বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১০৫ / ১২৬ · ১০,৪০১১০,৫০০ / ১২,৬০৫

১০,৪০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪১(ক) অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কখন আসামিকে অব্যাহতি দিতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র চূড়ান্ত শুনানিতে
  2. অভিযোগ প্রমাণিত হলে
  3. চার্জ গঠনের পরে
  4. চার্জ গঠনের আগে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪১ক বা Section 241A অনুযায়ী, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন বা তথ্য-প্রমাণে সমর্থিত নয়, তাহলে তিনি চার্জ গঠনের আগেই অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
- অতএব, চার্জ গঠনের আগেই যদি অভিযোগের ভিত্তি না থাকে, ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- ধারা ২৪১ক-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.

১০,৪০২.
নিচের কোন ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধি তামাদির সুবিধা পাবেন না?
  1. চুক্তিভঙ্গের মামলা
  2. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মামলা
  3. দানপত্র সম্পর্কিত মামলা
  4. দখল হস্তান্তরের মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭(৩) অনুযায়ী, নিচের মামলাগুলোর ক্ষেত্রে যদি বাদী বা বিবাদী মৃত্যুবরণ করেন এবং তাদের প্রতিনিধি না থাকেন, তাহলেও তামাদি মেয়াদ বন্ধ হবে না বা স্থগিত হবে না।
- অর্থাৎ, আইনানুগ প্রতিনিধি তামাদির সুবিধা পাবেন না।
এই মামলাগুলো হলো:
১) অগ্রক্রয় (Pre-emption) সংক্রান্ত মামলা।
২) স্থাবর সম্পত্তির দখল (Possession of immovable property) সংক্রান্ত মামলা।
৩) বংশগত পদ (Hereditary office) সংক্রান্ত মামলা।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা (অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল) অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।
এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।

⇒ The Limitation Act:- Section 17- Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
১০,৪০৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪০৫ অনুসারে কোন আবেদন অগ্রাহ্য হলে আপিল করা যায়?
  1. সম্পত্তির ক্রোক করার আবেদন
  2. ঋণ আদায়ের আবেদন
  3. জমির মালিকানা দাবির আবেদন
  4. ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৫- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন অগ্রাহ্য হলে তার বিরুদ্ধে আপিল:
কোন আদালত সম্পত্তি বা সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ প্রদানের জন্য কোন ব্যক্তির ধারা ৮৯-এর অধীন রুজুকৃত আবেদনপত্র অগ্রাহ্য করলে তিনি সেই আদালতে আপিল করতে পারেন, যে আদালতে পূর্ববর্তী আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে সাধারণত আপিল করা চলে।

[Any person whose application under section 89 for the delivery of property or the proceeds of the sale thereof has been rejected by any Court may appeal to the Court to which appeals ordinarily lie from the sentences of the former Court.]
১০,৪০৪.
দায়িত্বপ্রাপ্ত মামলা যে আদালতে বিচারাধীন, পাবলিক প্রসিকিউটর সেই আদালতে-
  1. লিখিত কর্তৃত্ব সাপেক্ষে হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন
  2. কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন
  3. লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়া হাজির হতে পারবেন, তবে মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না
  4. মৌখিক বা লিখিত কর্তৃত্ব সাপেক্ষে হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯৩ অনুসারে,

পাবলিক প্রসিকিউটর যে মামলায় ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেই মামলা যে আদালতে তদন্তাধীন, বিচার বা আপীলাধীন রয়েছে, তিনি সেই আদালতে কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, এবং কোন বেসরকারী ব্যক্তি যদি এরূপ কোন মামলার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিচালনার জন্য এডভোকেট নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নির্দেশাধীন এডভোকেট উক্ত মামলায় তাঁর নির্দেশাধীন কাজ করবেন।

The Public Prosecutor may appear and plead without any written authority before any Court in which any case of which he has charge is under inquiry, trial or appeal, and if any private person instructs a pleader to prosecute in any Court any person in any such case, the Public Prosecutor shall conduct the prosecution, and the pleader so instructed shall act therein, under his directions.
১০,৪০৫.
প্রতারণার ফলে অধিকার সম্পর্কে বাদী অজ্ঞ থাকলে তামাদি গণনা শুরু হবে-
  1. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  2. অধিকার সৃষ্টি হওয়ার তারিখ থেকে
  3. বাদী প্রথম প্রতারণা জানতে পারার দিন থেকে
  4. আদালতের আদেশের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল-
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-
১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।

১০,৪০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কিভাবে কার্যকর করা যাবে?
  1. যেকোনো ভাবে
  2. পাথর নিক্ষেপ করে কার্যকর করতে হবে
  3. ফায়ারিং স্কোয়াডে রেখে কার্যকর করতে হবে
  4. মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান: কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত হলে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে তা কার্যকর করা হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান: (১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।
⇒ CrPC-Section-368: Sentence of death: (1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
Sentence of transportation (2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
১০,৪০৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৩৭(৩) ধারা অনুসারে, কোন নথি ইংরেজিতে প্রস্তুত করা যেতে পারে?
  1. শুধু রায়
  2. সাক্ষীর জবানবন্দি
  3. কেবল আপিল আবেদন
  4. সাক্ষীর জবানবন্দি ব্যতীত অন্য সব লিখিত নথি
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতের ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজিতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

১০,৪০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭ ধারায় রায় সম্পর্কিত কোন বিধান আছে?
  1. রায়ের ভাষা
  2. রায়ের বিষয়বস্তু
  3. রায় সংশোধনের কার্যপদ্ধতি
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
 ধারা ৩৬৭: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু-
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

Section 367- Language of judgment Contents of judgment:
(1) Every such judgment shall, except as otherwise expressly provided by this Code, be written by the presiding officer of the Court or form the dictation of such presiding officer in the language of the Court, or in English; and shall contain the point or points for determination, the decision thereon and the reasons for the decision; and shall be dated and signed by the presiding officer in open Court at the time of pronouncing it and where it is not written by the presiding officer with his own hand, every page of such judgment shall be signed by him.

(2) It shall specify the offence (if any) of which, and the section of the Penal Code or other law under which, the accused is convicted, and the punishment to which he is sentenced.
১০,৪০৯.
একজন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূণ্য হয় না-
  1. পদত্যাগ করলে
  2. চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতিত পর পর তিনটি মিটিংয়ে অনুপস্থিত থাকলে
  3. ফৌজদারিমামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে
  4. আইনজীবীর তালিকা থেকে পসৃত হলে
ব্যাখ্যা
♦The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর ৯১ বিধি অনুসারে, বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূন্য হবে যদি সে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট পদত্যাগ পত্র দাখিল করে পদত্যাগ করে বা আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসারিত হয় বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতীত পর পর ৩টি মিটিং-এ অনুপস্থিত থাকে বা তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসাবে পদোন্নত হয়।
♦অর্থাৎ ফৌজদারিমামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে একজন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূণ্য হয় না।
১০,৪১০.
ধারা ৩৪০ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে না পারলে অন্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালত কী করতে পারবে?
  1. অনুমান করতে পারবে
  2. অনুমান করতে পারবে না
  3. সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়াই দণ্ড দিতে পারবে
  4. নতুন সাক্ষ্য আহ্বান করতে পারবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারার বিধান- যাহার বিরুদ্ধে কার্যক্রম দায়ের করা হইয়াছে তাহার আত্মপক্ষ সমর্থন করিবার অধিকার ও সাক্ষী হইবার যোগ্যতা:
(১) ফৌজদারি আদালতে কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির অথবা এরূপ কোন আদালতে এই আইনানুসারে যার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে কৌসুলীর দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার তার থাকবে।

(২) এরূপ কোন আদালতে যার বিরুদ্ধে ১০৭ ধারা অথবা দশম অধ্যায়, একাদশ অধ্যায়, দ্বাদশ অধ্যায়, ষষ্ঠ বিংশ অধ্যায় বা ৫৫২ ধারা অনুসারে মামলা রুজু করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি নিম্নে উক্ত মামলার সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে পারবে।

(৩) কোন অপরাধের দায়ে ফৌজদারি আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে প্রণীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক সাক্ষ্য দিতে পারবে:

তবে শর্ত এই যে,
ক) সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
খ) সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সাথে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না।
১০,৪১১.
Either party may call upon the other party to admit any document within _______ days from the date of service of notice.
  1. 7
  2. 10
  3. 15
  4. 21
ব্যাখ্যা
• Order 12 Rule 2: Notice to admit documents:
Either party may call upon the other party  to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.

আদেশ ১২ বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ:
সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে,তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
১০,৪১২.
নিম্নের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায় অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. স্বার্থের বিরুদ্ধে বিবৃতি
  2. আইনজীবীর মতামত
  3. আত্মীয়তার অস্তিত্ব বিষয়ক বিবৃতি
  4. প্রথা বা জনস্বার্থ সংক্রান্ত মতামত
ব্যাখ্যা

⇒ সঠিক উত্তর: খ) আইনজীবীর মতামত।
“আইনজীবীর মতামত”:  আইনজীবীর মতামত কোনো ঘটনার বিবৃতি নয়, বরং একটি পেশাগত ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, যা ৩২ ধারার কোনো অবস্থাতেই অন্তর্ভুক্ত নয়।
- ৩২ ধারা ব্যক্তি বিশেষের বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়াকে লক্ষ্য করে, যা ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

অন্যান্য অপশন গুলো:
ক) স্বার্থের বিরুদ্ধে বিবৃতি — ৩২(৩) ধারায় বলা হয়েছে
গ) আত্মীয়তার অস্তিত্ব বিষয়ক বিবৃতি — ৩২(৫) ধারায় অন্তর্ভুক্ত
ঘ) প্রথা বা জনস্বার্থ সংক্রান্ত মতামত — ৩২(৪) ধারায় অন্তর্ভুক্ত

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩২ ধারা সেই সব পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য যখন কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ, বা সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হন। এ অবস্থায় তাঁর পূর্বে করা বিবৃতি ৮টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এই ৮টি হলো:
১. মৃত্যুর কারণ সংক্রান্ত বিবৃতি (dying declaration) — ৩২(১)
২. দৈনন্দিন বা ব্যবসায়িক কাজে প্রদত্ত বিবৃতি — ৩২(২)
৩. নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে দেওয়া বিবৃতি — ৩২(৩)
৪. জনসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ে মতামত — ৩২(৪)
৫. আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি  — ৩২(৫)
৬. পারিবারিক দলিল বা উইল সংক্রান্ত বিবৃতি — ৩২(৬)
৭. ধারা ১৩(ক)-এর অধীন লেনদেনসংক্রান্ত বিবৃতি — ৩২(৭)
৮. বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতায় একাধিক ব্যক্তির সম্মিলিত বিবৃতি — ৩২(৮)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

Illustrations:
(a) The question is, whether A was murdered by B; or
A dies of injuries received in a transaction in the course of which she was ravished. The question is whether she was ravished by B; or
The question is whether A was killed by B under such circumstances that a suit would lie against B by A's widow.
Statements made by A as to the cause of his or her death, referring respectively to the murder, the rape and the actionable wrong under consideration are relevant facts.

১০,৪১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৭ ধারায় কোন আদালতের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. জেলা জজ আদালত
  3. ডিক্রি দানকারী আদালত
  4. আপিল আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:
“যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-
ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।

Section 37- Definition of Court which passed a decree:
The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,-
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.
১০,৪১৪.
কোন অপরাধের তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হলে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে হবে এই বিধানটি প্রযোজ্য হবে না-
  1. দণ্ডবিধির ৪০০ এবং ৪০১ ধারার জন্য
  2. দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার জন্য
  3. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারার জন্য
  4. দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার জন্য
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৬৫(৫) ধারা মতে কোন অপরাধের তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে  শেষ না হলে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হলো The Penal Code, 1860 এর ৪০০ ধারা (ডাকাত দলের সদস্য হওয়ার শাস্তি) ও ৪০১ ধারা (চোর দলের সদস্য হওয়ার শাস্তি)।
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৬৫(৫) ধারা অনুযায়ী ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে না পারলে ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ও ১০ বছরের অধিক কারাদণ্ড ছাড়া অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। ধারা ১৬৭(৫) এর বিধান দণ্ডবিধির ধারা ৪০০ ও ৪০১ এর অধীন অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
১০,৪১৫.
জামিন (bail) সম্পর্কিত বিধানাবলী ফৌজদারী কার্যবিধির কোন অধ্যায়ে রয়েছে?
  1. ২৯ অধ্যায়ে
  2. ৩২ অধ্যায়ে
  3. ৩৬ অধ্যায়ে
  4. ৩৯ অধ্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধিতে জামিন সংক্রান্ত বিধানাবলী স্পষ্টভাবে অধ্যায় ৩৯ (Chapter XXXIX)-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
এই অধ্যায়ে ধারা ৪৯৬ থেকে ৫০২ পর্যন্ত জামিনের বিভিন্ন দিক যেমন:
- জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন (ধারা ৪৯৬)
- অজামিনযোগ্য অপরাধে জামিন (ধারা ৪৯৭)
- জামিনের পরিমাণ নির্ধারণ (ধারা ৪৯৮)
- জামিনদার ও বন্ড সংক্রান্ত বিধান (ধারা ৪৯৯-৫০২)
ইত্যাদি বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
 সুতরাং, সঠিক উত্তর অধ্যায় ৩৯ (ধারা ৪৯৬-৫০২)।

জামিনের সংজ্ঞা:
ফৌজদারী কার্যবিধিতে জামিনের নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই। তবে সাধারণ অর্থে, পুলিশি হেফাজত থেকে বা গ্রেফতারি পরোয়ানা ফতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট শর্তে (যেমন নির্দিষ্ট দিনে আদালতে হাজির হওয়া) মুক্তি দিয়ে তাকে জামিনদারের নিকট হস্তান্তর করাকেই জামিন বলা হয়।

জামিনের শর্ত (দুটি মূল উপাদান):
১. জামিননামা (Bail bond):
- এটি একটি নির্দিষ্ট ফরম যা অভিযুক্ত ব্যক্তি পূরণ করে আদালতে জমা দেয়।
- আদালত বা পুলিশ জামিনের জন্য নির্ধারিত অর্থ (জামিনের পরিমাণ) জামিননামায় উল্লেখ থাকে।
- জামিন নেওয়ার সময় জামিননামার অর্থ পরিশোধ বাধ্যতামূলক নয়।
- যদি আসামি পরবর্তীতে আদালতে হাজির না হয় বা শর্ত ভঙ্গ করে, তখন জামিননামায় উল্লেখিত অর্থ পরিশোধ করতে হয়। না করলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে পারে।
২. জামিনদার (Surety):
- জামিনদার সেই ব্যক্তি, যিনি জামিননামায় স্বাক্ষর করে দায়বদ্ধ হন যে, জামিন প্রাপ্ত ব্যক্তি শর্ত পূরণ না করলে তিনি ওই নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করবেন।
১০,৪১৬.
একজন সহকারী জজের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. আপিল বিভাগে
  3. দায়রা জজ আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
♦রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
♦১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
♦দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে।
♦অর্থাৎ ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
♦অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার সহকারী জজের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে - হাইকোর্ট বিভাগে।
১০,৪১৭.
According to Section 25 of The Limitation Act, 1908, for the purposes of the Act, how is time to be computed in all instruments?
  1. Based on the fiscal year
  2. Based on the lunar calendar
  3. With reference to the local time
  4. With reference to the Gregorian calendar
ব্যাখ্যা
Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar. 

তামাদি আইন ১৯০৮ এর ২৫ ধারায় বলা হয়েছে যে,
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সব দলিলে উল্লেখিত সময় গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।

এর অর্থ হচ্ছে, তামাদি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন দলিলে হিজরি, বাংলা বা অন্য কোন ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সময় উল্লেখ থাকলেও, আইনগতভাবে তা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে রূপান্তরিত হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। উদাহরণস্বরূপ, কোন দলিলে হিজরি সনে কোন তারিখ উল্লেখ থাকলেও, তামাদি আইনের প্রয়োজনে সেটি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গণনা করে নির্ধারণ করতে হবে।
১০,৪১৮.
ফৌজদারি মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমানের দায়িত্ব কার?
  1. অভিযোগকারীর
  2. রাষ্ট্রের
  3. উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর
  4. ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
♦ সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব।
♦সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
♦কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত। তবে এর ব্যতিক্রম আছে, যেমন- যে বিষয় বিরূদ্ধ পক্ষের ভাল জানা আছে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই ।
♦অর্থাৎ ফৌজদারি মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমানের দায়িত্ব উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর।
♦সাক্ষ্য আইন, ধারা ১০৩ অনুসারে B চুরির কথা C এর নিকট স্বীকার করেছে। স্বীকারোক্তির বিষয়টি যেহেতু A দাবী করেছে সেহেতু স্বীকারোক্তির বিষয়টি A অবগত। সুতরাং স্বীকারোক্তি প্রমাণের ভার A এর উপর বর্তাবে।
১০,৪১৯.
A জানতো যে B ডাকাতি করেছে। শাস্তি হতে বাঁচানোর জন্য A, B কে লুকিয়ে রাখে। এই ক্ষেত্রে-
  1. A, ২১২ ধারায় অর্থদণ্ডসহ ৩ বৎসর পর্যন্ত যেকোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  2. B, ২১৪ ধারায় অর্থদণ্ডসহ ৩ বৎসর পর্যন্ত যেকোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  3. A, ৩৯৫ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  4. A, ২১২ ধারায় অর্থদণ্ডসহ ৭ বৎসর পর্যন্ত যেকোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির  ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় দান করার বিষয়ের বিধান রয়েছে।
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment):-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে

♦ ব্যতিক্রম (Exception):- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।

-------------------------------
♦ Harbouring offender if a capital offence; if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment:
Section 212. Whenever an offence has been committed, whoever harbours or conceals a person whom he knows or has reason to believe to be the offender, with the intention of screening him from legal punishment, 
shall, if the offence is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, and shall also be liable to fine; 
- and if the offence is punishable with imprisonment for life or with imprisonment which may extend to ten years, shall be, punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine; 
and if the offence is punishable with imprisonment which may extend to one year, and not to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both. 
 
 "Offence" in this section includes any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would be punishable under any of the following sections, namely, 302, 304, 382, 392, 393, 394, 395 396, 397, 398, 399, 402, 435, 436, 449, 450, 457, 458, 459 and 460; and every such act shall, for the purposes of this section, be deemed to be punishable as if the accused person had been guilty of it in Bangladesh. 
 
♦ Exception. This provision shall not extend to any case in which the harbour or concealment is by the husband or wife of the offender.
১০,৪২০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় ‘Doctrine Of Alternative Danger' এর প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. দণ্ডবিধির ৭৬ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৮১ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৯১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৮১ মতে- Doctrine of Alternative Danger অর্থ হলো- বৃহত্তর ক্ষতি এড়ানোর জন্য ক্ষুদ্রতর ক্ষতি মেনে নেওয়া।

♦ দণ্ডবিধির  ৮১ ধারা অনুযায়ী, সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কোন কার্য যদি শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য সৎ উদ্দেশ্যে করা হয় তাহলে তা অপরাধ নয়।

♦ দণ্ডবিধির  ৮১ ধারা সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য, কিন্তু অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া এবং অন্যবিধ ক্ষতিরোধের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত:- কোন কাজ শুধু ক্ষতিসাধন করতে পারে এইরূপ জানা সত্ত্বেও উহা করার ফলেই অপরাধ বলে বিবেচনা করা হবে না যদি কাজটি ক্ষতিসাধন করার জন্য কোনরূপ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সম্পাদিত না হয়ে থাকে এবং উহা শরীরের বা সম্পত্তির অপর কোনরূপ ক্ষতি নিবারণ বা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে সম্পাদিত হয়ে থাকে।

♦ ব্যাখ্যা:- যে ক্ষতিটি নিবারণ বা প্রতিরোধ করতে হবে, উহা এতই আসন্ন বা প্রকট ছিল কিনা এবং উহা এমন প্রকৃতির ছিল কিনা যার ফলে, সম্পাদিত কাজটি ক্ষতি করতে পারে জানা সত্ত্বেও উহা করা বা করার মাধ্যমে ঝুঁকি গ্রহণ মার্জনীয় হবে, বাস্তব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই প্রশ্নটির মীমাংসা করতে হবে।
---------
♦ Act likely to cause harm, but done without criminal intent and to prevent other harm:
Section 81. Nothing is an offence merely by reason of its being done with the knowledge that it is likely to cause harm, if it be done without any criminal intention to cause harm, and in good faith for the purpose of preventing or avoiding other harm to person or property. 
 
Explanation.-It is a question of fact in such a case whether the harm to be prevented or avoided was of such a nature and so imminent as to justify or excuse the risk of doing the act with the knowledge that it was likely to cause harm.
১০,৪২১.
দণ্ডিত ব্যক্তির দন্ড স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী 
  2. সরকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. খ+গ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৪০১ ধারা সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ মতে সরকার ও রাষ্ট্রপতি উভয়ের ক্ষমতা আছে।
১০,৪২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৫ অনুযায়ী কে তদন্তের সময় তল্লাশী পরিচালনা করবেন?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৫ অনুযায়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা তল্লাশী পরিচালনা করবেন।

• তদন্তের সময় তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে ধারা ১৬৫ অনুযায়ী কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের সময় যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করেন যে-
অপরাধ সম্পর্কে তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় কোন জিনিস কোন স্থানে পাওয়া যাবে এবং অহেতুক বিলম্ব ব্যতীত অন্য কোনভাবে উক্ত জিনিস সংগ্রহ করা যাবে না,তখন উক্ত কর্মকর্তা তার এরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করে,উক্ত থানার সীমানার মধ্যে অবস্থিত যে কোন স্থানে সেই জিনিসের জন্য তল্লাশি পরিচালনা করবেন।
তিনি যদি নিজের তল্লাশি,পরিচালনা করতে অসমর্থ হন তাহলে তার অধস্তন কোন কর্মকর্তাকে তল্লাশি করতে বলবেন।১০২ ও ১০৩ ধারায় বর্ণিত তল্লাশি সম্পর্কিত সাধারণ বিধানসমূহ যথাসম্ভব এই ধারানুসারে পরিচালিত তল্লাশির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
১০,৪২৩.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল ________ জন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত।
ব্যাখ্যা
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল:
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের গঠনকারী প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠন হবে ৩ জন সদস্যের সমন্বয়ে।
২. তিনজন সদস্যদের মধ্যে ২ জন থাকবে বার কাউন্সিলের সদস্য যারা বার কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবে।
৩. অপর একজন সদস্য হবে বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে থেকে একজন যাকে মনোনয়ন দিবে বার কাউন্সিল।
৪. তিন সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ্য হবেন তিনি হবেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান।
৫. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল কোনো ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না।
১০,৪২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৭ অনুসারে, অ-আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি তার নাম ও ঠিকানা দিতে অস্বীকার করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে কী করা যাবে?
  1. তাকে সতর্ক করা হবে
  2. তাকে গ্রেপ্তার করা যাবে
  3. তাকে জরিমানা করা হবে
  4. তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৭(১) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি একজন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোনো অ-আমলযোগ্য অপরাধ (non-cognizable offence) করে বা করতে অভিযুক্ত হয় এবং সেই অফিসারের দাবি করলে তার নাম ও ঠিকানা দিতে অস্বীকার করে অথবা মিথ্যা নাম বা ঠিকানা দেয়, তাহলে পুলিশ অফিসার তার নাম ও ঠিকানা নির্ণয়ের উদ্দেশ্যে তাকে গ্রেপ্তার করতে পারবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান,নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
(২) এধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।
(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-57.Refusal to give name and residence:
(1) When any person who in the presence of a police-officer has committed or has been accused of committing a non-cognizable offence refuses, on demand of such officer, to give his name and residence or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he may be arrested by such officer in order that his name or residence may be ascertained. 
(2) When the true name and residence of such person have been ascertained, he shall be released on his executing a bond, with or without sureties, to appear before a Magistrate if so required: 
Provided that, if such person is not resident in Bangladesh, the bond shall be secured by a surety or sureties resident in Bangladesh. 
(3) Should the true name and residence of such person not be ascertained within twenty-four hours from the time of arrest or should he fail to execute the bond, or, if so required, to furnish sufficient sureties, he shall forthwith be forwarded to the nearest Magistrate having jurisdiction.

১০,৪২৫.
সাক্ষ্য আইনের ১০ নং ধারায় নিচের কোনটি সম্পর্কে বলা আছে?
  1. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
  2. শনাক্তকরণ প্যারেড
  3. অভিন্ন অভিপ্রায়
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০ নং ধারায় মতে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

♦ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention(অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।
১০,৪২৬.
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন বয়স কত হতে হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২১ বছর
  4. ২৫ বছর
ব্যাখ্যা

আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ:
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২৭ এ আলোচনা করা আছে। অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী-

১. তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
২. ২১ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে।
৩. বাংলাদেশের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
৪. বাংলাদেশের বাহিরে বার কাউন্সিল স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে, অথবা তাকে ব্যারিস্টার হতে হবে।
৫. তাকে বার কাউন্সিল নিধার্রিত পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হবে।
৬. নিধার্রিত পন্থায় বার কাউন্সিল নিধার্রিত ফি প্রদান করতে হবে।
৭. যিনি ন্যূনতম ৭ (সাত) বছর মোক্তার হিসেবে কাজ করেন, তিনি ২৭ অনুচ্ছেদের দফা ১ এর উপ দফা (ক), (খ), (ঘ), এবং (ঙ) দফার শর্তসমূহ পালন করে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারবেন।

১০,৪২৭.
মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কর্মদিবস কোনটি?
  1. ৩১ মে
  2. ৩১ জুন
  3. ১ লা জুলাই
  4. ৩০ জুন
ব্যাখ্যা
⇒ নির্বাচিত কমিটির মেয়াদকাল হবে ৩ বছর। মেয়াদ শেষ হবার বছরে ৩১ শে মে অথবা তার পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য বার কাউন্সিল গঠিত হবে।
 
- অর্থাৎ মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কার্য দিবস হচ্ছে ৩০ জুন।
-----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972, Article-4: Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.
১০,৪২৮.
ব্যভিচারের ক্ষেত্রে স্ত্রী লোকটিকে হইতে হইবে?
  1. নাবালিকা
  2. সাবালিকা
  3. অবিবাহিত
  4. বিবাহিতা/ অন্য লোকের স্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচার:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

⇒ Section 497. Adultery:- Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.
১০,৪২৯.
একজন এ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিস্কার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় কার নিকট?
  1. আপিল বিভাগ
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আইন মন্ত্ৰী
ব্যাখ্যা
♦ অনুচ্ছেদ-৩৬: অনুচ্ছেদ ৩৪ এর অধীন কোন আদেশ দেয়া হলে উক্ত আদেশের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
♦ অর্থাৎ একজন এ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিস্কার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়  ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে।
১০,৪৩০.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, কোন মহিলার শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কোন মহিলার শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে তার ওপর আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

- দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১০,৪৩১.
একটি মামলার বিচার চলাকালীন ম্যাজিস্ট্রেট প্রমাণের অভাবে, শাস্তির রায় না দিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেন এবং অভিযুক্তকে মুক্তি দেন। ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে তা করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৭০
  2. ধারা ২৪৭
  3. ধারা ২৪৯
  4. ধারা ৩৭৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোনো পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।
উল্লেখ আছে,
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।

Section-249: Power to stop proceedings when no complainant:
In any case instituted otherwise than upon complaint, a Metropolitan Magistrate, a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate, may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.
১০,৪৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সরকার নিযুক্ত বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট সাক্ষী হিসেবে না ডেকেই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫১০
  3. ধারা ৫১১
  4. ধারা ৫১২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫১০ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কেমিক্যাল এক্সামিনার, সহকারী কেমিক্যাল এক্সামিনার, সেরোলজিস্ট, হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞ, আঙুলের ছাপ বিশেষজ্ঞ বা আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট – সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা ছাড়াই – যেকোনো তদন্ত, বিচার বা কার্যক্রমে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮:- ধারা: ৫১০: রাসায়নিক পরীক্ষক, সেরোলজিস্ট ইত্যাদির রিপোর্ট:
- এই বিধির অধীনে কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যধারার সময় কোনো বিষয় বা জিনিস পরীক্ষা বা বিশ্লেষণ এবং রিপোর্ট করার জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কোনো রাসায়নিক পরীক্ষক বা সহকারী রাসায়নিক পরীক্ষক বা কোনো সেরোলজিস্ট, হস্তলিপি বিশেষজ্ঞ, আঙুলের ছাপ বিশেষজ্ঞ বা আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের স্বাক্ষরযুক্ত একটি রিপোর্ট বলে বিবেচিত কোনো নথি, তাকে সাক্ষী হিসাবে তলব না করেই, এই বিধির অধীনে যেকোনো তদন্ত, বিচার বা অন্যান্য কার্যধারায় প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। 
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 510. Report of Chemical Examiner, serologist, etc:
- Any document purporting to be a report under the hand of any Chemical Examiner or Assistant Chemical Examiner to Government or any serologist, handwriting expert, finger print expert or fire-arm expert appointed by the Government, upon any matter or thing duly submitted to him for examination or analysis and report in the course of any proceeding under this Code, may, without calling him as a witness, be used as evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code.

১০,৪৩৩.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতা ________ বছর।
  1. ১০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন, যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
১০,৪৩৪.
The summons mentioned in the Rule 4 of Order 15 must be issued for-
  1. Examination of witnesses
  2. Final disposal of the suit
  3. Settlement of preliminary issues
  4. Taking written statements
ব্যাখ্যা

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.

আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

১০,৪৩৫.
কোন ক্ষেত্রে একটি দেওয়ানী আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে
  2. প্রতিরোধমূলক প্রতিকারের ক্ষেত্রে
  3. দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে
  4. সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ বিবেচনামূলক ক্ষমতা বা Discretionary power বলতে আদালতের এমন ক্ষমতাকে বোঝায় যা আদালত তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রয়োগ করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে কোন আদেশ প্রদান করতে আদালত বাধ্য নয়; অর্থাৎ আদালত সন্তুষ্ট হলে কোন আদেশ প্রদান করতে পারে আবার নাও পারে। বিচারকের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই আইন ও ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজের অধিকারের সীমার মধ্যে থেকে প্রয়োগ করতে হবে। বিবেচনামূলক ক্ষমতা যথেচ্ছা বা খুশিমত ব্যবহার করা যায় না।

⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (ধারা-১২);
ii) দলিল সংশোধন, বাতিল, এবং রদ (ধারা ৩১-৩৯);
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি বা ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২-৪৩);
iv) রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (ধারা-৪৪);
v) প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (ধারা-৫২); এবং
vi) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা-৫৩ থেকে ৫৫)

⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। যথা-
i) সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা-৮); এবং
ii) স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা-৯)।

⇒ যেহেতুে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
⇒ উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্র ব্যতীত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় অন্যান্য প্রতিকারের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
১০,৪৩৬.
বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১) অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটি হিসেবে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. নির্বাহী কমিটি
  2. আর্থিক কমিটি
  3. এনরোলমেন্ট কমিটি
  4. আইন শিক্ষা কমিটি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: গ) এনরোলমেন্ট কমিটি।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১) অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটিগুলো হলো:
ক) নির্বাহী কমিটি
খ) আর্থিক কমিটি
ঘ) আইন শিক্ষা কমিটি
এই অনুচ্ছেদে এনরোলমেন্ট কমিটি-এর কোনো উল্লেখ নেই। তাই এটি বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ - অনুচ্ছেদ ১১:
(১) বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি গঠন করবে:
(ক) একটি নির্বাহী কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(খ) একটি অর্থ কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(গ) একটি আইন শিক্ষা কমিটি, যা নয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে—যার মধ্যে পাঁচজন কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং চারজন কাউন্সিল কর্তৃক কো-অপ্টেড (co-opted) হবেন, যারা কাউন্সিলের সদস্য নন। এই চারজনের মধ্যে কমপক্ষে দুজন বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক হবেন।
(২) উল্লিখিত কমিটিগুলোর ক্ষমতা ও কার্যাবলী যেরূপ নির্ধারণ করা হবে, সেরূপ হবে।
(৩) বার কাউন্সিল এই আদেশের অধীনে তার কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন মনে করলে তার সদস্যদের মধ্য থেকে অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারবে।
---------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.
১০,৪৩৭.
আদেশ ২৬ বিধি ১৭ অনুযায়ী, কমিশনারের অধীনে সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে কমিশনারকে কী হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. আইনজীবী
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকারি কর্মচারী
  4. দেওয়ানি আদালত
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের উপস্থিতি ও জবানবন্দি প্রদান:
১) সমন, হাজিরা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর আরোপিত জরিমানাদি সংক্রান্ত এই আইনের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক না কেন উক্ত কমিশন কর্তৃক এ আদেশের অধীনে সাক্ষ্য প্রদান করার নিমিত্তে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানি আদালত বলে বিবেচিত হবে

২) যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোন সাক্ষী বসবাস করে তিনি প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলে সে সাক্ষী বরাবর বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট ডিভিশন নয়) কমিশনার আবেদন করতে পারেন এবং উক্ত আদালতের ঐচ্ছিক ক্ষমতায় যুক্তিসঙ্গত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে।
১০,৪৩৮.
বার কাউন্সিল নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী তফশিল কতদিন পূর্বে চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রকাশ করতে হবে? 
  1. ২১ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর বিধি ৩ অনুসারে, বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে নির্বাচনের তারিখের সর্বনিম্ন ৪৫ দিন পূর্বে নির্বাচনী তফশিল সরকারি গেজেটে প্রকাশ করতে হবে। এই তফশিলে নির্বাচন প্রস্তাব জমার শেষ তারিখ, প্রস্তাব যাচাই-বাছাইয়ের তারিখ, ভোটগ্রহণের তারিখ, নির্বাচনে আপত্তি দায়েরের তারিখ এবং আপত্তি নিষ্পত্তির তারিখ উল্লেখ করতে হবে।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর ৩ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের নির্বাচনের সর্বনিম্ন ৪৫ দিন পূর্বে, বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান নির্বাচনের তফশিল প্রকাশ করবে।

--------------
Election of Members of the Bar Council
- Rules-3. The Chairman shall [at least 45 days before the election of the Bar Council], publish a programme of the election of members of the Bar Council in the official Gazett specifying -
(a) the date not being a day within ten days of th Notification by which proposals for election are to be delivered at the office of the Bar Council;
(b) the date for the scrutiny of such proposals;
(c) the date or dates on which voting shall take place;
(d) the date by which objections to election shall be filed;
(e) the date on which objection shall be taken up for the time by the Election Petition Committee at the office the Bar Council;

১০,৪৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে কোন ধরণের মামলার ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে কোনো মহিলাকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না?
  1. অর্থ মামলা
  2. বাটোয়ারার মামলা
  3. অগ্রক্রয়ের মামলা
  4. স্বত্ত্বের ঘোষণার মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৬ ধারা- টাকার ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
এই খণ্ডে অন্য কোন বিধান থাকা সত্ত্বেও আদালত টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেপ্তার বা আটক রাখার আদেশ প্রদান করবে না।
---------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 56- Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
১০,৪৪০.
যে উদ্দেশ্য সম্পত্তি ব্যবহারে অধিকারী তা ভিন্ন অন্য উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ব্যবহার করা হলে, উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরে তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী,
যদি কেউ এমন কোনো সম্পত্তি নির্দিষ্ট একটি উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অধিকার পায়, কিন্তু সে সেই উদ্দেশ্য ভঙ্গ করে অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করে, তাহলে এটি "misuse of property" বা "অধিকার লঙ্ঘন" হিসেবে গণ্য হয়।

এই ধরনের পরিস্থিতিতে, যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি ক্ষতির বিষয়টি যেদিন জানতে পারেন, সেদিন থেকেই ২ বছরের মধ্যে আদালতে মামলা (Suit) দায়ের করতে পারবেন।

১০,৪৪১.
কোন আদালত এক তরফা অন্তবর্তীকালীন আদেশ প্রদান করবে না-
  1. যে-সরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে
  2. সরকারের বিরুদ্ধে
  3. বে-সরকারী বিবাদীর বিরুদ্ধে
  4. কারও বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক বিধান অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim or temporary injunction without hearing the opposite party):

কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।
১০,৪৪২.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৭ অনুসারে, শাস্তির মেয়াদের ভগ্নাংশ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে কী হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৫০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা অনুযায়ী, শাস্তির মেয়াদ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ৩০ বছর কারাদণ্ডের সমান বলে গণ্য হবে।
- সুতরাং দণ্ডবিধির ধারা ৫৭ অনুযায়ী, শাস্তির মেয়াদের ভগ্নাংশ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছরের কঠোর কারাদণ্ড হিসেবে ধরা হয়।
---------
 ⇒ The Penal Code,1860- Section 57: Fractions of terms of punishment:
- In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.

১০,৪৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা কোন তফসিলে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২য় তফসিল
  2. ৩য় তফসিল
  3. ৪র্থ তফসিল
  4. ৫ম তফসিল
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতার বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে। এই তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণ কী ধরনের আদেশ দিতে পারেন বা কতটুকু ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, তা নির্ধারিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:
১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল। 
২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে। 
৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে। 
৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে। 
৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

১০,৪৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারা অনুযায়ী আদালত যদি মনে করে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি চার্জের ভুলের কারণে বিভ্রান্ত হয়েছে, তবে আদালত কী করতে পারেন?
  1. দণ্ডাদেশ বহাল রাখবেন
  2. নতুন বিচার নির্দেশ দেবেন
  3. আসামিকে অব্যাহতি দেবেন
  4. চার্জ সংশোধন করে পুনরায় তদন্ত করবেন
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) নতুন বিচার নির্দেশ দেবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার বিধান চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেওয়া হয়েছে-
১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তাহলে উক্ত আদালত যে-রূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।
২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলি এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলির ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।
-----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 232: Effect of material error:
(1) If any Appellate Court, or the High Court Division in the exercise of its powers of revision or of its powers under Chapter XXVII, is of opinion that any person convicted of an offence was misled in his defence by the absence of a charge or by an error in the charge, it shall direct a new trial to be had upon a charge framed in whatever manner it thinks fit.
(2) If the Court is of opinion that the facts of the case are such that no valid charge could be preferred against the accused in respect of the facts proved, it shall quash the conviction.
১০,৪৪৫.
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য 'ক' তার হিসাবের খাতা দেখালো। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই হিসাবের খাতা প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৪১ ধারা
  3. ৪৭ ধারা
  4. ৪৯ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী, ব্যবসায়িক কারণে হিসেবের খাতায় যা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে তা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসাবে গণ্য।

৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা রাখা হয়, উক্ত খাতায় লিখিত কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

যেমন-
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে, তবে 'খ' এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।

Section 34⇒ Entries in books of account or digital record when relevant:
Entries in books of account or digital record, regularly kept in the course of business, are relevant whenever they refer to a matter into which the Court has to inquire, but such statements shall not alone be sufficient evidence to charge any person with liability.

Illustration-
A sues B for Taka 1,000, and shows entries in his account books showing B to be indebted to him to this amount. The entries are relevant, but are not sufficient, without other evidence, to prove the debt.
১০,৪৪৬.
তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুসারে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
  3. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
 ⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
 
⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
-------------
The Limitation Act, 1908 Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
১০,৪৪৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় বিকল্প/লটকাইয়া সমন জারির বিধান আছে?
  1. আদেশ ৫ বিধি ১৫
  2. আদেশ ৫ বিধি ১৬
  3. আদেশ ৫ বিধি ২০
  4. আদেশ ৫ বিধি ২৬
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৫ এর বিধি ২০ অনুযায়ী বিকল্প বা লটকাইয়া সমন জারির বিষয়ে বিধান আছে।
⇒ আদালত যদি যুক্তি সঙ্গত কারনে বিশ্বাস করে যে, বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে আছে বা অন্য কোন কারনে সমন জারি করা যাচ্ছে না তাহলে আদালত সমন লটকাইয়া /বিকল্প জারির আদেশ দিতে পারেন।
⇒ বিবাদীর বাসগৃহে বা সর্বশেষ বসবাস স্থানে/ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে লটকাইয়া সমন জারি করা যায়।
⇒ যখন আদালত উপ-বিধি (১) অনুযায়ী সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমন জারির আদেশ দান করে, তখন উক্ত সংবাদপত্রটি হতে হবে দৈনিক সংবাদপত্র, যার প্রচার অনুরূপ স্থানে থাকতে হবে সেখানে বিবাদি সর্বশেষ জ্ঞাত ঠিকানায় প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করে বা ব্যবসা পরিচালনা করে বা ব্যক্তিগত লাভের নিমিত্তে কাজ করে বলে জানা যায়।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে তা বিবাদির উপর ব্যক্তিগতভাবে জারি করার মতই কার্যকরী হবে।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে সেক্ষেত্রে আদালত ক্ষেত্রবিশেষে বিবাদির হাজিরার জন্য আদালত যথোপযুক্ত সময় নির্ধারিত করবে।
---------------
⇒ Order-5 Rule-20: Substituted service:
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit. 
(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.
⇒Effect of substituted service:
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.

⇒Where service substituted, time for appearance to be fixed:
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require.
১০,৪৪৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-১৮৭৭-এর কোন ধারায় চুক্তি বাতিল/রদ বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩৩ ধারা
  3. ৩৫ ধারা
  4. ৩৬ ধারা
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-১৮৭৭-এর ৩৫ ধারায় লিখিত চুক্তি বাতিল/রদ বিষয়ে বলা হয়েছে।
- তামাদি আইনের ১১৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ১ বছরের মধ্যে চুক্তি বাতিলের আবেদন করতে হয়।
- চুক্তিতে স্বার্থ আছে এমন যে কোন ব্যক্তি চুক্তি বাতিলের জন্য মোকদ্দমা করতে পারে।
১০,৪৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কখন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারবেন না?
  1. দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা
  2. জনসাধারণের শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা
  3. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
  4. মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোনো ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশঙ্কা,
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারণের শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা ;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা ; এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে

-  স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
অর্থাৎ ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ করতে ১৪৪ ধারা জারি করতে হয় না তখন ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলি অনুসরণ করা হয় । যথা-
i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরি পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।
⇒ ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
১০,৪৫০.
নিচের কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. সালিশী আদালতে
  2. স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে
  3. আপীল বিভাগীয় বিচারে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন যে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না:

⇒ সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army (সেনাবাহিনী) Act, 1962 অথবা The Naval Discipline (নৌ-শৃঙ্খলা) Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act (বিমান বাহিনী আইন), 1953 এর ক্ষেত্রে;

ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;

iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে;

iv) তদন্ত বা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে; এবং

ⅳ) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়।

---------------------------
⇒ Extent
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the [Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953] but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator;
১০,৪৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারে অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, অভিযুক্তের জিজ্ঞাসাবাদ ও রায় ঘোষণা একই অধিবেশনে সম্পন্ন করা যেতে পারে?
  1. ধারা ২৬০
  2. ধারা ২৬২
  3. ধারা ২৬৪
  4. ধারা ২৬৪ক 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ (Act No. V of 1898)-এর দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২৬৪ক (Section 264A) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, সংক্ষিপ্ত বিচারে (summary trials) নিম্নলিখিত প্রক্রিয়াগুলো, যদি সম্ভব হয়, একই অধিবেশনে সম্পন্ন করা যেতে পারে:
- অভিযোগ গঠন (framing of charges),
- সাক্ষ্যগ্রহণ (recording of evidence),
- ধারা ৩৪২-এর অধীনে অভিযুক্তের জিজ্ঞাসাবাদ (examination of the accused),
- এবং রায় ঘোষণা (pronouncement of judgment)।
এই বিধান ধারা ২৬২-এর বিপরীতে প্রযোজ্য এবং আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে যেকোনো স্থানে এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করার অনুমতি দেয়।
------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-264A. Special procedure for summary trials.- Notwithstanding anything contained in section 262, the framing of charges, recording of evidence, examination of the accused under section 342, and pronouncement of judgment may, if practicable, be completed in the same session at any place within the jurisdiction of the Court.

১০,৪৫২.
কোনো মোকদ্দমায় একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হলে-
  1. জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন
  2. আদালত নির্ধারন করে দিবে কে মামলা পরিচালনা করবে
  3. কনিষ্ঠ আইনজীবী পুরো মামলা পরিচালনা করবেন
  4. ৩য় কোনো আইনজীবীর নিকট মামলা পাঠানো হবে
ব্যাখ্যা
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর প্রথম অধ্যায়: আইনজীবীদের প্রতি আচরণ:

১. পেশার সম্মান ও মান:
সকল আইনজীবীর পেশার সম্মান ও উচ্চ মান বজায় রাখা এবং নিজের মর্যাদা রক্ষা করা কর্তব্য।

২. বিজ্ঞাপন নিষেধ:
বিজ্ঞাপন বা অন্য কোন উপায়ে কাজ পাওয়ার চেষ্টা নিষেধ। তবে ভিজিটিং কার্ড, নেইমপ্লেট বা ডিরেক্টরীতে নাম ও পেশাদারী পরিচয় প্রকাশ করা যেতে পারে।

৩. বেতনাদির বিনিময় নিষেধ:
কাজ যোগাড়ের জন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া বা বেতন দেয়া নিষেধ। লাইসেন্সবিহীন ব্যক্তির সাহায্য বা বিনিময় গ্রহন নিষেধ।

৪. বির্তকিত বিষয় আলোচনা:
কোনো পক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে বা অনুমতি ছাড়া বির্তকিত বিষয় আলোচনা করা নিষেধ।

৫. প্রকাশ্য আদালতের বাইরে আলোচনা নিষেধ:
প্রকাশ্য আদালতের বাইরে বিরোধী পক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে মামলার বিষয়বস্তু আলোচনা নিষেধ।

৬. মক্কেলের অধিকার:
মক্কেল একাধিক আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারেন। তবে বর্তমান আইনজীবীর ফি পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত অন্য আইনজীবী মামলা গ্রহণ করবেন না।

৭. ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব:
মামলার পক্ষভুক্তদের মধ্যে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব আইনজীবীদের আচরণে প্রভাবিত করা উচিত নয়।

৮. ফি ভাগাভাগি:
আইনী সেবার বিনিময়ে অর্জিত ফি ভাগাভাগি অনুচিত। তবে চুক্তি অনুযায়ী ফি বিভাজন করা যেতে পারে।

৯. অগ্রাধিকার ও সৌজন্য:
আদালতের কর্মকান্ডে এটর্নী জেনারেল ও এডভোকেট জেনারেলের অগ্রাধিকার রক্ষা করতে হবে। সিনিয়ার এডভোকেটদের অগ্রাধিকার ও ঐতিহ্য বজায় রাখা উচিত।

১০. নবীনদের সম্মান:
শিক্ষানবীশ ও নবীন আইনজীবীদের প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। প্রবীণ আইনজীবীরা নবীনদের সহযোগিতা করবেন।

১১. জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ আইনজীবীর ভূমিকা:
একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হলে, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলার পরিচালনা করবেন এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী সহযোগিতা করবেন।
১০,৪৫৩.
আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর বার্ষিক কত % হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. অনধিক ৫%
  2. অনধিক ৬%
  3. অনধিক ৮%
  4. অনধিক ৪%
ব্যাখ্যা
• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

ধারা ৩৫ (মোকদ্দমার খরচ)-

১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলী ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।

২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না, তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।

৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
১০,৪৫৪.
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি _________ নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
  1. চুক্তি আইনে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধিতে
  3. ব্যক্তিগত আইনে
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
১০,৪৫৫.
What does Section 7 of the Specific Relief Act state regarding penal laws?
  1. Penal laws must be enforced through specific relief.
  2. Penal laws cannot be enforced through specific relief.
  3. Penal laws are always enforceable through the courts.
  4. Penal laws are only enforceable with monetary damages.
ব্যাখ্যা
• Section 7- Relief not granted to enforce penal law:
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে-
দণ্ডমূলক আইন বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
১০,৪৫৬.
যদি মনুষ্য বসবাসের স্থান, দালান বা তাঁবুতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ (criminal trespass) হয় তাহলে তাকে কি বলে?
  1. রাত্রি বেলায় অপথে গৃহপ্রবেশ
  2. সূর্যাস্তের পরে এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে অপথে গৃহপ্রবেশ
  3. অপথে গৃহপ্রবেশ
  4. অনধিকার গৃহপ্রবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান  অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।

⇒ অনধিকার গৃহ-প্রবেশ (House-trespass)- কোন ব্যক্তির গৃহে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করলে তা অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে গণ্য হবে।
⇒ ৪৪২ ধারায় গৃহ বলতে দালান (building), তাঁবু (tent), জাহাজ (vessel) বা নৌকাকে বোঝায় যা মানুষের বসবাস, সম্পত্তি সংরক্ষণ অথবা উপাসনার (place for custody of property or for worship) জন্য ব্যবহৃত হতে হবে।
⇒ অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।
-------------
Section 442. House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".

Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.
১০,৪৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯ ধারা অনুযায়ী জবানবন্দি বা দলিল পেশ করা হলে,উক্ত বিষয়ে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কে কমিশন নিয়োগ করতে পারে?
  1. তদন্ত বা বিচার অনুষ্ঠানকারী আদালত
  2. তদন্তকারী আদালত
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার
  4. বিচারিক আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮৯(জবানবন্দীর নকল ও পেশকৃত দলিলসমূহ সাক্ষ্য রূপে গ্রহণ করতে নির্দেশ দেবার ক্ষমতা)-

যেক্ষেত্রে ধারা-১৮৮(দেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে) এ বর্ণিত কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচার হয়,সেক্ষেত্রে সরকার সঠিক মনে করলে নির্দেশ দিতে পারবেন যে,যেই স্থানে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে মর্মে অভিযোগ করা হয়েছে,সেই এলাকায় বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা বরাবর যে সাক্ষ্য প্রদান করা হয়েছে,উহার প্রতিলিপি অথবা যেসব দলিলাদি পেশ করা হয়েছে তা তদন্ত বা বিচার অনুষ্ঠানকারী আদালত কর্তৃক সেসব ক্ষেত্রে প্রমাণ রূপে গৃহীত হবে,যেসব ক্ষেত্রে উক্ত আদালত উক্ত জবানবন্দি বা দাখিল সম্বন্ধীয় বিষয়ে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন নিযুক্ত করতে পারেন।

[Whenever any such offence as is referred to in section 188 is being inquired into or tried,the Government may,if it thinks fit,direct that copies of depositions made or exhibits produced before a judicial officer in or for the territory in which such offence is alleged to have been committed shall be received as evidence by the Court holding such inquiry or trial in any case in which such Court might issue a commission for taking evidence as to the matters to which such depositions or exhibits relate.]
১০,৪৫৮.
তামাদি আইনের ১৯ ধারা অনুসারে, নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনার জন্য কী শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. প্রাপ্তি স্বীকার লিখিত হতে হবে
  2. প্রাপ্তি স্বীকার স্বাক্ষরিত হতে হবে
  3. প্রাপ্তি স্বীকার তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে হতে হবে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয়, সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
- লিখিত হতে হবে,
- উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে,
- অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে,
- উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।
-------------------------
⇒ The Limitation Act:- Section-19. Effect of acknowledgement in writing:

(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed. 

(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received. 

Explanation I - For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time 
for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right. 
Explanation II - For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf. 
Explanation III - For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
১০,৪৫৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় কোন বিষয়ের ওপর আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন?
  1. দলিলের ভাষার সৌন্দর্য
  2. দলিলটি কে প্রস্তুত করেছেন
  3. দলিলের উদ্দেশ্য ও আইনি ফলাফল
  4. দলিলের স্বাক্ষরকারীদের পরিচয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী, আদালত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে দুটি প্রধান বিষয় অনুসন্ধান করতে পারেন—
১) দলিলের উদ্দেশ্য (Intended Meaning): দলিলটি রচনার সময় পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তা বিচার করা হয়।
২) দলিলের আইনি ফলাফল (Legal Consequences): দলিল অনুযায়ী কী ধরনের আইনি অধিকার বা বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল, সেটিও আদালত বিবেচনায় নেন।
- এই অনুসন্ধান শুধুমাত্র দলিলের ভাষার উপর সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রকৃত উদ্দেশ্য ও আইনি পরিণতির ওপর ভিত্তি করে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
- In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
১০,৪৬০.
কোন ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ অপরিহার্য উপাদান নয়?
  1. চুরি
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. ডাকাতি
  4. দস্যুতা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:

(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা।
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।

 অর্থাৎ চুরির ক্ষেত্রে বলপ্রয়োেগ অপরিহার্য উপাদান নয়। 
অন্যদিকে বলপূর্বক গ্রহণ, দস্যুতা, ডাকাতির ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ অপরিহার্য উপাদান। 
----------------
Theft:

Section 378. Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
 
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
 
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
 
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
 
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
 
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
১০,৪৬১.
নিম্নোক্ত দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় মোকদ্দমার খরচ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৩
  2. ধারা ৩৫
  3. ধারা ৩৮
  4. ধারা ৪০
ব্যাখ্যা
• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে।খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

ধারা-৩৫ (মোকদ্দমার খরচ)

১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলী ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে।এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।

২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না,তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।

৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
১০,৪৬২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪-এর অধীনে নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. আদালতের রায়
  2. ব্যবসায়িক চুক্তি
  3. সরকারের আদেশ
  4. ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪-এর অধীনে সরকারি দলিল (Public Documents) বলতে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা, ট্রাইব্যুনাল বা আইন প্রণয়নকারী/বিচার বিভাগীয়/শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার কার্যাবলি বা রেকর্ডকে বোঝায়। আদালতের রায় (ক), সরকারের আদেশ (গ) এবং ট্রাইব্যুনালের রেকর্ড (ঘ) সরকারি দলিলের অন্তর্গত। কিন্তু ব্যবসায়িক চুক্তি (খ) একটি ব্যক্তিগত দলিল, যা সরকারিভাবে সংরক্ষিত না হলে সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হয় না।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

১০,৪৬৩.
প্রশ্নের মধ্যেই তার উত্তর দেওয়া হলে তাকে কী বলে?
  1. প্রমানিত প্রশ্ন
  2. ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন
  3. পুনঃজবানবন্দী
  4. জেরার
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তাহার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাহাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয় ৷

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাইবে নাঃ বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।

যেসকল বিষয় ভুমিকামূলক অথবা অবিসংবাদিত অথবা পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হইয়াছে বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই সকল বিষয় সম্পর্কে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করিবার অনুমতি আদালত অবশ্যই দিবেন।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন যখন করা যাইতে পারেঃ জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।

♦ অর্থাৎ প্রশ্নের মধ্যেই তাহার উত্তর দেওয়া হলে তাহাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলে।
১০,৪৬৪.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কিভাবে মঞ্জুর করা যায়?
  1. ডিক্রির মাধ্যমে
  2. মোকদ্দমা চলাকালীন যে কোন সময়ে
  3.  মোকদ্দমার শুরুতে
  4. মোকদ্দমার শেষে আদেশের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
-----------------------
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

১০,৪৬৫.
খুনের শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন
  2. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন
  3. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন ও তদুপরি অর্থদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন এবং তদুপরি অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৩০২ ধারার বিধান অনুসারে খুনের অপরাধে অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন এবং উভয়ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান আছে।অপশন ক ও খ অসম্পূর্ণ, কারণ অর্থদণ্ডের কথা উল্লেখ নাই। ঘ নং অপশনে মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবন লেখা আছে যা সম্ভব নয়। কারণ একজন ব্যক্তিকে একসাথে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের দণ্ডে দন্ডিত করা সম্ভব নয়।
১০,৪৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২ অনুযায়ী, কোন ম্যাজিস্ট্রেট অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২ অনুযায়ী, যদি কোনো নারী বা ১৬ বছরের নিচে কোনো বালিকাকে অপহরণ বা অবৈধভাবে আটক করার অভিযোগ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট শপথপূর্বক অভিযোগ আকারে আনা হয়, তাহলে তারা ঐ নারীকে তার স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে অথবা ঐ বালিকাকে তার স্বামী, মাতা-পিতা বা আইনগত অভিভাবকের নিকট ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
এছাড়া, প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আদেশ কার্যকর করার ক্ষমতাও এই ম্যাজিস্ট্রেটদের রয়েছে।
- সুতরাং, ধারা ৫৫২ অনুযায়ী উল্লিখিত সকল ম্যাজিস্ট্রেট (জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট) এই আদেশ প্রদানের ক্ষমতা রাখেন। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সকলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বে-আইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898-Section 552- Power to compel restoration of abducted females
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
১০,৪৬৭.
ডিক্রি তৈরির ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন বিষয়গুলো উল্লেখ থাকতে হবে?
  1. মোকদ্দমার ব্যয়ের বিবরণ
  2. মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ
  3. দাবির বিবরণ এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।

২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।

৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।

Order 20 Rule 6: Contents of decree:
1) The decree shall agree with the judgment; it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.
2) The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.
3) The Court may direct that the costs payable to one party by the other set-off against any sum which is admitted or found to be due from the shall be set-off former to the latter.
১০,৪৬৮.
নিচের কোনটি পদ্ধতিগত আইন নয়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি
  2. সাক্ষ্য আইন
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
  4. তামাদি আইন
ব্যাখ্যা
♦যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন।

♦ কিন্তু এই অপরাধের বিচার পদ্ধতি দণ্ডবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের বিচার করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধিতে। এই কারণে ফৌজদারী কার্যবিধি হলো পদ্ধতিগত আইন।
১০,৪৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারায় কে আটককৃত মালামাল বিক্রির আদেশ দিতে পারে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. জব্দকারী পুলিশ অফিসার
  4. সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী-
আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
১০,৪৭০.
একাধিক ব্যক্তিকে কখন মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করা যায়?
  1. দাবি করা প্রতিকার একই না হলে
  2. দাবি করা প্রতিকার একই কার্য থেকে সৃষ্টি হলে
  3. ন্যায় বিচার বিঘ্ন হলে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মোকদ্দমায় দুই ধরণের পক্ষ থাকে। যথা-
১. বাদী পক্ষ
২. বিবাদী পক্ষ 

• মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-

১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। [বিধি ১-৩]

উদহারণ-'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে । এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
১০,৪৭১.
দেওয়ানী মামলার আরজি বাতিল (rejection of plaint) হবে কোন ক্ষেত্রে?
  1. তামাদি বারিত হলে
  2. পর্যাপ্ত কোর্ট ফি প্রদত্ত না দেয়া হলে
  3. Res judicata বারিত হলে
  4. এখতিয়ারবিহীন আদালতে মামলা করা হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখানের কারণগুলো দেয়া রয়েছে। দেওয়ানী আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-

(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে;
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে;
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে;
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।

উল্লেখ্য,
পর্যাপ্ত কোর্ট ফি প্রদত্ত না হলে আদালত নির্ধারিত সময় দিবে এর মধ্যে জমা দিতে, Res judicata দ্বারা বারিত হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে এবং এখতিয়ারবিহীন আদালতে মামলা করা হলে আরজি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া হবে। তাই অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে অপশন 'ক' উত্তর নেয়া হয়েছে।
১০,৪৭২.
The Limitation Act, 1908 এর কত ধারায় “আবেদনকারী” (Applicant)- কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ২(৪)
  2. ধারা ২(৩)
  3. ধারা ২(২)
  4. ধারা ২(১)
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908 এর সংজ্ঞাসমূহ (ধারা ২):
এই আইনে, যদি প্রেক্ষাপট বা বিষয়বস্তুর সাথে অসামঞ্জস্য না থাকে, তাহলে—

১. “আবেদনকারী” (Applicant): আবেদনকারীর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে আবেদনকারী তার আবেদন করার অধিকার লাভ করেছে।

২. “বিল অব এক্সচেঞ্জ” (Bill of Exchange): এর মধ্যে হুন্ডি ও চেক অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

৩. “বন্ড” (Bond): এমন কোনো দলিল, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যজনকে টাকা পরিশোধ করার অঙ্গীকার করে, এই শর্তে যে, নির্দিষ্ট কোনো কাজ সম্পাদিত হলে বা না হলে (যথাযথ ক্ষেত্রে), সেই অঙ্গীকার অকার্যকর হবে।

৪. “বিবাদী” (Defendant): এর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে কোনো বিবাদী তার দায়-দায়িত্ব অর্জন করেছে, অর্থাৎ যার কারণে তাকে মামলা করা যেতে পারে।

৫. “সুখাধিকার” (Easement): এমন একটি অধিকার যা চুক্তি থেকে উদ্ভূত নয়, কিন্তু যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যের জমি থেকে নিজের স্বার্থে মাটি, গাছপালা বা অন্য কোনো জিনিস অপসারণ করে ব্যবহার করতে পারেন।

৬. “বিদেশি দেশ” (Foreign Country): বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য যেকোনো দেশ।

৭. “সদ্ভাব” (Good Faith): কোনো কাজ যদি যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া সম্পাদিত হয়, তবে সেটি সদ্ভাবে (good faith) সম্পাদিত বলে গণ্য হবে না।

৮. “বাদী” (Plaintiff): এর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে মামলাকারী তার মামলা করার অধিকার অর্জন করেছে।

৯. “প্রমিসরি নোট” (Promissory Note): এমন একটি দলিল, যার মাধ্যমে নির্মাতা (maker) নিঃশর্তভাবে প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নির্দিষ্ট সময়ে, অথবা দাবির ভিত্তিতে, অথবা দর্শনের ভিত্তিতে অপর পক্ষকে পরিশোধ করবেন।

১০. “মোকদ্দমা” (Suit): এর মধ্যে আপিল বা আবেদন অন্তর্ভুক্ত নয়।

১১. “ট্রাস্টি” (Trustee): এর মধ্যে বেনামি মালিক (benamider), ঋণ পরিশোধের পরও দখলে থাকা বন্ধকগ্রহীতা (mortgagee), বা অবৈধভাবে দখলকারী (wrong-doer) অন্তর্ভুক্ত নয়।

১০,৪৭৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী প্রতিটি সমনে __________ স্বাক্ষর করবেন।
  1. আদালত
  2. বিচারক
  3. জারিকারক
  4. জেলা নাজির
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৫ বিধি ৩ অনুযায়ী " Every such summons shall be signed by the Judge or such officer as he appoints, and shall be sealed with the seal of the court" উপরোক্ত প্রত্যেকটি সমনে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকবে এবং উক্ত আদালতের সীলমোহরে মোহরাঙ্কিত থাকতে হবে।

♦ অর্থাৎ সমনে আদালতের সীল থাকবে এবং বিচারক বা নিযুক্ত অফিসারের কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
১০,৪৭৪.
আদেশ-৩৫, বিধি-২ এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. বাদীকে মামলার খরচ পরিশোধে বাধ্য করা
  2. বিবাদীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা
  3. আদালতের হেফাজতে দাবিকৃত বস্তুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা
  4. বাদীকে মামলার বিষয়ে সতর্ক করা
ব্যাখ্যা
আদেশ-৩৫, বিধি-২: দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদান-
যেক্ষেত্রে দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে তা অনুরূপভাবে আদালতে প্রদান করতে তলব করা যেতে পারে।

Order-35 Rule-2: Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.

⇒ আদেশ-৩৫, বিধি-২ এর মূল লক্ষ্য হল আদালতের হেফাজতে দাবিকৃত বস্তুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা, যাতে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি পর্যন্ত সেটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং পরবর্তীতে সুষ্ঠুভাবে নিষ্পত্তি করা যায়।
১০,৪৭৫.
দেওয়ানী আদালত কয়টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

⇒  ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
⇒  ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
১০,৪৭৬.
স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন প্রেরণের ক্ষেত্রে কমিশনারের প্রধান কাজ কী?
  1. সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করা
  2. সম্পত্তির তালিকা তৈরি করা
  3. সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করা
  4. সম্পত্তি বিভক্ত করে পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, Order 26, Rule 13 ও 14-এ স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা বিষয়ক বিধান দেওয়া হয়েছে।
-যেখানে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদান করা হয়, সেখানে আদালত একজন কমিশনার নিয়োগ করেন।
- কমিশনারের প্রধান দায়িত্ব হলো—আদালতের আদেশ অনুযায়ী সম্পত্তি বিভক্ত করে তা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করা।

বাটোয়ারার জন্য কমিশন:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৩: স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন:
যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে, বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, তার নিকট উক্ত ডিক্রিতে ঘোষিত অধিকার অনুসারে বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৪: কমিশনের কার্যপদ্ধতি:
(১) কমিশনার পয়োজনীয় তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশমূলে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সেই আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি বিভক্ত করবেন, এবং উক্ত অংশগুলি পক্ষগণের মধ্যে বন্টন করবেন এবং যদি উপরোক্ত আদেশমূলে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে থাকে, তবে বিভিন্ন অংশের মূল্যেল সমতা সাধনের জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারেন।
(২) কমিশনার তখন একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং স্বাক্ষর করবেন অথবা কমিশনারগণ (যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেতি হয়ে থাকে এবং তাকে একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষেরে অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উপরোক্ত আদেশের এরূপ নির্দেশিত হয়ে থাকে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি পৃথক করে আলাদা প্রতিবেদনসমূহ প্রস্তুত এবং স্বাক্ষর করবেন। উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনগুলি কমিশনের সাথে সংযুক্ত করে আদালত কর্তক নির্ধারিত অনুর্ধ তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরণ করতে হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনগুলি কমিশনের সাথে সংযুক্ত করে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনুর্ধ তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরণ করতে হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি প্রদান করলে তা শুনানির পরে আদলত উহা অনুমোদন পরিবর্তন বা বাতিল করবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদন ক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হলে সময় বর্ধিত করতে পারেন।
১০,৪৭৭.
নিম্নের কোন বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রি দেওয়া যায় না?
  1. আইনগত মর্যাদা
  2. পদের অধিকার
  3. সম্পত্তির অধিকার
  4. চুক্তি উদ্ভূত আইনগত অধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
 
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ কিন্তু চুক্তি উদ্ভূত আইনগত অধিকারে বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রি দেওয়া যায় না।
 
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।ঃ
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
১০,৪৭৮.
_________ may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা অনুসারে শুণ্যস্থানে কী বসবে?
  1. The High Court Division
  2. Any Sessions Judge
  3. The High Court Division or any Sessions Judge
  4. Any Sessions Judge or Additional Sessions Judge
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 435: Power to call for records of inferior Courts:
1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record.
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান- নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারী আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।
১০,৪৭৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির এর কত ধারায় "আইনজীবী" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২ (৮) ধারায়
  2. ২ (১০) ধারায়
  3. ২ (১৫) ধারায়
  4. ২ (১৮) ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(১৫)- আইনজীবী:
"আইনজীবী হলো এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আদালতে অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং সেই ব্যক্তির পক্ষে বক্তব্য রাখার অধিকারী।"

Section 2(15)-
"pleader" means any person entitled to appear and plead for another in Court.
১০,৪৮০.
"Power of superior officers of police"- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ধারা ৫৫০
  2. ধারা ৫৫১
  3. ধারা ৫৪৭
  4. ধারা ৫৫৯
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫১- ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের ক্ষমতা

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাঁর থানার এলাকার মধ্যে যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন পদের পুলিশ কর্মকর্তাগণও তারা যে স্থানীয় এলাকায় নিযুক্ত সেই এলাকার সর্বত্র সেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

Section 551- Power of superior officers of police

Police officers superior in rank to an officer in charge of a police-station may exercise the same powers, throughout the local area to which they are appointed, as may be exercised by such officer within the limits of his station.
১০,৪৮১.
সাক্ষ্য আইনে কয়টি বিষয়কে জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice) হিসেবে তালিকায় অন্তর্গত করা হয়ছে?
  1. ৩ টি
  2. ৭ টি
  3. ৯ টি
  4. ১১ টি
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে।

৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
------------------------
Facts of which Court must take judicial notice:
Section 57. The Court shall take judicial notice of the following facts:- 
(1) All Bangladesh Laws:
(2) Articles of War for the Armed Forces: 
(3) The course of proceeding of Parliament and of any Legislature which had Power to legislate in respect of territories now comprised in Bangladesh. 
(4) The seals of all the Courts in Bangladesh: the seals of Courts of Admiralty and Maritime Jurisdiction and of Notaries Public, and all seals which any person is authorized to use by any law in force in Bangladesh:
(5) The accession to office, names, titles, functions and signatures of the persons filling for the time being any public office in Bangladesh, if the fact of their appointment to such office is notified in any official Gazette: 
(6) The existence, title and national flag of every State or Sovereign recognized by the Government: 
(7) The divisions of time, the geographical divisions of the world, and public festivals, fasts and holidays notified in the official Gazette: 
(8) The territories of Bangladesh: 
(9) The commencement, continuance and termination of hostilities between Bangladesh and any other State or body of persons: 
(10) The names of the members and officers of the Court and of their deputies and subordinate officers and assistants, and also of all officers acting in execution of its process, and of all advocates  and other persons authorized by law to appear or act before it: 
(11) The rule of the road on land or at sea. 

In all these cases and also on all matters of public history, literature, science or art, the Court may resort for its aid to appropriate books or documents of reference. 
If the Court is called upon by any person to take judicial notice of any fact, it may refuse to do so unless and until such person produces any such book or document as it may consider necessary to enable it to do so.
১০,৪৮২.
Z, B-কে আঘাত করে। B রাগে উত্তেজিত হয়ে পড়ে। A (একজন দর্শক), সুযোগ নিয়ে B-এর হাতে ছুরি দেয় যাতে B, Z-কে হত্যা করে। B সেই ছুরি দিয়ে Z–কে হত্যা করে। এক্ষেত্রে-
  1. B কোনো অপরাধ করে নি
  2. B খুন করেছে
  3. A নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে
  4. A খুন করেছে
ব্যাখ্যা

B-এর কাজ:
- ‘Z’-এর প্ররোচনায় ‘B’ হঠাৎ রাগে আত্মনিয়ন্ত্রণ হারায়।
- হত্যাটি পরিকল্পিত নয়, বরং “grave and sudden provocation”-এর ফল।
- তাই ‘B’–এর অপরাধ নিন্দনীয় নরহত্যা (Culpable Homicide not amounting to Murder)।

A-এর কাজ:
- ‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘B’–এর রাগের সুযোগ নিয়ে তাকে ছুরি দেয় যাতে সে ‘Z’–কে মেরে ফেলে।
- তাই ‘A’–এর কাজ পরিকল্পিত খুন (Murder)।

The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১:
যদি কোনো ব্যক্তি গুরুতর ও হঠাৎ প্ররোচনার (grave and sudden provocation) ফলে আত্মনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে (deprived of self-control) প্ররোচনাদাতা ব্যক্তিকে হত্যা করে, অথবা ভুলক্রমে (by mistake) বা দুর্ঘটনাক্রমে (by accident) অন্য কাউকে হত্যা করে, তাহলে সেই হত্যা “খুন (Murder)” নয়, বরং “নিন্দনীয় নরহত্যা (Culpable Homicide not amounting to Murder)” বলে গণ্য হবে।

শর্তাবলী (Provisos):
এই ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হবে না, যদি-
প্রথমত: অপরাধী নিজেই প্ররোচনা সৃষ্টি করে বা ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটায়, যাতে হত্যার অজুহাত তৈরি হয়।
দ্বিতীয়ত: প্ররোচনাটি আসে এমন কোনো কাজ থেকে, যা আইনের অধীনে বৈধভাবে সম্পাদিত, অথবা কোনো সরকারি কর্মচারী বৈধ দায়িত্ব পালনের সময় করেছেন।
তৃতীয়ত: প্ররোচনাটি আসে এমন কোনো কাজ থেকে, যা আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার (right of private defence) প্রয়োগের সময় করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা (Explanation):
“প্ররোচনা কতটা গুরুতর ও হঠাৎ ছিল, যা অপরাধকে হত্যা (murder) না করে দোষজনক হত্যাকাণ্ডে নামিয়ে আনে”— এটি সম্পূর্ণ Question of Fact, যা আদালত প্রমাণ ও পরিস্থিতির ভিত্তিতে নির্ধারণ করবে।

Illustrations (উদাহরণসহ ব্যাখ্যা):
(a) A, Z-এর দেওয়া প্ররোচনায় রাগের মাথায় Z-এর সন্তান Y-কে হত্যা করে। এটি Murder, কারণ প্ররোচনাটি শিশুটি দেয়নি এবং শিশুর মৃত্যু ছিল না দুর্ঘটনাক্রমে।

(b) Y, A-কে হঠাৎ ও গুরুতরভাবে প্ররোচিত করে। A, রাগে Y-এর দিকে গুলি চালায়, কিন্তু ভুলবশত Z নামের আরেকজনকে হত্যা করে।  এটি Culpable Homicide not amounting to Murder, কারণ হত্যা ভুলক্রমে হয়েছে।

(c) A-কে বৈধভাবে গ্রেপ্তার করে সরকারি কর্মচারী Z। A, রাগে Z-কে হত্যা করে। এটি Murder, কারণ প্ররোচনাটি বৈধ সরকারি কাজ থেকে এসেছে।

(d) A সাক্ষী হিসেবে আদালতে হাজির হয়। বিচারক Z বলে যে, “তুমি মিথ্যা বলছ।” A রাগে Z-কে হত্যা করে। এটি Murder, কারণ কথাগুলি আইনের আওতায় বলা হয়েছে।

(e) A, Z-এর নাক টানতে যায়। Z আত্মরক্ষায় A-কে ধরে ফেলে। A রাগে Z-কে হত্যা করে। এটি Murder, কারণ Z বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করেছিল।

(f) Z, B-কে আঘাত করে। B রাগে উত্তেজিত হয়ে পড়ে। A (একজন দর্শক), সুযোগ নিয়ে B-এর হাতে ছুরি দেয় যাতে B, Z-কে হত্যা করে। এখানে B culpable homicide করেছে, কিন্তু A guilty of murder।

১০,৪৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা জনসাধারণকে অপরাধ দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সাহায্যের বাধ্যবাধকতা প্রদান করে?
  1. ৪০ ধারা
  2. ৪১ ধারা
  3. ৪২ ধারা
  4. ৪৩ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে, জনসাধারণ ২টি ক্ষেত্রে নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা এবং সাহায্য করতে বাধ্য:
১: গ্রেফতার বা পলায়ন প্রতিরোধ-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২(ক) মোতাবেক পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আইনগতভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন সে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বা তার পলায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

২: অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষা-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২(খ) তে বলা আছে যে, কোথাও শান্তি ভঙ্গ হলে তা দমন  কিংবা শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দিলে তা প্রতিরোধ অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের  চেষ্টা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
১০,৪৮৪.
'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের মোকদ্দমা কুমিল্লার এক যুগ্ম জেলা জজ আদালত দায়ের করেছে। বিবাদী 'খ', মোকদ্দমাটি কুমিল্লার অন্য যুগ্ম জেলা জজ আদালতে স্থানান্তর করতে চায়। এক্ষেত্রে 'খ' কোথায় স্থানান্তরের আবেদন করবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. কুমিল্লা জেলা জজের নিকট
  3. মোকদ্দমা দায়েরকারী আদালতে
  4. যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর করা হবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারার ক্ষেত্রে বিবাদী কোথায় আবেদন করবে তা ২৩ ধারায় বলা হয়েছে-

১. যদি মোকদ্দমা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়ের করা যায়, এবং উক্ত আদালতগুলো একই আপীল আদালতের এখতিয়ারাধীন হয়, সেই ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন সেই আপীল আদালতে দায়ের করতে হবে, যে আপীল আদালতের অধীন উক্ত আদালতগুলো অবস্থিত।

২. যখন অনুরুপ আদালতসমূহ ভিন্ন ভিন্ন আপীল আদালতের আওতাধীন হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হয়। অর্থাৎ যে আদালত হতে মোকদ্দমা টি অন্য যে আদালতে স্থানান্তর করতে হবে, সেই দুইটি আদালত ভিন্ন ভিন্ন আপীল আদালতের এখতিয়ারাধীন হলে, মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করতে হবে।

সহজে বলা যায়, একই জেলার অধীন এক আদালত থেকে অন্য আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর করতে হলে জেলা জজের নিকট আবেদন করতে হবে। কারণ জেলার মধ্যে দেওয়ানী আদালতসমূহ জেলা জজের আপীল এখতিয়ারাধীন থাকে । অন্যদিকে, এক জেলার দেওয়ানী আদালত হতে অন্য জেলার দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। কারণ ভিন্ন জেলায় অবস্থিত দেওয়ানী আদালতসমূহ হাইকোর্টের আপীল এখতিয়ারাধীন।

যেহেতু, প্রশ্নে উল্লিখিত দুইটি আদালত একই আপীল আদালত অর্থাৎ কুমিল্লা জেলা জজের অধীন, তাই ২২ ধারা অনুযায়ী কুমিল্লা জেলা জজের নিকট আবেদন করতে হবে।
১০,৪৮৫.
সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত কয়টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে?
  1. ৫ টি
  2. ৮ টি
  3. ১১ টি
  4. ১৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে।

৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
------------------------
Facts of which Court must take judicial notice:
Section 57. The Court shall take judicial notice of the following facts:- 
(1) All Bangladesh Laws:
(2) Articles of War for the Armed Forces: 
(3) The course of proceeding of Parliament and of any Legislature which had Power to legislate in respect of territories now comprised in Bangladesh. 
(4) The seals of all the Courts in Bangladesh: the seals of Courts of Admiralty and Maritime Jurisdiction and of Notaries Public, and all seals which any person is authorized to use by any law in force in Bangladesh:
(5) The accession to office, names, titles, functions and signatures of the persons filling for the time being any public office in Bangladesh, if the fact of their appointment to such office is notified in any official Gazette:
(6) The existence, title and national flag of every State or Sovereign recognized by the Government:
(7) The divisions of time, the geographical divisions of the world, and public festivals, fasts and holidays notified in the official Gazette:
(8) The territories of Bangladesh:
(9) The commencement, continuance and termination of hostilities between Bangladesh and any other State or body of persons: 
(10) The names of the members and officers of the Court and of their deputies and subordinate officers and assistants, and also of all officers acting in execution of its process, and of all advocates  and other persons authorized by law to appear or act before it: 
(11) The rule of the road on land or at sea. 

In all these cases and also on all matters of public history, literature, science or art, the Court may resort for its aid to appropriate books or documents of reference. 
If the Court is called upon by any person to take judicial notice of any fact, it may refuse to do so unless and until such person produces any such book or document as it may consider necessary to enable it to do so.
১০,৪৮৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বাংলাদেশের জাল মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানি করা শাস্তির বিধান আছে?
  1. ২৩৯
  2. ২৩৬
  3. ২৩৭
  4. ২৩৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩৮ ধারার বিধান জাল বলিয়া জানা সত্ত্বেও জাল বাংলাদেশের মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানি করা:
-কোন জাল মুদ্রা বাংলাদেশের মুদ্রার জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা বাংলাদেশের মুদ্রার জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহ্য রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অধবা দশ বৎসর পস্থত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------------------
⇒The Penal Code,1860: Section-238. Import or export of counterfeits of Bangladesh coin:
-Whoever imports into Bangladesh, or exports therefrom, any counterfeit coin which he knows or has reason to believe to be a counterfeit of Bangladesh coin, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১০,৪৮৭.
প্রত্যয়িত করার বাধ্যতা আছে এমন প্রত্যয়িত দলিল প্রমাণ করতে হলে অবশ্যই কার উপস্থিতি না থাকলে সেটি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না?
  1. দলিলটির সুবিধাভোগী
  2. দলিলটির দাবিদার
  3. দলিলটির প্রত্যয়নকারী সাক্ষী
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।

Section 68- Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
১০,৪৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কত ধারা মোতাবেক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা হয়?
  1. ৭০
  2. ৬১
  3. ৮১
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ৬১ ধারায় ও পরোয়ানাসমেত গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ৮১ ধারায় আদালতে হাজির করা হয়।
[ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬১ ও ৮১]
১০,৪৮৯.
'Rejection of Plaint' মূলত একটি-
  1. ডিক্রি
  2. আদেশ
  3. প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
  4. চূড়ান্ত আদেশ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখান (Rejection of Plaint) এর সিদ্ধান্ত মূলত একটি ডিক্রি।
 
• ধারাঃ ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144, but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default. 
১০,৪৯০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের কোন বিষয় নিয়ে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে?
  1. কার্যপদ্ধতি
  2. এখতিয়ার
  3. বিচারক
  4. উপরের কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে। নিম্নে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার সাধারণ নিয়মগুলো দেয়া হলো-

⇒ ২১ ধারায় আদালতের আর্থিক (pecuniary) এবং আঞ্চলিক (territorial) উভয় এখতিয়ার (jurisdiction) সমন্ধে আপত্তি তোলা যায়।
⇒ আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে পক্ষদের কোন আপত্তি থাকলে, উক্ত আপত্তি প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।
⇒ যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতেই এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি উত্থাপন করতে হয়।
⇒ সাধারণত আপিল বা রিভিশনে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলা যায় না, তবে শুধুমাত্র ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্যে আপিল বা রিভিশনের সময়ও এই দাবি উত্থাপন করা যায়। এছাড়া যদি আরজি উপস্থাপনের সময় আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা থাকে, তবে সেই অনিশ্চয়তা আপিল বা রিভিশন আদালতের নিকট যৌক্তিক মনে হলে এরকম প্রশ্ন আপিল বা রিভিশন আদালত গ্রহণ করতে পারে।
১০,৪৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮নং বিধিতে ________________ মোকদ্দমার বিধান রয়েছে।
  1. ছানী
  2. প্রতিনিধিত্বমূলক
  3. স্বার্থবিহীন
  4. নাবালক কর্তৃক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit এর বিধান রয়েছে।

সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ ১নং আদেশের ৮ নং বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা 'Representative suit' বলা হয়।

• Order 1 Rule-8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Court sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such persons either b personin service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct.

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১০,৪৯২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) অনুসারে, মামলা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) অনুসারে, যদি মোকদ্দমা মুলতবি (স্থগিতকরণ) সংক্রান্ত খরচ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে খারিজ বা একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হয়, তবে সেই মোকদ্দমা পুনরুজ্জীবনের জন্য দায়ী পক্ষকে ৩০ দিনের মধ্যে ২,০০০ টাকা খরচ সহ আদালতে আবেদন করতে হবে। আবেদন মঞ্জুর হলে মোকদ্দমা কোনো অতিরিক্ত প্রক্রিয়া ছাড়াই পুনরুজ্জীবিত হবে, এবং জমাকৃত খরচ অন্য পক্ষকে প্রদান করা হবে।
অর্থাৎ, মুলতবি সংক্রান্ত খরচ না দেওয়ায় মামলা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে ২,০০০ টাকা খরচ জমা দিতে হবে।
--------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 17 Rule-1. Court may grant time and adjourn hearing:
(7) A suit dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (3) or (4) shall not be revived for hearing unless the party, for whose noncompliance the suit was dismissed or disposed of ex parte, makes within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application together with cost of two thousand taka into Court for such revival; and upon such application being made, the suit shall be revived for hearing without any further proceeding; and cost deposited into Court shall be paid to the other party.

১০,৪৯৩.
আদালত বেইল বন্ডের জন্য অধিক পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ করলে উক্ত অর্থ যুক্তি সঙ্গত হারে কমানোর জন্য আবেদন করতে হয়-
  1. ৪৯৮ ধারায়
  2. ৪৯৯ ধারায়
  3. ৫০০ ধারায়
  4. ৫০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতাঃ (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

♦জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।
♦ অর্থাৎ ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিনের আবেদন করা যায়। এ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা জজ।
১০,৪৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৩ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের অপরাধ পুনরাবৃত্তি না করার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. গণ-উপদ্রব
  2. অস্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত যেকোনো অপরাধ
  3. বিশেষ আইনের অধীন যেকোনো অপরাধ
  4. যেকোনো ফৌজদারি অপরাধ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৩ ধারা- ম্যাজিস্ট্রেট গণ-উপদ্রব পুনরাবৃত্তি করা বা অব্যাহত রাখা নিষিদ্ধ করতে পারবেন:
কোনো জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রাপ্ত ক্ষমতায় ক্ষমতাবলে অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তির প্রতি দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনে উল্লেখিত গণ-উপদ্রবের পুনরাবৃত্তি না করার বা উহা অব্যাহত না রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 143- Magistrate may prohibit repetition or continuance of public nuisance:
A District Magistrate or any other Executive Magistrate] empowered by the Government or the District Magistrate in this behalf, may order any person not to repeat or continue a public nuisance, as defined in the Penal Code or any special law.
১০,৪৯৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা অনুসারে, যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিবে
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি দিবে
  3. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিবে
  4. কোনো আদেশ দিবে না
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:

এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
১০,৪৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ থাকবেন?
  1. ধারা ১৬
  2. ধারা ১৭
  3. ধারা ১৮
  4. ধারা ১৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭ ধারা অনুযায়ী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ (Executive Magistrates) জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (District Magistrate) অধীনস্থ থাকবেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের কার্যভার বণ্টন করতে পারেন এবং সময় সময় বিশেষ নির্দেশ প্রদান করতে পারেন, তবে তা ফৌজদারি কার্যবিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা:
"সকল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, যাদের ১০ ও ১২(১) ধারা অনুসারে নিয়োগ করা হয়, তারা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ থাকবেন, এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে এই ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে কার্যভার বণ্টন সংক্রান্ত বিশেষ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।"

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ থাকেন এবং তিনি প্রয়োজন অনুসারে তাদের কাজের বণ্টন করতে পারেন।
১০,৪৯৭.
কোন বয়সসীমার নিচের নাবালিকাকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে হরণ করলে তা মনুষ্যহরণ বলে গণ্য হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩৬১ ধারা অনুযায়ী, “যে ব্যক্তি ষোল (১৬) বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে (মেয়ে) তার আইনসম্মত অভিভাবকের সম্মতি ব্যতীত অভিভাবকের হেফাজত থেকে নিয়ে যায়, সে ব্যক্তি উক্ত নাবালিকাকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ (kidnapping) করেছে বলে গণ্য হবে।”
এই ধারা অনুযায়ী:
- ছেলে শিশুর ক্ষেত্রে বয়সসীমা: ১৪ বছর।
- মেয়ে শিশুর ক্ষেত্রে বয়সসীমা: ১৬ বছর।
অতএব, কোনো মেয়েশিশু যদি ১৬ বছরের কম বয়সী হয় এবং তাকে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া নিয়ে যাওয়া হয়, তাহলে এটি আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person.
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
১০,৪৯৮.
What is the maximum imprisonment term for dishonest misappropriation of property under Section 403?
  1. 6 months
  2. 1 year
  3. 2 years
  4. 3 years
ব্যাখ্যা
Section 403: Dishonestly misappropriation of property:
Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

ধারা ৪০৩ অনুসারে,
যদি কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে তাকে দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
১০,৪৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এ কীসের তালিকা দেয়া হয়েছে?
  1. আপিলঅযোগ্য আদেশের
  2. আপিলযোগ্য ডিক্রির
  3. আপিলযোগ্য আদেশের
  4. হাইকোর্ট প্রদত্ত বিশেষ আদেশের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।
১০,৫০০.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী, তিনি 'খ'-এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে 'খ' হাজির থাকলেও, 'ক' হাজির হন নি। উক্ত মামলার ফলাফল হতে পারে-
  1. 'খ' খালাস বা অব্যাহতি পাবে
  2. ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে,নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে(শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন; তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।

তবে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও
⇒ মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।

Section 247: Non-appearance of complainant-
If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 

Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.