- ১৯৭১ সালের
২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসমাজ বাংলাদেশের পূর্ণ স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার কথা ঘোষণা করে এবং সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করে ।
- ৩রা মার্চ বঙ্গবন্ধু অহিংস অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিলে পূর্ব বাংলার সকল দপ্তরে তালা লাগে।
- ব্যাংক, বিমান, ডাক, টেলিগ্রাফ, টেলিফোন, রেলপথ সবকিছুই বন্ধ হয়ে যায়।
- বঙ্গবন্ধুর উপর প্রবল চাপ ছিল স্বাধীনতা ঘোষণার জন্য।
- এমনি অবস্থায় ৭ মার্চ ১৯৭১ রমনা রেসকোর্সে লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতিতে তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়ে বলেন যে, জনগণের মুক্তি ও স্বাধীনতার জন্যই এবারের সংগ্রাম পরিচালিত হবে। সংগ্রাম কমিটি গঠন ও যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করার আহ্বান জানান তিনি।
- সামরিক আইন প্রত্যাহার, সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া, হত্যাকান্ডের তদন্ত ও জনপ্রতিনিধিগণের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হলেই তবে তিনি বিবেচনা করবেন জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেয়া যাবে কিনা।
- ১৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব বাংলার শাসনকার্য পরিচালনার জন্য ৩৫টি বিধি জারী করেন।
- প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান এদিন ঢাকায় আসলে ২২ ও ২৩ মার্চ গুঞ্জরিত হয় যে, মুজিব ইয়াহিয়া সমঝোতা হতে যাচ্ছে।
- কিন্তু মুজিবকে না জানিয়েই ইয়াহিয়া ২৫ এর রাতে ঢাকা থেকে ফিরে যাবার আগে তার কমান্ডারদেরকে বাঙ্গালি নিধনের নির্দেশ দিলেন।
- গর্জে উঠলো সৈন্যদের মারণাস্ত্র। বঙ্গবন্ধু মাঝরাতের পর অয়্যারলেসে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাঠিয়ে দিলেন চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের কাছে। - বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের কাছে পাকিস্তানীদের নৃশংসতা রোধের ও বাঙ্গালীদের মুক্তিযুদ্ধে সাহায্যের আবেদন করলেন।
- তাঁর আহবানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলে।
- সুদীর্ঘ নয় মাস বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম করে কায়েম করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
উৎস: সিভিক এডিকশন -২, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।