বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৯৭ / ১২৬ · ৯,৬০১৯,৭০০ / ১২,৬০৫

৯,৬০১.
কোনো প্রার্থী অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য বা বিবৃতি প্রদান করলে তিনি কত বছরের জন্য তালিকাভুক্তি থেকে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন?
  1. ১ বছর 
  2. ৩ বছর 
  3. ২ বছর 
  4. ৫ বছর 
ব্যাখ্যা

উত্তর: ৫ বছর।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৬০(৩):
(i) কোনো আইনজীবী বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতিরেকে একসাথে চারজনের বেশি শিক্ষানবিশ নিতে পারবেন না।
(ii) আইনজীবী ও শিক্ষানবিশের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তি থাকতে হবে, যা বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে সম্পাদিত হবে। এই চুক্তি সম্পাদনের ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট তা দাখিল করতে হবে, সেই সঙ্গে শিক্ষানবিশ কর্তৃক শপথপত্র দাখিল করতে হবে যাতে সে উক্ত চুক্তি সম্পাদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে। যদি তা না করা হয়, তবে পিউপিলেজ চুক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।
[চুক্তির সঙ্গে ৮০০ টাকা নিবন্ধন ফি, আইন ডিগ্রির সত্যায়িত কপি এবং বার কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন ফরম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (যেমন: পিউপিলেজ রেজিস্ট্রেশন ফরম, লিখিত পরীক্ষার ফরম [ফরম-A], পুনরায় অংশগ্রহণের আবেদনপত্র ইত্যাদি) দাখিল করতে হবে, যেগুলো বার কাউন্সিল অফিস থেকে নির্ধারিত ফি দিয়ে সংগ্রহ করতে হবে।
(iii) পিউপিলেজ শুরু হবে চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে, তবে কেবল সেই সময় হিসেব করা হবে যখন আইনজীবী প্রকৃতপক্ষে বার-এ প্র্যাকটিস করছিলেন।
শর্তসাপেক্ষে, একজন শিক্ষানবিশ একাধিক আইনজীবীর কাছে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন মোট ছয় মাসের জন্য, যা যথাসম্ভব ধারাবাহিকভাবে হতে হবে।
(iv) যদি কোনো আইনজীবী উক্ত উপনিয়ম অনুযায়ী চুক্তিতে মিথ্যা তথ্য দেন বা উপ-নিয়ম (২)-এর অধীনে মিথ্যা সার্টিফিকেট দেন, তবে তিনি পেশাগত অসদাচরণে (Professional Misconduct) দোষী হবেন।
(v) যদি কোনো প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে তার অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেন, তবে তিনি ৫ (পাঁচ) বছরের জন্য তালিকাভুক্তি থেকে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।
(vi) হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য এবং অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। যদি প্রার্থী রেজিস্ট্রেশনের ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারেন, তবে তার রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে।
(vii) অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য ও হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য বার কাউন্সিল কর্তৃক এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষা সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত হবে, যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ।

৯,৬০২.
নিচের কোন ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাবে না?
  1. ঘরে চোরাইমাল পাওয়া গিয়েছে এমন ব্যক্তি।
  2. প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি
  3. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকৃত ব্যক্তি
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী- যখন পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন এমন ৯ ধরনের ব্যক্তি হলেন
- প্রথম: কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত কোন ব্যক্তি
- দ্বিতীয়: আইনসংগত কারণ ব্যতিত যার নিকট ঘর ভাঙ্গার কোন সরঞ্জাম রয়েছে
- তৃতীয়: এই কার্যবিধি অনুসারে অথবা সরকারের আদেশ দ্বারা যাকে অপরাধী ঘোষণা করা হয়েছে:
- চতুর্থ: চোরাইমাল পাওয়া গেলে
- পঞ্চম: পুলিশ অফিসারকে তার কার্যে বাধাদানকারী ব্যক্তি অথবা যে ব্যক্তি আইনসংগত হেফাজত হতে পলায়ন করেছে অথবা পলায়নের চেষ্টা করে:
- ষষ্ঠ: বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী।
- সপ্তম: বাংলাদেশে করা হলে অপরাধ হিসাবে শাস্তিযোগ্য হতো, বাংলাদেশের বাইরে কৃত এরূপ কোন কার্যের সাথে জড়িত ব্যক্তি।
- অষ্টম: কোন মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী যে ৫৬৫ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে প্রণীত কোন নিয়ম লংঘন করে;
- নবম: যাকে গ্রেফতারের জন্য অন্য কোন পুলিশ অফিসারের নিকট হতে অনুরোধ পাওয়া গেছে।
৯,৬০৩.
'কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে'- দণ্ডবিধির কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ৪৬০ ধারা
  2. ৪৬২ ধারা
  3. ৪৬৩ ধারা
  4. ৪৬৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারা- মিথ্যা দলিল তৈরি করা (Making a false document):
 নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈয়ার করেছে বলে পরিগণিত হয়-

প্রথমত:- যদি কোন ব্যক্তি, যে ব্যক্তি দ্বারা যার প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কোন দলিল কিংবা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বা যে সময়ে উক্ত দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে সে জানে, অথবা সে দলিলটি বা উহার অংশবিশেষ সে ব্যক্তি দ্বারা বা তৎপ্রদত্ত ক্ষমতা বলে কিংবা সে সময়ে প্রণীত স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাইবার উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এইরূপ দলিল বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বুঝাবার জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে; অথবা

দ্বিতীয়ত:- কোন দলিল তৎকর্তৃক বা অন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হওয়ার পরে কোনরূপ আইনসম্মত ছাড়াই অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলক ভাবে, বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অপর কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে; দলিলটি যদি অপরাধী দ্বারা সম্পাদিত না হয়ে অপর কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তবে এইরূপ পরিবর্তনের সময়ে সে ব্যক্তি জীবিত থাকুক অথবা পরলোকগত হোক তাতে অপরাধের কোনরূপ তারতম্য হবে না; অথবা

তৃতীয়ত:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে ব্যক্তি মানসিক অপ্রকৃতিস্থতা কিংবা প্রমত্ততার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে।

ব্যাখ্যা ১: কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।


ব্যাখ্যা ২: কোন প্রকৃত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে কাল্পনিক কোন ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন অথবা কোন মৃত ব্যক্তি জীবদ্দশায় সম্পাদিত করেছিল বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে সে মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন জালিয়াতি বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ-
(ক) ক চ-কে দিয়ে খ-এর প্রতিপক্ষে ১০,০০০ টাকার জন্য একটি লেটার অব ক্রেডিট লিখে নিয়ে পরে ক খ-কে ঠকাবার উদ্দেশ্যে, ১০,০০০-টাকার সাথে একটি শূন্য যোগ করে উহাকে ১,০০,০০০ টাকা করে নেয়, এই অভিপ্রায়ে যে, খ বিশ্বাস করবে যে, চ ঐরূপ লিখেছে। ক জালিয়াতি করেছে।
৯,৬০৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক দলিলের শর্ত পরিবর্তনের প্রমাণ দেওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৯১
  2. ধারা ৯২
  3. ধারা ৯৯
  4. ধারা ১০০
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৯ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি দলিলের পক্ষ না, অথবা তাদের প্রতিনিধিরা, তারা সেই দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার সমঝোতা প্রদর্শন করতে পারে, যদি এটি তৃতীয় পক্ষের স্বার্থকে প্রভাবিত করে। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৯ অনুযায়ী, দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার কোনো সমঝোতা প্রদর্শন করতে পারে এমন ব্যক্তি হলো তৃতীয় পক্ষ, যারা দলিলের শর্তকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তাদের স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ব্যক্তি দলিলের পক্ষ না, কিংবা তাদের প্রতিনিধিরা, তারা সেই দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার সমঝোতা প্রদর্শন করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো সমঝোতা দুটি পক্ষের মধ্যে হয় এবং এটি অন্য কোনো পক্ষের স্বার্থকে প্রভাবিত করে, তবে সে তৃতীয় পক্ষও এটি প্রমাণ করতে পারে।
উদাহরণ: যদি A এবং B কোনো লিখিত চুক্তি করেন এবং তাদের মধ্যে মৌখিকভাবে কিছু শর্ত পরিবর্তিত হয়, তবে C, যদি তার স্বার্থ প্রভাবিত হয়, সে এই পরিবর্তনের প্রমাণ দিতে পারে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section- 99. Who may give evidence of agreement varying terms of document:
Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.
Illustration: A and B make a contract in writing that B shall sell A certain cotton, to be paid for on delivery. At the same time they make an oral agreement that three months' credit shall be given to A. This could not be shown as between A and B, but it might be shown by C, if it affected his interests.

৯,৬০৫.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারানুযায়ীসাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সংঘটিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দায়ী হবে?
  1. ১৫২
  2. ১৪২
  3. ১৪৯
  4. ৩৪
ব্যাখ্যা
⇒  দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৪৯ অনুযায়ী, যদি কোনো বেআইনি সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণের জন্য অপরাধ সংঘটিত হয়, অথবা এমন কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে যা সমাবেশের সদস্যরা জানে, তবে সেই সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক সদস্য ওই অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারা- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে:
যদি কোন বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনি সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনি সমাবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 149- Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object:
If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.
৯,৬০৬.
যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে পারে-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেনঃ
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

Section 31: Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass-
(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
৯,৬০৭.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোনটি ‘জনশৃঙ্খলা বিরোধী অপরাধ’?
  1. দাঙ্গা
  2. মারামারি
  3. বেআইনি সমাবেশ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি অনুযায়ী,
দাঙ্গা (Riot), বেআইনি সমাবেশ (Unlawful Assembly) এবং মারামারি (Affray) - সবকটিই জনশৃঙ্খলা বা সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করে, তাই এগুলো ‘জনশৃঙ্খলা বিরোধী অপরাধ’ হিসেবে গণ্য হয়।

১. বেআইনি সমাবেশ (Unlawful Assembly) – 
যখন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো অবৈধ উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, অথবা বৈধ উদ্দেশ্যে একত্র হলেও সে সমাবেশ পরে অবৈধ রূপ নেয়, তখন তা বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হয়।

উদ্দেশ্যগুলো হতে পারে:
- সরকার বা আইন-বিরোধী কাজ করা;
- জনসাধারণকে ভীতি প্রদর্শন;
- কোন ব্যক্তি বা সম্পত্তির বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ।

২. দাঙ্গা (Riot) –
যখন বেআইনি সমাবেশে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিরা বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা করে, তখন তা দাঙ্গা হিসেবে গণ্য হয়। উদাহরণ: কোনো রাজনৈতিক মিছিলের সময় লোকজন ভাঙচুর বা লাঠিচার্জ শুরু করলে তা “দাঙ্গা” হতে পারে।

৩. মারামারি (Affray) –
যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি জনসমক্ষে ঝগড়া করে ও জনশৃঙ্খলা নষ্ট করে, তখন তাকে মারামারি (Affray) বলা হয়।
৯,৬০৮.
দোষ স্বীকার কখন গ্রহণযোগ্য হয় না?
  1. দোষ স্বীকার যদি স্বেচ্ছামূলক হয়
  2. দোষ স্বীকার যদি স্বেচ্ছামূলক না হয়
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা - প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট স্বীকারোক্তি, যখন ফৌজদারি কার্যবিধিতে অপ্রাসঙ্গিক: যদি কোনো আসামী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন এবং আদালত মনে করেন যে, এই স্বীকারোক্তি কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আসামীকে লাভ বা ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখানোর জন্য প্রদান করা হয়েছে, তবে সেই স্বীকারোক্তি ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রাসঙ্গিক হবে না।

⇒সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো প্ররোচনা, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দোষ স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
- স্বেচ্ছামূলক দোষ স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য, তবে এটি হতে হবে স্বতঃস্ফূর্ত ও বিনা প্ররোচনায়।
- যদি দোষ স্বীকারোক্তি বলপ্রয়োগ, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে নেওয়া হয়, তাহলে তা অগ্রহণযোগ্য।
- ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট স্বেচ্ছামূলক দোষ স্বীকারোক্তি (ধারা ১৬৪, ফৌজদারি কার্যবিধি) গ্রহণযোগ্য, কিন্তু পুলিশের কাছে করা দোষ স্বীকারোক্তি সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয় (ধারা ২৫, সাক্ষ্য আইন)।
- ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশের নিকট করা দোষ স্বীকারোক্তিও গ্রহণযোগ্য (ধারা ২৬, সাক্ষ্য আইন)।
৯,৬০৯.
রাহুল ৭ বছর ধরে নিখোঁজ। তার পরিবার দাবি করে যে, তিনি জীবিত। ১০৮ ধারার অধীনে-
  1. আদালত রাহুলকে জীবিত হিসেবে বিবেচনা করবে
  2. তার পরিবারকে তার জীবিত থাকার প্রমাণ বের করতে হবে
  3. আদালতকে তার জীবিত থাকার প্রমাণ বের করতে হবে
  4. আদালত নতুন তদন্ত শুরু করবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-
আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।

Section 108 ⇒ Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৯,৬১০.
বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা কার নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন ?
  1. শুধু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. শুধু পুলিশ কমিশনারের
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনার
  4. সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারা মতে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত বা নন কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।

--------------------- 
Duty of officer commanding troops required by Magistrate to disperse assembly
Section 130.(1) When an Executive Magistrate or the Police Commissioner determines to disperse any such assembly by military force, he may require any commissioned or non-commissioned officer in command of any soldiers in the Bangladesh Army to disperse such assembly by military forced, and to arrest and confine such persons forming part of it as the Magistrate or the Police Commissioner may direct, or as it may be necessary to arrest and confine in order to disperse the assembly or to have them punished according to law. 
 
(2) Every such officer shall obey such requisition in such manner as he thinks fit, but in so doing he shall use as little force, and do as little injury to person and property, as may be consistent with dispersing the assembly and arresting and detaining such persons.
৯,৬১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক অনুযায়ী, যদি একটি স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি অরেজিস্ট্রিকৃত হয়, তাহলে তা—
  1. ক্ষতিপূরণ প্রদান করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে
  3. সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার জন্য দুটি প্রধান শর্ত পূরণ করতে হয়:
১. চুক্তিটি লিখিত হতে হবে।
২. চুক্তিটি রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর অধীনে নিবন্ধিত (রেজিস্ট্রিকৃত) হতে হবে।
যদি চুক্তিটি অরেজিস্ট্রিকৃত হয়, তাহলে তা সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না। অর্থাৎ, ধারা ২১ক অনুযায়ী, অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়।
- এই ধারা ২০০৪ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে এবং এটি ১লা জুলাই ২০০৫ থেকে কার্যকর হয়েছে।
তবে, চুক্তিটি অরেজিস্ট্রিকৃত হলে ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করা যেতে পারে, কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: গ) সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless– 
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and 
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৯,৬১২.
"অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশের কাছে অপরাধ স্বীকার করলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না" এটা The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ২৬ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ২৮ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারার বিধান: পুলিশ অফিসারের নিকট স্বীকারোক্তি প্রমাণ করা যাবে না: যে কোন অপরাধে অভিযুক্ত, পুলিশ অফিসারের নিকট দোষ স্বীকার করলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।

-----------------------
⇒ Confession to police-officer not to be proved:
Section 25. No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.
৯,৬১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মামলা স্থানান্তর সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ৫২৫
  2. ৫২৬
  3. ৫২৬খ
  4. ৫২৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে।যার উপর ভিত্তি করে মামলা হস্তান্তরের আদেশ দিবেন-
১. নিম্ন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে, অথবা
২. মামলার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, অথবা
৩. হাইকোর্ট বিভাগ Suo motu এরূপ আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ মামলা হস্তান্তরের শর্তসমূহ-
১. অধস্তন কোন ফৌজদারি আদালতে ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
২. কোন অসাধারণ জটিল আইনের প্রশ্ন উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে।
৩. কোন স্থান বা স্থানের নিকট কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা পরিদর্শন করা উক্ত অপরাধের সন্তোষজনক অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য প্রয়োজন হলে।
৪. এই ধারায় প্রদত্ত কোন আদেশে পক্ষসমূহ বা সাক্ষীগনের সাধারণ সুবিধার দিকে নিয়ে যাবে।
৫. ন্যায় উদ্দেশ্যে বা এই কার্যবিধির কোন বিধান অনুসারে এরূপ কোন আদেশ প্রয়োজন হলে
৯,৬১৪.
কমপক্ষে কত জন ব্যক্তির অংশগ্রহণে দন্ডবিধি অনুযায়ী ডাকাতি সংঘটিত হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
♦ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
♦ ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
৯,৬১৫.
'জবানবন্দি গ্রহণ এবং জেরা প্রাসঙ্গিক ঘটনা [Relevant Facts] এর সাথে সম্পর্কিত হতে হবে'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ১৩৬ ধারায়
  2. ১৩৭ ধারায়
  3. ১৩৮ ধারায়
  4. ১৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
জবানবন্দি গ্রহণ এবং জেরা প্রাসঙ্গিক ঘটনা [Relevant Facts] এর সাথে সম্পর্কিত হতে হবে, তবে জেরা করার সময় সাক্ষী যে বিষয়গুলো জবানবন্দি গ্রহণ এ বলেছিল, সেই বিষয়গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে না।

Section 138- Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৯,৬১৬.
Which of the followings is not a 'Decree'?
  1. Rejection of a plaint
  2. Dismissal for default
  3. Determination of any question within section 144
  4. Both 'B' & 'C'
ব্যাখ্যা
• Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144,
but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default.

 দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।
৯,৬১৭.
আইন অনুসারে বাধ্য না হয়ে কোনো ব্যক্তি প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে, আদালত কী অনুমান করতে পারে?
  1. উত্তর তার পক্ষে ছিল
  2. উত্তর তার পক্ষে অনুকূল ছিল না
  3. আদালত কোনো অনুমান করতে পারবে না
  4. উত্তর প্রমাণযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা

⇒ আইনসম্মত বাধ্যবাধকতা না থাকলে কোনো প্রশ্নের উত্তর অস্বীকার করলে → অনুমান করা যায় উত্তরটি তার পক্ষে হতো না।

সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে-
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে -
(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;

(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;

(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।
তবে বিশেষ মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলি প্রযোজ্য কিনা তা বিবেচনা করার সময় আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলিও বিবেচনা করবে।

৯,৬১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে কোন ক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগ দেয়া যায় না?
  1. স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
  2. স্থানীয় তদন্তের জন্য
  3. বাটোয়ারা করার জন্য
  4. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে-
(১) সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য;
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য;
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য;
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
অর্থাৎ স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য ৭৫ ধারায় কমিশন নিয়োগ দেয়ার বিধান নেই।
-------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75:- Power of Court to issue commissions:
-Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts; or
(d) to make a partition.
৯,৬১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন?
  1. ধারা ২৪১
  2. ধারা ২৪৮
  3. ধারা ২৪২
  4. ধারা ২৪৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০)
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে।২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।
[If after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.]
৯,৬২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল পর্যায়ে মধ্যস্থতার (Mediation in Appeal) বিধান রয়েছে?
  1. ৮৯ক
  2. ৮৯খ
  3. ৮৯গ
  4. ৮৯ঘ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ (Section 89C) আপিল আদালতে মধ্যস্থতার (mediation in appeal) বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি আদেশ ৪১ এর অধীন কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হয় এবং তা মূল পক্ষগণ বা তাদের স্থলাভিষিক্তদের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা অন্য কারো মাধ্যমে মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে।

অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৮৯গ (Section 89C) ধারায় আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতার বিধান আছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal):
- যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
- (1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.
- (2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.

৯,৬২১.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী 'আদালতের আদেশে সমন দেওয়া হলে সাক্ষীকে তার দখলস্থ নথি বা দলিলগুলি আদালতে হাজির করতে বাধ্য হবে।'?
  1. ১৬১ ধারা
  2. ১৬২ ধারা
  3. ১৬৪ ধারা
  4. ১৬৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারা অনুযায়ী যদি সাক্ষীকে দলিল দাখিলের জন্য সমন দেওয়া হয় এবং সেই দলিল সাক্ষীর দখলে থাকে, তাহলে সেই সাক্ষী দলিলটি আদালতে হাজির করতে বাধ্য থাকবেন।
-আদালতের আদেশে সমন দেওয়া হলে সাক্ষীকে তার দখলস্থ নথি বা দলিলগুলি আদালতে হাজির করতে হবে। দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে কোনো আপত্তি থাকলে তা পরবর্তীতে বিবেচনা করা হবে।
-যদি কোনো সাক্ষী আদালতের সমনকে অমান্য করেন এবং দলিল হাজির না করেন, তাহলে তিনি আদালতের অবমাননার দায়ে দণ্ডিত হতে পারেন।
-সুতরাং, দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে যেকোনো আপত্তি থাকলেও, সাক্ষীকে আদালতের সমন অনুসারে দলিল হাজির করতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারার বিধান: নথি উপস্থাপন:
যদি কোনো সাক্ষীকে কোনো নথি আদালতে উপস্থাপনের জন্য ডাকা হয়, তবে সেই নথিটি তার অধিকারে বা হেফাজতে থাকলে, তিনি তা আদালতে আনতে বাধ্য থাকবেন, যদিও সেই নথি উপস্থাপন করা বা তা গ্রহণযোগ্য হওয়া নিয়ে কোনো আপত্তি থাকলেও। আপত্তির বৈধতা আদালতই নির্ধারণ করবে।
আদালত যদি মনে করে, তবে নথিটি পর্যালোচনা করতে পারে, যদি না সেটি রাষ্ট্র সম্পর্কিত কোনো বিষয়বস্তু হয়। এছাড়াও, নথির গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণের জন্য আদালত অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে পারে।
----------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-162. Production of documents:
A witness summoned to produce a document shall, if it is in his possession or power, bring it to Court, notwithstanding any objection which there may be to its production or to its admissibility. The validity of any such objection shall be decided on by the Court. 
The Court, if it sees fit, may inspect the document, unless it refers to matters of State, or take other evidence to enable it to determine on its admissibility.
৯,৬২২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় Anticipatory Bail এর আবেদন করা যায়?
  1. Section 496
  2. Section 497
  3. Section 498
  4. Section 499
ব্যাখ্যা
♦কোনো অপরাধের জন্য গ্রেফতারের আশঙ্কায় কোন ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া হলে তাকে আগাম জামিন বলে। 
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান অনুসারে আগাম জামিন বা Anticipatory Bail এর দরখাস্ত বিবেচনা করা যায়। এই ধারায় in any case শব্দমালাকে ব্যাখ্যা করে আগাম জামিন দেওয়া হয়।
♦জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।
♦ অর্থাৎ ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিনের আবেদন করা যায়। এ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা জজ।
৯,৬২৩.
Under Section 368(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898, what is NOT included in the sentence of transportation?
  1. Duration of transportation
  2. Purpose of transportation
  3. Conditions of transportation
  4. The specific place of transportation
ব্যাখ্যা
Section- 368:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।
৯,৬২৪.
‘E’ ‘Z’-এর সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়ে যায়, এই উদ্দেশ্যে যে ‘Z’ তা ফেরত পাওয়ার জন্য পুরস্কার দেবে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপহরণ
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে তার অধিকারে থাকা চলমান সম্পত্তি নিয়ে যাওয়া চুরি হিসেবে গণ্য। ধারা ৩৭৮-এর উদাহরণ (l) অনুসারে, যদি কেউ কোনো সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়ে যায় এই উদ্দেশ্যে যে মালিক তা ফেরত পাওয়ার জন্য পুরস্কার দেবে, তবে তা চুরি। এখানে, ‘E’ ‘Z’-এর সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়েছে পুরস্কারের উদ্দেশ্যে, যা ধারা ৩৭৮-এর অধীনে চুরি।

অন্যান্য অপশন:
খ) প্রতারণা: প্রতারণা (ধারা ৪১৫) হলো কাউকে প্রতারিত করে সম্পত্তি হস্তান্তর করানো। এখানে ‘E’ প্রতারণা না করে সরাসরি সম্পত্তি নিয়েছে।
গ) অপহরণ: অপহরণ (ধারা ৩৫৯-৩৬২) ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত, সম্পত্তির সাথে নয়।
ঘ) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ: অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (ধারা ৪০৫) ঘটে যখন সম্পত্তি বৈধভাবে অর্পিত হয় এবং তা অসাধুভাবে ব্যবহার করা হয়। এখানে ‘E’ সম্পত্তি বৈধভাবে পায়নি।
সুতরাং, ‘E’-এর কাজ ধারা ৩৭৮ অনুসারে চুরি।

Illustration:
(l) A takes an article belonging to Z out of Z's possession without Z's consent, with the intention of keeping it until he obtains money from Z as a reward for its restoration. Here A takes dishonestly; A has therefore committed theft.
----------
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

৯,৬২৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার ৭ রুল ১১-এর বিধান মতে আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত মূলত: একটি-
  1. আদেশ
  2. রায়
  3. ডিক্রি
  4. চূড়ান্ত ডিক্রি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন(আরজি প্রত্যাখান) এর সিদ্ধান্ত মূলত একটি ডিক্রি।
 
• ধারাঃ ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে।উল্লেখ্য যে-
আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখান এবং
১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।
৯,৬২৬.
সর্বপ্রথম কখন সিভিল কোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়?
  1. ১৮৬৯ সালে
  2. ১৮৫৯ সালে
  3. ১৮৮৯ সালে
  4. ১৮৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৮৫৯ সালে প্রথম সিভিলকোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়।

১৮৫৯ সালের পূর্বে দেওয়ানি আইন ছিল না, এই সালেই সর্বপ্রথম দেওয়ানি আইন প্রণয়ন/ বিধিবদ্ধ/Codified করা হয়। এই আইনের ধারা ছিল- ৩৮৮টি।
পরবর্তীতে আরো দুই বার দেওয়ানি সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করা হয়। সর্বশেষ দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ প্রণয়ন করা হয় করা হয়, যা বর্তমানে বলবৎ আছে।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮:
পূর্বে প্রণীত দেওয়ানি সম্পর্কিত আইনগুলোকে একত্রীকরণ, সংশোধন ও পরিবর্তন করে চূড়ান্তভাবে ২১ মার্চ ১৯০৮ তারিখে (Act No. V) প্রণয়ন করা হয়; যা ১ জানুয়ারি ১৯০৯ হতে কার্যকর করা হয়। দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ধারা ১৫৮টি এবং মোট অর্ডার বা আদেশ রয়েছে ৫১টি।
৯,৬২৭.
মৃতের ওয়ারিশ কায়েম সংক্রান্ত তামাদির বিধান The Limitation Act এর কোন Article- এ বর্ণিত আছে?
  1. 175
  2. 176
  3. 177
  4. 178
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৭৬

মৃত বাদী বা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত;
তামাদি- ৯০ দিন;
সময় গণনা শুরু- মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে।
৯,৬২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারার অধীনে জনসাধারণ কোন ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে সাহায্য করতে বাধ্য?
  1. অপরাধ তদন্তে
  2. গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থাপন করতে
  3. কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে জনসাধারণ ২টি ক্ষেত্রে নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা এবং সাহায্য করতে বাধ্য:
 
৪২(ক) মোতাবেক,
পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আইনগতভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন সে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বা তার পলায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

৪২(খ) তে বলা আছে যে,
কোথাও শান্তি ভঙ্গ হলে তা দমন  কিংবা শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দিলে তা প্রতিরোধ অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের চেষ্টা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
 
Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
৯,৬২৯.
According to Order 20 Rule 1, if the judgment is not pronounced immediately after hearing, when should it be pronounced?
  1. Within 5 days
  2. Within 7 days
  3. Within 10 days
  4. Within 14 days
ব্যাখ্যা
• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
৯,৬৩০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী চুক্তি সংশোধনের জন্য কোন বিষয়কে প্রধান ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়?
  1. চুক্তির লেখার ভুল
  2. চুক্তির আর্থিক মান
  3. পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, চুক্তি সংশোধনের প্রধান ভিত্তি হলো পক্ষসমূহের অভিপ্রায়। বিশেষভাবে, আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে সকল পক্ষের অভিপ্রায় ছিল একটি "সুষম ও বিবেকসম্মত চুক্তি" (equitable and conscientious agreement) সম্পাদন করা।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
- লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা। 
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties:
- For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

৯,৬৩১.
ঠগ (Thug) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে-
খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে অপরাধী মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ, অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান- ঠগের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 310: Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.

Section 311: Punishment:
Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৯,৬৩২.
নিচের কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাওয়া যাবে না?
  1. চুক্তির ক্ষেত্রে
  2. দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে
  3. স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরদ্ধারের ক্ষেত্রে
  4. অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরদ্ধারের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে,
দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

উল্লেখ্য, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
৯,৬৩৩.
পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারানুযায়ী?
  1. ১৫১
  2. ৫৪
  3. ৫৫
  4. ১৫৫
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ (প্রতিবেদনে বা সাক্ষ্যত বর্ণিত দণ্ডাদেশ) খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক হতে পারে, যা একজন ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বা ইতিবাচক চরিত্রের প্রতি সাক্ষ্য প্রদান করতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারার বিধান: পূর্ববর্তী অসৎ উত্তর প্রদান প্রসঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়:-
- ফৌজদারি মোকদ্দমায় আসামীর চরিত্র যে খারাপ, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। তবে তার চরিত্র ভাল এ মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করা হলে তার চরিত্র মন্দ এটা প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।
ব্যাখ্যা-১: যে মোকদ্দমায় কোন ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেক্ষেত্রে অত্র ধারা প্রযোজ্য নয়। 
ব্যাখ্যা-২: সাক্ষ্য হিসেবে খারাপ চরিত্রে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-54. Previous bad character not relevant, except in reply:
- In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant.
Explanation 1. –This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue.
Explanation 2. –A previous conviction is relevant as evidence of bad character.
৯,৬৩৪.
তামাদি আইনের কত ধারায় সুখাধিকার (Easement) সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ২৫
  2. ২৬
  3. ২৭
  4. ২৮
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জন [ Acquisition of right to easements) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- মালিক না হয়েও অন্যের জমি ব্যবহার করার অধিকার হলো সুখাধিকার। সুখাধিকার [Easement] এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির জমি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে যেমন আলো বাতাসের অধিকার, চলাচলের অধিকার ইত্যাদি।

⇒ তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।
(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) পথ চলার অধিকারে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে কিন্তু পথ চলার অধিকারের প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। বাদী প্রমাণ করে যে, সে এই অধিকার ১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হইতে ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহতভাবে উহাতে সুখাধিকার হিসাবে স্বত্ব দাবি করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে। বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাইবার অধিকারী।

(খ) অনুরূপ এক মামলায় বাদী দাবি করে যে, সে এই অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে বিশ বৎসর যাবত ভোগ করিয়াছে, বিবাদী প্রমাণ করে যে, ঐ বিশ বৎসরের মধ্যে বাদী একবার এই অধিকার ভোগের জন্য তাহার অনুমতি প্রার্থনা করিয়াছিল। মামলাটি খারিজ হইয়া যাইবে।
৯,৬৩৫.
'প্রত্যেক রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৩৫৭ ধারা
  2. ৩৬১ ধারা
  3. ৩৬৭ ধারা
  4. ৩৬৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭ ধারার বিধান: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু:
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

৯,৬৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৭২(২) অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে সমন পরিবেশনের প্রমাণ কী?
  1. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বাক্ষর
  2. পুলিশ কর্মকর্তার স্বাক্ষর
  3. দপ্তরের প্রধানের স্বাক্ষর
  4. কোনো প্রমাণের প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির (The Code of Criminal Procedure, 1898) ধারা ৭২(২) অনুযায়ী, যখন কোনো সরকারি চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে সমন পরিবেশন করা হয়, তখন দপ্তরের প্রধানের স্বাক্ষরই সমনের যথাযথ পরিবেশনের প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়। ধারা ৭২(১) অনুযায়ী, সমন দুই প্রতিলিপিতে সরকারি চাকরিজীবীর দপ্তরের প্রধানের কাছে পাঠানো হয়, এবং তিনি ধারা ৬৯ এর বিধান অনুযায়ী সমন পরিবেশনের ব্যবস্থা করেন। পরিবেশনের পর, দপ্তরের প্রধান সমনটি আদালতে ফেরত পাঠান এবং তার স্বাক্ষরের মাধ্যমে পরিবেশনের প্রমাণ নিশ্চিত করেন।

অর্থাৎ ধারা ৭২(২) অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে সমন পরিবেশনের প্রমাণ হলো দপ্তরের প্রধানের স্বাক্ষর। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-72. Service on servant of Republic:
(1) Where the person summoned is in the active service of the Republic, the Court issuing the summons shall ordinarily send it in duplicate to the head of the office in which such person is employed; and such head shall thereupon cause the summons to be served in manner provided by section 69, and shall return it to the Court under his signature with the endorsement required by that section. 
(2) Such signature shall be evidence of due service.

৯,৬৩৭.
রফিক নাবালক থাকা অবস্থায় বন্ধক উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা করার অধিকার অর্জন করে এবং এর ১২ বছর পর তার নাবালকত্বের অবসান হয়। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী তার মোকদ্দমা দায়েরের অবশিষ্ট সময় আছে ৪৮ বছর। এই ক্ষেত্রে রফিক কত বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ৩ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৪৮ বছর
  4. ৬০ বছর
ব্যাখ্যা
• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

• ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মামলা খারিজ হবে।

তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বন্ধক উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে হয় বেদল হওয়ার ৬০ বছরের মধ্যে। কিন্তু রফিক মোকদ্দমা দায়ের করার অধিকার লাভের ১২ বছর পর নাবালকত্বের অবসান। এখানে হিসাব অনুযায়ী তার মোকদ্দমা দায়েরের আরো অবশিষ্ট সময় আছে ৪৮ বছর। যেক্ষেত্রে ৩ বছরের বেশি সময় থাকে সেক্ষেত্রে আদালত আর সময় বাড়াবে না। তাই রফিককে অবশিষ্ট ৪৮ বছরের মধ্যেই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
৯,৬৩৮.
কোন কারণে ব্যয়িত সময়কালে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদের সাথে যোগ হবে?
  1. আইনজীবী নিয়োগ
  2. হাজতবাস
  3. অসুস্থতা
  4. রায়ের নকল সংগ্রহ
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১২ ধারায় বলা আছে তামাদির মেয়াদ হিসাব করার সময় কোন কোন সময় বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে।
♦তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা-
১) মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন।
২) রায় ঘোষণার দিন ।
৩) রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়।
৪) রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।
৯,৬৩৯.
'X', 'Y' এর চলার পথে গর্ত করে মৃত্যুর ফাঁদ পেতে রাখায় 'Y' ঐ ফাঁদে পড়ে আহত হয়ে মারা যায়। 'X' এর অপরাধ-
  1. খুন
  2. দণ্ডনীয় নরহত্যা
  3. খুনের উদ্যোগ
  4. দণ্ডনীয় নরহত্যা সংঘটনের উদ্যোগ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা (উদাহরণ 'ক') অনুযায়ী 'X' দণ্ডনীয় নরহত্যার অপরাধ করেছে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক' একটি কূপের মুখে আড়াআড়িভাবে বাঁশের কঞ্চি পেতে তার উপর ঘাস পাতা বিছিয়ে দেয়- এই উদ্দেশ্যে যে, তাতে মৃত্যু ঘটতে পারে অথবা তাতে যে মৃত্যু ঘটতে পারে তা জানা সত্ত্বেও তা করে। 'চ' শক্ত মাটি মনে করে উহার উপর দিয়ে চলতে গিয়ে কূপের ভিতর পড়ে যায় এবং নিহত হয়। 'ক' শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(খ) একটি ঝোপের একপাশে 'ক' ও 'খ' রয়েছে এবং অন্য পাশে 'চ' রয়েছে 'ক' জানে যে, 'চ' অন্য পাশে রয়েছে, কিন্তু 'খ' তা জানে না। ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করলে যাতে 'চ'-এর মৃত্যু হয় সে। উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ গুলিবর্ষণ করলে 'চ'-এর মৃত্যু হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও 'ক' ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করার জন্য 'খ'-কে অনুরোধ করে। 'খ' অনুরোধ রক্ষা করে গুলিবর্ষণ করে এবং তার গুলিবর্ষণের ফলে 'চ' এর মৃত্যু হয়। এইক্ষেত্রে 'খ' কোন দোষে দোষী না হতে পারে, কিন্তু 'ক' শাস্তি যোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(গ) 'ক' একটি মুরগি হত্যা করে উহা চুরি করার উদ্দেশ্যে উহার প্রতি গুলিবর্ষণ করে, কিন্তু গুলিবর্ষণের ফলে ঝোপের অন্য পাশে 'খ'-এর মৃত্যু হয়। 'ক' জানত না যে, 'খ' সেখানে ছিল। এই ক্ষেত্রে 'ক' যদিও একটি বেআইনী কাজই করতেছিল, তথাপি সে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী নয়, কেননা সে 'খ'-কে হত্যা করতে চায় নাই, অথবা যে কার্য মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, জ্ঞাতসারে সে কার্য করে সে মৃত্যু ঘটায় নাই।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

---------------
⇒ Section 299. Culpable homicide:
-Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 

Illustrations: 

(a) A lays sticks and turf over a pit, with the intention of thereby causing death, or with the knowledge that death is likely to be thereby caused. Z, believing the ground to be firm, treads on it, falls in and is killed. A has committed the offence of culpable homicide. 
 
(b) A knows Z to be behind a bush. B does not know it. A, intending to cause, or knowing it to be likely to cause Z's death induces B to fire at the bush. B fires and kills Z. Here B may be guilty of no offence; but A has committed the offence of culpable homicide. 
 
(c) A, by shooting at a fowl with intent to kill and steal it, kills B, who is behind a bush; A not knowing that he was there. Here, although A was doing an unlawful act, he was not guilty of culpable homicide, as he did not intend to kill B or cause death by doing an act that he knew was likely to cause death.

Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 

Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.

Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
৯,৬৪০.
আলীর একটি মামলার অধিকার সৃষ্টি হয়েছিল, কিন্তু তিনি মামলা দায়েরের আগেই মারা যান। তার মেয়ে যখন প্রাপ্তবয়স্ক হলো, তখন মামলা দায়ের করল। এই ক্ষেত্রে, Limitation Act-এর ১৭ ধারা অনুসারে তামাদি গণনার সময় কখন শুরু হবে?
  1. আলীর মৃত্যুর তারিখ থেকে
  2. আলীর মেয়ের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে
  3. আদালতে মামলা দায়েরের দিন থেকে
  4. প্রতিপক্ষের আপত্তি জানানোর দিন থেকে
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর  ১৭ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে।

⇒ যেহেতু আলীর মেয়ে তার আইনি প্রতিনিধি এবং সে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর মামলা দায়ের করেছে, তাই তামাদি গণনার সময় তার প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে শুরু হবে।

একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে। এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা। অর্থাৎ অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ১৭ প্রযোজ্য নয়।
৯,৬৪১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১২নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১২নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
১। মোকদ্দমা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২। দলিল স্বীকার নোটিশ [বিধি-২];
৩। ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।

মোকদ্দমা স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যে কোন পক্ষ তার প্লিডিংসের (আরজি বা লিখিত জবাবের) মাধ্যমে বা লিখিত অন্য কোন উপায়ে অন্য পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিক অংশের সত্যতা স্বীকার করতে পারে। অথবা অপর পক্ষকে মোকদ্দমার উদ্দেশ্যে নোটিশে উল্লেখিত কোন তথ্যকে স্বীকার করার জন্য অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিয়ে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। [আদেশ ১২ বিধি ১]।

দলিল স্বীকারের নোটিশ:
নোটিশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে দলিল স্বীকার করার জন্য মোকদ্দমার একপক্ষ অন্য পক্ষকে আহ্বান করতে পারে [আদেশ ১২ বিধি ২]

ঘটনা স্বীকারের নোটিশ:
কোন পক্ষ শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনের পূর্বের ৯ দিনের মধ্যে যে কোন সময় মোকদ্দমার উদ্দেশ্যে নোটিশে উল্লেখিত কোন তথ্যকে স্বীকার করার জন্য অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিয়ে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। [আদেশ ১২ বিধি ৪] স্বীকারোক্তির উপর ভিত্তি করে আদালত রায় বা আদেশ দিতে পারে।
৯,৬৪২.
ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক কত বছর?
  1. ৬ মাস
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ-

ধারা ১০৬:
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ৩ বছর।

ধারা ১০৭:
দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১০৮:
রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১০৯:
ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১১০:
অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ৩ বছর।
৯,৬৪৩.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি কখন প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. যদি এটি প্রকাশ্যে করা হয়
  2. যদি এটি আদালতের আদেশে লেখা হয়
  3. যদি এটি একজন সাক্ষীর মাধ্যমে আদালতে উপস্থাপিত হয়
  4. যদি এটি এমন শর্তসাপেক্ষে করা হয় যে, এ সম্পর্কে কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ২৩- দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক (Admissions in civil cases when relevant):
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যাঃ কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না। 

⇒ অর্থাৎ, দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
১. স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
২. সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।

Section 23- Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.

Explanation.–Nothing in this  section shall be taken to exempt any 17[Advocate] from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
৯,৬৪৪.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল রেকর্ডের প্রমাণ গ্রহণযোগ্যতার জন্য প্রধান শর্ত কী?
  1. কম্পিউটারটি অব্যাহতভাবে ব্যবহৃত হতে হবে
  2. তথ্য নিয়মিত প্রবেশ করানো হতে হবে
  3. কম্পিউটার সঠিকভাবে কাজ করছে
  4. উপরের সব
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারা (ধারা 65B) অনুযায়ী, ডিজিটাল রেকর্ড (যেমন ইমেইল, এসএমএস, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি) প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নিম্নলিখিত প্রধান শর্তগুলি পূরণ করতে হবে:
→ কম্পিউটারটি নির্দিষ্ট সময় ধরে নিয়মিত ব্যবহার হতে হবে (ধারা 65B(2)(a))
ডিজিটাল রেকর্ডটি এমন কম্পিউটার/ডিভাইস থেকে তৈরি হতে হবে যা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে নিয়মিত ব্যবহার করা হয়।
→ তথ্য নিয়মিতভাবে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হতে হবে (ধারা 65B(2)(b))
রেকর্ডকৃত তথ্যটি নিয়মিতভাবে ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কম্পিউটারে ইনপুট করা হয়েছে।
→ কম্পিউটারটি সঠিকভাবে কাজ করছে (ধারা 65B(2)(c))
রেকর্ড তৈরির সময় কম্পিউটারটি সঠিকভাবে কাজ করছিল বা কোনো ত্রুটি থাকলেও তা রেকর্ডের নির্ভুলতাকে প্রভাবিত করেনি।
→ তথ্যটি মূল সোর্স থেকে এসেছে (ধারা 65B(2)(d))
ডিজিটাল রেকর্ডে প্রদর্শিত তথ্যটি সরাসরি বা গণনা/প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে মূল তথ্য থেকে উদ্ভূত।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল রেকর্ড প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে হলে কম্পিউটারটি নিয়মিত ব্যবহার হওয়া, তথ্য সঠিকভাবে প্রবেশ করা এবং কম্পিউটারটি সঠিকভাবে কাজ করা প্রয়োজন।
৯,৬৪৫.
মারামারির জন্য দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়?
  1. ১৬২ ধারা
  2. ১৬১ ধারা
  3. ১৬০ ধারা
  4. ১৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা মারামারির (Affray) সংজ্ঞা দেয়, অর্থাৎ কখন মারামারি সংঘটিত হয়। এবং দণ্ডবিধির ১৬০ ধারা মারামারির জন্য শাস্তির বিধান নির্ধারণ করে।
তাই মারামারির জন্য শাস্তি প্রদান করা হয় ধারা ১৬০ অনুযায়ী।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:

Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

৯,৬৪৬.
বিচার্য বিষয় প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করার সময়সীমা কত?
  1. মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন
  2. লিখিত জবাব দাখিলের ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ক বা খ এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে
  4. ক বা খ এর মধ্যে যেটি পরে ঘটে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৪ বিধি ১- বিচার্য বিষয় প্রণয়ন:
১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত জবাব দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
৯,৬৪৭.
নাবালক অপরাধীদের সংশোধনাগারে রাখার বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৪০৪ ধারা
  2. ৩৯৫ ধারা
  3. ৩৯৯ ধারা
  4. ৩৮৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন আদালত ১৫ বৎসর কম বয়স্ক ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদন্ড দেন, তখন উক্ত আদালত উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি জেলে বন্দি না রেখে সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিতে পারেন
৯,৬৪৮.
ধারা ৩১ অনুযায়ী, দলিল সংশোধনের জন্য কে মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র দলিলের পক্ষ
  2. শুধুমাত্র দলিলের প্রণয়নকারী
  3. যে কোনো তৃতীয় ব্যক্তি
  4. যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারা-

যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী, ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল; ও
ii) লিখিত চুক্তি।

⇒ ৩ কারনে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে।
৯,৬৪৯.
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called _______ relief.
  1. substantive
  2. mandatory
  3. preventive
  4. temporary
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা বর্নিত হয়েছে।

৬ ধারা: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।

Section 6- Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
৯,৬৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ফৌজদারি আপিল Abatement এর বিধান আছে?
  1. ৩০২
  2. ৩৪২
  3. ৪৩১
  4. ৪২০
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- ৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপীলকারী মারা গেলেও আপীল বতিল হবেনা তখন আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে। 
♦ আসামী  সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে ।
৯,৬৫১.
মানহানির অপরাধ কয়টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে সংঘটিত হতে পারে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০ টি
  4. ১১ টি
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোড-এর ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
♦ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।

২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।

৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।

৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।

৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।

১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

♦ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
৯,৬৫২.
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইন কোথায় প্রযোজ্য হয়?
  1. আপিলের ক্ষেত্রে
  2. অভিযোগ দাখিলের ক্ষেত্রে
  3. এজাহার দাখিলের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে,
বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদির প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।

- তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- তামাদি আইন দ্বারা ফৌজদারী মামলা বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
- তামাদি আইন ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না। তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়। যেমন- মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।

Section-3: Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation:
Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence.

Explanation.-
A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.
৯,৬৫৩.
৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল হবে-
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. বিভাগীয় জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৭ ধারার বিধান খালাসের ক্ষেত্রে আপীলঃ (১) উপধারা ৪ এর বিধান সাপেক্ষে সরকার যেকোন ক্ষেত্রে আপীল দায়েরের জন্য পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দিতে পারেন-
(ক) কোন আদালত কর্তৃক মূল মামলায় বা আপীলে প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে;
(খ) মূল মামলায় বা আপীলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে ।
(২) ধারা-৪১৮ এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, উক্তরূপ খালাসের আদেশ যদি ফরিয়াদি কর্তৃক আনীত মামলায় প্রদত্ত হয়ে থাকে এবং আদেশে আইনের ভুল ব্যাখ্যার জন্য ন্যায় বিচারে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ফরিয়াদি উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে এরূপ যে কোন হেতুবাদে আপীল দায়ের করতে পারবে-
(ক) দায়রা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে; (খ) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে।
(৩) খালাসের আদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর ফরিয়াদী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল দায়ের করলে হাইকোর্ট ডিভিশনে তা গ্রাহ্য হবে না ।
(৪) যদি কোন ক্ষেত্রে খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল গৃহীত না হয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীন উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলবে না ।

♦খালাসের ক্ষেত্রে আপিলের বিধানসমূহ-
১. যেকোন ক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর (P.P) মূল মামলা ও আপিলে দেওয়া খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে। অর্থাৎ (P.P) কর্তৃক খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় আপিল চলে।
২. Complaint Registered Case এর ক্ষেত্রে শুধু মূল মামলায় দেওয়া খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে অভিযোগকারী (Complainant)। অর্থাৎ Complaint Registered Case হলে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় আপিল চলে না।

♦ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
♦ খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়। [ধারা ৪১৭(3)]
♦খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে। [অনুচ্ছেদ ১৫৭, তামাদি আইন, ১৯০৮]

 অর্থাৎ ৪১৭ ধারা অনুযায়ী যে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে আপীল দায়ের করতে হবে।

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------

Appeal in case of acquittal
[417](1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal- 
 
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session; 

(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.

(
2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal- 

(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session;
 
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.] 

(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division 4[or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal. 
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
৯,৬৫৪.
'Y' এর যে রাস্তায় চলাচলের অধিকার আছে সে পথে 'X' বিঘ্ন সৃষ্টি করে। এতে 'Y' এর চলাচল বাধাগ্রস্থ হয়। দণ্ডবিধি অনুসারে 'X' এর কৃত অপরাধ হল?
  1. অন্যায় অর্পণ
  2. অন্যায় আটক
  3. অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
  4. অন্যায়ভাবে বাধা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম:- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

 উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒Section 339.Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.

Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৯,৬৫৫.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী চুরির উদ্দেশ্যে আগেই আঘাত বা মৃত্যু ঘটানোর প্রস্তুতি নেয়া হলে অপরাধ গণ্য হয়?
  1. ৩৭৮ ধারা
  2. ৩৮০ ধারা
  3. ৩৮২ ধারা
  4. ৩৮৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৮২ বিশেষভাবে এমন চুরির কথা বলে যেখানে অপরাধী আগেই মৃত্যু ঘটানো, আঘাত করা বা আটকে রাখার প্রস্তুতি নেয়। এটি সাধারণ চুরির চেয়ে বেশি গুরুতর এবং দস্যুতার কাছাকাছি অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারার বিধান চুরির উদ্দেশ্যে মৃত্যু ঘটানো, আঘাত করা বা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি:-
কোন ব্যক্তি যদি চুরি করার পূর্বে চুরি করার জন্য, অথবা চুরি করে পলায়নের জন্য অথবা অনুরূপ চুরি কর্তৃক লব্ধ সম্পত্তি রক্ষণের জন্য মৃত্যু ঘটানোর, অথবা আঘাত করার, অথবা আটকানোর অথবা মৃত্যুর ভয় সৃষ্টি করার, অথবা আঘাত করার, ভয় সৃষ্টি করার অথবা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদেণ্ডও দণ্ডিত হবে।

⇒ উদাহরণসমূহ:
(ক) ক, গ এর দখলভুক্ত সম্পত্তি চুরি করে। চুরি করার সময় সে পোশাকের নিচে একটি গুলি ভর্তি পিস্তল লুকিয়ে রাখে। গ বাধা দিলে তাকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ক গুলি ভর্তি পিস্তলটি রাখে। 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছেন বলে পরিগণিত হবে।
(খ) ক গ-এর পকেট মারে। পকেট মারার পূর্বে সে তার কয়েকটি সঙ্গীকে আশেপাশে মোতায়েন করে। গ যদি টের পায় যে, তার পকেট মারা হচ্ছে এবং টের পেয়ে যদি সে তা রোধ করতে চায় অথবা যদি সেককে আটক করার চেষ্টা করে, তবে তাকে রাখার উদ্দেশ্যে ক তার সঙ্গীদের মোতায়েন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 382. Theft after preparation made for causing death, hurt or restraint, in order to the committing of the theft:
Whoever commits theft, having made preparation for causing death, or hurt, or restraint, or fear of death, or of hurt, or of restraint, to any person, in order to the committing of such theft, or in order to the effecting of his escape after the committing of such theft, or in order to the retaining of property taken by such theft, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

⇒ Illustrations:
(a) A commits theft on property in Z's possession; and, while committing this theft, he has a loaded pistol under his garment having provided this pistol for the purpose of hunting Z in case Z should resist. A has committed the offence defined in this section.
(b) A picks Z's pocket, having posted several of his companions near him, in order that they may restrain Z, if Z should perceive what is passing and should resist, or should attempt to apprehend A. A has committed the offence defined in this section.
৯,৬৫৬.
'ক', একটি জমির মালিকানার উপর ভিত্তি করে 'খ' এর বিরুদ্ধে দখল প্রাপ্তির মোকদ্দমা দায়ের করে এবং আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে বন্ধকগ্রহীতা হিসাবে 'ক', উক্ত সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য 'খ' এর বিরুদ্ধে আরো একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। এক্ষেত্রে ২য় মোকদ্দমাটি কোন নীতি অনুসারে বারিত হবে?
  1. Res sub-judice
  2. Constructive Res judicata
  3. Constructive Res sub-judice
  4. কোনো নীতি অনুসারেই বারিত হবে না
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই ধারায় ৬টি ব্যাখা দেয়া হয়েছে।

• ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখায় পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive res judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি অনুসারে,
''পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ বা মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।''
[Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been, matter directly and substantially in issue in such suit].

অর্থাৎ পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয়টি আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা উচিত ছিল, কোনো পক্ষই যদি তা ব্যবহার না করে থাকে, তবে পরবর্তী মোকদ্দমায় উক্ত বিষয়ের উদ্ভব হলে পরবর্তী মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোষে দুষ্ট হবে।

প্রথম মামলাটি মালিকানার ভিত্তিতে দায়ের করা হয়েছিল যা আদালত খারিজ করেছে। পরবর্তীতে বন্ধকগ্রহীতা হিসাবে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে, যা প্রথম মামলায় আত্মপক্ষসমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারতো। তাই, ২য় মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোবারা দোষ/পরোক্ষ রেস জুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে।
৯,৬৫৭.
কোনো জেলার ফৌজদারি আদালতের ওয়ারেন্ট স্থানীয় অধিক্ষেত্র বহির্ভূত কোনো মেট্রোপলিটন এলাকায় তামিলের জন্য নিচের কার নিকট প্রেরণ করতে হবে?
  1. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির  ৮৩ ধারার বিধান অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরী করবার উদ্দেশ্যে পরোয়ানা প্রেরণঃ (১) যেক্ষেত্রে কোন পরোয়ানা জারীকারী আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে উক্ত পরোয়ানা কার্যকর করা প্রয়োজন দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত পরোয়ানাটি কোন পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত না করে যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা যে জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট অথবা পুলিশ কমিশনার (মহানগরী এলাকা হলে) এর এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে তা কার্যকরী করতে হবে, তাঁর বরাবরে ডাক মারফত অথবা অন্য কোনভাবে তা পাঠাতে পারেন।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট বা পুলিশ কমিশনার বরাবর উক্তরূপে প্রেরণকৃত পরোয়ানার উপর তিনি তার নাম সহি করবেন এবং সম্ভব হলে ইতিপূর্বে উল্লেখিত পদ্ধতিতে নিজের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে তা কার্যকরী করার ব্যবস্থা নিবেন।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৩ ধারায় আদালতের অধিক্ষেত্রের বাহিরে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার বিধান রয়েছে। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকারক আদালতের অধিক্ষেত্রের বাহিরে পরোয়ানা কার্যকর করতে হলে, যে এলাকায় কার্যকর করতে হবে সেই এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা পুলিশ সুপারিন্টেডেন্ট; অথবা মেট্রোপলিটন এলাকা হলে পুলিশ কমিশনার এর নিকট ডাকযোগে বা অন্য কোন উপায়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা পাঠানো যায়। এক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা পুলিশ সুপারিন্টেডেন্ট অথবা মেট্রোপলিটন এলাকা হলে পুলিশ কমিশনার উক্ত গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করবেন।
৯,৬৫৮.
জরিমানা আদায়ের ওয়ারেন্ট কার্যকর করার ক্ষেত্রে আদালতের জন্য নিষিদ্ধ কোনটি?
  1. সম্পত্তি বিক্রি
  2. অপরাধীকে গ্রেপ্তার
  3. কালেক্টরের মাধ্যমে অর্থ আদায়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৬: জরিমানা আদায়ের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু:
(১) যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে জরিমানা প্রদানের শাস্তি প্রদান করা হয়, তখন আদালত জরিমানা আদায়ের জন্য নিচের এক বা উভয় পদ্ধতিতে ব্যবস্থা নিতে পারে:
(ক) অপরাধীর যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে বিক্রির মাধ্যমে জরিমানার টাকা আদায়ের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারে;
(খ) জেলার কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করতে পারে, যাতে তিনি দেওয়ানি পদ্ধতিতে অপরাধীর অস্থাবর বা স্থাবর উভয় সম্পত্তির বিরুদ্ধে কার্যক্রম নিয়ে জরিমানা আদায় করতে পারেন।

শর্ত থাকে যে, যদি রায় অনুযায়ী জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়, এবং অপরাধী সেই সম্পূর্ণ দণ্ড ভোগ করে থাকেন, তবে আদালত বিশেষ লিখিত কারণে প্রযোজ্য মনে না করলে আর ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারবে না।

(২) সরকার উপ-ধারা (১), দফা (ক)-এর অধীনে জারিকৃত ওয়ারেন্ট কার্যকর করার পদ্ধতি এবং অন্য কোনো ব্যক্তি অপরাধী ব্যতীত যিনি ওই সম্পত্তির ওপর দাবি করেন, তার দাবির সংক্ষিপ্ত নিষ্পত্তির জন্য নিয়ম প্রণয়ন করতে পারে।

(৩) যখন আদালত উপ-ধারা (১), দফা (খ)-এর অধীনে কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করে, তখন সেই ওয়ারেন্ট দেওয়ানি আদেশ (decree) বলে গণ্য হবে এবং কালেক্টর decree-holder (আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি) হিসেবে বিবেচিত হবেন। সেক্ষেত্রে, Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী যে নিকটস্থ দেওয়ানি আদালত এমন আদেশ কার্যকর করতে পারে, সেটিকে ঐ আদেশদাতা আদালত বলে গণ্য করা হবে এবং সিপিসির সকল বিধান প্রযোজ্য হবে।

শর্ত থাকে যে, এই ধরনের কোনো ওয়ারেন্ট অপরাধীকে গ্রেপ্তার বা কারাগারে আটক করে কার্যকর করা যাবে না।
৯,৬৫৯.
The term “Fraudulently" is explained in The Penal Code under Section-
  1. 24
  2. 25
  3. 26
  4. 28
ব্যাখ্যা
⇒ Section 24 “Dishonestly”  Whoever does anything with the intention of causing wrongful gain to one person or wrongful loss to another person, is said to do that thing "dishonestly".

⇒ Section 25 “Fraudulently" A person is said to do a thing fraudulently if he does that thing with intent to defraud but not otherwise.

⇒ Section 26 “Reason to believe” A person is said to have "reason to believe" a thing if he has sufficient cause to believe that thing but not otherwise.

⇒ Section 28. “Counterfeit”  A person is said to "counterfeit" who causes one thing to resemble another thing, intending by means of that resemblance to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced. 
Explanation 1.-It is not essential to counterfeiting that the imitation should be exact. 
Explanation 2.-When a person causes one thing to resemble another thing, and resemblance is such that a person might be deceived thereby, it shall be presumed, until the contrary is proved, that the person so causing the one thing to resemble the other thing intended by means of that resemblance to practice deception or knew it to be likely that deception would thereby be practiced.
৯,৬৬০.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইনের প্রথম খণ্ড (ধারা  ১‑৫৫)‑এর বিষয়বস্তু?
  1. ঘটনার প্রমাণ
  2. ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা
  3. সাক্ষ্য উপস্থাপন
  4. সাক্ষ্যগ্রহণ‑পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর প্রাথমিক তথ্য:
আইন নং: ১৮৭২ সালের ১নং আইন।
প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ১৮৭২।
কার্যকর : ১ লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২।
ধারা : ১৬৭ টি।
 
খণ্ড : ৩টি
১ম খণ্ড : ১ - ৫৫ ধারা - ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা,
২য় খণ্ড : ৫৬ - ১০০ ধারা - ঘটনার প্রমাণ,
৩য় খণ্ড : ১০১ - ১৬৭ ধারা - সাক্ষ্য উপস্থাপন ও ইহার ফলাফল।
৯,৬৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে পুলিশ ডায়েরির সঠিক ব্যবহার কোনটি?
  1. এটি মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়
  2. এটি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যায়
  3. এটি অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ব্যবহার করা যায়
  4. এটি শুধুমাত্র তদন্ত কর্মকর্তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে পুলিশ ডায়েরি শুধুমাত্র তদন্ত কর্মকর্তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহৃত হয়। 

⇒ পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশি ডায়েরি। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরি সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরিতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন। কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করবেন।
- পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার [ধারা ১৭২(২)]-
যে কোন ফৌজদারি আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশি ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে।
-পুলিশ ডায়েরি পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরি ব্যবহার করতে পারে।
-তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
============= 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,Section 172: Diary of proceedings in investigation-
(1) Every police-officers making an investigation under this Chapter shall day by day enter his proceedings in the investigation in a diary setting forth the time at which the information reached him, the time at which he began and closed his investigation, the place or places visited by him, and a statement of the circumstances ascertained through his investigation.

(2) Any Criminal Court may send for the police-diaries of a case under inquiry or trial in such Court and may use such diaries, not as evidence in the case, but to aid it in such inquiry or trial. Neither the accused nor his agents shall be entitled to call for such diaries, not shall he or they be entitled to see them merely because they are referred to by the Court; but, if they are used by the police-officer who made them, to refresh his memory or if the Court uses them for the purpose of contradicting such police-officer, the provisions of the Evidence Act, 1872, section 161 or section 145, as the case may be, shall apply.
৯,৬৬২.
What is the provision of section 197 of the Penal Code-1860?
  1. Fabricating false evidence
  2. Using evidence known to be false
  3. Issuing or signing false certificate
  4. Using as true a certificate known to be false
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
-কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
----------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
৯,৬৬৩.
'A', 'B'-এর নিকট ১৫ শতক জমি বিক্রি করার নিমিত্তে চুক্তিপত্র করে কিন্তু অজ্ঞাত কারণে ৫ শতক জমি হস্তান্তর করতে অসমর্থ হয়, এক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. সম্পাদন করা যাবে
  2. সম্পাদন করা যাবে না
  3. সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে না
  4. সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে।
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১৪ ধারা অনুযায়ী কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে উক্ত চুক্তি সম্পাদন করা যাবে।
- এখানে চুক্তির সম্পাদিত অংশ ১০ শতক তথা বড় এবং অসম্পাদিত অংশ ৫ শতক তথা ছোট, তাই চুক্তিটি সম্পাদন করা যাবে এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য B-কে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
----------------------------------
SR Act-Section-14.Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
 
Illustrations
(a) A contracts to sell B a piece of land consisting of 100 bighas. It turns out that 98 bighas of the land belong to A, and the two remaining bighas to a stranger, who refuses to part with them. The two bighas are not necessary for the use or enjoyment of the 98 bighas, nor so important for such use of enjoyment that the loss of them may not be made good in money. A may be directed at the suit of B to convey to B the 98 bighas and to make compensation to him for not conveying the two remaining bighas; or B may be directed, at the suit of A, to pay to A, on receiving the conveyance and possession of the land, the stipulated purchase-money less a sum awarded as compensation for the deficiency.
 
(b) In a contract for the sale and purchase of a house and lands for two lakhs of Taka, it is agreed that part of the furniture should be taken at a valuation. The court may direct specific performance of the contract notwithstanding the parties are unable to agree as to the valuation of the furniture, and may either have the furniture valued in the suit and include it in the decree for specific performance, or may confine its decree to the house.
৯,৬৬৪.
''বাংলাদেশে সরকারের চাকুরীরত বিদেশী নাগরিক 'গ' খুলনায় একটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে। বাংলাদেশের যে স্থানে তাকে পাওয়া যাবে, সে স্থানেই তাকে বিচার করে সাজা প্রদান করা যাবে''- এই বিধানটি দণ্ডবিধির কত ধারা দ্বারা অনুমোদিত?
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান রাষ্ট্রের সীমানার বাহিরে সংঘটিত অপরাধ সমূহের ক্ষেত্রে প্রতিবিধির আওতা সম্প্রসারণ:
নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক,
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
ব্যাখ্যা: এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার অপরাধ কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) ক বাংলাদেশের একজন নাগরিক। সে জাপানে খুনের অপরাধ সংঘটন করে । বাংলাদেশের যে কোন স্থানে, যেখানে তার সন্ধান পাওয়া যাবে, খুনের দায়ে তাকে বিচার ও শাস্তি প্রদান করা যাবে।
(খ) খ একজন ইউরোপীয় বৃটিশ প্রজা। সে রংপুরে একটি খুনের অপরাধ সংঘটন করে। বাংলাদেশের যে কোন স্থানে, যেখানে তার সন্ধান পাওয়া যাবে, খুনের দায়ে তার বিচার ও শাস্তি প্রদান করা যাবে।
(গ) বাংলাদেশে সরকারের চাকুরীরত বিদেশী নাগরিক গ খুলনায় একটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে। বাংলাদেশের যে স্থানে তাকে পাওয়া যাবে, সে স্থানেই তাকে বিচার করে সাজা প্রদান করা যাবে।
অর্থাৎ উল্লিখিত বিধানটি দণ্ডবিধির ৪ ধারা দ্বারা অনুমোদিত।
(ঘ) খুলনায় বসবাসকারী ব্রিটিশ নাগরিক ঘ ঙ-কে চট্টগ্রামে একটি হত্যাকাণ্ড অনুষ্ঠিত করার জন্য প্ররোচিত করে। ঘ হত্যাকাণ্ডে প্ররোচনা দানের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবে।

এছাড়াও, 
দণ্ডবিধির ২ ধারার বিধান বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত অপরাধ এর সাজা:- বাংলাদেশের মধ্যে এই বিধির আওতায় প্রণীত বিধানের পরিপন্থি কোন কার্য করলে অথবা বিধানের নির্দেশ অনুযায়ী কোন কার্য না করলে প্রত্যেক ব্যক্তি এই বিধির আওতায় সাজার জন্য দায়ী হবেন এবং অপর কোনভাবে নয়।

ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের দায়: যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাহিরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে, তাহা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, কোন অপরাধ করে;
তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে ধরে নিয়ে সে অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।
৯,৬৬৫.
তামাদি আইনের কোন ধারায় আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে?
  1. ৫ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ২০ ধারা
  4. ২৯ ধারা
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। একে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে।

তামাদি আইনের কঠোরতা লাঘবের জন্য এই আইনে যুক্ত করা হয়েছে ‘কতিপয় বিশেষ ক্ষেত্রে মেয়াদ বৃদ্ধিকরণ’ শিরোনামে ৫ ধারা। যেখানে বলা হয়েছে, কোন পক্ষ শুধুমাত্র আপীল, রিভিউ, রিভিশন, লিভ টু আপীল এবং বিভিন্ন প্রকার দরখাস্ত দায়েরে ক্ষেত্রে তামাদির সময় বৃদ্ধি করার আবেদন করতে পারে। এই সকল আবেদন করার সময় উল্লেখ করতে হবে ‘কেন সঠিক সময় আবেদন দায়ের করা যায়নি তার কারণ’। আদালত উক্ত ‘কারণ’ বিবেচনায় নিয়ে সন্তুষ্টচিত্তে ক্ষেত্র বিশেষে সময় বৃদ্ধির আবেদন মঞ্জুর করতে পারেন। তবে মূল মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা কখনো গ্রহণযোগ্য হয় না।

এই ৫ ধারায় মূলত ’Equity will not suffer a wrong to be without a remedy’- অর্থাৎ ‘ইকুইটিতে ভুলের প্রতিকার বিদ্যমান’ নীতির প্রকাশ পেয়েছে। তামাদি আইনের ৫ ধারার বক্তব্য বুঝার জন্য এই ধারার ব্যাখ্যা অংশে বলা আছে- হাইকোর্ট বিভাগের কোন আদেশ, প্রথা কিংবা সিদ্ধান্তের দ্বারা তামাদির সময়কাল হিসাব কিংবা নির্ধারণে বিভ্রান্ত হলে তা বর্তমান ধারা অনুযায়ী ‘যথার্থ কারণ’ বলে বিবেচিত হতে পারে। তবে বর্তমান আইনে বা আরও যেসব আইনে ‘যথার্থ কারণ/Sufficient cause’ শব্দগুলি ব্যবহার করা হয়েছে সে সকল কোন আইনেই শব্দ গুলোর ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত থেকে বলা যায় ১.অসুস্থতা (অবশ্যই গুরুতর বা মারাত্মক) ২.কারাবাস ৩.সরল বিশ্বাসে ভুল ৪.কৌসুলি বা উকিলের ভুল ৫.আদালতের সংঘাতপূর্ণ সিদ্ধান্ত ৬.রায় বা ডিক্রি তুলতে আদালতের কর্মচারীর ভুল ইত্যাদি ‘যথার্থ কারণ/Sufficient cause’ হিসেবে আদালত বিবেচনায় নিতে পারে। তবে কোন ভাবেই এই ৫ ধারার সময় বৃদ্ধির আবেদন কোন পক্ষ অধিকার হিসেবে আদালতে দাবি করতে পারবে না।
৯,৬৬৬.
আদেশ ৪০, বিধি ৪ অনুসারে সম্পত্তি বিক্রির পর অবশিষ্ট টাকা কাকে প্রদান করা হবে?
  1. রিসিভারকে
  2. আদালতকে
  3. মূল মামলার বাদীকে
  4. সরকারের কোষাগারে জমা হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি-৪: রিসিভারের দায়িত্ব বলবৎকরণ:
যেক্ষেত্রে রিসিভার-
ক) আদালতের নির্দেশিত সময়ে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, অথবা
খ) তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা আদালতের নির্দেশ মতে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, বা
গ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করতে বা তার দ্বারা সাধিত অনিষ্টের খেসারত প্রদানে ব্যবহার করতে পারে এবং অবশিষ্ট টাকা (যদি কোন) রিসিভারের নিকট প্রদান করবে।
৯,৬৬৭.
Z এর সম্মতি ছাড়া তার দখল থেকে অসাধুভাবে নিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে Z এর জমিতে A একটি গাছ কাটে। এক্ষেত্রে A সংঘটন করে-
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. স্যুতার প্রচেষ্টা
  4. চুরির প্রচেষ্টা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরিঃ কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্ৰহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহুর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহুর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
৯,৬৬৮.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ অনুযায়ী, দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ কখন থেকে গণনা হবে?
  1. দরখাস্ত দাখিলের তারিখ থেকে
  2. অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
  3. আদালতের রায়ের তারিখ থেকে
  4. দরখাস্ত গ্রহণের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী,
যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়।
এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে।

অর্থাৎ, যখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার বা দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে।
৯,৬৬৯.
বার কাউন্সিল অর্ডারের কোন অনুচ্ছেদে বার কাউন্সিলের শূন্য পদের বিষয়ে বলা আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
  4. ১৫
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ১২ তে শূন্য পদের বিষয়ে বলা আছে।
 - যদি কোনো পদ শূন্য হয় একই নির্বাচনে যিনি ওই ব্যক্তির পরে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলেন, তার দ্বারা উক্ত শূন্য পদ পূরণ হবে।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-12. A casual vacancy in the Bar Council shall be filled,-
(a) if the person who previously filled that vacancy was a member, by the person who received the highest number of votes next after that member, in the same election, and in the event there being no such person, by co-option by the Bar Council of a person eligible for election to the Council under this Order; and
 
(b) if it occurs in the office of the Vice-Chairman, by a person elected in the prescribed manner by the members of the Council from amongst themselves.
৯,৬৭০.
"আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা তাকে প্রমাণ করতে হবে।" এখানে সাক্ষ্য আইনের কোন নীতির প্রতিফলন হয়েছে?
  1. Plea of Alibi
  2. Res Gestae
  3. Admission
  4. Estoppel
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা-১০৩ এর বিধান কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্বঃ- কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

⇒ উদাহরণ
⇒ 'খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে।

⇒ আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা তাকে প্রমাণ করতে হবে।

⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে। নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।

⇒ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ কিন্তু আলোচ্য ঘটনার অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে সম্ভব বা অসম্মান করে তোলে এমন ঘটনা প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় উদাহরণের মাধ্যমে অপরাধের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র থাকার অজুহাতকে প্রাসঙ্গিক বলা হয়েছে।

⇒ যখন কোন ব্যক্তি কোন ঘটনা সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত হয় এবং সে যদি আদালতে উপস্থাপন করে যে সে অপরাধ সংঘটনের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র ছিল তখন সে অজুহাতকে Plea of Alibi (Elsewhere) বলে।
৯,৬৭১.
জাল দলিলকে খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করার সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৭১ ধারা মতে  জাল দলিলকে খাটি হিসাবে ব্যবহার করার শাস্তি হলো জালিয়াতির শান্তির অনুরূপ অর্থাৎ জাল দলিলকে খাটি হিসাবে ব্যবহার করার শাস্তি অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৯,৬৭২.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৭ অনুসারে, বিদেশী রায়ের ক্ষেত্রে মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৭ অনুযায়ী: "দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এ সংজ্ঞায়িত বিদেশী রায় (foreign judgment)-এর ভিত্তিতে মামলা করার তামাদি মেয়াদ হলো ৬ বছর। এবং এই ৬ বছরের সময়সীমা গণনা শুরু হয় রায়ের তারিখ থেকে।"
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৭ অনুযায়ী, বিদেশী রায় সম্পর্কিত মামলার তামাদি মেয়াদ ৬ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় বিদেশী রায় প্রদানের তারিখ থেকে।
৯,৬৭৩.
হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখে কত ধারা অনুযায়ী-
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদন্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদন্ড বহাল রাখতে পারেন, বাতিল করতে পারেন, অন্য কোন দন্ড দিতে পারেন বা খালাস দিতে পারেন। আসামী আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত, অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারানুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ গর্ভবর্তী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদন্ড স্থগিত বা হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করতে পারেন।
৯,৬৭৪.
দণ্ডবিধির ১৯১ ধারার আওতায় কোন ধরনের বক্তব্য বা বিবৃতি মিথ্যা সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. কেবল মৌখিক বক্তব্য
  2. কেবল লিখিত বিবৃতি
  3. মৌখিক বা লিখিত যেকোনো ধরনের
  4. কেবল ভুক্তভোগী হিসাবে আদালতে প্রদত্ত বিবৃতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯১ ধারার বিধান- মিথ্যা সাক্ষ্যদান:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শপথক্রমে বা আইনে কোন প্রকাশ্য বিধান অনুযায়ী সত্য বলতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, অথবা কোন বিষয়ে একটি ঘোষণা প্রদান করতে আইনানুসারে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, এমন কোন উক্তি করে বা বিবৃতি দান করে যা মিথ্যা, এবং যা হয় সে মিথ্যা বলে জানে, না হয় সে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করে অথবা যা সে সত্য বলে বিশ্বাস করে না, তবে উক্ত ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- কোন উক্তি বা বিবৃতি মৌখিকভাবে অথবা অপর যেভাবেই করা হোক না কেন, এই ধারার অর্থানুসারে তা উক্তি বা বিবৃতি বলে বিবেচিত।
ব্যাখ্যা ২:- সত্যতা নিরূপণকারী ব্যক্তির বিশ্বাস বিষয়ক মিথ্যা উক্তি এই ধারার অর্থে অন্ত র্ভুক্ত। কোন ব্যক্তি যা বিশ্বাস করে না, তা সে বিশ্বাস করে বলে এবং যা সে জানে বলে উক্তি করলে সে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দানের জন্য অপরাধী হবে।
৯,৬৭৫.
ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সমন পাঠানোর খরচ কে বহন করবে?
  1. আদালত
  2. বাদী
  3. বিবাদী
  4. আদালত নির্ধারণ করবে
ব্যাখ্যা

Order V, Rule 9 – Service of Summons (সমনের প্রেরণ):
(1) যদি বিবাদী (defendant) সেই আদালতের এখতিয়ারের (jurisdiction) মধ্যে বসবাস করেন, অথবা তার একজন অনুমোদিত প্রতিনিধি (agent) সেখানে বসবাস করেন যিনি সমন গ্রহণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত, তাহলে সমন পাঠানো হবে— আদালতের সংশ্লিষ্ট অফিসার (proper officer) বা তার অধীনস্থ কর্মচারীর মাধ্যমে, অথবা জেলা জজ কর্তৃক অনুমোদিত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে। (তবে আদালত চাইলে ভিন্ন নির্দেশ দিতে পারে।)

(2) যদি “proper officer” অন্য কোনো আদালতের কর্মকর্তা হন, তাহলে সমন তাকে ডাকযোগে বা আদালত নির্দেশিত অন্য কোনো উপায়ে পাঠানো যেতে পারে।

(3) আদালত চাইলে মামলাকারীর (plaintiff) আবেদনক্রমে, সমন পাঠানোর পাশাপাশি নিম্নলিখিত মাধ্যমেও সমন প্রেরণের নির্দেশ দিতে পারে:
- Short Message Service (SMS)
- Voice Calls
- Instant Messaging (যেমন WhatsApp, Messenger ইত্যাদি)
- Fax Message
- E-mail
এগুলো মামলাকারী নিজের খরচে করবে, তবে প্রমাণ (proof of service) অবশ্যই নথিভুক্ত রাখতে হবে।

(4) জেলা জজ (District Judge) এক বা একাধিক কুরিয়ার সার্ভিসের তালিকা প্রস্তুত করবেন, এবং তা সময়ে সময়ে হালনাগাদ করে অধীনস্থ সকল দেওয়ানি আদালতকে জানাবেন।

(5) যখন সমন কোনো অফিসার বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানো হবে, তারা ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সমন পৌঁছে দেওয়ার জন্য দায়বদ্ধ থাকবে এবং সে সম্পর্কে আদালতকে অবহিত করতে হবে।

শর্ত:
৩০ দিনের মধ্যে সমন পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে-
- সেই কর্মকর্তা দায়িত্বে অবহেলার (misconduct) জন্য দায়ী হবেন;
- কুরিয়ার সার্ভিস হলে, জেলা জজ তাকে অনুমোদিত তালিকা থেকে বাদ দেবেন।

৯,৬৭৬.
'ক'-চট্টগ্রামে বসবাস করে। একদা 'ক' ব্যবসায়িক কাজে ঢাকা যায় এবং সেখানে তর্কের জেরে 'খ'-কে মারধর করে। এক্ষেত্রে 'খ' কোথায় 'ক' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোন আদালতে
  2. চট্টগ্রামের এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
  3. ঢাকার এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'খ' ঢাকা বা চট্রগ্রামের যেকোনো এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে 'ক' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। তবে ধারা ১৯ এ ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের ক্ষেত্রে  ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হবে তা বলা হয়েছে। 

• ধারা ১৯ (ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা)-
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে, এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

Section 19: Suits for compensation for wrongs to person or movables-

Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plaintiff in either of the said Courts.
৯,৬৭৭.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের কত অনুচ্ছেদে হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৮০
  2. অনুচ্ছেদ ১৮১
  3. অনুচ্ছেদ ১৮২
  4. অনুচ্ছেদ ১৮৩
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৮৩:
হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ অথবা আপিল বিভাগ [Appellate Division] কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলা:
তামাদি মেয়াদ: ১২ বছর।

সময় গণনার শুরু:
যেদিন সেই ব্যক্তি, যিনি উক্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করতে পারেন, প্রথমবারের মতো তা কার্যকর করার অধিকার লাভ করেন, সেদিন থেকে।

৯,৬৭৮.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন মঞ্জুর করা যায়?
  1. কেবল শুনানির পরে
  2. চূড়ান্ত রায় দেওয়ার পরে
  3. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  4. কেবল আপিলের সময়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

৯,৬৭৯.
প্রতিপক্ষের আইনজীবী কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করা হলে, তাকে কী বলে?
  1. Examination in Chief
  2. Re-examination
  3. Cross Examination
  4. Further examination
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]:
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

- জেরা [Cross Examination]:
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]:
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।
৯,৬৮০.
বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৮ অনুযায়ী, একজন নারীকে অ্যাডভোকেট হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য কোন কারণে অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না?
  1. বয়স কম হওয়ায়
  2. শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকায়
  3. কেবলমাত্র নারী হওয়ার কারণে
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২৮:
"কেবলমাত্র লিঙ্গের কারণে কোনো নারীকে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না।"

অর্থাৎ, একজন নারী শুধু নারী হওয়ার কারণে অ্যাডভোকেট হিসেবে ভর্তি হতে বাধাগ্রস্ত হবেন না — লিঙ্গভিত্তিক কোনো বৈষম্য এখানে চলবে না।
৯,৬৮১.
বাদী আদালতে দাবি করে যে, বিবাদী তার বৈধ সন্তান নয় এবং বাদীকে ভরণপোষণ দিতে বাধ্য করা যাবে না। আদালত বিবাদীকে বাদীর বৈধ সন্তান হিসেবে ঘোষণা করে। আদালত কর্তৃক এই ডিক্রি কীভাবে জারি করা যাবে?
  1. বাদীর সম্পত্তি ক্রোক করে
  2. বাদীকে কারাদণ্ড দিয়ে
  3. বাদীর সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করে
  4. জারি করার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা (Declaratory Suit):
কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তির অধিকার ঘোষণা চেয়ে যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তা হলো ঘোষণামূলক মোকদ্দমা। ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি দেয় তা হলো ঘোষণামূলক ডিক্রি।

যে যে ক্ষেত্রে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করা যায়:
- দত্তক বৈধ বা অবৈধ ঘোষণার মোকদ্দমা;
- সম্পত্তি গ্রহণের অধিকারী হিসাবে ঘোষণা;
- মৃত পিতার সম্পত্তিতে বৈধ উত্তরাধিকারী হিসাবে সম্পত্তি দখলের অধিকারী হিসাবে ঘোষণা;
- বৈধতা সংক্রান্ত ঘোষণার মামলা রক্ষণীয়। যেমন বাদী বিবাদীর বৈধ সন্তান বা বাদী বিবাদীর পিতা না এবং এই কারণে ভরণপোষণ দিতে বাধ্য না বা কোন পদের অধিকারী মর্মে ঘোষণা যেমন কলেজের অধ্যক্ষের পদ।
- বিবাহ সংক্রান্ত ঘোষণা; যেমন বাদী বিবাদীকে বিবাহ করেনি বা মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে বলে ঘোষণা।

ঘোষণামূলক ডিক্রি জারি:
ঘোষণামূলক ডিক্রি বলবৎ করার কোনো প্রয়োজন নেই বা ঘোষণামূলক ডিক্রি বলবৎ করার জন্য কোন জারি মামলা দায়ের করার প্রয়োজন নেই। এমনকি ঘোষণামূলক ডিক্রি অবমাননার জন্য আদালতে অবমাননার কোন মোকদ্দমা করার প্রয়োজন হয় না।
৯,৬৮২.
A জানে Z একটি ঝোপের আড়ালে রয়েছে। B তা জানে না। A,Z এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে অথবা এই ঘটনায় Z এর মৃত্যু ঘটার আশঙ্কা রয়েছে জেনে B কে উক্ত ঝোপের প্রতি গুলি ছুঁড়ার জন্য A প্ররোচিত করে। B গুলি ছুঁড়ে ও Z কে হত্যা করে। এই ক্ষেত্রে A এবং B এর অপরাধ কি?
  1. A কোন অপরাধ করেনি কিন্তু B খুন করেছে
  2. A নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং B কোন অপরাধ করেনি
  3. B নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং A কোন অপরাধ করেনি
  4. উপরের কোনটি না
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু Z কে হত্যা করার কোন উদ্দেশ্যে B এর ছিল না এবং B জানতো না যে ঝোপের আড়ালে Z ছিল, সুতরাং সে গুলি করেছে কোন প্রকার জ্ঞান [Knowledge] ছাড়া। তাই B কোন অপরাধ করেনি। কিন্তু Z কে হত্যা করতে A,B কে প্ররোচনা করেছে এবং তাই A নিন্দনীয় নরহত্যায় প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে। কিন্তু A এর অপরাধটি খুন হবে কিনা তা ৩০০ ধারার আলোকে নির্ধারণ করতে হবে।
৯,৬৮৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ___________ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারবে।
  1. আদেশ-১, বিধি-৬
  2. আদেশ-১, বিধি-৯
  3. আদেশ-১, বিধি-১০
  4. আদেশ-১, বিধি-১২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২) অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২) আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন: মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সংগত বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যের ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিষ্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

⇒ অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন (Striking out) বলতে বুঝায় যে, মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী বা বিনা আবেদনে এবং আদালতের নিকট সংগত মনে হলে, অসঙ্গতভাবে পক্ষভুক্ত বাদী বা বিবাদী কে বাদ দিতে এবং যে ব্যক্তিকে সংযুক্ত করা প্রয়োজন, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ এর বিধানের মূল বক্তব্য হলো:
আদালতের ক্ষমতা: দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১, বিধি ১০(২) অনুযায়ী, আদালত মামলার যে কোনো পর্যায়ে পক্ষ বাদ বা সংযোজন করতে পারেন।
অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন: যদি কোনো ব্যক্তি মামলার জন্য অসঙ্গতভাবে পক্ষভুক্ত হন, তাহলে আদালত তাকে বাদ দিতে পারেন।
প্রয়োজনীয় পক্ষ সংযোজন: আদালত মনে করলে, মামলার যথাযথ বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য যে ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন, তাকে বাদী বা বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।
আবেদন বা স্বপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত: আদালত পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে বা নিজস্ব সিদ্ধান্তে এই পরিবর্তন করতে পারেন।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-1 Rule-10(2): The Court may strike out or add parties:
The court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out, and that the name of any person who ought to have been joined, whether as plaintiff or defendant or whose presence before the Court may be necessary in order to enable the Court effectually and completely to adjudicate upon and settle all the questions involved in the suit, be added.
৯,৬৮৪.
ফৌজদারি মামলায় কোন ক্ষেত্রে আপিল করা যায়?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধিতে বিধান থাকলে
  2. বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে বিধান থাকলে
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• মামলার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে তাকে আপিল বলে। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারা হতে ৪৩১ যারা পর্যন্ত আপিলের বিধি-বিধান বর্ণিত হয়েছে।

ধারা ৪০৪: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না- 
উক্ত কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।

Section 404: Unless otherwise provided, no appeal to lie
No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.
৯,৬৮৫.
Penal Code প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত ১৮৩৭ সালের প্রথম ভারতীয় আইন কমিশনের সভাপতি ও কমিশনার কে বা কারা ছিলেন?
  1. সভাপতি হেস্টিংস, কমিশনার লর্ড ম্যাকুলে এবং ম্যাকলয়েড এন্ডারসন
  2. সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার হেস্টিংস এবং ম্যাকলয়েড এন্ডারসন
  3. সভাপতি এন্ডারসন এবং কমিশনার লর্ড ম্যাকুলে
  4. সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার ম্যাকলয়েড এন্ডারসন ও মিলেট
ব্যাখ্যা
• ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরুপ:-

i) সভাপতি- লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মি. ম্যাকলয়েড।
iii) সদস্য- মি. এন্ডারসন।
iv) সদস্য- মি. মিলেট।

এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতিগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।
৯,৬৮৬.
কোন অবস্থায় দণ্ডবিধির ধারা ১২০ অনুযায়ী সর্বোচ্চ এক-চতুর্থাংশ মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. যদি অপরাধ সংঘটিত হয়
  2. যদি অপরাধ তদন্তাধীন থাকে
  3. যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়
  4. যদি অপরাধ পরিকল্পনার পর্যায়ে থাকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) যদি অপরাধ সংঘটিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ অনুযায়ী, যদি কেউ এমন একটি কারাবিধেয় অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা গোপন করে এবং সেই অপরাধটি বাস্তবে সংঘটিত হয়, তাহলে সে ব্যক্তি মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির এক-চতুর্থাংশ মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
- অপরাধ সংঘটিত না হলে, সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ এক-অষ্টমাংশ সময় পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানায় দণ্ডিত হতে পারেন।
⇒ তাই, শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটিত হলেই এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত শাস্তির বিধান প্রযোজ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি কারাবিধেয় অপরাধ সংঘটনের ডিজাইন (পরিকল্পনা) গোপন করে এবং সেই অপরাধটি সংঘটিত না হয়, তবে সেই ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-অষ্টমাংশ পর্যন্ত।
- যে ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা গোপন করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, সে যদি অপরাধ সংঘটিত হয়, তবে তাকে শাস্তির এক চতুর্থাংশ সময় বা জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া হবে।
- যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে তাকে এক অষ্টমাংশ সময় বা জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-120. Concealing design to commit offence punishable with imprisonment
Whoever, intending to facilitate or knowing it to be likely that he will thereby facilitate the commission of an offence punishable with imprisonment, 
voluntarily conceals, by any act or illegal omission, the existence of a design to commit such offence, or makes any representation which he knows to be false respecting such design,
if offence be committed; if offence be not committed
shall, if the offence be committed, be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth, and, if the offence be not committed, to one-eighth, of the longest term of such imprisonment, or with such fine as is provided for the offence, or with both.
৯,৬৮৭.
কোন ক্ষেত্রে "অবৈধ বাধা" (Wrongful Restraint) সংঘটিত হয়?
  1. কাউকে চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য বাধ্য করা
  2. কারোর আইনানুগ চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি করা
  3. কাউকে সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করা
  4. অন্য ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম:
যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
৯,৬৮৮.
'ক' একজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। কারাগারে থাকাকালীন সে একজন নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যা করার চেষ্টা করে এবং তাকে গুরুতর আহত করে। এই অবস্থায় 'ক' এর বিরুদ্ধে কোন অপরাধ প্রযোজ্য হবে??
  1. দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা- খুনের উদ্যোগ:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোনো কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে, সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি অনুরূপ কাজের দ্বারা কোনো ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা পূর্বোক্ত যে দণ্ডের উল্লেখ করা হয়েছে, সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
৯,৬৮৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫০(১) অনুযায়ী ডিক্রি-দেনাদারের মৃত্যু হলে ডিক্রিদার কার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করতে পারেন?
  1. সরকার
  2. মৃত ব্যক্তির ঋণদাতা
  3. মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি
  4. মৃত ব্যক্তির ব্যবসায়িক অংশীদার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫০(১) স্পষ্টভাবে বলছে যে, "যদি ডিক্রি-দেনাদার (judgment-debtor) সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার (decree-holder) সেই আদালতে আবেদন করতে পারেন যা ডিক্রি জারি করেছিল, এবং এই ডিক্রিটি মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধির (legal representative) বিরুদ্ধে কার্যকর করার জন্য অনুরোধ করতে পারেন।"
- "আইনগত প্রতিনিধি" বলতে বোঝায় সেই ব্যক্তি যিনি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি, দায় বা অধিকার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন এবং তাঁকে আইনত প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার দেওয়া হয়েছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫০: আইনগত প্রতিনিধি বা উত্তরাধিকারী:
(১) যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার আদালতে আবেদন করতে পারেন যা ডিক্রি জারি করেছিল, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর (legal representative) বিরুদ্ধে সেই ডিক্রি কার্যকর করার জন্য।
(২) যখন ডিক্রি মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা হয়, তখন তিনি শুধুমাত্র সেই সম্পত্তির পরিমাণে দায়বদ্ধ থাকবেন যা মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে তার হাতে এসেছে এবং যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করা হয়নি; এবং, এই দায় নির্ধারণের জন্য, ডিক্রি কার্যকরকারী আদালত, নিজ উদ্যোগে বা ডিক্রি ধারকের আবেদনের ভিত্তিতে, ওই উত্তরাধিকারীকে এমন হিসাবপত্র পেশ করার জন্য বাধ্য করতে পারে যা আদালত উপযুক্ত মনে করে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 50.Legal representative:
(1) Where a judgment-debtor dies before the decree has been fully satisfied, the holder of the decree may apply to the Court which passed it to execute the same against the legal representative of the deceased.
(2) Where the decree is executed against such legal representative, he shall be liable only to the extent of the property of the deceased which has come to his hands and has not been duly disposed of; and, for the purpose of ascertaining such liability, the Court executing the decree may, of its own motion or on the application of the decree-holder, compel such legal representative to produce such accounts as it thinks fit.
৯,৬৯০.
Oral evidence must, in all cases whatever, be direct- সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বক্তব্য?
  1. ৫৮
  2. ৫৯
  3. ৬০
  4. ৬১
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারায় মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ হতে হবে এই বিধান আছে- অর্থাৎ কোনো ঘটনার চাক্ষুস সাক্ষীকে বলতে হবে সে নিজে দেখেছে, কেউ যদি কোনো ঘটনা শুনে তাকেই বলতে হবে তিনি নিজে শুনেছেন। কিন্তু কেউ যদি বলে ঘটনা ঘটার সময় আমি দেখিনি, কিন্তু যে দেখেছে তাঁর মুখে শুনেছি তবে এই ঘটনার জন্য এই সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য নয়। ৬০ ধারায় এই বিষয়ে বিস্তারিত বলা আছে।
৯,৬৯১.
বিচারিক কর্মকর্তার আমন্ত্রণ ব্যতীত বিচারাধীন কোন মামলার ব্যাপারে আইনী মতামত প্রদান করা হতে বিরত থাকা ।- একজন আইনজীবীর কোন দায়িত্বের মধ্যে পরে? 
  1. মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
  2.  জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব
  3. আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
  4. আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
ব্যাখ্যা

Canons of Professional Conduct and Etiquette, Chapter-3,Rule 9 অনুসারে বিচারিক কর্মকর্তার আমন্ত্রণ ব্যতীত বিচারাধীন কোন মামলার ব্যাপারে আইনী মতামত প্রদান করা হতে বিরত থাকার বিধানটি একজন আইনজীবীর আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য।

Canons of Professional Conduct and Etiquette, Chapter-3,আদালতের প্রতি একজন আইনজীবীর দায়িত্ব ও কর্তব্য-
১. আদালতে ভদ্রতার সাথে উপস্থিত হতে হবে।
২. মামলার বিরুদ্ধে উপদেশ দিবেন না।
৩. কখনো কোনো ভুল তথ্য বা অপব্যাখ্যা দিয়ে আদালতকে বিভ্রান্ত করবেন না।
৪. বিচারকের খাস কামরায় মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন না।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব ন্যায় বিচারের সহায়তা করা, অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া নয়। তাই সরকারি আইনজীবী সাক্ষ্য গোপন বা চাপিয়ে রাখবেন না।
৬. বিচারাধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে খবরের কাগজে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা।
৭. বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে যাতে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা করা না হয় সেই দিকে আইনজীবীদের চেষ্টা বা তা প্রতিহত করা উচিত।
৮. আইনজীবীর সময়মতো আদালতে উপস্থিত হওয়া উচিত।
৯. আদালত আহ্বান করলে নিরপেক্ষ আইনগত মতামত উপস্থাপন করা।

৯,৬৯২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় আদালত কয়টি ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
♦ সম্পত্তি ভোগদখলের হুমকি প্রতিরোধ করতে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার তৃতীয় অংশ অনুসারে ৫টি ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে। যথা-

১। যেখানে বিবাদী বাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার।
২। যেখানে অধিকার লঙ্ঘনের কারণে সংঘটিত বাস্তব সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই।
৩। যেখানে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত অধিকার পাওয়া যাবে না।
৪। যেখানে এমন সম্ভাবনা থাকে যে অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
৫। যেখানে বিচার বিভাগীয় কার্যধারায় জটিলতা নিবারণের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজনীয়।
৯,৬৯৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সম্পদ আদায় বা অবৈধ কাজ করানোর জন্য ইচ্ছাকৃত গুরুতর আঘাত দেওয়ার শাস্তি নির্ধারিত হয়েছে?
  1. ধারা ৩২৫
  2. ধারা ৩২৭
  3. ধারা ৩২৯
  4. ধারা ৩৩১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩২৯ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে এবং এর উদ্দেশ্য হয় ভুক্তভোগী বা সংশ্লিষ্ট কারো কাছ থেকে সম্পত্তি বা মূল্যবান দলিল আদায় করা, অথবা কাউকে অবৈধ কোনো কাজ করতে বাধ্য করা, সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বা সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, এবং জরিমানায় দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩২৯ অনুযায়ী: “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে, উদ্দেশ্য যদি হয় (১) ভুক্তভোগী অথবা ভুক্তভোগীর সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে (২) সম্পদ বা মূল্যবান দলিল আদায় করা,(৩) অথবা তাকে অবৈধ কোনো কাজ করতে বাধ্য করা, তাহলে সেই ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদি যে-কোনো ধরণের কারাদণ্ড, এবং জরিমানায় দণ্ডিত করা যেতে পারে।”
এই ধারায় গুরুতর শারীরিক আঘাত (grievous hurt) ও চাঁদাবাজির উদ্দেশ্য একসাথে সংঘটিত হলে আইন কঠোর শাস্তির বিধান দিয়েছে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 329. Voluntarily causing grievous hurt to extort property, or to constrain to an illegal act
- Whoever voluntarily causes grievous hurt for the purpose of extorting from the sufferer or from any person interested in the sufferer any property or valuable security, or of constraining the sufferer or any person interested in such sufferer to do anything that is illegal or which may facilitate the commission of an offence, shall be punished with imprisonment for life, or imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৯,৬৯৪.
আরজি সত্যাখ্যান (Verification) এর ক্ষেত্রে সঠিক নয়-
  1. আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী সত্যাখ্যান করবে
  2. লিখিত জবাবের অপর পৃষ্ঠায় বিবাদী সত্যাখ্যান করবে
  3. অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে আদালতের অনুমতিক্রমে সত্যাখ্যান করতে পারে
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৪ তে প্লিডিংস স্বাক্ষর এবং ১৫ বিধিতে প্লিডিংস সত্যাখ্যান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• বিধি ১৪- প্রত্যেক প্লিডিংস অর্থাৎ আরজি বা লিখিত জবাব স্বাক্ষরিত হতে হবে।
১. সংশ্লিষ্ট পক্ষ কর্তৃক এবং
২. তার উকিল বা Pleader কর্তৃক

অর্থাৎ আরজিতে বাদী এবং তার উকিল স্বাক্ষর করবে এবং লিখিত জবাবে বিবাদী এবং তার উকিল স্বাক্ষর করবে।

• বিধি ১৫- প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন [Verification of Pleadings]-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তষ্ট হলে, অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে। যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন এবং স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।
৯,৬৯৫.
ক একটি মানি ব্যাগ কুড়িয়ে পেলো এবং জানতে পারলো যে মানিব্যাগটি খ-এর। কিন্তু পরবর্তীতে ক মানিব্যাগটি খ কে ফেরত না দিয়ে তা নিজে ব্যবহার করলো। ক-এর অপরাধ-
  1. Cheating
  2. Criminal Breach of Trus
  3. Mischief
  4. Dishonest Misappriation of Property
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
♦ পেনাল কোডের৪০৩ ধারার (৫) নং উদাহরণ দ্রষ্টব্য। মানিব্যাগটি বিনষ্ট না করায় এখানে mischief হয়নি। ক এর সাথে খ এর যোগাযোগ হয়নি তাই প্রতারণার সুযোগ নেই। criminal breach of trust হতে হলে সেখানে entrustment of property বা dominion of property থাকা আবশ্যক। এই কারণে অপশন ঘ সঠিক।
৯,৬৯৬.
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুসারে, ডাকাতিতে সহায়তাকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা যোগ করলে মোট সংখ্যা কত হতে হবে?
  1. দুই বা ততোধিক
  2. চার বা ততোধিক
  3. পাঁচ বা ততোধিক
  4. দশ বা ততোধিক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারায় ডাকাতি (Dacoity) বলতে বোঝায় যখন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা (robbery) সংঘটন করে বা চেষ্টা করে, অথবা দস্যুতা সংঘটনকারী, চেষ্টাকারী এবং সহায়তাকারী ব্যক্তিদের মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়। অর্থাৎ, সহায়তাকারীদের সংখ্যা যোগ করলে মোট পাঁচ বা তার বেশি হতে হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-391: Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".

৯,৬৯৭.
'ক' একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও, ‘ক’ _______ ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
  1. ৩০০
  2. ৩০৩
  3. ৩০৭
  4. ৩১১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা- খুনের উদ্যোগ:
কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং
যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
(অ) 'ক', 'চ'-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে 'ক' খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। 'ক' এই ধারা বলে দণ্ডিত হবে।

(আ) 'ক' একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও ‘ক’ এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(ই) 'ক', 'চ' কে খুন করার উদ্দেশ্যে একটি বন্দুক ক্রয় করে উহা গুলি ভর্তি করে। এতদূর পর্যন্ত 'ক' অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। 'ক', 'চ'-এর প্রতি গুলি বর্ষণ করে। এইক্ষেত্রে সে এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে, এবং এই গুলি বর্ষণের দরুণ যদি সে 'চ'-কে আহত করে থাকে, তবে সে এই ধারার প্রথম অনুচ্ছেদের শেষাংশে নিদিষ্ট দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ঈ) 'ক', 'চ'-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে; বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রব্যটি 'ক'-এর নিকটই রয়েছে। এতদূর পর্যন্ত 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। 'ক' বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি 'চ' এর খাবার টেবিলে রাখে অথবা উহা 'চ'-এর খাবার টেবিলে রাখার জন্য 'চ'-এর চাকরকে প্রদান করে । 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
৯,৬৯৮.
সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় সাক্ষ্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২ টি ভাগে
  2. ৩ টি ভাগে
  3. ৪ টি ভাগে
  4. ৫ টি ভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ ২০২২ সালের সংশোধনী অনুসারে সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় সাক্ষ্য ৩ প্রকার। যথা:
১) দালিলিক সাক্ষ্য,
২) মৌখিক সাক্ষ্য,
৩) শারীরিক বা ফরেনসিক।

⇒  সাক্ষ্য (Evidence): 'সাক্ষ্য' শব্দের অর্থে অন্তর্ভুক্ত হবে-

(১) বিচার্য বিষয়ের অনুসন্ধানের সাথে সম্পর্কিত যে সকল বিবৃতি দেওয়ার জন্য আদালত অনুমতি দেন বা সাক্ষীর যে সকল বিবৃতি আদালতের প্রয়োজন হয়; এ ধরনের বিবৃতিকে মৌখিক সাক্ষ্য বলে।

(২) যে সকল দলিল আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপিত করা হয়, এ ধরণের দলিলপত্রকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে।

(৩) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য: রক্ত, বীর্য, চুল, সকল দৈহিক উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিএনএ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ; এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরুপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ-
i. প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে; বা
ii. অপরাধ এবং এর ভুক্তভোগীর মধ্যে বা অপরাধ এবং এর অপরাধীর মধ্যেকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে; এবং 
iii. কোন ঘটনা প্রমাণ করে বা মিথ্যা প্রমাণ করে।
৯,৬৯৯.
জনৈক 'ক' একজন ম্যাজিস্ট্রেট। উনার আদালতে দায়ের করা এক অভিযোগ আমলে নেয়ার ক্ষেত্রে দেখেন যে, অপরাধটি একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য এবং তিনি মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করেন। এক্ষেত্রে কাকে নোটিশ দিতে হবে?
  1. অভিযুক্তকে
  2. অভিযোগকারীকে
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরকে
  4. অপরাধ আমলে নেয়া তদন্তকারী কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫(গ) তে যে মামলাসমূহ একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য, সেই সকল মামলার স্থানান্তর সম্পর্কে বলা হয়েছে। অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষেত্রে যদি ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, অপরাধটি একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তাহলে তিনি-
 
⇒ মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
⇒ জামিন সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানসমূহের শর্ত সাপেক্ষে আসামিকে হেফাজতে রাখার জন্য প্রেরণ করবেন;
⇒ সাক্ষ্যের জন্য উপস্থাপন করতে হবে এরূপ দলিলাদি এবং জিনিসপত্র (যদি থাকে) তা সহ আদালতে প্রেরণ করবেন;
পাবলিক প্রসিকিউটরকে নোটিশ দিবেন।
৯,৭০০.
ঔষধে ভেজাল মেশানো ও ভেজাল ঔষধ বিক্রির শাস্তি রয়েছে-
  1. ২৭৪ ধারা
  2. ২৭৫ ধারা
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ২৭৪ ধারায় ঔষধে ভেজাল মেশানোর শাস্তি এবং ২৭৫ ধারায় ভেজাল ঔষধ বিক্রয় করার শাস্তি- উভয়ক্ষেত্রে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা অর্তদণ্ড বা উভয়দণ্ড