বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৮৩ / ১২৬ · ৮,২০১৮,৩০০ / ১২,৬০৫

৮,২০১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ক-এর উদ্দেশ্য প্রধানত কী?
  1. মামলার সময়সীমা বৃদ্ধি করা
  2. নির্বাহী কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা সীমিত করা
  3. ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা
  4. আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (গ) ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ক অনুসারে,
আদালত এক্সিকিউটিভ কর্তৃপক্ষ, যেমন পুলিশ বা অন্যান্য সরকারি সংস্থাকে নির্দেশ দিতে পারে যাতে আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।
এছাড়াও, আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে কতটুকু সহায়তা বা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে তার রিপোর্ট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ক- আদেশ/ডিক্রি কার্যকর করার নির্দেশ:

যে কোনো ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার উদ্দেশ্যে, আদালত নিম্নলিখিত নির্দেশ দিতে পারবে— যে কোনো নির্বাহী কর্তৃপক্ষ, যার মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অন্তর্ভুক্ত, তাকে আদালতের নির্ধারিত ব্যক্তিকে সহায়তা করতে নির্দেশ দিতে পারবে এবং আদালত সেই সহায়তা প্রদানের অনুপালনের প্রতিবেদন আদালতে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দাখিল করতে বলতে পারবে।

৮,২০২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালতে অভিযােগকারীর পক্ষে কে মামলা পরিচালনা করে থাকেন?
  1. সরকারি উকিল
  2. এটর্নি জেনারেল
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত উকিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
⇒ কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial)
-ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
- ধারা ২৬৫খ তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভযোেগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265A.Trial to be conducted by Public Prosecutor:
 -In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265B.Opening case for prosecution:
-When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.
৮,২০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে কারা অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারেন না?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) সুপ্রিম কোর্ট।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে অপরাধের সহযোগীকে (Accomplice) শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা করার ক্ষমতা রয়েছে—
১) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট,
২) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, এবং
৩) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের।
এরা মামলার তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচার চলাকালীন সময়ে অপরাধের সত্য তথ্য সংগ্রহের স্বার্থে কোনো অভিযুক্তকে ক্ষমা করতে পারেন, যদি সে অপরাধ সম্পর্কিত সম্পূর্ণ সত্য প্রকাশ করতে রাজি হয়।
কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
সুপ্রিম কোর্ট মূলত আপিল ও রিভিশনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে, কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো অভিযুক্তকে ক্ষমা করার এখতিয়ার তার নেই।
- তাই সুপ্রিম কোর্টের এই ক্ষমতা না থাকার কারণে "ক" অপশনটি সঠিক উত্তর।
৮,২০৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপীলের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ২০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫২ অনুযায়ী,  ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপীল করার তামাদির মেয়াদ হলো ৩০ দিন, গণনা করা হয় যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫২ জেলা জজ আদালতের দেওয়ানি ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৩০ দিন।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় ডিক্রি বা আদেশের তারিখ থেকে।
৮,২০৫.
যেক্ষেত্রে বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে আদালত কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিতের আদেশ
  2. বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ
  3. মোকদ্দমা খারিজের আদেশ
  4. বিবাদীকে হাজিরা থেকে অব্যাহতির আদেশ
ব্যাখ্যা
বাদী খরচ প্রদান না করার দরুন সমন জারি না হলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে।

• আদেশ ৯ বিধি-২ঃ
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে,বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমন জারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদীর উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে, যেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা দেয়া যায় সেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হলে, অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Order 9 Rule 2: Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
৮,২০৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নিঃস্ব ব্যক্তির সম্পত্তি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কোন সম্পত্তি বাদ দেওয়া হয়?
  1. ব্যাংক আমানত
  2. মামলার বিষয়বস্তু
  3. ব্যবসায়িক সরঞ্জাম
  4. ব্যক্তিগত যানবাহন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ১ এর Explanation অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একজন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র (necessary wearing-apparel) এবং মামলার বিষয়বস্তু (subject-matter of the suit)-কে সম্পত্তি হিসাবে গণনা থেকে বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, নিঃস্ব (Pauper) হিসাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য শর্ত হলো—প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ও মামলার বিষয়বস্তু বাদ দিয়ে অন্যান্য সম্পত্তির মূল্য ৫,০০০ টাকার বেশি না হওয়া।
- অন্য অপশনগুলো—ব্যাংক আমানত, ব্যবসায়িক সরঞ্জাম ও ব্যক্তিগত যানবাহন সম্পত্তির আওতায় পড়ে এবং সেগুলো গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান অনুসারে নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis): আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
- কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-33 Rule-1. Suits may be instituted in forma pauperis: Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation−A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth five thousand Taka other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.

৮,২০৭.
গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা রুজুর জন্য কার অনুমতি লাগে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধান বিচারপতির
  3. জেলা জজের
  4. এটর্নি জেনারেলের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে যে, এটর্নি জেনারেল বা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন
⇒ বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
--------------------
⇒ CPC Section-91.Public nuisances:
(1) In the case of a public nuisance the Attorney General, or two or more persons having obtained the consent in writing of the Attorney General, may institute a suit, though no special damage has been caused, for a declaration and injunction or for such other relief as may be appropriate to the circumstances of the case. 
(2) Nothing in this section shall be deemed to limit or otherwise affect any right of suit which may exist independently of its provisions.
৮,২০৮.
ফৌজদারি মামলায় আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি __________ পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
  1. মুক্তি
  2. খালাস
  3. জামিন
  4. অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস (acquittal) পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
 
• প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
৮,২০৯.
দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান অনুযায়ী, ৩ মাসের বেশি কারাদণ্ড হলে, এক মাসে নির্জন কারাবাস সর্বোচ্চ কত দিন হতে পারে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাস একটানা ১৪ দিনের বেশি হবেনা, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ মাসের অধিক হলে কোন এক মাসে ৭ দিনের বেশি নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে না।
⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-----------
The Penal Code, 1860 Section 74.Limit of solitary confinement:
 In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
৮,২১০.
Under Order 39 Rule 6, who can apply for an interim sale of movable property in a suit?
  1. Only the plaintiff
  2. Only the defendant
  3. Only third party
  4. Any party to the suit
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-৬: অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে বা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকে তবে যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায়সঙ্গত এবং পর্যাপ্ত কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করা বাঞ্চনীয় হয়ে পড়ে, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের উপর এর বিবেচনামত উপযুক্ত পদ্ধতি এবং শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কর্তৃক বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে।

Rule 6: Power to order interim sale:
The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movbale property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
৮,২১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪০ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জামিন
  2. আপিল
  3. তদন্ত
  4. রিভিশন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) রিভিশন।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:
কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ 

শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

৮,২১২.
নিম্নে সাক্ষ্য গ্রহণের কোন ক্রমটি সঠিক?
  1. জেরা, জবানবন্দি, পুনঃজবানবন্দি
  2. জবানবন্দি, পুনঃজবানবন্দি, জেরা
  3. জেরা, পুনঃজবানবন্দি, জবানবন্দি
  4. জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ মতে- প্রথমে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হবে। তারপর (বিরুদ্ধপক্ষ ইচ্ছা করলে) সাক্ষীকে জেরা করবে, তারপর (সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ ইচ্ছা করলে) পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করাতে পারবে। সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক সম্পর্কে হতে হবে। কিন্তু সাক্ষী তার জবানবন্দীতে যে সকল বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন, কেবল সেই সকল বিষয়েই জেরা করা চলবে, এমন নয়। জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করেন, পুনঃজবানবন্দীতে সেইগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে, পুনঃজবানবন্দী গ্রহণের সময় যদি আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন নতুন বিষয়ের অবতারণা করা হয়, তবে বিরুদ্ধপক্ষ সেই সকল বিষয়ে আরও জেরা করতে পারবে।
♦অর্থাৎ সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে ক্রমটি হল জবানবন্দি, জেরা, পুনঃজবানবন্দি।
৮,২১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের নিরোধমূলক প্রতিকার কীভাবে মঞ্জুর করা হয়?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা জারি
  4. ক ও খ উভয় ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

⇒ প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।
----------------- 
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
৮,২১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার (১) উপ-ধারা অনুযায়ী কোন আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার (১) উপ-ধারা শুরুই হয়েছে এই বাক্য দিয়ে: "হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন..."।
সুতরাং, এই বিশেষ ক্ষমতা শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের (High Court Division) এখতিয়ারভুক্ত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন যে,
ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক;
খ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী দিবার জন্য উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক;
ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট হাজির করা হোক;
ঙ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান বলবৎ কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের প্রতি প্রযোজ্য নহে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:-
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law;
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty;
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court;
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively;
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and
(2) The [Supreme Court] may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.

৮,২১৫.
সাক্ষ্য আইনে সাক্ষ্য গ্রহণের কয়টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৪ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৬ ধরনের
ব্যাখ্যা
♦তিনটি ক্রম হলো জবানবন্দি, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি।
৮,২১৬.
যখন কোন আসামীকে কেবল মাত্র জরিমানা করা হয় এবং জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধের জন্য কত দিন সময় দিতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• যখন কোন অপরাধীকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হলে, অর্থদণ্ড প্রদানকারী আদালত নিম্নলিখিত ২টি উপায়ে অর্থদণ্ড আদায় করতে পারে :

১. অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় বা বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য আদালত পরোয়ানা জারি করতে পারে ।
২. অনাদায়ী অপরাধীর অস্থাবর এবং স্থাবর বা উভয় সম্পত্তি দেওয়ানী কার্যপদ্ধতি অনুসারে পরোয়ানা কার্যকর করে পাওনা আদায়ে জেলা কালেক্টরকে ক্ষমতা দিয়ে ।

তবে যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং আসামী যদি আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে, তবে আদালত উক্তরুপ পরোয়ানা জারি করতে পারবে না।

• ধারা- ৩৮৮ অনুসারে,
যখন কোন আসামীকে কেবল মাত্র জরিমানা করা হয়, এবং জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধের জন্য ৩০ দিন সময় দিতে পারে বা ২ এবং ৩ কিস্তিতে এবং উক্ত ক্ষেত্রে প্রথম কিস্তি আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে এবং অন্যান্য কিস্তিগুলো ৩০ দিনের বেশি বিরতিতে পরিশোধ করা যাবে না।
৮,২১৭.
এক ব্যক্তি মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে কারাদণ্ড ভোগ করেন। তিনি এই অন্যায় কারাদণ্ডের কারণে ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করতে চান। তামাদি আইন অনুযায়ী, তিনি কতদিনের মধ্যে মামলা করতে পারবেন?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৯- মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড [False Imprisonment] ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা।
তামাদি- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- কারাদণ্ড যখন সমাপ্ত হয়।
৮,২১৮.
প্লিডিংস বলতে কী বোঝায়?
  1. সাক্ষীর সাক্ষ্য
  2. আদালতের আদেশ
  3. শুধুমাত্র বাদীর আরজি
  4. বাদীর আরজি অথবা বিবাদীর লিখিত জবাব
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে।

প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]

• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।
৮,২১৯.
খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণের শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কমপক্ষে ১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোড-এর ৩৬৪ ধারায় এই অপরাধের শাস্তি বর্ণনা করা হয়েছে যা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
৮,২২০.
কোনো ভবন মেরামতের কাজে অবহেলাজনিত কারণে কারো ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকলে, দণ্ডবিধির ২৮৮ ধারা অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৯ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ১২ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভবন ভাঙা বা মেরামতের ক্ষেত্রে অবহেলাজনিত আচরণ (ধারা ২৮৮):
যে কেউ কোনো ভবন ভাঙা বা মেরামত করার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার মাধ্যমে এমন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়, যা ভবন বা এর কোনো অংশের পতনের ফলে মানুষের জীবনের সম্ভাব্য ঝুঁকি প্রতিরোধে যথেষ্ট ছিল, সে ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হবে।

এ ধরনের অপরাধের শাস্তি হবে—
- সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, অথবা
- সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা জরিমানা, অথবা
- উভয় দণ্ড।
৮,২২১.
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এক ব্যক্তিকে প্রহৃত হতে দেখলেন এবং তার কান্নাও শুনলেন, কিন্তু উক্ত কাজে তিনি বাধা দিলেন না। The Penal Code, 1860 অনুযায়ী তিনি -
  1. পেশাগত অসদাচরণ করেছেন
  2. দুষ্কর্মে সহায়তাকারী
  3. মূল অপরাধী
  4. কোনো অপরাধ করেননি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার বিধান: কোন ব্যাপারে সহায়তা প্রদান:- 
-কোন ব্যক্তি কোন ব্যাপারে সহায়তা দান করেছে বলে পরিগণিত হয়, যদি সে ব্যক্তি-
প্রথমত :- কোন ব্যক্তিকে উক্ত ব্যাপারে প্ররোচনা দেয়;
দ্বিতীয়ত :- উক্ত কাজটি করার জন্য কোন ব্যক্তির বা ব্যক্তিদের সাথে কোন চক্রান্তে লিপ্ত হয়, যার ফলে চক্রান্ত অনুযায়ী কোন কাজ করা হয় অথবা কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকা হয় এবং উক্ত কাজ করার জন্য তা করা হয়;
তৃতীয়ত :- কোন কাজ করে অথবা বেআইনীভাবে কোন কাজ করা হতে বিরত থেকে উপযুক্ত কার্যে ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা করে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক কোন বাস্তব গুরুত্বসম্পন্ন ঘটনার, যা প্রকাশ করতে সে বাধ্য-ভ্রান্ত বিবরণ প্রকাশ করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক উহা গোপন করে কোন কাজ করে বা করায় অথবা কোন কাজ করার বা করানোর চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সংঘটনে প্ররোচনা দেয় বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদনের সময় বা তার পূর্বে উক্ত কাজ সম্পাদন সুগমকল্পে কোন কিছু করে, এবং তদ্বারা উহার সম্পাদন সুগম করে, সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সম্পাদনের সহায়তা করে বলে অভিহিত হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এক ব্যক্তিকে প্রহৃত হতে দেখলেন এবং তার কান্নাও শুনলেন, কিন্তু উক্ত কাজে তিনি বাধা দিলেন না। The Penal Code, 1860 এর ১০৭ ধারা অনুযায়ী তিনি -দুষ্কর্মে সহায়তাকারী।
-----------------------
The Penal Code: Section-107: Abetment of a thing: 
A person abets the doing of a thing, who

Firstly.-Instigates any person to do that thing; or
Secondl:-Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly:-Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.-A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.

Explanation-2.-Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
৮,২২২.
রিসিভার নিয়োগ দেওয়া হয় The Code of Civil Procedure, 1908 এর________ অনুযায়ী।
  1. Order XL, rule 1
  2. Order XLI, rule 1
  3. Order XLII, rule 1
  4. Order XLIII, rule 1
ব্যাখ্যা
• তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।  রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ [ORDER - XL] এর উপধারা (১) অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগ দেয়া হয়-

(১) আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া-

ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন;

খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;

গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপদ করতে পারেন; এবং

ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্ৰহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।

(২) কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল ও জিম্মাদারী হতে অপসারণের জন্য যাকে মামলার কোন একটি পক্ষের অনুরোপভাবে অপসারণের বর্তমান অধিকার নাই, অত্র বিধির কোন কিছু আদালতকেও উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ অপসারণের ক্ষমতা দিবে না।
৮,২২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী কে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন?
  1. ডাক্তার
  2. পুলিশ
  3. আদালত
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ মতে, কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-
- আত্মহত্যা করেছে, অথবা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা  এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে।
- তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ক্ষমতাসম্পন্ন অন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তা সুরতহাল তদন্তের জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন এবং মৃত ব্যক্তির লাশ যেখানে রয়েছে সেই স্থানে গিয়ে দুই বা ততোধিক স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত চালাবেন।

-তখন পুলিশ উক্ত মৃত ব্যক্তির দেহের জখম, অস্থিভঙ্গ বা থেতলে যাওয়া এবং অন্যান্য জখমের চিহ্ন সম্পর্কে বর্ণনা করবে এবং যে উপায়ে বা অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা উক্ত জখমের চিহ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয় তার উল্লেখ করে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ সম্পর্কে একটি রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন। এটাই সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report).
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন।
------------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-174: Police to inquire and report on suicide, etc.
(1) The officer in charge of a police-station or some other police-officer specially empowered by the Government in that behalf, on receiving information that a person- 
(a) has committed suicide, or 
(b) has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident, or 
(c) has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence, 
shall immediately give intimation thereof to the 204[nearest Executive Magistrate] empowered to hold inquests, and, unless otherwise directed by any rule prescribed by the Government, or by any general or special order 205[of the District Magistrate], shall proceed to the place where the body of such deceased person is, and there, in the presence of two or more respectable inhabitants of the neighborhood, shall make an investigation, and draw up a report of the apparent cause of death, describing such wounds, fractures, bruises and other marks of injury as may be found on the body, and stating in what manner, or by what weapon or instrument (if any), such marks appear to have been inflicted: 
 
Provided that, unless the Government otherwise directs, it shall not be necessary under this sub-section, in any case where the death or any person has been caused by enemy action, to make any investigation or to draw up any report or to send any intimation to a Magistrate empowered to hold inquests. 
(2) The report shall be signed by such police-officer and other persons, or by so many of them as concur therein, and shall be forthwith forwarded to the District Magistrate. 
(3) When there is any doubt regarding the cause of death, or when for any other reason the police-officer considers it expedient so to do, he shall, subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, forward the body, with a view to its being examined, to the nearest Civil Surgeon, or other qualified medical man appointed in this behalf by the Government, if the state of the weather and the distance admit of its being so forwarded without risk of such putrefaction on the road as would render such examination useless. 
 
(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government or the District Magistrate.
৮,২২৪.
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ শেষ হলে, মামলার আবেদন কখন জমা দেওয়া যাবে?
  1. আদালত খোলার এক সপ্তাহ পর
  2. আদালত পুনরায় খোলার দিন
  3. তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন
  4. আদালত খোলার এক মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৪ ধারা: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়:
যেইক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয় সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।

Section 4- Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
৮,২২৫.
‘C’ একটি চেক পায়, যা ‘Z’ স্বাক্ষর করেছে কিন্তু পরিমাণ উল্লেখ নেই। ‘C’ প্রতারণামূলকভাবে চেকে ১০,০০০ টাকা লিখে পূরণ করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. জালিয়াতি
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে বা ক্ষতি করার, সম্পত্তি হস্তান্তর করানোর, বা চুক্তিতে প্রবেশ করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা দলিল তৈরি করে, তবে তা জালিয়াতি (Forgery) হিসেবে গণ্য। ধারা ৪৬৪ অনুসারে, প্রতারণামূলকভাবে কোনো দলিলে পরিবর্তন করা বা তথ্য যোগ করা জালিয়াতির সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এখানে, ‘C’ একটি চেকে প্রতারণামূলকভাবে ১০,০০০ টাকার পরিমাণ লিখে পূরণ করেছে, যা ‘Z’-এর স্বাক্ষরিত দলিলে অসাধুভাবে পরিবর্তন। এটি ধারা ৪৬৪-এর প্রথম উপায়ে জালিয়াতি।

অর্থাৎ ‘C’-এর কাজ ধারা ৪৬৩ এবং ৪৬৪-এর অধীনে জালিয়াতি হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) জালিয়াতি।
---------
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারার বিধান মিথ্যা দলিল তৈয়ার করা:- নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈয়ার করেছে বলে পরিগণিত হয়-প্রথমত:- যদি কোন ব্যক্তি, যে ব্যক্তি দ্বারা যার প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কোন দলিল কিংবা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বা যে সময়ে উক্ত দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে সে জানে, অথবা সে দলিলটি বা উহার অংশবিশেষ সে ব্যক্তি দ্বারা বা তৎপ্রদত্ত ক্ষমতা বলে কিংবা সে সময়ে প্রণীত স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাইবার উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এইরূপ দলিল বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বুঝাবার জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে; অথবা
দ্বিতীয়ত:- কোন দলিল তৎকর্তৃক বা অন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হওয়ার পরে কোনরূপ আইনসম্মত ছাড়াই অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলক ভাবে, বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অপর কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে; দলিলটি যদি অপরাধী দ্বারা সম্পাদিত না হয়ে অপর কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তবে এইরূপ পরিবর্তনের সময়ে সে ব্যক্তি জীবিত থাকুক অথবা পরলোকগত হোক তাতে অপরাধের কোনরূপ তারতম্য হবে না; অথবা
তৃতীয়ত:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে ব্যক্তি মানসিক অপ্রকৃতিস্থতা কিংবা প্রমত্ততার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন প্রকৃত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে কাল্পনিক কোন ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন অথবা কোন মৃত ব্যক্তি জীবদ্দশায় সম্পাদিত করেছিল বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে সে মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন জালিয়াতি বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ
(ক) ক চ-কে দিয়ে খ-এর প্রতিপক্ষে ১০,০০০ টাকার জন্য একটি লেটার অব ক্রেডিট লিখে নিয়ে পরে ক খ-কে ঠকাবার উদ্দেশ্যে, ১০,০০০-টাকার সাথে একটি শূন্য যোগ করে উহাকে ১,০০,০০০ টাকা করে নেয়, এই অভিপ্রায়ে যে, খ বিশ্বাস করবে যে, চ ঐরূপ লিখেছে। ক জালিয়াতি করেছে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 463- Forgery:
- Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.

⇒ The Penal Code, 1860-Section 464. Making a false document:
 A person is said to make a false document:
Firstly.-Who dishonesty or fraudulently makes, signs, seals or executes a document or part of a document, or makes any mark denoting the execution of a document, with the intention of causing it to be believed that such document or part of a document was made, signed, sealed or executed by or by the authority of a person by whom or by whose authority he knows that it was not made, signed, sealed or executed, or at a time at which he knows that it was not made, signed, sealed or executed; or 
Secondly.-Who, without lawful authority, dishonestly or fraudulently, by cancellation or otherwise, alters a document in any material part thereof, after it has been made or executed either by himself or by any other person, whether such person be living or dead at the time of such alteration; or 
Thirdly.-Who dishonestly or fraudulently causes any person to sign, seal, execute or alter a document, knowing that such person by reason of unsoundness of mind or intoxication cannot, or that by reason of deception practiced upon him he does not know the contents of the document or the nature of the alteration.
Explanation 1.-A man's signature of his own name may amount to forgery.
Explanation 2.- The making of a false document in the name of a fictitious person, intending it to be believed that the document was made by a real person, or in the name of a deceased person, intending it to be believed that the document was made by the person in his lifetime, may amount to forgery.

৮,২২৬.
কোন কাজটি প্রতারণা হিসেবে গণ্য হইবে?
  1. কোন ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে ফাঁকি দিলে,
  2. ফাঁকি প্রদত্ত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির নিকট সম্পত্তি সমার্পণ করিতে প্ররোচিত করিলে,
  3. কোন ব্যক্তি এমন কাজ করিতে বা করা হইতে বিরত প্রবৃত্ত করে,
  4. উপরে বর্ণিত সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
------------
Cheating
Section 415. Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৮,২২৭.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২৬ অনুসারে, মিতাক্ষরা আইনের আওতাধীন কোন হিন্দু কর্তৃক পিতার বিক্রিত পৈতৃক সম্পত্তি হস্তান্তর রদ করার মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১২৬ অনুযায়ী: "মিতাক্ষরা আইনের আওতাধীন কোনো হিন্দু যদি তাঁর পিতার বিক্রিত পৈতৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং হস্তান্তর রদ করার মামলা করতে চায়, তাহলে তিনি করতে পারবেন ১২ বছরের মধ্যে এবং এই সময় গণনা শুরু হবে যেদিন হস্তান্তর গ্রহীতা সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে।"
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২৬ মিতাক্ষরা আইনের অধীন পৈতৃক সম্পত্তির অবৈধ হস্তান্তর রদ করার মামলার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় হস্তান্তর গ্রহীতা যখন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে সেই তারিখ থেকে।
৮,২২৮.
বায়নানামা চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য নিচের কোন কাজটি আবশ্যক নয়?
  1. চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়া
  2. চুক্তি টি লিখিত হওয়া
  3. চুক্তির অবশিষ্ট টাকা আদালতে জমা প্রদান করা
  4. অস্থাবর সম্পত্তি বিষয়ে চুক্তি হওয়া
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ২১ক অনুসারে বায়নানামা চুক্তি প্রবলের মোকদ্দমায় দলিল টি লিখিত, নিবন্ধিত হওয়া ও অবশিষ্ট টাকা আদালতে জমা দেওয়া কথা বলা হয়েছে।
৮,২২৯.
মোকদ্দমার শুনানির দিন সমন যথাযথভাবে জারি না করার ফলে, বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারেনি এবং আদালত এক তরফা ডিক্রি দেয়। এক্ষেত্রে বিবাদী আদেশ ৯ বিধি-১৩ এর অধীন কী প্রতিকার পেতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিতের
  2. মোকদ্দমা খারিজের
  3. একতরফা ডিক্রি রদের
  4. একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের
ব্যাখ্যা
একতরফা ডিক্রি:
আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী বিবাদীর অনুপস্থিতিতে যে ডিক্রি প্রদান করা হয় তাহলো এক তরফা ডিক্রি। যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী হাজির হয় কিন্তু বিবাদী হাজির হয়না, সেই ক্ষেত্রে যদি এটা প্রমাণ করা যায় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথাযথভাবে জারি করা হয়েছিল, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা বিচার করতে পারবে বা আদালত একতরফা ডিক্রি দিতে পারবে। আর যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথারীতি জারি করা হয়নি, তাহলে আদালত বিবাদী বরাবর দ্বিতীয় বার সমন জারির আদেশ দিতে পারে।

আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী, বিবাদীর হাজির না হওয়ার কারণে, আদালত একতরফা ডিক্রি দিলে, বিবাদী নিম্ন লিখিত প্রতিকার পেতে পারে-
১. বিধি ১৩ এর অধীন একতরফা ডিক্রি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
২. বিধি ১৩ক এর অধীন এবতরফা ডিক্রি সরাসরি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
৩. যেহেতু একতরফা ডিক্রি একটি ডিক্রি তাই ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল করা যেতে পারে ;
৪. ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউর জন্য আবেদন করতে পারে।

আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী,
কোন মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি প্রদান করা হলে, তা রদ করার জন্য বিবাদী ৯ আদেশের ১৩ বিধির অধীন ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে আবেদন করতে পারবে। তবে এই ক্ষেত্রে বিবাদী কে প্রমাণ করতে হবে যে-
১. তার বরাবর যথাযথভাবে সমন জারি করা হয়নি;
২. শুনানীর দিন উপযুক্ত কোন কারণে, সে হাজির হতে পারে নি।

অপর দিকে, একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য, আদালতকে উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলোকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে। একতরফা ডিক্রি বাতিলের জন্য বা একতরফা ডিক্রি সরাসরি বাতিলের জন্য ৩০ দিনের মধ্যে বিবাদীকে আবেদন করতে হবে।
৮,২৩০.
কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানানুযায়ী লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭৩(২) ধারা
  2. ১৭৪(২) ধারা
  3. ১৭৫(২) ধারা
  4. ১৭৬(২) ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:

(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।

Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.

(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৮,২৩১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৮ অনুযায়ী, দাবীকৃত কোনো পোষ্য বা দত্তক গ্রহণ অবৈধ ঘোষণা মামলা করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১২ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুযায়ী: "দাবীকৃত কোনো পোষ্য বা দত্তক গ্রহণ (alleged adoption) অবৈধ অথবা অনুরূপ কোন পোষ্য কখনও গ্রহণ করা হয়নি—এই মর্মে ঘোষণার দাবীতে মামলা করতে হবে ৬ বছরের মধ্যে, এবং এই সময় গণনা শুরু হবে যখন বাদী কথিত দত্তক গ্রহণ সম্পর্কে জানতে পারে।"
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৮ অনুসারে, কোনো দাবীকৃত দত্তক গ্রহণ অবৈধ বা কখনও হয়নি এমন ঘোষণার মামলা করার তামাদি মেয়াদ ৬ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় যখন বাদী দত্তক গ্রহণের বিষয়ে জানতে পারে।
৮,২৩২.
মি. X এবং মিসেস Y দম্পতি। Y এক পর্যায়ে আদালতে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করেন। আদালত Y এর পক্ষে রায় দিয়ে X এর বিরুদ্ধে একটি ডিক্রি জারি করেন। কিন্তু যদি X এই ডিক্রিটি অমান্য করেন এবং স্ত্রীর দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার না করেন, তাহলে ডিক্রি জারির জন্য Y আদালতে আবেদন করতে পারেন যে-
  1. X কে গ্রেফতার করা হোক
  2. X এর সম্পত্তি ক্রোক করা হোক
  3. X এর সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করা হোক
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের (restitution of conjugal rights) ডিক্রিজারি শুধুমাত্র সম্পত্তি ক্রোকের (attachment of property) মাধ্যমে করা যায়। এক্ষেত্রে মিসেস Y আদালতে মি. X এর সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করতে পারবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

উল্লেখ্য,
আদালত যদি এই আবেদন গ্রহণ করেন, তাহলে মিঃ X এর সম্পত্তি (যেমন জমি, বাড়ি, গাড়ি ইত্যাদি) আটক করা হবে। এভাবে সম্পত্তি আটকের মাধ্যমে মিঃ X এর উপর চাপ সৃষ্টি করা হবে যাতে তিনি আদালতের ডিক্রি মেনে নিয়ে স্ত্রীর দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার করেন। সুতরাং দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি বাস্তবায়নের এটাই একমাত্র পদ্ধতি - অমান্যকারীর সম্পত্তি আটক করা।
৮,২৩৩.
মোকদ্দমা শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখ বাদী এবং বিবাদী কেউ হাজির না হলে, আদালত মোকদ্দমা ______ করে দিতে পারে।
  1. দো-তরফা শুনানী
  2. খারিজ
  3. স্থগিত
  4. এক-তরফা শুনানী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ আদেশে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীতে পক্ষগণের উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতির সম্পর্কিত পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে মোকদ্দমার কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে-
মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হলে,আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে
[Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed]

• প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার (আদেশ ৯ বিধি ৪)-

১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে,উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে [May bring fresh suit]।
২-খারিজ আদেশ রদ করতে আবেদন করতে পারে [apply for an order to set the dismissal aside]।তবে, এমন আবেদন খারিজ আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে দায়ের হবে।
৮,২৩৪.
আদালতের অনুমতি ব্যতীত কখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না?
  1. জেরায়
  2. পুনঃজবানবন্দীকালে
  3. পুনঃজেরাকালে
  4. পূর্বে প্রমাণিত বিষয়ে জবানবন্দীতে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না: বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।
যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে: জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
-------------
Section 141. Leading questions:

- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
Section 142.When they must not be asked:
- Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 
- The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
Section 143. When they may be asked:
- Leading questions may be asked in cross-examination.
৮,২৩৫.
'ক' ঘুসি মেরে 'খ' এর দাঁত ফেলে দেয়। 'ক' এর কৃত অপরাধ হলো-
  1. সাধারণ জখম
  2. মারাত্মক জখম
  3. হত্যার প্রচেষ্টা
  4. অনিচ্ছাকৃত জখম
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের গুরুতর/মারাত্মক জখমের উল্লেখ রয়েছে।

(i) পুরুষত্বহীনকরণ;
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ;
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ;
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন;
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ;
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি;
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা;
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

অর্থাৎ 'ক' এর কৃত অপরাধ মারাত্মক জখম হিসেবে গণ্য হবে।
৮,২৩৬.
The Limitation Act, 1908-এর ২২(১) ধারা অনুসারে, নতুন বাদী বা বিবাদী সংযোজনের ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তারিখ কখন গণ্য হবে?
  1. নতুন পক্ষের সম্মতি অনুযায়ী
  2. আদালত যে তারিখ নির্ধারণ করে
  3. মূল মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  4. যখন নতুন পক্ষ সংযোজিত বা প্রতিস্থাপিত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ২২(১) ধারা অনুসারে, যদি কোনো মামলায় নতুন বাদী বা বিবাদী সংযোজিত বা প্রতিস্থাপিত হয়, তবে সেই নতুন পক্ষের জন্য মামলাটি ঠিক তখনই দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে, যখন তাকে মামলার অংশ করা হয়।
এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ তামাদি আইনের মেয়াদ নির্ধারণে এটি প্রভাব ফেলে। যদি নতুন পক্ষ সংযোজিত হওয়ার আগেই তামাদি মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, তাহলে সেই পক্ষের বিরুদ্ধে মামলা অগ্রহণযোগ্য হতে পারে।

উদাহরণ:
→  মূল মামলা দায়ের: ১ জানুয়ারি ২০১৫।
→ নতুন বিবাদী সংযোজন: ১ মার্চ ২০১৭।
- নতুন বিবাদীর জন্য মামলা দায়েরের তারিখ গণ্য হবে ১ মার্চ ২০১৭, মূল মামলা দায়েরের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৫ নয়।

অর্থাৎ The Limitation Act, 1908-এর ২২(১) ধারা অনুযায়ী, নতুন বাদী বা বিবাদী সংযোজনের ক্ষেত্রে তার জন্য মামলাটি সংযোজন বা প্রতিস্থাপনের দিন থেকে দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে।
৮,২৩৭.
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী, কোন ধরনের মামলায় সাধারণত চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ফৌজদারি যেকোনো মামলায়
  2. দেওয়ানি ক্ষতিপূরণের মামলায়
  3. চরিত্র সম্পর্কিত ফৌজদারি মামলায়
  4. দেওয়ানি কোনো মামলায়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৫: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে চরিত্রের প্রাসঙ্গিকতা:
দেওয়ানি মামলায়, কোনো ব্যক্তির চরিত্র এমন হতে পারে যা তার প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে, এবং এ সংক্রান্ত বিষয়টি প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যা: ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪ ও ৫৫-এ "চরিত্র" বলতে খ্যাতি (reputation) ও স্বভাব (disposition) উভয়কেই বোঝায়। তবে, ৫৪ ধারায় নির্দিষ্ট যে ব্যতিক্রম রয়েছে তা ছাড়া, শুধুমাত্র সাধারণ খ্যাতি ও সাধারণ স্বভাব সম্পর্কিত সাক্ষ্য দেওয়া যাবে, বিশেষ কোনো কার্য বা আচরণের মাধ্যমে প্রমাণিত খ্যাতি বা স্বভাবের সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।

৮,২৩৮.
কোন স্ত্রীলোককে বিবাহ বা অবৈধ যৌন সহবাসে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অপহরণ বা অপবাহনের শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. তিন বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৬৬ ধারামতে কোন স্ত্রীলোককে বিবাহ বা অবৈধ যৌন সহবাসে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অপহরণ বা অপবাহনের শাস্তি অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
৮,২৩৯.
রিভিউতে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আদেশ ৪৭ বিধি ৯ এ কোন প্রতিকার বারিত করা হয়েছে?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
রিভিউ:
যে আদালত ডিক্রি/আদেশদ দেয়, সে আদালতে (রায় প্রদানকারী আদালতে) রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা ও ৪৭ আদেশে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারা এবং আদেশ ৪৭ এর ১(১) বিধি মোতাবেক রিভিউ-এর আবেদন করা যায় নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে:
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি;
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না;
⇒ স্মল কজ কোর্টের রেফারেন্সে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।

রিভিউ করা যায় যে কারণে:
i) মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন কোনো বিষয় আবিষ্কার হলে, যা মোকদ্দমার ডিক্রিপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে নানান চেষ্টা করা সত্ত্বেও আদালতে উপস্থাপন করতে অক্ষম হয়েছিল;
ii) নথিতে আপাত কোনো ভুলের কারণে;
iii) অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণে।

আদেশ ৪৭ বিধি ৯: কতিপয় রিভিউ আবেদনের ক্ষেত্রে বাধা:
রিভিউ আবেদন সম্পর্কে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা রিভিউতে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের রিভিউ আবেদন যাবে না।
৮,২৪০.
'ক' ২২,০০,০০০ টাকা মূল্যমানের জমির মালিকানার বিরোধজনিত মোকদ্দমা নিম্নলিখিত কোন আদালতে দায়ের করতে পারে?
  1. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
  2. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
  4. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করবেন সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ "ক" উক্ত মোকদ্দমা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দায়ের করবে।
৮,২৪১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩-এ স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলার তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা করা হয়?
  1. মামলা দায়েরের সময় থেকে
  2. সম্পত্তি বিক্রয়ের সময় থেকে
  3. সম্পত্তি বেদখলের সময় থেকে
  4. দলিল রেজিস্ট্রেশনের সময় থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ-৩ অনুসারে: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৯-এর অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের (Recovery of Possession of Immovable Property) মামলার তামাদি মেয়াদ ৬ মাস।
- এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় সম্পত্তি বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে (When the dispossession occurs)।
- সুতরাং, স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলার তামাদি মেয়াদ বেদখলের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।
৮,২৪২.
আদেশ ৪১ বিধি-৩৩ অনুযায়ী, আপিল আদালতের কোন ক্ষমতা থাকবে?
  1. শুধুমাত্র প্রাথমিক ডিক্রি সংশোধন করার ক্ষমতা
  2. নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করার ক্ষমতা
  3. যে কোনো ডিক্রি বা আদেশ যা প্রদান করা উচিত, তা প্রদানের ক্ষমতা
  4. শুধুমাত্র আপিলকারী পক্ষের অনুকূলে রায় দেওয়ার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-৩৩: আপিল আদালতের ক্ষমতা:

যে কোন ডিক্রি বা আদেশ যা প্রদান করা উচিত বা অতিরিক্ত কোন ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আপিল আদালতের থাকবে এবং আপিল ডিক্রির অংশ বিশেষ সম্পর্কিত হওয়া সত্ত্বেও এ ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে এবং পক্ষদের সকলের বা যে কোন একজন উত্তরদায়ক বা পক্ষ আপিল বা আপত্তি দায়ের করে না থাকে, তবে আপিল আদালত উত্তরদায়ক বা পক্ষদের সকলের অনুকূলে ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল দায়ের হয়েছে সে আদালত কোন আপত্তির উপর অনুরূপ আদেশ দিতে বাদ দিলে বা দিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে সে সম্পর্কে আপিল আদালত এ আইনের ৩৫ক ধারার অধীনে কোন আদেশ প্রদান করবেন না।

উদাহরণঃ X, Y বা Z-এর নিকট কিছু টাকা পাবে বলে দাবী করে এবং উভয়ের বিরুদ্ধে রুজুকৃত মোকদ্দমা Y-এর বিরুদ্ধে ডিক্রি লাভ করে। Y, আপিল করে এবং X ও Z উত্তরদায়ক থাকে। আপিল আদালত Y-এর অনুকূলে মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করে। এ ক্ষেত্রে Z-এর বিরুদ্ধে ডিক্রি দেয়ার ক্ষমতা আপিল আদালতের আছে।
৮,২৪৩.
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান কাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. সকল নাবালকের ক্ষেত্রে
  2. নয় বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে
  3. বারো বছরের নিচে সকল শিশুর ক্ষেত্রে
  4. নয় থেকে বার বছরের বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান- নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:
নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।

Section 83. Act of a child above nine and under twelve of immature understanding:
Nothing is an offence which is done by a child above nine years of age and under twelve, who has not attained sufficient maturity of understanding to judge of the nature and consequences of his conduct on that occasion.

৮,২৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে একই মামলায় দুই বা ততোধিক অপরাধে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড প্রদান করা যাবে?
  1. ১২ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে একই মামলায় দুই বা ততোধিক অপরাধে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড প্রদান করা যাবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
-(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
-(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনোভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশি হবে না।
(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
------------------------------------
⇒ CrPC Section-35: Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate  the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.
৮,২৪৫.
তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুসারে, নিচের কোনটি "বৈধ অপারগতা" (Legal Disability) হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. নির্বুদ্ধিতা
  2. নাবালকত্ব
  3. অপ্রকৃতিস্থতা
  4. দেউলিয়া অবস্থা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
- অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে অপ্রকৃতিস্থতা, নাবালকত্ব, নির্বুদ্ধিতা বৈধ অপারগতা। কিন্তু দেউলিয়া অবস্থা বৈধ অপারগতা নয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
-------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-6.Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.

৮,২৪৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুসারে, আদালত কখন একটি দলিল আংশিকভাবে বাতিল করতে পারে?
  1. যখন দলিলটি সম্পূর্ণ অবৈধ হয়
  2. যখন দলিলটি নিবন্ধিত হয়
  3. যখন দলিলটি সংশোধনের প্রয়োজন হয়
  4. যখন দলিলটি বিভিন্ন অধিকার বা বাধ্যবাধকতার প্রমাণ দেয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী, যদি একটি দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বাধ্যবাধকতার প্রমাণ বহন করে, তবে আদালত প্রয়োজনবোধে সেই দলিলের কোনো নির্দিষ্ট অংশ বাতিল করতে পারে, কিন্তু অবশিষ্ট অংশ বহাল রাখতে পারে।

উদাহরণ: যদি কোনো চুক্তিতে একাধিক ব্যক্তির স্বাক্ষর থাকে এবং এর মধ্যে এক বা একাধিক স্বাক্ষর জাল হয়, তবে আদালত শুধুমাত্র জাল স্বাক্ষরের অংশটি বাতিল করতে পারে, কিন্তু বৈধ অংশ বহাল রাখতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section- 40. What instruments may be partially cancelled:
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue. 
Illustration:
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.
৮,২৪৭.
নিচের কোন শব্দটি সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় ব্যবহৃত হয়নি?
  1. Re-examination
  2. Examination in Chief
  3. Cross Examination
  4. Re-cross examination
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

Section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.
৮,২৪৮.
কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে ________ বলে।
  1. বাংলাদেশী আইন
  2. বিশেষ আইন
  3. স্থানীয় আইন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২ ধারার বিধান স্থানীয় আইন:
কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে স্থানীয় আইন বলে।
-----------------------
⇒ The penal Code,1860: Section-42: “Local law”:
-A "local law" is a law applicable only to a particular part of the territories comprised in Bangladesh.
৮,২৪৯.
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে বিকল্প প্রতিকার কী?
  1. দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক
  2. দায়িকের সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয়
  3. ক এবং খ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান:

অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে।

Order-21 Rule-30- Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
৮,২৫০.
The Evidence Act 1872 এর কত ধারা মতে অশালীন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন করা যায় না?
  1. ১৪৮ ধারা
  2. ১৫০ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৫১ ধারার বিধান মতে সাক্ষীকে অশালীন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন করা যায় না। তবে নিম্ন লিখিত ক্ষেত্রে অশালীন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন করা যায়- প্রশ্নটি সরাসরি বিচার্য্য বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত, প্রশ্নটি এমন বিষয়ের সাথে জড়িত যা বিচার্য্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারনের জন্য জানা প্রয়োজনীয়।
৮,২৫১.
“ক” ঢাকা থেকে চট্রগ্রামে ট্রেনে যাওয়ার পথে এক নারীকে অশালীন মন্তব্য করে। তার এই অপরাধের কোন আদালত কর্তৃক অনুসন্ধান করা যাবে?
  1. ঢাকা বা চট্রগ্রামের এখতিয়ারধীন 
  2. যাত্রাপথের যেকোন এখতিয়ারধীন এলাকার
  3. ক বা খ
  4. ক যেই এলাকার বাসিন্দা সেই এলাকার এখতিয়ারধীন 
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৩ অনুযায়ী,ভ্রমণকালে (যেকোনো যানবাহনযোগে, স্থলপথে, সমুদ্রপথে, আকাশ পথে) যদি কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে অপরাধী ভ্রমণের সময় যেসব এলাকা অতিক্রম করবে সেসব এলাকার মধ্যে যেকোনো এলাকার এখতিয়ারাধীন অপরাধের অনুসন্ধান ও বিচার করতে পারবে।

• প্রশ্নে উল্লেখিত “ক” ব্যক্তির অনুসন্ধান ও বিচার ঢাকা বা চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট বা যাতায়াতের পথে যেকোনো এখতিয়ারাধীন এলাকার আদালতে করা যাবে।
৮,২৫২.
কোন প্রতিকারটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় পড়ে না?
  1. চুক্তি বাস্তবায়ন
  2. নিষেধাজ্ঞা
  3. স্বত্ত্ব ঘোষণা
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করাভাবে।
(ক) কোন সম্পত্তি দখল গ্রহণ এবং তা দাবীদারকে অর্পণের মাধ্যমে।
(খ) যা করার ব্যাপারে তার বাধ্যবাধকতা রয়েছে এটি পক্ষকে তেমন কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে।
(গ) যা না করার বিষয়ে তার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, একটি পক্ষকে তেমন কাজ হতে বিরত থাকার মাধ্যমে।
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রায় প্রদানের মাধ্যম ব্যতীত অন্য প্রকারে পক্ষ সমূহের অধিকার এবং ঘোষণার মাধ্যমে।
(ঙ) একজন রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের মাধ্যমে।
উল্লেখ্য যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে প্রতিকার দেয়া হয় না।
৮,২৫৩.
'Adverse Possession' শব্দদ্বয় তামাদি আইনের কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে?
  1. তামাদি আইনের ২৮ ধারায়
  2. তামাদি আইনের ১৪২ অনুচ্ছেদে
  3. ক এবং খ
  4. কোথাও ব্যবহার করা হয় নি
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারায় বলা হয়েছে, কিভাবে বা কি কারণে একজনের মালিকানায় থাকা সম্পত্তিতে তার অধিকার বা মালিকানা বিলুপ্ত হয়ে যায়। যাকে ‘সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি’ শিরোনামে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, আইনে মামলা দায়ের করার যে মেয়াদ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে ঐ সময়সীমার মাঝে মামলা দায়ের না করলে তার অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

যেমন ১ম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৪২-এ উল্লেখ করা হয়েছে বাদীর দখলে থাকাকালে সে যদি বেদখল বা নিজের দখল বজায় না রাখে তাহলে বেদখল হবার বা যেদিন থেকে দখল বজায় না রাখে সে তারিখ হতে ১২ বছরের মাঝে তার মামলা দায়ের করতে হবে। যদি সে মামলা দায়ের না করে তাহলে ২৮ ধারার বিধান অনুযায়ী তার অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং যে ব্যক্তি দখলে আছে সে যদি ১২ বছরের বেশী সময় তার নিরবিচ্ছিন্ন দখলে থাকা প্রমাণ করতে পারে তাহলে ঐ সম্পত্তিতে তার বিরুদ্ধ দখলজনিত স্বত সৃষ্টি হবে যাকে আদালতের ভাষায় Title by adverse possession বলা হয়।

তামাদি আইনের ২৮ ধারা বা ১৪২ অনুচ্ছেদে Adverse Possession শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়নি। কিন্তু বহু বছর ধরে আদালতে এরুপ দখলকে Adverse দখল হিসেবে গণ্য হয়ে আসছে। Adverse Possession সম্পর্কে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট মতামত দেন যে- ‘Adverse possession implies that it commenced in wrong and is maintained against right’। ২৮ ধারার সাথে সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ হচ্ছে ১৪২,১৪৪ এবং ১৪৯।
৮,২৫৪.
আপিলের নোটিশে কোন বিষয়টি উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক?
  1. মামলার বিস্তারিত বিবরণ
  2. শ্রবণ করার সময় ও স্থান
  3. আপিল আদালতের বিচারকের নাম
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২২- আপিলের নোটিশ:

আপিল আদালত যদি সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ না করেন, সেক্ষেত্রে যে সময় ও যে স্থানে উক্ত আপিল শ্রবণ করা যাবে সেই সময় ও স্থান সম্পর্কে আপিলকারী বা তার উকিলকে এবং এ সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অফিসারকে নোটিশ দিবেন এবং উক্ত অফিসার আবেদন করলে তাকে আপিলের কারণসমূহের একটি নকল দিবেন এবং ধারা-৪১৭ অনুসারে আপিলের ক্ষেত্রে আপিল আদালত আসামীকে অনুরূপ নোটিশ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Section 422- Notice of appeal:
If the Appellate Court does not dismiss the appeal summarily, it shall cause notice to be given to the appellant or his pleader, and to such officer as the Government may appoint in this behalf, of the time and place at which such appeal will be heard, and shall, on the application of such officer, furnish him with a copy of the grounds of appeal; and, in cases of appeals under or section 417, the Appellate Court shall cause a like notice to be given to the accused.
৮,২৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) অনুযায়ী "বিচারক বা জজ" বলতে-
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্টের বিচারক বোঝায়
  2. দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় আদালতের বিচারক বোঝায়
  3. শুধুমাত্র দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়
  4. শুধুমাত্র নিম্ন আদালতের বিচারক বোঝায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.

• সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge];
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge];
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge];
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge];
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]।
৮,২৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট কয়টি তফসিল রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:

১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল

২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে

৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে

৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে

৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
৮,২৫৭.
আবুল রাত্রিবেলা একটি গৃহে প্রবেশ করে। গৃহটিতে প্রবেশে আবুলের আইনগত অধিকার রয়েছে। বাবুল সরল বিশ্বাসে আবুলকে চোর ভেবে আক্রমণ করে। এক্ষেত্রে বাবুল কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. আঘাত
  2. বেআইনি আক্রমণ
  3. আক্রমণ
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা মতে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগকালে কৃত কোন কিছুই অপরাধ নয়। অর্থাৎ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কোন অপরাধ সংঘটিত হলেও তা অপরাধ বলে গণ্য হবেনা।
• অন্যভাবে বলা যায় যে, ৭৬ ধারা অনুযায়ী এটি একটি Mistake of fact যে কারণে বাবুলের কৃত কাজটি কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
৮,২৫৮.
কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে এবং সেটি কোন অপরাধ এই বিষয়ে যদি সন্দেহ থাকে,তখন নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি সঠিক?
  1. তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যেকোনো একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে
  2. আসামীকে এরুপ সকল বা কোন একটি অপরাধে অভিযুক্ত করা যেতে পারে
  3. এরুপ যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময়ে হতে পারে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে।
এই ধারা অনুসারে, ২৩৪, ২৩৫, ২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।

• তবে ধারা ২৩৬ অনুযায়ী যদি একটিমাত্র কাজ অথবা ধারাবাহিক কতিপয় কাজ এরূপ প্রকৃতির হয় যে,যেসকল তথ্য প্রদান করা যায় তার ভিত্তিতে কতিপয় অপরাধের মধ্যে কোনটি গঠিত হয় সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকে,তাহলে অভিযুক্তকে এরূপ সকল অথবা কোন একটি সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত করা যাবে এবং যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময় হতে পারবে:অথবা তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যে কোন একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে।

[If a single act or series of acts is of such a nature that it is doubtful which of several offences the facts which can be proved will constitute,the accused may be charged with having committed all or any of such offences and any number of such charges may be tried at once;or he may be charged in the alternative with having committed some one of the said offences.]
৮,২৫৯.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আদালত কী করতে পারে?
  1. সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  2. দেওয়ানি জেলে আটক করতে পারে
  3. ক এবং খ উভয়টি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-
১) বিবাদীকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদী অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

৮,২৬০.
Enlargement of Time এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা দীর্ঘায়িত করা
  2. সরকারি রাজস্ব আদায়
  3. আদালতের কাজের চাপ কমানো
  4. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পক্ষগুলিকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৪৮ অনুযায়ী, যদি আদালত কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দেয় এবং সেই সময় অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তাহলেও আদালত তার সুবিবেচনায় সময় বাড়াতে পারেন, যেন পক্ষগুলো ন্যায়বিচারের জন্য যথাযথ প্রস্তুতি ও সুযোগ পায়।
এটি কোনো পক্ষকে হয়রানি করার জন্য নয় বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের একটি ব্যবস্থা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৮ ধারার বিধান সময় বাড়ানো (Enlargement of time)- আইনে অনুমোদিত কোন কাজ করার জন্য আদালত কোন সময় নির্ধারণ করে দেয়ার পরও (এমনকি নির্ধারিত সময় পার হলেও) ১৪৮ ধারা অনুযায়ী আদালত তার সুবিবেচনামূলক ক্ষমমতাবলে সময়ে সময়ে উক্ত সময়কাল বাড়াতে পারে।
- ১৪৮ ধারার বিধান মোতাবেক কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলে আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত উক্ত কাজ সম্পাদনের জন্য পক্ষদেরকে সময় মনজুর করতে পারেন। এটি আদেশ ১৭- এর adjournments সংক্রান্ত বিধান থেকে আলাদা। adjournments আদেশে শুধু শুনানী মূলতবীর জন্য সময় দেওয়ার বিধান আছে। কিন্তু ১৪৮ ধারার বিধান মোতাবেক যে কোনো কাজের জন্য নির্ধারিত সময় বৃদ্ধির আবেদন করা যায়। 
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 148. Enlargement of time.
Where any period is fixed or granted by the Court for the doing of any act prescribed or allowed by this Code, the Court may, in its discretion, from time to time, enlarge such period, even though the period originally fixed or granted may have expired.
৮,২৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় আদালত আংশিকভাবে দলিল বাতিল করতে পারে?
  1. ৩৯ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারার বিধান- যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য:
যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।

উদাহরণ:
'ক', 'খ' এর নামে একটি হুণ্ডি প্রণয়ন করল, উহা পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে 'গ' কে প্রদান করল, যার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে তা 'ঘ' কে প্রদত্ত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, 'ঘ' আবার পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে তা 'ঙ' কে প্রদান করেছে। 'গ'-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। 'গ' হুণ্ডিকে অন্যান্য ব্যাপারে বহাল রেখে উক্ত পৃষ্ঠাঙ্কনের বিলুপ্তি পাবার অধিকারী।

⇒ Section 40- What instruments may be partially cancelled:
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue. 

Illustration-
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.

৮,২৬২.
‘A’ বন্ধুত্বের খাতিরে ‘Z’-এর লাইব্রেরি থেকে ‘Z’-এর সম্মতি ছাড়া একটি বই নিয়ে আসে এবং পরে তা বিক্রি করে দেয়। এর ফলে ‘A’ কোন অপরাধ করেছে?
  1. চুরি
  2. অনিষ্টসাধন
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা
⇒ অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।

অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
৮,২৬৩.
কোন মোকদ্দমায় মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধি কত দিনের মধ্যে সরাসরি মোকদ্দমার অ্যাবেটের আদেশ রদের দরখাস্ত করতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২২, বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ: বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
------------------
⇒ Order-22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal:
Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
৮,২৬৪.
Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে SCHEDULE II এর এন্ট্রি ১৪৩-এর ক্ষেত্রে কলাম ৬ এ কী পরিবর্তন করা হয়েছে?
  1. “Summons” থেকে “Warrant” করা হয়েছে
  2. “Bailable” থেকে “Not bailable” করা হয়েছে
  3. “Not compoundable” থেকে “Compoundable” করা হয়েছে
  4. “Compoundable” থেকে “Not compoundable” করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ২৭(ক) অনুযায়ী, SCHEDULE II এর এন্ট্রি ১৪৩ (দণ্ডবিধির ধারা ১৪৩ - অবৈধ সমাবেশের সদস্য হওয়া) এর বিপরীতে কলাম ৬-এর এন্ট্রি “Not compoundable” (অ-মীমাংসাযোগ্য) থেকে “Compoundable” (মীমাংসাযোগ্য) এ পরিবর্তন করা হয়েছে। এর অর্থ হল, এই অপরাধটি এখন আক্রান্ত পক্ষের সাথে সমঝোতা (compromise) করার মাধ্যমে আদালতের বাইরে নিষ্পত্তি করা যাবে।

⇒  Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ২৭(ক) অনুসারে, The Code of Criminal Procedure, 1898 এর SCHEDULE II এর কলাম ১-এ উল্লিখিত এন্ট্রি ১৪৩-এর বিপরীতে কলাম ৬-এর এন্ট্রিতে নিম্নলিখিত পরিবর্তন করা হয়েছে: 
⇒  পূর্বে: “Not compoundable” (অ-মীমাংসাযোগ্য) → সংশোধনীর পর: “Compoundable” (মীমাংসাযোগ্য)

 ⇒  এন্ট্রি ১৪৩ এর প্রেক্ষাপট:
- এন্ট্রি ১৪৩ The Penal Code, 1860 এর ধারা ১৪৩-এর সাথে সম্পর্কিত, যা অবৈধ সমাবেশে অংশগ্রহণ (Being a member of an unlawful assembly) অপরাধকে নির্দেশ করে। এই অপরাধের জন্য শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা জরিমানা, অথবা উভয়ই।
SCHEDULE II এর কলাম ৬ এই অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (compoundable) কি না তা নির্দেশ করে। মীমাংসাযোগ্য অপরাধ বলতে এমন অপরাধ বোঝায় যেখানে অভিযোগকারী এবং আসামির মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা যায়।

সংশোধনীর বিবরণ:

→ পূর্বের অবস্থা: এন্ট্রি ১৪৩-এর ক্ষেত্রে কলাম ৬-এ উল্লেখ ছিল “Not compoundable”, অর্থাৎ এই অপরাধটি সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যেত না।
→ সংশোধনীর পর: Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে এটি “Compoundable” করা হয়েছে। এর ফলে, এই অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযোগকারী (যিনি অবৈধ সমাবেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন) এবং আসামির মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।এই পরিবর্তনটি ধারা ৩৪৫-এর সংশোধনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে বলা হয়েছে যে ধারা ১৪৩-এর অপরাধ “The person against whom the unlawful assembly was assembled” (অবৈধ সমাবেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ব্যক্তি) দ্বারা মীমাংসাযোগ্য।

৮,২৬৫.
'ক' অসৎ উদ্দেশ্যে জনৈক মহিলার সম্মতি ছাড়া ও মহিলা বিরক্ত হবেন জেনেও তার ঘোমটা খুলে ফেলেন। 'ক' কোন অপরাধ করেছেন?
  1. Assault
  2. Causing hurt
  3. Use of criminal force
  4. Assault with intent to outrage modesty
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:-
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

(ছ) ক চ-এর সম্মতি ব্যতীত চ-এর উপর একটি কুকুরকে ঝাঁপিয়ে পড়তে লেলিয়ে দেয়। এখানে ক-এর উদ্দেশ্য যদি হয় চ-কে আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত করা, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করেছে।
------------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section-350. Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.
Illustrations:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z.

(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z.

(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z.
(d) A intentionally pushes against Z in the street. Here A has by his own bodily power moved his own person so as to bring it into contact with Z. He has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z.

(e) A throws a stone, intending or knowing it to be likely that the stone will be thus brought into contact with Z, or with Z's clothes, or with something carried by Z, or that it will strike water, and dash up the water against Z's clothes or something carried by Z. Here, if the throwing of the stone produce the effect of causing any substance to come into contact with Z, or Z's clothes, A has used force to Z; and if he did so without Z's consent, intending thereby to injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z.

(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.

(g) Z is bathing, A pours into the bath water which he knows to be boiling. Here A intentionally by his own bodily power causes such motion in the boiling water as brings that water into contact with Z, or with other water so situated that such contact must affect Z's sense of feeling: A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done this without Z's consent intending or knowing it to be likely that he may thereby cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force.
(h) A incites a dog to spring upon Z, without Z's consent. Here, if A intends to cause injury, fear or annoyance to Z, he uses criminal force to Z.
৮,২৬৬.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে বর্ণিত সংজ্ঞা অনুসারে- 'Code' includes _______.
  1. decrees
  2. orders
  3. rules 
  4. regulations
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১): "Code" includes rules.

ধারা ২: সংজ্ঞা (Definitions)
এই আইন অনুযায়ী, যদি বিষয় বা প্রসঙ্গে অন্য কিছু ব্যাখ্যা না নির্দেশিত থাকে, তবে-
(১) “কোড” (Code) বলতে বিধি (Rules) অন্তর্ভুক্ত হবে।

৮,২৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তি ভাগবাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করার যায় যেখানে -
  1. বাদী বসবাস করে
  2. বিবাদী বসবাস করে
  3. বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত
  4. "ক" অথবা "খ" যে কোনো একটিতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। ধারা ১৬ অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত, সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

- সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন-
স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার,
স্থাবর সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা,
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা
আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা; সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

- তবে স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি খালাসের অধিকারহরণ (foreclosure) বা বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে, যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে।
৮,২৬৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'Threat of injury to public servant' এর শাস্তির বিধান আছে?
  1. দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৯০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৮,২৬৯.
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকারের স্থিতিকাল _______
  1. মেয়াদহীন
  2. যুক্তিযুক্ত আতঙ্ক থাকা পর্যন্ত
  3. অপরাধের পর ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত
  4. আসামী ধরা না পড়া পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ১০২ ধারায় দেহ বা শরীর রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার কখন আরম্ভ হবে এবং উক্ত অধিকার কতক্ষন পর্যন্ত বহাল থাকবে তা আলোচনা করা হয়েছে।

দেহের প্রতি আক্রমন বা বিপদের যুক্তিযুক্ত আতংক সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে (reasonable apprehension of danger) অথবা আক্রমন যদি এমন আশঙ্কা সৃষ্টি করে যে আক্রান্ত ব্যক্তি মনে করেন যে তিনি গুরুতর আঘাত পাবেন, সে সময় থেকেই দেহ সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকার শুরু হয় ।

অন্যদিকে যতক্ষন পর্যন্ত তদ্রূপ আক্রমনের উদ্যোগ বা আতংক কেটে না যায় ততক্ষন পর্যন্ত আত্মরক্ষার অধিকার বিদ্যমান থাকে।
৮,২৭০.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কত অনুচ্ছেদ ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১০
  2. অনুচ্ছেদ ১১২
  3. অনুচ্ছেদ ১২০
  4. অনুচ্ছেদ ১৩১
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার মোকদ্দমাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বলা হয়। শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি। তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
৮,২৭১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীন মামলায় পরাজিত হলে বাদী-
  1. ৮ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
  2. ৮ ধারার অধীন মামলা করতে পারে না
  3. পুনরায় ৯ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
  4. উল্লিখিত কোনটিই পারবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৯- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

৯ ধারার ক্ষেত্রে Res-judicata:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীন মামলা করার পর বাদী যদি মামলায় পরাজিত হয়ে দখল উদ্ধারে ব্যর্থ হয়, তখন ঐ একই বাদী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী স্বত্ব ঘোষণাপূর্বক দখল উদ্ধারের মামলা করতে পারবে। সুতরাং ৯ ধারায় প্রাপ্ত রায় ৮ ধারায় মামলা করার ক্ষেত্রে রেজ-জুডিকেটা হবে না। কেননা ৯ ধারামতে বাদীকে সাধারন উপায়ে স্বত্ব প্রতিষ্ঠা ও দখল পুনরুদ্ধারে মামলা করতে বাধা দেয়া যাবে না। তবে কোন ব্যক্তি ৯ ধারার অধীন মামলা করার পর মামলায় পরাজিত হয়ে পুনরায় নতুন করে ৯ ধারার অধীন মামলা করতে পারবে না, কেননা তা রেজ-জুডিকেটা হবে।
৮,২৭২.
'ক', 'গ' কে গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে অসাধুভাবে 'গ'-কে একটি কাগজে স্বাক্ষর করতে প্রবৃত্ত করে। 'গ' কাগজটিতে স্বাক্ষর করে ও তা 'ক' এর নিকট অর্পণ করে। 'ক' এর অপরাধ কী?
  1. ডাকাতি
  2. প্রতারণা
  3. দস্যূতা
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক', 'গ'-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, 'গ' তাকে টাকা না দিলে 'ক' 'গ'-এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে 'গ'-কে বাধ্য করে। 'ক' বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion)- কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের উপাদান-
 স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তির ক্ষেত্রে বলপূর্বক গ্রহণ হয়; এবং অপরাধী স্বয়ং উপস্থিত না থেকেও বলপূর্বক আদায় বা গ্রহণের অপরাধ করতে পারে।
যে ব্যক্তিকে ভয় দেখানো হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি অর্পণ করার সঙ্গেই বলপূর্বক গ্রহণের অপরাধ সংঘটিত হয়। 
বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের ক্ষেত্রে দূরবর্তী ক্ষতির ভয় থাকলেও তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি হয়না।
----------------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860-Section 383.Extortion:
- Whoever intentionally puts any person in fear of any injury to that person, or to any other, and thereby dishonestly induces the person so put in fear to give donation or subscription of any kind or to deliver] to any person any property or valuable security or anything signed or sealed which may be converted into a valuable security, commits "extortion". 
Illustrations:
(a) A threatens to publish a defamatory libel concerning Z unless Z gives him money. He thus induces Z to give him money. A has committed extortion. 
(b) A threatens Z that he will keep Z's child in wrongful confinement unless Z will sign and deliver to A a promissory note binding Z to pay certain money to A. Z signs and delivers the note. A has committed extortion. 
(c) A threatens to send club-men to plough up Z's field unless Z will sign and deliver to B and bond binding Z under a penalty to deliver certain produce to B, and thereby induces Z to sign and deliver the bond. A has committed extortion. 
(d) A, by putting Z in fear of grievous hurt, dishonestly induces Z to sign or affix his seal to a blank paper and deliver it to A. Z signs and delivers the paper to A. Here, as the paper so signed may be converted into a valuable security, A has committed extortion.
৮,২৭৩.
What is the maximum term of imprisonment under Section 363 of  for kidnapping a person from Bangladesh?
  1. 3 years
  2. 5 years
  3. 7 years
  4. 10 years
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860 Section 362. Punishment for kidnapping:
Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:
 কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

৮,২৭৪.
একটি সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে সোহেল ব্যবহার করছেন। হঠাৎ একদিন রফিক দাবি করলেন যে, এই সম্পত্তি তার বাবার নামে ছিল এবং সোহেল অবৈধভাবে এটি দখল করেছেন। এই পরিস্থিতিতে—
  1. রফিককে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
  2. সোহেলকে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
  3. আদালত তদন্ত করে মালিক নির্ধারণ করবে
  4. উভয় পক্ষকেই সমানভাবে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো ব্যক্তি যদি কোনো সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে দখল করে থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া হয় যে সে-ই মালিক, যদি না অন্য কেউ প্রমাণ করতে পারে যে দখলকারী প্রকৃত মালিক নয়। সুতরাং, যেহেতু রফিক দাবি করছেন যে সম্পত্তিটি তার বাবার ছিল, তাই মালিকানা প্রমাণের দায়িত্ব রফিকের উপর বর্তাবে।

সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:

যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।

Section-110- Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
৮,২৭৫.
বার কাউন্সিল নির্বাচনের জন্য নির্বাচনের কত দিন আগে তফসিল প্রকাশ করতে হয়?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৩:
চেয়ারম্যানকে [বার কাউন্সিল নির্বাচনের অন্তত ৪৫ দিন পূর্বে] সরকারি গেজেটে নির্বাচনের একটি তফসিল প্রকাশ করতে হবে, যাতে বার কাউন্সিলের সদস্যদের নির্বাচনের জন্য নিচের বিষয়গুলো উল্লেখ থাকবে-
(ক) প্রস্তাব জমা দেওয়ার নির্ধারিত তারিখ, যা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১০ দিনের মধ্যে হবে না এবং প্রস্তাব বার কাউন্সিলের অফিসে জমা দিতে হবে;
(খ) উক্ত প্রস্তাবগুলোর যাচাই-বাছাই (scrutiny) করার তারিখ;
(গ) ভোটগ্রহণের তারিখ বা তারিখসমূহ;
(ঘ) নির্বাচনের বিরুদ্ধে আপত্তি দাখিলের শেষ তারিখ;
(ঙ) বার কাউন্সিলের অফিসে নির্বাচন পিটিশন কমিটি কর্তৃক প্রথমবারের মতো উক্ত আপত্তি গ্রহণের তারিখ।
৮,২৭৬.
“All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.” – এই বিধান কোন ধারার?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫ 
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৫-এর পুরো বিধানই হলো: “All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.”
- অর্থাৎ তামাদি আইনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সব দলিল (যে ক্যালেন্ডারেই লেখা থাকুক না কেন – বঙ্গাব্দ, হিজরি, শকাব্দ ইত্যাদি) গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সম্পাদিত বলে গণ্য হবে। এর ফলে তামাদির মেয়াদ গণনায় একক ও নির্ভুল নিয়ম প্রয়োগ হয়।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments)- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-------
-The Limitation Act, 1908, Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.

৮,২৭৭.
দলিল বাতিল বা বাতিলযোগ্য বিষয়টি অবগত হওয়ার কত বছরের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষকে মামলা দায়ের করতে হয়?
  1. ১২
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৯১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দলিল বাতিল বা বাতিলযোগ্য বিষয়টি অবগত হওয়ার তিন বছরের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষকে মামলা দায়ের করতে হয়।
৮,২৭৮.
একটি সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের কার্যক্রম একজন অ্যাডভোকেট কোনো পক্ষকে প্রতিনিধিত্ব করলে তিনি-
  1. সম্পত্তিটি বেনামীতে ক্রয় করতে পারেবেন
  2. পারিতোষিকের পরিবর্তে সম্পত্তিটি ক্রয় করতে পারবেন
  3. সম্পত্তিটি নিজে ক্রয় করতে পারবেন
  4. সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
♦Cannons of Professional Conduct and Etiquette  মতে একজন আইনজীবী নিজের পরিচালনাধীন মামলার সংশ্লিষ্ট উইল, ইচ্ছাপত্র (Probate), বন্ধক বন্ধ (Forclosure) বা বিচারিক নিলাম ইত্যাদি পদ্ধতিতে ক্রেতা হতে পারবে না।
৮,২৭৯.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, প্ররোচনা, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা আদায়কৃত স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ২৩
  2. ধারা ২৪
  3. ধারা ২৫
  4. ধারা ২৬
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, যদি কোনো স্বীকারোক্তি প্রলোভন, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আদায় করা হয় এবং যদি আদালত মনে করে যে, এই প্রভাবের কারণে স্বীকারোক্তিটি দেওয়া হয়েছে, তবে তা অগ্রহণযোগ্য ও অপ্রাসঙ্গিক বিবেচিত হবে।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, যদি কোনো আসামী প্রলোভন (inducement), ভয়ভীতি (threat) বা প্রতিশ্রুতি (promise) দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বীকারোক্তি দেয় এবং আদালতের মতে সেই প্রভাব এমন যে আসামী যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করতে পারে যে, স্বীকারোক্তি দিলে সে লাভবান হবে বা ক্ষতি এড়াতে পারবে, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য এবং ফৌজদারি কার্যধারায় প্রাসঙ্গিক নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872-এর ধারা ২৪ প্ররোচনা, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট স্বীকারোক্তি কখন ফৌজদারি মামলায় অপ্রাসঙ্গিক:
যদি কোনো আসামী ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত স্বীকারোক্তির প্রমাণ থেকে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, তা কোনো প্ররোচনা, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট হয়েছে, যা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত এবং কোনো ক্ষমতাবান ব্যক্তির পক্ষ থেকে এসেছে, এবং তা আদালতের মতে এমন পর্যায়ের যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তা থেকে যুক্তিসঙ্গতভাবে ধারণা করতে পারে যে, এই স্বীকারোক্তি প্রদান করলে সে কোনো পার্থিব (অর্থাৎ, জাগতিক বা বাস্তব) লাভ পাবে বা কোনো ক্ষতি এড়াতে পারবে, তাহলে ঐ স্বীকারোক্তি ফৌজদারি মামলায় গ্রহণযোগ্য বা প্রাসঙ্গিক হবে না।

⇒ The Evidence Act, 1872 section 24. Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding:A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.
৮,২৮০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারার ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক?
  1. আত্মপক্ষ সমর্থনের পূর্বে আদালত আসামীকে পরীক্ষা করে
  2. আত্মপক্ষ সমর্থনের পর আদালত আসামীকে পরীক্ষা করে
  3. উক্ত পরীক্ষায় শপথ গ্রহণ করা হয়
  4. মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, শাস্তির জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। 
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীর নিকট যে প্রশ্ন করে, আসামী এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো শপথ গ্রহণ করা হয় না।

Section 342: Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused.
৮,২৮১.
The Limitation Act, 1908 কবে বলবৎ হয়?
  1. ৭ই আগস্ট, ১৯০৯
  2. ৭ই আগস্ট, ১৯০৮
  3. ১লা জানুয়ারী, ১৯০৯
  4. ১লা জানুয়ারী, ১৯০৮
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908-এর ধারা 1(3) অনুসারে, ধারা 1 (প্রারম্ভিক) এবং ধারা 31 অবিলম্বে বলবৎ হয়, অর্থাৎ আইনটি পাস হওয়ার তারিখ ৭ই আগস্ট, ১৯০৮-এ। তবে আইনের বাকি অংশ বলবৎ হয় ১লা জানুয়ারী, ১৯০৯ থেকে।
সুতরাং, আইনটি পাস হয় ৭ই আগস্ট, ১৯০৮-এ কিন্তু সম্পূর্ণরূপে বলবৎ হয় ১লা জানুয়ারী, ১৯০৯-এ।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) হল একটি প্রক্রিয়াগত (procedural) আইন, যা মূলত দেওয়ানি মামলা, আপিল, দরখাস্ত ইত্যাদির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়।
- এই আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে ব্রিটিশ ভারতের অধীনে প্রণীত হয়।
- এটি ৯ নং আইন (Act No. IX of 1908) হিসেবে পরিচিত।
এই আইন প্রণয়নের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল যাতে কোনো ব্যক্তি অনন্তকাল পর্যন্ত মামলা করে বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে এবং বিরোধ নিরসনের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে সামাজিক শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়।
তামাদি আইনের (Limitation Act, 1908) ধারা ১(৩) অনুযায়ী, ধারা ১ ও ধারা ৩১ অবিলম্বে কার্যকর হয় এবং বাকি অংশ ১ জানুয়ারি, ১৯০৯ তারিখ থেকে কার্যকর হয়।
→ অর্থাৎ তামাদি আইন ৭ আগস্ট ১৯০৮ তারিখে প্রণীত হয় এবং ১ জানুয়ারি, ১৯০৯ তারিখ থেকে কার্যকর হয়।

- বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফশিল বলবৎ আছে।
- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে।
- তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
i. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
ii. আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
iii. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

৮,২৮২.
যদি একজন ব্যক্তি এমন কাজ করেন যার ফলে অপর ব্যক্তি মারা যায়, কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল অন্য কেউকে মারার, তাহলে তা ______________ হিসেবে গণ্য হবে।
  1. আইনত বৈধ হত্যা
  2. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  3. অনিচ্ছাকৃত হত্যা
  4. দুর্ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০১ ধারা- যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।

Section 301- Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
৮,২৮৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় 'Miscellaneous proceedings' এর বিধান আছে?
  1. ১৩৯ ধারায়
  2. ১৪০ ধারায়
  3. ১৪১ ধারায়
  4. ১৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪১ ধারার বিধান: বিবিধ কার্যক্রমসমূহ: এই আইনে মোকদ্দমা সম্পর্কে উল্লেখিত কার্যপ্রণালী দেওয়ানি এখতিয়ারসম্পন্ন যে কোন আদালতে যাবতীয় কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যথাসম্ভব প্রযোজ্য: অনুসরণ করতে হবে।
---------------
⇒ CPC Section: 141. Miscellaneous proceedings:
- The procedure provided in this Code in regard to suits shall be followed, as far as it can be made applicable, in all proceedings in any Court of civil jurisdiction.
৮,২৮৪.
দণ্ডবিধির ২৩৩ ধারা অনুযায়ী, জাল মুদ্রা তৈরির সরঞ্জাম তৈরি বা বিক্রয় করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. শুধু জরিমানা
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ২৩৩ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি: জাল মুদ্রা তৈরির জন্য যন্ত্রপাতি বা ডাই (die) তৈরি বা মেরামত করে, এমন যন্ত্রপাতি ক্রয়-বিক্রয় বা হস্তান্তর করে, জেনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও যে এসব যন্ত্রপাতি জাল মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হবে, তাহলে তার শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

- দণ্ডবিধির ২৩৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ— জাল মুদ্রা তৈরির যন্ত্র (die or instrument) তৈরি বা মেরামত করে, অথবা সে প্রক্রিয়ার কোনো অংশে অংশগ্রহণ করে, অথবা সে যন্ত্র ক্রয়, বিক্রয়, হস্তান্তর করে
এবং তা জাল মুদ্রা তৈরির উদ্দেশ্যে হয় বা এমন ধারণা থাকে যে তা জাল মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হবে,
- তাহলে তাকে সর্বোচ্চ—  ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।
-----
⇒The Penal Code, 1860-Section- 233. Making or selling instrument for counterfeiting coin:
- Whoever makes or mends, or performs any part of the process of making or mending, or buys, sells or disposes of, any die or instrument, for the purpose of being used, or knowing or having reason to believe that it is intended to be used, for the purpose of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

৮,২৮৫.
'No particular number of witness shall in any case be required for the proof of any fact' বাক্যটি The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৩২ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ Number of witnesses:
Section 134. No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।
⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

⇒ সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল-'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।

⇒ একজনের বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য অবিশ্বাস্য দশজনের সাক্ষ্যকেও হার মানাতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করে পরিবেশ পরিস্থিতির উপর।
⇒ যেমন- ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার একক সাক্ষী অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। একইভাবে খুনের মামলায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর বিশ্বাস করে আসামীকে দণ্ড দেয়া বিধিসম্মত হবে না।
৮,২৮৬.
সাক্ষ্য আইনের সর্বশেষ সংশোধনীতে ১৫৫ ধারার কোন বিষয়বস্তুটি বাতিল করা হয়েছে?
  1. চরিত্র সম্পর্কিত কোনো সাক্ষ্য দেবার বিধান
  2. দেওয়ানি মোকদ্দমায় চরিত্রের অপ্রাসঙ্গিকতার বিধান
  3. ধর্ষণ ইত্যাদি মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগকারিনীর দুশ্চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবার বিধান
  4. ধর্ষণ ইত্যাদি মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগকারিনীর সত্যবাদিতা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবার বিধান
ব্যাখ্যা
​সাক্ষ্য আইনের সর্বশেষ সংশোধনীতে ১৫৫ ধারার (৪) উপধারা বাতিল করা হয়েছে। এই উপধারায় বলা ছিল যে, ধর্ষণ বা শ্লীলতাহানির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগকারী নারীর চরিত্র সম্পর্কে প্রশ্ন করা যেতে পারে। এই বিধানটি বাতিলের ফলে ধর্ষণ মামলায় অভিযোগকারিণীর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা আইনত নিষিদ্ধ হয়েছে, যা নারীর মর্যাদার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৫: সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা:

একজন সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিম্নলিখিত উপায়ে বিরোধী পক্ষ বা, আদালতের অনুমতি নিয়ে, যে পক্ষ তাকে আহ্বান করেছে, দ্বারা নষ্ট (Impeach) করা যেতে পারে:
(১) এমন লোকদের সাক্ষ্য দ্বারা যারা সাক্ষীকে জানেন এবং বিশ্বাস করেন যে সে বিশ্বাসযোগ্য নয়।
(২) প্রমাণের মাধ্যমে যে, সাক্ষী ঘুষ গ্রহণ করেছে, অথবা ঘুষ গ্রহণের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, অথবা তার সাক্ষ্য প্রদান করার জন্য অন্য কোনো দুর্নীতিপূর্ণ প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।
(৩) প্রমাণের মাধ্যমে যে, সাক্ষী পূর্বে এমন কোনো বক্তব্য দিয়েছে যা তার বর্তমান সাক্ষ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং যা তার সাক্ষ্যকে খণ্ডিত করা যেতে পারে।

ব্যাখ্যা - যে সাক্ষী অন্য একজন সাক্ষীকে বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে ঘোষণা করবে, তাকে তার প্রধান জবানবন্দির সময় তার বিশ্বাসের কারণ উল্লেখ করতে হবে না। তবে, তাকে ক্রস-এক্সামিনেশনে তার কারণগুলো প্রশ্ন করা যেতে পারে, এবং তার দেওয়া উত্তরগুলো খণ্ডন করা যাবে না, যদিও যদি তারা মিথ্যা হয়, তাহলে পরে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দায়ী করা যেতে পারে।
৮,২৮৭.
“Precept” বলতে কী বোঝায়?
  1. মামলার নথি
  2. ডিক্রির অনুলিপি
  3. আদালতের চূড়ান্ত রায়
  4. বিচারকের আদেশপত্র
ব্যাখ্যা

বিচারকের আদেশপত্র বা অনুরোধলিপি [Precept]:
Precept অর্থ হলো বিচারকের আদেশপত্র বা নির্দেশাজ্ঞা বা অনুরোধলিপি। দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় Precept সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে, অন্য কোনো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রিটি জারি করার অনুরোধ করতে পারে এবং এইরুপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে। যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে সম্পত্তি ক্রোক করবে।

ডিক্রি প্রদানকারী আদালত সময় বাড়িয়ে না দিলে, অথবা যে-আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সেই আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর না করা হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে বিচারকের আদেশপত্র বা অনুরোধলিপি-অনুসারে কোনো ক্রোক ২ (দুই) মাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

৮,২৮৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৬৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২৬৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ২৭০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।

⇒  দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারার বিধান জনসাধারণের উপদ্রব :- যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

- কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে-এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না।

---------------------------------------
⇒  Public nuisance:
Section 268. A person is guilty of a public nuisance who does any act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, dangers or annoyance to persons who may have occasion to use any public right.A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.
৮,২৮৯.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট চুক্তি বলবৎ করণের মামলা দায়ের করতে হবে -
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. যে কোন সময়ে
ব্যাখ্যা
♣♣ 
চুক্তি পালনের জন্য নির্ধারিত তারিখ/ যখন অনুরূপ কোন তারিখ নির্দিষ্ট না থাকে,
• তখন বাদী যখন অবগত হয় যে বিবাদী চুক্তি পালনের জন্য অস্বীকৃতি করেছে;
• তখন ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে। 
৮,২৯০.
সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোনো মোকদ্দমায় বিবাদী হিসেবে কী নাম উল্লেখ করতে হবে?
  1. রাষ্ট্র
  2. সরকার
  3. বাংলাদেশ
  4. প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারার বিধান-সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা: 
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'।

Section 79. Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.
৮,২৯১.
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ ৮-এর ধারা ১ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত কার্যদিবস?
  1. ২১ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ১ বিধির অধীন লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস।
বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।
-  আদেশ ৮ বিধি (১)-৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যাতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।

আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।
------- 
ORDER VIII - WRITTEN STATEMENT AND SET-OFF

Rule-1 : Written statement:
(1) The defendant shall, within thirty working days from the date of service of summons upon him, save as provided in the proviso to sub-section (2) of section 80, present a written statement of his defence:

Provided that where the defendant fails, for reasonable grounds, to file the written statement within the said period of thirty working days, he shall be allowed to file the same on such other day, as may be specified by the Court, for reasons to be recorded in writing, but which shall not exceed sixty working days from the date of service of summons:

Provided further that if the defendant fails to file the written statement within the said period of sixty working days, the Court shall dispose of the suit ex parte.

৮,২৯২.
সাভারে অবস্থিত একটি পোশাক কারখানার একজন শ্রমিককে তার পাওনা মজুরি থেকে বঞ্চিত করলে, উক্ত শ্রমিক তামাদির বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ কতদিনের ভেতরে মজুরি আদায়ের জন্য মোকদ্দমা করতে পারবেন?
  1. সর্বোচ্চ ৬ মাসের মধ্যে
  2. সর্বোচ্চ ১ বছরের মধ্যে
  3. সর্বোচ্চ ২ বছরের মধ্যে
  4. সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭

গৃহ-ভৃত্য কারিগর বা শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার ক্ষেত্রে যখন থেকে মজুরী বকেয়া হয় তার সর্বোচ্চ ১ বছরের মধ্যে করতে হয়।
৮,২৯৩.
প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] এর বিধান আছে-
  1. Order-6 Rule-5
  2. Order 6 Rule 13
  3. Order-6 Rule-15
  4. Order-7 Rule 6
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে:-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে,তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে,অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে,সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।
যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন,যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।
---------------------------
CPC Order 6 Rule 15: Verification of pleadings:-
1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.
৮,২৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্দ করার ক্ষমতা আছে-
  1. যেকোনো ব্যক্তির
  2. পুলিশের
  3. উক্ত মাল নিজের বলে দাবী করে এমন ব্যক্তির
  4. শুধুমাত্র উক্ত এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫০- সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্ধ করার ব্যাপারে পুলিশের ক্ষমতা

চোরাই মর্মে কথিত বা সন্দেহযুক্ত কিংবা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহযুক্ত অবস্থায় প্রাপ্ত কোন সম্পত্তি কোন পুলিশ কর্মকর্তা আটক করতে পারবেন। এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধঃস্তন হলে তিনি সাথে সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জব্দ করার ব্যাপারে রিপোর্ট করবেন।

Section 550- Powers to police to seize property suspected to be stolen
Any police- officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.
৮,২৯৫.
‘ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী আদালত প্রদত্ত নিম্নের কোন রায়টি প্রাসঙ্গিক?
  1. ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় খালাস পেয়েছে
  2. ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
  3. ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
  4. ক' অন্য একটি চুরি মামলায় খালাস পেয়েছে
ব্যাখ্যা
♦ সাধারণভাবে অভিযোগের সারমর্মকে চার্জ বলে। চার্জ হচ্ছে একটি লিখিত বিবরণ যাতে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক কৃত অপরাধের সময়, স্থান, প্রকৃতি এবং যে ব্যক্তি বা বস্তুর বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে তার বর্ণনা ও আইনের যে ধারার অধীনে আসামীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে তার উল্লেখ থাকে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির২২১(৭) ধারামতে পরবর্তী অপরাধের শাস্তি বৃদ্ধির জন্য চার্জে পূর্ববর্তী দন্ডের ঘটনা, তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২২১(৭) ধারা অনুযায়ী আসামী পূর্বে একই ধরনের কোন অপরাধে দন্ডপ্রাপ্ত হলে চার্জে তা উল্লেখ করতে হবে। পুর্বেও যেহেতু চুরির অপরাধে দন্ডিত হয়েছিল তাই উহা বর্তমানের চার্জ গঠনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক।
৮,২৯৬.
'ক', 'খ'-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, 'খ' কর্তৃক ১,০০০/- টাকা প্রদানের বিনিময়ে সে 'খ'-এর জন্য একটি ছবি আঁকবে; উক্ত চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
যথা- 
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব। 
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে  সম্পাদন করা যায় না। 
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য। 
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত। 
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত। 
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা। 
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়। 
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে। 
 
উল্লিখিত প্রশ্নে 'ক', 'খ'-কে বিয়ে করার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়; উক্ত চুক্তিটি-সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। কারণ ২১ ধারায় বলা আছে কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে; তা আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
 
-যেহেতু  চুক্তিটি ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল তাই সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। 
-------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৮,২৯৭.
'এই আইনের কোনো বিধান চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করিবে না' এটি তামাদি আইনের কত ধারার বলা আছে?
  1. ১৮ ধারার
  2. ৩ ধারার
  3. ২৯ ধারার
  4. ২৮ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ২৯ ধারার বিধান সংরক্ষণ:

(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের (১৮৭২ সালের ৯নং আইনে) ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করিবে না।

(২) যেইক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রহিয়াছে, সেইক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হইবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের বিধান অনুসারে কোনো মামলা, আপিলে বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-

(ক) এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হইতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হইবে, যেই পরিমাণ উহা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নহে, এবং
(খ) এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।

(৩) এই আইনের কোনো বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন (১৮৬৯ সালের ৪ নং আইন) অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।

(৪) যেই সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতা আপাতত সম্প্রসারিত করা হইবে, সেই সকল এলাকা হইতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত ‘সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হইবে না।
৮,২৯৮.
আদালত একজন দরখাস্তকারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমার অ্যাবেটমেন্ট আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২২, বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ: বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal:
-Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
৮,২৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারায় কোন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারে?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
• আমলে নেয়া অর্থ হলো- অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে। যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:

i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট;
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট।
৮,৩০০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৪৪ ধারার বিষয়বস্তু?
  1. স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশদান;
  2. প্রত্যর্পণ;
  3. শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখার আদেশদান;
  4. সম্পত্তির মালিকানা নির্ধারণ।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, ধারা ১৪৪ এর বিধান হল প্রত্যর্পণ বা পুনরুদ্ধারঃ(১) যেক্ষেত্রে কোন ডিক্রির যতদূর পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে পুনরুদ্ধার বা অন্য কোনভাবে কোনরূপ সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদন ক্রমে প্রাথমিক আদালত এরূপ পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা করা হয়েছে, তা একদম প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন, সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালতে মামলার খরচ প্রদান এবং সুদ, খেসারত ও ক্ষতিপূরণ এবং মধ্যবর্তী কালীন মুনাফা পরিশোধের আদেশসহ এরূপ পরিবর্তন বা রদের কারণে যেরূপ উপযুক্ত হয় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারেন।
(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে পুনরুদ্ধার বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে এই উদ্দেশ্যে কোন মামলা দায়ের করা চলবে না।