বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৬০ / ১২৬ · ৫,৯০১৬,০০০ / ১২,৬০৫

৫,৯০১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সর্বাধিক কত দিন সময় দেওয়া যায়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া (mediation) সম্পন্ন করার জন্য সর্বাধিক ৬০ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
- তবে, যদি পক্ষগণ একমত হন বা আদালত মনে করে যে মধ্যস্থতার প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য আরও কিছু সময় প্রয়োজন, তাহলে আদালত এই সময়সীমা আরও ৩০ দিন বাড়াতে পারবে।
- এর মানে হলো, সর্বাধিক ৯০ দিন পর্যন্ত সময় দেওয়া যেতে পারে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য।
- এখানে, ৯০ দিনের সময়সীমা উল্লিখিত হতে পারে প্রাথমিক ৬০ দিন এর পর, ৩০ দিন বাড়ানোর বিধান অনুযায়ী।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮৯ক(৪) অনুযায়ী: “...mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days... unless the Court... extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.”
- অর্থাৎ, প্রাথমিকভাবে ৬০ দিন সময় দেওয়া হয় মধ্যস্থতা শেষ করার জন্য।  প্রয়োজনে আদালত আরও ৩০ দিন সময় বাড়াতে পারে।
- অতএব, সর্বাধিক সময় = ৬০ + ৩০ = ৯০ দিন।
 তাই সঠিক উত্তর: গ) ৯০ দিন।
৫,৯০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ
  2. সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ
  3. জামিনদারের অব্যাহতি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারা জামিনদারের অব্যাহতির বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে। এই ধারার মাধ্যমে জামিনদার যে মুচলেকা দিয়েছে, সে মুচলেকা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বাতিল করার জন্য জামিনদার ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে পারে। আবেদন পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট জামিনপ্রাপ্ত আসামিকে হাজির করার জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবেন এবং জামিনদারকে অব্যাহতি প্রদান করবেন। এরপর আসামি হাজির হলে তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। যদি আসামি নতুন জামিনদার না দিতে পারে, তবে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.

৫,৯০৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় আপিল abatement এর বিধান আছে?
  1. ৩০২ ধারায়
  2. ৩৪২ ধারায়
  3. ৪৩১ ধারায়
  4. ৪৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ আপিলকারীর মৃত্যু হলে আপিলের পরিণতি সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় বলা হয়েছে।
i) আপিলকারীর মৃত্যু হলে (জরিমানার ক্ষেত্রে আপিল ব্যতীত) আপিলটি অ্যাবেট বা বাতিল হয়ে যাবে। তবে জরিমানা বা অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপিলে আপিলকারীর মৃত্যু হলেও আপিলটি অ্যাবেট হবে না।
ii) মৃত্যুদন্ড বা কারাদন্ডের বিরুদ্ধে আপিলে আসামী মারা গেলে সাধারণত আপিলটি বাতিল হবে। কিন্তু জরিমানা ও অর্থদন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলে আসামী ও আপিলকারী মারা গেলেও আপিলটি বাতিল হবেনা।
iii) অপর্যাপ্ত কারাদন্ড ও খালাসের আপিলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিলটি বাতিল হবে না, কিন্তু আসামি মারা গেলে আপিলটি বাতিল হবে।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল অ্যাবেট বা পন্ড হওয়ার বিধান রয়েছে।
৫,৯০৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের কত নম্বর আইন?
  1. ২নং আইন
  2. ৩নং আইন
  3. ১নং আইন
  4. ৫নং আইন
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:
⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭; (১নং আইন)
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ প্রস্তাবনা: ১টি;
⇒ খন্ড: ৩টি;
⇒ তফলিস: নেই;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।

৫,৯০৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান অনুযায়ী, আদালত মামলার পক্ষ বা কোনো পক্ষের সাক্ষী ব্যতীত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে?
  1. আদেশ-১৬, বিধি-৬
  2. আদেশ-১৬, বিধি-১৩
  3. আদেশ-১৬, বিধি-১১
  4. আদেশ-১৬, বিধি-১৪
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১৬ বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে

বলা আছে- হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।

Order 16 Rule 14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-

Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document]

• অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল
৫,৯০৬.
দন্ডবিধি অনুযায়ী বেআইনী সমাবেশ (Unlawful Assembly) গঠনের জন্য কমপক্ষে কতজন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনী সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।
♦ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনী সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
৫,৯০৭.
'A' একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবি করে। 'A' মামলা করতে পারে-
  1. বণ্টনের
  2. ঘোষণার
  3. অগ্রক্রয়ের
  4. ক্ষতিপূরণের
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
- শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
 
- ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
 
- অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
 
-যেহেতু 'A' একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবি করে জমিতে 'A' এর বৈধ দখলকে অস্বীকার করছে। এই ক্ষেত্রে উক্ত জমিতে 'A' এর যে বৈধ অধিকার আছে তার ঘোষণা চেয়ে 'A' দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
৫,৯০৮.
হাইকোট বিভাগ কোন মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল করে কোন আদেশ দিলে বা অন্য কোন আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের কপি (নকল) পাঠাতে হবে-
  1. জেলা জজের নিকট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  3. দায়রা জজের নিকট
  4. কারা কর্তৃপক্ষের নিকট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ধারা ৩৭৯ ধারা মতে হাইকোট বিভাগের নিকট কোন মৃত্যুদণ্ডের আদেশ অনুমোদনের জন্য মামলার কার্যক্রম ৩৭৪ ধারায় দাখিল করা হলে, হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত বিষয়ে ৩৭৬ ধারায় মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন/ অন্য কোন আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের কর্মকর্তা উক্ত আদেশের কপি কোন বিলম্ব ছাড়া দায়রা আদালতের নিকট পাঠাবে।
৫,৯০৯.
আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার করার জন্য কমপক্ষে কয়টি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হতে হবে?
  1. ৫টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ১টি
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার অধীন পলাতক বা ফেরারী আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের পদ্ধতি বলা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালনের পর অর্থাৎ হুলিয়া জারি ও সম্পত্তি ক্রোকের পর যদি আদালত মনে করে যে, আসামী গ্রেফতার ও বিচার এড়ানোর জন্য পলায়ন করেছে, আত্মগোপান করেছে এবং আসামীকে গ্রেফতার করার কোনো আশু সম্ভাবনা নাই, তাহলে মামলা আমল গ্রহণকারী আদালত কমপক্ষে ২টি বহুল প্রচারিত বাংলা দৈনিক জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আসামীকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ অনুসারে আদালতে হাজির হতে ব্যর্থ হলে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার অনুষ্ঠিত হবে। তবে ৩৩৯-খ এর ২ উপধারা অনুযায়ী, আসামী কোন ভাবে আদালতে একবার হাজির হওয়ার পর বা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলায়ন করলে বা হাজির হতে ব্যর্থ হলে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন না করেই তার অনুপস্থিতিতেই আদালত বিচারকার্য পরিচালনা করবেন।
৫,৯১০.
মামলা বাদী / বিবাদীর নতুন পক্ষভুক্ত করার ফলাফল বিষয়ে তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ২০ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ২২ ধারায়
  4. ২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ২২ ধারা মতে নতুন বাদী/ বিবাদী মামলা পক্ষভুক্ত হলে তার জন্য সেই দিন থেকে মামলা করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
♦ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৬ অনুযায়ী মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি পক্ষভুক্ত করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
৫,৯১১.
ফৌজদারি মামলা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে দায়রা আদালতের ক্ষমতা দেয়া আছে-
  1. ৫২৫ক ধারায়
  2. ৫২৬ ধারায়
  3. ৫২৬খ ধারায়
  4. ৫২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলা এক ফৌজদারি আদালত হতে অন্য ফৌজদারি আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারি আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারি মামলা বা আপিল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ফৌজদারি মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-

১. আপিল বিভাগের (ধারা- ৫২৫ক),
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা- ৫২৬),
৩. দায়রা জজের (ধারা- ৫২৬খ)।
৫,৯১২.
একজন ব্যক্তি জেনে-শুনে চোরাই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে সহায়তা করলে দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে দোষী হবে?
  1. ৪১০ ধারা
  2. ৪১১ ধারা
  3. ৪১৩ ধারা
  4. ৪১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি জানে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে কোনো সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি, এবং সেই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে, বিলিব্যবস্থা করতে, বা সরিয়ে ফেলতে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তি এই ধারার অধীনে দোষী বলে গণ্য হবে।
- এই অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

অন্যান্য অপশন গুলোর মধ্য:
→ ৪১০ ধারা: চোরাই সম্পত্তির সংজ্ঞা দেয়, শাস্তি নির্ধারণ করে না।
→ ৪১১ ধারা: চোরাই মাল গ্রহণ বা রক্ষা করার শাস্তি নির্ধারণ করে।
→ ৪১৩ ধারা: অভ্যাসগতভাবে চোরাই মাল বেচাকেনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
অতএব, প্রশ্নে বর্ণিত কর্মকাণ্ডের জন্য সঠিক ধারা হলো ৪১৪, যা চোরাই মাল লুকাতে সহায়তা করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।


⇒ দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারা- চোরাইমাল গোপন করিবার ব্যাপারে সহায়তাকরণ:
কোনো ব্যক্তি যদি সে যে সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে সে সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে বা বিলিব্যবস্থা করতে বা নিয়ে সরে পড়তে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 414: Assisting in concealment of stolen property:
Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৫,৯১৩.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোনটি বাংলাদেশী মুদ্রার অন্তর্ভূক্ত?
  1. কড়িসমূহ
  2. পদক
  3. স্ট্যাম্পবিহীন তাম্রখন্ড
  4. “ফারুখাবাদ" টাকা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।

বাংলাদেশী মুদ্রা:- বাংলাদেশী মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশী মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।

উদাহরণসমূহ:

(ক) কড়িগুলো মুদ্রা নয়।

(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তাম্রখণ্ড অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়ে থাকলেও মুদ্রা নয়।

(গ) পদকগুলো মুদ্রা নয়, যেহেতু উহা অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য নির্মিত হয় নাই।

(ঘ) কোম্পানির টাকা বলে অঙ্কিত মুদ্রা রানীর মুদ্রা বলে পরিগণিত হবে।

(ঙ) "ফারুখাবাদ" টাকা যা পূর্বে ভারত সরকারের ক্ষমতাধীনে অর্থরুপে ব্যবহৃত হত-তবুও বাংলাদেশী মুদ্রা, যদিও এটা আজও অনুরূপভাবে ব্যবহৃত হয় না।

---------------------
♦ “Coin” defined Bangladesh coin:
Section 230. Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used. 
 
Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money. 
 
Illustrations:
 
(a) Cowries are not coin. 
 
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin. 
 
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money. 
 
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin. 
 
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
৫,৯১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬ অনুসারে, বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে ক্ষমতা প্রয়োগ করেন এবং যা তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত, সেগুলো কী নামে পরিচিত?
  1. বিশেষ ক্ষমতা
  2. অতিরিক্ত ক্ষমতা
  3. সাধারণ ক্ষমতা
  4. অসাধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৬-এর শিরোনামই হচ্ছে "ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা" (Ordinary powers of Magistrates)। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, সকল বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Executive Magistrate)-এর ওপর যথাক্রমে যে ক্ষমতা অর্পিত হয়েছে এবং যা তৃতীয় তফসিলে (Third Schedule) বর্ণিত রয়েছে, সেগুলো তাদের "সাধারণ ক্ষমতা" (Ordinary powers) নামে পরিচিত।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারা- ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা:
সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।
--------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 36- Ordinary powers of Magistrates:
-All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".

৫,৯১৫.
Which of the following is an essential element of the offense of rioting under Section 146?
  1. Unlawful assembly
  2. Use of force or violence
  3. Common objective of the assembly
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
Section 146- Rioting:
Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting.

ধারা ১৪৬- দাঙ্গা:
কখনো কোন বেআইনি সমাবেশ দ্বারা বা এর যে কোন সদস্য দ্বারা এরূপ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বল বা হিংস্র পদ্ধতি প্রয়ােগ করা হলে, এরূপ সমাবেশের প্রতিটি সদস্য দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী হবে।
৫,৯১৬.
'X' মৃত্যু হবে জেনেও 'Y' এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে গুলি ছোঁড়েন। কিন্তু ঐ গুলিতে 'Z' এর মৃত্যু হয়। 'X' এক্ষেত্রে The Penal Code, 1860 এর অধীনে কোন ধরণের অপরাধ করেছেন?
  1. খুন
  2. নিন্দনীয় নরহত্যা
  3. খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।

⇒ অর্থাৎ 'X' মৃত্যু হবে জেনেও 'Y' এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে গুলি ছোঁড়েন। কিন্তু ঐ গুলিতে 'Z' এর মৃত্যু হয়। 'X' এক্ষেত্রে The Penal Code, 1860 এর ৩০১ ধারার অধীনে খুনের অপরাধ করেছেন।

---------------
⇒ Section 301. Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
৫,৯১৭.
কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী সময় কোন বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে?
  1. অপরাধের ধরন
  2. শালীনতা
  3. শাস্তির মেয়াদ
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচিতি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী-
কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

Section 52- Mode of searching women:
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৫,৯১৮.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে মূল দলিলের সাথে মিলিয়ে দেখা নকল কী ধরনের সাক্ষ্য?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  3. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য
  4. অপ্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৩ অনুযায়ী, মূল দলিলের সাথে মিলিয়ে দেখা অনুলিপি বা নকল হলো মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence)।
- এই ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিতগুলো মাধ্যমিক সাক্ষ্যর অন্তর্ভুক্ত হয়: মূল দলিল থেকে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত অনুলিপি, মূল দলিলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা কপি, সত্যায়িত অনুলিপি ইত্যাদি।

উদাহরণ:
- ধরা যাক, একটি জমির বিক্রয় চুক্তিপত্রের মূল কপি না পাওয়া গেলেও তার স্ক্যান করা ফটোকপি যদি মূল কপির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয় এবং তার নির্ভুলতা প্রমাণিত হয়— তবে সেটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে গৃহীত হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্য- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(১) বর্ণিত বিধানবলি অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section - 63. Secondary evidence:
Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.
৫,৯১৯.
দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতে কী দাখিল করতে হয়?
  1. লিখিত বর্ণনা/written statement
  2. আরজি / plaint
  3. দরখাস্ত/petition
  4. উপরের যে কোনোটি।
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারায় বলা হয়েছে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজির বা plaint মাধ্যমে দায়ের করতে হবে।
৫,৯২০.
যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানের ব্যর্থতার কারণে আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে না
  2. আপিল করা যাবে
  3. রিবিউ করা যাবে
  4. দণ্ড মওকুফের আবেদন করা যাবে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপীল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যকোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
♦অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত দণ্ড আরোপ করে উক্ত দণ্ডাদেশের  বিরুদ্ধে আপীল করা যাবেনা।
♦ধারা ৪১৪ অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেই। যেমনঃ ২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
৫,৯২১.
তামাদি আইনে ৩ বছরের মেয়াদে কোন মামলা দায়ের করা যেতে পারে?
  1. বিক্রয় রদের মামলা
  2. দলিল বাতিলের মামলা
  3. সুনির্দিষ্ট চুক্তির প্রবল মামলা
  4. দখল পুনরুদ্ধারের মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনে বিভিন্ন ধরনের মামলার জন্য আলাদা আলাদা তামাদি মেয়াদ রয়েছে।
- উল্লিখিত প্রশ্নের মধ্যে দলিল বাতিলের মামলা ৩ বছরের তামাদি মেয়াদের মধ্যে দায়ের করতে হয়।


- দলিল বাতিলের মামলা (খ): তামাদি আইনের ৯১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দলিল বাতিলের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
- এই মেয়াদ দলিল বাতিলের কারণ জানার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।

অন্যদিকে, 
- বিক্রয় রদের মামলা (ক): এই মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
- সুনির্দিষ্ট চুক্তির প্রবল মামলা (গ): এই মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
- দখল পুনরুদ্ধারের মামলা (ঘ): এই মামলার তামাদি মেয়াদ ৬ মাস (স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে)।

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) দলিল বাতিলের মামলা।
৫,৯২২.
"Attempt to commit suicide" এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫০০ টাকা অর্থ দণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারার বিধান আত্মহত্যা করার চেষ্টা:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ Section 309. Attempt to commit suicide:- Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৫,৯২৩.
নিম্নের কোন কাজটি দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার অধীনে অপরাধে সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. অপরাধের খবর দেয়া
  2. অপরাধে প্ররোচিত করা
  3. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করা
  4. ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধ সংঘটনে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে, আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।

দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে 'প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা' অপরাধ হতে পারে-
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation);
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement  in any conspiracy);
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)

Section 107. Abetment of a thing:
A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or 
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or 
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing. 
 
Explanation 1.- A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing. 
 
Illustration 
A, a public officer, is authorized by a warrant from a Court of Justice to apprehend Z. B, knowing that fact and also that C is not Z, wilfully represents to A that C is Z, and thereby intentionally causes A to apprehend C. Here B abets by instigation the apprehension of C. 
 
Explanation 2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
৫,৯২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সাধারণ অনুসন্ধান বা পরিদর্শনের জন্য পরোয়ানা জারি করা যায়?
  1. ৯৬ ধারা
  2. ৯৭ ধারা
  3. ৯৮ ধারা
  4. ৯৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৬ অনুযায়ী, আদালত সাধারণ অনুসন্ধান বা পরিদর্শন (search) করার জন্য পরোয়ানা (search warrant) জারি করতে পারে। এটি তখন জারি করা হয় যখন আদালত বিশ্বাস করে যে কোনো ব্যক্তি আদেশ বা সমন অনুসারে নির্দিষ্ট দলিল বা জিনিস প্রদান করবে না, অথবা ওই দলিল বা জিনিস কোনো ব্যক্তির কাছে নেই। এই পরোয়ানা অনুসারে নির্দিষ্ট স্থান বা ব্যক্তি থেকে অনুসন্ধান করা হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান:
(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-96: When search-warrant may be issued:
-(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition,
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person,
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection,
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained.

(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৫,৯২৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় নালিশ (Complaint) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৪(খ)
  2. ধারা ৪(গ)
  3. ধারা ৪(ছ)
  4. ধারা ৪(জ)
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪(জ): নালিশ (Complaint)-

"নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে। অর্থাৎ অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে।

⇒ পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট নালিশ বলে গণ্য হবে না।
 
Section- 4(h)-
"complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
৫,৯২৬.
ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ১১৮ ধারার অধীন শান্তিরক্ষার বা সদাচরনের জন্য মুচলেকার আদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০৬ ধারা অনুযায়ী কোন ম্যাজিষ্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ১১৮ ধারা অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দিবার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপীল দায়ের করতে পারবে। তবে শর্ত এই যে, সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দিয়া নির্দেশ দিতে পারেন যে, প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট যেখানে যা প্রযোজ্য আপীল চলবে, দায়রা আদালতে নহে। আরও শর্ত এই যে, যাদের বিরুদ্ধে ১২৩ ধারার (২) ধারা বা (৩ক) এই ধারার বিধানানুসারে দায়রা জজের নিকট মামলা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে এই ধারার কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।
♦অর্থাৎ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১১৮ ধারা অনুযায়ী শান্তিরক্ষার বা সদাচরণের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারেন। এ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে হয় দায়রা জজের আদালতে
৫,৯২৭.
যদি মূল দলিলটি একটি সরকারি দলিল হয়, তবে কোন ধরনের গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য?
  1. মৌখিক বিবরণ
  2. প্রত্যয়িত অনুলিপি
  3. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তৈরি অনুলিপি
  4. মূলের সাথে তুলনা না করা অনুলিপি
ব্যাখ্যা
⇒ যখন মূল দলিলটি একটি সরকারি দলিল (public document) হয়, তখন প্রত্যয়িত অনুলিপি (certified copy) একটি গ্রহণযোগ্য গৌণ সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
- এটা ধারা 65 এর বিধান অনুযায়ী, যেখানে বলা হয়েছে যে, যখন কোনো দলিল একটি সরকারি দলিল হয়, তখন সেই দলিলের প্রত্যয়িত (certified) কপি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে। সরকারি দলিলের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ধরনের গৌণ সাক্ষ্য, যেমন মৌখিক বিবরণ, যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তৈরি কপি বা মূলের সাথে তুলনা না করা অনুলিপি গ্রহণযোগ্য নয়।

- সরকারি দলিলের ক্ষেত্রেও ফটোকপি বা যান্ত্রিক কপি যদি প্রত্যয়িত না হয়, তবে তা আইনত প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা 65(e) অনুযায়ী, গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত দেওয়া আছে। এর মধ্যে একটি শর্ত হলো:
- "When the original is a public document within the meaning of section 74."
এবং এর পরে উল্লেখ আছে:
- "In case (e) or (f), a certified copy of the document, but no other kind of secondary evidence, is admissible."

⇒ অর্থাৎ, যদি মূল দলিলটি একটি সরকারি দলিল (public document) হয়, যেমন ধারা 74-এ সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, তবে শুধুমাত্র প্রত্যয়িত অনুলিপি (certified copy) গৌণ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। অন্য কোনো ধরনের গৌণ সাক্ষ্য (যেমন মৌখিক বিবরণ বা অন্যান্য অনুলিপি) এই ক্ষেত্রে গ্রহণ করা যাবে না।
৫,৯২৮.
‘B’ Z-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার খাবারে বিষ মেশায়, কিন্তু Z খাবার না খাওয়ায় হত্যা সংঘটিত হয় না। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অনুসারে 'B' এর কাজটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ১১৮ ধারা
  2. ১২০ক ধারা
  3. ৫০৭ ধারা
  4. ৫১১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৫১১ অনুসারে, যে কেউ এমন কোনো অপরাধ করার চেষ্টা করে, যা দণ্ডবিধিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য, এবং সেই চেষ্টায় অপরাধ সংঘটনের দিকে কোনো কাজ করে, তবে তা শাস্তিযোগ্য। এই ধারা অনুসারে, যদি অপরাধের চেষ্টার জন্য আলাদা শাস্তির বিধান না থাকে, তবে শাস্তি হবে মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘B’ Z-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার খাবারে বিষ মেশায়, যা হত্যার চেষ্টা (Attempt to Murder) হিসেবে গণ্য। হত্যা (ধারা ৩০২) এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং জরিমানা। তবে, হত্যার চেষ্টার জন্য ধারা ৩০৭ অনুসারে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। যেহেতু এটি চেষ্টার অপরাধ এবং ধারা ৫১১ এর আওতায় পড়ে, তাই এটি ধারা ৫১১ এর অধীনেও বিবেচিত হয়।

অর্থাৎ ‘B’-এর কাজ, অর্থাৎ Z-কে হত্যার উদ্দেশ্যে বিষ মেশানো, ধারা ৫১১ (এবং ধারা ৩০৭) অনুসারে হত্যার চেষ্টা হিসেবে শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৫১১ ধারা।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

৫,৯২৯.
"Special provisions as to evidence relating to digital record" এই বিধানটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৭৩খ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারা মতে ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের জন্য বিশেষ বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬৫খ এর বিধান অনুসারে প্রমাণিত হতে পারে।

------------
⇒ Special provisions as to evidence relating to digital record:
Section 65A.  The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B. 

⇒  Section 65B- Admissibility of Digital Records: (1) Notwithstanding anything contained in this Act, any information contained in a digital record which is printed on a paper, stored, recorded or copied in optical or magnetic media produced by a computer (hereinafter referred to as the computer output) shall be deemed to be also a document, if the conditions mentioned in this section are satisfied in relation to the information and computer in question and shall be admissible in any proceedings, without further proof or production of the original, as evidence of any contents of the original or of any fact stated therein of which direct evidence would be admissible.
(2) The conditions referred to in sub-section (1) in respect of a computer output shall be the following, namely :¾
(a) the computer output containing the information was produced by the computer during the period over which the computer was used regularly to store or process information for the purposes or any activities regularly carried on over that period by the person having lawful control over the use of the computer;
(b) during the said period, information of the kind contained in the digital record or of the kind from which the information so contained is derived was regularly fed into the computer in the ordinary course of the said activities;
(c) throughout the material part of the said period, the computer was operating properly or, if not, then in respect of any period in which it was not operating properly or was out of operation during that part of the period, was not such as to affect the digital record or the accuracy of its contents; and
(d) the information contained in digital record reproduces or is derived from such information fed into the computer in the ordinary course of the said activities.
(3) Where over any period, the function of storing or processing information for the purposes of any activities regularly carried on over that period as mentioned in clause (a) of sub-section(2) was regularly performed by computers, whether-
(a) by a combination of computers operating over that period; or
(b) by different computers operating in succession over that period; or
(c) by different combinations of computers operating in succession over that period; or
(d) in any other manner involving the successive operation over that period, in whatever order, of one or more computers and one or more combinations of computers,
all the computers used for that purpose during that period shall be treated for the purposes of that section as constituting a single computer; and references in this section to a computer shall be construed accordingly.

(4) In any proceedings where it is desired to give a statement in evidence by virtue of this section, a certificate containing any of the following things, that is to say,-
(a) identifying the digital record containing the statement and describing the manner in which it was produced;
(b) giving such particulars of any device involved in production of that digital record as may be appropriate for the purpose of showing that the digital record was produced by a computer;
(c) dealing with any of the matters to which the conditions mentioned in sub-section (2) relate,
and purporting to be signed by a person occupying a responsible official position in relation to the operation of the relevant device or the management of the relevant activities (whichever is appropriate) shall be evidence of any matter stated in the certificate; and for the purposes of this sub-section it shall be sufficient for a matter to be stated to the best of the knowledge and belief of the person stating it.

(5) For the purposes of this section,-
(a) information shall be taken to be supplied to a computer if it is supplied thereto in any appropriate form and whether it is so supplied directly or (with or without human intervention) by means of any appropriate equipment;
(b) whether in the course of activities carried on by any official, information is supplied with a view to its being stored or processed for the purposes of those activities by a computer operated otherwise than in the course of those activities, that information, if duly supplied to the computer, shall be taken to be supplied to it in the course of those activities;
(c) a computer output shall be taken to have been produced by a computer whether it was produced by it directly or (with or without human intervention) by means of any appropriate equipment.

Explanation:-For the purposes of this section any reference to information being derived from other information shall be a reference to its being derived therefrom by calculation, comparison or any other process.]
৫,৯৩০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৬ অনুযায়ী কয়টি বিষয়ে কমিশন নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৬ অনুযায়ী ৪টি বিষয় তদন্ত করার জন্য কমিশন নিয়োগ দেওয়া হয়।
১) কোন ব্যক্তি জবানবন্দি গ্রহণ।
২) স্থানীয় তদন্তের জন্য।
৩) হিসাব পরীক্ষ...
৪) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
⇒ কমিশনের সামাজিক মর্যাদা উপর নির্ভর করে আদালত খরচের টাকা নির্ধারন করবেন (ধারা-৭৫)
৫,৯৩১.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪(৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল কোন পরিস্থিতিতে তার পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র আদালতের নির্দেশে
  2. শুধুমাত্র আইনজীবী সমিতির নির্দেশ
  3. শুধুমাত্র বার কাউন্সিলের আবেদন পেলে
  4. ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে।

→ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪(৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (রিভিউ), পরিবর্তন (vary) বা বাতিল (rescind) করতে পারে নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে। এর মানে হল যে, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল নির্দিষ্ট কোনো পক্ষের প্রয়োজন না হলেও তার সিদ্ধান্ত পুনরায় পর্যালোচনা করার ক্ষমতা রাখে, অথবা যদি কেউ আবেদন করে, তখনও সে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন বা বাতিল করা সম্ভব।

অতএব, এটি আদালত বা আইনজীবী সমিতির নির্দেশনার উপর নির্ভরশীল নয়, বরং ট্রাইব্যুনাল নিজেই এই পদক্ষেপ নিতে পারে।
৫,৯৩২.
Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা 46C অনুযায়ী, কোন তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে?
  1. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম এবং ঠিকানা
  2. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অপরাধের প্রকৃতি
  3. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা
  4. উভয় ক ও খ
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা 46C: গ্রেফতারকৃতদের তথ্য সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য নির্ধারিত পুলিশ কর্মকর্তা:
প্রতি জেলায় জেলা পুলিশ সুপার বা প্রতি মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার (যা প্রযোজ্য) একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্ধারণ করবেন।
- সেই কর্মকর্তা সহকারী উপ-পরিদর্শক (Assistant Sub-Inspector) বা তার উচ্চতর র‍্যাঙ্কের হতে হবে।

তিনি প্রতিটি জেলা বা মহানগর সদর দফতর এবং প্রতিটি থানায় নিম্নলিখিত কাজ করবেন:
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা সংরক্ষণ।
- সেই ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে তার তথ্য সংরক্ষণ।
- এই তথ্য প্রত্যেক থানা এবং জেলা বা মহানগর সদর দফতরে স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে, সর্বোত্তম হলে ডিজিটাল আকারে।

৫,৯৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা স্থগিত করা
  2. ডিক্রি পুনরায় জারি করা
  3. পক্ষগণকে ক্ষতিপূরণ দেয়া
  4. পক্ষগণকে পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
৫,৯৩৪.
Inculpatory Confessional Statement কী ধরনের বিবৃতি?
  1. যেখানে অভিযুক্ত তার নিজের বিরুদ্ধে অপরাধ স্বীকার করে
  2. যেখানে অভিযুক্ত কোনো অপরাধী নয় বলে দাবি করে
  3. যেখানে অভিযুক্ত অন্য কাউকে অপরাধে জড়িত বলে স্বীকার করে
  4. যেখানে অভিযুক্ত কোনো অপরাধ স্বীকারই করে না
ব্যাখ্যা
• কোন ফৌজদারী মামলার অভিযুক্ত তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে স্বীকারোক্তি বা Confession বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
i) Inculpatory Confessional Statement; ও
ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ Inculpatory Confessional Statement এর অর্থ হল এমন একটি স্বীকারোক্তি বা বিবৃতি যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্পষ্টভাবে তার নিজের বিরুদ্ধে অপরাধের স্বীকারোক্তি করেন।
এর বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ:
১/ স্বীকারোক্তির মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার নিজের বিরুদ্ধেই অপরাধের কথা স্বীকার করেন।
২/ এটি একটি আত্ম-অপরাধমূলক (self-incriminatory) বিবৃতি যা অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করতে সহায়তা করে।
৩/ Inculpatory Confessional Statement কে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করা হয় যদি এটি যথাযথভাবে এবং আইনগতভাবে গৃহীত হয়।

⇒ আর অভিযুক্ত নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে, অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।
৫,৯৩৫.
ভুল আদালতে মামলা দায়ের করলে বিলম্ব মওকুফের জন্য কত ধারায় আবেদন করতে হবে?
  1. ৫ ধারায়
  2. ১৪ ধারায়
  3. ১৮ ধারায়
  4. ১৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১৪ ধারা অনুযায়ী ভুল আদালতে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের ফলে বাদীর যে সময় নষ্ট হয় তামাদি মেয়াদ হতে সে সময় বাদ যাবে। উল্লেখ্য ১৪ ধারা প্রযোজ্য হয় শুধুমাত্র মূল মামলা ও দরখাস্ত দায়েরের ক্ষেত্রে।
৫,৯৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে সরকার মফস্বলের জন্য জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দেন?
  1. ১৮
  2. ২০
  3. ২২
  4. ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৫ ধারায় জাস্টিসেস অব দি পিসের বিধান রয়েছে যা নিম্নরূপ-
-ধারা-২২: মফস্বলের জন্য জাস্টিস অব দি পিস (Justice of the peace for the mafassal)- সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের দ্বারা বাংলাদেশের যে কোন উপযুক্ত নাগরিককে কোন স্থানীয় এলাকার জন্য জাস্টিস অব দি পিস হিসাবে নিয়োগ দিতে পারে।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারা অনুসারে সরকার মফস্বলের জন্য জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দেন।
- ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস (Ex-officio Justices of the Peace)- ২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 

- সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ সারা বাংলাদেশের যে কোন স্থানে বিচার গ্রহণ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আদেশ দিতে পারেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 22. Justice of the peace for the mafassal:
The Government] may, by notification in the official Gazette, appoint such persons resident within Bangladesh and not being the subjects of any foreign State as it thinks fit to be Justices of the Peace within and for the local area mentioned in such notification.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-25: Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court  are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
৫,৯৩৭.
“মানবদেহের বিরুদ্ধে অপরাধ” দণ্ডবিধির কোন অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে?
  1. অধ্যায় XV
  2. অধ্যায় XVI
  3. অধ্যায় XVII
  4. অধ্যায় XVIII
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর অধ্যায় XVI: মানবদেহের বিরুদ্ধে অপরাধ:

জীবনের বিরুদ্ধে অপরাধ-
ধারা ২৯৯: অপরাধমূলক নরহত্যা;
ধারা ৩০০: খুন;
ধারা ৩০১: ভুল ব্যক্তিকে হত্যা করলে অপরাধমূলক নরহত্যা;
ধারা ৩০২: খুনের শাস্তি;
ধারা ৩০৩: যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কর্তৃক খুনের শাস্তি;
ধারা ৩০৪: খুনে পরিণত না হওয়া অপরাধমূলক নরহত্যার শাস্তি;
ধারা ৩০৪A: অবহেলার ফলে মৃত্যুর কারণ হওয়া;
ধারা ৩০৪B: বেপরোয়া চালানোর ফলে মৃত্যুর কারণ হওয়া;
ধারা ৩০৫-৩০৬: আত্মহত্যায় প্ররোচনা;
ধারা ৩০৭-৩০৯: খুন বা আত্মহত্যার চেষ্টা;
ধারা ৩১০-৩১১: ঠগ ও তার শাস্তি।

গর্ভপাত, ভ্রূণের মৃত্যু, সদ্যজাতকে ফেলে দেওয়া, জন্ম গোপন ইত্যাদি সম্পর্কিত অপরাধ-
ধারা ৩১২-৩১৪: গর্ভপাত ঘটানো, নারীর সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত, গর্ভপাতের ফলে মৃত্যু;
ধারা ৩১৫-৩১৬: জন্ম প্রতিরোধ বা জীবিত সন্তানকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া;
ধারা ৩১৭-৩১৮: শিশু ফেলে যাওয়া, মৃতদেহ গোপনে নিষ্পত্তি।

ধারা ৩১৯-৩৩৮ক: আঘাত সংক্রান্ত অপরাধ;
ধারা ৩৩৯-৩৪৮: অন্যায়ভাবে আটক ও অবরুদ্ধকরণ;
ধারা ৩৪৯-৩৫৮: অপরাধজনিত বলপ্রয়োগ ও আক্রমণ;
ধারা ৩৫৯-৩৭৪: অপহরণ, গুম, দাসত্ব ও জোরপূর্বক শ্রম;
ধারা ৩৭৫: ধর্ষণ; ধারা ৩৭৬: ধর্ষণের শাস্তি;
ধারা ৩৭৭: প্রাকৃতিক নিয়মবিরুদ্ধ যৌন অপরাধ।
৫,৯৩৮.
ফৌজদারী কার্যবিধি এর কোন ধারার তল্লাশি পরোয়ানা বাতিলের জন্য রিভিশন করা যায়?
  1. ৯৬ ও ৯৭
  2. ৯৭ ও ৯৯
  3. ৯৮ ও ১০০
  4. ৯৬ ও ১০০
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারী কার্যবিধি এর ধারা ৯৬ ধারা মোতাবেক আদালত মূলত দলিল বা অন্যান্য দ্রব্যাদি হাজির করার জন্য 
- ধারা ১০০ তে বেআইনিভাবে আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশি পরোয়ানা জারি করে থাকেন।
[ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ৯৬ ও ১০০]
৫,৯৩৯.
আদালত কোনো আগন্তুককে (মোকদ্দমার পক্ষ বা কোন পক্ষের সাক্ষী নয়) সাক্ষ্য বা দলিল দাখিলের জন্য সমন দিতে পারে-
  1. ঐচ্ছিক ক্ষমতায়
  2. বাদীর আবেদনক্রমে
  3. কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬ বিধি ১৪ এর অধীন আদালত মামলার পক্ষ বা কোন পক্ষের সাক্ষী ব্যতীত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে সাক্ষ্য বা দলিল দাখিলের জন্য সমন দিতে পারে।

• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশের বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে।

আদেশ ১৬ বিধি ১৪-
হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।

অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল 

Order 16 Rule 14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document
৫,৯৪০.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার অধীন প্রদত্ত বিবৃতি কয়টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী-
-কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
-When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
৫,৯৪১.
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায় কোন বিষয় বর্ণিত আছে?
  1. অ্যাডভোকেটের নিকট স্বীকারোক্তি
  2. স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার হলে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণীয়
  3. জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)
  4. মৃত্যুকালিন ঘোষণা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান:  আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।

⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
---------------
How much of information received from accused may be proved:
Section 27. Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.
৫,৯৪২.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে তামাদির সময় গণনা কিভাবে হয়?
  1. প্রথমবার ভঙ্গের দিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয়
  2. আদালতে মামলা দায়েরের দিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয়
  3. যখন অভিযোগকারী জানতে পারে তখন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয়
  4. প্রতিবার চুক্তিভঙ্গের সময় নতুন করে তামাদি গণনা শুরু হয়
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৫,৯৪৩.
'A' একটি বাড়ি উদ্যানসহ একটি সম্পত্তি 'B' কে এক লক্ষ টাকায় বিক্রির চুক্তি করে। বাড়ি উপভোগের জন্য উদ্যানটি গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তীতে দেখা যায় যে, 'A' উদ্যানটি হস্তান্তর করতে অক্ষম। এই অবস্থায়, 'A'-
  1. চুক্তি সংশোধনের রায় পাবে
  2. অবশ্যই চুক্তির বাকি অংশের বাস্তবায়নের রায় পাবে
  3. অবশ্যই সম্পূর্ণ চুক্তি বাস্তবায়নের রায় পাবে
  4. শর্তসাপেক্ষে চুক্তির বাকি অংশের বাস্তবায়নের রায় পাবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৫ অনুসারে,
যদি একটি চুক্তির একটি বড় অংশ অপূর্ণ থাকে বা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত পুরোপুরি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের রায় দিতে পারবে না। কারণ এক্ষেত্রে পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তবে আদালত যেটুকু সম্ভব, সেইটুকুর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে, যদি বাদী পক্ষ বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি না করে এবং আরো কোনো বাস্তবায়নের দাবি না করে। অর্থাৎ বাদীকে সীমিত বাস্তবায়নই গ্রহণ করতে হবে।

এই উদাহরণে দেখা যাচ্ছে যে, সম্পূর্ণ চুক্তি পালনের জন্য A যেহেতু সক্ষম নয়, সেহেতু A সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের রায় পাবে না। কারণ চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ (উদ্যান) হস্তান্তরের অক্ষমতার কারণে পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। তবে যদি B বাকী অংশগুলো (বাড়ি ও সম্পত্তি) নিতে রাজী থাকে এবং ক্ষতিপূরণের দাবি ত্যাগ করে, তাহলে আদালত A কে যেসব অংশ হস্তান্তর করতে সক্ষম, শুধু সেগুলোর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে। অর্থাৎ, এক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে চুক্তির বাকি অংশের বাস্তবায়নের রায় পাবে এবং A কে বাড়িটি হস্তান্তর করতে বলা যেতে পারে।
৫,৯৪৪.
নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের জন্য সর্বোচ্চ কত মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

- দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার বিধান- নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের সাজা :-
কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 171F. Punishment for undue influence or personation at an election:
Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৫,৯৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রথম রিভিশনে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত-
  1. চূড়ান্ত নয়
  2. চূড়ান্ত
  3. ২য় বার রিভিশনযোগ্য
  4. হাইকোর্টে রিভিশনযোগ্য
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১. হাইকোর্ট বিভাগ,
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ।

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

Section 439A: Sessions Judge's powers of revision
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439. 
 
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final. 
 
(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
৫,৯৪৬.
তামাদি আইনের ২০ ধারা প্রযোজ্য হবে-
  1. ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে
  2. সম্পত্তি আদায়ের ক্ষেত্রে
  3. ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
  4. উপরের কোনো ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২০ ধারামতে কোন দেনা তামাদি হবার পূর্বেই যদি দেনাদার দেনার স্বীকৃতিস্বরূপ কোন অর্থ পাওনাদারকে দিয়ে থাকে তাহলে, সেক্ষেত্রে যে তারিখ উক্ত অর্থ প্রদান করা হয়েছিল সে তারিখ হতেই তামাদির সময়সীমা নতুনভাবে হিসাব করতে হবে।

সুতরাং ২০ ধারা অনুযায়ী-
ঋণ বা দেনার ক্ষেত্রে তামাদির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই আংশিকভাবে কোন ঋণ বা সুদ পরিশোধ করলে, উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদির সময় শুরু হয়। অর্থাৎ কোন দেনা আংশিক পরিশোধ করলে পরিশোধের তারিখ হতে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। তবে এই ক্ষেত্রে দেনা পরিশোধ অবশ্যই লিখিত এবং স্বাক্ষরিত হতে হবে।

Section 20: Effect of payment on account of debt as of interest on legacy-

(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made: 
 
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
৫,৯৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ-এর অধীনে আপিল আদালত কোন বিধান অনুসরণ করবে?
  1. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে আদেশ ৪১-এর বিধান
  2. ফৌজদারি আদালতের আপিলের বিধান
  3. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ৮৯ক-এর বিধান
  4. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ১০৭ এর বিধান
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯গ- আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর আওতাধীন মধ্যস্থতাকরণের ক্ষেত্রে, ৮৯ক ধারার বিধান গুলােকে প্রয়ােজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।

Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.

(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
৫,৯৪৮.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামী জখমের মাধ্যমে খুনের উদ্যোগ নিলে সর্বনিম্ন শাস্তি হতে পারে?
  1. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামী জখমের মাধ্যমে খুনের উদ্যোগ নিলে দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান মতে একমাত্র বা সর্বনিম্ন শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 307: Attempt to murder Attempts by life-convicts:
- Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
 
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৫,৯৪৯.
Order 1, Rule 10(4) অনুযায়ী, নতুন বিবাদী যুক্ত হলে কী করতে হবে?
  1. নতুন আরজি দাখিল করতে হবে
  2. আরজি সংশোধন করতে হবে
  3. সংশোধিত সমন জারি করতে হবে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি- বিবাদী সংযোজিত হলে আরজি সংশোধন করতে হয়:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় কোন নতুন বিবাদীকে যুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ প্রদান না করলে, আরজি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে এবং সংশোধিত সমন ও আরজির নকল নতুন বিবাদীর উপর জারি করতে হবে এবং আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে তাহলে মূল বিবাদীর উপরও জারি করতে হবে।
[Where defendant added, plaint to be amended: Where a defendant is added, the plaint shall, unless the Court otherwise directs, be amended in such manner as may be necessary, and amended copies of the summons and of the plaint shall be served on the new defendant and, if the Court thinks fit, on the original defendant.]
৫,৯৫০.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে তাদের পিতার সম্পত্তি বাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। বিরোধীয় সম্পত্তির মূল্য ২৪,০০,০০০/- টাকা, তাহলে ‘ক’ কে ‘খ’ এর বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. সহকারী জজ আদালতে
  2. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
  3. যুগ্ন জেলা জজ আদালতে
  4. জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন  সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

• The Civil Court Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
⇒ সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge )  = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত 
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)  = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
⇒ যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)  =  ২৫ লক্ষ এর উপরে 

তাই এই মামলাটির মূল্যমান ২৪,০০,০০০/-  হওয়ায় অত্র মামলাটি সিনিঃ সহঃ জজ আদালতে দায়ের করতে হবে।
৫,৯৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক অনুসারে ফি পরিশোধ না করলে আসামির সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. দশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ত্রিশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. তিনমাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক (Section 546A) অনুযায়ী, যদি কোনো আমল অযোগ্য অপরাধে অভিযোগ করে ফরিয়াদি এবং আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে, তাহলে আসামিকে আদেশ দেওয়া যেতে পারে:
ফরিয়াদির দেওয়া নালিশের দরখাস্ত ও সাক্ষ্য গ্রহণের ফি, সাক্ষী বা আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির ফি — এসব ফেরত দিতে।
- যদি আসামি উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে আদালত আদেশ দিতে পারেন যে, অর্থ না দিলে সর্বোচ্চ ৩০ (ত্রিশ) দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
- অতএব, ফি পরিশোধ না করলে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি: "ত্রিশ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড"।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৬ক ধারার বিধান আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদি কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফিস প্রদানের আদেশ:
(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামি সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থদানের জন্য আসামিকে আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদির জবানবন্দির জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং
(খ) ফরিয়াদি কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।
(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
--------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 546A: Order of payment of certain fees paid by the complainant in non-cognizable cases:
(1) Whenever any complaint of a non-cognizable offence is made to a Court, the Court, if it convicts the accused, may in addition to the penalty imposed upon him, order him to pay to the complainant–
(a) the fee (if any) paid on the petition of complaint or for the examination of the complainant, and
(b) any fees paid by the complainant for serving processes on his witnesses or on the accused,
and may further order that, in default of payment, the accused shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days.
(2) An order under this section may also be made by an Appellate Court, or by the High Court Division, when exercising its powers of revision.
৫,৯৫২.
দেওয়ানি কার্যবিধির সংজ্ঞা অনুসারে- "Judge" means the_______ of a civil court.
  1. Officer
  2. Judge
  3. Executive Officer
  4. Presiding Officer
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-
"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.

-সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]

অর্থাৎ "বিচারক বা জজ" বলতে উল্লিখিত দেওয়ানি আদালতসমূহের প্রিজাইডিং অফিসারকে বুঝাবে।
৫,৯৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার ফলে ক্ষতি হওয়ার পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব না, তখন আদালত -
  1. চুক্তির শর্ত বাতিল করবে 
  2. মামলাটি খারিজ করবে
  3. শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিবে
  4. সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায় করতে পারে
ব্যাখ্যা

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার ফলে ক্ষতি হওয়ার পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব না, তখন আদালত- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায় করতে পারে।

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.

৫,৯৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি সর্বপ্রথম কবে প্রণীত হয়েছিল?
  1. ১৭৯৩ সালে
  2. ১৮৩৪ সালে
  3. ১৮৬১ সালে
  4. ১৮৯৮ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (The Code of Criminal Procedure) সর্বপ্রথম ১৮৬১ সালে প্রণীত হয়েছিল। এটি ব্রিটিশ ভারতে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি পদ্ধতিগত আইন হিসেবে প্রণয়ন করা হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল অপরাধের তদন্ত, বিচার, গ্রেপ্তার, এবং শাস্তি কার্যকর করার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো প্রদান করা।

প্রশ্নে উল্লিখিত অন্যান্য বিকল্পগুলোর বিশ্লেষণ:
১৭৯৩ সালে: এই সময়ে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার গোড়াপত্তন হয়েছিল, তবে ফৌজদারি কার্যবিধি হিসেবে কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি। এটি ছিল প্রাথমিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সময়।
১৮৩৪ সালে: এই বছরে প্রথম ভারতীয় আইন কমিশন গঠিত হয়, যার প্রধান ছিলেন লর্ড ম্যাকলে। এই কমিশন ফৌজদারি কার্যবিধির খসড়া তৈরির জন্য কাজ শুরু করে, কিন্তু আইনটি প্রণয়ন হয় ১৮৬১ সালে।
১৮৯৮ সালে: এই বছরে ফৌজদারি কার্যবিধির সর্বশেষ সংস্করণ প্রণয়ন করা হয়, যা বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযোজ্য। এটি ১৮৬১ সালের আইনের পরিবর্তিত ও সংশোধিত রূপ, যেখানে পূর্ববর্তী সংশোধনীগুলো (যেমন ১৮৭২ সালের) এবং ১৬টি সংশোধনী বিবেচনা করা হয়।

৫,৯৫৫.
‘B’ মিথ্যাভাবে নিজেকে একজন বিখ্যাত ব্যাংকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৬ অনুসারে, ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা (Cheating by Personation) বলতে এমন প্রতারণাকে বোঝায় যেখানে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রচার করে, বা জেনেশুনে একজন ব্যক্তিকে অন্যের জন্য প্রতিস্থাপন করে, অথবা নিজেকে বা অন্য কাউকে এমন ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে যিনি তিনি বা সেই ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে নন। এখানে, ‘B’ মিথ্যাভাবে নিজেকে একজন বিখ্যাত ব্যাংকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করেছে, যা ধারা ৪১৬-এর অধীনে ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা।

- ধারা ৪১৯ অনুসারে, ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণার শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। প্রশ্নে শুধুমাত্র প্রতারণার কথা উল্লেখ আছে, কিন্তু সম্পত্তি হস্তান্তরের কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। তাই ধারা ৪১৯ প্রযোজ্য।

⇒ অর্থাৎ ‘B’-এর কাজ ধারা ৪১৬-এর অধীনে ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪১৯ অনুসারে এর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৫,৯৫৬.
সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারার অধীনে কিসের মাধ্যমে সরকারি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যায়?
  1. মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে।
  2. মূল দলিল দাখিলের মাধ্যমে।
  3. অনুমান নির্ভর প্রমাণের মাধ্যমে।
  4. প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি উপস্থাপনের মাধ্যমে।
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, সরকারি দলিল বা এর কোনো অংশের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দলিলের প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা যেতে পারে। এই অনুলিপিগুলোই প্রমাণ হিসাবে গৃহীত হতে পারে যদি তা সংশ্লিষ্ট দলিলের যথাযথ প্রত্যয়ন করে।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আনুষ্ঠানিক বা সরকারি কাগজপত্রের নকল তৈরি করা হয়, তাহলে সেই নকল কাগজকে মূল কাগজের প্রমাণ হিসাবে আদালতে দাখিল করা যাবে।
এই ধারার মূল বিষয়বস্তু হলো:
১. একটি দলিলের অনুমোদিত/জাবেদা নকলকে সেই মূল দলিলের প্রতিনিধিত্বকারী হিসাবে গণ্য করা হয়।
২. এই নকল মূল দলিলের সম্পূর্ণ নকল হতে পারে অথবা আংশিক নকল হতে পারে।
৩. এই অনুমোদিত/জাবেদা নকল দলিলকে আদালতে মূল দলিলের বিষয়বস্তুর প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করা হবে।

সহজ কথায়, এই ধারা অনুসারে যেকোনো সরকারি বা আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানের জারি করা দলিলের অনুমোদিত/জাবেদা নকলকে মূল দলিলের প্রতিনিধি হিসাবে আদালতে গ্রহণ করা হবে। এটি আদালতের প্রক্রিয়াকে সহজতর করে।

সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা: "অনুরূপ জাবেদা নকল সরকারি যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলে বুঝতে দেয়া হয়, সে দলিলের বা তার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ তা উপস্থাপন করা যেতে পারে।"
------------------
⇒ The Evidence Act,1872: section- 77.Proof of documents by production of certified copies:
- Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.

৫,৯৫৭.
বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজে সংঘটিত অপরাধের বিচার সম্পর্কে বলা হয়েছে কোন ধারায়?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪-এ বাংলাদেশের আঞ্চলিক সীমার বাইরে সংঘটিত অপরাধের বিচার সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে, যেখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
→ ধারা ৪(৪) অনুযায়ী: বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোনো জাহাজ বা বিমানে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে, তা বাংলাদেশের সীমানার ভিতরে বা বাইরে যেখানেই ঘটুক না কেন।
→ এই ধারায় "অপরাধ" বলতে এমন সব কাজকে বোঝায় যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হতো।
→ যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-4: Extension of Code to extra-territorial offences:
-The provisions of this Code apply also to any offence committed by-
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh;
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be.
Explanation. -In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.
৫,৯৫৮.
দণ্ডবিধি অনুসারে শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. সাত বছর কারাদণ্ড
  2. দশ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
-If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৫,৯৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী সাক্ষীর প্রতি সমন জারীর করার সময় বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর জন্য আদালত কীসের ভিত্তিতে পারিশ্রমিক অনুমোদন করবে?
  1. বিশেষজ্ঞের বয়সের ওপর
  2. আদালতের ইচ্ছার ওপর
  3. সময় এবং কাজের পরিমাণে ওপর
  4. সাক্ষীর অভিজ্ঞতার ওপর
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৬ বিধি-২:
সমন জারীর জন্য আবেদন করলে সাক্ষীর খরচ জমা দিতে হবে:
(১) যে পক্ষ কোন দেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করে, সেই পক্ষকে সমন মঞ্জুর হওয়ার পূর্বে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য সমন দেয়া হবে, আদালতে তার যাওয়া এবং আসার এবং একদিনের হাজিরার ব্যয় নির্বাহের উপযুক্ত পরিমাণ টাকা আদালতে দাখিল করতে হবে।
(২) বিশেষজ্ঞ:
অত্র বিধি অনুসারে কোন বিশেষজ্ঞকে সাক্ষী হিসাবে সমন দেয়ার জন্য কত টাকা দাখিল করতে হবে তা নির্ধারণকল্পে আদালত উক্ত বিশেষজ্ঞের সাক্ষাদান ও বিশেষজ্ঞ হিসাবে অন্য কোন কার্য সম্পাদনের জন্য কি পরিমাণ সময় লাগিবে তা বিবেচনা করে সেই অনুপাতে তার সঙ্গত পরিমাণ পারিশ্রমিক মঞ্জর করতে পারেন।

(৩) খরচের হার:
যেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আদালত কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধীন, সেক্ষেত্রে উক্ত খরচের হার নির্ধারণের সময় ঐ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা বিবেচনা করতে হবে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-16 Rule-2.
Expenses of witness to be paid into Court on applying for summons:
(1) The party applying for a summons shall, before the summons is granted and within a period to be fixed, pay into Court such a sum of money as appears to the Court to be sufficient to defray the travelling and other expenses of the person summoned in passing to and from the Court in which he is required to attend, and for one day's attendance. 
 
Experts:

(2) In determining the amount payable under this rule, the Court may, in the case of any person summoned to give evidence as an expert, allow reasonable remuneration for the time occupied both in giving evidence and in performing any work of an expert character necessary for the case.

Scale of expenses:
(3) Whether the Court is subordinate to the High Court Division, regard shall be had, in fixing the scale of such expenses, to any rules made in that behalf.
৫,৯৬০.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৯১ অনুযায়ী, কোন দলিল বাতিল বা রদের জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
⇒ যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা
⇒ যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৫,৯৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ বিধি ১ অনুসারে, কোনো পক্ষ আদালতে হাজিরা দিতে পারে-
  1. শুধু ব্যক্তিগতভাবে
  2. শুধু আইনজীবীর মাধ্যমে
  3. শুধু ব্যক্তিগতভাবে বা স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে
  4. ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা উকিলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩ বিধি ১- উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে:
মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।

৫,৯৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক অনুসারে, অপর্যাপ্ত প্রমাণ সম্বলিত অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন দাখিল করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করবেন
  2. মামলাটি খারিজ করবেন
  3. অভিযুক্তকে দোষী ঘোষণা করতে পারেন
  4. অভিযুক্তকে সাময়িক অব্যাহতি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।

(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।

(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
৫,৯৬৩.
বিচারকার্যের কোন পর্যায়ে জনগণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা যেতে পারে?
  1. কেবল চার্জ গঠনের সময়
  2. কেবল বিচারের যে কোনো ধাপে
  3. কেবল রায় প্রদানের সময়
  4. অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোনো ধাপে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ

শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
৫,৯৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান অনুসারে দেওয়ানি কারাগারে আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি সঠিক নয়?
  1. অর্থ পরিশোধের মামলায় কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।
  2. কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না।
  3. কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে।
  4. সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৫৫ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তিকে যে কোন দিনে ডিক্রী জারীর জন্য সাব্যস্ত দেনাদারকে গ্রেফতার করা যাবে ও দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা যাবে।
- আটক ২ প্রকার- (১) আইনী আটক (২) বেআইনী আটক।
-আইনী আটক আবার ২ প্রকার যথা- (১) নিবারন মূলক আটক (২) শাস্তি মূলক আটক।

- কোন দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য কোন বাসগৃহে সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে প্রবেশ করা যাবে না।
- উল্লেখ্য যে, অর্থ পরিশোধের মামলায় কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।।
-------------
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান গ্রেফতার ও আটক: ডিক্রি জারির জন্য কোন ডিক্রি দায়িককে যে কোন সময় এবং যে কোন দিনে গ্রেফতার করা যাবে এবং দেওয়ানি কারাগারে তাকে আটক রাখা যাবে। তবে উক্ত ব্যক্তিকে আটক করার জন্য-
- সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না;
- কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না;
- কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।

তবে শর্ত থাকে যে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রিতে ডিক্রি দায়িককে গ্রেফতার করার পর ডিক্রি দায়িক ডিক্রির টাকা ও গ্রেফতারের খরচ গ্রেফতারকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করলে উক্ত কর্মকর্তা দায়িককে অবিলম্বে মুক্তি দিবে। এছাড়া ডিক্রি দায়িক দেউলিয়া হলে তাকে মুক্তি দেয়া যাবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানি কারাগারে আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে "কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে" বিষয়টি সঠিক নয়।
অর্থাৎ কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।
৫,৯৬৫.
ধারা ১২ অনুযায়ী কোন তথ্য প্রাসঙ্গিক?
  1. অধিকার বা প্রথা প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক তথ্য
  2. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়ক তথ্য
  3. ঘটনা দৈবিক না ইচ্ছাকৃত নির্ধারণে সহায়ক তথ্য
  4. দেহের অবস্থা বা শারীরিক অনুভূতি প্রদর্শনকারী তথ্য
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।

অর্থাৎ, সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী,
যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।

Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.

৫,৯৬৬.
দেওয়ানি মামলার আরজিতে উত্থাপিত দাবী সমর্থনকারী দলিলাদি বাদীর দখলে না থাকলে সেগুলির বিষয়ে তার করণীয় কি?
  1. দলিলের নকল দাখিল
  2. দলিলের তালিকা দাখিল
  3. দলিলের তালিকাসহ দখলকারের নাম দাখিল
  4. কিছু করণীয় নাই
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১৪ নং বিধি অনুযায়ী বাদী যেসব দলিলের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করে, তা তাকে দাখিল করতে হবে। বাদী তার দাবীর সমর্থনে প্রমাণ হিসেবে অন্য কোন দলিলের উপর নির্ভর করলে (তা তার হস্তগত বা আওতাধীনে থাকুক বা না থাকুক), সে ক্ষেত্রে উক্ত দলিলসমূহের একটি তালিকা প্রস্তুত করবে এবং উক্ত দলিল কার দখলে বা হস্তগত তা উল্লেখ করে আরজির সাথে যুক্ত করবে।
৫,৯৬৭.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করার বিরুদ্ধে মামলা করার বিধান রয়েছে-
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের ২ নিয়মে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ২৫ আদেশের ১ নিয়মে
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ৩ নিয়মে
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ২(৩) নিয়মে
ব্যাখ্যা
♦অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে হয় ৩৯ আদেশের ১ এবং ২ (১) বিধির অধীন। ৩৯ আদেশের ১ বা ২(১) বিধির অধীন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করলে তা যদি অমান্য করা হয় সেই ক্ষেত্রে অমান্যকারীর বিরুদ্ধে ৩৯ আদেশের ২(৩) বিধির অধীন মামলা করতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে আদালত অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে বা দেওয়ানী কারাগারে অনধিক ৬ মাস আটকের আদেশ দিতে পারে ।
৫,৯৬৮.
কোন ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যায় না?
  1. মূল দলিল স্থানান্তরযোগ্য না হলে
  2. মূল দলিলের অস্তিত্ব স্বীকার করা হলে
  3. মূল দলিলটি ৭৪ ধারায় বর্ণিত সরকারি দলিল হলে
  4. মূল দলিল সাক্ষ্য প্রদানকারীর দখলে থাকলে
ব্যাখ্যা
মাধ্যমিক সাক্ষ্য প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধান শর্ত হল যতক্ষণ প্রাথমিক সাক্ষ্য পাওয়া যায়, ততক্ষণ মাধ্যমিক সাক্ষ্য গৃহীত হয়না। দলিলের বিষয়ে কখন মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেয়া যায় সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারা অনুসারে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন দলিলের বিষয়ে মাধ্যমিক সাক্ষ্য প্রদান করা যায়-
i) দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা হবে আসল দলিলটি তার দখলে থাকলে বা উক্ত ব্যক্তি দলিলটির অস্তিত্ব লিখিতভাবে স্বীকার করলে অথবা দলিলটি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে হলে।
ii) ৬৬ ধারায় নোটিশ পাওয়ার পরও দলিল দাখিল না করলে।
iii) আসল দলিলটি হারিয়ে গেলে, স্থানান্তর যোগ্য না হলে অথবা সরকারি দলিল হলে।
iv) আইনে সত্যায়িত কপি ব্যবহারের বিধান থাকলে; অথবা
v) আসল দলিলে বহুসংখ্যক দলিলের বিবরণ থাকলে দলিলের বিষয়ে মাধ্যমিক সাক্ষ্য প্রদান করা যায় ।

♦ সুতরাং মূল দলিল সাক্ষ্য প্রদানকারীর দখলে থাকলে সে ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যায় না
৫,৯৬৯.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 অনুযায়ী বার কাউন্সিল কতটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে?  
  1. ১ 
  2. এক বা একাধিক
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে এবং এর সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন। যথা-
- বার কাউন্সিলের নির্বাচিত দুইজন সদস্য এবং
- তালিকাভুক্ত যে কোনো একজন আইনজীবী।
---------------
Article-33:
(1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman.

৫,৯৭০.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট কয়টি আদেশ(Order) আছে?
  1. ৫০টি
  2. ৪১ টি
  3. ৪৮টি
  4. ৫১ টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ৫১ টি আদেশ(Order) আছে। আদেশসমূহ ১ম তফসিলে উল্লেখ আছে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ২টি অংশ-
প্রথম অংশ- ধারা [Sections]- মোট ১৫৮ টি ধারা
দ্বিতীয় অংশ-তফসিল [Schedules]- মোট ৩ টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে।

• তফসিলসমূহ (Schedules)-
প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ। মোট ৫১টি আদেশ আছে।
দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল
তৃতীয় তফসিল: কালেক্টর কর্তৃক ডিক্রি জারি
চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ
পঞ্চম তফসিল: বাতিল
৫,৯৭১.
বিনা জারীতে সমন ফেরত আসার কত দিনের মধ্যে বাদী পুনরায় সমন জারীর আবেদন করতে ব্যর্থ হলে মামলা খারিজ হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ২৮ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯, বিধি-৫:
(১) বিবাদীকে কিংবা কতিপয় বিবাদীর কোনো একজনের প্রতি সমন দেওয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারির বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেওয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেওয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দেবে। তবে, যদি উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদী নিম্নলিখিত যে কোনো কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন-

ক) যে বিবাদীর উপর সমন জারি হয়নি, বাদী যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও সেই বিবাদীর ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদী পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলছেন; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কোনো যৌক্তিক কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নতুন সমন দেওয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

(২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।
৫,৯৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী, একটি দলিল বাতিল করা হলে, নিবন্ধন অফিসার কী করবেন?
  1. দলিলটি সম্পূর্ণ নষ্ট করে ফেলবেন
  2. দলিলের একটি নতুন কপি তৈরি করবেন
  3. দলিলের মালিককে ক্ষতিপূরণ দেবেন
  4. দলিলের রেকর্ডে বাতিলের তথ্য লিপিবদ্ধ করবেন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো দলিল অকার্যকর (void) বা বাতিলযোগ্য (voidable) বলে ঘোষণা করা হয় এবং আদালত সেটি বাতিলের আদেশ প্রদান করেন, তাহলে—
১) আদালত সেই দলিলের বাতিল সংক্রান্ত ডিক্রির একটি কপি সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসারকে পাঠাবেন।
২) রেজিস্ট্রেশন অফিসার তার রেকর্ডে দলিলের কপিতে এই বাতিলের তথ্য লিপিবদ্ধ করবেন।
৩) এর ফলে দলিলটি আর কার্যকর থাকবে না এবং কেউ সেটি বৈধভাবে ব্যবহার করতে পারবে না।
অর্থাৎ আদালতের আদেশ অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন অফিসার দলিলের রেকর্ডে বাতিলের তথ্য লিপিবদ্ধ করেন, যা ভবিষ্যতে দলিলটি বৈধভাবে ব্যবহার হওয়া থেকে বিরত রাখে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
-যেকোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসংগত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
-যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলি লিপিবদ্ধ করবেন।
-------------
⇒The Specific Relief Act, 1877-Section-39: When cancellation may be ordered:
-Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
৫,৯৭৩.
Which other sections are mentioned in Section 500(2) that do not require release for unrelated detention matters?
  1. Sections 490 and 495
  2. Sections 496 and 497
  3. Sections 498 and 501
  4. Sections 493 and 494
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারার বিধান:-হেফাজত হতে মুক্তি দান:
(১) বন্ড সম্পাদিত হওয়ার সাথে সাথে যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য উহা সম্পাদন করা হল তাকে মুক্তি দিতে হবে এবং সে জেলে থাকলে জামিন মঞ্জুরকারী আদালত উক্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন এবং উক্ত অফিসার এই আদেশ পাবার পর তাকে মুক্তি দিবেন। 

(২) যে মামলায় বন্ড সম্পাদন করা হলো কোন ব্যক্তি সেই মামলা ব্যতীত অন্য কোন মামলায় আটক থাকতে বাধ্য হলে এই ধারা, ৪৯৬ ধারা বা ৪৯৭ ধারার কোন বিধানে তার মুক্তি দাবী করা যাবে মর্মে গণ্য করা যাবে না।
----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 500:- Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him.

(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
৫,৯৭৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশ অনুযায়ী অনিয়ম কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম রদের দরখাস্ত করা হয়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৯০
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯১
  3. আদেশ ২১ বিধি ৮৯
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯০ এর বিধান অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:- যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিজারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ ও ৯০ নং বিধিমতে ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার আবেদন করা যায় যা নিম্নরূপ- ডিক্রি জারিতে কোন স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত নিলাম রদের জন্য ২১ আদেশের ৯০ বিধির অধীন আবেদন করতে হয়। উক্ত নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে বিক্রয় বাতিলের জন্য আবেদন করতে হবে। উক্ত বিক্রয় বাতিলের জন্য ক্রয় মূল্যের ৫% বা নিলাম ঘোষণায় উল্লেখিত অর্থের মধ্যে যা কম তা জমা দিয়ে বিক্রয় রদের আবেদন করতে হবে।
⇒  নিলাম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম (Material Irregularity) বা প্রতারণা (Fraud) অথবা আবেদনকারীকে নোটিশ প্রদানে ব্যর্থ হলেই আদালত উক্ত নিলাম রদ করতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ ও ৯০ নং বিধির অধীন আদালত বিক্রয় রদের আবেদন মঞ্জুর অথবা প্রত্যাখ্যান করে কোন আদেশ দিলে (Order for setting aside a sale/refusing an application to set aside a sale), উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে কেননা নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন মঞ্জুর অথবা প্রত্যাখ্যান হল আপিলযোগ্য আদেশ।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৯ এর বিধান জমা দিয়ে নিলামে বিক্রয় রদের আবেদন। ১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি মালিক অথবা নিলাম বিক্রয়ের পূর্বে তথায় অর্জিত কোন স্বত্বের অনুবলে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নিলাম বিক্রয় রদের জন্য-
ক) ক্রয় মূল্যের শতকরা পাঁচ ভাগের সমান অংক ক্রেতাকে প্রদানের জন্য; এবং
খ) নিলাম বিক্রয়ের উক্ত ইশতেহারের তারিখ হতে ডিক্রিদার কোন পরিমাণ টাকা গৃহীত হয়ে থাকলে তা বিয়োজনপূর্বক যে পরিমাণ টাকা আদায়ের জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ হয়েছে বলে নিলাম বিক্রয়ের ইশতেহারে নির্দেশ দেয়া আছে, তা ডিক্রিদারকে প্রদানের জন্য আদালতে জমা দিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারে।
২) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি তার স্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য ৯০ বিধির অধীনে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে সে তার আবেদন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এই বিধির অধীনে কোন আবেদন করতে কিংবা পরিচালনা করতে অধিকারী হবে না।
৩) মোকদ্দমার ব্যায়াদি এবং নিলাম বিক্রয়ের ইশতেহারে অনুল্লিখিত না হওয়া কোন খরচা এবং সুদ সম্পর্কিত কোন দায় থেকে দায়িককে এই বিধির কোন বিধানই অব্যাহতি দিবে না।
৫,৯৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি-
  1. ফেরত পাঠাবে
  2. খারিজ করবে
  3. স্থগিত রাখবে
  4. উভয় পক্ষের সম্মতি নিয়ে বিচার করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।

-দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।

⇒ আদেশ ৭ বিধি ১০-
যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

⇒ আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩নং আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
৫,৯৭৬.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট যদি দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় শাস্তি দেয়, তবে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করতে হবে?
  1. মহানগর দায়রা জজ আদালতে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে 
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা

উত্তর : হাইকোর্ট বিভাগে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:

যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।

নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

৫,৯৭৭.
কত সালে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয়?
  1. ১৭৮৭
  2. ১৮৮৭
  3. ১৮৭৭
  4. ১৮৭২
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয় ১৮৭৭ সালে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ একটি তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন যাকে ইংরেজিতে বলে substantive law.
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১লা মে কার্যকর হয়।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে মোট ধারা ৫৭টি।
- এটি এমন একটি আইন যা বিশেষভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত বিষয়ে বিবেচনার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
৫,৯৭৮.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি-
  1. কখনোই প্রাসঙ্গিক নয়
  2. রেকর্ড হারিয়ে গেলে প্রাসঙ্গিক হবে
  3. রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে প্রাসঙ্গিক হবে
  4. রেকর্ড ১০ বছরের পুরানো হলে প্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা
• The Evidence (Amendment) Act, 2022 এর ২২ক ধারায় বলা হয়েছে-

ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
[Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].

অর্থাৎ, ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলেই মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে।
৫,৯৭৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোথায় Cross Decree এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XI, Rule 13
  2. Order XXII, Rule 15
  3. Order XXI, Rule 18
  4. Order XXI, Rule 19
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 18 তে Cross Decree এর বিধান রয়েছে।
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৮ অনুযায়ী পাল্টা ডিক্রির ক্ষেত্রে জারি (Execution in case of cross decree):
♦একই পক্ষের মধ্যে আলাদা মোকদ্দমায় দুইটি অংকের টাকা পরিশোধের জন্য পাল্টা ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে একই সময়ে ডিক্রিগুলি জারি করার যোগ্য হবে-
√ যদি দুইটি অংক সমান হয় তবে উভয় আদালত ডিক্রি মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করবে।
√ যদি দুইটি অংক অসমান হয় তবে ক্ষুদ্রতম অংক বাদ দিয়ে বৃহত্তর অংকের ডিক্রিতে যা অবশিষ্ট থাকে তারজন্য ডিক্রিটি জারির উদ্দেশ্যে নেওয়া যাবে।
♦এই বিধি প্রযোজ্য হবে না, যদি না-
√ একটি ডিক্রিদার অন্যটির দেনাদার না হয়, এবং উভয় মোকদ্দমায় প্রত্যেক পক্ষ একই বৈশিষ্ট্য পূর্ণ করে, এবং
√ ডিক্রি অনুসারে প্রাপ্য অংক সুনির্দিষ্ট না হয়।
৫,৯৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১ অনুযায়ী আরজিতে কয়টি বিষয় উল্লেখ করতে হয়?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৭ এর বিধি ১ অনুযায়ী আরজিতে ৯টি বিষয়  উল্লেখ  করতে হয়।
১। আদালতের নাম
২। বাদীর নাম, ঠিকানা,
৩। বিবাদীর নাম ঠিকানা
৪। নাবালক হলে তার বিবরণ
৫। মামলার উৎপত্তি সময় ও কারন
৬। আদালতের এখতিয়ার
৭। বাদীর দাবিকৃত প্রতিকার
৮। আর্থিক মূল্য সংক্রান্ত বিবরণ
৯। যেক্ষেত্রে বাদী তার আংশিক দাবি পারস্পরিক পরিশোধে সম্মত হয়েছে বা বর্জন করেছে সেক্ষেত্রে অনুরূপ পরিশোধ বা বর্জন।
৫,৯৮১.
স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. যেখানে বন্ধকগ্রহীতা বাস করে
  2. যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে
  3. যেখানে বন্ধকদাতা বাস করে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মোকদ্দমা, যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে  সেই স্থানের আদালতে দায়ের করতে হবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। ধারা ১৬ অনুযায়ী যেখানে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মোকদ্দমা রুজু করতে হয়— যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক অথবা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে,

ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য মোকদ্দমা;
গ) স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা;
ঘ) স্থাবর সম্পত্তিতে অন্য কোন প্রকার স্বত্ব বা অধিকার নির্ণয়ের জন্য মোকদ্দমা;
ঙ) স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা;
চ) আটক অথবা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা।

উপরোল্লিখিত বিষয়ে আনিত মোকদ্দমাসমূহ যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত বা, 'গ' দফায় বর্ণিত (স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে যে স্থানে মোকদ্দমার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়েছে সে সমস্ত আদালতেই দায়ের করতে হবে।
৫,৯৮২.
সাক্ষ্য গ্রহণ করার ক্রম আইনে নির্দিষ্ট করে বলা না থাকলে, এর ক্রম আদালত কীভাবে তা নির্ধারণ করে থাকেন?
  1. বাধ্যতামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে
  2. বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে
  3. আইনি ক্ষমতা প্রয়োগ করে
  4. মামলার পক্ষগণের আবেদন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৫ ধারা: সাক্ষীদের উপস্থাপনের ও পরীক্ষা করার ক্রম:
সাক্ষীদের উপস্থাপন এবং পরীক্ষা করার যে ক্রম তা দেওয়ানী ও ফৌজদারী কার্যক্রমের জন্য প্রযোজ্য আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। যদি কোন আইন না থাকে, তবে আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করবে।

[The order in which witnesses are produced and examined shall be regulated by the law and practice for the time being relating to civil and criminal procedure respectively, and, in the absence of any such law, by the discretion of the Court.]
৫,৯৮৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৯ ধারা-এর অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ-৩ অনুসারে,
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৯ ধারা-এর অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের (Recovery of Possession of Immovable Property) মামলা দায়েরের 
তামাদি মেয়াদ হলো ৬ মাস। এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় সম্পত্তি বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে।

৫,৯৮৪.
ফৌজদারি মামলায় দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অনধিক কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়ার এখতিয়ার রয়েছে?
  1. ২ হাজার
  2. ৩ হাজার
  3. ৫ হাজার
  4. ১০ হাজার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দুই হাজার টাকার অর্থদণ্ড।
 
২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
 ------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 32- Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
৫,৯৮৫.
একজন শিল্পী একটি গ্যালারির সাথে চুক্তি করেছিলেন তিনি একটি চিত্রকর্ম তৈরি করবেন। পরবর্তীতে তিনি অন্য গ্যালারির জন্য চিত্রকর্ম তৈরি করেন। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুসারে প্রথম চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাবে না
  3. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  4. শিল্পীকে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২১ এর সাথে সম্পর্কিত। ধারা ২১ অনুযায়ী, কিছু চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না, বিশেষ করে যখন চুক্তিটি ব্যক্তিগত দক্ষতা বা যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল হয়।
এই ক্ষেত্রে, শিল্পী একটি গ্যালারির সাথে চুক্তি করেছিলেন একটি চিত্রকর্ম তৈরি করার জন্য। এটি একটি ব্যক্তিগত দক্ষতা বা যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল চুক্তি, কারণ শিল্পীর ব্যক্তিগত শৈল্পিক দক্ষতা এবং সৃজনশীলতা এই চুক্তির মূল উপাদান। যখন শিল্পী অন্য গ্যালারির জন্য চিত্রকর্ম তৈরি করেন, তখন এটি প্রথম চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে।
যেহেতু এই ধরনের চুক্তি ব্যক্তিগত দক্ষতা বা যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল, আদালত সাধারণত এ ধরনের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দেন না। এর পরিবর্তে, আদালত আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৫,৯৮৬.
'মোকদ্দমায় বিচারকের কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকলে, এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও উক্ত বিচারক ঐ মামলার শুনানী করতে পারবেন না।'- কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ এর ৩৬ ধারায়
  2. Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারায়
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৯ ধারায়
  4. Civil Courts Act,1887 এর ৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-

কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
 
• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
 
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try Judges not to any suit or other proceeding to which he is a party or in which which they are he is personally interested. 
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.
৫,৯৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারার আওতায় আদালত অনধিক কত টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করলে, দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবেন না?
  1. ৫০ টাকা
  2. ১০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে,
কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।

অন্যদিকে,
যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
৫,৯৮৮.
জেলা জজ অসুস্থতার কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে, অস্থায়ীভাবে কে দায়িত্ব গ্রহণ করেন?
  1. সহকারী জজ
  2. যুগ্ম জেলা জজ
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ
  4. জ্যেষ্ঠ যুগ্ম জেলা জজ
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১০: জেলা জজের আদালতের অস্থায়ী দায়িত্ব:
(১) জেলা জজের মৃত্যু, পদত্যাগ, অপসারণ, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষমতা, অথবা তিনি আদালত যে স্থানে বসে সেই স্থান থেকে অনুপস্থিত থাকলে, ঐ স্থানে উপস্থিত অতিরিক্ত জেলা জজ (Additional District Judge) অথবা যদি অতিরিক্ত জেলা জজ উপস্থিত না থাকেন, তবে ঐ স্থানে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ যুগ্ম জেলা জজ (Senior Joint District Judge) নিজের স্বাভাবিক দায়িত্ব ত্যাগ না করেই জেলা জজের পদে অস্থায়ীভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন এবং জেলা জজ স্বপদে ফিরে আসা বা নতুন কর্মকর্তা নিযুক্ত হওয়া পর্যন্ত সেই দায়িত্বে থাকবেন।

(২) জেলা জজের পদে অস্থায়ী দায়িত্ব পালনকালে উক্ত অতিরিক্ত জেলা জজ বা জ্যেষ্ঠ যুগ্ম জেলা জজ, যিনি দায়িত্বে আছেন, হাইকোর্ট বিভাগ এ বিষয়ে যে নিয়ম প্রণয়ন করবে তার অধীন থেকে জেলা জজের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

৫,৯৮৯.
নিম্নের কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিপালনের জন্য বাধ্য করা যাবে?
  1. যে চুক্তি বাতিলযোগ্য প্রকৃতির
  2. যখন কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করা হয়
  3. যখন ট্রাস্টি কোন সংশ্লিষ্ট ট্রাস্টের পরিপন্থি চুক্তি করে
  4. যে চুক্তি পালন না হলে সাধিত ক্ষতি অর্থ দ্বারা পূরণযোগ্য
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে;
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে;
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে;
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।

 খ.গ, এবং ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা যায়, আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হলে বা নির্ণয় করা গেলে বা পাওয়া গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার দিবেনা বরং ক্ষতিপূরণ প্রতিকার দিবে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১২ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ভিন্ন কিছু প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না, এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার এভাবে করা যায়।

যদি চুক্তির বিষয়বস্তু স্থাবর সম্পত্তি যেমন জমি বিক্রয়ের চুক্তি বা জমি লিজের বা বন্ধকের চুক্তি হয়, তাহলে আদালত ধরে নিবে চুক্তি ভঙ্গের প্রতিকার পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না এবং এই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে।
৫,৯৯০.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী সমন জারির ক্ষেত্রে বিবাদীর পরিবারের কার উপর সমন জারি করা যায়?
  1. পরিবারের যেকোনো সদস্য
  2. শুধু প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্য
  3. প্রাপ্ত বয়স্ক যেকোনো সদস্য
  4. বিবাদীর পিতা বা মাতার উপর
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি-১৫ এর বিধান বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যের উপর সমনজারি (Where service may be on adult member of defendants family): বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর ব্যক্তিগতভাবে সমন জারি করা না গেলে বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যের উপর সমন জারি করা যাবে।
- আদেশ ৫ বিধি-১৫ মোতাবেক বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক (Adult Member) ব্যক্তির উপর সমন জারি করা যায়।
আদেশ ৫, বিধি ১৫ অনুযায়ী, বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর সরাসরি সমন জারি করা না গেলে, তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের উপর সমন জারি করা যেতে পারে।
- প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য: পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের (নারী বা পুরুষ) কাছে সমন দেওয়া যাবে।
- ভৃত্য নয়: ভৃত্য (Servant) পরিবারের সদস্য হিসেবে গণ্য হবে না।
- সংশোধনী (২০১২): আগে শুধু প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যের (Adult Male Member) কাছে সমন দেওয়ার বিধান ছিল। ২০১২ সালের সংশোধনের পর, পরিবারের যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের কাছে সমন দেওয়া যায়। 
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-15. Where service may be on an adult member of the defendant's family:
- Where in any suit the defendant cannot be found and has no agent empowered to accept service of the summons on his behalf, service may be made on any adult member of the family of the defendant who is residing with him.

Explanation servant is not a member of the family within the meaning of this rule.
৫,৯৯১.
সমন অমান্যের জন্য আদালত অনধিক কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ৩০০
  2. ৫০০
  3. ১০০
  4. ২০০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
৫,৯৯২.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ অনুসারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে-
  1. সরকার কর্তৃক
  2. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক
  3. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
  4. বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ  কর্তৃক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে-বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ  কর্তৃক।

⇒ The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুচ্ছেদ ৬ এ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর বিষয়ে আলোচনা করা আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
(১) বার কাউন্সিলে একজন চেয়ারম্যান এবং একজন সহ-চেয়ারম্যান (ভাইস-চেয়ারম্যান) থাকবেন।
(২) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকারবলে (ex officio) বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন।
(৩) সহ-চেয়ারম্যান বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নির্বাচন করে বেছে নেওয়া হবে।
(৪) চেয়ারম্যান ও সহ-চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
----------------------------------------
⇒The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article 6:
(1) There shall be a Chairman and a Vice-Chairman of the Bar Council.
(2) The Attorney-General for Bangladesh shall be the Chairman ex officio of the Bar Council.
(3) The Vice-Chairman of the Bar Council shall be elected in the prescribed manner by the members of the Council from amongst themselves.
(4) The Chairman and the Vice-Chairman of the Bar Council shall have such powers and functions as may be prescribed.

৫,৯৯৩.
Specific relief granted under ___________ is called preventive relief.
  1. clause (c) of section 5
  2. clause (b) of section 5
  3. clause (e) of section 5
  4. clause (a) of section 5
ব্যাখ্যা
⇒ Section 6 of The Specific Relief Act- Preventive relief:  Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার: ধারা-৫ (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরী ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
----------
⇒ Section 5 of The Specific Relief Act- Specific relief how given:
 Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.
৫,৯৯৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৪৮ ধারা অনুযায়ী ১ম আবেদন কত বৎসরের মধ্যে করতে হবে?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রী জারীর জন্য ১ম আবেদন ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে।
• তবে নতুন আবেদন ১২ বছরের মধ্যে করতে হবে। তবে ১২ বছরের পরেও আবেদন করা যায়। যদি দেনাদার প্রতারনা বা শক্তি প্রয়োগ করে ডিক্রী জারীতে বাধা দিয়ে থাকে।
• উল্লেখ্য ২ বৎসরের মধ্যে আবেদন করলে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নাই। তবে ২ বছরে পরে আবেদন করলে দায়িক কে নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
৫,৯৯৫.
একজন মৃত ব্যক্তির আর্থিক বিষয়ে কোনো বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হবে, যদি উক্ত বিবৃতিটি-
  1. উক্ত ব্যক্তির স্বার্থের অনুকূলে হয়
  2. প্রতিপক্ষ উক্ত বিবৃতি অস্বীকার করলে
  3. উক্ত ব্যক্তির আর্থিক স্বার্থের পরিপন্থি হয়
  4. প্রতিপক্ষের আর্থিক স্বার্থের প্রতিকূলে হয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি।

অর্থাৎ একজন মৃত ব্যক্তির আর্থিক বিষয়ে কোনো বিবৃতি নিজ স্বার্থের পরিপন্থি হলে, উক্ত বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হবে।
৫,৯৯৬.
The Civil Courts Act, 1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের কোন ধরণের নিয়ন্ত্রণ থাকবে?
  1. বিচারিক
  2. প্রশাসনিক
  3. প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক
  4. বিচারিক ও দাপ্তরিক
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
৫,৯৯৭.
দেওয়ানি মামলায় তামাদির বিষয়টি-
  1. আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
  2. আইনের প্রশ্ন
  3. ঘটনার প্রশ্ন
  4. অধিকারের প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মোকদ্দমায় তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন। আইনে উল্লেখিত কোনো বিষয় দ্বারা যখন কোনো সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয় বা নির্দিষ্ট হয় তখন তা আইনের প্রশ্ন। আর, আইনে উল্লেখ থাকা বিষয়ের সাথে যখন কোনো প্রাসঙ্গিক ঘটনা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্ত প্রভাবিত বা নির্দিষ্ট হয় তখন তাকে ঘটনার প্রশ্ন বলে। 
যেমন, তামাদি আইনের ৩ ধারায় উল্লেখ আছে যে, নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার পর মোকদ্দমা, আপিল, দরখাস্ত ইত্যাদি দায়ের করা হলে তা খারিজ হয়ে যাবে। এই খারিজ হয়ে যাবার বিষয়টি সরাসরি আইনের প্রশ্ন। কিন্তু অন্যদিকে ৫ ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা অন্য কোনো দরখাস্ত নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পরেও আদালতে তা গৃহীত হতে পারে, যদি আপিলকারী বা দরখাস্তকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত আপিল বা দরখাস্ত দাখিল না করার যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিলো।

অর্থাৎ, আপিলকারী বা দরখাস্তকারী অসুস্থতা, ভ্রান্তি, আইনজীবীর ভুল ইত্যাদি ঘটনাগত কারণে নির্ধারিত সময়ের ভেতরে আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে না পারলে তা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদের পরেও গৃহীত হতে পারে। ফলে, এই ৫ ধারায় একটি ঘটনার প্রশ্ন। তাই বলা হয়- তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন।
৫,৯৯৮.
আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে-
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে 
  2. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  3. আপীলের আগে
  4. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮নং আদেশের ১ থেকে ৪ বিধিতে রায় ঘোষণার পূর্বে বিবাদীকে কতিপয় ক্ষেত্রে গ্রেফতার এবং আদালতে হাজিরার জন্য কেন তাকে জামানত দিতে হবে না তার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে। আদালত রায়ের পূর্বে আটক আদেশ দিতে পারে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে। তবে বিবাদী যদি বাদীর দাবিযোগ্য অর্থ জামানত হিসেবে আদালতে জমা দেয় তবে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না।

⇒ বিধি-১: বিবাদীকে হাজিরার জন্য জামানত প্রদান- বিবাদী আদালতের কোন পরোয়ানা এড়ানো বা তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রিজারি বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি-
ⅰ) আত্মগোপন বা আদালতের আঞ্চলিক সীমানা ত্যাগ করে বা এর উদ্যেগ গ্রহণ করে: অথবা
ii) তার সম্পত্তি বা এর অংশ হস্তান্তর করে বা আদালতের স্থানীয় সীমা থেকে অপসারন করে; অথবা
iii) বাংলাদেশ ত্যাগ করার প্রচেষ্টা করে; তাহলে এসব ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বেই আটক বা আদালতে হাজির হয়ে কেন জামানত দেয়া হবে না এই মর্মে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে পারেন। তবে পর্যাপ্ত জামানত দিতে চাইলে আদালত আটকের আদেশ দিবেন না।

⇒ বিধি-২: কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে জামানত- ১ বিধি অনুযায়ী বিবাদী উপযুক্ত কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে, আদালত বিবাদীকে প্রয়োজনীয় অর্থ বা সম্পদ জামানত হিসাবে আদালতে জমা প্রদানের নির্দেশ দিবেন।

⇒ বিধি-৩: জামিনদার দায়মুক্তির আবেদন করলে- জামিনদার রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় স্বীয় দায়মুক্তির জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন/ওয়ারেন্ট দিতে পারেন।  বিবাদী আদালতে হাজির হওয়ার পরে আদালত উক্ত জামিনদারকে জামিননামার দায় থেকে মুক্তি দিবেন এবং বিবাদীর নিকট নতুন জামানত তলব করবেন।

⇒  প্রতিকার- সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে (আদেশ ৪৩ বিধি ১)।

⇒ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-
 ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং  ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
⇒ স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।

⇒ অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
Rule-1: Where defendant may be called upon to furnish security for appearance. Where at any stage of a suit, other than a suit of the nature referred to in section 16, clauses a) to (d), the Court is satisfied, by affidavit or otherwise-
a) that the defendant, with intend to delay the plaintiff, or to avoid any process of the Court or to obstruct or delay the execution of any decree that may be passed against him-
i) has absconded or left the local limits of the jurisdiction of the Court, or
ii) is about to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
iii) has disposed of or removed from the local limits of the jurisdiction of the Court his property or any part thereof, or

b) that the defendant is about to leave Bangladesh under circumstances affording reasonable probability that the plaintiff will or may thereby be obstrusted or delayed in the execution of any decree that may be paased against the defendant in the suit,
the Court may issue a warrant to arrest the defendant and bring him before the Court to show cause why he should not furnish security for his appearance
Provided that the defendant shall not be arrested if he pays to the officer entrusted with the execution of the warrant any sum specified in the warrant as sufficient to satisfy the plaintiff's claim; and such sum shall be held in deposit of or until the further order of the Court.
৫,৯৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. ৪৮৯ ধারা
  2. ৪৯০ ধারা
  3. ৪৯১ ধারা
  4. ৪৯৮ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারি আপিল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারি বা বেসরকারি হেফাজতে বেআইনি অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দিকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দিকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দিকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়

৬,০০০.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান অনুযায়ী গুরুতর আঘাত নয় কোনটি?
  1. পুরুষত্বহীনকরণ
  2. হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
  3. কয়েক দিনের জন্য চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
  4. যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

উল্লিখিত প্রশ্নে কয়েক দিনের জন্য চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ গুরুতর আঘাত নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 320: Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.