বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা৯৭প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১২৬ / ১২৬ · ১২,৫০১১২,৫৯৭ / ১২,৬০৫

১২,৫০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারায় বাদী মোকদ্দমা দায়ের করতে বারিত হয়-
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা স্থগিত হলে
  2. চুক্তির কাজ সম্পাদনের মামলা চলমান থাকলে
  3. চুক্তি সংশোধনের মামলা বাতিল হয়ে গেলে
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be
১২,৫০২.
ক একজন সাক্ষী হিসাবে ম্যাজিস্ট্রেট খ-এর সামনে উপস্থিত হয়। খ বলেন যে, তিনি ক এর সাক্ষ্যের এক শব্দও বিশ্বাস করেন না এবং ক মিথ্যা শপথ করেছে। এসব কথায় ক আকস্মিক ক্রোধে উদ্দীপ্ত হয়ে খ-কে হত্যা করে । ক The Penal Code, 1860 এর কত ধারার অপরাধ করেছে?
  1. হত্যা
  2. খুন
  3. নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. নরহত্যা
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১ অনুযায়ী আকস্মিক উত্তেজনায় কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে সেটা নিন্দনীয় নরহত্যা না হয়ে খুন হবে যদি উক্ত উত্তেজনার দ্বারা যে হত্যাটি করা হয়েছে তা আইনানুগ সরকারি কর্মচারীর আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। যেহেতু এখানে খ (ম্যাজিস্ট্রেট) কে হত্যা করা হয়েছে , তাই এটা খুন বলে গণ্য হবে।
১২,৫০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬২ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচারে সর্বোচ্চ কতদিনের কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬২ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে কোনো দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি দুই বছর কারাদণ্ড হতে পারে। এর মানে হলো, সংক্ষিপ্ত বিচারে বিচারিত অপরাধ যদি গুরুতর না হয় এবং শাস্তি কম হয়, তবে আদালত একে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে দ্রুত নিষ্পত্তি করতে পারে, কিন্তু এই ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের মেয়াদ দুই বছরের বেশি হতে পারে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দুই বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া যাবে না।
- গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং লঘু শাস্তির অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ২৬২-এ সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি বর্ণিত। সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের সর্বোচ্চ সীমা দুই বছর কারাদণ্ড।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 262. Procedure for summary trials:
(1) In trials under this Chapter, the procedure prescribed in Chapter XX shall be followed except as hereinafter mentioned.
→ Limit of imprisonment:
(2) No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter.

১২,৫০৪.
'সমন যথাযথভাবে পৌঁছানোর পরও যদি দেওয়ানি মামলার শুনানিতে কেবল বাদী উপস্থিত থাকে এবং বিবাদী অনুপস্থিত থাকে, আদালত একপক্ষীয় (ex parte) শুনানি করতে পারে।'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. Order XI, Rule 6
  2. Order IX, Rule 6
  3. Order X, Rule 6
  4. Order VIII, Rule 6
ব্যাখ্যা

আদেশ ৯ বিধি-৬ (Order IX, Rule 6):
১. যখন মামলার শুনানির জন্য আদালতে মামলা তোলা হয় এবং কেবল বাদী উপস্থিত হয়, প্রতিপক্ষ (বিবাদী) উপস্থিত হয় না, তখন পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে:

(ক) সমন যথাযথভাবে জারি ও পৌঁছানো হয়েছে (Summons duly served)
যদি প্রমাণিত হয় যে সমন যথাযথভাবে পৌঁছেছে, আদালত একপক্ষীয় (ex parte) শুনানি করতে পারে।

(খ) সমন যথাযথভাবে পৌঁছানো হয়নি (Summons not duly served)
যদি প্রমাণ না হয় যে সমন যথাযথভাবে পৌঁছেছে, আদালত নির্দেশ দেবে যে দ্বিতীয় সমন জারি করে বিবাদীর কাছে পৌঁছানো হোক।

(গ) সমন পৌঁছেছে, কিন্তু যথাযথ সময়ে নয় (Summons served, but not in due time)
যদি প্রমাণিত হয় যে সমন পৌঁছেছে, কিন্তু পর্যাপ্ত সময় না থাকায় বিবাদী নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হয়ে উত্তর দিতে পারেনি, আদালত শুনানি পরবর্তী দিনে স্থগিত করবে, এবং বিবাদীকে নতুন তারিখের নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেবে।

১২,৫০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারা অনুসারে কে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করতে পারে?
  1. দায়রা আদালত
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮ অনুসারে, দায়রা আদালত নিজে অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-কে নির্দেশ দিয়ে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা দিতে পারে, যদি সাক্ষ্য সংগ্রহের স্বার্থে তা প্রয়োজন হয় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় এই ক্ষমা প্রদান করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায়-
-যে দায়রা আদালত মামলার বিচার করছে সেই দায়রা আদালত অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে বা ক্ষমা করার নির্দেশ দিতে পারে; বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে । এই ধারা অনুসারে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে রায় প্রদানের পূর্বে যেকোন সময়।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 338. Power to direct tender of pardon:
-At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
১২,৫০৬.
অপরাধ করার জন্য যে সম্পত্তি ব্যবহার করা হয়েছে, উক্ত সম্পত্তি আদালত হেফাজতে রাখার আদেশ দিতে পারে-
  1. অপরাধী খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত
  2. অনুসন্ধান বা বিচারের সময়
  3. প্রকৃত মালিক দাবি না করা পর্যন্ত
  4. প্রকৃত মালিক খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫১৬ক-

যে সম্পত্তি বিষয়ে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে এবং উক্ত সম্পত্তি অনুসন্ধান বা বিচারের সময় ফৌজদারী আদালতে হাজির করা হলে আদালত এমন সম্পত্তি হেফাজতে রাখার আদেশ দিতে পারে।

Section 516A- Order for custody and disposal of property pending trial in certain cases
When any property regarding which any offence appears to have been committed, or which appears to have been used for the commission of any offence, is produced before any Criminal Court during any inquiry or trial, the Court may make such order as it thinks fit for the proper custody of such property pending the conclusion of the inquiry or trial, and, if the property is subject to speedy or natural decay, may, after recording such evidence as it thinks necessary, order it to be sold or otherwise disposed of.
১২,৫০৭.
সহকারী দায়রা জজের পদের উত্তরাধিকারী (স্থলাভিষিক্ত) সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি হলে, তা নির্ধারণ করবেন-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. দায়রা জজ
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫৯- জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতা তাদের স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তিগণ কর্তৃক প্রয়োগের বিধান

(১) এই বিধির অন্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা ও কর্তব্য তার স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তি প্রয়োগ বা সম্পাদন করতে পারবেন।

(২) কোন ম্যাজিস্ট্রেটের (চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) স্থলাভিষিক্ত কে সে সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি হলে এই বিধি, বা এই বিধির কোন কার্যধারা বা আদেশের উদ্দেশ্যে যে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত স্থলাভিষিক্ত বলে গণ্য হবেন, তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যেখানে যেমন, লিখিত আদেশ কর্তৃক নির্ধারণ করবেন।

(৩) কোন অতিরিক্ত বা সহকারী দায়রা জজের পদের উত্তরাধিকারীকে সে সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি হলে, এই বিধি বা এই বিধির কোন কার্যধারা বা আদেশের উদ্দেশ্যে যে জজ উক্ত অতিরিক্ত বা সহকারী দায়রা জজের পদের উত্তরাধিকারী বলে অভিহিত হবেন তাহা দায়রা জজ লিখিত আদেশ কর্তৃক নির্ধারণ করবেন।

Section 559- Provision for powers of Judges and Magistrates being exercised by their successors in office
(1) Subject to the other provisions of this Code, the powers and duties of a Judge or Magistrate may be exercised or performed by his successor in office. 
 
(2) When there is any doubt as to who is the successor in office of any Magistrate, the Chief Metropolitan Magistrate or, the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate, the District Magistrate shall determine by order in writing the Magistrate who shall, for the purposes of this Code or of any proceedings or order thereunder, be deemed to be the successor in office of such Magistrate. 
 
(3) When there is any doubt as to who is the successor in office of any Additional or Assistant Sessions Judge, the Sessions Judge shall determine by order in writing the Judge who shall, for the purposes of this Code or of any proceedings or order thereunder, be deemed to be the successor in office of such Additional or Assistant Sessions Judge.
১২,৫০৮.
মামলার বাদী উপস্থিত কিন্তু বিবাদী অনুপস্থিত রয়েছে, শুনানীর দিন এই ক্ষেত্রে কি হবে?
  1. যদি সমন যথার্থ জারি হয় তাহলে আদালত একতরফা বিচার করতে পারবেন
  2. যদি সমন যথার্থ জারি না হয় তাহলে আদালত পুনরায় সমন দেওয়ার আদেশ দিবেন
  3. সমন যদি যথার্থ ভাবে জারি হয় কিন্তু বিবাদী হাজির হয়ে জবাব দেওয়ার যথেষ্ট সময় না পায় তাহলে পরবর্তী দিন নির্ধারন করবে এবং শুনানী মূলতবী করবে।
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী যদি শুনানির জন্য ডাকা হয় তখন যদি বাদী উপস্থিত হয় এবং বিবাদী উপস্থিত না হয় তাহলে,
১. সমন যথারীতি জারি হলে, আদালত একতরফা বিচার করতে পারবেন।
২. সমন যথারীতি জারি না হলে, আদালত দ্বিতীয়বার সমন প্রেরণ এবং জারি করার নির্দেশ দান করবেন।
৩. সমন জারি হয় কিন্তু বিবাদীকে হাজির হয়ে জবাব দেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা না হলে, আদালত পরবর্তী কোন তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি মুলতুবি রাখবেন এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ দিবেন।
১২,৫০৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 173A অনুযায়ী, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা পুলিশ সুপার
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা ১৭৩A (১) অনুসারে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার বা সমতুল্য পদমর্যাদার অন্য কোনো কর্মকর্তা যিনি তদন্ত তদারকি করছেন, তিনি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন। সুতরাং, এই ক্ষেত্রে জেলা পুলিশ সুপার সঠিক উত্তর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।
(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।
(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
---------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, 173A. Interim investigation report, etc.- 
(1) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) of section 173, before completion of an investigation of any case under this Chapter, the Police Commissioner or the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may require the Investigating Officer to submit an interim investigation report as to the progress of the investigation of the case.
(2) If the interim investigation report, as required, discloses that there is insufficient evidence against any accused, the Police Commissioner, the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may direct the Investigating Officer to submit the report to the Magistrate and upon receipt of such report, the Magistrate or the Tribunal, as the case may be, may, if satisfied, order to discharge such accused subject to sub-section (3), without prejudice to the continuation of investigation against the remaining accused persons.
(3) Notwithstanding the discharge of any accused under sub-section (2), if, upon completion of the investigation, it appears on the basis of sufficient and substantive evidence that such person is involved in the commission of the alleged offence, the Investigating Officer shall not be precluded from including his name in the police report under section 173.

১২,৫১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮(১) অনুসারে, একটি ডিক্রির এক্সিকিউশনের জন্য আবেদন করার সময়সীমা কত বছর?
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. কোনো সীমা নেই
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮(১) অনুসারে, একটি ডিক্রির জারি (এক্সিকিউশন) এর জন্য আবেদন করার সময়সীমা সাধারণত ১২ বছর। তবে এই সময়সীমা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না:
- নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি (decree granting an injunction)
- যদি জজমেন্ট-ডেবটর প্রতারণা বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ডিক্রি জারি বাধাগ্রস্ত করে (ধারা ৪৮(২)(ক) অনুযায়ী)
- তামাদি আইনের ১৮৩ ধারা প্রযোজ্য হয় এমন ক্ষেত্রে। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:- নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনা মতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 48 Limit of Time for Execution:
 Execution barred in certain cases: (1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from
(a) the date of the decree sought to be executed, or,
(b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree.

(2) Nothing in this section shall be deemed:
(a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or
(b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.

১২,৫১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে, সরকার দায়রা বিভাগ বা জেলার সংখ্যা বা সীমা পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে কোন ধারার অধীনে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৭
  3. ধারা ৮
  4. ধারা ৯
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (The Code of Criminal Procedure) এর ধারা ৭ অনুযায়ী, সরকার দায়রা বিভাগ (Sessions Division) এবং জেলার (District) সংখ্যা বা সীমানা পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।
 - ধারা ৭(২) স্পষ্টভাবে বলে:
"The Government may alter the limits or the number of such divisions and districts."
অর্থাৎ, সরকার দায়রা বিভাগ ও জেলার সংখ্যা বা সীমানা ইচ্ছামতো পরিবর্তন করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৭ ধারা: দায়রা বিভাগ এবং জেলা-
(১) বাংলাদেশ দায়রা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
বাংলাদেশ বিভিন্ন দায়রা বিভাগে বিভক্ত থাকবে এবং এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে প্রতিটি দায়রা বিভাগ একটি জেলা হিসেবে গণ্য হবে বা একাধিক জেলা নিয়ে গঠিত হবে।
(২) বিভাগ এবং জেলার সীমানা পরিবর্তনের ক্ষমতা:
সরকার এই দায়রা বিভাগ এবং জেলার সংখ্যা বা সীমানা পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।
(৩) বিদ্যমান বিভাগ এবং জেলা বহাল থাকবে:
এই কার্যবিধি কার্যকর হওয়ার সময় যে দায়রা বিভাগ এবং জেলা বিদ্যমান থাকবে, সেগুলো দায়রা বিভাগ এবং জেলা হিসেবে বহাল থাকবে, যতক্ষণ না সেগুলো পরিবর্তন করা হয়।
(৪) মেট্রোপলিটন এলাকা:
মেট্রোপলিটন এলাকা এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে একটি দায়রা বিভাগ হিসেবে গণ্য হবে।

১২,৫১২.
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান-
  1. Character as affecting damages.
  2. Previous bad character not relevant, except in reply.
  3. In criminal cases, previous good character relevant.
  4. Grounds of opinion, when relevant.
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান: ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে (Character as affecting damages)- সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারামতে দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ Character as affecting damages:
Section 55. In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
 
Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
১২,৫১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৬ অনুযায়ী স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারে কোন সম্পত্তি?
  1. বাজার দর নির্ধারন করতে
  2. বার্ষিক ক্ষতি বা মূল লাভ নির্ধারন করতে
  3. অন্তবর্তীকালীন মুনাফা নির্ধারনের জন্য
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ৯ অনুযায়ী স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারে।
⇒ মোকদ্দমার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির-
১) বাজার মূল্য বা
২) অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা (Mesne Profits )
৩) ক্ষতিপূরণ বা
৪) বাৎসরিক নীট মুনাফা নির্ণয় করা
⇒ আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
⇒ তবে স্থানীয় তদন্তে সম্পত্তির দখলকার আছে তা নির্ধারন হয় না।
১২,৫১৪.
স্থাবর বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের মামলা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. যেখানে বন্ধকদাতা বাস করে
  2. যেখানে বন্ধকগ্রহীতা বাস করে
  3. ক বা খ
  4. যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের কারণ উৎপত্তি হয়েছে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। ধারা ১৬ অনুযায়ী, মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত, সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

• সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন-
স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার,
স্থাবর সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা,
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন ক্ষতিপুরণের মোকদ্দমা,
আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা; সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

তবে স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি খালাসের অধিকারহরণ (foreclosure) বা বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে, যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে।
১২,৫১৫.
দণ্ডবিধির ২১২ ধারা অনুযায়ী, কে অপরাধীকে আশ্রয় দিলে শাস্তি পাবে না?
  1. বন্ধু
  2. ভাই-বোন
  3. স্বামী বা স্ত্রী
  4. পিতা-মাতা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অনুযায়ী, স্বামী বা স্ত্রী যদি অপরাধীকে আশ্রয় দেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান প্রযোজ্য হবে না। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, স্বামী বা স্ত্রীর ক্ষেত্রে আশ্রয়দান করার জন্য শাস্তি আরোপ করা হবে না।
অন্যদিকে, বন্ধু, ভাই-বোন বা পিতা-মাতা যদি অপরাধীকে আশ্রয় দেন, তবে তারা শাস্তির আওতায় আসবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া, অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হইলে:
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-

-দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
-দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
অত্র ধারার অপরাধ বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

ব্যতিক্রম:- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 212. Harbouring offender if a capital offence; if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment
Whenever an offence has been committed, whoever harbours or conceals a person whom he knows or has reason to believe to be the offender, with the intention of screening him from legal punishment, 
shall, if the offence is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, and shall also be liable to fine; 
and if the offence is punishable with 70[imprisonment] for life or with imprisonment which may extend to ten years, shall be, punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine; 
and if the offence is punishable with imprisonment which may extend to one year, and not to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both. 
"Offence" in this section includes any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would be punishable under any of the following sections, namely, 302, 304, 382, 392, 393, 394, 395 396, 397, 398, 399, 402, 435, 436, 449, 450, 457, 458, 459 and 460; and every such act shall, for the purposes of this section, be deemed to be punishable as if the accused person had been guilty of it in Bangladesh. 
 
Exception: This provision shall not extend to any case in which the harbour or concealment is by the husband or wife of the offender. 
 
Illustration:
A, knowing that B has committed dacoity, knowingly conceals B in order to screen him from legal punishment. Here, as B is liable to 71[imprisonment] for life, A is liable to imprisonment of either description for a term not exceeding three years, and is also liable to fine.
১২,৫১৬.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারা কোন বিষয় সম্পর্কিত?
  1. মিথ্যা সাক্ষ্যদান
  2. সাক্ষীর অধিকার
  3. সাক্ষ্য রেকর্ড করার পদ্ধতি
  4. অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৬৭ (Section 167) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা নিম্নোক্ত বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত:
- “Improper admission or rejection of evidence shall not of itself be a ground for new trial or reversal of decision,
- যদি আদালত মনে করে,  আপত্তিকৃত সাক্ষ্য বাদ দিয়েও যথেষ্ট প্রমাণ আছে সিদ্ধান্ত সমর্থনের জন্য; অথবা যে সাক্ষ্য বাদ দেওয়া হয়েছিল, তা গ্রহণ করা হলেও সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হতো না।”
- কখনো কখনো বিচারক ভুলবশত কোনো অপ্রাসঙ্গিক বা অবৈধ সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য বাদ দিতে পারেন।
- তবে এই কারণে মামলার পুনরায় বিচার (new trial) বা রায় বাতিল (reversal of decision) চাওয়া যাবে না, যদি আদালত মনে করে যে:
- অন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ ছিল; অথবা বাদ দেওয়া সাক্ষ্য থাকলেও রায়ের কোনো পরিবর্তন হতো না।

 সুতরাং, ধারা ১৬৭ মূলত আদালতের সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জনের ত্রুটি যদি রায়ের মেরিটে প্রভাব না ফেলে, তাহলে শুধু সেই ত্রুটির কারণে রায় পরিবর্তন বা পুনর্বিচার চাওয়া যাবে না।
- ধারা ১৬৭ আলোচনা করে ঘ) অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান" সম্পর্কিত বিধান।

সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
----
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 167- No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

১২,৫১৭.
কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও উক্ত আসামী খালাস পেলে, মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
______________________________________________________
⇒The Penal Code, 1860-Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
- Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
 and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
১২,৫১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে সুপ্রীম কোর্ট কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা রাখে?
  1. ধারা ৯৬
  2. ধারা ১০২
  3. ধারা ১২২
  4. ধারা ১৫১
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১২২ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টকে সময় সময়ে পূর্বকালীন প্রকাশনার পরে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, যা সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগ এবং এর নিয়ন্ত্রণাধীন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে। এই বিধির মাধ্যমে প্রথম তফশীলের সকল বা যেকোনো বিধি বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১২২ ধারা- বিধি প্রণয়নে সুপ্রীমকোর্টের ক্ষমতা:
- সুপ্রীমকোর্ট সময় সময়ে সুপ্রীম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের ও ইহার নিয়ন্ত্রণাধীন দেওয়ানী আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণকালে পূর্বকালীন প্রকাশনার পরে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন এবং এরূপ প্রণীত বিধি দ্বারা প্রথম তফশীলের সকল বা যে কোন বিধি বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারবেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section- 122. Power of the Supreme Court to make rules.
- The Supreme Court may, from time to time after previous publication, make rules regulating the procedure of each Division of the Supreme Court and the procedure of Civil Courts subject to its Superintendence and may by such rules annul, alter or add to all or any of the rules in the First Schedule.

১২,৫১৯.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে প্রতারণামূলক ডিক্রি রদ করার জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ বর্ণিত আছে?
  1. ৯২
  2. ৯১
  3. ৯৭
  4. ৯৫
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৯৫ এর বিধান প্রতারণামূলকভাবে যে ডিক্রি নেওয়া হয়েছে (A decree obtained by fraud), তা রদ করার জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
-তামাদি মেয়াদ শুরু হবে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ যখন প্রতারণার বিষয় অবগত হয় তখন থেকে। 
১২,৫২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে ক্ষমা করার বিধান রয়েছে?
  1. দুষ্কর্মের সাক্ষীকে
  2. দুষ্কর্মের সহযোগীকে
  3. দুষ্কর্মকারীকে
  4. উল্লেখিত সকলকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ও ৩৩৮ ধারায় সত্য সাক্ষ্যদানের শর্তসাপেক্ষে দুষ্কর্মের সহযোগীকে ক্ষমা করার বিধান করা হয়েছে। দুষ্কর্মের সহযোগী বা রাজসাক্ষীর বিচারের পদ্ধতি ৩৩৯ক ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অপরাধের সহযোগিকে বা দুষ্কর্মের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করা হয় যে, সে অপরাধ সম্পর্কে তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।

৩৩৭ ধারায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট; বা
২. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট

৩৩৭ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের তদন্ত বা অনুসন্ধানের বা বিচারের যেকোন পর্যায়ে সাক্ষ্য প্রমাণ প্রাপ্তির জন্য অপরাধের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করতে পারে যে, উক্ত সহযোগী অপরাধ সম্পর্কিত তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।

Section 337- Tender of pardon to accomplice
(1) In the case of any offence triable exclusively by the Court of Session, or any offence punishable with imprisonment which may extend to ten years, or any offence punishable under section 211 of the Penal Code, with imprisonment which may extend to seven years, or any offence under any of the following sections of the Penal Code, namely, sections 216A, 369, 401, 435 and 477A, a Metropolitan Magistrate] or any Magistrate of the first class may, at any state of the investigation or inquiry into, or the trial of the offence, with a view to obtaining the evidence of any person supposed to have directly or indirectly concerned in or privy to the offence, tender a pardon to such person on condition of his making a full and true disclosure of the whole of the circumstances within his knowledge relative to the offence and to every other person concerned, whether as principal or abettor, in the commission thereof: 
 
Provided that, where the offence is under inquiry or trial, no Magistrate of the first class other than the Chief Judicial Magistrate shall] exercise the power hereby conferred unless he is the Magistrate making the inquiry or holding the trial, and, where the offence is under investigation, no such Magistrate shall exercise the said power unless he is a Magistrate having jurisdiction in a place where the offence might be inquired into or tried and the sanction of the 318[Chief Judicial Magistrate] has been obtained to the exercise thereof. 
 
(1A) Every Magistrate who tenders a pardon under sub-section (1) shall record his reasons for so doing, and shall, on application made by the accused, furnish him with a copy of such record: 
 
Provided that the accused shall pay for the same unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost. 
 
(2) Every person accepting a tender under this section shall be examined as a witness in the Court of the Magistrate taking cognizance of the offence and in the subsequent trial, if any. 
 
(2A) In every case where a person has accepted a tender of pardon and has been examined under sub-section (2), the Magistrate before whom the proceedings are pending shall, if he is satisfied that there are reasonable grounds for believing that the accused is guilty of an offence, [send] him for trial to the Court of Session. 
 
(3) Such persons, unless he is already on bail, shall be detained in custody until the termination of the trial.
১২,৫২১.
'Striking out pleadings'- বলতে কী বোঝায়?
  1. আরজি-জবাব কর্তন
  2. আরজি-জবাব সংশোধন
  3. আরজি-জবাব বাতিল করা
  4. উল্লিখিত কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ-৬, বিধি-১৬: প্লিডিংস কর্তন (Strike out of pleadings)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৬ নং বিধিতে  প্লিডিংস কর্তনের (Strike out) বিধান রয়েছে। ১৬ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য আদালত যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস-এ উল্লেখিত কতিপয় বিষয় কর্তন করার (Strike out) আদেশ নিতে পারেন।

• আদালত প্লিডিংস কর্তন করাতে পারে যদি প্লিডিংস এ উল্লেখিত কোন বিষয়-
⇒ অপ্রয়োজনীয় (Unnecessary matter); বা
⇒ কুৎসাজনক (Scandalous); অথবা
⇒ বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice, embarras or delay fair trial of the suit)
১২,৫২২.
পেনাল কোডে কত প্রকারের আঘাতকে ‘মারাত্মক' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে?
  1. ৬ প্রকারের
  2. ৮ প্রকারের
  3. ৯ প্রকারের
  4. ১০ প্রকারের
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে।

(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

♦ অর্থাৎ পেনাল কোডে এই ৮ প্রকারের আঘাতকে ‘মারাত্মক' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
১২,৫২৩.
পুলিশ চোরাই মাল রাখার অভিযোগে 'ক' কে আটক করে, তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাড়ি থেকে মাল উদ্ধার করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে 'ক' এর স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ২৬ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ২৮ ধারা
  4. ২৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তির দ্বারা কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্কিত তথ্য স্বীকার করা হয়, এবং সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে সেই ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার করা হয়, তবে সেই স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
এক্ষেত্রে 'ক' চোরাই মাল রাখার স্বীকারোক্তি দিয়েছে, এবং সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তার বাড়ি থেকে মাল উদ্ধার করা হয়েছে। তাই এটি ২৭ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে, যা স্বীকারোক্তির প্রমাণের ক্ষেত্রে অপরাধমূলক তথ্যের উদ্ধারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী- আসামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে যদি আলামত উদ্ধার হয়, তাহলে উক্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যেতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে:
পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে, যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।
-------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 27: How much of information received from accused may be proved:
Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.
১২,৫২৪.
আপিল বিভাগে মাসদার হোসেন মামলার রায় ঘোষিত হয় কোন সনে?
  1. ১৯৯৯
  2. ২০০০
  3. ২০০১
  4. ২০০৭
ব্যাখ্যা
♦ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের উদ্দেশ্যে জনাব মাজদার হোসেনসহ কতিপয় বিচার বিভাগীয় অফিসার ১৯৯৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নং- ২৪২৪ /৯৫ দায়ের করেছিলেন। বিষয়টির উপর ১৩ জুন ১৯৯৬ সাল থেকে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ শুনানির পর হাইকোর্ট বিভাগ ৭ মে ১৯৯৭ সালে রায় প্রদান করেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার আপীল করে (দেওয়ানী আপীল নং- ৭৯/ ১৯৯৯) এবং আপীল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের উক্ত রায় নিরীক্ষণ করে ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৯ তারিখে রায় প্রদান করে ( ৫২ ডি এল আর, ৮২ )
১২,৫২৫.
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি যে জায়গা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যদি সেটি তার থাকার স্থান না হয়, তাহলে কতক্ষণ এর মধ্যে তার পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানাতে হবে?
  1. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;

(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;

(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;

(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

১২,৫২৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি কীভাবে জারি করা যায়?
  1. সম্পত্তি ক্রোক করে
  2. দেওয়ানি কারাগারে আটক করে
  3. আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারে
  4. উল্লিখিত কোনো ভাবেই নয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২: সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।

Order-21 Rule- 32: Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.

(2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.
১২,৫২৭.
যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে কোন তারিখে মামলার দায়ের হয়েছে বলে গণ্য করতে হবে?
  1. যেদিন বাদী বা বিবাদী স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলো
  2. যেদিন মূল মামলাটি দায়ের করা হয়েছিলো
  3. যেদিন মূল মামলার প্রথম শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো
  4. যেদিন স্থলাভিষিক্তের জন্য আবেদন করা হয়েছিলো
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এ নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল সম্পর্কে বলা আছে।
যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয় বা কারও স্থলাভিষিক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির জন্য পক্ষভুক্তির তারিখেই মামলাটি করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
তবে, যেক্ষেত্রে মামলা স্থগিত থাকার সময় স্বত্বাপণ কিংবা কোন স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত কিংবা স্থলাভিষিক্ত করা হয় বা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদীতে কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয় সেক্ষেত্রে ১ উপধারার কোন কিছুই প্রয়োগযোগ্য হবে না।
Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party. 
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
১২,৫২৮.
'জামিনঅযোগ্য অপরাধ' সম্পর্কে ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ৩য় তফসিলে
  2. ২য় তফসিলে
  3. ৪র্থ তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারী কার্যবিধির ২য় তফসিলে জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধের তালিকা দেওয়া হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ দেওয়া হলো:

১ম কলাম - পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ,
২য় কলাম - অপরাধ,
৩য় কলাম - আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ (পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে কি না),
৪র্থ কলাম - প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা,
৫ম কলাম - অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য,
৬ষ্ঠ কলাম - অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা,
৭ম কলাম - দণ্ডবিধির অধীনে উল্লিখিত শাস্তি,
৮ম কলাম - যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
-----------
- ফৌজদারী কার্যবিধির তফসিল ও কলাম:
প্রথম তফসিল: বাতিল
দ্বিতীয় তফসিল: এতে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিচে বর্ণিত:
১ম কলাম: দণ্ডবিধির ধারা
২য় কলাম: অপরাধের নাম
৩য় কলাম: আমলযোগ্য অপরাধ বা আমল অযোগ্য অপরাধ
৪র্থ কলাম: ওয়ারেন্ট বা সমন প্রদান করা হবে
৫ম কলাম: জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য
৬ষ্ঠ কলাম: আপোষযোগ্য বা আপোষঅযোগ্য
৭ম কলাম: শাস্তি
৮ম কলাম: আদালতের এখতিয়ার
তৃতীয় তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতা
চতুর্থ তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা 
পঞ্চম তফসিল: ফরমসমূহ (৫৩টি)
১২,৫২৯.
A একজন মৃত চিত্রকারের একটি চিত্র এবং একজোড়া দুষ্প্রাপ্য চীনামাটির কারুকার্যখচিত পাত্রের অধিকারী। সেগুলো B এর দখলে রয়েছে। এই জিনিসগুলো এমন বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ যে তার বাজার দর নির্ণয় করা কষ্টসাধ্য। চীনামটির পাত্র গুলো অর্পণ করার জন্য B কে বাধ্য করতে A সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ______ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
  1. ১০ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ৯ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু চীনামটির পাত্রগুলো হলো অস্থাবর সম্পত্তি এবং এর বাজার দর নির্ধারণ করা কষ্টসাধ্য, তাই ১১ ধারার গ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উক্ত চীনামাটির পাত্রগুলো A কে অর্পণ করতে A,B‌ এর বিরুদ্ধে ১১ ধারায় মামলা করতে পারে।
১২,৫৩০.
আদালতে নোটিশপ্রাপ্ত দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করা হলে, পরবর্তীতে তা দাখিল করতে কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. অপর পক্ষের সম্মতি
  3. শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় প্রমাণ
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে-
কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে, পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না। অর্থাৎ, অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।

Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.
১২,৫৩১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১২ মোট কতটি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার কথা বলে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে, নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়: যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে (when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust);
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে (when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done);
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে (when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief); এবং
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে (when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done)- চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।

১২,৫৩২.
কে দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. যে কোনো ব্যক্তি
  2. কেবল আদালত
  3. শুধু দলিল প্রণয়নকারী পক্ষ
  4. দলিল প্রণয়নকারী পক্ষ বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।

Section 31- When instrument may be rectified:
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
১২,৫৩৩.
'কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে।'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১০২ ধারায়
  2. ১০৩ ধারায়
  3. ১০৫ ধারায়
  4. ১০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। অর্থাৎ, কোনো একটি ঘটনা বা বিষয় যখন নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জানার কথা বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি ব্যতীত অন্যরা জানার কথা নয়, তখন ঐ ব্যক্তির উপরই প্রমাণ করার দায়িত্ব বর্তাবে।

Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge-

When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.

১২,৫৩৪.
দণ্ডবিধির ধারা ৪১০ অনুসারে 'চোরাই সম্পত্তি' বলতে কী বোঝায়?
  1. চুরির মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি
  2. জোরপূর্বক আদায় মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি
  3. দস্যুতার মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১০ অনুসারে, নিম্নলিখিত উপায়ে প্রাপ্ত যেকোনো সম্পত্তিকে 'চোরাই সম্পত্তি' বলা হয়:
- চুরির মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি (ধারা ৩৭৮)।
- জোরপূর্বক আদায় (Extortion) এর মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি (ধারা ৩৮৩)।
- দস্যুতার (Robbery) মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি (ধারা ৩৯০)।
- অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত সম্পত্তি (Criminal Misappropriation)।
- বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) এর মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি। 

→ অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ৪১০ অনুসারে, যে সম্পত্তি চুরি, জোরপূর্বক আদায়, বা দস্যুতার মাধ্যমে হস্তান্তরিত বা প্রাপ্ত হয়েছে, তা 'চোরাই সম্পত্তি' হিসেবে বিবেচিত হবে। তাই উপরের সবগুলোই চোরাই সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:
- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
-----------
⇒The Penal Code, 1860- Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

১২,৫৩৫.
'নিজের মামলায় নিজে বিচারক হওয়া যায় না'- এই নীতি দেওয়ানী আদালত আইন, ১৮৮৭ এর কত ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1.  ৩৬ ধারা 
  2.  ৩৭ ধারা 
  3.  ৩৮ ধারা 
  4.  ৩৯ ধারা
ব্যাখ্যা

• Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

১২,৫৩৬.
বেসরকারি ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন, যদি অপর ব্যক্তিটি-
  1. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ করেন
  2. কোনো অপরাধ করেছেন মর্মে সন্দেহ হয়
  3. আমলযোগ্য ও অ-আমলযোগ্য যেকোনো অপরাধ করেন
  4. জামিন যোগ্য ও অ-আমলযোগ্য অপরাধ করেন
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে
ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে।
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender]
♦ ৫৯ ধারা তে বলা আছে (১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।ত
(২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১২,৫৩৭.
Section 118 of the Criminal Procedure Code states that- no person shall be ordered to give security of a nature different from, or of an amount larger than, that specified in the order made under __________.
  1. Section 112
  2. Section 113
  3. Section 114
  4. Section 116
ব্যাখ্যা
Section-118: Order to give security:
If, upon such inquiry, it is proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made should execute a bond, with or without sureties the Magistrate shall make an order accordingly: 

Provided- 
firstly , that no person shall be ordered to give security of a nature different from, or of an amount larger than, or for a period longer than, that specified in the order made under section 112:  
secondly, that the amount of every bond shall be fixed with due regard to the circumstances of the case and shall not be excessive: 
thirdly, that when the person in respect of whom the inquiry is made is a minor, the bond shall be executed only by his sureties.

ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার বিধান- মুচলেকা প্রদানের আদেশ:
এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও সদাচারণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে,
প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যেরকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;
দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;
তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবলমাত্র তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
১২,৫৩৮.
দণ্ডবিধিতে কোন ধারায় একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড?
  1. ৩০২
  2. ৩০৩
  3. ৩০৪
  4. ৩৭৫
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারায় একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
♦দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তিঃকোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১২,৫৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে নকল প্রদান সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫৪৪
  2. ধারা ৫৪৬
  3. ধারা ৫৪৭
  4. ধারা ৫৪৮
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুযায়ী, রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আদালত থেকে নকল পেতে পারে। সাধারণত খরচ দিতে হয়, তবে বিশেষ কারণ থাকলে বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল:
কোন ফৌজদারি আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবে,
শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশত বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 548: Copies of proceedings:
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
১২,৫৪০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার নীতিটি প্রযোজ্য হবে না কোন ক্ষেত্রে?
  1. অভিযোগ খারিজের ক্ষেত্রে
  2. ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের ক্ষেত্রে
  3. আসামীকে অব্যাহতির ক্ষেত্রে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার বিধান একবার সাজাপ্রাপ্ত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তির একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না কিন্তু ৪০৩ ধারার ব্যাখ্যাতে বলা আছে নালিশ খারিজ, ধারা-২৪৯ এর অধীন প্রক্রিয়া বদ্ধকরণ অথবা আসামীকে অব্যাহতি দেওয়াকে এই ধারার উদ্দেশ্যে খালাস হিসাবে পরিগণিত করা যাবে না।

♦অভিযোগ খারিজের ক্ষেত্রে আসামী অব্যাহতি পায়, ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ হলে আসামী মুক্তি পেতে পারে বা অন্য যে ক্ষেত্রে আসামী অব্যাহতি পেতে পেরে, সেই সকল ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না। কারণ এই সকল ক্ষেত্রে অব্যাহতি বা মুক্তি খালাস বলে গণ্য হবে না।
১২,৫৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালতে কয় শ্রেণীর বিচারক থাকে?
  1. ৫ শ্রেণীর
  2. ৪ শ্রেণীর
  3. ৩ শ্রেণীর
  4. ২ শ্রেণীর
ব্যাখ্যা
⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-

ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
অর্থাৎ দায়রা আদালতে তিনটি স্তরের বিচারক থাকতে পারে।

-ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১১৫ এবং ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
-------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
-(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.] 
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 
 (3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.] 
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct. 
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
১২,৫৪২.
নিম্নের কোনটি নারী ধর্ষণ বলিয়া গণ্য হইবে? 
  1. নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাহার সহিত যৌন সহবাস (sexual intercourse) করিলে,
  2. নারীর সম্মতি ছাড়া তাহার সহিত যৌনসহবাস করিলে
  3. চৌদ্দ বৎসরের কম বয়স্ক নারীর সম্মতিসহ বা ছাড়া তাহার সহিত যৌনসহবাস করিলে
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ' এ বর্ণিত সবগুলি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারার বিধান ধর্ষণ (Rape):- কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত:- স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
দ্বিতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে।
তৃতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে।
চতুর্থত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে।
পঞ্চমত:- স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা:- ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম :- কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
---------------
Rape
Section 375. A man is said to commit "rape" who except in the case hereinafter excepted, has sexual intercourse with a woman under circumstances falling under any of the five following descriptions: 
Firstly. Against her will. 
Secondly. Without her consent. 
Thirdly. With her consent, when her consent has been obtained by putting her in fear of death, or of hurt. 
Fourthly. With her consent, when the man knows that he is not her husband, and that her consent is given because she believes that he is another man to whom she is or believes herself to be lawfully married. 
Fifthly. With or without her consent, when she is under fourteen years of age. 
 
Explanation. Penetration is sufficient to constitute the sexual intercourse necessary to the offence of rape. 
Exception. Sexual intercourse by a man with his own wife, the wife not being under thirteen years of age, is not rape.
১২,৫৪৩.
আপিল শুনানির দিন যদি আপিলকারী অনুপস্থিত এবং রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত থাকে, তাহলে আদেশ ৪১ বিধি ১৭ এর অধীন-
  1. আপিল খারিজ করা হবে
  2. শুনানি পুনঃতফসিল করা হবে
  3. একতরফা ভাবে আপিল শুনানি হবে
  4. আপিলকারীর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ আনা হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফা ভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
১২,৫৪৪.
দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ঘুষ
  2. মুদ্রা জাল
  3. দাঙ্গা
  4. মারামারি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৬১ ধারা অনুসারে-
কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক কোনি সরকারি কাজ বৈধ পারিশ্রমিক ছাড়া অন্যকোন রকম বখশিস নিয়ে করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বখশিস গ্রহণ বা গ্রহণে সম্মত বা গ্রহণের চেষ্টা করলে সেই কর্মকর্তা-কর্মচারী যে কোনো বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানা বা উভয়প্রকার দণ্ড হতে পারে।
 
নিজে না করে অন্য কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করে দেওয়ার জন্য বখশিস গ্রহণও এই ধারা অনুসারে ঘুষের মধ্যে পড়ে। ঘুষ চাওয়া যেমন অপরাধ, তেমনি ঘুষ না দিলে বিপদ হবে এ ধরণের ধমক দেওয়াও ঘুষ নেওয়ার শামিল। আবার কাউকে ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাবও অপরাধ।
১২,৫৪৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারানুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মামলা খারিজ হলে বাদী অবশ্যই বারিত হবে -
  1. ঘোষণামূলক মামলা করতে
  2. ক্ষতিপূরণের মামলা করতে
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দলিল সংশোধন
  4. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে
ব্যাখ্যা
♦“খারিজের পর চুক্তি ভঙ্গের মোকদ্দমা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা' শিরোনামে The Specific Relief Act, 1877 -এর ২৯ ধারায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের/বলবৎকরণের মোকদ্দমা খারিজ হয়ে গেলে, সে চুক্তির বিষয়ে ক্ষতিপূরণের জন্য পুনরায় মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না তা স্পষ্ট করে বলা আছে।

♦এ ধারার সারমর্ম হলো: যখন বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদনের মোকদ্দমা [ধারা ১৯ অনুযায়ী] দায়ের করেছিল, তখন ক্ষতিপূরণের আবেদন না করে থাকলে সে ক্ষেত্রে/তার অংশের সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মোকদ্দমা খারিজ হয়ে গেলে উক্ত চুক্তি/চুক্তির অংশবিশেষ ভঙ্গ করার জন্য পরবর্তী সময়ে পুনরায় ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের/রুজু করতে পারবে না। [২৯ ধারা] অর্থাৎ- চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মামলা খারিজ হলে বাদী ঘোষণামূলক মামলা করতে পারবে না।

♦ধারা-২৯ এর বিধান খারিজের পর চুক্তিভঙ্গের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতাঃ—একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
১২,৫৪৬.
দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারায় কোন অপরাধের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. ডাকাতি
  4. বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান- দস্যুতা: প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
- যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

১২,৫৪৭.
হেবিয়াস কর্পাস রিট মূলত কোন ধরনের অধিকার রক্ষা করে?
  1. ভোটের অধিকার
  2. চুক্তির অধিকার
  3. ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার
  4. সম্পত্তির অধিকার
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার।
⇒ হেবিয়াস কর্পাস (Habeas Corpus) একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ — “তাকে হাজির করো”। এটি একটি সংবিধানসম্মত ও মৌলিক মানবাধিকার রক্ষার আইনি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে যদি কোন ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে বা যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া আটক বা বন্দী করা হয়, তবে তাকে অবিলম্বে আদালতে হাজির করার নির্দেশ জারি করা যায়।
- হেবিয়াস কর্পাস রিট একটি মৌলিক অধিকার রক্ষাকারী রিট, যা প্রধানত ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার (Right to Personal Liberty) রক্ষা করে।
- এটি তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে বা যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই আটক করা হয়।
→ এই রিটের মূল উদ্দেশ্য হলো: একজন নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতা বা মুক্তি নিশ্চিত করা।
যদি আদালত মনে করে যে ওই ব্যক্তি বেআইনিভাবে আটক রয়েছেন, তবে তাকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে।
 
→ অর্থাৎ হেবিয়াস কর্পাস রিট মূলত ব্যক্তির বেআইনী আটক থেকে মুক্তি ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- হেবিয়াস কর্পাস রিট মূলত ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার (Right to Personal Liberty) রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি সংবিধানের ৩৩ ও ১০২ অনুচ্ছেদ এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় প্রতিষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রতিকার।
১২,৫৪৮.
‘D’ একজন ব্যক্তিকে ৫ দিন ধরে একটি গুদামে আটকে রাখে, যাতে সে কোথাও যেতে না পারে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘D’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৪০
  2. ধারা ৩৪২
  3. ধারা ৩৪৩
  4. ধারা ৩৪৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে ৩ দিন বা তার বেশি সময় অন্যায়ভাবে বন্দী করলে শাস্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। ‘D’-এর ৫ দিনের বন্দীকরণ এই ধারার অধীনে অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কেউ তিন দিনের বেশি সময় ধরে অন্য কোনো ব্যক্তিকে wrongful confinement (অবৈধ অবরোধ) করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, অথবা জরিমানা বা উভয়টাই হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা- তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১২,৫৪৯.
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোন ভুল হইলে আদালত তাহা সংশোধন (Corrected by the Court) করিতে পারে- 
  1. যে কোন সময়
  2. মোকদ্দমার শুরুতে
  3. আপিল চলাকালে
  4. সংশোধন করিতে পারে না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন। রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders: Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
১২,৫৫০.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে remand কী?
  1. মামলার পক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা
  2. আপিল আদালত কর্তৃক মামলা পুনর্বিচার করা
  3. আপিল আদালত কর্তৃক পুনর্বিচারের জন্য বিচারিক আদালতে পাঠানো
  4. পুনর্বিচার করা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি ও দেওয়ানী কার্যবিধিতে remand –এর ধারণা সম্পূর্ণ ভিন্ন। দেওয়ানী মোকদ্দমায় কোনো বিচার্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান না করলে এবং আদালত যদি প্রাথমিক বিষয়াদি বিবেচনায় রায় প্রদান করেন সেই ক্ষেত্রে আপিল আদালত মামলাটি পুনর্বিচারের জন্য ১০৭(১)(খ) ধারা মোতাবেক পুনর্বিচার-এর জন্য প্রেরণ করতে পারেন। রিমান্ড কখনও পুনর্বিচার নয়, পুনর্বিচারের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়াই হলো রিমান্ড
১২,৫৫১.
তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিষয়বস্তু হলো-
  1. লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল 
  2. প্রতারণার ফলাফল 
  3. নতুন বাদী বাঁ বিবাদী যুক্ত করার ফলাফল 
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ধারা ১৮: যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী হয়, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাহাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করিবার জন্য যেই দলিল প্রয়োজনীয়, তাহা প্রতারণা করিয়া তাহার নিকট হইতে গোপন রাখা হইয়াছে, সেই সকল ক্ষেত্রে-
(ক) প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তাহার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যেই ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্য প্রকারে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে, তাহার বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন প্রতারণার কথা জানিতে পারে, সেইদিন হইতে অথবা দলিল গোপন করা হইয়া থাকিলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন হইতে অথবা দলিল গোপন করা হইয়া থাকিলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন দলিলটি উপস্থাপন করিতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উহা উপস্থাপন করিবার জন্য বাধ্য করিতে পারে, সেইদিন হইতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।
------------------
The Limitation Act,1908, Effect of fraud: Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded,
or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him,
the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.

১২,৫৫২.
"Trustee" শব্দটি কোন ধরনের ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কিত ব্যক্তি
  2. শুধুমাত্র ব্যবসায়িক সম্পর্কিত ব্যক্তি
  3. আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র ধারণকারী ব্যক্তি
  4. শুধুমাত্র ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারায়-

"ট্রাস্টি" শব্দটি প্রত্যেক ব্যক্তিকে বুঝায় যারা স্পষ্টভাবে, গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে বা কাঠামোগতভাবে আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র বহন করে।
"trustee" includes every person holding, expressly, by implication, or constructively, a fiduciary character.
১২,৫৫৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ আদেশের ৯ক বিধির অধীন মোকদ্দমা বাতিলের আদেশ সরাসরি বাতিলের আবেদনের ক্ষেত্রে আদালত অনধিক কত টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. ২০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ (Directly setting aside abatement or dismissal): বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
---------------
⇒ Order 22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal: 
- Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
১২,৫৫৪.
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of _______.
  1. revision
  2. appeal
  3. second appeal
  4. none of above
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:

কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ
শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

Section 440: Optional with Court to hear parties

No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).
১২,৫৫৫.
ধারা ১৩২ অনুসারে, যদি সাক্ষীর উত্তর তাকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করে, তবে-
  1. সে তখনো উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে
  2. সে তার উত্তরকে অস্বীকার করতে পারবে
  3. তার উত্তর তাকে গ্রেপ্তার বা মামলা দায়েরের কারণ হবে
  4. তার উত্তরের জন্য তাকে শাস্তি দেয়া যাবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩২ অনুসারে,
একজন সাক্ষীকে কোনো মামলার বা ফৌজদারি বা দেওয়ানি কার্যক্রমের বিষয় সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে অব্যাহতি পাবে না, যদিও সেই উত্তর দেওয়ার ফলে সাক্ষী নিজেকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে অথবা তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা হতে পারে। কিন্তু, যে উত্তর তাকে দিতে বাধ্য করা হয়েছে, সেই উত্তর তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তার বা মামলা দায়েরের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে যদি সে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, তাহলে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য মামলা করা যেতে পারে।

Section-132: Witness not excused from answering on ground that answer will criminate:
A witness shall not be excused from answering any question as to any matter relevant to the matter in issue in any suit or in any civil or criminal proceeding, upon the ground that the answer to such question will criminate, or may tend directly or indirectly to criminate, such witness, or that it will expose, or tend directly or indirectly to expose, such witness to a penalty or forfeiture of any kind: 
 
Provided that no such answer, which a witness shall be compelled to give, shall subject him to any arrest or prosecution, or be proved against him in any criminal proceeding, except a prosecution for giving false evidence by such answer.
১২,৫৫৬.
Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ___________. 
  1. six months
  2. one year
  3. two years
  4. five years
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারার বিধান বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা :- (১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
----------------
Unlawful compulsory labour
Section 374. (1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both. 
 
(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year. 
 
Explanation. In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949,
১২,৫৫৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির লিজ চুক্তির জন্য নিম্নের কোনটি আবশ্যক?
  1. চুক্তিটি মৌখিক হতে হবে
  2. চুক্তিটি গেজেটে প্রকাশিত হতে হবে
  3. চুক্তিটি নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে
  4. চুক্তিটি লিখিত এবং পক্ষদ্বয়ের স্বাক্ষরিত হতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির লিজ চুক্তির জন্য নিম্নলিখিত শর্তাবলী পূরণ করা আবশ্যক: 
প্রধান শর্ত:
- লিখিত চুক্তি: চুক্তিটি অবশ্যই লিখিত আকারে হতে হবে।
- স্বাক্ষরিত: চুক্তিটি পক্ষদ্বয় বা তাদের আইনানুগ প্রতিনিধি দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা বিধান স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান:
এই অধ্যায়ের বিধানাবলির অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজ গ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।

তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
এই ধারা ১লা এপ্রিল, ১৯৩০ এর পরে সম্পাদিত ভাড়ার চুক্তিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:
Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and

(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract:
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
This section applies to contracts to lease executed after the first day of April, 1930.

১২,৫৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২৪
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান: প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।

১২,৫৫৯.
নাবালকের জন্য অভিভাবক নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনটি বাধ্যতামূলক নয়?
  1. নাবালকের সম্মতি
  2. শপথনামা সমর্থিত আবেদন
  3. নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবককে নোটিশ প্রদান
  4. অভিভাবকের স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূল না হওয়া
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: ক) নাবালকের সম্মতি।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২ (Order XXXII) অনুযায়ী, যখন কোনো নাবালক বিবাদী হয় বা তার পক্ষে কোনো মামলা চলমান থাকে, তখন আদালত তার জন্য একজন "অভিভাবক" (Guardian for the suit) নিযুক্ত করে। এই প্রক্রিয়ায় কিছু বিষয় বাধ্যতামূলক, আবার কিছু বিষয় ঐচ্ছিক বা প্রাসঙ্গিক নয়।

যা বাধ্যতামূলক:
শপথনামা সমর্থিত আবেদন দিতে হয় বিধি ৩(৩)-এ বলা হয়েছে যে, যিনি অভিভাবক হতে চান, তাকে একটি শপথনামাসহ আবেদন করতে হবে যাতে প্রমাণ থাকে যে তার স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী নয়।
নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবক বা পিতা-মাতাকে নোটিশ প্রদান করতে হয় বিধি ৩(৪)-এ বলা আছে যে, অভিভাবক নিযুক্তির আগে উপযুক্ত নোটিশ প্রদান করা বাধ্যতামূলক।
নিয়োগপ্রত্যাশী ব্যক্তির স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূল না হওয়া বাধ্যতামূলক কারণ তার স্বার্থ সংঘাতপূর্ণ হলে সে উপযুক্ত অভিভাবক নয়।

যা বাধ্যতামূলক নয়:
→ নাবালকের সম্মতি: কোনো নাবালকের ব্যক্তিগত সম্মতি অভিভাবক নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় নয়। কারণ নাবালক আইনত পূর্ণরূপে সচেতন বা সক্ষম বিবেচিত হন না, তাই আদালতই তার পক্ষে সিদ্ধান্ত নেন এবং তার মঙ্গল বিবেচনায় অভিভাবক নিয়োগ করেন।
→ সঠিক উত্তর: ক) নাবালকের সম্মতি। এটি আইনত বাধ্যতামূলক নয়, বরং আদালতের বিবেচনা ও অন্যান্য দায়িত্বশীল প্রক্রিয়া অনুসারে অভিভাবক নিয়োগ হয়।
১২,৫৬০.
Under Section 77 of The Evidence Act, 1872, what can be used to prove the contents of public documents?
  1. Oral statements
  2. Certified copies
  3. Affidavit of witness
  4. Original documents only
ব্যাখ্যা
Section 77- Proof of documents by production of certified copies:
Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.

সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা:
"অনুরূপ জাবেদা নকল (সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারার অধীন প্রদত্ত জাবেদা নকল)সরকারি যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলে দেয়া হয়, সেই দলিলের বা তার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ তা উপস্থাপন করা যেতে পারে।"
১২,৫৬১.
বাংলাদেশে ফৌজদারি আদালত মোট কয়টি প্রধান শ্রেণীতে বিভক্ত?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে (Criminal Procedure Code, 1898) ধারা ৬(১) অনুযায়ী, বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালত প্রধানত দুইটি শ্রেণির: ১) দায়রা আদালত (Courts of Sessions) ২) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (Courts of Magistrates)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা:
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা:
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট:
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 6: Classes of Criminal Courts:
1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:-
(a) Courts of Sessions ; and
(b) Courts of Magistrates.
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: -
(a) Judicial Magistrate; and
(b) Executive Magistrate.
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: -
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas;
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate;
(c) Magistrate of the second class; and
(d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.

১২,৫৬২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার বিধান কী?
  1. Declaratory Suit
  2. Rescission for mistake
  3. Mandatory injunctions
  4. Principles of rectification
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় বলা হয়েছে, যেখানে বাদী শুধু স্বত্বের ঘোষণা [Mere Declaration of Title ] ছাড়া আরও প্রতিকার [further relief] দাবি করতে পারতো, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা দিবে না।
অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার বিধান 'Declaratory Suit'
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার বিধান: মর্যাদা কিংবা অধিকার ঘোষণা সম্পর্কে আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা:
আইনানুগ পরিচয় অথবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি এমন যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে যে, তেমন মর্যাদা বা অধিকারের ব্যাপারে তার স্বত্ব অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করেছে বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ঘোষণা করতে পারেন যে, তার তেমন অধিকার রয়েছে এবং তেমন মামলায় আরও কোন প্রতিকার দাবি করা বাদীর জন্য আবশ্যক নয়।
 
- এরূপ ঘোষণার পথে প্রতিবদ্ধকতা: শর্ত থাকে যে, যেখানে দাবি কেবলমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ব্যতীত আরও প্রতিকার দাবি করতে সমর্থ, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা প্রদান করবেন না।
 
ব্যাখ্যা: একটি সম্পত্তির জিম্মাদার এমন একটি স্বত্ব "অস্বীকার করিতে আগ্রহী ব্যক্তি”, যে জীবিত নয় এমন এক ব্যক্তির স্বত্বের প্রতিকূল এবং যদি সে বেঁচে থাকত, তবে সে তার জন্য একজন জিম্মাদার হত।
-----------------
⇒ SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
১২,৫৬৩.
দণ্ডবিধির অধীনে সংঘটিত অপরাধসমূহ কীভাবে তদন্ত ও বিচারাধীন হবে?
  1. শুধুমাত্র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা
  2. আলাদা বিশেষ আইন অনুযায়ী
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫(১) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
“All offences under the Penal Code shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the provisions hereinafter contained.”
- অর্থাৎ, দণ্ডবিধি (Penal Code) অনুযায়ী সংঘটিত সকল অপরাধ: তদন্ত (investigation), অনুসন্ধান (inquiry), বিচার (trial), এবং অন্যান্য প্রক্রিয়া সবকিছু ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
১২,৫৬৪.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ৪২
  2. ধারা ৪৪
  3. ধারা ৫৪
  4. ধারা ৫৫
ব্যাখ্যা
⇒ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৪-এ রয়েছে।
- ধারা ৫৪ অনুযায়ী, আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন যখন আবেদনকারীর বিরুদ্ধে কোনো বাধ্যবাধকতা (চুক্তির কারণে বা অন্য কোনো কারণে) ভঙ্গ করার হুমকি থাকে এবং সেই বাধ্যবাধকতার প্রতিকার শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা সম্ভব নয় বা তা যথেষ্ট হবে না। এই নিষেধাজ্ঞা সাধারণত কোনো সম্পত্তির অধিকারের লঙ্ঘন প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োগ করা হয়, যেমন জমির দখল বা ব্যবহারের ক্ষেত্রে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.
Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.
১২,৫৬৫.
ঘোষণামূলক মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে, তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে। শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি। তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
১২,৫৬৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, আদালত কোন সময় ক্ষতিপূরণের আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. দলিল তৈরির সময়
  2. চুক্তি স্বাক্ষর করার সময়
  3. দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময়
  4. চুক্তি বাতিল করার সময়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা: যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 41- Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
১২,৫৬৭.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ দিবে না?
  1. দলিলের পক্ষসমূহের প্রতারণার কারণে
  2.  পক্ষসমূহের পারষ্পারিক ভুলের কারণে
  3. দলিল সম্পাদনের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণের জন্য
  4. সৎ বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুন্ন করার জন্য
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে;
এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
---------------
Section 31- When instrument may be rectified:
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

১২,৫৬৮.
কোনো পক্ষ কর্তৃক Set off দাবি করা যেতে পারে?
  1. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
  2. স্বত্বের মামলায়
  3. অর্থের মামলায়
  4. বণ্টনের মামলায়
ব্যাখ্যা
পারস্পরিক দায়শোধ বা Set off "অর্থ আদায়ের" মোকদ্দমায় দাবি করা যায়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

• ৮ নং আদেশের বিধি-৬ঃ লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে—
১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদির নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদি তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।

২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ
কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।

৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

• বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায় তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-
i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের মধ্যে হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না
v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
১২,৫৬৯.
উকিল হিসাবে 'ক' এর নিয়োজিত থাকার সময় তার মক্কেল 'খ' এর কতিপয় দলিল তার হস্তগত হয়। 'ক' উক্ত দলিল সমূহ প্রকাশ অথবা তার বিষয়বস্তু একজন আগন্তুকের নিকট প্রকাশ করে দেবার হুমকি প্রদান করে। 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা তে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. ৫৩
  2. ৫৪
  3. ৫৫
  4. ৫৬
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
-এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
 
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
 
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ: 
(ক) 'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'ক' মামলা দায়ের করতে পারে।

(খ) একজন জিম্মাদার জিম্মা ভঙ্গের হুমকি প্রদান করে। তার সহ-জিম্মাদার যদি থেকে থাকে, অবশ্যই এবং উপকার লাভকারী মালিক চুক্তিভঙ্গ নিরোধের লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।

(ঘ) একটি অগ্নি এবং জীবন বীমা কোম্পানির পরিচালকবৃন্দ নৌ-বিমা করার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাদেরকে তা হতে বিরত রাখবার লক্ষ্যে ইনজাংশন জারির জন্য যেকোনো অংশীদারই মামলা দায়ের করতে পারেন।

(ঙ) একজন কার্যনির্বাহী 'ক' অসদাচরণ বা দেউলিয়া অবস্থার মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিকে বিপদাপন্ন করে তুলেছে। আদালত তাকে তার আয় পাওয়া থেকে নিবৃত্ত রাখবার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
 
(চ) 'খ' এর জিম্মাদার 'ক' জিম্মা সম্পত্তির একটি ক্ষুদ্র অংশের অযৌক্তিক বিক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। 'খ' বিক্রয় থেকে বিরত রাখার লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য মামলা রুজু করতে পারে, যদিও আর্থিক ক্ষতিপূরণ তার পর্যাপ্ত প্রতিকার বিধান করে।
 
(ছ) 'ক', 'খ' ও তার সন্তানগণের নামে একটি সম্পত্তি নামজারি করে। 'ক' তারপর উক্ত সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। বিক্রয় হতে বিরত থাকবার লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' বা তার যেকোনো সন্তান মামলা দায়ের করতে পারে।
 
(জ) উকিল হিসাবে 'ক' এর নিয়োজিত থাকার সময় তার মক্কেল 'খ' এর কতিপয় দলিল তার হস্তগত হয়। 'ক' উক্ত দলিল সমূহ সাধারণ্যে প্রকাশ অথবা তার বিষয়বস্তু একজন আগন্তুকের নিকট প্রকাশ করে দেবার হুমকি প্রদান করে। 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা তে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
 
(ঝ) 'ক', 'খ' এর মেডিকেল অ্যাডভাইজার। 'ক' টাকা দাবি করল যা 'খ' প্রদানে অস্বীকৃতি প্রকাশ করল। 'ক' তারপর রোগী হিসাবে 'খ' যে সমস্ত তথ্য তার নিকট প্রকাশ করেছে তা সাধারণ্যে প্রকাশ করার হুমকি প্রদান করল। এটি 'ক' এর কর্তব্যের বিপরীত এবং 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
 
(ঞ) দু'টি সংলগ্ন বাড়ির মালিক 'ক', 'খ' এর নিকট বাড়ি ভাড়া প্রদান করে এবং পরবর্তী সময়ে 'গ' এর নিকট অপর বাড়িটি ভাড়া প্রদান করে। অতঃপর 'ক' ও 'গ', 'গ'-কে ভাড়া প্রদান করা বাড়ির পরিবর্তন আরম্ভ করল, যা 'খ' কে ভাড়া প্রদান করা বাড়ির স্বাচ্ছন্দ্যমূলক উপভোগকে বিঘ্নিত করবে। তাদেরকে তেমন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
১২,৫৭০.
কোনো সংবাদপত্র বা পুস্তক যা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকারের জন্য মানহানিকর হলে বা অশ্লীল হলে তা বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিতে পারে-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. দায়রা আদালত
  3. সরকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা অনুসারে সরকার কোন সংবাদপত্র বা পুস্তক বা কোন দলিল বা কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
♦  এছাড়া ৯৯ক ধারা অনুসারে যে সকল প্রকাশনা সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেছেন তা উদ্ধারের জন্য আদালত তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।ঃ

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার বিধান: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিবার ক্ষমতাঃ

(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভূক্ত হয়েছে-

(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩এ অথবা ১২৪এ অথবা ১৫৩এ অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫এ অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫এ মতে দণ্ডনীয়,

(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা

(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা

(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারী গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গনে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোন সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সঙ্গত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপ-ধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধিকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
১২,৫৭১.
Which of the following would NOT be considered wrongful restraint under Section 339?
  1. Obstructing a public road without lawful authority
  2. Preventing someone from taking a path they have a right to pass
  3. Stopping a person from entering a restricted government area
  4. Blocking a path believing in good faith one has the lawful right to obstruct it
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম:- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশত উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

 উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 339. Wrongful restraint:
-Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person.
Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১২,৫৭২.
সরকারের বিপক্ষে বিরুদ্ধে দখলজনিত স্বত্বের দাবী প্রতিষ্ঠায় বাদীকে প্রমাণ করতে হবে তার নিরবিচ্ছিন্ন দখল-
  1. ১২ বছরের
  2. ২০ বছরের
  3. ৩০ বছরের
  4. ৬০ বছরের
ব্যাখ্যা
বিরুদ্ধ-দখল বা জবর-দখল (Adverse Possession)

যদি কোন ব্যক্তি প্রকৃত মালিকের সত্ত্ব অস্বীকার করে ১২ বছর বা তার বেশী সময় নিরবিচ্ছিন্ন দখলে থাকা প্রমাণ করতে পারে তাহলে তার বিরুদ্ধ দখলজনিত সত্ত্ব সৃষ্টি হবে। এরুপ দখল প্রকৃত মালিকের জ্ঞাতসারে হতে হবে। জবর দখলকারীকে প্রকৃতপক্ষে জমিতে দখলদার থাকতে হবে। 

সরকারি সম্পত্তিও জোর দখলমূলে সত্ত্ব সৃষ্টি হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে ১২ বছরের পরিবর্তে সময়সীমা হবে ৬০ বছর।

তামাদি আইন -১৯০৮ এর ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোন ব্যক্তির দখল থাকাকালে সে যদি বেদখল হয় তাহলে সেক্ষেত্রে বাদীকে অবশ্যই বেদখলের তারিখ হতে ১২ বৎসরের মধ্যে আদালতে হাজির হয়ে বিবাদীর বিরুদ্ধে স্বত্বসাব্যস্তে খাস দখলের জন্য মামলা করতে হবে। অন্যথায় দাবীকৃত জমিতে বাদীর সকল প্রকার অধিকার এবং স্বত্ব ধ্বংস হযে যাবে।

যে সময় হতে জবর দখলের কারণে বাদীর মালিকানা বিলুপ্তি হযে যাবে ঠিক ঐসময় হতেই জবর দখলকারীর উপর সংশ্রিষ্ট জমির মালিকানা বর্তাবে।আর এভাবেই জবর দখলের মাধ্যমে প্রকৃত মালিক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তির সম্পত্তির উপর বৈধ বা আইনগত স্বত্ব অর্জিত হয়ে থাকে।
যদি সে উক্ত নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে মামলা না করে তাহলে তামাদি আইনের ২৮ ধারা অনুযায়ী তার অধিকার বিলুপ্ত হবে। মূলত, কোন বিবাদ যাতে অনন্তকাল ধরে চলতে না পারে এবং নির্ধারিত মেয়াদ অতিক্রান্তের পর কোন ব্যক্তি তার সত্ত্ব ও অধিকারের প্রশ্ন তুলতে না পারে সে জন্য তামাদি আইনে এরুপ বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
১২,৫৭৩.
কোন প্রতিকারটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় পড়ে না?
  1. নিষেধাজ্ঞা
  2. চুক্তি বাস্তবায়ন
  3. স্বত্ব ঘোষনা
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরন
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১২ ধারায় চুক্তি বাস্তবায়ন, ৪২ ধারায় স্বত্ব ঘোষনা, ৫৪ ধারায় নিষেধাজ্ঞা হলো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার, এই আইনের কোথাও আর্থিক ক্ষতিপূরন দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিকার দেওয়ার বিষয়ে বলা হয় নাই।
• তাই ঘ -ই  সঠিক উত্তর।
১২,৫৭৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রের কর্মচারীর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ১২
  2. ১৪
  3. ২১
  4. ১৭
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪ ধারায় রাষ্ট্রের কর্মচারীর সংজ্ঞা রয়েছে
দণ্ডবিধির ১৪ ধারার বিধান রাষ্ট্রের কর্মচারী: রাষ্ট্রের কর্মচারী অর্থ বাংলাদেশে নিযুক্ত বা কার্যরত অথবা বাংলাদেশে যাদেরকে সরকারী চাকুরীতে বহাল রাখা হয়েছে এমন সকল কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে বুঝাবে।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-14: “Servant of the State”
The words Servant of the Republic denote all officers or servant, continued, appointed or employed in Bangladesh by or under the authority of the Government.
১২,৫৭৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী কিভাবে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি জারি করা যায়?
  1. সম্পত্তি ক্রোক করে
  2. কারাগারে আটক রেখে
  3. অর্থ দণ্ডের মাধ্যমে
  4. স্পেশাল ডিক্রির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
-দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

- যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-21 Rule- 32. Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.
(2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.
১২,৫৭৬.
ম্যাজিস্ট্রেট The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা মোতাবেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. 501
  2. 504
  3. 539A
  4. 539B
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর  ধারাঃ ৫৩৯খ (১) কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যধারার কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়া যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে সেই স্থান অথবা উক্ত অনুসন্ধান বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, এবং অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি প্রস্তুত করবেন।
(২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে । পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা আসামী চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরবাহ করতে হবে।
১২,৫৭৭.
'আপ্যায়ন' (Treating) এর মাধ্যমে ঘুষের ক্ষেত্রে কী শাস্তি হয়?
  1. শুধু কারাদণ্ড
  2. শুধু অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড যেকোন একটি
  4. কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয়ই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭১ঙ ধারা: ঘুষের শাস্তি:
যে কেউ ঘুষের অপরাধ করবে, তাকে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে: তবে শর্ত থাকে যে, আপ্যায়নের মাধ্যমে ঘুষ দেওয়া হলে শুধুমাত্র অর্থদণ্ড দ্বারা দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা- আপ্যায়ন বলতে ঘুষের সেই রূপকে বোঝায় যেখানে অনুগ্রহ বা সুবিধা খাদ্য, পানীয়, বিনোদন, বা আতিথেয়তার আকারে প্রদান করা হয়।

Section 171E- Punishment of bribery:
Whoever commits the offence of bribery shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both: Provided that bribery by treating shall be punished with fine only. 
 
Explanation- Treating means that form of bribery where the gratification consists in food, drink, entertainment, or provision.
১২,৫৭৮.
কোন আইনে মাধ্যমে দণ্ডবিধি তৈরির জন্য ‘‘ভারতীয় আইন কমিশন’’ গঠন করা হয়েছে?
  1. The Charter Act 1833
  2. Morley Minto reform Act 1909
  3. Government of India Act 1919
  4. Government of India Act 1935
ব্যাখ্যা
• ১৮৩৩ সালের চার্টার আইনের ৫৩ ধারা অনুযায়ী ১৮৩৪ সালে প্রথম ভারতীয় আইন কমিশন (Law Commission) নিয়োগ দেয়া হয়।
• প্রথম 'ল' কমিশনকে পেনাল কোড ড্রাফট করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
• প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন লর্ড থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে।
•১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয় যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে 'Indian Penal Code নামে কার্যকর হয়।
• বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৪৮ নং প্রেসিডেন্ট আদেশের মাধ্যমে পাকিস্তানি দণ্ডবিধি বাংলাদেশে বহাল রাখা হয়।
১২,৫৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রসিকিউশন পরিচালনার দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত থাকে?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. বাদী কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial) 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫খ ধারা তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভিযোগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন। 
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265A. Trial to be conducted by Public Prosecutor:
-In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265B. Opening case for prosecution:
-When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.
১২,৫৮০.
তামাদি আইনের বিধান অনুসারে অ্যাডভোকেট কর্তৃক মামলা বা কাজের জন্য খরচ আদায়ের মামলার তামাদি মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ৮৪ অনুযায়ী, যদি কোন অ্যাডভোকেট তার মামলা বা কাজের জন্য খরচ আদায় করতে চায়, এবং সেই খরচ পরিশোধের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় সীমা প্রকাশ্যে নির্ধারিত না থাকে, তবে এমন মামলার তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
→ এই ৩ বছরের গণনা শুরু হয়:
- সংশ্লিষ্ট মামলা বা কাজ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে, অথবা
- যদি অ্যাডভোকেট যথাযথভাবে সেই মামলা বা কাজ পরিত্যাগ করে, তাহলে কাজ পরিত্যাগের তারিখ থেকে।
→ অর্থাৎ, অ্যাডভোকেটের খরচ আদায়ের দাবি দাখিল করার জন্য ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত করতে হবে, না হলে তামাদি হয়ে যাবে।

১২,৫৮১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৩-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অ্যাডভোকেট কোন ধারা অনুযায়ী বাধ্যতামূলক সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. ধারা ১২৬
  2. ধারা ২৪
  3. ধারা ৪২
  4. ধারা ১৩২
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৩-এর ব্যাখ্যাংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ধারার কোন কিছুই অ্যাডভোকেটকে ধারা ১২৬ অনুযায়ী বাধ্যতামূলক সাক্ষ্য প্রদান থেকে অব্যাহতি দেবে না। ধারা ১২৬-এ ক্লায়েন্ট ও অ্যাডভোকেটের মধ্যে গোপনীয় যোগাযোগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে, তবে কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে অ্যাডভোকেটকে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যেতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।

ব্যাখ্যা: কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.

Explanation:– Nothing in this section shall be taken to exempt any Advocate from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
১২,৫৮২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে উল্লিখিত প্রতিকার কোন শ্রেণির মামলার সাথে সম্পর্কিত?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. ফৌজদারি মামলা
  3. প্রশাসনিক মামলা
  4. শ্রম আদালতের মামলা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) এমন একটি আইন যা মূলত দেওয়ানি মামলাগুলির ক্ষেত্রে বিশেষ প্রতিকার বা সাহায্য প্রদান করে। এর মাধ্যমে আদালত একটি নির্দিষ্ট শাস্তির পরিবর্তে, ব্যক্তির অধিকার বা দাবির সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। "সুনির্দিষ্ট প্রতিকার" বলতে এমন প্রতিকার বোঝানো হয় যা শুধুমাত্র সঠিক এবং নির্দিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে বিচার করা হয়, যেমন সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া, বিশেষ পারফরমেন্সের আদেশ, বা কোনও চুক্তির কার্যকরী বাস্তবায়ন।
- এটি মূলত আর্থিক ক্ষতিপূরণ নয়, বরং এমন প্রতিকার যা কিছু নির্দিষ্ট দাবি বা অধিকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তার সঠিক অবস্থানে ফিরিয়ে দেয়। এর মধ্যে থাকে:
→ নির্দিষ্ট পারফরমেন্স
→ চুক্তির বাস্তবায়ন
→ কোনো সম্পত্তি বা প্রপার্টি ফেরত নেওয়া
→ অবৈধ দখল থেকে অবমুক্তি ইত্যাদি
অর্থাৎ, এটি দেওয়ানি মামলার প্রতিকার, যা সাধারাণত একটি ন্যায্যতা বা সঠিক অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।

প্রস্তাবনা:
যেহেতু কিছু নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি মামলায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত আইন নির্ধারণ এবং সংশোধন করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়; তাই এটি নিম্নরূপ প্রবর্তিত হলো:-
--------
Preamble:
WHEREAS it is expedient to define and amend the law relating to certain kinds of specific relief obtainable in civil suits; It is hereby enacted as follows:

১২,৫৮৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় Assault এর বিধান রয়েছে?
  1. ৩১৫ ধারায়
  2. ৩২৫ ধারায়
  3. ৩৫০ ধারায়
  4. ৩৫১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারায় আক্রমণের (Assault) বিধান রয়েছে। যখন কোন প্রকার অঙ্গভঙ্গী বা প্রস্তুতি যা কোন অপরাধজনক বল প্রয়োগের সম্ভাবনা তৈরি করে, কিন্তু প্রকৃত পক্ষে অপরাধজনক বল প্রয়োগ করা হয়না তখন তাকে আক্রমণ (Assault) বলে।
♦শুধু মুখের কথার মাধ্যমে আক্রমণ হবে না, আক্রমণের ক্ষেত্রে অবশ্যই কথার সাথে অঙ্গভঙ্গি (Gesture) বা প্রস্তুতি (preparation) থাকতে হবে।
১২,৫৮৪.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় কয়টি ব্যাখ্যা (Explanation) রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির ৫টি ব্যাখ্যা (Explanation) রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
১২,৫৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত যদি প্রশ্নের উত্তর না দেয় বা মিথ্যা উত্তর দেয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. তাকে শাস্তি দিতে পারে
  2. তাকে মুক্তি দিতে পারে
  3. তাকে দোষী সাব্যস্ত করতে পুলিশ হেফাজতে দিতে পারে
  4. আদালত তার উত্তর থেকে ন্যায্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত যদি প্রশ্নের উত্তর না দেয় বা মিথ্যা উত্তর দেয়, তাহলে আদালত তার উত্তর থেকে ন্যায্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

→ ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 342- Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
→ (2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
(4) No oath shall be administered to the accused
১২,৫৮৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় Inquisitorial বিচার ব্যবস্থার বিধান প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৬৬ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৬৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা- বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।

⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।

⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
১২,৫৮৭.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে কোনটি প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য নয়?
  1. দেখার বিষয় হলে, যিনি দেখিয়াছেন।
  2. শুনার বিষয় হলে, যিনি শুনিয়াছেন।
  3. উপলব্ধির বিষয় হলে, যিনি উপলব্ধি করিয়াছেন।
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে 'ক' 'খ' এবং 'গ' সাক্ষ্য আইন অনুসারে প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য এই জন্য সঠিক উত্তর অপশন 'ঘ' -কোনটি নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা তথ্য প্রমাণঃ দলিলের বিষয় বস্তু ব্যতীত সকল তথ্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যাইতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে: মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে, 
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে। 
সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি অন্য কোন ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে সে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা বা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত অথবা অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
তবে শর্ত এই যে, বিশেষজ্ঞের অভিমত পোষকতার কোন গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজাবে বিক্রিয় হয়, সেইক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর উহা প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাহাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন।
ইহা ছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলেই সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।
----------------
⇒ The Evidence Act,1872:Section 59: Proof of facts by oral evidence:
 All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.

⇒ The Evidence Act,1872:Section 60: Oral evidence must be direct:
 Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
১২,৫৮৮.
আদেশ ৩৩, বিধি ৬ অনুসারে, আদালত আবেদনকারীর নিঃসম্বল অবস্থা প্রমাণ ও অপ্রমাণের জন্য সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে ন্যূনতম কত দিনের নোটিশ প্রদান করতে হবে?
  1. কমপক্ষে ১৫ দিন
  2. কমপক্ষে ১০ দিন
  3. কমপক্ষে ৭ দিন
  4. কমপক্ষে ৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ৬ অনুযায়ী, যখন আদালত আবেদনকারীর নিঃসম্বল অবস্থা প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করে, তখন সে দিন সম্পর্কে বিপরীত পক্ষ এবং সরকারী উকিলকে কমপক্ষে ১০ দিনের পরিষ্কার নোটিশ দিতে হবে। এর উদ্দেশ্য হলো দুই পক্ষকেই যথেষ্ট সময় দেওয়া যাতে তারা সাক্ষী হাজির করার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারে এবং ন্যায়সঙ্গত শুনানি সম্ভব হয়। তাই নোটিশের সময়সীমা কমপক্ষে ১০ দিন হতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৬: আবেদনকারীর নিঃসম্বল অবস্থা সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য তারিখের নোটিশ:
যেক্ষেত্রে ৫ নম্বর বিধিতে বর্ণিত কোনো অজুহাতে আদালত আবেদনপত্র খারিজের কারণ না দেখেন, সেক্ষেত্রে আদালত আবেদনকারী তার নিঃসম্বল অবস্থা প্রমাণের জন্য যে রকম সাক্ষ্য হাজির করবে তা গ্রহণের জন্য এবং তা অপ্রমাণের জন্য যে সাক্ষ্য হাজির করা হয়, তা শুনানির জন্য একটি দিন ধার্য করবেন।
(যার কমপক্ষে ১০ দিনের পরিস্কার নোটিশ বিপরীত পক্ষ এবং সরকারী উকিলকে দিতে হবে)।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33, Rule-6: Notice of day for receiving evidence of applicant's pauperism:
Where the Court sees no reason to reject the application on any of the grounds stated in rule 5, it shall fix a day (of which at least ten days' clear notice shall be given to the opposite party and the Government pleader) for receiving such evidence as the applicant may adduce in proof of his pauperism, and for hearing any evidence which may be adduced in disproof thereof.
১২,৫৮৯.
দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা কী ধরনের অপরাধ সংজ্ঞায়িত করে?
  1. Theft
  2. Extortion
  3. Robbery
  4. Dacoity
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা সংজ্ঞায়িত করে Extortion অর্থাৎ বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়। এই ধারার অধীনে একজন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ভয়ভীতির মধ্যে ফেলেন (যেমন, আহত করার বা মৃত্যুর ভয়), এবং সেই ভয় দেখিয়ে তাকে কোনো দান, চাঁদা, সম্পত্তি বা মূল্যবান কাগজ দিতে অসাধুভাবে বাধ্য করেন, তবে সেটি Extortion বা বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা- বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোনো প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 383 - Extortion:
Whoever intentionally puts any person in fear of any injury to that person, or to any other, and thereby dishonestly induces the person so put in fear to give donation or subscription of any kind or to deliver to any person any property or valuable security or anything signed or sealed which may be converted into a valuable security, commits "extortion".
১২,৫৯০.
ডিক্রি জারি মামলার কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী দায়িককে কত দিন পর্যন্ত দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা যায়?
  1. ১২০
  2. ৯০
  3. ৬০
  4. ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৪ ধারার বিধান ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান: যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।
১২,৫৯১.
নিচের কোন দলিলটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. মূল বিক্রয় দলিল
  2. মূল বন্ধকী দলিল
  3. মূল বিক্রয় দলিলের খসড়া
  4. মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভূক্ত হয়ঃ
(১) বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এইরুপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরুপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিসয় বস্তু সম্পর্কে মৌক্ষিক বিবরণ।

উদাহরণ:
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকিলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ অর্থাৎ মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
--------------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 63. Secondary evidence:
-Secondary evidence means and includes- 
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained; 
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies; 
(3) copies made from or compared with the original; 
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them; 
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it. 
 
Illustrations:
(a) A photograph of an original is secondary evidence of its contents, though the two have not been compared, if it is proved that the thing photographed was the original. 
(b) A copy, compared with a copy of a letter made by a copying machine is secondary evidence of the contents of the letter, if it is shown that the copy made by the copying machine was made from the original. 
(c) A copy transcribed from a copy, but afterwards compared with the original is secondary evidence; but the copy not so compared is not secondary evidence of the original, although the copy from which it was transcribed was compared with the original. 
(d) Neither an oral account of a copy compared with the original, nor an oral account of a photograph or machine-copy of the original, is secondary evidence of the original.
১২,৫৯২.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মূল উপাদানের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়া
  2. অসাধুতা
  3. আইন বা চুক্তি লঙ্ঘন
  4. উপরের সবটি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৫ অনুসারে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) হলো যখন কোনো ব্যক্তি, যিনি কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন, অসৎ উদ্দেশ্যে সেই সম্পত্তি আত্মসাৎ করে, নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, বা আইনি নির্দেশ বা চুক্তি লঙ্ঘন করে সেই সম্পত্তি ব্যবহার বা নিষ্পত্তি করে, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কাউকে তা করতে দেয়।
- এই অপরাধের মূল উপাদান হলো:
দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়া (Entrustment): ব্যক্তিকে সম্পত্তি বা তার উপর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অসাধুতা (Dishonesty): সম্পত্তি আত্মসাৎ, ব্যবহার বা নিষ্পত্তি অসৎ উদ্দেশ্যে করা হয়।
আইন বা চুক্তি লঙ্ঘন: সম্পত্তির ব্যবহার বা নিষ্পত্তি আইনের নির্দেশ বা প্রকাশ্য/অপ্রকাশ্য চুক্তির বিপরীত হতে হবে।
ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যকে অনুমতি দেওয়া: ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কাউকে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করতে দেওয়াও এই অপরাধের আওতায় পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
------------
⇒The Penal Code, 1860,-Section 405. Criminal breach of trust:
 Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".

১২,৫৯৩.
যদি নোটিশ প্রদান না করে মামলা দায়ের করা হয় এবং দুই মাসের মধ্যে মীমাংসা হয়, তবে বাদী কী পাবেন না?
  1. খরচ
  2. প্রতিকার
  3. মামলার রায়
  4. আইনি সহায়তা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ (২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নির্ধারিত ২ মাসের নোটিশ প্রদান না করে মামলা দায়ের করেন, অথবা
নোটিশ দেওয়ার ২ মাসের সময়কাল শেষ হওয়ার আগেই মামলা দায়ের করেন, এবং সেই মামলাটি দুই মাসের মধ্যে মীমাংসিত হয় অথবা সরকার বাদীর দাবি মেনে নেয়, তাহলে বাদী কোনো খরচ (costs) পাবে না।
- আইন অনুযায়ী: "...সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারী কর্মকর্তা বাদীর দাবী মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না।"

অপশন বিশ্লেষণ:
খ) প্রতিকার:→ প্রতিকার (relief) বাদী পেতে পারেন যদি দাবি মেনে নেওয়া হয়।
গ) মামলার রায়: → মামলা নিষ্পত্তি হলে রায় দেওয়া হয়, তাই বাদী রায় পায়।
ঘ) আইনি সহায়তা: → এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়, আদালত বা রাষ্ট্র আইনি সহায়তা দিতে পারে প্রয়োজনে।

- সুতরাং নোটিশ না দিয়ে মামলা করলে, এবং সরকার যদি স্বেচ্ছায় বাদীর দাবী মেনে নেয় বা মামলা নিস্পত্তি হয়, তাহলে বাদী কেবল "খরচ" (costs) পাবে না।
অন্য প্রতিকার বা রায় পেতে কোনো বাধা নেই।
- অর্থাৎ ধারা ৮০ অনুযায়ী, নোটিশ ছাড়া মামলা করে দুই মাসের মধ্যে সমাধান হলে বাদী কোনো খরচ দাবি করতে পারবেন না। তাই সঠিক উত্তর: ক) খরচ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ - নোটিশ:
(১) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিম্নের অফিসসমূহের লিখিত নোটিশ দেয়ার বা পাঠানোর দুইমাস অতিবাহিত হবার পরে মামলা দায়ের করা চলবে—
খ) ১. সরকারে বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলা ব্যতিত - অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের সচিব অথবা জেলা কালেক্টর এবং
২. রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ের জেনারেল ম্যাজোর এবং কোন সরকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রে তাকে বা তার অফিসে মামলার কারণ, বাদীর নাম ও বাসস্থানের ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবী করে তা উল্লেখ করে নোটিশ দিতে হবে এবং অনুরূপ নোটিশ দেয়া হয়েছে বা পাঠানো হয়েছে বলে আরজিতে একটি বিবৃতি থাকতে হবে।
(২) যে ক্ষেত্রে উপরি-উল্লেখিত মতে নোটিশ না দিয়া বা না পাঠায়ে অথবা উল্লেখিত দুই মাস মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কোন মামলা দায়ের করা হয়, অথবা যেই ক্ষেত্রে আরজিতে উক্ত রূপ নোটিশ প্রদান বা পাঠানের বিষয়ে কোন বিবৃতি থাকে না, সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারী কর্মকর্তা বাদীর দাবী মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ নোটিশ ছাড়া কোন মামলা দায়ের করতে হলে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য আদালত সরকারকে কমপক্ষে তিন মাস সময় মঞ্জর করবেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Saction 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,-
(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left.
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit:
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
১২,৫৯৪.
২০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৯ অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতগুলোর আর্থিক এখতিয়ার সীমা নিম্নরূপ:

সহকারী জজের আদালত: সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলার বিচার করতে পারে।
সিনিয়র সহকারী জজের আদালত: ১৫ লক্ষ টাকার বেশি থেকে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলার বিচার করতে পারে।
যুগ্ম জেলা জজের আদালত: ২৫ লক্ষ টাকার বেশি মূল্যমানের মামলার বিচার করতে পারে।
- যেহেতু প্রশ্নে মামলার মূল্যমান ২০ লক্ষ টাকা উল্লেখ আছে, যা ১৫ লক্ষ টাকার বেশি এবং ২৫ লক্ষ টাকার কম, তাই এই মামলাটি সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে দায়ের করতে হবে।

১২,৫৯৫.
আদেশ ২৩ বিধি-১(৩) অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া যদি বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে-
  1. বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ দিবে
  2. ৩০ দিনের কারাদণ্ড পাবে
  3. নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে না
  4. মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে না
ব্যাখ্যা

আদেশ ২৩ বিধি-১: মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদীর বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট এটি সন্তোষজনক হয় যে,-
ক) কিছু রীতিসিদ্ধ ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে; অথবা
খ) মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর জন্য বা কোন দাবীর অংশের জন্য নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজুর জন্য বাদীকে অনুমতি প্রদান করার অন্যান্য যথেষ্ট অজুহাত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বাদীকে উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা কোন বাদীর উক্ত অংশ সম্পর্কে নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজু করার স্বাধীনতাসহ উক্ত মোকদ্দমা থেকে প্রত্যাহার করার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে উপবিধি (২) এ দায়েরে অনুমতি ব্যতীত বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করে সেক্ষেত্রে সে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসারে মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে এবং উক্ত বিষয়বস্তু বা আংশিক দাবী সম্পর্কে নতুনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করতে বারিত হবে।

৪) এই বিধির কোন কিছুই আদালতকে কতিপয় বাদীর মধ্যে থেকে একজন কর্তৃক অন্যদের সম্মতি ব্যতীত মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।

১২,৫৯৬.
আংশিক দলিল বাতিল সম্পর্কিত বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায়?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের  ৪০ ধারার বিধান যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য: যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।

⇒ উদাহরণঃ
'ক', 'খ' এর নামে একটি হুণ্ডি প্রণয়ন করল, উহা পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে 'গ' কে প্রদান করল, যার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে তা 'ঘ' কে প্রদত্ত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, 'ঘ' আবার পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে তা 'ঙ' কে প্রদান করেছে। 'গ'-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। 'গ' হুণ্ডিকে অন্যান্য ব্যাপারে বহাল রেখে উক্ত পৃষ্ঠাঙ্কনের বিলুপ্তি পাবার অধিকারী।

⇒ Section 40 What instruments may be partially cancelled: Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue. 

Illustration 
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.
১২,৫৯৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারা অনুযায়ী, কোন ধরনের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করা যায়?
  1. অস্থায়ী আদেশ
  2. জামিন সংক্রান্ত আদেশ
  3. চূড়ান্ত আদেশ, ডিক্রি বা রায়
  4. আদালতের কার্যধারা স্থগিতের আদেশ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: চূড়ান্ত আদেশ, ডিক্রি বা রায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০৯ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ অথবা অন্য কোনো চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের প্রদত্ত চূড়ান্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করা যায়।
এখানে চূড়ান্ত বলতে বোঝানো হয়েছে, যে আদেশ বা রায় দ্বারা মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি হয়ে যায়।
অস্থায়ী আদেশ বা অন্তর্বর্তী আদেশের বিরুদ্ধে এই ধারায় আপিলের সুযোগ নেই।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section: 109. When appeals lie to the Supreme Court.
- Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction; 
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and 
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.