বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১০৪ / ১২৬ · ১০,৩০১১০,৪০০ / ১২,৬০৫

১০,৩০১.
Applications বা Petitions দায়েরের সময়সীমা তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন বিভাগে উল্লেখ আছে?
  1. চতুর্থ বিভাগ
  2. তৃতীয় বিভাগ
  3. দ্বিতীয় বিভাগ
  4. প্রথম বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৩টি বিভাগ:
১) প্রথম বিভাগ (First Division): → মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Suits) - এই বিভাগের অধীনে ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিভিন্ন মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

২) দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
 → আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Appeals) - এই বিভাগের অধীনে ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত বিভিন্ন আপীলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

৩) তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
 → বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Applications and Petitions) - এই বিভাগের অধীনে ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত বিভিন্ন দরখাস্ত বা পিটিশনের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

১০,৩০২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩ ধারা অনুযায়ী, রুল কমিটির (Rule Committee) সদস্য হিসেবে নিচের কে বা কারা অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. সুপ্রিম কোর্টের তিনজন বিচারপতি
  3. সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করা দুইজন আইনজীবী
  4. হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন একজন সিভিল কোর্টের বিচারক
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১২৩(২) অনুসারে রুল কমিটির সদস্যপদ নিম্নরূপ:
(খ) সুপ্রিম কোর্টের তিনজন বিচারপতি। (যাদের মধ্যে অন্তত একজন তিন বছর জেলা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন)
(গ) সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করা দুইজন আইনজীবী।
(ঘ) হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন একজন সিভিল কোর্টের বিচারক। 
- কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল-এর কোনো উল্লেখ ধারা ১২৩-এ নেই। তাই তিনিও রুল কমিটির স্বাভাবিক সদস্য নন।
- সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল রুল কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩ ধারা অনুযায়ী রুল কমিটির (Rule Committees) গঠন:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(২) ধারা অনুসারে, রুল কমিটি গঠিত হয়—
- ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, যাদের মধ্যে অন্তত একজন ৩ বছর জেলা জজ হিসেবে কাজ করেছেন।
- ২ জন আইনজীবী, যারা সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন।
- ১ জন দেওয়ানি আদালতের বিচারক, যিনি উচ্চ আদালতের অধীনস্থ।
এই সমস্ত সদস্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং তিনি নিজেও চাইলে কমিটির সদস্য হতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তিনি কমিটির সভাপতি হবেন।

→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 123. Constitution of Rule Committees.
(1) A Committee, to be called the Rule Committee, shall be constituted for the purpose referred to in section 122. 
(2) Such Committee shall consist of the following persons, namely:- 
(a) three Judges of the Supreme Court, one of whom at least has served as a District Judge for three years; 
(b) two advocates parctising in that Court; and 
(c) a Judge of a Civil Court subordinate to the High Court Division.
(3) The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice, who shall also nominate one of their number to be president: 
Provided that, if the Chief Justice elects to be himself a member of the Committee, the number of other Judges appointed to be members shall be two, and the Chief Justice shall be the President of the Committee.
(4) Each member of such committee shall hold office for such period as may be prescribed by the Chief Justice in this behalf; and whenever any member retires, resigns, dies or becomes incapable of acting as a member of the Committee, the said Chief Justice may appoint another person to be a member in his stead. 
(5) There shall be a Secretary to such Committee, who shall be appointed by the Chief Justice and shall receive such remuneration as may be provided in this behalf by the Government.

১০,৩০৩.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হলে প্রতিকার কি?
  1. রিভিশন
  2. রিভিউ
  3. আপিল
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
১০,৩০৪.
নিচের কোনটি তামাদি আইনের ধারা ৮ অনুসারে আইনি অক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. অপ্রাপ্তবয়স্কদের মামলা
  2. পাগলামিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন
  3. মৃত ব্যক্তির আইনি প্রতিনিধির মামলা
  4. অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮ অনুসারে, ধারা ৬ বা ধারা ৭-এর বিধানগুলো অগ্রক্রয়ের অধিকার (Pre-emption) সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এছাড়াও, এই ধারা উল্লেখ করে যে আইনি অক্ষমতার সমাপ্তি বা অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুর পর তামাদির মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে, যদি না তফসিলে উল্লিখিত মেয়াদ এর চেয়ে কম হয়।
- অর্থাৎ ধারা ৮-এর বিধান অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রম-
৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
----------- 
⇒ The Limitation Act, 1908,Section 8- Special exceptions:
Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.

১০,৩০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার অধীন কমিশনপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট কীভাবে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন?
  1. নিজের মতো করে প্রশ্ন করে
  2. সাক্ষীর ইচ্ছা অনুযায়ী
  3. পক্ষগণের দেওয়া প্রশ্নমালার ভিত্তিতে
  4. আদালতের নির্দেশিত প্রশ্নমালা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৫: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন-

(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।

(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী জেরা ও পুনঃ জবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।

Section 505: Parties may examine witnesses-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.
১০,৩০৬.
অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে দায়রা আদালত কি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. খালাস দিতে পারে
  2. মুক্তি দিতে পারে
  3. দণ্ড দিতে পারে
  4. অব্যাহতি দিতে পারে
ব্যাখ্যা
 অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে [Plea Of Guilty] দায়রা আদালত ২৬৫ঙ ধারায় অভিযুক্তকে দন্ডিত করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং
- দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ )

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে, দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা।যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা অপরাধ স্বীকার করেনা বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না, তাহলে আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু (সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারেন।
১০,৩০৭.
দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার অধীনে দোষী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪ক অনুযায়ী, অবহেলা বা বেপরোয়াভাবে কারো মৃত্যু ঘটালে (যা শাস্তিযোগ্য নরহত্যার আওতায় পড়ে না) অপরাধীর শাস্তি হলো: সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার বিধান অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 304A. Causing death by negligence:
Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১০,৩০৮.
Comparison of physical or forensic evidence with others,-
  1. Admitted
  2. Proved
  3. Not proved
  4. A or B
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৩খ:- অন্যদের সাথে শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য তুলনা, স্বীকৃত বা প্রমাণিত:-

(১) রক্ত, বীর্য, চুলের নমুনা, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ বা চোখের কনীনিকার ছাপ বা পায়ের ছাপ যেই ব্যক্তির কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয় সেই ব্যক্তির কি না তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত আদেশ দিতে পারেন যে এটিকে যেকোন নমুনার সাথে তুলনা করা হবে যা আদালতের সন্তুষ্টির জন্য স্বীকার করা হয়েছে বা প্রমাণিত হয়েছে যে ব্যক্তিটি থেকে এসেছে বা তৈরি করেছে, যদিও সেই রক্ত, বীর্যের নমুনা, চুল, ডিএনএ নমুনা, জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোনো অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ বা অন্য কোনো বন্ধু অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তৈরি বা প্রমাণিত হয়নি।

(২) যদি এমন কোন দাবি থাকে যে রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ এর অন্তর্গত বা তার তৈরি করা হয়েছে যে কোনো ব্যক্তি দ্বারা আদালত সেই ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে যাতে আদালত তুলনা করতে সক্ষম হয়।

(৩) শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য প্রমাণের সত্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে, এই আইনের ধারা ৬০ এবং ১৬৫-এর কোন কিছুই আদালতকে তার সনাক্তকরণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ সহ একটি প্রদর্শনী হিসাবে আদালতে উপস্থাপন করতে বাধা দেবে না।

---------------
⇒ Comparison of physical or forensic evidence with others, admitted or proved:
Section 73B. (1) In order to ascertain whether a sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression or iris impression or foot impression belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected, the Court may order that it be compared with any sample which is admitted or proved to the satisfaction of the Court to have come from or been made by the person, although that sample of blood, semen, hair, DNA sample, biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression or any other substance has not been produced or proved for any other purpose.

(2) If there is any claim that the sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression belongs to or is created by any person, the Court may direct that person to be present in Court for the purpose of enabling the Court to make that comparison.

(3) In relation to proving the authenticity of physical or forensic evidence, nothing in sections 60 and 165 of this Act, should prevent the Court from seeking its production in Court as an exhibit, along with any other necessary evidence concerning its identification.
১০,৩০৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কীভাবে প্রদান করা হয়?
  1. ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
  2. নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে
  3. অপরাধের জন্য দণ্ড প্রদানের মাধ্যমে
  4. আদালতের আদেশ ছাড়া ব্যক্তিগত সমঝোতার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) হল এমন একটি আইনি প্রতিকার, যেখানে আদালত কোনো পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করে বা একটি নির্দিষ্ট বাধা আরোপ করে।
- এটি সাধারণত প্রতিকারমূলক আইন (Remedial Law) হিসাবে বিবেচিত হয়, যেখানে ক্ষতিপূরণ (Damages) প্রদানের পরিবর্তে বাস্তব প্রতিকার (Actual Performance) প্রদান করা হয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নিম্নলিখিত উপায়ে প্রদান করা হয়:
১) নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল প্রদান করা – আদালত কোনো পক্ষকে জোরপূর্বক নির্দিষ্ট সম্পত্তি ফেরত দিতে বাধ্য করতে পারে।
২) কোনো ব্যক্তিকে চুক্তি অনুযায়ী কাজ করতে বাধ্য করা – যদি কোনো পক্ষ চুক্তি অনুযায়ী কাজ করতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে আদালত তাকে বাধ্য করতে পারে।
৩) কোনো ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট কাজ থেকে বিরত রাখা – প্রতিষেধক আদেশ (Injunction) দ্বারা আদালত কোনো পক্ষকে কোনো বিশেষ কাজ করা থেকে বিরত রাখতে পারে।
৪) পক্ষগুলোর অধিকার নির্ধারণ ও ঘোষণা করা – আদালত কোনো পক্ষের অধিকার নিশ্চিত করতে পারে, যা প্রতিকারমূলক হতে পারে।
৫) রিসিভার নিয়োগ করা – আদালত কোনো সম্পত্তির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য একজন রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করতে পারে।

অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
(ক) ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে – এটি একটি সাধারণ দেওয়ানি প্রতিকার (Civil Remedy), কিন্তু এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে পড়ে না।
(গ) অপরাধের জন্য দণ্ড প্রদানের মাধ্যমে – এটি ফৌজদারি আইন (Criminal Law) সংক্রান্ত বিষয়, যা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অন্তর্ভুক্ত নয়।
(ঘ) আদালতের আদেশ ছাড়া ব্যক্তিগত সমঝোতার মাধ্যমে – সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আদালতের মাধ্যমে প্রদত্ত প্রতিকার, ব্যক্তিগত সমঝোতার মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা যায় না।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সাধারণত সম্পত্তি হস্তান্তর, বাধ্যতামূলক কর্মসম্পাদন (Specific Performance), প্রতিষেধক আদেশ (Injunction) ইত্যাদির মাধ্যমে প্রদান করা হয়। এটি ক্ষতিপূরণের বিকল্প হিসেবে আদালতের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়। 
১০,৩১০.
The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ১৪(১) অনুসারে, আদালতের আসনস্থল নির্ধারণ বা পরিবর্তন কীভাবে করা হয়?
  1. মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত দ্বারা
  2. আদালতের আদেশ দ্বারা
  3. জেলা প্রশাসকের আদেশ দ্বারা
  4. সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা 14(1) ও (2) অনুযায়ী একমাত্র সরকার-ই দেওয়ানি আদালতের বসার স্থান নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখে।
- সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।
(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887- section-14. Place of sitting of Courts:
 (1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the place or places at which any Civil Court under this Act is to be held. 
(2) All places at which any such Courts are now held shall be deemed to have been fixed under this section.

১০,৩১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ ধারার অধীন সমন অমান্যের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ কত?
  1. ৩০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে,
সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
১০,৩১২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 17, rule 1 অনুযায়ী একটি দেওয়ানি মোকদ্দমায় চূড়ান্ত শুনানীর স্তরে বাদীর অনুপস্থিতির কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে কত টাকা খরচ দাখিল করলে মোকদ্দমা পনুঃবহাল হতে পারে?
  1. ১০০০
  2. ২০০০
  3. ৩০০০
  4. ৫০০০
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ 17 বিধি ১ অনুযায়ী যদি মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয় তবে সেই পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে ২,০০০ টাকা ব্যয়সহ খরচ জয়া দিয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহালের ( Revival of Proceedings) আবেদন করতে পারেন।
১০,৩১৩.
দেওয়ানি আপীলে মধ্যস্থতা করার বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ২৩ ধারায়
  3. ৮৩ ধারায়
  4. ৮৯গ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
১০,৩১৪.
তামাদি আইনের ধারা ২২ এর অধীনে, নতুন পক্ষের জন্য মামলার তামাদি গণনা কিভাবে হবে?
  1. মামলার প্রথম দিন থেকে
  2. নতুন পক্ষের পক্ষভুক্তির তারিখ থেকে
  3. মামলার শুনানির তারিখ থেকে
  4. আদালতের রায়ের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এ নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল সম্পর্কে বলা আছে। যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয় বা কারও স্থলাভিষিক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির জন্য পক্ষভুক্তির তারিখেই মামলাটি করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

তবে, যেক্ষেত্রে মামলা স্থগিত থাকার সময় স্বত্বাপণ কিংবা কোন স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত কিংবা স্থলাভিষিক্ত করা হয় বা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদীতে কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয় সেক্ষেত্রে ১ উপধারার কোন কিছুই প্রয়োগযোগ্য হবে না।

Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party. 

(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
১০,৩১৫.
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (Criminal Conspiracy) সংঘটনের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির একমত হওয়া প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. চারজন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১২০ক ধারার অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সংঘটনের জন্য ন্যূনতম দুইজন ব্যক্তি একমত হতে হবে। একজনের একমত হওয়া যথেষ্ট নয়। একমত হওয়া সেই কাজে অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্য নিয়ে হতে হবে, এবং চুক্তির কোনো কার্য সম্পাদিত হতে হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:
যখন দুইজন বা তার বেশি ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোন কাজ করতে বা করানোর জন্য একমত হন:
- একটি অবৈধ কাজ করা, অথবা
- এমন কোনো কাজ করা যা আইনত অবৈধ নয় কিন্তু অবৈধ উপায়ে করা হয়, তবে এই ধরনের একমত হওয়াকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলা হয়।শর্ত: যে কোনো একমত হওয়া শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে হলে তা অপরাধী ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে, তবে এর জন্য এই চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এক বা একাধিক পক্ষের দ্বারা এমন কিছু কার্যক্রম সম্পাদিত হতে হবে, যা এই চুক্তির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য করা হয়।

ব্যাখ্যা: এটি গুরুত্বপূর্ণ নয় যে ওই অবৈধ কাজটি চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল, অথবা তা চুক্তির উদ্দেশ্য থেকে এক প্রকার অনুষঙ্গী ছিল।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy. 
 When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

১০,৩১৬.
ক-এর বিরুদ্ধে একটি চেকের মামলা দায়ের করার পর সমন, ওয়ারেন্ট ও W/P&A ইস্যু করার পরও সে আদালতে হাজির হয় নি। এমতাবস্থায় আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপ কী?
  1. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিচারে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া।
  2. পুনরায় গ্রেফতরারি পরওয়ানা জারি করা
  3. তাঁর বিরুদ্ধে বিচার শুরু করা
  4. তাঁর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা
ব্যাখ্যা
♦ আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia): স্বাভাবিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা বেআইনী, অর্থাৎ আসামীর উপস্থিতিতে বিচার করতে হয়। কিন্তু কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়, যাকে Trial in absentia বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ, ৫১২ এবং ৫৪০ক ধারায় আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের বিধান রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন আইনে Trial in absentia-এর বিধান রয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার অধীন পলাতক বা ফেরারী আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের পদ্ধতি- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালনের পর অর্থাৎ হুলিয়া জারি ও সম্পত্তি ক্রোকের পর যদি আদালত মনে করে যে, আসামী গ্রেফতার ও বিচার এড়ানোর জন্য পলায়ন করেছে, আত্মগোপান করেছে এবং আসামীকে গ্রেফতার করার কোনো আশু সম্ভাবনা নাই, তাহলে মামলা আমল গ্রহণকারী আদালত কমপক্ষে ২টি বহুল প্রচারিত বাংলা দৈনিক জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আসামীকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ অনুসারে আদালতে হাজির হতে ব্যর্থ হলে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার অনুষ্ঠিত হবে।
♦ তবে ৩৩৯-খ এর ২ উপধারা অনুযায়ী, আসামী কোন ভাবে আদালতে একবার হাজির হওয়ার পর বা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলায়ন করলে বা হাজির হতে ব্যর্থ হলে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন না করেই তার অনুপস্থিতিতেই আদালত বিচারকার্য পরিচালনা করবেন।
১০,৩১৭.
নিচের কোন ক্ষেত্রে একজন এ্যাডভোকেট তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারে
  1. অভিযুক্ত প্রকারে কোনো প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে
  2. কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে
  3. কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ২য় অধ্যায়ে বিধি-১৩ এর বিধান যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা।

অর্থাৎ মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-১৩ অনুযায়ী কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে, কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে, অভিযুক্ত প্রকারে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে, একজন অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করতে হয় না।
-------------------------
⇒ Rule-13. When an Advocate is a witness for his client except as to merely formal matters, such as the attestation or custody, of an instrument and the like, he should leave the trial of the case to other Advocates. Except when essential to the ends of justice, an Advocate should avoid testifying in court on behalf of his client.
১০,৩১৮.
'ক' রাজপথে একটি ৫০০ টাকার নোট দেখতে পান। 'ক' নোটটির মালিক কে তা না খুঁজেই সেটি খরচ করে ফেলেন। এক্ষেত্রে 'ক' কোন ধরনের অপরাধ করেছেন?
  1. চুরি
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
  4. কোনো অপরাধ করেননি
ব্যাখ্যা
⇒ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

- যেহেতু ক টাকা নিজ খরচ করে ফেলেন, তাই সে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে।
১০,৩১৯.
ধারা ৭০ অনুযায়ী দলিলের সম্পাদনের জন্য কোন প্রমাণ যথেষ্ট?
  1. মূল দলিলের উপস্থাপন
  2. শুধুমাত্র সাক্ষীর উপস্থিতি
  3. স্বাক্ষরকর্তার স্বীকারোক্তি
  4. দলিলের তারিখ
ব্যাখ্যা

ধারা ৭০: স্বাক্ষরিত দলিলের সম্পাদন স্বীকারোক্তি:
"যে ব্যক্তি কোন সাক্ষীকৃত দলিলে স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিজে দলিলটি সম্পাদন করেছেন তা যদি স্বীকার করেন, তবে এটি তার বিরুদ্ধে দলিলটির সম্পাদনের জন্য যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে—যদিও আইন অনুযায়ী দলিলটিতে সাক্ষী থাকা আবশ্যক।"

১০,৩২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের কত বিধিতে স্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের ডিক্রির (Decree for recovery of immovable property) বিধান দেয়া হয়েছে?
  1. বিধি ৮
  2. বিধি ৯
  3. বিধি ১১
  4. বিধি ১৩
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ৯নং বিধিতে স্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের ডিক্রির (Decree for recovery of immovable property) বিধান দেয়া হয়েছে।

• আদেশ ১৮ বিধি ৯-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু স্থাবর সম্পত্তি হয় সেক্ষেত্রে তা সনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট এরূপ বর্ণনা থাকবে এবং যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি চৌহদ্দি দ্বারা কিংবা সেটেলমেন্ট রেকর্ডের নাম্বার বা জরিপের সংখ্যা দ্বারা সনাক্ত হতে পারে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিতে উত্তরূপ চৌহদ্দি বা সংখ্যা সঠিকভাবে বর্ণনা থাকবে।

[Where the subject-matter of the suit is immoveable property, the decree shall contain a description of such property sufficient to identify the same and where such property can be identified by boundaries or by numbers in a record of settlement or survey, the decree shall specify such boundaries or numbers.]
১০,৩২১.
আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে বসবাসকারী কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে হলে, আদালত ____________ বরাবর তা প্রেরণ করতে পারেন।
  1. মোকদ্দমার বিবাদী
  2. মোকদ্দমার বাদী
  3. ক বা খ
  4. যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-৩: আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সাক্ষী বসবাস করলে:
আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে বসবাসকারী কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে হলে আদালত যাকে কমিশন সম্পাদন করতে উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ কোন ব্যক্তি বরাবর তা প্রেরণ করা যাতে পারে।

Rule-3: Where witness resides within Court's jurisdiction.
A commission for the examination of a person who resides within the local limits of the jurisdiction of the Court issuing the same may be issued to any person whom the Court thinks fit to execute it.
১০,৩২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত কখন অভিযুক্তকে অব্যাহতি বা শাস্তি মওকুফ করতে পারে?
  1. যদি তিনি আপিল করেন
  2. যদি তিনি জামিন পান
  3. যদি তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন
  4. যদি তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৮৪: দোষী ব্যক্তির অব্যাহতি (ক্ষমা প্রার্থনা বা আত্মসমর্পণ করলে):
যদি কোনো আদালত ধারা ৪৮০ বা ধারা ৪৮২ এর অধীনে কাউকে শাস্তি প্রদান করে, অথবা বিচার করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করে,

কারণ:
তিনি আইনগতভাবে যা করতে বাধ্য ছিলেন তা করতে অস্বীকার করেছেন বা বাদ দিয়েছেন, অথবা
আদালতের প্রতি ইচ্ছাকৃত অবমাননা বা বিঘ্ন সৃষ্টি করেছেন,

তাহলে আদালত নিজের বিবেচনায়—
- সেই দোষী ব্যক্তিকে অব্যাহতি দিতে পারে, অথবা শাস্তি মওকুফ করতে পারে, যদি তিনি আদালতের আদেশ/নির্দেশ মেনে নেন, অথবা আদালতের সন্তুষ্টির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

১০,৩২৩.
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারার অনুসারে, যদি 'A' এবং 'B' কে 'C' এর হত্যার জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং 'A' স্বীকার করে, "'B' এবং আমি 'C' কে হত্যা করেছি," তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. স্বীকৃতিটি উপেক্ষা করতে পারে
  2. স্বীকৃতিটি শুধুমাত্র A এর বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
  3. স্বীকৃতিটি শুধুমাত্র B এর বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
  4. স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারার অনুসারে, যখন একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচারাধীন থাকে এবং একজন ব্যক্তি তার স্বীকারোক্তিতে অন্যদের অন্তর্ভুক্ত করে, তখন আদালত ঐ স্বীকারোক্তি উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে।

⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা অনুসারে, যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং তাদের মধ্যে একজন তার নিজের এবং অন্যান্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি স্বীকৃতি দেয়, তখন আদালত সেই স্বীকৃতিকে সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে।
- এই ধারার উদ্দেশ্য হলো, যখন একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তিকে একসাথে বিচার করা হয়, তখন একজন অভিযুক্তের স্বীকৃতি শুধুমাত্র তার নিজের বিরুদ্ধে নয়, বরং অন্যান্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও প্রাসঙ্গিক হতে পারে। তবে এই স্বীকৃতিকে অন্যান্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার আগে আদালতকে সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হবে এবং অন্যান্য প্রমাণের সাথে মিলিয়ে দেখতে হবে।

উদাহরণ:
যদি A এবং B কে C এর হত্যার জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং A স্বীকার করে, "B এবং আমি C কে হত্যা করেছি," তবে আদালত এই স্বীকৃতিকে শুধুমাত্র A এর বিরুদ্ধে নয়, বরং B এর বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে।
-----------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section- 30. Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence:
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.
Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.

Illustrations: 
(a) A and B are jointly tried for the murder of C. It is proved that A said-"B and I murdered C." The Court may consider the effect of this confession as against B.
(b) A is on his trial for the murder of C. There is evidence to show that C was murdered by A and B, and that B said- "A and I murdered C".
This statement may not be taken into consideration by the Court against A, as B is not being jointly tried.
১০,৩২৪.
দণ্ডবিধির ৪১৭ ধারা অনুসারে, প্রতারণার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ছয় মাস
  2. এক বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪১৭ অনুযায়ী "যে ব্যক্তি প্রতারণা করে, সে এক বছরের মধ্যে যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।"
- এখানে কারাদণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "এক বছর পর্যন্ত"।
- তাই, ধারা ৪১৭ অনুযায়ী প্রতারণার অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ হলো এক বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৭ অনুযায়ী প্রতারণার সাজা:- কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 

⇒ The Penal Code, 1860, Section 417. Punishment for cheating:
Whoever cheats shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১০,৩২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. ৫০,০০০ টাকা
  2. ১,০০,০০০ টাকা
  3. ২,০০,০০০ টাকা
  4. ৩,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩২ (সংশোধিত): ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত সাজা:
(১) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নিম্নলিখিত সাজা প্রদান করতে পারবেন, যথা:-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড;
- দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইন দ্বারা অনুমোদিত যেকোনো সাজার সমন্বয়ে একটি বৈধ সাজা প্রদান করতে পারবেন।
১০,৩২৬.
'খ' কর্তৃক প্রদেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে 'ক', 'খ'- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' মারা গেল। এক্ষেত্রে-
  1. চুক্তি বাতিল হবে
  2. 'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে না
  3. 'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান- যে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে:
চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, খ-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘুর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে খ-কে চুক্তিতে তার অংশের কার্যসম্পদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(খ) খ কর্তৃক প্রদেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ক, খ- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন খ ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন খ-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।

১০,৩২৭.
সাক্ষ্য আইনের সর্বশেষ সংশোধনী অনুসারে, সাক্ষ্য কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ ২০২২ সালের সংশোধনী অনুসারে সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় সাক্ষ্য ৩ প্রকার। যথা:
১) দালিলিক সাক্ষ্য,
২) মৌখিক সাক্ষ্য,
৩) শারীরিক বা ফরেনসিক।

⇒  সাক্ষ্য (Evidence): 'সাক্ষ্য' শব্দের অর্থে অন্তর্ভুক্ত হবে-

(১) বিচার্য বিষয়ের অনুসন্ধানের সাথে সম্পর্কিত যে সকল বিবৃতি দেওয়ার জন্য আদালত অনুমতি দেন বা সাক্ষীর যে সকল বিবৃতি আদালতের প্রয়োজন হয়; এ ধরনের বিবৃতিকে মৌখিক সাক্ষ্য বলে।

(২) যে সকল দলিল আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপিত করা হয়, এ ধরণের দলিলপত্রকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে।

(৩) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য: রক্ত, বীর্য, চুল, সকল দৈহিক উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিএনএ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ; এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরুপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ-
i. প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে; বা
ii. অপরাধ এবং এর ভুক্তভোগীর মধ্যে বা অপরাধ এবং এর অপরাধীর মধ্যেকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে; এবং 
iii. কোন ঘটনা প্রমাণ করে বা মিথ্যা প্রমাণ করে।
১০,৩২৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৮ ধারার বিধান মতে  ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে _________ বেশি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না।
  1. ৬ সপ্তাহের
  2. ৬ বছরের
  3. ৬ মাসের
  4. ১ বছরের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৮ ধারার বিধান আটক ও মুক্তি:
 ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ৬ মাসের বেশি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না; এবং
 ৫০ টাকার কম হলে সে ক্ষেত্রে ৬ সপ্তাহের বেশি আটক রাখা যাবে না।
 যে ডিক্রি জারিতে ডিক্রি দায়িক আটক থেকে মুক্তি পেয়েছেন, সেই বিষয়ে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে না।
____________
Section 58. Detention and release:
(1) Every person detained in the civil prison in execution of a decree shall be so detained,- 
(a) where the decree is for the payment of a sum of money exceeding fifty Taka, for a period of six months, and, 
(b) in any other case for a period of six weeks: 
Provided that he shall be released from such detention before the expiration of the said period of six months or six weeks, as the case may be,- 
(i) on the amount mentioned in the warrant for his detention being paid to the officer in charge of the civil prison, or 
(ii) on the decree against him being otherwise fully satisfied, or 
(iii) on the request of the person on whose application he has been so detained, or 
(iv) on the omission by the person, on whose application he has been so detained, to pay subsistence allowance: 
Provided, also, that he shall not be released from such detention under clause (ii) or clause (iii), without the order of the Court. 
 
(2) A judgment-debtor released from detention under this section shall not merely by reason of his release be discharged from his debt, but he shall not be liable to be re-arrested under the decree in execution of which he was detained in the civil prison.
১০,৩২৯.
নিম্নলিখিত কোনটি সরকারি দলিলের উদাহরণ?
  1. ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
  2. একটি ব্যক্তিগত উইল
  3. একটি ব্যক্তিগত বিক্রয় চুক্তি
  4. আদালতের আদেশ বা ডিক্রি
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৪ ধারার মতে, সরকারি দলিল (Public Document) হলো সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত বা প্রণীত দলিল, যা সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা, ট্রাইব্যুনাল, বা বিচার বিভাগীয়, শাসন বিভাগীয়, ও আইন প্রণয়নকারী সংস্থার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংরক্ষিত হয়।
- আদালতের আদেশ বা ডিক্রি সরকারি দলিলের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের অংশ এবং সরকারি রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত হয়।

অন্য অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
 (ক) ব্যক্তিগত চিঠিপত্র:
- ব্যক্তিগত চিঠিপত্র কোনো সরকারি সংস্থার কার্যক্রমের অংশ নয়, তাই এটি সরকারি দলিল নয়। এটি বেসরকারি দলিল (Private Document)।
(খ) একটি ব্যক্তিগত উইল:
- উইল ব্যক্তিগত সম্পত্তির বণ্টনসংক্রান্ত একটি দলিল, যা ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত সরকারি সংস্থার দ্বারা সংরক্ষিত হয় না। তাই এটি সরকারি দলিল নয়।
(গ) একটি ব্যক্তিগত বিক্রয় চুক্তি:
- কোনো ব্যক্তি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পাদিত বিক্রয় চুক্তি বেসরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হয়, কারণ এটি সরকারি কর্তৃপক্ষের অধীনে সংরক্ষিত নথা

- অর্থাৎ আদালতের আদেশ বা ডিক্রি বিচার বিভাগের রেকর্ডের অংশ, যা সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হয়।

তাই সঠিক উত্তর: (ঘ) আদালতের আদেশ বা ডিক্রি।

→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
১০,৩৩০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় সরকারি কর্মচারী বা ব্যাংকার কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের বিধান রয়েছে?
  1. ৪০৬ ধারা
  2. ৪০৭ ধারা
  3. ৪০৮ ধারা
  4. ৪০৯ ধারা
ব্যাখ্যা

ধারা ৪০৯ - সরকারি কর্মচারী বা ব্যাংকার, বণিক বা প্রতিভূ কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোনো ব্যক্তি যদি সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার পদমর্যাদাবলে অথবা ব্যাংকার, ব্যবসায়ী, ফ্যাক্টর, দালাল, এটর্নি বা প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবসায় সূত্রে কোনোভাবে কোনো সম্পত্তির জিম্মাদার হয়ে বা উক্ত সম্পত্তির পরিচালনার ভারপ্রাপ্ত হয়ে সে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

১০,৩৩১.
দণ্ডবিধির ৯৭ ধারা অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়?
  1. ১টি ক্ষেত্রে
  2. ২টি ক্ষেত্রে
  3. ৩টি ক্ষেত্রে
  4. ৪টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৭ ধারা অনুযায়ী, ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় দুটি ক্ষেত্রে-
(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে;
(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।

Section 97- Right of private defence of the body and of property:
Every person has a right, subject to the restrictions contained in section 99, to defend-
Firstly.-His own body, and the body of any other person against any offence affecting the human body;
Secondly.-The property, whether moveable or immovable, of himself or of any other person, against any act which is an offence falling under the definition of theft, robbery, mischief or criminal trespass, or which is an attempt to commit theft, robbery, mischief or criminal trespass.
১০,৩৩২.
গুদামরক্ষক 'A'-এর দায়িত্ব ছিল 'Z'-এর নিকট কিছু মাল অর্পন করা যা 'A'-এর দখল থেকে 'B' নিয়ে গেছে। এখানে 'A', 'B'-এর বিরুদ্ধে কী মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. ক্ষতিপূরণের
  2. মালামাল পুনরুদ্ধারের
  3. সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের
  4. 'ক' আথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
 
ব্যখ্যা-১ঃ এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
 
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
 
উদাহরণ:
 
(ক) 'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। 'খ', 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে।
 
(খ) 'ক' কিছু ঋণের জন্য 'খ'-এর নিকট কিছু অলংকার বন্ধক রাখে। 'খ' সেগুলি বিক্রয় করার অধিকারী হওয়ার আগেই বিক্রয় করে। 'ক' ঋণের অর্থ পরিশোধ না করেই অলঙ্কারাদির দখলের জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলা অবশ্যই খারিজ হবে। কারণ 'ক' সেগুলির দখলের অধিকারী নয়, তার যতটুকু অধিকার তা হচ্ছে অলঙ্কারসমূহের নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।
 
(গ) 'ক', 'খ' কর্তৃক তার নিকট লিখিত একটি চিঠি পেল। 'খ', 'ক'-এর সম্মতি ছাড়াই উক্ত চিঠি ফিরিয়ে দিল। উক্ত চিঠিতে 'ক'-এর এমন এক স্বত্ব রয়েছে, যা তাকে 'খ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করার অধিকারী করে।
 
(ঘ) 'ক', 'খ'-এর নিকট নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য বই এবং কাগজপত্র জমা রাখে। 'খ' সেগুলি হারিয়ে ফেলল এবং 'গ' সেগুলি পেল, কিন্তু 'খ' যখন আইনের ১৬৮ ধারা অনুসারে 'গ'-এর যদি কোন অধিকার জন্মে থাকে তবে তৎসাপেক্ষে 'গ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করতে পারে।
 
(ঙ) গুদামরক্ষক 'ক'-এর দায়িত্ব ছিল 'খ'-এর নিকট কিছু মাল অর্পণ করায় যা 'ক'- এর দখল হতে 'খ' নিয়ে গেছে। 'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত মালামালের জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
------------
SR Act: Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
 
Explanation 1 - A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2 - A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

Illustrations
(a) A bequeaths land to B for his life, with remainder to C. A dies. B enters on the land, but C, without B's consent, obtained possession of the title-deeds. B may recover them from C.
(b) A pledges certain jewels to B to secure a loan. B disposes of them before he is entitled to do so. A, without having paid or tendered the amount of the loan, sues B for possession of the jewels. The suit should be dismissed, as A is not entitled to their possession, whatever right he may have to secure their safe custody.
(c) A receives a letter addressed to him by B. B gets back the letter without A's consent. A has such a property therein as entitles him to recover it from B.
(d) A deposits books and papers for safe custody with B. B losses them, and C finds them but refuses to deliver them to B when demanded. B may recover them from C, subject to C's right, if any, under section 168 of the Contract Act, 1872.
 
(e) A, warehouse-keeper, is charged with the delivery of certain goods to Z, which B takes out of A's possession. A may sue B for the goods.
১০,৩৩৩.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৪০ মূলত কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন
  2. উত্তর প্রদানে সাক্ষী বাধ্যবাধকতা
  3. চরিত্র সম্পর্কিত সাক্ষ্য
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪০: চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষী:
চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষীদের জেরা (cross-examination) এবং পুনরায় জেরা (re-examination) করা যেতে পারে। অর্থাৎ, যদি কোনো সাক্ষী কারো চরিত্রের পক্ষে বা বিপক্ষে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে সেই সাক্ষীকে জেরা এবং পুনরায় জেরা করার অধিকার দুই পক্ষেরই থাকে।

Section 140- Witnesses to character:
Witnesses to character may be cross-examined and re-examined.
১০,৩৩৪.
Who must sign or initial the amendments made in a memorandum of appeal?
  1. Only the court clerk
  2. The appellant
  3. Only the Judge
  4. The Judge or an officer appointed by him
ব্যাখ্যা

Order 41 Rule-3: Rejection or amendment of memorandum:
1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection.
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।

১০,৩৩৫.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ আছে?
  1. ২৩
  2. ২৯
  3. ৩৩
  4. ৩৭
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৯ অনুচ্ছেদের বিধান আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদ- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- জব্দ করার তারিখ থেকে।
----------
⇒ limitation Act-1908 Schedule-1 Article 29: For compensation for wrongful seizure of moveable property under legal process - One year from the date of Seizure.
১০,৩৩৬.
'ক' ৬ মাস আগে একজন গৃহকর্মী নিযুক্ত করেছিল। কিন্তু সেই গৃহকর্মী ৩ মাস পর কাজ করার পর, পরবর্তীতে কাজ করতে অসম্মতি জানায়। তবুও 'ক' তাকে জোর করে কাজ করাতে বাধ্য করে। এক্ষেত্রে 'ক' কোন ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।


(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।

Section 374- Unlawful compulsory labour:

(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year.

Explanation- In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949.
১০,৩৩৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩৫ক অনুযায়ী ক্ষতিপূরণমূলক খরচের সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. সীমাহীন
  2. ১০,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান: মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি বা আত্মপক্ষ সমর্থনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
১) যদি কোন মোকদ্দমা অথবা জারির কর্মপদ্ধতিসহ অন্য কার্যক্রমে, কিন্তু আপিলে নয়, কোন পক্ষ দাবিতে অথবা জবাবে এই জন্য আপত্তি প্রদান করে যে, দাবি কিংবা জবাব, অথবা উহার কোন পার্ট, মিথ্যা বা বিরক্তিকর, এবং তৎপরবর্তীতে ঐরূপ দাবি কিংবা জবাবকে মিথ্যা অথবা বিরক্তিকর হিসাবে ধারণা প্রদান করার কারণ লিপিবদ্ধ করার পর ক্ষতিপূরণ হিসাবে আপত্তিকারীকে খরচা প্রদান করার আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এতিয়ারের পরিসীমা অতিক্রান্ত না করে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।

২) এই ধারার অধীন তাতে বর্ণিত কারণে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে ঐ দাবি কিংবা জবাব সম্পর্কে তাকে ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হবে না।

৩) মিথ্যা কিংবা বিরক্তিকর দাবি অথবা জবাবের নিমিত্তে উক্ত ধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত খরচার পরিমাণ পরবর্তী খেসারত অথবা ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ঐরূপ দাবি অথবা জবাব সম্পর্কে বিবেচনায় রাখতে হবে।

১০,৩৩৮.
নিম্নের কোনটি বিচার্য বিষয়ের প্রকারভেদ?
  1. ঘটনাগত বিচার্য বিষয়
  2. আইনগত বিচার্য বিষয়
  3. উভয়ই
  4. উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-১ বিচার্য বিষয় প্রণয়ন:
(১) যখন কোন ঘটনার বা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একপক্ষ দুঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

(২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলতে আইনগত বা তথ্যসংক্রান্ত সেই সমস্ত বিষয় বুঝাবে, বাদী কর্তৃক তার মামলা করার অধিকার প্রতিপন্ন করার জন্য যে বিষয়ে অভিযোগ আনয়ন করতে হবে, অথবা বিবাদী কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য যে বিষয়ের উপর নির্ভর করতে হবে।

(৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করে।

(৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকার : ক) তথ্যগত বা ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইনগত বিচার্য বিষয়।
১০,৩৩৯.
'Plea of alibi' এর অর্থ কী?
  1. অপরাধীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করা
  2. অপরাধের সময় অন্যত্র উপস্থিতি
  3. অপরাধে জড়িত থাকার জন্য অপরাধীকে দোষী সাব্যস্ত করা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।

যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল এবং সুতরাং অপরাধে জড়িত থাকতে পারে না। 'Plea of alibi' হল একটি আইনগত জবাব, যা কোনো অপরাধীকে নিজেকে দোষমুক্ত প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হল "অন্যত্র উপস্থিতি"। এটি হল একটি বিশেষ প্রকৃতির অপরাধমুক্তির প্রমাণ যেখানে প্রসিকিউটরদের দাবিকৃত অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণিত হয়।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কাউকে খুনের অভিযোগ আনা হয়, তাহলে সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে খুনের সময় অন্য কোথাও ছিল এবং তার অনুপস্থিতির প্রমাণ দেখাতে পারে। এটি তাকে দোষী সাব্যস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।
১০,৩৪০.
দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী, দণ্ডাদেশ প্রদানের পর অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা কত? 
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের বিষয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান রয়েছে—
১)  দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়ে অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে।
২️)  যদি আসামি ৬ বছরের বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে।
৩️) যদি আসামি মারা যান, তবে তার সম্পত্তি থেকে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য থাকবে — অর্থাৎ মৃত্যু হলেও দায় মওকুফ হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান-অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য:
- মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশ বলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়,
- তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে;
- অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
----------
- The penal code section-70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.

১০,৩৪১.
দণ্ডবিধির ৩১৭ ধারা অনুসারে, অভিভাবক কর্তৃক কত বছরের কম বয়স্ক শিশুকে পরিত্যাগ করা অপরাধ?
  1. ৯ বছরের
  2. ১২ বছরের
  3. ১৪ বছরের
  4. ১৬ বছরের
ব্যাখ্যা
ধারা ৩১৭ - ১২ বছরের নিচে শিশু সন্তানকে ফেলে যাওয়া বা পরিত্যাগ করা :
যে ব্যক্তি, ১২ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুর পিতা বা মাতা, অথবা ওই শিশুর দেখাশোনার দায়িত্বে নিয়োজিত, সে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে পুরোপুরিভাবে শিশুটিকে পরিত্যাগ করার উদ্দেশ্যে ওই শিশুকে কোনো স্থানে রেখে দেয় বা ফেলে দেয়, তাহলে-
- সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ সাত বছর মেয়াদে কারাদণ্ড, অথবা
- অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

ব্যাখ্যা (Explanation):
এই ধারাটি এমন কোনো বাধা সৃষ্টি করে না যাতে শিশুটি মারা গেলে অপরাধীর বিরুদ্ধে খুন (murder) বা অপরাধজনিত হত্যাকাণ্ড (culpable homicide)-এর অভিযোগে বিচার হওয়া থেকে বিরত রাখা হয়।
১০,৩৪২.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এ মোট কতটি তফসিল (Schedule) অন্তর্ভুক্ত আছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908)-এ মূলত মোট ৫টি তফসিল (Schedules) অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- এই তফসিলগুলো হলো:
→ প্রথম তফসিল (First Schedule): এতে রয়েছে আদেশ (Orders) এবং বিধি (Rules), যা দেওয়ানি মামলার প্রক্রিয়াগত বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তফসিল।
→ দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule): Arbitration সংক্রান্ত ছিল, কিন্তু এটি পরে বাতিল করা হয়।
→ তৃতীয় তফসিল (Third Schedule): ফর্ম বা দাখিলযোগ্য ফরমেট ছিল (Forms), বহু ক্ষেত্রেই এটি প্রয়োগে আসে না।
→ চতুর্থ তফসিল (Fourth Schedule): Court Fees নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয় ছিল।
→ পঞ্চম তফসিল (Fifth Schedule): Certain repeals ও transitional provisions ছিল।
- বর্তমানে কেবল ৩টি তফসিল কার্যকর বা বলবৎ আছে, কারণ কিছু তফসিল সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাতিল বা অপ্রয়োজনে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বলবৎ তফসিল: ৩টি (প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম তফসিলের কিছু অংশ)।
→ তবে প্রশ্নে মোট তফসিলের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর ৫টি।
১০,৩৪৩.
Nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with _______.
  1. due care
  2. attention
  3. due care & attention
  4. None of above
ব্যাখ্যা
ধারা ২(৭)-

‘সরল বিশ্বাস' অর্থে যথার্থ যত্ন কিংবা সাবধানতা ও মনোযোগের সহিত করা হয়নি-এমন কোন কিছুই সরল বিশ্বাসে করা হয়েছে বলে পরিগণিত হবে না।

Section 2(4)
“good faith”: nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with due care and attention.
১০,৩৪৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৭ অনুযায়ী দাখিলী 'Summary Suit' নিষ্পত্তি করতে পারেন কে?
  1. জেলা জজ
  2. যুগ্ম জেলা জজ
  3. সহকারী জজ
  4. সিনিয়র সহকারী জজ
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭: হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি।
বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ। এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ORDER-37:-SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS
Rule-1: Application of Order. This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.
১০,৩৪৫.
কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ যদি ক্ষুদ্র হয়, সাধারণত আদালত কোন আদেশ দিতে পারবে?
  1. সমস্ত অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  2. অসম্পাদিত অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে
  3. চুক্তির যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য ততটুকু অংশ সম্পাদন করার জন্য
  4. 'খ' এবং 'গ' উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে চুক্তির সম্পাদযোগ্য অংশটি অসম্পাদনযোগ্য অংশের চেয়ে বড় হলে (Specific performance of part of contract where part unperformed is small)-
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
 
⇒  সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।

-যেমন- বিল্লাল, খলিলের কাছে ১০০ বিঘা জমি বিক্রির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু পরে অনুসন্ধানে দেখা যায় যে, ঐ ১০০ বিঘার মধ্যে ২ বিঘা জমিতে বিল্লালের দখল নেই। এখানে বিল্লাল ২ বিঘা জমি বিক্রি করতে না পারার কারণে পুরো চুক্তির দায় থেকে রেহাই পাবে না। ৯৮ বিঘা জমি খলিলের কাছে বিক্রি করতে এবং অবশিষ্ট ২ বিঘার জন্য খলিলকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে আদালত বিল্লালকে নির্দেশ দিতে পারবে।
১০,৩৪৬.
তামাদি আইনের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না।
  2. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয় না, অধিকার নষ্ট হয়।
  3. তামাদির দরুন প্রতিকার ও অধিকার উভয়ই নষ্ট হয়।
  4. তামাদির দরুন প্রতিকার ও অধিকার কোনটাই নষ্ট হয় না।
ব্যাখ্যা
⇒  তামাদি আইন অনুসারে প্রতিকার পাওয়ার অধিকার নির্দিষ্ট সময়সীমা উত্তীর্ণ হলে নষ্ট হয়, কিন্তু অধিকার নিজে থেকে ধ্বংস হয় না।
-অর্থাৎ, আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে মামলা না করেন, তবে সেই সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর আপনি আর আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার পাবেন না।
⇒ তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না:

- তামাদির কারণে প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নয়। তামাদি আইন কেবলমাত্র অধিকার ধ্বংস করে না, পরোক্ষভাবে অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে।
- তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান বলে কোন অধিকার সৃষ্টিও হয় না, নষ্টও হয় না। ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত তামাদি আইনের অন্যান্য ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে মামলা করে আইনগত প্রতিকার লাভ করা নিষিদ্ধ হয় থাকে, কিন্তু সংশ্লিষ্ট অধিকার বিদ্যমান থেকেই যায়।
-মামলা-মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য কোনো উপায়ে যদি সেই অধিকার প্রয়োগ করতে পারা যায়, তবে তামাদি আইন সেক্ষেত্রে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে না।
-  তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান বলে কোন অধিকার সৃষ্টিও হয় না, নষ্টও হয় না।
- যদি আদালতের বাইরে অন্য কোন উপায়ে অধিকার প্রয়োগ করা যায়, তাহলে তামাদি আইন বাধা সৃষ্টি করে না।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে তামাদি আইনের ক্ষেত্রে "তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না" কথাটি সঠিক। 
১০,৩৪৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে নিতে পারেন?
  1. অপরাধ স্বীকার করলে
  2. মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে
  3. হাজির হতে অস্বীকৃতি জানালে
  4. মিথ্যা অভিযোগ দিলে
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।

ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না:
অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।

অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে:
শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।

(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।

Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,

- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:

- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
১০,৩৪৮.
কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮ অনুসারে ১২০ দিনের মধ্যে মামলার তদন্তকার্য সম্পন্ন করার বিধানটি-
  1. নির্দেশনামূলক
  2. বিচার-বিবেচনামূলক
  3. বাধ্যতামূলক
  4. নিষেধাজ্ঞামূলক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে। এটি নির্দেশনামূলক। যদি উক্ত ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না হলেঃ

- যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন বা যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন, তিনি অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি [release the accused on bail] দিতে আদেশ দিতে পারেন; যদি না অপরাধটির জন্য শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসরের অধিক কারাবাস হয়; অথবা

- দায়রা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা ১০ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের ক্ষেত্রেও আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।
১০,৩৪৯.
সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণের সর্বোচ্চ কী শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা- সরকারি স্ট্যাম্প জাল করণ:
কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।

১০,৩৫০.
কখন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূন্য হয়?
  1. আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসারিত হলে
  2. চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতীত পর পর ৩টি মিটিং-এ অনুপস্থিত থাকলে
  3. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসাবে পদোন্নত হলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর ৯১ বিধি অনুসারে,
বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূন্য হবে যদি সে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট পদত্যাগ পত্র দাখিল করে পদত্যাগ করে বা আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসারিত হয় বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতীত পর পর ৩টি মিটিং-এ অনুপস্থিত থাকে বা তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসাবে পদোন্নত হয়।

Article-91:
(1) A member of the Bar Council shall vacate his seat if-
(a) he resigns his seat by delivery of his resignation to the Secretary (the resignation being effective from the time it is so delivered); or
(b) he is removed from the roll; or
(c) he is absent for three consecutive meetings of the Bar Council, the interval between the first and the last meeting being of not less than four months;
Provided that a meeting for the absence from which the member has taken permission of the Chairman shall not be regarded as a meeting from which he is absent.
(d) he is elevated as a Judge of the Supreme Court.
 
(2) A member of the Bar Council who is suspended as a Advocate shall not act as a member during the period o his suspension but shall vacate his seat only if hi suspension is for a year or more or covers the whole c his remaining terms as a member.
১০,৩৫১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৩৭ অনুযায়ী, রাস্তায় বা জলপ্রবাহের পথে বাধা সৃষ্টির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩৭ অনুযায়ী, যদি কেউ রাস্তায় বা জলপ্রবাহের পথে বাধা সৃষ্টি করে, তবে সেই কারণে ক্ষতিপূরণের মামলা করা যাবে।
- তামাদি মেয়াদ: ৩ বছর।
- সময় গণনা শুরু হবে: যেদিন বাধা সৃষ্টি করা হয়, সেই তারিখ থেকে।
 সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) ৩ বছর।
১০,৩৫২.
নিচের কোন বিষয়টি প্রমান করার প্রয়োজন হয় না?
  1. স্বীকৃতি
  2. অনুমিত বিষয়াদি
  3. জুডিশিয়াল নোটিশ
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ Presumption বা অনুমান হল এমন একটি পারলা যার মাধ্যমে আদালত কোন নির্দিষ্ট বিষয় বা সাক্ষ্য সম্পর্কে কোন নির্দিষ্ট ধারণা করবে যতক্ষণ পর্যন্ত না উক্ত ধারণার সভ্যত আশ্রমাণিত হয়। আইনে প্রাক্-প্রত্যয় বা অনুমান এমন একটি নিয়ম যার মাধ্যমে একটি ঘটনা অন্য একটি ঘটনার প্রমাণ হিসেরে স্বীকৃত হয় (Presumption means an inference drawn from a particular fact about another fact)
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায় 'Presumption' সম্বন্ধে বিধান বর্ণিত আছে। তাছাড়া সাক্ষ্য আইনের ৪১, ৭৯ থেকে ৯০ এবং ১১৪ ধারাতেও 'Presumption'-এর বিধান রয়েছে।Presumption বা অনুমান প্রমানের প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
১০,৩৫৩.
যুগ্ম দায়রা জজ আসামীকে ৬ বছরের কারাদণ্ড দিলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি হাইকোর্টে আপীল করে। এই ক্ষেত্রে আপীলকারী মারা গেলে আপীলটি-
  1. খারিজ হবে
  2. পণ্ড বা বাতিল হবে (abatement)
  3. চলমান থাকবে
  4. স্থগিত থাকবে
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- যেহেতু কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে, তাই আপীলটি করেছে আসামী। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপীলকারী মারা যাওয়া অর্থ হলো আসামী মারা যাওয়া। তাই আপীলটি বাতিল হবে।
১০,৩৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২০ অনুযায়ী, জেলে থাকা আপিলকারী তার আপিল দরখাস্ত কাকে দাখিল করবে?
  1. পুলিশ সুপারকে
  2. সরাসরি আদালতে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২০ অনুসারে, জেলে অবস্থানরত ব্যক্তি তার আপিলের দরখাস্ত এবং রায়ের নকল জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবেন, এবং তিনি তা যথাযথ আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২০ ধারার অধীনে দায়ের করা আপিলকে জেল আপিল বলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২০ ধারার বিধান আপিলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
- আপিলকারী জেলে থাকলে আপিলের নকলসহ তার আপিলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপিল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 420. Procedure when appellant in jail:
-If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
১০,৩৫৫.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা যায় না।
  1. আপীলযোগ্য মামলায়
  2. আপীলযোগ্য মামলায় আপীল না করা হলে
  3. অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৯(৫) মতে- আপীলযোগ্য মামলায় আপীল করতে হবে রিভিশন করা যাবেনা।
• আবার যেক্ষেত্রে আপীল করার বিধান আছে, কিন্তু আপীল করা হয়নি, সেই ক্ষেত্রে যে পক্ষ আপীল করতে পারতো, সেইপক্ষ রিভিশন করতে পারবে না।
১০,৩৫৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার বিধান ব্যতীত চুক্তির অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যায় না?
  1. ১৪ ধারার
  2. ১৫ ধারার
  3. ১৬ ধারার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৭ মোতাবেক, ধারা ১৪,১৫,১৬ এই তিনটি ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার বিধান: অন্যান্য ক্ষেত্রে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা:-
পূর্ববর্তী তিনটি (১৪,১৫,১৬) ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।
----------------
SR Act- Section-17. Bar in other cases of specific performance of part of contract:
-The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.
১০,৩৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী দায়রা আদালত কত মাসের কারাদণ্ড দিলে আপিল করা যাবে না?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৩ স্পষ্টভাবে বলে—যদি দায়রা আদালত (Court of Session) ১ মাসের বেশি নয় এমন কারাদণ্ড দেয়, অথবা যদি দায়রা আদালত, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর অন্য ম্যাজিস্ট্রেট ৫০০০ টাকার বেশি নয় এমন অর্থদণ্ড আরোপ করে, তাহলে সেই তুচ্ছ মামলার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases]:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০০০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding five thousand Taka only. 
Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.

১০,৩৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা অনুযায়ী দলিল বাতিল করা হলে কে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হবে?
  1. দলিলের উভয় পক্ষ
  2. সরকার
  3. দলিল বিলুপ্তির রায় প্রাপ্ত পক্ষকে
  4. যে পক্ষের প্রতিকূলে দলিলটি বাতিল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা,৪১, যে পক্ষের জন্য দলিল বাতিল করা হইয়াছে সেই পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশদানের ক্ষমতা:লিল বাতিলের রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে এইরূপ প্রতিকার প্রদান করিয়াছে, সেই পক্ষকে ন্যায়বিচারের স্বার্থে অপরপক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ প্রদান করিতে পারবে।
---------------------
The Specific Relief Act,1877, Section 41, Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation: On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

১০,৩৫৯.
মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময় যদি আদালত মনে করে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আইন বা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই, তাহলে আদালত রায় ঘোষণা করতে পারে দেওয়ানী কার্যবিধির .... এর অধীন।
  1. আদেশ ১৭ বিধি ১
  2. আদেশ ১৫ বিধি ১
  3. আদেশ ১৪ বিধি ১
  4. আদেশ ১৬ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আাদেশ ১৫ এর বিধি ১ অনুযায়ী মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময় যদি আদালত মনে করে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আইন বা ঘটনা সংক্রান্ত কোনবিচার্য বিষয় নেই, তাহলে আদালত রায় ঘোষনা করতে পারে।
১০,৩৬০.
যদি কেউ অন্য ব্যক্তির চলার পথ অবরোধ করে, তবে এটি কোন অপরাধের অধীনে আসে?
  1. ভীতি প্রদর্শন
  2. আক্রমণ
  3. অন্যায়ভাবে আটকানো
  4. অপরাধমূলক বল প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা অনুযায়ী,
অন্যায়ভাবে আটকে রাখা (Wrongful Restraint) হলো, যখন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কোনো ব্যক্তির পথ অবরুদ্ধ করে, যাতে সেই ব্যক্তি সেই পথে চলাচল করতে না পারে, যেখানে তার আইনত চলার অধিকার রয়েছে।

এই ধারার ব্যতিক্রম:
যদি কেউ সৎভাবে বিশ্বাস করে যে, তার নির্দিষ্ট ভূমি বা জলের ওপর পথ অবরুদ্ধ করার অধিকার আছে, তাহলে সেই অবরোধ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।

উদাহরণ:
A এমন একটি পথ বন্ধ করে দেয়, যেটি Z-এর পক্ষে চলাচল করার অধিকার রয়েছে, এবং A বিশ্বাস করে না যে তার পথ বন্ধ করার অধিকার আছে। ফলে Z ওই পথ দিয়ে যেতে পারে না। সুতরাং, A অন্যায়ভাবে Z-কে আটকে রেখেছে।
১০,৩৬১.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর কত ধারায় ডিক্রি কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৩৯ ধারা
  2. ৪১ ধারা
  3. ৪২ ধারা
  4. ৪৩ ধারা
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮–এর ধারা ৪১: কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন:
যে আদালতে কোনো ডিক্রি কার্যকর করার জন্য পাঠানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রিটি কার্যকর করার পর বা যদি কার্যকর করতে ব্যর্থ হয় তবে সেই ব্যর্থতার কারণসমূহ উল্লেখ করে যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে তাকে সে বিষয়ে প্রত্যয়ন (সার্টিফিকেট) প্রদান করবে।

[The Court to which a decree is sent for execution shall certify to the Court which passed it the fact of such execution, or where the former Court fails to execute the same the circumstances attending such failure.]

১০,৩৬২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন তফসিলে আদেশসমূহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২টি অংশ-
প্রথম অংশ- ধারা [Sections]- মোট ১৫৮ টি ধারা।
দ্বিতীয় অংশ-তফসিল [Schedules]- মোট ৩ টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে।

• তফসিলসমূহ (Schedules)-
প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ। মোট ৫১টি আদেশ আছে।
দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল।
তৃতীয় তফসিল: কালেক্টর কর্তৃক ডিক্রি জারি।
চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ।
পঞ্চম তফসিল: বাতিল।
১০,৩৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৩ অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে দলিলের অস্পষ্টতা দূর করার জন্য প্রমাণ দেওয়া যাবে না?
  1. দলিলের ভাষা স্পষ্ট হলে
  2. দলিলের তারিখ ভুল হলে
  3. দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করতে
  4. দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হলে
ব্যাখ্যা

→ উত্তর: ঘ) দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হলে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯৩ বলছে:
“যখন কোন দলিলের ভাষা তার নিজের মধ্যেই (on its face) অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তখন তথ্য বা সাক্ষ্য উপস্থাপন করে সেই অর্থ পরিষ্কার করা বা ত্রুটি পূরণ করা যাবে না।”
অর্থাৎ, দলিলটি যদি প্রথম দেখাতেই এমন হয় যে তাতে দ্ব্যর্থবোধকতা বা ভুল রয়েছে,
তাহলে আদালত বাইরের কোনো প্রমাণ গ্রহণ করবে না সেই অস্পষ্টতা দূর করতে।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 93. Exclusion of evidence to explain or amend ambiguous document:
- When the language used in a document is, on its face, ambiguous or defective, evidence may not be given of facts which would show its meaning or supply its defects.

Illustrations:
(a) A agrees, in writing, to sell a horse to B for Taka 1,000 or Taka 1,500. Evidence cannot be given to show which price was to be given.
(b) A deed contains blanks. Evidence cannot be given of facts which would show how they were meant to be filled.

১০,৩৬৪.
প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন?
  1. দশ বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. তিন বছর
  4. দুই বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (Metropolitan Magistrate বা Magistrate of the First Class) সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। এছাড়াও তারা সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং চাবুকের দণ্ড দিতে পারেন (যদি আইন অনুমোদন করে)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান: (১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথা:
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকা অর্থদণ্ড।
২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যে-সব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোনো আইনসংগত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 32.Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:-
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping.
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka;
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two thousand taka.
(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
১০,৩৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি-
  1. সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে
  2. রিসিভার নিয়োগ করবে
  3. বাদীর মালিকানাধীন হবে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৭) ধারা মতে ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রি- পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে এবং আদালত উপযুক্ত মনে করলে যে কোন সময় ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ প্রদান করতে পারে।
- তবে হুলিয়া জারির ৬ মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত এবং কোন আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দেয়া হয় না। কিন্তু ক্রোকের সম্পত্তি প্রাণী সম্পদ অথবা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত তা অবিলম্বে বিক্রির আদেশ দিবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারা মতে পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না;
তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
---------
CrPC Section-88(7) If the proclaimed person does not appear within the time specified in the proclamation, the property under attachment shall be at the disposal of the Government, but it shall not be sold until the expiration of six months from the date of the attachment and until any claim preferred or objection made under sub-section (6A) has been disposed of under that sub-section, unless it is subject to speedy and natural decay, or the Court considers that the sale would be for the benefit of the owner, in either of which cases the Court may cause it to be sold whenever it thinks fit.
১০,৩৬৬.
সত্যায়িত অবিকল নকল বিষয়ে আদালতের অনুমান কেমন হবে?
  1. আদালত এটির সঠিকতা নিয়ে অনুমান করবে না
  2. আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক এবং এর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ দেওয়া যাবে না
  3. আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক যতক্ষণ না এটিকে ভুল প্রমাণ করতে পারে
  4. আদালত ইচ্ছে করলে এটিকে সঠিক বলে ধরে নিতে পারে
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৭৯ ধারায় সত্যায়িত কপির presumptive value উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত এটিকে অবশ্যই সঠিক বলে ধরে নিবে। এই ধারায় shall presume শব্দমালা ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ অবশ্যই অনুমান করবে। তবে এটি ভুল প্রমাণে সাক্ষ্যপ্রমাণ দেওয়ার সুযোগও দিবে। তাই উত্তর ক,খ, ঘ ভুল।
১০,৩৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারার অনুযায়ী, এক বছরের মধ্যে একই ধরনের তিনটি অপরাধ সংঘটিত হলে কী করা যাবে?
  1. একসাথে অভিযোগ গঠন করা যাবে
  2. আলাদা আলাদা মামলা গঠন করা হবে
  3. অপরাধীকে একাধিক দণ্ড দেওয়া হবে
  4. অপরাধীকে একবারে খালাস দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোন ব্যক্তি একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে সংঘটিত করে, তবে সেগুলিকে একত্রে অভিযোগ গঠন করে একটি মামলায় বিচার করা যাবে, যদি অপরাধগুলি একই ধরনের এবং একই পরিমাণ দণ্ডনীয় হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-
- যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক,তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই নামানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে।
তবে শর্ত এই যে,এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোনো ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা,একই ধরনের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।
---------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three.
(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law:
Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.
১০,৩৬৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারার বিধান অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সংক্রান্ত মামলা কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. যেখানে আদালতের নির্দেশ দেয়
  2. যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত
  3. যেখানে বাদী বাস করে
  4. যেখানে বিবাদী বাস করে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ১৬ ধারা অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সংক্রান্ত মামলা যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত, সেই আদালতে দায়ের করতে হবে। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো মামলার বিষয়বস্তুর সাথে সম্পত্তির অবস্থানের সরাসরি সম্পর্ক থাকায়, মামলার সুবিধাজনক স্থান নির্ধারণ করা।
- এই ধারায় উল্লেখিত মামলাগুলির মধ্যে স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, বাটোয়ারা, বন্ধক, ক্ষতিপূরণ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এই ধরনের মামলাগুলি সম্পত্তির অবস্থান অনুযায়ী নির্দিষ্ট আদালতে দায়ের করতে হয়, কারণ সম্পত্তির অবস্থান মামলার বিষয়বস্তুর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত।
১০,৩৬৯.
'Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence' - এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার শিরোনাম?
  1. ৪৬ ধারা
  2. ৩৮ ধারা
  3. ৩৭ ধারা
  4. ৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
• Section 30- Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.

Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
১০,৩৭০.
খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুযায়ী আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ ________?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১৮০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
♦প্রশ্নটি লেখাতে ভুল আছে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধিতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার তামাদির মেয়াদ ৬০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে ৪১৭ (৩)) এবং এই সময় শুধুমাত্র নালিশকারী কর্তৃক খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের সময় ৬ মাস উল্লেখ করা হয়েছে তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ অনুচ্ছেদে এবং এই সময় শুধুমাত্র পাবলিক প্রসিকিউটর কর্তৃক খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। প্রশ্নটি সঠিক হবে যদি ৬ মাসের পরিবর্তে ৬০ দিন উত্তর করা হয় বা প্রশ্নে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর পরিবর্তে the Limitation Act, 1908 লেখা হয়। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ বা পাবলিক প্রসিকিউটর আপীল করলে, আপীল করার তামাদির মেয়াদ ৬ মাস। কিন্তু সি.আর মামলায় নালিশকারী বা অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করলে আপীল করার তামাদির মেয়াদ ৬০ দিন।
♦অর্থাৎ খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়। [ধারা ৪১৭(৩)] এবং খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে। [অনুচ্ছেদ ১৫৭, তামাদিআইন, ১৯০৮]
♦সুতরাং প্রশ্নটির সব কিছু বিবেচনা করে উত্তর ৬ মাস গ্রহণ করা হল।
১০,৩৭১.
তামাদি আইনের অধীনে বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bill of Exchange) বলতে কী অর্ন্তভুক্ত হবে?
  1. চেক
  2. হুন্ডি
  3. যে কোন হস্তান্তর যোগ্য দলিল
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ২(২) অনুযায়ী-
 হুন্ডি এবং চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ-এর অন্তর্ভুক্ত হয়।

Section 2(2)
“bill of exchange” includes a hundi and a cheque.
১০,৩৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি কোন ভাষায় লিপিবদ্ধ করতে হবে?
  1. ইংরেজি ভাষায়
  2. আদালতের ভাষায়
  3. অভিযুক্তের ভাষায়
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অনুযায়ী, অভিযুক্তের জবানবন্দি যে ভাষায় গ্রহণ করা হবে, সে ভাষায়ই তা লিপিবদ্ধ করতে হবে। যদি অভিযুক্তের ভাষায় এটি সম্ভব না হয়, তাহলে আদালতের ভাষায় বা ইংরেজি ভাষায় জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা যাবে। এছাড়া, অভিযুক্ত যদি ওই ভাষাটি না বোঝে, তবে তাকে বুঝানোর জন্য অন্যান্য ভাষায় ব্যাখ্যা দিতে হবে। তাই, সঠিক উত্তর হল "উপরের সবকটি" ভাষা ব্যবহার করা হতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 364. Examination of accused how recorded:
(1) Whenever the accused is examined by any Magistrate, or by any Court other than High Court Division the whole of such examination, including every question put to him and every answer given by him, shall be recorded in full, in the language in which he is examined, or, if that is not practicable, in the language of the Court or in English: and such record shall be shown or read to him, or, if he does not understand the language in which it is written, shall be interpreted to him in a language which he understands, and he shall be at liberty to explain or add to his answers. 
(2) When the whole is made conformable to what he declares is the truth, the record shall be signed by the accused and the Magistrate or Judge of such Court, and such Magistrate or Judge shall certify under his own hand that the examination was taken in his presence and hearing and that the record contains a full and true account of the statement made by the accused. 
(3) In cases in which the examination of the accused is not recorded by the Magistrate or Judge himself, he shall be bound, as the examination proceeds, to make a memorandum thereof in the language of the Court, or in English, if he is sufficiently acquainted with the latter language; and such memorandum shall be written and signed by the Magistrate or Judge with his own hand, and shall be annexed to the record. If the Magistrate or Judge is unable to make a memorandum as above required, he shall record the reason of such inability. 
(4) Nothing in this section shall be deemed to apply to the examination of an accused person under section 263.
১০,৩৭৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩২ ধারার বিধান কি?
  1. হাজির না হলে দন্ড
  2. আরজি ফেরত
  3. বিদেশে সমন জারি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর  ৩২ ধারার বিষয়বস্তু হলো ৩০ ধারা অনুযায়ী সমন দেওয়া হলে হাজির না হলে দন্ড।

যদি সমন দেওয়ার পরও হাজির না হলে ৪ ধরনের দন্ড দেওয়া যায়।

• গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি

• সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়

• অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা

• হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ
১০,৩৭৪.
"Actus non facit reum nisi mens sit rea" এর অর্থ কী?
  1. অপরাধী মন ছাড়া অপরাধ সংঘটিত হয় না
  2. অপরাধমূলক কার্য ছাড়া দুষ্ট মন অপরাধ সৃষ্টি করে
  3. অপরাধমূলক কার্য ছাড়া অপরাধ সংঘটিত হয় না
  4. দুষ্ট মন এবং অপরাধমূলক কার্য ছাড়া অপরাধ সংঘটিত হয়
ব্যাখ্যা
সাধারণভাবে অপরাধের প্রয়োজনীয় উপাদান হলো দুইটি। একটি Mens rea বা দুষ্ট মন বা Guilty mind, অন্যটি Actus rea বা অপরাধমূলক কাজ বা Guilty act। খুব বিখ্যাত একটি ম্যাক্সিম আছে আইনে : “Actus non facit reum nisi mens sit rea” যার মানে হলো – দুষ্ট মন বা অপরাধী মন ছাড়া কোনো অপরাধ হতে পারে না। অর্থাৎ একটি অপরাধের ইচ্ছা থাকতে হবে অপরাধকারীর। তা না হলে সেটা অপরাধ বলে গণ্য হবে না। কিন্তু শুধুমাত্র দুষ্ট মন বা অপরাধের ইচ্ছা কিন্তু একটি অপরাধকে সংঘটিত করে না। এটার জন্য তৎপরতা বা কার্য দরকার। এটাই হলো Actus rea বা কার্য।

এককথায় এভাবে বলা যায় – 
যদি কোনো অপরাধের ইচ্ছা (দুষ্ট মন বা Mens rea) নিয়ে কেউ কোনো সমাজ-রাষ্ট্র-ব্যক্তির প্রতি ক্ষতিকর কিছু করে (Actus rea) যা কিনা আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তবেই একটি অপরাধ সংঘটিত হয়। প্রত্যেকটি অপরাধের ক্ষেত্রে এই সমস্ত কিছুর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। এগুলো ছাড়া কোনো অপরাধ সংঘটিত হতে পারে না।

সুতরাং আমরা অপরাধের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোকে বলতে পারি এভাবে –
১. Mens rea বা দুষ্ট মন বা Guilty mind;
২. Actus rea বা অপরাধমূলক কাজ বা Guilty act;
৩. বিদ্যমান আইনে তা অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত হবে ও  আইনে তা শাস্তিযোগ্য হতে হবে।
১০,৩৭৫.
তামাদি আইনে কোন সম্পত্তিতে দখল লাভের মামলা করার যে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেয়া হয়েছে, তা অতিবাহিত হয়ে গেলে উক্ত সম্পত্তিতে-
  1. বিবাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
  2. বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
  3. বাদীর অধিকার বহাল থাকবে
  4. বাদীর অধিকার নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে
ব্যাখ্যা
কোন সম্পত্তিতে দখল লাভের জন্য মামলা করার বিষয়ে এই আইনে যে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে, তা অতিবাহিত হবার পর উক্ত সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

• তামাদি আইনে ২৬-২৮ ধারায় মালিকানা অর্জনের ২টি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে-
১) সুখাধিকার (Easement) 
২) প্রেসক্রিপশন (Law of Prescription)

• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮ (সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি)-
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property-
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
১০,৩৭৬.
কোন আইনের মাধ্যমে 'চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন' করা সম্ভব?
  1. সাক্ষ্য আইন
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি।
  3. তামাদি আইন
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
ব্যাখ্যা
⇒ যে সকল চুক্তি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করা যেতে পারে, সেগুলো সম্বন্ধে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। দেওয়ানী আদালত স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ৪ টি ক্ষেত্রে বা ৪ ধরনের চুক্তিকে সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করাতে পারেন বা আদালতে চুক্তি প্রবলের মামলা করে ৪ ধরনের চুক্তি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করা যায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার জন্য মামলা করা যায়:
(১) সম্পত্তিটি যদি সম্পূর্ণ/আংশিক ট্রাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়,
(২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হল,
(৩) টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হল,
(৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।

- অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মাধ্যমে 'চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন' করা সম্ভব।
১০,৩৭৭.
জনসাধারণ বা দশের অধিক ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধ সংঘটনে সহায়তাকরণে শাস্তি কি?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১১৭ ধারার বিধান জনসাধারণ বা দশজনের অধিকসংখ্যক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্যকরণ :- জনসাধারণ দ্বারা অথবা দশজনের অধিক সংখ্যক ব্যক্তি বা ব্যক্তিগোষ্ঠী দ্বারা অপরাধ সংঘটনে কেউ সাহায্য করলে তাকে তিন বৎসর পর্যন্ত কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

------------------------------
♦ Abetting commission of offence by the public, or by more than ten persons
Section 117. Whoever abets the commission of an offence by the public generally or by any number or class of persons exceeding ten, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১০,৩৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ক ধারা মূলত কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জামিনের নিয়ম
  2. সাক্ষ্য প্রমাণের পদ্ধতি
  3. মামলার রায় প্রদান
  4. অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান-
(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জন আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
১০,৩৭৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮ অনুসারে, ডিক্রি কার্যকরের জন্য আবেদনের সময়সীমা কত?
  1. ডিক্রির তারিখ থেকে ৩ বছর
  2. ডিক্রির তারিখ থেকে ৬ বছর
  3. ডিক্রির তারিখ থেকে ১২ বছর
  4. কোনো সময়সীমা নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী, একটি ডিক্রি কার্যকর করার আবেদন সাধারণত ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে করতে হয়। এই ১২ বছরের পরে সাধারণত আর সেই ডিক্রি কার্যকর করা যায় না, যদি না আইন বা আদালতের বিশেষ আদেশে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:- নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনা মতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 48 Limit of Time for Execution:
 Execution barred in certain cases: (1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from
(a) the date of the decree sought to be executed, or,
(b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree.

(2) Nothing in this section shall be deemed:
(a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or
(b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.
১০,৩৮০.
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদান আদালতের জন্য_______।
  1. বাধ্যতামূলক
  2. ইচ্ছাধীন
  3. ক এবং খ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) বলতে ঐ সকল প্রতিকারকে বোঝায় যা কোন ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিধান মোতাবেক সুনির্দিষ্টভাবে পাওয়ার অধিকারী। 
♦ এই প্রতিকার সমূহ কেউ অধিকারবলে দাবী করতে পারবেন না; ইহা আদালতের ইচ্ছার(discretion) উপর নির্ভর করে থাকে। এই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা বা নামঞ্জুর করা আদালতের ইচ্ছাধীন বা সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power)। আইনটির ২২ ধারা আদালতকে এই ক্ষমতা অর্পণ করেছে। অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে আদালতকে আইন দ্বারা বাধ্য করা যায়না। পরিস্থিতি বিবেচনায় আদালত ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। তবে আদালতের এই ইচ্ছাধীন বা সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই স্বেচ্ছাচারীতামূলক হবে না বরং ন্যায় বিচার সহায়ক হবে।
১০,৩৮১.
নিচের কোনটি দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী "প্ররোচনা" (Abetment)-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অন্যকে অপরাধ করতে উসকানি দেওয়া
  2. অপরাধের পর অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া
  3. অপরাধ সংঘটনের জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়া
  4. অপরাধ করার জন্য সচেতনভাবে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০৭ অনুসারে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment) গঠিত হয় তিনটি উপায়ে:
১. উসকানি (Instigation) – অন্য কাউকে অপরাধ করতে উদ্বুদ্ধ করা।
২. ষড়যন্ত্র (Conspiracy) – অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হওয়া এবং সেই ষড়যন্ত্র অনুসারে কাজ ঘটলে।
৩. ইচ্ছাকৃত সাহায্য (Intentional aid) – অপরাধ সংঘটনে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কাজ বা বেআইনি বাদপ্রদানের মাধ্যমে সাহায্য করা।
- অপরাধের পর অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া ধারা ১০৭-এর অধীনে প্ররোচনার (Abetment) অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি অপরাধ সংঘটনের পর সাহায্য করে। এটি একটি পৃথক অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে, কিন্তু মূল অপরাধের প্ররোচনা (Abetment) নয়।

⇒ অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
-  যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing: 
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.

১০,৩৮২.
The Evidence Act, 1872 এর ৪১ ধারার বিধানমতে কয় শ্রেণির এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালতের রায় চূড়ান্ত প্রমাণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২ শ্রেণির
  2. ৪ শ্রেণির
  3. ৫ শ্রেণির
  4. ৮ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ৪১ ধারার বিধানমতে  ৪ শ্রেণির এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালতের রায়কে চূড়ান্ত প্রমাণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলো – Probate, matrimamonial, Admiralty এবং Insolvency jurisdiction.
১০,৩৮৩.
'ক', গ্রন্থস্বত্ব লংঘনের কারণে 'খ' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। এক্ষেত্রে কত দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. লঙ্ঘনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে
  2. লঙ্ঘনের তারিখ হতে ২ বছরের মধ্যে
  3. লঙ্ঘনের তারিখ হতে ১ বছরের মধ্যে
  4. লঙ্ঘনের তারিখ হতে ৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• মৌলিক সৃষ্টিকর্মের মালিকানা বা সত্ত্বাধিকারী নিশ্চিত করাই হচ্ছে কপিরাইট।
সাহিত্য বা যেকোনো লেখা, শিল্পকর্ম, সংগীত, চলচ্চিত্র, স্থাপত্য, আলোকচিত্র, ভাস্কর্য, লেকচার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, নকশা অর্থাৎ যা কিছু মৌলিকভাবে তৈরি করা হবে, সবকিছুই কপিরাইটের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৪০
গ্রন্থস্বত্ব [Copyright] বা অন্য কোন বিশেষ সুবিধা লঙ্ঘনের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি হচ্ছে লঙ্ঘনের তারিখ হতে - ৩ বৎসর
১০,৩৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারায় কী উল্লেখ আছে?
  1. Arbitration
  2. Mediation
  3. Special provisions for mediation
  4. Mediation in Appeal
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒  Section 89C Mediation in Appeal: (1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
১০,৩৮৫.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা [Representative suit] দায়ের করা যেতে পারে-
  1. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  3. বিবাদীর অনুমতি সাপেক্ষে
  4. কারো অনুমতি নিষ্প্রয়োজন
ব্যাখ্যা
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা [Representative suit] তে আদালতের অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-

1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১০,৩৮৬.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল বিধিমালা, ১৯৭২ এর ২৮ বিধি অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের প্রথম সভা কবে মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে হবে?
  1. নির্বাচনের ৩ মাস পর
  2. মেয়াদ শুরুর ৭ দিনের মধ্যে
  3. মেয়াদ শুরুর ১৫ দিনের মধ্যে
  4. মেয়াদ শুরুর ১ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল বিধিমালা, ১৯৭২-এর বিধি ২৮ অনুযায়ী, একটি বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়া বাধ্যতামূলক। এই সভা আহ্বান করবেন বার কাউন্সিলের সম্পাদক, এবং সভায় ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972: Rules-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convené such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.
১০,৩৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪ক অনুসারে, যদি কোনো মামলা পক্ষের আবেদনে স্থানান্তর করা হয়, তাহলে উপস্থিতির তারিখ কে নির্ধারণ করবে?
  1. উকিলরা নিজেরা স্থির করবে
  2. যে আদালত স্থানান্তর আদেশ দিয়েছে
  3. যে আদালতে মামলা স্থানান্তর করা হয়েছে
  4. মামলার পক্ষগণ নিজেরা স্থির করবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪ক(১) এর মাঝে বলা আছে যে, যখন ধারা ২২ এর অধীনে কোন মামলা স্থানান্তর করা হয় অথবা ধারা ২৪(১) এর অধীনে কোন মামলা, আপিল বা অন্য কার্যক্রম পক্ষের আবেদনে স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়, তখন যে আদালত স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ দিয়েছে সেই আদালতই পক্ষদের উপস্থিতির তারিখ নির্ধারণ করবে। ("the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties")

সুতরাং, উকিল, পক্ষগণ বা স্থানান্তরিত আদালত নয়, বরং স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতই উপস্থিতির তারিখ নির্ধারণ করবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪ক- মোকদ্দমা ইত্যাদি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপস্থিতি:
১) দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে, বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred.

(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.

১০,৩৮৮.
নিম্ন আদালতে নূন্যতম কতদিন প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার যোগ্য হবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল অর্ডার-এর ২১ নং আর্টিকেলে বলা আছে যে নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা না থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার অনুমতি পাবে না।
- অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার জন্য নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
-------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-21. (1) No advocate other than an advocate permitted to practise before the High Court immediately before the commencement of this Order shall be permitted to practise before the High Court unless-
(a) he has practised as an advocate before subordinate courts in Bangladesh for a period of two years;
(b) he is a law graduate and has practised as an advocate before any High Court outside Bangladesh notified by the Government in the official Gazette;
(c) he has, for reason of his legal training or experience, been exempted by the Bar Council from the foregoing requirements of this clause on the basis of the prescribed criteria.

(2) Permission to practise before the High Court shall be given in the form prescribed by the Bar Council on proof that the fee prescribed under Article 22 has been paid and that the relevant condition laid down in clause (1) are duly satisfied.
১০,৩৮৯.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় ম্যাজিস্টেটগণের সাধারণ ক্ষমতার কথা উল্লেখ আছে?
  1. দ্বিতীয় তফসিলে
  2. তৃতীয় তফসিলে
  3. ৪র্থ তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।ফৌজদারী কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
১ম তফসিল- বাতিল।
২য় তফসিল- পেনাল কোডের অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধ ইত্যাদি।
৩য় তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা।
৪র্থ তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা
৫ম তফসিল- ফরমসমূহ।
১০,৩৯০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৭৩ ধারার অধীন দায়রা আদালতের রায় ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি প্রেরণ করতে হবে-
  1. তদন্তকারী পুলিশ বরাবর
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  3. সংশ্লিষ্ট থানার নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. বর্ণিত প্রত্যেকের কাছেই
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ,
⇒ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.
১০,৩৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধির  ___________ অনুযায়ী প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন?
  1. ORDER-XV এর Rule-1
  2. ORDER-XIV এর Rule-1
  3. ORDER-XIV এর Rule-4
  4. ORDER-XV এর Rule-5
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER-XV এর Rule-1 অনুসারে, প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন। এটি তখন ঘটে যখন পক্ষগণ কোন আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন এবং তাদের মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই।

⇒ ORDER-XV, Rule-1 :Parties not at issue.
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
১০,৩৯২.
দেওয়ানি আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করার বিধান আছে-
  1. আদেশ-১৮ বিধি-৪
  2. আদেশ-১৮ বিধি-১৭
  3. আদেশ-১৮ বিধি-১২
  4. আদেশ-১৮ বিধি-১৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ১২ অনুযায়ী, কোন সাক্ষী জবানবন্দি প্রদান কালে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে আচরণ লিপিবদ্ধ করতে পারেন।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
বলা হয়েছে যে, জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। অর্থাৎ যদি কোনো সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।

⇒ আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়,এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]
১০,৩৯৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১ এর কোন বিধি অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারে?
  1. ১০(২)
  2. ১০(১)
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর  বিধি ১০ (২)- আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সঙ্গতঃ বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যর ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিস্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

Order-1 Rule-10(2): The Court may strike out or add parties: 
The court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out, and that the name of any person who ought to have been joined, whether as plaintiff or defendant or whose presence before the Court may be necessary in order to enable the Court effectually and completely to adjudicate upon and settle all the questions involved in the suit, be added.
১০,৩৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় জামিনদারের অব্যাহতির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৬
  2. ধারা ৪৯৭
  3. ধারা ৪৯৮
  4. ধারা ৫০২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০২-এর অধীন জামিনদারের অব্যাহতি (Discharge of sureties)-এর বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, জামিনে মুক্ত ব্যক্তির জামিনদার যেকোনো সময় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করে জামিননামা সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করতে পারেন। আবেদন গ্রহণের পর ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আসামীকে হাজির করান এবং জামিনদারকে অব্যাহতি দেন। আসামী হাজির হলে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলা হয়, ব্যর্থ হলে জেলে প্রেরণ করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি: জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,-Section 502: Discharge of sureties:-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.

১০,৩৯৫.
আদালত কখন একই সঙ্গে দায়িকের ব্যক্তি ও সম্পত্তির উপর ডিক্রি কার্যকর করতে অস্বীকার করতে পারে?
  1. দায়িকের অনুরোধে
  2. বাধ্যতামূলক নির্দেশ থাকলে
  3. ঐচ্ছিক ক্ষমতার ভিত্তিতে
  4. উভয় পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ-২১ বিধি-২১ এর বিধান- যুগপৎ জারি:
আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় একই সঙ্গে দায়িকের ব্যক্তি ও সম্পত্তির উপর ডিক্রি জারি করতে অস্বীকার করতে পারে।

Order-21 Rule-21. Simultaneous execution: 
The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgment debtor.
১০,৩৯৬.
আদেশপত্র [Precept] এর অধীন কোন সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ_____মাসের বেশি থাকবে না?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।
♦ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
১০,৩৯৭.
কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডের সর্বোচ্চ সীমা কতটুকু?
  1. উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
  2. উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
  3. উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-তৃতীয়াশ পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
  4. উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-অস্টমাংশ পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৬৫ ধারার বিধান যেক্ষেত্রে কারাবাস ও অর্থদন্ড বিধেয় সেই ক্ষেত্রে অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাবাসের সীমা:

⇒ আদালত অপরাধীকে অর্থদন্ড অনাদায়ে যে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার আদেশ করবেন, উহার মেয়াদ অপরাধটির জন্য নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ মেয়াদের এক-চতুর্থাংশের বেশি হবে না, যদি অপরাধটি কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডনীয় হয়।
১০,৩৯৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রস্তাবনা অনুসারে আইনটি কোন ধরনের মামলার জন্য প্রযোজ্য?
  1. ফৌজদারি মামলা
  2. দেওয়ানি মামলা
  3. প্রশাসনিক মামলা
  4. সাংবিধানিক মামলা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) এর প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এটি "নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি মামলায় প্রাপ্তিযোগ্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত আইনকে সংজ্ঞায়িত ও সংশোধন করার" জন্য প্রণীত হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেওয়ানি মামলাগুলিতে এমন প্রতিকার প্রদান করা যা আর্থিক ক্ষতিপূরণের পরিবর্তে নির্দিষ্ট অধিকার বা সম্পত্তির পুনরুদ্ধার, চুক্তির বাস্তবায়ন, অথবা অবৈধ দখল থেকে মুক্তি নিশ্চিত করে।
- সুতরাং ​সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) মূলত দেওয়ানি মামলার জন্য প্রযোজ্য। 
​- অর্থাৎ, এটি এমন মামলায় ব্যবহৃত হয় যেখানে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে তার নির্দিষ্ট অধিকার বা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।

​প্রস্তাবনা: যেহেতু কিছু নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি মামলায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত আইন নির্ধারণ এবং সংশোধন করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়; তাই এটি নিম্নরূপ প্রবর্তিত হলো:-
--------
Preamble: WHEREAS it is expedient to define and amend the law relating to certain kinds of specific relief obtainable in civil suits; It is hereby enacted as follows:

১০,৩৯৯.
অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজনের ফলে যদি আসামি বা সরকার পক্ষের ক্ষতি হয় তখন আদালত-
  1. অভিযোগ পরিবর্তন স্থগিত করতে পারেন
  2. বিচার চালিয়ে যাবেন
  3. বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়।অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়,চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারাঃ ২২৯ অনুসারে-
যদি নতুন,পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগ এরূপ হয় যে,আদালতের মতে বিচার  শুরু করার ফলে আসামি বা সরকার পক্ষের ক্ষতি হতে পারে,তাহলে আদালত নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন অথবা প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন।
[If the new or altered or added charge is such that proceeding immediately with the trial is likely, in the opinion of the Court, to prejudice the accused or the prosecutor as aforesaid, the Court may either direct a new trial or adjourn the trial for such period as may be necessary.]
১০,৪০০.
নালিশি মামলায় আসামি খালাস পেলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে _____দিনের মধ্যে আপিল করতে হয় -
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১৮০
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৭ মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে নালিশকারী আপীল করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং পাবলিক প্রসিকিউটর আপীল করতে পারে ৬ মাসের মধ্যে। যেহেতু নালিশী মামলায় খালাস দেওয়া হয়েছে, সেহেতু নালিশকারী ৬০ দিনের মধ্যে আপীল করতে পারবে।