বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৬২ / ১২৬ · ৬,১০১৬,২০০ / ১২,৬০৫

৬,১০১.
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান মতে, কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের -
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ
  2. চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
  3. অপরিবর্তনীয় নথি
  4. একমাত্র সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
 
Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৬,১০২.
ফরিয়াদী 'A' মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। আদালত 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক কত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, আদালত এক্ষেত্রে 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক অনধিক ১০০০ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
৬,১০৩.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, কোনো সমাবেশকে বেআইনি হিসেবে গণ্য করার মূল ভিত্তি কী?
  1. সমাবেশের স্থান
  2. সমাবেশের সময়
  3. সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা
  4. সমাবেশকারীদের সাধারণ উদ্দেশ্য
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ তখনই বেআইনি বলে গণ্য হবে, যদি উক্ত সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের সাধারণ উদ্দেশ্য নিম্নে উল্লিখিত যেকোনো একটির সঙ্গে সম্পর্কিত হয়:
১. সরকার বা জনসেবককে ভীতি প্রদর্শন
২. আইন বা আইনি প্রক্রিয়ার বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া
৩. দুষ্কর্ম বা অপরাধ সংঘটন
৪. বলপ্রয়োগ করে সম্পত্তি দখল বা অধিকার হরণ
৫. বলপ্রয়োগ করে কোনো ব্যক্তিকে তার আইনি দায়িত্ব না করতে বা অধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত রাখা

সুতরাং, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সাধারণ উদ্দেশ্য। শুধু পাঁচজনের বেশি লোক একত্রিত হলেই (যা একটি প্রাথমিক শর্ত) তা বেআইনি হয় না; তাদের সাধারণ উদ্দেশ্যই চূড়ান্ত নির্ধারক।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

৬,১০৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী নিম্নের কোন বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ারভুক্ত নয়?
  1. কৃষি জমির ভাড়া
  2. স্বত্বের বিরোধ
  3. কৃষি জমির খাজনা
  4. কৃষি জমির মুনাফা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।

উল্লিখিত প্রশ্নের ‘স্বত্বের বিরোধ’ বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ার ভুক্ত নয়।
-----------------------
CPC-Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
৬,১০৫.
একজন আইনজীবী নিম্নে বর্ণিত কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. যে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বাস করেন
  2. যে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইন ব্যবসা করেন
  3. সকল আদালতে পারবেন
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না

যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district, shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.
৬,১০৬.
সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আরজিতে কী উল্লেখ করা প্রয়োজন?
  1. বিবাদীর পূর্ণ ঠিকানা
  2. বাদীর স্বাক্ষর
  3. ৭৯ ধারায় বর্ণিত সঠিক নাম
  4. বাদী বা বিবাদীর পরিচয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৭ বিধি-৩: সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় আরজি:
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমার আরজিতে বাদি বা বিবাদির নাম, পরিচয় ও ঠিকানা সন্নিবেশ করার পরিবর্তে ৭৯ ধারায় বর্ণিত সঠিক নাম সন্নিবেশ করাই যথেষ্ট হবে।

Rule.-3: Plaints in suits by or against Government.
In suits by or against the Government, instead of inserting in the plaint the name and description and place of residence of the plaintiff or defendant, it shall be sufficient to insert the appropriate name as provided in section 79.

উল্লেখ্য,
দেওয়ানি কার্যবিধি ৭৯ ধারার বিধান - সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে বাংলাদেশ।
৬,১০৭.
সরকারি কর্মচারীকে সরকারি কাজে বাধা প্রদান করার জন্য কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. অনধিক ৩ মাস
  2. অনধিক ৬ মাস
  3. অনধিক ১ বছর
  4. অনধিক ৫ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৮৬ ধারা মতে সরকারি কর্মচারীকে সরকারি কাজে বাধা প্রদান করার জন্য অনধিক ৩ মাস কারদণ্ড বা অনধিক ৫০০ অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের শাস্তির বিধান আছে।
৬,১০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় আদালত কয়টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা:
(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
৬,১০৯.
আদেশ ৪১ বিধি ৩৩ এর অধীনে আপিল আদালত কাদের অনুকূলে আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র আপিলকারী পক্ষের অনুকূলে
  2. আপিলকারী বা তার পক্ষগণ যারা আপত্তি জানিয়েছে
  3. যে কোনো পক্ষ, এমনকি যারা আপিল বা আপত্তি দায়ের করেনি
  4. শুধুমাত্র নিম্ন আদালতের আদেশ যারা চ্যালেঞ্জ করেছে তাদের জন্য
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি ৩৩: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
যে কোন ডিক্রি বা আদেশ যা প্রদান করা উচিত বা প্রয়োজনে অতিরিক্ত কোন ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আপিল আদালতের থাকবে এবং আপিল ডিক্রির অংশ বিশেষ সম্পর্কিত হওয়া সত্ত্বেও এ ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে এবং পক্ষদের সকলের বা যে কোন একজন উত্তরদায়ক বা পক্ষ আপিল বা আপত্তি দায়ের করে না থাকে, তবে আপিল আদালত উত্তরদায়ক বা পক্ষদের সকলের অনুকূলে ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল দায়ের হয়েছে সে আদালত কোন আপত্তির উপর অনুরূপ আদেশ দিতে বাদ দিলে বা দিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে, সে সম্পর্কে আপিল আদালত এ আইনের ৩৫ক ধারার অধীনে কোন আদেশ প্রদান করবেন না।

উদাহরণঃ 'X', 'Y' বা 'Z'- এর নিকট কিছু টাকা পাবে বলে দাবী করে এবং উভয়ের বিরুদ্ধে রুজুকৃত মোকদ্দমায় 'Y'- এর বিরুদ্ধে ডিক্রি লাভ করে। 'Y', আপিল করে এবং 'X' ও 'Z' উত্তরদায়ক থাকে। আপিল আদালত 'Y'-এর অনুকূলে মোকদ্দমা নিস্পত্তি করে। এক্ষেত্রে 'Z'-এর বিরুদ্ধে ডিক্রি দেয়ার ক্ষমতা আপিল আদালতের আছে।

মূল বিধান:
আদেশ ৪১ বিধি ৩৩ এর অধীনে আপিল আদালত যেকোনো ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন, বাতিল বা প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারে। এমনকি যদি আপিল ডিক্রির কিছু অংশ সম্পর্কিত হয়, তবে পুরো মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আপিল আদালত সকল পক্ষের জন্য ন্যায্য ও সঠিক আদেশ প্রদান করার ক্ষমতা রাখে। পক্ষদের কেউ আপিল না করলেও বা আপত্তি না জানালেও আদালত তার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৬,১১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে, যদি কোনো অভিযোগ মিথ্যা বা তুচ্ছ হয়, তবে আদালত অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কী পরিমাণ অর্থদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে মিথ্যা বা তুচ্ছ অভিযোগের জন্য আদালত অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে- কারো বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদদাতা বা অভিযোগকারীকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়া হবে না।
ফরিয়াদি/সংবাদদাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন,অভিযােগটি মিথ্যা,তুচ্ছ ও বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(৫) ধারা অনুসারে- এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়াও,ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 (5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.
৬,১১১.
পরোয়ানায় লিখিত নির্দেশে কোন বিষয়টির উল্লেখ থাকবে না?
  1. অপরাধের শাস্তির পরিমাণ
  2. আদালতে হাজির হওয়ার তারিখ
  3. জামিনদারের সংখ্যা
  4. জামিনদারের আর্থিক দায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৭৬ ধারার বিধান আদালত জামানত গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
 (১) কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে পরোয়ানা প্রদানকালে কোন আদালত উহার বিবেচনামূলক ক্ষমতায় পরোয়ানার উপর লিখিতভাবে এমর্মে নির্দেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত ব্যক্তি আদালত হতে অন্যরূপ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট সময়ে ও তৎপরে আদালতে হাজির হবে বলে যদি পর্যাপ্ত জামিনদারসহ একটি মুচলেকা সম্পাদন করতে পারে, সেক্ষেত্রে পরোয়ানা প্রয়োগকারী কর্মকর্তা উক্ত জামিন গ্রহণ করবেন এবং উক্ত ব্যক্তিকে হেফাজত হতে মুক্তি দিবেন।

(২) পরোয়ানায় নিম্নে বর্ণিত বিষয়সমূহ উল্লেখ থাকতে হবে, -

(ক) জামিনদারের সংখ্যা;
(খ) যে পরিমাণ অর্থের জন্য জামিনদারগণ এবং যে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা দেয়া হয়েছে সেই ব্যক্তি যথাক্রমে দায়ী থাকবে; এবং
(গ) যে সময় তাকে আদালতে হাজির হতে হবে।

(৩) মুচলেকা প্রেরণ করতে হবেঃ এই ধারার বিধান অনুসারে যেক্ষেত্রে জামানত গ্রহণ করা হবে, সেক্ষেত্রে যে অফিসার বরাবর পরোয়ানা প্রয়োগকারী অফিসার মুচলেকাটি আদালতে প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ, পরোয়ানায় লিখিত নির্দেশে অপরাধের শাস্তির পরিমাণ উল্লেখ থাকবে না।
৬,১১২.
কোন মামলার ক্ষেত্রে আপিল আদালতের জজগণ তাদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হলে, মামলাটি-
  1. উচ্চতর আদালতে পেশ করতে হবে
  2. একই আদালতের অন্য একজন জজ বরাবর পেশ করতে হবে
  3. আপিল স্থগিত রাখতে হবে
  4. আপিলকারীর ইচ্ছানুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২৯- আপিল আদালতের জজগণ সম-সংখ্যায় বিভক্ত হলে তখনকার পদ্ধতি

আপিল আদালতের জজগণ যেক্ষেত্রে তাদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, সেক্ষেত্রে তাদের অভিমতসহ মামলাটি একই আদালতের অন্য একজন জজ বরাবর পেশ করতে হবে এবং তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শুনানীর পর (যদি থাকে) তার আদেশ প্রদান করবেন এবং রায় বা অভিমত তার অভিমত অনুসারে প্রদত্ত হবে।

Section 429- Procedure where Judges of Court of Appeal are equally divided

When the Judges composing the Court of Appeal are equally devided in opinion, the case, with their opinions thereon, shall be laid before another Judge of the same Court, and such Judge, after such hearing (if any) as he thinks fit, shall deliver his opinion, and the judgment or order shall follow such opinion.
৬,১১৩.
পেনাল কোডের ২৯৯ ধারায় Culpable Homicide –এর কয়টি ব্যাখ্যা (explanation) দেওয়া হয়েছে?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ২৯৯ ধারায় Culpable Homicide এর ৩ টি explanation দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ৩০০ ধারায় খুনের অপরাধের ৫ টি ব্যতিক্রম দেওয়া হয়েছে যেগুলোর উপস্থিতিতে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না।
♦ দন্ডবিধির ২৯৯ ধারায় নিন্দনীয় নরহত্যার সংজ্ঞা (Culpable homicide)- কোন ব্যক্তিকে প্রত্যক্ষভাবে হত্যা না করে এমন কাজ করা যা তার মৃত্যু ঘটায় তাই হলো নিন্দনীয় নরহত্যা বা Culpable homicide।
♦ দন্ডবিধির ২৯৯ ধারামতে নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে কোন কাজ নিন্দনীয় নরহত্যা বলে গণ্য হবে। যথা-
i) মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্য (with the intention of causing death); অথবা
ii) দৈহিক জখমের উদ্দেশ্যে( with the intention of causing such bodily injury); অথবা
iii) মৃত্যু ঘটতে পারে এরকম জ্ঞান নিয়ে (with the knowledge that he is likely by such act to cause death) কোন কাজ করার ফলে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বা Culpable homicide বলে গণ্য হবে।
♦পেনাল কোডের ২৯৯ ধারায় Culpable Homicide এর ৩ টি explanation হলঃ
ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
৬,১১৪.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর কোন ধারা জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত বিধান করে?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০ 
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৯ অনুযায়ী, জেলা জজ তার অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখেন। তবে, এটি হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে থাকবে।
অর্থাৎ, হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজ তার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখবেন।

⇒ The Civil Courts Act,1887- Section 9: Administrative control of Courts:-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.

৬,১১৫.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুসারে 'Estoppel' নীতি কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. ঘটনাভিত্তিক প্রশ্নে
  2. আইনগত প্রশ্নে
  3. দেওয়ানি মামলায়
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৫ এর অধীনে Estoppel (স্বকার্যজনিত প্রতিবন্ধকতা) শুধুমাত্র ঘটনাভিত্তিক প্রশ্নে (question of fact) প্রযোজ্য। এটি আইনগত প্রশ্নে (question of law) কখনোই প্রযোজ্য হয় না।
- অর্থাৎ Estoppel কেবল ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য; আইনগত অধিকার বা বিধান বিষয়ে এটি প্রযোজ্য নয়।

- Estoppel (স্বকার্যজনিত প্রতিবন্ধকতা) হলো এমন একটি নীতি, যা কাউকে তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতির পরিপন্থী কথা বলার বা দাবি করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যদি সেই পূর্ববর্তী আচরণ বা কথার ভিত্তিতে অন্য ব্যক্তি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।

⇒ তবে এই নীতির প্রযোজ্যতা কিছু নির্দিষ্ট সীমারেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ:
- ঘটনাভিত্তিক প্রশ্নে (Questions of fact): যেমন, কে কী বলেছিল, কে কী কাজ করেছিল, কোনো জমি কার দখলে ছিল ইত্যাদি।
- দেওয়ানি মামলায় (Civil cases): বিশেষত অধিকার ও মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে।

⇒ আইনগত প্রশ্নে (Questions of law):
- যদি কোনো ব্যক্তি কোনো আইনগত অধিকার সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দেয় বা স্বীকার করে, তবুও Estoppel এর মাধ্যমে সে তার প্রকৃত আইনি অধিকার হারাবে না।
- অর্থাৎ আইন বিষয়ে ভুল বক্তব্য বা বিশ্বাস কাউকে তার আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে না।

উদাহরণ:
যদি কেউ ভুল করে বলে যে তার কোনো জমির উপর মালিকানা নেই, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সে আইন অনুযায়ী মালিক হয়, তাহলে পরে সে তার মালিকানা দাবি করলেও Estoppel তার বিরুদ্ধে কার্যকর হবে না — কারণ এটি আইনের প্রশ্ন।

৬,১১৬.
বেসরকারী সম্পত্তিতে Easement Right প্রতিষ্ঠিত করতে হলে একনাগাড়ে ভোগ করতে হয় -
  1. ১২ বছর
  2. ৬০ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
♠ তামাদি আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী বেসরকারী কোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত সম্পত্তি একনাগাড়ে ২০ বছর ভোগ করতে হয়।
৬,১১৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৯ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি একটি দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার সমঝোতা প্রদর্শন করতে পারে?
  1. আইনজীবী
  2. শুধুমাত্র দলিলের পক্ষ
  3. দলিলের কোন পক্ষের প্রতিনিধিগণ
  4. তৃতীয় পক্ষ যারা দলিলের শর্তকে প্রভাবিত করে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৯ দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার সমঝোতা প্রদর্শন কারী:
- যেসব ব্যক্তি একটি দলিলের পক্ষ নন, অথবা তাদের স্বার্থের প্রতিনিধিরা, তারা কোনো সমসাময়িক সমঝোতার প্রমাণ দিতে পারেন যা দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৯ অনুযায়ী, দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার কোনো সমঝোতা প্রদর্শন করতে পারে এমন ব্যক্তি হলো তৃতীয় পক্ষ, যারা দলিলের শর্তকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তাদের স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ব্যক্তি দলিলের পক্ষ না, কিংবা তাদের প্রতিনিধিরা, তারা সেই দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করার সমঝোতা প্রদর্শন করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো সমঝোতা দুটি পক্ষের মধ্যে হয় এবং এটি অন্য কোনো পক্ষের স্বার্থকে প্রভাবিত করে, তবে সে তৃতীয় পক্ষও এটি প্রমাণ করতে পারে।

⇒ উদাহরণ: যদি A এবং B কোনো লিখিত চুক্তি করেন এবং তাদের মধ্যে মৌখিকভাবে কিছু শর্ত পরিবর্তিত হয়, তবে C, যদি তার স্বার্থ প্রভাবিত হয়, সে এই পরিবর্তনের প্রমাণ দিতে পারে।
------------- 
⇒ The Evidence Act, 1872- Section- 99. Who may give evidence of agreement varying terms of document:
Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.

Illustration:
A and B make a contract in writing that B shall sell A certain cotton, to be paid for on delivery. At the same time they make an oral agreement that three months' credit shall be given to A. This could not be shown as between A and B, but it might be shown by C, if it affected his interests.
৬,১১৮.
মূল মামলার মূল্যমান কত হলে যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে?
  1. ৫ লক্ষ টাকার অধিক হলে
  2. ৫ কোটি টাকার কম হলে
  3. ৫০ লক্ষ টাকার অধিক হলে
  4. ৫ কোটি টাকার অধিক হলে
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২১(১) ধারা অনুযায়ী-
যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫ কোটি টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫ কোটি টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১ ধারার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিম্নরূপ:
⇒ যুগ্ম জেলা বিচারকের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে যদি মূল মামলার মূল্য 5 কোটি টাকার কম হয়, তবে জেলা বিচারকের কাছে আপিল করতে হবে।
⇒ অন্য সব ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের কাছে আপিল করতে হবে।
⇒ কোন আপিল বা কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে থাকলে, জেলা বিচারকের আর্থিক আইন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলেও সেগুলো জেলা বিচারকের কাছে স্থানান্তরিত হবে না।
⇒ সিনিয়র সহকারী বা সহকারী বিচারকের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে জেলা বিচারকের কাছেই আপিল করতে হবে।
⇒ যদি (1) বা (2) উপ-ধারা অনুযায়ী জেলা বিচারকের কাছে আপিল করার কাজটি অতিরিক্ত জেলা বিচারককে দেওয়া হয়, তাহলে সেখানেই আপিল করতে হবে।
⇒ সরকারের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে, হাইকোর্ট বিভাগ সরকারী গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নির্দেশ দিতে পারবে যে, সিনিয়র সহকারী বা সহকারী বিচারকদের কোন রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল যৌথ জেলা বিচারকের কাছেই করতে হবে। সেক্ষেত্রে সেভাবেই আপিল করতে হবে।
৬,১১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারামতে আদালত কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণের নির্দেশ দিতে পারবেন?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৯ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি- কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।

♦ অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
৬,১২০.
'পক্ষগণ একমত হয়েও তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারেন না' বক্তব্যটি The Limitation Act, 1908 এর কোন ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক?
  1. ১২
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908, ধারা ৩ অনুযায়ি প্রথম তফসিলে বর্ণিত মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত প্রত্যেকটি মোকদ্দমা, আপীল বা আবেদন খারিজ করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। এই কারণে এ ধারার বাইরে যেয়ে আদালত পক্ষগণের সম্মতিতে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারনা।
৬,১২১.
যদি কোনো মামলা দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য হয়, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেট তা দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন?
  1. ২০৫খ ধারা
  2. ২০৫গ ধারা
  3. ২০৫ঘ ধারা
  4. ২০৫ ধারা
ব্যাখ্যা

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ তে যে মামলাসমূহ একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য,সেই সকল মামলার স্থানান্তর সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষেত্রে যদি ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,অপরাধটি একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তাহলে তিনি-
- মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
- জামিন সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানসমূহের শর্ত সাপেক্ষে আসামিকে হেফাজতে রাখার জন্য প্রেরণ করবেন;
- সাক্ষ্যের জন্য উপস্থাপন করতে হবে এরূপ দলিলাদি এবং জিনিসপত্র(যদি থাকে) তা সহ আদালতে প্রেরণ করবেন;
- পাবলিক প্রসিকিউটরকে নোটিশ দিবেন।
-------------- 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 205C. Transfer of case of Court of Session when offence is trial exclusively by it:
When in a case instituted on a police report or otherwise, the accused appears or is brought before the Magistrate and it appears to the Magistrate that the offence is triable exclusively by the Court of Session, he shall- 
(a) send the case to the Court of Session; 
(b) subject to the provisions of this Code relating to bail, remand the accused to custody during, and until the conclusion of, the trial; 
(c) send to that Court the record of the case and the documents and articles, if any, which are to be produced in evidence; 
(d) notify the Public Prosecutor of the transfer of the case to the Court of Session. 

৬,১২২.
'সরকারি পদাধিকারবলে কৃত কোনো কাজের জন্য মোকদ্দমায় উক্ত কর্মকর্তার গ্রেফতার ও হাজিরা থেকে অব্যাহতি'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ৫৩ ধারা
  2. ৭৭ ধারা
  3. ৮১ ধারা
  4. ৯১ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা-৮১: গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:
পদাধিকারবলে কৃত কার্যের দরুন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-
ক) ডিক্রি জারি ব্যতীত বিবাদিকে গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না; এবং
খ) যদি আদালত মনে করেন যে, উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন।

Sec 81: Exemption from arrest and personal appearance:
In a suit instituted against ta public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity-
a) the defendant shall not be liable to arrest not his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and,
b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
৬,১২৩.
“Pleading” shall mean-
  1. Plaint
  2. Written Statement
  3. Plaint and Written statement
  4. Plaint or written statement
ব্যাখ্যা
আদেশ ৬, বিধি ১-এ বলা হয়েছে “Pleading” shall mean Plaint or written statement .
৬,১২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট কখন শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন?
  1. যখন তিনি অপরাধের নালিশ গ্রহণ করেন
  2. যখন তিনি উপযুক্ত মনে করেন
  3. যখন মামলা দায়রা আদালতে বিচার্য হয়
  4. যখন পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার ২ক উপধারায় বলা হয়েছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন যখন তিনি উপযুক্ত মনে করেন।
এটি বিশেষভাবে নির্দেশ করে যে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, তদন্ত বা অনুসন্ধান প্রয়োজন এবং এই অনুসন্ধানে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, তবে তিনি সেই সাক্ষীদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন।
এছাড়া, ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে, যে অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতে বিচার্য, তাহলে তিনি ফরিয়াদী বা অভিযুক্তের সাক্ষীদের হাজির করতে এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন।
তবে, নালিশ গ্রহণ বা পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল হলে, ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী গ্রহণের জন্য শপথ করানোর বিধান নেই, যদি না তিনি এটি উপযুক্ত মনে করেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।
আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
-----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 202.Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint: 
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with:
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.
(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant. 
(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath: 
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.
(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.
৬,১২৫.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী বিবাহবিচ্ছেদের পর সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে জন্মানো সন্তানকে বৈধ ধরা যেতে পারে?
  1. ১৮০ দিন
  2. ২৮০ দিন
  3. ৩৮০ দিন
  4. ৪৮০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১২- বিবাহকালে জন্ম শিশুর বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ:
যে কোনো ব্যক্তি তার মাতার বৈধ বিবাহ চলাকালীন জন্মগ্রহণ করেছে, অথবা বিবাহবিচ্ছেদের ২৮০ দিনের (প্রায় দুইশত আশি দিন) মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছে, এবং মাতা এই সময়ের মধ্যে বিবাহিত ছিলেন না, সেই ব্যক্তিকে সেই বিবাহিত পিতার বৈধ সন্তান হিসেবে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত ধরা হবে, যদি কেউ প্রমাণ করতে না পারে যে, সন্তান জন্ম নেওয়ার সময় পিতামাতার মধ্যে কোনো মিলনের সুযোগ ছিল না, অর্থাৎ সন্তানটি জন্মগ্রহণের সময় মাতার পিতার সাথে কোনো শারীরিক সংস্পর্শ সম্ভব হয়নি।

সহজভাবে বলতে গেলে:
বৈধ বিবাহ চলাকালীন জন্ম → সন্তান স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈধ।
বিবাহবিচ্ছেদের পর ২৮০ দিনের মধ্যে জন্ম → সন্তানও বৈধ, যদি মাতা নতুন কোনো বিবাহ না করেছে।

৬,১২৬.
A, একটি গুরুতর এবং আকস্মিক উত্তেজনার কারণে, Z কে পিস্তল দিয়ে গুলি করে, এমন পরিস্থিতিতে যে, যদি তার গুলির কারণে Z এর মৃত্যু ঘটে, তবে তা অপরাধমূলক হত্যার চেষ্টা হিসেবে গণ্য হবে। এই পরিস্থিতিতে A দণ্ডবিধির _______ এর অধীনে অপরাধ করেছে।
  1. ধারা ৩০৪
  2. ধারা ৩০৭
  3. ধারা ৩০৮
  4. ধারা ৩০৯
ব্যাখ্যা
ধারা ৩০৮ - অপরাধমূলক নরহত্যার উদ্যোগ:
যে ব্যক্তি এমন কোনো কাজ করে যার মধ্যে এমন উদ্দেশ্য বা জ্ঞান থাকে এবং এমন পরিস্থিতি থাকে যে, যদি সে তার সেই কাজ দ্বারা মৃত্যু ঘটাতে সক্ষম হয়, তবে তাকে হত্যার অপরাধ না হলেও অপরাধের গম্ভীরতা অনুযায়ী দায়ী করা হবে, তাকে অপরাধমূলক হত্যার চেষ্টা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সাজা হবে: তিন বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে এবং, যদি কোনো ব্যক্তিকে আঘাত করা হয় এমন কাজ দ্বারা, তবে সাজা হবে: সাত বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে।

উদাহরণ
A, একটি গুরুতর এবং আকস্মিক উত্তেজনার কারণে, Z কে পিস্তল দিয়ে গুলি করে, এমন পরিস্থিতিতে যে, যদি তার গুলির কারণে মৃত্যু ঘটে, তবে তা অপরাধমূলক হত্যা হবে, তবে এটি খুনের অপরাধ না হয়ে অপরাধমূলক হত্যার চেষ্টা হিসেবে গণ্য হবে। এই পরিস্থিতিতে A ধারা ৩০৮ এর অধীনে অপরাধ করেছে।
৬,১২৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুসারে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রতিকার কত উপায়ে দেওয়া যায়?
  1. ১ প্রকারে
  2. ৩ প্রকারে
  3. ৪ প্রকারে
  4. ৫ প্রকারে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়। যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার। ৫এর গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

৫। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কিভাবে প্রদান করা হয়: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়-
(ক) নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণপূর্বক উহা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোনো পক্ষকে কোনো কাজ করিতে বাধ্য করিবার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে যাহা তিনি করিতে বাধ্য;
(গ) কোনো পক্ষকে কোনো কাজ করা হইতে বিরত রাখিবার মাধ্যমে যাহা তিনি করিতে বাধ্য নহেন;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রায় প্রদান ব্যতীত অন্যভাবে পক্ষগণের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------------
Specific relief how given: Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.

৬,১২৮.
তামাদি আইনের ধারা ২১(২) অনুসারে, একাধিক যৌথ চুক্তিকারী/ঋণগ্রহীতার মধ্যে একজন কর্তৃক দায় স্বীকারোক্তি অন্যদের জন্য –
  1. বাধ্যতামূলক নয়
  2. মামলা বাতিল করে
  3. স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাধ্যতামূলক
  4. আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২১(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, একাধিক যৌথ চুক্তিকারী, অংশীদার, নির্বাহক বা বন্ধকগ্রহীতার মধ্যে মাত্র একজন কর্তৃক স্বাক্ষরিত দায় স্বীকারোক্তি (Acknowledgement) বা প্রদত্ত অর্থ পরিশোধ শুধুমাত্র সেই কাজের জন্য প্রযোজ্য হবে। এটি অন্যদের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাধ্যতামূলক নয়।
অর্থাৎ, যৌথ চুক্তিকারী, পার্টনার, এক্সিকিউটর বা ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে একজনের লিখিত দায় স্বীকারোক্তি (acknowledgement) বা পেমেন্ট অন্যদেরকে দায়ী (chargeable) করে না। এটি শুধুমাত্র সেই ব্যক্তিকে প্রভাবিত করে যিনি স্বীকৃতি দিয়েছেন বা পেমেন্ট করেছেন, অন্যদের জন্য এটি বাধ্যতামূলক নয়। এর ফলে লিমিটেশনের সময় শুধুমাত্র সেই ব্যক্তির জন্য নতুন করে গণনা হয়, অন্যদের জন্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ২১ ধারার বিধান: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি:
(১) “তাঁহার পক্ষ থেকে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট” শব্দবন্ধটি, ধারাঃ ১৯ ও ২০-এর ক্ষেত্রে, একজন অক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রে, তাঁর আইনগত অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপক, অথবা এমন একজন এজেন্টকে অন্তর্ভুক্ত করবে যিনি এই অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপকের দ্বারা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান স্বাক্ষরের জন্য যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
(২) উল্লিখিত ধারাগুলোর অধীনে একাধিক যৌথ চুক্তিকারক, অংশীদার, নির্বাহী বা বন্ধকী কর্তাকে শুধুমাত্র অন্য একজন বা তাঁদের এজেন্টের দ্বারা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদানের কারণে দায়বদ্ধ করবে না।
(৩) উল্লিখিত ধারাগুলোর উদ্দেশ্যে-
(a) একজন বিধবা বা অন্য সীমিত মালিকের দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি স্বীকৃতি, অথবা কোনো দায়ের জন্য অর্থ প্রদান, অথবা যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা, যিনি হিন্দু আইন দ্বারা পরিচালিত, তা সংশ্লিষ্ট পুনঃসূত্রের বিরুদ্ধে একটি বৈধ স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান হিসেবে গণ্য হবে;
(b) যখন একটি হিন্দু অখণ্ড পরিবারের পক্ষে কোনো দায়ভার সৃষ্টি করা হয়, তখন বর্তমান ব্যবস্থাপক বা তাঁর যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা করা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান সম্পূর্ণ পরিবারের পক্ষে করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
-------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-21. Agent of persons under disability:
(1) The expression “agent duly authorised in his behalf,” in sections 19 and 20, shall, in the case of a person under disability, include his lawful guardian, committee or manager, or an agent duly authorised by such guardian, committee or manager to sign the acknowledgement or make the payment.
(2) Nothing in the said sections renders one of several joint contractors, partners, executors or mortgagees chargeable by reason only of a written acknowledgment signed or of a payment made by, or by the agent of, any other or others of them.
(3) For the purposes of the said sections-
(a) an acknowledgment signed, or a payment made, in respect of any liability, by, or by the duly authorised agent of, any widow or other limited owner of property who is governed by the Hindu law, shall be a valid acknowledgment or payment, as the case may be, as against a reversioner succeeding to such liability; and
(b) where a liability has been incurred by, or on behalf of, a Hindu undivided family as such, an acknowledgment or payment made by, or by the duly authorised agent of, the manager of the family for the time being shall be deemed to have been made on behalf of the whole family.

৬,১২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সরকার Special Executive Magistrate নিযুক্ত করতে পারে?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১২ অনুযায়ী, সরকার যখন প্রয়োজন মনে করে তখন Special Executive Magistrate নিয়োগ করতে পারে। এরা সাধারণত নির্দিষ্ট কাজ বা সীমিত সময়ের জন্য নিযুক্ত হন এবং তাদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব সরকার নির্ধারণ করে দেয়। অর্থাৎ, ধারা ১২ এর মাধ্যমে সরকার বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের আইনগত ক্ষমতা পায়।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-12: Special Magistrate:
(1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.

৬,১৩০.
Set-off এর দাবী কিসের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হয়?
  1. অতিরিক্ত জবাব
  2. লিখিত জবাব
  3. লিখিত দরখাস্ত
  4. নতুন আরজি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি ৬ মোতাবেক- বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা হলে বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল করেন; এসময় বিবাদী তার পাওনা টাকার জন্য Set-off এর দাবী ও উত্থাপন করতে পারেন। দাবী সমন্বয়ের দাবীসহ বিবাদীর লিখিত জবাব বিবেচিত হয় পাল্টা মামলার আরজির ন্যায়। এ ক্ষেত্রে বিবাদী কোর্ট ফি দিতে বাধ্য।
৬,১৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন দুটি ধারার শর্ত পূরণ করা হলে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়?
  1. ৮৭ এবং ৮৮
  2. ৩৩৭ এবং ৩৩৮
  3. ৪০২ এবং ৪০৩
  4. ৫০২ এবং ৫০৩
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে। উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
- আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

- অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো-
অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে। একে বলা হয় ''Trial in absentia'' বা অনুপস্থিতিতে বিচার।
৬,১৩২.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আপিল করতে পারে-
  1. আপিল বিভাগে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. বার কাউন্সিল আপিল বোর্ডে
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী-
ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে। এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।

Article-36: 
(1)Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.

(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৬,১৩৩.
মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তার ফলে যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ, অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইলে:
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা যাবে।

সহায়তার ফলে অপরাধ অনুষ্ঠিত হলে: এবং যদি এমন কোন কাজ সম্পাদিত হয় যাতে সহায়তার জন্য সহায়তাকারী দায়ী হয় এবং যাতে কোন ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে যোগসাজশকারী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারবে, এবং সহায়তাকারীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
৬,১৩৪.
প্রাথমিক সাক্ষের বিধান সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৫৩ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৬২ ধারায়
  4. ৫৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬২ শুরু হয়েছে প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞায়নের মাধ্যমে। ‘Primary Evidence means the document itself produced for the inspection of the court.
♦ প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বোঝায়, এমন মূল দলিল; যা পরিদর্শনের [inspection) জন্য আদালতের নিকট উপস্থাপন করা হয়েছে।" একবাক্যে বললে: স্বয়ং মূল দলিলই হচ্ছে প্রাথমিক সাক্ষ্য। অর্থাৎ 'মূল দলিল আদালতের নিকট উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে।
৬,১৩৫.
'কমিশনারের কার্যপদ্ধতি' সম্পর্কে আদেশ ২৬ এর কত বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. বিধি-১৩
  2. বিধি-১৪
  3. বিধি-১৭
  4. বিধি-১১
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি এর আদেশ ২৬ বিধি-১৪- কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত রে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনূর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।

Order 26 Rule 14- Procedure of Commissioner:
(1) The Commissioner shall, after such inquiry as may be necessary, divide the property into as many shares as may be directed by the order under which the commission was issued, and shall allot such shares to the parties, and may, if authorized thereto by the said order, award sums to be paid for the purpose of equalizing the value of the shares.

(2) The Commissioner shall then prepare and sign a report or the Commissioners (where the commission was issued to more than one person and they cannot agree) shall prepare and sign separate reports appointing the share of each party and distinguishing each share (if so directed by the said order) by metes and bounds. Such report or reports shall be annexed to the commission and transmitted to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court; and the Court, after hearing any objections which the parties may make to the report or reports, shall confirm, vary or set aside the same:
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.

(3) Where the Court confirms or varies the report or reports it shall pass a decree in accordance with the same as confirmed or varied; but where the Court sets aside the report or reports it shall either issue a new commission or make such other order as it shall think fit.
৬,১৩৬.
ধারা ২৫ এর অধীনে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া কী পরিস্থিতিতে চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যকরকরণ করতে অক্ষম হবেন?
  1. যখন তিনি সম্পত্তির মালিক হন
  2. যখন তিনি সম্পত্তির দখল নিশ্চিত করেন
  3. যখন তিনি মূল্যবান প্রতিফল ছাড়াই অধিকার সমর্পণ করেন
  4. যখন তিনি সম্পত্তির মূল্যের উপর ভিত্তি করে চুক্তি করেন
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫- একজন বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার পক্ষে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত করা যাবে না যদি-
(ক) জেনে-শুনে নিজের অধিকারহীন এমন সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকেন;

(খ) চুক্তি করার সময় যদিও বিশ্বাস করতেন যে তিনি সেই সম্পত্তির উপর সুনির্দিষ্ট অধিকার রাখেন, কিন্তু পক্ষদ্বয়ের বা আদালতের নির্ধারিত সময়ে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে যৌক্তিক সন্দেহাতীতভাবে স্বত্বাধিকার প্রদান করতে অক্ষম হন;

(গ) চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে কোনো মূল্যবান প্রতিফল ছাড়াই চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর নিজের অধিকার সমর্পণ করে থাকেন।
৬,১৩৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারার শর্তানুযায়ী, অনুরোধপত্রের (precept) ভিত্তিতে ক্রোক কতদিন পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৪৬ (২) অনুসারে বলা হয়েছে: “তবে শর্ত থাকে যে, অনুরোধপত্রের (precept) ভিত্তিতে সম্পত্তি ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না, যদি না ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বাড়ায়, অথবা ক্রোক কার্যকরকারী আদালতের কাছে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয় এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন করেন।”
- অর্থাৎ, স্বাভাবিকভাবে অনুরোধপত্রে ভিত্তি করে সম্পত্তি ক্রোক সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে।
- এই সময়সীমা শুধু তখনই বাড়ানো যেতে পারে, যদি উপরোক্ত দুটি শর্ত পূরণ হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান ডিক্রি জারির অনুরোধ:-
১) ডিক্রিদারের আবেদন অনুযায়ী ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করলে অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন।
২) যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সে আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিপ্রদানকারী আদালত ক্রোকের সময় বৃদ্ধি না করা পর্যন্ত অথবা এরূপ ক্রোক নির্ধারিত হওয়ার পূর্বে যে আদালত কর্তৃক ক্রোক করা হয়েছে, ঐ আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর করা না হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে অনুরোধলিপি অনুসারে কোন ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 46. Precepts:
(1) Upon the application of the decree-holder the Court which passed the decree may, whenever it thinks fit, issue a precept to any other Court which would be competent to execute such decree to attach any property belonging to the judgment-debtor and specified in the precept. 
(2) The Court to which a precept is sent shall proceed to attach the property in the manner prescribed in regard to the attachment of property in execution of a decree: 
Provided that no attachment under a precept shall continue for more than two months unless the period of attachment is extended by an order of the Court which passed the decree or unless before the determination of such attachment the decree has been transferred to the Court by which the attachment has been made and the decree-holder has applied for an order for the sale of such property.
৬,১৩৮.
বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রাপ্ত সমস্ত এনরোলমেন্ট ফি, অনুদান, দান বা সাবস্ক্রিপশন কীসের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. সরকারি তহবিল
  2. বার কাউন্সিল ফান্ড
  3. বিচার বিভাগীয় তহবিল
  4. অ্যাডভোকেট ওয়েলফেয়ার ফান্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) বার কাউন্সিল ফান্ড।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রাপ্ত সমস্ত এনরোলমেন্ট ফি, অনুদান, দান বা সাবস্ক্রিপশন বার কাউন্সিল ফান্ডের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই তহবিলটি বার কাউন্সিলের ব্যবস্থাপনায় থাকবে এবং এটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হবে যে কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য পূরণের জন্য, যা বার কাউন্সিলের দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে।

According to Article 13 of the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972,
- All sums received by the Bar Council as enrolment fees or as grants, donations or subscriptions shall form part of the Bar Council and that fund shall be managed, administered and utilized in such manner as may be prescribed. 
Explanation - In this Article, the expression, “enrolment fees” includes fees and their families and dependents, group insurance schemes and benevolent funds.

৬,১৩৯.
'ক' একটি সম্পদ ভর্তি বাক্স বহনকারী ষাঁড় দেখতে পায়; সে ষাঁড়টিকে একটি বিশেষ দিকে তাড়িয়ে দিতে থাকে যাতে সে অসাধুভাবে বাক্সটি হস্তগত করতে পারে। 'ক' নিচের কোন অপরাধটি করতে যাচ্ছে?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. অসাধুভাবে আত্মসাৎ
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান- চুরি:
কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ:
(ক) A, Z-এর জমিতে থাকা একটি গাছ কেটে ফেলে, উদ্দেশ্য হলো গাছটি Z-এর সম্মতি ছাড়াই নিজের কবজায় নেওয়া। এখানে, যখনই A গাছটি কাটে এই উদ্দেশ্যে, সে চুরি করেছে।

(খ) A তার পকেটে কুকুরের খাবার রাখে এবং সেই খাবারের গন্ধে Z-এর কুকুর তাকে অনুসরণ করতে থাকে। যদি A-এর উদ্দেশ্য হয় Z-এর কুকুরটিকে Z-এর দখল থেকে সম্মতি ছাড়া সরিয়ে নেওয়া, তাহলে যেই মুহূর্তে কুকুরটি তাকে অনুসরণ শুরু করে, তখনই A চুরি করেছে।

(গ) A একটি ষাঁড়ের সামনে পড়ে, যে একটি গুপ্তধনের বাক্স বহন করছিল। A ষাঁড়টিকে একটি নির্দিষ্ট দিকে চালিয়ে দেয় যাতে সে গুপ্তধনটি অসৎ উদ্দেশ্যে নিতে পারে। ষাঁড়টি যখনই হাঁটা শুরু করে, তখনই A চুরি করেছে।

ব্যাখ্যা ৪:
যদি কেউ কোনো জীবন্ত বা অজীব বস্তুকে এমনভাবে প্রভাবিত করে যাতে সে অন্যের দখল থেকে সম্পদ সরিয়ে নিতে পারে, তাহলে চুরি তখনই সম্পন্ন হয় যখন সেই সম্পদ নড়তে শুরু করে।
৬,১৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, বাদীর অভিযোগ (Plaint) এর মাঝে নিম্নের কোনটি উল্লেখ্য নয়?
  1. আদালতের নাম
  2. বিবাদীর মাসিক আয়
  3. বাদী-বিবাদীর নাম ও ঠিকানা
  4. মামলার কারণ গঠনকারী ঘটনাবলি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-৭, বিধি-১ অনুসারে, বাদীর অভিযোগ (Plaint)-এ নিম্নলিখিত তথ্য অবশ্যই উল্লেখ্য করতে হবে:, যেমন—
- আদালতের নাম
- বাদী ও বিবাদীর নাম, বিবরণ ও ঠিকানা
- মামলার কারণ গঠনকারী ঘটনাবলি এবং কখন তা সংঘটিত হয়েছে
- আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত তথ্য
- বাদীর দাবি ও চাওয়া প্রতিকার
তবে, "বিবাদীর মাসিক আয়" দেওয়ানি মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক নয়, কারণ এটি মামলার বিচারিক এখতিয়ার বা মূল দাবির সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয়। তাই এটি বাদীর অভিযোগের আবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে গণ্য হয় না।

সুতরাং, আদেশ-৭, বিধি-১ অনুযায়ী বিবাদীর আয়ের উল্লেখ বাদী লিখনে আবশ্যক নয়।
৬,১৪১.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫ অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়স্ক ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা প্রদানকারীকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেওয়া হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছরের কারাদণ্ড
  4. সাত বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
-If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

৬,১৪২.
ভুল আদালতে/এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে বাদী কি করবেন?
  1. আরজি খারিজের আবেদন
  2. আরজি ফেরতের আবেদন
  3. আরজি প্রত্যাহারের আবেদন
  4. আরজি সংশোধনের আবেদন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের বিধি ১০ এ আরজি ফেরত সম্পর্কে বলা হয়েছে-
(i)  মামলার যে কোনো পর্যায়ে প্রকৃতপক্ষে যে আদালতে মামলা দায়ের করা উচিত সেই আদালতে আরজি দাখিল করার জন্য উহা ফেরত দেওয়া যাইবে
(ii) আরজি ফেরত দেওয়ার সময় বিচারক উহার উপর আরজি দাখিল ও ফেরত দেওয়ার তারিখ, দাখিলকারক পক্ষের নাম এবং উহা ফেরত দেওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করিবেন।
♦অর্থাৎ ভুল আদালতে/এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে বাদীআরজি ফেরতের আবেদন করবেন।
৬,১৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কিত বিধান কোন সনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
  1. ১৮৯৮ সনে
  2. ১৯৯৯ সনে
  3. ২০০৭ সনে
  4. ২০০৮ সনে
ব্যাখ্যা
 ♦ মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে ২০০৭ সালের ১ম নভেম্বর বিচার বিভাগকে নিবাহী বিভাগ হতে পৃথক করা হলে ম্যাজিস্ট্রেটদের ২ ভাগে ভাগ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ২০০৯ সালে ফৌজদারী কার্যবিধিকে সংশোধন করে ম্যাজিস্ট্রেটদের ২ ভাগে যথা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটে ভাগ করা হয়। তবে এটাকে retrospective effect দিয়ে ২০০৭ সালের ১ম নভেম্বর হতে কার্যকর করা হয়। তাই বলা হয়, ২০০৭ সাল হতে ফৌজদারী কার্যবিধিতে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কিত বিধান যুক্ত করা হয় ।
৬,১৪৪.
কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে, সর্বোচ্চ কত সময় অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে রাখা যেতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারা- নির্জন কারাবাস:
যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে:
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
৬,১৪৫.
আদেশ ৬ বিধি ১৬ অনুযায়ী আদালত কোন কারণে আর্জি জবাবে কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন না?
  1. অপ্রয়োজনীয় বিষয়
  2. বিভ্রান্তিকর বিষয়
  3. কুৎসাজনক বিষয়
  4. মামলার মূল দাবির সঠিক ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৬ অনুযায়ী, আদালত আরজির সেইসব অংশ কর্তনের আদেশ দিতে পারেন, যেগুলো-
- অপ্রয়োজনীয় (unnecessary), অথবা
- কুৎসাজনক (scandalous), অথবা
- বিচার প্রক্রিয়ায় বিভ্রান্তি, অস্বস্তি বা বিলম্ব ঘটাতে পারে।
 কিন্তু মামলার মূল দাবির সঠিক ব্যাখ্যা যদি আরজিতে থাকে, তা আদালত কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন না, কারণ তা মামলার মূল বিষয়বস্তুর অন্তর্গত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি  আদেশ-৬ বিধি-১৬ আর্জি জবাবে কর্তন: মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আর্জি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা তাকিলে আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন। 
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6 Rule-16. Striking out pleadings: 
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
৬,১৪৬.
দায়রা আদালতে কার আপিলের শুনানীর এখতিয়ার আছে?
  1. দায়রা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি

দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
৬,১৪৭.
What is the subject of Rule 2, Order 40 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. Powers of a receiver
  2. Appointment of a receiver
  3. Removal of a receiver
  4. Remuneration of a receiver
ব্যাখ্যা
Order 40 Rule-2: Remuneration:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.

আদেশ ৪০ বিধি-২: পারিশ্রমিক:
আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কার্যের জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারবে।
৬,১৪৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৬ অনুসারে, আদালত কী পরিস্থিতিতে সাক্ষীকে অন্যান্য পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারে?
  1. যখন তা অপ্রাসঙ্গিক
  2. যখন সাক্ষী উপস্থিত থাকে
  3. যখন সাক্ষী অস্বীকার করে
  4. যখন তা সমর্থনমূলক হতে পারে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৫৬ অনুযায়ী, যদি কোনো সাক্ষী গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ের বিষয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেন, তবে তার সাক্ষ্যকে সমর্থন করার জন্য তাকে সেই সময় বা স্থান সংক্রান্ত অন্যান্য পর্যবেক্ষণ সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে— শর্ত হলো, আদালতের মত অনুযায়ী, এই অতিরিক্ত পর্যবেক্ষণ যদি প্রমাণ করা হয়, তাহলে তা সাক্ষীর মূল সাক্ষ্যকে সমর্থন করে।
- মূল বিষয়: ধারা ১৫৬ সাক্ষীর সাক্ষ্যকে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ করার উপায় হিসেবে অনুসঙ্গ তথ্য প্রমাণের সুযোগ দেয়।

⇒অর্থাৎ ধারা ১৫৬ অনুযায়ী:  আদালত সাক্ষীকে এমন কোনো বিষয় সম্পর্কেও প্রশ্ন করতে পারে— যা সাক্ষীর মূল সাক্ষ্যকে সমর্থন করে, যদিও সেটি ঘটনার মূল বিষয়ের বাইরে।
- তাই সঠিক উত্তর: ঘ) যখন তা সমর্থনমূলক হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৬ – প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাক্ষ্য সমর্থনের জন্য প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের অনুমোদন:
- যখন কোনো সাক্ষী, যার সাক্ষ্য সমর্থন করার উদ্দেশ্য রয়েছে, কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ের বিষয়ে সাক্ষ্য প্রদান করে, তখন আদালতের মতে যদি মনে হয় যে, সে সময় বা স্থানের আশপাশে সে যে অন্যান্য পরিস্থিতি লক্ষ্য করেছে তা প্রমাণিত হলে তার প্রদত্ত সাক্ষ্যকে সমর্থন করবে, তাহলে তাকে সেই অন্যান্য পরিস্থিতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে।

⇒ The Evidence Act, 1872 Section-156. Questions tending to corroborate evidence of relevant fact admissible:
 When a witness whom it is intended to corroborate gives evidence of any relevant fact, he may be questioned as to any other circumstances which he observed at or near to the time or place at which such relevant fact occurred, if the Court is of opinion that such circumstances, if proved, would corroborate the testimony of the witness as to the relevant fact which he testifies. 
Illustration:
A, an accomplice, gives an account of a robbery in which he took part. He describes various incidents unconnected with the robbery which occurred on his way to and from the place where it was committed. 
Independent evidence of these facts may be given in order to corroborate his evidence as to the robbery itself.

৬,১৪৯.
প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশোভন আচরণ কত ধারার অপরাধ?
  1. দণ্ডবিধির ৫০৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৫১১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ এর জন্য শাস্তি হতে পারে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড। ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:- কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

----------------------------------------------------------------------- 
⇒ Section 510. Misconduct in public by a drunken person:- Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
৬,১৫০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩-এ 'আদালত' বলতে কাকে বোঝায়?
  1. বিচারক
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সবগুলো।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩-এ 'আদালত' শব্দের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, "আদালত" বলতে বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য ব্যক্তি যারা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা রাখেন, তাদেরকে বোঝায়। এর মধ্যে বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি সকলেই অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়া, সালিস (Arbitrator) আদালতের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই, সঠিক উত্তর হচ্ছে ঘ) উল্লিখিত সবগুলো, কারণ আদালত বলতে শুধু বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটই নয়, সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন অন্য যে কেউ, তারাও আদালতের অন্তর্ভুক্ত।

- Section 3, Interpretation clause- "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.

৬,১৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেয়?
  1. ১৪৬ ধারায়
  2. ১৪৮ ধারায়
  3. ১৪৫ ধারায়
  4. ১৪৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিস্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাওয়ার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবে
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 146. Power to attach subject of dispute:
(1) If the Magistrate decides that none of the parties was then in such possession, or is unable to satisfy himself as to which of them was then in such possession of the subject of dispute, he may attach it until a competent Court has determined the rights of the parties thereto, or the person entitled to possession thereof: 
Provided that such Magistrate]may withdraw the attachment at any time if he is satisfied that there is no longer any likelihood of a breach of the peace in regard to the subject of dispute.
(2) When the Magistrate attaches the subject of dispute, he may, if he thinks fit and if no receiver of the property, the subject of dispute, has been appointed by any Civil Court appoint a receiver thereof, who, subject to the control of the Magistrate, shall have all the powers of a receiver appointed under the Code of Civil Procedure, 1908: 
Provided that, in the event of a receiver of the property, the subject of dispute, being subsequently appointed by any Civil Court, possession shall be made over to him by the receiver appointed by the Magistrate, who shall thereupon be discharged.
৬,১৫২.
Rape এর শাস্তি কোন ধারায়?
  1. ৩৭৫
  2. ৩৭৬
  3. ৩৭৭
  4. ৩০২
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৭৬ ধারায় ধর্ষণের শাস্তি রয়েছে। ৩৭৬ ধারার বিধান অনুযায়ী ধর্ষণকারী যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা অনধিক ১০ বৎসর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ডে দন্ডিত হবে।
♦ তবে ধর্ষিতা নারী যদি ধর্ষকের স্ত্রী হয় এবং স্ত্রীর বয়স ১২ বছরের কম না হয় তাহলে ধর্ষক অনধিক ২ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ডে দন্ডিত হবে।
৬,১৫৩.
দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল সংক্রান্ত তামাদির বিধান The Limitation Act,1908 এর কত Article এ বর্ণিত আছে?
  1. 150
  2. 170
  3. 173
  4. 181
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে।

অনুচ্ছেদ ১৫০-
দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দন্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৬,১৫৪.
মোহরানা বা দেনমোহরের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বৎসর
  2. ২ বৎসর
  3. ৩ বৎসর
  4. ৪ বৎসর
ব্যাখ্যা
- The Limitation Act, 1908 এর ১০৩ অনুচ্ছেদে তাৎক্ষণিক পরিশোধযোগ্য (Promt/মু’অজ্জল) মোহরানা আদায়ের জন্য আর  ১০৪ অনুচ্ছেদে বিলম্বিত (Differed/মু’আজ্জল) মোহরানা আদায়ে জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার বিধান আছে। উভয়ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
৬,১৫৫.
দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারায় এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর জখম করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারায় এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর জখম করার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৬,১৫৬.
ক, গ এর পকেটে হাত ঢুকিয়ে গ এর পকেট মারার চেষ্টা করে। গ এর পকেটে কিছু না থাকায় ক এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ক দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধী হবে?
  1. ৫১০ ধারা
  2. ৫০৯ ধারা
  3. ৫১১ ধারা
  4. ৫০৮ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৫১১ এর উদাহরণ ( খ) অনুযায়ী ক অপরাধ সংঘটনের  উদ্যোগ করেন এই জন্য সে অপরাধী হবে।

♦ দণ্ডবিধির ধারা ৫১১ তে বলা আছে কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদন্ডে অথবা কারাদন্ডে দান্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য দণ্ডবিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৬,১৫৭.
৯ ধারার অধীনে দায়েরকৃত মামলার কোন আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না?
  1. কেবল আপিল
  2. কেবল পুনর্বিবেচনা
  3. পুনর্বিবেচনা অথবা আপিল
  4. আপিল এবং রিভিশন
ব্যাখ্যা
৯ ধারা- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

Section 9- Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৬,১৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ১ অনুসারে, স্বীকারের নোটিশ প্রদানের জন্য নিচের কোনটি গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. আরজির মাধ্যমে
  2. জবাবের মাধ্যমে
  3. লিখিত চিঠির মাধ্যমে
  4. মৌখিক বক্তব্যের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ১ অনুসারে, কোনো পক্ষ আরজি (লিখিত বক্তব্য), জবাব (লিখিত জবাব) অথবা অন্য কোনো লিখিত উপায়ে (যেমন চিঠি, নোটিশ ইত্যাদি) অন্য পক্ষের মোকদ্দমার সম্পূর্ণ বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করতে পারে।
- মৌখিক বক্তব্য এই বিধির অধীনে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ বিধিতে স্পষ্টভাবে "লিখিত" (in writing) উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ-
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.

৬,১৫৯.
Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to __________.
  1. Hurt
  2. Cause hurt
  3. Grievous hurt
  4. Voluntarily causing hurt
ব্যাখ্যা
⇒ Section 319. Hurt:- Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.
--------
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারার বিধান: আঘাত:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।
৬,১৬০.
সংগোপনে অনাধিকার গৃহপ্রবেশের সংজ্ঞা রয়েছে কত ধারায়?
  1. ৪৪১ ধারায়
  2. ৪৪২ ধারায়
  3. ৪৪৩ ধারায়
  4. ৪৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা-৪৪৩ অনুযায়ী  সংগোপনে অনধিকার গৃহপ্রবেশ (Lurking house trespass)- কোন ব্যক্তির গৃহ, তাবু প্রভৃতিতে গোপনে অর্থাৎ গৃহের প্রকৃত মালিকের অজ্ঞাতে বা অজান্তে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করলে তা সংগোপনে অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে গণ্য হবে।
৬,১৬১.
রায়ের পূর্বে ক্রোক আদেশ দেওয়া হলে, আদেশ-৩৮, বিধি-৯ অনুসারে তা কখন প্রত্যাহার করা যায়?
  1. শুধুমাত্র আদালত চাইলে
  2. শুধুমাত্র বাদীর অনুমতিতে
  3. বিবাদী জামানত দিলে
  4. চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পরে
ব্যাখ্যা
আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
৬,১৬২.
Section 47A of The Evidence Act, 1872 is primarily concerned with:
  1. Opinion as to Handwriting
  2. Opinion as to Existence of right or custom
  3. Opinion as to Digital Signature
  4. Opinion as to physical or forensic evidence
ব্যাখ্যা

Section- 47A of The Evidence Act, 1872- Opinion as to digital signature where relevant:
When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪৭ক: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক-
যখন আদালতের কোন ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত গঠন করা প্রয়োজন হয়, তখন যেই ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রস্তুতকারী কর্তৃপক্ষ উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ ইস্যু করেছে, তার মতামত প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে।

৬,১৬৩.
Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, বিচারক নিয়োগে অ্যাডভোকেটের ভূমিকা কী?
  1. রাজনৈতিক বিবেচনায় সমর্থন দেওয়া
  2. শুধুমাত্র ব্যক্তিগত পরিচিতদের সমর্থন করা
  3. যোগ্যতা ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করা
  4. নিজের আত্মীয়স্বজনকে নিয়োগের সুপারিশ করা
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette, অধ্যায়-৩, বিধি-৭ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব হচ্ছে বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, বরং যোগ্যতা এবং নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া। অ্যাডভোকেটদের উচিত শুধুমাত্র যোগ্য ও নৈতিকভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য সমর্থন করা। তারা অবশ্যই চেষ্টা করবেন এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে যারা বিচারকদের দায়িত্ব পালনে মুক্ত এবং নিরপেক্ষ থাকবেন, এবং যারা রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক চাপ থেকে মুক্ত।

অতএব, বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সমর্থন (ক), ব্যক্তিগত পরিচিতদের সমর্থন (খ), অথবা আত্মীয়স্বজনের সুপারিশ (ঘ) করা আদর্শ আচরণ নয় এবং আইনিভাবে একে সমর্থন করা হয় না।

7. It is the duty of Advocates to endeavour to prevent political considerations from outweighing judicial fitness in the appointment and selection of Judges. They should protest earnestly and actively against the appointment or selection of persons who are unsuitable for the Bench and thus should strive to have elevated thereto only those willing to forego other employments whether of a business, political or other character, which may embarrass their free and fair consideration of questions before them for decision. The aspiration of Advocates for judicial position should be governed by an impartial estimate of their ability to add honour to the office and not by a desire for the distinction the position may bring to themselves.
৬,১৬৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ORDER XLIV এর মূল বিষয় কী?
  1. Appeals from Orders
  2. Pauper Appeals
  3. Review of Judgments
  4. Appeals from Original Decrees
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-XLIV (Order 44) এ দরিদ্র ব্যক্তির আপিল (Pauper Appeals)–এর বিধানাবলী উল্লেখ আছে।
​- এই আদেশ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি আপিল করার অধিকার রাখেন কিন্তু আবশ্যকীয় কোর্ট ফি প্রদান করতে অক্ষম, তিনি দরখাস্তের মাধ্যমে pauper হিসেবে আপিল করতে পারেন।
​- এ ক্ষেত্রে, আদেশ-৪৪ বলেছে যে আদেশ-৩৩ (Order XXXIII) এর দরিদ্র বাদীর মামলা সংক্রান্ত বিধানাবলীও প্রযোজ্য হবে।

→ ​অর্থাৎ ​দেওয়ানী কার্যবিধির Order XLIV মূলত দারিদ্র্যর কারণে ফি দিতে অক্ষম ব্যক্তিদের (pauper) আপিল সংক্রান্ত বিধান নিয়ন্ত্রণ করে। এতে বলা আছে কে pauper হিসেবে আপিল করতে পারবে, কীভাবে আবেদন করতে হবে, এবং pauper হওয়ার তদন্ত কিভাবে করা হবে।
​​- অতএব, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-XLIV (Order 44) = Pauper Appeals এর করার বিধান রয়েছে।

৬,১৬৫.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩১ অনুচ্ছেদ অনুসারে একজন অ্যাডভোকেট কী করতে পারেন?
  1. তার প্র্যাকটিস বন্ধ করতে পারেন
  2. তার লাইসেন্স বাতিল করতে পারেন
  3. তার প্র্যাকটিস স্থগিত করতে পারেন
  4. তার প্র্যাকটিস স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর-৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী তার আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস (চর্চা) সাময়িকভাবে স্থগিত করতে পারেন।
- এটি কোনো স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়।
- এটি কেবল বার কাউন্সিলের বিধি অনুযায়ী একটি সাময়িক বিরতি।
- প্র্যাকটিস স্থগিত করা মানে হচ্ছে—তিনি কিছু সময়ের জন্য মামলা পরিচালনা করবেন না বা আদালতে হাজির হবেন না।
- এই ধারা অ্যাডভোকেটদের স্বেচ্ছায় কিছু সময়ের জন্য পেশাগত দায়িত্ব থেকে বিরত থাকার সুযোগ দেয়, যেমন: ব্যক্তিগত, স্বাস্থ্যগত বা পেশাগত কারণে।
----------- 
→ The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 (President's Order), Article-31:
- An advocate may suspend his practice in such manner as may be prescribed.
৬,১৬৬.
মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কর্মদিবস কোনটি?
  1. ৩১ মে
  2. ৩০ জুন
  3. ৩১ জুন
  4. ১ লা জুলাই
ব্যাখ্যা
♦ নির্বাচিত কমিটির মেয়াদকাল হবে ৩ বছর। মেয়াদ শেষ হবার বছরে ৩১ শে মে অথবা তার পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য বার কাউন্সিল গঠিত হবে।

♦ অর্থাৎ মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কার্য দিবস হচ্ছে ৩০ জুন
৬,১৬৭.
মোকদ্দমায় এক বা একাধিক ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা যায় যদি-
  1. পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে
  2. তথ্য সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হলে
  3. পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে
  4. একই বিবাদীর বিরুদ্ধে হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মোকদ্দমায় দুই ধরণের পক্ষ থাকে। যথা-
১. বাদী পক্ষ
২. বিবাদী পক্ষ 

• [বিধি ১ থেকে ৩] মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)-

দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে।একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

উদাহরণ-'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে । এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
৬,১৬৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৯, বিধি-৬ কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. সম্পত্তির ক্রোক
  2. ডিক্রি জারির আদেশ
  3. অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ
  4. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale):
- কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒ আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-39 Rule-6. Power to order interim sale:
- The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.

৬,১৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক অনুসারে কে মামলা বা আপিল স্থানান্তরের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. সরকার
  2. জেলা জজ
  3. দায়রা আদালত
  4. আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক(১)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, আপিল বিভাগ (Supreme Court of Bangladesh-এর Appellate Division) ন্যায়বিচার বা পক্ষগণ ও সাক্ষীদের সুবিধার স্বার্থে যে কোনো মামলা বা আপিল:
১) হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে অন্য বেঞ্চে, অথবা
২) এক স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারভুক্ত ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য বেঞ্চের এখতিয়ারভুক্ত সমতুল্য বা উচ্চতর আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারার বিধান:- মামলা ও আপিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারি আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তরিত আপিল, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলত সেখানেই উক্ত মামলা বা আপিল আপিল করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:
(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.
(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
৬,১৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় দায়রা আদালত অব্যাহতির আদেশ দিতে পারেন?
  1. ২৪১গ
  2. ২৬৫ক
  3. ২৬৫গ
  4. ২৪১ক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।

আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
৬,১৭১.
স্মল ক্লজ আদালত (Small Cause Courts) এর রায়ে থাকবে-
  1. রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
  2. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  3. সিদ্ধান্ত এবং অনুরুপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  4. ক,খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
আদেশ ২০ বিধি ৪০-

১) স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে থাকবে-

⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
⇒ উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।

২) অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-

⇒ মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case]
⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination]
⇒ ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon] এবং
⇒ অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].
৬,১৭২.
একজন লোক H এর জমির ধান কেটে চুরি করলে তাদের বিরুদ্ধে The penal code, 1860 এর কোন ধারায় চার্জ হবে?
  1. ৩৭৯
  2. ৩৭৯ ও ৪৪৭
  3. ৪৪৭
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦জমির ধান কেটে চুরি করার জন্য ৩৭৯ ধারার অধীন চার্জ গঠনের সাথে ৪৪৭ ধারার অধীন যৌথভাবে চার্জ গঠন করার কোন সুযোগ নেই কারণ জমি হতে দণ্ডায়মান ধান কাটা এবং নিয়ে যাওয়ার জন্য উক্ত জমিতে প্রবেশ করতে হয়। সুতরাং ৪৪৭ ধারার অধীন জমিতে প্রবেশের জন্য চার্জ গঠনের প্রয়োজন নেই ।
♦অর্থাৎ জমির ধান কেটে চুরি করার জন্য ৩৭৯ ধারার অধীন চার্জ গঠন করা হবে।
৬,১৭৩.
আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে-
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে 
  2. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
  3. যে কোন পর্যায়ে
  4. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮নং আদেশের ১ থেকে ৪ বিধিতে রায় ঘোষণার পূর্বে বিবাদীকে কতিপয় ক্ষেত্রে গ্রেফতার এবং আদালতে হাজিরার জন্য কেন তাকে জামানত দিতে হবে না তার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে।
আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে। তবে বিবাদী যদি বাদীর দাবিযোগ্য অর্থ জামানত হিসেবে আদালতে জমা দেয় তবে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না।

⇒ বিধি-১: বিবাদীকে হাজিরার জন্য জামানত প্রদান-
- বিবাদী আদালতের কোন পরোয়ানা এড়ানো বা তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রিজারি বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি-
ⅰ) আত্মগোপন বা আদালতের আঞ্চলিক সীমানা ত্যাগ করে বা এর উদ্যেগ গ্রহণ করে: অথবা
ii) তার সম্পত্তি বা এর অংশ হস্তান্তর করে বা আদালতের স্থানীয় সীমা থেকে অপসারন করে; অথবা
iii) বাংলাদেশ ত্যাগ করার প্রচেষ্টা করে; তাহলে এসব ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বেই আটক বা আদালতে হাজির হয়ে কেন জামানত দেয়া হবে না এই মর্মে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে পারেন। তবে পর্যাপ্ত জামানত দিতে চাইলে আদালত আটকের আদেশ দিবেন না।

⇒ বিধি-২: কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে জামানত- ১ বিধি অনুযায়ী বিবাদী উপযুক্ত কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে, আদালত বিবাদীকে প্রয়োজনীয় অর্থ বা সম্পদ জামানত হিসাবে আদালতে জমা প্রদানের নির্দেশ দিবেন।

⇒ বিধি-৩: জামিনদার দায়মুক্তির আবেদন করলে- জামিনদার রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় স্বীয় দায়মুক্তির জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন/ওয়ারেন্ট দিতে পারেন।  বিবাদী আদালতে হাজির হওয়ার পরে আদালত উক্ত জামিনদারকে জামিননামার দায় থেকে মুক্তি দিবেন এবং বিবাদীর নিকট নতুন জামানত তলব করবেন।

⇒  প্রতিকার- সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে (আদেশ ৪৩ বিধি ১)।

⇒ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-
 ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং  ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
⇒ স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।

⇒ অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
CPC Order-38 Rule-1:Where defendant may be called upon to furnish security for appearance.
- Where at any stage of a suit, other than a suit of the nature referred to in section 16, clauses a) to (d), the Court is satisfied, by affidavit or otherwise-
a) that the defendant, with intend to delay the plaintiff, or to avoid any process of the Court or to obstruct or delay the execution of any decree that may be passed against him-
i) has absconded or left the local limits of the jurisdiction of the Court, or
ii) is about to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
iii) has disposed of or removed from the local limits of the jurisdiction of the Court his property or any part thereof, or

b) that the defendant is about to leave Bangladesh under circumstances affording reasonable probability that the plaintiff will or may thereby be obstrusted or delayed in the execution of any decree that may be paased against the defendant in the suit,
the Court may issue a warrant to arrest the defendant and bring him before the Court to show cause why he should not furnish security for his appearance
Provided that the defendant shall not be arrested if he pays to the officer entrusted with the execution of the warrant any sum specified in the warrant as sufficient to satisfy the plaintiff's claim; and such sum shall be held in deposit of or until the further order of the Court.
৬,১৭৪.
“Facts admitted need not be proved” বিধানটি the Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫৬
  2. ধারা ৫৭
  3. ধারা ৫৮
  4. ধারা ৫৯
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
♦৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
♦সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
৬,১৭৫.
প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বুঝায় এমন দলিল যাহা পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে-
  1. আইনজীবীর নিকট
  2. সরকারি কর্মকর্তার নিকট
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট
  4. আদালতের নিকট
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে মূল দলিল সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বা Primary evidence বলে। এছাড়া নিম্নলিখিত সাক্ষ্যগুলোও প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে-

i) সাক্ষ্য আইনের ৬২ ও ৯১ ধারা অনুযায়ী লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে খোদ দলিলটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ii) একটি দলিল কয়েক খন্ডে সম্পাদিত হলে, প্রত্যেক খন্ডই একে অন্যের প্রাথমিক সাক্ষ্য।

iii) যখন কোন দলিল প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয় (executed in counterpart), তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

iv) যেক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে একই পদ্ধতিতে হয়, সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটি অন্যগুলির প্রাথমিক সাক্ষ্য। কিন্তু মূল দলিলের নকল হলে, তা মূল দলিলের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য হবেনা যেমন- এক ব্যক্তির দখলে এমন কতগুলি প্রচার পত্র (placards) আছে বলে দেখান হল, যার সবগুলি একটি মূল দলিল হতে একই সময়ে মুদ্রিত হয়েছে। প্রচার পত্রগুলির যে কোন একটি অপর একটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য, কিন্তু সেগুলির একটিও মূল প্রচার পত্রের বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য নয়।

⇒ মৌখিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য- সাক্ষী নিজে দেখে-শুনে বা অনুভব করে যে সাক্ষ্য দেয় তা প্রাথমিক সাক্ষ্য। তার নিকট থেকে অন্য জন শুনে সাক্ষ্য দিলে তা হয় মাধ্যমিক (Secondary) বা পরোক্ষ তথা জনশ্রুতি সাক্ষ্য।
৬,১৭৬.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় অপ্রকৃতিস্থ বা উম্মাদ ব্যক্তির কার্য অপরাধ বলে গণ্য হবেনা?
  1. ধারা ৮২
  2. ধারা ৮৩
  3. ধারা ৮৪
  4. ধারা ৮৫
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৮৪ ধারা মতে যে অপকৃতিস্থ বা উম্মাদ ব্যক্তি অপকৃতিস্থ/উম্মাদ থাকাবস্থায় তার কার্যের প্রকৃতি বুঝতে অক্ষম কিংবা তার কার্যটি যে বেআইনি বা আইনের পরিপন্থী তা বুঝতে অক্ষম ছিল সে সময়ে তার কার্যটি অপরাধ গণ্য হবে না।
৬,১৭৭.
The rights, powers duties and liabilities of receivers are regulated by:
  1. The Court’s discretion
  2. The Code of Civil Procedure
  3. The parties involved
  4. The local administration
ব্যাখ্যা
Section 44- Appointment of receivers discretionary, Reference to Code of Civil Procedure:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
৬,১৭৮.
একজন মুসলমান বা হিন্দু পরস্পর ভিন্ন ধর্মের উপাসনালয়ে ঢুকে পবিত্র স্থান নোংরা ও ক্ষতিগ্রস্থ করে এবং তা ধর্মকে অপাদস্থ করার মানসে সংঘঠিত করে তাহলে উক্ত ব্যক্তির ২৯৫ ধারার বিধান মতে কী শাস্তি হবে?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারার বিধান কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপব্রিত করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:

Section 295. Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৬,১৭৯.
দায়রা জজের রিভিশনাল সিদ্ধান্ত-
  1. আপিলযোগ্য
  2. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
  3. পুনঃশুনানি সাপেক্ষ
  4. দ্বিতীয় রিভিশনযোগ্য
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে,
দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
৬,১৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২ অনুযায়ী, কোন উদ্দেশ্যে কমিশন প্রেরণ করা হয়?
  1. সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য
  2. সাক্ষীকে পরীক্ষার জন্য
  3. রায় ঘোষণার জন্য
  4. সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২: কমিশনের জন্য আদেশ: 
সাক্ষী পরীক্ষার জন্য কমিশন জারির আদেশ আদালত কর্তৃক হয় নিজ উদ্যোগে অথবা মোকদ্দমার কোনো পক্ষের বা যে সাক্ষীকে পরীক্ষা করা হবে তার শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে আবেদনক্রমে প্রদান করা যেতে পারে।

Order-26 Rule-2. Order for commission:
An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.

৬,১৮১.
'আমলযোগ্য অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারের কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না' - এটি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৫৫(১) ধারায়
  2. ১৫৬(১) ধারায়
  3. ১৫৬(২) ধারায়
  4. ১৫৬(৩) ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ ধারা ১৫৬ – আমলযোগ্য অপরাধে তদন্ত (Investigation into cognizable cases):

ধারা ১৫৬(১):
যে কোনও পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (OC) ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়াই এমন কোনও আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত শুরু করতে পারেন, যা তার অধীনস্থ এলাকা বা সীমার মধ্যে পড়ে এবং যে মামলা সেই এলাকার কোনও আদালতের বিচারাধীন হতে পারে (অধ্যায় XV অনুযায়ী যেখানে বিচার হবে বা তদন্ত হবে)।

ধারা ১৫৬(২):
এমন কোনও মামলায় পুলিশ কর্মকর্তার করা কোনও কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না এই অজুহাতে যে, তিনি এই ধারা অনুসারে তদন্ত করার ক্ষমতা রাখেন না।

ধারা ১৫৬(৩):
যে কোনও ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি ধারা ১৯০ অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত, তিনি উপর্যুক্তভাবে (উল্লেখিত আমলযোগ্য মামলায়) তদন্তের আদেশ দিতে পারেন।
৬,১৮২.
'একটি দেওয়ানি মোকদ্দমার সমন বিনা জারিতে ফেরত আসার ৩০ দিনের মধ্যে বাদী নতুন করে সমন পাঠানোর পদক্ষেপ না নিলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে' - দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় এই বিধান আছে?
  1. আদেশ-৫, বিধি-৫
  2. আদেশ-৮, বিধি-৫
  3. আদেশ-৯, বিধি-৫
  4. আদেশ-১০, বিধি-৫
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯, বিধি-৫:
(১) বিবাদীকে কিংবা কতিপয় বিবাদীর কোনো একজনের প্রতি সমন দেওয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারির বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেওয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেওয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দেবে। তবে, যদি উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদী নিম্নলিখিত যে কোনো কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদীর উপর সমন জারি হয়নি, বাদী যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও সেই বিবাদীর ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদী পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলছেন; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কোনো যৌক্তিক কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নতুন সমন দেওয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

(২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।
৬,১৮৩.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী মনুষ্য হরণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ Section 362. Abduction:- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
⇒ Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
৬,১৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারায় কত ধরনের আদালতকে রিভিশন এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. ৫ ধরনের
  2. ৪ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ২ ধরনের
ব্যাখ্যা
রিভিশন [Revision]:
রিভিশন অর্থ হলো ক্ষমতা সম্পন্ন উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা। রিভিউ এবং রিভিশনের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো রিভিউ দায়ের করা হয় ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে অন্যদিকে রিভিশন দায়ের করা হয় ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের রিভিশন ক্ষমতা সম্পন্ন উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজের নিকট)। দেওয়ানী আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ রিভিশন আবেদন দায়ের করতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ (দুই) ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে-
১. হাইকোর্ট বিভাগের;
২. জেলা জজ আদালতের।
১১৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। ১১৫ (২) ধারায় জেলা জজের আদালতে রিভিশন দায়ের সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে।

রিভিশন দায়েরের কারণ:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে যদি-
ক. ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান না থাকলে এবং
খ. নিম্ন আদালত আইনগত ভুল করার কারণে ডিক্রি বা আদেশে ভুল হয়েছে এবং
গ. উক্ত ভুলের কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হলে রিভিশন দায়ের করা যাবে।
শুধুমাত্র আইনত ভুলের ক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। যদি আইনগত ভুলটি ন্যায় বিচার বিঘ্ন করে, শুধুমাত্র আদালত তখনই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
৬,১৮৫.
যদি কোনো ব্যক্তি জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করার পর আদালতে হাজির না হয়, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুযায়ী আদালত কোন ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. নতুন সমন জারি করবে
  2. সতর্কবার্তা নোটিশ দেবে
  3. গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে
  4. মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করে আদালতে হাজির হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন কিন্তু নির্ধারিত সময়ে হাজির না হন, তবে আদালতের প্রিসাইডিং অফিসার তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।
- এই পরোয়ানার মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানো হয়।
- অর্থাৎ, আদালত কেবল সতর্কবার্তা বা সমন নয়, বরং সরাসরি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার ক্ষমতা রাখে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করে আদালতে হাজির হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হয়, তবে আদালতের প্রিসাইডিং অফিসার (অর্থাৎ আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। এই পরোয়ানার মাধ্যমে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 92. Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.

৬,১৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালতের বিচারকদের নিয়োগ কে প্রদান করেন?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) রাষ্ট্রপতি।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯(৩) ধারার অধীনে, দায়রা আদালতের বিচারকদের নিয়োগ রাষ্ট্রপতি প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতি জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজকে নিয়োগ দেন, যা সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদে নির্ধারিত রয়েছে।

⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
- ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore.
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
৬,১৮৭.
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা অনুসারে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাথে যুক্ত সম্পত্তি কী বলে গণ্য হবে?
  1. বৈধ সম্পত্তি
  2. সাধারণ সম্পত্তি
  3. চোরাই সম্পত্তি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় "চোরাই সম্পত্তি" (Stolen Property) এর সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) এর সাথে যুক্ত সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে গণ্য হবে। এছাড়াও চুরি, জোরপূর্বক আদায়, দস্যুতা বা অপরাধমূলক আত্মসাতের মাধ্যমে হস্তান্তরিত সম্পত্তিও এর অন্তর্ভুক্ত।
সুতরাং, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust)-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত বা সম্পর্কিত সম্পত্তিও দণ্ডবিধি অনুযায়ী চোরাই সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:
- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
-----------
⇒The Penal Code, 1860- Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

৬,১৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোনটি করার ক্ষমতা আপিল বিভাগের রয়েছে?
  1. সাক্ষীকে সমন জারি করা
  2. মামলা ও আপিল স্থানান্তর করা
  3. একজন বিচারককে অপসারণ করা
  4. হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ গঠন করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক (Section 525A of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী আপিল বিভাগ (Appellate Division) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা হলো: হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে অন্য স্থায়ী বেঞ্চে, অথবা এক বেঞ্চের এখতিয়ারাধীন ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য বেঞ্চের এখতিয়ারাধীন সমপর্যায় বা উচ্চতর ফৌজদারি আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তর করা।
- এই ক্ষমতা ব্যবহার করা হয় যদি তা ন্যায়বিচারের প্রয়োজনে বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার জন্য উপযুক্ত মনে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক- মামলা ও আপিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারি আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তরিত হয়, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলত সেখানেই উক্ত মামলা বা আপিল দায়ের করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:
(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.
(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
৬,১৮৯.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় বিচার্য বিষয় কে প্রণয়ন করে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. আদালত
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবী
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ১ অনুযায়ী-
মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদীর আরজি ও বিবাদীর লিখিত জবাব পাঠ করে, পক্ষগণের মধ্যে যে বিরোধপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ আইনগত বা ঘটনাগত বিষয় রয়েছে, তা নির্ধারণ করে বিচার্য বিষয় (Issues) প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করে।

অর্থাৎ, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের দায়িত্ব আদালতের।

৬,১৯০.
একটি মামলা সংক্ষিপ্ত বিচারে প্রদত্ত ১৫০ টাকার অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে আপিল আদালত এটি _______
  1. সরাসরি খারিজ করবেন
  2. শুনানীর জন্য নোটিশ দিবেন
  3. মঞ্জুর করে খালাস দিবেন
  4. মঞ্জুর করে মামলা পুনর্বিচারে পাঠাবেন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৪ ধারামতে সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে অনধিক ২০০/- টাকা জরিমানা করা হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল চলে না।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
♦ বিশেষ নোট- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন যে সকল ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না, সে সব ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা যায়।
৬,১৯১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা অনুসারে কেবলমাত্র ভুলের জন্য কোন চুক্তি-
  1. বাতিল করা যায়
  2. রদ করা যায় না
  3. সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ: কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।
-------------------------
Section 36: Rescission for mistake: Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

৬,১৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে- “Complaint” means the allegation made orally or in writing to a _________.
  1. Police officer
  2. Magistrate
  3. any authority
  4. all of above
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h)-
"complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person, whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police officer:

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)-
"নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।

অর্থাৎ, অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্তু অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।

৬,১৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারা অনুযায়ী কোন পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার সংবাদ কার নিকট জানাবেন?
  1. জেলা পুলিশ সুপারকে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারা মতে  আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার (design) সংবাদ গ্রহণকারী পুলিশ অফিসার উক্ত সংবাদ তার উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে জানাবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারার বিধান অনুরূপ অপরাধের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদঃ কোন পুলিশ অফিসার কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ পেলে তিনি তাঁর উপরস্থ কোন পুলিশ কর্মকর্তা এবং এরূপ কোন অপরাধ নিবারণ করা বা আমলে আনা যে কর্মকর্তার কর্তব্য সেই কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন।
-------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 150. Information of design to commit such offences: Every police-officer receiving information of a design to commit any cognizable offence shall communicate such information to the police-officer to whom he is subordinate, and to any other officer whose duty it is to prevent or take cognizance of the commission of any such offence.
৬,১৯৪.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) কখন দেওয়া হয়?
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. মোকদ্দমা চলাকালীন যে কোনো সময়ে
  3. মোকদ্দমার শেষে রায়ের মাধ্যমে
  4. ডিক্রির জারির পূর্বে যে কোনো সময়ে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
-চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
-----------------------------
⇒ Section-53: Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
-Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৬,১৯৫.
ক”২০০০০০ লক্ষ টাকার মূল্যমানের একটি চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্মলিখিত কোন সিদ্ধান্তটি দিতে পারে?
  1. আরজি ফেরত
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান
  3. আরজি সংশোধন
  4. আরজি পুনরায় দাখিল করন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি- ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত: (১) মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা উচিত, ঐ আদালতে  আরজি পেশ করার জন্য সেটা ফেরত প্রদান করা যাবে।
♦(২) আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতিঃ আরজি ফেরত দেয়ার সময় বিচারক এর উপর দাখিলের ও ফেরত দেয়ার তারিখ,দাখিলকারী পক্ষের নাম, এবং তা ফেরত দেয়ার কারণসম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করবেন।
♦এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে। যেহেতু মোকদ্দমাটি মূল্যমান ২ লক্ষ টাকা, তাই সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করতে হবে।
৬,১৯৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৯ক বিধি মতে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ করার আবেদনের জন্য কত টাকা খরচ প্রদান করতে হয়?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৯ক বিধি অনুযায়ী, মোকদ্দমার খারিজ আদেশ দ্রুত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করা যায়। এই আবেদন করতে হলে বাদীকে আদালতে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
এই খরচের বিধান থাকার উদ্দেশ্য হলো আবেদনকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া এবং অপ্রয়োজনীয় বা অসংগত আবেদনের সংখ্যা সীমিত রাখা। এছাড়া, এতে বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যায় এবং সময়ের অপচয় রোধ হয়।
অর্থাৎ, ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করেই সরাসরি খারিজ আদেশ রদ করার আবেদন করা সম্ভব।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯, বিধি-৯ক: সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Directly setting-aside dismissal )-
বিলম্ব এড়ানো ও বিচার তরান্বিত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৯ক বিধিমতে বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে সরাসরি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে পারবে, তবে শর্ত-
- খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
- অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
- সরাসরি খারিজ রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-9 Rule.-9A. Directly setting aside dismissal:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly set aside the dismissal without requiring the plaintiff to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding one thousand taka as it may deem appropriate and determine:
Provided that the dismissal under rule 8 shall not be set aside under this rule, unless an application, supported by affidavit, praying for setting aside the order of dismissal is made to the Court within thirty days of the date on which the order of dismissal is made:
Provided further that no dismissal shall be set aside more than once under this rule.
(2) As soon as an order under sub-rule (1) is made setting aside ex parte dismissal, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the plaintiff upon the defendant who appeared in the suit.
৬,১৯৭.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৩৩, ৩৪ ও ৩৫ অনুযায়ী নির্বাহক ও প্রশাসকসহ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে অন্যায়ের (tort) ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩৩, ৩৪ ও ৩৫ যথাক্রমে নির্বাহক (executor), প্রশাসক (administrator) এবং অন্যান্য প্রতিনিধি (legal representative)-র বিরুদ্ধে Legal Representatives’ Suits Act, 1855 এর অধীনে অন্যায়ের (tort) জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা সংক্রান্ত।
- এই তিনটি অনুচ্ছেদের অধীনে: তামাদির মেয়াদ: ২ বছর।
- সময় গণনার শুরু: যেদিন অন্যায় সংঘটিত হয় (the date when the wrongful act is committed).
- তাই, সঠিক উত্তর হলো: খ) ২ বছর।
৬,১৯৮.
পুলিশ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেন, তবে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তিনি-
  1. তার বিচার করবেন
  2. তাকে আটকে রাখবেন
  3. নিকটস্থ পুলিশ ষ্টেশনে নিয়ে যাবেন
  4. কোর্টে হাজির করবেন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এধরণের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ (১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৬,১৯৯.
নিম্মলিখিত কোন ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করার প্রয়োজন নাই ?
  1. যেক্ষেত্রে বিবাদী একতরফা (Defendant is exparte)
  2. যেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী লিখিত জবাবে স্বীকার করে
  3. যেক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিলের পর একটি সম্মতিসূচক বা সোলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦যখন বিচার্য বিষয় গঠনের দরকার নেই: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন বিচার্য বিষয় গঠনের প্রয়োজন নেই-
i)১ম শুনানীর সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে (make no defence);
ii) পক্ষগণের আরজি বা লিখিত জবাবে (pleadings) যে সকল বিষয় উল্লেখ নেই;
iii) পক্ষগণ যে সকল বিষয়ে একমত হয়েছে;
iv) বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাখিলকৃত আরজিতে উল্লেখিত যে সকল দাবী অস্বীকার করেনি; অথবা
v) আদালতে লিখিত জবাব দাখিলের পর সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) প্রদান করা হলে, বিচার্য বিষয় গঠনের প্রয়োজন নেই।
৬,২০০.
কোনো ব্যক্তিকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল করা হলে, কোন আদালত বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেয়ার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. উক্ত অপরাধ বিচারকারী আদালত
  2. আপিল আদালত
  3. রিভিশন আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২২: স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা-

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরুপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমুলক ভীতি প্রদর্শন কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখল করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানকালে বা উক্ত দণ্ডের তারিখ হতে ১ (এক) মাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেবার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে উক্ত আদেশ কর্তৃক তাহা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না ।
(৩) যেকোন আপিল, সাজা অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 522: Power to restore possession of immovable property
(1) Whenever a person is convicted of an offence attended by criminal force or show of force or by criminal intimidation and it appears to the Court that by such force or show of force or by criminal intimidation any person has been dispossessed of immovable property, the Court may, if it thinks fit, when convicting such person or at any time within one month from the date of the conviction order any the person dispossessed to be restored to the possession of the same.
(2) No such order shall prejudice any right or interest to or in such immovable property which any person may be able to establish in a civil suit.
(3) An order under this section may be made by any Court of appeal, confirmation, reference or revision.