ব্যাখ্যা
- দীনবন্ধু মিত্রের এই নাটকটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে।
- এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো- জীবনচন্দ্র, অটলবিহারী, নিমচাঁদ, কেনারাম, গিন্নী, কাঞ্চন ইত্যাদি।
গিরিশচন্দ্র ঘোষ:
- ১৮৪৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতার বাগবাজারে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন নাট্যকার, নাট্যপরিচালক, মঞ্চাভিনেতা।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের প্রভাবে তিনি প্রথমে গান ও কবিতা লিখতে শুরু করেন এবং পরে নাট্যমঞ্চের সঙ্গে যুক্ত হলে নাটকও লিখতে থাকেন।
- ১৮৬৭ সালে বাগবাজার সখের যাত্রাদল-প্রযোজিত মধুসূদনের শর্মিষ্ঠা নাটকের গীতিকার হিসেবে গিরিশচন্দ্র নাট্যজগতে প্রবেশ করেন।
- দীনবন্ধু মিত্রের সধবার একাদশী নাটকে তিনি নিমচাঁদ চরিত্রে অভিনয় করেন।
- প্রেমভক্তি, স্বদেশপ্রেম ও সমকালীন সামাজিক সমস্যা গিরিশচন্দ্রের নাটকের বিষয়বস্ত্ত।
- মধুসূদনের চৌদ্দ মাত্রার অমিত্রাক্ষর ছন্দকে ভেঙ্গে তিনি অভিনয়ের উপযোগী ছোট ছোট ছত্রে বিন্যস্ত করেন।
- তাঁর নামানুসারে এ ছন্দের নাম হয় ‘গৈরিশ ছন্দ’।
তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
• নাটক:
- আগমনী
- অভিমন্যুবধ
- সীতার বনবাস
- সীতাহরণ
- পান্ডবের অজ্ঞাতবাস
- প্রফুল্ল
- জনা
- বলিদান
- সিরাজদ্দৌলা
- মীরকাশিম
- ছত্রপতি শিবাজী
- শঙ্করাচার্য
- বিল্বমঙ্গল ঠাকুর।
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)।