বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৯৯ / ১২৬ · ৯,৮০১৯,৯০০ / ১২,৬০৫

৯,৮০১.
“No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact” – এই বিধান কোন ধারায় আছে? 
  1. ধারা ১১৮
  2. ধারা ১৩৩
  3. ধারা ১৩৪
  4. ধারা ১৩৬
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৪-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.”
অর্থাৎ, যেকোনো তথ্য বা ঘটনা প্রমাণ করতে সাক্ষীর কোনো নির্দিষ্ট বা সর্বনিম্ন সংখ্যার প্রয়োজন নেই। একজন সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য দিয়েও ঘটনা প্রমাণিত হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৩৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ঘটনার প্রমাণে সাক্ষীর নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রয়োজন নয়।
- কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই; সাক্ষীর সংখ্যা বিচারক বা আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে, তবে সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ The Evidence Act,1872, section-134. Number of witnesses:
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

৯,৮০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অভ্যাসগত গৃহভেদকারী (habitual house-breaker) অপরাধীদের কাছ থেকে সৎ আচরণের জন্য মুচলেকা (security for good behaviour) গ্রহণের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১০৬
  2. ধারা ১০৭
  3. ধারা ১০৯
  4. ধারা ১১০
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০-এ Security for good behaviour from habitual offenders সম্পর্কে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,
যদি তথ্য পান যে তাঁর এখতিয়ারাধীন কোনো ব্যক্তি অভ্যাসগতভাবে ডাকাত, গৃহভেদকারী (house-breaker), চোর বা জালিয়াত, অথবা
চোরাই মাল গ্রহণকারী, চোরদের আশ্রয়দাতা বা চোরাই মাল গোপনে রাখা/বিক্রয়ে সহায়তাকারী, কিংবা শান্তিভঙ্গকারী গুরুতর ও বিপজ্জনক প্রকৃতির অপরাধে অভ্যাসগতভাবে জড়িত, তাহলে তিনি সেই ব্যক্তিকে  কেন তিনি সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বছরের জন্য জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত সৎ আচরণের মুচলেকা (bond for good behaviour) সম্পাদন করবেন না, সে বিষয়ে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিতে পারেন।

-সুতরাং, অভ্যাসগত গৃহভেদকারী (habitual house-breaker)-এর ক্ষেত্রে ধারা ১১০ প্রযোজ্য হবে, যা সদাচরণের জন্য মুচলেকা গ্রহণের বিধান করে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 110. Security for good behaviour from habitual offenders:
Whenever a District Magistrate, or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government receives information that any person within the local limits of his jurisdiction- 
(a) is by habit a robber, house-breaker, thief, or forger, or
(b) is by habit a receiver of stolen property knowing the same to have been stolen, or
(c) habitually protects or harbours thieves or aids, in the concealment or disposal of stolen property, or
(d) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, the offence of kidnapping, abduction, extortion, cheating or mischief, or any offence punishable under Chapter XII of the Penal Code, or under section 489A, section 489B, section 489C or section 489D of that Code, or
(e) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, offences involving a breach of the peace, or (f) is so desperate and dangerous as to render his being at large without security hazardous to the community, such Magistrate may, in manner hereinafter provided, require such person to show cause why he should not be ordered to execute a bond, with sureties, for his good behaviour for such period, not exceeding three years, as the Magistrate thinks fit to fix.

৯,৮০৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১ম তফসিলে কয়টি আদেশ আছে?
  1. ৪৮ টি
  2. ৫১টি
  3. ৫০ টি
  4. ৪৯ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  মোট ৫ টি তফসিল রয়েছে।
⇒ তবে বর্তমানে বলবৎ তফসিল আছে ৩ টি।
⇒ তার মধ্যে ১ম তফসিলে মোট আদেশ রয়েছে ৫১ টি
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে।
⇒ প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট উভয় সংশোধন করতে পারে। 
৯,৮০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯ অনুযায়ী, ক্ষমা গ্রহণকারীকে অন্য অভিযুক্তদের সাথে—
  1. একত্রে বিচার করা যাবে
  2. একত্রে বিচার করা যাবে না
  3. শুধুমাত্র হাইকোর্টের অনুমতিতে একত্রে বিচার করা যাবে
  4. কেবল সরকারি কৌঁসুলির অনুমতিতে একত্রে বিচার করা যাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯: যে ব্যক্তিকে ক্ষমা দেওয়া হয়েছে তার বিচার-
(১) যদি ৩৩৭ বা ৩৩৮ ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমা দেওয়া হয়ে থাকে এবং সরকারি কৌঁসুলি (Public Prosecutor) এই মর্মে প্রত্যয়ন দেন যে উক্ত ব্যক্তি ক্ষমার শর্ত মেনে চলেননি— হয় ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গোপন করেছেন অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তবে ঐ ব্যক্তিকে সেই অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে যার জন্য তাকে ক্ষমা দেওয়া হয়েছিল, অথবা একই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে।

শর্তসাপেক্ষে—
- ব্যক্তিকে অন্য কোনো অভিযুক্তের সাথে একত্রে বিচার করা যাবে না; এবং
- তিনি বিচারে এই যুক্তি দেখাতে পারবেন যে তিনি ক্ষমার শর্ত পূরণ করেছেন।
- এই ক্ষেত্রে, প্রসিকিউশনের (অভিযোগপক্ষের) দায়িত্ব হবে প্রমাণ করা যে শর্ত মানা হয়নি।
 
(২) যিনি ক্ষমার প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন তার দেওয়া বিবৃতি সেই বিচারে তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে।

(৩) উক্ত বিবৃতির বিষয়ে মিথ্যা সাক্ষ্যের অভিযোগে কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না, যদি না হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) এর অনুমোদন থাকে।

৯,৮০৫.
কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা যদি আইন অনুযায়ী নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করে, তাহলে ধারা ৪৬২ক এর অধীন তার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ আনা হবে?
  1. প্রতারণার অভিযোগ
  2. দুর্নীতির অভিযোগ
  3. অবহেলার অভিযোগ
  4. জালিয়াতির অভিযোগ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৬২ক: ব্যাংক কর্মকর্তাদের এবং কর্মচারীদের অবহেলার জন্য শাস্তি:
যদি ব্যাংক কোম্পানির কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী তার কাজ করতে গিয়ে অবহেলা করে, এবং এর ফলে কোম্পানির কোনো গ্রাহক বা অন্য কোনো ব্যক্তির কারণে কোম্পানির সম্পত্তির ক্ষতি হয়, তাহলে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।

এই শাস্তি হতে পারে:
দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড;
জরিমানা;
অথবা উভয়ই।

ব্যাখ্যা: যদি ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারী আইন অনুযায়ী তার কাজ করার নিয়ম না মেনে চলে বা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে, তাকে এই ধারায় দোষী ধরা হবে।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রাহকের চেক ঠিকমতো যাচাই না করে এবং এর ফলে ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে ওই কর্মকর্তা শাস্তির মুখোমুখি হতে পারে।
৯,৮০৬.
Mediation-এর আদেশ হওয়ার পর সর্বোচ্চ কতদিনের মধ্যে উত্তরূপ Mediation-এর কাজ শেষ করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা যাবে।

- দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে:
i) মধ্যস্থতা (Mediation);
ii) সালিশী (Arbitration)।

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে। 
৯,৮০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি হাজিরার জন্য নির্দেশিত জামানত প্রদান করত ব্যর্থ হলে, আদালত-
  1. লিখিত নোটিশ পাঠাবে
  2. সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা জরিমানা করতে পারে
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে
  4. দেওয়ানি জেলে প্ররণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে,
-যার প্রতি ৩০ ধারা অনুসারে সমন দেয়া হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারেন এবং এই উদ্দেশ্যে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানি জেলে প্ররণ করতে পারেন।
৯,৮০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী ডিক্রিতে "টাকা ১০,০০০" এর পরিবর্তে "টাকা ১,০০,০০০" লেখা হয়েছে। এটি কোন ধারায় সংশোধনযোগ্য?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৪৪ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫২ অনুসারে, রায়, ডিক্রি বা আদেশে হওয়া করণিক বা গাণিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes) অথবা আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতি (accidental slip or omission) যেকোনো সময় আদালত নিজ উদ্যোগে বা কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে সংশোধন করতে পারেন।

- এখানে, ডিক্রিতে "টাকা ১০,০০০" এর পরিবর্তে "টাকা ১,০০,০০০" লেখা হয়েছে, যা একটি স্পষ্ট গাণিতিক বা করনিক ভুল এবং ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
- রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

- উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

৯,৮০৯.
তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হয়?
  1. বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে
  2. ক্রেতার সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণের তারিখ থেকে
  3. বিক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে
  4. 'ক' বা 'খ' উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর। এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় নিম্নলিখিত দুটি ক্ষেত্রে:
১. ক্রেতার সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণের তারিখ থেকে: যদি ক্রেতা বিক্রয়কৃত সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
২. বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে: যদি ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।

অর্থাৎ, তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয় ক্রেতার দখল গ্রহণের তারিখ বা বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ—এই দুটির যেকোনো একটি থেকে।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে: এটি শুধুমাত্র আংশিক সঠিক, কারণ ক্রেতা যদি প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকেও মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
খ) ক্রেতার সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণের তারিখ থেকে: এটি শুধুমাত্র আংশিক সঠিক, কারণ ক্রেতা যদি প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
গ) বিক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে: এটি সঠিক নয়, কারণ তামাদির মেয়াদ চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে গণনা করা হয় না।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) 'ক' এবং 'খ' উভয় ক্ষেত্রে।
৯,৮১০.
কোন অবস্থায় সাক্ষীকে 'বৈরী সাক্ষী' হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হলে
  2. সাক্ষী মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে
  3. সাক্ষী নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর না দিলে
  4. সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে
ব্যাখ্যা
বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী, যাকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতে তার পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আনে, কিন্তু সাক্ষী আদালতে এসে তার সাক্ষ্য বিপরীত দিক নির্দেশ করে বা নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়। এমন অবস্থায়, আদালতের অনুমতি নিয়ে সেই সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দেওয়া হয় এবং তখন তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়;
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়;
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে। এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
৯,৮১১.
শুধুমাত্র অভিযোগ তৈরি না হওয়ার কারণে, কোনো দণ্ডাদেশ-
  1. বৈধ হবে না
  2. অবৈধ হবে না
  3. বাতিল হবে
  4. স্থগিত থাকবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩৫ এ অভিযোগ তৈরী না করার ফলাফল দেয়া হয়েছে-

(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপীল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।
(২) আপীল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরী না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Effect of omission to prepare charge-
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby. 
(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৯,৮১২.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের কোন বিভাগে আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. প্রথম বিভাগ
  2. দ্বিতীয় বিভাগ
  3. তৃতীয় বিভাগ
  4. চতুর্থ বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিল (First Schedule) তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
→ প্রথম বিভাগ (First Division): অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
বিষয়: মামলা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division): অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division): অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
বিষয়: দরখাস্ত (Applications) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।

অর্থাৎ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় বিভাগে (Second Division) আপীল দায়েরের (Limitation for filing appeals) তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) দ্বিতীয় বিভাগ।

৯,৮১৩.
ফৌজদারী আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কার্যধারার নকল পেতে পারে-
  1. বিনামূল্যে
  2. খরচসহ
  3. ক বা খ
  4. কোনো ভাবেই পাবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল
কোন ফৌজদারী আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবে-
শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশতঃ বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

Section 548- Copies of proceedings
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
৯,৮১৪.
তামাদি আইনের ২৩ ধারার অধীনে কোনটি সঠিক?
  1. উক্ত ধারা শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
  2. অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি ঘটলেও তামাদি মেয়াদ অপরিবর্তিত থাকে।
  3. চুক্তি একবার ভঙ্গ হলে, মামলার কারণ একটি সময়েই সীমাবদ্ধ থাকে।
  4. অবিরত চুক্তি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তেই নতুন মামলা দায়ের করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৩ ধারায় অবিরামভাবে চুক্তি ভঙ্গ বা অনিষ্টের ফলাফল (Continuing breaches and wrongs) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৩ ধারাটি বিশ্লেষণ করলে প্রতীয়মান হয় যে, এমন কিছু চুক্তির অস্তিত্ব রয়েছে যা লংঙ্ঘন করা হলে প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণ উদ্ভব হয়ে থাকে। এছাড়া চুক্তি বহির্ভূত এমন কিছু ক্ষতি বা লোকসান রয়েছে যা প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এ সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ নতুন করে বৃদ্ধি পায়।
- অর্থাৎ কোন চুক্তি ক্রমাগত ভঙ্গ করা হতে থাকলে বা অবিরত অন্যায় আচরণ অব্যাহত রাখা হলে, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধ সংঘটনের প্রতি মুহূর্তেই নতুন ভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হবে।
---------------
⇒ The Limitation Act- Section 23.Continuing breaches and wrongs:
- In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

৯,৮১৫.
দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী _________ জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে, তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।
  1. আইনগত কাজের
  2. ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার
  3. কোনো অপরাধে সহায়তার
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা আছে,

ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।

"Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence."
৯,৮১৬.
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়-
  1. সরকারী কর্মকমিশন হতে
  2. জুডিসিয়াল সার্ভিসে নিয়োগকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে হতে
  3. আপীল বিভাগের আইনজীবী হতে
  4. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) হতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির  ১০ ধারার বিধান- নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।

(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।

(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।

(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।

(৫) সরকার সমীচীন  প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।

(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
৯,৮১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী বিবাদীকে সমন দিতে হয়।?
  1. ২১ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২৬ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইনের  ২৭ ধারা অনুযায়ী সমন হলো আদালত কর্তৃক ইস্যুকৃত কোন নোটিশ যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট তারিখে আদালতে হাজির হওয়ার আদেশ থাকে এবং লিখিত জবাব দাখিল করার বিধান থাকে।

•মোকদ্দমার দায়ের করার ৫ কর্ম দিবসের মধ্যে সমন ইস্যু করতে হয়। (আদেশ ৫ অনুযায়ী)
৯,৮১৮.
দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা অনুযায়ী মনুষ্যহরণ(Kidnapping) কয় প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা- মনুষ্যহরণ:
মনুষ্যহরণ দুই প্রকারের:- বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণ এবং আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ।

Section 359- Kidnapping:
Kidnapping is of two kinds; kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.
৯,৮১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার ৩৯, রুল ২(৩) (Order 39, Rule 2(3) of CPC) অনুসারে, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদেশ ভঙ্গের শাস্তি নিম্নরূপ:
- সম্পত্তি ক্রোক (Attachment of Property), অথবা
- সিভিল কারাবাস (Civil Imprisonment), যার সর্বোচ্চ মেয়াদ ৬ মাস, অথবা
- উভয় দণ্ড (ক্রোক + কারাবাস)।
- অতএব, দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৬ মাসের কারাদণ্ড।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-২(৩) অনুসারে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের শাস্তি হলো: সম্পত্তি ক্রোক অথবা উক্ত অমান্যকারীকে ৬ মাস দেওয়ানী কারাবাসে আটক অথবা উভয় প্রকার দণ্ড প্রদান করতে পারেন। 
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে হয় ৩৯ আদেশের ১ এবং ২ (১) বিধির অধীন। ৩৯ আদেশের ১ বা ২(১) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করলে তা যদি অমান্য করা হয় সেই ক্ষেত্রে অমান্যকারীর বিরুদ্ধে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে আদালত অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে বা দেওয়ানী কারাগারে অনধিক ৬ মাস আটকের আদেশ দিতে পারে ।
- মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।
৯,৮২০.
'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহণাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে উহাতে কোন গহনাপত্র নেই। সে চুরির উদ্দেশ্রে এই কাজটি করেছে। 'ক' এর কাজটি কোন ধারার আওতায় অপরাধ বলে পরিগণিত হবে?
  1. ৫১১ ধারা
  2. ৫০৭ ধারা
  3. ৫০৮ ধারা
  4. ৪৯৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৫১১ ধারার অধীন অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ বা প্রচেষ্টা এর অপরাধ করেছে।
৯,৮২১.
মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে কোনো ব্যক্তিকে বিবাদী পক্ষভুক্ত করা হলে তাঁর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা কোন সময় থেকে দায়ের করা হয়েছে মর্মে ধরে নেওয়া হবে?
  1. যখন তাঁকে পক্ষ করা হয়েছে
  2. যখন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে
  3. যখন তাঁকে সমন দেওয়া হয়েছে
  4. যখন সে আদালতে হাজির হয়েছে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ধারা ২২ মতে নতুন বাদী বা বিবাদী পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত হলে স্থলাভিষিক্তের তারিখে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ কোন মামলায় নতুন করে বাদী বা বিবাদী পক্ষভুক্ত করা হলে সেই নতুন বাদী বা বিবাদীর তামাদি মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নতুন বাদী বা বিবাদীর পক্ষভুক্তির তারিখ হতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে। কিন্তু স্বত্ব স্থানান্তরের ফলে পক্ষভূক্ত বা স্থলাভিষিক্ত হলে অথবা বাদীকে বিবাদীতে এবং বিবাদীকে বাদীতে পরিণত করা হলে উক্ত বিধান কার্যকর হবে না।
৯,৮২২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোথায় Cross-objection এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XLI rule 22
  2. Order XXI rule 22
  3. Order XLVII rule 4
  4. Order XL rule 2
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২২ এর বিধান: শুনানিকালে উত্তরদায়ক তৎকর্তৃক ডিক্রীতে আপত্তি দিতে পারে, যেন সে স্বাতন্ত্র্য আপিল দায়ের কয়েছে। 
১) কোন উত্তরদায়ক যদিও কোন ডিক্রীর অংশ হতে আপিল করেনি, তথাপি সে শুধুমাত্র নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তকৃত ডিক্রীর কোন সঙ্গত কারণ শুধু সমর্থন করেনি, বরং সে আপিলক্রমে যেভাবে পারত ঠিক সেভাবে উক্ত ডিক্রীর পাল্টা আপত্তি উত্থাপন করতে পারবে এ শর্তে যে, আপিল শুনানির জন্য নির্ধারিত দিন সম্পর্কে তার উপর বা তার উকিলের উপর নোটিশ জারির তারিখ হতে সে আপিল আদালতে এক মাসের মধ্যে কিংবা আপিল আদালত মঞ্জুর করতে উপযুক্ত মনে করে এরূপ মঞ্জুরীকৃত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে অনুরূপ পাল্টা আপত্তি দাখিল করেছে।

২) আপত্তির ফরম এবং তাতে প্রযোজ্য বিধানসমূহ: অনুরূপ পাল্টা আপত্তি স্মারকের আকারে হতে হবে এবং আপিলের স্মারকের ফরম এবং বিষয়বস্তু সঙ্গে যতদূর সম্পর্কিত হয়, ততদূর ১ বিধির বিধানাবলী তাতে প্রযোজ্য হবে।
৩) আপত্তির নকল গ্রহণ সম্পর্কে ঐ আপত্তি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের বা তার উকিল কর্তৃক এটির নকল গ্রহণের লিখিত স্বীকৃতিপত্র উত্তরদায়ক আপত্তির সঙ্গে দাখিল না করলে আপিল আদালত এটির একটি নকল আপত্তি দাখিল হওয়ার পর যথা সম্ভব শীঘ্র উত্তরদায়কের খরচে উক্ত পক্ষের বা তার উকিলের প্রতি এটির নকল প্রদান করাবে।
৪) যে কোন ক্ষেত্রে এই বিধির অধীনে উত্তরদায়ক আপত্তির স্মারক দাখিল করে থাকলে যেক্ষেত্রে মূল আপিলটি প্রত্যাহৃত বা তদ্বিরের অভাবে খারিজ হলেও উপরোক্ত মতে দাখিলকৃত আপত্তির, অন্য পক্ষকে উপযুক্ত নোটিশ দেয়ার পর শুনানি এবং সিদ্ধান্ত করা যাবে।
৫) নিঃস্ব আপিল সম্পর্কিত বিধানসমূহ যতদূর সম্ভব এ বিধির অধীনে আপত্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
--------------
The Code of Civil Procedure, 1908 Order 41 Rule-22. Upon hearing, respondent may object to decree as if he had preferred separate appeal:
1) Any respondent, though he may not have appealed from any part of the decree, may not only support the decree on any of the grounds decided against him in the Court below but take any cross- objection to the decree which he could have taken by way of appeal, provided he has filed such objection in the Appellate Court within one month from the date of service on him or his pleader of notice of the day fixed for hearing the appeal, or within such further time as the Appellate Court may see fit to allow.

2) Form of objection and provisions applicable thereto:
- Such cross objection shall be in the form of a memorandum, and the provisions of rule 1, so far as they relate to the form and contents of the memorandum of appeal, shall apply thereto.

3) Unless the respondent files with the objection a written acknowledgment from the party who may be affected by such objection or his pleader of having received a copy thereof, the Appellate Court shall cause a copy to be served, as soon as may be after the filing of the objections, on such party or his pleader at the expense of the respondent.

4) Where in any case in which any respondent has under this rule filed a memorandum of objection, the original appeal is withdrawn or is dismissed for default, the objection so filed may neverthless be heared and determined after such notice of the other parties as the Court thinks fit.

5) The provisions relating to pauper appeals shall, so far as they can be made applicable, apply to an objection under this rule.
৯,৮২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলে জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধের তালিকা পাওয়া যায়?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule) মূলত দণ্ডবিধির (Penal Code) বিভিন্ন অপরাধের ধরন, তাদের শাস্তি, এবং আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্যতার বিষয়বস্তু নির্ধারণ করে।
- দ্বিতীয় তফসিলের পঞ্চম কলামে জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধের বিস্তারিত তালিকা থাকে, যার মাধ্যমে জানা যায় কোন অপরাধের জন্য জামিন দেওয়া যাবে এবং কোন অপরাধের জন্য যাবে না।
- এছাড়া, এ তফসিলে অপরাধের ধারা, গ্রেফতার করার ক্ষমতা, মীমাংসাযোগ্যতা ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন কলাম আছে।
অন্যদিকে,
- প্রথম তফসিল বাতিল করা হয়েছে।
- তৃতীয় তফসিল ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা সম্পর্কে।
- চতুর্থ তফসিল ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা সম্পর্কে।
- তাই জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধের তালিকা জানতে দ্বিতীয় তফসিল দেখা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।
৯,৮২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে জরিমানা ছাড়া অন্য টাকা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য বলে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৫৪৬
  2. ধারা ৫৪৬ক
  3. ধারা ৫৪৭
  4. ধারা ৫৪৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৭ অনুযায়ী, যদি আদালত কোনো ব্যক্তিকে জরিমানা ব্যতীত অন্য কোনো অর্থ প্রদানের আদেশ দেন এবং সেই অর্থ আদায়ের জন্য আলাদা কোনো পদ্ধতি নির্ধারিত না থাকে, তাহলে সেই অর্থকে জরিমানা হিসেবে ধরা হবে এবং সেই অনুযায়ী আদায়যোগ্য হবে। এটি আইনগতভাবে অর্থ আদায়ের একটি সহজীকরণ ব্যবস্থা, যাতে আদালতের আদেশ কার্যকর করা সহজ হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৭ ধারার বিধান:- টাকা প্রদানের আদেশ প্রদত্ত হলে তা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য:
এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ অনুসারে কোন অর্থ জরিমানা ছাড়া দেয়া হলে এবং তা আদায়ের পন্থা সম্পর্কে অন্য কোন বিধান না থাকলে উক্ত অর্থ জরিমানা বলে ধরে নিয়ে আদায় করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-547: Moneys ordered to be paid recoverable as fines:
Any money (other than a fine) payable by virtue of any order made under this code, and the method of recovery of which is not otherwise expressly provided for shall be recoverable as if it were a fine.
৯,৮২৫.
"Semper Praesumitur Pro Legitimatione Puerorum"- নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. 115
  2. 111
  3. 114
  4. 112
ব্যাখ্যা

ল্যাটিন নীতি: “Semper Praesumitur Pro Legitimatione Puerorum”
বাংলা অর্থ: সর্বদা সন্তানের বৈধতা অনুমান করা হবে।

⇒ নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর ১১২ ধারার (Section 112) সাথে সম্পর্কিত।

Section 112– Birth during marriage, conclusive proof of legitimacy:
The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.

বাংলা অর্থ:
যদি কোনো শিশু বৈধ বিবাহ চলাকালীন জন্মগ্রহণ করে, অথবা বিবাহ বিচ্ছেদের পর ২৮০ দিনের মধ্যে জন্মগ্রহণ করে, এবং মা ঐ সময় পর্যন্ত পুনরায় বিবাহ না করে, তবে আইন ধরে নেবে যে শিশুটি বৈধ সন্তান (legitimate child) - যতক্ষণ পর্যন্ত প্রমাণ না হয় যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিলন (access) সম্ভব ছিল না।

অর্থাৎ, এই ধারা অনুযায়ী আদালত সবসময় ধরে নেয়- বিবাহিত দম্পতির ঘরে জন্ম নেয়া সন্তান বৈধ। এটি “Semper Praesumitur Pro Legitimatione Puerorum” (সন্তান সর্বদা বৈধ বলে অনুমান করা হবে) নীতিরই প্রতিফলন।

৯,৮২৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ এর অধীনে অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, কোনো নারীর শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। এছাড়া অর্থদণ্ড বা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৯,৮২৭.
দখল পুনরুদ্ধারের একটি মামলা দায়েরের তামাদি ৬ মাস। কিন্তু 'ক' ৮ মাস পর উক্ত মামলা দায়ের করে। মামলার বিবাদী পক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করেনি। এক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. বিবাদীর শর্তসাপেক্ষে মামলা বিচারে নিবে
  3. বিবাদী আপত্তি না করায় মামলা গ্রহণ করে বিচার শুরু করবে
  4. বিবাদী আপত্তি না করায় তামাদি মওকুফ করে আদালত মামলা আমলে নিবে
ব্যাখ্যা
এই ক্ষেত্রে আদালত মামলা খারিজ করবে।

• তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী-
তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর মামলা, আপীল বা দরখাস্ত দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদী পক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে তবুও উক্ত মামলা, আপীল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।

এই ধারা অনুযায়ী তামাদির বিষয়বস্তু ৩ টি। যথা-
১) মামলা;
২) আপিল; ও
৩) আবেদনপত্র।

এই ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
৯,৮২৮.
ক নিজেকে খ হিসেবে দাবি করে যেখানে খ মৃত। ক এইভাবে নিজেকে খ দাবি করে খ-এর ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করে। ক-এর অপরাধ পেনাল কোড-এর ________ ধারায় শাস্তিযোগ্য।
  1. ৪১৫
  2. ৪১৬
  3. ৪১৯
  4. ৪২০
ব্যাখ্যা
⇒ পেনাল কোডের ৪১৬ ধারায় ছদ্মবেশী প্রতারণার সংজ্ঞা (Cheating by personation)- দন্ডবিধির ৪১৬ ধারায় অপরের রূপ ধারন পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।
যে ব্যক্তির রূপ ধারন করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে । যেমন- করিম নিজেকে আলতাফ হোসেনের ৩ নম্বর পুত্র বলে রহিমের নিকট উপস্থাপন করে কিন্তু বাস্তবে আলতাফ সাহেবের ১ জন পুত্র রয়েছে। এক্ষেত্রে করিম ছদ্মবেশী প্রতারণার জন্য দায়ী হবে ।

♦ ৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
♦ পেনাল কোডের ৪১৯ ধারায় শাস্তি বর্ণিত আছে তাই ৪১৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
৯,৮২৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা অনুযায়ী আদালত স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ধারা ৮
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২২
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)
৯,৮৩০.
ধারা ২৩৪ অনুযায়ী, একই ধরনের সর্বোচ্চ কয়টি অপরাধের ক্ষেত্রে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে,
যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই ধারানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে।

তবে শর্ত এই যে, এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোন ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা, একই ধরণের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three. 

(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law: 

Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.

৯,৮৩১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারার অধীনে, দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. কারাদণ্ডসহ বাতিল
  2. পুনরায় কার্যকর
  3. ক্ষতিপূরণসহ বাতিল
  4. সংশোধনের নির্দেশ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন আদালত একটি দলিল বাতিল করার আদেশ দেয়, তখন আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে কোনো পক্ষের অন্যায়ের কারণে ক্ষতি না হয়। এর মানে হলো, আদালত বাতিলকৃত দলিলের কারণে যে পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে পারে।

এছাড়া, আদালত এই আদেশটি দেওয়ার সময় দলিলের সংশোধন বা পুনরায় কার্যকর করার ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা দেয় না, তাই "খ" এবং "ঘ" অপশন ভুল হবে। "ক" অপশনও সঠিক নয়, কারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে দলিল বাতিলের সাথে কারাদণ্ডের কোনো সম্পর্ক নেই।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা অনুসারে, আদালত যখন কোনো দলিল বাতিল করার আদেশ দেয়, তখন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে আদালত দলিল বাতিলের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করার নির্দেশ দিতে পারে।

উদাহরণ: যদি কোনো প্রতারণামূলক চুক্তি বাতিল করা হয়, তবে যে পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাকে আর্থিকভাবে পুনরুদ্ধার করার জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 41. Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
৯,৮৩২.
Who are 'Justices of the Peace' within their respective jurisdictions?
  1. Sessions Judges
  2. Metropolitan Magistrates
  3. Both of them
  4. None of them
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৫ ধারায় জাস্টিসেস অব দি পিসের বিধান রয়েছে।

• ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস (Ex-officio Justices of the Peace)-
২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 

Section 25: Ex-officio Justices of the Peace-
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
৯,৮৩৩.
একটি প্রচন্ড অগ্নিকান্ডের সময় আগুন যাতে চারদিকে ছড়িয়ে না পড়ে এবং মানুষের জীবন ও সম্পত্তির যেন কোন ক্ষতি না হয় সেজন্য ক আশপাশের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ফেলে। এখানে ক কি ধরণের অপরাধ করেছে?
  1. ক্ষতি
  2. উৎপাত
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮১ ধারার বিধান সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য, কিন্তু অপরাধমূক অভিপ্রায় ব্যতিরেকে এবং অন্যবিধ ক্ষতি নিবারণকল্পে সম্পাদিতঃ

কোন কাজ শুধু ক্ষতিসাধন করতে পারে এইরূপ জানা সত্ত্বেও উহা করার ফলেই অপরাধ বলে বিবেচনা করা হবে না যদি কাজটি ক্ষতিসাধন করার জন্য কোনরূপ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সম্পাদিত না হয়ে থাকে এবং উহা শরীরের বা সম্পত্তির অপর কোনরূপ ক্ষতি নিবারণ বা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে সম্পাদিত হয়ে থাকে। -
ব্যাখ্যা (Explanation):-
যে ক্ষতিটি নিবারণ বা প্রতিরোধ করতে হবে, উহা এতই আসন্ন বা প্রকট ছিল কিনা এবং উহা এমন প্রকৃতির ছিল কিনা যার ফলে, সম্পাদিত কাজটি ক্ষতি করতে পারে জানা সত্ত্বেও উহা করা বা করার মাধ্যমে ঝুঁকি গ্রহণ মার্জনীয় হবে, বাস্তব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই প্রশ্নটির মীমাংসা করতে হবে।

♦যেহেতু ক আগুন যাতে চারদিকে ছড়িয়ে না পড়ে এবং মানুষের জীবন ও সম্পত্তির যেন কোন ক্ষতি না হয় সেজন্য আশপাশের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ফেলেছে। অর্থাৎ বড় ক্ষতি বাচাতে  সরল বিশ্বাসে ছোট ক্ষতি করেছে তাই তার কাজ কোন অপরাধ হয়নি।
৯,৮৩৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করা যায় না?
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ৮টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
যথা- 
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব। 
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল ; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে  সম্পাদন করা যায় না। 
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য। 
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত। 
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত। 
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা। 
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়। 
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে। 
 
উল্লিখিত আটটি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন সম্ভব না।
-------------------
SR Act: Section-21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৯,৮৩৫.
সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় কোন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. অভিপ্রায় (Motive)
  2. প্রস্তুতি (Preparation)
  3. পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।

⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।

⇒ এই প্রশ্নের ঘটনাটি ৮ ধারা অনুযায়ী বিচার্য বিষয়ের পরবর্তী আচরণ ও বিচার্য ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত।

----------------
⇒ Motive, preparation and previous or subsequent conduct:
Section 8. Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
 
The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.
৯,৮৩৬.
কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পুলিশের পরোয়ানা বা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ প্রয়োজন নেই?
  1. অপরাধী ঘোষণা করা হলে
  2. ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম থাকলে
  3. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী হলে
  4. উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। যথা-
(i) কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেছে বা জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ (reasonable suspicion) থাকলে।
(ii) আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত কোন ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম (Implement of house breaking) থাকলে।
(iii) কোন ব্যক্তিকে অপরাধী ঘোষণা করা হলে (proclaimed as an offender)।
(iv) কোন ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (stolen property) পাওয়া গেলে বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে সন্দেহ হলে।
(v) কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে অথবা আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে (escape from lawful custody) অথবা পলায়নের চেষ্টা করলে।
(vi) সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী (deserter)।
(vii) বাংলাদেশের বাহিরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে।
(viii) মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী (released convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে; অথবা
(ix) যে ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
৯,৮৩৭.
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
  2. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধী সম্পত্তি বিশ্বাসভরে দখলে পেয়ে থাকে 
  3. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধের বিষয়বস্তু স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি
  4. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধী সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করে 
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ। অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোন ভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাঙ্করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় না।
- তাই উল্লিখিত প্রশ্নে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় তথ্যটি সঠিক নয়।
৯,৮৩৮.
ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের মূল দায়িত্ব কী?
  1. আদালতকে সাহায্য করা
  2. আসামিকে দোষী প্রমাণ করা
  3. সরকারি পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য দেওয়া
  4. যে পক্ষ তার সাক্ষ্য উপস্থাপন করেছে, তাদের সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৯,৮৩৯.
“No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of the parties”- এটি দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারা/আদেশের বিধান?
  1. আদেশ ৪১
  2. ধারা ৯৫
  3. ধারা ৯৬
  4. ধারা ৯৭
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তার হতে কোন আপীল চলবে না।

♦ অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না।

♦ দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
৯,৮৪০.
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায়, সরকারি কর্মচারীকে হুমকি দেওয়ার ক্ষেত্রে শাস্তির মেয়াদ কত সময় পর্যন্ত হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কেউ সরকারি কর্মচারীকে বা তার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি দেয়, এবং সেই হুমকি দেওয়ার উদ্দেশ্য যদি সরকারি কর্মচারীকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা অথবা কোনো কাজ করতে বিলম্বিত করার জন্য হয়, তবে সেই ব্যক্তি ২ বছর পর্যন্ত মেয়াদে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি হতে পারে।
- এতে নির্দেশিত শাস্তির মেয়াদ ২ বছর পর্যন্ত হতে পারে, এবং শাস্তি কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার সরকারি কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারি কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারি কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৯,৮৪১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৯ বিধি ৭ এর অধীন আদালত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কী আদেশ দিতে পারে?
  1. আটক
  2. সংরক্ষণ
  3. পরিদর্শন
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি [Detention, preservation, inspection, etc., of subject-matter of suit]:

১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত—

ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।
৯,৮৪২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫১ অনুসারে আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা
  2. আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার রোধ করা
  3. মামলার পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা বাধ্যতামূলক করা
  4. 'ক' এবং 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৫১ অনুযায়ী, আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা একটি সহজাত বা অলিখিত ক্ষমতা যা আদালত প্রয়োগ করতে পারে যখন-
(১) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন হয়, অথবা
(২) আদালতের কার্যপ্রণালীর অপব্যবহার প্রতিরোধ করতে হয়।
এই ক্ষমতা তখনই ব্যবহৃত হয় যখন দেওয়ানী কার্যবিধির কোনো নির্দিষ্ট বিধান সেই পরিস্থিতির জন্য যথেষ্ট নয় বা কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। তবে আদালত এই ক্ষমতা আইনের সীমার মধ্যে থেকে সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ করবে, যেন তা স্বেচ্ছাচারিতা বা ক্ষমতার অপব্যবহারে পরিণত না হয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section:151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
৯,৮৪৩.
দণ্ডবিধি অনুসারে কয় ধরনের ফলাফল বা পরিণতিকে আঘাতের সংজ্ঞাভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৬ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারা: আঘাত:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 319- Hurt:
Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.

⇒ পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ৩১৯ ধারা অনুযায়ী, আঘাত বলতে বোঝায়- শরীরের যেকোনো দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা। এই ৩টি হচ্ছে আঘাতের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত ফলাফল:
- ব্যথা (Pain);
- রোগ (Disease);
- শারীরিক অক্ষমতা (Infirmity)।
৯,৮৪৪.
আপিল বা রিভিশন পর্যায়ে আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে-
  1. পক্ষদ্বয় আবেদন করলে
  2. ন্যায় বিচারের স্বার্থে
  3. পক্ষদ্বয়ের সুবিধা বিবেচনা করে
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২১- এখতিয়ারে আপত্তি (Objections to jurisdiction):

যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়,সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে,আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপিল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপিল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

[No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement and unless there has been a consequent failure of justice].
৯,৮৪৫.
সরকার কত ধারা অনুযায়ী অশ্লীল প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করতে পারে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৭ ধারা
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৮ ধারা
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯(ক) ধারা
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯(গ) ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিবার ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভূক্ত হয়েছে-
(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩ক অথবা ১২৪্ক অথবা ১৫৩ক অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫্ক অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫ক মতে দণ্ডনীয়,
(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা
(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা
(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারী গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গনে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোন সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সঙ্গত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপ-ধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধিকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
৯,৮৪৬.
বিচারকালীন আসামী যে মেয়াদের কারাবাস ভোগ করেছে তা যদি সে যে দণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে তার মেয়াদ অপেক্ষা বেশী হয়, তাহলে আসামী-
  1. অর্থ দণ্ড যদি থাকে মওকুফ হবে
  2. তাকে কারাবাস থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে
  3. নতুন করে কারাবাস শুরু হবে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫ ক অনুযায়ী দণ্ডাদেশের পূর্বে যদি জেল হাজতে যে মোট মেয়াদে অপরাধীকে দণ্ডিত করা হয়েছে তদাপেক্ষা অধিক হয়ে থাকে, তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রদত্ত কারাদণ্ড ভোগ করিয়াছে বলে গণ্য হবে এবং জেল হাজতে থাকলে তৎক্ষণাৎ মুক্তি দিতে হবে এছাড়াও যদি কোন জরিমানা পরিশোধ করার দণ্ডিত করা হয়ে থাকে,তাহলে উক্ত অর্থদণ্ড জরিমানা মওকুফ হয়ে যাবে।
৯,৮৪৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় শুধুমাত্র ডাকাতির শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩৯১
  2. ৩৯২
  3. ৩৯৫
  4. ৩৯৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারার বিধান ডাকাতির সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
-------------------
⇒ Section 395:- Punishment for dacoity:- Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৯,৮৪৮.
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহকরণ (Bigamy) এর শাস্তি হতে পারে-
  1. অর্থদণ্ডসহ ৭ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস
  2. ৫ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস এবং অর্থদণ্ড 
  3. ১০ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস এবং অর্থদণ্ড
  4. ৩ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা: কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম:- অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

⇒ Section 494. Marrying again during life-time of husband or wife:- Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void by reason of its taking place during the life of such husband or wife, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to finel.

Exception: This section does not extend to any person whose marriage with such husband or wife has been declared void by a Court of competent jurisdiction, nor to any person who contracts a marriage during the life of a former husband or wife, if such husband or wife, at the time of the subsequent marriage, shall have been continually absent from such person for the space of seven years, and shall not have been heard of by such person as being alive within that time provided the person contracting such subsequent marriage shall, before such marriage takes place, inform the person with whom such marriage is contracted of the real state of facts so far as the same are within his or her knowledge.
৯,৮৪৯.
এক জন চোর এক বাড়িতে প্রবেশ করে এবং বাসিন্দাদের জীবন নাশের হুমকি দিয়ে টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে। এক্ষেত্রে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. দস্যুতা
  2. গুরতর চুরি
  3. বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  4. মারাত্মক আঘাত
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা- দস্যুতা:
প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়। যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ উল্লিখিত ঘটনায় অপরাধী মৃত্যুর ভয় দেখিয়েছে এবং চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করেছে। সুতরাং তা দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারায় দস্যুতা হিসেবে বিবেচিত হবে।
৯,৮৫০.
তামাদি আইনে কয়টি আইনগত অপারগতার উল্লে­খ আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority];
২. উন্মাদ [Insanity];
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]।


⇒ মােকদ্দমা করার অধিকারী ব্যক্তি যে সময়ে মামলা করার অধিকারী হয়, তখন সে নাবালক বা উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি সম্পন্ন থাকলে, তার মামলা দায়ের করার ও তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে, যে সময় থেকে তার আইনগত অপারগতার অবসান ঘটবে।

⇒ যদি উক্ত ব্যক্তির একটি আইনগত অপারগতা থাকাকালীন সময়ে আরাে একটি অপারগতায় আক্রান্ত হয়, সেক্ষেত্রে দুটি আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

⇒ যদি উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তার আইনানুগ প্রতিনিধি, যদি তার আবার কোন অপারগতা না থাকে, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

৯,৮৫১.
'যদি প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমায় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে ব্যক্তিগত নোটিশ দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে আদালত গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নোটিশ প্রকাশ করতে পারে' বিধানটি রয়েছে-
  1. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৬
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৭
  3. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৮
  4. দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তিসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।
(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
--------------  
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in the same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plaintiff's expense, notice of the institution of the suit to all such personnel either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct.
2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
৯,৮৫২.
প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা কত ধারায় বর্নিত হয়েছে?
ব্যাখ্যা
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা বর্নিত হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারার বিধান: নিরোধক প্রতিকার: ৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
----------
-The Specific Relief Act, 1877 Section 6. Preventive relief:
- Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
৯,৮৫৩.
ফৌজদারি অপরাধের সাধারণ ব্যতিক্রম দণ্ডবিধির কত থেকে কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৭৬ থেকে ১০০ ধারায়
  2. ৯৬ থেকে ১০৬ ধারায়
  3. ৭৪ থেকে ১০৪ ধারায়
  4. ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর চতুর্থ অধ্যায় ৭৬ ধারা থেকে ১০৬ ধারা পর্যন্ত সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ বা General exceptions নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয় না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে। দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে। দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত; অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না।
- পেনাল কোডের ৭৬-১০৬ ধারার মধ্যে যে সকল সাধারণ ব্যতিক্রম বর্ণনা করা হয়েছে সেগুলোর কোনো একটির সুযোগ যদি কোনো অভিযুক্ত পায় তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে যে কাজের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে তা আর অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে না। অভিযুক্ত ব্যক্তি এই ক্ষেত্রে নিরপরাধ হিসেবে খালাস পাবে। দোষী সাব্যস্ত করার সুযোগও নাই।
- সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লিখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৯,৮৫৪.
'Negative Injunction' এর বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় আছে?
  1. ৫৫
  2. ৫৬
  3. ৫৭
  4. ৫৪
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য আদালত যে নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করে তাকে Negative Injunction বলে।

- নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
--------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-57. Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.
৯,৮৫৫.
"The Court may presume that judicial and official acts have been regularly performed" এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. Section 114(a)
  2. Section 114(c)
  3. Section 114 (e)
  4. Section 114 (g)
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-114: Court may presume existence of certain facts: The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case.  
 
Illustrations 
The Court may presume – 
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; 
(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; 
(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; 
(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; 
(e) that judicial and official acts have been regularly performed; 
(f) that the common course of business has been followed in particular cases; 
(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it; 
(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; 
(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. 
 
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it:– 
as to illustration (a) –A shop-keeper has in his till a marked Taka soon after it was stolen, and cannot account for its possession specifically, but is continually receiving Taka in the course of his business: 
---------------
সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে-
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে -
(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;
(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;
(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।
তবে বিশেষ মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলি প্রযোজ্য কিনা তা বিবেচনা করার সময় আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলিও বিবেচনা করবে।
৯,৮৫৬.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৩৪ ধারা অনুযায়ী, একজন সাক্ষী দ্বারা কি মামলা প্রমাণ করা যায়?
  1. না
  2. হ্যাঁ
  3. শুধুমাত্র দেওয়ানি মামলায়
  4. শুধুমাত্র গুরুতর মামলায়
ব্যাখ্যা
• সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল- 'witnesses are weighed, not numbered'.- বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।

সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়। এক্ষেত্রে মামলার ধরন অপ্রাসঙ্গিক।
৯,৮৫৭.
কোন ধারায় সাক্ষ্য আইনে ইঙ্গিতবাহী (Leading) প্রশ্নের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪০
  3. ধারা ১৪১
  4. ধারা ১৪২
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪১-এই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের (Leading Question) সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না: বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।
যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে: জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
-------------
⇒The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
⇒The Evidence Act, 1872- Section 142.When they must not be asked:
- Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 
- The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
⇒The Evidence Act, 1872- Section 143. When they may be asked:
- Leading questions may be asked in cross-examination.

৯,৮৫৮.
নিচের কোন চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য?
  1. A, B কে বিবাহ করার চুক্তি।
  2. সাহিত্যকর্ম সম্পন্ন করতে লেখকের সাথে প্রকাশকের চুক্তি
  3. A ১০০০ টাকার বিনিময়ে B-এর ছবি আঁকবে।
  4. নির্দিষ্ট বর্ণনার কিছু সংখ্যক শেয়ার A কর্তৃক B-এর বিক্রয় করার চুক্তি
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২১ ধারা অনুযায়ী- যদিও শেয়ার অস্থাবর সম্পত্তি, এমন শেয়ার যেহেতু নির্দিষ্ট বর্ণনার এবং এমন শেয়ার যেহেতু সর্বদা বাজারে ক্রয় করার জন্য পাওয়া যায় না এবং এমন শেয়ার যেহেতু সংখ্যায় কম যা অন্যকোন উপায়ে সংগ্রহ করা যায় না, সেহেতু এমন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য।
♦ বাকী অপশনগুলো ২১ ধারা অনুসারে বলবৎযোগ্য নয়।
৯,৮৫৯.
দেওয়ানী আদালতের ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের কত সময়ের মধ্যে ডিক্রিজারী মামলা দায়ের করতে হয়?
  1. তিন বৎসর
  2. পাঁচ বৎসর
  3. বিশ বৎসর
  4. এক বৎসর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৮২ অনুচ্ছেদমতে-
যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি সংশোধন করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে উক্ত সংশোধিত ডিক্রি জারির দরখাস্ত সংশোধনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

এছাড়া, রেজিস্ট্রিকৃত/নিবন্ধিত ডিক্রি বা আদেশের ক্ষেত্রে জারি বা কার্যকর করার জন্য আবেদনের সময়সীমা ৬ বছর।
৯,৮৬০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার বিধান রয়েছে?
  1. ৯৬ ধারা
  2. ১০৪ ধারা
  3. ১০৭ ধারা
  4. ১০৯ ধারা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
৯,৮৬১.
'An advocate on the roll may, in the manner hereinafter provided, be reprimanded, suspended or removed from practice if he is found guilty of professional or other misconduct.'- The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩০
  2. অনুচ্ছেদ ৩২
  3. অনুচ্ছেদ ৩৪
  4. অনুচ্ছেদ ৩৬
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর Article 32:
(1) An advocate on the roll may, in the manner hereinafter provided, be reprimanded, suspended or removed from practice if he is found guilty of professional or other misconduct.

(2) Upon receipt of a complaint made to it by any Court or by other person that any such advocate has been guilty of misconduct, the Bar Council shall, if it does not summarily reject the complaint, refer the case for disposal to a Tribunal constituted under Article 33 (hereinafter referred to as the Tribunal) and may of its own motion so refer any case in which it has otherwise reason to believe that any such advocate has been so guilty.

অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী-
ট্রাইব্যুনাল পেশাগত বা অন্য কোন অসদাচরণের জন্য সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেটকে তিরস্কার (Reprimand), সাময়িক অপসারণ (Suspend) এবং আইন পেশা হতে অব্যাহতি (Remove) প্রদান সংক্রান্ত শাস্তি প্রদান করতে পারবে।
৯,৮৬২.
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ [Interlocutory orders] দেয়া যেতে পারে যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু-
  1. স্থাবর সম্পত্তি হয়
  2. অস্থাবর সম্পত্তি হয়
  3. অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
  4. স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি উভয় হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale): কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
---------------------
Interlocutory Orders:
⇒ Order-39 Rule-6. Power to order interim sale:
The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
৯,৮৬৩.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি বা বিলম্ব মওকুফ (Condonation of Delay) প্রযোজ্য নয়?
  1. আপিল
  2. মূল মোকদ্দমা
  3. রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত
  4. আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের-৫ ধারার বিধান তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি বা বিলম্ব মওকুফ (Condonation of Delay)- তামাদি আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কোন মামলা, আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা অন্য কোন দরখাস্ত আইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাখিল করতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করা না হলে আদালত সরাসরি ৩ ধারানুযায়ী মামলাটি খারিজ করে দিবে; তবে মূল মামলা ব্যতীত আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা অন্য যে কোন দরখাস্ত নির্ধারিত সময়ের পর করা হলেও দরখাস্তকারী ৫ ধারার বিধান মতে বিজ্ঞ আদালতকে সন্তুষ্ট করার মতো যথাযথ কারণ (sufficient cause) উল্লেখ পূর্বক তামাদির মেয়াদ মওকুফের (Condonation of Delay) জন্য আবেদন করতে পারবেন। আদালত ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তামাদির মেয়াদ মওকুফ করতে পারেন।
সুতরাং তামাদি আইন কঠোর হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই কঠোর বিধি লঙ্ঘনের স্বাধীনতা রয়েছে। যেটিকে আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বা Condonation of Delay বলা হয়।

তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫ টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। 
 নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য -
i) আপিল (Appeal);
ii) আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত (Leave to appeal)
iii) রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত (Revision)
iv) রায়ের পুনঃনিরীক্ষণের দরখাস্ত (Review)
v) অন্য কোনো দরখাস্তে ( Any other application)
এছাড়া অন্যকোনো ক্ষেত্রে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের সুযোগ নেয়া যাবে না।

১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়-
১. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে।
২. মূল মামলার ক্ষেত্রে। যেমন- স্বত্ব ঘোষণা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা ইত্যাদি।

-১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার প্রদত্ত ব্যাখ্যা অনুযায়ী আপিলকারী বা দরখাস্তকারী হাইকোর্ট বিভাগের কোন আদেশ, প্রথা বা রায় দ্বারা তামাদির মেয়াদ গণনা বা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হলে তা পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে। এছাড়া উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে- মারাত্মক অসুস্থতা, কারাবাস, সরল বিশ্বাসে ভুল, আইনজীবী বা উকিলের ভুল ইত্যাদি।
-তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকৃষ্ণের জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
৯,৮৬৪.
নিম্ন আদালতে নূন্যতম কতদিন প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার যোগ্য হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল অর্ডার-এর ২১ নং আর্টিকেলে বলা আছে যে নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা না থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার অনুমতি পাবে না।
- অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার জন্য নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
-------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-21. (1) No advocate other than an advocate permitted to practise before the High Court immediately before the commencement of this Order shall be permitted to practise before the High Court unless-
(a) he has practised as an advocate before subordinate courts in Bangladesh for a period of two years;
(b) he is a law graduate and has practised as an advocate before any High Court outside Bangladesh notified by the Government in the official Gazette;
(c) he has, for reason of his legal training or experience, been exempted by the Bar Council from the foregoing requirements of this clause on the basis of the prescribed criteria.
 
(2) Permission to practise before the High Court shall be given in the form prescribed by the Bar Council on proof that the fee prescribed under Article 22 has been paid and that the relevant condition laid down in clause (1) are duly satisfied.
৯,৮৬৫.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার সংজ্ঞা অনুযায়ী নিচের কোনটি চুরির হিসেবে গণ্য হয়?
  1. সম্পত্তি ধ্বংস করা
  2. স্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ
  3. অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ
  4. সম্পত্তির মালিকের সম্মতিতে সম্পত্তি গ্রহণ
ব্যাখ্যা
উত্তর: অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৯,৮৬৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ অনুযায়ী আদালত কয়টি বিষয়ে কমিশন নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. ৬টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
-----------
⇒ Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
৯,৮৬৭.
কোন ক্ষেত্রে বিষেজ্ঞর মতামত (expert opinion) প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. বিদেশী আইন
  2. বিজ্ঞান
  3. হস্তরেখা
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ The Evidence Act 1872 এর ৪৫ ধারায় বলা হয়েছে বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, কলা বিজ্ঞান, হস্তরেখা, আঙ্গুলের ছাপ ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষ ব্যক্তিদের সাক্ষ্য মোকদ্দমায় প্রাসঙ্গিক হবে।
৯,৮৬৮.
ক এমন একটি রোগে ভুগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা আছে। খ এই কথা না জেনে 'ক' কে দৈহিক জখম করার অভিপ্রায়ে এমন আঘাত করে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে। উক্ত আঘাতের ফলে 'ক' মারা যায়।
  1. হত্যা
  2. খুন
  3. অপরাধজনক নরহত্যা
  4. নরহত্যা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার প্রথম অংশের অনুচ্ছেদ ২ অনুযায়ী, যদি অপরাধী জানে যে, সে যে ধরনের দৈহিক জখম করছে তা যে ব্যক্তিকে জখম করা হচ্ছে তার মৃত্যু ঘটাতে পারে এবং সে যদি এটা জেনে জখম, করে মৃত্যু ঘটায় তাহলে সেটা খুন হবে। আর যদি না জেনে জখম করে হত্যা করে, তাহলেও সেটা ৩০০ ধারার ৩য় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী খুন বলে গণ্য হতে পারে যদি জখমের প্রকৃতি এমন হয় যে, উক্ত জখম একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট। এই ক্ষেত্রে জখমের অভিপ্রায় ছিল কিনা এবং জখম করার অভিপ্রায় নিয়ে এমন আঘাত করেছে কিনা যা একজন সুস্থ ব্যক্তির প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট কিনা তা বিবেচ্য বিষয় যদি মৃত্যু ঘটাতে যথেষ্ট হয় তাহলে সেটা খুন হবে। প্রশ্নে যদিও বা জানতো না যে, ক এমন একটি রোগে ভুগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হবার সম্ভাবনা আছে, কিন্তু খ, ক-কে এমন আঘাত করে হত্যা করেছে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে। তাই 'খ' খুনের দায়ে অভিযুক্ত হবে।

♦ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুনঃ
খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে যে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
৯,৮৬৯.
পুলিশি রিমান্ড(Police remand) বলতে বুঝায়?
  1. আদালত কর্তৃক মামলাটি পূনঃবিচারের জন্য প্রেরণ
  2. আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
  3. আদালত কর্তৃক ফরিয়াদিকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
  4. পুলিশ কর্তৃক অভিযুক্তকে আদালতে প্রেরণ
ব্যাখ্যা
• গ্রেফতার ও রিমান্ড সম্পর্কে  ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ এবং ১৬৭(২) ধারায় যা বলা হয়েছে তা নিম্নরূপ-
ধারা ৬১ অনুযায়ী তদন্ত কার্য সম্পন্ন না করা গেলে,গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আটক রাখা যাবে না।তাকে নিকটস্থ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রিটের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

• ধারা ১৬৭(২)এ রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে-
(১) যখনই কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং প্রতীয়মান হয় যে,৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করা যাবে না এবং এরুপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে,অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢভিত্তিক,তা হলে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসার,তিনি যদি সাব-ইন্সপেক্টর পদের নিম্নপদস্থ না হন,অবিলম্বে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরিতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত তথ্যের নকলসহ অভিযুক্তকে নিকটতম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারা অনুসারে অভিযুক্তকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে,তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক,তিনি তার বিবেচনামতে অভিযুক্তকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন,তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।

• মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন,তা হলে তিনি অভিযুক্তকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন।তবে শর্ত থাকে যে,তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন,এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
৯,৮৭০.
ধারা ৩৮৬ এর অধীনে আসামির কোন ধরনের সম্পত্তিতে পরোয়ানা কার্যকর করে ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা যাবে?
  1. কেবল স্থাবর সম্পত্তি
  2. কেবল অস্থাবর সম্পত্তি
  3. স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তি
  4. কোন ধরনের সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮৬- জরিমানা আদায়ের পরোয়ানা (Warrant for levy of fine):
কোন আসামিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হলে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নলিখিত দুইটি উপায়ে জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন-
১. অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় ও বিক্রয়;
২. স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে পরোয়ানা কার্যকর করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন। আদালত কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করলে উক্ত ওয়ারেন্ট ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার বলে গণ্য করা হয়।

জরিমানা আদায়ের জন্য অপরাধীর স্থাবর, অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করে টাকা আদায়ের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে জরিমানা পরিশোধ করা না হলে, অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং আসামী আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে সেই ক্ষেত্রে পুনরায় কারাদণ্ডের আদেশ বা অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ বা পুনরায় আদায়ের আদেশ দিতে পারবেন না। অপরাধীকে গ্রেফতার বা কারাগারে আটক রেখেও এরূপ কোন পরোয়ানা কার্যকর করা যাবে না। অর্থাৎ, আসামী যদি আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে, এক্ষেত্রে আদালত উল্লিখিত কোনো আদেশ দিতে পারে না।
৯,৮৭১.
নিম্নলিখিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করতে পারেন ?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ এর অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-

> মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট [Metropolitan Magistrate] 
> ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট [Magistrate of the first class]
> ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ [any Bench of Magistrates invested with the powers of a Magistrate of the first class]
৯,৮৭২.
'Health and safety of arrested person' সংশ্লিষ্ট বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪৬খ
  2. ধারা ৪৬গ
  3. ধারা ৪৬ঘ
  4. ধারা ৪৬ঙ
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৬ঘ – গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা:
যে ব্যক্তি কোনো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির হেফাজতে থাকবে, তার কর্তব্য হবে ঐ গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে যুক্তিসঙ্গত যত্ন নেওয়া।

46D. Health and safety of arrested person.-
It shall be the duty of the person having custody of an arrested person to take reasonable care of his health and safety.

৯,৮৭৩.
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়_______এর ক্ষেত্রে-
  1. examination-in-chief
  2. re-examination
  3. cross-examination
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করে প্রশ্নের মধ্যে তার ইঙ্গিত থাকলে, সেই প্রশ্নকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলে। সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারায় বলা হয়েছে, জেরায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যেতে পারে leading questions may be asked in cross-examination.
৯,৮৭৪.
যে মামলায় একজন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে সেই মামলার বিচার করতে হলে কার থেকে অনুমতি গ্রহণ করতে হবে?
  1. রিভিশন আদালতের
  2. হাইকোর্ট  বিভাগের
  3. আপিল আদালতের
  4. আপিল বিভাগের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না।

♦ কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারায় ‘Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa.

♦ অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own cause' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
৯,৮৭৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশ কার্যকর করা এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করার বিধান আছে?
  1. ১৪
  2. ১৫
  3. ১৬
  4. ১৭
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে- কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান: কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
৯,৮৭৬.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুসারে আপিল রিভিশন ৯০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বিধানটি আছ-
  1. ৪৪২ ধারায়
  2. ৪৪২-ক ধারায়
  3. ৪৪২-খ ধারায়
  4. ৪৪৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৪২ক মতে- কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে আপীল নিম্পত্তি করবেন এবং রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিস্পত্তি করবেন।
৯,৮৭৭.
ORDER-XII-এর Rule-2 অনুযায়ী দলিল স্বীকারের নোটিশ পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ৯ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
ORDER-XII এর Rule-2 অনুযায়ী, দলিল স্বীকারের নোটিশ পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে।
- এটি নির্দেশ করে যে, যদি এক পক্ষ অপর পক্ষকে দলিল স্বীকারের জন্য নোটিশ দেয়, তবে উক্ত নোটিশ পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই দলিল স্বীকার করার জন্য পক্ষটি বাধ্য থাকবে।
- যদি দলিলটি স্বীকার করতে অস্বীকার করা হয় অথবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো উত্তর না দেওয়া হয়, তবে সেই দলিলের প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকেই বহন করতে হবে, তবে আদালত যদি অন্য কোনো নির্দেশনা দেয়, তাহলে তা ভিন্ন হতে পারে।
------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-2. Notice to admit documents:
Either party may call upon the other party, [to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document], saving all just exceptions. In case of refusal or neglect to admit the document after such notice, the costs of proving such document shall be paid by the party neglecting or refusing, regardless of the outcome of the suit, unless the Court directs otherwise. Additionally, no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the Court deems the omission to give notice as a saving of expense.
৯,৮৭৮.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার অধীনে বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে?
  1. ৩ ধারার
  2. ৫ ধারার
  3. ৭ ধারার
  4. ৯ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:
- কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।ঃ
- ব্যাখ্যা: দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।

⇒ বিচার্য বিষয় (Facts in Issue)- বিচার্য বিষয় হলো এমন কোন ঘটনা যাকে কোন মামলার মূল বিষয় হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যভাবে বলা যায়, যে বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে আদালত তার সিদ্ধান্ত প্রদান করে তাকে বিচার্য বিষয় বলে। কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় মামলার এক পক্ষ স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। যে কোন মামলার প্রকৃত বিষয় ও সত্যতা উদঘাটনের বিচার্য বিষয়ের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

⇒ প্রাসঙ্গিক বিষয় (Relevant Facts)- যে ঘটনাটি অন্য কোন ঘটনার অস্তিত্ব ও অস্তিত্বহীনতা প্রমাণ করে, তাই প্রাসঙ্গিক ঘটনা বা Relevant Fact। কোন বিষয়কে প্রাসঙ্গিক হতে হলে উক্ত ঘটনাকে কোন না কোন দিক হতে বিচার্য বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে হবে। সাক্ষ্য আইনের ৫ থেকে ৫৫ ধারায় বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevance of Facts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
--------------
⇒The Evidence Act,1872: Section 5. Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
৯,৮৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. সরকার
  3. আপিল বিভাগ
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে।

ধারা ৪১: ক্ষমতাদি প্রত্যাহরকরণ-
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।

Section 41: Withdrawal of powers-
(1) The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
৯,৮৮০.
How many total rules are there in the Canons of Professional Conduct and Etiquette?
  1. 4
  2. 14
  3. 24
  4. 42
ব্যাখ্যা

⇒Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
- "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to other advocates) 
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to clients) 
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য (Duty to the court) 
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to the public generally)

৯,৮৮১.
একজন স্বাক্ষীর আচরণ সংক্রান্ত মন্তব্য প্রাসঙ্গিক হলে তা লিপিবদ্ধ করাবে-
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. বিচারক
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  4. আইনজীবী
ব্যাখ্যা
♦ একজন স্বাক্ষীর আচরণ সংক্রান্ত মন্তব্য প্রাসঙ্গিক হলে তা লিপিবদ্ধ করাবে-বিচারক।

♦ যদিও প্রশ্নটি সাক্ষ্য আইনের কিন্তু এই বিষয়ে সাক্ষ্য আইনে সরাসরি কোথায়ও উল্লেখ নাই। 

♦ তবে ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৬৩ ধারা মতে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে মন্তব্য:
- যেক্ষেত্রে কোন দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কোন সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করে থাকেন, সেক্ষেত্রে যদি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন, সাক্ষীর জবানবন্দীর সময়ের তার আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে কোন মন্তব্য (যদি থাকে) লিপিবদ্ধ করবেন।

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি-১২ মতে সাক্ষীর আচরণ (Demeanour of witnesses):
- গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে আদালত সাক্ষীর আচরণ মন্তব্য আকারে লিখে রাখবেন।

Sections 363 of Code of Criminal Procedure, 1898:
Remarks respecting demeanor of witness:
- When a Sessions Judge or Magistrate has recorded the evidence of a witness, he shall also record such remarks (if any) as he thinks material respecting the demeanour of such witness whilst under examination.

Order 18 Rule 12-Code of Civil Procedure, 1908.
Remarks on demeanour of witnesses.
- The court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.
৯,৮৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারানুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন-
  1. স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে
  3. হাইকোর্টের নির্দেশে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান-
(১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এই ধারার অধীনে কাজ করার জন্য বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট নয়) মতে এই ধারার অধীনে অগ্রসর হওয়ার মতো যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়—সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয়বস্তু বর্ণনা করে এবং তা ধারা ১৩৪-এ বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করে কোনো ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত থাকতে অথবা কোনো নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে না রাখতে নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বিবেচনা করেন যে তাঁর নির্দেশে আইনের দ্বারা নিযুক্ত কোনো ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা জনশান্তির বিঘ্ন, কিংবা দাঙ্গা বা মারামারি প্রতিরোধের সম্ভাবনা আছে অথবা প্রতিরোধে সহায়তা করবে।

(২) জরুরি পরিস্থিতিতে অথবা যার ওপর আদেশ দেওয়া হচ্ছে, তার ওপর সময়মতো নোটিশ জারি করার সুযোগ না থাকলে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।

(৩) এই ধারার আদেশ কোনো ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোনো বিশেষ স্থানে ঘনঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতিও নির্দেশিত হতে পারবে।

(৪) যে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে অথবা কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই ধারানুসারে তাঁর নিজের বা তাঁর অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা তাঁর পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

(৫) এরূপ কোনো আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্রই ব্যক্তিগতভাবে বা কৌঁসুলীর মাধ্যমে তাঁর নিকট হাজির হওয়ার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর সুযোগ দেবেন, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন, তাহলে তিনি তা করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা থাকা অবস্থায় সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে, এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোনো আদেশ দুই মাসের বেশি বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগর এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

৯,৮৮৩.
স্থাবর সম্পত্তি থেকে ডিক্রিদার কর্তৃক দ্বারা বেদখল হলে আদেশ ২১ বিধি-১০০ এর অধীন কে আবেদন করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র দায়িক
  2. শুধুমাত্র নিলাম বিক্রির ক্রেতা
  3. সম্পত্তির বৈধ দখলদার শুধু
  4. দায়িক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

আদেশ ২১ বিধি-১০০: ডিক্রিদার বা ক্রেতা কর্তৃক বেদখল-
১) যেক্ষেত্রে দায়িক ব্যতীত কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রাপ্ত ডিক্রির মালিক কর্তৃক কিংবা যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি ডিক্রি জারিতে নিলামে বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে উহার খরিদ্দার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ বেদখলের অভিযোগ করে আদালতে একটি আবেদন করতে পারে।

২) আদালত বিষয়টি তদন্ত করার জন্য দিন ধার্য করবে এবং যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে, সে পক্ষকে হাজির হওয়ার এবং উত্তর দেয়ার জন্য সমন প্রদান করবে।

৯,৮৮৪.
পুলিশের নিকট আসামীর স্বীকারোক্তি কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসাবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলক হলে
  2. স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
  3. নিরপেক্ষ স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান:  আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।

⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
৯,৮৮৫.
একজন শিশুকে কীসের ভিত্তিতে যোগ্য সাক্ষী হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. বয়স
  2. বোধশক্তি
  3. শিক্ষাগত যোগ্যতা
  4. সবগুলোর উপর
ব্যাখ্যা
•  সাক্ষীর যোগ্যতা: সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা আছে ১১৮- ১৩১ ও ১৩৩ ধারায়।

সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।
ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

উক্ত ধারা অনুযায়ী প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে সক্ষম সকল ব্যক্তি যোগ্য সাক্ষী। যেমন- বোধশক্তিসম্পন্ন শিশু, অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক, প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম বিকৃতমস্তিস্কের ব্যক্তি; বোবা, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম ব্যক্তি। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা, শিক্ষাগত যোগ্যতা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবে না।
৯,৮৮৬.
দলিল সংশোধন করা যায়-
  1. প্রতারণা হলে
  2. দলিলের প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ না হলে
  3. পক্ষগণের পারস্পরিক ভুল থাকলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল; ও
ii) লিখিত চুক্তি।

⇒ ৩ কারনে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে। 

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
৯,৮৮৭.
কমিশন জারির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিষয়টি সঠিক নয়?
  1. বন্টনের মোকদ্দমায় ছাহাম নির্ধারণ;
  2. মোকদ্দমার বিরোধীয় হিসাব পরীক্ষা;
  3. বিরোধীয় সম্পত্তির চৌহদ্দি নিরূপণ;
  4. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908,এর ৭৫ ধারা মতে নির্ধারিত শর্তাবলী ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
♦অর্থাৎ আদালত ৪ টি উদ্দেশ্যে আদালত কমিশন ইস্যু করতে পারেন। তা হলো – জবানবন্দি বা সাক্ষ্য গ্রহণ, সরেজমিন তদন্ত, হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় এবং সম্পত্তির বিভাগ বা বাটোয়ারা। ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ এর জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারবেন না।
৯,৮৮৮.
যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের মেয়াদ শুরু হবে-
  1. দরখাস্ত দাখিলের দিন থেকে
  2. অধিকার উদ্ভবের দিন থেকে
  3. মামলার শেষ হওয়ার দিন থেকে
  4. বিচারকের আদেশ পাওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী,
যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে।
অর্থাৎ, যখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার বা দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে।

৯,৮৮৯.
সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য চুক্তির এক পক্ষ যদি চুক্তির অন্য অংশ পালন করতে অস্বীকার করে এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দেয়, তাহলে চুক্তির অপর পক্ষ-
  1. শুধু ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে
  2. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে না
  3. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ২০:
''একটি চুক্তি যা সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য, তা এমনভাবেও বাস্তবায়িত হতে পারে, যদিও সেখানে চুক্তি লংঘনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং বিলম্বকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানের প্রস্তুত থাকে।''

এই ধারায় চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি তুলে ধরছে। এখানে বলা হচ্ছে যে, একটি চুক্তি যদি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে সেটি বাস্তবায়নযোগ্য, যদিও চুক্তিতে লংঘনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং বিলম্বকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানের প্রস্তুতি প্রকাশ করে। অর্থাৎ, যদি একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে শুধুমাত্র বিলম্বকারী পক্ষের ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব আদালতকে বাধ্য করবে না যে চুক্তিটি বাস্তবায়ন না করে শুধু ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করতে হবে। বরং আদালত চুক্তি অনুযায়ী কাজ করার জন্য বিলম্বকারী পক্ষকে নির্দেশ দিতে পারবে। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হল- চুক্তির সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিপূরণের প্রস্তাবকে চুক্তি বাস্তবায়নের বিকল্প হিসাবে না গ্রহণ করা।

⇒ চুক্তির এক পক্ষ যদি চুক্তির অন্য অংশ পালন করতে অস্বীকার করে এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দেয়, তবুও অন্য পক্ষ সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারবে।
৯,৮৯০.
আপীল মেমো সংশোধনের সময়-
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ২১ দিনের মধ্যে
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন: ১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
--------------
⇒ Order 41 Rule.-3: Rejection or amendment of memorandum.-1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection,
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
৯,৮৯১.
‘ক’ এবং ‘খ’ একটি চুক্তি সম্পাদন করে। পরবর্তীতে ‘ক’ চুক্তি লঙ্ঘন করে। ‘খ’ আদালতে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করে। আদালত কোন ভিত্তিতে ‘খ’-এর পক্ষে রায় দিতে পারেন?
  1. চুক্তি একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার না হলে
  3. চুক্তি লঙ্ঘনের ফলে ক্ষতির নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ণয় করা সম্ভব না হলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
৯,৮৯২.
ক” খ” এর নিকট একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্ত এবং ভাড়ায় ভাড়া দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়। খ” চুক্তির কাজ সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানায়। ক” ইহার পর খ” এর চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। এই ক্ষেত্রে-
  1. ক” সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে
  2. ক” পুনরায় ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
  3. ক” সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে না
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার অধিকারী হবে না। যেহেতু ক” চুক্তিভঙ্গের জন্য একবার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, তাই সে পুনরায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করার অধিকারী হবে না।
৯,৮৯৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা অনুযায়ী, বিকল্প প্রার্থনা কোন পর্যায়ে করতে হয়?
  1. রায় প্রদানের পূর্বে
  2. মামলা শুনানির সময়
  3. মামলা দায়ের করার সময়
  4. আপিল দায়ের করার সময়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) মামলা দায়ের করার সময়। 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা অনুযায়ী, যখন কোন ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করেন, তখন তিনি বিকল্প প্রার্থনা (যেমন, চুক্তি রদ করা) মামলা দায়ের করার সময়ই করতে পারেন। এটি একটি বিকল্প আবেদন হিসাবে দায়ের করা হয় এবং আদালত যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করেন, তখন সেই ভিত্তিতে চুক্তি রদ করার জন্য নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৯,৮৯৪.
এ্যাডভোকেটের মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলার আরজিতে কার দস্তখত প্রয়োজন হবে?
  1. এ্যাডভোকেট
  2. বাদীর প্রতিনিধি
  3. বাদী
  4. এ্যাডভোকেট ও বাদী/তার প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং অর্ডারের ১৪ নং বিধিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক প্লিডিংস (আরজি এবং জবাব) সংশ্লিষ্ট পক্ষ কর্তৃক এবং তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে। অর্থাৎ আরজি স্বাক্ষরিত (দস্তখত) হবে বাদী বা বাদীর সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি এবং বাদীর উকিল দ্বারা। আবার লিখিত জবাব স্বাক্ষরিত হবে বিবাদী বা বিবাদীর পক্ষে তার প্রতিনিধি কর্তৃক এবং বিবাদীর উকিল কর্তৃক।
৯,৮৯৫.
'ক' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। খ' দাবী করে যে সে উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি 'খ'-কে অর্পণ করবে। এই ক্ষেত্রে ক এর জন্য নিম্নলিখিত কোন প্রতিকারটি সঠিক?
  1. ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
  2. দখল উদ্ধারের মামলা
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  4. চুক্তি বলবৎ এর মামলা
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু 'খ' দাবী করছে যে সে উক্ত সম্পত্তির মালিক সেহেতু সে সম্পত্তিতে 'ক' এর মালিকানা অস্বীকার করছে। এই ক্ষেত্রে 'ক' যে উক্ত সম্পত্তির মালিক এমন ঘোষণা চেয়ে ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে। এই ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করলে হবে কারণ বাদী ক সম্পত্তির দখলে আছে।
৯,৮৯৬.
কোনো বিচারক কখন কোনো মোকদ্দমা বা আপিলের শুনানি করতে পারবে না?
  1. মোকদ্দমার পক্ষ হলে
  2. ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকলে
  3. নিজের ঘোষিত ডিক্রি হলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-

(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try Judges not to any suit or other proceeding to which he is a party or in which which they are he is personally interested.
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.
৯,৮৯৭.
'A' obstructs a path along which 'Z' has a right to pass, 'A' not believing in good faith that he has a right to stop the path. 'Z' is thereby prevented from passing. What is the legal term used to describe 'A's action towards 'Z'?
  1. Consent
  2. Trespassing
  3. Infringement
  4. Wrongful restraint
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম: যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
Section 339- Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
Exception-
The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
Illustration-
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৯,৮৯৮.
তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে এর ফলাফল কী হবে?
  1. আদালত বন্ধ হওয়ার আগেই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
  2. আদালত খোলার ৭ দিনের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
  3. আদালত যেদিন খুলবে সেদিনই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
  4. যত দিন বন্ধ থাকবে ততোদিন তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি পাবে।
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৪ ধারার বিধান-

কোনো মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে (সরকারি ছুটির বন্ধ), উক্ত মোকদ্দমা যেদিন আদালত খুলবে সেদিন দায়ের করতে হবে।

Section 4: Where Court is closed when period expires
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
৯,৮৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় কয়টি ব্যাখ্যা রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৬টি
  3. ৪টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো-
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা];
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা];
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ];
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ];
৫ম ব্যাখ্যা: Any relief not granted shall be deemed to have been refused [প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে];
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights [সার্বজনীন বা সাধারণ অধিকার বা বাস্তব সুবিধার জন্য মামলা].
৯,৯০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ কোন ধরনের শাস্তিতে প্রযোজ্য?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. কারাদণ্ড
  3. জরিমানা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত গর্ভবতী স্ত্রীলোকের শাস্তি স্থগিত করা হয়। হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড কার্যকরী করাকে বিলম্বিত করতে পারে বা তা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে। এই ধারা শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ডের জন্য প্রযোজ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার বিধান গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.