বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ১২৬ · ৪০১৫০০ / ১২,৬০৫

৪০১.
যদি বার কাউন্সিলের কোনো সদস্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হিসেবে পদোন্নতি পান, তখন-
  1. তার আসন শূন্য হবে
  2. তার সদস্যপদ স্থগিত থাকবে
  3. তাকে তার আসনে থাকতে হবে
  4. তিনি বার কাউন্সিলের উপদেষ্টা পদে নিয়োগ হবেন
ব্যাখ্যা
উত্তর: ক) তার আসন শূন্য হবে।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৯১:
(১) বার কাউন্সিলের একজন সদস্য তার আসন ত্যাগ করবেন যদি-
(ক) তিনি তার পদত্যাগপত্র বার কাউন্সিলের সেক্রেটারিকে সরবরাহ করেন (পদত্যাগপত্র সেই সময় থেকে কার্যকর হবে যখন তা সেক্রেটারির কাছে পৌঁছায়);
(খ) তিনি রোল থেকে অপসারিত হন;
(গ) তিনি বার কাউন্সিলের তিনটি ধারাবাহিক সভায় অনুপস্থিত থাকেন, যেখানে প্রথম ও শেষ সভার মধ্যে অন্তত চার মাসের ব্যবধান থাকবে;
শর্ত: এমন সভা যেখানে সদস্য চেয়ারম্যানের অনুমতি নিয়ে অনুপস্থিত থাকেন, তা অনুপস্থিতি হিসেবে গণ্য হবে না;

(ঘ) তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হিসেবে পদোন্নতি পান।

(২) যে সদস্যকে অ্যাডভোকেট হিসেবে সাসপেন্ড (স্থগিত) করা হয়, তিনি সাসপেনশনের সময়কাল পর্যন্ত সদস্য হিসেবে কাজ করতে পারবেন না, তবে তিনি কেবল তখনই তার আসন ত্যাগ করবেন যখন তার সাসপেনশন এক বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য হয় বা তার অবশিষ্ট মেয়াদ পুরোপুরি সাসপেনশনের আওতাভুক্ত হয়।
৪০২.
একটি চুরির ঘটনায় গৃহকর্মী নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে বলেন যে, তিনি ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন এবং তখন বাজারে ছিলেন। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী উক্ত ঘটনা সম্পর্কযুক্ত?
  1. ৯ ধারা
  2. ১১ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. ১৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।
যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল এবং সুতরাং অপরাধে জড়িত থাকতে পারে না। 'Plea of alibi' হল একটি আইনগত জবাব, যা কোনো অপরাধীকে নিজেকে দোষমুক্ত প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হল "অন্যত্র উপস্থিতি"। এটি হল একটি বিশেষ প্রকৃতির অপরাধমুক্তির প্রমাণ যেখানে প্রসিকিউটরদের দাবিকৃত অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণিত হয়।

অর্থাৎ উক্ত চুরির ঘটনায় গৃহকর্মী নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার বিষয়টি সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে প্রাসঙ্গিক।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কাউকে খুনের অভিযোগ আনা হয়, তাহলে সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে খুনের সময় অন্য কোথাও ছিল এবং তার অনুপস্থিতির প্রমাণ দেখাতে পারে। এটি তাকে দোষী সাব্যস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।
------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 11. When facts not otherwise relevant become relevant:
Facts not otherwise relevant are relevant–
(1) If they are inconsistent with any fact in issue or relevant fact;
(2) If by themselves or in connection with other facts they make the existence or non-existence of any fact in issue or relevant fact highly probable or improbable.

Illustrations:

(a) The question is whether A committed a crime at Chittagong on a certain day.
The fact that, on that day, A was at Dhaka is relevant.
The fact that, near the time when the crime was committed, A was at a distance from the place where it was committed, which would render it highly improbable, though not impossible, that he committed it, is relevant.
(b) The question is, whether A committed a crime.
The circumstances are such that the crime must have been committed either by A, B, C or D. Every fact which shows that the crime could have been committed by no one else and that it was not committed by either B, C or D, is relevant.
৪০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ধারা ১৭৩খ অনুসারে, মামলার তদন্ত শেষ করার জন্য তদন্ত কর্মকর্তাকে কত কার্যদিবস সময়সীমা দেওয়া হয়েছে?
  1. ১২০ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৯০ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ (Act No. V of 1898)-এর দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ১৭৩খ (Section 173B)-এর উপ-ধারা (১) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, এই অধ্যায়ের অধীনে প্রতিটি তদন্ত অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। যদি যুক্তিসঙ্গত কারণে তদন্ত এই সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, তবে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে কারণ রেকর্ড করে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করতে হবে (ধারা ১৭৩খ(২))।
অর্থাৎ ধারা ১৭৩খ(১) অনুসারে, তদন্ত অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-173B. Provisions for completion of investigation.-(1) Notwithstanding anything contained in this Code, every investigation under this Chapter shall be completed within sixty working days from the date of receipt of the information relating to the offence.
(2) Where, for reasonable cause, the investigation cannot be completed within the period specified in sub-section (1), the investigating officer shall record the reasons for such delay in the case diary, apply to the Magistrate for extension of time stating the specific grounds and the additional time required, and forward a copy of such application to the superior officer supervising the investigation.
(3) Upon consideration of the application made under sub-section (2), the Magistrate may, by order, extend the time for investigation as may be deemed reasonable, and the investigating officer shall conclude the investigation within the extended time.
(4) Where the investigation is not completed within the time so extended under sub-section (3), the investigating officer shall, upon expiry of such period, report the reasons in writing to the Magistrate and send a copy thereof to the superior officer supervising the investigation.
(5) Upon consideration of the explanation submitted under sub-section (4), or where no such explanation is submitted by the investigating officer, the Magistrate may-
(a) direct that the investigation be conducted by another officer;
(b) treat such delay as incompetence or misconduct on the part of the investigating officer, cause a note thereof to be recorded in the officer's Annual Confidential Report, and direct the appropriate authority to take action in accordance with the relevant service rules.
(6) If, upon submission of the investigation report, the Court is satisfied, having regard to the materials on record, that any person named as an accused ought, in the interest of justice, to be treated as a witness, the Court may pass an order to that effect, and such person shall be treated as a witness in the case.
(7) If, upon conclusion of the trial, the Court finds that the investigating officer either negligently or with intent to protect any person from criminal liability-
(i) failed to collect or consider any admissible evidence;
(ii) treated any person as a witness who ought to have been made an accused; or
(iii) failed to examine a material witness without justification, the Court may record a finding to that effect, treat such act or omission as misconduct or incompetence, and direct the controlling authority to take appropriate legal action against the officer in accordance with law.

৪০৪.
এস্টোপেল কোন নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত?
  1. কথায় বা কাজে কাহারো ক্ষতি করা যাইবে না,
  2. কোনো ব্যক্তির পরস্পর বিরোধি বক্তব্য গ্রহণীয় নয়,
  3. আইনের প্রত্যক্ষ ক্ষতি করা যাইবে না,
  4. মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ হইতে,
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত।

মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না"।

⇒ প্রতিবন্ধঃ- যেক্ষেত্রে এক ঘোষণা, কার্য বা কার্যবিররিত দ্বারা স্বেচ্ছায় অপর ব্যক্তিকে কিছু সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন অতবা বিশ্বাস করতে দিয়েছেন এবং সে বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করতে দিয়েছেন, সেক্ষেত্রে এদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মোকদ্দমায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি উক্ত প্রসঙ্গের সত্যতা অস্বীকার করতে পারবেন না।

Section-115. Estoppel: When one person has, by his declaration, act or omission, intentionally caused or permitted another person to believe a thing to be true and to act upon such belief, neither he nor his representative shall be allowed, in any suit or proceeding between himself and such person or his representative, to deny the truth of that thing.
৪০৫.
'A' একজন মক্কেল, অ্যার্টনী 'B' কে বলে যে, 'আমি জাল দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করতে চাই। যে জন্যে আপনাকে মামলা করতে অনুরোধ করছি। অ্যার্টনীর সাথে মক্কেলের এমন যোগাযোগ-
  1. ১২৬ ধারায় প্রকাশ করা হতে সুরক্ষিত
  2. এ্যাডভোকেট এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে
  3. অ্যাটর্নী এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে না
  4. ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা:
ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
৪০৬.
নিচের কোনটি অপথে গৃহে প্রবেশ হবে না?
  1. তালা খুলে বা ভেঙ্গে গৃহে প্রবেশ করলে
  2. নতুন পথ তৈরি করে গৃহে প্রবেশ করলে
  3. প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য যে পথ তা দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে
  4. বন্ধ দরজা বা পথ খুলে গৃহে প্রবেশ করলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

(i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে 

(ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে 

(iii) নতুন পথ তৈরি করে

(iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে 

(v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা 

(vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।

♦অর্থাৎ প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য যে পথ তা দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহে প্রবেশ হবে না।
৪০৭.
'Substituted Service of Summons' বলতে কী বোঝায়?
  1. সমন প্রেরণের সাধারন প্রক্রিয়া
  2. সমন প্রেরণের বিশেষ প্রক্রিয়া
  3. সমন প্রেরণের অননুমোদিত প্রক্রিয়া
  4. সমন প্রেরণের আদালত কর্তৃক ঘোষিত অবৈধ প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
'Substituted Service of Summons' বলতে একটি বিশেষ প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়, যখন বাদী সাধারণ পদ্ধতিতে বিবাদীকে সমন আদেশ (summons) প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন। এক্ষেত্রে আদালত নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে সমন আদেশ প্রেরণের অনুমতি দেয়, যাকে Substituted Service of Summons বলা হয়।
কিছু কমন পদ্ধতি হল:
১. বিবাদীর বসতভিটার দরজায় আটকে দেওয়া অথবা প্রকাশ্যে লাগিয়ে রাখা।
২. বিবাদীর কর্মস্থল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা শেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রেরণ।
৩. সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচার করা।
৪. ইলেকট্রনিক মোড যেমন- ইমেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদির মাধ্যমে প্রেরণ।

এই পদ্ধতিগুলি অবলম্বন করার আগে আদালত সন্তুষ্ট হতে হবে যে, বাদী সাধারণ পদ্ধতিতে সমন প্রেরণে যথাযথ চেষ্টা করেছেন। পরবর্তীতে আদালত যেকোনো উপযুক্ত পদ্ধতি অনুমোদন দিতে পারেন। এভাবে সামন আদেশ প্রাপ্ত হওয়াকে Substituted Service বলে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে। ২০ নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেছে অথবা অন্য কোন কারণে সাধারনভাবে সমন জারি করা যায় না, সেক্ষেত্রে বিবাদীর গৃহের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে জারি করার জন্য আদালত আদেশ দিবেন অথবা বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার আদেশ দিবে, যা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারি Substituted Service নামে পরিচিত। এই পদ্ধতি ব্যক্তিগতভাবে সমন জারির মতই কার্যকর হবে।
৪০৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ক্ষেত্রে নিচের কোন আইনে প্রদত্ত সব সংজ্ঞা সমভাবে প্রযোজ্য হবে?
  1. The Code of Civil Procedure, 1908
  2. The Registration Act, 1908
  3. The Contract Act, 1872
  4. The Evidence Act, 1872
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৩ ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদে বলা আছে, চুক্তি আইনে যে-সব শব্দের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে এমন যে-সব শব্দ এই আইনে ব্যবহৃত হয়েছে, তার অর্থ উক্ত আইনে অনুরূপ শব্দগুলোর যে অর্থ করা হয়েছে সেরূপ একই অর্থবোধক গণ্য করা হবে।
-----------------
⇒ Section-3: Words defined in Contract Act:
- All words occurring in this Act, which are defined in the Contract Act, 1872, shall be deemed to have the meanings respectively assigned to them by that Act.
৪০৯.
“Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.” — এটি দণ্ডবিধির কোন ধারার বিধান?
  1. ধারা ৩০২
  2. ধারা ৩০৩
  3. ধারা ৩০৫
  4. ধারা ৩০৭
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত উক্তিটি দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৩-এর বিধান, যা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুনের শাস্তি নির্ধারণ করে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অধীনে থাকা কোনো ব্যক্তি যদি খুন করে, তাহলে তার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
- সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৩০৩।

⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 303. Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.

৪১০.
পুলিশ ডায়েরী কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে?
  1. মামলায় সাক্ষ্য হিসেবে
  2. পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে
  3. অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থন করতে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন। কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার [ধারা ১৭২(২)]-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।

• তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।

Section 172: Diary of proceedings in investigation-
(1) Every police-officers making an investigation under this Chapter shall day by day enter his proceedings in the investigation in a diary setting forth the time at which the information reached him, the time at which he began and closed his investigation, the place or places visited by him, and a statement of the circumstances ascertained through his investigation. 
 
(2) Any Criminal Court may send for the police-diaries of a case under inquiry or trial in such Court and may use such diaries, not as evidence in the case, but to aid it in such inquiry or trial. Neither the accused nor his agents shall be entitled to call for such diaries, not shall he or they be entitled to see them merely because they are referred to by the Court; but, if they are used by the police-officer who made them, to refresh his memory or if the Court uses them for the purpose of contradicting such police-officer, the provisions of the Evidence Act, 1872, section 161 or section 145, as the case may be, shall apply.
৪১১.
Canons of Professional Conduct and Etiquette- অনুযায়ী একজন আইনজীবী তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
- প্রথম অধ্যায়ে ১১ টি, দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৪টি, তৃতীয় অধ্যায়ে ৯টি, চতুর্থ অধ্যায়ে ৮টি।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে।
সেখানে ১৪টি বিধি রয়েছে যেখানে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি কী কী দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন তা উল্লেখ আছে।
৪১২.
দণ্ডবিধির ৩৬৪ক ধারা অনুসারে ১০ বছরের কম বয়সী শিশুকে অপহরণ বা আটক করার সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ধারা ৩৬৪ক অনুসারে, যদি কেউ ১০ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে অপহরণ বা আটক করে হত্যার উদ্দেশ্যে, গুরুতর আঘাত, দাসত্ব বা যৌন লালসার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে, তাহলে তার জন্য শাস্তি হতে পারে: মৃত্যুদণ্ড, অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, কিন্তু কমপক্ষে ৭ বছর দণ্ড দেওয়া আবশ্যক।
অতএব, সর্বনিম্ন শাস্তি ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।
--------
⇒The Penal Code, 1860-Section- 364A. Kidnapping or abducting a person under the age of ten:
- Whoever kidnaps or abducts any person under the age of ten, in order that such person may be murdered or subjected to grievous hurt, or slavery, or to the lust of any person or may be so disposed of as to be put in danger of being murdered or subjected to grievous hurt, or slavery, or to the lust of any person shall be punished with death or with imprisonment for life or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years and shall not be less than seven years.
৪১৩.
নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা ও আপিল যথাক্রমে কোন কোন আদেশের বিষয়বস্তু?
  1. যথাক্রমে ৩২ ও ৩৩ আদেশ
  2. যথাক্রমে ৩৩ ও ৪৪ আদেশ
  3. যথাক্রমে ৩১ ও ৪৪ আদেশ
  4. যথাক্রমে ৪৪ ও ৩৩ আদেশ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ এবং আদেশ ৪৪ নিঃসম্বল ব্যক্তির মোকদ্দমা ও আপিল সংক্রান্ত বিষয়াবলী নির্ধারণ করে।

১. নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা (আদেশ ৩৩):

আদেশ ৩৩ অনুযায়ী, নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা সম্পর্কিত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি উল্লেখিত রয়েছেঃ
⇒ কোন ব্যক্তি নিঃসম্বল হলে তিনি আদালতের অনুমতি গ্রহণপূর্বক নিঃশুল্কভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবেন (আদেশ ৩৩(১))।
⇒ এ জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও প্রমাণাদি দাখিল করতে হবে (আদেশ ৩৩(২))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থা পরিবর্তন হলে আদালতকে অবহিত করতে হবে (আদেশ ৩৩(৩))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থা পরবর্তীতে বাতিল করার বিধান (আদেশ ৩৩(৪))।

২. নিঃসম্বল ব্যক্তির আপিল (আদেশ ৪৪):

আদেশ ৪৪ অনুযায়ী, নিঃসম্বল ব্যক্তির আপিল সম্পর্কিত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি উল্লেখিত রয়েছেঃ
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তির ক্ষেত্রে কোন ফি বা খরচ প্রদান ব্যতীত আপিল করার অনুমতি (আদেশ ৪৪(১))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থার প্রমাণ দাখিল করতে হবে (আদেশ ৪৪(২))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থার বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে (আদেশ ৪৪(৩))।

উল্লেখিত দুই আদেশে নিঃসম্বল ব্যক্তির মোকদ্দমা ও আপিল সংক্রান্ত প্রক্রিয়া, শর্তাবলী এবং সুবিধাদি নির্ধারিত রয়েছে।।
৪১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে মোট কত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে না পারলে মোকদ্দমাটি একতরফা (Ex-parte) নিষ্পত্তি হতে পারে?
  1. ৩০ কার্যদিবস
  2. ৪৫ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৮, বিধি ১ অনুসারে—
→  প্রথমে: বিবাদীকে সমন (summons) প্রাপ্তির ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিল করতে হবে।
→ দ্বিতীয়ত: যদি বিবাদী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত আরও ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় দিতে পারে।
→ সর্বমোট: অর্থাৎ, সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে না পারলে আদালত একতরফা (Ex-parte) নিষ্পত্তির আদেশ দিতে পারে।
→ এছাড়া আদেশ ৮, বিধি ১০ অনুসারে, নির্ধারিত সময়ে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত—
বিবাদীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে (pronounce judgment), অথবা মোকদ্দমার বিষয়ে প্রয়োজনীয় যে কোনো আদেশ দিতে পারে।
→ সুতরাং, ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল না করলে মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি হতে পারে।
৪১৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোথায় বিকল্প/লটকাইয়া সমন জারির বিধান আছে?
  1. আদেশ ৫ বিধি ১৫
  2. আদেশ ৫ বিধি ২০
  3. আদেশ ৫ বিধি ১৬
  4. আদেশ ৫ বিধি ২৬
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৫ এর বিধি ২০ অনুযায়ী বিকল্প বা লটকাইয়া সমন জারির বিষয়ে বিধান আছে।
⇒ আদালত যদি যুক্তি সঙ্গত কারনে বিশ্বাস করে যে, বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে আছে বা অন্য কোন কারনে সমন জারি করা যাচ্ছে না তাহলে আদালত সমন লটকাইয়া /বিকল্প জারির আদেশ দিতে পারেন।
⇒ বিবাদীর বাসগৃহে বা সর্বশেষ বসবাস স্থানে/ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে লটকাইয়া সমন জারি করা যায়।
⇒ যখন আদালত উপ-বিধি (১) অনুযায়ী সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমন জারির আদেশ দান করে, তখন উক্ত সংবাদপত্রটি হতে হবে দৈনিক সংবাদপত্র, যার প্রচার অনুরূপ স্থানে থাকতে হবে সেখানে বিবাদি সর্বশেষ জ্ঞাত ঠিকানায় প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করে বা ব্যবসা পরিচালনা করে বা ব্যক্তিগত লাভের নিমিত্তে কাজ করে বলে জানা যায়।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে তা বিবাদির উপর ব্যক্তিগতভাবে জারি করার মতই কার্যকরী হবে।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে সেক্ষেত্রে আদালত ক্ষেত্রবিশেষে বিবাদির হাজিরার জন্য আদালত যথোপযুক্ত সময় নির্ধারিত করবে।
৪১৬.
দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী, যদি আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয় এবং তা পালন না করা হয়, তবে শাস্তি কী হতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী, যদি আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণা জারি করা হয় এবং তা ইচ্ছাকৃতভাবে পালন না করা হয়, তবে শাস্তি হতে পারে সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই।
- সঠিক উত্তর: গ) সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারী কর্মচারী হিসেবে আইনতঃ কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; 

- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both; 

or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৪১৭.
আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে কি ডিক্রি বলা হয়?
  1. স্পেশাল ডিক্রি
  2. মধ্যস্থতা
  3. সোলে ডিক্রি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমার আপস (Compromise of suit): যেক্ষেত্রে চুক্তি বা আপসমূলে কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে মীমাংসা হয়েছে, অথবা যদি বিবাদী বাদীকে পরিতুষ্ট করে থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা পরিতৃষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবেন এবং আদালত উক্ত চুক্তি বা আপস অনুযায়ী ডিক্রি প্রদান করবেন এটি হলো Compromise Decree / সম্মতিমূলক ডিক্রি/ সোলে ডিক্রি/ সোলে নামা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-৩০ মোকদ্দমার আপস: যেক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে এটি প্রমাণিত হয় যে, আইনসঙ্গত চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে সমন্বয়িত হয়েছে কিংবা যদি বিবাদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সামগ্রিক বা কোন অংশের সম্পর্কে বাদিকে মিটিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবে এবং যতদূর মোকদ্দমার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদানুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবে।

⇒ Order 23 Rule.-3: Compromise of suit.-Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawfull agreement or compromise, or where the defendant satisfies the the plantiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such agreement, compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
৪১৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতার কথা উল্লেখ আছে?
  1. ২য় তফসিলে
  2. ৪র্থ তফসিলে
  3. ৩য় তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে। ফৌজদারী কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।

১ম তফসিল- বাতিল।
২য় তফসিল- পেনাল কোডের অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধ ইত্যাদি।
৩য় তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা।
৪র্থ তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা।
৫ম তফসিল- ফরমসমূহ।
৪১৯.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী, কোন ধরনের দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ ৩ বছর?
  1. যে দরখাস্ত জরিমানা সংক্রান্ত
  2. যে দরখাস্ত আদালত কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়েছে
  3. যে দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ তফসিলে উল্লেখ আছে
  4. যে দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ তফসিলে উল্লেখ নেই
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী, যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়। অর্থাৎ, যে দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই, সেই ধরনের দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কিত দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে।
→ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) যে দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ তফসিলে উল্লেখ নেই।
৪২০.
আদেশ ২৬, বিধি ১৭ অনুযায়ী পরোয়ানা জারির জন্য কমিশনার কোন আদালতে আবেদন করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  2. ফৌজদারি আদালতে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সাক্ষী থাকে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের উপস্থিতি ও জবানবন্দি প্রদান:
১) সমন, হাজিরা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর আরোপিত জরিমানাদি সংক্রান্ত এই আইনের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক না কেন উক্ত কমিশন কর্তৃক এ আদেশের অধীনে সাক্ষ্য প্রদান করার নিমিত্তে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানি আদালত বলে বিবেচিত হবে।

২) যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোন সাক্ষী বসবাস করে তিনি প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলে সে সাক্ষী বরাবর বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট ডিভিশন নয়) কমিশনার আবেদন করতে পারেন এবং উক্ত আদালতের ঐচ্ছিক ক্ষমতায় যুক্তিসঙ্গত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে।

৪২১.
সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা কোন ধরনের সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  4. লিখিত সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ: 
দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 59- Proof of facts by oral evidence:
All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
৪২২.
ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে আদালতের অনুমান কী হবে?
  1. এটি প্রাসঙ্গিক নয়
  2. এটি তদন্ত কর্মকর্তার দ্বারা প্রণীত
  3. এটি অপরাধের স্থান থেকে নেওয়া হয়েছে
  4. এটি প্রাপ্ত ব্যক্তির অন্তর্গত বা তার দ্বারা তৈরি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৮৯ক: শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:

আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।
[The court may presume, unless the contrary is proved, that the physical or forensic evidence was contained in or made by the person from whom it was obtained.]
৪২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় মৃত্যুর কারণ তদন্তে ম্যাজিষ্ট্রেট কবরস্থ লাশ তুলার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন?
  1. ১৭৪(১) ধারায়
  2. ১৭৪(২) ধারায়
  3. ১৭৬(১) ধারায়
  4. ১৭৬(২) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা সম্পন্ন নিকটতম ম্যাজিষ্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও অথবা এরূপ তদন্তের অতিরিক্ত তদন্ত করবেন এবং ১৭৪ ধারার (১) উপধারার (ক), (খ) ও (গ) অনুচ্ছেদে উল্লিখিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও অথবা এরূপ তদন্তের অতিরিক্ত তদন্ত করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ করেন তাহলে কোন অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে তার যেরূপ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার সেরূপ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ তদন্ত পরিচালনার সময় ম্যাজিষ্ট্রেট অবস্থা অনুসারে অতঃপর বর্ণিত পদ্ধতিসমূহের যে কোন একটি পদ্ধতিতে গৃহীত সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করবেন।

- কবর হতে লাশ তুলিবার ক্ষমতা:

(২) যে লাশ ইতোমধ্যে কবরস্থ করা হয়েছে, উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট যদি মৃত্যুর কারণ আবিস্কারের জন্য তা পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন তাহলে তিনি লাশটি কবর হতে তুলিবার এবং উহা পরীক্ষা করে দেখিবার ব্যবস্থা করতে পারেন।
৪২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৯ অনুসারে কখন একজন নিঃস্ব বাদিকে 'নিঃস্ব মুক্তি' দেওয়া হতে পারে?
  1. যদি বাদি আদালতে উপস্থিত না হয়
  2. যদি বাদির আইনজীবী মামলা প্রত্যাহার করে
  3. যদি আদালত মামলা নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হয়
  4. যদি বাদির বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণ প্রকাশ পায়
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ৯ অনুযায়ী, একজন ব্যক্তিকে যিনি pauper হিসেবে মামলা করেছেন, তাকে ‘dispauper’ (নিঃস্ব মুক্তি) ঘোষণা করে সেই সুবিধা বাতিল করে দিতে পারে আদালত যদি নিম্নোক্ত শর্তগুলোর যে কোনো একটি পূরণ হয়:
(ক) বাদি যদি মোকদ্দমা চলাকালে বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণে দোষী সাব্যস্ত হন: অর্থাৎ, তিনি মামলা পরিচালনায় খারাপ ব্যবহার করেন, আদালতের প্রক্রিয়াকে অপব্যবহার করেন।
(খ) যদি প্রতীয়মান হয় যে, বাদির অর্থনৈতিক অবস্থা এখন এমন যে, তিনি আর pauper হিসেবে মামলা পরিচালনা করতে উপযুক্ত নন, অর্থাৎ তার আর্থিক অবস্থা উন্নত হয়েছে।
(গ) যদি বাদি মামলার বিষয়বস্তু নিয়ে কোনো চুক্তি করেন যার ফলে অন্য কেউ ঐ বিষয়বস্তুতে স্বার্থ অর্জন করে। অর্থাৎ, মামলা মূলত তার হয়ে থাকলেও অন্য কেউ লাভবান হতে পারে — এটি নিরপেক্ষতা নষ্ট করে।
→ উত্তর "ঘ) যদি বাদির বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণ প্রকাশ পায়"  সঠিক, কারণ এটি বিধি ৯ এর (a) উপধারার অংশ।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ বিধি-৯ এর বিধান: নিঃস্ব মুক্তি: আদালত বিবাদি বা সরকারি উকিলের আবেদনক্রমে যে সম্পর্কে বাদিকে কমপক্ষে সাত দিনের লিখিত স্পষ্ট নোটিশ দিয়ে বাদি নিঃস্ব নয় মর্মে আদেশ দিতে পারে-
ক) যদি মোকদ্দমা চলাকালে সে বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণে দোষী হয়; বা
খ) যদি প্রতীয়মান হয় যে, তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে যাতে তার নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা পরিচালনা করা উচিত নয়; বা
গ) যদি সে মোকদ্দমার অধীনে বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকে যাতে অন্য কোন ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে একটি স্বার্থ অর্জন করেছে।
------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-33 Rule-9. Dispaupering:
The Court may, on the application of the defendant, or of the Government pleader, of which seven days' clear notice in writing has been given to the plaintiff, order the plaintiff to be dispaupered−
(a) if he is guilty of vexatious or improper conduct in the course of the suit;
(b) if it appears that his means are such that he ought not to continue to sue as a pauper; or
(c) if he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the suit under which any other person has obtained an interest in such subject-matter.
৪২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুযায়ী, জনসাধারণ কোন দুই ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা করতে বাধ্য?
  1. গ্রেফতার এবং জামিন সংক্রান্ত বিষয়ে
  2. গ্রেফতার বা পলায়ন প্রতিরোধ এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষায়
  3. সরকারি সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে
  4. আদালতের সিদ্ধান্ত পালনে সহযোগিতা এবং সাক্ষ্য প্রদানের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে জনসাধারণ ২টি ক্ষেত্রে নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা এবং সাহায্য করতে বাধ্য:
 
১: গ্রেফতার বা পলায়ন প্রতিরোধ-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২(ক) মোতাবেক পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আইনগতভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন সে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বা তার পলায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

২: অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষা-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২(খ) তে বলা আছে যে, কোথাও শান্তি ভঙ্গ হলে তা দমন  কিংবা শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দিলে তা প্রতিরোধ অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের চেষ্টা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
 
Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
৪২৬.
‘‘All murders are culpable homicide but not all-culpable homicide is murder’’ উক্তিটি-
  1. সত্য
  2. মিথ্যা
  3. আংশিক সত্য
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কোন হত্যা একই সাথে নিন্দনীয় নরহত্যা এবং খুন হতে পারে।
• মূলত নিন্দনীয় নরহত্যা খুনে পরিণত হয়।
• অর্থাৎ কোন হত্যাকাণ্ড প্রথমত নিন্দনীয় নরহত্যার শর্তপূরণ করবে অতপর সেটা ৩০০ ধারায় উল্লেখিত খুনের শর্ত পূরণ করলে, তখন উক্ত হত্যাটি খুন হিসাবে গণ্য হবে।
৪২৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় জাল দলিলের সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ৪৬৩
  2. ৪৬৫
  3. ৪৭০
  4. ৪৭৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৭০ ধারার বিধান জাল দলিল:
- সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক জালিয়াতির কর্তৃক কৃত যে কোন মিথ্যা দলিলকে জাল দলিল বলে পরিগণিত করা হয়।
--------------------
⇒The Penal Code,1860: Section- 470: Forged document:
-A false document made wholly or in part by forgery is designated “a forged document".
৪২৮.
'ক' বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে, কিন্তু তাকে সময়মতো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় তার প্রাণরক্ষা হয়। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' এর এই কাজটি কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ধারা ৩০৬
  2. ধারা ৩০৭
  3. ধারা ৩০৯
  4. ধারা ৩১০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৯ অনুসারে, আত্মহত্যা করার চেষ্টা (Attempt to commit suicide) শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এখানে ‘ক’-এর বিষপান করা আত্মহত্যার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজ, যা অপরাধ সংঘটনের দিকে অগ্রসর। যেহেতু সে বেঁচে যায়, এটি চেষ্টা হিসেবে গণ্য।
শাস্তি: ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৪২৯.
Recovery of specific moveable property সংক্রান্ত বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর কত ধারায় আছে?
  1. ১০
  2. ১১
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা করতে হয় ১০ ধারার বিধান অনুসারে।

♦ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হলে ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়।
৪৩০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় 'Attachment of immovable property' এর বিধান আছে?
  1. Order-21 Rule-53.
  2. Order-21 Rule-54.
  3. Order-21 Rule-55.
  4. Order-21 Rule-57.
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৫৪ এর বিধান স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক (Attachment of immovable Property):
- স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য দায়িককে উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর বা কোনভাবে দায়গ্রস্ত করতে এবং সকল ব্যক্তিকে অনুরূপ হস্তান্তর হতে কোন সুবিধা গ্রহণ নিষেধ করে একটি আদেশ প্রদান করতে হবে
- অনুরূপ আদেশ ঢোল-শহরত দ্বারা বা প্রচলিত অন্য কোন পদ্ধতিতে ঘোষণা করতে হবে এবং আদেশের একটি নকল উক্ত সম্পত্তির কোন প্রকাশ্য স্থানে সংযুক্ত করে দিতে হবে।
-----------------------
⇒ Order-21 Rule-54.Attachment of immovable property:
(1) Where the property is immovable, the attachment shall be made by an order prohibiting the judgment-debtor from transferring or charging the property in any way, and all persons from taking any benefit from such transfer or charge.

(2) The order shall be proclaimed at some place on or adjacent to such property by beat of drum or other customary mode, and a copy of the order shall be affixed on a conspicuous part of the property and then upon a conspicuous part of the court-house, and also, where the property is land paying revenue to the Government, in the office of the Collector of the district in which the land is situate.
৪৩১.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারা এবং আদেশে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান উল্লেখিত আছে?
  1. ধারা-১১৫ এবং অর্ডার-৪৮
  2. ধারা-১১৪ এবং অর্ডার-৪৭
  3. ধারা-১১৪ এবং অর্ডার-৪৫
  4. ধারা-১২০ এবং অর্ডার-৪৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে রিভিউ (পুনর্বিচার) সংক্রান্ত বিধান ধারা ১১৪ এবং অর্ডার ৪৭-এ উল্লেখিত আছে।
- ধারা ১১৪: রিভিউ করার অধিকার সম্পর্কে সাধারণ বিধান দেয়।
- অর্ডার ৪৭: রিভিউ পিটিশনের প্রক্রিয়া, শর্তাবলী এবং প্রয়োগের বিস্তারিত নিয়ম উল্লেখ করে।

⇒ রিভিউ (Review) বলতে বোঝায় আদালত কর্তৃক তারই প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিচারিক পুনঃপর্যালোচনা।
দেওয়ানি কার্যবিধিতে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান দুটি জায়গায় রয়েছে:

⇒ ধারা ১১৪: এই ধারায় উল্লেখ আছে, আদালত নিজেই তার ডিক্রি বা আদেশ পুনঃপর্যালোচনা করতে পারে, যদি—
- ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলযোগ্য হলেও আপিল না করা হয়,
- ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলযোগ্য না হয়,
- ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের রেফারেন্সে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

⇒ অর্ডার ৪৭: এখানে রিভিউ আবেদনের নিয়মাবলি ও ভিত্তি উল্লেখ আছে। রিভিউ করা যাবে নিম্নোক্ত ৩টি কারণে—
- নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আবিষ্কৃত হলে,
- মামলার রেকর্ডে ভুল বা ভ্রান্তি থাকলে,
- অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণ থাকলে।
- তাই রিভিউ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৪ এবং অর্ডার ৪৭-এ।
৪৩২.
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার অধীনে কোন ক্ষেত্রে স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. আসামি নির্দোষ দাবি করলে
  2. আসামি আদালতে স্বীকার করলে
  3. আসামি পুলিশের সামনে দোষ স্বীকার করলে
  4. স্বীকারোক্তির ফলে কোনো বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুসারে, যদি কোনো আসামি পুলিশের হেফাজতে থেকে এমন কোনো তথ্য দেয়, যা দ্বারা কোনো বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার হয়, তবে সেই তথ্যের প্রাসঙ্গিক অংশ আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে। তবে সম্পূর্ণ স্বীকারোক্তি নয়, শুধুমাত্র যে অংশটি উদ্ধারকৃত আলামতের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত, সেটি প্রাসঙ্গিক ও গ্রহণযোগ্য হবে।

- সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী- আসামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে যদি আলামত উদ্ধার হয়, তাহলে উক্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যেতে পারে।
- সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে:
পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে, যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।
-------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 27: How much of information received from accused may be proved:
Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.
৪৩৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে কত দিনের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারায় জাল দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করা হয়:
⇒ ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন- যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।
⇒ দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করা- আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৪৩৪.
When does the limitation period begin if fraud has been committed to conceal someone's legal rights?
  1. From the date the fraud was committed
  2. From the date the fraud is discovered
  3. From the date the court accepts the case
  4. From the date the fraudulent person confesses
ব্যাখ্যা
Section 18: Effect of fraud
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application- 
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,  

shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.

• ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল:
 যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-
১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।
৪৩৫.
Every suit shall be instituted in the court of the _______ grade competent to try it.
  1. highest
  2. lowest
  3. civil
  4. same
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, তা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়। ধারা-১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-

"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it."

অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
৪৩৬.
ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ কোন আইন অনুসারে ব্যাখা করা হবে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে
  2. দণ্ডবিধি অনুসারে
  3. জেনারেল ক্লজেস এক্ট অনুসারে
  4. যে আইনের অধীনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুসারে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনের অধীনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুসারে অনুসারে ব্যাখা করা হবে।
 
• চার্জ বা অভিযোগ (Charge) ফৌজদারি বিচার কার্যক্রমে একটি  গুরুত্বপূর্ণ স্তর।চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে ফৌজদারি মামলার বিচার শুরু হয়। ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।

সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোন অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.
৪৩৭.
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারায় বলা হয়েছে কোন ব্যক্তিকে আদালতের নিকট গোপনীয় যোগাযোগ প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না যা-
  1. শিক্ষক এবং ছাত্রে মধ্যে আলাপ হয়
  2. কোম্পানি এবং এর মক্কেলদের মধ্যে আলাপ হয়
  3. পেশাগত আইনি উপদেষ্টা এবং তার মক্কেলের মধ্যে হয়
  4. ভূমির মালিক এবং ভাড়াটিয়ার মধ্যে হয়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারামতে: আইনী উপদেষ্টার সাথে গোপন যোগাযোগ (Confidential communications with legal advisers)- কোন ব্যক্তি এবং তার আইন উপদেষ্টার মধ্যে গোপন যোগাযোগ আদালতে প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবেনা। তবে উক্ত ব্যক্তি যদি কোন মোকদ্দমায় সাক্ষ্য দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে, তবে আদালতে তার দেওয়া সাক্ষ্য ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপন যোগাযোগ প্রকাশ করতে তাকে বাধ্য করা যাবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারার বিধান: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদানঃ-কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সে ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান- প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।
----------------
⇒The Evidence Act, 1872-Section-129. Confidential communications with legal advisers: No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.

৪৩৮.
‘A’ এবং ‘B’-এর মধ্যে একটি মামলায় ‘A’ দাবি করে যে ‘B’ তার কাছে ঋণী। ‘B’ পূর্বে একটি মৌখিক বক্তব্যে বলেছিল, “আমি ‘A’-এর কাছে ৫০,০০০ টাকা ঋণী।” সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই বক্তব্য একটি ‘স্বীকারোক্তি’ (Admission) হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ১৭
  2. ধারা ১৮
  3. ধারা ১৯
  4. ধারা ২০
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৮ অনুসারে, মামলার পক্ষগুলোর দ্বারা বা তাদের প্রতিনিধি দ্বারা দেওয়া বক্তব্য স্বীকারোক্তি (Admission) হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এখানে ‘B’ মামলার একটি পক্ষ এবং তার মৌখিক বক্তব্য, “আমি ‘A’-এর কাছে ৫০,০০০ টাকা ঋণী,” ঋণের বিষয়ে সরাসরি প্রাসঙ্গিক। তাই এই বক্তব্য ধারা ১৮-এর অধীনে স্বীকারোক্তি হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারামতে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে। যথা-
ⅰ)) মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধির স্বীকৃতি;
ii) প্রতিনিধিত্বমূলক মামলার ক্ষেত্রে মামলার বাদী বা বিবাদীর প্রতিনিধি হিসেবে প্রদত্ত স্বীকৃতি;
iii) মামলার বিষয় বস্তুতে মালিকানা বা আর্থিক স্বার্থের অধিকারী ব্যক্তিদের বক্তব্য অথবা তাদের নিকট থেকে স্বার্থ প্রাপ্ত ব্যক্তিতে বক্তব্য অর্থাৎ মামলার বিষয়বস্তুতে কোনভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বীকৃতি; অথবা
iv) মামলার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে যার অবস্থান বা দায় রয়েছে তেমন ব্যক্তির স্বীকৃতি বা বক্তব্য।
-------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section-18:
- Admission -by party to proceeding or his agent-
Statements made by a party to the proceeding, or by an agent to any such party, whom the Court regards, under the circumstances of the case, as expressly or impliedly authorized by him to make them, are admissions.
- by suit or in representative character-
Statements made by parties to suits suing or sued in a representative character, are not admissions, unless they were made while the party making them held that character.
- by party interested in subject-matter;Statements made by–
(1) persons who have any proprietary or pecuniary interest in the subject-matter of the proceeding, and who make the statement in their character of persons so interested, or
- by person from whom interest derived-
(2) persons from whom the parties to the suit have derived their interest in the subject-matter of the suit, are admissions, if they are made during the continuance of the interest of the persons making the statements.

৪৩৯.
কোন অবস্থায় আদালত ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. যদি ডিক্রিদার ডিক্রির দেনা আদায় না করে
  2. যদি দেনাদার প্রতারণা করে ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে
  3. যদি দেনাদার শক্তি প্রয়োগ করে ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:

নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনামতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশ দানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
৪৪০.
সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসলে, কে নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন করতে পারে?
  1. বিবাদীর উকিল
  2. বিবাদী
  3. বাদী
  4. মোকদ্দমায় স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
যখন সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসে এবং অতঃপর এক মাস পর্যন্ত বাদী নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করে, তখন মোকদ্দমা খারিজ হয়।
 
আদেশ ৯ বিধি-৫ঃ

১) বিবাদীকে কিংবা কতিপয় বিবাদীর কোন একজনের প্রতি সমন দেয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারি বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন,তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেয়ার জন্য আবেদন না করেন,তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দিবে।যদি না উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদী নিম্নলিখিত যে কোন কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদীর উপর সমন জারি হয়নি, বাদি যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও ঐ বিবাদীর ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদী পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলছে; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়াতে কোন সঙ্গত কারণ রয়েছে,তাহলে আদালত সমন দেয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।
৪৪১.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৩ অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতের মোট ৫টি প্রকারভেদ রয়েছে।
- এগুলো হলো:
১. জেলা জজ আদালত (Court of District Judge)
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত (Court of Additional District Judge)
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত (Court of Joint District Judge)
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত (Court of Senior Assistant Judge)
৫. সহকারী জজ আদালত (Court of Assistant Judge)

- এই পাঁচটি আদালতই দেওয়ানি বিচার কার্য পরিচালনার জন্য গঠিত।
- প্রতিটি আদালতের এখতিয়ার ও কার্যাবলি ভিন্ন, এবং এগুলো বিচারিক কাঠামোর বিভিন্ন স্তরে অবস্থিত।
৪৪২.
"Magistrate" শব্দটি যদি কোনো বিশেষ শব্দ ছাড়া ব্যবহৃত হয়, তবে তা কাকে নির্দেশ করবে?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সহকারী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
Code of Criminal Procedure,1898-এ কোথাও শুধু 'Magistrate' শব্দ থাকলে তা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) নির্দেশ করবে।

• ৪ক ধারায় বলা আছে যে-
Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.
অর্থাৎ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ করবে এবং সহকারী দায়রা জজ বলতে যুগ্ম দায়রা জজকে নির্দেশ করবে।
৪৪৩.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোনো ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করাকে কী বলা হয়?
  1. Non- Joinder of Parties
  2. Wrong- Joinder of Parties
  3. Mis- Joinder of Parties
  4. All of above
ব্যাখ্যা

⇒মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ভুল ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে।
- পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগ পক্ষসমূহ [Non-joinder and mis-joinder of parties]:
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৯ অনুযায়ী মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষকে মোকদ্দমায় পক্ষ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত না করলে, তাকে পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত [Non-joinder] বলে। প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্যকোন ব্যক্তি যার প্রয়োজন নেই তাকে পক্ষভুক্ত করলে, সেটাকে পক্ষসমূহের অপসংযোগ [Mis joinder] বলে।

- কোন মোকদ্দমায় পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগ এর কারণে কোন মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না [আদেশ ১, বিধি ৯]।
- ১ নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে, বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।
১ নং আদেশের ১০(২) নং বিধিমতে, ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।
অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও,বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।

৪৪৪.
লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল (Result of acknowledgment in writing) সম্পর্কিত বিধানটি তামাদি আইনের কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ১০
  2. ২০
  3. ১৯
  4. ১৮
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৯ মতে- যেই ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পূর্বেই যেই পক্ষের নিকট হতে উক্ত সম্পত্তি বা অধিকার দাবি করা হয়েছে, সেই পক্ষ স্বয়ং অথবা যাহার মাধ্যমে তিনি উক্ত সম্পত্তির স্বত্ব বা দায় প্রাপ্ত হয়েছেন, সেই ব্যক্তি লিখিত স্বাক্ষরিতভাবে উক্ত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে দায় স্বীকার করেন, সেই ক্ষেত্রে উক্তরূপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হবার সময় হইতে নতুন করে মেয়াদ গণনা করতে হবে।
৪৪৫.
'ক' দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত হয়। উক্ত আদেশ হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করা হয় এবং হাইকোর্ট বিভাগ 'ক' কে খালাস দেয়। ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের এই এখতিয়ার রয়েছে?
  1. ৩৭৪ ধারায়
  2. ৩৭৬ ধারায়
  3. ৩৭৫ ধারায়
  4. ৩৭১ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড আদেশকে পরিবর্তন করে খালাসের আদেশ দিতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে। দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে,কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। অর্থাৎ,মৃতুদণ্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট এর ৩৭৪ ধারার অধীন অনুমোদন নিতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দণ্ড দিতে পারেন,বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত,অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।

Section 376- Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction
In any case submitted under section 374, 405 the High Court Division- 
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 
Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
৪৪৬.
Section 509 of the Penal Code deals with-
  1. Defamation
  2. Obscene acts in public
  3. Criminal intimidation
  4. Insulting the modesty of a woman
ব্যাখ্যা

Section 509- Word, gesture or act intended to insult the modesty of a woman:
Whoever, intending to insult the modesty of any woman, utters any word, makes any sound or gesture, or exhibits any object, intending that such word or sound shall be heard, or that such gesture or object shall be seen, by such woman, or intrudes upon the privacy of such woman, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা- কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৪৪৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০২ক অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে কে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২ক (Section 402A)-এ বলা হয়েছে: “The powers conferred by sections 401 and 402 upon the Government may, in the case of sentences of death, also be exercised by the President.”
- অর্থাৎ, যেসব ক্ষমতা ধারা ৪০১ ও ৪০২-এর মাধ্যমে সরকারকে দেওয়া হয়েছে, যেমন: দণ্ড স্থগিত করা (suspend), দণ্ড মওকুফ করা (remit), অথবা দণ্ড পরিবর্তন করা (commute) এই ক্ষমতাগুলো মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিও প্রয়োগ করতে পারেন।
- এই ধারা মূলত রাষ্ট্রপতির দয়ার ক্ষমতা (clemency power) নিশ্চিত করে, যাতে একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন।

→ সুতরাং, ধারা ৪০২ক অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত দণ্ড স্থগিত, মওকুফ বা পরিবর্তনের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিও প্রয়োগ করতে পারেন।
- সঠিক উত্তর: খ) রাষ্ট্রপতি।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২ক: মৃত্যুদণ্ড: সরকারকে ৪০১ ও ৪০২ ধারায় যে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে তা মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টও প্রয়োগ করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 402A. Sentences of death:
- The powers conferred by sections 401 and 402 upon the Government may, in the case of sentences of death, also be exercised by the President.
৪৪৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুসারে নিষেধাজ্ঞা কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩য় খন্ড বিশ্লেষন করলে ৩ ধরনের নিষেধাজ্ঞা পাওয়া যায়- অস্থায়ী, স্থায়ী ও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা।
• তবে CPC আইনের আদেশ ৩৯ মতে ২ ধরনের নিষেধাজ্ঞা পাওয়া যায়।
৪৪৯.
দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুসারে কোন ধরনের লক্ষ্য থাকলে একটি সমাবেশ বেআইনি হয় না?
  1. আইন কার্যকরে বাধা দেওয়া
  2. শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভা করা
  3. আইনসভাকে ভীতি প্রদর্শন করা
  4. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগে সম্পত্তি দখল করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১-এ বেআইনি সমাবেশ হওয়ার জন্য পাঁচটি বিশেষ "সাধারণ লক্ষ্য" উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন: সরকার বা আইনসভাকে ভীতিপ্রদর্শন, আইনের কার্যকরকরণে বাধা দেওয়া, অপরাধমূলক কাজ করা, বলপ্রয়োগে সম্পত্তি দখল করা বা কাউকে বেআইনিভাবে বাধ্য করা ইত্যাদি।
- শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভা করার লক্ষ্য এই ধারার আওতায় পড়ে না, যদি না তাতে উপরিউক্ত কোনো বেআইনি উদ্দেশ্য বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি থাকে।
অতএব, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সভা বেআইনি সমাবেশের সংজ্ঞায় পড়ে না।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়া কালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

৪৫০.
আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ দিতে পারে?
  1. দলিলের পক্ষসমূহের অভিপ্রায় নির্ধারণ করতে
  2. যে কোন ব্যক্তির অভিপ্রায় নির্ধারণ করতে
  3. তৃতীয় পক্ষের অধিকার বাস্তবায়ন করতে 
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোনো পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এব আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
----------------------
• SR Act-Section-31. When instrument may be rectified: When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

৪৫১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১২৪ অনুসারে, বংশগত পদ দখলের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩০ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১২৪ অনুযায়ী “বংশগত পদ দখল করার জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা ১২ বছর, এবং এই সময় গণনা শুরু হবে যখন বিবাদী সেই পদটি বাদীর প্রতিকূলে দখল করে নেয়।”
- অর্থাৎ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১২৪ অনুযায়ী, বংশগত পদ দখল সংক্রান্ত মামলার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় যখন বিবাদী বাদীর বিপক্ষে উক্ত পদটি দখল করে।
৪৫২.
খায়রুল ও হারুন হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত। হারুন দোষ স্বীকার করে। হারুন এর দোষ স্বীকার খায়রুল এর বিরুদ্ধে প্রযোজ্য হবে-
  1. খায়রুল ও হারুনের যৌথভাবে বিচার হলে।
  2. হারুন নিজের সাথে খায়রুলকে জড়িয়ে দোষ স্বীকার করলে।
  3. হারুন এর দোষ স্বীকার প্রমাণিত হলে।
  4. সবগুলো।
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ধারা-৩০ অনুযায়ী- যেখানে একই অপরাধে একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে বিচার হচ্ছে এবং তাদের মধ্যে একজনের দোষ স্বীকার, যা দ্বারা সে নিজেকে ও অন্যকে জড়িত করেছে, তা প্রমাণ করা হয়েছে, সেখানে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারকারী ও অপর ব্যক্তির বিরুদ্ধে সেই দোষ স্বীকার বিবেচনা করতে পারেন।
৪৫৩.
আত্মহত্যা প্রচেষ্টার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড
  2. অর্থদন্ডসহ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড
  3. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড
  4. অর্থদন্ডসহ ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারার বিধান আত্মহত্যা করার চেষ্টা:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৪৫৪.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) কখন দেওয়া হয়?
  1. মোকদ্দমার শুরুতে,
  2. মোকদ্দমার শেষে রায়ের মাধ্যমে,
  3. মোকদ্দমার শেষে ডিক্রির মাধ্যমে,
  4. মোকদ্দমা চলাকালীন যে কোন সময়ে,
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৪৫৫.
একজন ব্যক্তি ১৬ বছর বয়সী একটি শিশুকে আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত করে এবং শিশুটি আত্মহত্যা করে। প্ররোচনাকারী ব্যক্তি দণ্ডবিধির কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য হবে?
  1. ৩০৪ ধারা
  2. ৩০৫ ধারা
  3. ৩০৬ ধারা
  4. ৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ১৮ বছরের নিচের শিশু, পাগল, মত্ত বা মাতাল ব্যক্তিকে আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত করে, তাহলে সে মৃত্যুদণ্ড, জীবনভর কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি নয় এমন কারাদণ্ড এবং জরিমানা-এর আওতায় শাস্তিযোগ্য হবে। এক্ষেত্রে শিশুটি ১৬ বছরের, তাই ধারা ৩০৫–এর আওতায় অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
-If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

৪৫৬.
তামাদি আইনের ২৩ ধারার আওতায় অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে কি ঘটে?
  1. তামাদির মেয়াদ একবার শুরু হয়
  2. তামাদির মেয়াদ প্রভাবিত হয় না
  3. প্রতি মুহূর্তে তামাদির মেয়াদ নতুন করে শুরু হয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৪৫৭.
বার কাউন্সিলের ট্রাইব্যুনালের সদস্য কতজন?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী বার কাউন্সিলের ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে;
- এবং এর সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন।  
- যথা- বার কাউন্সিলের নির্বাচিত দুইজন সদস্য এবং সারা বাংলাদেশ থেকে যে কোনো একজন আইনজীবী।
------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-33. (1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman:

Provided that the Attorney-General for Bangladesh shall not be a member of any Tribunal.

(2) Notwithstanding anything contained in this Order,-
(a) where any enquiry is pending before a Tribunal constituted under the Legal Practitioners and Bar Councils Act, 1965 (Act III of 1965), such enquiry shall be transferred to a Tribunal constituted by the Bar Council under clause (1) and thereupon such Tribunal shall proceed with the enquiry from the stage at which its predecessor had left it.
(b) where any enquiry is pending before a Tribunal constituted under this Order at the time of the expiry of the term of the Bar Council, such enquiry shall be completed and disposed of by that Tribunal:
 
Provided that the Chairman of the Bar Council may, by an order in writing, direct that any such enquiry shall be completed and disposed of by a Tribunal constituted by the Bar Council under clause (3) and thereupon the enquiry shall stand transferred to such Tribunal which shall proceed with the enquiry from the stage at which its predecessor had left it.
৪৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ডাদেশ বহাল রাখার আদেশ দিলে, তা স্বাক্ষর করবে সর্বনিম্ন কত জন বিচারক?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৭ ধারার বিধান দণ্ডাদেশ বহাল ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে:
৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ডাদেশ বহাল রেখে বা নতুন যে শাস্তি বা অন্য যে আদেশ দিবে তা সর্বনিম্ন ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
----------------------------
⇒ Section 377- Confirmation of new sentence to be signed by two Judges:
In every case so submitted, the confirmation of the sentence, or any new sentence or order passed by the High Court Division, shall, when such Court consists of two or more judges, be made, passed and signed by at least two of them.
৪৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট কখন সাক্ষীর প্রতি সমন ইস্যু করতে পারেন?
  1. আদালতের নিজস্ব উদ্যোগে
  2. সরকার পক্ষের আবেদনক্রমে
  3. অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির পর
  4. ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে সাক্ষীর প্রতি সমন ইস্যু করতে পারেন। এটি ম্যাজিস্ট্রেটের discretion বা বিবেচনার উপর নির্ভর করে, তবে আবেদনকারী পক্ষের অনুরোধে তারা এই ব্যবস্থা নিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুযায়ী-
(১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি পূর্ববর্তী ধারা(২৪৩) অনুসারে অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত যদি উক্তরূপে স্বীকারোক্তি না করে,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির(যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।তবে শর্ত থাকে যে,কোনো আদালত যখন নালিশ করে তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি হিসাবে কারো বক্তব্য শুনতে বাধ্য হবেন না।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট যদি উপযুক্ত মনে করেন,তাহলে ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীর প্রতি হাজির হওয়ার বা কোন দলিল বা কোনো জিনিস হাজির করার নির্দেশ দিয়ে সমন ইস্যু করতে পারবেন।
(৩) এরূপ আবেদনের ভিত্তিতে কোন সাক্ষীর প্রতি সমন দেওয়ার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারবেন যে, বিচারের উদ্দেশ্যে হাজির হওয়ার জন্য তার যুক্তিসংগত খরচ আদালতে জমা দিতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-244. Procedure when no such admission is made:
(1) If the Magistrate does not convict the accused under the preceding section or if the accused does not make such admission, the Magistrate shall proceed to hear the complainant (if any), and take all such evidence as may be produced in support of the prosecution, and also to hear the accused and take all such evidence as he produces in his defence:
Provided that the Magistrate shall not be bound to hear any person as complainant in any case in which the complaint has been made by a Court.
(2) The Magistrate may, if he thinks fit, on the application of the complainant or accused, issue a summons to any witness directed him to attend or to produce any document or other thing.
(3) The Magistrate may, before summoning any witness on such application, require that his reasonable expenses, incurred in attending for the purposes of the trial, be deposited in Court.
৪৬০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে কোন অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব (existence of right or custom) সম্পর্কে জ্ঞাত ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৪৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান: অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে মতামত যখন প্রাসঙ্গিক (Opinion as to existence of right or custom, when relevant): প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব প্রমাণের ক্ষেত্রে ঐ এলাকার যেসকল লোকের ঐ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব জানা সম্ভব তাদেরকে বিশেষজ্ঞ হিসেবে ধরে নেয়া হয়েছে এবং তাদের মতামতকে প্রাসঙ্গিক ঘোষণা করা হয়েছে।
---------------------
⇒ Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
Section 48. When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant. 

⇒ Explanation.–The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons. 
 
Illustration 
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
৪৬১.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে না?
  1. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাংলাদেশি কোন নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধে
  2. আমরিকান জাহাজে বাংলাদেশের জলসীমায় চায়নার নাগরিক হত্যা হলে
  3. বাংলাদেশের অভ্যন্তর বাংলাদেশ বা বিদেশি নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ
  4. বাংলাদেশের নিবন্ধিত জাহাজে বা বিমানে সংঘটিত অপরাধে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
৪৬২.
মোকদ্দমা দায়েরের অধিকারী ব্যক্তির অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই মৃত্যু হলে, সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধির ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখ থেকে
  2. মোকদ্দমা দায়েরের তারিখ থেকে
  3. আইনগত প্রতিনিধির যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে
  4. আইনগত প্রতিনিধির ইচ্ছানুযায়ী সময় থেকে
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা (অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল) অনুযায়ী-

কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।

Section 17- Effect of death before right to sue accrues

(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application. 
 
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application. 
 
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
৪৬৩.
Code of Criminal Procedure- এর কোন ধারার বিধান অনুযায়ী একজন পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত তদন্ত কাজ করতে পারেন?
  1. ১৫৬
  2. ১৫৭
  3. ১৫৮
  4. ১৫৯
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬ ধারামতে আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শুরু করতে পারেন।

• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশকে আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য উভয় ধরণের মামলা বা অপরাধ সংঘটনের সংবাদ প্রদান করা যায়। পুলিশকে আমলযোগ্য অপরাধের [Cognizable offence] সংবাদ দিলে, তা পুলিশ ১৫৪ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে। এই ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেস (FIR case) বা পুলিশ কেস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত। এই মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে।

• অন্যদিকে, পুলিশকে আমলঅযোগ্য অপরাধের [Non-cognizable offence] সংবাদ দিলে, সেক্ষেত্রে পুলিশ ১৫৫ ধারা অনুসরণ করেন।১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য অপরাধের ভিত্তিতে যে মামলা শুরু হয় তা -

১. Non-Gr (Non-Registered) Case;
২. Non-FIR Case;
৩. Non-Cognizable Case নামে পরিচিত.

আবার, আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ১৫৫(২) ধারায় প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের নির্দেশ দিলে শুধুমাত্র তখনই পুলিশ তদন্ত করতে পারে।
৪৬৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪ অনুযায়ী মূল্যমান ৫০ টাকার কম হলে, রায়ের পূর্বে দায়িককে কতদিন দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে?
  1. ২১ দিন
  2. ৬ সপ্তাহ
  3. ১ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক:- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-

- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং
- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে। 
স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।
-অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।

- শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
⇒ CPC Order-38 Rule-4.Procedure where defendant fails to furnish security or find fresh security: 
- Where the defendant fails to comply with any order under rule 2 or rule 3, the Court may commit him to the civil prison until the decision of the suit or, where a decree is passed against the defendant, until the decree has been satisfied:

Provided that no person shall be detained in prison under this rule in any case for a longer period than six months, nor for a longer period than six weeks when the amount or value of the subject-matter of the suit does not exceed fifty Taka: 
Provided also that no person shall be detained in prison under this rule after he has complied with such order.
৪৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৫ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে কী করবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ নিজে গ্রহণ করতে পারেন
  2. দায়রা আদালতকে গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন
  3. পুলিশকে গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারেন
  4. 'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা:
হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।
-হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken:
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 

(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
৪৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. দ্বিতীয় তফসিলে
  2. দ্বিতীয় অধ্যায়
  3. চতুর্থ তফসিলে
  4. তৃতীয় তফসিলে
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ৪৬টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ৫৬৫টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৫টি তফসিল (Schedule) এবং ৯টি ভাগ (Part) রয়েছে। কিভাবে অপরাধের তদন্ত করতে হবে, গ্রেফতার-জমিনের বিধান এবং বিচারকার্য কিভাবে পরিচালনা করা হবে সেটা ফৌজদারী কার্যবিধি থেকে জানা যায়।  ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী হতে ফৌজদারী কার্যবিধি বলবৎ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়, আবার কিছু ধারা আবার বিভিন্ন সময়ে বাতিলও করা হয়।ফৌজদারী কার্যবিধিতে আরো কিছু বিষয় আছে, অপরাধ যাতে না ঘটতে পারে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা ফৌজদারী আইনে পাওয়া যায়।

- ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।

i) ১ম তফসিল (First Schedule) - বাতিল।

ii)  ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।

iv) ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

v) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

- অর্থাৎ চতুর্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিধান আছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
৪৬৭.
"Trial in absentia" refers to-
  1. absence of complainant
  2. absence of witness
  3. absence of accused
  4. absence of plaintiff
ব্যাখ্যা
''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

• অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।
তবে ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বা পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না।

Section 339B- Trial in absentia
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
 
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৪৬৮.
বাদী আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মোকদ্দমার খরচের জন্য জামানত দিতে ব্যর্থ হলে, আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. এক-তরফা রায়
  2. মোকদ্দমা খারিজ
  3. মোকদ্দমা স্থগিত
  4. উল্লিখিত যেকোনো আদেশ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২৫ বিধি ১ এর বিষয়বস্তু হচ্ছে খরচের জন্য জামানত [Security for costs]।

⇒ বিধি ১- অনুসারে, বাদী দেশের বাহিরে অবস্থান করলে এবং বাদীর যদি মোকদ্দমার সম্পত্তি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন স্থাবর সম্পত্তি না থাকে সেই ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীর আবেদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মোকদ্দমার দায়েরের বা ব্যয়ের যাবতীয় খরচ এবং বিবাদীর সম্ভাব্য খরচের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ বিধি ২- জামানত প্রদানের ব্যর্থতার ফল (Effect of failure to furnish security):
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করা না হলে মোকদ্দমা খারিজ করে আদালত একটি আদেশ দিবেন। মোকদ্দমা খারিজ হলে উক্ত খারিজের আদেশ রদের জন্য বাদী আবেদন করতে পারে এবং শর্তসাপেক্ষে আদালত খারিজের আদেশ রদ করবেন এবং মোকদ্দমা চালানোর জন্য অপর একটি দিন ধার্য করবেন। বিবাদীর উপর বিজ্ঞপ্তি জারি না করে খারিজের আদেশ রদ করা যাবে না।
৪৬৯.
কোন ধরণের ডিক্রির ক্ষেত্রে ৪৮ ধারা প্রযোজ্য হয় না?
  1. নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
  2. অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত ডিক্রি
  3. সম্পত্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত ডিক্রি
  4. সকল ডিক্রির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারা- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারী বারিত:
১) নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোনো ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে, যদি একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর আবেদন করা হয়, তবে সে অনুযায়ী আদেশ দেওয়া যাবে না:
ক) যে ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ হতে বার (১২) বছর পর, অথবা
খ) যদি কোনো ডিক্রি বা পরবর্তী আদেশে নির্দিষ্ট তারিখ বা কিস্তিতে অর্থ পরিশোধ বা সম্পত্তি হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়, তবে সেই নির্দেশ লঙ্ঘনের তারিখ হতে বার (১২) বছর পর।

২) তবে, এই ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না যদি—
ক) আবেদন দাখিলের অব্যবহিত পূর্ববর্তী বার (১২) বছরের মধ্যে ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষেত্রে, দেনাদার প্রবঞ্চনা বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বাধা সৃষ্টি করে থাকে;
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারিতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করে।
৪৭০.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী 'Dying Declaration' কীভাবে দেয়া যায়?
  1. ইশারায়
  2. মৌখিক ভাবে
  3. লিখিত ভাবে
  4. উল্লিখিত সবভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ The Evidence Act এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)-
সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. ইশারায় ২. মৌখিক ভাবে  ৩. লিখিত ভাবে ।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয় ক্ষেত্রেই।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।

৪৭১.
আপিল আদালত কর্তৃক রায় ঘোষণার তারিখ সম্পর্কে কাকে নোটিশ দিতে হবে?
  1. শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণকে
  2. মোকদ্দমার পক্ষগণকে বা উকিলগণকে
  3. শুধুমাত্র উকিলদের নোটিশ দিতে হবে
  4. কোনো নোটিশ দেয়ার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-৩০- রায় কখন এবং কোথায় ঘোষিত হয়: 
আপিল আদালত পক্ষগণ বা তাদের উকিলদের শুনানির পর এবং আপিলের বা যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে সে আদালতের কার্যধারার কোন অংশ রেফারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হলে সেটা উল্লেখ করে তৎক্ষণাৎ বা পরবর্তী তারিখ সম্পর্কে যার নোটিশ পক্ষগণকে বা উকিলগণকে প্রদান করতে হবে, প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষিত হবে।

Order 41 Rule-30: Judgment. When and where pronounced-
The Appellate Court after hearing the parties or their pleaders and referring to any part of the proceedings, whether on appeal or in the Court from whose decree the appeal is preferred, to which reference may be considered necessary, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day of which notice shall be given to the parties or their pleaders.
৪৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী অভিযোগকারী কার অনুমতিতে নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. পুলিশের
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরের
  4. হাইকোর্ট বিভাগের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী অভিযোগকারী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
৪৭৩.
ধারা ৩২৫ অনুযায়ী, স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দেওয়ার জন্য অপরাধীকে কোন ধরনের শাস্তি প্রদান করা হয়?
  1. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা- স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের (Voluntarily causing grievous hurt) শাস্তি:

কোন ব্যক্তি, যদি ৩৩৫ ধারার বিধান সাপেক্ষে, স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
[Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.]
৪৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ১২ অনুযায়ী, জবানবন্দি প্রদান কালে আদালত কার আচরণ লিপিবদ্ধ করতে পারেন?
  1. বিবাদীপক্ষের আইনজীবীর
  2. বাদী এবং বিবাদীর
  3. সাক্ষীর
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবীর
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
বলা হয়েছে যে, জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। অর্থাৎ যদি কোনো সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।

আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়,এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]
৪৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে কাকে সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ করতে হস্তক্ষেপ করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. যেকোন ব্যক্তিকে
  2. পুলিশ অফিসারকে
  3. স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে
  4. উল্লিখিত সকলকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ-
 
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।
 
Section 152: Prevention of injury to public property-
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.
৪৭৬.
কোন ধরনের চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে, সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল?
  1. মৌখিক চুক্তি
  2. লিখিত চুক্তি
  3. অব্যক্ত চুক্তি
  4. উল্লিখিত সকল চুক্তি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
৪৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ক ধারা অনুযায়ী, 'shown arrest' অনুমোদনের জন্য কী কী শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে
  2. অভিযুক্তকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে
  3. ডায়েরির প্রাসঙ্গিক অংশের কপি দাখিল করতে হবে
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ধারা ১৬৭ক : shown arrest ও আটক সংক্রান্ত ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব:
(১) কোনো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি চান যে, কোনো ব্যক্তি যিনি ইতিমধ্যেই অন্য মামলায় আটক আছেন, তাঁকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হোক, তবে ম্যাজিস্ট্রেট এমন প্রার্থনা অনুমোদন করবেন না, যদি না—
- ওই আটক ব্যক্তিকে তাঁর সামনে হাজির করা হয়,
- ডায়েরির প্রাসঙ্গিক অংশের কপি দাখিল করা হয়,
- অভিযুক্তকে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়া হয়, এবং আবেদনে যৌক্তিক ভিত্তি পাওয়া যায়।

(২) যদি পুলিশ রিপোর্ট থেকে বোঝা যায় যে গ্রেপ্তার শুধুমাত্র প্রতিরোধমূলক আটক (preventive detention) আইনের অধীনে কাউকে আটক রাখার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট কাউকে বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর অনুমতি দেবেন না।

(৩) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে কোনো কর্মকর্তা, যিনি আইনগত ক্ষমতার বলে কাউকে আটক রাখার অধিকারী, তিনি বেআইনিভাবে কাজ করেছেন, তবে তিনি ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২২০ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

৪৭৮.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী মুদ্রা জালকরণ (Counterfeiting coin) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. অনধিক ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারার বিধান: মুদ্রা জাল করণ- কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

- ব্যাখ্যা:- কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 231- Counterfeiting coin:
Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

- Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
৪৭৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত করার উদ্দেশ্যে কথা বলা, লেখা বা দৃশ্য প্রদর্শন করলে দণ্ডিত করা হয়?
  1. ধারা ২৯৫
  2. ধারা ২৯৫ক
  3. ধারা ২৯৬
  4. ধারা ২৯৮
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ধারা ২৯৫ক।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৫ক অনুযায়ী যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত এবং কু-উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে (deliberate and malicious intention) বাংলাদেশের কোনো শ্রেণির নাগরিকদের ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত করতে, কথা বলে (spoken words),  লিখে (written words), দৃশ্যরূপে কোনো উপস্থাপনা (visible representation) করে, বা ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাসের অবমাননা করে বা অবমাননার চেষ্টা করে, তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড প্রদান করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, section 295A-Deliberate and malicious acts intended to outrage religious feelings of any class by insulting its religion or religious beliefs:
- Whoever, with deliberate and malicious intention of outraging the religious feelings of any class of the citizens of Bangladesh, by words, either spoken or written, or by visible representations insults or attempts to insult the religion or the religious beliefs of that class, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৪৮০.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী, আসামীর বিরুদ্ধে কে সাক্ষ্য দিতে পারে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. বিশেষজ্ঞ সাক্ষী
  3. দুষ্কর্মের সহযোগী
  4. আদালতের কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী, দুষ্কর্মের সহযোগী (Accomplice) একজন সাক্ষ্য দিতে উপযুক্ত (competent) ব্যক্তি এবং তার অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতেও সাজা দেওয়া বেআইনী হবে না।
অর্থাৎ, যদি সে নিজেও অপরাধে জড়িত থাকে, তবুও সে অন্য আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারে এবং আদালত তা গ্রহণ করতে পারে।

⇒সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
--------
⇒The Evidence Act, 1872-Section-133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person, and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৪৮১.
ম্যাজিস্ট্রেট কয়টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ২টি
  4. নির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• এই ধারা অনুযায়ী,ম্যাজিস্ট্রেটগণ ৩টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে নিতে পারেন-

> অভিযোগ [ (ধারা ১৯০(১)(ক) ]
> পুলিশের লিখিত রিপোর্ট [ ধারা ১৯০(১)(খ) ]
> তথ্য,নিজস্ব জ্ঞান বা সন্দেহবশত কোন তথ্য পেলে [ ধারা ১৯০(১)(গ) ] । তবে এই উৎসের উপর ভিত্তি করে ৩য় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারবেন না।
৪৮২.
বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায় ও চুরির মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
  1. সময়
  2. সম্পত্তির মূল্য
  3. ভীতি প্রদর্শনের উপস্থিতি
  4. সম্পত্তির ধরন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ভীতি প্রদর্শনের উপস্থিতি

⇒ বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায় (ধারা ৩৮৩) এবং চুরি (ধারা ৩৭৮)–এর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো ভীতি প্রদর্শনের উপস্থিতি।

বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়ে:
- অপরাধী ভুক্তভোগীকে জখম, ক্ষতি বা অন্য কোনো অনিষ্টের ভয়ে অভিভূত করে
- সেই ভীতির মাধ্যমে তাকে নিজেই সম্পত্তি অর্পণে বাধ্য করে।

চুরিতে:
- কোনো ভীতি বা হুমকি থাকে না
- অপরাধী গোপনে ও সম্মতি ছাড়া সম্পত্তি স্থানান্তর করে।

তাই, এখানে- সম্পত্তির ধরন, সময়, সম্পত্তির মূল্য—এসব নয়, বরং ভীতি প্রদর্শনের উপস্থিতিই দুই অপরাধের মূল পার্থক্য।

৪৮৩.
কয়টি ক্ষেত্র ছাড়া বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে?
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩ তে উল্লেখিত ৬টি ক্ষেত্র ছাড়া বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ধারা-১৩ঃ যখন বিদেশি রায় চূড়ান্ত হয় না-
কোন বিদেশি আদালত কোন বিষয়ে বিচার করলে এবং তা একই পক্ষসমূহ অথবা তাদের সূত্রে এক বা একের অধিক স্বত্ব দাবিকারীর মধ্যে একই বিষয় সম্পর্কিত মোকদ্দমা হলে বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে; তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত-

ক) যখন উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত হয় নি;
খ) মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া না হলে;
গ) আন্তর্জাতিক আইনের ভ্রান্ত ব্যাখা অথবা মোকদ্দমাটির প্রতি প্রযোজ্য বাংলাদেশের আইন অস্বীকার করে রায় প্রদান করা হয়েছে বলে কার্যধারাসমূহ হতে বুঝা গেলে;
ঘ) যে রায় আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে, তাতে অনুসৃত পদ্ধতি ও কার্যক্রম ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হলে;
ঙ) প্রবঞ্চনা দ্বারা রায় সংগ্রহ করা হলে;
চ) বাংলাদেশে প্রচলিত কোন আইনের বিরোধী কোন দাবি রায়ে বজায় রাখা হলে।

Section 13: When Foreign Judgment not Conclusive-
A foreign judgment shall be conclusive as to any matter thereby directly adjudicated upon between the same parties or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title except-

a) where it has not been pronounced by a Court of competent jurisdiction;
b) where it has not been given on the merits of the case;
c) where it appears on the face of the proceedings to be founded on an incorrect view of international law or a refusal to recognise the law of Bangladesh in cases in which such law is applicable;
d) where the proceedings in which the judgment was obtained are opposed to natural justice;
e) where it has been obtained by fraud;
f) where it sustains a claim founded on a breach of any law in-force in Bangladesh.
৪৮৪.
ক আহত অবস্থায় পুলিশের নিকট খ-কে দোষী উল্লেখ করে এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর মারা যায়। ক-এর এই জবানবন্দির সাক্ষ্যগত মূল্য কী?
  1. পুলিশের নিকট দেওয়ায় এই জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
  2. ক সাথে সাথে মারা না যাওয়ায় এই জবানবন্দি গ্রহণযোগ্য নয়
  3. মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে এই জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য
  4. এটি স্বীকৃতি হিসেবে গ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
♦সাধারণত পুলিশের নিকট প্রদত্ত জবানবন্দির সাক্ষ্যগত মূল্য নাই (ধারা ২৬)। তবে মৃত্যুকালীন ঘোষণা পুলিশের সামনে দিলেও তা যদি পুলিশ আদালতে এসে উল্লেখ করে তবে তা গ্রহণযোগ্য (ধারা ৩২)।
♦১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) মৃত ব্যক্তি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রদত্ত বিবৃতিকে সাধারণত মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়৷ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা মতে, কোন নিহত ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে যদি তার মৃত্যুর কারণ, অবস্থা এবং পরিস্থিতি বর্ণনা করে কোন বিবৃতি বা জবানবন্দি প্রদান করে থাকেন তবে তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়।
৪৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারায় হাইকোর্ট দণ্ডিত ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. শাস্তি মওকুফের
  2. অধিকতর অনুসন্ধানের
  3. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা-
 
হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।
 
হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।
 
Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken-
 
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 
 
(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
 
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
৪৮৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে?
  1. ১৭২ ধারা
  2. ১৭৩ ধারা
  3. ১৭৪ ধারা
  4. ১৭১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
♦ধারাঃ ১৭২ বলা আছে যে (১) এই অধ্যায়ের অধীন তদন্তকারী পুলিশ অফিসার প্রতিদিন ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন, কখন তার নিকট খবর পৌছাল, কখন তিনি তদন্ত শুরু ও শেষ করলেন, কোন স্থা বা স্থানগুলি তিনি পরিদর্শন করলেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে যে অবস্থা সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হলেন ।
(২) যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশ ডায়ের চাহিয়া পাঠাতে পারেন এবং এই ডায়ের সংশ্লিষ্ট মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ হিসাবে নহে, তবে উহার অনুসন্ধান বা বিচারের সহায়ক হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। আদালত কেবল এই ডায়ের দেখেছেন বা উহার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন বলেই আসমী বা তার প্রতিনিধি উহা চাহিয়া পাঠাবার বা দেখিবার অধিকারী হবেন না; তবে এই ডায়ের প্রণয়নকারী পুলিশ অফিসার যদি তার স্মৃতি সজীব করার জন্য ব্যবহার করেন, অথবা আদালত যদি উক্ত অফিসারের বিরোধিতা করার জন্য উহা ব্যবহার করেন, তাহলে ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা বা ১৪৫ ধারা, যেখানে যেরূপ প্রযোজ্য হবে।
৪৮৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে দখল ফিরিয়ে দিতে পারেন-
  1. ৫২২ ধারা
  2. ৫৫৫ ধারা
  3. ৫৪৪ ধারা
  4. ৪৪৮ ধারা
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২২ ধারায় বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে দখল ফিরিয়ে দিতে পারেন এবং ১৪৫ ধারায় স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন।
৪৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুসারে কোন ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট আটককৃত সম্পত্তি বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. মূল্য ১০ টাকার কম হলে
  2. সম্পত্তি দ্রুত ক্ষয়শীল হলে
  3. মালিকের জন্য বিক্রয় কল্যাণকর হলে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সবক্ষেত্রে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নোক্ত যেকোনো পরিস্থিতিতে আটককৃত সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিতে পারেন—
১) মূল্য ১০ টাকার কম হলে,
২) সম্পত্তি দ্রুত বা স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হলে,
৩) বিক্রয় মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে,
৪) এবং যদি মালিক অজানা বা অনুপস্থিত থাকেন।
- এই সকল পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তৎক্ষণাৎ বিক্রয়ের আদেশ দেওয়া যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৪৮৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-XXI, Rule-15 অনুযায়ী একজন যৌথ ডিক্রিধারী সমগ্র ডিক্রি জারির আবেদন করতে পারবে যদি—
  1. সবাই লিখিত সম্মতি দেয়
  2. আদালতের পূর্বানুমতি নেয়
  3. জজমেন্ট-ডেব্টর সম্মতি দেয়
  4. ডিক্রিতে বিপরীত কোনো শর্ত না থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১৫(১) অনুসারে, একাধিক ব্যক্তির অনুকূলে যৌথভাবে ডিক্রি পাস হলে, যেকোনো একজন বা একাধিক ডিক্রিধারী তাদের সকলের উপকারার্থে সমগ্র ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করতে পারবেন – তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিতে এ সংক্রান্ত কোন বিপরীত শর্ত (condition to the contrary) না থাকতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১৫: যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির জন্য আবেদন:
(১) যখন একাধিক ব্যক্তির অনুকূলে যৌথভাবে একটি ডিক্রি পাস করা হয়, তখন তাদের মধ্যে যেকোনো একজন বা একাধিক ব্যক্তি, যদি ডিক্রিতে বিপরীত কোনো শর্ত আরোপ করা না থাকে, তবে সকলের সুবিধার জন্য সম্পূর্ণ ডিক্রিটি জারির (execution) জন্য আবেদন করতে পারেন। অথবা, যদি তাদের মধ্যে কেউ মারা যান, তবে জীবিতদের এবং মৃত ব্যক্তির আইনি প্রতিনিধিদের সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারেন।
(২) যখন আদালত এই বিধির অধীনে করা কোনো আবেদন মঞ্জুর করার জন্য পর্যাপ্ত কারণ দেখতে পান, তখন আবেদন প্রক্রিয়ায় যারা যোগদান করেননি তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য আদালত যেরূপ প্রয়োজন মনে করবেন, সেরূপ আদেশ প্রদান করবেন।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-15. Application for execution by joint decree-holder:
(1) Where a decree has been passed jointly in favour of more persons than one, any one or more of such persons may, unless the decree imposes any condition to the contrary, apply for the execution of the whole decree for the benefit of them all, or, where any of them has died, for the benefit of the survivors and the legal representatives of the deceased.
(2) Where the Court sees sufficient cause for allowing the decree to be executed on an application made under this rule, it shall make such order as it deems necessary for protecting the interests of the persons who have not joined in the application.

৪৯০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫১ অনুযায়ী আদালত কোন ধরনের প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারে?
  1. অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন
  2. বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন
  3. পুনরাবৃত্তিমূলক প্রশ্ন
  4. অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫১ এর সরাসরি বিধান হলো: আদালত যে কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদকে অশ্লীল (indecent) বা কেলেঙ্কারিজনক/কুৎসাজনক (scandalous) মনে করলে তা নিষিদ্ধ করতে পারেন, এমনকি প্রশ্নটির কিছু প্রাসঙ্গিকতা বা গুরুত্ব থাকলেও।
তবে ব্যতিক্রম: যদি প্রশ্নটি বিচার্য বিষয় (facts in issue) বা তার অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য অপরিহার্য হয়, তাহলে আদালত তা অনুমোদন করতে পারেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন: যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
------------
⇒The Evidence Act, 1872-Section 151- Indecent and scandalous questions: The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

৪৯১.
ধারা ২৪৩ অনুযায়ী, অভিযুক্ত যদি অপরাধ স্বীকার করে এবং যথাযথ কারণ দেখায় না কেন তাকে দণ্ডিত করা হবে না, তখন ম্যাজিস্ট্রেট কি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. অভিযুক্তকে দণ্ডিত করতে পারেন
  2. অভিযোগের পুনরায় তদন্ত করবেন
  3. অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেন
  4. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪৩- অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে দণ্ডন:

যদি অভিযুক্ত স্বীকার করে যে তিনি অভিযুক্ত অপরাধটি করেছেন, তবে তার স্বীকৃতি সম্ভবত তার ব্যবহৃত শব্দে যতটা সম্ভব সঠিকভাবে নথিভুক্ত করা হবে; এবং যদি অভিযুক্ত কোনো যথাযথ কারণ না দেখায় কেন তাকে দণ্ডিত করা হবে না, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে সেই অনুযায়ী দণ্ডিত করতে পারেন।
৪৯২.
'ক' একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। 'ক' কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে-
  1. দলিলটি রেজিস্ট্রাট
  2. দলিলটি হারিয়ে গেছে
  3. দলিলটি তার দখলে ছিল
  4. দলিলটি তার দখলে নাই
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।

⇒ যেমন- 'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে এখানে 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে; কেননা মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে যদি ঘোষণাকারী মৃত হয়। অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণাটির গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করছে ঘোষণাকারী মৃত কিনা সেই তথ্যের উপর। আর ঘোষণাকারী মৃত কিনা তা প্রমাণের ভার সেই ব্যক্তির উপর বর্তাবে যে মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ হিসাবে দিতে চায়। যেহেতু এখানে 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় সুতরাং মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ করার জন্য, 'B'-এর মৃত্যু সংক্রান্ত প্রমাণ দাখিলের দায়ভার 'A',-এর উপর বর্তাবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্বঃ- যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ উদাহরণ:

(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

--------------------
Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible: The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.

(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death.

(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
৪৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী পদাধিকারে কৃত কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলায় বিবাদীর কী ধরনের অব্যাহতি রয়েছে?
  1. গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি
  2. সম্পত্তি ক্রোক থেকে অব্যাহতি
  3. 'ক' এবং 'খ'
  4. কোনো অব্যাহতি নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী, যদি সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার পদাধিকারবলে (official capacity) কৃত কোনো কাজের জন্য মামলা দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি দুইটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি সুরক্ষা বা অব্যাহতি পান:
- (ক) গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি: মামলাটি দেওয়ানি হলেও আদালতের নির্দেশে বা অন্য কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না, যতক্ষণ না ডিক্রির (decree) ভিত্তিতে প্রয়োজন হয়।
- (খ) সম্পত্তি ক্রোক থেকে অব্যাহতি: মামলার রায় কার্যকর করার (ডিক্রিজারী) বাইরে কোনো কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক (attachment) করা যাবে না।

→ আইনের ভাষা অনুসারে: “...the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree…”
অর্থাৎ, কেবল ডিক্রির (রায়) কার্যকরীকরণের সময় এই দুটি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

→ সুতরাং সরকারি কর্মকর্তা যদি তার পদাধিকারবলে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো কাজ করেন এবং সেই কারণে মামলা হয়,
তাহলে তিনি পাবেন: ১) গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি, ২) সম্পত্তি ক্রোক থেকে অব্যাহতি (ডিক্রির বাইরে)।
- অতএব, সঠিক উত্তর: গ) 'ক' এবং 'খ'।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ - গ্রেফতার ও হাজিরা হতে অব্যাহতি:
পদাধিকারে বলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের করা হয়ে থাকলে—
ক) বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং ডিক্রিজারী ব্যতিত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং
খ) যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে নিঃসন্দিহান হন যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেক্ষেত্রে ইহা তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 81. Exemption from arrest and personal appearance:
-In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity- 
(a) the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and, 
(b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
৪৯৪.
দুইটি রাজনৈতিক দল একই জায়গায়, একই সময়ে সমাবেশ ডাকলে এবং সেখানে শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হবার সম্ভাবনা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা প্রয়োগ করা হয়?
  1. ১৪৪ ধারা
  2. ১৫৪ ধারা
  3. ১৬৪ ধারা
  4. ১৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে বা ঘটার সম্ভাবনা থাকলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা,
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা ;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা ; এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।

• ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলী অনুসরণ করা হয় । যথা-

i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরী পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।

• ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
৪৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. ৪৯৫ ধারা
  2. ৪৯৪ ধারা
  3. ৪৯৩ ধারা
  4. ৪৯২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর (Public Prosecutor) আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে রায় ঘোষণার পূর্বে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন। এই প্রত্যাহার সাধারণভাবে হতে পারে অথবা নির্দিষ্ট এক বা একাধিক অভিযোগের ক্ষেত্রে হতে পারে।
এই ধারা অনুযায়ী দুইটি ভিন্ন পরিস্থিতিতে অভিযুক্তের অবস্থান নির্ধারিত হয়:
১) যদি অভিযোগ গঠনের পূর্বে মামলা প্রত্যাহার করা হয়, তাহলে অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharged) দিতে হয়।
২) যদি অভিযোগ গঠনের পরে বা যেখানে অভিযোগ গঠন প্রয়োজন হয় না, সেখানে মামলা প্রত্যাহার করা হলে অভিযুক্তকে খালাস (Acquitted) দিতে হয়।
→ ধারা ৪৯৪ এর মূল উদ্দেশ্য হলো: আদালতের অনুমতিক্রমে প্রসিকিউশনের বিচারিক কার্যক্রম থেকে সরে আসার ব্যবস্থা রাখা, যা ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৪৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় আদেশ কে জারি করতে পারে?
  1. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান
- (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হওয়ার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা শান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।
(২) জরুরি পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারি করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।
(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।
(৪) যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই নামানুসারে তার নিজের বা তার অধীন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।
(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কুলির মাধ্যমে তার নিকট হাজির হওয়ার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কার ক্ষেত্রে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই নামানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুইমাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।
(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
৪৯৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের Section 35-38 এর অধীনে কোন বিষয়টি আলোচিত হয়?
  1. সম্পত্তির দখল
  2. চুক্তির বাতিল
  3. ক্ষতিপূরণের দাবি
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন
ব্যাখ্যা

⇒ Specific Relief Act 1877-এর ধারা ৩৫-৩৮ এর অধীনে চুক্তির বাতিল (Rescission) সম্পর্কিত বিষয়গুলো আলোচিত হয়। এই ধারাগুলোতে বর্ণনা করা হয়েছে যে, কোনো চুক্তি পক্ষগুলোর পারস্পরিক সম্মতিতে বা আইনগত কারণে বাতিল করা যেতে পারে।

- ধারা ৩৫-৩৮ এর প্রধান বিষয় হলো চুক্তির বাতিল (Rescission), যেখানে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর পক্ষগুলো যদি তা বাতিল করতে চায়, তবে তারা আদালতে এর জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
- চুক্তি বাতিল হতে পারে যদি এটি অবৈধ কারণে করা হয়, পক্ষগুলোর মধ্যে প্রতারণা বা ভুল উপস্থাপনা থাকে, অথবা পক্ষগুলো পারস্পরিক সম্মতিতে চুক্তি থেকে মুক্তি পেতে চায়।
- বাতিল সাধারণত পক্ষগুলোর নতুন সম্মতির মাধ্যমে বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এটি চুক্তির বাধ্যবাধকতা থেকে পক্ষগুলোকে মুক্ত করে।
- অর্থাৎ ধারা ৩৫-৩৮ এর অধীনে চুক্তির বাতিল (Rescission) বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়, যেখানে পক্ষগুলো চুক্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে পারে। এটি ন্যায়বিচারের নীতির উপর ভিত্তি করে পক্ষগুলোর অধিকার রক্ষা করে।

৪৯৮.
পুনর্বিবেচনার (review) আবেদন মঞ্জুর করার আগে আদালত কী করতে বাধ্য?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণ করতে হবে
  2. আবেদনকারীকে নোটিশ দিতে হবে
  3. প্রতিপক্ষকে নোটিশ দিতে হবে
  4. আবেদনকারী এবং প্রতিপক্ষ উভয়কে নোটিশ দিতে হবে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮, আদেশ–৪৭, বিধি–৪ : আবেদন বাতিল বা মঞ্জুর করার নিয়ম:
(১) যখন আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে পুনর্বিবেচনার (review) আবেদনের জন্য যথেষ্ট কারণ বা ভিত্তি নেই, তখন আদালত উক্ত আবেদন বাতিল করবে।

(২) যদি আদালতের মতে পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করা উচিত হয়, তবে আদালত উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবে,
তবে নিম্নলিখিত শর্তাবলি প্রযোজ্য হবে—

(ক) উক্ত আবেদন মঞ্জুর করার পূর্বে প্রতিপক্ষকে (opposite party) নোটিশ দিতে হবে, যাতে সে উপস্থিত হয়ে সেই ডিক্রি বা আদেশের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করতে পারে, যার পুনর্বিবেচনা চাওয়া হয়েছে; এবং

(খ) যদি আবেদনকারী দাবি করেন যে নতুন কোনো তথ্য বা প্রমাণ উদ্ঘাটিত হয়েছে, যা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তার জ্ঞাত ছিল না বা পেশ করা সম্ভব ছিল না, তবে সে ক্ষেত্রে উক্ত দাবির কঠোর প্রমাণ (strict proof) ব্যতিরেকে কোনো আবেদন মঞ্জুর করা যাবে না।

৪৯৯.
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা অনুসারে, যদি কেউ সরকারি কর্মচারীকে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
  4. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও সরকারি কর্মচারীকে (তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই) মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, এবং সে তথ্য যে মিথ্যা তা যদি সে জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে, তাহলে তাকে ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

তবে, যদি মিথ্যা তথ্য প্রদান কোনো অপরাধ সংঘটনের বিষয় সম্পর্কিত হয়, অথবা অপরাধ প্রতিরোধ বা অপরাধীর গ্রেফতারের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তাহলে শাস্তির মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ড হতে পারে।

⇒ তাই, শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীকে মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানাই সর্বোচ্চ শাস্তি হবে, যা অপশন (খ)-এর সাথে মিলে যায়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 177- Furnishing false information:
Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both;
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৫০০.
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত (Court of Small Causes) নিম্নোক্ত কোন আদালতের অধীন?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশন
  2. জেলা আদালত
  3. হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত (Court of Small Causes) ২টি আদালতের অধীনস্তঃ-হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত।

• ধারা-৩ঃ আদালতের অধস্তনতা-
এই আইনের উদ্দেশ্য জেলা আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন এর অধীন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ভুক্ত প্রত্যেক দেওয়ানি আদালত ও ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন ও জেলা আদালতের অধীন।

Sec-3: Subordination of Courts-
For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.