বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৯০ / ১২৬ · ৮,৯০১৯,০০০ / ১২,৬০৫

৮,৯০১.
ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান কী হবে?
  1. Shall presume
  2. Conclusive proof
  3. May presume
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:- বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 

⇒ গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।

⇒ Section 85C Presumption as to Digital Signature Certificates.- The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.
৮,৯০২.
সাক্ষ্য আইনে কত প্রকার অনুমান (Presumption) এর বিধান আছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:-
১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত।

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত।

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।

-----------------------------------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত। করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।

-------------
"May presume"  Whenever it is provided by this Act that the Court may presume a fact, it may either regard such fact as proved, unless and until it is disproved, or may call for proof of it:
“Shall presume” Whenever it is directed by this Act that the Court shall presume a fact, it shall regard such fact as proved, unless and until it is disproved:
“Conclusive proof” When one fact is declared by this Act to be conclusive proof of another, the Court shall, on proof of the one fact, regard the other as proved, and shall not allow evidence to be given for the purpose of disproving it.
৮,৯০৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২৫ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন ব্যক্তিকে তথ্য প্রকাশ করতে সুরক্ষা হয়নি?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. রাজস্ব কর্মকর্তা
  4. সকল সরকারী কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারার বিধান,অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত তথ্য: কোনও ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধ সংঘটনের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না। তেমনি, কোনও রাজস্ব কর্মকর্তা জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনও অপরাধের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনো শাখায় নিযুক্ত বা কাজরত কর্মকর্তাকে বোঝায়।
-----------------------------------------------------
The Evidence Act,1872, Section125, Information as to commission of offences: No Magistrate or Police-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence, and no Revenue-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence against the public revenue.
Explanation.-"Revenue-officer" in this section means any officer employed in or about the business of any branch of the public revenue.

৮,৯০৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারা অনুসারে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে কোন পক্ষের বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বলবৎ করা যায় না?
  1. প্রতিদান মারাত্মকভাবে অপর্যাপ্ত হয়
  2. ভুল বিবরণ দ্বারা সম্মতি আদায় করা হয়
  3. অসদাচারনের মাধ্যমে সম্মতি আদায় করা হয়
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না:
- নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না:
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;
(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;
(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।

তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।

৮,৯০৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান-
  1. Recovery of specific moveable property
  2. Who may obtain specific performance
  3. Specific performance of independent part of contract
  4. Power to award compensation in certain cases
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।

- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
 
ব্যাখ্যাঃ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
 
-----------------------
The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly. 
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly. 
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct. 
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
৮,৯০৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা রোধ করার জন্য আদালত কোন ধারা অনুসারে সম্পূরক কার্যধারা (Supplemental proceedings) গ্রহণ করতে পারে?
  1. ধারা ৯০
  2. ধারা ৯৪
  3. ধারা ৯৪ক
  4. ধারা ৯৫
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ অনুযায়ী, ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা রোধ করতে আদালত নিম্নলিখিত সম্পূরক কার্যধারা (Supplemental Proceedings) গ্রহণ করতে পারে:
(a) বিবাদীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা ও তার উপস্থিতির জন্য জামিন নিতে আদেশ দেওয়া,
(b) বিবাদীর সম্পত্তি আদালতের অধীন রাখার জন্য নিরাপত্তা আদেশ বা সংযুক্তির নির্দেশ দেওয়া,
(c) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান,
(d) রিসিভার নিয়োগ এবং তার দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা,
(e) আদালতের কাছে যথাযথ ও ন্যায়সঙ্গত মনে হলে অন্তর্বর্তীকালীন (interlocutory) আদেশ প্রদান।
এই ধারা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালতের হাতে বিভিন্ন অন্তর্বর্তী ও রক্ষামূলক ক্ষমতা প্রদান করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪: সম্পূরক কার্যধারা (Supplemental Proceedings):
ন্যায়বিচার ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আদালত, যদি প্রযোজ্য হয়, নিম্নলিখিত আদেশসমূহ দিতে পারে—
(ক) বিবাদীকে গ্রেফতারের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত করাতে, যাতে সে ব্যাখ্যা দিতে পারে কেন তাকে জামিনে না রাখা হবে; এবং যদি সে জামিনের আদেশ মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে সিভিল হাজতে প্রেরণ করা যেতে পারে।
(খ) বিবাদীকে নির্দেশ দিতে পারে যে, সে যেন তার নিজস্ব কোনো সম্পত্তি আদালতের নিকট উপস্থাপন করতে জামিন প্রদান করে; অথবা আদালত তার সম্পত্তি সংযুক্ত (attachment) করার আদেশ দিতে পারে।
(গ) আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) প্রদান করতে পারে এবং যদি তা অমান্য করা হয়, তাহলে দোষী ব্যক্তিকে সিভিল হাজতে পাঠানো যেতে পারে এবং তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের আদেশ দেওয়া যেতে পারে।
(ঘ) কোনো সম্পত্তির রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করতে পারে এবং তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালিত না হলে, তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারে।
(ঙ) আদালত এমন অন্যান্য অন্তর্বর্তী আদেশ (Interlocutory Orders) প্রদান করতে পারে যা ন্যায়সংগত ও উপযুক্ত বলে মনে হয়।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section 94. Supplemental proceedings:
In order to prevent the ends of justice from being defeated the Court may, if it is so prescribed,- 
(a) issue a warrant to arrest the defendant and bring him before the Court to show cause why he should not give security for his appearance, and if he fails to comply with any order for security commit him to the civil prison; 
(b) direct the defendant to furnish security to produce any property belonging to him and to place the same at the disposal of the Court or order the attachment of any property; 
(c) grant a temporary injunction and in case of disobedience commit the person guilty thereof to the civil prison and order that his property be attached and sold; 
(d) appoint a receiver of any property and enforce the performance of his duties by attaching and selling his property; 
(e) make such other interlocutory orders as may appear to the Court to be just and convenient.
৮,৯০৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারার উদ্দেশ্য কী?
  1. চুক্তি রদকরণে বাধা দেওয়া
  2. চুক্তি রদকরণে উৎসাহিত করা
  3. চুক্তি বাস্তবায়নে সহায়তা করা
  4. চুক্তি রদকরণে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৮ ধারা চুক্তি রদের (rescission) পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের ক্ষমতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার নিয়ম নির্ধারণ করে। যখন কোনো চুক্তি রদের জন্য আদালতে আবেদন করা হয় এবং আদালত চুক্তি রদের আদেশ দেন, তখন তিনি রদকারী পক্ষকে ন্যায়পরায়ণতা (equity) অনুসারে অপর পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন।
- এটি ন্যায়বিচারের নীতি অনুসরণ করে, কারণ চুক্তি বাতিল হলে অপর পক্ষ আর্থিক বা অন্যান্য ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। এজন্য ৩৮ ধারা নিশ্চিত করে যে, কোনো পক্ষ চুক্তি বাতিল করলে তা সম্পূর্ণভাবে অন্য পক্ষের প্রতি অন্যায় না হয় এবং ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ভারসাম্য বজায় থাকে।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা চুক্তি রদের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালতকে ক্ষমতা প্রদান করে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ উপযুক্ত প্রতিকার পায়।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষের পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
৮,৯০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪ক(১) অনুযায়ী, স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ প্রদানকারী আদালতের দায়িত্ব কী?
  1. মামলার নথি পাঠানো
  2. হাজিরার তারিখ নির্ধারণ
  3. মামলার নোটিশ প্রেরণ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ধারা ২৪ক – মামলার স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের সময় পক্ষগুলোর হাজিরা:
১. যদি কোনো মামলাকে ধারা ২২ অনুযায়ী স্থানান্তর করা হয়, অথবা কোনো মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম ধারা ২৪(১) অনুযায়ী কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়, তবে স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ প্রদানকারী আদালত পক্ষগুলোর হাজিরার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবে।

যদি মামলাটি বা আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম সেই আদালতেই বিচার বা নিষ্পত্তি হবে, তাহলে পক্ষগুলিকে সেই আদালতের সামনে হাজির হতে হবে।

যদি মামলাটি অন্য আদালতে স্থানান্তরিত হয়, তাহলে স্থানান্তরিত আদালতের সামনে হাজির হওয়ার জন্য নির্ধারিত দিন ঠিক করা হবে।

২. যদি কোনো মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম কোনো পক্ষের আবেদন ছাড়া একটি আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তরিত হয়, পক্ষগুলিকে মূল আদালতের জন্য ইতিমধ্যেই নির্ধারিত হাজিরা দিনে হাজির হতে হবে। সেই আদালত স্থানান্তরের আদেশ পক্ষগুলোর কাছে জানাবে এবং নির্দেশ দেবে যে তারা স্থানান্তরিত আদালতের সামনে হাজির হবে, হয় একই দিন, বা, যেখানে আদালত অবস্থিত তার দূরত্ব বিবেচনা করে যত দ্রুত সম্ভব পরবর্তী দিনে।

৮,৯০৯.
তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুসারে নির্ধারিত সময়ের পূর্বে দেনা আংশিক পরিশোধ অথবা সুদ প্রদানের ফলাফল কী?
  1. উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে
  2. উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে
  3. পূর্ব নির্ধারিত তারিখ থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে 
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

ধারা-২০। উত্তর দায় সংক্রান্ত ঋণ পরিশোধের অথবা সুদ প্রদানের ফলাফল 
(১) যেইক্ষেত্রে কোনো দেনা অথবা দায়ের সুদ বাবদ নির্ধারিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে উক্ত দেনা বা দায় পরিশোধ করিতে দায়ী ব্যক্তি স্বয়ং বা তাহার যথাযথ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি কোনো অর্থ প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ হইতে নূতন করিয়া তামাদি মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, ১৯২৮ সালের ১লা জানুয়ারির পূর্বে সুদ পরিশোধের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে, যেই ব্যক্তি অর্থ প্রদান করিবে, স্বীকৃতি তাহার স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত অথবা অপরের লিখিত হইলেও তদকর্তৃক স্বাক্ষরিত হইবে।
------------
Section 20: Effect of payment on account of debt as of interest on legacy
1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made:
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.

৮,৯১০.
'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' জমিটি 'গ' এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পরে 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এই মর্মে একটি জাল দলিল পেশ করে এই মর্মে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবে 'খ' কে উক্ত জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। এক্ষেত্রে 'গ' কী সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের জন্য আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. উইল সংশোধনের
  2. জাল দলিল বাতিলের
  3. দলিল সংশোধনের
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী,
আদালত নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারে-
১. কোন লিখিত দলিল বাতিল [Void] বা বাতিলযোগ্য [Voidable] হলে;
২. যদি বাদীর যুক্তিসঙ্গত আশংকা থাকে যে, এরুপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' জমিটি 'গ' এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পরে 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এই মর্মে একটি জাল দলিল পেশ করে এই মর্মে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবে 'খ' কে উক্ত জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিল বাতিলের জন্য আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
৮,৯১১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৩২ অনুসারে সম্পত্তি অপব্যবহারের জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি একটি সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ব্যবহারের অধিকার রাখে, কিন্তু সে ব্যক্তি ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে সেই সম্পত্তি ব্যবহার করে এবং তাতে কারো ক্ষতি হয় তখন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারেন।
- তামাদির সময়সীমা: ২ বছর।
- শুরু হবে যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি প্রথমবার ক্ষতির বিষয়টি জানতে পারেন।
৮,৯১২.
সহকারী জজের রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদালতে রিভিউ (Review) দায়ের করা যায়?
  1. রায় প্রদানকারী সহকারী জজ আদালত
  2. জেলা জজ আদালত
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
রিভিউ (Review)-

আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।

অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। উল্লিখিত ক্ষেত্রে রায় প্রদানকারী সহকারী জজ আদালতেই রিভিউ করতে হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে রিভিউ আবেদন করা যায়-
i) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা চলে কিন্তু আপিল করা হয় নাই;
ii) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলেনা; এবং
iii) ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়।

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ: দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে; 
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।
৮,৯১৩.
ধারা ৩৭৮ অনুযায়ী চুরি সংঘটিত হওয়ার জন্য অপরাধীকে কী করতে হবে?
  1. কারো সম্মতি নিয়ে অস্থাবর সম্পত্তি স্থানান্তর করতে হবে
  2. অন্যের স্থাবর সম্পত্তি বিনিময় করতে হবে
  3. কারো দখল হতে অস্থাবর সম্পত্তি তার সম্মতি ব্যতীত গ্রহণ করতে হবে
  4. কারো দখল হতে স্থাবর সম্পত্তি তার সম্মতি ব্যতীত গ্রহণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭৮: চুরি [Theft]:

কোনো ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোনো অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। [Whoever, intending to take dishonestly any movable property out of the possession of any person without that person’s consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.]
 
ব্যাখ্যা ১ : কোনো বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে। [A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.]
 
ব্যাখ্যা ২ : যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে। [A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.]
 
ব্যাখ্যা ৩ : কোনো ব্যক্তি কোনো বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোনো বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে। [A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.]
 
ব্যাখ্যা ৪ : কোনো ব্যক্তি যেকোনো উপায়ে কোনো পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে। [A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.]
 
ব্যাখ্যা ৫ : সংজ্ঞায় উল্লি­খিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে। [The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.]
৮,৯১৪.
আদেশ ১৪ বিধি ৪ অনুযায়ী, আদালত কখন বিচার্য বিষয় নির্ধারণ স্থগিত করতে পারে?
  1. বাদী আবেদন করলে
  2. বিবাদীর আবেদন সাপেক্ষে
  3. দলিল পরিদর্শন করা প্রয়োজন হলে
  4. মামলার সময়সীমা শেষ হয়ে গেলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-৪ বিধান আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন:
যদি আদালত মনে করে যে, কোনো ব্যক্তির জবানবন্দি ছাড়া বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ নথি পরিদর্শন ছাড়া বিচার্য বিষয় যথাযথভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়, তবে আদালত ১৫ দিনের মধ্যে বিষয় নির্ধারণ স্থগিত রাখতে পারে। একইসঙ্গে, প্রয়োজনীয় ব্যক্তিকে হাজির করতে বা সংশ্লিষ্ট নথি আদালতে উপস্থাপন করতে নির্দেশ দিতে পারে।

[Where the Court is of opinion that the issues cannot be correctly framed without the examination of some person not before the Court or without the inspection of some document not produced in the suit, it may adjourn the framing of the issues to a day not later than fifteen days, and may (subject to any law for the time being in force) compel the attendance of any person or the production of any document by the person in whose possession or power it is by summons or other process.]
৮,৯১৫.
অবিরাম চুক্তির ফলাফল কি?
  1. তামাদির মেয়াদ অপরিবর্তিত থাকে
  2. চুক্তিভঙ্গের পর তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকে
  3. চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হতে থাকে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-

যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৮,৯১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৪২ অনুসারে, এই আইন অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে প্রদত্ত বা জারিকৃত সকল আদেশ ও নোটিশ কীভাবে হতে হবে?
  1. লিখিতভাবে
  2. মৌখিকভাবে
  3. ইলেকট্রনিকভাবে
  4. মৌখিক বা লিখিত যেকোনোভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৪২ স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, এই কোডের বিধানাবলি অনুসারে কোনো ব্যক্তিকে জারিকৃত বা প্রদত্ত সমস্ত আদেশ এবং নোটিশ অবশ্যই লিখিত আকারে হতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারার বিধান:- আদেশ ও নোটিশ লিখিত হতে হবে:
- এই আইনের বিধানানুযায়ী কোন ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section:142: Orders and notices to be in writing.
- All orders and notices served on or given to any person under the provisions of this Code shall be in writing.

৮,৯১৭.
কোন আদালত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে না?
  1. সহকারী জজ আদালত
  2. স্মল কজ কোর্ট
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮২ মতে কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে: স্মল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।
- সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।
-------------------
Order-21 Rule-82. What Courts may order sales:
- Sales of immovable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.
৮,৯১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫নং আদেশের কোন বিধি অনুযায়ী একাধিক বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয়?
  1. বিধি-১০
  2. বিধি-১১
  3. বিধি-১৩
  4. বিধি-১৫
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-১১ তে বিবাদী একাধিক হলে সমন প্রত্যেক বিবাদির উপর জারি করার বিধান উল্লেখ রয়েছে।
- মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর, নির্ধারিত তারিখে হাজির হতে এবং দাবির সমর্থনে জবাব দিতে, মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ (৫) কার্যদিবসের মধ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির কাছে সমন প্রেরণ করবেন। যদি মোকদ্দমায় একাধিক বিবাদী থাকে, তবে আদেশ ৫ এর বিধি ১১ অনুযায়ী সমন জারি করতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-১১ এর বিধান:
অনুরূপ নির্দেশ যদি না থাকে তবে ক্ষেত্রে বিবাদির সংখ্যা বহুসংখ্যক হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদিগণের প্রত্যেকের উপর সমন জারি করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-11: Service on several defendants:
- Save as otherwise prescribed, where there are more defendants than one, service of the summons shall be made on each defendant.
৮,৯১৯.
রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ দ্বারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠিত হয়?
  1. ২৬নং আদেশ
  2. ৩৬নং আদেশ
  3. ৪৬নং আদেশ
  4. ৫৬নং আদেশ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বার কাউন্সিল হলো দেশের আইনজীবীদের একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদিত সংগঠন। এটির প্রতিষ্ঠা ও কাঠামোগত বিষয়গুলো নিম্নরূপ:

⇒ স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৩ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒ এটি সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একমাত্র কেন্দ্রীয় সংস্থা যা দেশের সকল আইনজীবী এবং আইন শিক্ষার্থীদের তালিকাভুক্তি, নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বভার পালন করে।
⇒ বার কাউন্সিলের নিজস্ব একটি আইন আছে যা Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 নামে পরিচিত। এই আইনে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধন, শৃংখলা বিধি ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।
⇒ কাউন্সিলটি একটি চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নির্বাচিত এক প্যানেল দ্বারা পরিচালিত হয়। সদস্যরা দেশের বিভিন্ন বার সোসাইটি দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বাচন করে।
⇒ বার কাউন্সিলের অন্যান্য দায়িত্বগুলোর মধ্যে আইনজীবী শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
৮,৯২০.
'Estoppel' নীতি কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. আইনের প্রশ্নে
  2. তথ্যগত প্রশ্নে
  3. ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে
  4. ক ও খ উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
• 'Estoppel' নীতি যার বাংলা অর্থ ‘স্বকার্যজনিত বাধা’। সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে,
‘যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র দ্বারা ইচ্ছাকৃত ভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করায় এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করতে বলে, তখন উক্ত ২ পক্ষের মধ্যে কোন মামলায় ১ম পক্ষ তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না।’

সহজ ভাষায় বললে,
Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা একজন ব্যক্তিকে অতীতের কোনো কর্ম বা বিবৃতিকে বিরোধিতা করতে বাধা দেয়। এটি সাধারণ আইনের অংশ এবং অন্য ব্যক্তির কথা বা কাজের অসঙ্গতি দ্বারা মানুষকে অন্যায়ভাবে অবিচার করা থেকে বিরত রাখার জন্য।

আইনের বিষয়ে Estoppel নীতি:
প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নীতিটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবে না।

আইনের বিষয়ে Estoppel নীতি প্রযোজ্য হয় না কারণ:
১. আইন একটি সার্বজনীন নিয়ম যা সকলের জন্য বাধ্যতামূলক। আইন অনুযায়ী কাউকে কোন অধিকার দেওয়া হলে, কেউ এই অধিকার অস্বীকার করতে পারবে না বা এর বিরোধিতা করতে পারবে না।
২. Estoppel হলো এমন একটি নীতি যা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং এটি ঘটনাগত তথ্য ও আচরণের উপর প্রযোজ্য। কিন্তু আইন একটি নিরপেক্ষ নিয়ম যা কারো অনুমতি বা আচরণের উপর নির্ভরশীল নয়।
৩. যদি আইন অনুযায়ী কোন অধিকার প্রদত্ত হয়, তাহলে এই অধিকারকে Estoppel এর মাধ্যমে প্রতিবন্ধিত করা যাবে না, কারণ আইন প্রধানতর এবং সার্বজনীন রূপ বহন করে।
৮,৯২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ১ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার মোকদ্দমাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বলা হয়।
- শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি।
- তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

- তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
৮,৯২২.
দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের জন্য নিচের কোন উদ্দেশ্য প্রয়োজন নয়?
  1. কোন অপরাধ সংঘটন
  2. ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শন
  3. ব্যক্তিকে অপমান করা
  4. ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৪১ অনুসারে, অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ (Criminal Trespass) গঠনের জন্য নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যগুলির যেকোনো একটি থাকা আবশ্যক:
১. কোনো অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্য (যেমন– চুরি, ক্ষতি ইত্যাদি)।
২. সম্পত্তির দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্য।
৩. সম্পত্তির দখলকারী ব্যক্তিকে অপমান করার উদ্দেশ্য।
৪. সম্পত্তির দখলকারী ব্যক্তিকে বিরক্ত করার উদ্দেশ্য।
- ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা করা এই ধারায় অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের উদ্দেশ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-441: Criminal trespass:- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".

৮,৯২৩.
কোনটি আইনজীবীর আচরণবিধির লঙ্ঘন হবে।
  1. অপর পক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে বিচারকের খাস কামরায় গিয়ে মোকদ্দমার বিষয়ে কথা বলা
  2. ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করা
  3. নিজের কাজ জুনিয়র আইনজীবীকে দিয়ে করানো
  4. উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
♦ Canons of professional conduct and etitquette এর conduct with regard to other advocates –এর ৫ নং পয়েন্টে বলা আছে এই বিধিটি।
৮,৯২৪.
'Mediation in Appeal' দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৮৯খ
  2. ৮৯ক
  3. ৮৯গ
  4. ৮৯ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒  Section 89C Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
৮,৯২৫.
নিম্নের কোন আচরণ একজন আইনজীবীর পেশাগত সদাচরণের লঙ্ঘন?
  1. পেশার প্রসারের উদ্দেশ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ
  2. পেশার প্রসারের উদ্দেশ্যে বেতনভুক্ত সহকারী রাখা
  3. নিজের পরিচালনাধীন মামলা সংশ্লিষ্ট বিচারিক নিলামে ক্রেতা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ আইনজীবীদের জন্য অনুসৃত পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা (Canons of professional conduct and etiquettel এর অধ্যায় ১ এর ২ বিধি অনুসারে, কোনো আইনজীবী তার পেশার প্রসারের উদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপন কিংবা অন্য কোন উপায়ে পেশাগত নিয়োগ কিংবা দায়িত্ব লাভের চেষ্টা করতে পারবেনা। তবে প্রকাশনা, পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরী ব্যবহার করতে পারবে।
- অন্যদিকে, অধ্যায় ০২ এর বিধি ৫ অনুসারে, একজন আইনজীবী কোন উইল কিংবা ঋণের জন্য বন্ধককৃত কিংবা বিচারিক রায়ে নিলামকৃত সম্পত্তি নিজ নামে কিংবা বেনামে ক্রয় কিংবা পারিশ্রমিকের পরিবর্তে উক্ত সমুদয় সম্পত্তি কিংবা আংশিক সম্পত্তি গ্রহণ করতে পারবেনা, যদি তিনি উক্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলার কোন পক্ষের আইনজীবী হিসাবে মামলা পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে থাকে।
-------------------
CHAPTER-1
CONDUCT WITH REGARD TO OTHER ADVOCATES:
Rule-2. An Advocate shall not solicit professional employment by advertisement or by any other means. This clause shall not be construed as prohibiting the publication or use of ordinary professional cards, name plates or conventional listings in directories, so long as the information contained therein is limited to professional and academic qualifications and public offices currently held, and does not contain any matter which savours of personal advertisement.

CHAPTER-II
CONDUCT WITH REGARD TO CLIENTS:
Rule-5. An Advocate shall not himself or in benami purchase any property at a probate, foreclosure or judicial sale in an auction or proceeding in which such Advocate appears for a party nor shall he accept the whole or part of the property, in respect of which he had been engaged to conduct the case, in lieu of his remuneration, or as a reward or bounty.
৮,৯২৬.
নিচের কোন অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন ৫ জন সদস্য থাকার প্রয়োজন নেই?
  1. ডাকাতি
  2. দাঙ্গা
  3. দস্যুতা
  4. বেআইনী সমাবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা  হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে। অর্থাৎ দাঙ্গার সদস্যও পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

---------------------------------
⇒ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনী সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।

⇒ সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

⇒ দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।

⇒ ডাকাতির উপাদান:
(i) পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
(ii) উক্ত দলের এক বা একাধিক ব্যক্তি দস্যুতা করেছিল বা করার চেষ্টা করেছিল;
(iii) ডাকাত দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিল এবং এ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেছিল।

⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

⇒ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত।
৮,৯২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত দেওয়ার সময় বিচারককে আরজিতে কী লিখতে হবে?
  1. দাখিলের তারিখ
  2. ফেরতের তারিখ
  3. দাখিলকারীর নাম
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ১০(২) অনুসারে, আরজি ফেরত দেওয়ার সময় বিচারককে আরজির উপর নিম্নলিখিত তথ্যগুলো লিপিবদ্ধ করতে হবে:
- দাখিলের তারিখ
- ফেরতের তারিখ
- দাখিলকারী পক্ষের নাম
- ফেরত দেওয়ার একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি
সুতরাং, 'ক', 'খ' ও 'গ' উভয়ই সঠিক, যা ঘ) উল্লিখিত সবগুলো কে সঠিক উত্তর করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০- যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।
(২) যখন আরজি ফেরত দেওয়া হয়, বিচারক তার ওপর আরজির দাখিলের এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, দাখিলকারী পক্ষের নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিখবেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-7, Rule-10. Return of plaint:
(1) The plaint shall at any stage of the suit be returned to be presented to the Court in which the suit should have been instituted.
-(2) Procedure on returning plaint: On returning a plaint the Judge shall endorse thereon the date of its presentation and return, the name of the party presenting it, and a brief statement of the reasons for returning it.

৮,৯২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অভিযোগপত্রে ভুলের প্রভাব সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ২২৪ ধারায়
  2. ২২৫ ধারায়
  3. ২২৬ ধারায়
  4. ২২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারার বিধান: ভুলের প্রভাব:
 - অভিযোগপত্রে অপরাধ বা অপরাধের বিবরণ উল্লেখ করার ক্ষেত্রে কোনো ভুল বা কোনো তথ্য উল্লেখ করতে অসমর্থতা, মামলার যে কোনো পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য হবে না, যদি না এই ভুল বা অসম্পূর্ণতার কারণে অভিযুক্ত প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে।
-------------
→ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 225. Effect of errors: 
- No error in stating either the offence or the particulars required to be stated in the charge, and no omission to state the offence or those particulars, shall be regarded at any stage of the case as material, unless the accused was in fact misled by such error or omission, and it has occasioned a failure of justice.
৮,৯২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১(৩) অনুসারে, Peremptory hearing-এর আগে প্রতি পক্ষ খরচ ছাড়া কতবার adjournment নিতে পারবে?
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ৪ বার
  4. ৬ বার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১(৩) (Order XVII Rule 1(3)) অনুসারে, Peremptory hearing-এর আগে কোনো মামলায় প্রতিটি পক্ষ সর্বোচ্চ ৪ (চার) বার adjournment (মুলতবি) নিতে পারবে। এই সীমার বেশি মুলতবি দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে খরচ দিতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৭ বিধি ১(৩) অনুসারে, দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে সংশোধিত বিধানে বলা হয়েছে যে, আদালত কোনো পক্ষের আবেদনে চূড়ান্ত শুনানি (Peremptory hearing) এর আগে সর্বোচ্চ চারবার স্থগিতকরণ (Adjournment) অনুমোদন করতে পারে। এই সীমা অতিক্রম করলে, স্থগিতকরণ প্রাপ্ত পক্ষকে ২০০ টাকা থেকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ পরিশোধ করতে হবে। তবে, এই বিধির শর্ত অনুযায়ী, খরচ সহও তিনবারের বেশি স্থগিতকরণ দেওয়া যাবে না।
---------
 ⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 17 Rule-1.Court may grant time and adjourn hearing:
(1) The Court may, if sufficient cause is shown, at any stage of the suit grant time to the parties or to any of them, and may from time to time adjourn the hearing of the suit.
Costs of adjournment:
(2) In every such case the Court shall fix a day for the further hearing of the suit, and may make such order as it thinks fit with respect to the costs occasioned by the adjournment:
Provided that, when the hearing of evidence has once begun, the hearing of the suit shall be continued from day to day until all the witnesses in attendance have been examined, unless the Court finds the adjournment of the hearing beyond the following day to be necessary for reasons to be recorded.

(3) Notwithstanding anything contained in sub-rules (1) and (2), the Court shall not grant more than four adjournments in a suit before peremptory hearing at the instance of either party to the suit, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay a cost of not less than two hundred taka and not more than one thousand taka to the other party, within time to be specified by it; noncompliance with which, by the plaintiff shall render the suit liable to be dismissed and, by the defendant shall render the suit liable to be disposed of ex parte:
Provided that the Court shall not grant more than three adjournments to a party even with cost under this rule.

৮,৯৩০.
'ক'- কে খুন করার জন্য একদল লোক তাড়া করে। 'ক' আক্রমণকারী লোকদের প্রতি গুলিবর্ষণ না করলে 'ক' -এর মৃত্যু এড়ানো সম্ভব না; অন্যদিকে গুলিবর্ষণ করলে আক্রমণকারীদের পাশাপাশি কয়েকটি নির্দোষ শিশুও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে যারা ঐ আক্রমণকারী লোকদের সাথে মিশে আছে। এই পরিস্থিতিতে 'ক' যদি গুলিবর্ষণ করে, তা-
  1. সকল ক্ষেত্রে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে
  2. কোনো ক্ষেত্রেই অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
  3. নির্দোষ শিশু মারা গেলে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে
  4. আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ হিসেবে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৬: আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো (Right of private defence against deadly assault when there is risk of harm to innocent person)-
যদি কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে, যা যুক্তিসঙ্গতভাবে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি করে, আত্মরক্ষাকারী এমন পরিস্থিতিতে থাকে যেখানে সে নিরপরাধ ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি ছাড়া কার্যকরভাবে সেই অধিকার প্রয়োগ করতে পারে না, তবে তার আত্মরক্ষার অধিকার সেই ঝুঁকি নেওয়া পর্যন্ত প্রসারিত হয়।

যেমন- ক-কে খুন করার জন্য একদল লোক তাড়া করে। ক আক্রমণকারী লোকদের প্রতি গুলিবর্ষণ না করলে ক-এর মৃত্যু এড়ানো সম্ভব না; অন্যদিকে গুলিবর্ষণ করলে আক্রমণকারীদের পাশাপাশি কয়েকটি নির্দোষ শিশুও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে যারা ঐ আক্রমণকারী লোকদের সাথে মিশে আছে।

এই পরিস্থিতিতে ক যদি গুলিবর্ষণ করে এবং তার ফলে কোন শিশু ক্ষতিগ্রস্তও হয়, তবুও ক-এর অপরাধ হবে না। কেননা ১০৬ ধারামতে মারাত্মক আক্রমনের বিরূদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তির ক্ষতি বা মৃত্যু হলে তা অপরাধ নয়।
৮,৯৩১.
যদি নিঃস্ব বাদীর মৃত্যুজনিত কারণে মোকদ্দমা বাতিল হয়ে যায়, তবে আদালত আদেশ ৩৩ বিধি ১১ক এর অধীন কোন বিষয়ে আদেশ দিতে পারে?
  1. নতুন বাদী নিযুক্ত করার
  2. বাদীর উত্তরাধিকারীদের দায়মুক্তির
  3. মৃত বাদীর কোর্ট ফি মওকুফের
  4. মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে কোর্ট ফি আদায়ের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক: নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি নিঃস্ব বাদী বা যুক্ত কোনো সহ-বাদীর মৃত্যুজনিত কারণে মোকদ্দমা বাতিল (abate) হয়ে যায়, তাহলে আদালত আদেশ দিবে যে, যদি বাদী নিঃস্ব হিসেবে মোকদ্দমা করার অনুমতি না পেতেন তবে যে পরিমাণ আদালত ফি (court-fee) প্রদান করতে হতো, তা সরকার মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে আদায় করতে পারবে।

Rule.-11A: Procedure where pauper suit abates:
Where the suit abates by reason of the death of the plaintiff or of any person added as a co-plaintiff the Court shall order that the amount of court-fees which would have been paid by the plaintiff if he had not been permitted to sue as a pauper shall be recoverable by the Government from the estate of the deceased plaintiff.
৮,৯৩২.
চুক্তি বলবতকরণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এর ১ম তফসিলের কত অনুচ্ছেদে বর্ণিত?
  1. ১৩
  2. ৯৫
  3. ১১৩
  4. ১১৪
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, চুক্তি বলবতকরণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১ বৎসর।
♦অর্থাৎ চুক্তি বলবতকরণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এর ১ম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত।
৮,৯৩৩.
'কোনো আদালত নিজস্ব আর্থিক এখতিয়ারের অতিরিক্ত মূল্যমানের মোকদ্দমা গ্রহণ করবে না'- কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ৩, সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭
  2. ধারা ১৫, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮
  3. ধারা ৬, সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট ১৮৮৭
  4. ধারা ৬, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারায় (আর্থিক এখতিয়ার) সম্পর্কে বলা আছে-

অন্যত্র বর্ণিত সুস্পষ্ট বিধানসমূহ ছাড়া এই আইনের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমারেখার (যদি থাকে) বেশি মূল্যসম্পন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।

• দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করার ক্ষেত্রে ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার। 

Section 6: Pecuniary Jurisdiction-

Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.
৮,৯৩৪.
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলার কোন পক্ষ তলবকৃত লিখিত জবাব পেশ করতে ব্যর্থ হলে, আদেশ ৮ বিধি ১০ অনুযায়ী আদালত-
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. তার বিরুদ্ধে রায় দিতে পারে
  3. মামলা সম্পর্কে অন্য কোন আদেশ দিতে পারে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী- আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment] করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ১০ বিধি- লিখিত জবাব আদালত কর্তৃক দাখিলের জন্য বলা হলে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে পদ্ধতিঃ
কোন পক্ষের থেকে লিখিত জবাব তলব করার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে বা মোকদ্দমা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।
৮,৯৩৫.
স্বীকারোক্তির উপর রায় প্রদান করতে কোন পক্ষ দেওয়ানি আদালতে আবেদন করতে পারে?
  1. কেবলমাত্র বাদী
  2. কেবলমাত্র বিবাদী
  3. যে কোন পক্ষ
  4. কোন পক্ষই নয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
৮,৯৩৬.
Leading Question বলতে নিচের কোনটিকে বুঝাবে?
  1. যে প্রশ্নের পূর্বে উত্তর বলা থাকে
  2. যে প্রশ্নের পরে উত্তর বলা থাকে
  3. যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর বলা থাকে
  4. যে প্রশ্নে প্রশ্নকারী হা বা না সূচক প্রশ্ন করে থাকে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
♦ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়। ♦ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের (Leading question) বিধান রয়েছে।
♦ যেমন- প্রশ্ন: আপনার নাম কি সালমান ?
উত্তর: হ্যা, আমার নাম সালমান। এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত (সালমান) রয়েছে। এটাই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question.
৮,৯৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট দণ্ড হ্রাস করে-
  1. জরিমানার আদেশ দিতে পারে
  2. ১০ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে
  3. ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীন গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়-মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন। 
------------------------------
CrPC-Section-382: Postponement of capital sentence on pregnant woman:
 If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
৮,৯৩৮.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৭ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে হবে?
  1. দায়রা জজ আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. মহানগর দায়রা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধানঃ যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলঃ যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপীল দায়ের করতে পারবেঃ
♦নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপীল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপীল করতে হবে।

♦চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ডই প্রদান করুক না কেন আপীল করতে হবে দায়রা আদালতে। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শুধুমাত্র দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দন্ড দিলে আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
♦মেট্রোপলিটন এলাকার দায়রা জজ আদালতে নাম মহানগর দায়রা জজ আদালত।
৮,৯৩৯.
শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যার সহায়তাকরণ সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ Abetment of suicide of child or insane person:
Section 305. If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৮,৯৪০.
ধারা ৬৮ অনুযায়ী, জরিমানা না দেওয়ার কারণে আরোপিত কারাদণ্ড কখন শেষ হবে?
  1. নির্দিষ্ট সময় শেষে
  2. ফরিয়াদির নির্দেশে
  3. জরিমানা পরিশোধ করা হলে
  4. দণ্ডিত ব্যক্তির আবেদন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৬৮ ধারা- অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:
জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে যে কারাদণ্ড আরোপ করা হয়, তা সমাপ্ত হবে যখনই সেই জরিমানা পরিশোধ করা হয় অথবা আইনগত প্রক্রিয়ায় আদায় করা হয়।

Section 68- Imprisonment to terminate on payment of fine:
The imprisonment which is imposed in default of payment of a fine shall terminate whenever that fine is either paid or levied by process of law.
৮,৯৪১.
দণ্ডবিধির ২১২ ধারার ব্যতিক্রম অনুযায়ী অপরাধীকে আশ্রয়দান দণ্ডনীয় হবে না, যদি আশ্রয়দাতা-
  1. অপরাধীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
  2. অপরাধীর স্বামী বা স্ত্রী হয়
  3. প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য হয়
  4. অপরাধীকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া, অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হইলে:
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-

-দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

-দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অত্র ধারার অপরাধ বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

ব্যতিক্রম:
দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৮,৯৪২.
দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায় কী ধরনের অপরাধের উল্লেখ আছে?
  1. আত্মহত্যা
  2. আত্মরক্ষা
  3. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  4. দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
৮,৯৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারার শিরোনাম হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. Res Sub Judice
  2. Res Judicata
  3. Stay of suit
  4. Bar of suit
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-10. Stay of suit:
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in a previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court. 

Explanation. -The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন। এই নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-
১. দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হতে হবে;
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে;
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে;
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা [under same title) দায়ের করেছে।

৮,৯৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯খ(১) অনুযায়ী, আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার করতে হলে আদালত প্রথমে কোন দুটি ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে?
  1. ধারা ৩৪ ও ৩৫
  2. ধারা ৮৭ ও ৮৮
  3. ধারা ১৬১ ও ১৬২
  4. ধারা ৪২০ ও ৩৭৯
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯খ(১) অনুযায়ী, আসামি যদি পলাতক থাকে বা আত্মগোপনে থাকে এবং তাকে গ্রেফতারের আশু সম্ভাবনা না থাকে, তাহলে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পারেন। তবে এর আগে আদালতকে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ধারা ৮৭ ও ৮৮ অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ।
→ ধারা ৮৭: আসামি পলাতক থাকলে, আদালত তার বিরুদ্ধে জারি-নামা (Proclamation) জারি করতে পারে, যাতে তাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
→ ধারা ৮৮: জারি-নামার পর আদালত আসামির সম্পত্তি ক্রোক (Attachment) করার আদেশ দিতে পারেন, যদি সে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির না হয়।
→ এই দুটি ধারা কার্যকর করার পর যদি আদালত বিশ্বাস করেন যে আসামিকে ধরা সম্ভব নয়, তখন তিনি দুইটি বহুল প্রচারিত বাংলা দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেবেন। নির্ধারিত সময়ে হাজির না হলে তার অনুপস্থিতিতেই বিচার শুরু করা যাবে।
অতএব, ধারা ৩৩৯খ(১) অনুযায়ী আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর আগে ধারা ৮৭ ও ৮৮ অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ আবশ্যক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশি অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।
(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 339B: Trial in absentia:
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৮,৯৪৫.
X নিজেকে মৃত Y হিসাবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে। X এর সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে _____________।
  1. ৩ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪১৬ ধারায় অপরের রূপ ধারন পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।
যে ব্যক্তির রূপ ধারন করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে । যেমন- করিম নিজেকে আলতাফ হোসেনের ৩ নম্বর পুত্র বলে রহিমের নিকট উপস্থাপন করে কিন্তু বাস্তবে আলতাফ সাহেবের ১ জন পুত্র রয়েছে। এক্ষেত্রে করিম ছদ্মবেশী প্রতারণার জন্য দায়ী হবে ।
৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
৮,৯৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে কয় ধরণের বিচারক?
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারায় দায়রা আদালতের বিধান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৭ ধারার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে কতিপয় দায়রা বিভাগ থাকবে, এবং ৯ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবে। মেট্রোপলিটন এলাকার দায়রা আদালতকে মেট্রোপলিটন দায়রা আদালত (Metropolitan Court of Sessions) বলা হবে।

♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-

i) দায়রা জজ (Sessions Judge);

ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);

iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge) ।

♦সংবিধানের ১১৫ এবং ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
৮,৯৪৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী নিচের কোনটি আপীল আদালতের এখতিয়ার?
  1. মামলা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা
  2. অধিকতর সাক্ষ্য গ্রহণ করা
  3. ইস্যু গঠন ও বিচারের জন্য প্রেরণ করা
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৭: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।

Section 107- Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power-
(a) to determine a case finally;
(b) to remand a case;
(c) to frame issues and refer them for trial;
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken.

(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
৮,৯৪৮.
Section 23 of the Specific Relief Act deals with-
  1. The contracts which may specifically be enforced
  2. Unregistered contract for sale not specifically enforceable
  3. The persons who may obtain specific performance of a contract
  4. The persons against whom specific performance can not be granted
ব্যাখ্যা
⇒ Specific Relief Act Section-23.Who may obtain specific performance:
Except as otherwise provided by this Chapter, the specific performance of a contract may be obtained by-
(a) any party thereto;
(b) the representative in interest, or the principal, of any party thereto: provided that, where the learning, skill, solvency or any personal quality of such party is a material ingredient in the contract, or where the contract provides that his interest shall not be assigned, his representative in interest or his principal shall not be entitled to specific performance of the contract, unless where his part thereof has already been performed;
(c) where the contract is a settlement on marriage, or a compromise of doubtful rights between members of the same family, any person beneficially entitled thereunder;
(d) where the contract has been entered into by a tenant for life in due exercise of a power, the remainderman;
(e) a reversioner in possession, where the agreement is a covenant entered into with his predecessor in title and the reversioner is entitled to the benefit of such covenant;
(f) a reversioner in remainder, where the agreement is such a covenant, and the reversioner is entitled to the benefit thereof and will sustain material injury by reason of its breach;
(g) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation;
(h) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract for the purposes of the company, and such contract is warranted by the terms of the incorporation, the company.
৮,৯৪৯.
তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্ন লিখিত কোন সময়টি বাদ যাবে?
  1. ডিক্রি প্রস্তুতের সময়
  2. ডিক্রি জারির সময়
  3. ডিক্রি জারি কার্যক্রম স্থগিতের সময়
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী, কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হইবে-

(১) যেই মামলা বা ডিক্রি জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন উক্ত নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেদিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেদিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।

(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।

Section 15: Exclusion of time during which proceedings are suspended

(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded. 
 
(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.
৮,৯৫০.
ক্রোককৃত সম্পত্তির বিরুদ্ধে উত্থাপিত দাবি অগ্রাহ্য হলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কত দিনের মধ্যে সম্পত্তির স্বত্ব (Title) প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা দায়ের করতে পারবেন?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা মতে ক্রোককৃত সম্পত্তি নিয়ে আপত্তি- ক্রোককৃত সম্পত্তিতে হুলিয়াধীন ব্যক্তি ব্যতীত অপর কোন ব্যক্তির কোন স্বার্থ থাকলে, উক্ত ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোক আদেশ প্রদানকারী আদালতে আপত্তি (objections) উত্থাপন করবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ঘ)ধারা মতে যে ব্যক্তির দাবী বা আপত্তি উপ-ধারা (৬এ) অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশ দ্বারা পুরোপুরি বা আংশিক অগ্রাহ্য করা হয়েছে তিনি বিরোধীয় সম্পত্তিতে তার দাবীকৃত অধিকার প্রতিষ্ঠাকল্পে উক্ত আদেশ প্রদানের তারিখ হতে ১ (এক) বৎসরের মধ্যে মামলা রুজু করতে পারবেন, তবে উক্ত মামলার ফলাফলের শর্তে উক্ত আদেশ চূড়ান্ত রূপে পরিগণিত হবে।

♦ অর্থাৎ তার দাবি অগ্রাহ্য হলে আদেশের তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে সম্পত্তির স্বত্ব (Title) প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা দায়ের করতে পারবেন।
৮,৯৫১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটনের শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩০৪ ধারায়
  2. ৩০৪ক ধারায়
  3. ৩০৪খ ধারায়
  4. ৩০২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার বিধান অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------
⇒Section 304A: Causing death by negligence:
 Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
৮,৯৫২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৭ এর শর্তানুযায়ী, তথ্য প্রদানকারী ব্যক্তিকে কী অবস্থায় থাকতে হবে?
  1. মুক্ত অবস্থায়
  2. আদালতে উপস্থিতিতে
  3. পুলিশ অফিসারের হেফাজতে
  4. আইনজীবীর উপস্থিতিতে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুসারে, যদি কোনো আসামি পুলিশের হেফাজতে থেকে এমন কোনো তথ্য দেয়, যা দ্বারা কোনো বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার হয়, তবে সেই তথ্যের প্রাসঙ্গিক অংশ আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে। তবে সম্পূর্ণ স্বীকারোক্তি নয়, শুধুমাত্র যে অংশটি উদ্ধারকৃত আলামতের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত, সেটি প্রাসঙ্গিক ও গ্রহণযোগ্য হবে।

- সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে:
পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে, যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।
-------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 27: How much of information received from accused may be proved:
Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.

৮,৯৫৩.
কে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব নিয়োগ করেন?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. বার কাউন্সিল চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশ এর অনুচ্ছেদ ৬ক  এর বিধান মতে:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবে। সরকার জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজদের মধ্য হতে বার কাউন্সিলের সচিব [Secretary] নিয়োগ করবে।
-বার কাউন্সিলের সচিবের পদের মেয়াদ হবে সরকার যেমন মেয়াদ নির্ধারণ করে।
-৬ক অনুচ্ছেদটি ২০১২ সালে সংযুক্ত করা হয়।
-বার কাউন্সিলের সচিবই হবে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা [Chief Executive Officer বিধি ৫৫।
-----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-6A. There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.
৮,৯৫৪.
কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেট সাধারণত কত জন শিক্ষানবিশ গ্রহণ করতে পারেন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৮ জন
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:

♦ শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হবার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।

♦আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।

♦কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।

♦অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা এফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারীর নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।

♦কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরনের জন্য দায়ী হবেন।

♦শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।

♦হাইকোর্ট বিভাগে প্রাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।

♦এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারী কলেজে হবে।

♦অর্থাৎ কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেট সাধারণত ৪ জন শিক্ষানবিশ গ্রহণ করতে পারেন।
৮,৯৫৫.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব নিযুক্ত হয়
  1. প্রেসিডেন্ট কর্তৃক
  2. চেয়ারম্যান কর্তৃক
  3. সরকার কর্তৃক
  4. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশ এর অনুচ্ছেদ ৬ক  এর বিধান মতেঃ
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবে। সরকার জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজদের মধ্য হতে বার কাউন্সিলের সচিব [Secretary] নিয়োগ করবে।
♦বার কাউন্সিলের সচিবের পদের মেয়াদ হবে সরকার যেমন মেয়াদ নির্ধারণ করে।
♦৬ক অনুচ্ছেদটি ২০১২ সালে সংযুক্ত করা হয়।
♦বার কাউন্সিলের সচিবই হবে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা [Chief Executive Officer বিধি ৫৫।
৮,৯৫৬.
একটি বায়নানামা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য নিচের কোন শর্ত পূরণ করা আবশ্যক?
  1. চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়া
  2. চুক্তির বাকি বিনিময় মূল্য আদালতে দাখিল করা
  3. চুক্তি হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করা
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ২১ক ধারায় বলা হয়েছে- বায়নানামা দলিলটি নিবন্ধিত হতে হবে এবং বায়নানামার শর্ত মোতাবেক কোনো টাকা বাকি থাকলে তা আদালতে জমা দিতে হবে। অন্যথায় সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি পেতে পারে না।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২১ক এর বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকর যোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর যোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
-----------------------
SR Act- Section-21A. Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৮,৯৫৭.
'A' গুরতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং 'A' তার চিকিৎসকে জানায় এই আঘাত 'B' দিয়েছে। কয়েকদিন পর 'A' মারা যায়। এক্ষেত্রে 'A' এর বিবৃতি সাক্ষ্য আইনে কত ধারা অনুসারে মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. ৩২(১)
  2. ৩২(২)
  3. ৩২(৩)
  4. ৩২(৪)
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়।
- ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়।
-মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 
- 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।
 
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;

অর্থাৎ উল্লেখিত প্রশ্নে 'A' এর বক্তব্য ৩২(১) ধারায় বর্ণিত শর্ত অনুসারে মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।
৮,৯৫৮.
কয়টি ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত প্রয়োগ করা যায়?
  1. ৩ টি ক্ষেত্রে
  2. ৬ টি ক্ষেত্রে
  3. ৫ টি ক্ষেত্রে
  4. ৪ টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০০ অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:

(i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
(ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
(iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
(vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।

---------------------
♦ When the right of private defence of the body extends to causing death:
Section 100. The right of private defence of the body extends, under the restrictions mentioned in the last preceding section, to the voluntary causing of death or of any other harm to the assailant, if the offence which occasions the exercise of the right be of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:- 
 
Firstly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that death will otherwise be the consequence of such assault; 
Secondly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that grievous hurt will otherwise be the consequence of such assault; 
Thirdly.-An assault with the intention of committing rape; 
Fourthly.-An assault with the intention of gratifying unnatural lust; 
Fifthly.-An assault with the intention of kidnapping or abducting; 
Sixthly.-An assault with the intention of wrongfully confining a person, under circumstances which may reasonably cause him to apprehend that he will be unable to have recourse to the public authorities for his release.
৮,৯৫৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩খ (২) ধারা অনুসারে যদি দাবি করা হয় যে কোনো জৈবিক নমুনা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা সৃষ্ট, তবে তা প্রমানের জন্য আদালত কি নির্দেশ দিতে পারে?
  1. ঐ ব্যক্তির মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করতে
  2. নমুনাটি আদালতে জমা দিতে
  3. ঐ ব্যক্তির লিখিত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে
  4. সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত হতে
ব্যাখ্যা

→ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩খ (২) অনুযায়ী, যদি কোনো জৈবিক নমুনার সাথে সম্পর্কিত পরিচয়ের দাবি করা হয়, তাহলে আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে নমুনাটি তুলনা করা যেতে পারে।
অর্থাৎ, যদি দাবি করা হয় যে কোনো জৈবিক নমুনা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির বা তার দ্বারা সৃষ্ট, তবে আদালত সেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে তুলনা করা সম্ভব হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা 73B (2) Comparison of physical or forensic evidence with others admitted or proved:
"If there is any claim that the sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression belongs to or is created by any person, the Court may direct that person to be present in Court for the purpose of enabling the Court to make that comparison."

৮,৯৬০.
'Culpable homicide is not murder when the person whose death is caused, being above the age of eighteen years, suffers death or takes the risk of death with his own consent.'- This provision is provided in:
  1. Exception 3, Section 300
  2. Exception 2, Section 300
  3. Exception 4, Section 300
  4. Exception 5, Section 300
ব্যাখ্যা
Section 300- Murder:

Exception 5:
Culpable homicide is not murder when the person whose death is caused, being above the age of eighteen years, suffers death or takes the risk of death with his own consent.

ব্যতিক্রম ৫:

শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
৮,৯৬১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৫০ অনুসারে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানা কত?
  1. ৫,০০০ টাকা
  2. ২৫,০০০ টাকা
  3. ৫০,০০০ টাকা
  4. ১,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৫০ এর কয়েকটি উপ-ধারায় সংশোধনী আনা হয়েছে, যা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (frivolous or vexatious) অভিযোগের জন্য জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। নিচে সংশোধনীগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (১): সংশোধনীর মাধ্যমে এই উপ-ধারায় "false and either frivolous or vexatious" শব্দগুলির পর "may" শব্দটির পরিবর্তে "shall" শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ প্রমাণিত হলে ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য জরিমানা আরোপ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (২): এই উপ-ধারায় জরিমানার পরিমাণ সংশোধন করা হয়েছে। পূর্বে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য জরিমানা ছিল সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা, যা সংশোধনীর মাধ্যমে বাড়িয়ে ৫০,০০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া, যদি অভিযোগকারী কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানার পরিবর্তে ২৫,০০০ টাকা জরিমানা করা যাবে।
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (৫): এই উপ-ধারায় উল্লেখিত জরিমানার পরিমাণ পূর্বে ৩,০০০ টাকা ছিল, যা সংশোধনীর মাধ্যমে বাড়িয়ে ১,০০,০০০ টাকা (এক লাখ টাকা) করা হয়েছে। এটিই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ।
 
অর্থাৎ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (৫) অনুসারে, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানা এখন ১,০০,০০০ টাকা। এটি সংশোধনীর মাধ্যমে পূর্বের ৩,০০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো (৫,০০০ টাকা, ২৫,০০০ টাকা, ৫০,০০০ টাকা) ধারা ২৫০ এর বিভিন্ন উপ-ধারায় উল্লিখিত জরিমানার সাথে সম্পর্কিত হলেও, প্রশ্নটি সর্বোচ্চ জরিমানা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে, তাই উপ-ধারা (৫) এর ১,০০,০০০ টাকাই সঠিক উত্তর।

 ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 False, frivolous or vexatious accusations:
(5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding one lac taka.

৮,৯৬২.
Under Order 9 Rule 3 of CPC, what will happen if neither party appears when the suit is called on for hearing?
  1. The Court must adjourn the case
  2. The Court may dismiss the suit
  3. The Court shall pass an ex parte decree
  4. The Court will decide the case on merits
ব্যাখ্যা

Order 9 Rule 3: Where neither party appears, suit to be dismissed:
Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.

আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।

৮,৯৬৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন আদেশে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. Order XXXIX
  2. Order XL
  3. Order XLI
  4. Order XLIII
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর Order XXXIX (আদেশ ৩৯)-এ “Temporary Injunctions and Interlocutory Orders” অর্থাৎ "অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ" সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
- Rule 1 (বিধি ১):আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে যদি, বাদির একটি prima facie (প্রাথমিকভাবে গ্রহণযোগ্য) মামলা থাকে, অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, দেখা যায় উত্তরপক্ষ এমন কিছু করছে বা করতে যাচ্ছে, যা বাদির অধিকার ক্ষুণ্ণ করবে।

⇒ আদেশ ৩৯, দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ অনুসারে, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) হল আদালত কর্তৃক প্রদত্ত একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ যার উদ্দেশ্য মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির স্থিতাবস্থা বজায় রাখা, অবৈধ ক্ষতি বা প্রতারণা রোধ করা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
- আদেশ ৩৯ এর বিধি ১ ও ২ অনুযায়ী, যদি শপথপত্র বা অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা দেখা যায় যে মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অপচয়, হস্তান্তর, ধ্বংস বা বেআইনিভাবে বিক্রয়ের আশঙ্কা রয়েছে কিংবা বিবাদী প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি অপসারণ বা হস্তান্তরের হুমকি দিচ্ছে, তাহলে আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে।
- এই নিষেধাজ্ঞা মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে এবং আদালত প্রয়োজনে শর্তযুক্ত আদেশ, সম্পত্তি ক্রোক, এমনকি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নিতে পারে।
- এছাড়া, একতরফা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পূর্বে সাধারণত প্রতিপক্ষকে নোটিশ দেওয়া হয়, তবে তা বিলম্বজনিত ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে অব্যাহত রাখা যেতে পারে।
- তাই অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদালতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক হাতিয়ার যা আইনের শাসন, অধিকার রক্ষা ও ভবিষ্যৎ ক্ষতি প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
৮,৯৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছেো?
  1. ৪৩৫
  2. ৪৩৯
  3. ৪৩৬
  4. ৪৩৯ক
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ কর্তৃক নিম্ন আদালতের নথি তলব বা পরীক্ষার বিধান রয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জর্জ নিম্ন আদালতের নথি তলব বা মামলার কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারেন নিম্নবর্ণিত কারণে-
i) নিম্ন আদালত প্রদত্ত কোন শাস্তি বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে (for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed); এবং
ii) নিম্ন আদালতের কার্যক্রমের নিয়মানুগত্য বা পদ্ধতিগত অনিয়ম সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে (and for the purpose of satisfying itself or himself as to the regularity of any proceedings of such inferior Court)
♦৪৩৫ ধারার ক্ষমতাবলে নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তার অধঃস্তন কোন চীফ জুডিসিয়াল বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের ২০৩ বা ২০৪(৩) ধারার আওতায় খারিজকৃত নালিশ বা কোন ব্যক্তির অব্যাহতির বিষয়ে আরও অনুসন্ধানের আদেশ দিতে পারে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। 

♦ফৌজদারি কার্যবিধির  ৪৩৯ ধারার বিধান হাইকোর্ট ডিভিশনের রিভিশনের ক্ষমতাঃ (১) হাইকোর্ট ডিভিশন নিজে যে মামলার নথি তলব করেছেন, বা যা আদেশের জন্য পাঠানো হয়েছে, বা যা অন্য কোনভাবে হাইকোর্ট ডিভিশনের গোচরীভূত হয়েছে, সেই মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন ইহার বিচারিক ক্ষমতাবলে ধারা-৪২৩, ৪২৬, ৪২৭ ও ৪২৮ এ আপীল আদালতকে বা ধারা-৪৩৮ এ কোন আদালতকে প্রদত্ত ক্ষমতাদির মধ্যে যে কোনটি প্রয়োগ করতে পারবেন এবং দণ্ড বাড়াতে পারবেন এবং রিভিশনে এতিয়ার সম্পন্ন আদালতের জজগণ যখন তাঁদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, তখন মামলাটি ধারা-৪২৯ এ উল্লেখিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করতে হবে।
(২) আসামী আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজে বা এ্যাডভোকেট কর্তৃক তার বক্তব্য পেশের সুযোগ না পেলে এই ধারা অনুসারে তার বিরুদ্ধে কোন আদেশ দেয়া যাবে না ।
(৩) এই ধারায় সংশিষ্ট দণ্ড কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়ে থাকলে আসামী যে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে আদালত মনে করেন, সেই অপরাধের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড দিতে পারতেন, আদালত তার চেয়ে বেশী দণ্ড দিবেন না।
(৪) খালাসের অভিমতকে দণ্ডের অভিমতের পরিবর্তন করার বা দায়রা জজ কর্তৃক ধারা- ৪৩৯ক এর অধীন প্রদত্ত আদেশ বিষয়ে রিভিশনে কোন কার্যক্রম গ্রজণ করার ক্ষমতা হাইকোর্ট ডিভিশনকে দেয়া হয়েছে মর্মে এই ধারায় কোন কিছু মনে করা যাবে না ।
(৫) যেক্ষেত্রে এই বিধির অধীন আপীল চলে কিন্তু আপীল দায়ের করা হয়নি, সেক্ষেত্রে যে পক্ষ আপীল দায়ের করতে পারত সেই পক্ষের প্রচেষ্টায় রিভিশনের আকারে কোন কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।
(৬) এই ধারায় যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন দণ্ডিত ব্যক্তিকে কেন তার দণ্ড বাড়ানো হবে না এমর্মে উপধারা-২ এর অধীন উহার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হলে, উক্ত কারণ দর্শাবার সময় সে তার দণ্ডের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শাতে অধিকারী হবে।
৮,৯৬৫.
'A' বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার অভিযোগে অভিযুক্ত। বিদ্রোহে বিভিন্ন জায়গায় সম্পত্তি ধ্বংস, সৈন্যদের উপর আক্রমণ, জেলখানা ভেঙে ফেলার ঘটনা ঘটে — যদিও 'A' সব ঘটনায় নিজে ছিল না। এসব ঘটনা কোন ধারায় প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৮
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৬।
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬ অনুযায়ী, “যে সমস্ত ঘটনা, যদিও তা সরাসরি বিচার্য নয়, কিন্তু বিচার্য ঘটনার সঙ্গে এতটাই সংযুক্ত যে তা একই লেনদেন বা transaction-এর অংশ গঠিত করে, সেগুলো প্রাসঙ্গিক।”
- এই ঘটনায়, যুদ্ধ ঘোষণার (main fact in issue) অংশ হিসেবে একই বিদ্রোহে সম্পত্তি ধ্বংস, সৈন্য আক্রমণ ও জেল ভাঙার মতো ঘটনা — যদিও A সরাসরি উপস্থিত ছিল না — তবুও সেগুলো একই সংঘটিত লেনদেনের অংশ হিসেবে ধারা ৬ অনুসারে প্রাসঙ্গিক।
- এটি হলো ধারা ৬-এর illustration (b) (উদাহরণ খ)-এর সরাসরি প্রয়োগ।

→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬ অনুসারে, যে বিষয়গুলো সরাসরি বিচার্য নয়, কিন্তু বিচার্য বিষয়ের সাথে এমনভাবে সম্পর্কিত যে তা একই ঘটনার (same transaction) অংশ হিসেবে গণ্য হয়, সেগুলো প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
→ এই ধারা Res Gestae নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত, যার অর্থ হলো—একটি ঘটনার ধারাবাহিকতায় সংঘটিত সকল সংশ্লিষ্ট কার্যকলাপ বা বিবৃতি, যা মূল ঘটনার অংশ।
৮,৯৬৬.
আসামী বা জামিনদারের বন্ডের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. আসামীর হাজিরা নিশ্চিত করা
  2. মামলা স্থগিত রাখা
  3. ফরিয়াদির সময় অপচয় করা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
আসামী বা জামিনদারের বন্ডের প্রধান উদ্দেশ্য হল আসামীর হাজিরা নিশ্চিত করা। ধারা ৪৯৯(১) অনুসারে, জামিনে বা নিজের বন্ডে মুক্তি পাওয়ার শর্তে আসামী বা জামিনদারকে এমন বন্ড সম্পাদন করতে হবে যে, আসামী বন্ডে বর্ণিত সময়ে ও স্থানে হাজির হবে এবং পরবর্তীতে অনুরূপভাবে হাজির হবে।

ধারা ৪৯৯- আসামী ও জামিনদারের বন্ড:
(১) কোন ব্যক্তিকে জামিনে বা তার নিজের বন্ডে মুক্তি দেয়ার পূর্বে উক্ত ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত যেরূপ পর্যাপ্ত মনে করেন সেরূপ পরিমাণ অর্থের জন্য একটি বন্ড সম্পাদন করবে এবং যেক্ষেত্রে তাকে জামিন মুক্তি দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক পর্যাপ্ত জামিনদার এ শর্তে বন্ড সম্পাদন করবে যে, উক্ত ব্যক্তি বন্ডে বর্ণিত সময়ে ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অনুরূপে হাজির হতে হবে।

(২) মামলার জন্য এরূপ প্রয়োজন হলে জামিনে মুক্ত ব্যক্তির জন্য আরও শর্ত থাকবে যে, অভিযোগের জবাব দানের জন্য আহবান করা হলে হাইকোর্ট ডিভিশন, দায়রা আদালত বা অন্য কোন আদালতে তাকে হাজির হতে হবে।
৮,৯৬৭.
"Estoppel" নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. সত্যতা যাচাই
  2. পূর্ব ঘোষণার অস্বীকৃতিতে বাধা
  3. পূর্ব ঘোষণার অস্বীকৃতির বৈধতা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ‘Estoppel' বা 'স্বকার্যজনিত বাধা’ শব্দটি একটি আইনি নীতিকে বোঝায়, যা কাউকে কিছু অস্বীকার করতে বা এমন একটি অধিকার জাহির করতে বাধা প্রদান করে যা কিনা তারা পূর্বে বলেছিল বা আইন দ্বারা সম্মত হয়েছিল কিন্তু বর্তমানে পূর্বের কর্মের বিরোধিতা করছে। সহজ ভাষায় বললে, Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা একজন ব্যক্তিকে অতীতের কোনো কর্ম বা বিবৃতির বিরোধিতা করতে বাধা দেয়। এটি সাধারণ আইনের অংশ এবং অন্য ব্যক্তির কথা বা কাজের অসঙ্গতি দ্বারা মানুষকে অন্যায়ভাবে অবিচার করা থেকে বিরত রাখার জন্য।

সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে,
‘যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র দ্বারা ইচ্ছাকৃত ভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করায় এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করতে বলে, তখন উক্ত ২ পক্ষের মধ্যে কোন মামলায় ১ম পক্ষ তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না।’
৮,৯৬৮.
The Penal Code, 1860 অনুসারে চুরি _________ সম্পত্তির সাথে সম্পৃক্ত।
  1. শুধু অস্থাবর
  2. শুধু স্থাবর
  3. স্থাবর ও অস্থাবর
  4. বুদ্ধিবৃত্তিক
ব্যাখ্যা

♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

♦ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।

৮,৯৬৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪১ আদেশের ______ বিধিতে পাল্টা আপত্তি [Cross-objection] সংক্রান্ত বিধান আছে।
  1. ২১
  2. ২২
  3. ২৪
  4. ২৫
ব্যাখ্যা
পাল্টা আপীল বা পাল্টা আপত্তি [Cross-objection]:
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪১ আদেশের ২২ বিধিতে পাল্টা আপত্তি সংক্রান্ত বিধান আছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৪১ আদেশের ২২ বিধিতে বলা হয়েছে, রেসপন্ডেট বা প্রতিবাদী ডিক্রির কোনো অংশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের না করেও ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীলে যে-আপত্তি উত্থাপন করতে পারতো, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অপর পক্ষের দায়েরকৃত আপিলের পাল্টা আপত্তি দাখিল করে তা করতে পারে। যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় আদালত সিদ্ধান্ত আংশিক বাদীর অনুকূলে এবং আংশিক বিবাদীর অনুকূলে প্রদান করে, সেই ক্ষেত্রে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আপীল দায়ের করতে পারে এবং বিরোধী পক্ষ নিম্নবর্ণিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে-

i. ডিক্রির যে অংশ তার বিরুদ্ধে সেই অংশের বিরুদ্ধে তিনি আপীল দায়ের করতে পারে। এই ক্ষেত্রে একই ডিক্রির বিরুদ্ধে ২টি আপীল হয়। একটি আপীল বাদী কর্তৃক এবং অন্যটি বিবাদী কর্তৃক। এটাই পাল্টা আপীল হিসাবে পরিচিত এবং উভয় আপীল একত্রে নিষ্পত্তি করা হবে।

ii. ডিক্রির যে অংশ তার বিরুদ্ধে সেই অংশের বিরুদ্ধে তিনি আপীল দায়ের না করে বরং তিনি উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপত্তি দাখিল করতে পারে। এমন আপত্তি 'পাল্টা আপত্তি' হিসাবে পরিচিত। 

iii. অথবা তার বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদানে বিচারিক আদালত যে যুক্তি দিয়েছে সেটা মেনে নিয়ে পাল্টা আপীল বা আপত্তি কোনটি দায়ের নাও করতে পারে।

প্রতিবাদী যে ক্ষেত্রে পৃথক আপীল করতে পারতো কিন্তু করেনি এবং নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে নিষ্পত্তিকৃত ডিক্রির কোন সঙ্গত কারণ সমর্থন না করলে, সেই ক্ষেত্রে তিনি পাল্টা আপত্তি দায়ের করতে পারে।
৮,৯৭০.
আদেশ ২১ বিধি ৩০ অনুসারে টাকা পরিশোধের ডিক্রি কিভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সম্পত্তি ক্রোক করে
  2. শুধুমাত্র দেওয়ানি জেলে আটক করে
  3. দেওয়ানি জেলে আটক, সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় উভয় প্রকারে
  4. উল্লিখিত কোনোভাবেই নয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৩০: টাকা পরিশোধের ডিক্রি:
অন্য কোন প্রতিকারের বিকল্প হিসাবে টাকাপরিশোধের জন্য ডিক্রিসহ পরিশোধের প্রত্যেক ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি জেলে আটক করে কিংবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করে কিংবা উভয় প্রকারে জারি হতে পারে।

Rule.-30: Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
৮,৯৭১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ আছে?
  1. চতুর্থ
  2. তৃতীয়
  3. দ্বিতীয়
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ৪৬টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ৫৬৫টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৫টি তফশিল (Schedule) এবং ৯টি ভাগ (Part) রয়েছে। কীভাবে অপরাধের তদন্ত করতে হবে, গ্রেফতার-জমিনের বিধান এবং বিচারকার্য কীভাবে পরিচালনা করা হবে সেটা ফৌজদারি কার্যবিধি থেকে জানা যায়।  ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারি হতে ফৌজদারি কার্যবিধি বলবৎ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়, আবার কিছু ধারা আবার বিভিন্ন সময়ে বাতিলও করা হয়।ফৌজদারি কার্যবিধিতে আরো কিছু বিষয় আছে, অপরাধ যাতে না ঘটতে পারে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা ফৌজদারি আইনে পাওয়া যায়।
 
 ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফশিল রয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফশিল।
 
i) ১ম তফশিল (First Schedule) - বাতিল।
 
ii)  ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দণ্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।
 
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।
 
iv) ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
 
v) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

অর্থাৎ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ আছে
৮,৯৭২.
According to Section 95, harm must be so slight that:
  1. No one is affected by it
  2. Only the person who suffers the harm will complain
  3. It results in no consequence whatsoever
  4. No person of ordinary sense and temper would complain about it
ব্যাখ্যা
Section 95- Act causing slight harm:
Nothing is an offence by reason that it causes, or that it is intended to cause, or that it is known to be likely to cause, any harm, if that harm is so slight that no person of ordinary sense and temper would complain of such harm.

দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা- সামান্য ক্ষতিকারক কার্য:
"যে কোনো কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না যদি তা কোনো ক্ষতি সৃষ্টি করে, বা সেই ক্ষতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হয়, বা এটি যে ক্ষতি সৃষ্টি করতে পারে তা জানা যায়, যদি সেই ক্ষতি এতই সামান্য হয় যে সাধারণ বুদ্ধি ও ভালো চরিত্রসম্পন্ন কেউ সে ক্ষতির জন্য অভিযোগ করবেন না।"
৮,৯৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯, বিধি-৩ অনুযায়ী, যদি বাদী ও বিবাদী উভয়ই অনুপস্থিত থাকেন, আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা খারিজ হবে
  2. নতুন সমন জারি হবে
  3. আদালত একতরফা রায় দিবে
  4. অনুপস্থিত মামলার কার্যক্রম চালাবেন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৯, বিধি ৩ অনুসারে, শুনানির দিন মামলা ডাকা হলে বাদী ও বিবাদী কেউই উপস্থিত না হলে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা আছে যে, তিনি মামলাটি খারিজ (dismiss) করে দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৩ (Order IX, Rule 3): Where neither party appears, suit to be dismissed:
"Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed."
অর্থাৎ, শুনানির জন্য মামলা ডাকা হলে যদি বাদী ও বিবাদী উভয়ই অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে আদালত মামলা খারিজ (dismissed) করার আদেশ দিতে পারেন।

৮,৯৭৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৭ অনুযায়ী আদালত সাধারনত কয়টি পর্যায়ে মূলতবী করে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ১৭ বিধি ১ অনুযায়ী সাধারনত ২টি পর্যায়ে আদালত মূলতবী হয় ।
(১) চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে। 
(২) চূড়ান্ত শুনানীর পর্যায়ে।
⇒ আদালত চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে প্রত্যেক পক্ষকে খরচ বাদে ৬ বার মূলতবী মঞ্জুর করবে এবং খরচসহ ৩ বার মূলতবী করবে।
⇒তবে চূড়ান্ত শুনানীর পর্যায়ে খরচবাদে কোন সময় মঞ্জুর করবে না, তবে খরচ সহ প্রত্যেক পক্ষগণকে ৩ বার মূলতবীর আবেদন মঞ্জুর করবে।
⇒ তবে যে পক্ষ আবেদন করবে তাকে সর্বনিম্ন খরচ ২০০ টকা এবং সর্বোচ্চ খরচ ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
৮,৯৭৫.
নিচের কোনটি ধারা ১০৯ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে আপিলের যোগ্য নয়?
  1. জেলা আদালতের রায় 
  2. হাইকোর্ট বিভাগের রায়
  3. সুপারিশকৃত মামলার রায়
  4. চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ক. জেলা আদালতের রায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

কিন্তু জেলা আদালতের রায় সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আপিলযোগ্য নয়।

৮,৯৭৬.
দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ৪ ভাগে
  2. ২ ভাগে
  3. ৩ ভাগে
  4. ৭ ভাগে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
৮,৯৭৭.
দেওয়ানী আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power) কোন আদালত প্রয়োগ করিতে পারেন?
  1. আপীল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. দেওয়ানী সকল আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে যে কোন দেওয়ানী আদালতই সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে শুধু হাইকোর্ট বিভাগ সহজাত ক্ষমতা (inherent power) প্রয়োগ করতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৮ থেকে ১৫৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতার বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় ফৌজদারি আদালতের সহজাত ক্ষমতার বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতাঃ আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা(Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানী আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৫১ ধারাতে বলা আছে, ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে অথবা আদালতের পরোয়ানার অপব্যবহার প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের যে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, অত্র আইনের কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না। 
⇒ যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

⇒ অন্তর্নিহিত ক্ষমতার প্রয়োগঃ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারা বলে আদালত প্রধানত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের স্বার্থে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন-
(১) আপীলসহ অন্যান্য সকল মামলা একত্রিকরণ;
(২) কোন দরিদ্র ব্যক্তিকে নি:স্ব হিসেবে ( Pouper) কোন মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করার জন্য অনুমতি প্রদান;
(৩) পাল্টা মামলা রোধ;
(৪) রেস-জুডিকাটা নীতির প্রয়োগকরণ যেক্ষেত্রে এ ক্ষমতা দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারায় পড়ে না;
(৫) স্বীয় আদেশ স্থগিত করা বা কার্যকারিতা মূলতবী করা;
(৬) ১৪৪ ধারার বিধানাবলী ছাড়াও পুনরুদ্ধার অনুমোদন;
(৭) সঠিক মামলায় একটি পক্ষকে যুক্ত করা বা পক্ষসমূহের স্থান পরিবর্তন করা অথবা যেখানে মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে সেখানে মৃত ব্যক্তির বৈধ প্রতিনিধিকে মামলায় যুক্ত করার জন্য আপীলকারীকে অনুমতি প্রদান;
(৮) অপর একটি আদালতে মামলার কার্যধারা থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখা;
(৯) লক্ষ্যহীন ডিক্রীর বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ;
(১০) ১৫২ ধারা দ্বারা আওতাভূক্ত করা হয় নি এমন ডিক্রী বা আদেশ সংশোধন;
(১১) অবৈধ আদেশ বাতিল বা সংশোধন।

এছাড়া সকল প্রকার ভুলের প্রতিকারের জন্য আদালত সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন। আদালতের কাজ বা কোন পক্ষের কাজের পরিনামেও আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার ঘটতে পারে। অবশ্য সহজাত এখতিয়ার প্রয়োগ করার সময় আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে, মামলা নিস্পত্তির জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির বিধানাবলী যথেষ্ট নয়। 

⇒ সীমাবদ্ধতাঃ আদালত যে সকল ক্ষেত্রে তার অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না তা মোটামুটি নিম্নরূপঃ
১. আইন কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে নিষিদ্ধ এমন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না; ও
২. এখতিয়ার নেই এমন বিষয়ে;
৩. আইনের সাধারণ নীতির পরিপন্থী কোন বিষয়ে;
৪. ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার নামে স্বেচ্ছাচারিতা প্রদর্শন বা ক্ষমতার অপব্যবহার করা যাবে না;
৫. প্রবঞ্চনার কারণে আদালত সোলে ডিক্রী (আপোষরফা ডিক্রী) বা অন্য কোন ডিক্রী অত্র ধারানুযায়ী রদ করতে পারবেন না,
কিন্তু প্রবঞ্চনার লক্ষ্য যদি আদালত হয় অর্থাৎ পক্ষগণের আচরণ দ্বারা প্রতারিত হয় তবে আদালত এরূপ প্রতারণার প্রতিকারের জন্য অন্তর্নিহিত ক্ষমতাবলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। বস্তুত এগুলি হচ্ছে আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধানাবলী।
৮,৯৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রশ্নের জবাব দিতে বা দলিল হাজির করতে অস্বীকার করলে আদালত তাকে কত দিনের জন্য কোর্ট অফিসারের হেফাজতে রাখতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ৫ দিন
  2. সর্বোচ্চ ৭ দিন
  3. সর্বোচ্চ ১০ দিন
  4. সর্বোচ্চ ১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ আদালতের প্রশ্নের জবাব দিতে বা দলিল হাজির করতে অস্বীকার করে এবং যৌক্তিক কারণ না দেখায়, তাহলে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে সর্বোচ্চ ৭ দিনের জন্য কোর্ট অফিসারের হেফাজতে তাকে পাঠাতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারার বিধান- কোনো ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ:
- কোন ফৌজদারি আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোনো সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন,
- যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দি দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-485: Imprisonment or committal of person refusing to answer or produce document:
- If any witness or person called to produce a document or thing before a Criminal Court refuses to answer such questions as are put to him or to produce any document or thing in his possession or power which the Court requires him to produce, and does not offer any reasonable excuse for such refusal, such Court may, for reasons to be recorded in writing, sentence him to simple imprisonment, or by warrant under the hand of the presiding Magistrate or Judge commit him to the custody of an officer of the Court for any term not exceeding seven days, unless in the meantime such person consents to be examined and to answer, or to produce the document or thing. In the event of his persisting in his refusal, he may be dealt with according to the provisions of section 480 or section 482, and in the case of High Court Division shall be deemed guilty of a contempt.

৮,৯৭৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর বিধানানুসারে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে শান্তি ভঙ্গের আশংকায় কোনো ক্রোককৃত সম্পত্তিতে রিসিভার নিয়োগ করেন কে?
  1. দেওয়ানি আদালত
  2. দায়রা জজ
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. যে-কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা-১৪৬ ; সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ- জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

♦স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে যে কোন সময় বিরোধ দেখা দিতে পারে। অনেক সময় নিজের সম্পত্তি অন্য দখল করে নিতে পারে বা অন্যায়ভাবে দখলীয় সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করে দিতে পারে। তাই স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে শান্তিভঙ্গ হতে পারে এমন পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত কতিপয় ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ থেকে ১৪৮ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। জমি বা জলাশয় দখলকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে ১৪৫ ধারা অনুযায়ী কেউ প্রতিকার চাইতে পারেন।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার মামলা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। কিন্তু এটি ফৌজদারি মামলা ও প্রতিকার নয়। ১৪৫ ধারার মামলা মূলত দেওয়ানি প্রকৃতির (Civil Nature) এবং Civil প্রতিকার। এই প্রতিকার ক্ষণস্থায়ী এবং সাময়িক সময়ের জন্য মাত্র। তাই ১৪৫ ধারার প্রতিকারকে প্রায় (Quasi) দেওয়ানি এখতিয়ার বলা হয়।
৮,৯৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষার ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ১৬০
  2. ১৬১
  3. ১৬২
  4. ১৫৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। ১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা, ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষার ক্ষমতা এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়- তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ের সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষার ক্ষমতা করতে পারে। তার নিকট জিজ্ঞাসিত মামলা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সে বাধ্য থাকবে কিন্তু যে প্রশ্নের জবাব উক্ত সাক্ষীকে ফৌজদারী অভিযোগে দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির দিকে টেনে নিতে পারে, সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সাক্ষী বাধ্য নয়।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-161.Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case. 
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture. 
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
৮,৯৮১.
দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারায় কোন অপরাধের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. চুরি
  2. ডাকাতি
  3. প্রতারণা
  4. দস্যুতা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪১৫ ধারাতে যেটি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, তা হলো "Cheating" অর্থাৎ "প্রতারণা"।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ কাউকে ছলনা করে, এবং প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে তাকে কোনো সম্পত্তি দিতে বা রেখে দিতে প্ররোচিত করে, অথবা তাকে এমন কিছু করতে বা না করতে ইচ্ছাকৃতভাবে প্ররোচিত করে যার ফলে তার দেহ, মন, খ্যাতি বা সম্পত্তির ক্ষতির আশঙ্কা থাকে তাহলে সেই ব্যক্তি প্রতারণা করেছে বলে বিবেচিত হবে।
- অতএব, দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারায় "প্রতারণা" অপরাধটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সঠিক উত্তর: গ) প্রতারণা।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 415: Cheating:
- Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".
Explanation:- A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৮,৯৮২.
'Offences under Penal Code' - ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ২৪ ধারা
  2. ২৮ ধারা
  3. ৩৫ক ধারা
  4. ৪১ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮: দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধসমূহ:
এই বিধির অন্যান্য বিধানের অধীন থেকে, দণ্ডবিধির অধীনে কোনো অপরাধ বিচারযোগ্য হবে—
(ক) হাইকোর্ট বিভাগ দ্বারা, বা
(খ) দায়রা আদালত দ্বারা, বা
(গ) দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে উল্লিখিত যেকোনো অন্য আদালত দ্বারা, যেখানে উক্ত অপরাধ বিচারযোগ্য বলে উল্লেখ রয়েছে।

উদাহরণ:
কোনো ব্যক্তি (ক) যদি দায়রা আদালতে অপরাধমূলক হত্যার অভিযোগে বিচারাধীন থাকে, তবে সে স্বেচ্ছায় আঘাত করার অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে, যা একজন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য অপরাধ।

Section 28- Offences under Penal Code:
Subject to the other provisions of this Code any offence under the Penal Code may be tried-
(a) by the High Court Division, or
(b) by the Court of Session, or
(c) by any other Court by which such offence is shown in the eighth column of the second schedule to be triable.

Illustration-
A is tried by the Sessions Court on a charge of culpable homicide. He may be convicted of voluntarily causing hurt, an offence triable by a Magistrate.
৮,৯৮৩.
রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত ডিক্রির কপি আইনত পাঠাতে বাধ্য?
  1. ডেপুটি কমিশনারের নিকট
  2. ভূমি অফিসে
  3. রেজিস্ট্রি অফিসে
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট।
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877, ধারা 39 অনুযায়ী দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত দলিলটি বাতিল মর্মে রায়ের সাথে সাথে দলিলটি আদালতে অর্পণেরও আদেশ দিয়ে থাকেন। দলিলটি The Registration Act, 1908 এর অধীনে রেজিস্ট্রি হয়ে থাকলে যে অফিসে এটি রেজিস্ট্রি হয়েছে সে অফিসে (রেজিস্ট্রি অফিসে) রায়ের একটি কপি প্রেরণ করবেন যেন সংশ্লিষ্ট অফিসার উক্ত দলিলের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

♦The Specific Relief Act, 1877, ৩৯  ধারাটি হলঃ যখন বিলুপ্তির আদেশ প্রদান করাযেতে পারেঃ যে কোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেয়া হয়, তবে তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসেবে ত্যাগ করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
♦যদি দলিল রেজিষ্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সেই অফিসারের নিকট প্রেরণ করবেন, যার অফিসে উক্ত দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছে এবং তেমন অফিসার তার বইতে দলিলের নকলে উহার বিষয় লিপিবদ্ধ করবেন।
৮,৯৮৪.
The Penal Code, 1860 এর ধারা ১২১ক অনুযায়ী, ষড়যন্ত্র করার জন্য অপরাধ সংঘটিত হওয়া কতটা জরুরি?
  1. অপরাধ অবশ্যই সংঘটিত হতে হবে
  2. অপরাধ আংশিক সংঘটিত হতে হবে
  3. কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়া অবশ্যক নয়
  4. আদালতের অনুমতি থাকা আবশ্যক
ব্যাখ্যা

The Penal Code, 1860 এর ধারা ১২১ক– যে কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের ভেতরে বা বাইরে, নিম্নলিখিত কোনোকিছু করার ষড়যন্ত্র করে:
- ধারা ১২১ দ্বারা শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটন করা, অথবা 
- বাংলাদেশকে তার সার্বভৌমত্ব বা কোনো অংশ থেকে বঞ্চিত করা, অথবা 
- শাস্তিমূলক বল বা বলের প্রদর্শনের মাধ্যমে সরকারকে প্রভাবিত বা আতঙ্কিত করা, সে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।

শাস্তি:
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life); অথবা
- কারাদণ্ড (সশ্রম/বিনাশ্রম) সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত;
- পাশাপাশি অর্থদণ্ড (Fine) প্রযোজ্য।

ব্যাখ্যা: এই ধারার জন্য ষড়যন্ত্র প্রমাণিত হওয়া যথেষ্ট, কার্যকর কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়া বা কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড করা অবশ্যক নয়।

৮,৯৮৫.
ধারা ১২২-এর ব্যতিক্রম কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. যেকোনো পারিবারিক ঘটনার ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র স্বামী সম্মত হলে
  3. শুধুমাত্র স্ত্রী সম্মত হলে
  4. দম্পতির মধ্যে দেওয়ানী মামলা থাকলে
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোনো ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না,
তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

৮,৯৮৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩২ ধারানুযায়ী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কত বছরের সাজা দিতে পারেন?
  1. ১০
  2. ১৪
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-

(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।

Section 32- Sentences which Magistrates may pass:

(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 
(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
৮,৯৮৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশ দিলে নিম্মলিখিত কোন পদক্ষেপটি সঠিক?
  1. একই অভিযোগের ভিত্তিতে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে
  2. মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশ প্রদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি পুনরায় চালু করতে পারে
  3. রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে বা রিভিশন করতে পারে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ বলতে মামলাটি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত বোঝায় না বরং মামালাটি বহাল আছে বোঝায়। সাক্ষী পর্যাপ্ত হলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি পুনরায় চালু করতে পারে। যে কারণে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ প্রদান করলো উক্ত কারণ যখন বিদ্যামান থাকেনা তখন থেকে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে পারে।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ বা নালিশকারী বিচারিক আদালতে উক্ত মামলার বিচার পুনরুজ্জীবিত বা পুনরায় চালুর জন্য আবেদন করতে পারে এবং উক্ত ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম যেখান থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেখান থেকে শুরু হবে।
♦যে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল সে উক্ত বন্ধের আদেশ বাতিল করতে পারে এবং মামলার কার্যক্রম শুরু করতে পারে যদি সাক্ষী পাওয়া যায়।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। একই অভিযোগের জন্য একই অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুনরায় মামলা দায়ের করা যাবে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারার বিধান যেক্ষেত্রে ফরিয়াদী না থাকে, সেক্ষেত্রে কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতাঃ নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যে কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবেন।
৮,৯৮৮.
যদি কোনো আইনের আওতায় জরিমানা আরোপিত হয়, এর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে,
যখন কোনো বিধি, আইন, প্রবিধান বা উপ-আইনের আওতায় কোনো জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হয়, তখন সেই জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।

৮,৯৮৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশে দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে?
  1. আদেশ ১১
  2. আদেশ ১৩
  3. আদেশ ১৬
  4. আদেশ ১৮
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ এ দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে।

 বিধি ৩- দলিল প্রত্যাখ্যান
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যকোনভাবে অগ্রহনযোগ্য, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।

বিধি-৪ অনুসারে, দলিল দাখিলের সময় প্রমান হিসেবে গৃহিত উল্টাপৃষ্ঠে নিম্নলিখিত বিষয় গুলো পৃষ্ঠাঙ্কন করতে হবে-
১. মোকদ্দমার নম্বর ও শিরোনাম
২. দলিল দাখিলকারীর নাম
৩. দলিল দাখিলের তারিখ
৪. দলিল গৃহিত হওয়ার মর্মে একটি বিবৃতি।

বিধি ৭(২)- দলিল ফেরত
যে সকল দলিল প্রমান হিসেবে গৃহিত হয় নাই সেগুলো মোকদ্দমার নথিপত্রের অংশ হিসেবে গন্য হবে না। এরূপ দলিল সমূহ দাখিলকারী ব্যক্তিগনের নিকট ফেরত দিতে হবে।

বিধি ৮- দলিল আটক
আদালত যদি উপযুক্ত মনে করেন তবে এর সম্মুখে কোন মোকদ্দমায় দাখিলকৃত কোন দলিল বা বই আটক করার এবং উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আদালতের কোন কর্মচারীর হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারবেন।
৮,৯৯০.
দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
  1. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়
  2. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হলে
  3. যেকোনো ক্ষেত্রে আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-

১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

যেহেতু উপরে উল্লেখিত অব্যাহতি বা মুক্তি ৪০৩ ধারার অধীন খালাস বলে গণ্য হবে না, তাই উক্ত ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না। অব্যাহতি বা মুক্তির আদেশের বিরুদ্ধে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি বা মুক্তি দেওয়া হলে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার double Jeopardy নীতি বাধা হবে না।
৮,৯৯১.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি রদের আদেশ দিতে পারেন?
  1. যেক্ষেত্রে চুক্তিটি বাদী কর্তৃক অবসানযোগ্য
  2. যেক্ষেত্রে ভুল তথ্য সরবরাহে চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে
  3. যেক্ষেত্রে চুক্তির বিষয়বস্তু অস্তিত্বহীন
  4. যেক্ষেত্রে সুবিধা-অসুবিধার ভারসাম্য বাদীর অনুকূলে
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৩৫ ধারায় বিধান মতে  নিচের চুক্তিগুলো আদালত রদ করতে পারেন-
১) যে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য (Voidable) বা বাদী কর্তৃক অবসানযোগ্য (Terminable by the plaintiff).
২) যে চুক্তিটি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে বিবাদী অধিকতর দোষী ।
৩) আদালত কর্তৃক বিক্রয় বা ইজারার ডিক্রি হওয়ার পর ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা আদালতের নির্দেশমত ক্রয়মূল্য বা অন্য অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে ।
♦অর্থাৎ  বাদী কর্তৃক সমাপ্তযোগ্য বা অবসানযোগ্য বা রদযোগ্য চুক্তি (contract terminable by plaintiff] সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে আদালত রদের আদেশ দিতে পারে।
৮,৯৯২.
ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী, কোন বিষয়ে অধিকতর অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়া যাবে?
  1. নতুন অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তির দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতির মামলার বিষয়ে
  4. আদালতের সাজা ঘোষণার বিষয়ে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৩৬ (অনুসন্ধানের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা)- হাইকোর্ট তার অধীনস্থ কোন আদালতকে বা দায়রা জজ তার অধীনস্থ কোন-
 
১. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নিজেদের দ্বারা; বা
২. তাদের অধীনস্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অধিকতর অনুসন্ধান করার আদেশ দিতে পারে; এবং
৩. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অনুসন্ধান করতে পারে বা তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে অনুসন্ধান করার নির্দেশ দিতে পারে নিম্নলিখিত বিষয়ে-
i. ২০৩ ধারায় খারিজ হয়েছে এমন যেকোন নালিশ বিষয়ে; বা
ii. ২০৪ (৩) ধারায় খারিজ করা হয়েছে এমন কোন নালিশ বিষয়ে; বা
iii. যে মামলায় কোনো অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সেই মামলায়; অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারবে।
 
শর্ত থাকে যে,
কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন তদন্তের নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কেন উক্তরূপ নির্দেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হয়।
৮,৯৯৩.
সৎ উদ্দেশ্যে এখতিয়ার বিহীন আদালতে মামলা দায়ের করার ব্যয়িত সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ দিতে হবে তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ১৪
  2. ১২
  3. ১৩
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের ১৪ ধারা মতে ভুলক্রমে এখতিয়ার বিহীন আদালতে মামলা দায়ের করলে ব্যয়িত সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ দিতে হবে।
৮,৯৯৪.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর অধীনে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য আদালতে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫০
  2. অনুচ্ছেদ ১৫৩
  3. অনুচ্ছেদ ১৫৪
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৬
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ১ম তফসিলের দ্বিতীয় বিভাগে (আপিল) অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত ফৌজদারি এবং দেওয়ানি আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। 
- অনুচ্ছেদ ১৫৪-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর অধীনে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য আদালতে আপিলের তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন, যা দণ্ডাদেশ বা আদেশের তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
সুতরাং, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর অধীনে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য আদালতে আপিলের তামাদির মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান অনুচ্ছেদ ১৫৪-এ উল্লেখ আছে।

৮,৯৯৫.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে হাইকোর্টের রিভিশন ক্ষমতা কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ১১৬
  2. ধারা ১১৫
  3. ধারা ১১৪
  4. ধারা ১১৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন (Revision) সংক্রান্ত ক্ষমতা নির্ধারণ করে। এই ধারার আওতায়, হাইকোর্ট কোনো নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত বা আদেশে আইনগত ভুল (error of jurisdiction) হয়েছে কি না, তা পর্যালোচনা করতে পারে।
ধারা ১১৫ এর মূল বিষয়: যখন কোনো নিম্ন আদালত, নিজ এখতিয়ার অতিক্রম করে কোনো আদেশ দেয়, বা যার এখতিয়ার ছিল না তেমন কোনো বিষয় সম্পর্কে আদেশ দেয়, বা আইনের গুরুতর লঙ্ঘন করে অন্যায্য আদেশ দেয়, তখন হাইকোর্ট এই আদেশ রিভিশনের মাধ্যমে বাতিল বা সংশোধন করতে পারে। তবে সাধারণত যেখানে আপিল করা যায়, সেখানে রিভিশন গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন:
১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃশ্যমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যে-রূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃশ্যমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যে-রূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।
৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যে-রূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারা প্রতিস্থাপিত হয়নি।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-115: Revision:
(1) The High Court Division may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceedings, in which a decree or an order has been passed by a Court of District Judge or Additional District Judge, or a decree has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeal lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such decree or order occasioning failure of justice, the High Court Division may, revise such decree or order and, make such order in the suit or proceedings, as it thinks fit.
(2) The Court of District Judge may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceeding, in which an order has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeals lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such order occasioning failure of justice, the Court of District Judge may, revise such order and, make such order as it thinks fit.
(3) A Court of Additional District Judge shall have all the powers of the District Judge under sub-section (2) in respect of revision case which may be transferred to it by the District Judge.
(4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an (4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit.
(5) Notwithstanding the substitution of this section, any proceeding commenced and pending under section 115 prior to such substitution shall be disposed of in such manner as if section 115 has not been substitute
৮,৯৯৬.
The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এ “বার অ্যাসোসিয়েশন” বলতে কী বোঝায়?
  1. স্থানীয় বার অ্যাসোসিয়েশন
  2. সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন
  3. বাংলাদেশ বার অ্যাসোসিয়েশন
  4. ক বা খ উভয়কে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২ (খখ):
“বার অ্যাসোসিয়েশন” বলতে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন বা কোনো স্থানীয় বার অ্যাসোসিয়েশনকে বোঝায়।
“Bar Association” means Supreme Court Bar Association or a Local Bar Association.

⇒ "Bar Association" এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, এটি দুটি সংগঠনকে বোঝায়:
- Supreme Court Bar Association (সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন);
- Local Bar Association (স্থানীয় বার অ্যাসোসিয়েশন)।
৮,৯৯৭.
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি বেঁচে গেলে ঐ ঘোষণা কি হবে?
  1. জীবিতকালীন ঘোষণা বলে গণ্য হবে
  2. সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে
  3. সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হবে তবে ঐ ব্যক্তির  মৃত্যুর পর
  4. আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
⇒ মৃত্যুকালীন ঘোষণা [Dying Declaration); কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পূর্বে তার  মৃত্যুর কারণ,  মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা যে সকল ঘটনার ফলে মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কিত লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা/বিবৃতি প্রদান করে, তাকেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলে।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয়ক্ষেত্রেই।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
৮,৯৯৮.
মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য কবর থেকে লাশ তুলে পরীক্ষা করাতে পারেন-
  1. ওসি
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।

৮,৯৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারা কোন আদালতের সহজাত ক্ষমতা সংরক্ষণ করে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা ও দায়রা জজ আদালত
  3. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালতের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারা বিশেষভাবে হাইকোর্ট বিভাগ-এর সহজাত (inherent) ক্ষমতা সংরক্ষণ করে। এই ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, আদালতের আদেশ কার্যকর করা এবং আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য প্রযোজনীয় আদেশ দিতে পারে। এটি অন্যান্য আদালতের জন্য প্রযোজ্য নয়।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
-Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৯,০০০.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী ডাকাতি ঘটানোর জন্য ন্যূনতম কয়জন সদস্যের উপস্থিতি আবশ্যক?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯১ অনুযায়ী, পাঁচ বা তার বেশি ব্যক্তি একসঙ্গে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করলে তাদেরকে "ডাকাতি" বলা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান- ডাকাতি:
- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
---------------- 
⇒ The Penal Code Section 391- Dacoity:
- When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".