বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৬৩ / ১২৬ · ৬,২০১৬,৩০০ / ১২,৬০৫

৬,২০১.
ধারা-৮৯খ অনুযায়ী সালিশী প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে, পক্ষসমূহ কী করতে পারে?
  1. আদালতে পুনরায় আবেদন করতে পারে
  2. সালিশীর রোয়েদাদ পর্যালোচনা করতে পারে
  3. মোকদ্দমা পুনঃ দাখিল করতে পারে
  4. সালিশী প্রক্রিয়া আবার শুরু করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা-৮৯খ: সালিশী:
১) মোকদ্দমার বিরোধ অথবা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সালিশের নিকট প্রেরণ করবেন এই কারণে মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কার্যপদ্ধতির যে কোন পর্যায়ে মোকদ্দমাটি তুলে নেয়ার জন্য আদালতের সমীপে আবেদন করলে আদালত আবেদন অনুমোদন করবে এবং মোকদ্দমা তুলে নেয়ার অনুমতি প্রদান করবে এবং তৎপরবর্তীতে যতদূর প্রযোজ্য, সালিশী আইন,২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) অনুযায়ী বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি হবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে কার্য প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিসের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে এই উপ-ধারার অধীন তুলে নেয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত মোকদ্দমার পক্ষসমূহ পুনঃ দাখিলের অধিকার অর্জন করবে।

২) ১নং উপ-ধারানুযায়ী পেশকৃত আবেদন সালিসী আইন, ২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) এর ধারা নং ৯ এর অধীনে সালিসের সম্মতি বলে ধরে নিতে হবে।
৬,২০২.
যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে,অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ২০০ টাকা 
  2. ৩০০ টাকা 
  3. ৪০০ টাকা 
  4. ৫০০ টাকা 
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৪(৬)অনুসারে যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে,অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৪:
(১) অ্যাডভোকেটদের আচরণ সংক্রান্ত যে কোনো তদন্তে ট্রাইব্যুনাল নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করবে।
(২) ট্রাইব্যুনাল মামলার শুনানির একটি তারিখ নির্ধারণ করবে এবং উক্ত তারিখের নোটিশ সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেট ও বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রদান করবে।
তাদেরকে সাক্ষ্য উপস্থাপন এবং শুনানি গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে, যাতে আদেশ দেওয়ার পূর্বে উভয় পক্ষ নিজ নিজ বক্তব্য পেশ করতে পারে।
(৩) এই আদেশ বা প্রচলিত অন্য কোনো আইনের যাই থাকুক না কেন, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান প্রাথমিক বিষয় নির্ধারণ ও সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা ট্রাইব্যুনালের যেকোনো এক সদস্যকে দিতে পারেন।
(৪) তদন্ত শেষে ট্রাইব্যুনাল নিম্নোক্ত যেকোনো আদেশ দিতে পারে:
- অভিযোগ খারিজ করা; অথবা
- যদি বার কাউন্সিলের আবেদনে ট্রাইব্যুনালে রেফার করা হয়ে থাকে, তাহলে কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া; অথবা
- অনুচ্ছেদ ৩২(১)-এ উল্লিখিত শাস্তিগুলোর যেকোনোটি প্রদান করা।
(৫) যদি ট্রাইব্যুনাল কোনো অ্যাডভোকেটকে নিষেধাজ্ঞার (suspension) আদেশ দেয়, তবে নিষেধাজ্ঞার সময়কাল নির্ধারণ করতে হবে।
এই সময়কালের জন্য ঐ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশের কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তির সামনে আইনচর্চা করতে পারবেন না।
(৬) ট্রাইব্যুনাল তার সামনে পরিচালিত কার্যক্রমের জন্য ব্যয়ের আদেশ (cost order) দিতে পারে। যদি ট্রাইব্যুনাল মনে করে যে অভিযোগটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে পারে, যা ক্ষতিপূরণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেটকে প্রদান করা হবে।
(৭) ব্যয় সংক্রান্ত যেকোনো আদেশ বা জরিমানার আদেশ হাইকোর্টের আদেশের মতো কার্যকরযোগ্য (executable) হবে।
(৮) ট্রাইব্যুনাল চায়, তাহলে নিজে থেকে বা আবেদন প্রাপ্ত হয়ে, ধারা ৩৪(৪) বা ৩৪(৬)-এর অধীনে প্রদত্ত আদেশ পর্যালোচনা (review) করতে পারে এবং তা অবিকল রাখতে, পরিবর্তন করতে বা বাতিল করতে পারে।
(৯) যদি কোনো অ্যাডভোকেটকে প্রতিনিধি (reprimanded) বা সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ (suspended) করা হয়, তবে সেই শাস্তির রেকর্ড তাঁর নামের পাশে রোলে সংযুক্ত করতে হবে। আর যদি কাউকে আইনচর্চা থেকে অপসারণ (removed) করা হয়, তবে তাঁর নাম রোল থেকে বাতিল করে দিতে হবে এবং তাঁর সনদপত্র প্রত্যাহার (recalled) করতে হবে।

৬,২০৩.
আদালতে মামলার একটি পক্ষ নিজের সাক্ষীকে কোন বিষয়ে ইঙ্গিতপূর্ব প্রশ্ন (Leading question) করতে পার?
  1. যে কোন বিষয়ে
  2. স্বীকৃত বিষয়ে
  3. তর্কিত বিষয়ে
  4. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
♦ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়। ♦ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) : বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।

♦ যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
৬,২০৪.
দণ্ডিত হওয়ার পর শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ কে দিতে পারে?
  1. বিচারিক আদালত
  2. আপিল আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ পুনর্বিবেচনাকালে
  4. বর্ণিত সব আদালত
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ১০৬: দণ্ডিত ব্যক্তির শান্তি বজায় রাখার জন্য জামানত প্রদান:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি দণ্ডবিধির অষ্টম অধ্যায়ের অধীনে দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ (ধারা ১৪৩, ১৪৯, ১৫৩এ বা ১৫৪ ব্যতীত) বা হামলা বা অন্য কোনো শান্তি-ভঙ্গকারী অপরাধ, অথবা উক্ত অপরাধে সহায়তা করা বা অপরাধজনিত ভীতি প্রদর্শন করার জন্য অভিযুক্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়, এবং আদালত মনে করে যে উক্ত ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য একটি জামানতনামা সম্পাদন করতে বাধ্য করা প্রয়োজন, তাহলে আদালত দণ্ড প্রদানের সময় উক্ত ব্যক্তিকে তার আর্থিক সামর্থ্যের অনুপাতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের জামানত প্রদান এবং প্রয়োজনবোধে এক বা একাধিক জামিনদার প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।
এই জামানতের মেয়াদ আদালতের বিবেচনামতো সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত নির্ধারণ করা যেতে পারে।

(২) যদি আপিলের মাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে উক্ত দোষী সাব্যস্ত করার রায় বাতিল করা হয়, তাহলে সম্পাদিত জামানত স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে।

(৩) এই আদেশ আপিল আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা প্রয়োগের সময়ও দিতে পারে।
৬,২০৫.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 'স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা' ১২ বছরের তামাদি সময়সীমার মধ্যে থাকতে হবে?
  1. ১৩২ অনুচ্ছেদ
  2. ১৪২ অনুচ্ছেদ
  3. ১৪৪ অনুচ্ছেদ
  4. ১৩৮ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা ১২ বছরের তামাদি সময়সীমার মধ্যে থাকতে হবে।
- এটি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোন ব্যক্তি যদি তার অধিকারসহ স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে চান, তবে তিনি ১২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবেন। অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় মামলা দায়ের।

→ তামাদি আইনের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর। এই অনুচ্ছেদটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির মামলা দায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে বাদী তার স্বত্ব (মালিকানা) এবং দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করে।

→ সুতরাং, স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা-এর তামাদি মেয়াদ ১২ বছর এবং এটি ১৪২ অনুচ্ছেদ দ্বারা নির্ধারিত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর খ) ১৪২ অনুচ্ছেদ।
৬,২০৬.
একজন আইনজীবীর জন্য কোন কাজটি আচরণ বিধির লঙ্ঘন?
  1. মামলা পরিচালনা করতে সম্মত না হওয়া
  2. সময় ও শ্রম অনুযায়ী ফি নির্ধারন করা 
  3. আইনপেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা 
  4. মামলার পক্ষসমূহের সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করা 
ব্যাখ্যা

"Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর অধ্যায় ৪ এবং বিধি ৮ অনুসারে একজন আইনজীবীর জন্য আইনপেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা আচরণ বিধির লঙ্ঘন।

 "Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর চতুর্থ অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর জনগণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কী তা উল্লেখ করা হয়েছে। একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ৮টি:
[বিধি-১]-কোন ব্যক্তিকে হয়রানির উদ্দেশ্যে নিযুক্তি না নেওয়া: কোন ব্যক্তিকে বিরক্ত করা, হয়রানি করা বা মোকদ্দমা বিলম্বিত করা ইত্যাদি উদ্দেশ্যে বাদী বা বিবাদী কোন পক্ষে একজন আইনজীবী নিযুক্ত হবেন না।
[বিধি-২]- ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করা: একজন আইনজীবী সর্বদা তার ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করবেন। বিচার চলাকালে আইন বহির্ভুত কাজ করবেন না।
[বিধি-৩]- ক্ষতির উদ্দেশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করা: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মোকদ্দমা দায়ের বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।
[বিধি ৪]- পরামর্শ প্রদানে বাধ্যবাধকতা: কোন আইনজীবী প্রত্যেককে পরামর্শ প্রদান করতে বা আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য নন।
[বিধি-৫]-মোকদ্দমা গ্রহণ বা বর্জন করতে পারেন: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তি বা সংস্থা যতই ক্ষমতাবান হোক অথবা রাজনৈতিক মোকদ্দমা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক তিনি পেশাগত নিযুক্তি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন।
[বিধি-৬]- পরিচয় প্রকাশ করা: কোন আইনজীবী কোন সরকারি অফিসার, বোর্ড কমিটি ইত্যাদির নিকট পেশাগত দায়িত্বে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি তার পরিচয় দিবেন।
[বিধি-৭]- পূর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে: কোন আইনজীবী যদি কোন বিষয়ে পূর্বে বিচারক পদমর্যাদায় কাজ করেন তাহলে তিনি সেই বিষয়ে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ লাভ করবেন না।
[বিধি-৮]- ব্যবসা, চাকুরি বা অন্য পেশার সাথে জড়িত না হওয়া: একজন আইনজীবী নিজের আইন পেশা ব্যতীত অন্য কোন ব্যবসা, চাকুরি বা পেশার সাথে জড়িত হবে না।

৬,২০৭.
'A', 'B' থেকে জমি কিনেছে, যদিও তখন 'C' ওই জমিটি দখলে রয়েছে। 'A', 'C'- এর জমিতে কোন স্বার্থ আছে কিনা তা জানার জন্য কোন তদন্ত করেনি। এই আইনের অর্থে, 'C' এর স্বার্থের পরিমাণ পর্যন্ত-
  1. 'A' হলো 'C' এর ট্রাস্টি
  2. 'B' হলো 'C' এর ট্রাস্টি
  3. 'C' হলো 'B' এর ট্রাস্টি
  4. 'C' হলো 'A' এর ট্রাস্টি
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত উদহারনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারার (জ) উদহারনের অনুরূপ। এই পরিস্থিতিতে, এই আইনের অর্থে, C-এর জমিতে যতটুকু স্বার্থ আছে, সেটুকু পরিমাণ পর্যন্ত 'A' হলেন 'C' এর একজন ট্রাস্টি। একজন ট্রাস্টি হলেন যে ব্যক্তি অন্য কারও স্বার্থের তত্ত্বাবধানে থাকে।

 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারায়-
"ট্রাস্টি" শব্দটি প্রত্যেক ব্যক্তিকে বুঝায় যারা স্পষ্টভাবে, গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে বা কাঠামোগতভাবে আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র বহন করে।

এখানে, 'A' জানতেন যে 'C' জমিতে দখলে রয়েছে কিন্তু স্বার্থ সম্পর্কে জানতে অনাগ্রহ প্রকাশ করায়, আইনের নজরে 'A' হলেন 'C'-এর স্বার্থের একজন ট্রাস্টি।
-------------------
(h) 'A' buys land from 'B', having notice that 'C' is in occupation of the land. 'A' omits to make any inquiry as to the nature of 'C's interest therein. 'A' is a trustee, within the meaning of this Act, for 'C', to the extent of that interest.
৬,২০৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় _______ মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
  1. বিশেষ
  2. বাতিল
  3. প্রক্রিয়াধীন
  4. ফৌজদারি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:

প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স- তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section 44- Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure.
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৬,২০৯.
‘D’, একজন পুলিশ অফিসার, ‘Z’-কে অপরাধের স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য নির্যাতন করে, যার ফলে ‘Z’ সাধারণ শারীরিক আঘাত পায়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘D’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩২৩
  2. ধারা ৩২৭
  3. ধারা ৩২৯
  4. ধারা ৩৩০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩০ স্পষ্টভাবে বলে— যদি কেউ কাউকে আঘাত করে তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি, তথ্য বা সম্পত্তি আদায় করার জন্য, তবে সে এই ধারার অধীনে অপরাধী হবে।
- এখানে ‘D’ একজন পুলিশ অফিসার হিসেবে ‘Z’-কে নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য, তাই তার অপরাধ ধারা ৩৩০ এর মধ্যে পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারার বিধান: ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় বা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করতে বাধ্য করার জন্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করা:
-যে ব্যক্তি, কোন ব্যক্তির বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণ সম্পর্কে সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি বা জামানত প্রত্যর্পণ করতে বা প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করে দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, অথবা কোন দাবী পূরণে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা যে তথ্য দানের ফলে কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত পুনরুদ্ধার হতে পারে সে তথ্যদানে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে উক্ত ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, তবে উক্ত আঘাতকারী সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(অ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। সে চ-কে কোন অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করার জন্য পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। 

(আ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখা হয়েছে সে তথ্যদানে বাধ্য করার জন্য সে চ-কে পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
-----------------------
The Penal Code,1860: Section 330- Voluntarily causing hurt to extort confession, or to compel restoration of property:
Whoever voluntarily causes hurt, for the purpose of extorting from the sufferer or any person interested in the sufferer, any confession or any information which may lead to the detection of an offence or misconduct, or for the purpose of constraining the sufferer or any person interested in the sufferer to restore or to cause the restoration of any property or valuable security or to satisfy any claim or demand, or to give information which may lead to the restoration of any property or valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Illustrations:
(a) A, a police-officer, tortures Z in order to induce Z to confess that he committed a crime. A is guilty of an offence under this section. 
(a) A, a police-officer, tortures B to induce him to point out where certain stolen property is deposited. A is guilty of an offence under this section. 
(b) A, a revenue officer, tortures Z in order to compel him to pay certain arrears of revenue due from Z. A is guilty of an offence under this section. 
(c) A, a zamindar, tortures a raiyat in order to compel him to pay his rent. A is guilty of an offence under this section.

৬,২১০.
কোন দলিল বাতিলের মামলা দায়েরের তামাদি কত?
  1. ১ বছর 
  2. ২ বছর 
  3. ৩ বছর 
  4. ৪ বছর 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
⇒ যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা
⇒ যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।
The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে

৬,২১১.
Under Section 20 of The Specific Relief Act, 1877, if a party in default is willing to pay the specified amount in case of breach, what can happen?
  1. The contract is canceled
  2. The party loses their rights under the contract
  3. Specific performance can still be ordered
  4. The contract becomes void
ব্যাখ্যা
• Section 20- Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same.

যদি কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানে রাজি থাকে, তাহলেও নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত হওয়ার যোগ্য চুক্তিটি বাস্তবায়িত হতে পারবে।

অর্থাৎ, চুক্তির শর্তাবলী যদি সুনির্দিষ্ট এবং নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে চুক্তির ভঙ্গের ক্ষেত্রে বিকল্প জরিমানার বিধান থাকলেও চুক্তিটি বাস্তবায়িত হবে। এক্ষেত্রে ভঙ্গকারী পক্ষ যদি জরিমানা প্রদানে রাজি থাকে তাহলেও চুক্তি বাস্তবায়ন করানো যাবে।
৬,২১২.
আদেশ-২১, বিধি ৮৯ অনুসারে বিক্রয় রদের আবেদনপত্রের সাথে ক্রয়মূল্যের কী পরিমাণ টাকা আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৫০%
  2. ২৫%
  3. ১৫%
  4. ৫%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৯ এর বিধান টাকা জমা দিয়ে নিলামে বিক্রয় রদের আবেদন (Application to set aside sale on deposit):
-ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত সম্পত্তির মালিক নিলাম বিক্রয়ের রদের জন্য নিম্নোক্ত টাকা আদালতে জমা দিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারে-
 ক্রয় মূল্যের ৫% অর্থ ক্রেতাকে প্রদানের জন্য; এবং
 ডিক্রিদার পূর্বে কোন টাকা গ্রহণ করলে তা বাদ দিয়ে যে পরিমাণ টাকার জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ হয়েছে তা ডিক্রিদারকে প্রদানের জন্য।

তামাদি আইনের  অনুচ্ছেদ: ১৬৬ মতে উক্ত আবেদন নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
------------------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-21 Rule-89.Application to set aside sale on deposit:
(1) Where immovable property has been sold in execution of a decree, any person, either owing such property or holding an interest therein by virtue of a title acquired before such sale, may apply to have the sale set aside on his depositing in Court,−
(a) for payment to the purchaser, a sum equal to five per cent. of the purchase-money, and
(b) for payment to the decree-holder, the amount specified in the proclamation of sale as that for the recovery of which the sale was ordered, less any amount which may, since the date of such proclamation of sale, have been received by the decree-holder.
(2) Where a person applies under rule 90 to set aside the sale of his immovable property, he shall not, unless he withdraws his application, be entitled to make or prosecute an application under this rule.
(3) Nothing in this rule shall relieve the judgment-debtor from any liability he may be under in respect of costs and interest not covered by the proclamation of sale. 
৬,২১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারা অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অধীনস্থ ম্যাজিস্ট্রেটকে স্থানীয় তদন্তের জন্য পাঠালে, তাকে কী সরবরাহ করতে পারেন?
  1. পুলিশ রিপোর্ট
  2. মৌখিক নির্দেশনা
  3. লিখিত নির্দেশনা
  4. বিচারকাজের নির্দেশনা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় স্থানীয় অনুসন্ধান বা Local inquiry এর বিধান রয়েছে। ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ সমাধানের উদ্দেশ্যে স্থানীয় অনুসন্ধান প্রয়োজন হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে উক্ত অনুসন্ধান করতে প্রেরণ করতে পারবেন।
-১৪৮ ধারার অধীন স্থানীয় অনুসন্ধানের রিপোর্ট মামলার সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির-১৪৮: স্থানীয় তদন্ত:
(১) যখন এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একটি স্থানীয় তদন্ত প্রয়োজন হয়, তখন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে এই তদন্ত পরিচালনার জন্য নিয়োগ করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার জন্য তাকে লিখিত নির্দেশনা সরবরাহ করতে পারেন। তিনি নির্ধারণ করতে পারেন যে, তদন্তের সমস্ত বা আংশিক ব্যয় কার দ্বারা পরিশোধিত হবে।
(২) এভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির প্রতিবেদন মামলায় প্রমাণ হিসেবে পড়া যেতে পারে।
-------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section-148: Local inquiry:
(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid. 
(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
৬,২১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় বিদেশে বসবাসরত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য অনুরোধপত্র (Letter of Request) পাঠানোর বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৭৫
  2. ধারা ৭৬
  3. ধারা ৭৭
  4. ধারা ৭৮
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৭৭ অনুযায়ী, যদি কোনো সাক্ষী বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করেন, তাহলে কমিশন জারি করার পরিবর্তে আদালত ওই সাক্ষীকে পরীক্ষা করার জন্য অনুরোধপত্র (Letter of Request) পাঠাতে পারে সংশ্লিষ্ট বিদেশি দেশের আদালত বা প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নিকট।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৭ ধারা- অনুরোধপত্র:
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়, এরূপ যে কোন দেশে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার নিমিত্তে আদালত কমিশন প্রেরণ করার বিপরীতে অনুরোধ পত্র প্রেরণ করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 77: Letter of request:
- In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request to examine a witness residing at any place not within Bangladesh.
৬,২১৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতকে মামলা শুনানির যে কোন পর্যায়ে সাক্ষীকে তলব করার ক্ষমতা দেওয়া আছে?
  1. ৫৬০ ধারায়
  2. ৫৪০ ধারায়
  3. ৪৯৮ ধারায়
  4. ৫৬৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ ধারায় বলা হয়েছে যে, ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে কোন আদালত যে কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে সমন করতে পারবেন, বা সাক্ষী হিসেবে সমন করা না হলেও উপস্থিত যে কোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন বা পূর্বে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে, তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারেন।
৬,২১৬.
একজন বেসরকারি ব্যক্তি নিচে বর্ণিত কোন ক্ষেত্রে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেন না?
  1. আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন এমন কাউকে
  2. আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছেন এমন কাউকে 
  3. অপরাধী বলে ঘোষিত কোনো ব্যক্তিকে
  4. জামিনঅযোগ্য অপরাধ করেছেন এমন কাউকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:
 
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৬,২১৭.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইন অনুসারে এস্টপেলের (Estoppel) আবশ্যক উপাদান নয়?
  1. আদালতের পূর্ব অনুমোদন
  2. পরস্পরবিরোধী দাবি উত্থাপন
  3. ঘোষণা বা কাজের মাধ্যমে অন্যকে বিশ্বাস করানো
  4. বিশ্বাসের ভিত্তিতে অন্য পক্ষের অবস্থার পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ক) আদালতের পূর্ব অনুমোদন।
⇒ Estoppel বা স্বকার্যজনিত প্রতিবন্ধকতা হলো সাক্ষ্য আইনের এমন একটি নীতি যার মাধ্যমে কেউ পূর্বে কোনো ঘোষণার মাধ্যমে অন্যকে বিশ্বাস করিয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করালে, পরবর্তীতে সেই পূর্ব ঘোষণাকে অস্বীকার করতে পারে না।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১১৫ অনুযায়ী Estoppel কার্যকর হওয়ার জন্য যে উপাদানগুলো থাকতে হয় তা হলো:
Estoppel-এর আবশ্যক উপাদানসমূহ:
১. ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতি:
- প্রথম ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি এমন কোনো ঘোষণা বা কাজ করেন যা দেখে বা শুনে অন্য ব্যক্তি কোনো বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করে।
২. বিশ্বাস সৃষ্টি:
- ঐ ঘোষণা বা কার্য থেকে অন্য পক্ষ বিশ্বাস করে যে বিষয়টি সত্য।
৩. পরস্পরবিরোধী দাবি:
- পরে প্রথম ব্যক্তি সেই পূর্ব ঘোষণার বিপরীত কোনো দাবি করেন।
৪. বিশ্বাসের ভিত্তিতে অবস্থার পরিবর্তন:
- দ্বিতীয় ব্যক্তি সেই বিশ্বাসে ভিত্তি করে তার অবস্থার পরিবর্তন করেন বা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

⇒ “আদালতের পূর্ব অনুমোদন” Estoppel কার্যকর করার জন্য আবশ্যক কোনো উপাদান নয়।
এটি সম্পূর্ণভাবে পক্ষগণের মধ্যে সংঘটিত ঘোষণার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়, এবং আদালতের অনুমোদন বা অনুমতি এই প্রক্রিয়ায় পূর্বশর্ত নয়।
৬,২১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ অনুযায়ী সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পূর্বে কী করতে হবে?
  1. দুই মাসের নোটিশ সরবরাহ
  2. পুলিশে অনুমোদন নেওয়া
  3. সরকার অনুমোদন নেওয়া
  4. মামলার বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ অনুযায়ী, সরকার বা কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার আগে বাদীকে লিখিত নোটিশ প্রদান করতে হবে, যা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অন্তত দুই মাস (৬০ দিন) আগে জমা দিতে হয়। এই নোটিশে কারণ, বাদীর নাম-ঠিকানা ও দাবিকৃত প্রতিকার উল্লেখ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০: নোটিশ:
(১) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিম্নের অফিসসমূহের লিখিত নোটিশ দেয়ার বা পাঠানোর দুই মাস অতিবাহিত হবার পরে মামলা দায়ের করা চলবে—
i. সরকারে বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলা ব্যতীত - অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের সচিব অথবা জেলা কালেক্টর এবং
ii. রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ের জেনারেল ম্যাজোর এবং কোন সরকারি কর্মকর্তার ক্ষেত্রে তাকে বা তার অফিসে মামলার কারণ, বাদীর নাম ও বাসস্থানের ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবি করে তা উল্লেখ করে নোটিশ দিতে হবে এবং অনুরূপ নোটিশ দেয়া হয়েছে বা পাঠানো হয়েছে বলে আরজিতে একটি বিবৃতি থাকতে হবে।
(২) যে ক্ষেত্রে উপরি-উল্লেখিত মতে নোটিশ না দিয়া বা না পাঠায়ে অথবা উল্লিখিত দুই মাস মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কোন মামলা দায়ের করা হয়, অথবা যেই ক্ষেত্রে আরজিতে উক্ত রূপ নোটিশ প্রদান বা পাঠানের বিষয়ে কোন বিবৃতি থাকে না, সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌঁছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারি কর্মকর্তা বাদীর দাবি মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ নোটিশ ছাড়া কোন মামলা দায়ের করতে হলে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য আদালত সরকারকে কমপক্ষে তিন মাস সময় মঞ্জুর করবেন।
-----------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Section 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,-
(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left.
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit:
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
৬,২১৯.
X একজন সরকারী কর্মচারী X এর স্ত্রী Y একজন মক্কেলকে অবৈধ সুবিধা প্রদানের বিষয়ে তার স্বামীকে পরামর্শ দিবে এই উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেলের নিকট হতে একটি উপহার গ্রহণ করে। সরকারী কর্মচারী X কাজটি সম্পন্ন করে তার স্ত্রী Y-কে সহায়তা করে। পেনাল কোডের অধীন Y এরুপ অপরাধে সহায়তার কারণে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে_____।
  1. ১ বৎসর বিনাশ্রম কারাদন্ড
  2. ১ বৎসর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদন্ড
  3. ২ বৎসর বিনাশ্রম কারাদন্ড
  4. ৩ বৎসর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
♦এক্ষেত্রে X ১৬৪ ধারায় অপরাধ করেছে। ১৬৪ ধারায় সরকারী কর্মচারী কর্তৃক ১৬২ বা ১৬৩ ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহে সহায়তা করার জন্য যে কোন বর্ণনার সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে যার মেয়াদ ৩ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থে দণ্ডে বা উভয়।
৬,২২০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 476 এর অধীনে Complaint দায়ের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে দেওয়ানী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যায়
  2. রিভিশন করা যায়
  3. রিট করা যায়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৭৬-খ ধারার বিধান আপিল (Appeals):

যে ব্যক্তির আবেদনক্রমে কোন দেওয়ানী, রাজস্ব বা ফৌজদারী আদালত ৪৭৬ ধারা বা ৪৭৬ক ধারার অধীন নালিশ করতে অস্বীকার করেছেন সেই ব্যক্তি অথবা যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে এরূপ অভিযোগ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি ১৯৫ ধারার (৩) উপধারার অর্থানুসারে উক্ত আদালতের উর্ধতন আদালতে আপীল করতে পারেন, এবং অতঃপর উর্ধতন আদালতে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়া নালিশ প্রত্যাহারের নির্দেশ দিতে পারেন, অথবা ক্ষেত্ৰ বিশেষে নিজেই সেই নালিশ করতে পারেন যা অধস্তন আদালত ৪৭৬ ধারার অধীন করতে পারতেন, এবং উর্ধতন আদালতে যদি এই নালিশ করেন তাহলে উক্ত ধারার বিধানসমূহ অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।

যে ব্যক্তির আবেদনক্রমে আদালত ৪৭৬ ধারা বা ৪৭৬ক ধারার অধীন নালিশ করতে অস্বীকার করেছেন সেই ব্যক্তি বা যার বিরুদ্ধে এরূপ অভিযোগ করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি উক্ত আদালতের উর্ধ্বতন আদালতে আপিল করতে পারেন।
৬,২২১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় অভিযোগ প্রত্যাহারের প্রভাব বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৩
  2. ধারা ৪৯৪
  3. ধারা ৪৯৫
  4. ধারা ৪৯৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯৪ (Section 494 – Effect of withdrawal from prosecution) অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর (সরকারি কৌঁসুলি) যদি আদালতের সম্মতিক্রমে রায় ঘোষণার আগে কোনো মামলায় অভিযোগ প্রত্যাহার করেন, তাহলে,  এতে অভিযোগ প্রত্যাহারের প্রভাব ব্যাখ্যা করা হয়েছে দুইভাবে:
(ক) চার্জ গঠনের আগে অভিযোগ প্রত্যাহার করলে: আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি (Discharged) দেওয়া হয়।
(খ) চার্জ গঠনের পরে অভিযোগ প্রত্যাহার করলে:ক আসামিকে নির্দোষ ঘোষণার মাধ্যমে খালাস (Acquitted) দেওয়া হয়।

- অতএব, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৪-ই সেই ধারা, যেখানে অভিযোগ প্রত্যাহারের প্রভাব (Effect of withdrawal from prosecution) স্পষ্টভাবে নির্ধারিত।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 494: Effect of withdrawal from prosecution:
- Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal,- 
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences; 
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under this Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৬,২২২.
'Y' এর যে রাস্তায় চলাচলের অধিকার আছে সে পথে 'X' বিঘ্ন সৃষ্টি করে। এতে 'Y' এর চলাচল বাধাগ্রস্থ হয়। 'X' এর কৃত অপরাধ হল?
  1. অন্যায় আটক
  2. অন্যায় অর্পণ
  3. অন্যায়ভাবে বাধা
  4. অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
Wrongful restraint:
Section 339. Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
Illustration 
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৬,২২৩.
দেওয়ানি আদালতে হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের শর্ত কী?
  1. প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে
  2. বিচারকের উপস্থিতিতে গ্রহণ করতে হবে
  3. বিচারকের ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে গ্রহণ করতে হবে
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)-
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

[Witnesses to be examined in open Court-
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.]
৬,২২৪.
প্রশ্নমালা রদের জন্য আবেদন কতদিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১০ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১১ বিধি ৭- প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন:
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে-এই অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, বা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অনাবশ্যকীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন দরখাস্ত করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের ভিতর পেশ করা যেতে পারে।

Order 11 Rule 7: Setting aside and striking out interrogatories:
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.
৬,২২৫.
সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারায় কোন ধরনের তথ্য প্রকাশের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ব্যক্তিগত রেকর্ড
  2. প্রকাশিত সরকারি রেকর্ড
  3. অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড
  4. বৈদেশিক রেকর্ড
ব্যাখ্যা
• Section 123- Evidence as to affairs of State:
No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.

কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় বিষয়াবলী সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড থেকে প্রাপ্ত কোনো প্রমাণ দেওয়ার অনুমতি পাবেন না, সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ব্যতীত। তিনি যথাযথ মনে করলে এই অনুমতি দিতে বা না দিতে পারবেন।
৬,২২৬.
মহানগর এলাকায় কত প্রকার দায়রা জজ আদালত বিদ্যমান?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি আদালত:
ক) দায়রা আদালত: প্রত্যেক বিভাগে নিম্নবর্ণিত দায়রা আদালত থাকবে-
১) দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম দায়রা জজ আদালত।

মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য: (৩ প্রকার)
১) মহানগর দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত।

অন্যদিকে,
খ) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
১) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
২) অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৩) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৪) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৫) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য:
১) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
২) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
৩) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।
৬,২২৭.
একজন লেখক একটি প্রকাশনা সংস্থার সাথে চুক্তি করেছিলেন তিনি একটি উপন্যাস লিখবেন। পরবর্তীতে অন্য প্রকাশনা সংস্থার জন্য তিনি উপন্যাস লিখেন। এক্ষেত্রে প্রথম চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. লেখককে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না। যথা-
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব;
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল ; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে সম্পাদন করা যায় না;
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য;
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত;
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত;
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা;
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়;
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে।

উল্লিখিত প্রশ্নে প্রথম চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। কারণ ২১ ধারায় বলা আছে ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল হলে; তা আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
৬,২২৮.
মৃত প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার তামাদির মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৭৭

মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত
তামাদি- ৯০ দিন
সময় গণনা শুরু- মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর মৃত্যুর তারিখ।
৬,২২৯.
দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা অনুযায়ী, শাস্তির মেয়াদ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে কীভাবে বিবেচনা করা হয়?
  1. ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
  2. ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
  3. ১৫ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
  4. ২৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা অনুযায়ী, শাস্তির মেয়াদ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ৩০ বছর কারাদণ্ডের সমান বলে গণ্য হবে।
- সুতরাং দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে শাস্তির ভগ্নাংশ হিসাব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরতে হবে।
----------
 ⇒ The Penal Code,1860- Section 57: Fractions of terms of punishment:
- In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.

৬,২৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুসারে আমলযোগ্য অপরাধের তথ্য লিখিত হলে তা কে স্বাক্ষর করবেন?
  1. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  2. তথ্যদাতা
  3. ম্যাজিস্ট্রেট
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার মূল বিষয়গুলো হল:
১) থানায় মৌখিক অভিযোগ করলে পুলিশ অফিসার তা লিখে নেবেন
২) লিখিত অভিযোগটি অভিযোগকারীকে পড়ে শোনাতে হবে
৩) অভিযোগকারীকে এতে স্বাক্ষর করতে হবে
৪) অভিযোগের সারাংশ সরকার নির্ধারিত বইয়ে লিখে রাখতে হবে
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
-Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
৬,২৩১.
রাজু একজন আসামী, যার সম্পত্তি ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৭) ধারা অনুযায়ী সরকারের এখতিয়ারভূক্ত হয়েছিল। এক্ষেত্রে সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য ক্রোক করার সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে তাকে আদালতে হাজির হতে হবে এবং প্রমাণ করতে হবে যে, সে পলাতক ছিল না বা সচেতনভাবে পরোয়ানা এড়িয়ে যায়নি?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ২ বছরের মধ্যে
  4. ৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সে যদি ক্রোক করার ২ বছরের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হয় এবং প্রমাণ করতে পারে যে, সে পলাতক ছিলনা বা সচেতনভাবে পরোয়ানা এড়িয়ে যায়নি, তাহলে খরচ বাদ দিয়ে তার সম্পত্তি তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারা- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:
যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এমর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
৬,২৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী, অনলাইনের মাধ্যমে মুচলেকা জমা দেওয়ার সময় জামিনদারের পরিচয় যাচাই করা হয়?
  1. ধারা ৪৯৯(২)
  2. ধারা ৪৯৯(৩)
  3. ধারা ৪৯৮(২)
  4. ধারা ৪৯৭(৩)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯(৩) অনুযায়ী, মুচলেকা আদালতে অনলাইনের মাধ্যমে জমা দেওয়ার সময় জামিনদারের পরিচয় এবং যোগ্যতা যাচাই করা হয়, যা জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্যান্য উপযুক্ত মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
অর্থাৎ, অনলাইনে মুচলেকা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে জামিনদারদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্য উপযুক্ত মাধ্যমে পরিচয় ও যোগ্যতা যাচাই করে নিতে হবে – এই বিধান শুধুমাত্র ৪৯৯(৩)-এ আছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯: অভিযুক্ত এবং জামিনদারদের মুচলেকা:
(১) কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বা তার নিজের মুচলেকায় মুক্তি দেওয়ার আগে, ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত যে পরিমাণ অর্থ যথেষ্ট মনে করেন, সেই পরিমাণ অর্থের জন্য ওই ব্যক্তি কর্তৃক একটি মুচলেকা সম্পাদিত হবে, এবং যখন তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়, তখন এক বা একাধিক যথেষ্ট জামিনদার কর্তৃক এই শর্তে মুচলেকা সম্পাদিত হবে যে, ওই ব্যক্তি মুলেকায় উল্লিখিত সময় এবং স্থানে উপস্থিত থাকবেন, এবং ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত কর্তৃক অন্য কোনো নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকতে থাকবেন।
(২) যদি মামলার প্রয়োজন হয়, তবে মুচলেকাটি জামিনে মুক্ত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত বা অন্য কোনো আদালতে অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য যখনই ডাকা হবে তখনই হাজির হওয়ার জন্যও বাধ্য করবে।
(৩) এই ধারায় উল্লিখিত মুচলেকাটি অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজে, বা তার উকিলের মাধ্যমে, অথবা আদালত কর্তৃক অনুমোদিত হলে অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্য কোনো উপযুক্ত মাধ্যমে জামিনদারদের পরিচয় এবং যোগ্যতা যাচাই সাপেক্ষে, আদালতে জমা দিতে পারেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 499.Bond of accused and sureties:
(1) Before any person is released on bail or released on his own bond, a bond for such sum of money as the police-officer or Court, as the case may be, thinks sufficient shall be executed by such person, and, when he is released on bail, by one or more sufficient sureties conditioned that such person shall attend at the time and place mentioned in the bond, and shall continue so to attend until otherwise directed by the police-officer or Court, as the case may be.
(2) If the case so require, the bond shall also bind the person released on bail to appear when called upon at the High Court Division, Court of Session or other Court to answer the charge.
(3) The bond referred to in this section may be submitted to the Court by the accused in person, or through his pleader, or through online system, as permitted by the Court, subject to verification of the identity and eligibility of the sureties through their National Identification Number or any other appropriate means.

৬,২৩৩.
মোকদ্দমা দায়ের করার শেষ দিন ছিল ০১.০১.২০১৬। কিন্তু ৩০শে ডিসেম্বর ২০১৫ থেকে ০৫ জানুয়ারী ২০১৬ পর্যন্ত আদালত বন্ধ ছিল, এই ক্ষেত্রে মামলা দায়ের করতে হবে কবে?
  1. ২৯ ডিসেম্বর ২০১৫
  2. ৬ জানুয়ারী ২০১৬
  3. জানুয়ারী মাসের যে কোন দিন
  4. পরবর্তী ৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♣♣ 
• মামলা দায়ের করার শেষ দিন ছিল ০১.০১.২০১৬, কিন্তু ৩০.৫.২০১৫ থেকে ৫.১.২০১৬ পর্যন্ত আদালত বন্ধ থাকায় ৬ জানুয়ারি মামলা দায়ের করতে হবে;
• কেননা তামাদি আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়েরের শেষ দিন আদালত বন্ধ থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে মামলা দায়ের করতে হবে। 
৬,২৩৪.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪৭৮ এ কোনটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ট্রেডমার্ক
  2. প্রোপার্টি মার্ক
  3. জাল দলিল
  4. কপিরাইট
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৭৮- ট্রেডমার্ক:
- যে চিহ্নটি কোন পণ্য বা মালামাল নির্দিষ্ট ব্যক্তির উৎপাদন বা বাণিজ্যের নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে ট্রেডমার্ক বলা হয়, এবং এই কোডের উদ্দেশ্যে "ট্রেডমার্ক" শব্দের মধ্যে যেকোনো ট্রেডমার্ক অন্তর্ভুক্ত থাকবে যা ১৮৮৩ সালের পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক আইন অনুযায়ী ট্রেডমার্ক রেজিস্টারে নিবন্ধিত, এবং যেকোনো ট্রেডমার্ক যা নিবন্ধন থাকা বা না থাকা সত্ত্বেও কোনো ব্রিটিশ অধিভুক্ত অঞ্চল বা বিদেশী রাষ্ট্রে আইন দ্বারা সুরক্ষিত, যেখানে ১৮৮৩ সালের পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক আইনের ১০৩ ধারা, সরকারি আদেশের মাধ্যমে, সংশ্লিষ্ট সময়ে প্রযোজ্য হয়েছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-478. Trade mark:
- A mark used for denoting that goods are the manufacture or merchandise of a particular person is called a trade mark, and for the purposes of this Code the expression "trade mark" includes any trade mark which is registered in the register of trade marks kept under the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, and any trade mark which, either with or without registration, is protected by law in any British possession or Foreign State to which the provisions of the one hundred and third section of the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, are, under Order-in-Council, for the time being applicable.

৬,২৩৫.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের মৌখিক বিবরণ কখন মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. যখন দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়
  2. যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি দলিল সম্পর্কে শুনেছেন
  3. যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি নিজে দলিলটি দেখেছেন
  4. যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনুমান ভিত্তিক মতামত দেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি নিজে দলিলটি দেখেছেন। 
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩(৫) ধারা অনুসারে, দলিলের মৌখিক বিবরণ তখনই মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয়, যদি বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি নিজে দলিলটি প্রত্যক্ষভাবে দেখেন। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি দলিলের মূল কপি দেখেছেন এবং তার ভিত্তিতে মৌখিক বিবরণ দিচ্ছেন, কেবল তার সাক্ষ্যই মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলি রয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 63. Secondary evidence:
-"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."
৬,২৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় অপরাধের আপস মীমাংসা কি বলে গণ্য হবে?
  1. অভিযুক্তের খালাস
  2. অভিযুক্তের মুক্তি
  3. অভিযুক্তের অব্যাহতি
  4. অভিযুক্তের দণ্ড
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 

• ৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।

• দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে ধারা।

৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।

• প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
৬,২৩৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর না করার কারণসমূহ বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫৩
  2. ধারা ৫৪
  3. ধারা ৫৬
  4. ধারা ৫৭
ব্যাখ্যা

⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। ৫৬ ধারা অনুসারে ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.

৬,২৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অপরাধের আপোস (Compounding of Offences) বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা-৩৪৩ 
  2. ধারা-৩৪৫ 
  3. ধারা-৩৪৬ 
  4. ধারা-৩৪৮ 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩৪৫ (Compounding of offences)-এ অপরাধের আপোস বা সমঝোতার (compounding) সম্পূর্ণ বিধান দেওয়া আছে। এই ধারায় দুটি টেবিলের মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে:
- কোন কোন অপরাধ আদালতের অনুমতি ছাড়াই সমঝোতা করা যায় (যেমন: আঘাত, মানহানি, অপমান ইত্যাদি) এবং কে সমঝোতা করতে পারবে (সাধারণত ভুক্তভোগী ব্যক্তি)।
- কোন কোন অপরাধ আদালতের অনুমতি নিয়ে সমঝোতা করা যায় (যেমন: গুরুতর আঘাত, চুরি, প্রতারণা ইত্যাদি)।
ধারা ৩৪৫(৬) অনুসারে, সমঝোতা হলে অভিযুক্তের খালাস (acquittal) হয়। ধারা ৩৪৫(৭) বলে, এই ধারায় উল্লিখিত ছাড়া অন্য কোনো অপরাধ সমঝোতা করা যাবে না।

অর্থাৎ এই ধারা বলে যে, কিছু নির্দিষ্ট অপরাধে অভিযোগকারী (ভুক্তভোগী) এবং অভিযুক্ত পক্ষ পরস্পর সমঝোতা (আপোস) করে মামলা শেষ করতে পারেন। সমঝোতা হলে আদালত অভিযুক্তকে খালাস (acquittal) দিয়ে দেন, অর্থাৎ মামলা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায় এবং একই অপরাধে আবার মামলা করা যায় না।

এছড়াও,
খালাসের প্রভাব (ধারা ৩৪৫(৬)): সমঝোতা হলে অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হয়।
১৮ বছরের কম বয়সী/অক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রে (ধারা ৩৪৫(৪)): অভিভাবক বা প্রতিনিধি আদালতের অনুমতি নিয়ে সমঝোতা করতে পারেন।
বিচার চলাকালীন বা আপিলে (ধারা ৩৪৫(৫)): আদালতের অনুমতি নিতে হয়।
শুধুমাত্র এই ধারায় উল্লিখিত অপরাধই সমঝোতা করা যায় (ধারা ৩৪৫(৭))। অন্য কোনো অপরাধ (যেমন: খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি) আপোস করা যায় না।
আদালতের সহায়তা (ধারা ৩৪৫(৮)): আধুনিক সংশোধনীতে আদালত নিজে থেকে আপোস প্রক্রিয়া সহজ করে দিতে পারে, লিগ্যাল এইড অফিসার বা আইনজীবীর মাধ্যমে সমঝোতা করাতে পারে এবং চুক্তি রেকর্ড করে আদেশ দিতে পারে।

৬,২৩৯.
কোন পরিস্থিতিতে নেক্সট ফ্রেন্ডকে অপসারণের জন্য আবেদন করা যেতে পারে?
  1. যদি নেক্সট ফ্রেন্ডের স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী হয়
  2. যদি নেক্সট ফ্রেন্ড তার কর্তব্য পালন না করে
  3. মোকদ্দমা চলাকালীন বাংলাদেশে অবস্থান করা থেকে বিরত থাকলে
  4. উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৯: নেক্সট ফ্রেন্ডের অপসারণ:
(১) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ডের স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী হয় কিংবা যেক্ষেত্রে সে এমন বিবাদির সাথে এমনভাবে জড়িত যে যার স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী যদরুন তার দ্বারা উক্ত নাবালকের স্বার্থ সঠিক সংরক্ষণ অসম্ভব বা যেক্ষেত্রে সে তার কর্তব্য সম্পাদন করে না বা মোকদ্দমার বিচার চলাকালে বাংলাদেশে বসবাস করা হতে বিরত থাকে অথবা অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে নাবালকের তরফ হতে বা বিবাদি কর্তৃক তার অপসারণের জন্য আবেদন করা যাবে এবং আদালত যদি প্রদর্শিত কারণের যথার্থতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, তবে নেক্সট ফ্রেন্ডকে তদানুসারে অপসারণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন এবং খরচাদি সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক এতদুদ্দেশ্যে কোন উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত বা ঘোষিত হয়নি এবং অনুরূপ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক নেক্সট ফ্রেন্ডের স্থলে স্বয়ং নিযুক্ত হতে ইচ্ছা পোষণ করে আবেদন লিপিবদ্ধ করে মনে করেন যে, উক্ত অভিভাবককে নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ডরূপে নিযুক্ত করা উচিত নয় এবং আবেদনকারীকে তার স্থলে আদালতের বিবেচনা মত মোকদ্দমায় ব্যয়িত যেরূপ খরচাদি হয়েছে তৎসম্পর্কে শর্তাবলী সাপেক্ষে নেক্সট ফ্রেন্ডরূপে নিযুক্ত করবে।
৬,২৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, In every trial before a __________, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
  1. Court of Magistrate
  2. Court of Session
  3. Court of Commission
  4. all of above
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৫ক অনুসারে,
দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

Section 265A- Trial to be conducted by Public Prosecutor:
In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
৬,২৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে (preventive arrest) পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ১০৭
  3. ধারা ১৫১
  4. ধারা ১৫৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫১ অনুযায়ী যদি কোনো পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে অবগত হন এবং তার কাছে প্রতীয়মান হয় যে অপরাধটি অন্যভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা পরোয়ানা ছাড়াই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার বিধান- আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে গ্রেফতার:

কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হন এবং তাঁর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 151- Arrest to prevent such offences:
A police-officer knowing of a design to commit any cognizable offence may arrest, without orders from a Magistrate and without a warrant, the person so designing, if it appears to such officer that the commission of the offence cannot be otherwise prevented.

৬,২৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে কী উল্লেখ আছে?
  1. দায়রা আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
  2. ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
  3. ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
  4. হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা সংক্রান্ত বিধানসমূহ উল্লেখ থাকে।
অর্থাৎ, ম্যাজিস্ট্রেটগণ কী ধরনের ক্ষমতা ও কর্তব্য পালন করবেন, তা এই তফসিলে বর্ণিত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
i) ১ম তফসিল (First Schedule) - বাতিল।
ii) ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।
iv) ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
v) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
৬,২৪৩.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৪ অনুসারে, নিচের কোন শর্তে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই কোনো অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. যখন অপরাধটি আমল অযোগ্য
  2. যখন অপরাধী একজন পলাতক
  3. যখন অপরাধী একজন সরকারি কর্মচারী হয়
  4. যখন কোনো অপরাধ তার উপস্থিতিতে সংঘটিত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৪ অনুসারে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই কোনো অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেন যখন কোনো অপরাধ তার উপস্থিতিতে সংঘটিত হয়।
সুতরাং, যখন কোনো অপরাধ তার উপস্থিতিতে সংঘটিত হয় - এই শর্তে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ - ধারা ৬৪: ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সংঘটিত অপরাধ:
- যখন কোনো অপরাধ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের (হতে তিনি নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটই হোন) উপস্থিতিতে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন তিনি নিজেই অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেন বা কোনো ব্যক্তিকে অপরাধীকে গ্রেফতার করার আদেশ দিতে পারেন এবং তদনুসারে, জামিন সংক্রান্ত এতদ্দ্বারা প্রণীত বিধানাবলি সাপেক্ষে, অপরাধীকে হেফাজতে প্রেরণ করতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-64: Offence committed in Magistrate's presence:
- When any offence is committed in the presence of a Magistrate [whether Executive or Judicial] within the local limits of his jurisdiction, he may himself arrest or order any person to arrest the offender, and may thereupon, subject to the provisions herein contained as to bail commit the offender to custody.

৬,২৪৪.
সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারার বিধান কী?
  1. প্রমাণের দায়
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণার
  3. ডিজিটাল রেকর্ড
  4. স্বীকৃতি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ১৭ ধারায় স্বীকৃতি বা স্বীকারোক্তির সংজ্ঞা দেয়া আছে: স্বীকৃতি হইতেছে মৌখিক বা লিখিত উক্তি যা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তের সূচনা করে এবং যাহা পরে বর্নিত ব্যক্তিদের মধ্যে কেহ বর্নিত পরিস্থিতি তে করে।

♦ সাক্ষ্য আইন ১৭ ধারার বিধান স্বীকৃতির সংজ্ঞা: স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা দালিলিক বিবৃতি অথবা ডিজিটাল রেকর্ড যা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক ঘটনা প্রসঙ্গে কোনো অনুমানের ইঙ্গিত দেয়, এবং যা এ আইনের পরবর্তীতে বর্ণিত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যে কেউ কর্তৃক প্রদত্ত হয়।
৬,২৪৫.
একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হলে, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক অনুযায়ী বাদীকে প্রদত্ত নোটিশের খরচ কে বহন করবে?
  1. আদালত
  2. বাদী
  3. বিবাদী
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত পক্ষ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল:
(১) বিধি-১৩ বা অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানোর এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে বিবাদীকে বিধি-১৩ অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন ছাড়াই সরাসরি ডিক্রি রদ করতে পারবে, তবে আদালত বিবাদীকে অনধিক তিন হাজার টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে:

শর্ত থাকে যে, আদালত এই বিধির অধীনে ডিক্রি রদ করবে না, যদি না বিবাদী, যিনি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করেছেন, ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ডিক্রি রদের জন্য একটি আবেদনপত্র, এফিডেভিট সহ, আদালতে জমা দেন।

আরও শর্ত থাকে যে, একই বিবাদীর পক্ষ থেকে এই বিধির অধীনে একাধিকবার ডিক্রি রদ করা যাবে না।

(২) উপ-বিধি (১) অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হওয়ার সাথে সাথে আদালত বাদীকে এ বিষয়ে নোটিশ প্রদান করবে, এবং এর খরচ বিবাদী বহন করবে।

৬,২৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারায় কোনো স্থানে তল্লাশি করতে হলে কমপক্ষে কতজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশিটি করতে হবে?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈরী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সই দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
৬,২৪৭.
পেনাল কোডের ৩২৫ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তি বর্ণিত আছে?
  1. Voluntarily causing hurt by dangerous weapon or means
  2. Voluntarily causing grievous hurt
  3. Voluntarily causing grievous hurt by dangerous weapon or means
  4. Voluntarily causing grievous hurt by corrosive substances etc
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৩২৫ ধারায় স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের (Voluntarily causing grievous hurt) শান্তি রয়েছে: কোন ব্যক্তি, যদি ৩৩৫ ধারার বিধান সাপেক্ষে, স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে ।
৬,২৪৮.
দণ্ডবিধির ৪৪ ধারানুযায়ী ক্ষতি (Injury) বলতে কি বুঝায়?
  1. অবৈধভাবে কোন ব্যক্তির দেহ বা মনে কোনরূপ ক্ষতি সাধন করা
  2. অবৈধভাবে কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে কোনরূপ ক্ষতি সাধন
  3. অবৈধভাবে কোন ব্যক্তির সুনামে কোনরূপ ক্ষতি সাধন করা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান ক্ষতি:- যদি কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয় তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।
-----------------------------------
♦“Injury”- Section 44. The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
৬,২৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. অপরাধীর গ্রেপ্তার
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা
  3. তদন্ত প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা
  4. দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করার প্রধান উদ্দেশ্য হল দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা [ Search-warrant ] ইস্যুর বিধান রয়েছে।
- ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ⅱ) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 96. When search-warrant may be issued:
(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৬,২৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আদালত কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন?
  1. কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে।
  2. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে।
  3. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে।
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
-------------------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 96:When search-warrant may be issued:
(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate] to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৬,২৫১.
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারা অনুসারে, ডিজিটাল সিগনেচার সার্টিফিকেট ইস্যুকারী সার্টিফাইং অথরিটির মতামত কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ
  2. প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  3. অপ্রাসঙ্গিক তথ্য
  4. শুধুমাত্র মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারা অনুসারে, আদালত যখন কোনো ব্যক্তির ডিজিটাল সিগনেচার সম্পর্কে মতামত গঠন করতে চায়, তখন সার্টিফাইং অথরিটি (Certifying Authority)-এর মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা (Relevant Fact) হিসেবে বিবেচিত হয়। সার্টিফাইং অথরিটি হলো সেই প্রতিষ্ঠান যা ডিজিটাল সিগনেচার সার্টিফিকেট ইস্যু করে এবং ডিজিটাল সিগনেচারের সত্যতা ও বৈধতা যাচাই করে।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার মতে, ডিজিটাল সিগনেচার সার্টিফিকেট ইস্যুকারী সার্টিফাইং অথরিটির মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি আদালতকে সাহায্য করে ডিজিটাল স্বাক্ষরের বৈধতা সম্পর্কে মতামত গঠন করতে, তবে এটি চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয় না।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 47A. Opinion as to digital signature where relevant:
When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
৬,২৫২.
কোন ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না?
  1. উক্ত মামলার তদন্তে অংশগ্রহণ করে থাকলে
  2. উক্ত মামলার এফআইআর/জিডি রেকর্ড করলে
  3. ক এবং খ
  4. কোন ক্ষেত্রেই প্রদান করা যাবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদবিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোন ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু এটর্নি জেনারেল, সরকারী সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।

(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লেখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

(৩) বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তি তা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন এডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।

(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

Section 495- Permission to conduct prosecution
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.

(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.

(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.

(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.
৬,২৫৩.
সহকারী জজ আদালতের সর্বোচ্চ আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. ৫ লক্ষ টাকা
  2. ১০ লক্ষ টাকা
  3. ১৫ লক্ষ টাকা
  4. ২৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান: আর্থিক এখতিয়ার: অন্যত্র সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত না থাকলে এই কোর্ডের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমানার (যদি থাকে) অধিক মূল্য সম্পন্ন বিষয়বস্তুর মামলা বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।
⇒ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-(ধারা-১৮ ও ১৯)
১.সহকারী জজ আদালতে (The Court of Assistant Judge)- ১৫ লক্ষ পর্যন্ত
২. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)- ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে (The Court of Joint District Judge)- ২৫ লক্ষ এর উপরে
-------------------------
⇒CPC Section-6. Pecuniary Jurisdiction:
-Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.
⇒ The Civil Court Act, 1887 Section-19:
(1) Save as otherwise provided by any enactment for the time being in force, the jurisdiction of a Senior Assistant Judge and an Assistant Judge shall extend to all suits of which the value does not exceed 25 (twenty five) lac Taka and 15 (fifteen) lac Taka respectively.
(2) The District Judge shall transfer the suit or proceeding pending before the Joint District Judge Court or the Senior Assistant Judge Court to the competent court within 90 (ninety) days from the date of enforcement of the Civil Courts (Amendment) Act, 2021.
(3) If any suit or proceeding is transferred under sub-section (2), the suit or proceeding shall start from the stage at which it was transferred.
৬,২৫৪.
ধারা ২৮ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. যদি প্রতিদানের পরিমাণ যথাযথ না হয়
  2. যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে চুক্তি করা হয়
  3. যদি চুক্তি মৌখিকভাবে সম্পাদিত হয়
  4. যদি চুক্তিতে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে এবং তা যথাযথ হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না:

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না:
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;

(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;

(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।

তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।

Section 28- What parties cannot be compelled to perform:

Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases:
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff; 

(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled; 

(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise:
Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced.
৬,২৫৫.
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর কত বিধিতে আইনজীবীর শপথ সংক্রান্ত বিধান করা হয়েছে?
  1. ৬০ বিধি
  2. ৬০ক বিধি
  3. ৬২ বিধি
  4. ৬৪ বিধি
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৬২:
(১) যেখানে বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটি আবেদন গ্রহণ করে, সেখানে বার কাউন্সিল ফর্ম বি অনুযায়ী একটি এন্ট্রোলমেন্ট সনদ প্রস্তুত করবে এবং আবেদনকারীর প্র্যাকটিসের জায়গার স্বীকৃত বার অ্যাসোসিয়েশনে তার এন্ট্রোলমেন্টের খবর পাঠানো হবে।

(২) সনদ আবেদনকারী বার অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে বার কাউন্সিল থেকে আবেদন করার পর এবং বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসেবে যোগদানের পর নির্ধারিত নিয়ম ও শর্ত পূরণের ভিত্তিতে দেওয়া হবে। এরপর তিনি নিম্নলিখিত শপথ গ্রহণ করবেন:

অ্যাডভোকেটের শপথ:
আমি, _____, শপথ নিয়ে প্রতিজ্ঞা করছি যে আমি সর্বদা আমার পেশার মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা করব, আমার ব্যক্তিগত সন্মান ও সততা বজায় রাখব এবং পেশাগত আচরণবিধি মেনে চলব। আমি বাংলাদেশের সংবিধান রক্ষা, সুপ্রিমেসি বজায় রাখা এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় সর্বদা সতর্ক থাকব। আমি কোনো সংবিধান বিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করব না এবং একটি এমন সমাজ নির্মাণে কাজ করব যেখানে আইন শাসন, মৌলিক মানবাধিকার, স্বাধীনতা, সমতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত থাকবে।

(৩) কোনো অ্যাডভোকেট তার পূর্বের বার অ্যাসোসিয়েশন বদলে বা অন্য কোনো বার অ্যাসোসিয়েশনে যোগ দিতে পারবে না বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া। এমন অনুমতির জন্য আবেদন জমা দিতে হবে এবং সঙ্গে ১,০০০ টাকা জমা দিতে হবে।

(৪) কোনো বার অ্যাসোসিয়েশন অন্য কোনো বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যকে তার সদস্য হিসেবে গ্রহণ করবে না বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া। অনুমতি ছাড়া বার পরিবর্তন স্বীকৃত হবে না।

(৫) বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেটের এন্ট্রোলমেন্ট স্থগিত বা বাতিল করতে পারে এবং সনদ প্রত্যাহার করতে পারে যদি প্রমাণিত হয় যে এন্ট্রোলমেন্টের সময় জমাকৃত শিক্ষাগত সনদ জালিয়াতিপূর্ণ বা মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বার কাউন্সিল অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে।
৬,২৫৬.
দেওয়ানি কারাগারে আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি সঠিক নয়?
  1. সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না।
  2. কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।
  3. কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না।
  4. কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে।
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৫৫ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তিকে যে কোন দিনে ডিক্রী জারীর জন্য সাব্যস্ত দেনাদারকে গ্রেফতার করা যাবে ও দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা যাবে।
• আটক ২ প্রকার- (১) আইনী আটক (২) বেআইনী আটক।
•আইনী আটক আবার ২ প্রকার যথা- (১) নিবারন মূলক আটক (২) শাস্তি মূলক আটক।

• কোন দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য কোন বাসগৃহে সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে প্রবেশ করা যাবে না।
• উল্লেখ্য যে, কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।
-------------
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান গ্রেফতার ও আটক: ডিক্রি জারির জন্য কোন ডিক্রি দায়িককে যে কোন সময় এবং যে কোন দিনে গ্রেফতার করা যাবে এবং দেওয়ানি কারাগারে তাকে আটক রাখা যাবে। তবে উক্ত ব্যক্তিকে আটক করার জন্য-
- সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না;
- কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না;
- কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।

তবে শর্ত থাকে যে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রিতে ডিক্রি দায়িককে গ্রেফতার করার পর ডিক্রি দায়িক ডিক্রির টাকা ও গ্রেফতারের খরচ গ্রেফতারকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করলে উক্ত কর্মকর্তা দায়িককে অবিলম্বে মুক্তি দিবে। এছাড়া ডিক্রি দায়িক দেউলিয়া হলে তাকে মুক্তি দেয়া যাবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানি কারাগারে আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে "কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে" বিষয়টি সঠিক নয়।
অর্থাৎ কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।
৬,২৫৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার বিধান প্রয়োগের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ৮ ও ৯
  2. ১২ ও ২২
  3. ৩১ ও ৩৯
  4. ৪২ ও ৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্র বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩);
৯. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ (ধারা ২২)।

⇒ আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
৬,২৫৮.
"বিদেশি সমন জারি" এর বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৩২ ধারা
  2. ৩১ ধারা
  3. ২৯ ধারা
  4. ২৮ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৯ ধারায় "বিদেশি সমন জারি" বা "Service of foreign summonses" উল্লেখ আছে।
- বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত আদালতের সমন কোন পদ্ধতিতে দেশের ভেতর জারি করা হবে, সেই পদ্ধতি দেয়া হয়েছে। এ পদ্ধতি শুধুমাত্র দেওয়ানি সমনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৯ ধারা বিদেশি সমন জারি:
বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোন দেওয়ানী অথবা রাজস্ব আদালতের সমন এবং অন্যান্য ওয়ারেন্ট বাংলাদেশের আদালতসমূহে প্রেরণ করা যেতে পারে এবং
উক্ত সমন অনুরূপ আদালত মারফত প্রদত্ত সমন হিসাবে জারি করা যেতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে অনুরূপ আদালত সমূহে এই ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে ঘোষণা করবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 29: Service of foreign summons:
- Summons and other processes issued by any Civil or Revenue Court situated outside Bangladesh may be sent to the Courts in Bangladesh and served as if they were summonses issued by such Courts:
Provided that the Government has by notification in the official Gazette declared the provisions of this section to apply to such Courts.
৬,২৫৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৫, বিধি-২ অনুযায়ী, ইন্টারপ্লিডার মামলায় দাবিকৃত বস্তু কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. ব্যাংক লকারে
  2. পুলিশ কাস্টডিতে
  3. আদালতের হেফাজতে
  4. স্থানীয় প্রশাসনের কাছে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXXV, Rule 2 অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দেওয়া বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, তখন বাদীকে কোনো আদেশ পাওয়ার পূর্বে তা আদালতের হেফাজতে জমা দিতে বলা যেতে পারে। এভাবে নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি নিরাপদ ও নিরপেক্ষভাবে আদালতের হেফাজতে থাকে, যাতে দুই পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৫, বিধি-২: দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দেয়া:
যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তুটি আদালতে জমা দিবার বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে উহা অনুরূপভাবে জমা দিতে বা স্থাপন করতে নির্দেশ দেয়া যাবে।
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-35 Rule-2. Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.
৬,২৬০.
নিম্নের কোন দলিলটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. মূল বিক্রয় দলিল
  2. মূল বন্ধকী দলিল
  3. মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
  4. মূল বিক্রয় দলিলের খসড়া
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

♦ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভূক্ত হয়ঃ
(১) বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এইরুপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরুপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিসয় বস্তু সম্পর্কে মৌক্ষিক বিবরণ।

উদাহরণঃ
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকিলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

♦ অর্থাৎ মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
৬,২৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারা কী নিয়ে আলোচনা করে?
  1. সাক্ষীর জবানবন্দি
  2. বিকল্প রায় প্রদান
  3. মৃত্যুদণ্ডের আপিল
  4. পুলিশ তদন্ত ত্বরান্বিত করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) বিকল্প রায় প্রদান:
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় আলোচনা করা হয়েছে বিকল্প রায় প্রদান সম্পর্কিত। এই ধারার অধীনে, যদি আদালত কোনও অপরাধের ক্ষেত্রে সন্দেহ করে যে, দণ্ডবিধির কোন দুটি ধারা বা একই ধারার দুটি অংশের মধ্যে কোনটি অভিযুক্ত অপরাধের সাথে প্রযোজ্য, তাহলে আদালত বিকল্প রায় প্রদান করবে। অর্থাৎ, আদালত এই সন্দেহের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করবে এবং বিকল্পভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। এটি অপরাধের ধরন এবং সঠিক দণ্ড নিশ্চিত করতে সহায়ক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৭(৩)- বিকল্প রায়:
- দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 367(3)- Judgment in alternative:
- When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
৬,২৬২.
What is the primary duty of a police officer under Section 149?
  1. To arrest criminals only
  2. To Assist the court in trials
  3. To prevent the commission of any cognizable offence
  4. To investigate crimes after they have been committed
ব্যাখ্যা
Section 149- Police to prevent cognizable offences:
Every police-officer may interpose for the purpose of preventing, and shall, to the best of his ability, prevent, the commission of any cognizable offence.
 
ধারা ১৪৯: পুলিশ কর্তৃক আমলযোগ্য অপরাধ প্রতিরোধ:
প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা যে কোনো আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) সংঘটিত হওয়ার প্রতিরোধে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন এবং তাঁর সর্বোচ্চ ক্ষমতা অনুযায়ী, সেই অপরাধের সংঘটন প্রতিরোধ করবেন।
৬,২৬৩.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১২৬ ধারায় কাদের মধ্যকার তথ্য আদান-প্রদানের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. স্বামী এবং স্ত্রীর
  2. আইনজীবী এবং তার মক্কেলের
  3. বিচারক এবং আইনজীবীর
  4. আইন উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১২৬ ধারায় আইনজীবী এবং তার মক্কেলের মধ্যকার তথ্য আদান-প্রদানের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

এই ধারা অনুযায়ী, একজন আইনজীবী তার মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত নিম্নলিখিত তথ্যগুলি প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না:
১. তার নিযুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে মক্কেল বা মক্কেলের প্রতিনিধি থেকে প্রাপ্ত যে কোনো তথ্য বা যোগাযোগ।
২. তার নিযুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে যে কোনো দলিলের বিষয়বস্তু বা অবস্থা যার সাথে তিনি পরিচিত হয়েছেন।
৩. তার নিযুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি যে কোনো পরামর্শ তার মক্কেলকে দিয়েছেন।

এই ধারার উদ্দেশ্য হলো- আইনজীবী ও মক্কেলের মধ্যে বিশ্বাস ও গোপনীয়তা রক্ষা করা যাতে মক্কেল নিঃসংকোচে তথ্য প্রদান করতে পারেন।
৬,২৬৪.
কেউ নিজের সম্পত্তি প্রতারণামূলকভাবে গোপন করলে, দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারার অধীনে কী ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. নিজের সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা: অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন করা:
যে ব্যক্তি অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে নিজের বা অন্যকারো সম্পত্তি গোপন করে অথবা অপসারণ করে, অথবা এমন কাজে সহায়তা করে যা সম্পত্তি গোপন বা অপসারণে সহায়তা করে, অথবা নিজের কোনো দাবি বা দাবির ছেড়ে দেয় যা তার অধিকারভুক্ত, তাকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever dishonestly or fraudulently conceals or removes any property of himself or any other person, or dishonestly or fraudulently assists in the concealment or removal thereof, or dishonestly releases any demand or claim to which he is entitled, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
৬,২৬৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪৯ ধারার বিধান মতে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে মামলাটি __________ করবেন।
  1. মুলতুবি
  2. স্থগিত
  3. বন্ধ
  4. খারিজ
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর  ২৪৯ ধারামতে নালিশি মামলা (CR Case) ব্যতীত অন্য কোনভাবে দায়েরকৃত মামলাতে ফরিয়াদি না থাকলে, মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা প্রথম শ্রেনীর ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুমতিক্রমে যেকোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালাস বা দন্ডের রায় প্রদান না করে মামলার কার্যক্রম বন্ধ রেখে আসামিকে মুক্তি (Release) দিতে পারেন।

♦ নালিশি মামলা বা CR Case-এর ক্ষেত্রে ২৪৯ ধারা প্রযোজ্য নয়।
৬,২৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারায় হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত _________।
  1. প্রাসঙ্গিক
  2. অপ্রাসঙ্গিক
  3. অনুমিত
  4. চূড়ান্ত প্রমাণ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারা- হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক:
একটি দলিল কোন ব্যক্তির দ্বারা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্বন্ধে আদালতকে যখন কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন যে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হচ্ছে বা হয়নি এ মর্মে উক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত কোন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক পরিগণিত।

ব্যাখ্যা- এক ব্যক্তি যেক্ষেত্রে অন্য এক ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে অথবা যেক্ষেত্রে সে ব্যক্তির নিকট প্রেরিত নিজের লেখার বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন নথির উত্তরে তার নিকট হতে তার দ্বারা লিখিত বলে প্রতীয়মান নথি পেয়েছে প্রতীয়মান কাগজপত্র বরাবর তার নিকট দাখিল হয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত ব্যক্তির শেষোক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে ধরা হয়।

⇒ উক্ত ধারামতে, একজন ব্যক্তির অভিমত অন্য ব্যক্তির হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে তখন প্রাসঙ্গিক হবে, যখন কোন ব্যক্তি-
- অপর ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে;
- অপর ব্যক্তির লিখিত কোন দলিল পেয়েছে;
- স্বাভাবিক কাজকর্ম হিসেবে যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত হয়েছে।
৬,২৬৭.
ডাকাত ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি ডাকাতির মাল রাখলে বা গ্রহণ করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন
  4. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪১২ ধারা মতে ডাকাত ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি ডাকাতির মাল রাখলে বা গ্রহণ করলে শাস্তি হবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
৬,২৬৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আপিলে মধ্যস্থতা
  2. আপিলে সাক্ষ্যগ্রহণ
  3. আপিলে ডিক্রির সংশোধন
  4. উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ (Section 89C) আপিল আদালতে মধ্যস্থতার (mediation in appeal) বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি আদেশ ৪১ এর অধীন কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হয় এবং তা মূল পক্ষগণ বা তাদের স্থলাভিষিক্তদের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা অন্য কারো মাধ্যমে মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে।
- এ ধারায় সাক্ষ্যগ্রহণ বা ডিক্রির সংশোধন সংক্রান্ত কোনো বিধান নেই।
- অতএব, একমাত্র সঠিক উত্তর হলো — ক) আপিলে মধ্যস্থতা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
৬,২৬৯.
কোনো দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত আদালতের এখতিয়ার নিয়ে আপত্তি আপিল আদালত কোন বিবেচনায় মঞ্জুর করতে পারে?
  1. বাদীর কোনো ভুলের কারণে
  2. ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার কারণে
  3. এখতিয়ারের অনিশ্চয়তা নিয়ে বিবৃতি লিপিবদ্ধ না করার কারণে
  4. বিবাদীর আবেদনের কারণে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ ধারার বিধান: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপিল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপিল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

৬,২৭০.
কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার ক্ষেত্রে কোন বিধান মানা বাধ্যতামূলক?
  1. নারী পুলিশ সদস্য দ্বারা করতে হবে
  2. শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে
  3. পরিবারের সদস্যের উপস্থিতিতে করতে হবে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী-

কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।
 
Section 52: Mode of searching women-
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৬,২৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী তদন্ত রিপোর্ট (interim report) কে চাইতে পারেন?
  1. পুলিশ কমিশনার 
  2. জেলা পুলিশ সুপার
  3. সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট
  4. 'ক' অথবা 'খ' 
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা ১৭৩A (১) অনুসারে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার বা সমতুল্য পদমর্যাদার অন্য কোনো কর্মকর্তা যিনি তদন্ত তদারকি করছেন, তিনি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।
- সুতরাং, পুলিশ কমিশনার (ক) এবং জেলা পুলিশ সুপার (খ) উভয়েই এই অন্তর্বর্তী রিপোর্ট চাইতে পারেন। তাই সঠিক উত্তর হল ঘ) 'ক' অথবা 'খ'। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।
(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।
(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
---------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, 173A. Interim investigation report, etc.- 
(1) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) of section 173, before completion of an investigation of any case under this Chapter, the Police Commissioner or the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may require the Investigating Officer to submit an interim investigation report as to the progress of the investigation of the case.
(2) If the interim investigation report, as required, discloses that there is insufficient evidence against any accused, the Police Commissioner, the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may direct the Investigating Officer to submit the report to the Magistrate and upon receipt of such report, the Magistrate or the Tribunal, as the case may be, may, if satisfied, order to discharge such accused subject to sub-section (3), without prejudice to the continuation of investigation against the remaining accused persons.
(3) Notwithstanding the discharge of any accused under sub-section (2), if, upon completion of the investigation, it appears on the basis of sufficient and substantive evidence that such person is involved in the commission of the alleged offence, the Investigating Officer shall not be precluded from including his name in the police report under section 173.

৬,২৭২.
কোনো হিন্দু ব্যক্তি কর্তৃক খোরপোষ লাভের অধিকার ঘোষণার মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২৯

খোরপোষ লাভের অধিকার ঘোষণার [For a declaration of his righ to maintenance] জন্য হিন্দু কর্তৃক মামলা
তামাদি - ১২ বছর
সময় গণনা শুরু- যখন থেকে অধিকার অগ্রাহ্য হয়।
৬,২৭৩.
কোন ব্যক্তির মৃত্যুকালীন ঘোষণা Dying declaration তার কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য?
  1. মৃত্যুর কারণ
  2. সম্পত্তি দান
  3. পরিচয়
  4. বিবাহ
ব্যাখ্যা
♦ Evidence Act  এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা [Dying Declaration); কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পূর্বে তার  মৃত্যুর কারণ,  মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা যে সকল ঘটনার ফলে মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কিত লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা/বিবৃতি প্রদান করে, তাকেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলে। 
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয়ক্ষেত্রেই
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।
♦মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
৬,২৭৪.
"পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষ সমর্থন বা বিপক্ষে যুক্তি খন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারত বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ ও মূল বিবেচ্য-বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে”- এই বক্তব্য কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখ্যা
  2. ১১ ধারার ৩ নং ব্যাখ্যা
  3. ১১ ধারার ২ নং ব্যাখ্যা
  4. ১১ ধারার ১ নং ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই ধারায় ৬টি ব্যাখা দেয়া হয়েছে।

• ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখ্যায় পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive/Indirect res judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি অনুসারে,
পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ বা মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।
[Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been, matter directly and substantially in issue in such suit].

অর্থাৎ, পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয়টি আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা উচিত ছিল, কোনো পক্ষই যদি তা ব্যবহার না করে থাকে, তবে পরবর্তী মোকদ্দমায় উক্ত বিষয়ের উদ্ভব হলে পরবর্তী মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোষে দুষ্ট হবে।

৬,২৭৫.
A ও B অংশীদারি ব্যবসা করেন। A অবৈধভাবে অংশীদারিত্বের বই নিজের কাছে রেখেছেন এবং B কে এতে প্রবেশাধিকার দিতে অস্বীকার করেছেন। B এর বিরুদ্ধে A নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন যাতে B অংশীদারি দেনা ও সম্পদ গ্রহণ করতে না পারেন। এক্ষেত্রে আদালত কি করবেন?
  1. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন
  2. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না
  3. বিষয়টি অন্য আদালতে পাঠাবেন
  4. উভয় পক্ষকে ব্যবসা বন্ধ করতে নির্দেশ দেবেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না।
⇒ এই প্রশ্নটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারার উদাহরণ (a) এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এখানে A এবং B অংশীদারি ব্যবসায় জড়িত। A অংশীদারিত্বের বহি (বই) অবৈধভাবে নিজের কাছে রেখেছেন এবং B কে এতে প্রবেশাধিকার দিতে অস্বীকার করেছেন। এরপর A, B এর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন যাতে B অংশীদারি দেনা ও সম্পদ গ্রহণ করতে না পারেন।

→ এই ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না, কারণ A এর আচরণ অসদাচরণের পর্যায়ে পড়ে। A ইতিমধ্যেই অংশীদারিত্বের বই অবৈধভাবে আটকে রেখেছেন এবং B কে এতে প্রবেশাধিকার দিতে অস্বীকার করেছেন। এই ধরনের আচরণের কারণে A আদালতের সাহায্য পাওয়ার অধিকার হারান। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না যদি আবেদনকারীর আচরণ এমন হয় যে তা তাকে আদালতের সাহায্য থেকে বঞ্চিত করে।

→ সুতরাং, আদালত A এর আবেদন প্রত্যাখ্যান করবেন এবং নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না।
----------- 
⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 56. Injunction when refused:
Illustrations:
(a) A seeks an injunction to restrain his partner, B, from receiving the partner-ship-debts and effects. It appears that A had improperly possessed himself of the books of the firm and refused B access to them. The Court will refuse the injunction.
৬,২৭৬.
দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা অনুসারে, ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে করা কাজ কী বলে গণ্য হয়?
  1. অপরাধ
  2. অপরাধ নয়
  3. সামান্য অপরাধ
  4. শাস্তিযোগ্য অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: খ) অপরাধ নয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি তার বা অন্যের শরীর বা সম্পত্তি রক্ষার জন্য ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে, তাহলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

- অর্থাৎ, যখন একজন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের আত্মরক্ষা বা সম্পত্তি রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করে, তখন এটি অপরাধের মধ্যে পড়বে না। এটি আইনের অধীনে স্বীকৃত একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 96. Things done in private defence:
Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence.
৬,২৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক অনুযায়ী  অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে যাওয়ার জন্য আদালতকে কী করতে হয়?
  1. সাক্ষীদের পুনরায় ডাকা হয়
  2. পুলিশকে অনুমতি নিতে হয়
  3. উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হয়
  4. অভিযুক্তের পরিবারকে জানাতে হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক(১) অনুসারে, যদি একাধিক অভিযুক্তের মধ্যে কোনো একজন আদালতে উপস্থিত থাকতে অক্ষম হন, এবং তিনি আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব হন, তবে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে যেতে পারে, শর্ত থাকে যে আদালতকে এই সিদ্ধান্তের উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হবে। এছাড়া, আদালত প্রয়োজনে পরে ওই অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির করার নির্দেশও দিতে পারে।
অর্থাৎ আদালত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে যেতে পারেন শুধুমাত্র তখনই, যদি তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করেন এবং আদালত উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করে।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক - কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান:
(১) দুই বা ততোধিক আসামি হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের কোন পর্যাপ্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশত: সন্তুষ্ট হন, আসামিদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে আসামীর কৌঁসুলি হাজির থাকলে আসামিকে হাজির হতে রেহাই দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন, এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) এরূপ কোন মামলায় আসামীর কৌঁসুলি না থাকলে অথবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি আসামীর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, অথবা উক্ত আসামীর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898, -Section 540A. Provision for inquiries and trial being held in the absence of accused in certain cases
(1) At any stage of an inquiry or trial under this Code, where two or more accused are before the Court, if the Judge or Magistrate is satisfied, for reasons to be recorded, that any one or more of such accused is or are incapable of remaining before the Court, he may, if such accused is represented by an advocate, dispense with his attendance and proceed with such inquiry or trial in his absence, and may, at any subsequent stage of the proceedings, direct the personal attendance of such accused. 
(2) If the accused in any such case is not represented by an advocate, or if the Judge or Magistrate considers his personal attendance necessary, he may, if he thinks fit, and for reasons to be recorded by him, either adjourn such inquiry or trial, or order that the case of such accused be taken up or tried separately.
৬,২৭৮.
রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল(Certified copies) দেয়া হবে-
  1. পক্ষগণের আবেদনক্রমে
  2. আদালতের খরচে
  3. পক্ষগণের খরচে
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে। কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করা হয়।

• আদেশ ২০ বিধি-২০ঃ
আদালতে পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচায় রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল সরবরাহ করা হবে।

Order 20 Rule 20: Certified copies of judgment and decree to be furnished-
Certified copies of the judgment and decree shall be furnished to the parties on application to the Court and at their expense.
৬,২৭৯.
সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্দ করার পর জব্দকারী পুলিশ অফিসারের প্রাথমিক দায়িত্ব কী?
  1. জব্দকৃত মাল আদালতে নিয়ে যাওয়া
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানানো
  3. আসল মালিক খুঁজে বের করা
  4. জব্দকৃত মাল ধ্বংস করা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫০- সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্ধ করার ব্যাপারে পুলিশের ক্ষমতা
চোরাই মর্মে কথিত বা সন্দেহযুক্ত কিংবা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহযুক্ত অবস্থায় প্রাপ্ত কোন সম্পত্তি কোন পুলিশ কর্মকর্তা আটক করতে পারবেন। এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধঃস্তন হলে, তিনি সাথে সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জব্দ করার ব্যাপারে রিপোর্ট করবেন।

Section 550- Powers to police to seize property suspected to be stolen
Any police- officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.
৬,২৮০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ১৯ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ১৯(১) এর সরাসরি বিধান অনুযায়ী, মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পর ১২০ দিনের (একশত বিশ দিন) মধ্যে আদালতকে মোকদ্দমার শুনানি সম্পন্ন করতে হবে। এই সময় গণনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কার্য দিবস (কাজের দিন) গণনা করা হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি-১৯: শুনানি সমাপ্ত করার সময়:
১) চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ণীত হওয়ার একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে।
২) এই বিধি অনুযায়ী সময় নির্দিষ্টকরণের নিমিত্তে শুধুমাত্র কার্য দিবসগুলো গণনায় করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 18 Rule 19: Time for completion of hearing:
1) The Court shall complete the hearing of a suit within one hundred and twenty days from the date fixed for its final hearing.
2) In this rule, in determining the time, only the workings days shall be counted.

৬,২৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৩০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান-অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
-কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 480: Procedure in certain cases of contempt: 
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
৬,২৮২.
ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক সর্বপ্রথম কত সালে ফৌজদারি কার্যবিধি পাশ হয়?
  1. ১৮৬১ সালে
  2. ১৮৬৩ সালে
  3. ১৮৬৬ সালে
  4. ১৮৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি পাশ করা হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।
৬,২৮৩.
'আদালতের আদেশে সমন দেওয়া হলে সাক্ষীকে তার দখলস্থ নথি বা দলিলগুলি আদালতে হাজির করতে বাধ্য হবে।'- The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়েছে?
  1. ১৫২ ধারায়
  2. ১৬২ ধারায়
  3. ১৬১ ধারায়
  4. ১৬৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• যদি সাক্ষীকে দলিল দাখিলের জন্য সমন দেওয়া হয় এবং সেই দলিল সাক্ষীর দখলে থাকে, তাহলে সেই সাক্ষী দলিলটি আদালতে হাজির করতে বাধ্য থাকবেন।

The Evidence Act, 1872 এর ১৬২ ধারা এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়। এই ধারা অনুসারে,
আদালতের আদেশে সমন দেওয়া হলে সাক্ষীকে তার দখলস্থ নথি বা দলিলগুলি আদালতে হাজির করতে হবে। দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে কোনো আপত্তি থাকলে তা পরবর্তীতে বিবেচনা করা হবে।

যদি কোনো সাক্ষী আদালতের সমনকে অমান্য করেন এবং দলিল হাজির না করেন, তাহলে তিনি আদালতের অবমাননার দায়ে দণ্ডিত হতে পারেন। সুতরাং, দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে যেকোনো আপত্তি থাকলেও, সাক্ষীকে আদালতের সমন অনুসারে দলিল হাজির করতে হবে।
৬,২৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৮ অনুসারে, যদি কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারক আপিলকৃত ডিক্রি পরিবর্তন বা বাতিলের পক্ষে মত না দেন, তবে:
  1. ডিক্রি বাতিল হবে
  2. ডিক্রি সংশোধন হবে
  3. ডিক্রি বহাল থাকবে
  4. পুনরায় বিচার হবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৮– দুই বা ততোধিক বিচারকের দ্বারা আপিল শুনানি হলে সিদ্ধান্ত:
(১) যখন কোনও আপিল দুই বা ততোধিক বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ কর্তৃক শোনা হয়, তখন সে আপিল সেই সকল বিচারকের মতামত অনুসারে অথবা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত অনুসারে নিষ্পত্তি করা হবে।

(২) যদি এমন কোনও সংখ্যাগরিষ্ঠ না থাকে যারা আপিলকৃত ডিক্রিকে পরিবর্তন বা বাতিল করার বিষয়ে একমত হন, তাহলে সেই ডিক্রি বহাল থাকবে (অর্থাৎ, পরিবর্তন হবে না)।

তবে শর্ত থাকে যে, যদি আপিল শুনানিকালীন বেঞ্চ দুইজন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং আদালতটি দুইজনের অধিক বিচারক বিশিষ্ট হয়, এবং উক্ত দুইজন বিচারক কোনও আইনি বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন, তাহলে তারা যেই আইনগত বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করছেন তা নির্ধারণ করে উল্লেখ করতে পারেন। তখন সেই বিশেষ আইনি বিষয়ে আপিল শুনানি হবে আদালতের অন্য এক বা একাধিক বিচারকের মাধ্যমে।
এই পয়েন্টটি যে সকল বিচারক শুনেছেন, প্রথমে যারা শুনেছেন তাদের সহিত পরবর্তী বিচারকদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

(৩) এই ধারার কোনও কিছুই হাইকোর্ট বিভাগের লেটারস পেটেন্টের বিধানাবলিকে পরিবর্তন বা প্রভাবিত করবে না।
৬,২৮৫.
স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে নিম্নের কোন বিষয় উল্লেখ থাকার প্রয়োজন নেই?
  1. নির্ধারণের বিষয়সমূহ
  2. সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  3. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ২০ বিধি ৪ অনুসারে,
স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে নির্ধারণের বিষয়সমূহ এবং উহার উপর সিদ্ধান্ত থাকবে এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ, নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ, ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত এবং অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে।

অর্থাৎ স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে থাকবে-
⇒ নির্ধারণের বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
⇒ উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।

এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-
⇒ মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case];
⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination];
⇒ ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]; এবং
⇒ অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].
৬,২৮৬.
মৃত্যুর কারণ উদঘাটন এর জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানানুযায়ী লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭৪
  2. ১৭৬(২)
  3. ১৭৬
  4. ১৭৫(২)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৬(২) মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট যদি মৃত্যুর কারণ উদঘাটন এর জন্য লাশ পরীক্ষা করে দেখার প্রয়োজন মনে করেন তা হলে তিনি লাশটি কবর থেকে তোলার এবং তা পরীক্ষা করে দেখার ব্যবস্থা করতে পারেন।
৬,২৮৭.
'A' makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under _________ of The Penal Code, 1860.
  1. Section 107
  2. Section 378
  3. Section 506
  4. Section 511
ব্যাখ্যা
Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both. 
 
Illustration-
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 

(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

দণ্ডবিধির ৫১১ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
৬,২৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে?
  1. ধারা ২২১
  2. ধারা ২২৮
  3. ধারা ২২৭
  4. ধারা ২২৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ২২৭-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
৬,২৮৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় বিধি প্রণয়নে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ১২০ ধারা
  2. ১২১ ধারা
  3. ১২২ ধারা
  4. ১২৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১২২ ধারা অনুযায়ী, সুপ্রীম কোর্টে মাঝে মাঝে সুপ্রীম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগ বা নিয়ন্ত্রনাধীন দেওয়ানী আদালতের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রনকালে পূর্বের প্রকাশনার পরে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন।
৬,২৯০.
'গ' কে একটি মূর্তির উদ্দেশ্যে বলি দেওয়া হতে পারে জানা সত্ত্বেও 'ক' যদি বাংলাদেশ থেকে 'গ' কে অপহরণ করে, তাহলে 'ক' সর্বোচ্চ-
  1. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  2. যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  3. শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৪: হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ বা গোপনীয়ভাবে নেওয়া:
যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে বা হত্যার সম্ভাবনায় তাকে এমনভাবে অপহরণ বা গোপনভাবে নিয়ে যায় যে তার মৃত্যুর সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:
(ক) ক যদি বাংলাদেশ থেকে গ কে অপহরণ করে এবং জানা বা বিশ্বাস করে যে গ কে একটি মূর্তির উদ্দেশ্যে বলি দেওয়া হতে পারে, তবে এ এই ধারার অধীনে অপরাধ করেছে।
(খ) ক যদি গ কে তার বাড়ি থেকে জোর করে বা লোভ দেখিয়ে নিয়ে যায় যাতে গ কে হত্যা করা হতে পারে, তবে এ এই ধারার অধীনে অপরাধ করেছে।

Section 364- Kidnapping or abducting in order to murder:
Whoever kidnaps or abducts any person in order that such person may be murdered or may be so disposed of as to be put in danger of being murdered, shall be punished with imprisonment for life or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine. 
 
Illustrations-
(a) A kidnaps Z from Bangladesh, intending or knowing it to be likely that Z may be sacrificed to an idol. A has committed the offence defined in this section. 
(b) A forcibly carries or entices B away from his home in order that B may be murdered. A has committed the offence defined in this section.
৬,২৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্নের কোনটি “ডিক্রি (Decree)” হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
  2. ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
  3. ১৪৪ ধারার অধীনে কোন প্রশ্ন নির্ধারণ
  4. মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
- আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
- ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
- যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
- কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে "ডিক্রি (Decree)" এর সংজ্ঞা ও এর অন্তর্ভুক্তি-বহির্ভূত বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়েছে:
ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে:
ক) আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ (অর্ডার ৭, বিধি ১১ অনুসারে) → ডিক্রি।
গ) ১৪৪ ধারার অধীনে কোনো প্রশ্ন নির্ধারণ → ডিক্রি।
ঘ) মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত → ডিক্রি।
ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে না:
খ) ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ (Order of dismissal for default) → ডিক্রি নয়। এটি দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২)-এর দ্বিতীয় ব্যতিক্রম (proviso) অনুযায়ী ডিক্রির সংজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে।
কারণ: "ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ" (যেমন: উপস্থিত না হওয়া, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়া ইত্যাদির কারণে মামলা খারিজ) মামলার মেরিট (বিতর্কিত বিষয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত) সম্পর্কিত নয়, বরং পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে দেওয়া হয়। তাই এটি ডিক্রি নয়।

সুতরাং, প্রদত্ত অপশগুলোর মধ্যে "ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ" ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে না।

৬,২৯২.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারা দুষ্কর্মে সহযোগীর সাক্ষ্য সম্পর্কিত?
  1. ধারা ১৩১
  2. ধারা ১৩২
  3. ধারা ১৩৩
  4. ধারা ১৩৪
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ (Section 133)-এ স্পষ্টভাবে বিধান করা হয়েছে যে, দুষ্কর্মের সহযোগী (accomplice) একজন আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য উপযুক্ত সাক্ষী (competent witness) বলে গণ্য হবে। এছাড়া, তার অসমর্থিত (uncorroborated) সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেওয়া হলেও কেবলমাত্র এই কারণে সাজা বেআইনি হবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান দুষ্কর্মে সহযোগী: দুষ্কর্মের সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলিয়া গণ্য হইবেন। দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেওয়া হইলে কেবল সেই কারণেই উক্ত সাজা বেআইনি হইবে না।

⇒ ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনি হবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person, and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

৬,২৯৩.
বার কাউন্সিলের নির্বাচনে অংশগ্রহনের জন্য মনোনয়নপত্র কার কাছে দাখিল করতে হবে?
  1. চেয়ারম্যান
  2. সেক্রেটারি
  3. এনরোলমেন্ট কমিটি
  4. নির্বাচন কমিশন ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৫:
বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচনের জন্য প্রতিটি প্রার্থীকে তিনজন ভোটার দ্বারা মনোনীত হতে হবে, যা বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে প্রদান করতে হবে। মনোনয়নপত্র নির্ধারিত তারিখের মধ্যে সেক্রেটারির কাছে জমা দিতে হবে। মনোনয়নপত্রের সাথে নমিনেশন ফি হিসাবে ১,০০০ টাকা জমা দিতে হবে।

একটি মনোনয়নপত্র শুধুমাত্র একজন প্রার্থীর জন্য হবে এবং যদি একাধিক প্রার্থীর জন্য হয়, তবে সেটি অবৈধ হবে। সেক্রেটারি প্রতিটি মনোনয়নপত্র প্রাপ্তির সময় তারিখ, সময় এবং ধারাবাহিক নম্বরসহ স্বাক্ষর করবেন।

শর্ত:
একজন ভোটার সাধারণ আসনের জন্য সর্বোচ্চ সাতটি প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করতে পারবেন এবং প্রতিটি গ্রুপ আসনের জন্য একজন প্রার্থীর মনোনয়ন করতে পারবেন। যদি কেউ এর বেশি মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করেন, তাহলে তার স্বাক্ষর শুধুমাত্র প্রথম সাতটি সাধারণ আসন এবং প্রতিটি গ্রুপ আসনের জন্য দেওয়া মনোনয়নপত্রের জন্যই বৈধ গণ্য হবে।
৬,২৯৪.
প্রতারণার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞতা রাখা হলে তামাদির মেয়াদ গণনা কবে থেকে শুরু হবে?
  1. প্রতারকের মৃত্যুর পর
  2. মামলা দায়েরের সময় থেকে
  3. অধিকার সৃষ্টির সময় থেকে
  4. প্রতারণা আবিষ্কারের সময় থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৮ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে প্রতারণার মাধ্যমে তার কোনো অধিকার বা দাবি সম্পর্কে অজ্ঞ রাখা হয়, অথবা কোনো প্রয়োজনীয় দলিল জোরপূর্বক গোপন করা হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে যে সময়ে প্রতারণাটি প্রথমবারের মতো আবিষ্কৃত হয় সেই তারিখ থেকে।
ধারা ১৮-এর মূল বিধান:
- প্রতারণার মাধ্যমে অধিকার বা দাবি সম্পর্কে অজ্ঞ রাখা হলে।
- অথবা প্রয়োজনীয় দলিল গোপন করা হলে।
তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে: প্রতারণা প্রথমবারের মতো জানতে পারার তারিখ থেকে।
অথবা (গোপনকৃত দলিলের ক্ষেত্রে) যখন প্রথমবার সেই দলিলটি উপস্থাপন করার বা আদায় করার সুযোগ হয়।

⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
- যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud:
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.

৬,২৯৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-XXI, Rule-16 অনুসারে, ডিক্রির হস্তান্তর গ্রহীতা (transferee) ডিক্রি জারির জন্য কোথায় আবেদন করতে পারবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত
  3. যে আদালতে ডিক্রি জারি হচ্ছে
  4. যে আদালত ডিক্রি পাস করেছে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XXI, Rule 16-এর অনুযায়ী, যদি কোনো ডিক্রি লিখিত Assignment-এর মাধ্যমে বা Law-এর Operation-এর দ্বারা হস্তান্তরিত হয়, তাহলে হস্তান্তর গ্রহীতা (Transferee) ডিক্রি জারির জন্য সরাসরি সেই আদালতে আবেদন করতে পারবেন যেই আদালত মূল ডিক্রিটি পাস করেছিল।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হল – ঘ) যে আদালত ডিক্রি পাস করেছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21, Rule-16. Application for execution by transferee of decree:
- Where a decree or, if a decree has been passed jointly in favour of two or more persons, the interest of any decree-holder in the decree is transferred by assignment in writing or by operation of law, the transferee may apply for execution of the decree to the Court which passed it; and the decree may be executed in the same manner and subject to the . same conditions as if the application were made by such decreeholder:
Provided that, where the decree, or such interest as aforesaid, has been transferred by assignment, notice of such application shall be given to the transferor and the judgmentdebtor, and the decree shall not be executed until the Court has heard their objections (if any) to its execution:
Provided also that, where a decree for the payment of money against two or more persons has been transferred to one of them, it shall not be executed against the others. 

৬,২৯৬.
সাক্ষ্য আইনের ৮৯ক ধারা অনুযায়ী আদালত কোন পরিস্থিতিতে শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণকে সেই ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত বলে অনুমান করতে পারে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে?
  1. যখন উভয় পক্ষ একমত হয়
  2. প্রতিকূল প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত
  3. যখন উক্ত প্রমাণ লিখিত আকারে থাকে
  4. আদালত প্রমাণটি প্রত্যাখ্যান না করা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৯ক ধারার বিধান : শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:
- আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।

- অর্থাৎ আদালত প্রতিকূল প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত অনুমান করতে পারে যে শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সেই ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত, অথবা সেই ব্যক্তির দ্বারা সৃষ্টি, যাঁর কাছ থেকে উক্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

সাক্ষ্য আইনের ৮৯ক ধারায় বলছে, যদি কোনো শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয় এবং দাবি করা হয় যে এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তাহলে আদালত সেই প্রমাণটি ওই ব্যক্তির বলে ধরে নেবে, যতক্ষণ না তার বিপরীত কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়। অর্থাৎ, আদালত প্রাথমিকভাবে প্রমাণটির সত্যতা স্বীকার করবে, তবে যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে এটি ভুল বা ভিন্ন, তখন সেই তথ্য গ্রহণ করা হবে।
------------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-89A: Presumption as to physical or forensic evidence:
-The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.
৬,২৯৭.
ক” নাবালক থাকাকালে একটি নৌকার ভাড়া আদায়ের জন্য মামলা করার অধিকার লাভ করে। ক এর মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ শুরু হবে-
  1. নাবালক থাকা অবস্থা থেকে
  2. ক সাবালক হওয়ার পর থেকে
  3. ক এর নাবালকত্বের অবসান হওয়ার পর
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৬ অনুযায় কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে। ক সাবালক হওয়ার তারিখ থেকে আইনে উল্লেখিত সময় (এই ক্ষেত্রে তিন বৎসরের) মধ্যে যে কোন সময় সে উক্ত মামলা দায়ের করতে পারবে।
৬,২৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৩ অনুযায়ী, দণ্ডিত আসামী নিজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিল আদালতের কোন ক্ষমতা নেই?
  1. শাস্তি বাতিল করা
  2. শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা
  3. আসামীকে খালাস দেওয়া
  4. পুনরায় বিচারের আদেশ দেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৩ অনুযায়ী, আপিল আদালত বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নানাবিধ আদেশ দিতে পারে। তবে যদি শুধু দণ্ডিত আসামী নিজেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে, সেক্ষেত্রে আপিল আদালত নিম্নোক্ত ক্ষমতাসমূহ প্রয়োগ করতে পারে, শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস দিতে পারে, পুনরায় বিচার করার নির্দেশ দিতে পারে, শাস্তি হ্রাস করতে পারে।
কিন্তু শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা যাবে না, যদি একজন আসামী নিজেই তার দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে, তবে আদালত সেই আপিল শুনে তার শাস্তির পরিমাণ আরও বাড়াতে পারে না, কারণ এতে তার অবস্থা আরও খারাপ হয়, যা ন্যায়পরিপন্থী। এটি একটি সুপ্রতিষ্ঠিত বিচারিক নীতি।
- তবে যদি সরকার বা ফরিয়াদী দণ্ডের অপর্যাপ্ততার কারণে আপিল করে (ধারা ৪১৭ক অনুযায়ী), তাহলে আদালত শাস্তি বাড়াতে পারে, কিন্তু তখনও আসামীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে। আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপীল আদালত নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. আপীল খারিজ করতে পারে যদি আপীলের কোন কারণ না থাকে বা
২. খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে-
- খালাস আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে,
- অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে,
- অভিযুক্তকে পুনরায় বিচারের জন্য নির্দেশ দিতে পারে বা অভিযুক্তকে দোষী পেলে আইন অনুযায়ী শান্তি দিতে পারে।
৩. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা পুনরায় আসামীকে বিচার করার আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তি কমাতে পারে ইত্যাদি
৪. দণ্ডবৃদ্ধির আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি পরিবর্তন করতে পারে বা আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা তাকে পুনরায় বিচারের আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তির পরিমান বাড়াতে বা কমাতে পারে।
৫. অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে তবে অভিযুক্ত যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের জন্য যে শাস্তি দেয়া যেতো,তার অধিক দণ্ড দিবে না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section- 423. Powers of Appellate Court in disposing of appeal:
(1) The Appellate Court shall then send for the record of the case, if such record is not already in Court. After perusing such record, and hearing the appellant or his pleader, if he appears, and the Public Prosecutor, if he appears, and, in case of Public Prosecutor, if he appears, and, in case of an appeal under 435[* * *] section 417, the accused, if he appears, the Court may, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, dismiss the appeal, or may-
(a) in an appeal from an order of acquittal, reverse such order and direct that further inquiry be made, or that the accused be retired or sent for trial, as the case may be, or find him guilty and pass sentence on him according to law ;
(b) in an appeal from a conviction, (1) reverse the finding and sentence, and acquit or discharge the accused, or order him to be retried by a Court of competent jurisdiction subordinate to such Appellate Court or sent for trial, or (2) alter the finding, maintaining the sentence, or, with or without altering the finding, reduce the sentence or, (3) with or without such reduction and with or without altering the finding, alter the nature of the sentence, but, subject to the provisions of section 106, sub-section (3), not so as to enhance the same; 
(bb) in an appeal for enhancement of sentence, (1) reverse the finding and sentence and acquit or discharge the accused or order him to be retired by a Court competent to try the offence, or (2) alter the finding maintaining the sentence, or (3) with or without altering the finding, alter the nature or the extent, or the nature and extent, or the sentence, so as to enhance or reduce the same;
(c) in an appeal from any other order, alter or reverse such order;
(d) make any amendment or any consequential or incidental order that may be just or proper: 
Provided that the sentence shall not be enhanced unless the accused has had an opportunity of showing cause against such enhancement: 
Provided further that the Appellate Court shall not inflict greater punishment for the offence which in its opinion the accused has committed than might have been inflicted for that offence by the Court passing the order or sentence under appeal.

৬,২৯৯.
'চ', 'ম' কে ৩ দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে। এক্ষেত্রে 'চ' কত বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা- তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৬,৩০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা স্থাবর সম্পত্তির দখল সংক্রান্ত বিরোধ ও শান্তিভঙ্গের আশংকা নিষ্পত্তির বিধান করে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪৫
  3. ধারা ১৪৪
  4. ধারা ১৪৬
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায় এবং প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।

⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা:
(১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 145: Procedure where dispute concerning land, etc., is likely to cause breach of peace.
(1) Whenever a District Magistrate, or an Executive Magistrate specially empowered by the Government in this behalf] is satisfied from a police-report or other information that a dispute likely to cause a breach of the peace exists concerning any land or water of the boundaries thereof, within the local limits of his jurisdiction, he shall make an order in writing, stating the grounds of his being so satisfied, and requiring the parties concerned in such dispute to attend his Court in person or by pleader, within a time to be fixed by such Magistrate, and to put in written statements of their respective claims as respects the fact of actual possession of the subject of dispute.