বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১৪ / ১২৬ · ১,৩০১১,৪০০ / ১২,৬০৫

১,৩০১.
যদি কোনো ব্যক্তি কারাদণ্ডে থাকাকালীন অবস্থায় ধারা ১০৬ বা ১১৮ অনুযায়ী মুচলেকা প্রদানের আদেশ পান, তবে মুচলেকার মেয়াদ কখন থেকে শুরু হবে?
  1. জামিনের তারিখ থেকে
  2. আদেশের তারিখ থেকে
  3. গ্রেফতারের তারিখ থেকে
  4. কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি কারাগারে থাকেন এবং তার বিরুদ্ধে ধারা ১০৬ বা ধারা ১১৮ এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশ জারি করা হয়, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি, যার বিরুদ্ধে ধারা ১০৬ বা ধারা ১১৮ এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়, সেই সময়ে কারাদণ্ড ভোগ করছেন বা কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে। এর কারণ হলো, কারাগারে থাকা অবস্থায় ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ বা অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত হওয়ার সুযোগ পান না, তাই নিরাপত্তা বন্ডের প্রয়োজনীয়তা তার মুক্তির পর থেকে কার্যকর হয়।
- ধারা ১২০(২) এ আরও উল্লেখ আছে যে, যদি ব্যক্তি কারাগারে না থাকেন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ সাধারণত আদেশ জারির তারিখ থেকে শুরু হবে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ কারণে পরবর্তী কোনো তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-120.Commencement of period for which security is required:
(1) If any person, in respect of whom an order requiring security is made under section 106 or section 118, is, at the time such order is made, sentenced to, or undergoing a sentence of, imprisonment the period for which such security is required shall commence on the expiration of such sentence.
(2) In other cases such period shall commence on the date of such order unless the Magistrate, for sufficient reason, fixes a later date.

১,৩০২.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান কী?
  1. বিশেষজ্ঞদের মতামত
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণা
  3. হাতের লেখা সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত
  4. মামলার পক্ষ ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির মতামত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।
⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
-------------------
⇒The Evidence Act,1872: Section 45: Opinion of Experts:
- When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts.
Such persons are called experts.
১,৩০৩.
কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষগণকে নোটিশ দিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শনে যেতে পারেন?
  1. কেবলমাত্র অভিযুক্ত চাইলে
  2. শুধুমাত্র বিচারের সময়
  3. শুধুমাত্র তদন্তের সময়
  4. তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারার যে কোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ (সরেজমিনে পরিদর্শন)-

১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্তে বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে, অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Sec 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
১,৩০৪.
অধস্তন আদালতের ভাষা কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. হাইকোর্ট ঠিক করে
  2. সরকার ঘোষণা করতে পারে
  3. আদালত নিজেই ঠিক করে
  4. আইনজীবীরা সিদ্ধান্ত নেয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।
১,৩০৫.
কোন মামলায় যে কোন পক্ষে একজনের অধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, মামলা পরিচালনার অধিকার থাকবে-
  1. অ্যাডভোকেট যিনি সর্বপ্রথম নিযুক্ত
  2. অ্যাডভোকেট যিনি পক্ষ কর্তৃক মনোনীত
  3. নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
  4. নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যে কোন একজন
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette]  ১ম অধ্যায় আইনজীবীদের পারস্পরিক আচরণ[Conduct with regard to other Advocates] বিধি ১১ এর বিধান যদি কোন মামলায় একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে অধিকার বলে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উক্ত মামলা পরিচালনা করবে এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী তাকে সহযোগিতা করবে।
অর্থাৎ কোন মামলায় একপক্ষে একাধিক আইনজীবী নিয়োজিত হলে, সেই ক্ষেত্রে জৈাষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবে।
---------------------
Rule-11. Where more than one Advocate is engaged on any side it is the right of the senior member to lead the case and the junior members to assist him.
১,৩০৬.
The Penal Code, 1860 এর ধারা ৩৪২ অনুসারে বেআইনি আটক অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. সর্বোচ্চ সীমা নেই
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধ এলাকার বাহিরে গমনে বাধা প্রদান করাকে অবৈধ আটক বা অবরোধ বলে। দণ্ডবিধির ৩৪২ ধারায় অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তির বিধান রয়েছে।

অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি (ধারা ৩৪২)-
যে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করেন, তিনি দণ্ডনীয় হবেন।

শাস্তি:
- এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (যেকোনো প্রকারের), অথবা
- এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয় দণ্ড একসঙ্গে।
১,৩০৭.
একজন পাবলিক প্রসিকিউটরের প্রাথমিক দায়িত্ব কী?
  1. আসামির সাজা নিশ্চিত করা
  2. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  3. আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা
  4. আদালতের পক্ষপাতিত্ব করা
ব্যাখ্যা
উত্তর: ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

"Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর অধ্যায় ৩, বিধি ৫:
কোন আসামীকে দোষী সাব্যস্ত করা রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্ত আইনজীবীর দায়িত্ব নহে বরং সুবিচার প্রতিষ্ঠা করাই তাঁহার প্রাথমিক দায়িত্ব। প্রকৃত ঘটনা গোপন করা কিংবা যে সাক্ষী স্বাক্ষ্য দিলে আসামীর নির্দোষীতা প্রমান হইবে উক্ত সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন না করার প্রয়াস ঘৃণা ও তিরস্কারের যোগ্য।

The primary duty of an Advocate engaged in public prosecution is not to convict, but to see that the justice is done. The suppression of facts or the concealing of witnesses capable of establishing the innocence of the accused is highly reprehensible.
১,৩০৮.
জামিনঅযোগ্য অপরাধের মামলার জামিনের ক্ষেত্রে নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক?
  1. জামিন দেওয়া যায় না
  2. ম্যাজিস্ট্রেট জামিন দিতে পারে না, তবে হাইকোর্ট জামিন দিতে পারে
  3. জামিন দেওয়া আদালতের Discretionary Power
  4. জামিন পাওয়া অভিযুক্তের অধিকার।
ব্যাখ্যা
♦ জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা বা Discretionary Power। মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অপরাধে অপরাধী হওয়ার মতো বিশ্বাসযোগ্য কারণ ব্যতীত আদালত এই বিবেচনা প্রয়োগ করতে পারেন। তবে সব ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে তিনটি কারণে জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়ার বিষয় বিবেচনার ক্ষমতা আদালতকে দেওয়া হয়েছে। এই তিনটি কারণ হলো- (১) ১৬ বছরের কম বয়স্ক (২) স্ত্রীলোক ও (৩) পীড়িত বা অক্ষম ব্যক্তি

♦ জামিনযোগ্য হলে অধিকার বলে জামিন প্রাপ্ত হবে।  জামিনঅযোগ্য হলে অধিকারবলে দাবি করা না গেলেও জামিন চাইতে পারেন। 
১,৩০৯.
'ক' নাবালক থাকাবস্থায় তার একটি দেওয়ানি মামলা করার অধিকার জন্মে, তামাদির সময় গণনা শুরু হবে যখন-
  1. 'ক' এর সাবালকত্বের অবসান হবে
  2. 'ক' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
  3. 'ক' যখন মামলা করার আগ্রহী হবে
  4. 'ক' মামলা করার অধিকার অর্জন করে তখন থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে।
-নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
⇒ অর্থাৎ 'ক' এর নাবালকত্বের অবসান হওয়ার পর তামাদির সময় গণনা শুরু হবে।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।

উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
---------------------------------
⇒ Limitation Act- Section-6: Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
১,৩১০.
দণ্ডবিধি অনুসারে, 'ক্ষতি (Injury)' বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র শারীরিক আঘাত
  2. অবৈধভাবে আর্থিক ক্ষতিসাধন
  3. শুধুমাত্র মানসিক ক্ষতি
  4. দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির অবৈধ ক্ষতিসাধন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪ ধারা- ক্ষতি:
যদি কোনো ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয়, তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।

Section 44-“Injury”:
The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
১,৩১১.
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুসারে, ডাকাতির ক্ষেত্রে ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির অংশগ্রহণ প্রয়োজন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী, ডাকাতি সংঘটিত বা সংঘটন করার চেষ্টা করতে হলে কমপক্ষে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হতে হবে। এছাড়া, যদি ডাকাতি সংঘটন বা প্রচেষ্টা চালাতে সহায়তা প্রদানকারী ব্যক্তির সংখ্যা পাঁচ বা তার বেশি হয়, তাও "ডাকাতি" হিসেবে গণ্য হবে। তাই, ডাকাতির ক্ষেত্রে ন্যূনতম পাঁচজন ব্যক্তির অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
১,৩১২.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় 'অপরাধ' (Offence) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ৩৮
  2. ৪৪
  3. ৪০
  4. ৪৩
ব্যাখ্যা
• The Penal Code, 1860 এর ৪০ ধারায় 'অপরাধ' (Offence) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

ধারা ৪০: “অপরাধ”-
এই ধারায় “অপরাধ” শব্দটির অর্থ:
১. যেসব অধ্যায় এবং ধারাগুলোর উল্লেখ ২ ও ৩ নম্বর ক্লজে করা হয়নি, সেখানে “অপরাধ” বলতে দণ্ডবিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় কোনো কাজকে বোঝানো হয়েছে।

২. তবে চতুর্থ অধ্যায়, অধ্যায় VA এবং নিম্নোক্ত ধারাসমূহে—
ধারা ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৭১, ১০৯, ১১০, ১১২, ১১৪, ১১৫, ১১৬, ১১৭, ১৮৭, ১৯৪, ১৯৫, ২০৩, ২১১, ২১৩, ২১৪, ২২১, ২২২, ২২৩, ২২৪, ২২৫, ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯, ৩৩০, ৩৩১, ৩৪৭, ৩৪৮, ৩৮৮, ৩৮৯ এবং ৪৪৫
এইসব ক্ষেত্রে “অপরাধ” বলতে দণ্ডবিধি অনুযায়ী অথবা এখানে পরে সংজ্ঞায়িত যেকোনো বিশেষ বা প্রাদেশিক আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় কাজকে বোঝানো হয়েছে।

৩. এবং ধারা ১৪১, ১৭৬, ১৭৭, ২০১, ২০২, ২১২, ২১৬ ও ৪৪১ এ “অপরাধ” শব্দের অর্থ সেই কাজ, যা বিশেষ বা প্রাদেশিক আইনের অধীনে দণ্ডনীয়, এবং যেটির শাস্তি ছয় মাস বা তদূর্ধ্ব কারাদণ্ড (জরিমানাসহ বা ব্যতিরেকে) হতে পারে।
১,৩১৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় আইনটির অতিরাষ্ট্রিক প্রযোজ্যতার বিধান আছে?
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান: দণ্ডবিধির অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ (Extra-territorial application of Penal Code)-
-দণ্ডবিধির ৪ ধারায় দণ্ডবিধির অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগের বিধান রয়েছে। বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের বাহিরে কোন স্থানে বা বাংলাদেশের রেজিস্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে (জাহাজটি যেখানেই থাকুক না কেন) কোন অপরাধ করলে, বাংলাদেশের যে স্থানে উক্ত অপরাধীকে পাওয়া যাবে, সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধারে নিয়ে তার বিচার করা যাবে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪ ধারানুযায়ী বাংলাদেশের আদালত বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের বিচার করতে এমনভাবে ক্ষমতাবান যেন, বাংলাদেশের যে স্থানে অপরাধীকে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করা হবে।

⇒দণ্ডবিধির অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশি নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশি কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
---------------------
⇒The penal Code Section -4.Extension of Code to extra-territorial offences:
The provisions of this Code apply also to any offence committed by-
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh;
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be.
Explanation.-In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.

Illustrations:
(a) A, a Bangladesh subject, commits a murder in Uganda. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found.
(b) B, a European British subject, commits a murder in 3[Rangpur]. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found.
(c) C, a foreigner who is in the service of the Bangladesh Government, commits a murder in 4[Khulna]. He can be tried and convicted of murder at any place in Bangladesh in which he may be found.
(d) D, a British subject living in 5[Khulna], instigates E to commit a murder in 6[Chittagong]. D is guilty of abetting murder.
১,৩১৪.
দণ্ডবিধির ৬০ ধারা অনুযায়ী, কারাদণ্ডের ধরন নির্ধারণের ক্ষেত্রে কার ক্ষমতা রয়েছে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. অপরাধী
  4. রায়দানকারী আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৬০ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, যে আদালত অপরাধীকে দণ্ডিত করবে (রায়দানকারী আদালত) তারই এ ক্ষমতা রয়েছে। ধারাটির শুরুতেই বলা হয়েছে, "it shall be competent to the Court which sentences such offender..." অর্থাৎ "সেই আদালতের জন্য এটা কর্তব্য হবে, যে আদালত অপরাধীকে দণ্ডিত করে..."।
- ধারাটি আদালতকে তিনটি বিকল্প দেয়:
১. কারাদণ্ড সম্পূর্ণরূপে সশ্রম (wholly rigorous) হতে পারে।
২. কারাদণ্ড সম্পূর্ণরূপে বিনাশ্রম (wholly simple) হতে পারে।
৩. কারাদণ্ডের এক অংশ সশ্রম এবং বাকি অংশ বিনাশ্রম (partly rigorous and partly simple) হতে পারে।
- এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা শুধুমাত্র সেই বিশেষ আদালতের রয়েছে, যে আদালত মামলাটির চূড়ান্ত রায় দেয় এবং অপরাধীকে কারাদণ্ড প্রদান করে।
⇒ অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৬০ ধারা অনুযায়ী, কারাদণ্ডের ধরন (সম্পূর্ণ সশ্রম, সম্পূর্ণ বিনাশ্রম, বা আংশিক সশ্রম ও বাকি বিনাশ্রম) নির্ধারণের ক্ষমতা রায়দানকারী আদালত এর রয়েছে। সঠিক উত্তর: ঘ) রায়দানকারী আদালত।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-60: Sentence may be (in certain cases of imprisonment, wholly or partly rigorous or simple:
In every case in which an offender is punishable with imprisonment which may be of either description, it shall be competent to the Court which sentences such offender to direct in the sentence that such imprisonment shall be wholly rigorous, or that such imprisonment shall be wholly simple, or that any part of such imprisonment shall be rigorous and the rest simple.

১,৩১৫.
কোন ধরনের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন?
  1. চুক্তি বাতিলের
  2. চুক্তি সংশোধনের
  3. দলিল বাতিলের
  4. দলিল সংশোধনের
ব্যাখ্যা
৩৯ ধারা: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

অর্থাৎ দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন।
১,৩১৬.
ঢাকায় এক বেআইনি সমাবেশ দাঙ্গায় পরিণত হয়। পুলিশ তা দমন করতে গেলে কয়েকজন সদস্য একজন পুলিশকে মারাত্মক আঘাত করে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, এই আঘাতকারীদের সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4.  ১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৫২ অনুযায়ী, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা বা দাঙ্গা দমন করার সময় আক্রমণের শিকার হন, আক্রমণের হুমকি পান, বাধা দেওয়া হয় বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা হয়, তবে অপরাধীকে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। এছাড়া অর্থদণ্ড বা উভয় শাস্তিও দেওয়া হতে পারে। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আঘাতকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে তিন বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারী কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারী কর্মচারী অনুরূপ সরকারী কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both. 

১,৩১৭.
গণ উৎপাত সংক্রান্ত বিধান কোথায় প্রযোজ্য হয় না?
  1. বিভাগীয় এলাকায়
  2. জেলা এলাকায়
  3. মেট্রোপলিটন এলাকায়
  4. পার্বত্য চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধিতে গণ উৎপাত সংক্রান্ত যে বিধানসমূহ দেয়া হয়েছে, তা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না।

• 
ফৌজদারি কার্যবিধির দশম অধ্যায়ে ধারা ১৩৩-১৪৩ পর্যন্ত গণ উৎপাত সংক্রান্ত বিধানসমূহ রয়েছে। উক্ত অধ্যায়ের ধারা ১৩২ক তে দেয়া আছে-

''এই অধ্যায়ের বিধানসমূহ মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।''

Section 132A: Application-
The provisions of this Chapter shall not apply to a Metropolitan Area.
 
১,৩১৮.
What is the maximum punishment for counterfeiting a Government stamp under Section 255?
  1. Imprisonment for 5 years
  2. Imprisonment for 10 years
  3. Imprisonment for life
  4. Death penalty
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা সরকারী স্ট্যাম্প জাল করণ :- কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

- ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।
__________________________________________
⇒ The Penal Code, 1860- Section-255. Counterfeiting Government stamp:- Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

- Explanation:- A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
১,৩১৯.
যদি কোনো অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতি এক আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সংঘটিত হয় এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারে বসবাস করে, তাহলে বাদী কোথায় ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. যেখানে উভয় পক্ষ রাজি হয়
  2. যেখানে ক্ষতি সংঘটিত হয়েছে
  3. যেখানে বিবাদী বসবাস করে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারায় বলা হয়েছে,
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে, এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারবে।

অন্যদিকে,
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়ে দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পর্কে ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা দায়েরের  দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারা অনুসারে নির্ধারণ করতে হবে ও মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
১,৩২০.
Order 15, Rule 1 applies at which stage of the suit?
  1. Before the suit is filed
  2. After the final hearing
  3. At the first hearing of the suit
  4. During the appeal stage
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।

Order 15, Rule 1:
Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
১,৩২১.
A তার জমি B-কে হস্তান্তর করে, এবং B মৃত্যুর আগে সেই জমি C-কে উইল করে দেন। B মারা গেলে D জমিটির দখল নেয় এবং একটি জাল দলিল উপস্থাপন করে, যাতে বলা হয়েছে B আসলে D-এর পক্ষে ট্রাস্ট হিসেবে জমিটি নিয়েছিলেন। এক্ষেত্রে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে কে দলিল বাতিল করার মামলা করতে পারে?
  1. D
  2. A
  3. C
  4. আদালত
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৯: কখন বাতিলকরণ আদেশ করা যেতে পারে:
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো লিখিত দলিল বাতিলযোগ্য (voidable) বা অকার্যকর (void), এবং যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা আছে যে ওই দলিলটি যদি বহাল থাকে তবে তা তাকে গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে- সে ব্যক্তি আদালতে মামলা করতে পারে যাতে দলিলটিকে অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য ঘোষণা করা হয়।

আদালত তার বিবেচনায় যদি মনে করে যে দলিলটি সত্যিই অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য, তাহলে আদালত সেটিকে তেমনভাবে ঘোষণা করতে পারে এবং দলিলটি জমা দিয়ে বাতিল করার আদেশ দিতে পারে।

যদি সেই দলিলটি ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন (Registration Act, 1908) অনুসারে নিবন্ধিত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি অনুলিপি সেই নিবন্ধন অফিসারের কাছে পাঠাবে, যার অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছে। ঐ অফিসার তার রেকর্ডে সংরক্ষিত দলিলের অনুলিপিতে তার বাতিল হওয়ার বিষয়টি নোট করে রাখবে।

উদাহরণসমূহ (Illustrations):

(ক) A, একটি জাহাজের মালিক, প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্রযাত্রার উপযোগী (seaworthy) বলে উপস্থাপন করে B-কে (যিনি বিমাকারী) সেটি বিমা করতে রাজি করান। B এই প্রতারণামূলক বিমা নীতিটি বাতিল করাতে পারেন।

(খ) A তার জমি B-কে হস্তান্তর করে, এবং B মৃত্যুর আগে সেই জমি C-কে উইল করে দেন। B মারা গেলে D জমিটির দখল নেয় এবং একটি জাল দলিল উপস্থাপন করে, যাতে বলা হয়েছে B আসলে D-এর পক্ষে ট্রাস্ট হিসেবে জমিটি নিয়েছিলেন। এই জাল দলিলটি বাতিল করার জন্য C মামলা করতে পারেন।

(গ) A দাবি করে যে তার জমির ভাড়াটেরা সবাই ইচ্ছামতো অবস্থান করছে (tenants at will), এবং সে জমিটি B-কে বিক্রি করে ১লা জানুয়ারি, ১৮৭৭ তারিখে দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করে। এরপর A প্রতারণামূলকভাবে একই জমির একটি অংশ C-কে লিজ দেয়, যার তারিখ ১লা অক্টোবর, ১৮৭৬ দেখানো হয় এবং সেটি নিবন্ধিতও করে। এই ক্ষেত্রে B সেই লিজ দলিলের বাতিল চাইতে পারেন।

(ঘ) A সম্মত হয় যে সে একটি জাহাজ B-কে বিক্রি ও সরবরাহ করবে, এবং মূল্য পরিশোধ হবে B-এর চারটি বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bills of Exchange) গ্রহণের মাধ্যমে, মোট ৩০,০০০ টাকা। বিলগুলো তৈরি ও গ্রহণ করা হলেও A চুক্তি অনুযায়ী জাহাজটি সরবরাহ করে না।এরপর A ওই বিলগুলোর একটির ভিত্তিতে B-এর বিরুদ্ধে মামলা করে। এই অবস্থায় B সব বিলের বাতিলের আবেদন করতে পারেন।

১,৩২২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি ৯(১) অনুসারে, কোনো মামলা বিলুপ্ত বা খারিজ হলে সাধারণত কী ফলাফল হয়? 
  1. আদালত স্বেচ্ছায় মামলাটি পুনরায় চালু করবে।
  2. মামলাটির স্বয়ংক্রিয়ভাবে রায় হবে। 
  3. বাদী একই কারণে নতুন মামলা করতে পারবেন।
  4. একই কারণে নতুন মামলা দায়ের করা যাবে না।
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২, বিধি ৯(১) স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে, যখন কোনো মামলা এই আদেশের অধীনে বিলুপ্ত বা খারিজ হয়, তখন একই কার্যকারণে (cause of action) নতুন কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২২, বিধি ৯- বিলুপ্তি কিংবা খারিজের ফলাফল:
১) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমা এই আদেশের অধীনে বিলুপ্তি বা খারিজ হয় সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার একই কার্যকারণে নতুন কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।
২) বাদি কিংবা মৃত বাদির বৈধ প্রতিনিধি হিসাবে দাবিদার ব্যক্তি বা অসচ্ছলতা বাদির ক্ষেত্রে বা রিসিভার বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করার আদেশের জন্য আবেদন করতে পারে এবং যদি এটি প্রমাণিত হয় যে, সে মোকদ্দমা পরিচালনা পর্যাপ্ত কারণে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল তবে আদালত মোকদ্দমার খরচাদি সম্পর্কে তার বিবেচনায় এরূপ শর্তাধীনে বা অন্য কোনভাবে বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করবে।
৩) উপবিধি (২) এর অধীনে আবেদন পত্রের ক্ষেত্রে ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৪ এবং ৫ ধারার বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order 22 Rule 9: Effect of abatement or dismissal:
1) Where a suit abates or is dismissed under this Order, no fresh suit shall be brought on the same cause of action.
2) The plaintiff or the person claiming to be the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver in the case of an insolvent plaintiff may apply for an order to set aside the abatement or dismissal; and if it is that he was prevented by any sufficient cause from continuing the suit, the Court shall set aside the abatement or dismissal upon such terms as to costs or otherwise as it thinks fit.
3) The provisions of sections 4 and 5 of the Limitation Act, 1908 shall apply to application under sub-rule (2).

১,৩২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় 'Partition of estate or separation of share' বর্ণিত আছে?
  1. ৪৪ ধারায়
  2. ৫৪ ধারায়
  3. ৬৪ ধারায়
  4. ৭৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বিধান- সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ:
সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।

Section 54. Partition of estate or separation of share:

Where the decree is for the partition of an undivided estate assessed to the payment of revenue to the Government, or for the separate possession of a share of such an estate, the partition of the estate or the separation of the share shall be made by the Collector or any gazetted subordinate of the Collector deputed by him in this behalf, in accordance with the law (if any) for the time being in force relating to the partition, or the separate possession of shares, of such estates.
১,৩২৪.
দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় কোন অপরাধের সাজা বর্ণিত আছে?
  1. খুন
  2. অবহেলাজনিত মৃত্যু
  3. খুন নয়, এমন অপরাধমূলক নরহত্যা
  4. যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তের দ্বারা খুন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩০৪ ধারা- খুন নয়, এমন অপরাধমূলক নরহত্যা শাস্তি:
যে ব্যক্তি এমন একটি কাজ করেন, যা অপরাধমূলক নরহত্যা (culpable homicide) হলেও তা হত্যা (murder) হিসেবে গণ্য হয় না, তিনি নিম্নরূপে শাস্তিযোগ্য হবেন:

(১) যদি কাজটি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয় যাতে কারো মৃত্যু ঘটে, অথবা এমন শারীরিক আঘাতের উদ্দেশ্যে যা মৃত্যুর সম্ভাবনা তৈরি করে—
তাহলে শাস্তি হবে:
- আজীবন কারাদণ্ড, অথবা
- যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড, যা সর্বোচ্চ দশ বছর পর্যন্ত হতে পারে,
- এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।

(২) কিন্তু যদি কাজটি এমন জ্ঞানে করা হয় যে এটি মৃত্যু ঘটাতে পারে, তবে:
- সর্বোচ্চ দশ বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড, অথবা
- শুধু অর্থদণ্ড, অথবা
- দুইটিই একসাথে হতে পারে,

যদি এতে মৃত্যুর উদ্দেশ্য না থাকে, বা এমন আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্য না থাকে যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
১,৩২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
 
ধারা ৪৮০- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি-
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
 
Section 480: Procedure in certain cases of contempt-
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
১,৩২৬.
দায়রা জজ নিম্নোক্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. ম্যাজিষ্ট্রেটের দন্ডাদেশ
  2. ম্যাজিষ্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশ
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজের আদেশ
  4. অপর্যাপ্ত দন্ডের আদেশ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৭ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে এবং ৪১৭ক ধারা অনুযায়ী অপর্যাপ্ত দক্ষের আদেশের বিরুদ্ধে এবং ৪১৭ ধারা অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশ এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না। কিন্তু যেহেতু এটা মামলার একটি কার্য পদ্ধতি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট সঠিক কার্য পদ্ধতি মেনে আসামীকে ডিসচার্জ দিয়েছে কিনা তা নির্ধারন করার জন্য দায়রা জজ ম্যাজিস্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশের ক্ষেত্রে রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
১,৩২৭.
The Civil Courts Act,1887 আইনের কত ধারায় ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. ৩৯ ধারায়
  2. ৩৮ ধারায়
  3. ৩৭ ধারায়
  4. ৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

৩৭ ধারায় বলা হয়েছে-
"কোন মামলা বা কার্যধারায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার ও ওয়ারিশী, বিবাহ বা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচরণ বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বিষয়ে পক্ষগন হিন্দু হলে হিন্দু আইন এবং মুসলিম হলে মুসলিম আইন প্রযোজ্য হবে।"

Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished. 
 
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.
১,৩২৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা নিষ্পত্তির প্রতিবেদন প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration)।

সাধারন নিয়মসমূহ-
⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 

Section: 89(5)-
The  Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, shall, without violating the confidentiality of the parties to the mediation proceedings, submit to the court a report of result of the mediation proceedings; and if the result is of compromise of the dispute or disputes in the suit, the terms of such compromise shall be reduced into writing in the form of an agreement, bearing signatures or left thumb impressions of the parties as executants, and signatures of the pleaders, if any, and the Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, as witnesses; and the Court shall, within seven days from receiving the said report, pass an order or a decree in accordance with relevant provisions of Order XXIII of the Code.
১,৩২৯.
বার কাউন্সিলের সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ৭ জন
  2. ১০ জন
  3. ১৫ জন
  4. ২০ জন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর ধারা ৫(১) অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের সদস্য সংখ্যা ১৫ জন।
- এই ১৫ জন সদস্যের মধ্যে:
১. একজন অ্যাটর্নি জেনারেল (ex-officio)।
২. সাতজন সদস্য রোলভুক্ত অ্যাডভোকেটদের দ্বারা নির্বাচিত হন।
৩. সাতজন সদস্য স্থানীয় বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন।

এই সদস্যরা বার কাউন্সিলের বিভিন্ন কার্যক্রম ও নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ করেন এবং আইন পেশার মানোন্নয়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১,৩৩০.
The Evidence Act, 1872 এর ৫৭ ধারার অধীনে আদালত যে বিষয়গুলো বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিবে, তার উদাহরণ-
  1. ব্যক্তিগত চুক্তির শর্ত
  2. ব্যবসায়িক চুক্তির শর্তাবলী
  3. সরকারি গেজেটে প্রকাশিত নিয়োগের তথ্য
  4. ক, খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে- আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন [Facts of which Court must take judicial notice].
 
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ;
iii) সংসদের কার্যসমূহ;
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা;
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।
১,৩৩১.
According to Section 11(1) of the Limitation Act, 1908, suits on contracts entered into in a foreign country and instituted in Bangladesh-
  1. Can be filed at any time
  2. Have no limitation period
  3. Are subject to the limitation rules of Bangladesh
  4. Are subject to the foreign country's limitation rules
ব্যাখ্যা
Section 11: Suits on foreign contracts-
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act. 
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.

• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,
⇒ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লেখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।

⇒ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশী কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।
১,৩৩২.
কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না, যদি না চুক্তিটি হয়- 
  1. লিখিত
  2. প্রত্যায়িত ও সত্যায়িত
  3. সত্যায়িত
  4. লিখিত ও নিবন্ধিত
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২১(ক) অনুযায়ী, এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-

(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং

(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
১,৩৩৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় বেআইনী শ্রমে বাধ্য করার বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৭০
  2. ধারা ৩৭২
  3. ধারা ৩৭৪
  4. ধারা ৩৭৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৪ বিধান “বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা” (Unlawful compulsory labour) বলে পরিচিত। এই ধারায় বলা হয়েছে: “যে ব্যক্তি অন্য কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম করতে বাধ্য করে, সে ব্যক্তি এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।”
এছাড়াও, যদি কেউ যুদ্ধবন্দী বা আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করতে বাধ্য করে, তবেও একইরূপ দণ্ড প্রযোজ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারার বিধান বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:-
(১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 374. Unlawful compulsory labour.
(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both. 
(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year. 
Explanation. In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949,
১,৩৩৪.
মৌখিকভাবে দেওয়া আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ পেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রথম কর্তব্য কী?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো
  2. সংবাদটি লিপিবদ্ধ করা
  3. সংবাদ দাতাকে চলে যেতে বলা
  4. তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুসারে, যদি কেউ মৌখিকভাবে আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ দেন, তাহলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রথম ও অবশ্য কর্তব্য হল সেই মৌখিক সংবাদটি নিজে বা নিজের তত্ত্বাবধানে লিপিবদ্ধ করা। এরপর সেই লিখিত বিবৃতিটি সংবাদদাতাকে পড়ে শোনানো এবং তার স্বাক্ষর নেওয়া আবশ্যক। তাই সরাসরি তদন্ত শুরু করা বা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানোর আগে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ: আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শোনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-154. Information in cognizable cases: Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.

১,৩৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬ এর কোন বিধি অনুযায়ী সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ আপিল করা যায়?
  1. বিধি ৮
  2. বিধি ১০
  3. বিধি ১১
  4. বিধি ১৩
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ: ৪৩ আপিলযোগ্য আদেশসমূহ:
(ক) আদেশ ৭ এর বিধি ১০ অনুযায়ী, যা একটি অভিযোগপত্রকে (প্লেইন্ট) উপযুক্ত আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়;
(খ) আদেশ ৮ এর বিধি ১০ অনুযায়ী, যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষিত হয়;
(গ) আদেশ ৯ এর বিধি ৯ অনুযায়ী, (যে মামলায় আপিল করা যায়) মামলার প্রত্যাখ্যান (ডিসমিসাল) বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে;
(ঘ) আদেশ ৯ এর বিধি ১৩ অনুযায়ী, একপক্ষীয় রায় (এক্স পার্টে ডিক্রি) বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে;
(ঙ) আদেশ ১০ এর বিধি ৪ অনুযায়ী, যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষিত হয়;

(চ) আদেশ ১১ এর বিধি ২১ অনুযায়ী;
(ছ) আদেশ ১৬ এর বিধি ১০ অনুযায়ী সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ;
(জ) আদেশ ১৬ এর বিধি ২০ অনুযায়ী, যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষিত হয়;
(ঝ) আদেশ ২১ এর বিধি ৩৪ অনুযায়ী, কোনো দলিল বা এন্ডোরসমেন্টের খসড়ার ওপর আপত্তি গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের আদেশ;
(ঞ) আদেশ ২১ এর বিধি ৬০ অনুযায়ী, সম্পত্তি সংযুক্তি থেকে মুক্তির আদেশ;

(ট) আদেশ ২১ এর বিধি ৬১ অনুযায়ী, সংযুক্ত সম্পত্তির দাবি প্রত্যাখ্যানের আদেশ;
(ঠ) আদেশ ২১ এর বিধি ৭২ অথবা বিধি ৯২ অনুযায়ী, বিক্রয় বাতিল বা বাতিল না করার আদেশ;
(ড) আদেশ ২২ এর বিধি ৯ অনুযায়ী, মামলার বাতিল (অ্যাবেটমেন্ট) বা প্রত্যাখ্যান (ডিসমিসাল) বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান;
(ঢ) আদেশ ২২ এর বিধি ১০ অনুযায়ী, অনুমতি প্রদানের বা অস্বীকার করার আদেশ;
(ণ) আদেশ ২৩ এর বিধি ৩ অনুযায়ী, কোনো চুক্তি, সমঝোতা বা পরিতৃপ্তি (স্যাটিসফ্যাকশন) রেকর্ড করার বা প্রত্যাখ্যান করার আদেশ;

(ত) আদেশ ২৫ এর বিধি ২ অনুযায়ী, (যে মামলায় আপিলযোগ্য) মামলার বাতিলের (ডিসমিসাল) আদেশ বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে;
(থ) আদেশ ৩৪ এর বিধি ২, ৪ অথবা ৭ অনুযায়ী, বন্ধক (মর্টগেজ) অর্থ পরিশোধের সময় বৃদ্ধি করার আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে;
(দ) আদেশ ৩৫ এর বিধি ৩, ৪ অথবা ৬ অনুযায়ী ইন্টারপ্লিডার মামলা সম্পর্কিত আদেশ;
(ধ) আদেশ ৩৮ এর বিধি ২, ৩ অথবা ৬ অনুযায়ী আদেশ;
(ন) আদেশ ৩৯ এর বিধি ১, ২, ৪ অথবা ১০ অনুযায়ী আদেশ;

(প) আদেশ ৪০ এর বিধি ১ অথবা ৪ অনুযায়ী আদেশ;
(ফ) আদেশ ৪১ এর বিধি ১৯ অনুযায়ী আবেদন পুনঃভর্তি (রিডমিশন) প্রত্যাখ্যানের আদেশ অথবা বিধি ২১ অনুযায়ী পুনরায় শুনানির (রিহিয়ার) আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ;
(ব) আদেশ ৪১ এর বিধি ২৩ অনুযায়ী মামলাকে ফেরত (রিম্যান্ড) দেওয়ার আদেশ, যেখানে আপিলযোগ্য রায় থেকে আপিল করা যেত;
(ভ) উচ্চ আদালত বিভাগ ব্যতীত অন্য কোনো আদালত কর্তৃক আদেশ ৪৫ এর বিধি ৬ অনুযায়ী সনদ (সার্টিফিকেট) প্রদানের আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ;
(ম) আদেশ ৪৭ এর বিধি ৪ অনুযায়ী পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করার আদেশ।
১,৩৩৬.
কোন মামলা দায়েরের সময়সীমা বিষয়ে তামাদি আইনে সুনির্দিষ্ট বিধান না থাকলে তামাদির মেয়াদ হলো-
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ৯ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
১,৩৩৭.
The Evidence Act 1872 এর ১১৫ ধারা অনুযায়ী Estoppel অর্থ কি?
  1. স্বকার্য্য জনিত বাধা
  2. স্বীকারোক্তি
  3. দোষ স্বীকার
  4. দোবারা দোষ
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১১৫ ধারার বিধান মতে Estoppel বলতে বোঝায় যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বের প্রদত্ত বক্তব্যকে অস্বীকার করতে বিরত রাখে।
- মামলার পক্ষগণ/পক্ষগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি গণের প্রতিনিধিদের উপর বাধ্য।
- এটি দেওয়ানি কার্যক্রমে প্রযোজ্য। কিন্তু ফৌজদারি কার্যক্রমে এর কোন প্রয়োগ নাই।
১,৩৩৮.
'১৮ বছরের উর্ধ্ব বয়স্ক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে মৃত্যুবরণ করলে, উক্ত শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না।'- দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কোন ব্যতিক্রমে উল্লেখ আছে?
  1. ব্যতিক্রম ৫
  2. ব্যতিক্রম ৪
  3. ব্যতিক্রম ৩
  4. ব্যতিক্রম ১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারা- খুন:

ব্যতিক্রম ১: যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

ব্যতিক্রম ২: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

ব্যতিক্রম ৩: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যতিক্রম ৫: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
১,৩৩৯.
নিম্নলিখিত কোন আইনের অধীন গঠিত কোর্ট-মার্শালে সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ প্রযোজ্য নয়?
  1. আর্মি আইন, ১৯৫২
  2. নেভাল ডিসিপ্লিন অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১
  3. এয়ার ফোর্স আইন, ১৯৫৩
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ সাধারণ বিচারিক আদালতগুলোর জন্য প্রযোজ্য হলেও কিছু নির্দিষ্ট কোর্ট-মার্শালে এটি প্রযোজ্য নয়।
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর প্রারম্ভিক ধারায় (Short Title, Extent, and Commencement) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি নিম্নলিখিত সামরিক আইনগুলোর অধীনে গঠিত কোর্ট-মার্শালে প্রযোজ্য নয়:
১) আর্মি আইন, ১৯৫২ (Army Act, 1952)
২) নেভাল ডিসিপ্লিন অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ (Naval Discipline Ordinance, 1961)
৩) এয়ার ফোর্স আইন, ১৯৫৩ (Air Force Act, 1953)

 - আইনের ভাষ্যে:
"It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961, or the Air Force Act, 1953."

→ অর্থাৎ, এই তিনটি সামরিক আইনের অধীনে গঠিত কোর্ট-মার্শাল (Courts-martial)-এ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ প্রযোজ্য নয়।
১,৩৪০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে, যৌথভাবে বিচারাধীন ব্যক্তিদের এক ব্যক্তির স্বীকারোক্তি অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত বিবেচনা করতে পারে?
  1. ধারা ২৭
  2. ধারা ২৮ 
  3. ধারা ৩০
  4. ধারা ৩১
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধের জন্য অভিযুক্ত হন এবং তাদের বিরুদ্ধে যৌথ বিচার (joint trial) পরিচালিত হয়, তবে যদি কোন একজন অভিযুক্ত তার দোষ স্বীকার করে এবং সে স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের (co-accused) বিরুদ্ধে ব্যবহারযোগ্য হয়, তবে তা আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩০ অনুসারে, যদি একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে যৌথভাবে বিচারের সম্মুখীন হন, এবং তাদের মধ্যে একজন স্বীকারোক্তি দেন, তবে আদালত সেই স্বীকারোক্তি স্বীকারোক্তিদাতা ব্যক্তি ও অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে।
-----------
⇒The Evidence Act, 1872, Section- 30. Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence:
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.
Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.
Illustrations (a) A and B are jointly tried for the murder of C. It is proved that A said-"B and I murdered C." The Court may consider the effect of this confession as against B.

১,৩৪১.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে সাজার প্রকৃতি কিরূপ হবে?
  1. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. সাধারন শ্রম
  3. সশ্রম
  4. সবকটাই হতে পারে
ব্যাখ্যা
• ৫৩ ধারায় ব্যাখ্যাতে উল্লেখ আছে যে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে তা অবশ্যই সশ্রম হবে।
১,৩৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬(২) অনুযায়ী আরজিতে উল্লিখিত তথ্য কীভাবে প্রমাণ করতে হবে?
  1. সাক্ষী দিয়ে
  2. দলিল দিয়ে 
  3. এফিডেভিট দ্বারা
  4. মৌখিক বক্তব্য দিয়ে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬(২) অনুসারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: প্রতিটি আরজির (plaint) তথ্য (facts) শপথপত্র (affidavit) দ্বারা প্রমাণিত হতে হবে।
অর্থাৎ, আরজিতে (Plaint) উল্লিখিত তথ্যগুলো এফিডেভিট (Affidavit) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।

 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ২৬: মোকদ্দমা দায়েরের পদ্ধতি:
(১) প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো উপায়ে দায়ের করতে হবে।
(২) প্রতিটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যসমূহ অবশ্যই এফিডেভিট (শপথপত্র) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Section 26: Institution of suits:
(1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed.
(2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.

১,৩৪৩.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী আদালত ৭ বছর ধরে নিখোঁজ ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য?
  1. ১০৭
  2. ১০৮
  3. ১১০
  4. ১১১
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-
আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায় এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।

Section 108 ⇒ Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
১,৩৪৪.
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা কোন অপরাধ সংশ্লিষ্ট?
  1. সরকারী নথি জাল করা
  2. সরকারী সম্পত্তি ধ্বংস করা
  3. সরকারী কর্মচারীর প্রতি অশালীন আচরণ
  4. সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদান
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:
কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 189- Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৩৪৫.
Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৯, বিধি ১৩ অনুসারে সর্বোচ্চ কয়বার Ex Parte ডিক্রি বাতিল করা যাবে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. যতবার প্রয়োজন
ব্যাখ্যা
Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৯, বিধি ১৩ (Ex Parte ডিক্রি বাতিল সংক্রান্ত বিধান):
(১) যেসব মামলায় কোনো বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা (ex parte) ডিক্রি প্রদান করা হয়, সে ক্ষেত্রে সেই বিবাদী উক্ত ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একটি দরখাস্তের মাধ্যমে ডিক্রি বাতিলের আবেদন করতে পারবে। যদি সে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, সমন যথাযথভাবে প্রদান করা হয়নি, অথবা বৈধ কোনো কারণে সে মামলার শুনানির সময় হাজির হতে ব্যর্থ হয়েছিল,
তবে আদালত ডিক্রিটি তার বিরুদ্ধে বাতিল করার আদেশ দিবে, এবং উপযুক্ত মনে করলে খরচ, আদালতে অর্থ জমা ইত্যাদির শর্তে তা করতে পারবে। সেইসাথে, আদালত মামলাটির পরবর্তী শুনানির জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবে।

তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি এমন প্রকৃতির হয় যে তা শুধুমাত্র সেই এক বিবাদীর বিরুদ্ধে বাতিল করা যায় না, তাহলে তা সব বা যেকোনো বিবাদীর বিরুদ্ধেই বাতিল করা যেতে পারে।

আরও শর্ত থাকে যে, কোনো বিবাদীর অনুরোধে একবারের বেশি একই ডিক্রি এই বিধান অনুসারে বাতিল করা যাবে না।

(২) এই আদেশের অধীনে দাখিলকৃত আবেদনপত্রের ক্ষেত্রে তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৫ প্রযোজ্য হবে (যা দেরিতে আবেদন করার কারণ ব্যাখ্যার সুযোগ দেয়।
১,৩৪৬.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির অপরাধে কোন শর্তটি আবশ্যক?
  1. সম্পত্তির মালিকের সম্মতি থাকতে হবে
  2. সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর হতে হবে
  3. চুরি কেবলমাত্র দিনের বেলা করা যাবে
  4. সম্পত্তি সরকারের মালিকানাধীন হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরূপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।
------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section, 378. Theft:
Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
১,৩৪৭.
X এর বাবা মৃত Y একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। Z, X এর নিকট Y এর সুনাম ক্ষুন্ন করার ভয় দেখায়। Z এর কৃত কাজ
  1. অপরাধ নয়
  2. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
  3. কথা দ্বারা অনিষ্ট
  4. মানহানি
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি (injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।

♦ যেমন- ক, খ-কে একটি দেওয়ানি মামলা পরিচালনা করা থেকে বিরত রাখার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়িয়ে ফেলার হুমকি প্রদান করে। এখানে ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে ।

♦ ভীতি প্রদর্শিত লোকের স্বার্থ নিহিত রয়েছে এমন কোন মৃত লোকের সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শনও ৫০৩ ধারার অপরাধ বলে গণ্য হবে। যেমন- কামাল, রফিককে একটি কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য রফিকের মৃত বাবার নামে কুৎসা রটানের হুমকি প্রদান করে। এখানে কামাল অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে ।
১,৩৪৮.
বিদেশী আদালত বা Foreign Court বলতে এমন আদালতকে বোঝায়-
  1. যে আদালত বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত এবং বাংলাদেশে কোন কর্তৃত্ব নেই
  2. যে আদালত বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত এবং বাংলাদেশে কর্তৃত্ব আছে
  3. যে আদালত বাংলাদেশের ভেতরে অবস্থিত এবং বাংলাদেশে কোন কর্তৃত্ব নেই
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২(৫) ধারায় বিদেশী আদালতের সংজ্ঞা রয়েছে। এই ধারার বিধান অনুযায়ী বিদেশী আদালত বা Foreign Court বলতে এমন আদালতকে বোঝায়-

i) যে আদালত বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত (A Court situate beyond the limits of Bangladesh ); 
ii) বাংলাদেশে যে আদালতের কোন কর্তৃত্ব নেই (which has no authority in Bangladesh) এবং
iii) যে আদালত বাংলাদেশ সরকার স্থাপন করেনি বা বহাল রাখে নি (is not established or continued by the Government)।

Section 2(5)-
"foreign Court" means a Court situate beyond the limits of Bangladesh which has no authority in Bangladesh and is not established or continued by the Government.
১,৩৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারায় "সাধারণ নাগরিক" কী ধরনের অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবেন?
  1. জামিনযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ
  2. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ
  3. জামিন অযোগ্য ও আমলঅযোগ্য অপরাধ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী, সাধারণ নাগরিক শুধুমাত্র সেই ধরনের অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবেন যেগুলো জামিন অযোগ্য (অর্থাৎ জামিন পাওয়া যায় না) এবং আমলযোগ্য (অর্থাৎ পুলিশ তদন্তের যোগ্য, মামলা নেওয়ার যোগ্য)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এই ধরনের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালি:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
(২) এই ধরনের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে একজন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবিকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
--------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station. 
(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him. 
(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.
১,৩৫০.
‘A’ একজন মহিলাকে অপহরণ করে, এই  উদ্দেশ্যে যে তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করতে বাধ্য করা হবে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৬৬ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৬৬ অনুসারে, কোনো মহিলাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে বা অবৈধ যৌন সম্পর্কে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে অপহরণ বা অপহরণ করলে শাস্তি ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘A’ মহিলাকে অপহরণ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে কাজ করেছে, যা ধারা ৩৬৬-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
সুতরাং, ‘A’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৩৬৬ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৬ ধারার বিধান কোন নারীকে বিবাহ ইত্যাদিতে বাধ্য করার অভিপ্রায়ে অপহরণ বা হরণ বা প্রলুব্ধকরণ:- কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীকে অপহরণ করে এবং অপহরণ করার উদ্দেশ্য হয় অথবা অপহরণ করার ফলে এইরূপ হবে জানে যে, সে নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তিকে বিবাহ করতে বাধ্য করা অথবা তাকে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা অথবা তাকে জোরপূর্বক, বা ফুসলিয়ে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি তাকে অপহরণ করা হয়, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে;
এবং কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিতে বর্ণিত অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন দ্বারা অথবা ক্ষমতার অপব্যবহার দ্বারা অথবা বাধ্যতা সাধনের অপর কোন পদ্ধতি দ্বারা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে অথবা সে নারীকে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে অন্য কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তিও পূর্বোক্তরূপে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860,Section 366. Kidnapping or abducting or inducing woman to compel her marriage, etc.
Whoever kidnaps or abducts any woman with intent that she may be compelled, or knowing it to be likely that she will be compelled, to marry any person against her will, or in order that she may be forced or seduced to illicit intercourse, or knowing it to be likely that she will be forced or seduced to illicit intercourse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and whoever, by means of criminal intimidation as defined in this Code or of abuse of authority or any other method of compulsion, induces any woman to go from any place with intent that she may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall also be punishable as aforesaid.

১,৩৫১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান অনুসারে কে ডিক্রি জারির জন্য অনুরোধপত্র (প্রিসেপ্ট) জারির আবেদন করতে পারেন?
  1. দেনাদার
  2. ডিক্রিদার
  3. স্থানীয় প্রশাসন
  4. আদালতের ক্লার্ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৪৬ অনুযায়ী "ডিক্রি জারির অনুরোধ" (Precept) বলতে বোঝানো হয় যে, ডিক্রিদার অর্থাৎ যিনি আদালতের আদেশ (ডিক্রি) পেয়ে থাকেন, তিনি তার প্রাপ্য আদায়ের জন্য ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে আবেদন করতে পারেন যাতে অন্য একটি উপযুক্ত আদালতকে প্রিসেপ্ট জারি করে দেনাদারের নির্দিষ্ট সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অর্থাৎ, শুধুমাত্র ডিক্রিদার (decree-holder) আবেদন করতে পারেন। দেনাদার, প্রশাসন বা ক্লার্ক- এদের কেউই এই অনুরোধ করতে পারে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান ডিক্রি জারির অনুরোধ:-
১) ডিক্রিদারের আবেদন অনুযায়ী ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করলে অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন।
২) যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সে আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিপ্রদানকারী আদালত ক্রোকের সময় বৃদ্ধি না করা পর্যন্ত অথবা এরূপ ক্রোক নির্ধারিত হওয়ার পূর্বে যে আদালত কর্তৃক ক্রোক করা হয়েছে, ঐ আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর করা না হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে অনুরোধলিপি অনুসারে কোন ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 46. Precepts:
(1) Upon the application of the decree-holder the Court which passed the decree may, whenever it thinks fit, issue a precept to any other Court which would be competent to execute such decree to attach any property belonging to the judgment-debtor and specified in the precept. 
(2) The Court to which a precept is sent shall proceed to attach the property in the manner prescribed in regard to the attachment of property in execution of a decree: 
Provided that no attachment under a precept shall continue for more than two months unless the period of attachment is extended by an order of the Court which passed the decree or unless before the determination of such attachment the decree has been transferred to the Court by which the attachment has been made and the decree-holder has applied for an order for the sale of such property.
১,৩৫২.
A রাজপথে Z এর সাক্ষাৎ পায়, পিস্তল দেখায় ও টাকা দাবী করে। এর ফলে Z টাকা দিয়ে দেয়। A এর ­অপরাধ-
  1. বলপূর্বক গ্রহণ
  2. দস্যুতা
  3. ডাকাতি
  4. চুরি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
♦দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
♦দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। 

♦যেহেতু পিস্তল দেখিয়ে তাৎক্ষণিক ভয় সৃষ্টি করে টাকা গ্রহণ করা হয়েছে , তাই দস্যুতা করেছে বলে গণ্য হবে। এবং যেহেতু বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী, ভিকটিম Z এর সামনে উপস্থিত  ছিল, তাই বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতায় পরিণত হয়েছে।
১,৩৫৩.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ে তামাদির মেয়াদ গণনার মূল প্রভাব কী?
  1. তামাদির মেয়াদ কমে যায়
  2. তামাদি সময়সীমা পরিবর্তন হয় না
  3. প্রতিটি মুহূর্তে নতুন করে তামাদির সময় শুরু হয়
  4. কেবলমাত্র প্রথমবার চুক্তিভঙ্গ হলে তামাদি গণনা শুরু হয়
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ২৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো অবিরাম চুক্তিভঙ্গ (Continuing Breach of Contract) বা অবিরাম অন্যায় (Continuing Wrong) সংঘটিত হয়, তাহলে প্রতিটি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির গণনা শুরু হয়, যতক্ষণ না ওই অন্যায় বা চুক্তিভঙ্গ বন্ধ হয়।

- সাধারণত, মামলার তামাদি গণনা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার ভিত্তিতে শুরু হয়, তবে অবিরাম অন্যায় বা চুক্তিভঙ্গ হলে প্রতিদিনই নতুন করে তামাদির গণনা শুরু হয়।
- এর ফলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দীর্ঘ সময় পরও মামলা দায়ের করতে পারেন, যদি অন্যায় বা চুক্তিভঙ্গ চলমান থাকে।
- জমির অবৈধ দখল (Trespass), পরিবেশ দূষণ (Pollution), বা চুক্তি লঙ্ঘন (Breach of Contract) সংক্রান্ত মামলায় এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

→ অর্থাৎ যদি অন্যায় বা চুক্তিভঙ্গ একটি নির্দিষ্ট দিনে শেষ না হয়ে চলতে থাকে, তাহলে প্রতিদিন নতুন করে তামাদির সময় শুরু হয়। ফলে, তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এই যুক্তিতে মামলাটি খারিজ হবে না।
১,৩৫৪.
"An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court."-বিধানটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৪৫
  2. ৪৫ক
  3. ৪৬
  4. ৪৭ক
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 45A. Opinion of experts on physical or forensic evidence:
- (1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
-------------
- ২০২২ সালের সংশোধনী অনুসারে সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান: শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে। 
১,৩৫৫.
বার কাউন্সিল কর্তৃক গঠিত ট্রাইব্যুনালের কোন এখতিয়ার নেই -
  1. দেওয়ানি কার্যাবিধির কোনো দলিল উপস্থাপনের আদেশ দেওয়া
  2. হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিক্রমে কোনো আদালতের বিচারককে হাজির হতে বলা
  3. এখতিয়ার সম্পন্ন দেওয়ানি আদালতের মাধ্যমে বিরোধীয় বিষয়বস্তু জব্দ করা
  4. জারির উদ্দেশ্যে দেওয়ানি আদালত বরাবর সমন পাঠানো
ব্যাখ্যা
♦The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Order, 1972 এর ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তিকে হাজির করতে বা দলিল দাখিলের ক্ষেত্রে বা সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের উদ্দেশ্যে দেওয়ানী আদালতের যেরূপ ক্ষমতা আছে বার কাউন্সিল কর্তৃক গঠিত ট্রাইব্যুনালের সেই একই ক্ষমতা আছে। শর্ত হলো দেওয়ানী আদালতের মূলকর্তাকে বা বিচারককে [presiding officer] হাজির হতে বলার ক্ষমতা বার কাউন্সিল কর্তৃক গঠিত ট্রাইব্যুনালের থাকবে না। কিন্তু হাইকোর্ট বিভাগের পূর্বানুমতি নিয়ে দেওয়ানী আদালতের বিচারককে হাজির হতে বলতে পারবে বা ফৌজদারী আদালত বা রাজস্ব আদালতের কর্মকর্তার বা বিচারকের ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমতি নিয়ে হাজির হতে বলতে পারে।
১,৩৫৬.
'X' একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে জনতার উপর গুলি চালায়। এতে করে ৫ জন ব্যক্তি গুরুতরভাবে জখম হয়। 'X' কোন ধরণের অপরাধ করেছে?
  1. গুরুতর জখম
  2. সাধারণ জখম
  3. কোন অপরাধ করেনি
  4. গুরুতর জখমের চেষ্টা
ব্যাখ্যা
♦এখানে ‘ক’ কোন অপরাধ করেনি কারণ সে নিজেকে আইনগতভাবে ঊর্ধতন কর্মকর্তার আদেশ মানতে বাধ্য বলে মনে করে সরল বিষ্বাসে গুলি করেছে। The Penal Code, 1860 এর ৭৬ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি নিজেকে কোন কাজ করতে আইনগতভাবে বাধ্য মনে করে সরল বিশ্বাসে কোন কাজ করলে তার উক্ত কাজ অপরাধ হবে না।
১,৩৫৭.
ধারা ৪১৩ অনুসারে, কোন ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না?
  1. দায়রা আদালত ২ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করলে
  2. দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করলে
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬,০০০ টাকার জরিমানা আরোপ করলে
  4. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ১০,০০০ টাকার জরিমানা আরোপ করলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: b) দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases]:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০০০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।

অন্যদিকে,
যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

১,৩৫৮.
বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের রেকর্ড হলো-
  1. বেসরকারী দলিল
  2. সরকারী দলিল
  3. ব্যক্তিগত নথি
  4. সরকারী এবং বেসরকারী উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,

(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং

(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

----------------
⇒ Public documents:
Section 74. The following documents are public documents:– 
 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
 
(i) of the sovereign authority, 
 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
১,৩৫৯.
Which of the following is relevant under Section 8 of the Evidence Act?
  1. Previous convictions of a person
  2. Statements made during the trial
  3. Motive and preparation for a fact in issue or a relevant fact
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।

⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।
----------------
The Evidence Act  1872 Section-8: Motive, preparation and previous or subsequent conduct: 
-Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
-The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.    

Explanation-1: The word "conduct" in this section does not include statements, unless those statements accompany and explain acts other than statements; but this explanation is not to effect the relevancy of statements under any other section of this Act. 
Explanation-2: When the conduct of any person is relevant, any statement made to him or in his presence and hearing, which affects such conduct, is relevant.
১,৩৬০.
আদালত কর্তৃক কোনো প্লিডিং সংশোধনের আদেশ দেবার মূল উদ্দেশ্য নিচের কোনটি?
  1. দ্রুততার সাথে মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করা
  2. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুকে সহজে উপস্থাপন করা
  3. মোকদ্দমায় কার পক্ষে ভারসাম্য আছে না নির্ধারণের জন্য
  4. মোকদ্দমার বিরোধীয় প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য
ব্যাখ্যা
 ⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির- আদেশ:-৬ বিধি-১৭: প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of Pleadings)-
- মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে আরজি বা জবাবের ন্যায়সঙ্গত পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন।
- বাদী বা বিবাদী উভয় পক্ষের বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় সংশোধন করা যাবে।
- আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর আরজি জবাব সংশোধনের আদেশ নির্ভর করে।
- প্লিডিংস সংশোধনের দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচারিক আদালতে।
- প্লিডিংস মামলার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করা যায়।
১,৩৬১.
ফৌজদারী আপিলে কোনটি আপিল আদালতের ক্ষমতা নয়?
  1. বৈচারিক অনুসন্ধান
  2. সাক্ষ্য গ্রহণ
  3. আপিল নিষ্পত্তিকরণ
  4. দণ্ড বৃদ্ধিকরণ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী আপিল আদালতের ক্ষমতা সাধারণত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করে:

১. বৈচারিক অনুসন্ধান (ক): আপিল আদালত সাধারণত নিম্ন আদালতের রায়ের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয় এবং নিজস্ব বৈচারিক অনুসন্ধান চালায় না।
২. সাক্ষ্য গ্রহণ (খ): আপিল আদালত নতুন করে সাক্ষ্য গ্রহণ করে না; এর বদলে, এটি নিম্ন আদালতের সাক্ষ্য এবং রেকর্ড পর্যালোচনা করে।
৩. আপিল নিষ্পত্তিকরণ (গ): এটি আপিল আদালতের প্রধান কাজ। তারা আপিল করা মামলার উপর পুনর্বিবেচনা করে এবং একটি রায় দেয়।
৪. দণ্ড বৃদ্ধিকরণ (ঘ): আপিল আদালতের ক্ষমতা আছে দণ্ড বৃদ্ধি করার জন্য, যদি তারা মনে করে যে নিম্ন আদালতের দেওয়া দণ্ড যথেষ্ট নয়।

এই বিবেচনায়, উল্লেখিত বিকল্পগুলির মধ্যে, ক) বৈচারিক অনুসন্ধান হলো এমন একটি কাজ যা আপিল আদালত সাধারণত পরিচালনা করে না।
১,৩৬২.
কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ কতটি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবেন?
  1. ১৫টি
  2. ১০টি
  3. ৫টি
  4. ৭০টি
ব্যাখ্যা
কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ ৫টি এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০০টি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবেন।

• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি ২০-

কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।

[Court shall not fix more than five suits including two part -heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage, and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.]
১,৩৬৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১১৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪ এর বিধান চুক্তি প্রত্যাহার করার (For recession of a contract] মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
তামাদি মেয়াদ শুরু হবে- যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী যখন প্রথম অবগত হয় তখন থেকে।
১,৩৬৪.
Presumption of ownership arises from possession'-সংক্রান্ত ধারণা পাওয়া যায় The Evidence Act,1872 এর কোন ধারায়?
  1. ১০৮
  2. ১০৯
  3. ১১০
  4. ১১১
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১১০-এ "Presumption of ownership arises from possession" সম্পর্কিত ধারণাটি পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ "Presumption of ownership arises from possession" (দখল থেকে স্বত্বের ধারণা) এই নীতিটি The Evidence Act, 1872-এর Section 110-এ উল্লেখিত হয়েছে।
- Section 110-এর বিধান:
"When the question is whether any person is owner of a thing of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner."
অর্থ: যদি কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তির দখলকারী (possession) হিসেবে প্রমাণিত হন, তবে তিনি মালিক (owner) বলে ধরে নেওয়া হবে। যে ব্যক্তি দাবি করবে যে দখলকারী মালিক নন, তাকে প্রমাণ করতে হবে যে দখলকারীর মালিকানা নেই।
১,৩৬৫.
'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে-
  1. 'ক' ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  2. 'ক' নিষেধাজ্ঞা জারির মামলা দায়ের করতে পারে
  3. 'ক' নিষেধাজ্ঞা জারির মামলা দায়ের করতে পারে না
  4. উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' এর কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:

এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাধীন, আবেদনকারীর পক্ষে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা, সুস্পষ্ট বা গোপনীয়ভাবে ভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এমন বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালতকে এই আইনের অধ্যায় ২-এ অন্তর্ভুক্ত নিয়ম ও বিধানগুলিই অনুসরণ করতে হবে।
যখন বিবাদী পক্ষ বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা উপভোগ আক্রমণ করে বা আক্রমণের হুমকি দেয়, তখন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে আদালত একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে, যথাঃ
ক) যদি বিবাদী বাদীর জন্য সেই সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
খ) যদি আক্রমণের ফলে সৃষ্ট বা সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান না থাকে;
গ) যদি আক্রমণটি এমন হয় যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হিসেবে কাজ না করে;
ঘ) যদি আক্রমণের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকে;
ঙ) যদি বহু আদালতি কার্যক্রম এড়াতে নিষেধাজ্ঞাটি প্রয়োজন হয়।

এখানে 'খ' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং 'ক' আদালতে মামলা দায়ের করে 'খ'কে এই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারবেন। আদালত যথাযথ বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।
১,৩৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৩য় কলামে কোন বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি
  2. আমলযোগ্য নাকি আমল-অযোগ্য অপরাধ
  3. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  4. কোন আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

• দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)

১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
১,৩৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে দায়রা আদালতে বিচার সংক্রান্ত বিধান কোন ধারাগুলোতে আলোচিত হয়েছে?
  1. ধারা ২৪১ থেকে ২৫০
  2. ধারা ২৩১ থেকে ২৪০
  3. ধারা ২৫১ থেকে ২৬০
  4. ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলার বিচারিক কার্যক্রম আলাদা আলাদা আদালতের জন্য আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে:
১. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সংক্রান্ত বিধান:
→ ধারা ২৪১ থেকে ২৫০ পর্যন্ত
- এই ধারাগুলো ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সংক্রান্ত নিয়মাবলি নির্ধারণ করে (যেমন: অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, সাক্ষী হাজিরের আদেশ, রায় ঘোষণা ইত্যাদি)।
২. দায়রা আদালতে বিচার সংক্রান্ত বিধান:
→ ধারা ২৬৫ক (265A) থেকে ২৬৫জ (265J) পর্যন্ত
- এই ধারাগুলোর মাধ্যমে দায়রা আদালতে মামলা শুরু থেকে রায় ঘোষণার পুরো প্রক্রিয়াটি ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ পর্যন্ত দায়রা আদালতে বিচারসংক্রান্ত সকল বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ ।
১,৩৬৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House breaking) এর উপায়গুলো বর্ণিত আছে?
  1. ৪৪৫ ধারায়
  2. ৪৪৬ ধারায়
  3. ৪৪৭ ধারায়
  4. ৪৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী,
নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

(i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে;
(ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে;
(iii) নতুন পথ তৈরি করে;
(iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে;
(v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
(vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
১,৩৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আপসযোগ্য অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া আছে?
  1. ৩৪৩ ধারায়
  2. ৩৪৫ ধারায়
  3. ৩৪৭ ধারায়
  4. ৩৫৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
-৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
- দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
- ৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে ।

- প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
১,৩৭০.
আদেশে ৪৭ বিধি ৪ এর অধীন কোন রিভিউ দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. রিভিশন
  2. আপিল
  3. রিভিউ
  4. রেফারেন্স
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-৪৭ বিধি-৪: যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র অগ্রাহ্য হয় (Application where rejected): আদালত যদি মনে করেন রিভিউ এর যথেষ্ট কারণ আছে তাহলে তা মঞ্জুর করতে এবং যদি মনে করেন যথেষ্ট কারণ নেই তাহলে তা না মঞ্জুর করতে পারেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুযায়ী ৪৭ আদেশের ৪ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে মোট ২৫টি আদেশ রয়েছে যেগুলার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। 
----------------
⇒CPC Order-47 Rule-4. Application where rejected:
(1) Where it appears to the Court that there is not sufficient ground for a review, it shall reject the application.

Application where granted:
(2) Where the Court is of opinion that the application for review should be granted, it shall grant the same: Provided that−
(a) no such application shall be granted without previous notice to the opposite party, to enable him to appear and be heard in support of the decree or order, a review of which is applied for: and
(b) no such application shall be granted on the ground of discovery of new matter or evidence which the applicant alleges was not within his knowledge, or could not be adduced by him when the decree or order was passed or made, without strict proof of such allegation.
১,৩৭১.
পূর্বের বিবাহের তথ্য গোপন রেখে পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ১২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৯৫ ধারা অনুযায়ী  পূর্বের বিবাহের তথ্য গোপন রেখে পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার শাস্তি হলো
• অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। প্রথম বা দ্বিতীয় যে কোন স্ত্রী এই ধারার অপরাধে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
১,৩৭২.
ফৌজদারী মামলায় fine প্রদান করা হলে উহা কত দিন পরে আর আদায় করা যাবে না?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. কোন সময়সীমা নেই
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে। 

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়;
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে;
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে।

দণ্ডবিধির ৭০ ধারা-
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
১,৩৭৩.
সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. Facts judicially noticeable need not be proved
  2. Facts admitted need not be proved
  3. Facts of which Court must take judicial notice
  4. Facts not admitted must be proved
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে- আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন [Facts of which Court must take judicial notice].
 
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ;
iii) সংসদের কার্যসমূহ;
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা;
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।
১,৩৭৪.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা [Representative suit] -এর ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নেয়া-
  1. বাধ্যতামূলক
  2. অনাবশ্যক
  3. পক্ষদ্বয়ের ইচ্ছাধীন
  4. বাদীর ইচ্ছাধীন
ব্যাখ্যা
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমায় আদালতের অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে। সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ ১নং আদেশের ৮ নং বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule-8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Court sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct.
2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১,৩৭৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২ কোন ধরনের মামলার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ফৌজদারি মামলা
  2. জমিজমা সংক্রান্ত মামলা
  3. তালাক সংক্রান্ত মামলা
  4. ক্ষতিপূরণের দেওয়ানি মামলা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১২ বলছে, যেসব দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেখানে যে কোনো তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করে, তা প্রাসঙ্গিক (relevant) হিসেবে গণ্য হবে।
এটি শুধুমাত্র দেওয়ানি (civil) ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
------------ 
⇒The Evidence Act,1872, Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
 In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.

১,৩৭৬.
সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা অনুযায়ী, কোন ধরনের ঘটনা প্রমাণের প্রয়োজন নেই?
  1. যেসব ঘটনা সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ নেই।
  2. যেসব ঘটনা আদালতের বিবেচনার বাইরে।
  3. যেসব ঘটনা পক্ষ বা তাদের এজেন্ট স্বীকার করে।
  4. যেসব ঘটনা আদালত গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা অনুযায়ী যেসব ঘটনা পক্ষ বা তাদের এজেন্ট স্বীকার করে তা প্রমাণের প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন।
--------------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:
- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:
Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.
১,৩৭৭.
"Unless contrary is proved" বলতে সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারায় কী বোঝানো হয়েছে?
  1. শুধু সরকারি সনদই বৈধ
  2. আদালত কোনো অনুমান করবে না
  3. গ্রাহককে সব তথ্য যাচাই করতে হবে
  4. বিপরীত প্রমাণ না করা পর্যন্ত অনুমান কার্যকর থাকবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৮৫গ (Section 85C) অনুযায়ী,
যদি কোনো Digital Signature Certificate গ্রাহক (subscriber) গ্রহণ করেন, তাহলে বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নেবে (presume করবে) যে সনদে উল্লিখিত তথ্যগুলো সঠিক, শুধু সেই তথ্য বাদে যেগুলো গ্রাহকের তথ্য হিসেবে দেখানো হয়েছে কিন্তু যাচাই করা হয়নি।
- এখানে "Unless contrary is proved" অর্থ হলো—
যদি কোনো পক্ষ আদালতে বিপরীত প্রমাণ উপস্থাপন না করে, তাহলে আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনদে উল্লিখিত তথ্যকে সঠিক বলে ধরে নেবে।
অর্থাৎ, এটি একটি rebuttable presumption, যা প্রমাণের মাধ্যমে বাতিল করা যায়।
১,৩৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা অনুসারে মামলার রেকর্ড তলব করার ক্ষেত্রে আদালতের অবস্থান কী?
  1. শুধুমাত্র আপিলকারীর অনুরোধে তলব করা যাবে
  2. বাধ্যতামূলকভাবে তলব করতে হবে
  3. কখনোই তলব করা যাবে না
  4. তলব করা যাবে কিন্তু বাধ্যতামূলক নয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)-
৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারার বিধান- আপিল খারিজের সারবস্তু:
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
------------------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 421.Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: 
Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same. 
 
(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
১,৩৭৯.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় সর্বোচ্চ কত টাকা Adjournment Cost দেয়া যায়?
  1. সর্বোচ্চ ২০০০
  2. সর্বোচ্চ ৩০০০
  3. সর্বোচ্চ ১০০০
  4. সর্বোচ্চ ১০০০০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মুলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মুলতবির আবেদন।

• ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

> আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।

> চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে।

> অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করে না।

> মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

> মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
১,৩৮০.
The Penal Code, 1860 এর 44 ধারা অনুযায়ী ‘Injury’ বলতে যে কোন ব্যক্তির __________ কিংবা সম্পত্তির প্রতি বেআইনি আঘাত দেওয়াকে বোঝায়।
  1. দেহ
  2. মন
  3. সুনাম
  4. দেহ, মন, সুনাম
ব্যাখ্যা
♦ The Penal Code, 1860 এর 44 ধারা অনুযায়ী Injury’ বলতে যে কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম কিংবা সম্পত্তির প্রতি বেআইনি যেকোন আঘাত দেওয়াকে বোঝায়।
১,৩৮১.
স্থাবর সম্পত্তি হতে দখলদারের স্বত্ব অস্বীকারপূর্বক বেদখল করা হলে, মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের সময় সীমা-
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি হতে দখলদারের স্বত্ব অস্বীকারপূর্বক বেদখল করা হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার দখল পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত মামলা করা হয়।

• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ১২ বৎসরের মধ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় মামলা করতে হবে। 
১,৩৮২.
দণ্ডবিধির কত ধারায় মনুষ্য হরণের সাজা উল্লেখ আছে?
  1. ৩৫৯ ধারায়
  2. ৩৬০ ধারায়
  3. ৩৬২ ধারায়
  4. ৩৬৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারা- অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:
যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারা- মনুষ্য হরণের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 362- Abduction:
Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.

Section 363- Punishment for kidnapping:
Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১,৩৮৩.
সাক্ষ্যের অভাবে শাস্তি থেকে অপরাধী যেন অব্যাহতি না পায় তার জন্য একজন অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করে তাকে বাকি অপরাধীদের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী করা হয় ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক?
  1. ৩৩৭
  2. ৩৩৮
  3. ৩৪০
  4. ৩৪২
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৩৭ (অপরাধীর সহযোগীকে ক্ষমার প্রস্তাব)  মোতাবেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধীর সহযোগীকে অপরাধটির তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন পর্যায়ে ক্ষমা করতে পারেন।
- এই ধারার লক্ষ্য, সাক্ষ্যের অভাবে শাস্তি থেকে অপরাধী যেন অব্যাহতি না পায় তার জন্য একজন অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করে তাকে বাকি অপরাধীদের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী করা হয়।
১,৩৮৪.
৩৩৭ ধারায় তদন্তাধীন অপরাধে ক্ষমা দিতে হলে কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের
  2. দায়রা আদালতের
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
  4. তদন্তকারী অফিসারের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের।

ধারা ৩৩৭ – সহঅভিযুক্তকে ক্ষমা প্রদানের ক্ষমতা:

(১) যে সকল অপরাধ- শুধুমাত্র দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য, অথবা যার সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা দণ্ডবিধির ধারা ২১১ অনুযায়ী যার শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত, এছাড়া দণ্ডবিধির ধারা ২১৬A, ৩৬৯, ৪০১, ৪৩৫, ৪৭৭A–এ উল্লিখিত অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে,
একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট- তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারকার্যের যে কোনো পর্যায়ে অপরাধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা অপরাধ সম্পর্কে অবগত কোনো ব্যক্তিকে পূর্ণ সত্য প্রকাশের শর্তে ক্ষমা (pardon) দিতে পারেন।

শর্ত হলো-
তিনি তার জানা অপরাধ সম্পর্কিত সব তথ্য এবং অপরাধে অন্য যেসব ব্যক্তি মূল বা সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে, সেসবের সম্পূর্ণ ও সত্য বিবরণ দেবেন।

প্রথম দফা শর্ত (Proviso):
যখন অপরাধ অনুসন্ধান বা বিচারাধীন, তখন প্রথম শ্রেণির কোনো ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমা দিতে পারবেন না, যদি না তিনি নিজেই মামলার অনুসন্ধান করছেন, বা নিজেই বিচার পরিচালনা করছেন। আর যখন অপরাধ তদন্তাধীন, তখন ক্ষমা দিতে পারবেন কেবল যে ম্যাজিস্ট্রেটের ওই অপরাধ বিচার করার এখতিয়ার আছে, এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিতে হবে।
 
(১ক) যে ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমা (pardon) দেবেন- তাকে লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করতে হবে। অভিযুক্ত চাইলে তিনি সেই নথির একটি কপি পাবেন (কপি পেতে খরচ দিতে হবে, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ কারণে বিনা খরচে দেন)।
 
(২) যে ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করবে (approver), তাকে অপরাধ সম্পর্কে জ্ঞাত আদালতে (যে ম্যাজিস্ট্রেট Cognizance নেন), এবং
পরবর্তীকালের বিচারেও সাক্ষী হিসেবে পরীক্ষা করা হবে।
 
(২ক) যে ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করেছে এবং (২)–এর অধীনে সাক্ষ্য দিয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের যৌক্তিক ভিত্তি আছে, তবে তিনি মামলাটি দায়রা আদালতে পাঠাবেন।

(৩) যে ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করেছে, যদি জামিনে না থাকে, তাহলে বিচার শেষ হওয়া পর্যন্ত তাকে হেফাজতে রাখা হবে।

১,৩৮৫.
আদেশ ২৬ বিধি-২ অনুযায়ী আদালত কোন পরিস্থিতিতে কমিশন প্রেরণের আদেশ দিতে পারে
  1. নিজস্ব উদ্যোগে
  2. সাক্ষীর আবেদনক্রমে
  3. মামলার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ২: কমিশনের জন্য আদেশ:
কোনো সাক্ষীর পরীক্ষার জন্য কমিশন ইস্যু করার আদেশ আদালত করতে পারে- নিজস্ব উদ্যোগে বা মামলার কোনো পক্ষের বা যে সাক্ষীকে পরীক্ষা করা হবে তার শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে করা আবেদনক্রমে।

Order-26 Rule-2- Order for commission:
An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.

১,৩৮৬.
'Parties at issue' - বলতে নিচের কোন ধারণাটি সঠিক?
  1. মোকদ্দমায় যুক্ত হতে আগ্রহী পক্ষগণ
  2. মোকদ্দমায় যে পক্ষের নাম ভুলভাবে যুক্ত করা হয়েছে
  3. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থ থাকা পক্ষগণ
  4. মোকদ্দমায় যার নাম যুক্ত করা উচিত কিন্তু যুক্ত করা হয়নি
ব্যাখ্যা

"Parties at issue" বলতে সেই পক্ষগুলোকে বোঝানো হয় যাদের স্বার্থ মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সরাসরি জড়িত। অর্থাৎ, যাদের অধিকার বা দাবির ওপর মামলার রায় প্রভাব ফেলতে পারে। এটি সাধারণত বাদী (Plaintiff) ও বিবাদী (Defendant) বা সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

"Parties at Issue" এর মূল বৈশিষ্ট্য:
- মোকদ্দমার মূল পক্ষ → মামলায় যাদের স্বার্থ জড়িত।
- মামলার রায়ে যাদের অধিকার বা দায় প্রভাবিত হতে পারে → মামলার যে কোনো সিদ্ধান্ত তাদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
- প্রয়োজনীয় বা অনিবার্য পক্ষ (Necessary or Proper Parties) → আদালত যাদের উপস্থিতি জরুরি বলে মনে করে।

অন্যান্য বিকল্পগুলো:
মোকদ্দমায় যে পক্ষের নাম ভুলভাবে যুক্ত করা হয়েছে → এটি সংশোধনযোগ্য ভুল এবং "Misjoinder of parties" বা "Wrongly joined parties" হিসেবে পরিচিত।
মোকদ্দমায় যার নাম যুক্ত করা উচিত কিন্তু যুক্ত করা হয়নি → এটি "Nonjoinder of necessary parties" নামে পরিচিত।
মোকদ্দমায় যুক্ত হতে আগ্রহী পক্ষগণ → কেবল আগ্রহী হওয়া যথেষ্ট নয়, মামলার ফলাফলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে।

১,৩৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়ে থেকে?
  1. ২৬৫গ ধারা
  2. ২৬৫ঙ ধারা
  3. ২৬৫চ ধারা
  4. ২৬৫ছ ধারা
ব্যাখ্যা
উত্তর: ২৬৫চ ধারা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে,দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা। যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫চ ধারা- যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে,সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 265F: Date for prosecution evidence:
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.
১,৩৮৮.
সমন অনুযায়ী সাক্ষী হাজির না হলে, আদালত সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ কি শাস্তি দিতে পারেন?
  1. অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা
  2. অনধিক ২৫০ টাকা জরিমানা
  3. অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা
  4. অনধিক এক মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-
সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।

Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons

(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty. 
 
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
১,৩৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ অনুযায়ী কত টাকা পর্যন্ত চুরির মামলা Summary Trial-এ বিচারযোগ্য?
  1. এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত
  2. দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত
  3. পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
  4. দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৬০(১)(ঘ) অনুযায়ী— চুরি (Penal Code ধারা 379, 380, 381) সংক্রান্ত মামলা Summary Trial-এ বিচারযোগ্য হবে যদি চুরি করা সম্পত্তির মূল্য পাঁচ লক্ষ টাকার বেশি না হয়। অতএব, পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চুরির মামলা Summary Trial-এ বিচারযোগ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৬০ অনুযায়ী Summary Trial পরিচালনা করতে পারেন:
- মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। 
- প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট। 
- প্রথম শ্রেণির ক্ষমতাপ্রাপ্ত বেঞ্চ অব ম্যাজিস্ট্রেট।
 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৬০ অনুযায়ী Summary Trial-এ বিচারযোগ্য অপরাধসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- দুই বছরের বেশি কারাদণ্ডযোগ্য নয় এমন অপরাধ
- ওজন ও পরিমাপ সম্পর্কিত অপরাধ (ধারা 264–266)
- আঘাত (Hurt) — ধারা 323
- চুরি (ধারা 379, 380, 381) — ≤ ৫ লক্ষ টাকা
- অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ (ধারা 403) — ≤ ৫ লক্ষ টাকা
- চুরি করা সম্পত্তি গ্রহণ/সংরক্ষণ (ধারা 411) — ≤ ৫ লক্ষ টাকা
- চুরি করা সম্পত্তি গোপন/নষ্ট করতে সহায়তা (ধারা 414) — ≤ ৫ লক্ষ টাকা
- Mischief (ধারা 426, 427)
- Criminal trespass ও House trespass (ধারা 447, 448 ইত্যাদি)
- নির্বাচনী ঘুষ ও ছদ্মবেশ (ধারা 171E, 171F)
 
অর্থাৎ  ধারা ২৬০ অনুযায়ী চুরি মামলার Summary Trial-এর সীমা হলো সর্বোচ্চ পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 260.Power to try summarily:
(1) Notwithstanding anything contained in this Code,-
(a) the Metropolitan Magistrate,
(b) any Magistrate of the first class , and
(c) any Bench of Magistrates invested with the powers of a Magistrate of the first class,[shall] try in a summary way all or any of the following offences:-
(a) offences not punishable with death, transportation or imprisonment for a term exceeding [two years];
(b) offences relating to weights and measures under sections 264, 265 and 266 of the Penal Code;
(c) Hurt, under section 323 of the same Code;
(d) theft, under section 379, 380 or 381 of the same Code, where the value of the property stolen does not exceed [ five lac taka];
(e) dishonest misappropriation of property under section 403 of the same Code, where the value of the property misappropriated does not exceed [five lac taka];
(f) receiving or retaining stolen property under section 411 of the same Code, where the value of such property does not exceed [five lac taka];
(g) assisting in the concealment or disposal of stolen property, under section 414 of the same Code, where the value of such property does not exceed [five lac taka];
(h) mischief, under sections 426 and 427 of the same Code;
(i) criminal trespass, under section 447, and house trespass, under section 448, and offences under sections 451, 453, 454, 456 and 457 or the same Code;
(j) insult with intent to provoke a breach of the peace, under section 504, and criminal intimidation, under section 506, [and offences under sections 509 and 510] of the same Code;
(jj) offence of bribery and personation at an election under sections 171E and 171F of the same Code;
(k) abetment of any of the foregoing offences;
(l) an attempt to commit any of the foregoing offences, when such attempt is an offence;
(m) offences under section 20 of the Cattle-trespass Act,1871: Provided that no case in which a Magistrate exercises the special powers conferred by section 33A shall be tried in a summary way.

১,৩৯০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার আওতায়, বাদী যদি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলা করে এবং তা কার্যকর না হয়, তবে বিকল্পভাবে কী প্রার্থনা করতে পারেন?
  1. নিষেধাজ্ঞা
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. চুক্তি রদ
  4. চুক্তি সংশোধন
ব্যাখ্যা

→ সঠিক উত্তর: গ) চুক্তি রদ।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কেউ লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য মামলা করেন, তাহলে তিনি বিকল্পভাবে আদালতের কাছে প্রার্থনা করতে পারেন যে:
"যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা সম্ভব না হয়, তবে সেটিকে রদ (rescission) করে দেওয়া হোক এবং বিলুপ্ত হিসেবে গণ্য করা হোক।"
-এই ধারার উদ্দেশ্য হলো বাদী যাতে বিকল্প প্রতিকার হিসেবে চুক্তি বাতিল বা রদ করতে পারেন—যাতে ভবিষ্যতে সেই চুক্তি নিয়ে আর কোনো দাব বা সমস্যা না থাকে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

১,৩৯১.
আত্মহত্যার প্রচেষ্টার শাস্তি পেনাল কোড-এর কোন ধারায় বর্ণিত?
  1. ৩০৮
  2. ৩০৯
  3. ৩১০
  4. ৩১১
ব্যাখ্যা
♦ আত্মহত্যার প্রচেষ্টার অপরাধের শাস্তি পেনাল কোড-এর ৩০৯ ধারায় উল্লেখ আছে। যার শাস্তি ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। 
১,৩৯২.
The Code of Criminal Procedure, 1898- কোন ধরনের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. তত্ত্বগত আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law]:
⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law] বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।

মৌলিক আইন [Substantive Law]:
⇒ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
১,৩৯৩.
বার কাউন্সিলের নির্বাচনের জন্য যদি সাধারণ আসনের জন্য বৈধ প্রস্তাব যদি _________ এর অধিক না হয় তাহলে চেয়ারম্যান প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত ঘোষণা করতে পারে।
ব্যাখ্যা

THE BANGLADESH LEGAL PRACTITIONERS AND BAR COUNCIL RULES, 1972 এর বিধি ৯ :
(১) সাধারণ আসনের ক্ষেত্রে যদি বৈধ প্রস্তাবের সংখ্যা ৭ (সাত) এবং দলীয় আসনের ক্ষেত্রে ১ (এক) অতিক্রম না করে তবে চেয়ারম্যান উক্ত প্রস্তাবকৃত প্রার্থীদের নির্বাচিত ঘোষণা দিতে পারেন।

(২) বৈধ প্রস্তাবসমূহের একটি তালিকা এবং সমীক্ষার ফলাফল যেমন, ব্যক্তিগণের নির্বাচিত ঘোষণা এবং কোনো আসনের জন্য নির্বাচিত ঘোষণা করা হয় তাহা যত দ্রুত সম্ভব বার কাউন্সিলের নোটিশ বোর্ডে টানাইতে হইবে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ২ (দুই) দিনের মধ্যে টানাইতে হইবে।

১,৩৯৪.
তামাদি আইনের ৫ ধারায় বর্ণিত তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি নিচের কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. মূল মামলা
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকৃষ্ণের জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারায় বর্ণিত বিলম্ব মওকুফের বিষয়টির আইনগত মূল্য অপরিসীম। এই ধারা মতে কোন আপীলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমান করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপীল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তোষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবরমাত্র আপীল এবং রিভিউ ,রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লেখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারী মামলার আপীলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
♦মূল মামলার ক্ষেত্রে এ তামাদি আইনের ৫ ধারাটি প্রযোজ্য হবে না। কারণ অধিকাংশ দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর হতে ১২ বৎসর পর্যন্ত সম্প্রসারিত কিন্তু এই ধারার বিধান মতে আপীল এবং আবেদনের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন হতে ৬ মাস। যেহেতু আপীরের সময়সীমা কম সেহেতু যুক্তিসংগত কারনে আপীল দাযের করতে কিংবা রিভিশন সহ অন্যান্য দরখাস্ত দাখিল করতে বিলম্ব হলে এই ধারা মতে উপযুক্ত কারণ সাপেক্ষে সেই বিলম্ব মওকুফ করা যাইতে পারে। তাই মূল মামলায় অনেক সময় পাওয়া যায় বিধায় মূল মামলা ৫ ধারা ব্যবহার যোগ্য নহে।
১,৩৯৫.
‘B’ জেনেশুনে ‘Z’-এর ফসলের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে তার মাঠে গবাদি পশু ঢুকিয়ে দেয়। যা ‘Z’-এর সম্পত্তির ক্ষতি করে, এই ক্ষতির পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার বেশি। দণ্ডবিধি অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪২৫ অনুসারে, ক্ষতিসাধন (Mischief) বলতে এমন কাজকে বোঝায় যেখানে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বা জেনে যে তার কাজে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে, জনসাধারণ বা কোনো ব্যক্তির জন্য অন্যায় ক্ষতি বা ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে কোনো সম্পত্তি ধ্বংস করে, বা এমন পরিবর্তন করে যাতে সম্পত্তির মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাস পায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখানে, ‘B’ জেনে যে তার কাজে ‘Z’-এর ফসলের ক্ষতি হবে, তার মাঠে গবাদি পশু ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা ধারা ৪২৫-এর উদাহরণ (h)-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ক্ষতিসাধন হিসেবে গণ্য।

ধারা ৪২৭ অনুসারে, যদি ক্ষতিসাধনের ফলে ক্ষতির পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার বেশি হয়, তবে শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। তাই, এই অপরাধের নাম ক্ষতিসাধন এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড।
-‘B’-এর কাজ ধারা ৪২৫-এর অধীনে ক্ষতিসাধন হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪২৭ অনুসারে ক্ষতির পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার বেশি হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৭ - পঞ্চাশ টাকা পরিমাণ ক্ষতি করিয়া অনিষ্ট সাধন:
- কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে এবং তদ্বারা পঞ্চাশ টাকা বা তদূৰ্ব্ব পরিমাণ অর্থের অনিষ্ট করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 427. Mischief causing damage to the amount of fifty taka:
 Whoever commits mischief and thereby causes loss or damage to the amount of fifty taka or upwards, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,৩৯৬.
অভিযোগ পরিবর্তন হলে,কোন পক্ষের সাক্ষীদের পুনরায় ডাকা যাবে?
  1. ফরিয়াদী পক্ষের
  2. অভিযুক্ত পক্ষের
  3. উভয় পক্ষের
  4. পুনরায় ডাকা যাবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে। অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।

• অভিযোগ পরিবর্তন হলে সরকার পক্ষ ও অভিযুক্ত পক্ষের যে সকল সাক্ষীর জবানবন্দী ইতোপূর্বে গ্রহণ করা হয়েছে,এরূপ পরিবর্তন ও সংযোজনের ভিত্তিতে তাদের ধারা ২৩১ এর অধীন পুনঃতলব,পুনঃসমন এবং পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করার অনুমতি দিতে হবে এবং আদালত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করলে অতিরিক্ত সাক্ষীকেও তলবের অনুমতি দিবেন।
১,৩৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক জারিকৃত সমন লিখিতভাবে, দুই প্রতিলিপিতে, আদালতের প্রধান কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিলসহ হতে হবে?
  1. ধারা ৬৬
  2. ধারা ৬৭
  3. ধারা ৬৮
  4. ধারা ৬৯
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮(১) ধারা অনুসারে: প্রতিটি সমন লিখিত আকারে প্রদান করতে হবে, সমন দুই কপিতে প্রস্তুত করতে হবে, আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক নির্দেশিত অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হতে হবে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারার বিধান সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
(২) সমন জারিকারক : এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।
---------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 68.
-Form of summons:
1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.
- Summons by whom served:
2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.

১,৩৯৮.
আদেশ-১১ বিধি-১২ অনুসারে, দলিল আবিষ্কারের আবেদন করতে কী প্রয়োজন?
  1. শপথনামা
  2. উকিলের স্বাক্ষর
  3. আদালতের পূর্বানুমতি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) কোনটিই নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-১১ বিধি-১২ অনুসারে:
কোন মামলার কোন পক্ষ শপথনামা ব্যতিরেকেই আদালতে আবেদন করতে পারেন যে, অপর পক্ষকে তাদের নিকট গচ্ছিত বা আয়ত্তাধীন প্রাসঙ্গিক দলিল আবিষ্কার (discovery) করার নির্দেশ দেয়া হোক।
আদালত শুনানি করে প্রয়োজনীয় মনে করলে আবিষ্কেরের আদেশ দিতে পারেন, অন্যথা আদেশ দানে অস্বীকার করতে পারেন বা স্থগিত রাখতে পারেন।
প্রাসঙ্গিক বিধান:
"অপর পক্ষ শপথনামা ব্যতিতই আদালতে এই মর্মে আবেদন করতে পারেন যে, অপর পক্ষকে শপথের মাধ্যমে উক্ত দলিল আবিষ্কার করার নির্দেশ দেয়া হোক।"

অপশন গুলির বিশ্লেষণ:
ক) শপথনামা → ভুল, কারণ আবেদনের জন্য শপথনামা প্রয়োজন নেই (শুধু আদেশ পাওয়ার পর দলিল দাখিলের সময় শপথনামা দিতে হবে)।
খ) উকিলের স্বাক্ষর → ভুল, উকিলের স্বাক্ষর আবেদনের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।
গ) আদালতের পূর্বানুমতি → ভুল, আবেদন করার জন্য পূর্বানুমতি লাগে না, তবে আদেশ পেতে আদালতের সন্তুষ্টি প্রয়োজন।
ঘ) কোনটিই নয় → সঠিক, কারণ উপরের কোনটিই আবেদনের জন্য আবশ্যক নয়।

সুতরাং, স্পষ্ট যে শপথনামা বা অন্য কোন পূর্বশর্ত ছাড়াই আবেদন করা যায়, তবে আদালতের বিবেচনায় আবিষ্কারের আদেশ পাওয়া যায়।

অর্থাৎ আদেশ-১১ বিধি-১২ অনুযায়ী, দলিল আবিষ্কারের আবেদন করতে কোনো শপথনামা বা উকিলের স্বাক্ষরের প্রয়োজন নেই। আবেদনটি আদালতে সরাসরি করা যেতে পারে, এবং আদালত প্রয়োজনে আবেদনের শুনানি করে আদেশ দিতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 rule-12: Application for Discovery of Documents:
Any party may, without filing any affidavit, apply to the Court for an order directing any other party to any suit to make discovery on oath of the documents which are or had been in his possession or power, relating to any matter in question therein. On the hearing of such application the Court may either refuse or adjourn the same, if satisfied that such discovery is not necessary, or not necessary at that stage of the suit, or make such order, either generally or limited to certain classes of documents, as may, in its discretion, be thought fit:
Provided that discovery shall not be ordered when and so far as the Court shall be of opinion that it is not necessary either for disposing fairly of the suit or for saving costs.
১,৩৯৯.
আপিল বিভাগে আপিল করতে হলে প্রথমে কোথায় আবেদন করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে
  3. আপিল বিভাগে সরাসরি
  4. সরকারি আইন কর্মকর্তার কাছে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৫ বিধি-২: যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় সে আদালতে আবেদন:
যে কেউ আপিল বিভাগে আপিল করার ইচ্ছা পোষণ করলে, যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সেই আদালতেই তাকে আবেদনপত্র দ্বারা আবেদন করতে হবে।

Rule.-2:
Whoever desires to appeal to the Appellate Division shall apply by petition to the Court whose decree is complained of.
১,৪০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় পুলিশ কর্মকর্তাকে চোরাই সম্পত্তি জব্দের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫১
  2. ধারা ৫৪৮
  3. ধারা ৫৫০
  4. ধারা ৫৪৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫০ পুলিশ কর্মকর্তাকে নিম্নোক্ত পরিস্থিতিতে চোরাই বা অপরাধ সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন সম্পত্তি জব্দ করার আইনি ক্ষমতা প্রদান করে।
- কোনো পুলিশ কর্মকর্তা যদি সন্দেহ করেন যে কোনো সম্পত্তি চুরি হয়েছে বা কোনো অপরাধের সাথে যুক্ত, তাহলে তিনি সেই সম্পত্তি জব্দ করতে পারেন।
- তবে যদি তিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধীনস্থ হন, তাহলে জব্দের বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে রিপোর্ট করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫০: সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্দ করার ব্যাপারে পুলিশের ক্ষমতা:
চোরাই মর্মে কথিত বা সন্দেহযুক্ত কিংবা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহযুক্ত অবস্থায় প্রাপ্ত কোন সম্পত্তি কোন পুলিশ কর্মকর্তা আটক করতে পারবেন। এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধস্তন হলে তিনি সাথে সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জব্দ করার ব্যাপারে রিপোর্ট করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 550: Powers to police to seize property suspected to be stolen:
Any police officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.