বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৩৪ / ১২৬ · ৩,৩০১৩,৪০০ / ১২,৬০৫

৩,৩০১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কবর থেকে লাশ তোলার বিধান কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৭১ ধারায়
  2. ১৭৪ ধারায়
  3. ১৭৬ ধারায়
  4. ১৭৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
---------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৩,৩০২.
সড়কে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর শাস্তি কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৭৩ ধারায়
  2. ২৭৫ ধারায়
  3. ২৭৬ ধারায়
  4. ২৭৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ২৭৯ ধারায় বেপরোয়া গাড়ি চালানোর শাস্তির বিধান রয়েছে- অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বনিম্ন ১ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৩,৩০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারায় কোন বিষয় সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী
  2. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি
  3. ভবঘুরে ব্যক্তির গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী
  4. সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে, তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station. 

(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him. 

(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.
৩,৩০৪.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় 'Abduction' এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ৩৬২
  2. ৩৬৩
  3. ৩৬৫
  4. ৩৪৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 362. Abduction: Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
⇒ Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৩,৩০৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৭৪-এর অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আটকের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত দিন?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৭৪ অনুসারে, যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, স্থাবর সম্পত্তির দখলসংক্রান্ত ডিক্রিধারী বা ডিক্রি জারিতে বিক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তির ক্রেতাকে জজমেন্ট-ডেবটর বা তার পক্ষে কোনও ব্যক্তি অন্যায়ভাবে দখল নিতে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন, তাহলে আদালত ডিক্রিধারী বা ক্রেতার আবেদনক্রমে জজমেন্ট-ডেবটর বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটকের আদেশ দিতে পারবে। এছাড়াও আদালত ডিক্রিধারী বা ক্রেতাকে সম্পত্তির দখল দিতে নির্দেশ দিতে পারবে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ৩০ দিন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারা- ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান:
যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিকৃত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সংগত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-74: Resistance to execution:
Where the Court is satisfied that the holder of a decree for the possession of immovable property or that the purchaser of immovable property sold in execution of a decree has been registered or obstructed in obtaining possession of the property by the judgment-debtor or some person on his behalf and that such resistance or obstruction was without any just cause, the Court may, at the instance of the decree-holder or purchaser, order the judgment-debtor or such other person to be detained in the civil prison for a term which may extend to thirty days and may further direct that the decree-holder or purchaser be put into possession of the property.

৩,৩০৬.
দণ্ডবিধি অনুসারে কোনটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের উপাদান নয়?
  1. যিনি কোন সম্পদের অধিপত্যের ভার পাইয়াছেন
  2. মালিকের অবর্তমানে তার সম্পদ দখলে নিয়ে নিজে ব্যবহার করা
  3. সম্পদের অধিপত্যের ভার পাইয়া যিনি নিজের ব্যবহারে লাগান
  4. অধিপত্যের ভার পাইয়া যিনি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শর্ত/ উপাদান:
-বিশ্বাসের ভারপ্রাপ্ত হয়ে বা আধিপত্যের মাধ্যমে
-কারো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
-অসাধুভাবে
-আত্মসাৎ, নিজের ব্যবহারে পরিণত বা হস্তান্তর করলে বা কাউকে এরূপ করার অনুমতি দান করলে।

অর্থাৎ 'মালিকের অবর্তমানে তার সম্পদ দখলে নিয়ে নিজে ব্যবহার করা' অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের উপাদান নয়। এই বিষয়টি চুরি হিসেবে গণ্য হবে।
-----------------------------
⇒Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
৩,৩০৭.
"Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, _____________ , legally authorized to take evidence.
  1. except Court Martial Judges
  2. except Village Court members
  3. except Arbitrators
  4. none of them
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত (Court): বলতে সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সালিশ ব্যতীত সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভূক্ত করবে।

⇒ Interpretation-clause:
⇒ Section 3. In this Act the following words and expressions are used in the following senses, unless a contrary intention appears from the context:-

⇒ "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.

⇒ "Fact" means and includes-
(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;
(2) any mental condition of which any person is conscious.
৩,৩০৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তির বিধান আছে?
  1. ১৪১
  2. ১৪২
  3. ১৪৩
  4. ১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------
- Section-142: Being member of unlawful assembly: Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.
- Section-143: Punishment: Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৩,৩০৯.
স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলার সময় গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. সম্পত্তি বিক্রির সময় থেকে
  2. সম্পত্তি দখল করার সময় থেকে
  3. মামলার রায়ের সময় থেকে
  4. সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১ম তফসিল: অনুচ্ছেদ-৩:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা;
তামাদি- ৬ মাস;
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে।
৩,৩১০.
ন্যূনতম কতজন ব্যক্তি মিলিত হলে তা বেআইনী সমাবেশ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশ:
পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম: বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা

দ্বিতীয়: কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়: কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ: কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম: অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা: যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।

৩,৩১১.
সমনে বিবাদিকে হাজির হওয়ার যথেষ্ট সময় প্রদান করা না হলে, আদালত-
  1. মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ দিবে
  2. মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখবে এবং বাদী- বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ দিবে
  3. মোকদ্দমার বাতিল করবে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• যেক্ষেত্রে সমন যথারীতি সমন যথারীতি জারি হয়েছে, বিবাদিকে সমনে নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হয়ে জবাব দেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা হয়নি, তবে আদালত পরবর্তী কোন নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখবে এবং বিবাদিকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করবে।

• আদেশ ৯ বিধি-৬ঃ

১) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বাদি উপস্থিত হয় এবং বিবাদি উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে তাহলে আদালত-

ক) যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে,  একতরফা বিচার করতে পারবেন:

খ) যদি প্রমাণিত না হয় যে, যথারীতি জারি হয়েছে, তবে আদালত বিবাদির উপর দ্বিতীয়বার সমন প্রেরণ এবং জারি করার নির্দেশ দান করবেন;

গ) যেক্ষেত্রে সমন যথারীতি জারি হয়, কিন্তু উপযুক্ত সময়ের মধ্যে নয়ঃ
যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে, বিবাদিকে সমনে নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হয়ে জবাব দেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা হয়নি, তবে আদালত পরবর্তী কোন নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি মূলতবী রাখবে এবং বিবাদিকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করবে।
৩,৩১২.
'ক' একজন ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট। তার ভাই 'খ', একজনকে তর্কের জেরে লাঠি দিয়ে মাথায় মারাত্মক আঘাত করে। ভুক্তভোগী 'ক' এর কাছে 'খ' এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. আইন অনুযায়ী উক্ত মামলার বিচার করতে বাধ্য
  2. উক্ত মামলার বিচার করতে পারবেন না
  3. ইচ্ছানুযায়ী বিচার করতে পারেন বা পারেন না
  4. উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫৬: যে সকল মামলায় জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে-

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না। কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

Section 556: Case in which Judge or Magistrate is personally interested
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। তবে উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় বিচার করতে পারবে।
৩,৩১৩.
তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি বৈধ অপারগতা নয়?
  1. অপ্রকৃতিস্থতা
  2. নির্বুদ্ধিতা
  3. নিরক্ষরতা
  4. নাবালকত্ব
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
- অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে অপ্রকৃতিস্থতা, নাবালকত্ব, নির্বুদ্ধিতা বৈধ অপারগতা। কিন্তু নিরক্ষরতা বৈধ অপারগতা নয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
-------------------
The Limitation Act, 1908, Section-6.Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
৩,৩১৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় যৌথ দায় বা Doctrine of Joint Liability প্রয়োগ করা হয়েছে ?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ১৪৯ ধারায়
  3. ৩৯৬ ধারায়
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ যৌথ দায় (Joint Liability) বলতে বোঝায়, যখন একাধিক ব্যক্তি একটি অপরাধে যুক্ত হন, তখন তাদের মধ্যে কে কীভাবে অপরাধে অংশ নিয়েছেন তা বড় বিষয় নয়। গুরুত্বপূর্ণ হল যে, সমস্ত অপরাধের জন্য তারা সমানভাবে দায়ী হবেন।
- দণ্ডবিধির ৩৪, ৩৫, ৩৭, ৩৮ এবং ১৪৯ ধারায় যৌথ দায়ের বিধান রয়েছে।
- ৩৪ ধারায় যখন একাধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায় নিয়ে অপরাধ করেন, তাদের প্রত্যেকেই সমানভাবে শাস্তি পাবে।
- ১৪৯ ধারায় বেআইনি সমাবেশের সদস্যদের মধ্যে কেউ যদি অপরাধ করে, তবে সমাবেশের সকল সদস্যকেই দায়ী করা যাবে।
- ৩৯৬ ধারায় যদি ৫ বা তার বেশি ব্যক্তি ডাকাতি করতে গিয়ে এক জন খুন করে, তবে "খুনসহ ডাকাতি" এর অপরাধে সব ডাকাতকেই শাস্তি দেওয়া হবে, যদিও তারা প্রত্যেকে খুনে অংশ নেননি।
উপরোক্ত ধারায় Doctrine of Joint Liability প্রয়োগ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে একাধিক অপরাধীকে একযোগভাবে দায়ী করা হয়।
৩,৩১৫.
'ক' একজন ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট। তার ভাই 'খ', একজনকে তর্কের জেরে লাঠি দিয়ে মাথায় মারাত্মক আঘাত করে। ভুক্তভোগী 'ক' এর কাছে 'খ' এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. উক্ত মামলার বিচার করতে পারবেন না
  2. আইন অনুযায়ী উক্ত মামলার বিচার করতে বাধ্য
  3. উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারেন
  4. উক্ত মামলার বিচার করার বিষয়টি 'ক' এর বিবেচনামূলক ক্ষমতার উপর
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৫৫৬: যে সকল মামলায় জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না। কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।
এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। তবে উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় বিচার করতে পারবে।
-----------------------
⇒CrPC-Section 556: Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.
৩,৩১৬.
চুক্তি রদের মামলার জন্য চুক্তিটি অবশ্যই-
  1. মৌখিক এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
  2. লিখিত এবং বৈধ হতে হবে
  3. লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
  4. মৌখিক এবং বাতিল হতে হবে
ব্যাখ্যা
চুক্তি রদের মামলার জন্য চুক্তিটি অবশ্যই লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে।

৩৫ ধারা: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।
৩,৩১৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Section 2(8) এর বিধান অনুসারে 'Judge' অর্থ-
  1. Assistant Judge
  2. Joint District Judge
  3. District Judge
  4. Presiding Officer of a Civil Court
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.

• সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
 
অর্থাৎ "বিচারক বা জজ" বলতে উল্লেখিত দেওয়ানি আদালতসমূহের প্রিজাইডিং অফিসারকে বুঝাবে।
৩,৩১৮.
১২০০০০০ (বার লক্ষ) টাকা মূল্যমানের একটি দেওয়ানী মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. পক্ষদের সুবিধামতে নীচের যে কোনো একটি আদালতে
  2. সহকারী জজের আদালতে
  3. সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে
  4. যুগ্মজেলা জজের আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারা মোতাবেক সর্বনিম্ন যে আদালত কোনো মোকদ্দমা বিচার করতে পারে মামলাটি সেই আদালতে করতে হবে।

♦ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার হলঃ সহকারী জজ ১৫ লক্ষ পর্যন্ত, সিনিয়র সকারী জজ ২৫ লক্ষ পর্যন্ত ও যুগ্মজেলা জজ সীমাহীন মূল্যের মোকদ্দমা বিচার করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে সিনিয়র সহকারী জজের এখতিয়ার শুরু হবে ১৫ লক্ষ ১ টাকা হতে। 

♦ তাই এই মামলাটি মূল্যমান ১২০০০০০ (বার লক্ষ)  হওয়ায় অত্র মামলাটি সহকারী জজ আদালতে দায়ের করতে হবে।
৩,৩১৯.
পদাধিকারবলে বার কাউন্সিলের সদস্য থাকবেন কে?
  1. আইনমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ জন। এর মধ্যে:
→ ১ জন পদাধিকারবলে (অ্যাটর্নি জেনারেল)।
→ ৭ জন অ্যাডভোকেটদের ভোটে নির্বাচিত।
→ ৭ জন স্থানীয় বার সমিতি থেকে নির্বাচিত।
৩,৩২০.
'A', an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest 'Y'. After due enquiry, believing 'Z' to be 'Y', 'A' arrests 'Z'. Did 'A' commit any offence by arresting 'Z'?
  1. Yes, 'A' committed an offence
  2. No, 'A' did not commit any offence
  3. Yes, but it was a minor offence
  4. 'Z' will decide if it was an offence
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৬ : আইনত বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য: 
যে ব্যক্তি কোনো কিছু সম্পাদন করার জন্য আইনবলে বাধ্য বা তথ্যের ভুল ধারণাবশত, আইনের ভুল ধারণাবশত নয়, সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোনো কিছু সম্পাদন করার নিমিত্তে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ নয়।

উদাহরণহসমূহ [Illustrations]:
ক) সৈনিক ‘ক’ তার উর্ধ্বতন অফিসারের আদেশ অনুযায়ী আইনের নির্দেশ মোতাবেক কোনো জনতার ওপর গুলি চালায়। ‘ক’ কোনো অপরাধ করে নাই।

খ) বিচারালয়ের কোনো এক কর্মকর্তা ‘ক’ উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ‘ম’ কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয় এবং যথাযথ তদন্তের পর ‘খ’ কে ‘ম’ মনে করে ‘খ’ কে গ্রেফতার করেন। ‘ক’ কোনো অপরাধ সংঘটিত করেনি।
[(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.]
৩,৩২১.
দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোন ধারার অধীনে হাইকোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন?
  1. ৩৭১ ধারা
  2. ৩৭২ ধারা
  3. ৩৭৪ ধারা
  4. ৩৭৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩৭৪ অনুযায়ী: যখন দায়রা আদালত মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, তখন: সেই কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগের নিকট উপস্থাপন করতে হয়, এবং হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন (confirmation) না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যায় না।

অর্থাৎ দায়রা আদালতের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টের অনুমোদন ব্যতীত কার্যকর করা যায় না, এবং এই আইনি বাধ্যবাধকতা নির্ধারিত হয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারায়।
তাই সঠিক উত্তর: গ) ৩৭৪ ধারা ।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 374. Sentence of death to be submitted by Court of Session:
 When the Court of Session passes sentence of death, the proceedings shall be submitted to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
৩,৩২২.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কয়টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপ:
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায়না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
৩,৩২৩.
আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুসারে আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারে-
  1. বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে
  2. মোকদ্দমা খারিজ হলে
  3. মোকদ্দমা স্থগিত হলে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা-
ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং
খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
৩,৩২৪.
বন্ধকী অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ কত বছরের?
  1.  ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৫: আমানত গ্রহীতা বা বন্ধক গ্রহীতার নিকট থেকে আমানতী বা বন্ধকী অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়েরের তামাদি- ৩০ বছর।
তামাদির সময় গণনা শুরু- আমানত রাখা বা বন্ধক দেওয়ার তারিখ হতে।

৩,৩২৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক অনুযায়ী, ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
  2. গ্রাহককেই প্রমাণ করতে হবে
  3. আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন
  4. সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রমাণিত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক (67A) অনুযায়ী, যদি কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষর একটি ডিজিটাল রেকর্ডে সংযুক্ত করা হয়, তবে সেটি প্রমাণ করতে হবে যে, এটি সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের (Subscriber) স্বাক্ষর। সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর (Secure Digital Signature) ছাড়া, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি গ্রাহকই প্রমাণ করতে হবে, এবং আদালত কোনো বিশেষ অনুমোদন ছাড়াই এটি গ্রহণ করবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক - ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ সম্পর্কিত বিধান:
সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ব্যতীত, যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে কোনো গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়, তবে এটি প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সেই গ্রাহকের স্বাক্ষর।
৩,৩২৬.
What is the primary purpose of Article 41 of the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972?
  1. To encourage unregistered practitioners
  2. To protect the integrity of the legal profession
  3. To reduce the number of advocates
  4. To allow non-advocates to practice law
ব্যাখ্যা
Answer: b) To protect the integrity of the legal profession.
- Article 41 aims to ensure that only qualified and registered advocates practice law, thereby protecting the integrity and standards of the legal profession.

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, 41. Any person who is not an advocate and practises the profession of law and any person who is not entitled under this Order to practise in the High Court practises before that Court shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to six months.

⇒ অনুচ্ছেদ ৪১ এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইন পেশার সততা রক্ষা করা এবং যারা আইন পেশায় অবৈধভাবে কাজ করছেন তাদের শাস্তি প্রদান করা। এটি নিশ্চিত করে যে, যারা আইন পেশায় অনুপ্রবেশ করতে চান তাদের আইনজীবী হিসেবে যথাযথ নিবন্ধন থাকতে হবে এবং তারা যদি কোনো আদালতে পেশা পরিচালনা করেন, তবে সেটি বৈধ হতে হবে। এই অনুচ্ছেদে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে যারা আইন পেশায় অবৈধভাবে কাজ করবেন।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৪১-এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইন পেশার সততা, মান এবং পেশাদারিত্ব রক্ষা করা। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি অ্যাডভোকেট না হয়ে আইন পেশা চালান বা হাইকোর্টে অনুশীলনের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও হাইকোর্টে অনুশীলন করেন, তাহলে তাকে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে শুধুমাত্র যোগ্য এবং নিবন্ধিত অ্যাডভোকেটরাই আইন পেশা অনুশীলন করতে পারবেন। এটি অবৈধভাবে আইন পেশা চালানো রোধ করে এবং আইন পেশার মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখে।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) To encourage unregistered practitioners: এটি সঠিক নয়, কারণ এই বিধানটি অবৈধভাবে আইন পেশা চালানোকে নিরুৎসাহিত করে।
গ) To reduce the number of advocates: এটি সঠিক নয়, কারণ এই বিধানটি অ্যাডভোকেটের সংখ্যা কমানোর জন্য নয়, বরং যোগ্যতা ও নিবন্ধন নিশ্চিত করার জন্য।
ঘ) To allow non-advocates to practice law: এটি সঠিক নয়, কারণ এই বিধানটি অ্যাডভোকেট নয় এমন ব্যক্তিদের আইন পেশা চালানো নিষিদ্ধ করে।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) To protect the integrity of the legal profession।
৩,৩২৭.
What is meant by "not proved" under the Evidence Act, 1872?
  1. The fact is partially proved
  2. The fact is disproved by the Court
  3. The fact is neither proved nor disproved
  4. The fact is accepted without evidence
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act,1872 এর ৩ ধারায় প্রমাণিত (proved), মিথ্যা প্রমাণিত (disproved) এবং অপ্রমাণিত (not to be proved) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
 
প্রমাণিত (proved):
কোন ঘটনা তখনই প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘাটনাটির অস্তিত্ব আছে বলে হয় বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্ব এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.
 
মিথ্যা প্রমানিত (disproved):
কোন ঘটনা তখনই মিথ্যা প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘটনাটির অস্তিত্ব নেই বলে বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্বহীনতা এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব নেই বলে অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be disproved when, after considering the matters before it, the Court either believes that it does not exist, or considers its non-existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it does not exist.
 
অপ্রমাণিত (not to be proved):
কোন ঘটনা তখনই অপ্রমাণিত বলা হয় যখন তা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত কোনটিই হয় না।
⇒ A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved.
৩,৩২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারায় বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি কোন ধরনের প্রতিকার পেতে পারে?
  1. Bail
  2. Release
  3. Discharge
  4. Acquittal
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারা অনুযায়ী বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি অব্যাহতি [Discharge] পেতে পারেন।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪-৬৭ তে বিনা পরোয়ানা গ্রেফতার (Arrest Without warrent) সংক্রান্ত বিধি-বিধান আছে।
ধারা ৬২ অনুযায়ী, পুলিশ গ্রেফতার সম্পর্কে অর্থাৎ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া হয়েছে কিনা অথবা অন্য কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিপোর্ট দিবেন এবং মহানগর এলাকায় হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে, অন্যান্য এলাকায় হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে খবর দিবেন।
 
ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
 
Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.
৩,৩২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে আদালত দণ্ডবিধির ২৭২, ২৭৩, ২৭৪ বা ২৭৫ ধারার অধীন কোনো মামলায় উক্ত ভেজাল খাদ্য বা ঔষধ ধ্বংস করার আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৯৯খ ধারা
  2. ১১৭ ধারা
  3. ৫২১ ধারা
  4. ৫২২ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২১- মানহানিকর ও অন্যান্য বস্তু ধ্বংস করার আদেশ:
(১) যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৯২, ২৯৩, ৫০১ বা ৫০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত আদেশ দিতে পারে যে, উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সকল অনুলিপি (যা আদালতের হেফাজতে রয়েছে বা দোষী ব্যক্তির দখলে রয়েছে) ধ্বংস করা হবে।
(1) On a conviction under the Penal Code, section 292, section 293, section 501 or section 502, the Court may order the destruction of all the copies of the thing in respect of which the conviction was had, and which are in the custody of the Court or remain in the possession or power of the person convicted.

(২) একইভাবে, যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৭২, ২৭৩, ২৭৪ বা ২৭৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত খাদ্য, পানীয়, ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী ধ্বংস করার নির্দেশ দিতে পারে।
(2) The Court may, in like manner, on a conviction under the Penal Code, section 272, section 273, section 274 or section 275, order the food, drink, drug or medical preparation in respect of which the conviction was had to be destroyed.
৩,৩৩০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪ অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোনটি সরকারী দলিল (Public Document) হিসেবে গণ্য হবে? 
  1. ব্যক্তিগত চিঠি
  2. আদালতের রায়
  3. কবিতা বা উইল
  4. উল্লিখিত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪ অনুসারে, সরকারী দলিল (Public Document) বলতে সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলগুলোকে বোঝায়, যেমন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনালের নথিপত্র, বিচার বা শাসন বিভাগের লিখিত রেকর্ড। এর মধ্যে আদালতের রায় অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি সরকারী রেকর্ডে রক্ষিত হয়। অন্যান্য অপশনগুলো (ব্যক্তিগত চিঠি, কবিতা বা উইল) ধারা ৭৫-এর অধীনে বেসরকারী দলিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

৩,৩৩১.
"স্বীকারোক্তি হলো মৌখিক বা লিখিত (অথবা ডিজিটাল রেকর্ডে রয়েছে) বক্তব্য যা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন ধারণার সূত্রপাত করে" সাক্ষ্য আইনের কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ১৮ ধারায়
  2. ১৭ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ১৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ১৭ ধারার বিধান- স্বীকারোক্তি সংজ্ঞায়িত:
একটি স্বীকারোক্তি হল একটি বক্তব্য, মৌখিক বা দলিলমূলক বা ডিজিটাল রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত, যা কোনো বিষয় বা প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পর্কে কোনো উপসংহার বা ধারণা প্রদান করে, এবং যা যেকোনো ব্যক্তির দ্বারা এবং নিম্নোক্ত বর্ণিত পরিস্থিতিতে করা হয়।

Section- 17. Admission defined
An admission is a statement, oral or documentary or contained in the digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.
৩,৩৩২.
Where once _____ has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it.
  1. suit
  2. case
  3. time
  4. proceeding
ব্যাখ্যা
• Section: 9 of The Limitation Act,1908-

Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

ধারাঃ ৯- সময়ের অবিরাম চলন:
তামাদির সময় একবার চলতে শুরু করলে কোন অক্ষমতা একে থামাতে পারে না। তবে কোন পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কোন দেনাদারের উপর ন্যস্ত থাকলে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
৩,৩৩৩.
রেফারেন্সের আবেদন কে করতে পারে?
  1. পক্ষদ্বয়
  2. অধস্তন আদালত
  3. শুধু বাদী
  4. আদালত ও পক্ষদ্বয় উভয়
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির অধস্তন কোন আদালত কোন সময়ে যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে মোকদ্দমার বিষয়ে মতামতের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে পারেন। হাইকোর্ট বিভাগে এরুপ অভিমত চাওয়াকে  Referance বলে।

♦ রেফারেন্স সম্পর্কিত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৩ ও আদেশ ৪৬ এ দেয়া আছে।

♦ হাইকোর্ট বিভাগের অধ:স্তন আদালত তথ্যগত ও আইনগত জটিল প্ৰশ্ন বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে রেফারেন্স এর আবেদন করতে পারে।
৩,৩৩৪.
সর্বনিম্ন কত দিন কেউকে অবৈধভাবে অবরোধ করা হলে, অপরাধীকে তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 344- Wrongful confinement for ten or more days:
 Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৩,৩৩৫.
আদালত কোন বিধি অনুযায়ী ইস্যু নির্ধারণের আগে আদালত সাক্ষী বা নথি পরীক্ষা করতে পারে?
  1. আদেশ ১৪ বিধি ৩
  2. আদেশ ১৪ বিধি ৪
  3. আদেশ ১৪ বিধি ৫
  4. আদেশ ১৪ বিধি ৬
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৪ বিধি ৪: ইস্যু নির্ধারণের আগে আদালত সাক্ষী বা নথি পরীক্ষা করতে পারে:
যদি আদালতের মনে হয় যে ইস্যু (issues) সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যাবে না- কোনো ব্যক্তি, যিনি আদালতে উপস্থিত নেই, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ (examination) করা ছাড়া, অথবা মামলায় এখনো জমা না দেওয়া কোনো নথি পরীক্ষা করা ছাড়া, তাহলে আদালত ইস্যু নির্ধারণ (framing of issues) পিছিয়ে দিতে পারে, তবে সেই সময়সীমা ১৫ দিনের বেশি হতে পারবে না।

এ ছাড়া আদালত, বর্তমান প্রচলিত আইনের অধীনে সেই ব্যক্তিকে সমন বা অন্যান্য প্রক্রিয়া ব্যবহার করে হাজির করতে পারে, অথবা  যার কাছে নথিটি আছে তাকে নথি জমা দিতে বাধ্য করতে পারে।

৩,৩৩৬.
"Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court." This provision relates to-
  1. Section 157
  2. Section 150
  3. Section 151
  4. Section 152
ব্যাখ্যা
Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
৩,৩৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায়, কোন ব্যক্তির জন্য খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা ৬০ দিন?
  1. আসামি
  2. আদালত
  3. অভিযোগকারী
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে;
২- দায়রা জজের নিকট।

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর;
২. অভিযোগকারী।

৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, 
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
৩,৩৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৫ বিধি ১ অনুসারে, প্রথম শুনানিতে যদি দেখা যায় যে পক্ষগুলি কোনো আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধে নেই, তবে আদালত কী করতে পারেন?
  1. তখনই রায় দিতে পারেন
  2. মামলা স্থানান্তর করতে পারেন
  3. মামলা খারিজ করতে পারেন
  4. আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ স্থগিত করতে পারেন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৫ বিধি ১ অনুসারে, মোকদ্দমার প্রাথমিক শুনানিতে যদি দেখা যায় যে পক্ষগণের মধ্যে কোনো তথ্যগত বা আইনগত প্রশ্নে বিতর্ক বা বিরোধ নেই, তবে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারে। এটি মোকদ্দমার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করে এবং সময় ও সম্পদ সাশ্রয় করে, যেহেতু কোনো বিতর্কিত ইস্যু না থাকলে আরও শুনানির প্রয়োজন হয় না।
------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-15, Rule-1.- Parties not at issue:
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.

৩,৩৩৯.
চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সমন্বয়িত হলে, আদালত আদেশ ২৩ বিধি-৩ এর অধীন-
  1. আপসের বিষয়টি বাদির কাছে পাঠাবে
  2. আপসের বিষয়টি পুনরায় বিচার করবে
  3. আপসের বিষয়টি নতুনভাবে শুনানির জন্য উপস্থাপন করবে
  4. আপসের বিষয়টি লিপিবদ্ধ করবে এবং ডিক্রি প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৩ বিধি-৩: মোকদ্দমার আপস:
যেক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে এটি প্রমাণিত হয় যে, আইনসঙ্গত চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে সমন্বয়িত হয়েছে কিংবা যদি বিবাদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সামগ্রিক বা কোন অংশের সম্পর্কে বাদিকে মিটিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবে এবং যতদূর মোকদ্দমার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদানুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবে।

Rule-3: Compromise of suit-
Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawfull agreement or compromise, or where the defendant satisfies the the plantiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
৩,৩৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালত খালাস প্রদান করেন?
  1. ২৬৫চ ধারা
  2. ২৬৫জ ধারা
  3. ২৬৫ট ধারা
  4. ২৬৫ঘ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫জ ধারার বিধান-খালাস:
- বাদীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং বাদীপক্ষ ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করার পর আদালত যদি মনে করেন যে, আসামি অপরাধ করেছে এরূপ কোন সাক্ষ্য নাই তাহলে আদালত আসামিকে খালাস দেওয়ার আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন। 
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265H: Acquittal:
- If, after taking the evidence for the prosecution, examining the accused and hearing the prosecution and the defence on the point, the Court considers that there is no evidence that the accused committed the offence, the Court shall record an order of acquittal.
৩,৩৪১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারায় কোন আইনকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. The Contract Act, 1872
  2. The Limitation Act, 1908
  3. The Registration Act, 1908
  4. The Transfer of Property Act, 1882
ব্যাখ্যা
• Section 4- Savings: Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed-
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract;
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.

• এই অনুচ্ছেদটি এই আইনের প্রয়োগসীমা নির্ধারণ করছে। এর প্রধান বিষয়গুলি হল:
(a) এই আইন যে সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে, চুক্তি ব্যতীত অন্য কোনো সমঝোতা/আইনিদৃষ্টিতে বাধ্যবাধকতা না থাকলে তার বিষয়ে কোনো প্রতিকারের অধিকার প্রদান করবে না।
(b) এই আইন কাউকে নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ব্যতীত অন্য কোনো চুক্তিজনিত প্রতিকারের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে না।
(c) এই আইন 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইন এবং নথিপত্রের উপর তার প্রভাব রাখবে না।

সংক্ষেপে, এই আইন শুধুমাত্র চুক্তিভিত্তিক বিষয়গুলিতে প্রযোজ্য হবে এবং অন্যান্য চুক্তিগত প্রতিকারের অধিকারগুলি অক্ষুণ্ন থাকবে। তবে নথিপত্রের রেজিস্ট্রেশনের বিষয়ে 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইনই কার্যকর থাকবে।
৩,৩৪২.
বার কাউন্সিল অর্ডার এর অনুচ্ছেদ ২১(১)(a) অনুসারে, হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করার জন্য অ্যাডভোকেটকে নিম্ন আদালতে কত বছরের প্র্যাকটিস অভিজ্ঞতা থাকতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ বার কাউন্সিল অর্ডার-এর ২১ নং আর্টিকেলে বলা আছে যে নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা না থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার অনুমতি পাবে না।
- অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার জন্য নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
-------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-21. (1) No advocate other than an advocate permitted to practise before the High Court immediately before the commencement of this Order shall be permitted to practise before the High Court unless-
(a) he has practised as an advocate before subordinate courts in Bangladesh for a period of two years;
(b) he is a law graduate and has practised as an advocate before any High Court outside Bangladesh notified by the Government in the official Gazette;
(c) he has, for reason of his legal training or experience, been exempted by the Bar Council from the foregoing requirements of this clause on the basis of the prescribed criteria.
(2) Permission to practise before the High Court shall be given in the form prescribed by the Bar Council on proof that the fee prescribed under Article 22 has been paid and that the relevant condition laid down in clause (1) are duly satisfied.

৩,৩৪৩.
‘চ’এর যে রাস্তায় চলাচলের অধিকার আছে সে পথে ‘ক’ বিঘ্ন সৃষ্টি করে। এতে ‘চ’ এর চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় ‘ক'এর কৃত অপরাধ হলো-
  1. অন্যায় আটক
  2. অন্যায় অর্পণ
  3. অবৈধ বাধা
  4. অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৩৯ ধারায় বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তির যেদিকে যাওয়ার অধিকার আছে তাকে সেইদিকে যেতে ইচ্ছাকৃত ভাবে বাঁধা দেওয়া হলে তাকে অন্যায়ভাবে বাঁধা বা অবৈধ বাঁধা (Wrongful restraint) প্রদান করা হয়েছে বলা হবে।
৩,৩৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
  1. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  3. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত কর্তৃক অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  4. ক এবং খ ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। যদি স্মল কজ কোর্ট বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ও বিধি ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতে প্রযোজ্য হবে না তা ৭ ধারায় বলা হয়েছে।

• ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
⇒ ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমা;
⇒ এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রি জারি; এবং
⇒ স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারি

তবে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা; ৯১ ও ৯২ ধারা; ২৪ ও ৯৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইনজাংশন, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান এবং ৯৬ থেকে ১১২ ও ১১৫ ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
৩,৩৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারা কোন বিষয়ে সম্পর্কিত?
  1. জেলা আদালতের বিচার ক্ষমতা
  2. বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ ও ক্ষমতা
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ ও ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারা- নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।

(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।

(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।

(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।

(৫) সরকার সমীচীন প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।

(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
৩,৩৪৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কী ধরনের প্রতিকার?
  1. এটি একটি ফৌজদারি প্রতিকার
  2. এটি সাধারণ ক্ষতিপূরণের প্রতিকার
  3. এটি শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণের প্রতিকার
  4. এটি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ দেওয়ানী প্রতিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বা Specific Relief বলতে ঐ সকল প্রতিকারকে বোঝায়, যা কোন ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিধান অনুযায়ী সুনির্দিষ্টভাবে পাওয়ার অধিকারী। 
⇒ আর্থিক ক্ষতিপূরণ অনেক ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত ও অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতিকার হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারে। এক্ষেত্রে আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে যে প্রতিকার মঞ্জুর করে তাকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলে।
⇒ অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলতে একটি বিশেষ ধরনের আইনগত প্রতিকারকে (Legal redress) বুঝায় যা অন্যান্য প্রতিকার থেকে ভিন্ন।
-এই জন্য বলতে পারি যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলতে আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ ধরনের প্রতিকারকে বুঝায়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের  মাধ্যমে।
-----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 5 Specific relief how given: Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
৩,৩৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলটি বাতিল?
  1. ৪র্থ
  2. ৩য়
  3. ২য়
  4. ১ম
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:

১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল।

২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।

৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

৩,৩৪৮.
দণ্ডবিধির ২৮০ ধারার ক্ষেত্রে কোনটি অপরিহার্য নয়?
  1. নৌযান চালানো
  2. মানুষের মৃত্যু
  3. অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণ
  4. জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) মানুষের মৃত্যু।

দণ্ডবিধির ২৮০ ধারায় অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য মানুষের মৃত্যু হওয়া অপরিহার্য নয়। বরং নৌযান বেপরোয়াভাবে বা অবহেলায় চালানোর ফলে মানুষের জীবন বিপন্ন হওয়া বা আঘাতের আশঙ্কা সৃষ্টি হওয়াই যথেষ্ট।

দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা- বেপরোয়াভাবে নৌযান চালনা:
কোন ব্যক্তি যদি এমন বেপরোয়াভাবে বা অবহেলার সাথে কোন নৌযান চালনা করে, যার কারণে কোন মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত লাগার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 280. Rash navigation of vessel:
Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৩,৩৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৫(১) অনুযায়ী নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা কার আছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৫(১) অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়েই তাদের বিচারিক এখতিয়ারাধীন অধীনস্থ কোনো ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম বা রায়, দণ্ড, আদেশের বৈধতা ও সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য নথি তলব করতে পারেন। তবে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষমতা রাখেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারি আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 435: Power to call for records of inferior Courts:-
-(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record.
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section.
৩,৩৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, মধ্যস্থতার ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত কোন আদেশ অনুসরণ করে?
  1. আদেশ ২০
  2. আদেশ ২১
  3. আদেশ ২৩
  4. আদেশ ৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, যদি আদালতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপোষ-মীমাংসা হয়, তাহলে আদালত Order XXIII (আদেশ ২৩) অনুসারে আপোষ-ডিক্রি প্রদান করে।
এছাড়াও, ধারা ৮৯ক(১২) অনুযায়ী, এইরূপ ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা রিভিশন গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার বিধান মতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা।
- ধারা-৮৯ক(৫): মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
- আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section 89A(12): No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of a settlement between the parties under this section.
(13) Nothing in this section shall be deemed to otherwise limit the option of the parties regarding withdrawal, adjustment and compromise of the suit under Order XXIII of the Code. 

Explanation-(1) "Mediation" under this section shall mean flexible, informal, non-binding, confidential, non-adversarial and consensual dispute resolution process in which the mediator shall facilitate compromise of disputes in the suit between the parties without directing or dictating the terms of such compromise. 
(2) "Compromise" under this section shall include also compromise in part of the disputes in the suit.
৩,৩৫১.
বিকাশকে আদালত কর্তৃক দেওয়ানি কার্যবিধির ৩০ ধারায় সমন প্রদান করা হয়েছে। আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে কী ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানার আদেশ
  2. গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করার আদেশ
  3. তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করার আদেশ
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে-
সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানি জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
৩,৩৫২.
The Penal Code, 1860 কার্যকর হয় কবে?
  1. ১৮৬০ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৬২ সালে
  4. ১৮৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
• ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরূপ:-
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকলে।
ii) সদস্য- মি: ম্যাকলিউড।
iii) সদস্য-মি: এন্ডারসন।
iv) সদস্য-মি: মিলার।

- ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে থেকে কার্যকর হয়।
- যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।

⇒ অর্থাৎ ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয়, যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে ‘Indian Penal Code’ নামে কার্যকর হয়।
৩,৩৫৩.
The Limitation Act, 1908-এর ২৪ ধারা অনুসারে, বিশেষ ক্ষতি ছাড়া কোনো কার্য যা মামলার কারণ সৃষ্টি করে না, সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা করা হয় কখন থেকে?
  1. কার্য সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে
  2. ক্ষতি সৃষ্টি হওয়ার দিন থেকে
  3. আদালতের নির্দেশ অনুসারে
  4. মামলা দায়ের করার দিন থেকে
ব্যাখ্যা
উত্তর: (খ) ক্ষতি সৃষ্টি হওয়ার দিন থেকে। 
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ২৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো কার্য কেবল তখনই মামলার কারণ সৃষ্টি করে যখন তা থেকে প্রকৃত ক্ষতি হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ সেই ক্ষতি সংঘটিত হওয়ার সময় থেকে গণনা করা হবে।

উদাহরণ:
- একজন ব্যক্তি জমির উপরের স্তরের মালিক, আর অন্যজন নিচের স্তরের মালিক। নিচের স্তরের মালিক মাটির নিচ থেকে কয়লা উত্তোলন করলেন, কিন্তু এতে জমির উপরিভাগে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষতি হলো না। পরে একদিন, জমির উপরিভাগ ধসে পড়ল।
- এই ক্ষেত্রে, জমির মালিক যখনই ধসের কারণে প্রকৃত ক্ষতির সম্মুখীন হলেন, তখন থেকেই তামাদির মেয়াদ শুরু হবে।

→ অর্থাৎ কোনো কার্য তাৎক্ষণিকভাবে মামলার কারণ সৃষ্টি না করলে, বরং পরে ক্ষতি হলে, তখন তামাদির গণনা সেই ক্ষতির সময় থেকে শুরু হয়।
৩,৩৫৪.
পুলিশ অফিসার সাক্ষিদের মৌখিক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন কত ধারায়?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৫ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় পুলিশ অফিসার কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষার বিধান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনাকারী কোন পুলিশ অফিসার মামলার সাথে পরিচিত যে কোন ব্যক্তি বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে বা জবানবন্দী রেকর্ড করতে পারে।
৩,৩৫৫.
দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করে, তাহলে তার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা ২০০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়।

→ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জানে যে সে যে যন্ত্রটি ব্যবহার করছে তা মিথ্যা, এবং সে এই যন্ত্রটি প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহার করে, তবে তাকে ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি দেওয়া হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা- ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা:
কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে-সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 264- Fraudulent use of false instrument for weighing:
Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৩,৩৫৬.
নিম্নে বর্ণিত তামাদি আইনের কোন ধারা বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. ৪ ধারা
  2. ৫ ধারা
  3. ১৮ ধারা
  4. ২২ ধারা
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-

(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন

বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
৩,৩৫৭.
আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী, যদি বিবাদীর বিরুদ্ধে সমন যথাযথভাবে জারি না হয়, তাহলে আদালত -
  1. মামলাটি খারিজ করবে
  2. একতরফা ডিক্রি প্রদান করবে
  3. পুনরায় সমন জারির আদেশ দেবে
  4. বাদীকে ক্ষতিপূরণ দিতে বলবে
ব্যাখ্যা
একতরফা ডিক্রি:
আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী বিবাদীর অনুপস্থিতিতে যে ডিক্রি প্রদান করা হয় তাহলো এক তরফা ডিক্রি। যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী হাজির হয় কিন্তু বিবাদী হাজির হয়না, সেই ক্ষেত্রে যদি এটা প্রমাণ করা যায় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথাযথভাবে জারি করা হয়েছিল, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা বিচার করতে পারবে বা আদালত একতরফা ডিক্রি দিতে পারবে। আর যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথারীতি জারি করা হয়নি, তাহলে আদালত বিবাদী বরাবর দ্বিতীয় বার সমন জারির আদেশ দিতে পারে।

আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী, বিবাদীর হাজির না হওয়ার কারণে, আদালত একতরফা ডিক্রি দিলে, বিবাদী নিম্ন লিখিত প্রতিকার পেতে পারে-
১. বিধি ১৩ এর অধীন একতরফা ডিক্রি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
২. বিধি ১৩ক এর অধীন এবতরফা ডিক্রি সরাসরি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
৩. যেহেতু একতরফা ডিক্রি একটি ডিক্রি তাই ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল করা যেতে পারে;
৪. ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউর জন্য আবেদন করতে পারে।
৩,৩৫৮.
সম্পদটি চোরাই জেনেও তা অসাধুভাবে দখলে রাখার অপরাধ বিষয়ে The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৪১০
  2. ৪১১
  3. ৩৮০
  4. ৩৭৯
ব্যাখ্যা
♦ The Penal Code, 1860 এর ৪১১ ধারার বিধান অসাধুভাবে চোরাইমাল গ্রহণ করা:  কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানা সত্ত্বেও, বা উহা চোরাই সম্পত্তি বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অসাধুভাবে অনুরূপ চোরাই সম্পত্তি গ্রহণ করে বা রেখে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৩,৩৫৯.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে বলবৎ কোন আইন অনুসারে কথিত কোন কাজ করা বা করা থেকে বিরত থাকার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ২ অনুসারে বলা হয়েছে:
- "For compensation for doing or for omitting to do an act alleged to be in pursuance of any enactment in force for the time being in Bangladesh —
- Limitation Period: 90 days
- Time starts from: When the act or omission takes place."
অর্থাৎ, যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের অধীনে কোনো কাজ করেন বা করতে ব্যর্থ হন এবং এর ফলে ক্ষতির অভিযোগ আসে, তাহলে ঐ কাজ বা অবহেলা সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে মামলা করতে হবে।

অর্থাৎ, যদি দেশের কোনো প্রচলিত আইনের অধীনে করা কোনো কাজ (act) বা না করা (omission) কাজের ফলে কারো ক্ষতি হয়, এবং কেউ ক্ষতিপূরণের দাবি করে—তাহলে মামলা করার জন্য সময়সীমা মাত্র ৯০ দিন।

৩,৩৬০.
দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ বর্ণিত হয়েছে-
  1. The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৬ ধারায়
  2. The Civil Courts Act,1887 এর ৩ ধারায়
  3. The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৫ ধারায়
  4. The Specific Relief Act, 1877 এর ৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন, এখতিয়ার সম্পর্কে সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট,১৮৮৭ এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge];
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge];
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge];
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge];
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]।
৩,৩৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুসারে, গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা কাকে গ্রেফতারের কারণ জানাবেন?
  1. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারকে
  2. থানার অফিসার-ইন-চার্জকে
  3. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে
  4. ওয়ারেন্ট জারিকারী আদালতকে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: C. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক-  গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানানো:
যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করলে, তাকে গ্রেফতার করার সময় গ্রেফতারের কারণ সেই ব্যক্তিকে জানাতে হবে।

Section 54A- Person arrested to be informed of reason of arrest: 
Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

৩,৩৬২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় কোনো পক্ষ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসেবে কী প্রতিকার চাইতে পারে?
  1. চুক্তি রদ
  2. চুক্তি সংশোধন
  3. চুক্তি পরিবর্তন
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

এই ধারায় বলা হয়েছে,
একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা দায়েরকারী বাদী বিকল্প প্রার্থনা জানাতে পারে যে, চুক্তিটি যদি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা না যায়, তাহলে তা বাতিল করা হোক। আদালত যদি চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে অস্বীকার করেন, তাহলে তা রদ করার এবং সেই অনুসারে ত্যাগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।
৩,৩৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় তল্লাশি কার্যক্রমে সাক্ষী উপস্থিতির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১০১
  2. ধারা ১০২
  3. ধারা ১০৩
  4. ধারা ১০৪
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩-এ তল্লাশি কার্যক্রম চালানোর সময় স্থানীয় দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত রাখার বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশি কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশি করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশি করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশির সাক্ষী হওয়ার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশি করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশি করার সময় যে-সব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যে-সব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈরি করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশি দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
৩,৩৬৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৮ এর অধীন আদালত রায়ের পূর্বে কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. Arrest
  2. Attachment
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৩৮ অনুযায়ী আদালত ২ ধরনের আদেশ দিতে পারে-
১. রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment);
২. রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment).      .

রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment):
এই আদেশে বিবাদী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী ব্যক্তি মামলার রায় পাওয়ার পর দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বা তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন এবং বাদীকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্য রাখেন, তাহলে আদালত বিবাদীকে গ্রেফতার করার আদেশ দিতে পারে। এই আদেশের লক্ষ্য হল বিবাদী ব্যক্তিকে আদালতের আওতায় রাখা যাতে রায়ের পরে তিনি পালিয়ে যেতে না পারেন।

রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment):
এই আদেশে বিবাদীর সম্পত্তি আটক বা জব্দ করা হয়। যদি আদালত এমন সন্দেহ করে যে, বিবাদী তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন বা নষ্ট করতে পারেন যাতে বাদী রায় পেলেও ক্ষতিপূরণ পাওয়া না যায়, তাহলে আদালত বিবাদীর সম্পত্তি আটক করার আদেশ দিতে পারে। এর উদ্দেশ্য হল বিবাদীকে তার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা না যাতে বাদী রায় পেলে সেখান থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়া সম্ভব হয়।
৩,৩৬৫.
জেলা জজের আপিল এখতিয়ারবলে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার কি?
  1. আপিল
  2. রেফারেন্স
  3. রিভিশন
  4. রিভিউ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
♦আপিল (Appeal)-
মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে। আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন। 

♦রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। 

দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের শর্ত- 
♦কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।

♦কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে একবার আপিল করা হলে উক্ত আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিশন করা যায়, কেননা দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২য় আপিলের বিধান নেই।

♦সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদি (মূল) এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত ( সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, এবং যুগ্ম জেলা জজ) প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল শ্রবণের জন্য ক্ষমতা প্রাপ্ত আদালতে ( জেলা জজ বা হাইকোর্টে) আপীল দায়ের করা যাবে। আপীলে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় আপীল করা যায়না। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের কোন বিধান নেই।

♦যেহেতু জেলা জজ আপীল এখতিয়ারবলে ডিক্রি দিয়েছে অর্থাৎ মূল মোকদ্দমায় ডিক্রি দেয়নি, তাই এই ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় আপীল করা যাবে না। কিন্তু দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী মূল মোকদ্দমায় বা আপীলে প্রদত্ত যে সকল আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না, সেই সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়। জেলা জজের আপীল এখতিয়ারবলে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করা যাবে
৩,৩৬৬.
তামাদি আইনের কত ধারায় নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ১২ ধারায়
  2. ১৩ ধারায়
  3. ১৪ ধারায়
  4. ১৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৬ ধারায় নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-
’ডিক্রি জারির জন্য কোন সম্পত্তি বিক্রয়’ অর্থাৎ নিলাম বিক্রয় রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা হলে, মামলা যতদিন চলবে সেই সময় নিলাম গ্রহীতার বা যিনি নিলাম কিনেছেন তার উক্ত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে, তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
-----------------------------
⇒The Limitation Act, 1908 Section-16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending:
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
৩,৩৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে জেলা পর্যায়ে কয় ধরণের বিচারিক আদালতের কথা বলা আছে?
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগ: (১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:

(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ (i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ

(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;

(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;

(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট:

(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।

-------------------------------------------------
♦ Classes of Criminal Courts
Section 6.(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
 
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
৩,৩৬৮.
কোন ব্যক্তিকে তার যে দিকে গমনের অধিকার রয়েছে, তাকে সেই দিকে গমনে স্বেচ্ছাকৃত বাধা দেওয়া হলে, তাকে কি করা হয়েছে বলে গণ্য হবে?
  1. অবৈধ বাধাদান
  2. অবৈধ আটক
  3. তার বিরুদ্ধে বল প্রয়োগ
  4. উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒ Wrongful restraint:
Section 339. Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
⇒ Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
⇒ Illustration 
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৩,৩৬৯.
ম্যাজিস্ট্রেট কখন ১৪৪ ধারার অধীনে প্রদত্ত আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন?
  1. স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে
  3. শুধুমাত্র উচ্চ আদালতের আদেশে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ (৪) ধারামতে,
যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 144 (4)-
Any Magistrate may, either on his own motion or on the application of any person aggrieved, rescind or alter any order made under this section by himself or any Magistrate subordinate to him, or by his predecessor in office.
৩,৩৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারায় আদালত কোন ক্ষেত্রে পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান করবে?
  1. মৌখিক চুক্তি বাতিলের ক্ষেত্রে
  2. লিখিত চুক্তি বাতিলের ক্ষেত্রে
  3. লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে
  4. মৌখিক চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।

Section 32- Presumption as to intent of parties:
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
৩,৩৭১.
মামলার বিবাদী নাবালক হলে আদালত-
  1. মামলা স্থগিত করবেন
  2. মামলা খারিজ করবেন
  3. একতরফা ডিক্রি দিবেন
  4. উপযুক্ত ব্যক্তিকে নাবালকের পক্ষে অভিভাবক নিযুক্ত করবেন
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২ বিধি-৩ এর বিধান: নাবালক বিবাদীর জন্য আদালত কর্তৃক মোকদ্দমায় অভিভাবক নিযুক্ত হবে
যেক্ষেত্রে বিবাদী একজন নাবালক হয়, সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত নাবালকের মোকদ্দমার জন্য একজন উপযুক্ত ব্যক্তিকে অভিভাবক নিযুক্ত করবেন।
- প্রস্তাবিত অভিভাবকের মোকদ্দমার বিরোধীয় বিষয়ে নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে কোন স্বার্থ থাকবে না। 

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ আদেশের ৩ বিধি অনুসারে- বিবাদী নাবালক হলে (১৮ বছরের কম বয়স্ক) তার পক্ষে আদালত একজন অভিভাবক নিযুক্ত করবেন।
- নাবালক বিবাদীর পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অভিভাবক নিযুক্ত করেন আদালত।
৩,৩৭২.
নিম্নলিখিত কোনটি পাবলিক ডকুমেন্ট না?
  1. খতিয়ান
  2. আদালতের রায়
  3. উইল
  4. গ্রেফতারী পরোয়ানা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,

(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং

(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল।

⇒কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒ খতিয়ান, গেজেট নোটিফিকেশন বা গ্রেফতারী পরোয়ানা ও আদালতের আদেশ ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ এগুলো সরকারের বিভিন্ন অঙ্গের কাজের অংশ। উইল পাবলিক দলিল নয়।

⇒ ৭৪(২) ধারা অনুসারে বেসরকারী যে সকল দলিল সরকার নিজের কাছে সংরক্ষণ রাখে সেগুলোও সরকারী দলিল।
৩,৩৭৩.
Who bears the burden of proving that the case falls within any of the general or special exceptions according to Section 105 of The Evidence Act, 1872?
  1. The judge
  2. The accused
  3. The prosecutor
  4. The investigating officer
ব্যাখ্যা
Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আসামী দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে আসামী পক্ষের। বলা আছে-
"দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম যে সমস্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেই সমস্ত ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যতিক্রম প্রযোজ্য এই দাবি করাই যথেষ্ট নয়, বরং এই ব্যতিক্রমের উপস্থিতি প্রমাণ করতে হবে।"

অর্থাৎ, যদি আসামীপক্ষ দাবি করে যে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে শুধু দাবি করা যথেষ্ট নয়, বরং তাদেরকে সেই দাবি প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে আসামীপক্ষের।
৩,৩৭৪.
আদালতে কোন ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত তৈরির ক্ষেত্রে কার মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা?
  1. বিশেষজ্ঞের
  2. সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের
  3. যার ডিজিটাল স্বাক্ষর সেই ব্যক্তির
  4. বাদী ও বিবাদির আইনজীবীর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারামতে ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
--------------
“Section 47A. Opinion as to digital signature where relevant.- When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact."
৩,৩৭৫.
একটি মামলার প্রমাণের জন্য আদালতে কি নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষী বাধ্যতামূলক?
  1. হ্যাঁ, কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী প্রয়োজন
  2. শুধুমাত্র একজন প্রয়োজন
  3. না, নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
  4. কমপক্ষে ৩ জন সাক্ষী প্রয়োজন
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

Section 134: Number of witnesses
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৩,৩৭৬.
সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী, আদালত কখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের তথ্য সঠিক বলে অনুমান করবে?
  1. যখন বিপরীত প্রমাণ উপস্থাপন না করা হয়
  2. যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক গৃহীত হয়
  3. যখন সনদটি গ্রাহক কর্তৃক প্রত্যাখ্যান করা হয়
  4. যখন আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনদ যাচাই করে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫(গ) ধারা, আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান: আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের তথ্য সঠিক বলে অনুমান করবে যখন সনদটি গ্রাহক (সাবস্ক্রাইবার) কর্তৃক গৃহীত হয়। অর্থাৎ, গ্রাহক যদি স্বেচ্ছায় সনদটি গ্রহণ করে, তাহলে আদালত ধরে নেবে যে সনদের উল্লিখিত তথ্য (গ্রাহকের যাচাইকৃত নয় এমন তথ্য ছাড়া) সঠিক, যতক্ষণ না বিপরীত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়।
--------------------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 85C: Presumption as to Digital Signature Certificates: "The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber."

৩,৩৭৭.
তামাদি আইনের কোন ধারা অনুযায়ী জাবেদা নকল ব্যয়িত সময় তামাদির মেয়াদ গণনা হতে বাদ যাবে?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৪ ধারা
  3. ১৭ ধারা
  4. ২১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা মোতাবেক আইনানুগ কার্যধারায় যে সময় গণনা থেকে বাদ দিতে হয়-
- মামলা করার কারণ যেদিন উদ্ভব হবে সেই দিন, রায় ও ডিক্রি যেদিন প্রদান করা হয় সে দিনটি, রায় ও ডিক্রির জাবেদা নকল সংগ্রহ করার জন্য যতদিন লাগে ততদিন।
- সুতরাং বলা যায় যে, তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী জাবেদা নকল সংগ্রহের সময়টুকু তামাদির মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারার বিধান আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায়। পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।

(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।
-----------------------
⇒ The Limitation Act, 1908: Section-12: Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded.
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded.
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded.
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৩,৩৭৮.
স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ অভিযোগে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মামলা আমলে নেবে?
  1. দায়রা জজ
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ ধারা: স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।
৩,৩৭৯.
দণ্ডবিধির ৬৬ ধারা অনুসারে, অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হয়?
  1. অর্থদণ্ডের পরিমাণ
  2. দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির আচরণ
  3. অপরাধীর আর্থিক অবস্থা 
  4. অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৬৬ ধারা অনুসারে, অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড নির্ধারণের ক্ষেত্রে অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন বিবেচনা করা হয়। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড সেই ধরনের হবে, যে ধরনের কারাদণ্ডে অপরাধীকে অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা যেত।
- সঠিক উত্তর: ঘ) অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন।

⇒ দণ্ডবিধির ৬৬ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।
-------
⇒ The Penal Code,1860-Section 66- Description of imprisonment for non-payment of fine:
The imprisonment which the Court imposes in default of payment of a fine may be of any description to which the offender might have been sentenced for the offence.

৩,৩৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৩৪(১) অনুযায়ী, আদেশটি প্রথমে কীভাবে জারি করা হবে?
  1. পুলিশের মাধ্যমে মৌখিকভাবে
  2. সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে
  3. আদালতের নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে
  4. সমন জারির পদ্ধতিতে ব্যক্তিগতভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৩৪(১) অনুসারে, আদেশটি প্রথমে প্রয়োজনে সমন জারির পদ্ধতিতে (in manner herein provided for service of a summons) সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জারি করতে হবে। অর্থাৎ, আদেশটি সমন দেওয়ার বিধান অনুসারে তার কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে। এটি আদেশ জারির প্রাথমিক পদ্ধতি।
যদি এভাবে পরিবেশন করা সম্ভব না হয়, তাহলে ধারা ১৩৪(২) অনুসারে প্রচারের মাধ্যমে (proclamation) এবং উপযুক্ত স্থানে কপি টাঙিয়ে জানানো হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 134. Service or notification of order:
(1) The order shall, if practicable, be served on the person against whom it is made, in manner herein provided for service of a summons. 
(2) If such order cannot be so served, it shall be notified by proclamation, published in such manner as the Government may by rule direct, and a copy thereof shall be stuck up at such place or places as may be fittest for conveying the information to such person.

৩,৩৮১.
"Canons of Professional Conduct and Etiquette"-এ মোট কতটি অধ্যায় ও বিধি রয়েছে?
  1. ৩টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি
  2. ৪টি অধ্যায়ে ৪০টি বিধি
  3. ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি
  4. ৫টি অধ্যায়ে ৪৫টি বিধি
ব্যাখ্যা

⇒ "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to other advocates) 
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to clients) 
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য (Duty to the court) 
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to the public generally)

৩,৩৮২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় বেআইনি সমাবেশের সংজ্ঞা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১৪১ ধারায়
  2. ১৪২ ধারায়
  3. ১৪৩ ধারায়
  4. ১৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
→ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনি সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

→ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনি সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
---------------------
⇒ The Penal Code Section-141.Unlawful assembly:
- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First: -To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second: To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third: To commit any mischief or criminal trespass, or other offence ; or 
Fourth.- By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do. 
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৩,৩৮৩.
একটি নিলাম বিক্রয় বাতিল মামলা চলে ৮ মাস। পরে নিলাম নিশ্চিত হয় এবং ক্রেতা দখল চায়। তামাদি সময়ের ওপর এই ৮ মাসের প্রভাব কী?
  1. তামাদি সময় কমবে
  2. তামাদি সময় একই থাকবে
  3. তামাদি সময় থেকে ৮ মাস বাদ যাবে
  4. নতুন তামাদি সময় শুরু হবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ. তামাদি সময় থেকে ৮ মাস বাদ যাবে।

তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ১৬- ডিক্রি জারিকৃত বিক্রয় বাতিলের কার্যক্রম চলাকালে সময় বাদ দেওয়া:
যে ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ডিক্রি জারির ভিত্তিতে নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে ক্রেতা হয়ে দখল পাওয়ার জন্য মামলা দায়ের করে, সেই ক্ষেত্রে তামাদি সময় গণনার সময় বিক্রয় বাতিল করার জন্য যে সময়কাল মামলা বা কার্যক্রম চালানো হয়েছে, তা তামাদি সময় থেকে বাদ দেওয়া হবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending-
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.

৩,৩৮৪.
আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পারে না
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় প্রয়োগ করতে পারে
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় প্রয়োগ করতে পারে না
  4. দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারে না
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্র বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
৩,৩৮৫.
আসন্ন বন্ধু ছাড়া নাবালকের মোকদ্দমা দায়ের করা হলে, বিবাদী কোন বিষয়ে আবেদন করতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিতের
  2. দো-তরফা ডিক্রি প্রাপ্তির
  3. আরজি সংশোধনের
  4. আরজি নথি হতে অপসারণের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২, বিধি ১:
আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়: নাবালক বাদী করে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।

আদেশ ৩২, বিধি ২:
আসন্ন বন্ধু ছাড়া মোকদ্দমা দায়ের করা হলে আরজি নথি হতে অপসারণ করার জন্য বিবাদী আবেদন করতে পারবে।

Rule-1: Minor to sue by next friend:
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.

Rule-2: Where suit is instituted without next friend, plaint to be taken off the file:
(1) Where a suit is instituted by or on behalf of a minor without a next friend, the defendant may apply to have the plaint taken off the file, with costs to be paid by the pleader or other person by whom it was presented.

(2) Notice of such application shall be given to such person, and the Court, after hearing his objections (if any), may make such order in the matter as it thinks fit.
৩,৩৮৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে ১৫ ধারায় আদালতের বিবেচ্য বিষয় কী?
  1. মোকদ্দমার গুরুত্ব
  2. আদালতের আর্থিক এখতিয়ার
  3. আদালতের অবস্থান
  4. আদালতের বিচার কার্যক্রমের গতি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা- ১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"

অর্থাৎ, প্রত্যেকটি দেওয়ানী মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। এখানে, এখতিয়ার বলতে আর্থিক এখতিয়ার বুঝানো হয়েছে। সুতরাং, কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
৩,৩৮৭.
“ডিক্রিদার” বলতে কী বোঝায়?
  1. যে ব্যক্তি মামলা করেছে
  2. যার অনুকূলে ডিক্রি দেয়া হয়েছে
  3. যে ব্যক্তি ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করেছে
  4. যার বিরুদ্ধে ডিক্রি দেয়া হয়েছে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৩) অনুযায়ী, ডিক্রিদার বলতে-
 এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার অনুকূলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে অথবা জারিযোগ্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে।
(Decree-holder means any person in whose favour decree has been passed or an order capable of execution has been made)

৩,৩৮৮.
“Motive, preparation and previous or subsequent conduct” এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় আলোচনা রয়েছে?
ব্যাখ্যা
♦৮ ধারা অনুযায়ী যেকোন বিষয় যা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের জন্য অভিপ্রায় বা প্রস্তুতি বা আচরণ দেখায় বা গঠন করে তা প্রাসঙ্গিক। 
♦ধারা ৮ মতে উদ্দেশ্য;; প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণঃ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সংঘটনে অভিপ্রায় বা উদ্যোগ যে বিষয়ের দ্বারা সৃষ্টি হয় বা যে বিষয় হইতে দৃষ্ট হয়, তাহা প্রাসঙ্গিক বিষয়।কোন মামলা বা বিচার কার্যক্রম সম্পর্কে অথবা উহাতে বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক কোন বিষয় সম্পর্কে উক্ত মামলা বিচার যা কার্যক্রমের কোন পক্ষ বা কোন পক্ষের প্রতিনিধির আচরণ এবং যে ব্যাক্তির বিরুদ্ধে সংঘটিত কোন অপরাধ কোন ফৌজদারী কার্যক্রমের বিষয়বস্তু, তাহার আচরণ যদি কোন বিচাৰ্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে প্রভাবিত করে বা তদ্দারা প্রভাবিত হয় তরে সেই আচরণ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পূর্ববর্তী হউক বা পরবর্তীই হউক, তাহা প্রাসঙ্গিক।
৩,৩৮৯.
Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. দেওয়ানি
  2. ফৌজদারি
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ‘যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র দ্বারা ইচ্ছাকৃত ভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করায় এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করতে বলে, তখন উক্ত ২ পক্ষের মধ্যে কোন মামলায় ১ম পক্ষ তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না।’- একে ‘Estoppel' বা 'স্বকার্যজনিত বাধা’ নীতি বলা হয়।

সাক্ষ্য আইনের এই নীতি শুধুমাত্র দেওয়ানী কার্যক্রমে প্রয়োগ করা হয়। ফৌজদারি কার্যক্রমে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার কোন ব্যবহার নেই।
৩,৩৯০.
'জবানবন্দি গ্রহণ' বলা হয়-
  1. বিরোধী পক্ষের সাক্ষীকে প্রশ্ন করাকে
  2. সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করাকে
  3. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করাকে
  4. বিচারকের নির্দেশে সাক্ষীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করাকে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]-
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]-
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]-
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।

সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
৩,৩৯১.
Which of the following actions is punishable under Section 399?
  1. Committing dacoity
  2. Conspiring to commit a minor theft
  3. Preparing to commit dacoity
  4. Assisting someone after they have committed dacoity
ব্যাখ্যা
Section 399- Making preparation to commit dacoity:
Whoever makes any preparation for committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারা: ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতি:

যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যা দশ বছর পর্যন্ত মেয়াদ হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।
৩,৩৯২.
'ক' একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি 'খ' এর দখলে আছে 'ক' দাবি করে যে, 'খ'-এর পিতা 'গ'-উইল করে ঐ জমি 'ক'-কে দিয়ে গেছে। এখানে প্রমানের দাযয়িত্ব-
  1. ক-এর উপর
  2. খ-এর উপর
  3. গ-এর উপর
  4. কারও উপর নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব যাহার উপর ন্যস্ত থাকে: মামলায় বা কার্যক্রমে কোন পক্ষ হইতেই সাক্ষ্য দেওয়া না হইলে যেপক্ষ মামলার ঠকিবে, মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই পক্ষের উপর ন্যস্ত।
 
⇒ উদাহরণঃ

(ক) ক একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি খ-এর দখলে আছে। ক দাবি করে যে খ-এর পিতা গ উইল করিয়া ঐ জমি ক-কে দিয়া গিয়াছে।
এই মামলায় কোন পক্ষ্য সাক্ষ্য না দিলে খ জমির দখল বজায় রাখিবার অধিকারী হইবে।

⇒ সুতরাং এইক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব ক-এর উপর ন্যস্ত আছে।
৩,৩৯৩.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী একজন শিশু স্বাক্ষীর যোগ্যতা নির্ভর করে তার-
  1. বোধশক্তির উপর
  2. লিঙ্গের উপর
  3. ধর্মের উপর
  4. জাতীয়তার উপর
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষীর যোগ্যতা: সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা আছে ১১৮- ১৩১ ও ১৩৩ ধারায়। ১১৮ ধারা অনুযায়ী- প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে সক্ষম সকল ব্যক্তি যোগ্য সাক্ষী। যেমন- বোধশক্তিসম্পন্ন শিশু, অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক, প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম বিকৃতমস্তিস্কের ব্যক্তি; বোবা, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম ব্যক্তি। এমন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি, যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তরদানে সক্ষম।
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারার বিধান যে সাক্ষ্য দিতে পারেঃ সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

♦ব্যাখ্যাঃ কোন বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

Md. Abdul Haque Vs. The State মামলায় আপিল বিভাগ বলেছে যে, প্রশ্ন বুঝতে পারে এবং প্রাসঙ্গিক ও যৌক্তিক উত্তর দিতে পারে এমন শিশুর সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য। আদালত উক্ত শিশুর সাক্ষ্য সতর্কতার সাথে বিবেচনা করবে।
৩,৩৯৪.
কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা হলে, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন আদেশের বিধান মোতাবেক বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে জরিমানা করতে পারে?
  1. ৩৪(৩)
  2. ৩৪(৬)
  3. ৩৪(৪)
  4. ৩৪(৮)
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) আদেশ অনুযায়ী, যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
-----------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Order-34: 
(6) The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.

(7) Every order of the Tribunal as to costs or deterrent costs shall be executable as an order of the High Court.
৩,৩৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার ব্যাখ্যায় 'Reasonable cause for remand' এর বিধান রয়েছে?
  1. ১৬৭
  2. ২০০
  3. ৩৪৪
  4. ৩৬৪
ব্যাখ্যা
Section 344- Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.

Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.

ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৩,৩৯৬.
প্রতিপক্ষ কর্তৃক জেরাকৃত একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য একই বিষয় এবং পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পরবর্তী যে কোন বিচারিক কার্যক্রমে প্রাসঙ্গিক হবে, যখন উক্ত সাক্ষী হন-
  1. সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য
  2. মৃত ব্যক্তি
  3. সরকারী কর্মচারী
  4. জীবিত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারার বিধান কখন পূর্ববর্তী সাক্ষ্যে প্রদত্ত বিবৃতি পরবর্তীতে মামলা প্রমানের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারেঃ- কোন মামলার সাক্ষী মামলার কোন পর্যায়ে সাক্ষ্য দেয়ার পর যদি মারা যায়, নিখোঁজ হয়, সাক্ষ্য প্রদানে অসমর্থ হয়, প্রতিপক্ষ দ্বারা আটক হয় অথবা উক্ত সাক্ষীর হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে; এই ধরনের সাক্ষীর পূর্বে দেওয়া সাক্ষ্য পরবর্তী কোন মামলায় বা ঐ একই মামলার পরবর্তী পর্যায়ে কোন ঘটনার সত্যতা প্রমানের জন্য নিম্নলিখিত কিছু শর্ত সাপেক্ষে প্রাসঙ্গিক হবে।
শর্তগুলো হল- ১. পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলা একই বিচার্য বিষয়ে এবং একই পক্ষদ্বয়ের বা প্রতিনিধিদের মধ্যে হবে; এবং
২. পূর্ববর্তী মামলার সাক্ষ্যে জেরার (cross-examination) সুযোগ বিদ্যমান ছিল।
৩,৩৯৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীন নিম্নলিখিত কোনটি স্থানান্তরের আবেদন করা যায়?
  1. মোকদ্দমা
  2. আপিল
  3. অন্যকোন কার্যক্রম
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।

• Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made, after considering the objections the other parties (if any), shall determine which of the several 31 Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
৩,৩৯৮.
তামাদি আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আপিল বা রিভিউ আবেদন করার সময়সীমা গণনার ক্ষেত্রে রায়ের কপি সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দেওয়া হবে?
  1. ১২(১) ধারা
  2. ১২(২) ধারা
  3. ১২(৩) ধারা
  4. ১২(৪) ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) এর ধারা ১২(২) অনুযায়ী: “কোনো ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের ক্ষেত্রে, সেই সময় বাদ যাবে যা উক্ত ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের অনুলিপি (certified copy) সংগ্রহের জন্য প্রয়োজন হয়।”
- অর্থাৎ, যেহেতু আপীল করার জন্য প্রয়োজনীয় নকল সংগ্রহ করা না গেলে আপীল দায়ের সম্ভব নয়, তাই নকল সংগ্রহের সময় তামাদির মেয়াদ গণনার বাইরে রাখা হয়। ফলে তামাদির মেয়াদ শুরু হয় তখন যখন রায়ের নকল পাওয়া যায়, কারণ সেটিই আপীল দায়েরের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত।
⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা (২)উপধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, আপিল বা পুনঃবিবেচনার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণার দিন এবং আপিলের জন্য প্রয়োজনীয় ডিক্রি, আদেশ বা দণ্ডাদেশের নকল সংগ্রহে লেগে যাওয়া সময় বাদ দেওয়া হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা আইনগত কার্যধারায় সময় বাদ দেওয়া:
(১) কোনো মোকদ্দমা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত সীমাবদ্ধতার সময় গণনার ক্ষেত্রে যেদিন থেকে সময় গণনা শুরু হওয়ার কথা, সেই দিনটি বাদ দেওয়া হবে।
(২) কোনো আপিল, আপিল করার অনুমতির জন্য আবেদন, কিংবা রায়ের পুনর্বিবেচনার (review) আবেদনের জন্য নির্ধারিত সময় গণনার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণার দিন এবং ডিক্রি, দণ্ডাদেশ বা আদেশ (যার বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউ চাওয়া হয়েছে) এর কপি সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ যাবে।
(৩) যদি কোনো ডিক্রি আপিলযোগ্য হয় বা রিভিউয়ের জন্য চ্যালেঞ্জ করা হয়, তবে যে রায়ের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে, সেই রায়ের কপি সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ও বাদ যাবে।
(৪) কোনো পুরস্কার (award) বাতিল করার জন্য আবেদনের সময় গণনার ক্ষেত্রে, পুরস্কারের কপি সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দেওয়া হবে।

⇒ The Limitation Act: Section 12. Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৩,৩৯৯.
প্রতারণামূলকভাবে বা বল প্রয়োগ করে কোন ব্যক্তিকে একস্থান থেকে অন্যস্থানে গমনে বাধ্য করলে তাকে বলে-
  1. অবৈধ অবরোধ
  2. Abduction
  3. মনুষ্যহরণ
  4. Kidnap
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ধারা ৩৬২ অনুযায়ী:
"যে কোন ব্যক্তি কোনো ব্যক্তি বা পুরুষকে প্রতারণা বা বল প্রয়োগের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিতে বাধ্য করে, তাকে অপহরণ বা ইংরেজিতে Abduction বলা হয়।"

The Penal Code, Section- 362. Abduction:
- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.

৩,৪০০.
নিম্নের কোন বিষয়টি 'Shall Presume' এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. Presumption as to documents thirty years old
  2. Presumption as to digital records five years old
  3. Presumption as to physical or forensic evidence
  4. Presumption as to due execution, etc., of documents not produced
ব্যাখ্যা
⇒ Section 89 Presumption as to due execution, etc., of documents not produced (উপস্থাপিত হয়নি এরূপ দলিলের যথাযথ সম্পাদন ইত্যাদি সম্পর্কে অনুমান) (Shall Presume)
⇒ Section 89A Presumption as to physical or forensic evidence (শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ হিসাবে অনুমান) (May Presume)

⇒ Section 90 Presumption as to documents thirty years old (৩০ বছরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান) (May Presume)

⇒ Section 90A Presumption as to digital records five years old (May Presume) পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান) (May Presume)

-----------
⇒ Presumption as to due execution, etc., of documents not produced:

Section 89. The Court shall presume that every document, called for and not produced after notice to produce, was attested, stamped and executed in the manner required by law.
⇒ Presumption as to physical or forensic evidence:
Section 89A. The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.
⇒ Presumption as to documents thirty years old:
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 This explanation applies also to section 81. 
 
⇒ Presumption as to digital records five years old:
Section 90A. Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

⇒ Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.