বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১১৭ / ১২৬ · ১১,৬০১১১,৭০০ / ১২,৬০৫

১১,৬০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৯ অনুযায়ী, চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা দায়েরকারী ব্যক্তি কী দাবি করতে পারে?
  1. শুধু চুক্তি পুনর্বহাল
  2. চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ
  3. চুক্তি পুনর্বহাল এবং ক্ষতিপূরণ উভয়ই
  4. চুক্তি বাতিল করার
ব্যাখ্যা
উত্তর:গ) চুক্তি পুনর্বহাল এবং ক্ষতিপূরণ উভয়ই।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার অধীনে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা দায়েরকারী ব্যক্তি কেবল চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি করতে পারেন না, বরং চুক্তি লঙ্ঘনের কারণে ক্ষতিপূরণও চাইতে পারেন।

এই ধারায় দুটি পরিস্থিতি উল্লেখ করা হয়েছে—
১) যদি আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন মঞ্জুর না করেন:
আদালত যদি মনে করেন যে চুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বা উপযুক্ত সমাধান নয়, তবে তিনি ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারেন।
উদাহরণ: A, B-কে ১০০ মণ চাল বিক্রির চুক্তি করেছিল, কিন্তু পরে চাল সরবরাহ করেনি। আদালত চুক্তি কার্যকর করতে না পারলে B-কে ক্ষতিপূরণ দিতে পারেন।
২) যদি আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন মঞ্জুর করেন, তবে ক্ষতিপূরণও প্রয়োজন হয়:
কখনও কখনও কেবল চুক্তি কার্যকর করাই যথেষ্ট নয়, বরং চুক্তি লঙ্ঘনের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণও প্রয়োজন হয়।
উদাহরণ: A, B-কে একটি বাড়ি বিক্রি করার চুক্তি করেছিল এবং জানুয়ারির ১ তারিখে দখল দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দখল দিতে এক বছর দেরি হয়। আদালত চুক্তি বাস্তবায়নের আদেশ দিলে B-কে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণও দিতে পারেন, কারণ সে এক বছর বাড়ি ব্যবহার করতে পারেনি।

⇒ অর্থাৎ বাদী কেবল চুক্তির পুনর্বহালের (specific performance) জন্য মামলা করতে পারেন না, বরং প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণও দাবি করতে পারেন।
- আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন মঞ্জুর না করলেও ক্ষতিপূরণ দিতে পারেন।
- যদি চুক্তি বাস্তবায়িত হয়, তবে তাতেও যদি বাদীর ন্যায্য অধিকার পূর্ণ না হয়, তাহলে ক্ষতিপূরণও দেওয়া যেতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
১১,৬০২.
কোনো ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য মোকদ্দমার এক পক্ষ অপর পক্ষকে কখন নোটিশ প্রদান করবে?
  1. ইস্যু গঠনের ৯ দিন পূর্বে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের ৯ দিনের মধ্যে
  3. মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে
  4. আরজি দাখিলের ৯ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ [বিধি-২];
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।

• আদেশ-১২, বিধি-৪: ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-
মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করবে এবং নোটিশ প্রদানের ৬ দিনের মধ্যে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
১১,৬০৩.
কোন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কিভাবে কার্যকর করা যাবে?
  1. মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে
  2. ফায়ারিং স্কোয়াডে কার্যকর করতে হবে
  3. বিষ প্রয়োগে কার্যকর করতে হবে
  4. যেকোনো ভাবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৮-

কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত হলে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে তা কার্যকর করা হবে।

[When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.]
১১,৬০৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির ২৯গ ধারাবলে ক্ষমতা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কী শাস্তি দিতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩ক ধারা-
২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 33A: Higher powers of certain Magistrates-
The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
১১,৬০৫.
Under Section 143 of The Penal Code, 1860, a person can be punished if he is:
  1. leading an unlawful assembly
  2. member of an unlawful assembly
  3. indirectly supporting an unlawful assembly
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি:
কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনী সমাবেশের সদস্য হয়, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ Section 143- Punishment:
Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
১১,৬০৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order IX, Rule 13-এর Proviso অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে আদালত অন্য বিবাদীদের বিরুদ্ধেও ডিক্রি বাতিল করতে পারে?
  1. যদি বাদী চায়
  2. যদি ডিক্রি কেবল আর্থিক হয়
  3. যদি অন্য বিবাদীরা অনুপস্থিত থাকে
  4. যদি ডিক্রি কেবল একজনের বিরুদ্ধে বাতিল করা যায় না
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order IX, Rule 13:
(১) কোনো মামলায় যদি বিবাদীর বিরুদ্ধে ex parte ডিক্রি জারি করা হয়, তবে সে আদালতের কাছে আবেদন করতে পারে যা ডিক্রি জারি করেছে, যাতে সেই ডিক্রি বাতিল (set aside) করা হয়।

আদালত সেই বিবাদীকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে— সমন (summons) যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া হয়নি, অথবা সে যথাযথ কারণে উপস্থিত হতে পারেনি, যখন মামলার শুনানি হয়েছে।

এই শর্ত পূরণ হলে, আদালত সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে জারি ডিক্রি বাতিল করবে এবং প্রযোজ্য হলে খরচ (costs) সম্পর্কিত শর্ত নির্ধারণ করবে। আদালত মামলার শুনানির জন্য নতুন দিনও নির্ধারণ করবে।

Proviso (শর্তাবলী):
- যদি ডিক্রি এমন প্রকৃতির হয় যে শুধুমাত্র সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে বাতিল করা সম্ভব নয়, তাহলে আদালত তা অন্য সকল বা যেকোনো অন্যান্য বিবাদীর বিরুদ্ধেও বাতিল করতে পারে।

- একই বিবাদী এই রুলের মাধ্যমে একাধিকবার ডিক্রি বাতিল করতে পারবে না।

(২) সাব-রুল (১) অনুযায়ী করা আবেদনগুলিতে Limitation Act, 1908-এর ধারা ৫ প্রযোজ্য হবে।

১১,৬০৭.
আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power of the Court) বলতে কী বোঝায়?
  1. আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা
  2. আদালতের দেওয়ানি মামলা পরিচালনার ক্ষমতা
  3. আদালতের ফৌজদারি মামলা পরিচালনার ক্ষমতা
  4. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
উত্তর: ঘ) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
⇒ আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power of the Court) বলতে আদালতের সেই ক্ষমতাকে বোঝায়, যা আদালত তার সুবিবেচনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োগ করতে পারে। এই ক্ষমতা আইনে সরাসরি উল্লেখিত না থাকলেও, আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা ও অপব্যবহার রোধের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় এই ক্ষমতার স্বীকৃতি রয়েছে, যা হাইকোর্ট বিভাগকে নিম্নলিখিত তিনটি ক্ষেত্রে ক্ষমতা প্রদান করে—
১. আদালতের আদেশ কার্যকর করা
২. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
৩. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা

⇒ এটি আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা (প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত ক্ষমতা) বা শুধুমাত্র দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা পরিচালনার ক্ষমতা নয়; বরং এটি আদালতের বিশেষ ক্ষমতা, যা ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োগ করা হয়।
১১,৬০৮.
আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের পূর্বে প্রসিকিউশন কোন মামলা প্রত্যাহার করলে ফলাফল কী হবে?
  1. আসামির খালাস।
  2. আসামির মুক্তি।
  3. আসামির অব্যাহতি।
  4. উপরের কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯৪ মতে- পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচেছ, তা যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে প্রত্যাহার করতে পারবেন।
•অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে প্রত্যাহার করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পকে আসামীকে অব্যাহতি দান করতে হবে। 
১১,৬০৯.
'ক', 'গ' এর মুখে ঘুষি মারলে তার একটি দাঁত পড়ে যায়। 'ক' এর কৃত অপরাধ হলো-
  1. হত্যা চেষ্টা
  2. ইচ্ছাকৃত জখম
  3. সাধারন জখম
  4. মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা 
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
১১,৬১০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় মানহানির (Defamation) সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪৯৬ ধারা
  2. ৪৯৭ ধারা
  3. ৪৯৯ ধারা
  4. ৫০০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির (Defamation) সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যখন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে মিথ্যা বা কুৎসাজনক বক্তব্য বলা হয় যা তার সুনাম ক্ষুণ্ণ করে, তখন তাকে মানহানি বলা হয়। তবে ৪৯৯ ধারায় মোট ১০টি ব্যতিক্রম উল্লেখ আছে যেখানে সত্য বা সৎ বিশ্বাসে কিছু কথোপকথন মানহানি হিসেবে গণ্য হবে না। অন্যদিকে, ৫০০ ধারা শাস্তি সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আলোচনা করে। তাই মানহানির সংজ্ঞা এবং ব্যতিক্রম ৪৯৯ ধারাতেই পাওয়া যায়।

⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি ব্যতিক্রম নিচে দেওয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ শাস্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
১১,৬১১.
মামলা করার অধিকার সৃষ্টির পূর্বেই সংশ্লিষ্টব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে তার আইনানুগ উত্তরাধিকারী মামলা করার যোগ্য হওয়ার তারিখ থেকে তামাদি গণনা শুরু হবে। এই বিধানের ব্যতিক্রম হলো ________ মামলা।
  1. টাকার দাবীর
  2. পথাধিকারের দাবীর
  3. অগ্রক্রয়ের
  4. স্বত্ব ঘোষনার দাবীর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রমঃ ৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
♦ তামাদি আইনের ৮ ধারামতে আইনগত অক্ষমতা শেষ হওয়ার পর তিন (৩) বছর অতিবাহিত হলে তামাদি মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ আইনগত অক্ষমতা শেষ হওয়ার তিন বছর পর মামলা করলে উক্ত মামলা খারিজ হবে।
১১,৬১২.
'ক' মৃত্যু হবে জেনেও 'খ' এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে গুলি ছোঁড়েন কিন্তু ঐ গুলিতে 'গ' এর মৃত্যু হয়। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. খুনের অপরাধ করেছে
  2. ৩০১ ধারার অধীনে অপরাধ করেছে
  3. ৩০৪ ধারার অধীনে অপরাধ করেছে
  4. অপরাধ করে নি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।

Section: 301- Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
১১,৬১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারায় চুক্তির কোন অংশটির জন্য সাধারণত আর্থিক ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত হয়?
  1. বৃহত্তর অংশ
  2. ক্ষুদ্রতর অংশ
  3. উভয় অংশ
  4. কোন অংশের জন্য নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
১১,৬১৪.
'Canons of Professional Conduct and Etiquette' এর ৪র্থ অধ্যায়ের বিষয়বস্তু কী?
  1. জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব
  2. মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
  3. আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব
  4. আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
ব্যাখ্যা
⇒ "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য;
২য় অধ্যায়- মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব।
------------------------------
-একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য: “Canons of Professional Conduct and Etiquette” অংশের চতুর্থ অধ্যায়ের ১-৮ বিধি অনুযায়ী একজন আইনজীবীর জনগণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কী তা উল্লেখ করা হয়েছে-
- একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ৮টি:
[বিধি-১]-কোন ব্যক্তিকে হয়রানির উদ্দেশ্যে নিযুক্তি না নেওয়া: কোন ব্যক্তিকে বিরক্ত করা, হয়রানি করা বা মোকদ্দমা বিলম্বিত করা ইত্যাদি উদ্দেশ্যে বাদী বা বিবাদী কোন পক্ষে একজন আইনজীবী নিযুক্ত হবেন না।
[বিধি-২]- ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করা: একজন আইনজীবী সর্বদা তার ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করবেন। বিচার চলাকালে আইন বহির্ভুত কাজ করবেন না।
[বিধি-৩]- ক্ষতির উদ্দেশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করা: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মোকদ্দমা দায়ের বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।
[বিধি ৪]- পরামর্শ প্রদানে বাধ্যবাধকতা: কোন আইনজীবী প্রত্যেককে পরামর্শ প্রদান করতে বা আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য নন।
[বিধি-৫]-  মোকদ্দমা গ্রহণ বা বর্জন করতে পারেন: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তি বা সংস্থা যতই ক্ষমতাবান হোক অথবা রাজনৈতিক মোকদ্দমা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক তিনি পেশাগত নিযুক্তি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন।
[বিধি-৬]- পরিচয় প্রকাশ করা: কোন আইনজীবী কোন সরকারি অফিসার, বোর্ড কমিটি ইত্যাদির নিকট পেশাগত দায়িত্বে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি তার পরিচয় দিবেন।
[বিধি-৭]- পূর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে: কোন আইনজীবী যদি কোন বিষয়ে পূর্বে বিচারক পদমর্যাদায় কাজ করেন তাহলে তিনি সেই বিষয়ে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ লাভ করবেন না।
[বিধি-৮]- ব্যবসা, চাকুরি বা অন্য পেশার সাথে জড়িত না হওয়া: একজন আইনজীবী নিজের আইন পেশা ব্যতীত অন্য কোন ব্যবসা, চাকুরি বা পেশার সাথে জড়িত হবে না।
১১,৬১৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ অনুসারে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে বিকল্প প্রতিকার হিসেবে নিম্নের কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না?
  1. দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক
  2. দায়িকের সম্পত্তি ক্রোক করা
  3. দায়িকের সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা
  4. দায়িককে জরিমানা করা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান:

অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে। 

Order-21 Rule-30- Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
১১,৬১৬.
'একটি চুক্তি কেবলমাত্র ভুলের জন্য রদ হবে না' এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৩৮
  2. ৩৫
  3. ৩৬
  4. ৩৭
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
----------------------------
⇒ SR Act: Section-36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
১১,৬১৭.
Test Identification Parade (T.I.P) সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার অধীনে প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত হয়?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ৮
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের অধীন T.I.P অর্থ Test Identification Parade. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

১১,৬১৮.
একটি সহকারী জজ আদালত নিম্নের কোন সম্পত্তি রায় প্রদানের পূর্বে অগ্রিম ক্রোকের আদেশ দিতে পারে না?
  1. কৃষকের জমি/বাড়ি
  2. কৃষকের স্থাবর সম্পত্তি
  3. কৃষকের ফসল
  4. ব্যাংকে রক্ষিত কৃষকের টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৮ এর বিধান হলো-রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক ও আটক করা।

 অনেক সময় রায় প্রদানের পূর্বেই বিবাদীকে গ্রেফতার করার প্রয়োজন হতে পারে এবং সম্পত্তি ক্রোক করার প্রয়োজন হতে পারে যেন বাদীর প্রতিকারে কোন বিলম্ব না হয়। আদেশ ৩৮ অনুযায়ী ২ ধরনের আদেশ হতে পারে-
১) রায়ের পূর্বে গ্রেফতার,
২) রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক।

আদেশ ৩৮ বিধি ১২- রায়ের পূর্বে কৃষিজ দ্রব্য ক্রোক-অযোগ্য:

আদালত কৃষকের দখলে থাকা কৃষি পণ্য (যেমন- জমির ফসল) রায়ের পূর্বে ক্রোকের আদেশ দিতে পারবে না। এককথায়- রায়ের পূর্বে কৃষিজ দ্রব্য ক্রোক-অযোগ্য।
১১,৬১৯.
চুরি করতে গিয়ে কাউকে আটকের ভীতি প্রদর্শন করলে, দণ্ডবিধি অনুসারে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়?
  1. Wrongful restraint
  2. Extortion
  3. Robbery 
  4. Dacoity
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধি অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তি চুরি (theft) করার সময় বা চুরি শেষে ভয় দেখায়, আঘাত করে, বা মৃত্যু/আটকের আশঙ্কা সৃষ্টি করে — অর্থাৎ, ভুক্তভোগীকে ভয় দেখিয়ে চুরি সম্পন্ন করে, তবে সেই চুরি আর সাধারণ চুরি থাকে না, সেটি Robbery (দস্যুতা) হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান
- দস্যুতা: 
প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে: চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে: বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা: অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

১১,৬২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৯ ধারায় কোন ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করা যায়?
  1. ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
  2. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
  3. ব্যক্তি বা স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
  4. স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৯ এ ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের ক্ষেত্রে  ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হবে তা বলা হয়েছে। 

• ধারা ১৯-
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

উদাহরণঃ
ক) 'এ'-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে 'বি'-কে ঢাকায় মারধর করে। 'বি' ঢাকায় বা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।
খ) চট্টগ্রামে বসবাসকারী 'এ' ঢাকায় 'বি' সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। 'বি' ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।

Section 19: Suits for compensation for wrongs to person or movables-
Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plantiff in either of the said Courts. 
 
Illustrations-
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka. B may sue A either in Dhaka or in Chittagong. 
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
১১,৬২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ অনুসারে কারাবাসের স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা কার হাতে রয়েছে?
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. জেল সুপারিন্টেনডেন্ট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ অনুসারে কারাবাসের স্থান নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারের হাতে থাকে। আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট শুধু কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশ দেয়, কিন্তু কারাগারে কাউকে কোথায় রাখা হবে তা সরকার নির্ধারণ করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ - কারাবাসের স্থান নির্ণয়ের ক্ষমতা:
(১) বর্তমানে বলবৎ কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামি অথবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তন:
এই বিধির অধীনে কারাদণ্ড বা হেফাজতে রাখার আদেশপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি যদি দেওয়ানী জেলে আটক থাকেন, তবে যিনি তার কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশ দিয়েছেন সেই আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারেন যে, তাকে ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত করা হবে।
(৩) কোন ব্যক্তি (২) উপধারার অধীন ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হলে তা হতে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না
ক) ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে দেওয়ানী জেল হতে অব্যাহতি পেয়েছে বলে গণ্য করতে হবে, অথবা
খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়া ছিলেন সেই আদালত ফৌজদারি জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে অব্যাহতি পাওয়ার অধিকারী।
----------

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 541.Power to appoint place of imprisonment:
(1) Unless when otherwise provided by any law for the time being in force, the Government may direct in what place any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code shall be confined.
Removal to criminal jail of accused or convicted persons who are in confinement in civil jail, and their return to the civil jail:
(2) If any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code is in confinement in a civil jail, the Court or Magistrate ordering the imprisonment or committal may direct that the person be removed to a criminal jail. 
(3) When a person is removed to a criminal jail under sub-section (2), he shall, on being released therefrom, be sent back to the civil jail, unless either– 
(a) Three years have lapsed since he was removed to the criminal jail, in which case he shall be deemed to have been discharged from the civil jail under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908; or
(b) The Court which ordered his imprisonment in the civil jail has certified to the officer in charge of the criminal jail that he is entitled to be discharged under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908.
১১,৬২২.
সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় আদালত নিম্মলিখিত কোন ধরনের অনুমান করতে পারে?
  1. জীবিত অনুমান
  2. মৃত্যু অনুমান
  3. বৈধতার অনুমান
  4. সম্পর্কের অনুমান
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় আদালত কোন ব্যক্তিকে জীবিত অনুমান করতে বাধ্য যদি সে বিগত ৩০ বৎসর যাবৎ জীবিত ছিল বলে জানা যায়। যদি এমন ব্যক্তিকে কেউ মৃত বলে দাবী করে তবে তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
১১,৬২৩.
একজন দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকার অর্থদণ্ড দিতে পারে?
  1. ১০০০০
  2. ২০০০
  3. ৭০০০
  4. ৫০০০
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধানঃ (১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ

(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।

♦ ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
১১,৬২৪.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল-এর বিধি কত অনুযায়ী কাউন্সিল-এর সভা আহ্বান করবে?
  1. ২৭
  2. ২৮
  3. ২৩
  4. ৩০
ব্যাখ্যা
♣ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 বিধি ২৮ অনুযায়ী সচিব নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে ১ম সভা আহ্বান করবেন। 
১১,৬২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের কয় নং আইন?
  1. ১নং
  2. ৫নং
  3. ৯নং
  4. ৭নং
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫নং আইন। সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়। বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]। দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন হলো দেওয়ানি কার্যবিধি। এই আইনে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে:
- দেওয়ানি কোর্টসমূহ কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবে,
- মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কিভাবে মোকদ্দমা দায়ের করবে,
- মোকদ্দমার আরজি এবং লিখিত জবাব দাখিল করবে,
- সমন জারি,
- পক্ষসমূহের শুনানীর সময় উপস্থিতি,
- মোকদ্দমার শুনানী, রায় ঘোষণা, ডিক্রি জারি; এবং
- বলবৎকরণ, আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।
১১,৬২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ অনুযায়ী, যখন একজন পুলিশ কর্মকর্তা সাত বছরের কম মেয়াদের অপরাধে কাউকে গ্রেপ্তার করেন, তখন তার কী করা বাধ্যতামূলক?
  1. গ্রেপ্তারের আগে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নেওয়া।
  2. গ্রেপ্তারের কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করা।
  3. গ্রেপ্তারের সময় একজন সাংবাদিককে উপস্থিত থাকতে দেওয়া।
  4. গ্রেপ্তারের কারণ মৌখিকভাবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে জানানো।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪(১) দ্বিতীয়ত অংশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "the police-officer shall record while making such arrest, his reasons in writing" (পুলিশ অফিসার এই ধরনের গ্রেপ্তার করার সময় তার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন)।
- এটি বিশেষভাবে সেই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যখন সাত বছরের কম বা সর্বোচ্চ সাত বছর সাজার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয় এবং গ্রেপ্তারের প্রয়োজনীয়তা উপ-শর্ত (ii) এর (ক) থেকে (ঙ) অনুসারে প্রতিষ্ঠিত করতে হয়।
- সুতরাং, গ্রেপ্তারের কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করা বাধ্যতামূলক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ "কখন পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারে" (When police may arrest without warrant)
(১) যেকোনো পুলিশ অফিসার ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং ওয়ারেন্ট ছাড়াই নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পারেন:
প্রথমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে একটি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেন;
দ্বিতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে, বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে, বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের কম মেয়াদের বা সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ হয়, যথা:—
(i) পুলিশ অফিসারের কাছে এই ধরনের অভিযোগ, তথ্য বা সন্দেহের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন; এবং
(ii) পুলিশ অফিসার সন্তুষ্ট হন যে এই ধরনের গ্রেপ্তার করা নিম্নলিখিত কারণে প্রয়োজনীয়:—
(ক) ওই ব্যক্তিকে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করা থেকে বিরত রাখা; বা
(খ) অপরাধের যথাযথ তদন্তের জন্য; বা
(গ) ওই ব্যক্তিকে অপরাধের প্রমাণ অদৃশ্য করা বা কোনোভাবে সেই প্রমাণ নষ্ট করা থেকে বিরত রাখা; বা
(ঘ) ওই ব্যক্তিকে মামলার ঘটনা সম্পর্কে পরিচিত কোনো ব্যক্তিকে প্ররোচনা, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত রাখা, যাতে তিনি আদালতে বা পুলিশ অফিসারের কাছে সেই ঘটনা প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকেন; বা
(ঙ) যেহেতু ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার না করলে, যখনই প্রয়োজন হবে তখন আদালতে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাবে না;
এবং পুলিশ অফিসার এই ধরনের গ্রেপ্তার করার সময় তার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধানাবলী অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;
তৃতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, বা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং পুলিশ অফিসারের কাছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন;
চতুর্থত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে বৈধ অজুহাত ব্যতীত, যে অজুহাত প্রমাণের ভার তার উপর বর্তাবে, ঘর ভাঙার কোনো সরঞ্জাম থাকে;
পঞ্চমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে এই কোডের অধীনে বা সরকারের আদেশ দ্বারা অপরাধী হিসাবে ঘোষিত করা হয়েছে;
ষষ্ঠত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে এমন কিছু পাওয়া যায় যা যুক্তিসঙ্গতভাবে চুরি করা সম্পত্তি বলে সন্দেহ করা যেতে পারে এবং যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে সেই জিনিস সম্পর্কিত অপরাধ করার জন্য সন্দেহ করা যেতে পারে;
সপ্তমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, বা যিনি আইনানুগ হেফাজত থেকে পালিয়েছেন বা পালানোর চেষ্টা করছেন;
অষ্টমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একজন পলাতক সৈনিক বলে সন্দেহ করা হয়;
নবমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশের বাইরের কোনো স্থানে সংঘটিত কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, বা যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে অপরাধ হিসাবে শাস্তিযোগ্য হতো, এবং যার জন্য তিনি কোনো প্রত্যর্পণ আইন (extradition law) বা অন্য কোনো আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে গ্রেপ্তার বা আটক হওয়ার যোগ্য;
দশমত, কোনো মুক্ত দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি যিনি ৫৬৫ ধারার উপ-ধারা (৩) এর অধীনে প্রণীত কোনো বিধি লঙ্ঘন করেন;
একাদশত, যে কোনো ব্যক্তি যার গ্রেপ্তারের জন্য অন্য একজন পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে চাহিদা (requisition) পাওয়া গেছে, যদি ওই চাহিদা পত্রে গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তির বিবরণ এবং যে অপরাধ বা অন্য কারণে গ্রেপ্তার করতে হবে তা নির্দিষ্ট করা থাকে এবং তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, যে অফিসার চাহিদা পত্রটি জারি করেছেন তিনি ওয়ারেন্ট ছাড়াই আইনত ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারতেন।
(২) কোনো পুলিশ অফিসার এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে প্রতিরোধমূলক আটকের (preventive detention) বিধানকারী কোনো আইনের অধীনে আটক করার উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার করবেন না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 54.  When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without warrant, arrest-
firstly, any person who commits, in the presence of a police-officer, a cognizable offence;
secondly, any person against whom a reasonable complaint has been made, or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may be less than seven years or which may extend to seven years, whether with or without fine, if the following conditions are satisfied, namely:-
    (i) the police-officer has reason to believe, on the basis of such complaint, information, or suspicion that such person has committed the said offence; and
    (ii) the police-officer is satisfied that such arrest is necessary-
        (a) to prevent such person from committing any further offence; or
        (b) for proper investigation of the offence; or 
      (c) to prevent such person from causing the evidence of the offence to disappear or tampering with such evidence in any manner; or
        (d) to prevent such person from making any inducement, threat or promise to any person acquainted with the facts of the case so as to dissuade him from disclosing such facts to the Court or to the police-officer; or
        (e) as unless such person is arrested, his presence in the Court whenever required cannot be ensured;
        and the police-officer shall record while making such arrest, his reasons in writing:
            Provided that a police-officer shall, in all cases where the arrest of a person is not required under the provisions of this sub-section, record the reasons in writing for not making the arrest;
thirdly, any person against whom credible information has been received that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may extend to more than seven years whether with or without fine, or with death sentence and the police-officer has reason to believe, on the basis of that information, that such person has committed the said offence;
fourthly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking;
fifthly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
sixthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
seventhly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
eighthly, any person who is reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh;
ninthly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
tenthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
eleventhly, any person for whose arrest a requisition, has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.(2) No police-officer shall arrest a person under this section for the purpose of detaining him under any law providing for preventive detention.

১১,৬২৭.
চোরাইমাল গোপন করিবার ব্যাপারে সহায়তাকরণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারার বিধান চোরাইমাল গোপন করিবার ব্যাপারে সহায়তাকরণ:
- কোন ব্যক্তি যদি সে যে সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে সে সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে বা বিলিব্যবস্থা করতে বা নিয়ে সরে পড়তে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ Section-414: Assisting in concealment of stolen property:
 Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১১,৬২৮.
ধারা ৫০৩ অনুযায়ী, সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগের উদ্দেশ্য কী?
  1. সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা
  2. সাক্ষীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা
  3. সাক্ষীর জবানবন্দী যথাযথভাবে গ্রহণ করা
  4. সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৩- সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগ:
 ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহন করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারী গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
১১,৬২৯.
একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে প্রার্থীর ব্যক্তিগত চরিত্র সম্পর্কে জেনেশুনে মিথ্যা বিবৃতি দেন, তবে তার শাস্তি কী?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  2. ১ মাসের জেল
  3. ৩ মাসের জেল
  4. ৬ মাসের জেল
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭১ছ: নির্বাচনের সাথে সম্পর্কিত মিথ্যা বিবৃতি:
যে কেউ, নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে, কোনো বিবৃতি যা প্রকৃতপক্ষে সত্য নয় এবং যা সে জানে বা বিশ্বাস করে যে মিথ্যা, অথবা যা সত্য বলে বিশ্বাস করে না, এমন কোনো বিবৃতি প্রকাশ করে বা প্রকাশের উদ্যোগ নেয় যা কোনো প্রার্থীর ব্যক্তিগত চরিত্র বা আচরণের সাথে সম্পর্কিত, তাকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 171G- False statement in connection with an election:
Whoever with intent to affect the result of an election makes or publishes any statement purporting to be a statement of fact which is false and which he either knows or believes to be or does not believe to be true, in relation to the personal character or conduct of any candidate shall be punished with fine.
১১,৬৩০.
কোনো মামলার ন্যায়বিচারের স্বার্থে বা পক্ষকারী বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার্থে স্থানান্তর প্রয়োজন বলে মনে হলে কোন আদালত স্থানান্তরের আদেশ দিতে পারে?
  1. দায়রা জজ 
  2. আপিল বিভাগ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী, মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা বিভিন্ন স্তরের আদালতের রয়েছে। প্রশ্নে উল্লিখিত শর্তগুলোর (ন্যায়বিচারের স্বার্থে বা পক্ষকারী বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার্থে) ভিত্তিতে নিম্নলিখিত আদালতগুলো মামলা স্থানান্তর করতে পারে:
১. আপিল বিভাগ (Appellate Division): ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারা অনুযায়ী, আপিল বিভাগ যেকোনো মামলা বা আপিল এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে অন্য স্থায়ী বেঞ্চে স্থানান্তর করতে পারে, যদি মনে হয় এতে ন্যায়বিচারের স্বার্থ হবে বা পক্ষকারী ও সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধা হবে।
২. হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division): ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ বিভিন্ন শর্তে মামলা স্থানান্তর করতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- যদি কোনো অধস্তন আদালতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত বা বিচার সম্ভব নয়। 
- যদি এমন আদেশ দেওয়া পক্ষকারী বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধাজনক হয়। 
- যদি ন্যায়বিচারের স্বার্থে এমন আদেশ জরুরি বলে মনে হয়।
৩. দায়রা জজ (Sessions Judge): ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬খ ধারা অনুযায়ী, দায়রা জজ যদি মনে করেন যে ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলা স্থানান্তর করা প্রয়োজন, তবে তিনি তার সেশন বিভাগের মধ্যে এক আদালত থেকে অন্য আদালতে মামলা স্থানান্তর করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ যেহেতু উল্লিখিত সবকটি আদালতেরই নির্দিষ্ট শর্তে মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা রয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হলো "উপরের সবগুলো"

১১,৬৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী পুলিশ অফিসার অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারি পরোয়ানার সারমর্ম জানাবেন ও পরোয়ানা দেখাবেন?
  1. ধারা ৭৮
  2. ধারা ৮০
  3. ধারা ৮২
  4. ধারা ৮৪
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮০ ধারা- পরোয়ানার সারমর্ম নোটিশকরণ:
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করতেছেন এরূপ কোন পুলিশ অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি, যাকে গ্রেফতার করা হবে, তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।

Section 80- Notification of substance of warrant:
The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall notify the substance thereof to the person to be arrested, and, if so require, shall show him the warrant.
১১,৬৩২.
সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য হয় না কোন ক্ষেত্রে?
  1. The Army Act, 1962 & The Air Force Act, 1953.
  2. তদন্ত বা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে;
  3. সালিশের ক্ষেত্রে;
  4. All of the above.
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন যে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না:

⇒ সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
) The Army (সেনাবাহিনী) Act, 1962 অথবা The Naval Discipline (নৌ-শৃঙ্খলা) Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act (বিমান বাহিনী আইন), 1953 এর ক্ষেত্রে;

ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;

iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে;

iv) তদন্ত বা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে; এবং

ⅳ) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়।

---------------------------
⇒ Extent
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the [Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953] but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator;
১১,৬৩৩.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে Additional Judge এবং Assistant Judge এর Court কে কার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে অধীনস্থ বলে গণ্য করা হয়?
  1. High Court এর
  2. District Judge এর
  3. Supreme Court এর
  4. Attorney General এর
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।
- ধারা ৯- আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা (Administrative control of Courts):
হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজের তার স্থানীয় সীমানায় অবস্থিত সকল দেওয়ানি আদালতের উপর তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

- সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর সাথে সিভিল প্রসিডিউর কোড (CPC)-এর ধারা ২৪(২) অনুসারে, Additional Judge এবং Assistant Judge-এর আদালতকে District Judge-এর অধীনস্থ হিসেবে গণ্য করা হয়এই বিধানটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, District Judge-এর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকা আদালতগুলোর মধ্যে Additional Judge এবং Assistant Judge-এর আদালত অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও, সিভিল কোর্টস অ্যাক্টের ধারা ২২ অনুসারে, District Judge-এর কাছে মুনসেফ আদালতের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল হস্তান্তরের ক্ষমতা রয়েছে, এবং এই ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে Additional এবং Assistant Judge-এর আদালতগুলো তার অধীনস্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।

- Muhammad Zulfikar vs Abul Kalam Chowdhury 42 DLR 21, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সিভিল প্রসিডিউর কোডের ধারা ২৪(১) এবং ২৪(২) অনুসারে District Judge-এর অধীনস্থ আদালতগুলোতে মামলা হস্তান্তর বা প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে, এবং এই আদালতগুলোর মধ্যে Additional এবং Assistant Judge-এর আদালত অন্তর্ভুক্ত।
- তাই, সঠিক উত্তর হলো খ) District Judge এর।

১১,৬৩৪.
তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান কার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. বাদীর
  2. বিবাদীর
  3. সাক্ষীর
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৬,৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে। যেখানে বলা আছে, যে ক্ষেত্রে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।

যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি আক্রান্ত হন তবে দুটি শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এর মাঝে যদি উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধির উপর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। তার আইনগত প্রতিনিধি যদি বৈধ অপারগতায় আক্রান্ত থাকেন তবে প্রতিনিধির আইনগত অপারগতা অবসান হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।

তামাদি আইনের ৬ ধারার এই বিধান আপীল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। বৈধ অপারগতার বিধান শুধুমাত্র বাদী’র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিবাদী’র জন্য তামাদি আইনে বৈধ অপারগতার বিধান গ্রহণযোগ্য না।
১১,৬৩৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণের জন্য কোনটি আবশ্যক নয়?
  1. কারাগারের সার্টিফিকেট
  2. আসামির ব্যক্তিগত মতামত
  3. আদালতের নথিপত্রের উদ্ধৃতি
  4. আসামির পরিচয় সম্পর্কিত সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করতে কারাগারের সার্টিফিকেট, আদালতের নথিপত্রের সত্যায়িত কপি, এবং আসামির পরিচয় সম্পর্কিত সাক্ষ্য প্রয়োজন। তবে আসামির ব্যক্তিগত মতামত প্রমাণের জন্য আবশ্যক নয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫১১- পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস কীভাবে প্রমাণ করতে হবে:-
এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় বর্তমান কার্যকর অন্য কোন আইনে বর্ণিত পদ্ধতি ছাড়া নিম্নোক্তভাবে পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে-
(ক) যে আদালত উক্ত দণ্ড বা খালাস দিয়েছিলেন সেই আদালতের নথিপত্র যে অফিসারের হেফাজতে থাকে সেই অফিসারের স্বহস্তের স্বাক্ষর কর্তৃক সত্যায়িত উক্ত দণ্ডাদেশ বা আদেশের উদ্ধৃতি কর্তৃক, কিংবা
(খ) দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে যে কারাগারে সাজা বা তার অংশ বিশেষ দেয়া হয়েছিল সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট কর্তৃক কিংবা যে আটকের পরোয়ানা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়েছিল তা পেশ করে;
উপরোক্ত দুটি ক্ষেত্রে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যে একই, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান করতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 511- Previous conviction or acquittal how proved:
In any inquiry, trial or other proceeding under this Code, a previous conviction or acquittal may be proved, in addition to any other mode provided by any law for the time being in force- 
(a) by an extract certified under the hand of the officer having the custody of the records of the Court in which such conviction or acquittal was had to be a copy of the sentence or order; or 
(b) in case of a conviction, either by a certificate signed by the officer in charge of the jail in which the punishment or any part thereof was inflicted, or by production of the warrant of commitment under which the punishment was suffered; 
together with, in each of such cases, evidence as to the identity of the accused person with the person so convicted or acquitted.

১১,৬৩৬.
প্রতারণার সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. অর্থদন্ডসহ ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
  2. অর্থদন্ডসহ ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড
  3. অর্থদন্ডসহ ৩ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
  4. অর্থদন্ডসহ ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ধারা ৪১৭ অনুযায়ী প্রতারণার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
♦ যেহেতু সশ্রম কারাদণ্ড বিনাশ্রম কারাদণ্ড থেকে কঠিন এজন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হিসেবে অপশন 'ক' (অর্থদন্ডসহ ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ড)  নির্বাচন করা হয়েছে।
১১,৬৩৭.
চুক্তি আইনের কোন ধারার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. ৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. ১৫ ধারার ক্ষেত্রে
  3. ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  4. ৩৫ ধারার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
 ⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-

⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভূক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
-------------
The Limitation Act, 1908 Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
১১,৬৩৮.
শান্তির মেয়াদের ভগ্নাংশ নিরুপণের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদন্ডকে যে মেয়াদের সশ্রম কারাদন্ড হিসেবে গণনা করা হয় তা হলো-
  1. ১৪ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড এর ৫৭ ধারার বিধান দন্ড মেয়াদসমূহের ভগ্নাংশসমূহঃ সাজার মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে, যাবজ্জীবন কারদন্ড ত্রিশ বৎসর মেয়াদের কারাদন্ডের সমান বলে গণনা করা হবে।
১১,৬৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ কী বলে গণ্য হবে?
  1. FIR
  2. GD
  3. Complaint
  4. Statement
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)- "নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।
অর্থাৎ অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্ত অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।
FIR=First Information Report:
- অপরাধী ও সংঘটিত আমলযোগ্য অপরাধের বিস্তারিত বিবরণসহ শাস্তি দাবি করে বা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে থানায় অপরাধের সংবাদ লিপিবদ্ধ করাকে এজাহার বলে, যা FIR বা First Information Report বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামেও পরিচিত। অপরাধ সম্বন্ধে এ বিবরণ প্রথম দেওয়া হয় বলে একে প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বলে।
GD=General Diary:
-জিডি বা জেনারেল ডায়েরি অর্থ কোনো বিষয়ে সাধারণ বিবরণ যা কিনা থানার একটি বিশেষ বইয়ে সংরক্ষণ করা হয় এবং সেমতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
---------------------------------------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
১১,৬৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে তা নির্ধারণ করেন কে?
  1. সরকার
  2. জেলা জজ
  3. কারা কর্তৃপক্ষ
  4. রায় প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৪১ ধারার বিধান-কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা:
(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তনঃ
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।
(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-
(ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানী জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
----------------
CrPC-Section-541: Power to appoint place of imprisonment:
(1) Unless when otherwise provided by any law for the time being in force, the Government may direct in what place any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code shall be confined.
Removal to criminal jail of accused or convicted persons who are in confinement in civil jail, and their return to the civil jail
(2) If any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code is in confinement in a civil jail, the Court or Magistrate ordering the imprisonment or committal may direct that the person be removed to a criminal jail. 
(3) When a person is removed to a criminal jail under sub-section (2), he shall, on being released therefrom, be sent back to the civil jail, unless either– 
(a) three years have lapsed since he was removed to the criminal jail, in which case he shall be deemed to have been discharged from the civil jail under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908; or 
(b) the Court which ordered his imprisonment in the civil jail has certified to the officer in charge of the criminal jail that he is entitled to be discharged under 541[section 58] of the Code of Civil Procedure, 1908.
১১,৬৪১.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৪০ ধারার বিধান কোন ধরণের দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. সম্পূর্নভাবে বাতিলযোগ্য
  2. সম্পূর্নভাবে বাতিল
  3. আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য
  4. উল্লিখিত সকল ধরণের
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 এর ৪০ ধারার বিধান- যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য।

উক্ত ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।

উদাহরণঃ
'ক', 'খ' এর নামে একটি হুণ্ডি প্রণয়ন করল, উহা পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে 'গ' কে প্রদান করল, যার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে তা 'ঘ' কে প্রদত্ত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, 'ঘ' আবার পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে তা 'ঙ' কে প্রদান করেছে। 'গ'-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। 'গ' হুণ্ডিকে অন্যান্য ব্যাপারে বহাল রেখে উক্ত পৃষ্ঠাঙ্কনের বিলুপ্তি পাবার অধিকারী।
১১,৬৪২.
As per Section 57 of The Penal Code, 1860, how is "imprisonment for life" calculated for fractional terms?
  1. Equivalent to 14 years of simple imprisonment
  2. Equivalent to 20 years of rigorous imprisonment
  3. Equivalent to 30 years of rigorous imprisonment
  4. Equivalent to life without parole
ব্যাখ্যা
⇒ According to Section 57 of The Penal Code, 1860, "imprisonment for life" is considered equivalent to rigorous imprisonment for thirty years when calculating fractions of terms of punishment.

This means that for the purpose of legal calculations, a life sentence is treated as though the individual is serving thirty years of rigorous imprisonment, which is a more intense form of imprisonment that involves hard labor. This section helps to define how life sentences are treated when determining parole eligibility, remission, or other legal matters related to the term of imprisonment.

The Penal Code, 1860, Section- 57. Fractions of terms of punishment:
 In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.
১১,৬৪৩.
মহানগর এলাকায় বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন কে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. সামরিক বাহিনীর প্রধান
  4. পুলিশের যে কোনো উপ-পরিদর্শক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ ধারা- সামরিক শক্তি প্রয়োগ:
এরূপ কোন সমাবেশ যদি অন্য কোনভাবে ছত্রভঙ্গ করা না যায় এবং জন নিরাপত্তার জন্য যদি উহা ছত্রভঙ্গ করা দরকার মর্মে গণ্য হয়, সেক্ষেত্রে উপস্থিত সর্বোচ্চ পদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মহানগরী এলাকা হলে, সেখানকার পুলিশ কমিশনার সামরিক শক্তির মাধ্যমে উহা ছত্রভঙ্গ করাতে পারবেন।

Section 129- Use of military force:
If any such assembly cannot be otherwise dispersed. and if it is necessary for the public security that it should be dispersed, the Executive Magistrate of the highest rank who is present or the Police Commissioner in a Metropolitan Area may cause it to be dispersed by military force.
১১,৬৪৪.
The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে একজন ব্যক্তি দণ্ডিত হবে?
  1. বৈধ বিবাহ ছাড়া প্রতারণার মাধ্যমে বিবাহ অনুষ্ঠান করা
  2. স্ত্রী বা স্বামী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা
  3. ব্যভিচারের অপরাধ করলে
  4. অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে কোনো বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে আটক রাখা
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা- স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা:
কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম:
অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

১১,৬৪৫.
আদেশ ২০ বিধি ১৪ অনুযায়ী, যদি বাদী ডিক্রিতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা না দেয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. নতুন সময় নির্ধারণ করতে পারে
  2. আদালত পুনরায় শুনানি করবে
  3. মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে
  4. মোকদ্দমা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১৪: অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমার ডিক্রি:
অগ্রক্রয় মোকদ্দমার সম্পত্তি বিক্রয় এর বিরুদ্ধে আদালত ডিক্রি প্রদান করলে, যদি উক্ত সম্পত্তির মূল্য আদালতে জমা দেয়া না হয় তাহলে আদালত টাকা জমা দেয়ার দিন অথবা সময় নির্ধারণ করতে পারবেন। ডিক্রিতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে বাদী যদি সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা দেয় তাহলে টাকা জমা দেয়ার তারিখ থেকে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। ডিক্রিতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে বাদী যদি সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা না দেয় বা ব্যর্থ হয় তাহলে আদালত উক্ত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারেন।

আদালত যদি দুই বা ততোধিক দাবীদারের পক্ষে ডিক্রি প্রদান করেন তাহলে প্রত্যেক দাবিদারকে আনুপাতিক হারে সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা দিতে হবে। সকল দাবীদারের পক্ষে ডিক্রি প্রদান না করে আদালত বিশেষ দাবীদারের পক্ষে ডিক্রি প্রদান করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তির মূল্য এবং খরচের টাকা জমা দিতে সক্ষম হলে অন্যান্য দাবিদারের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে না।
১১,৬৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে?
  1. ১৫৫
  2. ১৫৭
  3. ১৫৯
  4. ১৬০
ব্যাখ্যা
• প্রাথমিক তথ্য বিবরণী দায়ের না করলেও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে। এমনকি প্রয়োজনে অপরাধীকে গ্রেফতার এবং আটকের ব্যবস্থা করতে পারবে।

এই ধারা অনুসারে,
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ পোষন করলে, সঙ্গে সঙ্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন। প্রয়োজন হলে অপরাধীকে খুঁজে বের করবেন ও গ্রেফতার করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন বা অধস্তন অফিসারকে দায়িত্ব দিবেন। তবে অপরাধ সংঘটনকারীর নাম উল্লেখ করে সংবাদ দিলে এবং ঘটনাটি গুরুতর প্রকৃতির না হলে তখন সরেজমিনে তদন্তের প্রয়োজন নেই । তবে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে ঘটনাটি সম্পর্কে তদন্ত করবেন না।
১১,৬৪৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোনটিকে প্রভাবিত করে না?
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  2. নিবন্ধন আইন, ১৯০৮
  3. তামাদি আইন, ১৯০৮
  4. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৪ অনুযায়ী, এই আইন নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর উপর কোনো প্রভাব ফেলে না। তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) নিবন্ধন আইন, ১৯০৮।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারার বিধান কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোনো অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections- 4. Savings:
Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed-
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract;
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.
১১,৬৪৮.
হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার যোগ্যতা অর্জনের জন্য কত বছর নিম্ন আদালতে প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক।
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
♦বার কাউন্সিল অর্ডার-এর ২১ নং আর্টিকেলে বলা আছে যে নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা না থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার অনুমতি পাবে না।
♦অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার জন্য নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
১১,৬৪৯.
নিম্ন বর্ণিত কোন মামলায় Ad valorem কোর্ট ফি দিতে হয়না?
  1. দলিল বাতিল
  2. বন্টন মামলা
  3. চুক্তি বলবৎকরণ
  4. দখল পুনরূদ্ধার
ব্যাখ্যা
♦বন্টন মামলা  মামলায় Ad valorem কোর্ট ফি দিতে হয়না।
১১,৬৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৩ অনুসারে, কোন মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষীদের বক্তব্য লিখে রাখার বাধ্যবাধকতা থাকে না?
  1. আপিলযোগ্য মামলা
  2. আপিলঅযোগ্য মামলা
  3. জামিনযোগ্য মামলা
  4. উল্লিখিত সকল মামলায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৩ ধারা অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচারের যে সকল মামলা আপিলযোগ্য নয়, সেই সকল মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষীদের সাক্ষ্য লিখে রাখার বাধ্যবাধকতা থাকে না। তবে ম্যাজিস্ট্রেটকে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফরম্যাটে মামলার প্রধান তথ্য যেমন অভিযোগের তারিখ, অভিযুক্তের নাম, অপরাধের বিবরণ, অভিযুক্তের বক্তব্য ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৩ ধারা অনুসারে,সংক্ষিপ্ত বিচারের যে সকল মামলা আপিলযোগ্য নয়,সেই সকল মামলায় ম্যাজিস্ট্রেটের বা ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার বা আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করার প্রয়োজন নাই,তবে তিনি বা তারা সরকার কর্তৃক নির্দেশিত ফরমে নিম্নলিখিত তথ্য লিপিবদ্ধ করবেন:

(ক) ক্রমিক নম্বর;
(খ) অপরাধ সংঘটনের তারিখ;
(গ) এজহার বা নালিশের তারিখ:
(ঘ) ফরিয়াদির (যদি থাকে) নাম:
(ঙ) নাম, পিতার নাম ও বাসস্থান;
(চ) নালিশি অপরাধ এবং প্রমাণিত অপরাধ (যদি থাকে) এবং ২৬০ ধারার (১) উপধারার (ঘ), (ঙ) বা (ছ) শাখার অন্তর্ভুক্ত ক্ষেত্রে যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ করা হইয়াছে, তার মূল্য;
(ছ) অভিযুক্তের বক্তব্য ও তার জবানবন্দি (যদি থাকে);
(জ) যা সাব্যস্ত করা হল তা এবং দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে কারণসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ;
(ঝ) দণ্ড বা অন্য চূড়ান্ত আদেশ; এবং
(ঞ) বিচার শেষ হবার তারিখ।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-263. Record in cases where is no appeal:
In cases where no appeal lies, the Magistrate or Bench of Magistrates need not record the evidence of the witnesses or frame a formal charge; but he or they shall enter in such form as the Government may direct the following particulars:- 
(a) the serial number; 
(b) the date of the commission of the offence; 
(c) the date of the report or complaint; 
(d) the name of the complainant ( if any); 
(e) the name, parentage and residence of the accused; 
(f) the offence complained of and the offence (if any) proved, and in cases coming under clause (d), clause (e), clause (f) or clause (g) of sub-section (1) of section 260 the value of the property in respect of which the offence has been committed; 
(g) the plea of the accused and his examination (if any); 
(h) the finding, and, in the case of a conviction, a brief statement of the reasons therefor; 
(i) the sentence or other final order; and 
(j) the date on which the proceedings terminated.
১১,৬৫১.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৬৬ অনুচ্ছেদে কোন বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. ডিক্রি জারীতে বিক্রয় রদ করার দরখাস্ত দাখিলের
  2. বিবাদী কর্তৃক একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ লাভের দরখাস্ত দাখিলের
  3. ডিক্রি জারীতে কোন স্থাবর সম্পত্তির দখল অর্পণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ দায়েরের
  4. দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর অধীন বেদখল হওয়া সম্পত্তি থেকে দখলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দরখাস্ত দাখিলের
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৬৬:

বিষয়: ডিক্রি জারীতে বিক্রয় রদ করার জন্য দরখাস্ত [to set aside a sale in exceution of a decree]
মেয়াদ- ৩০ দিন;
গণনা শুরু - নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে।

অপরদিকে,

অনুচ্ছেদ-১৬৪
- বিবাদী কর্তৃক একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ লাভের জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of exparte decree];
- ৩০ দিন;
- ডিক্রির তারিখ অথবা যে ক্ষেত্রে সমন যথারীতি জারী হয়নি, সেক্ষেত্রে দরখাস্তকারী যখন ডিক্রির বিষয় অবগত হয়।

অনুচ্ছেদ-১৬৫
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর অধীন বেদখল হওয়া সম্পত্তি থেকে দখলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য দরখাস্ত;
- ৩০ দিন;
- বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে।

অনুচ্ছেদ-১৬৭
- ডিক্রিমূলে প্রাপ্ত অথবা ডিক্রি জারীতে কোন স্থাবর সম্পত্তির দখল অর্পণে বাধাদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ;
-৩০ দিন;
-বাধাদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির তারিখ হতে।
১১,৬৫২.
সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি খুঁজে না পাওয়া গেলে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের কাছে সমন দেওয়ার বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৬৯
  2. ধারা ৭০
  3. ধারা ৭১
  4. ধারা ৭২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৭০ অনুযায়ী, যদি সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে যথাযথ চেষ্টা সত্ত্বেও খুঁজে পাওয়া না যায়, তবে সমন তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের কাছে রেখে দেওয়া যায়। সেই সদস্যকে প্রয়োজনে সমনের অন্য কপির পিছনে স্বাক্ষর করতে হবে। এভাবে প্রদত্ত সমনকে আইনগতভাবে যথাযথ সেবা (due service) হিসেবে গণ্য করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭০ ধারার বিধান খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তির কাছে সমন জারির পদ্ধতি:
- যে ব্যক্তিকে সমন জারি করা হয়েছে, যথাযথ অধ্যবসায় প্রয়োগ করেও যদি তাকে খুঁজে পাওয়া না যায়, তাহলে সমনের একটি নকল তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের নিকট রেখে সমন জারি করা যাবে। এবং যার নিকট এভাবে সমন রেখে যাওয়া হয়েছে, জারিকারী কর্মকর্তা চাইলে সেই ব্যক্তি অপর নকলের পিছনে একটি প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য থাকবেন।
-----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section 70. Service when person summoned cannot be found:
Where the person summoned cannot by the exercise of due diligence be found, the summons may be served by leaving one of the duplicates for him with some adult member of his family, and the person with whom the summons is so left shall, if so required by the serving officer, sign a receipt therefore on the back of the other duplicate.

১১,৬৫৩.
বাদী ক-এর দরখাস্তের ভিত্তিতে বিবাদীর বরাবরে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রচার করা হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় যে বাদী যে কারণে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করেছেন তা অপর্যাপ্ত। এমতাবস্থায় আদালত কী আদেশ দিতে পারেন?
  1. বাদীকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারেন
  2. অনধিক ১০ হাজার টাকার খরচের আদেশ দিতে পারেন
  3. অনধিক ২০ হাজার টাকার খরচের আদেশ দিতে পারেন
  4. বাদীকে মোকদ্দমার পরবর্তী ধাপে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করা হতে বারিত করা হবে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৫ ধারা মতে অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে খেসারত (Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds): কোন মোকদ্দমায় অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার বা ক্রোক কার্যকর বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়ে থাকলে বা বাদী মোকদ্দমায় হেরে যাওয়ার পর আদালত যদি দেখে যে উক্ত মোকদ্দমা দায়েরের জন্য বাদীর কোন সঙ্গত কারণ ছিলনা, তখন বিবাদী তার ব্যয় ও ক্ষতির জন্য বাদীর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চাইলে আদালত বিবাদীকে অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বাদীকে আদেশ দিতে পারবেন। উল্লেখ্য যে, আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের চেয়ে বেশি ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান করবেন না।
১১,৬৫৪.
'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে, 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে। এক্ষেত্রে, 'ক' _________ করেছে। 
  1. আঘাত
  2. আক্রমণ
  3. বলপ্রয়োগ
  4. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা- আক্রমণ:
কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা: কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ-
(ক) 'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে, 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। 'ক' আক্রমণ করেছে। 
১১,৬৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা কী সম্পর্কিত?
  1. আপিল পদ্ধতি
  2. মামলা স্থানান্তর
  3. ডিক্রি কার্যকরকরণ
  4. অধস্তন আদালতের ভাষা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৩৭ "অধস্তন আদালতে ভাষা" (Language of subordinate Courts) নামে পরিচিত। এটি হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণ, লিখিত কার্যধারা এবং ইংরেজী অনুবাদের বিধান করে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারার বিধান: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।
২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।
৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 137. Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs. 
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written. 
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.

১১,৬৫৬.
মৃত বিবাদীর উত্তরাধিকারীকে পক্ষভুক্ত করার তামাদি সময় গণনা শুরু হয় কখন?
  1. ডিক্রি ঘোষণার দিন থেকে
  2. মৃত বিবাদীর মৃত্যুদিন থেকে
  3. নতুন পক্ষের আবেদনের দিন থেকে
  4. আদালতের নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৭৭:
দেওয়ানি কার্যবিধির (Code of Civil Procedure) অধীনে মৃত বিবাদী (defendant) বা উত্তরদায়ক (respondent)-এর আইনগত প্রতিনিধিকে (legal representative) পক্ষভুক্ত (made a party) করার আবেদন:
তামাদি মেয়াদ: ৯০ দিন;
সময় গণনার শুরু: যেদিন বিবাদী বা আপিলকারী মারা যান, সেদিন থেকে।
১১,৬৫৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় কোনটিকে সম্পত্তি হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. Copyright
  2. Trademark
  3. Document
  4. Patent
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৪: যখন চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়: এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে উল্লিখিত অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে,আবেদনকারীর পক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, প্রকাশ্য হউক অথবা অনুমিত হউক, ভঙ্গ করা নিরোধ করিবার জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাইবে।
যখন এইরূপ বাধ্যবাধকতা চুক্তি হইতে উদ্ভুত হয়, তখন আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধি-বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে।
যখন বিবাদি বাদির সম্পত্তির অথবা ভোগদখলের অধিকার হস্তক্ষেপ করেন অথবা হস্তক্ষেপ করিবার হুমকি প্রদান করেন, তখন আদালত নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করিতে পারিবে (যথা):-
(ক) যেক্ষেত্রে বিবাদি বাদির সম্পত্তির একজন ট্রাস্টি;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে প্রকৃত ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোনো মানদণ্ড নাই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এইরূপ প্রকৃতির হয় যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাইবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কোনো ক্ষতিপূরণ পাইবার সম্ভাবনা থাকে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার কার্যক্রমের সংখ্যাধিক্য নিরোধের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।
ব্যাখ্যা- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ট্রেডমার্ক একটি সম্পত্তি।

১১,৬৫৮.
"Mischief" এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৪১৫ ধারায়
  2. ৪২০ ধারায়
  3. ৪২৫ ধারায়
  4. ৪২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারায় "ক্ষতি বা অনিষ্ট" (Mischief) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এতে উল্লেখ আছে যে, জনসাধারণ বা কোনো ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্টের উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ধ্বংস বা তার মূল্য/উপযোগিতা হ্রাস করলে তা "Mischief" বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:-
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
---------------
⇒ The Penal Code,1860, Section 425: Mischief:
- Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation 1.-It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation 2.-Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.

১১,৬৫৯.
কোনো ব্যক্তি যদি মিথ্যা জানার পরও কোনো ঘোষণাকে সত্য হিসেবে ব্যবহার করে, তাহলে তার শাস্তি হবে:
  1. জরিমানা
  2. সতর্কীকরণ
  3. কোনো শাস্তি নেই
  4. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের শাস্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ২০০- মিথ্যা জানার পরও ঘোষণাকে সত্য হিসেবে ব্যবহার:
যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ঘোষণা বা বিবৃতিকে মিথ্যা জানার পরও সত্য হিসেবে ব্যবহার করে বা তা সত্য হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করে, তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের সমতুল্য শাস্তি দেওয়া হবে।
ব্যাখ্যা: শুধুমাত্র কোনো আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে যদি কোনো ঘোষণা অগ্রহণযোগ্য হয়, তবুও তা ধারা ১৯৯ ও ২০০ এর অর্থের মধ্যে একটি ঘোষণা হিসেবে বিবেচিত হবে।
১১,৬৬০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে যে, মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি সংঘটিত অপরাধ শাস্তিযোগ্য হবে না?
  1. ৮২ ধারায়
  2. ৮৩ ধারায়
  3. ৮৪ ধারায়
  4. ৮৫ ধারায় 
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধি ৮৪ ধারায় মতে অপরাধ করার সময় অপরাধী ব্যাক্তি অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না। তবে অপরাধ করার সময় উক্ত পাগল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকতে হবে যে সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারে না।
----------------
→ The Penal Code,1860- Section 84: Act of a person of unsound mind:
- Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
১১,৬৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-V Rule-9A অনুসারে বাদী কর্তৃক সমন ব্যক্তিগতভাবে সার্ভ করার ক্ষেত্রে কোন রুলগুলো প্রযোজ্য হবে?
  1. Rule-10 ও 11
  2. Rule-16 ও 18
  3. Rule-19 ও 20
  4. Rule-25 ও 26
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order V Rule 9A(3) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
"(3) The provisions of rules 16 and 18 shall apply to a summons personally served under this rule as if the person effecting the service were a serving officer and the plaintiff shall submit a report to the Court accompanied by an affidavit."
অর্থাৎ বাদী কর্তৃকৃত ব্যক্তিগত সমন সার্ভের ক্ষেত্রেও Rule 16 (Person served to sign acknowledgment) এবং Rule 18 (Endorsement of time and manner of service) পুরোপুরি প্রযোজ্য হবে – যেন সার্ভ করছে কোনো আদালতের সার্ভিং অফিসার।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order-V Rule-16 - স্বীকারোক্তি সংগ্রহ: এই রুল অনুযায়ী, সমন যার কাছে জারি করা হচ্ছে, তাকে সমনের মূল কপিতে স্বীকারোক্তি (acknowledgment) স্বাক্ষর করতে হবে। বাদী যখন সমন জারি করেন, তখন তাঁকেও এই একই নিয়ম মেনে বিবাদীর কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নিতে হবে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order-V Rule-18 - জারির বিবরণী দাখিল: এই রুল অনুসারে, জারিকারককে সমন জারির সময়, পদ্ধতি এবং সাক্ষীর নাম-ঠিকানা সমনের মূল কপিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে। Rule 9A-এর অধীনে বাদীকেও এই বিবরণী সহ একটি অ্যাফিডেভিট জমা দিতে হয়।
অতএব, দেওয়ানি কার্যবিধির Order V Rule 9A অনুসারে বাদী কর্তৃক সমন ব্যক্তিগতভাবে জারির ক্ষেত্রে Rule 16 ও 18 প্রযোজ্য হবে।

১১,৬৬২.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে বিবাদী নিম্নলিখিত কোন যুক্তিটি আত্মপক্ষ সমর্থনের কারণ হিশেবে  উপস্থাপন করতে পারে?
  1. অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষমতার অতিরিক্ত
  2. অনিশ্চয়তা এবং ক্ষমতার অতিরিক্ত
  3. কঠোরতা এবং অন্যায় সুবিধা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং  যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা hardshipl সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।
১১,৬৬৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১২৩ অনুযায়ী বিধি কমিটি গঠনের সদস্য কত?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১২৩ ধারা অনুযায়ী বিধি কমিটি গঠনের সদস্য হবে ৬ জনের।
• সুপ্রিম কোর্টের ৩ জন বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের ২ জন আইনজীবী, হাইকোর্টের অধস্তন দেওয়ানী আাদালতের ১ জন বিচারক, মোট ৬ জন।
• এদের নিয়োগ দিবেন প্রধান বিচারপতি।
১১,৬৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি কি ধরনের আইন?
  1. মূল আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. মূল আইন ও পদ্ধতিগত আইন
  4. অস্থায়ী আইন
ব্যাখ্যা
♦আইনের প্রকৃতি প্রধানত ধরনের হয়ে থাকে।
যথা-(১) পদ্ধতিগত আইন এবং (২) তত্ত্বগত আইন বা মূল আইন।
♦পদ্ধতিগত আইন: যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার নিয়ম বা পদ্ধতি সম্পর্কে উল্লেখ থাকে, সেই আইনকে পদ্ধতিগত আইন বলে। যেমন: দেওয়ানী কার্যবিধি-১৯০৮, ফৌজদারী কার্যবিধি-১৮৯৮।
♦তত্ত্বগত আইন: যে আইনে কোন অধিকার বা শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে, সেই আইনকে তত্ত্বগত আইন বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭, দণ্ডবিধি, ১৮৬০।
১১,৬৬৫.
'Estoppel' এর উদ্দেশ্য কী?
  1. আইনকে অস্বীকার করা
  2. অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া
  3. অতীতের কর্মের বিরোধিতা থেকে বিরত রাখা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ‘Estoppel' বা 'স্বকার্যজনিত বাধা’ শব্দটি একটি আইনি নীতিকে বোঝায়, যা কাউকে কিছু অস্বীকার করতে বা এমন একটি অধিকার জাহির করতে বাধা প্রদান করে যা কিনা তারা পূর্বে বলেছিল বা আইন দ্বারা সম্মত হয়েছিল কিন্তু বর্তমানে পূর্বের কর্মের বিরোধিতা করছে। সহজ ভাষায় বললে, Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা একজন ব্যক্তিকে অতীতের কোনো কর্ম বা বিবৃতির বিরোধিতা করতে বাধা দেয়। এটি সাধারণ আইনের অংশ এবং অন্য ব্যক্তির কথা বা কাজের অসঙ্গতি দ্বারা মানুষকে অন্যায়ভাবে অবিচার করা থেকে বিরত রাখার জন্য।

সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে,
‘যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র দ্বারা ইচ্ছাকৃত ভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করায় এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করতে বলে, তখন উক্ত ২ পক্ষের মধ্যে কোন মামলায় ১ম পক্ষ তার ঘোষণা (declaration), কাজ (act) বা কার্য বিরতি (omission)’র বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না।’

সাক্ষ্য আইনের এই নীতি শুধুমাত্র দেওয়ানী কার্যক্রমে প্রয়োগ করা হয়। ফৌজদারি কার্যক্রমে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার কোন ব্যবহার নেই।
১১,৬৬৬.
আদেশ-১১ বিধি-১ অনুসারে, প্রশ্নমালা প্রদানের জন্য কত দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ-১১ বিধি-১ অনুযায়ী, প্রশ্নমালা প্রদানের জন্য ১০ দিন সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
- এটি স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, কোন পক্ষ (অভিযোগকারী বা প্রতিপক্ষ) আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলার ইস্যু নির্ধারণের দিন থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) প্রদান করতে পারবে। এর মধ্যে, প্রশ্নমালার শেষে কোন ব্যক্তি বা পক্ষকে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, তা উল্লেখ করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-1: Discovery by Interrogatories:
- In any suit, the plaintiff or defendant, by leave of the Court, may, [within ten days from the date of framing of issues,] deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories, when delivered, shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer:
Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose:
Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.
১১,৬৬৭.
স্বীকৃত ঘটনা প্রমাণের প্রয়োজন হয় না – এই নীতি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৬
  2. ধারা ৫৭
  3. ধারা ৫৮
  4. ধারা ৫৯
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৮ অনুযায়ী, যে ঘটনা পক্ষগণ আদালতে স্বীকার করে নেয় বা লিখিতভাবে স্বীকার করে, সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
- এই ধারা স্পষ্টভাবে বলছে যে, পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ যদি কোনো বিষয়কে স্বীকার করেন (মোকদ্দমার শুনানির সময় বা তার পূর্বে লিখিতভাবে), তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। তবে আদালত তার discretion (বিশেষ ক্ষমতা) অনুযায়ী, সেই স্বীকৃত ঘটনার অতিরিক্ত প্রমাণ চাইতে পারেন।
- অর্থাৎ, যখন কোনো পক্ষ একটি ঘটনা স্বীকার করে নেয়, তখন সেটি আর আলাদাভাবে প্রমাণ করার প্রয়োজন হয় না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন।
--------------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:
- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:
Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.
১১,৬৬৮.
The Penal Code, 1860 এর ধারা ৫০৬ অনুযায়ী, অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শনের জন্য সর্বোচ্চ কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৩: অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন-
যদি কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে তার ব্যক্তি, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতির হুমকি দেয়, অথবা সেই ব্যক্তির আগ্রহসম্পন্ন অন্য কারো ব্যক্তি বা সুনামের ক্ষতির হুমকি দেয়, এবং এর মাধ্যমে তাকে ভীত করার উদ্দেশ্যে, অথবা তাকে এমন কোনো কাজ করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে যা সে আইনত বাধ্য নয়, অথবা তাকে এমন কোনো কাজ না করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে যা সে আইনত করতে অধিকারী, তাহলে তা অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন হিসেবে গণ্য হবে।​

ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সুনাম ক্ষতির হুমকি দেয়, এবং সেই মৃত ব্যক্তি হুমকিপ্রাপ্ত ব্যক্তির আগ্রহসম্পন্ন হন, তবে সেটিও এই ধারার অন্তর্ভুক্ত হবে।​

ধারা ৫০৬: অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শনের শাস্তি-
যে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন করেন, তিনি সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
১১,৬৬৯.
সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারায় কোন ধরনের বার্তার গোপনীয়তার বিধান রয়েছে? 
  1. মক্কেল-আইনজীবীর বার্তা
  2. বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা
  3. পেশা সম্পর্কিত বার্তা
  4. আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন বার্তা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারার বিধান: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না;বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে। 
১১,৬৭০.
‘ক’ একজন মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তা। ‘ক’ এর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে মন্ত্রনালয়ের বরাবরে নোটিশ দিতে হবে মোকদ্দমা দায়েরের কত দিন পূর্বে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮০ ধারায় বলা হয়েছে যে, সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে মামলা দায়ের করা ২ মাস পূর্বে সরকারে সচিব বা জেলা কালেক্টরের বরাবর নোটিশ দিতে হবে।

• ‘ক’ যেহেতু মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তা তাই মামলা দায়েরর ২ মাস পূর্বে তাকে নোটিশ দিতে হবে।
১১,৬৭১.
‘A’ জানে যে কিছু মুদ্রা জাল, তবুও সে তা বাংলাদেশে আমদানি করে। দণ্ডবিধির ২৩৭ ধারা অনুযায়ী ‘A’-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1.  ১ বছর কারাদণ্ড
  2.  ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ২৩৭ অনুযায়ী, যদি কেউ জাল মুদ্রা বলে জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকা সত্ত্বেও তা বাংলাদেশে আমদানি বা রপ্তানি করে, তবে সে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), এবং এর পাশাপাশি অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ৩ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩৭ ধারার বিধান: জাল মুদ্রা আমদানি কিংবা রপ্তানি:
-মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহা রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 237: Import or export of counterfeit coin:
- Whoever imports into Bangladesh, or exports there from, any counterfeit coin, knowingly or having reason to believe that the same is counterfeit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall be liable to fine.

১১,৬৭২.
সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা মোতাবেক, কোনো আসামির মামলা সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে গণ্য হবে যদি মামলাটি -
  1. মামলাটি দণ্ডবিধির কোনো সাধারণ ব্যতিক্রমের ভেতরে পড়ে
  2. মামলাটি পেনাল কোডের বিশেষ ব্যতিক্রমের ভেতরে পড়ে
  3. মামলাটি দণ্ডবিধির কোনো proviso এর ভেতরে পড়ে
  4. উল্লিখিত সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০৫ - অভিযুক্তের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমের অধীনে প্রমাণের দায়িত্ব:
যখন কোনো ব্যক্তি অপরাধের জন্য অভিযুক্ত হন, তখন সে ব্যক্তি (অভিযুক্ত) এর দায়িত্ব যে, পেনাল কোডের সাধারণ ব্যতিক্রম বা অন্য কোনো বিশেষ ব্যতিক্রম বা proviso (যে কোনো বিশেষ বিধি বা শর্ত যা একই কোড বা অন্য কোনো আইনে অপরাধের সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে) অনুসারে তার মামলার ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি প্রমাণ করতে হবে।

এছাড়া, আদালত এই পরিস্থিতির অবস্থানে অনুপস্থিতি (absence of such circumstances) অনুমান করবে, অর্থাৎ, অভিযুক্তকে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি প্রমাণ করতে হবে এবং আদালত এই পরিস্থিতি না থাকার বিষয়টিকে স্বাভাবিক ধরে নেবে।
১১,৬৭৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XVII এর rule 3 এর অধীনে খারিজ হওয়া কোনো মোকদ্দমা rule 7 এর অধীনে সকল শর্ত পূরণ করলে সেটি সরাসরি পুনর্জীবিত করতে আদালত-
  1. স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
  2. বাধ্য নয়
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
  4. বাধ্য
ব্যাখ্যা
⇒  আদেশ ১৭ বিধি ১(৭): উপ-বিধি (৩) কিংবা (৪) এর অধীন মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে তা শুনানির নিমিত্তে পুনর্বহাল করা হবে না, যদি না যার অমান্যের কারণে মোকদ্দমাটি খারিজ হয় কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তিনি খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে তা পুনর্বহালের আবেদনের সঙ্গে আদালতে দুই হাজার টাকা ব্যায়াদির খরচা জমা প্রদান করেন; এবং অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য কার্যধারা ছাড়িয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করা হবে এবং জমাকৃত খরচা অন্য পক্ষকে দিতে হবে।

⇒ Order-17 Rule-1(7) A suit dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (3) or (4) shall not be revived for hearing unless the party, for whose noncompliance the suit was dismissed or dispossed of ex parte, makes within thirty days of such dismissal or ex parte, disposal, an application fogether with cost of two thousand taka into Court for such revival; and upon such application being made, the suit shall be revived for bearing without any further proceeding, and cost deposited into Court shall be paid to the other party

- খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে করণীয় হচ্ছে; Order 17, Rule 1(7) মোতাবেক- খরচ প্রদানের ব্যর্থতার কারণে Rule 1(3) ও Rule 1(4) এর অধীনে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে, যে পক্ষের কারণে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির হয়েছে সেই পক্ষ আদালতে-
ⅰ). খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে, এবং
ii). ২০০০ টাকা খরচসহ মোকদ্দমাটি পুনঃবহালের আবেদন করবে।

- আদালতের করণীয়: পুনঃবহালের আবেদনের প্রেক্ষিতে পুনঃবহালের (Revival) জন্য আদালত মোকদ্দমাটি করতে গ্রহণ করবেন [the suit shall be revived] এবং জমাকৃত খরচ ২০০০ টাকা অন্যপক্ষকে [Court shall be paid to another party] প্রদান করবে। এককথায়, সকল শর্ত পূরণ করে পুনঃবহালের আবেদন করলে সরাসরি পুনজ্জীবিত করতে আদালত বাধ্য। কারণ may be এর পরিবর্তে shall be রয়েছে।

- Order 17 অনুযায়ী কোনো মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে- রিভিশন করা যাবে।
১১,৬৭৪.
ধারা ৩৩৯খ অনুযায়ী, অভিযুক্ত হাজির হওয়ার আদেশ কোথায় প্রকাশ করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র আদালতের বোর্ডে
  2. শুধুমাত্র জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে 
  3. জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে এবং সরকারি ওয়েবসাইটে
  4. শুধুমাত্র পুলিশের কার্যালয়ে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে এবং সরকারি ওয়েবসাইটে।

ধারা ৩৩৯খ অনুযায়ী, অভিযুক্তকে হাজির হওয়ার আদেশ একটি জাতীয় দৈনিকে এবং আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে, সরকারি ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা যেতে পারে।

ধারা ৩৩৯খ: অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia):
(১) যদিও ধারা ৮৭ এবং ধারা ৮৮-এ যা কিছু উল্লেখ আছে, তা সত্ত্বেও, যদি আদালতের এমন বিশ্বাসের কারণ থাকে যে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক হয়েছে বা নিজেকে এমনভাবে গোপন করছে যে তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের জন্য হাজির করা যাচ্ছে না এবং তাকে গ্রেপ্তারের কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা নেই, তবে যে আদালত অভিযোগকৃত অপরাধের বিষয়ে বিচার গ্রহণ করছে, সেই আদালত একটি জাতীয় দৈনিক বাংলা সংবাদপত্রে, যার ব্যাপক প্রচার আছে, একটি আদেশ প্রকাশ করবে। এই আদেশে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হবে। যদি ওই ব্যক্তি এই নির্দেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার করা হবে।

শর্ত: আদালত এছাড়াও নির্দেশ দিতে পারে যে, অভিযুক্তের হাজির হওয়ার আদেশটি জেলা ও দায়রা জজ আদালত, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, চিফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, জেলা প্রশাসক অফিস, বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বা ব্যাপক জনসাধারণের প্রবেশাধিকারযুক্ত অন্য কোনো সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

২. যদি কোনো মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের সামনে হাজির হয় বা জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পলাতক হয় বা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, তবে উপ-ধারা (১)-এ উল্লিখিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না। এই ক্ষেত্রে, অভিযোগকৃত অপরাধের জন্য ওই ব্যক্তির বিচারের জন্য যোগ্য আদালত, এই সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করে, তার অনুপস্থিতিতে বিচার করবে।

১১,৬৭৫.
একটি complaint case এ প্রদত্ত খালাসের রায় প্রদানের কত দিনের মধ্যে complainant আপীল করতে পারবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ২১ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে;
২- দায়রা জজের নিকট।

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর;
২. অভিযোগকারী।

৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।

Section 417- Appeal in case of acquittal:

(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
 
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
 
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal. 
 
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
১১,৬৭৬.
অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক রিভিশন মামলায় প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ হাইকোর্ট বিভাগে-
  1. আপিল করতে পারে
  2. অনুমতি সাপেক্ষে আপিল করতে পারে
  3. অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে
  4. সরাসরি রিভিশন দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় দ্বিতীয় রিভিশন এর বিধান রয়েছে।

এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ-

জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।
১১,৬৭৭.
'ক' ১০০ মণ গম 'খ' এর নিকট বিক্রয় করার চুক্তি করে। কোন কারণ ব্যতিরেকেই উক্ত গম 'খ'-কে সরবরাহ করা হয় নাই। 'খ'-এর প্রতিকার কি?
  1. 'খ' সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে
  2. 'খ' ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
  3. 'খ' ক্ষতিপূরণ পাবে না
  4. 'খ' শুধুমাত্র চুক্তির ক্রয়মূল্য ফেরত পাবে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,১৮৭৭ ধারা ১৯: কতিপয় বিশেষ ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা

এই ধারা অনুযায়ী বাদী ২ রকম প্রতিকার চাইতে পারে:
১. চুক্তি সম্পাদনের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ;
২. চুক্তি সম্পাদনের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ।

এ ধারা অনুসারে, ক্ষতিপূরণ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা-
১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের পরিবর্তে [In Substitution of] ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবেন, অথবা
২. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের আদেশসহ অতিরিক্ত হিসেবে [In Addition to] ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবেন।

প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী, চুক্তির বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি এবং বৈধ চুক্তি। যেহেতু একটি বৈধ চুক্তি কোনো কারণ ছাড়াই 'ক' ভঙ্গ করে 'খ'-এর ক্ষতি করেছে, সেহেতু সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনই এর জন্য উপযুক্ত প্রতিকার নয়। বরং পাশাপাশি অতিরিক্ত হিসেবে ক্ষতিপূরণও পাবে। সুতরাং 'খ' ক্ষতিপূরণ লাভ করবে।
১১,৬৭৮.
আপীল আদালত আপীল পুনশুনানীর [Re-hearing of Appeal] আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, আপীলকারী
  1. আপীল করতে পারবে
  2. রিভিশন করতে পারবে
  3. রিভিউ করতে পারবে
  4. পুনরায় শুনানি করতে পারবে
ব্যাখ্যা
♦আপীল খারিজ বা আপীল একতরফা শুনানি করে রায় ঘোষণা করা আপীলযোগ্য আদেশ না। আপীল পুনঃগ্রহণ বা আপীল পুনঃশুনানির আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ এবং ৪৩ বিধি অনুযায়ী এর বিরূদ্ধে আপীল করা যায়। কিন্তু আপীল পুনঃগ্রহণ বা পুনঃশুনানীর আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরূদ্ধে আপীল করা যাবে না।
১১,৬৭৯.
গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর কোন ক্ষেত্রে প্রমাণ করতে হবে না-
  1. এটি ডিজিটাল রেকর্ডে সংযুক্ত করা হলে
  2. প্রিন্ট ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে
  3. নিরাপদ ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে
  4. জোরপূর্বক কারো মাধ্যমে স্বাক্ষর করা হলে
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬৭ক ধারায় - ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রমাণ এর বিধান একটি নিরাপদ  ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্র ব্যতীত, যদি কোনো গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর একটি ডিজিটাল রেকর্ডে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে দৃঢ়ভাবে বলা হয় তখন এই ধরনের ডিজিটাল স্বাক্ষরটি যে গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর তা তাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে।
♦ Proof as to digital signature (section 67A:)  Except in the case of a secure digital signature, if the digital signature of any subscriber is alleged to have been affixed to a digital record the fact that such digital signature is the digital signature of the subscriber must be proved. (Section 67A was inserted by section 13 of the Evidence (Amendment) Act, 2022).
১১,৬৮০.
যে আদালতে ডিক্রি জারি করতে হবে তা যদি অন্য জেলায় অবস্থিত হয়, তাহলে ডিক্রিদানকারী আদালত ডিক্রি কোথায় প্রেরণ করবেন?
  1. হাইকোর্টে
  2. সংশ্লিষ্ট জেলার যেকোন পুলিশ থানায়
  3. সরাসরি সংশ্লিষ্ট আদালতে
  4. সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা আদালতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৫: স্থানান্তর করার পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে তা এবং যে আদালতে ঐ ডিক্রি প্রেরণ করতে হবে তা একই জেলায় অবস্থান করে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত আদালত সরাসরি উক্ত ডিক্রি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবে। কিন্তু যে আদালতে জারির নিমিত্তে ডিক্রি প্রেরণ করতে হয় ঐ আদালতে অন্য কোন জেলায় অবস্থিত হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রিদানকারী আদালত যে জেলায় আদালতে ডিক্রি জারি করতে হবে তথাকার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।

Mode of transfer:
Where the Court to which a decree is to be sent fof execution is situate within the same district as the Court which passed such decree, such Court shall send the same directly to the former Court. But, where the Court to which the decree is to be sent for execution is situate in a different district, the Court which passed it shall send it to the District Court of the district is to be executed.
১১,৬৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না সেসব কার্যক্রমের উল্লেখ আছে?
  1. ৫২৯ ধারায়
  2. ৫৩০ ধারায়
  3. ৫৩১ ধারায়
  4. ৫৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৯ ধারার বিধান:- যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না:
-যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট আইনে ক্ষমতাবান না হওয়া সত্ত্বেও, ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে নিম্নে বর্ণিত কর্মসমূহের কোন একটি করেন যথা-
(ক) ধারা-৯৮ এর অধীন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করেন;
(খ) কোন অপরাধের তদন্ত করার জন্য ধারা-১৫৫ এর অধীন পুলিশকে আদেশ দেন;
(গ) ধারা-১৭৬ এর অধীন ইনকোয়ারী করেন;
(ঘ) যে ব্যক্তিকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে কোন অপরাধ করেছে তাকে তার স্থানীয় সীমার ভিতরে গ্রেফতারের জন্য ধারা-১৮৬ এর অধীন পরোয়ানা জারী করেন;
(ঙ) ধারা-১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অনুচ্ছেদ-(ক) এর অধীন কোন অপরাধ আমলে নেন;
(চ) ধারা-১৯২ এর অধীন কোন মামলা স্থানান্তর করেন;
(ছ) ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীন ক্ষমা প্রদর্শন করেন;
(জ) ধারা-৫২৪ কিংবা ধারা-৫২৫ এর অধীন সম্পত্তি বিক্রয় করেন; কিংবা
(ঝ) ধারা-৫২৮ এর অধীন কোন মামলা তুলে নিজে উহার বিচার করেন,

তাহলে তিনি উক্তরুপে ক্ষমতাবান নয়, শুধু এ কারণে তাঁর কার্যক্রম বাতিল করা যাবে না।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-529: Irregularities which do not vitiate proceedings:
-If any Magistrate not empowered by law to do any of the following things, namely:– 
(a) to issue a search-warrant under section 98; 
(b) to order, under section 155, the police to investigate an offence; 
(c) to hold an inquest under section 176; 
(d) to issue process, under section 186, for the apprehension of a person within the local limits of his jurisdiction who has committed an offence outside such limits; 
(e) to take cognizance of an offence under section 190, sub-section (1), clause (a), or clause (b); 
(f) to transfer a case under section 192; 
(g) to tender a pardon under section 337 or section 338; 
(h) to sell property under section 524 or section 525; or 
(i) to withdraw a case and try it himself under section 528;

erroneously in good faith does that thing, his proceedings shall not be set aside merely on the ground of his not being so empowered.
১১,৬৮২.
একজন সাক্ষীকে পূর্বের লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরা করা যায় কত ধারায়?
  1. ১৪০ ধারায়
  2. ১৪২ ধারায়
  3. ১৪৫ ধারায়
  4. ১৪৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪৫: পূর্বের লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরা:
যখন একজন সাক্ষী তার পূর্বের লিখিত বিবৃতিগুলির ভিত্তিতে জেরা করা হয়, যা মামলার বিষয়গুলির সাথে সম্পর্কিত, তখন সেই লেখাগুলি তাকে দেখানো বা প্রমাণ করা ছাড়াই জেরা করা যেতে পারে। কিন্তু, যদি সাক্ষীকে তার পূর্বের লিখিত বিবৃতি দ্বারা বিপরীতভাবে প্রদর্শন করা হয়, তাহলে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে এবং সেই অংশগুলি দেখাতে হবে যেগুলি বিপরীতভাবে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হবে।

[A witness may be cross-examined as to previous statements made by him in writing or reduced into writing, and relevant to matters in question, without such writing being shown to him, or being proved; but, if it is intended to contradict him by the writing, his attention must, before the writing can be proved, be called to those parts of it which are to be used for the purpose of contradicting him.]
১১,৬৮৩.
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় কে সাক্ষী হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. বুদ্ধিমান শিশুরা
  2. অল্প বয়সী বালকরা
  3. যাদের মানসিক সমস্যা নেই, কিন্তু সঠিক উত্তর দিতে সক্ষম
  4. যে ব্যক্তি তার মস্তিষ্কের বিকৃতি কারণে প্রশ্ন বুঝে সঠিক উত্তর দিতে অক্ষম
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী শিশুর বোধশক্তির ভিত্তিতে একজন শিশুকে সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা হয়। ১১৮ ধারায় উল্লেখ আছে যে, মানসিকভাবে বিকৃত ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে অযোগ্য হতে পারে যদি সে প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে অক্ষম হয়।

⇒ সাক্ষীর যোগ্যতা: সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা আছে ১১৮- ১৩১ ও ১৩৩ ধারায়।
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতিবৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসংগত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।
ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসংগত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

যেমন- বোধশক্তিসম্পন্ন শিশু, অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক, প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম বিকৃতমস্তিস্কের ব্যক্তি; বোবা, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম ব্যক্তি। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা, শিক্ষাগত যোগ্যতা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section: 118. Who may testify:
- All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind.
Explanation.–A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
১১,৬৮৪.
হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মূল এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায় পুনরীক্ষণের জন্য দরখাস্ত দাখিলের সময়_________ দিন।
  1. ২০
  2. ৩০
  3. ৪৫
  4. ৬০
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ মতে স্বল্প এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ বা পুনরীক্ষণ করার তামাদির মেয়াদ ১৫ দিন [১৬১ অনুচ্ছেদ] এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মূল এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায় পুনরীক্ষণের জন্য দরখাস্ত দাখিলের সময় ২০ দিন [১৬২ অনুচ্ছেদ] এবং দেওয়ানী আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন [১৭৩ অনুচ্ছেদ]।
১১,৬৮৫.
How many types of imprisonment under Section 53 of the Penal Code can there be?
  1. One (only simple)
  2. Two (rigorous and simple)
  3. Three (rigorous, simple, and solitary)
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) Two (rigorous and simple)

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৫৩ অনুযায়ী শাস্তির মধ্যে “Imprisonment” একটি ধরন, যা আবার দুই প্রকার:
- “Imprisonment, which is of two descriptions, namely –
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple.”
- Rigorous imprisonment – এখানে কাজ করতে হয়, যেমন কঠোর শ্রম (hard labour)।
- Simple imprisonment – সাধারণ কারাবাস, যেখানে কাজ করার বাধ্যবাধকতা নেই।

- গ) Three (rigorous, simple, and solitary) – এটি ভুল কারণ:
“Solitary confinement” (একাকী আবদ্ধ থাকা) দণ্ডবিধির ধারা ৭৩-এ আলাদাভাবে আলোচনা করা হয়েছে, কিন্তু এটি Section 53-এ কারাদণ্ডের একটি প্রকার হিসেবে গণ্য নয়।
১১,৬৮৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কোন ধারা অনুযায়ী ঘোষনা মূলক মোকদ্দমা করা যায়?
  1. ৩৮ ধারা
  2. ৪২ ধারা
  3. ৪১ ধারা
  4. ৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪২ ধারা অনুযায়ী ঘোষনা মূলক মোকদ্দমা করা যায়।
• ২টি বিষয়ে ঘোষনামূলক ডিক্রীর জন্য মোকদ্দমা করা যেতে পারে (বাদীর আইনগত পরিচয়, সম্পত্তিতে বাদীর কোন অধিকার বিষয়ে)।
• ঘোষনা মূলক মোকদ্দমার সাথে অবশ্যই আনুষাঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হবে।
• আদালত যে রায় দিবে তা ডিক্রী হিসেবে গণ্য হবে।
১১,৬৮৭.
ধারা ১৯ অনুযায়ী, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলায় আদালত কি করতে পারে?
  1. মামলাটি বাতিল করতে পারে
  2. চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারে
  3. চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে
  4. শুধুমাত্র চুক্তি বাস্তবায়নের আদেশ প্রদান করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ ধারা ১৯- কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:

কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।

ব্যাখ্যাঃ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
১১,৬৮৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা অনুসারে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমায় বাদী কোন বিকল্প আবেদন করতে পারেন?
  1. চুক্তি সংশোধন
  2. চুক্তি বাড়ানো
  3. চুক্তি রদ ও বিলুপ্ত
  4. চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩৭ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরকরণের জন্য মামলা করে, তখন তিনি বিকল্পভাবে আদালতে আবেদন করতে পারেন যে:
→ যদি আদালত চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর না করে, তবে তা রদ করে দেওয়া হোক এবং বাতিল (delivered up to be cancelled) ঘোষণা করা হোক।
→ এই বিধান বাদীকে একই মোকদ্দমার মধ্যে দুইটি বিকল্প প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ দেয়:
- মূল আবেদন: চুক্তি কার্যকর করা হোক।
- বিকল্প আবেদন: চুক্তি কার্যকরযোগ্য না হলে তা রদ ও বিলুপ্ত করা হোক।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
১১,৬৮৯.
আদেশ ৮ এর বিধি ৯ অনুসারে, লিখিত জবাব দাখিলের পরে নতুন কোন আরজি-জবাব সাধারণত-
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়াই গ্রহণযোগ্য
  2. শুধুমাত্র বিবাদী দাখিল করতে পারবেন
  3. আদালতের অনুমতি ব্যতীত দাখিল করা যাবে না
  4. বাদী ও বিবাদী উভয়ই স্বাধীনভাবে দাখিল করতে পারবেন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ. আদালতের অনুমতি ব্যতীত দাখিল করা যাবে না।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):

বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

১১,৬৯০.
তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোনো আসামীকে দণ্ড দিলে আপীল দায়ের করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ কোর্টে
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. আপীল বিভাগে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৭ মতে- দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডাদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। কিন্তু দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল ধরণের ম্যাজিস্ট্রেটের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে দায়রা জজের নিকট।
১১,৬৯১.
তামাদি আইনে কোন কার্যক্রমের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে তামাদির মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান নেই?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
রিভিশনের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই। 

• তফসিলে মোকদ্দমা, আপীল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
১১,৬৯২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 39,rule 2 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালত কর্তৃক আরোপিত নিষোধাজ্ঞার আদেশ ক্রমাগত লংঘনকারীকে কতদিন দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখার বিধান আছে?
  1. অনধিক ৬ মাস
  2. সর্বোচ্চ ১ বছর
  3. অনধিক ৯০ দিন
  4. সর্বোচ্চ ১৮০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৯ বিধি-২ বিধান হল লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধে নিষেধাজ্ঞা (Injunction to restrain repetition or continuance of breach):ও
♦‌ চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

♦ যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

♦ এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।

♦নোট: বিধি ২ এর অধীন যেকোন আদেশই আপিলযোগ্য
১১,৬৯৩.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায়, যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একটি অবৈধ কাজ করতে একমত হন, তবে এটি কী বলে গণ্য হবে?
  1. সাধারণ ষড়যন্ত্র
  2. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
  3. অবৈধ চুক্তি
  4. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
ব্যাখ্যা
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র [Criminal Conspiracy]:
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রকে [criminal conspiracy] কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে [To do an illegal act] বা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে [to do a legal act by illegal means] সম্মত হয়, তখন উক্ত ব্যক্তিরা 'অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র' করেছে বলে গণ্য হবে।

ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:
যখন দুইজন বা তার বেশি ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোন কাজ করতে বা করানোর জন্য একমত হন:
- একটি অবৈধ কাজ করা, অথবা
- এমন কোনো কাজ করা যা আইনত অবৈধ নয় কিন্তু অবৈধ উপায়ে করা হয়, তবে এই ধরনের একমত হওয়াকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলা হয়।

শর্ত: যে কোনো একমত হওয়া শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে হলে তা অপরাধী ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে, তবে এর জন্য এই চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এক বা একাধিক পক্ষের দ্বারা এমন কিছু কার্যক্রম সম্পাদিত হতে হবে, যা এই চুক্তির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য করা হয়।

ব্যাখ্যা: এটি গুরুত্বপূর্ণ নয় যে ওই অবৈধ কাজটি চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল, অথবা তা চুক্তির উদ্দেশ্য থেকে এক প্রকার অনুষঙ্গী ছিল।
১১,৬৯৪.
ডাকাতি করা কালে খুন সংঘটিত হইলে, সে খুনের জন্য কে দায়ী?
  1. যে খুন করে
  2. যে খুনের সাহায্য করে
  3. ডাকাতিতে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকে
  4. ডাকাতের সর্দার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতি:- যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

⇒ Section 396. Dacoity with murder:- If any one of five or more persons, who are conjointly committing dacoity, commits murder in so committing dacoity, every one of those persons shall be punished with death, or imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১১,৬৯৫.
'ক', 'খ' ও তার সন্তানগণের নামে একটি সম্পত্তি নামজারী করে। 'ক' তারপর উক্ত সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' বিক্রয় থেকে বিরত রাখার জন্য নিম্নলিখিত কোন ধরনের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. ঘোষণামূলক
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
-এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
 
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
 
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ: 
(ক) 'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'ক' মামলা দায়ের করতে পারে।

(খ) একজন জিম্মাদার জিম্মা ভঙ্গের হুমকি প্রদান করে। তার সহ-জিম্মাদার যদি থেকে থাকে, অবশ্যই এবং উপকার লাভকারী মালিক চুক্তিভঙ্গ নিরোধের লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।

(ঘ) একটি অগ্নি এবং জীবন বীমা কোম্পানির পরিচালকবৃন্দ নৌ-বিমা করার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাদেরকে তা হতে বিরত রাখবার লক্ষ্যে ইনজাংশন জারির জন্য যেকোনো অংশীদারই মামলা দায়ের করতে পারেন।

(ঙ) একজন কার্যনির্বাহী 'ক' অসদাচরণ বা দেউলিয়া অবস্থার মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিকে বিপদাপন্ন করে তুলেছে। আদালত তাকে তার আয় পাওয়া থেকে নিবৃত্ত রাখবার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
 
(চ) 'খ' এর জিম্মাদার 'ক' জিম্মা সম্পত্তির একটি ক্ষুদ্র অংশের অযৌক্তিক বিক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। 'খ' বিক্রয় থেকে বিরত রাখার লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য মামলা রুজু করতে পারে, যদিও আর্থিক ক্ষতিপূরণ তার পর্যাপ্ত প্রতিকার বিধান করে।
 
(ছ) 'ক', 'খ' ও তার সন্তানগণের নামে একটি সম্পত্তি নামজারি করে। 'ক' তারপর উক্ত সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। বিক্রয় হতে বিরত থাকবার লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' বা তার যেকোনো সন্তান মামলা দায়ের করতে পারে।
 
(জ) উকিল হিসাবে 'ক' এর নিয়োজিত থাকার সময় তার মক্কেল 'খ' এর কতিপয় দলিল তার হস্তগত হয়। 'ক' উক্ত দলিল সমূহ সাধারণ্যে প্রকাশ অথবা তার বিষয়বস্তু একজন আগন্তুকের নিকট প্রকাশ করে দেবার হুমকি প্রদান করে। 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা তে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
 
(ঝ) 'ক', 'খ' এর মেডিকেল অ্যাডভাইজার। 'ক' টাকা দাবি করল যা 'খ' প্রদানে অস্বীকৃতি প্রকাশ করল। 'ক' তারপর রোগী হিসাবে 'খ' যে সমস্ত তথ্য তার নিকট প্রকাশ করেছে তা সাধারণ্যে প্রকাশ করার হুমকি প্রদান করল। এটি 'ক' এর কর্তব্যের বিপরীত এবং 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
 
(ঞ) দু'টি সংলগ্ন বাড়ির মালিক 'ক', 'খ' এর নিকট বাড়ি ভাড়া প্রদান করে এবং পরবর্তী সময়ে 'গ' এর নিকট অপর বাড়িটি ভাড়া প্রদান করে। অতঃপর 'ক' ও 'গ', 'গ'-কে ভাড়া প্রদান করা বাড়ির পরিবর্তন আরম্ভ করল, যা 'খ' কে ভাড়া প্রদান করা বাড়ির স্বাচ্ছন্দ্যমূলক উপভোগকে বিঘ্নিত করবে। তাদেরকে তেমন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
১১,৬৯৬.
“Witnesses to character may be cross-examined and re-examined”- এই বিধান কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ১৩৯
  2. ধারা ১৪০
  3. ধারা ১৪১
  4. ধারা ১৪২
ব্যাখ্যা

Section 140- Witnesses to character:
Witnesses to character may be cross-examined and re-examined.

ধারা ১৪০: চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষী:
চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষীদের জেরা (cross-examination) এবং পুনরায় জেরা (re-examination) করা যেতে পারে।

১১,৬৯৭.
'ম' এক ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হয়। এক্ষেত্রে দণ্ডাদেশ দণ্ডবিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে সন্দেহ বিদ্যমান। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. মামলা বাতিল করবে
  2. বিকল্প রায় প্রদান করবে
  3. রায় প্রদান স্থগিত রাখবে
  4. সম্পূর্ণ মামলা স্থগিত করবে
ব্যাখ্যা
• এক্ষেত্রে আদালত বিকল্প রায় প্রদান করবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• ধারা ৩৬৭(৩)-
যখন দণ্ডাদেশ দণ্ডবিধির অধীনে হয় এবং এটি নিয়ে সন্দেহ থাকে যে অপরাধটি দণ্ডবিধির কোন দুটি ধারার মধ্যে বা একই ধারা দুইটি ভাগের মধ্যে পড়ে, তখন আদালত এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করবে এবং বিকল্পভাবে রায় প্রদান করবে।

Section 367(3)-
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
১১,৬৯৮.
একজন বোবা সাক্ষী আদালতে লিখে সাক্ষ্য দিচ্ছে, এ ক্ষেত্রে তার এই লিখিত বক্তব্য কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. লিখিত সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. গোপন সাক্ষ্য
  4. অনুমানভিত্তিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
"একজন সাক্ষী যদি কথা বলতে অক্ষম হন, তাহলে তিনি লিখে বা ইশারা করে যেভাবে বোঝাতে পারেন, সেইভাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন; তবে সেই লিখিত বক্তব্য বা ইশারা অবশ্যই প্রকাশ্য আদালতে (open Court) লিখতে বা করতে হবে। এইভাবে যেই সাক্ষ্য প্রদান করা হবে, তা মৌখিক সাক্ষ্য (oral evidence) বলে গণ্য হবে।"

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ অনুযায়ী, বোবা সাক্ষী যদি লিখিতভাবে বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দেন, তাহলে তা মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে, যদিও এটি লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
১১,৬৯৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে, বিদেশি দেশের আইন সম্পর্কে মত গঠনের জন্য আইন-বই বা রায় প্রকাশনা প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ৩৫
  2. ধারা ৩৬
  3. ধারা ৩৭
  4. ধারা ৩৮
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩৮ অনুসারে, কোনো দেশের আইন সম্পর্কে আদালতের মতামত গঠনের জন্য, সেই দেশের সরকার কর্তৃক প্রকাশিত বইয়ে থাকা আইনের বিবরণ বা সেই দেশের আদালতের রায়ের রিপোর্ট প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এটি বিদেশি দেশের আইনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী কোন দেশের কোন আইন সম্পর্কে যখন আদালতকে কোন অভিমতে উপনীত হতে হয়, তখন উক্ত আইন সম্পর্কে ঐ দেশের সরকারের কর্তৃত্বে মুদ্রিত ও প্রকাশিত উক্ত আইন সম্বলিত কোন পুস্তকে এবং ঐ দেশের আদালতসমূহের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট বলে কথিত কোন পুস্তকে প্রকাশিত কোন সিদ্ধান্তের রিপোর্ট প্রাসঙ্গিক হবে।
--------------
⇒The Evidence Act, 1872,Section 38.Relevancy of statements as to any law contained in law-books:
 When the Court has to form an opinion as to a law of any country, any statement of such law contained in a book purporting to be printed or published under the authority of the Government of such country and to contain any such law, and any report of a ruling of the Courts of such country contained in a book purporting to be a report of such rulings, is relevant.

১১,৭০০.
নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযোগকারীর জবানবন্দী ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রেকর্ড করেন?
  1. ১৯০ ধারা
  2. ২০০ ধারা
  3. ২০১ ধারা
  4. ২০২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ নালিশী দরখাস্ত অর্থ হলো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন অপরাধের অভিযোগ সংক্রান্ত কোন দরখাস্ত। কোন ব্যক্তি ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারার অধীন কোন অপরাধের অভিযোগ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে পারে। এই ২০০ ধারার অধীন নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দী রেকর্ড করেন।