বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১০৬ / ১২৬ · ১০,৫০১১০,৬০০ / ১২,৬০৫

১০,৫০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা অনুসারে কেবলমাত্র ভুলের কারনে- 
  1. চুক্তি রদ করা যায়
  2. চুক্তি রদ করা যায় না
  3. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য না 
  4. উপরের কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা,ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।
--------------
Section 36: Rescission for mistake
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

১০,৫০২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণার শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪১৯
  2. ধারা ৪১৮
  3. ধারা ৪১৭
  4. ধারা ৪১৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪১৯ এ বলা হয়েছে: "যে ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, সে ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।"
- এর অর্থ— যখন কেউ নিজেকে অন্য ব্যক্তি হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে (বাস্তব বা কাল্পনিক) কাউকে প্রতারণা করে, তখন এটি “cheating by personation” হিসেবে গণ্য হয়।
- এই অপরাধটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে ধারা ৪১৬-এ, কিন্তু এই অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে ধারা ৪১৯-এ।
 - অতএব, "অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা" করার শাস্তির বিধান রয়েছে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ – ধারা ৪১৯-এ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১০,৫০৩.
দস্যুতার সদস্য সংখ্যা কত জন?
  1. পাঁচজন
  2. তিনজন
  3. নির্দিষ্টতা নেই, তবে পাঁচ জনের কম
  4. নির্দিষ্টতা নেই, তবে পাঁচ জনের বেশি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান: দস্যুতার সংজ্ঞা (Robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তাদস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে। দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When extortion is robbery)- বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী স্বয়ং ভিকটিমের নিকটে বা আশেপাশে উপস্থিত থেকে তাৎক্ষনিক ভয়ের সৃষ্টি করলে বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতা বলে গণ্য হবে।
⇒ চুরি কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When theft is robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা চুরি করার সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা অবৈধ আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন চুরি দস্যুতা বলে গণ্য হবে।

⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারা মতে প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

⇒ যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।

⇒ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে  দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation):-
অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ অর্থাৎ চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
১০,৫০৪.
A causes cattle to enter upon a field belonging to Z, intending to cause and knowing that he is likely to cause damage to Z's crop. A has committed _________.
  1. mischief
  2. tresspass
  3. Criminal force
  4. misappropriation of property
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান- ক্ষতি বা অনিষ্ট:
 কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।

উদাহরণ:
- A, Z-এর ক্ষেতের মধ্যে গবাদি পশু প্রবেশ করায়, উদ্দেশ্য করে এবং জানে যে সে Z-এর ফসলের ক্ষতি ঘটাবে। A এই কাজটি করার মাধ্যমে অনিষ্ট ঘটিয়েছে।
[A causes cattle to enter upon a field belonging to Z, intending to cause and knowing that he is likely to cause damage to Z's crop. A has committed mischief.]
১০,৫০৫.
আরজি- জবাব কর্তনের আদেশ আদালত কখন দিতে পারেন?
  1. শুনানির শুরুতে
  2. সাক্ষ্যগ্রহণের পরে
  3. কেবল রায় ঘোষণার পরে
  4. মামলার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬: আরজি জবাবে কর্তন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।

Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
১০,৫০৬.
মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে বিষয়বস্তু স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করিবেন?
  1. Prohibitory Injunction,
  2. Temporary Injunction,
  3. Mandatory Injunction,
  4. Perpetual Injunction,
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে –
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই (Prima facie case) প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি (Irreparable loss) হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত (The balance of convenience and inconvenience of the Parties) বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ (Public interest) বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
১০,৫০৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা "পক্ষ ও তাদের অধিকারী ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে" তা নির্ধারণ করে?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২২
  4. ধারা ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২৭-এর শিরোনামই হলো "Relief against parties and persons claiming under them by subsequent title" অর্থাৎ "পক্ষ ও তাদের অধিকারী ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে"।
- এই ধারা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে দেয় যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে করা যেতে পারে:
- চুক্তির যেকোনো পক্ষ
- চুক্তির পরবর্তী সময়ে অধিকারী দাবিদার
- নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে কোম্পানি ইত্যাদি।
অতএব, সঠিক উত্তর ঘ) ধারা ২৭।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭- ধারা ২৭: পক্ষ ও তাদের অধিকারী ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে:
এই অধ্যায়ে অন্যথায় নির্ধারিত না থাকলে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন নিম্নলিখিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে করা যেতে পারে:
(ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
(খ) যে কোনো ব্যক্তি যে পক্ষের অধিকারী হয়ে, চুক্তির পরবর্তী সময়ে যে অধিকার দাবি করে, তবে এমন একজন ট্রান্সফারি যিনি সদ্ভাবে এবং মূল চুক্তি সম্পর্কে অবগত না হয়ে মূল্য পরিশোধ করেছেন, তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যাবে না;
(গ) যে কোনো ব্যক্তি যে চুক্তির আগে কোনো অধিকার দাবি করে, যা বাদী জানতেন এবং যার বিরুদ্ধে বিবাদী সেটি বাতিল করতে সক্ষম ছিল;
(ঘ) যখন একটি পাবলিক কোম্পানি একটি চুক্তি সম্পাদন করে এবং পরে অন্য একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে একত্রীভূত হয়ে নতুন কোম্পানি গঠন হয়, তখন সেই নতুন কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রথম চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে;
(ঙ) যখন পাবলিক কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতারা কোম্পানি প্রতিষ্ঠার আগেই একটি চুক্তি সম্পাদন করেন, তখন সেই কোম্পানির বিরুদ্ধে সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে, তবে শর্ত হলো কোম্পানি চুক্তিটি অনুমোদন ও গৃহীত করেছে এবং প্রতিষ্ঠার শর্তাবলীর সাথে তা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 27.Relief against parties and persons claiming under them by subsequent title
 Except as otherwise provided by this Chapter, specific performance of a contract may be enforced against- 
(a) either party thereto; 
(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract; 
(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant; 
(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 
(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation. 

১০,৫০৮.
যারা মামলায় পক্ষ নয় সাধারণত তাদের বিবৃতি স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হয় না। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম?
  1. ১৭, ১৮
  2. ১৮, ১৯
  3. ১৯, ২০
  4. ২০, ২১
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৯ মোতাবেক মামলার বিরুদ্ধে পক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠাযোগ্য লোকের বিবৃতি স্বীকৃতি। এই ধারা অনুসারে আগন্তুক বা Stranger এর সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক বলে ঘোষণা করা হয়।

♦আবার সাক্ষ্য আইন এর ২০ ধারায় বলা হয়েছে মামলার কোন পক্ষ কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করা হলে উক্ত ব্যক্তির বিবৃতি প্রাসঙ্গিক।

♦ অর্থাৎ যারা মামলায় পক্ষ নয় সাধারণত তাদের বিবৃতি স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হয় না। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৯ ধারা ও ২০ ধারা  এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম।
১০,৫০৯.
জারী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে The Limitation Act, 1908 এর নিম্নোক্ত কোন Article অনুসারে তামাদীর মেয়াদ গণনা করতে হয়?
  1. ১৪৮
  2. ১৮৪
  3. ১৮২
  4. ১২৮
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৮২

ডিক্রি বাস্তবায়নের দরখাস্তটিকে প্রথমত তামাদি আইনের ১৮২ অনুচ্ছেদের শর্ত পূরণ করতে হবে, যেখানে প্রাথমিক সময়সীমা অর্থাৎ ডিক্রি জারির প্রথম আবেদন (First petition for execution of decree) ডিক্রি প্রদানের তারিখ হতে ৩ বছর নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

এর পরে দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার শর্ত, যেখানে তামাদির সর্বোচ্চ সময়সীমা ১২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটা পূরণ করতে হবে। ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি জারির নতুন আবেদন (fresh application) দাখিল করার সর্বোচ্চ মেয়াদ ১২ বছর।
১০,৫১০.
তামাদি আইনের কত ধার‍ায় তামাদির মেয়াদ গণনায় প্রতারনার ফলাফল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ১৯
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ২২
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১৮ ধার‍ায় তামাদির মেয়াদ গণনায় প্রতারনার ফলাফল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রতারণার ফলাফল (Effect of Fraud): তামাদি আইনের ১৮ ধার‍া অনুসারে যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী হয়, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাহাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করিবার জন্য যেই দলিল প্রয়োজনীয়, তাহা প্রতারণা করিয়া তাহার নিকট হইতে গোপন রাখা হইয়াছে, সেই সকল ক্ষেত্রে-
(ক) প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তাহার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যেই ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্য প্রকারে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে, তাহার বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন প্রতারণার কথা জানিতে পারে, সেইদিন হইতে অথবা দলিল গোপন করা হইয়া থাকিলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন হইতে অথবা দলিল গোপন করা হইয়া থাকিলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন দলিলটি উপস্থাপন করিতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উহা উপস্থাপন করিবার জন্য বাধ্য করিতে পারে, সেইদিন হইতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।
--------------------
The limitation Act 1908, Section 18, Effect of Fraud: Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded,
or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him,
the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.

১০,৫১১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক এই বিধান রয়েছে?
  1. ৪৫ক ধারার
  2. ৪৬ক ধারার
  3. ৪৭ক ধারার
  4. ৪৮ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
⇒ ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে।
-----------
⇒ Section 47A: Opinion as to digital signature where relevant:
-When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
১০,৫১২.
কোন তফসিলে দণ্ডবিধির অপরাধসমূহের বিচারব্যবস্থা, আমলযোগ্যতা এবং জামিনযোগ্যতার উল্লেখ আছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. পঞ্চম তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে বলা আছে কোন অপরাধ আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য, জামিনযোগ্য বা জামিন-অযোগ্য, এবং দণ্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালতে বিচারযোগ্য – এসব বিষয়ের বিস্তারিত শ্রেণিবিন্যাস।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮:
প্রণয়ন সাল: আইনটি সর্বপ্রথম ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৬১ সালে পাস করা হয়।
বলবৎ হওয়ার তারিখ: কার্যকর হয় ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে।
বর্তমান সংস্করণ: ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই থেকে বর্তমান সংস্করণ কার্যকর রয়েছে।
মোট ভাগ (Part): ৯টি, মোট অধ্যায় (Chapter): ৪৬টি, মোট ধারা (Section): ৫৬৫টি। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মূল বিষয়বস্তু:
- অপরাধ সংঘটনের পর তদন্ত কীভাবে হবে।
- আসামি গ্রেফতার এবং জামিন সংক্রান্ত বিধান।
- বিচার কার্যক্রম পরিচালনা, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়দান, খালাস ও সাজা।
- কিছু কিছু ধারা অপরাধ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথাও বলে, যাতে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তা ঠেকানো যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল (Schedule) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে বর্তমানে বলবৎ রয়েছে ৪টি।
→ প্রথম তফসিল (First Schedule): এটি বর্তমানে বাতিল করা হয়েছে এবং আর কার্যকর নয়।
→ দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule): কোন অপরাধ আমলযোগ্য / আমল-অযোগ্য, জামিনযোগ্য / জামিন-অযোগ্য, কোন আদালতে বিচার হবে, এই তফসিলটি বিচারিক শ্রেণিবিন্যাস নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
→ তৃতীয় তফসিল (Third Schedule): ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary Powers) বর্ণিত।
→ চতুর্থ তফসিল (Fourth Schedule): ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
→ পঞ্চম তফসিল (Fifth Schedule): বিভিন্ন ধরণের ফরম (Forms) সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
১০,৫১৩.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না?
  1. আপিল
  2. দরখাস্ত দাখিল
  3. ডিক্রি জারি
  4. মোকদ্দমা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।

(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা শুধু মোকদ্দমা, কার্যক্রম, দরখাস্ত দাখিল কিংবা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
১০,৫১৪.
খ একটি ভূমির দখলে আছে। খ কে বাদ দিয়ে ক অন্যান্য ব্যক্তিকে বিবাদী শ্রেনীভুক্তকরে স্বত্ব ঘোষনার ডিক্রী ও খাস দখল প্রাপ্তির মামলা করে। খ এর প্রতিকার কি?
  1. খ কর্তৃক আলাদা মামলা করা
  2. আদেশ ১ বিধি ৯ মতে পক্ষভুক্ত হওয়া
  3. আদেশ ১ বিধি ১০ মোতাবেক পক্ষভুক্ত হওয়া
  4. কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১ এর ১০ (২) বিধি অনুযায়ী মামলা দায়েরের পর আদালত অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন করে প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষ সংযুক্ত করার আদেশ দিতে পারে। মূলত এই বিধি আদালতকে মোকদ্দমার যেকোনো সময় পক্ষ সংশোধন করার ক্ষমতা দিয়েছে এবং এই ক্ষমতা আদালতের বিবেচনামূলক।
১০,৫১৫.
তামাদি আইনের কোন ধারায় ‘‘Acquisition of right to easements’’ রয়েছে?
  1. ২৪ ধারায়
  2. ২৬ ধারায়
  3. ২৮ ধারায়
  4. ২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জনের (Acquisition of right to easements)  বিধান রয়েছে। ২৬ ধারা অনুযায়ী কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অথবা যে কোন সুখাধিকার অব্যাহতভাবে ২০ বছর (সরকারী সম্পত্তিতে ৬০ বছর) ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে উক্ত সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অনঙ্গনীয় অধিকারে পরিণত হবে।
♦অর্থাৎ ২৬ ধারামতে কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অব্যাহতভাবে ২০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে সুখাধিকার অর্জন করা যায়। সুখাধিকার দাবি করতে হলে উক্ত অধিকার ২০ বছর ধরে অব্যাহতভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করতে হবে। সরকারী সম্পত্তির উপর সুখাধিকার দাবি করতে হলে ৬০ বছর ধরে ভোগ করতে হবে।
১০,৫১৬.
একতরফা ডিক্রী হলে তা সরাসরি বাতিলের জন্য বিবাদী কত দিনের মধ্যে আবেদন করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
♦  শুনানীর ধার্য তারিখে বাদী উপস্থিত এবং বিবাদী অনুপস্থিত থাকলে বাদীর পক্ষে এক তরফা ডিক্রী প্রদান করেন। একতরফা ডিক্রী রদের আবেদন করে বিবাদী; ডিক্রী প্রদানের তারিখ বা জ্ঞাত হবার ৩০ দিনের মধ্যে এই আবেদন করতে হয়। 

আদেশ ৯ বিধি ১৩ক অনুযায়ীয় একতরফা ডিক্রী  সরাসরি বাতিলের জন্য  বিবাদী  আবেদন করতে পারবেন।
১০,৫১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, আদালতে কোনো পক্ষের পক্ষ থেকে উপস্থিতি, আবেদন বা কার্যক্রম কীভাবে করা যেতে পারে?
  1. ব্যক্তিগতভাবে
  2. আইনজীবীর মাধ্যমে
  3. স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে
  4. উল্লিখিত সকল ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩, বিধি-১.  উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত এজেন্ট বা আইনজীবীর মাধ্যমে হতে পারে:
→ আদালতে কোনো পক্ষের পক্ষ থেকে যে কোনো উপস্থিতি, আবেদন বা কার্যক্রম, যা আইনের দ্বারা অনুমোদিত বা প্রয়োজনীয়, তা করা যেতে পারে—
- সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
- তার স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে, অথবা
- আইনজীবীর মাধ্যমে, যিনি তার পক্ষে উপস্থিত থাকবেন, আবেদন করবেন বা কার্য পরিচালনা করবেন।
তবে আদালত যদি নির্দেশ দেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার-৩, রুল-১ অনুযায়ী, কোনো পক্ষ আদালতে—
- নিজে (ব্যক্তিগতভাবে) উপস্থিত হতে পারেন,
- আইনজীবীর মাধ্যমে মামলা পরিচালনা করতে পারেন, এবং
- স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে আদালতে কার্য সম্পাদন করতে পারেন।
তবে, আদালত চাইলে ব্যক্তিগত উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করতে পারে।
- তাই সঠিক উত্তর "ঘ"।
১০,৫১৮.
বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির উপর তামাদি আইনের প্রভাব কী?
  1. দুই দেশের তামাদির বিধান গ্রহণযোগ্য হবে
  2. পক্ষদ্বয়ের ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো এক দেশের বিধান গ্রহণযোগ্য হবে
  3. বাংলাদেশের আদালতে মামলা হলে, উক্ত তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে
  4. সকল ক্ষেত্রে বিদেশের আদালতের তামাদির বিধান বিধান প্রযোজ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লিখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশি কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।
---------------------
⇒The Limitation Act, 1908: Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.
১০,৫১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুসারে, দৈনিক মামলার তালিকায় চূড়ান্ত শুনানির জন্য সর্বোচ্চ কতটি মামলা নির্ধারণ করা যাবে?
  1. ৫টি
  2. ১০টি
  3. ১৫টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুসারে, দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে নির্ধারিত বিধানে বলা হয়েছে যে, আদালত দৈনিক মামলার তালিকায় চূড়ান্ত শুনানি (Peremptory hearing) এর জন্য সর্বোচ্চ ১০টি মামলা নির্ধারণ করতে পারে, যার মধ্যে ৪টি অংশবিশিষ্ট (Part-heard) মামলা থাকতে পারে। এছাড়া, চূড়ান্ত পর্যায়ে মোট ২০০টি মামলার বেশি থাকবে না, এবং যখন মামলার সংখ্যা ১৪০টির নিচে নামবে, তখন মামলা দাখিলের তারিখের ক্রমানুসারে আরও মামলা চূড়ান্ত পর্যায়ে আনা হবে।
অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ২০ (Order XVIII Rule 20) অনুসারে, দৈনিক মামলার তালিকায় (daily cause list) চূড়ান্ত শুনানির (peremptory hearing) জন্য সর্বোচ্চ ১০ (দশ) টি মামলা নির্ধারণ করা যাবে। এই ১০টি মামলার মধ্যে আংশিক শুনানিকৃত (part-heard) মামলা সর্বোচ্চ ৪টি থাকতে পারে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-20.Fixation of suits in the daily cause list, etc:
Court shall not fix, more than ten suits, including four part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing, and more than two hundred suits in the peremptory stage; and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than one hundred forty, the Court shall then bring in more suits in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
Explanation.In this rule the word "peremptory" shall have the meaning with reference to the word used in Civil Rules and Orders.

১০,৫২০.
একজন জুনিয়র অ্যাডভোকেট যদি সিনিয়রের সাথে মামলা পরিচালনা করেন, তাহলে কাকে মামলা পরিচালনার নেতৃত্ব দিতে হবে?
  1. জুনিয়র অ্যাডভোকেট
  2. সিনিয়র অ্যাডভোকেট
  3. মক্কেল যাকে অনুমতি দেয়
  4. আদালত যাকে অনুমতি দেয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) সিনিয়র অ্যাডভোকেট।

⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের Canons of Professional Conduct and Etiquette, 1969 অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত থাকেন, তাহলে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলার নেতৃত্ব প্রদান করবেন, আর জুনিয়র অ্যাডভোকেট তাকে সহায়তা করবেন।

এটি বার কাউন্সিলের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জুনিয়র অ্যাডভোকেটরা সিনিয়রের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারেন এবং সময়ের সঙ্গে তারা নিজেরাও সিনিয়র হয়ে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হন।

তাই, মক্কেল বা আদালতের অনুমতির বিষয়টি এখানে প্রযোজ্য নয়; সিনিয়র অ্যাডভোকেটই নেতৃত্ব দেবেন।
১০,৫২১.
মামলার বিচারিক আদালত কোনো গুরুত্বপূর্ণ দলিল গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে, যেটি আপিলকারী পক্ষ দিতে চেয়েছিল। এক্ষেত্রে, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ২৭ অনুসারে আপিল আদালত কী করতে পারে?
  1. আপিল খারিজ করে দেবে
  2. আপিল স্থগিত রাখবে
  3. উক্ত দলিল গ্রহণ করতে পারে
  4. নতুন মামলা শুরু করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা
খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করার অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।
১০,৫২২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬ বিধি ১০ এ কীসের কার্যপদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. অভিযুক্ত সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
  2. বাদী সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
  3. মোকদ্দমার ৩য় পক্ষ সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
  4. সাক্ষী সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৬ বিধি-১০: সাক্ষী সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি-

১) যেক্ষেত্রে সাক্ষ্য দিতে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য যার উপর সমন দেয়া হয়েছে ঐ ব্যক্তি উক্তরূপ সমন মোতাবেক স্বয়ং হাজির হতে বা দলিল দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত জারিকারক অফিসারের প্রত্যয়নপত্রের সত্যতা শপথনামার মাধ্যমে নির্ণীত না হয়ে থাকে এবং যদি তা অনুরূপ সত্যায়িত না হয় তবে সমন জারি হওয়া বা না হওয়া সম্পর্কে জারিকারক অফিসারকে শপথের মাধ্যমে পরীক্ষা করবে কিংবা করতে পারে কিংবা অন্য আদালত কর্তৃক পরীক্ষা করাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত সঙ্গত কারণে মনে করে যে, অনুরূপ সাক্ষ্য বা দাখিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐ ব্যক্তি আইনসঙ্গত কোন অব্যাহতি ব্যতীত সমন মোতাবেক হাজির হতে বা দলিল হাজির করতে ব্যর্থ হয়েছে বা ইচ্ছাকৃতভাবে জারি এড়িয়ে গেছে তদ্‌ক্ষেত্রে আদালত ইশতেহারে বর্ণিত সময়ে এবং নির্দিষ্ট স্থানে তাকে সাক্ষ্য প্রদান করতে হাজির হতে বা দলিল হাজির করতে আদেশ প্রদান করার ইশতেহার প্রচার করতে পারবেন; এবং উক্ত ইশতেহারের একটি নকল উক্ত ব্যক্তি যে স্থানে বসবাস করে এরূপ বাড়ীর বহির্দ্বারে বা অন্য কোন দৃষ্টি আকর্ষক স্থানে টাঙ্গিয়ে দিতে হবে।

৩) উক্ত ইশতেহার প্রচারের পরিবর্তে বা সময়ে বা তার পরে যে কোন সময় আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় উক্ত ব্যক্তির জামিন ব্যতীত গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা পাঠাতে পারবে এবং ক্রোকের খরচা ১২ বিধি অনুসারে আরোপিত হতে এরূপ কোন জরিমানার অনূর্ধ্ব, আদালতের বিবেচনামত এইরূপ অংক পরিমিত তার সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের কোন আদেশ দিতে পারবে না।
১০,৫২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ অনুযায়ী কে মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. উভয় পক্ষ
  4. আদালত নিজে থেকেই
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২২ অনুযায়ী, যদি একটি মামলা দুই বা ততোধিক আদালতের যেকোনো একটিতে দায়ের করা যায় এবং তা একটি নির্দিষ্ট আদালতে দায়ের করা হয়, তবে শুধুমাত্র বিবাদী অন্য পক্ষকে নোটিশ দিয়ে মামলাটি অন্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারে। এই আবেদন প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে করতে হবে। আদালত অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) বিবেচনা করে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়।

- ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।
- যখন আবেদন করতে পারে: যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made, after considering the objections the other parties (if any), shall determine which of the several 31 Courts having jurisdiction the suit shall proceed.

১০,৫২৪.
'ক' একটি মোবাইল ফোন খুব সস্তা দামে কিনল, যদিও সে জানত যে ফোনটি চুরিকৃত। দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুসারে 'ক' এর এই কাজটি কোন অপরাধের আওতায় পড়ে?
  1. ধারা ৩৭৮
  2. ধারা ৪১১
  3. ধারা ৪১৪
  4. ধারা ৪০৩
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪১১ অনুসারে, যে ব্যক্তি চোরাই সম্পত্তি (stolen property) বলে জেনেশুনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অসাধুভাবে (dishonestly) তা গ্রহণ করে বা রেখে দেয়, সে অপরাধমূলকভাবে দোষী। এখানে ‘ক’ চুরিকৃত ফোন জেনেশুনে সস্তায় কিনেছে, যা চোরাই সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের অপরাধ। শাস্তি: ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়।

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪১১ ধারার বিধান অসাধুভাবে চোরাইমাল গ্রহণ করা: কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানা সত্ত্বেও, বা উহা চোরাই সম্পত্তি বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অসাধুভাবে অনুরূপ চোরাই সম্পত্তি গ্রহণ করে বা রেখে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 411.Dishonestly receiving stolen property:
Whoever dishonestly receives or retains any stolen property, knowing or having reason to believe the same to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১০,৫২৫.
আদেশ ২০ বিধি ৬ অনুযায়ী ডিক্রির সাথে কোনটির সাদৃশ্য থাকতে হবে?
  1. রায়ের
  2. সাক্ষীর বয়ানের
  3. আরজি এবং লিখিত জবাবের
  4. আদালতের আদেশের
ব্যাখ্যা

আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।

১০,৫২৬.
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির ক্ষেত্রে আদালত অভিযোগকারী পক্ষকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে কত টাকা পর্যন্ত খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ২০,০০০ টাকা
  3. ৩০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

Code of Civil Procedure (CPC) এর ধারা ৩৫ক: মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষার জন্য ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
(১) যদি কোনো মোকদ্দমা বা অন্য কোনো কার্যধারা (যেমনঃ পরিপালন কার্যধারা), যা আপিল নয়, তাতে কোনো পক্ষ কোনো দাবি বা প্রতিরক্ষার (বা তার কোনো অংশের) বিরুদ্ধ অভিযোগ করেন যে, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষা মিথ্যা বা হয়রানিমূলক, এবং পরবর্তীতে যদি সেই দাবি বা প্রতিরক্ষা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাতিল হয়, তাহলে আদালত, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষাকে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক বলিয়া ঘোষণার কারণসমূহ লিখিতভাবে উল্লেখ করিয়া, অভিযোগকারী পক্ষকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে খরচ প্রদানের আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অতিক্রম না করিয়া, সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হইতে পারিবে।

(২) এই ধারায় যাহার বিরুদ্ধে খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়া হইবে, সে ব্যক্তি কেবল উক্ত আদেশের কারণে তার দায়িত্বরত কোনো ফৌজদারি দায় হইতে অব্যাহতি পাইবেন না, যদি তিনি মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা প্রদান করেন।

(৩) এই ধারায় প্রদত্ত খরচের পরিমাণ পরবর্তীকালে ক্ষতিপূরণ বা ক্ষতির দাবিতে দায়েরকৃত যেকোনো মোকদ্দমায় বিবেচনায় নেওয়া হইবে, যদি সেই মোকদ্দমা একই মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত হয়।

⇒ আগে মামলা-মোকদ্দমা অপ্রয়োজনে দায়ের করে হয়রানি করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারত। বর্তমানে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে আদালত ৫০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারবেন।

১০,৫২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-২১ অনুযায়ী, যদি বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করে, তবে কী করা হবে?
  1. সমন জারি করা যাবে না।
  2. সমন সেই এলাকার আদালতে পাঠাতে হবে।
  3. সমন একটি সংবাদপত্রে প্রকাশ করতে হবে।
  4. সমন সরাসরি ডাকযোগে বিবাদীর কাছে পাঠাতে হবে।
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষেত্রে সমন জারির পদ্ধতি:
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২১: বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করলে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন কোনো সমন জারিকারী আদালত সমন পাঠাবে এবং সেই আদালত সমন জারি করবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৪: বিবাদী কারাগারে বন্দী থাকলে, তার কাছে সমন জারির জন্য কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে সমন পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৫: বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করলে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোনো এজেন্ট না থাকলে, সমন বিবাদীর বিদেশস্থ ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৬: বিদেশে থাকা বিবাদীর ক্ষেত্রে, প্রয়োজনে সমন রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জারি করা যেতে পারে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৭: সরকারী কর্মকর্তা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার জন্য, সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৮: বিবাদী যদি সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারের কাছে সমন পাঠাতে হবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5, Rule-21.Service of summons where the defendant resides within the jurisdiction of another Court:
A summons may be sent by the Court by which it is issued either by one of its officers or by post or through courier service as mentioned in sub-rule (4) of rule to any Court (not being the High Court Division) having jurisdiction in the place where the defendant resides.
১০,৫২৮.
How many types of punishments are prescribed in the Penal Code, 1860?
  1. 4
  2. 5
  3. 9
  4. 7
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে।
- দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
(v) অর্থদণ্ড (fine)
-ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
-------------------
⇒ Section-53: The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,-
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted]
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple;
Fifthly,- Forfeiture of property;
Sixthly,- Fine.
Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
১০,৫২৯.
Criminal Procedure Code-এর প্রথম সংস্করণ কোন সালে প্রণীত হয়?
  1. ১৮৬০ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৮২ সালে
  4. ১৮৯৮ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোড (Code of Criminal Procedure) এর ইতিহাস ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনকালে ফৌজদারি বিচার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- এই কোডের প্রথম সংস্করণ ১৮৬১ সালে প্রণীত হয়েছিল, যা ভারতীয় দণ্ডবিধি (Indian Penal Code), ১৮৬০ পাস হওয়ার পরবর্তী বছরে কার্যকর হয়।
- এই কোডটি ফৌজদারি মামলার তদন্ত, বিচার এবং আইনি প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করেছিল।
অর্থাৎ ১৮৬১ সালের কোডটি ব্রিটিশ ভারতে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থাকে সুসংগঠিত করার জন্য প্রণীত হয়েছিল।
- এটি পরবর্তীতে ১৮৮২, ১৮৯৮ এবং আরও অনেকবার সংশোধিত হয়েছে, যাতে সময়ের সাথে আইনের প্রয়োগ আরও কার্যকর হয়।
- ১৮৬১ সালের এই কোডটি ভারতীয় ফৌজদারি আইনের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।

১০,৫৩০.
কোন পরিস্থিতিতে দায়রা জজ ৪৩৬ ধারায় অনুসন্ধানের আদেশ দিতে পারে?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস পেলে
  2. ২০২ ধারায় খারিজ হওয়া অভিযোগের ক্ষেত্রে
  3. ২০৪(৩) ধারায় খারিজ হওয়া অভিযোগের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৩৬- অনুসন্ধানের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা:
হাইকোর্ট তার অধীনস্থ কোন আদালতকে বা দায়রা জজ তার অধীনস্থ কোন-
১. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নিজেদের দ্বারা বা
২. তাদের অধীনস্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অধিকতর অনুসন্ধান করার আদেশ দিতে পারে এবং
৩. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অনুসন্ধান করতে পারে বা তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে অনুসন্ধান করার নির্দেশ দিতে পারে।

উল্লিখিত বিষয়ে অনুসন্ধানের আদেশ দিতে পারেন-
i. ২০৩ ধারায় খারিজ হয়েছে এমন যেকোন নালিশ বিষয়ে, বা
ii. ২০৪ (৩) ধারায় খারিজ করা হয়েছে এমন কোন নালিশ বিষয়ে;
iii. যে মামলায় কোনো অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সেই মামলায়; অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারবে।

শর্ত থাকে যে,
কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন তদন্তের নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কেন উক্তরূপ নির্দেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হয়।
১০,৫৩১.
বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ১৪১ ধারায়
  2. ১৪২ ধারায়
  3. ১৪৩ ধারায়
  4. ১৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ১৪২ ধারা মতে কেউ বেআইনি সমাবেশে যোগদান বা অবস্থান করলে উক্ত সমাবেশের সদস্য বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ ব্যক্তিগত কোন অপরাধ না করেও শুধুমাত্র অংশগ্রহণের মাধ্যমে কেউ বেআইনি সমাবেশের সদস্য হতে পারে।
১০,৫৩২.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী বাংলাদেশে সমকামিতার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
  4. অনধিক ১০ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা অনুযায়ী সমকামিতাকে প্রকৃতিবিরুদ্ধ অপরাধ হিসেবে বলা হয়েছে।

দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারার বিধান অস্বাভাবিক অপরাধসমূহ:
কোন ব্যক্তি যদি প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে কোন পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দেশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় বর্ণিত অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌন সঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট হবে।

Section 377⇒ Unnatural offences:

Whoever voluntarily has carnal intercourse against the order of nature with any man, woman or animal, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation- Penetration is sufficient to constitute the carnal intercourse necessary to the offence described in this section.
১০,৫৩৩.
আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে চাইলে প্রথমে কী করতে হবে?
  1. সাক্ষীকে ডেকে পাঠাতে হবে
  2. কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
  3. মামলাটি স্থগিত করতে হবে
  4. আসামিকে নোটিশ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২৮- আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:

(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।

Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:

(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate. 
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal. 
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken. 
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.
১০,৫৩৪.
Who can exercise the power of inspection under Order 18 Rule 18 of the Code of Civil Procedure, 1908?
  1. The Court
  2. Police officer
  3. Advocate of the parties
  4. All of them
ব্যাখ্যা
Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.

আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।
১০,৫৩৫.
নির্দিষ্ট বর্ণনার কিছু সংখ্যক রেলওয়ের শেয়ার 'ক' বিক্রয় করতে এবং 'খ' ক্রয় করতে চুক্তি করেছে। 'ক' বিক্রয় করতে অস্বীকার করে। এই ক্ষেত্রে 'খ' এর প্রতিকার হতে পারে?
  1. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  3. 'খ' এর কোন প্রতিকার নেই
  4. চুক্তি রদ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-
ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে।
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে।
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে।
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভবনা না থাকলে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।

⇒  খ.গ, এবং ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা যায় চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ণয়ের কোন মানদণ্ড না থাকলে বা পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ না থাকলে বা আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া না গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে। বিপরীতভাবে বলা যায়, আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হলে বা নির্ণয় করা গেলে বা পাওয়া গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার দিবেনা বরং ক্ষতিপূরণ প্রতিকার দিবে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১২ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, যদিনা এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ভিন্ন কিছু প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না, এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার এভাবে করা যায়।

⇒ 'ক' বিশেষ ধরনের নির্দিষ্ট সংখ্যক রেলওয়ে শেয়ার বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয় এবং 'খ' তা ক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'ক' বিক্রয় সম্পন্ন করতে অস্বীকার করে শেয়ার বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয় এবং 'খ' তা ক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'ক' বিক্রয় সম্পন্ন করতে অস্বীকার করে, 'খ', 'ক'-কে এই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের বাধ্য করতে পারে, কারণ শেয়ার সংখ্যার দিক হতে সীমাবদ্ধ এবং তা সব সময় বাজারে পাওয়া যাবে না এবং সেগুলির দখল একজন শেয়ার হোল্ডারের মর্যাদা বহন করে, যা অন্য কোনভাবে করা যায় না।
১০,৫৩৬.
The Limitation Act, 1908 এর ধারায় 'Legal Disability' বিষয়ে ‍উল্লেখ আছে?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
♦ আইনগত অক্ষমতা/বৈধ অপারগতা (Legal Disability)- নাবালকত্ব, পাগল বা উম্মাদ অবস্থা অথবা নিবুদ্ধিতার কারণে মামলা দায়ের করতে অসমর্থ হওয়াকে আইনগত অক্ষমতা বা বৈধ অপারগতা (legal disability) বলে। কোন মামলা বা প্রসিডিংস দায়ের করার অধিকারী ব্যক্তি অথবা ডিক্রিজারির দরখাস্ত পেশ করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যদি উক্ত মামলা, প্রসিডিংস বা দরখাস্ত পেশ করার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ যেদিন হতে গণনা শুরু হবে সেদিন নাবালক, পাগল বা উম্মাদ থাকেন তাহলে তিনি তার নাবালকত্ব, পাগলামি বা উম্মত্ততা শেষ হওয়ার পর ঐ একই মেয়াদের মধ্যে উক্ত মামলা, প্রসিডিংস বা দরখাস্ত দায়ের বা পেশ করতে পারবেন।

♦ মামলা করার কারণ সৃষ্টির সময় (cause of action) মামলা করার অধিকারী ব্যক্তি আইনগতভাবে মামলা করতে অপারগ হলে উক্ত ব্যক্তির তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬-৯ ধারা কার্যকর হবে। কোন ব্যক্তি যতদিন নাবালক, উম্মাদ বা জড়বুদ্ধ/নির্বোধ থাকে ততদিন তার তামাদির মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। অর্থাৎ নাবালকত্ব, উম্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ শুরু হবে। অন্যভাবে বলা যায়, আইনগত সক্ষমতা অর্জন না করা পর্যন্ত তামাদি সময়সীমা গণনা করা হয় না অর্থাৎ কোন ব্যক্তি আইনগতভবে সক্ষম হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী মামলা করতে পারবে।

♦ তামাদি আইনের ৬ ধারামতে আইনগত অপারগতা বা Legal Disability বলতে ৩টি বিষয়কে বুঝায়। যথা- ১) নাবালকত্ব (minor); ২) উন্মাদ (insane); এবং ৩) জড়বুদ্ধ/নির্বোধ (idiot)।
আইনগত অক্ষমতার বিধানসমূহ কেবলমাত্র বাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়, বিবাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রে নয় । 
কেবলমাত্র মূল মামলা ও ডিক্রি জারির দরখাস্তের ক্ষেত্রেই আইনগত অক্ষমতা প্রযোজ্য হয়- অন্য কোন ক্ষেত্রে নয় । 

অর্থাৎ তামাদি আইনের ৬ ধারায় আইনগত অক্ষমতা/বৈধ অপারগতা (Legal Disability) বিধান আছে।
১০,৫৩৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাবলে একজন স্বাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা যেতে পারে?
  1. ১৫৪ ধারা
  2. ১৫৫ ধারা
  3. ১৫৬ ধারা
  4. ১৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

♦The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা অনুযায়ী বৈরী বা প্রতিকূল সাক্ষী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষী আহবানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে এ রকম সাক্ষীকে সে সকল প্রশ্ন করতে পারবে যে সকল প্রশ্ন বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় করতে পারে।

♦ যেমনঃ মামলার অভিযোগকারী পক্ষ A -কে সাক্ষী হিসাবে তলব করলো। সাধারণত A অভিযোগকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিবে। কিন্তু A ইচ্ছাকৃতভাবে অভিযোগকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করলো। এই ক্ষেত্রে A -কে বৈরী সাক্ষ্য হিসাবে ঘোষণা করা যেতে পারে।

♦ অর্থাৎ The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা বৈরী সাক্ষী সম্পর্কিত বিধান আছে।
১০,৫৩৮.
দণ্ডবিধির ৪০১ ধারায় কোন অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. চুরির প্রস্তুতি গ্রহণ
  2. চুরির সময় অস্ত্র বহন করা
  3. চোর বা দস্যুদের দলে থাকা
  4. ডাকাত দলভুক্ত হওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০-এর ৪০১ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি চুরি বা দস্যুতা করার উদ্দেশ্যে গঠিত ভ্রাম্যমান বা অন্য কোনো গ্যাং-এর সদস্য, এবং সেই গ্যাংটি যদি ডাকাত বা ঠগদের দল না হয়, তবুও সে ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।
- শাস্তির বিধান: সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয়।
⇒ অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪০১ ধারা চুরি বা দস্যুতার উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘবদ্ধ দল বা গ্যাং-এর সদস্য হওয়াকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে এবং এজন্য ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড নির্ধারণ করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০১ ধারার বিধান: চোরদের দলে থাকার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরবর্তী কোন সময়ে এমন কোন ভ্রাম্যমান বা অপর কোনরূপ দলে থাকে, যে দলের ব্যক্তিরা বরাবর চুরি বা দস্যুতা অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে পরস্পর সংঘবদ্ধ এবং যদি উহা ঠগদের বা ডাকাতদের দল না হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 401. Punishment for belonging to gang of thieves:
- Whoever, at any time after the passing of this Act, shall belong to any wandering or other gang of person, associated for the purpose of habitually committing theft or robbery, and not being a gang of thugs or dacoits, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১০,৫৩৯.
নারীর সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করানোর সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ৫ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:- কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------
⇒ Causing miscarriage without women's consent:
Section 313. Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১০,৫৪০.
একজন শৈল্য চিকিৎসক সরল বিশ্বাসে একজন রােগীকে বলেন "আপনি আর বাঁচবেন না, এতে উক্ত রোগী মানসিক আঘাত পেয়ে মারা যায়। এক্ষেত্রে শৈল্য চিকিৎসকের কৃত যোগাযোগটি দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না?
  1. দণ্ডবিধির ৬৩ ধারার
  2. দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার
  3. দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
  4. দণ্ডবিধির ৯৬ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

- উদাহরণ:
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। ক এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রেগিটির মৃত্যু ঘটতে পারে।
------------------------------------
⇒ Section 93. Communication made in good faith:
No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 
 
- Illustration:
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
১০,৫৪১.
একই ব্যক্তিকে দণ্ডবিধির ৩৭৯ ও ৪১১ ধারার অধীনে সাজা দেওয়া যাবে কি না?
  1. দেওয়া যাবে
  2. দেওয়া যাবে না
  3. আদালতের উচ্ছা
  4. আদালত চাইলে পারবে
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় চুরির শাস্তি এবং ৪১১ ধারায় চোরাই মাল রাখার শাস্তি বর্ণিত আছে।
- স্বাভাবিকভাবে চোরাই মাল চোরের কাছেই থাকার কথা।
- তাই চোরের কাছে চোরাই মাল পাওয়া গেলে তা নতুন কোন অপরাধ তৈরি করেনা।
- সুতরাং একই ব্যক্তিকে একই সাথে ৩৭৯ ও ৪১১ ধারার অধীনে আলাদা চার্জ গঠন ও আলাদা শাস্তি দেয়া যাবে না।
১০,৫৪২.
দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারা অনুযায়ী, বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তিরা অপরাধী হতে পারে যদি:
  1. তারা সরাসরি অপরাধ না করে
  2. তারা শান্তিপূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করে
  3. তারা অপরাধের পরিকল্পনা না করে
  4. সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অপরাধ সংঘটিত হয়
ব্যাখ্যা
উত্তর: সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অপরাধ সংঘটিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণের জন্য কোনো অপরাধ সংঘটিত করতে থাকে বা জানত যে, অপরাধ সংঘটিত হতে পারে, তবে সে ব্যক্তি সেই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবে, যদিও সে সরাসরি অপরাধটি করেনি।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারা- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে:
যদি কোন বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনি সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনি সমাবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 149- Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object:
If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.
১০,৫৪৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় সরল বিশ্বাসে বিচারকের আইন দ্বারা বিচারিক কাজের জন্য সম্পূর্ণ দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫৬ 
  2. ধারা ৭৬
  3. ধারা ৭৭
  4. ধারা ৭৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ৭৭ ধারা অনুযায়ী, বিচারক যখন তার বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের সময় আইন অনুযায়ী বা নিজের সরল বিশ্বাসে আইন দ্বারা প্রদত্ত ক্ষমতা মনে করে কোনো কাজ করে, সেই কাজ অপরাধ গণ্য হবে না। অর্থাৎ, বিচারকের বিচারিক কাজের জন্য সম্পূর্ণ দায়মুক্তি এই ধারার মাধ্যমে নিশ্চিত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৭ ধারার বিধান বিচার সংক্রান্ত কাজ সম্পাদনকালে বিচারক দ্বারা কৃতকার্য:-বিচার কাজ পরিচালনাকালে অর্থাৎ বিচারক হিসেবে কাজ পরিচালনাকালে বিচারক দ্বারা তাকে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা বা যে ক্ষমতা তাঁকে আইনে প্রদত্ত হয়েছে তিনি সরল মনে বিশ্বাস করেন সে ক্ষমতানুসারে কৃত কোন কাজ অপরাধ হবে না।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-Section 77. Act of Judge when acting judicially:- Nothing is an offence which is done by a Judge when acting judicially in the exercise of any power which is, or which in good faith he believes to be, given to him by law.

১০,৫৪৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫ অনুসারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কতটি উপায়ে প্রদান করা যায়?
  1. ৩টি উপায়ে
  2. ৪টি উপায়ে
  3. ৫টি উপায়ে
  4. ৬টি উপায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫ অনুসারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নিম্নলিখিত ৫টি উপায়ে প্রদান করা যায়:
১. ধারা ৫(ক): নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে দাবিদারকে হস্তান্তরের মাধ্যমে। 
২. ধারা ৫(খ): কোন পক্ষকে তার বাধ্যতামূলক কাজ সম্পাদনের আদেশ দেওয়ার মাধ্যমে। 
৩. ধারা ৫(গ): কোন পক্ষকে তার নিষিদ্ধ কাজ করা থেকে বিরত রাখার মাধ্যমে। 
৪. ধারা ৫(ঘ): ক্ষতিপূরণের ডিক্রি ছাড়াই পক্ষগুলোর অধিকার নির্ধারণ ও ঘোষণার মাধ্যমে। 
৫. ধারা ৫(ঙ): একজন রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে। 
এই ৫টি উপায়ই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মূল ভিত্তি গঠন করে এবং দেওয়ানি মামলায় বিশেষ প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত এই পদ্ধতিগুলো প্রয়োগ করেন।

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুসারে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) প্রদানের উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত অধিকার রক্ষা করা এবং ক্ষতিপূরণের পরিবর্তে নির্দিষ্ট প্রতিকার নিশ্চিত করা। এটি নিম্নলিখিত উপায়ে প্রদান করা হতে পারে—
১) সম্পত্তির দখল গ্রহণ ও দাবিদারের কাছে হস্তান্তর করা
২) বাধ্যতামূলক নির্দেশের মাধ্যমে কোনো পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা
৩) কাউকে নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখা (Preventive Relief)
৪) পক্ষগুলোর অধিকার নির্ধারণ করা (Declaration of Rights)
৫) আদালতের মাধ্যমে রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করা
- এটি শাস্তি প্রদান বা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয় না বরং প্রতিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি তার প্রকৃত অধিকার ফিরে পান বা নিশ্চিত করেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.

১০,৫৪৫.
১৪৪ ধারা জারি করার ক্ষমতা প্রাপ্ত নন…
  1. মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আগু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  
♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
♦১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌
♦১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
♦অর্থাৎ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১৪৪ ধারা জারি করার ক্ষমতা প্রাপ্ত নন।
১০,৫৪৬.
ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক রেকর্ড কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত হয়েছে?
  1. ২ ধারা
  2. ৩ ধারা
  3. ৬ ধারা
  4. ১২ ধারা
ব্যাখ্যা
- সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক রেকর্ডের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং এগুলো দালিলিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী, ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক রেকর্ড, যেমন ড্রোন ডেটা, সিসিটিভি রেকর্ডিং, কম্পিউটার মেমরি, বা মাইক্রোফিল্মে ধারণকৃত রেকর্ড বা ডাটা, দালিলিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। এগুলো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংরক্ষিত হয় এবং সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী দলিলের অন্তর্ভুক্ত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা তে যুক্ত: The Evidence Act (Amendment), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
- ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
- অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
- ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
১০,৫৪৭.
একজন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দী (Deposition of medical witness) সম্পর্কিত ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা কত?
  1. ৫০৭ ধারা
  2. ৫০৮ ধারা
  3. ৫০৯ ধারা
  4. ৫০৬ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি 

(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।

(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।

Section 509- Deposition of medical witness
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.

Power to summon medical witness
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.
১০,৫৪৮.
অজামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে একজন আসামী জামিন দাবী করতে পারে যদি তার বয়স হয়-
  1. ১৮ বৎসরের কম
  2. ১৬ বৎসরের কম
  3. ১৫ বৎসরের কম
  4. ১৪ বৎসরের কম
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারায় জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান রয়েছে। জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান সমূহ নিম্নরূপ-

♦ জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামী ১৬ বৎসরের নিম্ন বয়স্ক বা স্ত্রীলোক বা পীড়িত বা অক্ষম হলে অথবা আদালত উপযুক্ত মনে করলে জামিন দিতে পারেন (May be released on bail)। এক্ষেত্রে জামিন দেওয়া আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)।

♦অভিযুক্ত আসামি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে দোষী হতে পারে বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারন থাকলে, আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করবেনা।

♦ অর্থাৎ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে জামিনে মুক্তি পেতে পারে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি
i) ১৬ বছরের কম (any person under the age of sixteen years),
ii) স্ত্রীলোক (any woman) অথবা,
iii) অসুস্থ বা অক্ষম (any sick or infirm person ) হয়।
১০,৫৪৯.
সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারার বিধানকে কি বলে ধরা হয়?
  1. May Presume
  2. Shall Presume
  3. Conclusive proof
  4. কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ সংক্রান্ত কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা-

ⅰ) ৪১ ধারায় প্রবেট (উইল সংক্রান্ত), ম্যাট্রিমোনিয়াল (বিবাহ সংক্রান্ত), এডমিরালটি (নৌ-সংক্রান্ত), bankruptcy (দেউলিয়া) বিষয়ে চূড়ান্তভাবে কোন আইনগত চরিত্র কারো ওপর আরোপ করা হয় বা কারো নিকট থেকে নিয়ে ফেলা হয় বা কাউকে কোন আইনগত চরিত্রের বা সম্পত্তির অধিকারী বলে ঘোষণা করা হয়।

ii) এই ধারায় Judgement in rem নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে কেননা এই ধারার অন্তর্গত প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ বিষয়ে যে আইনগত চরিত্র নির্ধারন করা হয় যা কোন বিশেষ ব্যক্তির বিরুদ্ধে কার্যকর নয় বরং বিশ্বের সকলের বিরুদ্ধে কার্যকর।

iii) এই ধারার অন্তর্ভুক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত সমূহকে চূড়ান্ত প্রমাণ (conclusive proof) বলে ধরা হয়।

iv) ৪১ ধারা অনুযায়ী Probate, Matrimonial, Admiralty, Insolvency সম্পর্কে যে ডিক্রি বা আদেশ দেওয়া হয় তা পরবর্তী মামলায় পক্ষ এক না থাকলেও অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারা- প্রবেট, এখতিয়ার ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা: প্রবেট, এডমিরালটি, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব বিষয়ক এখতিয়ার প্রয়োগকালে কোন উপযুক্ত আদালত উহার চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি বলে যখন কোন আইনগত চরিত্র কাহারও উপর আরোপ করে বা কাহাকেও উহা হইতে বঞ্চিত করে, অথবা কোন ব্যাক্তিকে অনুরূপচরিত্রের অধিকারী অথবা নিদিষ্ট কোন কিছুর অধিকারী বলিয়া ঘোষণা করে এবং সেই অধিকার কোন ব্যাক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে নহে, বরং সবাত্মাক বলিয়া ঘোষণা করে তখন অনুরূপকোন আইনগত চরিত্র বা অনুরূপকোন কিছুর উপর কোন ব্যাক্তির অধিকারের অস্তিত্ব যদি প্রাসঙ্গিক হয়, তবে উহা চূড়ান্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি প্রাসঙ্গিক।

উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি চূড়ান্তরুপে প্রমাণ করে যে, উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা যে আইনগত চরিত্র আরোপিত হয়, উহা বলবৎ হইবার সময় তাহা উদ্ভুত হইয়াছিল।

উক্ত রায় আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যাক্তিকে আইন ভিত্তিক সত্তা হইতে বঞ্চিত করা হয়, তাহা হইতে উক্ত ব্যক্তিকে উহা দ্বারা বঞ্চিত করিবার সময় উক্ত ব্যক্তি উক্ত সত্তা হারাইয়াছিল।

এবং উক্ত রায়, আদেশ বা ডিক্রি দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তির অধিকারী ছিল বা থাকা উচিত বলিয়া ঘোষণা করা হয়, সেই সম্পত্তির উক্ত সময় তাহারই সম্পত্তি ছিল।
---------------- 
⇒ Section 41. Relevancy of certain judgments in probate, etc., jurisdiction
 A final judgment, order or decree of a competent Court, in the exercise of probate, matrimonial, admiralty or insolvency jurisdiction, which confers upon or takes away from any person any legal character, or which declares any person to be entitled to any such character, or to be entitled to any specific thing, not as against any specified person but absolutely, is relevant when the existence of any such legal character, or the title of any such person to any such thing, is relevant. 
 
Such judgment, order or decree is conclusive proof- 
that any legal character which it confers accrued at the time when such judgment, order or decree come into operation; 
 
that any legal character, to which it declares any such person to be entitled, accrued to that person at the time when such judgment, order or decree declares it to have accrued to that person; 
 
that any legal character which it takes away from any such person ceased at the time from which such judgment, order or decree declared that it had ceased or should cease; 
 
and that anything to which it declares any person to be so entitled was the property of that person at the time from which such judgment, order or decree declares that it had been or should be his property.
১০,৫৫০.
According to Section 247, if the complainant does not appear on the appointed day for the hearing, the Magistrate shall-
  1. Dismiss the case
  2. Fine the complainant
  3. Acquit the accused
  4. Postpone the case indefinitely
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-247: Non-appearance of complainant:
- If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day:

Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী-
- নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবী করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।

শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলায় অগ্রসর হতে পারেন।
১০,৫৫১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি ৩ এর অধীনে জারিকৃত নোটিশ জারির কত দিনের মধ্যে আদালতে ফেরত দিতে হবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৩ক (Rule 3A):
বিধি ৩ এর অধীনে জারি করা নোটিশ, তা প্রদান করা হোক বা না হোক, জারির ৭ দিনের মধ্যে আদালতে ফেরত দিতে হবে।
যদি নোটিশ প্রদান না করে ফেরত আসে (অর্থাৎ, বিপক্ষ পক্ষের কাছে পৌঁছানো না যায়), তবে আদালত নোটিশটি পুনরায় প্রেরণের ব্যবস্থা করবে, এবং এই পুনঃপ্রেরণের জন্য ৭ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত আছে।
পুনরায় প্রেরণের ক্ষেত্রে, আদেশ-৫, বিধি-২০ এর বিধান অনুসরণ করা হয়, যতদূর প্রযোজ্য। এই পুনঃপ্রেরিত নোটিশের প্রদানকে যথাযথ প্রদান হিসেবে গণ্য করা হয়।

১০,৫৫২.
আদেশ ৪৭, বিধি ২ অনুযায়ী পুনর্বিবেচনার জন্য ডিক্রি বা আদেশের আবেদন কার বরাবর করতে হবে?
  1. উচ্চতর আদালতের বিচারক
  2. আদেশদানকারী আদালতের রেজিস্ট্রার
  3. যে বিচারক ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছেন
  4. আদেশদানকারী আদালতের কর্মচারী
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৭ বিধি ২: যার নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে:
বিধি ১ এ উল্লেখিত রূপ এবং নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের বা ক্লারিক্যাল সম্পর্কে অথবা গাণিতিক ভুলের সঙ্গত কারণ বা নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান কোন ভ্রান্তির অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণের উপর করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করলে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রার্থীত ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন, শুধু সে বিচারকের নিকট আবেদন করতে হবে, কিন্তু ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন তিনি যদি বিধি-৪ এর উপবিধি-২ এর অন্তর্গত (ক) শর্তাংশ মোতাবেক নোটিশ জারি করে থাকেন, তাহলে অনুরূপ আবেদনপত্র তার স্থলাভিষিক্ত বিচারক দ্বারা সমাধান করা যাবে।

Order 47 Rule 2: To whom applications for review may be made:
An application for review of a decree or order of a Court, not being a the High Court Division, upon some ground other than the discovery of such new and important matter or evidence as is referred to in rule 1 or the existence of a clerical or arithmetical mistake or error apparent on the face of the decree, shall be made only to the Judge who passed the decree or made the order sought to be reviewed, but any such application may, if the Judge who passed the decree or made the order has ordered notice to issue under rule 4, sub-rule (2), proviso (a), be disposed of by his successor.
১০,৫৫৩.
X আদালতে দাবি করেন যে, Y এর দখলাধীন জমিতে তার অধিকার আছে। এর সমর্থনে X কতক বিষয়ের অস্তিত্ব দাবি করেন, যা Y অস্বীকার করেন। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণের দায় কার?
  1. শুধু X এর
  2. শুধু Y এর
  3. স্বীয় দাবীর সমর্থনে উভয়ের
  4. এটি Judicial Notice এর বিষয়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০১ এ প্রমাণের দায়িত্ব সংক্রান্ত বিধান আছে।  ১০১ ধারা অনুযায়ী  প্রমাণের দায়িত্ব হল  যিনি কোন বিষয়ের অস্তিত্বের দাবি করিয়া তদুপরি নির্ভরশীল কোন আইনগত অধিকার বা দায় সম্পর্কে আদালতের রায় কামনা করেন, তিনি সেই বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই প্রমাণ করিবেন।
♦  কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্ৰমাণ করিতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত।
১০,৫৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫চ ধারা অনুযায়ী কোন অবস্থায় আদালত সাক্ষীদের হাজির করতে বা কোনো দলিল উপস্থাপনের জন্য প্রসেস ইস্যু করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্টের নির্দেশে
  2. আসামির আবেদনের ভিত্তিতে
  3. রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  4. আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে
ব্যাখ্যা
উত্তর: রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে,দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা। যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫চ ধারা- যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে,সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 265F: Date for prosecution evidence:
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.
১০,৫৫৫.
বিবাদি যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হন, তাহলে আদালত আদেশ ৩৮ বিধি-৬ অনুসারে কী করতে পারেন?
  1. বিবাদিকে জেলে পাঠাতে পারেন
  2. সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ প্রদান করতে পারেন
  3. সম্পত্তির মালিকানা স্থানান্তর করতে পারেন
  4. বিবাদির বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করতে পারেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-৬: কারণ না দর্শালে বা জামানত না দিলে ক্রোক:
১) যেক্ষেত্রে বিবাদি জামানত প্রদান না করার কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয় বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর যে আংশিক প্রদেয় ডিক্রিটি মিটানোর জন্য পর্যাপ্ত বলে প্রতীয়মান, সেরূপ অংশ ক্রোক হওয়া মর্মে আদেশ প্রদান করতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি অনুরূপ কারণ দর্শায় অথবা আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে, এবং উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর কোন অংশ ক্রোক হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত ক্রোক প্রত্যাহারের আদেশ দিবে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
১০,৫৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৪ এর মূল বিষয় কী?
  1. মামলা স্থগিত করা
  2. রায় কার্যকর করা
  3. আদালতে জমা প্রদান
  4. মামলা প্রত্যাহার করা
ব্যাখ্যা

উত্তর: আদালতে জমা প্রদান।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ এর বিধান হলো আদালতে জমা প্রদান। এই আদেশের মোট ৪টি বিধি রয়েছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি-১ এর বিধান দাবী মিটানোর জন্য বিবাদি কর্তৃক টাকা আদালতের জমা দেয়া। ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদি মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তার বিবেচনা মত দাবীর সম্পূর্ণ মিটানোর অনুরূপ পরিমাণ অর্থ আদালত জমা প্রদান করতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি-২ এর বিধান জমা প্রদানের নোটিশ। আদালতে টাকা জমা দেয়ার বিষয়ে বিবাদি কর্তৃক বাদি বরাবর আদালতের মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং বাদির আবেদনক্রমে উক্ত জমা দেয়া টাকা (আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে) বাদিকে পরিশোধ করা হবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি-৩ এর বিধান নোটিশের পর বাদিকে জমার উপর সুদ নামঞ্জুর। বিবাদির জমা দেয়া টাকা দ্বারা দাবীর পূরণ হোক কিংবা কম হোক, অনুরূপ নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে বাদিকে উক্ত জমাকৃত টাকার উপর কোন সুদ মঞ্জুর করা যাবে না।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি ৪ এর বিধান আংশিক পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি এবং সম্পূর্ণ পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি।
-----------
ORDER XXIV: PAYMENT INTO COURT 
Rule-1: Deposit by defendant of amount in satisfaction of claim
The defendant in any suit to recover a debt or damages may, at any stage of the suit, deposit in Court such sum of money as he considers a satisfaction in full of the claim.
Rule-2: Notice of deposit
Notice of the deposit shall be given through the Court by the defendant to the plaintiff, and the amount of the deposit shall (unless the Court otherwise directs) be paid to the plaintiff on his application.
Rule-3: Interest on deposit not allowed to plaintiff after notice
No interest shall be allowed to the plaintiff on any sum deposited by the defendant from the date of the receipt of such notice, whether the sum deposited is in full of the claim or falls short thereof.

১০,৫৫৭.
'খ' নিয়মিত চোরাইমালের ব্যবসা করে বলে তার প্রতিবেশী 'ক' জানতে পারে। সে 'খ' কে আটক করে এবং পরবর্তীতে পুলিশে সোপর্দ করে। ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা 'ক' এর এই কাজকে সমর্থন করে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৬
  3. ধারা ৫৯
  4. ধারা ৫৮
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী-
যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
 
উল্লেখিত ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিল অনুযায়ী 'খ' জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত, যার দরুণ 'ক' ৫৯ ধারা অনুযায়ী 'খ' কে আটক করতে পারে।
 
• ধারা ৫৯ -
 
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
 
(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।
 
(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১০,৫৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩ এর বিধি-২ অনুযায়ী আদেশ থেকে আপিলের ক্ষেত্রে কোন আদেশের বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. আদেশ ৪৭ এর বিধান
  2. আদেশ ৪৫ এর বিধান
  3. আদেশ ৪১ এর বিধান
  4. আদেশ ৩৯ এর বিধান
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২ (Order XLIII, Rule 2) এ বলা হয়েছে:
- "The rules of Order XLI shall apply, so far as may be, to appeals from orders."
- অর্থাৎ, আদেশ-৪৩ এর অধীনে যেসব আদেশ আপিলযোগ্য, সেগুলোর বিরুদ্ধে আপিল করলে আদেশ-৪১ (Order XLI) এর আপিল সংক্রান্ত সাধারণ বিধিগুলো প্রযোজ্য হবে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-১: যেসব আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, তার তালিকা দেয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২: তে বলা আছে এসব আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে আদেশ-৪১ প্রযোজ্য।
১০,৫৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯গ ধারায় বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাজা দিতে পারে অনধিক -
  1. ১০ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে। তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

• ৩৩ক ধারা-
২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 33A: Higher powers of certain Magistrates
The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
১০,৫৬০.
"Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, _____________ , legally authorized to take evidence.
  1. except mediators
  2. except Court Martial Judges
  3. except Arbitrators
  4. except Village Court members
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত (Court): বলতে সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সালিশ ব্যতীত  সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভূক্ত করবে।
⇒ Interpretation-clause:
 
⇒ Section 3. In this Act the following words and expressions are used in the following senses, unless a contrary intention appears from the context:-
⇒ "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.
 
⇒ "Fact" means and includes-
(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;
(2) any mental condition of which any person is conscious.
১০,৫৬১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২২ আদেশের অধীনে কোন মোকদ্দমা বিলুপ্তি বা খারিজ হলে-
  1. একই কারণে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে
  2. একই কারণে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না
  3. অন্য কারণে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না
  4. শুধুমাত্র আদালতের অনুমতিতে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২২ বিধি ৯- বিলুপ্তি কিংবা খারিজের ফলাফল:

১) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমা এই আদেশের অধীনে বিলুপ্তি বা খারিজ হয় সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার একই কার্যকারণে নতুন কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

২) বাদি কিংবা মৃত বাদির বৈধ প্রতিনিধি হিসাবে দাবীদার ব্যক্তি বা অসচ্ছলতা বাদির ক্ষেত্রে বা রিসিভার বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করার আদেশের জন্য আবেদন করতে পারে এবং যদি এটি প্রমাণিত হয় যে, সে মোকদ্দমা পরিচালনা পর্যাপ্ত কারণে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল তবে আদালত মোকদ্দমার খরচাদি সম্পর্কে তার বিবেচনায় এরূপ শর্তাধীনে বা অন্য কোনভাবে বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করবে।

৩) উপবিধি (২) এর অধীনে আবেদন পত্রের ক্ষেত্রে ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৪ এবং ৫ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে।

Rule.-9: Effect of abatement or dismissal.-

1) Where a suit abates or is dismissed under this Order, no fresh suit shall be brought on the same cause of action.

2) The plaintiff or the person claiming to be the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver in the case of an insolvent plaintiff may apply for an order to set aside the abatement or dismissal; and if it is that he was prevented by any sufficient cause from continuing the suit, the Court shall set aside the abatement or dismissal upon such terms as to costs or otherwise as it thinks fit.

3) The provisions of sections 4 and 5 of the Limitation Act, 1908 shall apply to application under sub-rule (2).
১০,৫৬২.
গোপনে ও বেআইনিভাবে কোনো ব্যক্তিকে আটকানোর উদ্দেশ্যে অপহরণ করা হলে, তার সর্বোচ্চ শাস্তি _________ সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারা: গোপনে ও বেআইনিভাবে কোনো ব্যক্তিকে আটকানোর উদ্দেশ্যে অপহরণ বা হরণ:
যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে গোপনে ও বেআইনিভাবে আটকানোর উদ্দেশ্যে অপহরণ বা হরণ করে, সে ব্যক্তি সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 365- Kidnapping or abducting with intent secretly and wrongfully to confine person:
Whoever kidnaps or abducts any person with intent to cause that person to be secretly and wrongfully confined, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১০,৫৬৩.
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর Article 8 অনুযায়ী, Ad-hoc Bar Council কিভাবে গঠিত হবে?
  1. নির্বাচনের মাধ্যমে
  2. সরকারী গেজেটের মাধ্যমে
  3. সবার সম্মতির মাধ্যমে
  4. প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর সংশোধিত Article 8(2) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"...the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members for a term not exceeding one year..."
এর অর্থ, যখন নির্ধারিত সময়ে বার কাউন্সিলের নির্বাচন মহামারি, অতিমারি, দৈব দুর্বিপাক বা অন্য অনিবার্য কারণবশত সম্ভব না হয়, তখন সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ্যমে একটি Ad-hoc Bar Council গঠন করতে পারে।
এই Ad-hoc Bar Council: সর্বোচ্চ এক বছর মেয়াদে কার্যকর থাকবে, এবং মেয়াদ বর্ধিতযোগ্য নয়, এতে Attorney-General সদস্য হিসেবে থাকবেন এবং তিনিই হবেন Chairman।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: খ) সরকারী গেজেটের মাধ্যমে। 

Article- 8. (1) Elections to the Bar Council shall be held so as to conclude on or before the thirty first day of May in the year in which the term of the Bar Council expires.
(2) If the elections to the Bar Council cannot be held within the time specified in clause (1) due to pandemic, epidemic, act of God or for any other unavoidable circumstances as may be determined by the Government from time to time, the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended.
The Attorney-General for Bangladesh shall be one of the members of the Ad-hoc Bar Council and shall also be its Chairman.
(4) Notwithstanding anything contained in any other provision of this Order, the Ad-hoc Bar Council shall exercise such powers and functions of the Bar Council as specified in this Order and the rules made thereunder.

১০,৫৬৪.
'Canons of Professional Conduct & Etiquette' এর কোন অধ্যায়ে “অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ” সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১ম অধ্যায়
  2. ২য় অধ্যায়
  3. ৩য় অধ্যায়
  4. ৪র্থ অধ্যায়
ব্যাখ্যা
• "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।

যথা-
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ- ১১ টি বিধি;
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ- ১৪টি বিধি;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য- ৯টি বিধি;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ- ৮টি বিধি।
১০,৫৬৫.
'বিরোধীয় স্থাবর সম্পত্তির অবস্থান সম্পর্কিত অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, মোকদ্দমা যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা যাবে'- বলা আছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২৩
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৯
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২১
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

দেওয়ানি কার্যবিধির  ১৮ ধারায় আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে, মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে
দেয়া আছে- যখন আদালতের আঞ্চলিক সীমানা অনিশ্চিত অর্থাৎ যখন দাবী করা হয় কোন আদালতের আঞ্চলিক সীমানায় বিরোধীয় স্থাবর সম্পত্তি অবস্থিত তা অনিশ্চিত, তখন যে কোন একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়।

উল্লেখ্য যে, দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ এবং ১৮ ধারার মধ্যে মূল পার্থক্য হলো- বিরোধীয় সম্পত্তি ভিন্ন ভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত কিন্তু আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিশ্চিত হলে ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে। কিন্তু যদি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হয় তখন ১৮ ধারা প্রযোজ্য হবে।

Section 18: Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain-
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 
 
(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice. 
১০,৫৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি রোধে হস্তক্ষেপ করতে পারেন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা প্রশাসক
  3. স্থানীয় চেয়ারম্যান
  4. পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫২ অনুসারে, কেবলমাত্র একজন পুলিশ অফিসার তার নিজ কর্তৃত্ব বলে (of his own authority) তার দৃষ্টির সামনে (in his view) সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি রোধ করতে হস্তক্ষেপ করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.

১০,৫৬৭.
কোন অবস্থায় পুলিশের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. সবসময়
  2. যদি তা স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়
  3. যদি ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকেন
  4. যদি তা আদালতের আদেশে দেওয়া হয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) যদি ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকেন।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৫ ও ধারা ২৬ অনুযায়ী—
ধারা ২৫: কোনো ব্যক্তির পুলিশের নিকট করা স্বীকারোক্তি, তা যতই স্বেচ্ছায় দেওয়া হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য নয়।
ধারা ২৬: যদি কোনো ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় স্বীকারোক্তি দেয়, তাহলে সেটি তখনই সাক্ষ্যরূপে গ্রহণযোগ্য, যদি তা ম্যাজিস্ট্রেটের সরাসরি উপস্থিতিতে প্রদান করা হয়।
অতএব, পুলিশের কাছে করা স্বীকারোক্তি সাধারণত অগ্রহণযোগ্য, তবে যদি ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকেন, তখন তা গ্রহণযোগ্য হয়।
১০,৫৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে একজন দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারে?
  1. ২০০০
  2. ৫০০০
  3. ৭০০০
  4. ১০০০০
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান:
(১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথা:
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, অনধিক দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
 
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, অনধিক পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড।
 
২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যে-সব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোনো আইনসংগত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
 
- ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
১০,৫৬৯.
Unnatural Offences এর সংজ্ঞা রয়েছে-
  1. ৩৭৫ ধারায়
  2. ৩৭৬ ধারায়
  3. ৩৭৭ ধারায়
  4. ৩৭৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারার অধীন সমকামিতা, পায়ুপথে যৌন সংগম এবং জন্তুর সাথে যৌন সংগম অস্বাভাবিক অপরাধ বলে গণ্য হয়।
১০,৫৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারা অনুসারে, অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় কে বা কারা উপস্থিত থাকবেন?
  1. শুধু আপিলকারী
  2. আপিলকারী বা তার কৌঁসুলি
  3. অভিযুক্ত বা তার কৌঁসুলি
  4. শুধুমাত্র সাক্ষী
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।

(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।

(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় অভিযুক্ত বা তার কৌঁসুলি উপস্থিত থাকবেন।

(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate.

(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal.

(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken.

(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.

১০,৫৭১.
নিচের কোনটি দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় সংশোধনযোগ্য নয়?
  1. রায়ে আইনের ভুল ব্যাখ্যা
  2. রায়ে সংখ্যাগত হিসাবের ভুল
  3. আদেশে তারিখ লেখার ভুল
  4. ডিক্রিতে পক্ষকারের নামের বানান ভুল
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫২ শুধুমাত্র করণিক বা গাণিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes) এবং আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতি (accidental slip or omission) সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
ক) রায়ে আইনের ভুল ব্যাখ্যা – এটি একটি আইনগত বা সত্য সংক্রান্ত ভুল, যা ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য নয়। এ ধরনের ভুল সংশোধনের জন্য পুনর্বিবেচনা (Review) বা আপিল (Appeal) এর পথ খোলা আছে।
খ) রায়ে সংখ্যাগত হিসাবের ভুল – এটি একটি গাণিতিক ভুল, যা ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য।
গ) আদেশে তারিখ লেখার ভুল – এটি একটি করনিক ভুল, যা ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য।
ঘ) ডিক্রিতে পক্ষকারের নামের বানান ভুল – এটি একটি করনিক ভুল বা আকস্মিক বিচ্যুতি, যা ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য।
সুতরাং, যে অপশনটি ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধনযোগ্য নয়, তা হলো রায়ে আইনের ভুল ব্যাখ্যা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
- রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

১০,৫৭২.
মামলা দায়েরের জন্য একজন নাবালক নির্ধারিত তামাদি অতিরিক্ত সময় পায় কত দিন?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ২১ বছর বয়স পর্যন্ত
  4. সাবালকত্ব অর্জন পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রমঃ ৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
♦ তামাদি আইনের ৮ ধারামতে আইনগত অক্ষমতা শেষ হওয়ার পর তিন (৩) বছর অতিবাহিত হলে তামাদি মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ আইনগত অক্ষমতা শেষ হওয়ার তিন বছর পর মামলা করলে উক্ত মামলা খারিজ হবে।
♦ মামলা দায়েরের জন্য একজন নাবালক নির্ধারিত তামাদি অতিরিক্ত সময় পায় তিন (৩) বছর।
১০,৫৭৩.
তামাদি আইনের কোন ধারার বিধান অনুসারে সুদ বা দায় পরিশোধের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদি গণনা শুরু হবে?
  1. ১২ ধারার
  2. ১৫ ধারার
  3. ২০ ধারার
  4. ২২ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২০ মূলত এই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি দেনাদার তার দায় (loan/debt) বা তার সুদ আংশিক বা পূর্ণরূপে পরিশোধ করে, অথবা লিখিতভাবে দায় স্বীকার করে, তাহলে যে তারিখে অর্থ পরিশোধ বা স্বীকারোক্তি দেওয়া হয়েছে, সেই তারিখ থেকে পুনরায় তামাদি গণনা শুরু হবে।

উদাহরণ:
আপনি কাউকে ১ লাখ টাকা ধার দিয়েছেন এবং সে পরিশোধের সময়সীমা পেরিয়ে গেছে। এরপর সেই ব্যক্তি ২ বছর পর ৫০০০ টাকা সুদ পরিশোধ করে বা একটি লিখিত স্বীকারোক্তি দেয় যে সে বাকি টাকা শোধ করবে।
- তখন সেই দিন থেকে আবার তামাদির সময় গণনা শুরু হবে, আগের সময় বাতিল হয়ে যাবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২০ বলছে: “Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made... a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made...”
অর্থাৎ, যদি কোনো দেনা বা ঐতিহ্যগত সুদ (interest on legacy) পরিশোধ করা হয়, এবং তা তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই করা হয়, তাহলে যেদিন সেই অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে, সেদিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

সঠিক উত্তর: গ) ২০ ধারার।
১০,৫৭৪.
Mandatory Injunction সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বিধান রয়েছে?
  1. ৫২ ধারায়
  2. ৫৩ ধারায়
  3. ৫৪ ধারায়
  4. ৫৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারামতে বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory injunction) হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসঙ্গত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে। আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা এমন একটি আদেশ যার মাধ্যমে আদালত বিবাদীকে তার সৃষ্ট কোন অবস্থার পরিসমাপ্তি ঘটানোর জন্য কোন প্রত্যক্ষ কাজ (positive act) করতে নির্দেশ দেন অথবা তার আইনসঙ্গত বাধ্যবাধকতা পরিপূর্ণ করতে বাধ্য করেন। অর্থাৎ আদালত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে বিবাদীর আইনগত বাধ্যবাধকতা পূরণের জন্য নির্দিষ্ট কোন কাজ সম্পাদন করতে তাকে বাধ্য করে।
১০,৫৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২২, বিধি-৯ক অনুযায়ী, আদালত আবেদনকারীর উপর খরচ বা জরিমানা আরোপ করতে পারবে কত পরিমাণ পর্যন্ত?
  1. সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত
  2. সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা পর্যন্ত
  3. সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত
  4. সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২২, বিধি-৯ক এর বিধান অনুসারে, আদালত আবেদনকারীকে সর্বোচ্চ ৩,০০০ (তিন হাজার) টাকা পর্যন্ত খরচ (cost) দিতে নির্দেশ করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি-৯ক-এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ:
এই নিয়মের উদ্দেশ্য হলো মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা এবং দেরি এড়ানো। যদি কোনো মামলার বাদী মারা যান বা দেউলিয়া হয়ে যান, তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধি অথবা দেউলিয়া বাদীর অধিগ্রহণকারী বা রিসিভার আদালতে আবেদন করতে পারেন মামলা বাতিল বা খারিজের আদেশ বাতিল করার জন্য। তবে-
- এই আবেদন অবশ্যই ৬০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
- আদালত এই আবেদন মঞ্জুর করতে পারে, কোনো প্রমাণ চাওয়া ছাড়াই।
- আদালত আবেদনকারীকে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা খরচ দিতে বলতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order 22 Rule-9A- Directly setting aside abatement or dismissal: 
Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.

১০,৫৭৬.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান করতে পারে?
  1. ৮৫ক ধারা
  2. ৮৫খ ধারা
  3. ৮৫গ ধারা
  4. ৮৯ক ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:
-বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 
 
⇒ গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
 ---------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-85C- Presumption as to Digital Signature Certificates.-
The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.
১০,৫৭৭.
বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে?
  1. ১৫ দিনের মধ্যে
  2. ২১ দিনের মধ্যে
  3. ৩০ দিনের মধ্যে
  4. ৪৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
অর্থাৎ বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাস বা ৩০ দিনের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules 1972: Rule-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convene such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.
১০,৫৭৮.
দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না বা অপরাধীকে আশ্রয় দানের জন্য (Harbouring offender) নিম্নলিখিত কোন ব্যক্তি দণ্ডিত হবে না?
  1. স্ত্রী
  2. স্বামী
  3. স্বামী বা স্ত্রী
  4. অপরাধীর আত্মীয়
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির  ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় দান করার বিষয়ের বিধান রয়েছে।
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment):-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে

♦ ব্যতিক্রম (Exception):- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।

-------------------------------
♦ Harbouring offender if a capital offence; if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment:

Section 212. Whenever an offence has been committed, whoever harbours or conceals a person whom he knows or has reason to believe to be the offender, with the intention of screening him from legal punishment, 
shall, if the offence is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, and shall also be liable to fine; 
and if the offence is punishable with imprisonment for life or with imprisonment which may extend to ten years, shall be, punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine; 
and if the offence is punishable with imprisonment which may extend to one year, and not to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both. 
 
"Offence" in this section includes any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would be punishable under any of the following sections, namely, 302, 304, 382, 392, 393, 394, 395 396, 397, 398, 399, 402, 435, 436, 449, 450, 457, 458, 459 and 460; and every such act shall, for the purposes of this section, be deemed to be punishable as if the accused person had been guilty of it in Bangladesh. 
 
♦ Exception. This provision shall not extend to any case in which the harbour or concealment is by the husband or wife of the offender.
১০,৫৭৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন কাকে উদ্দেশ্য করে তৈরি করা হবে?
  1. আদালত
  2. বাদী পক্ষ
  3. বিবাদী পক্ষ
  4. উভয় পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক: বিশেষজ্ঞের মতামত শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে:
(১) আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যতক্ষণ না তার প্রতিবেদনটি (উপ-ধারা ২ অনুযায়ী) সমস্ত পক্ষকে প্রদান করা হয়।
(২) বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হবে এবং কোনো পক্ষের পক্ষে নয়, এবং বিশেষজ্ঞের কর্তব্য হচ্ছে আদালতকে সাহায্য করা।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 45A. Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১০,৫৮০.
ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশপ্রাপ্ত একজন পুলিশ অফিসার আমল অযোগ্য মামলার তদন্তকালে কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না?
  1. প্রমাণ সংগ্রহ করা
  2. ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা
  3. সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা 
  4. পরোয়ানা ব্যতিরেকে গ্রেফতার করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫৫(৩) অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশপ্রাপ্ত একজন পুলিশ অফিসার আমল অযোগ্য মামলার তদন্তকালে পরোয়ানা ব্যতিরেকে গ্রেফতার করার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না।
- ধারা ১৫৫(৩)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।"
অন্যান্য ক্ষমতা যা প্রয়োগ করতে পারবেন:
- সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা। 
- ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা। 
- প্রমাণ সংগ্রহ করা। 
- অন্যান্য তদন্ত সংক্রান্ত কার্যক্রম।
সুতরাং, আমলঅযোগ্য মামলার তদন্তে পুলিশ অফিসার শুধুমাত্র বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না, বাকি সকল তদন্ত সংক্রান্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।
(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্ত-
আমলঅযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।
(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-155.Information in non-cognizable cases:
(1) When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.
Investigation into non-cognizable cases
(2) No police-officer shall investigate a non-cognizable case without the order of a Magistrate of the first or second class having power to try such case or [send] the same for trial.
(3) Any police-officer receiving such order may exercise the same powers in respect of the investigation (except the power to arrest without warrant) as an officer in charge of a police-station may exercise in a cognizable case

১০,৫৮১.
Code of Criminal Procedure, 1898-এ কোথাও শুধু Magistrate শব্দ থাকলে তা  দ্বারা কী বুঝাবে?
  1. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট
  3. স্পেশাল ম্যাজিস্টেট
  4. ক্ষেত্রবিশেষে যে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ CrpC-এর ৪ক ধারায় বলা আছে যে without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.

♦ অর্থাৎ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ করবে এবং সহকারী দায়রা জজ বলতে যুগ্ম দায়রা জজকে নির্দেশ করবে।
১০,৫৮২.
নিম্নের কোনটি ৪০৩ ধারার উদ্দেশ্যে খালাস হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. নালিশ খারিজ
  2. আসামীকে অব্যাহতি দেওয়া
  3. ২৪৯ ধারার অধীনে প্রক্রিয়া বন্ধ করা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার ব্যাখ্যায় (Explanation to Section 403) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
- “নালিশ খারিজ, ২৪৯ ধারায় অধীন প্রক্রিয়া বন্ধকরণ অথবা আসামীকে অব্যাহতি দেয়াকে এই ধারার উদ্দেশ্যে খালাস বলে গণ্য করা যাবে না।”
- অর্থাৎ, এগুলোর কোনটিই ৪০৩ ধারার পরিপ্রেক্ষিতে "খালাস" (Acquittal) হিসেবে বিবেচিত হয় না।

→ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারা যেটা বলে, সেটা হলো — একবার উপযুক্ত আদালতে বিচার হয়ে খালাস বা দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরে সেই অপরাধের জন্য কাউকে পুনরায় বিচার করা যাবে না। কিন্তু নালিশ খারিজ, অব্যাহতি, বা ২৪৯ ধারায় প্রক্রিয়া বন্ধ হওয়া — এগুলো সেই "বিচার শেষে খালাস" হিসেবে ধরা হয় না।
- ফলে, এগুলোর পরে আবার মামলা চলতে পারে বা নতুনভাবে দায়ের হতে পারে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে।

অতএব, উল্লিখিত তিনটি , নালিশ খারিজ, অব্যাহতি, ২৪৯ ধারায় প্রক্রিয়া বন্ধ — এগুলো ৪০৩ ধারার "খালাস" হিসেবে গণ্য হয় না।
- তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।
১০,৫৮৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৪২১ ধারায়
  2. ৪২৩ ধারায়
  3. ৪২৭ ধারায়
  4. ৪৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে। আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপীল আদালত নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. আপীল খারিজ করতে পারে যদি আপীলের কোন কারণ না থাকে বা
২. খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে-
⇒ খালাস আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে,
⇒ অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে,
⇒ অভিযুক্তকে পুনরায় বিচারের জন্য নির্দেশ দিতে পারে বা অভিযুক্তকে দোষী পেলে আইন অনুযায়ী শান্তি দিতে পারে।
৩. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা পুনরায় আসামীকে বিচার করার আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তি কমাতে পারে ইত্যাদি
৪. দণ্ডবৃদ্ধির আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি পরিবর্তন করতে পারে বা আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা তাকে পুনরায় বিচারের আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তির পরিমান বাড়াতে বা কমাতে পারে। 
৫. অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে তবে অভিযুক্ত যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের জন্য যে শাস্তি দেয়া যেতো,তার অধিক দণ্ড দিবে না।
১০,৫৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৯৭ অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা বা প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রে কী করা যেতে পারে?
  1. পুলিশে অভিযোগ করা
  2. আদালতে আবেদন করা
  3. স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা
  4. কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৯৭ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি আদালতের ডিক্রির ভিত্তিতে স্থাবর সম্পত্তির দখল পেতে গিয়ে বাধা বা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন, তখন তার করণীয় হচ্ছে, আদালতে একটি আবেদন দাখিল করা, যাতে তিনি ঐ বাধা বা প্রতিবন্ধকতার বিষয়ে অভিযোগ করতে পারেন।
- অতএব, এক্ষেত্রে পুলিশে অভিযোগ বা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে যাওয়া, কিংবা কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া- এগুলো যথাযথ আইনানুগ পদ্ধতি নয়। আইন অনুসারে আদালতেই আবেদন করতে হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৯৭ – স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা:
(১) যিনি স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য একটি ডিক্রির অধিকারী, অথবা যিনি কোনো ডিক্রি কার্যকরির মাধ্যমে বিক্রিত ঐ সম্পত্তি ক্রয় করেছেন, তিনি যদি দখল পাওয়ার সময় কোনো ব্যক্তির দ্বারা বাধা বা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন, তাহলে তিনি উক্ত বাধা বা প্রতিবন্ধকতার বিষয়ে অভিযোগ করে আদালতে একটি আবেদন করতে পারবেন।
(২) আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি দিন নির্ধারণ করবেন এবং যার বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে, তাকে আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগের জবাব দিতে সমন প্রদান করবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 21, Rule 97 – Resistance or Obstruction to Possession of Immovable Property:
(1) Where the holder of a decree for the possession of immovable property, or the purchaser of such property sold in execution of a decree, is resisted or obstructed by any person in obtaining possession of the property, he may make an application to the Court complaining of such resistance or obstruction.
(2) The Court shall fix a day for investigating the matter and shall summon the party against whom the application is made to appear and answer the same.

১০,৫৮৫.
দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৩ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান: (১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথা:
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকা অর্থদণ্ড।
২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যে-সব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোনো আইনসংগত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
- ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
------------------
⇒ Section 32.Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 
(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
১০,৫৮৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে যে, রাজস্ব আদালতের উপর দেওয়ানি কার্যবিধি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৫
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫-এ বলা হয়েছে যে, যখন রাজস্ব আদালতের জন্য প্রযোজ্য কোন বিশেষ আইন নীরব থাকে, তখন দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। তবে সরকার গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্ধারণ করতে পারে, কোন কোন বিধান প্রযোজ্য হবে বা হবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.
(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
১০,৫৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারার অধীনে কাকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. দায়রা আদালতকে
  2. হাইকোর্ট বিভাগকে
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,
দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

এই ধারার অধীন অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ ও অপরাধ আমলে নিতে পারেন।নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ অপরাধ আমলে নিতে পারে । যথা-
i) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে; অথবা
ii) দায়রা জজ বিচারের জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজকে অর্পণ করলে।
১০,৫৮৮.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক অনুসারে, জেলা জজ কার সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের প্যানেল প্রস্তুত করবেন?
  1. সরকারের আইন মন্ত্রণালয়
  2. স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি
  3. হাইকোর্ট বিভাগের প্রধান বিচারপতি
  4. জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুসারে, জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীদের (Mediators) প্যানেল প্রস্তুত করার জন্য জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করবেন। এই প্যানেলে উকিল, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত ব্যক্তি এবং অন্যান্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের (যারা সরকারি চাকরিতে লাভজনক পদে নেই) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এই প্যানেলটি সময়ে সময়ে হালনাগাদ করা হয় এবং জেলা জজের প্রশাসনিক এখতিয়ারের অধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী "জেলা জজ, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করবেন (যা সময় সময় আপডেট করা হবে)। এই প্যানেলে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, মধ্যস্থতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।"
এবং জেলা জজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এই প্যানেল সম্পর্কে অবহিত করবেন।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: 
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.

১০,৫৮৯.
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি কোন আইনের পন্থা অনুযায়ী তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারবেন?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭
  2. ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮
  3. দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
  4. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
ব্যাখ্যা

ধারা ৮, সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার: সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি উহা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পদ্ধতিতে পুনরুদ্ধার করিতে পারিবেন।
---------------
Section 8, Recovery of specific immovable property: A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.

১০,৫৯০.
৫০৩ ধারার অধীন প্রদত্ত কমিশন ফেরত না আসা পর্যন্ত মুলতবি রাখা যাবে-
  1. সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান
  2. বিচার
  3. অন্যান্য কার্যক্রম
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ

সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

Section 508- Adjournment of inquiry or trial
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.
১০,৫৯১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী আদালত নিচের কোন পন্থায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে না?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
  3. সম্পত্তির দখল দাবিদারকে অর্পণের মাধ্যমে
  4. যে কাজ করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা আছে তা করার আদেশের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা 
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

-যদিও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫(ঘ) ধারা অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।
SR Act- Section-5.Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
১০,৫৯২.
কোন মহানগর এলাকায় পুলিশ কর্মকর্তা অ-আমলযোগ্য মামলার তদন্ত করতে পারবে না, যদি সে অনুমতি না নেয়-
  1. মহা পুলিশ পরিদর্শকের
  2. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মহানগর দায়রা জজ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৫৫ ধারার বিধান আমল অযোগ্য মামলার সংবাদঃ (১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্তঃ আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।

(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

♦ প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়া কোন পুলিশ অফিসার ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৫ ধারার অধীন আমল অযোগ্য মামলার তদন্ত করতে পারে না। যেহেতু প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নামে পরিচিত তাই মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি না নিয়ে পুলিশ ১৫৫ ধারার অধীন আমল অযোগ্য মামলার তদন্ত করতে পারবে না।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫(২) ধারামতে আমল অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মহানগর এলাকার ক্ষেত্রে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়া কোন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত শুরু করতে পারবে না।
১০,৫৯৩.
আপীল মেমো সংশোধনের সময়-
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ৩ দিনের মধ্যে
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
--------------
⇒ Order 41 Rule.-3: Rejection or amendment of memorandum.-
1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection,
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
১০,৫৯৪.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারা অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ______এর বিধান অনুযায়ী প্রমাণ করা যেতে পারে।
  1. ৬৫
  2. ৬৫খ
  3. ৬৬
  4. ৬৭
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৫ক: ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের বিশেষ বিধান-
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬খ-এর বিধান অনুযায়ী প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 65A- Special provisions as to evidence relating to digital record:
The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B.
১০,৫৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০(১) অনুসারে, ধারা ১০৬ বা ১১৮-এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি আদেশের সময় কারাদণ্ড ভোগ করেন, তাহলে মুচলেকার মেয়াদ কবে থেকে শুরু হবে?
  1. আদেশ জারির তারিখ থেকে
  2. কারাদণ্ড শেষ হওয়ার পর থেকে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট নির্ধারিত তারিখ থেকে
  4. মুক্তি পাওয়ার ৩০ দিন পর থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১২০(১) অনুসারে ধারা ১০৬ বা ১১৮-এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি আদেশের সময় কারাদণ্ড ভোগ করেন বা কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে মুচলেকার মেয়াদ তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি, যার বিরুদ্ধে ধারা ১০৬ বা ধারা ১১৮ এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়, সেই সময়ে কারাদণ্ড ভোগ করছেন বা কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে। এর কারণ হলো, কারাগারে থাকা অবস্থায় ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ বা অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত হওয়ার সুযোগ পান না, তাই নিরাপত্তা বন্ডের প্রয়োজনীয়তা তার মুক্তির পর থেকে কার্যকর হয়।
- ধারা ১২০(২) এ আরও উল্লেখ আছে যে, যদি ব্যক্তি কারাগারে না থাকেন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ সাধারণত আদেশ জারির তারিখ থেকে শুরু হবে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ কারণে পরবর্তী কোনো তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-120.Commencement of period for which security is required:
(1) If any person, in respect of whom an order requiring security is made under section 106 or section 118, is, at the time such order is made, sentenced to, or undergoing a sentence of, imprisonment the period for which such security is required shall commence on the expiration of such sentence.
(2) In other cases such period shall commence on the date of such order unless the Magistrate, for sufficient reason, fixes a later date.

১০,৫৯৬.
সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি বিষয় সাক্ষ্য দেওয়া যাবে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী ২টি বিষয় সাক্ষ্য দেওয়া যাবে।
১। বিচার্য বিষয় (Fact in issue)
২। প্রাসঙ্গিক বিষয় (Relevant Facts)।
উল্লিখিত দুইটি বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে।
১০,৫৯৭.
একজন ব্যক্তি ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ের কারণে ৩ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। যদি সেই অর্থদণ্ড আইনগত প্রক্রিয়ায় আদায় হয়, তবে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৬৮ অনুযায়ী আসামীর কী হবে?
  1. অতিরিক্ত অর্থদণ্ড আরোপ হবে
  2. কারাদণ্ড অবসান হবে
  3. কারাদণ্ড অব্যাহত থাকবে
  4. নতুন মামলা দায়ের হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৬৮ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:
যে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে অর্থদণ্ড প্রদত্ত হলে অথবা আইনগত কার্যক্রমের মাধ্যমে আদায়ীকৃত হলে আসামীর কারামুক্তি হবে।

উদাহরণ:
একজন ব্যক্তি ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ের কারণে ৩ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। যদি তিনি সেই অর্থদণ্ড পরিশোধ করেন বা তা আইনগত প্রক্রিয়ায় আদায় হয়, তবে তার কারাদণ্ড অবসান হবে।

⇒ Section 68- Imprisonment to terminate on payment of fine:
The imprisonment which is imposed in default of payment of a fine shall terminate whenever that fine is either paid or levied by process of law.
১০,৫৯৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারায় কে দণ্ডিত আসামীর দণ্ড কার্যকর স্থগিত (Suspend) করতে পারে?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আপিল আদালত
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারায় সরকার কোন দণ্ডিত আসামীর দণ্ড কার্যকর স্থগিত (Suspend) করতে পারে বা শাস্তির সম্পূর্ণ বা যেকোন অংশ মওকুফ (Remit) করতে পারে।

৪০১ ধারায় সরকারকে দণ্ড কার্যকর স্থগিত বা দণ্ড মওকুফের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যেমন কোন অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করে সরকারের কাছে আবেদন করলে, সরকার ৪০১ ধারায় তার শাস্তি মওকুফ করতে পারে। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে সরকার অনেক দণ্ডিত ব্যক্তির দণ্ড মওকুফ করে।
আবার, সরকার কোন দণ্ডিত আসামীর দণ্ড স্থগিত করে আসামীকে ৪০১ ধারায় মুক্তি দিতে পারে।
১০,৫৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত কোন উৎস থেকে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. তার নিজের পর্যবেক্ষণ
  2. থানায় দাখিলকৃত এফআইআর
  3. ভুক্তভোগীর দায়ের করা অভিযোগ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট নির্দিষ্ট ৩টি উৎসের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিতে পারেন। এসব উৎস হলো—
অভিযোগ: কোনো ব্যক্তি আদালতে সরাসরি অভিযোগ দায়ের করলে ম্যাজিস্ট্রেট তা আমলে নিতে পারেন। (ধারা ১৯০(১)(ক))
পুলিশের প্রতিবেদন: পুলিশের তদন্ত শেষে দাখিল করা লিখিত প্রতিবেদন (চার্জশিট বা ফাইনাল রিপোর্ট) পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারেন। (ধারা ১৯০(১)(খ))
 নিজস্ব জ্ঞান বা প্রাপ্ত তথ্য: যদি ম্যাজিস্ট্রেট নিজে কোনো অপরাধ সম্পর্কে জানেন বা তার কাছে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য আসে, তাহলে তিনি নিজ উদ্যোগে অপরাধ আমলে নিতে পারেন। (ধারা ১৯০(১)(গ))
 তবে, ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এসব উৎসের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিতে পারেন না।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-190.Cognizance of offences by Magistrates:
(1) Except as hereinafter provided, any Chief Metropolitan Magistrate, Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Magistrate of the first class, and any other Magistrate specially empowered in this behalf under sub-section (2) or (3)], may take cognizance of any offence-
(a) upon receiving a complaint of facts which constitute such offence;
(b) upon a report in writing of such facts made by any police-officer;
(c) upon information received from any person other than a police-officer, or upon his own knowledge or suspicion, that such offence has been committed.
১০,৬০০.
দণ্ডবিধি ৩৭৮ ধারা মতে চুরির শর্ত-
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. অনুমতি ব্যতীত সম্পত্তি সরানো
  3. সম্পত্তির দখল
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত।
• যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা।
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।