বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ১২৬ · ৩০১৪০০ / ১২,৬০৫

৩০১.
উন্মাদ আসামীর বিচার পদ্ধতি নিয়ে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কত অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. অধ্যায় বত্রিশ ক
  2. অধ্যায় তেত্রিশ
  3. অধ্যায় চৌত্রিশ
  4. অধ্যায় পঁয়ত্রিশ
ব্যাখ্যা
• উন্মাদ আসামীর বিচার পদ্ধতি নিয়ে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ চৌত্রিশ অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৩০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী, আসামিকে সর্বোচ্চ কত দিন পুলিশ হেফাজতে (Police Custody) রাখা যায়?
  1. ১০ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার উপ-ধারা (২) এর দ্বিতীয় শর্তানুযায়ী (second proviso) স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কোনো বিশেষ মামলায় আসামিকে পুলিশ হেফাজতে (Police Custody) সর্বমোট পনেরো (১৫) দিনের বেশি রাখার অনুমোদন দিতে পারবেন না।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(২) ধারায় রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে:-
(২) এই ধারা অনুসারে আসামিকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক, তিনি তার বিবেচনামতে আসামিকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন, তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।
- মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তা হলে তিনি আসামিকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারিবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, তৃতীয় শ্রেণির কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন, এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-167: 
(2) The Magistrate to whom an accused person is forwarded under this section may, whether he has or has not jurisdiction to try the case from time to time authorize the detention of the accused in such custody as such Magistrate thinks fit, for a term not exceeding fifteen days in the whole. If he has not jurisdiction to try the case or send it for trial, and considers further detention unnecessary, he may order the accused to be forwarded to a Magistrate having such jurisdiction:
Provided that no Magistrate of the third class, and no Magistrate of the second class not specially empowered in this behalf by the Government shall authorize detention in the custody of the police.

৩০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে “Pleading” বলতে কী বোঝায়?
  1. Plaint
  2. Written statement
  3. Plaint or written statement
  4. Plaint and written statement
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order VI, Rule 1-এ "Pleading" এর সংজ্ঞা স্পষ্টভাবে দেওয়া আছে: "Pleading" shall mean plaint or written statement.
- "প্লীডিং" বলতে প্লেইন্ট বা লিখিত জবাব (written statement) বোঝায়।
- প্লেইন্ট (Plaint): বাদী তার দাবি উপস্থাপনের জন্য যে দলিল দাখিল করে।
- লিখিত জবাব (Written Statement): বিবাদী তার প্রতিরক্ষা উপস্থাপনের জন্য যে দলিল দাখিল করে।
 “or” শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, অর্থাৎ Pleading বলতে হয় প্লেইন্ট (মামলার আরজি), নয়তো রিটেন স্টেটমেন্ট (লিখিত জবাব) — এই দুটির যেকোনো একটিকে বোঝায়।
অর্থাৎ প্লীডিং বলতে হয় প্লেইন্ট বা লিখিত জবাব বোঝায় - উভয়ই একসাথে নয়। তাই অপশন 'গ' সঠিক।
সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী "Pleading" বলতে প্লেইন্ট বা লিখিত জবাব (Plaint or written statement) বোঝায়।

৩০৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৩ ধারা কোন বিধান অনুসারে কার্যকর হবে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৫২ ধারা
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি
  4. তামাদি আইন
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৩ ধারা অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা আর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো সারাজীবনের জন্য নিষেধাজ্ঞা।
• এটি CPC আইনের আদেশ ৩৯ অনুসারে কার্যকর হবে।
• অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্তের মাধ্যমে আর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আরজির মাধ্যমে চাওয়া হয়।
৩০৫.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারা অনুসারে বিচারক মামলা চলাকালীন কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষী বা পক্ষগণকে প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র মূল ঘটনা
  2. শুধুমাত্র অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে
  3. প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা উভয়
  4. শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক ঘটনা
ব্যাখ্যা

ধারা ১৬৫: জজ কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিবার কিংবা কিছু দাখিল করিবার আদেশ দানের ক্ষমতা: বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা আবিষ্কার করিবার জন্য কিংবা তৎসম্পর্কে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যেকোনো সাক্ষীকে যেকোনো সময় অথবা যেকোনো প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যেকোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিতে পারিবেন, এবং যেকোনো দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করিবার আদেশ দিতে পারিবেন। পক্ষগণ বা তাহাদের প্রতিনিধিগণ অনুরূপ কোনো প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোনো আপত্তি করিতে পারিবে না। অনুরূপ কোনো প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যাহা বলিবে তৎসম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে সাক্ষীকে কোনো জেরা করিতেও পারিবে না।
তবে শর্ত এই যে, এই আইন অনুযায়ী যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলিয়া ঘোষিত হইবে, তাহার ভিত্তিতে মোকদ্দমার রায় দান করিতে হইবে।
আরও শর্ত এই যে, কোনো সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিলে বা কোনো দলিল দাখিল করিতে বলিলে এই আইনের ১২১ ও ১৩১ ধারা অনুযায়ী সাক্ষী যদি সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে বা সেই দলিল দাখিল করিতে অস্বীকার করিতে পারিতেন; তবে আদালত এই ধারা অনুযায়ী কোনো সাক্ষীকে উক্তরূপ কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে বা কোনো দলিল দাখিল করিতে বাধ্য করিতে পারিবেন না। এই আইনের ১৪৮ বা ১৪৯ ধারা অনুযায়ী অপর কোনো লেকের পক্ষে যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা অসঙ্গত, বিচারকও সেইরূপ প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করিবেন না। ইতিপূর্বে এই আইনের যে সব ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হইয়াছে, তাহা ছাড়া অন্য কোনো ক্ষেত্রে কোনো দলিল সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্যদানের আবশ্যকতা আদালত মওকুফ করিতে পারিবেন।
--------------------------------------------
The Evidence Act 1872,Section165, Judge's power to put questions or order production: The Judge may, in order to discover or to obtain proper proof of relevant facts, ask any question he pleases, in any form, at any time, of any witness, or of the parties about any fact relevant or irrelevant; and may order the production of any document or thing: and neither the parties nor their agents shall be entitled to make any objection to any such question or order, nor, without the leave of the Court, to cross-examine any witness upon any answer given in reply to any such question.
Provided that the judgment must be based upon facts declared by this Act to be relevant, and duly proved:
Provided also that this section shall not authorize any Judge to compel any witness to answer any question or to produce any document which such witness would be entitled to refuse to
answer or produce under sections 121 to 131, both inclusive, if the question were asked or the document were called for by the adverse party; nor shall the Judge ask any question which it would be improper for any other person to ask under section 148 or 149; nor shall he dispense with primary evidence of any document, except in the cases herein- before excepted.

৩০৬.
The Limitation Act, 1908 এর কোন ধারায় দলিলে বর্ণিত সময়ের হিসাব করার বিধান রয়েছে?
  1. ২৫
  2. ২৪
  3. ২৩
  4. ২৬
ব্যাখ্যা
♦ দলিলে উল্লেখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লেখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জী (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচীত হবে।
৩০৭.
'A' স্নেহ ও ভালবাসার কারণে প্রথমে তার ভাইদের এবং তাদের সন্তানদের প্রতি কিছু সম্পত্তি হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে 'A' ৩য় পক্ষের সাথে সেই সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করে। এক্ষেত্রে বিক্রয় চুক্তি-
  1. 'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য
  2. প্রথম হস্তান্তর বাতিলের শর্তে বাস্তবায়নযোগ্য
  3. 'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য না
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
এই চুক্তিটি 'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য না।

ধারা ২৫- একজন বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার পক্ষে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত করা যাবে না যদি-
(ক) জেনে-শুনে নিজের অধিকারহীন এমন সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকেন;

(খ) চুক্তি করার সময় যদিও বিশ্বাস করতেন যে তিনি সেই সম্পত্তির উপর সুনির্দিষ্ট অধিকার রাখেন, কিন্তু পক্ষদ্বয়ের বা আদালতের নির্ধারিত সময়ে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে যৌক্তিক সন্দেহাতীতভাবে স্বত্বাধিকার প্রদান করতে অক্ষম হন;

(গ) চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে কোনো মূল্যবান প্রতিফল ছাড়াই চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর নিজের অধিকার সমর্পণ করে থাকেন।

(গ) এর শর্তমতে, এই চুক্তিটি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে না। কারণ তা হলে তার পূর্বতন সমর্পণটি বাতিল হয়ে যাবে এবং যাদের উপর সেই সম্পত্তি সমর্পিত হয়েছিল তাদের স্বার্থগুলি ক্ষুণ্ণ হবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে A নিজের পূর্বতন কৃত কাজকে বাতিল করে, নতুন চুক্তিটিকে নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে না।
৩০৮.
কিভাবে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি জারি করা যায়?
  1. সম্পত্তি ক্রোক
  2. কারাগারে আটক
  3. ক ও খ উভয়
  4. স্পেশাল ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি (Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction): দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
৩০৯.
'A' makes an attempt to pick the pocket of 'Z' by thrusting his hand into 'Z's pocket. 'A' fails in the attempt in consequence of 'Z's having nothing in his pocket. এটি Penal Code এর কত ধারার অপরাধ?
  1. ১০৮
  2. ৫১১
  3. ৩৭৯
  4. কোন অপরাধ হয় নি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-

কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both. 
 
Illustration
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 

(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.
৩১০.
The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972-এ মোট অনুচ্ছেদ কতটি?
  1. ৩৬টি
  2. ২৬টি
  3. ৪৬টি
  4. ৫৬টি
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972-এ ৪৬টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
৩১১.
কোন আইন দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে সাক্ষ্য আইনের দালিলিক সাক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. The Evidence(Amendment) Act, 2020
  2. The Evidence(Amendment) Rules, 2021
  3. The Evidence(Amendment) Act, 2022
  4. The Evidence(Amendment) Act, 2021
ব্যাখ্যা
The Evidence(Amendment) Act, 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত যে কোন লেখা, সিসিটিভির ভিডিও বা মোবাইলে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও বা ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি ডিজিটাল রেকর্ড মর্মে গণ্য হবে এবং এগুলো সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের অন্তর্ভুক্ত হবে।

ধারা ৩: The Evidence(Amendment) Act, 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-

⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৩১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৭৫ এর অধীনে নিম্নের কোনটি কমিশনের উদ্দেশ্য নয়?
  1. স্থানীয় তদন্ত
  2. হিসাব পরীক্ষণ
  3. মামলা খারিজ
  4. অংশীদারদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন জারি করতে পারেন—
(ক) কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয়ার জন্য
(খ) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(গ) হিসাব পরীক্ষণের জন্য
(ঘ) অংশীদারদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের জন্য
- তবে "মামলা খারিজ" কমিশনের উদ্দেশ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা: ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
- নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions.
- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
৩১৩.
'ক','খ' ও 'গ' একটি ফার্মের অংশীদার এবং 'ঘ' উক্ত ফার্মের নিকট ঋণগ্রস্থ হয়। 'খ' উন্মাদ এবং 'গ' নাবালক। 'খ' এবং 'গ'-এর সম্মতি ব্যতীত 'ক', দেনাদার 'ঘ'-কে ঋণমুক্ত করতে পারে না। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  2. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  3. 'খ', এবং 'গ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না
  4. 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
ব্যাখ্যা
এক্ষেত্রে 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদি আইন,১৯০৮ এর ৭ ধারার অধীন তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে।

• তামাদি আইনের ৬, ৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। যে ব্যক্তির মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয়েছে সে যদি উক্ত সময় মামলা করতে আইনগতভাবে অপারগ থাকে, তাহলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে তা ৬ থেকে ৯ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। 

 তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority]
২. উন্মাদ [Insanity]
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]

• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

ধারা ৭ (একাধিক বাদী অথবা দরখাস্তকারীর মধ্যে একজনের অপারগতা)-
যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার অধিকারী হয় বা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয় এবং তাদের সকলেই আইনগত অক্ষম হলে তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদি অতিবাহিত হবে না। কিন্তু যদি এমন হয় যে, তাদের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তি আইনগতভাবে অক্ষম কিন্তু বাকিরা আইনগতভাবে সক্ষম বা সুস্থ, সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ সকলের বিরুদ্ধে অতিবাহিত হবে। কি হবে না তা নিম্নলিখিত ভাবে নির্ধারণ করতে হবে-

⇒ যে সকল ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ তাদের সম্মতি ছাড়া যে ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ না সে যদি দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে পারে তাহলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে।
⇒ কিন্তু আইনগতভাবে সক্ষম ব্যক্তি আইনগত অপারগ ব্যক্তিদের সম্মতি ছাড়া দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে, তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না।

Section 7: Disability of one of several plaintiffs or applicants-
Where one of several persons jointly entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is under any such disability, and discharge can be given without the concurrence of such person, time will run against them all: but, where no such discharge can be given, time will not run as against any of them until one of them becomes capable of giving such discharge without the concurrence of the others or until the disability has ceased.
৩১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৮৯গ ধারা কী বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ডিক্রি বাস্তবায়ন
  2. আরবিট্রেশন
  3. মামলায় মধ্যস্থতা
  4. আপিলে মধ্যস্থতা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৮৯গ ধারার শিরোনামই হল "আপিলে মধ্যস্থতা" (Mediation in Appeal)। এই ধারার বিধান অনুযায়ী, আদেশ ৪১-এর অধীনে মূল ডিক্রি থেকে দায়েরকৃত আপিলের বিরোধ যদি একই মূল পক্ষ বা তাদের স্থলাভিষিক্ত পক্ষের মধ্যে থাকে, তাহলে আপিল আদালত সেই বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে বা মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.

৩১৫.
For how long can a Magistrate remand an accused person to custody at a time under Section 344 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. 7 days
  2. 15 days
  3. 30 days
  4. Indefinitely
ব্যাখ্যা
• Section 344- Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.

ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৩১৬.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় সরকারের কী ক্ষমতা রয়েছে?
  1. অপরাধীকে ক্ষমা করার ক্ষমতা
  2. অপরাধীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা
  3. মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তি নির্ধারণের ক্ষমতা
  4. মৃত্যুদণ্ড ছাড়া অন্য শাস্তি কমানোর ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা- মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:
প্রতিটি ক্ষেত্রে যেখানে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেখানে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীত উক্ত শাস্তি এই বিধিতে নির্ধারিত অন্য কোনো শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।

Section  54: Commutation of sentence of death:
In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
৩১৭.
লিখিত জবাবে ‘অস্বীকার সুনির্দিষ্ট হবে’- এর ব্যতিক্রম নিচের কোনটি?
  1. বাটোয়ারার ক্ষেত্রে
  2. ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে 
  3. ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি-৩: অস্বীকার সুনির্দিষ্ট হবে:
বিবাদীকে তার লিখিত বিবৃতিতে বাদীর অভিযোগের কারণসমূহ সাধারণভাবে অস্বীকার করলেই যথেষ্ট হবে না, বরং যে সকল তথ্য সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা বিবাদী স্বীকার করে না, সেগুলোর প্রত্যেকটি বিবাদীকে অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তবে ক্ষতিপূরণের বিষয় ব্যতীত।

Order 8 Rule 3- Denial to be specific:
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.

৩১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করার গ্রহণযোগ্যতা দেয়া হয়েছে?
  1. ১৭৬(২) ধারায়
  2. ৫০৯ক ধারায়
  3. ৫০৯ ধারায়
  4. ১৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৯ক ধারার বিধান: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট-
-এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।
 ----------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৩১৯.
'An appeal may lie from an original decree passed ex parte.' এটি দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত?
  1. ৯০ ধারা
  2. ৯৫ ধারা
  3. ৯৬ ধারা
  4. ৯৭ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৬- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

Appeal from original decree:
(1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court.
(2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte.
(3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
৩২০.
'ক','খ' ও 'গ' একটি ফার্মের অংশীদার এবং 'ঘ' উক্ত ফার্মের নিকট ঋণগ্রস্থ হয়। 'খ' উন্মাদ এবং 'গ' নাবালক। 'খ' এবং 'গ'-এর সম্মতি ব্যতীত 'ক', দেনাদার 'ঘ'-কে ঋণমুক্ত করতে পারে। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  2. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  3. 'খ' এবং 'গ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না
  4. 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
ব্যাখ্যা
• এক্ষেত্রে 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদি আইন,১৯০৮ এর ৭ ধারার অধীন তামাদির মেয়াদ হতে অতিবাহিত হতে থাকবে।

• তামাদি আইনের ৬, ৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। যে ব্যক্তির মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয়েছে সে যদি উক্ত সময় মামলা করতে আইনগতভাবে অপারগ থাকে, তাহলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে তা ৬ থেকে ৯ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। 

 তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority]
২. উন্মাদ [Insanity]
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]

• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

ধারা ৭ (একাধিক বাদী অথবা দরখাস্তকারীর মধ্যে একজনের অপারগতা)-
যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার অধিকারী হয় বা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয় এবং তাদের সকলেই আইনগত অক্ষম হলে তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদি অতিবাহিত হবে না। কিন্তু যদি এমন হয় যে, তাদের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তি আইনগতভাবে অক্ষম কিন্তু বাকিরা আইনগতভাবে সক্ষম বা সুস্থ, সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ সকলের বিরুদ্ধে অতিবাহিত হবে। কি হবে না তা নিম্নলিখিত ভাবে নির্ধারণ করতে হবে-

যে সকল ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ তাদের সম্মতি ছাড়া যে ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ না সে যদি দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে পারে, তাহলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে।

⇒ কিন্তু আইনগতভাবে সক্ষম ব্যক্তি আইনগত অপারগ ব্যক্তিদের সম্মতি ছাড়া দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে, তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না।

Section 7: Disability of one of several plaintiffs or applicants-
Where one of several persons jointly entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is under any such disability, and discharge can be given without the concurrence of such person, time will run against them all: but, where no such discharge can be given, time will not run as against any of them until one of them becomes capable of giving such discharge without the concurrence of the others or until the disability has ceased.
৩২১.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারা কী সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষীর গোপনীয়তা
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম
  3. দলিলের সত্যতা যাচাই
  4. বিচারকের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
৩২২.
ইসলামী ফৌজদারি আইনের শাস্তির দর্শনের ভিত্তি কী ছিল?
  1. সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা
  2. প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে শাস্তি
  3. অপরাধীর পুনর্বাসনের জন্য শাস্তি
  4. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ
ব্যাখ্যা

⇒ ইসলামী ফৌজদারি আইনে শাস্তির দর্শন প্রতিশোধ (revenge) নয়, বরং অপরাধীর সংস্কার বা পুনর্বাসনের (reformation) উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। শাস্তি নির্ধারণের ক্ষেত্রে এটি অপরাধের সীমা অতিক্রম করা উচিত নয় এবং এটি সমাজে উদাহরণ স্থাপনের (exemplary) মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক (deterrent) হওয়া উচিত। কুরআনের সূরা আল-মায়িদা (৫:৩৮)-এর উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে: "চোর পুরুষ ও চোর নারীর হাত কেটে দাও, তাদের কৃতকর্মের প্রতিদানস্বরূপ, আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি exemplary punishment। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।" এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ইসলামী সমাজে শাস্তির উদ্দেশ্য হলো অপরাধীকে সংস্কার করা এবং সমাজে অপরাধ প্রতিরোধ করা। ইসলামী অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, যাতে অপরাধের প্রবৃত্তি হ্রাস পায়।
উদাহরণস্বরূপ, চুরির মতো অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তি (যেমন, হাত কাটা) নির্ধারিত হলেও, এটি সমাজে সততা ও নৈতিকতা বজায় রাখার জন্য এবং অপরাধীকে সংশোধনের পথে আনার জন্য প্রয়োগ করা হয়। ইসলামী সমাজে সরল জীবনযাপন, সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা এবং অপ্রয়োজনীয় রীতিনীতি থেকে বিরত থাকার উপর জোর দেওয়া হয়, যা অপরাধের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা: যদিও ইসলামী ফৌজদারি আইনের একটি লক্ষ্য ছিল সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, তবে এটি শাস্তির মূল দর্শন নয়। শৃঙ্খলা রক্ষা একটি ফলাফল, কিন্তু শাস্তির প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল অপরাধীর পুনর্বাসন।
খ) প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে শাস্তি: ইসলামে শাস্তি প্রতিশোধের জন্য নয়। প্রতিশোধের পরিবর্তে, ইসলামী আইন অপরাধীর সংস্কার ও সমাজের সুরক্ষার উপর জোর দেয়। উদাহরণস্বরূপ, দিয়াত (রক্তমূল্য) বা কিসাস (সমান প্রতিশোধ) ব্যবস্থা থাকলেও, এগুলো সংস্কার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য নিয়ন্ত্রিত হয়।
ঘ) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ: ইসলামী ফৌজদারি আইনে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা একটি গৌণ বিষয় ছিল। শাস্তির দর্শন মূলত অপরাধীর সংস্কার ও সমাজে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত। বিচারকদের বিবেচনাধীন ক্ষমতা (যেমন তাজির) থাকলেও, এটি শাস্তির প্রধান ভিত্তি নয়।

অর্থাৎ ইসলামী ফৌজদারি আইনের শাস্তির দর্শন ছিল অপরাধীর পুনর্বাসন ও সংস্কারের উপর ভিত্তি করে, যা সমাজে ন্যায়বিচার ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োগ করা হতো। এটি প্রতিশোধের পরিবর্তে প্রতিরোধমূলক ও সংস্কারমূলক পদ্ধতির উপর জোর দেয়।

তথ্যসূত্র: Enactment of Penal Code, 1860: A Historical Analysis by Dr. Masuma Pervin. [লিঙ্ক]

৩২৩.
বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনির্বাহী সরকার পরিচালনা করিবার জন্য আইন বলে ক্ষমতা প্রদত্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বলা হয়-
  1. প্রশাসন
  2. সরকার
  3. সংসদ সদস্য
  4. আইনের লোক
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ১৭ ধারার বিধান 'সরকার' বলতে বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনিবাহী সরকার পরিচালনা করবার জন্য আইনবলে ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বুঝাইবে।

- The Penal Code, 1860 Section 17: “Government”: The word “Government” denotes the person or persons authorized by law to administer executive Government in Bangladesh, or in any part thereof.
৩২৪.
সাক্ষ্য আইনে "সাক্ষ্য" (Evidence) কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "সাক্ষ্য" (Evidence) তিন প্রকারে বিভক্ত: 
১. মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence): আদালতের সামনে সাক্ষীদের দেওয়া বক্তব্য, যা তদন্তাধীন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত।
২. দলিলি সাক্ষ্য (Documentary Evidence): আদালতের পরিদর্শনের জন্য পেশ করা নথি বা ডকুমেন্ট।
৩. ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য (Physical or Forensic Evidence): রক্ত, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, পায়ের ছাপ ইত্যাদি উপাদান বা বস্তু, যা অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে বা কোনো তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ করে।

৩২৫.
সাধারণভাবে বার কাউন্সিলের নির্বাচন হবে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হওয়ার বছরের-
  1. মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
  2. জুন মাসের ৩০ তারিখে বা তার আগে
  3. মার্চ মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
  4. মার্চ মাসের ৩০ তারিখে বা তার আগে
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী, যে বছর বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হয়, সেই বছরের মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে বার কাউন্সিলের নির্বাচন হবে।
-------------------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-8. (1) Elections to the Bar Council shall be held so as to conclude on or before the thirty first day of May in the year in which the term of the Bar Council expires.
(2) If the elections to the Bar Council cannot be held within the time specified in clause (1) due to pandemic, epidemic, act of God or for any other unavoidable circumstances as may be determined by the Government from time to time, the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended.
The Attorney-General for Bangladesh shall be one of the members of the Ad-hoc Bar Council and shall also be its Chairman.

(4) Notwithstanding anything contained in any other provision of this Order, the Ad-hoc Bar Council shall exercise such powers and functions of the Bar Council as specified in this Order and the rules made thereunder.
৩২৬.
বিচারক বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে কার পূর্ব অনুমতি নিতে হবে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. দায়রা জজ
  3. প্রতিষ্ঠানের প্রধান
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৯৭ মতে যখন কোন সরকারী কর্মচারী তার কর্তব্য পালনকালে অপরাধ সংঘঠন করেছেন বলে অভিযুক্ত হয়ে থাকেন, তখন সরকারের পূর্ব অনুমতি ব্যতিত কোন আদালত সেরূপ অপরাধ আমলে নিবেন না। উক্ত অভিযোগ কার দ্বারা বা কীভাবে কার হবে বা কোন আদালতে বিচার হবে তা সরকার নির্ধারণ করবেন।
৩২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. কোনো প্রতিকার নেই
  2. দায়রা আদালতে আপিল
  3. দায়রা আদালতে রিভিশন
  4. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিভিউ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

ধারা ২৪১(ক)-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):

অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশীট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশী কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
 
• ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিলে ফরিয়াদীর প্রতিকার-
২৪১(ক) ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতির আদেশ দিলে, ফরিয়াদী উক্ত অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের করতে পারে।

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ৩ ক্ষেত্রে আপিলের বিধান রয়েছে-
> দণ্ডাদেশ (ধারা ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০);
> অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশ (ধারা ৪১৭ক); এবং
> খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭)।

যেহেতু অব্যাহতির ক্ষেত্রে আপিলের বিধান নেই এবং যেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না সেক্ষেত্রে রিভিশনের সুযোগ রয়েছে, সেহেতু উক্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।
৩২৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩০ ধারার অধীন কোন কোন ক্ষেত্রে সমন প্রেরণ করা যায়?
  1. শুধুমাত্র সাক্ষ্যদান অথবা দলিল
  2. সাক্ষ্যদান বা দলিল দাখিল বা প্রশ্নাবলী প্রদান ও জবাবদান
  3. শুধুমাত্র প্রশ্নাবলী প্রদান ও জবাবদান
  4. শুধুমাত্র সাক্ষ্যদান
ব্যাখ্যা
• ধারা-৩০ (উদঘাটন ও অনুরূপ বিষয়ের আদেশ দানের ক্ষমতা)

নির্ধারণ শর্ত এবং সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে আদালতে যে কোন সময় স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে অথবা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে-
ক) প্রশ্নাবলী প্রদান ও জবাবদান, দলিল ও তথ্যাবলীর স্বীকৃতি, এবং উদ্ঘাটন, পরিদর্শন, দাখিল, দলিল অন্তরীণ বা প্রত্যর্পণ অথবা সাক্ষ্য হিসাবে দাখিলযোগ্য অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী সম্পর্কিত সকল বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও যুক্তিপূর্ণ হতে পারে এরূপ আদেশ প্রদান করতে পারেন;
খ) সাক্ষ্যদান, অথবা দলিল দাখিল অথবা উপরোক্ত অন্য উদ্দেশ্যে যাদের হাজির হওয়ার প্রয়োজন, তাদের প্রতি সমন প্রেরণ করতে পারেন;
গ) কোন তথ্য এফিডেভিট (শপথ পত্র) দ্বারা প্রমাণের আদেশ করতে পারে।

Sec-30: 
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, at any time, either of its own motion or on the application of any party,-
a) make such orders as may be necessary or reasonable in all matters relating to the delivery and answering of interrogatories, the admission of documents and facts, and the discovery, inspection, production, impounding and return of documents or other material objects producible as evidence;
b) issue summonses to persons whose attendance is required either to give evidence or to produce documents or such other objects as aforesaid;
c) order any fact to be proved by affidavit.
৩২৯.
বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা দায়েরের বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১৫ ধারায়
  2. ১৬ ধারায়
  3. ১৭ ধারায়
  4. ১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা:-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।
-------------------- 
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.
৩৩০.
ধারা ৩৮৪ এর অধীনে পরোয়ানার নির্দেশের উদ্দেশ্য কী?
  1. দণ্ড কার্যকর করা
  2. আসামিকে মুক্তি দেওয়া
  3. মামলার শুনানি স্থগিত করা
  4. আসামিকে অন্য কারাগারে স্থানান্তর করা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮৪- দণ্ড কার্যকরীর জন্য পরোয়ানার নির্দেশ:
কারাদণ্ড কার্যকরীর প্রত্যেকটি পরোয়ানা আসামী যে কারাগারে বা অন্য যে স্থানে আটক রয়েছে বা থাকবে, সেই কারাগারের বা স্থানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর নির্দেশিত হবে।

Section 384: Direction of warrant for execution:
Every warrant for the execution of a sentence of imprisonment shall be directed to the officer in charge of the jail or other place in which the prisoner is, or is to be, confined.
৩৩১.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন খালাস [Acquittal] আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. ১৫১ অনুচ্ছেদে
  2. ১৫৭ অনুচ্ছেদে
  3. ১৫৬ অনুচ্ছেদে
  4. ১৫৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৫৭

খালাস [Acquittal] আদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী আপিল করতে হবে যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে- ৬ মাস।
৩৩২.
দণ্ডবিধির ধারা ১৪৪ অনুসারে, মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে অবৈধ সমাবেশে যোগ দেওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪৪ অনুসারে, যে কেউ মারাত্মক অস্ত্র বা এমন কিছু নিয়ে অবৈধ সমাবেশে যোগ দেয়, যা অপরাধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে মৃত্যু ঘটাতে পারে, তাকে যে কোনো ধরনের কারাদণ্ডে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত দণ্ডিত করা যেতে পারে, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারার বিধান মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনী সমাবেশে যোগদান করা :- কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-144: Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:-
- Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৩৩৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৫ বিধি-৪ অনুসারে যদি আদালত মনে করে যে বিচার্য বিষয়ের ওপর সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সাক্ষ্য প্রয়োজন, তবে আদালত –
  1. মামলার রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. মামলাটি খারিজ করে দিতে পারে
  3. মামলাটি স্থগিত রাখতে পারে
  4. বিবাদীর পক্ষে রায় দিতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.
৩৩৪.
আদালত একটি মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিলো। উক্ত একতরফা ডিক্রি কার্যকর করার কারণে বিবাদী সম্পত্তিতে তার দখল হারায়। পরবর্তীতে বিবাদী একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন করলে আদালত একতরফা ডিক্রি বাতিল করে আদেশ দিলো অর্থাৎ সম্পত্তিতে বিবাদীর দখল বহাল থাকলো। এক্ষেত্রে বিবাদী কত ধারার অধীনে সম্পত্তিতে তার দখল ফেরত বা প্রত্যর্পণ পাওয়ার অধিকারী হবে?
  1. ১৪২ ধারা
  2. ১৪৪ ধারা
  3. ১৪৬ ধারা
  4. ১৪৮ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
-----------------------------------------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী আদালতের কোন ডিক্রি বা আদেশের কারণে দুইটি বিষয় ঘটতে পারে। যেমন-
১. মোকদ্দমার কোন পক্ষ কোন কিছু গ্রহণ করতে পারে, আবার
২. অন্য পক্ষ কোন কিছু হারাতে পারে।

পরবর্তীতে আদালতের এই ডিক্রি বা আদেশ যদি সংশোধন, পরিবর্তন বা পরিমার্জন হয় এবং এর ফলে কোন পক্ষ কোন কিছু পাওয়ার অধিকারী হলে, তাকে সেই বিষয়টি ফেরত বা প্রত্যর্পণ করতে হবে অর্থাৎ তাকে তার পূর্বের অবস্থানে প্রতিস্থাপন করতে হবে। আদালতের ডিক্রি জারিতে যে-সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা হয়, ডিক্রি বাতিল হলে দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা অনুসারে ওই সম্পত্তির দখল প্রত্যর্পণ করতে হয় সেই ব্যক্তির নিকট যে ব্যক্তি ডিক্রি জারিতে উক্ত সম্পত্তির দখল হারিয়েছিল। কোন পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারে।

এক্ষেত্রে, আদালত একটি মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিলো। উক্ত একতরফা ডিক্রি কার্যকর করার কারণে বিবাদী সম্পত্তিতে তার দখল হারায়। পরবর্তীতে বিবাদী একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন করলে আদালত একতরফা ডিক্রি বাতিল করে আদেশ দিলো অর্থাৎ সম্পত্তিতে বিবাদীর দখল বহাল থাকলো । এই ক্ষেত্রে বিবাদী সম্পত্তিতে তার দখল ফেরত বা প্রত্যর্পণ পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। এই ক্ষেত্রে আদালত এমন প্রত্যর্পণের আদেশ মঞ্জুর করে যে সিদ্ধান্ত দিবে তা ডিক্রি বলে গণ্য হবে।
৩৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণের বিধান আছে?
  1. ৫০৯ক
  2. ৫১০ক
  3. ৫১১
  4. ৫১২(২)
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান:- আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামী পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দী গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরুপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারী বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে ।

(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারী করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দী পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 512:
-(1)Record of evidence in absence of accused
 If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.
৩৩৬.
Process fees না দেওয়ার কারণে Complaint খারিজ করা হয় The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায়?
  1. ২০৪(৪)
  2. ২০৪(১)
  3. ২০৪(২)
  4. ২০৪(৩)
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৪ ধারা:
(১) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কোনো অপরাধের বিষয়ে বিচারাধীন হয়ে মনে করেন যে মামলাটি চালানোর জন্য যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে এবং দ্বিতীয় তফসিলের চতুর্থ কলামের মতে এটি এমন একটি মামলা যেখানে প্রথমে সমন জারি করা উচিত, তাহলে তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করবেন। যদি মামলাটি এমন হয় যেখানে প্রথমেই ওয়ারেন্ট জারি করা প্রয়োজন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন অথবা প্রয়োজনে সমন জারি করে অভিযুক্তকে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিতে পারেন। যদি তার নিজস্ব এখতিয়ার না থাকে, তবে তিনি অন্য কোনো যোগ্য ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানোর জন্য নির্দেশ দিতে পারেন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর অধীনে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সমন বা ওয়ারেন্ট জারি করা যাবে না, যতক্ষণ না অভিযোগকারী পক্ষ সাক্ষীদের তালিকা দাখিল করে।
(খ) কোনো লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত মামলায়, উপ-ধারা (১)-এর অধীনে জারি করা প্রতিটি সমন বা ওয়ারেন্টের সাথে অভিযোগের একটি অনুলিপি সংযুক্ত থাকবে।

(২) এই ধারার কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৯০ ধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

(৩) যদি কোনো প্রচলিত আইনে প্রক্রিয়া ফি বা অন্যান্য ফি প্রদান করতে হয়, তবে ফি প্রদান না করা পর্যন্ত কোনো প্রক্রিয়া জারি করা হবে না। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি প্রদান করা না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগটি খারিজ করতে পারেন।
৩৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা আছে 'প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না'?
  1. ৪৯৬ ধারায়
  2. ৪৯৮ ধারায়
  3. ৫০১ ধারায়
  4. ৫০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৩৩৮.
লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে আদালতকে পক্ষগণের কোন বিষয়ে সন্তুষ্ট হতে হবে?
  1. অলাভজনক উদ্দেশ্য
  2. ন্যায়সঙ্গত উদ্দেশ্য
  3. বিবেকসম্মত উদ্দেশ্য
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

⇒ সুতরাং, চুক্তি সংশোধনের জন্য আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য এবং মর্ম বুঝে একটি ন্যায়সঙ্গত ও বিবেকসম্মত চুক্তি করতে চেয়েছিল, কিন্তু লিখিতভাবে তা সঠিকভাবে প্রকাশ পায়নি। তাই সংশোধনের মাধ্যমে চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রতিফলিত করা প্রয়োজন।
৩৩৯.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর কোন ধারা অনুযায়ী মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা বা স্বাক্ষর করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ধারা ১৯৬
  2. ধারা ১৯৭
  3. ধারা ১৯৮
  4. ধারা ১৯৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত প্রয়োজনীয় বা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা স্বাক্ষর করে, অথচ জেনে বা বিশ্বাস করে যে তা কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা, তবে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার মতোই শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
- Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

৩৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এ সংজ্ঞায়িত বিদেশী রায়ের সম্পর্কে মামলার তামাদি-
  1. ১২ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৭

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এ সংজ্ঞায়িত বিদেশী রায়ের সম্পর্কে মামলা
তামাদি- ৬ বছর
সময় গণনা শুরু- রায়ের তারিখ হতে।
৩৪১.
সাক্ষীর পরীক্ষা বা দলিল পরিদর্শনের জন্য দেওয়ানি আদালত বিচার্য বিষয় নির্ধারণ সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য মুলতবি রাখতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-৪- আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন:
যদি আদালতের মতামত হয় যে, কোনো ব্যক্তি যার উপস্থিতি আদালতে নেই অথবা কোনো নথি যা মামলায় উপস্থাপন করা হয়নি তা পরীক্ষা করা ব্যতীত বিচার্য বিষয় (issues) যথাযথভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়, তবে আদালত বিচার্য বিষয় নির্ধারণের কাজ সর্বোচ্চ পনেরো (১৫) দিনের জন্য মুলতবি রাখতে পারে।
এছাড়াও, আদালত (তৎকালীন প্রচলিত কোনো আইনের বিধান সাপেক্ষে) যার কাছে সেই ব্যক্তি বা দলিল আছে, তাকে সমন বা অন্য কোনো পদ্ধতির মাধ্যমে হাজির করতে বা দলিল পেশ করতে বাধ্য করতে পারে।

[Where the Court is of opinion that the issues cannot be correctly framed without the examination of some person not before the Court or without the inspection of some document not produced in the suit, it may adjourn the framing of the issues to a day not later than fifteen days, and may (subject to any law for the time being in force) compel the attendance of any person or the production of any document by the person in whose possession or power it is by summons or other process.]
৩৪২.
একটি মামলায় প্রতারণামূলক দলিল সৃজনের অভিযোগ করা হলে উক্ত মামলায় তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদীর_______।
  1. অধিকার সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
  2. প্রতারণা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
  3. দলিল সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
  4. মামলা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
ব্যাখ্যা
♦যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
৩৪৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ১ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল বা দলিল রদ এর মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর।

অনুচ্ছেদ- ৯১
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্য কোন বিধান নেই
তামাদি- ৩ বছর
সময় গণনা শুরু- যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে, সেগুলি যখন বাদী অবগত হয়।
৩৪৪.
বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে হবেন?
  1. সচিব
  2. ভাইস- চেয়ারম্যান
  3. অ্যাটর্নী জেনারেল
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর বিধি ৫৫ মতে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলো সচিব।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972:  Rules-55. The Secretary shall be the chief executive officer of the Bar Council.
- 55 (1). The Secretary shall be the supervisory officer and Deputy Secretary shall be the executive officer of the Bar Council.
- 55(2). In case of absence or leave of the Secretary, the Deputy Secretary shall be in-charge of the Secretary and perform all functions of the Secretary.
৩৪৫.
একজন ব্যক্তিকে তখন নিঃস্ব বলা যায় যখন তার পরিধেয় বস্ত্র এবং মোকাদ্দমার বিষয়বস্তু ছাড়া ____ টাকা মূল্যমানের সম্পদ থাকে।
  1. ৫০০০
  2. ৩০০০
  3. ১০০০০
  4. ২০০০
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৩ বিধি-১: নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা রুজু করা যাবে। নিম্নবর্ণিত বিধানাবলী সাপেক্ষে নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক যে কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে।
ব্যাখ্যা: সে ব্যক্তি 'নিঃস্ব' যখন সে উক্ত মোকদ্দমার আরজির জন্য আইনে নির্ধারিত ফি প্রদান করতে সামর্থ্যবান হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সামর্থের অধিকারী নয় বা যেক্ষেত্রে অনুরূপ ফি নির্ধারিত নেই সেক্ষেত্রে সে যখন তার আবশ্যকীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ব্যতীত [পাঁচ হাজার] টাকা মূল্যের সম্পত্তির অধিকারী নয়।
------------------
⇒  Order 33 Rule-1: Suits may be instituted in forma pauperis.- Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation.-A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit,or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth [five thousand] taka other than his necessary wearing apparel and the subject-matter of the suit.
৩৪৬.
সিআর মামলায় অভিযোগকারী __________ হলে, অপরাধ আমলে নেয়ার সময় জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই।
  1. নারী
  2. প্রাপ্ত বয়স্ক
  3. সাক্ষীসহ উপস্থিত
  4. সরকারী কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা। ২০০ বিধান অনুযায়ী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর জবানবন্দি নিতে বাধ্য।
 
• ২০০ ধারায় বলা হয়েছে-
নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।
 
• যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-
 
⇒ যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই;
⇒ যেকোন মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে; বা
সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে, সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই।
৩৪৭.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুযায়ী 'বলপ্রয়োগ' বলতে বোঝায়:
  1. ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যের ক্ষতি করা
  2. মানসিক নির্যাতন
  3. অন্যকে ভয় দেখানো
  4. গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধকরণ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধকরণ।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার মতে, কারো প্রতি বলপ্রয়োগ তখনই হয়েছে বলে ধরা হয়, যখন কোনো ব্যক্তি তার দেহ বা অন্য কোনো মাধ্যম ব্যবহার করে অপর ব্যক্তির প্রতি এমন কোনো গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধ করে, যার ফলে তা ওই ব্যক্তির শরীর, তার পরিধেয় বা বাহিত বস্তু অথবা সংবেদনশক্তিকে স্পর্শ করে বা প্রভাবিত করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়: 
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 349. Force:
A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described: 
Firstly. By his own bodily power. 
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person. 
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৩৪৮.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে চুক্তি প্রত্যাহার মামলার তামাদি উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ- ১১১
  2. অনুচ্ছেদ- ১১৪
  3. অনুচ্ছেদ- ১১৩
  4. অনুচ্ছেদ- ১১৫
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা (For recession of a contract) দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১১৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার‌ প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী যখন প্রথম অবগত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে করতে হবে।
৩৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, অভিযুক্তের মৃত্যু হলে ধারা ৪১৭ বা ৪১৭ক এর অধীনে করা আপিলের কী হয়? 
  1. হাইকোর্টে স্থানান্তরিত হয়
  2. চূড়ান্তভাবে অবসান হয়
  3. পুনর্বিবেচনায় রূপান্তরিত হয়
  4. উত্তরাধিকারীদের মাধ্যমে চলতে থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- ৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতীত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে।

- The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-431. Abatement of appeals:
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter (except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.

৩৫০.
ফৌজদারি মামলার দণ্ড কার্যকর করার পর পরোয়ানা কার বরাবর ফেরত দেয়া হয়?
  1. সম্পাদনকারী অফিসার বরাবর
  2. দায়রা আদালত বরাবর
  3. ইস্যুকারী আদালত বরাবর
  4. জেলা জজ আদালত বরাবর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০০ ধারার বিধান: দণ্ড কার্যকর করার পর ফেরত:
যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন।
----------------------
⇒ CrPC-Section 400- Return of warrant on execution of sentence:
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed.
৩৫১.
According to Section 31 of The Evidence Act, 1872, an admission is:
  1. A complete defense
  2. Always conclusive proof
  3. Irrelevant to the case
  4. Not conclusive proof, but may act as estoppel
ব্যাখ্যা
 Section-31- Admissions not conclusive proof, but may stop: 
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.

সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
৩৫২.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারেন?
  1. যেক্ষেত্রে কোন পক্ষের আইনজীবী মোকদ্দমার কোন নির্দিষ্ট অংশ স্বীকার করে নেয়, যা মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করার জন্য যথেষ্ট
  2. মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করার পর আদালত যদি মনে করে যে, আর কোন যুক্তিতর্ক বা সাক্ষ্যের প্রয়োজন নেই
  3. ক বা খ
  4. উল্লেখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
যদি কোন পক্ষের আইনজীবী মোকদ্দমার কোন নির্দিষ্ট অংশ স্বীকার করে নেয় যা মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করার জন্য যথেষ্ট বা  মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করার পর আদালত যদি মনে করে যে আর কোন যুক্তিতর্ক বা সাক্ষ্যের প্রয়োজন নেই, তাহলে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে।

• আদেশ-১৫, বিধি ৩-
১) যেক্ষেত্রে পক্ষদের মধ্যে আইন কিংবা ঘটনার প্রশ্নে বিচার্য বিষয় থাকে এবং পূর্বের বিধানানুযায়ী আদালত কর্তৃক বিচার্য বিষয় প্রণীত হয়ে থকে এবং আদালত যদি এ মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, মোকদ্দমায় সিদ্ধান্তের জন্য পর্যাপ্ত হতে পারে এমন বিচার্য বিষয়ের উপর পক্ষগণ তখনই যা প্রয়োগ করতে পারে তা অপেক্ষা অধিকতর যুক্তিতর্ক বা প্রমাণ এর প্রয়োজন নেই এবং তাৎক্ষনিক মোকদ্দমার কার্যক্রম গ্রহণে কোনরূপ অবিচার সংঘটিত হবে না,
সেক্ষেত্রে আদালত উক্তরূপ বিচার্য বিষয়গুলি নির্ধারণ করতে অগ্রসর হবে এবং ইহর উপর পর্যাবেক্ষণী সিদ্ধান্তের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যথেষ্ট বিবেচিত হলে শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য কিংবা মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন দেয়া হলেও আদালত সেই অনুযায়ী রায় ঘোষণা করতে পারবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় স্থিরীকরণের জন্য সমন দেয়া হয়ে থাকলে যদি পক্ষগণ কিংবা তাদের উকিলগণ উপস্থিত থাকে এবং কোনো আপত্তি না করে।

২) যেক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের জন্য পর্যবেক্ষণী পর্যাপ্ত নয়, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার অতিরিক্ত শুনানি স্থগিত রাখবে এবং ক্ষেত্র বিশেষে অতিরিক্ত সাক্ষ্য বা যুক্তি উপস্থাপনের জন্য সময় নির্ধারণ করবে।
৩৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত ?
  1. ৩০ দিন
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ দিন
  4. ৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ১ বিধির অধীন লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস।
- বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। 
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।
-  আদেশ ৮ বিধি (১)-৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যাতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।

আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।
------- 
ORDER VIII - WRITTEN STATEMENT AND SET-OFF:

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, order-VIII Rule-1: Written statement:
(1) The defendant shall, within thirty working days from the date of service of summons upon him, save as provided in the proviso to sub-section (2) of section 80, present a written statement of his defence:

Provided that where the defendant fails, for reasonable grounds, to file the written statement within the said period of thirty working days, he shall be allowed to file the same on such other day, as may be specified by the Court, for reasons to be recorded in writing, but which shall not exceed sixty working days from the date of service of summons:

Provided further that if the defendant fails to file the written statement within the said period of sixty working days, the Court shall dispose of the suit ex parte.

৩৫৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এ মোট কতটি তফসিল রয়েছে এবং কতটি বর্তমানে কার্যকর?
  1. ৫টি, ২টি কার্যকর
  2. ৫টি, ৩টি কার্যকর
  3. ৪টি, ২টি কার্যকর
  4. ৬টি, ৩টি কার্যকর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এ মোট ৫টি তফসিল (Schedule) সংযুক্ত আছে। তবে এদের মধ্যে ২টি তফসিল বর্তমানে বাতিল, আর ৩টি তফসিল কার্যকর রয়েছে।
১) মোট তফসিল আছে – ৫টি
২) তার মধ্যে বর্তমানে কার্যকর – ৩টি
৩) কার্যকর তফসিল –
- প্রথম তফসিল: বিধি ও ফরম; মূল আইনের অংশ
- তৃতীয় তফসিল: কালেক্টরের মাধ্যমে ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
- চতুর্থ তফসিল: অন্যান্য আইন সংশোধনের বিধান (যেমন: কোর্ট ফি অ্যাক্ট সংশোধন)
৪) বাতিল তফসিল –
- দ্বিতীয় তফসিল: সালিস আইন, ১৯৪০ দ্বারা বাতিল
- পঞ্চম তফসিল: Repealing and Amending Act, ১৯১৪ দ্বারা বাতিল
৩৫৫.
প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনার সুবিধা পাওয়ার জন্য কোন বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?
  1. সরল বিশ্বাস
  2. আইনি জ্ঞান
  3. আর্থিক সামর্থ্য
  4. সাক্ষীর উপস্থিতি
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৮ অনুযায়ী, যখন কেউ প্রতারণার শিকার হয়ে তাঁর অধিকার থেকে বঞ্চিত হন, তখন তাঁকে তামাদি মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়।
কিন্তু এই সুবিধা পাওয়ার মূল শর্ত হলো— ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি “সরল বিশ্বাসে” প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
⇒ সরল বিশ্বাস বলতে বোঝায় ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অজ্ঞান বা উদাসীন ছিলেন না, তিনি বুদ্ধি, সতর্কতা এবং সাধারণ সচেতনতা বজায় রেখেও প্রতারণার শিকার হয়েছেন, তিনি সত্যকে জানার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন।
⇒ প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ গণনার সুবিধা পেতে হলে, ব্যক্তি প্রতারণার বিষয়ে সরল বিশ্বাসে অজ্ঞ ছিলেন এবং তিনি প্রতারণা জানার পর দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন – এটি প্রমাণ করা আবশ্যক। তাই, "সরল বিশ্বাস" এই সুবিধার কেন্দ্রবিন্দু, যা তামাদির গণনায় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য।
- প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদির সুবিধা পাওয়ার জন্য ‘সরল বিশ্বাস’ অপরিহার্য বিষয়, তাই সঠিক উত্তর: ক) সরল বিশ্বাস।

⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
- যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud:
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
৩৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, গুরুতর অসুস্থতার কারণে ওয়ারেন্ট জারির পরও গ্রেপ্তার বাতিল করতে পারে কে?
  1. সরকার
  2. পুলিশ
  3. আদালত
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী: "At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued, the Court may cancel it on the ground of his serious illness."
অর্থাৎ, রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের জন্য যদি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়ে থাকে, এবং পরবর্তীতে দেখা যায় যে তিনি গুরুতর অসুস্থ, তাহলে আদালত উক্ত পরোয়ানাটি বাতিল করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে। 
দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি:
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।
৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।
৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লিখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 59. Release on ground of illness:
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness. 
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison. 
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom- 
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or 
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness. 
(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.

৩৫৭.
কোন ক্ষেত্রে সাক্ষীর সাক্ষ্য বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই?
  1. যে সকল মোকদ্দমায় রিভিউ অনুমোদিত নয়
  2. যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
  3. সকল ক্ষেত্রে বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
যে সকল মোকদ্দমায় আপিলের বিধান নেই, সেই সকল মোকদ্দমায় সাক্ষীর সাক্ষ্য বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই।

• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• বিধি-১৩ (আপিল অযোগ্য মোকদ্দমায় সাক্ষীর স্মারক)-
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত হয় না, সে সকল মোকদ্দমায় বিস্তারিতভাবে লিখিত, সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন হবে না, কিন্তু প্রত্যেক সাক্ষীর পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিচারক তার জবানবন্দির সারাংশের স্মারকলিপি তৈরী করবে এবং এরূপ স্মারকলিপি বিচারক কর্তৃক লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং সেটা নথির অংশভুক্ত হবে।

Order 18 Rule 13: Memorandum of evidence in unappealable cases-
In cases in which an appeal is not allowed, it shall not be necessary to take down the evidence of the witness in writing at length; but the Judge, as the examination of each witness proceeds, shall make a memorandum of the substance of what he diposes, and such memorandum shall be written and signed by the Judge and shall form part of the record.
৩৫৮.
‘E’ একজন ব্যক্তিকে চুরি যাওয়া গহনা ফেরত দেওয়ার জন্য নির্যাতন করে, যার ফলে ব্যক্তির একটি দাঁত ভেঙে যায়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘E’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩২৫
  2. ধারা ৩২৯
  3. ধারা ৩৩১
  4. ধারা ৩৩৩
ব্যাখ্যা

⇒ ‘E’ একজন ব্যক্তিকে চুরি যাওয়া গহনা ফেরত দেওয়ার জন্য নির্যাতন করে, যার ফলে ব্যক্তির একটি দাঁত ভেঙে যায়। এই ক্ষেত্রে, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৩১ প্রযোজ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৩১-এ বলা হয়েছে, যে কেউ স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে অথবা কোনো সম্পত্তি বা মূল্যবান নিরাপত্তা ফেরত দেওয়ার জন্য কাউকে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর ক্ষতি (grievous hurt) সাধন করে, সে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার জন্য দায়ী হবে।

গুরুতর ক্ষতি (Grievous Hurt): দণ্ডবিধির ধারা ৩২০-এ গুরুতর ক্ষতির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে একটি দাঁত ভাঙা বা হারানো (loss or fracture of a tooth) গুরুতর ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হয়। অতএব, ‘E’ কর্তৃক সৃষ্ট ক্ষতি গুরুতর ক্ষতির শ্রেণীভুক্ত।
উদ্দেশ্য: ‘E’ চুরি যাওয়া গহনা ফেরত পাওয়ার জন্য নির্যাতন করেছে, যা ধারা ৩৩১-এ উল্লিখিত "সম্পত্তি ফেরত দেওয়ার জন্য বাধ্য করা" উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

- অর্থাৎ ‘E’-এর কাজটি ধারা ৩৩১-এর অধীনে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে, কারণ তিনি সম্পত্তি (গহনা) ফেরত পাওয়ার উদ্দেশ্যে গুরুতর ক্ষতি (দাঁত ভাঙা) সৃষ্টি করেছেন। সঠিক উত্তর: গ) ধারা ৩৩১।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 331. Voluntarily causing grievous hurt to extort confession, or to compel restoration of property:
 Whoever voluntarily causes grievous hurt for the purpose of extorting from the sufferer or any person interested in the sufferer any confession or any information which may lead to the detection of an offence or misconduct, or for the purpose of constraining the sufferer or any person interested in the sufferer to restore or to cause the restoration of any property or valuable security or to satisfy any claim or demand or to give information which may lead to the restoration of any property or valuable security shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৩৫৯.
'সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৯ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ-
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
 
Section 9: Court of Sessions:
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
৩৬০.
আদেশ ৪৬ বিধি ৫ অনুযায়ী কোন আদালত মামলা সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠাতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপিল বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. যে আদালত মামলা রেফারেন্স করেছে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৬ বিধি ৫: রেফারেন্স প্রদানকারী আদালতের ডিক্রি পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষমতা:
কোনো মামলা বিধি ১ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরিত হলে, হাইকোর্ট বিভাগ সেই মামলাটি সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠাতে পারে এবং যে আদালত মামলা প্রেরণ করেছে, সেই আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা গৃহীত কোনো ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন, বাতিল বা খারিজ করতে পারে এবং যে কোনো প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারে যেটি তারা উপযুক্ত মনে করে।

৩৬১.
‘C’ এর বাড়িতে আগুন লাগানোর জন্য ‘B’ পাগল প্রকৃতির ব্যক্তি ‘A’ কে বলেন এবং সে মোতাবেক ‘C’ এর বাড়িতে ‘A’ আগুন লাগায় এক্ষেত্রে-
  1. A পাগল হওয়ার কারণে তার কোন অপরাধ বা শাস্তি হবে না
  2. B প্ররোচনা দিয়েছে তাই আগুন লাগানোর দোষে দোষী হবে
  3. B এর ৪৩৬ ধারার অধীনে ক্ষতিসাধনের শাস্তি হবে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-৩ অনুযায়ী যখন প্ররোচিত ব্যক্তি অপরাধী না হলেও প্ররোচনাকারী অপরাধী হয়। অর্থাৎ অপরাধ করতে যে ব্যক্তি আইনগত অযোগ্য যেমন: নাবালক, অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল ব্যক্তিকে দিয়ে অপরাধ করালে যিনি উক্ত অপরাধ সংঘটিত করান তিনি দোষ কর্মের সাহায্যকারী হিসেবে দোষী হবেন।

⇒ ধারা ৪৩৬ এ উল্লেখ আছে যে গৃহ ইত্যাদি ধ্বংস করার অভিপ্রায়ে অগ্নি বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে অনিষ্ট সাধন।
৩৬২.
‘A’ ‘Z’-এর দেওয়া ১০,০০০ টাকার একটি ক্রেডিট লেটারে একটি শূন্য যোগ করে তা ১,০০,০০০ টাকা করে এবং এটি ‘Z’-এর দ্বারা লিখিত বলে বিশ্বাস করার উদ্দেশ্যে ‘B’-কে প্রতারিত করে। দণ্ডবিধির ৪৬৫ ধারা অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে বা ক্ষতি করার, সম্পত্তি হস্তান্তর করানোর, বা চুক্তিতে প্রবেশ করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা দলিল তৈরি করে, তবে তা জালিয়াতি (Forgery) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘A’ ‘Z’-এর দেওয়া ১০,০০০ টাকার ক্রেডিট লেটারে একটি শূন্য যোগ করে তা ১,০০,০০০ টাকা করেছে, যা ধারা ৪৬৪-এর দ্বিতীয় উপায়ে (দলিলে অসাধুভাবে পরিবর্তন) জালিয়াতি। ধারা ৪৬৫ অনুসারে, জালিয়াতির শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

অর্থাৎ ‘A’-এর কাজ ধারা ৪৬৩ এবং ৪৬৪-এর অধীনে জালিয়াতি হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪৬৫ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860-Section-465. Punishment for forgery:
- Whoever commits forgery shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৩৬৩.
'মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ১১৪ ধারার
  2. ১২৪ ধারার
  3. ১৩৪ ধারার
  4. ১৫৪ ধারার
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের  ১৩৪ ধারার বিধান- সাক্ষীর সংখ্যা:
মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।

Section 134: Number of witnesses
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৩৬৪.
বাংলাদেশী নাগরিক ”ক” যুক্তরাজ্যে একটি খুন করে। ”ক” এর বিচার এবং শাস্তি-
  1. বাংলাদেশে বিচার করা যবে না
  2. বাংলাদেশে বিচার করা যাবে এবং খুনের দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে
  3. বাংলাদেশের দণ্ডবিধি ”ক” এর ক্ষেত্রে প্রয়োজ্য নয়
  4. বিদেশে অপরাধ করায় ”ক” বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
♦দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
৩৬৫.
কোনো মোকদ্দমায় res sub-judice নীতির প্রয়োগ হলে এর ফলাফল কী?
  1. পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
  2. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করা হবে।
  3. পরবর্তী মোকদ্দমাটির আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
  4. পরবর্তী মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করা হবে।
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারা মোতাবেক কোনো একই বিষয় নিয়ে একই  পক্ষদের মধ্যে পূর্বেই একটি মোকদ্দমা চলমান থাকলেল পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করার বিধান রয়েছে। 

♦ ধারা ১০ অনুযায়ী মামলা স্থগিত রাখাবে। এই ধারায় বলা আছে যে, কোন আদালত এমন কোন মামলার বিচার চালায়ে যাবেন না, যার বিচার বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষভাবে এবং মূলত পূর্বে দায়েরকৃত অপর একটি মামলাও বিচার্য বিষয়, তা একই পক্ষগণের মধ্যে অথবা এমন পক্ষগণের মধ্যে যাদের অধীনে তারা বা তাদের মধ্যে কোন একজনের সূত্রে পরবর্তী মামলার পক্ষগণ বা পক্ষগণের মধ্যে কোন একজন স্বত্ব দাবী করেন, যেখানে এরূপ মামলা একই অথবা বাংলাদেশের অন্য কোন আদালতে বিচারাধীন আছে, যে আদালতের প্রার্থীত প্রতিকার মঞ্জুর করার এখতিয়ার আছে অথবা বাংলাদেশের বাইরে সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা চলতি কোন আদালত যার এরূপ এখতিয়ার আছে, অথবা সুপ্রীমকোটে বিচারাধীন কোন মামলা।
ব্যাখ্যাঃ কোন বিদেশী আদালতে দায়েরকৃত মামলা যদি বাংলাদেশের কোন আদালতে দায়েরকৃত মামলার সাথে একই কারণযুক্ত হয়, তবুও ইহা বাংলাদেশের আদালতে উক্ত মামলা বিচারে বাধা হবে না।

♦ ১০ ধারার অধীন আদালত পরবর্তী মোকদ্দমাটি খারিজ করতে পারে না বরং বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে পারে।

♦  এই Doctrine বা নীতিটি Res-Subjudice নামে পরিচিত। এই Doctrine প্রয়োগ করার শর্তসমূহ হলো:
১- প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই বিচার্য বিষয়ে দুটি মোকদ্দমা থাকতে হবে।
২-উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হবে।
৩-পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকবে
৪- উক্ত মোকদ্দমার দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার আদালতে থাকতে হবে।
৫- উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্বের জন্য মোকদ্দমা করেছে।

♦ এই নীতিটি প্রয়োগ করতে আদালত বাধ্য।
♦ বিদেশী আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে Res-Subjudice নীতি প্রযোজ্য হবে না ।
♦ যে মামলাটি প্রথমে দায়ের করা হয়েছে তা চলমান থাকবে এবং দ্বিতীয় মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে। খারিজ হবে না। বা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত ১৫১ ধারা প্রয়োগ করে ১ম মামলাটি স্থগিত রাখার আদেশ দিতে পারেন।
৩৬৬.
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেয়া যেতে পারে যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু-
  1. অস্থাবর সম্পত্তি হয়
  2. স্থাবর সম্পত্তি হয়
  3. অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
  4. স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি উভয় হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale):
-কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।

⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
৩৬৭.
দায়রা আদালত বিচার প্রক্রিয়ার কোন স্তরে সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে?
  1. যখন অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে
  2. যখন অভিযুক্ত বিচার প্রার্থনা করে
  3. ক বা খ
  4. অভিযুক্ত কর্তৃক দোষ স্বীকারের পর
ব্যাখ্যা
• চার্জ বা অভিযোগ (Charge) ফৌজদারি বিচার কার্যক্রমে একটি  গুরুত্বপূর্ণ স্তর।চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে ফৌজদারি মামলার বিচার শুরু হয়।ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে,দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে,যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা।যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত করতে পারেন।এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। 

• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫চ ধারা-
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে,সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।
৩৬৮.
‘একজন আসামীর দোষস্বীকারোক্তি শুধু তার বিরুদ্ধে কার্যকর হবে’ The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় এই নীতির ব্যতিক্রম আছে?
  1. ২৪
  2. ২৫
  3. ২৯
  4. ৩০
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারামতে দোষ স্বীকার শুধুমাত্র দোষ স্বীকারকারীর নিজের বিরুদ্ধে নয়, বরং তা একই অপরাধে যৌথ-ভাবে অভিযুক্ত অন্য অপরাধীর (co-accused) বিরুদ্ধেও প্রমান করা যায়।

যেমন- গ-কে হত্যা করার অপরাধে ক ও খ-এর যৌথভাবে বিচার হচ্ছে। প্রমাণ করা হয়েছে যে, ক বলেছিল খ ও আমি গ-কে হত্যা করেছি। আদালত খ-এর বিরুদ্ধে এই স্বীকারোক্তির কার্যকারিতা বিবেচনা করতে পারেন ।

অন্যদিকে গ-কে হত্যা করার অপরাধে ক এর বিচার হয়। সাক্ষ্য আছে যে, ক ও খ কর্তৃক গ নিহত হয়েছে এবং খ বলেছে ক ও আমি গ-কে হত্যা করেছি। এক্ষেত্রে আদালত খ এর উক্ত বিবৃতি ক এর বিরুদ্ধে বিবেচনা নাও করতে পারেন। কারণ ক এর সাথে যৌথভাবে খ-এর বিচার হচ্ছে না।

♦ অর্থাৎ ‘একজন আসামীর দোষস্বীকারোক্তি শুধু তার বিরুদ্ধে কার্যকর হবে’ The Evidence Act, 1872 এর ৩০ ধারায় এই নীতির ব্যতিক্রম আছে। যখন  যৌথভাবে বিচার হবে তখন আদালত একজনের দোষস্বীকারোক্তি অন্যজনের  বিরুদ্ধে কার্যকারিতা বিবেচনা করতে পারেন ।
৩৬৯.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তি দখল পুণরুদ্ধারের তামাদি মেয়াদ হবে -
  1. ৩ বছর
  2. ৬ মাস
  3. ১২ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তি দখল পুণরুদ্ধারের তামাদি মেয়াদ হবে ১২ বছর
৩৭০.
‘ক’-কতৃর্ক ‘খ’-এর নিকট বিক্রিত একটি ঘোড়া সুস্থ কি না এই প্রশ্নে, ‘ক’,‘খ’-কে বলল, ‘গ’-এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা কর, ‘গ’-এ সম্পর্কে সবকিছু জানে। ‘গ’ এর প্রদত্ত বিবৃতি-
  1. স্বীকৃতি হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
  2. স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
  3. আদালত মনে করলে তা গ্রহণ করতে পারে
  4. ‘গ’-কোনো বিবৃতি প্রদান করার অধিকার রাখে না
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন (ধারা ২০): পক্ষের দ্বারা স্পষ্টভাবে উল্লেখিত ব্যক্তির স্বীকৃতি [Admissions by persons expressly referred to by party to suit]:

যদি কোনো মামলার পক্ষ নিজেই কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রতি তথ্য জানার জন্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে, তাহলে ঐ ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি স্বীকৃতি (Admission) হিসেবে গণ্য হবে।
[Statements made by persons to whom a party to the suit has expressly referred for information in reference to a matter in dispute are admissions.]

উদাহরণ:
A, B-কে একটি ঘোড়া বিক্রি করেছে এবং প্রশ্ন উঠেছে যে ঘোড়াটি সুস্থ ছিল কি না। A যদি B-কে বলে, "C-কে জিজ্ঞাসা কর, C এ সম্পর্কে সব জানে," তাহলে C-এর বক্তব্য স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে।
[The question is whether a horse sold by A to B is sound. A says to B–"Go and ask C; C knows all about it." C's statement is an admission.]
৩৭১.
'ক' জুমার নামাজের সময় মসজিদে ঢুকে উচ্চস্বরে চিৎকার করতে থাকে, যা নামাজরত মুসল্লিদের নামাজ ব্যাহত করে। এক্ষেত্রে 'ক' দণ্ডবিধির ২৯৬ ধারায় সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারে?
  1. ৫ বছরের
  2. ৩ বছরের
  3. ২ বছরের
  4. ১ বছরের
ব্যাখ্যা
• ২৯৬ ধারা: "ধর্মীয় সমাবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি"-
যে কেউ স্বেচ্ছায় কোনো আইনসম্মত ধর্মীয় উপাসনা বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিযুক্ত সমাবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে, তাকে এক বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

এই ধারার মূল বিষয়গুলি:
⇒ অপরাধের প্রকৃতি: ধর্মীয় সমাবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি করা।

⇒ অপরাধের শর্তাবলী:
a) বিঘ্ন সৃষ্টি স্বেচ্ছায় করা হয়েছে;
b) বিঘ্ন সৃষ্টি করা হয়েছে এমন একটি সমাবেশে যা আইনসম্মতভাবে ধর্মীয় উপাসনা বা অনুষ্ঠানে নিযুক্ত ছিল।

⇒ শাস্তি:
a) সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড;
b) জরিমানা;
c) কারাদণ্ড ও জরিমানা উভয়।
৩৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানানুযায়ী কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর থেকে লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭৪(২) ধারা
  2. ১৭৫(২) ধারা
  3. ১৭৬(২) ধারা
  4. ১৭৭(২) ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
--------------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.

(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৩৭৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, যদি বিক্রেতা বিক্রির পর সম্পত্তির ওপর নতুন স্বত্ব অর্জন করে, তাহলে ক্রেতার অধিকার কী?
  1. চুক্তি বাতিল করতে পারবেন।
  2. বিক্রেতাকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করতে পারবেন।
  3. বিক্রেতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে পারবেন।
  4. বিক্রেতাকে সেই স্বত্ব দিয়ে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) বিক্রেতাকে সেই স্বত্ব দিয়ে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারবেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, যদি বিক্রেতা চুক্তির পর সম্পত্তির ওপর নতুন স্বত্ব অর্জন করেন, তাহলে ক্রেতার অধিকার রয়েছে বিক্রেতাকে সেই স্বত্ব ব্যবহার করে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করার। অর্থাৎ, বিক্রেতা যদি পরে সম্পত্তির বৈধ মালিকানা পান, তবে ক্রেতা চাইলে সেই মালিকানা দিয়ে বিক্রেতাকে চুক্তি অনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার বিধান ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার:
যেখানে এক ব্যক্তি এমন নির্দিষ্ট সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়, যার উপর তার শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব রয়েছে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদারের (যদি না এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধান প্রদান করা হয়) নিম্নলিখিত অধিকার রয়েছে:
(ক) যদি বিক্রেতা বা ইজারাদাতা বিক্রয় বা ইজারা প্রদানের পর পরই সম্পত্তিতে কোন নতুন স্বত্ব অর্জন করেন, তবে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন স্বত্বের জন্য চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(খ) যেখানে স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতা বা ইজারাদাতার অনুরোধে তা করতে বাধ্য থাকে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন;
(গ) যেখানে বিক্রেতা দায়হীন সম্পত্তি বিক্রয়ের কথা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করেন, কিন্তু বাস্তবে সম্পত্তিটি এমন পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে যা ক্রয়মূল্যকে অতিক্রম করে না এবং বিক্রেতার কাছে শুধুমাত্র তা মুক্ত রাখার অধিকার রয়েছে, সেখানে ক্রেতা তাকে তা বন্ধকমুক্ত করতে এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে হস্তান্তর অর্জন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ইজারাদাতা চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেন এবং মামলা তার ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বের অজুহাতে খারিজ হয়ে যায়, সেখানে প্রতিবাদীর অধিকার রয়েছে, সুদসহ জমাকৃত অর্থ (যদি জমা করে থাকে) এবং মামলার খরচ ফেরত পাওয়ার এবং তেমন জমাকৃত অর্থ, সুদ ও খরচের জন্য বিক্রেতা বা ইজারাদার যে জমি বিক্রয় বা ইজারা দিতে সম্মত হয়েছিলেন, তাতে বিক্রেতা বা ইজারাদাতার স্বত্বের উপর পূর্বস্বত্ব অধিকার থাকবে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-18. Purchaser's rights against vendor with imperfect title:
Where a person contracts to sell or let certain property, having only an imperfect title thereto, the purchaser or lessee (except as otherwise provide by this Chapter) has the following rights:- 
(a) if the vendor or lessor has subsequently to the sale or lease acquired any interest in the property, the purchaser or lessee may compel him to make good the contract out of such interest; 
(b) where the concurrence of other persons is necessary to validate the title, and they are bound to convey at the vendor's or lessor's request, the purchaser or lessee may compel him to procure such concurrence; 
(c) where the vendor professes to sell unincumbered property, but the property is mortgaged for an amount not exceeding the purchase-money, and the vendor has in fact only a right to redeem it, the purchaser may compel him to redeem the mortgage and to obtain a conveyance from the mortgagee ; 
(d) where the vendor or lessor sues for specific performance of the contract, and the suit is dismissed on the ground of his imperfect title, the defendant has a right to a return of his deposit (if any) with interest thereon, to his costs of the suit, and to a lien for such deposit, interest and costs on the interest of the vendor or lessor in the property agreed to be sold or let.
৩৭৪.
দণ্ডবিধির ধারা ১৭৪ কোন অপরাধের শাস্তির বিধান আছে?
  1. সরকারি নথি জালিয়াতি
  2. সরকারি কর্মচারীর সম্পত্তি চুরি
  3. সরকারি কর্মচারীর উপর আক্রমণ 
  4. সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৭৪ তে সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া অপরাধের শাস্তির বিধান করেছে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হল: ঘ) সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হতো তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both;
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৩৭৫.
ফৌজদারি আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার কী?
  1. হাইকোটের নিকট রিভিশন
  2. দায়রা জজের নিকট আপীল
  3. দায়রা জজের নিকট রিভিশন
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় বলা আছে যে আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যদি কোনো ব্যক্তিকে কোনো দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করেন, এবং এর ফলে কোনো ব্যক্তি সংক্ষুদ্ধ হন, তাহলে তিনি এর প্রতিকার হিসেবে দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে পারেন।

- অর্থাৎ আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৯৪ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে পারে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন জারির বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারামতে আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করতে পারেন।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section-94: Summons to produce document or other thing:
(1) Whenever any Court, or any officer in charge of a police-station considers that the production of any document or other thing is necessary or desirable for the purposes of any investigation, inquiry, trial or other proceeding under this Code by or before such Court or officer, such Court may issue a summons, or such officer a written order, to the person in whose possession or power such document or thing is believed to be, requiring him to attend and produce it, or to produce it, at the time and place stated in the summons or order: 

Provided that no such officer shall issue any such order requiring the production of any document or other thing which is in the custody of a bank or banker as defined in the Bankers' Books Evidence Act, 1891 (Act No. XVIII of 1891), and relates, or might disclose any information which relates, to the bank account of any person except,- 
(a) for the purpose of investigating an offence under sections 403, 406, 408 and 409 and sections 421 to 424 (both inclusive) and sections 465 to 477A (both inclusive) of the Penal Code, with the prior permission in writing of a Sessions Judge; and 
(b) in other cases, with the prior permission in writing of the High Court Division. 
(2) Any person required under this section merely to produce a document or other thing shall be deemed to have complied with the requisition if he causes such document or thing to be produced instead of attending personally to produce the same. 
(3) Nothing in this section shall be deemed to affect the Evidence Act, 1872, sections 123 and 124, or to apply to a letter, postcard, telegram or other document or any parcel or thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৩৭৬.
Section 28 of The Limitation Act, 1908 is an exception to which general principle?
  1. Limitation affects both right and remedy
  2. Limitation bars remedy but not the right
  3. Limitation never affects rights
  4. Limitation applies only to contracts
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- b) Limitation bars remedy but not the right.

The Limitation Act, 1908–এর সাধারণ নীতি হলো-
তামাদি আইন সাধারণত কেবল প্রতিকার (remedy) বন্ধ করে, অধিকার (right) নষ্ট করে না।
অর্থাৎ, সময়সীমা পেরিয়ে গেলে মামলা করা যায় না, কিন্তু মূল অধিকারটি তাত্ত্বিকভাবে থেকে যায়।

কিন্তু ধারা ২৮ এই সাধারণ নীতির ব্যতিক্রম (exception)।

ধারা ২৮-
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ শেষ হলে, ঐ সম্পত্তির ওপর ব্যক্তির অধিকারই বিলুপ্ত (extinguished) হয়ে যায়।

অর্থাৎ, এখানে শুধু মামলা করার সুযোগ নয়, অধিকার নিজেই শেষ হয়ে যায়। এই কারণেই ধারা ২৮ হলো সেই সাধারণ নীতির ব্যতিক্রম যে- “Limitation bars the remedy but not the right.”

৩৭৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) কে করতে পারে?
  1. আদালত
  2. সাক্ষী নিজে
  3. বিরুদ্ধ পক্ষ
  4. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, সাক্ষীর প্রথম জবানবন্দি (Examination-in-chief) এবং তারপর বিরোধী পক্ষের জেরা (Cross-examination) হওয়ার পর, যদি পক্ষদ্বয় চায়, তবে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ (যে পক্ষ সাক্ষীকে উপস্থিত করেছে) পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) করতে পারে। পুনঃজবানবন্দির উদ্দেশ্য হল, জেরার সময় উত্থাপিত ভুল বা অস্পষ্টতা দূর করা, তবে এটি শুধুমাত্র জেরার বিষয় সম্পর্কিত হতে পারে এবং কোনো নতুন বিষয় উত্থাপন করা যাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

⇒ The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৩৭৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫১ অনুযায়ী, যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত আদালতে প্রাসঙ্গিক হয়, তখন নিচের কোনটি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হতে পারে?
  1. কেবল তার নাম
  2. তার মতামতের ভিত্তি
  3. তার ব্যক্তিগত বিশ্বাস
  4. অন্যের মতামত যা তিনি শুনেছেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) তার মতামতের ভিত্তি।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫১ বলছে, যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত আদালতে প্রাসঙ্গিক হয় (যেমন—বিশেষজ্ঞ মতামত), তখন সেই মতামতের ভিত্তিগুলোও প্রাসঙ্গিক হিসেবে গৃহীত হবে। অর্থাৎ, একজন বিশেষজ্ঞ কেবল তার মতামত নয়, বরং তার মতামত যেসব পরীক্ষার বা যুক্তির উপর ভিত্তি করে গঠিত হয়েছে, সেগুলিও আদালতে উপস্থাপন করতে পারবেন।
- এই বিধান বিচারককে তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে কারণ এতে মতামতের যৌক্তিকতা ও ভিত্তি স্পষ্ট হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫১ (Section 51 of the Evidence Act, 1872) অনুযায়ী, “যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত কোনো মামলায় প্রাসঙ্গিক হয়, তখন সেই মতামতের উপর ভিত্তি করে যে কারণ বা ভিত্তি গঠিত হয়েছে, তা-ও প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।”
উদাহরণ হিসেবে, যদি একজন বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য দেয় যে তিনি একটি রাসায়নিক পরীক্ষা করে ফলাফল পেয়েছেন, তাহলে তিনি কেবল ফলাফলই বলবেন না, সেই পরীক্ষাটি কীভাবে করেছেন, সেটিও বলতে পারবেন। কারণ তা তার মতামতের ভিত্তি।
- অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারাই নিশ্চিত করে যে, বিশেষজ্ঞ বা প্রাসঙ্গিক মতামতের ভিত্তিগুলোও (Grounds of opinion) আদালতে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হতে পারে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section- 51. Grounds of opinion, when relevant:
- Whenever the opinion of any living person is relevant the grounds on which such opinion is based are also relevant.

- Illustration: An expert may give an account of experiments performed by him for the purpose of forming his opinion.
৩৭৯.
তামাদি আইন সর্বপ্রথম আইনে পরিণত হয়
  1. ১৮৫৯ সালে
  2. ১৮৬২ সালে
  3. ১৮৭১ সালে
  4. ১৯০৮ সালে
ব্যাখ্যা
♦ ১৭৯৩ সালে সর্ব প্রথম তামাদি আইন ইংরেজীতে প্রবর্তিত হলেও ১৮৫৯ সালে প্রথম পূর্ণাঙ্গ তামাদি আইন প্রণীত হয়। অর্থাৎ ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন সর্বপ্রথম আইনে পরিণত হয়। পরবর্তীতে ১৮৫৯ সালের তামাদি আইনের পরিবর্তে ১৮৭১ সালে নতুন করে তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয়। লক্ষ্যণীয় বিষয় যে, ১৮৭১ সালের তামাদি আইনে সরকার কর্তৃক যে কোন মোকদ্দমা দায়েরের সময় ছিল ৬০ বৎসর। পরবর্তীতে ১৮৭১ সালের তামাদি আইনের পরিবর্তে ১৮৭৭ সালে তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয়।

♦ বর্তমানে প্রচলিত তামাদি আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়), যা তামাদি আইন ১৯০৮ নামে পরিচিত। এটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়। তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন।

♦ সর্বশেষ ২০০৪ সালে তামাদি আইন সংশোধন করা হয়। ২০০৪ সালের ২৮ নং আইন দ্বারা তামাদি আইনের ১১৩ ও ১১৪ অনুচ্ছেদ দুইটি সংশোধন করা হয়।

♦ তামাদি আইন একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)। তবে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে পদ্ধতিগত আইন উল্লেখ না থাকলে বিধিবদ্ধ আইন হবে।
৩৮০.
পুলিশকে সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ ক্ষমতা দেওয়া হয়ছে-
  1. ১৪৯ ধারায়
  2. ১৫০ ধারায়
  3. ১৫১ ধারায়
  4. ১৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ (Prevention of injury to public property)-

কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।
৩৮১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৭৪ প্রযোজ্য হয় কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে?
  1. স্বর্ণালংকার
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. কৃষিজাত ফসল
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৭৪ (Rule 74 of Order 21 of CPC) বিশেষভাবে "sale of agricultural produce" বা "কৃষিজাত ফসল বিক্রয়" সংক্রান্ত বিধান নির্ধারণ করে। এতে বলা হয়েছে, নিলামের সময় যদি ন্যায্য মূল্য না পাওয়া যায় এবং মালিক বা তার প্রতিনিধির অনুরোধ থাকে, তাহলে নিলাম স্থগিত করে পরবর্তী দিন বা বাজারের দিনে সম্পন্ন করা হবে। এটি কেবলমাত্র কৃষিজাত ফসল সংক্রান্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, অন্য কোনো ধরণের সম্পত্তি (যেমন, স্বর্ণালংকার বা স্থাবর সম্পত্তি) এর আওতায় পড়ে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-২১, বিধি-৭৪(২) এ বলা হয়েছে: 
(২) যখন ফসল বিক্রয়ের জন্য তোলা হবে, তখন−
(ক) যদি বিক্রির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি মনে করেন যে ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত হয়নি, এবং
(খ) মালিক বা তার প্রতিনিধির অনুরোধে বিক্রয় পরবর্তী দিন বা বাজারের দিনে স্থগিত করার আবেদন করা হয়,
তাহলে বিক্রয় স্থগিত থাকবে এবং পরবর্তী নির্ধারিত দিনে যে মূল্যই হোক, তা অনুসারে বিক্রয় সম্পন্ন হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21,Rule-74 (2) Where, on the produce being put up for sale,−
(a) a fair price, in the estimation of the person holding the sale, is not offered for it, and
(b) the owner of the produce or a person authorized to act in his behalf applies to have the sale postponed till the next day or, if a market is held at the place of sale, the next market-day,
the sale shall be postponed accordingly and shall be then completed, whatever price may be offered for the produce.

৩৮২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, যদি বিক্রেতার স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্য ব্যক্তিদের সম্মতির প্রয়োজন হয়, তবে ক্রেতার কী অধিকার থাকে?
  1. চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারেন।
  2. আদালতে চুক্তির অবৈধতা প্রমাণ করতে পারেন।
  3. বিক্রেতার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করতে পারেন।
  4. বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ঘ) বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, যদি বিক্রেতার সম্পত্তির স্বত্ব বৈধ করতে অন্য ব্যক্তিদের সম্মতির প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতার অনুরোধে তা দিতে বাধ্য থাকে, তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন। এটি ক্রেতার অধিকার, যাতে তিনি বৈধ স্বত্ব সম্পন্ন সম্পত্তি গ্রহণ করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার বিধান ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার:
যেখানে এক ব্যক্তি এমন নির্দিষ্ট সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়, যার উপর তার শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব রয়েছে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদারের (যদি না এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধান প্রদান করা হয়) নিম্নলিখিত অধিকার রয়েছে:ঃ
(ক) যদি বিক্রেতা বা ইজারাদাতা বিক্রয় বা ইজারা প্রদানের পর পরই সম্পত্তিতে কোন নতুন স্বত্ব অর্জন করেন, তবে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন স্বত্বের জন্য চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(খ) যেখানে স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতা বা ইজারাদাতার অনুরোধে তা করতে বাধ্য থাকে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন;
(গ) যেখানে বিক্রেতা দায়হীন সম্পত্তি বিক্রয়ের কথা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করেন, কিন্তু বাস্তবে সম্পত্তিটি এমন পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে যা ক্রয়মূল্যকে অতিক্রম করে না এবং বিক্রেতার কাছে শুধুমাত্র তা মুক্ত রাখার অধিকার রয়েছে, সেখানে ক্রেতা তাকে তা বন্ধকমুক্ত করতে এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে হস্তান্তর অর্জন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ইজারাদাতা চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেন এবং মামলা তার ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বের অজুহাতে খারিজ হয়ে যায়, সেখানে প্রতিবাদীর অধিকার রয়েছে, সুদসহ জমাকৃত অর্থ (যদি জমা করে থাকে) এবং মামলার খরচ ফেরত পাওয়ার এবং তেমন জমাকৃত অর্থ, সুদ ও খরচের জন্য বিক্রেতা বা ইজারাদার যে জমি বিক্রয় বা ইজারা দিতে সম্মত হয়েছিলেন, তাতে বিক্রেতা বা ইজারাদাতার স্বত্বের উপর পূর্বস্বত্ব অধিকার থাকবে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-18. Purchaser's rights against vendor with imperfect title:
Where a person contracts to sell or let certain property, having only an imperfect title thereto, the purchaser or lessee (except as otherwise provide by this Chapter) has the following rights:- 
(a) if the vendor or lessor has subsequently to the sale or lease acquired any interest in the property, the purchaser or lessee may compel him to make good the contract out of such interest; 
(b) where the concurrence of other persons is necessary to validate the title, and they are bound to convey at the vendor's or lessor's request, the purchaser or lessee may compel him to procure such concurrence; 
(c) where the vendor professes to sell unincumbered property, but the property is mortgaged for an amount not exceeding the purchase-money, and the vendor has in fact only a right to redeem it, the purchaser may compel him to redeem the mortgage and to obtain a conveyance from the mortgagee ; 
(d) where the vendor or lessor sues for specific performance of the contract, and the suit is dismissed on the ground of his imperfect title, the defendant has a right to a return of his deposit (if any) with interest thereon, to his costs of the suit, and to a lien for such deposit, interest and costs on the interest of the vendor or lessor in the property agreed to be sold or let.
৩৮৩.
মামলা করার অধিকার জন্মানোর পূর্বে মৃত্যু হওয়ার বিষয়ে তামাদি আইনের কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১৮
  2. ১৬
  3. ১৭
  4. ১৫
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের ১৭ ধারা মতে মামলা করার অধিকার অর্জনের পূর্বে যদি কোন ব্যক্তি মারা যায় তাহলে তার বৈধ প্রতিনিধিরা মামলা করতে পারবেন।
৩৮৪.
কোন পরিস্থিতিতে পুরুষকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হবে?
  1. যখন স্ত্রীর বয়স ১৮ বছরের বেশি
  2. যখন সম্মতিতে যৌনসঙ্গম করা হয়
  3. যখন সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনসঙ্গম করা হয়
  4. যখন সম্মতি সহ অর্থের বিনিময়ে যৌনসঙ্গম করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা- ধর্ষণ (Rape):
কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত: স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে;
দ্বিতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে;
তৃতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে;
চতুর্থত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে;
পঞ্চমত: স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা: ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম: কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
৩৮৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কোন আইনে প্রদত্ত সব সংজ্ঞা সমভাবে প্রযোজ্য বলে গণ্য করতে হয়?
  1. The Code of Civil Procedure, 1908 
  2. The Registration Act, 1908
  3. The Contract Act, 1872
  4. The Evidence Act, 1872
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৩ ব্যাখামূলক অনুচ্ছেদে বলা আছে, চুক্তি আইনে যেসব শব্দের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে এমন যেসব শব্দ এই আইনে ব্যবহৃত হয়েছে, তার অর্থ উক্ত আইনে অনুরূপ শব্দগুলোর যে অর্থ করা হয়েছে সেরূপ একই অর্থবোধক গণ্য করা হবে।
৩৮৬.
সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী "সাধারণ প্রথা বা অধিকার" বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান
  2. ব্যক্তিগত অধিকারের কথা
  3. সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ অধিকার
  4. কোনো শ্রেণির মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যা: "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।
 
উদাহরণ:
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
-----------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.

Explanation- The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration:
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section. 
৩৮৭.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুসারে, প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের আদেশে সময়সীমা উল্লেখ না থাকলে কত দিনের মধ্যে সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা

→ The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুসারে, প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের আদেশে যদি কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ না থাকে, তবে আদেশের তারিখ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে। যদি এই সময়সীমা অতিক্রান্ত হয় এবং আদালত সময় বাড়ানোর অনুমতি না দেয়, তবে সংশোধনের অনুমতি হারিয়ে যাবে।
→ অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮ অনুযায়ী প্লিডিংস সংশোধনের জন্য সর্বোচ্চ সময়সীমা -১৪ দিন।

→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908,Order-6 Rule-18: Failure to amend after order:
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.

৩৮৮.
'ক', 'খ'-এর পকেটে হাত দিয়ে পকেটমারির উদ্যোগ নেয়। 'খ'-এর পকেটে কিছু না থাকায় 'ক'-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ধারা ৩৭৯
  2. ধারা ৪১১
  3. ধারা ২৫১
  4. ধারা ৫১১
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ৫১১-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা ধারাটির উদাহরণ (Illustration)-এও উল্লেখ আছে।
-‘ক’ পকেটমারির (চুরি) উদ্দেশ্যে ‘খ’-এর পকেটে হাত ঢুকিয়েছে, অর্থাৎ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে সুস্পষ্ট কাজ করেছে। পকেটে কিছু না থাকায় চুরি সম্পূর্ণ হয়নি, কিন্তু এটি দণ্ডবিধির ধারা ৫১১-এর সরাসরি উদাহরণ (Illustration-b)। যেহেতু কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের চেষ্টার জন্য আলাদা কোনো বিধান নেই, তাই ‘ক’ ধারা ৫১১-এর অধীনে দোষী হবে এবং সর্বোচ্চ চুরির শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত (সাধারণত ৩ বছর পর্যন্ত) কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ড পেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

৩৮৯.
ইচ্ছাকৃতভাবে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য কথা বলা বা অঙ্গভঙ্গি করার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৮ অনুযায়ী যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে:
- কোনো কথা বলে, অথবা
- কোনো শব্দ করে, অথবা
- কোনো অঙ্গভঙ্গি করে, অথবা
- কোনো বস্তু প্রদর্শন করে,
তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো: এক বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৮ – ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে শব্দ উচ্চারণ ইত্যাদি
যে কেউ, ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কোনো ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে, কোনো শব্দ উচ্চারণ করে, অথবা এমন কোনো ধ্বনি করে যা ওই ব্যক্তি শুনতে পান, অথবা এমন কোনো অঙ্গভঙ্গি করে যা ওই ব্যক্তি দেখতে পান, অথবা এমন কোনো বস্তু স্থাপন করে যা ওই ব্যক্তি দেখতে পান, তবে সেই ব্যক্তি এক বছরের মধ্যে যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে, অথবা জরিমানায়, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ The Penal Code, 1860, section 298. Uttering words, etc., with deliberate intent to wound religious feelings:
Whoever, with the deliberate intention of wounding the religious feelings of any person, utters any word or makes any sound in the hearing of that person or makes any gesture in the sight of that person or places any object in the sight of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৩৯০.
নিম্নলিখিত কোনটি সরকারী দলিল না?
  1. অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল।
  2. নিবন্ধিত বিক্রয় দলিল।
  3. হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত।
  4. দেওয়ানী আদালতের সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং

২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।

⇒  ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

  ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  [বি.দ্র- বাংলাদেশ সরকারের হেফাজতে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের নথিপত্র যেমন- রেজিস্ট্রি দলিলের বিবরণ, আদালতের রায়, ডিক্রি, আদেশ, মামলার আরজির জবাব, খতিয়ান, Crpc ১৬৪ ধারার confessional statement সবই সরকারী দলিল বা Public Document]

⇒  অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল একটি বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল।
৩৯১.
আদেশ ৪৩–এ মোট কতটি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে?
  1. ২৫টি
  2. ৩০টি
  3. ৩৫টি
  4. ৪৫টি
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।

৩৯২.
‘ক’ একজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি। কারাগারে অবস্থানকালে সে এক নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে এবং গুরুতরভাবে আহত করে। এই পরিস্থিতিতে ‘ক’-এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ৩০৪ ধারা
  2. ৩০৪ক ধারা
  3. ৩০৭ ধারা
  4. ৩০৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৭-এর দ্বিতীয় অংশ বিশেষভাবে এই ধরনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য:
• পরিস্থিতি বিশ্লেষণ:
→ 'ক' যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি (Life Convict)
→ সে নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যার উদ্দেশ্যে (with intent to murder) আক্রমণ করেছে
→ এতে নিরাপত্তারক্ষী গুরুতরভাবে আহত হয়েছে (hurt is caused)

• ধারা ৩০৭-এর বিধান:
→ সাধারণ ক্ষেত্রে খুনের উদ্যোগ: সর্বোচ্চ ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড + জরিমানা (প্রথম অংশ)
→ যাবজ্জীবন কয়েদি কর্তৃক খুনের উদ্যোগ ও আঘাত সৃষ্টি: মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত শাস্তির বিধান (দ্বিতীয় অংশ)

→ অর্থাৎ যেহেতু ঘটনায় একজন যাবজ্জীবন কয়েদি কর্তৃক খুনের উদ্দেশ্যে আক্রমণ ও আঘাতের ঘটনা রয়েছে, সেহেতু ধারা ৩০৭-এর দ্বিতীয় অংশ প্রযোজ্য হবে যা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 307. Attempt to murder:
Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned.
→ Attempts by life-convicts:- When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৩৯৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় 'স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া' (course of business) একটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৬
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: যখন প্রশ্ন ওঠে যে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা হয়েছে কি না, তখন স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া বা রুটিনের (course of business) অস্তিত্ব একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য বলে গণ্য হবে।

- ধারা ১৬ অনুযায়ী, যদি কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য একটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া বিদ্যমান থাকে, তাহলে সেই কাজটি করার প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, যে কাজটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্বাভাবিকভাবে হওয়ার কথা, তার প্রমাণ সাপেক্ষে সেই কাজের হওয়া বা না হওয়া প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৬ অনুসারে, কোনো কাজ স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া (course of business) অনুযায়ী সম্পাদিত হলে, সেই প্রক্রিয়ার অস্তিত্বই প্রমাণ করে যে কাজটি করা হয়েছিল।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 16. Existence of course of business when relevant:
- When there is a question whether a particular act was done, the existence of any course of business, according to which it naturally would have been done, is a relevant fact.

৩৯৪.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারা অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা করা যায়?
  1. ৪২
  2. ৫৪
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৮ অনুযায়ী  সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার: সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে ।

♦ বাদীকে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে। বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে (তামাদি আইনের ১৪২ ও ১৪৪ অনুচ্ছেদ)।

♦ সরকার বাদী হলে ৬০ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে (অনুচ্ছেদ-১৪৯)

♦ এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা নয় ।
৩৯৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১ অনুসারে, আদালত কীভাবে ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারে?
  1. সম্পত্তি অপর্ণের মাধ্যমে
  2. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে
  3. দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১ অনুযায়ী, আদালত নির্দিষ্ট শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে নিম্নলিখিত উপায়ে ডিক্রি কার্যকর করতে পারেন—
- নির্দিষ্ট সম্পত্তি অপর্ণের মাধ্যমে,
- সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে,
- গ্রেপ্তার ও আটক,
- রিসিভার নিয়োগ,
- কিংবা প্রয়োজন অনুসারে অন্য কোনো উপায়ে।
তাই সবগুলো উপায়ই ধারা ৫১-তে অনুমোদিত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১: ডিক্রিজারি কার্যকর করার জন্যে আদালতের ক্ষমতা:
নির্ধারিত শর্ত এবং নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে আদালত ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে নিম্নবর্ণিত যে কোন উপায়ে ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারেন-
ক) ডিক্রিতে আদিষ্ট কোন সম্পত্তি অপর্ণের দ্বারা;
খ) কোন সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় দ্বারা বা ক্রোকবিহীন নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা;
গ) দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের দ্বারা;
ঘ) রিসিভার নিয়োগ দ্বারা; বা
ঙ) প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতির প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন পন্থায় ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি অর্থ পরিশোধের জন্য হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দেনাদারকে আটকের আদেশ পূর্বে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য উপযুক্ত সুযোগ প্রদান করতে হবে এবং তৎপর আদালত যদি নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, লিখিতভাবে তা উল্লেখ করে অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন:
ক) দেনাদার ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান বা তা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
১. আত্মগোপন করতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা ত্যাগ করতেপারে; বা
২. ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এরূপ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর তার সম্পত্তির কোন অংশ তার দ্বারা অসদুপায়ে স্থানান্তরিত, বিনষ্ট বা অপসারণ করা হয়েছে, বা তার সম্পত্তি নিয়ে যে কোন অবিশ্বস্ততার কাজ করেছে; বা
খ) ডিক্রির তারিখ থেকে ডিক্রির টাকা অথবা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক অংশ পরিশোধের সংগতি রায়সিদ্ধ দেনাদারের আছে বা ছিল, অথচ দেনাদার তা পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি বা অবহেলা জ্ঞাপন করেছে বা করেছে; বা
গ) যে টাকার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, তজ্জন্য রায়সিদ্ধ দেনাদারের দায়িত্বও পরোক্ষ ছিল।
ব্যাখ্যা- খ) দফায় বর্ণিত দেনাদারের সংগতি নির্ধারণকল্পে, দেনাদারের যে সম্পত্তি বর্তমানে প্রচলিত কোন আইন বা আইনের ন্যায় প্রযোজ্য অন্য কোন রীতি অনুসারে ডিক্রি জারির দরুনক্রোক থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য, তা হিসাবে ধরা চলবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 51. Powers of Court to enforce execution:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, on the application of the decree-holder, order execution of the decree-
(a) by delivery of any property specifically decreed;
(b) by attachment and sale or by sale without attachment of any property;
(c) by arrest and detention in prison;
(d) by appointing a receiver; or
(e) in such other manner as may be provided hereinafter in the Code or as the nature of the relief granted may require:
Provided that, where the decree is for the payment of money, execution by detention in prison shall not be ordered unless, after giving the judgment-debtor an opportunity of showing cause why he should not be committed to prison, the Court, for reasons recorded in writing, is satisfied-
(a) that the judgment-debtor, with the object or effect of obstructing or delaying the execution of the decree,-
(i) is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
(ii) has, after the institution of the suit in which the decree was passed, dishonestly transferred, concealed, or removed any part of his property, or committed any other act of bad faith in relation to his property; or
(b) that the judgment-debtor has, or has had since the date of the decree, the means to pay the amount of the decree or some substantial part thereof and refuses or neglects or has refused or neglected to pay the same, or
(c) that the decree is for a sum for which the judgment-debtor was bound in a fiduciary capacity to account.
Explanation.-In the calculation of the means of the judgment-debtor for the purposes of clause (b), there shall be left out of account any property which, by or under any law or custom having the force of law for the time being in force, is exempt from attachment in execution of the decree.
৩৯৬.
What duty does an expert owe under Section 45A(2) of The Evidence Act, 1872?
  1. To help the Court
  2. To maintain confidentiality
  3. To help the prosecution
  4. To help the police investigating the case
ব্যাখ্যা

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.

(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: 
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।

(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

৩৯৭.
এজাহার দাখিলের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. নির্দিষ্ট কোন মেয়াদ নেই
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদির প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।
-তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-তামাদি আইন দ্বারা ফৌজদারী মামলা বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
- তবে ফৌজদারি আপিল, রিভিশন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।

তামাদি আইন ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না। তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়।
অর্থাৎ তামাদি আইনে এজাহার দাখিলের নির্দিষ্ট কোন মেয়াদ নেই।
৩৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে ফরিয়াদি সরকারি কর্মচারী হলে,ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন?
  1. ধারা ২৪৭
  2. ধারা ২৪৫
  3. ধারা ২৪৯
  4. ধারা ২৪৮
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী-

নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবী করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।
শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলায় অগ্রসর হতে পারেন।

[If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.]
৩৯৯.
What is the maximum punishment for causing a miscarriage without a woman's consent?
  1. Death penalty
  2. Life imprisonment
  3. 10 years imprisonment
  4. 7 years imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:-
-কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------------------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 313. Causing miscarriage without women's consent:
- Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৪০০.
তামাদি আইনের ৫ ধারার বিলম্ব মওকুফের জন্য দরখাস্তে কী উল্লেখ করতে হয়?
  1. মামলার গুরুত্ব
  2. বিলম্বের কারণ
  3. মামলার পক্ষের নাম
  4. বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপিলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমাণ করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপিল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
⇒ অর্থাৎ ৫ ধারায় দরখাস্তকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে যথাসময়ে আদালতে আপিল বা দরখাস্ত দাখিল করতে না পারার পেছনে যথোপযুক্ত কারণ (sufficient cause) ছিল।

তামাদি আইনের ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
- অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকুফ করার জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
- তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবল আপিল এবং রিভিউ , রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
---------------------
⇒The Limitation Act, 1908 Section-5. Extension of period in certain cases:
 Any appeal or application for a revision or a review of judgment or for leave to appeal or any other application to which this section may be made applicable by or under any enactment for the time being in force may be admitted after the period of limitation prescribed therefor, when the appellant or applicant satisfies the Court that he had sufficient cause for not preferring the appeal or making the application within such period. 
 
Explanation - The fact that the appellant or applicant was misled by any order, practice or judgment of the High Court Division in ascertaining or computing the prescribed period of limitation may be sufficient cause within the meaning of this section.