বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৮০ / ১২৬ · ৭,৯০১৮,০০০ / ১২,৬০৫

৭,৯০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৭ক অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির লিজ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার জন্য চুক্তিটি কীভাবে হতে হবে?
  1. চুক্তিটি রেজিস্ট্রিকৃত
  2. লিখিত ও পক্ষগণ কর্তৃক স্বাক্ষরিত
  3. লিখিত ও পক্ষগণের প্রতিনিধি কর্তৃক স্বাক্ষরিত
  4. 'খ' অথবা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৭ক অনুযায়ী, লিজ চুক্তিটি অবশ্যই লিখিতভাবে হতে হবে এবং তা পক্ষগণ বা তাদের পক্ষে প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক হলেও, চুক্তি রেজিস্ট্রিকৃত না হলেও, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণে এটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।
অতএব, "লিখিত ও স্বাক্ষরিত" হওয়া বাধ্যতামূলক, রেজিস্ট্রেশন নয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) 'খ' অথবা 'গ'।


⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা বিধান স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান:
এই অধ্যায়ের বিধানাবলির অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজ গ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।
তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
এই ধারা ১লা এপ্রিল, ১৯৩০ এর পরে সম্পাদিত ভাড়ার চুক্তিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:
Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and
(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract:
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
This section applies to contracts to lease executed after the first day of April, 1930.
৭,৯০২.
তামাদি আইনের কত ধারায় নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত সময়কে তামাদির হিসেব থেকে বাদ দেয়া হয়েছে?
  1. ১৬ ধারায়
  2. ১৫ ধারায়
  3. ১৮ ধারায়
  4. ২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫- কার্যধারা স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ যাবে 

কোন মামলা বা ডিক্রি জারির দরখাস্ত কোন নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত বা মূলতবী করলে, তামাদির মেয়াদ গণনা কালে যে সময়ের জন্য স্থগিত বা মুলতবী ছিল সে সময়টি বাদ যাবে।

যে সকল মামলার ক্ষেত্রে পূর্ব নোটিশ দিতে হয়, সে সকল ক্ষেত্রে নিদৃষ্ট তামাদি মেয়াদ থেকে নােটিশের সময়টি বাদ যাবে।

Section 15- Exclusion of time during which proceedings are suspended
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded. 
 
(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.
৭,৯০৩.
Legal Disability (আইনগত অপারগতা)-এর অর্ন্তভুক্ত হবে না কোনটি?
  1. জড়বুদ্ধি
  2. নাবালকত্ব
  3. উন্মাদ
  4. আইন না জানা
ব্যাখ্যা
♠♠
• তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি কারণ ( জড়বুদ্ধি, নাবালকত্ব, উন্মাদ) আইনগত অপারগতার অন্তর্ভুক্ত।
• "আইন না জানা" -এ কারণ গুলোর মধ্যে পড়ে নাই তাই ঘ-ই সঠিক উত্তর।  
৭,৯০৪.
যদি ডিক্রিতে পরিশোধযোগ্য টাকার পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার ঊর্ধ্বে হয়, তাহলে জারির ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত সময় পর্যন্ত আটক রাখা যাবে?
  1. এক মাস
  2. তিন মাস
  3. ছয় মাস
  4. এক বছর
ব্যাখ্যা
ধারা-৫৮: আটক ও মুক্তি:
১) ডিক্রি জারির জন্য দেওয়ানি জেলে আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিম্নলিখিতভাবে আটক রাখা হবে-
ক) ডিক্রির টাকার অংশ পঞ্চাশ টাকার ঊর্ধ্বে হলে ছয় মাস সময়ের নিমিত্তে; এবং
খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহের নিমিত্তে।

তবে শর্ত হল, নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে এই ছয় মাস বা ছয় সপ্তাহ অতিক্রান্ত হওয়ার পূর্বেই আটক ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া যাবে; যদি-
১. পরোয়ানায় উল্লেখিত টাকা দেওয়ানি জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের নিকট দেয়া হয়; বা
২. তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত ডিক্রির টাকা অন্য কোনভাবে পরিশোধ করা হয়; বা
৩. যার আবেদনক্রমে উক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে এ ব্যক্তি অনুরোধ করলে; কিংবা
৪. যার আবেদনক্রমে উক্ত ব্যক্তিকে বন্দি রাখা হয়েছে, জীবনধারণ ভাতা প্রদান করতে তার ব্যর্থতায়ঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আদালতের আদেশ ব্যতীত তাকে (২) বা (৩) দফার অধীন ঐরূপ আটক থেকে মুক্ত করা যাবে না।

২) এই ধারা অনুসারে কোন রায়সিদ্ধ দেনাদার আটক থেকে মুক্তি পাওয়ার কারণে এটা বলা যাবে না যে, এরূপ মুক্তির কারণে দেনা থেকে রেহাই পেয়েছেন, তবে যে ডিক্রি জারিতে তিনি আটক থেকে মুক্তি পেয়েছেন তদসংক্রান্ত বিষয়ে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে না।
৭,৯০৫.
'ক', 'খ'-এর নিকট মাঠ বিক্রয় করিল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াত করিবার অধিকার সম্পর্কে 'ক' জ্ঞাত ছিল, কিন্তু তা সে 'খ' এর নিকট গোপন রাখিল। এইক্ষেত্রে 'খ'-প্রতিকার কী?
  1. চুক্তি রদ
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. চুক্তি পরিবর্তন
  4. চুক্তি সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।
- যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
- একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

উদাহরণ:
উপধারা-ক এর-
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে 'ক'-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর নিকট গোপন রাখল। সে চুক্তি রদ করে নেওয়ার অধিকারী।
 
উপধারা-খ এর-
একজন অ্যাটর্নি 'ক' তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা 'খ' কে 'খ' এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করল। এখানে পক্ষসমূহ সমভাবে দোষী নয় এবং 'খ' হস্তান্তরের দলিল রদ করিয়ে নেয়ার অধিকারী।
৭,৯০৬.
ফৌজদারী মামলা শুরুর ক্ষেত্রে তামাদি প্রযোজ্য নয়, এই বক্তব্যের ব্যতিক্রম কোনটি?
  1. এজাহার দায়ের
  2. চার্জশীট
  3. চার্জ গঠন
  4. ফৌজদারী আপীল দায়ের
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু তামাদি আইন ফৌজদারী মূল মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না এবং যেহেতু এজাহার দায়ের বা অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে ফৌজদারী মূল মামলা দায়ের করা হয়, তাই এজাহার, এফআইআর বা অভিযোগ (সিআর)এর ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়। চার্জ গঠন বা চার্জশীট দায়েরে কোন নির্ধারিত সময় নেই।
♦কিন্তু ফৌজদারী মামলার আপীল বা রিভিশন এর ক্ষেত্রে তামাদির বিধান প্রযোজ্য। যেমন কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে তামাদি আইনএর ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সে ৭ দিনের মধ্যে আপীল করতে হবে।
৭,৯০৭.
একই মামলায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং এডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, উক্ত মামলায়-
  1. শুধুমাত্র পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা পরিচালনা করবেন
  2. এডভোকেট পাবলিক প্রসিকিউরের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
  3. শুধুমাত্র এডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেটের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯৩ অনুসারে,

পাবলিক প্রসিকিউটর যে মামলায় ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেই মামলা যে আদালতে তদন্তাধীন, বিচার বা আপীলাধীন রয়েছে, তিনি সেই আদালতে কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, এবং কোন বেসরকারী ব্যক্তি যদি এরূপ কোন মামলার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিচালনার জন্য এডভোকেট নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নির্দেশাধীন এডভোকেট উক্ত মামলায় তাঁর নির্দেশাধীন কাজ করবেন

Section 493-Public Prosecutor may plead in all Court in cases under his charge Pleaders privately instructed to be under his direction

The Public Prosecutor may appear and plead without any written authority before any Court in which any case of which he has charge is under inquiry, trial or appeal, and if any private person instructs a pleader to prosecute in any Court any person in any such case, the Public Prosecutor shall conduct the prosecution, and the pleader so instructed shall act therein, under his directions.
৭,৯০৮.
মোকাবেলা পক্ষ (Pro-forma defendant) বলতে কি বুঝায়?
  1. যেসব ব্যক্তিদের বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমায় যুক্ত করতে হয়
  2. যাদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় কোন প্রতিকার চাওয়া হয় না
  3. ক এবং খ
  4. যাদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় প্রতিকার চাওয়া হয়
ব্যাখ্যা
• মোকাবেলা পক্ষ (Pro-forma defendant )- অনেক সময় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয় যে বিবাদী ব্যতীত অন্যান্য কতিপয় ব্যক্তিকে মোকদ্দমা বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমায় যুক্ত করতে হয়। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিকার চাওয়া হয় না বা মোকদ্দমায় তাদের কোনো স্বার্থ নেই। তাদের মোকাবেলা পক্ষ বা (Pro-forma defendant ) বলা হয়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৫নং বিধি অনুযায়ী-

"বিবাদিগণের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় যেসকল প্রতিকার দাবী করা হয়, তন্মধ্যে সবগুলোই প্রত্যেক বিবাদির স্বার্থসম্পর্কিত হওয়ার দরকার নেই।"
It shall not be necessary that every defendant shall be interested as to all the relief claimed in any suit against him.

উক্ত বিধি দ্বারা পরোক্ষ ভাবে (Pro-forma defendant ) নীতির বৈধতা দেয়া হয়েছে।
৭,৯০৯.
৩১২ ধারা অনুযায়ী গর্ভপাত করানোর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩১২ ধারা- গর্ভপাত করান:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভবতী স্ত্রীলোকের গর্ভপাত করায়, এবং যদি সে গর্ভপাত সরল বিশ্বাসে উক্ত স্ত্রীলোকের জীবন বাঁচাবার উদ্দেশ্যে না করা হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; এবং যদি স্ত্রীলোকটি শিশুর বিচরণ অনুভব করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: যে স্ত্রীলোক নিজেই নিজের অকাল গর্ভপাত করায়, সে স্ত্রীলোকও এই ধারার অর্থের অন্তর্ভুক্ত হবে।
৭,৯১০.
'ক' উন্মাদ থাকা অবস্থায় তার বাড়ি অপর একজনের কাছে হস্তান্তর করে। সুস্থ হওয়ার পর 'ক' এই বিষয়ে বুঝতে পেরে নিজের বাড়ি ফেরত পেতে মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। 'ক' কয়দিনের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ১২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ- ৯৪

- উন্মাদ থাকাকালে বাদী যে সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে তার জন্য মামলা;
- ৩ বছর;
- যখন বাদী সুস্থ হয় এবং হস্তান্তরের বিষয়ে জানতে পারে তখন থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
৭,৯১১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় সরকারের দণ্ড পরিবর্তনের (commute) ক্ষমতা বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৪০২
  2. ধারা ৪০২ক
  3. ধারা ৪০১
  4. ধারা ৪০৪
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন (Commutation) করে অন্য কোনো দণ্ড দিতে পারে। ৪০২ ধারায় সরকার মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাবাস ও সশ্রম কারাবাসকে বিনাশ্রম কারাবাসে হ্রাস করতে পারে।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২-এ সরকারের দণ্ড পরিবর্তনের ক্ষমতা (power to commute punishment) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ধারা ৪০২(১) অনুসারে:"The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it..."
- উদাহরণস্বরূপ: সরকার মৃত্যুদণ্ডকে → আজীবন কারাদণ্ড (transportation) অথবা → সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারে।
এখানে “commute” বলতে বোঝায় – একটি দণ্ডকে অপেক্ষাকৃত কম কঠোর দণ্ডে রূপান্তর করা, যা করা যায় দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২: সাজা রদ বদলের ক্ষমতা-
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লিখিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামি যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 402: Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
৭,৯১২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮ অনুসারে অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে কাদের মতামত প্রাসঙ্গিক?
  1. অভিজ্ঞদের মতামত
  2. আইনজীবীর মতামত
  3. আদালত মতামত
  4. যাদের জানার সম্ভাব্যতা আছে তাদের মতামত
ব্যাখ্যা

 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮ অনুসারে অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে যাদের জানার সম্ভাব্যতা আছে তাদের মতামত প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা ৪৮,অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক: কোনো সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যখন আদালতকে কোনো অভিমতে উপনীত হইতে হয় তখন উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকিলে যে সকল লোকের জানা সম্ভব, উহার অস্তিত্ব সম্পর্কে তাহাদের অভিমতা প্রাসঙ্গিক।
ব্যাখ্যা: সাধারণ প্রথা বা অধিকার কথাটি বলিতে যথেষ্ট সংখ্যক লোকের একটি শ্রেণির মধ্যে সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।
উদাহরণ: কোনো একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্দিষ্ট কোনো একটি কূপের জল ব্যবহার করিবার অধিকার থাকিলে, তাহা এই ধারার অর্থ অনুসারে সাধারণ অধিকার।
------------------------
⇒ The Evidence Act,1872,Section 48, Opinion as to existence of right or custom when relevant: When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation: The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.
Illustration: The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.

৭,৯১৩.
অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য নূন্যতম বয়স সীমা-
  1. ১৮ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ২১ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য অন্যূন বয়স হতে হবে ২১ বৎসর।
⇒ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করতে হবে:
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যারিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
-----------------
⇒ Qualifications to become a lawyer of the Subordinate Court:-According to article 27 of The Bangladesh Legal Practitioner’s and Bar Council Order, 1972, a person shall be qualified to be admitted as an advocate if he fulfills the following conditions, namely:-
-The Person must be a citizen of Bangladesh;
- He must complete the age of twenty-one years;
- (i) He had obtained a degree in law from any university situated within the territory which forms part of Bangladesh; or
[Note: 4-years LL. B (Hon’s) or 2 years LL.B pass the course (must have completed before 2018 because now these 2 years pass the course is not allowed anymore) from any approved university of Bangladesh]
- (ii) Any similar foreign course can be accepted with the clear permission given by the Bangladesh Bar Council; or
- (iii) A bachelor’s degree in law from any university outside Bangladesh recognized by the Bar Council;
-The applicant has to undergo pupilage for a period of 6 (six) months under a practicing Advocate of at least 10 years standing in the profession;
- He has passed such examination as may be prescribed by the Bar Council;
- He has paid such enrolment fee and fulfills such other conditions as may be specified in the rules made by the bar council.
৭,৯১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৪২ এর কার্যক্রমে অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়-
  1. চার্জশীটের প্রতি
  2. নির্ধারিত সাজার প্রতি
  3. গঠিত চার্জের প্রতি
  4. প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮ এর ধারা ৩৪২ এর কার্যক্রমে প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342- Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused
৭,৯১৫.
অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতের (রিমান্ডের) আদেশ দিতে পারেন-
  1. যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট
  2. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• গ্রেফতার ও রিমান্ড সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ এবং ১৬৭(২) ধারায় যা বলা হয়েছে তা নিম্নরূপ-

ধারা ৬১ অনুযায়ী তদন্ত কার্য সম্পন্ন না করা গেলে,গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আটক রাখা যাবে না।তাকে নিকটস্থ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রিটের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

• ধারা ১৬৭(২)এ রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে-

(১) যখনই কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং প্রতীয়মান হয় যে, ৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করা যাবে না এবং এরুপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে, অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢভিত্তিক, তা হলে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসার, তিনি যদি সাব-ইন্সপেক্টর পদের নিম্নপদস্থ না হন, অবিলম্বে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরিতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত তথ্যের নকলসহ আসামিকে নিকটতম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারা অনুসারে আসামিকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক, তিনি তার বিবেচনামতে আসামিকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন, তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।

• মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তা হলে তিনি আসামিকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারিবেন। তবে শর্ত থাকে যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন, এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
৭,৯১৬.
দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অনুযায়ী, অবৈধ বাধা দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. দুই মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ অপর কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধা প্রদান করে—অর্থাৎ, সেই ব্যক্তি যে দিক দিয়ে চলাচল করার অধিকার রাখে, সে পথে চলতে বাধা দেয়—তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে: সর্বোচ্চ এক মাস মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধা প্রদান করে, তাকে এক মাস পর্যন্ত মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 341. Punishment for wrongful restraint:
 Whoever wrongfully restrains any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৭,৯১৭.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুসারে "আবাসস্থল" বলতে কী বোঝায়?
  1. তাঁবু
  2. দালান
  3. জলযান
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারায় আবাসস্থল বলতে দালান (building), তাঁবু (tent), জাহাজ (vessel) বা নৌকাকে বোঝায় যা মানুষের বসবাস, সম্পত্তি সংরক্ষণ অথবা উপাসনার (place for custody of property or for worship) জন্য ব্যবহৃত হতে হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
⇒ অনধিকার গৃহ-প্রবেশ (House-trespass)- কোন ব্যক্তির গৃহে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করলে তা অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে গণ্য হবে।
⇒ অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 442. House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.

৭,৯১৮.
রাতের বেলায় গোপনে গৃহ-অনধিকার প্রবেশ বা ভাঙচুরের সময়, যদি কেউ স্বেচ্ছায় কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত করতে চেষ্টা করে, তাহলে অপরাধে সহ-সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেওয়া যেতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬০ অনুসারে, রাত্রিকালীন গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ (Lurking House-Trespass by Night) বা রাত্রিকালীন গৃহভঙ্গ (House-Breaking by Night) এর সময় যদি কোনো জড়িত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কাউকে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত করার চেষ্টা করে, তবে এই অপরাধে যৌথভাবে জড়িত সকল ব্যক্তির শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

অর্থাৎ ধারা ৪৬০ অনুসারে, রাত্রিকালীন গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ বা গৃহভঙ্গের সময় মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের চেষ্টায় যৌথভাবে জড়িত সকলের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
---------
⇒The Penal Code, 1860- Section 460. All persons jointly concerned in lurking house-trespass or house breaking by night punishable where death or grievous hurt caused by one of them:
 If, at the time of the committing of lurking house-trespass by night or house breaking by night, any person guilty of such offence shall voluntarily cause or attempt to cause death or grievous hurt to any person, every person jointly concerned in committing such lurking house-trespass by night or house breaking by night, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৭,৯১৯.
"Officer in charge of a police station" সম্পর্কে ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. Section 4(s)
  2. Section 4(q)
  3. Section 4(p)
  4. Section 4(i)
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(ত) [Section-4(p): থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer in charge of a police station)- "থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা" বলতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে তাঁর স্থলে থানায় উপস্থিত থাকেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে বোঝাবে, যিনি কনষ্টেবল পদের উপরে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অব্যবহিত নীচে; অথবা সরকার নির্দেশ দিলে উপস্থিত অন্য যেকোন পুলিশ অফিসারকেও বুঝাবে।

------------------------------------------------------
♦ Section 4(p) "officer in charge of a police-station" includes, when the officer in charge of the police-station is absent from the station-house or unable from illness or other cause to perform his duties, the police-officer present at the station house who is next in rank to such officer and is above the rank of constable or, when the Government so directs, any other police-officer so present.
৭,৯২০.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে না?
  1. চুক্তিভঙ্গের মামলা
  2. ঋণ আদায়ের মামলা
  3. জবরদখলের মামলা
  4. বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন ১৯০৮-এর ধারা ২৯(৩)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এই আইনের কোনো কিছুই ডিভোর্স আইন (Divorce Act)-এর অধীনে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
- অর্থাৎ বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলায় তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য নয়।


⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ২৯: সংরক্ষণ (Savings):
(১) এই আইনের কোনো কিছুই ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ধারা ২৫-কে প্রভাবিত করবে না।
(২) যদি কোনো বিশেষ আইন কোনো মোকদ্দমা, আপিল বা আবেদনের জন্য তামাদির একটি ভিন্ন মেয়াদ নির্ধারণ করে, যা প্রথম তফসিলে উল্লিখিত মেয়াদ থেকে আলাদা, তাহলে ধারা ৩-এর বিধান প্রযোজ্য হবে, যেন সেই মেয়াদ প্রথম তফসিলে উল্লিখিত হয়েছে। এবং কোনো বিশেষ আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ নির্ধারণের জন্য:
(ক) ধারা ৪, ধারা ৯ থেকে ১৮ এবং ধারা ২২-এর বিধানগুলো কেবল সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যতটুকু সেই বিশেষ আইন দ্বারা স্পষ্টভাবে বাতিল করা হয়নি; এবং
(খ) এই আইনের অন্যান্য বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোনো কিছুই ডিভোর্স আইন (Divorce Act) এর অধীনে দায়েরকৃত মোকদ্দমাগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) ধারা ২৬ এবং ২৭, এবং ধারা ২-এ উল্লিখিত "সুবিধা" (easement)-এর সংজ্ঞা, ১৮৮২ সালের সুবিধা আইন (Easements Act, 1882) যে অঞ্চলে প্রযোজ্য, সেই অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
-------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872.
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law-
(a) The provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and
(b) The remaining provisions of this Act shall not apply.
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act.
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৭,৯২১.
অভিযোগকারী আসামীকে বিশ্বাসভরে কিছু স্বর্ণ বিক্রয় করার জন্য দিয়েছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত স্বর্ণ বিক্রয় করেনি এমনকি তা অভিযোকারীকে ফেরতও দেয়নি। এই ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি কোন ধারার অপরাধ করেছে?
  1. ধারা ৪০৩
  2. ধারা ৪০৪
  3. ধারা ৪০৫
  4. ধারা ৪০৬
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারায় অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪০৫ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে, অভিযুক্তকে বিশ্বাসভরে সম্পত্তি অর্পণ থাকতে হবে এবং অতপর তিনি আইনের নির্দেশনা লংঘন করে বা যে চুক্তি অনুসারে তাকে সম্পত্তি অর্পণ করা হয়েছিল সেই চুক্তিভঙ্গ করে সম্পত্তিটি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেছে বা নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে, সেই ক্ষেত্রে এটা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ হতে পারে।
♦সুতরাং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে অসাধুভাবে আত্মসাৎকরণ Idishonest misappropriation] থাকতে হবে, প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎকরণ [misappropriation by cheating) থাকার প্রয়োজন নেই।
উল্লেখিত ঘটনাটি একটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ।
♦যেহেতু এটা একটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, সেহেতু আসামী ৪০৫ ধারার অপরাধ করেছে।
♦The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪০৬ মতে অপরাধমূল বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তিঃ কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 
৭,৯২২.
যদি কোন প্রার্থী তালিকাভুক্তির দরখাস্তে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, তিনি তালিকাভুক্তির অযোগ্য হবেন-
  1. ৩ বৎসরের জন্য
  2. ৫ বৎসরের জন্য
  3. ৬ বৎসরের জন্য
  4. ১ বৎসরের জন্য
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:

♦ শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হবার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।

♦আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।

♦কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।

♦অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা এফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারীর নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।

♦কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরনের জন্য দায়ী হবেন।

♦শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।

♦হাইকোর্ট বিভাগে প্রাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।

♦এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারী কলেজে হবে।
৭,৯২৩.
তামাদি আইনের কোনো বিধান কোন আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না?
  1. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
  2. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  3. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

৭,৯২৪.
সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান কী?
  1. "Professional communications"
  2. "Official communications"
  3. "Information as to commission of offences"
  4. "Communications during marriage"
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
------------
Section 126 Professional communications: No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment: 
 
Provided that nothing in this section shall protect from disclosure– 
 
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose: 
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment. 
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client. 

Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.
৭,৯২৫.
যখন একটি দলিলের প্রত্যয়ন আইন অনুসারে প্রয়োজন নেই, তবুও যদি তা প্রত্যায়িত হয়ে থাকে, তবে সে ক্ষেত্রে উক্ত দলিল কী হিসেবে প্রমাণ করা যাবে?
  1. প্রত্যায়িত দলিল
  2. খাঁটি দলিল
  3. অপ্রত্যায়িত দলিল
  4. কোনো ক্ষেত্রেই প্রমাণ করা যাবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৭২: আইনের দ্বারা প্রত্যয়ন (attestation) আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ-
যে দলিল আইন অনুযায়ী প্রত্যয়ন আবশ্যক নয়, তা প্রত্যায়িত হলেও, সেটিকে এমনভাবে প্রমাণ করা যাবে যেন সেটি অপ্রত্যায়িত দলিল।
[An attested document not required by law to be attested may be proved as if it was unattested.]
৭,৯২৬.
মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি মামলা দায়ের করার যোগ্যতা অর্জন করলে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় কখন থেকে?
  1. মৃত্যুর দিন থেকে
  2. মামলার কারণ উদ্ভবের দিন থেকে
  3. প্রতিনিধির যোগ্যতা অর্জনের দিন থেকে
  4. আদালতের অনুমতি পাওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) প্রতিনিধির যোগ্যতা অর্জনের দিন থেকে।
⇒ মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি মামলার তামাদি (সময়সীমা) গণনা শুরু হয় তখন থেকে যখন তিনি মামলা দায়ের করার যোগ্যতা অর্জন করেন, অর্থাৎ যখন তিনি আইনি প্রতিনিধিত্ব পাওয়ার মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির অধিকার নিয়ে মামলা করতে সক্ষম হন।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭ অনুযায়ী: যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি জীবিত থাকলে মামলা দায়ের করার অধিকার পেতেন, কিন্তু মৃত্যু হয়ে যান মামলার অধিকার সৃষ্টির আগেই, তাহলে তামাদি শুরু হবে সেই সময় থেকে যখন মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি মামলা দায়েরের যোগ্যতা অর্জন করে।
সুতরাং, তামাদি গণনা শুরু হয় প্রতিনিধির যোগ্যতা অর্জনের দিন থেকে।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা (অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল) অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।
এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।

⇒ The Limitation Act:- Section 17- Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
৭,৯২৭.
সাধারণভাবে একজন যুগ্ম দায়রা জজ অনধিক ------- বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৪
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা আদালাতের দন্ড প্রদানের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোনো দন্ড দিতে পারে। এবং দায়রা জজ এবং অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দন্ড দিতে পারে।
তবে দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ মৃত্যুদন্ড দিলে তা হাইকোর্টের অনুমোদন নিয়ে কার্যকর করতে হয়। 
♦ ৩১ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত এবং সুপ্রিম কোর্ট যে কোন পরিমান অর্থদন্ড দিতে পারেন এবং যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদন্ড দিতে পারে ।
৭,৯২৮.
'ক', 'খ'-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, 'খ' ১০০০ টাকা প্রদান করলে সে 'খ' এর ছবি আঁকবে। এই ক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে
  2. ক্ষতিপূরণ পাবে
  3. বাদীকে চুক্তি পালনে বাধ্য করা যাবে
  4. চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২১  মতে- যেহেতু চুক্তি সম্পাদন ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভর করছে। তাই এটা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য না।
৭,৯২৯.
তামাদি আইন অনুসারে নিঃসম্বল হিসাবে আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ১০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে নিঃসম্বল হিসাবে আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত (for leave to appeal as pauper) দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭০ এর বিধান নি:স্ব হিসাবে আপীল করার অনুমতি দরখাস্ত [for leave to appeal as pauper], যে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল হবে, তার তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৭,৯৩০.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় আইনটির অতিরাষ্ট্রিক প্রযোজ্যতার বিধান আছে?
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান: দণ্ডবিধির অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ (Extra-territorial application of Penal Code)- দণ্ডবিধির ৪ ধারায় দণ্ডবিধির অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগের বিধান রয়েছে।  বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের বাহিরে কোন স্থানে বা বাংলাদেশের রেজিস্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে (জাহাজটি যেখানেই থাকুক না কেন) কোন অপরাধ করলে, বাংলাদেশের যে স্থানে উক্ত অপরাধীকে পাওয়া যাবে, সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধারে নিয়ে তার বিচার করা যাবে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪  ধারানুযায়ী বাংলাদেশের আদালত বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের বিচার করতে এমনভাবে ক্ষমতাবান যেন, বাংলাদেশের যে স্থানে অপরাধীকে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করা হবে।
 
দণ্ডবিধির অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশি নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশি কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
---------------------
⇒The penal Code Section -4.Extension of Code to extra-territorial offences:
The provisions of this Code apply also to any offence committed by-
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh;
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be.
Explanation.-In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.

Illustrations:
(a) A, a Bangladesh subject, commits a murder in Uganda. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found.
(b) B, a European British subject, commits a murder in 3[Rangpur]. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found.
(c) C, a foreigner who is in the service of the Bangladesh Government, commits a murder in 4[Khulna]. He can be tried and convicted of murder at any place in Bangladesh in which he may be found.
(d) D, a British subject living in 5[Khulna], instigates E to commit a murder in 6[Chittagong]. D is guilty of abetting murder.
৭,৯৩১.
ধারা ৩৩৮ অনুযায়ী ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া যায়-
  1. রায় ঘোষণার পরে যে কোনো সময়
  2. তদন্ত সমাপ্তির পূর্বে যে কোনো সময়
  3. রায় দেওয়ার পূর্বে যে কোনো সময়
  4. চার্জ গঠনের যে কোনো সময়
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৩৮- ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দানের ক্ষমতা:
রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় যে দায়রা আদালত মােকদ্দমার বিচার করছেন সেই আদালত বিচারকালে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে জড়িত বা সেই সম্পর্কে গােপন তথ্যের অধিকারি বলে অনুমতি কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে এই শর্তে ক্ষমা প্রদর্শন করতে পারবেন বা চীফ মেটোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন।

Section 338- Power to direct tender of pardon:
At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.

৭,৯৩২.
অপথে গৃহে প্রবেশ হবে যদি _______ প্রবেশ করে।
  1. বন্ধ দরজা বা পথ খুলে
  2. তালা খুলে বা ভেঙ্গে
  3. নতুন পথ তৈরি করে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
(i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে 
(ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে 
(iii) নতুন পথ তৈরি করে
(iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে 
(v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা 
(vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
৭,৯৩৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কোন অবস্থায় দলিল সংশোধনযোগ্য?
  1. দলিল হারিয়ে গেলে
  2. চুক্তি বাতিল হলে
  3. আদালতের নির্দেশে রেজিস্ট্রেশন না হলে
  4. পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের ফলে উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:
যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যেকোন পক্ষ বা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং যদি আদালত এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা বা ভুল কার হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করে করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
৭,৯৩৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষীর বিধান আছে?
  1. ধারা ১১৪
  2. ধারা ১৩১
  3. ধারা ১৩৩
  4. ধারা ১৩৪
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৩৩ ধারা অনুযায়ী, দুষ্কর্মের সহযোগী (Accomplice) একজন উপযুক্ত সাক্ষী হিসেবে গণ্য হন।
ধারা ১৩৩:
"An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice."
অর্থাৎ, দুষ্কর্মের সহযোগী একজন স্বীকৃত সাক্ষী, এবং তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আদালত আসামীকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে, এমনকি যদি তার সাক্ষ্য অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত না হয়।
- তবে, সাধারণত আদালত সতর্ক থাকে এবং সহযোগীর সাক্ষ্যের সাথে অন্য প্রমাণ থাকা উচিত বলে ধরে নেয় (ধারা ১১৪)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৭,৯৩৫.
একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য তার অন্যুন বয়স হতে হবে-
  1. ৩০ বৎসর
  2. ২৭ বৎসর
  3. ২৫ বৎসর
  4. ২১ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য অনূন্য বয়স হতে হবে ২১ বৎসর।

♦ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলী পূরণ করতে হবেঃ
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যরিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
৭,৯৩৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুসারে - On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to __________ to make any compensation to the other which justice may require.
  1. the defendant
  2. whom such relief is rejected
  3. whom such relief is not granted
  4. whom such relief is granted
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষের পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।
৭,৯৩৭.
বাংলাদেশে বিদেশে সম্পাদিত কোনো চুক্তির ভিত্তিতে মামলা হলে, সাধারণত কোন তামাদি আইন প্রযোজ্য হয়?
  1. শুধুমাত্র বিদেশি তামাদি আইন
  2. শুধুমাত্র বাংলাদেশের তামাদি আইন
  3. দুই দেশের তামাদি আইন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ (Suits on foreign contracts) অনুযায়ী, যদি বাংলাদেশে কোনো বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে মামলা করা হয়, তাহলে বাংলাদেশের তামাদি আইনের বিধানাবলীই প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, বিদেশি তামাদি আইন সাধারণভাবে প্রযোজ্য নয়।

ধারা ১১(১) বলছে:
- “Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.”
এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে দায়ের করা মামলা যদি বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির ওপর ভিত্তি করে হয়, তবুও তা বাংলাদেশের তামাদি আইনের অধীনেই বিচার হবে।

তবে, একটি ব্যতিক্রম রয়েছে:
ধারা ১১(২) অনুযায়ী, বিদেশি তামাদি আইন তখনই defence হিসেবে গণ্য হতে পারে, যদি—
- বিদেশি তামাদি আইনের অধীনে চুক্তিটি সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত (extinguished) হয়ে যায়, এবং
- চুক্তির পক্ষদ্বয় উক্ত বিদেশি দেশে তামাদি সময়সীমার পুরো সময়জুড়ে বসবাস (domiciled) করছিল।
৭,৯৩৮.
দণ্ডবিধির অনুসারে দাঙ্গা সংঘটনের উদ্দেশ্যে বেপরোয়াভাবে উস্কানি প্রদান করার ফলে দাঙ্গা সংঘটিত না হলেও সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দাঙ্গা সংঘটনের উদ্দেশ্যে বেপরোয়াভাবে উস্কানি প্রদান করার জন্য দণ্ডবিধির ১৫৩ ধারায় ২ ধরণের শাস্তি রয়েছে। যথা-
-(i) উক্ত উস্কানির ফলে দাঙ্গা সংঘটিত হলে শান্তি- অনধিক ১ বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দক।
-(ii) উক্ত উস্কানির ফলে দাঙ্গা সংঘটিত না হলে শাস্তি- অনধিক ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়াদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৩ ধারার বিধান দাঙ্গা সংঘটনের উদ্দেশ্যে বেপরোয়াভাবে উস্কানি দান করা-দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে; দাঙ্গা অনুষ্ঠিত না হওয়ার ক্ষেত্রে:- কোন ব্যক্তি যদি দুরভিসন্ধি মূলক ভাবে, বা বেপরোয়াভাবে কোন বেআইনী কার্য করে কাউকে উস্কানি দেয় এবং এইরূপ উস্কানি দিয়ে দাঙ্গার অপরাধ সংঘটনই কাজটির উদ্দেশ্য হয় অথবা এইরূপ প্ররোচনা দানের ফলে দাঙ্গার অপরাধ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত ব্যক্তির জানা থাকে,

- তবে-অনুরূপ উস্কানির ফলে দাঙ্গার অপরাধটি অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; এবং এইরূপ প্ররোচনাদানের ফলে দাঙ্গার অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হলে, সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section-153: Wantonly giving provocation with intent to cause riot- if rioting be committed; if not committed:
Whoever malignantly, or wantonly, by doing anything which is illegal, gives provocation to any person intending or knowing it to be likely that such provocation will cause the offence of rioting to be committed, shall, if the offence of rioting be committed in consequence of such provocation, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both; and if the offence of rioting be not committed, with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৭,৯৩৯.
ধারা ৭৩খ(২) অনুযায়ী, আদালত কাকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. তদন্তকারী কর্মকর্তাকে
  2. বিশেষজ্ঞ সাক্ষীকে
  3. যে ব্যক্তি নমুনা সংগ্রহ করেছে
  4. যে ব্যক্তির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

উত্তর: ঘ. যে ব্যক্তির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

• সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৩খ: অন্যদের সাথে শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য তুলনা, স্বীকৃত বা প্রমাণিত:
(১) রক্ত, বীর্য, চুলের নমুনা, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ বা চোখের কনীনিকার ছাপ বা পায়ের ছাপ যেই ব্যক্তির কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয় সেই ব্যক্তির কি না তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত আদেশ দিতে পারেন যে, এটিকে যেকোন নমুনার সাথে তুলনা করা হবে যা আদালতের সন্তুষ্টির জন্য স্বীকার করা হয়েছে বা প্রমাণিত হয়েছে যে ব্যক্তিটি থেকে এসেছে বা তৈরি করেছে, যদিও সেই রক্ত, বীর্যের নমুনা, চুল, ডিএনএ নমুনা, জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোনো অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ বা অন্য কোনো বন্ধু অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তৈরি বা প্রমাণিত হয়নি।

(২) যদি এমন কোন দাবি থাকে যে রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ যার অন্তর্গত বা তা তৈরি করা হয়েছে যে কোনো ব্যক্তি দ্বারা আদালত সেই ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে আদালত তুলনা করতে সক্ষম হয়।

(৩) শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য প্রমাণের সত্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে, এই আইনের ধারা ৬০ এবং ১৬৫-এর কোন কিছুই আদালতকে তার সনাক্তকরণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ সহ একটি প্রদর্শনী হিসাবে আদালতে উপস্থাপন করতে বাধা দেবে না।

৭,৯৪০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কত উপায়ে দেয়া যায়?
  1. ৫ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ২ প্রকার
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা মতে ৫টি উপায়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায়।
যেমন-

১। সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৮-১০);
২। যা করতে বাধ্য তা করতে আদেশ করা (ধারা ১২-৩০ ও ৫৫);
৩। যা করতে বাধ্য নয় তা করতে আদেশ করা (ধারা ৫২-৫৭);
৪। ঘোষণামূলক ডিক্রী প্রদানের মাধ্যমে (ধারা ৪২);
৫। রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে (ধারা ৪৪)।
৭,৯৪১.
সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত দেওয়ানি মোকদ্দমায় বিবাদী হিসেবে কী নাম উল্লেখ করতে হবে?
  1. প্রজাতন্ত্র
  2. বাংলাদেশ
  3. রাষ্ট্রপতির নাম
  4. প্রধানমন্ত্রীর নাম
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারার বিধান-সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা:
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'।

Section 79. Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.

৭,৯৪২.
তামাদি আইনের কত ধারায় বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির উপর তামাদি আইনের প্রভাবের বিধান রয়েছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১৩
  4. ১৭
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে।
উক্ত ধারা অনুযায়ী,
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লিখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশি কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।
--------------- 
⇒The Limitation Act, 1908: Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.
৭,৯৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারার অধীনে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশের সর্বোচ্চ মেয়াদ কতদিন হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারামতে দণ্ড প্রদানকারী আদালত অর্থাৎ হাইকোর্ট, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ড প্রদানের সময় দণ্ডিত ব্যক্তিকে অনধিক ৩ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে।
-তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারণত রিভিশন ক্ষমতাবলে ১০৬ ধারামতে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
⇒ যে দণ্ডের জন্য ১০৬ ধারামতে মুচলেকার আদেশ দেয়া হয় আপিল বা অন্য কোন উপায়ে যদি উক্ত দত্ত বাতিল হয়ে যায় তাহলে উক্তরূপে সম্পাদিত মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে।
আদালত যে কোনো পরিমাণ অর্থের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। মুচলেকার পরিমাণ পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করতে হবে তবে কোনোভাবেই অত্যধিক হবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 106. Security for keeping the peach on conviction:
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or `without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix. 
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void. 
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.
৭,৯৪৪.
শ্রমিকের মজুরির জন্য মামলা করতে হয় কত সময়ের মধ্যে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭ অনুযায়ী ১ বছরের মধ্যে বকেয়া মজুরি আদায়ের মামলা করতে হয়।
৭,৯৪৫.
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর অধীন 'আদালত' বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে না-
  1. বিচারক
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সালিসকারী বা সালিসী বিচারক
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩-এ 'আদালত' শব্দের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, "আদালত" বলতে বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য ব্যক্তি যারা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা রাখেন, তাদেরকে বোঝায়। এর মধ্যে বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি সকলেই অন্তর্ভুক্ত। তবে সালিসকারী বা সালিসী বিচারক আদালতের অন্তর্ভুক্ত নয়।  
------------------------------
⇒ Section 3, Interpretation clause- "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally
authorized to take evidence.

৭,৯৪৬.
A, তার একটি জমি B-কে বিক্রি করে। জমিটির উপর একটি চলাচলের অধিকার (right of way) আছে, যা সম্পর্কে A ব্যক্তিগতভাবে জানে, কিন্তু সে বিষয়টি B-এর কাছ থেকে গোপন রাখে। এই অবস্থায় -
  1. B শুধু চুক্তি সংশোধনের অধিকারী
  2. B চুক্তি বাতিলের অধিকারী
  3. B শুধু ক্ষতিপূরণের অধিকারী
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩৫: কখন চুক্তি বাতিল (Rescission) করা যেতে পারে:
যে কোনো ব্যক্তি যিনি কোনো লিখিত চুক্তিতে স্বার্থবান (interested), তিনি আদালতে মামলা করতে পারেন সেই চুক্তি বাতিল (rescinded) করার জন্য।
আদালত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন—

(ক) যখন চুক্তিটি বাদী (plaintiff)-এর দ্বারা বাতিলযোগ্য (voidable) বা সমাপ্তিযোগ্য (terminable) হয়;

(খ) যখন চুক্তিটি অবৈধ (unlawful), যদিও দলিলের উপরে তা স্পষ্ট নয়, এবং যেখানে বিবাদী (defendant) বাদীর তুলনায় বেশি দোষী;

(গ) যখন কোনো বিক্রয়চুক্তি (contract of sale) বা ইজারার চুক্তি (contract to take a lease)-এর নির্দিষ্ট কর্মসম্পাদনের (specific performance) জন্য আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, কিন্তু ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা আদালতের আদেশ অনুযায়ী ক্রয়মূল্য বা অন্যান্য নির্ধারিত অর্থ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে।

যদি ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা (purchaser or lessee) সম্পত্তির দখলে থাকে এবং আদালত মনে করে যে তার সেই দখল অবৈধ (wrongful), তাহলে আদালত বিক্রেতা বা ইজাদাতার (vendor or lessor) পক্ষে রায় দিতে পারে যে,
ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা উক্ত সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া বা মুনাফা (rents and profits) পরিশোধ করবে।

একই মামলায়, যদি আদালতের পূর্ববর্তী ডিক্রি পালিত না হয়, তবে আদালত সেই চুক্তিটি  দোষী পক্ষের ক্ষেত্রে আংশিকভাবে বা প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে বাতিল (rescind) করতে পারে।

উদাহরণ (Illustrations):

(ক) ধারা (a)-এর উদাহরণ:
A, তার একটি জমি B-কে বিক্রি করে। জমিটির উপর একটি চলাচলের অধিকার (right of way) আছে, যা সম্পর্কে A ব্যক্তিগতভাবে জানে, কিন্তু সে বিষয়টি B-এর কাছ থেকে গোপন রাখে।
→ এই অবস্থায় B চুক্তি বাতিলের অধিকারী।

(খ) ধারা (b)-এর উদাহরণ:
A, একজন অ্যাডভোকেট, তার মক্কেল B (একজন হিন্দু বিধবা)-কে প্ররোচিত করে যাতে B তার সম্পত্তি A-এর কাছে হস্তান্তর করে তার ঋণদাতাদের প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে।
→ এখানে উভয় পক্ষ সমানভাবে দোষী নয়; A বেশি দোষী, তাই B সেই সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিল করানোর অধিকারী।

৭,৯৪৭.
মূলতুবি খরচ প্রদানে ব্যর্থতার কারনে আদালত মোকদ্দমা খারিজ বা এক তরফা নিস্পত্তি করে। সংক্ষুব্ধ পক্ষ মোকদ্দমাটি পুনরায় চালু বা পুনঃবহালের আবেদন করতে চায়। এই ক্ষেত্রে সে?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করবে
  2. ২,০০০ টাকা খরচ সহ ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করবে
  3. ১০০০ টাকা খরচ সহ ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করবে
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ১৭  অনুযায়ী বাদী মূলতবির খরচ দিতে ব্যর্থ হলে মামলা খারিজ, অন্যদিকে বিবাদী খরচ দিতে ব্যর্থ হলে মামলাটি একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে।  
⇒ যে পক্ষের ত্রুটির কারণে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয় সেই পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে ২০০০ টাকা ব্যয়সহ খরচ জমা দিয়ে মামলাটি পুনর্বহালের আবেদন করতে পারে।
৭,৯৪৮.
The Limitation Act, 1908 এর ১ম তফসিলের মোট অনুচ্ছেদ কয়টি?
  1. ১১৩ টি অনুচ্ছেদ
  2. ১৭৩ টি অনুচ্ছেদ
  3. ১৮৩ টি অনুচ্ছেদ
  4. ১৩৮ টি অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের মোট ধারা-৩২টি; মোট ভাগ/খন্ড-৫টি এবং মোট তফসিল-৩টি তবে বর্তমানে শুধুমাত্র ১ম তফসিলটি বলবৎ আছে, কেননা ২য় ও ৩য় তফসিল বাতিল করা হয়েছে। তামাদি আইনের এই ১টি তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

♦ তামাদি আইনের ১ম তফসিলে তামাদির মেয়াদ বর্ণিত রয়েছে। তামাদি আইনের ৩০ থেকে ৩২ (মোট ৩টি) ধারা বাতিল (repeal ) করা হয়েছে।

♦ ১৭৯৩ সালে সর্ব প্রথম তামাদি আইন ইংরেজীতে প্রবর্তিত হলেও ১৮৫৯ সালে প্রথম পূর্ণাঙ্গ তামাদি আইন প্রণীত হয়। অর্থাৎ ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন সর্বপ্রথম আইনে পরিণত হয়। পরবর্তীতে ১৮৫৯ সালের তামাদি আইনের পরিবর্তে ১৮৭১ সালে নতুন করে তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয়। লক্ষ্যণীয় বিষয় যে, ১৮৭১ সালের তামাদি আইনে সরকার কর্তৃক যে কোন মোকদ্দমা দায়েরের সময় ছিল ৬০ বৎসর। পরবর্তীতে ১৮৭১ সালের তামাদি আইনের পরিবর্তে ১৮৭৭ সালে তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয়।

♦ বর্তমানে প্রচলিত তামাদি আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়), যা তামাদি আইন ১৯০৮ নামে পরিচিত। এটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়। তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন।

♦ সর্বশেষ ২০০৪ সালে তামাদি আইন সংশোধন করা হয়। ২০০৪ সালের ২৮ নং আইন দ্বারা তামাদি আইনের ১১৩ ও ১১৪ অনুচ্ছেদ দুইটি সংশোধন করা হয়।

♦ তামাদি আইন একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)। তবে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে পদ্ধতিগত আইন উল্লেখ না থাকলে বিধিবদ্ধ আইন হবে।
৭,৯৪৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুসারে রিসিভার নিয়োগ প্রদান করে কে?
  1. আদালত
  2. মামলার পক্ষ
  3. সরকার
  4. মামলার পক্ষগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণ
ব্যাখ্যা

Correct answer: আদালত।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭, ধারা ৪৪: রিসিভার নিয়োগ রিসিভার নিয়োগ ইচ্ছাধীন:
- বিচারাধীন মামলায় রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন।
- দেওয়ানি কার্যবিধির উল্লেখ- তাহার নিয়োগের পদ্ধতি ও ফলাফল, এবং তাহার অধিকার, ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে।
---------------
Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.

৭,৯৫০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কোন পর্যায়ে মঞ্জুর করা যেতে পারে?
  1. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  2. মামলার রায়ের পর্যায়ে
  3. মামলার প্রথম শুনানির সময়
  4. মামলার বিচার্য বিষয় গঠনের পর্যায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান: অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে এমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

 - চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
-------------------
→ The Specific Relief Act, 1877, Section-53, Temporary injunctions, Perpetual injunctions:
- Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

- A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

৭,৯৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারার তদন্তের পর অপর্যাপ্ত সাক্ষ্যের জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে
  1. খালাস [Acquittal] দিতে পারে
  2. অব্যাহতি [Discharge] দিতে পারে
  3. মুচলেকা সম্পাদনের পর মুক্তি দিতে পারে [Release]
  4. দণ্ড দিতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা মতে তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই, তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন, সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনও প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
৭,৯৫২.
Which party’s absence may result in the appeal being dismissed outright?
  1. Witness
  2. Advocate
  3. Appellant
  4. Respondent
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 Order 41 Rule 17: Dismissal of appeal for appellant's Default-
1) Where on the day fixed, or on any other day to which the hearing may be adjourned, the appellant does not appear when the appeal is called on for hearing, the Court may an order that the appeal be dismissed.

2) Hearing appeal ex parte: Where the appellant appears and the respondent does not appear, the appeal shall be heard ex parte.

আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
৭,৯৫৩.
আদালত কখন চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করতে পারেন?
  1. অভিযুক্তের অনুরোধে
  2. অভিযোগকারীর অনুরোধে
  3. আদালত সঠিক মনে করলে
  4. তদন্তকারী অফিসারের নির্দেশে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।

(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।

Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.

Power to summon medical witness-
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.
৭,৯৫৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে? 
  1. কোনো ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত রাখিবার জন্য
  2. আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হইতে বিরত রাখিবার জন্য
  3. বিদেশি সরকারের কোনো সার্বভৌম কাজে হস্তক্ষেপ করিবার জন্য
  4. বলপূর্বক দখলচ্যুত করা কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখতে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
৫৬। যখন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করা হয় বা  নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাইবে না-
(ক) যে মামলায় নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হইয়াছে সেই মামলা দায়ের করিবার পূর্বের কোনো অনিষ্পন্ন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম স্থগিত রাখিবার উদ্দেশ্যে, যদিনা মামলাধিক্য রোধ করিবার জন্য এইরূপ নিবৃত্তি প্রয়োজন হয়;
(খ) যে আদালতে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হইয়াছে সেই আদালতের অধীনস্থ আদালত ব্যতীত অন্য কোনো আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করিবার জন্য;ব
(গ) মানুষকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হইতে বিরত রাখিবার জন্য;
(ঘ) সরকারের কোনো বিভাগের সরকারি কর্তব্যে অথবা বিদেশি সরকারের কোনো সার্বভৌম কাজে হস্তক্ষেপ করিবার জন্য
(ঙ) কোনো ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত রাখিবার জন্য;
(চ) সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না এইরূপ চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের জন্য;
(ছ) উৎপাতের অজুহাতে এমন কোনো কাজ নিরোধ করিবার জন্য যাহা যুক্তিসঙ্গতভাবে সুস্পষ্ট নহে যে উহা উৎপাতের পর্যায়ে পড়ে।
(জ) একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করিবার জন্য যাহাতে আবেদনকারী মৌন সম্মতি প্রদান করিয়াছেন;
(ঝ) ট্রাস্ট ভঙ্গের মামলা ব্যতীত অন্যান্য মামলায় যখন সমপরিমাণ ফলপ্রসূ প্রতিকার নিশ্চিতভাবেই অন্য কোনো সাধারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে পাওয়া যায়;
(ঞ) যখন আবেদনকারী বা তাহার প্রতিনিধির আচরণ এমন হয় যে, উহা তাহাকে আদালতের সাহায্য হইতে বঞ্চিত করে।
(ট) যেক্ষেত্রে মামলার বিষয়বস্তুতে আবেদনকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে না।
-------------
The Specific Relief Act,1877, Section 56, Injunction when refused, An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.

৭,৯৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৪ অনুযায়ী কমিশনার যদি একাধিক ব্যক্তি হন এবং তারা একমত না হতে পারেন, তাহলে তারা কী করবেন?
  1. একক প্রতিবেদন জমা দেবেন
  2. কোন প্রতিবেদন জমা দেবেন না
  3. পৃথক প্রতিবেদন জমা দেবেন
  4. আদালতের নির্দেশের অপেক্ষা করবেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪ (২) অনুযায়ী, যদি একাধিক কমিশনার নিযুক্ত হন এবং তারা একমত না হন, তাহলে প্রত্যেক কমিশনার পৃথক প্রতিবেদন প্রণয়ন ও স্বাক্ষর করবেন।
- এই পৃথক প্রতিবেদনগুলোতে প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করা হবে এবং (যদি আদেশে উল্লেখ থাকে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও সীমানা নির্ধারণ করা হবে। পরে এই প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সাথে সংযুক্ত করে আদালতে দাখিল করতে হবে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে।
- এরপর আদালত পক্ষগণের আপত্তি শুনে প্রতিবেদন বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে।
৭,৯৫৬.
"Obligation" includes every duty enforceable by ______.
  1. law
  2. parties
  3. authority
  4. contract
ব্যাখ্যা
ধারা ৩- ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদ:
"obligation" includes every duty enforceable by law.

'বাধ্যবাধকতা’ বলতে আইন দ্বারা কার্যকরীকরণযোগ্য প্রতিটি কর্তব্য অন্তর্ভুক্ত হবে।
৭,৯৫৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারা মোতাবেক, আদালত সাধারণত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দেবেন না, যদি না এটি কোন ধারার আওতায় আসে?
  1. ১২, ১৩ বা ১৪ ধারার
  2. ১৪, ১৫ বা ১৬ ধারার
  3. ১৩, ১৮ বা ১৯ ধারার
  4. ২০, ২১ বা ২২ ধারার
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১৭-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"পূর্ববর্তী তিনটি (১৪,১৫,১৬) ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।"
অর্থাৎ, আদালত শুধুমাত্র তিনটি ধারার আওতায় এলে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে পারবেন।
-এছাড়া অন্য কোনো ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে বাধ্য নন।
- অতএব, সঠিক উত্তর খ) ১৪, ১৫ বা ১৬ ধারার।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার বিধান অনুসারে, আদালত সাধারণত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দেবেন না, যদি না এটি ১৪, ১৫ অথবা ১৬ ধারার আওতায় আসে। এর মানে, আদালত ওই তিনটি ধারার আওতাধীন কোনো মামলা ছাড়া চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করবেন না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার বিধান:
অন্যান্য ক্ষেত্রে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা:-
পূর্ববর্তী তিনটি (১৪,১৫,১৬) ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।
-----------
⇒The Specific Relief Act, 1877 -Section 17. Bar in other cases of specific performance of part of the contract:
-The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.

৭,৯৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় দলিল সংশোধনের মূলনীতির বিধান আছে?
  1. ৩০ ধারা
  2. ৩১ ধারা
  3. ৩৩ ধারা
  4. ৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের মূলনীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এ ধারা অনুযায়ী দলিল সংশোধনের সময় আদালত নিম্নের বিষয় অনুসন্ধান করতে পারেন:
- দলিলের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং দলিলের ফলাফল কী।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
------------------------
The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
-In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
৭,৯৫৯.
আদালত নিম্নের কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন না?
  1. পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে
  2. পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  3. পক্ষগণের মধ্যে ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  4. খ বা গ যে কোন একটি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

-উল্লিখিত প্রশ্ন পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন না। তবে পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন।

-দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
৭,৯৬০.
বিবাদী তার লিখিত জবাবে সেই বিষয়গুলো উত্থাপন করবে, যা থেকে দেখা যাবে যে-
  1. মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয়
  2. মোকদ্দমা দায়েরের যথেষ্ট কারণ নেই
  3. মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি ২-
বিবাদী তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে, মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয় অথবা বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের ঐ সমস্ত হেতু উত্থাপন করবেন, যা উত্থাপন না করলে অপর পক্ষ বিস্মিত হত কিংবা আরজিতে উল্লেখ করা হয়নি এরূপ বিষয়াবলী উপস্থাপন করবেন যথা- তক্ষকতা, তামাদি, মুক্তি, পরিশোধ, কার্য সম্পাদন কিংবা আইনবিরুদ্ধ প্রমাণকারী তথ্যসমূহ।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
বিবাদী তার জবাবে এমন বিষয়গুলো উল্লেখ করবে যা দেখাবে যে, মামলা টিকসই নয় বা আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ বা বাতিলযোগ্য। এছাড়াও, এমন কারণগুলো তুলে ধরবেন, যা আগে উল্লেখ করা হয়নি এবং না বললে অপর পক্ষ আশ্চর্য হতে পারত। যেমন: প্রতারণা, মামলা দায়েরের সময়সীমা (তামাদি) পেরিয়ে যাওয়া, ঋণ পরিশোধ, চুক্তি পালন, বা অন্য কোন আইনগত প্রতিবন্ধকতা। এগুলো মামলা খারিজ করার বা আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বিবাদীর প্রধান কারণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।
৭,৯৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার অধীনে আদালত কোন অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদায় করতে পারে?
  1. স্বাতন্ত্র্য অংশের
  2. অসম্পাদিত ছোট অংশের
  3. অসম্পাদিত বড় অংশের
  4. সকল অংশের
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত একটি চুক্তির অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের নির্দেশ দিতে অংশটি স্বতন্ত্র, স্বাধীন এবং সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য হতে হবে।

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বতন্ত্র অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন: যখন চুক্তির একটি অংশের স্বতন্ত্রভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন করা যায় অথবা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বতন্ত্র এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 16. Specific performance of independent part of contract:
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part. 
৭,৯৬২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশে 'Reference' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৪৫
  2. আদেশ ৪৬
  3. আদেশ ৪৭
  4. আদেশ ৪৮
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৬ নং আদেশে রেফারেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে, যা নিম্নরূপ-

৪৬ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী-
আপিল-অযোগ্য ডিক্রির মামলার বিচার পর্যায়ে বা আপিলে অথবা উক্ত ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত প্রশ্নের সৃষ্টি হলে, উক্ত মামলার বিচারকারী আদালত বা আপিল আদালত অথবা ডিক্রি জারিকারক আদালত, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য হাইকোর্টে প্রেরণ করতে পারে।
 
- রেফারেন্স প্রেরণকারী আদালত রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রমে অগ্রসর হতে পারে কিংবা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন।
 
৪৬ নং আদেশের ৫ নং বিধি অনুযায়ী-
অধীনস্ত যে আদালত হাইকোর্টে রেফারেন্সের জন্য কোন বিষয় পাঠাবে, সেই বিষয়ে উক্ত আদালত কর্তৃক দেওয়া ডিক্রি/আদেশ হাইকোর্ট বিভাগ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে অথবা যে কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে।

অর্থাৎ Reference কোর্ট হিসেবে হাইকোর্ট তার অধস্তন আদালতের রায় বা ডিক্রি পরিবর্তন করতে পারে।
 
৪৬ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার বিধান রয়েছে। ৬নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে মামলা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত মামলার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে।
৭,৯৬৩.
What is the maximum term of imprisonment a Metropolitan Magistrate may pass?
  1. 3 years
  2. 5 years
  3. 7 years
  4. 10 years
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 32- Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:-
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথা:

(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping.
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।

(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka;
(খ)  দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷

(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two thousand taka.
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকা অর্থদণ্ড।

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যে-সব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোনো আইনসংগত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
৭,৯৬৪.
‘‘দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম সহ যেকোনো ব্যতিক্রম প্রমাণের দায়িত্ব আসামির’’ এটি কোথায় উল্লেখ করা আছে?
  1. দণ্ডবিধির ১০৫ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম অধ্যায় 
  4. কোথাও নেই
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুসারে সাধারণ ব্যতিক্রম সহ ব্যতিক্রম প্রামাণের দায়িত্ব আসামি উপর বর্তায়। ব্যতিক্রম প্রমাণের ভার (Burden of Proof of Exceptions) সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।

-------
♦ Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
Section 105. When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.
৭,৯৬৫.
ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল যদি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে বের করা হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি মনে করবে?
  1. যে ব্যক্তি কর্তৃক দলিলটি লেখা হয়েছে বা স্বাক্ষরিত সেই ব্যক্তি কর্তৃক দলিলটি লেখা এবং স্বাক্ষরিত হয়েছে
  2. যে ব্যক্তি কর্তৃক এটা সম্পাদিত এবং সত্যায়িত সেই ব্যক্তি কর্তৃক এটা সম্পাদিত এবং সত্যায়িত
  3. দলিলটি জাল দলিল যা আদালতে গ্রহণ যোগ্য নয়
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।
⇒ ৩০ বছরের পুরোনো দলিল সম্পর্কে আদালত May presume করেন। 

 ⇒৯০ ধারার অনুমান শুধুমাত্র মূল দলিলের জন্য। কোন প্রত্যয়িত কপি বা জাবেদা নকলের জন্য নয়।
⇒ এ ধারার বিধানের অনুযায়ী-
১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে।
২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে।
-----------------
⇒ Presumption as to documents thirty years old:
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 This explanation applies also to section 81.
৭,৯৬৬.
আদালত কখন ঘোষনামূলক মোকদ্দমায় প্রতিকার প্রদান করে না?
  1. যখন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার চায়
  2. যখন বিবাদীর অধিকার প্রমাণিত হয় না
  3. যখন প্রতিকারের পরিমাণ নির্দিষ্ট করা যায় না
  4. যখন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার চায় না
ব্যাখ্যা
• ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit):
মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায়, যেকোনো ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।
⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।

• Section 42:
Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
৭,৯৬৭.
ডাকাতি সংঘটনের জন্য কমপক্ষে কতজন সদস্যের প্রয়োজন?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
• ডাকাতির অভিযোগ প্রমান করতে হলে দস্যুতার অভিযোগকেও প্রমান করতে হবে।

ডাকাতির উপাদান:
(i) পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
(ii) উক্ত দলের এক বা একাধিক ব্যক্তি দস্যুতা করেছিল বা করার চেষ্টা করেছিল;
(iii) ডাকাত দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিল এবং এ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেছিল।

• ডাকাতির চেষ্টা করা কোন আলাদা অপরাধ নয়, ডাকাতির চেষ্টা করাও ডাকাতির অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
• যেক্ষেত্রে আদালত ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির চার্জ গঠন করেছে কিন্তু পরবর্তীতে ৫ এর কম সংখ্যক ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে আদালত ডাকাতির শাস্তি দিতে পারেনা কিন্তু তাদেরকে দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে।
৭,৯৬৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশে সোলে বা আপস ডিক্রীর বিষয় বিধান আছে?
  1. আদেশ ২৩ বিধি ৩
  2. আদেশ ২৩ বিধি ৪
  3. আদেশ ২৩ বিধি ৭
  4. আদেশ ২৩ বিধি ৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ২৩ বিধি ৩ অনুযায়ী সোলে বা মোকদ্দমা আপস বা আপস ডিক্রী এর বিধান রয়েছে।
⇒ এই বিধির অধীন আদালতকে পক্ষগণের মধ্যকার কোন আইনগত চুক্তি /আপস মিমাংসার মাধ্যমে সম্পূর্ন বা আংশিক সমন্বয় করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
⇒ সোলে ডিক্রীতে কোন আপীল চলবে না। তবে রিভিশন করা যাবে।
৭,৯৬৯.
দায়িকের কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৭ ধারায় তার খোরপোষের হার কে নির্ধারন করবে?
  1. সরকার
  2. বিচারিক আদালত
  3. জেল কর্তৃপক্ষ
  4. ডিক্রিদার
ব্যাখ্যা
• খোরপোষ হলো কাউকে দেওয়ানী জেলে আটক রাখলে তার ব্যয়ভার।

দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৭ ধারা- খোরপোষ ভাতা:
সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।

Section 57: Subsistence allowance-
The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
৭,৯৭০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা প্রদর্শনের বিশেষাধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. ৫৪ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৫৫ক ধারায়
  4. ৫৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সরকার দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে । দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় বলা হয়েছে, ৫৪ ও ৫৫ ধারার কোন কিছু রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফের অধিকার ক্ষতিগ্রস্থ করবে না।

♦ সরকার দন্ডবিধির ৫৪ ও ৫৫ ধারামতে দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দন্ড হ্রাস বা মওকুফ করতে পারে এবং রাষ্ট্রপতির ৫৫ক ধারামতে  ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফ করতে পারে।

♦ সংবিধানের আওতায় ক্ষমা প্রদর্শন- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৯ নং অনুচ্ছেদমতে রাষ্ট্রপতি কোন দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দন্ড হ্রাস বা মওকুফ করতে পারেন।
প্রাণ-ভিক্ষা: মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত অপরাধীরা সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ মতে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ-ভিক্ষা করে থাকেন।
৭,৯৭১.
সম্পত্তির রিসিভারের দায়িত্বসমূহ আদেশ ৪০ এর কয় নং বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. বিধি-২
  2. বিধি-৩
  3. বিধি-৪
  4. বিধি-৫
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি-৩: দায়িত্ব:
অনুরূপে নিযুক্ত প্রত্যেক রিসিভার-
ক) সম্পত্তি সম্পর্কে সে যা পাবে তার যথাযথ দায়ী থাকার জন্য আদালত কর্তৃক উপযুক্তবিবেচনায় জামানত (যদি কোন) প্রদান করবে;
খ) আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মেয়াদে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করবে;
গ) আদালতের নির্দেশ মত তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করবে; এবং
ঘ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার দরুন সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হলে তজ্জন্য দায়ী হবে।

Rule 3: Duties.
Every receiver so appointed shall-
a) furnish such security (if any) as the Court thinks fit, duly to account for what he shall receive in respect of the property;
b) submit his accounts at such periods and in such form as the Court directs;
c) pay the amount due from him as the Court directs; and
d) be responsible for any loss occasioned to the property by his wilful default or gross negligence.
৭,৯৭২.
বার কাউন্সিল কার বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের বিচার করে?
  1. বিচারক
  2. মক্কেল
  3. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট
  4. উল্লিখিত সবার
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
৭,৯৭৩.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারার মোকদ্দমার ডিক্রি কিংবা আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোন প্রতিকার নেই।
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed. যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ এ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই ধারার অধীন কোন পক্ষ ডিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি তার প্রতিকার চেয়ে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মামলা করতে পারেন কিংবা দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে হাইকোর্ট পুনর্বিচারের প্রার্থনা করতে পারেন।
⇒ যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
৭,৯৭৪.
বিবাদী আরজি দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নিলে-
  1. ঐদিনই সমন দিতে হবে
  2. সমন প্রেরণের প্রয়োজন নেই
  3. তিন দিনের মধ্যে সমন প্রেরণ করতে হবে
  4. পাঁচ দিনের মধ্যে সমন প্রেরণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-

১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন। আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদী আরজি দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদীর উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে, নিম্নোক্ত যেকোন পদ্ধতিতে বিবাদী হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।
৭,৯৭৫.
সাক্ষ্য আইনের ৮১ক ধারার অনুসারে, যদি একটি ডিজিটাল রেকর্ড অফিসিয়াল গেজেট হিসেবে দাবি করা হয়, তবে আদালত কী ধরে নেবে?
  1. ডিজিটাল রেকর্ডটি অপ্রাসঙ্গিক
  2. ডিজিটাল রেকর্ডটি আদালতে প্রমাণ করতে হবে
  3. ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
উত্তর: গ) ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮১ক ধারার অনুসারে, যদি একটি ডিজিটাল রেকর্ড অফিসিয়াল গেজেট হিসেবে দাবি করা হয়, তাহলে আদালত এটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে থাকা হিসেবে ধরে নেবে, যদি এটি প্রমাণিত হয় যে এটি আইন অনুযায়ী সঠিকভাবে সংরক্ষিত এবং যথাযথ হেফাজতে রয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 81A. Presumption as to Gazettes in digital forms
The Court shall presume the genuineness of every digital record purporting to be the Official Gazette, or purporting to be digital record directed by any law to be kept by any person, if such digital record is kept substantially in the form required by law and is produced from proper custody.

Explanation.-Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৭,৯৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ফৌজদারি আদালতসমূহের শ্রেণীবিভাগ উল্লেখ আছে?
  1. ৩ ধারা
  2. ৬ ধারা
  3. ৭ ধারা
  4. ৯ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

ধারা ৬:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
৭,৯৭৭.
_______ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ড সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করা হলে, উক্ত রেকর্ড সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে।
  1. তিন
  2. পাঁচ
  3. দশ
  4. সাত
ব্যাখ্যা
ধারা ৯০ক: পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান:

যেখানে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড, পাঁচ বছরের পুরানো বলে প্রমাণিত এবং যে হেফাজত থেকে দাখিল করা হয় তা বিশেষ ক্ষেত্রে আদালত যথাযথ বিবেচনা করে, আদালত অনুমান করতে পারে যে, ডিজিটাল স্বাক্ষর কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর হতে পারে যা এই জন্য তার দ্বারা বা তার দ্বারা অনুমোদিত যে কোন ব্যক্তি দ্বারা সংযুক্ত।
ব্যাখ্যা- ডিজিটাল রেকর্ডগুলিকে যথাযথ হেফাজতে আছে বলা হয় যদি সেগুলি সেই জায়গায় থাকে সেখানে, এবং যার তত্ত্বাবধানে স্বাভাবিকভাবেই থাকে; কিন্তু কোন হেফাজত অনুপযুক্ত নয় যদি এটি প্রমাণিত হয় যে এটির একটি বৈধ উৎস ছিল, বা বিশেষ মামলার পরিস্থিতি এমন হয় যে এই জাতীয় উৎসকে সম্ভাব্য গণ্য করা যায়।

অর্থাৎ,
⇒ পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে আদালত may presume ধরে নিবেন।
⇒ ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করতে হবে।
⇒ ৯০ ধারার দলিলের মতোই ব্যবহার হবে।
৭,৯৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলাটি করা হয়?
  1. ৫৪ ও ১৬১
  2. ১৫৪ ও ১৬৪
  3. ১৫৪ ও ১৬৭
  4. ৫৪ ও ১৬৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:

পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
৭,৯৭৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগের উদ্দেশ্য কী?
  1. সরকারি রাজস্ব আদায় করা
  2. আদালতের রায় দ্রুত কার্যকর করা
  3. মামলার পক্ষগুলোর মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা
  4. বিরোধীয় সম্পত্তির সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, রিসিভার নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য হল বিরোধীয় সম্পত্তির সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। মামলার প্রক্রিয়া চলাকালে আদালত যদি মনে করেন যে সম্পত্তি যদি অব্যবস্থাপিত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে রিসিভারকে নিয়োগ করা হয় যাতে সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
- অতএব, রিসিভার নিয়োগের উদ্দেশ্য হচ্ছে বিরোধীয় সম্পত্তির সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৭,৯৮০.
তামাদি আইনের কত ধারায় 'সময়ের অবিরাম চলন' এর বিধান আছে?
  1. ২৩
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তী কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
-অর্থাৎ 'সময়ের অবিরাম চলন' হল তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান।
----------------
⇒ The Limitation Act, 1908- Section 9:- Continuous running of time:
-Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৭,৯৮১.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা মতে হস্তরেখা সম্পর্কে বিশারদের অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. ৪২
  2. ৫০
  3. ৪৮
  4. ৪৭
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারার- হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিকঃ- একটি দলিল কোন ব্যক্তির দ্বারা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্বন্ধে আদালতকে যখন কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন যে ব্যক্তির দ্ববারা এটা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হচ্ছে বা হয়নি এ মর্মে উক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত কোন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক পরিগণিত।

ব্যাখ্যাঃ এক ব্যক্তি যেক্ষেত্রে অন্য এক ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে অথবা যেক্ষেত্রে সে ব্যক্তির নিকট প্রেরিত নিজের লেখার বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন নথির উত্তরে তার নিকট হতে তার দ্বারা লিখিত বলে প্রতীয়মান নথি পেয়েছে প্রতীয়মান কাগজপত্র বরাবর তার নিকট দাখিল হয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত ব্যক্তির শেষোক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে ধরা হয়।
---------------
• Section  47. Opinion as to handwriting, when relevant:
 When the Court has to form an opinion as to the person by whom any document was written or signed, the opinion of any person acquainted with the handwriting of the person by whom it is supposed to be written or signed that it was or was not written or signed by that person, is a relevant fact. 
 
Explanation.–A person is said to be acquainted with the handwriting of another person when he has seen that person write, or when he has received documents purporting to be written by that person in answer to documents written by himself or under his authority and addressed to that person, or when, in the ordinary course of business, documents purporting to be written by that person have been habitually submitted to him.
৭,৯৮২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় হলফনামা শপথ পরিচালনা হওয়ার বিধান আছে?
  1. ১৩৫ ধারা
  2. ১৩৭ ধারা
  3. ১৩২ ধারা
  4. ১৩৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোন আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট বা কোন ব্যক্তি বা অফিসার বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি হলফনামা শপথ করবে।
৭,৯৮৩.
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় কোন বিষয় প্রাসঙ্গিক ধরা হয়েছে?
  1. উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ
  2. অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
  3. যে সব ঘটনা বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ, কারণ বা ফলাফল
  4. যে সব ঘটনা দেহের অবস্থা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা, অনুভূতি প্রকাশ করে
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন- অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি দখল করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন- পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।

অভিপ্রায়, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য মামলার প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে কাজ করে এবং এগুলি ঘটনার প্রকৃতি নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৭,৯৮৪.
সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট হতে ক্ষমতা প্রাপ্ত অপর কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত সকল কার্যক্রম-
  1. বিচারিক কার্যক্রম
  2. অনুসন্ধান
  3. তদন্ত
  4. খ এবং গ সম্মিলিতভাবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ৪(১)(ঞ) ও ( ঝ) ধারা মতে-
• সাক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট হতে ক্ষমতা প্রাপ্ত অপর কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত সকল কার্যক্রমকে তদন্ত বলে।
• অনুসন্ধান অর্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত কর্তৃক পরিচালিত বিচার ব্যতীত সমস্ত অনুসন্ধান।
৭,৯৮৫.
কোন আপীল আদালত কত দিনে মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২-ক ধারার বিধানঃ আপীল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়।

(১) কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করবেন।

(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিস্পত্তি করবেন।

(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য শুধু কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
 
♦অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২-ক ধারা মতে কোন আপীল আদালত ৯০ দিনে মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করবেন।
৭,৯৮৬.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ মঞ্জুর করতে বাধ্য না?
  1. যেক্ষেত্রে চুক্তিটি বাদীকে বিবাদীর উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করে 
  2. যেক্ষেত্রে চুক্তির কার্য সম্পাদন বিবাদীকে কিছু কষ্টের মধ্যে জড়াবে
  3. ক ও খ উভয় 
  4. যেক্ষেত্রে বাদী চুক্তির উল্লেখযোগ্য অংশ সম্পাদন করেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২২:সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে ইচ্ছাধীন ক্ষমতা- সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদানের এখতিয়ার আদালতের ইচ্ছাধীন, এবং আদালত এইরূপ প্রতিকার মঞ্জুর করিতে বাধ্য নহে শুধু এই কারণে যে, ইহা করা আইনসঙ্গত; কিন্তু আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা স্বেচ্ছাচারিতা নহে বরং বিচক্ষণ, যুক্তিসঙ্গত হইবে, এবং বিচারকার্যাবলির মূলনীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে এবং আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধনযোগ্য হইবে।
নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি প্রদান না করিবার বিষয়ে ইচ্ছাধীন ক্ষমতা যথাযথভাবে প্রয়োগ করিতে পারিবে:-
১। যেক্ষেত্রে এইরূপ পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয় যে, উহা বাদিকে বিবাদির উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করিয়াছে, যদিও সেইখানে বাদিপক্ষ হইতে কোনো প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা নাই।
২। যেক্ষেত্রে চুক্তির কার্য সম্পাদন বিবাদিকে কিছু কষ্টের মধ্যে ফেলিবে, যাহা তিনি পূর্বে বুঝিতে পারেন নাই, অপরদিকে ইহার কার্য সম্পাদন না করিলে বাদিকে উহা তেমন কোনো কষ্টের মধ্যে ফেলিবে না।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-22: Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresentation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.

৭,৯৮৭.
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর উপর সমন জারির ক্ষেত্রে, সমন জারি করতে হবে, সে যে অফিসে চাকরী করে-
  1. সেই কর্মচারীকে ব্যক্তিগতভাবে
  2. তার মন্ত্রণালয় বরাবর
  3. তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
  4. তার অফিস বরাবর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে।

♦  যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে উক্ত অফিসের প্রধান কর্মকর্তার (head of the office) নিকট আদালত সমনের দ্বি-নকল বা প্রতিলিপি (duplicate copy) প্রেরণ করবেন।
৭,৯৮৮.
ভুটানের আকাশে থাকা অবস্থায় বাংলাদেশে নিবন্ধিত বিমান ভারতের নাগরিক যাত্রী ধর্ষণ করলে, অপরাধীকে বাংলাদেশে শাস্তি দেওয়া যাবে দণ্ডবিধির কোন ধারায়?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪(১)
  4. ধারা ৪(৪)
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিধিটির আওতার সম্প্রসারণ:
- নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক;
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
- ব্যাখ্যা:- এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার 'অপরাধ' কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

- অর্থাৎ বাংলাদেশে নিবন্ধিত যেকোনো জাহাজ বা বিমানের ভিতরে যে-কোনো ব্যক্তি (যে-কোনো দেশের নাগরিক হোক না কেন) যদি কোনো অপরাধ করে, তাহলে সেই অপরাধ যেখানেই হোক না কেন (ভুটানের আকাশে, সমুদ্রের ওপরে, যে-কোনো দেশের ওপর দিয়ে উড়ছে তাতে কিছু যায় আসে না), বাংলাদেশের দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে এবং বাংলাদেশে তার বিচার ও শাস্তি হবে।

- সুতরাং, বাংলাদেশে নিবন্ধিত বিমানে সংঘটিত এই অপরাধের জন্য অপরাধীকে বাংলাদেশে শাস্তি দেওয়া যাবে ধারা ৪(৪)-এর অধীনে।

৭,৯৮৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪২ ধারার বিধান কী?
  1. Language of subordinate Courts.
  2. Application for restitution.
  3. Miscellaneous proceedings.
  4. Orders and notices to be in writing.
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪২ ধারার বিধান:- আদেশ ও নোটিশ লিখিত হতে হবে:
- এই আইনের বিধানানুযায়ী কোন ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।
-------------------
⇒ CPC Section:142: Orders and notices to be in writing.
- All orders and notices served on or given to any person under the provisions of this Code shall be in writing.
৭,৯৯০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারানুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মোকদ্দমা খারিজ হলে বাদী অবশ্যই বারিত হবে-
  1. ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
  2. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা করতে
  4. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা করতে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------
SR Act- Section-29. Bar of suit for breach after dismissal:
-The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৭,৯৯১.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে সমন প্রেরণ করার প্রয়োজন নেই?
  1. আরজি দাখিলের সময় বাদী সাক্ষী হাজির করলে
  2. আরজি দাখিলের সময় বাদী দাবীর পক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি দাখিল করলে
  3. আরজি দাখিলের সময় বিবাদী হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নিলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে সমন প্রেরণ বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-

১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদী আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না

২) বিবাদীর উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদী হাজিরা দিতে পারবে-
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন আইনজীবী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন আইনজীবী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।
৭,৯৯২.
যদি কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে পরিচালিত হয়, তবে সেটি বাতিল হবে-
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুরোধে
  2. যদি তাতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়
  3. অভিযোগকারীর আবেদনক্রমে
  4. প্রসিকিউটরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে

Section 531: Proceedings in wrong place-
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
৭,৯৯৩.
তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত দায় স্বীকারের ফলাফল কি?
  1. তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে
  2. নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে
  3. তামাদির মেয়াদ থেকে লিখিত দায় স্বীকারের মেয়াদ বাদ যাবে
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয় সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
⇒ লিখিত হতে হবে
⇒ উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
⇒ অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে
⇒ উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।

Section 19: Effect of acknowledgement in writing
(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed. 
 
(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received. 
 
Explanation I- For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right. 
Explanation II- For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf. 
Explanation III- For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
৭,৯৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী একজন জামিনদার তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন?
  1. ধারা ৫০২
  2. ধারা ৫০১
  3. ধারা ৫০০
  4. ধারা ৪৯৯
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898) অনুসারে, ধারা ৫০২ জামিনদারের অব্যাহতি (Discharge of Sureties) সম্পর্কিত বিধান বর্ণনা করে। এই ধারায় জামিনদার (Surety) তাদের জামিননামা (Bail Bond) থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মুক্তি পাওয়ার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করার প্রক্রিয়া উল্লেখ আছে। ধারা ৫০২-এর বিস্তারিত বিধান নিম্নরূপ:
ধারা ৫০২(১): জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামা থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে পারেন।
ধারা ৫০২(২): আবেদন পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট জামিনে মুক্ত আসামীকে আদালতে হাজির করার জন্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবেন।
ধারা ৫০২(৩): আসামী আদালতে হাজির হলে বা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে, ম্যাজিস্ট্রেট জামিনদারকে জামিননামা থেকে অব্যাহতি দেবেন এবং আসামীকে নতুন পর্যাপ্ত জামিনদার সংগ্রহ করতে নির্দেশ দেবেন। যদি আসামী নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়, তবে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

- অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০২ই জামিনদারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য প্রযোজ্য ধারা, কারণ এটি সরাসরি জামিনদারের অব্যাহতির প্রক্রিয়া এবং শর্তাবলী বর্ণনা করে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.

৭,৯৯৫.
আদেশ ১০, বিধি ৪(১) অনুসারে আদালত কখন পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. মামলার শুনানি দীর্ঘায়িত হলে
  2. পক্ষ আদালতকে অসম্মান করলে
  3. উকিল মামলা পরিচালনায় অক্ষম হলে
  4. পক্ষের উকিল গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১০, বিধি ৪(১) অনুযায়ী, যদি আদালত মনে করে যে পক্ষের উকিল মামলার গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারছে না বা অস্বীকার করছে, তখন আদালত সেই পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১০, বিধি ৪(১) অনুসারে, যদি কোন পক্ষের উকিল বা তার সঙ্গী আদালতের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা অসমর্থ হয়, এবং আদালতের মতে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে উত্তর দিতে সক্ষম, তাহলে আদালত শুনানি স্থগিত রেখে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।
- বিধি ৪(২) অনুসারে, যদি পক্ষ বিনা বৈধ কারণে ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয়, তাহলে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন বা অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০, বিধি-৪ অনুসারে, যদি কোনো পক্ষের উকিল বা সঙ্গী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা অসমর্থ হয়, তবে আদালত মামলার শুনানি ভবিষ্যতের কোন তারিখ পর্যন্ত স্থগিত রাখবে এবং সে তারিখে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেবে।
এছাড়া, যদি নির্ধারিত তারিখে পক্ষ কোনো আইনসঙ্গত কারণে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়, তখন আদালত ওই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারেন বা অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারেন।
৭,৯৯৬.
নিচের কোন বিষয়টি প্রমান করার প্রয়োজন হয়?
  1. অনুমিত বিষয়াদি
  2. জুডিশিয়াল নোটিশ
  3. বিচার্য বিষয়ে বাদীর দাবী
  4. স্বীকৃতি
ব্যাখ্যা
⇒ Presumption বা অনুমান হল এমন একটি পারলা যার মাধ্যমে আদালত কোন নির্দিষ্ট বিষয় বা সাক্ষ্য সম্পর্কে কোন নির্দিষ্ট ধারণা করবে যতক্ষণ পর্যন্ত না উক্ত ধারণার সভ্যত আশ্রমাণিত হয়। আইনে প্রাক্-প্রত্যয় বা অনুমান এমন একটি নিয়ম যার মাধ্যমে একটি ঘটনা অন্য একটি ঘটনার প্রমাণ হিসেরে স্বীকৃত হয় (Presumption means an inference drawn from a particular fact about another fact)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায় 'Presumption' সম্বন্ধে বিধান বর্ণিত আছে। তাছাড়া সাক্ষ্য আইনের ৪১, ৭৯ থেকে ৯০ এবং ১১৪ ধারাতেও 'Presumption'-এর বিধান রয়েছে।Presumption বা অনুমান প্রমানের প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
৭,৯৯৭.
'ক' একটি কাল্পনিক লোকের নামে একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ প্রণয়ন করে প্রতারণামূলকভাবে বিলটি কাল্পনিক লোকের নামে গ্রহণ করে। 'ক' এর অপরাধ?
  1. প্রতারণা
  2. জালিয়াতি
  3. বিনিময় বিলে অপপ্রয়োগ
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারার বিধান মিথ্যা দলিল তৈয়ার করা:- নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈয়ার করেছে বলে পরিগণিত হয়-

প্রথমত:- যদি কোন ব্যক্তি, যে ব্যক্তি দ্বারা যার প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কোন দলিল কিংবা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বা যে সময়ে উক্ত দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে সে জানে, অথবা সে দলিলটি বা উহার অংশবিশেষ সে ব্যক্তি দ্বারা বা তৎপ্রদত্ত ক্ষমতা বলে কিংবা সে সময়ে প্রণীত স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাইবার উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এইরূপ দলিল বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বুঝাবার জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে; অথবা

দ্বিতীয়ত:- কোন দলিল তৎকর্তৃক বা অন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হওয়ার পরে কোনরূপ আইনসম্মত ছাড়াই অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলক ভাবে, বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অপর কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে; দলিলটি যদি অপরাধী দ্বারা সম্পাদিত না হয়ে অপর কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তবে এইরূপ পরিবর্তনের সময়ে সে ব্যক্তি জীবিত থাকুক অথবা পরলোকগত হোক তাতে অপরাধের কোনরূপ তারতম্য হবে না; অথবা

তৃতীয়ত:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে ব্যক্তি মানসিক অপ্রকৃতিস্থতা কিংবা প্রমত্ততার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন প্রকৃত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে কাল্পনিক কোন ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন অথবা কোন মৃত ব্যক্তি জীবদ্দশায় সম্পাদিত করেছিল বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে সে মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন জালিয়াতি বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ
(ক) ক চ-কে দিয়ে খ-এর প্রতিপক্ষে ১০,০০০ টাকার জন্য একটি লেটার অব ক্রেডিট লিখে নিয়ে পরে ক খ-কে ঠকাবার উদ্দেশ্যে, ১০,০০০-টাকার সাথে একটি শূন্য যোগ করে উহাকে ১,০০,০০০ টাকা করে নেয়, এই অভিপ্রায়ে যে, খ বিশ্বাস করবে যে, চ ঐরূপ লিখেছে। ক জালিয়াতি করেছে।
----------
Making a false document:
Section 464. A person is said to make a false document:
 
Firstly.-Who dishonesty or fraudulently makes, signs, seals or executes a document or part of a document, or makes any mark denoting the execution of a document, with the intention of causing it to be believed that such document or part of a document was made, signed, sealed or executed by or by the authority of a person by whom or by whose authority he knows that it was not made, signed, sealed or executed, or at a time at which he knows that it was not made, signed, sealed or executed; or 
 
Secondly.-Who, without lawful authority, dishonestly or fraudulently, by cancellation or otherwise, alters a document in any material part thereof, after it has been made or executed either by himself or by any other person, whether such person be living or dead at the time of such alteration; or 
 
Thirdly.-Who dishonestly or fraudulently causes any person to sign, seal, execute or alter a document, knowing that such person by reason of unsoundness of mind or intoxication cannot, or that by reason of deception practiced upon him he does not know the contents of the document or the nature of the alteration.

Explanation 1.-A man's signature of his own name may amount to forgery.
Explanation 2.- The making of a false document in the name of a fictitious person, intending it to be believed that the document was made by a real person, or in the name of a deceased person, intending it to be believed that the document was made by the person in his lifetime, may amount to forgery.
৭,৯৯৮.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ১১ অনুচ্ছেদে কয় ধরনের স্থায়ী কমিটির (Standing Committees] উল্লেখ আছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ১১ অনুচ্ছেদে ৩ ধরনের স্থায়ী কমিটির (Standing Committees] উল্লেখ আছে।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ১১(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি নিয়ে গঠিত হবে:
১. নির্বাহী কমিটি;
২. আর্থিক কমিটি;
৩. আইন শিক্ষা কমিটি।

Article-11(1): The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.
৭,৯৯৯.
একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক 'চ' দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় দণ্ডিত হয়। এক্ষেত্রে 'চ' এর প্রতিকার কী?
  1. দায়রা আদালতে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল
  4. দায়রা আদালতে রিভিশন
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
 
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে। নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
 
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫(পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
 
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
 
Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
 
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
 
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
 
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
৮,০০০.
তামাদি আইনের ২৩ ধারায় বিষয় হচ্ছে-
  1. অবিরাম চুক্তি ভঙ্গের ফল
  2. দায় স্বীকারের ফল
  3. অবিরাম অন্যায়ের ফল
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী অবিরামভাবে চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহুর্তে নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। এছাড়াও অবিরাম ভাবে অন্যায় করা হলে অন্যায়ের প্রতি মুহুর্তে নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে