বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৪২ / ১২৬ · ৪,১০১৪,২০০ / ১২,৬০৫

৪,১০১.
স্বীকৃতি (Admission) কি হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. প্রতিবন্ধকতা বা বাধা (estoppel)
  2. চূড়ান্তপ্রমাণ (Conclusive Proof)
  3. সাক্ষ্য (Evidence)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা লিখিত এমন কোন বিবৃতি, যা কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অনুমানের ইঙ্গিত বহন করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

---------------
⇒ Section-31. Admissions not conclusive proof, but may stop: Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৪,১০২.
A, Z কে হুমকি দেয় যে, তাকে টাকা না দিলে Z সম্পর্কে সে মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করবে। A যে অপরাধ করেছে তা-
  1. মানহানি
  2. অনিষ্টসাধন
  3. বলপূর্বক আদায়
  4. বিশ্বাস ভঙ্গ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩৮৩ অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তা দ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায় করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
৪,১০৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XLI, Rule 30 (2) অনুযায়ী, যদি আপিল শুনানির সময় কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী উপস্থিত না থাকেন, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. এক-তরফা রায় দিবে
  2. আপিল মুলতবী রাখবে
  3. মূল বিষয়ের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. মূল বিষয়ের ভিত্তিতে আপিল খারিজ করবে
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 Order XLI, Rule 30 – রায় কবে এবং কোথায় ঘোষণা করা হবে:
(১) আপিল আদালত, উভয় পক্ষ বা তাদের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর এবং প্রয়োজন মনে করলে আপিলের কার্যবিবরণী অথবা যেই আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে সেই আদালতের কার্যবিবরণীর কোনো অংশের প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার পর, উন্মুক্ত আদালতে (Open Court) রায় ঘোষণা করবে। এই রায় হয় সাথে সাথেই ঘোষণা করা যেতে পারে অথবা ভবিষ্যতের কোনো তারিখে ঘোষণা করা যেতে পারে—তবে সেই ক্ষেত্রে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীকে আগে থেকে নোটিশ দিতে হবে।

(২) তবে উপ-নিয়ম (১)-এ যা বলা হয়েছে তার পরও, যদি শুনানির সময় কোনো পক্ষ বা তার আইনজীবী উপস্থিত না থাকে, তাহলে আপিল আদালত লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে, যদি মনে করে যে নথিতে থাকা উপকরণগুলোই মূল বিষয়ের ভিত্তিতে আপিল নিষ্পত্তির জন্য যথেষ্ট, তবে সে ক্ষেত্রে আদালত উন্মুক্ত আদালতে সাথে সাথেই অথবা নির্ধারিত কোনো তারিখে রায় ঘোষণা করতে পারবে।

৪,১০৪.
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করা হয় হয়েছে, সেই ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি সম্পত্তি ক্রোকের আদেশের তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ক্রোকি সম্পত্তি বিষয়ে আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮ (৬ক):
যদি এই ধারার অধীনে সংযুক্ত কোনও সম্পত্তির বিরুদ্ধে সংযুক্তির ছয় মাসের মধ্যে ঘোষিত ব্যক্তির ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো দাবি উত্থাপন করে বা আপত্তি জানায়, এই মর্মে যে, দাবিকারী বা আপত্তিকারীর উক্ত সম্পত্তিতে স্বত্ব বা স্বার্থ রয়েছে এবং সেই স্বার্থ এই ধারার অধীনে সংযুক্তির জন্য দায়ী নয়, তবে উক্ত দাবি বা আপত্তির তদন্ত করা হবে এবং সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে তা গ্রহণ বা বাতিল করা যেতে পারে।

তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্থাপিত কোনো দাবি বা আপত্তি, যদি দাবিকারী বা আপত্তিকারীর মৃত্যু ঘটে, তবে তার আইনগত প্রতিনিধি উক্ত দাবি বা আপত্তি চালিয়ে যেতে পারবে।
৪,১০৫.
যদি কোন নাবালক নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়া মামলা করে, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা স্থগিত করে
  2. মামলাটি মঞ্জুর করে
  3. মামলার শুনানি শুরু করে
  4. মামলা নথি হতে অপসৃত করে দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ২ অনুযায়ী, যদি কোনো নাবালক (minor) নেকস্ট ফ্রেন্ড (next friend) ছাড়া মামলা দায়ের করে, তবে বিবাদী (opposite party) আদালতের কাছে আবেদন করতে পারে যেন সেই মামলা নথি হতে খরচসহ অপসৃত (struck off the record) করা হয়। কারণ, আইন অনুযায়ী কোনো নাবালক নিজে এককভাবে বা স্বাধীনভাবে মামলা দায়ের করতে পারে না। নেকস্ট ফ্রেন্ড হল এমন একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি, যে নাবালকের হয়ে তার স্বার্থ রক্ষায় মামলা করে।
সুতরাং, যদি নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়া মামলা হয়, তাহলে আদালত সেই মামলাকে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করবে না এবং প্রয়োজনীয় শুনানির পর মামলাটি নথি হতে বাদ দিয়ে দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-২ নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়া মামলা দায়ের করা হলে আরজি নথি হতে অপসৃত হবে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলা কোন নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়াই নাবালক কর্তৃক বা নাবলকের পক্ষে দায়ের হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদী উক্ত আরজি যে, উকি ব্যক্তি কর্তৃক দাখিল হয়েছিল, তার নিকট হতে মামলার খরচাসহ আরজিটি নথি হতে অপসৃত করার জন্য আবেদন করতে পারে।
(২) উক্ত আবেদন পত্রের নোটিশ উক্ত ব্যক্তিকে প্রদান করতে হবে এবং আদালত তার আপত্তি (যদি থাকে) শবণের পর বিষয়টির উপর বিবেচনা মত সঙ্গত আদেশ দান করতে পারেন।
৪,১০৬.
ধারা ৮৯ক (২) অনুযায়ী নিম্নের কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন না?
  1. অবসরপ্রাপ্ত বিচারক
  2. আদালত নিজে
  3. প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত ব্যক্তি
  4. জেলা জজ কর্তৃক নিযুক্ত প্যানেলের সদস্য
ব্যাখ্যা
মধ্যস্থতাকারী: ৮৯ক (২) ধারা অনুযায়ী-

১. আদালত নিজে;
২. পক্ষগণ কর্তৃক নিযুক্ত উকিল বা উক্ত উকিল কর্তৃক নিযুক্ত অন্য কোন উকিল যে উক্ত মোকদ্দমায় কোন পক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত হয়নি;
৩. অবসরপ্রাপ্ত কোন বিচারক;
8. জেলা জজ কর্তৃক তৈরীকৃত প্যানেল থেকে কোন একজন মধ্যস্থতাকারী;
৫. অন্যকোন ব্যক্তি যাকে তারা মধ্যস্থতাকারী হিসাবে উপযুক্ত মনে করে;
তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না।
৪,১০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়?
  1. ৪১৭ ধারা
  2. ৪১৭ক ধারা
  3. ৪১৮ ধারা
  4. ৪১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
৪,১০৮.
নিচের কোথায় দেওয়ানী কার্যবিধির রিভিউ সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৪১ আদেশ
  2. ৪৩ আদেশ
  3. ৪৫ আদেশ
  4. ৪৭ আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ (Review)- আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে। অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
⇒ অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭ এর মাঝে রিভিউ বিধান আছে।  এই আদেশ অনুযায়ী রিভিউ হলো ডিক্রী প্রদানকারী আদালত কর্তৃক নিজের ভুল সংশোধনের জন্য বিচারিক পর্যালোচনা।
⇒  আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে। যে পক্ষ সংক্ষুব্ধ হবে সে পক্ষ রিভিউ করবে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা মতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ করতে হবে।
---------
⇒ CPC Order-47 Rule-1.Application for review of judgment:
(1) Any person considering himself aggrieved−
(a) by a decree or order from which an appeal is allowed, but from which no appeal has been preferred,
(b) by a decree or order from which no appeal is allowed, or
(c) by a decision on a reference from a Court of Small Causes, and who, from the discovery of new and important matter or evidence which, after the exercise of due diligence, was not within his knowledge or could not be produced by him at the time when the decree was passed or order made, or on account of some mistake or error apparent on the face of the record, or for any other sufficient reason, desires to obtain a review of the decree passed or order made against him, may apply for a review of judgment to the Court which passed the decree or made the order.

(2) A party who is not appealing from a decree or order may apply for a review of judgment notwithstanding the pendency of an appeal by same other party except where the ground of such appeal is common to the applicant and the appellant, or when, being respondent, he can present to the Appellate Court the case on which he applies for the review.
৪,১০৯.
“Clients, not advocates, are the litigants”- এই মূলনীতির মূল শিক্ষা কী?
  1. ক্কেল আইনজীবীর মতো জ্ঞানী নন
  2. আইনজীবীগণ মক্কেলের আত্মীয় হতে পারবেন না
  3. মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
  4. আইনজীবীদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব মামলায় প্রভাব ফেলতে পারবে
ব্যাখ্যা
♦Cannons of Professional Conduct and Etiquette, এর অধ্যায় ১, রুল ৭ অনুযায়ী ‘আইনজীবী নয়; মেক্কেলগণই মামলার ব্যক্তি’।
♦Conduct with regard to other advocates-এর ৭ নং দফায় এই মূলনীতি বলা হয়েছে। মামলা বা দ্বন্দ্ব হলো মক্কেলদের মধ্যে।
♦সুতরাং মক্কেলদের দ্বন্দ্ব যেমন আইনজীবীদের পারস্পরিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না তেমনি আইনজীবীদের পারস্পরিক ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব মক্কেলের মামলাকে প্রভাবিত করবে না। এটিই পেশার পেশাদারিত্ব।
৪,১১০.
ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় করার আদেশ কোন আদালত প্রদান করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র স্মল কজ আদালত
  2. শুধুমাত্র উচ্চ আদালত
  3. শুধুমাত্র জেলা আদালত
  4. স্মল কজ আদালত ব্যতীত অন্য যেকোন আদালত
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৮২: কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে:
স্মল কজ আদালত ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।

Rule-82: What Courts may order sales-
Sales of immovable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.
৪,১১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায় বাদীর নিচের কোনটি প্রমাণ করতে হবে না?
  1. সম্পত্তিটি দখলে ছিল
  2. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  3. বিবাদী তাকে বেদখল করেছে
  4. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলা করেছে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা,স্থাবর সম্পত্তি হইতে দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোনো ব্যক্তি তাহার অসম্মতিতে যথাযথ আইনগত পন্থা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি হইতে বেদখল হন, তাহা হইলে, তিনি অথবা তাহার মাধ্যমে দাবিদার কোনো ব্যক্তি, মামলার মাধ্যমে তাহার দখল পুনরুদ্ধার করিতে পারিবেন, যদিও এইরূপ মামলায় তিনি অপর কোনো স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত করিতে না পারেন।
এই ধারার কোনো কিছুই কোনো ব্যক্তিকে এইরূপ সম্পত্তিতে তাহার স্বত্ব প্রতিষ্ঠা করিতে এবং দখল পুনরুদ্ধার করিতে মামলা দায়েরের ক্ষেত্র প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিবে না।
এই ধারার অধীন সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা যাইবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত কোনো মামলায় প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাইবে না, অথবা এইরূপ কোনো আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাইবে না।
------------------
Specific Relief Act, Section-9, Suit by person dispossessed of immoveable property: If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৪,১১২.
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হবে ৬ মাসের মধ্যে এটি কোন আর্টিকেলে বলা হয়েছে?
  1. ১৮০
  2. ১৮২
  3. ১৫৫
  4. ১৫৭
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের সিডিউলের ১৫৭ নং আর্টিকেলের বিধান অনুসারে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য ৬ মাসের তামাদির মেয়াদের বিধান করা হয়েছে।
৪,১১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ঘ এর অধীনে মধ্যস্থতার আবেদন গ্রহণ করলে, মোকদ্দমা কোন বিধানের অধীনে নিষ্পত্তি হবে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ
  3. আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক বা ধারা ৮৯গ
ব্যাখ্যা

Section 89D – Mediation সংক্রান্ত বিশেষ বিধান:
যে কোনো মোকদ্দমা বা আপিল, যা সিভিল প্রসিডিউর সংশোধন আইন, ২০১২ কার্যকর হওয়ার পূর্বেই কোনো আদালতে বিচারাধীন ছিল- সেই মোকদ্দমার পক্ষগণ যদি একটি আবেদন দাখিল করে জানান যে তারা মধ্যস্থতার (mediation) মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আগ্রহী, তাহলে সেই মোকদ্দমা বা আপিল Section 89A অথবা Section 89C–এর বিধান অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে।

৪,১১৪.
দোবারা দোষ (Res judicata) বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিধান আছে-
  1. ৯ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ১১ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১ তে রেস জুডিকাটার (res judicata) বিধান আছে।  দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন বিষয়ে একবার আদালত সিদ্ধান্ত দিলে ঐ বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পুনরায় মামলা করা যায় না । 
♦ একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে।
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ তে  Principle of Res judicata আছে।  একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে ।
♦ অর্থাৎ Principle of Res judicata হল আইন ও ঘটনার সম্মিলিত একটি বিষয়।
৪,১১৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ১৪ এর বিধান কি?
  1. দলিল স্বীকার
  2. জবাবন্দী গ্রহণ
  3. দলিল আটক
  4. বিচার্য বিষয় গঠন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধান হল বিচার্য বিষয় নির্ধারণ এবং আইনগত বিচার্য বিষয় বা সম্মতিক্রমে বিচার্য বিষয় মোতাবেক মোকদ্দমার সিদ্ধান্তে পৌঁছান।
⇒ যখন কোন ঘটনার বা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একপক্ষ  দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।
⇒ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলতে আইনগত বা তথ্যসংক্রান্ত সেই সমস্ত বিষয় বুঝাবে, বাদী কর্তৃক তার মামলা করার অধিকার প্রতিপন্ন করার জন্য যে বিষয়ে অভিযোগ আনয়ন করতে হবে, অথবা বিবাদী কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য যে বিষয়ের উপর নির্ভর করতে হবে।
⇒  একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করে।
⇒  বিচার্য বিষয় দুই প্রকার : ক) তথ্যগত বা ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় খ) আইনগত বিচার্য বিষয় ।
⇒ লিখিত জবাব দাখিলের ১৫ দিনের মধ্যে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং বিচার্য বিষয় প্রণয়নের ১২০ দিনের ভিতর চূড়ান্ত শুনানীর তারিখ নির্ধারন হবে।
৪,১১৬.
No suit under __________ shall be brought against the Government.
  1. Section 8
  2. Section 9
  3. Section 42
  4. Section 12
ব্যাখ্যা
⇒ Section 9 Suit by person dispossessed of immoveable property: If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit. 
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof. 
No suit under this section shall be brought against the Government. 
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
-----------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
৪,১১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী যদি সাক্ষী সমন অনুযায়ী হাজির হতে ব্যর্থ হন, তবে আদালত কী করতে পারেন?
  1. সাক্ষীকে শুধুমাত্র পরবর্তীতে সমন পাঠানো হবে।
  2. আদালত সাক্ষীকে শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করবেন।
  3. আদালত সাক্ষীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারবেন।
  4. আদালত সাক্ষীকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা পাঠাতে পারেন।
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৬ বিধি-১০ মোতাবেক সাক্ষী সমন অমান্য করলে:
ক) আদালত উক্ত সাক্ষীর প্রতি হুলিয়া জারি করতে পারবেন। হুলিয়ার একটি কপি তার বাসগৃহে বা প্রকাশ্য স্থানে ঝুলিয়ে দিতে হবে।
খ) গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং আদালত চাইলে সম্পত্তি ক্রোকাদেশ দিতে পারেন।
তবে স্বল্প এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত স্থাবর সম্পত্তি  ক্রোকের কোন আদেশ দিতে পারবেন না।  

→ যেখানে সাক্ষী সমন মান্য করতে অপারগ হয়, তখন আদালত নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করবে:
১. শপথনামার মাধ্যমে সমন জারীর সত্যতা যাচাই:
যদি সাক্ষী সমন মেনে হাজির হতে বা দলিল দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, এবং সমন জারি করা কর্মচারী শপথনামার মাধ্যমে তার সত্যতা প্রতিপন্ন না করে থাকে, তাহলে আদালত শপথনামার মাধ্যমে সেই কর্মচারীর জবানবন্দী গ্রহণ করবে বা অন্য আদালতের মাধ্যমে তা করাবে।
২. সাক্ষ্য বা দলিল দাখিলের জন্য ইশতেহার জারি:
যদি আদালত মনে করে যে, সাক্ষ্য বা দলিল দাখিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং সাক্ষী আইনসঙ্গত কারণে না হাজির হয়ে থাকে বা ইচ্ছাকৃতভাবে সমন এড়ায়, তাহলে আদালত সেই সাক্ষীকে নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে হাজির করার জন্য ইশতেহার জারি করতে পারে। ইশতেহারের একটি কপি ওই ব্যক্তির বসবাসস্থানে বা অন্য কোন দৃশ্যমান স্থানে লটকাতে হবে।
৩. গ্রেফতার বা সম্পত্তি ক্রোক:
যদি ইশতেহার জারির পরেও ব্যক্তিটি হাজির না হন, তখন আদালত তাকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারে এবং জামিন শর্তসহ বা জামিন ব্যতিরেকে তাকে গ্রেফতার করার আদেশ দিতে পারে। আদালত সেই ব্যক্তির কিছু সম্পত্তি ক্রোক করারও নির্দেশ দিতে পারে, তবে ১২ বিধির অধীনে প্রযোজ্য খরচ ও জরিমানার পরিমাণের উপরে তা হবে না। তবে, স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারবে না।
৪,১১৮.
দস্যুতা সংঘটনের সময় স্বেচ্চাকৃত আঘাত প্রদানের সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৩৯৪ ধারার বিধান অনুযায়ী দস্যুতা সংঘটনের সময় স্বেচ্ছাকৃত আঘাত প্রদানের শাস্তি (Voluntarily causing hurt in committing robbery) হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড তদুপরি অর্থদণ্ড।
৪,১১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৫ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে আদালত নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. আবেদনকারী যদি প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে।
  2. আবেদনকারী যদি মামলার বিষয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছায়।
  3. আবেদনকারীর অভিযোগ যদি নালিশের কারণ না দর্শায়।
  4. উপরের সবকটি।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৩৩, বিধি ৫ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কারণগুলোর যেকোন একটি বিদ্যমান থাকলে আদালত নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি প্রত্যাখ্যান করতে পারে:
১. আবেদনটি বিধি অনুযায়ী গঠিত না হলে বা সঠিকভাবে দাখিল না হলে।
২. আবেদনকারী প্রকৃতপক্ষে নিঃসম্বল ব্যক্তি না হলে।
৩. আবেদনকারী প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে থাকলে।
৪. আবেদনকারীর অভিযোগ কোনো নালিশের কারণ না দর্শালে।
৫. আবেদনকারী মামলার বিষয়বস্তুর উপর এমন কোনো চুক্তিতে পৌঁছে থাকলে, যার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তি সেই বিষয়ে স্বার্থবান হয়।
- এই সবগুলো ক্ষেত্রই আদালতের পক্ষ থেকে আবেদন প্রত্যাখ্যান করার যথাযথ ভিত্তি।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33 Rule-5.Rejection of application:
The Court shall reject an application for permission to sue as a pauper-
(a) where it is not framed and presented in the manner prescribed by rules 2 and 3, or
(b) where the applicant is not a pauper, or
(c) where he has, within two months next before the presentation of the application, disposed of any property fraudulently or in order to be able to apply for permission to sue as a pauper, or
(d) where his allegations do not show a cause of action, or
(e) where he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the proposed suit under which any other person has obtained an interest in such subject-matter.
৪,১২০.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোনটি অপথে গৃহপ্রবেশ (House breaking) হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. সিঁধ কেটে প্রবেশ করা
  2. তালা ভেঙে প্রবেশ করা
  3. আক্রমণ বা ভয় দেখিয়ে প্রবেশ করা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।

অর্থাৎ, সিঁধ কেটে, তালা ভেঙে বা আক্রমণ/ভয় দেখিয়ে যেকোনো প্রবেশকেই অপথে গৃহপ্রবেশ বলা হয়।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
 
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass.
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation.-Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
৪,১২১.
তামাদি আইনের ৫ ধারার সুবিধা কে অধিকার হিসাবে দাবি করতে পারে?
  1. বাদী
  2. সরকার
  3. কেউ না
  4. দরখাস্তকারী
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ৫ ধারা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতার আওতায় পড়ে, কেউ এটিকে আইনগত অধিকার হিসাবে দাবি করতে পারে না।
- তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৫ একটি সুযোগ বা discretionary privilege যা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে প্রদান করা হয়। এটি অধিকার (Right) নয় — বরং এটি দরখাস্তকারীর একটি অনুরোধ মাত্র, যা আদালত "যথোপযুক্ত কারণ" থাকলে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
- যদি কোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের পরে আবেদন (Application), আপিল (Appeal) বা রিভিশন (Revision) দায়ের করেন, এবং তিনি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে বিলম্বটি "সুযোগ্য কারণবশত" হয়েছে, তাহলে আদালত ধারা ৫-এর আওতায় বিলম্ব মাফ (condone) করতে পারে।

অর্থাৎ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৫-এ বিলম্ব মওকুফের (condonation of delay) বিধান থাকলেও এটি কোনো অধিকার (right) নয়, বরং এটি সম্পূর্ণরূপে আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা (discretionary power)-এর উপর নির্ভরশীল।
তাই সঠিক উত্তর: গ) কেউ না।
৪,১২২.
Plea of Alibi-কে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ২৪
ব্যাখ্যা
Plea of Alibi অর্থ:
- "Alibi" একটি লাতিন শব্দ যার অর্থ "অন্যত্র"। ফৌজদারি মামলায় আসামি যদি দাবি করে যে, অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থলে ছিল না, বরং অন্যত্র ছিল, তাহলে সেটিই Plea of Alibi।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১: “যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ বা যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্বকে অধিকতর অসম্ভব বা সম্ভব করে তোলে, সেসব ঘটনা প্রাসঙ্গিক।”
- অর্থাৎ, যদি কোনো আসামি প্রমাণ করতে পারে যে, সে অপরাধ সংঘটনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না (অন্যত্র ছিল), তবে সেই তথ্য বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্বকে অসম্ভব করে তোলে, ফলে সেটা ধারা ১১ অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হয়।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 11. When facts not otherwise relevant become relevant:
- Facts not otherwise relevant are relevant–
(1) If they are inconsistent with any fact in issue or relevant fact;
(2) If by themselves or in connection with other facts they make the existence or non-existence of any fact in issue or relevant fact highly probable or improbable.
৪,১২৩.
প্রশ্ন হলো ক” কোন অপরাধ করেছে কিনা? এই ক্ষেত্রে নিম্মলিখিত কোনটি প্রাসঙ্গিক না?
  1. অপরাধ সংঘটনের পর ক” পালিয়ে যায়
  2. অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি ক” এর দখলে ছিল
  3. ক” কোন বিষয় লুকানোর চেষ্টা করে
  4. ক” কর্তৃক পুলিশের নিকট প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
♦পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত কোন দোষস্বীকারোক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবেনা।
৪,১২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে মোকদ্দমা প্রত্যাহার বা দাবির আংশিক পরিত্যাগের বিধান রয়েছে- 
  1. আদেশ ১২, বিধি ১০
  2. আদেশ ২৩, বিধি ১ 
  3. আদেশ ২১, বিধি ১১
  4. আদেশ ২৫, বিধি ৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ২৩, বিধি ১-এ "Withdrawal of suit or abandonment of part of claim" সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, মোকদ্দমা দায়েরের পর যেকোনো সময় বাদী সকল বা যেকোনো বিবাদীর বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারেন। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
--------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.

৪,১২৫.
প্রতারণা (Cheating) কি?
  1. অসাধুভাবে কারো নিকট কোনো সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করা
  2. ছলনার মাধ্যমে কারো দেহ, মন বা সম্পত্তির ক্ষতি করা
  3. অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
------------
Cheating:
Section 415. Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৪,১২৬.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ৩টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:

⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপঃ

১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।

২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।

৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।

৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।

৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায়না।

৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।

৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
৪,১২৭.
তামাদি আইনের ২০ ধারা প্রযোজ্য -
  1. অগ্রক্রয় মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. পারিবারিক মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  3. অর্থ আদায়ের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  4. স্বত্ব ঘোষণার মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২০ ধারা (Section 20 of the Limitation Act) এমন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে কোনো দায় (debt) স্বীকার করা হয় বা আংশিক পরিশোধ করা হয়, এবং এর ফলে নতুন করে সময় গণনা শুরু হয়। এটি সাধারণত অর্থ আদায়ের মামলা বা দেনা-পাওনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

তামাদি আইনের ২০ ধারামতে,
ঋণ বা দেনার ক্ষেত্রে তামাদির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই আংশিকভাবে কোন ঋণ বা সুদ পরিশোধ করলে, উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদির সময় শুরু হয়। অর্থাৎ কোন দেনা আংশিক পরিশোধ করলে পরিশোধের তারিখ হতে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।তবে এই ক্ষেত্রে দেনা পরিশোধ অবশ্যই লিখিত এবং স্বাক্ষরিত হতে হবে।
৪,১২৮.
কোন আদালত যেকোন ব্যক্তির জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. ক এবং খ
  4. যে আদালত জামিন দেয়
ব্যাখ্যা
হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।

ধারা ৪৯৮- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা
(১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 498- Power to direct admission to bail or reduction of bail-
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৪,১২৯.
একজন ব্যক্তি আদালতে বললেন- “আমি ঐ লেখকের চিঠির উত্তর পেয়েছি, তাই তার লেখা চিনতে পারি।” এটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারার অধীনে প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ৪৫
  2. ধারা ৪৬
  3. ধারা ৪৭
  4. ধারা ৪৭ক
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ অনুযায়ী-
যখন আদালতকে কারো লেখা বা স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন এমন ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক (relevant) বলে গণ্য হয়, যিনি ঐ ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত।

ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে- যদি কেউ ঐ ব্যক্তির লেখা চিঠির উত্তরস্বরূপ কোনো চিঠি পেয়ে থাকে, তবে তিনি ঐ ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে গণ্য হবেন।

অতএব, যে ব্যক্তি বলেন “আমি ঐ লেখকের চিঠির উত্তর পেয়েছি, তাই তার লেখা চিনতে পারি,” তার মতামত ধারা ৪৭-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ (হস্তলিপি সম্পর্কে মতামত):
যখন আদালতকে কোনো নথি কে লিখেছে বা স্বাক্ষর করেছে — সে বিষয়ে মতামত গঠন করতে হয়, তখন এমন কোনো ব্যক্তির মতামত, যিনি ঐ ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত, এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক (Relevant) বলে গণ্য হবে।

অর্থাৎ- যে ব্যক্তি ঐ লেখকের লেখার ধরন বা স্বাক্ষরের সঙ্গে পরিচিত, তার মতামত আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

ব্যাখ্যা (Explanation): কোনো ব্যক্তি অন্য একজনের হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত (acquainted) বলে গণ্য হবে যদি সে ব্যক্তিকে নিজ চোখে লিখতে দেখেছে, অথবা সে ঐ ব্যক্তির লেখা চিঠির উত্তরস্বরূপ চিঠি পেয়েছে, যা সে নিজে বা তার কর্তৃত্বে লেখা এবং ঐ ব্যক্তির উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল, অথবা  ব্যবসার সাধারণ নিয়মে, ঐ ব্যক্তির লেখা বলে ধারণা করা হয় এমন নথিপত্র নিয়মিতভাবে তার কাছে জমা দেওয়া হয় এবং সে সেগুলো দেখে অভ্যস্ত।

৪,১৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার ক্ষমতাবলে একটি দেওয়ানি আদালত কোনো পদ্ধতিগত কাজের জন্য নির্ধারিত সময় বর্ধিত করতে পারেন?
  1. ১৪৭ ধারায়
  2. ১৪৮ ধারায়
  3. ১৪৯ ধারায়
  4. ১৫০ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮: ধারা ১৪৮- সময় বাড়ানো:
যদি আদালত কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে থাকে, তবুও আদালত পরবর্তীতে নিজের বিবেচনা অনুযায়ী সেই সময়সীমা বাড়াতে পারবে।

Section 148- Enlargement of time:
Where any period is fixed or granted by the Court for the doing of any act prescribed or allowed by this Code, the Court may, in its discretion, from time to time, enlarge such period, even though the period originally fixed or granted may have expired.

এই বিধানের উদ্দেশ্য হল বিচারকার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আদালতকে সুযোগ দেওয়া। কারণ প্রতিটি মামলার পরিস্থিতি একইরকম না হওয়ায় আদালতকে প্রয়োজনীয় সময়সীমা নির্ধারণের জন্য নমনীয়তা রাখা উচিত। তবে এই ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে বাঁচতে আদালতকে সতর্ক থাকতে হবে।
৪,১৩১.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "Evidence" বলতে কী বোঝায়?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. লিখিত সাক্ষ্য
  3. ফরেনসিক উপাদান
  4. উল্লিখিত সবগুলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন (Evidence Act), ধারা ৩ অনুযায়ী "Evidence" বা সাক্ষ্য বলতে বোঝানো হয়েছে তিনটি বিষয়কে:
(১) মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence): “all statements which the Court permits or requires to be made before it by witnesses, in relation to matters of fact under inquiry”
- অর্থাৎ: যেসব বক্তব্য আদালত সাক্ষীর মাধ্যমে গ্রহণ করে, তা মৌখিক সাক্ষ্য।
(২) লিখিত সাক্ষ্য বা নথিপত্র (Documentary Evidence): “all documents produced for the inspection of the Court”
- অর্থাৎ: মামলার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো কাগজপত্র বা নথি যা আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তা লিখিত সাক্ষ্য।
(৩) ফরেনসিক বা শারীরিক উপাদান (Physical or Forensic Evidence):  এই অংশটি একটি সংশোধনী (Amendment) দ্বারা যুক্ত হয়েছে এবং এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে: রক্ত, চুল, বীর্য, DNA, অঙ্গ বা তার অংশ, আঙুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের মণির ছাপ, পায়ের ছাপ ইত্যাদি এমন বস্তু যা অপরাধ প্রমাণে বা অপরাধী ও ভুক্তভোগীর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে সহায়ক।
- এদের বলা হয়: physical or forensic evidence.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩ অনুযায়ী: "Evidence includes—
(1) all oral statements which the Court permits as testimony (oral evidence),
(2) all documents produced for inspection (documentary evidence), and
(3) forensic materials like DNA, fingerprints, etc."

⇒ সাক্ষ্য আইন অনুসারে, "Evidence" বলতে বোঝায়: মৌখিক সাক্ষ্য , লিখিত সাক্ষ্য, ফরেনসিক উপাদান। 
তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) উল্লিখিত সবগুলা।
৪,১৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।

(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারী করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।

(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।

(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার নিকট হাজির হবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুইমাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

RULINGS
(১) সকল নাগরিক ধর্মসভা করার অধিকার রাখে কিন্তু অন্যকে আঘাত করার বা বিচলিত করার অধিকার ধর্মসভার নামে কেউই পায় না। এরকম আংশকা হলে এ ধারার প্রয়োগ সিদ্ধ। [PLD 1956 FC 190]

(২) যখন পরিস্থিতি গুরুতর হয় এবং আশু ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজনীয় হয় কেবলমাত্র তখনই ম্যাজিষ্ট্রেট এই ধারায় আদেশ জারি করতে পারেন।
৪,১৩৩.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অভিন্ন অভিপ্রায়ের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১২ ধারায়
  4. ১৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।
 
ধারা ১০: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ:

দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।
 
Section 10-Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
৪,১৩৪.
What does Section 140 state about 'witnesses to character'?
  1. They cannot be cross-examined.
  2. They can only be examined once.
  3. They may be cross-examined and re-examined.
  4. They must provide character references in writing.
ব্যাখ্যা
Section 140- Witnesses to character:
Witnesses to character may be cross-examined and re-examined.

ধারা ১৪০: চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষী:
চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষীদের জেরা (cross-examination) এবং পুনরায় জেরা (re-examination) করা যেতে পারে। অর্থাৎ, যদি কোনো সাক্ষী কারো চরিত্রের পক্ষে বা বিপক্ষে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে সেই সাক্ষীকে জেরা এবং পুনরায় জেরা করার অধিকার দুই পক্ষেরই থাকে।
৪,১৩৫.
নিচের কোন ধারায় ‘বলপূর্বক গ্রহণ’’ (Extortion) এর বিধান রয়েছে?
  1. ৪৮৩
  2. ৩৮৩
  3. ২৮৩
  4. ৩৮৯
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধি ৩৮৩ ধারাতে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion) রয়েছে।
- কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
৪,১৩৬.
স্মল কজ কোর্ট কোন আদালতের অধস্তন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা আদালত
  3. রাজস্ব আদালত
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩ ধারার বিধান - আদালতের পর্যায়ক্রম:
এই কোডের উদ্দেশ্যে, জেলা আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ের সকল দেওয়ানি আদালত এবং সকল স্মল কজ কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ ও জেলা আদালতের অধস্তন।

Section-3: Subordination of Courts:
-For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.
৪,১৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি ২ মাস বা ৬০  দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে। 

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।
(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারী করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।
(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।
(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।
(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার নিকট হাজির হবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুইমাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
৪,১৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪৪২
  2. ধারা ৪৪২ক
  3. ধারা ৪৪৩
  4. ধারা ৪৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision: 
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
৪,১৩৯.
The Evidence Act 1872 এর বিধান অনুসারে বিবাহ বিচ্ছেদের পর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী বা বিধবা স্ত্রী কত দিনের মধ্যে সন্তান প্রসব করলে পূর্বের স্বামীর বৈধ সন্তান হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ২০৮ দিন
  2. ১৮০ দিন
  3. ২১০ দিন
  4. ২৮০ দিন
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১১২ ধারা অনুসারে কোন বিবাহ  বজায়/বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে কোন নারী সন্তান প্রসব করলে তা পূর্বের স্বামীর  বৈধ সন্তান হিসেবে গণ্য হবে। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ।
৪,১৪০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৬ অনুযায়ী, নিচের কোন ক্ষেত্রে নোটিশ দেওয়া প্রয়োজন নেই?
  1. যখন দলিলটি নিজেই একটি নোটিশ
  2. যখন মূল দলিল আদালতে উপস্থাপন করা হয়
  3. যখন বিরোধী পক্ষ জানে যে তাকে দলিল দেখাতে হবে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ধারা ৬৬ অনুযায়ী, গৌণ সাক্ষ্য (secondary evidence) গ্রহণযোগ্য করার জন্য সাধারণভাবে মূল দলিল যিনি দখলে রেখেছেন, তাকে পূর্বে "notice to produce" দিতে হয়।
তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে যেখানে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না, যেমন:
১.দলিলটি নিজেই একটি নোটিশ হলে
২.মামলার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রতিপক্ষ জানে যে দলিল চাওয়া হবে
৩.দলিল যদি আদালতেই থাকে বা বিরোধী পক্ষের কাছেই থাকে
- এই তিনটি অবস্থাতেই নোটিশ না দিয়েও গৌণ সাক্ষ্য উপস্থাপন করা আইনসম্মত ও গ্রহণযোগ্য, তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবকটি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৬-এর প্রোভাইসোতে দলিল উপস্থাপনের জন্য নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা থেকে ছয়টি নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম বা ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলোতে গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। নিচে ছয়টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র উল্লেখ করা হলো:
১) যখন প্রমাণ করার জন্য দলিলটি নিজেই একটি নোটিশ (When the document to be proved is itself a notice):
- যদি যে দলিলটি প্রমাণ করতে হবে তা নিজেই একটি নোটিশ হয়, তবে আলাদাভাবে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
২) যখন মামলার প্রকৃতি থেকে বিপক্ষীয় পক্ষ জানে যে তাকে দলিলটি উপস্থাপন করতে হবে (When, from the nature of the case, the adverse party must know that he will be required to produce it):
- যদি মামলার পরিস্থিতি এমন হয় যে বিপক্ষীয় পক্ষ স্বাভাবিকভাবেই বুঝতে পারে যে তাকে দলিলটি দেখাতে হবে, তবে নোটিশের প্রয়োজন হয় না।
৩) যখন দেখা যায় বা প্রমাণিত হয় যে বিপক্ষীয় পক্ষ জালিয়াতি বা জোর করে মূল দলিলটি দখল করেছে (When it appears or is proved that the adverse party has obtained possession of the original by fraud or force):
- যদি বিপক্ষীয় পক্ষ মূল দলিলটি প্রতারণা বা জোরপূর্বক দখল করে থাকে, তবে নোটিশ দেওয়ার দরকার নেই।
৪) যখন বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার এজেন্টের কাছে মূল দলিলটি আদালতে থাকে (When the adverse party or his agent has the original in Court):
- যদি মূল দলিলটি বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার প্রতিনিধির কাছে আদালতে উপস্থিত থাকে, তবে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
৫) যখন বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার এজেন্ট দলিলটি হারিয়ে গেছে বলে স্বীকার করে (When the adverse party or his agent has admitted the loss of the document):
- যদি বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার প্রতিনিধি স্বীকার করে যে মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে, তবে নোটিশের প্রয়োজনীয়তা বাদ যায়।
৬) যখন দলিলের দখলে থাকা ব্যক্তি আদালতের নাগালের বাইরে বা আদালতের প্রক্রিয়ার আওতাধীন নয় (When the person in possession of the document is out of reach of, or not subject to, the process of the Court):
- যদি যে ব্যক্তির কাছে দলিলটি আছে তিনি আদালতের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকেন বা আদালতের আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় না পড়েন, তবে নোটিশ দেওয়া প্রয়োজন নেই।
৪,১৪১.
তামাদি আইনের ৩ ধারা প্রযোজ্য হবে-
  1. আপিলের ক্ষেত্রে
  2. দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে
  3. মূল মামলার ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ধারা-৩: তামাদি মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত মামলা ইত্যাদি খারিজ -
এই আইনের ৪ হইতে ২৫ ধারা (উভয় ধারাসহ) সাপেক্ষে- প্রথম তফসিলে বর্ণিত নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ পার হওয়ার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু বা দাখিল করা হলে, বিবাদীপক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে, তবুও উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।

ব্যাখ্যা: সাধারণত উপযুক্ত কর্মচারির নিকট আরজি উপস্থিত করলে, নিঃস্ব হলে নিঃস্বভাবে মামলা করার অনুমতির জন্য দরখাস্ত করলে এবং আদালত যেখানে কোম্পানি বন্ধ করে ফেলছে; সেখানে কোম্পানির বিরুদ্ধে দাবির ক্ষেত্রে দাবিদার সরকারী অবসায়কের নিকট দাবি প্রেরণ করলে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে বিবেচনা করা হয়।

• ধারা ৩ অনুযায়ী,
নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হবার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত করা হলে মামলা খারিজ হবে। এক্ষেত্রে বিবাদী পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন না করলেও আদালত তা খারিজ করে দেবেন। তামাদি আইনের ৩ ধারা ৩টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে-
- মূল মামলা (Original suit);
- আপিল (Appeal);
- দরখাস্ত/আবেদনপত্র (Application)।

• ৩ ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। তাই পক্ষগণ একমত হয়েও তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবে না। আদালত তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার ফলে কোন মোকদ্দমা খারিজ করলে পরবর্তী ঐ মামলার একই পক্ষ একই বিষয়বস্তু নিয়ে কোন মোকদ্দমা করলে উক্ত মোকদ্দমা Res-Judicata দ্বারা বারিত হবে।
৪,১৪২.
ধারা ৩৭ অনুযায়ী, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা না হলে আদালত কি নির্দেশ দিতে পারে?
  1. চুক্তির সংশোধন
  2. চুক্তির মূল্য বৃদ্ধি
  3. চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি
  4. চুক্তি বাতিল বা রদ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৪,১৪৩.
Under the Evidence Act, "Fact" means and includes-
  1. any mental condition of which any person is conscious.
  2. anything capable of being perceived by the senses;
  3. A & B
  4. None of the above.
ব্যাখ্যা
⇒ "Fact" means and includes-

(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;

(2) any mental condition of which any person is conscious.

⇒ ঘটনা (Fact): 'ঘটনা' এর অর্থ -

১। কোন কিছু, কোন কিছুর অবস্থা বা কোন কিছুর সম্পর্ক, যা ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভবযোগ্য।

২। কোন মানসিক অবস্থা, যে সম্পর্কে কোন ব্যক্তি সচেতন।
৪,১৪৪.
'ক' একটি ছুরি ঘুরাতে ঘুরাতে 'চ'-কে বলিল, "তোমাকে কুপিয়ে দেব।" এবং 'চ' এর দিকে দৌড়ে যায়। 'চ' এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও 'ক' এই কাজ করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর অপরাধ-
  1. বলপ্রয়োগ করেছে।
  2. আক্রমণ করেছে।
  3. অপরাধমূলক ক্ষতি করেছে।
  4. আঘাত করেছে।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান  আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
উদাহরণ
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে। 

(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।

(গ) ক একটি লাঠি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, "তোমাকে পিটুনি দেব।" এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতূল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
-----------
Assault:
Section 351. Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 
 
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
 
Illustrations 
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
৪,১৪৫.
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে -
  1. সম্পূর্ণ দলিল বাতিল হবে
  2. কেবলমাত্র বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে
  3. বাতিলযোগ্য অংশটিও বৈধ বলে গণ্য হবে
  4. দলিলের অবশিষ্ট অংশও অকার্যকর হবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী,
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র সেই বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে। দলিলের অবশিষ্ট অংশগুলি বলবৎ থাকবে।

[Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.]

অর্থাৎ দলিলের সম্পূর্ণ অংশই বাতিল হবে না, শুধু বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বা অকার্যকর হবে। দলিলের অন্যান্য অংশসমূহ যেখানে বৈধ অধিকার সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলি বলবৎ থাকবে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হল একই দলিলের সকল অংশকেই বাতিল না করে, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশকেই বাতিল করা এবং বাকি দলিলটিকে কার্যকর রাখা। এতে দলিলের মূল উদ্দেশ্য বা বৈধ অংশগুলি বলবৎ থাকবে এবং কেবলমাত্র অবৈধ অংশটি বাতিল হবে। এটি দলিলের পক্ষদের স্বার্থরক্ষা করে।
৪,১৪৬.
The Limitation Act, 1908–এর ধারা ৫ অনুযায়ী, কোন কোন ক্ষেত্রে তামাদি অতিক্রান্ত হলেও আবেদন গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
  1. সব ধরনের মামলার ক্ষেত্রে
  2. ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে
  3. আপিল ও নির্দিষ্ট দরখাস্তের ক্ষেত্রে
  4. কেবল মূল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908–এর ধারা ৫-
তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হলেও কোনো আপিল, রিভিশন বা রিভিউয়ের দরখাস্ত, আপিলের অনুমতির জন্য দরখাস্ত, কিংবা প্রচলিত কোনো আইনের দ্বারা যেসব দরখাস্তের ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য করা হয়েছে—সে সকল আবেদন আদালত গ্রহণ করতে পারে, যদি আপিলকারী বা আবেদনকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল বা দরখাস্ত দাখিল করতে না পারার পেছনে তার যথার্থ বা পর্যাপ্ত কারণ (sufficient cause) ছিল। অর্থাৎ, যথেষ্ট কারণ প্রমাণিত হলে আদালত দেরি হওয়া সত্ত্বেও আবেদন গ্রহণের ক্ষমতা রাখে।

এছাড়া, এই ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে, যদি আপিলকারী বা আবেদনকারী তামাদির নির্ধারিত সময়সীমা নির্ণয় বা গণনা করতে গিয়ে হাইকোর্ট বিভাগের কোনো আদেশ, প্রচলিত রীতি (practice) বা রায়ের দ্বারা বিভ্রান্ত (misled) হন, তবে সেই বিভ্রান্ত হওয়াটিও এই ধারার অর্থে যথার্থ কারণ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

৪,১৪৭.
দণ্ডবিধির ৩৭ ধারার অধীনে কোন বিধানটি সঠিক?
  1. শুধুমাত্র প্রধান অপরাধীই দায়ী হবে
  2. যিনি অপরাধে অংশগ্রহণ করেননি তিনি দায়ী হবেন না
  3. অপরাধে সহযোগীতাকারী ব্যক্তিও দায়ী হবে
  4. শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা- যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা:

যখন কতিপয় কার্যের মাধ্যমে অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, তখন কেউ কতিপয় কাজের মধ্যে একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা করলে উক্ত সহযোগীতাকারী ব্যক্তি অন্য অপরাধীদের সাথে যৌথভাবে সমান দায়ী হবে। অর্থাৎ, একই অভিপ্রায় বিদ্যমান না থাকলেও একজন অপরাধীর কাজ যদি অপর অপরাধীর কাজের সহায়ক বা সমর্থনমূলক হয়, তাহলে উভয়ই দায়ী হবে।
[When an offence is committed by means of several acts, whoever intentionally co-operates in the commission of that offence by doing any one of those acts, either singly or jointly with any other person, commits that offence.]

যেমন- ক ও খ পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে ফ-কে খুন করার জন্য একমত হয়। ক ও খ, ফ- কে খুন করার উদ্দেশ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। ফ-এর প্রতি অনুরূপভাবে প্রযুক্ত কতিপয় মাত্রা বিষ প্রয়োগের ফলে ফ-এর মৃত্যু হয়। এখানে ক ও খ ইচ্ছাপূর্বকভাবে খুন সংঘটনে সহযোগিতা করে এবং তারা প্রত্যেকেই এইরূপ একটি কার্য সম্পাদন করে যা দ্বারা মৃত্যু সংঘটিত হয়। সুতরাং যদিও ক ও খ এর কার্যসমূহ স্বতন্ত্র তবুও উভয়েই ফ-কে খুনের অপরাধে দায়ী।
৪,১৪৮.
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে কার অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে?
  1. বাদীর
  2. বিবাদীর
  3. উভয়ের
  4. ৩য় কোনো পক্ষের
ব্যাখ্যা
কোন সম্পত্তিতে দখল লাভের জন্য মামলা করার বিষয়ে এই আইনে যে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে, তা অতিবাহিত হবার পর উক্ত সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

• তামাদি আইনে ২৬-২৮ ধারায় মালিকানা অর্জনের ২টি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে-
১) সুখাধিকার (Easement) 
২) প্রেসক্রিপশন (Law of Prescription)

• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮ (সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি)-
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৪,১৪৯.
অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য একজন প্রার্থী কত নম্বরের ভাইভা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে?
  1. ১০০
  2. ৫০
  3. ২৫
  4. ২০০
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules-60B. Every applicant who has qualified in the written examination under these rules shall appear at a viva-voce examination held under the direction and supervision of the Enrolment Committee of the Bar Council. The viva- voce examination shall be of 50 marks.

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules-60C. A candidate for enrolment as Advocate shall have to obtain at least 50 marks in written examination and 25 marks in viva-voce examination.
৪,১৫০.
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় কয়টি অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় বলা হয়েছে,
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করলে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

এই ধারায় মূলত ৩টি ভিন্ন ভিন্ন কার্যকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে:
১. যুদ্ধ ঘোষণা করা (Waging war);
২. যুদ্ধ ঘোষণার চেষ্টা করা (Attempting to wage war);
3. যুদ্ধ ঘোষণা করতে সহায়তা করা বা প্ররোচিত করা (Abetting the waging of war)।
৪,১৫১.
Section 16 of The Specific Relief Act,1877 states provisions regarding specific performance of ________ part of contract.
  1. small
  2. large
  3. important
  4. independent
ব্যাখ্যা
• Section 16- Specific performance of independent part of contract:
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে,
কোনো চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
৪,১৫২.
একজন বিকৃত মস্তিষ্কের ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ থেকে নিয়ে গেলে দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে অপরাধ সংঘটিত হবে?
  1. ধারা ৩৫৯
  2. ধারা ৩৬০
  3. ধারা ৩৬১
  4. ধারা ৩৬২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, কোনো ব্যক্তি যদি "বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে" তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ থেকে নিয়ে যায়, তবে তা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব থেকে মনুষ্যহরণ বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

৪,১৫৩.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমান হলো-
  1. ঘটনা সম্পর্কিত অনুমান
  2. অখণ্ডননযোগ্য আইনগত অনুমান
  3. খণ্ডনযোগ্য আইনগত অনুমান
  4. আইন ও ঘটনার মিশ্র অনুমান
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারার অনুমান হলো চূড়ান্ত প্রমাণ। ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমান চূড়ান্ত প্রমাণ হলেও এটা খণ্ডনযোগ্য আইনসম্পর্কিত অনুমান। যেমন কোন সন্তানের পিতা ও মাতার মধ্যে বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন সময়ে উক্ত সন্তান জন্মগ্রহণ করে থাকলে ১১২ ধারার অধীন আইনসম্পর্কিত অনুমান হলো উক্ত সন্তানটি বৈধ এবং এই অনুমান হলো চূড়ান্ত প্রমাণ কিন্তু খণ্ডনযোগ্য।
৪,১৫৪.
বাংলাদেশ হইতে মনুষ্য হরণকৃত ব্যক্তির বয়সসীমা কত?
  1. পুরুষ ও নারী উভয় ১৮ বছর
  2. পুরুষ ১৪ বছর এবং নারী ১৬ বছর
  3. পুরুষ ২১ বছর এবং নারী ১৮ বছর
  4. কোন বয়স সীমা নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারার বিধান  মনুষ্যহরণ:- মনুষ্যহরণ দুই প্রকারের:- বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণ এবং আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ Section 359. Kidnapping:-Kidnapping is of two kinds; kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান  বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ অর্থাৎ বাংলাদেশ হইতে মনুষ্য হরণকৃত ব্যক্তির কোন বয়স সীমা নেই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------------
⇒ Section 360. Kidnapping from Bangladesh:-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.

Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৪,১৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ ৩৯, বিধি ৭ কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. মোকদ্দমার ফি নির্ধারণ
  2. মোকদ্দমার বিষয়বস্তু আটক
  3. মোকদ্দমার ডিক্রি বাস্তবায়ন
  4. মোকদ্দমায় নিষেধাজ্ঞা জারি
ব্যাখ্যা

• আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি :
১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত-
ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।

৪,১৫৬.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে সরকারি ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড কী ধরনের দলিল?
  1. গোপন দলিল
  2. সরকারি দলিল
  3. অস্থায়ী দলিল
  4. ব্যক্তিগত দলিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪(১)(ii) অনুসারে, সরকারি ট্রাইব্যুনালের (official bodies and tribunals) কার্যাবলির রেকর্ড সরকারি দলিল (public documents) হিসেবে গণ্য হয়। এই দলিলগুলো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা বা অফিসিয়াল বডিজের অ্যাক্টস বা রেকর্ডসের অংশ, যা প্রমাণ হিসেবে সহজে গ্রহণযোগ্য এবং সেকেন্ডারি এভিডেন্সের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

৪,১৫৭.
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ব্যক্তি ও তার আইনজীবীর মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
  2. ব্যক্তি ও তার আইন উপদেষ্টার মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
  3. ব্যক্তি ও তার স্বামী/স্ত্রীর মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
  4. ব্যক্তি ও তদন্তকারী কর্মকর্তার মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:
কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সে ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান-প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।

Section 129: Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.
৪,১৫৮.
'ক' এর ২ শতক জমি মাগুরায় ও ১ শতক জমি যশোরে অবস্থিত। উক্ত ৩ শতক জমির মালিকানা বিষয়ে 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে যশোর সহকারি জজ আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে, 'খ' উক্ত মোকদ্দমা মাগুরা সহকারি জজ আদালতে স্থানান্তর করতে চায়। এক্ষেত্রে 'খ' আবেদন করবে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. মাগুরা জেলা জজ আদালতে
  3. যশোর জেলা জজ আদালতে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ কোন মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে, তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) অপর একটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে।

• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয়, তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

Sec.-23: To what Court application lies-
1) Where the several Courts having jurisdiction are subordinate to the same Appellate Court, an application under section 22 shall be made to the Appellate Court.
2) Where such Courts are subordinate to different Appellate Courts the application shall be made to the High Court Division.

প্রশ্নে উল্লিখিত যশোর সহকারি জজ আদালতের আপিল আদালত হবে যশোর জেলা জজ আদালত এবং মাগুরা সহকারি জজ আদালতের আপিল আদালত হচ্ছে মাগুরা জেলা জজ আদালত। আদালতসমূহ ভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীন বিধায় হাইকোর্ট ডিভিশনে স্থানান্তরের আবেদন পেশ করতে হবে।
৪,১৫৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় চোরদের দলে থাকার সাজার বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৪০০ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৪০১ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৪০২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০১ ধারার বিধান: চোরদের দলে থাকার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরবর্তী কোন সময়ে এমন কোন ভ্রাম্যমান বা অপর কোনরূপ দলে থাকে, যে দলের ব্যক্তিরা বরাবর চুরি বা দস্যুতা অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে পরস্পর সংঘবদ্ধ এবং যদি উহা ঠগদের বা ডাকাতদের দল না হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ Section 401. Punishment for belonging to gang of thieves:- Whoever, at any time after the passing of this Act, shall belong to any wandering or other gang of person, associated for the purpose of habitually committing theft or robbery, and not being a gang of thugs or dacoits, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
৪,১৬০.
'ক' একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ বাবদ ৫০০ টাকার জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করে। ‘খ, 'ক'-এর বিরুদ্ধে তার পূর্বেই ৫০০ টাকার ডিক্রি লাভ করেছিল। এখানে কে,কার বিরুদ্ধে সেট অফ দাবি করতে পারবে?
  1. 'খ','ক' এর বিরুদ্ধে
  2. 'ক','খ' এর বিরুদ্ধে
  3. পারস্পরিক অপরিশোধযোগ্য
  4. আদালত উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার হলে সেই মোকদ্দমায় সেট-অফের দাবি যাবে।এক্ষেত্রে বিবাদী,বাদীর বিরুদ্ধে সেট অফ দাবি করতে পারে। উল্লেখিত প্রশ্নে 'ক' বাদী এবং 'খ' বিবাদী। এক্ষেত্রে 'খ','ক' এর বিরুদ্ধে সেট অফ দাবি করতে পারবে

• অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী, কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়। প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পর Set off এর দাবি করা যায়।

• কোন দেওয়ানী মামলায় বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায়, তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-

i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে;

ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে;

iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না;

iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না; 

v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
৪,১৬১.
সমন জারির খরচ না দেওয়ার ফলে খারিজ হওয়া মামলার আদেশ বাতিল করতে কত দিনের মধ্যে দরখাস্ত দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮: অনুচ্ছেদ-১৬৩:
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু -খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।
৪,১৬২.
'ক', 'খ'-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, 'খ' ১০০০ টাকা প্রদান করলে সে 'খ' এর ছবি আঁকবে । পরে ছবি আঁকে দেয়নি, এই ক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. বাদীকে চুক্তি পালনে বাধ্য করা যাবে
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবেনা।
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act,1877 Section 21- Contracts not Specifically Enforceable - যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়' শিরোনামে ২১ ধারায় বর্ণিত আছে যে, আদালতের মাধ্যমে চুক্তি বলবৎ করা যায় না- ৮টি ক্ষেত্রে। তার মধ্যে ১টি হলো ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল চুক্তি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয়।

♦২১ ধারা অনুযায়ী- ৮ ক্ষেত্রে চুক্তি কার্যকর/বলবৎ করা যায় না:
১). যে চুক্তি সম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়।
২). যে চুক্তি সুক্ষ্ম ও জটিল শর্ত দ্বারা গঠিত বা ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল [যেমন: গল্প-উপন্যাস রচনা, অভিনয়, ব্যক্তিগত সেবা দেওয়া, বিবাহ করা সংক্রান্ত চুক্তি।]। 
৩). যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগতভাবে নির্ণয় করতে পারে না।
৪). যে চুক্তি তার প্রকৃতির (Nature) কারণেই বাতিলযোগ্য [Revocable বা যে চুক্তি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যহারযোগ্য]।
৫). জিম্মাদার/ট্রাস্টি কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৬). কোম্পানির পক্ষে বা কর্মকর্তা কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৭). যে চুক্তি পালনে শুরু করার তারিখ হতে ৩ বছরের বেশি সময় লাগে। 
৮) যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগেই বিষয়বস্তু বিলুপ্ত হয়েছে। মনে রাখুন, চুক্তিতে Arbitration Clause থাকলে চুক্তি কার্যকর করা যাবে না।

♦যেহেতু চুক্তি সম্পাদন ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভর করছে, তাই ২১ ধারা অনুযায়ী এটা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য না।
৪,১৬৩.
Chapter V of The Penal Code deals with-
  1. CRIMINAL CONSPIRACY
  2. PUNISHMENTS
  3. ABETMENT
  4. GENERAL EXCEPTIONS
ব্যাখ্যা
 ⇒ Chapter V of The Penal Code deals with-ABETMENT.

 ⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

  ⇒ গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:

দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,(GENERAL EXPLANATIONS)

তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,(PUNISHMENTS)

চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,(GENERAL EXCEPTIONS)

পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,(ABETMENT)

পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,(CRIMINAL CONSPIRACY)

ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, (OFFENCES AGAINST THE STATE)

নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS)

নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES RELATING TO ELECTIONS)

ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY)

সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  (OFFENCES AGAINST PROPERTY)

বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE)

একবিংশ অধ্যায়: মানহানি, ( DEFAMATION)

ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ। (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)
৪,১৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহারের জন্য কার অনুমতি নিতে হবে?
  1. সরকার
  2. আদালত
  3. পুলিশ সুপার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর (Public Prosecutor) যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করতে চান, তাহলে তিনি আদালতের অনুমতি নিতে বাধ্য।
 ধারা ৪৯৪ এর ভাষ্য অনুযায়ী: "Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution..."
অর্থাৎ, রায় ঘোষণার পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে যেকোনো এক বা একাধিক অভিযোগের ক্ষেত্রে বা সম্পূর্ণভাবে মামলা থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৪,১৬৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির বিধান রয়েছে?
  1. ৭৯
  2. ৮০
  3. ৮১
  4. ৮২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮২ ধারার বিধান: ডিক্রি জারি: সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮২ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির বিধান রয়েছে।
-----------
CPC Section 82. Execution of decree:
(1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.
(2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
৪,১৬৬.
বার কাউন্সিল আদেশের ৩৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কতদিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে?
  1. ২১ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৪,১৬৭.
পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ হলে নাম পরিবর্তন, কর্তন বা যুক্তকরণের আবেদন করতে হয়ে-
  1. ১ আদেশের ১০ বিধিতে
  2. ১ আদেশের ১২ বিধিতে
  3. ১ আদেশের ১১ বিধিতে
  4. ১ আদেশের ৯ বিধিতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১ আদেশের ১০ বিধি মতে- আদালত মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা আদালত নিজেই কোন বাদী বাবিবাদীর নাম পরিবর্তন, কর্তন বা সংযোজন করতে পারেন। উল্লেখ্য পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগের ফলে কোন মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না।
৪,১৬৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৮০ অনুযায়ী, যদি কেউ মানুষের বাসযোগ্য ঘরে চুরি করে, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৮০ (Theft in dwelling-house, etc.) অনুযায়ী, যদি কেউ মানুষ বসবাসের উপযোগী ভবন, তাঁবু বা নৌযানে চুরি করে, অথবা সেই স্থানে যেটি সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাহলে:
“সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারাদণ্ডে (সশ্রম বা বিনাশ্রম) দণ্ডিত হতে পারে এবং সেই সঙ্গে জরিমানার মুখোমুখি হবে।”
- চুরির স্থান: ভবন, তাঁবু, বা নৌযান—যা মানুষ বাস করে বা সম্পত্তি রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- শাস্তির পরিমাণ: সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড + জরিমানা
- তাই সঠিক উত্তর: গ) ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 380.Theft in dwelling-house, etc.
 Whoever commits theft in any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling, or use for the custody of property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৪,১৬৯.
"Testes ponderantur, non numerantur" এই নীতি সাক্ষ্য আইনের নিম্নের কোন ধারার বিষয়বস্তুর সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ২৫ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ১১০ ধারা
  4. ১৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

Section 134: Number of witnesses-
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

অপরদিকে,
"Testes ponderantur, non numerantur" একটি ল্যাটিন বাক্যাংশ যার বাংলা অর্থ হল: "সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়।"
এই বাক্যাংশটি প্রাচীন রোমান আইনের একটি নীতি থেকে উদ্ভূত। এটি সাক্ষীদের গুণগত মূল্যায়নের গুরুত্বকে তুলে ধরে। এর তাৎপর্য হল, একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সময় সাক্ষীদের গুণগত মান এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই বিবেচনা করা উচিত, তাদের সংখ্যাকে নয়। অর্থাৎ, আদালতে শুধুমাত্র অনেকগুলো সাক্ষীকে উপস্থিত করলেই চলবে না, বরং প্রত্যেক সাক্ষীর সাক্ষ্যের গুরুত্ব, যথার্থতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই গুরুত্ব দিতে হবে। একজন সত্যবাদী এবং বিশ্বস্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য অনেক সাক্ষীর থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই বলা যায়, "Testes ponderantur, non numerantur" এই নীতি সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট।
৪,১৭০.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ১০ লাখ টাকা
  2. ৫ লাখ টাকা
  3. ৩ লাখ টাকা
  4. ২ লাখ টাকা
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেট আদালত যে শাস্তি দিতে পারে:

(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
সশ্রম কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৫ বছর।
অর্থদণ্ড: সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
সশ্রম কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৩ বছর, এর মধ্যে আইন অনুযায়ী একাকী বন্দি করা অন্তর্ভুক্ত।
অর্থদণ্ড: সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা।

(গ) তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
সশ্রম কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ২ বছর।
অর্থদণ্ড: সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা।

৪,১৭১.
'A' একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করলেন, কিন্তু উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের মামলাটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই। এক্ষেত্রে, ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. 'A' কে লিখিত নালিশ দিতে বলবেন
  2. নালিশের বিষয়ে তদন্ত শুরু করবেন
  3. 'A' কে উপযুক্ত আদালতে পাঠাবেন
  4. নালিশটি দাখিলের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
৪,১৭২.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, সর্বনিম্ন কতজন ব্যক্তির সমাবেশকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হয়?
  1. তিন জন
  2. পাঁচ জন
  3. সাত জন
  4. দশ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is 
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

৪,১৭৩.
'without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate' - এই সংজ্ঞাটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৪ক ধারায়
  3. ৬ ধারায়
  4. ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা আছে যে-

'Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.'

অর্থাৎ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ করবে এবং সহকারী দায়রা জজ বলতে যুগ্ম দায়রা জজকে নির্দেশ করবে।
৪,১৭৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারাগুলো চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করে?
  1. ধারা ৮-১১
  2. ধারা ১২-৩০
  3. ধারা ৩৫-৩৮
  4. ধারা ৫২-৫৭
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ থেকে ৩০ পর্যন্ত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (Specific Performance of Contracts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- এই ধারাগুলোতে চুক্তির শর্তাবলী কার্যকর করার জন্য আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার প্রদানের বিধান বর্ণিত রয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন বলতে বোঝায় যখন আদালত কোনো পক্ষকে চুক্তির শর্ত পালন করতে বাধ্য করে, যেমন কোনো সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি বাস্তবায়ন বা অন্য কোনো বাধ্যবাধকতা পূরণ।
- এই ধারাগুলোতে কখন এবং কীভাবে সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের আদেশ দেওয়া যায়, সেই বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া আছে।

অন্যদিকে, 
ক) ধারা ৮-১১: এই ধারাগুলো স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (Recovery of Possession of Property) নিয়ে আলোচনা করে।
গ) ধারা ৩৫-৩৮: এই ধারাগুলো চুক্তি বাতিল (Rescission of Contracts) সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করে। এটি চুক্তি বাতিল করার প্রক্রিয়া এবং শর্তাবলী নিয়ে কাজ করে।
ঘ) ধারা ৫২-৫৭: এই ধারাগুলো নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Injunctions) নিয়ে আলোচনা করে। এগুলো বেআইনি কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য আদেশ প্রদানের বিষয়ে কাজ করে।
৪,১৭৫.
দেওয়ানি আদালতের নির্দেশে কোনো আটককৃত দলিল কার হেফাজতে রাখা হয়?
  1. পুলিশের
  2. বাদী পক্ষের
  3. আদালতের কোন অফিসারের
  4. শুধুমাত্র বিচারকের নিজ হেফাজতে রাখা যায়
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৩ বিধি-৮ এর বিধান: আদালত কোন দলিল আটক করার আদেশ দিতে পারে:
এই আদেশের ৫ কিংবা ৭ বিধি অথবা ৭ম আদেশের ১৭ বিধিতে কোন বিধান নিহিত থাকা সত্ত্বেও আদালত যদি পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে বলে মনে করেন, তবে আদালত যথার্থ মনে করে এরূপ সময়ের জন্য এবং শর্ত সাপেক্ষে মোকদ্দমায় ইহার সম্মুখে পেশকৃত কোন দলিল বা বহি আটক করার এবং আদালতের কোন অফিসারের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারে।

Rule.-8: Court may order any document to be impounded- 
Notwithstanding anything contained in rule 5 or rule 7 of this Order or in rule 17 of Order VII, the Court may, if it sees sufficient cause, direct any document or book produced before it in any suit to be impounded and kept in the custody of an officer of the Court, for such period and subject to such conditions as the Court thinks fit.
৪,১৭৬.
ব্যাংকে গ্রাহকের আমানত বা জমাকৃত অর্থ আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ-
  1. ২ বৎসর
  2. ১ বৎসর
  3. ৩ বৎসর
  4. ৬ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৫১ থেকে ৬৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত, ৯৭ থেকে ১১১ অনুচ্ছেদে বিভিন্ন ধরনের অর্থ আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থ আদায়ের জন্য [for money] মামলা দায়েরের জন্য তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর।
৪,১৭৭.
প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সর্বোচ্চ ফৌজদারি আদালত কোনটি?
  1. দায়রা আদালত
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মহানগর দায়রা আদালত
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত হলো দায়রা আদালত এবং দায়রা আদালতের বিচারক হলো দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ। অন্যদিকে, মহানগর এলাকায় মহানগর দায়রা আদালত হলো সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত এবং মহানগর দায়রা জজ হলো বিচারক।
 
• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধানঃ নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণঃ

(১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন ।

(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।

(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন ।

(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।
৪,১৭৮.
অবিবাহিত পুরুষ 'ক', একজন বিবাহিত নারীর সঙ্গে তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এই পরিস্থিতিতে কার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে
  2. শুধুমাত্র বিবাহিত নারীর বিরুদ্ধে
  3. উভয়ের বিরুদ্ধে
  4. কোনো অভিযোগ আনা যাবে না
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান- ব্যভিচার:
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

অর্থাৎ, ব্যাভিচারের জন্য শুধু পুরুষ ব্যক্তিটিকে অভিযুক্ত করা যায়। শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যাবে।

Section 497- Adultery:
Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.

৪,১৭৯.
অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলার জবাবের সত্যাখ্যান Verification অংশে কার দস্তখত থাকবে?
  1. এ্যাডভোকেট
  2. এ্যাডভোকেটের মোহরির
  3. যে কোন ব্যক্তি
  4. জবাব বিষয়ে ওয়াকেফহাল ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৫ নং বিধিতে প্লিডিংস সত্যাখ্যানের (Verification of pleadings) বিধান রয়েছে। ১৫ নং বিধিমতে প্রত্যেক Pleadigns-এর শেষে সংশ্লিষ্ট পক্ষ অর্থাৎ আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী সত্যপাঠে স্বাক্ষর করবে, যাকে প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন (Verification of pleadigns) বলে। অর্থাৎ আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখান বা সত্যতা প্রতিপাদন করবে।
♦ আদেশ ৬, বিধি ১৫ তে এই বিষয়ে বলা আছে। …every pleading shall be verified at the foot by the party or one of the parties….”
♦ আরজির সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি তাতে একেবারে শেষে স্বাক্ষর দিবেন এবং স্বাক্ষরে তারিখ ও স্থান উল্লেখ করবেন ।
৪,১৮০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩ মূলত কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. অপরাধের উদ্দেশ্য প্রমাণ
  2. অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব প্রমাণ
  3. সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ধারণ
  4. দণ্ডযোগ্য অপরাধের স্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩ বলছে: “Where the question is as to the existence of any right or custom, the following facts are relevant…”
অর্থাৎ, যদি কোনো মামলায় অধিকার (right) বা প্রথা (custom)-এর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তাহলে যেসব ঘটনা ওই অধিকার বা প্রথার সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তন, স্বীকৃতি, প্রয়োগ বা বিরোধিতার সঙ্গে সম্পর্কিত—সেসব ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক (relevant) বিবেচনা করা হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩-এ অধিকার বা প্রথা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় বিধান রয়েছে।
- এই ধারা অনুযায়ী, যেসকল ক্ষেত্রে কোনো অধিকার বা প্রথা সংক্রান্ত বিষয় প্রমাণিত হওয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ প্রাসঙ্গিক হবে:
১) যেকোনো লেনদেন বা কার্যক্রম যা ওই অধিকার বা প্রথার সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তন, স্বীকৃতি বা বিরোধিতা করার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক হবে।
২) কোনো অধিকার বা প্রথার প্রয়োগ বা বিরোধিতা সংক্রান্ত বিশেষ ঘটনা, যা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, সেটিও প্রাসঙ্গিক।
এটি মূলত অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব বা তার প্রয়োগের ইতিহাস প্রমাণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
এবং ধারা ১০, ধারা ৭, বা ধারা ১২ এসবের মধ্যে কোনোটি অধিকার বা প্রথার প্রমাণের জন্য প্রযোজ্য নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section-13. Facts relevant when right or custom is in question:
Where the question is as to the existence of any right of custom, the following facts are relevant:–
(a) any transaction by which the right or custom in question was created, claimed, modified, recognized, asserted or denied, or which was inconsistent with its existence;
(b) particular instances in which the right or custom was claimed, recognized or exercised, or in which its exercise was disputed, asserted or departed from.
৪,১৮১.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক অনুসারে, যদি আদালত নিজে মধ্যস্থতা করে এবং তা ব্যর্থ হয়, তবে কী হবে?
  1. পক্ষগণকে জরিমানা দিতে হবে
  2. মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ হয়ে যাবে
  3. একই বিচারক মামলার শুনানি চালিয়ে যাবেন
  4. মামলাটি অন্য একটি যোগ্য আদালতে শুনানির জন্য পাঠানো হবে
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯এ(৯) অনুসারে, যদি আদালত নিজে মধ্যস্থতা (Mediation) করে এবং তা ব্যর্থ হয়, তবে একই বিচারক, যিনি মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছিলেন, মামলার শুনানি চালিয়ে যেতে পারবেন না। এই ক্ষেত্রে, মামলাটি অন্য একটি যোগ্য আদালতে (Competent Jurisdiction) শুনানির জন্য পাঠানো হবে। এটি নিশ্চিত করে যে মামলার শুনানি নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হয় এবং মধ্যস্থতার প্রক্রিয়ার গোপনীয়তা রক্ষা পায়।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-89A: Mediation: 
(9) When a mediation initiative led by the Court itself fails to resolve the dispute or disputes in the suit, the same court shall not hear the suit, if the Court continues to be presided by the same judge who led the mediation initiative; and in that instance, the suit shall be heard by another court of competent jurisdiction.

৪,১৮২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় 'Enforcement of decree against legal representative' এর বিধান আছে?
  1. ৫১
  2. ৫২
  3. ৫৩
  4. ৫৪
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান: বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা: (Enforcement of decree against legal representative)
কোন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য যদি উক্ত মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি দেয়া হয়, তাহলে অনুরূপ কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের দ্বারা উক্ত ডিক্রি জারি করা যেতে পারে।
 যখন ডিক্রি দায়িকের দখলে এরূপ কোন সম্পত্তি না থাকে এবং মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার দখলে এসেছে বলে প্রমাণ থাকে এবং তার যথাযথ ব্যবহার করেছে বলে যদি আদালতকে সন্তষ্ট করতে ব্যর্থ হয়, তখন সম্পত্তির যে পরিমাণের ব্যাপারে সে আদালতকে সন্তষ্ট করাতে ব্যর্থ হয়েছে সেই পরিমাণ সম্পত্তির জন্য ডিক্রি দায়িকের বিরুদ্ধে ডিক্রিটি জারি করা যাবে, যেন ডিক্রিটি ব্যক্তিগতভাবে তারই উপর প্রদত্ত হয়েছিল।
-------------------
- Section 52. Enforcement of decree against legal representative.

(1) Where a decree is passed against a party as the legal representative of a deceased person, and the decree is for the payment of money out of the property of the deceased, it may be executed by the attachment and sale of any such property. 
 
(2) Where no such property remains in the possession of the judgment-debtor and he fails to satisfy the Court that he has duly applied such property of the deceased as is proved to have come into his possession, the decree may be executed against the judgment-debtor to the extent of the property in respect of which he has failed so to satisfy the Court in the same manner as if the decree had been against him personally.
৪,১৮৩.
একজন নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি একটি পার্কে গিয়ে চিৎকার করছে এবং অশ্লীল আচরণ করছে, যার কারণে অন্যান্য লোকজন বিরক্ত হচ্ছে। উক্ত কাজ দণ্ডবিধির কত ধারার অধীন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ৫০৯ ধারা
  2. ৫১০ ধারা
  3. ৫০০ ধারা
  4. ৫০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা- নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510⇒ Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
৪,১৮৪.
আদেশ ৩৯ বিধি ৬ এর অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের বিধান কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. শুধুমাত্র সরকারি সম্পত্তি
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৯ বিধি-৬: অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে বা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকে তবে যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায়সঙ্গত এবং পর্যাপ্ত কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করা বাঞ্চনীয় হয়ে পড়ে, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের উপর এর বিবেচনামত উপযুক্ত পদ্ধতি এবং শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কর্তৃক বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে।

Rule 6: Power to order interim sale:
The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movbale property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.

৪,১৮৫.
অজামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারাবলে আসামির কোন অবস্থাটি বিবেচনায় আদালত জামিন দিতে পারে?
  1. আর্থিক অভাব
  2. শিক্ষাগত যোগ্যতা
  3. নিকটাত্মীয়ের অসুস্থতা
  4. শারীরিক অক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারায় জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান রয়েছে। জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান সমূহ নিম্নরূপ-
♦ জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামী ১৬ বৎসরের নিম্ন বয়স্ক বা স্ত্রীলোক বা পীড়িত বা অক্ষম হলে অথবা আদালত উপযুক্ত মনে করলে জামিন দিতে পারেন (May be released on bail)। এক্ষেত্রে জামিন দেওয়া আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)।
♦অভিযুক্ত আসামি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে দোষী হতে পারে বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারন থাকলে, আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করবেনা।
♦ অর্থাৎ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে জামিনে মুক্তি পেতে পারে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি i) ১৬ বছরের কম (any person under the age of sixteen years), ii) স্ত্রীলোক (any woman) অথবা, iii) অসুস্থ বা অক্ষম (any sick or infirm person ) হয়
৪,১৮৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(গ) উপধারার অধীনে মঞ্জুরকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে কোন ধরনের প্রতিকার হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. আদেশাত্মক প্রতিকার
  2. বাধ্যতামূলক প্রতিকার
  3. নিরোধক প্রতিকার
  4. অস্থায়ী প্রতিকার
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা বর্নিত হয়েছে।

ধারা ৬: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।

Section 6- Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.

৪,১৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারায় কোন ধরনের ডিক্রির কথা উল্লেখ আছে?
  1. প্রাথমিক ডিক্রি
  2. চূড়ান্ত ডিক্রি
  3. আংশিক প্রাথমিক বা চূড়ান্ত ডিক্রি
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারার বিধানমতে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক রীতিসিদ্ধভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মামলার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই ডিক্রি" প্রাথমিক বা চুড়ান্তও হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে, তবে নিম্নলিখিত বিষয় ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে না
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের মত আপীল করা যায়; অথবা
খ) কোন ক্রটির জন্য খারিজের আদেশ।

ব্যাখ্যা: ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলার চূড়ান্ত নিস্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে, মামলা যখন চূড়ান্তরূপে নিস্পত্তি হয়, তখনই ডিক্রি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। কোন ডিক্রি আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে।

অর্থাৎ, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারাতে ৩ ধরনের ডিক্রির কথা বলা হয়েছে:
১। প্রাথমিক ডিক্রি;
২। চূড়ান্ত ডিক্রি;
৩। আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি।
৪,১৮৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি ১০ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে আদালত পার্ট-ফাইল ব্যবহার করে ডিক্রি কার্যকর করতে পারে?
  1. যখন পুলিশ তদন্তে ব্যর্থ হয়
  2. যখন মামলা থানায় দায়ের করা হয়
  3. যখন রেকর্ড আপিল আদালত দ্বারা চাওয়া হয়
  4. যখন রেকর্ড পক্ষদ্বয় দ্বারা চাওয়া হয়
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: আদেশ ২১ বিধি ১০৪: সরাসরি ডিক্রি কার্যকর করা:
(১) এই কোড বা অন্য কোনো চলমান আইন যা-ই বলবৎ থাকুক না কেন, আদালত, তামাদি আইনের সীমার মধ্যে, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণ করতে পারবে:
- সেই মামলার রেকর্ডে, যেখানে ডিক্রি (decree) দেওয়া হয়েছে, ডিক্রি কার্যকর করার জন্য আবেদন; অথবা,
- যদি রেকর্ড আপিল বা রিভিশন আদালত দ্বারা চাওয়া হয়, তবে এই উদ্দেশ্যে প্রস্তুত পার্ট-ফাইলে আবেদন করা যেতে পারে।
আদালত তখন তৎক্ষণাৎ ডিক্রি কার্যকর করার আদেশ দিতে পারে।

(২) যেখানে ডিক্রিধারী (decree-holder) বা ডিক্রি অনুযায়ী বিক্রি হওয়া সম্পত্তির ক্রেতা সম্পত্তির দখল নিতে গেলে মুল মামলার পক্ষ বা অন্য কোনো ব্যক্তি বাধা বা প্রতিরোধ সৃষ্টি করে, এবং আদালত এ বিষয়ে সন্তুষ্ট হয়, তাহলে ডিক্রিধারী বা ক্রেতার আবেদন অনুযায়ী আদালত যে কোনও ব্যক্তিকে ডিক্রি কার্যকর করার জন্য দায়িত্ব দেবে এবং প্রয়োজনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবহার করে ডিক্রিধারী বা ক্রেতাকে সম্পত্তির দখল প্রদান নিশ্চিত করতে পারে।

৪,১৮৯.
কয় প্রকার দালিলিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যায়?
  1. তিন প্রকার
  2. দুই প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
ব্যাখ্যা
দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary evidence)- আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয় তাকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দলিলের বিষয়বস্তু দুই প্রকার দালিলিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায় -
১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং
২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
 
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 61⇒ Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
৪,১৯০.
X এর মনিব কিছু মালপত্র বিক্রি করে টাকা আনার জন্য X কে পাঠায়। X তার মনিবকে বিক্রিত মালের টাকা দেয় নাই। X কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. প্রতারণা
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
  3. সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. চুরি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪০৫ ধারা মতে বিশ্বাসভরে ভারপ্রাপ্ত হয়ে অথবা আইনগত চুক্তির মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অপরাধীর দখলে আসার পর অপরাধী উক্ত বিশ্বাস বা চুক্তির বরখেলাপ করে সম্পত্তিটি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে লাগালে তাকে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা Criminal Breach of Trust বলে।

♦ দণ্ডবিধি ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি ‘অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

♦অর্থাৎ  X এর মনিব কিছু মালপত্র বিক্রি করে টাকা আনার জন্য X কে পাঠায়। X তার মনিবকে বিক্রিত মালের টাকা দেয় নাই। এই ক্ষেত্রে  X অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
৪,১৯১.
তামাদি আইনের কোন ধারাটি 'সংরক্ষণ' (Savings) শিরোনামে পরিচিত?
  1. ধারা ২৭
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ২৯
  4. ধারা ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ধারা ২৯-এর শিরোনামই হলো "সংরক্ষণ" (Savings)। এই ধারাটি তামাদি আইনের কিছু বিশেষ ব্যতিক্রম ও সুরক্ষা বিধান উল্লেখ করে।

⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা সংরক্ষণ:
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Limitation Act:- Section- 29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) The provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special  law; and 
(b) The remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.

৪,১৯২.
ফৌজদারি আদালত সাক্ষী বা অভিযোগকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার আদেশ দিতে পারে-
  1. কেবল আবেদনের ভিত্তিতে
  2. কেবল হাইকোর্টের নির্দেশে
  3. কেবল স্বপ্রণোদিত হয়ে
  4. স্বপ্রণোদিত হয়ে বা আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪৪: "অভিযোগকারী, সাক্ষী এবং ভুক্তভোগীদের ব্যয় এবং সুরক্ষা" (Expenses and protection of complainants, witnesses and victims):
(১) সরকার কর্তৃক প্রণীত যে কোনো আদেশ সাপেক্ষে, যে কোনো ফৌজদারি আদালত, যদি উপযুক্ত মনে করে, এই কোডের অধীনে তার সামনে কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্যান্য কার্যধারার উদ্দেশ্যে উপস্থিত কোনো অভিযোগকারী বা সাক্ষীর যুক্তিসঙ্গত ব্যয় সরকার কর্তৃক পরিশোধ করার আদেশ দিতে পারে।

(২) যে কোনো আদালত, সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে বা স্বপ্রণোদিত হয়ে, একটি ফৌজদারি কার্যধারার যে কোনো পর্যায়ে, কোনো তথ্য প্রদানকারী, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী বা সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে বা পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।

৪,১৯৩.
The Code of Criminal Procedure,1898 এর কোন ধারায় নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন?
  1. ২০৩
  2. ২০৪
  3. ২০১
  4. ২০০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা। ২০০ বিধান অনুযায়ী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর জবানবন্দি নিতে বাধা ।

• ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে-

১. নালিশকারীকে বা
২. উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবে এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন।নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।

• যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-

ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই;

খ. যে মামলায় আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে;

গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই।
৪,১৯৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ৩০২ ধারার
  2. ৩০৩ ধারার
  3. ৩০৬ ধারার
  4. ৩০৭ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।
------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 303: Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of 95[imprisonment] for life, commits murder, shall be punished with death.
৪,১৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে চিকিৎসককে সাক্ষী হিসেবে তলব না করেই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?
  1. যখন চিকিৎসক সাক্ষ্য দিতে অক্ষম
  2. যখন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক মারা গেছেন
  3. যখন চিকিৎসক বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করছেন
  4. উপরিউক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুযায়ী নিম্নলিখিত যেকোনো পরিস্থিতিতে চিকিৎসককে সাক্ষ্য দিতে তলব না করেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে—
- ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক মারা গেলে, অথবা
- তিনি সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হলে, অথবা
- তিনি বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করলে, এবং
- তাকে হাজির করা অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা সৃষ্টি করলে।
যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত প্রতিটি শর্তই (ক, খ ও গ) ধারা ৫০৯ক-এ উল্লিখিত শর্তের অন্তর্ভুক্ত, এবং শর্তগুলো যেকোনো একটি পৃথকভাবে প্রযোজ্য হতে পারে, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরিউক্ত সবগুলো।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.

৪,১৯৬.
কোন আদালতে মূল মামলা দায়ের করা হয় না?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী আদালতসমূহ:

ক) জেলা  জজ আদালত;
খ) অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত;
গ) যুগ্ম জেলা জজ আদালত;
ঘ) সিনিয়র সহকারী জজ আদালত;
ঙ) সহকারী জজ আদালত।

দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার:

ক) জেলা জজ আদালত- রিভিশন এখতিয়ার, দেওয়ানী বিষয়বস্তুর আপীল যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পাচ কোটি  টাকা , প্রবেট সংক্রান্ত বিষয়াদি ইত্যাদি।

খ) অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত সকল মামলাসমূহের বিচার অত্র আদালত কর্তৃক সম্পন্ন হয়ে থাকে।


গ) যুগ্ম জেলা জজ-  
১) সকল প্রকার দেওয়ানী মামলা যার মূল্যমান পঁচিশ লক্ষ টাকা থেকে  অসীম,
২) উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়াদি,
৩) রিভিশন- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত মামলাসমূহ,
৪) আপীল- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত মামলাসমূহ,

ঘ) সিনিয়র সহকারী জজ- দেওয়ানী প্রকৃতির মামলার বিচার যার মূল্যমান পনের লক্ষ টাকা থেকে পঁচিশ  লক্ষ টাকা পর্যন্ত,   
ঙ) সহকারী জজ- দেওয়ানী প্রকৃতির মামলার বিচার যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পনের লক্ষ টাকা।

অর্থাৎ অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে মূল মামলা দায়ের করা হয় না, শুধুমাত্র জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত সকল মামলাসমূহের বিচার হয়ে থাকে।
৪,১৯৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন আদেশ বলে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত হওয়া যায়?
  1. Order 1
  2. Order 2
  3. Order 5
  4. Order 10
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১ বিধি-৮ একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মোকদ্দমা করতে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (One person may sue or defend on behalf of all in same interest ): যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক লোকের একই স্বার্থ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করতে বা মোকদ্দমায় বিবাদী হতে পারে।
♦ এক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে নোটিশ দিবেন। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অধিক হলে এভাবে নোটিশ জারি যুক্তিসঙ্গত হবে না। তখন গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে।
৪,১৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ৫ অনুযায়ী, আরজিতে কী দেখাতে হবে?
  1. বাদীর স্বার্থ ও দাবি
  2. আদালতের এখতিয়ার
  3. বিবাদীর স্বার্থ ও দাবি
  4. বাদীর দাবীর উত্তর দিতে বিবাদী বাধ্য না
ব্যাখ্যা
আদেশ ৭ বিধি ৫: বিবাদীর স্বার্থ ও দায়িত্ব দেখাতে হবে:
আরজিতে দেখাতে হবে যে, মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা বিবাদী অনুরূপ স্বার্থ দাবী করে এবং আরও দেখাতে হবে যে, বাদীর দাবীর উত্তর দিতে বিবাদী বাধ্য।

[Defendant's interest and liability to be shown:
The plaint shall show that the defendant is or claims to be interested in the subject-matter, and that he is liable to be called upon to answer the plaintiff's demand.]
৪,১৯৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২ কোন বিষয়ে বিধান প্রদান করে?
  1. ডিক্রি কার্যকরকরণ
  2. গ্রেফতার ও কারাবাস
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ
  4. পক্ষের মৃত্যু, বিবাহ এবং দেউলিয়াত্ব
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২ (Order XXII) “Death, Marriage and Insolvency of Parties” বিষয়ক বিধানসমূহ নির্ধারণ করে।
অর্থাৎ মৃত্যু: মামলার চলাকালীন বাদী বা বিবাদী মারা গেলে, যদি মামলা চালিয়ে যাওয়ার অধিকার (right to sue) থাকে, তবে তার আইনগত প্রতিনিধি মামলায় যুক্ত হয়ে মামলা চালাতে পারেন।
বিবাহ: কোনো নারী পক্ষ বিবাহিত হলে মামলার অবস্থা বদলায় না; মামলা চলতে থাকে।
দেউলিয়াত্ব: কোনো পক্ষ দেউলিয়া হলে, তার পক্ষে receiver বা assignee মামলা চালাতে পারে।
- এই আদেশ মামলার ধারাবাহিকতা রক্ষা করে, যাতে পক্ষের ব্যক্তিগত পরিবর্তনের কারণে মামলা বাতিল না হয়।
- তাই, আদেশ-২২ মূলত মৃত্যু, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব জনিত পরিস্থিতিতে মামলা কিভাবে পরিচালিত হবে তা নির্ধারণ করে।

⇒দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২ (Order XXII) এ দেওয়ানি মামলার চলাকালীন সময় কোনো পক্ষ (plaintiff বা defendant) যদি মৃত্যুবরণ করেন, বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন (বিশেষত মহিলা পক্ষের ক্ষেত্রে), কিংবা দেউলিয়া (insolvent) হয়ে পড়েন, সে ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম কিভাবে পরিচালিত হবে তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908)-এর আদেশ-২২ (Order XXII) এ "Death, Marriage and Insolvency of Parties" সংক্রান্ত বিধানসমূহ অন্তর্ভুক্ত আছে।
৪,২০০.
নিচের কোনটি আদালত জুডিসিয়াল নোটিশে নিতে পারে না?
  1. বাংলাদেশের আইন
  2. বাংলাদেশের সীমানা
  3. আদালতের সীল
  4. বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় যে সকল বিষয়ে আদালত প্রমাণ ছাড়াই নিজ নোটিশে নিবেন তাঁর তালিকা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতি এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।