বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৫৫ / ১২৬ · ৫,৪০১৫,৫০০ / ১২,৬০৫

৫,৪০১.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "ডিজিটাল রেকর্ড" এর সংজ্ঞায় নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ডিভিডি রেকর্ড
  2. সিসিটিভি রেকর্ড
  3. হস্তলিখিত চিঠি
  4. কম্পিউটার মেমোরি
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ডিজিটাল রেকর্ড" বা "ইলেকট্রনিক রেকর্ড" বলতে এমন রেকর্ড, ডেটা বা তথ্য বোঝায় যা ম্যাগনেটিক, ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমোরি, মাইক্রোফিল্ম, ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক (ডিভিডি), সিসিটিভি রেকর্ড, ড্রোন ডেটা, সেল ফোনের রেকর্ড, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার বা অন্য কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে তৈরি, প্রস্তুত, প্রেরিত, গৃহীত বা সংরক্ষিত হয়, যেমনটি ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, ২০১৮-এ সংজ্ঞায়িত।
- হস্তলিখিত চিঠি একটি ডিজিটাল মাধ্যম নয়, তাই এটি "ডিজিটাল রেকর্ড"-এর সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত নয়।
--------
- [“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)]

৫,৪০২.
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ধারা ৪-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. জমিদারের খাজনা আদায় বন্ধ করা
  2. বিশেষ আইনগুলোকে বাতিল করা
  3. সব মামলায় একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা
  4. বিশেষ আইন ও বিশেষ এখতিয়ারকে সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪-এর শিরোনাম হলো "সঞ্চিত ক্ষমতা সংরক্ষণ" (Saving)। এই ধারাটির মূল উদ্দেশ্য হলো: "Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special or local law now in force, or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force."
- অর্থাৎ, দেওয়ানি কার্যবিধির কোনো বিধান বিশেষ আইন (special law), স্থানীয় আইন (local law), বিশেষ এখতিয়ার (special jurisdiction) বা বিশেষ পদ্ধতি (special procedure)-কে সীমিত করবে না বা প্রভাবিত করবে না।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪: সংরক্ষণ:-
১) বিপরীত কোন সুস্পষ্ট বিধান না থাকলে, বর্তমানে চলমান কোন বিশেষ আইন বা ন্যস্তকৃত কোন বিশেষ এখতিয়ার ক্ষমতা, অথবা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে নির্ধারিত কোন বিশেষ ফরম বা পদ্ধতিকে এই আইনের কোন বিধান দ্বারা সীমাবদ্ধ বা অন্য কোনভাবে প্রভাবিত করবে না।
২) বিশেষত, এবং (১) উপধারায় বর্ণিত সাধারণ নীতিকে ক্ষুণ্ণ না করে সমকালীন চলমান কোন আইনের অধীন চাষের জমির জন্য উক্ত জমির ফসল হতে খাজনা আদায়ের ব্যাপারে কোন জমিদারের কোন প্রতিকার থাকলে এই আইনের কোন বিধান তা সীমাবদ্ধ বা প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908- Section-4: Savings-
1) In the absence of any specific provision to the contrary, nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special law now in force or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force.
2) In particular and without prejudice to the generality of the proposition contained in sub-section (1), nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any remedy which a land-holder or landlord may have under any law for the time being in force for the recovery of rent of agricultural land from the produce of such land.

৫,৪০৩.
নিচের কোন ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করা যাবে?
  1. চুরির অপরাধ, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য অনধিক ১০ হাজার টাকা
  2. চোরাই মাল গ্রহণ বা রাখার অপরাধ, যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য অনধিক ১৫ হাজার টাকা
  3. অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ অপরাধ, যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য অনধিক ১৫ হাজার টাকা
  4. চুরির অপরাধ, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য অনধিক ২০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ এর অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-

> মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
> ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা
> ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বেঞ্চ। 

• দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা হয়-

> মৃত্যুদন্ড,যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ২ বছরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় নয় এরূপ অপরাধ;
> ৩২৩ ধারা অনুসারে আঘাত;
> ৩৭৯,৩৮০ বা ৩৮১ ধারা অনুসারে চুরি, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়;
> ৪০৩ ধারা অনুসারে অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ,৪১১ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গ্রহণ বা রাখা,৪০৪ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গোপন বা হস্তান্তর করতে সাহায্য করা, যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়;
> একই বিধির ৪২৬ ও ৪২৭ ধারা অনুসারে ক্ষতিসাধন, ৪৪৭ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ এবং ৪৪৮ ধারা অনুসারে গৃহে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং ৪৫১,8৫৩,8৫৪,8৫৬ ও ৪৫৭ ধারা অনুসারে অপরাধ;
> ৫০৪ ধারা অনুসারে শান্তিভঙ্গের উচ্চানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে অপমান করা এবং ৫০৬ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ এবং ৫০৯ ও ৫১০ অনুসারে অপরাধসমূহ;
> ১৭১ ও ১৭১৯ ধারা অনুসারে কোন নির্বাচনে ঘুষ নেয়ার এবং এক ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য ব্যক্তি ব্যবহারকরণের অপরাধ: এবং
উপরোক্ত অপরাধসমূহের যেকোন একটি সংঘটনে সহায়তা করা।
৫,৪০৪.
তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে কোন ধরনের মামলায় আইনগত অক্ষমতার সুবিধা প্রযোজ্য নয়?
  1. ফৌজদারি আপীল
  2. অগ্রক্রয়ের মামলা
  3. দেওয়ানী মামলা
  4. সম্পত্তি দাবির মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮–এর ধারা ৮ অনুসারে, সাধারণভাবে আইনগত অক্ষম ব্যক্তিদের (যেমন নাবালক, উন্মাদ, জড়বুদ্ধি) ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনায় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। অর্থাৎ, তারা আইনগতভাবে যখন মামলা করতে সক্ষম হবে, তখন থেকেই তামাদির সময় গণনা শুরু হবে।
তবে ধারা ৮-এ একটি ব্যতিক্রম (exception) উল্লেখ করা হয়েছে- "অগ্রক্রয়ের মামলা (Pre-emption suit)"-এর ক্ষেত্রে এই আইনগত অক্ষমতার সুবিধা প্রযোজ্য নয়।

⇒ Section 8 of Limitation Act, 1908 "Nothing in Section 6 or 7 shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period of limitation for any suit or application.
Nor shall it apply to a suit to enforce a right of pre-emption."

 অর্থাৎ,
১. অক্ষমতা দূর হওয়ার সর্বোচ্চ তিন বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে,
২. আর অগ্রক্রয়ের মামলা হলে, সে ক্ষেত্রে কোনোভাবেই আইনগত অক্ষমতার সুবিধা পাওয়া যাবে না।
৫,৪০৫.
ভারতীয় দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত আইন কমিশনের সভাপতি ছিলেন কে?
  1. লর্ড ম্যাকুলে
  2. মি. এন্ডারসন
  3. মি. ম্যাকলয়েড
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

⇒ ১৮৩৪ সালে গঠিত প্রথম আইন কমিশনের সভাপতি ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay), যিনি ভারতীয় দণ্ডবিধির (Indian Penal Code, 1860) খসড়া প্রণয়ন করেন।

⇒ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে।
প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরুপ:-
i) সভাপতি- লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মি. ম্যাকলয়েড।
iii) সদস্য- মি. এন্ডারসন।
iv) সদস্য- মি. মিলেট।

- এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতিগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।

৫,৪০৬.
The Penal Code, 1860 এর ৫৫ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বাধিক কত বছরের কারাদণ্ডে পরিবর্তন করা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে
  2. ২০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  3. শুধুমাত্র ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে
  4. ৩০ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

৫,৪০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারার অধীনে প্রদত্ত মুচলেকার মেয়াদ ৩ বছর?
  1. ১০৭
  2. ১০৮
  3. ১০৯
  4. ১১০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ১০৭ ধারার (অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার মুচলেকা) এর মেয়াদ ১ বছর, ১০৮ ধারার (রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তিদের নিকট থেকে সদাচরণ এর জন্য)  মুচলেকার মেয়াদ ১ বছর, ১০৯ ধারার (ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদের সদাচরণ এর জন্য) ১ বছর ও ১১০ ধারার (অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ এর জন্য) মুচলেকার মেয়াদ ৩ বছর।
৫,৪০৮.
বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্তিকরণ কমিটিতে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত কতজন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক থাকবেন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
তালিকাভুক্তিকরণ কমিটি বা এনরোলমেন্ট কমিটি বিষয়ে ১১খ অনুচ্ছেদে বলা আছে-

১. এ কমিটির সদস্য হবে ৫ জন।
২. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক হবে এ কমিটির চেয়ারম্যান।
৩. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত ২ জন হাইকোর্ট এর বিচারপতি থাকবেন এই কমিটিতে।
৪. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল থাকবেন এই কমিটিতে।
৫. বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে একজন নির্বাচিত সদস্য হবে এ কমিটির সদস্য।
৫,৪০৯.
আদালত কোন ক্ষেত্রে কুৎসাজনক প্রশ্ন করার অনুমতি প্রদান করতে পারে?
  1. সাক্ষীর চরিত্র সম্পর্কিত হলে
  2. অভিযুক্তের সম্পর্কিত হলে
  3. বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হলে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
 
যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
 
Section 151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
৫,৪১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫০ অনুসারে, স্মল কজ কোর্টে কোন ধরনের ডিক্রি কার্যকর করা যায় না?
  1. অস্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি
  2. স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি
  3. ব্যক্তিগত ঋণের ডিক্রি
  4. ক্ষতিপূরণের ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৫০ (Order L) অনুযায়ী, "ক্ষুদ্র কারণ আদালত" (Small Cause Court) বা এমন আদালত যা ক্ষুদ্র কারণ আদালতের এখতিয়ার প্রয়োগ করে, সেখানে স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যায় না।
→ এটি Order L, clause (a)(ii) তে স্পষ্টভাবে বলা আছে:
"the execution of decrees against immovable property or the interest of a partner in partnership property" – এই ধরনের ডিক্রিগুলোর কার্যকরতা Small Cause Court-এ নিষিদ্ধ।
অন্যদিকে, অস্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যায়, ব্যক্তিগত ঋণ বা ক্ষতিপূরণের ডিক্রি Small Cause Court-এর এখতিয়ারে পড়ে।
অর্থাৎ স্মল কজ কোর্টে স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যায় না, কারণ এটি আদেশ L, বিধি ১(ক)(ii) অনুসারে এই আদালতের এখতিয়ারের বাইরে।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ L, বিধি ১(ক)(ii) অনুসারে, ১৮৮৭ সালের স্মল কজ কোর্ট আইনের অধীনে গঠিত স্মল কজ কোর্ট বা এই আইনের অধীনে স্মল কজ কোর্টের এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালতগুলোতে স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি বা অংশীদারি সম্পত্তিতে অংশীদারের স্বার্থের বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যায় না। এর কারণ হলো, স্মল কজ কোর্টের এখতিয়ার সীমিত এবং এটি মূলত কম মূল্যের, সরল প্রকৃতির মামলা নিষ্পত্তির জন্য গঠিত। স্থাবর সম্পত্তি (যেমন জমি, বাড়ি) সংক্রান্ত মামলা বা ডিক্রি কার্যকর করা জটিল প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত, যা স্মল কজ কোর্টের কার্যপরিধির বাইরে।
- স্মল কজ কোর্ট আইন, ১৮৮৭: এই আইন স্মল কজ কোর্টের এখতিয়ার এবং সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করে। এটি স্পষ্ট করে যে স্থাবর সম্পত্তি বা জটিল মামলা এই আদালতের এখতিয়ারের বাইরে।
- দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ L: এই আদেশ স্মল কজ কোর্টে প্রযোজ্য নয় এমন বিধানগুলো তালিকাভুক্ত করে, যার মধ্যে স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা অন্যতম।
- স্মল কজ কোর্টের উদ্দেশ্য হলো দ্রুত এবং কম খরচে বিচার প্রদান। তাই, জটিল প্রক্রিয়া যেমন স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি কার্যকর করা, আপিল, পুনর্বিবেচনা বা বিস্তারিত সাক্ষ্য গ্রহণ এই আদালতের কার্যপরিধির বাইরে রাখা হয়েছে। এটি নিশ্চিত করে যে স্মল কজ কোর্ট কেবল সরল এবং কম মূল্যের মামলায় মনোনিবেশ করতে পারে।
৫,৪১১.
'ক' রাতে বাসায় আসার পথে 'খ' পিস্তল দেখিয়ে 'ক' এর টাকার ব্যাগ দাবী করে। ফলে 'ক' ব্যাগটি 'খ' কে দিতে বাধ্য হয়। 'খ' কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. ডাকাতি
  2. প্রতারণা
  3. দস্যুতা
  4. চুরি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা মতে, চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে। দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে। দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।

♦The Penal Code, 1860 এর ৩৯০ ধারা মতে যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলিয়া গণ্যহয়ঃ প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

♦যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ  কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা ;

♦বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
৫,৪১২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশে মামলা গঠন বিষয়ে বিধান আছে?
  1. আদেশ ১
  2. আদেশ ২
  3. আদেশ ৩
  4. আদেশ ৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ০২ অনুযায়ী মামলা গঠন করতে হয়।
আদেশ-২ বিধি-১ অনুযায়ী মামলা যতদুর সম্ভব এমনভাবে গঠন করতে হবে, যাতে বিরোধী পক্ষ বিষয়টি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সম্ভব হয় এবং সে বিষয়ে ভবিষ্যতে আর কোন মোকদ্দমা হতে না পারে।
আদেশ-২ বিধি-২ অনুযায়ী সমগ্র দাবী অন্তুর্ভূক্ত করতে হবে আংশিক দাবী বর্জন করলে পরে আর মামলা দায়ের করা যাবে না।
আদেশ-২ বিধি-৩ অনুযায়ী  বাদী একই বিবাদী বা সকল বিবাদীগণের বিরুদ্ধে একটি মোকদ্দমায় কতিপয় কারণ একত্রীকরণ করতে পারে যখন কতিপয় বাদী একই বিবাদীর বা বিবাদীগঞ্জে বিরুদ্ধে মোকদ্দমার কারণের সাথে যুগ্মভাবে সম্পর্কিত হয়।
আদেশ-২ বিধি-৬ অনুযায়ী যদি আদালতের নিকট মনে হয় যে, মামলায় যে সমস্ত কারণ একত্রিত করা হয়েছে, একসাথে সেগুলোর বিচার ও নিষ্পত্তি করা যাবে না তাহলে আদালত সে সকল ক্ষেত্রে পৃথক বিচার করার জন্য বা অন্য কোন সুবিধাজনক আদেশ দান করতে পারবেন ।
৫,৪১৩.
নিম্নবর্ণিত কোন মামলায় Ad valorem কোর্ট ফি দিতে হবে না?
  1. দলিল বাতিল
  2. বণ্টন মামলা
  3. চুক্তি বলবৎকরণ
  4. দখল পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
কোর্ট ফি ২ ধরনের:
১/ মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee];
২/ নির্দিষ্ট [Fixed court fee]।
 
মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee]:
কোন মোকদ্দমার মূল্যমান এর উপর বা দাবীর মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে এই কোর্ট ফি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।
 
নির্দিষ্ট [Fixed court fee]:
কিছু বিষয়ে বিচারের বিষয়টি যাই থাকুক না কেন আদালতেকে সুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমান ফি দিতে হয়। মোকদ্দমার মূল্যমানের উপর কোর্ট ফি নির্ভর করে না।

 বণ্টন মামলায় দখলে থাকলে ৩০০ টাকা Fixed court fee এবং দখলে না থাকলে Ad-valorem court fee দিতে হবে।
৫,৪১৪.
A একটি নির্দিষ্ট জমির Z কে বিক্রি করার চুক্তি করেছিল। পরবর্তীতে তদন্ত করে দেখা গেছে যে, A দাবি করেছিল যে সে B এর উত্তরাধিকারী হিসাবে সেই জমির মালিক, যিনি সাধারণভাবে মৃত বলে বিবেচিত হলেও তার মৃত্যুর যথেষ্ট প্রমাণ নেই। এমতাবস্থায় 'A', 'Z' কে-
  1. নির্দিষ্টভাবে চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে
  2. চুক্তি রদের জন্য বাধ্য করতে পারবে
  3. চুক্তি সংশোধনের জন্য বাধ্য করতে পারবে
  4. নির্দিষ্টভাবে সেই চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫- একজন বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার পক্ষে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত করা যাবে না যদি-

(ক) জেনে-শুনে নিজের অধিকারহীন এমন সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকেন;
(খ) চুক্তি করার সময় যদিও বিশ্বাস করতেন যে তিনি সেই সম্পত্তির উপর সুনির্দিষ্ট অধিকার রাখেন, কিন্তু পক্ষদ্বয়ের বা আদালতের নির্ধারিত সময়ে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে যৌক্তিক সন্দেহাতীতভাবে স্বত্বাধিকার প্রদান করতে অক্ষম হন;
(গ) চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে কোনো মূল্যবান প্রতিফল ছাড়াই চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর নিজের অধিকার সমর্পণ করে থাকেন।

এই উদাহরণে,
A একটি নির্দিষ্ট জমির দখলদার হলেও সেই জমির উপর তার স্বত্বাধিকার সন্দেহজনক। কারণ A দাবি করছে যে সে B এর উত্তরাধিকারী হিসাবে সেই জমির মালিক, যিনি কয়েক বছর আগে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন এবং সাধারণত তাকে মৃত মনে করা হলেও তার মৃত্যুর যথেষ্ট প্রমাণ নেই।
এমতাবস্থায়, A যেহেতু সেই জমির উপর তার স্বত্বাধিকার সন্দেহাতীত নয়, সেহেতু সে Z কে নির্দিষ্টভাবে সেই জমি বিক্রির চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না। একজন বিক্রেতা যদি সম্পত্তির উপর তার স্বত্বাধিকার স্পষ্ট না থাকে, তাহলে সে ক্রেতাকে নির্দিষ্টভাবে চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না।
৫,৪১৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১১ ধারায় res judicata কত বার ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ব্যবহৃত হয়নি
ব্যাখ্যা
-The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ তে  Principle of Res judicata আছে। একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না।
অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে ।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় Res-Judicata শব্দটি শিরোনামে ১ বার ব্যবহৃত হয়েছে।

এর অর্থ: দোবারা-দোষ, পূর্ববিচারিত, আদালত কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত বিষয়।
এটি ২ প্রকার:
(১) প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ
(২) পরোেক্ষ দোবারা দোষ।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:-
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা]। 
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা]
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ]।
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ]।
৫ম ব্যাখ্যা: প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে না।
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights
৫,৪১৬.
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ঘরের বাইরে অন্য কোথাও থেকে গ্রেপ্তার করলে কত ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের জানাতে হবে?
  1. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
→ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নতুন ধারা ৪৬ক (Section 46A) সন্নিবেশিত হয়েছে। এই ধারার উপ-ধারা ঘ(d) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজ বাসস্থানের বাইরে অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তিকে যত শীঘ্র সম্ভব, তবে গ্রেপ্তারের সময় থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা তার মনোনীত বন্ধুকে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের স্থান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;

(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;

(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;

(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

৫,৪১৭.
একজন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোনো ব্যক্তির জামিনের আবেদন নাকচ করেন, তবে ঐ ব্যক্তি কোথায় আপিল করতে পারবেন? 
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজের আদালতে
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক অনুযায়ী, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) কর্তৃক জামিন আবেদন নাকচ বা জামিন গ্রহণে অস্বীকৃতির আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়রা আদালতে (Court of Session) করতে হবে।
- ধারা ৪০৬ক(ক)-এ স্পষ্ট বলা হয়েছে: "যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে।"
সুতরাং, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের জামিন নাকচের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়রা আদালতে করতে হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক: জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
- ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা জামানত নাকচ করার যে কোনো আদেশে যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারবেন—
(ক) যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে;
(খ) যদি আদেশটি প্রদান করেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে;
(গ) যদি আদেশটি যেকোনো অন্য নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে।
----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 406A. Appeal from order refusing to accept or rejecting a surety:
Any person aggrieved by an order refusing to accept or rejecting a surety under section 122 may appeal against such order,- 
 (a) if made by the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate or a District Magistrate, to the Court of Session; 
(b) if made by a Metropolitan Magistrate other than the Chief Metropolitan Magistrate, to the Chief Metropolitan Magistrate; or 
(c) if made by any other Magistrate, whether Executive or Judicial, to the District Magistrate or the Chief Judicial Magistrate.

৫,৪১৮.
তামাদি আইন আনুসারে বংশগত পদ দখলের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা

বংশগত পদ দখলের মামলার তামাদির মেয়াদ-১২ বছর ।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১২৪ অনুযায়ী "বংশগত পদ দখল করার জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা ১২ বছর, এবং এই সময় গণনা শুরু হবে যখন বিবাদী সেই পদটি বাদীর প্রতিকূলে দখল করে নেয়।"
--------------------
According to the Article 124 of the Limitation Act 1908, " The period of limitation for the suit of Possession of an hereditary office is 12 years. The period begins when the defendant takes possession of the office adversely to the plaintiff.

৫,৪১৯.
Discovery by Interrogatories এর দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচার্য বিষয় গঠনের ______ দিনের মধ্যে।
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২০
  4. ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি-১ এর বিধান: প্রশ্নাবলী দ্বারা আবিষ্কার: কোন মোকদ্দমায় বাদি কিংবা বিবাদিপক্ষ অপর পক্ষসমূহকে অথবা তাদের মধ্যে একজন বা একাধিক জনকে পরীক্ষা করার জন্য আদালতের অনুমতিক্রমে, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে লিখিতরূপে প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারে এবং অনুরূপ প্রশ্নমালা প্রদান করা হলে এর মধ্যে কোন কোন প্রশ্নের উত্তর অনুরূপ ব্যক্তির কাউকে প্রদান করতে হবে তা প্রশ্নমালার পাদটিকায় লিখিত থাকবে
- তবে শর্ত থাকে যে, কোন পক্ষ অপর পক্ষকে আদালতের আদেশ ব্যতিরেকে এক প্রন্থের অধিক প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।
- তবে আরও শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার সাথে কোনভাবেই সম্পর্কীত নয়, এরূপ প্রশ্নমালা সাক্ষীর মৌখিক জেরায় জিজ্ঞাসা করা চললেও এক্ষেত্রে তা অবান্তর বলে গণ্য হবে।
৫,৪২০.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৮(ক) অনুসারে, চুক্তির পরে বিক্রেতা সম্পত্তিতে স্বার্থ অর্জন করলে-
  1. আদালতের অনুমতিসহ বিক্রেতা চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারবে
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া ক্রেতা চুক্তি বাতিল করতে পারবে
  3. ক্রেতা চুক্তি পূরণের জন্য বিক্রেতাকে বাধ্য করতে পারবে
  4. ক্রেতা আদালতের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৮: ত্রুটিপূর্ণ শিরোনামের বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার/ভাড়াটিয়ার অধিকার:
যে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি করলে এবং তার সেই সম্পত্তিতে কেবল ত্রুটিপূর্ণ শিরোনাম (imperfect title) থাকে, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে (যদি অন্যথা এই অধ্যায়ে বলা না হয়) নিম্নলিখিত অধিকার থাকবে:

(ক) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া বিক্রয় বা ভাড়ার পরে সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ অর্জন করেন, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়া তাকে সেই স্বার্থ থেকে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারে।

(খ) যেখানে শিরোনামের বৈধতার জন্য অন্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন এবং তারা বিক্রেতার/ভাড়াটিয়ার অনুরোধে স্থানান্তর করতে বাধ্য, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়া বিক্রেতাকে সেই সম্মতি প্রাপ্তির জন্য বাধ্য করতে পারে।

(গ) যেখানে বিক্রেতা দাবি করেন যে সম্পত্তি ঋণমুক্ত (unencumbered), কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি একটি মর্টগেজে বন্ধকী এবং সেই মর্টগেজের পরিমাণ ক্রয়মূল্যের সমান বা কম, এবং বিক্রেতার কেবল redeem করার অধিকার থাকে, ক্রেতা তাকে মর্টগেজ রিডিম করতে এবং মর্টগেজদাতার কাছ থেকে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে বাধ্য করতে পারে।

(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া চুক্তি পূরণের জন্য মামলা করেন এবং সেই মামলা তার অপরিপূর্ণ শিরোনামের কারণে খারিজ হয়ে যায়, তখন বিপক্ষের অধিকার থাকবে:
- তার জমা দেওয়া অর্থ (deposit) ফেরত পাওয়া, সুদসহ,
- মামলার খরচ ফেরত পাওয়া, এবং
- বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার সম্পত্তিতে চুক্তি অনুযায়ী তার জমা, সুদ ও খরচের উপর lien থাকা।

৫,৪২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি কয়টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি ৪টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে। যথা-
১। যে ক্ষেত্রে বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে;
২। বাদীর অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়;
৩। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন হলে;
৪। দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল/ হস্তান্তর করলে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে;
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না;
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে;
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

Section 11- Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
৫,৪২২.
দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় রাষ্ট্রপতির কোন বিশেষ ক্ষমতা সংরক্ষিত হয়েছে?
  1. কারাদণ্ড বৃদ্ধি করা
  2. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা
  3. শুধুমাত্র জরিমানা আদায় বন্ধ করা
  4. ক্ষমা, দণ্ড স্থগিত, দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদান, দণ্ড স্থগিত, দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করার বিশেষ ক্ষমতা সংরক্ষিত হয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ৫৪ বা ৫৫ ধারার কোনো বিধান রাষ্ট্রপতির এই অধিকারকে ক্ষুণ্ন করবে না।
- সঠিক উত্তর: ঘ) ক্ষমা, দণ্ড স্থগিত, দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করা।

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:- ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না। 
--------- 
⇒ The Penal Code,1860- Section 55A. Saving for President prerogative:- Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

৫,৪২৩.
মালিকের অনুমতি নিয়ে ‘ক’ একটি বাড়ীতে অবস্থানকালে বাড়ীর মালিকানা দাবি করে। এক্ষেত্রে আইনগত বাধাকে কি বলে?
  1. স্বীকৃতি
  2. স্বকার্যজনিত বাঁধা
  3. দাবী
  4. মৌনসম্মতি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের  ১১৬ ধারার বিধান ভাড়াটিয়া ও দখলে থাকার অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধ (Estoppel of tenant; and of licensee of person in possession) : কোন স্থাবর সম্পত্তির ভাড়াটিয়া অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তিকে ভাড়াটিয়া সম্পর্ক বিদ্যমান থাকা অবস্থায় ভাড়ার শুরুতে তার বাড়িওয়ালার ঐ স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করতে অনুমতি দেওয়া হবে না; কোন স্থাবর সম্পত্তির দখলদারের অনুমতি নিয়ে যে ব্যক্তি ঐ সম্পত্তিতে এসেছে সেই ব্যক্তিকে যখন এরূপ অনুমতি প্রদান করা হয়েছে তখনকার ঐরূপ ব্যক্তির ঐরূপ দখল অস্বীকার করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
এই  আইনগত বাধাকে স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel) বলে।
৫,৪২৪.
'আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে'- The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত আদেশের বিধান?
  1. আদেশ ৭ বিধি ৪
  2. আদেশ ৮ বিধি ৩
  3. আদেশ ৭ বিধি ৩
  4. আদেশ ৮ বিধি ৪
ব্যাখ্যা
আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-

ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেওয়া হবে।

[Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.]
৫,৪২৫.
কোন চুক্তিটি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয়?
  1. জমি বিক্রয়ের চুক্তি
  2. রাস্তা নির্বাচনের চুক্তি
  3. সিনেমার অভিনয়ের চুক্তি
  4. পরিবহন চুক্তি
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act,1877 Section 21- Contracts not Specifically Enforceable - যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়' শিরোনামে ২১ ধারায় বর্ণিত আছে যে, আদালতের মাধ্যমে চুক্তি বলবৎ করা যায় না- ৮টি ক্ষেত্রে। তার মধ্যে ১টি হলো ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল চুক্তি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয় । কারণ, সিনেমায় অভিনয়ের চুক্তি যা ব্যক্তিগত যোগ্যতার অন্তর্গত।

♦২১ ধারা অনুযায়ী- ৮ ক্ষেত্রে চুক্তি কার্যকর/বলবৎ করা যায় না:
১). যে চুক্তি সম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়।
২). যে চুক্তি সুক্ষ্ম ও জটিল শর্ত দ্বারা গঠিত বা ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল [যেমন: গল্প-উপন্যাস রচনা, অভিনয়, ব্যক্তিগত সেবা দেওয়া, বিবাহ করা সংক্রান্ত চুক্তি।]। 
৩). যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগতভাবে নির্ণয় করতে পারে না।
৪). যে চুক্তি তার প্রকৃতির (Nature) কারণেই বাতিলযোগ্য [Revocable বা যে চুক্তি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যহারযোগ্য]।
৫). জিম্মাদার/ট্রাস্টি কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৬). কোম্পানির পক্ষে বা কর্মকর্তা কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৭). যে চুক্তি পালনে শুরু করার তারিখ হতে ৩ বছরের বেশি সময় লাগে। 
৮) যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগেই বিষয়বস্তু বিলুপ্ত হয়েছে। মনে রাখুন, চুক্তিতে Arbitration Clause থাকলে চুক্তি কার্যকর করা যাবে না।
৫,৪২৬.
'ক' এবং তার বন্ধুরা জনসাধারণের রাস্তার উপর গাড়ির রেস করছিলেন। সে কাউকে ধাক্কা না দিলেও রাস্তার মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং তাদের জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা করে। এক্ষেত্রে, 'ক' এবং তার বন্ধুদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

ধারা ২৭৯- জনসাধারণের পথে বেপরোয়া বা অবহেলাপূর্ণ গাড়ি চালানো:
যে ব্যক্তি জনসাধারণের রাস্তায় কোনো যানবাহন চালায় বা আরোহী অবস্থায় চালনা করে এবং এমনভাবে পরিচালনা করে যে তা বেপরোয়া বা অবহেলাপূর্ণ চালনার মধ্যে পড়ে, এবং যার ফলে মানবজীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে বা অন্য কারো আঘাত বা ক্ষতির সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়—তাকে এই ধারার অধীনে দণ্ডিত করা হবে।

এখানে “বেপরোয়া চালনা” বলতে এমন চালনাকে বোঝানো হয়েছে যা সাধারণ নিরাপত্তাবোধের বিরুদ্ধে এবং যার মাধ্যমে অন্যের জীবন ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে। একইভাবে “অবহেলাপূর্ণ চালনা” বলতে এমন চালনাকে বোঝায় যা চালকের অসতর্কতা বা দায়িত্বহীনতার কারণে ঘটে এবং যার ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে।

এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা সর্বনিম্ন এক হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড প্রদান করা হতে পারে।

ব্যাখ্যা- কেউ যদি জনসাধারণের রাস্তায় আইন দ্বারা নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করে যানবাহন চালায়, তবে তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারার উদ্দেশ্যে বেপরোয়া বা অবহেলাপূর্ণভাবে গাড়ি চালানো হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।

৫,৪২৭.
'ক' একজন পুলিশ অফিসার। 'খ' দস্যুতা সংঘটনের পরিকল্পনা করছে জেনেও অপরাধ সংঘটনের সুযোগদানের ইচ্ছায় 'ক' তথ্য গোপন করে এবং তা প্রতিরোধ করে না। এখানে 'ক'কোন ধারার অধীনে অপরাধ করেছে?
  1. ১১৪ ধারা
  2. ১১৫ ধারা
  3. ১১৭ ধারা
  4. ১১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা-১১৯: অপরাধ সংঘটন নিবারণের দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মচারী কর্তৃক অপরাধের ষড়যন্ত্র গোপন করা-
অপরাধ সংঘটননিরোধের দায়িত্বে থাকা কোন সরকারি কর্মচারী উক্ত অপরাধ নিবারণের জন্য কোন পদক্ষেপ না নিয়ে যদি বরং উক্ত অপরাধের ষড়যন্ত্র গোপন করে তাহলে তিনি দণ্ডবিধির ১১৯ ধারার অধীনে দন্ডিত হবেন।

এক্ষেত্রে 'ক' দণ্ডবিধির ১১৯ ধারার অধীনে অপরাধ করেছে। কেননা দস্যুতা সংঘটনের খবর জানার পর তার দায়িত্ব ছিল তা নিবারণের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া। কিন্তু তিনি তা না করে বরং তথ্য গোপন করেছে। তাই তিনি ১১৯ ধারার অধীনে অপরাধে সহায়তার অপরাধে দোষী হবে।
৫,৪২৮.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে, শুধুমাত্র সাক্ষ্য ভুলভাবে গ্রহণ বা বর্জনের কারণে কোনো রায় বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য নতুন করে বিচার করার আবেদন করা যাবে না?
  1. ধারা ১৬৩
  2. ধারা ১৬৫
  3. ধারা ১৬৬
  4. ধারা ১৬৭
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারা অনুসারে, যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আপত্তিকর সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্ত ন্যায্যতা প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ ছিল, অথবা বর্জিত সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলেও সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হতো না, তাহলে শুধুমাত্র সাক্ষ্য ভুলভাবে গ্রহণ বা বর্জনের কারণে কোনো মামলায় নতুন করে বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে না। এই বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় প্রকার মামলায় সমভাবে প্রযোজ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান, আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 167- No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

৫,৪২৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অনিষ্ট সাধনের (Mischief) সাধারণ সাজা উল্লেখ আছে?
  1. ৪১৫ ধারায়
  2. ৪১৬ ধারায়
  3. ৪২৫ ধারায়
  4. ৪২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধন (Mischief) এর শাস্তি হতে পারে ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়।

Section 426⇒ Punishment for mischief:
 
Whoever commits mischief shall be punished with imprisonment of either description for a term 
which may extend to three months, or with fine, or with both.

৫,৪৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান আছে?
  1. ধারা ১১৫ (১)
  2. ধারা ১১৫ (২)
  3. ধারা ১১৫ (৩)
  4. ধারা ১১৫ (৪)
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ (৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান- রিভিশন:
(১) যদি কোনো মামলা বা কার্যধারায় জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ, অথবা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ কিংবা সহকারী জজ এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেন – যার বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, এবং যদি কোনো পক্ষ এই আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন ঐ মামলার নথিপত্র তলব করে দেখতে পারে – যদি মনে হয় যে সংশ্লিষ্ট আদালত আইনগত কোনো ভুল করেছে, যার ফলে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন সেই আদেশ সংশোধন করতে বা নতুন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।

(২) একইভাবে, কোনো যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের এমন আদেশ যার বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, সেই ক্ষেত্রে জেলা জজ ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে নথিপত্র তলব করে দেখতে পারেন – যদি দেখা যায় আদালত আইনে ভুল করেছে এবং ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটেছে, তাহলে জেলা জজ আদেশ সংশোধন করতে বা যথোপযুক্ত নতুন আদেশ দিতে পারবেন।

(৩) জেলা জজ যদি কোনো রিভিশন মামলা অতিরিক্ত জেলা জজকে হস্তান্তর করেন, তাহলে অতিরিক্ত জেলা জজও জেলা জজের মতোই সমান ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

(৪) উপধারা (২) বা (৩) অনুসারে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ যে আদেশ দেন, তা হাইকোর্টে রিভিশনের আবেদন করা যাবে, যদি হাইকোর্ট মনে করে যে এতে গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নে ভুল হয়েছে এবং তা ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা সৃষ্টি করেছে।

(৫) এই নতুন ধারা কার্যকর হওয়ার আগেই যদি রিভিশন আবেদন শুরু বা চলমান থাকে, তাহলে সেগুলো আগের ধারা ১১৫ অনুযায়ীই নিষ্পত্তি হবে, এমনভাবে যেন নতুন ধারা কার্যকর হয়নি।
৫,৪৩১.
সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারার বিধান অনুসারে আদালত কোন ক্ষেত্রে অশ্লীল ও কুৎসিত প্রশ্ন করার অনুমতি প্রদান করতে পারে?
  1. অভিযুক্তের সম্পর্কিত হলে
  2. বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হলে
  3. সাক্ষীর চরিত্র সম্পর্কিত হলে
  4. মামলার দুই পক্ষের সম্মতি থাকলে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।

সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালত যে কোনো প্রশ্ন বা অনুসন্ধানকে নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে যদি সেই প্রশ্নগুলো অশোভন (অশ্লীল) বা কেলেঙ্কারিপূর্ণ (কুৎসিত) হয়। যদিও সেই প্রশ্নগুলো মামলার প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে কিছুটা সম্পর্কিত হতে পারে, তবুও আদালত যদি মনে করে যে প্রশ্নগুলো অশোভন বা অনৈতিক, তাহলে সেগুলো নিষিদ্ধ করা যেতে পারে।

তবে, যদি প্রশ্নগুলো বিতর্কিত বা প্রকৃত ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত হয়, অর্থাৎ মামলার মূল বিষয় নির্ধারণের জন্য জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে সেগুলো নিষিদ্ধ করা যাবে না। আদালতকে সেই পরিস্থিতিতে এমন প্রশ্নগুলোকে অনুমোদন দিতে হবে কারণ তা মামলার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের জন্য প্রয়োজনীয়।

সুতরাং, ধারা ১৫১-এর মাধ্যমে আদালতকে একটি ভারসাম্য রক্ষা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যেখানে একদিকে অশোভন বা কেলেঙ্কারিপূর্ণ প্রশ্নগুলোকে নিষিদ্ধ করার সুযোগ থাকে এবং অন্যদিকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলিকে অনুমোদন করা বাধ্যতামূলক।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারার বিধান অনুসারে আদালত বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হলে অশ্লীল ও কুৎসিত প্রশ্ন করার অনুমতি প্রদান করতে পারে।
---------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

৫,৪৩২.
List of facts of which the judicial notice has to be taken under section 57 of The Evidence Act, 1872-
  1. is exhaustive
  2. is illustrative only
  3. is both (a) & (b)
  4. is neither (a) nor (b)
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) কেবল উদাহরণমূলক (illustrative only)।

বিচারিক স্বীকৃতি-
বিচারিক স্বীকৃতি হলো আদালতের এমন কিছু তথ্য সত্য বলে গ্রহণ করা, যা সাধারণত সবার জানা থাকে বা সহজেই প্রমাণ করা যায়। এসব তথ্য প্রমাণ প্রদর্শনের প্রয়োজন হয় না। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে- আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে।

৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]

তালিকার প্রকৃতি:
১. তালিকা চূড়ান্ত নয় (Not exhaustive);
২. তালিকা উদাহরণমূলক (Illustrative only)।

ধারা ৫৭-এর তালিকা উদাহরণমূলক (illustrative) এবং আদালত প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যও বিচারিক স্বীকৃতি দিতে পারে।
৫,৪৩৩.
ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কার বিরুদ্ধে দায়ের করা যায়?
  1. শুধুমাত্র সরকারের বিরুদ্ধে
  2. শুধুমাত্র আদালতের অনুমোদিত পক্ষের বিরুদ্ধে
  3. সমস্ত পক্ষের বিরুদ্ধে যারা একই সম্পত্তি বা টাকা দাবী করছে
  4. একই সম্পত্তি বা টাকা দাবীকারীদের মধ্যে একজন দাবিদারের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ. সমস্ত পক্ষের বিরুদ্ধে যারা একই সম্পত্তি বা টাকা দাবী করছে।

ধারা ৮৮: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কখন রুজু করা যেতে পারে:

যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি, অন্য কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয়, উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি- দাওয়া না থাকে এবং যদি তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে ঐ সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে, সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ঐরূপ দাবিদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সকল পক্ষের অধিকার যা দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে, এমন কোন মোকদ্দমা যদি বিচারাধীন থাকে তাহলে, ঐরূপ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

৫,৪৩৪.
According to section 399, what is the minimum age at which the court can direct a person to a reformatory instead of a criminal jail?
  1. 13 years
  2. 14 years
  3. 15 years
  4. 18 years
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারার বিধান: কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বয়স ১৫ বছরের কম হলে আদালত তাকে ফৌজদারি কারাগারে বন্দী না করে, সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখবার নির্দেশ দিতে পারেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 399: Confinement of youthful offenders in reformatories:
(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein. 
 
(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
------------------------------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারার বিধান- তরুণ অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।
৫,৪৩৫.
কোন ব্যক্তির কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে অবস্থান অস্বীকৃত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিকার পেতে পারে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ৪৩ ধারায়
  3. ৪২ ধারায়
  4. ৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।
- অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
 
⇒ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
 
⇒ ঘোষনামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:
i) ঘোষনামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষনা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষনামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষনামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষনা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৫,৪৩৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৯ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে গ্রেফতারকৃত দেনাদারকে মুক্তি দেওয়া যেতে পারে?
  1. তার বয়সের কারণে
  2. তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে
  3. যদি সে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে
  4. যদি সে তার সম্পত্তি জামিন হিসেবে প্রদান করে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে।
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি (Release on ground of illness):
১) কোন রায় সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।
৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
-------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 59. Release on ground of illness.
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness.
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison.
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom-
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness.

(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.
৫,৪৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারার অধীন সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির আদেশ প্রদান করা হলে-
  1. তাৎক্ষনিকভাবে কার্যকর করা হবে
  2. আপিল করা হলে, আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না
  3. আপিল করা যাবে না
  4. আদালতের ইচ্ছানুযায়ী সময়ে কার্যকর করা যাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।

ধারা ৫১৭- যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ

(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধাজনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।

(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপিল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।

(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এ মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
৫,৪৩৮.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কোন কাজ বা বিশ্বাসকে “good faith” বলা যায় না?
  1. যা অন্যের উপকারে করা হয়েছে
  2. যা আইনের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ
  3. যা যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া করা হয়েছে
  4. যা যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ দিয়ে করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে।
-
 যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
---------
⇒ The Penal Code,1860- Section 52:
- “Good faith”: Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

৫,৪৩৯.
দণ্ডবিধির ধারা ২৯৫ অনুযায়ী ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তু ক্ষতিগ্রস্ত করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০-এর ধারা ২৯৫ অনুযায়ী—
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো ধর্মীয় শ্রেণীর উপাসনার স্থান (place of worship) বা তাদের জন্য পবিত্র বলে বিবেচিত কোনো বস্তুকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করে, এবং এর ফলে সেই শ্রেণীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে কিংবা তারা তা ধর্মের অবমাননা হিসেবে বিবেচনা করে তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।
- এই অপরাধের শাস্তি: সর্বোচ্চ ২ (দুই) বছর মেয়াদের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

- The Penal Code, Section 295:
“Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion... shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.”

 সুতরাং, ধারা ২৯৫ অনুসারে ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তু ক্ষতিগ্রস্ত করলে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ২ বছর কারাদণ্ড, তাই সঠিক উত্তর (গ)।
৫,৪৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারার অধীন "Stay of Suit" এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. একই বিষয়বস্তুতে একাধিক মামলা খারিজ করা
  2. একাধিক মামলার সিদ্ধান্ত দ্রুত গ্রহণ করা
  3. একই বিষয়বস্তুতে একাধিক মামলার বিচার করা
  4. একই বিষয়বস্তুতে একাধিক মামলার বিচার স্থগিত করা
ব্যাখ্যা
• রেস সাব জুডিস:
রেস সাব জুডিস শব্দটি দুটি ল্যাটিন শব্দযোগে গঠিত। রেস Res অর্থ ‘বিষয়’ এবং সাব জুডিস Sub-Judice অর্থ ‘বিচারাধীন’ অর্থ্যাৎ, আদালতে বিচারাধীন কোন বিষয়। এই নীতিটির মূল কথা হলো, একই পক্ষসমূহের মধ্যে, একই বিচার্য বিষয়ে, একই এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে একাধিক মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকতে পারে না। এই নীতির প্রয়োগ ঘটিয়ে পরবর্তিতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটি স্থগিত (Stay of Suit) করা হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারার কোথাও রেস সাব জুডিস শব্দগুচ্ছটি ব্যবহার করা না হলেও, এখানে বরং Stay of Suit শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করে মোকদ্দমাটি স্থগিত করার কথা বলা হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯০৮ এর ১০ ধারা অনুযায়ী, দাবীকৃত প্রতিকার প্রদানের এখতিয়ার সম্পন্ন বাংলাদেশের যেকোন আদালতে বা সুপ্রিম কোর্টে একই পক্ষসমূহের মধ্যে বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে একই বিচার্য বিষয়ে কোন মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকলে পরবর্তিতে দায়েরকৃত মোকাদ্দমাটি আদালত বিচার না করে স্থগিত করবেন। তবে পূর্ববর্তি মোকদ্দমাটি বিদেশী আদালতে দায়েরকৃত হলে বাংলাদেশের কোন আদালতে পরবর্তিতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে রেস সাব জুডিস নীতিটি প্রযোজ্য হবে না।

এই নীতি প্রয়োগের শর্তসমূহ-
১. দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হতে হবে;
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে;
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে;
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা [under same title) দায়ের করেছে।

Section 10: Stay of suit-
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh Established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court.

Explanation-The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.
৫,৪৪১.
রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ দ্বারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠিত হয়?
  1. ২৬নং আদেশ
  2. ৩৬নং আদেশ
  3. ৪৬নং আদেশ
  4. ৫৬নং আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৩ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒ এটি সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একমাত্র কেন্দ্রীয় সংস্থা যা দেশের সকল আইনজীবী এবং আইন শিক্ষার্থীদের তালিকাভুক্তি, নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বভার পালন করে।
⇒ বার কাউন্সিলের নিজস্ব একটি আইন আছে যা Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 নামে পরিচিত। এই আইনে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধন, শৃংখলা বিধি ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।
⇒ কাউন্সিলটি একটি চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নির্বাচিত এক প্যানেল দ্বারা পরিচালিত হয়। সদস্যরা দেশের বিভিন্ন বার সোসাইটি দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বাচন করে।
⇒ বার কাউন্সিলের অন্যান্য দায়িত্বগুলোর মধ্যে আইনজীবী শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।

৫,৪৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৭ অনুসারে, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে তার এখতিয়ারের বেশি দণ্ড দিতে চাইলে কী পদ্ধতি অনুসরণ করবে?
  1. সরাসরি দণ্ড প্রদান করবে
  2. সরকারের অনুমতি গ্রহণ করবে
  3. দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করবে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে মামলার নথি দাখিল করবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৭- যেক্ষেত্রে আসামীকে যখন উচ্চতর দণ্ড প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
এই কার্যবিধিতে যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন যখন কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার পক্ষের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার পর এ মর্মে অভিমত পোষণ করেন যে, আসামীকে অথবা যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর একসাথে বিচার করা হয়, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যেকোন একজনকে দোষী মর্মে সাব্যস্ত করে ঐ ম্যাজিট্রেট যে দণ্ড দিতে পারেন তদাপেক্ষা অধিক দণ্ড দিতে হবে, সেক্ষেত্রে তিনি তার এরূপ অভিমতের কারণ লিপিবদ্ধ করে তিনি যেই দায়রা আদালতের অধীনন্ত সেই দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করতে এবং আসামীকে বা সকল আসামীকে অগ্রবর্তী করতে পারবেন এবং তার ফলে সেই দায়রা আদালতও এমনভাবে মামলার বিচার করবেন যাতে মামলাটি এই কার্যবিধি অনুসারে শুধুমাত্রই তৎকর্তৃক বিচার্য।

Section 347- Procedure when, higher punishment should be inflicted on accused:
Notwithstanding anything contained in this Code, whenever a Magistrate of the first class is of opinion, after recording the evidence for the prosecution, that if the accused or, where more accused than one are being tried together, any of such accused is convicted he should receive a punishment more severe than that which such Magistrate is empowered to inflict, he may record his opinion and submit his proceedings, and forward the accused, or all the accused, to the Court of Session to which he is subordinate, whereupon the Court of Session shall try the case as if the case were exclusively triable by it under this Code.
৫,৪৪৩.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে একটি "fact in issue" কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. সাক্ষীর বক্তব্য দ্বারা
  2. আইনজীবীর অভিমত দ্বারা
  3. আদালতের অনুমান দ্বারা
  4. আদালতে উত্থাপিত ও অস্বীকারকৃত বিষয় দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ "Fact in issue" (বিচার্য বিষয় বা বিতর্কিত সত্য) বলতে সেই সমস্ত তথ্য বা ঘটনাকে বোঝায়, যা কোনো মামলা বা আইনি প্রক্রিয়ায় আসামি বা পক্ষগণ দ্বারা দাবি বা অস্বীকার করা হয় এবং যার উপর মামলার সিদ্ধান্ত নির্ভর করে। এটি আদালত কর্তৃক নির্ধারিত হয়, নিম্নলিখিত উপায়ে:
→ মামলার পক্ষগুলোর দাবি বা প্রতিবাদ দ্বারা: উদাহরণ: 'A' যদি 'B' কে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়, তাহলে "A কি B কে হত্যা করেছে?" এটি একটি fact in issue, কারণ এটি মামলার মূল বিবাদী বিষয়।
→ আইনের প্রাসঙ্গিক ধারা অনুসারে: দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনে কিছু বিষয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে fact in issue হয়ে থাকে। যেমন: ফৌজদারি মামলায় আসামির অপরাধী মনোভাব (mens rea) বা দেওয়ানি মামলায় চুক্তি ভঙ্গের ঘটনা।
→ আদালত কর্তৃক ইস্যু ফ্রেমিং-এর মাধ্যমে: দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, আদালত মামলার প্রাসঙ্গিক ইস্যু (issues) নির্ধারণ করে, যেগুলো fact in issue হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ Fact in issue বা বিতর্কিত সত্য বলতে এমন কোনো বিষয় বোঝায়- যার অস্তিত্ব, অনস্তিত্ব, প্রকৃতি বা মাত্রা থেকে কোনো আইনি অধিকার, দায় বা অক্ষমতা নির্ধারিত হয়, এবং যা কোনো মামলায় পক্ষগণ দাবি করে বা অস্বীকার করে।
- সাক্ষ্য আইন, ধারা ৩ অনুযায়ী:
“The expression ‘facts in issue’ means and includes any fact from which, either by itself or in connection with other facts, the existence, non-existence, nature or extent of any right, liability or disability, asserted or denied in any suit or proceeding, necessarily follows.”
- এছাড়াও, ব্যাখ্যা অংশে বলা হয়েছে:
“...the fact to be asserted or denied in the answer to such issue is a fact in issue.”

উদাহরণ:
- ধরা যাক, A-কে B হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তখন নিচের বিষয়গুলো "fact in issue" হতে পারে:
 A কি B-কে হত্যা করেছে?
 A-এর কি হত্যার অভিপ্রায় ছিল?
 A কি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল?
- এ সকল বিষয় আদালতে উত্থাপিত হয় এবং আসামী অস্বীকার করে বা পক্ষসমর্থন করে—এই বিতর্কিত বিষয়গুলোই হয় fact in issue।

⇒ "Fact in issue" নির্ধারিত হয় আদালতে উত্থাপিত ও অস্বীকারকৃত বিষয়ে ভিত্তি করে, সাক্ষীর বক্তব্য, আইনজীবীর অভিমত বা আদালতের অনুমান দিয়ে একে নির্ধারণ করা হয় না।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) আদালতে উত্থাপিত ও অস্বীকারকৃত বিষয় দ্বারা।
৫,৪৪৪.
দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় কোন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. Thug
  2. Theft
  3. Robbery
  4. Cheating
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে-
আইনটি পাশ হওয়ার পর, যে কেউ যেকোন সময়ে অন্য কারো বা অন্যদের সাথে অভ্যাসগতভাবে দস্যুতা বা খুনের মাধ্যমে শিশু চুরি করার উদ্দেশ্যে যুক্ত থাকে, সে একজন ঠগ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান- ঠগের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 310: Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.

Section 311: Punishment:
Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৫,৪৪৫.
What is the maximum imprisonment term for joining an unlawful assembly while armed with a deadly weapon under Section 144?
  1. 6 months
  2. 1 year
  3. 2 years
  4. 3 years
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা মতে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশের শাস্তি হিসেবে অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দন্ডের বিধান রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারার বিধান মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনী সমাবেশে যোগদান করা :- কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-144: Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:-
- Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৫,৪৪৬.
যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে, তবে সেটি The Penal Code, 1860 এর কত ধারার অধীনে 'প্রতারণা' হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. ধারা ৪১১
  2. ধারা ৪১৫
  3. ধারা ৪১৭
  4. ধারা ৪১৯
ব্যাখ্যা
The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪১৫ - প্রতারণা (Cheating):
যে কেউ, কোনো ব্যক্তিকে প্রতারণা করে এবং সেই প্রতারণার মাধ্যমে সেই প্রতারিত ব্যক্তিকে কাউকে কোনো সম্পত্তি দিতে বা কাউকে সেই সম্পত্তি ধরে রাখতে সম্মতি জানাতে প্ররোচিত করে, অথবা এমন কিছু করতে বা না করতে প্ররোচিত করে, যা সে প্রতারিত না হলে করত না বা বাদ দিত না, এবং যার ফলে সেই ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি বা ক্ষতির সম্ভাবনা ঘটে, তাহলে ঐ ব্যক্তিকে “প্রতারক” বলা হয়।

ব্যাখ্যা: যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে, তবে সেটিও এই ধারার অধীনে প্রতারণা হিসেবে বিবেচিত হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বলে যে সে সরকারি চাকরিজীবী। এভাবে সে Z-কে প্রতারিত করে এবং Z তাকে পণ্য দেয়, যা A আসলে পরিশোধ করার ইচ্ছা রাখে না। → A প্রতারণা করেছে।

(খ) A একটি জিনিসে নকল চিহ্ন লাগিয়ে Z-কে এই বিশ্বাসে ঠকায় যে এটা কোনো বিখ্যাত কোম্পানির তৈরি, এবং Z সেটি কিনে ফেলে। → A প্রতারণা করেছে।

(গ) A একটি ভুয়া নমুনা দেখিয়ে Z-কে বিশ্বাস করায় যে পুরো মাল সে রকমই, এবং Z তাকে দাম দিয়ে পণ্য কিনে। → A প্রতারণা করেছে।

(ঘ) A এমন একটি বিল দিয়ে মূল্য পরিশোধ করতে চায়, যেটি এমন একটি প্রতিষ্ঠানের উপর তৈরি যার সঙ্গে তার কোনো লেনদেন নেই। সে জানে যে বিলটি বাতিল হবে। Z-কে এভাবে ঠকিয়ে পণ্য নেয়। → A প্রতারণা করেছে।

(ঙ) A হীরা বলে নকল বস্তু জমা দিয়ে Z-এর কাছ থেকে টাকা ধার নেয়। → A প্রতারণা করেছে।

(চ) A, Z-কে মিথ্যা আশ্বাস দেয় যে সে টাকা ফেরত দেবে, যদিও তার কোনো ফেরত দেওয়ার ইচ্ছা নেই। Z তাকে টাকা দেয়। → A প্রতারণা করেছে।

(ছ) A, Z-কে ভুলভাবে বিশ্বাস করায় যে সে নির্দিষ্ট পরিমাণ নীল গাছ সরবরাহ করবে, যদিও তার কোনো ইচ্ছা নেই তা সরবরাহের। Z আগাম টাকা দেয়। → A প্রতারণা করেছে।
→ তবে, যদি A তখন সত্যিই সরবরাহ করতে চায় এবং পরে তা না করে, তাহলে সেটা শুধুই চুক্তি ভঙ্গ, প্রতারণা নয়।

(জ) A, Z-এর সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী কাজ না করেও মিথ্যা বলার মাধ্যমে Z থেকে টাকা আদায় করে। → A প্রতারণা করেছে।

(ঝ) A তার একটি সম্পত্তি B-কে বিক্রি করে, এবং পরে Z-কে না জানিয়ে আবার সেটি বিক্রি বা বন্ধক দেয়। সে জানে তার আর ঐ সম্পত্তির মালিকানা নেই, তবুও Z-এর কাছ থেকে টাকা নেয়। → A প্রতারণা করেছে।
৫,৪৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় জামিন মঞ্জুর করা এবং জামিনের অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৭
  2. ধারা ৪৯৮
  3. ধারা ৪৯৯
  4. ধারা ৪৯৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৮ এ জামিন মঞ্জুর করা এবং জামিনের অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী জামিনের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হতে হবে না। এছাড়া, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যে কোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করতে পারে অথবা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান: জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বন্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপিল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৫,৪৪৮.
তামাদি আইনের ধারা ২৪ অনুসারে তামাদি মেয়াদ শুরু হয়-
  1. যখন অন্যায় প্রথম ঘটে
  2. যখন ক্ষতি বাস্তবে ঘটে
  3. সম্পত্তি হস্তান্তরের দিন
  4. যখন বাদী আদালতে আবেদন করে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।

৫,৪৪৯.
"পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা" অনুযায়ী একজন আইনজীবী তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ১৪টি
  2. ১১টি
  3. ৯টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।

অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১১ টি বিধি;
২য় অধ্যায়- একজন আইনজীবীর তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১৪ টি বিধি;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব- ৯ টি বিধি;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব- ৮ টি বিধি।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে।
সেখানে ১৪টি বিধি রয়েছে যেখানে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি কী কী দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন তা উল্লেখ আছে।
৫,৪৫০.
A,B এর বিরুদ্ধে ভাড়ার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করেছে। B দাবী করে যে, A না বরং C বাড়ির মালিক। Aতার স্বত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। A পরবর্তীতে B এবং C এর বিরুদ্ধে সম্পত্তিতে তার স্বত্ব ঘোষণার মোকদ্দমা দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি-
  1. ১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির কারণে খারিজ হবে
  2. ১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির কারণে খারিজ হবে না
  3. ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতির কারণে স্থগিত হবে
  4. উপরের কোনটি না
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির বিধান আছে, কোন আদালত এমন কোন মামলার বা বিচার্য বিষয়ের বিচার করবেন না, যার বিচার্য বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ ও মূলতঃ একই পক্ষসমূহের মধ্যে পূর্ববর্তী কোন মামলার প্রত্যক্ষ ও মূলতঃ বিচার্য বিষয়বস্তু ছিল, অথবা পক্ষসমূহের মধ্যে যাদের ভিতরে তারা অথবা তাদের কোন একজন একইরূপ অধিকারের শর্তে মামলায় দাবী করছেন এবং মামলাটি এমন একটি আদালতে শ্রুত ও চূড়ান্তভাবে নিস্পত্তি হয়েছে, যে আদালত এরূপ পরবর্তী মামলা অথবা মামলায় এরূপ বিচার্য বিষয় পরবর্তীতে উত্থাপিত হয়েছে। তার বিচার করতে এখতিয়ার সম্পন্ন।
♦যেহেতু A প্রথম মোকদ্দমায় তার স্বত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে,তাই সে পুনরায় উক্ত স্বত্বের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি ১১ ধারায় রেস জুডিকাটার নীতির কারণে খারিজ করবে। কারণ বিষয়টি পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে।
৫,৪৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে ________ অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
  1. দশ বছর কারাদণ্ডযোগ্য
  2. সাত বছর কারাদণ্ডযোগ্য
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য
  4. চৌদ্দ বছর কারাদণ্ডযোগ্য
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান ৪৬ ধারার বিধান কিভাবে গ্রেফতার করতে হয়:
(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধ:
এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।

 অর্থাৎ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
----------------------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 46. Arrest how made:
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.Resisting endeavour to arrest.
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest.
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with transportation for life.
৫,৪৫২.
তামাদি মেয়াদান্তে দাখিলকৃত মোকদ্দমায় বিবাদী কর্তৃক তামাদির বিষয়ে আপতি উত্থাপন করা হয় নি। এক্ষেত্রে মামলাটি ______।
  1. খারিজ হবে
  2. চলবে
  3. স্থগিত থাকবে
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ প্রশ্নটি তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৩-এর সাথে সম্পর্কিত, যেখানে বলা হয়েছে:
"প্রথম তফসিলে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দায়ের করা যেকোনো মোকদ্দমা, আপিল বা দরখাস্ত খারিজ করতে হবে, এমনকি যদি বিবাদী/প্রতিপক্ষ তামাদির আপত্তি না-ও তোলে।"
সঠিক উত্তর: ক) খারিজ হবে। 

তামাদি আইনের ধারা ৩-এর বাধ্যতামূলক প্রয়োগ: আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে (suo moto) তামাদি পরীক্ষা করবে।
যদি মামলা/আপিল তামাদির পর দায়ের করা হয়, আদালত বিবাদীর আপত্তি না থাকলেও তা খারিজ করবে।
সাধারণত, বিবাদী তামাদির আপত্তি তুললে আদালত তা বিবেচনা করে।
কিন্তু ধারা ৩-এর বিশেষ বিধান অনুযায়ী, আপত্তি না থাকলেও আদালত তামাদি হলে মামলা খারিজ করবে।

- Section 3 of the Limitation Act, 1908:
"Every suit instituted, appeal preferred, and application made after the period of limitation shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence."

- সুতরাং, তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে মামলা খারিজ হবেই, তা বিবাদী আপত্তি করুক বা না করুক।
৫,৪৫৩.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট দণ্ড হ্রাস করে-
  1. জরিমানার আদেশ দিতে পারে
  2. ১০ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীন গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়-

মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন। 
[If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life].
৫,৪৫৪.
"পণ্য-প্রতীক" (Trade Mark) কী নির্দেশ করে?
  1. কোন ব্যক্তির স্বাক্ষর
  2. সরকারি অনুমোদন পত্র
  3. সম্পত্তির মালিকানার দলিল
  4. কোন পণ্যদ্রব্যের মালিকানা নির্দেশক চিহ্ন
ব্যাখ্যা
ধারা-৪৭৮; পণ্য-প্রতীক (Trade mark):
কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে পণ্য-প্রতীক বলে। অর্থাৎ, কোন পণ্যদ্রব্যের মালিকানা নির্দেশক চিহ্নকে পণ্য- প্রতীক বা Trade mark বলে। পণ্য-প্রতীক কথাটির দ্বারা ১৮৮৩ সালের পেটেন্টস, ডিজাইনস ও ট্রেড মার্কস আইন অনুযায়ী রক্ষিত পণ্য-প্রতীক রেজিষ্টারে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন পণ্য-প্রতীককে বুঝাবে ।

ধারা-৪৭৯: সম্পত্তি চিহ্ন (Property mark)-
কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে। অর্থাৎ কোন অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা নির্দেশক চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বা Property mark বলে।
৫,৪৫৫.
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়ের ১ম বিধি অনুসারে, আদালতের মর্যাদার প্রতি আইনজীবীদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত?
  1. শ্রদ্ধাশীল
  2. উদাসীন
  3. রাজনৈতিক
  4. অসম্মানজনক
ব্যাখ্যা

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ৩য় অধ্যায়ের ১ম বিধি অনুসারে, আইনজীবীদের আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ প্রদর্শন করা উচিত। এটি পেশাগত নৈতিকতার একটি মৌলিক নীতি।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:
১. মর্যাদা ও সুরক্ষা: - আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত।
- বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
২. সাক্ষীর পরিচয়: - মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।
৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুতি: - বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত।
- বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।
৪. বিচারকের সাথে আচরণ: - বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব: - আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব।
- সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।
৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা: - বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়।
- মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।
৭. বিচারক নিয়োগ: - রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত।
- বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।
৮. মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি: - আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।
- উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।
৯. মতামত প্রদান: - নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়।
- প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।

৫,৪৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় পুলিশ ডায়েরি সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ১৬১ ধারায়
  2. ১৬২ ধারায়
  3. ১৭২ ধারায়
  4. ১৭৩ ধারায়
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরি সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরিতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন। কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করবেন।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(২) পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার:-
যে কোন ফৌজদারি আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশি ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে।
-পুলিশ ডায়েরি পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরি ব্যবহার করতে পারে।
- তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারা পুলিশ ডায়েরি হলো তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার নথি, যেখানে তিনি প্রতিদিন তদন্তের অগ্রগতি লিখে রাখেন।
ডায়েরিতে যা অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
- কখন তথ্য পেয়েছেন এবং তদন্ত শুরু ও শেষ করেছেন।
- কোন কোন স্থান পরিদর্শন করেছেন।
- তদন্তে কী কী ঘটনা চিহ্নিত করেছেন।
 ডায়েরির ব্যবহার:
- আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানে এটি দেখতে পারে, তবে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।
- পুলিশ কর্মকর্তা নিজের স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে এটি ব্যবহার করতে পারেন।
 - আদালত, পুলিশের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য যাচাই করতে এটি ব্যবহার করতে পারে।
যারা এটি দেখতে পারবে না:
- অভিযুক্ত বা তার আইনজীবী পুলিশ ডায়েরি চেয়ে দেখতে বা সংগ্রহ করতে পারবেন না।
- পুলিশ ডায়েরি তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
============= 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,Section 172: Diary of proceedings in investigation-
(1) Every police-officers making an investigation under this Chapter shall day by day enter his proceedings in the investigation in a diary setting forth the time at which the information reached him, the time at which he began and closed his investigation, the place or places visited by him, and a statement of the circumstances ascertained through his investigation.

(2) Any Criminal Court may send for the police-diaries of a case under inquiry or trial in such Court and may use such diaries, not as evidence in the case, but to aid it in such inquiry or trial. Neither the accused nor his agents shall be entitled to call for such diaries, not shall he or they be entitled to see them merely because they are referred to by the Court; but, if they are used by the police-officer who made them, to refresh his memory or if the Court uses them for the purpose of contradicting such police-officer, the provisions of the Evidence Act, 1872, section 161 or section 145, as the case may be, shall apply.

৫,৪৫৭.
আসামী দোষস্বীকার করলে তার শাস্তি হবে ______।
  1. সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক
  2. সর্বোচ্চ শাস্তির এক চতুর্থাংশ
  3. সর্বোচ্চ শাস্তির সমপরিমাণ
  4. আদালতের বিবেচনামতো
ব্যাখ্যা
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত লিখিত অভিযোগ গঠন করে তা আসামিকে পড়ে শুনাবেন এবং জিজ্ঞেস করবেন যে, আসামি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা দোষ স্বীকার করে কি না? আসামি দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ এবং ২৬৫ঙ ধারা অনুসারে আদালত অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের ভিত্তিতে আসামিকে দণ্ড দিতে পারেন।
 
- ২৪৩ ধারা অনুসারে আসামি যদি স্বীকার করে যে, যে অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে, সে তা করেছে, তাহলে যথাসম্ভব আসামির ব্যবহৃত শব্দে তার স্বীকৃতি লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং কেন সে দণ্ডিত হবে না, সে সম্পর্কে আসামি যদি পর্যাপ্ত কারণ না দর্শায় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে দণ্ডিত করতে পারবেন।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঙ ধারায় দায়রা আদালতে দোষ স্বীকার করায় দণ্ডাদেশ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, আসামি যদি দোষ স্বীকার করে তবে আদালত তা লিপিবদ্ধ করবেন এবং আদালত সুবিবেচনা মতে দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
সুতরাং, আসামি দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং ২৬৫ঙ ধারামতে দায়রা আদালত উক্ত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দণ্ড দিতে পারেন।
---------------
CrPC Section-243. Conviction on admission of truth of accusation:
-If the accused admits that he has committed the offence 284[with which he is charged], his admission shall be recorded as nearly as possible in the words used by him; and, if he shows no sufficient cause why he should not be convicted, the Magistrate may convict him accordingly.

CrPC Section-265E. Conviction of plea of guilty:
- If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.
৫,৪৫৮.
স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সমন কার বরাবর জারি করা যাবে?
  1. মালিকের বরাবর
  2. দখলদারের বরাবর
  3. সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা বিবাদির প্রতিনিধির উপর
  4. যে কোন ব্যক্তি বরাবর
ব্যাখ্যা
• সমনের উদ্দেশ্য- সমন জারি করা হয় বিবাদীকে মোকদ্দমার বিষয়টি অবহিত করে আদালতে বিবাদীর হাজিরা নিশ্চিত করা এবং মোকদম্মা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে তার বক্তব্য পেশের সুযোগ দেয়া।

• আদেশ ৫ বিধি-১৪ অনুসারে,
স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক কোন প্রতিকার বা এর ক্ষতিপূরণ পাওয়ার উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, যদি বিবাদির উপর ব্যক্তিগতভাবে সমন জারি করা না যায় এবং যদি বিবাদির ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি সমন গ্রহণের জন্য না থাকে, তাহলে সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা বিবাদির যে কোন প্রতিনিধির উপর সমন জারি করা যাবে।

Rule-14: Service on agent in charge in suits for immovable property-
Where in a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property, service cannot be made on the defendant in person, and the defendant has no agent empowered to accept the service, it may be made on any agent of the defendant in charge of the property.
৫,৪৫৯.
দণ্ডবিধির ১০০ ধারার মতে, কোন ধরনের আক্রমণের ফলে শরীর বা দেহ রক্ষা করতে আক্রমণকারীর মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে?
  1. অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ করলে
  2. কোন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে
  3. এমন আক্রমণ যা অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায়ে সংঘটিত হয়
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০০ ধারা অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:
(i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
(ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
(iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
(vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।

Section 100- When the right of private defence of the body extends to causing death:
The right of private defence of the body extends, under the restrictions mentioned in the last preceding section, to the voluntary causing of death or of any other harm to the assailant, if the offence which occasions the exercise of the right be of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:-
Firstly.- Such an assault as may reasonably cause the apprehension that death will otherwise be the consequence of such assault;
Secondly.- Such an assault as may reasonably cause the apprehension that grievous hurt will otherwise be the consequence of such assault;
Thirdly.- An assault with the intention of committing rape;
Fourthly.- An assault with the intention of gratifying unnatural lust;
Fifthly.- An assault with the intention of kidnapping or abducting;
Sixthly.- An assault with the intention of wrongfully confining a person, under circumstances which may reasonably cause him to apprehend that he will be unable to have recourse to the public authorities for his release.
৫,৪৬০.
সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে দায়েরকৃত রিভিশন দায়রা জজ কার নিকট শুনানির জন্য হস্তান্তর করতে পারেন?
  1.  যুগ্ম জেলা জজের কাছে
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজের কাছে
  3. অতিরিক্ত জেলা জজের কাছে
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
ব্যাখ্যা

রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ,
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ।

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। 
ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

ধারা ৪৩৯ক(৩) অনুযায়ী, অতিরিক্ত দায়রা জজও রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, যদি দায়রা জজ সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে কোনো রিভিশন মামলা তাদের কাছে প্রেরণ করেন। এ ক্ষেত্রে, অতিরিক্ত দায়রা জজ দায়রা জজের মতো একই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।

৫,৪৬১.
'ক', 'খ' এর বৈধ চলাচলের রাস্তার অর্ধেক অংশে নতুন বাড়ি নির্মাণ করেন এবং উক্ত পথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এক্ষেত্রে The Specific Relief Act, 1877 অনুসারে 'খ' এর সর্বোত্তম প্রতিকার কী?
  1. ঘোষণা ও খাস দখল পুনরুদ্ধার
  2. খাস দখল পুনরুদ্ধার
  3. বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
-'ক', 'খ' এর বৈধ চলাচলের রাস্তার অর্ধেক অংশে নতুন বাড়ি নির্মাণ করেন এবং উক্ত পথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এক্ষেত্রে 'খ' এর সর্বোত্তম প্রতিকার হচ্ছে আদালত থেকে The Specific Relief Act, 1877 এর  ধারা ৫৪ এবং ৫৫ এর অধীন বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা। 

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীর পক্ষে কোন বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা, যা ভঙ্গ করাকে প্রতিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হতে পারে। নিষেধাজ্ঞা চিরস্থায়ী করার অর্থ ইহা নয় যে, উক্ত নিষেধাজ্ঞা চিরকালের জন্য চলতে থাকবে এবং উক্ত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন কিছু করা যাবে না। কোন উপর্যুক্ত আদালত যতদিন পর্যন্ত স্বত্বের মীমাংসা না করেন এবং এই নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি রদ না করেন ততদিন পর্যন্ত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চলতে থাকবে।
অপরদিকে, কোন ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনগত ভাবে বাধ্য থাকা শর্তেও তা করা থেকে বিরত থাকলে আদালত তাকে কাজটি সম্পাদন করতে বাধ্য করে তথা কোন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে যে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে তা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা নামে পরিচিত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় এই সম্পর্কে বলা হয়েছে।  বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে সে যে কাজ করতে বাধ্য তাকে তা করতে আদেশ দেয়া হয়। সেজন্য ৫৫ ধারার বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা আদালতে প্রার্থনা করা হলে আদালত তার বিবেচনামূলক স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে সন্তুষ্টচিত্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে মঞ্জুর করে থাকেন।

- এক্ষেত্রে আদালত ‘ক’ কে বাড়ি নির্মাণের কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য নিষেধাজ্ঞা এবং ‘খ’ কে উক্ত পথে চলার আদেশ দিতে পারে।
৫,৪৬২.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার পূর্বের আদেশ পর্যালোচনা (review) করতে পারে কীভাবে?
  1. নিজ উদ্যোগে
  2. আবেদনের ভিত্তিতে
  3. উচ্চ আদালতের নির্দেশে
  4. ক অথবা খ 
ব্যাখ্যা

⇒ বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (রিভিউ) করার ক্ষমতা: অনুচ্ছেদ ৩৪(৮) অনুযায়ী: বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে তার পূর্বের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (review), পরিবর্তন (vary) বা বাতিল (rescind) করতে পারে।
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার নিজস্ব উদ্যোগে বা কোন আবেদনের প্রেক্ষাপটে তার সিদ্ধান্ত রিভিউ করতে পারে বা পরিবর্তন করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।
------------------ 
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 Article-34(8):
The Tribunal may, of its own motion or on application made to it in this behalf, review any order passed under clause (4) or (6) and maintain, vary or rescind the same, as it thinks fit.

৫,৪৬৩.
কখন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রদত্ত ক্রোক প্রত্যাহার (Withdraw the attachment) করিবেন?
  1. যে কোন সময়ে
  2. ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হইলে
  3. রোধীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে আর কোন প্রকার শান্তি ভঙ্গের আশংকা না থাকিলে
  4. উপরে বর্ণিত সবগুলি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ

শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
৫,৪৬৪.
'An injunction cannot be granted to stay proceedings in any criminal matter'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৫৪ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৫৬ ধারায়
  4. ৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
Section 56: An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter. 

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-

i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে;
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে দরখাস্তকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ না থাকলে।
৫,৪৬৫.
'Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ধারা ৪৮৬
  2. ধারা ৪৮৫
  3. ধারা ৪৮৯
  4. ধারা ৪৮৫ক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-

সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।

Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons-

(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty. 
 
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
৫,৪৬৬.
A নতুন ভবন নির্মাণ করে এমনভাবে যে, তাতে B-এর আলো-প্রবেশের অধিকার (যা B তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে অর্জন করেছে) বাধাগ্রস্ত হয়। এক্ষেত্রে B আদালতের মাধ্যমে কী নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে?
  1. শুধু A-কে নির্মাণ বন্ধ রাখার
  2. শুধুমাত্র বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলার
  3. নির্মাণ বন্ধ রাখা এবং আলো বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলা উভয়
  4. কোনো নিষেধাজ্ঞা পাবে না
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৫. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunctions):
যখন কোনো বাধ্যবাধকতা (obligation) ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু কাজ করানো প্রয়োজন হয় এবং আদালত সেই কাজ করাতে সক্ষম হয়, তখন আদালত তার বিবেচনা অনুযায়ী এমন একটি নিষেধাজ্ঞা (injunction) দিতে পারে যা—
১. উক্ত ভঙ্গ (breach) রোধ করে, এবং
২. প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে বাধ্য করে।

উদাহরণসমূহ (Illustrations)-

(ক) A নতুন ভবন নির্মাণ করে এমনভাবে যে তাতে B-এর আলো-প্রবেশের অধিকার (যা B তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে অর্জন করেছে) বাধাগ্রস্ত হয়।
→ B আদালতের মাধ্যমে এমন নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে যা কেবল A-কে নির্মাণ বন্ধ রাখতে বলে না, বরং যতটুকু অংশ আলো বাধাগ্রস্ত করছে, তা ভেঙে ফেলতেও আদেশ দেয়।

৫,৪৬৭.
আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির কত বিধি অনুযায়ী হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় (examine or adjust accounts) করার জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে?
  1. আদেশ ২৬ বিধি-৯
  2. আদেশ ২৬ বিধি-১০
  3. আদেশ ২৬ বিধি-১১
  4. আদেশ ২৬ বিধি-১৩
ব্যাখ্যা

আদেশ ২৬ বিধি-১১: হিসাব পরীক্ষা কিংবা সমন্বয় করার জন্য কমিশন:
কোন মোকদ্দমায় হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়নের প্রয়োজন হলে আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার নিকট কমিশন প্রেরণ করে উক্ত পরীক্ষা বা সমন্বয়নের নির্দেশ প্রদান করতে পারে।

Rule.-11: Commission to examine or adjust accounts:
In any suit in which an examination or adjustment of accounts is necessary, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such examination or adjustment.

৫,৪৬৮.
দণ্ডবিধির ২৪২ ধারা অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি কখন শাস্তিযোগ্য হবে?
  1. যদি সে জাল মুদ্রা তৈরি করে
  2. যদি সে অজান্তে জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখে
  3. যদি সে জেনেশুনে জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখে
  4. যদি সে জাল মুদ্রা অন্যের কাছে হস্তান্তর করে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪২: জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখা, যখন সে জানত যে এটি জাল:
যে কেউ প্রতারণার উদ্দেশ্যে বা প্রতারণা সংঘটিত হওয়ার অভিপ্রায়ে জাল মুদ্রা নিজের কাছে রাখে, এবং যখন সে এই মুদ্রা নিজের কাছে গ্রহণ করে তখন জানত যে এটি জাল, তবে সে ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও প্রদান করতে হবে।

[Whoever, fraudulently or with intent that fraud may be committed, is in possession of counterfeit coin, having known at the time when he became possessed thereof that such coin was counterfeit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.]
৫,৪৬৯.
যদি আদালতে বিবাদী উপস্থিত না হয় এবং প্রমাণিত না হয় যে সমন যথারীতি জারি হয়েছে, তাহলে আদালত কী করবেন?
  1. বাদীকে জরিমানা করবেন
  2. মামলাটি খারিজ করে দেবেন
  3. বিবাদীর ওপর দ্বিতীয়বার সমন জারি করার নির্দেশ দেবেন
  4. মামলাটি একতরফা বিচার করতে পারবেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৬:
১) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বাদী উপস্থিত হয় এবং বিবাদী উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে আদালত-
ক) যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে, একতরফা বিচার করতে পারবেন।

খ) যদি প্রমাণিত না হয় যে, যথারীতি জারি হয়েছে, তবে আদালত বিবাদীর উপর দ্বিতীয়বার সমন প্রেরণ এবং জারি করার নির্দেশ দান করবেন।

গ) যেক্ষেত্রে সমন যথারীতি জারি হয়, কিন্তু উপযুক্ত সময়ের মধ্যে নয়ঃ যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে, তবে বিবাদীকে সমনে নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হয়ে জবাব দেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা হয়নি, তবে আদালত পরবর্তী কোনো নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি মূলতবি রাখবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করবে।
৫,৪৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা অনুযায়ী ভুলের জন্য চুক্তি রদ করার জন্য নিচের কোনটি একটি শর্ত নয়?
  1. চুক্তিতে ভুল থাকা
  2. চুক্তিটি লিখিত হওয়া
  3. চুক্তিতে একজন স্বাক্ষী থাকা 
  4. বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা অনুযায়ী, শুধুমাত্র ভুলের কারণে লিখিত চুক্তি রদ করার জন্য নিম্নলিখিত শর্তগুলো প্রয়োজন:
(ক) চুক্তিতে ভুল থাকা: এটি মূল ভিত্তি।
(খ) চুক্তিটি লিখিত হওয়া: ধারা ৩৬ শুধুমাত্র লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
(ঘ) বিপক্ষ পক্ষকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হওয়া: চুক্তি রদ করলে অপর পক্ষকে চুক্তির আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া যাবে কিনা তা বিবেচ্য।
কিন্তু (গ) চুক্তিতে একজন স্বাক্ষী থাকা – ৩৬ ধারায় এটি কোনও শর্ত হিসেবে উল্লেখ নেই। লিখিত চুক্তির জন্য স্বাক্ষরের প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু একজন স্বাক্ষীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

৫,৪৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করার গ্রহণযোগ্যতা দেয়া হয়েছে?
  1. ১৭৬(২) ধারায়
  2. ৫০৮ ধারায়
  3. ৫০৯ক ধারায়
  4. ৫০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট-
 
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।
 
Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৫,৪৭২.
তামাদি আইনের কত ধারায় 'নিলাম গ্রহীতার সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে, নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে'- এই বিধান দেয়া আছে?
  1. ১৫ ধারায়
  2. ১৬ ধারায়
  3. ১৭ ধারায়
  4. ১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৬ ধারায় নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-
- ’ডিক্রি জারির জন্য কোন সম্পত্তি বিক্রয়’ অর্থাৎ নিলাম বিক্রয় রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা হলে, মামলা যতদিন চলবে সেই সময় নিলাম গ্রহিতার বা যিনি নিলাম কিনেছেন তার উক্ত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
-------------------------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending:
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
৫,৪৭৩.
কোন পরিস্থিতিতে দেওয়ানি আদালত প্রথম শুনানির দিনই রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. উভয় পক্ষ সাক্ষী পেশে ব্যর্থ হলে
  2. আদালত মনে করলে যে, মামলাটি গুরুতর নয়
  3. একমাত্র বিবাদী আদালতে উপস্থিত না থাকলে
  4. আইনগত বা ঘটনা সম্পর্কিত বিচার্য বিষয় না থাকলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
৫,৪৭৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১৩৫(১) কাদেরকে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি দিয়েছে?
  1. সাক্ষী
  2. বাদী ও বিবাদী
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. বিচারক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি:
১) কোনো জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।

২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।
৫,৪৭৫.
কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে সরকার কার সাথে পরামর্শ করবেন?
  1.  রাষ্ট্রপতির সাথে
  2. প্রধানমন্ত্রীর সাথে
  3. অ্যাটর্নি জেনারেলের সাথে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের সাথে 
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১১(৪) ধারার বিধান হল:
এই ধারায় যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, সরকার হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে পরামর্শসাপেক্ষে নির্ধারিত মেয়াদের জন্য যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বাদি পালন করার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ নির্ধারিত মেয়াদকালে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বসমূহ পালন করবেন না।

অর্থাৎ, সরকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যাবলী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সম্পাদনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শ করে থাকেন।

Section 11(4)-
Notwithstanding anything contained in this section, the Government may require any Executive Magistrate to perform the functions of a Judicial Magistrate for a period to be determined in consultation with the High Court Division and during such period, the Magistrate shall not perform the functions of an Executive Magistrate.
৫,৪৭৬.
পেনাল কোডে কত প্রকারের গৃহপ্রবেশকে 'অপথে গৃহপ্রবেশ' (House- breaking) হিসেবে চিহ্নিত করা হইয়াছে?
  1. ৫ প্রকারের,
  2. ৬ প্রকারের,
  3. ৭ প্রকারের,
  4. ৮ প্রকারের।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);

iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);

v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
----------------
⇒ Section 445 House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
 
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass.
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building.
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened.
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass.
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault.
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass.
Explanation.-Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
৫,৪৭৭.
রাকিব একটি বিতর্কিত জমি নিয়ে রফিকের বিরুদ্ধে মামলা করে, যা একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য। এক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীনে কে অন্য কোন দায়েরযোগ্য আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে?
  1. রাকিব
  2. রফিক
  3. আদালত স্বেচ্ছায়
  4. রাকিব এবং রফিক উভয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• যে আবেদন করতে পারে:
২২ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

এক্ষেত্রে, মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন শুধুমাত্র বিবাদী (এখানে রফিক) করতে পারে।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।

Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court, and the Court to which such application is made, after considering the objections of the other parties (if any), shall determine in which of the several Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
৫,৪৭৮.
"কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে”- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ২৩৩
  2. ধারা ২৩৫
  3. ধারা ২৩৭
  4. ধারা ২৩৬
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে, অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

ধারা ২৩৭ বলা আছে-
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়,সাক্ষ্য-প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবং এই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো,তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।
[If, in the case mentioned in section 236, the accused is charged with one offence, and it appears in evidence that he committed a different offence for which he might have been charged under the provisions of that section, he may be convicted of the offence which he is shown to have committed, although he was not charged with it.]

উদহারণ-'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল।কিন্তু দেখা গেল যে,সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে।উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও,অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।
৫,৪৭৯.
'মামলা ডাকার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।'- এই বিধান Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর আইনজীবীদের কোন কর্তব্যের মধ্যে পড়ে?
  1. জনসাধারণের প্রতি কর্তব্য
  2. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি কর্তব্য
  3. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  4. মক্কেলদের প্রতি কর্তব্য
ব্যাখ্যা
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:

১. মর্যাদা ও সুরক্ষা:
- আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত।
- বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

২. সাক্ষীর পরিচয়:
- মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।

৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুতি:
- বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত।
- বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

৪. বিচারকের সাথে আচরণ:
- বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।

৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব:
- আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব।
- সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।

৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা:
- বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়।
- মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।

৭. বিচারক নিয়োগ:
- রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত।
- বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।

৮. মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি:
- আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।
- উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।

৯. মতামত প্রদান:
- নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়।
- প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।
৫,৪৮০.
হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' দাবি করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না। এই দাবি প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. 'ক' এর
  2. আদালতের
  3. পুলিশের
  4. অভিযোগকারীর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারার বিধান: আসামীর মোকদ্দমা যে ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমানের দায়িত্ব:
কোন অপরাধে কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে মোকদ্দমাটি যাতে দণ্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা এর অন্য কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্পিত থাকে এবং এ রূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে ধরে নিবেন।

উদাহরণ:
(ক) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' দাবি করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

(খ) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সে গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে হারিয়ে ফেলেছিল। 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত। বিশেষভাবে যে ঘটনা কারও অবগতির মধ্যে রয়েছে।
৫,৪৮১.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমায় চুক্তি রদের প্রার্থনাটি কী হিসেবে করা হয়?
  1. মূল প্রার্থনা
  2. স্বতন্ত্র মোকদ্দমা
  3. বিকল্প প্রার্থনা
  4. আপীল আবেদনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৫,৪৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর কীভাবে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. অভিযুক্তের অনুরোধে
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. অভিযোগকারির আবেদন সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution-
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৫,৪৮৩.
একজন সাক্ষী হিসেবে শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের কর্তব্য কী হবে?
  1. অভিযোগকারীকে সাহায্য করা
  2. আদালতকে সাহায্য করা
  3. অভিযুক্তকে শাস্তি থেকে বাঁচানো
  4. নিজের মতামত প্রতিষ্ঠা করা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয়, যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

অর্থাৎ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষ্য দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে;
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৫,৪৮৪.
The term “Judge" is explained in The Penal Code under Section-
  1. Section-21
  2. Section-17
  3. Section-19
  4. Section-20
ব্যাখ্যা
The penal Code,1860: Section-19. “Judge”:
The word “Judge” denotes not only every person who is officially designed as a Judge, but also every person,- 
-who is empowered by law to give, in any legal proceeding, civil or criminal, a definitive judgment, or a judgment which, if not appealed against, would be definitive, or a judgment -which, if confirmed by some other authority, would be definitive, or 
-who is one of a body of persons, which body of persons is empowered by law to give such a judgment. 
Illustration:
(a) A Collector exercising jurisdiction in a suit under Act X of 1859, is a Judge. 
(b) A Magistrate exercising jurisdiction in respect of a charge on which he has power to sentence to fine or imprisonment with or without appeal, is a Judge. 
(d) A Magistrate exercising jurisdiction in respect of a charge on which he has power only to commit for trial to another Court, is not a Judge.
----------------------------
দণ্ডবিধির ১৯ ধারার বিধান- জজ:
বিচারক অর্থ শুধু সরকারীভাবে বিচারক বলে আখ্যাত বা নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকেই বোঝায় না, বরং যেকোন আইনগত কার্যব্যবস্থা, কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী যা হোক, চুড়ান্ত রায়দান বা আপীল না করা না হলে চূড়ান্ত গণ্য হবে এইরূপ বায়দান বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সমর্থিত হলে চূড়ান্ত গণ্য হবে এমন কোন রায়দান করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রদত্ত প্রত্যেক ব্যক্তি, অথবা অনুরূপ রায়দান করার জন্য আইনবলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন ব্যক্তি সংস্থাভুক্ত ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
উদাহরণ:
(ক) ১৮৫৯ সালের ১০নং আইন মোতাবেক কোন মোকদ্দমায় বিচার-ক্ষমতা প্রয়োগে একজন কালেক্টরই বিচারক।
(খ) যে অভিযোগের বিচারে ম্যাজিস্ট্রেটের অর্থ বা কারাদণ্ডদানের ক্ষমতা রয়েছে-তার দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাক বা না যাক- সে অভিযোগে বিচার ক্ষমতা প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেট একজন বিচারক।
(ঘ) যে অভিযোগে ম্যাজিস্ট্রেট কেবলমাত্র কোন আদালতে বিচারের জন্য সোপর্দ করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত, সে অভিযোগের ব্যাপারে এখতিয়ার প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেট একজন বিচারক নয়।
৫,৪৮৫.
মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ডের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হয়?
  1. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  2. কারাদণ্ড শুরু হওয়ার তারিখ থেকে
  3. কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
  4. ক্ষতিপূরণের দাবি জানানোর তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: খ) কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে।

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী, মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ১ বছর। এই মেয়াদ কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।

অর্থাৎ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী, মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ডের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়। 
৫,৪৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারায় ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে, উক্ত সম্পত্তির মালিক কর্তৃক কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:
- যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে,
সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-89: Restoration of attached property:
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
৫,৪৮৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৬খ অনুসারে গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে কী উল্লেখ করতে হবে না?
  1. গ্রেফতারের কারণ
  2. হেফাজতকারী অফিসারের নাম
  3. মামলা নম্বর ও আইনের ধারা
  4. অভিযোগকারীর নাম ও তথ্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৬খ(১) অনুসারে গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ করতে হবে:
- গ্রেফতারের কারণ
- অভিযোগকারীর নাম ও তথ্য
- আত্মীয় বা বন্ধুর নাম ও তথ্য (যাকে গ্রেফতারের তথ্য দেওয়া হয়েছে)
- হেফাজতকারী অফিসারের নাম ও তথ্য
তবে মামলা নম্বর ও আইনের ধারা-এর উল্লেখ এই ধারায় বাধ্যতামূলক করা হয়নি।
অতএব, মামলা নম্বর ও আইনের ধারা উল্লেখ করা এই ধারায় বাধ্যতামূলক নয়

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬খ- সরকারি রেজিস্টার, সাধারণ ডায়েরিতে গ্রেপ্তার লিপিবদ্ধকরণ এবং গ্রেপ্তার সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ:
(১) গ্রেপ্তারকারী অফিসার কর্তৃক সরকারি রেজিস্টারে একটি ভুক্তি করা হবে, যেখানে গ্রেপ্তারের কারণ, তথ্য প্রদানকারী বা অভিযোগকারীর নাম ও বিবরণ, ক্ষেত্রমত যে আত্মীয় বা বন্ধুকে গ্রেপ্তার সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে তার নাম ও বিবরণ, এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির হেফাজতে থাকা অফিসারের নাম ও বিবরণ উল্লেখ থাকবে।
(২) একটি পুলিশ স্টেশনের এখতিয়ারের মধ্যে করা প্রতিটি গ্রেপ্তার অবিলম্বে ওই স্টেশনের সাধারণ ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করা হবে, এবং যেখানে গ্রেপ্তারকারী অফিসার উক্ত পুলিশ স্টেশনের সাথে সংযুক্ত নন, সেখানে তিনি গ্রেপ্তার করার পরপরই গ্রেপ্তারের স্মারকলিপির একটি অনুলিপি উক্ত পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে সরবরাহ করার ব্যবস্থা করবেন, যিনি তখন এটি সাধারণ ডায়েরিতে ভুক্তির ব্যবস্থা করবেন।
(৩) উপ-ধারা (১) এবং (২) এর অধীনে রেজিস্টার বা সাধারণ ডায়েরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার, চাহিদা অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা প্রতিবেশীর কাছে এই ধরনের গ্রেপ্তার সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবেন।

৫,৪৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় রায়ের পূর্বে গ্রেফতার এবং সম্পত্তি ক্রোক এর বিধান আছে?
  1. Order XXVIII
  2. Order XXXVII
  3. Order XXXVIII
  4. Order XXXV
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ (Order XXXVIII )এর বিধান হলো রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক ও আটক করা।
⇒ অনেক সময় রায় প্রদানের পূর্বেই বিবাদীকে গ্রেফতার করার প্রয়োজন হতে পারে এবং সম্পত্তি ক্রোক করার প্রয়োজন হতে পারে যেন বাদীর প্রতিকারে কোন বিলম্ব না হয়।
⇒  আদেশ ৩৮ অনুযায়ী ২ ধরনের আদেশ হতে পারে-
১) রায়ের পূর্বে গ্রেফতার,
২) রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক।
৫,৪৮৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিধান মতে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যেতে পারে-
  1. নিলাম বিক্রির আদেশ দ্বারা
  2. ক্রোকাদেশ দ্বারা
  3. নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা
  4. ঘোষণামূলক আদেশ দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
- The Specific Relief Act,1877-Section 52. Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
- কোন ব্যক্তি যে বেআইনি কাজ (Wrongful Act) করতে অধিকারী নয়, সেই কাজ করা, চালিয়ে যাওয়া, পুনরায় করা থেকে বিরত (Prevent) রাখতে, আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে যে আদেশ দেয় তাই নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Prevent relief).
- প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এক প্রকারের প্রতিরোধমূলক বা নিরোধমূলক প্রতিকার।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী নিরোধমূলক প্রতিকার বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) হলো সর্বোত্তম পন্থা।
৫,৪৯০.
কোন ধরণের মোকদ্দমায় পারস্পরিক দায়শোধ বা Set off দাবি করা যায়?
  1. নিষেধাজ্ঞা
  2. অর্থ আদায়ের
  3. স্বত্বের
  4. স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা
পারস্পরিক দায়শোধ বা Set off "অর্থ আদায়ের" মোকদ্দমায় দাবি করা যায়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

• ৮ নং আদেশের বিধি-৬ঃ লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে—
১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদির নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদি তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।

২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ
কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।

৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

• বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায় তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-
i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের মধ্যে হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না
v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
৫,৪৯১.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী 'Review' এর দরখাস্ত মনঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. রিভিশন
  2. আপিল
  3. রেফারেন্স
  4. কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৪ ধারায় ও ৪৩ আদেশে  "আদেশ হতে আপীল" এর বিধান আছে । এইখানে বলা আছে ৪৭ আদেশের ৪ বিধির আধিনে রিভিউ আবেদন বা দরখাস্ত মনঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। 
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ এবং ধারা ১১৪ তে রিভিউর বিধান আছে । আদালত রিভিউ আবেদন মনঞ্জুর করলে এর বিরুদ্ধে আপীল চলে , তবে রিভিউ না-মনঞ্জুর করলে তার বিরদ্ধে রিভিশন চলবে।
৫,৪৯২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১, বিধি-২২ অনুযায়ী, পাল্টা আপত্তি দাখিল করতে হলে কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১, বিধি-২২ অনুযায়ী, যদি কোন এক পক্ষ (যেমন: বিবাদী) আপীলের মাধ্যমে ডিক্রি বা রায়ের কিছু অংশের বিরুদ্ধে আপত্তি জানাতে চায়, তবে তাকে নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত ডিক্রীর কোনো অংশকে সমর্থন না করেও, সেই ডিক্রীর বিরুদ্ধে পাল্টা আপত্তি দাখিল করার সুযোগ দেওয়া হয়।
- এই পাল্টা আপত্তি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাখিল করতে হবে, যা নোটিশ জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে।

- যদি আপীল আদালত তার পক্ষের নোটিশ জারি করে, তবে পাল্টা আপত্তি দাখিল করার জন্য আবেদনকারীকে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে আবেদন করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২২ এর বিধান: শুনানিকালে উত্তরদায়ক তৎকর্তৃক ডিক্রীতে আপত্তি দিতে পারে, যেন সে স্বাতন্ত্র্য আপিল দায়ের কয়েছে।
১) কোন উত্তরদায়ক যদিও কোন ডিক্রীর অংশ হতে আপিল করেনি, তথাপি সে শুধুমাত্র নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তকৃত ডিক্রীর কোন সঙ্গত কারণ শুধু সমর্থন করেনি, বরং সে আপিলক্রমে যেভাবে পারত ঠিক সেভাবে উক্ত ডিক্রীর পাল্টা আপত্তি উত্থাপন করতে পারবে এ শর্তে যে, আপিল শুনানির জন্য নির্ধারিত দিন সম্পর্কে তার উপর বা তার উকিলের উপর নোটিশ জারির তারিখ হতে সে আপিল আদালতে এক মাসের মধ্যে কিংবা আপিল আদালত মঞ্জুর করতে উপযুক্ত মনে করে এরূপ মঞ্জুরীকৃত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে অনুরূপ পাল্টা আপত্তি দাখিল করেছে।
২) আপত্তির ফরম এবং তাতে প্রযোজ্য বিধানসমূহ:
অনুরূপ পাল্টা আপত্তি স্মারকের আকারে হতে হবে এবং আপিলের স্মারকের ফরম এবং বিষয়বস্তু সঙ্গে যতদূর সম্পর্কিত হয়, ততদূর ১ বিধির বিধানাবলী তাতে প্রযোজ্য হবে।
৩) আপত্তির নকল গ্রহণ সম্পর্কে ঐ আপত্তি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের বা তার উকিল কর্তৃক এটির নকল গ্রহণের লিখিত স্বীকৃতিপত্র উত্তরদায়ক আপত্তির সঙ্গে দাখিল না করলে আপিল আদালত এটির একটি নকল আপত্তি দাখিল হওয়ার পর যথা সম্ভব শীঘ্র উত্তরদায়কের খরচে উক্ত পক্ষের বা তার উকিলের প্রতি এটির নকল প্রদান করাবে।
৪) যে কোন ক্ষেত্রে এই বিধির অধীনে উত্তরদায়ক আপত্তির স্মারক দাখিল করে থাকলে যেক্ষেত্রে মূল আপিলটি প্রত্যাহৃত বা তদ্বিরের অভাবে খারিজ হলেও উপরোক্ত মতে দাখিলকৃত আপত্তির, অন্য পক্ষকে উপযুক্ত নোটিশ দেয়ার পর শুনানি এবং সিদ্ধান্ত করা যাবে।
৫) নিঃস্ব আপিল সম্পর্কিত বিধানসমূহ যতদূর সম্ভব এ বিধির অধীনে আপত্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

৫,৪৯৩.
নিচে উল্লেখিত কোন আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ
  3. যুগ্ম দায়রা জজ
  4. অতিরিক্ত দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১. হাইকোর্ট বিভাগ,
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ।

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
৫,৪৯৪.
চীপ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামানত নাকচের আদেশ দিলে কোথায় আপিল করতে হয়?
  1. মহানগর দায়রা আদালত
  2. দায়রা আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগের
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক মতে- চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামানত নাকচের আদেশ দিলে মহানগর দায়রা আদালতে আপিল করতে হয়।
৫,৪৯৫.
৫০ টাকার অধিক অর্থ প্রদানের ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষেত্রে দেওয়ানী কারাগারে কোন ব্যক্তিকে কতদিন পর্যন্ত আটক রাখা যাবে?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮–এর ধারা ৫৮: আটক ও মুক্তি:
(১) কোনো ডিক্রি কার্যকর করার জন্য যে ব্যক্তিকে দেওয়ানী কারাগারে আটক করা হবে, তাকে নিম্নরূপভাবে আটক রাখা হবে—
(ক) যদি ডিক্রি পঞ্চাশ টাকা-এর বেশি অর্থ প্রদানের জন্য হয়, তবে ছয় মাস পর্যন্ত; এবং
(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত।

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ছয় মাস বা ছয় সপ্তাহের (যেটি প্রযোজ্য) মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নিম্নলিখিত যেকোনো কারণে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে-
(i) তার আটকাদেশের ওয়ারেন্টে উল্লিখিত অর্থ দেওয়ানী কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পরিশোধ করলে; অথবা
(ii) তার বিরুদ্ধে ডিক্রি অন্যভাবে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হলে; অথবা
(iii) যার আবেদনে তাকে আটক করা হয়েছিল, সেই ব্যক্তির অনুরোধে;

আরও শর্ত থাকে যে, (ii) বা (iii) দফার অধীনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ ব্যতীত তাকে মুক্তি দেওয়া যাবে না।

(২) এই ধারার অধীনে আটক থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত কোনো রায়সিদ্ধ দেনাদার শুধুমাত্র মুক্তির কারণে ঋণমুক্ত বলে গণ্য হবেন না; তবে যে ডিক্রির কার্যকরকরণের জন্য তাকে দেওয়ানী কারাগারে আটক করা হয়েছিল, সেই ডিক্রির অধীনে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে না।

৫,৪৯৬.
A, B কে C এর ঘর পোড়ানোর জন্য প্ররোচিত করে। B, C এর ঘরে আগুন দেয় ও চুরি করে। A ________?
  1. চুরি ও ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
  2. চুরিতে প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
  3. ঘর পোড়াতে প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১১১ ধারা মতে যখন একটি কাজের জন্য সহায়তা করা হয়েছে কিন্তু সে কাজটি ভিন্ন অপর একটি কাজ সম্পাদিত হয়েছে, তখন যে কাজটি সম্পাদিত হয়েছে তার জন্য প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করা হলে যে অপরাধ হত সে অপরাধের জন্য যেভাবে এবং যতটুকু পর্যন্ত দণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সহায়তাকারী সেভাবে এবং ততটুকু পর্যন্ত দণ্ডে দণ্ডিত হবে,
♦তবে শর্ত থাকে যে, যে কাজটি সম্পাদিত হয়েছে সে কাজটি সহায়তার একটি সম্ভাব্য পরিণতি হতে হবে, এবং যে প্ররোচনা, সাহায্য বা ষড়যন্ত্র কর্তৃক সহায়তা করা হয়েছে কাজটি সে প্ররোচনা, সাহায্য বা ষড়যন্ত্রের প্রভাবেই সম্পাদিত হতে হবে। 
♦আলোচ্য প্রশ্নে A, B কে C এর ঘর পোড়ানোর জন্য প্ররোচিত করে। B, C এর ঘরে আগুন দেয় এবং চুরি করে। এখানে প্ররোচনা করা হয়েছিল ঘরে আগুন দেওয়ার কিন্তু B চুরিও করে। এখানে চুরি হলো আগুন দেওয়া হতে ভিন্ন অপরাধ। যেহেতু ঘরে আগুন দেওয়ার সম্ভাব্য ফলাফল চুরি না,
♦সেহেতু শুধুমাত্র ঘরে আগুন দেওয়ার প্ররোচনার জন্য A দায়ী হবে কিন্তু চুরি বা চুরি করতে প্ররোচনার জন্য দায়ী হবেনা। B ঘরে আগুন দেওয়া ও চুরি উভয় অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
৫,৪৯৭.
অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাগুলোর বিধান পালন করতে হয়?
  1. ধারা ৮৫ এবং ৮৬
  2. ধারা ৮৭ এবং ৮৮
  3. ধারা ৮৯ এবং ৯০
  4. ধারা ৯১ এবং ৯২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯খ অনুযায়ী "অনুপস্থিতিতে বিচার" (Trial in absentia) শুরু করার আগে কিছু পূর্বশর্ত মানতে হয়। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, বিচার শুরুর আগে ধারা ৮৭ ও ৮৮ এর আবশ্যিক বিধান অবশ্যই পালন করতে হবে।

→ ধারা ৮৭ – Proclamation for person absconding:
- যখন আদালত বিশ্বাস করে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মগোপন করেছে অথবা তাকে গ্রেফতার করা যাচ্ছে না, তখন আদালত প্রকাশ্য আদেশ (proclamation) জারি করে তাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজির হতে নির্দেশ দেয়।
→  ধারা ৮৮ – Attachment of property of person absconding:
- যদি অভিযুক্ত ধারা ৮৭ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির না হয়, তবে আদালত তার সম্পত্তি জব্দের আদেশ দিতে পারে।

এরপর: যদি অভিযুক্তকে এখনো গ্রেপ্তার করা না যায় এবং তার অনুপস্থিতির যথেষ্ট ভিত্তি থাকে, এবং দুইটি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে হাজিরার আদেশ প্রকাশ করা হয়, তবেই ৩৩৯খ ধারার অধীনে অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করা যায়।

⇒ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে। উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
- আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।
- অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো-
অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে। একে বলা হয় ''Trial in absentia'' বা অনুপস্থিতিতে বিচার।
------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure-Section 339B: Trial in absentia-
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.

৫,৪৯৮.
আদেশ ৪১ বিধি ২১ এর অধীন একতরফা (Ex parte) ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল পুনঃশুনানি সর্বোচ্চ কয়বার করা যাবে?
  1. ৩ বার
  2. ২ বার
  3. ১ বার
  4. আদালতে ইচ্ছানুযায়ী
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি ২১ – একতরফা (Ex parte) ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনঃশুনানি:
যখন কোনো আপিল একতরফা (ex parte) শুনানি করা হয় এবং ডিক্রি বা রায় রেসপন্ডেন্টের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়, তখন রেসপন্ডেন্ট আপিল আদালতে আবেদন করতে পারে যে আপিল পুনঃশুনানি করা হোক।
যদি রেসপন্ডেন্ট আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে- নোটিশ যথাযথভাবে দেওয়া হয়নি, অথবা যথাযথ কারণে উপস্থিত হতে পারেননি যখন আপিল শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল, তাহলে আদালত আপিলটি পুনঃশুনানি করবে এবং প্রযোজ্য খরচ বা অন্য শর্ত সে অনুযায়ী আরোপ করতে পারে।

এই নিয়মের অধীনে একই আপিল একবারের বেশি পুনঃশুনানি করা যাবে না।

৫,৪৯৯.
'ক' ও 'খ' এক মালিকের বাড়িতে ভাড়াটে থাকে। ভাড়ার চুক্তিতে উল্লেখ আছে বাড়িটির যত্ন নেওয়ার। কিন্তু 'ক' ও 'খ' অবহেলা করে বাড়িটির ক্ষতি করছে। এক্ষেত্রে মালিক আদালতে গিয়ে তাদেরকে বাড়ির ক্ষতি না করতে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন এবং বাড়ির প্রয়োজনীয় যত্ন নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার অধীন এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ৫৭ ধারায়
  2. ৪২ ধারায়
  3. ৫৫ ধারায়
  4. ৫৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে, বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসংগত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ, যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে। অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার অধীন আদালত এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।

Section 55: Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
৫,৫০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপসযোগ্য অপরাধের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৪০
  2. ধারা ৩৪৫
  3. ধারা ৩৫০
  4. ধারা ৩৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা অনুযায়ী, আপসযোগ্য (compoundable) অপরাধসমূহের তালিকা একটি টেবিল আকারে দেওয়া হয়েছে।
এই টেবিলের—
প্রথম কলামে: অপরাধের নাম বা প্রকৃতি 
দ্বিতীয় কলামে: দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধ
তৃতীয় কলামে: কোন ব্যক্তি সেই অপরাধ আপস করতে পারেন— তা উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।
- ৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
- দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে ধারা।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
⇒ প্রতিকার- যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।