বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২১ / ১২৬ · ২,০০১২,১০০ / ১২,৬০৫

২,০০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ক ধারার বিধান 'এই অধ্যায়ের বিধানসমূহ মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রযোজ্য হবে না'। এখানে 'এই অধ্যায়' বলতে বুঝানো হয়েছে-
  1. Unlawful Assemblies
  2. Apprehended danger
  3. Disputes as to Immovable Property
  4. Public Nuisances
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ম অধ্যায়ের বিধান গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES].

 ♦
ধারা ১৩২ক তে এই অধ্যায়ের বলতে গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES] অধ্যায়কে বুঝানো হয়ছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ক ধারার বিধান প্রয়োগঃ এই অধ্যায়ের বিধানসমূহ মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

-----------------------------
♦ CHAPTER X -PUBLIC NUISANCES:
Section 132A. Application: The provisions of this Chapter shall not apply to a Metropolitan Area.
২,০০২.
অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতা বার কাউন্সিল অর্ডারের কোন অনুচ্ছেদে আছে?
  1. ২৭
  2. ২৭ (৩)
  3. ২৮
  4. ২৭ (৪)
ব্যাখ্যা
♣ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।
২,০০৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "বেআইনি সমাবেশ" (Unlawful assembly)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১৪০
  2. ধারা ১৪১
  3. ধারা ১৪২
  4. ধারা ১৪৩
ব্যাখ্যা

→ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যদি একটি নির্দিষ্ট অবৈধ উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে সেটিকে "বেআইনি সমাবেশ"(Unlawful assembly) বলা হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation. -An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

২,০০৪.
তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে এর প্রতিকার কী?
  1. আদালত খোলার পরবর্তী যেকোনো সময় মামলা দায়ের করা যাবে
  2. বন্ধের আগের দিনই মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে হবে
  3. আদালত খোলার পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে
  4. আদালত পুনরায় খোলার দিন মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদির  আইনের ৪ ধারার বিধান- আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে:
-যেক্ষেত্রে কোন আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় কোন মামলা, আপিল বা আবেদনের জন্য তামাদির নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে আদালত যেদিন খুলবে সেদিন উক্ত মামলা, আপিল বা আবেদন দাখিল করা যাবে।
------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 4- Where Court is closed when period expires:
-Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
২,০০৫.
নিম্নলিখিত কোনটি সাক্ষ্য আইন অনুসারে একটি "ফ্যাক্ট" (Fact)?
  1. একজন ব্যক্তি একটি শব্দ উচ্চারণ করেছেন
  2. একজন ব্যক্তি কিছু শুনেছেন বা দেখেছেন
  3. একজন ব্যক্তির নির্দিষ্ট একটি মতামত রয়েছে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, "ফ্যাক্ট" বলতে এমন কোনো বিষয় বা ঘটনার অস্তিত্ব বোঝানো হয় যা ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভূত হতে পারে অথবা কোনো ব্যক্তির মানসিক অবস্থা সম্পর্কিত হতে পারে।
এখানে প্রতিটি উদাহরণটি "ফ্যাক্ট" এর অন্তর্ভুক্ত:
১) একজন ব্যক্তি একটি শব্দ উচ্চারণ করেছেন - এটি "ফ্যাক্ট" কারণ এটি একজন ব্যক্তির কার্যকলাপ বা কথাবার্তা যা সত্য প্রমাণিত হতে পারে।
২) একজন ব্যক্তি কিছু শুনেছেন বা দেখেছেন - এটি একটি "ফ্যাক্ট" কারণ এটি অনুভূতি (শোনা বা দেখা) দ্বারা প্রমাণিত কিছু ঘটনা।
৩) একজন ব্যক্তির নির্দিষ্ট একটি মতামত রয়েছে - এটি একটি "ফ্যাক্ট" কারণ এটি একটি মানসিক অবস্থা যা ব্যক্তি নিজে উপলব্ধি করেছেন।

অতএব, উপরের সবগুলোই "ফ্যাক্ট" হিসেবে গণ্য হয়, তাই সঠিক উত্তর "ঘ) উপরের সবগুলো"।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, "ফ্যাক্ট" (Fact) এর অর্থ এবং অন্তর্ভুক্ত বিষয়:
(১) কোনো কিছু, অবস্থার অবস্থা, বা সম্পর্ক যা ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভূত হতে পারে;
(২) যে কোনো মানসিক অবস্থা যার প্রতি ব্যক্তি সচেতন।

উদাহরণসমূহ:
(ক) যে কিছু বস্তু একটি নির্দিষ্ট স্থানে একটি নির্দিষ্ট অর্ডারে সাজানো আছে, তা একটি ফ্যাক্ট।
(খ) যে একজন ব্যক্তি কিছু শুনেছেন বা দেখেছেন, তা একটি ফ্যাক্ট।
(গ) যে একজন ব্যক্তি কিছু শব্দ বলেছেন, তা একটি ফ্যাক্ট।
(ঘ) যে একজন ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট মতামত ধারণ করেন, একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকে, সৎ বা অসৎ বিশ্বাসে কাজ করেন, অথবা একটি নির্দিষ্ট শব্দ একটি নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহার করেন, বা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট অনুভূতি সম্পর্কে সচেতন ছিলেন বা ছিলেন, তা একটি ফ্যাক্ট।
(ঙ) যে একজন ব্যক্তির একটি নির্দিষ্ট খ্যাতি রয়েছে, তা একটি ফ্যাক্ট।
একটি ফ্যাক্ট অন্য একটি ফ্যাক্ট এর সাথে সম্পর্কযুক্ত তখন বলা হয় যখন একটির সাথে অন্যটি সংযুক্ত থাকে, যেভাবে এই আইনে ফ্যাক্টসের প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কিত বিধানে বর্ণিত হয়েছে।
-------------
"Fact" means and includes-
(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;
(2) any mental condition of which any person is conscious.

Illustrations:
(a) That there are certain objects arranged in a certain order in a certain place, is a fact.
(b) That a man heard or saw something, is a fact.
(c) That a man said certain words, is a fact.
(d) That a man holds a certain opinion, has a certain intention, acts in good faith or fraudulently, or uses a particular word in a particular sense, or is or was at a specified time conscious of a    particular sensation, is a fact.
(e) That a man has a certain reputation, is a fact.
One fact is said to be relevant to another when the one is connected with the other in any of the ways referred to in the provisions of this Act relating to the relevancy of facts.
২,০০৬.
'Condonation of delay' নীতি তামাদি আইনের কোন ধার‍ার সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৮
ব্যাখ্যা
• 'Condonation of delay' নীতি তামাদি আইনের ৫ ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট।

• তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। একে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে।

১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য -
i) আপিল (Appeal);
ii) আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত (Leave to appeal);
iii) রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত (Revision);
iv) রায়ের পুনরীক্ষণের দরখাস্ত (Review);
v) অন্য কোন দরখাস্তে ( Any other application)।

১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়-
১. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে।
২. মূল মামলার ক্ষেত্রে। যেমন- স্বত্ব ঘোষণা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা ইত্যাদি।

Section 5: Extension of period in certain cases
Any appeal or application for a revision or a review of judgment or for leave to appeal or any other application to which this section may be made applicable by or under any enactment for the time being in force may be admitted after the period of limitation prescribed therefor, when the appellant or applicant satisfies the Court that he had sufficient cause for not preferring the appeal or making the application within such period. 
 
Explanation - The fact that the appellant or applicant was misled by any order, practice or judgment of the High Court Division in ascertaining or computing the prescribed period of limitation may be sufficient cause within the meaning of this section.
২,০০৭.
জালিয়াতির সাজা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৪৬৩ ধারা
  2. ৪৬৫ ধারা
  3. ৪৬৪ ধারা
  4. ৪৬১ ধারা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী, যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।

- কোনো ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে। নিজের নামে স্বাক্ষর করলেই জালিয়াতি হবে বিষয়টা এমন নয়। বরং নিজের নাম স্বাক্ষর জালিয়াতি হতে পারে যদি স্বাক্ষরটা দ্বারা কোন মিথ্যা দলিল তৈরী করা হয়, কোন অধিকার দাবী করতে, কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি করতে বা প্রতারণা করতে ইত্যাদি।

দণ্ডবিধির ৪৬৫ ধারায় জালিয়াতির শাস্তি বর্ণিত আছে, যা সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
২,০০৮.
দণ্ডবিধিতে কত প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধিতে ৫ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।

- দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে।
- ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)
      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

- দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
---------------------------------------------------
⇒ Section 53: Punishments:
 The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,- 
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted by the Criminal Law (Extinction of Discriminatory Privileges) Act 1949 (Act No. II of 1950]. 
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:- 
(1) Rigorous, that is, with hard labour; 
(2) Simple; 
Fifthly,- Forfeiture of property; 
Sixthly,- Fine. 

-Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
২,০০৯.
The Penal Code, 1860 অনুযায়ী আত্মহত্যার সহায়তাকরণের অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------------------------
⇒The Penal Code, 1860: Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
২,০১০.
'A' চুরির দায়ে অভিযুক্ত হলেন। ইতোপূর্বে তিনি চুরির দায়ে দণ্ডিত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়। এই ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ নিম্নের কোন বিষয়রূপে প্রাসঙ্গিক?
  1. খারাপ আচরণরূপে
  2. স্বীকৃত বিষয়রূপে
  3. বিচার্য বিষয়রূপে
  4. আনুষঙ্গিক বিষয়রূপে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারার বিধান: পূর্ববর্তী অসৎ উত্তর প্রদান প্রসঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়:-
-ফৌজদারী মোকদ্দমায় আসামীর চরিত্র যে খারাপ, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। তবে তার চরিত্র ভাল এ মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করা হলে তার চরিত্র মন্দ এটা প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।
 
ব্যাখ্যা-১: যে মোকদ্দমায় কোন ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেক্ষেত্রে অত্র ধারা প্রযোজ্য নয়। 
ব্যাখ্যা-২: সাক্ষ্য হিসাবে খারাপ চরিত্রে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক। 
-------------------------
Section-54. Previous bad character not relevant, except in reply:
In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant.
Explanation 1. –This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue.
Explanation 2. –A previous conviction is relevant as evidence of bad character.
২,০১১.
সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী বিচারক হিসেবে যে সকল ঘটনা দৃষ্টিগোচরে নিবেন তা ______________।
  1. প্রমাণের প্রয়োজন
  2. প্রমাণের প্রয়োজন নেই
  3. অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে
  4. মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত হতে হবে
ব্যাখ্যা
• জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)-
যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী-
যে সকল ঘটনা আদালত কর্তৃক লক্ষণীয় তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
(Fact judicially noticeable need not be proved)

তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়। অর্থাৎ, জুডিশিয়াল নোটিশের বিষয়গুলো চূড়ান্ত বা অপরিবর্তনীয় প্রমাণ নয়। কোনো পক্ষ চাইলে এর বিপরীতে সাক্ষ্য পেশ করে তা খণ্ডন করতে পারবে। তবে প্রাথমিকভাবে এগুলোকে আলাদাভাবে প্রমাণের প্রয়োজন হয় না।
২,০১২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার 'ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক' এর বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৪৬ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
⇒ ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে।
-----------
⇒The Evidence Act  1872, Section 47A. Opinion as to digital signature where relevant:
 - When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
২,০১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধি অনুযায়ী আদালত পক্ষগণের সহযোগীদের(companion of party) মৌখিক জবানবন্দি নিতে পারে?
  1. আদেশ ১০ বিধি ৪
  2. আদেশ ১০ বিধি ১
  3. আদেশ ১০ বিধি ২
  4. আদেশ ১০ বিধি ৫
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।
আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সহযোগীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

• আদেশ ১০ বিধি ২ (পক্ষ বা পক্ষগণের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি)-
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

Order 10 Rule 2: Oral examination of party or companion of party-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
২,০১৪.
দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারা অনুযায়ী, স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করে স্বীকারোক্তি আদায়ের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩০ অনুযায়ী, কেউ যদি স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করে কাউকে স্বীকারোক্তি দিতে বা সম্পত্তি/জামানত ফেরত দিতে বাধ্য করে, তবে তার শাস্তি হতে পারে, সর্বাধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
- অর্থাৎ, এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারার বিধান: ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় বা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করতে বাধ্য করার জন্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করা:- যে ব্যক্তি, কোন ব্যক্তির বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণ সম্পর্কে সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি বা জামানত প্রত্যর্পণ করতে বা প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করে দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, অথবা কোন দাবী পূরণে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা যে তথ্য দানের ফলে কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত পুনরুদ্ধার হতে পারে সে তথ্যদানে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে উক্ত ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, তবে উক্ত আঘাতকারী সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(অ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। সে চ-কে কোন অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করার জন্য পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
(আ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখা হয়েছে সে তথ্যদানে বাধ্য করার জন্য সে চ-কে পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code,1860, Section 330. Voluntarily causing hurt to extort confession, or to compel restoration of property:
Whoever voluntarily causes hurt, for the purpose of extorting from the sufferer or any person interested in the sufferer, any confession or any information which may lead to the detection of an offence or misconduct, or for the purpose of constraining the sufferer or any person interested in the sufferer to restore or to cause the restoration of any property or valuable security or to satisfy any claim or demand, or to give information which may lead to the restoration of any property or valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 

Illustrations:
(a) A, a police-officer, tortures Z in order to induce Z to confess that he committed a crime. A is guilty of an offence under this section. 
(a) A, a police-officer, tortures B to induce him to point out where certain stolen property is deposited. A is guilty of an offence under this section. 
(b) A, a revenue officer, tortures Z in order to compel him to pay certain arrears of revenue due from Z. A is guilty of an offence under this section. 
(c) A, a zamindar, tortures a raiyat in order to compel him to pay his rent. A is guilty of an offence under this section.

২,০১৫.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের (Specific Performance) মামলার তামাদি কাল কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী: "চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ (Specific Performance of Contract) সম্পর্কিত মামলা দায়ের করার তামাদি সময়সীমা ১ বছর, এবং এই সময়সীমা গণনা শুরু হবে যেদিন বাদীর সেই বলবৎকরণ চাওয়ার অধিকার উদ্ভব হয় সেই তারিখ থেকে।"
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুসারে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের (Specific Performance) মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় চুক্তিভঙ্গের তারিখ থেকে।
২,০১৬.
আবশ্যকীয় সম্পূরক প্রতিকার (Further Relief) না চাইলে The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারার মামলা ব্যর্থ হয়?
  1. ৩৯
  2. ৪২
  3. ৪৪
  4. ৫৩
ব্যাখ্যা
♦ The Specific Relief Act, 1877 এর ৪২ ধারার বলা আছে এরূপ ঘোষণার প্রতিবন্ধকতা: তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে বাদী শুধু স্বত্বের ঘোষণা ছাড়া আরও প্রতিকার পেতে সমর্থ অথচ তা করা হতে বিরত থাকেন সেক্ষেত্রে আদালত ঐরূপ কোন ঘোষণা প্রদান করবেন না ।
(Bar to such declaration: Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do SO)
♦ দেওয়ানি মামলায় মূল প্রতিকার থেকে সরাসরি সৃষ্ট প্রতিকারকে আনুষঙ্গিক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ কোন মোকদ্দমায় মূল প্রতিকারের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য যে প্রতিকার দাবী করা হয়, তাকে আনুষঙ্গিক প্রতিকার বা Consequential relief বলে।
♦ ঘোষণামূলক মামলায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাওয়া কী বাধ্যতামূলক- বাদী যদি আনুষঙ্গিক প্রতিকার পাওয়ার অধিকারী হয়, তাহলে ঘোষণামূলক মামলায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করা বাধ্যতামূলক।
♦ আনুষঙ্গিক প্রতিকার থাকার পরও বাদী মামলায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার ছাড়া শুধুমাত্র ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য আবেদন করলে, আদালত মামলাটি খারিজ না করে ঘোষনাটি প্রত্যাখান করবে।
২,০১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটগণ ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর হতে লাশ উত্তোলনের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ১৭৬(১)
  2. ১৭৬(২)
  3. ১৭৪(১)
  4. ১৭৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসন্ধান করতে পারে:
 -যখন কোন ব্যক্তি পুলিশ কাস্টডিতে বা হেফাজতে মৃত্যুবরণ করে বা
- ধারা ১৭৪(আত্মহত্যা,কোন ব্যক্তি/ প্রাণী/ যন্ত্র দ্বারা বা দুর্ঘটনায় নিহত, বা ধারায় উল্লেখিত অন্য কোন সন্দেহজনক কারণে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে)
- এই অনুসন্ধান করবে ১৭৪ (৫) ধারায় সুরতহাল করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্টেট তথা-
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা 
-সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার উপধারা (২) অনুসারে , উল্লেখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর হতে লাশ উত্তোলনের [disinter corpses] আদেশ দিতে পারেন।
--------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-176: Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence. The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
Power to disinter corpses
(2) Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
২,০১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারা অনুসারে বিশেষ বেঞ্চ কতজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৯৯গ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ বেঞ্চ (Special Bench) তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানী: 
তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 99C: Hearing by Special Bench: Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges.  

২,০১৯.
যে ভূমিতে বেআইনী সমাবেশ বা দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয়, তাহার মালিক বা দখলকারের দায় সম্পর্কিত দন্ডবিধির ধারা কত?
  1. ১৫১ ধারায়
  2. ১৫২ ধারায়
  3. ১৫৩ ধারায়
  4. ১৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৫৪ ধারার বিধান যে ভূমির উপর বেআইনী সমাবেশ সংঘটিত হয় সে ভূমির মালিক বা দখলকার:- কোন বেআইনী সমাবেশ বা দাঙ্গা সংঘটিত হলে যে ভূমি বা জমির উপর অনুরূপ বেআইনী সমাবেশ বা দাঙ্গা অনুষ্টিত হয় উহার মালিক বা দখলকার এবং উহাতে কোন স্বত্বের অধিকারী বা দাবীদার যেকোন ব্যক্তি নিম্নোক্ত অবস্থায় অনধিক এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে-

-যদি সে বা তার প্রতিনিধি বা তার ম্যানেজার অনুরূপ অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বা হচ্ছে জানা সত্ত্বেও অথবা অনুরূপ অপরাধ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তার বা তাদের সাধ্যমত যথাশীঘ্র নিকটতম থানার প্রধান অফিসারকে অবহিত না করে; এবং অপরাধটি অচিরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে তার বা তাদের বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও উহা প্রতিরোধ করার জন্য তার বা তাদের আয়ত্তাধীন সকল আইনসম্মত উপায় অবলম্বন না করে; এবং অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় বেআইনী সমাবেশ বা বা দাঙ্গা ছত্রভঙ্গ করার বা দমন করার জন্য তার বা তাদের আয়ত্তাধীন সকল আইনসম্মত উপায় অবলম্বন না করে।
২,০২০.
একজন ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে চলমান একটি ফৌজদারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করতে আদালতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে
  2. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না
  3. আবেদনকারীকে জরিমানা করবে
  4. আবেদনকারীর বিরুদ্ধে নতুন দেওয়ানি মামলা দায়ের করবে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী ১১ টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। ক্ষেত্রগুলো নিম্নরূপ:

১। বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য।
২। কোন অধীনস্থ আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য।
৩। কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য।
৪। সরকারের কোন বিভাগের সরকারি কর্তব্যে বা বিদেশি সরকারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য
৫। কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য।
৬। কোন চুক্তি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করা যায় না তেমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্যে।
৭। উৎপাত নয় এমন কাজ নিরোধ করার জন্য।
৮। বাদীর সম্মতি আছে এমন ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধের জন্য।
৯। যখন জিম্মা ভঙ্গের প্রতিকার অন্য কোন সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়।
১০। যখন আবেদনকারীর আবেদন এমন যে তা তাকে আদালতে সাহায্য থেকে বঞ্চিত করে।
১১। যেখানে মামলার বিষয়বস্তুতে আবেদনকারীর কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।

⇒ Section 56 Injunction when refused: An injunction cannot be granted- 
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings; 
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought; 
(c) to restraint persons from applying to any legislative body; 
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government; 
(e) to stay proceedings in any criminal matter; 
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced; 
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance; 
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced; 
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust; 
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court; 
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
২,০২১.
কোনটি অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে না?
  1. X, L এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেল
  2. অনুপ্রবেশকারী X, L এর বাড়ি দাবি করে ও ভাড়া সংগ্রহ করে
  3. X, L এর সম্পত্তি অবৈধ দখল করে সেখানে বাড়ি বানিয়ে ভাড়া দিল
  4. X অনুমতি ছাড়া L এর জমিতে চাষ করে লাভ পেল
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ২(১২) ধারা অনুসারে, মধ্যবর্তী মুনাফা বা Mesne Profit হলো যে মুনাফা বা উপকার যা কোন ব্যক্তি অন্য কারো সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে থাকাকালীন সময়ে লাভ করেছে। এটি সাধারণত ভাড়া বা মুনাফার রূপে হয়। যখন একজনের দখলদারি অকারণে অপর কেউ তার সম্পত্তি হতে বঞ্চিত হয়ে থাকে, তখন দখলদার ক্ষতিপূরণের রূপে মধ্যবর্তী মুনাফা পরিশোধ করতে বাধ্য থাকে।
♦তবে বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা | Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না,
♦প্রশ্নের অপশন (গ)-তে বলা হয়েছে, X, L এর সম্পত্তি অবৈধ দখল করে সেখানে বাড়ি বানিয়ে ভাড়া দিল। এই ক্ষেত্রে X, I. এর সম্পত্তিতে বাড়ি বানিয়ে উন্নয়ন করেছে এবং উক্ত উন্নয়ন হতে ভাড়া বাবদ মুনাফা করছে। যেহেতু X. L এর সম্পত্তিতে বাড়ি বানিয়ে উন্নয়ন করেছে, সেহেতু সেখান থেকে ভাড়া বাবদ যে মুনাফা গ্রহণ করেছে, সেই মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা | Mesne Profits] বলে গণ্য হবে না। 
২,০২২.
তামাদি আইন ১৯০৮ কবে কার্যকর করা হয়?
  1. ১লা জানুয়ারী ১৯০৮
  2. ৭ আগস্ট ১৯০৮
  3. ১লা জানুয়ারী ১৯০৯
  4. ৭ আগস্ট ১৯০৯
ব্যাখ্যা
♦বর্তমানে প্রচলিত তামাদি আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়), যা তামাদি আইন ১৯০৮নামে পরিচিত।
♦এটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়। তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন। সর্বশেষ ২০০৪ সালে তামাদি আইন সংশোধন করা হয়।
♦তামাদি আইন একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)।
২,০২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫৩ অনুযায়ী আদালত কী সংশোধন করতে পারেন?
  1. সাক্ষ্য প্রমাণ বাদ দিতে
  2. পক্ষগণের আইনজ্ঞান
  3. মামলার কার্য ধারার ত্রুটি
  4. বিচারকের অপারগতা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) মামলার কার্য ধারার ত্রুটি।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫৩ অনুযায়ী, আদালত যেকোনো সময়, যেকোনো মামলার কার্যধারায় ত্রুটি বা ভুল সংশোধন করতে পারেন, যেন মামলার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ ও বিচার সম্ভব হয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫৩ বলছে আদালত যেকোনো সময়, এবং যেমন শর্তে প্রয়োজন মনে করে, একটি মোকদ্দমার কার্যধারায় কোনো ভুল বা ত্রুটি সংশোধন করতে পারে। এই সংশোধনটি মামলার প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় হলে তা করা হবে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-153. General power to amend:
-The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
২,০২৪.
আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো ব্যক্তি প্রশ্নের উত্তর না দিলে, আদালত কী অনুমান করতে পারে?
  1. সে নির্দোষ
  2. সে উত্তর জানে না
  3. উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না
  4. কোনো কিছু অনুমান করবে না
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে-
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে -
(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;

(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;

(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।
তবে বিশেষ মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলি প্রযোজ্য কিনা তা বিবেচনা করার সময় আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলিও বিবেচনা করবে।
২,০২৫.
তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের ক্ষেত্রে আদালত নিম্মলিখিত কোন বিষয়টি বিবেচনায় নিবে
  1. শুধুমাত্র বিলম্ব কতটা দীর্ঘ
  2. বিলম্বের কারণের ব্যাখ্যা এবং বিলম্বের পরিধি
  3. বিলম্বের ব্যপ্তি কোন বিষয় না বরং বিলম্বের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা
  4. উপরের কোনটি না
ব্যাখ্যা
♦তামাদি সময়সীমা কত দিনের বিলম্ব তা মূল বিবেচ্য বিষয় না বরং প্রতিটি দিনের বিলম্বের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা গুরুত্বপূর্ণ।
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপীলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমান করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপীল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তোষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মৌকুফ বলে। বিলম্ব মৌকুফের ক্ষেত্রে দুইটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণঃ ১) পর্যাপ্ত কারণ ২) আদালতকে সন্তুষ্টি করণ।
২,০২৬.
কেবল অপরপক্ষকে হয়রানির লক্ষ্যে কোনো পক্ষ একটি দেওয়ানি মামলা করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে একজন অ্যাডভোকেট-
  1. মামলাটি পরিচালনা করবেন
  2. মামলাটি পরিচালনা করতে অস্বীকার করবেন
  3. আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলাটি গ্রহণ করবেন
  4. বিরুদ্ধ পক্ষের অ্যাডভোকেটকে সাহায্য করবেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: মামলাটি পরিচালনা করতে অস্বীকার করবেন।

• "Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর অধ্যায় ৪- জনসাধারণের প্রতি আইনজীবীদের আচরণ
বিধি ১:
কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে আক্রোশের বশবর্তী হইয়া কিংবা মামলার কার্যক্রম বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে বাদী কিংবা আসামী পক্ষে কোন মামলা পরিচালনা করার জন্য একজন আইনজীবী নিয়োজিত হইবেন না। এমনকি অনুরূপ উদ্দেশ্যে কোন আপিল দায়েরের দায়িত্ব ও নিবেন না।

[An Advocate shall not accept employment to prosecute or defend a case out of spite or for the purposing of harassing anyone or delaying any matter nor shall he take or prosecute an appeal willfully motivated to harass any one or delay any matter.]
২,০২৭.
দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা অনুসারে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ কত প্রকার?
  1. ১ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৪ প্রকার 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

২,০২৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ কাদের সাক্ষ্য প্রদানের বিষয়ে আলোচনা করে?
  1. বোবা সাক্ষী
  2. বিদেশি সাক্ষী
  3. নাবালক সাক্ষী
  4. মানসিক ভারসাম্যহীন সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ বোবা সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম (বোবা), তিনি তার সাক্ষ্য লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে প্রদান করতে পারবেন, তবে এই সাক্ষ্য মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে এবং এটি প্রকাশ্য আদালতে দিতে হবে।
- অতএব, সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ কেবল বোবা সাক্ষীদের সম্পর্কে আলোচনা করে।
সঠিক উত্তর: ক) বোবা সাক্ষী।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
২,০২৯.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে নিয়োগ দেয়া হয়?
  1. ১১৬ অনুচ্ছেদ
  2. ১৩৩ অনুচ্ছেদ
  3. ১৩০ অনুচ্ছেদ
  4. ১১৪ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-

ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
 
• ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ-
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
 
Section 9: Court of Sessions:
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
২,০৩০.
না চলানো হেতু খারিজ হওয়া আপিল পুনরায় গ্রহণের নিমিত্ত দরখাস্ত আনয়নের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ২০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৬৮ এর বিধান না চলানো হেতু খারিজ হওয়া আপিল পুনরায় গ্রহণের নিমিত্ত দরখাস্ত আনয়নের তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন।
২,০৩১.
চার্জ গঠন না করার কারণে কোন শাস্তি বা দণ্ড অবৈধ হবে না যদি না ন্যায় বিচার ব্যর্থ হয়। ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৩৫
  2. ধারা ৫৩০
  3. ধারা ৫৩১
  4. ধারা ৫৩২
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫৩৫ মতে- কেবল মাত্র অভিযোগ প্রণয়ন করা হয়নি বলেই ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ বলে গণ্য করা হবে না, যদি না আপীল বা রিভিশন মনে করেন যে, উহার ফলে প্রকৃত পক্ষে ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়েছে।
২,০৩২.
সরকার বা সরকারি কর্মকর্তা বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার জন্য কতদিন আগে নোটিশ পাঠানো বাধ্যতামূলক?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ৮০ ধারা অনুযায়ী, সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার আগে ২ মাসের নোটিশ পাঠানো বাধ্যতামূলক। এই নোটিশে মামলার কারণ, বাদীর নাম, বাসস্থানের বিবরণ এবং দাবিকৃত প্রতিকার উল্লেখ করতে হবে। এই নোটিশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পর দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে, তারপর মামলা দায়ের করা যাবে।
- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো সরকার বা সরকারি কর্মকর্তাকে মামলার বিষয়ে সচেতন করা এবং সম্ভাব্য বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ দেওয়া। যদি মামলা নোটিশ ছাড়াই দায়ের করা হয়, তাহলে আদালত সরকারকে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য ৩ মাস সময় দেবে, তবে বাদী মামলার খরচ পাবে না যদি দুই মাসের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি হয় বা সরকার বাদীর দাবি মেনে নেয়।

- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ২ মাস।
২,০৩৩.
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে দখলদার ব্যক্তি যে মুনাফা লাভ করে, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে দেওয়ানি কার্যবিধিতে__________ বলে।
  1. Gross Profits
  2. Mesne Profits
  3. Monthly Profits
  4. Unwanted Profits
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

• ব্যতিক্রম-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না ।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession:
২,০৩৪.
যেসব ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়, তা উল্লেখ আছে সাক্ষ্য আইনের-
  1. ৬২ ধারায়
  2. ৬৫ ধারায়
  3. ৬৪ ধারায়
  4. ৬১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন ধারা ৬৪- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ
এ আইনে অত:পর যে সমস্ত ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি ব্যতীত অপর সমস্ত ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।

তবে কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়, তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপঃ

ক. দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে তার আয়ত্তে আছে বা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা সেই ব্যক্তির দখলে আছে যে ব্যক্তি দলিলটি পেশ করতে বাধ্য কিন্তু নোটিশ পাওয়া সত্ত্বেও দাখিল করছে না;
খ. দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে, সে ব্যক্তি দলিলটির অস্তিত্ব লিখিত ভাবে স্বীকার করে নিয়েছে;
গ. মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে বা নষ্ট হয়ে গেছে;
ঘ. দলিলটি সহজে স্থানান্তরযোগ্য না হলে;
ঙ. মূল দলিলটি সরকারী দলিল হলে;
চ. দলিলটির জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের নিয়ম থাকলে;
ছ. মূল দলিলের পরীক্ষা আদালতের জন্য সুবিধাজনক না হলে।
২,০৩৫.
অর্থের পরিমাণ অনির্দিষ্ট হলে কোন ধরনের "Set-off" দাবি করা যায়?
  1. Legal Set-off
  2. Fixed Set-off
  3. Equitable Set-off
  4. Specified Set-off
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির Set-off দুই প্রকার যথা:
ক) Legal Set-off [Order VIII, Rule 6],
খ) Equitable Set-off [Order XX, Rule 19(3)]

যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট, সেক্ষেত্রে Legal Set-off দাবি করা যায়। কিন্তু, যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ অনির্দিষ্ট সেক্ষেত্রে Equitable Set-off মঞ্জুর করা যেতে পারে (আদালতের Discretion-এর উপর)।

Equitable Set-off একটি বিশেষ ধরনের প্রতিরক্ষা, যা নিম্নলিখিত পরিস্থিতিগুলোতে প্রযোজ্য:
⇒ যখন বাদী ও বিবাদীর মধ্যে পারস্পরিক দাবী-দাওয়া থাকে এবং উভয় দাবীই একই উত্স থেকে উদ্ভূত হয়েছে। অর্থাৎ উভয়ের দাবী একই চুক্তি, লেনদেন বা ঘটনার সাথে জড়িত।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী বাদীর দাবীর চেয়ে কম। কারণ যদি বিবাদীর দাবী বেশি হয়, তাহলে বিবাদীকে ক্রস-মামলা দায়ের করতে হবে।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী নগদ টাকার নয়, বরং কোন অনিষ্পন্ন কাজের জন্য। যেমন - বাদী যদি বাকি বেতনের দাবী করে আর বিবাদী দাবী করে কিছু অসম্পূর্ণ কাজের জন্য।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী সুস্পষ্টভাবে অর্থগত মান নির্ণয় করা সম্ভব নয়। যেমন - ক্ষতিপূরণের চাহিদা ইত্যাদি।
২,০৩৬.
স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক প্রতিকার বা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার উদ্দেশ্যে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে এবং যদি বিবাদীর উপর ব্যক্তিগতভাবে সমন জারি করা না যায়, তাহলে কী করা যেতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করা যাবে
  2. আদালত সমন জারি বন্ধ করবে
  3. বিবাদীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা যাবে
  4. সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা প্রতিনিধির উপর সমন জারি করা যাবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৫ বিধি ১৪ অনুসারে,
স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক কোন প্রতিকার বা এর ক্ষতিপূরণ পাওয়ার উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, যদি বিবাদীর উপর ব্যক্তিগতভাবে সমন জারি করা না যায় এবং যদি বিবাদীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি সমন গ্রহণের জন্য না থাকে, তাহলে সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা বিবাদীর যে কোন প্রতিনিধির উপর সমন জারি করা যাবে।

Service on agent in charge in suits for immovable property:
Where in a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property, service cannot be made on the defendant in person, and the defendant has no agent empowered to accept the service, it may be made on any agent of the defendant in charge of the property.
২,০৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৪, বিধি-১ অনুযায়ী বিবাদি কখন আদালতে টাকা জমা দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র আপিল পর্যায়ে
  2. চূড়ান্ত শুনানির সময়
  3. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  4. মোকদ্দমা দায়েরের আগে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৪, বিধি-১ অনুযায়ী, বিবাদি ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় তার বিবেচনায় দাবীর সম্পূর্ণ পরিমাণ অর্থ আদালতে জমা দিতে পারে।
- এই জমা প্রদানের সুযোগ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পাওয়া যায়, অর্থাৎ মোকদ্দমা দায়েরের পর থেকে শুরু করে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত যে কোন সময় বিবাদি এই জমা প্রদান করতে পারে।

→ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে।

⇒ Order-24 Rule-1. Deposit by defendant of amount in satisfaction of claim:
- The defendant in any suit to recover a debt or damages may, at any stage of the suit, deposit in Court such sum of money as he considers a satisfaction in full of the claim.
২,০৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারা অনুসারে, আদালত অবমাননার অপরাধীকে জরিমানা না দিলে কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। 

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারা অনুযায়ী: যদি দণ্ডবিধির ধারা ১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ বর্ণিত কোনো অপরাধ আদালতের সম্মুখে বা উপস্থিতিতে সংঘটিত হয়, তবে: সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালত অপরাধীকে দ্রুত বিচার করে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা জরিমানা দিতে পারে, এবং জরিমানা না দিলে সর্বোচ্চ ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হওয়ার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section - 480: Procedure in certain cases of contempt:
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.

২,০৩৯.
A একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবী করে। A মামলা করতে পারে-
  1. অগ্রক্রয়ের
  2. ক্ষতিপূরণের
  3. ঘোষণার
  4. বন্টনের
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

♦ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।

♦ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

♦ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

♦যেহেতু A একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশি গ্রামবাসী উক্ত সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবী করে জমিতে A এর বৈধ দখলকে অস্বীকার করছে। এই ক্ষেত্রে উক্ত জমিতে A এর যে বৈধ অধিকার আছে তার ঘোষণা চেয়ে A দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২,০৪০.
কয় ক্ষেত্রে পুলিশ আদালতের গ্রেফতারি পরওয়ানা ব্যতীত কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৬ ক্ষেত্রে
  2. ৭ ক্ষেত্রে
  3. ৮ ক্ষেত্রে
  4. ৯ ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।

♦ পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-

১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)

২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )

৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)

৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )

৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)

৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)

৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)

৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )

৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
২,০৪১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৯ অনুসারে, কোন নিলাম বিক্রয় কত দিনের বেশি মেয়াদের জন্য মুলতুবি রাখা হলে নতুন করে ঘোষণা (proclamation) দিতে হবে?
  1. ৭ দিনের
  2. ১০ দিনের
  3. ৩০ দিনের
  4. ৬০ দিনের
ব্যাখ্যা
Order 21, Rule 69 - বিক্রয় স্থগিত বা বন্ধ করার বিধান:
(১) আদালত তার বিবেচনায়, নির্ধারিত কোনো দিন ও সময়ে নিলাম (বিক্রয়) স্থগিত (adjourn) করতে পারে। এবং যে কর্মকর্তা নিলাম পরিচালনা করছেন, তিনি তার নিজের বিবেচনায় নিলাম স্থগিত করতে পারেন, তবে এর জন্য তাকে স্থগিত করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
শর্ত: যদি বিক্রয়টি আদালতের চত্বরে বা আদালতের সীমার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে আদালতের অনুমতি ব্যতীত নিলাম স্থগিত করা যাবে না।

(২) যদি উপ-নিয়ম (১) অনুযায়ী বিক্রয় ৩০ দিনের বেশি সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়, তবে রুল ৬৭ অনুযায়ী নতুন করে ঘোষণা (proclamation) দিতে হবে- তবে শর্ত এই যে, যদি দায়গ্রস্ত ব্যক্তি (judgment-debtor) এই পুনঃ ঘোষণার প্রয়োজন মাফ করে দেন (consent to waive), তাহলে তা প্রযোজ্য হবে না।

(৩) প্রতিটি বিক্রয় তৎক্ষণাৎ বন্ধ করে দেওয়া হবে, যদি:
- নিলাম চূড়ান্ত হওয়ার আগে,
- ঋণ ও খরচ (বিক্রয়ের খরচসহ) পরিশোধ করা হয়, বা
- নিলাম পরিচালনাকারী কর্মকর্তার সন্তুষ্টির জন্য প্রমাণ দেওয়া হয় যে, উক্ত অর্থ আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে— যে আদালত বিক্রয়ের আদেশ দিয়েছিল।
২,০৪২.
The Evidence Act 1872 এর ১২০ ধারা অনুসারে কোন ধরনের মোকদ্দমায় স্বামী/স্ত্রীর পক্ষে সাক্ষ্য হওয়ার যোগ্য?
  1. ফৌজদারি মামলায়
  2. দেওয়ানি মামলায়
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোন মামলায় নয়
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১২০ ধারা অনুসারে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বামী/স্ত্রী পক্ষে স্বাক্ষী দিতে পারবে।
- ফৌজদারি মামলায় স্বামী/স্ত্রী যে কেহ যে কারোর বিরুদ্ধে যোগ্য সাক্ষী হতে পারবে, তবে পক্ষে নয়।
২,০৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪ অনুযায়ী সর্বোচ্চ কতদিন দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪ অনুসারে, যদি বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হয় বা নতুন জামানত দিতে ব্যর্থ হয়, আদালত তাকে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখতে পারে যতদিন পর্যন্ত মামলার রায় না আসে অথবা মামলা সম্পর্কিত ডিক্রি না মিটানো হয়। তবে এই আটকের সর্বোচ্চ সময় ৬ মাস।
তাছাড়া, যদি মামলার বিষয়বস্তু বা দাবির মূল্য পঞ্চাশ টাকার নিচে হয়, তখন আটকের সর্বোচ্চ সময় ৬ সপ্তাহ। এছাড়া, যদি বিবাদী পরবর্তীতে জামানত দেয় বা আদেশ মেনে চলে, তাহলে তাকে জেলে আটকে রাখা যাবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৪: যেক্ষেত্রে বিবাদী জামানত দিতে বা নতুন জামানত দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে বিবাদী ২ বা ৩ বিধির অধীনে কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমায় সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বা যেক্ষেত্রে বিবাদির বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে,সেক্ষেত্রে ডিক্রি না মিটানো অবধি তাকে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করতে পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীনে কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক মেয়াদের জন্য জেলে আটক রাখা চলবে না, অথবা মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য পঞ্চাশ টাকার অনূর্ধ্ব হলে সেক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহের অধিক মেয়াদের জন্য:
তবে আরো শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি অনুরূপ আদেশ পালন করার পর তাকে এই বিধির অধীনে জেলে আটক রাখা যাবে না।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order 38 Rule 4: Procedure where defendant fails to furnish security or find fresh security:
Where the defendant fails to comply with any order under rule 2 or rule 3, the Court may commit him to the civil prison until the decision of the suit or, where a decree is passed against the defendant, until the decree has been satisfied:
Provided that no person shall be detained in prison under this rule in any case for a longer period than six months nor for period a longer than six weeks when the amount or value of the subject-matter of the suit does not exceed fifty Taka:
Provided also that no person shall be detained in prison under this rule after he has complied with such order.
২,০৪৪.
"____________" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.
  1. inquiry
  2. investigation
  3. complaint
  4. judicial proceeding
ব্যাখ্যা
⇒ According to The Code of Criminal Procedure,1898 -Section 4(k):- "inquiry" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.

⇒ ফৌজদারি প্রক্রিয়ায়, "বিচার" ব্যতীত অন্যান্য কাজগুলি ইনকোয়ারি বা তদন্তের অন্তর্ভুক্ত হয়। "বিচার" হল আদালতের মূল কার্যক্রম যেখানে বিচারক সরাসরি জড়িত থাকেন এবং পক্ষদ্বয়ের যুক্তি শুনে ও প্রমাণ বিচার করে রায় দেন।

⇒ Other Options:
-Section 4(H) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
-Section 4(L) "investigation" includes all the proceedings under this Code for the Collection of evidence conducted by a police-officer or by any person (other than a Magistrate) who is authorised by Magistrate in this behalf: 
-Section 4(M) "judicial proceeding" includes any proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath:
২,০৪৫.
দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে দস্যুতার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারামতে দস্যুতার শাস্তি (Punishment for robbery)- অনধিক ১০ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। তবে দস্যুতার অপরাধ সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় সংঘটিত হলে দস্যুতার শাস্তি ১৪ বৎসর পর্যন্ত 'সশ্রম' কারাদণ্ড হতে পারে।
অর্থাৎ The Penal Code, 1860 অনুসারে দস্যুতার সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান দস্যুতার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 392. Punishment for robbery:- Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
২,০৪৬.
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের উদ্দেশ্য কী হতে পারে?
  1. সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শন
  2. সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে অপমান করা
  3. সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে বিরক্ত করা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 441: Criminal trespass:
Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
২,০৪৭.
পেনাল কোডে কত ধরণের গুরুতর জখমের কথা উল্লেখ রয়েছে?
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ধারা ৩২০-এ ৮ ধরণের অপরাধের তালিকা দেওয়া হয়েছে যেগুলো মারাত্মক বা grivious hurt হিসেবে গণ্য হবে।
♦পেনাল কোডের ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে। যথাঃ
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।
২,০৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়?
  1. ৪১৭
  2. ৪১৭ক
  3. ৪০৭ক
  4. ৪১১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
---------------------------
CrPC-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
২,০৪৯.
নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা মালিকানা নির্ধারণ হয় না
  2. ১৪৫ ধারার ক্ষমতা হল বাধ্যতামূলক
  3. ১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে
  4. ১৪৫ ধারার আদেশের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।

♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

♦ ১৪৫(৪) ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট দখল সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে গিয়ে পক্ষসমূহ ও সাক্ষীদের বক্তব্য শ্রবন ও সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।

♦ সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা বৃদ্ধি না করলে ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; কিন্তু ১৪৫ ধারার আদেশের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই।
♦ যেহেতু ১৪৫ ধারায়  he, shall শব্দাবলী ব্যবহার করা হয়েছে তাই ১৪৫ ধারার ক্ষমতা বাধ্যতামূলক।

♦ প্রশ্নে অপশন (গ) ১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে তথ্যটি সঠিক নয়।
২,০৫০.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুসারে, গুরুতর আঘাতের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পুরুষত্বহীন করণ
  2. চোখের স্থায়ী অন্ধত্ব
  3. মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  4. যেকোনো অঙ্গের অস্থায়ী চোট
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩২০ অনুসারে, গুরুতর আঘাতের মধ্যে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ৮টি ধরনের আঘাত অন্তর্ভুক্ত, যেমন পুরুষত্বহীন করণ (প্রথম দৃষ্টান্ত), চোখের স্থায়ী অন্ধত্ব (দ্বিতীয় দৃষ্টান্ত) এবং মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি (ষষ্ঠ দৃষ্টান্ত)। কিন্তু যেকোনো অঙ্গের অস্থায়ী চোট গুরুতর আঘাতের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি স্থায়ী ক্ষতি বা গুরুতর প্রভাব (যেমন ২০ দিনের যন্ত্রণা বা অপারগতা) সৃষ্টি করে না; এটি সাধারণ আঘাতের (ধারা ৩১৯) আওতায় পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:
- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:

প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

২,০৫১.
কোন ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট মোকদ্দমায় এক বা একাধিক ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা যায়?
  1. পৃথক মোকদ্দমায় তথ্য সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হলে
  2. পৃথক মোকদ্দমা ব্যয়সাপেক্ষ হলে
  3. পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করা সময়সাপেক্ষ হলে
  4. পৃথক মোকদ্দমায় আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মোকদ্দমায় দুই ধরণের পক্ষ থাকে। যথা-
১. বাদী পক্ষ;
২. বিবাদী পক্ষ।

• [বিধি ১ থেকে ৩] মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে।একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে।

উদাহরণ-
'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে । এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
২,০৫২.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী সম্পত্তির সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অধিকার লঙ্ঘনের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ব্যবহারের অধিকার আছে এমন ব্যক্তির দ্বারা সম্পত্তি অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির মামলার তামাদি মেয়াদ হলো ২ বছর। এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় যখন সম্পত্তির অপব্যবহার ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি প্রথম জানতে পারে।

- অর্থাৎ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ব্যবহারের অধিকার লঙ্ঘনের মামলার তামাদি মেয়াদ হলো ২ বছর, যা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি অপব্যবহার সম্পর্কে জানার সময় থেকে গণনা করা হয়।


২,০৫৩.
নিঃস্ব ব্যক্তির আপিলের ক্ষেত্রে নিঃস্বতা সম্পর্কে তদন্ত কে করবে?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  2. আপিল শ্রবণকারী আদালত
  3. সংশ্লিষ্ট বার এসোসিয়েশন
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-২ঃ নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত-

আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সে আদালত তদন্ত করতে পারবে-

তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।

Inquiry into pauperism:
The inquiry into the pauperism of the applicant may be made either by the Appellate Court or under the order of the Appellate Court by the Court from whose decision the appeal is preferred:

Provided that, if the applicant was allowed to sue or appeal as a pauper in the Court from whose decree the appeal is preferred, no further inquiry in respect of his pauperism shall be necessary, unless the Appellate Court sees cause to direct such inquiry.
২,০৫৪.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ (Compensatory cost) দেয়া যায়-
  1. সর্বনিম্ন ২০,০০০ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা
  3. সর্বনিম্ন ১০,০০০ টাকা
  4. সর্বোচ্চ ২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-

 i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ;  এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ। 

ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোন পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
২,০৫৫.
দণ্ডবিধির ১৭১ঙ ধারা অনুযায়ী, আপ্যায়নের (treating) মাধ্যমে ঘুষ দেওয়ার শাস্তি কী?
  1. কেবল জরিমানা
  2. সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড
  4. কারাদণ্ড ও জরিমানা উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ঙ (১৭১E) ধারায় ঘুষ (bribery) অপরাধের সাধারণ শাস্তি সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়। কিন্তু এই ধারার প্রভিশ্রুতি (Proviso) অনুসারে, "আপ্যায়ন" (treating) এর মাধ্যমে ঘুষ দেওয়ার ক্ষেত্রে শাস্তি কেবল জরিমানা হবে। আপ্যায়ন বলতে খাবার, পানীয়, বিনোদন বা সরবরাহের মাধ্যমে সন্তুষ্টি প্রদানকে বোঝায়। অন্য অপশনগুলো সাধারণ ঘুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কিন্তু treating-এর জন্য নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ঙ ধারা: ঘুষের শাস্তি:
যে কেউ ঘুষের অপরাধ করবে, তাকে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আপ্যায়নের মাধ্যমে ঘুষ দেওয়া হলে শুধুমাত্র অর্থদণ্ড দ্বারা দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা- আপ্যায়ন বলতে ঘুষের সেই রূপকে বোঝায় যেখানে অনুগ্রহ বা সুবিধা খাদ্য, পানীয়, বিনোদন, বা আতিথেয়তার আকারে প্রদান করা হয়।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 171E- Punishment of bribery:
Whoever commits the offence of bribery shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both:
Provided that bribery by treating shall be punished with fine only. 

Explanation- Treating means that form of bribery where the gratification consists in food, drink, entertainment, or provision.

২,০৫৬.
কয়টি ক্ষেত্রে শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা অধিকার মৃত্যু ঘটানোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য?
ব্যাখ্যা
♦  দন্ডবিধির ১০০ ধারামতে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য ৬টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) এমন আক্রমন যা মৃত্যু ঘটাতে পারে
ii) এমন আক্রমন যা গুরুতর আঘাত তৈরী করতে পারে 
iii) ধর্ষণের ক্ষেত্রে 
iv) অপ্রকৃত কাম লালসার ক্ষেত্রে 
v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টা করলে 
vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক করলে
২,০৫৭.
সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ইলেকট্রনিক রেকর্ডের তৈরি
  2. মৌখিক সাক্ষ্যের গ্রহণ
  3. হাতের লেখা স্বাক্ষর যাচাই
  4. ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা প্রমাণ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩ক সরাসরি ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা প্রমাণ (Proof as to verification of digital signature)-এর সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুসারে, আদালত কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষরটি প্রকৃতপক্ষে সেই ব্যক্তির কিনা, যার নামে এটি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা যাচাই করার জন্য নিম্নলিখিত নির্দেশ দিতে পারেন:
- সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ (Digital Signature Certificate) জমা দিতে বলতে পারেন।
- অন্য কোনো ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকা (Public Key) ব্যবহার করে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি যাচাই করতে বলতে পারেন।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা প্রমাণ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
----------
⇒The Evidence Act  1872, Section-73A. Proof as to verification of digital signature:
- In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).

২,০৫৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় কয়টি ক্ষেত্রে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।
- পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)
২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )
৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)
৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
------------------------------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54.When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest- 
firstly , any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned; 
secondly , any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking; 
thirdly , any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government; 
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing; 
fifthly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody; 
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh; 
seventhly , any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh; 
eighthly , any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3); 
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.
২,০৫৯.
'ক' একজন মৃত ব্যক্তির দানপত্রের নির্বাহক। দানপত্রে তাকে যেভাবে সম্পত্তি বন্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা ভঙ্গ করে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে । 'ক' __________ করেছে।
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি ‘অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের’ অপরাধ করেছে।

উদাহরণ:
(ক) ক কোন মৃত ব্যক্তির দানপত্রের নির্বাহক। দানপত্রে তাকে যেভাবে সম্পত্তি বন্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা ভঙ্গ করে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে । ক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে।

(খ) ক একটি গুদামের রক্ষক। চ বিদেশ যাত্রাকালে তার আসবাবপত্র ক-এর কাছে গচ্ছিত রাখে এই শর্তে যে, গুদামের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থপ্রদানের পর গুদাম হতে চ-এর আসবাবপত্র প্রত্যপণ করা হবে। ক অসাধুভাবে এই গচ্ছিত আসবাবপত্র বিক্রয় করে । ক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে।

(গ) ঢাকার বাসিন্দা ক চট্টগ্রামের বাসিন্দা চ-এর এজেন্ট। ক ও চ-এর মধ্যে একটি স্পষ্ট বা অব্যক্ত চুক্তি এই মর্মে বিদ্যমান আছে যে, চ-এর প্রেক্ষিতে সকল টাকা ক, চ-এর নির্দেশ মত বিনিয়োগ করবে। চ ক-এর কাছে এক লক্ষ টাকা প্রেরণ করে এই টাকা কোম্পানির কাগজে লগ্নি করার নির্দেশ দেয়। ক অসাধুভাবে নির্দেশটি অমান্য করে টাকাটা নিজের ব্যবসায় খাটায়। ক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে।
২,০৬০.
দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ সংক্রান্ত কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে, হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ-
  1. বহাল রাখতে পারেন
  2. বাতিল করতে পারেন
  3. পরিবর্তন করে অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারেন
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দণ্ড দিতে পারেন, বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত, অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।

Section 376- Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
In any case submitted under section 374, 405 the High Court Division-
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 

Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
২,০৬১.
বেসরকারি ব্যক্তি কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ করা হলে, পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারামতে পুনরায় গ্রেফতার দেখাতে পারে?
  1. ৪১ ধারা
  2. ৪৬ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
২,০৬২.
ফরিয়াদী 'ক' মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক কত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
২,০৬৩.
বাদীর অনুপস্থিতির, কারণে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৮ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত মোকদ্দমা খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের [Directly setting aside the order of the dismissal of the suit] আবেদন করা যায়?
  1. আদেশ ৯ এর ৯ বিধি
  2. আদেশ ৯ এট ১০ বিধি
  3. আাদেশ ৯ এর ৯ক বিধি
  4. আদেশ ৯ এর ১৩ বিধি
ব্যাখ্যা
♦ বাদীর অনুপস্থিতির, কারণে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৮ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত মোকদ্দমা খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের আবেদন করা যায় দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৯ক বিধি অনুসারে এই ক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ১ হাজার খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।
২,০৬৪.
Order XVIII এর Rule 20 অনুসারে, দৈনিক কার্যতালিকায় চূড়ান্ত শুনানির জন্য কতটির বেশি মামলা নির্ধারণ করা যাবে না?
  1. পাঁচটির বেশি
  2. সাতটির বেশি
  3. দশটির বেশি
  4. পনেরোটির বেশি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার XVIII, বিধি-২০ (সংশোধিত) অনুসারে, আদালত দৈনিক কার্যতালিকার চূড়ান্ত শুনানির জন্য মুলতবি শুনানিতে থাকা চারটি মামলাসহ দশটির বেশি মামলা নির্ধারণ করবে না। এটি সংশোধনের পরবর্তী পরিবর্তনে "পাঁচ" থেকে "দশ"-এ বাড়ানো হয়েছে, যাতে আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার XVIII, বিধি-২০: আদালত দৈনিক কার্যতালিকার চূড়ান্ত শুনানির জন্য মুলতবি শুনানিতে থাকা চারটি মামলাসহ দশটির বেশি মামলা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে দুইশ'র বেশি মামলা নির্ধারণ করবে না; এবং যখন নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ে মামলার মোট সংখ্যা একশ' চল্লিশটির নিচে নেমে আসবে, তখন আদালত সাধারণত মামলা দায়েরের তারিখের ক্রমানুসারে আরও মামলা চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে আসবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোনো আদালতে উপরোক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণের জন্য শুনানির জন্য প্রস্তুত মামলার সংখ্যা যথেষ্ট না হয়, তবে আদালত যুক্তিসঙ্গতভাবে মামলা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে নিজস্ব বিবেচনা প্রয়োগ করতে পারবে। 

ব্যাখ্যা: এই বিধিতে "চূড়ান্ত" ("peremptory") শব্দটি সিভিল রুলস অ্যান্ড অর্ডারসে ব্যবহৃত শব্দের অনুষঙ্গ হিসাবে অর্থ বহন করবে। 

২,০৬৫.
According to the Penal Code, the words "______" denote any testamentary document.
  1. a deed
  2. a will
  3. a contract
  4. a document
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 31.“A will” The words "a will" denote any testamentary document.

⇒ The Penal Code, 1860-এর ধারা ৩১ অনুযায়ী, "A will" শব্দটি যেকোনো টেস্টামেন্টারি ডকুমেন্ট বা ইচ্ছাপত্র নির্দেশ করে।
- ধারা ৩১ অনুযায়ী, "A will" বলতে যে কোনো টেস্টামেন্টারি ডকুমেন্ট বোঝানো হয়, যা একজন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি বা অধিকার সৃষ্টির জন্য তার ইচ্ছাকে প্রকাশ করে।
- এটি এক ধরনের আইনগত দলিল যা মৃত্যুর পর একজন ব্যক্তির সম্পত্তি কিভাবে বিতরণ হবে, তা নির্ধারণ করে।
২,০৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারায় নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কার অধীনস্থ হবেন?
  1. দায়রা আদালতের
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
  4. স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান- নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণ:

(১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন।
 
(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
 
(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
 
(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।
২,০৬৭.
যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কার নিকট সমন প্রেরণ করবেন?
  1. জেনারেল ম্যানেজার
  2. তার পরিবারের নিকট
  3. অফিসের প্রধান কর্মকর্তা
  4. যে কোন একজনকে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে। যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে উক্ত অফিসের প্রধান কর্মকর্তার (head of the office) নিকট আদালত সমনের দ্বি-নকল বা প্রতিলিপি (duplicate copy) প্রেরণ করবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারার বিধান: প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি বরাবর সমন জারিঃ
(১) যে ব্যক্তির উপর সমন জারী করতে হবে, তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন তাহলে সমন প্রদানকারী আদালত সাধারণ অবস্থায় উক্ত ব্যক্তি যে অফিসে কার্যরত আছে উহার প্রধান কর্মকর্তার নিকট দুই কপি সমন প্রেরণ করবেন এবং উক্ত কর্মকর্তা অতঃপর ৬৯ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুসারে সমন জারী করবেন এবং উক্ত ধারার প্রয়োজনানুসারে পৃষ্ঠাঙ্কন করবেন এবং তার স্বাক্ষরসহ আদালতে প্রত্যাপণ করবেন।
(২) এরূপ স্বাক্ষর যথাযথভাবে সমন জারীর  প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে।
২,০৬৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারা অনুসারে, যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩১(৩) অনুসারে যুগ্ম দায়রা জজ এর দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা সীমিত।ধারা ৩১(৩) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, একজন যুগ্ম দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারবেন, তবে মৃত্যুদণ্ড বা দশ বছরের অধিক মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড বা দশ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ড ব্যতীত।
অতএব, যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন: 
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-31. Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.

২,০৬৯.
In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by ____________________.
  1. a government pleader
  2. a Public Prosecutor
  3. a police officer
  4. a court officer
ব্যাখ্যা
⇒ In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
⇒ দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির

-ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
-কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial)
ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-265A: Trial to be conducted by Public Prosecutor:
-In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

ধারা ২৬৫খ তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভযোেগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
[When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.]
২,০৭০.
কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক অফিসারকে জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে-
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।
 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারার বিধান জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার ক্ষমতা এধরণের কোন সমাবেশ কর্তৃক যেক্ষেত্রে জননিরাপত্তা দৃশ্যত বিপদগ্রস্ত হয় এবং যেক্ষেত্রে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় না, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামরিক শক্তি প্রয়োগপূর্বক এ ধরনের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং এ ধরনের ছত্রভঙ্গ করার অথবা আইন অনুসারে শাস্তি প্রদানের জন্য উক্ত সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও আটক করতে পারবেন; তবে এই ধারার বিধানমতে কার্য চলাকালীন সময় তাঁর পক্ষ কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হলে তিনি যোগাযোগ স্থাপন করবেন এবং অতঃপর কার্য চালিয়ে যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়ে তাঁর নির্দেশ পালন করবেন।
-----------------
Section 131: Power of commissioned military officers to disperse assembly:
-When the public security is manifestly endangered by any such assembly, and when no Executive Magistrate can be communi-cated with, any commissioned officer of the Bangladesh Army may disperse such assembly by military force, and may arrest and confine any persons forming part of it, in order to disperse such assembly or that they may be punished according to law; but if, while he is acting under this section, it becomes practicable for him to communicate with an Executive Magistrate, he shall do so, and shall thenceforward obey the instructions of the Magistrate as to whether he shall or shall not continue such action.
২,০৭১.
স্থাবর সম্পত্তি সংশ্লিষ্ট কোনো স্বার্থ যার সম্পর্কে এই আইনে কোন বিশেষ বিধান নেই, সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কত হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৬০ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৪৪

স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য বা তৎসংশ্লিষ্ট কোনো স্বার্থ যার সম্পর্কে এই আইনে কোন বিশেষ বিধান না থাকলে,
তামাদি - ১২ বছর;
সময় গণনা শুরু - বিবাদীর দখল যখন বাদীর জন্য প্রতিকূল হয়।
২,০৭২.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারানুসারে স্থাবর সম্পত্তির অনিবন্ধিত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবতযোগ্য নয়?
  1. 17
  2. 12
  3. 15
  4. 21A
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, এর ধারা ২১ক হচ্ছে অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-

(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিষ্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং

(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
২,০৭৩.
Imprisonment, which is of _________ descriptions.
  1. 2
  2. 3
  3. 5
  4. 6
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:

      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)

      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)

      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং

           খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)

      (v) অর্থদণ্ড (fine)

♦দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম।
     
♦ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
২,০৭৪.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে ১ লক্ষ টাকার একটি ডিক্রী পেলো। ডিক্রী জারীর মাধ্যমে ‘ক’ অর্থ আদায় করলো। উক্ত ডিক্রীর বিরুদ্ধে ‘খ’ আপীল করায় আপীলের রায় ‘খ’ এর পক্ষে আসে। রায় পরিবর্তন হওয়ায় ‘খ’ উক্ত টাকা পরিশোধের তারিখ হতে সুদ সহ উক্ত টাকা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে। উক্ত নীতিটি হলো ?
  1. প্রত্যর্পন বা পুনরুদ্ধার
  2. বিশেষ ক্ষমতা
  3. জরিমানা
  4. খ ও গ উভয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৪৪ ধারায় প্রত্যর্পন বা পুনরুদ্ধার বিষয়ে বলা হয়েছে অর্থাৎ ১ম ডিক্রী কার্যকরে পরে আপীলের রায় পরিবর্তন হলে সম্পত্তি বা সম্পদ পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।
• এখানে প্রথমে ‘খ’ অর্থ পরিশোধ করে পরে ‘খ’ এর আপীলের প্রেক্ষিতে রায় পরিবর্তন হওয়ায় ‘খ’ এর সম্পদ ‘ক’ পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দিবে।
২,০৭৫.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩৮ অনুযায়ী, জলপ্রবাহের পথ পরিবর্তনের মামলায় তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় কখন থেকে?
  1. ক্ষতি দেখা দেওয়ার তারিখ থেকে
  2. পরিবর্তন সম্পূর্ণ হওয়ার তারিখ থেকে
  3. পরিবর্তনের কাজ শুরু করার তারিখ থেকে
  4. পরিবর্তনের পরিকল্পনা করার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) পরিবর্তন সম্পূর্ণ হওয়ার তারিখ থেকে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩৮-এ বলা হয়েছে:
- "For compensation for diverting a water-course"
- Limitation: 3 years
- When: The date of the diversion

- অর্থাৎ, যদি কেউ কোনো জলপ্রবাহের পথ পরিবর্তন করে এবং এর ফলে অন্য কারো ক্ষতি হয়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি জলপ্রবাহ পরিবর্তনের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারবেন।
- এখানে "the date of the diversion" বলতে বোঝানো হয়েছে— যখন পানি প্রবাহের পথ বাস্তবিকভাবে পরিবর্তন সম্পন্ন হয়, অর্থাৎ পরিবর্তন সম্পূর্ণ হয়।

 অতএব, তামাদি মেয়াদ শুরু হয় সেই তারিখ থেকে যেদিন জলপ্রবাহের পরিবর্তন বাস্তবায়িত হয় বা সম্পূর্ণ হয়, শুধুমাত্র পরিকল্পনা বা কাজ শুরুর তারিখ থেকে নয়।
২,০৭৬.
The Evidence Act,1872 এর কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করার বিধান রয়েছে?
  1. ৮৫গ ধারা
  2. ৭৩ক ধারা
  3. ৭৩খ ধারা
  4. ৮৫ক ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ The Evidence Act, 1872-এর ৭৩এ (Section 73A) ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাইয়ের বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালত নির্ধারণ করতে পারে কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে কি না। এর জন্য আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, কন্ট্রোলার বা সার্টিফাইং অথরিটিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারে অথবা পাবলিক কি (Public Key) প্রয়োগ করে যাচাই করতে পারে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872- section-73A. Proof as to verification of digital signature:
- In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).]

২,০৭৭.
"ক" একজন ব্যক্তিকে খুনের ষড়যন্ত্র করে এবং খুনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে, এক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ১১৪ ধারা অনুযায়ী 'ক' এর বিচার কী হবে?
  1. শুধুমাত্র ষড়যন্ত্রের জন্য
  2. শুধুমাত্র সহায়তার জন্য
  3. খুনের অপরাধী হিসেবে
  4. কোন অপরাধে নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধে সহায়তা করে (abetment), যাতে সে অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, তাহলে তাকে আর শুধু সহায়তাকারী হিসেবে নয়, প্রধান অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে।
- অর্থাৎ, উস্কানিদাতা (Abettor) যদি অপরাধ সংঘটনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে, তাহলে আইন তাকে সহায়তাকারী না ভেবে মুল অপরাধী হিসেবে দেখবে এবং তদনুসারে শাস্তি প্রদান করবে।

⇒The Penal Code, 1860- Section- 114: Abettor present when offence is committed:
Whenever any person, who if absent would be liable to be punished as an abettor, is present when the act or offence for which he would be punishable in consequence of the abetment is committed, he shall be deemed to have committed such act or offence.

→ যেহেতু "ক" খুনের ষড়যন্ত্র করেছে এবং খুনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল, তাই দণ্ডবিধির ১১৪ ধারা অনুযায়ী তাকে খুনের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে।
সঠিক উত্তর: গ) খুনের অপরাধী হিসেবে।
২,০৭৮.
কারাদণ্ড ৬ মাসের বেশি তবে একবছরের কম হলে নির্জন কারাবাস সর্বোচ্চ কত দিনের হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:
- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে:
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
-----------------
→ The Penal Code,1860- Section 73. Solitary confinement:
-Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months: 
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year: 
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.
২,০৭৯.
৭ বছর বা তদূর্ধ্ব দণ্ডযোগ্য অপরাধ সম্পর্কিত মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হলে, দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

২,০৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩৩৯
  2. ধারা ৩৪০
  3. ধারা ৩৪১
  4. ধারা ৩৪২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪০-এ অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ধারার মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

- আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষার অধিকার: প্রতিটি অভিযুক্ত ব্যক্তি ফৌজদারি আদালতে নিজেকে আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা করার অধিকার রাখে (ধারা ৩৪০(১))।
- সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা: অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের বা সহ-অভিযুক্তের পক্ষে শপথ নিয়ে সাক্ষ্য দিতে পারেন (ধারা ৩৪০(৩))।
- সুরক্ষা বিধান: তাকে শুধুমাত্র নিজের লিখিত অনুরোধে সাক্ষী হিসেবে ডাকা যাবে। সাক্ষ্য না দিলে তা তার বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অনুমানের কারণ হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
তবে শর্ত এই যে-
- সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
- সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial:
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.

২,০৮১.
কোন ব্যক্তি তার দখলে থাকা দলিল হাজির করতে অস্বীকার করলে, তাহলে আদালত উক্ত ব্যক্তিকে কি দণ্ড দিতে পারে?
  1. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অর্থদণ্ড
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮৫- কোন ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ

কোন ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন, যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
২,০৮২.
“Oral evidence must, in all cases whatever, be direct” – এই বিধান কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৫৬
  2. ধারা ৫৯
  3. ধারা ৬০
  4. ধারা ৬২
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬০-এর শিরোনামই হলো “Oral evidence must be direct”। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে: “Oral evidence must, in all cases whatever, be direct” অর্থাৎ মৌখিক সাক্ষ্য সব ক্ষেত্রেই অবশ্যই প্রত্যক্ষ (Direct) হতে হবে – দেখলে “দেখেছি”, শুনলে “শুনেছি”, অনুভব করলে “অনুভব করেছি” বলতে হবে। পরোক্ষ বা শোনা-কথা (hearsay) গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে: মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি অন্য কোন ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে সে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা বা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত অথবা অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
তবে শর্ত এই যে, বিশেষজ্ঞের অভিমত পোষকতার কোন গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজাবে বিক্রিয় হয়, সেক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর উহা প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাহাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন।
ইহা ছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলেই সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
- Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say-
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it;
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner;
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds:
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable:
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.

২,০৮৩.
আপিলকারী যদি আপিল শুনানির দিনে উপস্থিত না থাকে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি মুলতবি রাখতে পারে
  2. পুনঃশুনানির নির্দেশ দিতে পারে
  3. আপিল খারিজ করে দিতে পারে
  4. রায় ঘোষণা স্থগিত রাখতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১৭(১) অনুসারে, যদি আপিলকারী নির্ধারিত দিনে বা পরবর্তী শুনানির দিনে উপস্থিত না থাকে, তাহলে আদালত আপিল খারিজ করে দিতে পারে। এটি "Dismissal of appeal for appellant's default" নামে পরিচিত।

⇒ আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।
২) একতরফা ভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।

অর্থাৎ আদেশ-৪১ বিধি-১৭(১) অনুযায়ী, যদি আপিলকারী শুনানির নির্ধারিত দিনে বা মুলতবি হওয়া অন্য কোনো দিনে উপস্থিত না থাকেন, তবে আদালত আপিলটি খারিজ করে দিতে পারে।
- সঠিক উত্তর: গ) আপিল খারিজ করে দিতে পারে।
২,০৮৪.
বিচার্য বিষয় কখন তৈরি হয়?
  1. যখন আদালত মামলা গ্রহণ করে
  2. যখন বাদী আদালতে অভিযোগ দায়ের করে
  3. যখন মামলার শুনানি শেষ হয়
  4. যখন এক পক্ষ ঘোষণা করে আর অন্য পক্ষ তা অস্বীকার করে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৪ বিধি ১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-

১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
২,০৮৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বাদী সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে অথবা সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনসহ অতিরিক্ত হিসেবে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারে?
  1. ১৭ ধারা
  2. ১৮ ধারা
  3. ১৯ ধারা
  4. ২০ ধারা
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা: কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases: Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such a manner as the court may direct.

২,০৮৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২৬ অনুসারে, একজন উকিল কী প্রকাশ করতে বাধ্য নন?
  1. আদালতের রায়
  2. নিজের আয়ের বিবরণ
  3. মক্কেলের দেওয়া সকল তথ্য
  4. পেশাগত সম্পর্কের সময় প্রাপ্ত গোপনীয় তথ্য
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) পেশাগত সম্পর্কের সময় প্রাপ্ত গোপনীয় তথ্য।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১২৬ অনুযায়ী:
একজন ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল তাঁর মক্কেলের পক্ষে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময়: মক্কেলের পক্ষ থেকে বা উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত বার্তা, মক্কেলকে দেওয়া পরামর্শ, অথবা যে দলিলসমূহের সঙ্গে তিনি পরিচিত হয়েছেন, এসব গোপনীয় তথ্য তিনি মক্কেলের স্পষ্ট সম্মতি ছাড়া প্রকাশ করতে পারেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদনকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহতি দিবেন না।
(১) বেআইনি উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 126 Professional communications:
- No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment:

Provided that nothing in this section shall protect from disclosure–
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose:
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment.
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client.

Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.
২,০৮৭.
অভিযোগকারী কতদিনের মধ্যে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে;
২- দায়রা জজের নিকট।

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর;
২. অভিযোগকারী।

৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, 
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
২,০৮৮.
In view of Section 164 of the Code of Criminal Procedure,1898, which is the correct statement?
  1. Any Metropolitan or Judicial Magistrate may, whether jurisdiction has or not in the case, can record confession or statement made in the course of an investigation
  2. Confession can also be recorded by a Police Officer on whom any power of a Magistrate has been conferred
  3. The recording of statement can only be done by the Magistrate who has the jurisdiction
  4. None of above
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচার করার এখতিয়ার থাকুক বা না থাকুক, যেকোনো বিবৃতি (Statement) বা দোষ স্বীকারোক্তি (Confession) লিপিবদ্ধ করতে পারেন।

Section 164: Power to record statements and confessions-

(1) Any Metropolitan Magistrate, any Magistrate of the first class and any Magistrate of the second class specially empowered in this behalf by the Government may, if he is not a police-officer record any statement or confession made to him in the course of an investigation under this Chapter or at any time afterwards before the commencement of the inquiry or trial. 
 
(2) Such statements shall be recorded in such of the manners hereinafter prescribed for recording evidence as is, in his opinion best fitted for the circumstances of the case. Such confessions shall be recorded and signed in the manner provided in section 364, and such statements or confessions shall then be forwarded to the Magistrate by whom the case is to be inquired into or tried. 
 
(3) A Magistrate shall, before recording any such confession, explain to the person making it that he is not bound to make a confession and that if he does so it may be used as evidence against him and no Magistrate shall record any such confession unless, upon questioning the person making it, he has reason to believe that it was made voluntarily; and, when he records any confession, he shall make a memorandum at the foot of such record to the effect.

Explanation- It is not necessary that the Magistrate receiving and recording a confession or statement should be a Magistrate having jurisdiction in the case.
২,০৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সার্চ-ওয়ারেন্ট কার্যকর করার সময় কোনটি মানতে হবে?
  1. অভিযুক্তের উপস্থিতি
  2. স্থানীয় নেতাদের অনুমতি
  3. ওয়ারেন্টে উল্লেখিত নির্দেশনা
  4. বিচারিক আদালতের সামনে অনুসন্ধান করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুসারে, যখন কোনো আদালত মনে করে যে, কোনো দলিল, বস্তু বা প্রমাণ জব্দের জন্য সার্চ ওয়ারেন্ট জারির প্রয়োজন রয়েছে, তখন আদালত তল্লাশি পরোয়ানা (search warrant) ইস্যু করতে পারে।
-  এই ওয়ারেন্ট যাকে নির্দেশ করা হয় (অর্থাৎ পুলিশ বা তদন্তকারী কর্মকর্তা), সে ওয়ারেন্টে যা বলা আছে, সেটি অনুযায়ী এবং আইন অনুযায়ী তল্লাশি পরিচালনা করবে।
 অর্থাৎ, সার্চ-ওয়ারেন্ট কার্যকর করার সময়: অভিযুক্তের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়, স্থানীয় নেতার অনুমতি প্রয়োজন নয়, বিচারিক আদালতের সামনেই অনুসন্ধান করতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই।
-  শুধু ওয়ারেন্টে যা বলা আছে, এবং ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী অনুসরণ করাই বাধ্যতামূলক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-96: When search-warrant may be issued:
-(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition,
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person,
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection,
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained.
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
২,০৯০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় আক্রমণ (Assault)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা-৩৬১
  2. ধারা-৩৫১
  3. ধারা-৩৫০
  4. ধারা-৩৪৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫১-এ আক্রমণ (Assault)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যদি অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি নেয়, যার ফলে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি ভয় পায় যে তাকে অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করা হতে পারে, তবে তা আক্রমণ বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 351. Assault:
- Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.
২,০৯১.
আদালত কর্তৃক গৃহীত জবানবন্দী-
  1. বিচারক কর্তৃক সারমর্ম লিখিত হবে
  2. মোকদ্দমার নথির অংশে পরিণত হবে
  3. পক্ষগণকে প্রদান করা হবে
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

বিধি-৩ঃ জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত হতে হবে-
জবানবন্দির সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে এবং তা নথির অংশে পরিণত হবে।

Rule.-3: Substance of examination to be written-
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record
২,০৯২.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিধান অনুযায়ী, সমন ফেরত আসলে বাদীকে কত দিনের মধ্যে নতুন সমন জারির আবেদন করতে হবে?
  1. ২ মাসের মধ্যে
  2. ১ মাসের মধ্যে
  3. ১০ দিনের মধ্যে
  4. ৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 5(1) অনুযায়ী, যদি সমন ফেরত আসে (returned unserved), তবে বাদীকে ১ মাসের মধ্যে নতুন সমন জারির জন্য আবেদন করতে হবে।
- যদি বাদী এই নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন না করে, তবে আদালত মামলাটি খারিজ করতে পারেন।
- তবে Rule 5(2) অনুযায়ী, বাদী চাইলে তামাদি আইনের সীমার মধ্যে নতুন করে মামলা দায়ের করতে পারে।
- আদালত যথাযথ কারণ দেখালে সময়সীমা বাড়াতেও পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 5 অনুসারে, যদি সমন ফেরত আসে এবং বাদী ১ মাসের মধ্যে নতুন সমন জারির জন্য আবেদন না করে, তবে আদালত সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজের আদেশ দিতে পারে। তবে বাদী যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে তার যথাসাধ্য চেষ্টা সত্ত্বেও সমন জারি করা সম্ভব হয়নি, অথবা অন্য কোনো বৈধ কারণ ছিল, তবে আদালত সময় বৃদ্ধি করতে পারে।
২,০৯৩.
The Penal Code-এর ৫২ ধারা অনুযায়ী "Good faith" অর্থ কী?
  1. অন্যের কথায় বিশ্বাস করে কোনো কাজ করা
  2. যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া কোনো কাজ করা
  3. যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ সহকারে কোনো কাজ করা
  4. দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া জন্য কোনো কাজ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫২ অনুসারে, "good faith"-এ কোনো কাজ বা বিশ্বাস করা হয় যথাযথ যত্ন এবং মনোযোগ (due care and attention) সহকারে। যদি এই যত্ন এবং মনোযোগের অভাব থাকে, তাহলে তা good faith হিসেবে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে।
- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
---------
⇒ The Penal Code,1860- Section 52:
- “Good faith”: Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

২,০৯৪.
বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা কে ইস্যু করতে পারেন?
  1. জেলা জজ
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির বিধান রয়েছে। ১০০ ধারা অনুযায়ী বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারার বিধান-
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।

Section 100: Search for persons wrongfully confined:
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
২,০৯৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮ অনুযায়ী, কোন বিষয়ে অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. আত্মীয়তার সম্পর্ক
  2. অপরাধের প্রমাণ
  3. আদালতের সিদ্ধান্ত
  4. সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৪৮ ধারার বিধান অনুযায়ী, যখন আদালত সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব নির্ধারণ করতে চায়, তখন যেসব ব্যক্তির পক্ষে এই প্রথা বা অধিকার সম্পর্কে জানা স্বাভাবিক, তাদের অভিমত প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়।
এই ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, "সাধারণ প্রথা বা অধিকার" বলতে এমন প্রথা বা অধিকার বোঝানো হয়েছে যা যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর মধ্যে প্রচলিত।
→ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮ অনুযায়ী, সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের অভিমত আদালতের কাছে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।ঃ
ব্যাখ্যা: "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।
উদাহরণ:
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
----------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation- The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.
Illustration:
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
২,০৯৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১২, বিধি-৪ অনুসারে স্বীকারোক্তির জন্য নোটিশ দিতে হবে শুনানির কতদিন আগে?
  1. ৬ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৯ দিন
  4. ১৪ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ৪ অনুসারে, স্বীকারোক্তির জন্য নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে প্রদান করতে হবে।
এবং কোনো পক্ষ ঘটনা স্বীকারের জন্য লিখিত নোটিশ পেলে, তাকে ৬ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে। এই সময়সীমা নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে গণনা করা হয়। আদালত প্রয়োজনে অতিরিক্ত সময় দিতে পারে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XII, Rule 4 অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ লিখিতভাবে অপর পক্ষকে নির্দিষ্ট ঘটনা বা ঘটনাবলি স্বীকার করার জন্য নোটিশ দিতে পারে। এই নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে দিতে হবে।
- এ ধরনের নোটিশ পাওয়ার পর ছয় (৬) দিনের মধ্যে বা আদালতের অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে উত্তর প্রদান করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বীকারোক্তি না করা হয় বা উপেক্ষা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ঘটনা প্রমাণ করার জন্য যে ব্যয় হবে, তা সেই পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোনো নির্দেশ দেন।
- এছাড়া, এই স্বীকারোক্তি কেবল সংশ্লিষ্ট মামলার জন্যই প্রযোজ্য হবে এবং এটি অন্য কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না। আদালত উপযুক্ত মনে করলে, শর্তসাপেক্ষে স্বীকারোক্তি সংশোধন বা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-4: Notice to Admit Facts:
- Any party may, by notice in writing, at any time not later than nine days before the day fixed for the hearing, call on any other party to admit, for the purposes of the suit only, any specific fact or facts mentioned in such notice.
- In case of refusal or neglect to admit the same within six days after service of such notice, or within such further time as may be allowed by the Court, the costs of proving such fact or facts shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs.
Provided that any admission made in pursuance of such notice shall be deemed to be made only for the purposes of the particular suit and not as an admission to be used against the party on any other occasion or in favor of any person other than the party giving the notice.
Provided also that the Court may, at any time, allow any party to amend or withdraw any admission so made on such terms as may be just.

২,০৯৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারায় কোনটি বর্ণিত আছে?
  1. Rectification of instrument
  2. Rescission of Contract
  3. Cancellation of instrument
  4. Declaratory Decree
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:- যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যেকোন পক্ষ বা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং যদি আদালত এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা বা ভুল কার হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করে করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
--------------------------
⇒ Section 31 When instrument may be rectified: When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
২,০৯৮.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান কী?
  1. House-breaking
  2. House-trespass
  3. Criminal trespass
  4. Lurking house-trespass
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান  অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
⇒ অনধিকার গৃহ-প্রবেশ (House-trespass)- কোন ব্যক্তির গৃহে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করলে তা অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে গণ্য হবে।
⇒ ৪৪২ ধারায় গৃহ বলতে দালান (building), তাঁবু (tent), জাহাজ (vessel) বা নৌকাকে বোঝায় যা মানুষের বসবাস, সম্পত্তি সংরক্ষণ অথবা উপাসনার (place for custody of property or for worship) জন্য ব্যবহৃত হতে হবে।
⇒ অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 442. House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.
২,০৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারামতে নিম্নলিখিত কোন পদ্ধতিতে সম্পত্তি ক্রোক করা যায়?
  1. তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার নিয়োগ করে
  2. খাজনা প্রদান বন্ধ করে
  3. সম্পত্তি হস্তান্তর নিষিদ্ধ করে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারামতে নিম্নলিখিত উপায়ে পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা যায়। যথা-

i) অস্থাবর সম্পত্তি হলে আটক করে কিন্তু স্থাবর সম্পত্তি হলে দখল নিয়ে;

ii) তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার নিয়োগ করে:

iii) খাজনা প্রদান বন্ধ করে;

iv) সম্পত্তি হস্তান্তর নিষিদ্ধ করে; অথবা

v) উপর্যুক্ত সকল পদ্ধতি বা যে কোন দুটি ব্যবস্থার মাধ্যমে পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা যায়।
২,১০০.
মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে?
  1. ১০
  2. ১৭
  3. ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে।
- যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।