বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২৬ / ১২৬ · ২,৫০১২,৬০০ / ১২,৬০৫

২,৫০১.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে কোন কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়?
  1. বাদীর ইচ্ছাধীন কাজ
  2. প্রতিবাদীর অধিকারমূলক কাজ
  3. বাদীর অধিকারের অনুকূলের কাজ
  4. বাদীর অধিকারের বিপরীত কাজ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয় যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

Section 53: Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
২,৫০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানমতে কত দিনের মধ্যে একজন অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৭ অনুযায়ী:
- ফরিয়াদি যদি দায়রা আদালতের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে চায়, তাহলে তাকে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দাখিল করতে হবে।
- যদি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত খালাস আদেশ দেয়, তবে ফরিয়াদি ৬০ দিনের মধ্যে দায়রা আদালতে আপিল করতে পারবে।
- অভিযোগকারী (যে ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেছে) খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে।
- পাবলিক প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী) খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।
- অভিযোগকারী বা ফরিয়াদি শুধু একবার মূল মামলার খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে, এরপর তারা দ্বিতীয়বার আপিল করতে পারবে না।
- তবে, যদি আপিল আদালত খালাস আদেশটি প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে ওই আদেশের বিরুদ্ধে ২য় আপিল করা যাবে না, তবে রিভিশন (পুনঃমূল্যায়ন) দাখিল করা যাবথা

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৭ অনুযায়ী ফরিয়াদি কর্তৃক দায়রা আদালতের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে এবং ফরিয়াদি কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ৬০ দিনের মধ্যে দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আপিল দায়ের করতে পারে ৬ মাসের মধ্যে।
অভিযোগকারী বা ফরিয়াদি শুধুমাত্র মূল মামলায় প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে, কিন্তু আপিলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিল করতে পারেনা অর্থাৎ ২য় আপিলের সুযোগ নেই।
তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ (৪) ধারা অনুযায়ী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিল নাকচ বা প্রত্যাখান হলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে ২য় আপিল চলবেনা; তবে রিভিশন দায়ের করা যাবে।
২,৫০৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ আদেশের ৬ বিধির অধীন আদালতের কোন আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হতে পারে-
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. 'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ আদেশের ৬ বিধির অধীন আদালত রায়ের পূর্বে ক্রোক আদেশ প্রদান করে এবং এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-৬ এর বিধান কারণ না দর্শানো বা জামানত না দিলে ক্রোক: যেক্ষেত্রে বিবাদী জামানত প্রদান না করার কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয়, অথবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদানে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর অংশ ক্রোক করার আদেশ দিতে পারেন।

- আদালতের এরূপ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
-----------------
CPC Order-38 Rule-6. Attachment where cause not shown or security not furnished:
- (1) where the defendant fails to show cause why he should not furnish security, or fails to furnish the security required, within the time fixed by the Court, the Court may order that the property specified, or such portion thereof as appears sufficient to satisfy any decree which may be passed in the suit, be attached.
- (2) Where the defendant shows such cause or furnishes the required security, and the property specified or any portion of it has been attached, the Court shall order the attachment to be withdrawn, or make such order as it thinks fit.
২,৫০৪.
'ক' একটি জমির দখলে আছে। 'খ' দাবি করে 'ক’ উক্ত জমির মালিক না । এখানে 'ক' যে উক্ত জমির মালিক না তা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. 'ক' এর উপর
  2. দখলকারীর উপর
  3. 'খ' এর উপর
  4. মালিকের উপর
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১০ অনুসারে- যে ব্যক্তির দখলে কিছু আছে বলে দেখানো আছে, সেই ব্যক্তি উক্ত জিনিসের মালিক কিনা এই প্রশ্ন উঠলে, দখলকারী ব্যক্তি যে মালিক না তা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর বর্তায়, যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সেই জিনিসের মালিক না। যেহেতু 'খ' দাবি করে যে, 'ক উক্ত জমির মালিক না, তাই তা প্রমাণের দায়িত্ব 'খ' এর উপর বর্তায়।
২,৫০৫.
নিম্নের কোন অপরাধের শাস্তি শুধু অর্থদণ্ড?
  1. আপ্যায়নের মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণ
  2. অনিষ্ট
  3. অনধিকার গৃহে প্রবেশ
  4. অশ্লীল পুস্তুক বিক্রয়
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ধারা-১৭১(ঙ) বিধান মতে নির্বাচনে ঘুষখোরীর শাস্তি (Punishment of bribery in election)- অনধিক ১ বছর কারাদন্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।

♦ তবে আপ্যায়ন কর্তৃক ঘুষখোরীর অপরাধ হলে কেবল অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হবে ।

♦ “আপ্যায়ন” বলতে খাদ্য, পানীয়, প্রমোদ বা রসদ আকারে পারিতোষিক কর্তৃক ঘুষখোরী বুঝায় ।
২,৫০৬.
কোন ভাষায় অভিযােগ(Charge) লিখতে হয়?
  1. ইংরেজি
  2. বাংলা
  3. আদালতের ভাষায়
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• অভিযােগ (Charge) ইংরেজি বা আদালতের ভাষায় লিখতে হয়।

• ফৌজদারি বিচার কার্যক্রমে চার্জ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর যা অনুসন্ধান (inquiry) এবং বিচার (trial) কে পৃথক করে।একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছেচার্জের বিষয়বস্তু ধারা ২২১ এ উল্লেখ করা আছে।একটি চার্জে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো থাকবে-

> অপরাধের নাম
> অপরাধের নির্দিষ্ট নাম না থাকলে,উক্ত অপরাধের সংজ্ঞা সুস্পষ্টভাবে প্রদান করতে হবে
> উক্ত অপরাধ যে আইনে এবং যে ধারার আওতায় পড়ে তা উল্লেখ করতে হবে
> অভিযােগ গঠন হলে ধরে নেয়া হবে অপরাধটি সংঘটিত করার সকল উপাদান বিদ্যমান বা শর্ত পূরণ হয়েছে
> অভিযােগ ইংরেজি বা আদালতের ভাষায় লিখতে হয় 
>পরবর্তী অপরাধের শাস্তি বৃদ্ধি বা ভিন্নধরনের শাস্তি প্রদানের দরকার হলে,অভিযােগে বা চার্জে পূর্ববর্তী দন্ডের ঘটনা,তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে 
> চার্জে আদালত শাস্তিদানের পূর্বে যে কোন সময় পূর্ববর্তী দন্ডের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার আদেশ দিতে পারেন।
২,৫০৭.
কোন কাজ দূর্ঘটনামূলক, না ইচ্ছাকৃত - এই প্রশ্নের নির্ধারণে ঘটনাবলী সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত হয়?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৩ ধারা
  3. ১৪ ধারা
  4. ১৫ ধারা
ব্যাখ্যা

কোনো কাজ দুর্ঘটনাবশত নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘটিত হয়েছে তা নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক ঘটনা (সাক্ষ্য আইন, ধারা ১৫):
যদি প্রশ্ন ওঠে যে কোনো কাজ দুর্ঘটনাবশত ঘটেছে নাকি তা ইচ্ছাকৃতভাবে বা নির্দিষ্ট জ্ঞান ও উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়েছে, তাহলে সেই কাজটি একই ব্যক্তি দ্বারা পূর্বে বা পরে সংঘটিত অনুরূপ ঘটনাগুলোর অংশ হলে তা প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ:
(ক) A তার বাড়িতে ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগিয়ে বিমার টাকা দাবি করেছে কিনা, তা প্রশ্নবিদ্ধ।
যদি দেখা যায় যে, A ধারাবাহিকভাবে একাধিক বাড়িতে বসবাস করেছে, প্রতিটি বাড়ি বিমাকৃত ছিল, প্রতিটি বাড়িতে আগুন লেগেছে এবং প্রত্যেকবার A বিমার টাকা পেয়েছে, তাহলে এসব ঘটনা প্রাসঙ্গিক, যা প্রমাণ করতে পারে যে আগুন লাগানো দুর্ঘটনাবশত ছিল না।

(খ) A, B-এর দেনাদারদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহের কাজে নিযুক্ত ছিল এবং তার দায়িত্ব ছিল সংগ্রহ করা অর্থ হিসাব বইয়ে লিপিবদ্ধ করা।
একবার সে বইয়ে ভুল এন্ট্রি দেয়, যেখানে প্রকৃত অর্থের তুলনায় কম টাকা গ্রহণ দেখানো হয়।
প্রশ্ন হলো, এন্ট্রিটি ইচ্ছাকৃত নাকি ভুলবশত করা হয়েছে।
যদি দেখা যায়, A একই বইয়ে একাধিকবার ভুল এন্ট্রি দিয়েছে এবং প্রতিবারই এই ভুল তার নিজের পক্ষে গেছে, তাহলে এটি প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

(গ) A-কে জাল নোট সরবরাহ করার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
প্রশ্ন হলো, সে ইচ্ছাকৃতভাবে নাকি ভুলবশত জাল নোট দিয়েছে?
যদি প্রমাণ হয় যে, B-কে জাল নোট দেওয়ার ঠিক আগে বা পরে সে C, D, এবং E-কেও জাল নোট সরবরাহ করেছে, তাহলে এটি প্রমাণ করতে পারে যে ঘটনাটি দুর্ঘটনাবশত ঘটেনি, বরং ইচ্ছাকৃত ছিল।

২,৫০৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারাটি কত সাল থেকে কার্যকর হয়?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৪
  3. ২০০৫
  4. ২০১০
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন নিবন্ধিত হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারাটি ২০০৪ সালের সংশোধনী দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে, যা ১লা জুলাই ২০০৫ থেকে কার্যকর রয়েছে। অর্থাৎ ১লা জুলাই, ২০০৫ সালের পূর্বে সম্পাদিত স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি অরেজিস্ট্রিকৃত বা অনিবন্ধিত হলেও সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেত, কিন্তু ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পর ২১ক ধারার শর্তাবলি পূরণ করতে হবে।
২,৫০৯.
একজন পুলিশ অফিসার আইন অনুযায়ী তার ক্ষমতার অতিরিক্ত চলে গিয়ে একজন অপরাধীকে গুলি করে হত্যা করেন। তিনি সৎ বিশ্বাসে বিশ্বাস করেন যে তার এই কাজটি তার দায়িত্ব পালনের জন্য আইনসঙ্গত ও প্রয়োজনীয় ছিল। তার অপরাধ খুন নয় বলে গণ্য হবে দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কোন ব্যতিক্রমের ভিত্তিতে?
  1. ব্যতিক্রম-১
  2. ব্যতিক্রম-২
  3. ব্যতিক্রম-৩
  4. ব্যতিক্রম-৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম-৩ (Exception 3) বিশেষভাবে জনসেবক (Public Servant) বা জনসেবককে সাহায্যকারী ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য, যিনি সৎ বিশ্বাসে (in good faith) আইন দ্বারা প্রদত্ত ক্ষমতার অতিরিক্ত চলে যান এবং এমন কাজ দ্বারা মৃত্যু ঘটান যা তিনি তার কর্তব্য পালনের জন্য আইনসঙ্গত ও প্রয়োজনীয় বলে বিশ্বাস করেন এবং যার মধ্যে মৃত ব্যক্তির প্রতি দুর্ভাবনা (ill-will) থাকে না।
অতএব, এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম-৩ প্রযোজ্য হবে এবং তা খুন (murder) নয়, বরং শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (culpable homicide) বলে গণ্য হবে।

অন্যান্য ব্যতিক্রমগুলো প্রযোজ্য নয়:
- ব্যতিক্রম-১: গুরুতর ও হঠাৎ উত্তেজনা (grave and sudden provocation) সম্পর্কিত।
- ব্যতিক্রম-২: ব্যক্তিগত প্রতিকার (private defence) এর অধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে।
- ব্যতিক্রম-৪: হঠাৎ ঝগড়া বা লড়াই (sudden fight) এর ক্ষেত্রে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।
ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।
⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।
ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।
ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

২,৫১০.
বোবা সাক্ষী (Dumb Witness) লিখে বা ইশারায় যে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে তা কি সাক্ষ্য নামে পরিচিত?
  1. বোবা সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. দালিলিক সাক্ষ্য
  4. লিখিত সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারার বিধান বোবা সাক্ষীঃ- কথা বলতে যে সাক্ষী অক্ষম, তিনি তার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়ে বা ইশারা করে বুঝাতে পারেন এবং সেভাবে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন, তবে সে লেখা অথবা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখতে বা ইশারায় করতে হবে। এমনভাবে যে সাক্ষ্য দেয়া হবে তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে।
----------------------
⇒ Dumb witnesses:
Section 119. A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible,  as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
২,৫১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XVII, Rule 1(3) অনুযায়ী মামলা মুলতবি সর্বোচ্চ কতবার করা যাবে?
  1. ২ বার
  2. ৪ বার
  3. ৬ বার
  4. ৮ বার
ব্যাখ্যা
⇒ Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 দ্বারা Order XVII, Rule 1(3) সংশোধন করা হয়েছে।
সংশোধনীর পূর্বে বিধানটি ছিল নিম্নরূপ:
-"The Court may grant not more than six adjournments to a party during the hearing of the suit."

সংশোধনীর পর নতুন বিধান:
- "The Court may grant not more than four adjournments to a party during the hearing of the suit."

সর্বোচ্চ সীমা:
এখন প্রতিটি পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) শুনানির সময় সর্বোচ্চ ৪ বার মুলতবি পেতে পারে (পূর্বে ৬ বার ছিল)।
খরচ প্রযোজ্য:
প্রতিটি মুলতবির জন্য আদালত খরচ ধার্য করতে পারে (সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত)।
চূড়ান্ত শুনানিতে সীমাবদ্ধতা:
Peremptory Hearing (চূড়ান্ত শুনানি) পর্যায়ে কোন পক্ষ ৩ বার মুলতবি পেতে পারে, তবে তা খরচসহ (খরচবিহীন নয়)।

সুতরাং, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী সঠিক উত্তর খ) ৪ বার।
২,৫১২.
হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' আত্মপক্ষ সমর্থনে বলে যে, মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী 'ক'-এর উপর তা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত?
  1. ১০৫ ধারা
  2. ১০৯ ধারা
  3. ১১১ ধারা
  4. ১১৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারার বিধান: আসামীর মোকদ্দমা যে ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমানের দায়িত্ব:
কোন অপরাধে কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে মোকদ্দমাটি যাতে দণ্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা এর অন্য কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্পিত থাকে এবং এ রূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে ধরে নিবেন।

উদাহরণ:
(ক) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

(খ) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সে গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে হারিয়ে ফেলেছিল। 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত। বিশেষভাবে যে ঘটনা কারও অবগতির মধ্যে রয়েছে।
২,৫১৩.
দণ্ডবিধির ৩৩৬ ধারার অধীনে অন্যদের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে বিপন্নকারী কার্য সম্পন্নকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২৫০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩৬ ধারা- অন্যদের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে বিপন্নকারী কার্য:
যে ব্যক্তি এমন কোন কাজ করে যা অতিরিক্ত বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে করা হয় এবং এতে মানবজীবন বা অন্যদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তাকে তিন মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ দুইশত পঞ্চাশ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 336- Act endangering life or personal safety to others:
Whoever does any act so rashly or negligently as to endanger human life or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to two hundred and fifty taka, or with both.
২,৫১৪.
দণ্ডবিধির ধারা ২৫৮ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি সরকারী রাজস্বের জন্য ইস্যু করা স্ট্যাম্পের জাল স্ট্যাম্প বিক্রি করে, তাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হতে পারে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

→ দণ্ডবিধির ধারা ২৫৮ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি সরকারী রাজস্বের জন্য ইস্যু করা স্ট্যাম্পের জাল স্ট্যাম্প বিক্রি করে বা বিক্রির জন্য প্রস্তাব করে, তাকে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৫৮: জাল সরকারী স্ট্যাম্প বিক্রি:
যে ব্যক্তি সরকারী রাজস্বের জন্য ইস্যু করা যেকোনো স্ট্যাম্পের জাল স্ট্যাম্প বিক্রি করে বা বিক্রির জন্য প্রস্তাব করে, এবং জানে বা বিশ্বাস করে যে এটি একটি জাল স্ট্যাম্প, তাকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা দেওয়া হতে পারে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 258. Sale of counterfeit Government stamp:
 Whoever sells, or offers for sale, any stamp which he knows or has reason to believe to be a counterfeit of any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

২,৫১৫.
সুবর্ণগ্রামের মৌজার সর্বনিম্ন মৌজা রেট প্রতি শতকে ৫০,০০০ টাকা। ক ঐ গ্রামের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। ক তাঁর গরিব ও বিধবা প্রতিবেশী খ হতে ৩ শতক জমি প্রতি শতক ৩০,০০০ টাকা দামে খরিদ করার জন্য বায়নানামা দলিল সম্পাদন করেন। কিন্তু খ বিক্রয় দলিল সম্পাদন করে না দেওয়ায় ক চুক্তি প্রবলের মামলা দায়ের করে।
  1. আদালত চুক্তি প্রবলের ডিক্রি দেওয়ার পক্ষে সুবিবেচনা প্রয়োগ করবেন
  2. আদালত চুক্তি প্রবলের ডিক্রি না দেওয়ার জন্য সুবিবেচনা প্রয়োগ করবেন
  3. আদালত অবশ্যই চুক্তি প্রবলের ডিক্রি দিবেন
  4. আদালত মামলা খারিজ করবেন।
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারার বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে ডিক্রি প্রদানঃ প্রসঙ্গে বিবেচনামূলক ক্ষমতাঃ সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পদানের ব্যাপারে ডিক্রি পদানের এখতিয়ার হচ্ছে ইচ্ছাধীন এবং শুধুমাত্র তা করা আইনসম্মত, এ কারণেই আদালত তেমন প্রতিকার মঞ্জর করতে বাধ্য নয়। কিন্তু আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা স্বেচ্ছাচারিতা নয়, বরং তা হচ্ছে নিখুত ও যুক্তিসঙ্গত, বিচার বিভাগীয় মূলনীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং আপীল আদালতের মাধ্যমে সংশোধনযোগ্য ৷
নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান না করার ব্যাপারে যথাযথভাবে ইচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেনঃ-
(১) যেখানে এমন পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে যে, তা বাদীকে প্রতিবাদীর উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করেছে, যদিও সেখানে বাদীর পক্ষ হতে কোন জালিয়াতি বা ভুল বিবরণ নাও থাকতে পারে।
 (২) যেখানে চুক্তির কার্য সম্পাদন প্রতিবাদীকে অত্যন্ত ক্লেশে জড়িয়ে ফেলবে, যা সে পূর্ণ হতে বুঝতে পারেনি, অপরদিকে, উহার কার্য সম্পাদন না করলে বাদীকে তা তেমন কোন ক্লেশে বিজড়িত করবে না।
 নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদানের ব্যাপারে যথাযথভাবে তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
(৩) যেখানে বাদী সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনযোগ্য চুক্তির উল্লেখযোগ্য কাজ সম্পন্ন করেছে অথবা চুক্তির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
♦ অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারায় ২ টি ক্ষেত্রে চুক্তি প্রবলের ডিক্রি না দেওয়ার এবং ১ টি ক্ষেত্রে ডিক্রি দেওয়ার পক্ষে সুবিবেচনা বা discretion প্রয়োগ করার ব্যাপারে বিধান দেওয়া হয়েছে। প্রথম ক্ষেত্রে বলা হয়েছে যে চুক্তিতে বেআইনি কিছু না থাকলেও যদি দেখা যায় যে বাদী বিবাদীর উপর অনুচিত সুবিধা (unfair advantage) নিয়েছে সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি প্রবলের ডিক্রি না দেওয়ার পক্ষে বিষয়টি বিবেচনা করবেন। এখানে বাদী প্রভাবশালী প্রতিবেশী ও বিবাদী গরিব বিধবা হওয়ায় অনুচিত সুবিধা নেওয়ার উপাদান পাওয়া যায়। তাই খ সঠিক উত্তর হবে।
২,৫১৬.
অভিযােগকারী মিথ্যা অভিযােগ করলে এবং আদালত কর্তৃক ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রাপ্ত হলে, উক্ত ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে-
  1. আদালতকে
  2. অভিযুক্তকে
  3. ক বা খ
  4. ক এবং খ উভয়কে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,

⇒ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবে। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
২,৫১৭.
যদি হাইকোর্ট বিভাগ দেখে যে একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে আপিল করার অনুমতি (special leave to appeal) দেওয়া হয়েছে, তবে হাইকোর্ট কী করতে পারে?
  1. আপিল খারিজ করতে পারে
  2. দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারে
  3. জামিন বাতিল করতে পারে
  4. দণ্ড স্থগিত করে জামিন দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮-এর ধারা ৪২৬(২খ) অনুযায়ী, যদি হাইকোর্ট বিভাগ দেখে যে একজন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল বিভাগে special leave to appeal পেয়েছেন, তাহলে হাইকোর্ট চাইলে তার দণ্ড স্থগিত করতে পারে এবং সে কারাবন্দি থাকলে জামিনে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ধারা ৪২৬: আপিল চলাকালীন দণ্ড স্থগিতকরণ এবং আপিলকারীকে জামিনে মুক্তি:
(১) যখন কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করে এবং সেই আপিল বিচারাধীন থাকে, তখন আপিল আদালত, লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে, যে দণ্ড বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তা কার্যকর করা স্থগিত রাখতে পারে এবং যদি সেই ব্যক্তি বন্দী থাকে, তবে তাকে জামিনে বা স্ব-জামিনে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।
(২) আপিল আদালতের উপর যে ক্ষমতা এই ধারায় আরোপ করা হয়েছে, তা হাইকোর্ট বিভাগও প্রয়োগ করতে পারে, যদি আপিল তার অধীনস্থ কোনো আদালতে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক করা হয়ে থাকে।
(২ক) যদি কোনো ব্যক্তি ১ (এক) বছরের বেশি নয় এমন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং সেই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিলের অধিকার থাকে, এবং যদি দণ্ডিত ব্যক্তি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে তিনি আপিল দায়ের করতে চান, তাহলে আদালত আদেশ দিতে পারে যে তাকে এমন একটি সময়ের জন্য জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে যা আপিল দায়ের ও আপিল আদালতের আদেশ প্রাপ্তির জন্য যথেষ্ট মনে করে, এবং যতদিন তিনি জামিনে মুক্ত থাকবেন, ততদিন তার দণ্ড স্থগিত থাকবে বলে গণ্য হবে।
(২খ) যদি হাইকোর্ট বিভাগ সন্তুষ্ট হয় যে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রতি বিশেষ অনুমতি (special leave to appeal) পেয়েছেন, সেই দণ্ড বা আদেশের বিরুদ্ধে যা হাইকোর্ট বিভাগ প্রদান বা বহাল রেখেছে, তবে হাইকোর্ট বিভাগ চাইলে আদেশ দিতে পারে যে, আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দণ্ড বা আদেশ স্থগিত থাকবে, এবং যদি ঐ ব্যক্তি কারাবন্দী থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া যাবে।
(৩) যদি আপিলকারী শেষ পর্যন্ত কারাদণ্ড বা পরিবহণে (transportation) দণ্ডিত হন, তাহলে তিনি যে সময় জামিনে মুক্ত ছিলেন, তা সেই দণ্ডের মেয়াদ গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না, অর্থাৎ সে সময় বাদ যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 426: Suspension of sentence pending appeal Release of appellant on bail:
(1) Pending any appeal by a convicted person, the Appellate Court may, for reasons to be recorded by it in writing, order that the execution of the sentence or order appealed against be suspended and, also, if he is in confinement, that he be released on bail or on his own bond.
(2) The power conferred by this section on an Appellate Court may be exercised also by the High Court Division in the case of any appeal by a convicted person to a Court subordinate thereto.
(2A) When any person is sentenced to imprisonment for a term not exceeding one year by a Court, and an appeal lies from that sentence, the Court may, if the convicted person satisfies the Court that he intends to present an appeal, order that he be released on bail for a period sufficient in the opinion of the Court to enable him to present the appeal and obtain the orders of the Appellate Court under sub-section (1) and the sentence of imprisonment shall, so long as he is so released on bail, be deemed to be suspended.
(2B) Where High Court Division is satisfied that a convicted person has been granted special leave to appeal to the 2[Appellate Division of the Supreme Court] against any sentence which it has imposed or maintained, it may if it so thinks fit order that pending the appeal the sentence or order appealed against be suspended, and also, if the said person is in confinement, that he be released on bail.
(3) When the appellant is ultimately sentenced to imprisonment, or transportation, the time during which he is so released shall be excluded in computing the term for which he is so sentenced.
২,৫১৮.
দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞায় কোন বিষয়টি অপরিহার্য বলে উল্লেখ আছে?
  1. সৎ উদ্দেশ্য
  2. আইনজ্ঞের পরামর্শ
  3. ক্ষতি না করার অভিপ্রায়
  4. যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫২-এ "সদবিশ্বাস" (Good Faith) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এভাবে:
"কোনো কিছু 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না, যদি তা যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ (due care and attention) ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাস করা হয়।"
- এখানে অপরিহার্য মানদণ্ড হলো যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ। অর্থাৎ, কেবলমাত্র ব্যক্তির সৎ উদ্দেশ্য বা ক্ষতি না করার ইচ্ছা যথেষ্ট নয়; তাকে অবশ্যই যুক্তিসঙ্গত সতর্কতা ও মনোযোগ সহকারে কাজ করতে হবে। এটি একটি বস্তুনিষ্ঠ (Objective) পরীক্ষা, যা ব্যক্তির আন্তরিকতা নয় বরং তার যুক্তিসঙ্গত আচরণের মানদণ্ডে যাচাই করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে।
- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
---------
⇒ The Penal Code,1860- Section 52:
- “Good faith”: Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

২,৫১৯.
নিচের কোন মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য নয়?
  1. অগ্রক্রয়
  2. স্বত্ব ঘোষণা
  3. বাটোয়ারা
  4. দখল পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু তামাদি আইনে ৮ ধারায় বলা আছে এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম: ৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
--------------------
⇒ The Limitation Act:- Section 8: Special exceptions:
- Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
২,৫২০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ২৭
  2. ধারা ৫৪
  3. ধারা ৯০
  4. ধারা ১১৫
ব্যাখ্যা

⇒ Estoppel সম্পর্কিত আলোচনা সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৫-এ করা হয়েছে।

⇒ আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে:
"যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতির মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যকে কোনো বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করান এবং সেই বিশ্বাসে সেই ব্যক্তি কিছু কাজ করেন, তখন প্রথম ব্যক্তি (বা তার প্রতিনিধি) সেই বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার করতে পারবেন না।"
- এটা মূলত ন্যায়ের নীতি। কোনো ব্যক্তি যদি অন্যকে কোনো ভুল তথ্য দিয়ে প্রভাবিত করেন এবং সেই ভিত্তিতে অন্য ব্যক্তি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, তবে পরবর্তীতে সেই প্রথম ব্যক্তি সেই তথ্য অস্বীকার করতে পারবেন না।

উদাহরণ:
ব্যক্তি A ইচ্ছাকৃতভাবে B-কে বিশ্বাস করান যে একটি জমি A-র, এবং B সেই জমি কিনে নেন। পরে যদি A বলেন যে তখন জমি তাঁর ছিল না, তবে তিনি সেটা অস্বীকার করতে পারবেন না।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 115. Estoppel:
When one person has, by his declaration, act or omission, intentionally caused or permitted another person to believe a thing to be true and to act upon such belief, neither he nor his representative shall be allowed, in any suit or proceeding between himself and such person or his representative, to deny the truth of that thing.

Illustration 
A intentionally and falsely leads B to believe that certain land belongs to A, and thereby induces B to buy and pay for it.
The land afterwards becomes the property of A, and A seeks to set aside the sale on the ground that, at the time of the sale, he had no title. He must not be allowed to prove his want of title.

২,৫২১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order V এর কোন rule এ 'substitute of service' এর বিধান রয়েছে?
  1. ২২
  2. ২০
  3. ১৯
  4. ২১
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে। ক্ষেত্র বিশেষে সাক্ষীর প্রতিও সমন জারি করা যায়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশে, ২১ নং আদেশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বিধিতে এবং ১৬ নং আদেশের ৮ নম্বর বিধিতে সমন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে। ২০ নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেছে অথবা অন্য কোন কারণে সাধারনভাবে সমন জারি করা যায়না, সেক্ষেত্রে বিবাদীর গৃহের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে জারি করার জন্য আদালত আদেশ দিবেন অথবা বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার আদেশ দিবে যা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারি Substituted Service নামে পরিচিত। এই পদ্ধতি ব্যক্তিগতভাবে সমন জারির মতই কার্যকর হবে।

Order 5 Rule 20: Substituted service
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit.

(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.

Effect of substituted service-
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.
Where service substituted, time for appearance to be fixed-
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require.
২,৫২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৪–এর আওতায় কোন অবস্থায় চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন হতে পারে?
  1. মামলা স্থগিত থাকলে
  2. চুক্তি স্বেচ্ছায় বাতিল করা হলে
  3. চুক্তি লঙ্ঘন যা অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ দ্বারা পূরণযোগ্য
  4. চুক্তি লঙ্ঘন যার জন্য অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ - ধারা ৫৪: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন প্রদান করা হয়:
এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাবলির অধীন, আবেদনকারীর অনুকূলে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা (স্পষ্ট বা অন্তর্নিহিত) লঙ্ঘন রোধ করার জন্য একটি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এই বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বিধি ও বিধানাবলি দ্বারা পরিচালিত হবে।
যখন বিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা ভোগদখলে হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, আদালত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে:
(ক) যখন বিবাদী বাদীর জন্য সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
(খ) লঙ্ঘনের কারণে সৃষ্ট বা সৃষ্টির সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান (standard) না থাকলে।
(গ) লঙ্ঘন এমন ধরণের যে অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার দেবে না।
(ঘ) সম্ভব যে অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ লঙ্ঘনের জন্য পাওয়া যাবে না।
(ঙ) একাধিক বিচারিক মামলা এড়ানোর জন্য injunction প্রয়োজন।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে, ট্রেডমার্ককে সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে।

২,৫২৩.
'ক' ও 'খ' আনন্দ উপভোগের উদ্দেশ্যে পরস্পরের সঙ্গে তরবারি খেলা খেলতে সম্মতি হয়। তরবারি খেলার সময় 'ক' খেলার স্বাভাবিক নিয়ম মেনে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে 'খ' আহত করে। এখানে 'ক' কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. আঘাত
  2. গুরুতর আঘাত
  3. আঘাতের চেষ্টা
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা মতে মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটানোর অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও ১৮ বছরের বেশি বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি গ্রহণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্মতি দিয়ে কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়।

• দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা- মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটাইবার জন্য অভিপ্রেত নহে, এবং অনুরূপ সম্ভাবনাপূর্ণ বলিয়া অজ্ঞাত কার্য সম্মতি সহকারে সম্পাদন করা:
মৃত্যু ঘটাবার অথবা গুরুতর আঘাত করার উদ্দেশ্যে সম্পাদিত নয়, অথবা মৃত্যু ঘটাতে পারে বা গুরুতর আঘাত করতে পারে এইরূপ না জেনে সম্পাদিত কোন কাজ করার পর উহাতে কোন ক্ষতি হওয়ার ফলে অপরাধ হবে না; অথবা ১৮ বৎসরের অধিক বয়স্ক কোন ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুরূপ কাজের ফল হতে উদ্ভূত ক্ষতি স্বীকার করার সম্মতিদানের পর, তার সম্মতি নিয়ে উক্তরূপ ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না; অথবা যে ব্যক্তি কাজটি করছে, সে ব্যক্তি কাজটি করার ফলে ক্ষতি অনুষ্ঠিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারে সম্মতিক্রমে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।
২,৫২৪.
৭ লক্ষ টাকা মূল্যমানের একটি মামলায় আরজি খারিজের দরখাস্ত প্রত্যাখানের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে-
  1. আপিল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. বিভাগীয় জজ আদালত
ব্যাখ্যা
♦ আমরা জানি, CPC'র ২(২) ধারা মোতাবেক আরজি খারিজের (Order of Rejection of Plaint) একটি ডিক্রি। তাই, আরজি খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে ৯৬ ধারা মোতাবেক আপিল চলবে। আরজি খারিজের আদেশ দিলে এক্ষেত্রে বাদী সংক্ষুব্ধ হবে। তাই বাদী আপিল দায়ের করতে পারবে।

কিন্তু আলোচ্য প্রশ্নে বলা হয়েছে, আরজি খারিজের দরখাস্ত প্রত্যাখ্যানের আদেশ। অর্থাৎ, উক্ত মোকদ্দমায় বিবাদীপক্ষ আরজি খারিজের জন্য দরখাস্ত দিয়েছে এবং তা প্রত্যাখ্যাত (Rejected) হয়েছে। আরজি খারিজের দরখাস্ত প্রত্যাখ্যান কোনো ডিক্রিও নয়, আপিলযোগ্য আদেশও নয়। সুতরাং ১১৫ ধারা মোতাবেক রিভিশন করা যাবে।

আবার, যেহেতু প্রশ্ন বলা আছে মূল্যমান ৭ লক্ষ টাকা, তাই আমরা বুঝতে পারি, মোকদ্দমাটি সহকারি জজ আদালতের দায়ের হয়েছে। সুতরাং, সহকারি জজ আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে রিভিশন হবে। কারণ জেলা জজের নিয়ন্ত্রাধীন আদালতসমূহের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন শুধুমাত্র জেলা জজ আদালতেই হবে।

♦ রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে।

♦ ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।

♦ দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে।
২,৫২৫.
A এক লাখ টাকায় B-কে একটি বাড়ি বিক্রি করার চুক্তি করে এবং পরদিন সাইক্লোনে বাড়িটি ধ্বংস হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে B সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় প্রতিকার পাবে?
  1. ১২
  2. ১৩
  3. ১৪
  4. ১৫
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান যে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে: চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, খ-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘুর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে খ-কে চুক্তিতে তার অংশের কার্যসম্পদনে বাধ্য করা যেতে পারে।
(খ) খ কর্তৃক দেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ক, খ- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন খ ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন খ-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
-------------- 
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 13. Contract of which the subject has partially ceased to exist:
Notwithstanding anything contained in section 56 of the Contract Act, a contract is not wholly impossible of performance because a portion of its subject-matter, existing at its date, has ceased to exist at the time of the performance. 
Illustrations 
(a) A contracts to sell a house to B for a lakh of taka. The day after the contract is made the house is destroyed by a cyclone. B may be compelled to perform his part of the contract by paying the purchase money. 
(b) In consideration of a sum of money payable by B, A contracts to grant an annuity to B for B's life. The day after the contract has been made, B is thrown from his horse and killed. B's representative may be compelled to pay the purchase money.
২,৫২৬.
কোনো রিসিভার আদালতের নির্দেশিত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে, আদালত কী করতে পারে?
  1. তাকে কারাদণ্ড দেবে
  2. তাকে জরিমানা করবে
  3. তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে
  4. তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি-৪: রিসিভারের দায়িত্ব বলবৎকরণ:
যেক্ষেত্রে রিসিভার-
ক) আদালতের নির্দেশিত সময়ে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, অথবা
খ) তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা আদালতের নির্দেশ মতে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, বা
গ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করতে বা তার দ্বারা সাধিত অনিষ্টের খেসারত প্রদানে ব্যবহার করতে পারে এবং অবশিষ্ট টাকা (যদি কোন) রিসিভারের নিকট প্রদান করবে।

Enforcement of receiver's duties:
Where a receiver-
a) fails to submit his accounts at such periods and in such form as the Courtdirects, or
b) fails to pay the amount due from him as the Court directs, or
c) occasions loss to the property by his wilful default or gross negligence, the Court may direct his property to be attached and may sell such property, and may apply the proceeds to make good any amount found to be due from him or any loss occasi-oned by him, and shall pay the balance (if any) to the receiver.
২,৫২৭.
বার কাউন্সিলের প্রথম সভা কাউন্সিল এর মেয়াদ শুরু হওয়ার কতদিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ১ মাস
  4. ২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972: Rules-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convené such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.

২,৫২৮.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির পূর্ববর্তী ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক?
  1. ৫২
  2. ৫৩
  3. ৫৪
  4. ৫৫
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির পূর্ববর্তী ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।
-সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারার বিধান ফৌজদারী মোকদ্দমায় পূর্ববর্তী সচ্চরিত প্রাসঙ্গিক:- ফৌজদারী মোকদ্দমার অপরাধী ব্যক্তির চরিত্র যে উত্তম, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয়।
--------------------
⇒The Evidence Act,1872: Section 53: In criminal cases, previous good character relevant:
 In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
২,৫২৯.
'Provisions for completion of investigation'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সংযোজিত করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৬৭ক
  2. ধারা ১৭৩ক
  3. ধারা ১৭৩খ
  4. ধারা ১৭৪ক
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩খ: তদন্ত সমাপ্তির বিধানাবলী (Provisions for completion of investigation):
(১) এই কোডে যা কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীনে প্রতিটি তদন্ত অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তির তারিখ থেকে ষাট কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

(২) যেখানে যুক্তিসঙ্গত কারণে উপ-ধারা (১)-এ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না, সেখানে তদন্তকারী অফিসার বিলম্বের কারণ কেস ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করবেন, সুনির্দিষ্ট কারণ এবং প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সময় উল্লেখ করে সময় বাড়ানোর জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করবেন এবং এই আবেদনের একটি অনুলিপি তদন্ত তদারককারী ঊর্ধ্বতন অফিসারের নিকট পাঠাবেন।

(৩) উপ-ধারা (২)-এর অধীনে করা আবেদনটি বিবেচনার পর, ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দ্বারা, যুক্তিসঙ্গত মনে হলে, তদন্তের জন্য সময় বাড়িয়ে দিতে পারেন এবং তদন্তকারী অফিসার বর্ধিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করবেন।
(৪) যেখানে উপ-ধারা (৩)-এর অধীনে বর্ধিত সময়ের মধ্যেও তদন্ত সম্পন্ন হয় না, সেখানে তদন্তকারী অফিসার ওই সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর লিখিতভাবে কারণগুলি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট রিপোর্ট করবেন এবং এর একটি অনুলিপি তদন্ত তদারককারী ঊর্ধ্বতন অফিসারের নিকট পাঠাবেন।

(৫) উপ-ধারা (৪)-এর অধীনে দাখিলকৃত ব্যাখ্যা বিবেচনার পর, অথবা যেখানে তদন্তকারী অফিসার কর্তৃক কোনো ব্যাখ্যা দাখিল করা হয় না, সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট—
(ক) তদন্তটি অন্য কোনো অফিসার দ্বারা পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারেন;
(খ) এই ধরনের বিলম্বকে তদন্তকারী অফিসারের অযোগ্যতা বা অসদাচরণ হিসাবে গণ্য করতে পারেন, অফিসারের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (ACR) তা লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা করতে পারেন এবং প্রাসঙ্গিক চাকরির বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিতে পারেন।

(৬) যদি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর, নথিতে থাকা উপাদানগুলি বিবেচনা করে আদালত সন্তুষ্ট হন যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে অভিযুক্ত হিসাবে নামভুক্ত কোনো ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে গণ্য করা উচিত, তবে আদালত সেই মর্মে আদেশ দিতে পারেন এবং ওই ব্যক্তি মামলায় সাক্ষী হিসাবে গণ্য হবেন।

(৭) যদি বিচার শেষে আদালত দেখতে পান যে, তদন্তকারী অফিসার অবহেলাবশত বা কোনো ব্যক্তিকে ফৌজদারি দায় থেকে রক্ষা করার অভিপ্রায়ে—
(i) কোনো গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য সংগ্রহ বা বিবেচনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন;
(ii) এমন কোনো ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে গণ্য করেছেন যাকে অভিযুক্ত করা উচিত ছিল; অথবা
(iii) যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কোনো গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন,
আদালত সেই মর্মে একটি সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এই ধরনের কাজ বা বাদ পড়াকে অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসাবে গণ্য করতে পারেন এবং আইন অনুযায়ী অফিসারের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিতে পারেন।

২,৫৩০.
“The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases under ________.”
  1. Sections 10, 11, 12
  2. Sections 31, 32, 33
  3. Sections 14, 15, 16
  4. Sections 36, 37, 38
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১৭-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দেবেন না, যেমন না মামলাটি এই আইনের শেষোক্ত তিনটি ধারা অর্থাৎ ধারা ১৪, ১৫ বা ১৬-এর যেকোনো একটির আওতাভুক্ত হয়।

- বাক্যটির পূর্ণরূপ হলো: "The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections."
- এখানে "the three last preceding sections" বলতে ধারা ১৭-এর ঠিক আগের তিনটি ধারা ১৪, ১৫ ও ১৬-কে বোঝানো হয়েছে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার বিধান: অন্যান্য ক্ষেত্রে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা:-
পূর্ববর্তী তিনটি (১৪,১৫,১৬) ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।
-----------
⇒The Specific Relief Act, 1877 -Section 17. Bar in other cases of specific performance of part of the contract:
-The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.

২,৫৩১.
'ক', 'খ' এর নিকট একটি গাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে। চুক্তি সম্পাদনের পরদিন গাড়িটি নষ্ট হয়ে যায়। এক্ষেত্রে, আদালত কী করতে পারে?
  1. চুক্তি স্থগিত রাখবে
  2. চুক্তি অবৈধ ঘোষণা করবে
  3. 'খ'-কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবে
  4. 'খ'- কে তার অংশের কার্যসম্পদনে বাধ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান- যে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে:
চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, খ-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে খ-কে চুক্তিতে তার অংশের কার্যসম্পদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(খ) খ কর্তৃক দেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ক, খ- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন খ ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন খ-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।

২,৫৩২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের(Set off) বিধান রয়েছে?
  1. ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে
  2. ৯ নং আদেশের ৪ নং বিধিতে
  3. ৮ নং আদেশের ৫ নং বিধিতে
  4. ৯ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে
ব্যাখ্যা
• সেট অফ অর্থ হল- কোন দাবীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আরেকটি দাবী দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

• ৮ নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়। প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পর Set off এর দাবি করা যায়।

• কোন দেওয়ানী মামলায় বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায় তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-

i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করেচাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না
v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
২,৫৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান কোন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. বেআইনীভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের
  2. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  3. দেওয়ানি আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  4. যেকোন আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা
• যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট পিটিশন দায়ের করা যায়। হাজির রিটের ক্ষেত্রে আদালত বেআইনীভাবে আটককৃত কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে তার নিজের সন্তুষ্টির জন্য যে উক্ত ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক রাখা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষ উক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। 

ধারা ৪৯১- হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা

(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-

(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 

(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
২,৫৩৪.
সহকারী জজ আদালত কোনো আপীলঅযোগ্য আদেশ প্রদান করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে:
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজের নিকট
  3. যুগ্ম জেলা জজের নিকট
  4. অতিরিক্ত জেলা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
আপীলঅযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ (দুই) ধরণের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে-
১. হাইকোর্ট বিভাগের;
২. জেলা জজ আদালতের।

উক্ত ধারা অনুযায়ী, আপীলঅযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যেতে পারে হাইকোর্ট বিভাগে বা জেলা জজের নিকট। এখন হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন করবেন নাকি জেলা জজের নিকট রিভিশন করবেন, তা নির্ধারিত হবে কোন আদালত আপীলঅযোগ্য আদেশটি দিয়েছে, সেটার উপর ভিত্তি করে। যেমন- সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আপীলঅযোগ্য আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে সর্বদা জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে এবং জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ আপীলঅযোগ্য আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
২,৫৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৫ অনুসারে, কোন ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত আবেদন নাকচ হলে আপীল করা যায়?
  1. ধারা ৮১
  2. ধারা ৮৯
  3. ধারা ১২০
  4. ধারা ১৭৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৫ অনুযায়ী বলা হয়েছে—
- যদি কোন ব্যক্তি ধারা ৮৯ অনুযায়ী জব্দকৃত সম্পত্তি বা উহার বিক্রয়লব্ধ অর্থ ফেরতের জন্য আদালতে আবেদন করেন এবং তা নাকচ হয়ে যায়, তাহলে তিনি সেই আদালতে আপীল করতে পারেন, যেখানে সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সাধারণত আপীল হয়।

→ অর্থাৎ, ধারা ৮৯-এর অধীনে সম্পত্তি ফেরতের আবেদন নাকচ হলে ধারা ৪০৫ অনুযায়ী উচ্চতর আদালতে আপীল করা যায়।

→ ধারা ৮৯ সম্পর্কিত:
- এই ধারায় বলা হয়েছে, অপরাধমূলক মামলায় কোনো ব্যক্তির জব্দকৃত সম্পত্তি বা তার বিক্রয়লব্ধ অর্থ ফেরতের জন্য আবেদন করার বিধান।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 405. Appeal from order rejecting application for restoration of attached property:
-Any person whose application under section 89 for the delivery of property or the proceeds of the sale thereof has been rejected by any Court may appeal to the Court to which appeals ordinarily lie from the sentences of the former Court.
২,৫৩৬.
বার কাউন্সিল কাদের কল্যাণের জন্য দাতব্য তহবিল গঠন করতে পারে?
  1. জনসাধারনের
  2. এডভোকেটদের
  3. বিচারাধীন অভিযুক্তদের
  4. বিচার বিভাগে নিযুক্ত সকল কর্মচারীদের
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪:
(১) বার কাউন্সিল এডভোকেট ও তাদের পরিবার এবং নির্ভরশীলদের কল্যাণের জন্য গ্রুপ বীমা স্কিম এবং দাতব্য তহবিল গঠন করতে পারে।
(২) যদি এই ধরনের কোনো তহবিল গঠন করা হয়, তাহলে রোলভুক্ত প্রতিটি এডভোকেট তহবিলে দান হিসেবে বা প্রিমিয়াম হিসেবে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে বাধ্য থাকবে, এবং সেই পরিমাণ অর্থ ও প্রদানের পদ্ধতি নির্ধারিত হবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীনে গঠিত তহবিল নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত, প্রশাসিত ও ব্যবহার করা হবে।

Article 14:
(1) The Bar Council may constitute, for the benefit of the advocates and their families and dependents, group insurance schemes and benevolent funds.
(2) Where any such fund is constituted, every advocate on the roll shall be liable to pay to the fund as contribution or, as the case may be, as premium such sum of money, and in such manner, as may be prescribed.
(3) A fund constituted under clause (1) shall be managed, administered and utilised in such manner as may be prescribed.
২,৫৩৭.
নিচের কোনটি দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার অধীনে ডাকাতির শর্ত হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. দস্যুতা সংঘটনকারী পাঁচজনের কম হলে
  2. শুধু একজন ব্যক্তি দস্যুতা সংঘটন করলে
  3. দস্যুতা সংঘটনে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যুক্ত থাকলে
  4. যখন কেউ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে সহায়তা করে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
------------------------ 
⇒ The Penal Code, 1860-Section: 391: Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
২,৫৩৮.
দণ্ডবিধির ১০০ ধারায়, কোন পরিস্থিতিতে আক্রমণকারীর মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে?
  1. বিনা কারণে আক্রমণ করলে
  2. কোন অপরাধমূলক কাজের জন্য
  3. অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ করলে
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০০ ধারা অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:  
(i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
(ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
(iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
(vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
২,৫৩৯.
একটি মেয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে 'ক' মেয়েটিকে ইভটিজিং করেছে। Penal code এর কোন ধারায় ‘ক’ শাস্তি পাবে?
  1. ৫০৮ ধারায়
  2. ৫০৯ ধারায়
  3. ৫১০ ধারায়
  4. ৫১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৫০৯ ধারা অনুযায়ী কোন নারীর শ্লীলতাহানী বা অমর্যাদা করার উদ্দেশ্যে কোন কথা, অঙ্গভঙ্গি, বস্তু প্রদর্শন বা কোন কাজ করার শাস্তি হলো অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।
• ইভ-টিজিং করার শাস্তি ৫০৯ ধারায় প্রদান করা হয়।
২,৫৪০.
The provisions of section 3 of Limitation Act are-
  1. Directory
  2. Optional
  3. Mandatory
  4. Discretionary
ব্যাখ্যা
⇒ সাধারণত মূল মামলায় তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয় Cause of action বা মামলার কারণ উদ্ভবের সময় থেকে এবং তামাদি মেয়াদ গণনা করা হয় বাদীর বিরুদ্ধে।
- তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদির প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।
অর্থাৎ তামাদি আইনের ৩ ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
-------------
Section-3: Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation:
-Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence.

Explanation.-A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.
২,৫৪১.
কখন ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির আবেদন করা যায়?
  1. ডিক্রিদার মারা গেলে
  2. দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
  3. আদালত ডিক্রি জারির আবেদন গ্রহণ না করলে
  4. আদালত ডিক্রি জারি করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হলে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮ এ কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারী বারিত করা হয়েছে-
(১) নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতিত অন্য কোন ডিক্রি জারীর জন্য আবেদন না করা হয়ে থাকলে সেই একই ডিক্রি জারীর জন্য

ক) যে ডিক্রি জারীর আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ, অথবা

খ) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশ দ্বারা কোন নির্ধারিত তারিখে বা আবর্তক মেয়াদে টাকা পরিশোধ বা কোন সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এরূপ পরিশোধ বা প্রদানের তারিখ হতে যে ডিক্রি জারীর প্রার্থনা করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে ১২ বৎসর অতিবাহিত হয়ে গেলে কোন নতুন আবেদনের উপর জারীর আদেশ প্রদান করা যাবে না ।

(২) এই ধারার কোন বিধান-

ক) আবেদনের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারীর ব্যাপারে রায়ের দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারী ব্যাহত করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর দাখিলকৃত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারীর আদেশ দানে আদালতকে বারণ করবে বলে গণ্য হবে না; অথবা

খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকরতা সীমাবদ্ধ বা অন্য কোনরূপ প্রভাবিত করবে না।
২,৫৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট কয়টি উপায়ে অপরাধ গ্রহণ করতে পারেন?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট ৩টি উপায়ে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।
-কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুযায়ী,ম্যাজিস্ট্রেটগণ ৩টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে নিতে পারেন-
- অভিযোগ [ (ধারা ১৯০(১)(ক) ]
- পুলিশের লিখিত রিপোর্ট [ ধারা ১৯০(১)(খ) ]
- তথ্য,নিজস্ব জ্ঞান বা সন্দেহবশত কোনো তথ্য পেলে [ ধারা ১৯০(১)(গ) ] ।
তবে এই উৎসের উপর ভিত্তি করে ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারবেন না।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-190: Cognizance of offences by Magistrates:
(1) Except as hereinafter provided, any Chief Metropolitan Magistrate, Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Magistrate of the first class, and any other Magistrate specially empowered in this behalf under sub-section (2) or (3)], may take cognizance of any offence-
(a) upon receiving a complaint of facts which constitute such offence;
(b) upon a report in writing of such facts made by any police-officer;
(c) upon information received from any person other than a police-officer, or upon his own knowledge or suspicion, that such offence has been committed.
২,৫৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬২ অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতিতে কত মেয়াদের কারাদণ্ডের বেশি শাস্তি দেওয়া যাবে না?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬২ অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতিতে যে কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডাদেশ দেওয়া হলে, তার মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর হতে পারে। অর্থাৎ, সংক্ষিপ্ত বিচারের আওতায় আসা অপরাধের জন্য কারাদণ্ডের মেয়াদ দুই বছরের বেশি দেওয়া যাবে না।
- এটি মূলত লঘু শাস্তির অপরাধের দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে গুরুতর অপরাধ যেমন হত্যা বা ধর্ষণ অন্তর্ভুক্ত হয় না, কারণ সেগুলোর জন্য বিস্তারিত বিচারের প্রক্রিয়া প্রয়োজন।

- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ২৬২(২) অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচারের (Summary Trial) মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে দুই বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া যাবে না।
ধারা ২৬২(২)-এর বিধান:
"No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter."
অর্থাৎ,  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬২-এ স্পষ্ট বলা আছে যে, সংক্ষিপ্ত বিচারে ২ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া যায় না।
- তাই সঠিক উত্তর খ) দুই বছর।
২,৫৪৪.
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের কত নং আইন?
  1. ১ নং আইন
  2. ৫ নং আইন
  3. ১০ নং আইন
  4. ৪৫ নং আইন
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর প্রাথমিক তথ্য:
আইন নং: ১৮৭২ সালের ১নং আইন।
প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ১৮৭২।
কার্যকর : ১ লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২।
ধারা : ১৬৭ টি।
অধ্যায়: ১১টি।

খন্ড : ৩টি
১ম খন্ড : ১ - ৫৫ ধারা - ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা,
২য় খন্ড : ৫৬ - ১০০ ধারা - ঘটনার প্রমাণ,
৩য় খন্ড : ১০১ - ১৬৭ ধারা - সাক্ষ্য উপস্থাপন ও ইহার ফলাফল।

⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।
২,৫৪৫.
তামাদি আইনের ২২ ধারায় কাকে পক্ষভুক্ত করার ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. বাদীকে
  2. বিবাদীকে
  3. আইনগত প্রতিনিধিকে
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ২২ এ নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল সম্পর্কে বলা আছে।

যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয় বা কারও স্থলাভিষিক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির জন্য পক্ষভুক্তির তারিখেই মামলাটি করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party. 
 
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
২,৫৪৬.
একটি দলিল সংশোধিত হতে পারে শুধুমাত্র
  1. পক্ষগণ দ্বারা
  2. সম্পাদনকারীগণ দ্বারা
  3. সত্যায়নকারী স্বাক্ষী দ্বারা
  4. আদালত দ্বারা
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে।-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুণ কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
♦অর্থাৎ আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ মঞ্জুর করে থাকেন তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে।
২,৫৪৭.
Which is defined under Section 391 of the Penal Code?
  1. Extortion
  2. Robbery
  3. Dacoity
  4. Theft
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-391: Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
২,৫৪৮.
যেক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি, সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারে-
  1. দায়রা আদালত
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• সরকারপক্ষে দায়রা আদালতে যে মামলা পরিচালনা করে তাকে পাবলিক প্রসিকিউটর বলা হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯২ এর অধীন সরকার বা ক্ষেত্রমতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়ে থাকে।

ধারা ৪৯২: পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা-

(১) সরকার বা কোন স্থানীয় এলাকায় সাধারণভাবে, বা কোন মামলায়, বা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নামক এক বা একাধিক অফিসার নিয়োগ দান করতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ব্যতিত অন্য যে কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।

Section 492: Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.
২,৫৪৯.
আদি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশকে সাধারণত আইনের প্রশ্নে চ্যালেঞ্জ করা যায়
  1. রিভিশনে
  2. আপিলে
  3. রিভিউ-এ
  4. রেফারেন্স
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী, কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে যদি আদেশ বা ডিক্রিটি আপীলঅযোগ্য হয় বা ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান না থাকে এবং নিম্ন আদালত আইনগত ভুল করার কারণে ডিক্রি বা আদেশে ভুল হয়েছে এবং উক্ত ভুলের কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হলে [Occasioning failure of Justice]। শুধুমাত্র আইনত ভুলের ক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। যদি আইনগত ভুলটি ন্যায় বিচার বিঘ্ন করে, শুধুমাত্র আদালত তখনই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
২,৫৫০.
দেওয়ানি আপিলে মধ্যস্থতা করার বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ৮৯গ ধারায়
  3. ৮৯খ ধারায়
  4. ৮৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal):
- যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
-----------
CPC Section 89C. Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.

(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
২,৫৫১.
দেওয়ানি মোকদ্দমা কীভাবে দায়ের করতে হবে?
  1. শুধুমাত্র নোটিশ পাঠানোর মাধ্যমে
  2. মৌখিকভাবে আদালতে জানিয়ে
  3. লিখিত আরজি দাখিলের মাধ্যমে
  4. এফআইআর দাখিলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:

১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
২,৫৫২.
ফৌজদারি মামলার চার্জে গুরুতর ভুলের কারনে দণ্ডিত ব্যক্তি আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হলে আদালত কী আদেশ দিবেন?
  1. আপিলের
  2. চার্জ সংশোধনের
  3. নতুন বিচারের
  4. মামলা বাতিলের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩২ এ চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তা হলে উক্ত আদালত যেইরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।
২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলী এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলীর ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।

উদাহরণ-
-দণ্ডবিধির ১৯৬ ধারার অপরাধের দায়ে ক-কে এমন একটি অভিযােগের ভিত্তিতে দণ্ডিত করা হলাে।যাতে উল্লেখ করা হয় নাই যে, যে সাক্ষ্য সে অসৎ ভাবে সত্য বা প্রকৃত বলে ব্যবহার করেছে বা ব্যবহারের চেষ্টা করেছে,তাকে সে মিথ্যা বা বানােয়াট বলে জানিত।আদালত যদি মনে করেন যে,ক-এর অনুরূপ জ্ঞান থাকা সম্ভব ছিল এবং অভিযােগে তার অনুরূপ জ্ঞান সম্পর্কিত বিবৃতি থাকায় সে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বিভ্রান্ত হয়েছে তা হলে সংশােধিত অভিযােগের ভিত্তিতে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন;কিন্তু কার্যক্রম হতে যদি প্রতীয়মান হয় যে,ক-এর অনুরূপ জ্ঞান থাকা সম্ভব ছিল না,তা হলে আদালতে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।
----------------------
⇒ CrPC- Section-232:-Effect of material error:
(1) If any Appellate Court, or the High Court Division in the exercise of its powers of revision or of its powers under Chapter XXVII, is of opinion that any person convicted of an offence was misled in his defence by the absence of a charge or by an error in the charge, it shall direct a new trial to be had upon a charge framed in whatever manner it thinks fit. 
(2) If the Court is of opinion that the facts of the case are such that no valid charge could be preferred against the accused in respect of the facts proved, it shall quash the conviction. 
Illustration:
A is convicted of an offence, under section 196 of the Penal Code, upon a charge which omits to state that he knew the evidence, which he corruptly used or attempted to use as true or genuine, was false or fabricated. If the Court thinks it probable that A had such knowledge, and that he was misled in his defence by the omission from the charge of the statement that he had it, it shall direct a new trial upon an amended charge; but, if it appears probable from the proceedings that A had no such knowledge, it shall quash the conviction.
২,৫৫৩.
দেওয়ানী মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের করতে হবে রায়ের তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে?
  1. ২০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৩ অনুযায়ী দেওয়ানী মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
২,৫৫৪.
একটি অপরাধ সংঘটিত করার জন্য 'A' কে সন্দেহ করা হচ্ছে। যার জন্য পুলিশ তাকে যেকোন সময় গ্রেফতার করতে পারবে। 'A' আদালতে জামিন আবেদন করে এবং জামিন মঞ্জুর করা হয়। 'A' কে কোন ধরনের জামিন মঞ্জুর করা হয়?
  1. আগাম জামিন
  2. জামিনযোগ্য অপরাধের জন্য জামিন
  3. মুচলেকা রেখে জামিন
  4. জামিন অযোগ্য অপরাধের জন্য জামিন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতাঃ (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান অনুসারে আগাম জামিন বা Anticipatory Bail এর দরখাস্ত বিবেচনা করা যায়। এই ধারায় in any case শব্দমালাকে ব্যাখ্যা করে আগাম জামিন দেওয়া হয়।

♦ জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।

♦ যেহেতু 'A' কে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং পুলিশ তাকে যেকোন সময় গ্রেফতারের আশংকা আছে। 'A' আদালতে জামিন আবেদন করে এবং জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। তাই বলা যায় A' কে আগাম জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।
২,৫৫৫.
দেওয়ানী আদালতের রায়ের পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরাখাস্ত করতে হবে-
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৭৩ অনুচ্ছেদটি দেওয়ানী আদালতের অর্থাৎ সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ বা জেলা জজের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন উল্লেখ করেছে।
২,৫৫৬.
দণ্ডবিধির ধারা ২৭৩ অনুযায়ী, ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়ের সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ২,০০০ টাকা
  4. ৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

→ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় করে যা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর, তার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড ১,০০০ টাকা হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 273. Sale of noxious food or drink:- Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

২,৫৫৭.
ঘোষণামূলক মামলা কোন ক্ষেত্রে দায়ের করা যায়?
  1. কেবল চুক্তি বাতিলের জন্য
  2. কেবল ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য
  3. শুধুমাত্র সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত
  4. সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার অস্বীকার হলে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।

⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

২,৫৫৮.
গণ-উপদ্রব এর বিধান ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা সমূহে বর্ণনা করা হয়েছে?
  1. ১৩২ থেকে ১৪৩
  2. ১৩২ থেকে ১৪২
  3. ১৩২ ক থেকে ১৪৩
  4. ১৩২ ক থেকে ১৪২
ব্যাখ্যা
• গণ-উপদ্রব এর বিধান ফৌজদারি কার্যবিধি এর ১৩২ক থেকে ১৪৩ পর্যন্ত ধারাসমূহে বর্ণনা করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, এই ধারার বিধানসমূহ মহানগর এলাকার জন্য প্রযোজ্য নয়।
২,৫৫৯.
কোন জব্দকৃত সম্পত্তির দাবীদার __________ এর মধ্যে তা দাবী না করলে সেটি সরকারের হেফাজতে চলে যাবে।
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. মামলা নিষ্পত্তি হওয়া পুর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898, এর ৫২৪ ধারার বিধান ছয় মাসের ভিতরে দাবীদার হাজির না হলে তখনকার পদ্ধতিঃ (১) উক্ত সময়ের মধ্যে যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তিতে তার দাবী প্রতিষ্ঠা না করে এবং যে ব্যক্তির দখলে তা পাওয়া গিয়েছিল সে যদি তা আইনসংগতভাবে সংগ্রহ করেছে মর্মে দেখাতে না পারে, সেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি সরকারের হেফাজতে চলে যাবে এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক এতদদ্দশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশক্রমে তা বিক্রয় হতে পারে
(২) এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশের ক্ষেত্রে সে আদালতে আপীল করা যাবে যে আদালতে উক্ত আদেশ দানকারী আদালতের দণ্ডাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
২,৫৬০.
কোন সাক্ষীর পুনঃজবানবন্দি[re-examination] গ্রহণ করা যেতে পারে-
  1. জবানবন্দিতে যে সকল বিষয় বাদ পড়েছে সেগুলো ব্যাখ্যা করতে
  2. জেরায় যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো ব্যাখ্যা করতে
  3. জবানবন্দিতে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো পুনরায় ব্যাখ্যা করতে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦১৩৮ ধারায় বলা হয়েছে, জেরায় সাক্ষী যে সকল বিষয় উল্লেখ করেছে, পুনঃজবানবন্দিতে সেই সকল বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইতে হবে। পুনঃজবানবন্দির সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে যদি কোন নতুন বিষয়ের সূচনা করা হয়, তবে সেই সকল বিষয়ে বিরুদ্ধ পক্ষ অধিকতর জেরা করতে পারে।
২,৫৬১.
বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালনা বা অশ্ব চালনার ফলে কারো মৃত্যু ঘটিলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৬ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪খ ধারার বিধান বেপরোয়াভাবে যান চালনা বা অশ্বরোহণের কর্তৃক মৃত্যু ঘটানো:- কোন ব্যক্তি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলকভাবে জনপথে যান চালিয়ে বা অশ্বারোহণের কর্তৃক নিন্দনীয় নরহত্যা নয় এমন মৃত্যু ঘটাইলে, সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থ দণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------
⇒ Causing death by rash driving or riding on a public way:
Section 304B.
Whoever causes the death of any person by rash or negligent driving of any vehicle or riding on any public way not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
২,৫৬২.
Pleadings (প্লিডিংস) সংশোধন সম্পর্কে কোথায় বলা হয়েছে?
  1. আদেশ ৬ বিধি ১৭
  2. আদেশ ৬ বিধি ২০
  3. আদেশ ৫ বিধি ১২
  4. আদেশ ৫ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৬ বিধি ১৭ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস বা আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে-

   (i) যদি সংশোধনটি পক্ষগণের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হয়।

   (ii) যদি সংশোধনটি অপর পক্ষের জন্য অবিচার না হয়।
২,৫৬৩.
ধারা ২৯(৩) অনুযায়ী তামাদি আইন কোন ধরনের মামলায় প্রযোজ্য নয়?
  1. চুক্তি আইনের ২৫ ধারার মামলা
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে মামলা
  3. বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলা
  4. ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতাধীন মামলা
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন

বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

২,৫৬৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৫৪ তে কোন ধরনের সম্পত্তি ক্রোকের বিধান রয়েছে?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. উভয় ধরনের
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৫৪: স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক:
(১) যখন সম্পত্তি অস্থাবর হয়, তখন ক্রোক করার আদেশটি এমন একটি আদেশ দ্বারা করা হবে যা ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করার যে কোন উপায় থেকে নিষিদ্ধ করবে এবং সকল ব্যক্তিকে সেই স্থানান্তর বা চার্জ থেকে কোন সুবিধা গ্রহণ করতে নিষেধ করবে।

(২) আদেশটি ঐ সম্পত্তিতে বা সম্পত্তির সংলগ্ন কোন স্থানে ঢোল পেটানো বা অন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে ঘোষণা করতে হবে, এবং আদেশটির একটি অনুলিপি সম্পত্তির সুস্পষ্ট অংশে এবং আদালত ভবনের সুস্পষ্ট অংশে টানিয়ে দিতে হবে, এবং যদি সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি হয়, তবে সেই জমি যে জেলার কালেক্টরের কার্যালয়ে অবস্থিত সেখানে ও আদেশটির একটি অনুলিপি টানিয়ে দিতে হবে।
২,৫৬৫.
তামাদি আইনের ধারা ১৮ অনুসারে, জালিয়াতির মাধ্যমে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয়ার কারণে তামাদি সময়সীমা গণনা কখন শুরু হয়?
  1. আদালতের রায়ের সময় থেকে
  2. মামলা দায়েরের সময় থেকে
  3. জালিয়াতি আবিষ্কারের সময় থেকে
  4. জালিয়াতি সংঘটনের সময় থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৮ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি জালিয়াতির (Fraud) মাধ্যমে তার অধিকার বা শিরোনাম প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয় বা প্রয়োজনীয় দলিল গোপন করে, তাহলে সময়সীমা গণনা শুরু হবে যেদিন জালিয়াতিটি প্রথম আবিষ্কৃত হয় (বা গোপনকৃত দলিলটি উদ্ধার বা প্রাপ্তির উপায় হয়) সেই দিন থেকে।

⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
- যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud:
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.

২,৫৬৬.
Which of the following is the punishment under Section 303 for a life convict committing murder?
  1. Fine
  2. Death penalty
  3. Imprisonment for life
  4. Suspension of sentence
ব্যাখ্যা
Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.

ধারা ৩০৩- যাবজ্জীবন কারাবাসে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
২,৫৬৭.
সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় কয়টি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।

⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় ৩টি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-(i) অভিপ্রায় (Motive) (ii) প্রস্তুতি (Preparation) (iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct).

⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।

⇒ এই প্রশ্নের ঘটনাটি ৮ ধারা অনুযায়ী বিচার্য বিষয়ের পরবর্তী আচরণ ও বিচার্য ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত।

----------------
Motive, preparation and previous or subsequent conduct:
Section 8. Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
 
The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.
২,৫৬৮.
'ক' দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার অধীনে একজনকে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় ও উক্ত ব্যক্তি সেই ধারানুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি পায়। পরবর্তীতে 'ক' এর মিথ্যা সাক্ষ্য প্রমাণিত হয়। এক্ষেত্রে 'ক' সর্বোচ্চ শাস্তি কী পেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান- খুনসহকারে ডাকাতি:
যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা মতে, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা:
(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ii)  মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ এক্ষেত্রে 'ক' এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।

২,৫৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩০ ধারার অধীনে জারিকৃত সমনের অবমাননা করলে আদালত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে না?
  1. গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা
  2. সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রি করা
  3. পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা
  4. মামলা স্বতঃসিদ্ধভাবে খারিজ করে দেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ধারা ৩০-এর অধীনে জারিকৃত সমনের অবমাননা করলে আদালত নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে পারবে:
(ক) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা। (ধারা ৩২(ক) অনুসারে)
(খ) সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রি করা। (ধারা ৩২(খ) অনুসারে)
(গ) পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা। (ধারা ৩২(গ) অনুসারে)
জামানত দিতে বাধ্য করা এবং জামানত না দিতে পারলে কারাদণ্ড দেওয়া। (ধারা ৩২(ঘ) অনুসারে)
তবে মামলা স্বতঃসিদ্ধভাবে খারিজ করে দেওয়া ধারা ৩২-এর কোনো উপধারায় উল্লেখ নেই। সমন অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আদালত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারলেও, শুধুমাত্র সমন অমান্যের কারণে সম্পূর্ণ মামলা খারিজ করে দেওয়ার কোনো বিধান এই ধারায় নেই।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর  ৩২ ধারার বিষয়বস্তু হলো ৩০ ধারা অনুযায়ী সমন দেওয়া হলে হাজির না হলে দণ্ড।
যদি সমন দেওয়ার পরও হাজির না হলে ৪ ধরনের দণ্ড দেওয়া যায়।
- গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
- সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়
- অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা
- হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Section 32. Penalty for default.
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
(a) issue a warrant for his arrest;
(b) attach and sell his property;
(c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
(d) order him to furnish security for his appearance and in default commit him to the civil prison.

২,৫৭০.
A 'Property Mark' is mainly used for identifying-
  1. Government property only
  2. Immovable property
  3. Movable property
  4. Both Movable and Immovable property
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860, Section-479- Property mark:
A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.

⇒ দণ্ডবিধির ধারা-৪৭৯: প্রোপার্টি মার্ক:
যে চিহ্নটি অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রোপার্টি মার্ক বলা হয়।

২,৫৭১.
স্থাবর সম্পত্তি থেকে কার দ্বারা বেদখল হলে আদেশ ২১ বিধি-১০০ এর অধীন আবেদন করা যায়?
  1. শুধুমাত্র দায়িক
  2. শুধুমাত্র ক্রেতা
  3. ডিক্রিদার বা নিলাম বিক্রির ক্রেতা
  4. দায়িক ব্যতীত কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-১০০: ডিক্রিদার বা ক্রেতা কর্তৃক বেদখল-
১) যেক্ষেত্রে দায়িক ব্যতীত কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রাপ্ত ডিক্রির মালিক কর্তৃক কিংবা যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি ডিক্রি জারিতে নিলামে বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে উহার খরিদ্দার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ বেদখলের অভিযোগ করে আদালতে একটি আবেদন করতে পারে।

২) আদালত বিষয়টি তদন্ত করার জন্য দিন ধার্য করবে এবং যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে, সে পক্ষকে হাজির হওয়ার এবং উত্তর দেয়ার জন্য সমন প্রদান করবে।

Rule-100: Dispossession by decree-holder or purchaser.-
1) Where person other than the judgment-debtor is disposed of immovable property by the holder of a decree for the possession of such property or, where such property has been sold in execution of a decree, by the purchaser thereof, he may make an application to the Court complaining of such dispossession.

2) The Court shall fix a day for investigating the matter and shall summon the party against whom the application is made to appear and answer the same.
২,৫৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৮ অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার কীভাবে করতে হয়?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের নিয়মে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে
  4. রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮-এ স্থাবর সম্পত্তির স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করার বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি তার স্থাবর সম্পত্তি (জমি, বাড়ি ইত্যাদি) থেকে বেদখল হয়, তাহলে সে দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আদালতে মামলা করে তার স্বত্ব ও দখল উভয়ই পুনরুদ্ধার করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে। ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, শুধু মালিকই নয়, যে কেউ যার স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ব ও দখলের অধিকার রয়েছে, সে আদালতে মামলা করতে পারে। অর্থাৎ, যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে তার সম্পত্তিতে স্বত্ব রয়েছে—তা চুক্তি, উত্তরাধিকার বা দখল সূত্রে হোক—তাহলে সে এই ধারায় মামলা করতে পারবে।
এই ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা করা যায়। তবে, দখল উদ্ধারের নিয়ম-কানুন The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ২১-এ উল্লেখ করা আছে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.

২,৫৭৩.
চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় কোন ধারার অধীনে?
  1. ৯ ধারা
  2. ২৫ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. ২১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার জন্য মামলা করা যায়
(১) সম্পত্তিটি যদি সম্পূর্ণ/আংশিক ট্রাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়,
(২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হল,
(৩) টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হল,
(৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
 
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী ১২ ধারার মামলা ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য: 
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
 
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
SR Act: Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
 
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
২,৫৭৪.
ক একটি বিনিময় বিলে এই উদ্দেশ্যে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করে যে, এটি একই নামের অন্য কোনো ব্যক্তি ড্র করেছে বলে বিশ্বাস করা হয়। ক এর অপরাধ -
  1. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  2. প্রতারণা
  3. জালিয়াতি
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।
♦কোন ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে। নিজের নামে স্বাক্ষর করলেই জালিয়াতি হবে বিষয়টা এমন নয়। বরং নিজের নাম স্বাক্ষর জালিয়াতি হতে পারে যদি স্বাক্ষরটা দ্বারা কোন মিথ্যা দলিল। তৈরী করা হয় কোন অধিকার দাবী করতে, কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি করতে বা প্রতারণা করতে ইত্যাদি। যেহেতু A একটি বিনিময় বিলে এই উদ্দেশ্যে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করে যে, এটি একই নামের অন্য কোনো ব্যক্তি ড্র (Draw) করেছে বলে বিশ্বাস করা হয়, সেহেতু জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে। [দণ্ডবিধি, ধারা ৪৬৪ এর ব্যাখ্যা ১ এর মাঝে তা উল্লেখ আছে।]
২,৫৭৫.
সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা সংঘটিত হলে এর সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. ১২ বছর কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
- ধারা-৩৯২ অনুযায়ী দস্যুতার শাস্তি হলো  অনধিক ১০ বছর 'সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড ।
- তবে দস্যুতার অপরাধ সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় সংঘটিত হলে দস্যুতার শাস্তি ১৪ বছর পর্যন্ত 'সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে।
২,৫৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারার অধীনে স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করার সময় কোন বিষয়টি বিশেষভাবে অনুসরণ করতে হবে?
  1. গোপনীয়তা রক্ষা করা
  2. দ্রুততার সাথে তল্লাশি করা
  3. শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখা
  4. পরিবারের সদস্যের সামনে তল্লাশি করা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী-
কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।
 
Section 52: Mode of searching women-
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
২,৫৭৭.
খালস এবং মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হয় কত দিনের মধ্যে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৫৪ অনুচ্ছেদ মতে- খালস এবং মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে হয় ৬০ দিনের মধ্যে।
২,৫৭৮.
এক ব্যক্তি তার প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য সেই প্রতিবেশীকে হত্যা করে। 'জমি দখল করার' এই অভিপ্রায় সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৭ ধারায়
  3. ৮ ধারায়
  4. ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি অপহরণ করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।
২,৫৭৯.
'ক' একজন সাধারণ নাগরিক, কিন্তু সে নিজেকে একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেয় এবং একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ভয় দেখায়। এই ক্ষেত্রে, 'ক' কোন ধারার অপরাধ করেছে?
  1. ১৬০ ধারা
  2. ১৬৩ ধারা
  3. ১৭০ ধারা
  4. ১৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান- সরকারী কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ:
কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 170- Personating a public servant:
Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২,৫৮০.
দেওয়ানি কার্যবিধি ORDER-XIV এর Rule-1(6) অনুসারে, যদি বিবাদী বাদীর সমস্ত দাবি স্বীকার করে নেয়, তাহলে:
  1. নতুন সাক্ষী তলব করতে হবে
  2. মামলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ হয়ে যাবে
  3. আদালতকে অবশ্যই বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে হবে
  4. আদালতের জন্য বিচার্য বিষয় প্রণয়নের প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ORDER-XIV এর Rule-1(6) অনুযায়ী, যদি বিবাদী বাদীর সমস্ত দাবি স্বীকার করে নেয়, তবে আদালতকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে হবে না।
- কারণ, যখন বিবাদী সমস্ত দাবি স্বীকার করে নেয়, তখন মামলাটি সহজতর হয় এবং আদালত কোন বিরোধী বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত নেবে না, কারণ কোনো বিরোধ আর অবশিষ্ট থাকে না। এটি আদালতের সময় এবং শক্তি সাশ্রয় করে, তাই বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করার প্রয়োজন পড়ে না।

⇒ ORDER-XIV, Rule-1(6) Nothing in this rule requires the Court to frame and record issues where the defendant at the first hearing of the suit makes no defence.
২,৫৮১.
'ক', 'চ'-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে 'ক' খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। এক্ষেত্রে 'ক' দণ্ডবিধির কত ধারা বলে দণ্ডিত হবে?
  1. ৩০৪ ধারা
  2. ৩০৫ ধারা
  3. ৩০৬ ধারা
  4. ৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩০৭ ধারা:
“কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উল্লেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।''

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ :
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

উদাহরণসমূহ :
'ক', 'চ'-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে ক খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। 'ক' এই ধারা বলে দণ্ডিত হবে।

⇒ 'ক' একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও ‘ক’ এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

⇒ 'ক', 'চ' কে খুন করার উদ্দেশ্যে একটি বন্দুক ক্রয় করে উহা গুলি ভর্তি করে। এতদূর পর্যন্ত 'ক' অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। 'ক', 'চ'-এর প্রতি গুলি বর্ষণ করে। এইক্ষেত্রে সে এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে, এবং এই গুলি বর্ষণের দরুণ যদি সে 'চ'-কে আহত করে থাকে, তবে সে এই ধারার প্রথম অনুচ্ছেদের শেষাংশে নিদিষ্ট দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ 'ক', 'চ'-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে; বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রব্যটি 'ক'-এর নিকটই রয়েছে। এতদূর পর্যন্ত 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। 'ক' বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি 'চ' এর খাবার টেবিলে রাখে অথবা উহা 'চ'-এর খাবার টেবিলে রাখার জন্য 'চ'-এর চাকরকে প্রদান করে । 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
২,৫৮২.
The Evidence Act, 1872 কে প্রণয়ন করে?
  1. Lord Steven
  2. Lord Macaulay
  3. James Stephen
  4. G.W. Anderson
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ জেমস স্টিফেন কর্তৃক প্রণীত হয়।
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর প্রাথমিক তথ্য:
আইন নং: ১৮৭২ সালের ১নং আইন।
প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ১৮৭২।
কার্যকর : ১ লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২।
ধারা : ১৬৭ টি।
 
খণ্ড : ৩টি
১ম খণ্ড : ১ - ৫৫ ধারা - ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা,
২য় খণ্ড : ৫৬ - ১০০ ধারা - ঘটনার প্রমাণ,
৩য় খণ্ড : ১০১ - ১৬৭ ধারা - সাক্ষ্য উপস্থাপন ও ইহার ফলাফল।
২,৫৮৩.
'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'ক' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. ৫২ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৬ ধারা
  4. ৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
 
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
 
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ: 
(ক) 'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'ক' মামলা দায়ের করতে পারে।

২,৫৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীন নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে কে অনুসন্ধান বা তদন্ত করতে পারেন?
  1. ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা
  2. ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীন নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন,অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লেখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন। 
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
২,৫৮৫.
A, B এর ক্ষতি করার জন্য B এর মালের গোডাউনে আগুন লাগিয়ে মাল পুড়িয়ে দিল। A দণ্ডবিধির অধীন কোন অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে?
  1. আক্রমণ
  2. অনিষ্টসাধন
  3. দস্যুতা
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
অনিষ্টসাধন [Mischief]:
অনিষ্টসাধন বা ক্ষতিসাধন সম্পত্তি সম্পর্কিত একটি অপরাধ। সাধারণ অর্থে অনিষ্ট সাধন বা ক্ষতিসাধন অর্থ হলো অবৈধ ক্ষতি করার জন্য কোন ব্যক্তির সম্পত্তি বিনষ্ট করা। কোন ব্যক্তি অনিষ্ট সাধন করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে অন্য কোন ব্যক্তির বা জনসাধারণের অবৈধ ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে বা ক্ষতি হতে পারে জেনে নিম্নলিখিত কোন কাজ করে-
১. কোন সম্পত্তি নষ্ট করে,
২. কোন সম্পত্তি এমনভাবে পরিবর্তন করে যে উক্ত সম্পত্তির উপযোগিতা নষ্ট হয় বা তার মূল্য হ্রাস পায়, বা
৩. উক্ত সম্পত্তি ক্ষতিকারকভাবে আক্রান্ত হয়।

উদাহরণ: A, B এর ক্ষতি করার জন্য B এর মালের গোডাউনে আগুন লাগিয়ে মাল পুড়িয়ে দিল। A অনিষ্টসাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

অনিষ্ঠসাধনের শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারা অনুযায়ী- অনিষ্টের শাস্তি যে কোন বর্ণনার কারাবাস যা ৩ মাস পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডসহ বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৪২৭ ধারা অনুযায়ী- ৫০ টাকা বা ততোধিক টাকার ক্ষতি করে অনিষ্ঠ সাধনের শাস্তি যেকোনো বর্ণনার কারাবাস যা ২ বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
২,৫৮৬.
Which of the following statements is true regarding Order 32 Rule-1?
  1. The next friend must be a legal guardian
  2. The next friend is appointed by the court
  3. The suit must be in the name of the minor
  4. The minor must appoint the next friend personally
ব্যাখ্যা
• Order 32 Rule-1: Minor to sue by next friend:
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.

আদেশ ৩২, বিধি ১: আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়:
নাবালককে বাদী করে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।
২,৫৮৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় 'ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যকার স্বকার্যজনিত বাধা'- নীতি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১১৪ ধারায়
  2. ১১৫ ধারায়
  3. ১১৬ ধারায়
  4. ১১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২ টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন, বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।
------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-116. Estoppel of tenant; and of licensee of person in possession:
No tenant of immovable property, or person claiming through such tenant, shall, during the continuance of the tenancy, be permitted to deny that the landlord of such tenant had, at the beginning of the tenancy, a title to such immovable property; and no person who came upon any immovable property by the license of the person in possession thereof shall be permitted to deny that such person had a title to such possession at the time when such license was given.
২,৫৮৮.
What will be the maximum punishment for a person who gives false evidence with the intent of getting an accused sentenced to death, even if the accused is later acquitted?
  1. Only a fine
  2. Rigorous imprisonment for up to 7 years
  3. Rigorous imprisonment for up to 10 years
  4. Life imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
____________________________
The Penal Code, 1860- Section-194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
-Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
-and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
২,৫৮৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী রায় ও ডিক্রির সত্যায়িত নকল কে পেতে পারেন?
  1. শুধু বাদী
  2. শুধু বিবাদী
  3. শুধু আদালত
  4. যে কোন পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অর্ডার ২০, বিধি ২০ অনুযায়ী: যে কোন পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতের কাছে আবেদন করে রায় ও ডিক্রির সত্যায়িত নকল পেতে পারেন।
 এই নকল পাওয়ার জন্য অবশ্যই:
- পক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করতে হবে
- নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হবে
 "সত্যায়িত নকল" বলতে আদালত কর্তৃক প্রমাণিত ও স্বীকৃত একটি অনুলিপি বোঝায়, যা মূল দলিলের সমতুল্য বিবেচিত হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অর্ডার XX, রুল ২০ অনুযায়ী, আদালতে পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে রায় ও ডিক্রির সত্যায়িত নকল সরবরাহ করা হবে।
অর্থাৎ, মামলার যে কোনো পক্ষ—বাদী বা বিবাদী—আদালতে আবেদন করে রায় ও ডিক্রির সত্যায়িত কপি পেতে পারেন।
- এই বিধান পক্ষগণের ন্যায়বিচারের অধিকার সংরক্ষণ করে এবং তাদেরকে আপিল বা অন্যান্য আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেয়।
২,৫৯০.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী অনুমান (Presumption) কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৫ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৭ প্রকার
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারা মতে- অনুমান (Presumption) ৩ প্রকার:
১) অনুমান করতে পারে (May presume);
২) অনুমান করবে (Shall presume);
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof)।

অনুমান করতে পারে (May presume):
যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

অনুমান করবে (Shall presume):
যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
২,৫৯১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় পণ্য প্রতীক (Trade mark) এর সংজ্ঞা আছে?
  1. ১৪৫
  2. ৩৮৯
  3. ৪৭৮
  4. ৪৭৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৪৭৮ ধারার বিধান: পণ্য-প্রতীক (Trade mark): কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য-প্রতীক বলে।
- অর্থাৎ কোন পণ্যদ্রব্যের মালিকানা নির্দেশক চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য- প্রতীক বা Trade mark বলে।
------------------------ 
⇒ The Penal Code, 1860, Section-478. Trade mark: A mark used for denoting that goods are the manufacture or merchandise of a particular person is called a trade mark, and for the purposes of this Code the expression "trade mark" includes any trade mark which is registered in the register of trade marks kept under the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, and any trade mark which, either with or without registration, is protected by law in any British possession or Foreign State to which the provisions of the one hundred and third section of the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, are, under Order-in-Council, for the time being applicable.

⇒ The Penal Code, 1860, Section-479: Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.
২,৫৯২.
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the ________of the minor.
  1. guardian
  2. attorney
  3. next friend
  4. legal representative
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-১: নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক নাবালকের মোকদ্দমা দায়ের:
নাবালক কর্তৃক প্রত্যেক মোকদ্দমা তার নামে সে ব্যক্তি কর্তৃক দায়ের করতে হবে যাকে অনুরূপ মোকদ্দমায় নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ড বলে ডাকা হবে।

Rule-1: Minor to sue by next friend:
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.
২,৫৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০৬–এর উদ্দেশ্য কী?
  1. আপিলের মেয়াদ নির্ধারণ
  2. আদালতের এখতিয়ার বাড়ানো
  3. ডিক্রি বাতিল বা রদবদল করা
  4. কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে তা নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা

ধারা-১০৬: কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে:
যখন কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেয়া হয়, তখন যে মোকদ্দমায় অনুরূপ আদেশ প্রদত্ত হয়েছে, অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায় এরূপ আদালতে এর শুনানি হবে, কিংবা যখন হাইকোর্ট বিভাগ নয় আপিল এতিয়ার প্রয়োগকারী এরূপ আদালত কর্তৃক অনুরূপ আদেশ প্রদান করা হয়, তখন হাইকোর্ট বিভাগে এর শুনানি হবে।

Sec.-106: What Courts to hear appeals:
Where an appeal from any order is allowed it shall lie to the Court to which an appeal would lie from the decree in the suit in which such other order was made, or where such order is made by a Court (not being the High Court Division) in the exercise of appellate jurisdiction, then to the High Court Division.

২,৫৯৪.
আদালত প্রদত্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাদেশ অমান্যের ক্ষেত্রে অমান্যকারী পক্ষকে দেওয়ানি কয়েদে আটক রাখা যায় অনুর্ধ্ব-
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৩৯ বিধি ২ মতে চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

♦যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

♦এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।
২,৫৯৫.
নিচে বর্ণিত কোন ক্ষেত্রে রিভিউ করা যায় না?
  1.  আপিলযোগ্য নয় এমন ডিক্রির বিরুদ্ধে
  2. আপিলযোগ্য কিন্তু আপিল করা হয়নি এমন ডিক্রির বিরুদ্ধে
  3. স্মল কজেজ আদালত এর রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে রিভিউ করা যায়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান ধারা ১১৪ এবং আদেশ ৪৭-এ উল্লেখিত আছে।
- ধারা ১১৪: রিভিউ করার অধিকার সম্পর্কে সাধারণ বিধান দেয়।
- অর্ডার ৪৭: রিভিউ পিটিশনের প্রক্রিয়া, শর্তাবলী এবং প্রয়োগের বিস্তারিত নিয়ম উল্লেখ করে।

⇒ ধারা ১১৪: এই ধারায় উল্লেখ আছে, আদালত নিজেই তার ডিক্রি বা আদেশ পুনঃপর্যালোচনা করতে পারে, যদি—
i) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা চলে কিন্তু আপিল করা হয় নাই;
ii) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না; এবং
iii) ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়।

২,৫৯৬.
যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. বাদীদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে
  2. পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারে
  3. বিবাদীদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
⇒ মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
⇒ মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে।

• তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন। সেই বিষয়ে ১নং আদেশের বিধি ২ তে বলা আছে-
যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদীদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে অথবা পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ দিতে পারে।

এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো-
একাধিক বাদী থাকলে যাতে মামলার বিচার জটিল না হয় বা বিলম্বিত না হয়, সেই লক্ষ্যে আদালতকে কিছু বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। আদালত যদি মনে করে যে একাধিক বাদী থাকায় মামলার বিচার জটিল হতে পারে বা বিলম্বিত হতে পারে, তাহলে আদালত নিম্নোক্ত পদক্ষেপ নিতে পারবে:
⇒ বাদীদের তাদের পছন্দ করার সুযোগ দেওয়া, অর্থাৎ তাদের বলা হবে কে বাদী থাকবে আর কে থাকবে না।
⇒ আলাদা আলাদা বিচারের নির্দেশ দেওয়া, অর্থাৎ বাদীদের আলাদা আলাদা মামলা করতে বলা।
⇒ প্রয়োজনীয় অন্য যে কোনো আদেশ প্রদান করা যাতে মামলার বিচার সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে।
২,৫৯৭.
সাক্ষ্য আইনের অনুসারে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) বলতে বুঝায় -
  1. যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে
  2. যে প্রশ্নের উত্তর বলা থাকে না
  3. যে প্রশ্নের পূর্বে উত্তর বলা থাকে
  4. যে প্রশ্নের উত্তর উকিল নিজেই দেন
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒  যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
⇒  অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
⇒  সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের (Leading question) বিধান রয়েছে।
⇒  যেমন- প্রশ্ন: আপনার নাম কি সালমান?
উত্তর: হ্যা, আমার নাম সালমান। এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত (সালমান) রয়েছে। এটাই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question.

২,৫৯৮.
দেওয়ানি আদালত কোন ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. দলিল সংশোধন মোকদ্দমা
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন মোকদ্দমা
  3. ঘোষণামূলক প্রতিকার সংক্রান্ত মোকদ্দমা
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না: 
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুতরাং বলা যায় যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারা ছাড়া সকল ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
২,৫৯৯.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কোনটি ইলেকট্রনিক রেকর্ড নয়?
  1. ড্রোন ডাটা
  2. সিসিটিভি ফুটেজ
  3. আঙ্গুলের ছাপ
  4. কম্পিউটার মেমোরি
ব্যাখ্যা
⇒ ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক রেকর্ড বলতে সেই সমস্ত তথ্য বা ডেটা বোঝায় যা চৌম্বকীয়, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক, কম্পিউটার মেমোরি, সিসিটিভি, ড্রোন ডেটা, মোবাইল ফোন বা অন্য ডিজিটাল ডিভাইসে তৈরি, পাঠানো, সংরক্ষণ বা গ্রহণ করা হয়। এটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত।

- অন্যদিকে, "যে উপাদান বা বস্তু, যেমন রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ বা অঙ্গ, যা অপরাধ সংঘটিত হওয়ার প্রমাণ দেয় বা অপরাধী ও ভুক্তভোগীর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে, সেগুলো শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।"

→ উল্লিখিত প্রশ্নে আঙ্গুলের ছাপ ইলেকট্রনিক রেকর্ড নয় এটি শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
 ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি); সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।

- রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের সমস্ত উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ), আঙ্গুলের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরূপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু, শরীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদান বা বস্তুসমূহ-

- প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে এবং কোন ঘটনা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত করতে পারে।
----------------
“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)];
"Evidence" means and includes-
(1) all statements which the Court permits or requires to be made before it by witnesses, in relation to matters of fact under inquiry:
such statements are called oral evidence;
(2) all documents produced for the inspection of the Court
such documents are called documentary evidence.
(3) all materials or objects relating to blood, semen, hair, all body material, organ or part of organ, Deoxyribo Nucleic Acid (DNA), finger impression, palm impression, iris impression and foot print or any other similar material or object which may-
(i) establish that an offence has been committed or establish a link or relation between an offence and its victim or an offence and its offender; and
(ii) prove or disprove a fact:
such materials or objects are called physical or forensic evidence.
২,৬০০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা 'বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর' করার বিধান দেয়?
  1. ধারা ৫০
  2. ধারা ৫১
  3. ধারা ৫২
  4. ধারা ৫৩
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫২-এর শিরোনামই হল "Enforcement of decree against legal representative" বা "বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা"।
এই ধারা অনুসারে:
- মৃত ব্যক্তির বৈধ প্রতিনিধির (legal representative) বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করার বিধান রয়েছে।
- ডিক্রিটি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য হলে, সেই সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করা যাবে।
- যদি প্রতিনিধি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি যথাযথভাবে ব্যবহারের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে ডিক্রিটি তার ব্যক্তিগত দায় হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান: বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা: (Enforcement of decree against legal representative)
কোন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য যদি উক্ত মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি দেয়া হয়, তাহলে অনুরূপ কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের দ্বারা উক্ত ডিক্রি জারি করা যেতে পারে।
 যখন ডিক্রি দায়িকের দখলে এরূপ কোন সম্পত্তি না থাকে এবং মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার দখলে এসেছে বলে প্রমাণ থাকে এবং তার যথাযথ ব্যবহার করেছে বলে যদি আদালতকে সন্তষ্ট করতে ব্যর্থ হয়, তখন সম্পত্তির যে পরিমাণের ব্যাপারে সে আদালতকে সন্তষ্ট করাতে ব্যর্থ হয়েছে সেই পরিমাণ সম্পত্তির জন্য ডিক্রি দায়িকের বিরুদ্ধে ডিক্রিটি জারি করা যাবে, যেন ডিক্রিটি ব্যক্তিগতভাবে তারই উপর প্রদত্ত হয়েছিল।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 52. Enforcement of decree against legal representative.
(1) Where a decree is passed against a party as the legal representative of a deceased person, and the decree is for the payment of money out of the property of the deceased, it may be executed by the attachment and sale of any such property. 

(2) Where no such property remains in the possession of the judgment-debtor and he fails to satisfy the Court that he has duly applied such property of the deceased as is proved to have come into his possession, the decree may be executed against the judgment-debtor to the extent of the property in respect of which he has failed so to satisfy the Court in the same manner as if the decree had been against him personally.