ব্যাখ্যা
৪র্থ শিল্প বিপ্লব:
- চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বা ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ (Industry ৪.০) হলো আধুনিক স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রচলিত উৎপাদন এবং শিল্প ব্যবস্থার স্বয়ংক্রিয়করণের একটি চলমান প্রক্রিয়া।
- চতুর্থ শিল্পবিপ্লব–এর উৎপত্তি ২০১১ সালে জার্মান সরকারের একটি হাইটেক প্রকল্প থেকে।
- একে সর্বপ্রথম বৃহৎ পরিসরে উপস্থাপন করেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস শোইয়াব।
- চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো: সেলফ–অপটিমাইজেশন, সেলফ–কনফিগারেশন, সেলফ–ডায়াগনজ, কগনিশনের প্রবর্তন এবং ক্রমবর্ধমান জটিল কাজে কর্মরত কর্মীদের বুদ্ধিদীপ্ত সহায়তায় প্রয়োজনীয় স্বয়ংক্রিয়করণ প্রযুক্তির নবতর বিকাশ।
- ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স, ডিজিটাল টেকনোলজি এবং জীববিজ্ঞানের প্রভূত উন্নয়ন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রধান চালিকাশক্তি।
- মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লানিং, রোবোটিক্স, অটোমেশন, ইন্টারনেট অব থিংস, ব্লকচেইন প্রযুক্তি, থ্রিডি প্রিন্টিং, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বিগ ডেটা অ্যানালাইটিক, হরিজন্টাল ও ভার্টিক্যাল সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন, জিন প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ইত্যাদির সমন্বয়ে আজকের বিশ্বে যে দ্রুত পরিবর্তন আমরা লক্ষ্য করছি তাই হচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব।
- এ বিপ্লবকে ডিজিটাল বিপ্লব কিংবা ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ নামেও অভিহিত করা হয়।
- অন্যান্য শিল্পবিপ্লবের সঙ্গে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রধান পার্থক্য হচ্ছে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শিল্পবিপ্লব শুধু মানুষের শারীরিক পরিশ্রমকে যন্ত্র ও প্রযুক্তি সেবার মাধ্যমে দ্রুততর করেছে।
- কিন্তু চতুর্থ শিল্পবিপ্লব শুধু শারীরিক নয়, মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিশ্রমকে আরো বেশি গতিশীল ও নিখুঁত করে তুলেছে।
উৎস: i) The World Economic Forum ওয়েবসাইট।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।