বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১১২ / ১২৬ · ১১,১০১১১,২০০ / ১২,৬০৫

১১,১০১.
In the suit of 'A' vs. 'B'- 'B', the defendant dies during the trial. B's husband and her adult daughter both want to be recognized as the legal representative for continuing the suit. According to Order 22 Rule 5, who has the authority to determine the question about legal representative of 'B'?
  1. Only 'A'
  2. Only The Court
  3. Both 'A' & Court
  4. The parties involved in the case
ব্যাখ্যা
আদেশ ২২ বিধি ৫- বৈধ প্রতিনিধি সম্পর্কীত প্রশ্ন নিষ্পত্তি:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মৃত বাদী বা বিবাদীর বৈধ প্রতিনিধি কি-না তসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ প্রশ্ন আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত হবে।

Order 22 Rule 5: Determination of question as to legal representative:
Where a question arises as to whether any person is or is not the legal representative of a deceased plaintiff or a deceased defendant, such question shall be determined by the Court.

আদেশ ২২ বিধি ৫ অনুযায়ী,
যখন কোন পক্ষ, যেমন একজন মৃত বাদী বা বিবাদীর আইনগত প্রতিনিধি কে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে, তখন সেই প্রশ্নটি আদালত দ্বারা নির্ধারিত হবে। অর্থাৎ, যে কোন একজন ব্যক্তি মৃত বাদী বা বিবাদীর আইনগত প্রতিনিধি কিনা তা আদালত সিদ্ধান্ত নেবে। আইনগত প্রতিনিধিত্বের সিদ্ধান্তটি আদালতের একক এখতিয়ারাধীন।

প্রদত্ত প্রশ্নে যখন বিবাদী 'B', মারা যায় এবং তার আইনগত প্রতিনিধি স্বামী নাকি কন্যা হবে- তা নিয়ে বিতর্ক ওঠে, তখন এই সিদ্ধান্তটি কেবলমাত্র আদালত নিবে।
১১,১০২.
‘ক’, ‘খ’-এর নিকট বাড়ি ও বাগানসহ একটি সম্পত্তি বিক্রি করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। পরে দেখা যায়, ‘ক’ শুধুমাত্র বাড়ি হস্তান্তর করতে পারবে, বাগান নয়। এই পরিস্থিতিতে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিকার পেতে পারে?
  1. ১৪
  2. ১৫
  3. ১৬
  4. ১৯
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন, যে ক্ষেত্রে অংশবিশেষ সম্পাদিত অংশ বড়:
- যেখানে চুক্তিবদ্ধ একটি পক্ষ চুক্তিতে তার অংশের সম্পূর্ণ কার্যসম্পাদন করতে ব্যর্থ হয় এবং অসম্পূর্ণভাবে পরিত্যক্ত অংশ সম্পূর্ণ কাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হয় কিংবা আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট না হয়; তাহা হলে সে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য একটি ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী হবে না। কিন্তু আদালত অপর পক্ষের মামলার প্রেক্ষিতে চুক্তিভঙ্গকারী পক্ষকে তার পক্ষে যতটুকু সম্পাদন করা সম্ভব চুক্তির ততটুকু অংশ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন, যদি বাদী পক্ষ আরও কার্যসম্পাদনের দাবি পরিত্যাগ করে এবং কাজে ত্রুটির জন্য অথবা প্রতিবাদী কর্তৃক চুক্তিভঙ্গের দরুন সাধিত ক্ষতির জন্য প্রাপ্য সকল ক্ষতিপূরণের অধিকার পরিহার করে।

উদাহরণ:
(ক) ক, খ-এর নিকট ১০০ বিঘার একটি জমি বিক্রয় করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু পরে দেখা যায় যে, মাত্র ৫০ বিঘা জমি ক-এর মালিকানাধীন রয়েছে এবং অন্য ৫০ বিঘার মালিক একজন অপরিচিত ব্যক্তি, যে তাদের সহিত অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে। ক, খ-এর বিরুদ্ধে চুক্তি অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি পেতে না, কিন্তু যদি খ সম্মতিকৃত মূল্য প্রদানে ইচ্ছুক হয় এবং ক-এর অবহেলা বা চুক্তিভঙ্গের জন্য তাকে যে ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে তার ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সকল অধিকার পরিত্যাগ করে ক-এর মালিকানাধীন ৫০ বিঘা জমি গ্রহণ করতে চায়, তবে খ ক্রয়মূল্য পরিশোধের প্রেক্ষিতে ৫০ বিঘা জমি তার নিকট হস্তান্তর করার জন্য ক-এর নির্দেশ-সম্বলিত ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী।

(খ) ক, ১ লক্ষ টাকায় বাড়ি ও বাগানসহ একটি সম্পত্তি খ-এর নিকট বিক্রি করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। বাড়ির ব্যবহার বা উপভোগের জন্য বাগানটি গুরুত্বপূর্ণ। পরে দেখা যায় যে, বাগান হস্তান্তর করতে সক্ষম নয়। ক, খ-এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য ডিক্রি পেতে পারে না; কিন্তু যদি খ সম্মতিকৃত মূল্য প্রদানে ইচ্ছুক হয় এবং ক-এর অবহেলা বা ত্রুটির জন্য তাকে যে ক্ষতি বহন হবে অথবা যে অভাব বোধ করতে হবে তার ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সকল অধিকার পরিত্যাগ করে বাগান ছাড়াই বাড়ি এবং সম্পত্তি গ্রহণ করতে সম্মত হয় তবে খ ক্রয়মূল্য পরিশোধের প্রেক্ষিতে বাড়ি এবং সম্পত্তি তার নিকট হস্তান্তর করার জন্য কএর প্রতি নির্দেশ-সম্বলিত ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী।
--------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 15. Specific performance of part of contract where part unperformed is large
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant. 

Illustrations:
(a) A contacts to sell to B a piece of land consisting of 100 bighas. It turns out that 50 bighas of the land belong to A, and the other 50 bighas to a stranger, who refuses to part with them. A cannot obtain a decree against B for the specific performance of the contract; but if B is willing to pay the price agreed upon, and to take the 50 bighas which belong to A, waiving all right to compensation either for the deficiency or for loss sustained by him through A's neglect or default, B is entitled to a decree directing A to convey those 50 bighas to him on payment of the purchase-money. 
(b) A contracts to sell to B an estate with a house and garden for a lakh of taka. The garden is important for the enjoyment of the house. It turns out that A is unable to convey the garden. A cannot obtain a decree against B for the specific performance of the contract, but if B is willing to pay the price agreed upon, and to take the estate and house without the garden, waiving all right to compensation either for the deficiency or for loss sustained by him through A's neglect or default, B is entitled to a decree directing A to convey the house to him on payment of the purchase-money.

১১,১০৩.
The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারায় উল্লিখিত খুনের সংজ্ঞায় কয়টি ব্যতিক্রম আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি এর ৩০০ ধারায় উল্লিখিত খুনের সংজ্ঞায় ৫ টি ব্যতিক্রম আছে। যথা -

১. মারাত্মক বা আকস্মিক প্ররোচনায় সংযম হারাইয়া প্ররোচনাকারীকে বা ভুলক্রমে বা দূর্ঘটনাক্রমে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়,
২. অপরাধী সরল মনে আত্মরক্ষার বা সম্পত্তি রক্ষায় কোনোরূপ পরিকল্পনা ব্যতীত মৃত্যু ঘটায়,
৩. অপরাধকারী সরকারি কর্মচারী হিসেবে বা কর্মচারীর সাহায্যকারী হিসেবে দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে আইনানুগ বলিয়া সরল মনে কর্তব্য পালন করতে যেয়ে মৃত্যু ঘটালে,
৪. পরিকল্পনা ব্যতীত আকস্মিক বিবাদের সময় উত্তেজনায় মৃত্যু ঘটলে,
৫. ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে স্বীয় সম্মতিতে মৃত্যু ঘটলে।

অর্থাৎ ৩০০ ধারার দ্বিতীয় অংশে ৫টি ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে যেক্ষেত্রে নিষ্পনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না অর্থাৎ শুধুমাত্র নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
১১,১০৪.
নিম্নলিখিত কোনটি ১৭৪ ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. সরকারি কর্মচারীর আদেশ অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত না হওয়া
  2. অসুস্থতার কারণে নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হতে না পারা
  3. সরকারি কর্মচারীর আদেশ ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা
  4. সরকারি কর্মচারীর আদেশে যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে সময়ের আগে চলে যাওয়া
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারা- সরকারী কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া-

কোন ব্যক্তি সরকারী কর্মচারী হিসেবে আইনতঃ কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; 
অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both; 
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১১,১০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে বন্ডের বকেয়া অর্থ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৫১৪
  2. ধারা ৫১৫
  3. ধারা ৫১৬
  4. ধারা ৫১৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৬-এর শিরোনামই হল "Power to direct levy of amount due on certain recognizances"। এই ধারা অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত আদালতে হাজিরা দেওয়ার শর্তে প্রদত্ত কোন বন্ডের (যেমন, জামিনের বন্ড) বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিতে পারে। এটি মূলত জামিনে মুক্ত ব্যক্তির আদালতে হাজির না হওয়ার শাস্তিস্বরূপ আর্থিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি ব্যবস্থা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮:- ধারা ৫১৬- নির্দিষ্ট মুচলেকার কারণে প্রাপ্য অর্থ আদায়ের নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা:
- হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে তাদের সামনে উপস্থিত হওয়ার জন্য সম্পাদিত মুচলেকার কারণে প্রাপ্য অর্থ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে।
-------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 516. Power to direct levy of amount due on certain recognizances:
The High Court Division or Court of Session may direct any Magistrate to levy the amount due on a bond to appear and attend at such High Court Division or Court of Session.

১১,১০৬.
নিম্নের কোন কাজটি সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতায় পড়বে না?
  1. পুলিশ কর্তৃক বিনা পরোয়ানায় খুনিকে গ্রেপ্তার
  2. আদালতের রায় অনুযায়ী সম্পাদিত কাজ
  3. ১২ বছরের কম বয়স্ক পরিণত বোধসম্পন্ন শিশুর কাজ
  4. সদবিশ্বাসে কৃত কোনো কাজ
ব্যাখ্যা
♦ যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত; অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না। 

♦ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা অনুসারে, ৯ বৎসরের বেশি এবং ১২ বৎসরের কম বয়স্ক শিশু যে যথেষ্ট পরিণত বোধসম্পন্ন হয়নি [not attained sufficient maturity] বা অপরিণত বোধসম্পন্ন শিশুর কাজ সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতায় পড়বে এবং এমন শিশুর কার্য অপরাধ মর্মে গণ্য হবেনা। কিন্তু প্রশ্নের (গ) অপশনে ১২ বছরের কম বয়স্ক পরিণত বোধসম্পন্ন শিশুর [matured child] কাজ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, এমন শিশুর কার্য বলা হয়েছে, যে তার কার্যের প্রকৃতি এবং ফলাফল বুঝতে যথেষ্ট পরিণত বোধসম্পন্ন [matured] এবং এই কারণে তার কার্য সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতায় পড়বেনা এবং তার কার্য অপরাধ মর্মে গণ্য হবে। অন্যদিকে, খুন আমলযোগ্য অপরাধ হওয়ায়, পুলিশ বিনা পরোয়ানায় খুনিকে গ্রেপ্তার করতে পারে এবং এটা আইনে অনুমোদিত ক্ষমতা। আদালতের রায় অনুযায়ী সম্পাদিত কাজ ৭৮ ধারা অনুসারে, সদবিশ্বাসে কৃত কোনো কাজ ৯২ ও ৯৩ ধারা অনুসারে সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতায় পড়বে।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারামতে দন্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহ সহ যে কোন ব্যতিক্রম প্রমানের দায়িত্ব আসামীর।
১১,১০৭.
একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের রাষ্ট্রদ্রোহিতা ব্যতীত অন্য সকল অপরাধের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে আপিল করতে হবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:

যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে। নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-

(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫(পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:

Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-

(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 

(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
১১,১০৮.
তামাদি আইন অনুযায়ী চুক্তি বলবৎ করণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, চুক্তি বলবৎ করণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১ বৎসর।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, চুক্তি বলবৎ করণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তি যদি চুক্তি বলবৎ করানোর উদ্দেশ্যে আদালতে মামলা করতে চান, তবে তাকে উক্ত চুক্তির লঙ্ঘন বা ভঙ্গের পরবর্তী ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। এই সময়সীমা অতিক্রম করলে মামলা অগ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারে।
১১,১০৯.
'ক' তার সাবেক স্বামী 'খ' এর বিরুদ্ধে নাবালক সন্তানের খোরপোষের দাবিতে একটি পারিবারিক মোকদ্দমা করেছে। 'খ' তার জবাবে বিবাহ, তালাক এবং সন্তানের দাবি অস্বীকার করেনি। এক্ষেত্রে উক্ত সন্তান যে 'ক' ও 'খ' এর- এ বিষয়ে নিচে বর্ণিত কোন কারণে আদালতে কোনো প্রমাণের প্রয়োজন পড়ে না?
  1. বিবাহের কাগজ পরীক্ষা করে তা চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য করার কারণে
  2. বিবাহের বৈধতার কারণে তা প্রমাণের কোনো প্রয়োজন পড়ে না
  3. কোনো আইনজীবী এ বিষয়ে বিরোধিতা না করলে বা না করার কারণে
  4. উভয় পক্ষ কর্তৃক আরজি ও জবাবে তা স্বীকৃত বিধায় প্রমাণের প্রয়োজন পড়ে না
ব্যাখ্যা
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষাপটে, 'ক' তাঁর সাবেক স্বামী 'খ' বিরুদ্ধে সন্তানের খোরপোষ দাবি করে একটি পারিবারিক মামলা দায়ের করেন। 'খ' মামলার জবাবে সন্তান, বিবাহ ও তালাক সম্পর্কিত বিষয়ে কোনো বিরোধ প্রকাশ করেননি, বরং স্বীকার করেন যে তিনি তালাকের সময় থেকেই সন্তানের খোরপোষ প্রদান করে আসছেন। এই পরিস্থিতিতে আদালত "উক্ত সন্তান 'ক' ও 'খ' এর সন্তান" – এই বিষয়টি প্রমাণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে না।

এর কারণ হচ্ছে, সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে-
মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। ৫৮ ধারার আলোকে, যদি কোনো বিষয় উভয় পক্ষ দ্বারা আরজি (Plaint) ও জবাবের (Written Statement) মাধ্যমে স্বীকৃত হয়, তবে সে বিষয়ে প্রমাণ হাজির করার প্রয়োজন পড়ে না।
১১,১১০.
কোন ক্ষেত্রে বিবাদীকে সমন প্রেরণ করার প্রয়োজন নেই?
  1. বিবাদী মোকদ্দমা দায়েরকৃত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বাস করলে
  2. বাদী মোকদ্দমা দায়েরকৃত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বাস করলে
  3. বিবাদী আরজি দাখিলের সময় হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করলে
  4. উল্লিখিত যেকোনো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মোকদ্দমায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-

১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হনতাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন। আরো শর্ত থাকে যে,যদি বিবাদী আরজি দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নেন,তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদীর উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে, নিম্নোক্ত যেকোন পদ্ধতিতে বিবাদী হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।
১১,১১১.
সমন জারির ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধানটি সংশোধিত হয়ে Short Message Service, Voice Calls, Instant Messaging Services সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. Order V Rule 9(3)
  2. Order V Rule 9(5)
  3. Order V Rule 9(2)
  4. Order V Rule 9(4)
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী Order V, Rule 9, Sub-rule (3)-এ “transmission of documents through” শব্দগুচ্ছের পরিবর্তে যুক্ত হয়েছে:
"Short Message Service, Voice Calls, Instant Messaging Services,"
অর্থাৎ, এখন সমন বা কাগজপত্র পাঠানোর জন্য নিম্নলিখিত প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করা যাবে:
- Short Message Service (SMS)
- Voice Calls
- Instant Messaging Services (যেমন WhatsApp, Messenger ইত্যাদি)

এছাড়াও, উক্ত বিধানে আরও বলা হয়েছে:
“Provided that the proof of such service shall be kept in record.”
অর্থাৎ, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পাঠানো সমনের প্রমাণ অবশ্যই রেকর্ডে রাখতে হবে।

⇒ সমন জারির ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির ক) Order V Rule 9(3) বিধানটি সংশোধিত হয়ে Short Message Service, Voice Calls, Instant Messaging Services সন্নিবেশিত হয়েছে।

তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: ক) Order V Rule 9(3)। 

১১,১১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা কোন ধরনের পরোয়ানা ইস্যু সম্পর্কে?
  1. জব্দ পরোয়ানা
  2. তল্লাশি পরোয়ানা
  3. গ্রেপ্তার পরোয়ানা
  4. হাজিরা পরোয়ানা
ব্যাখ্যা

⇒ তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোনো দলিল বা অন্য কোনো বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে।
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোনো অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোনো প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশি পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
-------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোনো আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোনো সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোনো সমন জারি করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোনো ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোনো অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোনো প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোনো কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পারসেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশি করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 96:When search-warrant may be issued:
(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained.
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate] to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.

১১,১১৩.
'ক' চুরির দায়ে 'খ'-কে ফৌজদারীতে সৌপর্দ করে। 'ক' আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'খ' চুরির কথা 'গ' এর নিকট স্বীকার করেছিল। স্বীকৃতির বিষয়টি প্রমাণের দায়ভার কার উপর বর্তায়?
  1. আসামী পক্ষের
  2. 'ক' এর উপর
  3. 'খ' এর উপর
  4. পুলিশের উপর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারার বিধান: কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব:- কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

⇒ উদাহরণ:
⇒ 'খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে।
অন্যদিকে যদি আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা 'খ' কে প্রমাণ করতে হবে।
১১,১১৪.
কিভাবে 'Restitution of conjugal rights' এর ডিক্রি জারি করা যায়?
  1. কারাগারে আটক
  2. সম্পত্তি ক্রোক
  3. স্পেশাল ডিক্রি
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
⇒ দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রির ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি- দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের (restitution of conjugal rights) ডিক্রিজারি শুধুমাত্র সম্পত্তি ক্রোকের (attachment of property) মাধ্যমে করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি (Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction): দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
১১,১১৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯০ক অনুযায়ী, কত বছর পুরানো ডিজিটাল রেকর্ডকে সঠিক বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ক অনুযায়ী, যে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড যদি পাঁচ বছর পুরোনো হয় এবং আদালত মনে করে যে এটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, তবে আদালত এটি সঠিক বলে ধরে নিতে পারে এবং অনুমান করতে পারে যে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।

⇒ The Evidence Act,1872, section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
১১,১১৬.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১২৪ অনুযায়ী একজন সরকারি কর্মকর্তা যদি মনে করেন, যোগাযোগ প্রকাশ করলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তবে—
  1. আদালত তাকে প্রকাশে বাধ্য করতে পারে
  2. আদালত তাকে প্রকাশে বাধ্য করতে পারে না
  3. আদালত তার মতামত উপেক্ষা করতে পারে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872- ধারা ১২৪: সরকারি যোগাযোগ:
কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে তাঁর কাছে সরকারি গোপনীয়তায় করা যোগাযোগ প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না, যখন তিনি মনে করেন যে এই প্রকাশের ফলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

[No public officer shall be compelled to disclose communications made to him in official confidence, when he considers that the public interests would suffer by the disclosure.]
১১,১১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারা অনুসারে আদালত কখন রায় সংশোধন করতে পারেন?
  1. নতুন সাক্ষ্য আসলে
  2. করণিক ভুলে
  3. আসামীর আবেদনে
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুরোধে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারার বিধান আদালত রায় পরিবর্তন করবেন না: এই কার্যবিধি বা বর্তমানে কার্যকর অপরকোন আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকলে কোন আদালত রায়ে স্বাক্ষর করার পর করণিক ভুল সংশোধন করা ব্যতীত তা পরিবর্তন বা পুনর্বিবেচনা করবেন না। 

⇒ বিচার সমাপ্ত হবার পর নির্ধারিত দিনে প্রকাশ্য আদালতে বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়। ভিন্নরুপ বিধান না থাকলে প্রত্যেকটি রায় আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক লিখিত হবে বা তার দ্রুত লিখন হতে আদালতের ভাষায় বা ইংরেজি ভাষায় লিখিত হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারা অনুসারে, আদালত একবার রায়ে স্বাক্ষর করলে পরিবর্তন বা রিভিউ করতে পারবে না কিন্তু করণিক ভুল সংশোধন করতে পারে।
----------------- 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-369: Court not to alter judgment: 
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force,no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
১১,১১৮.
আনিস দোষ স্বীকার করায় আদালত তাকে দণ্ড প্রদান করেন। কিন্তু পরে সে দাবি করে, দণ্ড দেওয়ার সময় বিচারক আইন অনুসরণ করেননি। এক্ষেত্রে, আনিস ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ ধারায় দণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে -
  1. মামলা স্থগিত করতে পারে
  2. আপিল করতে পারে
  3. মামলা প্রত্যাহার করতে পারে
  4. উচ্চ আদালতে রায় বাতিলের আবেদন করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

Section: 412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty:
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
১১,১১৯.
Under which section of the Penal Code is kidnapping from Bangladesh defined?
  1. Section 359
  2. Section 360
  3. Section 361
  4. Section 362
ব্যাখ্যা

⇒ According to Section 360 of the Penal Code, 1860, whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of someone legally authorized to consent on their behalf, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান- বাংলাদেশ হইতে মনুষ্যহরণ:
- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-360: Kidnapping from Bangladesh, etc.
- Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

১১,১২০.
দণ্ডবিধির ধারা ৪১৯ অনুযায়ী "cheating by personation" এর সর্বোচ্চ কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪১৯ অনুযায়ী: “যে ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে (cheating by personation), সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড প্রাপ্ত হবে।”
- এই ধারা অনুযায়ী, ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য ব্যক্তি বলে পরিচয় দিয়ে জেনে-বুঝে প্রতারণা করেন, তাহলে তিনি cheating by personation করেছেন বলে ধরা হবে।
- সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ: ৩ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১১,১২১.
শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষ্য দিতে-
  1. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
  2. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে।
  3. আদালতকে সাহায্য করাই তার (বিশেষজ্ঞের) কর্তব্য হবে।
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: -
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।

(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

অর্থাৎ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষ্য দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে।
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------
⇒ Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.- ( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.

(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১১,১২২.
আবশ্যকীয় সম্পূরক প্রতিকার না চাইলে The Specific Relief Act, 1877 কোন ধারার মামলা ব্যর্থ হয়? 
  1. ৩৯ ধারা 
  2. ৪২ ধারা
  3. ৪৩ ধারা 
  4. ৪৪ ধারা
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা, মর্যাদা বা অধিকার ঘোষণা সম্পর্কে আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা- কোনো আইনগত পরিচয় অথবা কোনো সম্পত্তির অধিকারী কোনো ব্যক্তি, যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন যিনি এইরূপ পরিচয় বা অধিকারের বিষয়ে তাহার স্বত্ব অস্বীকার করেন অথবা অস্বীকার করিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন, এবং আদালত উহার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ঘোষণা করিতে পারিবে যে, তাহার এইরূপ অধিকার রহিয়াছে এবং এইরূপ মামলায় বাদির আর কোনো প্রতিকার দাবি করিবার প্রয়োজন নাই।

এইরূপ ঘোষণার প্রতিবন্ধকতা- তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে বাদি শুধু স্বত্বের ঘোষণা ছাড়া আরও প্রতিকার পাইতে সমর্থ অথচ উহা চাওয়া হইতে বিরত রহিয়াছেন, সেক্ষেত্রে আদালত ঐইরূপ কোনো ঘোষণা প্রদান করিবে না

ব্যাখ্যা- যেমন, যেক্ষেত্রে বাদী সম্পত্তির দখলে নেই, সেক্ষেত্রে স্থাবর সম্পত্তিতে মালিকানা ঘোষণার মোকদ্দমায় দখল হলো আবশ্যকীয় সম্পূরক প্রতিকার। অর্থাৎ, এই ক্ষেত্রে দখল চাওয়া বাধ্যতামূলক এবং দখল না চাইলে শুধুমাত্র ঘোষণার মোকদ্দমা রক্ষণীয় না।
ঘোষণামূলক ডিক্রি
----------------
Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration: Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:

Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.

Explanation A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.

১১,১২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারার অধীনে বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে, আরজি বা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেওয়ার জন্য __________ একটি সার্টিফিকেট জারী করতে পারবে।
  1. আদালত
  2. বাদীপক্ষ
  3. মধ্যস্থতাকারী
  4. মোকদ্দমার উভয় পক্ষ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক(১১) ধারা-
⇒ ৮৯ক ধারার অধীন কোন মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে, আরজি বা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেওয়ার জন্য আদালত একটি সার্টিফিকেট জারী করতে পারবে এবং তৎপরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যেপক্ষসমূহ উক্ত পরিষোধিত কোর্ট ফি ফেরত পাওয়ার অধিকারী।

Section: 89A(11)-
Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.
১১,১২৪.
দণ্ডবিধিতে বলপ্রয়োগ (Force) এর সংজ্ঞা কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৩৪৯ ধারায়
  2. ৩৫০ ধারায়
  3. ৩৫১ ধারায়
  4. ৩৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৪৯ – বলপ্রয়োগ (Force):
কোন ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির প্রতি গতি সৃষ্টি করে, গতির পরিবর্তন ঘটায়, বা গতি বন্ধ করে — অথবা এমন কোনো পদার্থে এই ধরনের গতি সৃষ্টি করে যা ঐ ব্যক্তির শরীরের সঙ্গে, বা তার পরিধেয় বস্তু বা বহনকৃত জিনিসের সঙ্গে, অথবা এমন কিছুর সঙ্গে সংযোগ ঘটায় যা তার অনুভূতিতে প্রভাব ফেলে — তবে বলা হয় যে, ঐ ব্যক্তি অন্যের প্রতি বল (Force) প্রয়োগ করেছে।

তবে এই বলপ্রয়োগ তখনই গণ্য হবে, যখন গতি সৃষ্টি, পরিবর্তন বা বন্ধ করার কাজটি নিম্নলিখিত তিনটি উপায়ের যেকোনো একটির মাধ্যমে করা হয়-
প্রথমত (Firstly):
নিজের শারীরিক শক্তি দ্বারা- যেমন, নিজ হাতে ঠেলে দেওয়া বা টেনে নেওয়া।

দ্বিতীয়ত (Secondly): 
কোনো বস্তু বা পদার্থকে এমনভাবে স্থাপন বা ব্যবহার করা, যাতে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলাচল করে বা থেমে গিয়ে অন্যের সঙ্গে সংযোগ ঘটায় - যেমন, কেউ পাথর গড়িয়ে দেয় যাতে তা গিয়ে অন্যের গায়ে লাগে।

তৃতীয়ত (Thirdly):
কোনো পশুকে নড়াতে, থামাতে বা তার গতি পরিবর্তন করাতে উদ্বুদ্ধ করা, যাতে তা অন্যের সঙ্গে সংযোগ ঘটায়- যেমন, কারও কুকুরকে অন্যের দিকে কামড়াতে প্ররোচিত করা।

১১,১২৫.
দায়রা আদালতে আসামির অব্যহতি (Discharge) কত ধারায়?
  1. ২৪১ক ধারায়
  2. ২৬৫গ ধারায়
  3. ২৪৫ ধারায়
  4. ২৬৫ঞ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫গ ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালত পক্ষদ্বয়ের বক্তব্য, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী, মেডিকেল সার্টিফিকেট, প্রাথমিক তথ্য বিবরণী, মামলার নথি এবং দলিল বিবেচনা করবেন। মামলার নথি, দলিল বিবেচনা এবং উভয়পক্ষের শুনানির পর মামলা চালানোর যথেষ্ট কারন খুঁজে না পেলে অর্থাৎ আসামির অপরাধ প্রতিয়মান না হলে দায়রা আদালত আসামিকে অব্যাহতি (Discharge) দিবেন।
১১,১২৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় বাদী কর্তৃক কোর্ট ফি প্রদান না করার কারনে বিবাদীর উপর সমন জারি করা না হলে, সেক্ষেত্রে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. মোকদ্দমাটি খারিজ
  2. মোকদ্দমা শুনানীর নতুন দিন
  3. নতুন করে আদালতের খরচে সমন জারির সিদ্ধান্ত
  4. সমনের জন্য প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান করার আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ বাদী খরচ প্রদান না করার কারণে সমন জারি না হলে, মোকদ্দমা খারিজ করা যায়। 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি-২:
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।
-------------------------
CPC- Order-9 Rule-2: Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs:-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
১১,১২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুযায়ী সমন দেওয়ার পরেও আদালতে হাজির না হলে কী দণ্ড দেওয়া যায়?
  1. সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়
  2. গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
  3. অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর  ৩২ ধারার বিষয়বস্তু হলো ৩০ ধারা অনুযায়ী সমন দেওয়া হলে হাজির না হলে দণ্ড।
যদি সমন দেওয়ার পরও হাজির না হলে ৪ ধরনের দণ্ড দেওয়া যায়।
- গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
- সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়
- অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা
- হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ
----------------------------------------
CPC Section 32. Penalty for default.
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
(a) issue a warrant for his arrest;
(b) attach and sell his property;
(c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
(d) order him to furnish security for his appearance and in default commit him to the civil prison.
১১,১২৮.
দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারা অনুযায়ী অপরাধের জন্য সর্বাধিক কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারার বিধান:- বেশ্যাবৃত্তি ইত্যাদির উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিক্রয়:
- কোন ব্যক্তি যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন ব্যক্তিকে বিক্রয় করে, ভাড়া দেয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করে এই উদ্দেশ্যে যে অথবা এটা জানা সত্ত্বেও যে, অনুরূপ ব্যক্তিকে কোন বিশেষ বয়সে বেশ্যাবৃত্তিতে বা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে কিংবা কোন বেআইনী ও নীতিবিগর্হিত কাজে ব্যবহৃত বা নিয়োজিত করা হবে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

- ব্যাখ্যা-১:- যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন নারীকে কোন বেশ্যার কাছে অথবা এমন কোন ব্যক্তি, যে কোন পতিতালয় রাখে বা পরিচালনা করে, তার কাছে বিক্রয় করা হয় বা ভাড়া দেওয়া হয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করা হয়, তবে যে পর্যন্ত না বিপরীত প্রমাণিত হয় -সে পর্যন্ত যে ব্যক্তি অনুরূপ নারীর বিলিব্যবস্থা করেছে। সে ব্যক্তি যাতে সে নারী পতিতাবৃত্তিতে ব্যবহৃত হয় সে উদ্দেশ্যেই তাকে বিলিব্যবস্থা করেছে বলে ধরে নেয়া হবে।

- ব্যাখ্যা-২:- এই ধারার উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে “অবৈধ সহবাস” বলতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্যে যৌনসঙ্গম বুঝাবে; কিন্তু নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ইহার ব্যতিক্রম হবে যথাঃ এমন কোন মিলন বা বন্ধন যা ঠিক বিবাহ নয় কিন্তু ব্যক্তিগত আইন অথবা তারা যে সম্প্রদায়ভুক্ত বা যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ভুক্ত সে সব সম্প্রদায়ের রীতি অনুসারে বিবাতুল্য সম্পর্ক বলে স্বীকৃত।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section - 372. Selling minor for purposes of prostitution, etc:
-Whoever sells, lets to hire, or otherwise disposes of any person under the age of eighteen years with intent that such person shall at any age be employed or used for the purpose of prostitution of illicit intercourse with any person or for any unlawful and immoral purpose, or knowing it to be likely that such person will at any age be employed or used for any such purpose, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine. Selling minor for purposes on prostitution, etc.

- Explanation I.- When a female under the age of eighteen years is sold, let for hire, or otherwise disposed of to a prostitute or to any person who keeps or manages a brothel, the person so disposing of such female shall, until the contrary is proved, be presumed to have disposed of her with the intent that she shall be used for the purpose of prostitution. 
- Explanation II.- For the purposes of this section "illicit intercourse" means sexual intercourse between person not united by marriage or by any union or tie which, though not amounting to a marriage, is recognized by the personal law or custom of the community to which they belong or, where they belong to different communities, of both such communities, as constituting between them a quasi-marital relation.
১১,১২৯.
দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধন (Mischief) এর শাস্তি হতে পারে-
  1. ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়
  2. ১ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়
  3. ৬ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়
  4. ৩ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধন (Mischief) এর শাস্তি হতে পারে ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়।

⇒ Punishment for mischief:
Section 426. Whoever commits mischief shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine, or with both.
১১,১৩০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১৫ক অনুযায়ী, একাধিক আসামির মধ্যে একজনের আপীলযোগ্য রায় হয়, এই ক্ষেত্রে কী হবে?
  1. সবাই আপীল করতে পারবে
  2. কেউ আপীল করতে পারবে না
  3. একজনই আপীল করবে
  4. আদালতের অনুমতিতে শুধু নির্দিষ্ট ব্যক্তিরা আপীল করতে পারবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১৫ক (Section 415A of the Code of Criminal Procedure, 1898) বলছে:
“যদি একাধিক ব্যক্তি একসাথে এক বিচার প্রক্রিয়ায় দোষী সাব্যস্ত হয় এবং তাদের মধ্যে কোনও একজনের বিরুদ্ধে দেওয়া রায় আপীলযোগ্য হয়, তাহলে সেই একই বিচার প্রক্রিয়ায় দোষী সাব্যস্ত সকল ব্যক্তি আপীলের অধিকারী হবে।”

অর্থাৎ ধারা ৪১৫ক একটি বিশেষ অধিকার দেয় — একাধিক আসামি একই বিচার প্রক্রিয়ায় দোষী হলে, একজনের রায় আপীলযোগ্য হলে সবাই আপীল করতে পারবেন, যদিও সাধারণত তাদের রায় আপীলযোগ্য না হয়।
১১,১৩১.
কোনটি সরকারি দলিল নয়?
  1. রেজিস্ট্রিকৃত সাবকবলা দলিলের আসল
  2. আদালতের আদেশের জাবেদা কপি
  3. আদালতে দাখিলকৃত আরজি
  4. সমনের আসল
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং এগুলো সবই সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে। সাব কবলা দলিলের আসল সরকারি দলিল নয়, কারণ এটি সরকারি অফিস সংরক্ষণ করে না, রেজিস্ট্রেশনের পর গ্রহীতাকে হস্তান্তর করা হয়। তবে এই দলিলের বিষয়বস্তু যেহেতু বালাম বইয়ের সংরক্ষিত থাকে সেটা সরকারি দলিল এবং সেখান থেকে যে জাবেদা নকল দেওয়া হয় সেটি সরকারি দলিল।
১১,১৩২.
‘অপরাধীকে আশ্রয় দান দণ্ডনীয়’ অপরাধ সংক্রান্ত বিধান নিম্নের কোন সর্ম্পকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. পিতা-পুত্র
  2. সন্তান-বৈধ অভিভাবক
  3. স্বামী-স্ত্রী
  4. ভাই বোন
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির  ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় দান করার বিষয়ের বিধান রয়েছে।
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment):-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে

♠ ব্যতিক্রম (Exception):- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
১১,১৩৩.
'খ' কর্তৃক দায়েরকৃত দেওয়ানি মোকদ্দমায় পরবর্তীতে 'গ' কে পক্ষভুক্ত করা হয়। এক্ষেত্রে 'গ' এর তামাদির মেয়াদ কখন শুরু হবে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের পর থেকে
  2. বিচার্য বিষয় গঠনের সময় থেকে
  3. 'খ' যখন আরজি দাখিল করেছিল তখন থেকে
  4. 'গ' কে যখন পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
ব্যাখ্যা
• ধারা ২২: নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল:
(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবী থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।

Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.

(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
১১,১৩৪.
টিকেট ছাড়া ট্রেনে ভ্রমণের অভিযোগে 'A'-কে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তার কাছে টিকেট ছিল তা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. 'A' এর নিজের
  2. আদালতের
  3. টিকেট চেকারের
  4. রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। অর্থাৎ, কোনো একটি ঘটনা বা বিষয় যখন নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জানার কথা বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি ব্যতীত অন্যরা জানার কথা নয়, তখন ঐ ব্যক্তির উপরই প্রমাণ করার দায়িত্ব বর্তাবে। এই ধারা অনুসারে, 'A'-কেই প্রমাণ দিতে হবে যে, তার কাছে টিকেট ছিল।

Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge
When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.

Illustrations-
(a) When a person does an act with some intention other than that which the character and circumstances of the act suggest, the burden of proving that intention is upon him.
(b) 'A' is charged with traveling on a railway without a ticket. The burden of proving that he had a ticket is on him.
১১,১৩৫.
রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সমূহ দণ্ডবিধির কোন ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১২১ থেকে ১৩০ ধারায়
  2. ১০৫ থেকে ১৩০ ধারায়
  3. ১১০ থেকে ১৪০ ধারায়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে ১২১ থেকে ১৩০ ধারায় রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধসমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
১১,১৩৬.
ইসলামী ফৌজদারি আইন পরিবর্তনের জন্য ব্রিটিশ প্রশাসন কোন গভর্নর-জেনারেলের সময়ে প্রথম পদক্ষেপ নেয়?
  1. লর্ড ডালহৌসি 
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
ব্যাখ্যা

⇒ ইসলামী ফৌজদারি আইনের সংস্কারের প্রথম উদ্যোগ ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংসের সময়ে গৃহীত হয়েছিল। তিনি বাংলার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিচার বিভাগীয় প্রশাসনে পরিবর্তন আনার জন্য একটি পরিকল্পনা (Warren Hastings Plan) প্রণয়ন করেন। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে তিনি ডাকাতি দমনের জন্য ইসলামী ফৌজদারি আইনের বিদ্যমান বিধানে প্রথম পরিবর্তন আনেন। ১৭৭৩ সালে তিনি আরও কিছু সংস্কার প্রস্তাব করেন, যেমন:
- হত্যার ক্ষেত্রে অভিপ্রায়কে (intention) প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা, অস্ত্রের প্রকৃতির পরিবর্তে।
- নিহতের উত্তরাধিকারীদের হত্যাকারীকে ক্ষমা করার অধিকার বিলোপ।
- জরিমানার পরিমাণ অপরাধের প্রকৃতি ও অপরাধীর সামর্থ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা।
যদিও এই প্রস্তাবগুলি তৎকালীন কাউন্সিল কর্তৃক পুরোপুরি গৃহীত হয়নি, কারণ কোম্পানির "অস্পষ্ট মালিকানা" (cloudy title) নিযামতের উপর তাদের আইন পরিবর্তনের ক্ষমতাকে সীমিত করেছিল, তবুও এটি ছিল ইসলামী ফৌজদারি আইন সংস্কারের প্রথম আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) লর্ড ডালহৌসি: লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮-১৮৫৬ সাল পর্যন্ত গভর্নর-জেনারেল ছিলেন। তাঁর সময়ে দণ্ডবিধি (১৮৬০) প্রণয়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়, কিন্তু তিনি সংস্কারের প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।
খ) লর্ড কর্নওয়ালিস: লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৮৬ সালে গভর্নর-জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ১৭৯০ সালে ইসলামী ফৌজদারি আইনে পদ্ধতিগত সংস্কার শুরু করেন (Cornwallis Code)। তিনি হত্যার ক্ষেত্রে অভিপ্রায়ের উপর ভিত্তি করে বিচার, কিসাস বা দিয়াতের অধিকার বিলোপ, এবং শারীরিক অঙ্গচ্ছেদের পরিবর্তে কারাদণ্ড প্রবর্তন করেন। কিন্তু এটি হেস্টিংসের পরবর্তী সময়ের ঘটনা, তাই তিনি প্রথম পদক্ষেপের সূচনাকারী নন।
ঘ) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক: বেন্টিঙ্ক ১৮২৮-১৮৩৫ সাল পর্যন্ত গভর্নর-জেনারেল ছিলেন এবং সতীদাহ প্রথা বিলোপ (১৮২৯) এর মতো সামাজিক সংস্কারের জন্য পরিচিত। তবে ইসলামী ফৌজদারি আইনের প্রাথমিক সংস্কারে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য নয়।

অর্থাৎ ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭২ সালে ডাকাতি দমনের জন্য ইসলামী ফৌজদারি আইনে প্রথম পরিবর্তন আনেন এবং ১৭৭৩ সালে আরও সংস্কার প্রস্তাব করেন, যা তাঁকে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর করে। পরবর্তী গভর্নর-জেনারেলরা, বিশেষত কর্নওয়ালিস, এই সংস্কারকে আরও এগিয়ে নিয়েছেন, কিন্তু প্রথম পদক্ষেপ হেস্টিংসের আমলেই শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: Enactment of Penal Code, 1860: A Historical Analysis by Dr. Masuma Pervin. [লিঙ্ক]

১১,১৩৭.
কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে কোন ব্যক্তির অবস্থান অস্বীকৃত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিকার পাওয়া সম্ভব?
  1. ১২ ধারায়
  2. ৩২ ধারায়
  3. ২২ ধারায়
  4. ৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
 
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।ঃ
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
--------------
⇒ SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
১১,১৩৮.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমান হলো-
  1. ঘটনা সম্পর্কিত অনুমান
  2. অখণ্ডননযোগ্য আইনগত অনুমান
  3. খণ্ডনযোগ্য আইনগত অনুমান
  4. আইন ও ঘটনার মিশ্র অনুমান
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারার অনুমান হলো চূড়ান্ত প্রমাণ। ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমান চূড়ান্ত প্রমাণ হলেও এটা খণ্ডনযোগ্য আইনসম্পর্কিত অনুমান। যেমন কোন সন্তানের পিতা ও মাতার মধ্যে বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন সময়ে উক্ত সন্তান জন্মগ্রহণ করে থাকলে ১১২ ধারার অধীন আইনসম্পর্কিত অনুমান হলো উক্ত সন্তানটি বৈধ এবং এই অনুমান হলো চূড়ান্ত প্রমাণ কিন্তু খণ্ডনযোগ্য।
১১,১৩৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার বিধান 'দণ্ডমূলক আইন বলবৎ করার উদ্দেশ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় না'?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৮
ব্যাখ্যা

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৭ এ বলা হয়েছে যে, শুধুমাত্র দণ্ডমূলক আইন প্রয়োগের উদ্দেশ্যে প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
- অর্থাৎ, এই ধারার অধীনে কোনও ব্যক্তি শুধুমাত্র শাস্তি দেওয়ার জন্য প্রতিকার দাবি করতে পারবে না।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মূলত তখনই প্রদান করা হয় যখন কোনও ব্যক্তি তার নির্দিষ্ট অধিকার বা সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করেন, তবে দণ্ডমূলক শাস্তি আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারার বিধান-
দণ্ডমূলক আইন বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 7. Relief not granted to enforce penal law:
-Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.

১১,১৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী "অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা" কী ধরনের পদক্ষেপে সাহায্য করে?
  1. সম্পত্তির বিক্রি বা সরানো বন্ধ করা।
  2. সম্পত্তির নষ্ট হওয়া বা ক্ষতি রোধ করা।
  3. চুক্তির লঙ্ঘন বা অন্য কোনো ক্ষতি রোধ করা।
  4. উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর  আদেশ ৩৯ বিধি-১: যে সকল ক্ষেত্রে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায়:
- যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় শপথপত্র দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে প্রমাণিত হয় যে
ক) কোন মোকদ্দমায় বিরোধীয় কোন সম্পত্তি মোকদ্দমার কোন পক্ষ কর্তৃক অপচয়, ক্ষতিগ্রন্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিতে অন্যায়ভাবে বিক্রয় হওয়ার ঝুকির সম্মুখীন; অথবা
খ) বিবাদি তার পাওনাদারকে প্রতারিত করার উদ্দেশ্যে তার সম্পত্তি অপসারণ বা হস্তান্তর করার হুমকি বা ইচ্ছা প্রকাশ করতেছে, সেক্ষেত্রে আদালত অনুরূপ কার্য রোধ করার জন্য আদেশ দিয়ে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে, অথবা মোকদ্দমা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বা পুনরাদেশ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত সম্পত্তি অপচয়, ক্ষতিগ্রস্থ করণ, হস্তান্তর, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ করতে স্থগিত ও বারণ করার উদ্দেশ্যে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারে।
------------
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-১: যেসব ক্ষেত্রে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যেতে পারে:
১. যখন কোনো মামলায় প্রমাণিত হয় যে:
(ক) মামলা সংশ্লিষ্ট কোনো সম্পত্তি নষ্ট, ক্ষতিগ্রস্ত বা বিক্রি হয়ে যেতে পারে, অথবা
(খ) প্রতিপক্ষ তার সম্পত্তি সরানোর বা বিক্রি করার মাধ্যমে তার ঋণদাতাদের প্রতারণা করার পরিকল্পনা করে, তখন আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে, যাতে সম্পত্তির নষ্ট, ক্ষতি, বিক্রি, সরানো বা অন্য কোনোভাবে পরিবর্তন বন্ধ রাখা যায়, যতক্ষণ না মামলার নিষ্পত্তি হয় বা পরবর্তী আদেশ দেওয়া না হয়।

চুক্তির লঙ্ঘন বা ক্ষতির পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধের জন্য নিষেধাজ্ঞা:
২. যখন কোনো চুক্তি বা অন্য কোনো ক্ষতির জন্য প্রতিপক্ষকে বিরত রাখতে নিষেধাজ্ঞা চাইতে হয়:
(১) যদি বাদী প্রতিপক্ষকে চুক্তির লঙ্ঘন বা অন্য কোনো ক্ষতি করতে বাধা দিতে চায়, তাহলে সে মামলা শুরু হওয়ার পর যেকোনো সময়, বিচারাধীন বা পরবর্তী সময়ে আদালতের কাছে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আবেদন করতে পারে, যাতে প্রতিপক্ষ চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোনো ক্ষতি না করে, বা একই ধরনের নতুন ক্ষতি না ঘটে।
(২) আদালত এই নিষেধাজ্ঞা প্রদানে শর্ত দিতে পারে, যেমন নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা, হিসাব রাখা, সুরক্ষা প্রদান বা অন্য কোনো শর্ত।
(৩) যদি কেউ এই শর্ত ভঙ্গ করে, আদালত তার সম্পত্তি আটকাতে পারে এবং তাকে সিভিল কারাগারে ছয় মাস পর্যন্ত আটক রাখতে পারে, যদি না আদালত তার মুক্তির আদেশ দেয়।
(৪) যদি এক বছরের মধ্যে শর্ত ভঙ্গ অব্যাহত থাকে, আদালত আটকানো সম্পত্তি বিক্রি করতে পারে এবং বিক্রয়ের টাকা থেকে ক্ষতিপূরণ দিতে পারে। বাকি টাকা সংশ্লিষ্ট পক্ষকে দেওয়া হবে।
------------------
The Code of Civil Procedure, 1908, Order XXXIX, Rule 1:  Temporary Injunctions: 
- Cases in which Temporary Injunction may be granted:
Where in any suit it is proved by affidavit or otherwise: (a) That any property in dispute in a suit is in danger of being wasted, damaged, or alienated by any party to the suit, or wrongfully sold in execution of a decree; or
(b) That the defendant threatens, or intends, to remove or dispose of his property with a view to defraud his creditors,
the Court may, by order, grant a temporary injunction to restrain such act, or make such other order for the purpose of staying and preventing the wasting, damaging, alienation, sale, removal, or disposition of the property, as the Court thinks fit, until the disposal of the suit or until further orders.

The injunction to restrain repetition or continuance of breach:
(1) In any suit for restraining the defendant from committing a breach of contract or other injury of any kind, whether compensation is claimed in the suit or not, the plaintiff may, at any time after the commencement of the suit, and either before or after judgment, apply to the Court for a temporary injunction to restrain the defendant from committing the breach of contract or injury complained of, or any breach of contract or injury of a like kind arising out of the same contract or relating to the same property or right.
(2) The Court may, by order, grant such injunction, on such terms as to the duration of the injunction, keeping an account, giving security, or otherwise, as the Court thinks fit.
(3) In case of disobedience or breach of any such terms, the Court granting an injunction may order the property of the person guilty of such disobedience or breach to be attached, and may also order such person to be detained in the civil prison for a term not exceeding six months, unless in the meantime the Court directs his release.
(4) No attachment under this rule shall remain in force for more than one year, at the end of which time, if the disobedience or breach continues, the property attached may be sold, and out of the proceeds, the Court may award such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance, if any, to the party entitled thereto.
১১,১৪১.
আপিল করার অনুমতি (Leave to Appeal) দিতে অস্বীকার করলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করার তামাদি মেয়াদ তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ১৫৭
  2. ১৫২
  3. ১৫৩
  4. ১৫৪
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫৩ এর বিধান: অধীনস্ত কোন আদালত আপীল বিভাগে লিভ-টু-আপীল প্রত্যাখ্যানের কোন আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীলের তামাদি মেয়াদ আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিন।
তামাদি আইনের ১৫৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে আপিল করার অনুমতি দিতে অস্বীকার করলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল (Leave to Appeal) করার তামাদি মেয়াদ ৩০ দিন।

-অর্থাৎ আপিল করার অনুমতি (Leave to Appeal) দিতে অস্বীকার করলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করার তামাদি মেয়াদ তামাদি আইনের ১৫৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।
১১,১৪২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এ কোন ধরনের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. Mediation and Compromise
  2. Mediation and Arbitration
  3. Mediation and Reconciliation
  4. Arbitration and Reconciliation
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration).

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।
১১,১৪৩.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা হিসেবে নিচের কোন মন্তব্যটি সঠিক?
  1. মূল অপরাধটির সাজার সমান সাজা
  2. মূল অপরাধটির সর্বোচ্চ সাজার এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড
  3. মূল অপরাধটির সর্বোচ্চ সাজার এক তৃতীয়াংশ কারাদণ্ড
  4. মূল অপরাধটির সর্বোচ্চ সাজার অর্ধেক পরিমাণ কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১১ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থদণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
১১,১৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে?
  1. ৩৭
  2. ৪০
  3. ৪১
  4. ৪২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
-(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।
-(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারা অনুসারে সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে।
--------------------
CrPC-Section 41: Withdrawal of powers.
-(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.
-(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
১১,১৪৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন শর্তে স্বীকৃতি দেয়া হলে, তা প্রাসঙ্গিক হবে না?
  1. স্বীকৃতিটি শর্তহীন হলে
  2. সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হলে
  3. উক্ত স্বীকৃতি সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য
  4. উক্ত স্বীকৃতি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৩: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যাঃ কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
১. স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
২. সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।
১১,১৪৬.
প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে-
  1. এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বোচ্চ স্তরের আদালতে
  2. এখতিয়ারসম্পন্ন যেকোন আদালতে
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে
  4. উপরের যেকোনো আদালতে
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, তা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়। ধারা-১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"

অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
১১,১৪৭.
অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক প্রথম রিভিশনে ভুল আদেশ দেয়া হলে, সংক্ষুব্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. জেলা জজ আদালতে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  3. জেলা জজ আদালতে রিভিশন
  4. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় দ্বিতীয় রিভিশন এর বিধান রয়েছে।
 
এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ-
 
জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।
 
গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭৩] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
১১,১৪৮.
সি. আর. মামলায় সমন ইস্যুর পর অভিযোগকারী হাজির না হলেও ম্যাজিস্ট্রেট অগ্রসর হবেন-
  1. সরকার আদেশ দিলে
  2. অভিযোগকারী সরকারী কর্মকর্তা হলে
  3. পিপি সহযোগীতা করলে
  4. অভিযোগকারী মামলা তুলে নিলে
ব্যাখ্যা
♦ ফরিয়াদী অনুপস্থিত থাকলে ২৪৭ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস দিবেন অথবা পরবর্তী তারিখ পর্যন্ত মূলতবী রাখবেন। তবে ফরিয়াদী সরকারী কর্মচারী হলে তিনি অনুপস্থিত থাকলেও তার অনুপস্থিতিতে বিচারকার্যক্রম চলতে পারে। [ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ২৪৭]
১১,১৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার ক্ষমতা নীচের কোনটি?
  1. Power to issue curfew
  2. Power to issue order
  3. Power to issue 144
  4. Power to issue emergency
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শান্তিভঙ্গ রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারেন। এই ধারার শিরোনামে এই ক্ষমতা কে power to issue order হিসেবে লেখা হয়েছে।
১১,১৫০.
‘A’ একটি গাড়ি দুর্ঘটনার কারণে ‘B’-এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করে। দুর্ঘটনায় ‘A’-এর গাড়ির ক্ষতি এবং চিকিৎসা ব্যয়ের প্রমাণ পেশ করা হয়। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই তথ্যগুলো প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১৩
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১২ ধারা অনুসারে, ক্ষতিপূরণের মামলায় যে তথ্য আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করে, তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এখানে ‘A’-এর গাড়ির ক্ষতি এবং চিকিৎসা ব্যয়ের প্রমাণ ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সরাসরি সহায়ক, তাই এটি ধারা ১২-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।
- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ধারা ১০: ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পর্কিত।
ধারা ১১: কোনো ঘটনার সম্ভাব্যতা বা অসম্ভাব্যতা প্রমাণে তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে।
ধারা ১৩: সম্পত্তির অধিকার বা দাবি সম্পর্কিত মামলায় প্রাসঙ্গিক তথ্য নির্ধারণ করে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
------------ 
⇒The Evidence Act,1872, Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
 In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.

১১,১৫১.
মামলার পক্ষ নন কোনো সাক্ষীকে তার মালিকানার দলিল (title deed) আদালতে পেশ করতে বাধ্য করা যাবে-
  1. সর্বদা
  2. আদালতের আদেশে
  3. বাদীপক্ষের আবেদনে
  4. লিখিতভাবে সম্মতি প্রকাশ করলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: লিখিতভাবে সম্মতি প্রকাশ করলে।

Evidence Act, 1872-এর ধারা ১৩০- সাক্ষী যদি মামলার পক্ষ না হয়, তবে তার দলিল পেশে বাধ্য করা যাবে না:

যে ব্যক্তি কোনো মামলার পক্ষ নয় (অর্থাৎ শুধু সাক্ষী), তাকে তার সম্পত্তির মালিকানার দলিল (title-deed) অথবা যে দলিলের দ্বারা সে কোনো সম্পত্তি বন্ধক বা প্রতিশ্রুতিতে (pledgee/mortgagee) ধারণ করে, সে দলিল আদালতে পেশ করতে বাধ্য করা যাবে না,

এছাড়াও, যে দলিল আদালতে উপস্থাপন করলে সে নিজে অপরাধী (self-incrimination) বলে প্রমাণিত হতে পারে, সে দলিলও পেশ করতে বাধ্য নয়- যদি না সে ব্যক্তি লিখিতভাবে সম্মতি দেয় যে, সে নিজেই বা যার মাধ্যমে সে দাবি করছে, তাদের মধ্যে কেউ দলিলটি পেশ করবে।

১১,১৫২.
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা মতে, একই ঘটনার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি-
  1. একই অপরাধে অভিযুক্ত হবেন
  2. সমান শাস্তি পাবে
  3. ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
 কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।

উদাহরণ-
ক এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে চ-কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমণে চ নিহত হলে তা কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশ হবে, যা খুন বলে পরিগণিত হবে না। চ-এর প্রতি খ-এর বিদ্বেষ থাকায় এবং চ-কে হত্যা করার জন্য খ-এর অভিপ্রায় থাকায়, খ বিনা প্ররোচনায় চ-কে হত্যার কার্যে ক কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে ক ও খ উভয়েই চ-কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, খ খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে এবং ক শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।
১১,১৫৩.
শিক্ষানবিশ যে অ্যাডভোকেটের অধীনে থাকবেন, তার কমপক্ষে কত বছর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:
-শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।

১১,১৫৪.
পেনাল কোডের তৃতীয় অধ্যায়ের বিধান কী?
  1. শাস্তি
  2. সাধারণ ব্যাখ্যা
  3. সাধারণ ব্যতিক্রম
  4. রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।

অর্থাৎ পেনাল কোডের তৃতীয় অধ্যায়ে শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
১১,১৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারায় কার অনুপস্থিতিতে বিচারের বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষীর
  2. অভিযুক্তের
  3. ফরিয়াদির
  4. উল্লিখিত সকলের
ব্যাখ্যা
গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে। উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-

১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে,অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

• অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো-
অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে। একে বলা হয় ''Trial in absentia'' বা অনুপস্থিতিতে বিচার।

Section 339B: Trial in absentia-
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.

(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
১১,১৫৬.
কিভাবে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি জারি করা যায়?
  1. স্পেশাল ডিক্রি
  2. কারাগারে আটক
  3. সম্পত্তি ক্রোক
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
⇒ দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রির ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি- দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের (restitution of conjugal rights) ডিক্রিজারি শুধুমাত্র সম্পত্তি ক্রোকের (attachment of property) মাধ্যমে করা যায়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।
যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
------------
Order-21 Rule- 32. Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.
(2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.
১১,১৫৭.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ কোন অনুচ্ছেদ থেকে শুরু?
  1. ১৪৯
  2. ১৫০
  3. ১৫৮
  4. ১৬০
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে তিনটি বিভাগ রয়েছে:
১. প্রথম বিভাগ – মামলা (Suit) – অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. দ্বিতীয় বিভাগ – আপীল (Appeal) – অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. তৃতীয় বিভাগ – দরখাস্ত (Application) – অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

- অর্থাৎ দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ  থাকে অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ তে।
- তাই দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদের শুরু হয় অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে।

- সুতরাং, সঠিক উত্তর: অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে।
১১,১৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ(২) এ উল্লিখিত "mutatis mutandis" বলতে কী বোঝায়?
  1. শর্তসাপেক্ষে
  2. কোনো পরিবর্তন ছাড়াই
  3. প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
  4. সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ(২) এ উল্লিখিত "mutatis mutandis" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ "প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ" (with the necessary changes)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ – আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি কোনো আপিল মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে Order XLI-এর অধীনে করা হয় এবং সেটি মূল মামলার একই পক্ষগণের মধ্যে হয় বা যেসব পক্ষগণ মূল মামলার প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ ছিল তাদের স্থলাভিষিক্ত (substituted) পক্ষগণের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত আপিলে মধ্যস্থতা করবে বা আপিলটি মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করবে যাতে উক্ত আপিলে বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি করা যায়।
(২) উপধারা (১)-এর অধীনে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে, ধারা ৮৯ক-এর বিধানসমূহ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) অনুসরণ করা হবে যতদূর তা প্রযোজ্য ও উপযুক্ত হয়।
---------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.

১১,১৫৯.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার অধীনে প্রদত্ত বিবৃতি কোন ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. মৃত্যুকালীন ঘোষণা
  2. দলিল বা উইল সম্বন্ধীয়
  3. আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

Illustrations: 
(a) The question is, whether A was murdered by B; or
A dies of injuries received in a transaction in the course of which she was ravished. The question is whether she was ravished by B; or
The question is whether A was killed by B under such circumstances that a suit would lie against B by A's widow.
Statements made by A as to the cause of his or her death, referring respectively to the murder, the rape and the actionable wrong under consideration are relevant facts.

(e) The question is, whether rent was paid to A for certain land.
A letter from A's deceased agent to A saying that he had received the rent on A's account and held it at A's orders, is a relevant fact.

(f) The question is, whether A and B were legally married.
The statement of a deceased clergyman that he married them under such circumstances that the celebration would be a crime, is relevant.
১১,১৬০.
সুনির্দিষ্টভাবে তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই কোন বিষয়ে?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♣♣  
• তামাদি আইনে দেওয়ানি মামলা, আপিল, রিভিউ করার বিষয়ে সময়ের উল্লেখ থাকলেও;
• রিভিশনের ব্যপারে সুনির্দিষ্টভাবে তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই।
১১,১৬১.
All facts, except the contents of documents, may be proved by _________.
  1. oral evidence
  2. primary evidence
  3. digital evidence
  4. forensic evidence
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 59- Proof of facts by oral evidence: 
All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.


⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
১১,১৬২.
হোটেল, সরাইখানা (tavern) বা অতিথিশালার রক্ষক কর্তৃক বিক্রিত খাদ্য বা পানীয় দ্রব্যের মূল্য আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৮ অনুসারে বলা হয়েছে:
- "For the price of food or drink sold by the keeper of a hotel, tavern or lodging-house – One year.
- Time starts from: When the food or drink is delivered."

- অর্থাৎ, কোনো হোটেল, সরাইখানা বা অতিথিশালার রক্ষক যখন খাদ্য বা পানীয় দ্রব্য সরবরাহ করেন, তখন সরবরাহের তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে মূল্য আদায়ের জন্য মামলা করতে হবে। অন্যথায় মামলা তামাদি হয়ে যাবে।
১১,১৬৩.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ কোন অনুচ্ছেদ থেকে শুরু?
  1. ১ অনুচ্ছেদ
  2. ১৪৯ অনুচ্ছেদ
  3. ১৫০ অনুচ্ছেদ
  4. ১৫৮ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ শুরু হয় অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে তিনটি বিভাগ রয়েছে:

১. প্রথম বিভাগ – অনুচ্ছেদ (১-১৪৯)
বিষয়: মামলা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।

২. দ্বিতীয় বিভাগ – অনুচ্ছেদ (১৫০-১৫৭)
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।

৩. তৃতীয় বিভাগ  অনুচ্ছেদ (১৫৮-১৮৩)
বিষয়: দরখাস্ত (Applications) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।

অর্থাৎ আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ থাকে অনুচ্ছেদ (১৫০-১৫৭) তে।
তাই আপীল দায়েরের  তামাদি মেয়াদের শুরু হয় অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর: অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে।

১১,১৬৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ধরনের আইন?
  1. Adjective Law
  2. Procedural Law
  3. Penal law
  4. Substantive Law
ব্যাখ্যা
-যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে।
-যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন।

- যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনি প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে।
- যেমন ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
- Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
১১,১৬৫.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান অপ্রযোজ্য?
  1. মোকদ্দমা দায়ের
  2. ডিক্রি জারি
  3. আপিল
  4. ক ও খ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হওয়ার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।

(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা শুধু মোকদ্দমা, কার্যক্রম কিংবা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
১১,১৬৬.
‘A’ তার পণ্যের প্যাকেজে এমন একটি মার্ক ব্যবহার করে যা ‘Z’-এর ট্রেড মার্কের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, যাতে বিশ্বাস করা হয় যে পণ্যটি ‘Z’-এর তৈরি। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৮০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি এমনভাবে পণ্য বা প্যাকেজে মার্ক ব্যবহার করে, যা যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করায় যে পণ্যটি অন্য কারো তৈরি বা ব্যবসায়িক, তবে তা মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহার হিসেবে গণ্য। ধারা ৪৮২ অনুসারে, মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহারের শাস্তি হলো ১ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই, যদি না অভিযুক্ত প্রমাণ করতে পারে যে তার প্রতারণার উদ্দেশ্য ছিল না। এখানে, ‘A’ ‘Z’-এর ট্রেড মার্কের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ মার্ক ব্যবহার করে বিশ্বাস করিয়েছে যে পণ্যটি ‘Z’-এর তৈরি, যা মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহার।
অর্থাৎ ‘A’-এর কাজ ধারা ৪৮০ এবং ৪৮২-এর অধীনে মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহার হিসেবে গণ্য, এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ১ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ১ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860-Section- 482.Punishment for using a false trade mark or property mark:
Whoever use any false trade mark or any false property mark shall, unless he proves that he acted without intent to defraud, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

১১,১৬৭.
আদালত অভিযোগ পরিবর্তন করতে পারে-
  1. শুধুমাত্র তদন্ত চলাকালীন
  2. রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
  3. রায় ঘোষণার পর
  4. শুধুমাত্র অনুসন্ধান চলাকালীন
ব্যাখ্যা
• রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন করতে পারবেন।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়।অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন,সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়,চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।
[Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
১১,১৬৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুযায়ী নিচের কোনটি "গুরুতর আঘাত" হিসেবে বিবেচিত?
  1. হাড় ভাঙা
  2. হালকা মাথাব্যথা
  3. ক্ষণস্থায়ী চোখের জ্বালা
  4. সাময়িক শ্রবণশক্তি হ্রাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুযায়ী, "গুরুতর আঘাত" (Grievous Hurt) এর মধ্যে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের আঘাত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে হাড় ভাঙা একটি গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হয়।
তবে, হালকা মাথাব্যথা, ক্ষণস্থায়ী চোখের জ্বালা, এবং সাময়িক শ্রবণশক্তি হ্রাস এসব গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হয় না, কারণ এগুলি স্থায়ী বা গুরুতর ক্ষতি সৃষ্টি করে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

১১,১৬৯.
অভিযুক্তকে ক্ষমতার অতিরিক্ত দণ্ড প্রদান করা প্রয়োজন হলে, ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. দায়রা আদালতে মামলার নথি পাঠাবেন
  2. দায়রা আদালতে অভিযুক্তকে বিচারের জন্য পাঠাবেন
  3. নিজে বিচার করবেন
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার পক্ষের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার পর যদি মনে করেন যে, তিনি আসামীকে যে দণ্ড প্রদান করতে পারেন তাকে তার চেয়েও বেশী দণ্ড প্রদান করা প্রয়োজন, তাহলে তিনি যেই দায়রা আদালতের অধীনস্ত, সেই দায়রা আদালতে মামলার নথি সহ আসামীকে বিচারের জন্য প্রেরণ করবেন।

ধারা ৩৪৭ (যেক্ষেত্রে আসামীকে যখন উচ্চতর দণ্ড প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে পদ্ধতি)-

এই কার্যবিধিতে যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন যখন কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার পক্ষের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার পর এ মর্মে অভিমত পোষণ করেন যে, আসামীকে অথবা যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর একসাথে বিচার করা হয়, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যেকোন একজনকে দোষী মর্মে সাব্যস্ত করে ঐ ম্যাজিট্রেট যে দণ্ড দিতে পারেন তদাপেক্ষা অধিক দণ্ড দিতে হবে,সেক্ষেত্রে তিনি তার এরূপ অভিমতের কারণ লিপিবদ্ধ করে তিনি যেই দায়রা আদালতের অধীনন্ত সেই দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করতে এবং আসামীকে বা সকল আসামীকে অগ্রবর্তী করতে পারবেন এবং তার ফলে সেই দায়রা আদালতও এমনভাবে মামলার বিচার করবেন যাতে মামলাটি এই কার্যবিধি অনুসারে শুধুমাত্রই তৎকর্তৃক বিচার্য।

Section 347 (Procedure when, higher punishment should be inflicted on accused)-

Notwithstanding anything contained in this Code, whenever a Magistrate of the first class is of opinion, after recording the evidence for the prosecution, that if the accused or, where more accused than one are being tried together, any of such accused is convicted he should receive a punishment more severe than that which such Magistrate is empowered to inflict, he may record his opinion and submit his proceedings, and forward the accused, or all the accused, to the Court of Session to which he is subordinate, whereupon the Court of Session shall try the case as if the case were exclusively triable by it under this Code.
১১,১৭০.
রিসিভার নিয়োগ, তার অধিকার এবং কর্তব্য কোন আইনের বিধান অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮
  2. দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
  3. পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
ব্যাখ্যা
⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে।
-অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।  রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধানতত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:-প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়-দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
-----------------
⇒  Section 44 Appointment of receivers discretionary:  The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court. 
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure. 
১১,১৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৩ অনুযায়ী কখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ করা যায়?
  1. যখন সাক্ষী নাবালক
  2. যখন সাক্ষী অভিযুক্তের আত্মীয় হয়
  3. যখন সাক্ষী আদালতে স্বেচ্ছায় হাজির হতে চায়
  4. যখন সাক্ষীকে হাজির করতে বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৩ অনুযায়ী, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ করা হয় যখন:
- সাক্ষীর আদালতে হাজিরা করানো সম্ভব নয় বা
- সাক্ষীকে হাজির করতে বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে, যা মামলার পরিস্থিতিতে অযৌক্তিক।
অর্থাৎ, ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন হলেও যদি সাক্ষীকে সরাসরি আদালতে হাজির করানো কঠিন হয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত স্থানীয় সীমার মধ্যে থাকা অন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন দিয়ে সাক্ষীর জবানবন্দি নিতে পারেন।
সঠিক উত্তর: ঘ) যখন সাক্ষীকে হাজির করতে বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিধান: সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ-
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোনো কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহণ করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
- উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-503.When attendance of witness may be dispensed with Issue of commission and procedure thereunder:
(1) Whenever in the course of an inquiry, a trial or any other proceeding under this Code, it appears to a Metropolitan Magistrate], 489[a Chief Judicial Magistrate, a Court of Session or the High Court Division that the examination of a witness is necessary for the ends of justice, and that the attendance of such witness cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such Magistrate or Court may dispense with such attendance and may issue a commission to any District Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate, within the local limits of whose jurisdiction such witness resides, to take the evidence of such witness.
(2B) When the witness resides in the United Kingdom or any other country of the Commonwealth other than Bangladesh, or in the Union of Burma, or any other country in which reciprocal arrangement in this behalf exists, the commission may be issued to such Court or Judge having authority in this behalf in that country as may be specified by the Government by notification in the official Gazette.
(3) The Magistrate or officer to whom the commission is issued, or if he is the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, he, or any other Magistrate as he appoints in this behalf, shall proceed to the place where the witness is or shall summon the witness before him, and shall take down his evidence in the same manner, and may for this purpose exercise the same powers, as in trials of warrant-cases under this Code.
১১,১৭২.
যদি কোনো ব্যক্তি গরহাজিরার কারণে মামলার খারিজ আদেশ বাতিল করতে চান, তবে সময় গণনা শুরু হবে-
  1. আবেদন দাখিলের তারিখ থেকে
  2. খারিজ আদেশের তারিখ থেকে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ থেকে
  4. খারিজ আদেশ সম্পর্কে অবগত হওয়ার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-১৬৩
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু -খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।
১১,১৭৩.
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা আমলে নিলে অভিযোগকারীকে কোন ধারায় শপথসহ জেরা করতে হবে?
  1. ১৯৮ ধারায়
  2. ২০০ ধারায়
  3. ২০২ ধারায়
  4. ২০৩ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০০ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা আমলে নিলে সর্বপ্রথম শপথবদ্ধ অবস্থায় অভিযোগকারীকে জেরা করতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার বিধান বাদীর জবানবন্দি:
নালিশের প্রেক্ষিতে অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট যত দ্রুত সম্ভব বাদীর এবং উপস্থিত যদি থাকে, সাক্ষীবৃন্দের মধ্যে যে কয়জনকে সঠিকরূপে গণ্য করেন তাহাদের শপথ গ্রহণ করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারবস্তু নথিবদ্ধ করবেন এবং বাদী বা যে-সব সাক্ষীর জবানবন্দি গৃহীত হয়েছে, তারা ও ম্যাজিস্ট্রেট তাতে সই করবেন:
(ক) লিখিত নালিশ দায়ের করা হলে ধারা-১৯২ এর বিধানমতে মামলাটি হস্তান্তরের পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্তভাবে জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই;
(কক) যখন লিখিত নালিশ দায়ের করা হয় এবং আদালত বা সরকারি কর্মচারী তাঁদের সরকারি কাজে কর্তব্যরত অবস্থায় বা সরকারি হিসাবে কথিত কর্তব্য সম্পাদনের সময় এই নালিশ দায়ের করেন, সেক্ষেত্রে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই।
(গ) যখন ধারা-১৯২ এর বিধান মতে মামলা হস্তান্তরের করা হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট আগেই বাদীর ও সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে যে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর মামলা হস্তান্তরিত হয়, তিনি পুনরায় তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 200 Examination of complainant:
- A Magistrate taking cognizance of an offence on complaint shall at once examine upon oath the complainant and such of the witnesses present, if any, as he may consider necessary, and the substance of the examination shall be reduced to writing and shall be signed by the complainant or witness so examined, and also by the Magistrate:
Provided as follows:- 
(a) when the complaint is made in writing, nothing herein contained shall be deemed to require such examination before transferring the case under section 192; 
(aa) when the complaint is made in writing nothing herein contained shall be deemed to require such examination in any case in which the complaint has been made by a Court or by a public servant acting or purporting to act in the discharge of his official duties; 
(c) when the case has been transferred under section 192 and the Magistrate so transferring it has already examined the complainant and witness if any, the Magistrate to whom it is so transferred shall not be bound to re-examine them.

১১,১৭৪.
জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালত-
  1. জামিন দিতে বাধ্য
  2. জামিন দেয়ার আবেদন নাকচ করে দিবে
  3. কোনোভাবেই জামিন দিবে না
  4. জামিন দেওয়ার ব্যাপারে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করবে
ব্যাখ্যা
ধারা-৪৯৭- জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন আবেদন:
৪৯৭ ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তিকে পুলিশ জামিন অযোগ্য অপরাধে আটক করে অথবা ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করে, তাহলে তাকে জামিন দেওয়া যেতে পারে। (may be released on bail)। ৪৯৭ ধারায় may শব্দটি ব্যবহার করায়, এই ধারার অধীন জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার না। বরং জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power)। আদালত ইচ্ছা করলে জামিন দিতে পারে আবার নাও দিতে পারে ।

কিন্তু জামিন অযোগ্য অপরাধে আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিবে না (shall not be released on bail) যদি সে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় কোন অপরাধে অপরাধী বলে বিশ্বাস  আদালতের যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে। অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় কোন অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন না দেওয়া আদালতের জন্য আদেশসূচক (imperative).। জামিন অযোগ্য অপরাধের (যে কোন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে) আদালত নিম্নলিখিত অভিযুক্তদের জামিন দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, যদি-
১. তার বয়স ১৬ বছরের নিচে হয়;
২. স্ত্রী লোক হয়;
৩. পীড়িত [sick) বা অক্ষম (infirm) লোক হয়।
১১,১৭৫.
How many ways are provided in Section 445 of The Penal Code,1860 for the purpose of committing the offence of 'House Breaking'?
  1. 5 ways
  2. 4 ways
  3. 6 ways
  4. 7 ways
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা 'House breaking' বলে গণ্য হবে। যথা-
 
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
 
Section 445: House-breaking:

A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
 
Firstly- If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 

Secondly- If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 

Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 

Fourthly- If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 

Fifthly- If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 

Sixthly- If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 

Explanation: Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
১১,১৭৬.
সুখাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তি যদি কারো বেসরকারি সম্পত্তিতে ২০ বছর বা সরকারি সম্পত্তিতে ৬০ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্ন, শান্তিপূর্ণ ও প্রকাশ্যভাবে কোনো সুখাধিকার ভোগ করে থাকেন (যেমন আলো, বাতাস, রাস্তা, পানি ইত্যাদি), এবং অধিকার বলে ভোগ করে থাকেন, তবে তিনি ঐ সুখাধিকারের উপর আইনি অধিকার দাবি করতে পারবেন।
তবে, এই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ২০ বা ৬০ বছর পূর্ণ হওয়ার পরবর্তী ২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হয়।
 অর্থাৎ, বেসরকারি জমির ক্ষেত্রে: ২০ বছর ভোগ + ২ বছর সময়সীমা (তামাদি মেয়াদ)।
- সরকারি জমির ক্ষেত্রে: ৬০ বছর ভোগ + ২ বছর সময়সীমা।
- যদি এই ২ বছরের মধ্যে মামলা না করা হয়, তাহলে আর সুখাধিকার প্রতিষ্ঠার আইনি সুযোগ থাকবে না।

⇒ তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।
(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) পথ চলার অধিকারে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে কিন্তু পথ চলার অধিকারের প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। বাদী প্রমাণ করে যে, সে এই অধিকার ১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হইতে ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহতভাবে উহাতে সুখাধিকার হিসাবে স্বত্ব দাবি করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে। বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাইবার অধিকারী।
(খ) অনুরূপ এক মামলায় বাদী দাবি করে যে, সে এই অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে বিশ বৎসর যাবত ভোগ করিয়াছে, বিবাদী প্রমাণ করে যে, ঐ বিশ বৎসরের মধ্যে বাদী একবার এই অধিকার ভোগের জন্য তাহার অনুমতি প্রার্থনা করিয়াছিল। মামলাটি খারিজ হইয়া যাইবে।
১১,১৭৭.
দায়রা জজবৃন্দ যেসব দণ্ড দিতে পারেন, তা ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৩০ ধারায়
  2. ৩১ ধারায়
  3. ৩২ ধারায়
  4. ৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩১- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
১১,১৭৮.
বার কাউন্সিলের সচিব ট্রাইব্যুনালের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কীভাবে?
  1. নির্বাচনের মাধ্যমে
  2. পদাধিকার বলে
  3. নিয়োগের মাধ্যমে
  4. সরকারি নির্দেশে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি ৪৯ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের সচিব পদাধিকার বলে ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন এবং ট্রাইব্যুনালের জারিকৃত প্রত্যেকটি নোটিশ তিনি জারি করবেন ও বিধিমালার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি-৪৯: ট্রাইব্যুনালের সচিব- বার কাউন্সিলের সচিব (সেক্রেটারী) পদাধিকার বলে ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন।
- বিধি-৪৯: পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের সচিব ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন এবং ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি নোটিশ জারি করবেন।
------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules,1972: Rule-49: "The Secretary of the Bar Council shall be ex-officio Secretary of the Tribunal and shall be responsible for service of notices issued by the Tribunal and for compliance with the rules in this Chapter."
১১,১৭৯.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী কোনো জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষ্য দিতে পারবেন?
  1. ১২০ ধারা
  2. ১২১ ধারা
  3. ১২২ ধারা
  4. ১২৩ ধারা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২১: জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ [Judges and Magistrates]:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেট যোগ্য সাক্ষী এবং তারা ইচ্ছা করলে সাক্ষ্য দিতে পারে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট এবং জজ হিসাবে সম্পাদন করেছে এমন কোন কার্যসম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে তাদের বাধ্য করা যাবে না। কারণ ১২১ ধারায় জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

১২১ ধারা অনুযায়ী জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে, আদালতের অধীন, সেই আদালতের বিশেষ আদেশ ব্যতীত নিম্নলিখিত ২টি বিষয়ে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে তাকে বাধ্য করা যাবে নাঃ
১. জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে উক্ত আদালতে তার নিজস্ব কোনো কার্য সম্পর্কে; বা
২. যে কোনো কিছু যা বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে সে আদালতে জানতে পারে।

⇒ যে ক্ষেত্রে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যায়:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে আদালতে তার নিজস্ব কার্য ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করা যেতে পারে বা উক্ত পদের কর্তব্য পালনের সময় যে সব ঘটনা তার উপস্থিতিতে ঘটেছে, সেই গুলি সম্পর্কে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে। যেমন আদালতে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে খুন সংঘটিত হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত খুন সম্পর্কে যেকোন প্রশ্নের উত্তর দিতে উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যেতে পারে।

১১,১৮০.
A নামক একজন সার্জন জানেন যে, একটি নির্দিষ্ট অস্ত্রোপচার Z-এর মৃত্যু ঘটাতে পারে। তবুও, Z প্রচণ্ড যন্ত্রণায় ভুগছেন এবং Z-এর সুস্থতার জন্য, A সরল বিশ্বাসে, Z-এর সম্মতিতে সেই অস্ত্রোপচারটি করেন। দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে A অপরাধ থেকে অব্যাহতি পাবে?
  1. ধারা ৮৬
  2. ধারা ৮৭
  3. ধারা ৮৮
  4. ধারা ৮৯
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮: মঙ্গলার্থে সরল বিশ্বাসে ও সম্মতিতে মৃত্যু ঘটানো সম্ভাব্য কার্য অপরাধ নয়:
যে কোন কার্য, যার দ্বারা মৃত্যুর উদ্দেশ্য নেই, কিন্তু যার ফলে কারও মৃত্যু ঘটতে পারে বা ঘটার সম্ভাবনা থাকে- যদি সেই কার্যটি কারও মঙ্গলের জন্য, সরল বিশ্বাসে করা হয় এবং যে ব্যক্তির উপর তা করা হয় তিনি স্পষ্ট বা পরোক্ষভাবে সম্মতি দিয়ে থাকেন সেই ক্ষতি বা ঝুঁকি ভোগ করতে- তাহলে তা অপরাধ নয়।

উদাহরণ (Illustration):
A নামক একজন সার্জন জানেন যে একটি নির্দিষ্ট অস্ত্রোপচার Z-এর মৃত্যু ঘটাতে পারে। তবুও, Z প্রচণ্ড যন্ত্রণায় ভুগছেন এবং Z-এর সুস্থতার জন্য, A সরল বিশ্বাসে, Z-এর সম্মতিতে সেই অস্ত্রোপচারটি করেন।
→ এই ক্ষেত্রে, A কোন অপরাধ করেননি।
১১,১৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারা কোন আদালতের ক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট ডিভিশন
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ অনুযায়ী, গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত বা দণ্ড হ্রাসের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা হাইকোর্ট ডিভিশনের অধীনে রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীন গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়: মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-382: Postponement of capital sentence on pregnant woman:
-If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life. 
১১,১৮২.
আদেশ ২০ বিধি-১০ অনুযায়ী, যদি অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর সম্ভব না হয়, তবে ডিক্রিতে কী অন্তর্ভুক্ত করতে হয়?
  1. সম্পত্তির প্রকৃতি ও মূল্য
  2. সম্পত্তির পরিমাণ ও বিবরণ
  3. বিকল্প হিসেবে টাকার পরিমাণ
  4. সম্পত্তির নতুন মালিকের নাম
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে দেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।

Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.
১১,১৮৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তির পক্ষে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করা যায় না?
  1. যে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারে না
  2. যে চুক্তির কোন শর্ত ভঙ্গ করে
  3. যে চুক্তিভঙ্গের জন্য ইতিমধ্যেই ক্ষতিপূরণ পেয়েছে
  4. সবকটি 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা,২৪: প্রতিকারের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা।- চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যিনি চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করিতে পারেন না;
(খ) যিনি নিজের পক্ষের চুক্তির কোনো প্রয়োজনীয় শর্ত পালন করিতে অসমর্থ হন বা শর্ত-ভঙ্গ করেন যাহাতে তাহার নিজের অংশেরই কার্য সম্পাদন বাকি থাকে;
(গ) যিনি ইতোমধ্যে তাহার প্রতিকার পচ্ছন্দ করিয়াছেন এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরণ পাইয়াছেন; অথবা
(ঘ) যিনি চুক্তির পূর্বেই অবগত ছিলেন যে, চুক্তির বিষয়বস্তু (যদিও উহা কোনো মূল্যবান পণভিত্তিক নহে) সম্পর্কে বন্দোবস্ত করা হইয়াছে এবং উহা তখন কার্যকর ছিল।
---------------
Section 24, Personal bars to the relief: Specific performance of a contract cannot be enforced in favour of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject-matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was.

১১,১৮৪.
তামাদি আইনের কত ধারায় নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৭
  3. ধারা ১৬
  4. ধারা ২১
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১৬ ধারা নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-

’ডিক্রি জারির জন্য কোন সম্পত্তি বিক্রয়’ অর্থাৎ নিলাম বিক্রয় রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা হলে, মামলা যতদিন চলবে সেই সময় নিলাম গ্রহিতার বা যিনি নিলাম কিনেছেন তার উক্ত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে, তা তামদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
১১,১৮৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় "Precepts" বিধান আছে?
  1. ৩৬
  2. ৪৪ক
  3. ৪৬
  4. ৪৮
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৬ ধারার বিধান ডিক্রি জারির অনুরোধ:-
১) ডিক্রিদারের আবেদন অনুযায়ী ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করলে অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন।

২) যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সে আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিপ্রদানকারী আদালত ক্রোকের সময় বৃদ্ধি না করা পর্যন্ত অথবা এরূপ ক্রোক নির্ধারিত হওয়ার পূর্বে যে আদালত কর্তৃক ক্রোক করা হয়েছে, ঐ আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর করা না হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে অনুরোধলিপি অনুসারে কোন ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না।
-----------
- Section 46. Precepts:

(1) Upon the application of the decree-holder the Court which passed the decree may, whenever it thinks fit, issue a precept to any other Court which would be competent to execute such decree to attach any property belonging to the judgment-debtor and specified in the precept. 
(2) The Court to which a precept is sent shall proceed to attach the property in the manner prescribed in regard to the attachment of property in execution of a decree: 
Provided that no attachment under a precept shall continue for more than two months unless the period of attachment is extended by an order of the Court which passed the decree or unless before the determination of such attachment the decree has been transferred to the Court by which the attachment has been made and the decree-holder has applied for an order for the sale of such property.
১১,১৮৬.
'ক' অন্যায়ভাবে 'চ' এর ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে 'চ' এর একটি মূল্যবান জামানত ইচ্ছাপূর্বক পুড়ে ফেলে। 'ক' কী ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. চুরি
  2. অর্থ আত্মসাৎ
  3. ক্ষতি
  4. প্রতারণা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।
১১,১৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে মোকদ্দমা পুনঃদাখিলের অনুমতিতে প্রত্যাহার করা যায় কোন বিধান মতে?
  1. আদেশ ২২ বিধি ২
  2. আদেশ ২৩ বিধি ১
  3. আদেশ ২৩ বিধি ৪
  4. ধারা ২৪
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ২৩-এর বিধি ১ মতে আরজিতে ফরমাল ডিফেক্ট আছে এই কারণে পুনরায় দাখিলের শর্তে মোকদ্দমা প্রত্যাহারের বিধান আছে। তবে এইরূপে অনুমতি না নিয়ে প্রত্যাহার করলে পরবর্তীতে আর মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না।
♦ আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে বাদী ঐ বিষয়ে নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে না। তবে আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রত্যাহার করলে ঐ বিষয়ে নতুন মামলা দায়ের করা যাবে।
♦ যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।
১১,১৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির Chapter XX এর বিষয়বস্তু কী?
  1. সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতি
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার পদ্ধতি
  3. দায়রা আদালতের বিচার পদ্ধতি
  4. হাইকোর্ট বিভাগের বিচার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর Chapter XX: ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মামলার বিচার সংক্রান্ত (Trial of Cases by Magistrates):

ধারা এবং বিষয়বস্তু:
241- Procedure in cases- মামলার বিচারকালে অনুসরণীয় পদ্ধতি;
241A- When accused shall be discharged- অভিযুক্তকে কখন অব্যাহতি দেওয়া হবে;
242- Charge to be framed- অভিযোগ গঠন সংক্রান্ত বিধান;
243- Conviction on admission of truth of accusation- অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করলে দণ্ডাদেশ দেওয়া;
244- Procedure when no such admission is made- অভিযুক্ত যদি অপরাধ অস্বীকার করে, তখন করণীয়;
245- Acquittal- অভিযুক্তকে খালাস দেওয়ার বিধান;
247- Non-appearance of complainant- অভিযোগকারী অনুপস্থিত থাকলে করণীয়;
248- Withdrawal of complaint- অভিযোগ প্রত্যাহারের বিধান;
249- Power to stop proceedings when no complainant- অভিযোগকারী অনুপস্থিত থাকলে মামলার কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা;
250- False, frivolous or vexatious accusations- মিথ্যা বা হয়রানিমূলক অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা।
১১,১৮৯.
তামাদি আইনের কোন ধারায় দলিলে বর্ণিত সময়ের হিসাব করার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ২১
  2. ২৫
  3. ২৭
  4. ২২
ব্যাখ্যা
⇒ দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-----------------
-The Limitation Act, 1908, Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
-All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.
১১,১৯০.
রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে, তা দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ব্যতীত সংশোধন করা যাবে না?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৩ ধারা
  4. ১৫৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
- রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

- উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
১১,১৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাগুলোতে আপিলের বিধান বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৩১৭-৩৫০
  2. ধারা ৩৫১-৪০২
  3. ধারা ৪০৪-৪৩১
  4. ধারা ৪৫৩-৫০৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর Part VII-এর অধীনে Appeal, Reference and Revision বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।
- এর মধ্যে Chapter XXXI – OF APPEALS এ ফৌজদারি মামলায় আপিল সম্পর্কিত বিধানসমূহ বর্ণিত হয়েছে, যা ধারা ৪০৪ থেকে ৪৩১ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এই ধারাগুলোর মাধ্যমে আপিল সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় যেমন:
- কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে বা যাবে না (ধারা ৪১২-৪১৪),
- আপিল আদালতের ক্ষমতা (ধারা ৪২৩-৪২৯),
- আপিল করার সময়সীমা,
- আপিলের কার্যপ্রণালী,
- দ্বিতীয় আপিল বা সরকারের আপিলের বিধান (ধারা ৪১৭),
- মৃত্যুজনিত কারণে আপিল পণ্ড হওয়া (ধারা ৪৩১),
ইত্যাদি স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। 

→ তাই, প্রশ্নে উল্লিখিত চারটি অপশনের মধ্যে গ) ধারা ৪০৪-৪৩১ হচ্ছে একমাত্র সঠিক উত্তর।
১১,১৯২.
What does Section 31 of the Evidence Act state about admissions?
  1. Admissions are irrelevant in judicial proceedings
  2. Admissions are conclusive proof of the matters admitted
  3. Admissions must be proved again to be considered evidence
  4. Admissions are not conclusive proof but may operate as estoppels
ব্যাখ্যা
• স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা লিখিত এমন কোন বিবৃতি, যা কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অনুমানের ইঙ্গিত বহন করে।
 
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
 
Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
১১,১৯৩.
রাকিব একটি সরকারি রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পে কাজ করা এক সরকারি কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে কাজে বাধা দেয়। রাকিবের বিরুদ্ধে কোন ধারা প্রযোজ্য হতে পারে?
  1. ধারা ১৮৬
  2. ধারা ১৮৭
  3. ধারা ১৮৮
  4. ধারা ১৮৯
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮৬- জনসাধারণের কার্য সম্পাদনে সরকারি কর্মচারীকে বাধা প্রদান:
যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীকে তার সরকারি কার্য সম্পাদনে বাধা প্রদান করে, তাকে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 186- Obstructing public servant in discharge of public functions:
Whoever voluntarily obstructs any public servant in the discharge of his public functions, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
১১,১৯৪.
জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে-
  1. বাদী এবং বিবাদী উভয়পক্ষ আবেদন করলে
  2. বাদী পক্ষ আবেদন করলে
  3. আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে
  4. বাদী পক্ষের আইনজীবী গুরত্বপূর্ণ মনে করলে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষীর আচরণ (demeanour of witness )-

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে যে, জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।
অর্থাৎ যদি কোন সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়,তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।

আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]
১১,১৯৫.
তদন্ত শেষে যদি পুলিশ অফিসার মনে করেন অভিযোগের পক্ষে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ আছে, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ধারা ১৭০ অনুযায়ী তাকে কী করতে হবে?
  1. অভিযুক্তকে থানায় প্রেরণ করতে হবে
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে হবে
  3. অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে হবে
  4. অভিযুক্তকে সাক্ষ্য প্রমাণ আনতে নির্দেশ দিবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭০: সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যাপ্ত হলে মামলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-

উপধারা (১):
যদি পুলিশ তদন্তে দেখতে পান যে অভিযোগে যথেষ্ট প্রমাণ বা যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি আছে, তাহলে:
- অভিযুক্তকে হেফাজতে রেখে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে হবে, অথবা
- যদি অপরাধ জামিনযোগ্য হয় এবং অভিযুক্ত জামিন দিতে সক্ষম হয়, তাহলে তার কাছ থেকে নির্ধারিত দিনে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজিরার জন্য জামিন গ্রহণ করতে হবে।

উপধারা (২):
যখন পুলিশ অফিসার অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করেন বা তার কাছ থেকে জামিন নেন, তখন:
- যেসব অস্ত্র বা বস্তু মামলার প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক, তা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠাতে হবে।
- অভিযোগকারী এবং মামলার প্রাসঙ্গিক সাক্ষীদের বন্ডে স্বাক্ষর করাতে হবে, যেন তারা আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য প্রদান বা অভিযোগ অনুসরণ করেন।

উপধারা (৩):
যদি বন্ডে প্রধান মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের নাম উল্লেখ থাকে, তাহলে:
- সেই আদালত বলতে যে কোন আদালতকে বোঝানো হবে যেখানে ঐ ম্যাজিস্ট্রেট মামলা তদন্ত বা বিচারকার্যের জন্য প্রেরণ করতে পারেন — শর্ত হলো, অভিযোগকারী বা সাক্ষীদের যথাযথভাবে এই স্থানান্তরের বিষয়ে নোটিশ দিতে হবে।

 উপধারা (৫):
যে পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে বন্ড সম্পাদিত হয়:
- তিনি বন্ডের একটি কপি স্বাক্ষরকারী ব্যক্তিকে দেবেন, এবং
- মূল বন্ড ও তার প্রতিবেদন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাবেন।
১১,১৯৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ অনুযায়ী মামলার আপোষ বা মীমাংসার ক্ষেত্রে আদালত কী করবে?
  1. বিবাদীকে শাস্তি প্রদান করবে
  2. মামলাটি সরাসরি খারিজ করে দেবে
  3. বাদীকে নতুন মামলা দায়েরের নির্দেশ দেবে
  4. আপোষ বা চুক্তির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করে ডিক্রি প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ৩ অনুযায়ী, যদি আদালত পরিতুষ্ট হয় যে, মামলাটি আইনসম্মত কোনো আপোষ, চুক্তি বা পরিতুষ্টির মাধ্যমে পুরোপুরি বা আংশিকভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে, তাহলে আদালত সেই আপোষ, চুক্তি বা সমঝোতার বিষয়টি লিপিবদ্ধ করবে, এবং যতটুকু মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, সে অনুযায়ী একটি ডিক্রি প্রদান করবে।
- এটি করতে আদালতের অনুমোদন এবং আইনানুগতা যাচাই প্রয়োজন হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩, বিধি-৩: মামলার আপোষ: যেক্ষেত্রে আদালতের পরিতৃষ্টি মোতাবেক ইহা প্রমাণিত হয় যে, আইন সঙ্গতঃ চুক্তি বা আপোষমূলে কোন মামলা সামগ্রিক বা আংশিক ভাবে মীমাংসা হয়েছে, অথবা যদি বিবাদী মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে সামগ্রিক বা । আংশিকভাবে বাদীকে পরিতুষ্ট করে থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপোষ বা পরিতুষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবেন এবং যতদূর মামলার সঙ্গে ইহা সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদনুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-3. Compromise of suit:
Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawful agreement or compromise, or where the defendant satisfies the plaintiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such agreement, compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
১১,১৯৭.
'চ' আইনসম্মতভাবে 'ক' কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ফলে 'ক' আকস্মিকভাবে উত্তেজিত হয়ে 'চ' কে হত্যা করে। 'ক' এর কৃত কাজটি কোন ধরনের অপরাধ?
  1. খুনের অপরাধ
  2. আত্মরক্ষামূলক নরহত্যা
  3. কোন অপরাধ হয়নি
  4. বেআইনি কাজ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ১ নং ব্যতিক্রমে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীর আইনসম্মত কাজের দ্বারা কোন আকস্মিক উত্তেজনা সৃষ্টি করলে এবং উত্তেজনা বশত উক্ত সরকারি কর্মচারীকে হত্যা করা হলে তা খুন বলে গণ্য হবে।
১১,১৯৮.
সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী কখন আদালত একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে সঠিক মনে করবে?
  1. দলিলটি ২০ বছরের পুরাতন এবং সরকারি অফিস হতে দাখিল করতে হবে
  2. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন এবং সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে দাখিল করতে হবে
  3. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন এবং সরকারি কর্মচারির হেফাজত হতে দাখিল করতে হবে
  4. দলিলটি ২৫ বছরের পুরাতন এবং সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে দাখিল করতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে, যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।
 
এ ধারার বিধান অনুযায়ী-
১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে;
২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে।
 
৯০ ধারা: ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান-
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।

Section 90: Presumption as to documents thirty years old:
Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
Explanation- Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
১১,১৯৯.
বংশগত পদ (hereditary office) দখল করার জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২৪ অনুযায়ী, বংশগত পদ দখল করার জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর।
- এই মেয়াদ বিবাদী যখন বাদীর প্রতিকূলে পদটি দখল করে সেই তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
- পদ দখল করার তারিখ বলতে সেই তারিখকে বোঝায় যখন বিবাদী বাদীর অধিকার লঙ্ঘন করে বংশগত পদটি দখল করে।
- এই তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। যদি এই সময়সীমার মধ্যে মামলা দায়ের না করা হয়, তবে মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না।


১১,২০০.
'Conclusive Proof' এর সংজ্ঞা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৪ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে- অনুমান (Presumption) ৩ প্রকার:
১) অনুমান করতে পারে (May presume);
২) অনুমান করবে (Shall presume);
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof)।

অনুমান করতে পারে (May presume):
যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

অনুমান করবে (Shall presume):
যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।