বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৮৫ / ১২৬ · ৮,৪০১৮,৫০০ / ১২,৬০৫

৮,৪০১.
আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৪১
  2. ধারা ১০২
  3. আদেশ ৪৩
  4. ধারা ১০৭
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।
৮,৪০২.
আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী সাক্ষীকে জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করছেন। এই পরিস্থিতিতে এটি-
  1. অবৈধ, কারণ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায় না।
  2. শুধুমাত্র বিচারকের অনুমতি থাকলে বৈধ।
  3. বৈধ, কারণ জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়।
  4. সাক্ষী ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের উত্তর না দিলে প্রশ্ন বাতিল হয়ে যাবে।
ব্যাখ্যা
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তাহার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাহাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয় ৷ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান মতে, বিরুদ্ধপক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দি ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না। যে-সকল বিষয় ভুমিকামূলক অথবা অবিসংবাদিত অথবা পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হইয়াছে বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই সকল বিষয় সম্পর্কে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করিবার অনুমতি আদালত অবশ্যই দিবেন।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৪৩ ধারা অনুযায়ী,
জেরা করার সময় (cross-examination) ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (leading questions) করা বৈধ।

সঠিক উত্তর: (খ) বৈধ, কারণ জেরা করার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়।
৮,৪০৩.
প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যেতে পারে -
  1. নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা
  2. ক্রোকাদেশ দ্বারা
  3. ঘোষণামূলক আদেশ দ্বারা
  4. নিলাম বিক্রির আদেশ দ্বারা
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

♦ The Specific Relief Act,1877-Section 52. Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
♦ কোন ব্যক্তি যে বেআইনী কাজ (Wrongful Act) করতে অধিকারী নয়, সেই কাজ করা, চালিয়ে যাওয়া, পুনরায় করা থেকে বিরত (Prevent) রাখতে, আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে যে আদেশ দেয় তাই নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Prevent relief).

প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা

২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এক প্রকারের প্রতিরোধমূলক বা নিরোধমূলক প্রতিকার।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) হলো সর্বত্তোম পন্থা।
৮,৪০৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় আক্রমণ (Assault) এর সংজ্ঞা আছে?
  1. ৩৪৯
  2. ৩৫০
  3. ৩৫১
  4. ২৮৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান  আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
উদাহরণ:
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে। 
-----------
Section 351: Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
Illustrations 
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
৮,৪০৫.
যদি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৫খ-এর শর্ত পূরণ করা হয়, তাইলে কম্পিউটার আউটপুট কী হিসেবে গণ্য হয়?
  1. একটি দলিল হিসেবে
  2. একটি গৌণ সাক্ষ্য হিসেবে
  3. একটি মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে
  4. একটি অপ্রমাণিত তথ্য হিসেবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৫খ(১) অনুসারে:
"কম্পিউটার থেকে প্রাপ্ত ডিজিটাল রেকর্ড (যেমন: প্রিন্টকৃত কপি, ইমেইল, ডিজিটাল ফাইল) একটি দলিল হিসেবে গণ্য হবে, যদি ধারা ৬৫খ-এর শর্তাবলী পূরণ করা হয়।"

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা 65B(1) অনুযায়ী, ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত বিশেষ বিধানে বলা আছে:
"Notwithstanding anything contained in this Act, any information contained in a digital record which is printed on a paper, stored, recorded or copied in optical or magnetic media produced by a computer (hereinafter referred to as the computer output) shall be deemed to be also a document, if the conditions mentioned in this section are satisfied in relation to the information and computer in question and shall be admissible in any proceedings, without further proof or production of the original, as evidence of any contents of the original or of any fact stated therein of which direct evidence would be admissible."
অর্থাৎ, যদি ধারা 65B-এ উল্লেখিত শর্তগুলো (যেমন কম্পিউটারের নিয়মিত ব্যবহার, তথ্যের সঠিকতা ইত্যাদি) পূরণ করা হয়, তবে কম্পিউটার আউটপুট (যেমন কাগজে মুদ্রিত তথ্য, অপটিক্যাল বা ম্যাগনেটিক মিডিয়ায় সংরক্ষিত তথ্য) একটি দলিল (document) হিসেবে গণ্য হবে। এটি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে, এবং মূল দলিল উপস্থাপনের প্রয়োজন হবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৫খ (Section 65B) অনুযায়ী,
যদি কম্পিউটারের মাধ্যমে উৎপাদিত কোনো ডিজিটাল রেকর্ড বা কম্পিউটার আউটপুট — যেমন: প্রিন্ট কপি, অপটিক্যাল ডিস্ক, বা ম্যাগনেটিক মিডিয়ায় সংরক্ষিত তথ্য — ধারা ৬৫খ-এর শর্তাবলি পূরণ করে, তাহলে তা একটি "দলিল (document)" হিসেবে গণ্য হবে এবং তা:
"মূল দলিল ছাড়াই, আদালতে সাক্ষ্যরূপে গ্রহণযোগ্য হবে।"
এতে প্রমাণের জন্য মূল তথ্য বা দলিল হাজির করার প্রয়োজন নেই — বরং কম্পিউটার আউটপুট-ই প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।
৮,৪০৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন আদালতের রেফারেন্সের ক্ষমতা আছে?
  1. জেলা জজ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ
  4. উল্লিখিত সকল আদালতের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী-
যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 113- Reference of High Court Division:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, any Court may state a case and refer the same for the opinion of the High Court Division, and the High Court Division may make such order thereon as it thinks fit.
৮,৪০৭.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী দোষ স্বীকার (Confession) কখন গ্রহণযোগ্য হয় না?
  1. যদি তা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়
  2. যদি তা ভয় বা প্রলোভনের কারণে করা হয়
  3. যদি তা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রদান করা হয়
  4. যদি তা পুলিশের সামনে কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারায় দেয়া আছে:
"দোষ স্বীকারোক্তি তখনই গ্রহণযোগ্য হইবে না যখন এইরূপ প্রতীয়মান হইবে যে, ইহা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলক আশ্বাস প্রদান করিয়া আদায় করা হইয়াছে।"
অর্থাৎ, যদি দোষ স্বীকার করানোর জন্য কোনো ভীতি দেখানো হয়, বা মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

অন্যদিকে,
যদি দোষ স্বীকার স্বেচ্ছামূলক এবং ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হয় বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশের নিকট হয়, তাহলে সেগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। তবে প্রমাণিত হলে যে স্বীকারোক্তি ভীতি বা প্রতারণার মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে, তখন তা অগ্রহণযোগ্য হবে।
--------------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 24. Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding:
A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.
৮,৪০৮.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র হতে উদ্ভূত তথ্যের ভিত্তিতে কেউ সাক্ষ্য দিতে চাইলে কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সরকারের
  3. আদালতের
  4. সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারার বিধান: রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্যঃ-কাউকেও রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রাকাশিত সরকারী দলিলপত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি প্রদান করা যাবে না। যে মত উক্ত অফিসার উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, অনুমতি সে মত নিবেন বা দেয়া হতে বিরত থাকবেন।

⇒ অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র (unpublished official records) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া কাউকে সাক্ষ্য প্রদানে বাধ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে প্রধান কর্মকর্তা অনুমতি দিতে পারেন আবার নাও পারেন।
-------------------
⇒The Evidence Act  1872, Section-123. Evidence as to affairs of State:
-No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.
৮,৪০৯.
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত আপত্তি দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত আদেশ দিতে পারে-
  1. আদালতকে সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকা খরচের
  2. অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা খরচের
  3. অপরপক্ষকে সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকা খরচের
  4. আদালতকে সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা ক্ষতিপূরণের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫খ ধারায় বিলম্বের জন্য খরচ প্রদানের বিধান রয়েছে।মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন পক্ষ কোন দরখাস্ত বা আবেদন অথবা লিখিত আপত্তি দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ ২০০০ (দুই হাজার) টাকা খরচের আদেশ দিতে পারে। লিখিত জবাব দাখিলের পূর্বেই যে দরখাস্ত করা উচিৎ ছিল সে দরখাস্তটি যদি লিখিত জবাব দাখিলের পর করা হয়, তাহলে আদালত অপর পক্ষকে অনধিক ৩০০০ (তিন হাজার) টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।

ধারা-৩৫খঃ
১) কোন মোকদ্দমা বা কার্যপ্রক্রিয়ার যে কোন স্তরে আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত কিংবা লিখিতভাবে কোন আপত্তি যদি পেশ করা না হয়, তাহলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত উক্ত পক্ষ অন্য পক্ষকে খরচা প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা লিখিত আপত্তি শুনানির নিমিত্তে গ্রহণকৃত হবে না।

২) লিখিত জবাব পেশের পর মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি এমন কোন বিষয়ে দরখাস্ত পেশ করেন, যা আদালতের মতানুযায়ী পূর্বেই পেশ করতে পারতেন বা পেশ করা সমীচীন ছিল এবং তাতে মূল মোকদ্দমার কার্যক্রমে দেরী হওয়ার সম্ভাবনা আছে তদকারণে আদালত দরখাস্ত নিবে কিন্তু তা শুনানি এবং নিষ্পত্তি করবে না, যদি না ঐ পক্ষ আদালত যেরূপে নির্দিষ্ট এবং নির্দেশ করবে এবং সেরূপে অপরপক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা খরচা দিবে এবং উক্ত খরচা দিতে না পারলে দরখাস্ত তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
৮,৪১০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় সংসদ সদস্যদের দেওয়ানি পরোয়ানায় গ্রেফতার হতে অব্যাহতির বিধান আছে?
  1. ১৩২ ধারায়
  2. ১৩৩ক ধারায়
  3. ১৩৫ ধারায়
  4. ১৩৫ক ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৫ক ধারার বিধান: দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে সংসদ সদস্যদের অব্যাহতি:
১) নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার অথবা জেলে আটক রাখা যাবে না-
ক) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের সদস্য হন, তবে সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সময়ে;
খ) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের কোন কমিটির একজন সদস্য হন, তবে এরূপ কমিটির অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; এবং এরূপ অধিবেশন বা বৈঠকের পূর্বের বা পরের চৌদ্দ দিন সময় পর্যন্ত।

২) উপ-ধারা (১) অনুসারে আটকাদেশ হতে মুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই উপ-ধারায় উল্লেখিত বিধান সাপেক্ষে পুনঃ গ্রেফতার করা যাবে এবং তিনি (১) উপ-ধারার বিধানের অধীনে মুক্ত না হলে আরও যতদিন আটক থাকতে হত, ততদিন তাকে আটক রাখা যাবে।

৮,৪১১.
ধারা ১৪৮-এর শাস্তি আরোপের প্রধান শর্ত কোনটি?
  1. সরকারি স্থানে হওয়া
  2. মারাত্মক অস্ত্র বহন করা
  3. দশের বেশি সংখ্যক লোক থাকা
  4. প্রকাশ্য স্থানে হওয়া
ব্যাখ্যা

ধারা ১৪৮ – মারাত্মক অস্ত্রসহ দাঙ্গা:
যে ব্যক্তি মারাত্মক অস্ত্র (deadly weapon) বহন করে দাঙ্গার (rioting) অপরাধে দোষী হন, অথবা এমন কোনো বস্তুসহ থাকেন যা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে মৃত্যু ঘটানোর সম্ভাবনা থাকে- তিনি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ডে (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

The Penal Code, 1860- Section- 148. Rioting, armed with deadly weapon:
Whoever is guilty of rioting, being armed with a deadly weapon or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৮,৪১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারা অনুযায়ী নাবালকের ক্ষেত্রে মুচলেকা কে প্রদান করবেন?
  1. তার শিক্ষক
  2. তার অভিভাবক
  3. তার জামিনদার
  4. সে নিজেই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার বিধান মুচলেকা প্রদানের আদেশ এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও অসদাচরণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেন

তবে শর্ত থাকে যে,
প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যে-রকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;
দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;
তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবল তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 118. Order to give security:
- If, upon such inquiry, it is proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made should execute a bond, with or without sureties the Magistrate shall make an order accordingly: 
 
Provided- 
firstly, that no person shall be ordered to give security of a nature different from, or of an amount larger than, or for a period longer than, that specified in the order made under section 112: 
secondly, that the amount of every bond shall be fixed with due regard to the circumstances of the case and shall not be excessive: 
thirdly, that when the person in respect of whom the inquiry is made is a minor, the bond shall be executed only by his sureties.
৮,৪১৩.
দন্ড প্রদানকারী আদালত কত দিনের জন্য শাস্তি রক্ষার শর্তে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. অনধিক ৬ মাস
  2. অনধিক ১ বছর
  3. অনধিক ৩ বছর
  4. অনধিক ২ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারামতে দন্ডপ্রদানকারী আদালত অর্থাৎ হাইকোর্ট, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দন্ড প্রদানের সময় দন্ডিত ব্যক্তিকে অনধিক ৩ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে। তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারনত রিভিশন ক্ষমতাবলে ১০৬ ধারামতে দন্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

♦যে দন্ডের জন্য ১০৬ ধারামতে মুচলেকার আদেশ দেয়া হয় আপিল বা অন্য কোন উপায়ে যদি উক্ত দত্ত বাতিল হয়ে যায় তাহলে উক্তরূপে সম্পাদিত মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে । আদালত যে কোন পরিমাণ অর্থের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। মুচলেকার পরিমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারন করতে হবে তবে কোনভাবেই অত্যধিক হবে না।
৮,৪১৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২৬ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা
  2. স্বীকৃত ঘটনার প্রমাণ
  3. সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা
  4. পেশাগত বার্তার গোপনীয়তা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) পেশাগত বার্তার গোপনীয়তা।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১২৬ মূলত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিলের (অ্যাডভোকেট) সঙ্গে তাদের মক্কেলের মধ্যকার পেশাগত যোগাযোগের গোপনীয়তা সংরক্ষণ করে। এই ধারা অনুযায়ী, একজন আইনজীবী তার মক্কেলের কাছ থেকে যে তথ্য বা পরামর্শ পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় পেয়েছেন, তা মক্কেলের সম্মতি ছাড়া আদালতে প্রকাশ করতে পারবেন না। এটি শুধু কথাবার্তা নয়, বরং যেকোনো ডকুমেন্ট বা দলিলের বিষয়বস্তুও গোপন রাখতে হয়। এমনকি এই গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা নিযুক্তি শেষ হওয়ার পরেও অব্যাহত থাকে।
তবে দুটি ব্যতিক্রম আছে:
১. যদি সেই বার্তা অবৈধ উদ্দেশ্যে আদান-প্রদান হয়ে থাকে, অথবা
২. যদি উকিল দেখেন যে নিযুক্তির পরে কোনো অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হয়েছে, তবে তা গোপন রাখার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদনকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।
তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহতি দিবেন না।
(১) বেআইনি উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 126 Professional communications:
- No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment:
Provided that nothing in this section shall protect from disclosure–
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose:
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment.
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client.
Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.
৮,৪১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭, বিধি ১(৭) অনুযায়ী, মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির কত দিনের মধ্যে পুনর্বহালের জন্য আবেদন করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ২১ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ১৪ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭, বিধি ১(৭) অনুসারে, যদি কোনো পক্ষের অনুপস্থিতি বা অবমাননার কারণে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তাহলে সেই পক্ষকে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে আদালতে আবেদন করতে হবে এবং ২,০০০ টাকা খরচা জমা দিতে হবে, অন্যথায় মামলাটি পুনর্বহাল করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১(৭): উপ-বিধি (৩) কিংবা (৪) এর অধীন মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে তা শুনানির নিমিত্তে পুনর্বহাল করা হবে না, যদি না যার অমান্যের কারণে মোকদ্দমাটি খারিজ হয় কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তিনি খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে তা পুনর্বহালের আবেদনের সঙ্গে আদালতে দুই হাজার টাকা ব্যায়াদির খরচা জমা প্রদান করেন; এবং অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য কার্যধারা ছাড়িয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করা হবে এবং জমাকৃত খরচা অন্য পক্ষকে দিতে হবে।
------------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-17 Rule-1(7)- A suit dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (3) or (4) shall not be revived for hearing unless the party, for whose noncompliance the suit was dismissed or dispossed of ex parte, makes within thirty days of such dismissal or ex parte, disposal, an application fogether with cost of two thousand taka into Court for such revival; and upon such application being made, the suit shall be revived for bearing without any further proceeding, and cost deposited into Court shall be paid to the other party.
৮,৪১৬.
"Power of the Supreme Court to make rules" এটি দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ১২১
  2. ১২২
  3. ১২৩
  4. ১২৪
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১২২ ধারা - বিধি প্রণয়নে সুপ্রীমকোর্টের ক্ষমতা:
- সুপ্রীমকোর্ট সময় সময়ে সুপ্রীম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের ও ইহার নিয়ন্ত্রণাধীন দেওয়ানী আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণকালে পূর্বকালীন প্রকাশনার পরে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন এবং এরূপ প্রণীত বিধি দ্বারা প্রথম তফশীলের সকল বা যে কোন বিধি বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারবেন।
---------
→ The Code of Civil Procedure, 1908 Section- 122. Power of the Supreme Court to make rules.
- The Supreme Court may, from time to time after previous publication, make rules regulating the procedure of each Division of the Supreme Court and the procedure of Civil Courts subject to its Superintendence and may by such rules annul, alter or add to all or any of the rules in the First Schedule.
৮,৪১৭.
"__________" under this section shall include also compromise in part of the disputes in the suit.
  1. Mediation
  2. Arbitration
  3. Conciliation
  4. Compromise
ব্যাখ্যা
"Compromise" under this section shall include also compromise in part of the disputes in the suit.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারার ব্যাখ্যা-১:
- এই ধারার অধীনে “মধ্যস্থতা” বলতে বুঝাবে নমনীয়তা, অনানুষ্ঠানিক অবাধ্যতামূলক, গোপনীয়তা, অ-প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং সমঝোতামূলক বিরোধ নিস্পত্তির পদ্ধতি যার দ্বারা মধ্যস্থতাকারী মীমাংসার কোন শর্ত নির্দেশ না করে বা তত্সম্পর্কে আদেশ প্রদান না করে পক্ষগণের মধ্যেকার বিরোধগুলো নিষ্পত্তির সুযোগ করে দিবেন।
- এই ধারার অধীন “মীমাংসা” মোকদ্দমার বিরোধগুলোর আংশিক মীমাংসাও অন্তর্ভুক্ত করবে।
----------
CPC Section 89A:
Explanation-(1) "Mediation" under this section shall mean flexible, informal, non-binding, confidential, non-adversarial and consensual dispute resolution process in which the mediator shall facilitate compromise of disputes in the suit between the parties without directing or dictating the terms of such compromise. 
 
(2) "Compromise" under this section shall include also compromise in part of the disputes in the suit.
৮,৪১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুসারে, প্রতিরোধমূলক প্রতিকার কীভাবে প্রদান করা হয়?
  1. সম্পত্তি ফেরতের মাধ্যমে
  2. ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে
  3. নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
  4. চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুসারে, প্রতিরোধমূলক প্রতিকার সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রদান করা হয়।
- এটি এমন একটি প্রতিকার, যা আদালত একটি পক্ষের পক্ষ থেকে আরেক পক্ষকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করতে বা না করতে আদেশ দেয়।
- প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মূলত এমন ধরনের ক্ষতি বা দখল বা অন্য কোনো অবৈধ কাজ রোধ করার জন্য দেওয়া হয় যা পরবর্তীতে আর্থিকভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া সম্ভব নয়।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন ব্যক্তি অন্যের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করতে থাকে, আদালত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সেই কাজ বন্ধ করতে পারে।
- এই ধরনের প্রতিকার সাধারণত অস্থায়ী বা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রদান করা হয়, যা প্রতিপাদিত পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ থেকে বিরত রাখে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 52. Preventive relief how granted
- Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
৮,৪১৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান অনুযায়ী দুজন ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য তৃতীয় একজন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫০ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫০ ধারার বিধান: আত্মীয়তা সম্পর্কে মতামত যখন প্রাসঙ্গিক (Opinion on relationship, when relevant) : যখন এক ব্যক্তির সাথে অপর এক ব্যক্তির সম্পর্কের ব্যাপারে আদালতকে অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন পরিবারের সদস্য হিসাবে অথবা অন্যভাবে এই ব্যাপারে যার জ্ঞানলাভের বিশেষ সুযোগ আছে উক্ত সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কে তার আচরণের মাধ্যমে যে মতামত ব্যক্ত হয়, তা প্রাসঙ্গিক বিষয়।
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির সাথে অন্য কোন ব্যক্তির আত্মীয়তার সম্পর্কের ব্যাপারে বিশেষ জ্ঞান আছে এমন কোন তৃতীয় ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, তালাক আইনের কোন মামলায় বিবাহ প্রমাণ করার জন্য অথবা দণ্ডবিধির ৪৯৪, ৪৯৫,৪৯৭ বা ৪৯৮ ধারার কোন ফৌজদারি মামলায় এরূপ অভিমত যথেষ্ট বিবেচিত হবে না।

----------
⇒  Opinion on relationship, when relevant:
Section 50. When the Court has to form an opinion as to the relationship of one person to another the opinion, expressed by conduct, as to the existence of such relationship, of any person who, as a member of the family or otherwise, has special means of knowledge on the subject, is a relevant fact: 
 
Provided that such opinion shall not be sufficient to prove a marriage in proceedings under the Divorce Act, or in prosecutions under section 494, 495, 497 or 498 of the Penal Code.
৮,৪২০.
'A' জানে যে 'B', 'Z' কে হত্যা করেছে, তবুও 'B' কে শাস্তি হতে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে 'Z' এর মৃতদেহ লুকিয়ে ফেলতে 'A', 'B' কে সাহায্য করে। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অনুসারে 'A' শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ২০১
  2. ২০২
  3. ৩০২
  4. ৩০৪
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ২০১-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা ধারাটির উদাহরণ (Illustration) হিসেবেও উল্লেখিত আছে।
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২০১ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে জেনেশুনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, অপরাধীকে শাস্তি থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে অপরাধের সাক্ষ্য (যেমন: মৃতদেহ) অদৃশ্য করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সে শাস্তিযোগ্য। এখানে 'A'-এর কাজ (মৃতদেহ লুকিয়ে সাহায্য করা) হত্যার সাক্ষ্য অদৃশ্য করার অপরাধ, যা ধারা ২০১-এর উদাহরণের মতোই।
শাস্তি: হত্যার মতো মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধকারীকে গোপন করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-
-যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):-
যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imrisonment for life):-
এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with less thatn ten year’s imprisonment):-
এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোনো দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
'খ', 'চ'-কে খুন করেছে জানা সত্ত্বেও 'ক', 'খ'-কে সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে 'খ'-কে 'চ' এর মৃতদেহটি লুকিয়ে ফেলিতে সহায়তা করে। 'ক' সাত বৎসর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 201. Causing disappearance of evidence of offence, or giving false information to screen offender- if a capital offence; if punishable with imprisonment for life; if punishable with less than ten years’ imprisonment:
Whoever, knowing or having reason to believe that an offence has been committed, causes any evidence of the commission of that offence to disappear, with the intention of screening the offender from legal punishment, or with that intention gives any information respecting the offence which he knows or believes to be false,
shall, if the offence which he knows or believes to have been committed is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with [imprisonment for life], or with imprisonment which may extend to ten years, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with imprisonment for any term not extending to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of the imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both.

Illustration:
A, knowing that B has murdered Z, assists B to hide the body with the intention of screening B from punishment. A is liable to imprisonment of either description for seven years, and also to fine.

৮,৪২১.
দণ্ড কার্যকরের পর পরোয়ানা কার বরাবর ফেরত দেয়া হবে?
  1. ইস্যুকারী আদালত বরাবর
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তা বরাবর
  3. সম্পাদনকারী অফিসার বরাবর
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০০- দণ্ড কার্যকর করার পর ফেরত
যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন।

Section 400- Return of warrant on execution of sentence
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed.
৮,৪২২.
মৃত্যুজনিত কারণে কোন মোকদ্দমা বাতিল বা খারিজ হলে, উক্ত খারিজ আদেশ সরাসরি রহিতকরণের জন্য আদালত কত টাকা খরচের আদেশ দিতে পারে?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
আদেশ ২২ বিধি-৯ক: বাতিল বা খারিজ সরাসরি রহিতকরণ:

বিধি ৯ বা অন্য কোন কোন আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, বাতিল বা খারিজের ষাট দিনের মধ্যে যদি কোন মৃত বাদির আইনগত প্রতিনিধি বা স্বত্বনিয়োগী বা কোন দেউলিয়া বাদির রিসিভার এই আইনের অধীন বাতিল বা খারিজের কোন আদেশকে রহিতকরণের নিমিত্তে আবেদন করে থাকেন, তাহলে আদালতে বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে, বিধি ৯ এর অধীন বর্ণিত বাদিকে যথেষ্ট কারণ বিষয়ে প্রমাণ করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না প্রদান করে এরূপ বাতিল বা খারিজ সরাসরি রহিত করতে পারেন, তবে আদালত উপযুক্ত মনে করলে তাকে অনধিক তিন (৩) হাজার টাকার খরচা প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারেন।
৮,৪২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশগুলো পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. হাই কোর্ট
  4. জজ কোর্ট
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন ও সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে সংবিধানে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটাকে খর্ব করা হয়নি। কারণ সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন।
৮,৪২৪.
Which article of The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 ensures that no woman shall be disqualified from becoming an advocate based on her sex?
  1. Article 25
  2. Article 26
  3. Article 28
  4. Article 30
ব্যাখ্যা
Article 28 of The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972:

"No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex."
"কোনো নারী তার লিঙ্গের কারণে অ্যাডভোকেট হিসেবে গৃহীত হওয়ার অযোগ্য হবে না।"
৮,৪২৫.
The Civil Courts Act, 1887-এর ৩৮ ধারাটি কোন আইনি নীতির প্রতিফলন ঘটায়?
  1. Res judicata
  2. Audi alteram partem
  3. Ub jus ibi remedium
  4. Nemo judex in causa sua
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
- এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887- Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.

৮,৪২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারা কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. সাধারণ সাক্ষীর জবানবন্দি
  2. পুলিশ সাক্ষীর জবানবন্দি
  3. বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর জবানবন্দি
  4. চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ অনুযায়ী, সিভিল সার্জন বা অন্যান্য চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি, যা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বা কমিশনের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়, তাকে আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়, যদিও সাক্ষীকে সরাসরি ডাকা না হয়। এছাড়া, আদালত প্রয়োজনে ঐ চিকিৎসককে সমন করে তার জবানবন্দির বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারে। তাই এই ধারা বিশেষভাবে চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ ও ব্যবহার সম্পর্কে বিধান দেয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।
(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.
Power to summon medical witness
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.
৮,৪২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোনটি 'গ্রেফতারের জন্য ' আবশ্যক?
  1. হাতকড়া পড়ানো
  2. সবরকম চলাফেরায় বাধা দেওয়া
  3. দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করা
  4. জেল খানায় আটকে রাখা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
♦ গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান গ্রেফতারের পদ্ধতি: (১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধঃ এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
৮,৪২৮.
Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a __________under Code of Criminal Procedure,1898.
  1. Executive Magistrate
  2. Judicial Magistrate
  3. Special Magistrate
  4. Specially empowered Magistrate
ব্যাখ্যা
• Code of Criminal Procedure,1898-এ কোথাও শুধু 'Magistrate' শব্দ থাকলে তা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) নির্দেশ করবে।

• ৪ক ধারায় বলা আছে যে-

Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.
অর্থাৎ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ করবে এবং সহকারী দায়রা জজ বলতে যুগ্ম দায়রা জজকে নির্দেশ করবে।
৮,৪২৯.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী আত্মহত্যার সহায়তাকরণের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860: Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৮,৪৩০.
'Accomplice' সাক্ষ্য আইনে কী অর্থে ব্যবহার হয়?
  1. দুষ্কর্মের সহযোগী
  2. তদন্তকার্যের সহযোগী
  3. সরল মনে বিশ্বাসকারী
  4. ইচ্ছাকৃত প্রতারণাকারী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।

Section-133- Accomplice: 

An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৮,৪৩১.
ধারা ৩৪৯ অনুযায়ী, যদি কেউ অন্যের বাহিত দ্রব্যের গতি পরিবর্তন করে, তাহলে সেই ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হবে?
  1. আঘাত
  2. বলপ্রয়োগ
  3. ক্ষতিসাধন
  4. আক্রমণ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-

তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত: তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত: কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত: কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।

Section 349: Force:
A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:

Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৮,৪৩২.
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কত প্রকার শ্রেণী বিদ্যমান?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ৪ প্রকার শ্রেণী বিদ্যমান। সেগুলো হলো: 
১) মেট্রোপলিটন এলাকায় চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Metropolitan Magistrate) এবং অন্যান্য এলাকায় চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate);
২) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট (মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নামে পরিচিত);
৩) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
৪) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, section-6: Classes of Criminal Courts:
(3) There shall be four classes of Judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
৮,৪৩৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাইয়ে Certifying Authority-এর মতামতকে প্রাসঙ্গিক তথ্য বলা হয়েছে?
  1. ৪৫ক
  2. ৪৭ক
  3. ৬৫ক
  4. ৮৫ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ক (Section 47A)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, যখন আদালতকে কোনো ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন যে Certifying Authority ঐ ব্যক্তির Digital Signature Certificate জারি করেছে, তার মতামত একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য (relevant fact) বলে গণ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
--------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 47A. Opinion as to digital signature where relevant.- When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.

৮,৪৩৪.
'ক' একটি জমির দখলে আছে। 'খ' দাবি করে 'ক' উক্ত জমির মালিক না। এখানে 'ক' যে উক্ত জমির মালিক না তা প্রমাণের দাযয়িত্ব-
  1. 'ক' এর উপর
  2. 'খ' এর উপর
  3. দখলকারীর উপর
  4. সরকারী অ্যাডভোকেটের উপর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:- যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
-----------
Section-110. Burden of proof as to ownership: When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
৮,৪৩৫.
'A' একটি চুরি করা ল্যাপটপ 'B'-এর কাছে নিয়ে আসে। 'B' জানে যে ল্যাপটপটি চুরি করা। পুলিশের হাত থেকে 'A' কে বাঁচাতে, 'B' ইচ্ছাকৃতভাবে ওই ল্যাপটপটি তার ঘরের মেঝেতে লুকিয়ে রাখে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, 'B'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে? 
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদ
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ 'B'-এর কাজটি দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪-এর আওতায় পড়ে। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কোনো সম্পত্তি লুকানো, অপসারণ বা নিষ্পত্তি করতে সাহায্য করে, যে সম্পত্তি সম্পর্কে তার জানা আছে বা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে যে সেটি চুরিকৃত, তবে সে এই ধারায় শাস্তিযোগ্য হবে। শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), বা অর্থদণ্ড, বা উভয়ই।
- সুতরাং, 'B' ধারা ৪১৪-এর অধীনে দোষী সাব্যস্ত হলে তার শাস্তি সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে (voluntarily), চুরিকৃত সম্পত্তি লুকানো, অপসারণ বা বিক্রয়ে সহায়তা করে, এ সময় জানে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে সম্পত্তিটি চুরিকৃত, তাহলে তার শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 414: Assisting in concealment of stolen property: Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৮,৪৩৬.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত সংশোধনের আবেদন করতে হয় কোন ধারার বিধান অনুসারে?
  1. আদেশ ৬ রুল ১৭
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৩ ধারা
  4. ১৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ১৫৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের সংশোধনের সাধারণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আদেশ ৬ রুল ১৭ অনুসারে আরজি ও লিখিত বর্ণনা সংশোধনের বিধান আছে। অন্যান্য দরখাস্ত ১৫৩ ধারার ক্ষমতাবলে সংশোধন করা যায়।
৮,৪৩৭.
ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য দিতে চাইলে প্রথমে কী প্রয়োজন?
  1. পুলিশের অনুমতি
  2. আদালতের অনুমতি
  3. তদন্ত কর্মকর্তার লিখিত আবেদন
  4. পক্ষদ্বয়ের অনুমতি
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান: শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
৮,৪৩৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Mandatory injunctions' এর বিধান আছে?
  1. ৫২
  2. ৫৪
  3. ৫৫
  4. ৫৭
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসংগত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে।
⇒ SR Act Section-55.Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts. 
------------------------------
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার বিধান: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
- যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
৮,৪৩৯.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২৭ক কোন ধরনের চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. বন্ধকী চুক্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি
  3. স্থাবর সম্পত্তির লিজ চুক্তি
  4. অস্থাবর সম্পত্তির দানপত্র
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা বিধান স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান:
এই অধ্যায়ের বিধানাবলির অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজ গ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।
তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
এই ধারা ১লা এপ্রিল, ১৯৩০ এর পরে সম্পাদিত ভাড়ার চুক্তিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:
Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and
(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract:
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
This section applies to contracts to lease executed after the first day of April, 1930.
৮,৪৪০.
মামলার বিষয়বস্তুতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন ধরনের ব্যক্তির স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক?
  1. মালিকানাধারী ব্যক্তির
  2. আর্থিক স্বার্থের অধিকারী ব্যক্তির
  3. ক ও খ উভয়ের
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারামতে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে। যথা-

ⅰ)) মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধির স্বীকৃতি;
ii) প্রতিনিধিত্বমূলক মামলার ক্ষেত্রে মামলার বাদী বা বিবাদীর প্রতিনিধি হিসেবে প্রদত্ত স্বীকৃতি;
iii) মামলার বিষয় বস্তুতে মালিকানা বা আর্থিক স্বার্থের অধিকারী ব্যক্তিদের বক্তব্য অথবা তাদের নিকট থেকে স্বার্থ প্রাপ্ত ব্যক্তিতে বক্তব্য অর্থাৎ মামলার বিষয়বস্তুতে কোনভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বীকৃতি; অথবা
iv) মামলার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে যার অবস্থান বা দায় রয়েছে তেমন ব্যক্তির স্বীকৃতি বা বক্তব্য।

Section- 18:
Admission -by party to proceeding or his agent-
Statements made by a party to the proceeding, or by an agent to any such party, whom the Court regards, under the circumstances of the case, as expressly or impliedly authorized by him to make them, are admissions.

by suit or in representative character-
Statements made by parties to suits suing or sued in a representative character, are not admissions, unless they were made while the party making them held that character.

by party interested in subject-matter;Statements made by–
(1) persons who have any proprietary or pecuniary interest in the subject-matter of the proceeding, and who make the statement in their character of persons so interested, or

by person from whom interest derived-
(2) persons from whom the parties to the suit have derived their interest in the subject-matter of the suit, are admissions, if they are made during the continuance of the interest of the persons making the statements.
৮,৪৪১.
বাংলাদেশে ব্যক্তিগত দলিলের সরকারি রেকর্ড কী হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ব্যক্তিগত দলিল
  2. সরকারি দলিল
  3. অস্থায়ী দলিল
  4. গোপনীয় দলিল
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪(২) অনুসারে, বাংলাদেশে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের সরকারি রেকর্ড (public records of private documents) পাবলিক ডকুমেন্ট (সরকারি দলিল) হিসেবে গণ্য হয়। যদিও মূল দলিলটি ব্যক্তিগত, তবে যখন তা সরকারি রেজিস্টার বা রেকর্ডে সংরক্ষিত হয় (যেমন রেজিস্ট্রি করা দলিল, আদালতের নথিভুক্ত কাগজপত্র ইত্যাদি), তখন সেগুলো পাবলিক ডকুমেন্টের মর্যাদা পায়।

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) সরকারি দলিল। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-74. Public documents:
The following documents are public documents:–
(1) documents forming the acts or records of the acts-
(i) of the sovereign authority,
(ii) of official bodies and tribunals, and
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country;
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৮,৪৪২.
'গ' রাজপথে 'চ' কে পেয়ে পিস্তল দেখিয়ে 'চ' এর নিকট অর্থ দাবি করায় 'চ' তার নিকট থাকা অর্থ 'গ' এর নিকট সমর্পণ করে। এখানে 'গ' কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ-
  1. Theft
  2. Extortion
  3. Robbery
  4. Dacoity
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৮৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির ইচ্ছাকৃতভাবে তাহার বা অন্য কারও ক্ষতির ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত বা সাক্ষরিত বা সীলমোহরকৃত যা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরিত হয় তাহা হস্তান্তরে বাধ্য করে, সেই ব্যক্তি বলপূর্বক গ্রহণ বা আদায় (Exortion) করে। এখানে 'গ' বলপূর্বক গ্রহণ (Exortion) করে। কারণ সে 'চ' কে পিস্তলের ভয় দেখিয়ে অর্থ সমর্পণে বাধ্য করেছে।

সাধারণ ভাষায় বলা যায়, ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তিকে ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে সম্পত্তি গ্রহণ করাকে জোরপূর্বক গ্রহণ (Extortion) বলা হয়।

বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি :
দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারা মোতাবেক যে ব্যক্তি জোরপূর্বক গ্রহণের অপরাধ করে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৮,৪৪৩.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় নিম্নলিখিত কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. বিবাহের বৈধতা
  2. সন্তানের বৈধতা
  3. বিবাহ বিচ্ছেদের বৈধতা
  4. দত্তক নেয়ার বৈধতা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা: সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ-
কোনো ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অবিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।

সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমানের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারামতে বৈধ বিবাহ বলবৎকালে অথবা বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পর মাতা অবিবাহিত থাকা অবস্থায় বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে কোন সন্তানের জন্ম হলে তাকে ঐ পিতা-মাতার বৈধ সন্তান হিসেবে চূড়ান্ত প্রমান বলে গন্য করা হয়। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারামতে কোন সন্তান বৈধ বলে অনুমান করা হবে যদি-
i) বিবাহ থাকাকালীন অবস্থায় উক্ত সন্তান জন্ম গ্রহণ করে, অথবা
ii) বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে উক্ত সন্তান জন্মগ্রহণ করে এবং উক্ত সময়ে সন্তানটির মাতা অবিবাহিত থাকে।
৮,৪৪৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারায় কী সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরের বিধান রয়েছে?
  1. অবৈধ চুক্তি
  2. সংশোধিত চুক্তি
  3. অনিবন্ধনকৃত চুক্তি
  4. সংশোধিত দলিল
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।

Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.

Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
৮,৪৪৫.
'সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদান'- কোন ধরনের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার?
  1. প্রতিরোধমূলক
  2. নিষেধাত্মক
  3. আদেশাত্মক
  4. নিরোধমূলক
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

৫ ধারার (ক), (খ), (ঘ) এবং (ঙ) অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে, ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার। অর্থাৎ 'সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদান' আদেশাত্মক প্রতিকার।

Section 5- Specific relief how given: Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
৮,৪৪৬.
দেওয়ানী মামলার আরজি সমর্থিত হতে হবে-
  1. হলফনামা দ্বারা
  2. সত্যপাঠ দ্বারা
  3. এফিডেভিট দ্বারা
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ আদেশ-বিধি ১৫ মতে- দেওয়ানি মামলার আরজি সমর্থিত হতে হবে সত্যপাঠ দ্বারা। সত্যপাঠে প্লিডিংস এর অনুচ্ছেদ সংখ্যা উল্লেখ থাকে, সম্পাদনকারীর স্বাক্ষর থাকে এবং সম্পাদনের তারিখ ও স্থান উল্লেখ থাকে। সত্যপাঠ করেন সাধারণত পক্ষ বা পক্ষগণের একজন।
৮,৪৪৭.
ডিক্রি প্রদানকারী আদালত হতে অন্য আদালতে ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য ডিক্রি স্থানান্তর করতে পারে?
  1. ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে
  2. ডিক্রি দানকারী আদালতের নিজের ইচ্ছায়
  3. দায়িকের আবেদনক্রমে
  4. 'ক' এবং 'খ'
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ ধারার বিধান: ডিক্রি জারির জন্য স্থানান্তর:
কোন ডিক্রিদানকারী আদালত  নিজের ইচ্ছায়  বা ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে উক্ত ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য অন্য আদালতে প্রেরণ করতে পারে।
ক. যার বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে তিনি যদি উক্ত অন্য আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে স্বেচ্ছায় বসবাস করে কিংবা ব্যবসা পরিচালনা করে;
খ. যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে ডিক্রির দাবি পূরণের জন্য পর্যাপ্ত সম্পত্তি না থাকলে এবং অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমায় তার সম্পত্তি থাকে;
গ. ডিক্রিতে ডিক্রি দানকারী আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাহিরে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা প্রদানের জন্য নির্দেশ থাকলে;
ঘ. ডিক্রি দানকারী অন্য কোন কারণে ডিক্রিটি অন্য আদালতে প্রেরণ করা প্রয়োজনীয় মনে করলে। 
২) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন কোন অধঃস্তন আদালতে তা জারির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
৮,৪৪৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৫১০ অনুযায়ী নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির শাস্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ কত?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ১০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারায় নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি যদি প্রকাশ্যে অসদাচরণ করে, তাহলে তাকে চব্বিশ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অধিকতম ১০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘণ্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
৮,৪৪৯.
একজন আইনজীবী সাধারণত অন্য কোনো পেশা বা ব্যবসা পরিচালনা করবেন না- এটি কার প্রতি আইনজীবীর দায়িত্ব?
  1. আদালত
  2. সাধারণ জনগণ
  3. মক্কেল
  4. অন্যান্য আইনজীবী
ব্যাখ্যা

• 'একজন আইনজীবী সাধারণত অন্য কোনো পেশা বা ব্যবসা পরিচালনা করবেন না'- এটি সাধারণ জনগণের প্রতি আইনজীবীর দায়িত্ব।

⇒ "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।

অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১১ টি বিধি;
২য় অধ্যায়- একজন আইনজীবীর তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১৪ টি বিধি;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব- ৯ টি বিধি;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব- ৮ টি বিধি।

৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব:

১. হয়রানি বা বিলম্বের উদ্দেশ্যে মামলা গ্রহণ নয়:
আইনজীবী আক্রোশ বা দুষ্ট উদ্দেশ্যে কোনো মামলা গ্রহণ বা পরিচালনা করবেন না।

২. ভদ্র আচরণ ও পেশাগত সম্মান বজায় রাখা:
প্রতিপক্ষ ও সাক্ষীদের সঙ্গে ভদ্র আচরণ করবেন এবং আদালতে কোনো পক্ষপাতদুষ্ট বা ক্ষতিকর আচরণ করবেন না।

৩. অবৈধ বা হয়রানিমূলক মামলায় অংশগ্রহণ নয়:
যদি মনে করেন মামলাটি শুধুই হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, তবে তা পরিচালনা থেকে বিরত থাকবেন।

পেশাগত স্বাধীনতা বজায়:
আইনজীবী যে কোনো ক্লায়েন্ট বা মামলা গ্রহণে বাধ্য নন; কোন মামলা নেবেন তা নিজেই নির্ধারণ করবেন।
৫. আইনের মর্যাদা রক্ষা:
কোনোভাবেই আইনের লঙ্ঘন, দুর্নীতি, আদালতের অবমাননা বা জনসাধারণকে প্রতারণায় সহায়তা করবেন না।

৬. পরিচয় গোপন নয়:
সরকারি বা অন্য কর্তৃপক্ষের সামনে নিজের পরিচয় ও কার স্বার্থে এসেছেন তা প্রকাশ না করে হাজির হবেন না।

৭. বিচারকের ভূমিকায় থেকে কাজ করা বিষয়ে অংশগ্রহণ নিষেধ:
যে বিষয়ে আগে বিচারক বা সিদ্ধান্তদাতা হিসেবে কাজ করেছেন, সেখানে আইনজীবী হিসেবে নিযুক্তি গ্রহণ করবেন না।

৮. অন্যান্য পেশার সঙ্গে জড়িত না থাকা:
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী আইনজীবী অন্য ব্যবসা বা পেশার সক্রিয় অংশীদার বা কর্মচারী হবেন না।

৮,৪৫০.
দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. ২ হাজার
  2. ৫ হাজার
  3. ১০ হাজার
  4. ১৫ হাজার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান:

(১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ

(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
৮,৪৫১.
সাক্ষ্য আইনের ________ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের (Impeaching credit of witness) পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
  1. ১৫০
  2. ১৫৫
  3. ১৫৭
  4. ১৫৮
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়-
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে;
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে;
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন।

Section 155⇒ Impeaching credit of witness:
The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;
 
Explanation.– A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
৮,৪৫২.
তামাদি আইন অনুযায়ী, লিখিত কুৎসা (Libel) দ্বারা মানহানির মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ১ বছর
  3. ৬ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ২৪ অনুযায়ী, লিখিত কুৎসা (Libel) দ্বারা মানহানির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে হলে, কুৎসামূলক বিষয় প্রকাশিত হওয়ার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
- এর অর্থ, যখন কুৎসামূলক লিখিত বিষয়টি প্রকাশিত হবে, তখন সেই তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৮,৪৫৩.
বার কাউন্সিলের প্রথম সভায় কে আহ্বান করবেন ?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. বার কাউন্সিলের সচিব
  3. বার কাউন্সিলের সহ-সভাপতি 
  4. বার কাউন্সিলের সভাপতি 
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর বিধি ২৮ অনুসারে, বার কাউন্সিলের প্রথম সভা আহ্বান করবেন বার কাউন্সিলের সচিব।

⇒ বার কাউন্সিল বিধিমালা, ১৯৭২-এর বিধি ২৮ অনুযায়ী, একটি বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়া বাধ্যতামূলক। এই সভা আহ্বান করবেন বার কাউন্সিলের সম্পাদক, এবং সভায় ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।
----------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972, Rule 28: The first meeting of the Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convene such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.

৮,৪৫৪.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারামতে সন্তান বৈধতার অনুমান হবে-
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. A & B Both
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমানের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারামতে বৈধ বিবাহ বলবৎকালে অথবা বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পর মাতা অবিবাহিত থাকা অবস্থায় বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে কোন সন্তানের জন্ম হলে তাকে ঐ পিতা-মাতার বৈধ সন্তান হিসেবে চূড়ান্ত প্রমান বলে গন্য করা হয়। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারামতে কোন সন্তান বৈধ বলে অনুমান করা হবে যদি-

i) বিবাহ থাকাকালীন অবস্থায় উক্ত সন্তান জন্ম গ্রহণ করে, অথবা
ii) বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে উক্ত সন্তান জন্মগ্রহণ করে এবং উক্ত সময়ে সন্তানটির মাতা অবিবাহিত থাকে।

⇒ তবে যদি দেখানো হয় যে উক্ত সন্তান যে সময়ে গর্ভে আসে সে সময় উক্ত স্বামী ও স্ত্রীর একে অন্যের নিকট গমনের সুযোগ ছিলনা, তাহলে সন্তানটি উক্ত মায়ের স্বামীর বৈধ সন্তান বলে গন্য হবে না। অর্থাৎ "Presumption of Paternity" খন্ডনযোগ্য এবং এটি non-access প্রমাণের মাধ্যমে খন্ডন করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা অনুযায়ী সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার ছড়ান্ত প্রমাণঃ কোন ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অভিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।

-----------------
⇒ Birth during marriage conclusive proof of legitimacy:
Section 112. The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.
৮,৪৫৫.
দন্ডবিধি অনুসারে কত বছরের কম বয়স্ক শিশুর কর্মকান্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে না?
  1. ৭ বছর
  2. ৮ বছর
  3. ৯ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারামতে ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ সম্পন্ন (immature understanding) শিশুর কাজ অপরাধ নয় ।
♦ তবে পরিপক্কতা অর্জন করলে অর্থাৎ কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে উক্ত ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক শিশুর কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।
♦ দন্ডবিধির ৮২ ধারা অনুযায়ী ৯ বছরের কম বয়স্ক কোন শিশুর কার্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হয় না। এবং ৮৩ ধারা অনুযায়ী ৯ বছরের বেশী কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিনত বোধ সম্পন্ন শিশুর কোন কার্যই অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
♦ অর্থাৎ দন্ডবিধি অনুসারে ৯ বছরের কম বয়স্ক শিশুর কর্মকান্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে না।
৮,৪৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা কখন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. জারির তারিখ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত।
  2. শুধুমাত্র জারির বছরের শেষ পর্যন্ত।
  3. যতক্ষণ না আদালত বাতিল করে বা কার্যকর হয় 
  4. যতক্ষণ না বাদী পক্ষ পরোয়ানা প্রত্যাহারের আবেদন করে।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৭৫(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "এইরূপ প্রত্যেক পরোয়ানা যতক্ষণ না এটি ইস্যুকারী আদালত কর্তৃক বাতিল করা হয় অথবা যতক্ষণ না এটি কার্যকর (গ্রেফতার) করা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।"
অর্থাৎ গ্রেফতারি পরোয়ানা বলবৎ থাকে:
- যতক্ষণ না আদালত তা বাতিল করে, অথবা
- যতক্ষণ না তা কার্যকর (গ্রেফতার সম্পন্ন) হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ - ধারা ৭৫: গ্রেফতারি পরোয়ানার ফরম ও কার্যকরতার মেয়াদ:
(১) এই সংহিতা অনুসারে কোন আদালত কর্তৃক জারিকৃত প্রত্যেক গ্রেফতারি পরোয়ানা লিখিত আকারে হতে হবে, আদালতের প্রধানের দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে, অথবা ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের ক্ষেত্রে উক্ত বেঞ্চের কোন সদস্যের দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং আদালতের সীলমোহর সংযুক্ত করতে হবে।
(২) এইরূপ প্রত্যেক পরোয়ানা যতক্ষণ না এটি ইস্যুকারী আদালত কর্তৃক বাতিল করা হয় অথবা যতক্ষণ না এটি কার্যকর (গ্রেফতার) করা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-  75. Form of warrant of arrest Continuance of warrant of arrest:
(1) Every warrant of arrest issued by a Court under this Code shall be in writing, signed by the presiding officer, or in the case of a Bench of Magistrates, by any member of such Bench, and shall bear the seal of the Court. 
(2) Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed.

৮,৪৫৭.
ক’ এর দায়ের করা মামলায় ‘খ’ এর প্রতি সমন দেওয়া হলে সমন বিনা জারিতে ফেরত আসে। ‘ক’ সমন ফেরত আসার ৪৫ দিন পর তদবীর করে এই ক্ষেত্রে?
  1. পুনরায় সময় দেওয়ার আদেশ করবে
  2. মামলা খারিজ হবে
  3. পূর্বের দেওয়া সমন জারি বলে গণ্য হবে।
  4. কোনটি না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ৯ এর বিধি ৫ অনুযায়ী বিবাদীর প্রতি যথাযথভাবে সমন জারি না হয়ে ফেরত আসলে এবং বাদী যদি ৩০দিন বা ১ মাসের মধ্যে পুনরায় নতুন করে সমন দেওয়ার আবেদন না করে, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে।
⇒ যেহেতু ‘ক’ ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন না করে ৪৫ দিন পর তদবীর করে তাই মামলা খারিজ হবে।
⇒ বিবাদীর প্রতি যথাযথভাবে সমনজারি না হওয়ার কারণে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করলে, বাদী তামাদি আইন সাপেক্ষে নতুন ভাবে মামলা দায়ের করতে পারে।
৮,৪৫৮.
'Canons of Professional Conduct and Etiquette' এর ২য় অধ্যায়ে কয়টি বিধি রয়েছে?
  1. ৮ টি
  2. ৯ টি
  3. ১১ টি
  4. ১৪ টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।

অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১১ টি বিধি;
২য় অধ্যায়- একজন আইনজীবীর তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১৪ টি বিধি;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব- ৯ টি বিধি;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব- ৮ টি বিধি।
৮,৪৫৯.
তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী কী ঘটে যদি বাদী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা দায়ের করতে ব্যর্থ হয়?
  1. মামলা স্বীকৃত হয়
  2. মামলা স্থগিত থাকে
  3. মামলা রিভিউ করা হয়
  4. মামলা বাধ্যতামূলক খারিজ হয়
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, যদি কোনো বাদী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলা, আপিল বা আবেদন দায়ের করতে ব্যর্থ হয়, তবে সেই মামলা, আপিল বা আবেদন বাধ্যতামূলকভাবে খারিজ হয়ে যাবে, এমনকি যদি বিবাদী তামাদি প্রশ্নটি প্রতিরক্ষা হিসেবে উত্থাপন না করে। এই ধারা স্পষ্টভাবে বলে যে, প্রথম তফসিলে উল্লিখিত তামাদি মেয়াদের পরে দায়েরকৃত কোনো মামলা, আপিল বা আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না ধারা ৪ থেকে ২৫-এর বিশেষ বিধান প্রযোজ্য হয়।

বিস্তারিত বিশ্লেষণ:
ধারা ৩-এর বিধান: এই ধারা তামাদি আইনের মূল নীতির প্রতিফলন ঘটায়, যা নিশ্চিত করে যে বিচারপ্রার্থীকে তার অধিকার আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ নিতে হবে। যদি বাদী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা দায়ের করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালতের কাছে মামলাটি খারিজ করা ছাড়া কোনো বিকল্প থাকে না। এটি আইনের “Equity aids the vigilant, not the indolent” নীতির প্রকাশ, যার অর্থ যিনি সতর্ক থাকেন, তিনিই ইকুইটি পান; উদাসীন ব্যক্তি পান না।
উদাহরণ: ২০ ডিএলআর (West Pakistan) ১৩৩ মামলায় আদালত বলেছেন, যদি তামাদি মেয়াদ অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তবে মামলা খারিজ হয়ে যাবে, এমনকি আরজি প্রত্যাহারের আদেশও মামলা খারিজ হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া, পরবর্তীতে একই বিষয়ে মামলা দায়ের করলে তা দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১-এর রেস জুডিকাটা নীতির দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হবে।
ব্যতিক্রম: ধারা ৪ থেকে ২৫-এর বিধান (যেমন, আদালত বন্ধ থাকা, বৈধ অপারগতা, প্রতারণা, ভুল আদালতে মামলা ইত্যাদি) প্রযোজ্য হলে তামাদি মেয়াদ বাড়ানো বা বাদ দেওয়া যেতে পারে।
- অর্থাৎ তামাদি আইনের ধারা ৩ অনুযায়ী, বাদী যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলা দায়ের করতে ব্যর্থ হয়, তবে মামলাটি বাধ্যতামূলকভাবে খারিজ হয়ে যায়। এটি তামাদি আইনের কঠোর বিধান, যা নিশ্চিত করে যে বিচার প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা বজায় থাকে।

৮,৪৬০.
নিম্নের কোনটি 'Public Document?'
  1. কবলা
  2. আরজি
  3. উইল
  4. কবিতা
ব্যাখ্যা
• সমগ্র দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document).

• ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিলঃ
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের ডিক্রি, আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং তা সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

• ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)-
সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
৮,৪৬১.
কোন দেওয়ানী মামলায় ডিক্রি প্রচারের পর কত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রস্তুত করতে হয়?
  1. ১০
  2. ২১
  3. ৩০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে। কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করা হয়।

• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ২০ বিধি ৫ (ক) অনুযায়ী-
রায় ঘোষনার তারিখ হতে ০৭ দিনের মধ্যে আদালত ডিক্রি প্রণয়ন করবেন।
৮,৪৬২.
দণ্ডবিধির অধীন এসিড দিয়ে মুখ বিকৃতকরণের সর্বোচ্চ শাস্তি কোনটি হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড 
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারা: স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুইটি চোখ উপড়ে বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা চোখ দুইটির দৃষ্টি নষ্টকরণ বা মুখমণ্ডল বা মস্তক এসিড দ্বারা বিকৃতিকরণ:
যে ব্যক্তি ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়া স্বেচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিত উপায়ে-
(ক) ৩২০ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে উভয় চক্ষুর ব্যাপারে হয় উৎপাটন দ্বারা অথবা যেকোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ কর্তৃক, কিংবা
(খ) ৩২০ ধারার ষষ্ঠ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে কোন এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

৮,৪৬৩.
থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay) এর সভাপতিত্বে যে আইন কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া করেছিল, সেই আইন কমিশন গঠন করা হয়েছিল-
  1. ১৮৩৭ সালে
  2. ১৮৩৪ সালে
  3. ১৮৫৯ সালে
  4. ১৮৬০ সালে
ব্যাখ্যা
♦ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরুপ:-
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকলে।
ii) সদস্য- মিঃ ম্যাকলিউড।
iii) সদস্য-মিঃ এন্ডারসন।
iv) সদস্য-মিঃ মিলার।

♦ ১৮৩৭ সালে এই কমিশন  দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।

♦ এ কমিশন দন্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দন্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দন্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দন্ডবিধি।
৮,৪৬৪.
জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ছয় মাসের কারাদণ্ড
  2. তিন বছরের কারাদণ্ড
  3. এক বছরের কারাদণ্ড
  4. দুই বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারার বিধান: জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করা :- যে ব্যক্তি বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে কোন ব্যক্তিকে এমন গুরুতর আঘাত করে যাতে মনুষ্যজীবন ও অন্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থ দণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------
⇒ Section 338A. Causing grievous hurt by rash driving or riding on a public way:-Whoever causes grievous hurt to any person by driving any vehicle, or riding on any public way so rashly or negligently as to endanger human life, or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৮,৪৬৫.
'ক' সরল মনে 'গ'- এর সম্পত্তি তা নিজের সম্পত্তি বলে বিশ্বাস করে, 'গ' -এর দখল হতে সে সম্পত্তি নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. চুরি করেছে বলে গণ্য হবে
  2. অসাধুভাবে গ্রহণ করেছে বলে গণ্য হবে
  3. চুরি করে নাই বলে গণ্য হবে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৮: চুরি [Theft]:

কোনো ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোনো অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। [Whoever, intending to take dishonestly any movable property out of the possession of any person without that person’s consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.]
 
ব্যাখ্যা ১ : কোনো বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে। [A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.]
 
ব্যাখ্যা ২ : যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে। [A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.]
 
ব্যাখ্যা ৩ : কোনো ব্যক্তি কোনো বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোনো বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে। [A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.]
 
ব্যাখ্যা ৪ : কোনো ব্যক্তি যেকোনো উপায়ে কোনো পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে। [A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.]
 
ব্যাখ্যা ৫ : সংজ্ঞায় উল্লি­খিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে। [The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.]

এক্ষেত্রে, যেহেতু ক অসাধুভাবে সম্পত্তিটি নিয়ে যায় নাই, সেহেতু সে চুরি করেছে বলে পরিগণিত হবে না।
৮,৪৬৬.
আত্মহত্যায় সহায়তাকারী ব্যক্তি দণ্ডপ্রাপ্ত হবে, যদি আত্মহত্যাকারীর বয়স হয়-
  1. ১৮ বছরের কম
  2. ১৮ বছরের বেশি
  3. অন্যূন ১৮ বছর
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা- আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:

কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 306- Abetment of suicide:
If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

এই ধারায় 'কোনো ব্যক্তি' বলতে যেকোনো বয়সের ব্যক্তিকে বোঝায়, নির্দিষ্ট বা নির্ধারিত কোনো বয়সের নয়। যার দরুণ সঠিক উত্তর 'ঘ' ই গ্রহণযোগ্য।
৮,৪৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় সংসদ সদস্যদের দেওয়ানি পরোয়ানায় গ্রেফতার ও আটক থেকে অব্যাহতির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১৩২
  2. ধারা ১৩৫
  3. ধারা ১৩৫ক
  4. ধারা ১৩৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩৫ক (Section 135A) অনুযায়ী, সংসদের সদস্যদের দেওয়ানি পরোয়ানায় গ্রেফতার ও আটক থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সময় সংসদের কোনো সদস্যকে গ্রেফতার বা আটক রাখা যাবে না।
- একইভাবে, সংসদের কোনো কমিটির অধিবেশন চলাকালীন সময় এবং সেই অধিবেশনের পূর্ব ও পরবর্তী ১৪ দিন পর্যন্ত সদস্যদের গ্রেফতার বা আটক রাখা যাবে না।
- যদি কোনো সদস্যকে এই সময় আটক থেকে মুক্তি দেয়া হয়, তবে তিনি মুক্ত না হলে যতদিন আটক থাকতে হত, ততদিন তাকে আটক রাখা যেতে পারে এবং প্রয়োজন হলে পুনঃগ্রেফতার করা যাবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৫ক ধারার বিধান: দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে সংসদ সদস্যদের অব্যাহতি:
-১) নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার অথবা জেলে আটক রাখা যাবে না-
ক) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের সদস্য হন, তবে সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; খ) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের কোন কমিটির একজন সদস্য হন, তবে এরূপ কমিটির অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; এবং এরূপ অধিবেশন বা বৈঠকের পূর্বের বা পরের চৌদ্দ দিন সময় পর্যন্ত।
২) উপ-ধারা (১) অনুসারে আটকাদেশ হতে মুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই উপ-ধারায় উল্লেখিত 7 বিধান সাপেক্ষে পুনঃ গ্রেফতার করা যাবে এবং তিনি (১) উপ-ধারার বিধানের অধীনে মুক্ত না হলে আরও যতদিন আটক থাকতে হত, ততদিন তাকে আটক রাখা যাবে।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section: 135A. Exemption of members of legislative bodies from arrest and detention under civil process:
(1) No person shall be liable to arrest or detention in prison under civil process-
(a) if he is a member of Parliament during the continuance of any meeting of Parliament;
(b) if he is a member of any committee of Parliament, during the continuance of any meeting of such committee;
and during the fourteen days before and after such meeting or sitting.

(2) A person released from detention under sub-section (1) shall, subject to the provisions of the said sub-section, be liable to re-arrest and to the further detention to which he would have been liable if he had not been released under the provisions of sub-section (1).
৮,৪৬৮.
যদি মূল আদালতের এখতিয়ার রহিত হয়ে যায়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারার অধীন কোন আদালত "ডিক্রি দানকারী আদালত" হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. কেবলমাত্র উচ্চ আদালত
  2. যে আদালত মূল আদালতের পরিবর্তে ডিক্রি জারি করার ক্ষমতা পায়
  3. যে আদালত ডিক্রি আবেদন করার সময় মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার ছিল
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:
“যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-
ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।

Section 37- Definition of Court which passed a decree:
The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,-
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.
৮,৪৬৯.
In which section of the Code of Criminal Procedure is the provision "An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law" mentioned?
  1. 410
  2. 415
  3. 418
  4. 421
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 418- Appeals on what matters admissible:
An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.

Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.
---------------------- 
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৮ ধারার বিধান কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:
ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে। 
৮,৪৭০.
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামির প্রদত্ত স্বীকারোক্তি-
  1. প্রাসঙ্গিক হবে
  2. অপ্রাসঙ্গিক হবে
  3. চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে প্রাসঙ্গিক
  4. আংশিক প্রাসঙ্গিক ও আংশিক অপ্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৬ ধারামতে পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামীর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না (Confession by accused while in custody of police not to be proved against him): পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকাকালে কোন ব্যক্তি দোষ স্বীকার করলে, তা যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেটের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে না হয়, তাহলেতা ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।
অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামির প্রদত্ত স্বীকারোক্তি-অপ্রাসঙ্গিক হবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় 'ম্যাজিস্ট্রেট' বলতে ম্যাজিস্ট্রেটের কার্য সম্পাদনকারী গ্রামপ্রধানকে বুঝাবে না। তবে গ্রামপ্রধান যদি ১৮৯৮ সালে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকেন, তবে তাকে বুঝাবে।
-----------
⇒ Section 26: Confession by accused while in custody of police not to be proved against him:
-No confession made by any person whilst he is in the custody of a police-officer, unless it be made in the immediate presence of a Magistrate, shall be proved as against such person.
⇒ Explanation:– In this section "Magistrate" does not include the head of a village discharging magisterial functions unless such headman is a Magistrate exercising the powers of a Magistrate under the Code of Criminal Procedure,1898.
৮,৪৭১.
দেওয়ানি কারাগারে Judgement Debtor কে আটক রাখা হলে এর খোরপোষ দিবে কে?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  2. মোকদ্দমার বাদী
  3. সরকার
  4. Judgement Debtor নিজেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩৯ এর বিধান জীবন নির্বাহ দাতা (Subsistence-allowance): দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হলে তার খোরপোষ বাদীকে দিতে হবে।

⇒ বিধি-৩৯। জীবন নির্বাহ ভাতা।১) কোন দায়িককেই ডিক্রি জারিতে গ্রেফতার করা যাবে না, যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ডিক্রিদার দায়িককে গ্রেফতার করার তারিখ হতে তাকে আদালতে হাজিরের তারিখ পর্যন্ত তার খোরাকীর জন্য বিচারক কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণ টাকা ডিক্রিদার আদালতে জমা দেয়।
২) যেক্ষেত্রে ডিক্রি জারিতে কোন দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার খোরাকীর জন্য ৫৭ ধারার অধীনে নির্ধারিত হার অনুসারে যেরকম অধিকারী সেরকম মাসিক ভাতা নির্ধারণ করবে কিংবা যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোন হার নির্ধারিত না হয়, সেক্ষেত্রে তার শ্রেণীর সূত্রে আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করে করে।
৩) যে পক্ষের আবেদনক্রমে দায়িককে গ্রেফতার করা হয়, আদালত কর্তৃক নির্ধারিত মাসিক ভাতা সে পক্ষ মাসিক পরিশোধের দ্বারা প্রতি মাসের প্রথম দিনের পূর্বে অগ্রিম সরবরাহ করবে।
৪) দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোর্পদ করার পূর্বে চলতি মাসের অবশিষ্ট অসমাপ্ত অংশের জন্য আদালতের সঠিক কর্মকর্তার নিকট প্রথম প্রদেয় টাকা প্রদান করতে হবে এবং তৎপরবর্তীকালে দেয় (যদি কোন) টাকা দেওয়ানি জেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রদান করা হবে।
৫) দেওয়ানি জেলে আটক দায়িকের খোরাকী বাবদ ডিক্রিদারের খরচ মোকদ্দমার খরচ হিসাবে বিবেচিত হবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ঐ অর্থ ব্যয়ের নিমিত্তে দায়িককে গ্রেফতার বা দেওয়ানি জেলে আটক করা যাবে না।
৮,৪৭২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৩ অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় কোন বিষয়টি প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত হয়?
  1. আসামীর পূর্বের খারাপ চরিত্র
  2. আসামীর পূর্বের ভালো চরিত্র
  3. আসামীর পূর্বের দোষী সাব্যস্তি
  4. আসামীর নির্দিষ্ট কাজের বিবরণ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৩ অনুসারে, ফৌজদারি মামলায় আসামীর পূর্বের ভালো চরিত্র প্রাসঙ্গিক হতে পারে। এটি প্রমাণিত হলে তা আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে, আসামীর খারাপ চরিত্র সাধারণত ফৌজদারি মামলায় প্রাসঙ্গিক নয়, যতক্ষণ না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে কোনো সাক্ষ্য প্রদান করা না হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৫৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, ফৌজদারি মামলায় আসামির পূর্বের ভালো চরিত্র একটি প্রাসঙ্গিক বিষয়। এর কারণ হলো, একজন ব্যক্তির সুনাম (reputation) ও স্বভাবগত প্রবৃত্তি (disposition) তার নির্দোষ হওয়ার সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে। আদালত এটি বিবেচনায় নিতে পারে, বিশেষ করে যখন অপরাধের ধরন এমন যে, কোনো নৈতিক চরিত্রের বিষয়বস্তু রয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872 section- 53. In criminal cases, previous good character relevant:
- In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.

৮,৪৭৩.
'ক', 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে 'খ'-এর মৃত্যু কে প্রমাণ করবে?
  1. 'ক'
  2. আদালত
  3. 'খ'-এর পরিবারের সদস্য
  4. যেকোনো ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা- যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গ মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

Section 104- Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible:
The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.

Illustrations:
(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death. 
(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
৮,৪৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় প্লিডিংস সংশোধনের জন্য সর্বোচ্চ সময়সীমা উল্লেখ্য আছে?
  1. আদেশ-৬ বিধি-১৪
  2. আদেশ-৬ বিধি-১৫
  3. আদেশ-৬ বিধি-১৮
  4. আদেশ-৬ বিধি-১৯
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৬, বিধি-১৮ অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ না করেন, তবে সংশোধনী আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। তবে, আদালত চাইলে সময় বর্ধিত করতে পারেন। আদালত সময় না বাড়ালে নির্ধারিত সময়ের পর আর সংশোধন করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908,Order-6 Rule-18: Failure to amend after order:
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.
৮,৪৭৫.
যদি মুলতবির আবেদনের সাথে খরচ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বাদী তা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তবে মামলার পরিণতি কী হবে?
  1. আরজি নাকচ
  2. মোকদ্দমা স্থগিত
  3. মোকদ্দমা খারিজ
  4. একতরফা ডিক্রি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ১৭ বিধি ১(৪):
দেওয়ানি কার্যবিধির অন্যান্য বিধানের যে কোনো কিছু থাকা সত্ত্বেও, কোনো মামলার চূড়ান্ত শুনানির পর্যায়ে এবং তার পরবর্তীকালে, মামলার কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত মুলতবি (স্থগিত) প্রদান করতে পারবে না।

তবে শর্ত থাকে যে,
যদি ন্যায়বিচারের স্বার্থে এই উপ-বিধির অধীনে কোনো পক্ষকে মুলতবি (স্থগিতাদেশ) দেওয়া হয়, তাহলে আদালত উক্ত পক্ষকে অন্য পক্ষের জন্য সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ পরিশোধের নির্দেশ দিবে, যা আদালত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
- যদি বাদী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খরচ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তবে মামলাটি খারিজ (Dismiss) হয়ে যাবে।
- যদি বিবাদী পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তবে মামলাটি একতরফাভাবে (Ex-parte) নিষ্পত্তি করা হবে।
৮,৪৭৬.
জমির স্বত্ব ঘোষণা ছাড়াই শুধু দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়েরে তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে।
♦আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে। ৯ ধারামতে যিনি স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, তিনিই মামলা করতে পারেন। কেননা এই ধরনের মামলায় শুধু বাদীর দখল এবং বেদখল প্রমাণ করতে হয় এবং ৯ ধারার অধীনে দখল উদ্ধারের মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন অবান্তর।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য উক্ত সম্পত্তিতে দখল এবং বিগত ৬ মাসের মধ্যে বেদখল হওয়া প্রমাণ করতে হবে, তবে স্বত্ব প্রমাণ করার কোন প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য যে, ৮ ধারায় দখল প্রমাণের প্রয়োজন নেই তবে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
৮,৪৭৭.
'ক' দণ্ডবিধির ২১৫ ধারার অধীন ৩ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার পর, পুনরায় একই দণ্ডে দণ্ডিত হয়। আদালত পরবর্তী দণ্ড প্রদানের সময় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫ ধারার অধীন কি ধরণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. দণ্ডিত ব্যক্তির ঠিকানা জানানোর আদেশ
  2. দণ্ডিত ব্যক্তির বাসস্থানের পরিবর্তন সম্পর্কিত তথ্য বিজ্ঞাপিত করার আদেশ
  3. দণ্ডিত ব্যক্তির পরিবারের বাংলাদেশ ত্যাগ না করার আদেশ
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬৫: পূর্বে কোন অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের ঠিকানা জানানোর আদেশ (Order for notifying address of previously convicted offender)

কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের কোন আদালত কর্তৃক দন্ডবিধির ২১৫, ৪৮৯ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯গ বা ৪৮৯ঘ ধারা অথবা দ্বাদশ অধ্যায় বা সপ্তদশ অধ্যায়ের অধীনে তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের জন্য সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের জন্য দণ্ডিত হওয়ার পর, উক্ত ব্যক্তি পুনরায় যদি হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উপর্যুক্ত ধারাসমূহ বা অধ্যায়গুলির যে কোনো একটির অধীন তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত হয়,

তাহলে উক্ত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অন্য কোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার সময় আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, এই দণ্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ হতে অনধিক পাঁচ বৎসর পর্যন্ত নির্ধারিত পদ্ধতিতে তার বাসস্থান ও বাসস্থানের পরিবর্তন বা বাসস্থান হতে অনুপস্থিতি বিজ্ঞাপিত করতে হবে।

তবে আপিলে বা অন্য কোন ভাবে উক্ত দণ্ড নাকচ হলে উক্ত আদেশও বাতিল হয়ে যাবে।
৮,৪৭৮.
কাউকে দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বৎসরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বৎসরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বৎসরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বৎসরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৮,৪৭৯.
'Criminal Conspiracy' এবং 'Common Intention' কে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ৭ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১২ ধারায়
  4. ১৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।

ধারা ১০: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ:
দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

Section 10- Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
৮,৪৮০.
তামাদি আইনের ১৪(১) ধারা অনুযায়ী, কোন সময় তামাদি মেয়াদ গণনা থেকে বাদ দেওয়া হয়?
  1. আদালতের ছুটির সময়
  2. বাদী মামলা দায়েরের দিন
  3. বিবাদীর অনুপস্থিতির সময়
  4. বাদী সৎ উদ্দেশ্যে এখতিয়ারবিহীন আদালতে কার্যক্রম চালানোর সময়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৪(১) (Section 14(1), Limitation Act, 1908) অনুসারে, যখন বাদী সৎ উদ্দেশ্যে (in good faith) ও যথাযথ যত্নসহকারে (with due diligence) একটি মামলা পরিচালনা করে এমন একটি আদালতে, যার এখতিয়ার (jurisdiction) নেই বা যে কোনো অনুরূপ কারণে মামলা গ্রহণে অক্ষম, তখন সেই কার্যক্রম পরিচালনার সময়কাল তামাদি মেয়াদ গণনা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৪: এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে কার্যক্রমের সময় বাদ দেওয়া:
(১) যেকোনো মামলার জন্য নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ গণনা করতে গেলে, বাদী যদি অন্য একটি দেওয়ানি কার্যক্রমে যথাযথ যত্নসহকারে অন্য একজন বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে থাকেন—এটি প্রথম আদালতে হোক বা আপিল আদালতে—তাহলে সেই সময় বাদ দেওয়া হবে, যদি উক্ত কার্যক্রমটি একই কারণে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এবং সৎ উদ্দেশ্যে সেই আদালতে পরিচালিত হয়ে থাকে, যা এখতিয়ারের অভাবে বা অনুরূপ অন্য কারণে মামলা গ্রহণ করতে অক্ষম।
(২) কোনো আবেদনটির জন্য নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ গণনা করতে গেলে, আবেদনকারী যদি একই পক্ষের বিরুদ্ধে একই ক্ষতিপূরণের জন্য অন্য একটি দেওয়ানি কার্যক্রমে যথাযথ যত্নসহকারে মামলা চালিয়ে থাকেন—এটি প্রথম আদালতে হোক বা আপিল আদালতে—তাহলে সেই সময় বাদ দেওয়া হবে, যদি উক্ত কার্যক্রমটি সৎ উদ্দেশ্যে এমন একটি আদালতে পরিচালিত হয়ে থাকে, যা এখতিয়ারের অভাবে বা অনুরূপ অন্য কারণে মামলা গ্রহণ করতে অক্ষম।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section-14: Exclusion of time of proceeding bona fide in Court without jurisdiction:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the plantiff has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the defendant, shall be excluded, where the proceeding is founded upon the same cause of action and is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.
(2) In computing the period of limitation prescribed for any application, the time during which the applicant has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the same party for the same relief shall be excluded, where such proceeding is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.
Explanation I - In excluding the time during which a former suit or application was pending, the day on which that suit or application was instituted or made, and the day on which the proceedings therein ended, shall both be counted.
Explanation II - For the purposes of this section, a plaintiff or an applicant resisting an appeal shall be deemed to be prosecuting a proceeding.
Explanation III - For the purposes of this section misjoinder of parties or of causes of action shall be deemed to be a cause of a like nature with defect of jurisdiction.
৮,৪৮১.
ধারা ৪৩৫ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তলবের সময় নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারেন?
  1. মামলাটি বাতিল করতে
  2. দণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখতে
  3. মামলাটি স্থগিত রাখতে
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৩৫- নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা:
১) হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তার অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন নিম্নতর ফৌজদারি আদালত কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বা প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত, দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা এবং উক্ত আদালতের কোন কার্যক্রমের নিয়মানুগতা সম্পর্কে পরিতুষ্ট হইবার জন্য উক্ত আদালতের কোন মােকদ্দমার নথিপত্র তলব করতে ও তা পরীক্ষা করতে পারবেন, এবং অনুরূপ নথি তলবের সময় নির্দেশ দিতে পারবেন যে, নথিপত্রের পরীক্ষা সাপেক্ষে কোন দণ্ড কার্যকরিকরণ স্থগিত থাকবে এবং আসামি আটক থাকলে তাকে জামিনে বা তার নিজের দেয়া বন্ডে মুক্তি দিতে হবে।

ব্যাখ্যা- নির্বাহী অথবা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, যাই হউক, সকল ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দায়রা জজের অধঃস্তন বলে গণ্য হবে।

৮,৪৮২.
তামাদি আইনের অনুসারে অবিলম্বে পরিশোধযোগ্য মুজ্জ্বল দেনমোহরের (Deferred Dower) জন্য মুসলিম মহিলার মামলার তামাদি শুরু হয় কখন?
  1. যখন পরিশোধ করতে অস্বীকার করা হয় 
  2. স্বামীর মৃত্যুর তারিখ থেকে
  3. তালাক দ্বারা বিবাহ বিচ্ছেদের তারিখ থেকে
  4. উপরের সবকটি 
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন অনুসারে অবিলম্বে পরিশোধযোগ্য মুজ্জ্বল দেনমোহরের (Deferred Dower) জন্য মুসলিম মহিলার মামলার তামাদি শুরু হয়:
- যখন পরিশোধ করতে  অস্বীকার করা হয়

- অথবা স্বামীর মৃত্যু বা তালাক দ্বারা বিবাহ বিচ্ছেদের তারিখ থেকে।

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৩ ধারা অনুযায়ী, অবিলম্বে পরিশোধযোগ্য মুজ্জ্বল দেনমোহরের (Exigible Dower) জন্য একজন  মুসলিম মহিলার মামলা করার তামাদি কাল ৩ বছর। এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় মোহর তলব করা হলে যখন পরিশোধ করতে 
 অস্বীকার করা হয় অথবা স্বামীর মৃত্যু বা তালাক দ্বারা বিবাহ বিচ্ছেদের তারিখ থেকে।
- সুতরাং সঠিক উত্তর সবকটি।
--------------------
⇒ According to Article 103 of the Limitation act,1908: The period of limitation for exigible dower (mu'ajjal) By a Muslim is
3 years. The period begins from the time when the dower is demanded and refused or (where, during the continuance of the marriage no such demand has been made) when the marriage is dissolved by death or divorce.

৮,৪৮৩.
আঠার বৎসরের কম বয়স্ক কোন বালিকাকে অবৈধ যৌন সহবাস করিতে বাধ্য করার জন্য কোন স্থান হইতে গমন করিতে বাধ্য বা প্রলুব্ধ করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১২ বৎসরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বৎসরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বৎসরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বৎসরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৬ক ধারার বিধান অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকা সংগ্রহ করণ:- কোন ব্যক্তি যদি যে কোন প্রকারেই হোক আঠারো বৎসরের কম বয়সী কোন অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকাকে কোন স্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদনে বাধ্য করে এবং যদি তা করার উদ্দেশ্য হয়, বালিকাটিকে অপর কোন ব্যক্তির সাথে যৌন- অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা, অথবা তাকে অন্যভাবে অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ যৌন-সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোনস্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদন বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
----------
Procuration of minor girl:
Section 366A. Whoever, by any means whatsoever, induces any minor girl under the age of eighteen years to go from any place or to do any act with intent that such girl may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall be punishable with imprisonment which may extend to ten years and shall also be liable to fine.
৮,৪৮৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুযায়ী 'যখন চুক্তির ক্ষতিপূরণ আর্থিকভাবে পূরণ করা সম্ভব চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন সম্ভব নয়'?
  1. ১৯
  2. ২১
  3. ২১ক
  4. ২৩
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী যখন চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না যায় তখন সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়া যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না:
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে।
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে।
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে।
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে।
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে।
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি।
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে (a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date)- যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করতে হলে চুক্তির কার্য শুরু করার তারিখ হতে তিন বছরেরও অধিক সময় পর্যন্ত ক্রমাগত কাজ করতে হয়, ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:– 
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৮,৪৮৫.
বিবাদী কর্তৃক একতরফা ডিক্রি রদের দরখাস্ত দাখিল করার তামাদি-
  1. ৩০ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৬৪

বিবাদী কর্তৃক একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ লাভের জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of exparte decree] দাখিল করার তামাদি ডিক্রির তারিখ অথবা যে ক্ষেত্রে সমন যথারীতি জারী হয়নি, সেক্ষেত্রে দরখাস্তকারী যখন ডিক্রির বিষয় অবগত হয় তার ৩০ দিনের মধ্যে।
৮,৪৮৬.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে না?
  1. এজাহার দাখিলের ক্ষেত্রে
  2. FIR এর মাধ্যমে থানায় মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে
  3. Complaint এর মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে
  4. উপরের উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- তামাদি আইন দ্বারা ফৌজদারী মামলা বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
- তবে ফৌজদারি আপিল, রিভিশন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।

অর্থাৎ তামাদি আইন ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়োগ হয় না। তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

৮,৪৮৭.
'Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant'. বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৩২
  2. ৩৩
  3. ৩৪
  4. ৩৫
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুসারে, ৪ শ্রেণীর ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে যথা ১) মৃত ব্যক্তি [Who is dead]; বা ২) খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তি [Who cannot be found]; বা ৩) যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়েছে [Who has become incapable of giving evidence]; বা ৪) অযৌক্তিক বিলম্ব বা বায় ছাড়া যে ব্যক্তিকে হাজির করা যায় না [Whose attendance cannot be procured without unreasonable delay and expense].
৮,৪৮৮.
'The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.'- The Civil Courts Act, 1887 এর কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ৩৬ ধারায়
  3. ৩৮ ধারায়
  4. ৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.

The Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
৮,৪৮৯.
যদি কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করে এবং তা সফল না হয়, তবে তাকে ধারা ৩০৯ অনুযায়ী কোন ধরনের শাস্তি দেওয়া হতে পারে?
  1. শাস্তি হবে না
  2. অর্থদণ্ড
  3. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. খ বা গ বা উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৮,৪৯০.
এক পক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-
  1. অপরপক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
  2. ঐতিহাসিক সত্য
  3. প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ
  4. সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা অনুযায়ী কোন পক্ষ বা তার প্রতিনিধি শুনানীর সময় কোন বিষয় স্বীকার করলে অপরপক্ষকে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এছাড়াও আইনের মাধ্যমে অনুমানযোগ্য বিষয়সমূহও প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই (৮৬-৯০ ধারা)। উল্লেখ্য উপরোক্ত বিষয়সমূহ প্রমাণ না করলেও আদালত উহা প্রমাণিত হিসাবে ধরে নিবেন।
৮,৪৯১.
নিষেধাজ্ঞা বা আদেশের কারণে মামলা স্থগিত থাকলে তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে কী করতে হবে?
  1. নিষেধাজ্ঞার সময় বাদ দিতে হবে
  2. নিষেধাজ্ঞার সময় গণনা করতে হবে
  3. নিষেধাজ্ঞার শেষে মামলা করতে হবে
  4. কোনো পরিবর্তন করতে হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে:
(১) যেই মামলা বা ডিক্রী জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন তা নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেই দিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেই দিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।

(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।
--------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-15: Exclusion of time during which proceedings are suspended:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded. 
 
(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.
৮,৪৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি কে করতে পারে-
  1. যে কোন মহিলা পুলিশ
  2. শুধু মহিলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. শালীনতা বজায় রেখে কোন মহিলা
  4. শুধু মহিলা দেহ তল্লাশি অফিসার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে গ্রেফতারকারী অফিসার অথবা কোন বেসরকারি লোক গ্রেফতার করলে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তার নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।
 
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশির বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশি করাতে হবে।
 
অর্থাৎ শালীনতা বজায় রেখে যেকোনো মহিলা স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করতে পারে।
--------------------
CrPC Section 51. Search of arrested persons:
Whenever a person is arrested by a police-officer under a warrant which does not provide for the taking of bail, or under a warrant which provides for the taking of bail but the person arrested cannot furnish bail, and
Whenever a person is arrested without warrant, or by a private person under a warrant, and cannot legally be admitted to bail, or is unable to furnish bail,
the officer making the arrest or, when the arrest is made by a private person, the police-officer to whom he makes over the person arrested, may search such person, and place in safe custody all articles, other than necessary wearing-apparel, found upon him.

CrPC Section 52. Mode of searching women:
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৮,৪৯৩.
According to Section 139 of the Evidence Act, a person who is summoned only to produce a document:
  1. Automatically becomes a witness
  2. Can be cross-examined even if not called as a witness
  3. Cannot be cross-examined unless called as a witness
  4. Must testify regarding the contents of the document
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৯: দলিল উপস্থাপনের জন্য ডাকা ব্যক্তির জেরা:
কেবলমাত্র দলিল উপস্থাপনের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বয়ং সাক্ষী হয়ে যান না। তিনি তখনই জেরার (cross-examination) সম্মুখীন হতে পারেন, যখন তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়।

[A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.]
৮,৪৯৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় মারামারি সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ১৫৯
  2. ১৬০
  3. ৩৭৮
  4. ৪৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
⇒ Section 159:- Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ Section 160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৮,৪৯৫.
দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারা অনুযায়ী, শাস্তি সর্বোচ্চ কত বছর হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৩ অনুযায়ী, "যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি নিজের জন্য আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে রূপান্তরিত করে, সে ব্যক্তি অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ অপরাধে দণ্ডনীয় হবেন।"
- এই অপরাধের শাস্তি হতে পারে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (সাধারণ বা সশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.
৮,৪৯৬.
প্ররোচনার ক্ষেত্রে "Illegal Omission" বলতে কী বোঝায়?
  1. অপরাধ না করা
  2. পুলিশকে জানানো
  3. আইনগত দায়িত্ব পালন না করা
  4. আদালতে অভিযোগ দায়ের করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার তৃতীয় অংশে "Illegal Omission" বা "অবৈধ কার্যবিরতি" এর ধারণাটি উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে এর অর্থ হলো:
আইনগত দায়িত্বে অবহেলা: যখন কোনো ব্যক্তির আইনত দায়িত্ব থাকে কোনো কাজ করার (যেমন: নিরাপত্তা কর্মীর গেট পাহারা দেওয়া), কিন্তু সে ইচ্ছাকৃতভাবে তা না করে।
- "Illegal Omission" (অবৈধ অবহেলা) বলতে বুঝায়, এমন কোনো কাজ যা আইনি দায়িত্বের আওতায় থাকা সত্ত্বেও করা হয়নি। 
প্ররোচনার ক্ষেত্রে "Illegal Omission" সাধারণত তখন ঘটে, যখন কোনো ব্যক্তি আইনগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, এবং তার অবহেলার কারণে অপরাধ ঘটানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- অর্থাৎ, যদি কেউ জানে যে কোনো কাজটি আইন অনুযায়ী করা প্রয়োজন, কিন্তু সে তা না করে, এবং এর ফলে অপরাধ সংঘটিত হয়, তবে এটি Illegal Omission বা অবৈধ অবহেলা হিসেবে গণ্য হবে।
৮,৪৯৭.
Chapter V of The Penal Code deals with-
  1. ABETMENT
  2. CRIMINAL CONSPIRACY
  3. PUNISHMENTS
  4. GENERAL EXCEPTIONS
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

♦ গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:

দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,(GENERAL EXPLANATIONS)

তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,(PUNISHMENTS)

চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,(GENERAL EXCEPTIONS)

পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,(ABETMENT)

পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,(CRIMINAL CONSPIRACY)

ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, (OFFENCES AGAINST THE STATE)

নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS)

নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES RELATING TO ELECTIONS)

ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY)

সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  (OFFENCES AGAINST PROPERTY)

বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE)

একবিংশ অধ্যায়: মানহানি, ( DEFAMATION)

ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ। (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)
৮,৪৯৮.
কোন ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. বিক্রয় দলিল
  2. ডিজিটাল রেকর্ড
  3. ফরেনসিক সাক্ষ্য
  4. হস্তলিপি বা হাতের লেখা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ি, নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-
(i) বিদেশী আইন;
(ii) বিজ্ঞান;
(iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য;
(iv) ডিজিটাল রেকর্ড;
(v) চারুকলা;
(vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা;
(vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি;
(viii) পায়ের ছাপ;
(ix) তালুর ছাপ;
(x) চোখের কনীনিকার ছাপ;
(xi) টাইপ রাইটিং;
(xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার;
(xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি।

⇒ উল্লেখ্য যে, 'বিক্রয় দলিল' প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত।
৮,৪৯৯.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারার অধীন আপীল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য নিতে পারে বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের আদেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৪২৬
  2. ধারা ৪২৭
  3. ধারা ৪২৮
  4. ধারা ৪২৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীন আপীল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য নিতে পারে বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের আদেশ দিতে পারে।
৮,৫০০.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে, প্ররোচনার ক্ষেত্রে "Instigation" বলতে কী বোঝায়?
  1. বস্তু ব্যবহার করা
  2. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করা
  3. ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করা
  4. কাউকে কোনো কাজ করতে উদ্দীপিত করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী "Instigation" বলতে বোঝায় কাউকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করতে বা না করতে উৎসাহিত করা, প্রভাবিত করা বা প্ররোচিত করা। এটি সরাসরি হতে পারে (যেমন: মুখে বলা, নির্দেশ দেওয়া) অথবা পরোক্ষভাবে হতে পারে (যেমন: মিথ্যা তথ্য প্রদান, কিছু তথ্য গোপন করে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করা)।
- যদি কেউ অন্য কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে প্ররোচিত করে এবং তার ফলে অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে প্ররোচনাকারীও অপরাধের জন্য দায়ী হবে।

উদাহরণ:
- কেউ যদি অন্য ব্যক্তিকে হত্যা করতে উসকানি দেয় বা প্ররোচনা দেয়, তবে সে ব্যক্তি Instigation করেছে বলে বিবেচিত হবে।
- কেউ যদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে কাউকে বেআইনি কাজ করতে উৎসাহিত করে, তবে সেটিও Instigation হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন জোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়।
-দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.