বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৩৫ / ১২৬ · ৩,৪০১৩,৫০০ / ১২,৬০৫

৩,৪০১.
‘ক’ একটি কুঠার নিয়ে কাজ করছে। হঠাৎ কুঠারের মাথাটি খুলে গিয়ে উড়ে যায় এবং সন্নিকটে দণ্ডায়মান এক ব্যক্তিকে আঘাত করে এবং লোকটি মারা যায়। এক্ষেত্রে যদি ‘ক’ এর পক্ষে যথাযথ সতর্কতার অভাব না থেকে থাকে, তাহলে দণ্ডবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী তার কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ৮০ ধারা
  2. ৮৮ ধারা
  3. ৯০ ধারা
  4. ৯২ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮০ ধারার বিধান- আইনানুগ কাজ সম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা:
কোন আইনানুগ কাজ আইনানুগ পদ্ধতিতে আইনানুগ উপায়ে যথোপযুক্ত সতর্কতা ও যত্নসহকারে সম্পাদন করাকালে কোন অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা অবগতি ছাড়া দুর্ঘটনা বা দুর্ভাগ্যক্রমে অনুষ্ঠিত কোন কিছুই অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

উদাহরণ: ‘ক’ একটি কুঠার নিয়ে কাজ করছে, হঠাৎ তা কুঠারের মাথাটি খুলে গিয়ে উড়ে যায় এবং সন্নিকটে দণ্ডায়মান এক ব্যক্তিকে নিহত করে। এক্ষেত্রে যদি ‘ক’ এর পক্ষে যথাযথ সতর্কতার অভাব না থেকে থাকে, তাহলে তার কাজ মার্জনীয় হবে এবং অপরাধ হবে না।

Section 80- Accident in doing a lawful act:
Nothing is an offence which is done by accident or misfortune, and without any criminal intention or knowledge in the doing of a lawful act in a lawful manner by lawful means and with proper care and caution.

Illustration: A is at work with a hatchet; the head flies off and kills a man who is standing by. Here if there was no want of proper caution on the part of A, his act is excusable and not an offence.
৩,৪০২.
কোন অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ চুরি বলে গণ্য হবে যদি সম্পত্তিটি যেকোন ব্যক্তির দখল হতে-
  1. প্রতারণামূলকভাবে (Fraudulently) গ্রহণ করা হয়
  2. অসাধুভাবে (Dishonestly) গ্রহণ করা হয়
  3. জোরপূর্বক (Extortion) গ্রহণ করা হয়
  4. ভয় দেখিয়ে গ্রহণ করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
Theft:
Section 378. Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৩,৪০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে মোট কয়টি ধারা রয়েছে?
  1. ৫৫টি
  2. ৫৬টি
  3. ৫৭টি
  4. ৫৮টি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:

⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭ (১নং আইন);
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ প্রস্তাবনা: ১টি;
⇒ খন্ড: ৩টি;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।
৩,৪০৪.
দণ্ডবিধির ৫০৭ ধারা অনুসারে, কোন কাজ এই ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. প্রকাশ্যে কাউকে অপরাধমূলক হুমকি দেওয়া
  2. অজ্ঞাত পরিচয়ে অপরাধমূলক হুমকি দেওয়া
  3. বন্ধুকে মজা করে হুমকি দেওয়া
  4. আইনি প্রক্রিয়ায় হুমকি দেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫০৭ ধারা অনুসারে, অজ্ঞাত পরিচয়ে বা নাম-ঠিকানা গোপন করে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা এই ধারার অধীনে অপরাধ। প্রকাশ্য হুমকি বা মজার ছলে হুমকি এই ধারার আওতায় পড়ে না।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫০৭- অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন:
যে ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে, বা যে ব্যক্তি হুমকি প্রদানের জন্য যার নাম বা অবস্থান গোপন রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাকে দুই বছরের পর্যন্ত যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এছাড়া, এই অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী ধারায় প্রদত্ত শাস্তিও তাকে প্রদান করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section - 507: Criminal intimidation by an anonymous communication:
Whoever commits the offence of criminal intimidation by an anonymous communication, or having taken precaution to conceal the name or abode of the person from whom the threat comes, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, in addition to the punishment provided for the offence by the last preceding section.

৩,৪০৫.
দুষ্কর্মের সহযোগীর বিবৃতি যদি প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সহ সমর্থিত না হয়, সেক্ষেত্রে আদালত বিবৃতিটি সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৪ অনুযায়ী কী অনুমান করতে পারে?
  1. বিশ্বাসের যোগ্য
  2. বিশ্বাসের যোগ্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে
  3. বিশ্বাসের অযোগ্য 
  4. আদালতের বিচক্ষণতার উপর নির্ভর করে যেমনটা অনুমান করতে পারে।
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান: আদালত কতিপয় বিষয়ের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে:
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারা অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত ৯ টি ক্ষেত্রে ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে -

(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;
(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;
(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।

৩,৪০৬.
দণ্ডবিধির কোন ধারার বলা হয়েছে যে বাংলাদেশে সংঘটিত প্রতি কাজ বা অবহেলার জন্য ব্যক্তি এই কোড অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ১
  2. ধারা ২
  3. ধারা ৩
  4. ধারা ৪
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ধারা ২ -এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "বাংলাদেশের ভিতরে দণ্ডবিধির বিধানবিরূদ্ধ যে কোন কাজ বা অবহেলার জন্য প্রত্যেক ব্যক্তি এই কোড অনুযায়ী শাস্তিপ্রাপ্ত হবে এবং অন্যভাবে নয়।"
সুতরাং, বাংলাদেশের ভেতরে সংঘটিত দণ্ডবিধিবিরোধী কোনো কাজ বা অবহেলার (act or omission) জন্য ব্যক্তিকে এই কোডের অধীনেই শাস্তি দেওয়া হবে – এই মৌলিক সূত্রটি ধারা ২-এ উল্লেখিত হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২ অনুসারে, বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত প্রত্যেক কাজ বা অবহেলা (যা এই কোডের বিধানের বিপরীত), তার জন্য ব্যক্তি এই কোড অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হবে এবং অন্য কোনো উপায়ে নয়।

⇒ The Penal Code, 1860, Section-2: Punishment of offences committed within Bangladesh:
- Every person shall be liable to punishment under this Code and not otherwise for every act or omission contrary to the provisions thereof, of which he shall be guilty within Bangladesh.

৩,৪০৭.
দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার অধীনে, যদি কেউ সরকারি কর্মচারী নয় জেনেও সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি নিজেকে সরকারি কর্মচারী বলে পরিচয় দেয়, অথচ সে প্রকৃতপক্ষে সরকারি কর্মচারী নয়, এবং সেই ছদ্মবেশে কোনো কাজ করার চেষ্টা করে বা করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 170. Personating a public servant:
- Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৩,৪০৮.
What action can the Court take if it is found that insufficient sureties have been accepted?
  1. Fine the person released on bail
  2. Cancel the bail without issuing any warrant
  3. Ignore the matter and proceed with the case
  4. Issue a warrant of arrest for the person released on bail
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-501: Power to order sufficient bail when that first taken is insufficient: 
-If, through mistake, fraud or otherwise, insufficient sureties have been accepted, or if they afterwards become insufficient, the Court may issue a warrant of arrest directing that the person released on bail be brought before it and may order him to find sufficient sureties, and, on his failing so to do, may commit him to jail.
--------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০১ ধারার বিধান:- প্রথম জামিনদার অপর্যাপ্ত হলে পর্যাপ্ত জামিনদার গ্রহণের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
- ভুল বশত, প্রবঞ্চনাবশতঃ বা অন্য কোনভাবে অপর্যাপ্ত জামিনদার গ্রহণ করা হলে, বা তারা পরে অপর্যাপ্ত হয়ে পড়লে জামিনে মুক্ত ব্যক্তিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে আদালত গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারবেন এবং পর্যাপ্ত জামিনদার সংগ্রহের আদেশ প্রদান করতে এবং সংগ্রহ করতে না পারলে তাকে হাজতে প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন। 
৩,৪০৯.
'An accomplice shall be a competent witness against an accused person' The Evidence Act, 1872 এর কত ধারার বিধান?
  1. ১৩২ ধারায়
  2. ১৩৩ ধারায়
  3. ১৩৪ ধারায়
  4. ১৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 133. Accomplice:
- An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান:
- দুষ্কর্মের সহযোগীঃ-আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামিকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধু সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।
৩,৪১০.
Under Section 310, when is a person recognized as a thug?
  1. If they are involved in occasional theft
  2. If they commit fraud multiple times
  3. If they are caught in possession of stolen goods
  4. If they habitually commit robbery or child-stealing with murder
ব্যাখ্যা
Section 310- Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.

⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারা- ঠগ:
কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরে কোন সময় খুনের মাধ্যমে বা খুন সহ দস্যুতা সাধন বা শিশু অপহরণের জন্য অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির সাথে অভ্যাসগতভাবে সংশ্লিষ্ট হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি একজন ঠগ।
৩,৪১১.
তামাদি আইনের ধারা ২৯(১) অনুসারে, তামাদি আইন কোন আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করে না?
  1. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
  2. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  3. নিবন্ধন আইন, ১৯০৮
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৯(১) স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে: "এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।"
- তামাদি আইনের ধারা ২৯(১) এর মাধ্যমে এই নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে যে, চুক্তি আইনের এই বিশেষ বিধানটি তামাদি আইনের কোনো বিধান দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত বা অকার্যকর হবে না।

⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা সংরক্ষণ:
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Limitation Act:- Section- 29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) The provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special  law; and 
(b) The remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.

৩,৪১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় কোন ব্যক্তির নিয়োগের বিধান রয়েছে?
  1. রিসিভার
  2. নাবালকের অভিভাবক
  3. বাদীর আইনগত প্রতিনিধি
  4. অপ্রকৃস্থ ব্যক্তির আইনগত অভিভাবক
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section 44- Appointment of receivers discretionary, Reference to Code of Civil Procedure:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৩,৪১৩.
A এর বিরুদ্ধে চোরাই মাল রাখার অভিযোগ করা হয়েছে এবং প্রমাণিত হয়েছে যে, সে একটি নির্দিষ্ট চোরাই জিনিসের দখলে ছিল। একই সময়ে তার কাছে আরো অনেক চোরাই মাল পাওয়া যায়। এই বিষয়টি কী প্রমাণ করে?
  1. A জানত যে, তার দখলের সব মাল চোরাই
  2. A চোরাই মাল পাওয়ার বিষয়ে অবগত ছিল না
  3. A চোরাই মালকে আসল মাল বলে বিশ্বাস করত
  4. উল্লিখিত কোনো কিছু প্রমাণ করে না
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারা: মনের বা দেহের অবস্থা বা দৈহিক উপলব্ধির অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রদর্শন করে:
ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা হঠকারিতা, কোন ব্যক্তিবিশেষের প্রতি বিদ্বেষ অথবা কল্যাণ কামনার মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রকাশ করে অথবা কোন শারীরিক অবস্থা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব প্রকাশ করে, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসকি অথবা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় হয়।

ব্যাখ্যা-১: কোন প্রাসঙ্গিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করার নিমিত্তে যে বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়, তাকে সংশ্লিষ্ট মানসিক অবস্থাটি সাধারণভাবে নয়, নির্ধারিতকোন বিচার্য বিষয় প্রসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে এরূপ প্রকাশ করতে হবে।

ব্যাখ্যা-২: তবে যখন কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিচারকালে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পূর্বে- কৃত কোন অপরাধ এ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক, তখন উক্ত ব্যক্তির পূর্বে দণ্ডিত হওয়াও প্রাসঙ্গিক বিষয়।

উদহারন:
A-কে চোরাই মাল রাখার অভিযোগ করা হয়েছে, এবং প্রমাণ হয়েছে যে সে একটি নির্দিষ্ট চোরাই জিনিসের দখলে ছিল। এখন, এই সময়ে তার কাছে আরও অনেক চোরাই মাল পাওয়া গেছে—এই বিষয়টি প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি ইঙ্গিত করে যে, সে যে সব জিনিসের দখলে ছিল, প্রতিটিরই চোরাই হওয়ার ব্যাপারে সে জানত। অর্থাৎ, একাধিক চোরাই মাল পাওয়া গেলে তার প্রতিটি জিনিস সম্পর্কে জ্ঞাত থাকা ধারণা করা যেতে পারে।
৩,৪১৪.
তল্লাশী পরওয়ানা কোন ধারার বিধান অনুসারে ইস্যু করা হয়?
  1. ১০৩
  2. ৯৫
  3. ৯৬
  4. ৯৭
ব্যাখ্যা
♦ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করা হয় ফৌজদারি কার্যবিধি-এর ৯৬ ধারা মোতাবেক। ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত মূলত দলিল বা অন্যান দ্রবাদি হাজির করার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা জারি করে থাকেন ।

♦ আদালত ৩ টি কারণে তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন । যথা-

১. কোন ব্যক্তি কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও উক্ত দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করবে না বলে আদালত বিশ্বাস করলে;

২. উক্ত দলিল বা বস্তু কার দখলে আছে তা আদালতের জানা না থাকলে; এবং

৩. অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্যে।
৩,৪১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ১৩নং বিধির অধীনে ডিক্রি রদের পর মোকদ্দমা পুনর্বহাল করা হলে, মোকদ্দমাটি কোন পর্যায় থেকে চালু হবে?
  1. একবারে প্রথম থেকে
  2. নতুন ডিক্রি অনুযায়ী
  3. ডিক্রি দেয়ার পরবর্তী পর্যায়
  4. ডিক্রি দেয়ার পূর্ববর্তী পর্যায়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ১৫:
যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমার খারিজ সংক্রান্ত বিধি ৪ কিংবা ৯নং বিধির অধীনে কিংবা ১৩নং বিধির অধীনে কোন ডিক্রি রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করার পরিপ্রেক্ষিতে, খারিজ করার আদেশ দান কিংবা ডিক্রি দেয়ার অব্যবহিত পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থায় ছিল, উক্ত পর্যায় হতে মোকদ্দমাটি চালু করা হবে।

[Where the dismissal of a suit is set aside under rule 4 or rule 9, or a decree is set aside under rule 13, the suit shall, on restoration, proceed from the stage where it was immediately before the making of the order of dismissal or passing of the decree.]
৩,৪১৬.
'X' একটি মুরগী হত্যা ও চুরি করার উদ্দেশ্যে মুরগিটির প্রতি গুলি ছোঁড়ে, কিন্তু ঝোপের অপর পাশে থাকা ‘Y' গুলি বর্ষণের ফলে মারা যায়, যা 'X' জানত না। 'X' এর অপরাধটি হলো?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. হত্যা
  3. খুন
  4. উপরোক্ত কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
♦এক্ষেত্রে 'X' এর কাজটি একটি বেআইনী কাজ হলেও, 'X' নিন্দনীয়/দন্ডনীয় নরহত্যার অপরাধে দায়ী হবে না, কারণ সে 'Y' কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গুলি ছোড়েনি বা এমন কোন কাজ মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় করেনি, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে মর্মে তার জানা ছিল। কেননা দন্ডবিধির ২৯৯ ধারায় উল্লেখিত “মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায়ে বা মৃত্যু ঘটায়” শব্দগুলো দ্বারা বুঝা যায় নিন্দনীয় নরহত্যা হওয়ার জন্য হত্যা করার ইচ্ছা থাকা জরুরী। কিন্তু X এর ইচ্ছা ছিল না এবং সে জানতোও না যে Y ঝোপের আড়ালে আছে। দন্ডবিধির ২৯৯ ধারার উদাহরণ গ  অনুসারে X এই কাজটি  নিন্দনীয়/দন্ডনীয় নরহত্যার অপরাধ নয় এবং হত্যা আর খুনও হয়নি।
৩,৪১৭.
'ঘ' একটি নৌকায় বসা 'ঙ' এর নৌকার দড়ি খুলে দেয়, যার ফলে নৌকাটি ভেসে যায়। দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে 'ঘ' এর এই কাজটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ধারা ৩৩৬
  2. ধারা ৩৪১
  3. ধারা ৩৫০
  4. ধারা ৪২৬
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ (অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা Criminal force) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি সম্মতি ছাড়া অন্যের উপর ইচ্ছাকৃতভাবে বল প্রয়োগ করে অপরাধের উদ্দেশ্যে বা জখম/ভয়/বিরক্তির উদ্দেশ্যে, তাহলে তা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ। এখানে ‘ঘ’-এর কাজ (নৌকার দড়ি খুলে ভাসিয়ে দেওয়া) ধারা ৩৫০-এর উদাহরণ (ক)-এর মতোই: নৌকায় বসা ব্যক্তির গতি ইচ্ছাকৃতভাবে সঞ্চারিত করে ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 

(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 

৩,৪১৮.
একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না, যখন-
  1. চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য
  2. চুক্তিটির প্রকৃত ক্ষতি নিরুপণের কোন মাপকাঠি থাকে না
  3. চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
  4. চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-

১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে

৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪)চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে 

৫)চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬)বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি

৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮)যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
৩,৪১৯.
The Penal Code, 1860 কোন প্রকারের আইন?
  1. Private Law
  2. Procedural Law
  3. Adjective Law
  4. Substantive Law
ব্যাখ্যা

তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law]:
যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে।
যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন। কিন্তু এই অপরাধের বিচার পদ্ধতি দণ্ডবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের বিচার করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধিতে। এই কারণে ফৌজদারী কার্যবিধি হলো পদ্ধতিগত আইন।

অন্যদিকে,
যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে।
যেমন- ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
- Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।

- ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির সম্পর্ক রক্ষা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য Private Law প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা হয়। যেমন- চুক্তি ও দলিল সংক্রান্ত আইন।

৩,৪২০.
ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. এটি নতুন অধিকার সৃষ্টি করে
  2. এটি ক্ষতিপূরণ প্রদান করে
  3. এটি শুধুমাত্র বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে
  4. এটি কোনো পক্ষকে বাধ্যতামূলক আদেশ প্রদান করে
ব্যাখ্যা
ঘোষণামূলক মামলা ও ডিক্রির সংজ্ঞা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। আদালত ঘোষণামূলক মামলায় যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে "ঘোষণামূলক ডিক্রি" (Declaratory Decree) বলে। এই ডিক্রির মাধ্যমে বাদীর আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার ঘোষণা করা হয়।

ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:
i) নতুন অধিকার সৃষ্টি হয় না:
- কেবল বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করা হয়।
- মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে।

ii) কোন আদেশ দেওয়া হয় না:
- বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করা হয়।
- কোনো পক্ষকে কিছু করতে বা না করতে আদেশ দেয়া হয় না।

iii) আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা:
- ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের উপর নির্ভরশীল।

ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি:
i) বাদীকে আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হতে হবে।
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে- চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট পরিচয় এখানে প্রযোজ্য নয়।
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হতে হবে বা অস্বীকারের উদ্যোগ নিতে হবে।

মোকদ্দমা দায়েরের যোগ্যতা:
১. যিনি আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. যিনি সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী, কিন্তু তার অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে।
৩. যাঁর পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৩,৪২১.
সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, একজন সরকারি কর্মকর্তা তার দায়িত্ব পালনকালে তৈরি করা এন্ট্রির অবস্থা কী?
  1. এটি অপ্রাসঙ্গিক
  2. এটি চূড়ান্ত প্রমাণ
  3. এটি নিজেই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  4. এটির জন্য সমর্থনকারী প্রমাণ প্রয়োজন
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) এটি নিজেই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা তার দায়িত্ব পালনকালে কোনো বই, রেজিস্টার বা রেকর্ডে একটি ঘটনা বা বিষয় সম্পর্কে এন্ট্রি তৈরি করেন, তবে তা নিজেই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা হিসেবে গণ্য হবে। এর জন্য অন্য কোনো সমর্থনকারী প্রমাণের প্রয়োজন নেই।
- এই ধরনের এন্ট্রি প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে, কারণ এটি সরকারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তার দায়িত্ব পালনকালে তৈরি করা হয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 35. Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty:
An entry in any public or other official book, register or record ,or digital record, stating a fact in issue or relevant fact, and made by a public servant in the discharge of his official duty, or by any other person in performance of a duty specially enjoined by the law of the country in which such book, register , record or digital record is kept, is itself a relevant fact.
৩,৪২২.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় Plea of Alibi কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে।
 ⇒ নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৩,৪২৩.
কোর্ট ফী আইনে কয় প্রকারের কোর্ট ফীর উল্লেখ আছে?
  1. ৫ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
• কোর্ট ফি:
দেওয়ানী মামলা করতে গেলে, প্রতি মামলায় আদালতকে একটি নিদিষ্ট পরিমাণ ফি বা খরচ দিতে হয়, আদালতকে দেওয়া এই খরচ কে কোর্ট ফি বলে। কোর্ট ফি সরকারের আয়ের একটি উৎস, সাধারণত প্রতি বছর সরকার তার বার্ষিক অর্থ পরিকল্পনায় কি বা কত হারে কোন বিষয়ে কেমন কোর্ট ফি নেয়া হবে তা নির্ধারণ করে।

কোর্ট ফি নির্ধারণ:
কিভাবে কোর্ট ফি নির্ধারণ করা হবে তা Court Fees Act 1870 এর Chapter III এবং Schedule I এবং II তে বলা আছে।

কোর্ট ফি ২ ধরনের:
১/ মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee];
২/ নির্দিষ্ট [Fixed court fee]।

মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee]:
কোন মোকদ্দমার মূল্যমান এর উপর বা দাবীর মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে এই কোর্ট ফি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।

নির্দিষ্ট [Fixed court fee]:
কিছু বিষয়ে বিচারের বিষয়টি যাই থাকুক না কেন আদালতেকে সুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমান ফি দিতে হয়। মোকদ্দমার মূল্যমানের উপর কোর্ট ফি নির্ভর করে না।
৩,৪২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের সম্পত্তি বিক্রি করার আদেশ দিতে পারেন?
  1. ক্রোককৃত সম্পত্তি
  2. আটককৃত চোরাই মাল
  3. অভিযুক্তের দখলাধীন
  4. সংশ্লিষ্ট অপরাধে ব্যবহৃত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী-
আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।
-----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৩,৪২৫.
একটি অপরাধ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তা জানা যাবে-
  1. সিডিউল ২ কলাম ৩ থেকে
  2. সিডিউল ২ কলাম ৫ থেকে
  3. সিডিউল ২ কলাম ৮ থেকে
  4. সিডিউল ২ কলাম ৪ থেকে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির সিডিউল-২ এর ৮ নং কলামে অপরাধ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তা উল্লেখ আছে। 
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন, ১৮৯৮ সনের ২২ শে মার্চ প্রকাশিত হয় এবং ১৮৯৮ সনের ১লা জুলাই হইতে কার্যকর হয়। ফৌজদারি কার্যবিধি তে ৫৬৫ টি ধারা আছে, তফসিল ৫ টি। সিডিউল-২ এর ৮টি কলাম আছে। 
৩,৪২৬.
একতরফা ডিক্রি রদ রহিতের জন্য আবেদনের সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী  একতরফা ডিক্রি রদ রহিতের জন্য আবেদনের সময়সীমা হল ৩০ দিন ।
৩,৪২৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order VII rule 11 এ কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. আরজি নাকচ
  2. আরজি সংশোধন
  3. আরজি দাখিল
  4. আরজির বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২ (২) এর বিধান মতে আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৭নং আদেশের ১১ নং বিধি অনুযায়ী আদালত ৪ (চার) টি কারণে আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

• আদেশ ৭ বিধি- ১১: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-
ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;
খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে;
গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে;
ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়।

তবে শর্ত থাকে যে,
মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
 
⇒ প্রতিকার:
১) বিধি ১৩ অনুযায়ী পুনরায় একই বিষয়ে নতুন আরজি দাখিল করা যাবে।
২) আপিল করা যাবে।
৩,৪২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় অপরাধের আপস করা যেতে পারে-
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  2. আদালতের অনুমতি নিয়ে
  3. সকল ক্ষেত্রে অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 

৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।

• দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।

• ৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে ।

• প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
৩,৪২৯.
'খ', 'ক'- কে একটি অপরাধ করতে দেখেছে, 'খ'-নিজে আদালতে না এসে 'গ' কে এটি বলে। 'গ' আদালতে এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'খ' 'ক'- কে অপরাধ করতে দেখেছে। তাহলে 'গ' এর সাক্ষ্য আদালতে-
  1. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়
  2. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য
  3. মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য
  4. গ্রহনযোগ্যতা আদালতের বিবেচনামূলক
ব্যাখ্যা
⇒ পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (indirect/hearsay evidence)- পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য হলো তাই যা আদালতে উপস্থিত সাক্ষী পূর্বে অন্য সাক্ষীর নিকট থেকে শোনাক্রমে প্রদান করে। অর্থাৎ নিজে না দেখে অন্যের কাছ থেকে শুনে যে সাক্ষ্য দেয়া হয়। তাকে পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য বা hearsay evidence বলে। জনশ্রুত সাক্ষ আদালতে গ্রহনযোগ্য নয়।

⇒ এখানে 'খ', 'ক'- কে একটি অপরাধ করতে দেখে তাহলে নিয়ম হলো, 'খ'-নিজে ৬০ ধারার অধীনে আদালতে এসে এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেবে। কিন্তু 'খ' না এসে 'গ' এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'খ' 'ক'- কে অপরাধ করতে দেখেছে তাহলে এটি জনশ্রুত সাক্ষ বল্যে গণ্য হবে, যা গ্রহনযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ জনশ্রুত সাক্ষ্য (hearsay evidence) ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণতঃ গ্রহণযোগ্য নয়।
----------------
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
৩,৪৩০.
ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় প্রদত্ত রায় কার উপর বাধ্যকর হবে?
  1. শুধুমাত্র মামলার পক্ষদের উপর
  2. শুধুমাত্র পক্ষদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর
  3. পক্ষগণের মধ্যে কোন ট্রাস্টি থাকলে তার উপর 
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪৩: ঘোষণার ফলাফল: এই অধ্যায়ের অধীনে প্রদত্ত ঘোষণা শুধু মামলার পক্ষগণ, এবং তাহাদের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণের উপর, এবং, যেক্ষেত্রে পক্ষগণের মধ্যে কোনো ট্রাস্টি থাকেন, সেক্ষেত্রে এইরূপ ব্যক্তিগণের উপর যাহারা ঘোষণার দিন পর্যন্ত বাঁচিয়া থাকিতেন, তাহা হইলে এইরূপ পক্ষগণ যাহাদের জন্য ট্রাস্টি হইতেন তাহাদের উপর, অবশ্য পালনীয় হইবে।

উদাহরণ: ক একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী, তাহার কথিত স্ত্রী খ এবং তাহার মাকে বিবাদি করিয়া দায়েরকৃত মামলায় তাহার বিবাহ যথারীতি সম্পন্ন হইয়াছে এই ঘোষণা প্রদান এবং তাহার দাম্পত্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আদেশ প্রদানের আবেদন জানান। আদালত সেইরূপ ঘোষণা ও আদেশ প্রদান করে। গ, খ কে তাহার স্ত্রী দাবি করেন এবং খ-কে উদ্ধার করিবার জন্য ক-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পূর্ববর্তী মামলায় প্রদত্ত ঘোষণা গ-এর উপর বাধ্যকর নহে।
----------
The Specific Relief Act,1877-Section 43, Effect of declaration: A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration: A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.

৩,৪৩১.
নিম্নবর্ণিত অতিব্যক্তিরগুলির মধ্যে কোনটি দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত আছে এবং তা mens rea কে নির্দেশ করে?
  1. Guilty mind
  2. Criminal mind
  3. Good faith
  4. Dishonestly
ব্যাখ্যা
♦ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]
♦ “Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন' (guilty mind)। অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
৩,৪৩২.
The Bar Council Tribunal shall consist of _________ persons according to article 33 of The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972.
  1. two
  2. three
  3. four
  4. five
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী বার কাউন্সিলের ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে এবং এর সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন।
যথা-
- বার কাউন্সিলের নির্বাচিত দুইজন সদস্য এবং
- তালিকাভুক্ত যে কোনো একজন আইনজীবী।

Article-33:
(1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman.
৩,৪৩৩.
ডাকাতি হলো-
  1. দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত দস্যুতা
  2. ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত চুরি
  3. ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত দস্যুতা
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
--------
⇒  Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".

⇒  Section 395 Punishment for dacoity: Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৩,৪৩৪.
যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান বা তলব করেছে, সেই পক্ষের সপক্ষে উক্ত সাক্ষী সত্যনিষ্ঠভাবে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অস্বীকার করলে, উক্ত সাক্ষী হলো
  1. বৈরী সাক্ষী
  2. অবাধ্য সাক্ষী
  3. প্রতিকূল সাক্ষী
  4. ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা অনুযায়ী বৈরী বা প্রতিকূল সাক্ষী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষী আহবানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে এ রকম সাক্ষীকে সে সকল প্রশ্ন করতে পারবে যে সকল প্রশ্ন বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় করতে পারে।
৩,৪৩৫.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে পুলিশ আদালতের গ্রেফতারি পরওয়ানা ব্যতীত কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৯টি ক্ষেত্রে
  2. ৮টি ক্ষেত্রে
  3. ৫টি ক্ষেত্রে
  4. ১১টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।

♦ পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-

১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)

২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )

৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)

৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )

৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)

৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)

৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)

৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )

৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
৩,৪৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. অবৈধ দখল সম্পর্কিত বিরোধ
  2. জমি বা জলাশয়ের সীমানা নিয়ে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা
  3. একত্রিত জমি বা জলাশয়ের মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধ
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
⇒ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, যার মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

• ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা:
(১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোনোভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ স্পষ্ট হওয়ার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কুলির মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হওয়ার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবি সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।
--------------
Section 145: Procedure where dispute concerning land, etc., is likely to cause breach of peace:
(1) Whenever a District Magistrate, or an Executive Magistrate specially empowered by the Government in this behalf] is satisfied from a police report or other information that a dispute likely to cause a breach of the peace exists concerning any land or water of the boundaries thereof, within the local limits of his jurisdiction, he shall make an order in writing, stating the grounds of his being so satisfied, and requiring the parties concerned in such dispute to attend his Court in person or by pleader, within a time to be fixed by such Magistrate, and to put in written statements of their respective claims as respects the fact of actual possession of the subject of dispute.
৩,৪৩৭.
গ্রেফতার করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত _________ কে জনসাধারণ যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য করতে বাধ্য।
  1. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ অফিসার
  4. উল্লেখিত সকলকে
ব্যাখ্যা
• ধারাঃ ৪২- জনসাধারণ যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশকে সাহায্য করবেন (Public when to assist):

কোন ম্যাজিস্ট্রেট (জুডিসিয়াল বা নির্বাহী) অথবা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চাইলে প্রত্যেকটি লোক তাকে সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
ক. উক্ত জুডিসিয়াল বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যে লোককে গ্রেফতার করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়েছেন, সে লোককে গ্রেফতার করতে অথবা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে;
খ. শান্তিভঙ্গের আশংকা প্রতিরোধ অথবা শান্তিভঙ্গ দমন করতে অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ অথবা সম্পত্তির প্রতি ক্ষতির প্রচেষ্টা প্রতিরোধের ব্যাপারে সাহায্য করতে বাধ্য।

Section 42: Public when to assist
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
৩,৪৩৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারানুযায়ী to do justice and to undo injustice করা যাবে?
  1. ৫১
  2. ১৫১
  3. ১৫২
  4. ১৫৪
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যथ-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

♦ ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
৩,৪৩৯.
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় কত ধরনের গৃহপ্রবেশকে 'অপথে গৃহপ্রবেশ' (House- breaking) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে?
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় এই ৬ ধরনের গৃহপ্রবেশকে 'অপথে গৃহপ্রবেশ' (House- breaking) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
-------------------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section- 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass.
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building.
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened.
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass.
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault.
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass.
Explanation.- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
৩,৪৪০.
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা সাক্ষ্য আইনের কত ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে?
  1. ৩ ধারা
  2. ১৩ ধারা
  3. ৪৮ ধারা
  4. ৪১ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:

When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.

Explanation. The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
৩,৪৪১.
যদি প্রয়োজনীয় পক্ষ মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত না হয়, তবে তা কী নামে পরিচিত?
  1. Mis-joinder of Parties
  2. Non-joinder of Parties
  3. Wrong-joinder of Parties
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
⇒ পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)- 
- মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। 
- অন্যদিকে কোন ভুল ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে।
- পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশে পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒দেওয়ানী কার্যবিধির ১ নং আদেশ, ১০(১) বিধিমতে, যদি ভুল করে মামলাটি ভুল ব্যক্তির নামে (বাদী হিসেবে) দায়ের করা হয়, তবে আদালত সঠিক ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত (Substitute) বা সংযোজিত (Add) করতে পারে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১ নং আদেশ, ১০(২) বিধিমতে, যদি ভুল ব্যক্তি (বাদী বা বিবাদী) মামলায় যুক্ত হয়, তাহলে আদালত মামলার যেকোনো পর্যায়ে তাকে বাদ দিতে (Strike Out) বা পক্ষভুক্ত করতে পারে।

⇒ অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও,বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-1 Rule-9: Misjoinder and nonjoinder: No suit shall be defeated by reason of the misjoinder or nonjoinder of parties, and the Court may in every suit deal with the matter in controversy so far as regards the rights and interests of the parties actually before it
৩,৪৪২.
নিচের কোথায় দেওয়ানী কার্যবিধির রিসিভার নিয়োগের বিধান আছে?
  1. ২৬ আদেশ
  2. ৩৯ আদেশ
  3. ৪০ আদেশ
  4. ৪৭ আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪০ বিধি-১ অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগ করা হয়।
- রিসিভার হলো আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত স্বার্থবিহীন ব্যক্তি যে বিরোধকৃত সম্পত্তি রক্ষনাবেক্ষন, সংরক্ষণ, ভাড়া, লাভ /খাজনা আদায় বা দায় পরিশোধ করে থাকে।
- কোন পক্ষের আবেদন বা আদালত সেচ্ছায় রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
- ডিক্রীর আগে বা পরে যে কোন সময় আদালত রিসিভার নিয়োগ দিতে পারেন।
- এই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না। তবে রিভিশন করা যায়। 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৪৪ অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন বিষয়।
- বলা আছে যে মামলার বিচারাধীন সময় রিসিভার নিয়োগের বিষয়টি আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর নির্ভরশীল।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে আদেশ ৪০ বিধি ১ মতে আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপর্দ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্রহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধিতে আদেশ ৪০ বিধি ২ অনুযায়ী আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কাজের জন্য পারিশ্রমিক ধার্য করতে পারবেন।
-------------
⇒ CPC Order-40 Rule-1. Appointments of receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order−
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property; 
(c) commit the same to the possession, custody or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.

(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.
৩,৪৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর Order 22, Rule 7 কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. পক্ষের মৃত্যু
  2. পক্ষ পরিবর্তন
  3. পক্ষের বিবাহ
  4. পক্ষের দেউলিয়াত্ব
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২২, বিধি-৭: মহিলা পক্ষের বিবাহের ফলে মামলা স্থগিত হবে না:
(১) কোনো মহিলা বাদী বা বিবাদীর বিবাহ হলেও মামলাটি স্থগিত হবে না, বরং মামলা অগ্রসর হয়ে রায় প্রদান করা যাবে; এবং যেখানে রায় মহিলা বিবাদীর বিরুদ্ধে থাকে, সেখানে রায় শুধুমাত্র তার বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে।

(২) যেখানে স্বামী আইন অনুসারে তার স্ত্রীর দেনার জন্য দায়ী, সেখানে আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় স্বামীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা যেতে পারে; এবং স্ত্রীর পক্ষে রায় হলে, স্বামীর আবেদনপত্রে, যেখানে স্বামী আইন অনুযায়ী রায়ের বিষয়ভিত্তিক অধিকারী, সেখানে রায় কার্যকর করার জন্য অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

৩,৪৪৪.
কোন আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) সংক্রান্ত বিধান নেই?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮
  3. পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫
  4. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩
ব্যাখ্যা
• আদালত বা সাধারণ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে আইনসিদ্ধ পদ্ধতি মেনে ও সহমত পোষণ করে বিকল্পভাবে পক্ষগণের বিরোধ বা সমস্যার নিষ্পত্তিকরণই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, যাকে ইংরেজিতে Alternative Dispute Resolution (ADR) বলা হয়।

পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ তে মামলার বিচারের শুনানিপূর্ব (প্রি-কেস) পর্যায়ে আদালতের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আপস বা সমঝোতার মাধ্যমে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তি করার এমনকি বিচার শেষ হবার পরও রায় প্রদানের পূর্বে (পোস্ট-কেস) উক্ত প্রক্রিয়ায় মীমাংসাকরণের বিধান নিশ্চিত করা হয়েছে। এ অধ্যাদেশের ১০ ও ১৩ নম্বর ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির উল্লেখ আছে।

২০০৩ সালে মধ্যস্থতা ও সালিশের মাধ্যমে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ এ  এই আইনে ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) দুটি ধারা সংযোজিত হয়েছে এবং ২০১২ সালে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এরই সূত্র ধরে পরবর্তী সময়ে অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ তে বিধান ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্পবিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এছাড়াও শ্রমিক আইন, ২০০৬-এর ধারা-২১০ (১, ২, ৪, ৬, ১৬)-এ এই বিধান রাখা হয়েছে। অন্যদিকে ২০০০ সালের আইনগত সহায়তা আইনে ২০১৩ সালে ২১(ক) ধারা সংযোজন করে মধ্যস্থতার বিধান আনা হয়। সর্বোপরি ২০১৫ সালে আইনগত পরামর্শ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বিধিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে একটি স্বতন্ত্র নীতি প্রণীত হয়, যার মাধ্যমে এর গুরুত্ব ফুটে ওঠে। 

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা ADR এর কোনো বিধান নেই। ৩৪৫ ধারায় যে আপস-সমঝোতার বিধান রয়েছে,তা আইনি প্রক্রিয়ার ই অন্তর্ভুক্ত।
৩,৪৪৫.
যদি একাধিক বিবাদী থাকে এবং কোনো একজন বাদীর সাথে কোনো আইনগত বা ঘটনার প্রশ্নে বিরোধ না করে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. পুরো মামলাটি খারিজ করতে পারে
  2. শুধুমাত্র সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা করবে
  3. সেই বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. অন্য বিবাদীদের সাথে সমঝোতা করার নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি ২-
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে এবং আইন কিংবা ঘটনার কোন প্রশ্নে বিবাদীদের কোন একজনের সাথে যদির সঙ্গে কোন বিরোধ না থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত তখন ঐ বিবাদীর পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে এবং মোকদ্দমা শুধু অন্যান্য বিবাদীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হবে।

[Where there are more defendants than one and any one of the defendants is not at issue with the plaintiff on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment for or against such defendant and the suit shall proceed only against the other defendants.]
৩,৪৪৬.
দলিল আংশিক বাতিলের বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে-
  1. ৩৩ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৭ ধারা
  4. ৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪০ ধারা অনুযায়ী কোন দলিল যদি বিভিন্ন অধিকার/বাধ্যবাধকতার সাক্ষী হয় তাহলে আদালত সংশ্লিষ্ট মামলায় তা আংশিক ভাবে বিলোপ করতে পারেন এবং বাকী অংশ বহাল রাখতে পারেন।
-----------------
SR Act Section-40. What instruments may be partially cancelled:
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.

Illustration
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.
৩,৪৪৭.
“In forma pauperis” দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আদেশ ৩১
  2. আদেশ ৩২
  3. আদেশ ৩৩
  4. আদেশ ৩৭
ব্যাখ্যা

“In forma pauperis” একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ হলো “দরিদ্র ব্যক্তির রীতিতে” বা “নিঃস্বভাবে।” In forma pauperis-এর মাধ্যমে দায়ের করা মামলা দরিদ্র ব্যক্তিকে মামলার খরচ বহন না করেই মামলা দায়ের করার সুযোগ দেয়। তবে, in forma pauperis অনুযায়ী মামলা পরিচালনা করা কোনো স্বাভাবিক অধিকার নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান মতে, নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis)।

- কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।

৩,৪৪৮.
ফৌজদারী মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুসারে-
  1. পুনরায় সাক্ষীদের পরীক্ষা করবে
  2. আসামীদের পরীক্ষা করবে
  3. বাদী পক্ষদের পরীক্ষা করবে
  4. পুনরায় তদন্ত কর্মকর্তাকে পরীক্ষা করবে
ব্যাখ্যা
♦ প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য শেষে ৩৪২ ধারার আদালত আসামীকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন; আসামী লিখিত বা মৌখিক বা উভয়ভাবে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও সরকার পক্ষের সাক্ষ্যের ব্যাখ্যা দিতে পারেন। এ ধারায় আসামীকে শপথ পড়ানো যাবে না এবং আসামী কোন ঘটনা অস্বীকার করলে বা মিথ্যা জবাব দিলেও এ মিথ্যা জবাবের জন্য দন্ডিত হবে না। উল্লেখ্য এ ধারায় আসামীকে প্রশ্ন করবেন শুধুমাত্র আদালত; বাদীপক্ষ কোন প্রশ্ন করতে পারবে না।
৩,৪৪৯.
According to The Code of Criminal Procedure,1898; "Complaint" means-
  1. allegation made orally to a Police officer
  2. allegation made in writing to a Executive Magistrate
  3. allegation made orally or in writing to a Judicial Magistrate
  4. all of above
ব্যাখ্যা
নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না।”

"Complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:

• উপাদান:
- অভিযোগটি [Allegation] অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে;
- জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে;
- অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে।

• নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে। সুতরাং নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

• নালিশ (Complaint) বলতে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৩,৪৫০.
According to Section 120, in civil proceedings, who is considered a competent witness?
  1. Only the parties to the suit
  2. Only the spouses of the parties
  3. The parties to the suit and their spouses
  4. Neither the parties nor their spouses
ব্যাখ্যা
Section 120: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trial:
In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা- দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী:
সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।
৩,৪৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার অধীনে পুলিশ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত সুরতহাল রিপোর্ট কার কাছে প্রেরণ করতে হবে?
  1. প্রধান বিচারপতির কাছে
  2. দায়রা আদালতের কাছে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪(২) ধারার বিধান অনুসারে, পুলিশ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report) জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
⇒ ১৭৪(১) ধারার মতে:
যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (O.C.) বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো পুলিশ কর্মকর্তা জানতে পারেন যে—
- কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে,
- কোনো প্রাণী বা যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় মারা গেছে,
- কোনো ব্যক্তি এমনভাবে মারা গেছে, যা থেকে সন্দেহ হয় যে অন্য কেউ অপরাধ করেছে—
তাহলে তিনি নিকটস্থ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন এবং স্থানীয় দুজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত পরিচালনা করবেন।
⇒ ১৭৪(২) ধারার বিধান:
এই তদন্ত শেষে পুলিশের দায়িত্ব সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করা এবং সেটি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪(২) ধারা অনুযায়ী, পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবে।
৩,৪৫২.
A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। সে অন্যত্র গান পরিবেশন করা হতে বিরত রাখতে B নিম্নলিখিত কোন মামলাটি করতে পারে?
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ এর মামলা 
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার চুক্তি বলবৎ এর মামলা
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মামলা 
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারার নিষেধাজ্ঞার মামলা
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারা- নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞাঃ
ধারা ৫৬ এর উপধারা-(চ) এর বিধান সত্ত্বেও যেক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করবার সম্মতির সমন্বয়, সেক্ষেত্রে হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কাজ সম্পাদন সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, বাদী তার যতটুকু অবশ্যপালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালনে ব্যর্থ হয় নাই।
--------------------------
Section 57- Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from grating an injunction to perform the negative agreement. 
provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.
Illustration: A contracts with B to sing for twelve months as B's theatre and not to sing in public elsewhere, B cannot obtain specific performance of the contract to sing, but he is entitled to an injunction restraining A from singing at any other place of public entertainment.

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।

৩,৪৫৩.
দায়রা আদালত অনধিক কত দিনের কারাদণ্ড প্রদান করলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না?
  1. অনধিক ১২ মাসের
  2. অনধিক ১ মাসের
  3. অনধিক ৬ মাসের
  4. অনধিক ৩ মাসের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- আসামী দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে আসামীকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। 

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 

ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না, যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আপিল করা যাবেনা।

[Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only. 
Explanation- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.]

ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
৩,৪৫৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারার অধীন কোন মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে, পরবর্তী কত দিনের মধ্যে পক্ষসমূহ কোর্ট ফি ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে
  2. ৯০ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারার অধীন সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বইচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপীল বা রিভিশন চলবে না।

⇒ ৮৯ক ধারার অধীন কোন মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে, আরজি বা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেওয়ার জন্য আদালত একটি সার্টিফিকেট জারী করতে পারবে এবং তৎপরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে পক্ষসমূহ উক্ত পরিষোধিত কোর্ট ফি ফেরত পাওয়ার অধিকারী।

Section: 89A(11)-
Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.
৩,৪৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য ব্যক্তি কর্তৃক সম্পত্তি ক্রোকের বিরুদ্ধে দাবি বা আপত্তি জানানো যাবে কত সময়ের মধ্যে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা মতে,
যদি কারো সম্পত্তি ক্রোক করা হয় এবং সেই সম্পত্তির ওপর কারো দাবি বা আপত্তি থাকে (যিনি অভিযুক্ত ব্যক্তি নন), তাহলে তিনি সেই দাবি বা আপত্তি ক্রোকের ছয় মাসের মধ্যে জানাতে পারবেন। যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার সম্পত্তির ওপর অধিকার আছে এবং সেটি ক্রোক করা উচিত নয়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্তের পর দাবি বা আপত্তি পুরোপুরি বা আংশিকভাবে গ্রহণ বা বাতিল করা যেতে পারে।

অতিরিক্ত শর্ত: যদি দাবিকারী বা আপত্তিকারী মারা যান, তাহলে তার উত্তরাধিকারী সেই দাবি বা আপত্তি চালিয়ে যেতে পারবেন।

Section 88(6A)-  If any claim is preferred to, or objection made to the attachment of, any property attached under this section within six months from the date of such attachment, by any person other than the proclaimed person, on the ground that the claimant or objector has an interest in such property, and that such interest is not liable to attachment under this section, the claim or objection shall be inquired into, and may be allowed or disallowed in whole or in part: 
 
Provided that any claim preferred or objection made within the period allowed by this sub-section may, in the event of the death of the claimant or objector, be continued by his legal representative.
৩,৪৫৬.
যেক্ষেত্রে ম্যাজিষ্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করেন,সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত -
  1. অব্যাহতি(Discharge) পেতে পারে
  2. খালাস(Acquittal) পেতে পারে
  3. দন্ড(Punishment) পেতে পারে
  4. মুক্তি(Release) পেতে পারে
ব্যাখ্যা
• পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে,তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-

১. Charge Sheet(অভিযোগ পত্র):প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা প্রমাণ খুঁজে পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়,তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলা শুরু করেন।

২. Final Report(চূড়ান্ত প্রতিবেদন):প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়,তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি(Discharge) দেন।

• সংক্ষেপে-পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট(Final Report) দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে পারে এবং অভিযুক্তকে অব্যাহতি(Discharge) দিতে পারে।
৩,৪৫৭.
মোকদ্দমার ব্যয় সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত কে গ্রহণ করবে?
  1. বাদী পক্ষ
  2. বিবাদী পক্ষ
  3. ক এবং খ
  4. আদালত
ব্যাখ্যা
• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে।দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

ধারা-৩৫ (মোকদ্দমার খরচ) 

১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলী ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।

২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না, তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।

৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
৩,৪৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. শুধু মাত্র অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. দশ বছরের অধিক কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে, যা নিম্নরূপ:
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না।
-অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody-
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.

(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৩,৪৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী Special Magistrate বা বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট কত ধরণের?
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।

------------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-12: Special Magistrate:
(1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.]
৩,৪৬০.
আদালত আসমিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করলে তা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে পরোয়ানা দেওয়া যায় কাকে?
  1. জেলা কালেক্টরকে
  2. দেওয়ানি আদালতের বিচারককে
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
  4. আদালতের নজিরকে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৮৬ মতে আদালত আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করলে, অর্থদণ্ড প্রদানকারী আদালত অনাদায়ী অপরাধীর অস্থাবর এবং স্থাবর বা উভয় সম্পত্তি দেওয়ানী কার্যপদ্ধতি অনুসারে পরোয়ানা কার্যকর করে পাওনা আদায়ের জন্য জেলা কালেক্টরকে ক্ষমতা দিতে পারে।
৩,৪৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের ক্ষেত্রে কোন আইনের বিধান অনুসরণ করতে হবে?
  1. The Penal Code, 1860
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Transfer of Property Act, 1882
  4. The Code of Criminal Procedure, 1898
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে। ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, শুধু মালিকই নয়, যে কেউ যার স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ব ও দখলের অধিকার রয়েছে, সে আদালতে মামলা করতে পারে। অর্থাৎ, যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে তার সম্পত্তিতে স্বত্ব রয়েছে—তা চুক্তি, উত্তরাধিকার বা দখল সূত্রে হোক—তাহলে সে এই ধারায় মামলা করতে পারবে।
এই ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা করা যায়। তবে, দখল উদ্ধারের নিয়ম-কানুন The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ২১-এ উল্লেখ করা আছে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.
৩,৪৬২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 161 অনুযায়ী সাক্ষীদের পরীক্ষা (Examine) করতে পারেন-
  1. অভিযোগ তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সকলেই
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬০ ধারা অনুযায়ী সাক্ষীকে তলব করে, ১৬১ ধারা অনুযায়ী পুলিশ [অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা] অভিযোগের সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে/জবানবন্দি নিতে পারবে এবং পুলিশ জবানবন্দি রেকর্ড বা লিপিবদ্ধ করে নিবে এবং নিজে স্বাক্ষর করবে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান- পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা

(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।

(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।

(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
৩,৪৬৩.
আপীলকারী কারাগারে থাকলে তখন আপীলের দরখাস্ত কার নিকট দাখিল করা যেতে পারে
  1. আদালতের সংশ্লিষ্ট অফিসারের নিকট
  2. সরাসরি আপীল আদালতে
  3. কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসের নিকট
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরের নিকট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪২০ মোতাবেক- আপীলকারী কারাগারে থাকলে রায় নকলসহ আপীলের আবেদনপত্র কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট পেশ করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত কর্মকর্তা উক্ত আবেদনপত্র এবং নকলসমূহ যথাযথ আপীল আদালতে দাখিল করবে।
৩,৪৬৪.
মানহানির ক্ষতিপূরণ মামলার তামাদির মেয়াদের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. লিখিত কুৎসা (Libel) দ্বারা হলে ৩ বছর
  2. মৌখিক কুৎসা (Slander) দ্বারা হলে ১ বছর
  3. লিখিত কুৎসা (Libel) দ্বারা হলে ১ বছর
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৪

লিখিত কুৎসা (Libel) দ্বারা মানহানির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা- ১ বছর - মানহানিকর বিষয় যখন প্রকাশিত হয় তখন থেকে। 

অনুচ্ছেদ ২৫

মৌখিক কুৎসার (Slander) দ্বারা মানহানির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা- ১ বছর - যখন থেকে কুৎসামূলক কথা বলা হয়, অথবা কথাগুলি যদি নালিশযোগ্য না হয়, তাবে সেগুলি বলার ফলে যখন অভিযোগকৃত বিশেষ ক্ষতির উদ্ভব হয়।
৩,৪৬৫.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি অনুযায়ী, বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর কোন শর্তে সনদ প্রদান করা হয়?
  1. হাইকোর্ট অনুমোদনের পর
  2. অ্যাডভোকেট শপথ গ্রহণের পর
  3. আইনজীবী সমিতির সদস্য হওয়ার পর
  4. সংশ্লিষ্ট জেলার আদালতের অনুমোদনের পর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) অ্যাডভোকেট শপথ গ্রহণের পর।
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি অনুযায়ী, বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির পর সনদ প্রদান করার জন্য একটি শপথ গ্রহণ করতে হয়। অ্যাডভোকেট শপথ গ্রহণের পর বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করে, যা তার পেশাদারী কার্যক্রম শুরুর প্রমাণপত্র। শপথটি আইনের শাসন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সংবিধান সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য নেওয়া হয়।
এই বিধি অনুযায়ী, অ্যাডভোকেটের সনদ পাওয়ার জন্য অন্যান্য প্রক্রিয়া যেমন হাইকোর্ট বা সংশ্লিষ্ট জেলার আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন হয় না।

অ্যাডভোকেটের শপথ:
- অ্যাডভোকেটগণ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সামাজিক সুবিচার এবং জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা অসামান্য। সংবিধান ব্যাখ্যা এবং সংবিধান সুরক্ষার দায়িত্বও তাদের উপর বর্তায়। সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করা অন্যান্যদের মত অ্যাডভোকেটগণের রয়েছে। অ্যাডভোকেটগণ যাতে সংবিধান মেনে চলেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি বিধান মেনে চলেন সে জন্য ১৯৯৯ সনের ৩রা জুন তারিখে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি প্রতিস্থাপন করে উহাতে নিম্ন লিখিত শপথ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে অ্যাডভোকেটগণ ঐ শপথ গ্রহণ করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-Rule-62(2) The certificate of enrolment shall then be issued to the advocate on his application to the Bar Council through the Bar Association after his admission as a member thereof in such manner and on fulfillment of such conditions as may be decided by the Bar Council upon taking such oath as prescribed.
৩,৪৬৬.
The Evidence Act 1872 এর কত ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ১৩১ ধারায়
  2. ১৩২ ধারায়
  3. ১৩৩ ধারায়
  4. ১৩৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৩৩ ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য অর্থাৎ একই অপরাধে অভিযুক্ত একাধিক ব্যক্তির মধ্যে কেউ যদি নিজেকে এবং অন্য অভিযুক্তদের জড়িয়ে দোষ স্বীকার করে সে বিষয়ে বলা হয়েছে।
- ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনী হবে না।
৩,৪৬৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা আদালতকে বিচারিক নোটিশ নেওয়ার জন্য বাধ্য করে?
  1. ধারা ৫৭
  2. ধারা ৭৫
  3. ধারা ৫২
  4. ধারা ১২৬
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৭ আদালতকে নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে বিচারিক নোটিশ (judicial notice) নিতে বাধ্য করে।
- এর অধীনে আদালত কিছু সাধারণ বা স্বীকৃত বিষয়, যেমন বাংলাদেশের সকল আইন, সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধবিধি, সংসদের কার্যক্রম, সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে প্রকাশিত নাম, স্বীকৃত রাষ্ট্রের নাম, জাতীয় পতাকা, এবং সময় ও ভূগোল সম্পর্কিত বিষয়াবলী, সম্পর্কে স্বপ্রমাণ গ্রহণ করতে বাধ্য থাকে। এই ধরনের বিষয়গুলি আদালতে যুক্ত করা হলে, আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে এগুলোকে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য করবে এবং এর জন্য কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে না।
এটি আদালতের কার্যক্রম সহজ করে এবং সময় বাঁচাতে সহায়ক।

ধারা ৫৭ এর উদ্দেশ্য:
আদালতের কার্যপদ্ধতি সহজ ও দ্রুততর করা।
অপ্রয়োজনীয় প্রমাণের বোঝা কমানো।
সর্বজনবিদিত বা আইন দ্বারা স্বীকৃত বিষয়গুলো প্রমাণের প্রয়োজন ছাড়াই আদালতের বিবেচনায় আনা।
-----------
⇒The Evidence Act,1872, Section 57 of the Evidence Act outlines the facts that the Court must take judicial notice of, including:
1. All Bangladesh Laws.
2. Articles of War for the Armed Forces.
3. The proceedings of Parliament and any legislature with power over Bangladesh's territories.
4. The seals of all courts in Bangladesh, including Admiralty and Maritime Courts and Notaries Public.
5. Names, titles, functions, and signatures of public officeholders, as published in the official Gazette.
6. The existence, title, and national flag of recognized States.
7. Geographical divisions, public festivals, fasts, and holidays notified in the official Gazette.
8. The territories of Bangladesh.
9. Hostilities between Bangladesh and other States or entities.
10. The names of court members, officers, advocates, and authorized persons.
11. The rule of the road on land and sea.
The Court may refer to books or documents of reference for these facts. If any person requests judicial notice, the Court may refuse unless the necessary documents are presented.
৩,৪৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে দায়রা আদালতকে মামলার বিচারকার্য কত দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে?
  1. ২৬০ দিনের
  2. ১৮০ দিনের
  3. ৩৬০ দিনের
  4. ১২০ দিনের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

• মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
৩,৪৬৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকারকে সুরক্ষা দেয়?
  1. ৫৪ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ৫৫ক ধারা
  4. ৫৬ ধারা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৫৫-ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষাধিকার সংরক্ষণ: ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।
অন্যদিকে,
- ৫৪ ধারা: সরকার মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য হালকা শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
- ৫৫ ধারা: সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
-----------
→ The Penal Code,1860- Section 55A: Saving for President’s prerogative: 
-Nothing in section fifty-four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.
৩,৪৭০.
According to Section 65A of the Evidence Act, 1872, the contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of __________.
  1. section 64
  2. section 65
  3. section 65B
  4. section 65C
ব্যাখ্যা
Evidence Act, 1872: Section 65A- Special provisions as to evidence relating to digital record:
The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B.

ধারা ৬৫ক: ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের বিশেষ বিধান-
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬খ-এর বিধান অনুযায়ী প্রমাণ করা যেতে পারে।
৩,৪৭১.
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এক্ষেত্রে কোনটি সঠিক হবে?
  1. খ'-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না
  2. ক,খ এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন দাবী করতে পারবে 
  3. খ,ক এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন দাবী করতে পারবে না 
  4. খ'-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৩ অনুসারে,যদি কোনো চুক্তির বিষয়বস্তুর একটি অংশ কার্যকর হওয়ার সময় বিদ্যমান না থাকে বা বিলুপ্ত হয়ে যায়, তবে চুক্তির সম্পূর্ণ বিষয় বাতিল বা অবৈধ হয়ে যায় না। বরং চুক্তির যে অংশটি এখনও কার্যকর আছে বা যে অংশের অস্তিত্ব এখনও অবশিষ্ট রয়েছে, তা বৈধ থাকে এবং সেই অংশের চুক্তিটি কার্যকর ও বাস্তবায়নযোগ্য হয়।

(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে 'খ'-কে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে।
-------------

Section 13- Contract of which the subject has partially ceased to exist:
Notwithstanding anything contained in section 56 of the Contract Act, a contract is not wholly impossible of performance because a portion of its subject-matter, existing at its date, has ceased to exist at the time of the performance.

Illustrations:
(a) A contracts to sell a house to B for a lakh of taka. The day after the contract
is made the house is destroyed by a cyclone. B may be compelled to perform
his part of the contract by paying the purchase money.

৩,৪৭২.
খুনের সর্বনিম্ন শাস্তি কোনটি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ১২ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. দশ বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine. 
৩,৪৭৩.
কয়টি ক্ষেত্রে দেওয়ানি মামলায় স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ১টি
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ২৩ ধারা মতে দুইটি ক্ষেত্রে দেওয়ানী মামলায় স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক নয়। যথা:-
(i)  যদি স্বীকৃতিটা এই শর্তে করা হয় যে, উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না।
(ii)  যদি এইরূপ পরিস্থিতিতে স্বীকারোক্তি দেওয়া হয় যে, তাদের মধ্যে কোন চুক্তি ছিল যে তারা এই স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দিবে না।
৩,৪৭৪.
ঘোষণামূলক মামলা সম্পর্কিত বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ৫০
  2. ধারা ৪২
  3. ধারা ৩৮
  4. ধারা ৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪২-এ ঘোষণামূলক মামলা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই ধারার অধীনে, যখন কোন ব্যক্তি তার আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার স্বত্ব অস্বীকার করা হয়, তখন সেই ব্যক্তি আদালতে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
- আদালত এই মামলায় শুধুমাত্র বাদীর অধিকার ঘোষণা করে, নতুন কোনো অধিকার সৃষ্টি না করে।
অন্যদিকে, ধারা ৫০ থেকে ধারা ৩৮-এ ঘোষণামূলক মামলা সম্পর্কিত কোনো বিধান নেই, তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে ধারা ৪২।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
৩,৪৭৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৮৯ অনুযায়ী, নিলামে বিক্রি রদের আবেদন করার জন্য কত টাকা জমা দিতে হয়?
  1. শুধুমাত্র ক্রয়মূল্যের ৫%
  2. শুধুমাত্র ডিক্রিদারের প্রাপ্য টাকা
  3. ক্রয়মূল্যের ১০% ও ডিক্রি টাকার সমপরিমাণ
  4. ক্রয়মূল্যের ৫% ও ডিক্রিদারের প্রাপ্য টাকার পরিমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৮৯ (Order XXI, Rule 89 of the Code of Civil Procedure, 1908) অনুযায়ী: যদি কোন স্থাবর সম্পত্তি (immovable property) ডিক্রির কার্যকরীকরণে নিলামে বিক্রি হয়ে থাকে, তাহলে মালিক বা যিনি নিলামের পূর্বে ঐ সম্পত্তির উপর স্বত্ব দাবি করেন, তিনি বিক্রয় রদের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারেন, তবে কিছু শর্তে:
→ আবেদনকারীর আদালতে নিচের দুইটি অর্থ জমা দিতে হবে:
- ক্রেতাকে দেওয়ার জন্য: বিক্রয়মূল্যের ৫% অতিরিক্ত অর্থ (এইটা হলো ক্ষতিপূরণ বা compensation)
- ডিক্রিদারকে দেওয়ার জন্য:  বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত ডিক্রির বকেয়া টাকা, যেটির জন্য নিলাম আদেশ হয়েছে (তবে এর মধ্যে যেসব অর্থ ইতোমধ্যে ডিক্রিদার গ্রহণ করেছেন, তা বাদ যাবে)।
তামাদি সীমা: এই আবেদন নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে (তামাদি আইনের ১৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী)।

- অর্থাৎ নিলামে বিক্রি রদের আবেদন তখনই গ্রহণযোগ্য হবে, যখন উভয় অর্থ- ক্রয়মূল্যের ৫% (ক্রেতার জন্য) এবং ডিক্রিদারের প্রাপ্য টাকা আদালতে জমা দেওয়া হয়।
- তাই সঠিক উত্তর: ঘ) ক্রয়মূল্যের ৫% ও ডিক্রিদারের প্রাপ্য টাকার পরিমাণ।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৯ এর বিধান টাকা জমা দিয়ে নিলামে বিক্রয় রদের আবেদন (Application to set aside sale on deposit): ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত সম্পত্তির মালিক নিলাম বিক্রয়ের রদের জন্য নিম্নোক্ত টাকা আদালতে জমা দিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারে-
 ক্রয় মূল্যের ৫% অর্থ ক্রেতাকে প্রদানের জন্য; এবং
 ডিক্রিদার পূর্বে কোন টাকা গ্রহণ করলে তা বাদ দিয়ে যে পরিমাণ টাকার জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ হয়েছে তা ডিক্রিদারকে প্রদানের জন্য।
তামাদি আইনের  অনুচ্ছেদ: ১৬৬ মতে উক্ত আবেদন নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21 Rule-89.Application to set aside sale on deposit:
(1) Where immovable property has been sold in execution of a decree, any person, either owing such property or holding an interest therein by virtue of a title acquired before such sale, may apply to have the sale set aside on his depositing in Court,−
(a) for payment to the purchaser, a sum equal to five per cent. of the purchase-money, and
(b) for payment to the decree-holder, the amount specified in the proclamation of sale as that for the recovery of which the sale was ordered, less any amount which may, since the date of such proclamation of sale, have been received by the decree-holder.
(2) Where a person applies under rule 90 to set aside the sale of his immovable property, he shall not, unless he withdraws his application, be entitled to make or prosecute an application under this rule.
(3) Nothing in this rule shall relieve the judgment-debtor from any liability he may be under in respect of costs and interest not covered by the proclamation of sale.
৩,৪৭৬.
সাক্ষ্য আইনের ৯৯ ধারায়, দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ প্রদান করতে সক্ষম-
  1. আদালত
  2. শুধুমাত্র দলিলের পক্ষ
  3. শুধুমাত্র দলিলের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি
  4. দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯৯- দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ কে দিতে পারবে:
যে ব্যক্তিরা দলিলের পক্ষ নন বা তাদের স্বার্থের প্রতিনিধি নন, তারা এমন যে কোনো তথ্যের প্রমাণ দিতে পারেন যা দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী সমসাময়িক চুক্তির অস্তিত্ব প্রদর্শন করে।

[Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.]
৩,৪৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় দেওয়ানি মামলা বিষয়ে দেওয়ানি আদালতগুলিকে সাধারণ এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. ২ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ১১ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারায় বলা হয়েছে, বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকার দেওয়ানী মামলার বিচার করবে। যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা। এখানে দেওয়ানী আদালতের সাধারণ এখতিয়ার বলতে দেওয়ানী আদালতসমূহের দেওয়ানী মামলার বিচার করার এখতিয়ার কে বোঝানো হয়েছে।
৩,৪৭৮.
দাঙ্গা কীভাবে সংঘটিত হতে পারে?
  1. বেআইনি সমাবেশে বল প্রয়োগ করলে
  2. বেআইনি সমাবেশে সহিংসতা প্রয়োগ করা হলে
  3. বেআইনি সমাবেশে লাঠিসোঁটা থাকলে
  4. ক+খ নং উপায়ে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা  হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে।
৩,৪৭৯.
বণ্ডে বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য A,B এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করেছে। B বন্ডের বিষিয়টি স্বীকার করে কিন্তু দাবী করে যে, প্রতারণার মাধ্যমে A বন্ডটি সম্পাদন করে। A প্রতারণার বিষিয়টি অস্বীকার করে। প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণের দায়িত্ব বর্তায়
  1. যেহেতু A জয়ী হবে সেহেতু A এর উপর
  2. যেহেতু B বন্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছে সেহেতু B এর উপর
  3. প্রতারণা প্রমাণ করতে না পারলে যেহেতু A জয়ী হবে সেহেতু A এর উপর
  4. কোন পক্ষ সাক্ষ্য না দিলে যেহেতু B পরাজিত হবে সেহেতু B এর উপর
ব্যাখ্যা
♦প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণ করার জন্য যদি কোন পক্ষই সাক্ষ্য না দেয় তাহলে B পরাজিত হবে কারণ B বণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছে। সুতরাং প্রতারনা প্রমাণের ভার B এর উপর বর্তায়।
৩,৪৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১১ ধারায় দোবারা দোষ  এবং ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা নীতির প্রতিফলন ঘটেছে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায়?
  1. ধারা ৪০
  2. ধারা  ৪১
  3. ধারা ৪২
  4. ধারা ৪৩
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় দেওয়ানী কার্যবিধির দোবারা দোষ এবং ফৌজদারী কার্যবিধির দোবারা সাজা নীতির প্রতিফলন হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারার দোবারা দোষ অনুযায়ী চূড়ান্তভাবে সমাপ্ত মামলা পুনরায় একই বিষয়ে এবং একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আদালতে শুরু করে যাবে না। যদি কোন ব্যক্তি এমন মামলা দায়ের করে তাহলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দিবে। আবর ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা নীতি অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য দুইবার বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না।
৩,৪৮১.
Under which section of the Code of Criminal Procedure can evidence be taken regarding a previous conviction?
  1. 265E
  2. 265K
  3. 265L
  4. 265F
ব্যাখ্যা
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265L: Previous conviction:
 In a case where a previous conviction is charged under the provisions of sub-section (7) of section 221, and the accused does not admit that he has been previously convicted as alleged in the charge, the Court may, after it has convicted the said accused under section 265E or section 265K, take evidence in respect of the alleged previous conviction, and shall record a finding thereon: 
Provided that no such charge shall be read out by the Court nor shall the accused be asked to plead thereto nor shall the previous conviction be referred to by the prosecution or in any evidence adduced by it, unless and until the accused has been convicted under section 265E or section 265K.
----------------------------------
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঠ ধারায় পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে।
-ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঠ অনুসারে,যে মামলায় ২২১ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ করা হয় এবং অভিযুক্ত দোষারোপিত পূর্ব দণ্ডাদেশ স্বীকার না করে, সেক্ষেত্রে আদালত অভিযুক্তকে ২৬৫ঙ অথবা ২৬৫ট ধারা অনুসারে দণ্ড দানের পর পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং সে সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত এরূপ কোন অভিযোগ পাঠ করবেন না অথবা অভিযুক্তকে সে সম্পর্কে দোষ স্বীকার করতে বলা হবে না অথবা সরকার পক্ষের বা সাক্ষ্যে পূর্ব দণ্ডাদেশের কথা উল্লেখ করা হবে না,যদি না এবং যতক্ষণ না অভিযুক্ত ২৬৫ঙ বা ২৬৫ট ধারা অনুসারে দণ্ড প্রাপ্ত হয়। 
৩,৪৮২.
সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারায় কোন ধরনের ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. যে ঘটনা আদালতকে মামলার সাক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা করে
  2. যে ঘটনা আদালতকে মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণে সহায়তা করে
  3. যে ঘটনা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে
  4. যে ঘটনা আদালতকে মামলার গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণে সহায়তা করে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী,
যেকোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।

কিছু প্রাসঙ্গিক ঘটনার উদাহরণ:
১. ক্ষতির প্রকৃতি ও আকার সম্পর্কিত ঘটনা (শারীরিক ক্ষতি, আর্থিক ক্ষতি ইত্যাদি);
২. ক্ষতিগ্রস্থের আর্থিক অবস্থা বুঝতে সাহায্যকারী ঘটনা (আয়, খরচ ইত্যাদি);
৩. দায়ী পক্ষের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কিত ঘটনা;

৪. দায়িত্বের প্রকৃতি ও কারণ বুঝতে সাহায্যকারী ঘটনা;
৫. ক্ষতির ফলাফল সম্পর্কিত ঘটনা (শারীরিক/মানসিক অসুস্থতা ইত্যাদি);
৬. ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কিত ঘটনা।
৩,৪৮৩.
মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন আইনজীবী কোথায় আলোচনা করবেন না?
  1. প্রকাশ্য আদালতে
  2. প্রতিপক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতিতে
  3. প্রকাশ্য আদালতের বাইরে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর প্রথম অধ্যায়: আইনজীবীদের প্রতি আচরণ:

১. পেশার সম্মান ও মান:
সকল আইনজীবীর পেশার সম্মান ও উচ্চ মান বজায় রাখা এবং নিজের মর্যাদা রক্ষা করা কর্তব্য।

২. বিজ্ঞাপন নিষেধ:
বিজ্ঞাপন বা অন্য কোন উপায়ে কাজ পাওয়ার চেষ্টা নিষেধ। তবে ভিজিটিং কার্ড, নেইমপ্লেট বা ডিরেক্টরীতে নাম ও পেশাদারী পরিচয় প্রকাশ করা যেতে পারে।

৩. বেতনাদির বিনিময় নিষেধ:
কাজ যোগাড়ের জন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া বা বেতন দেয়া নিষেধ। লাইসেন্সবিহীন ব্যক্তির সাহায্য বা বিনিময় গ্রহন নিষেধ।

৪. বির্তকিত বিষয় আলোচনা:
কোনো পক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে বা অনুমতি ছাড়া বির্তকিত বিষয় আলোচনা করা নিষেধ।

৫. প্রকাশ্য আদালতের বাইরে আলোচনা নিষেধ:
প্রকাশ্য আদালতের বাইরে বিরোধী পক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে মামলার বিষয়বস্তু আলোচনা নিষেধ।

৬. মক্কেলের অধিকার:
মক্কেল একাধিক আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারেন। তবে বর্তমান আইনজীবীর ফি পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত অন্য আইনজীবী মামলা গ্রহণ করবেন না।

৭. ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব:
মামলার পক্ষভুক্তদের মধ্যে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব আইনজীবীদের আচরণে প্রভাবিত করা উচিত নয়।

৮. ফি ভাগাভাগি:
আইনী সেবার বিনিময়ে অর্জিত ফি ভাগাভাগি অনুচিত। তবে চুক্তি অনুযায়ী ফি বিভাজন করা যেতে পারে।

৯. অগ্রাধিকার ও সৌজন্য:
আদালতের কর্মকান্ডে এটর্নী জেনারেল ও এডভোকেট জেনারেলের অগ্রাধিকার রক্ষা করতে হবে। সিনিয়ার এডভোকেটদের অগ্রাধিকার ও ঐতিহ্য বজায় রাখা উচিত।

১০. নবীনদের সম্মান:
শিক্ষানবীশ ও নবীন আইনজীবীদের প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। প্রবীণ আইনজীবীরা নবীনদের সহযোগিতা করবেন।

১১. জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ আইনজীবীর ভূমিকা:
একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হলে, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলার পরিচালনা করবেন এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী সহযোগিতা করবেন।
৩,৪৮৪.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় উভয়পক্ষের মুলতবীর দরখাস্তের প্রেক্ষিতে ধার্যকৃত খরচার টাকা পাবে ________।
  1. বিবাদী
  2. রাষ্ট্র
  3. আইনজীবী
  4. বাদী
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ আদেশ, বিধি ১(৫)-তে বলা হয়েছে: যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার উভয়পক্ষ মুলতবির দরখাস্ত দাখিল করে এবং আদালত খরচসহ মুলতবির দরখাস্ত মঞ্জুর করেন; সে ক্ষেত্রে আদালত উভয়পক্ষকে রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে মুলতবির খরচ প্রদান/জমা করার আদেশ দিবেন।

♦ খরচের টাকার অধিকারী হবে:
i. বাদী মুলতবি চাইলে- বিবাদী পাবে।
ii. বিবাদী মুলতবি চাইলে- বাদী পাবে।
iii. উভয়পক্ষ মুলতবি চাইলে- রাষ্ট্র পাবে।
৩,৪৮৫.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ-৮(১) অনুসারে বার কাউন্সিলের নির্বাচন কবে সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৩১ মে’র মধ্যে
  2. ৩১ মার্চের মধ্যে
  3. ৩০ জুনের মধ্যে
  4. ৩০ এপ্রিলের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ-৮(১) অনুসারে, বার কাউন্সিলের নির্বাচন ৩১ মে বা তার আগে সম্পন্ন করতে হবে, যেই বছরে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।
- Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর সংশোধিত Article 8(1) অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের নির্বাচন ৩১ মে বা তার আগে সম্পন্ন করতে হবে, যে বছরে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।
- এই নিয়মটি নিশ্চিত করে যে, নির্বাচনের মাধ্যমে বার কাউন্সিলের সদস্যদের নির্বাচন নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে করা হবে। তবে, যদি কোনো অব্যাহতিপূর্ণ পরিস্থিতি (যেমন মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি) ঘটে, তবে Ad-hoc Bar Council গঠন করা হতে পারে, যার মেয়াদ সর্বোচ্চ এক বছর হতে পারে।

Article- 8. (1) Elections to the Bar Council shall be held so as to conclude on or before the thirty first day of May in the year in which the term of the Bar Council expires.
(2) If the elections to the Bar Council cannot be held within the time specified in clause (1) due to pandemic, epidemic, act of God or for any other unavoidable circumstances as may be determined by the Government from time to time, the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended.
The Attorney-General for Bangladesh shall be one of the members of the Ad-hoc Bar Council and shall also be its Chairman.
(4) Notwithstanding anything contained in any other provision of this Order, the Ad-hoc Bar Council shall exercise such powers and functions of the Bar Council as specified in this Order and the rules made thereunder.
৩,৪৮৬.
নিচের কোনটি গুরুতর জখম নয়?
  1. পুরুষত্বহীনকরণ
  2. অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
  3. মাথার চুল ছিড়েফেলা
  4. স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩২০ ধারায় ধরণের গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে।

(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

♦ এর মধ্যে মাথার চুল ছিড়েফেলার বিষয়টি নাই। 
৩,৪৮৭.
ডিজিটাল স্বাক্ষর (Digital Signature) আদালত কীভাবে যাচাই করতে পারেন?
  1. নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  2. সেই ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  3. অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে আদেশের প্রদানের মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৩,৪৮৮.
ধারা ১৩০ অনুযায়ী কোন ধরনের সাক্ষীকে দলিল উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. যে সাক্ষী মামলার পক্ষ
  2. যে ব্যক্তি সম্পত্তি বন্ধক রেখেছে
  3. যে সাক্ষী মামলার পক্ষ নয়
  4. যে ব্যক্তি মামলা শুরু করেছে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩০ অনুসারে,
যে সাক্ষী মামলার পক্ষ নয়, তাকে জোর করে তার সম্পত্তির মালিকানা সংক্রান্ত দলিল বা অন্য কোনো দলিল, যা দ্বারা সে বন্ধকী বা প্রতিজ্ঞা করা সম্পত্তি ধারণ করে, আদালতে উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না। এছাড়াও, যদি কোনো দলিল উপস্থাপন করলে তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অভিযোগ ওঠার সম্ভাবনা থাকে, তাও উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না। তবে যদি ওই সাক্ষী লিখিতভাবে সম্মতি দিয়ে থাকে যে, তিনি দলিল উপস্থাপন করবেন, তখন তিনি তা আদালতে জমা দিতে বাধ্য থাকবেন।

[No witness who is not a party to a suit shall be compelled to produce his title-deeds to any property or any document in virtue of which he holds any property as pledgee or mortgagee or any document the production of which might tend to criminate him, unless he has agreed in writing to produce them with the person seeking the production of such deeds or some person through whom he claims.]
৩,৪৮৯.
The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় বিবাহ সংক্রান্ত রায় চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. ৩৯ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারা- প্রবেট, এখতিয়ার ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা:
প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব বিষয়ক এখতিয়ার প্রয়োগকালে কোন উপযুক্ত আদালত উহার চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি বলে যখন কোন আইনগত চরিত্র কাহারও উপর আরোপ করে বা কাহাকেও উহা হইতে বঞ্চিত করে, অথবা কোন ব্যাক্তিকে অনুরূপচরিত্রের অধিকারী অথবা নিদিষ্ট কোন কিছুর অধিকারী বলিয়া ঘোষণা করে এবং সেই অধিকার কোন ব্যাক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নহে, বরং সবাত্মাক বলিয়া ঘোষণা করে তখন অনুরূপকোন আইনগত চরিত্র বা অনুরূপকোন কিছুর উপর কোন ব্যাক্তির অধিকারের অস্তিত্ব যদি প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উহা চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি প্রাসঙ্গিক।

- উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি চূড়ান্তরুপে প্রমাণ করে যে, উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যে আইনগত চরিত্র আরোপিত হয়, উহা বলবৎ হইবার সময় তাহা উদ্ভুত হইয়াছিল।
- উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যাক্তিকে আইন ভিত্তিক সত্তা হইতে বঞ্চিত করা হয়, তাহা হইতে উক্ত ব্যক্তিকে উহা দ্বারা বঞ্চিত করিবার সময় উক্ত ব্যক্তি উক্ত সত্তা হারাইয়াছিল।
- এবং উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তির অধিকারী ছিল বা থাকা উচিত বলিয়া ঘোষণা করা হয়, সেই সম্পত্তির উক্ত সময় তাহারই সম্পত্তি ছিল।
৩,৪৯০.
সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় নিচের কোন নীতিটি সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. Res Gestae
  2. Test Identification Parade
  3. Doctrine of admission
  4. Nemo tenetur seipsum accusare
ব্যাখ্যা
 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
৩,৪৯১.
একজন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূণ্য হয় না-
  1. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হলে
  2. ফৌজদারি মামলায় কারাদণ্ড প্রাপ্ত হলে
  3. আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসারিত হলে
  4. চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতিত পর পর তিনটি মিটিংয়ে অনুপস্থিত থাকলে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর ৯১ বিধি অনুসারে, বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূন্য হবে যদি সে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট পদত্যাগ পত্র দাখিল করে পদত্যাগ করে বা আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসারিত হয় বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতীত পর পর ৩টি মিটিং-এ অনুপস্থিত থাকে বা তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসাবে পদোন্নত হয়।
অর্থাৎ ফৌজদারি মামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে একজন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূণ্য হয় না।
--------------------------------------
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972, Article-91: (1) A member of the Bar Council shall vacate his seat if- (a) he resigns his seat by delivery of his resignation to the Secretary (the resignation being effective from the time it is so delivered); or
(b) he is removed from the roll; or
(c) he is absent for three consecutive meetings of the Bar Council, the interval between the first and the last meeting being of not less than four months;
Provided that a meeting for the absence from which the member has taken permission of the Chairman shall not be regarded as a meeting from which he is absent.
(d) he is elevated as a Judge of the Supreme Court.
 
(2) A member of the Bar Council who is suspended as a Advocate shall not act as a member during the period o his suspension but shall vacate his seat only if hi suspension is for a year or more or covers the whole c his remaining terms as a member.
৩,৪৯২.
বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. বেসরকারী দলিল
  2. বিভাগীয় দলিল
  3. সরকারী দলিল
  4. সরকারী এবং বেসরকারী উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

----------------
⇒ Public documents:
Section 74. The following documents are public documents:– 
 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৩,৪৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধান মতে আপিল আদালত পুনঃবিচারের নিমিত্তে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারেন?
  1. ৪১ আদেশের ২৩ নিয়ম মতে
  2. ৪১ আদেশের ২০ নিয়ম মতে
  3. ৪১ আদেশর ৩১ নিয়ম মতে
  4. ৪১ আদেশের ১২ নিয়ম মতে
ব্যাখ্যা
♦ ১০৭ ধারায় আপীল আদালতকে কোন মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কোন কোন প্রেক্ষাপটে আপীল আদালত এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে তা আদেশ ৪১ এর ২৩ এবং ২০ বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলা বিচারের সময়ে নিম্ন আদালত কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপেক্ষা করে থাকলে তা বিবেচনা করার জন্য বা প্রাথমিক প্রশ্নে (Preliminary points) মামলা নিষ্পত্তি ক থাকলে, আপীলে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল হলে, আপীল আদালত মামলাটি পুনর্বিচারের জন্য ৪১ আদেশের ২০ বিধির অধীন নিম্ন আদালতে পুনঃপ্রেরণ করতে পারবে।
৩,৪৯৪.
যদি চুক্তির একটি স্বাতন্ত্র্য অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হয় এবং অন্য অংশ কার্যকরযোগ্য না হয়, তখন আদালত-
  1. পুরো চুক্তি বাতিল করতে বাধ্য
  2. চুক্তি স্থগিত করতে পারে
  3. কার্যকরযোগ্য অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারে না
  4. কার্যকরযোগ্য অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারা- কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন:
যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

৩,৪৯৫.
ডাকাতি সংঘটনের জন্য কমপক্ষে কয় জন সদস্যের প্রয়োজন?
  1. ৭ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ১০ জন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
• ডাকাতির অভিযোগ প্রমান করতে হলে দস্যুতার অভিযোগকেও প্রমান করতে হবে।

ডাকাতির উপাদান:
(i) পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
(ii) উক্ত দলের এক বা একাধিক ব্যক্তি দস্যুতা করেছিল বা করার চেষ্টা করেছিল;
(iii) ডাকাত দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিল এবং এ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেছিল।

• ডাকাতির চেষ্টা করা কোন আলাদা অপরাধ নয়, ডাকাতির চেষ্টা করাও ডাকাতির অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
• যেক্ষেত্রে আদালত ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির চার্জ গঠন করেছে কিন্তু পরবর্তীতে ৫ এর কম সংখ্যক ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে আদালত ডাকাতির শাস্তি দিতে পারেনা কিন্তু তাদেরকে দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে।
৩,৪৯৬.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৫৭ প্রযোজ্য হয় কখন?
  1. যখন চুক্তিতে কোনো অঙ্গীকার থাকে না
  2. যখন চুক্তিতে শুধুমাত্র ইতিবাচক অঙ্গীকার থাকে
  3. যখন চুক্তিতে কেবল নেতিবাচক অঙ্গীকার থাকে
  4. যখন চুক্তিতে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় অঙ্গীকার থাকে
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৭. নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা:
ধারা ৫৬-এর উপধারা (f) সত্ত্বেও, যেখানে কোনো চুক্তিতে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ইতিবাচক অঙ্গীকারের (affirmative agreement) পাশাপাশি একটি নেতিবাচক  অঙ্গীকার (negative agreement)ও থাকে- স্পষ্টভাবে বা পরোক্ষভাবে- অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট কাজ না করার অঙ্গীকার থাকে, সেখানে আদালত যদি সেই ইতিবাচক চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) করাতে সক্ষম না হয়, তাহলেও আদালত সেই নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) জারি করতে পারে; তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী এখন পর্যন্ত তার চুক্তির বাধ্যবাধক অংশ সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হননি।

৩,৪৯৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ-৬ বিধি-১৬ অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে আদালত প্লিডিংস কর্তনের আদেশ দিতে পারেন না?
  1. যদি প্লিডিংসে কুৎসাজনক বিষয় থাকে
  2. যদি প্লিডিংসে অপ্রয়োজনীয় বিষয় উল্লেখ থাকে
  3. যদি প্লিডিংসে প্রয়োজনীয় বিষয় উল্লেখ থাকে
  4. যদি সুষ্ঠু বিচার বাধাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
ব্যাখ্যা
⇒উল্লিখিত প্রশ্নে The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ-৬ বিধি-১৬ অনুযায়ী "যদি প্লিডিংসে প্রয়োজনীয় বিষয় উল্লেখ থাকে" আদালত প্লিডিংস কর্তনের আদেশ দিতে পারেন না। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ ৬ বিধি ১৬ অনুযায়ী মামলার যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস সংশোধনের আদেশ দিতে পারে। আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আরজি জবাব কেটে দেয়ার বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন ।
যদি আরজিতে নিম্ন বর্ণিত বিষয়গুলো থাকে ১) অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক বিষয় ২) সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি করে এমন বিষয়।
⇒ প্লিডিংস হলো বাদীর আরজি ও বিবাদির লিখিত জবাব।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬ আরজি জবাবে কর্তন: মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা তাকিলে আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
৩,৪৯৮.
দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে কত বছর ধরা হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ যদিও প্রাথমিক অর্থে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে আমৃত্যু কারাদণ্ডকে বোঝায়, কিন্তু দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ৩০ বছর কারাদণ্ডের সমান বলে গণ্য হবে (In calculating fractions of terms of Punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years)।
-সুতরাং দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে শাস্তির ভগ্নাংশ হিসাব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরতে হবে।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হল-
কোন অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার পাশাপাশি দশ হাজার (১০,০০০/-) টাকা জরিমানা করা হলে। যদি অপরাধী জরিমানা দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড কত বছর হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না, কারণ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের কোন নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই কেননা কোন ব্যক্তি কতদিন বাঁচবে তা কেউ বলতে পারে না।
- এ রকম অনিশ্চয়তা দূর করতে অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড করা হলে উক্ত ব্যক্তির অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড কীভাবে নির্ধারিত হবে সে বিষয়ে দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা রয়েছে যে, শুধুমাত্র শাস্তির ভগ্নাংশ হিসেব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরা হবে।
৩,৪৯৯.
‘ক’-এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে চার্জ গঠন করা হয়েছে। কিন্তু সাক্ষ্যে প্রমাণিত হলো যে, সে প্রকৃতপক্ষে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে। এই পরিস্থিতিতে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারার বিধান অনুযায়ী কী করতে পারে?
  1. অভিযোগ খারিজ করতে বাধ্য
  2. শুধুমাত্র নতুন চার্জ গঠন করে রায় দিতে পারবে
  3. নতুন চার্জ গঠন ছাড়া রায় দিতে পারবে
  4. মামলাটি পুনরায় তদন্তের আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারার বিধান:
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়,সাক্ষ্য-প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবংএই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো,তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।

উদহারণ-
'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল। কিন্তু দেখা গেল যে, সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে। উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।

৩,৫০০.
Under Section 89A of The Code of Civil Procedure, 1908, when can the court initiate mediation?
  1. At any stage of the suit
  2. Before the filing of the written statement
  3. Only after the final judgment is passed
  4. After the filing of the written statement
ব্যাখ্যা
Section 89A- Mediation:
(1) Except in a suit under the Artha Rin Adalat Ain, 2003 (Act No. 8 of 2003)], after filing of written statement, if all the contesting parties are in attendance in the Court in person or by their respective pleaders, 3[the Court shall], by adjourning the hearing, mediate in order to settle the dispute or disputes in the suit, or refer the dispute or disputes in the suit to the concerned Legal Aid Officer appointed under the Legal Aid Act, 2000 (Act No. 6 of 2000), or to the engaged pleaders of the parties, or to the party or parties, where no pleader or pleaders have been engaged, or to a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), for undertaking efforts for settlement through mediation.

ধারা ৮৯ক- মধ্যস্থতা:
(১) অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (২০০৩ সালের ৮নং আইন) এর অধীন ছাড়া লিখিত জবাব পেশের পর সমস্ত প্রতিদ্বন্দী বিবাদী নিজ দায়িত্বে বা তাদের নিজ নিজ উকিল দ্বারা উপস্থিত হলে আদালত মামলার বিরােধ বা বিরােধ গুলাে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে শুনানী বন্ধ রেখে মধ্যস্থতা করতে পারেন, বা মধ্যস্থতার দ্বারা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পক্ষগুলাের নিযুক্ত আইনজীবী বা আইনজীবীদের নিকট বা আইনজীবী নিযুক্তকৃত না থাকলে পক্ষ বা পক্ষগুলাের নিকট মামলার বিরােধ বা বিরােধ গুলাে নিষ্পত্তির ব্যাপারটি পাঠাতে পারেন, বা ১০নং উপ-ধারানুযায়ী জেলা জজ দ্বারা প্রণয়ণকৃত প্যানেলের কোন মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারেন।