বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ১২৬ · ৮০১৯০০ / ১২,৬০৫

৮০১.
আদেশ-৯, বিধি-১৫ কী বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া
  2. নতুন মামলা দায়ের করার নিয়ম
  3. আদালতের আপিল বিধান
  4. খারিজকৃত মামলা পুনর্বহালের নিয়ম
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ১৫:
যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমার খারিজ সংক্রান্ত আদেশ ৪ কিংবা ৯নং বিধির অধীনে কিংবা ১৩নং বিধির অধীনে কোন ডিক্রি রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করার পরিপ্রেক্ষিতে, খারিজ করার আদেশ দান কিংবা ডিক্রি দেয়ার অব্যবহিত পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থায় ছিল, উক্ত পর্যায় হতে মোকদ্দমাটি চালু করা হবে।

[Where the dismissal of a suit is set aside under rule 4 or rule 9, or a decree is set aside under rule 13, the suit shall, on restoration, proceed from the stage where it was immediately before the making of the order of dismissal or passing of the decree.]
৮০২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারার উপধারা (ক) অনুযায়ী, কোন প্রতিকার প্রদান করা হবে না?
  1. চুক্তির ভিত্তিতে
  2. ফৌজদারি মামলার ভিত্তিতে
  3. চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের ভিত্তিতে
  4. সম্পত্তির অধিকার প্রতিষ্ঠার ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
যদি না এই আইনে কোথাও অন্যরূপে সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ থাকে, তবে এই আইনে কোন কিছুকেই এরূপ গণ্য করা হবে না, যাতে-
(ক) চুক্তি নয়, এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকারের কোন অধিকার প্রদান করা হয়;
(খ) কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া, যা সে কোন চুক্তির অধীনে পেতে পারত; অথবা
(গ) দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করা হয়।
৮০৩.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে?
  1. মামলা দীর্ঘস্থায়ী হলে
  2. পক্ষগণের মধ্যে বিবাদমান বিষয় না পাওয়া গেলে
  3. বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করার রোধের লক্ষ্যে
  4. মামলার কোনো প্রমাণ পাওয়া না গেলে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যে ক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ করার রোধের লক্ষ্যে এবং এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সে ক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযােগ করা হয়েছে তা রােধ করা এবং সে সঙ্গে‌ প্রয়ােজনীয় কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

Section 55- Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.

• বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা/ Mandatory Injunction-
কোন ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনগত ভাবে বাধ্য থাকা শর্তেও তা করা থেকে বিরত থাকলে আদালত তাকে কাজটি সম্পাদন করতে বাধ্য করে তথা কোন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে যে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে তা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা নামে পরিচিত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় এই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে সে যে কাজ করতে বাধ্য তাকে তা করতে আদেশ দেয়া হয়। সে জন্য ৫৫ ধারার বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা আদালতে প্রার্থনা করা হলে আদালত তার বিবেচনামূলক স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে সন্তুষ্টচিত্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে মঞ্জুর করে থাকেন।
৮০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঘ অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করে, তাহলে আদালতের কী করণীয়?
  1. মামলা বাতিল করা
  2. তাকে দণ্ডিত করা
  3. তাকে অব্যাহতি দেওয়া
  4. নতুন বিচারের নির্দেশ দেওয়া
ব্যাখ্যা
উত্তর: তাকে দণ্ডিত করা।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে [Plea Of Guilty] দায়রা আদালত ২৬৫ঙ ধারায় অভিযুক্তকে দণ্ডিত করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে, দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা।যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

- আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা অপরাধ স্বীকার করেন বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত হয় না, তাহলে আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু (সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265D. Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265E. Conviction of plea of guilty:
 If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265F.Date for prosecution evidence: 
 If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.
৮০৫.
According to Section 44 of SR Act,The rights, powers, duties, and liabilities of a receiver are determined by—
  1. The discretion of the judge
  2. The Evidence Act
  3. The Code of Civil Procedure
  4. The agreement between parties
ব্যাখ্যা
Section 44- Appointment of receivers discretionary:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.

Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure. 

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
- তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়-দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
৮০৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী কোন ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত একটি ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে পারে যদি সম্পত্তিতে তার-
  1. দখল না থাকে
  2. আংশিক দখল থাকে
  3. প্রতীকী দখল থাকে
  4. একচ্ছত্র দখল থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
 
⇒ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
--------------
⇒ SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
৮০৭.
Limitation Act- 1908 এর ২০ ধারায় বলা হয়েছে -
  1. দেনা / সুদ পরিশোধ করলে উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।
  2. দেনা / সুদ পরিশোধ করলে উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা নতুন করে শুরু হবে।
  3. পূর্ব নির্ধারিত তারিখ থেকে তামাদি গণনা হবে।
  4. সবগুলো।
ব্যাখ্যা
♠♠ 
• তামাদি আইনের ২০ ধারা মতে ঋণের আংশিক অর্থ পরিশোধ/ সুদ প্রদান করা হলে সম্পূর্ণ ঋণকে স্বীকার করে নেয়া বোঝায়।
• তাই সে ক্ষেত্র ঋণ পরিশোধ করার জন্য ঐ তারিখ থেকে নতুন করে পুনরায় তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে
৮০৮.
কোনো পক্ষ কর্তৃক নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা হলে, তা জারির ক্ষেত্রে কোন ব্যবস্থা অবলম্বন করা যাবে?
  1. উক্ত পক্ষকে দেওয়ানি জেলে আটক করে
  2. উক্ত পক্ষের সম্পত্তি ক্রোক করে
  3. উক্ত পক্ষের সম্পত্তি বিক্রয় করে
  4. দেওয়ানি জেলে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয় ভাবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২১ বিধি-৩২: সুনির্দিষ্ট সম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি-

যেক্ষেত্রে কোন পক্ষের বিরুদ্ধে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য বা দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য কিংবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এবং সে পক্ষ উক্ত ডিক্রি মান্য করার সুযোগ পেয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে তার মান্য করতে অবহেলা করেছে, সেক্ষেত্রে দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তার সম্পত্তি ক্রোক করে কিংবা কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের দ্বারা কিংবা তার সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারে ডিক্রি বলবৎ করা যেতে পারে।

Order 21 Rule.-32: Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction.-
Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree for the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.
৮০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮ অনুযায়ী কে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করতে পারে?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালত
  4. 'ক' বা 'খ' অথবা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮ (Section 338 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী, দায়রা আদালত, অথবা তার নির্দেশে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারাধীন মামলায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করতে পারে, যদি তারা মনে করে যে তার সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এবং এটি রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায়-
-যে দায়রা আদালত মামলার বিচার করছে সেই দায়রা আদালত অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে বা ক্ষমা করার নির্দেশ দিতে পারে; বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে । এই ধারা অনুসারে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে রায় প্রদানের পূর্বে যেকোন সময়।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 338. Power to direct tender of pardon:
-At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
৮১০.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান মতে কোন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞর মতামত (expert opinion) প্রাসঙ্গিক হবে না?
  1. হাতের তালুর ছাপ
  2. ব্যবসায়িক প্রথা
  3. টেকনিক্যাল শব্দ
  4. বাংলাদেশী আইন
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

⇒  The Evidence Act 1872 এর ৪৫ ধারায় বলা হয়েছে বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, কলা বিজ্ঞান, হস্তরেখা, আঙ্গুলের ছাপ ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষ ব্যক্তিদের সাক্ষ্য মোকদ্দমায় প্রাসঙ্গিক হবে। কিন্তু বাংলাদেশী আইনের কথা সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারায় বলা হয়নি।
৮১১.
গুরুতর প্ররোচনা ব্যতীত অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের অপরাধে একজন অপরাধীকে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫২: গুরুতর প্ররোচনা ব্যতীত আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের শাস্তি-
যে ব্যক্তি কাউকে গুরুতর এবং হঠাৎ প্ররোচনা ছাড়া আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করবে, তাকে তিন মাস পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয়ই আরোপ করা হবে।

ব্যাখ্যা:
গুরুতর এবং হঠাৎ প্ররোচনা, যদি অপরাধী প্ররোচনাটি নিজের থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বা স্বেচ্ছায় তৈরি করে এবং সেটিকে অপরাধের জন্য অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে, তবে ওই প্ররোচনা অপরাধের শাস্তি কমানোর কারণ হবে না।

এছাড়া, যদি প্ররোচনা আইন মেনে কিছু করা হয়, বা কোনো সরকারি কর্মচারী তার বৈধ ক্ষমতা প্রয়োগ করে প্ররোচনা প্রদান করে, অথবা ব্যক্তি নিজেকে বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে প্ররোচনা দেয়, তবে সেক্ষেত্রে প্ররোচনাটি শাস্তি কমানোর কারণ হবে না।

যে প্ররোচনাটি গুরুতর এবং হঠাৎ ছিল, তা অপরাধ কমানোর জন্য যথেষ্ট কিনা, তা একটি প্রকৃত ঘটনা হিসেবে বিচার করা হবে।
৮১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৭২ এর অধীন কোন পরিস্থিতিতে আদালত নিলাম রদ করতে পারবে?
  1. নিলামে সম্পত্তির দাম বেশি হলে
  2. দায়িক আদালতের অনুমতি ব্যতীত নিলাম খরিদ করলে
  3. ডিক্রিদার আদালতের অনুমতি ব্যতীত নিলাম খরিদ করলে
  4. ডিক্রিদার দায়িকের অনুমতি ব্যতীত নিলাম খরিদ করলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৭২: বিনা অনুমতিতে ডিক্রিদারের নিলাম না ডাকা এবং সম্পত্তি খরিদ না করা:

১) যেক্ষেত্রে কোন ডিক্রি জারির দরুণ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হয়, সেক্ষেত্রে সে ডিক্রির ধারক আদালতের প্রকাশ্য অনুমতি ব্যতীত নিলাম ডাকতে বা সম্পত্তি খরিদ করতে পারবে না।

২) ডিক্রিদার খরিদ করলে ডিক্রির টাকা পরিশোধিত বলে গ্রহণ করা যেতে পারেঃ যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার আদালতের অনুমতিতে নিলাম খরিদ করবে সেক্ষেত্রে ৭৩ ধারার বিধানাবলী সাপেক্ষে ডিক্রির টাকার সাথে নিলামের খরিদ মূল্য একটি অন্যটির সঙ্গে দাবী-সমন্বয় করা যাবে এবং ডিক্রি নির্বাহী আদালত তদানুসারে সামগ্রিক বা আংশিকভাবে ডিক্রি মিটানো সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করবে।

৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার নিজে কিংবা অপর ব্যক্তির দ্বারা অনুরূপ অনুমতি ব্যতীত খরিদ করে, সেক্ষেত্রে আদালত যদি দায়িক বা নিলাম বিক্রয়ের ফলে স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়া অপর কোন ব্যক্তির আবেদনে উপযুক্ত মনে করেন, তবে আদেশ দিয়ে উক্ত নিলাম রদ করতে পারবেন, এবং উক্ত আবেদন ও আদেশের খরচা এবং পুনঃবিক্রয়ের ফলে কোন মূল্য হ্রাস হয়, সেটা এবং সেটির যাবতীয় খরচ ডিক্রিদারকে পরিশোধ করতে হবে।
৮১৩.
'The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court'.- দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. Section 20
  2. Order 20 Rule 1
  3. Section 52
  4. Order 20 Rule 3
ব্যাখ্যা
Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.

আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।
৮১৪.
The Limitation Act, 1908 এর তফসিলে কোনো মামলার তামাদির সময়সীমা আলাদাভাবে উল্লেখ করা না থাকলে তার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-

যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। অর্থাৎ মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৮১৫.
The Evidence Act 1872 এর ১৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত কয়টি ক্ষেত্রে জবানবন্দি এবং পূনঃ জবানবন্দির সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিতে পারে?
  1. ৩ টি
  2. ৫টি
  3. ২টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৪২ ধারার বিধান মতে কিছু সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না।
- তবে আদালত তিনটি ক্ষেত্রে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিতে পারে
- পরিচয়মূলক বিষয়ে, স্বীকৃত বিষয়ে, যে বিষয়ে যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে।
- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দেওয়া আদালতের জন্য বিবেচনা মূলক।
৮১৬.
কোনো সাক্ষী তার প্রদত্ত সাক্ষ্যের কোনো অংশের সঠিকতা অস্বীকার করলে, আদালত ৩৬০ ধারার অধীনে কী করবে?
  1. সাক্ষ্য সংশোধন করবে
  2. সাক্ষীকে শাস্তি দেবে
  3. সাক্ষীকে পুনরায় সাক্ষ্য দিতে বলবে
  4. আপত্তির মেমোরেন্ডাম তৈরি করবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬০ ধারা- সাক্ষ্য শেষ হওয়ার পর সম্পর্কিত পদ্ধতি:

(১) যেহেতু প্রতিটি সাক্ষীর সাক্ষ্য ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গ্রহণ করা হয়, সেগুলো শেষ হলে, তা আসামির সামনে, যদি সে আদালতে উপস্থিত থাকে, অথবা তার পক্ষে আইনজীবী থাকলে তার আইনজীবীর সামনে পড়ে শোনানো হবে। যদি প্রয়োজন হয়, তবে সাক্ষ্য সংশোধন করা হবে।

(২) যদি সাক্ষী কোনো অংশের সঠিকতা অস্বীকার করেন, যখন তার সাক্ষ্য পড়ে শোনানো হয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা সেশন জজ সেই অংশ সংশোধন না করে, সাক্ষীর আপত্তির একটি মেমোরেন্ডাম (নথিপত্র) তৈরি করবেন এবং যেকোনো প্রয়োজনীয় মন্তব্য যোগ করবেন।

(৩) যদি সাক্ষ্য কোনো ভাষায় গ্রহণ করা হয় যা সাক্ষী বুঝতে পারেন না এবং সাক্ষ্যটি যে ভাষায় নেওয়া হয়েছে, সেই ভাষায় সাক্ষীকে তা বুঝিয়ে পড়ে শোনানো হবে অথবা এমন ভাষায় তা ব্যাখ্যা করা হবে যা সাক্ষী বুঝতে পারেন।
৮১৭.
The Penal Code, 1860 অনুসারে দস্যুতার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারামতে দস্যুতার শাস্তি (Punishment for robbery)- অনধিক ১০ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। তবে দস্যুতার অপরাধ সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় সংঘটিত হলে দস্যুতার শাস্তি ১৪ বৎসর পর্যন্ত 'সশ্রম' কারাদণ্ড হতে পারে।
অর্থাৎ The Penal Code, 1860 অনুসারে দস্যুতার সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান দস্যুতার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
--------------
⇒ Section 392. Punishment for robbery:- Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
৮১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XXVI অনুযায়ী কমিশনারের প্রতিবেদন এবং গৃহীত প্রমাণাদি কীভাবে মামলায় বিবেচিত হয়?
  1. তথ্য হিসেবে গৃহীত হয়
  2. শুধুমাত্র প্রতিবেদন হিসেবে
  3. মামলার নথির অংশরূপে গণ্য হয়
  4. মামলায় গ্রহণযোগ্য হয় না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXVI, Rule 10(2) অনুযায়ী, কমিশনারের প্রতিবেদন এবং গৃহীত প্রমাণাদি মামলার প্রমাণ এবং নথির অংশ হিসেবে গণ্য হবে। তবে শুধু প্রমাণাদি (প্রতিবেদন ছাড়া) মামলায় গ্রহণযোগ্য নয়।
- অর্থাৎ কমিশনারের প্রতিবেদন এবং তিনি যে প্রমাণাদি গ্রহণ করেছেন (কিন্তু শুধুমাত্র প্রতিবেদন নয়), সেগুলো মামলার প্রমাণ ও নথির অংশ হিসেবে গণ্য হবে। তবে, আদালত বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে কমিশনারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে (যেমন: তার তদন্ত পদ্ধতি, প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিষয় ইত্যাদি সম্পর্কে)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১০: কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
(১) কমিশনার যেরূপ পয়োজন মনে করেন, সেরূপ স্থানীয় পরিদর্শনের পর এব তার গৃহীত প্রমাণাদিকে লিখিত রূপ দেয়ার পর উক্ত প্রমাণাদির সাথে তার স্বাক্ষরিত একটি লিখিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবেন।
(২) প্রতিবেদন এবং জবানবন্দী মামলায় প্রমাণ হিসাবে থাকবেঃ কমিশনারের প্রতিবেদন এবং তার র্গহীত প্রমাণাদি (কিনউ প্রতিবেদন ব্যতিত প্রমাণ নহে) মামলার প্রমাণ এবং নথির অংশরূপে গণ্য হবে, কিন্তু আদালত বা আদলতের অনুমতি ক্রমে মামলার কোন পক্ষ কমিশনারকে প্রকাশ্য আদালতে ব্যক্তিগতভাবে তাহার নিকট অর্পণ করা হয়েছিল বা তার প্রতিবেদনে উল্লেখিত হয়েছে, এমন সব বিষয় সম্পর্কে বা তার প্রতিবেদন সম্পর্কে অথবা যে পদ্ধতিতে তিনি তদন্ত করেছেন সেই সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।
(৩) যে ক্ষেত্রে আদলত কমিশনারের কার্যক্রম সম্পর্কে কোন কারণে অসন্তষ্ট হন, সেক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
৮১৯.
প্লিডিংসে উল্লেখ থাকবে-
  1. আইন [Law]
  2. সাক্ষ্য [Evidence]
  3. গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts]
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts] উল্লেখ থাকবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]।
বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। বাদীর দাবী অস্বীকার করে বিবাদী যে লিখিত দলিল পেশ করে, তা হচ্ছে লিখিত জবাব।

Order 6 rule 2: Pleading to state material facts and not evidence-
Every pleading shall contain, and contain only, a statement in a concise form of the material facts on which the party pleading relies for his claim or defence, as the case may be, but not the evidence by which they are to be proved, and shall, when necessary, be divided into paragraphs, numbered consecutively. Dates, sums and numbers shall be expressed in figures. 

অর্থাৎ প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) উল্লেখ করতে হবে, আইন বা সাক্ষ্য উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts)  হচ্ছে সেসব ঘটনাবলী যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে।
৮২০.
কামাল ও জামাল একটি ব্যবসায়িক চুক্তি করেছে। পরে জানা গেল যে, লাভের হিসাবে একটি সাধারণ গণনাগত ভুল হয়েছে। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান অনুযায়ী কোনটি সঠিক?
  1. চুক্তিটি অবশ্যই বাতিল করতে হবে
  2. চুক্তিটি বাতিল করা যাবে না
  3. চুক্তিটি বাতিল করা যাবে যদি উভয় পক্ষকে পূর্বের অবস্থায় ফেরানো যায়
  4. খ এবং গ উভয় সঠিক
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
৮২১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১০৪
  2. ধারা ১১৪
  3. ধারা ১১৫
  4. ধারা ১২০
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১৫ (Section 115) শিরোনামই হলো “Revision”। 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন।
১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।
৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।

৮২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারায় কার মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা আছে?
  1. অভিযুক্তের
  2. নালিশকারীর
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরের
  4. ক ও খ উভয়ের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারার অধীনে নালিশকারী আদালতে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারেন।

ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার:
মামলা প্রত্যাহারের অর্থ হচ্ছে মামলা তুলে নেওয়া। একটি মামলা থানা বা আদালতে করার পর পরবর্তী সময় সেই মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া যায়। ফৌজদারি মামলা সাধারণত দুই ধরনের:
১. কমপ্লেইন্ট রেজিস্ট্রার (সিআর);
২. জেনারেল রেজিস্ট্রার (জিআর) মামলা।

জিআর মামলা সাধারণত থানায় করা হয় এবং সিআর মামলা করতে হয় ফৌজদারি আদালতে। ২৪৮ ধারায় বলা হয়েছে যে,
কোনো মামলার চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার আগে পর্যন্ত বিচারপ্রার্থী যদি ম্যাজিস্ট্রেটের সন্তোষ অর্জন করতে পারেন যে তাঁকে নালিশ প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়ার পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে সেই নালিশ প্রত্যাহারের অনুমতি দেবেন এবং আসামিকে খালাস দেবেন।
৮২৩.
'চ' সহ পাঁচ ব্যক্তি 'ছ'-কে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পিত দিন, তারিখ ও সময়ে তারা সকলে মিলে 'ছ'-কে হত্যা করে। 'চ' সহ উক্ত পাঁচ ব্যক্তির বিরূদ্ধে পেনাল কোডের ৩০২ ধারার সাথে নিচের কোন ধারাটি প্রাসঙ্গিক?
  1. ১৩৪ ধারা
  2. ৩৪ ধারা
  3. ১২০ক ধারা
  4. ১১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারামতে যখন কতিপয় ব্যক্তি (২ বা ততোধিক) দ্বারা সকলের একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে (in furtherance of Common Intention) কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয় তখন প্রত্যেকে যৌথভাবে দায়ী হবে যেন নিজে কাজটি করেছে।

♦ অভিন্ন অভিপ্রায় ফৌজদারি আইনের একটা নীতি, যেটা দিয়ে যৌথভাবে অভিযুক্ত করা যায়। অভিন্ন অভিপ্রায় মৌলিক/স্বতন্ত্র অপরাধ নয়।

♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।

♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।

♦ কোনো ব্যক্তিকে ৩৪ ধারায় দায়ী করতে হলে এ ধারার যেকোনো একটি উপাদান থাকতে হবে। ৩৪ ধারার শাস্তি: মূল অপরাধের শাস্তি। 

৩৪ ধারার মূলনীতি প্রয়োগ করে ৩০২ ধারার অধীনে Common Intention এর জন্য দায়ী করে শাস্তি দেওয়া যাবে। অর্থাৎ, ৩০২ ধারার সাথে ৩৪ ধারাটি প্রাসঙ্গিক।
৮২৪.
দণ্ডবিধি অনুসারে বেআইনি সমাবেশ গঠন করতে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে হবে?
  1. ৩ জন
  2. ১০ জন
  3. ১৫ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা  বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।
- দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা 
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
৮২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা কোন প্রক্রিয়ার জন্য প্রযোজ্য?
  1. চুক্তি বাতিল
  2. চুক্তি কার্যকর
  3. চুক্তি সংশোধন
  4. ক্ষতিপূরণ আদায়
ব্যাখ্যা

ধারা ৩২ – পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
লিখিত চুক্তি সংশোধন (rectification) করার জন্য আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে, চুক্তিতে অংশ নেওয়া সকল পক্ষই ন্যায়সঙ্গত ও বিবেকপূর্ণ (equitable and conscientious) চুক্তি করতে ইচ্ছুক ছিলেন।

সহজভাবে বলা যায়:
যদি আদালত কোনো লিখিত চুক্তি সংশোধন করতে চায়, তাকে প্রথমে দেখতে হবে যে চুক্তির সব পক্ষই চুক্তি করার সময় ন্যায়সঙ্গত ও সতর্কতার সাথে (বিবেকপূর্ণভাবে) কাজ করার অভিপ্রায় রাখতেন।

৮২৬.
সাধারনত একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের ধরন হয়
  1. হ্যাঁ বোধক
  2. প্রশ্ন বোধক
  3. প্রশ্ন ও উত্তর
  4. বর্ণনামূলক
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য (Evidence): 'সাক্ষ্য' শব্দের অর্থে অন্তর্ভুক্ত হবে- (১) বিচার্য বিষয়ের অনুসন্ধানের সাথে সম্পর্কিত যে সকল বিবৃতি দেওয়ার জন্য আদালত অনুমতি দেন বা সাক্ষীর যে সকল বিবৃতি আদালতের প্রয়োজন হয়; এ ধরনের বিবৃতিকে মৌখিক সাক্ষ্য বলে।
(২) যে সকল দলিল আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপিত করা হয়, এ ধরণের দলিলপত্রকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে।
♦অর্থাৎ সাধারনত একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের ধরন হয় বর্ণনামূলক।
৮২৭.
একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ কেবল তখনই সাক্ষ্য দিতে পারবেন যদি-
  1. তিনি অভিজ্ঞ হন
  2. তদন্তকারী অফিসার অনুমতি দেয়
  3. মামলার বাদী অনুমতি দেয়
  4. আদালতের অনুমতি থাকে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের৪৫ক ধারার বিধান: শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার মতে,
একজন ফরেনসিক বা শারীরিক বিশেষজ্ঞ কেবল তখনই সাক্ষ্য দিতে পারেন, যদি আদালতের অনুমতি থাকে এবং তার রিপোর্টের কপি সব পক্ষকে সরবরাহ করা হয়।
৮২৮.
তামাদি আইনের ধারা ৪ অনুসারে আদালত বন্ধ থাকাকালীন তামাদির মেয়াদ শেষ হলে, আবেদন দাখিলের সঠিক সময় কবে?
  1. আদালতের অনুমতিতে যে-কোনো দিন
  2. আদালত পুনরায় খোলার দিন
  3. তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন
  4. তামাদির মেয়াদ শেষের আগের দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ধারা ৪-এর সরাসরি বিধান হলো: যদি তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকে, তাহলে মামলা/আপিল/দরখাস্ত আদালত যেদিন পুনরায় খুলবে, সেদিন দায়ের করা যাবে।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) আদালত পুনরায় খোলার দিন।

⇒ তামাদি আইনের ৪ ধারা: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়:
যেইক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয় সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।

⇒ The Limitation Act,1908, Section 4- Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.

৮২৯.
তামাদি আইনের ৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ঋণগ্রহীতাকে ঋণদাতার সম্পত্তির প্রশাসক নিযুক্ত করা হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ কী হবে?
  1. তামাদির মেয়াদ স্থগিত হবে
  2. তামাদির মেয়াদ বন্ধ হবে
  3. তামাদির মেয়াদ বাড়বে
  4. তামাদির মেয়াদ প্রভাবিত হবে না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) তামাদির মেয়াদ স্থগিত হবে।
তামাদি আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে —
 একবার তামাদির সময় গণনা শুরু হলে, কোনো পরবর্তী অক্ষমতা বা আইনি বাধা সেটি বন্ধ করতে পারবে না।
তবে একটি ব্যতিক্রম রয়েছে:
 যদি কোনো ঋণগ্রহীতাকে ঋণদাতার সম্পত্তির প্রশাসক নিযুক্ত করা হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ স্থগিত থাকবে যতক্ষণ প্রশাসন কার্যক্রম চলবে।

 এই বিধান ঋণদাতা এবং ঋণগ্রহীতার মধ্যে স্বার্থের দ্বন্দ্ব এড়ানোর জন্য রাখা হয়েছে, কারণ একজন ঋণগ্রহীতা যদি একইসঙ্গে ঋণদাতার সম্পত্তির প্রশাসক হন, তাহলে তিনি কার্যত নিজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবেন না। তাই এই অবস্থায় তামাদির সময় গণনা স্থগিত থাকে।

অন্যঅপশন বিশ্লেষণ:
 (খ) তামাদির মেয়াদ বন্ধ হবে – এটি ভুল, কারণ তামাদির মেয়াদ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয় না, বরং সাময়িকভাবে স্থগিত থাকে এবং প্রশাসন শেষ হলে পুনরায় গণনা শুরু হয়।
 (গ) তামাদির মেয়াদ বাড়বে – এটি ভুল, কারণ সময় বৃদ্ধি পায় না, বরং প্রশাসনের সময়সীমা বাদ দিয়ে বাকি সময় গণনা করা হয়।
 (ঘ) তামাদির মেয়াদ প্রভাবিত হবে না – এটি ভুল, কারণ ঋণগ্রহীতার প্রশাসক হওয়ার ফলে তামাদির সময় গণনা স্থগিত থাকে।

 অর্থাৎ তামাদি আইনের ৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ঋণগ্রহীতাকে ঋণদাতার সম্পত্তির প্রশাসক নিযুক্ত করা হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ প্রশাসন চলাকালীন স্থগিত থাকবে।
------------
⇒ The Limitation Act:- Section- 9. Continuous running of time:
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৮৩০.
সাক্ষ্য আইনের ৯৯ ধারায় কে দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ দিতে পারবে?
  1. দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
  2. দলিলের পক্ষগণ
  3. পক্ষগণের স্বার্থের প্রতিনিধি
  4. উল্লিখিত কেউ নয়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯৯- দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ কে দিতে পারবে:
যে ব্যক্তিরা দলিলের পক্ষ নন বা তাদের স্বার্থের প্রতিনিধি নন, তারা এমন যে কোনো তথ্যের প্রমাণ দিতে পারেন যা দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী সমসাময়িক চুক্তির অস্তিত্ব প্রদর্শন করে।

[Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.]
৮৩১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুসারে, The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under ______.
  1. section 27
  2. section 28
  3. section 30
  4. section 31
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 32: Penalty for default:
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may- 
(a) issue a warrant for his arrest; 
(b) attach and sell his property; 
(c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
(d) order him to furnish security for his appearance and in default commit him to the civil prison.

দেওয়ানী কার্যবিধি ৩২ ধারার বিধান- হাজির না হলে দণ্ড:
যার প্রতি ৩০ ধারা অনুসারে সমন দেয়া হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারেন এবং এই উদ্দেশ্যে
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) তাকে অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ দিতে পারেন; এবং জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানী কারাগারে প্রেরণ করতে পারেন।
৮৩২.
'ক' এর দোকানে নিযুক্ত ক্যাশিয়ার 'খ' দায়িত্বে নিয়োজিত থাকাবস্থায় ক্যাশ কাউন্টার থেকে ৩০,০০০ টাকা সরিয়ে ফেলে।এক্ষেত্রে 'খ' দণ্ডবিধির অধীন সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- কেরানী বা ভৃত্য দ্বারা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা:
 
কোন ব্যক্তি যদি কেরানি বা ভৃত্য হয়ে অথবা বা ভৃত্য হিসেবে নিয়োজিত হয়ে অনুরূপ পদে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার বা উহা পরিচালনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উহা সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
 
Section 408- Criminal breach of trust by clerk or servant:
 
Whoever, a clerk or servant or employed as a clerk or servant, and being in any manner entrusted in such capacity with property, or with any dominion over property, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৮৩৩.
দণ্ডবিধির ৪৭৮ ধারায় কোনটির সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. Property mark
  2. Forged document
  3. Trade mark
  4. False document
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৭৮ ধারা- পণ্য-প্রতীক:
কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য-প্রতীক বলে।
এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে 'পণ্য-প্রতীক' কথাটির কর্তৃক ১৮৮৩ সালের পেটেন্টস, ডিজাইনস ও ট্রেড মার্কস আইন মোতাবেক রক্ষিত পণ্য-প্রতীক রেজিস্টারে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন পণ্য-প্রতীক বুঝাবে এবং রেজিষ্ট্রেশনসহ বা রেজিষ্ট্রেশন ব্যতীত বর্তমানে রাষ্ট্র প্রধানের আদেশ বলে ব্রিটিশ সাম্রাজের কোন অংশে বা বৈদেশিক রাষ্ট্রে যেখানে ১৮৮৩ সালের পেটেন্টস, ডিজাইনস ও ট্রেড মার্কস আইনের ১০৩ ধারা প্রয়োগযোগ্য, সেখানে আইনে সংরক্ষিত যে কোন পণ্য-প্রতীকও বুঝাবে।

Section 478- Trade mark:
A mark used for denoting that goods are the manufacture or merchandise of a particular person is called a trade mark, and for the purposes of this Code the expression "trade mark" includes any trade mark which is registered in the register of trade marks kept under the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, and any trade mark which, either with or without registration, is protected by law in any British possession or Foreign State to which the provisions of the one hundred and third section of the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, are, under Order-in-Council, for the time being applicable.
৮৩৪.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৭(১) অনুযায়ী তামাদি মেয়াদ কখন থেকে গণনা করা হবে?
  1. মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর দিন থেকে
  2. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  3. সম্পত্তি হস্তান্তরের দিন থেকে
  4. মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি যোগ্য হওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা

ধারা-১৭: মামলা করিবার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:
(১) যেই ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী হইতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি উক্ত মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার যোগ্যতাসম্পন্ন হইবার সময় হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।

(২) যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে তাহার বিরুদ্ধে কেহ একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকার লাভ করিতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে যখন মৃত ব্যক্তির এইরূপ কোনো আইনানুগ প্রতিনিধি থাকিবে, যাহার বিরুদ্ধে বাদী মামলা দায়ের বা দরক্ষাস্ত দাখিল করিতে পারিবে, তখন হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।


(৩) সম্পত্তি প্রয়োগের অগ্রাধিকার প্রয়োগের মামলা অথবা স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দখল বা বংশগত কোনো পদলাভ সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে উপরোক্ত (১) ও (২) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য নহে।

৮৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুসারে, কোনো ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে মামলা আমলে নেবার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারে-
  1. দায়রা জজ
  2. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• এই ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারে-

মহানগর এলাকায়-
১. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

মহানগর এলাকার বাইরে-
১. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট

• ধারা ১৯০(২) অনুসারে-
সরকার এবং এই আদেশ হাইকোর্ট ডিভিশন কর্তৃক প্রদেয় কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশের প্রেক্ষিতে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেসব অপরাধ বিচার করতে বা বিচারার্থে পাঠাতে পারেন, সেসব অপরাধ যেকোন দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে বিচারার্থ গ্রহণ করতে ক্ষমতায়ন করতে পারেন।
[the Government may, and subject to any general or special order issued in this behalf by the High Court Division, the Chief Judicial Magistrate may empower any Magistrate of the second or third class to take cognizance under sub-section (1) clause (a) or clause (b) of offences which he may try or send for trial]
৮৩৬.
লিমিটেশন এ্যাক্ট, ১৯৮০ এর ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে না-
  1. স্যুটের ক্ষেত্রে
  2. আপিলের ক্ষেত্রে
  3. রিভিউর ক্ষেত্রে
  4. রিভিশনের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকৃষ্ণের জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।

♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপীলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমান করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপীল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তোষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।

♦অর্থাৎ ৫ ধারায় দরখাস্তকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে যথাসময়ে আদালতে আপিল বা দরখাস্ত দাখিল করতে না পারার পেছনে যথোপযুক্ত কারণ (sufficient cause) ছিলো।

♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবরমাত্র আপীল এবং রিভিউ ,রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লেখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারী মামলার আপীলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
৮৩৭.
কোনো বিচারককে কখন কোনো দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার করা যাবে না?
  1. আদালতে গমনের সময়
  2. আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময়
  3. আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করার সময়
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি:
১) কোন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।

২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।

Section: 135- Exemption from arrest under civil process:
(1) No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court.

(2) Where any matter is pending before a tribunal having jurisdiction therein, or believing in good faith that it has such jurisdiction, the parties thereto, their pleaders, mukhtars, revenue-agents and recognised agents, and their witnesses acting in obedience to a summons, shall be exempt from arrest under civil process other than process issued by such tribunal for contempt of Court while going to or attending such tribunal for the purpose of such matter, and while returning from such tribunal.

(3) Nothing in sub-section (2) shall enable a judgment-debtor to claim exemption from arrest under an order for immediate execution or where such judgment-debtor attends to show cause why he should not be committed to prison in execution of a decree.
৮৩৮.
দলিল বাতিলের মামলার তামাদি The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত?
  1. ৫১
  2. ১২০
  3. ৯১
  4. ১১৩
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ-৯১ কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই  সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৮৩৯.
'Volante non-fit injuria' মতবাদটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৮৭ ধারায়
  2. ৮৮ ধারায়
  3. ৮৯ ধারায় 
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৮৭, ৮৮ এবং ৮৯ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত  ব্যক্তি বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির অভিভাবকের সম্মতি নিয়ে গঠিত কোনো ক্ষতি অপরাধ বলে গণ্য হবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

♦ সম্মতি বা ভলেনটি নন্ ফিট ইনজুরিয়া (Consent or Volante non-fit injuria): কারো সম্মতিক্রমে কোন কার্য সম্পাদিত হলে এবং এর ফলে কোন ক্ষতি হলে সম্মতিদানকারী কোন অভিযোগ করতে পারে না। এটা যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তাকে বলে ভলেন্টি নন্ ফিট্ ইনজুরিয়া। বাদী যে অধিকার স্বেচ্ছা প্রণোদিত ভাবে পরিত্যাগ করেছে সে অধিকার আর সে বলবৎ করতে পারে না। তাই মুষ্ঠিযুদ্ধে আহত হলে বা ডাক্তার অস্ত্রোপচার করলে টর্ট আইনে কাউকে দায়ী করা যায় না। এ মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বাদীর অবগতি ও সম্মতি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
৮৪০.
স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করার শাস্তি দন্ডবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪৯৪ ধারায়
  2. ৪৯৫ ধারায়
  3. ৪৯৭ ধারায়
  4. ৪৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ৪৯৪ ধারায় স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করলে শাস্তি ৭ বৎসরের কারাদন্ড।

♦ ৪৯৫
ধারা অনুযায়ী পূর্বের বিবাহ গোপন করে বিয়ে করলে শাস্তি ১০ বৎসরের কারাদন্ড

৪৯৬ ধারা অনুযায়ী যে বিবাহ আইন সম্মত নয় সে বিবাহ করলে শাস্তি ৭ বৎসর এবং ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী ব্যভিচারের শাস্তি ৫ বৎসর
৮৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২(২খ) ধারায়, পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে, ম্যাজিস্ট্রেট কী করতে পারবেন?
  1. অভিযুক্তদের শাস্তি দেবেন
  2. অভিযোগটি বাতিল করবেন
  3. অভিযুক্তদের গ্রেফতার করবেন
  4. অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দেবেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-202:Postponement for issue of process:
(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant. 
(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath.
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.
(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.

৮৪২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২২ এর অধীনে কখন বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যায়?
  1. আদালত চাইলে
  2. বার্তা প্রদানকারীর সম্মতি ব্যতীত
  3. বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে দেওয়ানি মামলা চললে
  4. বার্তা প্রদানকারী অপরাধে অভিযুক্ত হলে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেই ক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

Section 122⇒ Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
৮৪৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী কয় ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য?
  1. ৬টি ক্ষেত্রে
  2. ৫টি ক্ষেত্রে
  3. ৪টি ক্ষেত্রে
  4. ৩টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
৮৪৪.
আদালত একটি দেওয়ানী মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। বিবাদী উক্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত বিবাদীকে ১ মাসের দেওয়ানী কারাদন্ড প্রদান করে। উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. রিভিশন করা যাবে
  2. আপীল করা যাবে
  3. যেহেতু ১ মাসের কারাদন্ড তাই আপীল করা যাবে না
  4. ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৩৯ এর ২(৩) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের এবং দেওয়ানী কারাবাসে সর্বোচ্চ ৬ মাসের আটক আদেশ দিতে পারে। এমন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
৮৪৫.
আইনজীবী হবার আবেদন যোগ্যতা কত ধারায় বলা আছে?
  1. ২৯ (১) অনুচ্ছেদ
  2. ২৭ (১) অনুচ্ছেদ
  3. ২৮ অনুচ্ছেদ
  4. ২৫ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
♦বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অর্ডারের ২৭(১) নং অনুচ্ছেদে এ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্যতার বিধান রয়েছে। ২৭(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এ্যাডভোকেট হতে হলে নিম্নলিখিত যোগ্যতাসমূহ থাকতে হবে:-
   (i) বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
   (ii) বয়স ন্যূনতম ২১ বৎসর হতে হবে।
   (iii) আইন বিষয়ে ডিগ্রি থাকতে হবে (বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অথবা বার কাউন্সিল স্বীকৃত বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অথবা ব্যারিষ্টার হলে)।
   (iv) বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত কোনো কোর্স (যদি থাকে) সম্পন্ন করতে হবে।
   (v)  নিবন্ধন ফি, পরীক্ষার ফি প্রদান করতে হবে।
   (vi) এ্যাডভোকেট তালিকাভূক্তি পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।
৮৪৬.
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন কখন করা যায়?
  1. জবানবন্দি নেয়ার সময়।
  2. পুন:পরীক্ষা করার সময়।
  3. জেরা করার সময়।
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিত বাহী প্রশ্ন বলে।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারা মোতাবেক জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে
৮৪৭.
সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারায় মামলায় প্রমাণের দায় কার উপর ন্যস্ত থাকে?
  1. যে পক্ষ প্রমাণ না দিলে মামলায় জিতবে
  2. যে পক্ষ প্রমাণ না দিলে মামলায় হারবে
  3. উভয় পক্ষের উপর সমানভাবে
  4. আদালতের উপর
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব যাহার উপর ন্যস্ত থাকে:
মামলায় বা কার্যবিবরণীতে যদি কোনো পক্ষের সাক্ষ্য উপস্থাপন না করা হয়, তাহলে যে পক্ষ মামলায় হারবে, মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণ করার দায়িত্ব (Burden of Proof) সেই পক্ষের উপর ন্যস্ত থাকবে।
 
⇒ উদাহরণঃ
(ক) ক একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি খ-এর দখলে আছে। ক দাবি করে যে খ-এর পিতা গ উইল করিয়া ঐ জমি ক-কে দিয়া গিয়াছে। এই মামলায় কোন পক্ষ্য সাক্ষ্য না দিলে খ জমির দখল বজায় রাখিবার অধিকারী হইবে। সুতরাং এইক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব ক-এর উপর ন্যস্ত আছে।

৮৪৮.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে, প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরিতে থাকা ব্যক্তির উপর সমন কীভাবে পরিবেশন করতে হবে?
  1. সরাসরি অভিযুক্তকে
  2. পুলিশের মাধ্যমে
  3. ডাকে সরাসরি বাড়িতে পাঠিয়ে
  4. সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে। যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে উক্ত অফিসের প্রধান কর্মকর্তার (head of the office) নিকট আদালত সমনের দ্বি-নকল বা প্রতিলিপি (duplicate copy) প্রেরণ করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারার বিধান: প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি বরাবর সমন জারি:
(১) যে ব্যক্তির উপর সমন জারী করতে হবে, তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন তাহলে সমন প্রদানকারী আদালত সাধারণ অবস্থায় উক্ত ব্যক্তি যে অফিসে কার্যরত আছে উহার প্রধান কর্মকর্তার নিকট দুই কপি সমন প্রেরণ করবেন এবং উক্ত কর্মকর্তা অতঃপর ৬৯ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুসারে সমন জারী করবেন এবং উক্ত ধারার প্রয়োজনানুসারে পৃষ্ঠাঙ্কন করবেন এবং তার স্বাক্ষরসহ আদালতে প্রত্যাপণ করবেন।
(২) এরূপ স্বাক্ষর যথাযথভাবে সমন জারীর  প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-72: Service on servant of Republic:
(1) Where the person summoned is in the active service of the Republic, the Court issuing the summons shall ordinarily send it in duplicate to the head of the office in which such person is employed; and such head shall thereupon cause the summons to be served in manner provided by section 69, and shall return it to the Court under his signature with the endorsement required by that section.
(2) Such signature shall be evidence of due service.

৮৪৯.
'ক' জানে যে, তার বিরুদ্ধে একজন ব্যবসায়ী পাওনা টাকার মামলা করতে পারেন। তাই ''ক' তার মূল্যবান মোটরসাইকেল বন্ধুর বাসায় লুকিয়ে রাখে, যাতে আদালত মোটরসাইকেল বাজেয়াপ্ত করতে না পারে। এক্ষেত্রে 'ক' এর কাজ কোন অপরাধের মধ্যে পড়ে?
  1. জালিয়াতি
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি গোপন করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) অসাধুভাবে সম্পত্তি গোপন করা।

⇒ মিজান ইচ্ছাকৃতভাবে তার সম্পত্তি (মোটরসাইকেল) গোপন করেছে, যাতে আদালত তা বাজেয়াপ্ত করতে না পারে। এটি দণ্ডবিধি ধারা ৪২৪–এর অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি গোপন করা বা অপসারণ করা— অপরাধের মধ্যে পড়ে।

দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা: অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন করা:
যে ব্যক্তি অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে নিজের বা অন্যকারো সম্পত্তি গোপন করে অথবা অপসারণ করে, অথবা এমন কাজে সহায়তা করে যা সম্পত্তি গোপন বা অপসারণে সহায়তা করে, অথবা নিজের কোনো দাবি বা দাবির ছেড়ে দেয় যা তার অধিকারভুক্ত, তাকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

৮৫০.
যদি কোনো ব্যক্তির অপারগতা তার মৃত্যু পর্যন্ত অব্যাহত থাকে, তাহলে তবে ধারা ৬(৩) অনুসারে-
  1. মামলা খারিজ হয়ে যাবে
  2. তামাদি সাথে সাথেই শুরু হবে
  3. নতুন করে তামাদি গণনা হবে না
  4. তার আইনানুগ প্রতিনিধি মামলা করতে পারবে
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারার বিধান- বৈধ অপারগতা-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হওয়ার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।


(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।


(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

৮৫১.
‘C’ একটি চুক্তি লঙ্ঘনের মামলায় ক্ষতিপূরণ দাবি করে এবং তার আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রমাণ করতে ব্যবসায়িক লেনদেনের নথি পেশ করে। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই নথিগুলো প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. ধারা ৮
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১২
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১২ ধারা অনুসারে, ক্ষতিপূরণের মামলায় যে তথ্য আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করে, তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এখানে ‘C’-এর পেশ করা ব্যবসায়িক লেনদেনের নথি আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে সহায়ক, তাই এটি ধারা ১২-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।
- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ধারা ৮: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, বা আচরণ সম্পর্কিত তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে।
ধারা ৯: পরিচয়, সময়, বা স্থান নির্ধারণে সহায়ক তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করে।
ধারা ১৪: মানসিক অবস্থা, উদ্দেশ্য, বা জ্ঞান সম্পর্কিত তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
------------ 
⇒The Evidence Act,1872, Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
 In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.

৮৫২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী, যদি নোটিশ দেওয়া দলিল উপস্থাপন করা হয়, তবে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ বাধ্যতামূলক?
  1. ১৬৩ ধারা
  2. ১৬২ ধারা
  3. ১৬০ ধারা
  4. ১৬৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৬৩ (Section 163: Giving, as evidence, of document called for and produced on notice) অনুযায়ী—
- যখন কোনো পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে কোনো দলিল উপস্থাপন করতে বলে, এবং অপর পক্ষ সে দলিল আদালতে উপস্থাপন করে, তখন যে পক্ষ সেই দলিল চেয়েছিল, সে দলিলটি পরিদর্শনের পর যদি অপর পক্ষ তা সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করতে চায়, তাহলে সেই পক্ষ বাধ্য থাকে দলিলটি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 163. Giving, as evidence, of document called for and produced on notice:
When a party calls for a document which he has given the other party notice to produce, and such document is produced and inspected by the party calling for its production, he is bound to give it as evidence if the party producing it requires him to do so.
৮৫৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৮ _______ অনুসারে- চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ণীত হওয়ার তারিখ থেকে একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে।
  1. বিধি-১১
  2. বিধি-১৩
  3. বিধি-১৭
  4. বিধি-১৯
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি-১৯: শুনানি সমাপ্ত করার সময়:
১) চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ণীত হওয়ার একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে।
২) এই বিধি অনুযায়ী সময় নির্দিষ্টকরণের নিমিত্তে শুধুমাত্র কার্য দিবসগুলো গণনায় করতে হবে।

Order 18 Rule 19: Time for completion of hearing:
1) The Court shall complete the hearing of a suit within one hundred and twenty days from the date fixed for its final hearing.
2) In this rule, in determining the time, only the workings days shall be counted.
৮৫৪.
'আইনজীবী' এর সংজ্ঞা দেওয়ানি কার্যবিধিতে কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ২(১)
  2. ধারা ২(১১)
  3. ধারা ২(১৩)
  4. ধারা ২(১৫)
ব্যাখ্যা
ধারা : ২(১৫)- আইনজীবী:

"আইনজীবী হলো এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আদালতে অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং সেই ব্যক্তির পক্ষে বক্তব্য রাখার অধিকারী।"

Section 2(15)-
"pleader" means any person entitled to appear and plead for another in Court.

৮৫৫.
অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আনীত আপিল চলাকালে আসামী মারা গেলে আপিলটি-
  1. এবেট হবে
  2. এবেট হবে না
  3. খারিজ হবে
  4. খারিজ হবে না
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারার বিধান আপীল পণ্ড হওয়াঃ ধারা-৪১৭ ও ধারা-৪১৭ক এর অধীন প্রত্যেকটি আপীল আসামীর মৃত্যু হলে চুড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপীল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপীল ব্যতীত) আপীলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপীল বাতিল সম্পর্কে বিধান আছে। খালাসের এবং অপর্যাপ্ত দন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলাকালীন অবস্থায় আসামীর মৃত্যু হলে আপীলটি চূড়ান্তভাবে পন্ড বা বাতিল বা এবেট হয়ে যাবে। কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রে আপীলকারী মারা গেলে আপীলটি পন্ড হবে। যেমন দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামী আপীল করলো অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে আসামী হলো আপীলকারী এবং সে মারা গেলে উক্ত আপীল বাতিল বা এবেট হবে। কিন্তু জরিমানার বা অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপিল হলে আপিলকারী বা আসামী মারা গেলেও, আপীলটি পন্ড হবেনা এবং আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলাভিষিক্ত হবে।

♦দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না। অর্থাৎ মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি হতে জরিমানা বা অর্থদন্ড আদায়যোগ্য হবে।
৮৫৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণের বিধান আছে?
  1. ১৩২ ধারায়
  2. ১৩৮ ধারায়
  3. ১৩৭ ধারায়
  4. ১৩৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারায় সরকারকে অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, যখন এই আইন কার্যকর হয়, তখন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন যে কোনো আদালতের ভাষা তখনকার মতোই চলবে, যতক্ষণ না সরকার অন্য ভাষা নির্ধারণ করে।
এ ধারায় তিনটি মূল বিষয় আছে:
১. আইনটি কার্যকর হওয়ার সময় অধস্তন আদালতের ভাষা যেটা ছিল, সরকার অন্য নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই চলবে।
২. সরকার যে কোনো অধস্তন আদালতের ভাষা এবং সেখানে দরখাস্ত ও কার্যধারা কিভাবে লিখিত হবে তা ঘোষণা করতে পারবে।
৩. যদি আদালতে কোনো কার্যধারা লিখিতভাবে ইংরেজীতে হয়, আর পক্ষ বা তার আইনজীবী ইংরেজীতে অপরিচিত হয়, তখন তার অনুরোধে সেই ইংরেজি লেখার আদালতের ভাষায় অনুবাদ সরবরাহ করতে হবে এবং এর খরচের বিষয়ে আদালত যথাযথ আদেশ দিতে পারে।
- এই বিধানের ফলে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অধস্তন আদালতের ভাষাগত বৈচিত্র্য বজায় রাখা যায় এবং পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় কার্যধারা হলে পক্ষের সুবিধার জন্য অনুবাদ দেওয়ার বন্দোবস্ত থাকে।
- সুতরাং, ১৩৭ ধারাই অধস্তন আদালতের ভাষা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিধান বহন করে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারার বিধান: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।
২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।
৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section: 137. Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs. 
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written. 
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.
৮৫৭.
বিশেষজ্ঞের মতামত প্রয়োজন হয় না:
  1. বিদেশী আইনের ক্ষেত্রে
  2. ডিজিটাল রেকর্ডের ক্ষেত্রে
  3. সাধারণ জ্ঞানের বিষয়ে
  4. শারীর সম্বন্ধীয় সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন এই বিষয়ে বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-
(i) বিদেশী আইন;
(ii) বিজ্ঞান;
(iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য;
(iv) ডিজিটাল রেকর্ড;
(v) চারুকলা;
(vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা;
(vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি;
(viii) পায়ের ছাপ;
(ix) তালুর ছাপ;
(x) চোখের কনীনিকার ছাপ;
(xi) টাইপ রাইটিং;
(xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার;
(xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি।
৮৫৮.
মেট্রোপলিটন এলাকায় নিচের কে সর্বোচ্চ ফৌজদারি আদালতের বিচারক?
  1. দায়রা জজ
  2. মহানগর দায়রা জজ
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান: নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণ:
(১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন।
(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন ।
(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।

-অর্থাৎ প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত হলো দায়রা আদালত এবং দায়রা আদালতের বিচারক হলো দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ। অন্যদিকে মহানগর এলাকায় মহানগর দায়রা আদালত হলো সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত এবং মহানগর দায়রা জজ হলো বিচারক।
৮৫৯.
"পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না" দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১০৪
  2. ৯৬
  3. ৯৮
  4. ৯৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধারা- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না
----------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 96- Appeal from original decree:
(1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court.
(2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte.
(3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
৮৬০.
নিম্নলিখিত কোনটি আদেশ ৮ বিধি ২ অনুযায়ী বিবাদীর আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য গ্রহণযোগ্য কারণ?
  1. বাদী প্রতারণা করেছে
  2. বাদী তার মামলা যথাসময়ে দায়ের করেননি
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি ২-
বিবাদী তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে, মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয় অথবা বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের ঐ সমস্ত হেতু উত্থাপন করবেন, যা উত্থাপন না করলে অপর পক্ষ বিস্মিত হত কিংবা আরজিতে উল্লেখ করা হয়নি এরূপ বিষয়াবলী উপস্থাপন করবেন যথা- প্রতারণা, তামাদি, মুক্তি, পরিশোধ, কার্য সম্পাদন কিংবা আইনবিরুদ্ধ প্রমাণকারী তথ্যসমূহ।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
বিবাদী তার জবাবে এমন বিষয়গুলো উল্লেখ করবে যা দেখাবে যে, মামলা টিকসই নয় বা আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ বা বাতিলযোগ্য। এছাড়াও, এমন কারণগুলো তুলে ধরবেন, যা আগে উল্লেখ করা হয়নি এবং না বললে অপর পক্ষ আশ্চর্য হতে পারত। যেমন: প্রতারণা, মামলা দায়েরের সময়সীমা (তামাদি) পেরিয়ে যাওয়া, ঋণ পরিশোধ, চুক্তি পালন, বা অন্য কোন আইনগত প্রতিবন্ধকতা। এগুলো মামলা খারিজ করার বা আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বিবাদীর প্রধান কারণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।.]
৮৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-৩ অনুসারে, কখন আদালত আপিলের স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. যখন স্মারকলিপি সঠিকভাবে সংশোধন করা হয়
  2. যখন আপিলকারী আদালতের নির্দেশ পালন করেন
  3. যখন স্মারকলিপি নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক প্রণীত হয়নি
  4. যখন আপিলের বিষয়বস্তু ফৌজদারি মামলার সাথে সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) যখন স্মারকলিপি নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক প্রণীত হয়নি।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ৩ অনুসারে, যদি আপিলের স্মারকলিপি নির্ধারিত বা নির্দিষ্ট আইনি পদ্ধতি অনুযায়ী তৈরি না হয়, তবে আদালতের কাছে দুইটি বিকল্প থাকে:
১) স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করা, বা
২) সংশোধনের জন্য তা আপিলকারীর কাছে ফেরত দেওয়া, যাতে তা সংশোধন করে আবার জমা দেওয়া যায়।
- এই বিধানের লক্ষ্য হলো, আদালতে দাখিল করা স্মারকলিপি যেন সঠিক ও বিধিসম্মত হয়, এবং প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণে মামলার অগ্রগতি ব্যাহত না হয়।
- অতএব, নির্ধারিত ফরম্যাট বা নিয়ম লঙ্ঘন করে করা স্মারকলিপি আদালত গ্রহণ নাও করতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে তা প্রত্যাখ্যানযোগ্য হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
৮৬২.
নিচের কোন ধারার মামলার ক্ষেত্রে সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে না?
  1. ৪২
  2. ৫২
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার করতে হলে বাদীকে প্রমাণ করতে হবে নালিশি সম্পত্তি তার দখলে ছিল এবং উক্ত সম্পত্তি হতে তাকে গত ৬ মাসের মধ্যে জোরপূর্বক বা বেআইনিভাবে বেদখল করা হয়েছে।
-এই ধারায় ( স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায়) স্বত্ব প্রমাণ বা স্বত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করার প্রয়োজন নেই, তথাপিও পক্ষ চাইলে উত্থাপন করতে পারেন।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্বত্বছাড়া শুধু দখল পুনুরুদ্ধারের মামলার ক্ষেত্রে সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে না।
 
ধারাঃ ৯- স্থাবর সম্পত্তির দখল পুরুদ্ধার (স্বত্বছাড়া শুধু দখল পুনুরুদ্ধার/মামলা করার সময়সীমা ৬ মাস)
-------------------------
SR Act- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
 
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৮৬৩.
তামাদি আইনের কত ধারায় কোন মামলা বাধ্যতামূলক খারিজ হলে, রেস জুডিকাটার বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৫ ধারায়
  3. ৮ ধারায়
  4. ৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মূল মামলায় তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয় Cause of action বা মামলার কারণ উদ্ভবের সময় থেকে এবং তামাদি মেয়াদ গননা করা হয় বাদীর বিরুদ্ধে। বিবাদী মূল মামলায় তামাদিতে দূষিত হয় না।

তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদীর প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়। এই ধারাতে আইনের ‘Equity aids the vigilant not the indolent’ নীতির প্রকাশ পেয়েছে অর্থাৎ যিনি সতর্ক আছেন তার জন্যই ইকুইটি প্রাপ্য; যিনি তার অধিকার আদায়ে উদাসীন তার জন্য ইকুইটি নয়।

20 DLR (West Pakistan) 133 মামলায় আদালত তামাদি আইনের ৩ ধারা সম্পর্কে বলেন যে, মামলা করার সময় অতিবাহিত হয়ে গেলে উক্ত মামলা খারিজ হয়ে যাবে আর এইক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক আরজি প্রত্যাহারের আদেশও মামলা খারিজ বলে গন্য হবে। আর অনুরূপ মামলার বিষয়বস্তু বা কারণের উপর পরবর্তীতে আনীত একই পক্ষগণের মধ্যে রেসজুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে।

সহজ ভাষায় বলা যায়, তামাদি আইনের ৩ ধারায় কোন মামলা বাধ্যতামূলক খারিজ হলে সে ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১১ ধারার রেস জুডিকাটার বিধার প্রযোজ্য হবে।
৮৬৪.
অভিযোগ তৈরি না করার ফলে ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে, আপিল বা রিভিশন আদালত কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করার
  2. অভিযোগ প্রণয়ন করার
  3. অভিযোগ ছাড়া বিচার করার
  4. উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৫- অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল:
(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপিল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরি না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge:
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby.

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৮৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২(২খ) ধারামতে, Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and ______ the accused.
  1. bail
  2. acquit
  3. release
  4. discharge
ব্যাখ্যা
Section- 202. Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint: 
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with:
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.

(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant. 

(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath: 
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.

(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।
আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।

(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
৮৬৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের পরিমাণ কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. সরকারি হার অনুসারে
  2. উভয় পক্ষের সম্মতিতে
  3. চুক্তিতে উল্লিখিত হার অনুসারে
  4. আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার শেষ অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।"
সুতরাং, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণের পদ্ধতি সম্পূর্ণভাবে আদালতের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এটি সরকারি হার, পক্ষগুলোর সম্মতি বা চুক্তিতে উল্লিখিত হার দ্বারা সীমাবদ্ধ নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.

৮৬৭.
If a complaint is withdrawn with the permission of Magistrate at any time before a final order is passed, the Magistrate shall ___________.
  1. acquit the accused
  2. release the accused
  3. discharge the accused
  4. punish the complainant
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
এই ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিবে।
 
[If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same,and shall thereupon acquit the accused.]
 
• অপরদিকে, ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিতে পারে।
৮৬৮.
নিম্নের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার উদ্দেশ্য?
  1. মামলার সময় বাড়ানো
  2. সবকিছুই প্রমাণ করতে বাধ্য করা
  3. অপ্রয়োজনীয় প্রমাণ উপস্থাপন এড়ানো
  4. একতরফা স্বীকারোক্তিকে অনুমান হিসেবে ধরা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা-এর মূল উদ্দেশ্য হলো মামলার কার্যক্রম সহজ ও দ্রুততর করা। এ ধারা অনুযায়ী:
- যখন পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধি কোনো ঘটনা শুনানির সময় মৌখিকভাবে বা শুনানির পূর্বে লিখিতভাবে স্বীকার করে, তখন সেই ঘটনা আলাদাভাবে প্রমাণ করার প্রয়োজন হয় না।
উদাহরণ: যদি বিবাদী মামলার শুনানিতে মৌখিকভাবে বা লিখিত জবাবে কোনো দাবি স্বীকার করে, তাহলে বাদীকে তা প্রমাণ করতে হবে না।
- এ ধারা অপ্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন এড়িয়ে মামলার প্রক্রিয়াকে সহজ করে।
- আদালতের সময় ও পক্ষগুলোর অর্থব্যয় কমাতে সাহায্য করে।
- যদিও স্বীকৃত ঘটনা সাধারণত প্রমাণের প্রয়োজন হয় না, তবুও আদালত প্রয়োজনে অতিরিক্ত প্রমাণ চাইতে পারে।

ধারা ৫৮-এর উদ্দেশ্য হলো—
"যেসব ঘটনা স্বীকৃত (admitted), সেগুলোর জন্য আলাদা করে প্রমাণ না নিয়ে, মামলার মূল বিতর্কিত বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া।"

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন।
--------------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:
- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:
Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.
৮৬৯.
সিভিল মামলায় ক্ষতির পরিমাণে চরিত্রের প্রভাব কীভাবে প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. যখন ব্যক্তি তার চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয়
  2. যখন চরিত্রের বিষয়ক প্রমাণ আইনসম্মত হয়
  3. যখন ব্যক্তির চরিত্র ক্ষতির পরিমাণকে প্রভাবিত করে
  4. যখন ব্যক্তির আচরণ কোনও ঘটনার সাথে সম্পর্কিত থাকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) যখন ব্যক্তির চরিত্র ক্ষতির পরিমাণকে প্রভাবিত করে। 
- সিভিল মামলায়, যদি কোনো ব্যক্তি তার চরিত্রের কারণে ক্ষতির পরিমাণে প্রভাব ফেলে, তাহলে সেই চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির খ্যাতি বা disposition (আচরণ) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে প্রভাবিত করে, তাহলে এটি প্রমাণ হিসেবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে।

→ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান ক্ষতির পরিমাণে চরিত্রের প্রভাব:
সিভিল মামলায় কোনো ব্যক্তির চরিত্র যদি তার প্রাপ্য ক্ষতির পরিমাণকে প্রভাবিত করে, তবে তা প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যা:– ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪ এবং ৫৫-এ "চরিত্র" শব্দটি রূপে ও disposition বা মনোভাব, উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে; তবে, ধারা ৫৪ ছাড়া, প্রমাণ দেওয়ার সময় সাধারণ খ্যাতি এবং সাধারণ disposition ছাড়া বিশেষ কোনো কাজের প্রমাণ দেওয়া যাবে না, যা দ্বারা খ্যাতি বা disposition প্রদর্শিত হয়েছে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 55. Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant.

Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
৮৭০.
যুগ্ম দায়রা জজের নিম্নের কোন শাস্তি দেয়ার এখতিয়ার নেই?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেনঃ

(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

Section 31: Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass-

(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.

(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.

(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
৮৭১.
কোন ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে মর্মে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংবাদ পেলে তিনি সুরতহাল করার জন্য কাকে জানাবেন?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সেনাবাহিনী প্রধান
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮, ধারা ১৭৪ মতে কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে বা অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রাণী কর্তৃক বা কোনো যন্ত্র দ্বারা বা কোনো দূর্ঘটনার ফলে নিহত হয়েছে বা এইরুপ পরিস্থিতিতে মারা গেছে যাতে যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ হতে পারে যে, অপর কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে, সেই বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা সুরতহাল করতে ক্ষমতাসম্পন্ন নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট সংবাদ প্রদান করবে।
৮৭২.
একটি আপিল দায়ের তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে বাদ যাবে-
  1. আপিলের মেমো প্রস্তুতের জন্য ব্যয়িত সময়
  2. আইনজীবী নিয়োগের জন্য ব্যয়িত সময়
  3. প্রতিপক্ষের প্রতি সমন জারির জন্য ব্যয়িত সময়
  4. রায় এবং ডিক্রি-র জাবেদা নকল পেতে ব্যয়িত সময়
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১২ ধারার বিধান আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে-

(১) কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন হতে উক্ত মেয়াদ গণনা করতে হবে সেই দিন বাদ দিতে হবে।

(২) কোনো আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যে রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হবে, তা যেদিন ঘোষণা করা হয়েছে, সেইদিন এবং যে ডিক্রি, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপিল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যেই সময় আবশ্যক, তা বাদ দিতে হবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি সম্পর্কে আপিল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি যেই রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেই রায়ের নকল পেতে যে সময় লাগে, তাও বাদ দিতে হবে।

(৪) কোনো রোয়েদাদ নাকচ করার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, রোয়েদাদের নকল পেতে যে সময় লাগে, তা বাদ দিতে হবে।

♦ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন উক্ত রায় ঘোষণা করা হয়েছে, সেদিনটি এবং যে ডিক্রি, আদেশ বা দণ্ডাদেশ সম্পর্কে আপীল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যে সময় ব্যয় হবে, তা বাদ দিতে হবে।
৮৭৩.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৬ ধারায় কোন ধরনের প্রতিকার প্রদান করা হয়?
  1. Mandatory
  2. Preventive
  3. Compensatory
  4. Rescissory
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877: Section 6. Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারার বিধান: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।

৮৭৪.
দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান আনুসারে নিচের কোনটি অপহরণ (Abduction)?
  1. বাংলাদেশ হইতে মনুষ্য হরণ
  2. আইনানুগ অভিভাবকত্ব হইতে মনুষ্য হরণ
  3. জোরপূর্বক কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হইতে গমনে বাধ্য করিলে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ Section 362. Abduction:- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
⇒ Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৮৭৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৪ ধারার বিধানসমূহ কোন এলাকায় প্রযোজ্য হবে না?
  1. জেলা সদরে
  2. মহানগরীতে
  3. পৌরসভায়
  4. উপজেলা সদরে
ব্যাখ্যা
♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আগু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  

♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
♦১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌
১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
♦ ১৪৪ ধারার আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যাবে।
৮৭৬.
‘A’ জানে যে একটি আংটি চুরি হয়েছে, তা সে ‘Z’-এর কাছ থেকে কিনে নেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১০ অনুসারে, চুরি, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, অপরাধমূলক অপচয়, বা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে স্থানান্তরিত সম্পত্তি "চুরি হওয়া সম্পত্তি" হিসেবে গণ্য। ধারা ৪১১ অনুসারে, যে কেউ জেনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও চুরি হওয়া সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ বা ধরে রাখে, তার শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘A’ জেনে যে আংটি চুরি হয়েছে, তা ‘Z’-এর কাছ থেকে কিনে নিয়েছে, যা ধারা ৪১১-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘A’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪১১ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪১১ ধারার বিধান অসাধুভাবে চোরাইমাল গ্রহণ করা:  কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানা সত্ত্বেও, বা উহা চোরাই সম্পত্তি বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অসাধুভাবে অনুরূপ চোরাই সম্পত্তি গ্রহণ করে বা রেখে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 411.Dishonestly receiving stolen property:
Whoever dishonestly receives or retains any stolen property, knowing or having reason to believe the same to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৮৭৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১০৭-এর অধীনে শান্তি রক্ষার জন্য bond সর্বোচ্চ কতদিনের জন্য হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১০৭: শান্তি রক্ষার জন্য জামানত আদায় (Security for keeping the peace in other cases):
১। যখন একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয় যে কোনো ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ বা জনশান্তি বিঘ্নিত করার সম্ভাবনা রাখে, অথবা কোনো অন্যায় কাজ করতে পারে যার ফলে শান্তি ভঙ্গ বা জনশান্তি বিঘ্নিত হতে পারে, তখন ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে, তাহলে তিনি নিচের বিধি অনুযায়ী সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করতে পারেন যে, সে একটি জামিনপত্র (bond) দেবে, যেখানে জামিনদারসহ বা জামিনদারবিহীন হতে পারে, এবং যেটি শান্তি রক্ষার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় (সর্বোচ্চ এক বছর) পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

২। এই ধারা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবশ্যই নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করতে হবে:
- অভিযোগ করা ব্যক্তি অথবা যেই স্থান থেকে শান্তি ভঙ্গ বা বিঘ্নের আশঙ্কা করা হচ্ছে, তারা ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের মধ্যে হতে হবে।
- এছাড়া, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তি এবং স্থান উভয়ই তার এখতিয়ার এলাকার মধ্যে থাকে। এই ক্ষেত্রে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কেউ এ কাজ করতে পারবে না।

৮৭৮.
ধারা ৯৪ অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে হুমকির মাধ্যমে বাধ্য করা হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. হালকা আঘাতের ভয়ে
  2. সামাজিক সম্মানহানির ভয়ে
  3. অর্থনৈতিক ক্ষতির ভয়ে
  4. তাৎক্ষণিক মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৪: হুমকির মাধ্যমে বাধ্য করা হলে যে কাজ অপরাধ নয়:
হত্যা এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত, কোনো ব্যক্তি যদি হুমকির কারণে এমন কোনো কাজ করতে বাধ্য হয়, যা তার কাছে তখন এমনভাবে উপলব্ধি হয় যে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে, তবে সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

শর্ত: যদি কাজটি করা ব্যক্তি তার ইচ্ছায় বা তাৎক্ষণিক মৃত্যুর আশঙ্কা ছাড়া অন্য ক্ষতির কারণে এমন অবস্থানে নিজেকে না নিয়ে থাকে, যে কারণে তাকে এমন হুমকির অধীন হতে হয়েছে।

ব্যাখ্যা ১: কোনো ব্যক্তি যদি তার নিজের ইচ্ছায় বা মার খাওয়ার ভয়ে দস্যুদের একটি গ্যাং-এ যোগ দেয় এবং গ্যাংয়ের প্রকৃতি সম্পর্কে জানে, তাহলে তার সহযোগীদের দ্বারা তাকে বাধ্য করা হলে, আইনত যা অপরাধ, সেই কাজ করার ক্ষেত্রে এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকার তার থাকবে না।

ব্যাখ্যা ২: কোনো ব্যক্তি যদি দস্যুদের একটি গ্যাং-এর দ্বারা ধরে নিয়ে গিয়ে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর হুমকির মাধ্যমে বাধ্য হয় কোনো অপরাধমূলক কাজ করতে, যেমন একজন লৌহশিল্পীকে তার সরঞ্জাম ব্যবহার করে বাড়ির দরজা খুলতে বাধ্য করা হয় যাতে দস্যুরা বাড়িতে প্রবেশ করে লুটপাট করতে পারে, তাহলে সেই ব্যক্তি এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবে।

Section 94- Act to which a person is compelled by threats:
Except murder, and offences against the State punishable with death, nothing is an offence which is done by a person who is compelled to do it by threats, which, at the time of doing it, reasonably cause the apprehension that instant death to that person will otherwise be the consequence: Provided the person doing the act did not of his own accord, or from a reasonable apprehension of harm to himself short of instant death, place himself in the situation by which he became subject to such constraint. 
 
Explanation 1.-A person who, of his own accord, or by reason of a threat of being beaten, joins a gang of dacoits, knowing their character, is not entitled to the benefit of this exception on the ground of his having been compelled by his associates to do anything that is an offence by law. 
 
Explanation 2.-A person seized by a gang of dacoits, and forced by threat of instant death, to do a thing which is an offence by law; for example, a smith compelled to take his tools and to force the door of a house for the dacoits to enter and plunder it, is entitled to the benefit of this exception.
৮৭৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানমতে একতরফা ডিক্রি সরাসরি বাতিলের আবেদন করা যায়?
  1. আদেশ ৯ এর ৯ বিধিমতে
  2. আদেশ ৯ এর ১৩ বিধিমতে
  3. আদেশ ৯ এর ১৩ক বিধিমতে
  4. আদেশ ৮ এর ১৩ বিধিমতে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৬ বিধির ১(ক) অনুযায়ী শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বিবাদী হাজির না হলে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিতে পারে। উক্ত একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন ৩০ দিনের মধ্যে হলফনামাসহ আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য আদালতকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।
৮৮০.
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় কোন নীতির প্রতিফলন হয়েছে?
  1. Res-judicata
  2. Double Jeopardy
  3. ক এবং খ
  4. কোনটাই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান: দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে। এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে- তাহলো:

i) Res-judicata (দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ১১)
ii) Double Jeopardy (ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা: ৪০৩)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
------------
Section 40 Previous judgments relevant to bar a second suit or trial: The existence of any judgment, order or decree which by law prevents any Court from taking cognizance of a suit or holding a trial, is a relevant fact when the question is whether such Court ought to take cognizance of such suit or to hold such trial.
৮৮১.
আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ মৌখিকভাবে দেয়া হলে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী তা কার নির্দেশে লিপিবদ্ধ করা হবে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. উল্লিখিত যে কেউর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
- Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.

৮৮২.
'রায় (Judgment)' বলতে বোঝায়-
  1. আদালতের চূড়ান্ত আদেশ
  2. আদালতের যে কোনো আদেশ
  3. আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যা
  4. কেবল বিচারকের মতামত
ব্যাখ্যা

ধারা ২(৯): “Judgment” (রায়):
“রায়” বলতে বোঝায় বিচারকের প্রদত্ত সেই বিবৃতি, যেখানে ডিক্রি (decree) বা আদেশের (order) ভিত্তি বা কারণসমূহ উল্লেখ থাকে।
“Judgment” means the statement given by the Judge of the grounds of a decree or order.

রায় হলো সেই লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য, যেখানে বিচারক ব্যাখ্যা করেন কেন এবং কোন কারণে তিনি একটি নির্দিষ্ট ডিক্রি বা আদেশ দিয়েছেন। অর্থাৎ, রায় হলো আদালতের সিদ্ধান্তের যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যা।

৮৮৩.
'ক', 'খ'-কে একটি বাড়ি ক্রয় করার লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্যে মামলা দায়ের করল। 'খ' এই কথা প্রমাণ করে যে, সে মনে করছিল যে, চুক্তিতে বাড়ির সংলগ্ন, উঠানের কথাও অন্তর্ভুক্ত আছে এবং চুক্তি এমনভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে যে, উঠান চুক্তির অন্তর্ভুক্ত না বহির্ভূত, সে সম্পর্কে সন্দেহ থেকে যায়। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. চুক্তি বাতিল করার আদেশ দিবেন
  2. 'খ' কর্তৃক দেখানো যুক্তি অস্বীকার করবেন
  3. পরিবর্তন ব্যতীত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করবেন
  4. পরিবর্তন ব্যতীত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করবেন
ব্যাখ্যা
এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৬ ধারার বিধান অনুযায়ী, আদালত পরিবর্তন ব্যতীত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করবেন।

২৬ ধারার মূল কথা হল,
কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে যদি বিবাদী একটি লিখিত চুক্তিতে পরিবর্তন দেখায়, তাহলে বাদী সেই মূল চুক্তির নির্দিষ্ট পালন পাবেন না, তবে বিবাদী প্রদত্ত পরিবর্তনসহ পালন পাবেন। এগুলি হল সেই বিশেষ পরিস্থিতিগুলি:
১. প্রতারণা বা ভুলের কারণে চুক্তির শর্তাবলী বিবাদীর ধারণার চেয়ে আলাদা হলে।
২. প্রতারণা, ভুল বা আকস্মিকতার কারণে বিবাদী চুক্তির প্রভাব সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করলে।
৩. বিবাদী বাদীর মিথ্যা বক্তব্য বা অতিরিক্ত শর্তের উপর নির্ভর করে চুক্তিতে প্রবেশ করলে।
৪. পক্ষদ্বয়ের উদ্দেশ্য এবং চুক্তির মধ্যে বিসংগতি থাকলে।
৫. পক্ষদ্বয় পরবর্তীকালে চুক্তি পরিবর্তন করার সম্মত হলে।

এই ধারা বাদীকে মূল চুক্তি অনুযায়ী নয়, বরং বিবাদী দেখানো পরিবর্তনসহ নির্দিষ্ট পালন দাবি করার সুযোগ দেয়। তাই এক্ষেত্রে, আদালত 'খ' এর পরিবর্তন ব্যতীত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করবেন।
৮৮৪.
বিবাদীর আবেদনক্রমে আদালত মোকদ্দমার বাদীকে দলিল প্রকাশ করতে আদেশ দিয়েছিল। কিন্তু বাদী তা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত আদেশ-১১, বিধি-২১ এর অধীন নিম্নলিখিত কোন আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমার খারিজ আদেশ
  2. আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিলের আদেশ
  3. জামানত প্রদানের আদেশ
  4. নতুন মোকদ্দমা দায়েরের নির্দেশ
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।

Rule 21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.

সুতরাং, প্রশ্নে আদালত মোকদ্দমার বাদীকে দলিল প্রকাশ করতে আদেশ দিয়েছিল কিন্তু বাদী তা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে ।
৮৮৫.
কোন ব্যক্তি বিবাদী পক্ষ তার লিখিত জবাব দাখিল করতে সর্বোচ্চ-
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ৪ মাসের মধ্যে
  3. ৩ মাসের মধ্যে
  4. ২ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৮ বিধি-১ এর বিধান লিখিত জবাব (Written statement): সমন প্রাপ্তির ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিবাদীকে অবশ্যই লিখিত জবাব দিতে হবে। এরূপ করতে ব্যর্থ হলে আদালত আরো ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় দিতে পারে। অর্থাৎ লিখিত জবাব দাখিলের জন্য বিবাদী সর্বমোট ৬০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন।

♦বিবাদী যদি এরপরও দাখিল করতে ব্যর্থ হয় তাহলে, মোকদ্দমাটি একতরফা (Ex-parte) নিষ্পত্তি হবে। এরূপ একতরফা আদেশের বিরুদ্ধে বিবাদী রিভিশন দায়ের করতে পারবে।

♦ ধারা ৮০ মতে সরকার বা সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন মোকদ্দমা করতে হলে লিখিত নোটিশ প্রদানের ২ মাস পর মোকদ্দমা করা যাবে। যদি নোটিশ ছাড়া সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তাহলে আদালত সরকারকে লিখিত বিবৃতি পেশ করার জন্য কমপক্ষে ৩ মাস সময় মঞ্জুর করবে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৯ ও ১০ নং বিধিতে অতিরিক্ত লিখিত জবাবের বিধান রয়েছে।

♦ ৯ নং বিধিমতে আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় বিবাদীকে সময় নির্ধারণ করে দিয়ে লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিলের আদেশ দিতে পারে। 
♦ ১০ নং বিধিমতে বিবাদী আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে,আদালত বিবাদীর বিরূদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে (pronounce judgement) অথবা মোকদ্দমা সম্পর্কিত যে কোন আদেশ দিতে পারে।

♦ অর্থাৎ বিবাদীর প্রতি সমন জারির তারিখ হতে ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে, বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল করবে। উক্ত ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, পরবর্তী ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে পারবে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৬০ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি করতে পারে।
৮৮৬.
একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে-
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলিল দেখে উত্তর দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সাক্ষী তার নিজের লেখা, অন্যের লেখা বা দলিলের নকল দেখেও উত্তর দিতে পারেন। এটাই হল Refreshing memory। সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করন বা Refreshing memory এর বিধান রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ থেকে ১৬১ ধারায় এ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-

i) সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কেস ডায়েরী দেখতে পারবেন। এভাবে ১৫৯ ধারার অধীন একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

ii) সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার তার মামলা তদন্তকালে কেস ডায়েরীতে লিপিবদ্ধকৃত বিষয়াবলী সম্পর্কে আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

iii) সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় বিবাদী পক্ষ জেরা করতে পারবেন। অর্থাৎ স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোন সাক্ষী কর্তৃক যে লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করা হয়েছে, বিরোধী পক্ষ উক্ত লিখিত বিবৃতি দেখতে চাইতে পারে, উক্ত সাক্ষীকে জেরা করতে পারে বা উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে।
৮৮৭.
দণ্ডবিধি অনুসারে সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য কয়টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১০৩ ধারামতে সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য ৪টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) দস্যুতা (Robbery)
ii) রাত্রি বেলায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House-breaking by night);
iii) বাসগৃহে বা কোন সম্পত্তি রাখার স্থানে অগ্নি সংযোগ (Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, used as a human dwelling); এবং
iv) গুরুতর আঘাত বা মৃত্যুর আশঙ্কাযুক্ত চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহে প্রবেশ (Theft, mischief or house - trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension of death or grievous hurt)।
---------------------
⇒ দণ্ডবিধির ১০৩ :- যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
- সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা ঘর ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
---------------
⇒ Section-103: When the right of private defence of property extends to causing death:
The right of private defence of property extends, under the restrictions mentioned in section 99, to the voluntary causing of death or of any other harm to the wrong-doer, if the offence, the committing of which, or the attempting to commit which, occasions the exercise of the right, be an offence of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:-
Firstly.-Robbery;
Secondly.-House-breaking by night;
Thirdly.-Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling or as a place for the custody of property;
Fourthly.-Theft, mischief or house-trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension that death or grievous hurt will be the consequence, if such right of private defence is not exercised;
৮৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭ ধারা অনুসারে Judicial Magistrate বা Executive Magistrate-কে "additional powers" (অতিরিক্ত ক্ষমতা) কে প্রদান করতে পারে?
  1. Government
  2. District Magistrate
  3. Chief Judicial Magistrate
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭ অনুসারে Judicial Magistrate বা Executive Magistrate-কে "additional powers" (অতিরিক্ত ক্ষমতা) প্রদান করতে পারেন:
১) Government (সরকার)
২) Chief Judicial Magistrate (Judicial Magistrate-এর ক্ষেত্রে)
৩) District Magistrate (Executive Magistrate-এর ক্ষেত্রে)
- প্রথম proviso অনুযায়ী, সরকার District Magistrate-কে Executive Magistrate-দের অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদানের অধিকার দিতে পারে।
- দ্বিতীয় proviso অনুযায়ী, Judicial Magistrate-দের অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদানের ক্ষেত্রে High Court Division-এর সাথে পরামর্শ আবশ্যক।
- এই অতিরিক্ত ক্ষমতাগুলো চতুর্থ তফসিলে উল্লেখ থাকে।
অতএব, সঠিক উত্তর ঘ) উল্লিখিত সকলে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 37. Additional powers conferrable on Magistrates.
In addition to his ordinary powers, any Judicial or Executive Magistrate may be invested by the Government or the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate, as the case may be, with any powers specified in the schedule IV: 
Provided that, the Government may authorize a District Magistrate to invest any Executive Magistrate subordinate to him with any of its powers specified in the schedule IV: 
Provided further that any Judicial Magistrate may be invested with such additional powers in consultation with the High Court Division.
৮৮৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ________ ধারা একই বিচার্য বিষয় নিয়ে একই পক্ষগণের মধ্যে একাধিক বিচারকার্য নিষিদ্ধ করে।
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১৫
  4. ১৫১
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১ তে রেস জুডিকাটার (res judicata) বিধান আছে।  দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন বিষয়ে একবার আদালত সিদ্ধান্ত দিলে ঐ বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পুনরায় মামলা করা যায় না । 

♦ একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে।
৮৯০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ ধারায় অধীনস্থ আদালতের মামলা নথি পর্যালোচনাকালীন সময়ে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ-
  1. আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  2. দণ্ড কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে
  3. আসামীকে নিজ মুচলেকায় মুক্তি দিতে পারে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৫ মতে- হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন নিম্নতর ফৌজদারী আদালত কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বা প্রদত্ত কোন অভিমত, শাস্তি বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা এবং উক্ত আদালতের কার্যক্রমের নিয়মানুগত্য সম্পর্কে সন্তুষ্ট হওয়ার জন্য উক্ত আদালতের কোন কার্যক্রমের নথি তলব করতে ও উহা পরীক্ষা করতে পারবেন, এই নথি তলবের সময় নির্দেশ দিতে পারবেন যে, নথির পরীক্ষা সাপেক্ষে কোন শাস্তি কার্যকরীকরণ স্থগিত থাকবে এবং আসামী আটক থাকলে তাকে জামিনে বা তার নিজের মুচলেকায় মুক্তি দিতে হবে।
৮৯১.
দেওয়ানি আদালত মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানীর আগে কোন পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ কয়টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ১ টি
  2. ৩ টি
  3. ৬ টি
  4. ৯ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মূলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মুলতবির আবেদন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৭  বিধি-১ মতে-
- আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
-  চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। অর্থ্যাৎ উভয় পক্ষকে খরচসহ এবং খরচ ছাড়া মোট ১৮টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারেন।
- অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করেনা।

⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৮৯২.
নিচের কোনটি Public Document নয়?
  1. জন্ম সনদ
  2. মোকদ্দমার Pleadings
  3. বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী
  4. টিকা সনদ
ব্যাখ্যা
⇒ Public Document বা পাবলিক ডকুমেন্ট হল সেই সমস্ত ডকুমেন্ট যা সরকারী কর্তৃপক্ষ বা রাষ্ট্রের পক্ষে তৈরি হয় এবং সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। এই ধরনের ডকুমেন্টগুলি সাধারণত সরকারি কার্যক্রম, আইনগত প্রক্রিয়া বা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের অংশ হয়ে থাকে।
 বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হল:
জন্ম সনদ (Birth certificate): এটি একটি পাবলিক ডকুমেন্ট, কারণ এটি সাধারণত সরকারি কর্তৃপক্ষ (যেমন রেজিস্ট্রার) দ্বারা তৈরি হয় এবং এটি সবাই দেখতে বা যাচাই করতে পারে।
মোকদ্দমার Pleadings (Pleadings of a lawsuit): এটি প্রাথমিকভাবে আদালতের ডকুমেন্ট, যা আদালতের রেকর্ডে সংরক্ষিত থাকে এবং সাধারণত পাবলিক ডকুমেন্ট হিসেবে গণ্য করা হয়। আদালত দ্বারা সংশ্লিষ্ট পক্ষের তথ্য ও অভিযোগ রেকর্ড করা হয়, যা আদালতে সাধারণত উন্মুক্ত থাকে।
বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী (Statement recorded during departmental investigation): এটি সাধারণত একটি সরকারি তদন্ত বা বিভাগীয় কার্যক্রম হতে পারে, তবে এটি সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত বা প্রকাশিত হয় না। এ ধরনের তথ্য শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী বা সরকারি বিভাগের জন্যই ব্যবহারযোগ্য এবং সাধারণ জনগণের কাছে এটি উপলব্ধ হয় না। এজন্য এটি Public Document হিসেবে গণ্য করা হয় না।
টিকা সনদ (Vaccination Certificate): এটি একটি পাবলিক ডকুমেন্ট হতে পারে, কারণ এটি সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে প্রদান করা হয় এবং এটি একটি প্রমাণপত্র হিসেবে সাধারণ জনগণের কাছে প্রকাশিত হয়।
- এ কারণে, বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী সাধারণভাবে Public Document হিসেবে গণ্য করা হয় না, কারণ এটি শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট তদন্তের অংশ হিসেবে রাখা হয় এবং সাধারণ জনগণের কাছে উন্মুক্ত থাকে না।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো "বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী"।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল।
⇒ কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
⇒ আদালতের রায় ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ রায় বিচার বিভাগীয় কাজের অংশ।
--------------
Section-74. Public documents:
The following documents are public documents:–
(1) documents forming the acts or records of the acts-
(i) of the sovereign authority,
(ii) of official bodies and tribunals, and
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country;
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
Section-75.Private documents: All other documents are private.
৮৯৩.
তামাদি আইন অনুসারে পুনঃনিরীক্ষণ [Review] এর জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা:
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।

অর্থাৎ যে আদালত ডিগ্রি প্রদান করে সেই আদালতে তামাদি আইনের ১৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউর আবেদন দায়ের করতে হবে।
৮৯৪.
ভুক্তভোগী 'ক', রফিকের বিরুদ্ধে সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নালিশ করেন। ম্যাজিস্ট্রেট এই নালিশের ভিত্তিতে রফিকের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করেন এবং প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেন। একই অপরাধের অভিযোগে থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে, যার ফলে পুলিশ ওই অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। এক্ষেত্রে ফলাফল কী হবে?
  1. পুলিশ কর্তৃক তদন্ত স্থগিত হবে
  2. যেকোনো একটি মামলা বাতিল হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন
  4. উভয় মামলা বাতিল করে নতুন করে অভিযোগ দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ এ একই অপরাধ বিষয়ে নালিশী মামলা ও পুলিশ তদন্ত চলতে থাকলে, তখন যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় তা উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশের ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুসন্ধান বা বিচারকালীন সময়ে যদি এটা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করা হয় যে- ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধের বিচার বা অনুসন্ধান শুরু করেছেন উক্ত অপরাধের বিষয়ে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত চলমান আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট-
⇒ তার অনুসন্ধান বা বিচার কার্যক্রম স্থগিত করবেন; এবং
⇒ তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নিকট হতে রিপোর্ট তলব করবেন।

এই ক্ষেত্রে একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রিত করণ এবং বিচার করা যাবে যেন উভয় মোকদ্দমা পুলিশ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

এই অবস্থায়, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ অনুসারে,
ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের অনুসন্ধান বা বিচার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন। ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নিকট থেকে রিপোর্ট সংগ্রহের আদেশ দেবেন। এতে করে একই মামলায় পুলিশ কর্তৃক সংগৃহীত সকল প্রাসঙ্গিক তথ্য আদালতের নথিতে যুক্ত হবে। পুলিশের তদন্ত শেষ হলে এবং রিপোর্ট জমা দিলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উভয় মামলাকে একত্রিত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করবেন। এটি এমনভাবে পরিচালিত হবে যেন এই দুই মামলা একই অপরাধের বিষয়ে এককভাবে তদন্তের মাধ্যমে আদালতে এসেছে। অর্থাৎ, নালিশী মামলা এবং পুলিশের রিপোর্ট উভয়ই একসাথে বিবেচনা করে বিচার সম্পন্ন করা হবে, যেন পুনরায় কোনো দ্বৈত বিচার প্রয়োজন না হয়।
৮৯৫.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান কে হন?
  1. এটর্নি জেনারেল
  2. মনোনীত আইনজীবী
  3. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
  4. সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ
ব্যাখ্যা

The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী-
১. বার কাউন্সিল ট্রাইবুনাল গঠন হবে ৩ সদস্যের সমন্বয়ে।
২. তিনজন সদস্যদের মধ্যে ২ জন থাকবে বার কাউন্সিলের সদস্য যারা বার কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবে।
৩. অপর একজন সদস্য হবে বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে থেকে একজন যাকে মনোনয়ন দিবে বার কাউন্সিল।
৪. তিন সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ হবেন তিনি হবেন ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান।
৫. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল কোনো ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না।

⇒ 33 (1)- The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman: Provided that the Attorney-General for Bangladesh shall not be a member of any Tribunal.

৮৯৬.
অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধির সংজ্ঞা তামাদি আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ২০ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ২২ ধারায় 
  4. ২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা

ধারা ২১: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি (Agent of persons under disability):
(১) ধারা ১৯ ও ২০-এ ব্যবহৃত “তার পক্ষে যথাযথভাবে অনুমোদিত প্রতিনিধি” (agent duly authorised in his behalf) বলতে, যদি ব্যক্তি কোনো অক্ষমতা (যেমন অপ্রাপ্তবয়স্ক, মানসিকভাবে অসক্ষম ইত্যাদি) অবস্থায় থাকে, তাহলে তার বৈধ অভিভাবক (lawful guardian), কমিটি (committee), ম্যানেজার (manager) অথবা ঐ অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক যথাযথভাবে অনুমোদিত কোনো এজেন্টকেও বোঝাবে, যে ব্যক্তি উক্ত স্বীকারোক্তিতে স্বাক্ষর করতে বা অর্থপ্রদান করতে পারে।

(২) উল্লিখিত ধারাগুলির কোনো কিছুই এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না যাতে একাধিক যৌথ ঠিকাদার (joint contractor), অংশীদার (partner), নির্বাহক (executor) বা বন্ধকগ্রহীতাদের (mortgagee) মধ্যে একজন কেবলমাত্র অন্যদের দ্বারা (অথবা তাদের এজেন্টদের দ্বারা) স্বাক্ষরিত কোনো লিখিত স্বীকারোক্তি বা প্রদত্ত অর্থের কারণে দায়ী (chargeable) হয়ে যায়।

(৩) উল্লিখিত ধারাগুলির প্রয়োজনে—

(ক) কোনো দায়ের ক্ষেত্রে, যদি কোনো হিন্দু বিধানাধীন বিধবা (widow) বা অন্য কোনো সীমিত মালিক (limited owner) স্বয়ং অথবা তার যথাযথভাবে অনুমোদিত এজেন্টের মাধ্যমে কোনো স্বীকারোক্তিতে স্বাক্ষর করেন বা অর্থপ্রদান করেন, তবে তা পরবর্তী উত্তরাধিকারী (reversioner)-এর বিরুদ্ধেও বৈধ স্বীকারোক্তি বা প্রদেয় হিসেবে গণ্য হবে।

(খ) যদি কোনো দায় হিন্দু যৌথ পরিবার (Hindu Undivided Family) কর্তৃক বা তার পক্ষে গৃহীত হয়, তবে পরিবারের তৎকালীন ব্যবস্থাপক (manager) বা তার যথাযথভাবে অনুমোদিত এজেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত স্বীকারোক্তি বা অর্থপ্রদান পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে প্রদত্ত বলে গণ্য হবে।

৮৯৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন প্রেরিত পরোয়ানা জারির খরচ সাধারণত কে বহন করে?
  1. আদালত
  2. মোকদ্দমার উভয় পক্ষ
  3. পরোয়ানা প্রেরণকারী পক্ষ
  4. যার বিরুদ্ধে পরোয়ানা প্রেরণ করা হয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৮ বিধি-১: পরোয়ানা প্রেরণকারী পক্ষের খরচেই জারি করতে হবে:

১) এই কোডের অধীনে যদি অন্যরূপ নির্দেশ প্রদান না করে তাহলে যে পক্ষের মাধ্যমে যাবতীয় পরোয়ানা প্রদত্ত হবে, সে পক্ষের খরচায় তা জারি করা হবে।
২) জারির খরচঃ একই ধরণের জারির জন্য ধার্য্যকৃত কোর্ট ফি পরোয়ানা প্রদানের পূর্বে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

Rule.-1: Process to be served at expense of party issuing.-
1) Every process issued under this Code shall be served at the expense of the party on whose behalf it is issued unless the Court otherwise directs.
2) Costs of service: The court-fee chargeable for such service shall be paid within a time to be fixed before the process is issued.
৮৯৮.
আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার _______ মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, অন্যথায় মোকদ্দমা খারিজ হবে।
  1. ৩ বছরের
  2. ৫ বছরের
  3. ১ বছরের
  4. ৬ বছরের
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৬, ৭, ৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। যে ব্যক্তির মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয়েছে সে যদি উক্ত সময় মামলা করতে আইনগতভাবে অপারগ থাকে, তাহলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে তা ৬ থেকে ৯ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। 

তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority]
২. উন্মাদ [Insanity]
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]

• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

• ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মোকদ্দমা খারিজ হবে।
৮৯৯.
'The Appointment of Receivers' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কত ধারার বিধান?
  1. ৩৫
  2. ৪২
  3. ৪০
  4. ৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে।
অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।
রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধানতত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:- প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
--------------------
⇒ SR Act Section-44. Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure.
- The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
- The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৯০০.
বিবাদী সর্বমোট কত কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন লিখিত জবাব দাখিলের জন্য?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ২০ কার্যদিবস
  3. ৩০ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ বিবাদীর সমন প্রাপ্তির পর ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, আদালত আরো ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় দিতে পারে। লিখিত জবাব দাখিলের জন্য বিবাদী সর্বমোট ৬০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন।

⇒ বিবাদী যদি ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মামলাটি একতরফা নিষ্পত্তি হবে। বিবাদী লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হয়ার কারণে একতরফা নিষ্পত্তি করলে আপিল করা যাবে।

⇒ সাক্ষ্য হিসাবে দাবির সমর্থনে ব্যবহারের জন্য বিবাদীর দখলে থাকা দলিলসমূহ লিখিত জবাব পেশ করার সময় আদালতে হাজির করবেন এবং তখন দলিলগুলো লিখিত জবাবের সাথে নথিভুক্ত করবেন। তবে উক্ত দলিল দখলে না থাকলে, সেক্ষেত্রে লিখিত বিবৃতির সাথে দলিলাদির তালিকা অন্তর্ভুক্ত করবেন এবং উক্ত দলিলসমূহ কার দখলে আছে তা বর্ণনা করবেন। এরুপ দলিলসমূহ লিখিত জবাব দাখিলের সময় তালিকাভুক্ত না করলে পরবর্তীতে আদালতের অনুমতি ছাড়া সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে না।