বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৯৫ / ১২৬ · ৯,৪০১৯,৫০০ / ১২,৬০৫

৯,৪০১.
কোন পরিস্থিতিতে পূর্বে দেওয়া সাক্ষ্য পরবর্তী মামলা প্রমাণে প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. সাক্ষীর মৃত্যু
  2. সাক্ষী নিখোঁজ
  3. সাক্ষী অসুস্থ বা অসমর্থ
  4. উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারার বিধান: যখন পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তীতে মামলায় প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে:
কোন মামলায় কেউ আইন অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার পর যদি তার-
ক) মৃত্যু হয়; বা
খ) সন্ধান পাওয়া না যায়; বা
গ) যে পরে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হয়ে পড়ে; বা
ঘ) প্রতিপক্ষ তাকে আটকিয়ে রাখে;
ঙ) যুক্তিসংগত কারণে তাকে আদালতে উপস্থিত করা সময় এবং ব্যয়সাপেক্ষ;

তাহলে এই ধরনের সাক্ষীর পূর্বে দেওয়া প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য পরবর্তী পর্যায়ে প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক হবে। তবে নিম্নে বর্ণিত ৩টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
১। পরবর্তী মামলা একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে অথবা তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
২। পূর্বে সাক্ষ্য দেওয়া সাক্ষীকে প্রতিপক্ষ জেরা করার সুযােগ পেতে হবে; এবং
৩। উভয় মামলার বিচার্য বিষয় প্রধানত একই ধরনের হতে হবে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 33.Relevancy of certain evidence for proving, in subsequent proceeding, the truth of facts therein stated:
 Evidence given by a witness in a judicial proceeding, or before any person authorized by law to take it, is relevant for the purpose of proving, in a subsequent judicial proceeding, or in a later stage of the same judicial proceeding, the truth of the facts which it states, when the witness is dead or cannot be found, or is incapable of giving evidence, or is kept out of the way by the adverse party, or if his presence cannot be obtained without an amount of delay or expense which, under the circumstances of the case, the Court considers unreasonable:

Provided- 
that the proceeding was between the same parties or their representatives in interest; 
that the adverse party in the first proceeding had the right and opportunity to cross-examine; 
that the questions in issue were substantially the same in the first as in the second proceeding. 

Explanation.–A criminal trial or inquiry shall be deemed to be a proceeding between the prosecutor and the accused within the meaning of this section.
৯,৪০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. অভিযুক্তের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির বিধান
  2. সন্দেহযুক্ত চোরাই মাল বাজেয়াপ্তির বিধান
  3. অভিযুক্তের জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান
  4. সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিধান: সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগ-
 - ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহন করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
 
- উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারী গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-503.When attendance of witness may be dispensed with Issue of commission and procedure thereunder:
(1) Whenever in the course of an inquiry, a trial or any other proceeding under this Code, it appears to 488[a Metropolitan Magistrate], 489[a Chief Judicial Magistrate], a Court of Session or the High Court Division that the examination of a witness is necessary for the ends of justice, and that the attendance of such witness cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such Magistrate or Court may dispense with such attendance and may issue a commission to any District Magistrate, 490[Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate], within the local limits of whose jurisdiction such witness resides, to take the evidence of such witness. 
 
(2B) When the witness resides in the United Kingdom or any other country of the Commonwealth other than Bangladesh, or in the Union of Burma, or any other country in which reciprocal arrangement in this behalf exists, the commission may be issued to such Court or Judge having authority in this behalf in that country as may be specified by the Government by notification in the official Gazette. 
 
(3) The Magistrate or officer to whom the commission is issued, or if he is the 491[Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate], he, or 492[any other Magistrate] as he appoints in this behalf, shall proceed to the place where the witness is or shall summon the witness before him, and shall take down his evidence in the same manner, and may for this purpose exercise the same powers, as in trials of warrant-cases under this Code.
৯,৪০৩.
বিগত কত বছর যাবত খবর পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।
--------------------------
⇒ Section 108: Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৯,৪০৪.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন মঞ্জুর করা যায়?
  1. বাদীর আবেদন সাপেক্ষে
  2. আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতায়
  3. মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে
  4. শুনানি শেষে মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয় যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

Section 53: Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৯,৪০৫.
Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 অনুসারে, ধারা ৪১৪-এ জরিমানার পরিমাণ কত টাকা পর্যন্ত হলে আপিল করা যায় না?
  1. ২০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ৫,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 অনুসারে, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪-এর সংশোধনের মাধ্যমে পূর্বে উল্লিখিত "two hundred taka" (২০০ টাকা) শব্দগুলির পরিবর্তে "five thousand taka" (৫,০০০ টাকা) শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ হলো, ধারা ২৬০-এর অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট যদি সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করেন, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোনো আপিল করতে পারবেন না। তবে, জরিমানার পরিমাণ ৫,০০০ টাকার বেশি হলে বা কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে।

অর্থাৎ সংশোধিত ধারা ৪১৪ অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচারে সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানার ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না। অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) ৫,০০০ টাকা। 

৯,৪০৬.
আঘাতের (Hurt) সংজ্ঞা সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৩১৮ ধারা
  2. ৩১৯ ধারা
  3. ৩২৩ ধারা
  4. ৩২৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারার বিধান: আঘাত:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।
--------
⇒ Section 319. Hurt:- Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.
৯,৪০৭.
The Penal Code, 1860 এর বিধান অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে একটি কাজ 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না?
  1. যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করা হলে
  2. ভালো উদ্দেশ্য থাকলে
  3. যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে
  4. পর্যাপ্ত মনোযোগ দেওয়া হলে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে-
যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

Section 52- “Good faith”:
Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.
৯,৪০৮.
তামাদি আইনের ১১৪ ধারা অনুসারে চুক্তি রদের মামলা দায়েরের তামাদি কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর 
  3. ২ বছর 
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা (For recession of a contract) দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১১৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে। চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী যখন প্রথম অবগত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে করতে হবে।

৯,৪০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী কোন আদালত মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সব আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল বা পরিবর্তন করে অন্য কোনো দণ্ড, এমনকি তা বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ৩৭৪ ধারা অনুসারে পেশকৃত কোন মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ:
ক) দণ্ডাদেশ অনুমোদন, অথবা আইনানুসারে সমর্থনীয় অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারবেন, অথবা
খ) অপরাধী সাব্যস্ত করার আদেশ বাতিল করতে পারবেন এবং আসামীকে এমন কোন অপরাধের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন যে অপরাধের জন্য দায়রা আদালত তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন অথবা একই অভিযোগ বা সংশোধিত অভিযোগের ভিত্তিতে নূতন বিচারের আদেশ দিতে পারবেন, অথবা
গ) আসামীকে খালাস দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আপীলের জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সময়ের মধ্যে আপীল পেশ করা হলে উহ নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ধারা অনুসারে অনুমোদনের আদেশ দেয়া যাবে না।
----------------------------
⇒ CrPC Section-376: Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
In any case submitted under section 374 the High Court Division- 
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 
Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
৯,৪১০.
'ক' এক ফৌজদারি মামলায় দণ্ডবিধির অধীন ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়। এক্ষেত্রে কত সময়ের মধ্যে উক্ত অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে?
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. ৬ বছরের মধ্যে
  3. ৭ বছরের মধ্যে
  4. ১০ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়;
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে;
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

প্রশ্নে উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, এক্ষেত্রে কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে অর্থাৎ ১০ বছরের মধ্যে আদায় করা যাবে।

দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য:
মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

Section 70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.
৯,৪১১.
'Affray' এর বিধান আছে দণ্ডবিধির কত ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৬০ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:

যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒  দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
⇒ Section 159.  Affray
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

⇒  Punishment for committing affray
Section 160. Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৯,৪১২.
দলিল সংশোধনের সময় আদালত কোন বিষয়টি নিশ্চিত করবে?
  1. দলিল সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হওয়া
  2. পক্ষগণের নতুন শর্ত যুক্ত করা
  3. তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ না হওয়া
  4. পক্ষগণের অনুমোদন নেওয়া
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩১: কখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:
যদি প্রতারণা বা উভয় পক্ষের পারস্পরিক ভুলবশত কোনো চুক্তি বা অন্য কোনো লিখিত দলিল প্রকৃতপক্ষে তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য সঠিকভাবে প্রকাশ না করে, তবে যেকোনো পক্ষ বা তার স্বার্থের প্রতিনিধি আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে দলিলটি সংশোধনের জন্য।

এবং যদি আদালত স্পষ্টভাবে প্রমাণিত মনে করে যে দলিল প্রণয়নে প্রতারণা বা ভুল হয়েছে এবং দলিলটি সম্পাদনের সময় পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়, তবে আদালত তার বিবেচনায় দলিলটি সংশোধন করতে পারে যাতে সেটি সেই প্রকৃত উদ্দেশ্যকে প্রকাশ করে — তবে শর্ত থাকে যে এতে সৎ বিশ্বাসে এবং যথাযথ মূল্যে তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক অর্জিত অধিকার ক্ষুণ্ণ না হয়।

⇒ Section 31- When instrument may be rectified:
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

৯,৪১৩.
কোন ধারায় অপরাধমূলক নরহত্যার সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ১৯৯ ধারা
  2. ২৯২ ধারা
  3. ২৯৯ ধারা
  4. ৩০০ ধারা
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তিকে প্রত্যক্ষভাবে হত্যা না করে এমন কাজ করা যা তার মৃত্যু ঘটায় তাই হলো নিন্দনীয় নরহত্যা।
• দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা মতে ৩ ক্ষেত্রে কোন কাজ নিন্দনীয় নরহত্যা বলে গণ্য হবে।
(i)  মৃত্যু ঘটানের উদ্দেশ্যে
(ii)  দৈহিক জখমের উদ্দেশ্যে
(iii) মৃত্যু ঘটাতে পারে এরকম জ্ঞান নিয়ে কোন কাজ করার ফলে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে।
৯,৪১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারাটি কোন চুক্তির সাথে সম্পর্কিত?
  1. বিক্রয় চুক্তি
  2. লিজ চুক্তি
  3. উপহার চুক্তি
  4. উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: খ) লিজ চুক্তি। 
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি একটি লিজ চুক্তি লিখিতভাবে এবং পক্ষদ্বয়ের স্বাক্ষরিত হয়, তবে নিবন্ধন না হলেও চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে এক পক্ষ অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দাবি করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা বিধান স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান:
এই অধ্যায়ের বিধানাবলির অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজ গ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।

তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
এই ধারা ১লা এপ্রিল, ১৯৩০ এর পরে সম্পাদিত ভাড়ার চুক্তিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:
Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and

(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract:
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
This section applies to contracts to lease executed after the first day of April, 1930.
৯,৪১৫.
নিঃসম্বল হিসাবে আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত দাখিলের তামাদি________ দিন।
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৪৫
  4. ৬০
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে নিঃসম্বল হিসাবে আপীল করার অনুমতির দরখাস্ত (for leave to appeal as pauper) দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন
৯,৪১৬.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এ মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রধান বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ২০
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ৫ম পরিচ্ছেদ (বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তি) এর অধীনে ধারা ২২-এ মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রধান ও বিস্তারিত বিধান প্রদান করা হয়েছে। এই ধারার বিভিন্ন উপ-ধারায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নির্ধারিত হয়েছে:
- মামলা মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণের সময় (লিখিত জবাব দাখিলের পর)
- মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের পদ্ধতি
- মধ্যস্থতার সময়সীমা (৬০ দিন + সর্বোচ্চ ৩০ দিন বর্ধিত)
- গোপনীয়তা রক্ষা
- সফল নিষ্পত্তিতে কোর্ট ফি ফেরত
- নিষ্পত্তির আদেশের চূড়ান্ততা ইত্যাদি।

অন্য অপশনগুলো:
ক) ধারা ২০ → এই ধারায় সাধারণত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি সংক্রান্ত অন্য বিধান রয়েছে (প্রধান মধ্যস্থতার বিধান নয়)।
গ) ধারা ২৪ → আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মধ্যস্থতায় ক্ষমতা অর্পণ সংক্রান্ত।
ঘ) ধারা ২৫ → ৫ কোটি টাকার অধিক দাবির মধ্যস্থতা প্রতিবেদনের অনুমোদন সংক্রান্ত।

- সুতরাং মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রধান বিধান ধারা ২২-এ রয়েছে।

৯,৪১৭.
যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা আছে, একটি পক্ষকে তেমন কাজ করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে যে প্রতিকার দেওয়া হয়,তা হল _______।
  1. নিরোধমূলক প্রতিকার
  2. প্রতিরোধমূলক প্রতিকার
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার
  4. উপরের সবগলো
ব্যাখ্যা
♦নিরোধমূলক প্রতিকার [Preventive Relief] বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা নিষেধাত্মক প্রতিকার একই অর্থ বহন করে। সাধারাণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে নিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়া হয়। বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হল নিরোধমূলক প্রতিকার। যেমন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি। নিরোধমূলক প্রতিকার নিজেই হলো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার। 
৯,৪১৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক(২) অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন কার কাছে পাঠাতে হবে?
  1. পুলিশের কাছে
  2. আদালতের কাছে
  3. অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে
  4. যে পক্ষ তাকে নিয়োগ করেছে তার কাছে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক(২) অনুসারে – বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন সরাসরি আদালতের কাছে পাঠাতে হবে, যেকোনো পক্ষের কাছে নয়। এর উদ্দেশ্য হলো বিশেষজ্ঞের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা। তিনি আদালতের সহায়ক হিসাবে কাজ করেন।
- সুতরাং, সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক(২) অনুযায়ী বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন অবশ্যই আদালতের কাছে পাঠাতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.

৯,৪১৯.
সাক্ষ্য আইনের কোথাও আদালতকে কোন বিষয়কে (May Presume) করতে বললে, আদালত বিষয়টিকে কি বলে অনুমান করতে পারে?
  1. প্রমাণিত
  2. অপ্রমাণিত
  3. অবশ্যই প্রমাণিত
  4. প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
৯,৪২০.
কখন অবৈধ বাধা হইবে?
  1. কোন ব্যক্তিকে তাহার ইচ্ছানুসারে নির্দিষ্ট কোন পথ গমনের ক্ষেত্রে বাধা দিলে 
  2. কোন ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধ এলাকার বাহিরে গমনের ক্ষেত্রে বাধা দিলে
  3. যথার্থ কারণ ছাড়া বন্দী করিয়া রাখিলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒ Wrongful restraint:
Section 339. Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
⇒ Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
⇒ Illustration 
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৯,৪২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ক ধারা অনুযায়ী কে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুসারে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট তখনই সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারযোগ্য হয়, যখন রিপোর্ট প্রস্তুতকারী সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসার, মারা গেছেন,সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম,বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করছেন,এবং তাকে হাজির করতে গেলে অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা সৃষ্টি হবে।এই পরিস্থিতিতে রিপোর্টকে সাক্ষ্য হিসেবে কে গ্রহণ করবে বা সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট আদালতই সেই কর্তৃত্ব রাখে।
অর্থাৎ, আদালত বিবেচনা করে যদি মনে করে যে রিপোর্ট গ্রহণ করা ন্যায়সঙ্গত হবে, তাহলে সে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, এমনকি ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসককে তলব না করেই।
সঠিক উত্তর: ঘ) মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট আদালত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৯,৪২২.
আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর অধীন মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে মোকদ্দমা খারিজের কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ বিধি-৯ক: বাতিল বা খারিজ সরাসরি রহিতকরণ:
বিধি ৯ বা অন্য কোন কোন আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, বাতিল বা খারিজের ষাট দিনের মধ্যে যদি কোন মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বা স্বত্বনিয়োগী বা কোন দেউলিয়া বাদীর রিসিভার এই আইনের অধীন বাতিল বা খারিজের কোন আদেশকে রহিতকরণের নিমিত্তে আবেদন করে থাকেন, তাহলে আদালতে বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে, বিধি ৯ এর অধীন বর্ণিত বাদীকে যথেষ্ট কারণ বিষয়ে প্রমাণ করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না প্রদান করে এরূপ বাতিল বা খারিজ সরাসরি রহিত করতে পারেন, তবে আদালত উপযুক্ত মনে করলে তাকে অনধিক তিন (৩) হাজার টাকার খরচা প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারেন।

৯,৪২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কোন ধারায় রিসিভার/তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ বিষয় বলা হয়েছে?
  1. ৪৪ ধারা
  2. ৪২ ধারা
  3. ৪৩ ধারা
  4. ৪৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৪ ধারা অনুযায়ী রিসিভার/ তত্ত্বাবধায়ক হলো বিচারাধীন কোন মামলায় বিরোধপূর্ণ বিষয়টির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া।
• এটি আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।
• CPC এর ৪০ ধারা অনুসারে রিসিভার/তত্বাবধায়ক নিয়োগ দেওয়া হয়।
• রিসিভার/ তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের বিরুদ্ধে কোন পক্ষ চাইলে আপিল করতে পারবে।
৯,৪২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৭ম কলামে কোন বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  2. আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
  3. অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
  4. দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

- দ্বিতীয় তফশিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ
২য় কলাম- অপরাধ
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
৯,৪২৫.
হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা বলে কি করতে পারে
  1. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে
  2. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না
  3. দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারে
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৯(৪) মতে- হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা বলে দণ্ডবৃদ্ধি করতে পারে কিন্তু খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না।
৯,৪২৬.
যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য বন্ড সম্পাদিত হয়েছে, সেই ব্যক্তিকে-
  1. খালাস দিতে হবে
  2. মুক্তি দিতে হবে
  3. অব্যাহতি দিতে হবে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০০- হেফাজত হতে মুক্তি দান

(১) বন্ড সম্পাদিত হওয়ার সাথে সাথে যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য উহা সম্পাদন করা হল তাকে মুক্তি দিতে হবে এবং সে জেলে থাকলে জামিন মঞ্জুরকারী আদালত উক্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন এবং উক্ত অফিসার এই আদেশ পাবার পর তাকে মুক্তি দিবেন। 

(২) যে মামলায় বন্ড সম্পাদন করা হলো কোন ব্যক্তি সেই মামলা ব্যতীত অন্য কোন মামলায় আটক থাকতে বাধ্য হলে এই ধারা, ৪৯৬ ধারা বা ৪৯৭ ধারার কোন বিধানে তার মুক্তি দাবী করা যাবে মর্মে গণ্য করা যাবে না।

Section 500- Discharge from custody
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him.
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
৯,৪২৭.
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোন ভুল হইলে আদালত তাহা সংশোধন (Corrected by the Court) করিতে পারে- 
  1. মোকদ্দমার শুরুতে,
  2. যে কোন সময়,
  3. শুনানি কালে,
  4. সংশোধন করিতে পারে না,
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন। রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders: Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
৯,৪২৮.
দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার অধীনে নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দান বা অবৈধ প্রভাব বিস্তারের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭১চ (Section 171F) ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দান বা অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে, তাহলে তার সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

- দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার বিধান নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 171F. Punishment for undue influence or personation at an election:- Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৯,৪২৯.
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার বিধান কী?
  1. Consent of insane person
  2. Act causing slight harm
  3. Act of a person of unsound mind
  4. Act of a child under nine years of age
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায় মতে অপরাধ করার সময় অপরাধী ব্যাক্তি অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না। তবে অপরাধ করার সময় উক্ত পাগল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকতে হবে যে সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার বিধান: অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কার্য:
-এমন কোন ব্যক্তির কোন কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় তার মনে অসুস্থতা (Unsoundness) বশত কাজটি যে অন্যায় অথবা আইনবিরুদ্ধ, তা বুঝতে অসমর্থ ছিল।
--------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 84: Act of a person of unsound mind:
-Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
৯,৪৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. দায়রা আদালতে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  3. দায়রা আদালতে রিভিশন
  4. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
-অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশীট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশী কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
 
-ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিলে ফরিয়াদীর প্রতিকার- উক্ত অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের।

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ৩ ক্ষেত্রে আপিলের বিধান রয়েছে-
- দণ্ডাদেশ (ধারা ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০);
- অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশ (ধারা ৪১৭ক); এবং
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭)।

যেহেতু অব্যাহতির ক্ষেত্রে আপিলের বিধান নেই এবং যেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না সেক্ষেত্রে রিভিশনের সুযোগ রয়েছে, সেহেতু উক্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।
৯,৪৩১.
তামাদি আইনের কোন ধারায় জবরদখলের মাধ্যমে মালিকানা বিলুপ্তি বিষয়ের উল্লেখ আছে?
  1. ২০ ধারায়
  2. ২৩ ধারায়
  3. ২৮ ধারায়
  4. ২৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৮ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিজের স্থাবর সম্পত্তি (যেমন—ভূমি, ঘর) থেকে জবরদখলকারীকে উচ্ছেদ করার জন্য আদালতে মামলা না করে, তবে তার মালিকানা বিলুপ্ত হয়ে যায়।
অন্যভাবে বললে, যিনি দীর্ঘ সময় (যেমন ১২ বছর) ধরে কোনো প্রতিবাদ বা মামলা ছাড়া ভূমির উপর শান্তিপূর্ণ, উন্মুক্ত ও নিরবচ্ছিন্ন দখল বজায় রাখেন, তিনি "দখলের ভিত্তিতে অধিকার" (adverse possession) লাভ করেন। তখন প্রকৃত মালিকের আইনগত অধিকার তামাদি হয়ে যায় এবং জবরদখলকারী মালিক হিসেবে স্বীকৃত হন।

⇒ ধারা ২৮-এর মূল পয়েন্ট: এই ধারায় দাবি তামাদি হয়ে গেলে কেবল মামলা করার অধিকারই হারায় না, বরং সম্পত্তির উপর মালিকানার স্বত্বও বিলুপ্ত হয়ে যায়। এ ধারা মূলত Adverse Possession বা প্রতিকূল দখলের মাধ্যমে অধিকার লাভ সম্পর্কিত।
অর্থাৎ, তামাদি আইন অনুযায়ী জবরদখলের মাধ্যমে মালিকানা বিলুপ্তির বিধান ২৮ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৯,৪৩২.
আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলে, কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ করার অজুহাতে-
  1. পুনর্বিচার করা যাবে
  2. নতুন করে বিচার হবে না
  3. মামলা বাতিল হবে
  4. সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা যাবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।

Section 167⇒ No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
৯,৪৩৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় খুনের শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ২৯৯ ধারায়
  2. ৩০০ ধারায়
  3. ৩০২ ধারায়
  4. ৩০৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা- খুনের সাজা: কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
----------------- 
⇒ The Penal Code Section 302- Punishment for murder:
Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine. 
৯,৪৩৪.
Which section of the Code of Civil Procedure, 1908 preserves the inherent powers of the Court?
  1. Section 150
  2. Section 151
  3. Section 152
  4. Section 153
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮- ধারা ১৫১: আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা সংরক্ষণ-
- এই বিধিতে এমন কিছু নেই যা আদালতের অন্তর্নিহিত (inherent) ক্ষমতা সীমিত করে বা অন্য কোনোভাবে প্রভাবিত করে, যে ক্ষমতার মাধ্যমে আদালত:
- ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারে, অথবা
- আদালতের কার্যপ্রণালীর অপব্যবহার রোধ করতে পারে।
৯,৪৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখতে পারেন?
  1. অপরাধ খুব গুরুতর হলে
  2. মামলার খরচাদি আদায়ের জন্য
  3. নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য
  4. মামলার অভিযোগকারী উপস্থিত না থাকলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর : নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোনও অপরাধের বিষয়ে অভিযোগ (নালিশ) পান, তাহলে তিনি অভিযোগটি গ্রহণ করার আগেই সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে পারেন। এজন্য তিনি প্রথমেই সমন বা পরোয়ানা ইস্যু করা স্থগিত রাখতে পারেন এবং নিজে তদন্ত করতে পারেন, অথবা অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ অফিসার বা তার মতে উপযুক্ত অন্য কাউকে সেই ঘটনার অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারেন। তবে, এই অনুসন্ধানের পূর্বে ২০০ ধারা অনুসারে অভিযোগকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা আবশ্যক, যদি না মামলাটি আদালতের নিজস্ব করা হয়।

⇒ যদি মামলাটি এমন কোনো অপরাধ সংক্রান্ত হয় যা শুধু দায়রা আদালতে বিচার্য, তাহলে অভিযুক্তকে ডাকার আগেই ম্যাজিস্ট্রেট অনুসন্ধান করতে পারেন এবং প্রাথমিক সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন। অভিযুক্তকে ডাকার পরে ফরিয়াদীকে তার সব সাক্ষী হাজির করতে বলা হয় এবং তাদের শপথ করিয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

⇒ যদি অনুসন্ধানকারী ব্যক্তি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ না হন, তাহলে তিনিও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মতো তদন্তের ক্ষমতা রাখেন—তবে গ্রেপ্তারের পরোয়ানা ছাড়া।

⇒ পুলিশ যদি চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট সেই রিপোর্ট গ্রহণ করে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
৯,৪৩৬.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয়?
  1. চুক্তি ট্রাস্টি কর্তৃক সম্পাদিত হলে
  2. চুক্তিটি ৩ মাস চলমান থাকলে
  3. চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে
  4. চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট না হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে, নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
৯,৪৩৭.
তামাদির মেয়াদ শেষে দায়ের কৃত দেওয়ানী মােকদ্দমা _____ হবে।
  1. স্থগিত
  2. খারিজ
  3. অবৈধ
  4. প্রশ্ন উত্থাপন সাপেক্ষে খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩- তামাদি মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত মামলা ইত্যাদি খারিজ 

তামাদির মেয়াদ শেষে দায়ের কৃত দেওয়ানী মােকদ্দমা খারিজ হবে। বিবাদী পক্ষ প্রশ্ন উত্থাপন না করলেও খারিজ হবে।
এই ধারা অনুযায়ী তামাদির বিষয়বস্তু ৩ টি। যথা-
১) মামলা;
২) আপিল; ও
৩) আবেদনপত্র।

[নােট- এই ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক]।

Section 3- Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation

Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence. 
 
Explanation.-A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.
৯,৪৩৮.
কোনো আইনজীবী পেশাগত বা অন্যান্য অসদাচরণের জন্য নিচের কোন শাস্তি পেতে পারেন?
  1. তিরস্কার
  2. সাময়িক বরখাস্ত
  3. চূড়ান্তভাবে প্র্যাকটিস থেকে অপসারণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩২ :
(১) রোলে তালিকাভুক্ত কোনো আইনজীবী যদি পেশাগত বা অন্যান্য অসদাচরণের (misconduct) জন্য দোষী সাব্যস্ত হন, তবে এই বিধিমালায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী তাকে তিরস্কার (reprimand) করা, সাময়িকভাবে বরখাস্ত (suspended) করা অথবা প্র্যাকটিস থেকে অপসারণ (removed from practice) করা যেতে পারে।

(২) যদি কোনো আদালত বা অন্য কোনো ব্যক্তি বার কাউন্সিলের কাছে কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ দাখিল করে, এবং বার কাউন্সিল যদি সেই অভিযোগ তাৎক্ষণিকভাবে খারিজ না করে, তাহলে বার কাউন্সিল উক্ত অভিযোগটি নিষ্পত্তির জন্য ধারা ৩৩ অনুযায়ী গঠিত ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করবে (এই ট্রাইব্যুনালকে পরবর্তীতে “ট্রাইব্যুনাল” বলা হবে)। এছাড়াও, বার কাউন্সিল নিজের উদ্যোগেও কোনো অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে পাঠাতে পারে, যদি তাদের কাছে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে বিশ্বাস করার যে উক্ত আইনজীবী আসলেই দোষী।
৯,৪৩৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে পারে মোকদ্দমা দায়েরের পর-
  1. রায় ঘোষণার পূর্বে
  2. যে কোন সময়
  3. চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের পূর্বে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
-----------
⇒ Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim. 
৯,৪৪০.
আসামির রিমান্ডের ধারা কত?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩
  2. পেনাল কোড ১৫৩
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭০
ব্যাখ্যা
♦সাধারণত তদন্তের স্বার্থে এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য আদালত কর্তৃক আসামীকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণকে Remand বলে। আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারামতে রিমান্ডের আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦যদিও রিমান্ড বলতে আমরা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারাকে বুঝি, কিন্তু ১৬৭ ধারায় রিমান্ড শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারানুযায়ী ২৪ ঘন্টার মধ্যে তদন্ত শেষ না হলে, পুলিশ কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত যেকোন ধরনের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের স্বার্থে রিমান্ড মঞ্জুর করতে পারেন। সাধারণত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা সরকার কর্তৃক ক্ষমতা প্রাপ্ত ২য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট রিমান্ডের আদেশ দিতে পারে। তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিষ্ট্রেট রিমান্ডের আদেশ প্রদান করতে পারে না।
৯,৪৪১.
'A', 'B'-কে 'Z'-কে হত্যা করতে প্ররোচিত করে। কিন্তু অপরাধটি সংঘটিত হয়নি। এক্ষেত্রে 'A'-
  1. কোনো শাস্তি পাবে না
  2. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  3. সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  4. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১১৫ ধারা- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ, অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইলে:
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা যাবে।

সহায়তার ফলে অপরাধ অনুষ্ঠিত হলে:
এবং যদি এমন কোন কাজ সম্পাদিত হয় যাতে সহায়তার জন্য সহায়তাকারী দায়ী হয় এবং যাতে কোন ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে যোগসাজশকারী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারবে, এবং সহায়তাকারীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

A, B-কে Z-কে হত্যা করতে প্ররোচিত করে। অপরাধটি সংঘটিত হয়নি। যদি B, Z-কে হত্যা করত, তাহলে তার মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হত। সুতরাং, A সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার যোগ্য; এবং, যদি প্ররোচনার ফলে Z-এর কোনো ক্ষতি হতো, তাহলে A সর্বোচ্চ চৌদ্দ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার যোগ্য হতো।

Section 115- Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or imprisonment for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.

Illustration-
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or 3[imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.
৯,৪৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ অনুযায়ী, কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের স্থানে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র তদন্তের পর্যায়ে
  2. শুধুমাত্র বিচার পর্যায়ে
  3. মামলার শেষ পর্যায়ে
  4. তদন্ত, বিচার, বা কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Section 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost.
৯,৪৪৩.
ক একজন সাক্ষী হিসেবে ম্যাজিস্ট্রেট খ এর সামনে উপস্থিত হয়। খ বলেন যে, তিনি ক এর সাক্ষ্যের এক শব্দও বিশ্বাস করেন না এবং ক মিথ্যা শপথ করেছে। এসব কথায় ক আকস্মিক ক্রোধে উদ্দীপ্ত হয়ে খ কে হত্যা করে। ক এর অপরাধ-
  1. হত্যা
  2. খুন
  3. নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. নরহত্যা
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১ অনুযায়ী আকস্মিক উত্তেজনায় কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে সেটা নিন্দনীয় নরহত্যা না হয়ে খুন হবে যদি উক্ত উত্তেজনার দ্বারা যে হত্যাটি করা হয়েছে তা আইনানুগ সরকারি কর্মচারীর আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। যেহেতু এখানে খ (ম্যাজিস্ট্রেট) কে হত্যা করা হয়েছে , তাই এটা খুন বলে গণ্য হবে।
৯,৪৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ১১ অনুসারে আদালত হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়ের জন্য কাকে কমিশন নিযুক্ত করতে পারেন?
  1. মামলার বাদীকে
  2. মামলার বিবাদীকে
  3. যাকে আদালত উপযুক্ত মনে করেন
  4. শুধুমাত্র একজন সরকারি হিসাবরক্ষককে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-১১: হিসাব পরীক্ষা কিংবা সমন্বয় করার জন্য কমিশন:
কোন মোকদ্দমায় হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়নের প্রয়োজন হলে আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার নিকট কমিশন প্রেরণ করে উক্ত পরীক্ষা বা সমন্বয়নের নির্দেশ প্রদান করতে পারে।

Rule.-11: Commission to examine or adjust accounts:
In any suit in which an examination or adjustment of accounts is necessary, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such examination or adjustment.
৯,৪৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৬১ক ধারার অধীনে, হাইকোর্ট বিভাগ কোন উদ্দেশ্যে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে কোনো আদেশ কার্যকর করা
  2. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
  3. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে। 

⇒ একটি মামলার বিচার পরিচালনার জন্য প্রযোজ্য পদ্ধতিগুলি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা রয়েছে। তবে বাস্তব জীবনে এমন কিছু পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে, যেখানে আদালতের করণীয় সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোন বিধান নেই। এই ধরনের ক্ষেত্রে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকে আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, sections-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
-Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৯,৪৪৬.
দণ্ডবিধির ধারা ২৭৫-এর অধীন ভেজালযুক্ত ঔষধের বিক্রয় বা প্রদর্শনের শাস্তির সর্বোচ্চ কত?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ২ মাস কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒দণ্ডবিধির ধারা ২৭৫ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জেনেশুনে ভেজালযুক্ত ঔষধ: বিক্রি করে, বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, ডিসপেনসারি থেকে অশোধিত/ভেজালমুক্ত বলে ইস্যু করে, অজ্ঞাতসারে কোনো ব্যক্তিকে ব্যবহার করতে দেয়, তাহলে তার শাস্তি হবে: সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড (সাধারণ বা কঠোর) অথবা  ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি। 

⇒দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৭৫ অনুযায়ী যদি কেউ জানে যে কোনো ঔষধ বা চিকিৎসা সামগ্রী ভেজালযুক্ত, এবং তারপরও তা: বিক্রি করে, বিক্রির জন্য অফার করে বা প্রদর্শন করে, কোনো ডিসপেনসারি থেকে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সরবরাহ করে, বা এমন কাউকে ব্যবহারের জন্য দেয় যে ভেজালের বিষয়টি জানে না তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি: ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), বা ১,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড।

⇒The Penal Code, 1860 – Section 275. Sale of adulterated drugs:
Whoever, knowing any drug or medical preparation to have been adulterated in such a manner as to lessen its efficacy, to change its operation, or to render it noxious, sells the same, or offers or exposes it for sale, or issues it from any dispensary for medicinal purposes as unadulterated, or causes it to be used for medicinal purposes by any person not knowing of the adulteration, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৯,৪৪৭.
অবিরাম চুক্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে কিভাবে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে?
  1. প্রথম বার চুক্তি ভঙ্গের পর থেকে গণনা শুরু হবে
  2. যতবার চুক্তি ভঙ্গ করা হবে ততবার নতুন করে গণনা শুরু হবে
  3. বাদী যখন থেকে মামলা দায়ের করবে তখন থেকে গণনা শুরু হবে
  4. শেষ বার চুক্তি ভঙ্গের পর থেকে গণনা শুরু হবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৩ ধারায় অবিরাম চুক্তি ভঙ্গের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে। যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় বা অন্যায় করা হয় সেক্ষেত্রে যতবার চুক্তি ভঙ্গ করা হবে বা অন্যায় করা হবে ততবার নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

Section: 23- Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৯,৪৪৮.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে?
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ১৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে।

- যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
-------------------------------
-CPC Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, 61[or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
৯,৪৪৯.
"বার কাউন্সিলের সচিব (সেক্রেটারী) পদাধিকার বলে ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন" এটি বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস , ১৯৭২ এর কত বিধির বিধান?
  1. ৪৫
  2. ৪৯
  3. ৫০
  4. ৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি-৪৯: ট্রাইব্যুনালের সচিব- বার কাউন্সিলের সচিব (সেক্রেটারী) পদাধিকার বলে ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন।
- বিধি-৪৯: পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের সচিব ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন এবং ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি নোটিশ জারি করবেন।
----------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules,1972: Rule-49: "The Secretary of the Bar Council shall be ex-officio Secretary of the Tribunal and shall be responsible for service of notices issued by the Tribunal and for compliance with the rules in this Chapter."
৯,৪৫০.
কোন ক্ষেত্রে পুলিশ ওয়ারেন্ট ব্যতীত কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না?
  1. কেউ আমলযোগ্য অপরাধ করলে
  2. কারও কাছে ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পাওয়া গেলে
  3. কেউ প্রতারণা করলে
  4. পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে গেলে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।
♦পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence).
২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking).
৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender).
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property).
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs).
৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces).
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed).
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict).
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest).
♦অর্থাৎ ক,খ ও ঘ নং অপশন ৫৪ ধারার বিধান মোতাবেক গ্রেফতার করতে পারে। তবে কেউ প্রতারণা করলে পুলিশ ওয়ারেন্ট ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারে না।
৯,৪৫১.
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by the-
  1. The Specific Relief Act, 1877
  2. The Code of Criminal Procedure, 1898
  3. The Code of Civil Procedure, 1908
  4. The Constitution of Bangladesh
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877

Section 8- Recovery of specific immoveable property
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে। ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।

অর্থাৎ ৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধিকারী।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার বিধান অনুসারে সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা করা যায়। কিন্তু দখল উদ্ধারের নিয়ম কানুন বলা আছে- The Code of Civil Procedure এর আদেশ ২১ এ।
৯,৪৫২.
কোন ফৌজদারি আদালত আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. সকল দায়রা আদালত
  3. সকল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. সকল ফৌজদারি আদালত
ব্যাখ্যা
• ৩১ ধারা- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

Section 31- Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
৯,৪৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৩৯ অনুসারে, কয় ধরনের ব্যক্তি হলফনামা (Affidavit) পরিচালনা করার ক্ষমতা রাখেন?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. পাঁচ ধরনের
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৩৯ অনুসারে, হলফনামা (অ্যাফিডেভিট) পরিচালনার ক্ষমতা তিন ধরনের ব্যক্তি বা সত্তাকে দেওয়া হয়েছে: (ক) যেকোনো আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট; (খ) সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিয়োগকৃত যেকোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি; (গ) সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত ব্যক্তি।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৯ ধারামতে তিন ধরনের ব্যক্তিগণ হলফনামা পরিচালনা করতে পারে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৯ ধারার বিধান: এই কোডের অধীনে কোন এফিডেভিটের ক্ষেত্রে—
ক) যে কোন আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা
খ) যে কোন কর্মকর্তা বা অন্য কোন ব্যক্তি যাকে সুপ্রীম কোর্ট এই কাজের জন্য নিয়োগ করতে পারেন, অথবা
গ) সরকার কর্তৃক সাধারণভাবে বা বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অপর কোন আদালত যে ব্যক্তিকে এই কাজের জন্য নিয়োগ করতে পারেন তারা সাক্ষ্যদাতার শপথ পরিচালনা করেন।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-139: Oath on affidavit by whom to be administered:
In the case of any affidavit under this Code- 
(a) any Court or Magistrate, or 
(b) any officer or other person whom the Supreme Court may appoint in this behalf, or 
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf, 
may administer the oath to the deponent.

৯,৪৫৪.
যদি কেউ তার আইনানুগ গ্রেফতারে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা দেয়, তাহলে তাকে কোন ধরনের কারাদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ড
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি হবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ২২৪- কোন লােক দ্বারা তার আইনানুগ গ্রেফতারে বাধা দান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি:
যে লােক, যে অপরাধ সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে বা দণ্ডিত হয়েছে, সে অপরাধ সংঘটনের জন্য তার নিজের আইনানুগ গ্রেফতারে ইচ্ছাকৃতভাবে কোন বাধা দেয় বা অবৈধভাবে বিঘ্নের উদ্রেক করে, বা এরূপ অপরাধ সংঘটনের জন্য সে যে হাজতে আইনগতভাবে আটক হয়, সে হাজত হতে পলায়ন করে বা পলায়ন করার চেষ্টা করে, সে লােক যে কোন বর্ণনার সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে যার মেয়াদ দুই বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানা দণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 224- Resistance or obstruction by a person to his lawful apprehension:
Whoever intentionally offers any resistance or illegal obstruction to the lawful apprehension of himself for any offence with which he is charged or of which he has been convicted, or escapes or attempts to escape from any custody in which he is lawfully detained for any such offence, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both. 
 
Explanation.-The punishment in this section is in addition to the punishment for which the person to be apprehended or detained in custody was liable for the offence with which he was charged, or of which he was convicted.
৯,৪৫৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার অধীনে, কোন পরিস্থিতিতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যাবে না?
  1. যে ব্যক্তি চুক্তির শর্ত পূর্ণ করেছে
  2. যে ব্যক্তি চুক্তির শর্ত পূরণে অক্ষম
  3. যে ব্যক্তি চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেতে পারে
  4. যে ব্যক্তি চুক্তির শর্তের সমস্ত অংশ সম্পন্ন করেছে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) যে ব্যক্তি চুক্তির শর্ত পূরণে অক্ষম।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারায়, যদি কোনো ব্যক্তি চুক্তির কোনো গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করতে অক্ষম হন বা সেই শর্ত ভঙ্গ করেন, তবে তার পক্ষে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান:
প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 24-
Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favor of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
৯,৪৫৬.
‘ক’ ‘খ’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়ে যায়, ‘খ’-এর সম্মতি ছাড়া। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে 'ক' এর এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে তার অধিকারে থাকা চলমান সম্পত্তি নিয়ে যাওয়া চুরি হিসেবে গণ্য। ধারা ৩৭৮-এর ব্যাখ্যা ৪ অনুসারে, পশুকে প্রলোভন দিয়ে নিয়ে যাওয়া চুরি। এখানে, ‘ক’ ‘খ’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়েছে, যা চুরি। ধারা ৩৭৯ অনুসারে, চুরির শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

৯,৪৫৭.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লেখিত তামাদির মেয়াদগুলোর মধ্যে নিম্নলিখিত কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ৯০ দিন
  2. ৬ মাস
  3. ১৫ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলে বিভিন্ন ধরণের মামলা, আপীল ও দরখাস্ত দায়েরের জন্য বিভিন্ন মেয়াদের তামাদি সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সাধারণত উল্লেখিত মেয়াদগুলো হলো: ৯০ দিন, ৬ মাস, ১ বছর, ২ বছর, ৩ বছর, ৬ বছর, ১২ বছর, ৩০ বছর, ৬০ বছর (যেমন: বন্ধক সম্পত্তি পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত মামলা)
- তবে, “১৫ বছর” মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই। এটি কোনো suit, appeal বা application এর নির্ধারিত তামাদির সময়সীমা নয়।

অন্যান্য অপশন কেন সঠিক নয়:
ক) ৯০ দিন: সাধারণত আপীলের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হয়, যেমন নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে।
খ) ৬ মাস: নির্দিষ্ট কিছু আবেদন বা আবেদন সাপেক্ষ কাজের জন্য এই মেয়াদ ব্যবহৃত হয়।
ঘ) ৩০ বছর: জমি বা অন্যান্য সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলা প্রভৃতিতে এ মেয়াদ প্রযোজ্য।

অর্থাৎ ১৫ বছর তামাদি মেয়াদ হিসেবে তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লেখ নেই, তাই এটি অন্তর্ভুক্ত নয়।
সঠিক উত্তর: গ) ১৫ বছর।
৯,৪৫৮.
ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন সাক্ষী হাজির হতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাক্ষীকে-
  1. জরিমানা করতে পারেন
  2. গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠাতে পারেন
  3. মৌখিকভাবে সতর্ক করতে পারেন
  4. হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।

ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না:
অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।

অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে:
শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।

(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।
৯,৪৫৯.
Under Section 306 of The Penal Code, 1860, who can be held liable for punishment?
  1. The person who commits suicide
  2. The witnesses of the suicide
  3. The person who abets the commission of suicide
  4. The person who survives a suicide attempt.
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান- আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 306- Abetment of suicide:
If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৯,৪৬০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে আদালত বৈরী সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দিতে পারেন?
  1. ধারা ১১৯
  2. ধারা ১৫৪
  3. ধারা ১৩২
  4. ধারা ১১২
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৪ অনুসারে, যদি কোনো সাক্ষী (বৈরী সাক্ষী) সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের স্বার্থের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয় বা সত্য বলতে অনিচ্ছুক হয়, তাহলে আদালতের অনুমতি নিয়ে সেই পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা (cross-examination) করতে পারে। এটি সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা এবং সত্য বের করার উদ্দেশ্যে। আইনের সাধারণ নিয়ম অনুসারে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না, কিন্তু ধারা ১৫৪-এর অধীনে এই ব্যতিক্রম অনুমোদিত।

⇒ ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।

৯,৪৬১.
'পরিবর্তন ব্যতীত অকার্যকরকরণ' বিধানটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ২৫
  2. ধারা ২৬
  3. ধারা ২৭
  4. ধারা ২৮
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৬,পরিবর্তন ছাড়া অকার্যকরকরণ: যেক্ষেত্রে বাদি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন দাবি করেন যাহাতে বিবাদি একটি পরিবর্তন করেন, সেইক্ষেত্রে বাদি নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে উক্তরূপ পরিবর্তন ব্যতীত প্রার্থিত কার্য সম্পাদন পাইবেন না (যেমন):-
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতারণার মাধ্যমে বা তথ্যগত ভুলের কারণে যে চুক্তির কার্য সম্পাদন দাবি করা হইতেছে, উহার শর্তাবলি, বিবাদি চুক্তিবদ্ধ হইবার সময় যেরূপ ভাবিয়া ছিলেন উহা হইতে ভিন্নরূপ পরিগ্রহ হইয়াছে;
(খ) যেক্ষেত্রে প্রতারণা, তথ্যগত ভুল অথবা আকস্মিকতার কারণে বিবাদি তাহার এবং বাদির মধ্যে চুক্তির ফলাফল সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত ভুল ধারণার বশবর্তী হইয়া চুক্তিবদ্ধ হইয়াছেন;
(গ) যেক্ষেত্রে বিবাদি চুক্তির শর্তাবলি জানিয়া এবং এর ফলাফল উপলব্ধি করিয়া বাদির কতিপয় ভুল বিবরণের উপর বিশ্বাস করিয়া চুক্তিবদ্ধ হইয়াছেন অথবা বাদি পক্ষের এমন কিছু শর্তের পরিপ্রেক্ষিতে চুক্তিবদ্ধ হইয়াছেন যাহা চুক্তিতে যুক্ত করা হইয়াছে, কিন্তু যাহা তিনি পালন করিতে অস্বীকার করেন;
(ঘ) যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের লক্ষ্য ছিল নির্দিষ্ট আইনগত ফলাফল লাভ করা কিন্তু চুক্তি যেভাবে তৈরি করা হইয়াছে, উহা তেমন ফলদায়ী হইবে বলিয়া বিবেচিত হয় না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে পক্ষগণ চুক্তিপত্র সম্পাদনের পর উহা পরিবর্তন করিবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন।

৯,৪৬২.
Civil Courts কোন ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. রিসিভার নিয়োগ
  2. দলিল সংশোধন
  3. ঘোষণামূলক প্রতিকার
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুতরাং বলা যায় যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারা ছাড়া সকল ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৯,৪৬৩.
কোনটি পদ্ধতি বিষয়ক আইন নয়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি
  2. সাক্ষ্য আইন
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার
  4. তামাদি আইন
ব্যাখ্যা
♦ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি। Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
♦ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন।
৯,৪৬৪.
দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারার বিধান হিসেবে কোনটি সঠিক?
  1. Criminal breach of trust by carrier, etc.
  2. Criminal breach of trust by clerk or servant
  3. Criminal breach of trust by public servant, or by banker etc
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
Section 409- Criminal breach of trust by public servant, or by banker, merchant or agent:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property in his capacity of a public servant or in the way of his business as a banker, merchant, factor, broker, attorney or agent, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা অনুযায়ী,
‘যে ব্যক্তি তার সরকারি কর্মচারীজনিত ক্ষমতার বা একজন ব্যাংকার, বণিক, আড়তদার, দালাল, অ্যাটর্নি বা প্রতিভূ হিসাবে তাহার ব্যবসায় ব্যাপদেশে যে কোনও প্রকারে কোনও সম্পত্তি বা কোনও সম্পত্তির ওপর আধিপত্যের ভারপ্রাপ্ত হইয়া সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেন, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।’
৯,৪৬৫.
এ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান-
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
  3. আপিল বিভাগের বিচারক
  4. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ১১খ অনুচ্ছেদে অ্যাডভোকেট নিবন্ধন কমিরি উল্লেখ আছে। উক্ত কমিটির সদস্য হলো ৫ জন। প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপীল বিভাগের বিচারক হবে নিবন্ধন কমিটির সভাপতি।

♦ অনুচ্ছেদ-১১খ: নিবন্ধন কমিটির সদস্য সংখ্যা ৫ জন। ১ জন চেয়ারম্যান ও ৪ জন সদস্য।
চেয়ারম্যান হবেন প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনিত আপিল বিভাগের বিচারক,
প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনিত হাইকোর্ট বিভাগের ২জন বিচারক,
অ্যাটর্নি জেনারেল এবং
বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে ১ জন।

♦ নিবন্ধন কমিটির কাজ: নিম্ন আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবীদের নিবন্ধন সংক্রান্ত কার্যাবলী সম্পাদন করা।
৯,৪৬৬.
সাক্ষ্য গ্রহণের সঠিক ক্রম কোনটি?
  1. জবানবন্দি, পুন:জবানবন্দি এবং জেরা
  2. জেরা, জবানবন্দি এবং পুন:জবানবন্দি
  3. জবানবন্দি, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।

ধারা ১৩৮: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
৯,৪৬৭.
কিভাবে একটি অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমান করা যায়?
  1. দলিলটি যে লিখেছে তার সাক্ষ্য দ্বারা
  2. বিশেষজ্ঞের মতামত দ্বারা
  3. তর্কিত হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির সাক্ষ্য দ্বারা
  4. 'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের বিধান মতে: অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমানের পদ্ধতি (Method of Proof of Execution of documents not requiring attestation)- কোন অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন নিম্নলিখিতভাবে প্রমান করা যায়। যথা-

ⅰ) দলিলটি যে লিখেছে তার সাক্ষ্য দ্বারা;

ii) দলিল লেখক ও স্বাক্ষরকারীর হস্তলিপির সাথে প্রমানিত বা স্বীকৃত হস্তলিপির তুলনা করে ঐ তর্কিত হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির সাক্ষ্য কিংবা বিশেষজ্ঞের মতামত দ্বারা অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমান করা যায়।
৯,৪৬৮.
‘জ’ একজন বিচারক হয়ে তার ভাই ‘ভ’ কে ‘ক’ এর ব্যাংকে চাকরি দেওয়ার শর্তে ‘ভ’ এর অনুকূলে রায় ঘোষণা করে। ‘জ’-এর অপরাধ কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য?
  1. ১৬১ ধারায়
  2. ১৬২ ধারায়
  3. ১৬৩ ধারায়
  4. ১৬৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ১৬১ ধারায় পাবলিক সার্ভেন্ট ঘুষ বা আনুকূল্য গ্রহণ করলে তার শাস্তির বর্ণনা দেওয়া আছে যা ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
♦পেনাল কোড এর ধারা ১৬১ মতে সরকারী কর্মচারী হইয়া বা হওয়ার আশা করিয়া কোন সরকারী কার্যের জন্য ঘুষ গ্রহণঃ কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারী হবে বলে আশা করে কোন সরকারী কাজ করার অথবা করা হতে বিরত থাকার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারী দায়িত্ব সম্পাদনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করার জন্য বা করা হতে বিরত থাকার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা কোন ব্যক্তির উপকার বা অপকার করার জন্য বা তা করার চেষ্টায় নিজের অথবা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে আইনসম্মত পারিশ্রমিক ছাড়াই অপর যে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে বা লাভ বা গ্রহণ করতে সম্মত হয় বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৯,৪৬৯.
জারিতে বাধাদানের ক্ষেত্রে ডিক্রিদারের আবেদনে আদালত দেনাদার বা অপর কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত মেয়াদে দেওয়ানী কয়েদে আটকের আদেশ দিতে পারিবেন?
  1. ২০ দিন,
  2. ৩০ দিন,
  3. ৪৫ দিন,
  4. ৬০ দিন,
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৪ ধারার বিধান ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান: যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন। 
৯,৪৭০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৫ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. গণ-উৎপাত
  2. রাজনৈতিক অসন্তোষ
  3. পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষা
  4. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা (Dispute concerning land, etc. is likely to cause breach of peace)- স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
♦ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান (১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, মৎস্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।

(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধিতিতে জারী করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারী করতে হবে।
৯,৪৭১.
মিনস প্রফিট (Means Profit) এর শর্ত হচ্ছে কি?
  1. যেকোনো দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তি হতে মুনাফা লাভ করতে হবে
  2. বেআইনী দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তির উন্নতি লাভ করতে হবে
  3. বেআইনী দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তি হতে মুনাফা লাভ করতে হবে
  4. কোনটিই না
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুযায়ী সম্পত্তির ওয়াশিলাত(mesne profit) বলতে: বে-আইনী দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তি হতে প্রকৃতপক্ষে যে মুনাফা লাভ করেছে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে মুনাফা লাভ করতে পারত সুদসহ সেই মুনাফা বুঝায়, কিন্তু বে-আইনী দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তির কোন উন্নতি সাধন করে থাকলে ইহার ফলে সৃষ্ট মুনাফা অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৯,৪৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারা অনুসারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে বিচারক কী সম্পর্কে অবহিত করবেন?
  1. সাক্ষীর বিবরণ
  2. জামিনের শর্ত
  3. আপিলের সময়সীমা
  4. দণ্ড কার্যকরের তারিখ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৭১ অনুসারে, যখন কোনো দায়রা বিচারক (Sessions Judge) মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন, তখন তিনি আসামিকে অবশ্যই অবহিত করবেন যে, সে যদি আপিল করতে চায়, তাহলে কত দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে।
- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুসারে, বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: আসামীর আবেদনে রায় প্রভৃতির অনুলিপি তাহাকে দিতে হইবে:
(১) আসামি আবেদন করলে রায়ের একটি নকল অথবা সে ইচ্ছা করলে ও সম্ভব হলে তার নিজের ভাষায় বা আদালতের ভাষায় উহার একটি অনুবাদ তাকে অবিলম্বে দিতে হবে। ২০ অধ্যায়ের মামলা ব্যতীত অন্য যেকোনো মামলায় এরূপ নকল বিনা মূল্যে দিতে হবে।
-মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তির বিষয়:
(৩) যখন কোন দায়রা জজ কোন আসামিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, তখন উক্ত দায়রা জজ তাকে আরও জানাইবেন যে সে আপিল করতে চাইলে কতদিনে মধ্যে আপিল করতে পারবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-371.
- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application:
(1) On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a 402[case under Chapter XX], be given free of cost.
-Case of person sentenced to death:
(3) When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
৯,৪৭৩.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গের ফল কি হতে পারে ?
  1. ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
  2. জরিমানা
  3. দেওয়ানি কারাগারে ৬ মাস আটকাবস্থা
  4. কোনটিই না
ব্যাখ্যা
♦অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করা যায় এবং নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করলে, আদালত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারে এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের দেওয়ানী কারাবাসে আটকের আদেশ দিতে পারে অথবা উভয়
৯,৪৭৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ অনুযায়ী, আদালত কী কারণে আলাদা বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারে?
  1. যদি মামলার খরচ বেশি হয়
  2. যদি বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে চায়
  3. যদি বিবাদী মামলা পরিচালনা করতে অক্ষম
  4. যদি বাদীদের একত্রিত করা মামলার বিচারকে জটিল বা বিলম্বিত করে
ব্যাখ্যা
→ সংযুক্তি মোকদ্দমায় যদি বাদীদের একত্রিত করা মামলার বিচারকে জটিল বা বিলম্বিত করে,  সেক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ অনুযায়ী কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন।
- সেই বিষয়ে ১নং আদেশের বিধি ২ তে বলা আছে- ভিন্ন উপায়ে বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা। যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদিদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে অথবা পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ দিতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ আলাদা বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা:
- যে ক্ষেত্রে আদালতের নিকট ইহা প্রতীয়মান হয় যে বাদীদের একত্রীকরণ মামলার বিচার অনুষ্ঠানে অসুবিধায় ফেলতে বা বিলম্ব ঘটাতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদীগণকে তাদের স্বাধীন ইচ্ছায় রাখতে পারেন বা আলাদা বিচারানুষ্ঠানের আদেশ, প্রদান করতে পারেন অথবা এরূপ আদেশ যা সুবিধাজনক মনে হয়, প্রদান করতে পারেন।
----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-1, Rule-2: Power of Court to order separate trials-
- Where it appears to the Court that any joinder of plaintiffs may embarrass or delay the trial of the suit, the Court may put the plaintiffs to their election or order separate trials or make such other order as may be expedient. 
৯,৪৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXI এর rule 30A অনুসারে, ডিক্রিদায়িক ডিক্রির অন্তত কত শতাংশ টাকা জমা দিয়ে বন্ড প্রদান করলে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হবে?
  1. ১০%
  2. ১৫%
  3. ২৫%
  4. ৫০%
ব্যাখ্যা

Order XXI এর rule 30A: অর্থ প্রদানের ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিশেষ বিধান-

(১) এই বিধিতে অন্য কিছু বলা থাকলেও, আদালত ডিক্রিধারীর আবেদনের ভিত্তিতে, যে পরিমাণ টাকা এখনো পরিশোধ হয়নি তার সম্পূর্ণ বা আংশিক আদায়ের জন্য ডিক্রিদায়িককে (Judgment-debtor) দেওয়ানি কারাগারে আটক করতে পারে; তবে মেয়াদ ছয় মাসের বেশি হবে না বা টাকা পরিশোধের দিন পর্যন্ত—যেটি আগে ঘটে।

(২) এই বিধির অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকা ব্যক্তির জীবিকার ব্যয় সরকার বহন করবে।

(৩) নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখার বিধান প্রযোজ্য হবে না— যে নাবালক (অপ্রাপ্তবয়স্ক), মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি, যাকে যোগ্য আদালত দেউলিয়া (insolvent) ঘোষণা করেছে, যিনি মূল ডিক্রিপ্রাপ্ত ব্যক্তির উত্তরাধিকারসূত্রে প্রতিস্থাপিত হয়েছেন।

(৪) যদি দেওয়ানি কারাগারে আটককৃত ব্যক্তি মোট ডিক্রির অন্তত ২৫% টাকা জমা দেয় এবং অবশিষ্ট টাকা ৬০ দিনের মধ্যে দেওয়ার জন্য একটি বন্ড প্রদান করে, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দেবে। কিন্তু যদি সেই ব্যক্তি বন্ডে উল্লেখিত শর্ত অনুযায়ী অবশিষ্ট টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে।

(৫) কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) বা (৪)-এর অধীনে দেওয়ানি কারাগারে সর্বোচ্চ মেয়াদ পর্যন্ত আটক থাকলে, সেই একই ডিক্রির একই কার্যকরী প্রক্রিয়ায় বা একই ডিক্রি থেকে উদ্ভূত অন্য কোনো কার্যকরী প্রক্রিয়ায় তাকে পুনরায় গ্রেফতার বা আটক করা যাবে না।

(৬) কোনো ব্যক্তি এই বিধির অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আংশিক বা সম্পূর্ণ মেয়াদ ভোগ করলেও, তার ওপর ডিক্রির বাকি টাকা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে এবং তিনি সেই অর্থ পরিশোধ থেকে অব্যাহতি পাবেন না।

৯,৪৭৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৪১ বিধি ১৭(২) অনুযায়ী, আপিলকারী হাজির থাকলেও রেসপন্ডেন্ট অনুপস্থিত থাকলে কী হবে?
  1. শুনানি বন্ধ থাকবে
  2. আপিল খারিজ হয়ে যাবে
  3. একতরফাভাবে শুনানি চলবে
  4. মামলাটি পুনরায় নোটিশ দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
৯,৪৭৭.
'X' একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করার জন্য স্বাক্ষর করে যা আইনের দিক থেকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। সে জানত সার্টিফিকেটে থাকা তথ্য মিথ্যা। দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী, 'X'-এর শাস্তি হবে?
  1. ধারা ১৯৫
  2. ধারা ১৯৬
  3. ধারা ১৯৭
  4. ধারা ১৯৮
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত প্রয়োজনীয় কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা স্বাক্ষর করে, অথবা এমন কোনো বিষয়ে সার্টিফিকেট দেয় বা স্বাক্ষর করে যা আইনত সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, এবং সেই সার্টিফিকেটটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ (material) বিষয়ে মিথ্যা বলে জানে বা বিশ্বাস করে, তবে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার (ধারা ১৯৩) অনুরূপ শাস্তি প্রদান করা হবে।
প্রশ্নে উল্লিখিত 'X'-এর কাজটি (মিথ্যা সার্টিফিকেট স্বাক্ষর করা) সরাসরি ধারা ১৯৭-এর অধীনে পড়ে।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) ধারা ১৯৫: এটি প্রযোজ্য যখন কেউ মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা তৈরি করে যাতে কোনো ব্যক্তি কারাদণ্ড (৭ বছর বা তার বেশি) বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়। এখানে সার্টিফিকেট ইস্যু করার বিষয় নেই।
খ) ধারা ১৯৬: এটি প্রযোজ্য যখন কেউ জেনেশুনে মিথ্যা সাক্ষ্য বা দলিল ব্যবহার করে (ইস্যু বা স্বাক্ষর নয়)।
ঘ) ধারা ১৯৮: এটি প্রযোজ্য যখন কেউ জেনেশুনে মিথ্যা সার্টিফিকেট ব্যবহার করে (ইস্যু বা স্বাক্ষর নয়)।
সুতরাং, 'X' এর কাজটি ধারা ১৯৭-এর সাথে মেলে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

৯,৪৭৮.
আইনত প্রত্যায়িত হতে হয় এমন দলিলের সম্পাদন প্রমানের জন্য-
  1. অন্তত একজন প্রত্যয়কারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
  2. কোন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন নেই।
  3. প্রত্যেক প্রত্যয়কারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
  4. কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ (Proof of execution of document required by law to be attested): 

⇒  যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

⇒  রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।

-----------------
⇒ Proof of execution of document required by law to be attested:
Section 68. If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
⇒ Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
৯,৪৭৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কত ধারায় দলিল আংশিক বাতিলের এবং আংশিক বহালের বিধান আছে?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৭ ধারা
  4. ৪০ ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪০: যখন দলিল আংশিকভাবে বাতিল করা যাইবে: যেক্ষেত্রে একটি দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত, যথাযথ মামলায়, উহা আংশিকভাবে বাতিল করিতে পারিবে এবং অবশিষ্ট অংশকে বহাল রাখিতে পারিবে।
ক, খ-এর নামে একটি বিল প্রণয়ন করেন, যিনি পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে গ-কে প্রদান করেন, যাহার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে উহা ঘ-কে প্রদান করা হইয়াছে বলিয়া প্রতীয়মান হয়, ঘ পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে উহা ঙ-কে প্রদান করেন। গ-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। গ বিলটির অন্যান্য বিষয়ে বহাল রাখিয়া এইরূপ পৃষ্ঠাঙ্কন বাতিল করাইবার অধিকারী।
-------------
Specific Relief Act, Section 40: What instrument may be partially cancelled: Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.
Illustration: A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.

৯,৪৮০.
কোনো ক্ষতি যদি সাথে সাথে না ঘটে বরং পরে ঘটে, তবে তামাদি সময় গণনা শুরু হবে—
  1. কাজ করার দিন থেকে
  2. সমন ইস্যুর দিন থেকে
  3. ক্ষতি হওয়ার দিন থেকে
  4. আদালতের আদেশের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৪ অনুসারে, যে ক্ষতিপূরণ মামলাগুলো বিশেষ ক্ষতি প্রকাশ না পাওয়া পর্যন্ত কার্যকর হয় না, সেগুলোর তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয় যখন ক্ষতি প্রকাশ পায় বা ক্ষতি হয়। এই ধারার দৃষ্টান্তে উল্লেখ আছে: যদি ভূ-পৃষ্ঠের নিচে কয়লা খননের ফলে তাৎক্ষণিক ক্ষতি না হয় কিন্তু পরে ভূ-পৃষ্ঠ ধসে পড়ে, তবে তামাদির মেয়াদ ধসের তারিখ (অর্থাৎ ক্ষতি হওয়ার দিন) থেকে শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।
---------
⇒ The limitation Act-1908, Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage:-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.

Illustration:
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.

৯,৪৮১.
দন্ডবিধি অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায়ের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১বছর
  2. ৬বছর
  3. ৬মাস
  4. ৩বছর
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৭০ ধারামতে সাধারনত অর্থদন্ড প্রদানের ৬ বছরের মধ্যে অর্থদন্ড আদায় করতে হবে, কিন্তু যদি অপরাধী ৬ বৎসরের বেশি সময়ের জন্য দণ্ডিত হয়, তাহলে উক্ত দন্ডের মেয়াদ সমাপ্ত হওয়ার পূর্বে যে কোন সময়ে অর্থদন্ড আদায়যোগ্য হবে। অপরাধীর মৃত্যু হলে তার সম্পত্তি থেকে অর্থদন্ড আদায় করা যাবে।

♦ কারাদন্ডের আদেশ হওয়ার ৬ বছরের মধ্যে জরিমানার টাকা আদায় করা না হলে, উক্ত টাকা আর কখনও আদায় করা যাবে না। উহা তামাদি দোষে বারিত হবে।
৯,৪৮২.
জাল মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানির শাস্তি কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. পাঁচ বছর
  2. সাত বছর
  3. দুই বছর
  4. তিন বছর
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩৭ ধারার বিধান: জাল মুদ্রা আমদানি কিংবা রপ্তানি:- মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহা রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

-----------------------
♦ Section 237. Import or export of counterfeit coin:- Whoever imports into Bangladesh, or exports there from, any counterfeit coin, knowingly or having reason to believe that the same is counterfeit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall be liable to fine.
৯,৪৮৩.
দণ্ডবিধিতে 'Affray' এর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
- যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
- কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
__________________________________
⇒ The Penal Code,1860: Section-159: Affray:
- When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ Section-160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৯,৪৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিতে বলা হয়েছে যে বিদেশে অবস্থানরত সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন হলে আদালত কমিশন বা ‘Letter of Request’ ইস্যু করতে পারে?
  1. আদেশ ২৬, বিধি ৪
  2. আদেশ ২৬, বিধি ৫
  3. আদেশ ২৬, বিধি ৬
  4. আদেশ ২৬, বিধি ৭
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬-এর বিধি ৫-এ স্পষ্টভাবে লেখা আছে: যদি কোনো সাক্ষী বাংলাদেশের বাইরে (অর্থাৎ বিদেশে) থাকেন এবং তার সাক্ষ্য মামলার জন্য খুব দরকারি হয়, তাহলে বাংলাদেশের আদালত দুটি জিনিসের যেকোনো একটা করতে পারে:
১) কমিশন জারি করতে পারে (যেমন অন্য দেশের আদালতে পাঠানো), অথবা
২) Letter of Request (অর্থাৎ আনুষ্ঠানিক চিঠি) পাঠাতে পারে।
- এই চিঠি বা কমিশন পেয়ে বিদেশের আদালত সেই সাক্ষীকে ডেকে তার জবানবন্দি নেবে এবং বাংলাদেশের আদালতে পাঠিয়ে দেবে।

অর্থাৎ, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬-এর বিধি ৫ অনুসারে বাংলাদেশের বাইরে বসবাসকারী কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রয়োজন হলে আদালত কমিশন (commission) বা অনুরোধপত্র (letter of request) জারি করতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-26 Rule-5.Commission or Request to examine witness not within Bangladesh:
- Where any Court to which application is made for the issue of commission for the examination of a person residing at any place not within Bangladesh is satisfied that the evidence of such person is necessary, the Court may issue such commission or a letter of request. 

৯,৪৮৫.
বাদী কর্তৃক সমন জারির খরচা প্রদানের ব্যর্থতার জন্য বিবাদির উপর সমন জারি করা না হলে, উক্ত দেওয়ানি মোকদ্দমা কী করা যেতে পারে?
  1. খারিজ
  2. স্থগিত
  3. মুলতবি
  4. একতরফা নিষ্পত্তি
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-২:
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।
৯,৪৮৬.
Under Explanation 1 to Section 10 of The Specific Relief Act, 1877, who may sue for possession of property?
  1. A bailee
  2. A trustee
  3. A beneficiary
  4. A receiver
ব্যাখ্যা

Section 10 of The Specific Relief Act, 1877- Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.

Explanation 1-
A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.

Explanation 2-
A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

ধারা ১০ : সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা-১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে, এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা-২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

৯,৪৮৭.
ধারা ৬০ অনুযায়ী, যদি মৌখিক সাক্ষ্য পরোক্ষ হয়, তবে তা আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে কিনা?
  1. হ্যাঁ, তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে
  2. না, পরোক্ষ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়
  3. এটি সাক্ষীর উপর নির্ভর করে
  4. শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক তথ্য থাকলে গ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৫৯ এবং ৬০ ধারায় মৌখিক সাক্ষ্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

৫৯ ধারায় বলা হয়েছে:
"All facts, except the contents of documents or electronic records, may be proved by oral evidence."
অর্থাৎ, দলিল বা ইলেকট্রনিক রেকর্ডের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য সব তথ্য মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণ করা যাবে।

৬০ ধারায় বলা হয়েছে:
"Oral evidence must, in all cases whatsoever, be direct."
অর্থাৎ, যেকোনো ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।

সুতরাং, উপরোক্ত এই দুই ধারায় মৌখিক সাক্ষ্যকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং তার প্রকৃতি ও পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। কিছু বিষয় যেমন দলিলের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য যেকোনো ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণযোগ্য। এছাড়াও মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই সরাসরি হতে হবে। এসব নিয়মাবলী ৫৯ এবং ৬০ ধারায় বর্ণিত হয়েছে।
৯,৪৮৮.
তামাদি আইনে বিভিন্ন দরখাস্ত দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫১ থেকে ১৮৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩
  3. অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৮৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৫ থেকে ১৮৩
ব্যাখ্যা
⇒তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]
অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]
অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]
অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।
৯,৪৮৯.
একজন শৈল্য চিকিৎসক সরল বিশ্বাসে একজন রােগীকে বলেন "আপনি আর বাঁচবেন না, এতে উক্ত রোগী মানসিক আঘাত পেয়ে মারা যায়। এক্ষেত্রে শৈল্য চিকিৎসক নিচের কোন ধারার অপরাধ করেছেন?
  1. খুন
  2. নরহত্যা
  3. হত্যার প্রচেষ্টা
  4. কোন অপরাধ করেন নাই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা- বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

উদাহরণ
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। ক এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রোগীটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

Section 93- Communication made in good faith:
No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 

Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
৯,৪৯০.
The Penal Code extends to:
  1. The whole of Bangladesh except Rangmati, khagrachari, Bandarban.
  2. The whole of Bangladesh except Chittagong Tract.
  3. The whole of Bangladesh.
  4. None of the above.
ব্যাখ্যা
♦ প্রস্তাবনা:- যেহেতু বাংলাদেশের জন্য একটি সাধারণ দণ্ডবিধি প্রণয়ন করা আবশ্যক সেহেতু নিম্নোক্ত আইন প্রণয়ন করা হল:

♦ দণ্ডবিধির ধারা ১ এর বিধান শিরোনাম ও আইনের কার্যকারিতার সীমা:- এই আইন 'দণ্ডবিধি' নামে অভিহিত হবে এবং ইহা বাংলাদেশের সর্বত্র কার্যকর হবে।

-----------------------
♦ Preamble: WHEREAS it is expedient to provide a general Penal Code for Bangladesh; It is enacted as follows:-
Section 1. Title and extent of operation of the Code:- This Act shall be called the Penal Code and shall take effect throughout Bangladesh.

♦ So The Penal Code extends to The whole of Bangladesh.
৯,৪৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৭
  3. ৬১
  4. ৫৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এই ধরনের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালি:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
(২) এই ধরনের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে একজন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবিকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
--------------------------------
⇒CrPC Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station. 
(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him. 
(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.
৯,৪৯২.
'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি উত্তোলন না করার বিষয়ে 'ক' এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু 'খ' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করে। এক্ষেত্রে 'ক', 'খ' কে খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে -
  1. 'ক' এর কোনো প্রতিকার নেই
  2. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  3. নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  4. চুক্তি বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:

এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাধীন, আবেদনকারীর পক্ষে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা, সুস্পষ্ট বা গোপনীয়ভাবে ভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এমন বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালতকে এই আইনের অধ্যায় ২-এ অন্তর্ভুক্ত নিয়ম ও বিধানগুলিই অনুসরণ করতে হবে।
যখন বিবাদী পক্ষ বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা উপভোগ আক্রমণ করে বা আক্রমণের হুমকি দেয়, তখন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে আদালত একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে, যথাঃ
ক) যদি বিবাদী বাদীর জন্য সেই সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
খ) যদি আক্রমণের ফলে সৃষ্ট বা সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান না থাকে;
গ) যদি আক্রমণটি এমন হয় যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হিসেবে কাজ না করে;
ঘ) যদি আক্রমণের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকে;
ঙ) যদি বহু আদালতি কার্যক্রম এড়াতে নিষেধাজ্ঞাটি প্রয়োজন হয়।

এখানে, 'খ' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং 'ক' আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে 'খ'কে এই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারবেন। আদালত যথাযথ বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।
৯,৪৯৩.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ২৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মানহানির দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদ কত দিন?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ২৪:

লিখিত কুৎসা (Libel) দ্বারা মানহানির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা;
তামাদি মেয়াদ - ১ বছর;
গণনা শুরু - মানহানিকর বিষয় যখন প্রকাশিত হয় তখন থেকে। 
৯,৪৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিতে আরজি/জবাবের অপ্রয়োজনীয় অংশ কর্তনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. আদেশ ৬, বিধি ১৫
  2. আদেশ ৬, বিধি ১৬
  3. আদেশ ৬, বিধি ১৭
  4. আদেশ ৬, বিধি ১৮
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬: আরজি জবাবে কর্তন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।

Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.

৯,৪৯৫.
তিন বা তার অধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে কাউকে অবরোধ করলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ১ বছর ৬ মাস
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা- তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৯,৪৯৬.
যেক্ষেত্রে বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয়, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. আসামিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবে
  2. অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
  3. ফরিয়াদিকে জরিমানার আদেশ দিবে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে, যা নিম্নরূপ:
 
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদেণ্ডর  মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
 
(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
 
Section 35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody-
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৯,৪৯৭.
'Res Gestae' সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে-
  1. অপরাধের পর দ্রুত পালিয়ে যাওয়া অপরাধীর বক্তব্য
  2. অপরাধের পর দ্রুত পালিয়ে যাওয়া অপরাধীর আচরণ
  3. দুর্ঘটনার পর অবিলম্বে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের আতঙ্কিত বা উদ্বিগ্ন বক্তব্য
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে 'Res Gestae' একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। যখন একাধিক ঘটনা অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত এবং একই ঘটনার ধারাবাহিক অংশ হয়, তখন তাদের বক্তব্য বা আচরণকে Res Gestae সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়। অর্থাৎ Res Gestae এর মাধ্যমে এমন কথা বা আচরণকে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করা হয় যা কোনো ঘটনার সময় বা ঘটনার পূর্বে বা পরবর্তীতে বলা বা করা হয়েছিল এবং যা সেই ঘটনার প্রকৃতি ও কারণ বুঝতে সাহায্য করে।

উদাহরণস্বরূপ:
⇒ একজন ব্যক্তি আঘাত পেয়ে "X আমাকে আঘাত করেছে" বলে কিছুক্ষণ পরেই মারা গেলে, এই বক্তব্যটি Res Gestae হিসাবে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হবে।
⇒ অপরাধের পর দ্রুত পালিয়ে যাওয়া অপরাধীর বক্তব্য বা আচরণ Res Gestae হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
⇒ দুর্ঘটনার পর অবিলম্বে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের আতঙ্কিত বা উদ্বিগ্ন বক্তব্য Res Gestae হিসেবে গৃহীত হতে পারে।

Res Gestae সাক্ষ্যগুলো ঘটনার সঙ্গে এতটাই নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থাকে যে, তা স্বাভাবিক ও আকস্মিক হয়ে পড়ে এবং মিথ্যা বলার সম্ভাবনা থাকে না। এজন্য আদালত Res Gestae সাক্ষ্যগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেয়। অন্যদিকে, যদি একাধিক ঘটনা পরস্পর খুব অতিরিক্ত পৃথক হয়, তাহলে তাদের বক্তব্য বা আচরণকে Res Gestae সাক্ষ্য বলে গণ্য করা যায় না। একইভাবে, কোনো ঘটনার স্বাতন্ত্র্য বা অপ্রাসঙ্গিকতাও Res Gestae সাক্ষ্য গঠনে সাহায্য করে না।
৯,৪৯৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারায় কোন আইনের প্রয়োগকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ঊর্ধ্বে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  2. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
  3. রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮
  4. উল্লিখিত সকল আইনকে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারা মতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে।
৯,৪৯৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে অনুযায়ী চুক্তি থেকে উদ্ভূত বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্রে আদালত কোন অধ্যায়ের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. প্রথম অধ্যায়
  2. দ্বিতীয় অধ্যায়
  3. তৃতীয় অধ্যায়
  4. চতুর্থ অধ্যায়
ব্যাখ্যা

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, তবে আদালত দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধান ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.
Explanation- For the purpose of this section a trademark is property.

৯,৫০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারা অনুসারে বন্ড স্বাক্ষরের পর কী ঘটে?
  1. মামলা খারিজ করা হয়
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়
  3. অভিযুক্তকে শাস্তি দেওয়া হয়
  4. অভিযুক্তকে আরও তদন্তের জন্য আটক রাখা হয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারা অনুযায়ী, যখন জামিননামা (বন্ড) স্বাক্ষরিত হয়, তখন সেই বন্ডের জন্য জামিন দেওয়া ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়।
যদি সে জেলে থাকে, আদালত মুক্তির আদেশ জেলখানার অফিসারের কাছে পাঠায়, আর সেই অফিসার আদেশ পাওয়ার পর তাকে মুক্তি দেয়।
তবে, যদি অন্য কোনো কারণে অভিযুক্তকে আটক রাখা প্রয়োজন হয়, তাহলে মুক্তি বাধ্যতামূলক নয়।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.