বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৭৩ / ১২৬ · ৭,২০১৭,৩০০ / ১২,৬০৫

৭,২০১.
তামাদি আইনে ৩০ বছর মেয়াদ কোন ধরনের মামলার জন্য প্রযোজ্য?
  1. ফৌজদারি আপীল
  2. চুক্তিভঙ্গের মামলা
  3. মানহানির ক্ষতিপূরণের মামলা
  4. জমি দখলের মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী, ৩০ বছরের তামাদি মেয়াদ সাধারণত প্রযোজ্য হয় স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত মামলাগুলোর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে:
→ অনুচ্ছেদ ১৪৫ – আমানতী বা বন্ধকী অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলা → ৩০ বছর (সময় গণনা: আমানত রাখা বা বন্ধক দেওয়ার তারিখ থেকে)
→ অনুচ্ছেদ ১৪৬ – বন্ধক গ্রহীতা কর্তৃক জমির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা (High Court jurisdiction) → ৩০ বছর (সময় গণনা: বন্ধকী দেনার সর্বশেষ অংশ পরিশোধের তারিখ থেকে)
→ অনুচ্ছেদ ১৪৬ক – স্থানীয় কর্তৃপক্ষের রাস্তা বেদখল হলে পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা → ৩০ বছর (সময় গণনা: বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে)

ভুল অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) ফৌজদারি আপীল: তামাদি আইন মূলত দেওয়ানি বিষয়ের জন্য প্রযোজ্য, ফৌজদারি বিষয়ে নয়।
খ) চুক্তিভঙ্গের মামলা: সাধারণত এর তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
গ) মানহানির ক্ষতিপূরণের মামলা: সাধারণত এর তামাদি মেয়াদ ১ বছর।

অর্থাৎ তামাদি আইনে ৩০ বছরের মেয়াদ মূলত জমি বা স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত দেওয়ানি মামলার জন্য প্রযোজ্য।
- সঠিক উত্তর: ঘ) জমি দখলের মামলা।
৭,২০২.
দণ্ডবিধির ১১৫ ধারায়, সহায়তাকারী যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তা করে এবং অপরাধটি সংঘটিত না হয়, তবে তাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ,
- যদি অপরাধ ঘটানো না হয়:
কোনো ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ঘটাতে সহায়তা করে, কিন্তু সেই অপরাধটি ঘটে না, তবে সেই ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে। এছাড়াও, তাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

-যদি অপরাধ ঘটে এবং আঘাত হয়:
যদি অপরাধটি সংঘটিত হয় এবং সেই অপরাধের ফলে কোনো ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে সহায়তাকারীকে ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে। তাছাড়া, তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।
----------------
Section 115: Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
 Whoever abets the commission of an offence punishable with death or imprisonment for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; 
 
and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
৭,২০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোন স্থাবর সম্পত্তি দুই পক্ষের কারো দখলে নাই, সেক্ষেত্রে আদালত কী করবে?
  1. সমভাবে বন্টন করে দিবে
  2. যে কোন পক্ষকে দখল বুঝিয়ে দিবে
  3. বাদী পক্ষকে দখল বুঝিয়ে দিবে
  4. উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন। 
অর্থাৎ কারো দখলে না থাকলে আদালত  সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

-ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবে:
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
৭,২০৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান:
-যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
-সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
-আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
------------------
SR Act Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৭,২০৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারায় রয়েছে-
  1. বিধিবদ্ধ প্রতিকার
  2. বাধ্যতামূলক প্রতিকার
  3. নেতিবাচক প্রতিকার
  4. নিরোধমূলক প্রতিকার
ব্যাখ্যা
⇒The Specific Relief Act, 1877 এর ৫২ ধারায় বিধান করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা, স্থায়ী বা অস্থায়ী যারা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে নিরোধমূলক প্রতিকার মাঞ্জুর করা হয়।
--------------------------
The Specific Relief Act, 1877 Section 52: Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
৭,২০৬.
যদি কোনো ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করে এবং তার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু সেই আসামি খালাস পেয়ে যায়, তবে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

→ যদি মিথ্যা সাক্ষ্যের কারণে আসামি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত না হয় বা খালাস পায়, তাহলে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন শাস্তি ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
তাই সঠিক উত্তর "ঘ) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড"।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদণ্ড না হলে বা আসামি খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :-
- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।
- যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতঃপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
______________________
⇒The Penal Code, 1860-Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
- Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine;
and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.

৭,২০৭.
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় কয়টি পথে অনধিকার গৃহপ্রবেশকে [House Trespass] অপথে গৃহ প্রবেশ বা সিঁদ কেটে গৃহেপ্রবেশ [House Breaking] বলে উল্লেখ করা হয়েছ?
  1. ৬ টি
  2. ৪ টি
  3. ৩ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);

iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);

v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
৭,২০৮.
Who are considered ex-officio Justices of the Peace for the entire country of Bangladesh?
  1. District Magistrates
  2. Sessions Judges
  3. Judges of the Supreme Court
  4. Chief Judicial Magistrates
ব্যাখ্যা
Section 25- Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court  are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.

ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস-
সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 
৭,২০৯.
কোন ব্যক্তি খুন করার বা খুন সহকারে দস্যুতা অনুষ্ঠান বা শিশু অপহরণের উদ্দেশ্যে অভ্যাসগতভাবে এক বা একাধিকব্যক্তির সাথে মেলামেশা করলে; উক্ত ব্যক্তি নিম্ন লিখিত কোন ধরনের অপরাধে অপরাধী হবে-
  1. খুনের উদ্যোগ
  2. শিশু পাচার
  3. ঠগ
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারার বিধান ঠগ:- কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরে কোন সময় খুনের মাধ্যমে বা খুন সহ দস্যুতা সাধন বা শিশু অপহরণের জন্য অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির সাথে অভ্যাসগতভাবে সংশ্লিষ্ট হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি একজন ঠগ।
-------------
⇒ Section 310. Thug:- Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
৭,২১০.
গুরুতর অসুস্থতার কারণে দায়িককে দেওয়ানী কারাগার থেকে মুক্তির বিধান আছে কোন ধারায়?
  1. ৫৯
  2. ৫৭
  3. ৫৬
  4. ৫৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী, দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে। 

দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান- অসুস্থতার দরুন মুক্তি (Release on ground of illness):
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।

৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
৭,২১১.
The penal code 1860 অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা অধিকার প্রয়োগ করা যায় কতটি ক্ষেত্রে?
  1. দুটি ক্ষেত্রে
  2. তিনটি ক্ষেত্রে
  3. ৪টি ক্ষেত্রে
  4. ছয়টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার শরীর ও সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়।
• ৯৭ দ্বারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়।
(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে।
(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।
৭,২১২.
একটি অপরাধ জামিনযোগ্য কি-না তা জানা যাবে-
  1. সিডিউল ১, কলাম ৫ থেকে
  2. সিডিউল ২ কলাম ৫ থেকে
  3. সিডিউল ৩ কলাম ৭ থেকে
  4. সিডিউল ২ কলাম ৮ থেকে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির সিডিউল-২ এর ৫ নং কলামে অপরাধের জামিনযোগ্যতার বিষয়ে উল্লেখ আছে।
৭,২১৩.
The Civil Courts Act, 1887 এর কত ধারায় 'স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন ক্ষমতা' দেয়া হয়েছে?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৯ ধারায়
  3. ১২ ধারায়
  4. ১৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

ধারা ৯- আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা:
হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজের তার স্থানীয় সীমানায় অবস্থিত সকল দেওয়ানি আদালতের উপর তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
৭,২১৪.
জেলা জজ কর্তৃক রিভিশন মামলায় প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ হাইকোর্ট বিভাগে-
  1. সরাসরি রিভিশন দায়ের করতে পারে
  2. অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে
  3. আপীল করতে পারে
  4. অনুমতি সাপেক্ষে আপীল করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় দ্বিতীয় রিভিশন এর বিধান রয়েছে।

এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ-

জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।

গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭৩] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
৭,২১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক অনুসারে, সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ কীভাবে দেওয়া যায়?
  1. শপথপত্রের মাধ্যমে
  2. পুলিশ রিপোর্টের মাধ্যমে
  3. মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে
  4. কোনো প্রমাণ দেওয়া যায় না
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫৩৯ক(১) অনুসারে, যখন কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যক্রমের সময় কোনো আদালতে কোনো আবেদন করা হয় এবং তাতে কোনো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে, তখন আবেদনকারী সেই অভিযোগের তথ্যগুলো শপথপত্রের (affidavit) মাধ্যমে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন। আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে, তবে এই তথ্যগুলো শপথপত্রের মাধ্যমে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে।

- এছাড়াও, এই ধারায় বলা হয়েছে যে, শপথপত্রে যে তথ্য দেওয়া হবে তা দুই ধরনের হতে পারে: (১) আবেদনকারীর নিজস্ব জ্ঞানের ভিত্তিতে প্রমাণিত তথ্য, এবং (২) যে তথ্য তিনি যুক্তিসঙ্গত কারণে সত্য বলে বিশ্বাস করেন, এবং এই ক্ষেত্রে বিশ্বাসের ভিত্তি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
- ধারা ৫৩৯ক(১) অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ ছাড়া অন্য আদালতে শপথপত্র ধারা ৫৩৯-এ উল্লিখিত পদ্ধতিতে বা কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে গ্রহণ করা যায়।
- ধারা ৫৩৯ক(২) অনুসারে, আদালত শপথপত্রে থাকা কোনো অপ্রাসঙ্গিক বা কলঙ্কজনক বিষয় মুছে ফেলতে বা সংশোধন করতে পারে।
- এই ধারার উদ্দেশ্য হলো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া।
- অতএব, ধারা ৫৩৯ক অনুসারে, সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ শপথপত্রের মাধ্যমে দেওয়া যায়।

৭,২১৬.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ যদি আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে পূরণ না করা যায়, তবে আদালত কি করতে পারে?
  1. সুনির্দিষ্ট কাজের আদেশ দিতে পারে
  2. সম্মতিভুক্ত কাজ বাতিল করতে পারে
  3. আনুমানিক আর্থিক ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারে
  4. কোন কিছুই করতে পারে না
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ১২ অনুসারে,
এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে-
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা:
যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমন ভাবে করা যায়।
৭,২১৭.
নিম্নের কোনটি গৌণ সাক্ষ্য নহে?
  1. মূল দলিলের সার্টিফাইড কপি
  2. মুল দলিলের প্রতিলিপি
  3. সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল
  4. দলিল দেখেছেন এমন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত দলিল সম্পর্কিত মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে প্রাথমিক/মুখ্য সাক্ষ্য: প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট দলিলটি আদালতে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা
ব্যাখ্যা-১ কোন দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হলে প্রত্যেক খণ্ডই উক্ত দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য 
কোন দলিল যখন প্রতিলিপি (counterpart) সহকারে সম্পাদিত হয়; এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি তার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ব্যাখ্যা-২ঃ যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়; যথাঃ মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য, কিন্তু যে ক্ষেত্রে সেগুলি সবই একটি মূল দলিলের নকল , সেক্ষেত্রে ঐগুলি দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।

♦ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মাধ্যমিক/গৌণ সাক্ষ্য (Secondary evidence) : মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তার অন্তর্ভুক্ত হলঃ বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল, মূল দলিল হতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত নকল, যাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সাথে মিলিয়ে নেওয়া অন্য নকল; মূল দলিল হতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সাথে মিলিয়ে নেওয়া নকল কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তার বিরুদ্ধে তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে, যে ব্যক্তি নিজে কোন দলিল দেখেছে, তার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।
 
♦ প্রশ্নে কোনটি গৌণ্য সাক্ষ্য নহে অর্থ কোনটি প্রাথমিক সাক্ষ্য তা জানতে চাওয়া হয়েছে। মূল দলিলের সার্টিফাইড কপি বা জাবেদা নকল, দলিল দেখেছেন এমন ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল হলো গৌণ সাক্ষ্য বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারা অনুসারে, সাব রেজিষ্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল বা জাবেদা নকল ৬৩ ধারার (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
অন্যদিকে, ৬২ ধারার ব্যাখ্যা-০১ অনুসারে, যখন কোন দলিল প্রতিলিপিসহ [counterparts] সম্পাদিত হয়, সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটি প্রতিলিপি এর সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে।
সুতরাং, মূল দলিলের প্রতিলিপি বা মূল দলিলের অনুরূপ কপি প্রস্তুত করা হলে, এবং পক্ষগণ মূল দলিলটিসহ প্রস্তুতকৃত প্রতিলিপি স্বাক্ষর করে সম্পাদন করলে, অনুরূপ প্রতিলিপি প্রাথমিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে।
৭,২১৮.
মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profits] এর ক্ষেত্রে কোনটি অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে ?
  1. বিবাদীর অন্যায়ভাবে দখল
  2. বিবাদীর অন্যায়ভাবে বা বেআইনী দখল এবং স্বাভাবিকভাবে লাভ
  3. বিবাদীর অন্যায় ভাবে দখল এবং লাভ
  4. অন্যায়ভাবে দখল এবং দখলদার কর্তৃক উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) মতে বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তিসাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne profits] বলে।
♦ তবে বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profits] বলে গণ্য হবে না।
♦ সুতরাং মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profits] এর ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে  বিবাদীর  বেআইনী দখল এবং স্বাভাবিকভাবে লাভ
৭,২১৯.
আরজি ফেরত [Return of Plaint] এর ক্ষেত্রে বিচারক আরজির উপর কি কি উল্লেখ করবে?
  1. আরজি পেশ এবং ফেরতের তারিখ
  2. ফেরতের কারন
  3. দাখিলকারী পক্ষের নাম
  4. ক,খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

আরজি ফেরত অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতি- বিচারক আরজি ফেরত প্রদানের সময় উহার উপর;
আরজি পেশ করার ও ফেরত নেয়ার তারিখ,
দাখিলকারক পক্ষের নাম এবং
তা ফেরত নিয়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ লিপিবদ্ধ করবে।  [বিধি ১০(২)]

Order 7 Rule 10(2): Procedure on returning plaint-
On returning a plaint the Judge shall endorse thereon the date of its presentation and return, the name of the party presenting it, and a brief statement of the reasons for returning it. 

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২.আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১ (ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপীলযোগ্য আদেশ।
৭,২২০.
অভিযুক্তের বন্ড সম্পাদনে অর্থের পরিমাণ কে নির্ধারণ করবে?
  1. পুলিশ
  2. আদালত
  3. ক বা খ
  4. ফরিয়াদি
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৯- আসামী ও জামিনদারের বন্ড

(১) কোন ব্যক্তিকে জামিনে বা তার নিজের বন্ডে মুক্তি দেয়ার পূর্বে উক্ত ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত যেরূপ পর্যাপ্ত মনে করেন সেরূপ পরিমাণ অর্থের জন্য একটি বন্ড সম্পাদন করবে এবং যেক্ষেত্রে তাকে জামিন মুক্তি দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক পর্যাপ্ত জামিনদার এ শর্তে বন্ড সম্পাদন করবে যে, উক্ত ব্যক্তি বন্ডে বর্ণিত সময়ে ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অনুরূপে হাজির হতে হবে।

(২) মামলার জন্য এরূপ প্রয়োজন হলে জামিনে মুক্ত ব্যক্তির জন্য আরও শর্ত থাকবে যে, অভিযোগের জবাব দানের জন্য আহবান করা হলে হাইকোর্ট ডিভিশন, দায়রা আদালত বা অন্য কোন আদালতে তাকে হাজির হতে হবে।

Section 499- Bond of accused and sureties
(1) Before any person is released on bail or released on his own bond, a bond for such sum of money as the police-officer or Court, as the case may be, thinks sufficient shall be executed by such person, and, when he is released on bail, by one or more sufficient sureties conditioned that such person shall attend at the time and place mentioned in the bond, and shall continue so to attend until otherwise directed by the police-officer or Court, as the case may be.

(2) If the case so require, the bond shall also bind the person released on bail to appear when called upon at the High Court Division, Court of Session or other Court to answer the charge.
৭,২২১.
দণ্ডবিধি অনুসারে কয় উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহে প্রবেশ বলে গণ্য হবে?
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
----------------
Section 445 House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation.-Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
৭,২২২.
আদেশ ৩৫ বিধি-২ এর অধীন মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতের হেফাজতে দেয়ার আদেশ দেয়া যেতে পারে-
  1. বাদীকে
  2. বিবাদীকে
  3. সহ-বিবাদীকে
  4. ৩য় কোনো পক্ষকে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-২: দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা প্রদান:
যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে সেটা অনুরূপভাবে প্রদান করতে বা স্থাপন করতে তলব করা যেতে পারে।

Rule.-2: Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.
৭,২২৩.
যে সকল ঘটনা বা বিষয় একই কার্যের অংশ সেগুলো __________ নামে পরিচিত।
  1. অন্যত্র থাকার দাবী (Plea of Alibil)
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying Declaration)
  3. স্বীকৃতি (Admission)
  4. সংঘটিত ব্যাপার (Res Gestae)
ব্যাখ্যা
♦Res Gestae বা 'একই কার্যের অংশ - Res Gestae (রেস গেস্টাই) অর্থ হলো একই কাজের অংশ বিশেষ বা একই Transaction এ সংগঠিত অনেকগুলো ঘটনা। অর্থাৎ কোন একটি কাজ করতে গিয়ে উক্ত কাজের ধারাবাহিকতায় অন্য যেসব কাজ করা হয় বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তা ঐ একই কাজের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে Res Gestae বলে পরিচিত।
♦সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় Res gestae নীতিটি কি সেটা উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৭, ৮, ৯ এবং ১৪ ধারায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সংঘটিত ব্যাপার বা Res gestae সেই সকল বিষয়কে বোঝায় যেগুলো একই কার্যের (Same Transaction) অংশ গঠন করে।
৭,২২৪.
Peremptory hearing পর্যায়ে আদালত খরচসহ সর্বোচ্চ কয়টি মুলতবি দিতে পারে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ৩টি।

আদেশ ১৭ বিধি ১(৪):
কোডে (Code) যা-ই থাকুক না কেন, মামলার peremptory hearing পর্যায় এবং তার পর থেকে আদালত কোনো পক্ষের আবেদনে মামলার মুলতবি (adjournment) দেবে না।

তবে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে যদি এই উপ-বিধির অধীনে কোনো পক্ষকে মুলতবি দেওয়া হয়, তাহলে আদালত সেই পক্ষকে নির্দেশ দেবে যে,
সে যেন অপর পক্ষকে দুই শত টাকার কম নয় এবং এক হাজার টাকার বেশি নয়—এমন পরিমাণ খরচ (cost) প্রদান করে, আদালত নির্ধারণ করে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে।

এ নির্দেশ অমান্য করলে-
- বাদী (plaintiff) খরচ প্রদান না করলে মামলাটি খারিজ (dismissed) হয়ে যাবে;
- বিবাদী (defendant) খরচ প্রদান না করলে মামলাটি একতরফা (ex parte) হিসেবে নিষ্পত্তিযোগ্য হবে।

উপরোক্ত খরচসহ মুলতবি প্রদান করা হলেও, আদালত কোনো পক্ষকে সর্বোচ্চ তিনটির বেশি মুলতবি দিতে পারবে না।

৭,২২৫.
‘একজন আইনজীবী বৈরী সাক্ষী এবং মামলার পক্ষসমূহের সঙ্গে সৌজন্যমূলক আচরণ করিবেন।’ - এটি কার প্রতি একজন আইনজীবীর আচরণ?
  1. আদালত
  2. মক্কেল
  3. জনসাধারণ
  4. অন্যান্য আইনজীবী
ব্যাখ্যা
একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য: “Canons of Professional Conduct and Etiquette” অংশের চতুর্থ অধ্যায়ের ১-৮ বিধি অনুযায়ী একজন আইনজীবীর জনগণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কী তা উল্লেখ করা হয়েছে-

বিধি ২:
একজন আইনজীবী বৈরী সাক্ষী এবং মামলার পক্ষসমূহের সঙ্গে সৌজন্যমূলক আচরণ করিবেন। তিনি কখনই মামলা পরিচালনাকালে অমঙ্গলজনক কিংবা অন্যায় পক্ষপাতিত্ব উৎসাহিত হয় এমন কোন কাজ করিবেন না। পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে একজন আইনজীবীর বিবেক ও নীতিবোধ কখনই তাঁহার মক্কেল দ্বারা প্রভাবিত হইবে না। প্রতিপক্ষকে গালিগালাজ করা কিংবা অশালীন ভাষায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করার জন্য আইনজীবীকে প্ররোচিত করার কোন অধিকার মক্কেলের নাই। আইনজীবীর অশালীন বচন ক্ষমার অযোগ্য। মক্কেল নিজে উপস্থাপন করিলে হয়তো উক্ত ভাষা ব্যবহার করিতেন, এইরূপ যুক্তিতে কোন আইনজীবী কর্তৃক আশোভনীয় ভাষা ব্যবহার করা ক্ষমার অযোগ্য। 

[An Advocate should always treat adverse witnesses and parties with fairness and due consideration, and he should never minister to the malevolence or prejudices, of a client in the trial or conduct of a cause. The client cannot be made the keeper of the Advocate's conscience in professional matters. He has no right to demand that his Advocate shall abuse the opposite party or indulge in offensive arguments. Improper speech is not excusable on the ground that it is what the client would say if speaking on his own behalf.]
৭,২২৬.
'বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন।'- The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪
  2. অনুচ্ছেদ ৫
  3. অনুচ্ছেদ ৫ক
  4. অনুচ্ছেদ ৬
ব্যাখ্যা

The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুচ্ছেদ ৬- বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর বিষয়ে আলোচনা করা আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-

১- বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন।

২- বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে ভাইস চেয়ারম্যন নির্বাচিত হবেন।

৩- চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর কাজ ও ক্ষমতা এই বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে।

৭,২২৭.
বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধারের মেয়াদ তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ১৪৬ অনুচ্ছেদে
  2. ১৪৭ অনুচ্ছেদে
  3. ১৪৮ অনুচ্ছেদে
  4. ১৪৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪৮:
বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের [redeem] জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সময়সীমা-

যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৬০ বছর।
৭,২২৮.
অভিযুক্ত দাবি করে যে, গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে আত্মসংযম হারিয়েছিল। এটি প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. ভুক্তভোগীর
  2. আদালতের
  3. রাষ্ট্রপক্ষের
  4. অভিযুক্তের
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারার বিধান: আসামীর মোকদ্দমা যে ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমানের দায়িত্ব:
কোন অপরাধে কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে মোকদ্দমাটি যাতে দণ্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা এর অন্য কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্পিত থাকে এবং এ রূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে ধরে নিবেন।

উদাহরণ:
(ক) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' দাবি করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

(খ) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সে গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে হারিয়ে ফেলেছিল। 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত। 

৭,২২৯.
দণ্ডবিধির ধারা ১০৭ অনুযায়ী, প্ররোচনা (abetment) মোট কতটি উপায়ে সংঘটিত হতে পারে?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০৭ অনুযায়ী "Abetment" বা প্ররোচনা/সহায়তা মূলত ৩টি উপায়ে হয়ে থাকে:
১) প্ররোচনা (Instigation),
২) ষড়যন্ত্র (Conspiracy),
৩) ইচ্ছাকৃত সহায়তা (Intentional aid).

⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন জোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়।
-দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
৭,২৩০.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী Estoppel কোন ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র আইনগত প্রশ্ন
  2. শুধুমাত্র ঘটনাভিত্তিক প্রশ্ন
  3. ঘটনাভিত্তিক এবং আইনগত উভয় প্রশ্ন
  4. কোনো প্রশ্নেই প্রযোজ্য নয়
ব্যাখ্যা

⇒ Estoppel (স্বকার্যজনিত প্রতিবন্ধকতা) একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি যা সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৫ অনুযায়ী প্রযোজ্য। এই নীতি অনুসারে, যদি কেউ কোনো বক্তব্য, আচরণ বা নীরবতার মাধ্যমে অন্যকে একটি ঘটনা বিশ্বাস করাতে সক্ষম হয় এবং সেই ব্যক্তি সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে কোনো কার্য করে, তবে প্রথম ব্যক্তি ভবিষ্যতে তার আগের বক্তব্য বা অবস্থান অস্বীকার করতে পারে না।
⇒  Estoppel কেবল ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য; আইনগত অধিকার বা বিধান বিষয়ে এটি প্রযোজ্য নয়।
- Estoppel (স্বকার্যজনিত প্রতিবন্ধকতা) হলো এমন একটি নীতি, যা কাউকে তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতির পরিপন্থী কথা বলার বা দাবি করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যদি সেই পূর্ববর্তী আচরণ বা কথার ভিত্তিতে অন্য ব্যক্তি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।
⇒ তবে এই নীতির প্রযোজ্যতা কিছু নির্দিষ্ট সীমারেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ:
- ঘটনাভিত্তিক প্রশ্নে (Questions of fact): যেমন, কে কী বলেছিল, কে কী কাজ করেছিল, কোনো জমি কার দখলে ছিল ইত্যাদি।
- দেওয়ানি মামলায় (Civil cases): বিশেষত অধিকার ও মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে।

⇒ “আইনগত প্রশ্ন” (Questions of Law) - যেমন কার আইনগত অধিকার আছে, আইন কী বলে ইত্যাদি বিষয়ের ক্ষেত্রে Estoppel প্রযোজ্য নয়। কেউ যদি ভুল করে বলে যে তার কোনো অধিকার নেই, তবুও আইনের চোখে যদি তার অধিকার থাকে, সে তা দাবি করতে পারে।

৭,২৩১.
বিবাদী প্রশ্নমালার উত্তর দানে ব্যর্থ হলে, আদালত কী ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. বিবাদীর জবাব কর্তন করা হবে
  2. বিবাদীকে জরিমানা করা হবে
  3. মোকদ্দমা স্থগিত করা হবে
  4. বিবাদীকে নতুন সময় দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৭,২৩২.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান অপ্রযোজ্য?
  1. ডিক্রি জারি
  2. আপিল
  3. মোকদ্দমা দায়ের
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা-

(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হওয়ার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।

(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা শুধু মোকদ্দমা, কার্যক্রম কিংবা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৭,২৩৩.
আদেশ ৪১-এর বিধি ১৯ক অনুযায়ী, কত দিনের মধ্যে পুনঃশুনানির আবেদন করলে প্রমাণ ছাড়াই আপিল পুনঃশুনানি করা যায়?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১৯ক (Order 41, Rule 19A) অনুযায়ী বলা হয়েছে, যদি আপিল খারিজের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে হলফনামাসহ আবেদন করা হয়, তাহলে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের প্রয়োজন ছাড়াই সরাসরি আপিল পুনঃগ্রহণ করতে পারে।
- এই বিধি অনুযায়ী, যদি কোনো আপিল ডিফল্টের কারণে খারিজ হয়, তবে প্রমাণ প্রদান ছাড়াই পুনঃশুনানির আবেদন করা যাবে,
- শর্ত হলো, আবেদনটি ৩০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে এবং আবেদনটির সঙ্গে শপথপত্র (affidavit) দিতে হবে।
- এছাড়া, আবেদন মঞ্জুর হলে আদালত ব্যয়ভার (cost) নির্ধারণ করে তা অন্য পক্ষকে দিতে নির্দেশ দেয়।
- সঠিক উত্তর: খ) ৩০ দিন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-১৯ক এর বিধান আপিল সরাসরি পুনঃগ্রহণ:
- বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে আপিলকারীকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করেই সরাসরি আপিল পুনঃগ্রহণ করতে পারেন; এজন্য খারিজের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাফিডেভিটসহ আবেদন করতে হবে।
- এই বিধির অধীন সর্বোচ্চ ১ বার আপিল পুনঃগ্রহণের আবেদন করা যাবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-41 Rule-19A. Direct readmission of appeal:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 19 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly re-admit without requiring the appellant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 19:
Provided that the appeal under this rule shall not be readmitted unless an application, supported by affidavit, praying for such re-admission is made to the Court within thirty days of the date on which the appeal is dismissed for default:
Provided further that no appeal shall be re-admitted more than once under this rule.
(2) As soon as an order under sub-rule (1) is made to readmit an appeal, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the appellant upon the respondent who appeared in the appeal.
৭,২৩৪.
জনাব 'ক' একজন অত্যন্ত নীতিবান এবং ধার্মিক মানুষ। 'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আদালতে উঠেছে। সেখানে তার আইনজীবী সাক্ষ্য শুনানীর সময় 'ক' এর সচ্চরিত্রের বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইলে-
  1. আদালত বাধা প্রদান করবে
  2. বিপক্ষ আইনজীবী তাকে বাধা প্রদান করবে
  3. আদালতের অনুমতি ছাড়া বলা যাবে না
  4. সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই আদালতে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

তবে ৫৪ ধারা অনুসারে, অভিযুক্তের পূর্বাচারের প্রমাণ গ্রহণযোগ্য নয়। অর্থাৎ তার আগের অপরাধমূলক কাজকর্ম বা খারাপ চরিত্র প্রমাণ করা যাবে না। অর্থাৎ, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির সচ্চরিত্র বা ভালচরিত্র তার পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে গণ্য। এটি আইনগতভাবে স্বীকৃত এবং সাক্ষ্য আইনে ব্যবস্থা রয়েছে। তাই উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' এর আইনজীবী কর্তৃক 'ক' এর সচ্চরিত্রের বিস্তারিত তুলে ধরার আইনগত অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।
৭,২৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ২ অনুসারে কাকে কমিশন প্রেরণ করা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র বাদীকে
  2. শুধুমাত্র বিবাদীকে
  3. যে কোনো সাক্ষীকে
  4. শুধুমাত্র আইনজীবীকে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ২: কমিশনের জন্য আদেশ:
আদালত স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে বা মোকদ্দমার কোন পক্ষের বা যাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে সে সাক্ষীর শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে কোন আবেদনক্রমে আদালত কোন সাক্ষীকে কমিশন প্রেরণ করার আদেশ প্রদান করতে পারেন।

Order-26 Rule-2- Order for commission:
An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.
৭,২৩৬.
রফিক একজন নিরপরাধ ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, যেন তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এতে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ১৯২ ধারা
  2. ১৯৪ ধারা
  3. ১৯৭ ধারা
  4. ২০১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা:
কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:
যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
৭,২৩৭.
According to Section 45 of the Penal Code, 1860, the term "life" generally refers to the life of which being?
  1. Plants
  2. Animals
  3. Human beings
  4. All living organisms
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860: Section 45: 'Life': The word "life" denotes the life of a human being, unless the contrary appears from the context.

⇒ দণ্ডবিধির ৪৫ ধারার বিধান জীবন:- প্রসঙ্গে ভিন্নতর কিছু না বুঝালে 'জীবন' কথাটি কর্তৃক মানুষের জীবন বুঝাবে।
৭,২৩৮.
তামাদি মেয়াদ শুরু হওয়ার পর যদি ব্যক্তি আইনগত অক্ষম হয়, তবে কী ঘটে?
  1. তামাদি মেয়াদ স্থগিত হয়
  2. তামাদি মেয়াদ অব্যাহত থাকে
  3. মামলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ হয়
  4. আদালত নতুন মেয়াদ নির্ধারণ করে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮–এর ধারা ৯ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি মামলা করার অধিকার লাভের সময় আইনগতভাবে সক্ষম থাকে, এবং তামাদি মেয়াদ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে যায়, তাহলে পরে সে ব্যক্তি আইনগত অক্ষম হলেও — তামাদি মেয়াদ চলতে থাকবে, অর্থাৎ স্থগিত হবে না।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 9: Continuous running of time:
- Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

- অর্থাৎ একবার তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হলে, পরবর্তীতে যদি কোনো আইনগত অক্ষমতা (যেমন: নাবালকত্ব, উন্মাদ অবস্থা ইত্যাদি) তৈরি হয়, তবুও সময় গণনা বন্ধ হবে না।
৭,২৩৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XVII অনুসারে খরচ প্রদান না করার কারণে কোনো মোকদ্দমা নিষ্পত্তিকৃত হলে নির্ধারিত খরচ প্রদানে মোকদ্দমাটি সরাসরি পুনরুজ্জীবিত করা যায় নিষ্পত্তির ______ দিনের মধ্যে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৪৫
  4. ৬০
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৭ বিধি ১ (৭) অনুযায়ী মুলতুবির খরচ প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার কারণে যদি ১৭ আদেশের বিধি ১ এর ৩ এবং ৪ উপ-বিধির অধীন কোন মোকদ্দমা খারিজ কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, যে পক্ষের কারণে খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে সেই পক্ষ খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির তারিখ হতে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে ২০০০ টাকা খরচা জমা দিয়ে মোকদ্দমাটি পুনরায় চালুর জন্য বা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করলে, আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করতে পারে।
৭,২৪০.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী মাধ্যমিক সাক্ষ্য সম্পর্কিত বিধান কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৬২ ধারা
  3. ৬৩ ধারা
  4. ৬৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলি রয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
----------- 
⇒ The Evidence Act, 1872 section 63. Secondary evidence:
-"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."
৭,২৪১.
'Interpleader Suit' এর ক্ষেত্রে আদেশ ৩৫ এর ৪ নম্বর বিধি অনুযায়ী, বাদীকে মামলার পক্ষ থেকে খারিজ করার পর আদালত কি ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. বাদীর অনুকূলে খরচ প্রদান
  2. বিবাদীর বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের
  3. বাদীর সম্পত্তি ক্রোক আদেশ
  4. বাদীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫নং আদেশের ৪ নম্বর বিধিতে বলা হয়েছে যে,
প্রথম শুনানিতে আদালত এই মর্মে আদেশ দিতে পারেন যে-
ক) মামলার বিষয় বস্তু সম্পর্কে বিবাদীদের প্রতি সকল দায় হতে বাদীকে মুক্তি দেয়া হলো। এরূপ ক্ষেত্রে বাদীর অনুকূলে খরচের ডিক্রী দিয়ে বাদীকে মামলার পক্ষ হতে খারিজ করা হবে। অথবা,
খ) আদালত যদি ন্যায় বিচার ও কার্যের সুবিধার্থে প্রয়োজন মনে করেন, তবে মামলাটির চূড়ান্ত নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সকলকেই পক্ষ হিসেবে ধরতে পারেন।

পক্ষগণের স্বীকারোক্তির ফলে আদালতের পক্ষে উপরিউক্ত রূপ সিদ্ধান্ত প্রদান সম্ভব না হলে আদালত নিম্নরূপ আদেশ দিতে পারবেন- 
(ক) পক্ষগণের মধ্যে এক বা একাধিক বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করা হোক এবং এর বিচার করা হোক ; এবং
(খ) মূল বাদীর পরিবর্তে বা তদুপরি অন্য কোন দাবীদারকে বাদী পক্ষে শামিল করা হোক এবং অতঃপর আদালত সাধারণ পদ্ধতিতে মামলাটির বিচার কার্য চালায়ে যাবেন।
৭,২৪২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৫ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. গণ-উৎপাত
  2. রাজনৈতিক অসন্তোষ
  3. পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষা
  4. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
- ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
-১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
৭,২৪৩.
‘E’ রাস্তায় একটি মূল্যবান আংটি পায়, মালিকের খোঁজ না করে তা অবিলম্বে বিক্রি করে দেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ 
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৩ অনুসারে, কোনো চলমান সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা বা নিজের ব্যবহারের জন্য রূপান্তর করা অপরাধমূলক সম্পত্তি অপচয় (অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ) হিসেবে গণ্য। ধারা ৪০৩-এর উদাহরণ (f) অনুসারে, ‘E’ রাস্তায় একটি মূল্যবান আংটি পেয়েছে এবং মালিকের খোঁজ না করে তা অবিলম্বে বিক্রি করে দিয়েছে, যা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ।
সুতরাং, ‘E’-এর কাজ ধারা ৪০৩ অনুসারে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ।

(f) A finds a valuable ring, not knowing to whom it belongs. A sells it immediately without attempting to discover the owner. A is guilty of an offence under section 403 of The Penal Code, 1860.

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.

৭,২৪৪.
নিচের কোন ক্ষেত্রে পেনাল কোড অনুযায়ী, শরীরের আত্মরক্ষামূলক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানো যায়?
  1. অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ
  2. ইভ টিজিং
  3. অপহরণের অভিপ্রায়ে আঘাত
  4. আঘাত
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১০০ ধারামতে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য নিম্নলিখিত ৬টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) এমন আক্রমন যা মৃত্যু ঘটাতে পারে
ii) এমন আক্রমন যা গুরুতর আঘাত তৈরী করতে পারে
iii) ধর্ষণের ক্ষেত্রে
IV) অপ্রকৃত কাম লালসার ক্ষেত্রে
v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টা করলে
vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক করলে
♦অর্থাৎ, অপহরণের অভিপ্রায়ে আঘাত সঠিক উত্তর
৭,২৪৫.
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত কোন ধরনের অনুমান করতে পারে?
  1. জীবিত থাকার অনুমান
  2. মৃত অনুমান
  3. বৈধতার অনুমান
  4. সম্পর্কের অনুমান
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী: যে ব্যক্তি সম্পর্কে সাত বছর যাবৎ কোনো খবর পাওয়া যায় নাই সে জীবিত আছে, তাহা প্রমাণের দায়িত্ব: যখন প্রশ্ন হইতেছে, কোনো ব্যক্তি জীবিত বা মৃত এবং প্রতীয়মান হইয়াছে যে, সেই লোক জীবিত থাকিলে স্বাভাবিকভাবে যাহারা তাহার খবর পইত, তাহারা সাত বছর যাবৎ তাহার কোনো খবর নাই, তখন সেই লোক জীবিত বলিয়া যে দাবি করে, উহা প্রমাণ করিবার দায়িত্ব তাহার উপর ন্যস্ত হয়।
অর্থ্যাৎ আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়।
এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।   
---------
Section 108 → Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years: Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.

৭,২৪৬.
তামাদি আইনের অধীনে কোন অপারগতাকে বৈধ অপারগতা হিসেবে বিবেচনা করা হয় না?
  1. উন্মাদতা
  2. নাবালকতা
  3. দারিদ্র্যতা
  4. জড়বুদ্ধিতা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক বা মানসিক অক্ষমতা বৈধ অপারগতা (legal disability) হিসেবে গণ্য হয়, যার ফলে তামাদির সময় গণনায় অবকাশ (extension) পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ:
১) উন্মাদতা (Insanity) – ধারা ৬ অনুসারে বৈধ অপারগতা।
২) নাবালকতা (Minority) – ধারা ৬ অনুযায়ী বৈধ অপারগতা।
৩) জড়বুদ্ধিতা (Idiocy or mental infirmity) – এটিও ধারা ৬ অনুযায়ী বৈধ অপারগতা।
কিন্তু দারিদ্র্যতা (Poverty) – এটি আইনি দৃষ্টিতে কোন বৈধ অপারগতা নয়।
একজন ব্যক্তি গরিব হলেও, তা তাকে তামাদি সময় গণনার ক্ষেত্রে বাড়তি সময় দেওয়ার বা আইনি সুরক্ষা পাওয়ার ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয় না। আইন বলেছে, আইন অলস বা অসাবধান ব্যক্তিকে সাহায্য করে না, এবং দারিদ্র্যতা এমন কোন অক্ষমতা নয় যা কাউকে মামলা দায়ের করতে বাধা দেয় বলে ধরা হয়।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৬ – যেখানে নাবালকতা, উন্মাদতা, এবং জড়বুদ্ধিতাকে বৈধ অপারগতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

⇒ অর্থাৎ দারিদ্র্যতা কোনো বৈধ অপারগতা নয় কারণ এটি আইনত স্বীকৃত মানসিক বা শারীরিক অক্ষমতার মধ্যে পড়ে না। তাই তামাদির সময় গণনায় এর জন্য বাড়তি সময় পাওয়া যাবে না।
৭,২৪৭.
A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এক্ষেত্রে-
  1. B চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী
  2. অন্যত্র গান গাওয়া হতে A কে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
  3. B চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারা- নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞাঃ
ধারা ৫৬ এর উপধারা-(চ) এর বিধান সত্ত্বেও যেক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করবার সম্মতির সমন্বয়, সেক্ষেত্রে হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কাজ সম্পাদন সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, বাদী তার যতটুকু অবশ্যপালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালনে ব্যর্থ হয় নাই।
 
Section 57- Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

Illustration: A contracts with B to sing for twelve months as B's theatre and not to sing in public elsewhere, B cannot obtain specific performance of the contract to sing, but he is entitled to an injunction restraining A from singing at any other place of public entertainment.

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
৭,২৪৮.
সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব
  2. শারীরিক অবস্থার অস্তিত্ব
  3. শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব
  4. সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারা মতে:যেসব ঘটনা হতে ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা, উগ্রতা অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি সদিচ্ছা/অসদিচ্ছা (intention, knowledge, good faith, negligence, rashness, ill-will, or good-will towards any particular person) প্রভৃতি মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব প্রতীয়মান হয়; অথবা কোন শারীরিক অবস্থা বা শারীরিক অনুভূতির (any state of body or bodily feeling) অস্তিত্ব প্রতীয়মান হয়, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসিক বা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারার বিধান: মনের বা দেহের অবস্থা বা দৈহিক উপলব্ধির অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রদর্শন করেঃ- ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা হঠকারিতা, কোন ব্যক্তিবিশেষের প্রতি বিদ্বেষ অথবা কল্যাণ কামনার মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রকাশ করে অথবা কোন শারীরিক অবস্থা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব প্রকাশ করে, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসকি অথবা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় হয়।

⇒ ব্যাখ্যা-১: কোন প্রাসঙ্গিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করার নিমিত্তে যে বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়, তাকে সংশ্লিষ্ট মানসিক অবস্থাটি সাধারণভাবে নয়, নির্ধারিতকোন বিচার্য বিষয় প্রসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে এরূপ প্রকাশ করতে হবে।

⇒ ব্যাখ্যা-২: তবে যখন কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিচারকালে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পূর্বে- কৃত কোন অপরাধ এ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক, তখন উক্ত ব্যক্তির পূর্বে দণ্ডিত হওয়াও প্রাসঙ্গিক বিষয়।
৭,২৪৯.
The Evidence Act, 1872 অনুযায়ী কোনটি সরকারি দলিল নয়?
  1. বিভাগীয় অনুসন্ধানে ম্যাজিট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি
  2. সার্ভে এন্ড সেটেলমেন্ট রিপোর্ট
  3. জন্ম সনদ
  4. আরজি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং ২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document).

♦ ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিলঃ
(১) যে সমস্ত দলিল (ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের ডিক্রি, আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং এগুলো সবই সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

♦ ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
৭,২৫০.
'Oral evidence must be direct.' সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৫৮ ধারার
  2. ৫৯ ধারার
  3. ৬০ ধারার
  4. ৬১ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী- মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে অর্থাৎ সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে প্রত্যক্ষভাবে দেখতে হবে বা শুনতে হবে বা উপলব্ধি করতে হবে। অন্যের মারফত শোনা ঘটনা এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে- মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অথাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।

-------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা - Oral evidence must be direct.

Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৭,২৫১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order VIII rule ________ এ Legal Set-off এর বিধান আছে?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির Set-off দুই প্রকার যথা:
ক) Legal Set-off [Order VIII, Rule 6],
খ) Equitable Set-off [Order XX, Rule 19(3)]

- যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট, সেক্ষেত্রে Legal Set-off দাবি করা যায়। কিন্তু, যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ অনির্দিষ্ট সেক্ষেত্রে Equitable Set-off মঞ্জুর করা যেতে পারে (আদালতের Discretion-এর উপর)।

- Counter Claim: বাদীর দাবির চেয়ে বিবাদীর দাবি বেশি হলে দাবিটি Counter Claim (পাল্টা দাবি) হবে। এর জন্য আলাদা মোকদ্দমা না করে, তা লিখিত জবাবে উল্লেখ করে চাইতে হয়।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি ৬ মোতাবেক- বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা হলে বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল করেন; এসময় বিবাদী তার পাওনা টাকার জন্য Set-off এর দাবী ও উত্থাপন করতে পারেন। দাবী সমন্বয়ের দাবীসহ বিবাদীর লিখিত জবাব বিবেচিত হয় পাল্টা মামলার আরজির ন্যায়। এ ক্ষেত্রে বিবাদী কোর্ট ফি দিতে বাধ্য।

- আদেশ-৮, বিধি-৬ এর বিধান পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ (Set off)- সহজ ভাষায়, সেট অফ অর্থ হল কোন দাবীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আরেকটি দাবী।
৭,২৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে আদালত রায় দানের পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারেন?
  1. ধারা ২২১
  2. ধারা ২২৫
  3. ধারা ২২৭
  4. ধারা ২৩০
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ২২৭ অনুসারে, যেকোনো আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে। এই পরিবর্তনগুলো অভিযুক্তকে পড়ে শোনাতে এবং বুঝাতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.

৭,২৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারায় কে প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারে? 
  1. পুলিশ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ফরিয়াদী
  4. জেলা জজ
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪৮ – অভিযোগ প্রত্যাহার (Withdrawal of Complaint):
যদি কোনো ফরিয়াদী যে কোনো সময় মামলার চূড়ান্ত রায় দেওয়ার আগে ম্যাজিস্ট্রেটকে সন্তুষ্ট করে যে তার অভিযোগ প্রত্যাহার করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে অভিযোগ প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন, এবং সেই অনুযায়ী অভিযুক্তকে খালাস (Acquit) দিতে হবে।

[If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.]

৭,২৫৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার অধীনে, বাদী বিকল্পভাবে কী প্রার্থনা করতে পারেন?
  1. চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করা
  2. চুক্তি রদ করা ও বিলুপ্ত করা
  3. চুক্তির সম্পূর্ণ শর্ত পরিবর্তন করা
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া চুক্তি বাতিল করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) চুক্তি রদ করা ও বিলুপ্ত করা।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা করে, তবে তিনি বিকল্পভাবে আদালতের কাছে চুক্তি রদের (Rescission) আবেদন করতে পারেন।
এটি মূলত একটি বিকল্প প্রার্থনা (Alternative Prayer), যেখানে বাদী আদালতকে জানাতে পারেন যে—
- যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর না করা যায়, তবে
- চুক্তিটি রদ (Rescind) করা হোক ও তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হোক।
ধারা ৩৭-এর কার্যকারিতা:
যদি আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে আদালত চুক্তিটি রদ ও বিলুপ্ত করার নির্দেশ দিতে পারে।
এই ধারা বিশেষত লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, মৌখিক চুক্তির জন্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------  
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৭,২৫৫.
কোনো দেওয়ানি আদালত অপরিশোধিত কোর্ট ফি অনিবার্য কারণের জন্য পরবর্তীতে পরিশোধ করার অনুমতি দিতে পারেন - এটি দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১৩৩ ধারায়
  2. ১৪৩ ধারায়
  3. ১৪৯ ধারায়
  4. ১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৯ ধারায় একটি দেওয়ানি আদালতকে অপরিশোধিত কোর্ট ফি পরবর্তীতে পরিশোধ করার অনুমতি প্রদানের বিধান রয়েছে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৯ ধারায় বলা হয়েছে:
"যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, অপরিশোধিত কোর্ট ফি যৌক্তিক বা অনিবার্য অসুবিধাজনক কারণগুলির জন্য পরিশোধ করা যায়নি, তাহলে সে (আদালত) এমন শর্তে যা তারা যুক্তিযুক্ত মনে করে, তা পরিশোধ করার অনুমতি দিতে পারবে।"

অর্থাৎ, যদি কোনো দলীল বা আদেশের জন্য প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি সময়মত অপরিশোধ থাকে এবং আদালত মনে করে যে এর জন্য যৌক্তিক বা অনিবার্য কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত তাদের বিবেচনায় নির্ধারিত শর্তে সেই অপরিশোধিত ফি পরবর্তীতে পরিশোধের অনুমতি দিতে পারবে।
তবে এক্ষেত্রে যৌক্তিকতা বা অনিবার্যতার যথাযথ কারণ প্রদর্শন করতে হবে এবং আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে। আদালত তাদের বিবেচনা অনুযায়ী শর্তাদি আরোপ করে এই অনুমতি প্রদান করতে পারেন।
৭,২৫৬.
‘ঘ’ আইনানুসারে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট দান করে, যা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে মিথ্যা লিখে। ‘ঘ’ The Penal Code, 1860-এর কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ১৯১
  2. ১৯৫
  3. ১৯৭
  4. ১৯৮
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি আইনত প্রয়োজনীয় বা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা দান করে, এবং তিনি জানেন বা বিশ্বাস করেন যে সার্টিফিকেটটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা, তবে তিনি এই ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য হবেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

৭,২৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. যা কেবল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারযোগ্য
  2. যা এককভাবে দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য
  3. যা পুলিশ তদন্ত ছাড়া বিচারযোগ্য নয়
  4. যা কেবল হাইকোর্টে বিচারযোগ্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ:
যখন কোনো মামলার সূত্রপাত পুলিশ প্রতিবেদন বা অন্য কোনো উপায়ে হয়, এবং আসামি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হয় বা আনা হয়, তখন যদি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মনে হয় যে উক্ত অপরাধটি এককভাবে দায়রা আদালতে (Court of Session) বিচারযোগ্য, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নোক্ত কাজসমূহ করবেন:
(ক) মামলাটি দায়রা আদালতে পাঠাবেন;
(খ) এই বিধি অনুযায়ী জামিন বা রিমান্ড সংক্রান্ত বিধানসমূহ অনুসারে, আসামিকে বিচার চলাকালীন ও বিচারের সমাপ্তি পর্যন্ত হেফাজতে (custody) রাখার আদেশ দিতে পারবেন;
(গ) মামলার নথিপত্র, এবং প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপনের জন্য যেসব দলিল ও বস্তু রয়েছে, তা দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
(ঘ) মামলাটি দায়রা আদালতে স্থানান্তরের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিকে (Public Prosecutor) অবহিত করবেন।

৭,২৫৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী কেউ যদি নিজেকে অন্য ব্যক্তি বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, তবে তা "personation by cheating" হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৪১৪
  2. ধারা ৪১৫
  3. ধারা ৪১৬
  4. ধারা ৪১৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪১৬ ধারায় বলা হয়েছে: "যদি কেউ নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে, বা জ্ঞাতসারে অন্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে প্রতারণা করে, তবে সেটি ‘Cheating by personation’ বা রূপ ধারণ করে প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে।"
- অতএব, দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা অনুযায়ী এটি "personation by cheating" বা "অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা"।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা:- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা :- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 416. Cheating by personation:
 A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation.- The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.

Illustrations:
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
৭,২৫৯.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৮ অনুযায়ী, বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা করার তামাদির মেয়াদ কত? 
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন অনুসারে বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের (redeem) জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা করার তামাদির মেয়াদ- ৬০ বছর।

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৮ অনুযায়ী,বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের (redeem) জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা করার তামাদির মেয়াদ-৬০ বছর। এ মেয়াদ গণনা শুরু হবে সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের অধিকার উদ্ভব হয়।
-----------------------
⇒ The Limitation Act 1908, Article-148: The period of limitation against a mortgagee to redeem or to recover possession of immoveable property mortgaged is- 60 years. The period begins when the right to redeem or to recover possession accrues. 

৭,২৬০.
কোনো ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ছাড়া অন্য কোথাও থেকে গ্রেফতার করা হলে, তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা মনোনীত বন্ধুকে অবহিত করার সময়সীমা কত?
  1. গ্রেফতারের ৬ ঘণ্টার মধ্যে।
  2. গ্রেফতারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে।
  3. গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে।
  4. গ্রেফতারের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুসারে কোনো ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ছাড়া অন্য কোথাও থেকে গ্রেফতার করা হলে, তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা মনোনীত বন্ধুকে অবহিত করতে হবে গ্রেফতারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;

(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;

(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;

(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

৭,২৬১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৬ অনুযায়ী কোনটি সঠিক?
  1. দলিল ছাড়া আদালত কোনো প্রমাণ গ্রহণ করবে না
  2. আদালতে সকল প্রমাণ উপস্থাপন করা আবশ্যক
  3. সাক্ষীর বক্তব্য ছাড়া আদালত প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে না
  4. কিছু ঘটনা প্রমাণের প্রয়োজন নেই, কারণ আদালত তা নিজেই জানে
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)-
যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী- যে সকল ঘটনা আদালত কর্তৃক লক্ষণীয় তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
--------------
⇒ The Evidence Act, Section 56. Fact judicially noticeable need not be proved: No fact of which the Court will take judicial notice need be proved.
৭,২৬২.
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার ষড়যন্ত্রের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় বলা হয়েছে,
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করলে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 121- Waging or attempting to wage war, or abeting waging of war, against Bangladesh:
Whoever wages war against Bangladesh, or attempts to wage such war, or abets the waging of such war, shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.

সেই সাথে,
১২১(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ১২১ ধারায় দণ্ডিত অপরাধ সংগঠনের ষড়যন্ত্র করলে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 121A- Conspiracy to commit offences punishable by section 121:
Whoever within or without Bangladesh conspires to commit any of the offences punishable by section 121, or to deprive Bangladesh of the sovereignty of her territories or of any part thereof, or conspires to overawe, by means of criminal force or the show of criminal force, the Government, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৭,২৬৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা কোন সালের সংশোধনীর মাধ্যমে সংযোজিত হয়েছিল?
  1. ১৯৯৭ সালের
  2. ২০০১ সালের
  3. ২০০৪ সালের
  4. ২০০৭ সালের
ব্যাখ্যা
Specific Relief (Amendment) Act-2004 দ্বারা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা সংযুক্ত করা হয়। Specific Relief (Amendment) Act-2004, কার্যকর বা বলবৎ হয়েছিল ০১.০৭.২০০৫ তারিখ হতে।

এই ধারা অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের অনিবন্ধিত চুক্তিপত্র সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। সুতরাং ২০০৫ সাল হতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা অনুযায়ী, এই আইনে অথবা অন্য কোন আইনে বিপরীত যা কিছু কার্যকর থাকুক না কেন, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যেতে পারে যদি চুক্তিটি লিখিত হয় এবং The Registration Act, 1908 এর অধীনে নিবন্ধিত হয়।

এই ক্ষেত্রে হস্তান্তরগ্রহীতা বিক্রিত সম্পত্তির আংশিক বা পুরোপুরি দখল নিয়েছে কিনা তা প্রাসঙ্গিক না। এবং চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মোকদ্দমা দায়েরকালীন সময়ে চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে দাখিল করা হলে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যেতে পারে।
৭,২৬৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০৯ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কীসের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করা যায়?
  1. শুধু রায়ের বিরুদ্ধে
  2. শুধু ডিক্রির বিরুদ্ধে
  3. শুধু অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের বিরুদ্ধে
  4. রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

৭,২৬৫.
শুনানীর কমপক্ষে কত দিন পূর্বে অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করবেন?
  1. ৩ দিন
  2. ৫৭ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৪৬ বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে-
অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব দিতে পারবেন এবং উহার ২ কপি শুনানীর সময়ের কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করবেন। সচিব শুনানীর কমপক্ষে দুই দিন পূর্বে তা অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে সরবরাহ করবেন।

The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules, 1972. Rule- 46:
The advocate concerned shall be entitled to file a reply to the allegations against him whether or not he has already filed a reply before the Bar Council.
He shall deliver such reply along with two copies to the Secretary at least seven days before the date of hearing fixed by the Tribunal and the Secretary shall deliver the copies to the Attorney General and the complainant at least two days before such d hearing.
৭,২৬৬.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৬ কার স্বার্থ রক্ষা করে?
  1. ডিক্রি জারিকারীর
  2. বিবাদীর
  3. নিলাম ক্রেতার
  4. ডিক্রিদারের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো- (গ) নিলাম ক্রেতার।

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৬ মূলত সেই ব্যক্তির স্বার্থ রক্ষা করে, যিনি আদালতের ডিক্রির ভিত্তিতে নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে সম্পত্তি ক্রয় করেছেন (auction purchaser)।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ১৬- ডিক্রি জারিকৃত বিক্রয় বাতিলের কার্যক্রম চলাকালে সময় বাদ দেওয়া:
যে ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ডিক্রি জারির ভিত্তিতে নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে ক্রেতা হয়ে দখল পাওয়ার জন্য মামলা দায়ের করে, সেই ক্ষেত্রে তামাদি সময় গণনার সময় বিক্রয় বাতিল করার জন্য যে সময়কাল মামলা বা কার্যক্রম চালানো হয়েছে, তা তামাদি সময় থেকে বাদ দেওয়া হবে।

⇒ যখন বিক্রয়টি বাতিল করার জন্য মামলা বা কার্যক্রম চলে, তখন এই সময়কাল তামাদি সময়ের হিসাব থেকে বাদ দেওয়া হয় - অর্থাৎ, ক্রেতা যেন বিক্রয় বাতিল মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে তার দখল পুনরুদ্ধারের অধিকার হারিয়ে না ফেলে, সেই উদ্দেশ্যেই এই ধারা প্রণীত হয়েছে।

৭,২৬৭.
দায়রা আদালত কখন অপরাধ আমলে নিতে পারে?
  1. পুলিশ প্রতিবেদন দিলে
  2. সরাসরি আমলে নিতে পারে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মামলা প্রেরিত হলে
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারা- দায়রা আদালত কর্তৃক অপরাধসমূহ আমলে নেয়া:
(১) এই কার্যবিধি অথবা সমকালে কার্যকর থাকা অন্য কোন আইন দ্বারা ব্যক্তভাবে ভিন্নরূপ কোন বিধান দেওয়া থাকিলে তা ব্যতিরেকে, কোন দায়রা আদালত আদি অধিক্ষেত্রের আদালতরূপে কোন অপরাধকে আমলে নিবেন না, যদি না, এই কার্যবিধি মতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিষয়টি উহার নিকট প্রেরিত না হয়।

(২) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ কর্তৃক যেসব মামলা বিচারের নির্দেশ দিবেন অথবা কোন দায়রা বিভাগের জজ সাধারণ বা বিশেষ আদেশ কর্তৃক যেসব মামলা বিচারের জন্য হস্তান্তর করবেন, অতিরিক্ত ও যুগ্ম দায়রা জজগণ শুধুমাত্র সেসব মামলার বিচার করবেন।
৭,২৬৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় যে-সব চুক্তি সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয় তা উল্লেখ আছে?
  1. ১২ ধারায়
  2. ২৮ ধারায়
  3. ২১ ধারায়
  4. ২২ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা; 
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।
----------------------------------------
⇒ Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:– 
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৭,২৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারা অনুসারে কোন আদালত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করতে পারে না?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫০৩ অনুসারে, সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন জারির ক্ষমতা নিম্নলিখিত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটদের রয়েছে:
- মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
- চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
- দায়রা আদালত (Court of Session)
- হাইকোর্ট বিভাগ
এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উপরোক্ত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটরা যদি মনে করেন যে সাক্ষীর পরীক্ষা ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজন এবং সাক্ষীর উপস্থিতি অযৌক্তিক বিলম্ব, খরচ বা অসুবিধার কারণ হবে, তবে তারা সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া কমিশন জারি করতে পারেন।
কিন্তু দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট (Second Class Magistrate) এর নাম এই ধারায় কমিশন জারির ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষ হিসেবে উল্লেখ নেই। তবে, ধারা ৫০৬ অনুসারে, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সহ অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেটরা (যারা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ) কমিশন জারির জন্য তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের (চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) কাছে আবেদন করতে পারেন, কিন্তু তারা নিজে সরাসরি কমিশন জারি করতে পারেন না।
অতএব, ধারা ৫০৩ অনুসারে দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরাসরি কমিশন জারি করতে পারেন না।
------- 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিধান: সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ-
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোনো কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহণ করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
- উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-503.When attendance of witness may be dispensed with Issue of commission and procedure thereunder:
(1) Whenever in the course of an inquiry, a trial or any other proceeding under this Code, it appears to a Metropolitan Magistrate, a Chief Judicial Magistrate, a Court of Session or the High Court Division that the examination of a witness is necessary for the ends of justice, and that the attendance of such witness cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such Magistrate or Court may dispense with such attendance and may issue a commission to any District Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate, within the local limits of whose jurisdiction such witness resides, to take the evidence of such witness.
(2B) When the witness resides in the United Kingdom or any other country of the Commonwealth other than Bangladesh, or in the Union of Burma, or any other country in which reciprocal arrangement in this behalf exists, the commission may be issued to such Court or Judge having authority in this behalf in that country as may be specified by the Government by notification in the official Gazette.
(3) The Magistrate or officer to whom the commission is issued, or if he is the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, he, or any other Magistrate as he appoints in this behalf, shall proceed to the place where the witness is or shall summon the witness before him, and shall take down his evidence in the same manner, and may for this purpose exercise the same powers, as in trials of warrant-cases under this Code.

৭,২৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৩ ধারা অনুযায়ী ঘোষনা মূলক ডিক্রীর ফলাফল কারা মানতে বাধ্য?
  1. পক্ষগণ/প্রতিনিধি
  2. রাষ্ট্রের সকলে
  3. সরকারী কর্মচারীরা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৩ ধারা অনুযায়ী ঘোষনা মূলক ডিক্রী মামলার ফলাফল পক্ষগণ/প্রতিনিধিগণ মানতে বাধ্য। কিন্তু তৃতীয় কোন ব্যক্তি /পক্ষ ঘোষনামূলক ডিক্রীর ফলাফল মানতে বাধ্য নয়।
৭,২৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী বিচার সমাপ্তির পর রায় উন্মুক্ত আদালতে ঘোষণা করতে হবে?
  1. ধারা ৩৬৪
  2. ধারা ৩৬৫
  3. ধারা ৩৬৬
  4. ধারা ৩৬৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) এর অধ্যায় XXVI-এর ধারা ৩৬৬-এর অধীনে রায় ঘোষণার পদ্ধতি সম্পর্কিত বিধান দেওয়া আছে। এই ধারার উপ-ধারা (১) অনুযায়ী, প্রত্যেক ফৌজদারি আদালতের মূল এখতিয়ারে বিচারের রায় উন্মুক্ত আদালতে ঘোষণা করতে হবে। রায়টি হয় বিচার শেষ হওয়ার সাথে সাথে ঘোষণা করা হবে, অথবা পরবর্তী কোনো নির্দিষ্ট সময়ে, যার নোটিশ পক্ষগুলো বা তাদের উকিলদের দেওয়া হবে। এছাড়াও, রায়টি আদালতের ভাষায় বা আসামি বা তার উকিলের বোধগম্য ভাষায় ঘোষণা করতে হবে।

অর্থাৎ ধারা ৩৬৬-এর অধীনে আরও উল্লেখ আছে যে, যদি প্রসিকিউশন বা ডিফেন্সের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়, তবে পুরো রায়টি প্রিসাইডিং জজের দ্বারা পড়ে শোনাতে হবে। এছাড়াও, আসামির উপস্থিতি সাধারণত বাধ্যতামূলক, তবে কিছু ক্ষেত্রে (যেমন, শুধুমাত্র জরিমানার শাস্তি বা খালাসের ক্ষেত্রে) তার উকিলের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৬: রায় প্রদানের পদ্ধতি:
১। মূল বিচারিক আদালতের প্রতিটি মামলার রায় ঘোষণা করতে হবে, অথবা রায়ের মূল সারাংশ ব্যাখ্যা করতে হবে—
(ক) খোলা আদালতে, হয় মামলার অবসানের সাথে সাথে অথবা পরে নির্ধারিত কোনো সময়ে, যার বিষয়ে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীদের পূর্বে নোটিশ দিতে হবে; এবং
(খ) আদালতের ভাষায়, অথবা এমন ভাষায় যা আসামি বা তার আইনজীবী বুঝতে পারেন। তবে যদি প্রসিকিউশন বা ডিফেন্স পক্ষের অনুরোধ থাকে, তাহলে সম্পূর্ণ রায় বিচারক নিজে পড়ে শোনাবেন।
২। যদি আসামি হেফাজতে থাকে, তাহলে তাকে আদালতে হাজির করে রায় শোনানো হবে। যদি হেফাজতে না থাকে, তবে আদালত তাকে রায় শুনতে আসার নির্দেশ দিবে, তবে যদি আসামির ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করা হয় এবং রায় শুধুমাত্র জরিমানার বা খালাসের হয়, সেক্ষেত্রে রায় তার আইনজীবীর উপস্থিতিতে ঘোষণা করা যেতে পারে।
৩। রায় ঘোষণার দিনে যদি কোনো পক্ষ বা তাদের আইনজীবী অনুপস্থিত থাকেন, বা তাদের নোটিশ প্রদানে কোনো ত্রুটি বা ত্রুটিপূর্ণ সেবা হয়,
তবুও শুধু এই কারণেই রায় বাতিল হবে না।
৪। এই ধারার কোনো কিছুই ধারা ৫৩৭-এর ক্ষমতা বা প্রভাব সীমিত করে না।
----------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-366. Mode of delivering judgment:
(1) The judgment in every trial in any Criminal Court of original jurisdiction shall be pronounced, or the substance of such judgment shall be explained- 
(a) in open Court either immediately after the termination of the trial or at some subsequent time of which notice shall be given to the parties or their pleaders, and 
(b) in the language of the Court, or in some other language which the accused or his pleader understands: 
Provided that the whole judgment shall be read out by the presiding Judge, if he is requested so to do either by the prosecution or the defence. 
(2) The accused shall, if in custody, be brought up, or, if not in custody, be required by the Court to attend, to hear judgment delivered, except where his personal attendance during the trial has been dispensed with and the sentence is one of fine only or he is acquitted, in either of which cases it may be delivered in the presence of his pleader.
(3) No judgment delivered by any Criminal Court shall be deemed to be invalid by reason only of the absence of any party or his pleader on the day or from the place notified for the delivery thereof, or of any omission to serve, or defect in serving, on the parties of their pleaders, or any of them, the notice of such day and place.
(4) Nothing in this section shall be construed to limit in any way the extent of the provisions of section 537.

৭,২৭২.
পক্ষগণের জবানবন্দী গ্রহণ (Examination of parties) সম্পর্কিত দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ কত?
  1. আদেশ ১০
  2. আদেশ ১১
  3. আদেশ ১৬
  4. আদেশ ১৮
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

• আদেশ ১০ বিধি ৪(১,২) অনুসারে, যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কোন পক্ষ নিজে না এসে কোন আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত হাজিরা দেয়, সেই ক্ষেত্রে আইনজীবী কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে অক্ষম হলে বা উত্তর দিতে অস্বীকার করলে, আদালত মোকদ্দমার শুনানী মুলতুবি রেখে উক্ত পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিতে পারে। উক্ত নির্ধারিত দিনে এমন পক্ষ হাজির হতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে।

• উল্লেখ্য যে, আদেশ ১০ এর ৪ বিধির অধীন কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার আদেশ হলো একটি আপীলযোগ্য আদেশ।
৭,২৭৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় চুক্তির পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৩২ ধারা 
  2. ৩৩ ধারা 
  3. ৩৪ ধারা 
  4. ৩৫ ধারা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা,পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান: লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
------------
Section 32- Presumption as to intent of parties: For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

৭,২৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা অনুসারে তল্লাশি পরোয়ানা কখন জারি করা হয়?
  1. যখন কোনো সম্পত্তি চুরি হয়
  2. যখন কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে আটক থাকেন
  3. যখন কোনো বাড়িতে অবৈধ বস্তু পাওয়া যায়
  4. যখন কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যার হুমকি দেয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা (সার্চ ওয়ারেন্ট) জারির বিধান রয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা-
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।

Section 100- Search for persons wrongfully confined:
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
৭,২৭৫.
যদি কেউ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেয় কিন্তু সেই অপরাধ সংঘটিত না হয়, তাহলে দণ্ডবিধি অনুসারে উস্কানিদাতার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. কোন শাস্তি হবে না কারণ অপরাধ সংঘটিত হয়নি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কেউ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য কোনো অপরাধের উস্কানি দেয়, কিন্তু সেই অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে উস্কানিদাতা সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
এছাড়া, যদি উস্কানির ফলে কোনো শারীরিক ক্ষতি বা আঘাত হয়, তবে শাস্তি আরো কঠোর হতে পারে এবং তা ১৪ বছরের কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেওয়া - যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়; যদি ক্ষতি সৃষ্টিকারী কার্য সম্পাদিত হয়:
যে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু উস্কানির ফলে ওই অপরাধ সংঘটিত না হয় এবং এই দণ্ডবিধিতে উস্কানির শাস্তির জন্য কোনো বিশেষ বিধান না থাকে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে;

এবং যদি কোনো এমন কার্য, যার জন্য উস্কানিদাতা দণ্ডনীয়, এবং যার কারণে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সংঘটিত হয়, তাহলে উস্কানিদাতা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 115.  Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or 31[imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; 
 
and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine. 
 
Illustration
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or 32[imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.
৭,২৭৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ৫ অনুযায়ী আরজিতে কী দেখানো আবশ্যক?
  1. বাদীর স্বার্থ
  2. বিবাদীর স্বার্থ
  3. সমন জারির প্রয়োজনীয়তা
  4. মোকদ্দমা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির বিবরণ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৭ বিধি ৫: বিবাদীর স্বার্থ ও দায়িত্ব দেখাতে হবে:
আরজিতে (প্লেইন্টে) প্রদর্শন করতে হবে যে, বিবাদী মামলার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসম্পন্ন বা মামলার বিষয়বস্তুতে স্বার্থ দাবি করছেন, এবং তিনি বাদীর দাবীর উত্তর দিতে বাধ্য।

[Defendant's interest and liability to be shown:
The plaint shall show that the defendant is or claims to be interested in the subject-matter,and that he is liable to be called upon to answer the plaintiff's demand.]

৭,২৭৭.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্র 'অপহরণ' হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. জোরপূর্বক বাধ্য করে একস্থান থেকে অন্যস্থানে নিয়ে গেলে
  2. প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে একস্থান থেকে অন্যস্থানে নিয়ে গেলে
  3. ক বা খ উভয়
  4. ক বা খ কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারা- অপহরণ:
যদি কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

অর্থাৎ কোনো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সম্মতিসহ চলে গেলে তা অপহরণ হিসেবে গণ্য হবে না।

Section 362- Abduction:
Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
৭,২৭৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার অধীনে কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সরকারি সংস্থা
  2. কেবলমাত্র চুক্তির মূল পক্ষ
  3. চুক্তির পক্ষ বা তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি
  4. কেবলমাত্র আদালতের নির্দেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) চুক্তির পক্ষ বা তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার অধীনে, সাধারণত চুক্তির মূল পক্ষই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য মামলা করতে পারেন। তবে এই ধারা অনুসারে, কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে চুক্তির স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা উত্তরাধিকারীগণও এই অধিকার ভোগ করতে পারেন।
- অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী, চুক্তির পক্ষ বা তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য আবেদন করতে পারে, নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে:
এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
খ) চুক্তির যেকোনো পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, সচ্ছলতা বা কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযােগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়ােগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতঃপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।
গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপােষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোনো ব্যক্তি;
ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়ােগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;
ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকার সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভ উত্তরাধিকারী পাওয়ার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভােগের উত্তরাধিকারী;
চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভােগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;
ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নূতন কোম্পানি;
জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়োজনবশত: চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলিতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 23. Who may obtain specific performance:
Except as otherwise provided by this Chapter, the specific performance of a contract may be obtained by-
(a) any party thereto;
(b) the representative in interest, or the principal, of any party thereto: provided that, where the learning, skill, solvency or any personal quality of such party is a material ingredient in the contract, or where the contract provides that his interest shall not be assigned, his representative in interest or his principal shall not be entitled to specific performance of the contract, unless where his part thereof has already been performed;
(c) where the contract is a settlement on marriage, or a compromise of doubtful rights between members of the same family, any person beneficially entitled thereunder;
(d) where the contract has been entered into by a tenant for life in due exercise of a power, the remainderman;
(e) a reversioner in possession, where the agreement is a covenant entered into with his predecessor in title and the reversioner is entitled to the benefit of such covenant;
(f) a reversioner in remainder, where the agreement is such a covenant, and the reversioner is entitled to the benefit thereof and will sustain material injury by reason of its breach;
(g) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation;
(h) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract for the purposes of the company, and such contract is warranted by the terms of the incorporation, the company.
৭,২৭৯.
Order 11, Rule 1 অনুযায়ী interrogatories দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  2. ইস্যু নির্ধারণের ৭ দিনের মধ্যে
  3. ইস্যু নির্ধারণের ১০ দিনের মধ্যে
  4. ইস্যু নির্ধারণের ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

(Order 11, Rule 1 – জিজ্ঞাসাবাদ দ্বারা অনুসন্ধান):
যেকোনো মামলায়, বাদী বা বিবাদী আদালতের অনুমতি নিয়ে ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে প্রতিপক্ষ বা প্রতিপক্ষের মধ্যে একজন বা একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লিখিত প্রশ্নাবলি (interrogatories) দিতে পারে।
এই প্রশ্নাবলি দাখিল করার সময় এর নিচের অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে- কোন প্রশ্নগুলোর উত্তর কোন ব্যক্তি/ব্যক্তিদের দিতে হবে।

প্রথম শর্ত:
একই পক্ষকে উদ্দেশ্য করে কোনো পক্ষ একাধিক সেট interrogatories (প্রশ্নাবলি) দিতে পারবে না, যদি না এ বিষয়ে আদালত বিশেষ আদেশ প্রদান করে।

দ্বিতীয় শর্ত:
যেসব interrogatories মামলার বিরোধপূর্ণ বিষয়ে (matters in question) সম্পর্কিত নয়, সেগুলো অপ্রাসঙ্গিক (irrelevant) বলে গণ্য হবে—যদিও সাক্ষীর মৌখিক জিজ্ঞাসাবাদের সময় এগুলো গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

৭,২৮০.
Gregorian/ ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সময় গণনা শুরু হবে কোন ধারা অনুযায়ী?
  1. ২৪
  2. ২৫
  3. ২৬
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী সকল দলিলের/মামলার গণনা শুরু হবে ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী। 
৭,২৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(ঠ) অনুসারে, তদন্তের উদ্দেশ্য কী?
  1. আদালতে মামলা দাখিল করা
  2. সাক্ষ্য সংগ্রহ করা
  3. মামলার রায় প্রদান
  4. অভিযোগ গঠন করা
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪(ঠ) তে বলা আছে-
Investigation (তদন্ত) অর্থ হলো সাক্ষ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত পুলিশ অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি যিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত তার কর্তৃক পরিচালিত কোন কার্যক্রম।
৭,২৮২.
কোন ব্যক্তি আদালতের নথি বা সরকারের সরকারি রেজিস্টারের নথি জাল করিলে সর্বোচ্চ কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. তিন বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৬ অনুসারে, যে কেউ আদালতের রেকর্ড বা কার্যধারা, জন্ম, বিবাহ, মৃত্যু বা দাফনের রেজিস্টার, সরকারি কর্মচারী কর্তৃক রক্ষিত রেজিস্টার, বা সরকারি কর্মচারীর দায়িত্বে তৈরি দলিল, মামলা দায়ের বা প্রতিরক্ষার অনুমতি, বা পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি জাল করলে, তার শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হলো ৭ বছর।

- অর্থাৎ ধারা ৪৬৬ অনুসারে, আদালতের নথি বা সরকারি রেজিস্টারের নথি জাল করার সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) সাত বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারা আদালতের নথিপত্র বা সরকারী রেজিস্টার ইত্যাদি জালকরণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এমন একটি দলিল জাল করে যা কোন বিচারালয়ের নথি অথবা প্রসিডিং কিংবা কোন বিচারালয়ে উত্থাপিত নথি বা প্রসিডিং বলে অথবা কোন জন্ম, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বিবাহ কিংবা সমাধিকরণের রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তক সরকারী কর্মচারী হিসেবে রক্ষিত রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা তার সরকারী পদ মর্যাদা বলে কৃত সার্টিফিকেট বা দলিল বলে, অথবা কোন মামলা দায়ের করার বা উহাতে পক্ষ সমর্থনের কিংবা উহাতে কোন কার্যক্রম গ্রহণের রায় মানার কিংবা পাওয়ার অব এটনী বলে প্রতিভাত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 466. Forgery of record of Court or of public register, etc:
Whoever forges a document, purporting to be a record or proceeding of or in a Court of Justice, or a register of birth, baptism, marriage or burial, or a register kept by a public servant as such, or a certificate or document purporting to be made by a public servant in his official capacity, or an authority to institute or defend a suit, or to take any proceedings therein, or to confess judgment, or a power of attorney, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৭,২৮৩.
ডিক্রির তারিখ হতে ________ পর ডিক্রি জারি করলে জারিকারক আদালত দেনাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন।
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো:

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i)  ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।

তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।
৭,২৮৪.
পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগের ফলে-
  1. মোকদ্দমা খারিজ হবে
  2. মোকদ্দমা স্থগিত হবে
  3. মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না
  4. মোকদ্দমা পুনঃরায় দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা
অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগ পক্ষসমূহ [Non-joinder and mis-joinder of parties]:
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৯ অনুযায়ী মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষকে মোকদ্দমায় পক্ষ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত না করলে, তাকে পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত [Non-joinder] বলে। প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্যকোন ব্যক্তি যার প্রয়োজন নেই তাকে পক্ষভুক্ত করলে, সেটাকে পক্ষসমূহের অপসংযোগ [Mis joinder] বলে।

কোন মোকদ্দমায় পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগ এর কারণে কোন মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না [আদেশ ১, বিধি ৯]।
৭,২৮৫.
সকল দেওয়ানী কার্যক্রমে কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী গণ্য হবে-
  1. অযোগ্য সাক্ষী
  2. যোগ্য সাক্ষী
  3. সাক্ষী সংশ্লিষ্ট
  4. বৈরী সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী: সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।
------------------------------------------
⇒ Section 120 of Evidence Act: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
 In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
৭,২৮৬.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে ৫০,০০০/- টাকার দাবীতে একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। উক্ত মোকদ্দমায় ‘খ’ লিখিত জবাব দিয়ে জবাবে দাবী উত্থাপন করে যে, ‘খ’ ‘ক’ এর নিকট ৪০,০০০/- টাকা পাওনা আছে। ‘খ’ এর এই দাবিটি হলো?
  1. মধ্যস্থতা
  2. পাল্টা দাবী (Counter claim)
  3. পারাস্পরিক দায় শোধ (Set off)
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি  আদেশ ৮ এর বিধি ৬ অনুযায়ী পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ (Set off) হলো বিবাদীর বিরুদ্ধে বাদী যখন অর্থ আদায়ের মামলা করে তখন বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার দাবী/আবেদন। সহজ ভাষায়, সেট অফ অর্থ হল কোন দাবীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আরেকটি দাবী।
⇒ অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
⇒সেট অফের আবেদনের সময়- ৮ নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়।
⇒ প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পরও Set off এর দাবি করা যায়।
সেট অফের আবেদনের শর্ত- 
i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে।
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে।
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না।
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না।
⇒ সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
⇒ যদি বাদীর দাবীর চেয়ে বিবাদী দাবী বেশি হয় তাহলে এটি Counter claim ।
৭,২৮৭.
কোন মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে?
  1. বাটোয়ারা মামলায়
  2. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
  3. ফোর ক্লোজারের মামলায়
  4. অর্থ মামলায়
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ আদেশের ১ হতে ৪ বিধিতে রায়ের পূর্বে গ্রেপ্তারের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন।

♦ রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ কোন স্থাবর সম্পত্তি বা ভূমি সংক্রান্ত মোকদ্দমায়, যেমন- বাটোয়ারা, নিষেধাজ্ঞার মামলা, ফোর ক্লোজার বা বন্ধকী সম্পত্তির জামানত ফেরত পাওয়ার মামলায় মঞ্জুর করা যায় না।
৭,২৮৮.
অর্থদণ্ড ব্যতীত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
অর্থাৎ অর্থদণ্ড ব্যতীত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় সর্বনিম্ন শাস্তি - যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
-----------------
⇒ The Penal Code,1860-Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৭,২৮৯.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগী (Accomplice) সাক্ষীর বিধান আছে?
  1. ১১৪
  2. ১৩১
  3. ১৩৩
  4. ১৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-133- Accomplice: 
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৭,২৯০.
রহিম ইচ্ছাকৃতভাবে সোহেলের ব্যাগে মাদকদ্রব্য রাখে, যাতে পুলিশ সেটি পায় এবং সোহেল মাদক মামলায় ফেঁসে যায়। রহিমের কাজ কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. জালিয়াতি
  4. মিথ্যা প্রমাণ তৈরি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) মিথ্যা প্রমাণ তৈরি।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:

কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণসমূহ (Illustrations):
(ক) A, Z–এর বাক্সে রত্নপাথর রাখে, যাতে এগুলো ওই বাক্সে পাওয়া যায় এবং এই পরিস্থিতির কারণে Z চুরির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়। A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে।

(খ) A, আদালতে সমর্থক প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে নিজের দোকানের হিসাবপত্রে (Shop-book) মিথ্যা নথি লিখে। A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে।

(গ) A, Z–কে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে দোষী প্রমাণ করার উদ্দেশ্যে Z–এর লেখা নকল করে একটি চিঠি লিখে, যা সে জানে পুলিশ পরিদর্শন করবে এমন স্থানে রাখে। A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে।

৭,২৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী, কোন আদালত ১ মাসের কম কারাদণ্ড দিলে আপীল করা যাবে না?
  1. দায়রা আদালত
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৩ (Section 413) অনুসারে বলা হয়েছে:
"যেসব মামলায় দায়রা আদালত (Court of Session) অনধিক ১ (এক) মাস কারাদণ্ড প্রদান করে, সেইসব ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তি আপীল করতে পারবে না।"
এছাড়াও যদি প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকা জরিমানা করে, তাহলেও আপীল করা যাবে না।

- এই বিধান শুধুমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- অর্থদণ্ড সংক্রান্ত সীমা আলাদা (৫০ টাকা) এবং অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য প্রযোজ্য।
- এই ধারা অভিযুক্তের আপীলের অধিকার সীমিত করে, যাতে তুচ্ছ মামলায় আদালতের উপর অযথা চাপ না পড়ে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
- Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate] or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only.
- Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.
৭,২৯২.
দেওয়ানি আদালত কয়টি ক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
 অর্থাৎ দেওয়ানি আদালত ৪টি বিষয়ে কমিশন নিয়োগ দিতে পারেন।
-----------
⇒ Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
৭,২৯৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবন (Refreshing Memory) সম্পর্কিত বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ১৪৯
  2. ধারা ১৫৯
  3. ধারা ১৪৬
  4. ধারা ১৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৯ এ স্মৃতি পুনরুজ্জীবন (Refreshing Memory) সম্পর্কিত বিধান বর্ণিত আছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, একজন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদানের সময় তার স্মৃতি সতেজ করার জন্য নির্দিষ্ট লিখিত দলিল বা উপকরণ দেখতে পারেন। এই বিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
নিজের লেখা দলিল: সাক্ষী তার নিজের লিখিত দলিল দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন, যদি দলিলটি ঘটনার সময় বা তার অল্প সময় পরে লেখা হয় এবং আদালত মনে করে যে ঘটনাটি তখন সাক্ষীর স্মৃতিতে সতেজ ছিল।
অন্যের লেখা দলিল: সাক্ষী অন্য কোনো ব্যক্তির লিখিত দলিল দেখে স্মৃতি সতেজ করতে পারেন, যদি তিনি সেই দলিল পড়ার সময় তা সঠিক বলে জানতেন এবং ঘটনার সময় বা অল্প সময় পরে তা পড়েছিলেন।
দলিলের নকল: আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, যদি মূল দলিল উপস্থাপনের যথেষ্ট কারণ না থাকে (যেমন, মূল দলিল হারিয়ে গেছে), তবে সাক্ষী দলিলের নকল দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন।
বিশেষজ্ঞের ক্ষেত্রে: একজন বিশেষজ্ঞ (যেমন, তদন্তকারী পুলিশ অফিসার) তার পেশাগত পুস্তক, রেফারেন্স উপকরণ, বা কেস ডায়েরি দেখে স্মৃতি সতেজ করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, একজন পুলিশ অফিসার কেস ডায়েরি দেখে তার সাক্ষ্যের বিষয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন।
⇒ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৯ স্মৃতি পুনরুজ্জীবন সম্পর্কিত বিধান প্রদান করে, যা সাক্ষীকে দলিল বা উপকরণের সাহায্যে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্য প্রদানে সহায়তা করে। অন্যান্য ধারাগুলো (১৪৯, ১৪৬, ১৫৫) এই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৫৯ ধারার বিধান মতে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা বলতে বুঝায় সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রদান কালে তাহার নিজের লেখা দেখে স্মৃতি মনে করা। তবে সাক্ষী অন্যের লেখা কিছু দেখেও স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারবে যদি তিনি পূর্বে উক্ত লেখা পড়ে/পড়ার সময় সত্য বলে জেনে থাকেন।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৫৯ ধারার মতে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা (Refreshing memory). সাক্ষ্য প্রদানের সময় কোন সাক্ষী কোন লেখা দ্বারা তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। মূল লেখা দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা যায়। আদালত অনুমতি দিলে সাক্ষী দলিলের নকল দেখেও স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক/বই দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে করতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act 1872, Section 159 Refreshing memory: A witness may, while under examination, refresh his memory by referring to any writing made by himself at the time of the transaction concerning which he is questioned, or so soon afterwards that the Court considers it likely that the transaction was at that time fresh in his memory.
The witness may also refer to any such writing made by any other person, and read by the witness within the time aforesaid, if when he read it he knew it to be correct.

৭,২৯৪.
কোন কাজটি ধারা ১৮৯-এর অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. সরকারী কর্মচারীর ব্যক্তিগত কাজে ক্ষতি করলে
  2. সরকারী কর্মচারীকে তার ব্যক্তিগত কাজে সহায়তা করতে হুমকি দিলে
  3. সরকারী কর্মচারীকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনকালে আঘাত প্রদান করলে
  4. সরকারী কর্মচারীকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনে বিরত রাখার জন্য হুমকি দিলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:
কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 189- Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৭,২৯৫.
পুলিশ কর্তৃক জব্দকৃত সম্পত্তির দাবীদার যদি অজানা ব্যক্তি হয়, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. এমন সম্পত্তি আটক রাখবে
  2. ক্রোকের আদেশ দিবে
  3. কোন দাবীদার থাকলে তাকে ১ মাসের মধ্যে হাজির হয়ে তার দাবী প্রতিষ্ঠার জন্য আদেশ দিবে
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৩- অনুসারে সম্পত্তি জব্দ করার পর পুলিশ যে পদ্ধতি অনুসরণ করবে

৫১ ধারা অনুসারে পুলিশ কর্তৃক জব্দকৃত সম্পত্তি বা চোরাইমাল বলে সন্দেহযুক্ত সম্পত্তি বা কোন সম্পত্তি এমন অবস্থায় পাওয়া গেছে যা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টি করে, সেই সম্পত্তির বিষয়ে পুলিশ বিষয়টি ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করবে। এমন সম্পত্তির দাবীদার যদি পরিচিত হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি তাকে অর্পণের জন্য নির্দেশ দিবে।
যদি দাবীদার ব্যক্তি অজানা হয়, ম্যাজিস্ট্রেট এমন সম্পত্তি আটক রাখবে এবং ক্রোকের আদেশ দিবে এবং যে ব্যক্তি এমন সম্পত্তির দাবীদার তাকে উক্ত সম্পত্তি ক্রোকের আদেশের তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে হাজির হয়ে তার দাবী প্রতিষ্ঠার জন্য আদেশ দিবে (ধারা ৫২৩ (২))।

Section 523- Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.

Procedure where owner of property seized unknown
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within 516[one month] from the date of such proclamation.
৭,২৯৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে কত দিনের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারায় জাল দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করা হয়:
⇒ ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন- যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে। দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করা- আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।

৭,২৯৭.
যেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে-
  1. আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে
  2. তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
  3. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
  4. "ক" অথবা "খ" অথবা "গ"
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
--------------
⇒ Order 41 Rule.-3: Rejection or amendment of memorandum.-
1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection,
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
৭,২৯৮.
আদেশ ২০ বিধি ৬ অনুযায়ী ডিক্রির মধ্যে নিম্নের কোন তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে না?
  1. মোকদ্দমার নম্বর
  2. পক্ষগণের নাম ও বিবরণ
  3. গ্রহণকৃত সাক্ষ্যের বিস্তারিত
  4. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।

'সাক্ষ্যসমূহের বিস্তারিত'- ডিক্রির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে না।

Order 20 Rule 6: Contents of decree:
1) The decree shall agree with the judgment; it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.
2) The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.
3) The Court may direct that the costs payable to one party by the other set-off against any sum which is admitted or found to be due from the shall be set-off former to the latter.
৭,২৯৯.
রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে, তা দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ব্যতীত সংশোধন করা যাবে না?
  1. ১৫৩ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৮ ধারা
  4. ১৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-

রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-

> করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
> আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

• উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
৭,৩০০.
অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে পাবলিক প্রসিকিউটর কোথায় আপিল দায়ের করতে পারেন?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. যেকোনো আপিল আদালতে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৭ক- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল

(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Section 417A- Appeal against inadequacy of sentence
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.