বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১১০ / ১২৬ · ১০,৯০১১১,০০০ / ১২,৬০৫

১০,৯০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুসারে ঘোষণামূলক মামলায় আদালতের ভূমিকা কী?
  1. চুক্তি সংশোধন করা
  2. ক্ষতিপূরণ প্রদান করা
  3. সম্পত্তির দখল উদ্ধার করা
  4. আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব ঘোষণা করা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মামলায় আদালত আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব ঘোষণা করেন। যদি কোনো ব্যক্তি তার আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার অস্বীকার করা হয়, আদালত সে সম্পর্কে একটি ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করতে পারে, যার মাধ্যমে ওই ব্যক্তির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
- ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation - A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
১০,৯০২.
A common nuisance is not excused on the ground that it causes some _____________.
  1. advantage
  2. convenience
  3. disadvantage
  4. convenience or advantage
ব্যাখ্যা
Section 268: Public nuisance:
A person is guilty of a public nuisance who does any act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, dangers or annoyance to persons who may have occasion to use any public right. A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.

দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারা- জনসাধারণের উপদ্রব:
যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে-এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না।

⇒ ধারা ২৬৮ বলা হয়েছে যে,
যদি কেউ এমন কোনো কাজ করে বা কোনো কাজ করতে বাধা দেয়, যার কারণে জনসাধারণ বা কাছাকাছি এলাকায় বসবাসকারী মানুষের ক্ষতি, বিপদ বা বিরক্তি হয়, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোন ব্যক্তি তার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাস্তার মধ্যে অযথা জটলা সৃষ্টি করে, অথবা উচ্চ শব্দের মাধ্যমে প্রতিবেশীদের বিরক্ত করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠতে পারে।
যদি কেউ তার কাজের জন্য কিছু সুবিধা বা সুবিধাজনক কারণে বিরক্তি সৃষ্টি করে, তাও তাকে ক্ষমা করবে না। অর্থাৎ, যে কাজই করা হোক না কেন, যদি তা জনসাধারণের জন্য বিরক্তিকর হয়, তবে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১০,৯০৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধমূলক জ্ঞান [criminal knowledge] সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৭ ধারা
  4. ৩৮ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫ – কোনো কাজ অপরাধ তখনই ধরা হবে, যদি তা অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায়সহ করা হয়:
যখন কোনো কাজ শুধুমাত্র অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায়সহ করায় তা অপরাধ হয়, এবং সেই কাজ একাধিক ব্যক্তি একত্রে করে, তখন যে প্রত্যেক ব্যক্তি ওই কাজের সাথে অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায়সহ যুক্ত হয়, সে ওই কাজের জন্য একইভাবে দায়ী হবে, যেমনটি সে নিজেই একা ঐ জ্ঞান বা অভিপ্রায়সহ কাজটি করত।

সহজ ভাষায়:
যদি একটি কাজ অপরাধ শুধু এই কারণে হয় যে তা অপরাধ করার মানসিকতা বা জ্ঞানে করা হয়েছে, এবং অনেক লোক একসাথে সেই কাজ করে, তবে প্রত্যেকেই সমানভাবে দায়ী হবে — এমনকি যদি তারা নিজের হাতে কাজটি না-ও করে থাকে।

উদাহরণ:
তিনজন ব্যক্তি জানে যে তারা যে কাজটি করছে তা অবৈধ, এবং সবাই একসঙ্গে সেই কাজ সম্পন্ন করে। এ ক্ষেত্রে, তারা প্রত্যেকে সমানভাবে দায়ী হবে, যেন প্রত্যেকেই নিজে অপরাধটি করেছে।
১০,৯০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬ অনুসারে, বাংলাদেশে কত প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মূলত দুই প্রকার ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে। এই দুই প্রকার আদালত হলো:
১) দায়রা আদালত (Courts of Sessions)
২) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত (Courts of Magistrates)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান: ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(ক) দায়রা আদালত; এবং
(খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; সুপ্রিম
(ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা:
(ক) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট” এবং “চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট” বুঝাবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, Section 6. Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:-
(a) Courts of Sessions ; and
(b) Courts of Magistrates.
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: -
(a) Judicial Magistrate; and
(b) Executive Magistrate.
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: -
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas;
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate;
(c) Magistrate of the second class; and
(d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.

১০,৯০৫.
একজন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে চান, কিন্তু রায়ের তারিখ থেকে ১০ দিন পার হয়ে গেছে। তামাদি আইনের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই অবস্থায় কী হবে?
  1. তিনি স্বাভাবিকভাবে আপিল করতে পারবেন
  2. আপিলের সময়কাল বাড়ানো হবে
  3. তিনি ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন
  4. তার আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে।

অনুচ্ছেদ ১৫০ এর বিধান-
দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে,
মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মেয়াদ দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিন। তাই আপিলের সময়সীমা অতিক্রম করেছে, তাই আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না।
১০,৯০৬.
নিম্নলিখিত কোনটি বেসরকারি দলিলের উদাহরণ?
  1. সংসদের আইন
  2. সরকারি গেজেট
  3. দানপত্র বা উইল
  4. আদালতের রেকর্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বেসরকারি দলিল (Private Document) হলো সেই সমস্ত দলিল যা সরকারি সংস্থা বা ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের অংশ নয়, বরং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি বা ব্যবহৃত হয়।
- দানপত্র বা উইল একটি বেসরকারি দলিল, কারণ এটি সাধারণত ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে সম্পাদিত হয় এবং এর সাথে কোনো সরকারি সংস্থার সংশ্লিষ্টতা থাকে না।

- বেসরকারি দলিল হলো সেইসব দলিল, যা ব্যক্তি বা বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে সম্পাদিত হয় এবং সরকারি কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। দানপত্র (Gift Deed) বা উইল (Will) এই ধরনের দলিলের উদাহরণ।
অর্থাৎ দানপত্র বা উইল হলো একটি বেসরকারি দলিল, কারণ এটি ব্যক্তিগত লেনদেনের অংশ। 
তাই সঠিক উত্তর: (গ) দানপত্র বা উইল।

অন্যদিকে:
সংসদের আইন এবং সরকারি গেজেট সরকারি দলিলের উদাহরণ।
আদালতের রেকর্ডও সরকারি নথির মধ্যে পড়ে।
১০,৯০৭.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের সদস্য হবেনা?
  1. বার কাউন্সিলের নির্বাচিত কোন সদস্য
  2. বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. তালিকাভুক্ত কোন আইনজীবী
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুসারে অ্যাটর্নি জেনারেল বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের সদস্য হবেনা।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩:
(১) বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে এবং প্রতিটি ট্রাইব্যুনাল তিনজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে, যাদের মধ্যে দুইজন কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং অপর একজন কাউন্সিল কর্তৃক রোলভুক্ত অ্যাডভোকেটদের মধ্য থেকে কো-অপ্ট (সহ-নির্বাচিত) হবেন। ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ অ্যাডভোকেট, তিনি ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল কোনো ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না।
(২) এই আদেশে যাই বলা হোক না কেন-
(ক) যদি Legal Practitioners and Bar Councils Act, 1965 (Act III of 1965) এর অধীনে গঠিত কোনো ট্রাইব্যুনালে কোনো তদন্ত (enquiry) চলমান থাকে, তবে সেটি এই আদেশের অধীনে বারকাউন্সিল কর্তৃক গঠিত ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হবে এবং পূর্ববর্তী ট্রাইব্যুনাল যে স্তরে তদন্ত বন্ধ করেছিল, সেখান থেকেই নতুন ট্রাইব্যুনাল তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
(খ) যদি এই আদেশের অধীনে গঠিত কোনো ট্রাইব্যুনালে তদন্ত চলমান অবস্থায় বার কাউন্সিলের কার্যকাল শেষ হয়ে যায়, তাহলে সেই ট্রাইব্যুনালই উক্ত তদন্ত সম্পন্ন ও নিষ্পত্তি করবে।
তবে শর্ত থাকে যে, বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান লিখিত আদেশের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারেন যে, এই ধরনের তদন্ত বার কাউন্সিল কর্তৃক ধারা (৩) অনুসারে গঠিত নতুন ট্রাইব্যুনালে সম্পন্ন ও নিষ্পত্তি হবে, এবং তখন সেই তদন্ত পূর্ববর্তী ট্রাইব্যুনাল যেখানে শেষ করেছিল, সেখান থেকেই নতুন ট্রাইব্যুনাল তা চালিয়ে যাবে।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order,1972, Article 33-
(1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman.
Provided that the Attorney-General for Bangladesh shall not be a member of any Tribunal.
(2) Notwithstanding anything contained in this Order,-
(a) where any enquiry is pending before a Tribunal constituted under the Legal Practitioners and Bar Councils Act, 1965 (Act III of 1965), such enquiry shall be transferred to a Tribunal constituted by the Bar Council under clause (1) and thereupon such Tribunal shall proceed with the enquiry from the stage at which its predecessor had left it.
(b) where any enquiry is pending before a Tribunal constituted under this Order at the time of the expiry of the term of the Bar Council, such enquiry shall be completed and disposed of by that Tribunal:
Provided that the Chairman of the Bar Council may, by an order in writing, direct that any such enquiry shall be completed and disposed of by a Tribunal constituted by the Bar Council under clause (3) and thereupon the enquiry shall stand transferred to such Tribunal which shall proceed with the enquiry from the stage at which its predecessor had left it.

১০,৯০৮.
কোন পরিস্থিতিতে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ অনুযায়ী পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুর তদন্ত করা আবশ্যক নয়?
  1. আত্মহত্যা
  2. দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু
  3. শত্রুর আক্রমণে মৃত্যু
  4. সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪(১)-এর প্রভাইজো (Proviso)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "Provided that, শর্ত থাকে যে, সরকার ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে, শত্রুর কার্যক্রমে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে এই উপ-ধারার অধীন কোন তদন্ত করা বা কোন রিপোর্ট প্রস্তুত করা বা ইঙ্কোয়েস্ট (inquests) করার ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটকে কোন খবর দেওয়া প্রয়োজন হইবে না।"
- সুতরাং, শত্রুর আক্রমণে (enemy action) মৃত্যুর ক্ষেত্রে সরকার ভিন্ন নির্দেশ না দিলে, ধারা ১৭৪-এর অধীন তদন্ত করা, রিপোর্ট প্রস্তুত করা বা ম্যাজিস্ট্রেটকে খবর দেওয়া আবশ্যক নয়।
- অন্য সকল ক্ষেত্রে (আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা, সন্দেহজনক মৃত্যু) এই ধারা অনুযায়ী পুলিশের তদন্ত করা বাধ্যতামূলক।
---------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-174: Police to inquire and report on suicide, etc.
(1) The officer in charge of a police-station or some other police-officer specially empowered by the Government in that behalf, on receiving information that a person-
(a) has committed suicide, or
(b) has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident, or
(c) has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence,
shall immediately give intimation thereof to the 204[nearest Executive Magistrate] empowered to hold inquests, and, unless otherwise directed by any rule prescribed by the Government, or by any general or special order 205[of the District Magistrate], shall proceed to the place where the body of such deceased person is, and there, in the presence of two or more respectable inhabitants of the neighborhood, shall make an investigation, and draw up a report of the apparent cause of death, describing such wounds, fractures, bruises and other marks of injury as may be found on the body, and stating in what manner, or by what weapon or instrument (if any), such marks appear to have been inflicted:
Provided that, unless the Government otherwise directs, it shall not be necessary under this sub-section, in any case where the death or any person has been caused by enemy action, to make any investigation or to draw up any report or to send any intimation to a Magistrate empowered to hold inquests.

(2) The report shall be signed by such police-officer and other persons, or by so many of them as concur therein, and shall be forthwith forwarded to the District Magistrate.
(3) When there is any doubt regarding the cause of death, or when for any other reason the police-officer considers it expedient so to do, he shall, subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, forward the body, with a view to its being examined, to the nearest Civil Surgeon, or other qualified medical man appointed in this behalf by the Government, if the state of the weather and the distance admit of its being so forwarded without risk of such putrefaction on the road as would render such examination useless.
(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government or the District Magistrate.

১০,৯০৯.
দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী ক্ষতি সাধনের জন্য মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের অপরাধ বলে গণ্য হবে?
  1. ২০৯
  2. ২১১
  3. ২১২
  4. ২১৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা মতে ক্ষতি সাধনের জন্য মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের শাস্তির বিধান রয়েছে। অহেতুক কোনো ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হলে ২১১ ধারা মতে দুই ধরনের শাস্তি হতে পারে।
(i)  ক্ষতি সাধনের জন্য অহেতুক কোন ফৌজদারি মামলা দায়ের করলে অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড 
(ii) যদি উক্তরূপ ফৌজদারি মামলা মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ৭ বছর বা তদূর্ধ্ব কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য হয় তাহলে দোষী ব্যক্তি অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান: ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগ:
- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-211.False charge of offence made with intent to injure:
- Whoever, with intent to cause injury to any person, institutes or causes to be instituted any criminal proceeding against that person, or falsely charges any person with having committed an offence, knowing that there is no just or lawful ground for such proceeding or charge against that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both; 
and if such criminal proceeding be instituted on a false charge of an offence punishable with death, 69[imprisonment] for life, or imprisonment for seven years or upwards, shall be punishable with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১০,৯১০.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য চুক্তির পক্ষের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির অধিকার কখন প্রযোজ্য হবে না?
  1. যখন চুক্তিটি সম্পূর্ণ মৌখিক
  2. যখন প্রতিনিধি আদালতের অনুমোদন না পায়
  3. যখন প্রতিনিধি নিজেই নতুন চুক্তি সম্পাদন করতে ইচ্ছুক
  4. যখন চুক্তিতে এমন বিধান থাকে যে, স্বার্থ অন্য কাউকে হস্তান্তর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) যখন চুক্তিতে এমন বিধান থাকে যে, স্বার্থ অন্য কাউকে হস্তান্তর করা যাবে না
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩(খ) ধারার অধীনে, সাধারণত চুক্তির পক্ষের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকার পেতে পারেন। তবে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত থাকলে এই অধিকার প্রযোজ্য হবে না—
১) যদি চুক্তির কোনো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয় ব্যক্তিগত দক্ষতা, solvency বা ব্যক্তিগত গুণাগুণ
২) যদি চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে যে, এর অধিকার বা স্বার্থ অন্য কাউকে হস্তান্তর করা যাবে না
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি একজন চিত্রশিল্পীর কাছ থেকে নির্দিষ্ট একটি চিত্রকর্ম আঁকার চুক্তি করে, তবে শিল্পীর উত্তরাধিকারী বা প্রতিনিধি সেই চুক্তি কার্যকর করতে পারবে না, কারণ চুক্তির মূল উপাদান হলো শিল্পীর ব্যক্তিগত দক্ষতা।
- তদ্রূপ, যদি কোনো চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে যে, এই চুক্তি হস্তান্তরযোগ্য নয়, তবে চুক্তির পক্ষের প্রতিনিধি সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের দাবি করতে পারবেন না।
⇒ অর্থাৎ চুক্তিতে যদি স্পষ্টভাবে বলা থাকে যে, এর স্বার্থ বা অধিকার অন্য কাউকে হস্তান্তর করা যাবে না, তাহলে চুক্তির পক্ষের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকার পাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে:
এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
খ) চুক্তির যেকোনো পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, সচ্ছলতা বা কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযােগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়ােগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতঃপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।
গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপােষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোনো ব্যক্তি;
ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়ােগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;
ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকার সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভ উত্তরাধিকারী পাওয়ার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভােগের উত্তরাধিকারী;
চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভােগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;
ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নূতন কোম্পানি;
জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়োজনবশত: চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলিতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 23. Who may obtain specific performance:
Except as otherwise provided by this Chapter, the specific performance of a contract may be obtained by-
(a) any party thereto;
(b) the representative in interest, or the principal, of any party thereto: provided that, where the learning, skill, solvency or any personal quality of such party is a material ingredient in the contract, or where the contract provides that his interest shall not be assigned, his representative in interest or his principal shall not be entitled to specific performance of the contract, unless where his part thereof has already been performed;
(c) where the contract is a settlement on marriage, or a compromise of doubtful rights between members of the same family, any person beneficially entitled thereunder;
(d) where the contract has been entered into by a tenant for life in due exercise of a power, the remainderman;
(e) a reversioner in possession, where the agreement is a covenant entered into with his predecessor in title and the reversioner is entitled to the benefit of such covenant;
(f) a reversioner in remainder, where the agreement is such a covenant, and the reversioner is entitled to the benefit thereof and will sustain material injury by reason of its breach;
(g) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation;
(h) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract for the purposes of the company, and such contract is warranted by the terms of the incorporation, the company.
১০,৯১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার (১) উপ-ধারা অনুযায়ী, মামলার পক্ষগণ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতকে কী প্রদান করতে পারে?
  1. সাক্ষীর তালিকা
  2. মামলার নথিপত্র
  3. লিখিত প্রশ্নমালা
  4. জামিনের আবেদন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার (১) উপ-ধারা অনুযায়ী, যেসব মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়, সেই মামলার পক্ষগণ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের নিকট মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) প্রদান করতে পারেন। পরবর্তীতে কমিশন কার্যকরকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা কর্মকর্তা ওই প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) লিখিত প্রশ্নমালা। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার বিধান: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন:-
(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী, জেরা ও পুনঃজবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 505: Parties may examine witnesses:-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.

১০,৯১২.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order,1972 এর কোন অনুচ্ছেদ এ নারীর প্রতি লিঙ্গ বৈষম্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে? 
  1. ২৭ অনুচ্ছেদ 
  2. ২৮ অনুচ্ছেদ 
  3. ২৯ অনুচ্ছেদ 
  4. ৩০ অনুচ্ছেদ 
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order,1972 এর অনুচ্ছেদ ২৮ এ নারীর প্রতি লিঙ্গ বৈষম্য নিষিদ্ধ করা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২৮: "কেবলমাত্র লিঙ্গের কারণে কোনো নারীকে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না।"
--------------------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর Section Article 28: No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex.

১০,৯১৩.
ইয়ামিন স্বেচ্ছায় এবং মিথ্যা ভাবে আলমকে বিশ্বাস করায় যে, ইয়ামিন কোন একটি জমির মালিক এবং সে ভাবে আলমকে উক্ত জমি ক্রয় করতে ও তার মূল্য দিতে প্রলুদ্ধ করে। পরবর্তীতে উক্ত জমি ইয়ামিনের সম্পত্তিতে পরিণত হয়। বিক্রয়ের সময় উক্ত জমিতে তার কোন স্বত্ব ছিল না, এই অজুহাতে ইয়ামিন বিক্রয় নাকচ করার চেষ্টা করে। এই ক্ষেত্রে তার স্বত্বহীনতা অবশ্যই প্রমাণ করতে দেওয়া যাবে না। এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় সমর্থন করা হয়েছে?
  1. ১১৩
  2. ১১৪
  3. ১১৫
  4. কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১৫ অনুযায়ী- যখন এক ব্যক্তি তার ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির দ্বারা স্বেচ্ছায় অন্য ব্যক্তিকে কিছু সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন বা বিশ্বাস করতে দিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করতে দিয়েছেন, তখন তাদের মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি উক্ত বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার করতে পারবে না।
১০,৯১৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় 'নালিশ'-এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ধারা ৪(খ)
  2. ধারা ৪(জ)
  3. ধারা ৪(ঠ)
  4. ধারা ৪(ন)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(জ)-এ "নালিশ" (Complaint) এর স্পষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। এটি ইংরেজিতে Section 4(h) হিসেবে উল্লেখিত, যা বাংলা পাঠ্যে উপ-ধারা (জ) হিসেবে সংখ্যায়িত।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)- "নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।
অর্থাৎ অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্ত অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:

১০,৯১৫.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়ের মধ্যে রাজপথে দস্যুতার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৯২ অনুসারে, দস্যুতার শাস্তি হলো ১০ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড এবং জরিমানা। তবে, যদি দস্যুতা সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়ের মধ্যে রাজপথে (highway) সংঘটিত হয়, তবে শাস্তি ১৪ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে। সুতরাং, সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়ের মধ্যে রাজপথে দস্যুতার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হলো ১৪ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 392. Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.

১০,৯১৬.
বেআইনি সমাবেশ গঠন করতে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে হবে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা  বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।

♦ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা 

দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
১০,৯১৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করতে পারেন কে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল বা পরিবর্তন করে অন্য কোনো দণ্ড, এমনকি তা বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে। দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে,কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। 
অর্থাৎ,মৃতুদণ্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট এর ৩৭৪ ধারার অধীন অনুমোদন নিতে হবে। ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দণ্ড বিষয়ে বা তার নির্দোষিতা বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করতে পারবেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দণ্ড দিতে পারেন,বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত,অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।
১০,৯১৮.
দণ্ডবিধির অনুসারে নিচের কোনটি চোরাই মাল (Stolen Property)?
  1. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
  2. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  3. বিশ্বাসভঙ্গ মূলে গৃহীত সম্পত্তি
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
----------------------
⇒ Section 410: Stolen property:
Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
১০,৯১৯.
সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব কী?
  1. অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া
  2. সাক্ষ্য গোপন রাখা
  3. ন্যায় বিচারের সহায়তা করা
  4. মিডিয়ায় তথ্য প্রকাশ করা
ব্যাখ্যা
• বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ এবং আইন পেশার গুণগত মান অক্ষুণ্ন রাখার জন্য বেশ কিছু নীতিমালা তৈরী করা হয়েছে। এই নীতিমালা Bangladesh Bar Council Canons of Professional Conduct and Etiquette নামে পরিচিত। এর ৪টি অধ্যায়ের শিরোনাম যথাক্রমে-
১. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ;
২. মক্কেলদের প্রতি আচরণ;
৩. আদালতের প্রতি কর্তব্য;
৪. জনসাধারণের প্রতি আচরণ।

আদালতের প্রতি কর্তব্য:
১. আদালতে ভদ্রতার সাথে উপস্থিত হতে হবে।
২. মামলার বিরুদ্ধে উপদেশ দিবেন না।
৩. কখনো কোনো ভুল তথ্য বা অপব্যাখ্যা দিয়ে আদালতকে বিভ্রান্ত করবেন না।
৪. বিচারকের খাস কামরায় মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন না।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব ন্যায় বিচারের সহায়তা করা, অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া নয়। তাই সরকারি আইনজীবী সাক্ষ্য গোপন বা চাপিয়ে রাখবেন না।
৬. বিচারাধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে খবরের কাগজে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা।
৭. বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে যাতে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা করা না হয় সেই দিকে আইনজীবীদের চেষ্টা বা তা প্রতিহত করা উচিত।
৮. আইনজীবীর সময়মতো আদালতে উপস্থিত হওয়া উচিত।
৯. আদালত আহ্বান করলে নিরপেক্ষ আইনগত মতামত উপস্থাপন করা।
১০,৯২০.
আদেশ ১২ বিধি ২ অনুযায়ী, দলিল স্বীকারের নোটিশ দেওয়ার কতদিনের মধ্যে দলিল স্বীকার করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ১২ বিধি ২: দলিল স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে পারে, যাতে বলা হয় যে, তারা পনেরো দিনের মধ্যে কোনো দলিল স্বীকার করবে, তবে উপযুক্ত ব্যতিক্রম ছাড়া। যদি অন্য পক্ষ তা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বা অবহেলা করে, তবে দলিল প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে, যেহেতু তারা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তবে আদালত যদি অন্যভাবে নির্দেশ না দেয়।

Order-12 Rule-2: Notice to admit documents:

Either party may call upon the other party to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.
১০,৯২১.
একটি সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের কার্যক্রমে একজন অ্যাডভোকেট কোনো পক্ষকে প্রতিনিধিত্ব করলে তিনি-
  1. উক্ত সম্পত্তিটি নিজে ক্রয় করতে পারবেন
  2. পারিশ্রমিকের পরিবর্তে সম্পত্তিটি ক্রয় করতে পারবেন
  3. নিজের সম্পত্তির সাথে সংমিশ্রণ ঘটাতে পারবেন
  4. সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
ব্যাখ্যা

⇒ Cannons of Professional Conduct and Etiquette এর ২য় অধ্যায়ে মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-৫ মতে একজন আইনজীবী নিজের পরিচালনাধীন মামলার সংশ্লিষ্ট উইল, ইচ্ছাপত্র (Probate), বন্ধক বন্ধ (Forclosure) বা বিচারিক নিলাম ইত্যাদি পদ্ধতিতে ক্রেতা হতে পারবে না।

-২য় অধ্যায়, বিধি-৫: একজন আইনজীবী কোন উইল কিংবা ঋণের জন্য বন্ধককৃত কিংবা বিচারিক রায়ে নিলামকৃত সম্পত্তি নিজ নামে কিংবা বেনামে ক্রয় কিংবা পারিশ্রমিকের পরিবর্তে উক্ত সমুদয় সম্পত্তি কিংবা আংশিক সম্পত্তি গ্রহন করিতে পারিবেন না, যদি তিনি উক্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলার কোন পক্ষের আইনজীবী হিসাবে মামলা পরিচালনায় অংশগ্রহন করিয়া থাকেন।
-----------
CHAPTER-II, Rule-5: An Advocate shall not himself or in benami purchase any property at a probate, foreclosure or judicial sale in an auction or proceeding in which such Advocate appears for a party nor shall he accept the whole or part of the property, in respect of which he had been engaged to conduct the case, in lieu of his remuneration, or as a reward or bounty.

১০,৯২২.
মোকদ্দমায় দাবিকৃত মূল্যমান কত দিনের মধ্যে সংশোধন করতে হয়?
  1. আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে
  2. সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে
  3. সর্বাধিক ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে, আদালতের নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন করতে হয়, তা না হলে আদালত আরজি খারিজের আদেশ দিবেন।

• আরজি হল মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১ নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭নং আদেশের ১ থেকে ১৮নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।এখানে আরজি প্রত্যাখানের সংজ্ঞা দেয়া হয়নি। তবে দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারামতে আরজি প্রত্যাখান ডিক্রির অন্তর্ভুক্ত এবং ৭নং আদেশের ১১নং ধরে আরজি প্রত্যাখানের কারণগুলো দেয়া রয়েছে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধি অনুযায়ী, আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-

(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে।
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে।
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে।
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।
১০,৯২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৪৯ অনুযায়ী পুলিশ অফিসারের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. অপরাধের তদন্ত করা
  2. অভিযোগ নথিভুক্ত করা
  3. আমলযোগ্য অপরাধ প্রতিরোধ করা
  4. আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure, 1898) ধারা ১৪৯ অনুযায়ী, প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তার প্রধান দায়িত্ব হলো আমলযোগ্য  অপরাধ (cognizable offence) সংঘটিত হওয়া প্রতিরোধ করা।
এই ধারায় বলা হয়েছে: “Every police-officer may interpose for the purpose of preventing, and shall, to the best of his ability, prevent, the commission of any cognizable offence.”
অর্থাৎ, পুলিশ কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ প্রতিরোধের জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারেন এবং তাঁর সাধ্যমতো এই ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করবেন।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) অপরাধের তদন্ত করা: এটি পুলিশের দায়িত্বের অংশ হলেও ধারা ১৪৯-এর প্রধান ফোকাস নয়। অপরাধের তদন্ত অন্যান্য ধারা, যেমন ধারা ১৫৬, এর আওতায় পড়ে।
খ) অভিযোগ নথিভুক্ত করা: অভিযোগ নথিভুক্ত করা (FIR) ধারা ১৫৪-এর অধীনে পড়ে, ধারা ১৪৯-এর নয়।
ঘ) আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা: এটি পুলিশের দায়িত্ব হতে পারে, কিন্তু ধারা ১৪৯-এর সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
সুতরাং, ধারা ১৪৯ অনুযায়ী পুলিশ কর্মকর্তার প্রধান দায়িত্ব হলো আমলযোগ্য অপরাধ প্রতিরোধ করা।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 149. Police to prevent cognizable offences:
- Every police-officer may interpose for the purpose of preventing, and shall, to the best of his ability, prevent, the commission of any cognizable offence.

১০,৯২৪.
সাক্ষ্য আইনের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণের কয়টি ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে।
- সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।
 
⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপ:
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
-------------------
⇒ Section-65. Cases in which secondary evidence relating to documents may be given:
Secondary evidence may be given of the existence, condition or contents of a document in the following cases:–
 
(a) when the original is shown or appears to be in the possession or power-
of the person against whom the document is sought to be proved, or of any person out of reach of, or not subject to, the process of the Court, or
 of any person legally bound to produce it, and when, after the notice mentioned in section 66, such person does not produce it;
 
(b) when the existence, condition or contents of the original have been proved to be admitted in writing by the person against whom it is proved or by his representative in interest;
(c) when the original has been destroyed or lost, or when the party offering evidence of its contents cannot, for any other reason not arising from his own default or neglect, produce it in reasonable time;
(d) when the original is of such a nature as not to be easily moveable;
(e) when the original is a public document within the meaning of section 74;
(f) when the original is a document of which a certified copy is permitted by this Act, or by any other law in force in Bangladesh to be given in evidence;
(g) when the originals consist of numerous accounts or other documents which cannot conveniently be examined in Court, and the fact to be proved is the general result of the whole collection.
১০,৯২৫.
If there are many defendants and some do not appear, what will the court do?
  1. Stop the case
  2. Dismiss the case
  3. Restart the case
  4. proceed with the case
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ১১: কতিপয় বিবাদীর এক বা একাধিক অনুপস্থিত থাকলে কার্য পদ্ধতি [Procedure in case of nonattendance of one or more of several defendants]:
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী রয়েছে, সেক্ষেত্রে একজন বা কয়েকজন বিবাদী উপস্থিত হয় এবং অন্যরা উপস্থিত না হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি অগ্রসর হবে এবং রায় ঘোষণার সময় আদালত অনুপস্থিত বিবাদীদের সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোনো আদেশ দান করবেন।

[Where there are more defendants than one, and one or more of them appear, and the others do not appear, the suit shall proceed, and the Court shall, at the time of pronouncing judgment, make such order as it thinks fit with respect to the defendants who do not appear.]
১০,৯২৬.
তহবিল আত্মসাৎ করার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' তার পক্ষে মোকদ্দমা পরিচালনা করার জন্য 'খ' কে নিযুক্ত করে। মোকদ্দমা চলাকালে 'খ' লক্ষ্য করে যে, আত্মসাস্কৃত যে পরিমাণ অর্থ 'ক'-এর নিকট হতে আদায় দেখিয়ে হিসাব খাতায় একটি হিসাব দেখানো হয়েছে, যা তার নিযুক্তির শুরুতে লেখা ছিলনা। উক্ত ক্ষেত্রে খ' এর এমন যোগাযোগ-
  1. অ্যাটর্নী ইচ্ছা করলে এটা প্রকাশ করতে পারে
  2. ১২৬ ধারায় প্রকাশ করা হতে সুরক্ষিত
  3. অ্যাটর্নী এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে না
  4. ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা:
ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
১০,৯২৭.
তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের কত নং অনুচ্ছেদে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ দেওয়া আছে?
  1. ৭ অনুচ্ছেদে
  2. ১০ অনুচ্ছেদে
  3. ১৩ অনুচ্ছেদে
  4. ১৭ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের ১০ অনুচ্ছেদে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ দেওয়া আছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অগ্রক্রয়ের অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।
এই মেয়াদ গণনা শুরু হয়:
→ ক্রেতা যদি সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকে।
→ যদি ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

⇒ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ১০ অনুচ্ছেদে।
১০,৯২৮.
তামাদি আইনে কোনটির সুনির্দিষ্টভাবে তামাদির মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান নেই?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
রিভিশনের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই। 

• তফসিলে মোকদ্দমা, আপীল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
১০,৯২৯.
স্ত্রী লোকের দেহ তল্লাশী কত ধারামতে করা যেতে পারে?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২ ধারা মতে
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৭ ধারা মতে
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৬ ধারা মতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে গ্রেফতারকারী অফিসার অথবা কোন বেসরকারি লোক গ্রেফতার করলে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তার নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

----------------
♦ Mode of searching women:
Section 52.
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১০,৯৩০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি অনুযায়ী, মোকদ্দমায় কোন নতুন বিবাদীকে যুক্ত করা হলে কী সংশোধন করতে হবে?
  1. আরজি
  2. লিখিত জবাব
  3. মামলার ডিক্রি
  4. তামাদি ফরম
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি- বিবাদী সংযোজিত হলে আরজি সংশোধন করতে হয়:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় কোন নতুন বিবাদীকে যুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ প্রদান না করলে, আরজি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে এবং সংশোধিত সমন ও আরজির নকল নতুন বিবাদীর উপর জারি করতে হবে এবং আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে তাহলে মূল বিবাদীর উপরও জারি করতে হবে।

[Where defendant added, plaint to be amended:
Where a defendant is added, the plaint shall, unless the Court otherwise directs, be amended in such manner as may be necessary, and amended copies of the summons and of the plaint shall be served on the new defendant and, if the Court thinks fit, on the original defendant.]
১০,৯৩১.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় Cross decrees এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XXII, Rule 22
  2. Order XXI, Rule 18
  3. Order XXI, Rule 19
  4. Order XI, Rule 8
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 18 তে Cross decrees এর বিধান রয়েছে।

⇒ পাল্টা ডিক্রি (Cross decrees)- ২১ নং আদেশের ১৮ নং বিধি অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে একই পক্ষসমূহের মধ্যে পৃথক মোকদ্দমায় টাকার দুটি অংশ পরিশোধের নিমিত্তে ইতোপূর্বে দেয়া পাল্টা ডিক্রিসমূহ জারির নিমিত্তে আদালতে আবেদন পেশ করা হয়। এবং তা উক্ত আদালতের মাধ্যমে একই সময়ে জারিযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে-
i ) যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে মিটানোর ব্যাপারে উভয় ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ থাকবে; এবং
ⅱ) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে শুধু বৃহৎ অংকের ডিক্রিদার, ক্ষুদ্রতর অংক বিয়োজন করার পর ডিক্রিতে যা বাকী থাকে, তার নিমিত্তে ডিক্রি জারি করতে পারে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের সন্তুষ্টির ব্যাপারটি বৃহৎ অংকের ডিক্রিতে এবং ক্ষুদ্রতম অংকের ডিক্রিতেও লিপিবদ্ধ থাকতে হবে।

⇒ পাল্টা ডিক্রির (Cross Decrees) ক্ষেত্রে প্রথম দুটি মামলায় দুইটি ডিক্রি একসাথে জারি করা হয়। অন্যদিকে পাল্টা দাবীর (Cross Claims) ক্ষেত্রে একই মামলায় বাদী-বিবাদীর পাল্টা দাবির ডিক্রি জারি করা হয়।
১০,৯৩২.
মামলার অধিকারী ব্যক্তি অপারগতার মধ্যে মৃত্যুবরণ করলে, তাহলে তার পক্ষে কে মামলা করতে পারবে?
  1. আদালত
  2. তার আইনজীবী
  3. তার আইনানুগ প্রতিনিধি
  4. মামলা বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান- বৈধ অপারগতা:
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হওয়ার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।

(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
১০,৯৩৩.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল একটি-
  1. সাংবিধানিক সংস্থা
  2. সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
  3. নির্বাচিত সংস্থা
  4. সমবায় সমিতি
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ ৩ : বিবিসি অর্ডারঃ ৩(২) অনুচ্ছেদে স্পষ্ট বলা আছে যে, The Bar Council shall be a Body Corporate অর্থাৎ বার কাউন্সিল হবে আইনসৃষ্ট সংস্থা। আবার, বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইট বলা আছে- The Bangladesh Bar Council is a Statutory Autonomus Body [সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা] of the Government.' বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে আরও উল্লেখ আছে যে- Bangladesh Bar council is a licensing and Regulatory Body [নিয়ন্ত্রক সংস্থা] constituted under the Bangladesh Legal Practianers and Bar Council Order, 1972. এছাড়া আমরা জানি যে, আইনসভা তথা সংসদ কর্তৃক আইন সৃষ্ট/ প্রণীত হয়, এরূপ প্রণীত আইনকে সংবিধিবদ্ধ আইন বা বিধিবদ্ধ আইন বলা হয়। বার কাউন্সিল যেহেতু বিধিবদ্ধ আইন দ্বারা গঠিত, সেহেতু এটি একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা; যা স্বাধীন।
১০,৯৩৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা "ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার" সম্পর্কে বিধান করে?
  1. ধারা ১৬
  2. ধারা ১৭
  3. ধারা ১৮
  4. ধারা ১৯
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১৮-এর শিরোনামই হলো "ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার" (Purchaser's rights against vendor with imperfect title)। এই ধারা অনুসারে, যখন কোনো বিক্রেতা বা ইজারাদাতার সম্পত্তিতে ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব (imperfect title) থাকে, তখন ক্রেতা বা ইজারাদারের নিম্নলিখিত অধিকারগুলো রয়েছে:
- বিক্রেতা পরবর্তীতে কোনো স্বত্ব অর্জন করলে তাকে তা হস্তান্তর করতে বাধ্য করা
- অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন হলে তা সংগ্রহ করতে বাধ্য করা
- বন্ধকযুক্ত সম্পত্তি বন্ধকমুক্ত করতে বাধ্য করা
- মামলা খারিজ হলে জমাকৃত অর্থ ও খরচ ফেরত পাওয়া
অতএব, সঠিক উত্তর গ) ধারা ১৮।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার বিধান: ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার:
- যেখানে এক ব্যক্তি এমন নির্দিষ্ট সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়, যাতে তার শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব রয়েছে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদারের (যদি না এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধান প্রদান করা হয়) নিম্নোক্ত অধিকার রয়েছে:
(ক) যদি বিক্রেতা অথবা ইজারাদাতা বিক্রয় বা ইজারা প্রদানের পরপরই সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব অর্জন করে, তবে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন স্বত্বের জন্য চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারে;
(খ) যেখানে স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতা বা ইজারাদাতার অনুরোধে তা করতে বাধ্য, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারে;
(গ) যেখানে বিক্রেতা দায়হীন সম্পত্তি বিক্রয়ের কথা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করে কিন্তু বাস্তবে সম্পত্তি এমন পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে যা ক্রয়মূল্যকে অতিক্রম করে না এবং কার্যত বিক্রেতার শুধু তা মুক্ত রাখার অধিকার রয়েছে সেখানে ক্রেতা তাকে তা বন্ধকমুক্ত করতে এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে হস্তান্তর অর্জন করতে বাধ্য করতে পারে;
(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ইজারাদাতা চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করে এবং মামলা তার ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বের অজুহাতে খারিজ হয়ে যায়, সেখানে প্রতিবাদীর অধিকার রয়েছে, সুদসহ জমাকৃত অর্থ (যদি জমা করে থাকে) এবং মামলার খরচ ফেরত পাবার এবং তেমন জমাকৃত অর্থ সুদ ও খরচের জন্য বিক্রেতা বা ইজারাদার যে জমি বিক্রয় বা ইজারা দিতে সম্মত তাতে বিক্রেতা বা ইজারাদাতার স্বত্বের উপর পূর্বস্বত্ব অধিকার থাকবে।
-------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 18. Purchaser's rights against vendor with imperfect title:
Where a person contracts to sell or let certain property, having only an imperfect title thereto, the purchaser or lessee (except as otherwise provide by this Chapter) has the following rights:- 
(a) if the vendor or lessor has subsequently to the sale or lease acquired any interest in the property, the purchaser or lessee may compel him to make good the contract out of such interest; 
(b) where the concurrence of other persons is necessary to validate the title, and they are bound to convey at the vendor's or lessor's request, the purchaser or lessee may compel him to procure such concurrence; 
(c) where the vendor professes to sell unincumbered property, but the property is mortgaged for an amount not exceeding the purchase-money, and the vendor has in fact only a right to redeem it, the purchaser may compel him to redeem the mortgage and to obtain a conveyance from the mortgagee ; 
(d) where the vendor or lessor sues for specific performance of the contract, and the suit is dismissed on the ground of his imperfect title, the defendant has a right to a return of his deposit (if any) with interest thereon, to his costs of the suit, and to a lien for such deposit, interest and costs on the interest of the vendor or lessor in the property agreed to be sold or let.

১০,৯৩৫.
দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, কতজন বা তার বেশি ব্যক্তির সমাবেশকে বেআইনি সমাবেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. ৩ বা তার বেশি
  2. ৪ বা তার বেশি
  3. ২ বা তার বেশি
  4. ৫ বা তার বেশি
ব্যাখ্যা

→ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যদি একটি নির্দিষ্ট অবৈধ উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে সেটিকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation. -An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

১০,৯৩৬.
তামাদি আইনের কোন ধারায় দলিলে বর্ণিত সময়ের হিসাব করার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ২১
  2. ২৩
  3. ২৫
  4. ২৭
ব্যাখ্যা
⇒ দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-----------------
-The Limitation Act, 1908, Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.
১০,৯৩৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশে “সাময়িক, নৌ-বাহিনী বা বিমান বাহিনী কর্তৃক বা তাদের বিরুদ্ধে মামলার” বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ২৪
  2. আদেশ ৩২
  3. আদেশ ২৭
  4. আদেশ ২৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৮ অনুযায়ী “সাময়িক, নৌ-বাহিনী বা বিমান বাহিনী কর্তৃক বা তাদের বিরুদ্ধে মামলারবিধান আছে।
 আদেশ ২৮ বিধি ১ অনুযায়ী অফিসার, সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক কর্মকর্তারা যদি ছুটি না পায় তাহলে তাদের পক্ষে যে কোন লোককে মামলা পরিচালনার ক্ষমতা  দিতে পারবে।
১০,৯৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) এর বিধান আছে?
  1. ৩৩
  2. ৩৬
  3. ৩৭
  4. ৩৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারা ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতার (Ordinary powers of Magistrates) এর কথা বলা হয়েছে।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারা- ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা:

সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।
-------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 36- Ordinary powers of Magistrates:
-All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".
১০,৯৩৯.
নিম্নের কোনটি পেনাল কোড-এর এখতিয়ারে পরে না?
  1. বাংলাদেশী নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে
  2. বিদেশী নাগরিক বাংলাদেশে অপরাধ করলে
  3. বিদেশী নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে
  4. বাংলাদেশী নাগরিক দেশে অপরাধ করে বিদেশে পালিয়ে গেলে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ২,৩ ও ৪ ধারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে পেনাল কোডের অপরাধগুলো কোথায় কার মাধ্যমে সংঘটিত হলে সেটির বিচার বাংলাদেশে করা যাবে তার বর্ণনা উদাহরণ সহ দেওয়া আছে। বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
♦দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
১০,৯৪০.
"যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুনের শাস্তি" দণ্ডবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৩০০ ধারায়
  2. ৩০১ ধারায়
  3. ৩০৩ ধারায়
  4. ৩০৪ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোনো ব্যক্তি যদি খুন করে, তাহলে তার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে। এটি "Punishment for murder by life-convict" নামে পরিচিত।

⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান- যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুনের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.

১০,৯৪১.
একটি রায়ে থাকবে-
  1. রায়ে নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
  2. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  3. সিদ্ধান্ত এবং অনুরুপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  4. ক,খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
আদেশ ২০ বিধি ৪ অনুসারে,আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-
> মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case]
> নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination]
> ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon] এবং
> অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].

তবে, স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে শুধু নিম্নোক্ত বিষয়গুলো উল্লেখ থাকলেই চলবে-
> নির্ধারণের বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
> উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।
১০,৯৪২.
দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারায় কোনটির সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. Hurt
  2. Mischief
  3. Criminal Trespass
  4. Wrongful confinement
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগিতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।

কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি বা অনিষ্টসাধনের জন্য দায়ী করতে হলে এটা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই যে, যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির দখলে বা মালিকানাধীন ছিল। যেহেতু ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে ক ঘোড়াটিকে গুলিবিদ্ধ করেছে তাই ক” ক্ষতি সাধনের জন্য দোষী হবে।

Section-425: Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".

Explanation-1: It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.

Explanation-2: Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
১০,৯৪৩.
তামাদির মেয়াদ গণনার বিষয়ে বলা হয়েছে কত ধারায়?
  1. ৬ থেকে ১২ ধারা
  2. ১২ থেকে ২৫ ধারা
  3. ৫ থেকে ১২ ধারা
  4. ১২ থেকে ২২ ধারা
ব্যাখ্যা
♠ তামাদি আইনের ১২ থেকে ২৫ ধারা পর্যন্ত তামাদির মেয়াদ/ সময় গণনার বিষয়ে বলা হয়েছে। 
১০,৯৪৪.
শুনানির সময় বাদী পক্ষ অনুপস্থিত ও বিবাদী উপস্থিত থাকলে তাহার ফলাফল কী?
  1. আদালত মামলা ফেরত দিবে
  2. মামলা স্থানান্তর করবে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে পাঠিয়ে দিবে
  4. মামলা খারিজ করে দিবে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ আদেশের ৮ বিধি মতে শুনানির সময় বাদী যদি অনুপস্থিত থাকে সেক্ষেত্রে বিবাদী যদি বাদীর দাবীর সম্পূর্ণ অংশ বা অংশ বিশেষ মেনে নেয়, তাহলে আদালত তদানুসারে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রী দান করবেন। আর বিবাদী যদি এটির কোন অংশই মেনে না নেয়, তাহলে আদালত সম্পূর্ণ মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিবেন।
১০,৯৪৫.
রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তির সময়সীমা গণনা শুরু হবে কোন তারিখ থেকে?
  1. রায় ঘোষণার তারিখ থেকে
  2. আবেদন দায়েরের তারিখ থেকে
  3. পক্ষগণের উপর নোটিশ জারির তারিখ থেকে
  4. বিচারকের আদেশের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান: আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision:
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.

১০,৯৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী কমিশন কার্যকরীকরণের জন্য অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখা যায়?
  1. ধারা ৫১০
  2. ধারা ৫০৯
  3. ধারা ৫০৮
  4. ধারা ৫০৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫০৮-এর শিরোনামই হলো "অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ" (Adjournment of inquiry or trial)।
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫০৮ (Section 508)-এ স্পষ্টভাবে বিধান করা হয়েছে যে, ধারা ৫০৩ বা ধারা ৫০৬-এর অধীনে কমিশন জারি হলে, কমিশন কার্যকরীকরণ এবং ফেরত দেওয়ার জন্য ন্যায়সঙ্গতভাবে পর্যাপ্ত নির্ধারিত সময়ের জন্য অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি (adjourned) রাখা যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.

১০,৯৪৭.
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায় কাদের কৃত কার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. বিচারক
  2. নাবালক
  3. অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
  4. আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার বিধান: অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কার্য:
এমন কোন ব্যক্তির কোন কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় তার মনে অসুস্থতা (Unsoundness) বশত কাজটি যে অন্যায় অথবা আইনবিরুদ্ধ, তা বুঝতে অসমর্থ ছিল।

Section 84: Act of a person of unsound mind:
Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
১০,৯৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুযায়ী সমন দেওয়ার পরেও আদালতে হাজির না হলে কী দণ্ড দেওয়া যায়?
  1. সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়
  2. অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা
  3. গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর  ৩২ ধারার বিষয়বস্তু হলো ৩০ ধারা অনুযায়ী সমন দেওয়া হলে হাজির না হলে দণ্ড।
যদি সমন দেওয়ার পরও হাজির না হলে ৪ ধরনের দণ্ড দেওয়া যায়।
- গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
- সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়
- অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা
- হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ
----------------------------------------
⇒ CPC Section 32. Penalty for default.
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
(a) issue a warrant for his arrest;
(b) attach and sell his property;
(c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
(d) order him to furnish security for his appearance and in default commit him to the civil prison.
১০,৯৪৯.
'ক' দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদোহিতা অপরাধে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়। এক্ষেত্রে তাকে আপিল করতে হবে-
  1. দায়রা জজ বরাবর
  2. হাইকোর্ট বিভাগ বরাবর
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল

যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-

(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে;
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class

Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge, Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a) When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
(b) When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
১০,৯৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারা অনুসারে, কখন ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া যায়?
  1. রায় ঘোষণার পর
  2. রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময়
  3. মামলার তদন্ত শুরু হওয়ার আগে
  4. শুধুমাত্র জামিনের আবেদনের সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮ অনুযায়ী, রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় আদালত অভিযুক্ত বা সাক্ষ্যদাতার সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে শর্তসাপেক্ষ ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮- ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দানের ক্ষমতা:
রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় যে দায়রা আদালত মােকদ্দমার বিচার করছেন সেই আদালত বিচারকালে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে জড়িত বা সেই সম্পর্কে গােপন তথ্যের অধিকারী বলে অনুমতি কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে এই শর্তে ক্ষমা প্রদর্শন করতে পারবেন বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 338- Power to direct tender of pardon:
At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
১০,৯৫১.
দণ্ডবিধিতে মোট কয়টি অধ্যায় রয়েছে?
  1. ১৮টি
  2. ২০টি
  3. ২৩টি
  4. ২৫টি
ব্যাখ্যা
→ The Penal Code, 1860 আইনে মোট অধ্যায় ২৩টি এবং মোট ধারা ৫১১টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয়, এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়। এটি ছিল দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো:
- দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা (GENERAL EXPLANATIONS)
- তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি (PUNISHMENTS)
- চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম (GENERAL EXCEPTIONS)
- পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (ABETMENT)
- পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (CRIMINAL CONSPIRACY)
- ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (OFFENCES AGAINST THE STATE)
- নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মচারী সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS)
- নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO ELECTIONS)
- ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY)
- সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ (OFFENCES AGAINST PROPERTY)
- বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE)
- একবিংশ অধ্যায়: মানহানি (DEFAMATION)
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)
১০,৯৫২.
কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য কার নিকট ফেরত দিতে হবে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  2. কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের নিকট
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান

(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হবার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহিত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।

(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।

Section 507- Return of commission
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record. 
 
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.
১০,৯৫৩.
ব্যাভিচারের জন্য কাকে অভিযুক্ত করা যায়?
  1. পুরুষ আসামী
  2. মহিলা আসামী
  3. স্বামী
  4. তাদের সকলকে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড এর ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচারঃ কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না। 

♦অর্থাৎ ব্যাভিচারের জন্য শুধু পুরুষ ব্যক্তিটিকে অভিযুক্ত করা যায়।
১০,৯৫৪.
আপিল আদালতের ডিক্রিতে কোন তারিখ উল্লেখ থাকবে?
  1. আপিলে দায়েরের তারিখ
  2. রায় ঘোষণার তারিখ
  3. ডিক্রি প্রদানের তারিখ
  4. ডিক্রির কপি পাওয়ার তারিখ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি-৩৫: ডিক্রির তারিখ ও বিষয়বস্তু:
১) আপিল আদালতের ডিক্রিতে যে দিন রায় ঘোষণা করা হয়েছিল, সে ঘোষণার তারিখ উল্লেখ থাকবে।
২) ডিক্রিতে আপিলের নম্বর, আপিলকারী ও উত্তরদায়কের নাম ও পরিচিতি এবং মঞ্জুরকৃত প্রতিকার বা অন্যরূপ সাব্যস্থ হয়েছে তার একটি সুস্পষ্ট বিবরণ থাকতে হবে।
৩) ডিক্রিতে আপিলে ব্যয়িত খরচসমূহের পরিমাণ এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে এবং কিঅনুপাতে ঐ খরচ এবং মোকদ্দমার খরচ পরিশোধ করতে হবে সেটাও বিবৃত থাকবে।
৪) ডিক্রি প্রদানকারী বিচারক বা বিচারকবৃন্দ কর্তৃক ডিক্রিতে স্বাক্ষর করতে ও তারিখযুক্ত হতেহবেঃ ভিন্ন মত পোষণকারী বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হওয়ার প্রয়োজন নেইঃ

তবে শর্ত থাকে যে, যে ক্ষেত্রে একাধিক বিচারকবৃন্দ থাকেন এবং তাদের মধ্যে মতের ভিন্নতা থাকে সেক্ষেত্রে আদালতের রায় হতে ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক কর্তৃক ডিক্রিতে স্বাক্ষর করার প্রয়োজন নেই।

১০,৯৫৫.
'X', ১২ বছরের একটি শিশুকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া নিয়ে যায়। 'X' এর কৃত অপরাধ কী?
  1. দস্যুতা
  2. মনুষ্য হরণ
  3. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
  4. কোনো অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) মনুষ্য হরণ। 
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি চৌদ্দ বছরের কম বয়সী নাবালক বা নাবালিকাকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই নিয়ে যায়, তাহলে এটি মনুষ্য হরণ (Kidnapping from lawful guardianship) হিসেবে পরিগণিত হয়।
- এখানে 'X' ১২ বছরের একটি শিশুকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই নিয়ে গেছে, যা সঠিকভাবে মনুষ্য হরণ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য অপরাধীর অভিপ্রায় অপরিহার্য নয়, এবং এটি আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণের ক্ষেত্রে পড়বে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-  Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person.
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
১০,৯৫৬.
কোন আইনে Special Rules of Evidence সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ থেকে ৫১২ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৭ থেকে ৩১ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ Special Rules of Evidence- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ থেকে ৫১২ ধারায় Special Rules of Evidence সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারায় মেডিকেল উইটনেস ও ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১০ ধারায় কেমিক্যাল এগজামিনার ও সেরোলোজিস্টের সাক্ষ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।
১০,৯৫৭.
কোন ধরনের স্থানে মারামারি করলে তা দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. প্রকাশ্য স্থানে
  2. নির্জন এলাকায়
  3. কোনো বন্ধ ঘরে
  4. ব্যক্তিগত বাড়ির ভিতরে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে, তবে তা একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
- এটি প্রকাশ্য স্থানে শান্তি ভঙ্গ এবং জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হয়।
ধারা ১৫৯:
"যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে মারামারি করে বা অন্যভাবে অশান্তি সৃষ্টি করে, তাকে শাস্তি প্রদান করা হবে।"
- অর্থাৎ, প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করা হলে তা দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং শাস্তি আরোপ করা যাবে।
১০,৯৫৮.
এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন?
  1. নালিশটি লিখিত আকারে রূপান্তর করবেন
  2. নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন
  3. নালিশটি খারিজ করে দিবেন
  4. নালিশকারীকে পুনরায় আসতে বলবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case:
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case,he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect.
(2) If the complaint has not been made in writing,such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
১০,৯৫৯.
কোন ক্ষেত্রে দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] প্রয়োগ করা যাবে?
  1. একটি পূর্বে চলমান মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
  2. একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
  3. উভয়টি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা
  4. একই সময়ে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

• শর্তসমূহ:
⇒ দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
⇒ উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় একই;
⇒ পরবর্তী মোকদ্দমাটি যারা দায়ের করেছে, পূর্ববর্তী চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমাটি সেই একই পক্ষগণের মধ্যে ছিল বা সেই পক্ষগণের মধ্যে ছিল যাদের মাধ্যমে তারা বা তাদের কোন একজন প্রতিকার দাবী করে;
⇒ উক্ত পক্ষগণ পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় একই বিষয়বস্তু নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করেছে;
⇒ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করেছে।

• ১১ ধারার নিয়ম অনুসরণ করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
১০,৯৬০.
আদেশ ৩৮ বিধি-৬ অনুযায়ী আদালত কখন সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে?
  1. যখন বাদী জামানত প্রদান করে না
  2. যখন বিবাদী জামানত প্রদান করে না
  3. যখন বাদী মামলা প্রত্যাহার করে
  4. যখন বিবাদী কারণ দর্শায়
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৮ বিধি-৬: কারণ না দর্শালে বা জামানত না দিলে ক্রোক:
১) যেক্ষেত্রে বিবাদি জামানত প্রদান না করার কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয় বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর যে আংশিক প্রদেয় ডিক্রিটি মিটানোর জন্য পর্যাপ্ত বলে প্রতীয়মান, সেরূপ অংশ ক্রোক হওয়া মর্মে আদেশ প্রদান করতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি অনুরূপ কারণ দর্শায় অথবা আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে, এবং উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর কোন অংশ ক্রোক হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত ক্রোক প্রত্যাহারের আদেশ দিবে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।

১০,৯৬১.
দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৫০ অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহ-অনধিকার প্রবেশের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৫০ অনুসারে: "যে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য কোনো অপরাধ (যেমন: ডাকাতি, খুন ছাড়াও অন্যান্য গুরুতর অপরাধ) করার উদ্দেশ্যে গৃহ-অনধিকার প্রবেশ (House-trespass) করে, তাকে  ১০ বছরের কারাদণ্ড দিতে হবে, এবং জরিমানাও করা যেতে পারে।"

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৫০ অনুসারে, যে কেউ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ (যেমন হত্যা, ডাকাতি, বা গুরুতর অপরাধ) সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ (House-trespass) করে, তার শাস্তি হলো ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
এখানে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ১০ বছরের কারাদণ্ড।
উল্লেখ্য, 
- এটি ধারা ৪৪৯ থেকে আলাদা, যা মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ (যেমন: খুন) করার উদ্দেশ্যে গৃহভঙ্গের জন্য যাবজ্জীবন বা ১০ বছর কারাদণ্ডের বিধান দেয়।
- ধারা ৪৫০ এ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের জন্যশাস্তি ১০ বছর কারাদণ্ড (যাবজ্জীবন নয়)।
--------- 
⇒ The Penal Code,1860-Section: 450. House-trespass in order to commit offence punishable with imprisonment for life:
-Whoever commits house-trespass in order to the committing of any offence punishable with imprisonment for life, shall be punished with imprisonment of either description for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

১০,৯৬২.
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি গাড়ি দশ লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' বাস এক্সিডেন্টে মারা গেল।
  1. উক্ত চুক্তি বাতিল হবে
  2. 'খ' এর প্রতিনি 'ক' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারবে
  3. 'খ' এর প্রতিনিধিকে চুক্তির অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না
  4. 'খ'-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১৩ ধারা অনুযায়ী,
এক্ষেত্রে 'খ'-এর প্রতিনিধিকে (উত্তরাধিকারী/ব্যবস্থাপক) চুক্তিমোতাবেক বাকি অর্থ প্রদানে বাধ্য করা যেতে পারে। কারণ এখানে:
১. চুক্তির প্রধান বিষয়বস্তু অর্থাৎ গাড়ি বিক্রয় সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত হয়নি। শুধু ক্রেতার মৃত্যু ঘটেছে।
২. 'খ'-এর প্রতিনিধি থাকায় চুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব।

১৩ ধারা- যে চুক্তির বিষয়বস্তুর আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে-
চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

সুতরাং আইনগতভাবে, 'ক' আদালতের নির্দেশক্রমে 'খ'-এর প্রতিনিধিকে চুক্তিমোতাবেক অর্থ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন। শুধু 'খ'-এর মৃত্যুর কারণে চুক্তিটি বাতিল হবে না।
১০,৯৬৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে?
  1. ১০ ধারা
  2. ১১ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০,১১ এবং ১২ ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে।

• ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

• ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

• ধারা ১২ তে পুনরায় মোকদ্দমা করার বাধা (Bar to further suit) সম্পর্কে বিধান আছে। 
কোন বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না। অর্থাৎ যে সকল ক্ষেত্রে আইনগতভাবে মোকদ্দমা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না।
১০,৯৬৪.
কোন ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ রিভিশনাল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. ধারা ৪৩৮
  2. ধারা ৪৩৯
  3. ধারা ৪৩৯ক
  4. ধারা ৪৪০
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ

৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে। দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

Section 439A: Sessions Judge's powers of revision:
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439. 
 
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final.

(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
১০,৯৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী শুনানি শেষে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে রায় ঘোষণার জন্য বাধ্য ?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন 
  3. ১৪ দিন
  4.  ২১ দিন
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-১ (Order XX Rule 1) অনুসারে, মোকদ্দমার শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে বাধ্য। বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে, যা সাতদিনের বেশি হবে না" (either at once or on some future day, not beyond seven days)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-১:-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced:-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, not beyond seven days, of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.

১০,৯৬৬.
চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে কত ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন?
  1. ধারা ২৪৩
  2. ধারা ২৪১(ক)
  3. ধারা ২৪২
  4. ধারা ২৪৫
ব্যাখ্যা
• চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে।

[ধারা-২৪১(ক)] 
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate): আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে।অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে।পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশীট,পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট,তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি।
আর নালিশী কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ,বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।

• ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিলে ফরিয়াদীর প্রতিকার-
২৪১(ক) ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতির আদেশ দিলে,ফরিয়াদী উক্ত অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের করতে পারে।
১০,৯৬৭.
ধারা ৪৩৯(২) অনুযায়ী, আসামী আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পেলে হাইকোর্ট ডিভিশন-
  1. অপরাধীকে মুচলেকা প্রদান করবে
  2. নতুন শুনানি নির্ধারণ করবে
  3. আসামীর বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করবে না
  4. আসামীকে আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দিবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির  ৪৩৯ ধারা- হাইকোর্ট ডিভিশনের রিভিশনের ক্ষমতা:

(১) হাইকোর্ট ডিভিশন নিজে যে মামলার নথি তলব করেছেন, বা যা আদেশের জন্য পাঠানো হয়েছে, বা যা অন্য কোনভাবে হাইকোর্ট ডিভিশনের গোচরীভূত হয়েছে, সেই মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন ইহার বিচারিক ক্ষমতাবলে ধারা-৪২৩, ৪২৬, ৪২৭ ও ৪২৮ এ আপীল আদালতকে বা ধারা-৪৩৮ এ কোন আদালতকে প্রদত্ত ক্ষমতাদির মধ্যে যে কোনটি প্রয়োগ করতে পারবেন এবং দণ্ড বাড়াতে পারবেন এবং রিভিশনে এতিয়ার সম্পন্ন আদালতের জজগণ যখন তাঁদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, তখন মামলাটি ধারা-৪২৯ এ উল্লেখিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করতে হবে।

(২) আসামী আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজে বা এ্যাডভোকেট কর্তৃক তার বক্তব্য পেশের সুযোগ না পেলে এই ধারা অনুসারে তার বিরুদ্ধে কোন আদেশ দেয়া যাবে না।

(৩) এই ধারায় সংশিষ্ট দণ্ড কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়ে থাকলে আসামী যে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে আদালত মনে করেন, সেই অপরাধের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড দিতে পারতেন, আদালত তার চেয়ে বেশী দণ্ড দিবেন না।

(৪) খালাসের অভিমতকে দণ্ডের অভিমতের পরিবর্তন করার বা দায়রা জজ কর্তৃক ধারা- ৪৩৯ক এর অধীন প্রদত্ত আদেশ বিষয়ে রিভিশনে কোন কার্যক্রম গ্রজণ করার ক্ষমতা হাইকোর্ট ডিভিশনকে দেয়া হয়েছে মর্মে এই ধারায় কোন কিছু মনে করা যাবে না।

(৫) যেক্ষেত্রে এই বিধির অধীন আপীল চলে কিন্তু আপীল দায়ের করা হয়নি, সেক্ষেত্রে যে পক্ষ আপীল দায়ের করতে পারত সেই পক্ষের প্রচেষ্টায় রিভিশনের আকারে কোন কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।

(৬) এই ধারায় যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন দণ্ডিত ব্যক্তিকে কেন তার দণ্ড বাড়ানো হবে না এমর্মে উপধারা-২ এর অধীন উহার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হলে, উক্ত কারণ দর্শাবার সময় সে তার দণ্ডের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শাতে অধিকারী হবে।
১০,৯৬৮.
একটি কোম্পানি আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আবার একই অনিয়মমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর অধীনে কোম্পানির সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেওয়া হয়। সর্বোচ্চ কতদিন পর্যন্ত এই ক্রোক বলবৎ থাকবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. যতদিন আদালত চায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
১০,৯৬৯.
'Res Gestae' বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. মূল দলিল
  2. মৌখিক স্বীকারোক্তি
  3. অনুমানভিত্তিক সাক্ষ্য
  4. একই ঘটনার অংশ হিসেবে প্রাসঙ্গিক ঘটনা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে 'Res Gestae' একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। যখন একাধিক ঘটনা অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত এবং একই ঘটনার ধারাবাহিক অংশ হয়, তখন তাদের বক্তব্য বা আচরণকে Res Gestae সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়। অর্থাৎ Res Gestae এর মাধ্যমে এমন কথা বা আচরণকে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করা হয় যা কোনো ঘটনার সময় বা ঘটনার পূর্বে বা পরবর্তীতে বলা বা করা হয়েছিল এবং যা সেই ঘটনার প্রকৃতি ও কারণ বুঝতে সাহায্য করে।

উদাহরণস্বরূপ:
⇒ একজন ব্যক্তি আঘাত পেয়ে "X আমাকে আঘাত করেছে" বলে কিছুক্ষণ পরেই মারা গেলে, এই বক্তব্যটি Res Gestae হিসাবে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হবে।
⇒ অপরাধের পর দ্রুত পালিয়ে যাওয়া অপরাধীর বক্তব্য বা আচরণ Res Gestae হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
⇒ দুর্ঘটনার পর অবিলম্বে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের আতঙ্কিত বা উদ্বিগ্ন বক্তব্য Res Gestae হিসেবে গৃহীত হতে পারে।
১০,৯৭০.
Under Section 358, which of the following is a condition for the application of the law?
  1. The provocation must be planned.
  2. The provocation must be grave and sudden.
  3. The provocation must involve physical harm.
  4. The provocation must be communicated in writing.
ব্যাখ্যা
Section 358- Assault or criminal force on grave provocation:
Whoever assaults or uses criminal force to any person on grave and sudden provocation given by that person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month or with fine which may extend to two hundred taka, or with both.

ধারা ৩৫৮- গুরুতর প্ররোচনায় আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ:
যে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত গুরুতর ও হঠাৎ প্ররোচনার কারণে সেই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে, তাকে সর্বোচ্চ এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
১০,৯৭১.
আদালতে কোন ঘটনা প্রমানের জন্য সর্বনিম্ন কয়জন সাক্ষীর প্রয়োজন হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৪ জন
  4. নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের  ১৩৪ ধারার বিধান সাক্ষীর সংখ্যাঃ মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।
-----------------------------
⇒ Evidence Act Section 134. Number of witness: No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
১০,৯৭২.
'ক' অসৎ উদ্দেশ্যে জনৈক মহিলার সম্মতি ছাড়া ও মহিলা বিরক্ত হবেন জেনেও তার ঘোমটা খুলে ফেলেন। 'ক' কোন অপরাধ করেছেন?
  1. Causing hurt
  2. Assault with intent to outrage modesty
  3. Use of criminal force
  4. Assault
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:-
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ: 
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
 
(ছ) ক চ-এর সম্মতি ব্যতীত চ-এর উপর একটি কুকুরকে ঝাঁপিয়ে পড়তে লেলিয়ে দেয়। এখানে ক-এর উদ্দেশ্য যদি হয় চ-কে আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত করা, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করেছে।
------------------------
The Penal Code Section-350. Criminal force:

-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.
Illustrations:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z.
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z.
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z.
(d) A intentionally pushes against Z in the street. Here A has by his own bodily power moved his own person so as to bring it into contact with Z. He has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z.
 
(e) A throws a stone, intending or knowing it to be likely that the stone will be thus brought into contact with Z, or with Z's clothes, or with something carried by Z, or that it will strike water, and dash up the water against Z's clothes or something carried by Z. Here, if the throwing of the stone produce the effect of causing any substance to come into contact with Z, or Z's clothes, A has used force to Z; and if he did so without Z's consent, intending thereby to injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z.
 
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.
 
(g) Z is bathing, A pours into the bath water which he knows to be boiling. Here A intentionally by his own bodily power causes such motion in the boiling water as brings that water into contact with Z, or with other water so situated that such contact must affect Z's sense of feeling: A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done this without Z's consent intending or knowing it to be likely that he may thereby cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force.
(h) A incites a dog to spring upon Z, without Z's consent. Here, if A intends to cause injury, fear or annoyance to Z, he uses criminal force to Z.
১০,৯৭৩.
'অবৈধ আটক বা অবরোধ’ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা করা যায়_______।
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৫০০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ নেই
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৪২ ধারা মতে 'অবৈধ আটক বা অবরোধ’ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা যায়।
১০,৯৭৪.
কোনো জলপথে সুখাধিকার [Easement] অধিকার অর্জনের ক্ষেত্রে কোনটি প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র ২০ বছর ব্যবহার
  2. নিরবিচ্ছিন্নভাবে ২০ বছর ব্যবহার
  3. নিরবিচ্ছিন্নভাবে ও শান্তিপূর্ণভাবে ২০ বছর ব্যবহার
  4. নিরবিচ্ছিন্নভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ও অধিকার হিসাবে ২০ বছর ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• সুখাধিকার হলাে এমন কোন এক ধরণের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যকোন ব্যক্তির জমি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে।
সুখাধিকার দুইভাবে অর্জন হতে পারে যথা:
১) প্রেসক্রিপশন এর মাধ্যমে (by prescription);
২) সুখাধিকার অর্জন এর মাধ্যমে (by easement) যখন সুখাধিকারসমূহ অর্জন হয়।

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী-

যে ক্ষেত্রে কোন দালানে আলাে বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহত ভাবে ২০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভােগ করা হয়েছে এবং  যে ক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নেতিবাচক যাই হােক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে তাতে স্বত্ব দাবী করে অব্যাহতভাবে এবং বিশ (২০) বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভােগ করেছে; সেক্ষেত্রে অনুরূপ আলাে বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার পথ জলস্রোত পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে।

কিভাবে সুখাধিকার অর্জন করা হয়-
১। কোন দালানে আলাে বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসেবে এবং অধিকার হিসেবে নিরবিচ্ছিন্ন ২০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণ ভােগ করার মাধ্যমে সুখাধিকার অর্জন করা যায়।
২। কোন পথ বা জলস্রোত বা কোন পানির ব্যবহার বা ইতিবাচক-নেতিবাচক সুখাধিকার, যদি সুখাধিকার এবং অধিকার হিসেবে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে ২০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণ ভােগ করার মাধ্যমে সুখাধিকার অর্জন করা যায়।

সরকারি কোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত অধিকার একনাগাড়ে ৬০ বছর ধরে ভােগ করতে হবে। সরকারি কোন সম্পত্তি ছাড়া অন্যকোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত জমিতে একনাগারে ২০ বছর পরে ভােগ করতে হবে।
১০,৯৭৫.
What does Section 55 of The Penal Code, 1860 allow the Government to do regarding a life sentence?
  1. Increase the sentence
  2. Commute the sentence to a fixed term
  3. Release the offender immediately
  4. Change the sentence to community service
ব্যাখ্যা
Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

ধারা ৫৫- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাসকরণ:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা যেতে পারে এমন প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই ঐ শাস্তিকে যে কোন বর্ণনার অনূর্ধ্ব  ২০ বৎসর মেয়াদি সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
১০,৯৭৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল পুনজ্জীবিত করার আদেশ প্রত্যেক পক্ষের অনুকুলে সর্বোচ্চ কয়টি মঞ্জুর করা হয়?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৬ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   •আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   •প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
-কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
- কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
- অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
--------------------
⇒ CPC Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or  disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:

Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.


(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
১০,৯৭৭.
বেআইনি সমাবেশ গঠন করতে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে হবে?
  1. ৪জন
  2. ৫জন
  3. ৬জন
  4. ৭জন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা  বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।
১০,৯৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার অধীনে, কোন অবস্থায় অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে শপথ করে পরীক্ষা করতে হবে?
  1. যখন অভিযোগ আদালতের নির্দেশে করা হয়
  2. যখন অভিযোগ মৌখিকভাবে করা হয়
  3. যখন অভিযোগ লিখিতভাবে করা হয়
  4. যখন অভিযোগকারী সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে উপস্থিত হন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার অধীনে, যখন অভিযোগ মৌখিকভাবে করা হয় অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে শপথ করে পরীক্ষা করতে হবে।

- ফৌজদারি মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা।
- ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।

- যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-
ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০(ক)]
খ. যেকোনো মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে [ধারা ২২০ (কক)] বা
গ. সরকারি কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশি দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০ (কক)]।
---------
The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 200 Examination of complainant:
- A Magistrate taking cognizance of an offense on complaint shall at once examine upon oath the complainant and such of the witnesses present, if any, as he may consider necessary, and the substance of the examination shall be reduced to writing and shall be signed by the complainant or witness so examined, and also by the Magistrate:
Provided as follows:-
(a) when the complaint is made in writing, nothing herein contained shall be deemed to require such examination before transferring the case under section 192;
(aa) when the complaint is made in writing nothing herein contained shall be deemed to require such examination in any case in which the complaint has been made by a Court or by a public servant acting or purporting to act in the discharge of his official duties;
(c) when the case has been transferred under section 192 and the Magistrate so transferring it has already examined the complainant and witness if any, the Magistrate to whom it is so transferred shall not be bound to re-examine them.
১০,৯৭৯.
তামাদি আইনের কত ধারার বিধান মতে তামাদির মেয়াদ গণনায় ইংরেজি ক্যালেন্ডার ব্যবহার হবে?
  1. ১৫ ধারা
  2. ২২ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒তামাদি আইনে ধারা ২৫ উল্লেখ করে,
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর সকল সময় গণনা করা হবে গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জীকা বা ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুসারে।
------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 25- Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar. 
 
Illustrations 
(a) A Hindu makes a promissory note bearing a Native date only, and payable four months after date. The period of limitation applicable to a suit on the note runs from the expiration of four months after date computed according to the Gregorian calendar. 
(b) A Hindu makes a bond, bearing a Native date only, for the repayment of money within one year. The period of limitation applicable to a suit on the bond runs from the expiration of one year after date computed according to the Gregorian Calendar.
১০,৯৮০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২ক অনুযায়ী, আপিল শুনানির ক্ষেত্রে কোনো পক্ষের অনুরোধে আদালত সর্বোচ্চ কতবার মুলতবি দিতে পারেন?
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ৪ বার
  4. ৬ বার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২ক (Order XLI, Rule 12A) অনুযায়ী, আপিলের শুনানি চলাকালে, কোনো পক্ষ যদি মুলতবির আবেদন করে, তাহলে সর্বোচ্চ ৩ বার পর্যন্ত আদালত শুনানি স্থগিত/মুলতবি দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর বিধি ১২ক অনুসারে, আপিল শুনানির ক্ষেত্রে আদালত কোনো পক্ষের অনুরোধে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বার মুলতবি (adjournment) দিতে পারবেন।
- তবে ৩ বারের বেশি মুলতবি দেওয়া হলে, আদালত ন্যূনতম ২০০ টাকা এবং সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দেবেন।
- যদি আপিলকারী এই খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- আর যদি প্রতিবাদী খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি হলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষ খারিজের তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পুনরুজ্জীবনের আবেদন করতে পারবে।
- এই আবেদনের সঙ্গে আদালতের নির্ধারিত ন্যূনতম ২০০ টাকা ও সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
- প্রত্যেক পক্ষ এইরকম পুনরুজ্জীবনের সুযোগ একবারই পাবে।
- তবে আদালত যদি নিজে থেকে আপিল শুনানি মুলতবি করতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে, নইলে মুলতবির আদেশ দেবেন না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.
(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.
(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.

১০,৯৮১.
১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হবে কোন আদালতে ?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট
  2. দায়রা জজ
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৮ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল দায়ের করতে হবে।
১০,৯৮২.
দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ কত দিন?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬ অনুযায়ী দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
অর্থাৎ দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা দায়েরের সময়সীমা ৩ বৎসর। যে দিন হতে বাদী দলিলের ভুল বা প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারে সেদিন থেকে তামাদির মেয়াদ (৩ বছর) গণনা শুরু হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান; যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়।
i) লিখিত দলিল ও ii) লিখিত চুক্তি
⇒  ৩ কারনে দলিল সংশোধন করা যায়
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারনা করলে
(২) উভয় পক্ষে ভুল
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হইলে,

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power).  চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
১০,৯৮৩.
কোন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট দায়রা জজের অধীনে কাজ করেন?
  1. সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ধারা ১৫ এর আওতায় গঠিত বেঞ্চ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭ মোতাবেক সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ধারা ১৫ এর আওতায় গঠিত বেঞ্চ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অধীনে এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়রা জজের অধীনে কাজ করবেন।
• অতএব, উপরের সকলেই দায়রা জজের অধীনে কাজ করবেন।
১০,৯৮৪.
কোন চুক্তি আইনসংগত হলেও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত চুক্তিটি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ১৯ ধারা
  2. ২১ ধারা
  3. ২২ ধারা
  4. ২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদির প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা hardship সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরনের কোন কঠোরতায় জড়াবে না,
সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।
--------------------------------
SR Act Section-22. Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
১০,৯৮৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 12 Rule 6 অনুযায়ী 'Judgment on admissions' কখন প্রদান করা যায়?
  1. মামলার যে-কোনো স্তরে
  2. উভয়পক্ষের সাক্ষ্য সমাপ্তির পর
  3. লিখিত বর্ণনা দাখিলের পূর্বে
  4. লিখিত বর্ণনা দাখিলের পর
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 12 Rule 6 অনুযায়ী -
স্বীকারোক্তির উপর রায় (Judgment on Admission): আদালত স্বীকারোক্তির উপর ভিত্তি করে রায় ঘোষণা করতে পারে। আরজি জবাব বা অন্যকোনভাবে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে যেকোন পক্ষ আদালতে আবেদন করতে পারে যেন যতটুকু বিষয় স্বীকার করা হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে রায় ঘোষণা করে। এটাই Judgement on Admission. এ বিধানটি সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক। এক্ষেত্রে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারে।
১০,৯৮৬.
According to Order 40, Rule 5, Under what condition does the Court consider appointing a Collector as the receiver?
  1. Approval from the government
  2. Consent of the Collector
  3. Permission from a higher court
  4. Consent of the property owner
ব্যাখ্যা
Order 40 Rule 5- When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ৫-
যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি, অথবা এমন জমি যার রাজস্ব বরাদ্দ বা মুক্ত করা হয়েছে, এবং আদালত মনে করে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্বার্থ কালেক্টরের ব্যবস্থাপনায় উন্নত হবে, তখন আদালত কালেক্টরের সম্মতিতে তাকে সেই সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারে।
১০,৯৮৭.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারায় কোন অপরাধের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. মারামারি
  2. জালিয়াতি
  3. আক্রমণ
  4. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান- আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা: কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।

অন্যান্য অপশন:
দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা -মারামারি।
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা - অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।
দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা -জালিয়াতি।
১০,৯৮৮.
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ২২ এর অধীন গঠিত নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ২২ এর অধীন গঠিত নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবেন অ্যাটর্নী জেনারেল।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ২২: নির্বাচন পিটিশন একটি নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক শুনানি করা হবে, যার গঠন হবে একজন চেয়ারম্যান এবং দুইজন সদস্য নিয়ে, যাদেরকে বার কাউন্সিল রোলে থাকা আইনজীবীদের মধ্য থেকে মনোনীত করবে।নির্বাচন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নাম নির্বাচন কর্মসূচি সংক্রান্ত বিধি ৩ অনুযায়ী প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে জানানো হবে।যেসব আইনজীবী ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে সম্মত হন এবং নিযুক্ত হন, তারা নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হওয়ার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন।
-------------------------
22. The election petition shall be heard by an election Tribunal consisting of a Chairman and two members nominated by the Bar Council from amongst the advocates on the roll. The names of the Chairman and members of the election Tribunal shall be notified along with the notification relating to the programme of the election published under rule 3. The advocates who agree to be and are appointed member of the Tribunal shall be debarred from being nominated as candidates at the election.

১০,৯৮৯.
'কেবলমাত্র ভুলের জন্য লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৩৭ ধারায়
  2. ৩৬ ধারায়
  3. ৩৯ ধারায়
  4. ৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।

Section-36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
১০,৯৯০.
বার কাউন্সিল অর্ডারের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বার কাউন্সিলের ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে?
  1. ৩১ অনুচ্ছেদ
  2. ৩৩ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৬ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৭ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী বার কাউন্সিলের ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে;
- এবং এর সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন।  
- যথা- বার কাউন্সিলের নির্বাচিত দুইজন সদস্য এবং সারা বাংলাদেশ থেকে যে কোনো একজন আইনজীবী।
------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-33. (1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman:
Provided that the Attorney-General for Bangladesh shall not be a member of any Tribunal.
 
(2) Notwithstanding anything contained in this Order,-
(a) where any enquiry is pending before a Tribunal constituted under the Legal Practitioners and Bar Councils Act, 1965 (Act III of 1965), such enquiry shall be transferred to a Tribunal constituted by the Bar Council under clause (1) and thereupon such Tribunal shall proceed with the enquiry from the stage at which its predecessor had left it.
(b) where any enquiry is pending before a Tribunal constituted under this Order at the time of the expiry of the term of the Bar Council, such enquiry shall be completed and disposed of by that Tribunal:
Provided that the Chairman of the Bar Council may, by an order in writing, direct that any such enquiry shall be completed and disposed of by a Tribunal constituted by the Bar Council under clause (3) and thereupon the enquiry shall stand transferred to such Tribunal which shall proceed with the enquiry from the stage at which its predecessor had left it.
১০,৯৯১.
যদি কেউ বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি বা প্রদান করে, তবে আদালত তাকে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান- মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

ব্যাখ্যা ১: সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
ব্যাখ্যা ২: কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩: কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায়; যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
১০,৯৯২.
মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড (False Imprisonment) ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী, মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
- এই মেয়াদ কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
১০,৯৯৩.
দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারায় কোন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. অবৈধ বাধা
  2. অবৈধ আটক
  3. অপরাধমূলক বল
  4. অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম: যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

Section 339- Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
 
Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১০,৯৯৪.
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দায়রা আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগ উভয়
  4. সকল ফৌজদারি আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা;
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা; এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

১০,৯৯৫.
কোনো ব্যক্তি এবং তার আইন উপদেষ্টার মধ্যকার গোপন যোগাযোগ কখন আদালতে প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে?
  1. আদালতের ইচ্ছাক্রমে
  2. সাক্ষ্য ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে
  3. আইন উপদেষ্টার আবেদনক্রমে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই বাধ্য করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারামতে, কোন ব্যক্তি এবং তার আইন উপদেষ্টার মধ্যে গোপন যোগাযোগ আদালতে প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না। তবে উক্ত ব্যক্তি যদি কোন মোকদ্দমায় সাক্ষ্য দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে, তবে আদালতে তার দেওয়া সাক্ষ্য ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপন যোগাযোগ প্রকাশ করতে তাকে বাধ্য করা যাবে।

সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:
কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সে ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান- প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।

Section 129: Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.
১০,৯৯৬.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এ- কতটি বিধি আছে?
  1. ৪৬ টি
  2. ৪৪ টি
  3. ১০১ টি
  4. ৪৫ টি
ব্যাখ্যা
♦ 'The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972' এ অনুচ্ছেদ (Article) ৪৬টি এবং ১০১টি বিধি (Rules) আছে।
১০,৯৯৭.
What does "mischief" mean under Section 425 of the Penal Code, 1860?
  1. Accidentally breaking something
  2. Playing harmless pranks
  3. Intentionally damaging property to cause loss
  4. Borrowing property without permission
ব্যাখ্যা
⇒ Section 425: Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".

Explanation 1- It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.

Explanation 2- Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:
 কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:-
 ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।

ব্যাখ্যা ২:-
 যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
১০,৯৯৮.
হাইকোর্ট ভিন্ন অন্য যেকোনো ফৌজদারি আপিল আদালতে আপিল করার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ২০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৫৪: ১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে হাইকোর্ট ভিন্ন যে কোন আদালতে আপিল -
তামাদি- ৩০ দিন;
সময় গণনা শুরু- যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।
১০,৯৯৯.
একটি মামলায় মুল্যমান সংশোধনের সর্বাধিক সময়কাল হবে-
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান:  নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-

ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;

খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে:

গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;

তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।

♦ধারা-২ (২) এর বিধান মতে আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে।

♦আরজি নাকচ / প্রত্যাখ্যানের কারণ ৪টি

১) মোকদ্দমার কারণ উল্লেখ না করলে (Cause of action)

২) দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেয়া হলে (undervalued)

৩) অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্প পেপারে লিখা হলে (insufficiency stamped)

৪) মোকদ্দমাটি আইন/তামাদিতে বারিত হলে (Barred by law)

দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেখালে বা অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্পের ক্ষেত্রে আদালত তা সংশোধনের জন্য অনধিক ২১ দিন সময় দিতে পারে।

♦ প্রতিকার
১) বিধি: ১৩ অনুযায়ী পুনরায় একই বিষয়ে নতুন আরজি দাখিল।
২) আপিল করা যাবে

♦ বিবাদীর আবেদনক্রমে বা আদালত নিজ উদ্যোগে আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
♦ বিবাদী কর্তৃক আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন নামঞ্জুর হলে রিভিশন করা যাবে।
১১,০০০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) কোন শ্রেণির আইনের অন্তর্ভুক্ত?
  1. Penal Law
  2. Adjective Law
  3. Procedural Law
  4. Substantive Law
ব্যাখ্যা

→ উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) তত্ত্বগত বা মৌলিক আইনের (Substantive Law) অন্তর্ভুক্ত।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act, 1877) হলো Substantive Law, কারণ এটি অধিকার সংজ্ঞায়িত করে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কী প্রতিকার প্রদান করতে পারে তা নির্ধারণ করে। Substantive Law: যে আইন কোনো অধিকার সৃষ্টি, সংজ্ঞায়িত বা অর্পণ করে এবং কোনো অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করে, তাকে Substantive Law (তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন) বলে।

কেন "Specific Relief Act" Substantive Law?
- এটি অধিকার সুরক্ষার জন্য আদালত কর্তৃক দেওয়া প্রতিকার (Relief) নির্ধারণ করে।
- এটি কোনো মামলা পরিচালনার পদ্ধতি নির্ধারণ করে না (যা Procedural Law করে)।
- এটি কোনো অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করে না (যা Penal Law করে)।
Procedural Law বা Adjective Law মূলত মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে, কিন্তু Specific Relief Act সরাসরি অধিকার সংজ্ঞায়িত করে, যা Substantive Law-এর বৈশিষ্ট্য।
- যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনি প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে।
- যেমন ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
- Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।