বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অন্যান্য পেরিফেরালস ডিভাইসমূহ

মোট প্রশ্ন১৭২এই পাতা৭২প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অন্যান্য পেরিফেরালস ডিভাইসমূহ

PrepBank · পাতা / · ১০১১৭২ / ১৭২

১০১.
What is the purpose of the alphanumeric keys on a keyboard?
  1. To control the cursor movement.
  2. To adjust the screen brightness.
  3. To input letters, numbers, and symbols.
  4. To activate special functions like volume control.
ব্যাখ্যা
• আলফানিউমেরিক কোড:
→ কম্পিউটার সিস্টেমে সংখ্যাসূচক(0 - 9) চিহ্নের পাশাপাশি বিভিন্ন বর্ণ (a - z, A - Z) ও বিভিন্ন গাণিতিক এবং বিশেষ চিহ্ন (+, $, ⋆, #, % ইত্যাদি) ব্যবহৃত হয়।
→ এসকল সংখ্যা, বর্ণ ও চিহ্নের জন্য যে কোড ব্যবহৃত হয়, তাকে আলফানিউমেরিক কোড বলে।

বিভিন্ন আলফানিউমেরিক কোড:
1. ইবিসিডিক (EBCDIC),
2. অ্যাসকি (ASCII),
3. ইউনিকোড (Unicode).


উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) image source: microsoft support.

১০২.
কোন শর্টকাট দিয়ে নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করা হয়?
  1. Ctrl + O
  2. Ctrl + N 
  3. Ctrl + S
  4. Ctrl + W
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Ctrl + N 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

১০৩.
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে F5 কী কাজ করে?
  1. ফাইন্ড ডায়ালগ বাক্স খোলা
  2. স্লাইডশো শুরু থেকে চালু করা
  3. প্রেজেন্টেশন সেভ করা
  4. নতুন স্লাইড যোগ করা
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে F5 কীটি ব্যবহার করা হয় প্রেজেন্টেশন বা স্লাইডশো শুরু থেকে চালানোর জন্য। অর্থাৎ, যখন আপনি F5 চাপেন, তখন আপনার পুরো স্লাইডশোটি প্রথম স্লাইড থেকে পুরো পর্দায় প্রদর্শিত হয়। এটি বিশেষভাবে উপকারী যখন আপনি একটি প্রস্তুত প্রেজেন্টেশন দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করতে চান এবং স্লাইডগুলো ধারাবাহিকভাবে দেখাতে চান। F5 কী চাপলে আপনি সম্পূর্ণ স্লাইডশো মোডে চলে যান, যা প্রেজেন্টেশনের সময় মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। তাই, F5 কী মূলত “স্লাইডশো শুরু থেকে চালু করা” কাজটি করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (খ) স্লাইডশো শুরু থেকে চালু করা।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়। (প্রেজেন্টেশন বা স্লাইডশো শুরু)।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৪.
"হ্যাপটিক গ্লাভস" - কোন ডিভাইস হিসেবে পরিচিত?
  1. ইনপুট ডিভাইস
  2. আউটপুট ডিভাইস
  3. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• “হ্যাপটিক গ্লাভস” হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর হাতের গতিবিধি শনাক্ত করে এবং একই সাথে স্পর্শ বা প্রতিক্রিয়ার অনুভূতি প্রদান করতে পারে। এগুলো ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (VR) বা অ্যাগমেন্টেড রিয়ালিটি (AR) পরিবেশে ব্যবহার করা হয়, যেখানে ব্যবহারকারী ভার্চুয়াল অবজেক্ট স্পর্শ করলে বাস্তবের মতো অনুভব করতে পারে। এই কারণে হ্যাপটিক গ্লাভস শুধুমাত্র ইনপুট ডিভাইস নয়, কারণ এটি হাতের অবস্থান ও আঙ্গুলের গতিবিধি সনাক্ত করে, বরং এটি আউটপুট ডিভাইস হিসেবেও কাজ করে কারণ এটি স্পর্শের অনুভূতি প্রদান করে। তাই এটি হলো ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর হাত এবং ভার্চুয়াল সিস্টেমের মধ্যে দুইমুখী যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

উত্তর: গ) ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস।


• পেরিফেরাল ডিভাইস:

- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: 
১) মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Cornell University [লিংক]

১০৫.
কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ (Internal) হার্ডওয়্যারের উদাহরণ কোনটি?
  1. Network card
  2. Game pad
  3. Flat-panel
  4. USB thumb drive
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ক) Network card 

• হার্ডওয়্যার (Hardware):
- কম্পিউটার সিস্টেম পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের উপাদান নিয়ে গঠিত, যা ব্যবহারকারী প্রদত্ত কোনো প্রোগ্রামের নির্দেশাবলি পালন করে এবং ফলাফল প্রদান করে।
- কম্পিউটারব্যবস্থায় হার্ডওয়‍্যার অন্যতম উপাদান। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড প্রভৃতি যন্ত্রপাতি নিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও সহায়তা করার জন্য রয়েছে অন্য ডিভাইসসমূহ যেমন-ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি। উল্লিখিত সকল যন্ত্রপাতিই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার।

• কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ:
-CPU (central processing unit).
-Drive (e.g., Blu-ray, CD-ROM, DVD, floppy drive, hard drive, and SSD).
-Fan (heat sink)
-Modem
-Motherboard
-Network card
-Power supply
-RAM
-Sound card
-Video card 

• কম্পিউটারের বাহ্যিক হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ: 
-Flat-panel, monitor, and LCD
-Game pad
-Joystick
-Keyboard
-Microphone
-Mouse
-Printer
-Projector
-Scanner
-Speakers
-USB thumb drive 


তথ্যসূত্র:
- Computer Hope Website [Link]
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৬.
ইনজেক্ট প্রিন্টারের তুলনায় লেজার প্রিন্টারের প্রধান সুবিধা কোনটি?
  1. প্রাথমিক খরচ কম
  2. কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে
  3. উন্নত রঙ্গের মান
  4. উচ্চ প্রিন্টিং গতি
ব্যাখ্যা

• ইনজেক্ট প্রিন্টারের তুলনায় লেজার প্রিন্টারের প্রধান সুবিধা: 
- লেজার প্রিন্টার ইনজেক্ট প্রিন্টারের তুলনায় দ্রুত কাজ করতে সক্ষম।  
- এটি প্রতি মিনিটে অনেক বেশি পৃষ্ঠা প্রিন্ট করতে পারে, যা অফিস বা বাণিজ্যিক কাজে বিশেষভাবে উপযোগী।  
- লেজার প্রযুক্তিতে টোনার ব্যবহার করা হয়, যা দ্রুত শুকায় এবং স্পষ্ট প্রিন্ট দেয়।  
- ইনজেক্ট প্রিন্টারের তুলনায় লেজার প্রিন্টারের প্রিন্টিং গতি অনেক বেশি, এবং বৃহৎ পরিমাণে প্রিন্ট করার জন্য এটি বেশি কার্যকর।  
- যদিও লেজার প্রিন্টারের প্রাথমিক খরচ কিছুটা বেশি, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি বেশি সাশ্রয়ী ও সময়-সাশ্রয়ী।  

সুতরাং, ইনজেক্ট প্রিন্টারের তুলনায় লেজার প্রিন্টারের প্রধান সুবিধা হলো এর - উচ্চ প্রিন্টিং গতি।
সঠিক উত্তর:  ঘ) উচ্চ প্রিন্টিং গতি।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০৭.
OCR কীভাবে কাজ করে?
  1. কেবলমাত্র ইমেজ প্রসেসিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে
  2. ডকুমেন্টকে সরাসরি ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে
  3. সফটওয়্যার দ্বারা ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে
  4. শুধুমাত্র স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে কাজ করে
ব্যাখ্যা
• OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৮.
Which of the following is not an input device?
  1. Trackball
  2. OCR
  3. Plotter
  4. Light pen
ব্যাখ্যা
Plotter is not an input device.
It is a output device.

• ইনপুট ডিভাইস
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard), 
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্র্যাকবল (trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Lightpen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Ploter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder),
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৯.
পাওয়ার ব্যাকআপের মূল শক্তি সঞ্চয়ের উপায় হলো -
  1. ট্রান্সফরমার
  2. ব্যাটারি 
  3. জেনারেটর
  4. সোলার প্যানেল
ব্যাখ্যা

পাওয়ার ব্যাকআপের মূল শক্তি সঞ্চয়ের উপায় হলো ব্যাটারি। 

পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম (Power Backup System):
- মেইন পাওয়ার লাইন বন্ধ হয়ে গেলে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সচল রাখতে ব্যাটারি ব্যাংক ব্যবহার করা হয়, যেটি চার্জ হয়ে বিদ্যুৎ ধরে রাখে। একে বলা হয় পাওয়ার ব্যাকআপ।
- ইনভার্টার বা পাওয়ার ব্যাকআপ ডিভাইস ব্যাটারির ডিসি (DC) সাপ্লাইকে পরিবর্তন করে এসি (AC) সাপ্লাইতে রূপান্তর করে, যা বৈদ্যুতিক বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রের জন্য উপযোগী।
- ব্যবহার ও প্রয়োজনে এই পাওয়ার ব্যাকআপের বিভিন্ন ধরন রয়েছে:
- IPS (Instant Power Supply),
- UPS (Uninterrupted Power Supply),
- EPS (Emergency Power Supply),
- QPS (Quick Power Supply)। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) - নবম-দশম শ্রেণি।

১১০.
লেজার প্রিন্টারে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ইঙ্কজেট
  2. থার্মাল
  3. ইলেক্ট্রোফোটোগ্রাফিক
  4. ডট ম্যাট্রিক্স
ব্যাখ্যা

◉ লেজার প্রিন্টার (Laser Printer) একটি ইলেক্ট্রোফোটোগ্রাফিক (Electrophotographic) প্রিন্টিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যেখানে লেজার বিম, চার্জড ড্রাম, ও টোনার ব্যবহার করে কাগজে ইমেজ বা টেক্সট ছাপানো হয়।

লেজার প্রিন্টার:
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার।
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- এ প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM (Pages per minute) এ পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM.

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।

১১১.
কোন আউটপুট ডিভাইসটি পিক্সেল রেজোলিউশন অনুযায়ী কাজ করে না?
  1. LCD Monitor
  2. Printer
  3. LED Monitor
  4. Projector
ব্যাখ্যা
• Pixel Resolution বা পিক্সেল রেজোলিউশন মূলত এমন একটি বিষয় যা ডিজিটাল স্ক্রীনভিত্তিক আউটপুট ডিভাইস—যেমন: LCD, LED মনিটর, প্রজেক্টর—এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। পিক্সেল রেজোলিউশনএর সংখ্যা নির্দেশ করে স্ক্রিনে কতগুলো পিক্সেল (ছোট ছোট বিন্দু) রয়েছে। 

• প্রিন্টার: প্রিন্টার একটি আউটপুট ডিভাইস যা পিক্সেল রেজোলিউশন অনুযায়ী সরাসরি কাজ করে না।  এটি কাজ করে "DPI" (যেমন 300 DPI, 600 DPI) এর ভিত্তিতে। এখানে প্রতিটি ইঞ্চিতে কতটি ডট ছাপা হচ্ছে, সেটিই রেজোলিউশন নির্দেশ করে।
প্রিন্টার ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে ডটস পার ইঞ্চি (DPI) অনুযায়ী, যেখানে ছোট ছোট কালির বিন্দু দিয়ে চিত্র মুদ্রণ করা হয়। অর্থাৎ, প্রিন্টারের রেজোলিউশন ডিজিটাল স্ক্রিনের পিক্সেল রেজোলিউশন থেকে আলাদা।

অন্যদিকে, 
LCD Monitor: পিক্সেল রেজোলিউশন নির্ভর করে।

LED Monitor: LCD-এর মতোই পিক্সেল ভিত্তিক ডিসপ্লে ডিভাইস।

Projector: ডিজিটাল পিক্সেল সিগন্যালকে প্রজেক্ট করে, তাই এটিও পিক্সেল ভিত্তিক।

তথ্যসূত্র:
- এনসিটিবি ICT পাঠ্যবই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনী, ২০২৩ সংস্করণ। 
- Computer Fundamentals by P.K. Sinha.
১১২.
OCR প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ডিজিটাল চেক তৈরিতে ব্যবহার করা
  2. উত্তরপত্র মূল্যায়নে ব্যবহার করা।
  3. পণ্যের বাজার জরিপ করা।
  4. ছবিকে টেক্সটে রূপান্তর করা।
ব্যাখ্যা
• OCR:
- OCR এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- OCR প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ছবিকে টেক্সট সনাক্ত করা।  
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

• MICR:
- ব্যাংকিং সেক্টরে ডিজিটাল চেক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় MICR. চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইড যুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়। 

• OMR: 
- OMR এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগান্বিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 
- সাধারণত নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, পণ্যের বাজার জরিপ, জনমত জরিপ, পরিচিতিমূলক তথ্যাবলি ইত্যাদি ক্ষেত্রে OMR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৩.
মাদারবোর্ডের প্রধান কাজ কী?
  1. সার্ভার পরিচালনা করা
  2. ব্যবহারকারীর তথ্য এনক্রিপ্ট করা
  3. ডেটা ব্যাকআপ নেওয়া
  4. কম্পিউটারের সব অংশ সংযুক্ত করা
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ডের প্রধান কাজ হচ্ছে কম্পিউটারের সব অংশ সংযুক্ত করা।

• মাদারবোর্ড
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা। 
১১৪.
প্রিন্টারের রেজোলিউশনের মান নির্ণয় করতে কোন একক ব্যবহৃত হয়?
  1. Bit
  2. Hertz
  3. Byte
  4. DPI
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) DPI

 • প্রিন্টারের রেজোলিউশন বলতে বোঝায় একটি প্রিন্টার কতটা সূক্ষ্মভাবে ছবি বা লেখা মুদ্রণ করতে পারে। এটি মূলত প্রতিটি ইঞ্চিতে কতটি বিন্দু (dots) প্রিন্ট করা যায় তা দ্বারা নির্ধারিত হয়। এই মান পরিমাপ করার জন্য ডিপিআই (DPI – Dots Per Inch) একক ব্যবহার করা হয়। ডিপিআই যত বেশি, প্রিন্টের মান তত উন্নত এবং ছবি বা টেক্সট তত বেশি স্পষ্ট হয়। উদাহরণস্বরূপ, ৩০০ ডিপিআই মানে প্রতি ইঞ্চিতে ৩০০টি ছোট ছোট বিন্দু প্রিন্ট হবে। অন্য একক যেমন বিট, হার্জ বা বাইট কম্পিউটারের তথ্য বা গতি মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টারের রেজোলিউশনের জন্য নয়। তাই প্রিন্টারের রেজোলিউশন নির্ধারণের একক হলো ডিপিআই।

• প্রিন্টার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটার হতে কোনো লেখা, ছবি ইত্যাদি কাগজের ওপরে ছেপে বের করা হয়, তাকে প্রিন্টার (Printer) বলা হয়।
- প্রিন্টারের রেজোলিউশন বলতে বোঝায়, প্রিন্টারের প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলো ডট (বিন্দু) ছাপাতে পারে- অর্থাৎ এটি প্রিন্টের সূক্ষ্মতা ও মান নির্ধারণ করে।

• DPI (Dots Per Inch):
- DPI হলো প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপের একক।
- উদাহরণ: একটি প্রিন্টারের রেজোলিউশন যদি 600 DPI হয়, তাহলে প্রিন্টারটি প্রতি ইঞ্চিতে 600 ডট প্রিন্ট করতে পারে।
- উচ্চ DPI এর মান যত বেশী হবে প্রিন্টারের প্রিন্টের মান তত ভালো হবে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৫.
কম্পিউটার সিস্টেমে 'মডেম' - কোন ধরনের ডিভাইস?
  1. ইনপুট
  2. আউটপুট
  3. ইনপুট-আউটপুট
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরালস: 
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। 
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি। 

ইনপুট ডিভাইস (Input Device): 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন- 
• কীবোর্ড, 
• মাউস, 
• স্ক্যানার, 
• OMR, 
• OCR ইত্যাদি। 

আউটপুট ডিভাইস (Output Device): 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন- 
• মনিটর, 
• প্রিন্টার, 
• প্রজেক্টর, 
• স্পিকার, 
• প্লটার ইত্যাদি। 

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device): 
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
যেমন- 
• হেডফোন, 
• ডিজিটাল ক্যামেরা, 
• মডেম, 
• টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি। 

উৎস:
১) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৬.
হার্ড ডিস্ক কোন ধরনের স্টোরেজ মিডিয়াম?
  1. অপটিক্যাল
  2. ইলেকট্রিক
  3. লেজার
  4. ম্যাগনেটিক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) ম্যাগনেটিক
হার্ড ডিস্ক হলো একটি ম্যাগনেটিক স্টোরেজ মিডিয়াম, যা কম্পিউটারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম বা কাচের ফ্ল্যাট গোলাকার প্লেট দিয়ে তৈরি, যা ম্যাগনেটিক পদার্থ দিয়ে কোট করা থাকে।

হার্ড ডিস্ক (Hard Disk):
হার্ড ডিস্ক হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। এটি অ্যালুমিনিয়াম বা কাঁচের তৈরি সমতল গোলাকার পাতের ওপর ম্যাগনেটিক উপাদান দিয়ে আবৃত থাকে।

বৈশিষ্ট্য:
- হার্ড ডিস্ক মূলত চৌম্বকীয় উপাদানের প্রলেপযুক্ত কিছু চাকতি যা একটি কেন্দ্রীয় অক্ষের চারিদিকে ঘোরে। এই চাকতিগুলোর উপর ডেটা সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি ছোট ইলেক্ট্রোম্যাগনেট, যাকে ম্যাগনেটিক হেড বলা হয়, তা স্পিনিং ডিস্কের উপর ক্ষুদ্র স্থানগুলোকে বিভিন্ন দিকে ম্যাগনেটাইজ করে বাইনারি ডিজিট (১ অথবা ০) লিখে এবং স্থানগুলোর ম্যাগনেটাইজেশন দিক সনাক্ত করে ডিজিট পড়ে।
- হার্ড ড্রাইভের মধ্যে বেশ কয়েকটি হার্ড ডিস্ক, রিড/রাইট হেড, ডিস্ক ঘোরানোর জন্য একটি ড্রাইভ মোটর এবং কিছু ইলেকট্রনিক সার্কিট থাকে, যা ধুলো থেকে রক্ষার জন্য একটি ধাতব আবরণে আবদ্ধ থাকে।
- বর্তমানে কিছু কম্পিউটার এবং ল্যাপটপে সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার করা হয়, যা তথ্য সংরক্ষণের জন্য ফ্ল্যাশ মেমরি চিপের উপর নির্ভর করে, হার্ড ডিস্কের পরিবর্তে।
- হার্ড ড্রাইভগুলোতে সাধারণত একাধিক ডিস্ক থাকে, যেগুলোর প্রত্যেকটি পৃষ্ঠের জন্য একটি করে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রিড/রাইট হেড থাকে। এই পুরো কাঠামোকে "comb" বলা হয়।
- ড্রাইভের একটি মাইক্রোপ্রসেসর হেডের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে এবং ডিস্ক থেকে ডেটা স্থানান্তরের জন্য RAM ব্যবহার করে। ড্রাইভগুলো বায়ুরোধীভাবে তৈরি করা হয়, ফলে হেডগুলো ডিস্কের খুব কাছে একটি পাতলা ফিল্মের উপর ভাসতে পারে।
- ডিস্কের উপর ডেটা খুব কাছাকাছি বৃত্তাকার ট্র্যাকে সংরক্ষণ করা হয়, যার জন্য রিড/রাইট হেডগুলোর খুব সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১১৭.
প্রধান সার্কিট বোর্ড যেখানে সকল কম্পোনেন্ট সংযুক্ত থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. মাদারবোর্ড
  3. প্রসেসর
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) মাদারবোর্ড। 

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভিতরে থাকা প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেখানে সিস্টেমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযোজনের সুযোগ থাকে।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়শই কম্পিউটারের “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সব উপাদানকে একত্রিত করে সংযোগ প্রদান করে।
- ভালো ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে: Gigabyte, Intel, Foxconn, Asus ইত্যাদি।

অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড কম্পিউটারের কেসের ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল। 
২। ব্রিটানিকা। 

১১৮.
ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে ব্যবহৃত একক CPS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Characters Per Size
  2. Cycles Per Stroke
  3. Characters Per Second
  4. Cycles Per Second
ব্যাখ্যা
• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার:
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার এক ধরনের ইমপেক্ট প্রিন্টার যা ছোট পিন ব্যবহার করে কালিকে কাগজে ছাপায়।
- আয়তাকার সাজানো কতগুলো বিন্দুকে ডট ম্যাট্রিক্স বলে।
- এ বিন্দু গুলোর মাধ্যমে যে কোন বর্ণ ফুটিয়ে তোলা হয়।
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে রিবন কার্টিজ ব্যবহৃত হয়।
- এর গতি পরিমাপক একক CPS (Characters per second).

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল। [২০২১ সংস্করণ]।
১১৯.
What type of memory is RAM?
  1. Volatile
  2. Non-volatile
  3. Permanent
  4. Output memory
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Volatile

Random Access Memory (RAM)
- যে স্মৃতিতে কোনো তথ্য মুছে দিয়ে সেই জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা যায়, তাকে RAM বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ হলে RAM-এর তথ্য মুছে যায়।
- RAM কে প্রাইমারি স্টোরেজ বলা হয়, কারণ এটি সরাসরি ডেটা এবং কম্পিউটারের নির্দেশ (instruction) সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে ব্যবহৃত হয়।
- RAM এর প্রতিটি লোকেশন আলাদা এবং অন্য যেকোনো লোকেশনের মতো সহজে অ্যাক্সেস করা যায়।
- RAM হলো রিড/রাইট মেমোরি, অর্থাৎ এতে তথ্য লেখা এবং পড়া দুটোই সম্ভব।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১২০.
Which function key quickly opens the search option?
  1. F2
  2. F4
  3. F6
  4. F3
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) F3

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা। 

১২১.
Keys labeled F1 to F12 are typically found on computer keyboards and are collectively known as -
  1. Alphabet keys
  2. Numeric keys
  3. Function keys
  4. Modifier keys
ব্যাখ্যা
Function keys:
→ বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
→ বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়।
→ ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেন্যুর বিভিন্ন কমাণ্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।

কম্পিউটার কী-বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:

- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমাণ্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেন্যুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

কন্ট্রোল কী:
→ কীবোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের নির্দেশ প্রদানের জন্য কন্ট্রোল কীসমূহ ব্যবহৃত হয়।
→ কন্ট্রোল কীসমূহের মধ্যে এন্টার কী, কন্ট্রোল কী, অল্টার কী, শিফ্‌ট কী, ইস্কেপ কী ইত্যাদি অন্যতম।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
১২২.
Which type of printing technology does a Dot Matrix printer use?
  1. Inkjet printer
  2. Laser printer
  3. Impact printer
  4. Thermal printer
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Impact printer
Dot Matrix প্রিন্টার Impact প্রিন্টিং ব্যবহার করে, যেখানে পিনগুলো একটি কালি আবৃত রিবনকে আঘাত করে কাগজে ডট আকারে স্থানান্তরিত করে, যা অক্ষর এবং গ্রাফিক্স তৈরি করে।

• প্রিন্টার:
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার, অক্ষর প্রিন্টার, ডট ম্যাট্রিক্স।

নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৩.
BIOS কখন থেকে কাজ করতে শুরু করে?
  1. অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার পর
  2. অ্যাপ্লিকেশন চালু হলে
  3. কম্পিউটারে পাওয়ার দিলে
  4. লগইন সম্পন্ন হওয়ার পর
ব্যাখ্যা

• BIOS (Basic Input/Output System) কম্পিউটারের একটি মৌলিক সফটওয়্যার যা মাদারবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথেই কাজ শুরু করে। যখন কম্পিউটারে পাওয়ার দেওয়া হয়, তখন CPU প্রথমে BIOS কে সক্রিয় করে। BIOS হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেমন র‍্যাম, হার্ডডিস্ক, কীবোর্ড এবং অন্যান্য সংযুক্তি পরীক্ষা করে এবং সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা যাচাই করে। এছাড়াও এটি অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। সুতরাং, BIOS অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগে এবং কোন অ্যাপ্লিকেশন চালু হওয়ার বা লগইন করার আগে কাজ শুরু করে। সঠিক উত্তর হলো: গ) কম্পিউটারে পাওয়ার দিলে।
 
BIOS (Basic Input Output System):
- কম্পিউটার তার সব কাজ ধাপে ধাপে নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পন্ন করে।
- যখন পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়া হয়, তখন প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার অনুসরণ করে, সেগুলো একটি ইলেকট্রনিক চিপে সংরক্ষিত থাকে।
- এই চিপটিকে বলা হয় BIOS, যা সাধারণত মাদারবোর্ডে অবস্থান করে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ BIOS-এর মাধ্যমে স্থাপিত হয়।
- BIOS-এ থাকা নির্দেশনা অনুযায়ী প্রসেসর কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রের সাথে যোগাযোগ করে এবং তাদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১২৪.
BIOS-এর প্রেক্ষিতে POST বলতে কী বোঝায়?
  1. Power-On Self Test
  2. Peripheral Output System Tool
  3. Primary Operating System Test
  4. Peripheral Onboard System Technology
ব্যাখ্যা

• BIOS-এর প্রেক্ষিতে POST হলো Power-On Self Test। এটি কম্পিউটার চালু করার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদিত একটি পরীক্ষা। যখন ম্পিউটার পাওয়ার অন করা হয়, BIOS প্রথমেই POST চালায় এবং হার্ডওয়্যার যেমন RAM, কীবোর্ড, হার্ডডিস্ক, গ্রাফিক্স কার্ড ইত্যাদির স্বাভাবিক কার্যকারিতা পরীক্ষা করে। যদি কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়, তবে কম্পিউটার বীপ বা স্ক্রিনে ত্রুটির বার্তা দেখায়। POST-এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে সিস্টেম ঠিকভাবে কাজ করতে সক্ষম এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রস্তুত। এটি কম্পিউটারের প্রাথমিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সঠিক উত্তর: ক) Power-On Self Test.

• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হলো BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২৫.
কোন পেরিফেরাল ডিভাইস ইনস্টলেশনের সময় অতিরিক্ত কনফিগারেশন ছাড়াই কাজ করে?
  1. USB Devices
  2. SCSI Device
  3. Parallel Port Devices
  4. Serial Port Devices
ব্যাখ্যা

• যে পেরিফেরাল ডিভাইসগুলি ইনস্টলেশনের সময় অতিরিক্ত কনফিগারেশন ছাড়া কাজ করে, সেগুলো হলো USB Devices (ইউএসবি ডিভাইস)। USB মানে হলো Universal Serial Bus, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমের সাথে সংযোগ স্থাপন করে এবং ড্রাইভার ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া সহজ করে। নতুন USB ডিভাইস সংযুক্ত করলে, অপারেটিং সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিভাইস চিহ্নিত করে এবং প্রয়োজনীয় ড্রাইভার লোড করে, ফলে ব্যবহারকারীর কাছে কোনো জটিল কনফিগারেশন বা IRQ, I/O পোর্ট ঠিক করার প্রয়োজন পড়ে না। অন্যদিকে, SCSI, Parallel এবং Serial Port ডিভাইস সাধারণত ম্যানুয়ালি কনফিগারেশন প্রয়োজন হয়, যেমন ডিভাইস আইডি, পোর্ট ঠিক করা বা IRQ সেট করা। তাই স্বয়ংক্রিয় Plug-and-Play সুবিধার জন্য USB ডিভাইসকে সবচেয়ে সুবিধাজনক ধরা হয়।
 
USB:
- USB (Universal Serial Bus) হলো এমন একটি ইন্টারফেস যা আধুনিক কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত 'Plug and Play' বৈশিষ্ট্য বহন করে।
অর্থাৎ,
- USB ডিভাইস কম্পিউটারে সংযুক্ত করলেই সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত হয়।
- আলাদা করে ড্রাইভার ইনস্টল করার প্রয়োজন হয় না (ব্যাতিক্রম: মডেম)।
- ব্যবহারকারীকে এই ডিভাইস ব্যবহার করার জন্য কোন জটিল কনফিগারেশন করার প্রয়োজন হয় না।

কয়েকটি USB ডিভাইস হলো: 
- Pendrive.
- USB Keyboard / Mouse.
- USB Printer.
- External Hard Drive.
 
তথ্যসূত্র: 
- Computer Fundamentals – P.K. Sinha.

১২৬.
নিচের কোন ব্র্যান্ড মাদারবোর্ড উৎপাদন করে না?
  1. Intel
  2. Gigabyte
  3. Asus
  4. Samsung
ব্যাখ্যা
Samsung মাদারবোর্ড উৎপাদন করে না।
- Samsung মূলত মেমোরি চিপ, স্মার্টফোন, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী তৈরিতে পরিচিত।

• মাদারবোর্ড
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

• গঠন ও উপাদান
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
• CPU (Central Processing Unit),
• RAM (Random Access Memory),
• Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।
১২৭.
কোন কম্পোনেন্ট CPU-এর জন্য দ্রুততম তথ্য পড়ার সক্ষমতা প্রদান করে?
  1. RAM
  2. Registers
  3. Hard Drive
  4. ROM
ব্যাখ্যা

• CPU-এর জন্য দ্রুততম তথ্য পড়ার সক্ষমতা প্রদান করে Registers। Registers হল ছোট, খুব দ্রুতগতির স্টোরেজ ইউনিট যা সরাসরি CPU-এর ভেতরে থাকে। যখন CPU কোনো গণনা বা প্রসেসিং করে, তখন এটি প্রথমে Registers থেকে তথ্য পড়ে, কারণ এগুলি RAM বা Hard Drive-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। RAM একটি অপেক্ষাকৃত বড়, কিন্তু ধীরগতি স্টোরেজ যা CPU-এর সাথে মধ্যবর্তী স্তরে কাজ করে। Hard Drive বা SSD অনেক বড় কিন্তু অনেক ধীর এবং প্রাথমিকভাবে ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ROM সাধারণত স্থায়ী তথ্য রাখে এবং এটি শুধুমাত্র পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই দ্রুততম অ্যাক্সেসের জন্য Registers অপরিহার্য।

- উত্তর: খ) Registers.

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। - কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাহাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ভাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১২৮.
নিচের কোনটি 'output device' নয়?
  1. monitor
  2. microphone
  3. printer
  4. speaker
ব্যাখ্যা

• microphone - 'output device' নয়। 

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৯.
অধিকাংশ ব্রাউজারে F5 কী চাপার ফলে কী ঘটে?
  1. চলমান পেজটি রিফ্রেশ বা লোড হয়
  2. পেইজটি বুকমার্ক হয়
  3. ডেভেলপার টুলস খুলে
  4. ব্রাউজার বন্ধ হয়
ব্যাখ্যা

• অধিকাংশ ব্রাউজারে F5 কী চাপলে চলমান ওয়েবপেজটি রিফ্রেশ বা রিলোড হয়। অর্থাৎ, ব্রাউজার আবার সেই ওয়েবসাইটে গিয়ে সার্ভার থেকে হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করে এবং পেজটি নতুন করে প্রদর্শন করে। অনেক সময় ওয়েবসাইটে নতুন কনটেন্ট যোগ হলে বা কোনো ত্রুটি দেখা দিলে ব্যবহারকারীরা F5 চাপ দিয়ে পেজ আপডেট করে সর্বশেষ তথ্য দেখতে পান। এটি বুকমার্ক করা, ডেভেলপার টুলস খোলা বা ব্রাউজার বন্ধ করার কাজ করে না। তাই প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো- ক) চলমান পেজটি রিফ্রেশ বা লোড হয়।

কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
-কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩০.
নিম্নলিখিত কোনটি নেভিগেশন কী নয়?
  1. Insert
  2. Arrow Keys
  3. Windows logo key
  4. সবগুলোই নেভিগেশন কী
ব্যাখ্যা
• কী-বোর্ড (Keyboard):
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।

- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• নেভিগেশন কী:
- কী বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arrows Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত।
- নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে। 

• কন্ট্রোল কী:
- Ctrl, Alt, Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি। 

• ফাংশন কী: 
- কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Microsoft website.
১৩১.
সিআরটি মনিটরের পিকচার টিউবে কতগুলি মৌলিক বর্ণ ব্যবহার করা হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা

◉ সিআরটি (Cathode Ray Tube) মনিটরে তিনটি মৌলিক বর্ণ (Primary Colors) থাকে।
এই তিনটি প্রাথমিক রঙ হল:
- লাল (Red), 
- সবুজ (Green), 
- নীল (Blue).
এগুলিকে একসাথে "RGB Color Model" বলা হয়।

সিআরটি মনিটর:
- CRT এর পূর্ণরূপ হলো Cathod Ray Tube.
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ হলো পিকচার টিউব।
- টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি-এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- পেছনের দিকে ইলেকট্রন বিম নিক্ষেপের জন্য একটি ইলেকট্রন গান থাকে।
- ইলেকট্রন বিম ফসফরাসের ওপরে পতিত হলে ফসফরাস উজ্জ্বল আলো নির্গত করে।
- ফসফরাসের ধরনের ভিত্তিতে মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত বিষয় এক রঙের বা বহু রঙের হতে পারে।
- ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত। এদেরকে পিক্সেল বলা হয়।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে। বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৩২.
Which keyboard shortcut is used to Paste the contents of the Clipboard?
  1. Shift + P
  2. Ctrl + P
  3. Shift + V
  4. Ctrl + V
ব্যাখ্যা
Ctrl + V is used to Paste the contents of the Clipboard. 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + O Open a document.
- Ctrl + N Create a new document.
- Ctrl + S Save the document.
- Ctrl + W Close the document. 
- Ctrl + C Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V Paste the contents of the Clipboard. 
- Ctrl + B Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket (1) Decrease the font size by 1 point. 
- Ctrl + Right bracket (1) - Increase the font size by 1 point.
- Ctrl + E Center the text. 
- Ctrl + L Align the text to the left.
- Ctrl + R Align the text to the right.
- Esc Cancel a command.
- Ctrl + Z Undo the previous action. 
- Ctrl + Y Redo the previous action, if possible. 
- Alt + W Adjust the zoom magnification.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
১৩৩.
মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে কোনটি? 
  1. Barcode
  2. OMR
  3. OCR
  4. QR Code
ব্যাখ্যা

OCR মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে থাকে। 

OCR (Optical Character Recognition)
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং এবং তুলনা প্রযুক্তি, যা মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে।
- এর ফলে মুদ্রিত তথ্য পুনরায় টাইপ করার প্রয়োজন হয় না।

কাজের পদ্ধতি:
- OCR সফটওয়্যার অক্ষরগুলোকে লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আকারের সাথে তুলনা করে চিনে নেয়।
- অক্ষরের নিকটতার (proximity) মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা হয়।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন করার চেষ্টা করা হয়।

নির্ভুলতা:
- উচ্চমানের এবং পরিষ্কার স্ক্যান থেকে সঠিকতা বেশি হয়।
- মূল পত্রের বা স্ক্যানের মান কমলে সঠিকতা হ্রাস পায়।

ব্যবহার:
- একটি অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিডার (OCR) সরাসরি মেইল শ্রেণিবিন্যাস করতে পারে বা মেশিন-রিডেবল কোড দিয়ে চিহ্নিত করে দ্রুত স্বয়ংক্রিয় শ্রেণিবিন্যাসে সাহায্য করে।
- 1965 সালে, ইউ.এস. পোস্টাল সার্ভিস অক্ষর ও সংখ্যা শনাক্তকরণের OCR পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে।
- 1980-এর দশকের শুরুর দিকে, তারা এমন একটি যন্ত্র তৈরি করে যা তিনটি ঠিকানার লাইন স্ক্যান, পোস্টাল কোড যাচাই, এবং রাউটিং কোড প্রিন্ট করতে পারে।

OCR প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলো:
-  মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা স্ক্যান করা।
-  অক্ষরের আকারের সঙ্গে লাইব্রেরির অক্ষরের তুলনা করে সনাক্তকরণ।
-  অক্ষরের নিকটতার মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন।

অন্যদিকে,
ক) Barcode: বারকোড হলো রেখা বা প্যাটার্নের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও শনাক্ত করার প্রযুক্তি।
খ) OMR: OMR হলো একটি প্রযুক্তি যা চিহ্নিত মার্ক বা বুলেট/ডট শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) QR Code: এটি লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করার জন্য নয়, বরং সংরক্ষিত তথ্য স্ক্যান করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১৩৪.
What type of software is BIOS?
  1. Application software
  2. Firmware 
  3. Operating system
  4. Driver software
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Firmware 
BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা EPROM-এ সংরক্ষিত থাকে এবং CPU ব্যবহার করে কম্পিউটার চালু করার সময় স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। এটি পেরিফেরাল ডিভাইসগুলো চিহ্নিত করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে প্রধান মেমোরিতে লোড করে। স্টার্ট-আপের পর, BIOS অপারেটিং সিস্টেম এবং পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

BIOS (Basic Input/Output System)
- BIOS হলো মাদারবোর্ডে থাকা একটি ফার্মওয়্যার বা স্থায়ী সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারকে “মস্তিষ্ক” হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা প্রদান করে।
- যখন ব্যবহারকারী কম্পিউটার চালু করেন, তখন BIOS ইনিশিয়ালাইজেশন প্রক্রিয়া শুরু করে এবং হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট (POST) সম্পাদন করে।
- হার্ডওয়্যার ঠিক থাকলে, BIOS মাস্টার বুট রেকর্ড (MBR) খুঁজে বের করে, যা নির্দেশ দেয় সিস্টেম কীভাবে বুট (শুরু) করবে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং সমস্ত বাহ্যিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর পরিবর্তে UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) এসেছে, যা বড় স্টোরেজ ড্রাইভ পরিচালনা করতে সক্ষম এবং BIOS-এর তুলনায় দ্রুত কাজ করে।

BIOS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী করতে পারেন:
- হার্ডওয়্যারের তথ্য অ্যাক্সেস করা,
- কম্পিউটার বুটের ক্রম পরিবর্তন করা,
- মাস্টার পাসওয়ার্ড সেট করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৩৫.
"লাইটপেন" কোন ক্যাটাগরির ডিভাইসের অন্তর্গত?
  1. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস
  2. স্টোরেজ ডিভাইস
  3. ইনপুট ডিভাইস
  4. আউটপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা

• লাইটপেন একটি ইনপুট ডিভাইস। এটি ব্যবহারকারীকে সরাসরি স্ক্রিনের উপর পয়েন্ট বা নির্বাচন করতে সাহায্য করে। লাইটপেন একটি বিশেষ ধরনের পেন যা টেলিভিশন বা কম্পিউটার মনিটরের উপর আলোকে সংবেদন করে। যখন এটি স্ক্রিনের সঙ্গে স্পর্শ করা হয়, তখন স্ক্রিনের নির্দিষ্ট স্থান থেকে লাইটপেন সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং কম্পিউটারে প্রেরণ করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী সহজে প্রোগ্রাম বা গ্রাফিক্স নির্বাচন, আঁকা বা কমান্ড দেওয়ার কাজ করতে পারে। তাই এটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।

- উত্তর: গ) ইনপুট ডিভাইস।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৬.
লাইটপেনের প্রধান কাজ কী?
  1. তথ্য প্রদর্শন করা
  2. ডিজিটাল কনটেন্ট সংরক্ষণ করা
  3. ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করা
  4. প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
• লাইটপেন একটি ইনপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারের স্ক্রীনে সরাসরি লেখা বা ছবি আঁকার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান কাজ হলো ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করা, অর্থাৎ ব্যবহারকারী স্ক্রীনের নির্দিষ্ট স্থানে লাইটপেন স্পর্শ করলে সেটি সেই অবস্থানের তথ্য কম্পিউটারে পাঠায়। লাইটপেনের মাধ্যমে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করা এবং সম্পাদনা করা সহজ হয়। এটি তথ্য প্রদর্শন বা প্রসেসিং গতি বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত হয় না, বরং এটি ব্যবহারকারীর ইনপুট গ্রহণের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। তাই লাইটপেনের মূল কাজ হলো ব্যবহারকারীর নির্দেশনা বা ড্রয়িং ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করা।

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৭.
OCR ______ থেকে _____ এ রূপান্তরের জন্য ব্যবহার করা হয়।
  1. অডিও হতে টেক্সট 
  2. ইমেজ হতে টেক্সট 
  3. ভিডিও হতে টেক্সট
  4. বাইনারি হতে ডেসিমেল
ব্যাখ্যা

• OCR (Optical Character Recognition) একটি প্রযুক্তি যা ইমেজ থেকে টেক্সটে রূপান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত স্ক্যান করা ডকুমেন্ট, ছবি বা স্ক্রিনশটের মধ্যে থাকা অক্ষর চিনে নিয়ে তা সম্পূর্ণ সম্পাদনযোগ্য টেক্সটে পরিণত করে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো স্ক্যান করা পেপার ডকুমেন্ট যদি PDF বা JPG ফরম্যাটে থাকে, OCR সফটওয়্যার সেই ছবির অক্ষরগুলো চিনে তা Word বা Text ফাইলের আকারে প্রদান করতে পারে। এটি ডেটা এন্ট্রি, ডিজিটাল আর্কাইভিং, স্বয়ংক্রিয় ফর্ম পূরণ এবং অগণিত প্রশাসনিক কাজকে সহজ করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ইমেজ হতে টেক্সট, অর্থাৎ অপশন (খ)।

• OCR (Optical Character Reader/Recognition):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা নয়, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে, ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা এবং বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

উৎস:
1. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. ব্রিটানিকা।

১৩৮.
What type of software is BIOS?
  1. Application Software
  2. Firmware
  3. Operating System
  4. Utility Software
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Firmware

BIOS (Basic Input Output System)

- BIOS হলো কম্পিউটারের একটি স্থায়ী সফ্টওয়্যার বা ফার্মওয়্যার, যা সাধারণত মাদারবোর্ডে - এটি কম্পিউটারের সমস্ত কাজ ধাপে ধাপে নির্দেশ অনুযায়ী সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।
- কম্পিউটার চালুর সময় পাওয়ার বাটন চাপলে প্রথম যে নির্দেশগুলো কার্যকর হয়, সেগুলো BIOS চিপে সংরক্ষিত থাকে।
- BIOS হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে।
- এটি অপারেটিং সিস্টেম এবং বাহ্যিক ডিভাইস যেমন মাউস ও কীবোর্ড পরিচালনায় সহায়তা করে।
- BIOS-এর নির্দেশ অনুযায়ী প্রসেসর কম্পিউটারের বিভিন্ন উপাদানের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: ১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১৩৯.
নিচের কোন ইনপুট ডিভাইসটি বিশেষভাবে visually impaired (দৃষ্টিহীন) ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী?
  1. টাচপ্যাড
  2. ব্রেইল কীবোর্ড
  3. গেম কন্ট্রোলার
  4. OCR স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
Braille Keyboard (ব্রেইল কীবোর্ড) হলো বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস যা দৃষ্টিহীন বা দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি। এতে ব্রেইল স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে টাইপ করা যায়, যেখানে ফিজিক্যাল ডটস থাকে যা কিছুটা উচু হয়ে থাকে যার ফলে ব্যবহারকারী স্পর্শের মাধ্যমে প্রতিটি অক্ষর অনুভব করতে পারে।

•  ব্রেইল কিবোর্ড যেভাবে কাজ করে: 
-  ব্রেইল অক্ষর তৈরি হয় ৬টি (বা ৮টি) ডটের সংমিশ্রণে।
-  ব্রেইল কীবোর্ডে এই ডটগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী ৬ বা ৮টি কী থাকে, যেগুলো একসাথে বা আলাদাভাবে চেপে ব্যবহারকারী কোনো অক্ষর তৈরি করেন।
-  সাধারনভাবে এটি কম্পিউটারের স্ট্যান্ডার্ড কীবোর্ডের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।

•  ব্রেইল কিবোর্ডের বৈশিষ্ট্য: 
-  স্পর্শযোগ্য ডট দিয়ে অক্ষর লিখা যায়।
-  অনেক সময় এতে ভয়েস আউটপুট যুক্ত থাকে (screen reader support)।
-  অনেক ব্রেইল কীবোর্ডে ব্রেইল ডিসপ্লে থাকে, যা ব্যবহারকারীদের রিয়েল টাইমে আউটপুট পড়তে সহায়তা করে।
-  এটি USB বা Bluetooth মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত হতে পারে।

•  এর ব্যবহার:
-  দৃষ্টিশক্তিহীন বা দৃষ্টিশক্তি সীমিত ব্যক্তিরা এটি ব্যবহার করতে পারে। 
-  শিক্ষা, চাকরি, ও দৈনন্দিন কাজে প্রযুক্তি ব্যবহারে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

তথ্যসূত্র:
-  American Foundation for the Blind (AFB).
-  WHO Priority Assistive Product List.
১৪০.
BIOS কোন ধরনের সফ্টওয়্যার?
  1. Application software
  2. Firmware 
  3. Utility software 
  4. Operating System
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Firmware 

BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়‍্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ড এ থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১৪১.
Which command increases the font size by 1 point?
  1. Ctrl + [
  2. Ctrl + ]
  3. Ctrl + +
  4. Ctrl + -
ব্যাখ্যা

Ctrl + ] command increases the font size by 1 point?

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

১৪২.
কীবোর্ডে End কী-এর প্রধান কাজ কী?
  1. কার্সরকে লাইনের শেষের দিকে নিয়ে যায়
  2. কার্সরকে লাইনের শুরুতে নিয়ে যায়
  3. বর্তমান শব্দটি মুছে ফেলে
  4. টাস্ক ম্যানেজার খুলে
ব্যাখ্যা

• কীবোর্ডের End কী মূলত কার্সরকে লাইনের শেষের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন আপনি কোনো টেক্সট এডিটরে কাজ করছেন, কার্সর সাধারণত যেখানেই থাকে, End কী চাপলে তা উক্ত লাইনের শেষে সরাসরি চলে যায়, ফলে দ্রুত সম্পাদনা বা নোট নেওয়া সহজ হয়। এটি বিশেষভাবে দীর্ঘ লাইন বা ডকুমেন্টে সময় বাঁচাতে সাহায্য করে। End কী সাধারণত Home কী-এর বিপরীত, যা কার্সরকে লাইনের শুরুতে নিয়ে যায়। সুতরাং, End কী-এর প্রধান কাজ হলো কার্সরকে লাইনের শেষের দিকে দ্রুত ন্যাভিগেট করা, এবং এটি কোনো শব্দ মুছতে বা টাস্ক ম্যানেজার খোলার জন্য ব্যবহার করা হয় না।

সঠিক উত্তর: ক) কার্সরকে লাইনের শেষের দিকে নিয়ে যায়।

• নেভিগেশন কী:
- নেভিগেশন কী সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়।

• নেভিগেশন কী ১০টি। যথা:
- Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত।

• কন্ট্রোল কী:
- কীবোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের নির্দেশ প্রদানের জন্য কন্ট্রোল কীসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: Ctrl, Alt, the Windows logo key ইত্যাদি।

• মডিফায়ার কী:
- এই কী-গুলো একা বা অন্য কোনো কী-এর সাথে মিলে কাজ সম্পাদন করতে পারে।
- যেমন: Shift, Ctrl, Alt.

• নিউমেরিক কী প্যাড:
- 0-9 এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত ১৭টি নিউমেরিক কী রয়েছে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Microsoft website.

১৪৩.
QWERTY কী-বোর্ডে কতটি ফাংশন কী আছে?
  1. ৯টি
  2. ১৮টি
  3. ১২টি
  4. ১৫ টি
ব্যাখ্যা

• QWERTY কী-বোর্ডে সাধারণত ফাংশন কী (Function Keys) F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে, অর্থাৎ মোট ১২টি। এই কীগুলো মূলত বিশেষ কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, F1 সাধারণত সাহায্যের (Help) জন্য ব্যবহার হয়, F5 পেজ রিফ্রেশ করার জন্য, আর F11 সম্পূর্ণ স্ক্রীন মোড চালু বা বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ফাংশন কীগুলো প্রায় সব ধরনের কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমে কার্যকর থাকে। তাই, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) ১২টি। এগুলো ব্যবহার করে ইউজার কম্পিউটার পরিচালনা আরও দ্রুত ও সহজভাবে করতে পারে।
 
• ফাংশন কী:
- একটি স্ট্যান্ডার্ড QWERTY কী-বোর্ডের একদম উপরের সারিতে F1 থেকে F12 পর্যন্ত ফাংশন কী-গুলো সাজানো থাকে।

- QWERTY কী-বোর্ডে 'নিউমেরিক কী' থাকে ১৭ টি।
- ফাংশন কী থাকে ১২টি।
- অ্যারো কী থাকে ৪ টি।
- নেভিগেশন কী থাকে ১০টি।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল), নবম-দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

১৪৪.
Among the options below, which one is not an example of an input-output device?
  1. Touchscreen
  2. Mouse
  3. Modem
  4. Pen drive
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
⇒ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড, 
- মাউস, 
- অপটিকাল রিডার, 
- জয়স্টিক, 
- মাইক্রোফোন, 
- স্ক্যানার, 
- গ্রাফিক্স প্যাড, 
- লাইট পেন, 
- ওয়েবক্যাম, 
- ওসিআর ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
⇒ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, 
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
⇒ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
- পেনড্রাইভ, 
- টাচ স্ক্রিন, 
- মডেম। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৫.
একটি লাইটপেন কিভাবে স্ক্রিনে নিজের অবস্থান সনাক্ত করে?
  1. স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো সনাক্ত করে
  2. ইনফ্রারেড সংকেতের মাধ্যমে
  3. চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করে
  4. চাপ সংবেদনশীলতার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• একটি লাইটপেন স্ক্রিনের ওপর তার অবস্থান সনাক্ত করার জন্য সাধারণত স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো সনাক্ত করে। লাইটপেনের টিপ বা সূচটি যখন স্ক্রিনে স্পর্শ করে, তখন টেলিভিশন বা মনিটরের ক্রোমিনেন্স ও ব্রাইটনেস অনুযায়ী নির্দিষ্ট পিক্সেল থেকে আলো নির্গত হয়। লাইটপেনের সেন্সর সেই আলো সনাক্ত করে এবং প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের মাধ্যমে স্ক্রিনের ঠিক কোন স্থানে লাইটপেনটি স্পর্শ করছে তা নির্ধারণ করে। এটি মূলত ভিডিও সিগন্যালের সময় এবং অবস্থান অনুযায়ী কাজ করে, তাই লাইটপেন ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পয়েন্টে ক্লিক বা ড্রইং করা সম্ভব হয়। অতএব সঠিক উত্তর হলো ক) স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো সনাক্ত করে।
 
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৬.
লেজার প্রিন্টার হলো একটি-
  1. নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার
  2. লাইন প্রিন্টার
  3. অক্ষর প্রিন্টার
  4. ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
• প্রিন্টার:
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

• ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।

• নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৭.
Which of the following is not a component of a processor?
  1. ALU
  2. Control Unit
  3. Register
  4. Keyboard
ব্যাখ্যা
• CPU:
→ কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
→ কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
→ CPU কে কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয়।
→ তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU বা  কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট গঠিত। যথা-
১. Arithmetic Logic Unit (ALU),
২. Control Unit,
৩. Register.

অন্যদিকে, 
Keyboard হচ্ছে Input Device.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৮.
MICR প্রযুক্তি কোন কাজটি সম্পন্ন করতে সাহায্য করে?
  1. ইন্টারনেট ব্যবহার
  2. চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা
  3. ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণ
  4. মোবাইল ব্যাংক ব্যবহার
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তি মূলত চেক প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো ব্যাংক চেক গ্রহণ করে, তখন চেকের নিচের অংশে থাকা বিশেষ চিহ্ন এবং সংখ্যাগুলি এই প্রযুক্তির সাহায্যে পড়া হয়। MICR প্রযুক্তি চেকের তথ্য দ্রুত ও সঠিকভাবে শনাক্ত করতে পারে, যেমন চেক নম্বর, ব্যাংক কোড এবং শাখার তথ্য। এটি মানবদ্বারা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমায় এবং চেক ক্লিয়ারিং প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে। অর্থাৎ, MICR প্রযুক্তি চেক প্রক্রিয়াকে নিরাপদ, নির্ভুল এবং সময়সাশ্রয়ী করে। তাই এটি সরাসরি “চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা” কাজটি সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।

- সঠিক উত্তর: খ) চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা।
 
⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৪৯.
মাদারবোর্ডের মূল কাজ হলো - 
  1. ডেটা সংরক্ষণ করা
  2. সব ডিভাইসকে সংযোগ রাখা
  3. কম্পিউটার ভাইরাস স্ক্যান করা
  4. হার্ড ডিস্ক ডেটা ব্যাকআপ রাখা
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ডের মূল কাজ হলো সব ডিভাইসকে সংযোগ রাখা।

• মাদারবোর্ড
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।
১৫০.
টাচ স্ক্রিন কোন ধরনের ডিভাইস?
  1. শুধু ইনপুট
  2. শুধু আউটপুট
  3. ইনপুট ও আউটপুট উভয়ই
  4. স্টোরেজ
ব্যাখ্যা

◉ টাচ স্ক্রিন (Touch Screen) হলো এমন একটি ডিভাইস যা একই সাথে ইনপুট ডিভাইস (আঙুল বা স্টাইলাস দিয়ে নির্দেশনা দেওয়া) এবং আউটপুট ডিভাইস (ডিসপ্লেতে তথ্য প্রদর্শন) হিসেবে কাজ করে।

ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- উদাহরণ: কী-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার, হেডফোন ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
- উদাহরণ: পেনড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫১.
প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপ করা হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. বাইট
  2. ডিপিআই
  3. হার্জ
  4. বিট
ব্যাখ্যা
• প্রিন্টার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটার হতে কোনো লেখা, ছবি ইত্যাদি কাগজের ওপরে ছেপে বের করা হয়, তাকে প্রিন্টার (Printer) বলা হয়। 

• প্রিন্টারের রেজোলিউশন বোঝায়, প্রিন্টারের প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলো ডট (বিন্দু) ছাপাতে পারে — অর্থাৎ এটি প্রিন্টের সূক্ষ্মতা ও মান নির্ধারণ করে।

• DPI (Dots Per Inch):
- DPI হলো প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপের একক।
- উদাহরণ: একটি প্রিন্টারের রেজোলিউশন যদি 600 DPI হয়, তাহলে প্রিন্টারটি প্রতি ইঞ্চিতে 600 ডট প্রিন্ট করতে পারে।
- উচ্চ DPI এর মান যত বেশী হবে প্রিন্টারের প্রিন্টের মান তত ভালো হবে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- HP Support: What is Printer Resolution? DPI Explained.
১৫২.
নীচের কোনটি 'output device' নয়?
  1. monitor
  2. microphone
  3. printer
  4. speaker
ব্যাখ্যা

• microphone - 'output device' নয়। 

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৩.
নিচের কোনটি ALU-এর আউটপুট রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Register
  2. ROM
  3. Flags
  4. Output Unit
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৪.
মাদারবোর্ডে কোন গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার থাকে?
  1. HDD
  2. SSD
  3. GPU
  4. BIOS
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ডে BIOS নামে গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার থাকে।

• BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ড এ থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে। 
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। ব্রিটানিকা
১৫৫.
কোন কী কমান্ড দিয়ে লেখা পেস্ট করা হয়?
  1. Shift + S
  2. Shift + V
  3. Ctrl + S
  4. Ctrl + V
ব্যাখ্যা
Ctrl + V কী কমান্ড দিয়ে লেখা পেস্ট করা হয়।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + O Open a document.
- Ctrl + N Create a new document.
- Ctrl + S Save the document.
- Ctrl + W Close the document.
- Ctrl + C Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket (1) Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket (1) - Increase the font size by 1 point.
- Ctrl + E Center the text.
- Ctrl + L Align the text to the left.
- Ctrl + R Align the text to the right.
- Esc Cancel a command.
- Ctrl + Z Undo the previous action.
- Ctrl + Y Redo the previous action, if possible.
- Alt + W Adjust the zoom magnification.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
১৫৬.
কম্পিউটার চালু করার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কার্যকর হয়, সেগুলো সাধারণত কোথায় সংরক্ষিত থাকে?
  1. RAM
  2. Cache Memory
  3. Electronic Chip
  4. Hard Disk
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার চালু করার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কার্যকর হয়, সেগুলো একটি Electronic Chip-এ সংরক্ষিত থাকে, যেখানে BIOS ফার্মওয়্যার রাখা হয়।

• BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ড এ থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।

• অন্যান্য অপশন:
- RAM → Random Access Memory, কম্পিউটারের প্রধান অস্থায়ী মেমোরি যেখানে চলমান প্রোগ্রামের ডেটা সংরক্ষণ হয়।
- Cache Memory → CPU-এর নিকটবর্তী উচ্চগতির ছোট মেমোরি, যা বারবার ব্যবহৃত ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Hard Disk → একটি magnetic secondary storage device, যেখানে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; Encyclopaedia Britannica.

১৫৭.
একটি প্রিন্টারের আউটপুট এর মান পরিমাপ করা হয়-
  1. Dot per inch
  2. Dots per square inch
  3. Dots printed per unit
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারে প্রাপ্ত ফলাফল কাগজে ছাপানো যায় তাকে প্রিন্টার বলা হয়।
- অন্যান্য আউটপুট ডিভাইসের তুলনায় প্রিন্টার একটি ধীরগতি আউটপুট ব্যবস্থা।
- প্রিন্টারের আউটপুটের মান কী রকম হবে তা নির্ভর করে প্রিন্টারের রেজুলেশনের উপর।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন পরিমাপক একক - ডিপিআই (DPI)।
- DPI এর পূর্ণরূপ হল- Dots Per Inch.
- PPM - Pages Per Minute এর মাধ্যমে প্রিন্টারের গতি পরিমাপ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১৫৮.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস? 
  1. হার্ডডিস্ক
  2. জয়স্টিক
  3. পেনড্রাইভ
  4. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
ব্যাখ্যা

পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস,
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রদর্শন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ, টাচস্ক্রিন ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৯.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. Digitizer
  2. Lightpen
  3. Trackball
  4. Headphone
ব্যাখ্যা

◉ হেডফোন (Headphone) আউটপুট ডিভাইস (কম্পিউটার থেকে শব্দ শোনার জন্য)। এটি কোনো ডেটা ইনপুট করে না, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস নয়।

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬০.
Which device is used as an input device?
  1. Monitor
  2. Speaker
  3. Joystick
  4. Projector
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
→ যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
→ কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
→ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬১.
MICR প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভব হয়:
  1. মোবাইল ব্যাংক ব্যবহার
  2. ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণ
  3. ইন্টারনেট ব্যবহার
  4. চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা
ব্যাখ্যা

• MICR প্রযুক্তি (Magnetic Ink Character Recognition) মূলত চেক প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। চেকের নীচে থাকা বিশেষ ধরনের চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষরগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়া যায়। এটি ব্যাংকগুলিকে চেক দ্রুত এবং সঠিকভাবে যাচাই ও প্রক্রিয়াকরণে সাহায্য করে। MICR ব্যবহার করে চেকের সংখ্যা, শাখার কোড এবং অ্যাকাউন্ট নম্বর দ্রুত শনাক্ত করা যায়, ফলে মানু‌ষিক ত্রুটি কমে এবং সময় সাশ্রয় হয়। এই প্রযুক্তি মোবাইল ব্যাংক, ক্লাউড স্টোরেজ বা ইন্টারনেট ব্যবহারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাই MICR-এর মূল কাজ হলো চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা।

উত্তর: ঘ) চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা।

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৬২.
মাদারবোর্ডকে শক্তি সরবরাহ করে:
  1. SSD
  2. RAM
  3. PSU
  4. HDD
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডকে সরাসরি শক্তি সরবরাহ করে PSU (Power Supply Unit)। PSU হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা বৈদ্যুতিক সাপ্লাই থেকে পাওয়া AC ভোল্টেজকে মাদারবোর্ড এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার উপাদানের জন্য উপযুক্ত DC ভোল্টেজে রূপান্তর করে। SSD, RAM, এবং HDD হলো স্টোরেজ এবং মেমোরি উপাদান, যা কাজ করার জন্য মাদারবোর্ডের মাধ্যমে PSU থেকে বিদ্যুৎ গ্রহণ করে। অর্থাৎ, মাদারবোর্ড নিজে কখনও শক্তি উৎপন্ন করতে পারে না; এটি শুধুমাত্র PSU থেকে প্রাপ্ত বিদ্যুৎ বিতরণ করে বিভিন্ন কম্পিউটার উপাদানের মধ্যে। তাই মাদারবোর্ডের কার্যক্রম নির্ভর করে মূলত PSU-এর শক্তির উপর।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

১৬৩.
Which function key is commonly used to rename a selected file or folder in Windows?
  1. F1
  2. F2
  3. F5
  4. F10
ব্যাখ্যা

• নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম দ্রুত পরিবর্তন (Rename) করার জন্য কিবোর্ডের F2 Function Key ব্যবহৃত হয়।

• ফাংশন কী (Function Key):
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত কিবোর্ডের উপরের সারিতে F1 থেকে F12 পর্যন্ত মোট ১২টি Function Key থাকে।
- প্রতিটি ফাংশন কী নির্দিষ্ট শর্টকাট কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।

• F1–F12 ফাংশন কী-এর ব্যবহার:
- F1 → সাধারণত Help মেনু চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F2 → নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F3 → দ্রুত Search বা খোঁজার অপশন চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F4 → Alt + F4 চাপলে বর্তমান সক্রিয় উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 → ব্রাউজার বা ডেস্কটপ Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 → ব্রাউজারের Address Bar সিলেক্ট করতে ব্যবহৃত হয়।
- F7 → Microsoft Word-এ Spelling ও Grammar Check চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 → Windows চালুর সময় Safe Mode চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 → QuarkXPress-এর Measurement Toolbar চালু করার জন্য ব্যবহৃত হত।
- F10 → Menu Bar চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F11 → Full Screen Mode চালু বা বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়।
- F12 → ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি টাইপিং পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- F1 → সাধারণত সফটওয়্যারের Help মেনু চালু করার শর্টকাট কী।
- F5 → ওয়েব ব্রাউজার বা ডেস্কটপ Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F10 → অধিকাংশ সফটওয়্যারে Menu Bar সক্রিয় করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং মাইক্রোসফট।

১৬৪.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. লাইটপেন
  2. ট্র্যাকবল
  3. স্ক্যানার
  4. ইমেজ সেটার
ব্যাখ্যা
•"ইমেজ সেটার " ইনপুট ডিভাইস নয়, বরং এটি আউটপুট ডিভাইস। 

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে সব যন্ত্র বা ডিভাইস দ্বারা কম্পিউটারে বিভিন্ন ডাটা এবং নির্দেশ প্রদান করা হয় সেসব যন্ত্র বা ডিভাইসকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়। 

• ইনপুট ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- ইনপুট ডিভাইস ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা বা নির্দেশনা গ্রহণ করে।
- এটি সেই ডেটাকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়।
- প্রতিটি ইনপুট ডিভাইসের নিজস্ব নির্ভুলতা ও গতির মাত্রা রয়েছে। 

• ইনপুট ডিভাইসের  উদাহরণ:
- কি-বোর্ড,
- ওএমআর,
- মাউস,
- ওসিআর,
- ট্র্যাকবল,
- স্ক্যানার,
- জয়স্টিক,
- ডিজিটাইজার,
- টাচ স্ক্রিন,
- লাইটপেন,
- বার কোড রিডার,
- পয়েন্ট অফ সেল, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
- মনিটর, 
-  প্রিন্টার, 
-  প্লটার, 
-  স্পিকার, 
-  মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, 
-  ইমেজ সেটার, 
-  ফিল্ম রেকর্ডার, 
-  হেড ফোন ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৫.
পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (PSU) মূলত কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসের জন্য কী ধরনের ভোল্টেজ সরবরাহ করে?
  1. হাই ভোল্টেজ এসি (AC)
  2. রেগুলেটেড ডিসি (DC) ভোল্টেজ
  3. আনরেগুলেটেড এসি (AC) ভোল্টেজ
  4. শুধু ২৩০ ভোল্ট এসি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) রেগুলেটেড ডিসি (DC) ভোল্টেজ।

• পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (PSU):
- পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (Power Supply Unit) এমন একটি ডিভাইজ যা কম্পিউটারের শক্তি জোগায়।
- কম্পিউটারের সাথে সংশ্লিষ্ট কম্পোনেটগুলো যথাযথভাবে কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত করার জন্য সরবরাহ করা ভোল্টেজকে রেগুলেট করে।
- এটি কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় ২৩০ ভোল্ট বিদ্যুৎ সাপ্লাইকে রেগুলেটেড ডিসি ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে
- পাওয়ার সাপ্লাই একটি ধাতব বক্স, যা কম্পিউটারের কেসিংয়ের ওপরের কোনায় থাকে।
- সাধারণত কেসিংয়ের সাথে পাওয়ার সাপ্লাই ইনস্টল করা থাকে। যদি ইনস্টল করা না থাকে তাহলে পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটকে কেসিংয়ের যথাস্থানে স্থাপন করে স্ক্রু-গুলি সংযুক্ত করতে হবে। অতঃপর বিভিন্ন ক্যাবলসমূহ নির্ধারিত স্থানে সংযোজন করার পদক্ষেপ নিতে হবে।
- কাজের ধরন ও ক্যাবল ম্যানেজমেন্টের ওপর ভিত্তি করে এটি মডুলার, সেমি-মডুলার এবং নন-মডুলার -এই তিন ধরনের হয়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৬.
OCR প্রধানত কোন ধরনের কন্টেন্টকে কোন আকারে রূপান্তর করে?
  1. ছবি থেকে টেক্সট
  2. টেক্সট থেকে ছবি
  3. ভিডিও থেকে টেক্সট
  4. অডিও থেকে টেক্সট
ব্যাখ্যা

⚪  OCR (Optical Character Recognition) প্রধানত ছবি থেকে টেক্সট রূপান্তর করার প্রযুক্তি। অর্থাৎ স্ক্যান করা ডকুমেন্ট, ছবি, পিডিএফ বা হাতে লেখা কাগজের ভেতরে থাকা লেখা OCR-এর মাধ্যমে ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করা হয়। এই প্রযুক্তি ছবির মধ্যে থাকা অক্ষর, শব্দ ও বাক্য শনাক্ত করে সেগুলোকে কম্পিউটার-পঠনযোগ্য টেক্সটে বদলে দেয়, যাতে লেখা কপি করা, সম্পাদনা করা বা সার্চ করা যায়। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে OCR-এর সঠিক কাজকে নির্দেশ করে ক) ছবি থেকে টেক্সট। এটি শিক্ষা, অফিসিয়াল ডকুমেন্ট ডিজিটাইজেশন এবং ডেটা এন্ট্রিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

⚪ OCR:
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader/Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।

- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

⚪ OCR এর ব্যবহার:
 - ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৭.
ফ্লপি ডিস্ক কোন ধরনের ডিভাইস?
  1. ইনপুট ডিভাইস
  2. আউটপুট ডিভাইস
  3. স্টোরেজ ডিভাইস
  4. প্রসেসিং ডিভাইস
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) স্টোরেজ ডিভাইস
ফ্লপি ডিস্ক হলো একটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ মাধ্যম যা কম্পিউটার ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

স্টোরেজ ডিভাইস:
- Hard Disk, 
- Floppy Disk, 
- USB Flash Drive, 
- Magnetic Tape, 
- Optical Storage Devices (CD-ROMs and DVD-ROMs), 
- Solid-State Drives (SSDs), 
- RAM (Random-Access Memory), 
- ROM (Read-Only Memory).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৮.
ডিজাইনার এবং আর্টিস্টরা ডিজিটাল ড্রয়িং করার জন্য প্রধানত কোন ইনপুট ডিভাইস ব্যবহার করে থাকেন?
  1. Keyboard
  2. Trackball
  3. Graphics tablet
  4. Scanner
ব্যাখ্যা

• ডিজাইনার এবং আর্টিস্টরা ডিজিটাল ড্রয়িং বা ইলেকট্রনিক আর্ট তৈরি করার জন্য প্রধানত গ্রাফিক্স ট্যাবলেট (Graphics tablet) ব্যবহার করে থাকেন। এটি একটি স্পেশালাইজড ইনপুট ডিভাইস, যা হাতে ধরে রাখার পেন বা স্টাইলাসের মাধ্যমে কম্পিউটারের স্ক্রিনে সরাসরি আঁকার অনুভূতি দেয়। এর মাধ্যমে আকার, রেখার ঘনত্ব, চাপের মাত্রা এবং রঙের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়, যা মাউস বা কীবোর্ডের মাধ্যমে করা কঠিন। অন্যান্য ডিভাইস যেমন কীবোর্ড, ট্র্যাকবল বা স্ক্যানার সরাসরি আঁকার জন্য নয়, বরং কমান্ড দেওয়া বা প্রাপ্ত কাজ ডিজিটাল আকারে ইনপুট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ডিজিটাল আর্টে গ্রাফিক্স ট্যাবলেট সবচেয়ে কার্যকর।

ইনপুট ডিভাইস:
- যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
- এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।

উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard)
- ওএমআর (OMR)
- মাউস (Mouse)
- ওসিআর (OCR)
- ট্যাকবল (Trackball)
- স্ক্যানার (Scanner)
- জয়স্টিক (Joystick)
- ডিজিটাইজার (Digitizer)
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)
- লাইটপেন (Lightpen)
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader)
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad)
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale)
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।

আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor)
- প্রিন্টার (Printer)
- প্লটার (Ploter)
- স্পিকার (Speaker)
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector)
- ইমেজ সেটার (Image Setter)
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder)
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।

যেমন:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি বা ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৯.
যে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডে সমস্ত কম্পোনেন্ট যুক্ত থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. পাওয়ার সাপ্লাই
  2. মাদারবোর্ড
  3. প্রসেসর
  4. হার্ড ডিস্ক
ব্যাখ্যা

• যে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডে কম্পিউটারের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট যুক্ত থাকে তাকে মাদারবোর্ড বলা হয়। মাদারবোর্ড কম্পিউটারের প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেখানে প্রসেসর, র‍্যাম, হার্ড ডিস্ক, গ্রাফিক্স কার্ড, পাওয়ার সাপ্লাইসহ বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সংযুক্ত থাকে এবং একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এটি পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে সমন্বয় করে এবং ডেটা আদান-প্রদান সহজ করে। মাদারবোর্ডে বিভিন্ন স্লট, পোর্ট ও চিপসেট থাকে যা কম্পিউটারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই কম্পিউটারের অন্যান্য সব অংশকে একত্রে কাজ করানোর জন্য মাদারবোর্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) মাদারবোর্ড।

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভিতরে থাকা প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেখানে সিস্টেমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযোজনের সুযোগ থাকে।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়শই কম্পিউটারের “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সব উপাদানকে একত্রিত করে সংযোগ প্রদান করে।
- ভালো ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে: Gigabyte, Intel, Foxconn, Asus ইত্যাদি।

অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড কম্পিউটারের কেসের ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল। 
২। ব্রিটানিকা। 
৩। বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন। 

১৭০.
কম্পিউটারে ডাটা ইনপুট দেওয়ার জন্য নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. মনিটর
  2. প্রিন্টার 
  3. স্পিকার 
  4. ডিজিটাইজার
ব্যাখ্যা

◉ ডিজিটাইজার (Digitizer) হলো একটি ইনপুট ডিভাইস যা অ্যানালগ তথ্য (যেমন ছবি, অঙ্কন, নকশা) ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়।

পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭১.
নিচের কোনটি Modifier Key নয়?
  1. Shift
  2. Alt
  3. Ctrl
  4. Enter
ব্যাখ্যা
• কীবোর্ড:
- কীবোর্ড হলো একটি ইনপুট ডিভাইস, যা অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন ইনপুট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

• মডিফায়ার কী:

- Modifier key হলো এমন একটি কীবোর্ড কী যা একা কোনো কাজ সম্পাদন করে না, বরং অন্য কী-এর সাথে মিলিয়ে চাপলে সেই কী-এর কাজকে পরিবর্তন বা মডিফাই করে।

• মডিফায়ার key এর উদাহারন:
- Shift → Upper Case অক্ষর টাইপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- Alt (Alternate) → শর্টকাট কমান্ডে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl (Control) → কীবোর্ড শর্টকাটের জন্য ব্যবহৃত হয় (যেমন Ctrl+C, Ctrl+V)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সরকে পরিচালনা করা যায়। যেমন - Arrow keys, Home key, Delete, Insert ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংরক্ষণ বা ইনপুট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়।

• নিউম্যারিক কী:
- (0-9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি সম্বলিত কী সমূহকে নিউম্যারিক কী বলা হয়।
- QWERTY কীবোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে। 

অন্যদিকে,
Enter মডিফায়ার কী নয়। এটি কার্সর নিচে নামানো বা কমান্ড ইনপুট করতে ব্যবহৃত হয়। 

তথ্যসূত্র:
- Microsoft Support Website.
১৭২.
গেম খেলার ক্ষেত্রে সাধারণত কোন ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়?
  1. মনিটর
  2. প্রিন্টার
  3. স্ক্যানার
  4. জয়স্টিক
ব্যাখ্যা

• গেম খেলার ক্ষেত্রে সাধারণত জয়স্টিক ব্যবহার করা হয়। জয়স্টিক হলো একটি ইনপুট ডিভাইস যা খেলোয়াড়কে গেমের মধ্যে ক্যারেক্টার বা অবজেক্ট নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি সাধারণত হাতের মধ্যে ধরা যায় এবং বিভিন্ন দিক ঘুরিয়ে, বোতাম চাপার মাধ্যমে কমান্ড দেওয়া যায়। মনিটর, প্রিন্টার  মূলত আউটপুট বা ডকুমেন্ট পরিচালনার ডিভাইস, যা সরাসরি গেম খেলার নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহৃত হয় না এবং স্ক্যানার ডকুমেন্ট স্ক্যান করার ইনপুট ডিভাইস। জয়স্টিকের মাধ্যমে খেলোয়াড় সহজে গেমের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যেমন একটি গাড়ি চালানো বা ফ্লাইট সিমুলেটরে বিমান পরিচালনা করা। তাই গেম খেলার জন্য সবচেয়ে কার্যকর ইনপুট ডিভাইস হলো জয়স্টিক।
 
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।