বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৭৭ / ১২৬ · ৭,৬০১৭,৭০০ / ১২,৬০৫

৭,৬০১.
যদি কেউ অবৈধ সমাবেশে যোগদানের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নিজের বাড়িতে রাখেন, তবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ জানেন যে কিছু ব্যক্তি অবৈধ সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত, নিযুক্ত বা কাজে লাগানো হয়েছে এবং তারপরও তাদের নিজের বাড়ি বা নিয়ন্ত্রণাধীন জায়গায় আশ্রয় দেন, তবে তার সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-157. Harbouring persons hired for an unlawful assembly:
Whoever harbours, receives or assembles, in any house or premises in his occupation or charge, or under his control any persons, knowing that such persons have been hired, engaged or employed, or are about to be hired, engaged or employed, to join or become members of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৭,৬০২.
The Specific Relief Act,1877 এর ৫৩ ধারা অনুসারে কোন প্রতিকারটি The Code Of Civil Procedure,1908 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
  3. প্রতিরোধমূলক নিষেধাজ্ঞা 
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৩ অনুসারে, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা - অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হইল এইরূপ নিষেধাজ্ঞা যাহা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো সময় ইহা মঞ্জুর করা যাইবে, এবং দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।- কেবল শুনানির পর এবং মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাইবে: ইহার মাধ্যমে বিবাদিকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ, অথবা এমন একটি কাজ করা হইতে বিরত থাকিবার নির্দেশ দেওয়া হয় যাহা বাদির অধিকারের বিপরীতে হইবে।
-----------------
Temporary injunctions section ,53. Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

Perpetual injunction: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

৭,৬০৩.
ফৌজদারি মামলায় কার ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষীর
  2. অভিযুক্তের
  3. নালিশকারীর
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

Section 53 ⇒ In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
৭,৬০৪.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কোন ধরনের সম্পত্তি চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে?
  1. মেধা সম্পত্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. অস্থাবর সম্পত্তি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, চুরি (Theft) হলো কোনো ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি (Movable Property) তার সম্মতি ছাড়া অসৎ উদ্দেশ্যে গ্রহণ করা, যাতে সেই সম্পত্তি তার দখল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
- মেধা সম্পত্তি (Intellectual Property): এটি চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে না, কারণ এটি অস্থাবর সম্পত্তি নয়। মেধা সম্পত্তি, যেমন কপিরাইট বা পেটেন্ট, অন্য আইনের (যেমন কপিরাইট আইন) অধীনে সুরক্ষিত থাকে।
- স্থাবর সম্পত্তি (Immovable Property): যেমন জমি বা বাড়ি, চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে না, কারণ চুরির সংজ্ঞা অনুযায়ী সম্পত্তি অবশ্যই অস্থাবর হতে হবে।
- অস্থাবর সম্পত্তি (Movable Property): দণ্ডবিধির ধারা ২২-এ সংজ্ঞায়িত, যা শারীরিকভাবে স্থানান্তরযোগ্য এবং যা চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে, যেমন টাকা, গয়না, গাড়ি ইত্যাদি।
- কোনটি নয়: এটি সঠিক নয়, কারণ অস্থাবর সম্পত্তি চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

৭,৬০৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৫, বিধি-১ অনুযায়ী, ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার আরজিতে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. আদালতের পূর্ববর্তী রায়ের বক্তব্য
  2. বিবাদীদের মধ্যে চুক্তিবদ্ধ সম্পর্ক
  3. বাদীর সম্পত্তিতে পূর্ণ মালিকানা দাবি
  4. বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোনো স্বার্থ নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৫, বিধি-১ অনুযায়ী, ইন্টারপ্লিডার (স্বার্থবিহীন) মোকদ্দমা তখনই দায়ের করা যায়, যখন একাধিক ব্যক্তি (বিবাদী) একটি সম্পত্তি বা অধিকার দাবী করে, অথচ বাদীর নিজে ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বত্ব বা অধিকার নেই, শুধুমাত্র তিনি মামলার খরচের জন্য কিছু দাবি করতে পারেন।
বিধি-১ অনুযায়ী, আরজিতে যা যা থাকতে হবে:
→ বাদী মামলার খরচ ছাড়া অন্য কোনো স্বার্থ দাবি করেন না।
→ বিবাদীদের দাবিসমূহ পৃথকভাবে এবং পরস্পরবিরোধী।
→ বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে কোনো ষড়যন্ত্র বা যোগসাজশ নেই।

- এখানে অপশন “ঘ) বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোনো স্বার্থ নেই” — একমাত্র সঠিক উত্তর, কারণ এটি আদেশ ৩৫, বিধি ১-এর প্রথম এবং প্রধান শর্ত।

→ ইন্টারপ্লিডার মামলা বাদীকে দায়মুক্তি দিয়ে আদালতের মাধ্যমে প্রকৃত দাবিদার নির্ধারণের সুযোগ দেয়, যেখানে বাদী শুধু সম্পত্তি আদালতে জমা দেয় ও নিজেকে বিরত রাখে।
৭,৬০৬.
Search to be made in presence of witness- কার্যবিধির কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০২ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারার বিধান সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবেঃ (১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দু বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

-------------------------------
♦  Search to be made in presence of witnesses:
Section 103.(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do. 
 
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
৭,৬০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুযায়ী, তল্লাশির সময় প্রস্তুতকৃত জবরদখলকৃত দ্রব্যের তালিকা কী করতে হবে?
  1. মিডিয়ায় প্রকাশ করা
  2. শুধুমাত্র পুলিশ রেকর্ডে রাখা
  3. সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত করা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুযায়ী, তল্লাশীর সময় বাজেয়াপ্ত করা সমস্ত জিনিসের একটি তালিকা প্রস্তুত করতে হবে এবং এই তালিকায় সাক্ষীদের স্বাক্ষর থাকতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

৭,৬০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশে “বিচার্য বিষয় (Issues)” সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. আদেশ ১২
  2. আদেশ ১৩
  3. আদেশ ১৪
  4. আদেশ ১৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা। কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৪-এ "বিচার্য বিষয়" (Issues) সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই আদেশের বিধি ১ অনুসারে বিচার্য বিষয় প্রধানত দুই প্রকার:
১. তথ্যগত বিচার্য বিষয় (Issues of Fact)
২. আইনগত বিচার্য বিষয় (Issues of Law)

- বিচার্য বিষয় নির্ধারণের মাধ্যমে মামলার প্রকৃত বিবাদী বিষয় স্পষ্ট হয় এবং পক্ষগুলি তাদের প্রমাণ ও যুক্তি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপর কেন্দ্রীভূত করতে পারে, যা মামলার দক্ষ ও কার্যকর নিষ্পত্তিতে সহায়তা করে।

- কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে, তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।

৭,৬০৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিদেশি আদালত কর্তৃক কমিশন প্রেরণের বিধান রয়েছে?
  1. ৭৫ ধারায়
  2. ৭৬ ধারায়
  3. ৭৭ ধারায়
  4. ৭৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারার বিধান: বিদেশি আদালত কর্তৃক প্রেরিত কমিশন-
নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলি ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, সাক্ষীদের পরীক্ষার নিমিত্তে কমিশন নির্বাহ এবং ফেরত সম্পর্কীয় বিধান নিম্নবর্ণিত আদালত কর্তৃক বা তার অনুরোধে নিযুক্ত কমিশনের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হবে-
ক) বাংলাদেশ বহির্ভূত স্থানে অবস্থিত এবং সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কিংবা পরিচালিত আদালতসমূহ; বা
গ) বাংলাদেশ বহির্ভূত যে কোন রাজ্য বা দেশের কোন আদালত।

Section 78- Commissions issued by foreign Courts:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the provisions as to the execution and return of commissions for the examination of witnesses shall apply to commissions issued by or at the instance of-
(a) Courts situate beyond the limits of Bangladesh and established or continued by the authority of Government, or
(c) Courts of any State or country outside Bangladesh.
৭,৬১০.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে নিম্নোক্ত কোন শব্দটির প্রয়োগ নেই?
  1. Inquiry
  2. Investigation
  3. Re-investigation
  4. Further investigation
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে। [do further investigation]

- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet] দাখিল করতে পারে। তবে ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের [Re-investigation] কোন বিধান নেই।

Re-investigation (পুনঃতদন্ত): এই শব্দটির কোনো নির্দিষ্ট উল্লেখ ফৌজদারি কার্যবিধিতে নেই। যদিও পুনঃতদন্তের ধারণা থাকতে পারে, কিন্তু এই বিশেষ শব্দটি আইনগতভাবে ব্যবহার করা হয়নি।

৭,৬১১.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের দায়ে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একই চুক্তি ভঙ্গের দায়ে অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে?
  1. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা খারিজ
  2. পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত
  3. পরবর্তী মোকদ্দমা খারিজ
  4. যেকোনো একটি
ব্যাখ্যা
আদালত পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করার নির্দেশ দিতে পারে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা অনুযায়ী বলা যায়, দেওয়ানি আদালত সকল প্রকার দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার করতে পারে। কিন্তু দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ এবং ১১ ধারায় দেওয়ানি আদালত নিম্নলিখিত দুইটি ক্ষেত্রে দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার করতে পারবে না-
ক. বিচারাধীন মোকদ্দমা/ মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (Res sub judice) (ধারা-১০)
খ. দোবারা দোষ বা বিচারিত বিষয় (Res Judicata) (ধারা-১১)

দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ১০ ধারার নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-

⇒ দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
⇒ উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হবে
⇒ উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে
⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে
⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে
⇒ উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা দায়ের করেছে।

১০ ধারার বিধান মান্য করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ উপরের শর্ত পূরণ হলে আদালত উল্লেখিত পরবর্তী মোকদ্দমাটির বিচার স্থগিত করার নির্দেশ দিবেন।

Section 10: Stay of suit-

No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in a previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court. 
Explanation.-The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.

৭,৬১২.
এক তরফা ডিক্রি রদ বা বাতিল শর্ত কি?
  1. বিরুদ্ধ পক্ষকে নোটিশ
  2. বিরুদ্ধ পক্ষকে হাজির
  3. উভয় পক্ষকে নোটিশ
  4. উভয় পক্ষের হাজির
ব্যাখ্যা
• ৯ নং আদেশের ১৪ নং বিধি অনুযায়ী বিরুদ্ধ পক্ষকে নোটিশ প্রদান না করে, কোন এক তরফা ডিক্রি রদ বা বাতিল করা যাবে না।

• ৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

• আদেশ-৯, বিধি-১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ১০ নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি;
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারেনি।

• আদেশ-৯, বিধি-১৩কঃ
সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল ( Directly setting-aside exparte decree)- বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য নেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
৭,৬১৩.
অর্থ ডিক্রি জারির মামলায় নিম্নের কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দেয়া যাবে না?
  1. একজন মহিলা
  2. একজন কৃষক
  3. একজন নিঃস্ব ব্যক্তি
  4. একজন সরকারী কর্মচারী
ব্যাখ্যা
 ⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৬ ধারার বিধান- টাকার ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ: 
এই খণ্ডে অন্য কোন বিধান থাকা সত্ত্বেও আদালত টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেপ্তার বা আটক রাখার আদেশ প্রদান করবে না।

Section-56: Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
৭,৬১৪.
কোনো মামলায় দুই বা ততোধিক অভিযুক্তের মধ্যে এক বা একাধিক অভিযুক্ত অনুপস্থিত থাকলে, আদালত এক্ষেত্রে কোন ধরনের আদেশ দিতে পারেন?
  1. অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখার
  2. মামলা পৃথক ভাবে গ্রহণ করার
  3. মামলা পৃথক ভাবে বিচারের
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান

(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
৭,৬১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩৯খ অনুসারে কে সরেজমিনে পরিদর্শনের স্মারকলিপির নকল বিনা মূল্যে পেতে পারে?
  1. অভিযুক্ত
  2. ফরিয়াদি
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ(২) অনুযায়ী, যদি পাবলিক প্রসিকিউটর, ফরিয়াদি বা অভিযুক্ত অনুরোধ করেন, তবে সরেজমিনে পরিদর্শনের স্মারকলিপির একটি নকল বিনা মূল্যে তাদের সরবরাহ করতে হবে। অর্থাৎ, এই তিন পক্ষের যে কেউ চাইলে, তাঁকে বিনামূল্যে স্মারকলিপির কপি দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরবরাহ করতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 539B: Local inspection:-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:

৭,৬১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে কত দিনের মধ্যে বিচার নিষ্পত্তি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে?
  1. ১২০ দিনের মধ্যে
  2. ১৮০ দিনের মধ্যে
  3. ২৭০ দিনের মধ্যে
  4. ৩৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-
 ⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।
 
• মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
৭,৬১৭.
আদেশ ১৭ বিধি ১(৪) এর অধীন মোকদ্দমা একতরফা নিষ্পত্তি হলে, বিবাদী যদি পুনর্বহালের আবেদন করতে চান, তাহলে তাকে কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৪ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৭ বিধি ১(৭):
উপ-বিধি (৩) কিংবা (৪) এর অধীন মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে তা শুনানির নিমিত্তে পুনর্বহাল করা হবে না, যদি না যার অমান্যের কারণে মোকদ্দমাটি খারিজ হয় কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তিনি খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে তা পুনর্বহালের আবেদনের সঙ্গে আদালতে দুই হাজার টাকা ব্যায়াদির খরচা জমা প্রদান করেন; এবং অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য কার্যধারা ছাড়িয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করা হবে এবং জমাকৃত খরচা অন্য পক্ষকে দিতে হবে।

[A suit dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (3) or (4) shall not be revived for hearing unless the party, for whose noncompliance the suit was dismissed or dispossed of ex parte, makes within thirty days of such dismissal or ex parte, disposal, an application fogether with cost of two thousand taka into Court for such revival; and upon such application being made, the suit shall be revived for bearing without any further proceeding, and cost deposited into Court shall be paid to the other party.]
৭,৬১৮.
'Substituted Service of Summon' বলতে কি বুঝায়?
  1. ব্যক্তিগত ভাবে সমন জারি
  2. বিকল্পভাবে সমন জারি
  3. সাক্ষীর নিকট সমন জারি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে। ক্ষেত্র বিশেষে সাক্ষীর প্রতিও সমন জারি করা যায়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশে, ২১ নং আদেশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বিধিতে এবং ১৬ নং আদেশের ৮ নম্বর বিধিতে সমন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে। ২০ নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেছে অথবা অন্য কোন কারণে সাধারনভাবে সমন জারি করা যায়না, সেক্ষেত্রে বিবাদীর গৃহের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে জারি করার জন্য আদালত আদেশ দিবেন অথবা বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার আদেশ দিবে যা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারি Substituted Service নামে পরিচিত। এই পদ্ধতি ব্যক্তিগতভাবে সমন জারির মতই কার্যকর হবে।

Order 5 Rule 20: Substituted service
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit.

(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.

Effect of substituted service-
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.

Where service substituted, time for appearance to be fixed-
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require. 
৭,৬১৯.
'A', 'B' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'B' সেখান থেকে বালি উত্তোলন না করার বিষয়ে 'A' এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু 'B' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করে। এক্ষেত্রে 'A', 'B' কে খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে -
  1. 'A' এর কোনো প্রতিকার নেই
  2. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  3. নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  4. চুক্তি বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:

এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাধীন, আবেদনকারীর পক্ষে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা, সুস্পষ্ট বা গোপনীয়ভাবে ভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এমন বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালতকে এই আইনের অধ্যায় ২-এ অন্তর্ভুক্ত নিয়ম ও বিধানগুলিই অনুসরণ করতে হবে।
যখন বিবাদী পক্ষ বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা উপভোগ আক্রমণ করে বা আক্রমণের হুমকি দেয়, তখন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে আদালত একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে, যথাঃ
ক) যদি বিবাদী বাদীর জন্য সেই সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
খ) যদি আক্রমণের ফলে সৃষ্ট বা সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান না থাকে;
গ) যদি আক্রমণটি এমন হয় যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হিসেবে কাজ না করে;
ঘ) যদি আক্রমণের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকে;
ঙ) যদি বহু আদালতি কার্যক্রম এড়াতে নিষেধাজ্ঞাটি প্রয়োজন হয়।

এখানে, 'B' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং 'A' আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে 'B'কে এই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারবেন। আদালত যথাযথ বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।
৭,৬২০.
দণ্ডবিধির ৩৯৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, ডাকাতি করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কতটুকু হতে পারে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, ডাকাতি করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।
- এটি উল্লেখযোগ্য যে, চেষ্টা করা অপরাধও শাস্তিযোগ্য এবং এটি শেষ পর্যন্ত ডাকাতি সংঘটিত না হলেও শাস্তির আওতায় আসবে। তবে শাস্তির মেয়াদ ৭ বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং জরিমানা আরোপিত হতে পারে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-393. Attempt to commit robbery:
Whoever attempts to commit robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৭,৬২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুসারে, ফরিয়াদী বা সাক্ষীর ব্যয় প্রদানের জন্য কোন তহবিল ব্যবহৃত হয়?
  1. সরকারি তহবিল
  2. আদালতের নিজস্ব তহবিল
  3. অভিযুক্তের ব্যক্তিগত তহবিল
  4. ফরিয়াদীর জমাকৃত অর্থ তহবিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী: ফৌজদারি আদালত, সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধির অধীনে, যদি উপযুক্ত মনে করেন, তাহলে ফরিয়াদী বা সাক্ষীর আদালতে হাজিরা বাবদ যুক্তিসংগত ব্যয় সরকারি তহবিল থেকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ, যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায় এবং সাক্ষী বা ফরিয়াদীদের আর্থিক কষ্ট লাঘব হয়।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফরিয়াদী বা সাক্ষীর খরচ সরকারি তহবিল থেকে প্রদান করা হয়, আদালতের আদেশ সাপেক্ষে। তাই সঠিক উত্তর: ক) সরকারি তহবিল।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার বিধান ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়:-
সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
৭,৬২২.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় চূড়ান্ত শুনানিকালে উভয়পক্ষ সময়ের আবেদন করলে মুলতুবি খরচার টাকা পাবেন-
  1. বাদী দরখাস্তকারী
  2. বিবাদী দরখাস্তকারী
  3. আদালত
  4. রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ আদেশ, বিধি ১(৫)-তে বলা হয়েছে: যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার উভয়পক্ষ মুলতবির দরখাস্ত দাখিল করে এবং আদালত খরচসহ মুলতবির দরখাস্ত মঞ্জুর করেন; সে ক্ষেত্রে আদালত উভয়পক্ষকে রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে মুলতবির খরচ প্রদান/জমা করার আদেশ দিবেন।
♦ খরচের টাকার অধিকারী হবে:
 i. বাদী মুলতবি চাইলে- বিবাদী পাবে।
ii. বিবাদী মুলতবি চাইলে- বাদী পাবে।
iii. উভয়পক্ষ মুলতবি চাইলে- রাষ্ট্র পাবে।
৭,৬২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী পুলিশ মামলার FIR রেকর্ড করে?
  1. ধারা ১৫২
  2. ধারা ১৫৪
  3. ধারা ১৫৬
  4. ধারা ১৫৮
ব্যাখ্যা
এফআইআর (FIR- First Information Report)
অপরাধমূলক কোনো কিছু ঘটার পর সে বিষয়ে প্রতিকার পাওয়ার জন্য থানায় যে সংবাদ দেওয়া বা জানানো হয়, তাকে এজাহার বা এফআইআর বলে। প্রকৃতপক্ষে, এজাহারের মাধ্যমে থানায় মামলা করা হয়। এজাহারের ক্ষেত্রে পিআরবি বা পুলিশ রেগুলেশন বেঙ্গল ১৯৪৩ এর ২৪৩ প্রবিধান এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় এজাহারের বিষয়বস্তু গুলো অনুসরণ করা হয়। 

এজাহার মৌখিক এবং লিখিত উভয়ই হতে পারে। মৌখিকভাবে এজাহার দেওয়া হলেও সেটি লেখার পর এজাহারকারীর সই নিতে হবে। লেখার পর দায়িত্বরত কর্মকর্তা এজাহারকারীকে পড়ে শুনানোর পর নির্ধারিত ফরম অনুসারে রক্ষিত একটি বইতে লিপিবদ্ধ করবেন। এজাহারকে মূলত কোনো মৌলিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয় না। তবে বাস্তব ক্ষেত্রে এজাহারের যথেষ্ট মূল্য আছে। এজাহার হলো জিআর মামলার মূলভিত্তি।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫৪: আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ:
যখন কেউ কোনো আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সংবাদ থানায় জানায়, তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেই তথ্য গ্রহণ করতে বাধ্য। যদি সেই তথ্য মৌখিকভাবে জানানো হয়, তাহলে তিনি নিজে বা তার নির্দেশে কেউ তা লিখে নেবেন। এরপর সেই লিখিত বক্তব্য সংবাদদাতাকে পড়ে শুনাতে হবে যেন সে নিশ্চিত হতে পারে, তার কথাই ঠিকভাবে লেখা হয়েছে। এরপর সেই ব্যক্তি স্বাক্ষর করবে এবং পুলিশ কর্মকর্তা সরকার নির্ধারিত রেজিস্টারে ঐ বিবরণ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

⇒ এভাবেই পুলিশের কাছে কোনো গুরুতর অপরাধের প্রথম তথ্য প্রতিবেদন (FIR) গ্রহণ ও রেকর্ড করা হয়। এটি মামলা শুরুর একটি আনুষ্ঠানিক ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
৭,৬২৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী, Leading questions কী?
  1. দীর্ঘ প্রশ্ন
  2. সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
  3. অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন
  4. উত্তর সূচিত করে এমন প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উত্তর সূচিত করে এমন প্রশ্ন।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী:- "যে প্রশ্ন এমন উত্তর দেয়ার ইঙ্গিত দেয় যেটা প্রশ্নকারী চায় বা প্রত্যাশা করে, তাকে বলা হয় লিডিং প্রশ্ন।"
(“Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.”)

 উদাহরণ:
- প্রশ্ন: "তুমি তো ঘটনাস্থলে ছিলে, তাই না?" — এটি একটি লিডিং প্রশ্ন, কারণ এতে উত্তর "হ্যাঁ" বা "না" হবে এবং প্রশ্নকারীর প্রত্যাশিত উত্তরটি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
- প্রশ্ন: "তুমি কোথায় ছিলে?" — এটি লিডিং প্রশ্ন নয়, কারণ এতে কোনো নির্দিষ্ট উত্তর ইঙ্গিত করা হয়নি।

অর্থাৎ লিডিং প্রশ্ন হলো এমন প্রশ্ন যা উত্তরদাতার কাছে একটি নির্দিষ্ট উত্তর "ইঙ্গিত" করে। এই ধরনের প্রশ্ন বিশেষত জেরা (cross-examination)-তে অনুমোদিত, কিন্তু প্রধান জেরা বা পুনরায় জেরা-তে আদালতের অনুমতি ছাড়া করা যায় না (ধারা ১৪২)।
৭,৬২৫.
অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষয়জাত দ্রব্য ফৌজদারী আদালতের নির্দেশে বিক্রি করার বিধান আছে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ________।
  1. ৫২২ ধারায়
  2. ৫২৩ ধারায়
  3. ৫২৪ ধারায়
  4. ৫২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
♦ অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।
৭,৬২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষীর হাজির হবার জন্য যুক্তিসঙ্গত খরচ প্রদানের জন্য নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ২৪১ক ধারা
  2. ২৪৩ ধারা
  3. ২৪৪ ধারা
  4. ২৪৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুযায়ী-
(১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি পূর্ববর্তী ধারা(২৪৩) অনুসারে অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত যদি উক্তরূপে স্বীকারোক্তি না করে,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির(যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।তবে শর্ত থাকে যে,কোনো আদালত যখন নালিশ করে তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি হিসাবে কারো বক্তব্য শুনতে বাধ্য হবেন না।

(২) ম্যাজিস্ট্রেট যদি উপযুক্ত মনে করেন,তাহলে ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীর প্রতি হাজির হওয়ার বা কোন দলিল বা কোন জিনিস হাজির করার নির্দেশ দিয়ে সমন ইস্যু করতে পারবেন।

(৩) এরূপ আবেদনের ভিত্তিতে কোন সাক্ষীর প্রতি সমন দেওয়ার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারবেন যে, বিচারের উদ্দেশ্যে হাজির হওয়ার জন্য তার যুক্তিসংগত খরচ আদালতে জমা দিতে হবে।


Section-244. Procedure when no such admission is made:
(1) If the Magistrate does not convict the accused under the preceding section or if the accused does not make such admission, the Magistrate shall proceed to hear the complainant (if any), and take all such evidence as may be produced in support of the prosecution, and also to hear the accused and take all such evidence as he produces in his defence: 
Provided that the Magistrate shall not be bound to hear any person as complainant in any case in which the complaint has been made by a Court. 

(2) The Magistrate may, if he thinks fit, on the application of the complainant or accused, issue a summons to any witness directed him to attend or to produce any document or other thing. 

(3) The Magistrate may, before summoning any witness on such application, require that his reasonable expenses, incurred in attending for the purposes of the trial, be deposited in Court.
৭,৬২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় "Judgment" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২(৭) ধারায়
  2. ২(৮) ধারায়
  3. ২(৯) ধারায়
  4. ২(১০) ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৯):

"Judgment" means the statement given by the Judge of the grounds of a decree or order:
''রায়" (Judgment): বলতে ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি হিসেবে বিচারক যে বিবৃতি দেন, তা বুঝায়।

⇒ রায় বলতে বুঝায় কোন দেওয়ানী মামলায় প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসেবে বিচারক যে বর্ণনা দেন। সাধারণত, দেওয়ানী মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষণা করেন এবং রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করেন।
৭,৬২৮.
"Settlement" দলিলের মাধ্যমে কী নির্ধারন করা হয়?
  1. অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা
  2. স্থাবর সম্পত্তির মালিকানা
  3. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• "settlement" means any instrument (other than a will or codicil as defined by the [Succession Act, 1925] whereby the destination or devolution of successive interests in moveable or immoveable property is disposed of or is agreed to be disposed of:

"settlement" শব্দটি কোনো এমন নথিকে বোঝায় (উইল বা কোডিসিল ব্যতীত যা Succession Act, 1925 এ সংজ্ঞায়িত হয়েছে) যার মাধ্যমে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার বা প্রকৃতির বিনিময় বা উক্ত বিনিময়ের সম্মতির বিষয়বস্তু নির্ধারিত হয়েছে।

অর্থাৎ, যে নথি উইল বা কোডিসিল ছাড়া হয়ে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকার বা প্রকৃতি নির্ধারণ করে বা সেরকম নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে সম্মতি প্রকাশ করে, সেটিকে "settlement" বলা হয়েছে।
৭,৬২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি (১) অনুসারে, যখন বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজের দখলে থাকা দলিলের ওপর নির্ভর করে, তখন তা উপস্থাপন করতে হবে-
  1. শুনানির সময়
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের সময়
  3. লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময়
  4. মামলার রায় ঘোষণার সময়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি (১)-

১) ৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার দখলীয় কিংবা ক্ষমতায় রক্ষিত দলিলসমূহের উপর তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বা দাবী সমন্বয় করার দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে নির্ভর করেন, সেক্ষেত্রে তিনি লিখিত বিবৃতি পেশ করার সময় তা আদালতে উপস্থাপন করবে এবং তখনই দলিলসমূহ লিখিত বিবৃতির সাথে নথিভুক্ত করার জন্য দিবে ।

৩) শুনানির সময় বা আদালত তলব করলে তখনই দাখিল করার অঙ্গীকার প্রদান করে ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কিংবা উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি প্রতিস্থাপিত হওয়ার পর প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে আদালত এরূপ দলিলাদি ফেরত প্রদান করতে পারে।

৪) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা পাল্টা দাবীর অধিকার সমর্থনে তার দখলে ব ক্ষমতায় না থাকা অন্য প্রকার দলিলাদির উপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে সে লিখিত বিবৃতির সঙ্গে সংযোজন কিংবা যুক্ত করার জন্য একটি তালিকায় অনুরূপ দলিলাদি অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ঐ দলিলাদি কার দখলে বা ক্ষমতায় আছে তা বর্ণনা করবে।

৫) যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

৬) বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
৭,৬৩০.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় নিম্নের কোন ব্যক্তিকে মামলা চলাকালীন যেকোনো সময় সাক্ষীকে প্রশ্ন করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. বিচারককে
  2. বাদীপক্ষের আইনজীবীকে
  3. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবীকে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-

বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ এই ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
৭,৬৩১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬ অনুযায়ী, প্রতিটি আরজিতে তথ্য কীভাবে প্রমাণ করতে হবে?
  1. হলফনামার মাধ্যমে
  2. সাক্ষীর বিবরণীর মাধ্যমে
  3. মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে
  4. আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
⇒ ২০২৫ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধন) অধ্যাদেশের ধারা ২ অনুযায়ী, Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা 26-এ নতুন উপ-ধারা (2) যোগ করা হয়েছে, যা নির্দেশ করে:
"In every plaint, facts shall be proved by affidavit."
(প্রতিটি আরজিতে তথ্য হলফনামার মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।)
- এটি ঐতিহ্যগত মৌখিক সাক্ষ্য পদ্ধতির পরিবর্তে লিখিত ও শপথবদ্ধ বিবরণীর মাধ্যমে প্রমাণের একটি আধুনিক পদ্ধতি চালু করেছে।
- অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬ এর সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, প্রতিটি আরজিতে (প্লেইন্ট বা অভিযোগপত্র) উল্লেখিত তথ্য প্রমাণ করতে হবে হলফনামার মাধ্যমে। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ২৬: মোকদ্দমা দায়েরের পদ্ধতি:
(১) প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো উপায়ে দায়ের করতে হবে।
(২) প্রতিটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যসমূহ অবশ্যই এফিডেভিট (শপথপত্র) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 26 of the Code of Civil Procedure, 1908: Institution of suits:
(1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed.
(2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.
৭,৬৩২.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে সরকারের বকেয়া রাজস্বের জন্য জমির বিক্রয়ের মামলায় তামাদি মেয়াদ ১২ বছর উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৫
  2. অনুচ্ছেদ ১১৬
  3. অনুচ্ছেদ ১২০
  4. অনুচ্ছেদ ১২১
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে অনুচ্ছেদ ১২১ তে বলছে যখন কোনো সম্পূর্ণ জমিদারী (entire estate), পত্নি তালুক (patni taluq) বা অন্য কোনো বিক্রয়যোগ্য অধিকার সরকারি রাজস্ব বা খাজনার বকেয়ার জন্য বিক্রি করা হয়, এবং কেউ এই বিক্রয় বাতিল করতে চায় কারণ এতে জটিলতা বা অধীন ভোগদারির (incumbrances/under-tenures) সমস্যা আছে তখন বিক্রয় চূড়ান্ত ও চূড়ান্তভাবে কার্যকর হওয়ার দিন থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।

⇒ অর্থাৎ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২১-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: সরকারি বকেয়া রাজস্বের জন্য বিক্রীত জমিদারি/পত্তনী সম্পর্কিত মামলার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর, এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় বিক্রয় চূড়ান্ত ও সিদ্ধান্তমূলক হওয়ার তারিখ থেকে।
৭,৬৩৩.
ধারা ২৫০(৫) অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি আর কী আদেশ দিতে পারেন?
  1. সর্বোচ্চ ১ মাসের কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ২ মাসের কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৩ মাসের কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 –এর ধারা ২৫০(৫): মিথ্যা, তুচ্ছ বা হয়রানিমূলক অভিযোগ:
এই ধারায় অন্য যাই বলা থাকুক না কেন, উপ-ধারা (২) অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ করার পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট আরও আদেশ দিতে পারেন, যে- যে ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে, সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ভোগ করবে, অথবা তার নিকট থেকে সর্বোচ্চ এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড আদায় করা হবে।

অর্থাৎ, শুধু ক্ষতিপূরণই নয়— প্রয়োজনে কারাদণ্ড বা অতিরিক্ত জরিমানাও ম্যাজিস্ট্রেট দিতে পারেন, যদি অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন বা হয়রানিমূলক (vexatious) প্রমাণিত হয়।

৭,৬৩৪.
দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী কোনটি দস্যুতা বলে গণ্য হবে না?
  1. চুরির উগ্রতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯০ অনুসারে, দস্যুতা (Robbery) বলতে বোঝায় যখন চুরি (Theft) বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় (Extortion)-এর সাথে নির্দিষ্ট কিছু উগ্রতা (violence) যুক্ত থাকে। তবে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) দস্যুতা বলে গণ্য হয় না।
- অর্থাৎ দণ্ডবিধি অনুসারে চুরির উগ্রতা, বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা ও তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে গণ্য হবে। কিন্তু অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ দস্যুতা বলে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section-390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
- Explanation. -The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.

৭,৬৩৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় ভুলের জন্য চুক্তি বাতিলের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩০
  2. ধারা ৩৪
  3. ধারা ৩৫
  4. ধারা ৩৬
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৬-এ ভুলের জন্য চুক্তি বাতিল (Rescission for mistake) এর বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যদি না যার বিরুদ্ধে চুক্তিটি বাতিল করা হবে তাকে চুক্তি-পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

৭,৬৩৬.
Digital Signature আদালত কয়ভাবে যাচাই করতে পারে?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৭,৬৩৭.
একজন অ্যাডভোকেট তার সনদ স্থগিত রাখার জন্য কোন অবস্থায় আবেদন করতে পারেন?
  1. আদালতের বিরুদ্ধে মামলা করতে চাইলে
  2. বার কাউন্সিলের বিরোধিতা করতে চাইলে
  3. অন্য দেশে পড়াশোনা করতে চাইলে
  4. ব্যবসা বা অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হতে চাইলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ব্যবসা বা অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হতে চাইলে।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৭০:
একজন অ্যাডভোকেট আবেদন করতে পারেন যেন তাঁর সনদ (certificate) স্থগিত করা হয়, যদি তিনি আইন পেশা বিচ্ছিন্ন করে অন্য কোনো ব্যবসা, পেশা বা পেশাগত কাজে যুক্ত হতে চান।
তিনি পরবর্তীতে চাইলে এই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্যও আবেদন করতে পারেন। একজন অ্যাডভোকেট চাইলে এও আবেদন করতে পারেন যে, তাঁর নাম সম্পূর্ণভাবে অ্যাডভোকেটদের রোল থেকে বাদ দেওয়া হোক।
৭,৬৩৮.
ধারা ১৫৫-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কোনো সাক্ষী যদি অন্য সাক্ষীকে অবিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করে, তবে-
  1. তার মতামত অগ্রহণযোগ্য
  2. সে জবানবন্দীতে কারণ জানাতে বাধ্য
  3. জেরাতে তাকে কারণ জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে
  4. তাকে কারণ আদালতে লিখিতভাবে জানাতে হবে
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৫৫- সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা খণ্ডন (Impeaching the credit of a witness):
কোনো সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা (বিশ্বাসের যোগ্যতা) প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে, অথবা আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, যিনি সাক্ষীকে উপস্থাপন করেছেন, তিনিও নিম্নলিখিত উপায়ে খণ্ডন (চ্যালেঞ্জ) করতে পারেন—

(১) এমন ব্যক্তির সাক্ষ্যের দ্বারা, যারা সাক্ষীকে চেনে এবং নিজেদের জ্ঞানের ভিত্তিতে মনে করে যে সাক্ষী বিশ্বাসযোগ্য নয় বা অবিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তি।

(২) প্রমাণের মাধ্যমে দেখানো যেতে পারে যে, সাক্ষী ঘুষ নিয়েছে, অথবা ঘুষের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, অথবা অন্য কোনো দুর্নীতিপূর্ণ প্রণোদনা (corrupt inducement) গ্রহণ করেছে তার সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য।

(৩) প্রমাণের মাধ্যমে দেখানো যেতে পারে যে, সাক্ষী পূর্বে এমন কোনো বক্তব্য দিয়েছে যা তার বর্তমান সাক্ষ্যের সাথে অসঙ্গত বা পরস্পরবিরোধী।

ব্যাখ্যা (Explanation):
যখন কোনো সাক্ষী আরেকজন সাক্ষীকে অবিশ্বাসযোগ্য বলে ঘোষণা করে, তখন তার জবানবন্দীতে (examination-in-chief) পর্যায়ে সে কেন এমন মনে করে, তার কারণ জানাতে বাধ্য নয়। কিন্তু জেরা (cross-examination)-এর সময় তাকে তার বিশ্বাসের কারণ জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে। যে উত্তর সে দেবে, তা প্রমাণ দ্বারা খণ্ডন করা যাবে না, তবে যদি সেই উত্তর মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে সে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অপরাধে (false evidence) অভিযুক্ত হতে পারে।

৭,৬৩৯.
'ক' কে পুলিশ আটক করে অবৈধ মাদক রাখার দায়ে। 'ক' পুলিশকে জানায় যে, তার বাড়ীতে আরো অবৈধ মাদক আছে। পুলিশ 'ক' এর বাড়ী থেকে মাদক উদ্ধার করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য আইনের কত ধারা প্রাসঙ্গিক হবে।
  1. ২৪ ধারা
  2. ২৬ ধারা
  3. ২৭ ধারা
  4. ২৮ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী আসামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে যদি আলামত উদ্ধার হয় তাহালে আলামত গুলো সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে। পুলিশ এখানে 'ক' এর তথ্য অনুসারে অবৈধ মাদক উদ্ধার করেছে তাই এই মাদক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হইবে।
৭,৬৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. আইনগত সহায়তা সেবা সম্প্রসারণ
  2. মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা
  3. বিচার ব্যবস্থায় স্বার্থের সংঘাত এড়ানো
  4. অভিজ্ঞ আইনজীবীদের ম্যাজিস্ট্রেট করার সুযোগ বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭ অনুযায়ী “কোনো আইনজীবী (pleader) যদি কোনো জেলার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্র্যাকটিস করেন, তবে তিনি ঐ জেলার ঐ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ঐ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এখতিয়ারাধীন অন্য কোনো আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না।”
- অর্থাৎ, এর উদ্দেশ্য হলো  বিচার ব্যবস্থায় পক্ষপাত বা স্বার্থের সংঘাত (conflict of interest) এড়ানো এবং বিচারপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা রক্ষা করা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না
যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts:
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.

৭,৬৪১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে ______ টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
  1. ১১
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-

১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
৭,৬৪২.
Who can present the petition of appeal according to Section 419 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. The court
  2. The respondent
  3. A police officer
  4. The appellant or his pleader
ব্যাখ্যা
Section 419- Petition of appeal:
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.

ধারা ৪১৯:
প্রত্যেকটি আপীল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপীলের পিটিশন আপীলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হচ্ছে তার কপি আপীলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।
৭,৬৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক Court GD করা হয়?
  1. ৪০
  2. ৪১
  3. ৪৩
  4. ৪৪
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা-৪৪ মোতাবেক Court GD করা হয়।
• এই ধারা মোতাবেক জনসাধারণ নির্দিষ্ট কিছু অপরাধীদের (দণ্ডবিধির ১২১, ১২১ক, ১২২-১২৪ক, ৩০২-৩০৪ এবং অন্যান্য ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য) বা অপরাধ করার অভিপ্রায় আছে এমন কোন তথ্য জানতে পারলে অবিলম্বে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে এই সম্পর্কে তথ্য বা সংবাদ দিবেন।
৭,৬৪৪.
জামিননামা বাতিল এবং জামিনদার অব্যাহতি পেলে, আদালত-
  1. জামিনে মুক্ত অভিযুক্তকে হাজির করার নির্দেশ দিবেন
  2. অভিযুক্তকে শাস্তি দিবেন
  3. অভিযুক্তকে জরিমানা করবেন
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
ধারা-৫০২ জামিনদারের অব্যাহতি

জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

Section 502- Discharge of sureties
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 

(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৭,৬৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৭ অনুযায়ী আদালত নিম্নের কোনটি করার ক্ষমতা রাখেন না?
  1. জমিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া
  2. নমুনা সংগ্রহের অনুমতি দেওয়া
  3. অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া
  4. পরিদর্শনের আদেশ দেওয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া।

আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি:
১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত—
ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।
৭,৬৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান মোতাবেক পুলিশ কার বক্তব্য বা জবানবন্দি নিতে পারে?
  1. সাক্ষীর
  2. অভিযোগকারীর
  3. অপরাধের বিষয়ে জ্ঞান আছে এমন যে কোনো ব্যক্তির
  4. উপরের সকল কে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান মোতাবেক তদন্তকারী কর্মকর্তা অপরাধ তদন্তের সময় অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা এই বিষয়ে জ্ঞাত যে কোনো ব্যক্তির বক্তব্য রেকর্ড করতে পারে। অর্থাৎ সাক্ষী, অভিযুক্ত বা অভিযোগকারী সকলকেই জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ আছে এই ধারার অধীনে।
৭,৬৪৭.
আদেশ ৪১ বিধি-২৭(২) অনুযায়ী কোনটি বাধ্যতামূলক?
  1. সাক্ষীকে জেরা করা
  2. মামলার পুনঃতদন্ত করা
  3. উপস্থাপিত দলিলের তালিকা করা
  4. অতিরিক্ত প্রমাণ গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করা
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা
খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করার অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।

৭,৬৪৮.
'ক' ২০,০০,০০০ টাকার মূল্যমানের একটি স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা সহকারী জজ আদালতে দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্তটি নিতে পারে?
  1. আরজি প্রত্যাখান
  2. আরজি ফেরত
  3. আরজি সংশোধন
  4. মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
• এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে, আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য আরজি ফেরত পাঠাবে।

• যেহেতু মোকদ্দমাটির মূল্যমান ২০ লক্ষ টাকা, তাই তা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করা উচিত ছিল।কারণ সহকারি জজ আদালতের এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা। [The Civil Courts Act,1887]

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

আরজি ফেরত (Return of Plaint) অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২.আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১ (ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপীলযোগ্য আদেশ।
৭,৬৪৯.
২৮ লাখ টাকা মূল্যমানের বাড়ির মালিকানা নিয়ে যে বিরোধে আছে, তা নিষ্পত্তির জন্য কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. Court of Assistant Judge
  2. Court of Senior Assistant Judge
  3. Court of Joint District Judge
  4. Court of District Judge
ব্যাখ্যা
⇒ কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করবেন সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
i) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
ii) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
⇒ The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
- সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
- সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
- যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ ২৮ লাখ টাকা মূল্যমানের বাড়ির মালিকানা নিয়ে বিরোধ উক্ত মোকদ্দমা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দায়ের করবে।
 
আপিল সংক্রান্ত বিধান:
- যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge) এর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল—যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম হয়, তবে আপিল জেলা জজের আদালতে যাবে।
- যদি ৫ কোটির বেশি হয়, তবে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যাবে।
৭,৬৫০.
সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর করাদণ্ড
  2. ২ বছর করাদণ্ড
  3. ৩ বছর করাদণ্ড
  4. ৫ বছর করাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান: ভুয়া সরকারী কর্মচারী বলিয়া পরিচয় দেওয়া:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম করাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code,1860: Section-170: Personating a public servant:
- Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৭,৬৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতকে মামলা শুনানীর যেকোন পর্যায়ে সাক্ষীকে তলব করার ক্ষমতা দেওয়া আছে?
  1. ৫৩৭
  2. ৫৪০
  3. ৫৪৩
  4. ৫৪৫
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪০ মতে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্য ধারার কোন পর্যায়ে কোন আদালত যেকোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী হিসাবে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবান বন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায় বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
৭,৬৫২.
নিচের কোনটি দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ এর অধীনে ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে
  2. ডিক্রিদারকে আদালতের বাইরে টাকা দিয়ে
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়
  4. দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর আদেশ-২১, বিধি-১: ডিক্রির টাকা পরিশোধ- ২১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে ডিক্রির টাকা ৩ ভাবে পরিশোধ করা যায়। যথা-
ⅰ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
ii) ডিক্রিদারকে আদালতের বাহিরে টাকা দিয়ে; এবং
iii) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়ে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যায়।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ এর অধীনে 'দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে' ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়।

⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলী আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।

⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
ⅳ) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোন উপায়ে।
৭,৬৫৩.
আদালত কর্তৃক রিভিউ আবেদন না-মঞ্জুরের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. আপত্তি দায়ের করা যায়
  4. কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান এবং মঞ্জুর বিরুদ্ধে প্রতিকার:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ (১) আদেশ অনুযায়ী বলা যায়, যে পক্ষ রিভিউ আবেদন করে, আদালত যদি রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেয়, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। অর্থাৎ রিভিউ আবেদন মঞ্জুর একটি আপীলযোগ্য আদেশ।

কিন্তু আদেশ-৪৭ বিধি ৭(১) অনুসারে,
রিভিউ আবেদন না মঞ্জুরের বিরুদ্ধে আপিল বা আপত্তি দায়ের করা যায় না । যেহেতু রিভিউ আবেদন নামঞ্জুর করে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত আপিলযোগ্য নয় তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশন করা যাবে। ৪৭ আদেশের ৭ (২) বিধির অধীনে রিভিউ আবেদনকারীর অনুপস্থিতি বা হাজির না হওয়ার কারণে আদালত রিভিউ আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। উক্ত ৪৭ আদেশের ৭ (২) বিধির অধীনে রিভিউটি পুনঃবহালের আবেদন করা যেতে পারে।
৭,৬৫৪.
Section 4(k) of The Code of Criminal Procedure,1898 defines-
  1. Charge
  2. Inquiry
  3. Investigation
  4. Complaint
ব্যাখ্যা
• Section 4(k) of The Code of Criminal Procedure,1898:
"inquiry" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.

ফৌজদারি প্রক্রিয়ায়, "বিচার" ব্যতীত অন্যান্য কাজগুলি ইনকোয়ারি বা তদন্তের অন্তর্ভুক্ত হয়। "বিচার" হল আদালতের মূল কার্যক্রম যেখানে বিচারক সরাসরি জড়িত থাকেন এবং পক্ষদ্বয়ের যুক্তি শুনে ও প্রমাণ বিচার করে রায় দেন।

⇒ Other Options:
Section 4(c)- "charge" includes any head of charge when the charge contains more heads than one.

Section 4(H)- "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer.

Section 4(L)- "investigation" includes all the proceedings under this Code for the Collection of evidence conducted by a police-officer or by any person (other than a Magistrate) who is authorised by Magistrate in this behalf.
৭,৬৫৫.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে –
  1. হাইকোর্ট বিচারক
  2. আপীল বিভাগের বিচারক
  3. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
  4. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের যে কোন একজন
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী তিন জন সদস্য নিয়ে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে। ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ, সেই বার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে।
৭,৬৫৬.
আইনে যদি কোনো দলিল প্রত্যয়ন করার বিধান থাকে, তবে উহা প্রমাণে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসরণ করতে হবে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইন ৬৯ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইন ৭০ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ (Proof of execution of document required by law to be attested):

⇒  যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

⇒  রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
৭,৬৫৭.
'BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363)' মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা সংশ্লিষ্ট?
  1. ৪৪ ধারা
  2. ৫০ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:

পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
৭,৬৫৮.
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্র সম্পর্কে The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৫৩
  2. ৫৪
  3. ৫৫
  4. ৫৬
ব্যাখ্যা
♦ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্র সম্পর্কে The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৬ ধারায় বলা হয়েছে।
৫৬ ধারামতে আদালত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
= নিম্নেবর্ণিত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না-
১. বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য ২. অধীনস্থ আদালত ছাড়া অন্য কোন আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;
৩. কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য।
৪. সরকারের কোন বিভাগের সরকারি কর্তব্যে বা বিদেশী সরকারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য।
৫. কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য ।
৬. যে চুক্তির কার্য সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যায় না এমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্য।
৭. উৎপাত নয় এমন কাজ নিরোধ করার জন্য ।
৮. এমন একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করার জন্য যেটাতে বাদী মৌন সম্মতি প্রাদান করেছে।
৯. ট্রাস্ট ভঙ্গের মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য কোন সাধারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমপরিমাণ যথার্থ প্রতিকার নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারী বা তার প্রতিনিধির আচরণ এমন যে, যা তাকে আদালতের সাহায্য হতে বঞ্চিত করে।
১১. যেখানে আবেদনকারীর মামলার বিষয়বস্তুতে কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।
৭,৬৫৯.
কোন পরিস্থিতিতে স্বীকৃতির ফলে নতুন তামাদির মেয়াদ গণনা করা হবে?
  1. যখন আদালত আদেশ দেয়
  2. যখন সম্পত্তির মালিক চুক্তি ভঙ্গ করে
  3. যখন লিখিতভাবে দায় স্বীকার করা হয়
  4. যখন অন্য কোন ব্যক্তি মামলা দায়ের করে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারার বিধান লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল:
(১) যেহেতু, কোনো সম্পত্তি বা অধিকার সংক্রান্ত মামলা বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বে, যেই পক্ষের বিরুদ্ধে উক্ত সম্পত্তি বা অধিকার দাবি করা হচ্ছে, সেই পক্ষের দ্বারা লিখিতভাবে দায় স্বীকার করা হয়েছে, অথবা যার মাধ্যমে তিনি অধিকার বা দায় প্রাপ্ত হয়েছেন, সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি স্বীকৃতি হলে, তাহলে স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করা হবে।

(২) যদি স্বীকৃতির লিখিত নথিতে তারিখ উল্লেখ না থাকে, তবে এটি স্বাক্ষর করার সময় সম্পর্কিত মৌখিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে; কিন্তু, ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের বিধানের সাপেক্ষে, এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে না।

ব্যাখ্যা I - এই ধারার উদ্দেশ্যে, একটি স্বীকৃতি যথেষ্ট হতে পারে যদিও এটি সম্পত্তি বা অধিকারটির সঠিক প্রকৃতি উল্লেখ না করে, অথবা দাবি করে যে অর্থ প্রদান, বিতরণ, সম্পাদন বা উপভোগের সময় এখনও আসেনি, অথবা এটি অর্থ প্রদান, বিতরণ, সম্পাদন বা উপভোগ করতে অস্বীকৃতি জানায়, অথবা এটি শোধবাদের দাবি সহিত জড়িত থাকে, অথবা এটি ওই ব্যক্তির উদ্দেশ্যে লেখা হয় যে সম্পত্তি বা অধিকার পাওয়ার অধিকারী নয়।

ব্যাখ্যা II - এই ধারার উদ্দেশ্যে, "স্বাক্ষরিত" শব্দের অর্থ হলো ব্যক্তিগতভাবে অথবা এই ক্ষেত্রে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট দ্বারা স্বাক্ষরিত।

ব্যাখ্যা III - এই ধারার উদ্দেশ্যে, ডিক্রী বা আদেশ কার্যকর করার জন্য আবেদন করা একটি অধিকার সম্পর্কিত আবেদন হিসেবে গণ্য হবে।
----------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-19.Effect of acknowledgement in writing: 
 (1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed. 
 
(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received. 
 
Explanation I - For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time 
 
for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right. 
 
Explanation II - For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf. 
 
Explanation III - For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
৭,৬৬০.
কোনটি রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয় ?
  1. জমি
  2. কোম্পানীর শেয়ার
  3. ব্যাংকের টাকা
  4. জমির ফসল
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ নং আদেশের এর ১২ বিধিতে বলা হয়েছে, আদালত কৃষি পণ্য আটকের আদেশ দিতে পারে না যদি উক্ত কৃষি পণ্য কৃষকের দখলে থাকে।
৭,৬৬১.
"যে ক্ষেত্রে আসামির মামলা ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, সে ক্ষেত্রে তাহা প্রমাণের দায়িত্ব ঐ আসামীর উপর ন্যস্ত" ইহা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারার বিধান: আসামীর মোকদ্দমা যে ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমানের দায়িত্বঃ- কোন অপরাধে কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে মোকদ্দমাটি যাতে দণ্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা এর অন্য কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্পিত থাকে এবং এ রূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ উদাহরণ:

⇒ (ক) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ (খ) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সে গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে হারিয়ে ফেলেছিল। 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত। বিশেষভাবে যে ঘটনা কারও অবগতির মধ্যে রয়েছে।
৭,৬৬২.
স্থাবর সম্পত্তি দখল উদ্ধারের মোকদ্দমার তামাদির সময়সীমা কিসের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়?
  1. সম্পত্তি কেনার তারিখ
  2. সম্পত্তি বিক্রির তারিখ
  3. সম্পত্তি থেকে বেদখলের তারিখ
  4. আদালতের রায়ের তারিখ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ ১ম তফসিল: অনুচ্ছেদ-৩:

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা।
[under the specific relief Act, 1877, section 9, to recovery of Possession of Immovable Property]

তামাদি- ৬ মাস।
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময়।
৭,৬৬৩.
'ক' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'খ' দাবী করে যে 'খ' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি খ-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এক্ষেত্রে 'ক' কখন ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ৬ বছরের মধ্যে
  2. ১২ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ২ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Sui't বা 'Suit for Declaration' বলে।

তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। ঘোষণামূলক মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।
৭,৬৬৪.
দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারায় দোষী ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. তিন বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৬ ধারায় বলা হয়েছে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 406. Punishment for criminal breach of trust:- Whoever commits criminal breach of trust shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৭,৬৬৫.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী মামলার কোনো পর্যায়ে নোটিশ দেয়া সত্ত্বেও কোন পক্ষ দলিল দাখিল করতে অস্বীকৃতি জানালে, পরবর্তীতে উক্ত দলিল-
  1. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে দাখিল করা যাবে
  2. অপর পক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে দাখিল করা যাবে
  3. দাখিল করা যাবে না
  4. 'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৪ ধারার বিধান মতে-
কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে, পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না।
অর্থাৎ অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।
--------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court. 
 
Illustration:
A sues B on an agreement and gives B notice to produce it. At the trail A calls for the document and B refuses to produce it. A gives secondary evidence of its contents. B seeks to produce the document itself to contradict the secondary evidence given by A, or in order to show that the agreement is not stamped. He cannot do so.
৭,৬৬৬.
বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট বিচার সমাপ্ত করবেন?
  1. ১২০ দিন
  2. ১৮০ দিন
  3. ২৭০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
ব্যাখ্যা
 ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:
১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।
২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।
২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।

৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।
৭,৬৬৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কত ধারার উদ্দেশ্যে 'ট্রেডমার্ক' সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৩
  3. ধারা ৫৪
  4. ধারা ৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ - ধারা ৫৪: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন প্রদান করা হয়:
এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাবলির অধীন, আবেদনকারীর অনুকূলে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা (স্পষ্ট বা অন্তর্নিহিত) লঙ্ঘন রোধ করার জন্য একটি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এই বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বিধি ও বিধানাবলি দ্বারা পরিচালিত হবে।
যখন বিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা ভোগদখলে হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, আদালত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে:
(ক) যখন বিবাদী বাদীর জন্য সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
(খ) লঙ্ঘনের কারণে সৃষ্ট বা সৃষ্টির সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান (standard) না থাকলে।
(গ) লঙ্ঘন এমন ধরণের যে অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার দেবে না।
(ঘ) সম্ভব যে অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ লঙ্ঘনের জন্য পাওয়া যাবে না।
(ঙ) একাধিক বিচারিক মামলা এড়ানোর জন্য injunction প্রয়োজন।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে, ট্রেডমার্ককে সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে।

৭,৬৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৫ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে-
  1. নিজে গ্রহণ করতে পারে না
  2. দায়রা আদালতকে গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারে
  3. পুলিশকে গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা

হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।

হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।

Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken

(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 

(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.

(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
৭,৬৬৯.
The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী চুক্তি প্রবলের মামলায় Period of Limitation হলো-
  1. ১ বৎসর
  2. ২ বৎসর
  3. ৩ বৎসর
  4. ৪ বৎসর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী,

চুক্তি প্রবলের মামলা করার তামাদির মেয়াদ হচ্ছে এক বছর, অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ১২ ধারার অধীন চুক্তি প্রবলের মামলা করতে হবে এক বছরের মধ্যে।
৭,৬৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারামতে পুলিশকে আমলঅযোগ্য অপরাধ তদন্তের নির্দেশ কে দিতে পারে?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট 
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে- যেকোন ব্যক্তি ২ টি উপায়ে ফৌজদারী মামলা দায়ের করতে পারে । তিনি কোন অপরাধ সংঘটন বিষয়ে থানায় পুলিশের নিকট সংবাদ প্রদান করতে পারে বা তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট গিয়ে নালিশ দায়ের করতে পারে। থানায় পুলিশের নিকট আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে পুলিশ ১৫৪ ধারার পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করা হলে ১৫৫ ধারা অনুসরণ করে।

• ১৫৫(১) ধারায় বলা হয়েছে- আমলঅযোগ্য অপরাধ সংঘটনের সংবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রদান করা হলে-

i. থানায় রক্ষিত বহিতে তিনি উক্ত তথ্যের সারমর্ম লিপিবদ্ধ করবে; এবং

ii. সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে

আবার  ১৫৫(২) ধারায় বলা হয়েছে, এমন মামলা বিচার করার এখতিয়ার আছে বা বিচারের জন্য প্রেরণের এখতিয়ার আছে এমন প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত কোনো পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত করবে না।
৭,৬৭১.
ধারা ৩৪৮ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ৩ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য দণ্ডিত হন এবং আবার একই অপরাধে অভিযুক্ত হন, তবে সেই ব্যক্তিকে কোথায় পাঠানো হবে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. কোর্ট অব সেশন
  4. জেলা আদালতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৮: মুদ্রা, স্ট্যাম্প আইন বা সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধে পূর্বে দণ্ডিত ব্যক্তির বিচার:

(১) যে ব্যক্তি পেনাল কোডের অধ্যায় ১২ বা ১৭-এর অধীনে কোনো অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন, এবং যাকে ৩ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যদি তাকে আবার একই ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত করা হয় যা ৩ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডের দণ্ডনীয়, তবে যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্তকে কোর্ট অব সেশন পাঠানোর যথেষ্ট কারণ রয়েছে, তবে তাকে কোর্ট অব সেশন পাঠানো হবে। তবে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, তিনি নিজেই এই মামলার যথাযথ বিচার করতে সক্ষম এবং আসামিকে যদি দোষী সাব্যস্ত করেন তবে তিনি যথাযথ শাস্তি দিতে পারেন, তবে তিনি ওই ব্যক্তিকে পাঠাবেন না।

 যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে ধারা ৩০ অনুসারে ক্ষমতা প্রদান করা হয়, তবে সেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এই মামলা স্থানান্তরিত করা যেতে পারে, কোর্ট অব সেশন পাঠানোর পরিবর্তে।

(২) যখন কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) অনুযায়ী কোর্ট অব সেশন পাঠানো হয়, তখন একই মামলায় একই সঙ্গে অভিযুক্ত অন্য ব্যক্তি(গণ)কেও একইভাবে কোর্ট অব সেশন পাঠানো হবে, যতক্ষণ না ম্যাজিস্ট্রেট তাদের বিরুদ্ধে মামলার নিষ্পত্তি করেন।
৭,৬৭২.
সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার জন্য বিষয়বস্তুর মূল্য কত হতে হবে?
  1. সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা
  2. ১০ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব
  3. ২০ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব
  4. সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ১১০- বিষয়বস্তুর মূল্য:
১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে; অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে; এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।

Sec.-110: Value of subject-matter:
In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount of value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the Appellate Division must be the same sum or upwards,or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value, and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substancial question of law.
৭,৬৭৩.
৯ বছরের নিচে একটি শিশু যদি কোনো কাজ করে, তা দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ বলে গণ্য হবে না?
  1. ধারা ৮১
  2. ধারা ৮২
  3. ধারা ৮৩
  4. ধারা ৮৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৮২-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: "৯ বছরের কম বয়সী শিশু দ্বারা সংঘটিত কোনো কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না।"
- অর্থাৎ, এমন কোনো শিশু যদি কোনো কার্য করে যা সাধারণভাবে অপরাধ হতো, তবুও তার বয়স যদি ৯ বছরের কম হয়, তবে সেটি আইনের চোখে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

⇒ The Penal Code Section 82. Act of a child under nine years of age
- Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.
৭,৬৭৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিধান মতে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যেতে পারে-
  1. ক্রোকাদেশ দ্বারা
  2. নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা
  3. ঘোষণামূলক আদেশ দ্বারা
  4. নিলাম বিক্রির আদেশ দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
- The Specific Relief Act,1877-Section 52. Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

- কোন ব্যক্তি যে বেআইনি কাজ (Wrongful Act) করতে অধিকারী নয়, সেই কাজ করা, চালিয়ে যাওয়া, পুনরায় করা থেকে বিরত (Prevent) রাখতে, আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে যে আদেশ দেয় তাই নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Prevent relief).
- প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।
 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এক প্রকারের প্রতিরোধমূলক বা নিরোধমূলক প্রতিকার।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) হলো সর্বোত্তম পন্থা।
৭,৬৭৫.
সাক্ষ্য আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন ধরনের মোকদ্দমায় পক্ষগণের চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক ও অগ্রহণযোগ্য?
  1. দেওয়ানি মোকদ্দমায়
  2. ফৌজদারি মোকদ্দমায়
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- সাক্ষ্য আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানি মোকদ্দমায় পক্ষগণের চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক ও অগ্রহনযোগ্য কেননা দেওয়ানি মোকদ্দমায় অধিকার নির্ধারন হয় ডকুমেন্টের উপর ভিত্তি করে।
- তবে ৫৫ ধারা মতে ক্ষতিপূরনের মামলা হলে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।
৭,৬৭৬.
নিম্নের কোনটি বেআইনি সমাবেশের উদ্দেশ্য?
  1. সরকারী কর্মচারীর ওপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন
  2. কোন আইনের কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা
  3. অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা- বেআইনী সমাবেশ:
পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম: বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা

দ্বিতীয়: কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়: কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ: কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম: অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা: যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
৭,৬৭৭.
ধারা ৫০২ অনুযায়ী মুচলেকা বাতিলের পর জামিনদারকে কী দেওয়া হয়?
  1. অর্থদণ্ড
  2. জেলশাস্তি
  3. ক্ষতিপূরণ
  4. অব্যাহতি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।

৭,৬৭৮.
স্বত্ব সহ দখল পুনরুদ্ধার/ সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় আছে?
  1. ৭ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ১০ ধারা
  4. ৮ ধারা
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় স্বত্ব প্রমাণ করতে হয়।
- বেদখলের ১২ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
- এ ক্ষেত্র আপীল, রিভিউ, রিভিশন করা যাবে এবং ৮ ধারার সাথে ৪২ ধারার প্রতিকার চাইতে হবে।
৭,৬৭৯.
কত দিনের মধ্যে ফৌজদারি মামলার জরিমানা (fine) আদায় করতে হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
• ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময় ।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না ।
৭,৬৮০.
A, B এর সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে B এর তলপেটে একটা লাথি দেয়। ফলে B এর তাৎক্ষণিক মৃত্যু ঘটে। A কোন অপরাধটি করেছে?
  1. খুন করেছে
  2. নরহত্যার চেষ্টা করেছে
  3. কোন অপরাধ করেনি
  4. অপরাধজনক নরহত্যা করেছে
ব্যাখ্যা
♦এখানে A অপরাধজনক নরহত্যা করেছে। কেননা এখানে খুন করার উদ্দেশ্যে লাথি দেওয়া হয়নি, বরং আকস্মিক উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে দেওয়া হয়। সুতরাং এটি খুনের অপরাধ না হয়ে অপরাধজনক নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে।
৭,৬৮১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অনিচ্ছাকৃত নেশাগ্রস্ততার কারণে বিচারশক্তি রহিত ব্যক্তির কাজ অপরাধ নয় বলে উল্লেখ আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৮১ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৮৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৮৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৮৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ৮৫ ধারার বিধান অনিচ্ছাকৃত নেশাগ্রস্ত হওয়ার ফলে বিচার বিবেচনা অক্ষম ব্যক্তির সম্পাদিত কার্য:- এমন কোন ব্যক্তির কোন কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় নেশার ফলে কার্যটির প্রকৃতি অনুধাবনে অক্ষম বা অপারগ ছিল অথবা কাজটি যে অন্যায় অযথা আইনবিরুদ্ধ তা বুঝতে অসমর্থ ছিল;

⇒ তবে শর্ত এই যে, যে বস্তুটি তাকে নেশাগ্রস্ত বা মত্ত করেছিল, সে বস্তুটি তার অগোচরে অথবা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে দেওয়া হয়েছিল বা তার উপর প্রয়োগ করা হয়েছিল।
---------------
♦ Section 85. Act of a person incapable of judgment by reason of intoxication caused against his will:- Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, is, by reason of intoxication, incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong, or contrary to law:
⇒ Provided that the thing which intoxicated him was administered to him without his knowledge or against his will.
৭,৬৮২.
বর্তমানে তামাদি আইনে কয়টি ধারা বলবৎ আছে?
  1. ২৯
  2. ৩১
  3. ৩২
  4. ২৭
ব্যাখ্যা
⇒ বর্তমানে প্রচলিত তামাদি আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়), যা তামাদি আইন ১৯০৮ নামে পরিচিত। এটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন।
-বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফশিল বলবৎ আছে। তামাদি আইনের ৩০ থেকে ৩২ (মোট ৩টি) ধারা বাতিল (repeal ) করা হয়েছে।
- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
i. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
ii. আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
iii. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
৭,৬৮৩.
"No Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time"- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১৬৭(৫) ধারায়
  2. ৩৪৪(১) ধারায়
  3. ৩৪০(২) ধারায়
  4. ৩৪১(১) ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

Section 344: Power to postpone or adjourn proceedings
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
৭,৬৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না সাক্ষ্য আইনের-
  1. ২৪ ধারার ক্ষেত্রে
  2. ২৭ ধারায় ক্ষেত্রে
  3. ৩২(১) ধারার ক্ষেত্রে
  4. খ এবং গ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ তে দেয়া আছে-
তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা যদি লিপিবদ্ধকৃত হয় তাহলে বিবৃতিদাতা তাতে স্বাক্ষর করবেন না এবং এরূপ কোন বিবৃতি যে অপরাধের তদন্তের সময় দেয়া হয়েছিল, সেই অপরাধের কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না।

• কিন্তু এই নিয়মটি - সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারায় মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা ২৭ ধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা হলে বা পুলিশের নিকট প্রদত্ত বক্তব্য অনুযায়ী কোন বিষয় উদঘাটন করলে সেই বক্তব্য তদন্ত বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে।
৭,৬৮৫.
"দায়িক" বলতে কাকে বোঝানো হয়?
  1. যে ব্যক্তি ডিক্রি প্রদান করেছে
  2. যার বিপক্ষে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে
  3. যে ব্যক্তি ডিক্রি প্রাপ্তি সম্পর্কে আবেদন করেছে
  4. যার অনুকূলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
ধারা ২(১০) এ “দায়িক” (Judgment-debtor) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

দায়িক বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার বিপক্ষে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে বা জারিযোগ্য আদেশ প্রদান করা হয়েছে।
(Judgment-debtor means any person against whom a decree has been passed or an order capable of execution has been made)
৭,৬৮৬.
বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ আদালত কীভাবে আমলে নিবে?
  1. স্ব-প্রনোদিত হয়ে
  2. যেকোনো ব্যক্তির অভিযোগে
  3. দায়রা আদালতের আদেশক্রমে
  4. সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।
 
• ১৯৬ ধারা-
রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে।
 
• ১৯৭ ধারা-
বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবেনা।
 
• ১৯৮ ধারা-
দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।
৭,৬৮৭.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোনটি দস্যুতা বলে গণ্য হবে না?
  1. চুরির উগ্রতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

অর্থাৎ দণ্ডবিধি অনুসারে চুরির উগ্রতা, বলপূর্বক গ্রহণের উগ্রতা ও তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে গণ্য হবে। কিন্তু অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ দস্যুতা বলে গণ্য হবে না।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-390- Robbery:  In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.

⇒ Explanation.-The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
৭,৬৮৮.
The Civil Courts Act,1887 এর ২১ ধারায় কয় ধরনের আদালতকে আপিলে গ্রহণের এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. নির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 এর ২১ ধারায় আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার বিধান রয়েছে। ২১ ধারামতে শুধুমাত্র ২টি আদালত আপিলের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-

i) জেলা জজ আদালত এবং
ii) হাইকোর্ট বিভাগ।

• এই আইন সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালের ১১ই জানুয়ারি এবং উক্ত দিন হতে সংশোধনী আইনটি কার্যকর হয়। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়।
২০২১ সালের দেওয়ানি আদালত সংশোধন আইন অনুযায়ী, জেলা জজ আদালত ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারেন। অর্থাৎ জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকা পর্যন্ত। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৭,৬৮৯.
তামাদি আইনের কোন ধারা অনুযায়ী জাবেদা নকল ব্যয়িত সময় তামাদির মেয়াদ গণনা হতে বাদ যাবে?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৩ ধারা
  3. ১৫ ধারা
  4. ১৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা মোতাবেক আইনানুগ কার্যধারায় যে সময় গণনা থেকে বাদ দিতে হয়-
- মামলা করার কারণ যেদিন উদ্ভব হবে সেই দিন, রায় ও ডিক্রি যেদিন প্রদান করা হয় সে দিনটি, রায় ও ডিক্রির জাবেদা নকল সংগ্রহ করার জন্য যতদিন লাগে ততদিন।
- সুতরাং বলা যায় যে, তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী জাবেদা নকল সংগ্রহের সময়টুকু তামাদির মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারার বিধান আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায়। পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।

(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।
-----------------------
⇒ The Limitation Act, 1908: Section-12: Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded.
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded.
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded.
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৭,৬৯০.
যথাযথ কারণ ছাড়া প্রশ্ন করা হলে, প্রশ্নকারী আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে রিপোর্ট দিতে পারেন?
  1. ১৪৮ ধারা
  2. ১৪৯ ধারা
  3. ১৫০ ধারা
  4. ১৫৮ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫০ - যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে আদালতের পদ্ধতি:
যদি আদালত মনে করে যে, কোন প্রশ্ন যথাযথ কারণ ছাড়া করা হয়েছে, তবে সে প্রশ্ন যদি কোনো অ্যাডভোকেট দ্বারা করা হয়, তাহলে আদালত ঐ প্রশ্নের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তা উক্ত অ্যাডভোকেটের পেশাগত দায়িত্বের অধীন হাইকোর্ট বিভাগ বা অন্য যে কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করতে পারে।
৭,৬৯১.
'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। এক্ষেত্রে 'খ' -
  1. কোনো প্রতিকার পাবে না
  2. 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে না
  3. 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:

সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। 'খ', 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে।
৭,৬৯২.
করিমকে পুলিশ কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধ স্বীকার করায়। আদালতে প্রসিকিউশন এই স্বীকারোক্তি প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে। আইন অনুযায়ী আদালত কী করবে?
  1. বিনা শর্তে স্বীকারোক্তি গ্রহণ করবে
  2. স্বীকারোক্তি প্রত্যাখ্যান করবে
  3. যদি দুইজন সাক্ষী উপস্থিতিতে করে তাহলে গ্রহণ করবে
  4. লিখিতভাবে উপস্থাপন করলে গ্রহণ করবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (খ) স্বীকারোক্তি প্রত্যাখ্যান করবে।

কারণ:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫ স্পষ্টভাবে বলছে—
"No confession made to a police officer shall be proved as against a person accused of any offence."
অর্থাৎ পুলিশের নিকট কোনো স্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে এর ব্যতিক্রম আছে ধারা ২৬ ও ২৭-এ, যেখানের
ধারা ২৬- হেফাজতে দেওয়া স্বীকারোক্তি আদালতের সামনে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট রেকর্ড করা হলে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। আর ধারা ২৭ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তির মাধ্যমে পাওয়া তথ্য (discovery of fact) সীমিতভাবে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য।

৭,৬৯৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭৩ক ধারার অধীনে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেন কে?
  1. আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. স্থানীয় থানার অফিসার ইন চার্জ
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।

(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।

(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

৭,৬৯৪.
"ডিক্রি দানকারী আদালত" সম্পর্কিত সংজ্ঞা কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৫ ধারা
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৯ ধারা
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪১ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:
“যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-
ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।

Section 37- Definition of Court which passed a decree:
The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,-
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.
৭,৬৯৫.
দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম-৩ অনুযায়ী, অপরাধী খুন করলে তা খুন গণ্য হবে না যদি—
  1. আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে
  2. মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনা থাকে
  3. সরকারী কর্মচারীর হিসেবে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে
  4.  যে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সেই ব্যক্তি স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান- খুন:
⇒ ব্যতিক্রম ১:
যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না-
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে
এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

৭,৬৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুসারে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা কে প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুসারে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই প্রত্যাহার করতে পারে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 41: Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
৭,৬৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালত কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি আদালত:
ক) দায়রা আদালত: প্রত্যেক বিভাগে নিম্নবর্ণিত দায়রা আদালত থাকবে (৩ প্রকার)-
১) দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম দায়রা জজ আদালত।

⇒ মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য: 
১) মহানগর দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত।

অন্যদিকে,

খ) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
১) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
২) অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৩) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৪) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৫) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

⇒ মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য:
১) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
২) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
৩) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।
৭,৬৯৮.
The Civil Courts Act, 1887 এর অধীনে কোন শ্রেণির আদালত অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জেলা জজের আদালত
  2. ফৌজদারি আদালত
  3. অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজের আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে।
- অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
⇒  The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]

⇒  The Civil Courts Act, 1887 শুধুমাত্র দেওয়ানি আদালত (Civil Courts) এর গঠন, এখতিয়ার ও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। এই আইনের অধীনে নিম্নলিখিত শ্রেণির আদালত অন্তর্ভুক্ত:
ক) জেলা জজের আদালত
গ) অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত
ঘ) সিনিয়র সহকারী জজের আদালত
অন্যদিকে, ফৌজদারি আদালত (Criminal Courts) ফৌজদারি মামলা পরিচালনার জন্য গঠিত এবং এগুলি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC) ও অন্যান্য ফৌজদারি আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
অতএব, খ) ফৌজদারি আদালত সঠিক উত্তর, কারণ এটি এই আইনের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৭,৬৯৯.
রিভিশন ক্ষমতাসম্পন্ন আদালত কত দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন?
  1. আদালতের ইচ্ছাধীন সময়ে
  2. পক্ষগণের উপর নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
  3. রিভিশন কার্যক্রম শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে
  4. রিভিশনকৃত সিদ্ধান্তের আদেশের তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪২ক- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়

(১) কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।

(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।

(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision

(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
৭,৭০০.
যুগ্ম দায়রা জজ কোন দণ্ডটি দিতে পারেন না?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ১০ বছরের অধিক কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের অধিক কারাদণ্ড
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা-৩১ মোতাবেক দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন তবে মৃত্যু বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন না।