বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১১৮ / ১২৬ · ১১,৭০১১১,৮০০ / ১২,৬০৫

১১,৭০১.
'A' একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। 'A' কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে-
  1. দলিলটি রেজিস্ট্রাট
  2. দলিলটি হারিয়ে গেছে
  3. দলিলটি তার দখলে ছিল
  4. দলিলটি তার দখলে নাই
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:- যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) 'ক' একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
--------------------
Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible: The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.
Illustration:
(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death.
(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
১১,৭০২.
দোষ স্বীকারের উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোন বিষয়ে আপিল করা যাবে?
  1. দণ্ডাদেশের পরিমাণ
  2. দণ্ডাদেশের যৌক্তিকতা
  3. ক এবং খ
  4. উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]
আসামী দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে আসামীকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আপিল করা যাবেনা।

ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 
২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
১১,৭০৩.
'একই কার্যক্রমের অংশ' (part of same transaction) ধারণাটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৮
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬-এ "একই কার্যক্রমের অংশ" (part of same transaction) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, যে সব ঘটনা সরাসরি বিচার্য বিষয় নয়, কিন্তু এগুলি বিচার্য বিষয়ের সাথে এমনভাবে জড়িত, যে দুটি ঘটনাই একত্রে একই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গণ্য হতে পারে, সেগুলি প্রাসঙ্গিক হবে।

অর্থাৎ, যদি দুটি ঘটনা একে অপরের সাথে সম্পর্কিত হয় এবং একে অপরের ধারাবাহিকতা বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা হিসেবে ঘটিত হয়, তবে সেগুলি Res Gestae নীতির আওতায় প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে। এটি ঘটতে পারে একই সময়ে বা বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন স্থানে, তবুও সেগুলি একে অপরের সাথে সম্পর্কিত থাকে।

- এই ধারা Res Gestae বা 'একই কার্যক্রমের অংশ' নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং আইনের অনুসারে, এসব সম্পর্কিত ঘটনা প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 6. Relevancy of facts forming part of same transaction:
Facts which, though not in issue, are so connected with a fact in issue as to form part of the same transaction, are relevant, whether they occurred at the same time and place or at different times and places.
১১,৭০৪.
নিচের কোনটি "document" এর উদাহরণ নয়?
  1. মানচিত্র
  2. ডিএনএ
  3. প্রিন্ট করা বই
  4. ছবি বা কার্টুন
ব্যাখ্যা
⇒ Evidence Act, 1872-এর ধারা ৩ অনুযায়ী "Document" বলতে বোঝায় “যেকোনো বস্তু বা মাধ্যমের উপর অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্ন দ্বারা প্রকাশিত বা বর্ণিত কিছু, যেটি রেকর্ড করার জন্য ব্যবহারযোগ্য বা ব্যবহৃত হতে পারে।” এতে আরও বলা হয়েছে যে, ডিজিটাল রেকর্ডসহ অনেক কিছুকে দলিল হিসেবে গণ্য করা যায়।

→ ডিএনএ (DNA) হলো একটি forensic evidence — এটি শারীরিক বা জৈব প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, দলিল নয়। এটি “Physical or Forensic Evidence” হিসেবে ধারা ৩-এ আলাদাভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

→ "Document" অর্থ যেকোনো লেখা, চিহ্ন বা চিত্র যা রেকর্ড হিসেবে তথ্য ধারণ করে। ডিএনএ এসবের কিছুই নয়, বরং এটি একটি জৈব প্রমাণ।
- তাই সঠিক উত্তর: খ) ডিএনএ।
১১,৭০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৯ এর অধীনে সামরিক বিচার কোন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হয়?
  1. আর্মি অ্যাক্ট, ১৯৫২
  2. এয়ার ফোর্স অ্যাক্ট, ১৯৫৩
  3. নেভি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৯ অনুযায়ী সামরিক বিচার নিম্নলিখিত আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হয়:
১) আর্মি অ্যাক্ট, ১৯৫২
২) এয়ার ফোর্স অ্যাক্ট, ১৯৫৩
৩) নেভি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১
অর্থাৎ, সামরিক, নৌ এবং বিমান বাহিনীর আইন অনুসারে যারা সামরিক বিচারাধীন, তাদের বিচার এই আইনের অধীনে পরিচালিত হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে: ঘ) উল্লিখিত সবগুলো।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৯ অনুসারে: সামরিক কর্তৃপক্ষের কাছে সামরিক বিচারের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের হস্তান্তর:
(১) সরকার এই কোড এবং আর্মি অ্যাক্ট, ১৯৫২, এয়ার ফোর্স অ্যাক্ট, ১৯৫৩, নেভি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ এবং অন্যান্য প্রযোজ্য সামরিক আইন অনুযায়ী নিয়ম তৈরি করতে পারে, যেখানে সামরিক, নৌ বা বিমান বাহিনী আইনভুক্ত ব্যক্তিদের বিচার এই কোড প্রযোজ্য আদালত অথবা কোর্ট মার্শালে করা হয়।
যখন কোনো ব্যক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে এমন অপরাধে অভিযোগ আনা হয় যা কোর্ট মার্শালে বিচারাধীন, তখন সেই ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অপরাধের বিবরণসহ তার নিজ দলের কমান্ডিং অফিসার অথবা নিকটস্থ সামরিক, নৌ বা বিমান বাহিনী স্টেশনের কমান্ডিং অফিসারের কাছে কোর্ট মার্শালে বিচার হওয়ার জন্য হস্তান্তর করবেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার:
(২) সৈনিক, নাবিক বা বিমানসেনার যেকোনো কমান্ডিং অফিসারের লিখিত আবেদন পেলে, সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও নিরাপদে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898-Section 549- Delivery to military authorities of persons liable to the tried by Court-martial:
(1) The Government may make rules consistent with this Code and the Army Act, 1952 (XXXIX of 1952), the Air Force Act, 1953 (VI of 1953), and the Navy Ordinance, 1961 (XXXV of 1961), and any similar law for the time being in force as to the cases in which persons subject to military, naval or air force law, shall be tried by a Court to which the Code applies, or by Court martial, and when any person is brought before a Magistrate and charged with an offence for which he is liable to be tried either by a Court to which this Code applies or by a Court-martial such Magistrate shall have regard to such rules, and shall in proper cases deliver him, together with a statement of the offence of which he is accused, to the commanding officer of the regiment, corps, ship or detachment, to which he belongs, or to the commanding officer of the nearest military, naval or air-force station, as the case may be, for the purpose of being tried by Court-martial.

Apprehension of such persons-
(2) Every Magistrate shall, on receiving a written application for that purpose by the commanding officer of any body of soldiers, sailors or airman stationed or employed at any such place, use his utmost endeavours to apprehend and secure any person accused of such offence.
১১,৭০৬.
চুক্তি বলবতকরণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ বর্ণিত আছে তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে?
  1. ৩ অনুচ্ছেদে
  2. ১১৩ অনুচ্ছেদে
  3. ১১৪ অনুচ্ছেদে
  4. ১১৬ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, চুক্তি বলবতকরণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১ বৎসর।

♦অর্থাৎ চুক্তি বলবতকরণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এর ১ম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত।
১১,৭০৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারার বিধান হচ্ছে-
  1. দলিল বাতিল
  2. দলিল আংশিক বাতিল
  3. দলিল সংশোধন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৪০ ধারার বিধান যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্যঃ যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।
১১,৭০৮.
চোরদের দলভুক্ত হওয়ার শাস্তি রয়েছে কত ধারায়?
  1. ৪০৩ ধারায়
  2. ৪০৭ ধারায়
  3. ৪০১ ধারায়
  4. ৪০২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪০১ ধারা মতে যে ব্যক্তি অভ্যাসগতভাবে চুরি বা দস্যুতা করার উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ ব্যক্তিদের ঠগ বা ডাকাত দল ব্যতীত কোন ভবঘুরে অথবা চোর বা দস্যুদের দলভুক্ত হয়, সেই ব্যক্তি অনধিক সাত (৭) বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১১,৭০৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা "ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব সম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার" সম্পর্কে আলোচনা করে?
  1. ধারা ১৬
  2. ধারা ১৭
  3. ধারা ১৮
  4. ধারা ১৯
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১৮-এর শিরোনামই হলো "ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার"- এই ধারা অনুসারে, যখন কোনো বিক্রেতা বা ইজারাদাতার সম্পত্তিতে ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব (imperfect title) থাকে, তখন ক্রেতা বা ইজারাদারের নিম্নলিখিত অধিকারগুলো রয়েছে:
- বিক্রেতা পরবর্তীতে কোনো স্বত্ব অর্জন করলে তাকে তা হস্তান্তর করতে বাধ্য করা
- অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন হলে তা সংগ্রহ করতে বাধ্য করা
- বন্ধকযুক্ত সম্পত্তি বন্ধকমুক্ত করতে বাধ্য করা
- মামলা খারিজ হলে জমাকৃত অর্থ ও খরচ ফেরত পাওয়া

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার বিধান: ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার: যেখানে এক ব্যক্তি এমন নির্দিষ্ট সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়, যাতে তার শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব রয়েছে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদারের (যদি না এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধান প্রদান করা হয়) নিম্নোক্ত অধিকার রয়েছে:
(ক) যদি বিক্রেতা অথবা ইজারাদাতা বিক্রয় বা ইজারা প্রদানের পরপরই সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব অর্জন করে, তবে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন স্বত্বের জন্য চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারে;
(খ) যেখানে স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতা বা ইজারাদাতার অনুরোধে তা করতে বাধ্য, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারে;
(গ) যেখানে বিক্রেতা দায়হীন সম্পত্তি বিক্রয়ের কথা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করে কিন্তু বাস্তবে সম্পত্তি এমন পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে যা ক্রয়মূল্যকে অতিক্রম করে না এবং কার্যত বিক্রেতার শুধু তা মুক্ত রাখার অধিকার রয়েছে সেখানে ক্রেতা তাকে তা বন্ধকমুক্ত করতে এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে হস্তান্তর অর্জন করতে বাধ্য করতে পারে;
(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ইজারাদাতা চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করে এবং মামলা তার ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বের অজুহাতে খারিজ হয়ে যায়, সেখানে প্রতিবাদীর অধিকার রয়েছে, সুদসহ জমাকৃত অর্থ (যদি জমা করে থাকে) এবং মামলার খরচ ফেরত পাবার এবং তেমন জমাকৃত অর্থ সুদ ও খরচের জন্য বিক্রেতা বা ইজারাদার যে জমি বিক্রয় বা ইজারা দিতে সম্মত তাতে বিক্রেতা বা ইজারাদাতার স্বত্বের উপর পূর্বস্বত্ব অধিকার থাকবে।

১১,৭১০.
নিম্নলিখিত কোন সময় তামাদির গণনা থেকে বাদ যাবে যদি মামলার দায়ের বা ডিক্রি কার্যকরকরণে আদালতের আদেশে স্থগিতাদেশ (injunction) থাকে?
  1. নিষেধাজ্ঞা আরোপের দিন
  2. নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দিন
  3. নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার পুরো সময়
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৫(১) অনুযায়ী:
"In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order,
- the time of the continuance of the injunction or order,
- the day on which it was issued or made, and
- the day on which it was withdrawn, shall be excluded."

 অর্থাৎ, যেসব ক্ষেত্রে কোনো মামলার দায়ের বা ডিক্রির কার্যকরকরণে আদালতের আদেশ বা injunction এর কারণে প্রক্রিয়া স্থগিত থাকে, সে ক্ষেত্রে—
 ১. নিষেধাজ্ঞা আরোপের দিন,
 ২. নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার সময়কাল,
৩. নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দিন —
এই সবগুলোই তামাদির সময় গণনা থেকে বাদ যাবে।

অর্থাৎ ধারা ১৫(১) অনুযায়ী, injunction বা আদেশের প্রারম্ভিক দিন, বলবৎ থাকার সময়কাল, এবং প্রত্যাহারের দিন — সবই বাদ যাবে।


⇒ তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে:
(১) যেই মামলা বা ডিক্রী জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন তা নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেই দিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেই দিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।
(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।
--------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-15: Exclusion of time during which proceedings are suspended:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded.
(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.

১১,৭১১.
আদেশ ৩৯, বিধি ৬-এর অধীনে আদালত কোন ধরনের সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তি
  2. শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি
  3. স্থাবর এবং অস্থাবর উভয় সম্পত্তি
  4. কোনো সম্পত্তিই নয়
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮, আদেশ ৩৯, বিধি ৬. অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা:
আদালত, মামলার কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে, এমন কোনো অস্থাবর সম্পত্তি, যা মামলার বিষয়বস্তু বা মামলায় রায়ের আগে ক্রোক করা হয়েছে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, বা অন্য কোনো ন্যায্য ও পর্যাপ্ত কারণে যা অবিলম্বে বিক্রয় করা কাম্য বলে মনে হয়, সেই সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে। এই বিক্রয় আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং আদালত যে শর্তাবলি উপযুক্ত মনে করে তা মেনে সম্পন্ন হবে।

১১,৭১২.
আদেশ ১২ বিধি ৬ অনুযায়ী আদালত কি করতে পারে?
  1. রায় বা আদেশের জন্য কোন আবেদন গ্রহণ করতে পারে না
  2. আদালত শুধুমাত্র মামলা শেষ করার পর রায় দিতে পারে
  3. আদালত পক্ষের আবেদন মেনে স্বীকারোক্তির উপর রায় দিতে পারে
  4. আদালত কোনো ক্ষেত্রেই রায় দিতে পারে না
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১২ বিধি ৬- স্বীকারোক্তির উপর রায়:
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order-12 Rule-6 :Judgment on admissions:
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
১১,৭১৩.
তামাদি আইনের ধারা ৬ অনুসারে আইনি অক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত নয়- 
  1. উন্মাদ
  2. নির্বোধ
  3. অপ্রাপ্তবয়স্কতা
  4. শারীরিক অক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ৬,৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৬ অনুসারে, আইনি অক্ষমতা (Legal Disability) বলতে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত তিনটি অবস্থা কে বোঝায়:
১. অপ্রাপ্তবয়স্কতা (Minority)
২. উন্মাদতা (Insanity)
৩. নির্বোধিতা (Idiocy)
এই ধারায় শারীরিক অক্ষমতা (Physical Disability) যেমন- অন্ধত্ব, বধিরতা, পক্ষাঘাত ইত্যাদিকে আইনি অক্ষমতা হিসেবে গণ্য করা হয়নি। অর্থাৎ, শারীরিক অক্ষমতা থাকলেও তা তামাদি সময়সীমা বর্ধিত করার জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে।
যেখানে বলা আছে, যে ক্ষেত্রে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।
- যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি আক্রান্ত হন তবে দুটি শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এর মাঝে যদি উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধির উপর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। তার আইনগত প্রতিনিধি যদি বৈধ অপারগতায় আক্রান্ত থাকেন তবে প্রতিনিধির আইনগত অপারগতা অবসান হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।
- তামাদি আইনের ৬ ধারার এই বিধান আপীল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। বৈধ অপারগতার বিধান শুধুমাত্র বাদী’র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিবাদী’র জন্য তামাদি আইনে বৈধ অপারগতার বিধান গ্রহণযোগ্য না।
---------
⇒ The Limitation Act:- Section 6. Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908. 
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed. 
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed. 
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply. 
 
Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority. 
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease. 
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.

১১,৭১৪.
লিখিত জবাব দাখিলের কতদিনের মধ্যে বিচার্য বিষয় গঠন করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৪ বিধি ১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-
১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
১১,৭১৫.
যদি আসামি জেলে থাকা অবস্থায় তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, তবে তাকে কী হবে?
  1. তাকে মুক্তি দেওয়া হবে
  2. তাকে পুনরায় বিচার করা হবে
  3. তাকে জেলে রাখা হবে
  4. তাকে নতুন করে দণ্ড দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে, যা নিম্নরূপ:
 (১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেল হাজতে ছিল, তা কারাদেণ্ডর  মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
 
(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
 
Section 35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody-
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
১১,৭১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ______ অনুযায়ী, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আদালতে সাক্ষ্য হিসাবে উপস্থাপন করা যায়।
  1. ৫০৯
  2. ৫০৯ক
  3. ৫১০ক
  4. ৫১১
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক-এ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের বিশেষ বিধান দেওয়া হয়েছে, যেখানে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক যদি মারা যান, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হন বা দেশের বাইরে থাকেন এবং তাকে আদালতে তলব করা অযৌক্তিক হয়, তখন তার রিপোর্টকে তলব ছাড়াই সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898, Section 509A: Report of post-mortem examination:-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.

১১,৭১৭.
The Civil Courts Act,1887 আইনের কত ধারায় আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ধারা ১৯,২০
  2. ধারা ২১,২২
  3. ধারা ২০,২১
  4. ধারা ১৯,২০,২১
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act,1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 

২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
১১,৭১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কোন ধরনের প্রতিকার নির্ধারণ করা হয়?
  1. আর্থিক প্রতিকার
  2. প্রশাসনিক প্রতিকার
  3. দেওয়ানি মামলায় প্রতিকার
  4. ফৌজদারি মামলায় প্রতিকার
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) দেওয়ানি মামলায় প্রতিকার।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ মূলত দেওয়ানি মামলায় প্রতিকার (Civil Remedies) সংক্রান্ত বিধান নির্ধারণ করে। এই আইনের মাধ্যমে আদালত বিভিন্ন ধরনের অ-আর্থিক প্রতিকার (Non-Monetary Relief) প্রদান করতে পারে, যেমন—
- নির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদনের আদেশ (Specific Performance): কোনো পক্ষ যদি চুক্তি অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত তাকে বাধ্য করতে পারে।
- নিষেধাজ্ঞা (Injunction): কারো বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ।
- ঘোষণামূলক প্রতিকার (Declaratory Relief): আদালত কোনো অধিকার বা আইনি অবস্থান ঘোষণা করতে পারে।
- পুনরুদ্ধার (Rescission) ও সংশোধন (Rectification): চুক্তির শর্ত সংশোধন বা বাতিলকরণের ব্যবস্থা।

→ এই প্রতিকারগুলো সাধারণত আর্থিক ক্ষতিপূরণ নয়, বরং কোনো অধিকার প্রতিষ্ঠা বা কোনো অন্যায় কাজ প্রতিরোধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাই, এটি ফৌজদারি প্রতিকার বা শাস্তিমূলক আইন নয়, বরং দেওয়ানি আইনের অংশ।
১১,৭১৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আদালত Solatium মঞ্জুর করতে পারেন?
  1. ২০ ধারা
  2. ২১ ধারা
  3. ২২ ধারা
  4. ২১ক ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদির প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা hardship সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরনের কোন কঠোরতায় জড়াবে না,
সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারার অনুযায়ী আদালত Solatium মঞ্জুর করতে পারেন।
--------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-22: Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
 
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
১১,৭২০.
ধারা ২৪ অনুযায়ী, তামাদি সময় গণনা কখন শুরু হবে?
  1. কার্যের দিন থেকে
  2. ক্ষতির দিন থেকে
  3. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  4. নোটিশ দেওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।

১১,৭২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী আদালত 'Summary dismissal of appeal' এর ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ৪১৮ ধারায়
  2. ৪১৯ ধারায়
  3. ৪২১ ধারায়
  4. ৪২২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)-
৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।

ধারা ৪২১- আপিল খারিজের সারবস্তু-
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
----------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-421: Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: 
 
-Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same. 
 
(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
১১,৭২২.
একটি আরজিতে সত্যাখ্যান (Verification) স্বাক্ষর করবে কে?
  1. বাদী
  2. বাদীর উকিল
  3. বিবাদী
  4. রিভিউ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৫ নং বিধিতে প্লিডিংস সত্যাখ্যানের (Verification of pleadings) বিধান রয়েছে। ১৫ নং বিধিমতে প্রত্যেক Pleadigns-এর শেষে সংশ্লিষ্ট পক্ষ অর্থাৎ আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী সত্যপাঠে স্বাক্ষর করবে, যাকে প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন (Verification of pleadigns) বলে।
অর্থাৎ আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখান বা সত্যতা প্রতিপাদন করবে।

♦ আদেশ ৬, বিধি ১৫ তে এই বিষয়ে বলা আছে। …every pleading shall be verified at the foot by the party or one of the parties….”

♦ আরজির সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি তাতে একেবারে শেষে স্বাক্ষর দিবেন এবং স্বাক্ষরে তারিখ ও স্থান উল্লেখ করবেন।
১১,৭২৩.
‘ক’,‘খ’-কে প্রহার করে হত্যা করার অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে। প্রহারের সময় বা প্রহারের অব্যবহিত পূর্বে বা পরে ক, খ অথবা ঘটনাস্থলে দণ্ডায়মান ব্যক্তিগণ যা-ই করে থাকুক না কেন, সেগুলি যদি ঐ প্রহারের ঘটনার অংশরূপে বিবেচনা করা যায় তাহলে সেগুলি -
  1. অপ্রাসঙ্গিক হবে
  2. প্রাসঙ্গিক হবে
  3. সাক্ষ্যগত মূল্য থাকবে না
  4. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে প্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৬ নং ধারা অনুযায়ী, "same transaction" বা একই ঘটনার অংশ হিসেবে ঘটিত যেকোনো কার্য বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক (relevant) সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, প্রহারের সময়, তার অব্যবহিত আগে বা পরে যা ঘটেছে, তা যদি ঐ ঘটনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে সেগুলো প্রাসঙ্গিক হবে এবং আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

ধারা-৬: একই কার্যক্রমের অংশরূপে গণ্য বিষয়সমূহ (Relevancy of facts forming part of same transaction)-
"একই কার্যের অংশ যে সমস্ত বিষয় সেগুলোর প্রাসঙ্গিকতা" সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় বলা হয়েছে। যে বিষয়সমূহ বিচার্য বিষয় নয়, কিন্তু এগুলো বিচার্য বিষয়ের সাথে এমনভাবে জড়িত যে, উভয় বিষয়ই একই কার্যক্রমের অংশরূপে গণ্য হতে পারে সেক্ষেত্রে ঐ বিষয়সমূহ একই সময়ে এবং একই স্থানে অথবা বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হোক না কেন উত্ত বিষয়সমূহ সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারামতে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে। সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারা Res Gestae নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।

⇒ Res Gestae বা 'একই কার্যের অংশ'- Res Gestae (রেস গেস্টাই) অর্থ হলো একই কাজের অংশ বিশেষ বা একই Transaction এ সংগঠিত অনেকগুলো ঘটনা। অর্থাৎ কোন একটি কাজ করতে গিয়ে উক্ত কাজের ধারাবাহিকতায় অন্য যেসব কাজ করা হয় বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তা ঐ একই কাজের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে Res Gestae বলে পরিচিত।

১১,৭২৪.
আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৪১
  2. ধারা ১০৪
  3. আদেশ ৪৩
  4. ধারা ১০৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

⇒ আদেশ ৪৩ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ উভয়ই আপীলযোগ্য আদেশগুলোর বর্ণনা দিয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

ধারা ১০৪:
অন্যদিকে দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।

সুতরাং, আদেশ ৪৩ প্রধানত আপীলযোগ্য আদেশগুলোর একটি তালিকা দিয়েছে আর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা ও বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছে। এভাবে আদেশ ৪৩ ও ধারা ১০৪ পরস্পরকে পরিপূরক করে আদালতের আপীলযোগ্য আদেশগুলো সম্পর্কে পুরোপুরি চিত্র দিয়েছে।
১১,৭২৫.
মৃত্যুদণ্ড ও খালাস আদেশ ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিলের তামাদির মেয়াদ কত দিনের?
  1. ৩০ দিনের
  2. ৬০ দিনের
  3. ৯০ দিনের
  4. ১২০ দিনের
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৫৫: অনুচ্ছেদ ১৫০ (মৃত্যুদণ্ড) এবং অনুচ্ছেদ ১৫৭ (খালাস) আদেশ ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিলের তামাদির মেয়াদ-৬০ দিন।
তামাদি শুরু হবে- যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।

১১,৭২৬.
'Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence'- এটি দণ্ডবিধির কোন ধারার মূল কথা?
  1. ৯২ ধারার
  2. ৯৪ ধারার
  3. ৯৬ ধারার
  4. ৯৯ ধারার
ব্যাখ্যা

• দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা আছে,
"Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence."
ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।

১১,৭২৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কোন ধারাগুলোতে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধারের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৮-১১
  2. ধারা ৫২-৫৭
  3. ধারা ১২-৩০
  4. ধারা ৩৫-৩৮
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এ মোট ৮ ধরনের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
 এই প্রতিকারগুলো মধ্যে:
→ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৮-১১):
- এই ধারাগুলোতে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের বিধান রয়েছে।

অন্যদিকে,
→  চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২-৩০):
- এই ধারাগুলোতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (Specific Performance of Contracts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
→ চুক্তি বাতিল (ধারা ৩৫-৩৮):
- এই ধারাগুলোতে চুক্তি বাতিল (Rescission of Contracts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
→ নিষেধাজ্ঞা/প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (ধারা ৫২-৫৭):
- এই ধারাগুলোতে নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Injunctions) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। 
১১,৭২৮.
তামাদি আইন সর্বশেষ সংশোধিত হয়-
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন সর্বশেষ ২০০৪ সালে সংশোধিত হয়।

⇒ এই সংশোধনী দ্বারা ১১৩ ও ১১৪ অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়।
⇒ চুক্তি প্রবলের মামলার তামাদি কাল ছিলো ৩ বছর, এখন ১ বছর করা হয়েছে। (১১৩ অনুচ্ছেদ)
⇒ চুক্তি প্রত্যাহারের তামাদি কাল আগে ছিলো ৩ বছর, এখন ১ বছর করা হয়েছে। (১১৪ অনুচ্ছেদ)
১১,৭২৯.
চুরির অপরাধে ৩ বছরের জন্য দণ্ডিত আসামি পরবর্তীতে আবার একই অপরাধ করলে, দ্বিতীয়বারের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কোন দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. উক্ত অপরাধটির সর্বোচ্চ সাজার দ্বিগুণ সাজা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ – ধারা ৭৫: পূর্বের দণ্ডের পর অধ্যায় ১২ বা অধ্যায় ১৭ এর অধীন নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য অধিকতর শাস্তি:
যে ব্যক্তি বাংলাদেশে কোনো আদালত কর্তৃক দণ্ডবিধির অধ্যায় ১২ (মুদ্রা ও সরকারী স্ট্যাম্প সম্পর্কিত অপরাধ) বা অধ্যায় ১৭ (সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ) এর অধীন এমন কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, যার শাস্তি তিন বছর বা ততোধিক মেয়াদে কারাদণ্ড, এবং পুনরায় তিনি উপরোক্ত কোনো এক অধ্যায়ের অধীন অনুরূপ মেয়াদে কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তার শাস্তি বৃদ্ধি পাবে এবং তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছরের মধ্যে কোনো মেয়াদের শাস্তি দেওয়া হবে।

Section -75. Enhanced punishment for certain offences under Chapter XII or Chapter XVII after previous conviction:
Whoever, having been convicted,
(a) by a Court in Bangladesh of an offence punishable under Chapter XII or Chapter XVII of this Code with imprisonment of either description for a term of three years or upwards;
shall be guilty of any offence punishable under either of those Chapters with like imprisonment for the like term, shall be subject for every such subsequent offence to imprisonment for life, or to imprisonment of either description for a term which may extend to ten years.
১১,৭৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধি কোন ধারা অনুসারে নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন?
  1. ২০০
  2. ২০১
  3. ২০৩
  4. ২০৪
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা। ২০০ বিধান অনুযায়ী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর জবানবন্দি নিতে বাধা ।
⇒ ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে-
১. নালিশকারীকে বা
২. উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবে এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন।নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।
⇒ যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-
ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই;
খ. যে মামলায় আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে;
গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই।
----------------------
⇒ CrPC-Section-200: Examination of complainant:
A Magistrate taking cognizance of an offence on complaint shall at once examine upon oath the complainant and such of the witnesses present, if any, as he may consider necessary, and the substance of the examination shall be reduced to writing and shall be signed by the complainant or witness so examined, and also by the Magistrate: 
Provided as follows:- 
(a) when the complaint is made in writing, nothing herein contained shall be deemed to require such examination before transferring the case under section 192; 
(aa) when the complaint is made in writing nothing herein contained shall be deemed to require such examination in any case in which the complaint has been made by a Court or by a public servant acting or purporting to act in the discharge of his official duties; 
(c) when the case has been transferred under section 192 and the Magistrate so transferring it has already examined the complainant and witness if any, the Magistrate to whom it is so transferred shall not be bound to re-examine them.
১১,৭৩১.
আদেশ ৩৮ বিধি-১২ অনুসারে কোন সময়ে কৃষিজাত দ্রব্য ক্রোক করা যাবে না?
  1. রায়ের পরে
  2. রায়ের পূর্বে
  3. রায় কার্যকরের পর
  4. আপিল চলাকালীন
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোনো বিধানই বাদীকে কৃষকের দখলে থাকা কোনো কৃষিজাত দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না, অথবা আদালতকে এমন কৃষিজাত দ্রব্য ক্রোক বা হাজির করার আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

১১,৭৩২.
A দেখল Z এমন একটি কাজ করছে যা A-এর কাছে একটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়। A সৎ বিশ্বাসে এবং আইন অনুযায়ী হত্যাকারীকে ধরার ক্ষমতার সঠিক প্রয়োগে Z-কে ধরে ফেলে, যাতে Z-কে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সামনে হাজির করা যায়। যদিও পরে জানা গেল Z আত্মরক্ষার্থে কাজটি করেছিল। এক্ষেত্রে A এর কাজ দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ধারা ৭৭
  2. ধারা ৭৮
  3. ধারা ৭৯
  4. ধারা ৮০
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৯: আইন দ্বারা ন্যায্যতাপ্রাপ্ত, অথবা বাস্তব ঘটনার ভুলের কারণে নিজেকে আইনগতভাবে ন্যায্য মনে করে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত কার্য:
যে কোনো ব্যক্তি আইন দ্বারা ন্যায়সঙ্গতভাবে কিছু করে, অথবা বাস্তব ঘটনার ভুলের কারণে (কিন্তু আইনের ভুলের কারণে নয়) সৎ বিশ্বাসে নিজেকে আইনগতভাবে ন্যায়সঙ্গত মনে করে যে কাজ করে, তা কোনো অপরাধ নয়।

উদাহরণ:
ধরা যাক, A দেখল Z এমন একটি কাজ করছে যা A-এর কাছে একটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়। A সৎ বিশ্বাসে এবং আইন অনুযায়ী হত্যাকারীকে ধরার ক্ষমতার সঠিক প্রয়োগে Z-কে ধরে ফেলে, যাতে Z-কে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সামনে হাজির করা যায়। যদিও পরে জানা গেল Z আত্মরক্ষার্থে কাজটি করেছিল, তবুও A কোনো অপরাধ করেনি, কারণ A সৎ বিশ্বাসে নিজের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজটি করেছে।

Section 79- Act done by a person justified, or by mistake of fact believing himself justified, by law:
Nothing is an offence which is done by any person who is justified by law, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith, believes himself to be justified by law, in doing it.

Illustration-
A sees Z commit what appears to A to be a murder. A, in the exercise, to the best of his judgment, exerted in good faith of the power which the law gives to all persons of apprehending murderers in the act, seizes Z, in order to bring Z before the proper authorities. A has committed no offence, though it may turn out that Z was acting in self-defence.
১১,৭৩৩.
'A' যদি 'B'-কে 'Z'-কে খুন করতে প্ররোচনা দেয়, কিন্তু 'B' তা না করে, তাহলে দণ্ডবিধি অনুসারে 'A'-এর কী শাস্তি হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড 
  4. সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেয়, কিন্তু সেই অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে উস্কানিদাতা সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানার জন্য দায়ী হবে।
- প্রশ্নে বলা হয়েছে যে, 'A' যদি 'B'-কে 'Z'-কে খুন করতে প্ররোচনা দেয়, কিন্তু 'B' তা না করে, অর্থাৎ অপরাধটি সংঘটিত হয়নি। সুতরাং, এই ক্ষেত্রে 'A'-এর শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
- সঠিক উত্তর: গ) সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেওয়া - যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়; যদি ক্ষতি সৃষ্টিকারী কার্য সম্পাদিত হয়:
যে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু উস্কানির ফলে ওই অপরাধ সংঘটিত না হয় এবং এই দণ্ডবিধিতে উস্কানির শাস্তির জন্য কোনো বিশেষ বিধান না থাকে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে;
এবং যদি কোনো এমন কার্য, যার জন্য উস্কানিদাতা দণ্ডনীয়, এবং যার কারণে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সংঘটিত হয়, তাহলে উস্কানিদাতা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 115.  Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or 31[imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
-and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine. 

Illustration
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or 32[imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.

১১,৭৩৪.
What does Section 108 of The Evidence Act, 1872 state about a person who has not been heard from for seven years?
  1. They are presumed alive
  2. They are presumed dead
  3. Their status is irrelevant
  4. They must be declared missing
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী,
৭ বৎসর যাবৎ খবর পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাবী করে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে।

Section 108- Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
১১,৭৩৫.
বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনির্বাহী সরকার পরিচালনা করিবার জন্য আইন বলে ক্ষমতা প্রদত্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বলা হয়-
  1. সরকার
  2. মন্ত্রীপরিষদ
  3. জাতীয় সংসদ
  4. প্রশাসন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৭ ধারার বিধান 'সরকার' বলতে বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনিবাহী সরকার পরিচালনা করবার জন্য আইনবলে ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বুঝাইবে।

♦ The Penal Code, 1860 Section 17: “Government”:  The word “Government” denotes the person or persons authorized by law to administer executive Government in Bangladesh, or in any part thereof.
১১,৭৩৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ষড়যন্ত্রকারীর সাধারণ অভিপ্রায় সম্পর্কিত কার্য প্রাসঙ্গিকতার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৮
  2. ধারা ১০
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১৪
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।
- সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০-এর অধীন, দুই বা ততোধিক ব্যক্তির অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের যুক্তিসঙ্গত বিশ্বাস থাকলে, তাদের সাধারণ অভিপ্রায় (common design) সম্পর্কিত কোনো একজনের কথা, কাজ বা লেখা ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ এবং লিপ্ততা দেখানোর জন্য প্রাসঙ্গিক। এটি ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা প্রথম পোষণের পর থেকে প্রযোজ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ (Things said or done by conspirator in reference to common design): দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 10. Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.

১১,৭৩৭.
'ক' আদালতে এই মর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করে যে, সে 'খ' এর ছেলে। আদালত 'ক' এর পক্ষে ডিক্রি প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কে ডিক্রি জারির আবেদন-
  1. করার প্রয়োজন নেই
  2. পারিবারিক আদালতে করতে হবে
  3. দেওয়ানি আদালতে করতে হবে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে, তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

এক্ষেত্রে, 'ক' কে ডিক্রি জারির আবেদন করার প্রয়োজন নেই। কারণ শুধুমাত্র ঘোষণার মাধ্যমেই ডিক্রিদারের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু দখল উদ্ধার, বাটোয়ারা এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন দায়ের করতে হয়।
১১,৭৩৮.
সরকার বিশেষ ক্ষমতা অর্পণ করলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত মেয়াদের কারাদণ্ড দিতে পারে?
  1. ৭ বছর
  2. যে-কোনো
  3. ১০ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে। তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

♦অর্থাৎ ৩৩ক ধারা অনুযায়ী ২৯ গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধের বিচার করলে অনধিক ৭ বৎসরের কারাদণ্ড হতে পারে।

♦ ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
১১,৭৩৯.
আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতসমূহের আর্থিক এখতিয়ার সর্বশেষ কবে সংশোধন করা হয়েছে?
  1. ২০১২
  2. ২০১৬
  3. ২০২১
  4. ২০১৭
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act, 1887 সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালের ১১ই জানুয়ারি এবং উক্ত দিন হতে সংশোধনী আইনটি কার্যকর হয়। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়।

• এই আইনের ২১ ধারায় আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার বিধান রয়েছে। ২১ ধারামতে শুধুমাত্র ২টি আদালত আপিলের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) জেলা জজ আদালত এবং
ii) হাইকোর্ট বিভাগ।

২০২১ সালের দেওয়ানি আদালত সংশোধন আইন অনুযায়ী, জেলা জজ আদালত ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারেন। অর্থাৎ জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকা পর্যন্ত। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
১১,৭৪০.
১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ১৭(১) ও ১৭(২) ধারা কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. চুক্তি ভঙ্গের মামলা।
  2. বংশগত পদের মামলা।
  3. চলমান সম্পত্তির মামলা।
  4. অবহেলার কারণে ক্ষতিপূরণের মামলা।
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারার বিধান অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:-
কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

এই ধারার ব্যতিক্রম হলো- অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।
---------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 17- Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application. 
 
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application. 
 
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
১১,৭৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা আছে যে, মামলা সর্বনিম্ন আর্থিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ২০
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫-এ স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে যে, প্রত্যেক মোকদ্দমা এমন সর্বনিম্ন গ্রেডের আদালতে দায়ের করতে হবে যা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

⇒The Civil Court Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
- সিভিল জজের আদালতে (The Court of civil Judge ) = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- সিনিয়র সিভিল জজের আদালতে (The Court of Senior civil Judge) = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ এর উপরে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-6 :Pecuniary Jurisdiction:
-Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-15: Court in which suits to be instituted:
-Every suit shall be instituted in the Court of the lowest grade competent to try it.

১১,৭৪২.
সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি যদি ৫৪ ধারার বিধানের অধীনে হয়, তখন কী করা হবে?
  1. তাকে আদালতে পাঠানো হবে
  2. তাকে জেল হাজতে পাঠানো হবে
  3. পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবে
  4. তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এই ধরনের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালি:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এই ধরনের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে একজন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবিকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

১১,৭৪৩.
Section 42 specifies a condition under which a Court shall not make a declaration of title. What is this condition?
  1. If the plaintiff is not able to seek further relief
  2. If the plaintiff has not provided sufficient evidence
  3. If the plaintiff, being able to seek further relief, omits to do so
  4. If the defendant disputes the claim in writing
ব্যাখ্যা
• Section 42: 
Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.

ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit):
মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায়, যেকোন ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।
⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।
১১,৭৪৪.
চুক্তি রদের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর 
  3. ২ বছর 
  4. ৩ বছর 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা (For recession of a contract) দায়েরের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের  ১১৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪ অনুযায়ী, চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী যখন প্রথম অবগত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে করতে হবে।

১১,৭৪৫.
কোনো ব্যক্তিগত দানপত্র সরকারীভাবে রক্ষিত হলে, এটি কোন ধরনের দলিল হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ব্যক্তিগত দলিল
  2. সরকারি দলিল
  3. বেসরকারি দলিল
  4. অপ্রমাণিত দলিল
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।


⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। 
⇒ কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
১১,৭৪৬.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা অধিকার প্রয়োগ করা যায় কতটি ক্ষেত্রে?
  1. দুটি ক্ষেত্রে
  2. তিনটি ক্ষেত্রে
  3. চারটি ক্ষেত্রে
  4. ছয়টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৯৭ ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার শরীর ও সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়। ৯৭ দ্বারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় দুটি ক্ষেত্রে-

(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে।

(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।

--------------
♦ Right of private defence of the body and of property:
Section 97. Every person has a right, subject to the restrictions contained in section 99, to defend

Firstly.-His own body, and the body of any other person against any offence affecting the human body; 

Secondly.-The property, whether moveable or immovable, of himself or of any other person, against any act which is an offence falling under the definition of theft, robbery, mischief or criminal trespass, or which is an attempt to commit theft, robbery, mischief or criminal trespass.
১১,৭৪৭.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১২০ অনুযায়ী, দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে কে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য যোগ্য?
  1. মামলার পক্ষগণ
  2. মামলার পক্ষগণের স্বামী/স্ত্রী
  3. ক ও খ উভয়
  4. ক বা খ কেউ নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১২০: দেওয়ানি মামলার পক্ষগণ ও তাদের স্বামী বা স্ত্রী; ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী-
দেওয়ানি মামলায়, মামলার পক্ষভুক্ত ব্যক্তি এবং তাদের স্বামী বা স্ত্রী সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য যোগ্য বলে গণ্য হবেন। ফৌজদারি মামলায়, যেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা চলছে, তার স্বামী বা স্ত্রী উক্ত মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য যোগ্য হবেন।

[In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.]
১১,৭৪৮.
তামাদি আইনের ধারা ৬ অনুযায়ী নাবালকের জন্য তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে কখন থেকে?
  1. অভিভাবকের আবেদনের তারিখ থেকে
  2. নাবালকত্ব শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
  3. মামলার কারণ সৃষ্টির তারিখ থেকে
  4. আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) নাবালকত্ব শেষ হওয়ার তারিখ থেকে।
⇒ তামাদি আইনের ধারা ৬ অনুযায়ী, যদি মামলার জন্য অধিকারী ব্যক্তি নাবালক, অপ্রকৃতিস্থ বা জড়বুদ্ধিসম্পন্ন হন, তবে তামাদির সময় গণনা স্থগিত থাকে। এর মানে হলো, এই ব্যক্তির ক্ষেত্রে তামাদি গণনা তার অক্ষমতা বা অযোগ্যতা দূর হওয়ার পর শুরু হবে। অতএব, নাবালকত্ব শেষ হওয়ার তারিখ থেকেই তামাদি সময় গণনা শুরু হবে।
১১,৭৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের পূর্বে অভিযুক্তকে কোন বিষয়ে অবগত করবেন?
  1. তিনি স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য
  2. ৩য় কারো বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তি দেয়া যাবে না
  3. তিনি স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নন
  4. স্বীকারোক্তি দিলে তা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা হবে না
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। এই ধরনের জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার পদ্ধতি, এটার সাক্ষ্যগত মূল্য এবং একবার ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দিলে তা কী প্রত্যাহার করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করা হলো:

কে, কখন লিপিবদ্ধ করতে পারবেন:
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ (১) ধারা অনুযায়ী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এবং এই বিষয়ে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এ ধরনের জবানবন্দি তদন্ত বা অনুসন্ধানকালে বা বিচার শুরু হওয়ার আগে বা পরে যেকোনো সময় করা যাবে। তবে লিপিবদ্ধকারী ম্যাজিস্ট্রেটের অপরাধ বিচারের এখতিয়ার এখানে বিবেচ্য হবে না।

লিপিবদ্ধ করার পদ্ধতি:
কোন আসামির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের কিছু আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কার্যবিধির ১৬৪(৩) ধারায় বলা হয়েছে, জবানবন্দির পূর্বেই ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে জানাবেন যে, তিনি স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নন এবং স্বীকারোক্তি দিলে তা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছায় হচ্ছে বলে যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস না করা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট তা লিপিবদ্ধ করবেন না। উপরোক্ত বিষয়গুলো পালন করা হয়েছে মর্মে একটি স্মারক মন্তব্য ম্যাজিস্ট্রেট উল্লেখ করবেন। অতঃপর সেই জবানবন্দি ঘটনা সম্পর্কে যিনি অনুসন্ধান করবেন বা বিচার করবেন তার কাছে পাঠাবেন।

ম্যাজিস্ট্রেটকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারার নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। এই ধারা অনুযায়ী আসামিকে জিজ্ঞাসিত প্রতিটি প্রশ্ন জবাবসহ সমগ্র জবানবন্দি আসামি যে ভাষায় বলবে বা আদালতের ভাষায় লিপিবদ্ধ করতে হবে। এরপর সেই জবানবন্দি ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পড়ে শুনাবেন। জবানবন্দি আসামির বোধগম্য ভাষায় লিখিত না হলে সারমর্ম বুঝিয়ে দেবেন। জবানবন্দির সত্যতা স্বীকার করলে আসামি এবং ম্যাজিস্ট্রেট নিজে সেটাতে সই করবেন। এছাড়া উপরোক্ত বিষয় প্রতিপালন হয়েছে মর্মে ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যয়ন করবেন।
১১,৭৫০.
দলিল বাতিলের মোকদ্দমা করা যায় কখন?
  1. দলিলটি বাতিল হলে
  2. দলিলটি বাতিলযোগ্য হলে
  3. দলিলটি নিবন্ধিত হলে
  4. ক+খ
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৩৯ ধারায় বলা আছে যে কোনো দলিল যদি void (বাতিল) বা voidable (বাতিলযোগ্য) হয় তখন যে পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা করে সে আদালতে উক্ত দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবেন। দলিল নিবন্ধিত হওয়া শর্ত নয়।
১১,৭৫১.
যদি ডিক্রি অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয় এবং সমর্পণ সম্ভব না হয়, তাহলে ডিক্রিতে কী উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক?
  1. সম্পত্তির মালিকের অনুমতি
  2. সম্পত্তির দখলদারের নাম
  3. সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য
  4. বিকল্প হিসাবে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে প্রদেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।

Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.
১১,৭৫২.
যে মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ সম্পর্কে কোনো বিধান নেই সে মোকদ্দমা দাখিল করা যাবে _______ বছরের মধ্যে।
  1. ১২
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যে মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ সম্পর্কে কোনো বিধান নেই সে মোকদ্দমা দাখিল করা যাবে ৬ বছরের মধ্যে। 
১১,৭৫৩.
কোনো ভুল ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে, তাকে_____বলা হয়?
  1. Wrong- Joinder of Parties
  2. Mis- Joinder of Parties
  3. Non- Joinder of Parties
  4. None of above
ব্যাখ্যা
• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)- 

মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ভুল ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে। পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• ১ নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে, বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।
১ নং আদেশের ১০(২) নং বিধিমতে, ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।
অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও,বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
১১,৭৫৪.
খালাস বা অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে করা আপিলে যদি আপিলকারী মারা যায়, তবে সেই আপিলের কী হবে?
  1. বাতিল হয়ে যাবে
  2. আপিল চলতে থাকবে
  3. হাইকোর্ট সিদ্ধান্ত নেবে
  4. আপিল নতুন করে দাখিল করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, আপিল বাতিল হবে কিনা তা নির্ভর করে কে আপিলকারী এবং কোন ধারা অনুযায়ী আপিলটি করা হয়েছে তার ওপর।
- ধারা ৪১৭: খালাসের বিরুদ্ধে সরকার বা অভিযোগকারী পক্ষ (Complainant) আপিল করতে পারে।
- ধারা ৪১৭A (৪১৭ক): অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়।
→ এই দুটি ধারা অনুযায়ী যেসব আপিল হয়, সেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি নয়, বরং রাষ্ট্র বা অভিযোগকারী আপিলকারী হন।
→ তাই যদি এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যান, তাহলে অভিযোগ বা অপরাধ টিকে থাকে, এবং আপিল বাতিল হয় না।
→ আদালত সেই আপিল চালিয়ে যেতে পারে, এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিচার অব্যাহত থাকে।

অন্যদিকে,
- যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে (যেমন ধারা ৪০৭, ৪১০), তবে সে মারা গেলে আপিল বাতিল হয়ে যায়।

→অর্থাৎ খালাস বা অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল চলতে থাকে, কারণ অভিযুক্ত ব্যক্তি তখনও জীবিত থাকে, এবং অপরাধের বিচারপ্রক্রিয়া চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।
→ এ কারণেই সঠিক উত্তর হচ্ছে — খ) আপিল চলতে থাকবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
১১,৭৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণের বিধান রয়েছে?
  1. ৩৮০ ধারা
  2. ৩৮২ ধারা
  3. ৩৮৪ ধারা
  4. ৩৮৬ ধারা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮২- গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
১১,৭৫৬.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আদেশ ৩৯ বিধি ২ এর অধীন আদালত কোন পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. নিষেধাজ্ঞা জারি করা পুনর্বিবেচনা করবে
  2. দোষী ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক করতে পারে
  3. দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা:
১) বিবাদীকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদী অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
১১,৭৫৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩ অনুসারে 'আদালত' বলতে নিম্নলিখিত কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. বিচারক
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সালিশকারী
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩ অনুসারে, 'আদালত' (Court) এর সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ অন্তর্ভুক্ত:
- বিচারক (Judges)
- ম্যাজিস্ট্রেট (Magistrates)
- সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আইনত কর্তৃত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য সকল ব্যক্তি
তবে সালিশকারী (Arbitrators) এই সংজ্ঞার বহির্ভূত। অর্থাৎ, সালিশকারীগণ সাক্ষ্য আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে 'আদালত' হিসেবে গণ্য হন না।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩ অনুসারে, "আদালত" (Court) বলতে সকল বিচারক (Judges), ম্যাজিস্ট্রেট (Magistrates) এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আইনানুসারে অনুমোদিত সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, কিন্তু সালিশকারী (arbitrators) ব্যতীত। সালিশকারীদের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা থাকলেও তারা আদালতের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়।

১১,৭৫৮.
দেওয়ানি আপিল শ্রবণের এখতিয়ারাবান আদালত সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধান কোন আইনে বলা আছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭
  3. সিভিল কোর্ট রুলস এন্ড অর্ডারস
  4. কোনোটিই সঠিক নয়
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act,1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 

২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
১১,৭৫৯.
মৃত ব্যক্তি বা খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তির বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে ,যদি বিবৃতিটা-
  1. উক্ত ব্যক্তির স্বার্থের অনুকূলে হয় 
  2. উক্ত ব্যক্তির আর্থিক স্বার্থের পরিপন্থী হয়
  3. ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বার্থ সম্পর্কিত মতামত হয়
  4. মামলার বিষয়বস্তুর সাথে অপ্রাসঙ্গিক হয়
ব্যাখ্যা

উত্তর: উক্ত ব্যক্তির আর্থিক স্বার্থের পরিপন্থী হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম হয়, তখন তার বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি পরিস্থিতিতে প্রাসঙ্গিক হতে পারে  :
১) মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration) - যখন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পূর্বে কোনো ঘটনার সম্পর্কে মন্তব্য করেন।
২) ব্যবসার কার্যক্রমে বিবৃতি (statement made in course of business) - যখন কোনো ব্যক্তি তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে বিবৃতি দেন।
৩) স্বার্থবিরোধী বিবৃতি (statement against interest) বিরুদ্ধে চলে। যে বিবৃতি ব্যক্তির নিজের স্বার্থের
৪) জনস্বার্থ বা প্রথা সংক্রান্ত বিবৃতি (opinion as to public right or custom) - যখন কোনো ব্যক্তি সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা সম্পর্কিত বিবৃতি দেন।
৫) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি (relates to existence of relationship) - আত্মীয়তার অস্তিত্বের ব্যাপারে বিবৃতি।
৬) পারিবারিক দলিল বা উইলে করা বিবৃতি (statement made in will or deed relating to family affairs) - উইল বা পারিবারিক দলিলে করা বিবৃতি।
৭) লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি-"ধারা ১৩-এর (ক) অংশে উল্লেখিত লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি।
৮) কিছু ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি (statement made by several persons) — যখন একাধিক ব্যক্তি একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে একই মতামত দেন।
------------------------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc is relevant:
1) When it relates to cause of death of such person
2) When it is made in course of business;
3) When the statement is against the pecuniary or proprietary interest of the person making it.
4) When the statement gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
5) When the statement is related to existence of relationship by blood, marriage or adoption
6) When the statement is related to existence of relationship by blood, marriage or adoption among dead persons or made in a deed or will relating to family matters.
7) When the statement is made in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
8) When the statement  is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question.

১১,৭৬০.
‘ক' থানায় অভিযোগ করে যে, তার ভাই ‘খ’ একটি সাদা কাগজে তাদের পিতার সই নকল করেছে। দন্ডবিধি অনুসারে এটা কোন অপরাধ?
  1. জালিয়াতি
  2. অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. প্রতারণা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যে ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির বা জনগনের ক্ষতি বা অনিষ্টসাধন কিংবা প্রতারনা করার অভিপ্রায়ে কোন মিথ্যা দলিলের অংশ বিশেষ প্রস্তুত করে সে ব্যক্তি জালিয়াত করেছে বলে গণ্য হবে।
♦দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।
♦কোন ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে। নিজের নামে স্বাক্ষর করলেই জালিয়াতি হবে বিষয়টা এমন নয়। বরং নিজের নাম স্বাক্ষর জালিয়াতি হতে পারে যদি স্বাক্ষরটা দ্বারা কোন মিথ্যা দলিল তৈরী করা হয়, কোন অধিকার দাবী করতে, কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি করতে বা প্রতারণা করতে ইত্যাদি।
♦পেনাল কোড-এর  ৪৬৫ ধারায় জালিয়াতির শাস্তি বর্ণিত আছে যা সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১১,৭৬১.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী বিচারক কোন সাক্ষীকে প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৬৫ ধারা
  3. ১৫৭ ধারা
  4. ১৬৭ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৬৫ ধারার বিধান মতে বিচারক মামলার প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদ্ধারের জন্য/ উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন করতে পারেন।
১১,৭৬২.
নিচের কে ১৮৩৭ সালের দণ্ডবিধি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত প্রথম ভারতীয় আইন কমিশনের সদস্য ছিলেন না?
  1. F. Millet
  2. J.F. Stephen
  3. J.M. Macleod
  4. G.W. Anderson
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮০৭ সাল হতে দণ্ডবিধি বলবৎ (১৮৬১) হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কলকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজ এ তিনটি প্রেসিডেন্সী শহরে ইংল্যান্ডের দণ্ডবিধি অনুসৃত হতো। অবশিষ্ট মফস্বল এলাকায় ইসলামী ফৌজদারী আইন মোতাবেক নিজামত/সার্কিট জজ/ম্যাজিষ্ট্রেট বিচার ও দণ্ডবিধান করতেন।

⇒ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। যা নিম্নরুপ :-
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকুলে। (Lord Macaulay)
ii) সদস্য- মিঃ ম্যাকলিউড। (J.M. Macleod)
iii) সদস্য-মিঃ এন্ডারসন। (G.W. Anderson)
iv) সদস্য-মিঃ মিলার। (F. Millet)

⇒ এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।
⇒ ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর ভারতে দণ্ডবিধি নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় ইন্ডিয়ান পেনাল কোর্ড (আইপিসি) পাকিস্তান নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় পেনাল কোড (পিপিসি) ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ অভূদ্যয়ের পর প্রেসিডেন্ট আদেশ নং-৮ তারিখ ৩০/০৬/১৯৭৩ মূলে পাকিস্তান দণ্ডবিধি নামের পাকিস্তান শব্দটি তুলে নিয়ে এই আইনের পুনঃ নামকরণ হঃয় দণ্ডবিধি। এতে আছে মোট ২৩টি অধ্যায় ৫১১টি ধারা আছে।

⇒  ১৮৫০ সালে সর্ব প্রথম স্যার হেনরি সামার মেইন সাক্ষ্য আইনের খসড়া বিল তৈরি করলেও তা ভারতে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেনকে (Fitz-James Stephen) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতের দায়িত্ব দেয় এবং স্যার জেমস স্টিফেন ১৮৭১ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করেন। সুতরাং সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।
⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে (James Fitzjames Stephen) সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়। অর্থাৎ স্যার জেমস স্টিফেন ছাড়া বাকি সবায় দণ্ডবিধি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত ১৮৩৭ সালের প্রথম ভারতীয় আইন কমিশনের সদস্য ছিলেন।
১১,৭৬৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত একটি চুক্তির অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের নির্দেশ দিতে কোন শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য না হতে হবে
  2. অংশটি স্বতন্ত্র, স্বাধীন এবং সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য হতে হবে
  3. অংশটি অবশ্যই চুক্তির অন্যান্য অংশের উপর নির্ভরশীল হতে হবে
  4. বাংলাদেশের প্রচলিত আইন দ্বারা অংশটি অবৈধ হতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত একটি চুক্তির অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের নির্দেশ দিতে অংশটি স্বতন্ত্র, স্বাধীন এবং সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য হতে হবে।

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বতন্ত্র অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন: যখন চুক্তির একটি অংশের স্বতন্ত্রভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন করা যায় অথবা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বতন্ত্র এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 16. Specific performance of independent part of contract:
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.

১১,৭৬৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি কয়টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি ৪টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে। যথা-
১। যে ক্ষেত্রে বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে;
২। বাদীর অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়;
৩। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন হলে;
৪। দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল/ হস্তান্তর করলে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে;
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না;
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে;
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।
-------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 11- Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
-Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
১১,৭৬৫.
দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান অনুযায়ী, আসামির মৃত্যু হলে অর্থদণ্ড:
  1. মওকুফ হবে
  2. সরকারের দায়িত্বে থাকবে
  3. পরিবার থেকে আদায় করা হবে
  4. আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে-

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ, আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশ বলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
১১,৭৬৬.
গৃহীত সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ হবে-
  1. সংক্ষিপ্ত আকারে
  2. বিবরণ আকারে
  3. সারমর্ম আকারে
  4. প্রশ্নোত্তর আকারে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯: সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি

(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।

Section 359: Mode of recording evidence

(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
১১,৭৬৭.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় রায় বা ডিক্রির করণিক ও গাণিতিক ভুল সংশোধন করা যায় The Code of Civil Procedure, 1908 ______
  1. ১৫১
  2. ১৫২
  3. ১৫৩
  4. Order VI, Rule-17 অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৫২ ধারা মতে রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক [Clerical] বা গাণিতিক (Arithmetical) ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি [Accidental slip] বা বিচ্যুতির [Omission] কারণে কোন ভুল হলে যে কোন সময় আদালত নিজ উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ বা সংশোধন করতে পারে।
১১,৭৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি কোন ধরনের আইন?
  1. Substantive Law
  2. Procedural Law
  3. Administrative Law
  4. Constitutional Law
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898) একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law বা Adjective Law)। এর কাজ হলো  অপরাধ সংঘটনের পর কীভাবে বিচার হবে, কীভাবে গ্রেফতার, তদন্ত, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, বিচার, রায় ও আপিল হবে এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি নির্ধারণ করে দেওয়া।

- যে আইনে কোনো মামলা কীভাবে চলবে, তা ধাপে ধাপে বলা থাকে— যেমন মামলা দায়ের, তদন্ত, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, বিচার, রায়, আপিল ইত্যাদি। অর্থাৎ, একটি মামলা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কীভাবে বিচার হবে, সেই পদ্ধতি বা নিয়ম যেসব আইনে উল্লেখ থাকে, সেগুলোকে বলা হয় পদ্ধতিগত আইন।
উদাহরণস্বরূপ: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি ও তামাদি আইন।

- অন্যদিকে, মৌলিক বা তত্ত্বগত আইন (Substantive Law) হচ্ছে সেই আইন, যেটা কোনো অধিকার তৈরি করে বা কোনো কাজকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে এবং তার শাস্তি নির্ধারণ করে।
যেমন: দণ্ডবিধিতে বলা আছে কোন কাজ করলে সেটা অপরাধ, এবং সেই অপরাধের শাস্তি কত হতে পারে। তবে দণ্ডবিধিতে বিচার করার নিয়ম বা প্রক্রিয়া বলা নেই।
সেই প্রক্রিয়া ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই দণ্ডবিধি হলো একটি মৌলিক আইন, আর ফৌজদারি কার্যবিধি হলো একটি পদ্ধতিগত আইন।
১১,৭৬৯.
মোকদ্দমার কোন পক্ষের মৃত্যুজনিত কারণে পক্ষভুক্তি না করায় মোকদ্দমা বাতিল হলে উক্ত বাতিল আদেশ সরাসরি রদ করার জন্য কত টাকা খরচ দিতে হয়?
  1. অনধিক ২০০ টাকা।
  2. অনধিক ১০০০ টাকা।
  3. অনধিক ২০০০ টাকা।
  4. অনধিক ৩০০০ টাকা।
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ২২ বিধি-৯ক অনুযায়ী সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ (Directly setting aside abatement or dismissal): বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
♦অর্থাৎ মৃত্যুজনিত কারণে পক্ষভুক্তি না করায় মোকদ্দমা বাতিল [Abatement] হলে ৬০ দিনের মধ্যে উক্ত বাতিল আদেশ সরাসরি রদ [Set aside] করার আবেদনের ক্ষেত্রে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ দিতে হয়।
♦মোকদ্দমা বাতিলের আদেশ রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে- আপিল এবং মঞ্জুর করলে- রিভিশন।
১১,৭৭০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর নিম্নের কোন ধারায় ‘Investigation’ শব্দের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪(ছ)
  2. ৪(ঠ)
  3. ৪(ত)
  4. ৪(প)
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪(ঠ) তে বলা আছে- Investigation (তদন্ত) অর্থ হলো সাক্ষ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত পুলিশ অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি যিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত তার কর্তৃক পরিচালিত কোন কার্যক্রম।
১১,৭৭১.
কোনো পক্ষের আয়ত্তাধীন দলিলসমূহ আদালত কখন দাখিল করার আদেশ প্রদান করতে পারেন?
  1. মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকাকালীন যেকোনো সময়
  2. আরজি দাখিলের সময়
  3. লিখিত জবাব দাখিলের সময়
  4. রায় ঘোষণাকালে
ব্যাখ্যা
 • আদেশ ১১ বিধি ১৪ঃ দলিলাদি দাখিল —

কোন মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকাকালে যেকোনো সময়
কোন পক্ষ কর্তৃক আদালত যথোপযুক্ত মনে করবে এরূপ উক্ত মোকদ্দমায় কোন বিতর্কিত বিষয় সম্পর্কিত তার আয়ত্তাধীন দলিলসমূহ, শপথমূলে দাখিল করার আদেশ প্রদান করা আদালতের পক্ষে আইনসঙ্গত হবে; এবং
দাখিল করা হলে ন্যায়সঙ্গত হবে এরূপ প্রক্রিয়ায় আদালত উক্ত দলিলসমূহ সম্পর্কে বিবেচনা করতে পারে।

[It shall be lawful for the Court at time during the pendency of any suit to order the production by any party any thereto, upon oath of such of the documents in his possession or power relating to any matter in question in such suit, as the Court shall think right; and the Court may deal with such documents when produced in such manner as shall appear just.]
১১,৭৭২.
একজন অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক প্রচারিত আপিলঅযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে, সাধারণতঃ রিভিশন দায়ের করা যায়-
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. বিভাগীয় জজ আদালতে
  3. আপিল বিভাগে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
♦রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

♦১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।

♦দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে।

♦অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার একজন অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক প্রচারিত আপিলঅযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে, সাধারণত রিভিশন দায়ের করা যায় - হাইকোর্ট বিভাগে।
১১,৭৭৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "কার্য"(Act) ও "বিচ্যুতি"(Omission) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩০
  2. ধারা ৩১
  3. ধারা ৩২
  4. ধারা ৩৩
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩ ধারায় কার্য বিচ্যুতি বা “Act” “Omission” এর সংজ্ঞা রয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩ ধারার বিধান:- কার্য বিচ্যুতি:
-কার্য বলতে একক কাজ হিসেবে কার্যসমূহের শ্রেণীকেও বুঝাবে। বিচূতি বলতে একক বিচূতি হিসেবে বিচূতি সমূহের শ্ৰেণীকেও বুঝাবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section-33: “Act” “Omission”:
 The word "act" denotes as well a series of acts as a single act: the word "omission” denotes as well a series of omissions as a single omission.

১১,৭৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করবে না?
  1. কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে।
  2. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
  3. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে।
  4. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে।
ব্যাখ্যা
⇒ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে। ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

-উল্লিখিত প্রশ্ন মতে ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করবে না।

- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-96: When search-warrant may be issued:
-(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained.

(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
১১,৭৭৫.
A অনৈতিকভাবে B-এর ট্রেডমার্ক ব্যবহার করে। B কখন A-এর ট্রেডমার্ক ব্যবহার বন্ধ করার জন্য নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে?
  1. যখন A ট্রেডমার্ক সততার সঙ্গে ব্যবহার করে
  2. যখন B ট্রেডমার্ক সততার সঙ্গে ব্যবহার করে
  3. যখন B ট্রেডমার্ক অসৎভাবে ব্যবহার করে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

⇒ A অনৈতিকভাবে B-এর ট্রেডমার্ক ব্যবহার করে। যদি B নিজে ট্রেডমার্কটি সৎভাবে ব্যবহার করে থাকে, তবে সে A-কে ওই ব্যবহার থেকে বিরত রাখার জন্য আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা (injunction) আদেশ পেতে পারে।
১১,৭৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারায়, আদালত যদি কোনো সম্পত্তি ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা হস্তান্তরের আদেশ দেয়, তবে সেই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য কোন কর্মকর্তা নির্দেশ দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত কোনো সম্পত্তি ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা হস্তান্তরের আদেশ দেয় এবং তাদের নিজস্ব কর্মকর্তা দ্বারা সম্পত্তি হস্তান্তর করা সম্ভব না হয়, তবে আদালত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিতে পারে যাতে তারা এই আদেশ কার্যকর করতে পারে।

অর্থাৎ, সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবেন। হাইকোর্ট বিভাগ বা পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা এই কাজ করতে পারবেন না।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।

- ধারা ৫১৭- যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ:
(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধাজনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।
(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপিল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।
(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এ মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 517. Order for disposal of property regarding which offence committed:
(1) When an inquiry or a trial in any Criminal Court is concluded, the Court may make such order as it thinks fit for the disposal by destruction, confiscation, or delivery to any person claiming to be entitled to possession thereof or otherwise of any property or document produced before it or in its custody or regarding which any offence appears to have been committed, or which has been used for the commission of any offence. 
(2) When High Court Division or a Court of Session makes such order and cannot through its own officers conveniently deliver the property to the person entitled thereto, such Court may direct that the order be carried into effect by the Chief Metropolitan Magistrate or District Magistrate. 
(3) When an order is made under this section such order shall not, except where the property is livestock or subject to speedy and natural decay, and save as provided by sub-section (4), be carried out for one month, or, when an appeal is presented, until such appeal has been disposed of. 
(4) Nothing in this section shall be deemed to prohibit any Court from delivering any property under the provisions of sub-section (1) to any person claiming to be entitled to the possession thereof, on his executing a bond with or without sureties to the satisfaction of the Court, engaging to restore such property to the Court if the order made under this section is modified or set aside on appeal.
Explanation- In this section the term "property" includes in the case of property regarding which an offence appears to have been committed, not only such property as has been originally in the possession or under the control of any party, but also any property into or for which the same may have been converted or exchanged, and anything acquired by such conversion or exchange, whether immediately or otherwise.
১১,৭৭৭.
Under Section 55 of The Penal Code, 1860, who has the authority to commute a sentence of imprisonment for life?
  1. The High Court
  2. The President
  3. The Government
  4. The Trial Court
ব্যাখ্যা
Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
১১,৭৭৮.
শ্রমিকের মজুরীর আদায়ের জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭ বিধান গৃহ-ভৃত্য কারিগর বা শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ, যখন মজুরী বকেয়া হয় তখন থেকে ১ বছর।
- অর্থাৎ শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
১১,৭৭৯.
নিচের কোনটি দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে
  2. ডিক্রিদারকে আদালতের বাইরে টাকা দিয়ে
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়
  4. দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর আদেশ-২১, বিধি-১: ডিক্রির টাকা পরিশোধ- ২১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে ডিক্রির টাকা ৩ ভাবে পরিশোধ করা যায়। যথা-
ⅰ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
ii) ডিক্রিদারকে আদালতের বাহিরে টাকা দিয়ে; এবং
iii) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়ে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যায়।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ এর অধীনে 'দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে' ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়।

⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলী আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।

⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
ⅳ) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোন উপায়ে।
১১,৭৮০.
আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ আছে-
  1. ২৯ অনুচ্ছেদে
  2. ২৭ অনুচ্ছেদে
  3. ২২ অনুচ্ছেদে
  4. ২৮ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৯

আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা
তামাদি- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- জব্দ করার তারিখ।
১১,৭৮১.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়?
  1. ১২
  2. ১৩
  3. ১০২
  4. ১০৩
ব্যাখ্যা
♦যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে। নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।
ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

♦সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১১,৭৮২.
ফৌজদারি মামলায় গৃহীত সাক্ষ্য কোন পদ্ধতিতে লিপিবদ্ধ করা হবে?
  1. সংক্ষিপ্ত আকারে
  2. প্রশ্নোত্তর আকারে
  3. বিবরণ আকারে
  4. সারাংশ আকারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯: সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি-
(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।
 --------------------
The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 359: Mode of recording evidence-
(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative.
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
১১,৭৮৩.
অ্যাডভোকেটদের পেশাগত নৈতিকতা ও আচরণ বিধি কে নির্ধারণ করে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
  3. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  4. আইন ও বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
১১,৭৮৪.
দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারায় বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়ের জন্য সর্বোচ্চ কী শাস্তি নির্ধারিত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারা অনুযায়ী, কেউ Extortion (অর্থাৎ কাউকে ভয় দেখিয়ে বা জোর প্রয়োগ করে সম্পত্তি আদায়) করলে তাকে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে। এ কারণে, সঠিক ও সর্বোচ্চ শাস্তির মেয়াদ ৩ বছর, তাই উত্তর: খ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়ের সাজা (Punishment for extortion):- কোন ব্যক্তি যদি বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায় করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 384 Punishment for extortion:
Whoever commits extortion shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১১,৭৮৫.
স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করলে ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৪৯৪ ধারার বিধান স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহকরণ (Marrying again during lifetime of husband or wife) : কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিবাহটি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যতিক্রম:- অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। বা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বছর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বছর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
১১,৭৮৬.
মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে নোটিশ প্রদানের কত দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-১২ বিধি-২০ এর বিধান দলিল স্বীকারের নোটিশ:
- সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিস জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে, তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক, অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদিনা অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
---------------------------------
- CPC Order-12 Rule-2. Notice to admit documents: 
- Either party may call upon the other party to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.
১১,৭৮৭.
.“বিবাদীর জন্য ‘Hardship' হলে চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবতযোগ্য নয়”-এই সংক্রান্ত ধারণা পাওয়া যায় The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায়?
  1. ২২
  2. ১৫
  3. ২১
  4. ১৪
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং  যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা [hardship] সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।

♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২২ ধারার অধীন ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে আদালত ক্ষতিপূরণ |solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে যথা:
(১) যেক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং
(২) যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলববরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না।
১১,৭৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন সহকারী জজ আদালতে পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্তের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা: 
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে। 
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।

- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
১১,৭৮৯.
সমন ফেরত আসার কত দিনের মধ্যে বাদী নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে?
  1. ২ মাসের
  2. ৪ মাসের
  3. ১ মাসের
  4. ৬ মাসের
ব্যাখ্যা
যখন সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসে এবং অতঃপর এক মাস পর্যন্ত বাদী নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করে, তখন মোকদ্দমা খারিজ হয়
 
আদেশ ৯ বিধি-৫ঃ
১) বিবাদিকে কিংবা কতিপয় বিবাদির কোন একজনের প্রতি সমন দেয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারি বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদি যদি নতুন সমন দেয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদির বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দিবে। যদি না উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদি নিম্নলিখিত যে কোন কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদির উপর সমন জারি হয়নি, বাদি যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও ঐ বিবাদির ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা

খ) উক্ত বিবাদি পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলতেছে; অথবা

গ) সময়ের মেয়াদ বাড়াতে কোন সঙ্গত কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নূতন সমন দেয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদি (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
১১,৭৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারা অনুযায়ী, কোনো দণ্ডাদেশ কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারি করার ক্ষমতা কার নেই?
  1. দণ্ডাদেশদাতা জজ
  2. দণ্ডাদেশদাতা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মামলার অপরাধ তদন্তকারী কর্মকর্তা
  4. দণ্ডাদেশদাতা জজের স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তি 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৯ শুধুমাত্র নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের দণ্ডাদেশ কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারির ক্ষমতা দেয়:
১. দণ্ডাদেশদাতা জজ (ক)
২. দণ্ডাদেশদাতা ম্যাজিস্ট্রেট (খ)
৩. দণ্ডাদেশদাতা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তি (ঘ)

- তদন্তকারী কর্মকর্তা (গ) — যিনি মামলার তদন্ত করেন (যেমন: পুলিশের উপ-পরিদর্শক/এসআই, তদন্ত কর্মকর্তা) — ধারা ৩৮৯ অনুযায়ী পরোয়ানা জারির কোনো ক্ষমতা নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারার বিধান- কে পরোয়ানা জারি করতে পারে:
- যে জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড দিয়াছেন তিনি বা তার স্থলাভিষিক্ত জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা ইসু করতে পারবেন।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 389: Who may issue warrant:
- Every warrant for the execution of any sentence may be issued either by the Judge or Magistrate who passed the sentence, or by his successor in office.

১১,৭৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় 'Representative suit' এর বিধান রয়েছে?
  1. Rule-8, Order-2
  2. Rule-1, Order-8
  3. Rule-8, Order-1
  4. Rule-4, Order-1
ব্যাখ্যা
Rule-8, Order-1: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.

⇒  দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।
১১,৭৯২.
'মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. আদেশ ১ বিধি ২
  2. আদেশ ২ বিধি ২
  3. আদেশ ২ বিধি ৫
  4. আদেশ ২ বিধি ৮
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২ এর বিধি ২ অনুসারে,
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে, পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

• আদেশ ২ বিধি ২- 
১) সমগ্র দাবী মোকদ্দমার অন্তর্ভুক্ত করতে হবেঃ 
যেকোন মোকদ্দমার সারবস্তু সম্বন্ধে বাদি যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। অবশ্য মোকদ্দমাটি কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার দাবী আংশিকভাবে বর্জন করার যদি দরকার হয় তাহলে তা করতে পারবে।

২) দাবীর অংশ পরিত্যাগঃ
 বাদী যদি তার দাবীর কোন অংশ উল্লেখ না করে মোকদ্দমা করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে দাবী আংশিক বর্জন করে, তবে পরে ঐ দাবী বা দাবীর সে অংশের জন্য মোকদ্দমা করা চলবে না।

৩) একাধিক প্রতিকারের মধ্যে কোন একটির জন্য মোকদ্দমা করতে বর্জনঃ
কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

ব্যাখা- উক্ত বিধির উদ্দেশ্যে কোন বাধ্যবাধকতা এবং তা সম্পাদন করার নিমিত্তে প্রদত্ত আনুষঙ্গিক জামানত এবং উক্ত বাধ্যবাধকতা হতে উদ্ভূত আনুক্রমিক দাবীসমূহ ক্রমান্বয়ে একটি মোকদ্দমার কারণই সৃষ্টি করবে।

উদাহরণ-
'ক' বার্ষিক ১২০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে একটি বাড়ী ভাড়া দেয়। ১৯০৫, ১৯০৬ এবং ১৯০৭ সালে সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি পড়ে। ১৯০৮ সালে 'ক' শুধুমাত্র ১৯০৬ সালে ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। ১৯০৫ ও ১৯০৭ সালে ভাড়ার জন্য 'ক' পরে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না।
১১,৭৯৩.
'A' একজন সাক্ষী, 'X' একজন ম্যাজিষ্ট্রেট। 'X' এর সম্মুখে 'A' সাক্ষ্য দেওয়ার সময় 'X' বলেন যে, তিনি 'A' এর একটি কথাও বিশ্বাস করেন না। তিনি আরও বলেন যে, 'A' মিথ্যা শপথ ও সাক্ষ্য দিচ্ছে। তাতে 'A' হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে উঠে এবং 'X' কে হত্যা করে। 'A' দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ২৯৯
  2. ৩০০
  3. ৩০৪ক
  4. ৩০৯
ব্যাখ্যা
⇒ 'A' দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায় খুনের অপরাধ করেছে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।চ
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১ এর ২য় শর্ত সাপেক্ষে ক খুনের অপরাধ করিয়াছে।

---------------
Exception 1.-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident.
The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person.
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant.
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence.
Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.
১১,৭৯৪.
ধারা ১৪৪(১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, উক্ত উদ্দেশ্যে-
  1. নতুন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে
  2. পুনঃবিচারের আবেদন করা যাবে
  3. আদালত পুনরায় রায় দিতে বাধ্য হবে
  4. কোন নতুন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

১১,৭৯৫.
A, intending or knowing himself to be likely permanently to disfigure Z's face, gives Z a blow which does not permanently disfigure Z's face, but which causes Z to suffer severe bodily pain for the space of twenty days. What crime has A committed voluntarily ?
  1. Simple hurt
  2. Grievous hurt
  3. Attempted murder
  4. Causing hurt by negligence
ব্যাখ্যা
Section 322: Voluntarily causing grievous hurt:
Whoever voluntarily causes hurt, if the hurt which he intends to cause or knows himself to be likely to cause is grievous hurt, and if the hurt which he causes is grievous hurt, is said “voluntarily to cause grievous hurt". 
Explanation.- A person is not said voluntarily to cause grievous hurt except when he both causes grievous hurt and intends or knows himself to be likely to cause grievous hurt. But he is said voluntarily to cause grievous hurt, if intending or knowing himself to be likely to cause grievous hurt of one kind, he actually causes grievous hurt of another kind. 
 
Illustration-
A, intending or knowing himself to be likely permanently to disfigure Z's face, gives Z a blow which does not permanently disfigure Z's face, but which causes Z to suffer severe bodily pain for the space of twenty days. A has voluntarily caused grievous hurt.

স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত দেওয়া:
যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, যদি তার উদ্দেশ্য বা জানাশোনা থাকে যে যে আঘাত সে দিতে যাচ্ছে তা গুরুতর আঘাত হবে এবং সে গুরুতর আঘাতই দেয়, তাহলে তাকে "স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত দেওয়া" বলা হয়।

ব্যাখ্যা: একজন ব্যক্তিকে "স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত দেওয়া" বলা যাবে না, যদি সে শুধু গুরুতর আঘাত প্রদান করে এবং তার উদ্দেশ্য বা জানা না থাকে যে সে গুরুতর আঘাত দিতে যাচ্ছে। কিন্তু, যদি সে একজন ব্যক্তি গুরুতর আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে বা জানাশোনায় আঘাত দেয় এবং সে অন্য ধরনের গুরুতর আঘাত দেয়, তাহলে তাকে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত দেওয়া হবে।

উদাহরণ:
'ক', যদি জানে বা মনে করে যে 'ম' এর মুখে স্থায়ীভাবে ক্ষতি করবে এবং সে 'ম' কে এমন এক আঘাত দেয় যা 'ম' এর মুখে স্থায়ী ক্ষতি না ঘটিয়ে, তবে 'ম' এর ২০ দিনব্যাপী তীব্র শারীরিক ব্যথা সৃষ্টি করে, তাহলে এ স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত দিয়েছে।
১১,৭৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নের কোন ক্ষেত্রে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে না?
  1. দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে
  2. দলিল বা অন্য কোন বস্তু অভিযুক্তের দখলে থাকলে
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে
  4. দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে। ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
 
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
 
• ধারা ৯৬-
 
(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না, অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নেই অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
 
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
১১,৭৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কোন ক্ষেত্রে সাক্ষী হিসেবে ডাকা যাবে?
  1. আদালত নির্দেশ দিলে
  2. সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ করলে
  3. একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য ব্যক্তি আবেদন করলে
  4. উল্লিখিত যেকোনো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারা (যার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করার অধিকার ও সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা)-

অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক সাক্ষ্য দিতে পারবে।তবে শর্ত এই যে-
সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

Section 340 (Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness)-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 
 
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
১১,৭৯৮.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় RES JUDICATA নীতির প্রতিফলন আছে?
  1. ৩৯ ধারা
  2. ৪১ ধারা
  3. ৪০ ধারা
  4. ৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষ গণের মধ্যে কোন মামলা চূড়ান্ত সমাপ্ত হলে পরবর্তীতে একই বিষয় নিয়ে মামলা করা হলে পরবর্তী মামলা খারিজ হবে।
এই নীতি আরো পাওয়া যায়:-
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারা
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারা
- সাংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদ।
১১,৭৯৯.
বেপরোয়াভাবে নৌযান চালানোর শাস্তি কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৮০ ধারায়
  2. ২৭৫ ধারায়
  3. ২৭৬ ধারায়
  4. ২৭৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৮০ ধারায় বেপরোয়া নৌযান চালানোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

♦ দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা বেপরোয়াভাবে নৌযান চালনা:- কোন ব্যক্তি যদি এমন বেপরোয়াভাবে বা অবেহলার সাথে কোন নৌযান চালনা করে, যার কারণে কোন মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত লাগার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ Section 280. Rash navigation of vessel:- Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১১,৮০০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কত উপায়ে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট ৩টি উপায়ে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।
-কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুযায়ী,ম্যাজিস্ট্রেটগণ ৩টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে নিতে পারেন-
- অভিযোগ [ (ধারা ১৯০(১)(ক) ]
- পুলিশের লিখিত রিপোর্ট [ ধারা ১৯০(১)(খ) ]
- তথ্য,নিজস্ব জ্ঞান বা সন্দেহবশত কোনো তথ্য পেলে [ ধারা ১৯০(১)(গ) ] ।
তবে এই উৎসের উপর ভিত্তি করে ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারবেন না।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-190.Cognizance of offences by Magistrates:
(1) Except as hereinafter provided, any Chief Metropolitan Magistrate, Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Magistrate of the first class, and any other Magistrate specially empowered in this behalf under sub-section (2) or (3)], may take cognizance of any offence-
(a) upon receiving a complaint of facts which constitute such offence;
(b) upon a report in writing of such facts made by any police-officer;
(c) upon information received from any person other than a police-officer, or upon his own knowledge or suspicion, that such offence has been committed.