PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার
দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার
PrepBank · পাতা ৩ / ৮ · ২০১–৩০০ / ৭১৯
ব্যাখ্যা
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display HMD)
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove)
- একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit)
- উচ্চ মানের অডিও ব্যবস্থা
- রিয়েলিটি ইঞ্জিন
- বিভিন্ন ধরনের সেন্সর
- বিভিন্ন সিমুলেশন, মডেলিং ও গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ইত্যাদি.
• Lotus 1-2-3 হচ্ছে একটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- ই-কমার্স একটি আধুনিক ব্যবসায় পদ্ধতি।
- E-Commerce-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Electronic Commerce।
- বর্তমানে ব্যবসায়িক জগতে ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।
- বর্তমান যুগের ইন্টারনেট প্রযুক্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পণ্য, সেবা ও তথ্য ক্রয়-বিক্রয়, হস্তান্তর বা বিনিময় কার্যকেই ই-কমার্স বলে।
- অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিজেদের সাথে বা একে অপরের সাথে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করাকে ই-কমার্স বলা হয়।
• ERP:
- ERP-এর পূর্ণরূপ হলো Enterprise resource planning.
- এটি হলো এক ধরনের ডাটাবেজ সফটওয়্যার (Logically) যা একটা বড় কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগ প্রসেস এবং অপারেশনকে শুধুমাত্র একটা সফটওয়ারে চালিত করে।
- এটি একটি সমন্বিত সফটওয়ারের রূপ।
- যা একটি কোম্পানি মোটামুটি সব চাহিদা পূরণ করে।
- বড় ধরনের কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সমগ্র বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ তথ্য ব্যবস্থাপনাকে সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠানের ফিন্যান্স/এ্যাকাউন্টিং ম্যানুফ্যাকচারিং সেলস এবং সার্ভিস কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট প্রভৃতি বিষয়বলি।
- একটি সমন্বিত সফটওয়্যার এপ্লিকেশনের দ্বারা ERP সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে এ কার্যক্রমগুলো সম্পন্ন করে থাকে৷ ERP সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার এবং নেটওয়ার্ক কনফিগারেশনে রান করতে পারে।
- এটি সাধারণত তথ্যের ভান্ডার হিসেবে একটি ডেটাবেজকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং SAP website.
ব্যাখ্যা
The first computer in Bangladesh (erstwhile East Pakistan) was installed at the atomic energy centre, Dhaka of Pakistan Atomic Energy Commission in 1964. It was an IBM Mainframe Computer of 1620 series. The main use of the machine was resolving complicated mathematical calculations in different research works.
Source: en.banglapedia.org
ব্যাখ্যা
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
- ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
- মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তার খরচ অনেক কম। ফলে সুবিধা গ্রহণ করতে পারছে।
- ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।
• Amazon - যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স।
• Alibaba - চীনভিত্তিক ই-কমার্স।
• Flipkart - ভারতের ই-কমার্স সাইট।
• Aarong - বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. অ্যামাজন ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
শিক্ষাক্ষেত্রে ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহারের উপকারিতা বহুমুখী।
শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক উভয়ই উপকৃত হে শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহারের কারণে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায় তা নিম্নে হলো :
■ শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় ল্যাপটপ এবং ট্যাবস ব্যবহার শিক্ষার্থীদেরকে স্বাধীনভাবে এবং স্ব-উদ্যোগে হয়ে শিখনে সহায়তা করে থাকে।
এগুলো শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহন বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
■ শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করে থাকে । শিক্ষকদেরকে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর স্ব স্ব চাহিদা অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে এই ল্যা ট্যাবস ।
■ শিক্ষার্থীদের শিখনফল অর্জন অনেকটা সহজ করে।
■ ল্যাপটপ এবং ট্যাবস শ্রেণিকক্ষের বাইরেও শিক্ষার্থীদের শিখনকে উৎসাহিত করে থাকে। ল্যাপটপ এবং ট্যাবস স্কুল এবং বাড়ির মধ্যকার সংযোগের বৃদ্ধি ঘটায় ।
■ ল্যাপটপ এবং ট্যাবসের পোর্টএবিলিটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্তঃসহযোগিতা বাড়ায়।
উৎস : স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ই-বুক বা ইলেকট্রনিক বুক বা ই-বই হলো মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক রূপ।
- যেহেতু, এটি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয় সে কারণে এতে শব্দ, অ্যানিমেশন ইত্যাদিও জুড়ে দেওয়া যায়।
- ই-বুক কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা বিশেষ ধরনের রিডার (ই-বুক রিডার) ব্যবহার করে পড়া যায়। প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের (amazon.com) কিন্ডল (kindle) সবচেয়ে জনপ্রিয়।
- মুদ্রিত বইয়ের হুবহু প্রতিলিপি ই-বুকগুলো মূলত মুদ্রিত বইয়ের মতই হয়ে থাকে। সচরাচর এগুলো পিডিএফ (পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট) ফরম্যাটে প্রকাশিত হয়ে থাকে।
- যে ই-বুকগুলো কেবল অনলাইনে তথা ইন্টারনেটে পড়া যায়, এগুলো সচরাচর এইচটিএমএল-এ প্রকাশিত হয়। এগুলোকে বই-এর ওয়েবসাইট বলা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি (বোর্ড বই)।
ব্যাখ্যা
চ্যাটবট হলো এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা আর্টিফিশিয়্যাল ইনটেলিজেন্স (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে গঠন করা হয়।
•এটি এমন এক ধরনের চ্যাট ইন্টারফেস যেখানে আগে থেকেই প্রোগ্রামিং এর সাহায্যে বিভিন্ন তথ্য যুক্ত করা হয়। যেগুলোর মাধ্যমে সে পরবর্তীতে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
উদাহরণ:
ফেসবুক পেজে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা, পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য বার্তা পাঠানো হয়ে থাকে। নিয়মিত জিজ্ঞাসা করা হয়, এমন প্রশ্নগুলোর জন্য আগে থেকেই উত্তর নির্ধারণ করে রাখা যেতে পারে এবং প্রশ্ন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্ধারিত উত্তর পাঠিয়ে দেওয়া যায়। ফেসবুক মেসেঞ্জার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই চ্যাট করার কাজটি সম্ভব হয় রোবটের মাধ্যমে। এটি মেসেঞ্জার বট বা চ্যাট বট নামে পরিচিত।
চ্যাটজিপিটি (ChatGPT):
চ্যাটজিপিটি একধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত চ্যাট বট, যা মানুষের সঙ্গে খুব স্বাভাবিকভাবে যোগাযোগ করতে পারে। এটি দিয়ে সাধারণ নিবন্ধ থেকে শুরু করে গল্প-কবিতার মতো সৃজনশীল রচনাও লেখা যায়।
- ওপেন এআই নামের একটি প্রতিষ্ঠান এটি তৈরি করেছে।
উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
ব্যাখ্যা
উৎস: দৈনিক প্রথম আলো
ব্যাখ্যা
এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
তবে, আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা
রোগ নির্ণয় (Diagnostics): সঠিক চিকিৎসার পূর্ব শর্ত হল যথাযথভাবে রোগীর রোগ নির্ণয়। রোগীর রোগ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন মেশিন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত। প্রতিনিয়ত গবেষণা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে রোগ নির্ণয়ের এই সকল যন্ত্রপাতির উন্নয়ন সাধন করা হয়েছে। ফলে এই সকল যন্ত্রপাতি নির্ভুলভাবে সুক্ষ্ণ ফলাফল দিতে সক্ষম।
ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড (Electronic Health Records-EHR): ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড বা EHR হল কোন রোগী বা জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়মমাফিক সংগ্রহের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্যের সমাবেশ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে কোন রোগীর বিভিন্ন সময়ে প্রাপ্ত তার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্যাবলী ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা যায়। ডেটাবেজে সংরক্ষিত রোগীর তথ্যাবলী বিশ্লেষণ করে রোগীর রোগ নির্ণয় সহজতর হয়। আধুনিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাধারণত তাদের রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ করে থাকে। যেমন অ্যাপোলো হসপিটাল ও স্কয়ার হসপিটাল কর্তৃপক্ষ রোগীদের একটি আইডি কার্ড রেজিস্ট্রেশন করে থাকে। রোগীদের আইডি নম্বরের বিপরীতে তার সকল তথ্য ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ করে। ইন্টারনেটে মাধ্যমে রোগী যে কোন জায়গা থেকে তার তথ্যাদির সত্যতা ও বৈধতা যাচাইপূর্বক আপডেট ও ব্যবহার করতে পারেন।
টেলিমেডিসিন (Telemedicine): তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে কোন ভৌগলিক ভিন্ন দূরত্বে অবস্থানরত রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, রোগ নির্ণয় কেন্দ্র, বিশেষায়িত নেটওয়ার্ক ইত্যাদির সমন্বয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলা হয়।
--------------------------------
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ। অর্থাৎ প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
পাওয়ার সিস্টেম:
সাধারণত লেড এসিড ব্যাটারী দিয়ে রোবটের পাওয়ার দেয়া হয়। এই ব্যাটারী রিচার্জেবল বা পুনরায় রিচার্জ করা যায়।
অ্যাকচুয়েটর:
রোবটের হাত পা অথবা বিশেষভাবে তৈরি কোন অঙ্গ নড়াচড়া করার জন্য কতগুলো বৈদ্যুতিক মটরের সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা হলো অ্যাকচুয়েটর। একে রোবটের হাত বা পেশী বলেও অভিহিত করা হয়।
অনুভূতি(sensing):
সেন্সরের মাধ্যমে রোবটের অনুভূতি তৈরি করা হয়।
ম্যানিপুলেশন বা পরিবর্তন করা:
রোবটের আশেপাশে বস্তুগুলোর অবস্থান পরিবর্তন বা বস্তুটি পরিবর্তন করাকে বলা হয় ম্যানিপুলেশন। সাধারণত রোবটের হাত-পা এই পরিবর্তনের যাবতীয় কাজ করে থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদ্বশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানের রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসাসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে।
- মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রচলনের ফলে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত ডাক্তারদের মধ্যে মতবিনিময়, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসাসেবার তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যায়।
- টেলিমেডিসিনের সাহায্যে ডাক্তার রোগীকে চাক্ষুষভাবে দেখার জন্য তাকে সশরীরে উপস্থিত করার পরিবর্তে ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির সহায়তা পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে এবং রোগীর বিভিন্ন রিপোর্ট বা ডাক্তারের পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
সচল উইন্ডো ক্লোজ করতে ব্যবহৃত হয়-
1. Click the X at the top-right corner of a window to close it.
2. Press Alt+F4 to close a window.
3. Press Ctrl+F4 to close an active document
4. Click Ctrl+W to close a web browser tab
(রেফারেন্সঃ Fundamentals of Computer)
ব্যাখ্যা
এলান টুরিংয়ের ১৯৫০ সালের একটি গবেষণাপত্রের আলোকে করে কোন যন্ত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরীক্ষা করার জন্য তিনি 'টুরিং পরীক্ষা' নামের একটি প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেন। টুরিং পরীক্ষা হলো এক ধরনের ইমিটেশন গেম। এই পরীক্ষাটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি তৈরি করে।
অ্যালান টুরিং কে তাত্ত্বিক কম্পিউটার প্রকৌশল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
• রোবটিক্সের ব্যবহার:
- ম্যানুফ্যাকচারিং-এ
- বিপজ্জনক কাজে
- ভারী শিল্প কারখানায়
- মেইল ডেলিভারির কাজে
- নিরাপত্তার কাজে
- পুলিশের সাহায্যকারী হিসেবে
- সামরিক ক্ষেত্রে
- ঘরোয়া কাজে
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে, ইত্যাদি
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রামের ধারণা বাস্তবায়ন ও এর প্রতিষ্ঠা সম্ভব হচ্ছে।
• নিচে বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার প্রধান উপাদানসমূহ উল্লেখ করা হলো। যথা-
- কানেকটিভিটি,
- হার্ডওয়্যার,
- সফটওয়্যার,
- ডেটা,
- মানুষের সক্ষমতা।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- অফিস পরিচালনার ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির একটি প্রায়োগিক টুল হলো অফিস অটোমেশন সিস্টেম।
- অফিস অটোমেশন হলো এমন এক ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম, যার মাধ্যমে কমপিউটার, নেটওয়ার্কিংসহ তথ্য প্রযুক্তির আরও অন্যান্য ডিভাইস ও সিস্টেম দ্বারা অফিসের সকল পেপার ওয়ার্ক ও যোগাযোগের কাজ পরিচালনা করা যায়।
- অফিস অটোমেশনে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলো হলো মাইক্রোসফট অফিস, ওপেন অফিস অর্গ, অ্যাক্রোবেট রিডার ইত্যাদি।
- এছাড়াও অফিস পরিচালনার ক্ষেত্রে যে সমস্ত তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর ডিভাইস ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে কমপিউটার, মোবাইল ফোন, ফ্যাক্স, স্ক্যানার, প্রিন্টার, ফটোকপিয়ার, প্রজেক্টর, সিসিটিভি, আইপি, পিএবিএক্স, কর্মীদের হাজিরার জন্য বায়োমেট্রিক্স ডিভাইস ইত্যাদি।
- বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক উৎকর্ষতার কারণে ঘরে বসেও অফিসের সকল কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ এবং অফিস পরিচালনার সব ধরনের নির্দেশ ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে প্রদান করা সম্ভব।
- চব্বিশ ঘণ্টা চালু থাকে এ ধরনের অফিসকে ভার্চুয়াল অফিস এবং প্রদত্ত সার্ভিসকে 24/7 সার্ভিস বলা হয়ে থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
ব্যাখ্যা
- পার্সোনাল কম্পিউটার বা ডেস্কটপ, ল্যাপটপসহ সকল ধরনের কম্পিউটার এর সঠিক ব্যবহার, পরিচর্যা এবং ট্রাবলশুটিং করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ইন্সটল এবং আন-ইন্সটল করাকে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলা হয়।
- কম্পিউটারকে দীর্ঘ দিন কর্মক্ষম রাখতে এবং নতুন নতুন কাজে ব্যবহার উপযোগী করতে কম্পিউটারের রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজন।
- নতুন নতুন সফটওয়্যার ইন্সটল করে কম্পিউটারের উপযোগিতা বাড়ানো যায়।
- কিন্তু কিছুদিন ব্যবহার করার পরে এগুলোর কাজের গতি কমে যায়, তাই কম্পিউটারের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরী।
- কম্পিউটার যেহেতু সফটওয়্যার চালিত যন্ত্র তাই সফটওয়্যার হালনাগাদ ও আপডেটের মাধ্যমে কম্পিউটারকে সংরক্ষণ ও কাজের গতি ঠিক রাখা যায়।
যেমন-
১। অপারেটিং সিস্টেম আপডেট: উইন্ডোজসহ অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত আপডেট করলে পারফরম্যান্স ভালো থাকে।
২। রেজিস্ট্রি ক্লিন আপ: মাঝে মাঝে রেজিস্ট্রি ক্লিন আপ করলে কম্পিউটার সচল ও ত্রুটিমুক্ত থাকে।
৩। টেম্পোরারি ফাইল মুছে ফেলা: কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় অনেক টেম্পোরারি ফাইল তৈরি হয়। অনেক দিন টেম্পোরারি ফাইলগুলো না মুছে দিলে হার্ডডিস্কের অনেক জায়গা দখল করে থাকে এবং এই অস্থায়ী ফাইলগুলো কাজের গতি কমিয়ে দেয়। সেজন্য উচিত, সফটওয়্যারের সাহায্য নিয়ে এই অস্থায়ী ফাইলগুলো ডিলিট করা বা মুছে দেয়া। এতে হার্ডডিস্কের বেশ খানিকটা জায়গা খালি হবে আবার কম্পিউটার এর কাজের গতিও অনেক বেড়ে যাবে।
৪। ব্রাউজার ক্যাশ পরিষ্কার: ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে জমে থাকা ক্যাশ ও কুকিজ কম্পিউটারের গতি কমাতে পারে, তাই নিয়মিত পরিষ্কার করা দরকার।
৫। এন্টিভাইরাস ব্যবহার: ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস ও এন্টিস্পাইওয়্যার ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
It's structured as follows:
- The first four characters identify the particular institution or bank to which the transfer will be made
- The next two characters specify the country
- The following two identify the location - usually the city
- The final three characters are usually numerical and indicate a particular branch or office
- When the final three characters are not included, the transfer goes to the head office or branch.
Source: sumup.co.uk
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
ইলেক্ট্রনিক্সের শুরু হয় ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে। আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৪৭ সালে জন বারডিন, উইলিয়াম শকলে এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন ট্রানজিস্টর উদ্ভাবন করেন।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- ই-সার্ভিস এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Service।
- এটি এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ইলেকট্রনিক মাধ্যমের মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, কুইক-উইন, ই-পর্চা, ইএমটিএস, ই-পুর্জি, ই-স্বাস্থ্যসেবা এবং ই-টিকেটিং এর মতো সেবা ই-সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত।
• ই-কমার্স:
- সারা বিশ্বে অনলাইন লেনদেনের বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ই-কমার্স এর গতি এবং আকার বড় হচ্ছে।
- ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র, যেখানে পণ্য বা সেবার লেনদেন ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
• ই-কৃষি সেবা:
- বাংলাদেশ সরকার কৃষি ও কৃষিভিত্তিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রবর্তন করেছে কিছু ডিজিটাল সেবা যেমন, কৃষকের জানালা, কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা, এবং কৃষি বাতায়ন।
- এসব সেবা কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা সহজলভ্য করে তোলে।
• ই-পর্চা:
- বর্তমানে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করা সম্ভব।
- এই সেবা ই-পর্চা নামে পরিচিত, যা জমি সংক্রান্ত নানা সমস্যার সমাধান সহজ এবং দ্রুত করার সুবিধা প্রদান করে।
• ই-পুর্জি:
- আঁখ চাষীদের জন্য প্রবর্তিত একটি বিশেষ ই-সেবা হল ই-পুর্জি, যা চাষীদের জন্য নানা ধরনের সরকারি সেবা ও সাহায্য প্রদান করে।
• অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ই-সার্ভিসের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা ও গতি আনছে।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হলে, নাগরিকদের সময় এবং খরচ বাঁচে এবং সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ হয়ে ওঠে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
• কর্মসংস্থান:
- তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর একটি বিরাট অংশ ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই দেশে এবং দেশের বাইরে চাকুরির বাজারে আবেদন করে নিজেদের বেকারত্ব দূর করতে পারছে।
- আমাদের দেশেও বিগত প্ৰায় দু দশক ধরে বিভিন্ন দেশের চাকুরি ও নিয়োগ সংক্রান্ত খবরাখবর নিয়ে কয়েকটি জব-পোর্টাল চালু আছে।
- এগুলোর মধ্যে www.bdjobs.com, www.chakri.com, www.everjobs.com ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- বিশ্বব্যাপী কয়েকটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস বা জব শেয়ারিং ওয়েবসাইট যেমন - Upwork, Freelancer, Belancer, Fiverr ইত্যাদিতে ডেটা অ্যানালাইসিস, কপি রাইটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এফিলিয়েট মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), গুগল অ্যাডসেন্স, ভার্চুয়াল অ্যাসিসটেন্স, রিসার্চ এন্ড সার্ভে, আর্টিক্যাল-ব্লগ রাইটিং ইত্যাদি নানাধরনের বৈচিত্র্যময় কাজ করা যায়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- ইমেজ বা ছবির আরেক নাম স্থিরচিত্র।
- কোনো একটি নির্দিষ্ট সময় বা মুহূর্তের ছবি ধরে রাখা হয় ইমেজের মাধ্যমে।
- শিক্ষাক্ষেত্রে, বিশেষ করে পাঠ পরিচালনার নানান ক্ষেত্রে ইমেজ ব্যবহার করা যায়।
- ইমেজের ফরম্যাটগুলো হচ্ছে- jpg, png, gif, psd, bmp, dds, pspimage, tga, thm, tif, tiff, zuv ইত্যাদি।
উৎস: শিক্ষা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) এক্সপিরিয়েন্স করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস হলো ঘ) হেডসেট। হেডসেট একটি বিশেষ ধরনের চশমার মতো যন্ত্র, যা ব্যবহারকারীর চোখের সামনে একটি স্ক্রিন দেখায় এবং মুভমেন্ট সেন্সর ব্যবহার করে মাথার চলাচলের সাথে ভিজ্যুয়াল পরিবেশকে পরিবর্তন করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী সম্পূর্ণভাবে একটি কল্পিত জগতে প্রবেশ করতে পারে এবং চারপাশের দৃশ্য, অবজেক্ট, এবং সাউন্ডের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে। অন্যান্য ডিভাইস যেমন প্রিন্টার, মনিটর বা কীবোর্ড VR এক্সপিরিয়েন্সের জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। হেডসেট ছাড়া VR-এর সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জন সম্ভব নয়, কারণ এটি ভিজ্যুয়াল ও অডিয়োর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ইমারসন তৈরি করে। তাই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি উপভোগের জন্য হেডসেট অপরিহার্য।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।
• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• CAPTCHA-এর মূল উদ্দেশ্য হল অনলাইন ব্যবস্থায় মানুষের এবং স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম বা রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা। এটি এমন একটি পরীক্ষা যা সাধারণত মানুষের জন্য সহজ হলেও স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের পক্ষে সমাধান করা কঠিন। উদাহরণস্বরূপ, ছবির মধ্যে নির্দিষ্ট বস্তুর সনাক্তকরণ বা বিকৃত অক্ষর টাইপ করা। CAPTCHA ব্যবহারের মাধ্যমে ওয়েবসাইট মালিকরা স্প্যাম কমাতে, স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট তৈরি রোধ করতে এবং অনলাইন সেবার নিরাপত্তা বাড়াতে পারেন। এটি কম্পিউটার সিস্টেমকে নির্ভরযোগ্যভাবে শুধুমাত্র মানুষের ইন্টারঅ্যাকশন অনুমোদন করতে সাহায্য করে, যা সাইবার হুমকি এবং অপ্রয়োজনীয় ট্রাফিক থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।
- সঠিক উত্তর: ক) মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য করা।
CAPTCHA:
- CAPTCHA এর পূর্ণরূপ Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart.
- CAPTCHA হচ্ছে ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী এবং স্বয়ংক্রিয় বটগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যবহৃত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বটগুলিকে ক্ষতিকারক বা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত রাখতে, যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং ফর্ম বা সাইবার আক্রমণ শুরু করা।
- ক্যাপচা-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করা যেনো বটগুলিকে অপব্যবহার করা থেকে বিরত রাখা যায়।
ক্যাপচাগুলি কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
যেমন -
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে।
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য একরকম হয়না।
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতায় বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। যথা-
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ
• আইরিশ শনাক্তকরণ
• মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test) ।
২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ
• কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- ফলে প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তাড়াতাড়ি প্রয়োজনীয় ডেটাসমূহ খুঁজে পায়।
- এতে প্রোগ্রাম লোড হতে কম সময় লাগে এবং প্রোগ্রাম দ্রুত রান হয় বিধায় কম্পিউটারের স্পিড ঠিক থাকে।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো BIOS.
BIOS-এর পূর্ণরূপ হলো -Basic Input/Output System.
এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে।
অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
[সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২ (ভোকেশনাল)]
ব্যাখ্যা
• ব্লকচেইন
- ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে।
- এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়।
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল।
- ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
- লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়।
- ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়।
- ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।
• বিটকয়েন (Bitcoin)
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality বা VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন ব্যবহার করে তৈরি করা একটি কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক (3D) জগত, যা ব্যবহারকারীকে বাস্তব জগতের মতো অনুভব করায়।
- এটি হেডসেট বা গ্লাভস ব্যবহার করে দৃশ্যমান ও শ্রবণযোগ্য সংবেদনশীল পরিবেশের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করে।
- এটি পুরোপুরি কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি কাল্পনিক জগৎ।
- এটি ব্যবহারকারীকে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে দেয় যা বাস্তবের কাছাকাছি (Immersion)।
- এতে হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD) এবং পোজ ট্র্যাকিং ব্যবহার করা হয়।
- বিনোদন (ভিডিও গেম), শিক্ষা, চিকিৎসাবিদ্যা (সার্জারি প্রশিক্ষণ), সামরিক প্রশিক্ষণ এবং গবেষণায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: Britannica [Link]
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) বায়োইনফরমেটিক্স
• বায়োইনফরমেটিক্স:
বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।
• বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার:
- প্যার্টান রিকোগনিশন,
- ডেটা মাইনিং,
- মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
- ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।
• বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য গবেষণাগুলির মধ্যে রয়েছে -
- সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
- ডিএনএ ম্যাপিং,
- ডিএনএ এনালাইসিস,
- জিন ফাইন্ডিং,
- জিনোম সমাগম,
- ড্রাগ নকশা,
- ড্রাগ আবিষ্কার,
- প্রোটিনের গঠন,
- প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
- জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
- প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
- জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি) -প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।
দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।
২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- টেলিকনফারেন্সিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন সভা, সেমিনার বা দলবদ্ধভাবে যোগাযোগ করা যায়।
- টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বলা হয় টেলিকনফারেন্সিং।
- বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো ব্যক্তিই টেলিফোন মাধ্যম ব্যবহার করে টেলিকনফারেন্সিং করতে পারে।
- এই ব্যবস্থায় সভায় অংশগ্রহণকারীরা কী বোর্ডের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কম্পিউটারে তাদের বক্তব্য বা জবাব পাঠায়।
- বিভিন্ন ধরনের টেলিকনফারেন্সিং ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন-পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স, রিড অনলি কনফারেন্স ইত্যাদি।
- পাবলিক কনফারেন্স সবার জন্য উম্মুক্ত।
- ক্লোজড কনফারেন্স সবার জন্য উন্মুক্ত নয়, পাসওয়ার্ড প্রটেকটেড। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড দিয়ে এই কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করা যায়।
- টেলিকনফারেন্সিং সফটওয়্যার ব্যবস্থার মাধ্যমে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- অডিও-ভিজ্যুয়াল পদ্ধতিতে সভা করাকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট এর ব্যবহার-
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা ।
২. তথ্য সংরক্ষণ করা।
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা।
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা।
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- Cracked versions of software can be easily found and downloaded from these networks, allowing users to use the software without purchasing a legitimate license.
Reference: bsa.org, techradar.com
ব্যাখ্যা
• eBay হলো Consumer to Consumer (C2C) ই-কমার্সের একটি উদাহরণ, যেখানে ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীরা অনলাইনে সরাসরি অন্য ব্যক্তির কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারে।
• ই-কমার্স (E-commerce):
- Electronic commerce বা E-commerce হলো ইন্টারনেট বা ইলেকট্রনিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পণ্য ও সেবার ক্রয়-বিক্রয় এবং আর্থিক লেনদেন পরিচালনার প্রক্রিয়া।
- এতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট এবং ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ভোক্তা উভয়েই অনলাইনে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে।
• ই-কমার্সের প্রধান মডেল:
- ই-কমার্স সাধারণত ব্যবসায়িক সম্পর্কের ভিত্তিতে কয়েকটি মডেলে বিভক্ত।
• Consumer to Consumer (C2C):
- এই মডেলে একজন ভোক্তা অন্য ভোক্তার কাছে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে।
- সাধারণত একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস বা প্ল্যাটফর্ম এই লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- উদাহরণ: eBay, যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি অন্য ব্যবহারকারীর কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারে।
• Business to Business (B2B):
- এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে অনলাইনে পণ্য বা সেবার লেনদেন করে।
- সাধারণত পাইকারি বাণিজ্য ও কর্পোরেট লেনদেনে এই মডেল ব্যবহৃত হয়।
• Business to Consumer (B2C):
- ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরাসরি ব্যক্তিগত গ্রাহকের কাছে অনলাইনে পণ্য বা সেবা বিক্রি করে।
• Consumer to Business (C2B):
- এই মডেলে ভোক্তা কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে পণ্য বা সেবা প্রদান করে।
• অন্যান্য অপশন:
- Alibaba → প্রধানত Business to Business (B2B) ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।
- SAP Ariba → কর্পোরেট ক্রয় ও সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত একটি B2B ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম।
- Oracle NetSuite → ক্লাউডভিত্তিক ব্যবসা ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার, যা মূলত ERP সমাধান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা, ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।
• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে।
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না।
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। যথা-
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ
• আইরিশ শনাক্তকরণ
• মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test) ।
২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ
• কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
- সাইবার অপরাধ এমন অপরাধ যা কম্পিউটার এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সাথে সম্পর্কিত।
- এ ধরনের অপরাধ জাতির নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।
- আইনগত বা আইনবহির্ভূতভেবে বিশেষ তথ্যসমূহ প্রকাশিত হলে গোপনীয়তার লঙ্ঘন ঘটে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• ভিআর (VR) অভিজ্ঞতার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিভাইস হলো ভিআর হেডসেট। এটি এমন একটি ডিভাইস যা সরাসরি ব্যবহারকারীর চোখের সামনে পরিধান করা হয় এবং ভার্চুয়াল পরিবেশের ৩ডি দৃশ্য প্রদর্শন করে। ভিআর হেডসেট ব্যবহার করে ব্যবহারকারী এমন একটি পরিবেশে প্রবেশ করতে পারে যেখানে তারা গেম খেলা, শিক্ষামূলক কার্যক্রম, বা ভার্চুয়াল ভ্রমণ করতে পারে। অন্য ডিভাইস যেমন স্মার্টওয়াচ, ট্যাবলেট বা ই-রিডার ভিআর অভিজ্ঞতা সরবরাহ করতে পারে না, কারণ এগুলি মূলত ঘড়ি, কম্পিউটিং বা পাঠযোগ্য সামগ্রী দেখানোর জন্য ডিজাইন করা। তাই ভিআর হেডসেটই ভিআর অভিজ্ঞতার প্রধান এবং সবচেয়ে কার্যকর ডিভাইস।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোনো ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোনো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
• দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint),
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry),
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan),
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition),
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA test)।
• আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition),
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification),
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ক্লান্ত হয় না। কম্পিউটারের কোনাে ব্রেক দরকার হয় না। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা এমনকি বছরে ৩৬৫ দিনই নিরবিচ্ছিন্নভাবে কম্পিউটার কাজ করতে পারে। কোনাে মানুষের পক্ষে এভাবে কাজ করা সম্ভব নয়।
অসম্ভবকে সম্ভব করা (Incredibility):
এয়ারলাইন-রেললাইন বুকিং, ক্রেডিট কার্ড বা স্মার্ট কার্ড ব্যবহার, আবহাওয়া বার্তা, মহাকাশ গবেষণা, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহার ছাড়া সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পাদন করা সম্ভব নয়।
বহুমুখিতা (Versatility):
মাল্টিটাস্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে কম্পিউটার একই সাথে অনেকগুলাে কাজ করতে পারে এবং একই সাথে বহু ব্যবহারকারী ভিন্ন ভিন্ন কাজ করতে পারে।
সুত্র: বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) - শিক্ষক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়েল [bcc.portal.gov.bd]
ব্যাখ্যা
সহজ ভাষায় বললে, ব্লকচেইন হচ্ছে ব্লকের চেইন।
এটি তথ্য সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ এবং উন্মুক্ত পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে তথ্য বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয়।
একটি সাধারণ Block এ-
ক) A hash pointer to the previous block
খ) Timestamp এবং
গ) List of transactions এই ৩টি অংশই থাকে।
তবে, একমাত্র জেনেসিস ব্লক ছাড়া সব ব্লকেই ক) A hash pointer to the previous block থাকে। জেনেসিস ব্লক হচ্ছে ব্লকচেইনের প্রথম ব্লক।
The Genesis Block
The first block in the blockchain is called the genesis block and was created in 2009.
It is the common ancestor of all the blocks in the blockchain, meaning that if you start at any block and follow the chain backward in time, you will eventually arrive at the genesis block.
Source:
Chapter 7. The Blockchain [Link]
Unlocking Digital Cryptocurrencies 1st Edition by Andreas M. Antonopoulos
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এমবেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবল সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্ করে থাকে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- MATLAB সাধারণত গণিত ও ইঞ্জিনিয়ারিং সমস্যার জন্য ব্যবহৃত হয়, VLC Media Player একটি মিডিয়া প্লেয়ার এবং Audacity একটি অডিও এডিটিং সফটওয়্যার।
- তাই VR সিমুলেশনের জন্য Blender সবচেয়ে উপযোগী।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality-VR) হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সফটওয়্যারগুলো হলো:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- Refresh Rate যত বেশি হবে ইমেজ স্ক্রীনে তত বেশি দৃঢ় দেখাবে।
- Refresh Rate কে হার্টজ এককে প্রকাশ করা হয়।
ব্যাখ্যা
- ই-লার্নিং শব্দটি ইলেকট্রনিক লার্নিং কথাটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিই ই-লার্নিং নামে পরিচিত।
- এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে পছন্দ মতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
- যেহেতু এখানে ধারাবাঁধা ক্লাসের ব্যাপারটি থাকে না, তাই সুবিধামতো সময়ে শেখার কাজটি চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
- বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম।
- বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বাংলায় কোর্স দেবার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারেন।
- এগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তপাঠ, শিক্ষক ডট কম, জাগো অনলাইন স্কুল, প্রভৃতি।
[ই-লার্নিং হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণের প্রক্রিয়া, যা বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সম্পন্ন হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলি সীমাবদ্ধ বা ভুল কারণ:
'বই কেনাবেচার সাইট' শুধুমাত্র একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম; 'ভার্চুয়াল ক্লাসে পাঠ্যবই পড়ানো' ই-লার্নিং এর একটি অংশ মাত্র এবং 'স্কুলের মধ্যে ব্যবহৃত টুল' খুবই সীমিত ধারণা।
• ই-লার্নিং এ অন্তর্ভুক্ত থাকে: ভিডিও লেকচার, ইন্টারেক্টিভ কোর্স মেটেরিয়াল, অনলাইন কুইজ ও পরীক্ষা, ডিজিটাল লার্নিং রিসোর্স, অনলাইন ডিসকাশন ফোরাম ইত্যাদি]
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিই ই-লার্নিং নামে পরিচিত।
- ই-লার্নিং এর পূর্ণরূপ ইলেকট্রনিক লার্নিং।
- এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে পছন্দ মতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
- যেহেতু এখানে ধারাবাঁধা ক্লাসের ব্যাপারটি থাকে না, তাই সুবিধামতো সময়ে শেখার কাজটি চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
- বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম।
- বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বাংলায় কোর্স দেবার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারেন।
• এ ধরনের প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- মুক্তপাঠ,
- শিক্ষক ডট কম এবং
- জাগো অনলাইন স্কুল উল্লেখযোগ্য।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- আমেরিকান পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার থেকে সিডি-রমে গান, ছবি, ভিডিও ফাইল কপি করার প্রক্রিয়াটি Burning নামে পরিচিত।
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory)।
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়।
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।
উৎস: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- তার নকশা অবলম্বন করে ১৯৬৪ সালে SRI International এর প্রধান প্রকৌশলী বিল ইংলিশ প্রথম প্রটোটাইপ মাউস নির্মাণ করেন।
- ১৯৬৭ সালে মাউসের প্যাটেন্টের জন্য আবেদন করা হয় এবং ১৯৭০ সালে ডগলাস এঙ্গেলবার্টের নামে প্যাটেন্ট ইস্যু করা হয়।
- ১৯৮৪ সালে বাণিজ্যিকভাবে কম্পিউটারে মাউস ব্যবহার শুরু হয়।
উৎসঃ SRI International ওয়েবসাইট।
[লিঙ্ক]
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) Electronic Fund Transfer
EFT
- EFT এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Funds Transfer।
- এটি ইলেকট্রনিক ব্যাংকিংয়ের একটি পদ্ধতি, যেখানে কম্পিউটার ও অন্যান্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করা হয়, এখানে সরাসরি মানুষের উপস্থিতি প্রয়োজন হয় না।
- ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং EFT ও অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংকিং লেনদেন সম্পন্ন করে।
- এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন, জমা, বিল পরিশোধসহ নানা ধরনের লেনদেন করা যায়।
EFT-এর প্রধান চার ধরনের ব্যবস্থা:
- ATM (Automated Teller Machines): গ্রাহকরা তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে নগদ টাকা উত্তোলন করতে পারে।
- Smart Cards: কার্ডে একটি কম্পিউটার চিপ থাকে, যা টাকা পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারে এবং প্রতিবার লেনদেনের পর নতুন ব্যালান্স কার্ডে রেকর্ড হয়।
- ACH Networks (Automated Clearing House): বিদ্যমান জমার টাকা একাউন্টের মধ্যে ট্রান্সফার করে, চেক ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা দূর করে, এবং দ্রুত লেনদেন ও নিষ্পত্তি (settlement) সম্পন্ন করে।
- Bill Payments: ব্যাংক গ্রাহকদের সুবিধা দেয় যাতে তারা নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি পাওনাদারের (creditor) অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর করে বিল পরিশোধ করতে পারে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে।
যথাঃ
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)
খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।
DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।
কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে প্রায় সকল দেশে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কম্পিউটার প্রযুক্তি যথাযথ প্রয়োগ দ্বারা সূক্ষ্মভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে।
- EHR (Electronic Health Record) এর মাধ্যমে ডেটাবেজে রোগীর সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং রোগী তার EHR ব্যবহার করে যে কোন স্থান হতে তার রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি যেকোন স্থানে বসে পেতে পারেন।
- সিটিস্ক্যান এর অর্থ (Computed Tomography Scan), চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া।
- আলোর প্রতিসরণের সাথে জ্যামিতিক হিসেবের মাধ্যমে দ্বিমাত্রিক ছবিগুলোকে ত্রিমাত্রিক করা হয়, এতে কোনো বস্তুর অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়।
- রোগীর অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণ করার জন্য কম্পিউটার (যেমন: ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম) ব্যবহার করা হয়।
- চিকিৎসাক্ষেত্রে তথ্য সংরক্ষণ, ইমেজ বিশ্লেষণ এবং রোগী পর্যবেক্ষণ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
Zoom is very popular in modern enterprise video communications, with an easy, reliable cloud platform for video and audio conferencing, chat, webinars etc. No matter where education takes place, Zoom can help engage students, faculty, and staff for learning, collaboration, and administration.
Source: zoom.us
ব্যাখ্যা
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- মাইনাস ৪১ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজ করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।
উৎক্ষেপণ সময়ঃ
১১ মে ২০১৮ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪:১৪ মিনিট
অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২:১৪ মিনিট
স্থানঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল-এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC-39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।
মন্ত্রণালয়/বিভাগঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)
বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
বাস্তবায়নকালঃ ১ জুলাই, ২০১৪ হতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত
প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৯৬৭.৯৫ কোটি টাকা
সংশোধিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৭৬৫.৬৬ কোটি টাকা
নির্মাণ সংস্থাঃ বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে। উৎক্ষেপণ করা হয় SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।
Thales এর চুক্তিমূল্যঃ ১৯০৮.৭৫ কোটি টাকা
সুত্রঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
ব্যাখ্যা
• কোয়ান্টাম কম্পিউটার
- এটি এমন একটি কম্পিউটার যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গুণাবলী (যেমন: সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট) ব্যবহার করে জটিল গণনা করে।
- প্রচলিত ডিজিটাল কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী হতে পারে।
- রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে কিউবিট (Quantum Bit), যা একসাথে 0 এবং 1 হতে পারে – একে বলে Superposition।
- একটি কিউবিট একই সাথে অনেকগুলো সম্ভাব্য অবস্থায় থাকতে পারে। এটি একাধিক গাণিতিক সমস্যার সমাধান একই সাথে করতে সাহায্য করে।
- ডেভিড ডয়চ (১৯৮৫): কোয়ান্টাম লজিক গেটের ধারণা দেন।
- পিটার শোর (১৯৯৪): কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম উদ্ভাবন করেন যা বড় সংখ্যা অল্প সময়ে ভেঙে ফেলতে পারে।
• কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ৩টি মূল পদ্ধতি
- NMR (Nuclear Magnetic Resonance): নিউক্লিয়াস স্পিন ব্যবহার করে।
- Ion Trap: আয়নকে ট্র্যাপ করে এবং লেজার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- Quantum Dots: অতি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী অঞ্চলে ইলেকট্রনের স্পিন ব্যবহৃত হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক এবং সামরিক যোগাযোগ রক্ষায় কৌশলগত বার্তাগুলি এনকোড করতে জার্মান সামরিক বাহিনীর সমস্ত শাখায় Enigma Machine টি ব্যবহৃত হত।
ব্যাখ্যা
পাইরেসি বা তাস্কর্য
পাইরেসি স্পষ্টত মেধাস্বত্ব লঙ্ঘন। এর উদাহরণ বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে দেওয়া যায়।
যেমন, বৈধ চুক্তিবিহীন গ্রন্থপ্রকাশ থেকে শুরু করে পুরো গ্রন্থের অননুমোদিত ফটোকপিকরণ, নকল সিডি, নকল সফটওয়ার কিংবা মোবাইল ফোনের রিংটোনে সঙ্গীতের যথেচ্ছ ব্যবহার ইত্যাদি।
অবৈধ নকল বলতে হুবহু, পুরোপরি বা আংশিক নকল বোঝায়। আংশিক নকল বলতে যে কর্মে কপিরাইট বিদ্যমান আছে তেমন কোনো কর্মের অনুমতিহীন ব্যবহার বোঝায়।
সুত্রঃ বাংলাদেশে কপিরাইট আইন : সংজ্ঞা ও সমীক্ষা, মুহম্মদ নূরুল হুদা এবং কপিরাইট পকেটবুক।
কপিরাইট আইনঃ
যেকোনো ধরণের প্রকাশনার মেধাসত্ব ভোগের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনঃ
তথ্য ও যোগাযোগ "প্রযুক্তির" আইনগত বৈধতা ও নিরাপত্তা প্রদান এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনঃ
ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, দমন, বিচার ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়।
- প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-6 এর সাথে সংযুক্ত হবে।
- এটি বাস্তবায়িত হবে ২০২৪ সালে।
- এর আগে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-5 এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-4 এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- SEA-ME-WE এর পূর্নরূপ South East Asia-Middle East-Western Europe)
উৎস: দৈনিক পত্রিকা।
ব্যাখ্যা
• ব্লকচেইন মূলত নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি বিশেষ ধরনের ডিজিটাল রেকর্ড বা ডেটাবেস, যেখানে তথ্য ব্লকের আকারে সংরক্ষিত হয় এবং ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহার করে এক ব্লক থেকে অন্য ব্লকে সংযুক্ত করা হয়। এই প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর তথ্য পরিবর্তন বা জালিয়াতি রোধ করে, কারণ একবার তথ্য ব্লকে যুক্ত হলে তা পরিবর্তন করা খুব কঠিন। ব্লকচেইন ব্যাংকিং, ক্রিপ্টোকারেন্সি, চুক্তি স্বাক্ষর, এবং অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি ক্লাউড স্টোরেজ, ওয়েব ডিজাইন বা সামাজিক মিডিয়ার জন্য নয়, বরং নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেনের জন্য বিশেষভাবে প্রযোজ্য।
- সঠিক উত্তর: ঘ) নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেন।
• ব্লকচেইন:
- ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে।
- এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়।
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল।
- ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
- লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়।
- ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়।
- ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।
• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
ব্যাংক, ইনস্যুরেন্স কোম্পানি, এয়ার লাইন ইত্যাদি জায়গায় প্রধানত OCR ব্যবহৃত হয়।
OCR এর পূর্ণরূপ- "Optical Character Recognition."
কাগজের ওপর কালি বা পেন্সিলের দাগ ও অক্ষর ছাড়াও বিভিন্ন আকৃতি ও গঠনের চিত্র পাঠ করা ওসিআর যন্ত্রের কাজ। হিসাবের যন্ত্র, ক্যাশ রেজিষ্টার, টাইপরাইটার ও প্রিন্টারের লেখা পাঠ করতে এ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। উন্নত রশ্মি দিয়ে ওসিআর যন্ত্রের মাধ্যমে হাতের লেখাও পাঠ করা সম্ভব।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
ব্যাখ্যা
- গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রামের ধারণা বাস্তবায়ন ও এর প্রতিষ্ঠা সম্ভব হচ্ছে।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে এক দেশে বসে অন্য দেশে প্রতিবেশির মতো তথ্য বিনিময় করতে পারার প্রক্রিয়াটিই মূলত বিশ্বগ্রামের ধারণা।
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক মারশেল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বৈশ্বিক গ্রাম কথাটি ব্যবহার করেন।
- মার্শাল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম ১৯৬২ সালে তার রচিত ‘The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic' গ্রন্থে বিশ্বগ্রামের ধারণা দেন।
• নিচে বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার প্রধান উপাদানসমূহ উল্লেখ করা হলো। যথা:
- কানেকটিভিটি
- হার্ডওয়্যার
- সফটওয়্যার
- ডেটা
- মানুষের সক্ষমতা
• কানেকটিভিটি বা সংযুক্ততা:
- বিশ্বগ্রামের মেরুদন্ড হলো নিরাপদভাবে রিসোর্স শেয়ার করার নেটওয়ার্ক বা কানেকটিভিটি যার মাধ্যমে বিভিন্ন উপাত্ত ও তথ্য এই গ্রামের প্রতিটি মানুষের নিকট পৌঁছাতে পারে।
- নিরাপদ তথ্য আদান-প্রদানই হচ্ছে বিশ্বগ্রামের মূল ভিত্তি।
- নিরাপদ তথ্য প্রদানের জন্য প্রয়োজন নিরাপদ নেটওয়ার্ক বা কানেকটিভিটি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশে বসেই অন্য দেশের কোনো কাজ করা যায়।
- আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া।
- অর্থাৎ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং।
- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফ্টওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়।
- আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে এখন অনেকেই ঘরে বসে তার মেধা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজে অর্থ উপার্জন করছে এবং অন্যদের জন্য কর্মক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে।
- যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে তাদেরকে বলা হয় ফ্রি-ল্যান্সার।
- বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে।
- বিশ্বব্যাপি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে payoneer.com, freelancer.com, upwork.com, peopleperhour.com ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• Connectivity (সংযোগ ব্যবস্থা) বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান উপাদান, কারণ এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মানুষ তথ্য আদান–প্রদান ও যোগাযোগ করতে পারে।
• বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ:
- বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য কিছু মৌলিক উপাদান প্রয়োজন, যেগুলোর সমন্বয়ে বৈশ্বিক যোগাযোগ ও তথ্য আদান–প্রদান সম্ভব হয়।
- প্রধান উপাদানগুলো হলো: Hardware, Software, Connectivity, Data and Information, Capacity.
• Hardware:
- তথ্য আদান–প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ধরনের যন্ত্রপাতিকে Hardware বলা হয়।
- এর মধ্যে রয়েছে: Computer, Peripheral devices, Mobile phone, Satellite, Audio-video recorder, Radio, Television ইত্যাদি।
• Software:
- Hardware পরিচালনা ও কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও নির্দেশনাকে Software বলা হয়।
- Software এর মধ্যে রয়েছে: System software, Application software, Browsing software, Communication software, Programming language ইত্যাদি।
• Connectivity:
- বিশ্বগ্রামের প্রতিটি মানুষ যাতে নিরাপদে তথ্য ও উপাত্ত আদান-প্রদান করতে পারে এবং একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে, তার জন্য প্রয়োজন নেটওয়ার্ক বা Connectivity।
- বিশ্বব্যাপী তথ্যভাণ্ডারের সাথে সর্বক্ষণিক বা প্রয়োজন অনুযায়ী যুক্ত থাকার জন্য Connectivity গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
• Data and Information:
- উপাত্তকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপান্তর করা হয়।
- বিশ্বগ্রামে মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য ও উপাত্ত একে অপরের সাথে বিনিময় বা শেয়ার করা হয়।
• Capacity:
- বিশ্বগ্রামের উপাদানগুলোর মধ্যে মানুষের দক্ষতা ও সক্ষমতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
- তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য মানুষের সচেতনতা, জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতার উপর এর সফল প্রয়োগ নির্ভর করে।
• অন্যান্য অপশন:
- Operating System → কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত System software।
- Compiler → উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষাকে Machine language-এ রূপান্তরকারী অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- Algorithm → কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে সাজানো যৌক্তিক নির্দেশনার সমষ্টি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে যন্ত্র বা মেশিন মানুষের মত কিছু কাজ করতে পারে তাকে রোবট বলা হয়।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- Robotics শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ 'robota' থেকে যার ইংরেজি হলো robot এবং আভিধানিক অর্থ হল শ্রমিক, দাস বা কর্মী।
- চেক (Czech) লেখক ক্যারেল ক্যাপেক (Karel Capek) ১৯২১ সালে Rossumovi Univerzální Roboti (ইংরেজিতে Rossum's Universal Robots) নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম ‘robota' শব্দের পরিচয় করেন।
- ১৯৫০ সালে যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার (Joseph Frederick Engelberger) এবং জর্জ চার্লস ডেভল ( George Charles Devol) মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- পরবর্তীতে এঙ্গেলবার্গার ইউনিমেশন (Unimation) নামে বিশ্বের প্রথম রোবট কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করেন এবং এই প্রযুক্তি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- এই জন্য যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।
- তবে জর্জ চার্লস ডেভলকেও রোবটিক্সের জনক হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- Flickr = Flickr is an image hosting service and video hosting service. It was created by Ludicorp in 2004.
- Instagram = Instagram is an American photo and video-sharing social networking service owned by Facebook, Inc. It was created by Kevin Systrom and Mike Krieger, and launched in October 2010 on iOS.
- Pinterest = Pinterest, Inc. is an American social media web and mobile application company. It operates a software system designed to enable saving and discovery of information on the World Wide Web using images and, on a smaller scale, GIFs and videos.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (PSU) একটি কম্পিউটার সিস্টেমে একটি পৃথক উপাদান। এর প্রাথমিক কাজ হল একটি আউটলেট থেকে বৈদ্যুতিক শক্তিকে কম্পিউটারের উপাদানগুলির জন্য প্রয়োজনীয় উপযুক্ত ভোল্টেজে রূপান্তর করা। সিপিইউ, মেমোরি, রেজিস্টার এই সবগুলোই মাদারবোর্ড-এর অংশ।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি মূলত ত্বকের ক্ষত বা ত্বকের অসাধারণ কোষ বৃদ্ধি, যেমন মোল, ওয়ার্ট বা ক্যান্সারযুক্ত ক্ষত নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়ায় খুব কম তাপমাত্রায় এক ধরনের তরল নাইট্রোজেন ব্যবহার করে ক্ষত বা অস্বাভাবিক কোষকে জমিয়ে ধ্বংস করা হয়। এতে চারপাশের সুস্থ টিস্যুর ওপর প্রভাব খুব কম পড়ে এবং ক্ষতের পুনরাবৃত্তি কম হয়। হাড় ভাঙা, উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি সাধারণত প্রয়োগ করা হয় না, কারণ এসব অবস্থার জন্য অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতি বেশি কার্যকর। তাই ক্রায়োসার্জারি প্রায়শই ত্বকের ক্ষতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: গ) ত্বকের ক্ষত।
• ক্রায়োসার্জারি:
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
• ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।
• ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার:
- ওয়ার্টস অপসারণ,
- চোখের লেন্স বা ছানি অপসারণ,
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের টিউমার নির্মূল,
- কিছু হৃদরোগজনিত সমস্যা নির্মূল,
- হেমোরয়েড নির্মূল,
- স্ত্রীরোগ ও ইউরোলজিক টিউমারের নিয়ন্ত্রণ।
উৎস:.১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
দুই ধরণের ই-বুক বাজারে বিদ্যমান রয়েছে। যথা-
১. রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book)
২. ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক (Fixed Format E-Book)
রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book):
Amozon- এর Kindle প্রথম রিফ্লোয়েবল ই-বুক বাজারে সহজলভ্য ও বাণিজ্যিককরণ করে। এই ধরণের ই-বুকে ছবির ব্যবহার সাধারণত কম হয় এবং লেখার পরিমাণ থাকে বেশি। রিফ্লোয়েবল ই-বুক ডিভাইসের স্ক্রীন সাইজ অনুযায়ী ট্যাক্সট ও ছবিকে সমন্বিত করে নেয়। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী অক্ষরের আকার ছোট-বড়, লাইন স্পেস, মার্জিন ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারে এবং পরিবর্তনের পর কন্টেন্ট তা ধারণ করে স্ক্রীনের সাইজ অনুযায়ী সমন্বয় করে নেয়।
ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক এর উদাহরণ হচ্ছে - B&N Nook, Apple -এর ipad।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)
ব্যাখ্যা
তবে, প্রশ্নে ঝামেলা আছে,
সিলিকন চিপের উপর resistors, capacitors, transistors etc বসিয়ে IC তৈরি হয়। এবং আইসি এর কাজ শুধু ডিসপ্লের সাথে সম্পর্কিত নয়। ক্যল্কুলেটরের ডিসপ্লেতে সিলিকন চিপ নেই এবং সেটা থাকার কোন সুযোগও নেই। সহজ কথায়, যে ডিজিট দেখা যায় সেটা LCD display এর মাধ্যমে আর LCD Display তে যা দেখাচ্ছে তা আসছে অনেকগুলো কম্পোনেন্টের Combined Effort থেকে।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) Washing machines
- মাইক্রোকন্ট্রোলার হলো একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, যা একটি মাইক্রোপ্রসেসর, মেমোরি এবং সম্পর্কিত সার্কিট নিয়ে গঠিত।
- এটি কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্রের কিছু বা সমস্ত কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন গৃহস্থালির যন্ত্রপাতি।
- ওয়াশিং মেশিন এমন এক ধরনের ভোক্তা পণ্য, যা এমবেডেড প্রসেসরের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- এই প্রসেসরগুলো এক ধরনের কম্পিউটার চিপ, যা বিভিন্ন যন্ত্রে স্থাপন করা হয় বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য।
এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো এক ধরনের বিশেষ কম্পিউটার সিস্টেম, যা সাধারণত একটি বড় সিস্টেম বা যন্ত্রের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত মাইক্রোপ্রসেসর, নির্দিষ্ট নির্দেশনা সংবলিত মেমরি (যেমন ROM) এবং ইনপুট-আউটপুট ইউনিটের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারণত এমবেডেড সিস্টেমে একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড ও নির্দিষ্ট কিছু প্রোগ্রামযুক্ত ROM থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার দেখা যায়।
- এই ধরনের কম্পিউটারে সাধারণ মনিটর বা অন্যান্য হার্ডওয়্যার যুক্ত থাকে না।
- এটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্যই তৈরি করা হয়।
উদাহরণ:
- সেল ফোন,
- এসি,
- প্রিন্টার,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস,
- ATM,
- ওয়াশিং মেশিন।
বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার:
- “The Apollo Guidance Computer”.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; মো. মাহবুবুর রহমান; ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- কোনো জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী DNA পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশলকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ গবেষণার মাধ্যমে যখন একটি জিন পরিবর্তন করে সেখানে অন্য জিন লাগানো হয়, তখন তাদেরকে একত্রে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ বা RDNA প্রযুক্তি বলে।
- এ প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে DNA সূত্রের কাঙ্ক্ষিত খণ্ড বা অংশ ক্ষুদ্র এককোষী আবাদি জীব তথা ব্যাকটেরিয়া থেকে মানবদেহে, উদ্ভিদকোষ থেকে প্রাণীদেহে এবং প্রাণীকোষ থেকে উদ্ভিদদেহে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে।
- ১৯৭২ সালে Paul Berg বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus-এর ডিএনএ-এর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ অণু তৈরি করেন।
- ১৯৭৩ সালে Ecoli ব্যাকটেরিয়ার প্লাসমিডের মধ্যে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্ট জিন প্রবেশ করানোর মাধ্যমে Herbert Boyer এবং Stanley Cohen সর্বপ্রথম ট্রান্সজেনিক জীব তৈরী করেন।
- RDNA সমৃদ্ধ জীবকোষকে বলা হয় Genetically Modified Organism (GMO)।
- উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই অসংখ্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও ঔষধ কোম্পানি রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি সফলভাবে প্রয়োগ করে বাণিজ্যিক সুবিধাদি গ্রহণ করছে।
- উদাহরণস্বরূপ মানবদেহের ইনসুলিন তৈরির জিনকে ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবিষ্ট করে বাণিজ্যিকভাবে ইনসুলিন তৈরি করা হচ্ছে।
- তাছাড়া রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিজাত ফসল এবং উদ্ভিদের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করা হচ্ছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।