বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১৯ / ১২৬ · ১,৮০১১,৯০০ / ১২,৬০৫

১,৮০১.
দায়রা বিভাগ গঠনে কয়টি জেলা থাকতে পারে?
  1. দুই বা তার বেশি
  2. এক বা একাধিক
  3. সর্বনিম্ন তিনটি
  4. সর্বোচ্চ চারটি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭ ধারা: দায়রা বিভাগ এবং জেলা-
(১) বাংলাদেশ দায়রা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
বাংলাদেশ বিভিন্ন দায়রা বিভাগে বিভক্ত থাকবে এবং এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে প্রতিটি দায়রা বিভাগ একটি জেলা হিসেবে গণ্য হবে বা একাধিক জেলা নিয়ে গঠিত হবে।

(২) বিভাগ এবং জেলার সীমানা পরিবর্তনের ক্ষমতা:
সরকার এই দায়রা বিভাগ এবং জেলার সংখ্যা বা সীমানা পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।

(৩) বিদ্যমান বিভাগ এবং জেলা বহাল থাকবে:
এই কার্যবিধি কার্যকর হওয়ার সময় যে দায়রা বিভাগ এবং জেলা বিদ্যমান থাকবে, সেগুলো দায়রা বিভাগ এবং জেলা হিসেবে বহাল থাকবে, যতক্ষণ না সেগুলো পরিবর্তন করা হয়।

(৪) মেট্রোপলিটন এলাকা:
মেট্রোপলিটন এলাকা এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে একটি দায়রা বিভাগ হিসেবে গণ্য হবে।
১,৮০২.
What is a "Complaint" according to the Criminal Procedure Code?
  1. Only a police report
  2. An FIR registered with the police
  3. An oral or written allegation made to a Magistrate
  4. A criminal offense proven in court
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না।”

"Complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
১,৮০৩.
মিথ্যা দলিলের অংশ বিশেষ প্রস্তুত করা কোন অপরাধ?
  1. জালিয়াতি
  2. প্রতারণা
  3. মিথ্যা দলিল বানানোর চেষ্টা
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪৬৩ ধারামতে যে কোন একটি উদ্দেশ্যে যথা- কারো ক্ষতি, কোন দাবি বা অধিকার সমর্থন, কাউকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে বাধ্য করা অথবা প্রতারণার অভিপ্রায়ে মিথ্যা দলিল বা ইহার কোন অংশ তৈরি করলে তা জালিয়াতির অপরাধ হবে।
১,৮০৪.
তামাদি আইনের 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান কোন মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. বাটোয়ারা
  2. অগ্রক্রয়
  3. স্বত্ব ঘোষণা
  4. দখল পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু তামাদি আইনে ৮ ধারায় বলা আছে এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম: ৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।

⇒ The Limitation Act:- Section 8: Special exceptions:
- Nothing in section 6 or section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
১,৮০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪০ এর অধীনে পক্ষগণের কী অধিকার নেই?
  1. রিভিশন করার
  2. আপিল করার
  3. অভিযোগ তোলার
  4. বক্তব্য দাখিলের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:
কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
 
Section 440: Optional with Court to hear parties-
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).
১,৮০৬.
'ক' কে গুরুতর আঘাতের অপরাধে 'ম' দণ্ডিত হয়। পরবর্তীতে উক্ত আঘাতজনিত কারণে 'ক' মারা যায়। এক্ষেত্রে-
  1. 'ম' এর পুনরায় বিচার করা যাবে
  2. 'ম' এর পুনরায় বিচার করা যাবে না
  3. দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩(৩) অনুসারে, 'ম' এর পুনরায় বিচার করা যাবে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

এছাড়া, ধারা ৪০৩(৩) অনুসারে-
যখন কোন ব্যক্তি কোন কার্যদ্বারা সৃষ্ট কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং উক্ত কার্য ও তার প্রতিক্রিয়া সমন্বয়ে তদপেক্ষা ভিন্ন ধরনের একটি অপরাধ সৃষ্টি হয়, তখন উক্ত প্রতিক্রিয়া না ঘটে থাকে বা ঘটেছে বলে আদালত অবহিত না থাকলে, পরবর্তীতে শেষোক্ত অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে। 

'ম' প্রথমে গুরুতর আঘাতের অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে, কিন্তু 'ক' মারা যাওয়ায় 'নরহত্যা' অর্থাৎ ভিন্ন অপরাধের সৃষ্টি হয়েছে। তাই নরহত্যার অপরাধে 'ম' কে পুনরায় বিচার করা যাবে।

১,৮০৭.
The Civil Courts Act,1887 এর ৯ ধারায় কোন আদালতকে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগকে
  2. বিচারিক আদালতকে
  3. আপিল আদালতকে
  4. জেলা জজ আদালতকে
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 এর ৯ ধারা অনুযায়ী,
স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
১,৮০৮.
চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে আদালত কতটি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ১টি খরচসহ
  2. ২টি খরচসহ
  3. ৩টি খরচ ছাড়া
  4. ৩টি খরচসহ
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭নং আদেশে [Adjournment] বা মুলতবির বিধানসমূহ রয়েছে। আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। ১৭নং আদেশ অনুযায়ী মুলতবির কিছু সাধারন বিধান-

⇒ আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
⇒ চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে।
অন্যদিকে, চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে (At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করে না।
⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
১,৮০৯.
বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন কে?
  1. পুলিশ কমিশনার
  2. সেনাবাহিনী প্রধান
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১২৯ ধারা মোতাবেক মহানগর এলাকায় মহানগর পুলিশ কমিশনার এবং মহানগর এলাকার বাইরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন।
১,৮১০.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির দখল বিহীন হলে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করার জন্য মেয়াদ কত?
  1. ১২ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী: যখন বাদী স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিল, কিন্তু পরে বেদখল হয়ে যায় বা নিজে থেকে দখল ত্যাগ করে, তখন সেই সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য (সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায়) মামলা করতে হয় ১২ বছরের মধ্যে। এই সময় গণনা শুরু হয় বেদখল হওয়ার বা দখল ত্যাগের তারিখ থেকে।

- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪২ স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল হলে বা দখল ত্যাগ করলে দখল পুনরুদ্ধারের মামলার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় বেদখল হওয়ার বা দখল ত্যাগের তারিখ থেকে।
১,৮১১.
The Evidence Act, 1872 এর ৩৩ ধারার অধীন কোন ক্ষেত্রে পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তীতে প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক হতে পারে না?
  1. সাক্ষীর সন্ধান পাওয়া না গেলে
  2. সাক্ষী পরে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হলে
  3. সাক্ষী নতুন মামলা দায়ের করলে
  4. প্রতিপক্ষ সাক্ষীকে আটকিয়ে রাখলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩: যখন পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তীতে মামলায প্রমানের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে:

কোনো মামলায় কেউ আইন অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার পর যদি তার-
ক) মৃত্যু হয়; বা
খ) সন্ধান পাওয়া না যায়; বা
গ) যে পরে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হয়ে পড়ে; বা
ঘ) প্রতিপক্ষ তাকে আটকিয়ে রাখে;
ঙ) যুক্তিসংগত কারনে তাকে আদালতে উপস্থিত করা সময় এবং ব্যয়সাপেক্ষ হয়।

অর্থাৎ 'সাক্ষী কর্তৃক নতুন মামলা দায়ের করা'- এই ক্ষেত্রে পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তীতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
১,৮১২.
একটি মোকদ্দমায় আদালতে এমন প্রশ্ন উঠেছে যে, ‘খ’-এর নিকট থেকে অর্ডার দেওয়া কিছু মাল 'ক'-এর নিকট অর্পিত হয়েছে কি না। সংশ্লিষ্ট মালগুলি পর্যায়ক্রমিকভাবে কতিপয় মধ্যবর্তী ব্যক্তির নিকট অর্পণ করা হয়েছিল। এখানে-
  1. যেকোনো একটি অর্পণ সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক হবে
  2. প্রত্যেকটি অর্পণ সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান প্রাসঙ্গিক হবে
  3. এইরূপ পর্যায়ক্রমিক অর্পণের কোনো সাক্ষ্যগত মূল্য নেই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৬: একই লেনদেনের অংশ হিসেবে গঠিত ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা-
যে সমস্ত ঘটনা, যদিও মূল বিষয়ে অন্তর্ভুক্ত নয়, তবে মূল বিষয়ের সাথে এমনভাবে সংযুক্ত যে তারা একই লেনদেনের অংশ গঠন করে, সেগুলো প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত হবে—সেগুলো একই সময় ও স্থানে হোক বা ভিন্ন সময় ও স্থানে ঘটুক।

উদাহরণ:
(ক) A-এর বিরুদ্ধে B-কে প্রহারের মাধ্যমে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। মারধরের সময় বা এর ঠিক আগে-পরে A, B বা উপস্থিত ব্যক্তিদের বলা বা করা যেকোনো কিছু এই ঘটনার অংশ হিসেবে প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত হবে।

(খ) A-এর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার অভিযোগ রয়েছে। এই বিদ্রোহের সময় সম্পত্তি ধ্বংস, সৈন্যদের উপর আক্রমণ এবং কারাগার ভেঙে ফেলার মতো ঘটনা ঘটেছে। A প্রত্যক্ষভাবে সব ঘটনার সাথে যুক্ত না থাকলেও, বিদ্রোহের অংশ হিসেবে এগুলো প্রাসঙ্গিক ঘটনা বলে বিবেচিত হবে।

(গ) A, B-এর বিরুদ্ধে একটি চিঠির মাধ্যমে মানহানির অভিযোগ করেছে। যদি চিঠিটি একটি ধারাবাহিক যোগাযোগের অংশ হয়ে থাকে, তবে মানহানির মূল চিঠি না থাকলেও, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য চিঠিগুলোও প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

(ঘ) প্রশ্ন উঠেছে, B-এর কাছ থেকে অর্ডারকৃত পণ্য A-এর কাছে পৌঁছানো হয়েছিল কি না। যদি পণ্যটি একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে ধাপে ধাপে পৌঁছানো হয়ে থাকে, তবে প্রতিটি ধাপে ডেলিভারি হওয়া ঘটনাগুলো প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত হবে।
১,৮১৩.
ফৌজদারী মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. অভিযোগকারীর
  2. রাষ্ট্রের
  3. উক্ত দাবী উপস্থাপনকারীর
  4. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
♦ The Evidence Act 1872 এর ১০১ ধারা অনুযায়ী  প্রমাণের দায়ভার বলতে বুঝায় যদি কোন ব্যক্তি তার দাবি অনুযায়ী অন্যের বিরুদ্ধে রায় কামনা করে তাহলে উক্ত দাবীকৃত বিষয়ের অস্তিত্ব তাকেই প্রমাণ করতে হয়। এই ধারা অনুযায়ী এই প্রমাণের ভার কখনও পরিবর্তন হয় না।
♦ সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব।
♦সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
♦কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত। তবে এর ব্যতিক্রম আছে, যেমন- যে বিষয় বিরূদ্ধ পক্ষের ভাল জানা আছে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই ।
♦অর্থাৎ ফৌজদারি মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমানের দায়িত্ব উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর।
♦সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী ব্যতিক্রম প্রমাণের ভার সর্বদা দাবীকারী আসামীর উপর বর্তাবে। দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায় ৫টি ব্যতিক্রম উল্লেখ আছে যেক্ষেত্রে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে গণ্য হবেনা। যদি খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত কোন আসামী দাবী করে যে, তার কার্যটি ৩০০ ধারায় উল্লেখিত কোনো একটি বিশেষ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তাহলে তাকেই তা প্রমাণ করতে হবে।
♦ The Penal Code, 1860 এর ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার অধীন সাধারণ [General Exceptions] প্রমাণের ভার সর্বদা দাবী উপস্থাপনকারীর।
১,৮১৪.
A person persuades a 17-year-old to commit suicide and it succeeds. What is the maximum legal punishment?
  1. Death
  2. Life imprisonment
  3. Imprisonment up to 10 years
  4. Imprisonment up to 7 years
ব্যাখ্যা

উত্তর: ক) Death.

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩০৫ অনুযায়ী—
যদি কোনো ১৮ বছরের কম বয়সী, বা উন্মাদ/অজ্ঞ/মদ্যপ/delirious ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবে।
- এ অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।
- বিকল্পভাবে আদালত আজীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডও দিতে পারে।

The Penal Code, 1860: Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:

If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
 যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন  ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

১,৮১৫.
Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to __________.
  1. Hurt
  2. Assault
  3. Cause hurt
  4. Force
ব্যাখ্যা
⇒ Section 319. Hurt:- Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.
--------
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারার বিধান: আঘাত:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।
১,৮১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮-এর কার্যকারিতা প্রভাবিত করে না?
  1. ২ ধারা
  2. ৪ ধারা
  3. ৬ ধারা
  4. ৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারার বিধান কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোনো অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections- 4. Savings:
Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed- 
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract; 
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or 
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.
১,৮১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি কোন ধরনের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. সিভিল আইন
  4. বিশেষ মূল আইন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন, যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।

১,৮১৮.
কোন আসামী জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত হলে, তা আদায়ের জন্য দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী কে পরোয়ানা বলবৎ করতে পারে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. জেলা কালেক্টর
  4. যেকোনো দেওয়ানি আদালত
ব্যাখ্যা
কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হলে, তা আদায়ের জন্য দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী জেলা কালেক্টর পরোয়ানা বলবৎ করতে পারে।

ধারা ৩৮৬- জরিমানা আদায় করার পরোয়ানাঃ

(১) যেক্ষেত্রে কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত দু'টি বা উভয় উপায় অনুযায়ী জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা-

(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা

(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত হবে এবং সে যদি অনাদায়বশতঃ সমগ্র কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা দিবে না, যদি না বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন।

(২) সরকার উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ- (ক) এর পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উক্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির কোন দাবী সংক্ষেপে নির্ধারণের ব্যবস্থা নেবার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) আদালত যেক্ষেত্রে উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ (খ) অনুযায়ী কালেক্টরকে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫নং আইন) এর অর্থানুযায়ী উক্ত পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রীদার মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং যে নিকটতম দেওয়ানী আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন উক্ত কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে উক্ত ডিক্রি দাতা আদালত মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং ডিক্রি জারির ব্যাপারে উক্ত কার্যবিধির বিধানাদি অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।
১,৮১৯.
"Assisting in concealment of stolen property" এটি দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৪১৪ ধারা
  2. ৪১৫ ধারা
  3. ৪১৬ ধারা
  4. ৪১৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখার কাজে সহায়তা করা:- কোন ব্যক্তি যদি সে যে সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে সে সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে বা বিলিব্যবস্থা করতে বা নিয়ে সরে পড়তে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ Section 414. Assisting in concealment of stolen property:- Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১,৮২০.
দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা অনুসারে, বেপরোয়া বা অসাবধানতাপূর্ণভাবে নৌযান চালানোর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ১ বছর কারাদণ্ড
  4. ২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা অনুযায়ী, বেপরোয়া বা অসাবধানতাপূর্ণভাবে নৌযান চালানো এমন একটি অপরাধ, যা মানব জীবনের ক্ষতি বা অন্য কারও আহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এই ধারা অনুযায়ী, এমন অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে: ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা (১,০০০ টাকা পর্যন্ত) অথবা উভয়ই হতে পারে।
- এটি অপরাধের মাত্রা ও তার প্রভাবের ওপর নির্ভর করে বিচারকের সিদ্ধান্তে শাস্তি প্রদান করা হয়।

সঠিক উত্তর: খ) ৬ মাস কারাদণ্ড। 

⇒The Penal Code, 1860-Section- 280. Rash navigation of vessel:
Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১,৮২১.
সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারার অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন ব্যক্তিকে 'আদালত' হিসেবে গণ্য করা হবে না?
  1. বিচারক
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সালিসকারী
  4. অন্যান্য আইনগত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনে ৩ ধারা- আদালত:
সাক্ষ্য আইনে 'আদালত' বলতে বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য ব্যক্তিদের বুঝায় যারা আইনগতভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু সালিসকারী বা সালিসী বিচারক বা Arbitrator আদালত বলে গণ্য হবে না।
১,৮২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় চুক্তি ভঙ্গের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসাবে বা অতিরিক্ত হিসাবে ক্ষতিপূরণও চাওয়া যায়?
  1. ১৭
  2. ১৯
  3. ২১
  4. ১২
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
-কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-----------------------
SR Act-Section-19: Power to award compensation in certain cases: 
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly. 
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly. 
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct. 
Explanation:- The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
১,৮২৩.
একজন মৃত ব্যক্তির আর্থিক বিষয়ে কোনো বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হবে যদি উক্ত বিবৃতিটি-
  1. মামলার সাথে অপ্রাসঙ্গিক হয়
  2. ব্যক্তিটির নিজ স্বার্থের অনুকুলে হয়
  3. ব্যক্তিটির নিজ আর্থিক স্বার্থের পরিপন্থি হয়
  4. মামলার প্রতিপক্ষ উক্ত বিবৃতি অস্বীকার করলে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
১,৮২৪.
বার কাউন্সিল কর্তৃক বিধি প্রণয়নের ক্ষেত্রে পূর্ণ অনুমোদন লাগবে-
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধান বিচারপতির
  3. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের
  4. সরকারের
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ- ৪০ মতে The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Order 1972 এর উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সরকারের পূর্বানুমতি নিয়ে বার কাউন্সিল সরকারী গেজেট নোটিফিকেশন দ্বারা বিধি (Rules) প্রণয়ন করতে পারে। বার কাউন্সিল এরূপ বিধি প্রণয়ন না করা পর্যন্ত অনুচ্ছেদ ৪০ (৩) এর অধীন বার কাউন্সিলের ক্ষমতা সরকার কর্তৃক প্রয়োগ করা হবে। এ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সরকার The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 প্রণয়ন করে।

♦ অর্থাৎ বার কাউন্সিল সরকারের পূর্ব অনুমতি নিয়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারে।
১,৮২৫.
'Discharge of sureties'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৫০৩
  2. ধারা ৫০৪
  3. ধারা ৫০২
  4. ধারা ৫০৬
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০২- জামিনদারের অব্যাহতি

জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

Section 502- Discharge of sureties

(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 

(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.

(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
১,৮২৬.
নিম্নলিখিত কোন বিবৃতিটি সাক্ষ্য আইনের ১৫৭ ধারায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যকে সমর্থন করতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না?
  1. আদালতে দেওয়া বিবৃতি
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া বিবৃতি
  3. পুলিশের কাছে দেওয়া বিবৃতি
  4. ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পরে বন্ধুকে দেওয়া বিবৃতি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫৭ ধারা:
"কোন সাক্ষীর সাক্ষ্যকে সমর্থন করার জন্য, ঐ একই বিষয়ে উক্ত সাক্ষী কর্তৃক পূর্বে প্রদত্ত যে কোন বিবৃতি, যা ঘটনা ঘটার সময় বা প্রায় সময়ে, অথবা ঘটনা তদন্তে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রদত্ত হয়েছিল, তা প্রমাণ করা যেতে পারে।"

[In order to corroborate the testimony of a witness, any former statement made by such witness relating to the same fact at or about the time when the fact took place, or before any authority legally competent to investigate the fact, may be proved.]

অর্থাৎ 'ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পরে বন্ধুকে দেওয়া বিবৃতি' একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যকে সমর্থন করতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না। কারণ এটি ঘটনার সময় বা প্রায় সময়ে দেওয়া হয়নি এবং আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্তৃপক্ষের কাছেও প্রদত্ত হয়নি।
১,৮২৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতির প্রাসঙ্গিকতা বিষয়ে বলা আছে?
  1. Section 3
  2. Section 22A
  3. Section 45A
  4. Section 67A
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:-দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।
-----------------------------
⇒ Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.
১,৮২৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৬ ধারায় কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে মহিলাকে গ্রেপ্তার বা আটক করা যাবে না?
  1. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  2. ঘোষণামূলক ডিক্রি
  3. টাকা পরিশোধের ডিক্রি
  4. সম্পত্তি হস্তান্তরের ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৬ ধারা- টাকার ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
এই খণ্ডে অন্য কোন বিধান থাকা সত্ত্বেও আদালত টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেপ্তার বা আটক রাখার আদেশ প্রদান করবে না।

Section 56- Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
১,৮২৯.
The Limitation Act, 1908 এর কোন ধারা অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় ব্যয়িত সময় গণনা থেকে বাদ দিতে হবে?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১৫
ব্যাখ্যা
♦ The Limitation Act, 1908 এর ১৪ ধারার বিধান এখতিয়ারবিহীন আদালতে সমুদ্দেশ্যমূলক কার্যধারায় যেই সময় গণনাহইতে বাদ দিতে হইবেঃ
(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, বাদী কোনো আদিম বা আপিল আদালতে বিবাদীর বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানী কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাইতে থাকে। তবে সেইক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যেই আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করিবার ক্ষমতা সম্পন্ন নহে, সেই আদালতে যদি সদবিশ্বাসে উহা দায়ের করা হইয়া থাকে, তবে শেষোক্ত কার্যক্রমে যেই সময় ব্যয়িত হয়, প্রথমোক্ত মামলার মেয়াদ গণনা হইতে তাহা বাদ দিতে হইবে।
যথাযথ সতর্কতা ও সচেষ্ট প্রয়োগ সত্বেও একজন যুক্তিবান ও পরিণামদর্শী মানুষের পক্ষে যেইধরনের ভুল হওয়া স্বাভাবিক, শুধুমাত্র ঐ ধরনের ভুলের ব্যাপারে জড়িত মামলার ক্ষেত্রেই এইধারার বিধান অনুসারে সুবিধাদান করা যাইতে পারে। নিম্নতর আপিল আদালত যেইক্ষেত্রে যথাযথভাবে অত্র ধারার আওতায় উহার স্ববিচার ক্ষমতা প্রয়োগ করে, সেইক্ষেত্রে হাইকোর্ট উহাতে হস্তক্ষেপ করিয়া থাকে না।
আপিলের জন্য সময় গণনাকালে অত্র ধারাটি প্রয়োগ ঘটে না। তবে ইহার যুক্তিযুক্ত মূলনীতি এবং এই ধারায় ভাবিত পরিস্থিতি যথাসময়ে আপিল উপস্থাপন করিবার জন্য ৫ ধারার অর্থ অনুসারে পর্যাপ্ত কারণ হিসাবে সাধারণত গ্রাহ্য হইতে পারে।
১,৮৩০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০২ ধারায় কার শাস্তি পরিবর্তনের ক্ষমতা আছে?
  1. হাইকোর্ট
  2. দায়রা জজ
  3. সরকার
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

ধারা ৪০২- শাস্তি পরিবর্তনের ক্ষমতা:
(১) সরকার, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই, নিম্নলিখিত যে কোনো একটি শাস্তিকে তার পরে উল্লিখিত অন্য যে কোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে:
মৃত্যুদণ্ড, নির্বাসন, কঠোর কারাদণ্ড যার মেয়াদ তার প্রাপ্য সর্বোচ্চ সময়সীমা অতিক্রম করবে না, একই মেয়াদের সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারায় উল্লিখিত কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার বিধানগুলিকে প্রভাবিত করবে না।

Section 402- Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-
death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.

(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.

১,৮৩১.
The Penal Code, 1860 এর কোন অধ্যায়ে সাধারণ ব্যতিক্রমসূহ বর্ণিত হয়েছে?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা
♦  দণ্ডবিধির ৪র্থ অধ্যায়ে ফৌজদারী দায়ের সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু কার্য এবং কার্যবিরতিকে [Acts and omission] ফৌজদারী দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ সকল কার্য বা কার্যবিরতি গুলোকে ফৌজদারী দায়ের সাধারণ ব্যতিক্রম [General Exceptions) বলে।

♦  সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়
১,৮৩২.
কোনটি Private Document -
  1. মূল বিক্রয় দলিল
  2. খতিয়ান
  3. সিআরপিসি-র ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত বক্তব্য
  4. কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলী আরজি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিলঃ

(১) যে সমস্ত দলিল (ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারী দলিলঃ অন্যান্য যাবতীয় দলিল ব্যাক্তিগত।

♦তাইলে আমরা বলতে পারি যে সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা অনুযায়ী, খতিয়ান, সি আর পি সি-র ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত বক্তব্য, এবং মামলার কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলী আরজি হলো সরকারী দলিল। কারণ এগুলো সরকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গ্রহণ এবং সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু মূল বিক্রয় দলিল ব্যক্তিগত দলিল কারণ এটা সরকারীভাবে সংরক্ষণ বা তৈরী করা হয় না বরং চুক্তির পক্ষসমূহ এটা তৈরী করে।
১,৮৩৩.
কোথায় ডিক্রি জারির আবেদন (Application for execution of decree) করতে হয়?
  1. আপিল আদালতে
  2. জেলা আদালতে
  3. ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে
  4. একই শ্রেণীর অন্য যে কোন আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৩৮ এর বিধান যে আদালত কর্তৃক ডিক্রি জারি করা যায়:
যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, ঐ আদালত বা যে আদালতে তা জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, ঐ আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে।

⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলী আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।

⇒ আদেশ-২১, বিধি-১১: ডিক্রি জারির মৌখিক বা লিখিত আবেদন (Application for Execution of decree)- অর্থ পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদানের সময় ডিক্রিন্দার ডিক্রি জারির মৌখিক আবেদন করতে পারে, কিন্তু অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির জন্য প্রদত্ত আবেদন লিখিত হতে হবে। ডিক্রি জারির আবেদন দাখিলের পর ২১ নং আদেশের ১১ থেকে ১৪ নং বিধির সকল শর্তাবলী পূরণসাপেক্ষে আদালত ডিক্রি জারির আবেদন পত্রটি গ্রহণ ও রেজিস্ট্রারভুক্ত করবেন।

⇒ অর্থ পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদানের সময় ডিক্রিন্দার (Decree holder) ডিক্রি জারির জন্য মৌখিক আবেদন করলে এবং সাব্যস্ত দেনাদার (Judgement-debtor) আদালতে উপস্থিত থাকলে আদালত পরোয়ানা ছাড়াই দেনাদারকে (Judgement-debtor) গ্রেপ্তার করে তৎক্ষনাৎ ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারেন।
⇒ In case of a joint decree, the execution must be applied by either one decree holder or more than one or all the decree holders.

⇒ ⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-৫ এর বিধান স্থানান্তরের পদ্ধতি (Mode of transfer): ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয় তবে ডিক্রি সরাসরি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন কিন্তু ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত তা সেই জেলার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।
১,৮৩৪.
ধারা ৫৩৯খ অনুযায়ী সরেজমিনে পরিদর্শনের সময় কাকে নোটিশ প্রদান করতে হবে?
  1. অভিযুক্তকে
  2. ফরিয়াদীকে
  3. উভয় পক্ষকে
  4. শুধু পাবলিক প্রসিকিউটরকে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
 
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
 
Section 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
 
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost.
১,৮৩৫.
নিচের কোন আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. জেলা জজ আদালত
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান আগাম জামিন:-
আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশ গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা আদালত
তাছাড়া এই ধারার অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।
--------------
CrPC Section-498:Power to direct admission to bail or reduction of bail:
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
১,৮৩৬.
ধারা ৯০-এর অধীনে দলিলটি কত বছরের পুরাতন হতে হবে?
  1. ১০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে, যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।
 
এ ধারার বিধান অনুযায়ী-
১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে;
২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে।
 
৯০ ধারা: ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান-
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।
১,৮৩৭.
একজন কর্মচারী তার মালিকের দখলে থাকা সম্পত্তি চুরি করলে, তাকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেওয়া যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  2. পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. সাত বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. দশ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৮১ ধারা অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তি কেরানী বা কর্মচারী হিসেবে অথবা কেরানী বা কর্মচারীর দায়িত্বে নিযুক্ত হয়ে তার মালিক বা নিয়োগকর্তার দখলে থাকা যেকোনো সম্পত্তি চুরি করে, তবে তাকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

[Whoever being a clerk or servant, or being employed in the capacity of a clerk or servant, commits theft in respect of any property in the possession of his master or employer, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.]
১,৮৩৮.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৮ ও ৯ ধারার দখল পুনরূদ্ধারের মামলার বিষয়ে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ৯ ধারার অধীনে স্বত্ব সাব্যস্তক্রমে দখল পুনরূদ্ধারের মামলায় বাধা হবে না
  2. ৮ ধারার মতে ৯ ধারায় স্বত্ব বিবেচনার সুযোগ নেই
  3. উভয় ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা চলবে
  4. ৯ ধারায় মামলার তামাদি নির্দিষ্ট মেয়াদ আছে
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৮ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় কিন্তু ৯ ধারায় সরকারের মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না।
১,৮৩৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে, সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে একতরফা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন দেওয়া যাবে না?
  1. সরকারি আইনজীবীকে নোটিশ না দিয়ে এবং শুনানির সুযোগ না দিয়ে।
  2. যদি নিষেধাজ্ঞা উন্নয়ন কর্মসূচীতে হস্তক্ষেপ করে।
  3. যদি নিষেধাজ্ঞা জনস্বার্থে ক্ষতিকর হয়।
  4. উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৯, বিধি-৫ক (Order-39, Rule-5A) অনুসারে, সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে একতরফা (ex parte) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যাবে না নিম্নোক্ত পরিস্থিতিতে:
- সরকারি আইনজীবীকে নোটিশ না দিয়ে এবং তাকে শুনানির সুযোগ না দিয়ে।
- যদি উক্ত নিষেধাজ্ঞা উন্নয়ন কর্মসূচী বা উন্নয়ন কাজে হস্তক্ষেপ করে।
- যদি উক্ত নিষেধাজ্ঞা জনস্বার্থে ক্ষতিকর হয়।
এই তিনটি শর্তই পূরণ না করলে আদালত একতরফা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারবে না।

অর্থাৎ প্রশ্নে উল্লেখিত তিনটি শর্তই একতরফা নিষেধাজ্ঞা না দেওয়ার কারণ হিসেবে আদেশ ৩৯, বিধি ৫ক-তে বলা আছে, তাই উত্তর হবে: “উপরের সবগুলো”।

Order-39 Rule-5A. No order of ad interim or temporary injunction without hearing the opposite party:
(1) Court shall not, without serving reasonable notice to the Government Pleader and giving him or any Pleader authorised by him in that behalf an opportunity of being heard, pass ex parte any order of ad interim or temporary injunction under any of the aforesaid rules of this Order at the instance of a private party against the Government or any statutory public authority, if such order is likely to prejudice or interfere with any measure designed to implement any development programme, or any development work or otherwise harm public interest.

(2) The Court shall, in all cases where a private party makes an application for ad interim or temporary injunction against another private party, direct notice of the application to the opposite party, unless it appears that the object or granting the injunction would be defeated by the delay.

(3) If any order of ad interim or temporary injunction is passed ex-parte at the instance of a private party against another private party, the Court shall hear and dispose of the matter on merit within seven days of appearance of the opposite party, unless the period is extended further at the instance of the opposite party; and any such order of ad interim or temporary injunction shall stand vacated, if the party at whose instance it was passed, prays for adjournment, or on being called upon by the Court, fails to attend hearing.
১,৮৪০.
কখন নিজের সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়?
  1. অসুস্থ হইলে
  2. সাক্ষী হাজির না হইলে
  3. সাক্ষী পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দিলে
  4. সাক্ষী উপস্থাপনকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিলে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

⇒ ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
১,৮৪১.
যে ব্যক্তি বারবার একই ধরনের কার্যক্রম করছে, তার মধ্যে সেই কাজটি দুর্ঘটনাক্রমে ঘটেছে কি না, তা প্রমাণের জন্য কোন ধারাটি প্রযোজ্য?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১২
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৫ বিশেষভাবে প্রযোজ্য যখন প্রশ্ন উঠে যে কোনো কাজ দুর্ঘটনাক্রমে নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পাদিত হয়েছে।
এই ধারা অনুসারে:
যদি কোনো ব্যক্তি বারবার একই ধরনের কার্যক্রম সম্পাদন করে থাকে, যেখানে প্রতিটি ঘটনায় ঐ ব্যক্তি জড়িত ছিল,
তাহলে এই পুনরাবৃত্তিমূলক ঘটনাগুলো প্রমাণ করতে সাহায্য করে যে কাজটি দুর্ঘটনাজনিত নয়, বরং ইচ্ছাকৃত বা একটি নির্দিষ্ট অভিপ্রায়ে করা হয়েছে।

- ধারা ১৫ অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি বারবার একই ধরনের কাজ করে থাকে এবং সেই কাজটি দুর্ঘটনাক্রমে ঘটেছে কিনা, তা প্রমাণের জন্য তার পূর্বের ঘটনার ধারাবাহিকতা প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ,
- যদি একজন ব্যক্তি বারবার তার বাড়ি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে এবং প্রতিবারই ক্ষতিপূরণ পেয়ে থাকে, তবে এই ঘটনা তার পূর্বের আগুন লাগানো ঘটনাগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, যা প্রমাণ করতে সাহায্য করবে যে, আগুনগুলি দুর্ঘটনাক্রমে হয়নি, বরং ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে।
১,৮৪২.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কোনটি আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচরে গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. ব্যক্তিগত চুক্তির শর্তাবলী
  2. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা
  3. আদালতের কর্মকর্তা ও তাদের পদ
  4. সরকারি গেজেটে প্রকাশিত ছুটির দিন
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫৭ অনুযায়ী, আদালত নিম্নলিখিত তথ্যগুলো বিচারিকভাবে লক্ষণীয় (Judicially Noticeable) হিসেবে গ্রহণ করবে, অর্থাৎ এগুলোর জন্য আলাদা প্রমাণের প্রয়োজন নেই:
- বাংলাদেশের সকল আইন (ধারা ৫৭(১))
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা (ধারা ৫৭(৮))
- আদালতের কর্মকর্তা ও তাদের পদ (ধারা ৫৭(১২))
- সরকারি গেজেটে প্রকাশিত ছুটির দিন (ধারা ৫৭(৯))
কিন্তু ব্যক্তিগত চুক্তির শর্তাবলী আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রহণ করে না, বরং এগুলো প্রমাণ করতে হয়। তাই এটি বিচারিক দৃষ্টিগোচরে গ্রহণযোগ্য নয়।

অতএব, সঠিক উত্তর ক) ব্যক্তিগত চুক্তির শর্তাবলী।
১,৮৪৩.
হাইকোর্ট কর্তৃক মূল দেওয়ানী এখতিয়ারে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার সময়সীমা কতদিন?
  1. ৭ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act, 1908) এর ১ম তফসিলের , Article-151 অনুযায়ী—
From a decree or order of the High Court Division in the exercise of its original jurisdiction
- অর্থাৎ, হাইকোর্ট ডিভিশন যখন তার মূল দেওয়ানী এখতিয়ার ব্যবহার করে কোনো ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে,
Period of limitation: 20 days
- সেই ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার সর্বোচ্চ সময়সীমা ২০ দিন।
Time begins to run: The date of the decree or order
- এই ২০ দিন গণনা শুরু হবে ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে।

সুতরাং, হাইকোর্ট কর্তৃক মূল দেওয়ানী এখতিয়ারে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা ২০ দিন।

১,৮৪৪.
তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিম্মলিখিত কোন সময়টি বাদ যাবে?
  1. ডিক্রি প্রস্তুতের সময়
  2. ডিক্রি জারির সময়
  3. মামলা বা ডিক্রি জারির দরখাস্তে কার্যক্রম স্থগিতের সময়
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হইবেঃ

(১) যেই মামলা বা ডিক্রী জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হইয়াছে, তাহার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন উহা নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেইদিন উহা প্রদত্ত হইয়াছিল এবং যেইদিন উহা প্রত্যাহার করা হইয়াছিল, তাহা বাদ দিতে হইবে।

(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেওয়া হইয়াছে, তাহার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হইবে।
১,৮৪৫.
যদি তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হয় এবং অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের বেশি হয়, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় জামিন দিতে পারে:
  1. দায়রা আদালত
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. তদন্তকারী পুলিশ
  4. ক এবং খ উভয়ে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৭- যখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা যায় না:
(৫) যদি তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হয়—
ক) যদি অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ড না হয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।

খ) যদি অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ড হয়, তবে দায়রা আদালত জামিন দিতে পারে।

জামিন না দিলে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতকে এর লিখিত কারণ উল্লেখ করতে হবে। যদি মামলায় সরকারের অনুমোদন (Sanction) প্রয়োজন হয়, তবে অনুমোদন পেতে যে সময় লাগবে তা ১২০ দিনের মধ্যে গণনা করা হবে না।

৮) এই জামিন সংক্রান্ত বিধান (উপ-ধারা ৫) দণ্ডবিধির ১৮৬০ সালের ৪০০ ও ৪০১ ধারার অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

১,৮৪৬.
আদালত কখন কোনো চলমান বিচারিক কার্যধারা স্থগিত রাখতে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে?
  1. ফৌজদারি মামলা হলে
  2. একাধিক মামলা এড়াতে
  3. প্রশাসনিক মামলা হলে
  4. নিষেধাজ্ঞা প্রদানকারী আদালতের অধীন হলে
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৬. যে সকল ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যায় না (Injunction when refused)

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা (injunction) প্রদান করতে পারে না—

(ক) সেই মামলার প্রবর্তনের সময়ে ইতিমধ্যে চলমান কোনো বিচারিক কার্যধারা (judicial proceeding) স্থগিত রাখার জন্য,
যদি না সেই নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একাধিক মামলা এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় হয়;

অর্থাৎ, যদি সেই নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একাধিক মামলা (multiplicity of proceedings) প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় হয়,
তাহলে আদালত তা দিতে পারে।

(খ) যে আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে, তার অধীনস্থ নয় এমন অন্য কোনো আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;

(গ) কোনো ব্যক্তিকে আইনসভা বা বিধানসভায় আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য;

(ঘ) সরকারের কোনো বিভাগের জনসাধারণের দায়িত্ব পালনে বা কোনো বিদেশি সরকারের সার্বভৌম কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করার জন্য;

(ঙ) কোনো ফৌজদারি কার্যধারা (criminal proceeding) স্থগিত রাখার জন্য;

(চ) এমন কোনো চুক্তি ভঙ্গ রোধ করার জন্য, যার নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যায় না;

(ছ) এমন কোনো কাজ রোধ করার জন্য যা স্পষ্টভাবে উপদ্রব (nuisance) বলে প্রতীয়মান নয়;

(জ) এমন কোনো চলমান ভঙ্গ (continuing breach) রোধ করার জন্য, যাতে আবেদনকারী নিজেই সম্মতি বা অনুমতি দিয়েছে (acquiesced);

(ঝ) যখন অন্য কোনো প্রচলিত উপায়ে সমান কার্যকর প্রতিকার (efficacious relief) পাওয়া সম্ভব,
তবে বিশ্বাসভঙ্গ (breach of trust)-এর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়;

(ঞ) যখন আবেদনকারীর বা তার প্রতিনিধির আচরণ এমন হয়েছে যে, তা তাকে আদালতের সাহায্য পাওয়ার অযোগ্য করে তুলেছে;

(ট) যখন আবেদনকারীর ঐ বিষয়ে কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ (personal interest) নেই।

১,৮৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ক ধারা অনুযায়ী গ্রেপ্তার স্মারকে (memorandum of arrest) অন্তত কতজন সাক্ষীর স্বাক্ষর প্রয়োজন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. কোন সাক্ষীর প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক: গ্রেপ্তার পদ্ধতি ও গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব:- 
গ্রেপ্তার করার সময়, পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্যান্য যে ব্যক্তি গ্রেপ্তার করছেন, তাকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো পালন করতে হবে-
(ক) তার নামের সঠিক, দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট পরিচয় বহন করতে হবে, যাতে সহজে শনাক্ত করা যায়;
(খ) তার পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং প্রয়োজনে অভিযুক্ত ও গ্রেপ্তারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের তার পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে;
(গ) গ্রেপ্তারের একটি স্মারক প্রস্তুত করতে হবে, যা—
(i) অন্তত একজন সাক্ষী দ্বারা সাক্ষ্য সত্যায়িত হতে হবে, যিনি গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তের পরিবারের সদস্য বা সংশ্লিষ্ট এলাকার সুনামধন্য ব্যক্তি হবেন, এবং যদি এমন কোনো সাক্ষী পাওয়া না যায়, তার কারণ স্মারকে উল্লেখ করতে হবে;
(ii) অভিযুক্ত যদি অস্বীকার না করে, তবে স্মারকে অভিযুক্তের স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ থাকবে;
(ঘ) যেখানে অভিযুক্তকে তার বাসা থেকে অন্য স্থানে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে অভিযুক্তের দ্বারা মনোনীত পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে যত দ্রুত সম্ভব, কিন্তু গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং কন্ট্রোলের স্থানের তথ্য জানাতে হবে;
(ঙ) যদি গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে তাকে মেডিকেল অফিসার বা নিবন্ধিত চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে, শংসাপত্র সংগ্রহ করতে হবে এবং আঘাতের কারণ নথিভুক্ত করতে হবে;
(চ) অভিযুক্ত চাইলে তাকে নিজের পছন্দের উকিলের সঙ্গে পরামর্শ করার বা নিকটতম আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দিতে হবে, সম্ভব হলে গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;
(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;
(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;
(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

১,৮৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারার অধীনে আদালত রায় ঘোষণার পর-
  1. সম্পূর্ণ রায় পরিবর্তন করতে পারে
  2. নতুন সাক্ষী গ্রহণ করতে পারে
  3. রায় পুনরায় বিবেচনা করতে পারে
  4. শুধুমাত্র রায়ের করণিক ভুল সংশোধন করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারার বিধান- আদালত রায় পরিবর্তন করবেন না:
এই কার্যবিধি বা বর্তমানে কার্যকর অপর কোন আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকলে কোন আদালত রায়ে স্বাক্ষর করার পর করণিক ভুল সংশোধন করা ব্যতীত তা পরিবর্তন বা রিভিউ করবেন না।

Section-369: Court not to alter judgment: 
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force, no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
১,৮৪৯.
'আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে, এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোনো পুলিশ অফিসার কোনো আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।'- The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১৫৪ ধারায়
  2. ১৫৫ ধারায়
  3. ১৫৬ ধারায়
  4. ১৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্ত-
আমলঅযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।


(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

Section 155- Information in non-cognizable cases:
(1) When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.

Investigation into non-cognizable cases-
(2) No police-officer shall investigate a non-cognizable case without the order of a Magistrate of the first or second class having power to try such case or send the same for trial.

(3) Any police-officer receiving such order may exercise the same powers in respect of the investigation (except the power to arrest without warrant) as an officer in charge of a police-station may exercise in a cognizable case.
১,৮৫০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুযায়ী, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে,বাদী পরবর্তীতে কোন ধরনের মামলা করতে পারে না ?
  1. চুক্তি সংশোধনের মামলা
  2. চুক্তির অবশিষ্ট অংশের কার্যসম্পাদনের জন্য মামলা
  3. চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলা
  4. নতুন চুক্তি করার জন্য মামলা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯,খারিজের পর চুক্তি ভঙ্গের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা: একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------------------------
The Specific Relief Act,1877, Section 29- Bar of suit for breach after dismissal: The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.

১,৮৫১.
আদেশ ৩৩ বিধি-৮ অনুসারে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করার কোন আবেদন মঞ্জুর হলে, তখন এটি কী হিসাবে বিবেচিত হবে?
  1. আপিল
  2. বিশেষ আবেদন
  3. সাধারণ রুজুকৃত মোকদ্দমা
  4. তৃতীয় পক্ষের দাবি
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৮: আবেদনপত্র গৃহীত হলে কর্মপদ্ধতি:

যেক্ষেত্রে আবেদন মঞ্জুর হয় সেক্ষেত্রে তা সংখ্যায়িত এবং নিবন্ধিত হবে এবং মোকদ্দমার আরজি হিসাবে বিবেচিত হবে এবং মোকদ্দমাটি অন্য সকল বিষয়ে একটি সাধারণভাবে রুজুকৃত মোকদ্দমার ন্যায়ই অগ্রসর হবে, তবে তা ব্যতীত যে বাদি মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত দরখাস্ত, উকিল নিয়োগ বা মোকদ্দমার সঙ্গে জড়িত অন্যবিধ কার্যধারার জন্য কোর্ট ফি (সমন জারির নিমিত্তে প্রদেয় ফিস ব্যতীত) প্রদানে দায়ী হবে না।
১,৮৫২.
একাধিক বিবাদী নিয়ে একটি মোকদ্দমা চলছে। একজন বিবাদী আদালতে উপস্থিত থাকেন এবং অন্য বিবাদীরা উপস্থিত থাকেন না। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. উপস্থিত বিবাদীর বিরুদ্ধে রায় দিবে
  2. উপস্থিত বিবাদী নিয়ে মোকদ্দমাটি নিয়ে অগ্রসর হবে
  3. অনুপস্থিত বিবাদীদের সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ দেবে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ১১: কতিপয় বিবাদীর এক বা একাধিক অনুপস্থিত থাকলে কার্য পদ্ধতি [Procedure in case of nonattendance of one or more of several defendants]:
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী রয়েছে, সেক্ষেত্রে একজন বা কয়েকজন বিবাদী উপস্থিত হয় এবং অন্যরা উপস্থিত না হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি অগ্রসর হবে এবং রায় ঘোষণার সময় আদালত অনুপস্থিত বিবাদীদের সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোনো আদেশ দান করবেন।

[Where there are more defendants than one, and one or more of them appear, and the others do not appear, the suit shall proceed, and the Court shall, at the time of pronouncing judgment, make such order as it thinks fit with respect to the defendants who do not appear.]
১,৮৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫২ অনুযায়ী কোন ভুল সংশোধন করা যায়?
  1. সাক্ষীর ভুল বক্তব্য
  2. আইনগত ব্যাখ্যার ভুল
  3. করনিক বা গানিতিক ভুল এবং আকস্মিক ভ্রান্তি
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) করনিক বা গানিতিক ভুল এবং আকস্মিক ভ্রান্তি।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী, রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
- এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes), আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫২ অনুযায়ী Judgment, decree বা order-এ clerical বা arithmetical mistakes অথবা accidental slip বা omission সংশোধন করা যেতে পারে, আদালত কর্তৃক নিজ উদ্যোগে (suo motu) অথবা পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে, যেকোনো সময়।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

১,৮৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত বিষয়ে সরকার বেঞ্চসমূহের পথ নির্দেশনার জন্য বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা রাখে না?
  1. বিচার্য মামলার শ্রেণী
  2. বৈঠকের সময় ও স্থান
  3. বেঞ্চের সদস্যদের বেতন
  4. মতবিরোধ মীমাংসার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান বেঞ্চসমূহের পথ নির্দেশনার জন্য বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা:
সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কোন জেলার ম্যাজিষ্ট্রেট বেঞ্চের পথ নির্দেশনার উদ্দেশ্যে এই বিধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে নিম্নলিখিত বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারবে:
ক) বিচার্য মামলার শ্রেণী:
খ) বৈঠকের সময় ও স্থান;
গ) বিচারের জন্য বেঞ্চ গঠন:
ঘ) বৈঠকে উপস্থিত ম্যাজিষ্ট্রেটগনের মধ্যে কোন মত বিরোধ দেখা দিলে তা মীমাংসার পদ্ধতি।

উল্লিখিত প্রশ্নের 'বেঞ্চের সদস্যদের বেতন' এর বিষয়টি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান অনুযায়ী বিধি প্রণয়নের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত নয়। 
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-16: Power to frame rules for guidance of Benches:
The Government may, or, subject to the control of the Government, the Chief Judicial Magistrate may, from time to time, make rules consistent with this Code for the guidance of Magistrates' Benches in any district respecting the following subjects:-
(a) the classes of cases to be tried;
(b) the times and places of sitting;
(c) the constitution of the Bench for conducting trials;
(d) the mode of settling differences of opinion which may arise between the Magistrates in session.
১,৮৫৫.
ফৌজদারি মামলায় সময়ের প্রার্থনা করে দরখাস্ত করা যায় কোন আইনের কোন ধারা অনুযায়ী?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৮
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৪
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৪ ধারার অধীন মামলার যে কোন পক্ষ সময়ের প্রার্থনা করে মামলার কার্যক্রম মূলতবী রাখার আবেদন করতে পারে। আদালত সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণে (reasonable grounds) ফৌজদারি মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত বা মূলতবী রাখতে পারে।

♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী আদালত ফৌজদারি মামলার কার্যক্রম মুলতবি বা স্থগিত করতে পারে। এটা করা হয় সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে কিংবা অন্যকোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ স্থগিত রাখা বা মূলতবী রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে তাহলে আদালত উপযুক্ত মনে করলে কারণ উল্লেখ পূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে উপযুক্ত মনে করেন সেই শর্তে, যে সময়ের জন্য উপযুক্ত মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে উহা স্থগিত বা মূলতবী রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে আটক রাখতে পারবেন।
তবে শর্ত এই যে, এই ধারা অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে পনের দিনের অধিক মেয়াদের জন্য হাজতে পাঠাতে পারবেন না 
(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিত অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও প্রিজাইডং জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
১,৮৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাগুলোতে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার (Arrest Without Warrant) সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪৬-৫৩
  2. ধারা ৫৪-৬৭
  3. ধারা ৭০-৮০
  4. ধারা ১৫৪-১৬০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ থেকে ৬৭ পর্যন্ত বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার (Arrest Without Warrant) সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
- এই ধারাগুলিতে পুলিশ কিভাবে, কখন এবং কোন পরিস্থিতিতে গ্রেফতার করতে পারবে, তা নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

এই ধারাগুলোতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত:
- ধারা ৫৪: পুলিশের বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের সাধারণ ক্ষমতা।
- ধারা ৫৫-৫৭: গ্রেফতার ও আটকের প্রক্রিয়া।
- ধারা ৬২-৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়ার শর্ত (জামিন, মুচলেকা বা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ)।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ থেকে ৬৭ পর্যন্ত বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার (Arrest Without Warrant) সংক্রান্ত বিধান বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুতরাং, বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের জন্য প্রযোজ্য ধারাগুলো হলো ৫৪-৬৭।
১,৮৫৭.
যদি কোনো লিখিত দায় স্বীকারে তারিখ উল্লেখ না থাকে, তাহলে তারিখ সম্পর্কে কী প্রমাণ দেওয়া যাবে?
  1. অন্য লিখিত প্রমাণ
  2. মৌখিক প্রমাণ
  3. আদালতের নির্দেশ অনুসারে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ১৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো লিখিত দায় স্বীকার (acknowledgment) এ তারিখ উল্লেখ না থাকে, তাহলে তারিখ সম্পর্কে মৌখিক প্রমাণ দেওয়া যাবে। অর্থাৎ, স্বাক্ষরকারী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মৌখিকভাবে তারিখ সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

- এই ধারাটির উদ্দেশ্য হলো, দায় স্বীকারের তারিখ নির্ধারণ করা যাতে তামাদির মেয়াদ সঠিকভাবে গণনা করা যায়। তবে, Evidence Act, 1872-এর বিধান অনুসারে, দায় স্বীকারের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক প্রমাণ গ্রহণযোগ্য নয়, শুধুমাত্র তারিখ সম্পর্কে মৌখিক প্রমাণ দেওয়া যাবে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: খ) মৌখিক প্রমাণ।
---------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 19. Effect of acknowledgement in writing:
(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed. 
 
(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received. 
 
Explanation I - For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time 
for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right. 
Explanation II - For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf. 
Explanation III - For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
১,৮৫৮.
বিরোধী বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন?
  1. ১৪৫ ধারা
  2. ১৪৬ ধারা
  3. ১৪৯ ধারা
  4. ১৫০ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা:
ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
১,৮৫৯.
ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠণ করেন-
  1. পুলিশ
  2. আদালত
  3. সরকারি উকিল
  4. অভিযোগকারী
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব আদালতের।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• সেই সাথে ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০ এবং ২৩ এ যথাক্রমে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ) মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

• ধারা ২৪২ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে এবং ধারা ২৬৫ঘ দায়রা আদালতকে অভিযোগ গঠণের ক্ষমতা দিয়েছে।মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়,তবে সেই অপরাধ বিষয়ে আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।
১,৮৬০.
সমনে তলবী ব্যক্তিকে পাওয়া না গেলে, তার পরিবারের কোন ধরনের ব্যক্তির বরাবর সমনের কপি দিতে হবে?
  1. তার আইনগত অভিভাবকের নিকট
  2. সাবালক যে কোন ব্যক্তির বরাবর
  3. সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
  4. তার পিতামাতার নিকট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭০ ধারার বিধান খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তির কাছে সমন জারির পদ্ধতিঃ যার উপর সমন জারী করা হবে, সঠিক পদ্ধতিতে চেষ্টা করেও যেক্ষেত্রে তাকে খুঁজে পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে সমনের দুই কপির মধ্যে একটি তার পরিবারের একজন সাবালক পুরুষ সদস্য বরাবর দিয়া সমন জারী করতে হবে এবং জারীকারী অফিসার দাবী করলে, যার নিকট সমন জারী করা হল, তিনি সমনের দুটি নকলের অপর পৃষ্ঠায় স্বাক্ষর করে প্রাপ্তি স্বীকার করবেন।

------------------------
♦ Service when person summoned cannot be found
Section 70. Where the person summoned cannot by the exercise of due diligence be found, the summons may be served by leaving one of the duplicates for him with some adult male member of his family, and the person with whom the summons is so left shall, if so required by the serving officer, sign a receipt therefore on the back of the other duplicate.
১,৮৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯খ ধারা মোতাবেক সালিশ নিষ্পত্তিতে কোন আইনকে বিশেষভাবে অনুরসরণ করতে হয়?
  1. সালিশ আইন, ২০০০
  2. সালিশ আইন, ২০০১
  3. সালিশ আইন, ২০০৬
  4. সালিশ আইন, ২০০৭
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে।৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

ধারা-৮৯খ: সালিশী:
১) মোকদ্দমার বিরোধ অথবা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সালিশের নিকট প্রেরণ করবেন এই কারণে মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কার্যপদ্ধতির যে কোন পর্যায়ে মোকদ্দমাটি তুলে নেয়ার জন্য আদালতের সমীপে আবেদন করলে আদালত আবেদন অনুমোদন করবে এবং মোকদ্দমা তুলে নেয়ার অনুমতি প্রদান করবে এবং তৎপরবর্তীতে যতদূর প্রযোজ্য, সালিশী আইন,২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) অনুযায়ী বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি হবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে কার্য প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিসের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে এই উপ-ধারার অধীন তুলে নেয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত মোকদ্দমার পক্ষসমূহ পুনঃ দাখিলের অধিকার অর্জন করবে।

২) ১নং উপ-ধারানুযায়ী পেশকৃত আবেদন সালিসী আইন, ২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) এর ধারা নং ৯ এর অধীনে সালিসের সম্মতি বলে ধরে নিতে হবে।
১,৮৬২.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে, বেআইনি সমাবেশ (Unlawful Assembly) গঠনের জন্য ন্যূনতম কত সংখ্যক ব্যক্তির সমাবেশ প্রয়োজন?
  1. তিন ব্যক্তি
  2. পাঁচ ব্যক্তি
  3. ছয় ব্যক্তি
  4. দুই ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ যদি নির্দিষ্ট সাধারণ উদ্দেশ্য (common object) নিয়ে গঠিত হয় (যেমন সরকারকে ভয় দেখানো, আইন বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া ইত্যাদি), তাহলে তা "বেআইনি সমাবেশ" (Unlawful Assembly) বলে গণ্য হবে। ন্যূনতম পাঁচজনের সমাবেশ ছাড়া এটি প্রযোজ্য নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনি সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

→ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনি সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
---------------------
⇒ The Penal Code Section-141.Unlawful assembly:
- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First: -To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second: To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third: To commit any mischief or criminal trespass, or other offence ; or 
Fourth.- By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do. 
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

১,৮৬৩.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক মামলার তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ১০৩
  2. অনুচ্ছেদ ১০৪
  3. অনুচ্ছেদ ১০৭
  4. অনুচ্ছেদ ১০৯
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৪ অনুযায়ী, বিলম্বিত দেনমোহরের (Deferred Dower) জন্য একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত হয়।
- এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
- এই মেয়াদ মৃত্যু বা তালাক দ্বারা বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।

- বিলম্বিত দেনমোহর বলতে ইসলামিক আইনে বিবাহের সময় নির্ধারিত দেনমোহরের যে অংশ পরবর্তীতে পরিশোধের শর্তে স্থগিত রাখা হয় তাকে বোঝায়।
- মৃত্যু বা তালাক দ্বারা বিবাহ বিচ্ছেদ বলতে স্বামীর মৃত্যু বা তালাকের মাধ্যমে বিবাহের সম্পর্ক শেষ হওয়াকে বোঝায়।
১,৮৬৪.
‘ক’ ‘খ’ এর মুখে ঘুষি মারলে ‘খ' এর একটি দাঁত পড়ে যায়। ‘ক’ এর কৃত অপরাধ হলো?
  1. সাধারণ জখম
  2. মারাত্মক জখম
  3. ইচ্ছাকৃত জখম
  4. হত্যার চেষ্টা
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে।

(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

♦ এর মধ্যে সপ্তমটি হলো হাড় বা দাঁত ভাঙা বা বিচ্যুতকরণ।
১,৮৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারা 'গণ-উৎপাত' সম্পর্কিত?
  1. ৯০ ধারা
  2. ৯১ ধারা
  3. ৯২ ধারা
  4. ৯৪ ধারা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৯১ ধারা: গণ-উৎপাত:
এটর্নি জেনারেল বা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন। বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

Section: 91- Public nuisances:
(1) In the case of a public nuisance the Attorney General, or two or more persons having obtained the consent in writing of the Attorney General, may institute a suit, though no special damage has been caused, for a declaration and injunction or for such other relief as may be appropriate to the circumstances of the case.

(2) Nothing in this section shall be deemed to limit or otherwise affect any right of suit which may exist independently of its provisions.
১,৮৬৬.
'Admissions are not conclusive proof  of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.' বিধানটি The Evidence act,1872 এর কোন ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৩০ ধারা 
  2. ৩১ ধারা 
  3. ৩২ ধারা 
  4. ৩৩ ধারা
ব্যাখ্যা

উত্তর: ৩১ ধারা 

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ৩১: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নহে, তবে প্রমাণে বাধা সৃষ্টি করিতে পারে: কোনো বিষয়ে স্বীকৃতিই সেই বিষয় সম্পর্কে চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, তবে এই আইন অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে উহা স্বীকৃতিজনিত বাধা হিসেবে কার্যকরী হইতে পারে।
------------------------------
The Evidence Act 1872, Section 31, Admissions not conclusive proof, but may be stop: Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.

১,৮৬৭.
X , Y কে একটি ঘরে যেতে বাধ্য করত, সেখানে তালাবদ্ধ করে রাখে। X কী অপরাধ করেছে?
  1. অবৈধ বাধা
  2. অবৈধ অবরোধ
  3. অপহরণ
  4. বলর্পূবক বাধা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ধারা ৩৪০ অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তিকে আইনের বিধানের বিরুদ্ধে অথবা কোন আদালতের আদেশ ছাড়াই অবৈধভাবে আটক করা হয়, তাহলে সেটি অবৈধ আটক হিসেবে গণ্য হবে।
♦অবৈধ অবরোধ বা অবৈধ আটক একই বিষয়। যেহেতু ঘরটি চারপাশ বেষ্টিত তাই উক্ত ঘরের বাইরে যেতে Y বাধাগ্রস্থ হয়। সুতরাং X, Y-কে অন্যায়ভাবে/বেআইনীভাবে আটক বা অবরোধ [wrongful confinement] করেছে বলে গণ্য হবে।
১,৮৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪-এর বিধান মতে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে জরিমানার পরিমাণ কত টাকা পর্যন্ত হলে আপিল করা যায় না?
  1. ২০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ৩,০০০ টাকা
  4. ৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪ অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে (summary trial) ম্যাজিস্ট্রেট যদি জরিমানা ৫,০০০ টাকা অতিক্রম না করে দেন, তাহলে সেই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 অনুসারে, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪-এর সংশোধনের মাধ্যমে পূর্বে উল্লিখিত "two hundred taka" (২০০ টাকা) শব্দগুলির পরিবর্তে "five thousand taka" (৫,০০০ টাকা) শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ হলো, ধারা ২৬০-এর অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট যদি সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করেন, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোনো আপিল করতে পারবেন না। তবে, জরিমানার পরিমাণ ৫,০০০ টাকার বেশি হলে বা কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে।

অর্থাৎ সংশোধিত ধারা ৪১৪ অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচারে সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানার ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না। অতএব, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৫,০০০ টাকা। 

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 414. No appeal from certain summary convictions:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in any case tried summarily in which a Magistrate empowered to act under section 260 passes a sentence of fine not exceeding five thousand taka only.

১,৮৬৯.
গ্রেফতারি পরোয়ানার মাধ্যমে পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলে তারে আদালতে ________ হাজির করতে হবে।
  1. অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. অতি সত্ত্বর
  4. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦বিনা গ্রেফতারী  পরোয়ানা (Arrest Without Warrant)আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারামতে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যাওয়ার সময় বাদ দিয়ে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না।
♦তদন্তকার্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন করা না গেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অগ্রবর্তী বা প্রেরণ করতে হবে।
১,৮৭০.
আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান অনুসারে, আপিলের স্মারকলিপির সঙ্গে কী সংযুক্ত করতে হবে?
  1. আপিল ফি রসিদ
  2. আপিলকারীর শপথপত্র
  3. যে ডিক্রি হতে আপিল করা হচ্ছে তার নকল
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান- আপীলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
(১) প্রত্যেকটি আপিল আপীলকারী বা তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি স্মারকলিপির (memorandum) আকারে দাখিল করতে হবে এবং তা আদালত বা এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মচারীর নিকট পেশ করতে হবে।
স্মারকলিপির সঙ্গে আপীলকৃত ডিক্রির নকল এবং (যদি আপীল আদালত এই প্রয়োজনীয়তা মওকুফ না করে) যেই রায়ের উপর ডিক্রি প্রতিষ্ঠিত, তার নকল সংযুক্ত করতে হবে।

(২) স্মারকলিপির বিষয়বস্তু:
স্মারকলিপিতে আপীলকৃত ডিক্রি সম্পর্কে আপত্তির কারণগুলো সংক্ষেপে ও পৃথক পৃথক শিরোনামে (distinct heads) উল্লেখ করতে হবে, কোনোরূপ তর্ক বা ধারাবাহিক বর্ণনা ব্যতীত। এবং উক্ত কারণগুলো ক্রমিক নম্বরযুক্ত হতে হবে।

১,৮৭১.
কে দেওয়ানি কারাগার থেকে রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গুরুতর অসুস্থতার কারনে মুক্তি দিতে পারে?
  1. পুলিশ
  2. সোপর্দকারী আদালত
  3. সোপর্দকারী আদালত যে আদালতের অধীনস্ত
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে।

দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৯ ধারা- অসুস্থতার দরুন মুক্তি:
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।

৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।

Section 59- Release on ground of illness:
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness.
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison.
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom-
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness.

(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.
১,৮৭২.
যদি সমন শুধু বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য দেওয়া হয় এবং পক্ষ বা উকিলদের কোনো আপত্তি না থাকে, আদালত আদেশ-১৫, বিধি ৩ অনুসারে কী করতে পারেন?
  1. মামলা খারিজ করতে পারেন
  2. বিচার্য বিষয় অনুযায়ী রায় দিতে পারেন
  3. মামলা অন্য আদালতে পাঠাতে পারেন
  4. মামলা স্থগিত করতে পারেন
ব্যাখ্যা

আদেশ-১৫, বিধি ৩-
১) যদি মামলার পক্ষদের মধ্যে আইন বা ঘটনার কোনো প্রশ্ন বিচারযোগ্য হয় এবং আদালত আগে থেকেই বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করে থাকে, তবে আদালত যদি মনে করেন যে আরও যুক্তি বা প্রমাণের দরকার নেই এবং তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করলে কারো প্রতি অবিচার হবে না, তাহলে আদালত সরাসরি বিচার্য বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করে রায় দিতে পারেন।

তবে, যদি শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য সমন দেওয়া হয়ে থাকে এবং মামলার পক্ষ বা তাদের উকিল উপস্থিত থেকে কোনো আপত্তি না করেন, তাহলে আদালত সেই অনুযায়ী রায় ঘোষণা করতে পারেন।

২) কিন্তু, যদি আদালত মনে করেন যে পর্যাপ্ত প্রমাণ বা যুক্তি উপস্থাপিত হয়নি, তাহলে তিনি মামলার অতিরিক্ত শুনানি স্থগিত রাখতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য বা যুক্তি উপস্থাপনের জন্য সময় নির্ধারণ করতে পারেন।

১,৮৭৩.
বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে বিবাহ বলবৎ থাকাকালে কখন তাদের ভেতরের পত্রালাপ সাক্ষ্যের জন্য প্রকাশযোগ্য হয়?
  1. যদি তাদের কেউ মৃত হয়
  2. সম্পত্তি বণ্টনের মামলায়
  3. যদি একজনের কারণে অন্যজন ফৌজদারিতে সোপর্দ হয়ে থাকে 
  4. বর্ণিত সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারার বিধান: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে। 
১,৮৭৪.
'A' নিজেকে 'B' বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; 'B' জনৈক মৃত ব্যক্তি। দণ্ডবিধি অনুসারে 'A' এর অপরাধ-
  1. Cheating
  2. Cheating by personation
  3. Cheating with knowledge
  4. Cheating and dishonestly inducing a person
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-416. Cheating by personation:
A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.

Illustrations
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
১,৮৭৫.
A এবং B এর মধ্যকার এক মামলায় আদালত এ বিষয়ে ঘোষণামূলক রায় দেয় যে, B হল A-এর স্ত্রী। পরবর্তীতে C নামে একজন ব্যক্তি দাবি করে, B আসলে তার স্ত্রী এবং সে A-এর বিরুদ্ধে মামলা করে B-কে ফিরে পাওয়ার জন্য। এক্ষেত্রে, প্রথম মামলায় দেওয়া ঘোষণাটি -
  1. C-এর উপর বাধ্যতামূলক
  2. C-এর উপর বাধ্যতামূলক নয়
  3. A এর দাবি সাপেক্ষে C-এর উপর বাধ্যতামূলক
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

অর্থাৎ, ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে, কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবে না।

এই ক্ষেত্রে:
প্রথম মামলায় দেওয়া ঘোষণাটি C-এর উপর বাধ্যতামূলক (binding) নয়, কারণ সে সেই মামলার পক্ষ ছিল না।
১,৮৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার অধীন সরকার কর্তৃক সংবাদপত্র বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কয় দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ১ মাসের মধ্যে
  2. ২ মাসের মধ্যে
  3. ৩ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য ২ মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারা:
৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।

Section 99B: Application to High Court Division to set aside order of forfeiture-
Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.
১,৮৭৭.
'ক' একটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমান করতে চায়। 'ক' কে অবশ্যই প্রমন করতে হবে-
  1. দলিলটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হয়ে গেছে
  2. দলিলটি নিবন্ধিত
  3. দলিলের বিবরন
  4. দলিলটি হারিয়ে গিয়েছে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে (Cases in which secondary evidence relating to documents may be given): মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যাবে যদি-

i) দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে তার আয়ত্তে আছে বা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা সেই ব্যক্তির দখলে আছে যে ব্যক্তি দলিলটি পেশ করতে বাধ্য কিন্তু নোটিশ পাওয়া সত্ত্বেও দাখিল করছে না।

ii) দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে সে ব্যক্তি দলিলটির অস্তিত্ব লিখিত ভাবে স্বীকার করে নিয়েছে।

iii) মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে বা নষ্ট হয়ে গেছে।

iv) দলিলটি সহজে স্থানান্তরযোগ্য না হলে।

v) মূল দলিলটি সরকারী দলিল হলে।

vi) দলিলটির জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের নিয়ম থাকলে।

vii) মূল দলিলের পরীক্ষা আদালতের জন্য সুবিধাজনক না হলে।

⇒ অর্থাৎ 'ক' একটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমান করতে চায়। এই ক্ষেত্রে ক' কে অবশ্যই প্রমন করতে হবে দলিলটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
১,৮৭৮.
একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে বিবাদীর প্রতিকার কী?
  1. একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন
  2. রিভিউ
  3. আপীল
  4. সবগুলো প্রতিকার বিদ্যমান
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে (বিবাদীর) প্রতিকার:

⇒ অর্ডার ৯, রুল ১৩: একই কোর্টে একতরফা ডিক্রি রদের [Setting aside the Exparte decree] জন্য আবেদন করা।

⇒ অর্ডার ৯, রুল ১৩ক: একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের [Directly setting aside the Exparte decree] জন্য আবেদন করা।

ধারা ৯৬(২): একতরফা ডিক্রি যেহেতু একটি ডিক্রি, তাই উক্ত ধারানুযায়ী আপিল করা যাবে।

ধারা ১১৪ + অর্ডার ৪৭, রুল ১: রিভিউ করা যাবে।

⇒ ১৫১ ধারায় একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত বাতিল/রদ করার জন্য আবেদন করা যায়।
১,৮৭৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৯ ধারায় কয় ধরনের ব্যক্তিকে হলফনামা পরিচালনা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৯ ধারায়  কে বা কারা হলফনামা পরিচালনা করতে পারেন তা বলা হয়েছে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৯ ধারামতে তিন ধরনের ব্যক্তিগণ হলফনামা পরিচালনা করতে পারে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৯ ধারার বিধান: এই কোডের অধীনে কোন এফিডেভিটের ক্ষেত্রে—
ক) যে কোন আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা
খ) যে কোন কর্মকর্তা বা অন্য কোন ব্যক্তি যাকে সুপ্রীম কোর্ট এই কাজের জন্য নিয়োগ করতে পারেন, অথবা
গ) সরকার কর্তৃক সাধারণভাবে বা বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অপর কোন আদালত যে ব্যক্তিকে এই কাজের জন্য নিয়োগ করতে পারেন তারা সাক্ষ্যদাতার শপথ পরিচালনা করেন।
----------------------------------
⇒ CPC Section-139: Oath on affidavit by whom to be administered:
In the case of any affidavit under this Code- 
(a) any Court or Magistrate, or 
(b) any officer or other person whom the Supreme Court may appoint in this behalf, or 
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf, 
may administer the oath to the deponent.
১,৮৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৯৭ অনুসারে, কে স্থাবর সম্পত্তির দখল লাভে বাধা পেলে আদালতে আবেদন করতে পারে?
  1. ডিক্রিদার
  2. নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা
  3. যে কোনো ব্যক্তি
  4. 'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৯৭-এ বলা হয়েছে: "Where the holder of a decree for the possession of immovable property or the purchaser of any such property sold in execution of a decree is resisted or obstructed..."
অর্থাৎ যদি স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য ডিক্রির মালিক (ডিক্রিদার) অথবা ডিক্রি কার্যকর করে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রেতা (নিলাম ক্রেতা) কোন ব্যক্তির দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হন, তাহলে তারা আদালতে অভিযোগ করে আবেদন করতে পারবেন।
- এই বিধির অধীনে "যে কোনো ব্যক্তি" আবেদন করতে পারে না- কেবলমাত্র ডিক্রিদার বা নিলামে সম্পত্তি ক্রয়কারী ব্যক্তি বাধা পেলে আবেদন করতে পারেন।
তাই ‘ঘ) ক বা খ’ অর্থাৎ ডিক্রিদার বা নিলাম ক্রেতা – উভয়েই উপযুক্ত আবেদনকারী।

⇒ আদেশ ২১, বিধি ৯৭ – স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা:
(১) যিনি স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য একটি ডিক্রির অধিকারী, অথবা যিনি কোনো ডিক্রি কার্যকরির মাধ্যমে বিক্রিত ঐ সম্পত্তি ক্রয় করেছেন, তিনি যদি দখল পাওয়ার সময় কোনো ব্যক্তির দ্বারা বাধা বা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন, তাহলে তিনি উক্ত বাধা বা প্রতিবন্ধকতার বিষয়ে অভিযোগ করে আদালতে একটি আবেদন করতে পারবেন।
(২) আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি দিন নির্ধারণ করবেন এবং যার বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে, তাকে আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগের জবাব দিতে সমন প্রদান করবেন।

⇒ Order 21, Rule 97 – Resistance or Obstruction to Possession of Immovable Property:
(1) Where the holder of a decree for the possession of immovable property, or the purchaser of such property sold in execution of a decree, is resisted or obstructed by any person in obtaining possession of the property, he may make an application to the Court complaining of such resistance or obstruction.
(2) The Court shall fix a day for investigating the matter and shall summon the party against whom the application is made to appear and answer the same.
১,৮৮১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXXVII অনুযায়ী দাখিলী 'Summary Suit' নিষ্পত্তি করতে পারেন কে?
  1. সহকারী জজ
  2. সিনিয়র সহকারী জজ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭: হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি।
বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ। এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ORDER-37:-SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS 
Rule-1: Application of Order. This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.
১,৮৮২.
What is the maximum term of imprisonment for intentionally giving false evidence in a judicial proceeding?
  1. 3 years
  2. 5 years
  3. 7 years
  4. 10 years
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

-ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

-উদাহরণ: 
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।
----------------------------
The Penal Code, 1860-Section-193. Punishment for false evidence: Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

Explanation 1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation 2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation 3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
১,৮৮৩.
দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
  3. ১২ বৎসর কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-

(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------
♦ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।

______________________________________________________
♦  Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed
♦  Section 194. Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
 
♦ and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
১,৮৮৪.
আদালত কীভাবে ডিজিটাল স্বাক্ষর (Digital Signature) যাচাই করতে পারেন?
  1. সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  2. অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে আদেশের প্রদানের মাধ্যমে
  3. 'জাতীয় ডিজিটাল নিরাপত্তা কাউন্সিল' এর অনুমোদনের মাধ্যমে
  4. 'ক' এবং 'খ' উভই
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
১,৮৮৫.
কারাবাস একের পর এক চললে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১২ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা (একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ)-
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এ রকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
১,৮৮৬.
যদি জমি বিক্রয় চুক্তি বাস্তবায়নের মামলায় জমি ময়মনসিংহ এবং কক্সবাজারে অবস্থিত হয়, তাহলে মামলা কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. শুধুমাত্র কক্সবাজারে
  2. শুধুমাত্র ময়মনসিংহে
  3. বাংলাদেশের যেকোনো আদালতে
  4. ময়মনসিংহ বা কক্সবাজারে যেকোনো এক স্থানে
ব্যাখ্যা
⇒ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তাই উল্লিখিত মোকদ্দমা ময়মনসিংহ বা কক্সবাজারে যেকোনো এক স্থানে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করতে পারে।


দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ এবং ধারা ১৮ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার এখতিয়ার নির্ধারণের জন্য প্রযোজ্য। 
ধারা ১৭: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা:
এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো স্থাবর সম্পত্তি (যেমন জমি, বাড়ি ইত্যাদি) বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত হয়, তাহলে মোকদ্দমা সম্পত্তির অংশ বিশেষ যেখানে অবস্থিত, সেই আদালতে দায়ের করা যাবে।
উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি জমি কুমিল্লা এবং ঢাকায় অবস্থিত হয়, তাহলে মোকদ্দমা কুমিল্লা বা ঢাকার যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যাবে।
তবে শর্ত হলো, আদালতকে সম্পূর্ণ দাবির মূল্য বিবেচনা করে মোকদ্দমা গ্রহণ করতে হবে।

ধারা ১৮: আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে প্রযোজ্য
এই ধারা প্রযোজ্য হয় যখন আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার (Territorial Jurisdiction) অনিশ্চিত হয়।
অর্থাৎ, যদি স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত হয় এবং কোন আদালতের এখতিয়ার প্রযোজ্য হবে তা নির্ধারণ করা কঠিন হয়, তাহলে ধারা ১৮ প্রযোজ্য হবে।
এই ক্ষেত্রে, মোকদ্দমা যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যাবে, এবং পরে আদালত এখতিয়ার নির্ধারণ করবে।
১,৮৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫০ ধারা অনুসারে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধীনস্থ পুলিশ কর্মকর্তা সম্পত্তি জব্দ করলে কী করতে হবে?
  1. আদালতে রিপোর্ট দিতে হবে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক রিপোর্ট দিতে হবে
  4. কোনো রিপোর্ট দেওয়ার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক রিপোর্ট দিতে হবে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫০ ধারা অনুযায়ী,
- Any police-officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence.
- Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.

অর্থাৎ, যদি কোনো পুলিশ কর্মকর্তা (যিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধীনস্থ) কোনো চুরি যাওয়া বা অপরাধ সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহভাজন সম্পত্তি জব্দ করেন, তাহলে তাকে "তাৎক্ষণিকভাবে" (forthwith) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সেই জব্দের রিপোর্ট দিতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 550. Powers to police to seize property suspected to be stolen:
 Any police-officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.

১,৮৮৮.
তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী ঋণের সুদ পরিশোধ করলে তামাদি মেয়াদ গণনা কীভাবে পরিবর্তিত হয়?
  1. মেয়াদ স্থগিত হয়
  2. মেয়াদ বাতিল হয়
  3. পূর্বের মেয়াদ বহাল থাকে
  4. নতুন করে মেয়াদ গণনা শুরু হয়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ২০ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো ঋণ বা দায়ের বিপরীতে সুদ পরিশোধ করে (বা আংশিক টাকা পরিশোধ করে), তবে উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এটি একটি স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হয় এবং আইন অনুযায়ী এটি তামাদি মেয়াদ পুনরারম্ভের জন্য যথেষ্ট।

⇒ তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী, ঋণ বা লিগ্যাসির সুদ পরিশোধ করার ফলে তামাদির মেয়াদ নবায়ন হবে।
অর্থাৎ, যখন ঋণগ্রহীতা বা তার প্রতিনিধি সুদ পরিশোধ করেন, তখন তামাদির মেয়াদ পুনরায় শুরু হবে এবং নতুন মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
তবে, এটা শর্তসাপেক্ষ যে, পরিশোধের জন্য লিখিত স্বীকৃতি বা সাক্ষর থাকা উচিত, যাতে পরিশোধের প্রমাণ থাকে।
এটি ঋণগ্রহীতা বা লিগ্যাসির অধিকারী ব্যক্তির জন্য সুবিধাজনক, কারণ তারা পরিশোধের মাধ্যমে নতুন সময় শুরু করতে পারেন।

⇒ The Limitation Act:- Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made:
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
১,৮৮৯.
B একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। A, B এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। এখানে A- কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে-
  1. B এর জীবনকাল
  2. B এর মৃত্যু
  3. B এর অসুস্থতা
  4. B এর হাসপাতাল ত্যাগ
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান হচ্ছে: সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য যে ঘটনা প্রমাণ করতে হবে, যিনি সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক; তা প্রমাণের দায়িত্ব তার উপর। যেমন: মৃত্যুকালীন ঘোষণা।
♦  সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা অনুযায়ী সাক্ষ্য গ্রহনযোগ্য করার জন্য যে ঘটনা আগে প্রমাণ করা প্রয়োজন, তা অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে । এখানে A, B এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ্য করার জন্য, আগে A অবশ্যই Bএর মৃত্যু প্রমাণ করবে।
১,৮৯০.
‘E’ একজন মহিলার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে, যিনি বিশ্বাস করেন যে ‘E’ তার স্বামী, কিন্তু ‘E’ জানে যে সে তার স্বামী নয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৬ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৫ অনুসারে, কোনো পুরুষ যদি জেনে যে সে মহিলার স্বামী নয়, এবং মহিলা তাকে স্বামী মনে করে সম্মতি দেয়, তবে তা ধর্ষণ হিসেবে গণ্য (চতুর্থ শর্ত)। এখানে, ‘E’ জেনে যে সে মহিলার স্বামী নয়, তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছে, যা ধারা ৩৭৫-এর অধীনে ধর্ষণ। ধারা ৩৭৬ অনুসারে, ধর্ষণের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
- সুতরাং, ‘E’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৩৭৬ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারার বিধান ধর্ষণ (Rape):- কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত:- স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
দ্বিতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে।
তৃতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে।
চতুর্থত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে।
পঞ্চমত:- স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।
ব্যাখ্যা:- ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।
ব্যতিক্রম:- কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 375.Rape:
 A man is said to commit "rape" who except in the case hereinafter excepted, has sexual intercourse with a woman under circumstances falling under any of the five following descriptions: 
Firstly. Against her will. 
Secondly. Without her consent. 
Thirdly. With her consent, when her consent has been obtained by putting her in fear of death, or of hurt. 
Fourthly. With her consent, when the man knows that he is not her husband, and that her consent is given because she believes that he is another man to whom she is or believes herself to be lawfully married. 
Fifthly. With or without her consent, when she is under fourteen years of age. 
Explanation. Penetration is sufficient to constitute the sexual intercourse necessary to the offence of rape. 
Exception. Sexual intercourse by a man with his own wife, the wife not being under thirteen years of age, is not rape.

১,৮৯১.
তামাদি আইনের কোন কোন অনুচ্ছেদে দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. ১৫৪ এবং ১৫৫ অনুচ্ছেদ
  2. ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদ
  3. ১৫০ এবং ১৫৭ অনুচ্ছেদ
  4. ১৫৪ এবং ১৫৮ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে আপিল তামাদি আইনের ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদের তামাদির বিধান অনুযায়ী করতে হয়।

অনুচ্ছেদ- ১৫২
১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপিল
তামাদি- ৩০ দিন
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।

অনুচ্ছেদ- ১৫৬
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন, ১৫১ ও ১৫৩ অনুচ্ছেদে যে সকল মোকদ্দমা সম্পর্কে বিধান আছে সেগুলি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
তামাদি- ৯০ দিন
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে।
১,৮৯২.
চূড়ান্ত শুনানীকালে মোকদ্দমা মুলতবী করা যায় কোন কারণে?
  1. আদালতের বিবেচনায় যে কোনো কারণে
  2. যথোপযুক্ত কারণে
  3. ন্যায়বিচারের স্বার্থে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ মূলতবী সংক্রান্ত বিধিবিধান আদেশ ১৭ তে বলা আছে। বিধি ১-এর উপবিধি ৪-এর বিধান মতে চূড়ান্ত শুনানীকালে কোনো মুলতবী মনজুর করা যায় না। তবে proviso তে বলা আছে-if for ends of justice any adjournment is granted to a party…” অর্থাৎ, ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত চাইলে চূড়ান্ত শুনানীকালেও সর্বোচ্চ ৩ বার ২০০-১০০০ টাকার খরচের আদেশ সহ বিচার মুলতবি করা যায়।
১,৮৯৩.
Where once _____ has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it.
  1. suit
  2. time
  3. case
  4. proceeding
ব্যাখ্যা
⇒ Section: 9 of The Limitation Act,1908-
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
--------------------
⇒ তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান: সময়ের অবিরাম চলন:
তামাদির সময় একবার চলতে শুরু করলে কোন অক্ষমতা একে থামাতে পারে না। তবে কোন পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কোন দেনাদারের উপর ন্যস্ত থাকলে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
১,৮৯৪.
হাইকোর্ট বিভাগ-এর Inherent power বা সহজাত ক্ষমতা সংরক্ষণের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আছে? 
  1. ৫৬১
  2. ৫৬১ক
  3. ৫৬৫
  4. ৫৬ক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারা বিশেষভাবে হাইকোর্ট বিভাগ-এর সহজাত (inherent) ক্ষমতা সংরক্ষণ করে। এই ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, আদালতের আদেশ কার্যকর করা এবং আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য প্রযোজনীয় আদেশ দিতে পারে। এটি অন্যান্য আদালতের জন্য প্রযোজ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা;
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা; এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

১,৮৯৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৩০ ধারা অনুসারে প্রদত্ত সমন অমান্য করলে আদালত তাকে অনধিক কত টাকা জরিমানা করতে পারেন?
  1. ৫০০
  2. ২০০
  3. ১০০
  4. ১০০০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
১,৮৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ধারা ৫৬০
  2. ধারা ৫৫৭
  3. ধারা ৫৬৮
  4. ধারা ৫৫৬
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে, যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

Section 556- Case in which Judge or Magistrate is personally interested
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
১,৮৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার কোন সংবাদপত্র বা পুস্তক বা কোন দলিল বা কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন?
  1. ৯৯ক ধারা
  2. ৯৯খ ধারা
  3. ৯৯গ ধারা
  4. ৯৯ঘ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা অনুসারে সরকার কোন সংবাদপত্র বা পুস্তক বা কোন দলিল বা কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
♦  এছাড়া ৯৯ক ধারা অনুসারে যে সকল প্রকাশনা সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেছেন তা উদ্ধারের জন্য আদালত তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।ঃ

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার বিধান: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিবার ক্ষমতাঃ

(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভূক্ত হয়েছে-

(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩এ অথবা ১২৪এ অথবা ১৫৩এ অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫এ অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫এ মতে দণ্ডনীয়,

(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা

(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা

(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারী গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গনে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোন সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সঙ্গত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপ-ধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধিকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
১,৮৯৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় Double Jeopardy' মতবাদ আলোচিত হয়েছে?
  1. ২০৩
  2. ৩০৩
  3. ৪০৩
  4. ৫০৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-

১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

যেহেতু উপরে উল্লেখিত অব্যাহতি বা মুক্তি ৪০৩ ধারার অধীন খালাস বলে গণ্য হবে না, তাই উক্ত ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না। অব্যাহতি বা মুক্তির আদেশের বিরুদ্ধে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি বা মুক্তি দেওয়া হলে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার double Jeopardy নীতি বাধা হবে না।
১,৮৯৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৯ বিধি-১ অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন মঞ্জুর করা হয়?
  1. মামলা নিষ্পত্তি হয়ে গেলে
  2. শুধুমাত্র জমি সংক্রান্ত বিরোধে
  3. বিবাদী ঋণ পরিশোধ করলে
  4. নালিশী সম্পত্তি নষ্ট বা হস্তান্তরের ঝুঁকি থাকলে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। বিধি ১ অনুযায়ী যখন নালিশী সম্পত্তি কোন পক্ষ কর্তৃক ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিমূলে অন্যায়ভাবে বিক্রি হতে পারে, অথবা বিবাদী যখন পাওনাদারকে বঞ্চিত, প্রতারিত করার জন্য তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার হুমকি প্রদান করে বা ইচ্ছা পোষণ করে, তখন আদালত উক্ত নালিশী সম্পত্তি ধ্বংসকরণ, ক্ষতিগ্রস্থকরণ, হস্তান্তর, নিলাম, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ স্থগিত করার উদ্দেশ্যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে বা আদালত কর্তৃক যেরূপ উপযুক্ত বিবেচিত হবে সেরূপ আদেশ দিতে পারেন।

- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ১ অনুযায়ী, আদালত তখন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন যখন প্রমাণ হয় যে নালিশী সম্পত্তি নষ্ট, ক্ষতিগ্রস্ত, হস্তান্তরিত, বা ভুলভাবে বিক্রি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, অথবা বিবাদী তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলছে বা বিক্রি করে পাওনাদারকে প্রতারিত করতে চাচ্ছে। এইরূপ পরিস্থিতিতে আদালত সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন, যা মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৯ বিধি-২:
১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।
৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।
৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

১,৯০০.
'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। এটির ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' কোন অপরাধটি করেছে?
  1. Affray
  2. Assault
  3. criminal force
  4. Assault with intent to outrage modesty
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।

(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।

(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।