বাংলাদেশের ইতিহাসে
শশাঙ্ক ছিলেন
প্রথম সার্বভৌম রাজা। তিনি বাংলার বাইরেও রাজ্য জয় করে এক বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। শশাঙ্ক উত্তর ভারতের রাজনীতিতেও ভূমিকা পালন করেছিলেন। ড. নীহাররঞ্জনের মতে শশাঙ্ক “স্বতন্ত্র স্বাধীন নরপতিরূপে সুবিস্তৃত রাজ্যের অধিকারী হইয়াছিলেন।”
শশাঙ্কের প্রাথমিক জীবন ও উত্থান:
শশাঙ্কের বংশ বা বাল্যজীবন সম্পর্কে সঠিক কিছু জানা যায় না।
অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন, শশাঙ্ক প্রথম জীবনে স্বাধীন রাজা ছিলেন না, গুপ্ত বংশীয় মহাসেন নামক এক রাজার সামন্ত ছিলেন। শশাঙ্ক কখন এবং কিভাবে গৌড়দেশে সার্বভৌম রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন তাও সঠিকভাবে বলা যায় না।
তবে ষষ্ঠ শতকের শেষের দিকে গৌড়ের পরবর্তী গুপ্তবংশীয় রাজাগণ দুর্বল হয়ে পড়েন।
এ অবস্থার সুযোগ নিয়ে শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ ।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।