি,

কবিতাটি নিম্নরূপ- 

আমার বাড়ি যাইও ভোমর,
বসতে দেব পিঁড়ে,
জলপান যে করতে দেব
শালি ধানের চিঁড়ে।
শালি ধানের চিঁড়ে দেব,
বিন্নি ধানের খই,
বাড়ির গাছের কবরী কলা,
গামছা-বাঁধা দই।
আম-কাঁঠালের বনের ধারে
শুয়ো আঁচল পাতি,
গাছের শাখা দুলিয়ে বাতাস
করব সারা রাতি।
চাঁদমুখে তোর চাঁদের চুমো
মাখিয়ে দেব সুখে
তারা ফুলের মালা গাঁথি,
জড়িয়ে দেব বুকে।
গাই দোহনের শব্দ শুনি
জেগো সকাল বেলা,
সারাটা দিন তোমায় লয়ে
করব আমি খেলা।
আমার বাড়ি ডালিম গাছে
ডালিম ফুলের হাসি,
কাজলা দীঘির কাজল জলে
কাঁসগুলি যায় ভাসি।
আমার বাড়ি যাইও ভোমর,
এই বরাবর পথ,
মৌরী ফুলের গন্ধ শুঁকে
থামিও তব রথ।

উৎস: হাসু কাব্যগ্রন্থ।
১৪৭.
'যে দেশে মানুষ বড়' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা কে?
  1. অন্নদাশঙ্কর রায়
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. ইব্রাহীম খাঁ
  4. মুহম্মদ আবদুল হাই
ব্যাখ্যা
• 'যে দেশে মানুষ বড়' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা - জসীম উদ্‌দীন।
- এটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।

• জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

• তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পরীর দেশ,
- যে দেশে মানুষ বড়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৪৮.
‘রঙ্গিলা নায়ের মাঝি’ এর লেখক হলেন -
  1. অতুলপ্রসাদ
  2. ফররুখ আহমেদ
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
'রঙিলা নায়ের মাঝি':
- 'রঙিলা নায়ের মাঝি' সংকলনটির রচয়িতা জসীম উদ্‌দীন
- এটি তাঁর রচিত একটি গানের সংকলন। সংকলনটি ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয়। 

'রঙিলা নায়ের মাঝি' গানের সংকলনের অন্তর্ভুক্ত সংগীত:

- আজ আমার মনে ত না মানেরে, 
- আমার বন্ধু বিনোদিয়ারে, 
- আরে ও রঙিলা নায়ের মাঝি, 
- উজান গাঙের নাইয়া, 
- ও আমার গহিন গাঙের নায়া, 
- ও তুই যারে আঘাত হানলিরে মনে,
- ও মোহন বাঁশী,
- নদীর নাই-কিনার নাইরে,
- নিশিতে যাইও ফুলবনে,
- বাঁশরী আমার হারায়ে গিয়েছে,
- সিন্দুরের বেসাতি।

জসীম উদ্‌দীন রচিত কয়েকটি গানের সংকলন হলো:
- রঙিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর; 'রঙিলা নায়ের মাঝি' সংকলন এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪৯.
'চলে মুসাফির' ভ্রমণকাহিনি কে রচনা করেছেন?
  1. জসীমউদ্‌দীন
  2. ফররুখ আহমেদ
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
• 'চলে মুসাফির' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা - জসীমউদ্‌দীন।

• তাঁর রচিত অন্যান্য ভ্রমণকাহিনি:

- হলদে পরীর দেশ,
- যে দেশে মানুষ বড়, 
- জার্মানীর শহরে বন্দরে।

জসীমউদ্‌দীন:
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
- পুরো নাম মোহাম্মদ জসীমউদ্দীন মোল্লা হলেও তিনি জসীমউদ্দীন নামেই পরিচিত।
- 'রাখালী' তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- তিনি ১৯৭৬ সালে ১৪ই মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত  কাব্যগ্রন্থ:
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- বালুচর,
- ধানখেত,
- রূপবতী,
- মাটির কান্না,
- সুচয়িনী,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত আত্মকথা:
- জীবনকথা,
- স্মৃতিপট,
- যাদের দেখেছি,
- ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়।

• তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ:
- ডালিমকুমার,
- এক পয়সার বাঁশি,
- হাসু।

• তাঁর উপন্যাস।
- 'বোবা কাহিনী'

• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
১৫০.
জসীমউদ্‌দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. গ্রামের মায়া
  2. পদ্মাপাড়
  3. পল্লীবধূ
  4. রূপবতী
ব্যাখ্যা
• জসীমউদ্‌দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ - রূপবতী

জসীমউদ্‌দীন: 
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন। 
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গাথাকাব্য: 
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

তাঁর রচিত জনপ্রিয় খণ্ড কবিতার সংকলন:
- রাখালী,
- বালুচর,
- রূপবতী,
- ধানখেত,
- মাটির কান্না,
- সুচয়নী।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫১.
'হলদে পরীর দেশ' জসীম উদ্‌দীন রচিত কোন জাতীয় গ্রন্থ?
  1. নাটক
  2. ভ্রমণকাহিনি
  3. শিশুতোষ
  4. স্মৃতিকথা
ব্যাখ্যা
• 'হলদে পরীর দেশ' জসীম উদ্‌দীন রচিত ভ্রমণকাহিনি
- এটি ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত হয়।

জসীম উদ্‌দীন: 
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন। 
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পরীর দেশ,
- যে দেশে মানুষ বড়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫২.
নিচের কোনটি জসীমউদ্দিনের গানের সংকলন নয়?
  1. ক) রঙিলা নায়ের মাঝি
  2. খ) গাঙের পার
  3. গ) জারিগান
  4. ঘ) মধুমালা
ব্যাখ্যা

জসীমউদ্দীন জারীগান (১৯৬৮) ও মুর্শীদা গান (১৯৭৭) নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন। ১৯৬৮ সালে তাঁর সম্পাদনায় কেন্দ্রীয় বাঙলা উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত হয় জারীগান। এছাড়াও উনার অন্যান্য গানের সংকলন গুলো হলো- রঙিলা নায়ের মাঝি, গাঙের পার।

অপরপক্ষে তার নাটক গুলো হলো- পদ্মাপার (১৯৫০), বেদের মেয়ে (১৯৫১), মধুমালা (১৯৫১),পল্লীবধূ (১৯৫৬),গ্রামের মেয়ে (১৯৫৯)

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।

১৫৩.
জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয়-
  1. নাট্যকার হিসেবে
  2. কবি হিসেবে
  3. পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে
  4. ঔপন্যাসিক হিসেবে
ব্যাখ্যা
• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীম উদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীম উদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সুচয়নী,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- এক পয়সার বাঁশি,
- বালুচর,
- ধানক্ষেত,
- রূপবতী,
- মা যে জননী কান্দে,
- মাটির কান্না,
- সকিনা। 

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়,
-বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫৪.
পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের জন্মস্থান কোন জেলায়?
  1. ঝিনাইদহ
  2. যশোর
  3. ফরিদপুর
  4. ঝালকাঠি
  5. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• জসীমউদ্‌দীন: 
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত একমাত্র উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন। 
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫৫.
জসীমউদ্‌দীনের 'কবর' কবিতা কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
  1. তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা
  2. ধুমকেতু
  3. কল্লোল
  4. কালি ও কলম
ব্যাখ্যা
'কবর' (কবিতা):
- 'কবর' কবিতাটি কবি জসীমউদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’ (১৯২৭) এর অন্তর্ভুক্ত।
- কবর কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় 'কল্লোল' পত্রিকায়।
- এটি মত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮ টি পঙক্তি আছে।

কবর
জসীমউদ্‌দীন
এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।

----------------------
• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীম উদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীম উদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

• কবি জসীম উদ্‌দীনের 'নিমন্ত্রণ' কবিতাটি 'ধানখেত' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে।

• ‘সুচয়নী’ জসীম উদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।
• জসীম উদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ-
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫৬.
’এই গাঁয়েতে একটি মেয়ে চুলগুলি তার কালো কালো,
মাঝে সোনার মুখটি হাসে আঁধারেতে চাঁদের আলো।’- পঙ্‌ক্তিটির লেখক কে?
  1. জীবনানন্দ দাশ
  2. শামসুর রহমান
  3. মধুসূদন দত্ত
  4. জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা

’এই গাঁয়েতে একটি মেয়ে চুলগুলি তার কালো কালো, 
মাঝে সোনার মুখটি হাসে আঁধারেতে চাঁদের আলো।’- পঙ্‌ক্তিটির লেখক জসীম উদ্‌দীন।
- পঙ্‌ক্তিটি জসীম উদ্‌দীন রচিত রাখালী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

রাখালী:

- জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ- রাখালী।
- এই কাব্যে ১৯টি কবিতা আছে।
- কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত।
- এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে 'রাখালী'।

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি  ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ গুলো হচ্ছে:
- নক্সীকাঁথার মাঠ, 
- সুচয়নী,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- এক পয়সার বাঁশি,
- বালুচর,
- ধানক্ষেত,
- রূপবতী,
- মা যে জননী কান্দে,
- মাটির কান্না,
- সকিনা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫৭.
নিচের কোনটি জসীম উদ্দীন রচিত গীতিনাট্য নয়?
  1. ক) মধুমালা
  2. খ) পদ্মাপার
  3. গ) বেদের মেয়ে
  4. ঘ) বালুচর
ব্যাখ্যা
জসীমউদ্দীন (১৯০৩-১৯৭৬) এর প্রধান গীতিনাট্য
- মধুমালা
- পদ্মাপার 
- বেদের মেয়ে 
- পল্লীবধূ প্রভৃতি

- বালুচর (১৯৩০) কবি জসীমউদ্দীনের  একটি কাব্যগ্রন্থ।
– তাঁর কবিতায় পল্লিপ্রকৃতি ও পল্লিজীবনের সহজ-সুন্দর রূপটি তুলে ধরেন।
– কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। 
– বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়। 
– তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। 
– ’বোবা কাহিনী’ (১৯৬৪) উপন্যাসটি সুখপাঠ্য।
– ‘জারীগান’ (১৯৬৮) ও ‘মুর্শীদা গান’ (১৯৭৭) নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন।

উল্লেখ্য, ‘মধুমালা’ নামে একটি নাটক রচনা করেছেন কাজী নজরুল ইসলাম।


উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৫৮.
“কালোয় যে-জন আলো বানায়, ভুলায় সবার মন
তারির পদ-রজের রাগি লুটায় বৃন্দাবন।”- পঙ্‌ক্তিদ্বয় কার রচনা?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  3. জসীমউদ্‌দীন
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
  5. জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
কালোয় যে-জন আলো বানায়, ভুলায় সবার মন,
তারির পদ-রজের রাগি লুটায় বৃন্দাবন।- পঙ্‌ক্তিদ্বয় কবি জসীমউদ্‌দীন রচিত ‘রুপাই’ শিরোনামে প্রকাশিত কবিতার অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য,
- ‘রুপাই’ নামে কবি জসীমউদ্‌দীনের পৃথক কোনো কবিতা নেই। ‘নক্সী কাঁথার মাঠ‘ নামে কবির যে কাব্যগ্রন্থ রয়েছে, সেখান থেকে অষ্টম শ্রেণিতে ‘রুপাই’ শিরোনামে খানিকটা কবিতা সংকলিত হয়েছে।

• নক্সী কাঁথার মাঠ:
- 'নক্সী কাঁথার মাঠ' জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'নক্সীকাঁথার মাঠ' গ্রন্থের প্রথম অংশে আছে চাষির ছেলে রূপাই ও পাশের গ্রামের মেয়ে সাজুর প্রথম পরিচয় থেকে তাদের অনুরাগের বিকাশ ও বিবাহ এবং কয়েক মাসের সুখময় জীবনের কথা। দ্বিতীয় অংশের বিষয় তাদের বিচ্ছেদ।
- পূর্ববঙ্গ গীতিকায় যে বর্ণনাভঙ্গি এবং ভাষারীতি; জসীমউদ্‌দীন তাকে অবলম্বন করেছেন।
- গ্রামীণ জীবনের মাধুর্য ও কারুণ্য, বৈচিত্র্যহীন ক্লান্তিকরতা এবং মানুষের অসহায়তা এই কাব্যের উপকরণ।
- আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে এই কাব্য এক বিশেষ স্বাতন্ত্র্য নিয়ে লেখা হয়েছিল।
- ১৯৩৯ সালে E.M Milford, The Field of the Embroidered Quilt নামে এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।

---------------------------
• জসীমউদ্‌দীন:
- জসীমউদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীমউদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।
- ‘সুচয়নী’ জসীমউদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।

• জসীমউদ্‌দীন রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হলো:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫৯.
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. বেদের মেয়ে
  2. বোবা কাহিনী
  3. পল্লীবধূ
  4. গ্রামের মেয়ে
ব্যাখ্যা
বোবা কাহিনী:
- এটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম এবং একমাত্র উপন্যাস।
- ১৯৬৪ সালে এই উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি সম্পূর্ণ লোকজীবন ভিত্তিক।
- এই উপন্যাসের বিষবস্তু হচ্ছে, মহাজনী শোষণের কারণে গ্রামের প্রান্তিক চাষি আজহারের ভূমিহীন হওয়া।
- এই উপন্যাসের চরিত্র গুলো হচ্ছে: বছির, আজহার, আরজান, রহিমুদ্দিন।

জসীমউদ্দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬০.
জসীমউদ্‌দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. সুচয়নী
  2. সঞ্চিতা
  3. সঞ্চয়িতা
  4. ঝরা পালক
ব্যাখ্যা
- কবি জসীমউদ্‌দীন-এর নির্বাচিত কবিতা সংকলন গ্রন্থ- সুচয়নী। গ্রন্থটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয়।

- কাজী নজরুলের নির্বাচিত কবিতা সংকলনের নাম - সঞ্চিতা। কাব্যটি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।
- রবীন্দ্রনাথের নির্বাচিত কবিতা সংকলনের নাম সঞ্চয়িতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬১.
কবি জসীমউদ্‌দীনের ভ্রমণ কাহিনিমূলক গ্রন্থ কোনটি?
  1. রাশিয়ার চিঠি
  2. চলে মুসাফির
  3. দেশে বিদেশে
  4. বিলেতে সাড়ে সাত'শ দিন
ব্যাখ্যা
• কবি জসীমউদ্‌দীনের ভ্রমণ কাহিনিমূলক গ্রন্থ : 'চলে মুসাফির'। 

কবি জসীমউদ্‌দীন: 
- তিনি ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবিদ। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- জসীমউদ্দীনকে ‘পল্লিকবি’ বলা হয়। অনেকে মনে করেন, তিনি 'আধুনিক কবি ৷
- জসীমউদ্দীনের কবিত্ব শক্তির প্রকাশ ঘটে ছাত্রজীবনেই।
- তখন থেকেই তিনি তাঁর কবিতায় পল্লিপ্রকৃতি ও পল্লিজীবনের সহজ-সুন্দর রূপটি তুলে ধরেন।
- পল্লির মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর অস্তিত্ব যেন মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছিল।

কবি জসীমউদ্‌দীন রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ:  
- ডালিমকুমার,
- এক পয়সার বাঁশী ,
- হাসু। 

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ: 
- রাখালী,
- বালুচর,
- রূপবতী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে। 

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
জসীমউদ্‌দীন রচিত নাটক - মধুমালা। 
-------------------
অন্যদিকে, 
• 'রাশিয়ার চিঠি' - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ভ্রমণ কাহিনি। 
• 'দেশে বিদেশে' সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত ভ্রমণকাহিনি।
• 'বিলেতে সাড়ে সাত'শ দিন' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা মুহম্মদ আবদুল হাই। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬২.
জসীমউদ্দীন রচিত নাটক নয় কোনটি?
  1. ক) মধুমালা
  2. খ) পল্লীবধূ
  3. গ) বেদের মেয়ে
  4. ঘ) বোবা কাহিনী
ব্যাখ্যা
'বোবা কাহিনী' পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম এবং একমাত্র উপন্যাস
- ১৯৬৪ সালে এই উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়।
চরিত্র: বছির, আজহার, আরজান, রহিমুদ্দিন। 

জসীমউদ্দীন রচিত নাটক- 
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা, 
- পল্লীবধূ, 
- গ্রামের মেয়ে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬৩.
'বোবা কাহিনী' উপন্যাসের চরিত্র কোনটি?
  1. কিশোর
  2. রুপাই
  3. আজহার
  4. সাজু
ব্যাখ্যা
• 'বোবা কাহিনী' উপন্যাস:
- বোবা কাহিনী (১৯৬৪) জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি সুখপাঠ্য উপন্যাস।
- জসীম উদ্‌দীন রচিত 'বোবা কাহিনী' উপন্যাসে মহাজনী শোষণের কারণে গ্রামের প্রান্তিক চাষি আজহারের ভূমিহীন হওয়া, শহরের সুবিধাবাদী উকিল ও ভণ্ড ধার্মিক কর্তৃক মেধাবী বছির নিগ্রহ ইত্যাদি কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।
- উপন্যাসে কোন জটিলতা নেই। নিছক সরল ও সাদামাটা একটি গল্প আছে উপন্যাসটিতে।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি চরিত্র:
- বছির,
- আজহার,
- আরজান,
- রহিমুদ্দিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬৪.
'ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়' স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. জীবনানন্দ দাশ
  2. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
  3. কায়কোবাদ
  4. জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
• 'ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়':
- 'ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়' জসীম উদ্‌দীন রচিত স্মৃতিকথামূলক রচনা। গ্রন্থটি ১৩৬৮ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়। 

- 'ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়' গ্রন্থটি দুই ভাগে ভাগ করা। প্রথম ভাগে রবী ঠাকুরের সাথে লেখকের পরিচয় এবং সম্পর্কের কথা উঠে এসেছে আর দ্বিতীয় ভাগে রবী ঠাকুরের ভাতিজা অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে লেখকের ঘনিষ্টতার চিত্র ফুটে উঠেছে।

-----------------
• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীম উদ্‌দীন ছিলেন কবি ও শিক্ষাবিদ। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি  ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। 
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে। 'পল্লীকবি' হিসেবে তাঁর বিশেষ ও স্বতন্ত্র পরিচিতি রয়েছে।

- জসীম উদ্‌দীনের কবিত্ব শক্তির প্রকাশ ঘটে ছাত্রজীবনেই। কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়। কবি হিসেবে এটি তাঁর এক অসামান্য সাফল্য।

- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। 
- জসীমউদ্দীন জারীগান (১৯৬৮) ও মুর্শীদা গান (১৯৭৭) নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন। 

স্মৃতিকথা ও আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- যাদের দেখেছি,
- ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়,
- জীবন কথা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬৫.
জসীম উদ্‌দীন রচিত 'কবর' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. বালুচর
  2. রাখালী
  3. মাটির কান্না
  4. সোজন বাদিয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা

• 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্‌দীন রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী। কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- এতে মোট ১৯টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।

--------------------
• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীম উদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ। তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীম উদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

১৬৬.
‘নক্সী কাঁথার মাঠ’ প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৩২ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯২৫ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
নক্সী কাঁথার মাঠ:
- 'নক্সী কাঁথার মাঠ' জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'নক্সীকাঁথার মাঠ' গ্রন্থের প্রথম অংশে আছে চাষির ছেলে রূপাই ও পাশের গ্রামের মেয়ে সাজুর প্রথম পরিচয় থেকে তাদের অনুরাগের বিকাশ ও বিবাহ এবং কয়েক মাসের সুখময় জীবনের কথা।
- দ্বিতীয় অংশের বিষয় তাদের বিচ্ছেদ।
- পূর্ববঙ্গ গীতিকায় যে বর্ণনাভঙ্গি এবং ভাষারীতি; জসীমউদ্‌দীন তাকে অবলম্বন করেছেন।
- গ্রামীণ জীবনের মাধুর্য ও কারুণ্য, বৈচিত্র্যহীন ক্লান্তিকরতা এবং মানুষের অসহায়তা এই কাব্যের উপকরণ।
- আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে এই কাব্য এক বিশেষ স্বাতন্ত্র্য নিয়ে লেখা হয়েছিল।
- ১৯৩৯ সালে E.M Milford, The Field of the Embroidered Quilt নামে এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬৭.
‘এক পয়সার বাঁশী’ শিশুতোষ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ফররুখ আহমেদ
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. বন্দে আলী মিয়া
  4. জসীমউদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
• ‘এক পয়সার বাঁশী’ জসীমউদ্‌দীন রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ।

• জসীমউদ্‌দীন:

- জসীমউদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীমউদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়। 
- ‘সুচয়নী’ জসীমউদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।

• জসীমউদ্‌দীন রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ-
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিমকুমার।

• জসীমউদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান। 

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬৮.
'যে মোরে করিল পথের বিবাগী'- পঙ্‌ক্তিটির পরবর্তী চরণ কী হবে?
  1. আমি পথে পথে ফিরি তার লাগি।
  2. পথে পথে ফিরি আমি তার লাগি ।
  3. পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি।
  4. পথ হতে পথ আমি ফিরি তার লাগি।
ব্যাখ্যা
''যে মোরে করিল পথের বিবাগী,
পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি''- কবিতাংশটুকুর রচয়িতা- জসীম উদ্‌দীন।
- কবিতাংশটুকু কবি জসীম উদদীন এর 'প্রতিদান' কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। 

প্রতিদান- কবিতা, 
-----------জসীম উদদীন।
আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা, আমি বাঁধি তার ঘর,
আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।
যে মোরে করিল পথের বিবাগী,
পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি।
দীঘল রজনী তার তরে জাগি ঘুম যে হরেছে মোর ;
আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর।
-------------------
জসীম উদদীন:
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। 
- পুরো নাম মোহাম্মদ জসীমউদ্দীন মোল্লা হলেও তিনি জসীম উদদীন নামেই পরিচিত। 
- তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
- কবি জসীম উদদীন রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য।
- এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M Millford গ্রন্থটি ''Field of the Embroidery Quilt'' শিরোনামে অনুবাদ করেন।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- হাসু,
- এক পয়সার বাঁশী,
- ডালিমকুমার।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৩) প্রতিদান কবিতা- জসীম উদ্‌দীন।
১৬৯.
বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতা প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. সবুজপত্র
  2. হিতকরী
  3. কল্লোল
  4. সমকাল
ব্যাখ্যা
'কবর' কবিতা:
- জসীম উদ্‌দীনের 'কবর' কবিতা 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- 'কবর' কবিতার মোট লাইন সংখ্যা- ১১৮ টি।
- ১৯২৫ সালে কবি জসীমউদ্দীন রচিত ‘কবর’ কাবিতাটি প্রথম 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়

জসীম উদ্‌দীন:

- কবি জসীমউদ্দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- সূচয়নী,
- নিমন্ত্রণ,
- রূপবতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৭০.
জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কবিতা 'কবর' কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. ক) রাখালী
  2. খ) সুচয়নী
  3. গ) বালুচর
  4. ঘ) ধানক্ষেত
ব্যাখ্যা
জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কবিতা 'কবর'।
- তাঁর ছাত্রাবস্থায় এ কবিতাটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্য তালিকাভুক্ত হয়। 
- কবিতাটি প্রথমে 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 
- পরবর্তীতে কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী' এর অন্তর্ভূক্ত করা হয়। 
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- বইটিতে মোট ১৯টি কবিতা আছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭১.
নিচের কোনটি জসীম উদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ? 
  1. রাখালী
  2. ধানখেত 
  3. নক্সী কাঁথার মাঠ 
  4. সোজন বাদিয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা

• ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্‌দীন রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী।
- কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- এই কাব্যে মোট ১৯ টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত।

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১৭২.
জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. রাখালী
  2. সোজন বাদিয়ার ঘাট
  3. নকশী কাঁথার মাঠ
  4. বালুচর
ব্যাখ্যা

'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ - রাখালী।
- এই কাব্যে ১৯টি কবিতা আছে। বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত।
- এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে 'রাখালী'।

-------------------
জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
-  তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী, 
- রূপবতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭৩.
’বাঙালীর হাসির গল্প’ গ্রন্থটি কী নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে?
  1. ফোক টেল্স অব ইষ্ট পাকিস্তান
  2. বাঙলা ফানি স্টোরি
  3. ফানি স্টোরি অব পাকিস্তান
  4. ফোক টেল্স স্টোরি
ব্যাখ্যা
• বাঙালীর হাসির গল্প  গ্রন্থটি ফোক টেল্স অব ইষ্ট পাকিস্তান নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে।
- এটি জসীম উদ্‌দীরে জনপ্রিয় হাস্যরসাত্মক গ্রন্থ।
--------------------------------------------
• জসীম উদ্‌দীন:

- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
- কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- কবি জসীম উদ্‌দীনরচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য।
- এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।

• জসীম উদ্‌দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৭৪.
কোনটি জসীম উদ্‌দীন রচিত কবিতা?
  1. ক) আমার কৈফিয়ত
  2. খ) মেথর
  3. গ) হায় চিল
  4. ঘ) নিমন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
কবি জসীম উদ্‌দীনের 'নিমন্ত্রণ' কবিতাটি 'ধানখেত' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 
- কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে। 
- কবিতাটি নিম্নরূপ- 

নিমন্ত্রণ
– জসীম উদ্‌দীন
তুমি যাবে ভাই – যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়,
গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়;
মায়া মমতায় জড়াজড়ি করি
মোর গেহখানি রহিয়াছে ভরি,
মায়ের বুকেতে, বোনের আদরে, ভাইয়ের স্নেহের ছায়,
তুমি যাবে ভাই – যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়,

ছোট গাঁওখানি- ছোট নদী চলে, তারি একপাশ দিয়া,
কালো জল তার মাজিয়াছে কেবা কাকের চক্ষু নিয়া;
ঘাটের কিনারে আছে বাঁধা তরী
পারের খবর টানাটানি করি;
বিনাসুতি মালা গাথিছে নিতুই এপার ওপার দিয়া;
বাঁকা ফাঁদ পেতে টানিয়া আনিছে দুইটি তটের হিয়া। (সংক্ষিপ্ত)

উল্লেখ্য,
‘ আমার কৈফিয়ত’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কবিতা।
‘মেথর’ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কবিতা।
‘হায় চিল’ জীবনানন্দ দাশ রচিত কবিতা।

উৎস: ধানখেত, জসীম উদ্‌দীন এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭৫.
পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন কে?
  1. জীবনানন্দ দাশ
  2. দীনবন্ধু মিত্র
  3. জসীম উদ্‌দীন
  4. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
ব্যাখ্যা

• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীম উদ্‌দীন ছিলেন কবি ও শিক্ষাবিদ। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীম উদ্‌দীনের কবিত্ব শক্তির প্রকাশ ঘটে ছাত্রজীবনেই। কলেজজীবনে 'কবর' কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়। কবি হিসেবে এটি তাঁর এক অসামান্য সাফল্য।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- জসীম উদ্‌দীন জারীগান (১৯৬৮) ও মুর্শীদা গান (১৯৭৭) নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন।
- 'পল্লীকবি' হিসেবে তাঁর বিশেষ ও স্বতন্ত্র পরিচিতি রয়েছে।

• তাঁর রচিত উপন্যাস: বোবা কাহিনী।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী (তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে),
- রূপবতী ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

• শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার।

• তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির, 
- হলদে পরীর দেশ, 
- যে দেশে মানুষ বড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা গ্রন্থ। 

১৭৬.
পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীন রচিত কবর কবিতা কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. কবিতা
  2. দৈনিক নবযুগ
  3. ধূমকেতু
  4. কল্লোল
ব্যাখ্যা
• 'কবর' কবিতা:
- কবি জসীমউদ্দীন রচিত 'কবর' কাবিতাটি ১৯২৫ সালে প্রথম কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

- জসীমউদ্‌দীন রচিত 'কবর' কবিতা 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- 'কবর' কবিতার মোট লাইন সংখ্যা-১১৮ টি।

কবর
জসীমউদ্দীন
এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা,
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা!
সোনালি ঊষার সোনামুখ তার আমার নয়নে ভরি
লাঙল লইয়া খেতে ছুটিতাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি।
যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে দেখে লইতাম কত
এ কথা লইয়া ভাবি-সাব মোরে তামাশা করিত শত।
(সংক্ষিপ্ত)

• তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত কবিতা:
- মুসাফির (বালুচর),
- নিমন্ত্রণ (ধানক্ষেত),
-আসমানী (এক পয়সার বাঁশি) ইত্যাদি।

• জসীম উদ্দীন:
- জসীম উদ্দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীম উদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭৭.
কোনটি জসীমউদ্দীন রচিত নাটক নয়?
  1. ক) বেদের মেয়ে
  2. খ) মাটির কান্না
  3. গ) পদ্মাপার
  4. ঘ) গ্রামের মায়া
ব্যাখ্যা
• জসীমউদ্দীন (১৯০৩-১৯৭৬)
- ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবীদ। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- জসীমউদ্দীনকে ‘পল্লিকবি’ বলা হয়। অনেকে মনে করেন, তিনি 'আধুনিক কবি ৷
- জসীমউদ্দীনের কবিত্ব শক্তির প্রকাশ ঘটে ছাত্রজীবনেই। তখন থেকেই তিনি তাঁর কবিতায় পল্লিপ্রকৃতি ও পল্লিজীবনের সহজ-সুন্দর রূপটি তুলে ধরেন। পল্লির মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর অস্তিত্ব যেন মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছিল।

'মাটির কান্না' জসীমউদ্‌দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:

- নকশী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী, 
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭৮.
'ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়' স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু 
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. নির্মলেন্দু গুণ
  4. জীবনানন্দ দাশ 
ব্যাখ্যা

• 'ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়':
- 'ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়' জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ। 
- গ্রন্থটি ১৯৬১ সালে নন্দিতা বসু প্রকাশিকা ৫-১ রমানাথ মজুমদার স্ট্রীট কলিকাতা-৯ থেকে প্রকাশিত হয়। 

- অনেকটা স্মৃতিভারাক্রান্ত ভঙিতেই জসীম উদ্‌দীন বইটি শুরু করেছেন এবং শেষও করেছেন। কীভাবে প্রথম রবীন্দ্রনাথের নাম শুনেছেন এবং কীভাবে তার কবিতা পড়তে শুরু করেছেন তার বিস্তৃত বর্ণনা দিয়ে বইটি শুরু করে শেষ করেছেন ঠাকুর-বাড়ির ভগ্নদশার বর্ণনা দিয়ে।

'ঠাকুর-বাড়ির আঙিনায়' কেবল রবীন্দ্রনাথের কথাই নেই। বরং আরও বেশি করে আছে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথা। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সূত্রধরেই ঠাকুর বাড়ির আঙিনায় পা ফেলার সৌভাগ্য হয় জসীম উদ্‌দীনের।

অবনীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর তার বাড়িটি নিলাম হয়ে যায়। বাংলার এত বড় শিল্পীর বাড়ি কেউ সংরক্ষণ করলো না ভেবে দুঃখ পেয়েছেন। বাড়িটি এখন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত হলেও "আজ ঠাকুর-বাড়ির সেই ইন্দ্রপুরী শ্মশানে পরিণত হইয়াছে', বলে মন্তব্য করেছেন জসীম উদ্‌দীন।

-----------------------
• জসীম উদ্‌দীন: 
- জসীম উদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ। তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়। জসীম উদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- কলেজজীবনে 'কবর' কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়। কবি হিসেবে এটি তাঁর এক অসামান্য সাফল্য।
- জসীম উদ্‌দীনের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ নক্সীকাঁথার মাঠ।
- জসীম উদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ - রাখালী।

• তাঁর রচিত স্মৃতিকথা:
- যাদের দেখেছি,
- ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়।

• তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পীরের দেশ,
- যে দেশে মানুস বড়,
- জার্মানির শহরে ও বন্দরে। 

• তাঁর রচিত উপন্যাস: বোবাকাহিনী।
• আত্মজীবনী: জীবনকথা। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাখালী,
- নক্সীকাঁথার মাঠ,
- সুচয়নী,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- এক পয়সার বাঁশি,
- বালুচর,
- ধানক্ষেত,
- রূপবতী,
- মা যে জননী কান্দে,
- মাটির কান্না। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;  'ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়'  স্মৃতিকথা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭৯.
জসীম উদ্‌দীনের "নক্সী কাঁথার মাঠ" - কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
  1. The Embroidered Sheet
  2. The Tale of Nakshi Kantha
  3. The Story of a Quilt
  4. The Field of Embroidered Quilt
ব্যাখ্যা

• 'নক্সী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্‌দীনের বিখ্যাত কাহিনিকাব্য নক্সী কাঁথার মাঠ।
- ১৯২৯ সালে নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
- এটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন E.M Milford. ইংরেজি অনুবাদের নাম - The Field of Embroidered Quilt.
- নক্সী কাঁথার মাঠ কাব্যোপন্যাসটি রূপাই ও সাজু নামক দুই গ্রামীণ যুবক-যুবতীর অবিনশ্বর প্রেমের করুণ কাহিনী।

জসীমউদ্‌দীন:
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ। তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গাথাকাব্য:
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মা যে জননী কান্দে,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- বালুচর,
- রাখালী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

১৮০.
'যাঁদের দেখেছি' স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. সৈয়দ মুজতবা আলী
  2. সুফিয়া কামাল
  3. জসীম উদ্‌দীন
  4. অন্নদাশঙ্কর রায়
ব্যাখ্যা
• ‘যাঁদের দেখেছি’ গ্রন্থ:
-
‘যাঁদের দেখেছি’ জসীমউদ্‌দীন রচিত স্মৃতিকথামূলক সুখপাঠ্য গদ্যগ্রন্থ।
- গদ্যগ্রন্থটি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত হয়।

• এই গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত গদ্যগুলো হলো:
- নজরুল,
- পরিশিষ্ট,
- শরৎ-সন্নিধানে,
- দীনেশচন্দ্র,
- সিরাজী-স্মৃতি,
- আমার বন্ধু কুদরতউল্লাহ্ সাহাব।

----------------------
• জসীমউদ্‌দীন:
- জসীমউদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীমউদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়। 
- ‘সুচয়নী’ জসীমউদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।

• কবি  জসীমউদ্‌দীনের 'নিমন্ত্রণ' কবিতাটি 'ধানখেত' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 
- কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে।

• জসীমউদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান। 

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

 • শিশুতোষ গ্রন্থ:
- হাসু,
- এক পয়সার বাঁশী,
- ডালিমকুমার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া; ‘যাঁদের দেখেছি’ গদ্যগ্রন্থ।
১৮১.
পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত কাব্য সংকলনের নাম কী?
  1. ক) সুচয়নী
  2. খ) মধুমালা
  3. গ) বোবা কাহিনী 
  4. ঘ) কবর
ব্যাখ্যা
পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত একটি কাব্য সংকলনের নাম 'সুচয়নী'। 

কবি জসীমউদ্দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি। 
- ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- তাঁর ছাত্রস্থায় 'কবর' কবিতা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমিক পর্যারের পাঠ্য তালিকাভুক্ত হয়। 

তাঁর রচিত অন্যান্য খণ্ড কবিতার সংকলন:
- রাখালী,
- বালুচর,
- ধানখেত,
- রূপবতী,
- মাটির কান্না ইত্যাদি।

- 'মধুমালা' জসীমউদ্দীন রচিত নাটক। 
- 'বোবা কাহিনী' জসীমউদ্দীন রচিত একমাত্র উপন্যাস। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮২.
'মা যে জননী কান্দে' কে রচনা করেন?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. জসীমউদ্‌দীন
  3. কায়কোবাদ
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• কবি জসীমউদ্‌দীন 'মা যে জননী কান্দে' কাব্যটি রচনা করেছেন।  
-------------------
• ‘মা যে জননী কান্দে’ কাব্য : 
- ‘মা যে জননী কান্দে’ এক ধরনের গাঁথা কাব্য বা কাব্যগ্রন্থ। 
- অনেকে এটিকে কাহিনী কাব্য হিসেবে চিহ্নিত করে থাকে।

• জসীমউদ্‌দীন :  
- কবি জসীমউদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। 
- তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
- কবি জসীমউদ্‌দীন রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য।
- এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M Millford গ্রন্থটি ''Field of the Embroidery Quilt'' শিরোনামে অনুবাদ করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ: 
- বালুচর,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮৩.
জসীমউদদীন রচিত 'হলদে পরীর দেশ' কোন ধরনের রচনা?
  1. ক) কবিতা
  2. খ) শিশুতোষ
  3. গ) ভ্রমণ কাহিনী
  4. ঘ) আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা

জসীমউদদীনের চলে মুসাফির, হলদে পরীর দেশ, যে দেশে মানুষ বড় ভ্রমণ বিষয়ক গ্রন্থ।

তার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- জীবন কথা
- ঠাকুর বাড়ির আঙিনা
- যাদের দেখেছি

উৎস: সাহিত্য পাঠ (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি) এবং বাংলাভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৮৪.
'বনের পরে বন চলেছে বনের নাহি শেষ,
ফুলের ফলের সুবাস ভরা এ কোন পরির দেশ?' - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
  1. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. জসীমউদ্‌দীন
  3. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
  4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
• বনের পরে বন চলেছে বনের নাহি শেষ,
ফুলের ফলের সুবাস ভরা এ কোন্ পরীর দেশ? - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা জসীম উদ্‌দীন। 
----------------------
দেশ - কবিতা, ---'মাটির কান্না'কাব্যগ্রন্থ।
- জসীম উদ্‌দীন। 

খেতের পরে খেত চলেছে, খেতের নাহি শেষ
সবুজ হাওয়ায় দুলছে ও কার এলো মাথার কেশ।
সেই কেশেতে গয়না ও পরায় প্রজাপতির ঝাঁক,
চঞ্চুতে জল ছিটায় সেথা কালো কালো কাক।
সাদা সাদা বক-কনেরা রচে সেথায় মালা,
শরৎকালের শিশির সেথা জ্বালায মানিক আলা।
তারি মায়ায় থোকা থোকা দোলে ধানের ছড়া,
মার আঁচলের পরশ যেন সকল অভাব-হরা।
সেই ফসলে আসমানীদের নেইকো অধিকার,
জীর্ণ পাঁজর বুকের হাড়ে জ্বলছে হাহাকার।

বনের পরে বন চলেছে বনের নাহি শেষ,
ফুলের ফলের সুবাস ভরা এ কোন্ পরীর দেশ? (সংক্ষেপিত)।
--------------- 
জসীমউদদীন: 

- কবি জসীমউদ্দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। 
- পুরো নাম মোহাম্মদ জসীমউদ্দীন মোল্লা হলেও তিনি জসীমউদ্দীন নামেই পরিচিত। 
- তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
- কবি জসীমউদ্দিন রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য।
- এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M Millford গ্রন্থটি ''Field of the Embroidery Quilt'' শিরোনামে অনুবাদ করেন।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: 
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৩) দেশ - কবিতা, জসীমউদ্‌দীন। 
১৮৫.
‘হাসু’ শিশুতোষ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. সুকুমার রায়
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. জসীমউদ্‌দীন
  4. কাজী ইমদাদুল হক
ব্যাখ্যা
• ‘হাসু’ পল্লিকবি জসীমউদ্‌দীন রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়।

⇒জসীমউদ্‌দীন:

- জসীমউদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীমউদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়। তবে অনেকে মনে করেন, তিনি ‘আধুনিক কবি’।
- ছাত্র জীবনেই তাঁর কবি প্রতিভার প্রকাশ ঘটে।
- ‘সুচয়নী’ জসীমউদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।

• জসীমউদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান। 

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ:
- হাসু,
- এক পয়সার বাঁশী,
- ডালিমকুমার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮৬.
জসীম উদ্‌দীন রচিত 'বোবা কাহিনী' উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯৬৪ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
'বোবা কাহিনী' উপন্যাস:
- এটি জসীম উদ্‌দীন রচিত প্রথম ও একমাত্র উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৬৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- মহাজনের শোষণের কারণে গ্রামের প্রান্তিক চাষি আজহারের ভুমিহীন হওয়ার কথা বর্ণিত রয়েছে।
- শহরের সুবিধাবাদী উকিল ও ভণ্ড ধার্মিক কর্তৃক মেধাবী বছিরের নিগৃহের কথা বর্ণিত রয়েছে।
- উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র: বছির, আজহার, আরজান, রহিমুদ্দিন। নিছক সরল ও সাদামাটা একটি গল্প আছে উপন্যাসটিতে।

জসীম উদ্‌দীন রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।

জসীম উদ্‌দীন রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

জসীম উদ্‌দীন রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮৭.
‘পল্লীবধূ’ জসীম উদ্‌দীন রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. উপন্যাস
  2. নাটক
  3. কাব্যগ্রন্থ
  4. শিশুতোষ কাব্য 
ব্যাখ্যা
• ‘পল্লীবধূ’ জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি নাটক।
- নাটকটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত হয়।

• জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। 
- পুরো নাম মোহাম্মদ জসীমউদ্দীন মোল্লা হলেও তিনি জসীম উদ্‌দীন নামেই পরিচিত। 
- তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M Millford গ্রন্থটি ''Field of the Embroidery Quilt'' শিরোনামে অনুবাদ করেন।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: 
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ ইত্যাদি।

• শিশুতোষ গ্রন্থ:
- হাসু,
- এক পয়সার বাঁশী,
- ডালিমকুমার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮৮.
কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়?
  1. ক) ছায়ানট
  2. খ) চক্রবাক
  3. গ) রুদ্রমঙ্গল
  4. ঘ) বালুচর
ব্যাখ্যা
ছায়ানট, চক্রবাক ও রুদ্রমঙ্গল - কাজী নজরুল ইসলামের রচনা।
কবি জসিমউদ্‌দীনের কাব্যগ্রন্থ - বালুচর, রাখালী, ধানক্ষেত, রূপবতী, মাটির কান্না, সুচয়নী।

উৎস:  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
১৮৯.
পল্লীকবি কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
  2. গোবিন্দপুর গ্রামে
  3. তাম্বুলখানা গ্রামে
  4. সাগরদাঁড়ি গ্রামে 
ব্যাখ্যা

• পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একাধারে কবি, কাব্যোপন্যাসিক, ঔপন্যাসিক, গীতিকার, ভ্রমণকাহিনীকার, নাট্যকার, স্মৃতিকথক, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক ইত্যাদি বহুবিধ পরিচয়ে পরিচিত।
- ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে তাঁর জন্ম। পৈতৃক নিবাস একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে।
- ছাত্র থাকা অবস্থায় তার 'কবর' কবিতা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠ্য তালিকাভুক্ত করা হয়।
- তিনি ১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে লেকচারার পদে যোগ দেন।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- তাঁর রচিত কবিতায় গ্রামীণ জীবনের নিখুঁত চিত্র অঙ্কিত হয়।
- তাঁর নক্সী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বাংলা ভাষার গীতি-কবিতার উৎকৃষ্টতম নিদর্শনগুলোর অন্যতম।
- 'বোবা কাহিনী' তাঁর প্রথম উপন্যাস।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- বালুচর,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- হাসু,
- মাটির কান্না,
- এক পয়সার বাঁশী,
- মা যে জননী কান্দে,
- পদ্মা নদীর দেশে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৯০.
“জালি লাউয়ের ডগার মতোন বাহু দু’খান সরু”- উক্তিটি কার সম্পর্কে করা হয়েছে?
  1. ক) আসমানী
  2. খ) রুপাই
  3. গ) সোজন
  4. ঘ) দুলি
ব্যাখ্যা

কবি জসীমউদ্দিনের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ - নক্সী কাঁথার মাঠ। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- উদ্ধৃতিটি জসীমউদদীন রচিত নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থের রুপাই সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- প্রচলিত পল্লীগীতিকার চেয়ে ব্যতিক্রম হয়ে রচনাটিতে তিনি কাহিনীর আবর্তনে অসম্ভব দক্ষতার পরিচয় দেন।
- গ্রন্থটি বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে |
- গ্রন্থটির ইংরেজি অনুবাদের নাম “Field of Embroidered Quilt’’ এর অনুবাদক E M Milford.
- “কাঁচা ধানের পাতার মতো কচি মুখের মায়া’’ রুপার সম্পর্কে এই কাব্যের অন্যতম উক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ( ড. সৌমিত্র শেখর)

১৯১.
'বছির' কোন উপন্যাসের একটি বিখ্যাত চরিত্র? 
  1. চাঁদের অমাবস্যা
  2. পদ্মা নদীর মাঝি
  3. বোবাকাহিনী
  4. তিতাস একটি নদীর নাম
ব্যাখ্যা

- 'বছির' জসীম উদ্দীন রচিত 'বোবা কাহিনী' (১৯৬৪) উপন্যাসের একটি বিখ্যাত চরিত্র। 

• বোবা কাহিনী:

- জসীম উদ্দীন রচিত 'বোবা কাহিনী' (১৯৬৪) উপন্যাসে মহাজনী শোষণের কারণে গ্রামের প্রান্তিক চাষি আজহারের ভূমিহীন হওয়া, শহরের সুবিধাবাদী উকিল ও ভণ্ড ধার্মিক কর্তৃক মেধাবী বছির নিগ্রহ ইত্যাদি বর্ণিত হয়েছে।
- উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র: বছির, আজহার, আরজান, রহিমুদ্দিন।
- উপন্যাসে কোন জটিলতা নেই। নিছক সরল ও সাদামাটা একটি গল্প আছে উপন্যাসটিতে।

• জসীম উদ্দীন:
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

অন্যদিকে,
- 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্র - আরেফ আলী।
- 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্র - কুবের, কপিলা, মালা ও হোসেন মিয়া।
- 'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্র - কিশোর, বাসন্তী, অনন্ত ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও বাংলাপিডিয়া। 

১৯২.
নিচের কোনটি কবি জসীমউদ্দীনের নাট্যগ্রন্থ?
  1. ক) ধানক্ষেত
  2. খ) মধুমালা
  3. গ) খসড়া
  4. ঘ) বালুচর
ব্যাখ্যা
কবি জসিমউদ্‌দীনের কাব্যগ্রন্থ - বালুচর, রাখালী, ধানক্ষেত, রূপবতী। নাট্যগ্রন্থ - পদ্মাপাড়, বেদের মেয়ে, মধূমালা, পল্লীবধূ। অমীয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থ - এক মুঠো, খসড়া, মাটির দেয়াল, অভিজ্ঞান বসন্ত।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
১৯৩.
’রাখালী’ কাব্যগ্রন্থটি কতসালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯২৪
  2. ১৯২৯
  3. ১৯২৭
  4. ১৯২৬
ব্যাখ্যা

রাখালী:
- জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ- রাখালী।
- এই কাব্যে ১৯টি কবিতা আছে।
- কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত।
- এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে 'রাখালী'।

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি  ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ গুলো হচ্ছে:
- নক্সীকাঁথার মাঠ, 
- সুচয়নী,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- এক পয়সার বাঁশি,
- বালুচর,
- ধানক্ষেত,
- রূপবতী,
- মা যে জননী কান্দে,
- মাটির কান্না,
- সকিনা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৯৪.
'বছির এবং আজহার' চরিত্র জসীম উদ্‌দীনের কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. বেদের মেয়ে
  2. বোবা কাহিনী
  3. পল্লীবধূ
  4. পদ্মাপাড়
ব্যাখ্যা
'বোবা কাহিনী' উপন্যাস:
- এটি পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীনের প্রথম এবং একমাত্র উপন্যাস।
- ১৯৬৪ সালে এই উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটি সম্পূর্ণ লোকজীবন ভিত্তিক।
- এই উপন্যাসের বিষবস্তু হচ্ছে, মহাজনী শোষণের কারণে গ্রামের প্রান্তিক চাষি আজহারের ভূমিহীন হওয়া।
- এই উপন্যাসের চরিত্র গুলো হচ্ছে: বছির, আজহার, আরজান, রহিমুদ্দিন।

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপাড়, 
- বেদের মেয়ে, 
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা, 
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯৫.
'কবর' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? 
  1. বালুচর
  2. সোজন বাদিয়ার ঘাট
  3. ধানখেত
  4. রাখালী
ব্যাখ্যা

রাখালী:
- জসীম উদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ - রাখালী। এই কাব্যে ১৯টি কবিতা আছে।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত।
- এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে 'রাখালী'।

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
-  তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী, 
- রূপবতী ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৯৬.
কবি জসীম উদ্‌দীন কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. চব্বিশ পরগনা
  2. হুগলি
  3. ফরিদপুর
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

• জসীম উদ্‌দীন: 
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন। 
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

 তাঁর রচিত বিখ্যাত গাথাকাব্য: 
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৯৭.
'সূচয়িনী' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. জসীম উদ্‌দীন
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. জীবনানন্দ দাশ
  5. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• 'সূচয়িনী' জসীম উদ্‌দীন রচিত কবিতার সংকলন।

• জসীম উদ্‌দীন:

- পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীন (১৯০৩-১৯৭৬) একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি।
 - তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
- ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'বোবা কাহিনী' তাঁর একমাত্র উপন্যাস।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- বালুচর,
- ধানখেত,
- রূপবতী,
- মাটির কান্না,
- সুচয়িনী,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত আত্মকথা:
- জীবনকথা,
- স্মৃতিপট,
- যাদের দেখেছি,
- ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়।

• তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ:
-ডালিমকুমার,
- এক পয়সার বাঁশি,
- হাসু।

• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
১৯৮.
'আমায় ভাসাইলি রে আমায় ডুবাইলি রে
অকুল দরিয়ার বুঝি কূল নাইরে' গানটির রচয়িতা-
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) জসীমউদদীন
  3. গ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  4. ঘ) আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
- পল্লীকবি জসীম উদদীন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী অনেক গান রচনা করেছেন।
- বাংলার বিখ্যাত লোক সংগীতের গায়ক আব্বাস উদ্দিনের সহযোগিতায় কিছু অবিস্মরণীয় লোকগীতি নির্মাণ করেছেন।

• এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- আমায় ভাসাইলি রে আমায় ডুবাইলি রে
অকুল দরিয়ার বুঝি কূল নাইরে

- নিশিতে যাইও ফুলবনে, ও ভোমরা
- আমার সোনার ময়না পাখি
- আমার হার কালা করলাম রে
- আমায় এতো রাতে
- নদীর কূল নাই কিনার নাই
- প্রাণ সখিরে, ঐ শোন কদম্ব তলে বংশী বাজায় কে
- রঙিলা নায়ের মাঝি ইত্যাদি।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার ও প্রথম আলো পত্রিকা আর্কাইভ।
১৯৯.
“নদীর কূল নাই-কিনার নাইরে”- গানের রচয়িতা কে?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. জসীম উদ্‌দীন
  4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
• “নদীর কূল নাই-কিনার নাইরে” জসীম উদ্‌দীন রচিত ‘রঙিলা নায়ের মাঝি’ গানের সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি গান।
- গানের সংকলনটি ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয়।

• গানটি সংক্ষেপে দেয়া হলো-
-------------------
নদীর কূল নাই-কিনার নাইরে
- জসীম উদ্‌দীন
নদীর কূল নাই-কিনার নাইরে;
আমি কোন কূল হইতে কোন কূলে যাব
কাহারে শুধাইরে?
ওপারে মেঘের ঘটা, কনক বিজলী ছটা,
মাঝে নদী বহে সাঁই সাঁইরে;
আমি এই দেখিলাম সোনার ছবি
আবার দেখি নাইরে;
আমি দেখিতে দেখিতে সে রূপ
আবার দেখি নাইরে।

---------------------------
• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীম উদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউ দ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীম উদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।
- ‘সুচয়নী’ জসীম উদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।

• তাঁর রচিত গানের সংকলন:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে,

• তাঁর রচিত আত্মকথা:
- জীবনকথা,
- স্মৃতিপট,
- যাদের দেখেছি,
- ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়।

• তাঁর রচিত শিশুতোষ:
- ডালিমকুমার,
- এক পয়সার বাঁশি,
- হাসু ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘নদীর কূল নাই-কিনার নাইরে’ গান এবং বাংলাপিডিয়া।
২০০.
জসীম উদ্‌দীন রচিত 'প্রতিদান' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. ধানক্ষেত
  2. বালুচর
  3. সোজন বাদিয়ার ঘাট
  4. নক্সী-কাঁথার মাঠ
ব্যাখ্যা
• জসীম উদ্‌দীন রচিত 'প্রতিদান' কবিতাটি "বালুচর" কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

প্রতিদান
  জসীম উদ্‌দীন

আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর,
আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।
যে মোরে করিল পথের বিবাগী-
পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি,
দিঘল রজনী তার তরে জাগি ঘুম যে হরেছে মোর;
আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর।

জসীম উদ্‌দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- নক্সী-কাঁথার মাঠ,
- সুচয়নী,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- এক পয়সার বাঁশি,
- বালুচর,
- ধানক্ষেত,
- রূপবতী,
- মা যে জননী কান্দে,
- মাটির কান্না,
- সকিনা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।